বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বৈশ্বিক ইতিহাস, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা, ভূ-রাজনীতি

মোট প্রশ্ন৯,৩৩৪এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বৈশ্বিক ইতিহাস, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা, ভূ-রাজনীতি

PrepBank · পাতা ২১ / ৯৩ · ২,০০১২,১০০ / ৯,৩৩৪

২,০০১.
কনস্টান্টিনোপলের পতনের মধ্য দিয়ে কোন সম্রাজ্যের ইতিহাসে সমাপ্তি আসে?
  1. পারস্যিক
  2. বাইজেন্টাইন
  3. অটোমান
  4. মিশরীয়
ব্যাখ্যা

• বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য:
- বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য আনুমানিক ৩৯৫ খ্রিস্টাব্দ থেকে ১৪৫৩ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত বিদ্যমান ছিল।
- ১৫ শতকে অটোমান তুর্কি আক্রমণে পতনের আগে এটি বিশ্বের অন্যতম প্রধান সভ্যতায় পরিণত হয়েছিল।
- বাইজেনটাইন সাম্রাজ্যের রাজধানী ছিল কনস্টান্টিনোপল।
- বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য ভূমধ্যসাগরের আশেপাশের বেশিরভাগ ভূমি জুড়ে ছিল, যার মধ্যে বর্তমানে ইতালি, গ্রীস এবং তুরস্ক এবং উত্তর আফ্রিকা জুড়ে বিস্তৃত।

- কনস্টান্টিনোপল আধুনিক তুরস্কের একটি প্রাচীন শহর যা এখন ইস্তাম্বুল নামে পরিচিত।
- খ্রিস্টপূর্ব ৭৫৩ সালে ইতালির টাইবার নদীর তীরে রোম নগরী স্থাপিত হয়।

» কনস্টান্টিনোপলের পতন:
- চতুর্দশ শতাব্দী থেকে ওসমানীয় তুর্কিদের শক্তি ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পায়।
- ১৪৫৩ সালে ওসমানীয় খলিফা দ্বিতীয় মোহাম্মদের হাতে বাইজান্টাইন সাম্রাজ্যের রাজধানী কনস্টান্টিনোপলের পতন ঘটে।
- পরবর্তী পর্যায়ে তুর্কি শক্তি সমগ্র গ্রিস অঞ্চলসহ পূর্ব ইউরোপের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে তাদের সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করে।

তথ্যসূত্র: i) History.com
ii) আধুনিক ইউরোপের ইতিহাস, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,০০২.
নিচের কোনটির সাথে 'মুহম্মদ বুয়াজিজি' নামটি জড়িত?
  1. ইরানের বিপ্লব
  2. আরব ইসরাইল যুদ্ধ
  3. আরব বসন্ত
  4. ইরাকের গৃহ যুদ্ধ
ব্যাখ্যা
আরব বসন্ত
- আরব বসন্ত বলতে আরবের বিভিন্ন দেশের গণজাগরণকে বুঝায়।
- ২০১০ খ্রিষ্টাব্দের শেষের দিকে শুরু হওয়া আরব রাষ্ট্রগুলোর জনগণের বিভিন্ন দাবিতে বিক্ষোভ ও আন্দোলন সংগঠিত হয় বলে এটি আরব বসন্ত নামে বিশ্বব্যাপী পরিচিত হয়ে ওটে।
- আর এই পরিচিতিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে পশ্চিমা সংবাদমাধ্যমগুলো। 
- আরব বসন্তের শুরু হয় ২০১০ খ্রিষ্টাব্দের ১৭ ডিসেম্বর তিউনিসিয়ায়।
- ওই দিন মুহম্মদ বুয়াজিজি নামে এক ফল বিক্রেতা পুলিশের দুর্নীতি ও দুর্ব্যবহারের প্রতিবাদে গায়ে আগুন দিয়ে আত্মাহুতি দেন।
- তারপরই ব্যাপকভাবে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।
- তিউনিসিয়ায় শুরু হওয়া সেই গণবিক্ষোভের রেশ ছড়িয়ে পড়ে মিশর, লিবিয়া, সিরিয়া, ইয়েমেনসহ বিভিন্ন আরব দেশে।
 
- এই গণবিক্ষোভে দেড় লাখেরও অধিক মানুষের প্রাণহানি ঘটে বলে দাবি করা হয়। আরব বিশ্বের এই গণঅভ্যূত্থানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ন্যাটোভুক্ত রাষ্ট্রগুলো অস্ত্র সরবরাহ করে এবং সরাসরি আঘাত হেনে ক্ষমতাসীন রাষ্ট্রনায়কদের পতন ঘটাতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। 
 - আরব বসন্তের গণবিক্ষোভের ফলে তিউনেশিয়ায় ২০১১ এর ১৪ জানুয়ারি স্বৈরাচারী শাসক বেন আলীর পতন ঘটে।
- ক্ষমতায় আসে ইসলামিক দল ইনাহদাহ।
- ওই বছরেরই ১১ ফেব্রুয়ারি মিশরের ৩০ বছরের শাসক হোসনি মুবারকের পতন ঘটে।
- একই বছরের ২০ অক্টোবর লিবিয়ায় মুয়াম্মর আল-গাদ্দাফি নিহত হন এবং তার ৪২ বছরের শাসনের অবসান হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।
২,০০৩.
ইসরায়েলের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন কে? 
  1. ডেভিড বেন গুরিয়েন
  2. আর্থার বেলফোর 
  3. থিওডোর হার্জেল 
  4. মোনটেম বেগিন 
ব্যাখ্যা

• ইসরাইল:
- মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম দেশগুলোর মাঝখানে ছোট্ট একটি দেশ ইসরাইল।
- রাজধানী: জেরুজালেম।
- মুদ্রা: শেকেল।
- ইসরাইলের ভাষা হিব্রু।
- গোয়েন্দা সংস্থা: মোসাদ, আমান।

⇒ ১৯৪৮ সালের ১৪ই মে ব্রিটিশ ও মার্কিনদের সহায়তায় ইহুদিরা আরব ভূমিতে ইসরাইল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করে।
- ইসরাইলের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন 'ডেভিড বেন গুরিয়েন।'

উল্লেখ্য,
- ১৯১৭ সালের নভেম্বর মাসে তুরস্কের সেনাদের হাত থেকে জেরুজালেম দখল করে ব্রিটেন।
- ১৯১৭ থেকে ১৯৪৮ সাল পর্যন্ত ফিলিস্তিনের ভূমি ব্রিটেনের নিয়ন্ত্রণে ছিল।
- তখন ব্রিটিশ সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল যে, ফিলিস্তিনের মাটিতে ইহুদিদের জন্য একটি আলাদা রাষ্ট্র গঠনের জন্য সহায়তা করবে।
- ব্রিটেনের তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী লর্ড আর্থার জেমস বেলফোর বিষয়টি জানিয়ে চিঠি লিখেছিলেন ইহুদি আন্দোলনের নেতা ব্যারন রটসচাইল্ডকে।
- তৎকালীন ব্রিটেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সে চিঠি ‘বেলফোর ডিক্লারেশন’ হিসেবে পরিচিত।
- ১৯৪৭ সালের নভেম্বর মাসে ফিলিস্তিনের ভূখণ্ডে দুটি রাষ্ট্র গঠনের সিদ্ধান্ত নেয় জাতিসংঘ, একটি ইহুদিদের জন্য এবং অন্যটি আরবদের জন্য। 
- ১৯৪৮ সালের ১৪ই মে ফিলিস্তিন ছেড়ে যায় ব্রিটেন, আর ইহুদিরা ঘোষণা করে নিজস্ব রাষ্ট্র ইসরায়েলের। 

⇒ ইসরায়েলের স্বপ্নদ্রষ্টা অস্ট্রিয়ান সাংবাদিক থিওডর হার্জেল। 
- ইহুদিবাদ অন্দোলনের প্রবক্তা থিওডোর হার্জল।
- যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলকে প্রথম স্বীকৃতি দেয়।

তথ্যসূত্র:
i) Britannica.
ii) BBC.

২,০০৪.
নিচের কোন দেশটি ককেশাস অঞ্চলে অবস্থিত?
  1. নরওয়ে
  2. জর্জিয়া
  3. এস্তোনিয়া
  4. আলবেনিয়া
ব্যাখ্যা
- ককেশাস পর্বতমালার দক্ষিণে ট্রান্সককেশাস অঞ্চল অবস্থিত। এই অঞ্চলে তিনটি স্বাধীন রাষ্ট্র অবস্থিত। এগুলো হলো:
- জর্জিয়া
- আর্মেনিয়া এবং
- আজারবাইজান।
অন্যদিকে,
- এস্তোনিয়া বাল্টিক রাষ্ট্র
- আলবেনিয়া বলকান রাষ্ট্র
- নরওয়ে স্ক্যান্ডিনেভিয়ান রাষ্ট্র।
-(তথ্যসূত্রঃ ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস)
২,০০৫.
কত সালে সোমালিয়ার কাছ থেকে সোমালিল্যান্ড নিজেদের স্বাধীন ঘোষণা করে?
  1. ১৯৯১ সালে
  2. ১৯৯৫ সালে
  3. ২০০২ সালে
  4. ২০০৫ সালে
ব্যাখ্যা

সোমালিল্যান্ড:
- ১৯৯১ সালে সোমালিয়ার কাছ থেকে আলাদা হয়ে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিল সোমালিল্যান্ড।
- ১৯৯১ সাল থেকে সোমালিল্যান্ড কার্যত একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের মতো চলছে।
- তাদের নিজস্ব সরকার, মুদ্রা ও নিরাপত্তা বাহিনী রয়েছে।

উল্লেখ্য,
- তবে সোমালিল্যান্ড এত বছরে জাতিসংঘের কোনো সদস্যদেশের কাছ থেকে স্বীকৃতি পায়নি। একসময়ের ব্রিটিশশাসিত উত্তর সোমালিয়ার উত্তর–পশ্চিম কোণে এ ভূখণ্ডের অবস্থান।
- সোমালিল্যান্ডের স্বাধীনতার ঘোষণাকে কখনোই মেনে নেয়নি সোমালিয়া। সোমালিয়া সরকার বলেছে, সোমালিল্যান্ড তাদের দেশের অবিচ্ছেদ্য অংশ।

⇒ সম্প্রতি বিচ্ছিন্ন অঞ্চল সোমালিল্যান্ডকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে ইসরায়েল।
- এটিকে হর্ন অব আফ্রিকা অঞ্চলের ভূরাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

উৎস: i) DW.
ii) প্রথম আলো।

২,০০৬.
ভেনেজুয়েলা কোন মহাদেশে অবস্থিত? 
  1. উত্তর আমেরিকা
  2. দক্ষিণ আমেরিকা
  3. আফ্রিকা
  4. ইউরোপ
ব্যাখ্যা

ভেনেজুয়েলা:
- দক্ষিণ আমেরিকার উত্তর উপকূলে অবস্থিত।
- যা বিশ্বের বৃহত্তম তেলের মজুদ জন্য পরিচিত।
- অফিসিয়াল নাম: বোলিভারিয়ান রিপাবলিক অফ ভেনেজুয়েলা (Bolivarian Republic of Venezuela)।
- রাজধানী: কারাকাস (Caracas)।
- বৃহত্তম শহর: কারাকাস।
- সরকার পদ্ধতি: রাষ্ট্রপতি শাসিত প্রজাতন্ত্র।
- রাষ্ট্রপতি: ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী/ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট হলেন ডেলসি রদ্রিগেজ (Delcy Rodríguez),
- তিনি দেশটির ভাইস প্রেসিডেন্ট থেকে প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।
- মুদ্রা: বলিভার সোবেরানো (VES)।
- ভাষা: স্প্যানিশ।

উল্লেখ্য,
- ঐতিহাসিকভাবে দীর্ঘসময় ধরে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট ছিলেন নিকোলাস মাদুরো   কিন্তু ২০২৬ সালের জানুয়ারি মাসে যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক আটক হওয়ার পর ডেলসি রদ্রিগেজ অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্টের দায়িত্বে রয়েছে।

উৎস: ব্রিটানিকা, রয়টার্স এবং বিবিসি নিউজ।

২,০০৭.
কোন চুক্তির মাধ্যমে রাশিয়া প্রথম বিশ্বযুদ্ধ থেকে সরে আসে?
  1. ভার্সাই চুক্তি
  2. ব্রেস্ট-লিটোভস্ক চুক্তি
  3. টিলসিট চুক্তি
  4. সেভার্স চুক্তি
ব্যাখ্যা

• রাশিয়া ও প্রথম বিশ্বযুদ্ধ: 
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধে রাশিয়া মিত্রশক্তির পক্ষে যুদ্ধ করছিল, কিন্তু ১৯১৭ সালের রাশিয়ান বিপ্লবের পর বলশেভিক সরকার (ভ্লাদিমির লেনিনের নেতৃত্বে) ক্ষমতায় আসে।
- তারা যুদ্ধ থেকে সরে আসার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, কারণ যুদ্ধ রাশিয়ার অর্থনীতি এবং সেনাবাহিনীকে ধ্বংস করে দিয়েছিল।
- ১৯১৭ সালের নভেম্বরে সোভিয়েত সরকার শান্তি আলোচনার অনুরোধ করে।

- আলোচনা ১৯১৭ সালের ২২ ডিসেম্বর শুরু হয়।
- সোভিয়েত প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন লিওন ট্রটস্কি (পররাষ্ট্রমন্ত্রী) ও জার্মান প্রতিনিধি দলে ছিলেন রিচার্ড ভন কুলম্যান (পররাষ্ট্রমন্ত্রী) এবং জেনারেল ম্যাক্স হফম্যান।
- ট্রটস্কি "নো ওয়ার, নো পিস" নীতি ঘোষণা করেন, অর্থাৎ যুদ্ধ চালিয়ে না যাওয়া কিন্তু চুক্তিও না স্বাক্ষর করা।
- কিন্তু জার্মানরা ১৮ ফেব্রুয়ারি আক্রমণ শুরু করলে রাশিয়া আলোচনা পুনরায় শুরু করে।
- লেনিনের চাপে ট্রটস্কি প্রত্যাহার হয়ে যান এবং গ্রিগরি সোকোলনিকভ নতুন নেতৃত্ব দেন। 

- দীর্ঘ আলোচনার ফলে, রাশিয়া প্রথম বিশ্বযুদ্ধ থেকে ব্রেস্ট-লিটোভস্ক চুক্তি (Treaty of Brest-Litovsk) এর মাধ্যমে সরে আসে। 
- এটি একটি পৃথক শান্তি চুক্তি যা ১৯১৮ সালের ৩ মার্চ সোভিয়েত রাশিয়া এবং কেন্দ্রীয় শক্তি (জার্মানি, অস্ট্রো-হাঙ্গেরি, অটোম্যান এম্পায়ার এবং বুলগারিয়া) এর মধ্যে বর্তমান বেলারুশে পোল্যান্ড সীমান্তের নিকটবর্তী ব্রেস্ট-লিটভস্ক শহরে স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তিটি রাশিয়ার জন্য অত্যন্ত কঠোর ছিল। রাশিয়া কেন্দ্রীয় শক্তির কাছে অনেক এলাকা ছাড়তে বাধ্য হয়। 
- ১৯১৮ সালের নভেম্বরে জার্মানির পরাজয়ের পর চুক্তি বাতিল হয়। 

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা, হিস্ট্রি ডট কম ও ইন্টারন্যাশনাল এনসাইক্লোপিডিয়া। (Link)

২,০০৮.
ইনকা সভ্যতা কারা গড়ে তুলেছিলো?
  1. ভাইকিংরা
  2. রেড ইন্ডিয়ানরা
  3. অ্যাসেরীয়রা
  4. স্পেনিশরা
ব্যাখ্যা
- ইনকা সভ্যতা হলো দক্ষিণ আমেরিকায় বিকশিত একটি সভ্যতা। দ্বাদশ শতকে রেড ইন্ডিয়ানরা এই সভ্যতার সূচনা করে।
- উত্তরদিকে ইকুয়েডর থেকে শুরু করে দক্ষিণ দিকে মধ্য চিলি পর্যন্ত ইনকা সাম্রাজ্য বিস্তৃত ছিলো। ষোড়শ শতকে স্পেনিশ উপনিবেশিকদের দ্বারা ইনকা সভ্যতা ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়।
- পেরুতে অবস্থিত মাচুপিচু ইনকা সভ্যতার একটি নিদর্শন যা পৃথিবীর একটি সপ্তাশ্চর্য এবং ইউনেস্কো ঘোষিত একটি বিশ্ব ঐতিহ্য নিদর্শন।
(তথ্যসূত্রঃ হিস্টোরি ডটকম এবং ব্রিটানিকা)
২,০০৯.
ওয়াটারলু যুদ্ধে বিজয়ী সেনাপতির নাম কী?
  1. নেপোলিয়ন বোনাপার্ট
  2. আর্থার ওয়েলেসলি
  3. হরিয়েট লাফায়েট
  4. মার্শাল নেয়ার
ব্যাখ্যা

ওয়াটারলু যুদ্ধ:
- বিখ্যাত ওয়াটারলু যুদ্ধক্ষেত্র বেলজিয়াম অবস্থিত।
- বিখ্যাত 'ওয়াটার লু' যুদ্ধ সংঘটিত হয় ১৮১৫ সালে।
- ওয়াটার লু যুদ্ধের যুদ্ধক্ষেত্র ছিল বেলজিয়াম।
- এই যুদ্ধে পরাজিত হন ফরাসি বীর নেপোলিয়ন বোনাপার্ট।
- পরাজয়ের ফলে তাঁকে সেন্ট হেলেনা দ্বীপে নির্বাসনে দেওয়া হয়েছিল।
- তিনি ১৮২১ সালে মৃত্যুবরণ করেন।
- ওয়াটার লুর যুদ্ধে বিজয়ী সেনাপতির নাম - আর্থার ওয়েলেসলি (ডিউক অব ওয়েলিংটন)

- ওয়েলিংটনের ডিউকের আসল নাম ছিল আর্থার ওয়েসলি।
- ওয়েলিংটনের ডিউক ছিলেন একজন ব্রিটিশ সামরিক বীর।
- ওয়াটারলু যুদ্ধে ফরাসি সম্রাট নেপোলিয়ন বোনাপার্টের বিরুদ্ধে জয়লাভের জন্য তাকে সবচেয়ে বেশি স্মরণ করা হয় ।

উৎস: ব্রিটানিকা।

২,০১০.
২০২৪ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে কোন অঙ্গরাজ্যটি 'দোদুল্যমান রাজ্য' হিসেবে বিবেচিত?
  1. নিউইয়র্ক
  2. ক্যালিফোর্নিয়া
  3. টেক্সাস
  4. জর্জিয়া
ব্যাখ্যা
• যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে 'জর্জিয়া' অঙ্গরাজ্যটি, 'দোদুল্যমান রাজ্য’ হিসেবে বিবেচিত।

• মার্কিন নির্বাচন ও 'দোদুল্যমান রাজ্য’:
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৬০ তম প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগাম ভোটগ্রহন ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে।
- আসন্ন নির্বাচনে সুইং স্টেটস বা  সাতটি দোদুল্যমান রাজ্যের অন্যতম  জর্জিয়ায়  আগাম ভোট শুরু হয়েছে গত ১৫ অক্টোবর ২০২৪।

অন্যান্য রাজ্যগুলি হচ্ছে,
উইসকনসিন, মিশিগান, নেভাদা, নর্থ ক্যারোলাইনা, অ্যারিজোনা, পেনিসেলভেনিয়া। 
- এ অঙ্গরাজ্যগুলোই প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ফলাফল নির্ধারণ করে দেয়।

সূত্র: ডেইলি স্টার, বিবিসি বাংলা পত্রিকা রিপোর্ট। 
২,০১১.
মিয়ানমারের জান্তা সরকারের প্রধান কে?
  1. মিন অং হ্লাইং
  2. মিন্ট সোয়ে
  3. অং সান
  4. অং সান সু চি
ব্যাখ্যা
মিয়ানমার:
- দেশটি বার্মা নামেও পরিচিত।
- রাজধানী: নেপিদো।
- মুদ্রা: কিয়াট।
- প্রধান ভাষা: বার্মিজ।
- বর্তমান প্রেসিডেন্ট: মিন্ট সোয়ে।
- সীমান্তরক্ষী বাহিনী: বর্ডার গার্ড পুলিশ (BGP)।
- মিয়ানমারের জাতীয় সংসদ দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট।

⇒ মিয়ানমার জান্তা সরকার হলো মিয়ানমারের সামরিক শাসন, যা ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে এক সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করে।
- নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করে জেনারেল মিন অং হ্লাইং নেতৃত্বে একটি সামরিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়, যা স্টেট অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ কাউন্সিল (SAC) নামে পরিচিত।
- এই শাসনব্যবস্থার বিরুদ্ধে দেশে ব্যাপক প্রতিবাদ চলছে এবং আন্তর্জাতিকভাবে এটি সমালোচিত হচ্ছে।

উল্লেখ্য,
- মিয়ানমারের জান্তা সরকারের প্রধান হচ্ছেন জেনারেল মিন অং হ্লাইং।
- তিনি ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে মিয়ানমারের সেনা অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে দেশটির শাসনক্ষমতা গ্রহণ করেন।
- মিন অং হ্লাইং মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর প্রধান হিসেবে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেছেন এবং অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করার পর তিনি "স্টেট অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ কাউন্সিল" (SAC) এর চেয়ারম্যান হন, যা মিয়ানমারের বর্তমান শাসনব্যবস্থার প্রধান নির্বাহী অঙ্গ।

⇒ ১৯৬২ সাল থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত টানা দীর্ঘ ৪৭ বছর জান্তা সরকারের শাসনাধীন ছিল দেশটি।
- ২০১১ সালে নির্বাচনের মাধ্যমে বেসামরিক সরকারের হাতে নামমাত্র ক্ষমতা হস্তান্তর করে সামরিক বাহিনী।
- ২০১৫ সালে অং সাং সু চি’র নেতৃত্বাধীন বিরোধীদল এনএলডি জয়লাভ করে সরকার গঠন করে।
- ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে সেনা অভ্যুত্থানের মাধ্যমে অং সান সু চি ও তার সরকারের পতন হয়।

উৎস: Britannica.
২,০১২.
অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশের উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ-
  1. পুসাক জায়া
  2. অ্যাকনকাগুয়া
  3. ভিনসন মাসিফ
  4. বেন্টলে সাবগ্লাসিয়াল
ব্যাখ্যা
অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশ:
- অ্যান্টার্কটিকা পৃথিবীর দক্ষিণতম মহাদেশ।
- অ্যান্টার্কটিকা দক্ষিণ মহাসাগর দ্বারা বেষ্টিত।
- এটিতে ভৌগোলিক দক্ষিণ মেরু রয়েছে।
- এটি পঞ্চম বৃহত্তম মহাদেশ। 
- এর আয়তন ১,৪২,০০,০০০ বর্গ কি.মি.।
- অ্যান্টার্কটিকার বেশিরভাগ অংশই বরফ দ্বারা আবৃত তাই এটি মানুষ বসবাসের অনুপযোগী।
- বিশ্বের প্রায় ৮০% স্বাদু পানির রিজার্ভ সেখানে হিমায়িত রয়েছে।
- আন্টার্কটিকার সর্বোচ্চ বিন্দু: ভিনসন মাসিফ এবং সর্বনিম্ন বিন্দু: বেন্টলে সাবগ্লাসিয়াল।
- এ মহাদেশের জীবজন্তু: পেঙ্গুইন, তিমি ও সীল।
- এ মহাদেশের প্রধান সম্পদ: পাথর।
- প্রধান খনিজ দ্রব্য: কয়লা।

তথ্যসূত্র: ব্রিটেনিকা ওয়েবসাইট।
২,০১৩.
ডনরো মতবাদের মূল লক্ষ্য কী?  
  1. ইউরোপে যুক্তরাষ্ট্রের আধিপত্য প্রতিষ্ঠা
  2. পশ্চিম গোলার্ধে যুক্তরাষ্ট্রের আধিপত্য প্রতিষ্ঠা
  3. আফ্রিকায় মার্কিন উপনিবেশ স্থাপন 
  4. এশিয়ায় মার্কিন সামরিক উপস্থিতি বৃদ্ধি
ব্যাখ্যা

• ডনরো ডক্ট্রিন: 
- এটি ঐতিহাসিক মনরো নীতির আধুনিক রূপ হিসেবে বিবেচিত হয়।
- ডনরো ডক্ট্রিন হলো একটি সাম্প্রতিক মার্কিন কূটনৈতিক নীতির উদ্যোগ যা ঐতিহাসিক মনরো ডক্ট্রিনের আধুনিক পুনর্ভাষার রূপ হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। 
- যেখানে যুক্তরাষ্ট্র পশ্চিম গোলার্ধে তার আধিপত্য ও প্রভাব পুনরায় জোরদার করার লক্ষ্যে সামরিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক কৌশল গ্রহণ করছে এবং বিশেষত লাতিন আমেরিকাতে চীন ও রাশিয়ার প্রভাব কমাতে চায়।
- এই শব্দটি প্রথম আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় ব্যবহৃত হয় ২০২৫ সালে এবং মার্কিন প্রশাসনের কঠোর রূপান্তরিত নীতির বর্ণনায় “ডনরো ডক্ট্রিন” হিসেবে উল্লেখিত হয়েছে। 
- যা ইউএস আধিপত্যের নিরাপত্তা, হেমিস্ফিয়ার নিয়ন্ত্রণ ও কৌশলগত সুবিধা নিশ্চিত করার প্রচেষ্টাকে বর্ণনা করে।

তথ্যসূত্র: Toda Peace Institute

২,০১৪.
সিন্ধু নদের তীরে কোন নগরী গড়ে উঠেছিলো?
  1. ক) সিন্ধু নগরী
  2. খ) হরপ্পা নগরী
  3. গ) মহেঞ্জোদারো নগরী
  4. ঘ) মম্ফেস নগরী
ব্যাখ্যা
মহেঞ্জোদারো নগরী: 

- সিন্ধু সভ্যতা ভারতীয় উপমহাদেশের সবচেয়ে বড় সভ্যতা।
- সিন্দু নদের অববাহিকায় গড়ে উঠেছিলো এই সভ্যতা।
- সিন্ধু সভ্যতার শ্রেষ্ঠ দুটি শহর ছিলো - হরপ্পা, মহেঞ্জোদারো।
- হরপ্পা নগরীটি গড়ে উঠেছিলো সিন্ধুর উপনদী রাভী’র তীরে।
- মহেঞ্জোদারো নগরী গড়ে উঠেছিলো সিন্ধু নদের তীরে।

তথ্যসূত্র: নবম ও দশম শ্রেনীর ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা বই।
২,০১৫.
গৌতম বুদ্ধ কোথায় নির্বাণ লাভ করেন?
  1. লুম্বিনী
  2. কুশিনারা
  3. বুদ্ধগয়া
  4. সারনাথ
ব্যাখ্যা

গৌতম বুদ্ধ:
- গৌতম বুদ্ধ বৌদ্ধ ধর্মের প্রতিষ্ঠাতা।
​- তাঁর ব্যক্তিগত নাম সিদ্ধার্থ।
- তাঁর জন্ম খ্রিস্টপূর্ব ৬ষ্ঠ-৪র্থ শতাব্দীতে নেপালের কপিলাবস্তুর কাছে লুম্বিনীতে।
​- গৌতম বুদ্ধ বুদ্ধগয়াতে (ভারতের বিহার রাজ্যে) অশ্বত্থ গাছের নীচে নির্বাণ লাভ করেন। 
- গৌতম বুদ্ধ মহাপরিনির্বাণ লাভ করেন কুশিনারা, মাল্লা প্রজাতন্ত্র, মগধ রাজ্যে।

​⇒ বুদ্ধ উপাধিটির অর্থ হল একজন আলোকিত সত্তা, যিনি অজ্ঞতার ঘুম থেকে জেগে উঠেছেন এবং যন্ত্রণা থেকে মুক্তি লাভ করেন।
- বৌদ্ধধর্মের সব রূপই গৌতম বুদ্ধের জীবনের বিভিন্ন ঘটনা উদযাপন করে, যার মধ্যে রয়েছে তাঁর জন্ম, জ্ঞানার্জন এবং নির্বাণে উত্তরণ।
​- বুদ্ধ বিশ্ব-মানবতার কল্যাণে যে ধর্ম প্রচার করেছেন তার মূল লক্ষ্য হল নির্বাণ। নির্বাণপ্রাপ্ত ব্যক্তির পুনর্জন্ম হয় না। নির্বাণের মাধ্যমে বিমুক্তি আসে। বুদ্ধ নির্বাণ লাভের উপায় ও পথ প্রদর্শন করেছেন। দুঃখ থেকে মুক্তির একমাত্র উপায় নির্বাণ। সকল প্রকার তৃষ্ণা এবং জন্ম মৃত্যুর বিনাশ সাধনই হলো হলো নির্বাণ।

উল্লেখ্য,
- পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের রাওয়ালপিন্ডি জেলায় বৌদ্ধধর্মের স্মৃতিবিজড়িত স্থান তক্ষশীলা।
- গৌতম বুদ্ধের দিব্যজ্ঞান লাভের স্থান বুদ্ধগয়া।
- সারনাথ একটি উদ্যান যেখানে গৌতম বুদ্ধ সর্বপ্রথম ধর্ম নিয়ে ভেবেছিলেন। এই স্থানটি ভারতের উত্তর প্রদেশের বারানাশী শহর থেকে ১৩ কিলোমিটার উত্তর-পূর্ব দিকে অবস্থিত।

উৎস: i) Britannica.
ii) বৌদ্ধধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,০১৬.
"Eight-legged essay" কোন দেশের সিভিল সার্ভিস পরীক্ষার সাথে সম্পর্কিত?
  1. জাপান
  2. কোরিয়া
  3. ভিয়েতনাম
  4. চীন
ব্যাখ্যা

- Eight-legged essay ছিল প্রাচীন চীনের সিভিল সার্ভিস পরীক্ষার একটি নির্ধারিত রচনা শৈলী,
- এটা মিং ও চিং রাজবংশের সময় ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হতো।
- চীনের ইম্পেরিয়াল পরীক্ষা ব্যবস্থা প্রথম প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পায় সুই ও তাং রাজবংশের সময়, আর সং রাজবংশে এই ব্যবস্থার সর্বোচ্চ বিকাশ ঘটে।
- এই পরীক্ষার মাধ্যমে পণ্ডিত-আমলা বা ম্যান্ডারিন শ্রেণি গড়ে ওঠে, যারা কনফুসীয় দর্শনে সুপণ্ডিত ছিলেন।
- মিং ও চিং আমলে পরীক্ষাটি তিনটি ধাপে অনুষ্ঠিত হতো এবং সর্বোচ্চ পর্যায়ের পরীক্ষায় Eight-legged essay লিখতে হতো।
- এটি ছিল একটি কঠোর কাঠামোবদ্ধ রচনা, যা পরীক্ষার্থীদের বিশ্লেষণ ও বাগ্মিতা যাচাই করত।
- ১৯০৫ সালে চিং রাজবংশ এই পরীক্ষা ব্যবস্থা বাতিল করে, যার মাধ্যমে হাজার বছরের পুরনো একটি প্রশাসনিক পদ্ধতির অবসান ঘটে।

সূত্র: ব্রিটানিকা। 

২,০১৭.
“Orange Revolution” - সংগঠিত হয়েছিলো কত সালে?
  1. ক) ২০০৪ - ০৫
  2. খ) ২০০১ - ০২
  3. গ) ২০০৮ - ১০
  4. ঘ) ২০১০ - ১১
ব্যাখ্যা
The Orange Revolution was a series of protests and political events that took place in Ukraine from late November 2004 to January 2005, in the immediate aftermath of the run-off vote of the 2004 Ukrainian presidential election, which was claimed to be marred by massive corruption, voter intimidation and electoral fraud. Kiev, the Ukrainian capital, was the focal point of the movement's campaign of civil resistance, with thousands of protesters demonstrating daily.
২,০১৮.
নিচের কোন দেশ ইন্দোচীনের অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. ফিলিপাইন
  2. লাওস
  3. ভিয়েতনাম
  4. কম্বোডিয়া
ব্যাখ্যা
- ফিলিপাইন ইন্দোচীনের অন্তর্ভুক্ত নয়। 

ইন্দোচীন (Indochina): 

- ইন্দোচীন বলতে সাধারণত তিনটি দেশকে বোঝানো হয়: ভিয়েতনাম, লাওস ও কম্বোডিয়া। 
- এই অঞ্চলটি এক সময় ফরাসি উপনিবেশ ছিল।
- প্রথমে এটি ফরাসি সাম্রাজ্যের অংশ ছিল, পরে ফরাসি ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত হয়।
- “ইন্দোচীন” নামটি এসেছে এ অঞ্চলে ভারতীয় (ইন্দো) ও চীনা সংস্কৃতির মিশ্র প্রভাব থেকে।
- এই নামটি সংস্কৃতি, ধর্ম, শিল্প ও সমাজে ভারত ও চীনের প্রভাব বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
- ইন্দোচীন হলো ভিয়েতনাম, লাওস ও কম্বোডিয়া নিয়ে গঠিত একটি অঞ্চল, যেখানে ভারত ও চীনের সাংস্কৃতিক প্রভাব একত্রে বিদ্যমান এবং যা এক সময় ফ্রান্সের অধীনে ছিল।

উৎস: Britannica.
২,০১৯.
বিশ্বের কোন দেশে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার সবচেয়ে বেশি?
  1. ইন্দোনেশিয়া
  2. ভারত
  3. পূর্ব তিমুর
  4. নেপাল
ব্যাখ্যা
[জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার সবচেয়ে বেশি - সিরিয়ায় (৪.৯৮%)। তবে অপশনে সিরিয়া না থাকায় অপশন বিবেচনায় পূর্ব তিমুরকে সঠিক উত্তর হিসেবে নেওয়া হয়েছে।]

- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার সবচেয়ে বেশি - সিরিয়ায় (৪.৯৮)।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হারে দ্বিতীয় অবস্থানে আছে - মলদোভা (৪.৯৮%)।
- তৃতীয় অবস্থানে আছে নাইজার (৩.৮%)।
-------------------------
অপরদিকে, 
- ভারতে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার - ০.৮১%।
- ইন্দোনেশিয়ায় জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার - ০.৭৪%।
- নেপালে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার - ১.১৪%।
- পূর্ব তিমুরে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার - ১.৪৪%। 

তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড পপুলেশন রিভিউ।

২,০২০.
'তাহরির স্কয়ার' কোথায় অবস্থিত?
  1. সিউল
  2. আম্মান
  3. কায়রো
  4. তেহরান
ব্যাখ্যা

তাহরির স্কয়ার:
- তাহরির স্কয়ার মিশরের কায়রোতে অবস্থিত।
- এটিই কায়রোর গুরুত্বপূর্ণ জনসমাগমস্থল।

• মিশরের বিপ্লব: তাহরির স্কোয়ারে ১৮ দিন
- মিশরের তাহরির স্কোয়ারে ২০১১ সালের ২৫ জানুয়ারি বিপ্লব শুরু হয়।
- মিশরে দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে ক্ষমতাসীন ছিলেন হোসনি মুবারক, যিনি একদিকে দেশে স্থিতিশীলতা বজায় রাখার দাবি করলেও, তার শাসনামলে রাজনৈতিক স্বাধীনতা, মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং দুর্নীতির অভিযোগ বেড়ে যায়।
- ২৫ জানুয়ারি, ২০১১, মিশরের পুলিশ দিবসে, বিরোধী আন্দোলনকারীরা তীব্র প্রতিবাদ শুরু করে। তাদের দাবী ছিল মুবারকের সরকারের পতন এবং গণতান্ত্রিক সংস্কার।
- এই প্রতিবাদ মিশরের রাজধানী কায়রোর তাহরির স্কোয়ারে কেন্দ্রীভূত হয়ে ওঠে, যা বিপ্লবের প্রধান স্থান হয়ে ওঠে।

উল্লেখ্য,
- ১৮ দিনের প্রতিরোধ এবং চাপের পর, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০১১-এ হোসনি মুবারক পদত্যাগ করেন।

উৎস: BBC.

২,০২১.
জোয়ান অব আর্ক ছিলেন একজন -
  1. ক) মহিলা রাষ্ট্রপ্রধান
  2. খ) সমাজ সেবিকা
  3. গ) মহিলা প্রধান সেনাপতি
  4. ঘ) ব্রিটেনের রাণী
ব্যাখ্যা

- ইংল্যান্ড ও ফ্রান্সের মধ্যে শতবর্ষব্যাপী যুদ্ধ হয়েছিল।
- এই যুদ্ধের স্থায়িত্বকাল ছিল ১৩৩৭ সাল থেকে ১৪৫৩ সাল পর্যন্ত।
- 'জোয়ান অব আর্ক' ছিলেন ফ্রান্সের সেনাপতি।
- তিনি ১৪২৯ সালে ইংল্যান্ডের দখল থেকে ফ্রান্সের ওরিল্যান্স উদ্ধার করেন।
- ইংল্যান্ডের রাজা তৃতীয় এডওয়ার্ড এই যুদ্ধ শুরু করেন ফ্রান্সের সিংহাসনের দাবিতে। এই যুদ্ধে বিজয়ী হয় ফ্রান্স।
সূত্র: এনসাইক্লোপিডিয়া অব ব্রিটানিকা।

২,০২২.
'ফার্টাইল ক্রিসেন্ট' নামটি কোন সভ্যতাকে নির্দেশ করে?
  1. সিন্ধু সভ্যতা
  2. মেসোপটেমীয় সভ্যতা
  3. প্রাচীন মিশরীয় সভ্যতা
  4. ইনকা সভ্যতা
ব্যাখ্যা
মেসোপটেমীয় সভ্যতা: 
- 'ফার্টাইল ক্রিসেন্ট' নামটি মেসোপটেমীয় সভ্যতাকে নির্দেশ করে। 
- 'মেসোপটেমিয়া' এসেছে গ্রিক শব্দ মেসোস (Mesos) তথা 'মধ্যবর্তী' এবং পটামোস (Potamos) অর্থাৎ 'নদী' থেকে।
- 'মেসোপটেমিয়া' অর্থ 'দুই নদীর মধ্যবর্তী ভূমি'। 
- দজলা ফোরাত কিংবা টাইগ্রিস-ইউফ্রেতিস যাই বলা হোক, মেসোপটেমিয়া সভ্যতার বিস্তার দুটি নদীর মাঝখানে অবস্থিত পলল বিধৌত উর্বর ভূমিতে।
- মানচিত্রের মাঝে এই উর্বর ভূমিরূপকে দেখাতো অনেকটাই অর্ধচন্দ্র তথা বাঁকানো চাঁদের মতো।
- তাই এর নাম দেওয়া হয়েছে 'ফার্টাইল ক্রিসেন্ট'।
- মূলত ইরাক, সিরিয়া, লেবানন, ফিলিস্তিন আর জর্দান মিলেই এই ফার্টাইল ক্রিসেন্টের বিস্তার।
- অনেকে কুয়েতের উত্তরাংশ এবং তুরস্কের দক্ষিণ-পূর্বাংশের পাশাপাশি ইরানের পশ্চিম দিকের একাংশকে এই উর্বর অর্ধচন্দ্রাকৃতির ভূমিরূপ তথা ফার্টাইল ক্রিসেন্ট হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
২,০২৩.
কোন দেশকে বিশ্বের সবচেয়ে বড় দ্বীপপুঞ্জ রাষ্ট্র বলা হয়?
  1. মালয়েশিয়া
  2. ইন্দোনেশিয়া
  3. সিঙ্গাপুর
  4. জাপান
ব্যাখ্যা

• ইন্দোনেশিয়া:
- ইন্দোনেশিয়ার দেশটি অস্ট্রেলিয়ার ঠিক উত্তরে এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মূল ভূখণ্ড থেকে প্রশান্ত মহাসাগর ও ভারত মহাসাগরের মধ্যে অবস্থিত।
- এটি নিরক্ষরেখা জুড়ে অবস্থিত।
- বিশ্বের বৃহত্তম মুসলিম জনসংখ্যার দেশ ইন্দোনেশিয়া।
- ডাচ উপনিবেশ থাকা দেশটি আন্দোলনের মাধ্যমে ১৯৪৯ সালে স্বাধীন হয়।
- রাষ্ট্রীয় নাম: রিপাবলিক অব ইন্দোনেশিয়া।
- রাজধানী: জাকার্তা।
- মুদ্রা: ইন্দোনেশীয় রুপিয়া।
- প্রধান ভাষা: বাহাসা ইন্দোনেশিয়া।
- সরকার ব্যবস্থা রাষ্ট্রপতি শাসিত।

উল্লেখ্য,
- ইন্দোনেশিয়া পৃথিবীর বৃহত্তম দ্বীপরাষ্ট্র।
- ইন্দোনেশিয়াতে সর্বমোট ১৭,৫০৪ দ্বীপ রয়েছে।
- ইন্দোনেশিয়ার প্রধান দ্বীপগুলো হচ্ছে-সুমাত্রা, জাভা, বালি ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড এটলাস।

২,০২৪.
নিগ্রোদের অধিকার আন্দোলনের অহিংসবাদী নেতা কে?
  1. মোস্তফা কামাল পাশা
  2. আব্রাহাম লিংকন
  3. উইনস্টন চার্চিল
  4. মার্টিন লুথার কিং
ব্যাখ্যা
- নাগরিক অধিকার আন্দোলনের অন্যতম প্রধান নেতা ডঃ মার্টিন লুথার কিং।
- ১৯৬৪ সালে বর্ণবাদ বিরোধী অহিংস আন্দোলনের জন্য তাঁকে নোবেল শান্তি পুরস্কারে ভূষিত করা হয়।
- তিনি একজন সফল বক্তা ও সফল এই রাজনীতিবিদ। তার মন্ত্রীমুদ্ধকর বক্তৃতা দ্বারা জনমনে স্থায়ী আসন করে নিয়েছেন।
- “আই হ্যাভ এ ড্রিম” খ্যাত তাঁর বক্তৃতাটি ছিলো আমেরিকান নাগরিক অধিকার আন্দোলনের যুগসন্ধিক্ষণ। 
- ডঃ মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র অনেক উক্তি মানুষ অনুপ্রেরনা হিসাবে নেয়া তার মধ্যে একটি হচ্ছে- 'উড়তে না পারলে দৌড়াও। দৌড়াতে না পারলে হাঁটো। হাঁটতে না পারলে হামাগুড়ি দাও, কিন্তু যাই করো না কেন তোমাকে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে।'
- কর্মজীবনের শুরুতে মার্টিন লুথার কিং, জুনিয়র মানবাধিকার কর্মী ছিলেন, নাগরিক অধিকার রক্ষাই তার উদ্দেশ্য ছিল।
- ১৯৬৩ সালে তিনি ওয়াশিংটন মাচ সুসংগঠিত করেন।
- খ্রীষ্টীয়মতানুসারে অহিংস উপায় নাগরিক অধিকার রক্ষায় অবদানের জন্য অধিক জনপ্রিয়তা লাভ করেছেন। 
- ৩রা এপ্রিল ১৯৬৮ খ্রিষ্টাব্দে তাকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়।
- পরদিন ৪ এপ্রিল লরেইন হোটেলের বারান্দায় দাঁড়িয়ে থাকাবস্থায় শ্বেতাঙ্গ উগ্রপন্থী যুবক জেমস আর্ল রে নামক আততায়ীর হাতে গুলিবিদ্ধ হয়ে মার্টিন মৃত্যুবরণ করেন। তখন তার বয়স মাত্র ৩৯ বছর।

অপরদিকে, 
• মোস্তফা কামাল পাশা আধুনিক তুরস্কের জনক।
• আব্রাহাম লিংকন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ও তিনি ক্রীতদাস প্রথা বিলুপ্ত করেন।
• উইনস্টন চার্চিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। 

উৎস: ব্রিটানিকা। 
২,০২৫.
কোন দেশ ব্রিটিশ উপনিবেশ ছিল না?
  1. হংকং
  2. নেপাল
  3. মালদ্বীপ
  4. জাম্বিয়া
ব্যাখ্যা
উপনিবেশ:
- চীনের অধীনস্থ হওয়ার পূর্বে হংকং ব্রিটেনের উপনিবেশ ছিলো।
- মালদ্বীপ এবং জিম্বাবুয়ে দ্বীপ ব্রিটেনের উপনিবেশ ছিল।
ন- নেপাল সরাসরি ব্রিটিশ উপনিবেশ ছিল না তবে তারা ব্রিটেনের কাছে Protectorate (আশ্রিত রাজ্য) হিসেবে ছিলো।
- স্বায়ত্ত্বশাসন অব্যাহত থাকায় নেপাল এর স্বাধীনতা খর্ব হয় নি।
- তাই অপশন বিবেচনায় নেপাল উত্তর নেওয়া হয়েছে।

তথ্যসূত্র - Britannica.com & Worldatlas.com
২,০২৬.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কোন অঙ্গরাজ্যের ইলেকটোরাল কলেজ ভোটের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি?
  1. নিউ ইয়র্ক
  2. টেক্সাস
  3. ওয়াশিংটন ডিসি
  4. ক্যালিফোর্নিয়া
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

কংগ্রেস:

- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় সরকারের আইন সভার নাম কংগ্রেস।
- আইন প্রণয়ন করাই এর প্রধান কাজ।
- কংগ্রেস একটি দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট আইন সভা।
- কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ ‘প্রতিনিধি সভা' (The House of Representative) এবং উচ্চকক্ষ 'সিনেট' (The Senate) নামে পরিচিত।

⇒ নিম্নকক্ষ:
- কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ ‘প্রতিনিধি সভা' বা 'হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ' নামে পরিচিত।
• আসন সংখ্যা - ৪৩৫টি।
• মেয়াদ - ২বছর।
• 'হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ' সদস্য নির্বাচিত হওয়ার জন্য, একজন ব্যক্তির বয়স কমপক্ষে ২৫ বছর হতে হবে।

⇒ উচ্চকক্ষ:
- কংগ্রেসের উচ্চকক্ষ 'সিনেট' নামে পরিচিত।
• আসন সংখ্যা - ১০০টি।
• মেয়াদ - ৬ বছর।
• 'সিনেট' সদস্য নির্বাচিত হওয়ার জন্য, একজন ব্যক্তির বয়স কমপক্ষে ৩০ বছর হতে হবে।

'ইলেক্টোরাল কলেজ’ পদ্ধতি:
- ‘কলেজ’ শব্দটির অর্থ এখানে সেই ব্যক্তিদের বোঝানো হয়, যারা একটি অঙ্গরাজ্যের ভোট দেওয়ার অধিকারী। ইলেকটোরাল কলেজ হচ্ছে কর্মকর্তাদের একটি প্যানেল, যাদের ইলেকটরস বলা হয়। প্রতি চার বছর পর পর এটি গঠন করা হয়। তারাই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট এবং ভাইস প্রেসিডেন্টকে বাছাই করেন। ইলেকটোরাল কলেজ পদ্ধতি অনুযায়ী যেসব রাজ্যে জনসংখ্যা বেশি, সেসব রাজ্যে ইলেকটোরাল ভোটও বেশি। এই প্রথা শুধু প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের জন্যই ব্যবহৃত হয়। যুক্তরাষ্ট্রের অন্য সব নির্বাচনে জয়-পরাজয় নির্ধারিত হয় সরাসরি মানুষের ভোটেই।

নির্বাচন পদ্ধতি:
- ‘ইলেক্টোরাল কলেজ’ পদ্ধতিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- এই পদ্ধতিতে ভোটাররা সরাসরি প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অংশগ্রহণ করেন না।
- নির্বাচনের ফলাফল ভোটারদের দেওয়া ভোটে সরাসরি নির্ধারিত হয় না। জাতীয় স্তরের নির্বাচনি লড়াইয়ের বদলে জয়-পরাজয় নির্ধারিত হবে একেকটি অঙ্গরাজ্যের নির্বাচনি লড়াইয়ের মাধ্যমে।
- যুক্তরাষ্ট্রের ৫০টি অঙ্গরাজ্যের একটিতে জয়ী হওয়ার অর্থ একজন প্রার্থী সেই অঙ্গরাজ্যের সবকটি ‘ইলেক্টোরাল কলেজ’ ভোট পেয়ে যাবেন।
- ইলেকটোরাল কলেজের মোট ভোটের সংখ্যা ৫৩৮টি।
- মাইন ও নেব্রাসকা এই দুটো অঙ্গরাজ্য বাদে বাকি সবগুলো রাজ্যের ইলেকটোরাল ভোট যোগ দিলে যে প্রার্থী ২৭০টি বা তারও বেশি ভোট পাবেন তিনিই প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হবেন।
- প্রতিটি অঙ্গরাজ্যের বেশ কয়েকটি করে ইলেক্টোরাল ভোট থাকে, যা ওই অঙ্গরাজ্যের জনসংখ্যার মোটামুটিভাবে সমানুপাতিক হয়।
- ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যে সর্বাধিক ৫৪টি ইলেকটোরাল কলেজ ভোট রয়েছে।

উল্লেখ্য,
- সংখ্যা গরিষ্ঠ ইলেক্টোরাল কলেজ ভোট পেয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ৪৭তম প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প।

তথ্যসূত্র - যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি ওয়েবসাইট।
২,০২৭.
যুক্তরাষ্ট্রের কোন প্রেসিডেন্টের সময় 'নক্ষত্র যুদ্ধ' শুরু হয়?
  1. জিমি কার্টার
  2. জর্জ বুশ
  3. রোনাল্ড রিগ্যান
  4. রিচার্ড নিক্সন
ব্যাখ্যা

• রোনাল্ড রিগ্যান:
- রোনাল্ড রিগ্যান মার্কিন রাজনীতিবিদ।
- তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৪০তম রাষ্ট্রপতি।
- তিনি ১৯৮১ থেকে ১৯৮৯ সাল পর্যন্ত এই দায়িত্ব পালন করেন।
- রাষ্ট্রপতিত্বের পূর্বে তিনি হলিউডের চলচ্চিত্র অভিনেতা ছিলেন।
- রোনাল্ড রিগ্যান ১৯৮৩ সালের ২৩ মার্চ ভূমি ও মহাকাশে পরমাণু ক্ষেপণাস্ত্র আক্রমণ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরিকল্পনা হাতে নেন যা SDI (Strategic Defense Initiative) নামে পরিচিত।
- একে সমালোচকরা নক্ষত্র যুদ্ধ (Star War) এর পরিকল্পনা হিসেবেও অভিহিত করেন।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।

২,০২৮.
আদমসুরত বলা হয়-
  1. ক) সপ্তর্ষিমণ্ডলকে
  2. খ) ক্যাসিওপিয়াকে
  3. গ) অরিয়নকে
  4. ঘ) সুরনদীকে
ব্যাখ্যা

কালপুরুষ বা অরিয়ন কে আদমসুরত বলা হয়।
এটা আসলে আকাশের কিছু তারার মানুষ আকৃতির বিন্যাস।
তারাগুলো মহাকাশের বিষুবীয় অঞ্চলে অবস্থান করায় পৃথিবীর সব অঞ্চল থেকে একে দেখা যায়।
উত্তর গোলার্ধে শরতের শেষ সময় হতে বসন্তের প্রাথমিক সময় পর্যন্ত এটি দেখা যায়।

২,০২৯.
প্রাচীন সভ্যতার ইতিহাসে শ্রেষ্ঠ নাবিক ও জাহাজ নির্মাতা হিসেবে কাদের পরিচিতি ছিল?
  1. রোমানদের
  2. সুমেরীয়দের
  3. মিশরীয়দের
  4. ফিনিশীয়দের
ব্যাখ্যা
ফিনিশীয় সভ্যতা:
- ফিনিশীয় সভ্যতা ভূমধ্যসাগর এবং লেবানন পর্বতের মাঝে এক সরু উপকূল অঞ্চলে গড়ে উঠেছিল।
- তাদের পেছনে পাহাড় আর সামনে সাগর ছিল, যা তাদের জীবনযাত্রা ও সংস্কৃতিতে বড় প্রভাব ফেলেছিল।
- প্রাচীন সভ্যতার ইতিহাসে ফিনিশীয়দের পরিচয় শ্রেষ্ঠতম নাবিক ও জাহাজ নির্মাতা হিসেবে।
- অর্থাৎ ফিনিশীয়দের পরিচিতি ছিল ইতিহাসের শ্রেষ্ঠতম নাবিক ও জাহাজ নির্মাতা হিসেবে।
- তারা পৃথিবীর প্রথম সমৃদ্ধ বাণিজ্যিক সভ্যতা প্রতিষ্ঠা করে, যার মাধ্যমে বাণিজ্যিক যোগাযোগ সহজ হয়।
- ফিনিশীয় নাবিকরা রাতে জাহাজ চালানোর জন্য ধ্রুবতারা ব্যবহার করতেন, তাই এটি অনেক সময় ফিনিশীয় তারা হিসেবে পরিচিত।
- তাদের সভ্যতার সবচেয়ে বড় অবদান ছিল বর্ণমালার উদ্ভাবন, যেখানে তারা ২২টি ব্যঞ্জনবর্ণ উদ্ভাবন করেন।

তথ্যসূত্র: ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,০৩০.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় হিরোশিমায় নিক্ষিপ্ত আনবিক বোমার নাম কী?
  1. লিটল বয়
  2. স্কাড
  3. প্যাট্রিয়ট
  4. ফ্যাটম্যান 
ব্যাখ্যা

লিটলবয় ও ফ্যাটম্যান:
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ যখন প্রায় শেষের পথে, তখন আগস্টের জাপানের হিরোশিমা এবং নাগাসাকি শহরে পরমাণু বোমা ফেলেছিল যুক্তরাষ্ট্র।
- বিশ্বে প্রথম কোন যুদ্ধে ব্যবহৃত হয়েছিল গণবিধ্বংসী মারণাস্ত্র।
- মারা গিয়েছিল হাজার হাজার মানুষ।
- জাপানের হিরোশিমা শহরে ৬ আগস্ট, ১৯৪৫ সালে বোমা বর্ষণ করে। নিক্ষিপ্ত বোমাটির নাম ছিলো লিটলবয়।
- ৯ আগস্ট, ১৯৪৫ সালে নাগাসাকি শহরে পারমাণবিক বোমা বর্ষণ করে। নাগাসাকিতে নিক্ষিপ্ত বোমাটির নাম ছিলো ফ্যাটম্যান।
- ৩৩তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট হ্যারি এস ট্রুম্যান এই পারমাণবিক বোমা বর্ষণের নির্দেশ দেন।

উৎস: History.com

২,০৩১.
‘House of Wisdom’ বা ‘বায়তুল হিকমা’ কে প্রতিষ্ঠা করেন?
  1. ক) আবু আল আব্বাস
  2. খ) ইবনে আবু সুফিয়ান
  3. গ) হযরত আবু বকর(রা.)
  4. ঘ) হারুন-অর-রশিদ
ব্যাখ্যা
বাইতুল হিকমাহ ছিল আব্বাসীয় আমলে ইরাকের বাগদাদে প্রতিষ্ঠিত একটি গ্রন্থাগার, অনুবাদকেন্দ্র ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এটিকে ইসলামি স্বর্ণযুগের একটি প্রধান বুদ্ধিবৃত্তিক কেন্দ্র হিসেবে বিবেচনা করা হয়। বাইতুল হিকমাহ খলিফা হারুনুর রশিদ প্রতিষ্ঠা করেন এবং তার পুত্র আল মামুন এর সময় তা সর্বোচ্চ চূড়ায় পৌছায়।
২,০৩২.
“রাষ্ট্রই হচ্ছে সর্বোচ্চ ক্ষমতা এবং তার ওপর উচ্চতর কোন ক্ষমতা থাকতে পারেনা”- উক্তিটি কার?
  1. আর. এম. ম্যাকাইভার
  2. অধ্যাপক গার্নার
  3. অ্যারিস্টটল
  4. নিকোলা ম্যাকিয়াভেলি
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রঃ
প্রত্যেক মানুষ কোনো না কোনো রাষ্ট্রে বসবাস করে। হঠাৎ করে কোন রাষ্ট্রের উৎপত্তি হয় নি।
- আদিম মানুষ প্রথমে গোত্রভিত্তিক বসবাস করতো। সময়ের বিবর্তনে একসময় রাষ্ট্রের উৎপত্তি হয়।
- রাষ্ট্রের সৃষ্টিকারী মূলত মানুষই।
- রাষ্ট্রে বসবাসকারী জনগণকে রাষ্ট্রের নাগরিক বলা হয়। প্রত্যেক নাগরিককে রাষ্ট্রের সমস্ত নিয়ম-কানুন মেনে চলতে হয়ে।

রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ও রাজনৈতিক তত্ত্ববিদরা রাষ্ট্রকে বিভিন্নভাবে সংজ্ঞায়িত করেছেন।
- অ্যারিস্টটলের মতে, 'স্বয়ংসম্পূর্ণ জীবনের জন্য কতিপয় পরিবার ও গ্রামের সমন্বয়ে গঠিত সংগঠনই রাষ্ট্র।'
- আর. এম. ম্যাকাইভার - এর মতে, 'রাষ্ট্র হচ্ছে সরকার কর্তৃক প্রণীত আইন দ্বারা পরিচালিত একটি সংগঠন, যার কর্তৃত্বমূলক ক্ষমতা রয়েছে এবং যা নির্দিষ্ট ভূখন্ডে বসবাসরত অধিবাসীদের উপর বলবৎ হয়।'
- নিকোলা ম্যাকিয়াভেলির মতে, 'রাষ্ট্রই হচ্ছে সর্বোচ্চ ক্ষমতা এবং তার ওপর উচ্চতর কোন ক্ষমতা থাকতে পারেনা'।
- অধ্যাপক গার্নার রাষ্ট্রের সবচেয়ে সুস্পষ্ট ও পূর্ণাঙ্গ সংজ্ঞা প্রদান করেছেন। তিনি বলেন -
'রাষ্ট্র হলো বহুসংখ্যক ব্যক্তি নিয়ে গঠিত এমন এক সমাজ, যারা নির্দিষ্ট ভূখন্ডে স্থায়ীভাবে বসবাস করে, যা বহির্শক্তির নিয়ন্ত্রণ হতে মুক্ত এবং যাঁদের একটি সুসংগঠিত সরকার আছে, যে সরকারের প্রতি ঐ জনসমাজ স্বভাবতই অনুগত।'

রাষ্ট্রের উপাদানঃ
রাষ্ট্রের সংজ্ঞা বিশ্লেষণ করলে রাষ্ট্রের ৪টি উপাদান পাওয়া যায়। যথাঃ
(ক) জনসমষ্টি
(খ) নির্দিষ্ট ভূখণ্ড
(গ) সরকার
(ঘ) সার্বভৌমত্ব।
- সার্বভৌমত্ব রাষ্ট্র গঠনের সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ণ ও অত্যাবশ্যকীয় উপাদান। এটি রাষ্ট্রের চরম, পরম ও সর্বোচ্চ ক্ষমতা।

উৎসঃ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বোর্ড বই ও পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,০৩৩.
কোন দেশের কাছে সবচাইতে বেশি পারমাণবিক চুল্লি আছে?
  1. চীন
  2. যুক্তরাজ্য
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. রাশিয়া
ব্যাখ্যা
সবচেয়ে বেশী পারমানবিক চুল্লি:
- পারমাণবিক চুল্লি একটি যন্ত্র, যা একটি স্বনির্ভর নিউক্লিয় শৃঙ্খল বিক্রিয়া শুরু এবং নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যবহৃত হয়।
- পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলিতে বিদ্যুৎ শক্তি উৎপাদন এবং পারমাণবিক শক্তি ভিত্তিক সামুদ্রিক জলযানের ইঞ্জিন চালনায় ব্যবহৃত হয় পারমাণবিক চুল্লি। 
- সবচেয়ে বেশী পারমানবিক চুল্লি রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে।

অন্যদিকে,
- ২য় স্থানে রয়েছে ফ্রান্স।
- ৩য় স্থানে রয়েছে চীন।
- ৪র্থ স্থানে রয়েছে রাশিয়া।
- ৫ম স্থানে রয়েছে জাপান।

তথ্যসূত্র - Statista. (লিংক)
২,০৩৪.
বলশেভিক বিপ্লব কত সালে সংগঠিত হয়?
  1. ১৯২৭
  2. ১৯৪৯
  3. ১৯৭৯
  4. ১৯১৭
ব্যাখ্যা

- বলশেভিক বিপ্লব ১৯১৭ সালে সংগঠিত হয়।
- এটি মূলত রুশ বিপ্লব এর দ্বিতীয় পর্যায়।

রুশ বিপ্লব:

- ১৯১৭ সালে রাশিয়ায় মূলত দুটি বিপ্লব সংঘটিত হয়।
- এই দুটি বিপ্লব হলো ফেব্রুয়ারি বিপ্লব ও বলশেভিক বিপ্লব। এই দুটি বিপ্লবকে একত্রে '১৯১৭ সালের রুশ বিপ্লব' বলা হয়।

⇒ ফেব্রুয়ারি বিপ্লব:
- রুশ বিপ্লবের প্রথম পর্যায়কে ফেব্রুয়ারি বিপ্লব বলা হয়। ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের ফলে রাজতন্ত্রের অবসান ঘটে এবং জার দ্বিতীয় নিকোলাসকে ক্ষমতা থেকে উচ্ছেদ ও বন্দি করা হয়। ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের নেতৃত্ব ছিলেন আলেক্সান্দ্রো এফ. ক্যারেনস্কি (Aleksandr F. Kerensky)।

⇒ বলশেভিক বিপ্লব/অক্টোবর বিপ্লব:
- রুশ বিপ্লবের দ্বিতীয় পর্যায়কে বলশেভিক বা অক্টোবর বিপ্লব বলে। বলশেভিক বিপ্লবের ফলে রাশিয়ায় লেনিনের নেতৃত্বে বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- বলশেভিক বিপ্লবের নেতা ছিলেন ভ্লাদিমির লেনিন।

উৎস: i) ইতিহাস ২য় পত্র, একাদশ -দ্বাদশ শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) Britannica.

২,০৩৫.
নিচের কোনটি বাল্টিক রাষ্ট্র নয়?
  1. জর্জিয়া
  2. এস্তোনিয়া
  3. লাটভিয়া
  4. লিথুয়ানিয়া
ব্যাখ্যা
- বাল্টিক সাগর তীরবর্তী এস্তোনিয়া, লিথুয়ানিয়া এবং লাটভিয়া বাল্টিক রাষ্ট্র হিসেবে পরিচিত।
- জর্জিয়া, আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান ককেশাস অঞ্চলে অবস্থিত।
(সূত্রঃ এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা)
২,০৩৬.
যুক্তরাষ্ট্র সর্বশেষ কোন দেশটিকে সন্ত্রাসে মদদদাতা দেশের তালিকা থেকে বাদ দিয়েছে?
  1. ক) ইরান
  2. খ) কিউবা
  3. গ) ইয়েমেন
  4. ঘ) সুদান
ব্যাখ্যা
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র গত ১৪ ডিসেম্বর ২০২০ সুদান কে সন্ত্রাসে মদদদাতা দেশের তালিকা থেকে বাদ দিয়েছে।
মূলত ইসরায়েলের সাথে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার বিনিময়ে সুদানকে কালো তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়।
১৯৯৩ সালে যুক্তরাষ্ট্র সুদান কে সন্ত্রাসে মদদদাতা দেশ হিসেবে কালো তালিকাভুক্ত করে।
বর্তমানে ইরান, সিরিয়া ও উত্তর কোরিয়া যুক্তরাষ্ট্রের কালোতালিকা ভুক্ত রয়েছে।
(সূত্রঃ আল জাজিরা এবং দৈনিক সমকাল)
২,০৩৭.
কোন মিশনের মাধ্যমে মানুষ প্রথম চাঁদের বুকে পা রাখতে সক্ষম হয়?
  1. ক) অ্যাপোলো-৮
  2. খ) অ্যাপোলো-১০
  3. গ) অ্যাপোলো-১১
  4. ঘ) অ্যাপোলো-১২
ব্যাখ্যা
নাসা প্রেরিত অ্যাপোলো-১১ মহাকাশযানে করে ১৯৬৯ সালের ২০ জুলাই মানুষ প্রথম চাঁদে পা রাখে।
এদিন মার্কিন নভোচারী ‘নীল আর্মস্ট্রং’ প্রথম মানব হিসেবে চাঁদের বুকে পা রাখেন। তার কিছুক্ষণ পর দ্বিতীয় ব্যক্তি হিসেবে ‘বাজ অলড্রিন’ চাঁদের বুকে পা রাখেন।
তাদের অপর সঙ্গী ‘মাইকেল কলিন্স’ চাঁদের কক্ষপথে কমান্ড মডিউলে অবস্থান করছিলেন।
(সূত্র: নাসা ওয়েবসাইট)
২,০৩৮.
ভারতের প্রথম মুসলিম রাষ্ট্রপতি কে?
  1. ক) এপিজে আব্দুল কালাম
  2. খ) ড. জাকির হোসেন
  3. গ) ফখরুদ্দিন আলী আহমেদ
  4. ঘ) মোহাম্মদ হেদায়েতুল্লাহ
ব্যাখ্যা
• ড. জাকির হোসেন: 
ড. জাকির হোসেন ভারতের ৩য় ও প্রথম মুসলিম রাষ্ট্রপতি।

- তিনি কংগ্রেস পার্টির সরকারি প্রার্থী হিসেবে তিনি ১৯৬৭ সালে ভারতের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন এবং মৃত্যুর আগ পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন।
- তার ধর্মনিরপেক্ষতার প্রচার কিছু মুসলিম কর্মী দ্বারা সমালোচিত হয়েছিল।

• অন্যদিকে: 
• এপিজে আব্দুল কালাম: 

-  "মিসাইল ম্যান" খ্যাত এপিজে আবদুল কালাম ভারতের ১১তম রাষ্ট্রপতি।
- তিনি ২০০২ থেকে ২০০৭ পর্যন্ত ভারতের রাষ্ট্রপতি ছিলেন।
- তাঁর পুরো নাম আবুল পাকির জয়নুল আবেদিন আবদুল কালাম। 
- তিনি ভারতের ক্ষেপণাস্ত্র ও পারমাণবিক অস্ত্রের উন্নয়নে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিলেন। 

• ফখরুদ্দিন আলী আহমেদ ভারতের পঞ্চম রাষ্ট্রপতি।
• মোহাম্মদ হেদায়েতুল্লাহ ২০ জুলাই ১৯৬৯ থেকে ২৪ আগস্ট ১৯৬৯ সময়ে ভারতের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি ছিলেন। 

সূত্র: ব্রিটানিকা ও ভারতের সরকারি ওয়েবসাইট।
২,০৩৯.
শেনজেন ভুক্ত দেশের সংখ্যা কয়টি? (জুলাই, ২০২৫)
  1. ২৭টি
  2. ২৮টি
  3. ২৯টি
  4. ৩০টি
ব্যাখ্যা
শেনজেন অঞ্চল:
- শেনজেন একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যা ইউরোপীয় দেশগুলোর মধ্যে ব্যক্তিদের অবাধ চলাচলের অনুমতি প্রদান করে।
- শেনজেন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ১৯৮৫ সালে।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: লুক্সেমবার্গের শেনজেন শহরে।
- ১৯৯৫ সালের ২৬ মার্চ চুক্তিটি কার্যকর হলে ভিসামুক্ত ইউরোপের যাত্রা শুরু হয়।
- শেনজেন ভুক্ত দেশ: ২৯টি। (জুলাই, ২০২৫)
- ১ জানুয়ারী ২০২৫ এ সম্পূর্ণরূপে যোগদানকারী সর্বশেষ দেশ রোমানিয়া ও বুলগেরিয়া। (জুলাই, ২০২৫)

উল্লেখ্য:
- লিচেনস্টাইন, আইসল্যান্ড, সুইজারল্যান্ড এবং নরওয়ে এই দেশ চারটি ইউরোপীয় ইউনিয়ন এর অন্তর্ভুক্ত না হয়েও শেনজেনভুক্ত দেশের তালিকায় রয়েছে।

তথ্যসূত্র - European Union ওয়েবসাইট।
২,০৪০.
প্রথম ক্রিমিয়ার যুদ্ধে পরাজিত হয় কোন দেশ?
  1. রাশিয়া
  2. ইউক্রেন
  3. তুরস্ক
  4. ফ্রান্স
ব্যাখ্যা

ক্রিমিয়ার যুদ্ধ:
- ১৮৫৩ সাল থেকে ১৮৫৬ সাল পর্যন্ত ক্রিমিয়ার যুদ্ধ চলে।
- রাশিয়ার সঙ্গে এই যুদ্ধ চলে তুরস্ক তথা অটোমান সাম্রাজ্যের মিত্রশক্তি ব্রিটেন, ফ্রান্স ও সারডিনিয়ার।
- ১৮৫৩ সালে ইউরোপের তুর্কি এলাকায় রাশিয়া আক্রমণ চালালে এ যুদ্ধের সূচনা হয়।
- রাশিয়া তুরস্কের নিয়ন্ত্রিত দারদানেলিস প্রণালী দিয়ে যুদ্ধ জাহাজ চলাচলের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং তুরস্কের খ্রিস্টানদের রক্ষার অজুহাত তুলে এই যুদ্ধ শুরু করে।
- ব্রিটেন ও ফ্রান্স তুরস্কের সাহায্যে এগিয়ে আসে।
- প্যারিস চুক্তি স্বাক্ষরিত হবার পর ১৮৫৬ সালে এই যুদ্ধের পরিসমাপ্তি ঘটে।
- এই যুদ্ধে রাশিয়া পরাজিত হয়। 
- যুদ্ধে বিজয়ী হয় ফ্রান্স, ব্রিটেন ও অটোমান সাম্রাজ্য।

উৎস: Britannica.

২,০৪১.
আকসুম সভ্যতা কোন অঞ্চলে বিরাজমান ছিল?
  1. ক) দক্ষিণ আফ্রিকা
  2. খ) পশ্চিম আফ্রিকা
  3. গ) পূর্ব আফ্রিকা
  4. ঘ) উত্তর আফ্রিকা
ব্যাখ্যা
• আকসুম সভ্যতা:
- পূর্ব আফ্রিকার দেশ  ইথিওপিয়াতে আবিষ্কৃত হয় আকসুম সভ্যতা।
- যে শহর টিকে ছিল প্রায় ১৪০০ বছর।
- খ্রিস্টপূর্ব ৮০ থেকে ৮২৫ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত পূর্ব আফ্রিকাতে ছিল আকসুম সভ্যতা।
- আকসুম সভ্যতার প্রধান শহরের নাম ছিল আকসুম।
- গবেষকরা এই প্রাচীন সভ্যতাকে বিটা সেমাতি বলে ডাকেন।
- স্থানীয় টিগরিনিয়া ভাষায় যার অর্থ ‘দর্শকদের বাড়ি’।
- রেডিওকার্বন ডেটের মাধ্যমে জানা যায়, এই বিটা সেমাতির সময়কাল ছিল খ্রিস্টপূর্ব ৭৭১ থেকে ৬৪৫ খ্রিস্টাব্দ।
- অর্থাৎ আকসুম সভ্যতা গড়ে ওঠার পরও বিটা সেমাতি ছিল।
-  বর্তমান ইয়েমেনে, আগে ছিল সাবা সাম্রাজ্য।

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা এবং সময়ের আলো পত্রিকা।
২,০৪২.
কোন গ্রন্থের জন্য ২০২৩ সালে বুকার পুরস্কার দেওয়া হয়?
  1. দ্য প্রমিস
  2. আওয়ার ড্রিম
  3. প্রফেট সং
  4. দ্য হলোসিম
ব্যাখ্যা
• বুকার পুরস্কার-২০২৩:
- ২০২৩ সালের বুকার পুরস্কার লাভ করেন - পল লিঞ্চ (আয়ারল্যান্ড)।
- ২০২৩ সালে যে উপন্যাসের জন্য বুকার পুরস্কার প্রদান করা হয় - Prophet Song.
- স্বৈরাচারী রাজনীতি, একনায়কতন্ত্র, গৃহযুদ্ধ আর মানুষের দুর্দশার কথা লিখে বিশ্ব সাহিত্যের মর্যাদাসম্পন্ন ‘ম্যান বুকার প্রাইজ‘ জিতলেন আইরিশ কথাসাহিত্যিক পল লিঞ্চ।

সূত্র: বুকার পুরস্কার ওয়েবসাইট।
২,০৪৩.
মালাক্কা প্রণালী কোন দুটি ভূখণ্ডকে বিভক্ত করে?
  1. ভারত ও শ্রীলঙ্কা
  2. মালেশিয়া ও সুমাত্রা দ্বীপ
  3. জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া
  4. থাইল্যান্ড ও মিয়ানমার
ব্যাখ্যা

• মালাক্কা প্রণালী (Strait of Malacca):
- মালাক্কা প্রণালী হলো একটি গুরুত্বপূর্ণ জলপথ যা আন্দামান সাগর (ভারত মহাসাগর) এবং দক্ষিণ চীন সাগর (প্রশান্ত মহাসাগর)কে সংযুক্ত করে।
- এটি মালেশিয়া ও সুমাত্রাকে বিভক্ত করে।
- পশ্চিমে ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপ, পূর্বে পশ্চিম মালয়েশিয়া এবং দক্ষিণ থাইল্যান্ড।
- প্রণালীর মোট এলাকা প্রায় ২৫,০০০ বর্গমাইল (৬৫,০০০ বর্গকিমি)।
- দৈর্ঘ্য প্রায় ৫০০ মাইল (৮০০ কিমি)।
- ফানেলের মতো আকৃতির, দক্ষিণে প্রায় ৪০ মাইল (৬৫ কিমি) চওড়া যা উত্তরদিকে প্রশস্ত হয়ে প্রায় ১৫৫ মাইল (২৫০ কিমি) পর্যন্ত পৌঁছে।
- প্রণালীর নাম এসেছে মেলারকা (প্রাক্তন মালাক্কা) বাণিজ্যিক বন্দরের নাম থেকে। ১৬ ও ১৭ শতকে এটি মালয় উপকূলে গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক কেন্দ্র ছিল।
- ভারত মহাসাগর ও দক্ষিণ চীন সাগরের সংযোগ হিসেবে, এটি ভারত ও চীনের মধ্যে সংক্ষিপ্ততম সমুদ্রপথ।
- এটি বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ততম জাহাজ চলাচলের চ্যানেল।
- ক্রমান্বয়ে আরব, পর্তুগিজ, ডাচ এবং ব্রিটিশরা প্রণালীর নিয়ন্ত্রণে ছিল।
- প্রণালীর দক্ষিণ প্রান্তে অবস্থিত, যা বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বন্দর।
- প্রণালীটি মধ্যপ্রাচ্যের তেলক্ষেত্র থেকে জাপান ও পূর্ব এশিয়ার বন্দরগুলোতে বৃহৎ তেল ট্যাঙ্কার চলাচলের জন্য ব্যবহৃত হয়।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।

২,০৪৪.
পৃথিবীর কোন শহর দুই মহাদেশে অবস্থিত?
  1. ইস্তাম্বুল
  2. মিলান
  3. লিসবন
  4. তাসখন্দ
ব্যাখ্যা

- তুরস্কের ইস্তাম্বুল একমাত্র শহর যার ভৌগোলিক অবস্থান দুই মহাদেশে। 
-  এশিয়া ও ইউরোপকে একত্রে বলা হয় ইউরেশিয়া, যার বিভাজন রেখা হলো বসফোরাস, আর এই বরফোরাস প্রণালীর অবস্থান প্রাচীন ইস্তাম্বুল শহরে। শহরটি বিশ্বের অন্যতম সুন্দর একটি শহর। 

   
- ইস্তাম্বুল ইউনেস্কোর তালিকায় ইউরোপের রাজধানী শহরের মর্যাদা পেয়েছিল ২০১০ সালে। 
- এটাই  পরিকল্পিত শহরটি দেখতে স্বপ্নের জগতের মতো। 

- একসময় এই ইস্তাম্বুল শহরই ছিল তুরস্কের রাজধানী।
- তবে, প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর শহরটি অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছিল বলে রাজধানী স্থানান্তরিত করা হয়।
- একসময় ইস্তাম্বুলই ছিল পৃথিবী শাসনকারী বাইজানটাইন ও পরবর্তীতে অটোম্যান সাম্রাজ্যের রাজধানী। 

- একবার নেপোলিয়ন বোনাপার্ত বলেছিলেন, “পুরো পৃথিবীকে যদি একটি রাজ্য ভাবা হয়, ইস্তাম্বুল হবে তার রাজধানী।”

উৎস: ব্রিটানিকা, পত্রিকার রিপোর্ট।

২,০৪৫.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম রাষ্ট্রপতি কে ছিলেন?
  1. জেমস ম্যাডিসন
  2. থমাস জেফারসন
  3. জর্জ ওয়াশিংটন
  4. জন অ্যাডামস
ব্যাখ্যা

জর্জ ওয়াশিংটন:
- তিনি ২২ ফেব্রুয়ারী ১৭৩২ সালে ওয়েস্টমোরল্যান্ডে জন্মগ্রহন করেন।
- জর্জ ওয়াশিংটন কোনো রাজনৈতিক দলের সদস্য ছিলেন না।
- তিনি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে একজন নির্দলীয় প্রার্থী হিসাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন।
- জর্জ ওয়াশিংটন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম রাষ্ট্রপতি ছিলেন।
- তিনি আমেরিকান বিপ্লবের সময় মহাদেশীয় সেনাবাহিনীকেও কমান্ড করেছিলেন এবং মার্কিন সংবিধানের খসড়া প্রণয়নকারী কনভেনশনের সভাপতিত্ব করেছিলেন।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানীর নামকরণ করা হয়েছে ওয়াশিংটনের নামানুসারে।
- রাষ্ট্রপতি হিসাবে দুই মেয়াদে দায়িত্ব পালন করার পর, জর্জ ওয়াশিংটন ১৭৯৭ সালে মাউন্ট ভার্ননে তার এস্টেটে অবসর গ্রহণ করেন।
- ১৭৯৯ সালের ১৪ ডিসেম্বর রাতে ওয়াশিংটন মারা যান।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

২,০৪৬.
The Diary of a Young Girl এর রচয়িতা কে?
  1. শার্লট ব্রন্টে
  2. আনা ফ্রাঙ্ক
  3. হেলেন কেলার
  4. বার্ট্রান্ড রাসেল 
ব্যাখ্যা
The Diary of a Young Girl:
- এটি একটি বিখ্যাত ডায়েরি, যা আনা ফ্রাঙ্ক নামক এক ইহুদি কিশোরী লিখেছিলেন।
- তিনি ও তাঁর পরিবার দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়, নেদারল্যান্ডসে নাৎসি জার্মান দখলের সময় প্রায় দুই বছর (১৯৪২–১৯৪৪) গোপনে লুকিয়ে ছিলেন।
- এটি একটি ব্যক্তিগত ডায়েরি, যেখানে অ্যানে তাঁর ভয়, আশা, কষ্ট, প্রেম এবং এক কিশোরীর দৃষ্টিতে যুদ্ধকালীন সময়ের বর্ণনা করেছেন।
- লেখাগুলো অ্যামের্স্টারডামের একটি গোপন আশ্রয়স্থল থেকে লেখা, যেখানে তাঁর পরিবার ও আরও কয়েকজন মিলে নাৎসিদের হাত থেকে বাঁচার চেষ্টা করছিলেন।
- ডায়েরিটি প্রথম ১৯৪৭ সালে প্রকাশিত হয় — আনার মৃত্যুর দুই বছর পরে, যা তাঁকে বিশ্বজুড়ে পরিচিত করে তোলে।
- আনা ফ্রাঙ্ক ১৯৪৫ সালে বার্গেন-বেলসেন কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্পে মৃত্যুবরণ করেন।
- বইটি পরবর্তীকালে বিশ্বজুড়ে অনূদিত হয় এবং যুদ্ধ সাহিত্যের এক গুরুত্বপূর্ণ ক্লাসিক হিসেবে বিবেচিত হয়।

উৎস: Britannica.
২,০৪৭.
আরব বসন্তের সূচনা হয় কোথায়?
  1. মিশরে
  2. আলবেনিয়ায়
  3. আলজেরিয়ায়
  4. তিউনিসিয়ায়
ব্যাখ্যা
আরব বসন্ত:
- আরব বসন্ত ছিল মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে ঘটে যাওয়া এক তরঙ্গময় গণআন্দোলন।
- এই আন্দোলন শুরু হয় ২০১০ সালের শেষদিকে তিউনিসিয়ায়। 
- ২০১১ সালের শুরুতে তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে মিশর, লিবিয়া, সিরিয়া, ইয়েমেন সহ অনেক আরব দেশে।
- তিউনিসিয়ার একজন তরুণ রাস্তার ফেরিওয়ালা মোহাম্মদ বুয়াজিজি, পুলিশের নির্যাতনের প্রতিবাদে নিজেকে আগুন দিয়ে আত্মাহুতি দেন।
- এই ঘটনাই “জ্যাসমিন বিপ্লব” নামে গণআন্দোলনের সূত্রপাত করে।

বিভিন্ন দেশে আন্দোলন:
- তিউনিসিয়া – সরকার পতন ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন।
- মিশর – হোসনি মুবারক পদত্যাগ করেন।
- লিবিয়া – গাদ্দাফির পতন এবং সহিংস গৃহযুদ্ধ।
- সিরিয়া – গৃহযুদ্ধ শুরু হয়।
- ইয়েমেন – সরকারে পরিবর্তন, কিন্তু পরে সংঘর্ষ।

উৎস: Britannica.
২,০৪৮.
চীনের সাংস্কৃতিক বিপ্লবের সমাপ্তি ঘটে কবে?
  1. ১৯৬৮ সালে
  2. ১৯৭২ সালে
  3. ১৯৭৬ সালে
  4. ১৯৮২ সালে
ব্যাখ্যা
চীনের সাংস্কৃতিক বিপ্লব:
- কমিউনিস্ট নেতা মাও সেতুং- এর আহ্বানে চীনের সাংস্কৃতিক বিপ্লব শুরু হয়।
- এই বিপ্লব শুরু হয়: ১৯৬৬ সালে
- এই বিপ্লব সমাপ্ত হয়: ১৯৭৬ সালে।
- এর স্থায়িত্বকাল: ১০ বছর।
- বিপ্লবের বিষয়বস্তু: চীনকে কমিউনিস্ট শাসনের আওতায় আনা, অর্থনৈতিক পুনর্গঠন, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য পুনরুদ্ধার ও কমিউনিস্ট বিরোধী ভাবধারা প্রতিহত করার জন্য এই বিপ্লব শুরু হয়।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
২,০৪৯.
'কমলা বিপ্লব' সংঘটিত হয় কোন দেশে?
  1. ক) জর্জিয়া
  2. খ) কিরগিজস্তান
  3. গ) চেকোস্লোভাকিয়া
  4. ঘ) ইউক্রেন
ব্যাখ্যা
▪ ক্ষমতাবদলকে কেন্দ্র করে ২০০৪ সালের নভেম্বর মাস থেকে ২০০৫ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত ইউক্রেনে সংঘটিত কিছু সরকার বিরোধী আন্দোলনকে “কমলা বিপ্লব” বা অরেঞ্জ রেভুলুশ্যন বলে।
▪ ২০০৩ সালে জর্জিয়ায় ক্ষমতা হস্তান্তরকে কেন্দ্র করে ঘটে যাওয়া রাজনৈতিক ঘটনাবলীর সমষ্টিকে 'গোলাপ বিপ্লব' বলে। 
▪ ২০০৫ সালের ফেব্রুয়ারি ও মার্চে কিরগিজস্তানে নির্বাচনে কারচুপির পরিপ্রেক্ষিতে 'টিউলিপ বিপ্লব' সংঘটিত হয়।
 ▪ ভেলভেট বিপ্লব সংঘটন হয় ১৭ নভেম্বর - ২৯ ডিসেম্বর, ১৯৮৯ সাল। সংঘটন স্থান – চেকোস্লোভাকিয়া (বর্তমানে চেক রিপাবলিক ও স্লোভাকিয়া)।

তথ্যসূত্র:- ব্রিটানিকা ও হিস্টরি.কম।
২,০৫০.
বাটাভিয়া কোন শহরের পূর্বনাম?
  1. জাকার্তা
  2. অসলো
  3. হারারে
  4. বেইজিং
ব্যাখ্যা
- বাটাভিয়া : জার্কাতার পূর্বনাম
- সলসবেরি : হারারের পূর্বনাম
- পিকিং : বেইজিংয়ের পূর্বনাম
- খ্রিস্টিনা : অসলোর পূর্বনাম।

(তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা)
২,০৫১.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে ক্রীতদাস প্রথা বিলোপ হয় কবে? 
  1. ১৭৭৩ সালে
  2. ১৭৯৬ সালে
  3. ১৮৬৫সালে
  4. ১৮৭৯ সালে
ব্যাখ্যা
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র:

• স্বাধীনতা লাভ করে - ৪ জুলাই, ১৭৭৬ সালে ব্রিটেন থেকে।
• যুক্তরাষ্ট্রে জাতীয় দিবস - ৪ জুলাই।
• অঙ্গরাজ্য - ৫০ টি।
• সর্বশেষ অঙ্গরাজ্য হাওয়াই।
• জনসংখ্যায় বৃহত্তম অঙ্গরাজ্য - ক্যালিফোর্নিয়া।
• প্রথম প্রেসিডেন্ট: জর্জ ওয়াশিংটন।
• যুক্তরাষ্ট্র ১৮৬৩ সালে দাসপ্রথা বিলুপ্ত করার সিদ্ধান্ত নেয় এবং ১৮৬৫ সালে ১৩তম সংশোধনীর মাধ্যমে দাসপ্রথা বিলুপ্ত করে।
• যুক্তরাষ্ট্রে ক্রীতদাস প্রথা বিলুপ্ত করেন আব্রাহাম লিংকন।
• যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ অঞ্চলের ১১টি স্টেট দাসপ্রথার বিলুপ্তি কোনোভাবেই মেনে নিতে পারেনি। 
• নভেম্বর ১৯, ১৮৬৩, প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকন গেটিসবার্গ যুদ্ধক্ষেত্রে দাঁড়িয়ে বলেন- “গভর্নমেন্ট অব দি পিপল, বাই দি পিপল অ্যান্ড ফর দি পিপল।” 
• আব্রাহাম লিংকনের মৃত্যু: এপ্রিল ১৫, ১৮৬৫ সালে। 

উৎস: ব্রিটানিকা, দৈনিক প্রথম আলো এবং দৈনিক ইত্তেফাক । 
২,০৫২.
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কত সালে নোবেল পুরস্কার পান?
  1. ১৯১৭
  2. ১৯২১
  3. ১৯১৩
  4. ১৯৩৩
ব্যাখ্যা
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর একাধারে একজন কবি, সঙ্গীতজ্ঞ, কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চিত্রশিল্পী, প্রাবন্ধিক, দার্শনিক, শিক্ষাবিদ ও সমাজ-সংস্কারক।
- তাঁর ছদ্মনাম: ভানুসিংহ ঠাকুর।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম ১৮৬১ সালের ৭ মে (১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫ বৈশাখ) কলকাতার জোড়াসাঁকোর অভিজাত ঠাকুর পরিবারে।
- তাঁর পিতা মহর্ষি  দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং পিতামহ প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুর।
- রবীন্দ্রনাথ ছিলেন দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের চতুর্দশ সন্তান।
- তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস: চোখের বালি, গোরা, ঘরে বাইরে, চতুরঙ্গ, শেষের কবিতা, যোগাযোগ, চার অধ্যায় ইত্যাদি।
- ব্রিটিশরা তাঁকে 'নাইট' উপাধিতে ভূষিত করে ১৯১৫ সালে।
- তাঁর মৃত্যু: ৭ আগস্ট ১৯৪১ (বয়স ৮০), কলকাতার জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়িতে। 

উল্লেখ্য,
- ১৯১৩ সালে তাঁকে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত করা হয়।
- বিশ্বভারতীর সেফ্টি ভল্টে রাখা ছিল সেই অনন্য সম্মান।
- কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয় এটাই, যে ২০০৪ সালে রবীন্দ্রনাথের নোবেল চুরি হয়ে যায়।
- পরবর্তীকালে সুইডিশ অ্যাকাডেমি নোবেলের দুটি রেপ্লিকা দিয়েছিল বিশ্বভারতীকে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
২,০৫৩.
সামরিক ভাষায় 'WMD' অর্থ কী?
  1. ক) Worldwide More Destruction
  2. খ) Weapons Much Destruction
  3. গ) Weapons of Mass Destruction
  4. ঘ) Weapons of Missile Defence
ব্যাখ্যা
• WMD:
- WMD - এর পূর্ণরূপ - Weapons of Mass Destruction.
- বাংলা অর্থ হচ্ছে - গণবিধ্বংসী অস্ত্র।
- ২০০৩ সালে WMD আছে এমন আশঙ্কায় মার্কিন জোট ইরাকে আক্রমণ করেছিল।
- Weapons of mass destruction অন্তর্ভুক্ত অস্ত্রগুলো হলো:
- Nuclear Weapon, Chemical Weapon, Biological weapon.
 
উৎস: বিভিন্ন পত্রিকা রিপোর্ট।
২,০৫৪.
আফ্রিকা মহাদেশটির সর্বোচ্চ স্থান কোনটি?
  1. মাউন্ট এভারেষ্ট
  2. কিলিমাঞ্জারো
  3. মাউন্ট এলবুর্জ
  4. আকাঙ্কাগুয়া
ব্যাখ্যা

আফ্রিকা মহাদেশ:
- আফ্রিকা মহাদেশ আয়তনে দ্বিতীয় বৃহত্তম।
- এই মহাদেশ ৩৭ উত্তর অক্ষরেখা থেকে প্রায় ৩৫ দক্ষিণ অক্ষরেখা এবং ১৭ পশ্চিম দ্রাঘিমারেখা থেকে ৫১ পূর্ব দ্রাঘিমারেখা পর্যন্ত বিস্তৃত।
- আফ্রিকা মহাদেশের প্রায় মধ্যভাগ দিয়ে বিষুবরেখা বা নিরক্ষরেখা অতিক্রম করেছে।
- এ মহাদেশের উত্তরে ভূ-মধ্যসাগর, দক্ষিণে দক্ষিণ মহাসাগর, পূর্বে ভারত মহাসাগর ও লোহিত সাগর এবং পশ্চিমে আটলান্টিক মহাসাগর অবস্থিত।
- মহাদেশটির সর্বোচ্চ স্থান কিলিমাঞ্জারো।
- আয়তনে আফ্রিকার সবচেয়ে বড় দেশ সুদান  এবং সবচেয়ে ছোট মিচেলিস।
- এ মহাদেশের দীর্ঘতম নদী নীলনদ ।
- আফ্রিকা এবং ইউরোপ মহাদেশকে পৃথক করেছে ভূ-মধ্যসাগর।

উল্লেখ্য,
- এশিয়া মহাদেশের সর্বোচ্চ স্থান মাউন্ট এভারেষ্ট।
- ইউরোপ মহাদেশের সর্বোচ্চ স্থান মাউন্ট এলবুর্জ।
- দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের সর্বোচ্চ স্থান আকাঙ্কাগুয়া।
 
উৎস: ভূগোল দ্বিতীয় পত্র (এইচএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,০৫৫.
মায়া সভ্যতার বর্তমানে অবস্থান কোনটি?
  1. এশিয়া
  2. আফ্রিকা
  3. ইউরোপ
  4. মধ্য আমেরিকা
ব্যাখ্যা

মায়া সভ্যতা আবিষ্কৃত হয় মধ্য আমেরিকায়।

মায়া সভ্যতা:

- মায়া সভ্যতা মধ্য আমেরিকার গুয়েতেমালা, বেলিজ, ও মেক্সিকোর কিছু অংশে খ্রিস্টপূর্ব ১৮০০ অব্দে গড়ে উঠেছিল।
- খ্রিস্টপূর্ব ১৮০০ অব্দ থেকে ২৫০ অব্দ পর্যন্ত সময় প্রারম্ভিক মায়া সভ্যতা যুগ।
- ২৫০ অব্দ থেকে ৯০০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত মায়ার সভ্যতার ক্লাসিক যুগ ছিল।
- ৯০০ খ্রিস্টাব্দে মায়া সভ্যতার পতন ঘটে।
- মায়া সভ্যতা পাথুরে স্থাপত্যের জন্য বিখ্যাত ছিল।

এছাড়াও,
 - আমেরিকায় গড়ে উঠা অপর দুটি সভ্যতা হলো ইনকা সভ্যতা (পেরু) ও অ্যাজটেক সভ্যতা (মেক্সিকো)।

উৎস: ব্রিটানিকা।

২,০৫৬.
Which period in European history is known as the 'Rebirth of art, culture and intellect' after the Middle Ages?
  1. The Enlightenment
  2. The Renaissance
  3. The Reformation
  4. The Baroque Era
ব্যাখ্যা
রেনেসাঁ:

- রেনেসাঁ মানে হলো পুনর্জন্ম বা পুনর্জাগরণ।
- মধ্যযুগে ইউরোপের সংস্কৃতি ও শিল্পচর্চায় প্রাচীন গ্রিক ও রোমান সংস্কৃতির পুনর্জাগরণকে রেনেসাঁ হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- ইতালির ফ্লোরেন্স শহরে প্রথম রেনেসাঁর সূত্রপাত ঘটে।
- পরবর্তীতে তা ইতালির অন্যান্য শহর এবং ইউরোপের অপরাপর দেশে বিস্তার লাভ করে।

উল্লেখ্য,
- ইউরোপে রেনেসাঁ শুরু হয় চতুর্দশ শতাব্দীতে।
- ১৪শ থেকে ১৬শ শতককে রেনেসাঁর সময়কাল বিবেচনা করা হয়।
- তৎকালীন সময়ে ইউরোপীয় বিত্তবান ও ধনিক শ্রেণীর পৃষ্ঠপোষকতার ফলে রেনেসাঁ সংঘটিত হয়।
- এই যুগে মানবতাবাদ, বিজ্ঞান, সাহিত্য এবং কল্পনাশক্তির বিকাশ হয়েছিল, যা আধুনিক ইউরোপের ভিত্তি স্থাপন করেছে।

তথ্যসূত্র: Britannica.com
২,০৫৭.
দক্ষিণ আমেরিকার সবচেয়ে ছোট দেশ কোনটি?
  1. চিলি
  2. ইকুয়েডর
  3. গায়ানা
  4. সুরিনাম
ব্যাখ্যা

সুরিনাম:
- সুরিনাম আয়তনে দক্ষিণ আমেরিকার সবচেয়ে ছোট দেশ।
- আয়তন: ৬৩,২৫১ বর্গ মাইল (১৬৩,৮২০ বর্গ কিমি)।
- রাজধানী: পারমারিবো।
- ভাষা: ডাচ (অফিসিয়াল), ইংরেজি, স্রানান (একটি ক্রেওল ভাষা), জাভানিজ, সারনামি (হিন্দি এবং উর্দু থেকে উদ্ভূত)।
- ধর্ম: খ্রিস্টধর্ম (বেশিরভাগই রোমান ক্যাথলিক এবং মোরাভিয়ান), হিন্দু ধর্ম, ইসলাম, ঐতিহ্যগত বিশ্বাস।
- মুদ্রা: সুরিনাম ডলার।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

২,০৫৮.
ওয়ার্ল্ড বুক ক্যাপিটাল - ২০২০ ঘোষণা করা হয়েছে কোন শহরকে?
  1. ক) মাদ্রিদ
  2. খ) এথেন্স
  3. গ) শারজাহ
  4. ঘ) ইস্তাম্বুল
  5. ঙ) কুয়ালালামপুর
ব্যাখ্যা
২০২০ সালের জন্যে ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড বুক ক্যাপিটাল ঘোষণা করে কুয়ালালামপুরকে। এপ্রিল ২০২০ থেকে এপ্রিল ২০২১ পর্যন্ত এই মর্যাদা থাকবে। ২০০১ সালে মাদ্রিদকে ওয়ার্ল্ড বুক ক্যাপিটাল ঘোষণা মাধ্যমে ইউনেস্কো এই উদ্যোগ গ্রহণ করে। বর্তমানে ২০১৯ শারজাহ ওয়ার্ল্ড বুক ক্যাপিটালের মর্যাদায় আছে। ২০১৮ সালে ছিল এথেন্স। (সূত্রঃ ইউনেস্কো ওয়েবসাইট)
২,০৫৯.
ফিনিশীয় সভ্যতা কোথায় গড়ে উঠেছিলো?
  1. ইতালিতে
  2. লেবাননে
  3. মিশরে
  4. ফিনল্যান্ডে
ব্যাখ্যা
- প্রাচীন ফিনিশীয় সভ্যতা খ্রিস্টপূর্ব প্রায় তিন হাজার বছর পূর্বে ভূমধ্যসাগরের তীরে গড়ে উঠেছিলো।
- ভূমধ্যসাগর ও লেবানন পর্বতের মধ্যবর্তী স্থানে বর্তমান লেবাননে ফিনিশীয় সভ্যতা বিকাশ লাভ করেছিলো।

- টায়ার ও সিডন ফিনিশিয়ার দুটো বিখ্যাত বন্দর। গ্রিকদের দ্বারা ফিনিশীয় সভ্যতার পতন ঘটেছিলো।
- ফিনিশীয়রা সভ্যতার ইতিহাসে শ্রেষ্ঠতম নাবিক ও জাহাজ নির্মাতা হিসেবে পরিচিত।
- এছাড়া বর্ণমালা আবিষ্কারের জন্যেও ফিনিশীয়রা বিখ্যাত। তারা ২২টি ব্যাঞ্জনবর্ণ সম্বলিত বর্ণমালার উদ্ভাবন করেছিল।

(তথ্যসূত্র: হিস্টোরি এবং মাধ্যমিক ইতিহাস : ওপেন ইউনিভার্সিটি)
২,০৬০.
ইউরোপের সর্বশেষ স্বাধীন মুসলিম রাষ্ট্র - 
  1. ক) কসোভো
  2. খ) তুরস্ক
  3. গ) আলবেনিয়া
  4. ঘ) উত্তর ম্যাসেডোনিয়া
ব্যাখ্যা
• কসোভো:
- বলকান উপদ্বীপের ছোট্ট এক স্বাধীন দেশ কসোভো।
-  কসোভো সর্বশেষ স্বাধীন মুসলিম রাষ্ট্র।
-  ১৯১২ সাল পর্যন্ত তা অটোমান সাম্রাজ্যের অধীনে ছিল
- ইসলামের প্রথম শতাব্দীতেই কসোভোর মাটিতে ইসলাম পৌঁছে যায়।
- ইসলামি শাসন প্রতিষ্ঠিত হয় ৭৯৭ হিজরিতে।
- নব্বইয়ের দশকে হানাদার সার্ব বাহিনীর হাতে লাখ লাখ মুসলিম প্রাণ হারায় এবং গৃহহারা হয় অসংখ্য মানুষ।
- কসোভোর আয়তন ১০ হাজার ৮৮৭ বর্গকিলোমিটার।
- রাজধানী প্রিস্টিনা।প্রধান ভাষা আলবেনীয় ও সার্বীয়।
- কসোভোর জনসংখ্যা ১৯ লাখ সাত হাজার ৫৯২ জন।
- যার মধ্যে মুসলমান রয়েছে ৯৫.৬ শতাংশ, রোমান ক্যাথলিক ২.২, অর্থডক্স ১.৫ ও অন্যান্য ধর্মের মানুষ রয়েছে ১ শতাংশেরও কম।

অন্যদিকে,
- ২০১৭ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি কসোভোকে স্বাধীন সার্বভৌম দেশ হিসেবে ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ সরকার।
- কসোভোকে স্বীকৃতি প্রদানকারী দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ ছিল ১১৪তম।
- ওআইসির ৫৭টি দেশের মধ্যে তাদের স্বীকৃতি প্রদানকারী দেশ হিসেবে বাংলাদেশ ছিল ৩৭তম।

উৎস: ইনকিলাব ও দেশ রূপান্তর।
২,০৬১.
কোন রাজ্যটি ভারতের সেভেন সিস্টার্সের অন্তর্ভূক্ত নয়?
  1. ত্রিপুরা
  2. সিকিম
  3. মেঘালয়
  4. নাগাল্যান্ড
ব্যাখ্যা
সেভেন সিস্টার্স:

- উত্তর-পূর্ব ভারতের সাতটি রাজ্য 'সেভেন সিস্টার্স' নামে পরিচিত।
- রাজ্যগুলাে হচ্ছে: অরুণাচল, আসাম, মণিপুর, মেঘালয়, মিজোরাম, নাগাল্যান্ড, ত্রিপুরা।
- এই সাত রাজ্যের আয়তন ২,৬২,১৭৯ বর্গকিলোমিটার, যা ভারতের মোট এলাকার প্রায় ৭.৯৭ শতাংশ।
- এ অঞ্চলের জনসংখ্যা ভারতের মোট জনসংখ্যার ৩.৭৮ শতাংশ।
- ত্রিপুরার সাংবাদিক জ্যোতি প্রসাদ সাইকিয়া সর্বপ্রথম রাজ্যগুলোকে একত্রে ‘সেভেন সিস্টার্স’ নামে উল্লেখ করেন।
- ১৯৭২ সালে এই সাত রাজ্যকে সেভেন সিস্টার্সের মর্যাদা দেওয়া হয়।
- আসামের মাধ্যমে রাজ্যগুলো ভারতের মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।

তথ্যসূত্র: Ministry of Home Affairs ওয়েবসাইট।
২,০৬২.
United States Bill of Rights এর প্রণেতা কে?
  1. আব্রাহাম লিংকন
  2. জর্জ ওয়াশিংটন
  3. ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট
  4. জেমস ম্যাডিসন
ব্যাখ্যা
United States Bill of Rights:
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের প্রথম ১০ টি সংশোধনীকে 'Bill of Rights' বা অধিকারের বিল বলে অভিহিত করা হয়।
- ১৭৮৭ সালে প্রণীত সংবিধানের সমালোচনার পরিপ্রেক্ষিতে জেমস ম্যাডিসন প্রস্তাবিত প্রথম ১০টি সংশোধনীই 'Bill of Rights' নামে পরিচিত।
- এই সংশোধনীগুলি ১৭৯১ সালের ১৫ ডিসেম্বর কার্যকর হয় ।
- এটি নাগরিকদের মৌলিক অধিকার ও স্বাধীনতা সুরক্ষার জন্য গৃহীত হয়েছিল এবং আমেরিকার স্বাধীনতা আন্দোলনের পর সংবিধানের গ্রহণযোগ্যতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

উল্লেখ্য,
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার পর ১৭৮৭ সালে ফিলাডেলফিয়ায় একটি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- সেই সম্মেলনে মার্কিন সংবিধান রচিত হয়।
- কিন্তু এই সংবিধানে নাগরিকদের অধিকারগুলোর কোন নির্দিষ্ট উল্লেখ ছিল না।
- মার্কিন রাজনৈতিক নেতা জেমস মেডিসন ১৭৮৯ সালে মার্কিন কংগ্রেসে ১২টি সংশোধনী প্রস্তাব করেন, যা নাগরিকদের মৌলিক অধিকার সংরক্ষণ করতে চেয়েছিল।
- তিনি পরবর্তীতে একে বিল অব রাইটস নামে পরিচিত করেন।
- মাদিসনের প্রস্তাবিত কিছু সংশোধনী সরাসরি অনুমোদিত হয়েছিল, এবং কিছু সংশোধনী পরিবর্তন ও সংযোজন করা হয়।
- সর্বশেষ, ১৭৯১ সালে ১০টি সংশোধনী মার্কিন সংবিধানে সংযুক্ত করা হয় এবং এগুলি বিল অব রাইটস হিসেবে পরিচিত হয়।

উৎস: Britannica.
২,০৬৩.
পোলিও ভাইরাস শনাক্ত করেন কে?
  1. জ্যাকব হেইন
  2. জোনাস এডওয়ার্ড সাক
  3. কার্ল ল্যান্ডস্টেইনার
  4. আলেকজান্ডার ফ্লেমিং
ব্যাখ্যা
- ‘পোলিওমাইটিলিজ’ এক ধরনের ভাইরাসজনিত সংক্রামক রোগ যা ‘পোলিও’ নামে অধিক পরিচিত।
- ১৮৪০ সালে জ্যাকব হেইনার প্রথম এই রোগ শনাক্ত করেন এবং ১৯০৯ সালে কার্ল ল্যান্ডস্টেইনার পোলিও ভাইরাস শনাক্ত করেন।
- ১৯৫২ সালে জোনাস এডওয়ার্ড সাক পোলিওর টিকা উদ্ভাবন করেন। ১৯৫৭ সালে আলবার্ট সাবিন মুখে খাওয়ার পোলিও টিকা আবিষ্কার করেন।
- বাংলাদেশে ১৯৫৫ সালে পোলিও টিকাদান কর্মসূচি গ্রহণ করা হয় এবং ২০১৪ সালের ২৭ মার্চ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বাংলাদেশসহ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ১১টি দেশকে পোলিও ‍মুক্ত ঘোষণা করে।
(তথ্যসূত্র: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার)
২,০৬৪.
ইউরোপীয় পার্লামেন্টের আসন সংখ্যা কত?
  1. ক) ৭৫১
  2. খ) ৬৫০
  3. গ) ৬৭৮
  4. ঘ) ৬৯৫
ব্যাখ্যা
ইউরোপীয় পার্লামেন্ট ফ্রান্সের ট্রাসবার্গে অবস্থিত। এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৬৭৮। পূর্বে ছিলো ৭৫১ টি। ব্রিটেন ইইউ ত্যাগ করায় ৭৩ টি সদস্য হ্রাস পেয়ে সদস্য সংখ্যা দাড়ায় ৬৭৮। (সূত্রঃ ইইউ ওয়েবসাইট)
২,০৬৫.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট কে ছিলেন?
  1. হ্যারি এস. ট্রুম্যান
  2. থিওডোর রুজভেল্ট
  3. ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার
  4. ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ:
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয় ১৯৩৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর।
- জার্মানি কর্তৃক পোল্যান্ড আক্রমণের মাধ্যমে এই যুদ্ধ শুরু হয়।

• অক্ষশক্তি: জার্মানি, জাপান ও ইতালি।
• মিত্রশক্তি: ব্রিটেন, ফ্রান্স, যুক্তরাষ্ট্র, সোভিয়েত ইউনিয়ন, চীন, পোল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস প্রভৃতি দেশ।

উল্লেখ্য,
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয় ১৯৩৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর।
- সেই সময় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট, যিনি ১৯৩৩ থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত প্রেসিডেন্ট ছিলেন।

অন্যদিকে,
- হ্যারি এস. ট্রুম্যান ১৯৪৫ সালে প্রেসিডেন্ট হন, ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার ১৯৫৩ সালে, উড্রো উইলসন প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় (১৯১৩-১৯২১), জন এফ. কেনেডি ১৯৬১ সালে এবং থিওডোর রুজভেল্ট ১৯০১-১৯০৯ সালে প্রেসিডেন্ট ছিলেন।

উৎস: History.com
২,০৬৬.
নিচের কোন যুদ্ধের সাথে “ম্যানহাটন প্রজেক্ট” সম্পর্কিত?
  1. ১ম বিশ্বযুদ্ধ
  2. ২য় বিশ্বযুদ্ধ
  3. রুশ-ইউক্রেন যুদ্ধ
  4. ভিয়েতনাম যুদ্ধ
ব্যাখ্যা

• ম্যানহাটান প্রজেক্ট:
- পারমাণবিক বোমা তৈরি করতে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্র একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছিল।
- এই প্রকল্পের নাম ছিল 'ম্যানহাটান প্রজেক্ট'।
- পারমাণবিক বোমার জনক রবার্ট ওপেনহেইমার ছিলেন ম্যানহাটান প্রজেক্টের প্রধান।
- জাপানের দুটি শহরে এই বোমা ফেলার পর বিপুল প্রাণহানি আর ধ্বংসলীলা ঘটেছিল।
- ৬ আগস্ট, ১৯৪৫ জাপানের হিরোশিমা শহরে যুক্তরাষ্ট্র প্রথম লিটলবয় নামের পারমাণবিক বোমা নিক্ষেপ করে।
- ৯ আগস্ট, ১৯৪৫ ফ্যাটম্যান নামের বোমা নিক্ষেপ করা হয় নাগাসাকি শহরে।
- ৩৩তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট হ্যারি এস ট্রুম্যান এই পারমাণবিক বোমা বর্ষণের নির্দেশ দেন।

তথ্যসূত্র: Britannica.

২,০৬৭.
ব্রাজিলের অধিকাংশ মানুষ কোন ভাষায় কথা বলে?
  1. স্প্যানিশ
  2. পর্তুগীজ
  3. ল্যাটিন
  4. ফ্রেঞ্চ
ব্যাখ্যা
ব্রাজিল:
- আয়তন ও জনসংখ্যায় দক্ষিণ আমেরিকার সবচেয়ে বড় দেশ।
- আমাজনের ৬০% ব্রাজিলের অভ্যন্তরে।
- ষোড়শ শতাব্দী থেকে ঊনবিংশ শতাব্দীর প্রথমভাগ পর্যন্ত প্রায় ৩০০ বছর পর্তুগিজ সাম্রাজ্যের উপনিবেশ ছিল ব্রাজিল। 
- ১৮২২ সালের ৭ সেপ্টেম্বর পর্তুগালের শাসন থেকে স্বাধীনতা ঘোষণা করে তারা। 
- এরপর থেকে সেটি ছিল ব্রাজিলিয়ান সাম্রাজ্য। 
- ১৮৮৯ সালে এক সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে প্রথম ব্রাজিলিয়ান প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বর্তমানে ব্রাজিলের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের প্রথম ভাষা হচ্ছে পর্তুগিজ।
- সময়ের পরিক্রমায় পর্তুগাল-ব্রাজিল উভয় দেশেই পর্তুগিজ ভাষায় ব্যাপক রূপান্তর এসেছে। দুটি দেশই তাদের বানানগুলোকে অনেকাংশে প্রমিত করেছে।

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
২,০৬৮.
কোন গ্রিক দার্শনিক প্রথম সূর্য গ্রহণের প্রাকৃতিক কারণ ব্যাখ্যা করেন?
  1. ক) সক্রেটিস
  2. খ) থ্যালেস
  3. গ) প্লেটো
  4. ঘ) এরিস্টটল
ব্যাখ্যা
দার্শনিক চিন্তার ক্ষেত্রে গ্রিসের অভূতপূর্ব উন্নতি হয়েছিল। থ্যালেস ছিলেন প্রথম দিককার দার্শনিক। তিনিই প্রথম সূর্য গ্রহণের প্রাকৃতিক কারণ ব্যাখ্যা করেন। গ্রিসের যুক্তিবাদী দার্শনিকদের বলা হতো সফিস্ট। এরা বিশ্বাস করতেন যে চূড়ান্ত সত্য বলে কিছু নেই। গণতান্ত্রিক নগর রাষ্ট্র এথেন্সের রাজা পেরিক্লিস এদের অনুসারী ছিলেন। সক্রেটিস ছিলেন এ চিন্তার দার্শনিকদের মধ্যে সবচেয়ে খ্যাতিমান। তার শিক্ষার মূল দিক ছিল- আদর্শ রাষ্ট্র ও সৎ নাগরিক গড়ে তোলা। অন্যায় শাসনের প্রতিবাদ করার শিক্ষাও তিনি দেন। সক্রেটিসের শিষ্য প্লেটো গ্রিক দর্শনকে চরম উন্নতির দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সক্ষম হন। প্লেটোর শিষ্য এরিস্টটলও একজন বড় দার্শনিক ছিলেন। সূত্র- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা ৯ম-১০ম শ্রেণি(উন্মুক্ত)।
২,০৬৯.
সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে কতটি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১১
  2. ১৫
  3. ১৩
  4. ১২
ব্যাখ্যা
সোভিয়েত ইউনিয়ন:
- ১৯১৭ সালে অক্টোবর বিপ্লবের পর ১৯২২ সালে পৃথিবীর প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র সোভিয়েত ইউনিয়ন গঠিত হয়।
- ১৯৯১ সালের ২৬ ডিসেম্বর সোভিয়েত ইউনিয়নের বিলুপ্তি ঘটে।
- সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে ১৫টি রাষ্ট্রের জন্ম হয়।
- সোভিয়েত ইউনিয়নের শেষ নেতা মিখাইল গর্বাচেভ, তাঁর পদত্যাগের মাধ্যমে সোভিয়েত ইউনিয়নের কার্যক্রম সম্পূর্ণরূপে সমাপ্ত হয়।

উল্লেখ্য,
- সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে যে ১৫টি রাষ্ট্র গঠিত হয়: রাশিয়া, বেলারুশ, এস্তোনিয়া, লাটভিয়া, কিরগিজিস্তান, তাজিকিস্তান, আজারবাইজান, মলদোভা, আর্মেনিয়া, লিথুনিয়া, কাজাকিস্তান, উজবেকিস্তান, জর্জিয়া, ইউক্রেন ও তুর্কমেনিস্তান।

উৎস: i) Britannica.
ii) History.com
২,০৭০.
ক্রিপ্টোকারেন্সি কী?
  1. এন্টি ভাইরাস
  2. ডিজিটাল সাংকেতিক মুদ্রা
  3. সফটওয়্যারের অন্তর্গত সমস্যা
  4. স্মারক মুদ্রা
ব্যাখ্যা
ক্রিপ্টোকারেন্সি:
- ক্রিপ্টোকারেন্সি এক ধরনের ডিজিটাল সাংকেতিক মুদ্রা।
- এটি একটি ডিজিটাল পেমেন্ট সিস্টেম।
- ক্রিপ্টোকারেন্সির উদ্ভাবক সাতোশি নাকামোতো।
- ক্রিপ্টোকারেন্সি কোনো কেন্দ্রীয় সংস্থা বা নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ দ্বারা জারি করা হয় না।
- এটি একটি পিয়ার-টু-পিয়ার সিস্টেম যার মাধ্যমে ইউজাররা যে কোনো সময় যে কাউকে অর্থপ্রদান করতে পারে।
- ক্রিপ্টোকারেন্সি ডিজিটাল ওয়ালেটে স্টোর করা হয়।
- জনপ্রিয় ক্রিপ্টোকারেন্সিগুলো হলো: বিটকয়েন, ইথেরিয়াম, বিন্যান্স কয়েন, কার্দানো, টেথার, এক্সআরপি ইত্যাদি।
- ২০০৮ সালে জাপানি নাগরিক সাতোশি নাকামোতো নামের একজন এবং একদল সফটওয়্যার বিজ্ঞানী এই ক্রিপ্টোকারেন্সির উদ্ভাবন করেন।

উৎস:  CoinMarketCap.
২,০৭১.
রুয়ান্ডা গনহত্যা পরিচালিত হয় কোন সনে?
  1. ক) ১৯৯০ সালে
  2. খ) ১৯৯১ সালে
  3. গ) ১৯৯৪ সালে
  4. ঘ) ১৯৯৭ সালে
ব্যাখ্যা
- ১৯৯৪ সালের এপ্রিল মাসে হুতু মিলিশিয়াদের হাতে নিহত হয় প্রায় আট লাখ তুতসি ও মধ্যপন্থি হুতু।
- পূর্ব আফ্রিকার দেশ রুয়ান্ডায় ১৯৯৪ সালের গণহত্যায় ফ্রান্সের দায় ছিল বলে স্বীকার করেছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ। একই সঙ্গে দেশটির জনগণের কাছে এ জন্য ক্ষমাও চান তিনি।
- রুয়ান্ডার বর্তমান প্রেসিডেন্ট পল কাগামের নেতৃত্বাধীন রুয়ান্ডান প্যাট্রিয়টিক ফ্রন্ট (আরপিএফ) উগান্ডা থেকে এসে দেশটির নিয়ন্ত্রণ নিলে ১০০ দিন ধরে চলমান গণহত্যার অবসান ঘটে।
- তিনি বলেন, ‘বিনয় ও সম্মানের সঙ্গে আপনাদের পাশে দাঁড়িয়ে সেদিনের গণহত্যার দায় স্বীকার করতে আজ এখানে এসেছি। তবে ফ্রান্স ওই গণহত্যায় সহায়তা করেনি।’

উৎসঃ বিবিসি নিউজ।
২,০৭২.
The Art of the Deal কার আত্মজীবনীমূলক বই?
  1. বিল গেটস
  2. ডোনাল্ড ট্রাম্প
  3. বারাক ওবামা
  4. স্টিভ জবস
ব্যাখ্যা

ডোনাল্ড ট্রাম্প:
- ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের ৪৫তম এবং বর্তমান ৪৭তম প্রেসিডেন্ট।
- ৪৭তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে ২০ জানুয়ারি, ২০২৫ তারিখে তিনি শপথ গ্রহণ করেন।
- শপথ গ্রহণের দিনটিকে, ২০শে জানুয়ারি ২০২৫-কে তিনি 'মুক্তির দিন' বলে বর্ণনা করেন।
- তিনি ২০২৪ সালের যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপাবলিকান দলের হয়ে নির্বাচনে অংশ নেন এবং প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।

উল্লেখ্য,
- তিনি একজন ধনাঢ্য ব্যবসায়ী, বিনিয়োগকারী, বিশিষ্ট সামাজিক ব্যক্তিত্ব, লেখক হিসেবে আলোচিত।
- তিনি দ্য ট্রাম্প অর্গানাইজেশ্যানের পরিচালক এবং ট্রাম্প এন্টারটেইনম্যান্ট রিসোর্টের প্রতিষ্ঠাতা।

⇒ The Art of the Deal:
- The Art of the Deal বইটি ডোনাল্ড জে. ট্রাম্প-এর আত্মজীবনীমূলক বই।
- এটি সাংবাদিক টনি শোয়ার্জ (Tony Schwartz)-এর সহায়তায় লেখা হয়েছিল।
- যদিও এর কৃতিত্ব মূলত ট্রাম্পকেই দেওয়া হয় এবং এটি তার ব্যবসায়িক জীবনের গল্প বলে।
- বইটি ১৯৮৭ সালে প্রকাশিত হয়।
- এটি ট্রাম্পের রিয়েল এস্টেট সাম্রাজ্য এবং চুক্তি করার পদ্ধতি নিয়ে লেখা, যা তাকে একজন বিখ্যাত ব্যবসায়ীতে পরিণত করতে সাহায্য করে।

উৎস: i) Britannica.
ii) Amazon.com

২,০৭৩.
মাদার তেরেসা কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত সেবা প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. ক) হৃদয়ে মানবিকতা
  2. খ) নির্মল হৃদয়
  3. গ) শুদ্ধতা
  4. ঘ) জয়িতা
ব্যাখ্যা
মাদার তেরেসা কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত সেবা প্রতিষ্ঠান হলো - নির্মল হৃদয়। 
- মাদার তেরেসা ১৯১০ সালের ২৬ আগস্ট বর্তমান উত্তর মেসিডোনিয়ার স্কোপজি শহরে জন্মগ্রহণ করেন।
- ২৭ আগস্ট তাকে ব্যাপ্টাইজ করা হয়। তার পরিবার ছিলো আলবেনিয়ান বংশোদ্ভত। তার আসল নাম অ্যাগনেজ গঞ্জে বয়াজিও।
- তিনি নিজেকে মানব সেবায় আত্মনিয়োগ করে কলকাতায় ‘মিশনারিজ অব চ্যারিটিজ’ প্রতিষ্ঠা করেন।
- মানবসেবায় অবদানের জন্যে ১৯৭৯ সালে তিনি নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন। মাদার তেরেসা ১৯৯৭ সালের ৫ সেপ্টেম্বর কলকাতায় মারা যান।

(সূত্র: ব্রিটানিকা, নোবেলপ্রাইজ ও বায়োগ্রাফি ওয়েবসাইট)
২,০৭৪.
'Six Machine: I Don't Like Cricket... I Love It' নিম্নের কোন খেলোয়াড়ের আত্মজীবনী?
  1. শাহিদ আফ্রিদি
  2. সৌরভ গাঙ্গুলী
  3. ক্রিস গেইল
  4. শচীন টেন্ডুলকার
ব্যাখ্যা
ক্রিস গেইল:
- ওয়েস্ট ইন্ডিজের ক্রিকেটার ক্রিস গেইল।
- আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হয় ১১ সেপ্টেম্বর ১৯৯৯ সালে, ভারতের বিপক্ষে ওয়ানডে ম্যাচের মধ্য দিয়ে।
- ক্রিস গেইল এর টেস্ট অভিষেক জিম্বাবুয়ে এর বিরুদ্ধে।
- জাতীয় দলের হয়ে সবশেষ ম্যাচ খেলেছেন ৬ নভেম্বর ২০২১ সালে।

⇒ 'Six Machine: I Don't Like Cricket... I Love It' ক্রিস গেইল-এর আত্মজীবনী।

অন্যদিকে
- শচীন তেন্ডুলকার-এর আত্মজীবনী Playing it My Way.
- সৌরভ গাঙ্গুলী- এর আত্মজীবনী A Century Is Not Enough
- শাহিদ আফ্রিদি-এর আত্মজীবনী Game Changer.

উৎস: ESPNcricinfo. [link]
২,০৭৫.
নিচের কোনটি নদীকেন্দ্রিক সভ্যতা নয়?
  1. ক) সিন্ধু সভ্যতা
  2. খ) মিশরীয় সভ্যতা
  3. গ) ফিনিশীয় সভ্যতা
  4. ঘ) অ্যাসেরীয় সভ্যতা
ব্যাখ্যা
- ফিনিশীয় সভ্যতা নদীর তীরে গড়ে উঠেনি। ভূমধ্যসাগর ও লেবানন পর্বতের মধ্যবর্তী স্থানে বর্তমান লেবাননে খ্রিস্টপূর্ব প্রায় ৩০০০ অব্দে ফিনিশীয় সভ্যতা গড়ে উঠেছিলো।
- ফিনিশীয়দের আদি নিবাস পারস্য উপসাগরীয় তীরবর্তী অঞ্চলে বলে ধারণা করা হয়।
- উর্বর কৃষিজমির স্বল্পতার কারণে ফিনিশীয়দের জীবিকার প্রধান উৎস ছিলো বাণিজ্য।
- ফিনিশীয়রা সভ্যতার ইতিহাসে শ্রেষ্ঠতম নাবিক ও জাহাজ নির্মাতা হিসেবে পরিচিত। তারাই ইতিহাসে প্রথম সমৃদ্ধ বাণিজ্যিক সভ্যতা গড়ে তুলেছিলো।
- ফিনিশীয় সভ্যতাকে প্রথম উপনিবেশিক সভ্যতা হিসেবে অভিহিত করা হয়। ফিনিশীয়রা উত্তর আফ্রিকা, পশ্চিম ভূমধ্যসাগর, ইতালি, গ্রিস প্রভৃতি অঞ্চলে বাণিজ্যিক উপনিবেশ গড়ে তুলেছিলো।
- বর্তমান লেবাননে অবস্থিত টায়ার ও সিডন ফিনিশিয়ার দুটো বিখ্যাত বন্দর।
- ফিনিশীয়রা বর্ণমালা আবিষ্কারের জন্যেও বিখ্যাত। তারা ২২টি ব্যাঞ্জনবর্ণ সম্বলিত বর্ণমালার উদ্ভাবন করেছিল। পরবর্তীতে গ্রিকরা এই বর্ণমালার সাথে স্বরবর্ণ যোগ করে একে পূর্ণতা দান করে।
- ফিনিশীয়রা ধ্রুবতারা দেখে দিক নির্ণয় করে জাহাজ চালাতো বিধায় ধ্রুবতারাকে অনেকে ফিনিশীয় তারা বলে থাকে।
- খ্রিস্টপূর্ব ৩৩২ অব্দে গ্রিকবীর আলেকজান্ডার কর্তৃক ফিনিশিয়ার টায়ার নগরী ধ্বংসের মাধ্যমে ফিনিশীয় সভ্যতার পতন ঘটে।
অন্যদিকে,
- সিন্ধু সভ্যতা সিন্ধু নদের তীরে, মিশরীয় সভ্যতা নীল নদের তীরে এবং অ্যাসেরীয় সভ্যতা ইউফ্রেতিস-টাইগ্রিস নদীর অববাহিকায় বিকশিত হয়।
(তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা এবং ইতিহাস : এসএসসি প্রোগ্রাম : উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
২,০৭৬.
'গোল্ডেন ডোম' কোন দেশের নির্মিতব্য আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা?
  1. রাশিয়া
  2. ইসরাইল
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. চীন
ব্যাখ্যা

'গোল্ডেন ডোম':
- যুক্তরাষ্ট্র 'গোল্ডেন ডোম' নামের একটি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তৈরি করছে।
- এটি মূলত একটি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা,
- যা ইসরায়েলের 'আয়রন ডোম' এর অনুপ্রেরণায় তৈরি হচ্ছে।
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই ব্যবস্থা তৈরির ঘোষণা দিয়েছেন।
- যা চীন ও রাশিয়ার সম্ভাব্য হুমকি মোকাবিলায় সাহায্য করবে।
- প্রেসিডেন্ট হিসাবে তার মেয়াদের শেষের দিকেই এটি কার্যকর হবে।

উল্লেখ্য,
- আয়রন ডোম ইসরাইলের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা।
- 'প্যাট্রিয়ট' হল মার্কিন সেনাবাহিনীর প্রাথমিক টার্মিনাল-ফেজ অ্যান্টি-ব্যালিস্টিক মিসাইল (ABM) সিস্টেম।

তথ্যসূত্র - US Government.

২,০৭৭.
এডাম’স পিক কোন দেশে অবস্থিত?
  1. শ্রীলংকা
  2. নেপাল
  3. ভুটান
  4. থাইল্যান্ড
ব্যাখ্যা

- এডাম’স পিক শ্রীলংকায় অবস্থিত।

শ্রীলংকা: 

- দাপ্তরিক নাম: ডেমোক্রেটিক সোশ্যালিস্ট রিপাবলিক অফ শ্রীলংকা।
- পূর্ব নাম: সিলন- ১৯৭২ সালে "শ্রীলংকা" নাম গ্রহণ করে।
- প্রশাসনিক রাজধানী: শ্রী জয়বর্ধনপুর কোট্টে।
- বাণিজ্যিক রাজধানী: কলম্বো।
- ভাষা: সিংহলি ও তামিল (দুটি রাষ্ট্রভাষা), 
- ধর্ম: বৌদ্ধ প্রধান ধর্ম।
- মুদ্রা: শ্রীলংকান রুপি (LKR)।
- ভৌগোলিক অবস্থান: ভারত মহাসাগরে, দক্ষিণ এশিয়ায়, ভারতের দক্ষিণ-পূর্ব উপকূলের নিকটে।
- সংবিধান: ১৯৭৮ সালে বর্তমান সংবিধান গৃহীত।
- আইনসভা: এককক্ষবিশিষ্ট সংসদ (Unicameral Parliament)
- প্রশাসনিক বিভাগ: ৯টি প্রদেশ ও ২৫টি জেলা।
- এডাম’স পিক হলো শ্রীলংকার একটি পবিত্র পাহাড়,
- অবস্থান: শ্রীলংকার কেন্দ্র-পশ্চিম অংশে, সবারাগামুওয়া প্রদেশে (Sabaragamuwa Province)
- এটি শ্রীলংকার অন্যতম বিখ্যাত ও পবিত্র পর্বত শৃঙ্গ।

উৎস: ব্রিটানিকা। 

২,০৭৮.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয় কোন তারিখে?
  1. ১ আগস্ট ১৯৩৯
  2. ৭ ডিসেম্বর ১৯৪১
  3. ১ সেপ্টেম্বর ১৯৩৯
  4. ২ সেপ্টেম্বর ১৯৩৯
ব্যাখ্যা

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ:
- যুদ্ধকাল: ১ সেপ্টেম্বর ১৯৩৯ থেকে ২ সেপ্টেম্বর ১৯৪৫।
- যুদ্ধের সূচনা হয় ১ সেপ্টেম্বর ১৯৩৯ সালে জার্মানির পোল্যান্ড আক্রমণের মধ্য দিয়ে।

• মিত্রশক্তি:
- যুক্তরাজ্য,
- যুক্তরাষ্ট্র,
- সোভিয়েত ইউনিয়ন,
- ফ্রান্স,
- চীন।

• অক্ষশক্তি:
- জার্মানি,
- ইতালি,
- জাপান।

• গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা:
- ৭ ডিসেম্বর ১৯৪১: পার্ল হারবারে জাপানের আক্রমণ।
- ১৯৪১: জার্মানির সোভিয়েত ইউনিয়ন আক্রমণ (Operation Barbarossa)।
- ৬ জুন ১৯৪৪: নরম্যান্ডি অভিযান (D-Day)।
- ১৯৪৫: বার্লিনের পতন।

• যুদ্ধের সমাপ্তি:
- ৭ মে ১৯৪৫: জার্মানির আত্মসমর্পণ।
- ২ সেপ্টেম্বর ১৯৪৫: জাপানের আত্মসমর্পণ।
- মানবিক ক্ষয়ক্ষতি: প্রায় ৬–৮ কোটি মানুষের মৃত্যু।

•ফলাফল:
- মিত্রশক্তির বিজয়।
- নাৎসি জার্মানি ও ফ্যাসিবাদের পতন।
- যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের উত্থান।

উৎস: ব্রিটানিকা ও হিস্টোরি ডটকম।

২,০৭৯.
নিচের কোনটি বাল্টিক রাষ্ট্র?
  1. এস্তোনিয়া
  2. লাটভিয়া
  3. লিথুয়ানিয়া
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
বাল্টিক রাষ্ট্র:
- বাল্টিক রাষ্ট্র বলতে ইউরোপের উত্তর-পূর্ব অঞ্চল তথা বাল্টিক সাগরের পূর্ব তীরে অবস্থিত রাষ্ট্রসমূহকে বুঝায়।
- এই অঞ্চলে তিনটি দেশ রয়েছে।
- দেশগুলো হলো: এস্তোনিয়া, লাটভিয়া এবং লিথুয়ানিয়া।
- বাল্টিক সাগর ইউরোপের উত্তরাংশে অবস্থিত।
- এর চারদিকে স্ক্যান্ডিনেভীয় উপদ্বীপ, ইউরোপ মহাদেশের মূল ভূখণ্ড এবং ডেনমার্কের দ্বীপসমূহ অবস্থিত।

উৎস: Britannica.
২,০৮০.
লিওন ট্রটস্কি কোন বিপ্লবের নেতা ছিলেন?
  1. জানুয়ারি বিপ্লব
  2. ফেব্রুয়ারি বিপ্লব
  3. অক্টোবর বিপ্লব
  4. নভেম্বর বিপ্লব
ব্যাখ্যা
রুশ বিপ্লব:
- সংঘটিত হয়: ১৯১৭ সালে।
- রুশ বিপ্লবের দুইটি পর্যায় রয়েছে। যেমন -
• ফেব্রুয়ারি বিপ্লব ও
• বলশেভিক বিপ্লব/অক্টোবর বিপ্লব।
- এই দুটি বিপ্লবকে একত্রে রুশ বিপ্লব' বলা হয়।

ফেব্রুয়ারি বিপ্লব:
- রুশ বিপ্লবের প্রথম পর্যায়কে ফেব্রুয়ারি বিপ্লব বলে।
- ১৯১৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে পেট্রোগ্রাদে (সেন্ট পিটার্সবার্গে) খাদ্য ঘাটতি নিয়ে দাঙ্গা শুরু হয়।
- সেনাবাহিনী বিদ্রোহীদের সাথে যোগ দিলে নিকোলাস ত্যাগ করতে বাধ্য হন।
- ফলাফল: দ্বিতীয় নিকোলাসকে ক্ষমতা থেকে উচ্ছেদ ও বন্দি করা হয়।
- ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের কারণে রাশিয়ার রাজতন্ত্রের পতন হয়।

বলশেভিক বিপ্লব/অক্টোবর বিপ্লব:
- রুশ বিপ্লবের দ্বিতীয় পর্যায়কে বলশেভিক বা অক্টোবর বিপ্লব বলা হয়।
- নভেম্বর বিপ্লবের ফলে বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- এই বিপ্লবের নেতা ছিলেন ভ্লাদিমির লেনিন ও লিওন ট্রটস্কি।

তথ্যসূত্র - History.com & Britannica.com
২,০৮১.
আমেরিকান কোন প্রেসিডেন্ট দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায় ডমিনো তত্ত্বের প্রবর্তক?
  1. ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার
  2. হ্যারি এস. ট্রুম্যান
  3. ফ্রাংক্‌লিন ডি. রুজভেল্ট
  4. জন এফ কেনেডি
ব্যাখ্যা
ডমিনো তত্ত্ব:
- ডমিনো তত্ত্বে বলা হয়েছে, কোনো একটি রাষ্ট্রে যদি সমাজতন্ত্রীরা ক্ষমতাসীন হয়, তাহলে পাশের রাষ্ট্রটিও সমাজতন্ত্রীদের দখলে চলে যাবে।
- স্নায়ুযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে যুক্তরাষ্ট্র যে কয়েকটি পররাষ্ট্র নীতি গ্রহন করেছিল, তার মধ্যে 'ডমিনো তত্ত্ব' অন্যতম।
- দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার জন্য 'ডমিনো তত্ত্বটি' প্রযোজ্য ছিল।

⇒ সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট হ্যারি এস. ট্রুম্যান এই তত্ত্বের উদ্যোক্তা হলেও তার পরবর্তী প্রেসিডেন্ট ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার প্রথম এই অঞ্চলে প্রয়োগ করেন।
- ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার ১৯৫৪ সালের ৭ এপ্রিল এক সংবাদ সম্মেলনে ইন্দোচিনে কমিউনিজমের কথা উল্লেখ করার সময় তত্ত্বটি বর্ণনা করেছিলেন।
- দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায় 'ভিয়েতনাম যুদ্ধ' ও স্নায়ুযুদ্ধের সময়ও যুক্তরাষ্ট্র এই ডমিনো তত্ত্ব প্রয়োগ করা হয়েছিল।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিংশ শতাব্দীর সত্তরের দশকে দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায় বিশেষ করে ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া ও লাওসে এই তত্ত্ব প্রয়োগ করে সেখানে সমাজতন্ত্রের উত্থান ঠেকাতে সামরিক হস্তক্ষেপ করেছিল।
- তিনি এন্টি-কমিউনিস্ট দক্ষিণ ভিয়েতনাম সরকারকে সহায়তা করেন।
- ডমিনো তত্ত্বটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার জন্য প্রযোজ্য ছিল।
- ১৯৫০-৮৯ সাল পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র তত্ত্বটি প্রচার করেছিল।

উৎস: History.com
২,০৮২.
উত্তর আমেরিকার উর্বর তৃণভূমিকে কী বলে?
  1. ক) ল্যানোস
  2. খ) তৈগা
  3. গ) প্রেইরি
  4. ঘ) সাহেল
ব্যাখ্যা
- প্রেইরি (Prairie) - উত্তর আমেরিকার উর্বর তৃণভূমি।

অন্যদিকে--
- ল্যানোস (Llanos) দক্ষিণ আমেরিকায় অবস্থিত তৃণভূমি।
- তৈগা (Taiga) - পূর্ব সাইবেরিয়া অঞ্চলের বনাঞ্চল। আবার উত্তর আমেরিকাতেও তৈগা ধরনের বনাঞ্চল রয়েছে।

- সাহেল বা সাহিল (Sahel) - অঞ্চল বলে অভিহিত পশ্চিম আফ্রিকার সাব সাহারা অঞ্চল।
এই অঞ্চলের উল্লেখযোগ্য দেশগুলো হচ্ছে - মৌরিতানিয়া, মালি ও নাইজার প্রভৃতি।
এই অঞ্চলে সাভানা বনভূমি রয়েছে।

তথ্যসূত্র: Britannica.com
২,০৮৩.
What is the name of the currency of Germany?
  1. ক) Mark
  2. খ) Peso
  3. গ) Dinar
  4. ঘ) Euro
ব্যাখ্যা
জার্মানি:

- রাষ্ট্রীয়/প্রশাসনিক নাম - Federal Republic of Germany/ Bundesrepublik Deutschland.
- দেশটির রাজধানী - বার্লিন।
- মুদ্রার নাম - ইউরো।
- রাষ্ট্রীয় ভাষা - জার্মান।
- সংসদের নাম - সংসদ ২ কক্ষ বিশিষ্ট,
- উচ্চকক্ষ - Bundesrat বা Federal Council ও নিম্নকক্ষ - Bundestag বা Federal Assembly.
- জার্মানির প্রথম নারী চ্যান্সেলর - অ্যাঞ্জেলা মারকেল।
- তিনি ২০০৫ সালে প্রথমবার চ্যান্সেলর নির্বাচিত হন।

তথ্যসূত্র - ওয়ার্ল্ড এটলাস ও ব্রিটানিকা।
২,০৮৪.
ওয়াটারলু যুদ্ধে পরাজয়ের পর নেপোলিয়ানকে কোন দ্বীপে নির্বাসন দেওয়া হয়?
  1. সেন্ট হেলেনা
  2. ক্যানারি দ্বীপ
  3. সেন্ট এলবা
  4. কর্সিকা দ্বীপ
ব্যাখ্যা
ওয়াটারলু যুদ্ধ:
- বিখ্যাত ওয়াটার লু যুদ্ধক্ষেত্র বেলজিয়ামে অবস্থিত।
- বিখ্যাত 'ওয়াটার লু' যুদ্ধ সংঘটিত হয় ১৮১৫ সালে।
- এই যুদ্ধে পরাজিত হন ফরাসি বীর নেপোলিয়ন বোনাপার্ট।
- পরাজয়ের ফলে তাঁকে সেন্ট হেলেনা দ্বীপে নির্বাসন দেওয়া হয়েছে।
- তিনি ১৮২১ সালে মৃত্যুবরণ করেন।
- ওয়াটার লুর যুদ্ধে বিজয়ী সেনাপতির নাম আর্থার ওয়েলেসলি (ডিউক অব ওয়েলিংটন)।

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া অব ব্রিটানিকা।
২,০৮৫.
কোন দেশ আফ্রিকা মহাদেশের অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. মরক্কো
  2. লিবিয়া
  3. তিউনিসিয়া
  4. ইয়েমেন
ব্যাখ্যা
- ইয়েমেন মধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশ।
- ১৯৯০ সালে ইয়েমেন আরব প্রজাতন্ত্র (উত্তর ইয়েমেন) এবং গণপ্রজাতন্ত্রী ইয়েমেন (দক্ষিণ ইয়েমেন) দেশ দুইটিকে একত্রিত করে ইয়েমেন প্রজাতন্ত্র গঠন করা হয়।
- সানা’আ ইয়েমেন প্রজাতন্ত্রের রাজধানী ও বৃহত্তম শহর।
- ইয়েমেনের পশ্চিমে লোহিত সাগর এবং দক্ষিণে এডেন উপসাগর। এটি আফ্রিকা মহাদেশ থেকে বাব এল মান্দেব প্রণালীর মাধ্যমে বিচ্ছিন্ন।

অন্যদিকে,
মরক্কো, তিউনিসিয়া ও লিবিয়া আফ্রিকা মহাদেশের অন্তর্ভুক্ত দেশ।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা। 
২,০৮৬.
’গ্লাসনস্ত’নীতি দ্বারা মূলত: নীচের কোনটি বোঝানো হয়ে থাকে?
  1. ক) অর্থনৈতিক সংস্কার কর্মসূচি
  2. খ) খোলামেলা আলোচনা
  3. গ) সমাজতন্ত্র ও গণতন্ত্রের মধ্যে সামাঞ্জস্য বিধান
  4. ঘ) ইউরোপ এবং এশিয়ার মধ্যে উন্মুক্ত বানিজ্য
ব্যাখ্যা
- সেভিয়েত ইউনিয়নের সর্বশেষ প্রেসিডেন্ট মিখাইল গর্বাচেভ ১৯৮৫ সালে ক্ষমতাসীন হওয়ার পর গ্লাস্তনস্ত এবং পেরেস্ত্রইকা নামে দুটির সংস্কারমূলক নীতি গ্রহণ করেন।
- এর মধ্যে গ্লাস্তনস্ত ছিলো রাজনৈতিক সংস্কার কর্মসূচি এবং পেরেস্ত্রইকা ছিলো অর্থনৈতিক সংস্কার কর্মসূচি বিষয়ক নীতি।
- সোভিয়েত নাগরিকদের ব্যাক্তি স্বাধীনতা ও মতামত প্রকাশের স্বাধীনতাকে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য তিনি খোলামেলা আলোচনার যে মুক্ত ব্যবস্থা চালু করেছিলেন তাই গ্লাসনস্ত নীতি হিসেবে অভিহিত।
- মিখাইল গর্বাচেভ ১৯৯০ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

 গ্লাসনস্ত:
- গ্লাসনস্ত অর্থ 'খোলা দুয়ার'।
- সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নে আর্থসামাজিক ক্ষেত্রে ব্যাপক পুনর্গঠনের যে প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল তার জন্য রাজনৈতিক সংস্কার ও গণসমর্থন প্রয়োজন ছিল। আর এজন্য গ্লাসনস্ত নীতি গ্রহণ করা হয়।
- গ্লাসনস্তের আওতায় রাষ্ট্রীয় রাজনৈতিক শাসনব্যবস্থায় যে রাজনৈতিক সিদ্ধান্তগুলো নেওয়া হয়েছিল তা হলো-
১. সকল পর্যায়ে নির্বাচিত পদে পর পর দুবারের বেশি কেউ নির্বাচিত হতে পারবে না;
২. কংগ্রেস অব পিপলস ডেপুটি হবে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ কর্তৃত্ব এবং এর সদস্য সংখ্যা হবে ২২৫০;
৩. ডেপুটিদের মধ্য থেকে একটি স্থায়ী কার্যনির্বাহী সুপ্রিম সোভিয়েত নির্বাচিত হবে;
৪. কংগ্রেস অব পিপলস ডেপুটি গোপন ব্যালটে রাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন করবে।

সূত্র: বিশ্বরাজনীতির ১০০ বছর, তারেক শামসুর রেহমান।
২,০৮৭.
চিকিৎসা বিজ্ঞানে ২০১৯ সালে নোবেল পুরস্কার পাননি-
  1. ক) উইলিয়াম জে. কাইলিন
  2. খ) গ্রেগ এল সেমেনজা
  3. গ) স্যার পিটার জে. র‍্যাটক্লিফ
  4. ঘ) জেমস পিবলস
  5. ঙ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
দেহে অক্সিজেনের সহজলভ্যতার সঙ্গে কোষের সাড়া দানের প্রক্রিয়া নিয়ে গবেষণার জন্যে ২০১৯ সালে চিকিৎসা বিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন উইলিয়াম জে. কাইলিন, গ্রেগ এল সেমেনজা এবং স্যার পিটার জে. র‍্যাটক্লিফ। জেমস পিবলস মহাবিশ্বের বিবর্তন সংক্রান্ত গবেষণার জন্যে ২০১৯ সালে পদার্থবিদ্যায় নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। (সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো )
২,০৮৮.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় অক্ষ শক্তির জোটে ছিল- 
  1. ইতালি, জার্মানি, জাপান
  2. যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স
  3. রাশিয়া, জার্মানি, জাপান
  4. যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, ইতালি
ব্যাখ্যা

• অক্ষশক্তি - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের বিরোধী জোট:
- অক্ষশক্তি ছিল একটি সামরিক জোট, যা জার্মানি, ইতালি, এবং জাপানের নেতৃত্বে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে মিত্রশক্তির বিরুদ্ধে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়েছিল।
- এই জোটের উৎপত্তি ঘটে জার্মানি ও ইতালির মধ্যে একাধিক চুক্তির মাধ্যমে।
- ১৯৩৬ সালের ২৫ অক্টোবর, রোম-বার্লিন অক্ষ ঘোষণা করা হয়, যেখানে জার্মানি ও ইতালি দাবি করে যে পৃথিবী এখন থেকে রোম-বার্লিন অক্ষের উপর আবর্তিত হবে।
- পরবর্তীতে, ১৯৩৬ সালের ২৫ নভেম্বর, জার্মানি এবং জাপান সোভিয়েত ইউনিয়নের বিরুদ্ধে অ্যান্টি-কমিন্টার্ন প্যাক্ট স্বাক্ষর করে, যা অক্ষশক্তির কার্যক্রমকে আরও সুসংহত করে।
- এই জোটের লক্ষ্য ছিল তাদের সামরিক, রাজনৈতিক এবং কৌশলগত স্বার্থ রক্ষা করা এবং বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে নিজেদের আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করা।
• অক্ষ শক্তি':
- ইতালি, জার্মানি, জাপান
• মিত্র শক্তি': যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, সোভিয়েত ইউনিয়ন, ফ্রান্স।

উৎস: Britannica.

২,০৮৯.
মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সীমানা কোনটি?
  1. সনেরা লাইন
  2. পার্পল লাইন
  3. ওডার-নেইস লাইন
  4. ব্লু লাইন
ব্যাখ্যা

বিভিন্ন দেশের সীমানা:
⇒ পার্পল লাইন: ইসরাইল ও সিরিয়ার মধ্যে সীমানা।
⇒ সনেরা লাইন: মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সীমানা।
⇒ ওডার-নেইস লাইন: জার্মানি ও পোল্যান্ডের মধ্যকার সীমানা।
⇒ ব্লু লাইন: লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যকার সীমানা।
⇒ লাইন অব ডিমারকেশন: পর্তুগাল ও স্পেনের মধ্যে সীমানা।
⇒ ডুরান্ড লাইন: পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে সীমানা।
⇒ রেডক্লিফ লাইন: ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সীমারেখা।
⇒ লাইন অব একচুয়াল কন্ট্রোল / ম্যাকমোহন লাইন: চীন ও ভারতের মধ্যে সীমানা।
⇒ লাইন অব কন্ট্রোল: ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সীমানা।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

২,০৯০.
Which country is the largest exporter of arms in the world?
  1. ক) United kingdom
  2. খ) France
  3. গ) United States
  4. ঘ) Russia
ব্যাখ্যা
অস্ত্র রপ্তানি: 
- ৫ ডিসেম্বর, ২০২২ তারিখে সুইডেনের স্টকহোম ভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউট (SIPRI) প্রকাশ করে অস্ত্র রপ্তানি প্রতিবেদন।
- প্রতিবেদন অনুসারে অস্ত্র রপ্তানিতে শীর্ষ ৫ দেশ (২০১৭-২০২১) 
❖    যুক্তরাষ্ট্র (৩৮.৬%)
❖    রাশিয়া (১৮.৬%)
❖    ফ্রান্স (১০.৭%)
❖    চীন (৪.৬%)
❖    জার্মানি (৪.৫%)

 উৎস : www.sipri.org
২,০৯১.
Greatest Happiness Principle নীতির প্রবক্তা কে?
  1. জেরেমি বেন্থাম
  2. কার্ল মার্ক্স
  3. বার্ট্রান্ড রাসেল
  4. ম্যাকিয়াভেলি
ব্যাখ্যা
জেরেমি বেন্থাম:
- জেরেমি বেন্থাম একজন ব্রিটিশ দার্শনিক ও তাত্বিক।
- তিনি ১৭৪৮ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি লন্ডনে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৮৩২ সালের ৬ জুন মারা যান।
- জেরেমি বেন্থাম Greatest Happiness Principle নীতির (১৭৮৯) প্রবক্তা।
- এই নীতির অর্থ হলো কোন কিছু বা কোন কাজকে উদ্দেশ্য নয়, বরং ফলাফল দ্বারা মূল্যায়ন করতে হবে।
- তার বিখ্যাত বইয়ের মধ্যে রয়েছে The Principles of Morals and Legislation.

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
২,০৯২.
ফিজির রাজধানী কোনটি?
  1. সুভা
  2. তারাওয়া
  3. ইয়ারেন
  4. পোর্ট ভিলা
ব্যাখ্যা
- সুভা : ফিজির রাজধানী
অন্যদিকে
- ইয়ারেন : নাউরুর রাজধানী
- পোর্ট ভিলা : ভানুয়াতুর রাজধানী
- তারাওয়া : কিরিবাতির রাজধানী।
(তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস)
২,০৯৩.
‘ভলগা নদী’ কোন সাগরে পতিত হয়েছে?
  1. কৃষ্ণ সাগরে
  2. আরব সাগরে
  3. বাল্টিক সাগরে
  4. কাস্পিয়ান সাগরে
ব্যাখ্যা
ইউরোপের ভলগা নদী:
- ইউরোপের দীর্ঘতম নদী হলো ভলগা নদী।
- ভলগা নদীর দৈর্ঘ্য প্রায় ৩,৫৩০ কিলোমিটার।
- এটির রাশিয়ার ভলদাই পর্বত থেকে উৎপন্ন হয়ে রাশিয়ার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে কাস্পিয়ান সাগরে পতিত হয়েছে।
- দানিয়ুব ইউরোপের দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী যা জার্মানির ব্ল্যাক ফরেস্ট থেকে উৎপন্ন হয়ে ইউরোপের ১০টি দেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে কৃষ্ণসাগরে পতিত হয়েছে।

তথ্যসূত্র: ব্রিটেনিকা ওয়েবসাইট।
২,০৯৪.
আরব উপদ্বীপ এশিয়া মহাদেশের কোন দিকে অবস্থিত?
  1. দক্ষিণ পশ্চিমে কোণে
  2. উত্তর পূর্বে কোণে
  3. পূর্বে পশ্চিমে কোণে
  4. দক্ষিণ পূর্বে কোণে
ব্যাখ্যা
আরব উপদ্বীপ:
- আরব উপদ্বীপ বিশ্বের বৃহত্তম উপদ্বীপ।
- এর আয়তন প্রায় ১,২০০,০০০ বর্গ মাইল (৩,১০০,০০০ বর্গ কিলোমিটার)।
- আরব উপদ্বীপের পশ্চিম ও দক্ষিণ-পশ্চিমে লোহিত সাগর, দক্ষিণে এডেন উপসাগর।
- জর্ডান ও ইরাকসহ এতে নয়টি দেশ অবস্থিত। এর মধ্যে আয়তনে বৃহত্তম দেশ সৌদি আরব এবং ক্ষুদ্রতম বাহরাইন।
- এটি এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম কোণে অবস্থিত।।

উৎস:ব্রিটানিকা।[লিঙ্ক]
২,০৯৫.
আয়তনে পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ-
  1. রাশিয়া
  2. কানাডা
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. ভারত
ব্যাখ্যা

কানাডা:
- কানাডা উত্তর আমেরিকা মহাদেশের একটি দেশ।
- এটি আয়তনে পৃথিবীর ২য় বৃহত্তম দেশ।
- কানাডার রাজধানীর নাম অটোয়া।
- টরেন্টো হচ্ছে কানাডার বৃহত্তম শহর।
- কানাডার রাজনৈতিক ব্যবস্থা সাংবিধানিক রাজতন্ত্র।
- ম্যাপল পাতার দেশ নামে পরিচিতি কানাডা।
- কানাডার জাতীয় পতাকায়ও ম্যাপল পাতার ছবি রয়েছে।
- শাসনব্যবস্থা: সাংবিধানিক রাজতন্ত্র ও সংসদীয় গণতন্ত্রের সংমিশ্রণ।
- রাজপ্রধান: ব্রিটিশ রাজপরিবারের শাসক (বর্তমানে রাজা চার্লস-৩)।
- প্রধানমন্ত্রী: সরকারের প্রধান, সংসদ দ্বারা নির্বাচিত।
- সংসদ: দুই কক্ষবিশিষ্ট হাউস অব কমন্স ও সিনেট।
- কানাডার বর্তমান প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি। [ অক্টোবর, ২০২৫]

উৎস: Britannica.

২,০৯৬.
বর্তমানে ইউরোপীয় ইউনিয়নের কয়টি দেশ ইউরো মুদ্রা ব্যবহার করে? [জানুয়ারি, ২০২৬]
  1. ২০টি
  2. ২১টি
  3. ২৭টি
  4. ২৯টি
ব্যাখ্যা

ইউরো মুদ্রা (€ ):
- ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহের একক মুদ্রার নাম ইউরো।
- ইউরো মুদ্রার জনক হলেন রবার্ট মুন্ডেল।
- ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক ১ জানুয়ারি, ১৯৯৯ তারিখে 'ইউরো' মুদ্রা চালু করে।
- ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোতে 'ইউরো' মুদ্রা অভিন্ন মুদ্রা হিসেবে ২০০২ সালে কার্যকর হয়।
- ইউরো মুদ্রা ব্যবহারকারই দেশ: ২১টি।
- দেশগুলো হল: অস্ট্রিয়া, গ্রিস, জার্মানি, ফ্রান্স, স্পেন, পর্তুগাল, নেদারল্যান্ড, বেলজিয়াম, লুক্সেমবার্গ, আয়ারল্যান্ড, মাল্টা, সাইপ্রাস, লিথুনিয়া, লাটভিয়া, এস্তোনিয়া, স্লোভেনিয়া, স্লোভাকিয়া, ইতালি, ফিনল্যান্ড, ক্রোয়েশিয়া ও বুলগেরিয়া।

উল্লেখ্য,
- ১ জানুয়ারি, ২০২৬ তারিখে বুলগেরিয়া ইউরোজোন-এর ২১তম সদস্য হিসেবে যোগদান করেছে। এর মধ্য দিয়ে দেশটির নিজস্ব মুদ্রা ‘লেভ’ বাতিল করা হয়েছে। উল্লেখ্য যে, ২০০৭ সালে ইউরোপীয় ইউনিয়নে যোগদান করেছিল বুলগেরিয়া।
- এর আগে ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে ক্রোয়েশিয়া ইউরোজোনে যোগ দিয়েছিল।
- বর্তমানে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি সদস্য রাষ্ট্রের মধ্যে ২১টির সরকারি মুদ্রা ইউরো।

উৎস: European Union ওয়েবসাইট।

২,০৯৭.
'সেনেগাল' কোন দেশের উপনিবেশ ছিল?
  1. ফ্রান্স
  2. স্পেন
  3. ইংল্যান্ড
  4. যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
⇒ সেনেগাল ১৯৬০ সাল পর্যন্ত ফ্রান্সের উপনিবেশ ছিল।

সেনেগাল:
- আনুষ্ঠানিকভাবে সেনেগাল প্রজাতন্ত্র.
- সেনেগাল পশ্চিম আফ্রিকার একটি দেশ।
- আয়তন: ৭৫,৯৫১ বর্গ মাইল (১৯৬,৭১২ বর্গ কিমি)।
- রাজধানী: ডাকার।
- ভাষা: ফরাসি (অফিসিয়াল)।
- ধর্ম: ইসলাম; এছাড়াও ঐতিহ্যগত বিশ্বাস, খ্রিস্টধর্ম।
- মুদ্রা: ফ্রাঙ্ক।
- এটি একটি বহুদলীয় প্রজাতন্ত্র যার একটি এককক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা রয়েছে।
- এর রাষ্ট্র ও সরকার প্রধান হলেন রাষ্ট্রপতি।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
২,০৯৮.
প্রাচীন ভারতে সাম্রাজ্যবাদের বিকাশ হয় যে রাজ্যকে কেন্দ্র করে তার নাম −
  1. ক) অবন্তী
  2. খ) গান্ধার
  3. গ) কাম্বোজ
  4. ঘ) মগধ
ব্যাখ্যা
- খ্রিস্টপূর্ব ষষ্ঠ শতাব্দী হতে ভারতের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়।
- এ সময়ই প্রথমবারের মতো ভারতে বড় বড় রাজ্য গঠনের আভাস পাওয়া যায় এবং একই সাথে তাদের মধ্যে
চলে শক্তি সংগ্রহ ও প্রাধান্য বিস্তারের জন্য তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা।
- মৌর্য সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠার প্রেক্ষাপট বুঝতে হলে মগধকেন্দ্রিক সাম্রাজ্যবাদী রাজনৈতিক তৎপরতার ইতিহাস অনুধাবন করতে হবে। 

- উত্তরে কাবুল থেকে দাক্ষিণাত্রে গোদাবরী নদী পর্যন্ত বিস্তৃত অঞ্চল জুড়ে যে রাজ্যগুলির কথা জানা যায় সেগুলি হচ্ছে কাম্বোজ, গান্ধার, কুরু, কোশল, শূরসেন, পাঞ্চাল, মল্ল, বৃজি বা বজ্জি, মৎস্য, চেদী, বৎস, কাশী, অঙ্গ, অবন্তী, অশ্বক ও মগধ। 
- এই ষোলটি রাজ্য প্রায়ই প্রাধান্য বিস্তারের জন্য নিজেদের মধ্যে যুদ্ধ বিগ্রহে লিপ্ত থাকতো।
-  ক্রমেই অপেক্ষাকৃত দুর্বল জনপদগুলির স্বাতন্ত্র্য বিনষ্ট করে ভারতের রাজনীতির ক্ষেত্রে চারটি রাজ্য প্রধান হয়ে ওঠে। 
- এই রাজ্যগুলি হচ্ছে কোশল, অবন্তী, বৎস ও মগধ। 

- ভারতের খ্রিস্টপূর্ব ষষ্ঠ শতাব্দীর ইতিহাস হচ্ছে এই বৃহৎ শক্তিবর্গের অন্তর্দ্বন্দ্বের ইতিহাস এবং মগধের সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠার ইতিহাস। 
- বর্তমান বিহারের দক্ষিণাংশ, মুখ্যত পাটনা ও গয়া জেলা, প্রাচীনকালে মগধ নামে পরিচিত ছিল। 
- এখানে ছিল নানা জাতির মিশ্রিত জনবসতি। বিভিন্ন কারণে ভারতের ইতিহাসে এই মগধের গুরুত্ব যথেষ্ট।
-  মগধের ভৌগোলিক অবস্থান এর শক্তি বৃদ্ধিতে সাহায্য করেছিল। 

- মগধের মাঝখান দিয়ে ছিল পূর্ব ও পশ্চিম ভারতের মধ্যে যাতায়াতের রাস্তা। মগধ রাজ্যও ছিল বেশ সুরক্ষিত ।
-  গঙ্গা, শোন ও গন্ডক নদী এর রাজ্যকে তিনদিক থেকে গিরে রেখেছিল। এর ফলে কোন শত্রুদেশের পক্ষে সহসা মগধ আক্রমণ করা সম্ভব ছিল না।
- এ রাজ্যের আদি রাজধানী ছিল খুবই সুরক্ষিত স্থান। এর চারদিকে ছিল পাহাড় এবং পাথরের উঁচু প্রাচীর। মগধের পরবর্তী রাজধানী পাটলীপুত্রও ছিল সুরক্ষিত। 
- এমনি ধরনের অবস্থানগত ভৌগোলিক সুবিধার জন্য মগধ সহজে প্রতিবেশীদের আক্রমণ করতো; কিন্তু মগধকে প্রতিবেশী রাজ্য আক্রমণ করতে পারেনি। ঐতিহাসিক ব্যাশাম, রোমিলা থাপার প্রমুখ গঙ্গা নদীর উপর মগধের নিয়ন্ত্রণ এবং মগধের বাণিজ্যিক সমৃদ্ধির উল্লেখ করে বলেন, মগধ রাজ্যের রাজবংশগুলির নেতৃবৃন্দ খুব সহজেই সাম্রাজ্যবাদী তৎপরতায় জড়িত এবং সফল হতে পেরেছিলেন।
 
উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
২,০৯৯.
বিশ্বের সবচেয়ে বড় সংবিধান কোন দেশের?
  1. ক) ভারতের
  2. খ) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের
  3. গ) বাংলাদেশের
  4. ঘ) সৌদি আরবের
ব্যাখ্যা
- ২৬ জানুয়ারি ১৯৫০ ভারতের সংবিধান চালু হবার পর থেকে ২০২০ সাল অবধি এই সংবিধান মোট ১০৪ বার সংশোধিত হয়।
- ভারতের সংবিধান(Constitution of India) ভারতীয় প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন। 
- ভারতের সংবিধানে মোট ২৪টি অংশে ৪৪৮টি ধারা, ১২টি তফসিল এবং ১১৩টি সংশোধনী বিদ্যমান।

উৎস:- ভারতীয় হাই কমিশন ওয়েবসাইট। 
২,১০০.
পৃথিবীর একমাত্র পোপশাসিত রাষ্ট্র কোন মহাদেশে অবস্থিত?
  1. এশিয়া
  2. আফ্রিকা
  3. অস্ট্রেলিয়া
  4. ইউরোপ
ব্যাখ্যা

ইউরোপ মহাদেশ:
- ইউরোপ মহাদেশের ভ্যাটিকান সিটি হলো পৃথিবীর একমাত্র পোপশাসিত রাষ্ট্র।
- ইউরোপ মহাদেশ হলো ইউরেশিয়ার পশ্চিমাংশ।
- এই মহাদেশ আয়তনে দ্বিতীয় ক্ষুদ্রতম এবং জনসংখ্যায় বিশ্বে তৃতীয় বৃহত্তম মহাদেশ। 
- এটি উত্তরে আর্কটিক মহাসাগর, পশ্চিমে আটলান্টিক মহাসাগর, দক্ষিণে ভূমধ্যসাগর দ্বারা সীমাবদ্ধ।
- এবং পূর্বে ইউরাল পর্বতমালা ও নদী দ্বারা এশিয়ার থেকে পৃথক হয়েছে।
- এই মহাদেশে সর্বশেষ স্বাধীন রাষ্ট্র- ক্লাসিক্যাল কসোভো, যা ২০০৮ সালে সার্বিয়া থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।
- রাশিয়া হচ্ছে এই মহাদেশের আয়তন ও জনসংখ্যায় সবচেয়ে বড় দেশ।
- আর ভ্যাটিকান সিটি হচ্ছে আয়তন ও জনসংখ্যায় সবচেয়ে ছোট দেশ। 

ভ্যাটিকান সিটি:
- এটি ইউরোপ মহাদেশের ইতালির রাজধানী রোম শহরের মধ্যে অবস্থিত একটি স্থলবেষ্টিত সার্বভৌম ছিটমহল (enclave)। 
- ভ্যাটিকান সিটি স্থলবেষ্টিত গির্জা রাষ্ট্র, রোমান ক্যাথলিক চার্চের আসন।
- এই রাষ্ট্রটি টাইবার নদীর পশ্চিম তীরে অবস্থিত।
- ভ্যাটিকান সিটি বিশ্বের ক্ষুদ্রতম স্বাধীন রাষ্ট্র।
- ভ্যাটিকান সিটিতে পোপ রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে শাসন চালান।
- এবং এটি ক্যাথলিক চার্চের আধ্যাত্মিক ও প্রশাসনিক কেন্দ্র। 
- ১৯২৯ সালের ল্যাটেরান চুক্তি অনুযায়ী এটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে।

উল্লেখ্য,
- ভ্যাটিকান সিটিতে ১৫০৬ সাল থেকে নিজস্ব টেলিফোন ব্যবস্থা, ডাকঘর, উদ্যান, জ্যোতির্বিদ্যা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র, রেডিও স্টেশন, ব্যাংকিং ব্যবস্থা এবং ফার্মেসি রয়েছে।
- এছাড়া, পোপের ব্যক্তিগত সুরক্ষার জন্য সুইস গার্ডদের একটি দল রয়েছে।
- তবে খাদ্য, জল, বিদ্যুৎ এবং গ্যাসের মতো প্রায় সমস্ত সরবরাহ বাইরে থেকে আমদানি করতে হয়।
- এছাড়া এখানে কোনও হাসপাতাল নেই। 

উৎস: Britannica.