বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বৈশ্বিক ইতিহাস, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা, ভূ-রাজনীতি

মোট প্রশ্ন৯,৩৩৪এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বৈশ্বিক ইতিহাস, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা, ভূ-রাজনীতি

PrepBank · পাতা ২২ / ৯৩ · ২,১০১২,২০০ / ৯,৩৩৪

২,১০১.
স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশ নয় কোনটি?
  1. নরওয়ে
  2. গ্রিনল্যান্ড
  3. সুইডেন
  4. ডেনমার্ক
ব্যাখ্যা

⇒ গ্রিনল্যান্ড স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশ নয়।

স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশ:
- স্ক্যান্ডিনেভিয়া হলো ইউরোপের উত্তরে অবস্থিত একটি ভৌগোলিক অঞ্চল।
- স্ক্যান্ডেনেভিয়ান রাষ্ট্র মূলত ৩টি।
- যথা- নরওয়ে, সুইডেন ও ডেনমার্ক।
- তবে ফিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড এবং ফারো আইল্যান্ডকেও অনেক ক্ষেত্রে স্ক্যান্ডিনেভিয়ান রাষ্ট্র হিসেব গণ্য করা হয়।
 
• নর্ডিক অঞ্চল বলতে স্ক্যান্ডেনেভিয়ান দেশ + ফিনল্যান্ড + আইসল্যান্ডকে বুঝায়।
অর্থাৎ, স্ক্যান্ডেনেভিয়ান দেশগুলো আসলে নর্ডিক অঞ্চলের মধ্যে পরে।

• নর্ডিক অঞ্চলভূক্ত দেশ ৫টি।
যথা - আইসল্যান্ড, ডেনমার্ক, নরওয়ে, সুইডেন এবং ফিনল্যান্ড।

তথ্যসূত্র - Worldatlas.com ও Britannica.com

২,১০২.
'মিসরাতা' কোন দেশের শহর?
  1. আলজেরিয়া
  2. লিবিয়া
  3. ইয়েমেন
  4. ইরাক
ব্যাখ্যা

লিবিয়া:
- লিবিয়া উত্তর আফ্রিকাতে ভূমধ্যসাগরের দক্ষিণ তীরে অবস্থিত একটি দেশ, যার বেশিরভাগ অংশ সাহারা মরুভূমির মধ্যে পড়ে।
- লিবিয়ার উত্তরে ভূমধ্যসাগর, পূর্বে মিশর, দক্ষিণ-পূর্বে সুদান, দক্ষিণে চাদ ও নাইজার, এবং পশ্চিমে আলজেরিয়া ও তিউনিসিয়া অবস্থিত।
- ভূমধ্যসাগরের তীরে অবস্থিত ত্রিপোলি শহর লিবিয়ার বৃহত্তম শহর ও রাজধানী।
- মিসরাতা লিবিয়ার বন্দরনগরী।
-মিসরাতা রাজধানী থেকে পূর্বে প্রায় ২০০ কিলোমিটার দূরে।
- আয়তন: ৬৪৭,১৮৪ বর্গ মাইল (১,৬৭৬,১৯৮ বর্গ কিমি)।
- ভাষা: আরবি (সরকারি); ইতালীয় এবং ইংরেজি।
- ধর্ম: ইসলাম (সরকারি; প্রধানত সুন্নি) ও এছাড়াও খ্রিস্টধর্ম।
- মুদ্রা: লিবিয়ান দিনার।

উল্লেখ্য,
- ১২মে ২০২৫ লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপোলিতে প্রতিদ্বন্দ্বী সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষ হয়েছে।
- সংঘর্ষে একটি সশস্ত্র দলের নেতা নিহত হয়েছেন।
- বর্তমানে লিবিয়া দুটি প্রশাসনের মধ্যে বিভক্ত। একটি জাতিসংঘ স্বীকৃত সরকার, রাজধানী ত্রিপোলি তাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। অপরটি পূর্বাঞ্চলীয় প্রশাসন, যা হাফতার পরিবার পরিচালিত।

উৎস: পত্রিকার রিপোর্ট। [লিঙ্ক]

২,১০৩.
নিচের কোনটি সুপ্ত আগ্নেয়গিরি?
  1. কোহি সুলতান
  2. ফুজিয়ামা
  3. বেন নেভিস
  4. স্ট্রম্ব্যালি
ব্যাখ্যা
যেসব আগ্নেয়গিরি দীর্ঘকাল ধরে নিষ্ক্রীয় আছে তবে ভবিষ্যতে অগ্ন্যূৎপাতের সম্ভাবনা রয়েছে তাদের সুপ্ত আগ্নেয়গিরি বলা হয়।
সুপ্ত আগ্নেয়গিরির উদাহরণ:
-ফুজিয়ামা (জাপান)
- কিলিমাঞ্জারো (তাঞ্জানিয়া)।

অন্যদিকে:
- কোহি সুলতান (ইরান) : মৃত আগ্নেয়গিরি
- বেন নেভিস (যুক্তরাজ্য) : মৃত আগ্নেয়গিরি
- স্ট্রম্ব্যালি (ইতালি) : সক্রিয় আগ্নেয়গিরি

(তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী এবং ব্রিটানিকা)
২,১০৪.
যুক্তরাষ্ট্র স্বাধীনতা লাভ করে -
  1. ৪ জুলাই, ১৭৭৩ সালে
  2. ৪ জুলাই, ১৭৭৪ সালে
  3. ৪ জুলাই, ১৭৭৫ সালে
  4. ৪ জুলাই, ১৭৭৬ সালে
ব্যাখ্যা
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র:
- স্বাধীনতা লাভ করে - ৪ জুলাই, ১৭৭৬ সালে যুক্তরাজ্য থেকে।
- যুক্তরাষ্ট্রে জাতীয় দিবস - ৪ জুলাই।
- অঙ্গরাজ্য - ৫০ টি।
-  সর্বশেষ অঙ্গরাজ্য -  হাওয়াই।
- জনসংখ্যায় বৃহত্তম অঙ্গরাজ্য - ক্যালিফোর্নিয়া।

- প্রথম প্রেসিডেন্ট - জর্জ ওয়াশিংটন।
- যুক্তরাষ্ট্রে ক্রীতদাস প্রথা বিলোপকারী প্রেসিডেন্টের নাম  - আব্রাহাম লিংকন।
- যুক্তরাষ্ট্র থেকে ক্রীতদাস প্রথা বিলোপ হয় - ১৮৬৩ সালে।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
২,১০৫.
বলশেভিক বিপ্লবের নেতৃত্ব দেন কে?
  1. জোসেফ স্টালিন
  2. মিখাইল গর্বাচেভ
  3. ভ্লাদিমির লেনিন
  4. চে গুয়েভারা
ব্যাখ্যা
রুশ বিপ্লব:
- ১৯১৭ সালে রাশিয়ায় মূলত দুটি বিপ্লব সংঘটিত হয়।
- এই দুটি বিপ্লব হলো ফেব্রুয়ারি বিপ্লব ও বলশেভিক বিপ্লব।
- এই দুটি বিপ্লবকে একত্রে '১৯১৭ সালের রুশ বিপ্লব' বলা হয়।

• ফেব্রুয়ারি বিপ্লব:
- রুশ বিপ্লবের প্রথম পর্যায়কে ফেব্রুয়ারি বিপ্লব বলা হয়।
- ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের ফলে রাজতন্ত্রের অবসান ঘটে এবং জার দ্বিতীয় নিকোলাসকে ক্ষমতা থেকে উচ্ছেদ ও বন্দি করা হয়।
- ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের নেতৃত্ব ছিলেন আলেক্সান্দ্রো এফ. ক্যারেনস্কি (Aleksandr F. Kerensky)।

• বলশেভিক বিপ্লব/অক্টোবর বিপ্লব:
- রুশ বিপ্লবের দ্বিতীয় পর্যায়কে বলশেভিক বা অক্টোবর বিপ্লব বলে।
- বলশেভিক বিপ্লবের ফলে রাশিয়ায় লেনিনের নেতৃত্বে বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- বলশেভিক বিপ্লবের নেতা ছিলেন ভ্লাদিমির লেনিন ও লিওন ট্রটস্কি।

উৎস: ব্রিটানিকা।
২,১০৬.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ কয়টি আসন বিশিষ্ট?
  1. ১০০টি
  2. ৩০০টি
  3. ৩৫০টি
  4. ৪৩৫টি
ব্যাখ্যা
কংগ্রেস:
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় সরকারের আইন সভার নাম কংগ্রেস।
- আইন প্রণয়ন করাই এর প্রধান কাজ।
- কংগ্রেস একটি দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট আইন সভা।
- কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ ‘প্রতিনিধি সভা' (The House of Representative) এবং উচ্চকক্ষ 'সিনেট' (The Senate) নামে পরিচিত।

⇒ নিম্নকক্ষ:
- কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ ‘প্রতিনিধি সভা' বা 'হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ' নামে পরিচিত।
• আসন সংখ্যা - ৪৩৫টি।
• মেয়াদ - ২ বছর।
• 'হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ' সদস্য নির্বাচিত হওয়ার জন্য, একজন ব্যক্তির বয়স কমপক্ষে ২৫ বছর হতে হবে।

⇒ উচ্চকক্ষ:
- কংগ্রেসের উচ্চকক্ষ 'সিনেট' নামে পরিচিত।
• আসন সংখ্যা - ১০০টি।
• মেয়াদ - ৬ বছর।
• 'সিনেট' সদস্য নির্বাচিত হওয়ার জন্য, একজন ব্যক্তির বয়স কমপক্ষে ৩০ বছর হতে হবে।

তথ্যসূত্র - যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি ওয়েবসাইট।
২,১০৭.
AIIB প্রথম কোন দেশটিকে ঋণ প্রদান করে?
  1. ক) তাজিকিস্তান
  2. খ) ভারত
  3. গ) কম্বোডিয়া
  4. ঘ) মিয়ানমার
ব্যাখ্যা
The Asian Infrastructure Investment Bank (AIIB) ২০১৬ সালের ২৪ জুন প্রথম একসাথে চারটি দেশকে ঋণ প্রদান করে।
দেশগুলো হলো:
তাজিকিস্তান - ২৭.৫ মিলিয়ন মা. ডলার
বাংলাদেশ - ১৬৫ মিলিয়ন মা. ডলার
পাকিস্তান -১০০ মিলিয়ন মা. ডলার
ইন্দোনেশিয়া - ২১৬.৫ মি. ডলার।
AIIB চীনের উদ্যোগে ২০১৪ সালের ২৪ অক্টোবর প্রতিষ্ঠিত হয় এবং কর্মকাণ্ড শুরু করে ২০১৬ সালের ১৬ জানুয়ারি।
(AIIB) এর বর্তমান অনুমোদিত সদস্য সংখ্যা ১০৩টি।
সদরদপ্তর বেইজিং এ অবস্থিত।
(সূত্রঃ AIIB ওয়েবসাইট)
২,১০৮.
মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র 'I have a dream' বিখ্যাত ভাষণটি কত সালে প্রদান করেন?
  1. ১৯৬২
  2. ১৯৬৩
  3. ১৮৬২
  4. ১৯৬৫
ব্যাখ্যা
মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র: 
- মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একজন সমাজকর্মী ও বর্ণবাদবিরোধী নেতা। তিনি আজীবন বর্ণবাদ ও আমেরিকার নিপীড়িত মানুষের অধিকার আদায়ের জন্যে সংগ্রাম করে গেছেন।
- ১৯৬৩ সালের ২৮ আগস্ট ওয়াশিংটন ডিসির লিঙ্কন মেমোরিয়ালের সম্মুখে তিনি তার বিখ্যাত ''আই হ্যাভ এ ড্রিম'' ভাষণটি প্রদান করেন।
- ১৯৬৪ সালে তিনি নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- ১৯৬৮ সালের ৪ এপ্রিল তিনি যুক্তরাষ্ট্রের মেম্ফিস শহরে আততায়ীর গুলিতে তিনি মারা যান।

অন্যদিকে,
- মার্টিন লুথার হলেন জার্মানির খ্রিস্টান প্রোটেস্টেন্ট সম্প্রদায় ধর্মীয় নেতা।
- বারাক ওবামা যুক্তরাষ্ট্রের ৪৪ তম প্রেসিডেন্ট ছিলেন।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ২৮তম প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন।

তথ্যসূত্র: হিস্টোরি ডটকম এবং ব্রিটানিকা।
২,১০৯.
চীনে কবে রাজতন্ত্র উচ্ছেদ হয়ে প্রজাতন্ত্র কায়েম হয়?
  1. ১৯১০ সালে
  2. ১৯১২ সালে
  3. ১৯১৯ সালে
  4. ১৯৪৯ সালে
ব্যাখ্যা
- ১৯১২ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি চীনে প্রায় দুই হাজার বছরের রাজতন্ত্র উচ্ছেদ হয়ে প্রজাতন্ত্র কায়েম হয়।
- এই দিন চীনের কিং রাজবংশের সর্বশেষ সম্রাট পুয়িকে সিংহাসন থেকে উৎখাত করা হয়।

- এর আগে ১৯১১ সালের অক্টোবরে সান ইয়েৎ সেনের নেতৃত্বে চীনে প্রজাতান্ত্রিক বিপ্লব সংঘটিত হয়।
- সান ইয়েৎ সেন ছিলেন চীন প্রজাতন্ত্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট।
- ১৯৪৯ সালে মাও সেতুংয়ে নেতৃত্বে চীনে সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব সংঘটিত হয় এবং গণপ্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়।

(তথ্যসূত্র: হিস্টোরি ডটকম এবং ব্রিটানিকা)
২,১১০.
‘হারমিট কিংডম’ হিসেবে পরিচিত কোন দেশ?
  1. তিব্বত 
  2. কোরিয়া 
  3. ভুটান 
  4. কিউবা
ব্যাখ্যা

• হারমিট কিংডম (Hermit Kingdom): 
- “হারমিট কিংডম” বলতে এমন একটি দেশকে বোঝায় যা নিজের ইচ্ছে অনুসারে বাইরে বিশ্বের সঙ্গে যোগাযোগ কম রাখে।
- এই ধরনের দেশ বিদেশিদের সঙ্গে বাণিজ্য বা সম্পর্ক সীমিত রাখে এবং বাইরে থেকে আসা প্রভাবকে কড়া নিয়ন্ত্রণ করে।

- কোরিয়াকে “হারমিট কিংডম” বলা হতো চোসন রাজবংশের সময়ে, যারা ১৩০০-এর শেষ থেকে ১৯০০-এর শুরু পর্যন্ত শাসন করেছিল।
- ১৩৬৭ খ্রিস্টাব্দ থেকে ১৮৭৬ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত কোরিয়া এমন একটি সময়ে ছিল যখন চীন ছাড়া অন্য কোনো দেশের সঙ্গে এর যোগাযোগ বন্ধ ছিল।
- তখন কোরিয়ার শাসকরা দেশে বাইরের বিশ্বের প্রভাব কমাতে দেশটিকে ইচ্ছাকৃতভাবে আলাদা রাখতেন।
- বিদেশিরা সাধারণ মানুষের সঙ্গে মেলামেশা করতে পারত না, এবং অনুমতি ছাড়া কোনো সম্পর্ক বা বাণিজ্যও করা যেত না।
- উত্তর কোরিয়া এখন পর্যন্ত এই আত্মনির্বাসী নীতি বজায় রেখেছে।

উল্লেখ্য,
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ (১৯৩৯-১৯৪৫) শেষের পর আমেরিকা ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে কোরিয়া দুই ভাগে বিভক্ত হয়।  
- দেশটি ভাগ হয়ে যায় দুই অংশে:
- উত্তর কোরিয়া, যেখানে কমিউনিস্ট শাসন চলে। 
- এবং দক্ষিণ কোরিয়া, যেখানে আমেরিকার সমর্থনে গণতান্ত্রিক সরকার স্থাপিত হয়। 

তথ্যসূত্র:
i) Aljazeera. (Link1)
ii) Dictionary.com (Link2)
iii) History Today. (Link3) 

২,১১১.
দুবাইয়ের আইকনিক বুর্জ খলিফার উচ্চতা কত?
  1. ২,৩৯৭ ফুট
  2. ২,৬৭৭ ফুট
  3. ২,৭১৭ ফুট
  4. ২,৯১৭ ফুট
ব্যাখ্যা
বুর্জ খলিফা:
- বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু টাওয়ার সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ের আইকনিক স্থাপনা বুর্জ খলিফা।
- এর নির্মাণকার্য সম্পন্ন হয় ২০০৯ সালের ১ অক্টোবর।
- ২০১০ সালের ৪ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিক ভাবে এই বহুতলের উদ্বোধন করা হয়।
- এর উচ্চতা প্রায় ৮২৮ মিটার বা ২ হাজার ৭১৭ ফুট।
- ১৬৩ তলার বুর্জ খলিফা অনেক রেকর্ডের অধিকারী। 

উৎস: i) Britannica.
         ii) ৪ জানুয়ারি, ২০২৪, প্রথম আলো।
২,১১২.
‘লৌহ মানবী’ নামে পরিচিত কে?
  1. বেগম খালেদা জিয়া
  2. মার্গারেট থ্যাচার
  3. ইন্দিরা গান্ধী
  4. অং সান সুচি
ব্যাখ্যা

মার্গারেট থ্যাচার:
- জন্ম: ১৩ অক্টোবর, ১৯২৫। 
- জন্মস্থান: ইংল্যান্ড।
- শিক্ষা: অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিগ্রী।
- রাজনৈতিক কৃতিত্ব: অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি কনজারভেটিভ অ্যাসোসিয়েশনের প্রথম মহিলা প্রেসিডেন্টদের একজন।
- প্রধানমন্ত্রীর পদ: ব্রিটেনের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী, ১৯৭৯।
- ডাকনাম: ‘লৌহ মানবী’ (Iron Lady)।
- মৃত্যু: ৮ এপ্রিল, ২০১৩, লন্ডন।

উৎস: ব্রিটানিকা।

২,১১৩.
আলেকজান্ডার দ্য গ্রেট ছিলেন একজন -
  1. মিশরীয় শাসক
  2. মেসিডোনিয়ান শাসক
  3. রোমান শাসক
  4. ফিনীশিয় শাসক
ব্যাখ্যা
আলেকজান্ডার দ্য গ্রেট:
- আলেকজান্ডার দ্য গ্রেট ছিলেন একজন প্রাচীন মেসিডোনিয়ান শাসক।
- তিনি ম্যাসিডোনিয়া এবং পারস্যের রাজা হিসেবে প্রাচীন বিশ্বের দেখা সবচেয়ে বড় সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।
- মাত্র ২০ বছর বয়সে পিতা দ্বিতীয় ফিলিপের স্থলাভিষিক্ত হন তৃতীয় আলেকজান্ডার।
- গ্রিক দার্শনিক অ্যারিস্টটলের ছাত্র আলেকজান্ডারকে বলা হতো ‘অর্ধেক পৃথিবীর রাজা’।
- কারণ গ্রিসের ছোট্ট রাজ্য ম্যাসিডন ছাপিয়ে প্রায় অর্ধেক পৃথিবী জয় করেছিলেন তিনি।
- মাত্র ৩০ বছর বয়সের মধ্যেই তিনি মিসর থেকে শুরু করে উত্তর-পশ্চিম ভারত পর্যন্ত ইতিহাসের অন্যতম বৃহত্তম সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন।
- আলেকজান্ডার মারা যান খ্রিস্টপূর্ব ৩২৩ অব্দে।

উৎস: History.com.
২,১১৪.
নিচের কোন ব্যক্তি বর্ণবাদ বিরোধী কৃষ্ণাঙ্গ নেতা ছিলেন না?
  1. নেলসন ম্যান্ডেলা
  2. আর্চবিশপ ডেসমন্ড টুটু
  3. এফ ডব্লিউ ডি ক্লার্ক
  4. মার্টিন লুথার কিং
ব্যাখ্যা
- এফ ডব্লিউ ডি ক্লার্ক বর্ণবাদ বিরোধী কৃষ্ণাঙ্গ নেতা ছিলেন না 

এফ ডব্লিউ ডি ক্লার্ক:
- এফ ডব্লিউ ডি ক্লার্ক ছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার সর্বশেষ শ্বেতাঙ্গ প্রেসিডেন্ট।
- এফ ডব্লিউ ডি ক্লার্ক দেশের বর্ণবাদী ব্যবস্থার অবসান ঘটাতে সাহায্য করেছিলেন এবং সংখ্যাগরিষ্ঠ শাসনে শান্তিপূর্ণ পরিবর্তনের সূচনা করেছিলেন।
- দক্ষিণ আফ্রিকায় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় তাঁর অবদান অনস্বীকার্য।
- ১৯৮৯ থেকে ১৯৯৪ সাল পর্যন্ত শ্বেতাঙ্গ সংখ্যালঘু সরকারের প্রশাসনিক প্রধান ছিলেন এফ ডব্লিউ ডি ক্লার্ক।
- ১৯৯০ সালে প্রেসিডেন্ট হিসেবে বর্ণবৈষম্যের বিরুদ্ধে লড়াই করে নেলসন ম্যান্ডেলাকে মুক্তি দেওয়ার কথা ঘোষণা করেন তিনি।
- ১৯৯৩ সালে ম্যান্ডেলার সঙ্গে যৌথভাবে নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছিলেন তিনি।
- দক্ষিণ আফ্রিকায় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ও নতুন যুগের সূচনার কৃতিত্ব নেলসন ম্যান্ডেলার সঙ্গে তাঁকেও দেয় ইতিহাস।

অন্যদিকে: 
আর্চবিশপ ডেসমন্ড টুটু:
- আর্চবিশপ ডেসমন্ড টুটু দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদী শাসনবিরোধী আন্দোলনের নেতা ছিলেন।
- দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক প্রেসিডেন্ট নেলসন ম্যান্ডেলার সমসাময়িক ছিলেন তিনি।
- ১৯৪৮ থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত দেশটিতে যে বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলন চলেছে, তাতে অন্যতম চালকের আসনে ছিলেন তিনি।
- বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনে বিশেষ অবদানের জন্য ১৯৮৪ সালে শান্তির নোবেল পুরস্কারও পান এই ধর্মযাজক।
- ১৯৬০ সালে ধর্মযাজক হিসেবে স্বীকৃতি পান ডেসমন্ড টুটু।
- ১৯৭৬ থেকে ১৯৭৮ সাল পর্যন্ত দক্ষিণ আফ্রিকার প্রতিবেশী দেশ লেসোথোর যাজক (বিশপ) হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
- তারপর জোহানেসবার্গে ফিরে আসেন তিনি।
- ১৯৮৫ সালে উচ্চতর যাজক (আর্চবিশপ) পদ লাভ করেন ডেসমন্ড টুটু।
- তিনি ছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ আর্চবিশপ।
- ১৯৯৪ সালে নেলসন ম্যান্ডেলা দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর দেশটিতে শেতাঙ্গ ও কৃষ্ণাঙ্গদের মধ্যে সুসম্পর্ক জোরদার করতে যে ট্রুথ অ্যান্ড রিকনসিলিয়েশন কমিশন গঠন করেছিলেন, তার প্রধান ছিলেন ডেসমন্ড টুটু।

মার্টিন লুথার কিং:
- মার্টিন লুথার কিং ছিলেন আফ্রিকান-আমেরিকান কৃষ্ণাঙ্গ মানবাধিকার কর্মী।
- যুক্তরাষ্ট্রের নিগ্রোদের অধিকার আদায়ে আন্দোলনের অহিংসবাদী নেতা ছিলেন মার্টিন লুথার কিং।
- মার্টিন লুথার কিং আমেরিকায় বর্ণবৈষম্য দূর করার পেছনে একজন অগ্রদূত হিসেবে কাজ করেছেন।
- ১৯৬৩ সালের ২৮ আগস্ট ওয়াশিংটনের লিঙ্কন মেমোরিয়ালের সিঁড়িতে দাঁড়িয়ে তিনি একটি ঐতিহাসিক ভাষণ দেন।
- ভাষণটি সবাই এখন 'I have a dream' শিরোনামে জানে।
- এই ভাষণে উঠে এসেছে নিগ্রোদের প্রতি অত্যাচারের কথা, তাদের বৈষম্যের শিকার হওয়ার কথা।

নেলসন মেন্ডেলা:
- তিনি ছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ প্রেসিডেন্ট।
- দক্ষিণ আফ্রিকায় কৃষ্ণাঙ্গ অধিকার প্রতিষ্ঠায় অবিসংবাদিত নেতা নেলসন ম্যান্ডেলা
- ১৯৪২ সালে তিনি রাজনীতিতে যোগ দেন।।
- তিনি ২৭ বছর কারাবাসে কাটান।
- কারাগারে থাকার সময় তার কয়েদী নম্বর ছিলো ৪৬৬।
- কারাদন্ডের সাল মিলিয়ে ‘৪৬৬৬৪’ গঠন করা হয় যা মেন্ডেলার এইডস বিরোধী প্রচারণার নাম।
- কারা মুক্তির পর ম্যান্ডেলা আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেসের নেতৃত্ব গ্রহণ করেন।
- তিনি ১৯৯৪ থেকে ১৯৯৯ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত দক্ষিণ আফ্রিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন।

উৎস: Britannica.
২,১১৫.
বসফরাস প্রণালী কোন দুটি মহাদেশকে পৃথক করে?
  1. উত্তর আমেরিকা ও দক্ষিণ আমেরিকা
  2. ইউরোপ ও আফ্রিকা
  3. ইউরোপ ও এশিয়া
  4. এশিয়া ও আফ্রিকা
ব্যাখ্যা

• বসফরাস প্রণালী:
- পৃথক করেছে: এশিয়া ও ইউরোপ।
- সংযুক্ত করেছে:  কৃষ্ণ সাগর এবং মর্মর সাগর।
- বসফরাস প্রণালী ১৯ মাইল দীর্ঘ এবং এর সর্বোচ্চ প্রস্থ উত্তর প্রান্তে ২.৩ মাইল।
- এর গভীরতা মাঝখানে ১২০ থেকে ৪০৮ ফুট পর্যন্ত।
- বসফরাস প্রণালীটি ব্যাপকভাবে মাছ ধরা হয়,
- কারণ এটি মাছের ঋতুকালীন অভিবাসন পথ হিসেবে কাজ করে,
- যা মাছকে কৃষ্ণ সাগর থেকে মর্মর সাগরে এবং বিপরীত দিকে নিয়ে যায়।
এছাড়াও,
- কনস্টান্টিনোপল (বর্তমান ইস্তাম্বুল) শহরের দক্ষিণ প্রান্তে অবস্থিত বসফরাস প্রণালীটি।
- এই কারণে বাইজেন্টাইন সম্রাটরা এবং পরবর্তীতে উসমানীয় সুলতানরা প্রণালীর তীরে দুর্গ নির্মাণ করেছিলেন,
- বিশেষ করে ইউরোপীয় তীরে।
- আনাদোলুহিসারি, যা ১৩৯০–৯১ সালে বাইয়াজিদ প্রথম নির্মাণ করেছিলেন,
- এবং রুমেলিহিসারি, যা ১৪৫২ সালে মেহমেদ দ্বিতীয় নির্মাণ করেছিলেন।

অন্যদিকে,
• জিব্রাল্টার প্রণালী : এটি ইউরোপ এবং আফ্রিকা মহাদেশকে বিভক্ত করে।
• বাব এল মান্দেব প্রণালী :  আফ্রিকা এবং এশিয়া মহাদেশ কে বিভক্ত করে।

উৎস: Britannica.

২,১১৬.
ফুটবল যুদ্ধ কবে সংঘটিত হয়েছিল?
  1. ক) ১৯৬৯ সালে
  2. খ) ১৯৭৩ সালে
  3. গ) ১৯৭৭ সালে
  4. ঘ) ১৯৬৭ সালে
ব্যাখ্যা
১৯৬৯ সালে এল সালভেদর এবং হন্ডুরাস ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে চারদিনের একটি যুদ্ধে লিপ্ত হয়েছিল যেখানে হাজার-হাজার মানুষ নিহত এবং বাস্তু-চ্যুত হয়। সে সংঘাতটি এখনও ফুটবল যুদ্ধ হিসেবে স্মরণ করা হয়। উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া অব ব্রিটানিকা।
২,১১৭.
ভারতীয়দের মধ্যে সবুজ বিপ্লবের জনক কে?
  1. উপেন্দ্রনাথ
  2. এম এস স্বামীনাথন
  3. অরবিন্দ দাস
  4. দয়া নন্দ সরস্বতী
ব্যাখ্যা

ভারতীয়দের মধ্যে সবুজ বিপ্লবের জনক বলা হয় এম এস স্বামীনাথন।
- তিনি একজন জেনেটিক বিজ্ঞানী।
- সবুজ বিপ্লবের জনক হিসেবে বিশ্বব্যাপী সমাদৃত নরম্যান বোরল্যাগ।- সবুজ বিপ্লব, বা তৃতীয় কৃষি বিপ্লব, ১৯৫০ এবং ১৯৬০ এর দশকের শেষের দিকে সংঘটিত গবেষণা প্রযুক্তি স্থানান্তরের উদ্যোগ গুলি একটি সেট, যা বিশ্বের কিছু অংশে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি করে, যা ১৯৬০ এর শেষের দিকে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্যভাবে শুরু হয়েছিল।

উৎস:Britannica.com

২,১১৮.
“আইন হচ্ছে সার্বভৌম কর্তৃপক্ষের আদেশ” –এটি কার অভিমত?
  1. জন অস্টিন
  2. অধ্যাপক হল্যান্ড
  3. উড্রো উইলসন
  4. অধ্যাপক গেটেল
ব্যাখ্যা
ইংরেজ আইনবিদ জন অস্টিন এর মতে, “আইন হচ্ছে সার্বভৌম কর্তৃপক্ষের আদেশ”। অর্থাৎ আইনের উৎস হিসেবে তিনি সার্বভৌম শক্তির উল্লেখ করেন।
অন্যদিকে, রাষ্ট্রবিজ্ঞানী অধ্যাপক হল্যান্ডের মতে আইনের উৎস ৬টি। যথা:
প্রথা, ধর্ম, বিচার সংক্রান্ত রায়, বিজ্ঞানসম্মত আলোচনা, ন্যায়বোধ এবং আইনসভা।
(সূত্র: রাষ্ট্রবিজ্ঞান : স্নাতক শ্রেণী)
২,১১৯.
ব্রিটেনের বণিক সম্প্রদায় যুক্তরাষ্ট্রের কয়টি অঙ্গরাজ্যে উপনিবেশ গড়ে তুলেছিল?
  1. ১৩টি
  2. ১৪টি
  3. ১৫টি
  4. ১৬টি
ব্যাখ্যা
তেরো উপনিবেশ:
- তেরো উপনিবেশ ছিল ব্রিটেনের শাসনাধীন উপনিবেশদল।
- উত্তর আমেরিকার আটলান্টিক উপকূলে এর অবস্থান ছিল।
- ১৫০০-এর দশকে, ইউরোপীয়রা উত্তর আমেরিকায় আসতে শুরু করে
- ১৬০৬ সালে ইংল্যান্ডের রাজা প্রথম জেমস আমেরিকায় স্থায়ী বসতি স্থাপনের লক্ষ্যে প্লিমথ কোম্পানি ও লন্ডন কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করেন।
- লন্ডন কোম্পানি ১৬০৭ সালে ভার্জিনিয়া উপনিবেশ স্থাপন করে।
- ১৭০০-এর দশকে, বেশিরভাগ বসতিগুলি ১৩টি ব্রিটিশ উপনিবেশে গঠিত হয়েছিল: কানেকটিকাট, ডেলাওয়্যার, জর্জিয়া, মেরিল্যান্ড, ম্যাসাচুসেটস, নিউ হ্যাম্পশায়ার, নিউ ইয়র্ক, নিউ জার্সি, ভার্জিনিয়া, উত্তর ক্যারোলিনা, পেনসিলভানিয়া, রোড আইল্যান্ড এবং দক্ষিণ ক্যারোলিনা।।
- ১৭৩২ সালে জর্জিয়া প্রদেশ সৃষ্টির মাধ্যমে তেরো উপনিবেশ পূর্ণরূপে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৭৭৬ সালে এগুলো স্বাধীনতা ঘোষণা করে।
- তখন এরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করে।
- তেরো উপনিবেশের রাজনৈতিক, সাংবিধানিক ও আইনি কাঠামো ছিল একই। 

উৎস: Britannica Kids.
২,১২০.
বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপ রাষ্ট্র কোনটি?
  1. গ্রিনল্যান্ড
  2. ইন্দোনেশিয়া
  3. ফিলিপাইন
  4. অস্ট্রেলিয়া
ব্যাখ্যা
ইন্দোনেশিয়া পৃথিবীর বৃহত্তম দ্বীপরাষ্ট্র।
- ইন্দোনেশিয়ার প্রধান দ্বীপগুলো হচ্ছে - সুমাত্রা, জাভা, বালি ইত্যাদি।
- ইন্দোনেশিয়াকে 'হাজার দ্বীপের দেশ'ও বলা হয়।
এছাড়া,
- বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপ - গ্রিনল্যান্ড (ডেনমার্কের অধীন)।
উৎসঃ ওয়ার্ল্ড এটলাস।
২,১২১.
'স্বাধীনতা, ভ্রাতৃত্ব ও সাম্য' স্লোগানটি কোন বিপ্লবের সাথে সম্পর্কিত?
  1. ফেব্রুয়ারি বিপ্লব
  2. অরেঞ্জ বিপ্লব
  3. অক্টোবর বিপ্লব
  4. ফরাসি বিপ্লব
ব্যাখ্যা
ফরাসি বিপ্লব:
- ফরাসি বিপ্লবের স্লোগান ছিল স্বাধীনতা, সাম্য ও ভ্রাতৃত্ব।
- এই বিপ্লব হয়েছিল ১৭৮৯ সালের ১৪ জুলাই।
- ফরাসি বিপ্লবের মাধ্যমে বাস্তিল দুর্গের পতন ঘটে।
- নেপোলিয়ন বোনাপার্ট ফরাসি বিপ্লবের অগ্রনায়ক ছিলেন।
- ভলতেয়ার চেয়েছিলেন এমন একটি সমাজব্যবস্থা যেখানে প্রত্যেক মানুষ তার সাধ্যমতো ভালো কাজ করবে।
- পূর্বতন সমাজে তিনটি গোষ্ঠী ছিল। এগুলো হলো যাজক শ্রেণি, অভিজাত শ্রেণি এবং জনসাধারণ। অভিজাত প্রভাবিত পূর্বতন সমাজের প্রতি শহরের জনতা ও বিপ্লবী বুর্জোয়া শ্রেণি অসন্তুষ্ট ছিল।
- ফরাসি বিপ্লবের সময় শিরশ্ছেদের মাধ্যমে মৃত্যুদন্ড কার্যকর করার পদ্ধতি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
২,১২২.
দ্বিতীয় ইন্দোচীন যুদ্ধ কোন কোন দেশের মধ্যে সংঘটিত হয়?
  1. ভিয়েতনাম ও ফ্রান্স
  2. ভিয়েতনাম ও লাওস
  3. উত্তর ভিয়েতনাম ও দক্ষিণ ভিয়েতনাম
  4. দক্ষিণ ভিয়েতনাম ও যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
- দ্বিতীয় ইন্দোচীন যুদ্ধ উত্তর ভিয়েতনাম ও দক্ষিণ ভিয়েতনাম দেশের মধ্যে সংঘটিত হয়।  

প্রথম ইন্দোচীন যুদ্ধ (১৯৪৬-১৯৫৪) :

- প্রথম ইন্দোচীন যুদ্ধ ছিল ফরাসি ঔপনিবেশিক বাহিনী ও ভিয়েত মিনহের মধ্যে সংঘর্ষ।
- ভিয়েত মিনহ ছিল ভিয়েতনামের কমিউনিস্ট নেতৃত্বাধীন জাতীয়তাবাদী আন্দোলন।
- যুদ্ধ শুরু হয় ফরাসি ও হো চি মিনের আলোচনায় ব্যর্থতার পর।
- ফরাসিরা ঔপনিবেশিক শাসন পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে চাইছিল।
- ভিয়েত মিনহ সম্পূর্ণ স্বাধীনতার দাবি জানায়।
- ১৯৪৬ সালের নভেম্বরে হাইফংয়ে ফরাসি নৌবাহিনীর গোলাবর্ষণ উত্তেজনা বাড়ায়।
- ডিসেম্বরে হ্যানয়ে ফরাসি সেনাদের উপর ভিয়েত মিনহ আক্রমণ করে। এর ফলে যুদ্ধ শুরু হয়।
- ১৯৪৯ সালের পর চীনের কমিউনিস্ট সরকার ভিয়েত মিনহকে সমর্থন দেয়।
- ভিয়েত মিনহ সফল গেরিলা যুদ্ধ চালায়।
- কমিউনিজমের প্রসার রোধে যুক্তরাষ্ট্র ফরাসিদের উল্লেখযোগ্য সহায়তা প্রদান করে।
- ১৯৫৪ সালের মে মাসে ডিয়েন বিয়েন ফুতে ফরাসি পরাজয় ঘটে।
- জেনেভা সম্মেলনে আলোচনা হয়।
- এই আলোচনার মাধ্যমে যুদ্ধ শেষ হয়।
- ভিয়েতনামকে ১৭°N অক্ষাংশ বা ১৭তম সমান্তরালে সাময়িকভাবে ভাগ করা হয়।

দ্বিতীয় ইন্দোচীন যুদ্ধ:
- দ্বিতীয় ইন্দোচীন যুদ্ধ ভিয়েতনাম যুদ্ধ নামেও পরিচিত। 
- এই যুদ্ধ ছিল উত্তর ভিয়েতনামের কমিউনিস্ট সরকার এবং দক্ষিণ ভিয়েতনামের সরকার ও তাদের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ।
- উত্তর ভিয়েতনাম তাদের মিত্রদের দ্বারা সমর্থিত ছিল।
- দক্ষিণ ভিয়েতনাম প্রধানত যুক্তরাষ্ট্রের দ্বারা সমর্থিত ছিল।
- যুদ্ধের মূল কারণ ছিল উত্তর ভিয়েতনামের লক্ষ্য পুরো দেশকে কমিউনিস্ট শাসনের অধীনে ঐক্যবদ্ধ করা।
- প্রথম ইন্দোচীন যুদ্ধের পর ভিয়েতনাম ১৭তম সমান্তরালে বিভক্ত হয়।
- ১৯৬০-এর দশকে যুক্তরাষ্ট্র ব্যাপকভাবে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে।
- ১৯৬৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের সৈন্য সংখ্যা ৫ লক্ষাধিক পৌঁছায়।
- যুদ্ধ ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ও ধ্বংস সৃষ্টি করে।
- ১৯৭৫ সালের এপ্রিল মাসে সাইগনের পতনের মাধ্যমে যুদ্ধ শেষ হয়।
- এর ফলে ভিয়েতনাম কমিউনিস্ট শাসনের অধীনে ঐক্যবদ্ধ হয়।
- এই সংঘর্ষ ভিয়েতনাম ও যুক্তরাষ্ট্র উভয়ের ওপর গভীর প্রভাব ফেলে।
- যুদ্ধে মানবিক ক্ষতি, অর্থনৈতিক বিপর্যয় ও রাজনৈতিক পরিণতি দেখা দেয়।

উৎস: Britannica.
২,১২৩.
বাস্তিল দূর্গের পতন হয়- 
  1. ফরাসি বিপ্লবের শুরুতে
  2. ফরাসি বিপ্লবের পরে
  3. ফ্রান্সের রাজা পঞ্চদশ লুইয়ের সময়
  4. সতেরশো শতকে
ব্যাখ্যা

• ফরাসি বিপ্লব:
- ১৭৮৯ সালের ১৪ জুলাই অর্থাৎ আঠারো শতকে বাস্তিল দূর্গ পতনের মাধ্যমে ফরাসি বিপ্লব শুরু হয়।
• অর্থাৎ ফরাসি বিপ্লব শুরুতে বাস্তিল দূর্গের পতন হয়েছিল।

- এই বিপ্লব দশ বছর স্থায়ি হয়েছিল।
- এই বিপ্লবের মূল মন্ত্র ছিলো স্বাধীনতা, সাম্য ও ভ্রাতৃত্ব।
- এ সময় ফ্রান্সের রাজা ছিলেন ষোড়শ লুই।
- ১৭৯৩ সালের ২১ জানুয়ারি রাজা ষোড়শ লুইকে গিলোটিনে হত্যা করা হয়।
- লেখনীর মাধ্যমে বিখ্যাত দার্শনিক রুশো ও ভলতেয়ার ফরাসি বিপ্লবের অনুপ্রেরণা যুগিয়েছিলেন।
- ফরাসি বিপ্লবের শিশু বলা হয় নেপোলিয়ন বোনাপার্টকে।
- নেপোলিয়ন বোনাপার্ট এই বিপ্লবের আদর্শ দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিলেন।
- এবং বিপ্লবের পরবর্তী সময়ে তিনি ফ্রান্সের একজন প্রভাবশালী সামরিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বে পরিণত হন। 

উৎস: i) ইতিহাস-৪, বিএ এবং বিএসএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) কালের কণ্ঠ।

২,১২৪.
নিম্নের কোন দেশটি ইউরো মুদ্রা ব্যবহার করে না?
  1. জার্মানি
  2. ফ্রান্স
  3. সুইডেন
  4. ইতালি
ব্যাখ্যা

সুইডেন ইউরো মুদ্রা ব্যবহার করে না। 

ইউরো মুদ্রা:
- ইউরো মুদ্রা ব্যবহারকারী ২১টি দেশ হলো: অস্ট্রিয়া, গ্রিস, জার্মানি, ফ্রান্স, স্পেন, পর্তুগাল, নেদারল্যান্ড, বেলজিয়াম, লুক্সেমবার্গ, আয়ারল্যান্ড, মাল্টা, সাইপ্রাস, লিথুনিয়া, লাটভিয়া, এস্তোনিয়া, স্লোভেনিয়া, স্লোভাকিয়া, ইতালি, ফিনল্যান্ড, ক্রোয়েশিয়া ও বুলগেরিয়া।

• সুইডেন:
- সুইডেন একটি স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশ, যা উত্তর ইউরোপে অবস্থিত।
- পশ্চিমে নরওয়ে, উত্তর-পূর্বে ফিনল্যান্ড, এবং দক্ষিণ-পূর্বে আছে যথাক্রমে বাল্টিক সাগর ও বথনিয়া উপসাগর। 
- রাজধানী: স্টকহোম।
- সুইডেন একটি সাংবিধানিক রাজতন্ত্র। 
- আইনসভা: রিক্সড্যাগ। 
- মুদ্রা: সুইডিশ ক্রোনা। 

উৎস: Britannica.

২,১২৫.
'পিরামিড অব দ্য সান' কোন দেশে অবস্থিত?
  1. মিশর
  2. সিরিয়া
  3. মেক্সিকো
  4. ব্রাজিল
ব্যাখ্যা
• পিরামিড অব দ্য সান:
• মেক্সিকো সিটির প্রায় ৪৮ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত ‘পিরামিড অব দ্য সান’
• এটি মহাশক্তিশালী অ্যাজটেক সম্প্রদায়ের বৃহত্তম পিরামিড।
• ধারণা করা হয়, এটি নির্মাণ কাজ খ্রিস্ট জন্মের প্রায় ১০০ বছর পরে সম্পন্ন হয়

উৎস: ব্রিটানিকা।
২,১২৬.
'The Belt and Road Initiative' strategy adopted by the Chinese government is formerly known as -
  1. ক) One Belt One Road
  2. খ) New Silk Route
  3. গ) New Silk Road
  4. ঘ) One Silk Road
  5. ঙ) None of these
ব্যাখ্যা
বেল্ট এন্ড রোড ইনিশিয়েটিভ পরিকল্পনা হলো চীন প্রবর্তিত একটি মহাপরিকল্পনা।
এটি নিউসিল্ক রোড বা ওয়ান বেল্ট ওয়ান রোড নামেও পরিচিত।
এই পরিকল্পনার মূল উদ্দেশ্য হলো বিশ্বের ৬৮টি দেশ, ৬০ শতাংশ জনগোষ্ঠী এবং ৪০ শতাংশ উৎপাদনের মধ্যে স্থল, নৌ, রেল ও প্রযুক্তিগত দিক থেকে কানেকটিভিটি গড়ে তোলা।
এর ফলে এশিয়া বিশ্ব অর্থনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়ে উঠবে। ভারত, যুক্তরাষ্ট্র ও জাপান চীনের এই পরিকল্পনার সাথে একাত্ম নয়।

(সূত্রঃ দৈনিক প্রথম আলো)
২,১২৭.
সম্প্রতি অনুষ্ঠিত G-7 শীর্ষ সম্মেলনের আয়োজক দেশ ছিলো কোনটি?
  1. ইতালি
  2. জার্মানি
  3. যুক্তরাজ্য
  4. ফ্রান্স
ব্যাখ্যা
- গত ১১-১৩ জুন ২০২১ যুক্তরাজ্যের কর্নওয়াল শহরের কার্বিস বে সমুদ্রসৈকতে ৪৭তম G-7 (Group of Seven) শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- এই সম্মেলনে যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, ইতালি, জাপান ও ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন অংশ নেয়।
- G-7 হলো বিশ্বের শিল্পোন্নত ৭টি দেশের অর্থনৈতিক ফোরাম।
(তথ্যসূত্র: G-7 ওয়েবসাইট)
২,১২৮.
'বিবিসি' কোন দেশের সংবাদ সংস্থা?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. কানাডা
  3. কাতার
  4. যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন দেশের সংবাদ সংস্থা:
- বাংলাদেশ: বাসস, এনা, আইএসপিআর, ইউএনবি, আবাস, পিআইবি।
- যুক্তরাষ্ট্র: এপি, ভয়েস অব আমেরিকা (VOA), CNN.
- যুক্তরাজ্য: রয়টার্স, বিবিসি।
- পাকিস্তান: এপিপি, পিপিআই, ইউপিপি।
- চীন: সিনহুয়া।
- ফ্রান্স: এএফপি।
- অষ্ট্রেলিয়া: অষ্ট্রেলিয়ান ব্রডকাষ্টিং কর্পোরেশন (এবিসি)।
- কানাডা: কানাডিয়া প্রেস (সিপি)।
- সিরিয়া: সানা।
- লিবিয়া: জানা।
- মালয়েশিয়া: বারনামা।
- মিশর: মেনা (মিডিল ইস্ট নিউজ এজেন্সি)।
- পর্তুগাল: লুসা।
- বেলজিয়াম: বেলজা।
- ভারত: PTI, ইউএনআই।
- রাশিয়া: ITAR-TASS, Rossiya Segodnya, ইন্টারফ্যাক্স।
- ইন্দোনেশিয়া: আনতারা।
- ইরান: ইরনা, আইএনএ।
- ইরাক: নিউজ এজেন্সি (ইনা)।

তথ্যসূত্র - সংশ্লিষ্ট দেশের ওয়েবসাইট।
২,১২৯.
‘পিকিং মানুষ’ কাদের বলা হয়?
  1. জাপানের আদিম মানুষকে
  2. চীনের আদিম মানুষকে  
  3. গ্রিকের আদি মানুষকে  
  4. রোমের আদি মানুষকে  
ব্যাখ্যা

• চীন সভ্যতা: 
- চীনা সভ্যতা পৃথিবীতে বিরাজমান সবচেয়ে পুরাতন সভ্যতা।
- খ্রিস্টপূর্ব ২০০০ অব্দে চিনের প্রাচীন সভ্যতা গড়ে ওঠেছিল।
- ১৯২৯ খ্রিস্টাব্দে চিনে প্রাগৈতিহাসিক যুগের মানুষের মাথার খুলি পাওয়া গেছে। 
- চীনের রাজধানী পিকিং-এর (বর্তমান বেইজিং) কাছে এই খুলি পাওয়া যায়। 
- এরাই চিনের আদিম মানুষ; যাদেরকে ‘পিকিং মানুষ’ বলা হয়।
- চীনের মহা প্রাচীর নির্মিত হয় চৌ-রাজ বংশের আমলে। 
- রাজা শি-হুয়াং তি এই প্রাচীর তৈরি করেন।
- কনফুসিয়াসের দর্শন খ্রিস্টপূর্ব ২০৬ অব্দে চিনে ধর্মে পরিণত হয়।
- অন্যান্য খ্যতনামা দার্শনিকদের মধ্যে ছিলেন জেনসিয়াস ও মোতি।

উৎস:  বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা (এসএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।  

২,১৩০.
কোন সভ্যতায় প্রথম নৌপথকে বাণিজ্য রুট হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছিল?
  1. ক) সিন্ধু সভ্যতা
  2. খ) ক্যালেডীয়
  3. গ) সুমেরীয় সভ্যতা
  4. ঘ) মিশরীয় সভ্যতা
ব্যাখ্যা
মিশরীয় সভ্যতা:

- মিশরীয় সভ্যতায় প্রথম নৌপথকে বাণিজ্য রুট হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছিল
- প্রাচীন মিশর, উত্তর-পূর্ব আফ্রিকার সভ্যতা যা খ্রিস্টপূর্ব ৪র্থ সহস্রাব্দ থেকে শুরু হয়েছে।
- তারা গণিতে বিশাল অগ্রগতি করেছিল এবং চিকিৎসা বিজ্ঞানের অগ্রগামী ছিল।
- তাদের প্রথম ধ্বনিগত বর্ণমালার বিকাশের জন্যও কৃতিত্ব দেওয়া হয় যা প্যাপিরাস কাগজের উদ্ভাবনের কারণে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়েছিল
- বাইবেলের ব্যবহার অনুসরণ করে মিশরীয় রাজাদের সাধারণত ফারাও বলা হয়।
- প্রাচীন মিশরে লেখার দুটি মৌলিক ধরন ছিল হায়ারোগ্লিফ, যা স্মৃতিস্তম্ভ এবং প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হত, এবং অভিশাপ ফর্ম যা হায়ারেটিক নামে পরিচিত, প্রায় একই সময়ে আবিষ্কৃত হয়েছিল পূর্ব-বংশীয় মিশরে।
- মেনেস ছিলেন একীভূত মিশরের কিংবদন্তি প্রথম রাজা। ঐতিহ্য অনুসারে, তিনি উচ্চ ও নিম্ন মিশরে একক কেন্দ্রীভূত রাজতন্ত্রে যোগ দেন এবং প্রাচীন মিশরের প্রথম রাজবংশ প্রতিষ্ঠা করেন।

তথ্যসূত্র - Britannica.com & Worldatlas.com
২,১৩১.
দেশটি Regional Comprehensive Economic Partnership (RCEP) চুক্তির অংশীদার নয়?
  1. ভিয়েতনাম
  2. ব্রুনেই দারুসসালাম
  3. নিউজিল্যান্ড
  4. পূর্ব তিমুর
ব্যাখ্যা
The Regional Comprehensive Economic Partnership (RCEP) হলো বিশ্বের বৃহত্তম আঞ্চলিক মুক্ত বাণিজ্য।
২০২০ সালের ১৫ নভেম্বর ভিয়েতনামের হ্যানয়ে এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ১৫টি দেশের মধ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। ২০২২ সালের ১ জানুয়ারি চুক্তিটি কার্যকর হয়।

চুক্তিটিতে স্বাক্ষরকারী দেশগুলো হলো:
- চীন
- জাপান
- দক্ষিণ কোরিয়া
- অস্ট্রেলিয়া
- নিউজিল্যান্ড
- ফিলিপাইন
- ভিয়েতনাম
- মালয়েশিয়া
- ইন্দোনেশিয়া
- থাইল্যান্ড
- মিয়ানমার
- সিঙ্গাপুর
- কম্বোডিয়া
- লাওস এবং
- ব্রুনেই দারুসসালাম।

পূর্ব তীমুর RCEP চুক্তির অংশীদার নয়।

(তথ্যসূত্র: বিবিসি ওয়ার্ল্ড এবং আসিয়ান ওয়েবসাইট)
২,১৩২.
'জুলিয়াস সীজার' কেন বিখ্যাত?
  1. রোমান সম্রাট হিসেবে
  2. বর্ণবাদ বিরোধী হিসেবে
  3. ব্রিটেনের রাজা হিসেবে
  4. আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হিসেবে
ব্যাখ্যা
জুলিয়াস সিজার:
- জুলিয়াস সিজার একজন রোমান সম্রাট।
- তিনি একজন বিখ্যাত রোমান রাজনীতিবিদ, সেনাপতি ও জনপ্রিয় রোমান সম্রাট।
- তিনি ১০০ খ্রিস্টপূর্বে ইতালির রোমে জন্মগ্রহণ করেছিলেন।
- তিনি ছিলেন একজন রোমান জেনারেল এবং রাজনীতিবিদ।
- তিনি নিজেকে রোমান সাম্রাজ্যের স্বৈরশাসক নামে অভিহিত করেছিলেন।
- রোমের নাগরিকরা গল, ব্রিটেন, মিশর এবং আফ্রিকায় সিজারের অভিযানগুলোর জন্য তাকে পছন্দ করেছিল।
- ৪৪ খ্রিস্টপূর্বে রোমীয় সিনেটে জুলিয়াস সিজারকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেছিল।
- এর ফলে রোমীয় প্রজাতন্ত্রের পতনের সূত্রপাত হয়।

উল্লেখ্য,
- জুলিয়াসের বিখ্যাত বানী: 'এলাম, দেখলাম, জয় করলাম'।

উৎস: Britannica.
২,১৩৩.
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন কত বছর অন্তর হয় ?
  1. ক) এক বছর
  2. খ) দুই বছর
  3. গ) তিন বছর
  4. ঘ) চার বছর
ব্যাখ্যা
 - যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন চার বছরের জন্য।
- প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের দুই বছর পর যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় সেটাই মধ্যবর্তী নির্বাচন।
- মার্কিন সংবিধান ও সংসদীয় ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অংশ এই মধ্যবর্তী নির্বাচন। ক্ষমতা ধরে রাখার পাশাপাশি জনপ্রিয়তা যাচাইয়েরও অন্যতম মাধ্যম এটি। 

- নিয়মানুসারে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান নির্বাচনগুলো অনুষ্ঠিত হয় নভেম্বর মাসের প্রথম মঙ্গলবার, এমনকি সেই প্রথম মঙ্গলবার যদি মাসের শুরুর দিনও হয়। সেই হিসেবে গতবারের মধ্যবর্তী নির্বাচন পড়ছে ৮ নভেম্বর। 

- মার্কিন সরকারে জনগণের প্রতিনিধিত্ব করেন ৫৩৫ জন আইনপ্রণেতা, যারা কংগ্রেস সদস্য হিসেবে পরিচিত। মার্কিন কংগ্রেস তথা পার্লামেন্টের দুটি কক্ষ। উচ্চকক্ষ সিনেট ও নিম্নকক্ষ হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস (প্রতিনিধি পরিষদ)। আইন তৈরির জন্য কংগ্রেসের এই দুটি কক্ষ আলাদাভাবে কাজ করে।

- সিনেটের সদস্য সংখ্যা ১০০ জন। আকার যেমনই হোক, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিটি রাজ্য দুজন করে সিনেট সদস্য নির্বাচিত করে, যারা সিনেটর হিসেবে পরিচিত এবং নির্বাচিত হন ছয় বছরের জন্য। প্রতি দু’বছর পরপর সিনেটের এক-তৃতীয়াংশ আসনে নির্বাচন হয়। অর্থাৎ এবারের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ১০০টি আসনের মধ্যে ৩৫টিতে নির্বাচন হয়। 

তথ্যসূত্র: Britannica.com
২,১৩৪.
ইংল্যান্ডে শিল্পবিপ্লবের সূচনা ঘটে কোন আবিষ্কারের ফলে?
  1. কম্পিউটার
  2. সেমিকন্ডাক্টর
  3. বাষ্প ইঞ্জিন
  4. বিদ্যুৎ
ব্যাখ্যা

শিল্প বিপ্লব (Industrial Revolution):
- আঠারো শতকের শেষার্ধে ও উনিশ শতকের প্রথমার্ধে ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রে যে দ্রুত শিল্পায়ন ও নগরায়ন সংঘটিত হয়, তাকে শিল্প বিপ্লব বলা হয়।

⇒ প্রথম শিল্প বিপ্লব:
- ১৭৮৪ সালে পানি ও বাষ্পীয় ইঞ্জিনের নানামুখী ব্যবহারের কৌশল আবিষ্কারের মাধ্যমে সংঘটিত হয়েছিল প্রথম শিল্পবিপ্লব।
- প্রথম শিল্প বিপ্লব সংঘটন কাল: ১৭৬০-১৮৪০ সাল।
- ১৭৬০ সাল থেকে ইউরোপের দেশ ইংল্যান্ডে প্রথম শিল্প বিপ্লব শুরু হয়।
- তাই ইংল্যান্ডকে শিল্প বিপ্লবের জন্মস্থান বলা হয়।
- ব্রিটিশ অর্থনৈতিক ঐতিহাসিক আর্নল্ড টয়েনবি (Arnold Toynbee) ১৭৬০ সাল থেকে ১৮৪০ সাল পর্যন্ত ইংল্যান্ডের অর্থনৈতিক উন্নয়ন বোঝানোর জন্য ‘শিল্প বিপ্লব' (Industrial Revolution) শব্দটি ব্যবহার করেন।
- ইংল্যান্ডে শুরু হলেও খুব দ্রুতই ইউরোপের অন্যান্য দেশ বেলজিয়াম, ফ্রান্স, জার্মানি, রাশিয়া সহ অন্যান্য দেশে তা ছড়িয়ে পড়ে।
- ইউরোপের পাশাপাশি ১৭৯০ সালে যুক্তরাষ্ট্রে শিল্প বিপ্লবের ছোঁয়া লাগে।
- শিল্প বিপ্লবের ফলে পণ্য উৎপাদন, বাজারজাতকরণ, অর্থনৈতিক ব্যবস্থা খুব দ্রুত পরিবর্তত হতে থাকে।
- এই সময় বিভিন্ন ইঞ্জিন, যন্ত্রপাতি ও তত্ত্ব আবিষ্কার হতে থাকে।
- ফলে বিশ্বের ইতিহাসও খুব দ্রুত পরিবর্তন হতে থাকে।

উৎস: Britannica.

২,১৩৫.
আরব বসন্তে প্রথম কোন শাসকের পতন ঘটে?
  1. হোসনি মোবারক
  2. আলী আব্দুল্লাহ সালেহ
  3. মুয়াম্মার গাদ্দাফি
  4. জাইন আল আবেদিন
ব্যাখ্যা
আরব বসন্ত হলো আরব মুসলিম দেশগুলোতে সংঘটিত হওয়া সিরিজ বা ধারাবাহিক গণঅভ্যুত্থান। ২০১০ সালের ডিসেম্বরে বোয়াজিজি নামে এক ফলবিক্রেতা কর্তৃক নিজ শরীরে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে তিউনেশিয়ায় গণবিক্ষোভ বা আরব বসন্তের সূত্রপাত ঘটে।
এর ফলে ১৪ মার্চ ২০১১ তিউনেশিয়ার স্বৈরশাসক জাইন আল আবেদীন বেন আলী এর পতন ঘটে।
পরবর্তীতে এই গণবিক্ষোভ মিসর, ইয়েমেন, লিবিয়া, সিরিয়া, বাহরাইন ও মরক্কোতে ছড়িয়ে পড়ে। লিবিয়া ও সিরিয়ায় গণআন্দোলন গৃহযুদ্ধে রূপ নেয়।
(সূত্রঃ হিস্টোরি ডটকম এবং দ্য গার্ডিয়ান)
২,১৩৬.
কোন দেশের সমুদ্রবন্দর নেই?
  1. চীন
  2. দক্ষিণ কোরিয়া
  3. মঙ্গোলিয়া
  4. রোমানিয়া
ব্যাখ্যা
মঙ্গোলিয়া: 
- মঙ্গোলিয়া উত্তর-মধ্য এশিয়ায় অবস্থিত একটি স্থলবেষ্টিত দেশ।
- তাই মঙ্গোলিয়ার কোন সমুদ্র বন্দর নেই। 
- মঙ্গোলিয়ার মোট ভূমি এলাকা পশ্চিম ও মধ্য ইউরোপের দেশগুলোর সম্মিলিত আয়তনের সমান।
- সীমান্ত ও প্রতিবেশী দেশ: উত্তরে রাশিয়া, দক্ষিণে চীন দ্বারা বেষ্টিত।
- দেশটি সমুদ্র থেকে অনেক দূরে অবস্থিত, যা এর জলবায়ুকে প্রভাবিত করে।
- উলানবাটোর (Ulaanbaatar) মঙ্গোলিয়ার রাজধানী, যা দেশের উত্তর-মধ্য অঞ্চলে অবস্থিত।
- মঙ্গোলিয়া মূলত একটি উচ্চ মালভূমি (Plateau), যার গড় উচ্চতা ১,৫৮০ মিটার।
- মঙ্গোলিয়ার জলবায়ু চরমভাবে মহাদেশীয়, যেখানে শীতকালে তীব্র ঠান্ডা ও গ্রীষ্মকালে উষ্ণ থেকে গরম আবহাওয়া দেখা যায়।
- দেশের অধিকাংশ অংশ উচ্চ তৃণভূমি, আধা-মরুভূমি এবং মরুভূমি নিয়ে গঠিত।
- চেঙ্গিস খান-এর নেতৃত্বে মঙ্গোল সাম্রাজ্য একসময় বিশাল ভূখণ্ড নিয়ন্ত্রণ করেছিল।
- মঙ্গোলিয়ার ঐতিহ্যবাহী যাযাবর জীবনধারা এবং পশুপালন এখনো দেশের প্রধান অর্থনৈতিক কার্যক্রমের অংশ।
- মঙ্গোলিয়া তার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, চরম জলবায়ু এবং ঐতিহাসিক ঐতিহ্যের জন্য পরিচিত, যা একে এশিয়ার অন্যতম স্বতন্ত্র দেশ হিসেবে গড়ে তুলেছে।

উৎস: Britannica.
২,১৩৭.
রোমান স্থাপত্যের অন্যতম নিদর্শন-
  1. প্যানথিয়ন ধর্মমন্দির
  2. সূর্যদেবের মন্দির
  3. পার্থেনন মন্দির
  4. দেবী এথেনার মন্দির
ব্যাখ্যা
• রোম সভ্যতা : 
- ইতালির টাইবার নদীর তীরে রোমকে কেন্দ্র করে গড়ে সভ্যতা রোমান সভ্যতা নামে পরিচিত।
- ৭৫৩ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে রোম নগরী প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ইতালির মাঝামাঝি পশ্চিমাংশে রোম নগর অবস্থিত।
- রোম সভ্যতা  ইতালির দক্ষিণে ভূমধ্যসাগর থেকে উত্তর দিকে আল্পস্ পর্বতমালা পর্যন্ত বিস্তৃত।
- বিশাল রোম সাম্রাজ্যকে তিন ভাগ করে শাসনের দায়িত্ব নেন অক্টোভিয়াস সিজার, মার্ক এন্টনি ও লেপিডাস।
- রোমের অর্থনীতি ছিল দাসদের ওপর নির্ভরশীল। 
- সম্রাট হার্ডিয়ানের তৈরি ধর্মমন্দির প্যানথিয়ন রোমানদের স্থাপত্যের এক অসাধারণ নিদর্শন।
-  ৮০ খ্রিষ্টাব্দে রোমান সম্রাট টিটাস কর্তৃক নির্মিত কলোসিয়াম নাট্যশালা নির্মিত হয়, 
 - বিজ্ঞানীদের মধ্যে কেউ কেউ গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে সক্ষম হন।
- তাদের মধ্যে প্লিনি বিজ্ঞান সম্পর্কে বিশ্বকোষ প্রণয়ন করেন। 

উৎস : বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি।
২,১৩৮.
Which is the most forested country in the world?
  1. Russia
  2. USA
  3. Brazil
  4. Canada
  5. Indonesia
ব্যাখ্যা
বিশ্বের বনভূমি:
- পৃথিবীজুড়ে অসংখ্য সুন্দর বন আছে যেগুলো সব মিলিয়ে পৃথিবীর এক-তৃতীয়াংশ।
- পৃথিবীর প্রায় ৭০ শতাংশ বন্যপ্রাণী বনে বসবাস করে। 
- বিশ্বের সর্বাধিক বনভূমির দেশ রাশিয়া।
- ব্রাজিল, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, চীন, অস্ট্রেলিয়া এবং ডেমোক্র্যাটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোতে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি বনভূমি রয়েছে।

⇒ বিশ্বের শীর্ষ বনভূমির দেশ:
1. রাশিয়া,
2. ব্রাজিল,
3. কানাডা,
4. যুক্তরাষ্ট্র,
5. চীন,
6. অস্ট্রেলিয়া,
7. কঙ্গো,
8. ইন্দোনেশিয়া
9. ভারত,
10. পেরু।

উৎস: Statistica ওয়েবসাইট।
২,১৩৯.
নিচের কোন দুইটি দেশ সানসাইন পলিসি- এর সাথে জড়িত?
  1. জাপান ও চীন
  2. উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়া
  3. চীন ও যুক্তরাষ্ট্র
  4. ইরান ও ইসরায়েল
ব্যাখ্যা

সানসাইন পলিসি:
- সানসাইন পলিসি- এর সাথে উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়া দুটি দেশ জড়িত৷
- দুই কোরিয়ার সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য ১৯৯০-এর দশকে দক্ষিণ কোরিয়া এক নীতি গ্রহন করে যা 'সানসাইন পলিসি' (Sunshine Policy) নামে পরিচিত।
- এই পলিসির আওতায় দুই কোরীয়ার শীর্ষ নেতাদের মধ্যে কয়েকটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় এবং সম্পর্ক স্বাভাবিক করার চেষ্টা চালানো হয়।
- সানশাইন পলিসির প্রবক্তা দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট কিম দায়ে জং।
- এই পলিসির মেয়াদ ছিলো ১৯৯৮-২০০৮ সাল পর্যন্ত।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

২,১৪০.
কোন দেশটি ইউক্রেনের প্রতিবেশি রাষ্ট্র নয়?
  1. ক) হাঙ্গেরি
  2. খ) মলদোভা
  3. গ) জর্জিয়া
  4. ঘ) বেলারুশ
ব্যাখ্যা
পূর্ব ইউরোপের দেশ ইউক্রেন রাশিয়ার পর ইউরোপের দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ। 
ইউক্রেনের প্রতিবেশী রাষ্ট্র ৭টি। যথা:
- বেলারুশ
- রাশিয়া
- মলদোভা
- রোমানিয়া
- হাঙ্গেরি
- স্লোভাকিয়া
- পোল্যান্ড

ইউক্রেন উত্তরে বেলারুশ, পূর্বে রাশিয়া, দক্ষিণে আজভ সাগর ও কৃষ্ণ সাগর, দক্ষিণ-পশ্চিমে মলদোভা ও রোমানিয়া এবং পশ্চিমে হাঙ্গেরি, স্লোভাকিয়া ও পোল্যান্ড দ্বারা বেষ্টিত। সুদূর দক্ষিণ-পূর্বে, ইউক্রেন কের্চ স্ট্রেইট দ্বারা রাশিয়া থেকে পৃথক হয়েছে, যা আজভ সাগরকে কৃষ্ণ সাগরের সাথে সংযুক্ত করেছে।
 
Ukraine is bordered by Belarus to the north, Russia to the east, the Sea of Azov and the Black Sea to the south, Moldova and Romania to the southwest, and Hungary, Slovakia, and Poland to the west. 
In the far southeast, Ukraine is separated from Russia by the Kerch Strait, which connects the Sea of Azov to the Black Sea.
 
উৎস: ব্রিটানিকা 
২,১৪১.
ধর্ম বিশ্বাসের দিক থেকে মেসোপটেমিয়ানদের ধারণা কেমন ছিল?
  1. একেশ্বরবাদ
  2. দ্বৈত অস্তিত্ববাদ
  3. বহুঈশ্বরবাদ
  4. ধর্মবিশ্বাস ছিল না
ব্যাখ্যা
মেসোপটেমিয়া সভ্যতা (Mesopotamian Civilization):
- পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতার নাম মেসোপটেমিয়া সভ্যতা।
- খ্রিস্টপূর্ব ৪,০০০ অব্দে মিশরে যখন নগর সভ্যতা গড়ে উঠেছিল।

⇒ মেসোপটেমীয় সভ্যতার পর্যায় ছিল ৪টি। যথা:
১. সুমেরীয় সভ্যতা,
২. ব্যাবিলনীয় সভ্যতা,
৩. অ্যাশেরীয় সভ্যতা ও
৪. ক্যালেডীয় সভ্যতা।

উল্লেখ্য,
- বর্তমান ইরাক রাষ্ট্রের সীমানার মধ্যেই প্রাচীন মেসোপটেমীয়ার বেশিরভাগ অঞ্চল অবস্থিত।
- এছাড়াও সিরিয়া, তুরস্ক, ইরান ও কুয়েতে এই সভ্যতার কিছু অংশ রয়েছে।
- মেসোপটেমিয়ার লোকজন বহুঈশ্বরবাদে বিশ্বাসী ছিলো।

⇒ ‘মেসোপটেমিয়া' একটি গ্রিক শব্দ যার অর্থ দুই নদীর মধ্যবর্তী ভূমি ৷
- টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস নদীর মধ্যবর্তী উপত্যকাটির নাম মেসোপটেমিয়া।
- গ্রীক লেখকগণ মূলত এই নামকরণটি করে ছিলেন।
- মেসোপটেমিয়া দুই ভাগে বিভক্ত ছিলো: উত্তর ও দক্ষিণ।

উৎস: i) History.com
ii) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
২,১৪২.
২০১৪ সালের পূর্বে ক্রিমিয়া কোন দেশের অংশ ছিল?
  1. রাশিয়া
  2. ইউক্রেন
  3. পোল্যান্ড
  4. বেলারুশ
ব্যাখ্যা

ক্রিমিয়া:
- ক্রিমিয়া হলো কৃষ্ণ সাগরের উত্তরে অবস্থিত একটি উপদ্বীপ।
- এটি রাশিয়া থেকে সংকীর্ণ কার্চ প্রণালী দ্বারা পৃথক।
- রাজধানী: সিম্ফেরোপল। 
- ক্রিমিয়া পূর্বে ইউক্রেনের অংশ ছিল।

উল্লেখ্য,
- ১৭৮৩ সালে রাশিয়ান সম্রাজ্ঞী ক্যাথরিন দ্য গ্রেট ক্রিমিয়াকে অটোমান সাম্রাজ্য থেকে দখল করে রাশিয়ান সাম্রাজ্যে যুক্ত করেন।
- ১৯৫৪ সালে সোভিয়েত নেতা নিকিতা খ্রুশ্চেভ ক্রিমিয়াকে ইউক্রেনীয় সোভিয়েত প্রজাতন্ত্রে হস্তান্তর করেন।
- ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে গেলে ক্রিমিয়া স্বাধীন ইউক্রেনের অংশ হয়।
- ২০১৪ সালে রাশিয়া ইউক্রেনের ইউরোমাইদান বিপ্লবের পর ক্রিমিয়া দখল করে। কিন্তু বিশ্ব সম্প্রদায়ের অধিকাংশ দেশই একে ইউক্রেনের অংশ মনে করে। 

উৎস: Britannica.

২,১৪৩.
'মেহেরাবাদ' বিমানবন্দর কোন দেশে অবস্থিত?
  1. কাজাকিস্তান
  2. সুদান
  3. ইরান
  4. জর্ডান
ব্যাখ্যা

'মেহেরাবাদ' বিমানবন্দর:
- 'মেহেরাবাদ' বিমানবন্দর ইরানে অবস্থিত।

• এটি ইরানের রাজধানী তেহরানের একটি বিমানবন্দর। এটি ইরানের সবচেয়ে পুরনো এবং ব্যস্ততম বিমানবন্দরগুলির মধ্যে একটি। 
- বর্তমানে প্রধানত ইরানের অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট পরিচালনা করে।
- সাম্প্রতিক ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ বা সংঘাতের সময় মেহেরাবাদ বিমানবন্দর একাধিকবার ইসরায়েলি বিমান হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়েছে। হামলায় বিমানবন্দরে আগুন লাগা, ধোঁয়া উঠা, ক্ষয়ক্ষতি এবং ফ্লাইট স্থগিতের খবর পাওয়া গেছে। এ

উৎস: Hindustan Times পত্রিকা। 

২,১৪৪.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের Bill of Rights প্রস্তাব করেছিলেন কে?
  1. থমাস জেফারসন
  2. জন অ্যাডামস
  3. জেমস ম্যাডিসন
  4. ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট
ব্যাখ্যা

বিল অব রাইটস:
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের প্রথম ১০ টি সংশোধনীকে 'Bill of Rights' বা অধিকারের বিল বলে অভিহিত করা হয়।
- ১৭৮৭ সালে প্রণীত সংবিধানের সমালোচনার পরিপ্রেক্ষিতে জেমস ম্যাডিসন প্রস্তাবিত প্রথম ১০টি সংশোধনীই 'Bill of Rights' নামে পরিচিত।
- এই সংশোধনীগুলি ১৭৯১ সালের ১৫ ডিসেম্বর কার্যকর হয় ।
- এটি নাগরিকদের মৌলিক অধিকার ও স্বাধীনতা সুরক্ষার জন্য গৃহীত হয়েছিল এবং আমেরিকার স্বাধীনতা আন্দোলনের পর সংবিধানের গ্রহণযোগ্যতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

উল্লেখ্য,
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার পর ১৭৮৭ সালে ফিলাডেলফিয়ায় একটি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- সেই সম্মেলনে মার্কিন সংবিধান রচিত হয়।
- কিন্তু এই সংবিধানে নাগরিকদের অধিকারগুলোর কোন নির্দিষ্ট উল্লেখ ছিল না।
- মার্কিন রাজনৈতিক নেতা জেমস মেডিসন ১৭৮৯ সালে মার্কিন কংগ্রেসে ১২টি সংশোধনী প্রস্তাব করেন, যা নাগরিকদের মৌলিক অধিকার সংরক্ষণ করতে চেয়েছিল।
- তিনি পরবর্তীতে একে বিল অব রাইটস নামে পরিচিত করেন।
- মাদিসনের প্রস্তাবিত কিছু সংশোধনী সরাসরি অনুমোদিত হয়েছিল, এবং কিছু সংশোধনী পরিবর্তন ও সংযোজন করা হয়।
- সর্বশেষ, ১৭৯১ সালে ১০টি সংশোধনী মার্কিন সংবিধানে সংযুক্ত করা হয় এবং এগুলি বিল অব রাইটস হিসেবে পরিচিত হয়।

উৎস: Britannica.

২,১৪৫.
দালাইলামা হলো -
  1. ক) ভারতের আধ্যাত্মিক এবং পার্থিব প্রধান
  2. খ) ভুটানের আধ্যাত্মিক এবং পার্থিব প্রধান
  3. গ) তিব্বতের আধ্যাত্মিক এবং পার্থিব প্রধান
  4. ঘ) নেপালের আধ্যাত্মিক এবং পার্থিব প্রধান
ব্যাখ্যা
দালাইলামা  
• তিব্বতের আধ্যাত্মিক এবং পার্থিব প্রধানকে দালাইলামা বলা হয়।
• মোঙ্গলিয় ভাষায় দালাই শব্দের অর্থ সমুদ্র, আর লামা শব্দের অর্থ জ্ঞানী। অর্থাৎ, দালাই লামা শব্দের অর্থ দাঁড়ায়, যে ব্যক্তির জ্ঞান সমুদ্রের মতোই গভীর।
• এই পর্যন্ত চৌদ্দজন দালাই লামা নির্বাচিত হয়েছেন।
• বর্তমানে যিনি আছেন তানজিন গিয়েৎসো, তিনি চতুর্দশ দালাইলামা।

তথ্যসূত্র:- ব্রিটানিকা।
২,১৪৬.
জাতিসংঘের প্রথম ও একমাত্র সদস্যরাষ্ট্র হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে সোমালিল্যান্ড প্রজাতন্ত্রকে স্বীকৃতি দিয়েছে কোন দেশ?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. ইয়েমেন
  3. ইসরায়েল 
  4. কাতার
ব্যাখ্যা

সোমালিল্যান্ড:
- ১৯৯১ সালে সোমালিয়ার কাছ থেকে আলাদা হয়ে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিল সোমালিল্যান্ড।
- ১৯৯১ সাল থেকে সোমালিল্যান্ড কার্যত একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের মতো চলছে।
- তাদের নিজস্ব সরকার, মুদ্রা ও নিরাপত্তা বাহিনী রয়েছে।
- বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে স্বঘোষিত রিপাবলিক অব সোমালিল্যান্ডকে স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দিয়েছে ইসরায়েল।

উৎস: ইত্তেফাক।

২,১৪৭.
প্রাচীনকালে কোন দেশে সিভিল সার্ভিসের ধারণা প্রথম উদ্ভূত হয়?
  1. মিশর
  2. গ্রীস
  3. চীন
  4. রোম
ব্যাখ্যা

♦ প্রাচীনকালে সিভিল সার্ভিসের ধারণা প্রথম উদ্ভূত চীনে।

সিভিল সার্ভিস:
- সিভিল সার্ভিস একটি রাষ্ট্রীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা।
- এর মাধ্যমে সরকার বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে এবং নাগরিকদের সেবা প্রদান করে। এটি মূলত একটি পেশাদার, অরাজনৈতিক ও দক্ষ কর্মকর্তা-কর্মচারী বাহিনী, যারা সংবিধান ও সরকারের নীতিমালার আলোকে কাজ করে।
- এছাড়া, তারা সরকারের নীতিমালা বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। এর অন্তর্ভুক্ত কর্মকর্তারা কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় প্রশাসনের নানা স্তরে নিয়োজিত থাকেন। 

⇒ সিভিল সার্ভিসের উদ্ভব হয়েছে – প্রাচীন কালেই; যখন কিনা বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে রাজতন্ত্র বিদ্যমান ছিল।
- এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকার তথ্য অনুসারে, সিভিল সার্ভিসের ধারণার উদ্ভব হয়েছিল প্রাচীন মিশরীয় ও গ্রীক সভ্যতার সময়।
- পরবর্তীতে, রোমান সাম্রাজ্য প্রশাসনিক দপ্তর নির্মাণের মাধ্যমে একটি বিস্তৃত নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছিল; যা পরবর্তীতে রোমান ক্যাথলিক চার্চগুলোও অনুসরণ করে।

⇒  চীনে খ্রিস্টপূর্ব ২ অব্দে সিভিল সার্ভিসের উদ্ভব হয় যা চীনা সভ্যতা/সাম্রাজ্যকে দুই হাজার বছরের বেশি সময় ধরে স্থায়িত্ব দিয়েছে।
- যোগ্যতার ভিত্তিতে সিভিল সার্ভিসের প্রাচীনতম উদাহরণগুলির মধ্যে একটি হলো চীনের ইম্পেরিয়াল আমলাতন্ত্র।
- চীনে সিভিল সার্ভিসের চাকরিকে ‘Iron Rice Bowl’ বলা হয়। চাকরির নিরাপত্তা ও উচ্চ বেতনের জন্য এই নামকরণ করা হয়েছে।
- চীনের সিভিল সার্ভিস পরীক্ষা মান্দারিন ভাষায় হয় ‘Guako’।
- খ্রিষ্টপূর্ব ২০৬ অব্দে চীনের হান রাজবংশের রাজা গাওজু (Gaozu) এর শাসনামলে মেধাভিত্তিক সিভিল সার্ভিসের উন্মেষ ঘটে। তিনি প্রথম পরীক্ষার মাধ্যমে রাজকর্মচারী নিয়োগের ব্যবস্থা চালু করেন। এই সময়ে ইম্পেরিয়াল পরীক্ষা ব্যবস্থা (Keju বা Civil Service Examination) চালু হয়, যা মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে সরকারি কর্মকর্তা নিয়োগের জন্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার উপর নির্ভরশীল ছিল। এই ব্যবস্থা পরবর্তীতে সুই (৫৮১-৬১৮) এবং তাং রাজবংশের (৬১৮-৯০৭) সময়ে আরও উন্নত হয়।
- পরবর্তীতে অন্যান্য রাজবংশের শাসনের সময় তা বিভিন্ন সংশোধন ও পরিমার্জনের মাধ্যমে পরিবর্তিত হতে থাকে ও অধিক সুসংগঠিত হয়।
- সং সাম্রাজ্য (Song Dynasty – 960–1279) প্রথম যোগ্যতা (jinshi degree) ও পরীক্ষা পদ্ধতির প্রচলন ঘটায়।
- মিং সাম্রাজ্যের (Ming dynasty – 1368–1644) সময় সিভিল সার্ভিস সিস্টেম চূড়ান্ত রূপে পৌঁছায় এবং পরবর্তীতে কিং সাম্রাজ্যও এই পদ্ধতিই অনুসরণ করে। এই সময় সিভিল সার্ভিসের কর্মকর্তাগণ নিজের এলাকায় নিয়োগ না পাওয়া, এক স্থানে তিনবছরের বেশি দায়িত্ব পালন না করা ইত্যাদি নিয়ম অন্তর্ভূক্ত হয়। তাছাড়া, উচ্চপদের জন্য যোগ্যতার ক্ষেত্রে বেশ কিছু জিনিস অন্তর্ভূক্ত এবং শৃঙ্খলাভঙ্গের জন্য শাস্তির বিধান করা হয়।
- চীনে ১৯৪৯ সালে গণপ্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পর মূলত বর্তমান রাষ্ট্রীয় সিভিল সার্ভিসের প্রচলন ঘটে। সাধারণত কমিউনিস্ট পার্টির সাথে সংশ্লিষ্টরাই এই সার্ভিসে যোগদান করে।

• তাই, সিভিল সার্ভিসের উদ্ভব হিসেবে চীন দেশকেই গণ্য করা হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৯৪৭ সালের ভারত বিভাগের পর এই কাঠামো দুটি ভাগে বিভক্ত হয়—ভারত ও পাকিস্তানের নিজ নিজ প্রশাসনিক কাঠামোতে। পরবর্তীতে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর, ১৯৭২ সালে সিভিল সার্ভিস পুনর্গঠিত হয়ে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (BCS) নামে আত্মপ্রকাশ করে।

উৎস: i) Britannica.
ii) BBC.

২,১৪৮.
What is the name of the residence of the president of South Korea?
  1. ক) Blue House
  2. খ) Temple Tree
  3. গ) Kremlin
  4. ঘ) Elysee Palace
ব্যাখ্যা
 • দক্ষিণ কোরিয়া:
- দক্ষিণ কোরিয়র রাষ্ট্রীয় নাম - রিপাবলিক অব কোরিয়া।
- স্বাধীনতা লাভ করে - ১৫ আগস্ট, ১৯৪৫ সালে।
- সরকার পদ্ধতি - সাংবিধানিক প্রজাতন্ত্র।
- প্রেসিডেন্টের বাসভবনের নাম - ব্লু হাউজ।
- দক্ষিণ কোরিয়ার প্রথম প্রেসিডেন্ট - সিগম্যান রী।
- বর্তমান প্রেসিডেন্ট - ইউন সুক ইউল (২০২২ - )।
- বর্তমান প্রধানমন্ত্রী - হান ডাক সো (২০২২ - )।
- জাপান ও কোরিয়াকে পৃথক করেছে - কোরিয়া প্রণালি।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
২,১৪৯.
সিলিকন ভ্যালী কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) যুক্তরাষ্ট্র
  2. খ) যুক্তরাজ্য
  3. গ) কানাডা
  4. ঘ) জার্মান
ব্যাখ্যা
সিলিকন ভ্যালী যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত। 

- বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি বা প্রযুক্তিপণ্য তৈরিতে ব্যবহৃত একটি জরুরি উপাদান সিলিকন।
- এই সিলিকন থেকেই সারাবিশ্বের প্রযুক্তির রাজধানী সিলিকন ভ্যালির নামকরণ করা হয়েছে।
- আমেরিকার ক্যালিফোর্নিয়ায় অবস্থিত সিলিকন ভ্যালিতে আছে প্রায় কয়েক হাজার প্রযুক্তি-প্রতিষ্ঠানের কার্যালয়।
- ফেসবুক, গুগল ও অ্যাপলের মতো প্রযুক্তি দানবের সদরদপ্তরও এই সিলিকন ভ্যালিতে। ব
- বর্তমান প্রযুক্তি বিশ্বের সিংহভাগ নিয়ন্ত্রণ করা হয় সরাসরি সিলিকন ভ্যালি থেকে। 

সূত্র- ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।
২,১৫০.
কোন সংঘাতের প্রেক্ষাপটে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ‘Uniting for Peace Resolution’ গৃহীত হয়েছিল?
  1. ভিয়েতনাম যুদ্ধ
  2. কোরীয় যুদ্ধ
  3. পাক-ভারত যুদ্ধ
  4. ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ 
ব্যাখ্যা

• কোরিয়া উপদ্বীপ:
- ১৯৪৫ সালে উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়া বিভক্ত হয়।
- ১৯৪৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে দক্সিণ কোরিয়া স্বাধীনতা লাভ করে।
-১৯৪৮ রাশিয়ার কাছ থেকে উত্তর কোরিয়া স্বাধীনতা লাভ করে।
- ৩৮ ডিগ্রি উত্তর অক্ষরেখা দুই কোরিয়ার বিভক্তকারী রেখা।
- দুই কোরিয়া ১৯৫০ থেকে ১৯৫৩ পর্যন্ত যুদ্ধ করে।
- বিবাদমান পক্ষসমূহ: সোভিয়েত ইউনিয়ন ও চীনের সমর্থিত - উত্তর কোরিয়া ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও মিত্রদের সমর্থিত - দক্ষিণ কোরিয়া।

• কোরীয় যুদ্ধের ফলাফল: 
- কোরিয়া সংকটকালীন সময়ে ১৯৫০ সালের ৩ নভেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ শান্তির জন্য ঐক্য” (Uniting for Peace) প্রস্তাব পাশ করে এবং উত্তেজনা প্রশমনের চেষ্টা চালায়।
- এ যুদ্ধের প্রেক্ষিতে জাতিসংঘ ৩ নভেম্বর, ১৯৫০ সালে 'Uniting for peace resolution' পাশ করে।
- অবশেষে ২৭ জুলাই, ১৯৫৩ সালে কোরীয় যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটে।

তথ্যসূত্র: UN ওয়েবসাইট।

২,১৫১.
কোন দেশের পতাকাকে 'Union Jack' বলা হয়?
  1. কানাডা
  2. কিউবা
  3. লিচেনস্টাইন
  4. যুক্তরাজ্যে
ব্যাখ্যা
'Union Jack':
- যুক্তরাজ্যের পতাকাকে 'ইউনিয়ন জ্যাক' বলা হয়।
- কারণ এটি ইংল্যান্ড, স্কটল্যান্ড এবং আয়ারল্যান্ড তিনটি দেশের ক্রসকে একত্রিত করে।
- লাল, সাদা এবং নীল. এগুলি হল ইউনিয়ন জ্যাকের রঙ।
- যুক্তরাজ্য ১৮০১ সাল থেকে বিশ্বের কাছে এ পতাকা উপস্থাপন করেছে। 

সূত্র: ব্রিটানিকা & royal.uk/union-jack।[লিঙ্ক]
২,১৫২.
নিচের কোনটি বলকান রাষ্ট্র?
  1. ক) জর্জিয়া
  2. খ) এস্তোনিয়া
  3. গ) সার্বিয়া
  4. ঘ) ইরিত্রিয়া
ব্যাখ্যা
বলকান অঞ্চল হলো পূর্ব ইউরোপের একটি ভৌগোলিক অঞ্চল। বলকান পর্বতের পূর্ব পাশে কৃষ্ণসাগর এবং পশ্চিম পাশে ঈজিয়ান সাগর অবস্থিত।

বলকান অঞ্চলে অবস্থিত রাষ্ট্রসমূহ হলো:
- আলবেনিয়া
- বুলগেরিয়া
- মন্টিনিগ্রো
- সার্বিয়া
- কসোভো
- স্লোভেনিয়া
- উত্তর মেসিডোনিয়া
- ক্রোয়েশিয়া
- বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা
- রোমানিয়া প্রভৃতি।

অন্যদিকে,
জর্জিয়া : ককেশাস অঞ্চলে অবস্থিত।
এস্তোনিয়া : বাল্টিক অঞ্চলে অবস্থিত।
ইরিত্রিয়া : হর্ন অব আফ্রিকা অঞ্চলে অবস্থিত।

(তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট)
২,১৫৩.
ইসলামিক স্টেটের স্বঘোষিত খলিফা ছিলেন কে?
  1. ক) আবু মাহদী আল মুহানদিস
  2. খ) আবু বকর আল বাগদাদি
  3. গ) ওসামা বিন লাদেন
  4. ঘ) আয়াতুল্লা রুহুলুল্লাহ খোমেনী
ব্যাখ্যা
ইসলামিক স্টেট (আইএস) মধ্যপ্রাচ্যের একটি জঙ্গি সংগঠন। ২০১৪ সালে আইএস সিরিয়া, ইরাক ও লিবিয়ার বিস্তৃর্ণ অঞ্চল দখল করে নিজেদের খিলাফত ঘোষণা করে। এর খলিফা ছিলেন আবু বকর আল বাগদাদি। তিনি ২৬ অক্টোবর ২০১৯ সিরিয়ার ইদলিব শহরে মার্কিন অভিযানে নিহত হন। তার মৃত্যুর পর আবু ইব্রাহিম আল হাশেমি আল কুরাইশি আইএস এর খলিফা নিযুক্ত হন।
(সূত্র: আল জাজিরা)
২,১৫৪.
ইরানে ইসলামি বিপ্লব কার নেতৃত্বে হয়েছিল?
  1. ওসামা বিন লাদেন
  2. আয়াতুল্লাহ আলী খোমেনী
  3. আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনী
  4. রেজা শাহ পাহলভী
ব্যাখ্যা

• ইরানে ইসলামি বিপ্লব:
- ১৯৭৯ সালে ইরানে আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনীর নেতৃত্বে ইসলামী বিপ্লব সংঘটিত হয়।
- এই বিপ্লবের সূত্রপাত ঘটে ১৯৭৮ সালের জানুয়ারিতে এবং ১১ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৯ সালে ইরানের তদানীন্তন সরকারের পতনের মাধ্যমে এই বিপ্লব পূর্ণতা লাভ করে।
- ১ এপ্রিল ১৯৭৯ খোমেনী ইরানকে ইসলামী প্রজাতন্ত্র ঘোষণা করেন।
- এই বিপ্লবের মাধ্যমে ইরানের তৎকালীন শাসক মোহাম্মদ রেজা শাহ পাহলভীর পতন ঘটে।

উৎস: ব্রিটানিকা।

২,১৫৫.
The largest democratic country in the world?
  1. United State
  2. United Kingdom
  3. China
  4. India
ব্যাখ্যা
ভারত:

- ভারত, দক্ষিণ এশিয়ায় অবস্থিত।
- এটি পৃথিবীর বৃহত্তম গণতান্ত্রিক দেশ।
- এর আয়তন .৩,২৮৭,২৬৩ বর্গ কিমি।
- এটি আয়তনের দিক থেকে ৭তম বৃহত্তম দেশ এবং বিশ্বের ২য় জনবহুল দেশ।
- উত্তরে, ভারত আফগানিস্তান এবং পাকিস্তানের সীমানা, যখন চীন, নেপাল এবং ভুটান এর উত্তর এবং উত্তর-পূর্বে।
- এটি বাংলাদেশ এবং মায়ানমারের সাথে এর পূর্ব সীমান্তও ভাগ করে নিয়েছে।
- ভারতের দক্ষিণ-পশ্চিম ও দক্ষিণাংশ ভারত মহাসাগর দ্বারা বেষ্টিত, পশ্চিমে আরব সাগর এবং পূর্বে বঙ্গোপসাগর।

তথ্যসূত্র - কমনওয়েলথ হিউম্যান রাইটস ও ওয়ার্ল্ড এটলাস অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
২,১৫৬.
পারস্য সভ্যতার ধর্ম ছিল কোনটি?
  1. ক্ল্যান
  2. ইহুদি
  3. জরথুস্ত্র
  4. সাংসারেক
ব্যাখ্যা
পারস্য:
- পারস্য বর্তমানে ইরান নামে পরিচিত।
- পারস্যের নামকরণ 'ইরান' করা হয় ২১ মার্চ, ১৯৩৫ সালে।
- পারস্য সভ্যতার ধর্ম ছিল জরথুস্ত্র।
- জরথুস্ত্রের আর্বিভাব ঘটে খ্রিস্টপূর্ব সপ্তম শতকে।
- পারস্যের সাসানীয় রাজবংশের সম্রাট আরদাশিরের সময় জরথুস্ত্র ধর্ম রাজকীয় মর্যাদা লাভ করে।
- জরথুস্ত্রবাদ ছিলো একেশ্বরবাদে বিশ্বাসী। বিশ্বের অন্যান্য ধর্মের উপর জরথ্রুস্ত্র ধর্মের ব্যাপক প্রভাব লক্ষ্য করা যায়।
- এদের প্রধান দেবতার নাম আছর মাজদা। ধর্মগ্রন্থের নাম জেন্দাবেস্তা।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় ষষ্ঠ শ্রেণী এবং উচ্চ মাধ্যমিক ইসলামের ইতিহাস: প্রথমপত্র: উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,১৫৭.
প্রাচীন গ্রিসের প্রথম গণতন্ত্রের সূচনা হয়-
  1. আঙ্কারা
  2. এথেন্স
  3. স্পার্টা
  4. থিবস
ব্যাখ্যা
গ্রিক সভ্যতা: 
- প্রাচীন গ্রিসে প্রথম গণতন্ত্রের সূচনা হয় এথেন্সে।
- তবে প্রথম দিকে এথেন্সে ছিল রাজতন্ত্র।
- খ্রিষ্টপূর্ব সপ্তম শতকে রাজতন্ত্রের পরিবর্তে এক ধরনের অভিজাততন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ক্ষমতা চলে আসে অভিজাতদের হাতে।
- দেশ শাসনের নামে তারা শুধু নিজের স্বার্থই দেখত।
- তাদের বলা হতো 'টাইরান্ট'।
- ফলে সপ্তম খ্রিষ্টপূর্বাব্দের মাঝামাঝি সময়ে রাষ্ট্রব্যবস্থায় এক পরিবর্তন আসে।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি। 
২,১৫৮.
হাম্মুরাবির আইন (Code of Hammurabi) কোন সভ্যতার সাথে সম্পর্কিত?
  1. রোমান সভ্যতা
  2. গ্রিক সভ্যতা
  3. ব্যাবিলনীয় সভ্যতা
  4. পারস্য সভ্যতা
ব্যাখ্যা
ব্যাবিলনীয় সভ্যতা: 
- হাম্মুরাবির কোড (Code of Hammurabi) ব্যাবিলনীয় সভ্যতার সাথে জড়িত। 
- এটি ব্যাবিলনের ১ম রাজবংশের অংশ হিসাবে ১৭৯২ থেকে ১৭৫০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ পর্যন্ত শাসনকারী হামুরাবির শাসনামলে বিকশিত হয়েছিল।
- হাম্বুরাবির ২৮২টি আইন প্রতিশোধমূলক নীতির ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছিল, যেখানে “চোখের বদলে চোখ, দাঁতের বদলে দাঁত” নীতি অনুসরণ করা হতো।
- এসব আইন ব্যবসা-বাণিজ্য, সম্পত্তি ও পারিবারিক সম্পর্ক নিয়ন্ত্রণ করত এবং রোমান ও হিব্রু আইনে এর প্রভাব লক্ষ্য করা যায়।

উল্লেখ্য, 
- বিজ্ঞান ও গণিতের ক্ষেত্রেও ব্যাবিলনীয়দের অবদান ছিল তাৎপর্যপূর্ণ।
- তারা চাঁদের পর্যবেক্ষণ করে একটি পঞ্জিকা তৈরি করেছিল এবং জ্যোতির্বিদ্যায় উন্নতি সাধন করেছিল।
- স্থাপত্যে পাথরের অভাবে ইট দিয়ে ঘরবাড়ি নির্মাণ করত। ঝুড়ি, মাটির পাত্র এবং ধাতব দ্রব্য তৈরি করত তারা।
- ধর্মীয় দিক থেকে, ব্যাবিলনীয়রা বিভিন্ন দেব-দেবীর উপাসক ছিল।
- তাদের প্রধান দেবতা ছিলেন 'মারদুক' এবং দেবী 'ইশতার'।  

সূত্র - ব্রিটানিকা ও ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,১৫৯.
জাতিসংঘ নামটির ধারণা দিয়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের কোন  প্রেসিডেন্ট?
  1. ক) হ্যারি এস ট্রুম্যান
  2. খ) আব্রাহাম লিঙ্কন
  3. গ) ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট
  4. ঘ) জন এফ কেনেডি
ব্যাখ্যা
-জাতিসংঘ বিশ্বের জাতিসমূহের একটি সংগঠন, যার লক্ষ্য হলো আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আইন, নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, সামাজিক অগ্রগতি এবং মানবাধিকার বিষয়ে পারস্পরিক সহযোগিতার পরিবেশ সৃষ্টি করা।
- জাতিসংঘ নামটির ধারণা দিয়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন  প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট।
- ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর চীন, ফ্রান্স, সোভিয়েত ইউনিয়ন, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও স্বাক্ষরকারীঅন্যান্য অধিকাংশ দেশের সনদ অনুমোদনের মধ্য দিয়ে   আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তর অবস্থিত ।

উৎস: UNO ওয়েবসাইট ।
২,১৬০.
কয়টি দেশের সাথে রাশিয়ার সীমান্ত রয়েছে?
  1. ক) ১৬ টি
  2. খ) ১৫ টি
  3. গ) ১৪ টি
  4. ঘ) ১৩ টি
ব্যাখ্যা
আয়তনে বিশ্বের সবচেয়ে বড় দেশ রাশিয়া। জনসংখ্যায় বিশ্বে প্রথম দেশ চীন। রাশিয়া এবং চীন উভয় দেশের সাথে বিশ্বের ১৪টি করে দেশের সীমান্ত রয়েছে। যে দেশগুলির সাথে রাশিয়া তার স্থল সীমানা ভাগ করে তাদের মধ্যে রয়েছে উত্তর কোরিয়া, চীন, নরওয়ে, ফিনল্যান্ড, ইউক্রেন, কাজাখস্তান, পোল্যান্ড, জর্জিয়া, মঙ্গোলিয়া, লাটভিয়া, এস্তোনিয়া, আজারবাইজান, বেলারুশ এবং লিথুয়ানিয়া।
উল্লেখ্য, আবখাজিয়া এবং দক্ষিণ ওসেটিয়া এই দুটি দেশের সার্বভৌমত্ব আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত নয়, তারাও রাশিয়ার সাথে একটি স্থল সীমানা ভাগ করেছে।
উৎস: World Atlas এবং আন্তর্জাতিক মানচিত্র।
২,১৬১.
'হাভিয়ের মিলেই' কোন দেশের প্রেসিডেন্ট?
  1. নাউরু
  2. মালদ্বীপ
  3. আর্জেন্টিনা
  4. লাইবেরিয়া
ব্যাখ্যা
আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট:

- সম্প্রতি আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয় লাভ করেছেন বহিরাগত অতি ডানপন্থী নেতা হাভিয়ের মিলেই (হাডিয়ের মিলেই)।
- ১৯ নভেম্বর, ২০২৩ আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রান-অফ ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী সার্জিও মাসাকে পরাজিত করে নির্বাচিত হয়েছেন ৫৩ বছর বয়সী ডানপন্থী নেতা হাভিয়ের মিলেই।
- নির্বাচনের ফলাফলে দেখা যায়, মিলেই পেয়েছেন ৫৬ শতাংশ ভোট যেখানে তার প্রতিদ্বন্দ্বী সার্জিও মাসা পেয়েছেন ৪৪ শতাংশ ভোট।
- নির্বাচিত হওয়ার পরপরই হাভিয়ের মিলেই আর্জেন্টিনায় নতুন রাজনৈতিক যুগের সূচনা করার ঘোষণা দিয়েছেন।

তথ্যসূত্র - প্রথম আলো, আল জাজিরা নিউজ ও চ্যানেল আই অনলাইন।
২,১৬২.
'ন্যুরেমবার্গ ট্রায়াল' কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত?
  1. নারী অধিকার
  2. যুদ্ধাপরাধ
  3. নারী নির্যাতন
  4. মানবাধিকার
ব্যাখ্যা
ন্যুরেমবার্গ আদালত:
- 'ন্যুরেমবার্গ ট্রায়াল' যুদ্ধাপরাধের সাথে সম্পর্কিত। 

- ১৯৪৫ সালের নভেম্বর মাসে জার্মানির নুরেমবার্গ শহরে একটি আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালে হিটলারের গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের বিচারের জন্য হাজির করা হয়।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় সংঘটিত ভয়াবহ গণহত্যার নায়কদের বিচার এই ট্রাইব্যুনালের মূল লক্ষ্য ছিল।
- এটি ছিল বিশ্বের ইতিহাসে প্রথম এত বড় আকারে যুদ্ধাপরাধের বিচার।
- বেনজামিন ফেরেনজ এই ট্রাইব্যুনালের অন্যতম একজন তদন্ত কর্মকর্তা ছিলেন।
- যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও সোভিয়েত ইউনিয়ন যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে সম্মত হলে নুরেমবার্গে সামরিক আদালত প্রতিষ্ঠা করা হয়, যা নুরেমবার্গ ট্রাইব্যুনাল নামে পরিচিত।

উৎস: ব্রিটানিকা।
২,১৬৩.
শেনজেন অঞ্চলে যোগদানকারী সর্বশেষ দেশ - (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
  1. রোমানিয়া ও বুলগেরিয়া
  2. পোল্যান্ড ও হাঙ্গেরি
  3. ফিনল্যান্ড ও সুইডেন
  4. আইসল্যান্ড ও লিচেনস্টাইন
ব্যাখ্যা

শেনজেন অঞ্চল:
- শেনজেন একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যা ইউরোপীয় দেশগুলোর মধ্যে ব্যক্তিদের অবাধ চলাচলের অনুমতি প্রদান করে।
- শেনজেন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ১৯৮৫ সালে।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: লুক্সেমবার্গের শেনজেন শহরে।
- ১৯৯৫ সালের ২৬ মার্চ চুক্তিটি কার্যকর হলে ভিসামুক্ত ইউরোপের যাত্রা শুরু হয়।
- শেনজেন ভুক্ত দেশ: ২৯টি। (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
- ১ জানুয়ারী ২০২৫ এ সম্পূর্ণরূপে যোগদানকারী সর্বশেষ দেশ রোমানিয়া ও বুলগেরিয়া। (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)

উল্লেখ্য:
- লিচেনস্টাইন, আইসল্যান্ড, সুইজারল্যান্ড এবং নরওয়ে এই দেশ চারটি ইউরোপীয় ইউনিয়ন এর অন্তর্ভুক্ত না হয়েও শেনজেনভুক্ত দেশের তালিকায় রয়েছে।

তথ্যসূত্র - European Union ওয়েবসাইট।

২,১৬৪.
চিকিৎসা বিজ্ঞানের অন্যতম মনীষী ইবনে সিনার জন্মস্থান কোন দেশে?
  1. ক) সিরিয়া
  2. খ) মিশর
  3. গ) ইরান
  4. ঘ) ইরাক
ব্যাখ্যা
ইবনে সিনা:
- ইবনে সিনার জন্মস্থান ইরানের বুখারাতে।

- তার এর পুরো নাম আবু আলী আল-হুসাইন ইবনে আবদ আল্লাহ ইবনে সিনা
- ইবনে সিনার জন্ম ৯৮০ খ্রিস্টাব্দে ইরানের বুখারার কাছে।
- তিনি মৃত্যুবরণ করেন ১০৩৭ খ্রিস্টাব্দ ইরানের হামাদানে

- তিনি মুসলিম প্রভাবশালী চিকিত্সকদের মধ্যে সবচেয়ে বিখ্যাত।
- তিনি মধ্যযুগীয় ইসলামী বিশ্বের দার্শনিক-বিজ্ঞানী। তিনি অ্যারিস্টটলীয় দর্শন এবং চিকিৎসা ক্ষেত্রে তাঁর অবদানের জন্য বিশেষভাবে বিখ্যাত ছিলেন।
- তিনি কিতাব আল-শিফা (বুক অফ দ্য কিউর), একটি বিশাল দার্শনিক এবং বৈজ্ঞানিক বিশ্বকোষ এবং আল-কানুন ফি আল-টিব (দ্য ক্যানন অফ মেডিসিন) রচনা করেন, যা চিকিৎসার ইতিহাসে সবচেয়ে বিখ্যাত বইগুলির মধ্যে একটি।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
২,১৬৫.
Which of the following is the third tallest mountain in the world?
  1. ক) Kanchenjunga
  2. খ) K2
  3. গ) Everest
  4. ঘ) None of the above
ব্যাখ্যা
- Kanchenjunga is the tallest mountain in India.
- It is the third tallest mountain in the world, after Everest and K2.
 
Source: Britannica
২,১৬৬.
নক্রুমা কোন দেশের প্রেসিডেন্ট ছিলেন?
  1. ক) নাইজেরিয়া
  2. খ) কঙ্গো
  3. গ) আবিসিনিয়া
  4. ঘ) ঘানা
ব্যাখ্যা
Kwame Nkrumah, Ghanaian nationalist leader who led the Gold Coast’s drive for independence from Britain and presided over its emergence as the new nation of Ghana.
Source: britannica.com
২,১৬৭.
'BGP' কোন দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী?
  1. বাংলাদেশ
  2. ভারত
  3. পাকিস্তান
  4. মায়ানমার
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী:
- বাংলাদেশ: বর্ডার গার্ডস বাংলাদেশ (BGB),
- ভারত: বিএসএফ( BSF),
- মিয়ানমার: বর্ডার গার্ড পুলিশ (BGP),
- পাকিস্তান: রেঞ্জার্স,
- যুক্তরাষ্ট্র: ইউনাইটেড স্টেট বর্ডার পোর্টাল,
- স্পেন: গার্ডিয়া সিভিল,
- জার্মানি: জার্মান ফেডারেল পুলিশ,
- ফিনল্যান্ড: ফিনিশ বর্ডার গার্ড।

উৎস: Britannica.
২,১৬৮.
ওয়াটার লু যুদ্ধক্ষেত্র কোথায় অবস্থিত?
  1. বেলজিয়াম
  2. ফ্রান্স
  3. ইতালি
  4. জার্মানি
ব্যাখ্যা
ওয়াটারলু যুদ্ধ:
- বিখ্যাত ওয়াটার লু যুদ্ধক্ষেত্র বেলজিয়ামে অবস্থিত
- বিখ্যাত 'ওয়াটার লু' যুদ্ধ সংঘটিত হয় ১৮১৫ সালে।
- এই যুদ্ধে পরাজিত হন ফরাসি বীর নেপোলিয়ন বোনাপার্ট।
- পরাজয়ের ফলে তাঁকে সেন্ট হেলেনা দ্বীপে নির্বাসনে দেওয়া হয়েছে।
- তিনি ১৮২১ সালে মৃত্যুবরণ করেন।
- ওয়াটার লুর যুদ্ধে বিজয়ী সেনাপতির নাম আর্থার ওয়েলেসলি (ডিউক অব ওয়েলিংটন)।

উৎস: Britannica Website.
২,১৬৯.
কানাডার ফরাসি ভাষী জনগোষ্ঠী কোন অঙ্গরাজ্যে সর্বাধিক বাস করে?
  1. আলবার্টা
  2. কুইবেক
  3. মেনিটোবা
  4. নোভাস্কোশিয়া
ব্যাখ্যা
কানাডা:
- কানাডা উত্তর আমেরিকা মহাদেশে অবস্থিত।
- এটি আয়তনে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ।
- যুক্তরাজ্য থেকে স্বাধীনতা লাভ করে ১৮৬৭ সালে।
- রাজধানী: অটোয়া।
- মুদ্রার নাম: ডলার।
- রাষ্ট্রের প্রধান রাজা তৃতীয় চার্লস ও রাষ্ট্রের সরকার প্রধান প্রধানমন্ত্রী।
- বর্তমান প্রধানমন্ত্রী: জাস্টিন ট্রুডো।
- কানাডাকে ম্যাপল পাতার দেশ বলা হয়।

উল্লেখ্য,
- কানাডার কুইবেক অঙ্গরাজ্যে সর্বাধিক ফরাসিভাষী জনগোষ্ঠী বাস করে।
- কুইবেকে প্রায় ৮০% লোক ফরাসি ভাষা ব্যবহার করে।

এছাড়াও, 
- নুনাভাট-এ প্রায় ৫৩% জনগন আদিবাসী ভাষা ব্যবহার করে।
- কানাডার অন্য অঙ্গরাজ্যগুলোতে সর্বাধিক ব্যবহৃত ভাষা ইংরেজি।

উৎস: Britannica.
২,১৭০.
চিকিৎসা শাস্ত্রে কারা সর্বপ্রথম ঔষুধের তালিকা প্রণয়নে সক্ষম হয়?
  1. মিশরীয়রা
  2. গ্রীকরা
  3. রোমানরা
  4. ক্যালেডীয়রা
ব্যাখ্যা
মিশরীয় সভ্যতা:
- প্রাচীন মিশরীয় সভ্যতার বিস্তৃতিকাল খ্রিস্টপূর্ব ৫০০০-৫২৫ পর্যন্ত।
- খ্রিস্টপূর্ব ৪০০০ অব্দে মিশরে প্রথম সাম্রাজ্যের উদ্ভব ঘটে যার একটি ছিল উত্তর মিশর (নিম্ন মিশর) অপরটি ছিল দক্ষিণ মিশর (উচ্চ মিশর)।
- খ্রিস্টপূর্ব ৫০০০ থেকে ৩২০০ খ্রিস্টপূর্ব পর্যন্ত সময়ে নীলনদের অববাহিকায় একটি রাষ্ট্রের জন্ম হয়।
- এ সময় থেকে মিশর প্রাচীন সভ্যতায় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে শুরু করে।
- প্রথম রাজবংশের শাসন আমল শুরু হয় খ্রিস্টপূর্ব ৩২০০ অব্দ থেকে।
- একই সময়ে নিম্ন ও উচ্চ মিশরকে একত্রিত করে 'নারমার' বা 'মেনেস' একাধারে মিশরের প্রথম নরপতি এবং পুরোহিত হন।
- তিনি প্রথম ফারাও-এর মর্যাদাও লাভ করেন।
- এরপর থেকে ফারওদের অধীনে মিশর প্রাচীন বিশ্বসভ্যতার অগ্রগতিতে একের পর এক উল্লেখযোগ্য অবদান রাখতে শুরু করে।

⇒ মিশরীয় সভ্যতা ছিল কৃষিনির্ভর। সে কারণে নীল নদের প্লাবন, নাব্যতা, পানি প্রবাহের মাপ জোয়ারভাটা ইত্যাদি ছাড়াও জমির মাপ তাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল। এসবের সঙ্গে জ্যোতিষশাস্ত্র ও অংক শাস্ত্রের ছিল গভীর যোগাযোগ। ফলে এ দুটি বিদ্যা তারা আয়ত্ত করেছিল প্রয়োজনের তাগিদে।
- তারা অংক শাস্ত্রের দুটি শাখা- জ্যামিতি এবং পাটিগণিতের প্রচলন করে।
- মিশরীয় সভ্যতার মানুষ যোগ, বিয়োগ ও ভাগের ব্যবহার জানত।
- খ্রিস্টপূর্ব ৪২০০ অব্দে তারা পৃথিবীতে প্রথম সৌর পঞ্জিকা আবিষ্কার করে।
- ৩৬৫ দিনে বছর এ হিসাবের আবিষ্কারকও তারা।
- প্রাচীন মিশরের অধিবাসীরা সময় নির্ধারণের জন্য সূর্য ঘড়ি, ছায়াঘড়ি, জলঘড়ি আবিষ্কার করে।
- ধর্মের কারণে মিশরীয়রা বিজ্ঞানচর্চায় আগ্রহী ছিল । চিকিৎসাশাস্ত্রেও প্রাচীন মিশরীয়রা বিশেষ অগ্রগতি লাভ করেছিল।
- চিকিৎসা শাস্ত্রে মিশরীয়রাই সর্বপ্রথম ‘মেটেরিয়া মেডিকা' বা ঔষুধের তালিকা প্রণয়নে সক্ষম হয়

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) ইসলামের ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,১৭১.
প্রথম বিশ্বযুদ্ধে মিত্রশক্তির পক্ষ অবলম্বনকারী দেশসমূহ -
  1. ক) জার্মানি, অস্ট্রিয়া, হাঙ্গেরি
  2. খ) ইতালি, জাপান, চীন
  3. গ) অস্ট্রিয়া, হাঙ্গেরি, জাপান
  4. ঘ) সার্বিয়া, রোমানিয়া, তুরস্ক
ব্যাখ্যা
প্রথম বিশ্বযুদ্ধ (World War - I)
• গত শতাব্দীর প্রথম ভাগে বিশ্বের পরাশক্তিগুলো প্রধানত ইউরোপে এক রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে। ১৯১৪ সাল থেকে ১৯১৮ সাল পর্যন্ত সময়ে সংঘটিত এই যুদ্ধটি প্রথম বিশ্বযুদ্ধ নামে পরিচিত।
• প্রথম বিশ্বযুদ্ধ “মহাযুদ্ধ” বা “The Great War” নামে ইতিহাসে বিখ্যাত। এই যুদ্ধের মাধ্যমে বিশ্ব প্রথম সামরিক শক্তির সর্বগ্রাসী চেহারা প্রত্যক্ষ করে। এর আগে কোন যুদ্ধে এতো প্রাণহানি ঘটে নি।
• চার বছরের যুদ্ধে প্রায় ১ কোটি ৬০ লক্ষ মানুষের প্রাণহানি ঘটে। সবচেয়ে বেশি প্রায় ৩৭ লাখ প্রাণহানি ঘটে রাশিয়ার।
• এছাড়া যুদ্ধের প্রভাবে ইউরোপের বহু দেশ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয় এবং অর্থনৈতিক দিক থেকে নড়বড়ে অবস্থানে চলে যায়।

একনজরে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ
• যুদ্ধ সংঘটনকাল -- ২৮ জুলাই, ১৯১৪ - ১১ নভেম্বর, ১৯১৮ খ্রিস্টাব্দ।
• যুদ্ধ সংঘটন স্থান -- ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্য।
• অক্ষশক্তি -- জার্মানি, অস্ট্রিয়া, হাঙ্গেরি, বুলগেরিয়া, গ্রীস ও তুরস্ক।
মিত্রশক্তি -- রাশিয়া, ব্রিটেন, ফ্রান্স, যুক্তরাষ্ট্র, ইতালি, জাপান, চীন, সার্বিয়া, রোমানিয়া ও বেলজিয়াম প্রভৃতি দেশ।
• ফলাফল -- মিত্রশক্তি বিজয়ী।  

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ও হিস্টরি.কম।
২,১৭২.
বর্তমান বিশ্বে 'নিউ সিল্ক রোড' এর প্রবক্তা-
  1. ক) জাপান
  2. খ) ভারত
  3. গ) আফগানিস্তান
  4. ঘ) চীন
ব্যাখ্যা
'সিল্ক রােড' হলাে চীনের চালু করা প্রাচীন বাণিজ্য পথ।
- প্রাচীনকালে চীন থেকে মধ্য এশিয়া হয়ে দক্ষিণ এশিয়া, পশ্চিম এশিয়া তথা ইউরােপে আর উত্তর আফ্রিকায় চীনের রেশম আর রেশমী কাপড় পাঠানাে হয়েছিল বলে এ পথ 'সিল্ক রােড' নামে সুপরিচিত।
- সিল্ক রােড গড়ে উঠেছিল খ্রিস্টপূর্ব প্রথম শতকে চীনের হান রাজবংশের আমলে। দশম শতাব্দীতে চীনের সং রাজবংশের আমলে 'সিল্ক রােড' বাণিজ্যের মাল পরিবহনের পথ হিসেবে ব্যবহার বন্ধ হয়।
- ১৯৩০ সালে যুক্তরাজ্য প্রাচীন সিল্ক রােড চালুর উদ্যোগ নিলেও তা বাস্তবায়ন না হওয়ায় ২০১৪ সালে চীন নিউ সিল্ক রােড চালুর উদ্যোগ গ্রহণ করেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং।

উৎসঃ বিবিসি নিউজ।
২,১৭৩.
অবিভক্ত বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. এ.কে. ফজলুল হক
  2. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  3. হরলাল সিংহ
  4. খাজা নাজিমুদ্দীন
ব্যাখ্যা
এ.কে. ফজলুল হক:

- আবুল কাশেম ফজলুল হক বাকেরগঞ্জ জেলার দক্ষিণাঞ্চলের বর্ধিষ্ণু গ্রাম সাটুরিয়ায় ১৮৭৩ সালের ২৬ অক্টোবর জন্মগ্রহণ করেন।
- অবিভক্ত বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন এ.কে. ফজলুল হক।
- শেরে বাংলা এ.কে. ফজলুল হক ছিলেন একজন রাজনীতিবিদ ও জননেতা।
- তিনি কলকাতার মেয়র হোন ১৯৩৫ সালে।
- অবিভক্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী (১৯৩৭-১৯৪৩) এবং পূর্ব বাংলার মুখ্যমন্ত্রী (১৯৫৪) ছিলেন।
- তিনি পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী (১৯৫৫) এবং পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নরের পদ (১৯৫৬-১৯৫৮) সহ বহু উঁচু রাজনৈতিক পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন।
- ১৯৬২ সালের ২৭ এপ্রিল ঢাকায় তাঁর মৃত্যু হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
২,১৭৪.
দক্ষিণ আফ্রিকার সংসদীয় রাজধানী কোনটি?
  1. জোহানেসবার্গ
  2. ব্লুমফন্টেইন
  3. ডারবান
  4. কেপ টাউন
ব্যাখ্যা

দক্ষিণ আফ্রিকা:
- দেশটির আইনসভা ২ কক্ষ বিশিষ্ট।
- আইনসভার নাম পার্লামেন্ট,
• উচ্চকক্ষ National Council.
• নিম্নকক্ষ National Assembly.
- দক্ষিণ আফ্রিকার রাজধানী ৩টি,
• নির্বাহী রাজধানী প্রিটোরিয়া।
• সংসদীয় রাজধানী কেপ টাউন।
• বিচার বিভাগীয় রাজধানী ব্লুমফন্টেইন।
- দক্ষিণ আফ্রিকার রাষ্ট্রীয় / প্রশাসনিক নাম Republic of South Africa.
- দক্ষিণ আফ্রিকা মুদ্রার নাম র‍্যান্ড।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

২,১৭৫.
বেল্ট ও রোড ইনিসিয়েটিভ (বিআরআই) প্রস্তাব করেছে :
  1. চীন
  2. জাপান
  3. ভারত
  4. আসিয়ান
ব্যাখ্যা
বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (BRI):
- বেল্ট এন্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (BRI)পরিকল্পনা হলো চীন প্রবর্তিত একটি মহাপরিকল্পনা।
- ২০১৩ সালে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং প্রথম এই প্রকল্পের বিষয়টি প্রকাশ করেন।
- এ প্রকল্পকে ওয়ান বেল্ট ওয়ান রোড কিংবা নিউ সিল্ক রোড নামেও অভিহিত করা হয়।
- উন্নয়ন এবং বিনিয়োগ উদ্যোগের বিশাল সংগ্রহ মূলত ভৌত অবকাঠামোর মাধ্যমে পূর্ব এশিয়া এবং ইউরোপকে সংযুক্ত করার জন্য তৈরি করা হয়েছিল এই উদ্যোগ।
- মে ২০১৮ থেকে, বিশ্বব্যাংক গ্রুপ ১৯টি ব্যাকগ্রাউন্ড পেপারের একটি সিরিজ তৈরি করেছে (নীচে উপলব্ধ) এবং একটি সারসংক্ষেপ প্রতিবেদন যা বাণিজ্য, বিনিয়োগ, ঋণ, সংগ্রহ, পরিবেশ, দারিদ্র্য হ্রাস এবং অবকাঠামোর সাথে BRI-এর লিঙ্কগুলির স্বাধীন বিশ্লেষণ প্রদান করে।

উল্লেখ্য,
- চীন প্রবর্তিত 'বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (BRI)' কে মোকাবিলা করতে জি৭ভুক্ত দেশসমূহ নতুন যে পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে, তার নাম PGII.
- PGII এর পূর্ণরূপ - Partnership for Global Infrastructure and Investment.
- চীনকে মোকাবিলায় বৈশ্বিক অবকাঠামো ও বিনিয়োগ অংশীদ্বারিত্ব (PGII) প্রকল্প গ্রহণকারী সংস্থার নাম – G7।
- ৪৮তম জি-৭ (গ্রুপ অব সেভেন) শীর্ষ সম্মেলন ২০২২ সালের ২৬-২৮ জুন জার্মানির ব্যাভারিয়ান রাজ্যের শ্লোস এলমাই শহরে অনুষ্ঠিত হয়।

উৎস: Britannica. 
২,১৭৬.
চীনের 'দ্বৈত অর্থনীতির' ধারণা প্রধানত কোন বাস্তবতার নিরীখে গৃহীত?
  1. বাজার অর্থনীতিকে গ্রহণযোগ্য করা
  2. মতাদর্শগত ধারণার সমন্বয় সাধন
  3. হংকং-এর অর্থনীতিকে সচল রাখা
  4. তাইওয়ানকে চীনের অন্তর্ভুক্তকরণ
ব্যাখ্যা
দ্বৈত অর্থনীতি:
- ‘এক দেশ, দুই ব্যবস্থা’ নীতি চালু আছে চীনে।
- চীনের দুটি বিশেষ প্রশাসনিক অঞ্চলের একটি হংকং, অন্যটি ম্যাকাও।
- হংকং চীনের দক্ষিণ-পূর্ব উপকূলের একটি সমৃদ্ধিশালী দ্বীপ।
- হংকং-এর অর্থনীতিকে সচল রাখার উদ্দেশ্যেই মূলত এই “এক দেশ দুই নীতি” ধারণা প্রবর্তন করা হয়।
- চীনের ‘এক দেশ দুই নীতি’ পলিসির আওতায় ‘হংকং’ ও ‘ম্যাকাও’ - কে নিজেদের অধিভুক্ত করে।

⇒ রানি ভিক্টোরিয়ার আমলে হংকং পরিণত হয় ব্রিটিশ উপনিবেশে।
- উপনিবেশ হিসেবে ৯৯ বছরের ইজারার মেয়াদ শেষ হলে ১৯৯৭ সালে ব্রিটেন চীনের কাছে হংকংকে ফিরিয়ে দেয়।
- প্রথম আফিম যুদ্ধে চীন পরাজিত হলে ১৮৪১ সালে ব্রিটেন হংকং দ্বীপ দখল করে নেয় এবং হংকংকে সামরিক ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহার করে।
- নানকিং চুক্তির মাধ্যমে হংকং ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের ‘ক্রাউন কলোনি’তে পরিণত হয়।
- ১৯৮৪ সালে বেইজিংয়ের ‘হল অব দ্য পিপল’-এ ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী মার্গারেট থ্যাচার এবং চীনা প্রধানমন্ত্রী ঝাও জিয়াং হংকংকে চীনের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার যৌথ ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষর করেন।
- ঘোষণাপত্র অনুযায়ী ব্রিটেন হংকংকে ১৯৯৭ সালের ১ জুলাই চীনের কাছে হস্তান্তর করতে রাজি হয়।
- ১৯৯৭ সালের ১ জুলাই মধ্যরাতে তৎকালীন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার, প্রিন্স চার্লস, চীনের প্রেসিডেন্ট জিয়াং জেমিন, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ম্যাডেলিন অলব্রাইটসহ অনেক আন্তর্জাতিক নেতার অংশগ্রহণে হংকংকে শান্তিপূর্ণভাবে চীনের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
- ঘোষণাপত্রের অন্যতম শর্ত ছিল চীনের অধীনে যাওয়ার ৫০ বছর পর্যন্ত চীন হংকংকে ‘এক দেশ, দুই ব্যবস্থা’ নীতি অনুযায়ী শাসন করবে অর্থাৎ পররাষ্ট্র ও নিরাপত্তার বিষয়গুলো ছাড়া হংকং পূর্ণ স্বায়ত্তশাসন ভোগ করবে।

উল্লেখ্য,
- ২০৪৭ সালে ‘এক দেশ, দুই ব্যবস্থা’ নীতির বাধ্যবাধকতা উঠে গেলে চীন হংকংকে নিজেদের একটি প্রদেশ হিসেবে ঘোষণা করবে।

উৎস: i) Britannica.
ii) World Atlas.
২,১৭৭.
ক্রিমিয়ার যুদ্ধে বিজয়ী দেশ-
  1. ক) ফ্রান্স
  2. খ) জার্মানি
  3. গ) রাশিয়া
  4. ঘ) বুলগেরিয়া
ব্যাখ্যা
অক্টোবর, ১৮৫৩ থেকে এপ্রিল, ১৮৫৬ সাল পর্যন্ত ক্রিমিয়া যুদ্ধ সংঘটিত হয়। এই যুদ্ধে বিজয়ী হয় ফ্রান্স, ব্রিটেন ও অটোমান রাজ্য। এই যুদ্ধে পরাজিত হয় রাশিয়া ও বুলগেরিয়া। রাশিয়ার ক্রিমিয়া উপদ্বীপে এই যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
২,১৭৮.
‘কমিউনিস্ট মেনিফ্যাস্টো’ গ্রন্থের লেখক কে?
  1. কার্ল মার্ক্স
  2. ভি আই লেলিন
  3. অ্যান্তনিও গ্রামসি
  4. জোসেফ স্ট্যালিন
ব্যাখ্যা
- কার্ল মার্ক্স ১৮১৮ সালের ৫ মে জার্মানির রাইন প্রদেশের ট্রায়ারে জন্মগ্রহণ করেন।
- তার রচিত গ্রন্থের মধ্যে দ্য কমিউনিস্ট মেনিফ্যাস্টো, দাস ক্যাপিটাল সর্বাধিক প্রসিদ্ধ।
- মার্ক্স তার লেখনির মাধ্যমে যে মতবাদকে তুলে ধরেন তা মার্ক্সবাদ নামে পরিচিত।
- ১৮৮৩ সালের ১৪ই মার্চ তিনি লন্ডনে মারা যান।
(সূত্রঃ এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা)
২,১৭৯.
নিম্নোক্ত কোন দেশের সেনাবাহিনী নেই?
  1. ক) ভূটান
  2. খ) মালদ্বীপ
  3. গ) মরিশাস
  4. ঘ) কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
উল্লিখিত সবগুলো দেশের সেনাবাহিনী রয়েছে। 
নিম্নোক্ত দেশগুলোর সেনাবাহিনী নেই:
- মরিশাস 
- ভানুয়াতু 
- ভাটিক্যান সিটি 
- এন্ডোরা 
- কোস্টারিকা 
- আইসল্যান্ড 
- গ্রিনল্যান্ড 
- পানামা 
 
উৎস: ওয়ার্ল্ড পপুলেশন রিভিউ ওয়েবসাইট।
২,১৮০.
‘পোর্ট্রেট অব এলিজাবেথ লেডেরার’ চিত্রকর্মটি কার আঁকা?
  1. লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি
  2. গুস্তাফ ক্লিমট
  3. ভিনসেন্ট ভ্যানগগ 
  4. পাবলো পিকাসো
ব্যাখ্যা

পোর্ট্রেট অব এলিজাবেথ লেডেরার:
- ‘পোর্ট্রেট অব এলিজাবেথ লেডেরার’ চিত্রকর্মটি গুস্তাফ ক্লিমট-এর আঁকা।

⇒ পোর্ট্রেট অব এলিজাবেথ লেডেরার আঁকা হয় ১৯১৪ থেকে ১৯১৬ সালের মধ্যে।
- অস্ট্রিয়ার প্রভাবশালী ইহুদি পরিবারের মেয়ে এলিজাবেথ লেডেরারের বাবা অগাস্ট লেডেরার ছিলেন ক্লিমটের বড় পৃষ্ঠপোষক।
- ১৯৩৮ সালে অস্ট্রিয়া দখলের সময় চিত্রকর্মটি জব্দ করে নাৎসি বাহিনী।
- আশির দশকে সেটি আবার চিত্রকর্মের বাজারে আসে। তখন থেকেই এটি ব্যক্তিগত সংগ্রহশালায় ছিল।

⇒ দীর্ঘদিন চোখের আড়ালে থাকায় চিত্রকর্মটি নিয়ে বড় আগ্রহ ছিল। এ ছাড়া ক্লিমটের জীবনের শেষ দিকের আঁকা এ চিত্রকর্ম তাঁর ‘স্বর্ণযুগে’ আঁকা চিত্রকর্মগুলোর চেয়ে আলাদা। ওই যুগে তাঁর ‘পোর্ট্রেট অব আডেল ব্লক-বাউয়ার ১’ এবং ‘দ্য কিস’-এর মতো চিত্রকর্মগুলোয় সোনালি রঙের কাজ থাকলেও পোর্ট্রেট অব এলিজাবেথ লেডেরারে নেই।

উৎস: i) Britannica.
ii) প্রথম আলো।

২,১৮১.
মার্কিন 'সিনেট' সদস্য নির্বাচিত হওয়ার জন্য একজন ব্যক্তির বয়স কমপক্ষে কত বছর হতে হবে?
  1. ২১ বছর
  2. ২৫ বছর
  3. ৩০ বছর
  4. ৩৫ বছর
ব্যাখ্যা

♦ কংগ্রেস:
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় সরকারের আইন সভার নাম কংগ্রেস।
- আইন প্রণয়ন করাই এর প্রধান কাজ।
- কংগ্রেস একটি দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট আইন সভা।
- কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ ‘প্রতিনিধি সভা' (The House of Representative) এবং উচ্চকক্ষ 'সিনেট' (The Senate) নামে পরিচিত।

⇒ নিম্নকক্ষ:
- কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ ‘প্রতিনিধি সভা' বা 'হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ' নামে পরিচিত।
• আসন সংখ্যা - ৪৩৫টি।
• মেয়াদ - ২ বছর।
• 'হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ' সদস্য নির্বাচিত হওয়ার জন্য, একজন ব্যক্তির বয়স কমপক্ষে ২৫ বছর হতে হবে।

⇒ উচ্চকক্ষ:
- কংগ্রেসের উচ্চকক্ষ 'সিনেট' নামে পরিচিত।
• আসন সংখ্যা - ১০০টি।
• মেয়াদ - ৬ বছর।
• 'সিনেট' সদস্য নির্বাচিত হওয়ার জন্য, একজন ব্যক্তির বয়স কমপক্ষে ৩০ বছর হতে হবে।

♦ উল্লেখ্য:
- যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার ঐতিহ্য অনুসারে 'নিম্নকক্ষ' বা 'হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ' হল মার্কিন জনগণের প্রতিনিধিত্বমূলক কক্ষ।
- উচ্চকক্ষ বা ‘সিনেট' হল অঙ্গরাজ্যগুলোর প্রতিনিধিত্বমূলক কক্ষ।
- মার্কিন কংগ্রেসের হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ ও সিনেটের সদস্যরা জনগণের দ্বারা প্রত্যক্ষভাবে নির্বাচিত হন।
- বর্তমানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ডেমোক্রেটিক পার্টি ও রিপাবলিকান পার্টি এ দু'টি দলের প্রাধান্য বিদ্যমান।

তথ্যসূত্র - যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি ওয়েবসাইট।

২,১৮২.
হৃৎপিন্ডের গতি এবং নাড়ির স্পন্দন নির্ণয় করতে পারত-
  1. মিশরীয়রা
  2. ফিনিশীয়রা
  3. গ্রিকরা
  4. রোমানরা
ব্যাখ্যা
চিকিৎসাশাস্ত্রে প্রাচীন মিশরীয়রা বিশেষ অগ্রগতি লাভ করেছিল। তারা চোখ, দাঁত, পেটের রোগ নির্ণয় করতে জানত। অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে চিকিৎসা করার বিদ্যাও তাদের জানা ছিল। তারা হাড় জোড়া লাগানো, হৃৎপিন্ডের গতি এবং নাড়ির স্পন্দন নির্ণয় করতে পারত।
সূত্র- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ম শ্রেণি।
২,১৮৩.
'সুরিনাম' কোন মহাদেশে অবস্থিত?
  1. ক) ইউরোপ
  2. খ) উত্তর আমেরিকা
  3. গ) আফ্রিকা
  4. ঘ) দক্ষিণ আমেরিকা
ব্যাখ্যা
- সুরিনাম দেশটি দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশে অবস্থিত।
- দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের ক্ষুদ্রতম দেশ।

• দক্ষিণ আমেরিকা (South America): 
- আয়তনে চতুর্থ বৃহত্তম মহাদেশ দক্ষিণ আমেরিকা।
- এ মহাদেশ দেখতে ত্রিকোণোকৃতির । 
- এ মহাদেশের সর্বোচ্চ স্থান সেরো আকাঙ্কাগুয়া। 
- দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশ ১২টি দেশ নিয়ে গঠিত। 
- এর মধ্যে আয়তনে বৃহত্তম দেশ ব্রাজিল। যার আয়তন ৮৫,১৫,৭৯৯ বর্গ কিলোমিটার।
- দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের ক্ষুদ্রতম দেশ সুরিনাম। 
- ফকল্যান্ড দ্বীপ এ মহাদেশে অবস্থিত।
- দক্ষিণ আমেরিকার বৃহত্তম এবং বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম নদী 'আমাজন'। আমাজন নদীর উৎস স্থল আন্দিজ নেভাদা মিসমি পর্বতের চূড়া থেকে।
- এ মহাদেশের অন্তর্গত ইকুয়েডরকে ‘চির বসন্তের দেশ' বলা হয়।

উৎস: ভূগোল ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও World Atlas.
২,১৮৪.
প্রাচীন মিশরে নিম্ন ও উচ্চ মিশরকে একত্রিত করেন কে?
  1. মেনেস
  2. নারমার
  3. তুতেনখামেন
  4. ক ও খ উভয়ই
ব্যাখ্যা
প্রাচীন মিশরীয় সভ্যতা:
- প্রাচীন মিশরীয় সভ্যতার বিস্তৃতিকাল খ্রিস্টপূর্ব ৫০০০-৫২৫ পর্যন্ত।
- আফ্রিকা মহাদেশের উত্তর-পূর্ব অংশ যা আমাদের কাছে পরিচিত ইজিপ্ট বা মিশর নামে।
- খ্রিস্টপূর্ব ৪০০০ অব্দে মিশরে প্রথম সাম্রাজ্যের উদ্ভব ঘটে।
- যার একটি ছিল উত্তর মিশর (নিম্ন মিশর) অপরটি ছিল দক্ষিণ মিশর (উচ্চ মিশর)।
- খ্রিস্টপূর্ব ৫০০০ থেকে ৩২০০ খ্রিস্টপূর্ব পর্যন্ত সময়ে নীলনদের অববাহিকায় একটি রাষ্ট্রের জন্ম হয়।
- সে সময়টা প্রাচীন মিশরের ইতিহাসে প্রাক-রাজবংশীয় যুগ বলে পরিচিত।
- এ সময় থেকে মিশর প্রাচীন সভ্যতায় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে শুরু করে।
- প্রথম রাজবংশের শাসন আমল শুরু হয় খ্রিস্টপূর্ব ৩২০০ অব্দ থেকে।
- তখন থেকে মিশরের ঐতিহাসিক যুগের শুরু।
- একই সময়ে নিম্ন ও উচ্চ মিশরকে একত্রিত করে 'নারমার' বা 'মেনেস' একাধারে মিশরের প্রথম নরপতি এবং পুরোহিত হন।
- তিনি প্রথম ফারাও- এর মর্যাদা লাভ করেন।
- এরপর থেকে ফারাওদের অধীনে মিশর প্রাচীন বিশ্বসভ্যতার অগ্রগতিতে একের পর এক উল্লেখযোগ্য অবদান রাখতে শুরু করে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,১৮৫.
বিশ্বের সর্বাধিক প্রচারিত দৈনিক পত্রিকা কোনটি?
  1. ক) দ্য ইওমিউরি শিম্বুন
  2. খ) নিউইয়র্ক টাইমস
  3. গ) দ্য ডেইলি মিরর
  4. ঘ) দৈনিক মাইনিছি
ব্যাখ্যা
• দ্য ইওমিউরি শিম্বুন:
- জাপানের একটি শীর্ষ স্থানীয় দৈনিক পত্রিকা। 
- ১৮৭৪ সালে প্রতিষ্ঠিত জাপানি ভাষায় প্রকাশিত দৈনিক পত্রিকা।
- দ্য ইয়োমিউরি শিমবুন  বিশ্বের সর্বাধিক প্রচারিত দৈনিক পত্রিকা।
- প্রধান কার্যালয় - জাপানের ওটিমাচি, চিওদা, টোকিওতে অবস্থিত।
- বর্তমানে এর প্রধান ইয়োচি ফুনাবাসি।

উৎস: দ্য জাপান নিউজ।
২,১৮৬.
গ্লোবাল ক্লাইমেট রিস্ক ইনডেক্স-২০২১ অনুসারে ২০১৯ সালে বিশ্বের শীর্ষ ক্ষতিগ্রস্ত দেশ কোনটি?
  1. জাপান
  2. পুয়ের্টোরিকো
  3. হাইতি
  4. মোজাম্বিক
ব্যাখ্যা
- জার্মানিভিত্তিক প্রতিষ্ঠান জার্মানওয়াচ প্রকাশিত গ্লোবাল ক্লাইমেট রিস্ক ইনডেক্স-২০২১ অনুসারে ২০১৯ সালে বিরূপ আবহাওয়াজনিত কারণে বিশ্বের শীর্ষ ক্ষতিগ্রস্ত দেশসমূহ:
- প্রথম : মোজাম্বিক
- দ্বিতীয় : জিম্বাবুয়ে
- তৃতীয় : বাহামাস।
অন্যদিকে,
- ২০০০-২০১৯ সময়ের শীর্ষ ক্ষতিগ্রস্ত দেশ : পুয়ের্টোরিকো।
(তথ্যসূত্র: গ্লোবাল ক্লাইমেট রিস্ক ইনডেক্স-২০২১)
২,১৮৭.
UNEP এর প্রধান কার্যালয় কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) নিউইয়র্ক
  2. খ) রোম
  3. গ) নাইরোবি
  4. ঘ) আদ্দিস আবাবা
ব্যাখ্যা
UNEP (United Nations Environment Programme) এর সদরদপ্তর কেনিয়ার নাইরোবিতে অবস্থিত।
UNEP ১৯৭২ সালের ৫ জুন প্রতিষ্ঠিত হয়। বর্তমান নির্বাহী পরিচালক ডেনমার্কের ইনগার এন্ডারসন।

সংস্থাটির প্রতিষ্ঠার তারিখ ৫ জুন প্রতিবছর বিশ্ব পরিবেশ দিবস হিসেবে পালিত হয়।
UNEP এবং WMO এর যৌথ উদ্যোগে ১৯৮৮ সালে IPCC (Inter-governmental Panel on Climate Change) প্রতিষ্ঠিত হয়।

(তথ্যসূত্র: UNEP ওয়েবসাইট)
২,১৮৮.
আগুনের আবিষ্কার হয় কোন যুগে?
  1. ক) প্রাচীন প্রস্তর যুগ
  2. খ) মধ্য প্রস্তর যুগ
  3. গ) নব্য প্রস্তর যুগ
  4. ঘ) ব্রোঞ্জ যুগ
ব্যাখ্যা
- আগুনের আবিষ্কার হয় প্রাচীন প্রস্তর যুগে।
- আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ১ লক্ষ থেকে খ্রিস্টপূর্ব ১০ হাজার অব্দ পর্যন্ত সময়কে প্রাচীন প্রস্তর যুগ ধরা হয়।
- নব্য প্রস্তর যুগের গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার হলো চাকা এবং কৃষিকাজ।
(তথ্যসূত্রঃ উচ্চ মাধ্যমিক সমাজবিজ্ঞান : দ্বিতীয়পত্র : উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
২,১৮৯.
কাজাখস্তানের রাজধানী “আস্তানা” - এর বর্তমান নাম কি?
  1. ক) Nur-E Jannat
  2. খ) Almaty
  3. গ) Kyzylorda
  4. ঘ) Nur-Sultan
ব্যাখ্যা
Nur-Sultan, previously named Astana from 1998 to 2019, is the capital city of Kazakhstan. In March 2019, it was renamed to Nur-Sultan after the departing Kazakh president, Nursultan Nazarbayev.
২,১৯০.
মুক্তিযুদ্ধের সময় ৪নং সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার ছিলেন কে?
  1. ক) আবু ওসমান চৌধুরী
  2. খ) কে এম শফিউল্লাহ
  3. গ) মেজর শওকত আলী
  4. ঘ) মেজর সি আর দত্ত
ব্যাখ্যা
সম্প্রতি বাংলাদেশের দুইজন সেক্টর কমান্ডার মৃত্যুবরণ করেন। ২৫ আগস্ট ২০২০ সালে ৪ নং সেক্টর কমান্ডার মেজর সি আর দত্ত এবং ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২০ সালে ৮ নং সেক্টর কমান্ডার আবু ওসমান চৌধুরী।
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার।
২,১৯১.
মালয়েশিয়ার প্রশাসনিক কেন্দ্রের নাম কী?
  1. কুয়ালালামপুর
  2. পুত্রজায়া
  3. সেমেনানজং
  4. বারাত
ব্যাখ্যা
মালয়েশিয়া: 
- মালয়েশিয়া দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ, নিরক্ষরেখার ঠিক উত্তরে অবস্থিত। 
- দুটি অসংলগ্ন অঞ্চল নিয়ে গঠিত:উপদ্বীপ মালয়েশিয়া (সেমেনানজং মালয়েশিয়া), যাকে পশ্চিম মালয়েশিয়া (মালয়েশিয়া বারাত)ও বলা হয়, যা মালয় উপদ্বীপে অবস্থিত এবংপূর্ব মালয়েশিয়া (মালয়েশিয়া তৈমুর), যা বোর্নিও দ্বীপে অবস্থিত ।
- মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুর। 
- এটি উপদ্বীপের পশ্চিম অংশে অবস্থিত, উপকূল থেকে প্রায় ২৫ মাইল (৪০ কিমি) দূরে;
- প্রশাসনিক কেন্দ্র পুত্রজায়া , রাজধানীর প্রায় ১৬ মাইল (২৫ কিমি) দক্ষিণে অবস্থিত।

উৎস: Britannica.
২,১৯২.
কোপেনহেগেন কোন দেশের রাজধানী?
  1. ডেনমার্ক
  2. বেলজিয়াম
  3. ভিয়েতনাম
  4. আর্মেনিয়া
ব্যাখ্যা
ডেনমার্ক:
- ইউরোপের উত্তর-পশ্চিমের দেশ ডেনমার্ক।
- এটি স্ক্যান্ডিনেভিয়া অঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ সদস্য, এবং এটি নর্ডিক কাউন্ট্রির মধ্যে অন্যতম।
- সরকারিভাবে এটি ‘কিংডম অফ ডেনমার্ক‘ নামে পরিচিত। 
- রাজধানী : কোপেনহেগেন।
- এছাড়া আরাফাস, আলব্রোগা দেশটির বৃহত্তম শহরগুলোর মধ্যে অন্যতম।
- ডেনমার্কের সরকারি ভাষা হল ডেনিশ।
- ডেনমার্কের বর্তমান জাতীয় পতাকা ১২১৯ সাল থেকে প্রচলিত।

অন্যদিকে,
- বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলস।
- ভিয়েতনামের রাজধানী হানয়।
- আর্মেনিয়ার রাজধানী ইয়েরেভান।

উৎস: Britannica.
২,১৯৩.
সার্কভুক্ত কোন দেশটির পার্লামেন্ট দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট?
  1. মালদ্বীপ
  2. শ্রীলঙ্কা
  3. বাংলাদেশ
  4. নেপাল
ব্যাখ্যা
নেপাল:
- নেপাল দক্ষিণ এশিয়ার একটি দেশ।
- রাজধানী: কাঠমান্ডু।
- মুদ্রা: নেপালি রুপি।
- ভাষা: নেপালি।
- বর্তমান প্রধানমন্ত্রী: পুষ্পকমল দাহাল প্রচণ্ড।
- বর্তমান রাষ্ট্রপতি: রাম চন্দ্র পাওদেল।
- নেপালের আইনসভার নাম পার্লামেন্ট।
- নেপালের আইনসভা দ্বিকক্ষবিশিষ্ট।

⇒  নেপালকে হিমালয় কন্যা বলা হয়।
- গ্রেট হিমালয়, মাউন্ট এভারেস্ট নেপালে অবস্থিত।
- ভারত ও চীন দ্বারা বেষ্টিত দেশটিতে এভারেস্টসহ বিশ্বের ৮টি সর্ববৃহৎ পর্বত অবস্থিত।

⇒ নেপালের দ্বিকক্ষবিশিষ্ট আইনসভার নাম ফেডারেল পার্লামেন্ট।
- উচ্চকক্ষের নাম ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি, যার সদস্য সংখ্যা ৫৯।
- নিম্নকক্ষের নাম হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ, যার সদস্য সংখ্যা ২৭৫।

উল্লেখ্য,
- সার্কভুক্ত দেশসমূহের মধ্যে ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, ভুটান, আফগানিস্তানের সংসদ দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট।

অন্যদিকে,
- সার্কভুক্ত দেশসমূহের মধ্যে মালদ্বীপ, শ্রীলঙ্কা ও বাংলাদেশের আইনসভা এককক্ষবিশিষ্ট।

উৎস: i) World Atlas.
ii) Britannica.
২,১৯৪.
সাম্প্রতিক কাতার সংকটের সময় কোন দেশটি কাতারের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করে নাই?
  1. বাহরাইন
  2. সংযুক্ত আরব আমিরাত
  3. মিশর
  4. কুয়েত
ব্যাখ্যা
এটি তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন যা বর্তমানে গুরুত্বপূর্ণ নয়।

৫ জুন ২০১৭ কাতারের সঙ্গে সব ধরনের কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার ঘোষণা দিয়েছে ছয়টি দেশ।
- এই দেশগুলো হলো: সৌদি আরব, মিসর, বাহরাইন, লিবিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইয়েমেন।
- তখন মধ্যপ্রাচ্যে যে নতুন রাজনৈতিক সংকটের শুরু হয় সেখানে কুয়েত কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন না করে নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করে।

উৎস: BBC.

২,১৯৫.
জেনেভা কনভেনশন হলো কতগুলো?
  1. ক) মানবাধিকার চুক্তি
  2. খ) সামরিক চুক্তি
  3. গ) যুদ্ধ চুক্তি
  4. ঘ) অর্থনৈতিক চুক্তি
ব্যাখ্যা
• জেনেভা কনভেনশন হলো কতগুলো যুদ্ধ চুক্তি। 

• কোনো দেশে যুদ্ধ বা সামরিক সংঘাত চলাকালীন সময়ে, সাধারণ জনগণকে খুন, জনসাধারণের সম্পত্তি লুণ্ঠন, ধর্ষণ, কারাগারে আটক ব্যক্তিকে বিনাবিচারে হত্যা, দেশের নগর, বন্দর, হাসপাতালে কোন ধরনের সামরিক উস্কানি ছাড়াই আক্রমণ বা ধ্বংস প্রভৃতিকে যুদ্ধাপরাধ হিসেবে বিবেচিত হয়।
• যুদ্ধপরাধকে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড হিসেবে জেনেভা কনভেনশনকে মান্য করা হয়।
• মূলত এটি যুদ্ধাপরাধ সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক চুক্তি।

সূত্র: ব্রিটানিকা ও হিস্টোরি ওয়েব সাইট। 
২,১৯৬.
সৌর পঞ্জিকা কোন সভ্যতার আবিষ্কার?
  1. ক) সিন্ধু সভ্যতা
  2. খ) রোমান সভ্যতা
  3. গ) মিশরীয় সভ্যতা
  4. ঘ) গ্রিক সভ্যতা 
ব্যাখ্যা
মিশরীয় সভ্যতা
- সে কারণে নীল নদের প্লাবন, নাব্য, পানি প্রবাহের মাপ, জোয়ার-ভাটা ইত্যাদি ছাড়াও জমির মাপ তাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল।
- এসবের সঙ্গে জ্যোতিষশাস্ত্র ও অঙ্কশাস্ত্রের ছিল গভীর যোগাযোগ।
- মিশরীয়রা অঙ্কশাস্ত্রের দুইটি শাখা জ্যামিতি ও পাটিগণিতের প্রচলন করেন।
- তারা যোগ, বিয়োগ ও ভাগেরও ব্যবহার করতে পারত। 
- মিশরীয়রা ৪২০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ প্রথম সৌর পঞ্জিকা আবিষ্কার করেন এবং ৩৬৫ দিনে বছর এ হিসেবও তাদের আবিষ্কার।
- প্রাচীন মিশরের অধিবাসীরা সময় নির্ধারণের জন্য সূর্যঘড়ি, ছায়াঘড়ি ও জলঘড়ি আবিষ্কার করে। 
- ধর্মের কারণে মিশরীয়রা বিজ্ঞানচর্চায় আগ্রহী ছিল।
- তারা পরলোক বিশ্বাস করত এবং ফারাওরা পরবর্তী জন্মেও রাজা হবেন এই বিশ্বাস তাদের ছিল।
- তাই তারা ফারাওদের দেহ তাজা রাখার পদ্ধতি আবিষ্কার করে  ও মমি তৈরি শুরু করে। 
- মিশরীয় বিজ্ঞানীরা রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় মৃতদেহ পচন থেকে রক্ষা করতে সক্ষম হন।
- তারা দর্শন ও সাহিত্যচর্চা করত এবং তাদের রচনায় কোন দুঃখ-হতাশার প্রকাশ ছিল না।
- চিকিৎসাশাস্ত্রেও প্রাচীন মিশরীয়রা বিশেষ অগ্রগতি লাভ করেছিল।
- তারা চোখ, দাঁত ও পেটের রোগ নির্ণয় করতে জানত এবং হাড় জোড়া লাগানো, হৃৎপিণ্ডের গতি এবং নাডির স্পন্দন নির্ণয় করতে পারত।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
২,১৯৭.
শিক্ষা হলো ব্যক্তির দেহ মন আত্মার সুষম বিকাশের প্রয়াস। উক্তিটি করেন?
  1. সক্রেটিস
  2. প্লেটো
  3. রুশো
  4. গান্ধিজী
ব্যাখ্যা
শিক্ষা সম্পর্কে বিভিন্ন শিক্ষাবিদের মতামত:
- শিক্ষা শব্দটি অত্যন্ত ব্যাপক ও জটিল।
- বিভিন্ন যুগে, বিভিন্ন দেশে শিক্ষাবিদ ও দার্শনিকরা আপন আপন দৃষ্টিভঙ্গি অনুযায়ী শিক্ষার ব্যাখ্যা প্রদান করেছেন। 

সক্রেটিসের মতে,
- "শিক্ষা হলো মিথ্যার অপনোদন ও সত্যের আবিষ্কার।"

দার্শনিক প্লেটোর (Plato) মতে,
- শিক্ষা হচ্ছে সেই শক্তি, যার দ্বারা সঠিক সময়ে আনন্দ ও বেদনা অনুভূতিবোধ জন্মায়।
- এটি শিক্ষার্থীর দেহে-মনে সকল সুন্দর ও অন্তর্নিহিত শক্তিকে বিকশিত করে তোলে।

দার্শনিক এরিস্টটলের (Aristotle) মতে,
- সুস্থ দেহে সুস্থ মন তৈরি করাই হচ্ছে শিক্ষা।
- শিক্ষা দেহ-মনের সুষম এবং পরিপূর্ণ বিকাশের মাধ্যমে ব্যক্তির জীবনের প্রকৃত মাধুর্য ও পরম সত্য উপলব্ধিতে সহায়তা করে।

হেনরিক পেস্টালৎসীর মতে,
- "শিক্ষা হচ্ছে মানুষের শক্তি ও সামর্থ্যের স্বাভাবিক, প্রগতিশীল ও নিয়মানুগ বর্ধন ও সামঞ্জস্যপূর্ণ বিকাশ।

মহাত্মা গান্ধী বলেন,
- "শিক্ষা হলো শিশু ও মানুষের দেহ, মন ও আত্মার সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ গুণগুলোর সুসামঞ্জস্যপূর্ণ বিকাশ।

রুশো মন্তব্য করেন,
- "আমরা অভাবের মধ্যে অসহায় অবস্থায় জন্মগ্রহণ করি।
- শিক্ষা দ্বারা আমাদের অভাব পূরণ হয়।
- প্রকৃতি, বস্তু ও মানুষের নিকট হতে আমরা শিক্ষা লাভ করি।"

উৎস: মাধ্যমিক শিক্ষা, ব্যাচেলর অব এডুকেশন, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,১৯৮.
বিশ্বের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী কে?
  1. ইন্দিরা গান্ধী
  2. শ্রীমাভো বন্দরনায়েক
  3. বেনজীর ভুট্টো
  4. অ্যাঞ্জেলা মার্কেল
ব্যাখ্যা

শ্রীমাভো বন্দরনায়েক
- বিশ্বের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রীর নাম শ্রীমাভো বন্দরনায়েক।
- ১৯৬০ সালে নির্বাচনে জিতে শ্রিলংকার প্রধানমন্ত্রী হন তিনি।
- ১৯৬৫ সালে ক্ষমতা ত্যাগ করার পরে ১৯৭০ থেকে ১৯৭৭ সাল এবং ১৯৯৪ থেকে ২০০০ সাল মেয়াদে আরো দুইবার প্রধানমন্ত্রীর দ্বায়িত্ব পালন করেন।

অন্যদিকে -
- বেনাজীর ভুট্টো ছিলেন বিশ্বের প্রথম মুসলিম মহিলা প্রধানমন্ত্রী।
- বিশ্বের প্রথম মহিলা প্রেসিডেন্ট ইসাবেলা পেরন।
- মুসলিম বিশ্বের প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট মেঘবর্তী সুকর্নপুত্রী।

উৎস:
i) Britannica.com.
ii) Ministry of Foreign Affairs, Sri Lanka.

২,১৯৯.
'সুপার টুইসডে' কোন দেশের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সাথে সম্পৃক্ত?
  1. পাকিস্তান
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. ফ্রান্স
  4. রাশিয়া
ব্যাখ্যা
সুপার টুয়েসডে: 
- সুপার টুয়েসডে হল যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের গুরুত্বপূর্ণ একটি দিন।
- একাধিক অঙ্গরাজ্যে একই দিনে প্রাথমিক ও ককাস নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- এই নির্বাচনে দল প্রার্থীরা তাদের পক্ষে প্রতিনিধি জড়ো করেন।
- প্রতিনিধিরা পরবর্তীতে জাতীয় সম্মেলনে মনোনীত প্রার্থীর জন্য ভোট দেন।
- রিপাবলিকান প্রার্থীর জন্য ২,৪২৯ প্রতিনিধির মধ্যে ১,২১৫ জনের সমর্থন প্রয়োজন।
- ডেমোক্র্যাটদের ক্ষেত্রে ৩,৯৭৯ প্রতিনিধির মধ্যে ১,৪৩৯ জনকে জিততে হবে। 

সূত্র: প্রথম আলো। 
২,২০০.
পিপলস মজলিস কোন দেশের আইনসভার নাম?
  1. ক) শ্রীলংকা
  2. খ) মালদ্বীপ
  3. গ) সুইডেন
  4. ঘ) ইসরায়েল
ব্যাখ্যা
শ্রীলংকা - পার্লামেন্ট ( ২২৫ আসন সংখ্যা )।

মালদ্বীপ - পিপলস মজলিস ।

সুইডেন - রিকসড্যাগ।

ইসরায়েল  - নেসেট ( knesset )।

তথ্যসূত্র: www.britannica.com