বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বৈশ্বিক ইতিহাস, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা, ভূ-রাজনীতি

মোট প্রশ্ন৯,৩৩৪এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বৈশ্বিক ইতিহাস, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা, ভূ-রাজনীতি

PrepBank · পাতা ১৯ / ৯৩ · ১,৮০১১,৯০০ / ৯,৩৩৪

১,৮০১.
ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থার নাম কী?
  1. রসকসমস
  2. ইসরো
  3. নাসা
  4. জাক্সা
ব্যাখ্যা
চন্দ্রাভিযানে ভারতের ইতিহাস:
- ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থার নাম - ইসরো।
- ২৩ আগস্ট ২০২৩ ভারতের ‘চন্দ্রযান-৩'-এর ল্যান্ডার 'বিক্রম' চাঁদের রহস্যময় দক্ষিণ মেরুতে (কুমেরু) অবতরণ করে।
- এর মাধ্যমে বিশ্বের চতুর্থ দেশ হিসেবে এবং চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে অবতরণকারী প্রথম দেশ হিসেবে ইতিহাস গড়ে ভারত।
- চাঁদে এর আগের সব মিশনে চন্দ্রযানগুলো নিরক্ষরেখার কাছাকাছি নামে।

- ১৪ জুলাই ২০২৩ ভারতের অন্ধ্র প্রদেশের শ্রীহরিকোটার সতীশ ধাওয়ান মহাকাশকেন্দ্র থেকে ‘চন্দ্ৰযান-৩' উৎক্ষেপণ করা হয়।
- ‘চন্দ্রযান-৩'-এর ল্যান্ডারের নাম 'বিক্রম', রোভারের নাম ‘প্রজ্ঞান'। এ রোভারই চাঁদের বুকে ঘুরে ঘুরে বৈজ্ঞানিক গবেষণা চালাবে।
- উল্লেখ্য, ভারত ২২ অক্টোবর ২০০৮ চন্দ্রযান-১ এবং ২২ জুলাই ২০১৯ চন্দ্রযান-২ উৎক্ষেপণ করলেও চন্দ্রপৃষ্ঠে অবতরণে ব্যর্থ হয়।

তথ্যসূত্র: বিবিসি নিউজ (২৩ আগস্ট, ২০২৩)।
১,৮০২.
ভারতের সেভেন সিস্টারস খ্যাত রাজ্যগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের সীমান্ত সংলগ্ন নয় -
  1. মিজোরাম
  2. মণিপুর
  3. আসাম
  4. মেঘালয়
ব্যাখ্যা
সেভেন সিস্টার্স:
 
- সেভেন সিস্টার্সের মণিপুর রাজ্যটির সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত নেই।
- উত্তর-পূর্ব ভারতের সাতটি রাজ্য সেভেন সিস্টার্স নামে পরিচিত।
- রাজ্যগুলো হচ্ছে -আসাম, অরুণাচল, মেঘালয়, ত্রিপুরা, মণিপুর, মিজোরাম ও নাগাল্যান্ড।
- ভারতের সেভেন সিস্টারস খ্যাত রাজ্যগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের সীমান্ত সংলগ্ন নয় মণিপুর, নাগাল্যান্ড এবং অরুণাচল রাজ্য।
- ভারতের মোট ৫টি রাজ্য বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী।
- এগুলো হলো: আসাম, ত্রিপুরা, মিজোরাম, মেঘালয় ও পশ্চিমবঙ্গ।
 
তথ্যসূত্র - ওয়ার্ল্ড এটলাস।
১,৮০৩.
'ট্রাফালগার স্কোয়ার' কোন শহরে অবস্থিত?
  1. ওয়াশিংটন
  2. প্যারিস
  3. মস্কো
  4. লন্ডন
ব্যাখ্যা
ট্রাফালগার স্কয়ার:
- ট্রাফালগার স্কয়ার ইংল্যান্ডের সেন্ট্রাল লন্ডনে অবস্থিত।
- এটি একটি সাধারণ জনগণের মিলনস্থল।
- ১৮০৫ সালে ইংল্যান্ড ফ্রান্স ও স্পেনের সম্মিলিত বাহিনীর সাথে যুদ্ধ করে জয়লাভ করে।
- ট্রাফালগারের যুদ্ধ জয়কে স্মরণীয় করে রাখতে লন্ডনের কেন্দ্রস্থল একটি চত্ত্বরের নামকরণ করা হয় ট্রাফালগার স্কয়ার।

উৎস: Britannica.
১,৮০৪.
চীনের সাথে নিচের কোন দেশটির স্থলসীমান্ত নেই?
  1. থাইল্যান্ড
  2. আফগানিস্তান
  3. লাওস
  4. উত্তর কোরিয়া
ব্যাখ্যা
চীনের সাথে ১৪টি দেশের স্থলসীমান্ত রয়েছে।
দেশগুলো হলো:
- উত্তর কোরিয়া
- রাশিয়া
- মঙ্গোলিয়া
- কাজাখস্তান
- কিরগিজস্তান
- তাজিকিস্তান
- আফগানিস্তান
- পাকিস্তান
- ভারত
- নেপাল
- ভুটান
- মিয়ানমার
- লাওস
- ভিয়েতনাম।

চীনের সাথে থাইল্যান্ডের স্থলসীমান্ত নেই।

(তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস)
১,৮০৫.
নিচের কোনটি লিওনার্দো দা ভিঞ্চি এর শিল্পকর্ম নয়?
  1. The Last Supper
  2. The Virgin of the Rocks
  3. The Last Judgment
  4. The Vitruvian Man
ব্যাখ্যা
The Last Judgment লিওনার্দো দা ভিঞ্চি এর শিল্পকর্ম নয়। এটি মাইকেল এঞ্জেলো-এর শিল্পকর্ম। 

লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি:
- লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি একজন ইতালীয় রেনেসাঁ পলিমাথ, চিত্রশিল্পী, ভাস্কর, স্থপতি, সংগীতশিল্পী, বিজ্ঞানী, গণিতবিদ, প্রকৌশলী, উদ্ভাবক, অ্যান্টোনিস্ট, ভূতত্ত্ববিদ, ম্যাগাজিনর, উদ্ভিদবিদ এবং লেখক।
- তিনি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মানবতার একজন।
- লিওনার্দো ফ্লোরেন্স কাছাকাছি Tuscany, ছোট শহরে ভ্যানি মধ্যে জন্মগ্রহণ করেন।

⇒ তাঁর বিখ্যাত শিল্পকর্ম:
- The Last Supper, Mona Lisa, The Vitruvian Man, The Portrait of a Lady with an Ermine, The Virgin of the Rocks, The Baptism of Christ, The Adoration of the Magi (1481), The Virgin and Child with St Anne (1510), The Madonna and Child with St. Anne, The Madonna and Child with a Cat, Portrait of Ginevra de' Benci (1474-1476)।

উৎস: Britannica.
১,৮০৬.
'গার্ডিয়া সিভিল' সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. স্পেন
  2. জাপান
  3. ফিনল্যান্ড
  4. রাশিয়া
ব্যাখ্যা

বিভিন্ন দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী:
- স্পেন: গার্ডিয়া সিভিল
- এটি গঠিত হয়  ১৮৪৪ সালে।
- এর সদর দপ্তর মাদ্রিদ, স্পেন।

অন্যদিকে,
- ভারত: BSF
- রাশিয়া: বর্ডার গার্ড সার্ভিস অব রাশিয়া
- ইতালি: গার্ডিয়া ডি ফিনাজা
- ফিনল্যান্ড: ফিনিস বর্ডার গার্ড
- জার্মানি: জার্মান ফেডারেল পুলশ
- যুক্তরাষ্ট্র: ইউনাইটেড স্টেট বর্ডার পোর্টাল
- পাকিস্তান: রেঞ্জার্স
- মিয়ানমার: বর্ডার গার্ড পুলিশ
- বাংলাদেশ: বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ। 

উৎস: ব্রিটানিকা ও বাংলাপিডিয়া।

১,৮০৭.
সম্প্রতি কোন দেশ প্রথমবারের মতো পূর্ণ পারমাণবিক 'ট্রায়াড' বা ত্রিমুখী অস্ত্রশক্তি প্রদর্শন করেছে? (সেপ্টেম্বর ২০২৫)
  1. রাশিয়া
  2. উত্তর কোরিয়া
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. চীন
ব্যাখ্যা

সামরিক কুচকাওয়াজে উন্মোচিত প্রধান অস্ত্রসমূহ:
- চীন প্রথমবার পূর্ণ পারমাণবিক ‘ট্রায়াড’ বা ত্রিমুখী অস্ত্রশক্তি প্রদর্শন করেছে।
- এই ট্রায়াড স্থল, সমুদ্র ও আকাশ থেকে একযোগে হামলা চালাতে সক্ষম।
• এতে অন্তর্ভুক্ত ছিল:
- আধুনিকায়নকৃত আন্তমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র DF-5C (পাল্লা ২০,০০০ কিমি)।
- দীর্ঘপাল্লার নতুন ক্ষেপণাস্ত্র DF-61।

এছাড়াও,
- যুদ্ধজাহাজ বিধ্বংসী 'ওয়াইজে-১৭' হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র।
- লেজারভিত্তিক আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা LY-1।
- উন্নত HSU-100 সামুদ্রিক ড্রোনের নতুন সংস্করণ।

উৎস - প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।

১,৮০৮.
'বসফরাস প্রণালি' সংযুক্ত করেছে -
  1. ক) কৃষ্ণসাগর ও ভূমধ্যসাগরকে
  2. খ) মর্মর সাগর ও ঈজিয়ান সাগরকে
  3. গ) লোহিত সাগর ও ভূমধ্যসাগরকে
  4. ঘ) ভূমধ্যসাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরকে
ব্যাখ্যা
- কৃষ্ণসাগর ও ভূমধ্যসাগরের মাঝে সংযোগ স্থাপন করেছে বসফরাস প্রণালি ও দার্দানেলিস প্রণালি। দুটি প্রণালিই তুরস্কে অবস্থিত এবং এশিয়া থেকে ইউরোপ কে পৃথক করেছে।
- এর মধ্যে বসফরাস প্রণালি কৃষ্ণসাগর ও মর্মরসাগর এবং দার্দানেলিস প্রণালি মর্মর সাগর ও ঈজিয়ান সাগর তথা ভূমধ্যসাগরকে সংযুক্ত করেছে।

অন্যদিকে,
- জিব্রাল্টার প্রণালি : ভূমধ্যসাগর ও আটলান্টিক মহাসাগর
- হরমুজ প্রণালি : পারস্য উপসাগর ও ওমান উপসাগর
- সুয়েজ খাল : লোহিত সাগর ও ভূমধ্যসাগর।

[সূত্র: ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস ও ব্রিটানিকা]
১,৮০৯.
'দ্য গোল্ডেন নোটবুক' এর লেখক কে?
  1. মার্গারেট অ্যাটউড
  2. সিলভিয়া প্লাথ
  3. ভার্জিনিয়া উলফ
  4. ডরিস লেসিং
ব্যাখ্যা
• ডরিস লেসিং:
- জন্ম: ২২ অক্টোবর, ১৯১৯ সালে।
- ২০০৭ সালে নোবেল পুরস্কার  লাভ করেন।
- 'দ্য গোল্ডেন নোটবুক' ১৯৬২ সালে প্রকাশিত হয়েছে।
- উপন্যাসটিতে নারী ঔপন্যাসিক আনা উলফের সঙ্কট উপস্থাপন করা হয়েছে।
- মৃত্যু:  ১৭ নভেম্বর ২০১৩ সালে।

উল্লেখযোগ্য কাজ:
- Children of Violence,
- The Cleft,
- The Golden Notebook,
- The Grass Is Singing, 
- The Memoirs of a Survivor, 
- The Sweetest Dream,
- Time Bites.

উৎস:ব্রিটানিকা.কম।[লিঙ্ক]
১,৮১০.
সিডি(cedi) কোন দেশের মুদ্রার নাম?
  1. ক) ব্রাজিল
  2. খ) থাইল্যান্ড
  3. গ) হাইতি
  4. ঘ) ঘানা
ব্যাখ্যা
ব্রাজিল - রিয়েল(Real)
থাইল্যান্ড - বাথ(Baht)
হাইতি - গারুদা(Gourde)
ঘানা - সিডি(Cedi)

তথ্যসূত্র: ওয়েবসাইট।
১,৮১১.
বিশ্বের সবচেয়ে বেশি বনভূমি কোন দেশে অবস্থিত?
  1. রাশিয়া
  2. ব্রাজিল
  3. কানাডা
  4. চীন
ব্যাখ্যা

• সর্বাধিক বনভূমির অঞ্চল:
- রাশিয়ায় পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি বনভূমি রয়েছে। 
- দেশটিতে ৮১ কোটি ৪৮ লাখ ৪৮ হাজার ৪৬০ হেক্টর বনভূমি রয়েছে। বিশ্বের মোট বনভূমির ২০ দশমিক ৪১ শতাংশই রাশিয়ায়।
- পৃথিবীর মোট আবাসযোগ্য জমির আট ভাগের এক ভাগ পড়েছে রাশিয়ায়।
- আয়তনের বিশালত্বের কারণে দেশটি নয়টি সময় অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।

উল্লেখ্য,
• দেশ ও বনভূমির এলাকা (হাজার হেক্টর):
১. রাশিয়া → ৮১৫,৩১২
২. ব্রাজিল → ৪৯৬,৬২০
৩. কানাডা → ৩৪৬,৯২৮
৪. যুক্তরাষ্ট্র → ৩০৯,৭৯৫
৫. চীন → ২১৯,৯৭৮
৬. অস্ট্রেলিয়া → ১৩৪,০০৫


তথ্যসূত্র: দৈনিক প্রথম আলো ও বিশ্ব জনসংখ্যা রিপোর্ট। (Link1) (Link2)

১,৮১২.
কোন সম্রাট বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্যের সূচনা করেন এবং রাজধানী কনস্টান্টিনোপল স্থাপন করেন?
  1. জুলিয়াস সিজার
  2. কনস্টানটাইন 
  3. থিওডোসিয়াস
  4. জাস্টিনিয়ান
ব্যাখ্যা

বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য:
- বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য ছিল মূলত পূর্ব রোমান সাম্রাজ্য।
- খ্রিস্টপূর্ব ৭৫৩ সালে ইতালির টাইবার নদীর তীরে রোম নগরী স্থাপিত হয়।
- এই নগরীর গোড়াপত্তন করেন রোমাস ও রমুলাস নামে দুই ভাই।
- এই বিশাল সাম্রাজ্য শাসনের জন্য ৩৩০ খ্রিস্টাব্দে রোমান সম্রাট কনস্টানটাইন সাম্রাজ্যের পূর্বাঞ্চলে কৃষ্ণসাগর তীরবর্তী বাইজান্টিয়াম নামক স্থানে দ্বিতীয় রাজধানী প্রতিষ্ঠা করেন এবং এর নামকরণ করেন কনস্টান্টিনোপল।
- পূর্ব রাজধানীকে কেন্দ্র করে রোমান সাম্রাজ্যের পূর্বাঞ্চল তথা পূর্ব ইউরোপ, পূর্ব-ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চল, কৃষ্ণসাগরীয় অঞ্চল, এশিয়া মাইনরসহ পশ্চিম এশিয়া অঞ্চল শাসিত হতো।

উল্লেখ্য,
- ১৪৫৩ খ্রিষ্টাব্দের ২৯ মে উসমানীয় সুলতান দ্বিতীয় মুহাম্মদ বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্যের রাজধানী কনস্টান্টিনোপল জয় করেন। আর এর মাধ্যমে বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্যের পতন বা সমাপ্তি সম্পন্ন হয়। 

উৎস: আধুনিক ইউরোপের ইতিহাস, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৮১৩.
ব্রিটেন ইউরোপীয়ান ইউনিয়নে যোগদান করে-
  1. ক) ১৯৫৮ সালে
  2. খ) ১৯৬৬ সালে
  3. গ) ১৯৭৩ সালে
  4. ঘ) ১৯৭৬ সালে
ব্যাখ্যা

- রোম চুক্তির মাধ্যমে ১৯৫৮ সালের ১ জানুয়ারি ইউরোপীয় ইকোনমিক কমিউনিটি তথা বর্তমানের ইউরোপীয়ান ইউনিয়ন গঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য দেশ ছিল ৬টি।
- ব্রিটেন ১৯৭৩ সালের ১ জানুয়ারি এতে যোগ দেয় এবং ২০২০ সালের ৩১ জানুয়ারি ৪৭ বছরের সম্পর্কের অবসান ঘটিয়ে ব্রিটেন ইইউ ত্যাগ করে।
উৎসঃ ইইউ ওয়েবসাইট।

১,৮১৪.
পৃথিবীর সর্বাধিক জনবহুল দেশ কোনটি?
  1. চীন
  2. রাশিয়া
  3. ভারত
  4. কানাডা
ব্যাখ্যা

বিশ্ব জনসংখ্যা প্রতিবেদন ২০২৪:
- বর্তামান সর্বাধিক জনবহুল দেশ ভারত। [অক্টোবর, ২০২৫]
- মোট জনসংখ্যা: ১,৪৬৩.৯ মিলিয়ন।
- ২য় জনবহুল দেশ: চীন।
- জনসংখ্যা: ১,৪১৬.১ মিলিয়ন।
- তৃতীয় জনবহুল দেশ যুক্তরাষ্ট্র।
- জনসংখ্যা: ৩৪৭.৩ মিলিয়ন।
- চতুর্থ জনবহুল দেশ ইন্দোনেশিয়া।
- জনসংখ্যা: ২৮৫.৭ মিলিয়ন।
- পঞ্চম জনবহুল দেশ পাকিস্তান।
- জনসংখ্যা: ২৫৫.২ মিলিয়ন।

উল্লেখ্য,
- বিশ্বের সবচেয়ে কম জনসংখ্যার দেশ হলো ভ্যাটিকান সিটি।

উৎস: World Population review [লিঙ্ক]l

১,৮১৫.
‘ইলিয়াড’ মহাকাব্যটি কোন যুদ্ধের পটভূমিতে রচিত?
  1. ট্রয় যুদ্ধ
  2. মেসোপটেমিয়ার যুদ্ধ
  3. গ্রিক-পার্সিয় যুদ্ধ
  4. পোলোপনেশীয় যুদ্ধ
ব্যাখ্যা

হোমারের মহাকাব্য:
- গ্রিক সভ্যতার ক্রমবিকাশে আদিকালকে 'হোমারিক যুগ' বলা হয়। গ্রিক কবি হোমারের নাম থেকে এ যুগের নামকরণ করা হয়। 
- ঐতিহাসিকদের মতে হোমার ছিলেন একজন অন্ধ কবি।
- বিখ্যাত কবি হোমার 'ইলিয়ড' এবং 'ওডিসি' নামে দুটি মহাকাব্য রচনা করেন।

• ইলিয়াড:
- ‘ইলিয়াড’ মহাকাব্যটি মূলত ট্রয় যুদ্ধের পটভূমিতে রচিত।

- এখানে হেলেনের অপহরণ এবং ট্রয় শহরের বিরুদ্ধে গ্রিসের যুদ্ধের কাহিনী বর্ণিত হয়েছে।
- বিশেষ করে গ্রিক বীর অ্যাকিলিস ও ট্রয়ের রাজপুত্র হেক্টরের দ্বন্দ্ব ও পরিণতি এই মহাকাব্যের মূল বিষয়বস্তু। 
- যুদ্ধের শেষ কয়েক সপ্তাহের ঘটনাকে কেন্দ্র করে এই মহাকাব্য রচিত।

• ওডিসি: এটি ট্রয়ের যুদ্ধের পর, গ্রিক নায়ক উলিসিসের বাড়ি ফেরার কাহিনী নিয়ে রচিত। এটি এক সাহসী অভিযানের গল্প, যেখানে উলিসিস বিভিন্ন বিপদ ও ভয়ংকর সত্ত্বার মুখোমুখি হয়।

উৎস: i) ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) Britannica.

১,৮১৬.
রোমের বিখ্যাত নাট্যশালার নাম কী?
  1. কলোসিয়াম
  2. প্যানথিয়ন
  3. লিকেনা
  4. ইপ্রেনন
ব্যাখ্যা

• কলোসিয়াম:
- কলোসিয়াম প্রাচীন রোমান সভ্যতায় গড়ে ওঠে।
- কলোসিয়াম হচ্ছে রোমানদের তৈরি এক বিশাল অ্যাম্ফিথিয়েটার বা নাট্যশালা।
- কালোসিয়ামের নির্মাণ কাজ শুরু হয় ৭২ খ্রিস্টাব্দে রোমান সম্রাট ভেসপেসিয়ান (Vespasian) এর শাসনামলে এবং তার পুত্র টিটাস (Titus) ৮০ খ্রিস্টাব্দে এটি সম্পূর্ণ করেন। পরে, সম্রাট ডমিশিয়ান (Domitian) কিছু সংস্কার কাজ করেন।
- কলোসিয়ামটি মূলত গ্ল্যাডিয়েটরদের লড়াই এবং অন্যান্য জনসমক্ষে অনুষ্ঠিত প্রদর্শনীগুলোর জন্য ব্যবহৃত হতো। 
- এর প্রাথমিক নাম ছিল ফ্ল্যাভিয়ান অ্যাম্ফিথিয়েটার। 
- এটি প্রায় ৫০,০০০ দর্শক ধারণক্ষম ছিল।
- ইউনেস্কো ১৯৯০ সালে কলোসিয়ামকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী অঞ্চল হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।

উৎস: i) Britannica.
ii) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।

১,৮১৭.
‘Ping Pong Diplomacy’ কোন দুটি দেশের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট?
  1. চীন ও যুক্তরাষ্ট্র
  2. চীন ও ভিয়েতনাম
  3. জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া
  4. উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়া
ব্যাখ্যা
Ping Pong Diplomacy:
- ‘Ping Pong Diplomacy’ চীন ও যুক্তরাষ্ট্র এই দুটি দেশের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট।
- যুক্তরাষ্ট্রের সাথে চীনের সম্পর্ক উন্নয়নে টেবিল টেনিস বা পিংপং খেলা গুরত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ইতিহাসে এই ঘটনা পিংপং ডিপ্লোমেসি নামে পরিচিত। পিং পং ডিপ্লোম্যাসির (Ping pong diplomacy) মাধ্যমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে চলা ২০ বছরের বৈরি সম্পর্কের সমাপ্তি ঘটে।

⇒ ১৯৪৯ সালে মাও সেতুং এর নেতৃত্বে চীনে কমিউনিজম প্রতিষ্ঠার পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সম্পর্কের অবনতি হয়।
- ১৯৭১ সালে জাপানের নাগোয়াতে অনুষ্ঠিত ৩১তম বিশ্ব টেবিল টেনিস চ্যাম্পিয়নশিপ প্রতিযােগীতায় আসা যুক্তরাষ্ট্রের টীমকে চীনে আমন্ত্রন জানিয়ে এই অচলবস্থা সহজ হয়ে আসে।
- ১৯৪৯ সালের পর কোনো মার্কিন প্রতিনিধির এটাই প্রথম চীন সফর।
- সেই ঐতিহাসিক সফরের পর চীন-মার্কিন সম্পর্কের ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মুক্ত হয়।

⇒ ১৯৭১ সালের জুলাইয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা উপদেষ্টা হেনরি কিসিঞ্জার এক গােপন সফরে চীন যান।
- ১৯৭২ সালে চীন তাদের টেবিল টেনিস টীম যুক্তরাষ্ট্র সফরে পাঠায়।
- ১৯৭১ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রেসিডেন্ট নিক্সন চীন সফরে যান এবং তারপর থেকে চীনের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক স্বাভাবিক হয়ে আসে।
- এটি চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক উন্নয়নে বড় অবদান রেখেছে।

উৎস: Britannica.
১,৮১৮.
নিম্নে উল্লিখিতদের মধ্যে কারা শরণার্থী নয়?
  1. বাংলাদেশে অবস্থিত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী
  2. তুরস্কে অবস্থিত সিরিয় জনগোষ্ঠী
  3. পোল্যান্ডে অবস্থিত ইউক্রেনীয় জনগোষ্ঠী
  4. পাকিস্তানে অবস্থিত আফগান জনগোষ্ঠী
ব্যাখ্যা
শরণার্থী:
- উদ্বাস্তু বা শরণার্থী হল এমন একজন ব্যক্তি বা গোষ্ঠী যারা নিপীড়ন, যুদ্ধ বা সহিংসতার কারণে তার দেশ থেকে পালাতে বাধ্য হয়েছেন।
- যুদ্ধ এবং জাতিগত, উপজাতি এবং ধর্মীয় সহিংসতা শরণার্থীদের তাদের দেশ থেকে পালিয়ে যাওয়ার প্রধান কারণ।
- সমস্ত শরণার্থী এবং আন্তর্জাতিক সুরক্ষার প্রয়োজন এমন অন্যান্য লোকের ৫২% তিনটি দেশ থেকে আসে - তা হলো: সিরিয়া , ইউক্রেন এবং আফগানিস্তান ।

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে যে, বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া এসব রোহিঙ্গা ‘শরণার্থী’ নয় বরং তারা “বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের নাগরিক”।
- তাই প্রদও অপশনের 'বাংলাদেশে অবস্থিত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী' সঠিক উত্তর হিসেবে অধিক গ্রহনযোগ্য।

উৎস: unrefugees.org এবং বিবিসি পত্রিকা রিপোর্ট।[লিঙ্ক]
১,৮১৯.
যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে স্নায়ুযুদ্ধ চলে-
  1. ক) 1939 - 1969
  2. খ) 1950 - 1990
  3. গ) 1947 - 1975
  4. ঘ) 1985 - 1991
ব্যাখ্যা
যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে স্নায়ুযুদ্ধ:
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরবর্তি সময়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন এর মধ্যে টানাপোড়া শুরু হয়।
- ১৯৪০ দশকের মাঝামাঝি থেকে ১৯৮০ দশকের শেষ অব্দি চলমান এই যুদ্ধ ইতিহাসে স্নায়ু যুদ্ধ নামে পরিচিত।
- ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের মাধ্যমে স্নায়ু যুদ্ধের অবসান ঘটে।
- ২৬ ডিসেম্বর, ১৯৯১ সালে আনুষ্ঠানিক ভাবে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতন ঘটে।
- তখন ১৫টি সোভিয়েত ইউনিয়ন স্বাধীন রাষ্ট্রে রুপান্তরিত হয়।
- রাষ্ট্র গুলো হলো : রাশিয়া, আজারবাইজান, আর্মেনিয়া, ইউক্রেন, উজবেকিস্থান, এস্তোনিয়া, কাজাকিস্থান, কিরগিজস্তান, জর্জিয়া, তুর্কমেনিস্তান, তাজিকিস্তান, বেলারুশ, মলদোভা, লিথুয়ানিয়া এবং লাটভিয়া ।

উৎস: Britannica.
১,৮২০.
মৃত্যু উপত্যকা কোথায় অবস্থিত?
  1. যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া
  2. যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া
  3. ভারতের মনিপুর
  4. পাকিস্তানের বেলুচিস্তান
ব্যাখ্যা
ডেথ ভ্যালি বা মৃত্যু উপত্যকা (Death Valley): 
- মৃত্যু উপত্যকা যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় অবস্থিত ।
- ডেথ ভ্যালি (Death Valley) হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের দক্ষিণ-পূর্বাংশে অবস্থিত একটি ভৌগোলিক নিম্নভূমি বা গহ্বর। 
- এটি উত্তর আমেরিকার সবচেয়ে নিচু, উষ্ণ এবং শুষ্ক অঞ্চল হিসেবে পরিচিত।
- অবস্থান: গ্রেট বেসিন (Great Basin) ও মোহাভে মরুভূমি (Mojave Desert)-এর সীমান্তবর্তী এলাকা। 
- এটি উত্তর আমেরিকার সবচেয়ে নিচু স্থান, যার সর্বনিম্ন বিন্দু বেডওয়াটার বেসিন (Badwater Basin), সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ২৮২ ফুট নিচে।
- এটি বিশ্বের অন্যতম গরমতম স্থান, গ্রীষ্মকালে তাপমাত্রা প্রায়শই ৫০°C ছাড়িয়ে যায়।
- বার্ষিক বৃষ্টিপাত খুবই কম, মাত্র কয়েক ইঞ্চি।

উৎস: Britannica.
১,৮২১.
ভুটানের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী কে?
  1. জিগমে দর্জি ওয়াংচুক
  2. জিগমে খেসার
  3. লোটে শেরিং
  4. শেরিং তোবগে
ব্যাখ্যা
ভুটানের প্রধানমন্ত্রী:
- ভুটানের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে।
- তিনি দেশটির রাজনৈতিক দল পিপলস ডেমোক্রেটিক পার্টির (পিডিপি) শীর্ষ নেতা।
- ৫৮ বছর বয়সী শেরিং তোবগে একাধারে রাজনীতিবিদ, পরিবেশ আন্দোলন নেতা এবং আইনজীবী।
- এর আগে ২০১৩ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত ভুটানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তিনি।

উল্লেখ্য,
- হিমালয় পার্বত্য অঞ্চলের দেশ ভুটানের পার্লামেন্ট দ্বিকক্ষবিশিষ্ট।
- পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির মোট আসন ৪৭টি।
- ৯ জানুয়ারি নির্বাচনে জয়ী হন প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে।
- ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির ৪৭টি আসনের ৩০টিতে জয় পেয়েছে পিডিপি। 

উৎস: ১০ জানুয়ারী ২০২৪, যুগান্তর।
১,৮২২.
পিনাটুবো পর্বত কোথায় অবস্থিত?
  1. জাপান
  2. ভুটান
  3. নেপাল
  4. ফিলিপাইন
ব্যাখ্যা
পিনাটুবো পর্বত:
- পিনাটুবো পর্বত (Mount Pinatubo) ফিলিপাইনের লুজন দ্বীপের পশ্চিম অংশে অবস্থিত।
- এটি একটি সক্রিয় আগ্নেয়গিরি।
- ১৯৯১ সালে এর সর্বশেষ বড় অগ্নুৎপাত ঘটে।

উল্লেখ্য,
- পিনাটুবো পর্বতের অগ্নুৎপাতের ফলে ফিলিপাইনের আশপাশের এলাকা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়, এবং প্রায় ১০০,০০০ মানুষ সরিয়ে নিতে বাধ্য হয়েছিল। 
- এটি একটি অন্যতম প্রাকৃতিক বিপর্যয়, যা বৈশ্বিক জলবায়ুতে কিছু সময়ের জন্য ঠান্ডা প্রভাব সৃষ্টি করে।

উৎস: Britannica.
১,৮২৩.
'গ্রিমসি দ্বীপ' (Grimsey Island) কোথায় অবস্থিত?
  1. গ্রিনল্যান্ড
  2. আইসল্যান্ড
  3. থাইল্যান্ড
  4. ফিনল্যান্ড
ব্যাখ্যা
গ্রিমসি দ্বীপ:
- 'গ্রিমসি দ্বীপ' (Grimsey Island) আইসল্যান্ড-এ অবস্থিত।

উল্লেখ্য,
- আইসল্যান্ডের উত্তর উপকূল থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত গ্রিমসে নামের এই ছোট্ট দ্বীপ ইউরোপের অন্যতম প্রত্যন্ত বসতি।
- এটা সামুদ্রিক পাখির সমৃদ্ধ আবাসস্থলও বটে।
- প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ঘেরা এই দ্বীপে হাতে গোনা মানুষের বাস।
- বাসিন্দাদের সেই সংখ্যাকে ছাপিয়ে যায় গ্রিমসের সামুদ্রিক পাখির সংখ্যা।
- এখানে হাসপাতাল নেই, পুলিশ স্টেশনও নেই। 
- এই দ্বীপ ৬.৫ বর্গ কিলোমিটার দীর্ঘ।
- গ্রিমসে কিন্তু দেশের উত্তরের শেষপ্রান্তে অবস্থিত এমন একটি দ্বীপ যেখানে জনবসতি রয়েছে।
- এটি আর্কটিক সার্কেলের মধ্যে অবস্থিত আইসল্যান্ডের একমাত্র অংশও বটে। 

উৎস: বিবিসি।
১,৮২৪.
সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের মাধ্যমে কয়টি স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্ম হয়?
  1. ক) ১৪ টি
  2. খ) ১৫ টি
  3. গ) ১৬ টি
  4. ঘ) ১৭ টি
ব্যাখ্যা
- ১৯২২ সালের ৩০ ডিসেম্বর ভ্লাদিমির ইলিচ লেনিনের নেতৃত্বে চারটি সমাজতান্ত্রিক সোভিয়েত রিপাবলিক (রাশিয়া, ট্রান্স ককেশাসিয়ান ফেডারেশন, ইউক্রেন ও বেলারুশ) একত্রিত হয়ে ইউনিয়ন অব সোভিয়েত স্যোশালিস্ট রিপাবলিক (ইউএসএসআর) বা সোভিয়েত ইউনিয়ন গঠন করে।
- পরবর্তীতে আরো বেশ কিছু দেশ ও অঞ্চল সোভিয়েত ইউনিয়নে যোগ দেয়।
- ১৯৯১ সালের ২৫ ডিসেম্বর সোভিয়েত ইউনিয়নের সর্বশেষ প্রেসিডেন্ট মিখাইল গর্বাচেভের পদত্যাগের মধ্য দিয়ে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতন ঘটে।
- সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে ১৫টি স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্ম হয়। এগুলো হলো:
- রাশিয়া
- ইউক্রেন
- বেলারুশ
- মোলদাভিয়া
- লিথুয়ানিয়া
- লাটভিয়া
- এস্তোনিয়া
- জর্জিয়া
- আর্মেনিয়া
- আজারবাইজান
- কাজাখস্তানত
- কিরগিজস্তান
- উজবেকিস্তান
- তাজিকিস্তান এবং
- তুর্কমেনিস্তান।

উৎস: ব্রিটানিকা এবং হিস্টোরি ওয়েবসাইট
১,৮২৫.
প্রাচীন বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য বর্তমান কোন দেশে অবস্থিত?
  1. তুরস্ক 
  2. মেক্সিকো
  3. মিশর
  4. পেরু
ব্যাখ্যা

বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য:
- বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য আনুমানিক ৩৯৫ খ্রিস্টাব্দ থেকে ১৪৫৩ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত বিদ্যমান ছিল।
- ১৫ শতকে অটোমান তুর্কি আক্রমণে পতনের আগে এটি বিশ্বের অন্যতম প্রধান সভ্যতায় পরিণত হয়েছিল।
- বাইজেনটাইন সাম্রাজ্যের রাজধানী ছিল কনস্টান্টিনোপল।
- বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য ভূমধ্যসাগরের আশেপাশের বেশিরভাগ ভূমি জুড়ে ছিল, যার মধ্যে বর্তমানে ইতালি, গ্রীস এবং তুরস্ক এবং উত্তর আফ্রিকা জুড়ে বিস্তৃত। 

⇒ প্রাচীন বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য বর্তমান তুরস্কে অবস্থিত।
- কনস্টান্টিনোপল আধুনিক তুরস্কের একটি প্রাচীন শহর যা এখন ইস্তাম্বুল নামে পরিচিত।
- খ্রিস্টপূর্ব ৭৫৩ সালে ইতালির টাইবার নদীর তীরে রোম নগরী স্থাপিত হয়।
- এই নগরীর গোড়াপত্তন করেন রোমাস ও রমুলাস নামে দুই ভাই।
- প্রথম দিকে ছিল এটা একটি বাণিজ্যিক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র।
- ক্রমে গ্রিক সভ্যতার পতন ৪৭৬ (খ্রি.) ঘটলে এই রোম সমগ্র ইতালি ও ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চল দখল করে এক বিশাল রোমান সাম্রাজ্য গড়ে তোলে।

উল্লেখ্য,
- এই বিশাল সাম্রাজ্য শাসনের জন্য রোমান সম্রাট কনস্টানটাইন কৃষ্ণসাগর তীরবর্তী বাইজান্টিয়াম নামক স্থানে দ্বিতীয় রাজধানী কনস্টান্টিনোপল প্রতিষ্ঠা করেন।
- এই নামকরণ করা হয়েছিল সম্রাট কনস্টানটাইনের নামানুসারে।

উৎস: i) History.com
         ii) আধুনিক ইউরোপের ইতিহাস, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৮২৬.
Nobel Laureate in peace in 2009 was awarded to
  1. ক) Bill Clinton
  2. খ) Dr. Yunus
  3. গ) Nelson Mandela
  4. ঘ) Barak Obama
  5. ঙ) Desmond Tutu
ব্যাখ্যা
নোবেল প্রাপ্ত মার্কিন প্রেসিডেন্ট:

- এ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক ৪ জন প্রেসিডেন্ট শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন।
- থিওডোর রুজভেল্ট ১৯০৬ সালে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন।
- উড্রো উইলসন ১৯১৮ সালে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন।
- জিমি কার্টার ২০০২ সালে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন। 
- বারাক ওবামা ২০০৯ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন।

তথ্যসূত্র - যুক্তরাষ্ট্রের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১,৮২৭.
হেলসিংকি কোন দেশের রাজধানী?
  1. ফিনল্যান্ড
  2. নরওয়ে
  3. সুইডেন
  4. ডেনমার্ক
ব্যাখ্যা
ফিনল্যান্ড (Finland):
- অবস্থান: উত্তর ইউরোপে অবস্থিত একটি দেশ।
- ইউরোপের সবচেয়ে বেশি বনভূমি থাকা দেশ; প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ বনাচ্ছাদিত।
- পশ্চিমে সুইডেন ও বোথনিয়া উপসাগর এবং পূর্বে রাশিয়া ও বন্যপ্রকৃতি অবস্থিত।
- ১২শ শতাব্দী থেকে ১৮০৯ সাল পর্যন্ত সুইডেনের অংশ ছিল।
- ১৮০৯ সালে রাশিয়ার অধীন গ্র্যান্ড ডাচি হয়।
- রুশ বিপ্লবের পর ৬ ডিসেম্বর, ১৯১৭ সালে স্বাধীনতা ঘোষণা করে।
- ১৯৪০-এর দশকে সোভিয়েত ইউনিয়নের কাছে কিছু ভূখণ্ড হারায় (যেমন পেটসামো ও দক্ষিণ-পূর্ব কারেলিয়া)।
- রাষ্ট্রপতি: আলেকজান্ডার স্টাব। 
- প্রধানমন্ত্রী: পেতেরি অরপো। 
- রাজধানী: হেলসিংকি। 
- জনসংখ্যা (২০২৫ আনুমানিক): ৫,৬৪২,০০০
- মুদ্রা: ইউরো (১ মার্কিন ডলার ≈ ০.৯৩৭ ইউরো)
- ১৯৪৮ সালে সোভিয়েতের সঙ্গে চুক্তি করে, তবে ১৯৯১ সালে তা বাতিল হয়।
- ১৯৫৫ সালে জাতিসংঘের সদস্য হয়।

উল্লেখ্য,
- নরওয়ের রাজধানী অসলো।
- সুইডেন এর রাজধানীর নাম স্টকহোম।
- ডেনমার্কের রাজধানী কোপেনহেগেন। 

উৎস: Britannica.
১,৮২৮.
বিখ্যাত ওয়াটারলু যুদ্ধ কবে সংঘটিত হয়?
  1. ১৮২১ সালে
  2. ১৮১৫ সালে
  3. ১৮১১ সালে
  4. ১৮১৭ সালে
ব্যাখ্যা
• ওয়াটারলু যুদ্ধ:
- বিখ্যাত ওয়াটারলু যুদ্ধক্ষেত্র বেলজিয়াম অবস্থিত।
-  বিখ্যাত 'ওয়াটার লু' যুদ্ধ সংঘটিত হয় ১৮১৫ সালে।
- এই যুদ্ধে পরাজিত হন ফরাসি বীর নেপোলিয়ন বোনাপার্ট।
- পরাজয়ের ফলে তাঁকে সেন্ট হেলেনা দ্বীপে নির্বাসনে দেওয়া হয়েছিল।
- তিনি ১৮২১ সালে মৃত্যুবরণ করেন।
- ওয়াটার লুর যুদ্ধে বিজয়ী সেনাপতির নাম - আর্থার ওয়েলেসলি (ডিউক অব ওয়েলিংটন)

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া অব ব্রিটানিকা।
১,৮২৯.
'অহিংসা পরম ধর্ম'- এটি কোন ধর্মাবলম্বীদের মূলমন্ত্র?
  1. হিন্দু
  2. খ্রিস্টান
  3. বৌদ্ধ
  4. ইহুদি
ব্যাখ্যা
• বৌদ্ধ ধর্ম: 
- বৌদ্ধ ধর্মের আবির্ভাব ঘটে হিন্দু ধর্মের কঠোর বর্ণবাদ ও ব্রাহ্মাণ্যবাদের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক প্রতিবাদ হিসেবে।
- সমাজে মানুষের সমানাধিকার, সার্বিক কল্যাণ ও সেবার নীতি নিয়েই বৌদ্ধ ধর্মের আবির্ভাব লক্ষ্য করা যায়।
- বৌদ্ধ ধর্মের প্রবর্তক মহান গৌতমবুদ্ধ।
- তিনি বর্ণবাদ ও ব্রাহ্মাণ্যবাদকে চরমভাবে ঘৃণা করতেন।
- বৌদ্ধ ধর্মের মূলমন্ত্র হচ্ছে 'অহিংসা পরম ধর্ম'।

• গৌতমবুদ্ধ বাস্তব দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে জগত ও জীবন অবলোকন করে চারটি সত্যে উপনীত হন। যথা:-
১) পৃথিবীর সবকিছুই দুঃখময়।
২) দুঃখের অবশ্যই কোন না কোন কারণ রয়েছে।
৩) দুঃখ নিরোধের কোন না কোন উপায় অবশ্যই আছে।
৪) দুঃখের নিরোধ সম্ভব এবং অবশ্যই সম্ভব।

এছাড়াও,
- তিনি দুঃখ নিরোধের পন্থা হিসেবে আটটি উপায়ের কথা বলেন। যেমন-
 ১। সৎজীবন ) সৎকর্ম ৩) সৎবাক্য ৪) সৎচিন্তা ৫) সৎ ইচ্ছা ৬) সৎচেষ্টা ৭) সৎ দৃষ্টি ও ৮) সৎ লোভ।

উৎস: সমাজকল্যাণ ১ম পত্র, এইচ এসসি, প্রোগ্রাম, উন্মক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৮৩০.
মাদিবা কার ডাকনাম?
  1. ক) নেলসন ম্যান্ডেলা
  2. খ) মাহাত্মা গান্ধী
  3. গ) মার্টিন লুথার কিং
  4. ঘ) রুজভেল্ট
ব্যাখ্যা
নেলসন ম্যান্ডেলা (Nelson Mandela):
- দক্ষিণ আফ্রিকায় কৃষ্ণাঙ্গ অধিকার প্রতিষ্ঠায় অবিসংবাদিত নেতা নেলসন ম্যান্ডেলা।
- তার ডাকনাম মাদিবা, তাতা, রোলিহ্লাহ্লা, ডালিভুঙ্গা ইত্যাদি।
- নেলসন ম্যান্ডেলার জন্ম - ১৯১৮ সালের ১৮ জুলাই দক্ষিণ আফ্রিকার মভেজোতে।
- তিনি ২০১৩ সালের ৫ ডিসেম্বর জোহানেসবার্গে মৃত্যুবরণ করেন।
- ১৯৪২ সালে তিনি রাজনীতিতে যোগ দেন। 
- ১৯৬০ সালে শ্বেতাঙ্গ নিয়ন্ত্রিত সরকার ANC এর কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে।
- ১৯৬২ সালে “Spear of the Nation” (ANC সদস্যদের নিয়ে গেরিলা আক্রমন শুরু করেন।
 - ম্যান্ডেলাকে “রোবেন দ্বীপ”– এর কারাগারে ১৯৬৪ সাল থেকে ১৯৮২ সাল পর্যন্ত অন্তরীণ রাখা হয়।
- পরবর্তীতে দক্ষিণ আফ্রিকায় কৃষ্ণাঙ্গদের আন্দোলন তীব্র হলে ১৯৮৯ সালে শেষ শ্বেতাঙ্গ প্রেসিডেন্ট এফ. ডি ক্লার্ক ম্যান্ডেলাকে মুক্তি দেওয়ার ঘোষণা দেন।
- ১৯৯০ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি দীর্ঘ ২৭ বছর কারাভোগের পর তিনি মুক্তি পান।
- ১৯৯৯ সালে তিনি স্বেচ্ছায় রাজনীতি থেকে অবসরে যান ।
- তিনি কারাগারে থাকার সময় তার কয়েদী নম্বর ছিলো - ৪৬৬ এবং কারাদন্ডের সাল মিলিয়ে ‘৪৬৬৬৪’ গঠন করা হয় যা মেন্ডেলার এইডস বিরোধী প্রচারণার নাম।
তিনি “Yes for the children” - এর প্রতিষ্ঠাতা।
⇒ তার রচিত বই - Long Walk to Freedom (Autobiography), Conversations With Myself, The Prison Letters of Nelson Mandela, I Am Prepared to Die, No Easy Walk to Freedom, The Struggle Is My Life, In His Own Words

তথ্যসূত্র: Britannica & History.com
১,৮৩১.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অঙ্গরাজ্য কয়টি?
  1. ৪৯টি
  2. ৫০টি
  3. ৫১টি
  4. ৫২টি
ব্যাখ্যা

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র:
- স্বাধীনতা লাভ করে - ৪ জুলাই, ১৭৭৬ সালে যুক্তরাজ্য থেকে।
- যুক্তরাষ্ট্রে জাতীয় দিবস - ৪ জুলাই।
- অঙ্গরাজ্য - ৫০টি।
- সর্বশেষ অঙ্গরাজ্য - হাওয়াই।
- পতাকায় তারকা সংখ্যা - ৫০ টি।
- আইনসভা - কংগ্রেস (দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট)।
- কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ এবং উচ্চকক্ষ সিনেট পরিষদ।
- যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান প্রেসিডেন্ট- ডোনাল্ড ট্রাম্প (৪৭ তম)। (ডিসেম্বর, ২০২৫)
- প্রথম প্রেসিডেন্ট - জর্জ ওয়াশিংটন।
- যুক্তরাষ্ট্রকে স্ট্যাচু অব লিবার্টি উপহার দেয় কোন দেশ - ফ্রান্স।
- যুক্তরাষ্ট্রে ক্রীতদাস প্রথা বিলোপকারী প্রেসিডেন্টের নাম - আব্রাহাম লিংকন।
- আব্রাহাম লিংকন ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের - ১৬ তম প্রেসিডেন্ট।
- যুক্তরাষ্ট্র থেকে ক্রীতদাস প্রথা বিলোপ হয় - ১৮৬৩ সালে।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যে প্রেসিডেন্ট কখনো হোয়াইট হাউজে বসবাস করেননি - জর্জ ওয়াশিংটন।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

১,৮৩২.
'আসাহি শিম্বুন' কোন দেশের সংবাদপত্র?
  1. নেপাল
  2. চীন
  3. জাপান
  4. ইরান
ব্যাখ্যা
সংবাদপত্র:
- আসাহি শিম্বুন জাপানের একটি শীর্ষ স্থানীয় দৈনিক পত্রিকা।
- সার্কুলেশন সংখ্যায় এটি বিশ্বের দ্বিতীয় শীর্ষ পত্রিকা।
- ১৮৭৯ সালের ২৫ জানুয়ারি এটি প্রথম প্রকাশিত হয়।

 বিভিন্ন দেশের বিখ্যাত কিছু পত্রিকা -
• হেরাল্ড ট্রিবিউন- যুক্তরাষ্ট্র (নিউইয়র্ক),
• ডেইলি মিরর - যুক্তরাজ্য (লন্ডন),
• দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল - যুক্তরাষ্ট্র (নিউইয়র্ক),
• দ্য গার্ডিয়ান - যুক্তরাজ্য,
• দ্য হাফিংটন পোস্ট - যুক্তরাষ্ট্র,
• টাইমস -  যুক্তরাজ্য,
• কায়হান - ইরান।

উৎস ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস ও ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।[লিঙ্ক]
১,৮৩৩.
আয়তনে বিশ্বের সবচেয়ে বড় মুসলিম প্রজাতন্ত্র কোনটি?
  1. ক) কাজাখস্তান
  2. খ) কিরগিজিস্তান
  3. গ) উজবেকিস্তান
  4. ঘ) আফগানিস্তান
ব্যাখ্যা
কাজাখস্তান:

- কাজাখস্তান বিশ্বের সবচেয়ে বড় মুসলিম প্রজাতন্ত্র
- কাজাখস্তানের আয়তন ২৭২৪৯০০ বর্গ কিলোমিটার।
- দেশটি পশ্চিমে ক্যাস্পিয়ান সাগর থেকে পূর্বে আলতায় পর্বতমালা পর্যন্ত বিস্তৃত।
- কাজাখস্তানের সর্বোচ্চ শিখর হল খান টেংরি
- সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নদীগুলির মধ্যে রয়েছে ইশিম, ইরতুশ, সির দায়রা, টোবোল এবং উরাল
- কাজাখস্তান হল বিশ্বের বৃহত্তম স্থলবেষ্টিত দেশ এবং বিশ্বের নবম বৃহত্তম দেশ। 
- কাজাখস্তানের রাজধানী নূর সুলতান
- কাজাখস্তান স্বাধিনতা লাভ করে ১৯৯১ সালে

তথ্যসূত্র - Worldatlas.com
১,৮৩৪.
‘মেগাস্থিনিস’ ছিলেন−
  1. ক) আলেকজান্ডারের প্রেরিত দূত
  2. খ) আলেকজান্ডারের প্রধান সেনাপতি
  3. গ) সেলুকাসের প্রেরিত দূত
  4. ঘ) সেলুকাসের প্রধান সেনাপতি
ব্যাখ্যা
- ‘মেগাস্থিনিস’ ছিলেন সেলুকাসের প্রেরিত দূত। 
- সিরিয়ার গ্রিক রাজা ছিলেন সেলুকাস। 
- ‘ইন্ডিকা’ গ্রন্থের রচয়িতা মেগাস্থিনিস। 
- এই গ্রন্থে চন্দ্রগুপ্তের ব্যক্তিগত জীবন ও শাসন ব্যবস্থার বিস্তৃত বর্ণনা আছে।
 
উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৮৩৫.
'বাস্তিল দুর্গ পতন' কোন বিপ্লবের সূচনাচিহ্ন?
  1. কিউবা বিপ্লব
  2. শিল্প বিপ্লব
  3. ফরাসি বিপ্লব
  4. রুশ বিপ্লব
ব্যাখ্যা
বাস্তিল দুর্গ:
- বাস্তিল দুর্গ ছিল ফরাসি রাজতন্ত্রের অত্যাচারের অন্যতম কেন্দ্র।
- এই বাস্তিল দুর্গে রাজতন্ত্রের বিরোধী ব্যক্তিদের বন্দি করে রাখা হতো ও অত্যাচার করা হতো।
- তাই জনগণের কাছে বাস্তিল দুর্গ ছিল ফরাসি রাজতন্ত্র, স্বৈরতন্ত্র এবং অত্যাচারের প্রতীক।
- ১৭৮৯ খ্রিষ্টাব্দে ফ্রান্সের বিদ্রোহী জনগণ বাস্তিল দুর্গ আক্রমণ করে ধ্বংস করেছিল।
- 'বাস্তিল দুর্গ পতন' ফরাসি বিপ্লবের সূচনাচিহ্ন। 

উল্লেখ্য,
- ১৭৮৯ সালের ১৪ জুলাই ফ্রান্সের প্যারিসে জনগণ বাস্তিল দুর্গ আক্রমণ করে ধ্বংস করেছিল।
- বাস্তিল দুর্গের পতন রাজতন্ত্রের পতনের দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ ছিল।
- দুর্গের পতনের মাধ্যমে সমস্ত বন্দিরাও মুক্তি পায় এবং রাজা ষোড়শ লুই-এর স্বৈরশাসনের অবসান হয়।
- রাজা জাতীয় পরিষদকে স্বীকৃতি দেন এবং এই সময় থেকে রাষ্ট্রের প্রকৃত ক্ষমতা আইনসভার হাতে চলে যায়।
- ফ্রান্সের প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণের সূচনা হয় এবং অভিজাততন্ত্রের পতন আসন্ন হয়ে ওঠে।

উৎস: Britannica.
১,৮৩৬.
হেইডেলবার্গ মানব এর নিদর্শন কোথায় পাওয়া যায়?
  1. ইন্দোনেশিয়া
  2. বেইজিং
  3. জার্মানি
  4. ইতালি
ব্যাখ্যা
হেইডেলবার্গ মানব:
- হোমো হাইডেলবার্গেনসিস , প্রাচীন মানুষের বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতি। 
- ১৯০৭ সালে জার্মানির হাইডেলবার্গের দক্ষিণ-পূর্বে মাউয়ার শহরের কাছে পাওয়া যায়।
- জার্মানির হেইডেলবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক উদ্ধার করেন।

জাভা মানব:
- ১৮৯১ সালে জাভার (ইন্দোনেশিয়া) সোলো নদীর তীরে প্রাপ্ত।

পিকিং মানব:
- ১৯২৯ সালে পিকিং (বেইজিং) এ প্রাপ্ত প্রাগৈতিহাসিক মানুষ।

উৎস: Britannica.
১,৮৩৭.
বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে বিরোধপূর্ণ সীমান্তবর্তী অঞ্চল -
  1. ক) হোনাইক্কা
  2. খ) মংডু
  3. গ) বাগোন
  4. ঘ) কালাও
ব্যাখ্যা
মংডু :
- মংডু হলো বাংলাদেশের কক্সবাজার সীমান্তে মিয়ানমারের একটি জেলা শহর।
- নাফ নদের মাধ্যমে মংডু ও বাংলাদেশের টেকনাফ শহর আলাদা হয়ে আছে।
- টেকনাফ-মংডু বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যকার একটি সীমান্ত বাণিজ্যও বটে।
- মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশের বাংলাদেশ ঘেঁষা শহর মংডু। বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা মোট ৩২টি। তার মধ্যে -
- ভারতের সাথে ৩০টি জেলার এবং
- মিয়ানমারের সাথে ৩টি (কক্সবাজার, রাঙ্গামাটি ও বান্দরবান) জেলার সীমান্ত রয়েছে।
- রাঙ্গামাটি একমাত্র জেলা যার সাথে ভারত ও মিয়ানমার ২টি দেশের সাথেই সীমান্ত রয়েছে।

উৎস: live MCQ লেকচার ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন ।
১,৮৩৮.
'কিউনিউফর্ম' লিপি কোন সভ্যতার উদ্ভাবন?
  1. মিশরীয়
  2. সুমেরীয়
  3. ক্যালডীয়
  4. ফিনিশীয়
ব্যাখ্যা

• সুমেরীয় সভ্যতা :
- মেসোপটেমিয়া সভ্যতার অন্তর্গত প্রাচীন সভ্যতা সুমেরীয় সভ্যতা ।
- সুমেরীয় জাতি মেসোপটেমিয়ার দক্ষিণাংশে এবং পারস্য উপকূল অঞ্চলে ৫০০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে বসবাস শুরু করে।
- এরা অ-সেমিটিক জাতিগোষ্ঠী।
-  লিখন পদ্ধতি সুমেরীয়রাই প্রথম শুরু করে।
- তাদের উদ্ভাবিত লিপির নাম - কিউনিফর্ম।
- কিউনিফর্ম লিপিতে লেখা মহাকাব্য- গিল-গামেশ।
- নগররাষ্ট্র নিয়ে প্রথম সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠিত করেন- সম্রাট ডুঙি।
- তাদের  বিখ্যাত দেবতা শামাশ (সূর্যদেবতা) ।

 তথ্যসূত্র: ইসলামের ইতিহাস প্রথম পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা।

১,৮৩৯.
বিশ্বে নারীরা প্রথম কখন ভোটাধিকার লাভ করে?
  1. ১৮৯৩ সালে
  2. ১৯০২ সালে
  3. ১৯০৬ সালে
  4. ১৯১৮ সালে
ব্যাখ্যা

নারীর ভোটাধিকার লাভ:
- বিশ্বে সর্বপ্রথম ১৮৯৩ সালে নিউজিল্যান্ডের নারীরা ভোটাধিকার লাভ করে।

পরবর্তীতে,
- ১৯০২ সালে অস্ট্রেলিয়া নারীরা ভোটাধিকার লাভ করে।
- ১৯০৬ সালে ফিনল্যান্ড নারীরা ভোটাধিকার লাভ করে।
- ১৯১৫ সালে ডেনমার্কের নারীরা ভোটাধিকার লাভ করে।
- ১৯১৮ সালে যুক্তরাজ্যের নারীরা নারীরা ভোটাধিকার লাভ করে।
- ১৯২০ যুক্তরাষ্ট্রের নারীরা ভোটাধিকার লাভ করে।

অন্যদিকে -
- মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে ১৯১৮ সালে কিরগিজস্তানের নারীরা প্রথম ভোটাধিকার লাভ করে।
- ১৯৩০ সালে তুর্কি নারীরা এবং ১৯৪৯ সালে আরববিশ্বে প্রথম সিরিয়ার নারীরা ভোটাধিকার লাভ করে।
- পাকিস্তান, ভারত ও বাংলাদেশের নারীরা ভোটাধিকার লাভ করে যথাক্রমে ১৯৪৭, ১৯৫০ এবং ১৯৭২ সালে।

উৎস: Ministry for Women New Zealand ওয়েবসাইট।

১,৮৪০.
যুক্তরাজ্যের কোন সাবেক প্রধানমন্ত্রী রাজনীতিবিদ হয়েও সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন?
  1. মার্গারেট থ্যাচার
  2. উইনস্টোন চার্চিল
  3. জেমস কালাহার
  4. জেমস ক্যামেরুন
ব্যাখ্যা
• যুক্তরাজ্য:
- সরকার ব্যবস্থা: সাংবিধানিক রাজতন্ত্র।
- সংবিধান: অলিখিত।
- সরকার প্রধান: প্রধানমন্ত্রী।
- বর্তমান প্রধানমন্ত্রী: ঋষি সুনাক (কনজারভেটিভ পার্টি)।
- প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী: মার্গারেট থ্যাচার।
- যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী উইনস্টোন চার্চিল রাজনীতিবিদ হয়েও সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন: ১০নং ডাইনিং স্ট্রিট।
- রাষ্ট্র প্রধান: রানি বা রাজা।
- বর্তমান রাষ্ট্রপ্রধান: রাজা তৃতীয় চার্লস।

উল্লেখ্য,
- ব্রিটিশ রাজপরিবারের বাসভবন: বাকিংহাম প্যালেস (লন্ডন)।
- ব্রিটেনের অর্থমন্ত্রীর বাসভবন: ১১ নং ডাইনিং স্ট্রিট।
- যুক্তরাজ্যের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় খেতাব: ভিক্টোরিয়া ক্রস।
- যুক্তরাজ্যের পতাকাকে বলা হয়: ইউনিয়ন জ্যাক।
- ব্রিটিশ শাসনতন্ত্রের বাইবেল এবং ইংল্যান্ডের প্রথম শাসনতন্ত্র বলা হয় ম্যাগনাকার্টাকে।

উৎস: Britannica.
১,৮৪১.
১৯৪৭ সালে উপমহাদেশের বিভক্তির সময় ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে নিরূপিত সীমারেখা-
  1. ক) র‌্যাডক্লিফ লাইন
  2. খ) ম্যাকমোহন লাইন
  3. গ) ডুরান্ড লাইন
  4. ঘ) ম্যানারহেইম লাইন
ব্যাখ্যা
১৯৪৭ সালে উপমহাদেশের বিভক্তির সময় ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে নিরূপিত সীমারেখা-র‌্যাডক্লিফ লাইন। 

১৯৪৭ সালের ৩রা জুন মাউন্টব্যাটেন তার ভারত বিভাগ পরিকল্পনা প্রকাশের পর ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সীমানা চিহ্নিতকরণের জন্যে ব্রিটিশ সরকার জুন মাসে স্যার সিরিল জন র‌্যাডক্লিফকে চেয়ারম্যান করে র‌্যাডক্লিফ কমিশন গঠন করে।
এই কমিশনের অধীন বেঙ্গল বাউন্ডারি কমিশন ও পাঞ্জাব বাউন্ডারি কমিশনের রিপোর্টের ভিত্তিতে র‌্যাডক্লিফ রোয়েদাদ প্রকাশ করা হয় যার ভিত্তিতে ভারত ভাগ হয়।

(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া)
১,৮৪২.
কিউবা বিপ্লবের ফলে বাতিস্তা সরকারের পতন ঘটে কবে? 
  1. ১৯৫৮ সালে 
  2. ১৯৫৯ সালে 
  3. ১৯৬০ সালে 
  4. ১৯৬২ সালে 
ব্যাখ্যা

• কিউবা বিপ্লব:
- কিউবার বিপ্লবী মহানায়ক ফিদেল কাস্ত্রো।
- কিউবার তৎকালীন প্রেসিডেন্ট বাতিস্তা ও কিউবার ওপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে বিপ্লবের ময়দানে সক্রিয় হন কাস্ত্রো।
- তার প্রথম পদক্ষেপ ছিল মেক্সিকো থেকে কিউবায় আক্রমণ চালানো।
- ১৯৫৬ সালের ২৫ নভেম্বর তিনি ও তার বিপ্লবী সহযোগীরা কিউবার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেন।
- পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গেই বাতিস্তার সেনাবাহিনীর আক্রমণে নাস্তানাবুদ হন।
- শুরুর দিকেই তাকে কারাবন্দী করে বাতিস্তা সরকার। কিউবার মানুষের মুক্তির জন্য গেরিলা যুদ্ধে নামেন কাস্ত্রো।
- এরই মধ্যে চে গুয়েভারার সঙ্গে ফিদেল কাস্ত্রোর গেরিলা যুদ্ধে পরিকল্পনা আরও বিস্তৃতি পায়।
- ফিদেল কাস্ত্রো তাকে গ্রেনেড তৈরির কারখানা, রুটি বানানোর জন্য চুল্লি প্রস্তুত এবং নিরক্ষর সঙ্গীদের লেখাপড়ার জন্য স্কুল তৈরির দায়িত্ব দেন। আচমকা হামলায় বাতিস্তা সরকার পর্যুদস্ত হয়ে পড়ে।
- সিয়েরা পর্বতমালা, শহর পেরিয়ে তারা হাভানায় ঢুকে পড়লে বাতিস্তা সরকার পালিয়ে যায়।
- বিপ্লবের ধাক্কায় ১৯৫৯ সালে পতন ঘটে কিউবার যুক্তরাষ্ট্র সমর্থিত একনায়ক ফ্লুজেনসিও বাতিস্তার, ১ জানুয়ারি বাতিস্তা দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান।

- জয়ী হন কাস্ত্রো, জয় হয় বিপ্লবের।
- বিপ্লবের নেতা, ফিদেল কাস্ত্রো, ১৯৫৯ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত কিউবা শাসন করেছিলেন।

উল্লেখ্য,
- কিউবা উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার মধ্যস্থলে অবস্থিত। কিউবা ৪০০ বছর ধরে স্পেনের একটি উপনিবেশ ছিল।
- কিউবা আশপাশের অনেকগুলো ছোট দ্বীপের সঙ্গে মিলে কিউবা প্রজাতন্ত্র গঠন করেছে।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা। 

১,৮৪৩.
জনপ্রিয় ‘Harry Potter’ সিরিজের লেখক কে?
  1. জে কে রাউলিং
  2. রোল্ড ডাহল
  3. রোনাল্ড জ্যাকস
  4. জ্যাকলিন উইলসন
ব্যাখ্যা
Harry Potter:
- হ্যারি পটার হলো সাত খন্ডের কাল্পনিক উপন্যাসের একটি সিরিজ।
- জনপ্রিয় ‘হ্যারি পটার’ সিরিজের লেখক হলেন জে কে রাউলিং।
- এই সিরিজের মোট উপন্যাস ৭টি।
- সাতটি উপন্যাস ১৯৯৭ সাল থেকে ২০০৭ সালেরে মধ্যে প্রকাশিত হয়।
- এই সিরিজের প্রথম উপন্যাস ‘হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্যা ফিলসফরাস স্টোন’।
- ‘হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্যা ডেডলি হ্যালোস’ হলো এই সিরিজের সপ্তম উপন্যাস।
- ২০০১ সালের ১৬ নভেম্বর মুক্তি পায় হ্যারি পটার সিরিজের প্রথম সিনেমা ‘হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্যা ফিলসফরাস স্টোন’।
- এই সিরিজের প্রতিটি সিনেমায় হ্যারি পটার, রন উইজলি ও হারমায়োনি গ্রেঞ্জারের ভূমিকায় অভিনয় করের যথাক্রমে ড্যানিয়েল র‍্যাডক্লিফ, রুপার্ট গ্রিন্ট ও এমা ওয়াটসন।
- জে কে রাউলিং মূল চরিত্রে অভিনয় করার জন্য নিজেই ড্যানিয়েল র‍্যাডক্লিফকে বেছে নিয়েছিলেন।
 
উল্লেখ্য,
- ইংল্যান্ডে জে কে রাউলিং-এর জন্ম ১৯৬৫ সালে।
- ১৯৯০ সালে ট্রেনে ম্যানচেস্টার থেকে লন্ডন যাওয়ার সময় হ্যারি পটার চরিত্রটির ভাবনা মাথায় আসে।
- ট্রেনে বসেই শুরু করেন লিখতে।
- তাঁর লেখা বইগুলো ৪০ কোটির বেশি কপি বিক্রি হয়, অনূদিত হয় প্রায় ৬৫টি ভাষায়। 
 
উৎস: Britannica.
১,৮৪৪.
সেভেন সিস্টার্সের কোন রাজ্যটির সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত নেই?
  1. আসাম
  2. নাগাল্যান্ড
  3. মিজোরাম
  4. মেঘালয়
ব্যাখ্যা
⇒ সেভেন সিস্টার্সের নাগাল্যান্ড রাজ্যটির সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত নেই।

সেভেন সিস্টার্স:

- উত্তর-পূর্ব ভারতের সাতটি রাজ্য সেভেন সিস্টার্স নামে পরিচিত।
- রাজ্যগুলো হচ্ছে - আসাম, অরুণাচল, মেঘালয়, ত্রিপুরা, মণিপুর, মিজোরাম ও নাগাল্যান্ড।
- ভারতের সেভেন সিস্টারস খ্যাত রাজ্যগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের সীমান্ত সংলগ্ন নয় মণিপুর, নাগাল্যান্ড এবং অরুণাচল রাজ্য।
- ভারতের মোট ৫টি রাজ্য বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী।
- এগুলো হলো: আসাম, ত্রিপুরা, মিজোরাম, মেঘালয় ও পশ্চিমবঙ্গ।

তথ্যসূত্র - ওয়ার্ল্ড এটলাস।
১,৮৪৫.
বার্লিন প্রাচীর তৈরি করেছিল?
  1. ক) সাবেক পূর্ব জার্মানি
  2. খ) সাবেক পশ্চিম জার্মানি
  3. গ) ইংল্যান্ড
  4. ঘ) দুই জার্মানি
ব্যাখ্যা

পশ্চিম জার্মানির পুঁজিবাদের ধাক্কা যেন কমিউনিস্ট শাসিত পূর্ব জার্মানিতে না লাগে, সেজন্য পূর্ব জার্মানির কমিউনিস্ট শাসকেরা ১৯৬১ সালে বার্লিন শহরের মাঝ দিয়ে তৈরি করে ১৫৫ কিলোমিটার দীর্ঘ কংক্রিটের প্রাচীর। যা বার্লিন প্রাচীর নামে পরিচিত।

উৎসঃ হিস্টরি.কম

১,৮৪৬.
গোবী মরুভূমি কোন ধরনের মরুভূমি?
  1. উষ্ণ মরুভূমি
  2. উপক্রান্তীয় মরুভূমি
  3. শীতল মরুভূমি
  4. উপকূলীয় মরুভূমি
ব্যাখ্যা

গোবী মরুভূমি (Gobi Desert):
- অবস্থান: এশিয়া মহাদেশ, উত্তর চীন ও দক্ষিণ মঙ্গোলিয়া জুড়ে বিস্তৃত।
- ধরন: শীতল মরুভূমি (Cold Desert) অর্থাৎ শীতল ও অত্যন্ত শুষ্ক জলবায়ু।
- আয়তন: প্রায় ১,৩০০,০০০ বর্গকিলোমিটার (৫,০০,০০০ বর্গমাইল)।
- বিশ্বে অবস্থান: পৃথিবীর বৃহত্তম মরুভূমিগুলির মধ্যে একটি।
- জলবায়ু বৈশিষ্ট্য: শীতে তাপমাত্রা প্রায় −৪০ °C পর্যন্ত নেমে যেতে পারে এবং গ্রীষ্মে ৪০ °C বা তারও বেশি হতে পারে।
- ভূগোল: অধিকাংশ অংশ পাথুরে বা খড়কুটোর মতো ভূমি; বালির টিলার পরিমাণ সীমিত।
- ঐতিহাসিক ও বৈজ্ঞানিক গুরুত্ব: সিল্ক রোড ও ডাইনোসরের ফসিলগুলোর জন্য পরিচিত।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১,৮৪৭.
স্বাধীনতা যুদ্ধকালীন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কয়টি অঙ্গরাজ্য ছিলো?
  1. ১৫টি
  2. ১৩টি
  3. ১০টি
  4. ১৮ টি
ব্যাখ্যা
• মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র:
- স্বাধীনতা লাভ করে - ৪ জুলাই, ১৭৭৬ সালে যুক্তরাজ্য থেকে।
- অঙ্গরাজ্য - ৫০ টি।
- ইলেক্টোরাল ভোটের সংখ্যা - ৫৩৮ টি।
- প্রতিষ্ঠাকালীন অঙ্গরাজ্য - ১৩ টি।
- সর্বশেষ অঙ্গরাজ্য -  হাওয়াই।
- আয়তনে বৃহত্তম অঙ্গরাজ্য -  আলাস্কা।
- কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ এবং উচ্চকক্ষ সিনেট পরিষদ।

- যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান প্রেসিডেন্ট- জো বাইডেন (৪৬ তম)।
- প্রথম প্রেসিডেন্ট - জর্জ ওয়াশিংটন।
- যুক্তরাষ্ট্রকে স্ট্যাচু অব লিবার্টি উপহার দেয় কোন দেশ - ফ্রান্স।
- যুক্তরাষ্ট্রে ক্রীতদাস প্রথা বিলোপকারী প্রেসিডেন্টের নাম  - আব্রাহাম লিংকন।
- আব্রাহাম লিংকন ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের - ১৬ তম প্রেসিডেন্ট।

সূত্র: ব্রিটানিকা ও হিস্টোরি ডট কম।
১,৮৪৮.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী ইউরোপের অর্থনৈতিক পুনর্গঠনের লক্ষ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কোন পরিকল্পনা গ্রহণ করে?
  1. ট্রুম্যান ডকট্রিন
  2. মার্শাল প্ল্যান
  3. নিউ ডিল
  4. মনরো ডকট্রিন
ব্যাখ্যা
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী ইউরোপের অর্থনৈতিক পুনর্গঠনের লক্ষ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র "মার্শাল প্লান" গ্রহণ করে।

মার্শাল প্লান:

- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী ইউরোপের অর্থনৈতিক পুনর্গঠনের লক্ষ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১৯৪৮ সালে "মার্শাল প্লান" গ্রহণ করে।
- এই পরিকল্পনা প্রণয়ন করেন তৎকালীন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জর্জ সি. মার্শাল, তিনি ১৯৪৭ সালের ৫ জুন হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে এক বক্তৃতায় এর ঘোষণা দেন।
- মার্শাল পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য ছিল যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউরোপকে আর্থিক সহায়তা দিয়ে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা, যাতে রাজনৈতিক অস্থিরতা ও কমিউনিজমের বিস্তার ঠেকানো যায়।
- ১৯৪৮ সালে প্রেসিডেন্ট হ্যারি ট্রুম্যান পরিকল্পনাটিতে স্বাক্ষর করেন এবং এটি কার্যকর হয়। চার বছরের এ পরিকল্পনায় যুক্তরাষ্ট্র ইউরোপের ১৬টি দেশকে প্রায় ১৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্থ সহায়তা প্রদান করে, যার বড় অংশ পেয়েছিল ব্রিটেন ও ফ্রান্স।
- এটি ছিল ট্রুম্যান নীতির একটি বাস্তব রূপ, এর মাধ্যমে সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রভাব রোধ করা হয়েছিল।
- রাশিয়া ও পূর্ব ইউরোপীয় দেশগুলো এ পরিকল্পনাকে আমেরিকার 'সাম্রাজ্যবাদী কৌশল' বলে কঠোরভাবে সমালোচনা করেছিল।

অন্যদিকে:
- ট্রুম্যান ডকট্রিন: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর স্নায়ুযুদ্ধের সময়কালে কমিউনিজম ও সোভিয়েত প্রভাব ঠেকাতে যুক্তরাষ্ট্রের পবর্তিত পররাষ্ট্রনীতির নাম - ট্রুম্যান ডকট্রিন (Truman Doctrine)।
- মনরো ডকট্রিন ১৮২৩ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জেমস মনরো দ্বারা ঘোষিত একটি নীতি।

সূত্র: ব্রিটানিকা ও হিস্টোরি ডট কম, বিশ্বরাজনীতির ১০০ বছর - ড. তারেক শামসুর রেহমান।
১,৮৪৯.
অভিন্ন মুদ্রা ‘ইকো’ কোন অঞ্চলে প্রচলিত হতে যাচ্ছে-
  1. ক) ইন্দোচীন
  2. খ) দক্ষিন আমেরিকা
  3. গ) মধ্য এশিয়া
  4. ঘ) পশ্চিম আফ্রিকা
ব্যাখ্যা
পশ্চিম আফ্রিকার ১৫ টি দেশের সংগঠন Economic Community of West African States (ECOWAS) এর আটটি দেশ বেনিন, বারকিনা ফাসো, আইভরিকোস্ট, মালি, নাইজার, সেনেগাল ও টোগো তাদের দেশে চালু ফ্রাংক ‍মুদ্রার পরিবর্তে ‘ইকো’ নামে অভিন্ন মুদ্রা চালু সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ২৯ জুন ২০১৯ নাইজেরিয়ায় অনুষ্ঠিত সংস্থাটির ৫৫তম সম্মেলনে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ২০২০ সালে ইকো মুদ্রা চালু হওয়ার কথা। (সূত্র: ডয়েচভেলে)
১,৮৫০.
প্রথম বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে শান্তি প্রতিষ্ঠায় চৌদ্দদফা প্রস্তাবনা (Fourteen Points) পেশ করেন-
  1. ক) উড্রো উইলসন
  2. খ) হ্যারি এস ট্রুম্যান
  3. গ) ফ্রান্সিকো ফ্রাঙ্কো
  4. ঘ) উইনস্টন চার্চিল
ব্যাখ্যা
২৮তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন ১৯১৮ সালের ৮ জানুয়ারি মার্কিন কংগ্রেসে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে শান্তি প্রতিষ্ঠায় চৌদ্দদফা প্রস্তাবনা (Fourteen Points) পেশ করেন।
এই প্রস্তাবনার ১৪ নং পয়েন্টে জাতিপুঞ্জ প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়।
উৎসঃ history.com।
১,৮৫১.
গ্রিনল্যান্ড দ্বীপ কোন মহাসাগরে অবস্থিত? 
  1. প্রশান্ত মহাসাগর
  2. আটলান্টিক মহাসাগর
  3. ভূমধ্যসাগর
  4. লোহিত সাগর 
ব্যাখ্যা

• গ্রিনল্যান্ড: 
- গ্রিনল্যান্ড, বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপ।
- উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরে অবস্থিত। 
- যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের মাঝখানে থাকা গ্রিনল্যান্ড বিশ্বের সবচেয়ে বড় দ্বীপ হিসেবে পরিচিত।
- গ্রিনল্যান্ড ইউরোপসহ বিভিন্ন দেশের আবহাওয়া ও জলবায়ু নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা পালন করছে।
- গ্রীনল্যান্ড (কালাল্লিত নুনাত) তার বিশাল তুন্দ্রা এবং বিশাল হিমবাহের জন্য বিখ্যাত।
- যদিও গ্রিনল্যান্ড ডেনমার্কের রাজ্যের অংশ।
- দ্বীপের স্বরাষ্ট্র-শাসন সরকার বেশিরভাগ অভ্যন্তরীণ বিষয়গুলির নিজেরা শাসন করে।
- গ্রীনল্যান্ডের রাজধানী নুউক (গডথাব)।

উৎস: Britannica.

১,৮৫২.
ইসরায়েল কত সালে পূর্ব জেরুজালেম দখল করেছিল?
  1. ১৯৬৫ সালে 
  2. ১৯৬৭ সালে 
  3. ১৯৭৩ সালে 
  4. ১৯৮৮ সালে 
ব্যাখ্যা

ইসরায়েল ছয় দিনের যুদ্ধের সময় ১৯৬৭ সালে, পূর্ব জেরুজালেম দখল করে নেয়। 

৩য় আরব ইসরাইল যুদ্ধ:
- ৩য় আরব ইসরাইল যুদ্ধ সংঘটিত হয় ১৯৬৭ সালে।
- এই যুদ্ধের স্থায়িত্ব ছিল মাত্র ৬ দিন।
- এটি ছয় দিনের যুদ্ধ বা জুন যুদ্ধ নামেও পরিচিত।
- ৫ - ১০ জুন পর্যন্ত মাত্র ছয় দিনের এ যুদ্ধ মধ্যপ্রাচ্যের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছিল।

⇒ ইসরায়েল মিসরের বিমানবাহিনীর ওপর নিবৃত্তিমূলক হামলা চালালে এই যুদ্ধ শুরু হয়। কারণ, মিসর সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, তারা গাজা ও সিনাই উপদ্বীপ থেকে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী সদস্যদের বিতাড়ন করবে। একই সঙ্গে তারা তিরান প্রণালি দিয়ে ইসরায়েলের জাহাজ চলাচলও বন্ধ করে দিয়েছিল। 
- ছয় দিন যুদ্ধের পর ইসরায়েল সিনাই উপদ্বীপ, গাজা উপত্যকা, গোলান উপত্যকা, পশ্চিম তীর ও পুরো জেরুজালেম দখল করে নেয়। 

⇒ ১৯৬৭ সালের মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের পর থেকেই পূর্ব জেরুজালেম দখল করে রেখেছে ইসরায়েল।
- পুরো শহরকে তারা নিজেদের রাজধানী বলে মনে করলেও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের বেশিরভাগ দেশ তাতে স্বীকৃতি দেয়নি।
- ফিলিস্তিনিরা দাবি করে, পূর্ব জেরুজালেম হবে তাদের স্বাধীন দেশের রাজধানী।

উলেখ্য,
- জেরুজালেমকে কেন্দ্র করে ফিলিস্তিন ও ইসরায়েল সংঘাত এখনো চলমান।

উৎস: i) UN ওয়েবসাইট।
ii) BBC.

১,৮৫৩.
আয়তনে ইন্দোনেশিয়ার একক মালিকানাধীন বৃহত্তম দ্বীপ-
  1. ক) বোর্নিও
  2. খ) সুমাত্রা
  3. গ) জাভা
  4. ঘ) নিউগিনি
ব্যাখ্যা
সুমাত্রা ইন্দোনেশিয়ার পশ্চিমে অবস্থিত একটি দ্বীপ। যার আয়তন ১৮৪,৯৫৪ বর্গ মাইল। এককভাবে ইন্দোনেশিয়ার দ্বীপ হিসেবে সুমাত্রা বৃহত্তম (এ অঞ্চলে নিউগিনি আর বোর্নিও সুমাত্রার চেয়ে বড় হলেও এসব দ্বীপে অন্য দেশের অংশ রয়েছে)। জাভা ইন্দোনেশিয়ার অনেক দ্বীপপুঞ্জের মধ্যে সর্বাধিক জনবহুল হিসাবে তালিকার শীর্ষে রয়েছে। জাভা এর জমির ক্ষেত্রফল ৫৩,৫৮৯ বর্গমাইল। ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী এবং বৃহত্তম শহর জাকার্তা জাভা দ্বীপে অবস্থিত।
[সূত্রঃ worldatlas ওয়েবসাইট]
১,৮৫৪.
‘ক্রেমলিন’ কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) বেইজিং
  2. খ) মস্কো
  3. গ) লন্ডন
  4. ঘ) নেপাল
ব্যাখ্যা
ক্রেমলিন:

- ক্রেমলিন হলো রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবন।
- এটি মস্কোর প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত।
- বলশেভিক বিপ্লবের পূর্বে এটি জারদের বাসভবন হিসেবে ব্যবহৃত হতো।
- সোভিয়েত আমলে ক্রেমলিন ক্ষমতার প্রধানকেন্দ্রে পরিণত হয়।

তথ্যসূত্র - ক্রেমলিন ওয়েবসাইট ও ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক ওয়েবসাইট।
১,৮৫৫.
পিকেকে কোন দেশ ভিত্তিক মিলিশিয়া সংগঠন?
  1. ক) তুরস্ক
  2. খ) সিরিয়া
  3. গ) ইরাক
  4. ঘ) ইরান
ব্যাখ্যা
- PKK (Partiya Karkeren Kurdistan) বা কুর্দিস্তান ওয়ার্কাস পার্টি হলো তুরস্কের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের কুর্দিদের একটি মিলিশিয়া ও রাজনৈতিক সংগঠন।
- ১৯৭৮ সালে আব্দুল্লাহ ওচালান এটি প্রতিষ্ঠা করেন।
- পিকেকে তুরস্কের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে একটি কুর্দি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় দীর্ঘদিন ধরে সংগ্রাম করে আসছে।
- তুরস্ক সরকার পিকেকে গোষ্ঠীকে নির্মূলের লক্ষ্যে সিরিয়া ও উত্তর ইরাকে সামরিক তৎপরতা চালিয়ে আসছে।

তথ্যসূত্র:- কুর্দিস্তান প্রজেক্ট এবং বিবিসি ওয়ার্ল্ড।
১,৮৫৬.
"দ্য বিগ অ্যাপেল" বলা হয় কোন শহর কে?
  1. নিউ ইয়র্ক
  2. ওয়াশিংটন
  3. ক্যালিফোর্নিয়া 
  4. ভার্জিনিয়া 
ব্যাখ্যা

- নিউ ইয়র্ক সিটি অনেক ডাকনামে পরিচিত।
- যেমন: "সেই শহর যা কখনো ঘুমায় না" বা "গথাম"।
- সবচেয়ে জনপ্রিয় ডাকনাম হলো "দ্য বিগ অ্যাপেল"।
- এই শব্দগুচ্ছের ব্যবহার ১৯০০-এর দশকের গোড়ায় নথিভুক্ত হয়েছে।
- প্রথম জনপ্রিয়তা পায় ১৯২০-এর দশকে, যখন জন জে. ফিটজ জেরাল্ড, একজন ক্রীড়া লেখক, "অ্যারাউন্ড দ্য বিগ অ্যাপেল" নামে ঘোড়দৌড় সম্পর্কে একটি কলাম শুরু করেছিলেন।
- তবে, ১৯৭০-এর দশকে একটি পর্যটন প্রচারণার আগে পর্যন্ত "দ্য বিগ অ্যাপেল" নিউ ইয়র্ক সিটির সমার্থক হয়ে ওঠেনি।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১,৮৫৭.
নিচের কোনটি বাফার স্টেট?
  1. বেলজিয়াম
  2. মঙ্গোলিয়া
  3. নেপাল
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
বাফার রাষ্ট্র:
- বাফার স্টেট হচ্ছে এমন সব দেশ, যেসব দেশ আয়তনে ছোট, কিন্তু দুটি দেশের মাঝে বিদ্যমান এবং দুই দেশের নিরপেক্ষ সীমা নির্দেশ করে।
- বেলজিয়াম (জার্মানি-ফ্রান্সের মাঝে), নেপাল ও ভুটান (ভারত-চীন) এবং মঙ্গোলিয়া (চীন-রাশিয়ার মাঝে) বাফার স্টেটের উদাহরণ।

উৎস: ২৯ মে ২০২৩, প্রথম আলো।
১,৮৫৮.
নিচের কোনটি রাশিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ত মহাকাশ সংস্থা?
  1. Spetsnaz
  2. Rostec
  3. Roscosmos
  4. Kosmicheskikh
ব্যাখ্যা
- রাশিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ত মহাকাশ সংস্থা Roscosmos.
- রাশিয়া সরকারের সহযোগিতায় ২০২৬ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে দেশের দ্বিতীয় কৃত্রিম উপগ্রহ ‘বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-২’ নির্মাণ ও উৎক্ষেপণের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ সরকার।
- আর্থ অবজারভেটরি ক্যাটাগরির স্যাটেলাইটটি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ করতে ব্যবহৃত হবে।
- এতে অপটিক্যাল ভিএইচআর-সার (Synthetic Aperture Radar-SAR) ব্যবহার করে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের ভূমি ও সমুদ্র এলাকার ছবি তোলা যাবে।
- 'বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-২’ প্রস্তুত ও উৎক্ষেপণ করবে - Glavkosmos, রাশিয়া।
- এটি রাশিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ত মহাকাশ সংস্থা Roscosmos এর অঙ্গ প্রতিষ্ঠান।
- এ সংক্রান্ত চুক্তি সই করেছে বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি (BSCL)।
- ২ ফেব্রুয়ারি ২০২২ এ চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।

তথ্যসূত্র- বিডি নিউজ ও Live MCQ সাম্প্রতিক সমাচার - মার্চ, ২০২২।
১,৮৫৯.
বিশ্বের প্রাচীন রেস্তোরার নাম কী?
  1. কাসা বোতিন
  2. কাসাব্লাঙ্কা
  3. কাসা বেতিন
  4. লুই ফ্রেসকো
ব্যাখ্যা
বিশ্বের প্রাচীন রেস্তোরার নাম 'কাসা বোতিন'।

• বিশ্বের প্রাচীনতম রেস্তোরা:
- বিশ্বের প্রাচীনতম রেস্তোরা 'কাসা বোতিন'  স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদ শহরে অবস্থিত।
- গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড বুক অনুসারে, এটিই বিশ্বের প্রাচীনতম রেস্তোরাঁ।
- প্রাচীন রেস্তোরাঁটির পুরনো সব মেন্যু এখনও চালু রয়েছে।
- স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদের বিখ্যাত প্লাসা মাইয়র স্কয়ার প্রায় ৪০০ বছরের পুরনো।

উৎস: Restaurante Botin ওয়েবসাইট।
১,৮৬০.
চীনের জিনজিয়াং অঞ্চলে বসবাসকারী উইঘুর জাতি-
  1. তুর্কি বংশোদ্ভুত
  2. পাকিস্তান বংশোদ্ভুত
  3. ইরান বংশোদ্ভুত
  4. প্যালেস্টাইন বংশোদ্ভুত
ব্যাখ্যা

উইঘুর জাতি:
- চীনের জিনজিয়াং অঞ্চলে বসবাসকারী তুর্কি বংশোদ্ভুত মুসলিম সম্প্রদায়।

এছাড়াও,
- কুর্দি জাতি পশ্চিম এশিয়ার কুর্দিস্তানের পার্বত্য অঞ্চলের স্থানীয় একটি ইরানি জাতিগোষ্ঠী, যারা দক্ষিণ-পূর্ব তুরস্ক, উত্তর-পশ্চিম ইরান, উত্তর ইরাক এবং উত্তর সিরিয়ায় বাস করে।
- মাউরি: নিউজিল্যান্ডের আদিবাসী।
- তাতার: তাতার জাতি হল তুর্কি জাতিগোষ্ঠির অন্তর্ভুক্ত একটি উপজাতি, যারা প্রধানত ইউরোপ ও এশিয়ায় বসবাস করে।
- কারেন: স্বাধীনতাকামী মিয়ানমারের সীমান্তবর্তী উপজাতি।
- গুর্খা: নেপালের যোদ্ধা জাতি।
- টোডা: বহুস্বামী বিবাহ ভিত্তিক পরিবার দক্ষিণ ভারতীয় এই উপজাতিদের।
- পশতুন: আফগানিস্তানের সংখ্যাগরিষ্ঠ জাতিগোষ্ঠী।
- এক্সিমো: সাইবেরিয়া রাশিয়া অঞ্চলে বসবাস (কুকুর চালিত স্লেজ গাড়ি ব্যবহার করে)।
- পিগমি: পৃথিবীর সবচেয়ে খর্বকার উপজাতি।
- জুলু: দক্ষিণ আফ্রিকার নিগ্রো জাতি।
- রেড ইন্ডিয়ান: আমেরিকার আদিবাসী।
- আফ্রিদি: বর্তমান পাকিস্তানের এক পশতুন নৃগোষ্ঠী, যাদের কিছু অংশ আফগানিস্তানেও বসবাস করে।

উৎস: i) Britannica.
         ii) History.com.

১,৮৬১.
নেপালে ধর্মনিরপেক্ষ প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা হয় কত সালে?
  1. ২০০৪ সালে
  2. ২০০৮ সালে
  3. ২০১০ সালে
  4. ২০১২ সালে
ব্যাখ্যা
নেপাল:
- ১৭৬৯ সালে নেপালে রাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়।
- নেপালের সর্বশেষ রাজা ছিলেন জ্ঞানেন্দ্র বীর বিক্রম শাহ।
- ২০০১ সালে রাজা হওয়ার পর ২০০৫ সালে সংবিধান স্থগিত করে তৎকালীন পার্লামেন্ট বিলুপ্ত ঘোষণা করেছিলেন জ্ঞানেন্দ্র।
- এ সময় মাওবাদীরা মূলধারার রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে মিলে বড় ধরনের বিক্ষোভ শুরু করেন।
- ২৮ মে, ২০০৮-এ, নবনির্বাচিত গণপরিষদ নেপালকে একটি ফেডারেল ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক ঘোষণা করে।
- এর মাধ্যমে নেপালের পার্লামেন্টে ২০০৮ সালে রাজতন্ত্র আনুষ্ঠানিকভাবে বিলুপ্ত করে ধর্মনিরপেক্ষ প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- এভাবে ২৪০ বছরের পুরোনো রাজতন্ত্র বিলুপ্ত করে।

তথ্যসূত্র: নিউজ রিপোর্ট। [Link]
১,৮৬২.
জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের বর্তমান চেয়ারম্যান-
  1. ক) মিজানুর রহমান
  2. খ) নাসিমা বেগম
  3. গ) ইকবাল মাহমুদ
  4. ঘ) রানি হামিদ
ব্যাখ্যা
জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের বর্তমান চেয়ারম্যান - নাসিমা বেগম।
তাঁর পূর্বে চেয়েরম্যান ছিলেন অধ্যাপক মিজানুর রহমান।
দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ।
রানী হামিদ দেশের বিখ্যাত মহিলা দাবাড়ু।
উৎসঃ জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের ওয়েবসাইট।
১,৮৬৩.
১৯৭৪ সালের ১৭ই সেপ্টেম্বর বাংলাদেশের সঙ্গে আর কোন দেশগুলো জাতিসংঘের সদস্য পদ লাভ করে?
  1. ক) গ্রানাডা ও গিনি বিসাউ
  2. খ) ফিজি ও গিনি বিসাউ
  3. গ) গ্রানাডা ও নাউরু
  4. ঘ) নাউরু ও ফিজি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সঙ্গে গ্রানাডা ও গিনি বিসাউ জাতিসংঘের সদস্য পদ লাভ করে।

• জাতিসংঘ:
- স্বাধীনতার পর ৮ আগস্ট, ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদের জন্য আবেদন করে।
- ১০ আগস্ট, ১৯৭২ সালে চীন বাংলাদেশের সদস্যপদের বিরুদ্ধে ভেটো প্রদান করে। স্থায়ী সদস্য হওয়ার পর এটি ছিল চীনের প্রথম ভেটো।
- ১৯৭২ সালের ১৭ অক্টোবর জাতিসংঘে পর্যবেক্ষকের মর্যাদা লাভ করে।

- জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ২৯তম অধিবেশনে ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ সংস্থাটির ১৩৬তম সদস্যপদ লাভ করে।
- একই অধিবেশনে একই দিন ১৩৭তম সদস্য হিসেবে গ্রানাডা এবং ১৩৮তম সদস্য হিসেবে গিনি বিসাউ জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে।

তথ্যসূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
১,৮৬৪.
আরব বসন্তের ফলে কোন দেশে দীর্ঘমেয়াদী গৃহযুদ্ধ শুরু হয়েছিল?
  1. আলজেরিয়া
  2. সিরিয়া
  3. লিবিয়া
  4. মিশর
ব্যাখ্যা
আরব বসন্তের ফলে সিরিয়ায় দীর্ঘমেয়াদী গৃহযুদ্ধ শুরু হয়েছিল।

আরব বসন্ত: 

- আরব বসন্ত বলতে আরবের বিভিন্ন দেশের গণজাগরণকে বুঝায়।
- ২০১০ সালের শেষের দিকে শুরু হওয়া আরব রাষ্ট্রগুলোর জনগণের বিভিন্ন দাবিতে বিক্ষোভ ও আন্দোলন সংগঠিত হয় বলে এটি আরব বসন্ত বা আর রবিউল আরাবি নামে বিশ্বব্যাপী পরিচিত হয়ে ওটে।
- এই আন্দোলনের মাধ্যমে এই অঞ্চলের বহু দেশেই দীর্ঘকাল ধরে শাসনকারী স্বৈরশাসকরা ক্ষমতা থেকে উৎখাত হন।

⇒ আরব বসন্তের সূচনা হয় তিউনিসিয়ায় জেসমিন বিপ্লবের মাধ্যমে।
- ২০১০ এবং ২০১১ সালে মধ্যপ্রাচ্য এবং উত্তর আফ্রিকায় গণতন্ত্রপন্থী বিক্ষোভ এবং বিদ্রোহের ঢেউ শুরু হয়েছিল।
- এই বিক্ষোভ পরে মিশর, লিবিয়া, সিরিয়া, ইয়েমেনসহ বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে যায়।
- ২০১১ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি ক্ষমতা থেকে বিদায় নেন মিশরের প্রেসিডেন্ট হোসনি মুবারক। পরে লিবিয়ায় মুয়াম্মর আল-গাদ্দাফি জমানার অবসান হয়। জর্ডানের বাদশাহ আবদুল্লাহ নতুন প্রধানমন্ত্রীর নাম ঘোষণা করেন।  নভেম্বরে ইয়েমেনের রাষ্ট্রপতি আলী আবদুল্লাহ সালেহ মনসুর আল হাদির কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করেন। লিবিয়ার ৪২ বছরের শাসক গাদ্দাফির পতন ঘটেছে। এ ছাড়া আলজেরিয়া, বাহরাইন, ইরান, মরক্কোয় বড় ধরনের বিদ্রোহ হয়। তবে লেবানন, মৌরিতানিয়া, সৌদি আরব, সুদান এবং পশ্চিম সাহারায় বড় ধরনের না হলেও বিক্ষোভ দেখা যায়।

উল্লেখ্য,
- ২০১৫ সালের আগস্ট পর্যন্ত জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী ২ লাখ ৫০ হাজার মানুষের প্রাণহানি হয়েছে আরব বিশ্বের এই দেশটিতে। তারপরও ক্ষমতা থেকে নেমে যাওয়ার বিন্দুমাত্র ইচ্ছা প্রকাশ করতে দেখা যায়নি আসাদ সরকারকে। 
- ২০১১ সালে সিরিয়ার গৃহযুদ্ধ শুরু হয়।
- ২০১১ সালে সিরিয়ার রাষ্ট্রপতি বাশার আল-আসাদ সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ শুরু হয়।
- এই বিক্ষোভের মূল কারণ ছিল, সিরিয়ার নাগরিকরা সরকারের স্বৈরাচারী শাসন, মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং অর্থনৈতিক দুরবস্থা নিয়ে ক্ষুব্ধ ছিল।
- আন্দোলনটি দ্রুত সিরিয়ার অন্যান্য অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে এবং এটি এক পর্যায়ে সরকার বিরোধী সহিংস গৃহযুদ্ধে পরিণত হয়।
- টানা গৃহযুদ্ধের কারণে কার্যত ধসে গেছে দেশের অর্থনীতি, সমাজ ব্যবস্থা।
- ৭ ডিসেম্বর, ২০২৪ তারিখে সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ সরকারের পতন ঘটে।

উৎস: i) Britannica.
ii) Al Jazeera.
১,৮৬৫.
পৃথিবীর সবচেয়ে খর্বকায় উপজাতি কোনটি?
  1. জুলু
  2. মাউরি
  3. পিগমি 
  4. উইঘুর
ব্যাখ্যা

পিগমি উপজাতি:
- পৃথিবীর সবচেয়ে খর্বকায় উপজাতি - পিগমি।
- এদের অবস্থান - মধ্য আফ্রিকার কঙ্গো, রুয়ান্ড, বুরুন্ডি।

এছাড়াও - 
- চীনের জিনজিয়াং প্রদেশে বসবাসকারী প্রধান মুসলিম সম্প্রদায়ের নাম - উইঘুর।
- দক্ষিণ আফ্রিকার প্রধান অধিবাসীদের বলা হয় -  জুলু।
- নিউজিল্যান্ডের আদিবাসীদের বলা হয় - মাউরি।
- যুক্তরাষ্ট্রের আদিবাসীদের বলা হয় - রেড ইন্ডিয়ান।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১,৮৬৬.
'The Times' কোন দেশ ভিত্তিক আন্তর্জাতিক পত্রিকা?
  1. যুক্তরাজ্য
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. অস্ট্রেলিয়া
  4. ফ্রান্স
ব্যাখ্যা
'The Times' লন্ডন থেকে প্রকাশিত যুক্তরাজ্য ভিত্তিক আন্তর্জাতিক পত্রিকা। 

• বিভিন্ন দেশের বিখ্যাত কিছু পত্রিকা:

- অ্যাকটা ডুরনা - বিশ্ব ইতিহাসের প্রথম পত্রিকা।
- ডেইলি ডন - পাকিস্তান
- আল আহরাম- মিশর
- হেরাল্ড ট্রিবিউন- যুক্তরাষ্ট্র (নিউইয়র্ক)
- ডেইলি মিরর - যুক্তরাজ্য (লন্ডন)
- দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল - যুক্তরাষ্ট্র (নিউইয়র্ক)
- দ্য গার্ডিয়ান - যুক্তরাজ্য
- দ্য ওইয়াশিংটন পোস্ট - যুক্তরাষ্ট্র
- টাইমস - যুক্তরাজ্য। 
- কায়হান - ইরান
- আল আখবার - মিশর

উৎস: ব্রিটানিকা।
১,৮৬৭.
ওয়েস্টফেলিয়া চুক্তির ফলাফল কোনটি?
  1. ইউরোপের সাম্রাজ্যবাদ বন্ধ
  2. এশিয়ার সাম্রাজ্যবাদ বন্ধ
  3. এশিয়ার ধর্ম যুদ্ধের অবসান
  4. ইউরোপের ধর্ম যুদ্ধের অবসান
ব্যাখ্যা
• ওয়েস্টফেলিয়ার চুক্তি: 
- ওয়েস্টফেলিয়া চুক্তি জার্মানি তথা সমগ্র ইউরোপের ইতিহাসে একটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা।
- এটি একাধিক চুক্তির সমন্বয়ে গঠিত হয় এবং ১৬৪৮ সালে জার্মান শহর ওসনাব্রুক ও মুনস্টারে সাক্ষরিত হয়।
- এই চুক্তি আধুনিক ইতিহাসের অন্যতম বিভৎস ইউরোপের ধর্মযুদ্ধের অবসান ঘটিয়ে এক নতুন যুগের সূচনা করে।  

উল্লেখ্য, 
- ওয়েস্টফেলিয়া চুক্তির মাধ্যমে ক্যাথলিক এবং প্রোটেস্ট্যান্ট সম্প্রদায়ের মধ্যে সুদীর্ঘকালের ধর্মবিরোধের অবসান ঘটে এবং জার্মান রাষ্ট্রের পুনর্গঠন সম্ভব হয়।
- চুক্তির শর্তসমূহ ধর্মীয় এবং রাজনৈতিক, এই দুই দৃষ্টিভঙ্গি থেকে মূল্যায়ন করা যেতে পারে। ধর্মীয় দিক থেকে, ত্রিশবছরের যুদ্ধ অমিমাংসিতভাবে শেষ হয় এবং পশ্চিম জার্মানি প্রোটেস্ট্যান্টদের অধীনে থাকে। এই চুক্তি ইউরোপের ইতিহাসে নতুন এক যুগের সূচনা করেছে। 

সুত্র: আন্তর্জাতিক রাজনীতিকোষ - তারেক শামসুর রেহমান।
১,৮৬৮.
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের ব্যাপ্তিকাল কত ছিলো?
  1. ২ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৪ বছর
  4. ৫ বছর
ব্যাখ্যা
প্রথম বিশ্বযুদ্ধ:
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধ ১৯১৪ সালে শুরু হয়ে ১৯১৮ সাল পর্যন্ত স্থায়ী ছিল, এটি প্রায় চার বছর ধরে চলে ছিলো।
- যুদ্ধের প্রধান দুটি পক্ষ ছিল সেন্ট্রাল পাওয়ারস এবং অ্যালাইড পাওয়ারস।
- সেন্ট্রাল পাওয়ারসের মধ্যে ছিল জার্মানি, অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরি ও তুরস্ক, আর অ্যালাইড পাওয়ারসের মধ্যে ছিল ফ্রান্স, ব্রিটেন, রাশিয়া, ইতালি, জাপান এবং ১৯১৭ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্র। ১৯১৮ সালে সেন্ট্রাল পাওয়ারসের পরাজয়ের মাধ্যমে যুদ্ধ শেষ হয়।

সূত্র: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।
১,৮৬৯.
টিউলিপ বিপ্লব সংঘটিত হয় কত সালে?
  1. ক) ২০০১
  2. খ) ২০০৩
  3. গ) ২০০৪
  4. ঘ) ২০০৫
ব্যাখ্যা
টিউলিপ বিপ্লব
• ২০০৫ সালের ফেব্রুয়ারি ও মার্চে কিরগিজস্তানে নির্বাচনে কারচুপির পরিপ্রেক্ষিতে টিউলিপ বিপ্লব সংঘটিত হয়।
• কিরগিজস্তান ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০০৫- এর নির্বাচনে আসকার আকায়েভ রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়। এর পর সমালোচনার ঝড় ওঠে এবং দেশে অস্থিরতা দেখা দেয়। ৩ মার্চ ২০০৫ সালে বিরোধী নেতা রোজা ওতুনবায়েভার অ্যাপার্টমেন্টে একটি বোমা বিস্ফোরণ ঘটে যার দায় আকায়েভ এবং তার সরকার অস্বীকার করে। এর ফলে বিক্ষোভ শুরু হয় এবং শীঘ্রই রাজধানীতে তা ছড়িয়ে পড়ে।
• টিউলিপ বিপ্লব কিরগিজস্তানের শাসন ব্যবস্থায় একটি পরিবর্তন নিয়ে আসে। এটি রাষ্ট্রপতি আসকার আকায়েভকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করে, তার স্বৈরাচারী ও দুর্নীতিবাজ সরকারের অবসান ঘটায়।
• ১০ জুন ২০০৫ - এ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় যেখানে বাকিয়েভ এবং কুলভ প্রধানমন্ত্রী নিযুক্ত হন। কমনওয়েলথ অফ ইন্ডিপেন্ডেন্ট স্টেটস (সিআইএস) দ্বারা নির্বাচনগুলি অবাধ, সুষ্ঠু এবং সুসংগঠিত হয়েছে বলে প্রশংসা করেছে।   

উৎস: ব্রিটানিকা এবং হিস্টোরি ডট কম।
১,৮৭০.
আরব বসন্ত আন্দোলনের অংশ হিসেবে কত সালে সিরিয়ার গৃহযুদ্ধ শুরু হয়?
  1. ২০১০ সালে
  2. ২০১১ সালে
  3. ২০১২ সালে
  4. ২০১৩ সালে
ব্যাখ্যা
আরব বসন্ত:
- আরব বসন্ত বলতে আরবের বিভিন্ন দেশের গণজাগরণকে বুঝায়।
- ২০১০ সালের শেষের দিকে শুরু হওয়া আরব রাষ্ট্রগুলোর জনগণের বিভিন্ন দাবিতে বিক্ষোভ ও আন্দোলন সংগঠিত হয় বলে এটি আরব বসন্ত বা আর রবিউল আরাবি নামে বিশ্বব্যাপী পরিচিত হয়ে ওটে।
- এই আন্দোলনের মাধ্যমে এই অঞ্চলের বহু দেশেই দীর্ঘকাল ধরে শাসনকারী স্বৈরশাসকরা ক্ষমতা থেকে উৎখাত হন।
- এতে মূলত সামাজিক মাধ্যমে আন্দোলনগুলোর প্রসার এবং আঞ্চলিক মিডিয়ার ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

⇒ সিরিয়ার গৃহযুদ্ধ:
- ২০১১ সালে সিরিয়ার গৃহযুদ্ধ শুরু হয়।
- এটি আরব বসন্ত (Arab Spring) আন্দোলনের অংশ হিসেবে শুরু হয়, যা ২০১১ সালের শুরুর দিকে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে সরকার বিরোধী বিক্ষোভ ও প্রতিবাদের ঢেউ আনে।

উল্লেখ্য,
- ২০১১ সালে সিরিয়ার রাষ্ট্রপতি বাশার আল-আসাদ সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ শুরু হয়।
- এই বিক্ষোভের মূল কারণ ছিল, সিরিয়ার নাগরিকরা সরকারের স্বৈরাচারী শাসন, মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং অর্থনৈতিক দুরবস্থা নিয়ে ক্ষুব্ধ ছিল।
- বিক্ষোভের সূত্রপাত হয় দক্ষিণ সিরিয়ার ডারা শহরে, যখন কয়েকজন ছাত্র সরকারের বিরুদ্ধে স্লোগান লিখে দেয়।
- এরপর পুলিশ তাদের আটক করে এবং তাদের ওপর নির্যাতন চালায়, যা ব্যাপক জনরোষ সৃষ্টি করে।
- আন্দোলনটি দ্রুত সিরিয়ার অন্যান্য অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে এবং এটি এক পর্যায়ে সরকার বিরোধী সহিংস গৃহযুদ্ধে পরিণত হয়।

- টানা গৃহযুদ্ধের কারণে কার্যত ধসে গেছে দেশের অর্থনীতি, সমাজ ব্যবস্থা।
- এইচটিএস বিদ্রোহী গোষ্ঠীটিই প্রেসিডেন্ট আসাদের বিরুদ্ধে গৃহযুদ্ধে সবচেয়ে বেশি কার্যকরী ও প্রাণঘাতী ছিলো।
- বিদ্রোহীদের ১২ দিনের পতন হয় প্রেসিডেন্ট বাশার আল–আসাদের।
- বাশার আল–আসাদের পতনের আগে থেকেই ইদলিব বিদ্রোহী গোষ্ঠী হায়াত তাহরির আল–শামসের (এইচটিএস) নিয়ন্ত্রণে ছিল।
- সিরিয়ান স্যালভেশন গভর্নমেন্ট তাদেরই সরকার, বাশারকে ক্ষমতাচ্যুত করা বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর নেতৃত্বে ছিল এই এইচটিএস।

উৎস: i) Britannica.
ii) BBC.
১,৮৭১.
'The Audacity of Hope' বইটি কার লেখা?
  1. ক) বারাক ওবামা
  2. খ) জর্জ ওয়াশিংটন
  3. গ) হেনরী কিসিঞ্জার
  4. ঘ) বিল ক্লিনটন
ব্যাখ্যা
'The Audacity of Hope' বইটি সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার লেখা। বিল ক্লিনটনের লেখা বইয়ের নাম My Life। Source: nytimes.com
১,৮৭২.
নিশীথ সূর্যের দেশ হিসেবে পরিচিত কোনটি?
  1. জাপান
  2. কানাডা
  3. ফিনল্যান্ড
  4. নরওয়ে
ব্যাখ্যা

নরওয়ে:
- নরওয়ে ইউরোপের বৃহত্তম দেশগুলির মধ্যে একটি।
- দেশটির আয়তন .৩৮৪,৪৮৩ বর্গ কিমি।
- এর রাজধানী: অসলো।
- মুদ্রা: নরওয়েজিয়ান ক্রোন।
- নিশীথ সূর্যের দেশ নামে পরিচিত নরওয়ে।
- উত্তর গোলার্ধে অবস্থিত হওয়ায় মে থেকে জুলাই মাস পর্যন্ত এখানে সূর্য পুরোপুরি অস্তমিত হয় না।

→ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের ভৌগলিক উপনাম:
- সূর্যোদয়ের দেশ: জাপান।
- সাদা হাতির দেশ: থাইল্যান্ড।
- হাজার হ্রদের দেশ: ফিনল্যান্ড।
- নীল নদের দেশ: মিশর।
- ক্যাঙ্গারুর দেশ: অস্ট্রেলিয়া।
- পিরামিডের দেশ: মিশর।
- ভূমিকম্পের দেশ: জাপান।
- ম্যাপল পাতার দেশ: কানাডা।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

১,৮৭৩.
অ্যাজটেক সভ্যতায় বৃষ্টির দেবতা দেবতা কে ছিলেন?
  1. টোনাটিউহ
  2. চালচিউহটলিকুয়ে
  3. তালোক
  4. সেন্তেওতল
ব্যাখ্যা

অ্যাজটেক সভ্যতা:
- অ্যাজটেক সভ্যতা ছিল মেসোআমেরিকার শেষ বড় সভ্যতাগুলোর একটি।
- উত্তর মেসোআমেরিকার একটি প্রাচীন সভ্যতা ৷
- বর্তমান মেক্সিকো অঞ্চলে এই সভ্যতা গড়ে উঠেছিল।
- যার বিস্তৃতি ছিল উত্তর আমেরিকার বেশির ভাগ অংশজুড়ে।
- খ্রিস্টীয় ১২ শতকে এ সভ্যতার উৎপত্তি হয়েছিল।
- অ্যাজটেকের রাজধানী ছিল টেনোচিটিলান ।
- আকামাপিচটলি ছিলেন অ্যাজটেকদের প্রথম রাজা ।
- কৃষিকাজের মাধ্যমে অ্যাজটেক সভ্যতার প্রসার ঘটে।
- চিনাম্পা নামক ভাসমান বাগানের মাধ্যমে তারা অত্যন্ত উন্নত কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তোলে।
- অ্যাজটেকদের কাছে ধর্ম খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল।
- তারা প্রকৃতির শক্তির প্রতিনিধিত্বকারী বেশ কয়েকটি দেবতার পূজা করত।
- অ্যাজটেক ধর্মের দেবতা:
• যুদ্ধের দেবতা হুইটজিলোপোচটলি,
• সূর্যের দেবতা টোনাটিউহ,
• বৃষ্টির দেবতা তালোক।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

১,৮৭৪.
৩৬৫ দিনে বছর গণনার পদ্ধতি প্রথম উদ্ভাবিত হয় কোন সভ্যতায়? 
  1. মিশরীয় সভ্যতা
  2. গ্রিক সভ্যতা
  3. সিন্ধু সভ্যতা
  4. রোমান সভ্যতা
ব্যাখ্যা

• মিশরীয় সভ্যতার অবদান: 
- মিশরীয় সভ্যতা ছিল কৃষিনির্ভর। 
- সে কারণে নীল নদের প্লাবন, নাব্যতা, পানি প্রবাহের মাপ জোয়ারভাটা ইত্যাদি ছাড়াও জমির মাপ তাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল।
- এসবের সঙ্গে জ্যোতিষশাস্ত্র ও অংক শাস্ত্রের ছিল গভীর যোগাযোগ। 
- ফলে এ দুটি বিদ্যা তারা আয়ত্ত করেছিল প্রয়োজনের তাগিদে।
- তারা অংক শাস্ত্রের দুটি শাখা- জ্যামিতি এবং পাটিগণিতের প্রচলন করে।

এছাড়াও,
- খ্রিস্টপূর্ব ৪২০০ অব্দে তারা পৃথিবীতে প্রথম সৌর পঞ্জিকা আবিষ্কার করে। 
- ৩৬৫ দিনে বছর এ হিসাবের আবিষ্কারকও তারা।
- প্রাচীন মিশরের অধিবাসীরা সময় নির্ধারণের জন্য সূর্য ঘড়ি, ছায়াঘড়ি, জলঘড়ি আবিষ্কার করে।
- চিকিৎসা শাস্ত্রে মিশরীয়রাই সর্বপ্রথম ‘মেটেরিয়া মেডিকা' বা ঔষুধের তালিকা প্রণয়নে সক্ষম হয়।

অন্যদিকে, 
- গ্রিকরা প্রথম পৃথিবীর মানচিত্র অঙ্কন করে।
- সপ্তাহকে সাতদিনে বিভক্ত করে ক্যালডীয়রা।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

১,৮৭৫.
Which is the currency of Vietnam?
  1. Dong
  2. peso
  3. Kyat
  4. Yuan
ব্যাখ্যা
ভিয়েতনাম:
- ভিয়েতনাম দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার পূর্ব অংশের একটি দেশ।
- দেশটির উত্তরে চীন, পূর্ব ও দক্ষিণে দক্ষিণ চীন সাগর, দক্ষিণ-পশ্চিমে থাইল্যান্ড উপসাগর এবং পশ্চিমে কম্বোডিয়া ও লাওস।
- ১৯৭৬ সালে দেশটি স্বাধীনতা লাভ করে।
- দেশটির রাজধানী হ্যানয়।
- এর মুদ্রার নাম ডং।

বিভিন্ন দেশের মুদ্রার নাম:
- ফিলিপাইনের মুদ্রার নাম পেসো ।
- মিয়ানমারের মুদ্রার নাম কিয়াট।
- ভুটানের মুদ্রার নাম গুলট্রাম।
- চীনের মুদ্রার নাম ইউয়ান।
- নেপালের মুদ্রার নাম রুপি।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
১,৮৭৬.
পরমাণু অস্ত্র পরীক্ষারোধ আলোচনার প্রস্তাবক দেশ-
  1. ক) অস্ট্রেলিয়া
  2. খ) ভারত
  3. গ) আর্জেন্টিনা
  4. ঘ) ব্রাজিল
ব্যাখ্যা
পরমাণু অস্ত্র পরীক্ষারোধ আলোচনার প্রস্তাবক দেশ অস্ট্রেলিয়া। পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণের লক্ষ্যে চুক্তিটি স্বাক্ষরের জন্য উন্মুক্ত করা হয় ১০ সেপ্টেম্বর ১৯৯৬ সালে। বাংলাদেশ চুক্তিটি অনুমোদন করে ২০০০ সালে। ভারত, পাকিস্তান ও উত্তর কোরিয়া চুক্তি স্বাক্ষর করেনি। চীন, মিশর, ইরান, ইসরায়েল, যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি স্বাক্ষর করেছে কিন্তু অনুমোদন করেনি।
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
১,৮৭৭.
ডিনামাইট আবিষ্কার করেন কে?
  1. উইলিয়াম রন্টজেন
  2. রবার্ট ওপেনহাইমার
  3. হেনরি বেকেরেল
  4. আলফ্রেড নোবেল
ব্যাখ্যা
আলফ্রেড নোবেল:
- জন্ম: ২১ অক্টোবর, ১৮৩৩ (স্টকহোম, সুইডেন)
- মৃত্যু: ১০ ডিসেম্বর, ১৮৯৬ (সান রেমো, ইতালি)
- তিনি ছিলেন একজন সুইডিশ রসায়নবিদ, প্রকৌশলী ও শিল্পপতি।
- তিনি ডিনামাইট ও আরও শক্তিশালী বিস্ফোরক আবিষ্কার করেন।
- তার বিপ্লবী আবিষ্কার বিশ্বব্যাপী নির্মাণ ও খনিশিল্পে প্রভাব ফেলে।
- আলফ্রেড নোবেল তার উপার্জিত অর্থের বড় অংশ একটি তহবিলে রেখে যান, যার ভিত্তিতে শুরু হয় নোবেল পুরস্কার প্রদান।
- এই পুরস্কার বিশ্বব্যাপী শান্তি, সাহিত্য, বিজ্ঞান ইত্যাদি ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য প্রদান করা হয়।

উৎস: Britannica.
১,৮৭৮.
ভিক্টোরিয়া ফলস কোন নদী থেকে সৃষ্টি হয়েছে?
  1. নীলনদ
  2. আমাজন
  3. জাম্বেজি
  4. কঙ্গো
ব্যাখ্যা

• ভিক্টোরিয়া ফলস:
- বিশ্বের সবচেয়ে চওড়া জলপ্রপাত।
- অবস্থান: মধ্য-দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবুয়ের উত্তর-পশ্চিমাংশ ও জাম্বিয়ার দক্ষিণ-পূর্বাংশে।
- নদী: জাম্বেজি নদী থেকে সৃষ্ট।
- উচ্চতা: ১০৮ মিটার।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।

১,৮৭৯.
মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা কত সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন?
  1. ২০০৮ সালে
  2. ২০০৯ সালে
  3. ২০১০ সালে
  4. ২০১১ সালে
ব্যাখ্যা
বারাক ওবামা:
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা।
- ২০০৮ সালে মাত্র ৪৭ বছর বয়সে যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ প্রেসিডেন্ট হিসেবে হোয়াইট হাউসে প্রবেশ করেন।
- ২০০৯ সালের ২০ জানুয়ারি শপথ নেন তিনি।
- তিনি ছিলেন ডেমোক্র্যাটিক পার্টির সদস্য।
- দেশটির ৪৪তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেন বারাক ওবামা।
- এর আগে আইনজীবী ও সামাজিক সংগঠক হিসেবে কাজ করেন তিনি।
- দুই মেয়াদে টানা আট বছর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ছিলেন ওবামা।

উল্লেখ্য,
- বারাক ওবামা যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হওয়ার আগে বলেছিলেন, ‘ইয়েস উই ক্যান’ (হ্যাঁ, আমরা পারি)।
- আর ক্ষমতা ছাড়ার আগে দেওয়া শেষ ভাষণে তাঁর দাবি ছিল, ‘ইয়েস উই ডিড’ (হ্যাঁ, আমরা পেরেছি)। 
- ২০০৯ সালে শান্তিতে নোবেল পান মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা।

উৎস:  Britannica.
১,৮৮০.
জাপানের পার্লামেন্টের নাম কী?
  1. ক) ডায়েট
  2. খ) সীম
  3. গ) পার্লামেন্ট
  4. ঘ) মজলিস
ব্যাখ্যা
জাপান:
- জাপান এশিয়ার অন্যতম ধনী রাষ্ট্র। এশিয়ার একমাত্র দেশ হিসাবে জাপান উন্নত দেশের জোট জি-৭ এর সদস্য।
- অতীতকালে জাপান Nippon বা Nihon নামে পরিচিত ছিলো।
- জাপানের পার্লামেন্টর নাম - ডায়েট
- জাপানের পার্লামেন্ট 'ডায়েট' দুই কক্ষ বিশিষ্ট।
- উচ্চকক্ষ - হাউস অফ কাউন্সিলর (House of Councillors) - ২৪২ আসন।
- নিম্নকক্ষ - হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভস (House of Representatives) - ৪৭৫ আসন।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
১,৮৮১.
বর্তমান কোন দেশকে কেন্দ্র করে 'পারস্য সভ্যতা' গড়ে উঠেছিল?
  1. ক) ইরাক
  2. খ) ইরান
  3. গ) লেবানন
  4. ঘ) সিরিয়া
ব্যাখ্যা
ইরান (Iran)
• ইরান মধ্যপ্রাচ্যের একটি শিয়া প্রধান মুসলিম দেশ। এটি বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকান জোটের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী দেশ।
• আয়তনে ইরান মধ্যপ্রাচ্যের দ্বিতীয় বড় দেশ (প্রথম - সৌদি আরব)।
• তেলসম্পদ সমৃদ্ধ এই দেশটি সামরিক দিক থেকেও অন্যতম শক্তিশালী দেশ। সুন্নি মুসলিম অধ্যুষিত সৌদি আরব ও ইহুদী রাষ্ট্র ইসরায়েল ইরানকে এই অঞ্চলের সবচেয়ে বড় প্রতিদ্বন্দ্বী দেশ মনে করে।
• ১৯৩৫ সালের আগে পর্যন্ত দেশটি‘পার্সিয়া’ নামে পরিচিত ছিলো।
ইরানেপারস্য সভ্যতা” গড়ে উঠেছিল।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা। 
১,৮৮২.
আর্মেনিয়ার বর্তমান প্রধানমন্ত্রী কে?
  1. ইলহান আলিয়েভ
  2. নিকোল পাশিনিয়ান
  3. আর্মেন সার্কিসিয়ান
  4. ভিক্টর ইউশ্চেঙ্কো
ব্যাখ্যা
নিকোল পাশিনিয়ান – আর্মেনিয়ান প্রধানমন্ত্রী
আর্মেন সার্কিসিয়ান – আর্মেনিয়ান প্রেসিডেন্ট
ইলহান আলিয়েভ – আজারবাইজান প্রেসিডেন্ট
ভিক্টর ইউশ্চেঙ্কো – ইউক্রেনের সাবেক প্রেসিডেন্ট।
(সূত্র: ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস)
১,৮৮৩.
'সাবোর' নিচের কোন দেশের আইনসভা?
  1. নরওয়ে
  2. ডেনমার্ক
  3. ফিনল্যান্ড
  4. ক্রোয়েশিয়া
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন দেশের আইনসভা:
- জাতীয় সংসদ: বাংলাদেশের আইনসভা।
- সংসদ: ভারতের আইনসভা।
- কংগ্রেস বা পঞ্চায়েত: নেপালের আইনসভা।
- সোংডু: ভুটানের আইনসভা।
- কংগ্রেস: যুক্তরাষ্ট্রের আইনসভা।
- পার্লামেন্ট: যুক্তরাজ্যের আইনসভা।
- ডেল আয়ারম্যান বা ওয়ারেখটাস: আয়ারল্যান্ডের আইনসভা।
- চেম্বার অব ডেপুটিজ: গ্রিসের আইনসভা।
- পিথু ইটার্ড: মায়ানমারের আইনসভা।
- মজলিশ: ইরানের আইনসভা।
- লয়াজিরগা: আফগানিস্তানের আইনসভা।
- মজলিস-ই-শূরা: পাকিস্তানের আইনসভা।
- পিপলস মজলিস: মালদ্বীপের আইনসভা।
- নেসেট: ইসরায়েলের আইনসভা।
- ডায়েট: জাপানের আইনসভা।
- ফেডারেল অ্যাসেম্বলি (স্টেট ডুমা): রাশিয়ার আইনসভা।
- পার্লামেন্ট: শ্রীলংকা ও জার্মানির আইনসভা।
- ফোকেটিং: ডেনমার্কের আইনসভা।
- স্টারটিং: নরওয়ের আইনসভা।
- রিক্সড্যাগ: সুইডেনের আইনসভা।
- আলথিং: আইসল্যান্ডের আইনসভা।
- এডুসকুন্ডা: ফিনল্যান্ডের আইনসভা।
- সাবোর: ক্রোয়েশিয়ার আইনসভা।

উৎস: i) WorldAtlas.
        ii) Central Intelligence Agency (.gov).
১,৮৮৪.
'ডাকার' কোন দেশের সমুদ্রবন্দর?
  1. ক) মরক্কো
  2. খ) সেনেগাল
  3. গ) কেনিয়া
  4. ঘ) মোজাম্বিক
ব্যাখ্যা
সেনেগালের সমুদ্রবন্দর : ডাকার

অন্যদিকে,
- কেনিয়ার সমুদ্রবন্দর : মোম্বাসা
- মরক্কোর সমুদ্রবন্দর : তাঞ্জিবার ও কাসাব্লাংকা।
- মোজাম্বিকের সমুদ্রবন্দর : মাপুতো।

(তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস ওয়েবসাইট)
১,৮৮৫.
'ভিক্টোরিয়া ক্রস' কোন দেশের সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. যুক্তরাজ্য
  3. অস্ট্রেলিয়া
  4. নিউজিল্যান্ড
ব্যাখ্যা

• ভিক্টোরিয়া ক্রস:
- যুক্তরাজ্যের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় খেতাব ভিক্টোরিয়া ক্রস।
- ব্রিটিশ সামারিক বাহিনীর সদস্যদের সম্মানিত করার জন্য সর্বোচ্চ সামরিক পদক।
- যুদ্ধক্ষেত্রে অসীম সাহসিকতা ও বীরত্বের জন্য এই পদক প্রদান করা হয়।
- ক্রিমিয়ার যুদ্ধের পরে ১৮৫৬ সালে ব্রিটিশ সাধারণ সৈনিকদের সাহসিকাতর জন্য মহারাণী ভিক্টোরিয়ার আদেশ বলে পদক দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়।
- খেতাবটি প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে মাত্র ১৩৪৮টি ক্রস দেওয়া হয়েছে।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।

১,৮৮৬.
কমলা দেবী হ্যারিস যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পূর্বে কোন অঙ্গরাজ্যের সিনেটর ছিলেন?
  1. ক) ডেলাওয়্যার
  2. খ) নিউইয়র্ক
  3. গ) ক্যালিফোর্নিয়া
  4. ঘ) ইলিনয়
ব্যাখ্যা
কমলা দেবী হ্যারিস যুক্তরাষ্ট্রের ৪৯তম ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পূর্বে ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের সিনেটর ছিলেন।
২০১৭ সালের ৩ জানুয়ারি থেকে তিনি সিনেটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।
কমলা হ্যারিস যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম নারী, আফ্রিকান আমেরিকান ও এশিয়ান আমেরিকান ভাইস প্রেসিডেন্ট।
গত ২০ জানুয়ারি ২০২১ তিনি ৪৯তম ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন।
(সূত্র: মার্কিন সিনেট ওয়েবসাইট)
১,৮৮৭.
উন্নত দেশের জোট 'জি-৭'ভূক্ত এশীয় দেশ কোনটি?
  1. ক) জাপান
  2. খ) চীন
  3. গ) ভারত
  4. ঘ) ইন্দোনেশিয়া
ব্যাখ্যা
জাপান:
- জাপান এশিয়ার অন্যতম ধনী রাষ্ট্র।
- এশিয়ার একমাত্র দেশ হিসাবে জাপান উন্নত দেশের জোট জি-৭ এর সদস্য
- অতীতকালে জাপান Nippon বা Nihon নামে পরিচিত ছিলো।
- জাপানের পার্লামেন্টর নাম- ডায়েট।
- জাপানের পার্লামেন্ট 'ডায়েট' দুই কক্ষ বিশিষ্ট।
• উচ্চকক্ষ - হাউস অফ কাউন্সিলর (House of Councillors) ২৪২ আসন।
• নিম্নকক্ষ হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভস (House of - Representatives) ৪৭৫ আসন। 

উৎস: ব্রিটানিকা।
১,৮৮৮.
ট্রয় নগরীর ধ্বংসাবশেষ বর্তমানে কোন দেশে অবস্থিত?
  1. তুরস্ক
  2. গ্রীস
  3. ইতালি
  4. মিশর
ব্যাখ্যা

ট্রয় নগরী:
- ইতিহাস বিখ্যাত ট্রয় নগরী বর্তমান তুরস্কের হেসারলিক বা আনাতোলিয়া নামক স্থানে অবস্থিত।
- ঐতিহাসিক ট্রয় নগরীর অস্তিত্ব এবং এর ধ্বংসের ইতিহাস প্রাচীন গ্রীক হোমারের মহাকাব্য ইলিয়াড-এ পাওয়া যায়।
- ট্রয় নগরী ১৯৯৮ সালে ইউনেস্কোর ‘বিশ্ব ঐতিহ্য’ তালিকায় যুক্ত হয়।

⇒ ট্রয়ের যুদ্ধ শুরু খ্রিষ্টপূর্ব ১২৫০ শতকে এবং শেষ খ্রিষ্টপূর্ব ১২৪০ শতকে। দীর্ঘ ১০ বছর ধরে চলেছিল যুদ্ধ। এই যুদ্ধ ট্রোজান যুদ্ধ নামে পরিচিত।
- যুদ্ধের কারণ ছিল হেলেন নামের এক সুন্দরী মহিলাকে কেন্দ্র করে, যিনি ট্রয়ের রাজা প্রিয়াম এর পুত্র পারিস দ্বারা অপহৃত হন। গ্রীক রাজা মেনেলাউস তার স্ত্রীর ফিরিয়ে আনার জন্য ট্রয়ের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেন।

উল্লেখ্য,
- প্যারিস যখন স্পার্টা থেকে রাতের অন্ধকারে হেলেনকে নিয়ে পালিয়ে এলেন, হেলেনের স্বামী স্পার্টার রাজা মেনেলাউস এবং তার ভাই আগামেমনন ক্রোধে উন্মত্ত হয়ে নৌবহর নিয়ে ইজিয়ান সাগর পাড়ি দিয়ে এই নগরের পাশে স্কামান্দার নদীর মুখে এসে তাঁবু গেড়েছিলেন।
- তাঁদের সঙ্গে যোগ দিয়েছিলেন গ্রিস বা আচিয়ানদের বন্ধুপ্রতিম সব রাজ্যের রাজা।
- পরবর্তীতে গ্রিকদের দ্বারা ট্রয় নগরী ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়।

⇒ ট্রয়ের ঘোড়া (Trojan Horse):
- ট্রয়ের ঘোড়া ছিল গ্রীক বাহিনীর একটি কৌশল। তারা একটি বিশাল কাঠামো, যা একটি ঘোড়ার মতো দেখতে, ট্রয়ের শহরে রেখে যায়। এতে গ্রীক সৈন্যরা লুকিয়ে ছিল। ট্রয়ের বাসিন্দারা এটি উপহার মনে করে শহরে নিয়ে আসে। রাতের বেলায় সৈন্যরা বের হয়ে শহরের দরজা খুলে দেয়, এবং গ্রীক বাহিনী ট্রয় ধ্বংস করে। এটি প্রতারণা ও কৌশলের প্রতীক হয়ে আছে।

উৎস: i) BBC.
ii) Britannica.

১,৮৮৯.
‘ইয়েরেভান’ নিম্নের কোন দেশের রাজধানী?
  1. আর্মেনিয়া
  2. আজারবাইজান
  3. জর্জিয়া
  4. ইরান
ব্যাখ্যা
আর্মেনিয়া:
- পশ্চিম এশিয়ার স্থলবেষ্টিত দেশ আর্মেনিয়া যা ককেশাস অঞ্চলে অবস্থিত। 
- এর পশ্চিমে তুরস্ক, উত্তরে জর্জিয়া, পূর্বে আজারবাইজান এবং দক্ষিণে ইরান অবস্থিত।
- রাজধানী: ইয়েরেভান।
- মুদ্রা: দ্রাম।
- ১৯২২ সালে এটি সোভিয়েত ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত হয়।
- ১৯৯১ সালে স্বাধীনতা লাভ করে।
- বর্তমানে, আর্মেনিয়া একটি স্বাধীন প্রজাতন্ত্র।

অন্যদিকে,
- আজারবাইজানের রাজধানী: বাকু।
- ইরানের রাজধানী: তেহরান।
- জর্জিয়ার রাজধানী: তিবিলিসি।

উৎস: Britannica.
১,৮৯০.
ওপেনহাইমের মতে আইনের উৎস কয়টি?
  1. ১টি
  2. ৪টি
  3. ৬টি
  4. ৭টি
ব্যাখ্যা
আইন:
- অর্থাৎ মানবজাতির বৃহত্তর কল্যাণে মানুষের আচার-আচরণ নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে রাষ্ট্র যে সকল বিধি নিষেধ প্রণয়ন করে সাধারণভাবে সেগুলোকেই আইন বলা হয়।
- রাষ্ট্র সঠিকভাবে পরিচালনা করার জন্য আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা অপরিহার্য।
- আইনের শাসনের অর্থ হচ্ছে আইনের দৃষ্টিতে সকল নাগরিকের সমতা।
- আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হলে সমাজ থেকে অন্যায়, বিশৃঙ্খলা, নৈরাজ্য দূর হয়।
- ফলে সমাজে স্থিলিশীলতা আসে এবং শান্তি বিরাজ করে।
- আইনের শাসন না থাকলে সবল-দুর্বল, ধনী-দরিদ্রের ব্যবধান প্রকট হতে থাকে

⇒ জন অস্টিনের মতে আইনের উৎস ১টি। যথা:
১. সার্বভৌমের আদেশ।

⇒ অধ্যাপক হল্যান্ডের মতে আইনের উৎস ৬টি। যথা:
১. প্ৰথা,
২. ধর্ম,
৩. বিচারকের রায়,
৪. ন্যায়বিচার,
৫. বিজ্ঞানসম্মত আলোচনা,
৬. আইনসভা।

⇒ ওপেনহাইমের মতে আইনের উৎস ৭টি। যথা:
১. প্ৰথা,
২. ধর্ম,
৩. বিচারকের রায়,
৪. ন্যায়বিচার,
৫. বিজ্ঞানসম্মত আলোচনা,
৬. আইনসভা,
৭. জনমত।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
১,৮৯১.
ফ্রান্সের দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষের নাম কী?
  1. সিনেট
  2. ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি
  3. কংগ্রেস
  4. ফেডারেল অ্যাসেম্বলি
ব্যাখ্যা

জাতীয় সভা (National Assembly)
⇒ ১৭ জুন থেকে ৯ জুলাই, ১৭৮৯ সাল পর্যন্ত, এটি তৃতীয় এস্টেটের প্রতিনিধিদের দ্বারা গঠিত বিপ্লবী পরিষদের নাম ছিল; এরপর ( ৩০ সেপ্টেম্বর, ১৭৯১ তারিখে আইনসভা দ্বারা প্রতিস্থাপিত না হওয়া পর্যন্ত ) এর আনুষ্ঠানিক নাম ছিল জাতীয় গণপরিষদ (Assemblée Nationale Constituante), ।

-কক্ষ বিশিষ্ট ফ্রান্সের পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষের নাম সিনেট (Senate)
- নিম্নকক্ষের নাম জাতীয় সভা (National Assembly)।

- সিনেটের সদস্যরা জনগণের দ্বারা প্রত্যক্ষভাবে।
- একটি নির্বাচিত সংস্থা (Electoral College) দ্বারা।
- বর্তমানে সিনেটের সদস্য সংখ্যা ৩২১ জন।
- প্রত্যেক সদস্যের কার্যকাল ৯ (নয়) বছর।
- প্রতি তিন বছর অন্তর সিনেটের এক-তৃতীয়াংশ সদস্য অবসর গ্রহণ করেন।
- সিনেটের একটি ব্যুরো আছে।

- বর্তমানে জাতীয় সভার সদস্যসংখ্যা ৫৭৭ জন।
- এরা সরাসরি নির্বাচিত হন।
- ফরাসী জাতীয় সভার কার্যকাল হল ৫ (পাঁচ) বছর।
- নির্দিষ্ট মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই রাষ্ট্রপতি জাতীয়সভাকে ভেঙ্গে দিতে পারেন।
- জাতীয় সভারও একটি ব্যুরো আছে।

অন্যদিকে,
- Congress : এটি মূলত যুক্তরাষ্ট্রের সংসদ বোঝায়, যা দুই কক্ষে বিভক্ত: House of Representatives এবং Senate।
- রাশিয়ার ফেডারেল অ্যাসেম্বলি (Federal Assembly) হলো দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট সংসদ।

- উচ্চকক্ষ (Upper House): ফেডারেশন কাউন্সিল (Federation Council)
- নিম্নকক্ষ (Lower House): স্টেট ডুমা (State Duma)
 
 উৎস: রাষ্ট্রবিজ্ঞান: বৈদেশিক রাজনৈতিক ব্যবস্থা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা।

১,৮৯২.
আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি কত সালে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা (Supreme Leader) নির্বাচিত হন? 
  1. ১৯৭৯ সালে
  2. ১৯৮১ সালে
  3. ১৯৮৯ সালে
  4. ১৯৯৭ সালে
ব্যাখ্যা

আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি:
- আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা।
- আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির মৃত্যুর পর ১৯৮৯ সালে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা (Supreme Leader) নির্বাচিত হন  এবং তিনি তখন থেকে এই পদে রয়েছেন। 

উল্লেখ্য,
- সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি এখন দেশটির সামরিক বাহিনীর কমান্ডার-ইন-চীফ।
- দেশের সব বড় বা গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে তার সম্মতি দরকার হয়।

⇒ ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতার শাসনের এই ব্যবস্থা চালু হয় ১৯৭৯ সালে ইসলামি বিপ্লবের পর থেকে। ইসলামি বিপ্লবের মাধ্যমে ইরানে রেজা শাহ পাহলভীর রাজতন্ত্রকে উৎখাত করা হয়। তাকে উৎখাতের পর ইরানে ধর্মীয় প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এরপর দেশটি দুজন সুপ্রিম লিডার বা সর্বোচ্চ নেতা পেয়েছে। তাদের পদবী হিসেবে আয়াতুল্লাহ ব্যবহার করা হয়, শিয়া ধর্মাবলম্বীদের কাছে যার অর্থ সিনিয়র ধর্মীয় নেতা।
- ১৯৬২ সালে আলী খামেনি শাহ মোহাম্মদ রেজা পাহলভির বিরুদ্ধাচরণকারী আয়াতুল্লাহ খোমেনির ধর্মীয় আন্দোলনে যোগ দেন।
- ১৯৭৯ সালে ইরানে ইসলামি বিপ্লবের পর আলী খামেনি বিপ্লবী পরিষদে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে তিনি উপ-প্রতিরক্ষামন্ত্রী হন এবং ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড কোরকে সংগঠিত করতে সহায়তাও করেন। এই বিপ্লবী গার্ড ইরানের অন্যতম শক্তিশালী প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়।
- ১৯৮১ সালে দেশটির বামপন্থী বিদ্রোহী গোষ্ঠীর ইরানের রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ-আলী রাজাইকে হত্যা করে।
- রাজাইয়ের মৃত্যুর পর তার উত্তরসূরি হিসেবে আলী খামেনি ইরানের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। আট বছর ধরে আনুষ্ঠানিক এই পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন তিনি।
- ১৯৮৯ সালের জুনে খোমেনির মৃত্যুর পর বিশেষজ্ঞ পরিষদ (ধর্মীয় আলেমদের একটি পরিষদ) আলী খামেনিকে নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নির্বাচিত করে।

উৎস: i) BBC.
ii) Britannica.

১,৮৯৩.
'বাতাসের শহর' নামে পরিচিত -
  1. শিকাগো
  2. দুবাই
  3. সিডনি
  4. ক্যালিফোর্নিয়া
ব্যাখ্যা
শিকাগো:
- শিকাগো সিটি যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।
- ১৮৩৭ সালে শিকাগোকে আনুষ্ঠানিকভাবে একটি শহর করা হয়েছিল।
- মিশিগান হ্রদের তীরে এর অবস্থান।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তৃতীয় বৃহত্তম শহর।
- শিকাগো শহরটিকে 'বাতাসের শহর' বলা হয়।

তথ্যসূত্র - Worldatlas.com & Britannica.com
১,৮৯৪.
ফরাসি বিপ্লবের ফলে ফরাসি সমাজে কোন শ্রেণীর উদ্ভব ঘটে?
  1. ক) জমিদার
  2. খ) যাজক
  3. গ) বুর্জোয়া
  4. ঘ) অভিজাত
ব্যাখ্যা
- ১৭৮৯ সালে ফ্রান্সে সংঘটিত হয় ফরাসি বিপ্লব। 
- ফরাসি বিপ্লবের পরবর্তী সময় সামন্ত শ্রেণীর অবসান ঘটে। জমিদারি কৃষকদের মধ্যে বন্টিত হয়। 
- গির্জার সম্পত্তি কৃষকদের হাতে এসে পড়ে। এই সকল জমি পুনরায় সামন্ত শ্রেণী ও গির্জা মালিকানায় ফেরত দেওয়া সম্ভব ছিলনা। 
- গ্রাম্য জীবনের এদের প্রভাব প্রতিপত্তিও ছিল বেশি, তাই গির্জা আর সামন্ত প্রভুর ক্ষমতা ছিলনা তাদের উচ্ছেদ করা।
- ফ্রান্সের নবকৃষক শ্রেণীর আশংকা ছিল যে বুরবোঁ রাজ এবং অভিজাতরা ক্ষমতায় ফিরে এলে তাদের জমি হাতছাড়া হতে পারে। 
- এ কারণে বুরবোঁ সরকারকে তারা সন্দেহের চোখে দেখত। অষ্টাদশ লুই জমির উপর কৃষকদের অধিকার স্বীকার করে নিলেও কৃষকদের ভোটাধিকার না থাকায় যে কোনো সময় আইন সভায় তাদের অধিকার কেড়ে নেয়া হতে পারে।
- ফরাসি বিপ্লবের অন্যতম ফল স্বরুপ বুর্জোয়া শ্রেণীর উদ্ভব ঘটে। 
- প্রাক-ফরাসি বিপ্লব যুগে যে অভিজাততন্ত্র ও কৌলিণ্য প্রথা বিরাজমান ছিল তার বিলোপ ঘটে। 
- শিল্প বিপ্লবের ফলে ফ্রান্সে কলকারখানা ও ব্যবসা বিপুল বৃদ্ধি পায়। 
- বুর্জোয়া শ্রেণী তাদের তারতম্য অনুসারে কয়েকটি শ্রেণীতে বিভক্ত হয়। 
- ধনী বুর্জোয়া শ্রেণীর মধ্যে ছিল ব্যাংক মালিক, শিল্পপতি, জাহাজ কোম্পানির মালিক- এরা ছিল খুব দাম্ভিক।
-  এরা সহজেই অভিজাতদের সঙ্গে আত্মীয়তার সম্পর্ক গড়ে তোলে।
- পাতি বুর্জোয়া শ্রেণী ছিল মূলত দোকানদার, চাকুরে, শিক্ষক, আইনজীবি প্রমুখ - এদের সংখ্যাই ছিল বেশি।

উৎস: আধুনিক ইউরোপের ইতিহাস, এসএসএইচএল; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৮৯৫.
কোন দেশে প্রথম বার্ধক্য পেনশন ব্যবস্থা চালু হয়?
  1. যুক্তরাজ্য
  2. জার্মানি
  3. ফ্রান্স
  4. ইতালি
ব্যাখ্যা
বার্ধক্য পেনশন ব্যবস্থা:
- জার্মানিতে প্রথম বার্ধক্য পেনশন ব্যবস্থা চালু হয়।
- ১৮৮৯ সালে তৎকালীন জার্মানির চ্যান্সেলর অটো ভন বিসমার্ক একটি বয়স্ক সামাজিক বীমা কর্মসূচি প্রবর্তন করেন।
- এটি ছিল পৃথিবীর প্রথম সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা, যা বৃদ্ধদের আর্থিক সহায়তা প্রদান করত।
- ৬৫ বছর বা তার বেশি বয়সী নাগরিকদের এই পেনশন সুবিধা দেওয়া শুরু হয়।

⇒ ১৮৮১ সালে, জার্মানির সম্রাট উইলিয়াম প্রথম (William I) জার্মান পার্লামেন্টে একটি গুরুত্বপূর্ণ চিঠি পাঠান।
- ১৮৮১ সালে জার্মান পার্লামেন্টকে বিসমার্ক বলেন, যাদের বয়স হয়ে গেছে বা অসুস্থ, তারা নিজেদের ব্যয় নির্বাহের জন্য রাষ্ট্রের কাছ থেকে ভাতা পাবেন।

উৎস: i) Social Security Administration (.gov).
ii) BBC.
১,৮৯৬.
কাকে 'Grand Old Man of India' বলা হয়?
  1. মহাত্মা গান্ধী
  2. জওহরলাল নেহেরু
  3. বল্লভভাই পটেল
  4. দাদাভাই নওরোজি
ব্যাখ্যা

দাদাভাই নওরোজী:
- 'The Grand Old Man of India' হিসাবে পরিচিত ছিলেন দাদাভাই নওরোজি।

⇒ তিনি একাধারে একজন বুদ্ধিজীবী, শিক্ষাবিদ, ব্যবসায়ী ও সামাজিক নেতা। এশীয়দের মধ্যে তিনিই প্রথম ব্রিটিশ পার্লামেন্টের সদস্য। 
- ভারতীয়দের মধ্যে তিনিই প্রথম ব্রিটিশ পার্লামেন্টের সদস্য।
- তিনি ছিলেন ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস-এর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা।
- ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসে ১৮৮৬, ১৮৯৩ এবং ১৯০৬ সালে তিনি সভাপতি ছিলেন।
- ১৮৫৫ সালে দাদাভাই নওরেজি প্রথম বারের মতো ব্রিটেন সফরে আসেন।

উল্লেখ্য,
-  তার লেখা বই ‘পভার্টি এন্ড আন-ব্রিটিশ রুল ইন ইন্ডিয়া’ সর্বপ্রথম ভারতের সম্পদ ব্রিটেনে স্থানান্তর করার বিষয়টি সবার নজরে নিয়ে আসে।
- তার স্মৃতির সম্মানে ২০১৪ সালে ব্রিটেনের উপ-প্রধানমন্ত্রী নিক ক্লেগ ব্রিটেন ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের লক্ষে ‘দাদাভাই নওরোজি পুরষ্কার’ চালু করেন।

উৎস: Britannica.

১,৮৯৭.
কোন আরব-ইসরাইল যুদ্ধকে ছয় দিনের যুদ্ধ বলা হয়?
  1. প্রথম আরব ইসরাইল যুদ্ধ
  2. দ্বিতীয় আরব ইসরাইল যুদ্ধ
  3. তৃতীয় আরব ইসরাইল যুদ্ধ
  4. চতুর্থ আরব ইসরাইল যুদ্ধ
ব্যাখ্যা
তৃতীয় আরব ইসরাইল যুদ্ধ:
- ১৯৬৭ সালে তৃতীয় আরব ইসরাইল যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
- এই যুদ্ধ মাত্র ছয় দিন স্থায়ী হয়েছিল বলে একে ছয় দিনের যুদ্ধও বলা হয়।
- ১৯৬৭ সালের ৫ জুন ইসরায়েল বিমান হামলা চালিয়ে মিসরীয় বিমানবাহিনীর ৯০ শতাংশ ধ্বংস করে দেয়।
- ৬ জুন ইসরায়েলি বাহিনীর অভিযানে গাজার পতন হয়। তখন ওই উপত্যকা মিসরের শাসনে ছিল।
- ৭ জুন ইসরায়েলি সেনাবাহিনী সুয়েজ খালের পূর্ব তীর দখল করে।

উৎস: বিবিসি বাংলা।
প্রথম আলো।
১,৮৯৮.
ভেনেজুয়েলার বর্তমান প্রেসিডেন্ট কে? (জানুয়ারি,২০২৬)
  1. দিয়োসদাদো কাবেয়ো
  2. দেলসি রদ্রিগেজ
  3. হুয়ান গুয়াইদো
  4. ফেডরিখ কারাকাস
ব্যাখ্যা

• দেলসি রদ্রিগেজ:
- দেলসি রদ্রিগেজ ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিয়েছেন।
- ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসে এক সংসদীয় অধিবেশনে ৫৬ বছর বয়সী দেলসি শপথ গ্রহণ করেন।
- ২০১৮ সাল থেকে তিনি ভেনেজুয়েলার ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।

উল্লেখ্য,
৩রা জানুয়ারি ২০২৬ ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসে ‘বড় পরিসরে’ হামলা চালিয়ে দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরো ও তাঁর স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে আটক করে মার্কিন বাহিনী। এর সাত ঘণ্টা পরে আটক মাদুরোর ছবি প্রকাশ করেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবিতে তাঁর চোখ বাঁধা, হাতে হাতকড়া আর পরনে ধূসর রঙের নরম কাপড়ের তৈরি ট্রাউজার দেখা যায়।

উৎস: প্রথম আলো।

১,৮৯৯.
“যুদ্ধই জীবন, যুদ্ধই সর্বজনীন” —উক্তিটি কার?
  1. নেপোলিয়ন বোনাপার্ট 
  2. মার্টিন লুথার কিং
  3. অ্যাডলফ হিটলার 
  4. জর্জ ওয়াশিংটন 
ব্যাখ্যা

• অ্যাডলফ হিটলার: 
- ১৮৮৯ সালের ২০ এপ্রিল অস্ট্রিয়ার ব্রাউনাউ গ্রামে অ্যাডলফ হিটলার জন্মগ্রহণ করেন।
- তার রাজনৈতিক দলের নাম নাৎসী (Nazi)পার্টি।
- ১৯৩৩ সালে তিনি জার্মানির চ্যান্সেলর নির্বাচিত হন।
- ১৯৪৫ সালের এপ্রিলে আত্মহত্যার পূর্ব পর্যন্ত তিনি জার্মানির চ্যান্সেলর ছিলেন।
- হিটলারের গোপন পুলিশ বাহিনী ছিল গেস্টাপো (Gestapo)।
- “যুদ্ধই জীবন, যুদ্ধই সর্বজনীন” — উক্তিটি হিটলারের।
- মৃত্যু: ৩০ এপ্রিল, ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দ।

উল্লেখ্য, 
'I Have a Dream' বিখ্যাত ভাষণটি প্রদান করেন মার্টিন লুথার কিং। 

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।

১,৯০০.
জার্মানি ও পোল্যান্ডের মধ্যকার সীমানা কী নামে পরিচিত?
  1. পার্পল লাইন
  2. লাইন অব ডিমারকেশন
  3. ব্লু লাইন
  4. ওডার-নেইস লাইন
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন দেশের সীমানা:
⇒ পার্পল লাইন: ইসরাইল ও সিরিয়ার মধ্যে সীমানা।
⇒ সনেরা লাইন: মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সীমানা।
⇒ ওডার-নেইস লাইন: জার্মানি ও পোল্যান্ডের মধ্যকার সীমানা।
⇒ ব্লু লাইন: লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যকার সীমানা।
⇒ লাইন অব ডিমারকেশন: পর্তুগাল ও স্পেনের মধ্যে সীমানা।
⇒ ডুরান্ড লাইন: পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে সীমানা।
⇒ রেডক্লিফ লাইন: ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সীমারেখা।
⇒ লাইন অব একচুয়াল কন্ট্রোল / ম্যাকমোহন লাইন: চীন ও ভারতের মধ্যে সীমানা।
⇒ লাইন অব কন্ট্রোল: ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সীমানা।

তথ্যসূত্র - Britannica.com