বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বৈশ্বিক ইতিহাস, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা, ভূ-রাজনীতি

মোট প্রশ্ন৯,৩৩৪এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বৈশ্বিক ইতিহাস, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা, ভূ-রাজনীতি

PrepBank · পাতা ১৬ / ৯৩ · ১,৫০১১,৬০০ / ৯,৩৩৪

১,৫০১.
বাইজান্টাইন সাম্রাজ্যের রাজধানী ছিলো কোথায়?
  1. ক) আলেক্সান্দ্রিয়া
  2. খ) কনস্টান্টিনোপল
  3. গ) স্পার্টা
  4. ঘ) টায়ার
ব্যাখ্যা
- রোম নগরীকে কেন্দ্র করে খ্রিস্টপূর্ব সপ্তম শতকে রোমান সাম্রাজ্যের সূচনা হয়।
- ৩৩০ খ্রিস্টাব্দে কৃষ্ণসাগরের তীরে রোমান সাম্রাজ্যের পূর্বাঞ্চলের রাজধানী হিসেবে সম্রাট কনস্টানটাইনের নামানুসারে কনস্ট্যান্টিনোপল নগরের পত্তন করা হয়।
- ৪৭৬ খ্রিস্টাব্দে জার্মানদের নিকট রোমান সাম্রাজ্যের পতন ঘটলেও এর পূর্বাঞ্চল বাইজান্টাইন নামে অক্ষত থেকে যায়।
- কনস্টান্টিনোপলকে কেন্দ্র করে ১৪৫৩ সাল পর্যন্ত বাইজান্টাইন সাম্রাজ্য বজায় ছিলো।
- ১৪৫৩ সালে তুর্কি সুলতান দ্বিতীয় মেহমুদের নিকট কনস্ট্যান্টিনোপলের পতন ঘটে।
(সূত্রঃ ব্রিটানিকা এবং স্নাতক ইতিহাস)
১,৫০২.
কানাডার রাজধানী শহর কোনটি?
  1. টরেন্টো
  2. মন্ট্রিল
  3. অটোয়া
  4. ক্যালগারি
ব্যাখ্যা

 কানাডা:
- কানাডা উত্তর আমেরিকা মহাদেশের একটি দেশ।
 - এটি আয়তনে পৃথিবীর ২য় বৃহত্তম দেশ। 
- কানাডার রাজধানীর নাম অটোয়া।
- টরেন্টো হচ্ছে কানাডার বৃহত্তম শহর।
- কানাডার রাষ্ট্রপ্রধান হলো ব্রিটেনের রাণী দ্বিতীয় এলিজাবেথ। 
- কানাডার রাজনৈতিক ব্যবস্থা সাংবিধানিক রাজতন্ত্র।
- ম্যাপল পাতার দেশ নামে পরিচিতি কানাডা।
- কানাডার জাতীয় পতাকায়ও ম্যাপল পাতার ছবি রয়েছে।
- কানাডার জাতীয় প্রতীক শ্বেতপদ্ম।

উৎস: Britannica.

১,৫০৩.
বার্লিন প্রাচীর কত সালে নির্মাণ করা হয়?
  1. ১৯৪৫ সালে
  2. ১৯৫৫ সালে
  3. ১৯৬১ সালে
  4. ১৯৭১ সালে
ব্যাখ্যা

বার্লিন প্রাচীর:
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ও স্নায়ুযুদ্ধের সময়কার ঐতিহাসিক নিদর্শন বার্লিন প্রাচীর।
- এই প্রাচীর জার্মানির বার্লিন শহরকে বিভক্ত করেছিল।
- এর একদিকে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রভাবে থাকা সমাজতান্ত্রিক পূর্ব জার্মানি এবং অপর দিকে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সের নিয়ন্ত্রণাধীন পুঁজিবাদী পশ্চিম জার্মানি।

উল্লেখ্য, 
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জার্মানি প্রধানত চারভাগে বিভক্ত হয়ে যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, ফ্রান্স ও সোভিয়েত ইউনিয়নের অধীনে চলে যায়।
- স্নায়ুযুদ্ধের ফলে ফ্রান্স, ব্রিটেন ও যুক্তরাষ্ট্রের অধীনের অংশগুলো একত্রিত করে গঠিত হয় ফেডারেল রিপাবলিক অব জার্মানি (পশ্চিম জার্মানি) এবং সোভিয়েত ইউনিয়নেরে অধীনের অংশে গঠিত হয় ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব জার্মানি (পূর্ব জার্মানি)।
- পুঁজিবাদী শাসনব্যবস্থার ফলে পশ্চিম জার্মানি সমৃদ্ধ রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে ওঠে।
- অপরদিকে সমাজতান্ত্রিক পূর্ব জার্মানি অপেক্ষাকৃত কম উন্নত হওয়ায় এ অংশের জনগণ পশ্চিম জার্মানিতে গমন করা শুরু করে।
- এ পরিস্থিতিতে পশ্চিম জার্মানির পুঁজিবাদের ধাক্কা যেন পূর্ব জার্মানিতে না লাগে এবং অভিবাসন যেন ঠেকানো যায় সে লক্ষ্যে তৎকালীন সোভিয়েত নেতা নিকিতা ক্রুশ্চেভ ১৯৬১ সালে পূর্ব ও পশ্চিম বার্লিনের মাঝখানে একটি প্রাচীর নির্মাণের আদেশ দেন। তাঁর আদেশ অনুযায়ী ১৯৬১ সালের ১৩ আগস্ট পূর্ব জার্মানি বার্লিন শহরের মাঝ দিয়ে তৈরি করা হয় বার্লিন প্রাচীর।
- এ প্রাচীরের দৈর্ঘ্য ছিল ১৫৫ কি.মি।

⇒ বার্লিন প্রাচীরের পতন:
- স্নায়ুযুদ্ধের সমাপ্তি ক্ষণে এই প্রাচীর ভেঙে ফেলা হয়।
- ৯ নভেম্বর, ১৯৮৯ সালে বার্লিন প্রাচীরের পতন ঘটে।
- ৩ অক্টোবর, ১৯৯০ সালে দুই জার্মানি (পশ্চিম জার্মানি ও পূর্ব জার্মানি) একত্রিত হয়ে ফেডারেল রিপাবলিক অব জার্মানি নাম ধারণ করেছিল৷

উৎস: Britannica.

১,৫০৪.
Who built the Hanging Gardens of Babylon?
  1. Cyrus
  2. Darius
  3. Hammurabi
  4. Nebuchadnezzar
  5. Titus Caesar Vespasianus
ব্যাখ্যা
ব্যাবিলনের শূন্য উদ্যান:
- প্রাচীন মেসোপটেমীয় সভ্যতার একটি শহর ব্যাবিলন।
- এই শহরের প্রধান আকর্ষণ ঝুলন্ত বাগান বা ব্যাবিলনের শূন্য উদ্যান।
- খ্রিস্টপূর্ব ৬০০ সালে সম্রাট নেবুচাদনেজার তাঁর স্ত্রীর অনুপ্রেরণায় এটি নির্মাণ করেন।
- বিয়ের পর সম্রাজ্ঞীর তেমন ভালো লাগত না, কারণ ব্যাবিলন হলো সমতল ভূমি আর মিডিয়ান ছিল সবুজ পাহাড়-পর্বতের দেশ।
- সম্রাট সম্রাজ্ঞীর মনের কষ্ট বুঝতে পেরে প্রাসাদের ওপরই তৈরি করলেন এক সুন্দর পুষ্প বাগান।
- প্রথমে নির্মাণ করা হয় ৮০০ বর্গফুটের বিশাল এক ভিত।
- ভিতটিকে স্থাপন করা হয় সম্রাটের খাস উপাসনালয়ের সুবিস্তৃত ছাদে।
- মাটি থেকে এর উচ্চতা দাঁড়ায় প্রায় ৮০ ফুট।
- এরপর চার হাজার শ্রমিক রাত-দিন পরিশ্রম করে তৈরি করে পুষ্প বাগান।

উৎস: i) Britannica.
         ii) ১৬ এপ্রিল, ২০১৯, কালের কন্ঠ।
১,৫০৫.
নিম্নের কোন দেশ এককেন্দ্রিক সরকার ব্যবস্থা অনুসরণ করে?
  1. ভারত
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. কানাডা
  4. যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা

ক্ষমতা বণ্টনের নীতির ভিত্তিতে সরকারের শ্রেণিবিভাগ:
- কেন্দ্র ও প্রদেশের মধ্যে ক্ষমতা বণ্টনের নীতির ভিত্তিতে সরকার দুই ধরনের হতে পারে। যথা- এককেন্দ্রিক সরকার ও যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকার।

এককেন্দ্রিক সরকার:
- যে শাসনব্যবস্থায় সরকারের সকল ক্ষমতা কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে ন্যস্ত থাকে এবং কেন্দ্র থেকে দেশের শাসন পরিচালিত হয়, তাকে এককেন্দ্রিক সরকার বলে।
- এতে কেন্দ্র ও প্রদেশের মধ্যে ক্ষমতার বণ্টন করা হয় না।
- রাষ্ট্রে বিভিন্ন প্রদেশ বা প্রশাসনিক অঞ্চল থাকতে পারে।
- তবে তারা কেন্দ্রের প্রতিনিধি বা সহায়ক হিসেবে কাজ করে।
- বাংলাদেশ, জাপান, যুক্তরাজ্য প্রভৃতি দেশে এককেন্দ্রিক সরকার প্রচলিত আছে।

অপরদিকে,
- যুক্তরাষ্ট্রীয় বলতে সেই ধরনের সরকারকে বোঝায়, যেখানে একাধিক অঞ্চল বা প্রদেশ মিলে একটি সরকার গঠন করে।
- এতে সাংবিধানিকভাবে রাষ্ট্রের কর্তৃত্ব ও ক্ষমতার কিছু অংশ প্রদেশ বা আঞ্চলিক সরকারের এবং জাতীয় বিষয়গুলো কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে থাকে।
- ভারত, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা প্রভৃতি দেশে যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকার পদ্ধতি রয়েছে।

তথ্যসূত্র: একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেনীর পৌরনীতি ও সুসাশন বই, ব্রিটানিকা।

১,৫০৬.
সারাবছর বরফে আচ্ছন্ন থাকে বলে মানুষ বসবাসের অনুপযোগী মহাদেশ কোনটি?
  1. ক) এন্টার্কটিকা
  2. খ) আফ্রিকা
  3. গ) উওর আমেরিকা
  4. ঘ) দক্ষিণ আমেরিকা
ব্যাখ্যা
এন্টার্কটিকা (Antarctica):
- এন্টার্কটিকা মহাদেশ আয়তনে বিশ্বে পঞ্চম।
- এ মহাদেশটি পৃথিবীর দক্ষিণ প্রান্তে অবস্থিত এবং দক্ষিণ মেরুকে কেন্দ্র করে প্রায় বৃত্তাকারে অবস্থিত।
- এ মহাদেশের চতুর্দিকে দক্ষিণ মহাসাগর অবস্থিত।
- মহাদেশটি সারাবছর বরফে আচ্ছন্ন থাকে বলে মনুষ্য বসবাসের অনুপযোগী।
-  শীতলতম এই মহাদেশে কোনো দেশ নেই।
- এখানকার উল্লেখযোগ্য প্রাণি অ্যালবাট্রস, পেঙ্গুইন, সীল ইত্যাদি।
- এছাড়া এ মহাদেশে মস ও শৈবাল জাতীয় উদ্ভিদ জন্মে।

সূত্র: ভূগোল ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও World Atlas।
১,৫০৭.
ফিনল্যান্ড ও রাশিয়ার মধ্যকার সীমারেখা কোনটি?
  1. ক) ম্যানারহেইম লাইন
  2. খ) ম্যাকমোহন লাইন
  3. গ) ম্যাজিনো লাইন
  4. ঘ) ডুরান্ড লাইন
ব্যাখ্যা
- ম্যানারহেইম লাইন : ফিনল্যান্ড ও রাশিয়া
অন্যদিকে,
- চীন ও ভারত : ম্যাকমোহন লাইন, লাইন অব একচুয়াল কন্ট্রোল
- জিগফ্রিড ও ম্যাজিনো লাইন : ফ্রান্স-জার্মানি
- ডুরান্ড লাইন : পাকিস্তান ও আফগানিস্তান

সূত্র: হিস্টোরি এবং ব্রিটানিকর
১,৫০৮.
রোমান সভ্যতার প্রেমের দেবতা ছিলেন কে?
  1. ভেনাস
  2. কনকর্ডিয়া
  3. ফিদেস
  4. জুপিটার
ব্যাখ্যা
রোমান সভ্যতা:
- খ্রিস্টপূর্ব দ্বিতীয় ও প্রথম শতকে রোমানরা গ্রিক সাম্রাজ্য দখল করে।
- রোমানরা ইতালি ও ইতালির পশ্চিম দিকে অবস্থিত ভূমধ্যসাগর তীরবর্তী দেশগুলো জয় করে।
- লাতিনদের একটি ক্ষুদ্র জাতি থেকে সুবিশাল সাম্রাজ্যের বিকাশ হয়, মধ্য ইটালির ল্যাটিয়ামে রোম ছিল তাদের প্রধান শহর।
- রোমান সাহিত্য-সংস্কৃতিতে গ্রিক সভ্যতার প্রভাব পরিলক্ষিত হয়.
- সে যুগে রোমান সাহিত্য চর্চা ছিল ব্যাপক। মলিয়ে পুটাস এবং টেরেন্স ছিলেন বিখ্যাত সাহিত্যিক ও নাট্যকার।
- রোমানরা গণপ্রজাতন্ত্রে বিশ্বাসী ছিলেন। ফলে শাসনকার্যে ধর্মীয় প্রভাব বা পুরোহিততন্ত্র পাকাপোক্ত হয়ে বসতে পারেনি।
- রোমানদের নিকট আকাশের দেবতা জুপিটার হিসেবে খ্যাত।
- গ্রিক দেবতা এথেনার জায়গায় রোমীয় দেবতা মিনার্ভা স্থান দখল করে।
- রোমের প্রেমের দেবতা ছিলেন ভেনাস।
- বাতাস এবং সমুদ্রের দেবতা নেপচুন রোমানদের নিকট খুবই জনপ্রিয় ও শক্তিশালী ছিল।
- প্রাচীন সভ্যতায় রোমানদের অন্যতম কৃতিত্ব হলো রোমান আইন ব্যবস্থা (Roman Law)।
- রোমান দেওয়ানী ও ফৌজদারী আইন (সিভিল ও ক্রিমিনাল'ল) খ্রিস্টপূর্ব পঞ্চম শতাব্দীতেই সংকলিত হয়।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা ও ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫০৯.
'গ্লাসনস্ত নীতি'র উদ্যোক্তা কে?
  1. মিখাইল গর্বাচেভ
  2. জোয়াকিম ভন রিবেনট্রপ
  3. নিকলাই কোসিগিন
  4. ভ্যাচেস্লাভ মোলোটভ
ব্যাখ্যা
মিখাইল গর্বাচেভ:
- মিখাইল গর্বাচেভ ছিলেন একজন সোভিয়েত রাজনীতিবিদ এবং সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের সর্বশেষ প্রেসিডেন্ট।
- তিনি ১৯৮৫ সালে ক্ষমতাসীন হওয়ার পর গ্লাসনস্ত এবং পেরেস্ত্রইকা নামে দুটির সংস্কারমূলক নীতি গ্রহণ করেন।
- স্নায়ুযুদ্ধের অবসান এবং যুক্তরাষ্ট্র-সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যকার দীর্ঘ শীতল সম্পর্ক উষ্ণ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন মিখাইল গর্বাচেভ।

⇒ গ্লাসনস্ত নীতি:
- গ্লাসনস্ত শব্দের অর্থ হচ্ছে মুক্তবস্থা বা খোলা হাওয়া।
- ১৯৯০ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট মিখাইল গর্বাচেভ মানবধিকার ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে ব্যক্তি স্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের অধিকারকে স্বীকৃতি দেয়ার জন্য যে নীতি গ্রহণ করেছিলেন তাই হচ্ছে গ্লাসনস্ত।

⇒ পেরেস্ত্রইকা নীতি:
- পেরেস্ত্রইকা শব্দের অর্থ হচ্ছে পুনর্গঠন।
- আর্থিক ও সামাজিক সংস্কার করতে ১৯৯০ সালে এই নীতি প্রবর্তন করেন প্রেসিডেন্ট মিখাইল গর্বাচেভ।
- ওই সময় দেশকে নতুন দিশায় নিয়ে যেতে যে পুনর্গঠন প্রকৃত শুরু করেছিলেন তিনি, সেটাই পেরেস্ত্রইকা।
- এই নীতির মূল উদ্দেশ্য ছিল সমাজতন্ত্রের আধারে এমন এক ব্যবস্থা গড়ে তোলা, যেখানে থাকবে একটি দক্ষ অর্থনীতি এবং সর্বোপরি একটি উন্নত বিজ্ঞান প্রযুক্তি নির্ভর ও গণতান্ত্রিক সমাজ কাঠামো।
- শীতলযুদ্ধের প্রয়োজনে সোভিয়েত ইউনিয়ন মূলত ভারী শিল্প বিশেষত সামরিক শিল্পের ওপর বেশি গুরুত্ব দিয়েছিল।
- ফলে তথ্যপ্রযুক্তি, ইলেকট্রনিক বা এই ধরনের বিলাস দ্রব্যের উৎপাদন পরিকাঠামো গড়ে ওঠেনি।
- একই সাথে বিশ্ববাণিজ্যে সোভিয়েত ইউনিয়ন পিছিয়ে পড়েছিল।
- বাণিজ্য কেবল পূর্ব ইউরোপ এবং সমাজতান্ত্রিক শিবিরের অন্তর্ভুক্ত দেশগুলির সঙ্গেই সীমাবদ্ধ ছিল।
- এই অবস্থার পরিবর্তন ঘটানোর উদ্দেশ্যে অর্থনৈতিক উদারীকরণ এর নীতি গৃহীত হয়।

উৎস: Britannica. 
১,৫১০.
ইরেভান কোন দেশের রাজধানী?
  1. আর্মেনিয়া
  2. ইন্দোনেশিয়া
  3. কেনিয়া
  4. নাইজেরিয়া
ব্যাখ্যা

আর্মেনিয়ার রাজধানী - ইরেভান।
ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী - জাকার্তা।
কেনিয়ার রাজধানী - নাইরোবি।
নাইজেরিয়ার রাজধানী - আবুজা৷
উৎসঃ ব্রিটানিকা

১,৫১১.
ন্যাশনাল ইউনিটি গভর্নমেন্ট কোন দেশের ছায়া সরকার?
  1. লিবিয়া
  2. ভেনেজুয়েলা
  3. মিয়ানমার
  4. ইয়েমেন
ব্যাখ্যা
- গত ১৬ এপ্রিল ২০২১ মিয়ানমারের জান্তাবিরোধী গণতন্ত্রপন্থীরা ‘ন্যাশনাল ইউনিটি গভর্নমেন্ট’ নামে ছায়া সরকার গঠন করে।
- ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্র্যাসি এবং ক্ষুদ্র জাতিসমূহের রাজনীতিবিদদের নিয়ে এই মন্ত্রিসভা গঠন করা হয়।
ন্যাশনাল ইউনিটি গভর্নমেন্ট সরকারের গঠন:
- প্রেসিডেন্ট : ইউ উইন মিন্ট
- স্টেট কাউন্সিলর : অং সান সুচি
- প্রধানমন্ত্রী : মং উইন খাইং থান
- ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট : দোয়া লাসি লা।
- এই সরকারের সামরিক বাহিনী হিসেবে পিপলস ডিফেন্স ফোর্স গঠন করা হয়।
- গত ১ ফেব্রুয়ারি ২০২১ পুনরায় মিয়ানমারে সেনাবাহিনী ক্ষমতা দখল করে।
(তথ্যসূত্র: ন্যাশনাল ইউনিটি গভর্নমেন্ট ওয়েবসাইট এবং বিবিস ওয়ার্ল্ড)
১,৫১২.
কোন সাগরের তীরে কনস্টান্টিনোপল নগরের গোড়াপত্তন হয়?
  1. ক) কৃষ্ণ সাগর
  2. খ) পারস্য সাগর
  3. গ) আরব সাগর
  4. ঘ) কাস্পিয়ান সাগর
ব্যাখ্যা
- রোম নগরীকে কেন্দ্র করে খ্রিস্টপূর্ব সপ্তম শতকে রোমান সাম্রাজ্যের সূচনা হয়।
- ৩৩০ খ্রিস্টাব্দে কৃষ্ণসাগরের তীরে রোমান সাম্রাজ্যের পূর্বাঞ্চলের রাজধানী হিসেবে সম্রাট কনস্টানটাইনের নামানুসারে কনস্ট্যান্টিনোপল নগরের পত্তন করা হয়।
- ৪৭৬ খ্রিস্টাব্দে জার্মানদের নিকট রোমান সাম্রাজ্যের পতন ঘটলেও এর পূর্বাঞ্চল বাইজান্টাইন নামে অক্ষত থেকে যায়।
- কনস্টান্টিনোপলকে কেন্দ্র করে ১৪৫৩ সাল পর্যন্ত বাইজান্টাইন সাম্রাজ্য বজায় ছিলো।
- ১৪৫৩ সালে তুর্কি সুলতান দ্বিতীয় মেহমুদের নিকট কনস্ট্যান্টিনোপলের পতন ঘটে।
(সূত্রঃ ব্রিটানিকা এবং স্নাতক ইতিহাস)
১,৫১৩.
'ম্যাডোনা-৪৩' চিত্রকর্মের শিল্পী কে?
  1. ক) এস এম সুলতান
  2. খ) শাহাবুদ্দিন আহমেদ
  3. গ) কামরুল হাসান
  4. ঘ) জয়নুল আবদিন
ব্যাখ্যা
বাংলার ১৯৪৩ সালের দুর্ভিক্ষের উপর ম্যাডোনা-৪৩ ছবি এঁকে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন বিখ্যাত হন। তাঁর আঁকা আরো কিছু বিখ্যাত চিত্রকর্ম- মনপুরা ৭০, সংগ্রাম, পাইন্যার মা, গায়ের বধূ, নবান্ন, মইটানা ইত্যাদি।
১,৫১৪.
শ্লিফেন পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য কী ছিল?
  1. রাশিয়াকে প্রথমে আক্রমণ
  2. ফ্রান্সকে দ্রুত পরাজিত করা
  3. ইউক্রেন দখল
  4. ইতালিকে জয় করা
ব্যাখ্যা
শ্লিফেন পরিকল্পনা (The Schlieffen Plan):
- শ্লিফেন পরিকল্পনা ছিল জার্মান সামরিক কৌশল, যা প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্যবহারের জন্য জার্মান জেনারেল আলফ্রেড ভন শ্লিফেন দ্বারা ১৯০৫ সালে প্রণীত হয়েছিল।
- এর মূল লক্ষ্য ছিল দ্রুত এবং কার্যকরভাবে পশ্চিমে ফ্রান্সকে পরাজিত করা এবং পরে পূর্বে রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালানো।

পরিকল্পনার বৈশিষ্ট্য:
- দুই-মুখী যুদ্ধের এড়ানো: জার্মানি একই সাথে ফ্রান্স এবং রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে না পারায় প্রথমে ফ্রান্সকে দ্রুত পরাজিত করার উপর জোর দেওয়া হয়।
- বেলজিয়ামের মাধ্যমে আক্রমণ: জার্মানি নিরপেক্ষ বেলজিয়ামের মধ্য দিয়ে ফ্রান্সে প্রবেশের পরিকল্পনা করেছিল, কারণ এটি দ্রুততম পথ ছিল।
- প্যারিসে অভিযান: প্যারিস দখল এবং ফ্রেঞ্চ বাহিনীর প্রধান অংশ ধ্বংস করার মাধ্যমে ফ্রান্সকে আত্মসমর্পণে বাধ্য করার পরিকল্পনা করা হয়।
- পরবর্তী ধাপে রাশিয়া: ফ্রান্স পরাজিত হওয়ার পর পুরো জার্মান বাহিনী পূর্ব দিকে রাশিয়ার বিরুদ্ধে মোতায়েন করা হবে।

ব্যর্থতা: শ্লিফেন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ব্যর্থ হয়, কারণ:
- বেলজিয়ামের প্রতিরোধ জার্মানির অগ্রযাত্রা ধীর করে দেয়।
- ব্রিটিশ বাহিনী দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানায়।
- রাশিয়া পূর্ব ফ্রন্টে প্রত্যাশার চেয়ে দ্রুত অগ্রসর হয়।
- ফ্রান্স মার্ন যুদ্ধের সময় সফলভাবে জার্মানদের থামিয়ে দেয়।
- এই পরিকল্পনার ব্যর্থতা প্রথম বিশ্বযুদ্ধের দীর্ঘস্থায়ী trench warfare-এ রূপান্তরে ভূমিকা রাখে।

উৎস: Britannica.
১,৫১৫.
কত তারিখে নাগাসাকি শহরে 'ফ্যাটম্যান' পারমাণবিক বোমা বর্ষণ করা হয়?
  1. ৬ আগস্ট, ১৯৪৫
  2. ৭ আগস্ট, ১৯৪৫
  3. ৮ আগস্ট, ১৯৪৫
  4. ৯ আগস্ট, ১৯৪৫
ব্যাখ্যা
লিটলবয় ও ফ্যাটম্যান:
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ যখন প্রায় শেষের পথে, তখন আগস্টের জাপানের হিরোশিমা এবং নাগাসাকি শহরে পরমাণু বোমা ফেলেছিল যুক্তরাষ্ট্র।
- বিশ্বে প্রথম কোন যুদ্ধে ব্যবহৃত হয়েছিল গণবিধ্বংসী মারণাস্ত্র।
- মারা গিয়েছিল হাজার হাজার মানুষ।
- জাপানের হিরোশিমা শহরে ৬ আগস্ট, ১৯৪৫ সালে বোমা বর্ষণ করে।
- নিক্ষিপ্ত বোমাটির নাম ছিলো লিটলবয়।
- ৯ আগস্ট, ১৯৪৫ সালে নাগাসাকি শহরে পারমাণবিক বোমা বর্ষণ করে।
- নাগাসাকিতে নিক্ষিপ্ত বোমাটির নাম ছিলো ফ্যাটম্যান
- ৩৩তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট হ্যারি এস ট্রুম্যান এই পারমাণবিক বোমা বর্ষণের নির্দেশ দেন।

উৎস: History.com.
১,৫১৬.
Which is the longest river in South America?
  1. ক) Nile River
  2. খ) Mississippi-Missouri
  3. গ) the Amazon
  4. ঘ) Murray Darling
ব্যাখ্যা
- আমাজন নদী নীল নদের পরে বিশ্বের দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী এবং দক্ষিণ আমেরিকার বৃহত্তম নদী।
- এটি বিশ্বের বৃহত্তম বাস্তুতন্ত্রের প্রাণশক্তি যা দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের প্রায় দুই-পঞ্চমাংশ জুড়ে বিস্তৃত।
- আপুরিম্যাক নদী ব্যবস্থার প্রধান জল থেকে প্রায় ৬৪০০ কিমি দূরে প্রবাহিত হয়।
- আমাজন তার আয়তন এবং আটলান্টিক মহাসাগরে বিস্তৃত নিষ্কাশনের পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী নদী।
- এর জলাশয় ব্রাজিল, পেরু, ইকুয়েডর, কলম্বিয়া, ভেনিজুয়েলা এবং বলিভিয়া দেশগুলিতে বিস্তৃত।
- নদীটি সাধারণত ১৯ থেকে ৫০ কিমি প্রশস্ত হয়, যার সর্বোচ্চ প্রস্থ ১০০ কিমি।
- এটি বিশ্বব্যাপী সমুদ্রে প্রবেশ করা মিঠা পানির মোট আয়তনের এক-পঞ্চমাংশের জন্য দায়ী।

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।
১,৫১৭.
ইউরেশিয়ান রাষ্ট্র নামে পরিচিত কোনটি?
  1. ক) কাজাখস্তান
  2. খ) জাপান
  3. গ) লেবানন
  4. ঘ) তুরস্ক
ব্যাখ্যা
- তুরস্ক কে ইউরেশিয়ান রাষ্ট্র বলা হয়।
- এর ইস্তাম্বুল শহর বসফরাস প্রণালি দ্বারা বিচ্ছিন্ন হয়ে একাংশ পড়েছে ইউরোপে এবং বাকি অংশ পড়েছে এশিয়ায়।
- তাই ইস্তাম্বুল শহরকে ইউরেশিয়ান শহর বলা হয়। ইস্তাম্বুল শহরের পূর্বনাম কনস্ট্যান্টিনোপল।

(সূত্রঃ এনসাক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা)
১,৫১৮.
'কর্নারস্টোন অব পিস' স্মৃতিসৌধটি কোথায় অবস্থিত?
  1. যুক্তরাষ্ট্র 
  2. জাপান 
  3. দক্ষিণ কোরিয়া 
  4. চীন 
ব্যাখ্যা
কর্নারস্টোন অব পিস: 
- এই যুদ্ধ স্মারকটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ওকিনাওয়া যুদ্ধের সময় যারা প্রাণ দিয়েছিলেন তাদের প্রতি উৎসর্গীকৃত।
- বর্তমানে স্মৃতিসৌধে ২,৪০,৭৩৪ জনের নাম খোদাই করা আছে।
- এটি জাপানের ওকিনাওয়ায় অবস্থিত। 

উৎস: TRACESOFWAR
১,৫১৯.
দক্ষিণ আফ্রিকার শেষ শ্বেতাঙ্গ প্রেসিডেন্টের নাম কী?
  1. পিটার বোখা
  2. এফ. ডব্লিউ ক্লার্ক
  3. সিরিল রামাফোসা
  4. জোহানেস মালান
ব্যাখ্যা
• দক্ষিণ আফ্রিকা:
- ১৯৬১ সালের নেলসন ম্যান্ডেলার আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেসের সশস্ত্র শাখা গঠন করেন।
- ১৯৬৪ সালে অন্তর্ঘাত সহ নানা অপরাধে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয় বর্ণবাদী সরকার।
- দীর্ঘ ২৭ বছর কারাভোগের পর ১৯৯০ সালে মুক্তি পান।
- ১৯৯১ সালে ম্যান্ডেলা আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেসের সভাপতি নির্বাচিত হন।
- ১৯৯৪ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় সকল শ্রেণির লোকের অংশগ্রহণে শান্তিপূর্ণ সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ রাষ্ট্রপতি হিসেবে নেলসন ম্যান্ডেলা দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
- ১৯৯৪ সালে  নির্বাচনের মাধ্যমে দীর্ঘ ৩৪২ বছরের শ্বেতাঙ্গ শাসনের অবসান হয়।
- দক্ষিণ আফ্রিকার শেষ শ্বেতাঙ্গ প্রেসিডেন্টের নাম - এফ. ডব্লিউ ক্লার্ক।

উৎস: ব্রিটানিকা.কম ও প্রথম আলো।
১,৫২০.
'ম্যাকাও' কোন দেশের বিশেষ প্রশাসনিক অঞ্চল?
  1. স্পেন
  2. চীন
  3. ফ্রান্স
  4. তিব্বত
ব্যাখ্যা
• ম্যাকাও:
- ম্যাকাও চীনের একটি বিশেষ প্রশাসনিক অঞ্চল, যা দেশের দক্ষিণ উপকূলে অবস্থিত।
- এটি চীনের গুয়াংডং প্রদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম কোণে, পার্ল (ঝু) নদীর মোহনায় অবস্থিত।
- এটি একটি পর্তুগীজ উপনিবেশ ছিল।
- ১৯৯৯ সালের ২০ ডিসেম্বর পর্তুগাল চীনের নিকট ম্যাকাও হস্তান্তর করে।
- ম্যাকাওয়ের বিপরীত দিকে প্রায় ৬০ কিলোমিটার পূর্বে রয়েছে হংকং।
- ম্যাকাও মূলত একটি সরু উপদ্বীপ, যা মূল ভূখণ্ড থেকে প্রসারিত হয়েছে এবং এর অন্তর্ভুক্ত রয়েছে দুটি দ্বীপ—টাইপা ও কোলওয়ান। 

তথ্যসূত্র: Britannica.
১,৫২১.
পৃথিবীর দিনরাত্রি সর্বত্র সমান-
  1. ক) ২১ এপ্রিল ও ২৩ সেপ্টেম্বর
  2. খ) ২১ মে ও ২৩ সেপ্টেম্বর
  3. গ) ১৯ মার্চ ও ২৩ সেপ্টেম্বর
  4. ঘ) ২১ মার্চ ও ২৩ সেপ্টেম্বর
ব্যাখ্যা
- পৃথিবীর দিনরাত্রি সর্বত্র সমান : ২১ মার্চ ও ২৩ সেপ্টেম্বর।

এছাড়াও--
- উত্তর গোলার্ধে সবচেয়ে ছোট দিন ও বড় রাত : ২২ ডিসেম্বর।
- দক্ষিণ গোলার্ধে সবচেয়ে বড় দিন ও ছোট রাত : ২২ ডিসেম্বর।
- উত্তর গোলার্ধে সবচেয়ে বড় দিন ও ছোট রাত : ২১ জুন।
- দক্ষিণ গোলার্ধে সবচেয়ে ছোট দিন ও বড় রাত : ২১ জুন।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী
১,৫২২.
জি-৭ গঠনের প্রস্তাবক দেশ ছিল-
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. ফ্রান্স
  3. কানাডা
  4. জাপান
ব্যাখ্যা
G-7 এর পূর্ণরূপ- Group of Seven। এটি বিশ্বের শিল্পোন্নত ৭টি দেশের আন্তঃরাষ্ট্রীয় জোট। জি-৭ গঠনের প্রস্তাবক দেশ ছিল ফ্রান্স।
পূর্বে এর সদস্য সংখ্যা ছিল ৮টি। তবে ক্রিমিয়া ইস্যুতে রাশিয়ার সদস্যপদ স্থগিত থাকায় বর্তমানে এটি G-7 নামে পরিচিত।
এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৫ নভেম্বর, ১৯৭৫ সালে।
জি-৭ এর বর্তমান সদস্য দেশ গুলো হলো- যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, জার্মানি, যুক্তরাজ্য, ইতালি, জাপান ও কানাডা।
এই সংস্থার একমাত্র এশীয় দেশ জাপান।
উৎসঃ ব্রিটানিকা.কম।
১,৫২৩.
G-7-এর একমাত্র এশিয়া দেশ কোনটি?
  1. চীন
  2. ভারত
  3. জাপান
  4. বার্মা
ব্যাখ্যা
- জি-৭ এর পূর্ণাঙ্গ রূপ হল গ্রুপ অফ সেভেন, বা সাতটি দেশের দল। বিশ্বের তথাকথিত উন্নত অর্থনীতির সাতটি বড় দেশ ও একটি সংস্থা নিয়ে এই জোট গঠিত।
- জোটের সদস্য দেশ হল কানাডা, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, জাপান, যুক্তরাজ্য এবং যুক্তরাষ্ট্র। এছাড়া ইউরোপীয় ইউনিয়ন এই জোটের একটি অংশ।
- রাশিয়া ১৯৯৮ সালে এই জোটে যোগ দিলে সেটা জি-৮ হয়েছিল। তবে ক্রিমিয়া দখল করার কারণে ২০১৪ সালে রাশিয়া বাদ পড়ে যায়।

- ২০২৩ সালের জি-৭ শীর্ষ সম্মেলন হবে হিরোশিমা, জাপান।
- ২০২২ সালের জি-৭ শীর্ষ সম্মেলন জার্মানি।

সূত্র: BBC Bangla
১,৫২৪.
কোন যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে Uniting for peace resolution গৃহীত হয়েছিল? 
  1. ভিয়েতনাম যুদ্ধ
  2. কোরীয় যুদ্ধ
  3. পাক-ভারত যুদ্ধ
  4. ইজরাইল- ফিলিস্তিন 
ব্যাখ্যা

• কোরীয় যুদ্ধ:
- যুদ্ধ সংঘটনকাল: ১৯৫০-১৯৫৩ সাল।
- বিবাদমান পক্ষসমূহ: সোভিয়েত ইউনিয়ন ও চীনের সমর্থিত - উত্তর কোরিয়া ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও মিত্রদের সমর্থিত - দক্ষিণ কোরিয়া।
- যুদ্ধের ফলাফল: কোরিয়া সংকটকালীন সময়ে ১৯৫০ সালের ৩ নভেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ শান্তির জন্য ঐক্য” (Uniting for Peace) প্রস্তাব পাশ করে এবং উত্তেজনা প্রশমনের চেষ্টা চালায়।
- এ যুদ্ধের প্রেক্ষিতে জাতিসংঘ ৩ নভেম্বর, ১৯৫০ সালে 'Uniting for peace resolution' পাশ করে।
- অবশেষে ২৭ জুলাই, ১৯৫৩ সালে কোরীয় যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটে।

উৎস: UN ওয়েবসাইট।

১,৫২৫.
ইন্দোনেশিয়ার জাতির পিতা বলা হয় কাকে?
  1. ক) মাহাতির মোহাম্মদ
  2. খ) আহমদ সুকর্ণ
  3. গ) আবদুর রহমান ওয়াহিদ
  4. ঘ) সুহার্তো
ব্যাখ্যা
আহমদ সুকর্ণ (১৯০১ - ১৯৭০)
• ১৯০১ সালের ৬ জুন তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তিনি যৌবনে হল্যান্ডের দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে স্বাধীনতা সংগ্রাম করেছেন। এ জন্যে সুকর্ণকে কারাগারে ও নির্বাসনে থাকতে হয়েছে। ১৯৭০ সালের ২১ জুন তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

⤇ সুকর্ণ, ইন্দোনেশিয়ার জাতির পিতা। ইন্দোনেশিয়ার স্বাধীনতার স্থপতি। তিনি ছিলেন ইন্দোনেশিয়ার প্রথম রাষ্ট্রপতি এবং জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের উত্থানকালের প্রধান সারির নেতা।
⤇ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জাপান ইন্দোনেশিয়া দখল করে। কিন্তু ১৯৪৫ সালে জাপান পরাজিত হবার পর ইন্দোনেশিয়া থেকে সেনা প্রত্যাহার করে। এ সময় স্বাধীনতাকামীরা জাপানীদের রেখে যাওয়া অস্ত্র ব্যবহার করে এবং সুকর্ণর নেতৃত্বে তারা স্বাধীনতা ঘোষণা করে। স্বাধীনতাকামীরা চার বছর লড়াই করে হল্যান্ডের সেনাদের ইন্দোনেশিয়া থেকে বিতাড়িত করে।
⤇ সুকর্ণ ১৯৪৯ সালে দেশের প্রেসিডেন্ট হন। তিনি ইন্দোনেশিয়ায় রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে অনেক সংস্কার সাধন করেন। সুকর্ণ জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা। 

তথ্যসূত্র:- ব্রিটানিকা।
১,৫২৬.
নিচের কোনটি মাইক্রোনেশিয়া অঞ্চলের দেশ?
  1. ফিজি
  2. টোঙ্গা
  3. নাউরু
  4. সামোয়াত
ব্যাখ্যা

• মাইক্রোনেশিয়া অঞ্চলের দেশসমূহ:
- নাউরু
- পালাউ
- কিরিবাতি
- মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ
- মারিয়ানা।

• মেলানেশিয়া অঞ্চলের দেশসমূহ:
- সলোমান দ্বীপপুঞ্জ
- ফিজি
- ভানুয়াতু
- পাপুয়া নিউগিনি।

• পলিনেশিয়া অঞ্চলের দেশসমূহ:
- টোঙ্গা
- টুভ্যালু
- সামোয়াত

তথ্যসূত্র - ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস।

১,৫২৭.
নিচের কোন দেশে সংসদীয় পদ্ধতির সরকার ব্যবস্থা রয়েছে?
  1. অস্ট্রেলিয়া
  2. সুইডেন
  3. যুক্তরাজ্য
  4. উপরোক্ত সবগুলো
ব্যাখ্যা

সরকারের শ্রেণিবিভাগ- 
- আইন ও শাসনবিভাগ দুটি বিভাগের মধ্যে সম্পর্ক বা জবাবদিহিতা নীতির ভিত্তিতে সরকারের দুটি রূপ রয়েছে।
- যথা- সংসদীয় সরকার ও রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার।

সংসদীয় সরকার:
- যে সরকার ব্যবস্থায় শাসনবিভাগের স্থায়িত্ব ও কার্যকারিতা আইনবিভাগের উপর নির্ভরশীল, তাকে মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকার বা সংসদীয় পদ্ধতির সরকার বলে।
- এতে মন্ত্রিসভার হাতে দেশের শাসন ক্ষমতা থাকে।
- সাধারণ নির্বাচনে সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে বিজয়ী দল মন্ত্রিসভা গঠন করেন।
- বাংলাদেশ, ভারত, যুক্তরাজ্য, কানাডা, সুইডেন, অস্ট্রেলিয়া প্রভৃতি দেশে সংসদীয় পদ্ধতির সরকার রয়েছে।

এছাড়াও,
- এ ধরনের সরকারে একজন নিয়মতান্ত্রিক রাষ্ট্রপ্রধান থাকেন।
- তবে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে মন্ত্রিসভা হয় প্রকৃত শাসন ক্ষমতার অধিকারী।
- সংসদীয় সরকারে প্রধানমন্ত্রীসহ মন্ত্রিসভা তাদের কাজের জন্য আইন পরিষদের নিকট দায়ী থাকে।

সূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন,  একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেনী, ব্রিটানিকা।

১,৫২৮.
ওডার নদী-
  1. পূর্ব-মধ্য ইউরোপের নদী
  2. পূর্ব-মধ্য এশিয়ার নদী
  3. উত্তর-মধ্য আফ্রিকার নদী
  4. উত্তর-মধ্য এশিয়ার নদী
ব্যাখ্যা
ওডার নদী:

• এটি পূর্ব-মধ্য ইউরোপের নদী।
• এটি বাল্টিক সাগরের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য নদীগুলির মধ্যে একটি।
• এর উৎস থেকে চেক প্রজাতন্ত্রের মধ্য দিয়ে অতিবাহিত হয়েছে।
• এটি পোল্যান্ড এবং জার্মানির মধ্যে সীমানা তৈরি করে।
• ওডার নদীর মোট দৈর্ঘ্য ৫৩১ মাইল (৮৫৪ কিলোমিটার), যার মধ্যে ৪৬১ মাইল পোল্যান্ডে অবস্থিত।
• আয়তন: ৪৬০০০০ বর্গ মাইল (১১৯,০০০ বর্গ কিলোমিটার), যার প্রায় ৯০ শতাংশ পোলিশ অঞ্চলে অবস্থিত।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা। 
১,৫২৯.
কোন বিপ্লবের মাধ্যমে বলশেভিক পার্টি ক্ষমতা দখল করে?
  1. ফ্রেঞ্চ বিপ্লব
  2. অক্টোবর বিপ্লব
  3. ফেব্রুয়ারি বিপ্লব
  4. ভেলভেট বিপ্লব
ব্যাখ্যা
অক্টোবর বিপ্লব (১৯১৭):
- তারিখ: ২৪-২৫ অক্টোবর (পুরাতন বর্ষপঞ্জি) / ৬-৭ নভেম্বর (নতুন বর্ষপঞ্জি), ১৯১৭
- বলশেভিক পার্টি রাশিয়ার ক্ষমতা দখল করে এবং সোভিয়েত শাসনের সূচনা করে।
- প্রেক্ষাপট: এটি ছিল রুশ বিপ্লব ১৯১৭-এর দ্বিতীয় এবং চূড়ান্ত পর্যায়।

ফলাফল:
- জারশাসনের পতন ঘটে।
- সোভিয়েত ইউনিয়নের (USSR) প্রতিষ্ঠার পথ প্রশস্ত হয়।
- কমিউনিজম প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে ওঠে।

উৎস: Britannica.
১,৫৩০.
IMF এর সদরদপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) লন্ডন
  2. খ) ওয়াশিংটন ডিসি
  3. গ) নিউইয়র্ক
  4. ঘ) জেনেভা
ব্যাখ্যা
The International Monetary Fund (IMF) ১৯৪৪ সালের ১-২২ জুলাই অনুষ্ঠিত ব্রেটন উডস সম্মেলনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়।
এটির মোট সদস্য সংখ্যা ১৯০টি।
সদরদপ্তর অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে। বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা।

IMF এর প্রধান কাজ হলো আন্তর্জাতিক মুদ্রা ব্যবস্থার স্থিতিশীলতা রক্ষা করা। মুদ্রার বিনিময় হার রক্ষা ও মুদ্রার অবমূল্যায়ন রোধ করা।

(তথ্যসূত্র: IMF ওয়েবসাইট)
১,৫৩১.
দাস প্রথার অবসানে কোন মার্কিন প্রেসিডেন্ট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন?
  1. ক) আব্রাহাম লিংকন
  2. খ) উড্রো উইলসন
  3. গ) জর্জ ওয়াশিংটন
  4. ঘ) ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট
ব্যাখ্যা
• গেটিসবার্গের ভাষণ (Gettysburg Address) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকনের একটি বিখ্যাত ভাষণ।
• আব্রাহাম লিংকন আমেরিকার গৃহযুদ্ধের সময় পেনসিলভানিয়ার গেটিসবার্গে এই ভাষণ দেন।
• ১৮৬৩ সালের ১৯ নভেম্বর ভাষণটি দিতে তাঁর লেগেছিল তিন মিনিটেরও কম সময়। শব্দ ছিল মাত্র ২৭২টি। অথচ তার শিহরণ লেগেছিল গোটা বিশ্বে। 
• আব্রাহাম লিংকন ছিলেন আমেরিকার ১৬তম প্রেসিডেন্ট। ১৮৬১ সালের ৪ মার্চ থেকে ১৮৬৫ সালের ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত তিনি আমেরিকার প্রেসিডেন্ট পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন।
• ১৮৬৩ সালে তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দাস প্রথার অবসান ঘটান এবং দাসত্ব মোচন ঘোষণার মাধ্যমে দাসদের মুক্ত করে দেন দাসপ্রথাকে কেন্দ্র করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এ সময় গৃহযুদ্ধ হয়।

তথ্যসূত্র: কার্নেল ইউনিভার্সিটি ওয়েবসাইট ও কালেরকণ্ঠ রিপোর্ট।
১,৫৩২.
সম্রাট অশোক কোন রাজবংশের শাসক ছিলেন?
  1. মৌর্য
  2. গুপ্ত
  3. পাল
  4. সেন
ব্যাখ্যা

⇒ সম্রাট অশোক মৌর্য রাজবংশের শাসক ছিলেন।

অশোক:
- চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের পৌত্র এবং বিম্বিসারের পুত্র অশোক ২৭৩ খ্রিস্টপূর্বাব্দে সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- পিতার রাজত্বকালে অশোক প্রথম জীবনে উজ্জয়িনীর শাসনকর্তার দায়িত্ব পালন করেন।
- পরে তক্ষশীলায় বিদ্রোহ দেখা দিলে বিন্দুসার তাঁকে সেখানে পাঠান। বিদ্রোহ দমনের পর তিনি তক্ষশীলার শাসনভার গ্রহণ করেন।
- পিতার মৃত্যুর পর ২৭৩ খ্রিস্টপূর্বাব্দে তিনি পাটলিপুত্রের সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- সিংহাসনে আরোহণের চার বছর পর তাঁর অভিষেক অনুষ্ঠিত হয়।
- সিংহাসনে আরোহণ করে অশোক তাঁর পূর্বসুরীদের মতই 'দেবনম পিয়' উপাধি গ্রহণ করেন।
- তিনি নিজেকে 'দেবনম পিয় পিয় দসী' রূপে পরিচয় দিতেন। 
- তিনি তাঁর পূর্বসুরীদের সাম্রাজ্য সম্প্রসারণনীতি অনুসরণ করেন এবং রাজত্বের ত্রয়োদশ বছরে কলিঙ্গ আক্রমণ করে জয় করেন।
- কলিঙ্গ যুদ্ধে প্রচুর মানুষ হতাহত হয়। যুদ্ধের ভয়াবহতা অশোকের মন ও শাসননীতির ওপর গভীর প্রভাব ফেলে। এ যুদ্ধের পর তিনি বৌদ্ধধর্ম গ্রহণ করেন।
- সামরিক বিজয়ের পরিবর্তে ধর্ম বিজয় অর্থাৎ সৌহার্দ্য, মানবতা ও ভ্রাতৃত্বের মাধ্যমে অপরের প্রীতি অর্জনকেই প্রকৃত বিজয় বলে তিনি মনেপ্রাণে গ্রহণ করেন।
- তিনি ঘোষণা করেন সব মানুষই তাঁর সন্তান। তাদের জাগতিক ও পারলৌকিক সুখ নিশ্চিত করাই ছিল তাঁর একমাত্র উদ্দেশ্য।
- প্রায় ৪০ বছর রাজত্বের পর ২৩২ খ্রিস্টপূর্বাব্দে মহামতি অশোক মৃত্যুবরণ করেন।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৫৩৩.
লেবাননের নব-নির্বাচিত প্রেসিডেন্টের নাম কী? [জানুয়ারি,২০২৫]
  1. মিশেল আউন
  2. জোসেফ আউন
  3. নাজিব মিকাতি
  4. নাওয়াফ সালাম
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]
-----------------
লেবাননের নতুন প্রেসিডেন্ট:
- জানুয়ারি,২০২৫ সালে লেবাননের নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে সেনাপ্রধান জোসেফ আউন নির্বাচিত হয়েছেন।
- ২০২২ সালের অক্টোবর থেকে প্রেসিডেন্ট পদ শূন্য ছিল।
- লেবাননের পার্লামেন্ট দেশটির সেনাপ্রধান জোসেফ আউনকে প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত করেছে।
- এর মাধ্যমে দুই বছরের বেশি সময় ধরে চলা ক্ষমতার শূন্যতার অবসান ঘটল।
- জোসেফ আউনের প্রার্থীতা বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স ও সৌদি আরবের সমর্থন পেয়েছে।
- হিজবুল্লাহ তাদের প্রার্থীকে প্রত্যাহার করে আউনকে সমর্থন দিয়েছে।
- এই নির্বাচন এমন সময়ে ঘটেছে, যখন লেবানন ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে যুদ্ধবিরতি করেছে।
- আউন ২০১৭ সাল থেকে সেনাবাহিনী পরিচালনা করছেন এবং প্রেসিডেন্ট হিসেবে কার্যক্রম চালাবেন।
- ২০২২ সালের নির্বাচনের পর থেকে লেবাননে কোনও কার্যকরী সরকার ছিল না।
- আউনকে নির্বাচিত হওয়ার পর, লেবাননবাসীর জন্য নতুন একটি অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে।

লেবাননের নব-নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী:
- আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের (আইসিজে) প্রেসিডেন্ট নাওয়াফ সালামকে লেবাননের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে।


  তথ্যসূত্র: প্রথম আলো নিউজ। [লিঙ্ক]  এবং বিবিসি নিউজ। [লিঙ্ক]
১,৫৩৪.
মিশরকে 'নীলনদের উপহার' নামে কে সম্মানিত করেছেন?
  1. থুসিডাইডিস
  2. সক্রেটিস
  3. অ্যারিস্টটল
  4. হেরোডোটাস
ব্যাখ্যা
হেরোডোটাস:
- ইতিহাসের জনক হিসেবে খ্যাত হেরোডোটাস।
- তিনি পারস্য সাম্রাজ্যে (বর্তমান তুরস্ক) জন্মগ্রহণ করেছিলেন।
- তিনি ছিলেন থুসিডাইডিস, সক্রেটিস ও ইউরিপিডিসের সমসাময়িক।

⇒ হেরোডোটাস সর্বপ্রথম গ্রিক হিস্টরিয়া (Historia) শব্দটি ব্যবহার করেন।
- তার মতে ইতিহাস হলো যা সত্যিকার অর্থে ছিলো বা সংঘটিত হয়েছিলো তা অনুসন্ধান করা ও লেখা।
- হেরোডোটাস রচিত ইতিহাস-সংক্রান্ত প্রথম বইটি ছিল গ্রিস ও পারস্যের মধ্যে যুদ্ধ নিয়ে।

⇒ মিশরকে "নীলনদের দান" বা "নীলনদের উপহার" হিসেবে সম্মানিত করেছেন গ্রীক ইতিহাসবিদ হেরোডোটাস। 
- তিনি তার লেখায় (Histories) উল্লেখ করেন যে নীলনদের পলিমাটি ও জলসম্পদ মিশরের কৃষি, সভ্যতা ও সমৃদ্ধির মূল ভিত্তি।

উল্লেখ্য,
- বিশ্বের দীর্ঘতম নদ নীলনদকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছিল মিসরীয় সভ্যতা। 
- গ্রিক কবি হোমার তাঁর লেখা মহাকাব্য ‘ওডিসি’তে নিল নদকে ইজিপ্টাস নামে অভিহিত করেছেন।
- মিসরের সভ্যতা প্রাচীনকাল থেকেই নিলের ওপর নির্ভরশীল।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি। 
ii) Britannica.
১,৫৩৫.
সম্প্রতি আফগানিস্তানে কোন শহরে ৬.০ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে? (সেপ্টেম্বর-২০২৫)
  1. কাবুল প্রদেশ
  2. নানগারহার প্রদেশ
  3. হেলমান্দ প্রদেশ
  4. উরুজগান প্রদেশ
ব্যাখ্যা

- পাকিস্তান সীমান্তের কাছে পূর্ব আফগানিস্তানে ৩১ আগস্ট রাতে ৬.০ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে।
- ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল নানগারহার প্রদেশের জালালাবাদ শহর থেকে ২৭কিলোমিটার পূর্ব-উত্তরপূর্বে।
-এর গভীরতা ছিল ৮ কিলোমিটার।
-এতে নানগারহার ও কুনার প্রদেশসহ আশপাশের এলাকায় অন্তত ৮০০ জন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।
- এছাড়া আড়াই হাজারের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন।
উল্লেখ্য,
- আফগানিস্তান অত্যন্ত ভূমিকম্পপ্রবণ দেশ।
-কারণ দেশটি ভারতীয় ও ইউরেশীয় টেকটোনিক প্লেটের সংযোগস্থলে বেশ কয়েকটি ফল্ট লাইনের ওপর অবস্থিত।
-২০২২ সালে পূর্ব আফগানিস্তানে ৫.৯ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হানে।
-এতে অন্তত ১ হাজার মানুষ নিহত এবং ৩ হাজার মানুষ জন আহত হন।
-গত দুই দশকে দেশটিতে এটিই ছিল সবচেয়ে ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগ।

উৎস: The Business Standard [লিংক]

১,৫৩৬.
লাওসের (Laos) সরকারি নাম কি?
  1. Loas People's Democratic Republic
  2. Republic of Laos
  3. Kingdom of Laos
  4. Democratic Republic of Laos
ব্যাখ্যা
লাওসের (Laos) সরকারি নাম Loas People's Democratic Republic.

লাওস:
- লাওস দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ল্যান্ডলকড দেশ।
- লাওসের (Laos) সরকারি নাম Loas People's Democratic Republic.
- এর উত্তর-পশ্চিমে চীন, পূর্বে ভিয়েতনাম, দক্ষিণে কম্বোডিয়া এবং পশ্চিমে থাইল্যান্ড।
- দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দরিদ্রতম দেশগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম।
- ১৯৭৫ সালে কমিউনিস্টরা দেশ থেকে রাজতন্ত্রের অবসান ঘটায়। 
- মার্কসবাদী-লেনিনবাদী মতাদর্শ দ্বারা পরিচালিত দেশ লাওস।
- রাজধানী: ভিয়েনতিয়েন।
- বর্তমান প্রধানমন্ত্রী: সোনেক্সে সিফানডোন।
- আইনসভা: জাতীয় পরিষদ।
- মুদ্রা: কিপ।
- অফিসিয়াল ভাষা: লাও।

উৎস: Britannica.
১,৫৩৭.
অন্ধদের জন্য লিখনরীতি উদ্ভাবন করেন কে? 
  1. ক) হেলেন কিলার
  2. খ) লুইস ব্রেইল
  3. গ) এডিসন
  4. ঘ) ডেবিট বোর
ব্যাখ্যা
-  অন্ধ ও দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের জন্য পড়া ও লেখার বিশেষ পদ্ধতির নাম ব্রেইল।
-  এর আবিষ্কারক লুইস ব্রেইল। 
- ব্রেইল ১৮০৯ সালের ৪ জানুয়ারী প্যারিসের নিকটবর্তী কুপভেরি নামক একটি ছোট শহরে জন্মগ্রহণ করেন। 
- তাকে সম্মান জানাতেই তার জন্মদিনে ব্রেইল দিবস পালন করা হয়।

- ব্রেইল তিন বছর বয়সে অন্ধ হয়ে যাবার পর বিশ বছর বয়সে অন্যান্য অন্ধ ব্যক্তিদেরকে শিক্ষা দিতে অগ্রসর হন।
- ১৮২৭ সালে তিনি প্রথম ব্রেইল পদ্ধতির বই প্রকাশ করেন । 
- তবে সে সময়ের দৃষ্টি প্রতিবন্ধীরা প্রথমদিকে এই মোটা কাগজে ডটের সাহায্যে লেখা পড়ার পদ্ধতিটি অনুধাবন করতে পারেনি।

- ব্রেইলের নিরলস অধ্যাবসায়ে আজ অন্ধদের পৃথিবী দেখাচ্ছে এ পদ্ধতিটি। 
- বর্তমানে বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন ভাষায় ব্রেইল পদ্ধতিটিকে নিজস্ব ভাষায় উপযোগী করে তৈরী করেছে।
 
উৎস : প্রথম আলো 
১,৫৩৮.
নিম্নলিখিত দেশের মধ্যে কোনটি বাল্টিক সাগরের তীরবর্তী দেশ নয়?
  1. লিথুয়ানিয়া
  2. সুইডেন
  3. চেক প্রজাতন্ত্র
  4. পোল্যান্ড
ব্যাখ্যা
- চেক প্রজাতন্ত্র ছাড়া বাকি তিনটি দেশই বাল্টিক সাগরের তীরে অবস্থিত।

• বাল্টিক সাগরের তীরবর্তী দেশসমূহের নাম:
- ডেনমার্ক,
- এস্তোনিয়া,
- ফিনল্যান্ড,
- জার্মানি,
- লাটভিয়া,
- লিথুয়ানিয়া,
- পোল্যান্ড,
- রাশিয়া (কালিনিনগ্রাদ ও সেন্ট পিটার্সবার্গ অঞ্চলের মাধ্যমে),
- সুইডেন।

উল্লেখ্য, 
- মোট ৯টি দেশ বাল্টিক সাগরের তীরবর্তী।
- এর মধ্যে এস্তোনিয়া, লাটভিয়া, ও লিথুয়ানিয়া-কে একত্রে বাল্টিক রাষ্ট্র বলা হয়।

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।
১,৫৩৯.
Where was the Inca civilization built?
  1. Chile
  2. Mexico
  3. Peru
  4. China
  5. Columbia
ব্যাখ্যা
ইনকা সভ্যতা:
- ইনকা সভ্যতা দক্ষিণ আমেরিকার একটি প্রাচীন সভ্যতা।
- পেরুকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছিলো ইনকা সভ্যতা।
- ইনকা সভ্যতার ধ্বংসাবশেষ দেখা যায় মাচু পিচুতে।
- সভ্যতার উত্থান-পতনকাল হচ্ছে ১৪০০-১৫৭২ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত।
- ইনকা সভ্যতার স্থপতি মানকো কাপেন।

উৎস: Britannica.
১,৫৪০.
জাপানের মুদ্রার নাম কী?
  1. রুপি
  2. ইউয়ান
  3. ইয়েন
  4. ওয়োন
ব্যাখ্যা
জাপান:
- জাপান পূর্ব এশিয়ার একটি দ্বীপরাষ্ট্র।
- পূর্বনাম: নিপ্পন।
- রাজধানী: টোকিও।
- ভাষা: জাপানি (অফিসিয়াল)।
- ধর্ম: শিন্টো, বৌদ্ধ ধর্ম, এছাড়াও খ্রিস্টধর্ম।
- মুদ্রা: ইয়েন।
- এটি একটি সাংবিধানিক রাজতন্ত্র।
- আইনসভা: ২টি
- আইনসভার নাম ডায়েট।
- পতাকার রং সাদা ও লাল।

উল্লেখ্য 
- বর্তমান প্রধানমন্ত্রী: ইশিবা শিগেরু।
- প্রধান দ্বীপ: হোক্কাইডো, হনসু, শিকোকু, কিউসু ও ওকিনাওয়া।
- জাপানের সবচেয়ে বড় দ্বীপ: হনসু।
- প্রথমবারের মতো নিজস্ব ভূখণ্ডে ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালিয়ে আলোড়ন তুলেছে জাপান।
-  ২৪ জুন, ২০২৫ উত্তরাঞ্চলের হোক্কাইডো দ্বীপে অবস্থিত শিজুনাই অ্যান্টি এয়ার ফায়ারিং রেঞ্জ থেকে পরীক্ষাটি চালায় দেশটির সেনাবাহিনী। 

উৎস: Worldatlas.
১,৫৪১.
দারিদ্র এবং দুর্ভিক্ষ বিষয়ে মৌলিক অবদানের জন্য নিম্নের কোন ব্যক্তি খ্যাতি অর্জন করে?
  1. ইয়েন টিনবারগেন
  2. অমর্ত্য সেন
  3. রাগনার ফ্রিশ
  4. অভিজিৎ ব্যানার্জী
ব্যাখ্যা
অমর্ত্য সেন:
- অমর্ত্য সেন একজন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ভারতীয় বাঙালী অর্থনীতিবিদ ও দার্শনিক।
- ১৯৯৮ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেছিলেন অমর্ত্য সেন।
- দারিদ্র এবং দুর্ভিক্ষ নিয়ে গবেষণার জন্য পৃথিবী জুড়েই তিনি শ্রদ্ধা অর্জন করেছেন।
- তিনি হার্ভার্ড সোসাইটি অফ ফেলোস, ট্রিনিট্রি কলেজ, অক্সব্রিজ এবং ক্যামব্রিজের একজন সিনিয়র ফেলো।
- এছাড়াও তিনি ১৯৯৮ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত ক্যামব্রিজের ট্রিনিটি কলেজের মাস্টার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
- তিনি ইকোনমিস্ট ফর পিস অ্যান্ড সিকিউরিটির একজন ট্রাষ্টি।
- তিনিই প্রথম ভারতীয় শিক্ষাবিদ যিনি একটি অক্সব্রিজ কলেজের প্রধান হন।
- এছাড়াও তিনি প্রস্তাবিত নালন্দা আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসাবেও কাজ করেছেন।
- ২০০৬ সালে টাইম ম্যাগাজিন তাকে অনূর্ধ্ব ষাট বছর বয়সী ভারতীয় বীর হিসেবে চিহ্নিত করেছে।
- ২০১০ সালে তাকে বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় স্থান দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য,
- অমর্ত্য সেনের লেখা গ্রন্থাবলি ৩০টিরও বেশি ভাষায় অনূদিত হয়েছে।
- The Idea Of Justice-গ্রন্থটির রচয়িতা অমর্ত্য সেন।
- বইটি মূলত জন রলসের 'A Theory of Justice' (1971)-এর মৌলিক ধারণাগুলির একটি সমালোচনা এবং সংশোধন।

⇒ উল্লিখিত অপশনের সকল ব্যক্তি বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন বিষয়ে অবদানের জন্য নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

উৎস: Britannica.
১,৫৪২.
আয়তনের দিক থেকে বিশ্বের ক্ষুদ্রতম মহাদেশ কোনটি?
  1. ক) এশিয়া
  2. খ) আফ্রিকা
  3. গ) অস্ট্রেলিয়া
  4. ঘ) আমেরিকা
ব্যাখ্যা
• ওশেনিয়া/অস্ট্রেলিয়া মহাদেশ:
- আয়তনের দিক থেকে বিশ্বের ক্ষুদ্রতম মহাদেশ হচ্ছে অস্ট্রেলিয়া।
- ওশেনিয়া হল একটি বিস্তীর্ণ অঞ্চল যা অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড এবং মেলানেশিয়া, মাইক্রোনেশিয়া এবং পলিনেশিয়ার প্রশান্ত মহাসাগরের উপ-অঞ্চলকে ঘিরে রয়েছে।
- ওশেনিয়ায় মোট ১৪টি দেশ রয়েছে।
- অস্ট্রেলিয়া ওশেনিয়ার বৃহত্তম এবং জনবহুল দেশ।

• ওশেনিয়ার দেশসমূহ:
- অস্ট্রেলিয়া, পাপুয়া নিউ গিনি, নিউজিল্যান্ড, ফিজি, সলোমান দ্বীপপুঞ্জ, মাইক্রোনেশিয়া, ভানুয়াতু, সামোয়া, কিরিবাতি, টোঙ্গা, মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ, পালাউ, টুভ্যালু, নাউরু।

তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড এটলাস।
১,৫৪৩.
পশতু ভাষায় তালেবান শব্দের অর্থ কী?
  1. ছাত্র
  2. শিক্ষক
  3. জমিদার
  4. সরকার
ব্যাখ্যা
আফগানিস্তান:
- আফগানিস্তান দক্ষিণ এশিয়ার একটি রাষ্ট্র।
- রাষ্ট্রীয় নাম: ইসলামিক আমিরাত অব আফগানিস্তান (Islamic Emirate of Afghanistan)।
- আফগানিস্তান শব্দটির অর্থ 'আফগান বা পশতুন জাতির দেশ'।
- ভাষা: পশতু, দারি।
- মুদ্রা: আফগানি।

উল্লেখ্য,
- ১৯১৯ সালে তৃতীয় ব্রিটিশ-আফগান যুদ্ধশেষে আফগানিস্তান দেশটি ব্রিটেন থেকে সম্পূর্ণ স্বাধীনতা লাভ করে।
- ১৯৯৬ সালে তালেবান গোষ্ঠী কাবুলের দখল নেয়।
- ১১ই সেপ্টেম্বর, ২০০১-এর সন্ত্রাসী হামলার পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আফগানিস্তান আক্রমণ করে এবং ২০০১-এর শেষে তালেবানদের উৎখাত করে।
- এক বিধ্বংসী সামরিক অভিযানে ২০০১ সালে তালেবানকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর গত ২০ বছর ধরে আফগানিস্তানের সামরিক নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছিল যুক্তরাষ্ট্র ও তার নেটো মিত্ররা।
- ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারীতে যুক্তরাষ্ট্র এবং তালেবানের মধ্যে শান্তি চুক্তি হয়।
- ২০২১ সালে মার্কিন বাহিনী প্রত্যাহারের পর তালেবানরা কাবুল পুনরায় দখল করে।

⇒ তালেবান গোষ্ঠী:
- ১৯৯৪ সালে আফগান প্রতিরোধ যোদ্ধাদের নিয়ে গঠিত হয়েছিল তালেবান গোষ্ঠী।
- পশতু ভাষায় তালেবান মানে হচ্ছে 'ছাত্র'।
- আফগানিস্তান থেকে সোভিয়েত রাশিয়ার সেনারা ফিরে যাওয়ার পর ১৯৯০-এর দশকের শুরুতে উত্তর পাকিস্তানে এই তালেবান আন্দোলনের জন্ম।
- এই আন্দোলনে মূলত পশতুন অর্থাৎ পশতুভাষীদের প্রাধান্য।
- এই মাদ্রাসাগুলো পরিচালিত হতো সৌদি অর্থে - এবং সেখানে খুবই কট্টর সুন্নী মতাদর্শের ইসলামই প্রচার করা হতো।
- তাদের মূল লক্ষ্য ছিল ইসলামি আইনে দেশ পরিচালনা এবং যে কোনো ধরনের বিদেশি প্রভাব দূর করা।
- ১৯৯৮ সাল নাগাদ তালেবান আফগানিস্তানের প্রায় ৯০ শতাংশ অঞ্চলে তাদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে।
- তাদের সবচেয়ে ভয়াবহ কাণ্ড ছিল ২০০১ সালে আফগানিস্তানের মধ্যাঞ্চলে বিখ্যাত বামিয়ান বুদ্ধের মূর্তি ধ্বংস করা।
- ২০০১ সালের ১১ই সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে আল কায়েদার হামলার পর সারা বিশ্বের মনোযোগের কেন্দ্রে চলে আসে আফগানিস্তানের তালেবান।

উৎস: i) National Geographic Kids ওয়েবসাইট।
ii) ৫ অগাস্ট ২০২১, BBC.
১,৫৪৪.
'এমকিউ–৯ রিপার' সামরিক ড্রোনটি কোন দেশের তৈরি?
  1. ক) ইরান
  2. খ) যুক্তরাষ্ট্র
  3. গ) তুরস্ক
  4. ঘ) রাশিয়া
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন দেশের তৈরি উল্লেখযোগ্য কিছু ড্রোন:

যুক্তরাষ্ট্র: MQ-9 Reaper, RQ-170 Sentinel, RQ-4 Global Hawk, স্ক্যান ঈগল, X-47B.
• তুর্কিয়ে: বায়রাক্তার টিবি২, Bayraktar Aking, Aksungur.
• ইসরায়েল: হেরন টিপি, হার্মিস ৪৫০, হার্মিস ৯০০, ডমিনেটর XP, অরবিটার।
• ইরান: শাহেদ-১২৯, কামান- ২২, শাহেদ-১৭১, Simorgh, আবাবিল, গাজা (শাহেদ-১৪৯)।
• ফ্রান্স: SAGEM Sperwer, পেট্রোলার, হারফাং, তালারিয়ন।
• চীন: উইং লুং-২, GJ-11 সাৰ্প সোর্ড, WZ-7, WJ-700, BZK-005.
• যুক্তরাজ্য: থ্যালেস ওয়াচকিপার WK450, HERTI, Mantis, PHASA-35.
• রাশিয়া: ZALA 421-08, অরলান-১০, Searcher, ওরিয়ন।
• ভারত: নেত্রা, TAPAS BH-201.
• পাকিস্তান: বোরাক, GIDS শাহপার, জাসুস।
• ইতালি: Sky-Y, Falco.
• জার্মানি: Barracuda.

সূত্র: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, আগস্ট ২০২২
১,৫৪৫.
’রুশ বিপ্লব' কত সালে সংঘটিত হয়?
  1. ১৯১৯ সালে
  2. ১৯১৭ সালে
  3. ১৯১৩ সালে
  4. ১৯১৫ সালে
ব্যাখ্যা

রুশ বিপ্লব:
- ১৯১৭ সালে রাশিয়ায় মূলত দুটি বিপ্লব সংঘটিত হয়।
- এই দুটি বিপ্লব হলো ফেব্রুয়ারি বিপ্লব ও বলশেভিক বিপ্লব। এই দুটি বিপ্লবকে একত্রে '১৯১৭ সালের রুশ বিপ্লব' বলা হয়।

⇒ ফেব্রুয়ারি বিপ্লব:
- রুশ বিপ্লবের প্রথম পর্যায়কে ফেব্রুয়ারি বিপ্লব বলা হয়। ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের ফলে রাজতন্ত্রের অবসান ঘটে এবং জার দ্বিতীয় নিকোলাসকে ক্ষমতা থেকে উচ্ছেদ ও বন্দি করা হয়। ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের নেতৃত্ব ছিলেন আলেক্সান্দ্রো এফ. ক্যারেনস্কি (Aleksandr F. Kerensky)।

⇒ বলশেভিক বিপ্লব/অক্টোবর বিপ্লব:
- রুশ বিপ্লবের দ্বিতীয় পর্যায়কে বলশেভিক বা অক্টোবর বিপ্লব বলে। বলশেভিক বিপ্লবের ফলে রাশিয়ায় লেনিনের নেতৃত্বে বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- বলশেভিক বিপ্লবের নেতা ছিলেন ভ্লাদিমির লেনিন।

উৎস: i) ইতিহাস ২য় পত্র, একাদশ -দ্বাদশ শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) Britannica.

১,৫৪৬.
রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের বাসভবনের নাম কী?
  1. হোয়াইট লজ
  2. ব্লু হাউজ
  3. ক্রেমলিন
  4. এলিসি প্রাসাদ
ব্যাখ্যা
রাশিয়া:
- আয়তনে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ রাশিয়া।
- রাজধানী ও বৃহত্তম নগরী: মস্কো।
- রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় ভাষা রুশ।
- দেশটির মুদ্রার নাম রুবল।
- রাশিয়ার সম্রাটদের বলা হয় জার।
- বর্তমান প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।
- রাশিয়ার সরকারব্যবস্থা বহুদলীয় গণতন্ত্র।
- দেশটির পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষের নাম ডুমা।
- রাশিয়া একসময় সোভিয়েত ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত ছিল।
- ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে যাওয়ার পর পৃথক রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে দেশটি।
- সাংবিধানিকভাবে বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক দেশ রাশিয়া।
- রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের বাসভবন: ক্রেমলিন।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
১,৫৪৭.
রিমল্যান্ড তত্ত্ব অনুসারে বিশ্বশক্তি নিয়ন্ত্রণের জন্য কী দরকার?
  1. উত্তর আমেরিকা নিয়ন্ত্রণ
  2. আফ্রিকা নিয়ন্ত্রণ 
  3. ইউরেশিয়ার অভ্যন্তরীণ কেন্দ্র
  4. ইউরেশিয়ার উপকূলীয় প্রান্ত
ব্যাখ্যা

রিমল্যান্ড তত্ত্ব (Rimland Theory):
- এটি নিকোলাস স্পাইকম্যান প্রস্তাবিত। ১৯৪২ সালে নিকোলাস স্পাইকম্যান তার "America's Strategy in World Politics" গ্রন্থে এই মতবাদ দেন। 
- এই তত্ত্ব অনুসারে, হার্টল্যান্ডের চেয়ে ইউরেশিয়ার উপকূলীয় অঞ্চল অর্থাৎ রিমল্যান্ড নিয়ন্ত্রণ করা বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

- এই ধারণা অনুসারে ইউরেশীয় ভূখণ্ডের প্রান্তিক উপকূলীয় অঞ্চল বা 'রিমল্যান্ড' (Western Europe, Middle East, Asia) নিয়ন্ত্রণই বিশ্ব শাসনের চাবিকাঠি। এটি হ্যালফোর্ড ম্যাকিন্ডারের হার্টল্যান্ড তত্ত্বের পরিমার্জিত রূপ যা সমুদ্র ও স্থলশক্তির সমন্বয়ে রিমল্যান্ডের গুরুত্বকে বেশি প্রাধান্য দেয়।

উল্লেখ্য,
- হার্টল্যান্ড বা হৃদভূমি (ইউরেশিয়ার কেন্দ্রভাগ)-এর চারপাশে ঘিরে থাকা উপকূলীয় এবং সীমান্তবর্তী অঞ্চলগুলোকে রিমল্যান্ড বলা হয়।
- স্নায়ুযুদ্ধের সময় (Cold War) যুক্তরাষ্ট্র সোভিয়েত ইউনিয়নকে (হার্টল্যান্ড) ঠেকাতে এই তত্ত্বের ওপর ভিত্তি করে 'পলিসি অফ কন্টেইনমেন্ট' বা রিমল্যান্ড অঞ্চলে সামরিক জোট (যেমন: NATO, SEATO, CENTO) তৈরি করেছিল।

এছাড়াও,
- হার্টল্যান্ড তত্ত্ব (Heartland Theory):
- বিখ্যাত ব্রিটিশ ভূগোলবিদ স্যার হ্যালফোর্ড জন ম্যাকিন্ডার (Sir Halford John Mackinder) ১৯০৪ সালে প্রথম হার্টল্যান্ড তত্ত্ব প্রস্তাব করেন। এই তত্ত্ব অনুসারে, ইউরেশিয়ার কেন্দ্রীয় অংশের (হার্টল্যান্ড) নিয়ন্ত্রণই বিশ্ব আধিপত্যের চাবিকাঠি।  এটি ২০শ শতাব্দীর ভূ-রাজনীতির অন্যতম প্রভাবশালী ধারণা। হার্টল্যান্ড হলো ইউরেশিয়ার একটি বিশাল এলাকা যা উত্তর দিকে আর্কটিক মহাসাগর, দক্ষিণে হিমালয়, পশ্চিমে ভলগা নদী এবং পূর্বে পূর্ব সাইবেরিয়া পর্যন্ত বিস্তৃত। এটি ইউরোপ মহাদেশের দ্বিগুণেরও বেশি।

উৎস: i) Britannica.
ii) Encyclopedia.com

১,৫৪৮.
ইস্ট লন্ডন (East London) কোন দেশের একটি নদী বন্দর শহর?
  1. কেনিয়া
  2. দক্ষিণ আফ্রিকা
  3. নামিবিয়া
  4. মোজাম্বিক
ব্যাখ্যা

ইস্ট লন্ডন (East London):
- ইস্ট লন্ডন (East London) দক্ষিণ আফ্রিকার একটি নদী বন্দর শহর।
- এটি পূর্ব কেপ প্রদেশের বাফেলো নদীর মুখে অবস্থিত।
- এটি ভারত মহাসাগরের তীরে অবস্থিত দক্ষিণ আফ্রিকার অন্যতম প্রধান বন্দর।
- ইংল্যান্ডের স্যার হ্যারি স্মিথ (Sir Harry Smith) এ নামকরণ করেন।
- এটির প্রকৃত নাম পোর্ট রেক্স।

উৎস: World atlas. ও Britannica.

১,৫৪৯.
Who was the first person to land on the moon?
  1. Yuri Gagarin, Russia
  2. Yuri Gagarin, USA
  3. Neil Armstrong, UK
  4. Neil Armstrong, USA
ব্যাখ্যা

চাঁদের বুকে প্রথম পা রাখেন যুক্তরাষ্ট্রের অধিবাসী নীল আর্মস্ট্রং।

নীল আর্মস্ট্রং:

- চাঁদের বুকে প্রথম পা রাখেন নীল আর্মস্ট্রং।
- তিনি যুক্তরাষ্ট্রের অধিবাসী।
- ১৯৬৯ সালের ২০ শে জুলাই চাঁদের মাটিতে পা রাখেন আর্মস্ট্রং।
- দ্বিতীয় নভোচারী হিসেবে চাঁদে নামেন বাজ অলড্রিন।
- তাঁরা দুজনই মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসার অ্যাপোলো-১১ চন্দ্রযানে করে চাঁদের বুকে অবতরণ করেছিলেন।
- সেই ঐতিহাসিক অভিযাত্রায় তাঁদের সঙ্গী ছিলেন মাইকেল কলিন্স।
- অ্যাপোলো ১১ মিশনের তিন দুঃসাহসী নভোচারীর তৃতীয়জন মাইকেল কলিন্স চাঁদে নামেননি।
- তিনি অ্যাপোলো ১১ নভোযান নিয়ে রয়ে যান চাঁদের কক্ষপথে।

উল্লেখ্য,
- নীল আর্মস্ট্রং একজন মার্কিন নভোচারী ও বৈমানিক।
- ১৯৩০ সালে আমেরিকার ওহায়োতে জন্ম নেয়া মি: আর্মস্ট্রং ছয় বছর বয়সে তার বাবার সাথে প্রথম আকাশে উড়েন।
- ১৯৫০’র দশকে কোরিয়া যুদ্ধের সময় তিনি যুদ্ধ বিমান চালান। 
- এপোলো ইলেভেন ছিল তার সর্বশেষ মহাকাশ মিশন।
- ১৯৭১ সালে নাসা ছেড়ে দিয়ে মি: আর্মস্ট্রং এরোস্পেস ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ানোর জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদান করেন।

উৎস: i) NASA.
         ii) Britannica.

১,৫৫০.
নিচের কোনটি গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গল অন্তর্ভুক্ত দেশ?
  1. আফগানিস্তান
  2. থাইল্যান্ড
  3. পাকিস্তান
  4. নেপাল
ব্যাখ্যা
• গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গল:
- গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গল হলো দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার তিনটি দেশ।
- মায়ানমার, থাইল্যান্ড ও লাওসের সীমান্তে অবস্থিত আফিম উৎপাদনকারী ও চোরাচালানকারী অঞ্চল।
- এদের অবস্থানগত আকৃতি ত্রিভুজের মত।

- গোল্ডেন ওয়েজ:
- বাংলাদেশ, ভারত ও নেপাল সীমান্ত যা মাদক পাচার ও চোরাচালানের জন্য বিখ্যাত।

- গোল্ডেন ভিলেজ:

- বাংলাদেশের কুষ্টিয়া জেলার ২৬ টি গ্রামকে গাঁজা উৎপাদনের জন্য 'গোল্ডেন ভিলেজ' বলা হয়।

- গোল্ডেন ক্রিসেন্ট:

- আফগানিস্তান, পাকিস্তান ও ইরান সীমান্তে অবস্থিত আফিম মাদক উৎপাদনকারী অঞ্চল।

উৎস: Britannica.
১,৫৫১.
মাহাথির মোহাম্মদ টানা কত বছর মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন?
  1. ২০ বছর
  2. ২১ বছর
  3. ২২ বছর
  4. ২৩ বছর
ব্যাখ্যা
মাহাথির মোহাম্মদ:
- একুশ বছর বয়সে ইউনাইটেড মালয়স ন্যাশনাল অর্গানাইজেশন নামে একটি রাজনৈতিক দলে যোগ দেন, যেটির সংক্ষিপ্ত রূপ ইউএমএনও। দলটি আমনো নামে বেশি পরিচিত।
- সে সময় ডাক্তারি পেশায় ছিলেন তিনি। রাজনীতির পাশাপাশি নিজের এলাকায় সাত বছর ধরে ডাক্তারি পেশার চর্চ্চা করেন তিনি।
- ১৯৬৪ সালে তিনি পার্লামেন্ট সদস্য হন।
- ১৯৬৯ সালে তিনি তার আসন হারান এবং তাকে দল থেকে বরখাস্ত করা হয়।
- মাহাথির মোহাম্মদ ১৯৮১ সাল থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত টানা ২২ বছর মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন।
- ১৯৮০ এর দশকে মালয়েশিয়ার ব্যাপক অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং রূপান্তরের জন্য তাকেই কৃতিত্ব দেয়া হয়।
পরবর্তীতে দীর্ঘ বিরতির পর তিনি ২০১৮ সালে পুনরায় নির্বাচনে অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন।
- ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে তিনি প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেন।
- তিনি ২ দফায় মোট ২৪ বছর মালয়শিয়ার প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।
- তিনি মালয়েশিয়ার রাজনীতির 'টাইটানিক' নামে পরিচিত।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা ও ওয়ার্ল্ড এটলাস।
১,৫৫২.
বোফোর্স কেলেঙ্কারির সাথে কার নাম জড়িত?
  1. ক) রাজীব গান্ধী
  2. খ) ইন্দিরা গান্ধী
  3. গ) রোনাল্ড রিগান
  4. ঘ) রিচার্ড নিক্সন
ব্যাখ্যা
বোফোর্স কেলেঙ্কারি
• বোফোর্স কেলেঙ্কারির সাথে ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী রাজীবগান্ধীর নাম জড়িত।
• বোফোর্স হলো সুইডেনের একটি অস্ত্র নির্মাতা প্রতিষ্ঠান। ১৯৮৬ সালে ভারত সরকার এই কোম্পানির সাথে অস্ত্র ক্রয়ের চুক্তি সম্পাদন করে।
• এই চুক্তি সম্পাদনে গান্ধী সরকারের বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ উঠে। আর এটিই বোফোর্স কেলেঙ্কারি নামে পরিচিত। এই ঘটনায় রাজীব গান্ধীর রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে ধ্বস নামে।

অন্যদিকে,
ইরান কন্ট্রা - রোনাল্ড রিগান
ওয়াটারগেট - নিক্সন

তথ্যসূত্র: ইন্ডিয়া টুডে।
১,৫৫৩.
যুক্তরাষ্ট্র লুইসিয়ানা রাজ্যটি কোন দেশ থেকে ক্রয় করে?
  1. ফ্রান্স
  2. রাশিয়া
  3. মেক্সিকো
  4. কানাডা
ব্যাখ্যা
যুক্তরাষ্ট্রের লুইসিয়ানা রাজ্য:
- ১৮০৩ সালে যুক্তরাষ্ট্র ফ্রান্সের কাছ থেকে লুইসিয়ানা রাজ্য ক্রয় করে।
- নেপোলিয়ান ১৫ মিলিয়ন ডলারে লুইসিয়ানা বিক্রি করতে রাজি হয়।
- এই রাজ্য ক্রয়ের ফলে যুক্তরাষ্ট্রে আয়তন দ্বিগুণ হয়ে যায়।
- লুইসিয়ানা রাজ্যের সীমানা ছিল পূর্বে মিসিসিপি নদী, পশ্চিমে রকি পর্বতমালা, দক্ষিণে মক্সিকো উপসাগর, এবং উত্তরে কানাডা।
- ফরাসিদের কাছ থেকে এই ভূখণ্ড কেনার ফলে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে প্রশান্ত মহাসাগরের দিকে সীমানা বিস্তার সহজ হয়ে যায়।
- ১৮১২ সালে লুইসিয়ানা যুক্তরাষ্ট্রের ১৮তম রাজ্য হিসাবে যুক্্রত্মা
- বর্তমানে লুইসিয়ানা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি রাজ্য।
- রাজধানী: ব্যাটন রুজ।
 
উল্লেখ্য,
- লুইজিয়ানা রাজ্যের ২০২৪ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ৮টি ইলেক্টোরাল ভোট ছিলো। {তথ্যটি পরিবর্তনশীল আপডেট জানতে [লিঙ্ক] দেখুন।}
- এটি ২০২০ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী রাজ্যের ৬ জন প্রতিনিধি (জনসংখ্যার ভিত্তিতে) এবং ২ জন সিনেটরের সংমিলনে নির্ধারিত হয়েছে।

তথ্যসূত্র: যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি ওয়েবসাইট ও ব্রিটেনিকা ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]
১,৫৫৪.
কুয়েতের মহিলারা দেশটির ইতিহাসে কবে প্রথম ভোট প্রদান করে?
  1. ১ এপ্রিল, ২০০৬
  2. ৪ এপ্রিল, ২০০৬
  3. ৩ এপ্রিল, ২০০৬
  4. ২ এপ্রিল, ২০০৬
ব্যাখ্যা
কুয়েতের মহিলাদের প্রথম ভোট প্রদান:
- ১৯৮৫ সালে কুয়েতে প্রথম ভোটের প্রচলন হয়।
- এই অধিকার পরে অপসারণ করা হয়।
- ২০০৫ সালে কুয়েতি নারীদের পুনরায় ভোটাধিকার প্রদান করা হয়।
- কুয়েতে নারীদের ভোটাধিকার দেওয়ার প্রথম বিলটি ১৯৬৩ সালে সংসদে উত্থাপিত হয়।
- রক্ষণশীলদের চাপের কারণে এটি শেষ পর্যন্ত বাতিল হয়।
- দেশটির ইতিহাসে মহিলারা প্রথম ভোট প্রদান করে ৪ এপ্রিল, ২০০৬ তারিখে।

উৎস: ৫ এপ্রিল, ২০০৬, The Guardian।
১,৫৫৫.
ইসরাইল কত সালে পূর্ব জেরুজালেম দখল করেছিল?
  1. ক) ১৯৬৮ সালে
  2. খ) ১৯৬৭ সালে
  3. গ) ১৯৬৬ সালে
  4. ঘ) ১৯৬৫ সালে
ব্যাখ্যা
ইসরাইল:
- ১৮৯৭ সাল থেকে ইহুদিরা চেয়েছিলো  আলাদা একটি রাষ্ট্র গড়ে তুলতে।
- ১৯১৭ সালে থেকে ১৯৪৮ সাল পর্যন্ত ফিলিস্তিনের ভূমি ব্রিটেনের নিয়ন্ত্রণে ছিল।
- ১৯১৭ সালের নভেম্বর মাসে তুরস্কের সেনাদের হাত থেকে জেরুজালেম দখল করে ব্রিটেন।
- তখন ব্রিটিশ সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল যে ফিলিস্তিনের মাটিতে ইহুদিদের জন্য একটি আলাদা রাষ্ট্র গঠনের জন্য সহায়তা করবে।

অন্যদিকে,
- ১৯৬৭ সালের ৫-১০ জুন সংঘটিত ছয়দিনের তৃতীয় আরব-ইসরাইল যুদ্ধে ইসরাইল জর্ডান নিয়ন্ত্রিত পূর্ব জেরুজালেম শহর দখল করে নেয়।
- এর আগে ১৯৪৮ সালের যুদ্ধে জেরুজালেম শহরের পশ্চিম ও পূর্ব অংশের নিয়ন্ত্রণ নেয় যথাক্রমে ইসরাইল ও জর্ডান।
- ২০১৭ সালের ৬ ডিসেম্বর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র জেরুজালেম শহরকে ইসরাইলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা এবং বিবিসি বাংলা পত্রিকা রিপোর্ট।
১,৫৫৬.
’The Motorcycle Diaries’ কার জীবন নির্ভর চলচ্চিত্র?
  1. ফিদেল কাস্ত্রো
  2. সালভাদর আলেন্দে
  3. হুগো চাবেজ
  4. চে গুয়েভারা 
ব্যাখ্যা

-  চে গুয়েভারা ১৯৫১ সালের ডিসেম্বর: বন্ধু আলবার্তো গ্রানাদোর সাথে মোটরসাইকেলে (নাম: "দ্য পাওয়ারফুল") আর্জেন্টিনা থেকে চিলি, পেরু, কলম্বিয়া, ভেনেজুয়েলা পর্যন্ত; পরে মিয়ামি ও ফিরে আসা।
- চে গুয়েভারা জীবন নির্ভর চলচ্চিত্র- ’The Motorcycle Diaries (২০০৩) বই ও চলচ্চিত্র (২০০৪) হিসেবে প্রকাশিত।

চে গুয়েভারা:

- চে গুয়েভারার পুরো নাম- এর্নেস্তো গেভারা দে লা সের্না।
- ১৯২৮ সালের ১৪ই জুন তিনি আর্জেন্টিনার রোসারিও শহরের একটি মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।
- চে গুয়েভারা ছিলেন এক বরেণ্য আর্জেন্টিনীয় মার্কসবাদী, বিপ্লবী, চিকিৎসক, লেখক, বুদ্ধিজীবী, গেরিলা নেতা, কূটনীতিবিদ, সামরিক তত্ত্ববিদ এবং কিউবা বিপ্লবের প্রধান ব্যক্তিত্ব।
- তিনি ছিলেন কিউবার বিপ্লবী নেতা ফিদেল কাস্ত্রোর বন্ধু ও সহযোদ্ধা।
- তিনি কিউবা বিপ্লবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন।
- ফিদেল কাস্ত্রোর সঙ্গে কিউবায় বিপ্লব সফল করার পর চে বেরিয়ে পড়েছিলেন মূলত বিপ্লবের নেশায়।
- ১৯৬৭ সালের ৯ অক্টোবর বলিভিয়ার সেনাবাহিনীর নিহত হন চে।
- ১৯৯৭ সালের অক্টোবরে ফিদেল কাস্ত্রো তাঁকে বিপ্লবীদের দৃষ্টান্ত হিসেবে অভিহিত করেন।
- তিনি কিউবা বিপ্লবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন।
- কিউবার স্বৈরশাসক ফুলহেনসিও বাতিস্তাস-এর বিরুদ্ধে ১৯৫৩ ১৯৫৯ সালের দিকে কিউবান বিপ্লব সংঘটিত হয়।
- এর ফলে বাতিস্তাস সরকারের পতন ঘটে এবং ফিদেল কাস্ত্রো কিউবার প্রধানমন্ত্রী হন।

উৎস: Britannica.

১,৫৫৭.
বলশেভিক বিপ্লবের নেতা ছিলেন -
  1. ক) ভ্লাদিমির লেনিন
  2. খ) স্ট্যালিন
  3. গ) কার্ল মার্কস
  4. ঘ) আলেক্সান্দ্রো এফ. ক্যারেনস্কি
ব্যাখ্যা
• বলশেভিক বিপ্লব/অক্টোবর বিপ্লব:
- রুশ বিপ্লবের দ্বিতীয় পর্যায়কে বলশেভিক বা অক্টোবর বিপ্লব বলে।
- বলশেভিক বিপ্লবের ফলে - রাশিয়ায় লেনিনের নেতৃত্বে বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- বলশেভিক বিপ্লবের নেতা ছিলেন - ভ্লাদিমির লেনিন ও লিওন ট্রটস্কি।

অন্যদিকে,
• ফেব্রুয়ারি বিপ্লব:
- রুশ বিপ্লবের প্রথম পর্যায়কে ফেব্রুয়ারি বিপ্লব বলা হয়।
- ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের ফলে - রাজতন্ত্রের অবসান ঘটে এবং জার দ্বিতীয় নিকোলাসকে ক্ষমতা থেকে উচ্ছেদ ও বন্দি করা হয়।
- ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের নেতৃত্ব ছিলেন - আলেক্সান্দ্রো এফ. ক্যারেনস্কি (Aleksandr F. Kerensky)।

উৎস: হিস্টোরি ও ব্রিটানিকা.কম।
১,৫৫৮.
Which element did Alfred Nobel invent?
  1. Polio vaccine
  2. Dynamite
  3. Electricity
  4. Computer
  5. Penicillin
ব্যাখ্যা
আলফ্রেড নোবেল:
- আলফ্রেড নোবেল সুইডিশ শিল্পপতি।
- আলফ্রেড নোবেলের জন্ম ১৮৩৩ সালের ২১ অক্টোবর সুইডেনের স্টকহোমে।
- বাবা ইমানুয়েল নোবেল ছিলেন প্রকৌশলী।
- যুদ্ধাস্ত্র তৈরির পাশাপাশি নতুন নতুন বিস্ফোরক উদ্ভাবন করতেন তিনি। 
- তার বাবার কারখানায় কাজ শিখে আলফ্রেড নোবেল।
- তিনি প্রথমে স্টকহোমে এবং পরে জার্মানিতে রাসায়নিক গবেষণাগার স্থাপন করেন।
- ১৮৬৬ সালে জার্মানির গবেষণাগারে আবিষ্কার করেন ডিনামাইট।

উল্লেখ্য,
- আলফ্রেড নোবেলের মৃত্যুর পর ১৮৯৭ সালে গঠিত হয় নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটি।
- ১৯০০ সালে গঠিত হয় নোবেল ফাউন্ডেশন।
- ১৯০১ সালে প্রথম নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়।
- তাঁর ইচ্ছা অনুযায়ী বিশ্বমানবতার কল্যাণে কাজ করে যাঁরা পদার্থ, রসায়ন, চিকিৎসা, শান্তি ও সাহিত্যে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন, তাঁদেরকে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়।

উৎস: Britannica.
১,৫৫৯.
রোম সভ্যতার প্রেমের দেবতা ছিলেন -
  1. জুপিটার
  2. মিনার্ভা
  3. নেপচুন
  4. ভেনাস
ব্যাখ্যা
রোমান সভ্যতা:
- খ্রিস্টপূর্ব দ্বিতীয় ও প্রথম শতকে রোমানরা গ্রিক সাম্রাজ্য দখল করে।
- রোমানরা ইতালি ও ইতালির পশ্চিম দিকে অবস্থিত ভূমধ্যসাগর তীরবর্তী দেশগুলো জয় করে।
- লাতিনদের একটি ক্ষুদ্র জাতি থেকে সুবিশাল সাম্রাজ্যের বিকাশ হয়, মধ্য ইটালির ল্যাটিয়ামে রোম ছিল তাদের প্রধান শহর।
- রোমান সাহিত্য-সংস্কৃতিতে গ্রিক সভ্যতার প্রভাব পরিলক্ষিত হয়.
- সে যুগে রোমান সাহিত্য চর্চা ছিল ব্যাপক। মলিয়ে পুটাস এবং টেরেন্স ছিলেন বিখ্যাত সাহিত্যিক ও নাট্যকার।
- রোমানরা গণপ্রজাতন্ত্রে বিশ্বাসী ছিলেন। ফলে শাসনকার্যে ধর্মীয় প্রভাব বা পুরোহিততন্ত্র পাকাপোক্ত হয়ে বসতে পারেনি।
- রোমানদের নিকট আকাশের দেবতা জুপিটার হিসেবে খ্যাত।
- গ্রিক দেবতা এথেনার জায়গায় রোমীয় দেবতা মিনার্ভা স্থান দখল করে।
- রোমের প্রেমের দেবতা ছিলেন ভেনাস।
- বাতাস এবং সমুদ্রের দেবতা নেপচুন রোমানদের নিকট খুবই জনপ্রিয় ও শক্তিশালী ছিল।
- প্রাচীন সভ্যতায় রোমানদের অন্যতম কৃতিত্ব হলো রোমান আইন ব্যবস্থা (Roman Law)।
- রোমান দেওয়ানী ও ফৌজদারী আইন (সিভিল ও ক্রিমিনাল'ল) খ্রিস্টপূর্ব পঞ্চম শতাব্দীতেই সংকলিত হয়।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা ও ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫৬০.
ভারত ও বাংলাদেশের অভিন্ন নদী কয়টি?
  1. ক) ৫১
  2. খ) ৫৪
  3. গ) ৫৭
  4. ঘ) ৬৫
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ হিমালয় থেকে উৎসরিত ৩টি বৃহৎ নদী: গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনার পলল দ্বারা সৃষ্টি হয়েছে। এটি পৃথিবীর একটি অন্যতম বৃহৎ বদ্বীপ।
- বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে প্রায় ৪০৫টি নদী প্রবাহিত হচ্ছে।
- এ নদীগুলোর মধ্যে ৫৭টি হচ্ছে আন্তঃসীমান্ত নদী যার মধ্যে ৫৪টি বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে অভিন্ন এবং ৩টি বাংলাদেশ ও মায়ানমারের মধ্যে অভিন্ন।
- আবহমানকাল ধরে নদীমাতৃক বাংলাদেশের কোটি কোটি মানুষের জীবন ও জীবিকা আবর্তিত হচ্ছে এসকল নদীর পানিকে ঘিরে।
- এ তিনটি নদীর অববাহিকার মোট আয়তন প্রায় ১.৭২ মিলিয়ন বর্গকিলোমিটার, যার মাত্র ৭ শতাংশ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে অবস্থিত। এসকল নদীর অন্যান্য অববাহিকাভূক্ত দেশ হচ্ছে ভারত, নেপাল, ভূটান ও চীন।

উৎস: যৌথ নদী কমিশন ওয়েবসাইট।
১,৫৬১.
কোন দেশের বিশ্বের দীর্ঘতম উপকূলরেখা রয়েছে?
  1. রাশিয়া 
  2. কানাডা
  3. যুক্তরাষ্ট্র 
  4. চীন 
ব্যাখ্যা
বিশ্বের সবচেয়ে দীর্ঘ উপকূলরেখা: 
- বিশ্বের যে ১০টি দেশে দীর্ঘতম উপকূলরেখা আছে তার একটি তালিকা করেছে ওয়ার্ল্ড এটলাস।
- তালিকায় আছে কানাডা, নরওয়ে, ইন্দোনেশিয়া, রাশিয়া, ফিলিপাইন, জাপান, অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, নিউজিল্যান্ড ও চীন।
- আয়তনে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ কানাডায় ১০টি প্রদেশ এবং তিনটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল আছে।
- বিশ্বের দীর্ঘতম উপকূলরেখার অবস্থান কানাডায়।
- দেশটির ২ লাখ ২ হাজার ৮০ কিলোমিটার দীর্ঘ উপকূলরেখাটি পশ্চিমে প্রশান্ত মহাসাগর, পূর্বে আটলান্টিক মহাসাগর এবং উত্তরে উত্তর মহাসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত।
- আলবার্টা ও সাসকেচওয়ান ছাড়া কানাডার বেশির ভাগ প্রদেশ ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলোর নিজস্ব উপকূলরেখা আছে।

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস
প্রথম আলো (২৫ মার্চ ২০২৫)
১,৫৬২.
আইফেল টাওয়ার কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
  1. Thames
  2. Reine
  3. Seine
  4. Tiber
ব্যাখ্যা
• আইফেল টাওয়ার:
- আইফেল টাওয়ার প্যারিসের Seine(সিন) নদীর তীরবর্তী এলাকায় অবস্থিত।
- গোস্তাব আইফেল ১৮৮৯ সালে এটি নির্মাণ করেন।
- গুস্তাভ আইফেলের নাম অনুসারে আইফেল টাওয়ারের নামকরণ করা হয়।
- টাওয়ারটি ১৮৮৯ থেকে ১৯৩০ সালের মধ্যে বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু কাঠামোর রেকর্ডটি দখল করেছিল কিন্তু বহু দশক ধরে ফ্রান্সের সবচেয়ে - উঁচু কাঠামো হিসেবে রয়ে গেছে।
- টাওয়ারটি প্যারিসে অনুষ্ঠিত ১৮৮৯ সালের প্রদর্শনীর কেন্দ্রবিন্দু হিসাবে নির্মিত হয়েছিল।

উৎস: Worldatlas.com
১,৫৬৩.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আইনসভার নাম কী?
  1. পার্লামেন্ট
  2. কংগ্রেস
  3. সিনেট
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা

- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আইনসভার নাম হলো কংগ্রেস।
- এটি দ্বিকক্ষবিশিষ্ট—সিনেট (উচ্চকক্ষ) এবং হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ (নিম্নকক্ষ)।

• যুক্তরাষ্ট্র: 
- যুক্তরাষ্ট্রে মোট ৫০টি রাজ্য রয়েছে, এর মধ্যে আলাস্কা ভৌগোলিকভাবে বৃহত্তম রাজ্য এবং ক্যালিফোর্নিয়া জনসংখ্যার দিক থেকে সবচেয়ে বড় অঙ্গরাজ্য।
- দেশটি ৪ জুলাই, ১৭৭৬ সালে যুক্তরাজ্যের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে,
- ৪ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় দিবস হিসেবে পালিত হয়।
- যুক্তরাষ্ট্রের আইনসভা হলো কংগ্রেস,
- আইনসভা দ্বিকক্ষবিশিষ্ট—এর নিম্নকক্ষ হলো হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ এবং উচ্চকক্ষ হলো সিনেট।
- দেশটির প্রথম প্রেসিডেন্ট ছিলেন জর্জ ওয়াশিংটন এবং বর্তমানে প্রেসিডেন্ট পদে রয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। [মার্চ, ২০২৬] 

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।  

১,৫৬৪.
আব্রাহাম লিংকন দাস প্রথা বিলুপ্তির ঘোষণা দেন-
  1. ক) ১৮৬২ সালে
  2. খ) ১৮৬৩ সালে
  3. গ) ১৮৬৪ সালে
  4. ঘ) ১৮৬৫ সালে
ব্যাখ্যা
আব্রাহাম লিংকন (১৮০৯ - ১৮৬৫):
- আব্রাহাম লিংকন ছিলেন আমেরিকার ১৬তম প্রেসিডেন্ট।
- ১৮৬১ সালের ৪ মার্চ থেকে ১৮৬৫ সালের ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত তিনি আমেরিকার প্রেসিডেন্ট পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন।
- গেটিসবার্গের ভাষণ (Gettysburg Address) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকনের একটি বিখ্যাত ভাষণ।
- আব্রাহাম লিংকন আমেরিকার গৃহযুদ্ধের সময় পেনসিলভানিয়ার গেটিসবার্গে এই ভাষণ দেন।
- ১৮৬৩ সালের ১৯ নভেম্বর ভাষণটি দিতে তাঁর লেগেছিল তিন মিনিটেরও কম সময়।
- ১৮৬২ সালের ২২ সেপ্টেম্বর আব্রাহাম লিংকন দাস প্রথা বিলুপ্তির ঘোষণা দেন।
- এ লক্ষে ১ জানুয়ারি ১৮৬৩ তিনি Emancipation Proclamation এ স্বাক্ষর করেন।
- পরবর্তীতে সংবিধানের ১৩তম সংশোধনী কার্যকরের মাধ্যমে ১৮৬৫ সালের ১৮ ডিসেম্বর সাংবিধানিকভাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে দাস প্রথা নিষিদ্ধ হয়।
- ১৮৬১ সাল থেকে ১৮৬৫ সাল পর্যন্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কনফেডারেট ও ইউনিয়নিস্টদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ সংঘটিত হয় যা মার্কিন গৃহযুদ্ধ নামে পরিচিত। তখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন আব্রাহাম লিংকন।

তথ্যসূত্র: Britannica & History.com
১,৫৬৫.
হুয়াওয়ে কোন দেশের প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান?
  1. জাপান
  2. দক্ষিণ কোরিয়া
  3. চীন
  4. ভারত
ব্যাখ্যা
- হুয়াওয়ে টেকনোলজিস কোম্পানি লিমিটেড চীনের একটি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান।
- ১৯৮৭ সালে চীনা আর্মির সাবেক প্রকৌশলী রেন ঝেংফেই এটি প্রতিষ্ঠা করেন। এটির সদরদপ্তর চীনের কুয়াংতং প্রদেশের শেনচেন শহরে অবস্থিত।
- হুয়াওয়ে বিশ্বের অন্যতম বহুজাতিক নেটওয়ার্কিং এবং টেলিকমিউনিকেশন উপকরণ প্রস্তুতকারী ও সেবা প্রদানকারী কোম্পানি।
- চীন-মার্কিন বাণিজ্য যুদ্ধের অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র হুয়াওয়ের ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। সাম্প্রতিক সময়ে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর নিকট অস্ত্র বিক্রির ক্ষেত্রেও যুক্তরাষ্ট্র হুয়াওয়ের সাথে দেশগুলোর সম্পর্ক ছেদের শর্ত আরোপ করে।
(তথ্যসূত্র: হুয়াওয়ে ওবেসাইট ও আল জাজিরা)
১,৫৬৬.
জেনেভা কনভেনশনের কোন চুক্তিটির বিষয়বস্তু ‘যুদ্ধ-বন্দিদের প্রতি আচরণ সংক্রান্ত বিধানাবলি  নির্দেশ করে?
  1. দ্বিতীয় চুক্তি
  2. তৃতীয় চুক্তি
  3. চতুর্থ চুক্তি
  4. প্রথম চুক্তি
ব্যাখ্যা

• জেনেভা কনভেনশন - ১৯৪৯ (Geneva Convention): 
- ১৯৪৯ সালের ১২ আগস্ট সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় 'জেনেভা কনভেনশন' স্বাক্ষর হয়।
- এর আওতায় স্বাক্ষরিত চুক্তির সংখ্যা - ৪টি চুক্তি। 

• স্বাক্ষরিত চারটি চুক্তি হচ্ছে -
→ প্রথম জেনেভা কনভেনশন চুক্তি:
- জেনেভা কনভেনশনের প্রথম চুক্তিটি যুদ্ধকালীন সময়ে ভূমি ও স্থল যুদ্ধে আহত ও অসুস্থ সৈন্যদের প্রতি আচরণ ও সুরক্ষা সংক্রান্ত।

→ দ্বিতীয় জেনেভা কনভেনশন চুক্তি:
- দ্বিতীয় চুক্তিটি সমুদ্রে বা জলের যুদ্ধে আহত, অসুস্থ ও জাহাজডুবির স্বীকার সৈন্যদের প্রতি আচরণ ও সুরক্ষা সংক্রান্ত।
- ১৯০৭ সালের "হেগ চুক্তি" সংশােধন করে এটি স্বাক্ষরিত হয়।

→ তৃতীয় জেনেভা কনভেনশন চুক্তি:
– জেনেভা কনভেনশনের তৃতীয় চুক্তিটি হচ্ছে যুদ্ধ-বন্দিদের প্রতি আচরণ সংক্রান্ত

→ চতুর্থ জেনেভা কনভেনশন চুক্তি:
- চতুর্থ চুক্তিটি যুদ্ধক্ষেত্র বা অবরুদ্ধ অঞ্চলের বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা সংক্রান্ত চুক্তি।

সূত্র: ব্রিটানিকা ও রেডক্রস।

১,৫৬৭.
‘ব্রায়ান লারা’ কোন দেশের খেলোয়ার?
  1. অস্ট্রেলিয়া
  2. দক্ষিণ আফ্রিকা
  3. জিম্বাবুয়ে
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
ব্রায়ান লারা:
- ব্রায়ান লারা একজন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার।
- তিনি শ্রেষ্ঠ ব্যাটসম্যানদের একজন হিসেবে ব্যাপকভাবে স্বীকৃত।
- তিনি ওয়েস্ট ইন্ডিজের একজন ব্যাটার।

উল্লেখ্য,
- ১৯৮৭–৮৮ সেশনে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে অভিষেক হয় ব্রায়ান চার্লস লারার।

উৎস: Britannica.
১,৫৬৮.
দক্ষিণ আফ্রিকা কত বছর শ্বেতাঙ্গ শাসনে ছিল?
  1. ৩০০ বছর
  2. ৩৩৫ বছর
  3. ৩৪২ বছর
  4. ৪০০ বছর
ব্যাখ্যা
• দক্ষিণ আফ্রিকা:
- ১৯৯১ সালে ম্যান্ডেলা আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেসের সভাপতি নির্বাচিত হন এবং ১৯৯৪ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় সকল শ্রেণীর লোকের অংশগ্রহণে শান্তিপূর্ণ সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে ANC জয়লাভ করলে প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ প্রেসিডেন্ট হিসেবে তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
- এর মাধ্যমে দীর্ঘ ৩৪২ বছরের শ্বেতাঙ্গ শাসনের অবসান হয়। (১৬৫২ - ১৯৯৪ সাল)।
- দক্ষিণ আফ্রিকার শেষ শ্বেতাঙ্গ প্রেসিডেন্টের নাম - এফডব্লিউডি ক্লার্ক।

উৎস: ব্রিটানিকা.কম।
১,৫৬৯.
'I Have a Dream' ভাষণটি কে প্রদান করেছিলেন?
  1. জর্জ ওয়াশিংটন
  2. নেলসন ম্যান্ডেলা
  3. মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র
  4. অ্যাডলফ হিটলার
ব্যাখ্যা

মার্টিন লুথার কিং:
- তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একজন সমাজকর্মী ও বর্ণবাদবিরোধী নেতা।
- তার জন্ম: ১৫ জানুয়ারী ১৯২৯, জর্জিয়া, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
- গুরুত্বপূর্ণ অবদান: বর্ণবাদ ও নিপীড়িত মানুষের অধিকার আদায়ের সংগ্রাম।
- বিখ্যাত ভাষণ: ‘I Have a Dream’- ২৮ আগস্ট, ১৯৬৩।
- ভাষণের বিষয়বস্তু: বিচ্ছিন্নতা এবং বর্ণবাদ মুক্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্বপ্ন।
- পুরস্কার: নোবেল শান্তি পুরস্কার ১৯৬৪।
- মৃত্যু: ৪ এপ্রিল, ১৯৬৮, মেম্ফিস, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (আততায়ীর গুলিতে)।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১,৫৭০.
‘City of Canals’ নামে পরিচিত শহর কোনটি?
  1. রোম
  2. ভেনিস
  3. আমস্টারডাম
  4. ব্যাংকক
ব্যাখ্যা

City of canals:
- City of canals বা খাল নালার শহর বলা হয় ইতালির ভেনিস শহরকে।
- ইতালির উত্তর-পূর্বে অবস্থিত এই শহরটি পৃথিবীর অন্যতম সুন্দর ও রোমান্টিক শহর হিসেবে পরিচিত।
- এটি 'The Floating City' বা 'Queen of the Adriatic' নামেও পরিচিত। 
- এটি উত্তর-পূর্ব ইতালির ভেনেটো প্রদেশের রাজধানী ও গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রবন্দর।
- এই শহরে কোনো গাড়ি চলে না। শহরের মূল পরিবহন মাধ্যম হলো জলপথ, যেখানে গন্ডোলা ও ভাপোরেত্তো দিয়ে মানুষ যাতায়াত করে।
- গ্র্যান্ড ক্যানাল হলো শহরের প্রধান জলপথ।

উৎস: Britannica.

১,৫৭১.
বিশ্বের বৃহত্তম তেল উৎপাদনকারী দেশ কোনটি? [মার্চ, ২০২৬]
  1. ভেনিজুয়েলা
  2. সৌদি আরব
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. ইরান
ব্যাখ্যা

বিশ্বের বৃহত্তম তেল উৎপাদনকারী দেশ:
- বিশ্বের বৃহত্তম তেল উৎপাদনকারী দেশ যুক্তরাষ্ট্র।
- ইআরএর সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র প্রতিদিন গড়ে প্রায় ২ কোটি ১২ লাখ ব্যারেল তেল উত্তোলন করে। এটা বিশ্বে প্রতিদিন মোট উত্তোলিত তেলের প্রায় ২২ শতাংশ। শুধু শীর্ষ তেল উত্তোলনকারী দেশ নয়; বরং যুক্তরাষ্ট্র জ্বালানি তেলের ভোক্তা দেশের তালিকাতেও ১ নম্বরে।

উল্লেখ্য,
- বিশ্বের ২য় বৃহত্তম তেল উৎপাদনকারী দেশ সৌদি আরব। 

অন্যদিকে,
- বিশ্বে সবচেয়ে বেশি প্রমাণিত জ্বালানি তেল মজুত রয়েছে ভেনেজুয়েলায়, যার পরিমাণ ৩০৩ বিলিয়ন (৩০ হাজার ৩০০ কোটি) ব্যারেলের বেশি।

উৎস: i) World Population Review ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।

১,৫৭২.
গ্রীনল্যান্ড দ্বীপের মালিক কোন দেশ?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. ডেনমার্ক
  3. নরওয়ে
  4. জাপান
ব্যাখ্যা

→ গ্রীনল্যান্ড দ্বীপের মালিক ডেনমার্ক।

গ্রীনল্যান্ড:
- পৃথিবীর সবচেয়ে বড় দ্বীপের নাম - গ্রীনল্যান্ড।
- দ্বীপটি উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরে অবস্থিত।
- সারা বছর তুষার আবৃত থাকে গ্রীনল্যান্ড।
- গ্রিনল্যান্ড ডেনমার্কের অধীনে স্বায়ত্বশাসিত দ্বীপরাষ্ট্র হিসাবে শাসন কাজ পরিচালনা করে।
- এর রাজধানী - নুক (Nuuk) এবং ২১ লক্ষ ৬৬ হাজার বর্গ কিলোমিটার প্রায়।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

১,৫৭৩.
খেমার রুজ গেরিলা বাহিনী কোন দেশে গণহত্যা চালিয়েছিল?
  1. ইরান
  2. সিরিয়া
  3. মেক্সিকো
  4. কম্বোডিয়া
ব্যাখ্যা
• খোমার রুজ: 
- খোমার রুজ হচ্ছে কম্বোডিয়ার একটি গেরিলা বাহিনী।
- বাম রাজনীতি, লক্ষ লক্ষ মানুষকে হত্যা করা, কম্বোডিয়ার রাজধানী নমপেন দখল করার পর রাজধানী জনশূন্য করা, জোর করে শিক্ষিত তথা বুদ্ধিজীবীদের গ্রামে পাঠিয়ে কৃষকদের সাথে কাজ করতে বাধ্য করা ইত্যাদির কারণে খোমার রুজরা দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার রাজনীতিতে বিতর্কিত হয়ে আছে।

এছাড়াও,
- তারা চীনের সাংস্কৃতিক বিপ্লবের আলোকে কম্বোডিয়ায় একটি নতুন ধরণের সমাজ ব্যবস্থা প্রবর্তন করতে চেয়েছিলেন।
- খেমার রুজের নেতৃত্বে ছিলেন পলপট, ইয়ান সেনরী প্রমুখ।
- খেমার রুজ গেরিলা বাহিনী কম্বোডিয়া  গণহত্যার মাধ্যমে ১৯৭৫ সালের ১৭ এপ্রিল নমপেনের রাষ্ট্র ক্ষমতা দখল করেছিলেন।
- ১৯৭৮ সাল পর্যন্ত তারা ক্ষমতায় ছিল।
- ১৯৭৮ সালে ভিয়েতনাম বাহিনী তাদের ক্ষমতাচ্যুত করে।

উৎস: আন্তর্জাতিক রাজনীতিকোষ - তারেক শামসুর রেহমান & ব্রিটানিকা।
১,৫৭৪.
কর্নারস্টোন অব পিস স্মৃতিসৌধটি কোথায় ?
  1. নাগাসাকি
  2. হিরোশিমা
  3. ওকিনাওয়া
  4. সিউল
ব্যাখ্যা
কর্নারস্টোন অব পিস (Cornerstone of Peace):
- এই যুদ্ধ স্মারকটি ওকিনাওয়া যুদ্ধের সময় (১.৪.১৯৪৫ - ২৩.৬.১৯৪৫) যারা প্রাণ দিয়েছিলেন তাদের প্রতি উৎসর্গীকৃত। বর্তমানে স্মৃতিসৌধে ২,৪০,৭৩৪ জনের নাম খোদাই করা আছে।
- ইটোমান শহরের মাবুনি পাহাড়ে অবস্থিত ওকিনাওয়া প্রিফেকচারাল মেমোরিয়াল পিস পার্কে নির্মিত স্মৃতিস্তম্ভ হল কর্নারস্টোন অব পিস। 
- কর্নারস্টোন অব পিস এমন একটি স্থান প্রদানের চেষ্টা করে যেখানে যুদ্ধে জড়িত সকলকে সমানভাবে স্মরণ করা হয়, আক্রমণকারীকে আক্রমণকারী থেকে বা আক্রমণকারীকে আধিপত্য থেকে আলাদা না করে।

উল্লেখ্য,
- স্ট্যাচু অব পিস দক্ষিণ কোরিয়ার সিউলে অবস্থিত।
- পিস স্ট্যাচু জাপানের নাগাসাকিতে অবস্থিত। 

উৎস: worldwariimonuments.org
tracesofwar.com
১,৫৭৫.
'ফ্রাইডেস ফর ফিউচার' আন্দোলনটি কী বিষয়ে প্রচার চালাচ্ছে?
  1. মানবাধিকার
  2. যুদ্ধ বিরোধিতা
  3. জলবায়ু পরিবর্তন
  4. বর্ণবাদ বিরোধীতা
ব্যাখ্যা
ফ্রাইডেস ফর ফিউচার:
- 'ফ্রাইডেস ফর ফিউচার' আন্দোলন হলো জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে স্কুল শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে সূত্রপাত হওয়া একটি আন্দোলন।
- ২০১৮ সালে সুইডেনে স্কুল শিক্ষার্থী গ্রেটা থুনবার্গের উদ্যোগে এই আন্দোলনের সূত্রপাত হয়।
- ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরের সুইডিশ নির্বাচনের আগে প্রায় তিন সপ্তাহ ধরে তিনি দেশের পার্লামেন্টের সামনে "স্কোলস্ট্রেইক ফো কিলিমাট" (স্কুল ধর্মঘট জলবায়ুর জন্য) সাইন নিয়ে বসেছিলেন।
- প্রথম দিন তিনি একা ছিলেন, তবে পরবর্তী দিনগুলোতে আরো অনেক মানুষ তার সঙ্গে যোগ দেয় এবং তার এই আন্দোলন আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পরিচিতি লাভ করে।
- নির্বাচনের পরেও গ্রেটা Fridays for Future আন্দোলন চালিয়ে যান এবং সারা বিশ্বে স্কুল শিক্ষার্থীরা এই আন্দোলনে যোগ দেয়।

তথ্যসূত্র: ফ্রাইডেস ফর ফিউচার মুভমেন্ট ওয়েবসাইট ও ব্রিটেনিকা ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]
১,৫৭৬.
ওয়েস্টফেলিয়া চুক্তি কোন যুদ্ধের অবসান ঘটায়?
  1. ত্রিশ বছরের যুদ্ধ
  2. নেপোলিয়নের যুদ্ধ
  3. শতবর্ষী যুদ্ধ
  4. পেলোপনেসীয় যুদ্ধ
ব্যাখ্যা
ওয়েস্টফেলিয়া চুক্তি:
- ১৬৪৮ সালের ২৪শে অক্টোবর ওয়েস্টফালিয়া চুক্তি এর মাধ্যমে ত্রিশবছরব্যাপী যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটে।
- এই চুক্তির মাধ্যমে প্রটেস্ট্যান্ট রাষ্ট্রগুলি ধর্মীয় স্বাধীনতা পায়, ফ্রান্সকে শক্তিশালী করতে সাহায্য করে এবং ইউরোপে তাদের রাজনৈতিক প্রভাব বৃদ্ধি পায়, অস্ট্রিয়ার হাবসবার্গ সম্রাটদের ক্ষমতা হ্রাস পায়।

⇒ ত্রিশ বছরের যুদ্ধ (Thirty years war):
- ত্রিশবছরব্যাপী যুদ্ধ ছিল ১৬১৮ খ্রিস্টাব্দ - ১৬৪৮ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত সংঘটিত একটি দীর্ঘমেয়াদি অনুক্রমিক যুদ্ধ।
- সপ্তদশ শতাব্দীর প্রথমভাগে ইউরোপে প্রোটেস্ট্যান্ট এবং ক্যাথলিকদের মধ্যে এই যুদ্ধ সংগঠিত হয়।
- ধর্মই এই যুদ্ধের একমাত্র কারণ ছিলো তা নয়, বরং ধর্ম এবং রাজনীতি উভয় কারণে এক জটিল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়ে এটি একটি আন্তর্জাতিক যুদ্ধে পরিণত হয়।
- এই যুদ্ধে প্রোটেস্টান্ট এবং ক্যাথলিক উভয়েই তাদের নিজস্ব শক্তি বজায় রেখে এগিয়ে যেতে থাকে।
- দীর্ঘ ত্রিশবছর ধরে যুদ্ধে সমগ্র জার্মানি ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়।

উৎস: i) Britannica.
ii) আধুনিক ইউরোপের ইতিহাস, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫৭৭.
'কুনার' ও 'নানগারহার' প্রদেশ কোন দেশে অবস্থিত?
  1. ইরাক
  2. পাকিস্তান
  3. আফগানিস্তান
  4. ইন্দোনেশিয়া
ব্যাখ্যা

কুনার ও নানগারহার প্রদেশ:
- কুনার ও নানগারহার প্রদেশ আফগানিস্তানে অবস্থিত।
- পাকিস্তান সীমান্তের কাছে পূর্ব আফগানিস্তানে  ৩১ আগস্ট রাতে ৬.০ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে।
- ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল নানগারহার প্রদেশের জালালাবাদ শহর থেকে ২৭ কিলোমিটার পূর্ব-উত্তরপূর্বে।
- এর গভীরতা ছিল ৮ কিলোমিটার।
- এতে নানগারহার ও কুনার প্রদেশসহ আশপাশের এলাকায় অন্তত ৮০০ জন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।
- এছাড়া আড়াই হাজারের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন।

উল্লেখ্য,
- আফগানিস্তান অত্যন্ত ভূমিকম্পপ্রবণ দেশ।
- কারণ দেশটি ভারতীয় ও ইউরেশীয় টেকটোনিক প্লেটের সংযোগস্থলে বেশ কয়েকটি ফল্ট লাইনের ওপর অবস্থিত।
- ২০২২ সালে পূর্ব আফগানিস্তানে ৫.৯ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হানে।
- এতে অন্তত ১ হাজার মানুষ নিহত এবং ৩ হাজার মানুষ জন আহত হন।
- গত দুই দশকে দেশটিতে এটিই ছিল সবচেয়ে ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগ।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [link]

১,৫৭৮.
"The Idea of Justice" গ্রন্থের রচয়িতা কে?
  1. খালেদ রশিদ
  2. এইচ জি খোরানা
  3. অমর্ত্য সেন
  4. মালালা ইউসুফজাই
ব্যাখ্যা

অমর্ত্য সেন:
- অমর্ত্য সেন একজন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ভারতীয় বাঙালী অর্থনীতিবিদ ও দার্শনিক।
- ১৯৯৮ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেছিলেন অমর্ত্য সেন।
- দারিদ্র এবং দুর্ভিক্ষ নিয়ে গবেষণার জন্য পৃথিবী জুড়েই তিনি শ্রদ্ধা অর্জন করেছেন।
- তিনি হার্ভার্ড সোসাইটি অফ ফেলোস, ট্রিনিট্রি কলেজ, অক্সব্রিজ এবং ক্যামব্রিজের একজন সিনিয়র ফেলো।
- এছাড়াও তিনি ১৯৯৮ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত ক্যামব্রিজের ট্রিনিটি কলেজের মাস্টার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
- তিনি ইকোনমিস্ট ফর পিস অ্যান্ড সিকিউরিটির একজন ট্রাষ্টি।
- তিনিই প্রথম ভারতীয় শিক্ষাবিদ যিনি একটি অক্সব্রিজ কলেজের প্রধান হন।
- এছাড়াও তিনি প্রস্তাবিত নালন্দা আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসাবেও কাজ করেছেন।
- ২০০৬ সালে টাইম ম্যাগাজিন তাকে অনূর্ধ্ব ষাট বছর বয়সী ভারতীয় বীর হিসেবে চিহ্নিত করেছে।
- ২০১০ সালে তাকে বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় স্থান দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য,
- অমর্ত্য সেনের লেখা গ্রন্থাবলি ৩০টিরও বেশি ভাষায় অনূদিত হয়েছে।
- The Idea Of Justice-গ্রন্থটির রচয়িতা অমর্ত্য সেন।
- বইটি মূলত জন রলসের 'A Theory of Justice' (1971)-এর মৌলিক ধারণাগুলির একটি সমালোচনা এবং সংশোধন।

অন্যদিকে,
- Nuclear Weapons and Foreign Policy গ্রন্থটির রচয়িতা হেনরি কিসিঞ্জার।
- Long Walk to Freedom গ্রন্থটির রচয়িতা নেলসন ম্যান্ডেলা।
- Wings of Fire গ্রন্থটির রচয়িতা এপিজে আবদুল কালাম।

উৎস: Britannica.

১,৫৭৯.
বেলজিয়ামের মুদ্রার নাম কি?
  1. ক) শিলিং
  2. খ) ইউরো
  3. গ) পাউন্ড
  4. ঘ) ক্রোনা
ব্যাখ্যা
The euro is the sole currency of 19 EU member states:
- Austria,
- Belgium,
- Cyprus,
- Estonia,
- Finland,
- France,
- Germany,
- Greece,
- Ireland,
- Italy,
- Latvia,
- Lithuania,
- Luxembourg,
- Malta,
- the Netherlands,
- Portugal,
- Slovakia,
- Slovenia, and
- Spain.
Source: europa.eu
১,৫৮০.
Orange Revolution কোন দেশের সাথে সম্পৃক্ত?
  1. তিউনিসিয়া
  2. ইউক্রেন
  3. আলজেরিয়া
  4. মিশর
ব্যাখ্যা

• অরেঞ্জ বিপ্লব (Orange Revolution):
- 'অরেঞ্জ রেভুলেশন' ইউক্রেনের সাথে সম্পৃক্ত।

⇒ অরেঞ্জ বিপ্লব ছিল একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন।
- এটি সংঘটিত হয়েছিল ২০০৪ সালের শেষের দিকে এবং ২০০৫ সালের শুরুতে।
- ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ ছিল নাগরিক প্রতিরোধ আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দু।
- ২০০৪ সালে ইউক্রেনে অনুষ্ঠিত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে কারচুপি এবং ব্যাপক দুর্নীতির অভিযােগ তুলে এ আন্দোলনের সূত্রপাত।
- মূল দাবি: ভোট পুনঃগণনা, নতুন নির্বাচন এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ও স্বচ্ছতার প্রতি সম্মান প্রদর্শন।
- এই আন্দোলনের ফলে ভিক্টর ইউশ্চেঙ্কো (Yushchenko) প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।

উৎস: Britannica.

১,৫৮১.
কোন দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে 'সেক্রেটারি অব স্টেট' বলা হয়?
  1. ফ্রান্স
  2. যুক্তরাজ্য
  3. জার্মানি
  4. যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী:
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে 'সেক্রেটারি অব স্টেট' বলা হয়।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও।

উৎস: Britannica.

১,৫৮২.
ব্যাবিলন কোন সভ্যতার অংশ ছিল?
  1. মিশরীয় সভ্যতা
  2. মেসোপটেমিয়ান সভ্যতা
  3. গ্রীক সভ্যতা
  4. সিন্ধু সভ্যতা
ব্যাখ্যা
মেসোপটেমীয় সভ্যতা:
- এ সভ্যতাকে চারটি পর্যায়ে ভাগ করা যায়-
- সুমেরীয় সভ্যতা,
- ব্যাবিলনীয় সভ্যতা,
- অ্যাসেরীয় সভ্যতা,
- ক্যালেডীয় সভ্যতা।
- এই সভ্যতা বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্য, দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়া ও ভূমধ্যসাগরের পূর্বাঞ্চলে অবস্থান।
- এই সভ্যতার দেশ সমূহ- ইরাক, কুয়েত, তুরস্ক, ও সিরিয়ার অংশবিশেষ।

উল্লেখ্য,
- টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস নদীর তীরে মেসোপটেমীয় সভ্যতা সভ্যতা গড়ে ওঠে।
- Mesopatamia শব্দের মানে দুই নদীর মধ্যবর্তী অঞ্চল।
- পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতা।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫৮৩.
Who is the current mayor of London?
  1. Rajesh Agarwal
  2. Boris Johnson
  3. Sadiq Khan
  4. Ken Livingstone
ব্যাখ্যা
লন্ডনের বর্তমান মেয়র:
- লন্ডনের বর্তমান মেয়র সাদিক খান। (অক্টোবর, ২০২৪)
- তিনি পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত সাদিক খান।
- তৃতীয়বারের মতো লন্ডনের মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন তিনি।
- ২০০৫ সালে তিনি দক্ষিণ লন্ডনের টুটিং এলাকা থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
- তিনিই লন্ডনের প্রথম নেতা, যিনি টানা তিনবার এই পদে জয়ী হয়েছেন।
- লেবার পার্টির প্রার্থী সাদিক খান ২ লাখ ৭৬ হাজারের বেশি ভোটের ব্যবধানে কনজারভেটিভ পার্টির প্রার্থী সোসান হলকে হারিয়েছেন।
- ২০১৬ সালে প্রথম লন্ডনের মেয়র হন পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ নাগরিক সাদিক খান।
- এরপর ২০২০ সালে দ্বিতীয় দফায় নির্বাচিত হন তিনি।
- ২০২৪ সালের নির্বাচনেও পুনরায় নির্বাচিত হয়েছেন সাদিক খান।

যুক্তরাজ্য:
- সরকার ব্যবস্থা: সাংবিধানিক রাজতন্ত্র।
- সংবিধান: অলিখিত।
- সরকার প্রধান: প্রধানমন্ত্রী।
- বর্তমান প্রধানমন্ত্রী: কিয়ার স্টারমার। (অক্টোবর, ২০২৪)
- প্রথম প্রধানমন্ত্রী: রবার্ট ওয়ালপল।
- প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী: মার্গারেট থ্যাচার।
- যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী উইনস্টোন চার্চিল রাজনীতিবিদ হয়েও সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর সরকারী বাসভবন: ১০ নং ডাইনিং স্ট্রিট।
- রাষ্ট্র প্রধান: রানি বা রাজা।
- বর্তমান রাষ্ট্রপ্রধান: রাজা তৃতীয় চার্লস।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা ও সাদিক খানের ওয়েবসাইট।
১,৫৮৪.
বঙ্গোপসাগরের তীরবর্তী রাষ্ট্র নয় কোনটি?
  1. ক) মিয়ানমার
  2. খ) শ্রীলঙ্কা
  3. গ) মালয়েশিয়া
  4. ঘ) ইন্দোনেশিয়া
ব্যাখ্যা
বঙ্গোপসাগরের তীরবর্তী রাষ্ট্র ৫টি। দেশগুলো হলো:
- বাংলাদেশ, 
- ভারত, 
- মিয়ানমার,
- শ্রীলঙ্কা, 
- ইন্দোনেশিয়া
 
উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস। 

১,৫৮৫.
‘ভিক্টোরিয়া ক্রস‘ কোন দেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় খেতাব?
  1. অস্ট্রেলিয়া
  2. জাপান
  3. যুক্তরাজ্য
  4. কানাডা
ব্যাখ্যা
যুক্তরাজ্য:
- সরকার ব্যবস্থা: সাংবিধানিক রাজতন্ত্র।
- সংবিধান: অলিখিত।
- বর্তমান প্রধানমন্ত্রী: ঋষি সুনাক (কনজারভেটিভ পার্টি)।
- প্রথম প্রধানমন্ত্রী: রবার্ট ওয়ালপল।
- প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী: মার্গারেট থ্যাচার।

এছাড়াও,
- যুক্তরাজ্যের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় খেতাব - ভিক্টোরিয়া ক্রস।
- বৃটিশ প্রধানমন্ত্রীর সরকারী বাসভবন - ১০ নং ডাইনিং স্ট্রিট।
- বৃটেনের অর্থমন্ত্রীর বাসভবন - ১১ নং ডাইনিং স্ট্রিট।
- যুক্তরাজ্যের পতাকে বলা হয় - ইউনিয়ন জ্যাক।

উৎস: ব্রিটানিকা ও হিস্টোরি ডট কম।
১,৫৮৬.
Index of Economic Freedom - 2022 অনুসারে শীর্ষ দেশ -
  1. ক) নিউজিল্যান্ড
  2. খ) সুইজারল্যান্ড
  3. গ) আয়ারল্যান্ড
  4. ঘ) সিঙ্গাপুর
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক স্বাধীনতা সূচক:
মার্চ ২০২২ যুক্তরাষ্ট্রের ‘The Heritage Foundation’ অর্থনৈতিক স্বাধীনতা সূচক প্রকাশ করে ‘2022 Index of Economic Freedom’ শিরোনামে।
সূচক অনুযায়ী -
শীর্ষ ৫ দেশ:
১. সিঙ্গাপুর,
২. সুইজারল্যান্ড,
৩. আয়ারল্যান্ড,
৪. লুক্সেমবার্গ ও
৫. নিউজিল্যান্ড।

সর্বনিম্ন ৫ দেশ:
১৭৭. উত্তর কোরিয়া,
১৭৭. ভেনিজুয়েলা,
১৭৬. কিউবা,
১৭৫. সুদান ও
১৭৪. জিম্বাবুয়ে।
(আফগানিস্তান, ইরাক, লিবিয়া, লিচটেনস্টেইন, সোমালিয়া, সিরিয়া, ইয়েমেন – দেশগুলোকে সূচকে অন্তর্ভূক্ত করা হয়নি।)

বাংলাদেশের অবস্থান - ১৩৭তম।

উৎস: The Heritage Foundation ওয়েবসাইট ও Live MCQ বিশেষ সাম্প্রতিক সমাচার।
১,৫৮৭.
লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যকার সীমানা কোনটি?
  1. ব্লু লাইন
  2. লাইন অব ডিমারকেশন
  3. ডুরান্ড লাইন
  4. পার্পল লাইন
ব্যাখ্যা

বিভিন্ন দেশের সীমানা:
→ ব্লু লাইন: লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যকার সীমানা।
→ পার্পল লাইন: ইসরাইল ও সিরিয়ার মধ্যে সীমানা।
→ সনেরা লাইন: মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সীমানা।
→ ওডার-নেইস লাইন: জার্মানি ও পোল্যান্ডের মধ্যকার সীমানা।
→ লাইন অব ডিমারকেশন: পর্তুগাল ও স্পেনের মধ্যে সীমানা।
→ ডুরান্ড লাইন: পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে সীমানা।
→ রেডক্লিফ লাইন: ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সীমারেখা।
→ লাইন অব একচুয়াল কন্ট্রোল / ম্যাকমোহন লাইন: চীন ও ভারতের মধ্যে সীমানা।
→ লাইন অব কন্ট্রোল: ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সীমানা।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

১,৫৮৮.
নতুন সংবিধান অনুযায়ী, নেপালের বর্তমান নাম কী?
  1. Democratic Republic of Nepal
  2. Federal Democratic Republic of Nepal
  3. Peoples Republic of Nepal
  4. Federal Republic of Nepal
ব্যাখ্যা
• নেপাল:
- নেপালের সর্বশেষ রাজা ছিলেন রাজা জ্ঞানেন্দ্র।
- তাঁর পুরো নাম - জ্ঞানেন্দ্র বীর বিক্রম শাহ দেব।
- তিনি রাজা বীরেন্দ্রের হত্যার পর সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- তিনি সর্বশেষ হিন্দু রাজাও ছিলেন।
- ২০০৮ সালের ২৮ মে নেপালে সাধারণ নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত পার্লামেন্টের প্রথম অধিবেশন বসে।
- এ অধিবেশনে নেপালকে একটি ফেডারেল ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক হিসেবে ঘোষণা করে এবং রাজতন্ত্রের বিলুপ্তি ঘোষণা করে।
- এর মাধ্যমে নেপালে ১৭৬৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়া ২৩৯ বছরের রাজতন্ত্রের পতন ঘটে।
- নতুন সংবিধান অনুযায়ী, নেপালের বর্তমান নাম Federal Democratic Republic of Nepal.

উৎস: নেপাল পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট ও ব্রিটানিকা, নেপালের সংবিধান (লিঙ্ক)।
১,৫৮৯.
আমেরিকার চালকবিহীন গোয়েন্দা বিমান 'স্টিলথ ড্রোন'টি কী?
  1. বোমারু বিমান চালিত
  2. মিগ চালিত
  3. হেলিকপ্টার চালিত
  4. শক্তিশালী রকেট চালিত
ব্যাখ্যা
স্টিলথ ড্রোন:
- ‘ড্রোন’ হলো এক প্রকার চালকবিহীন বিমান।
- এটি Unmanned Aerial Vehicles (UAVs) কিংবা Remotely Piloted Aerial Systems (RPAS) নামেও পরিচিত।
- এ ধরনের বিমান মনুষ্যচালিত বিমান থেকে আকারে ছোট হয়ে থাকে।

উল্লেখ্য, 
- যুক্তরাষ্ট্রের স্টিলথ ড্রোন একটি বোমারু বিমান চালিত ড্রোন।

উৎস: The War Zone।
১,৫৯০.
কোন দেশের নারীরা সর্বপ্রথম ভোটাধিকার লাভ করে?
  1. নিউজিল্যান্ড
  2. ব্রিটেন
  3. অস্ট্রেলিয়া
  4. কানাডা
ব্যাখ্যা
নারীদের ভোটাধিকার:
- প্রাচীন গ্রিস ও রোমে, এবং এমনকি ১৮শ শতকের শেষ দিকে ইউরোপের উদীয়মান গণতান্ত্রিক দেশগুলোতেও নারীরা ভোট দিতে পারতেন না।
- ১৮৩২ সালে যুক্তরাজ্যে যখন সাধারণ জনগণের ভোটাধিকার কিছুটা সম্প্রসারিত হয়, তখনও নারীদের ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত রাখা হয়।
- ১৯শ শতকে যুক্তরাজ্য এবং যুক্তরাষ্ট্রে নারীদের ভোটাধিকার নিয়ে বড় আন্দোলন শুরু হয়।
- তবে এই দুটি দেশ সবার আগে নারী ভোটাধিকার দেয়নি।
- ১৮৯৩ সালে সর্বপ্রথম নিউজিল্যান্ডের নারীদের ভোটাধিকার প্রদান করা হয়।
- অস্ট্রেলিয়া ১৯০২ সালে নারীদের ভোটাধিকার প্রদান করে।
- ফিনল্যান্ড ১৯০৬ সালে নারীদের ভোটাধিকার প্রদান করে।
- নরওয়ে ১৯১৩ সালে নারীদের ভোটাধিকার প্রদান করে।
- সুইডেন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কিছু স্থানীয় নির্বাচনে তাদের ভোটদানের অধিকার ছিল।
- নারীদের ভোটাধিকার ছিল দীর্ঘ ও কঠিন আন্দোলনের ফল।
- আজকে যেটা নারীদের মৌলিক অধিকার, এক সময় সেটা অর্জন করতে বহু নারী আন্দোলন, সংগ্রাম এবং আত্মত্যাগ করেছেন।

উৎস: Britannica.
১,৫৯১.
নিম্নের কোন ব্যক্তি বর্ণবাদ বিরোধী আন্দোলনের সাথে জড়িত ছিলেন?
  1. এফ. ডব্লিউ ক্লার্ক
  2. নেলসন মেন্ডেলা
  3. মার্টিন লুথার কিং
  4. বর্ণিত সবাই
ব্যাখ্যা
• এফ. ডব্লিউ ক্লার্ক:
- দক্ষিণ আফ্রিকার শেষ শ্বেতাঙ্গ প্রেসিডেন্ট ছিলেন এফ. ডব্লিউ ক্লার্ক।
- ১৯৮৯-৯৪ সাল পর্যন্ত তিনি দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট ছিলেন।
- ১৯৯৩ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ প্রেসিডেন্ট নেলসন ম্যান্ডেলার সঙ্গে ডি ক্লার্ক যৌথভাবে নোবেল পুরস্কার পান।
- ক্লার্ক বর্ণবাদের অবসান এবং ক্ষমতা হস্তান্তরে সহায়তা করার জন্য ম্যান্ডেলার সঙ্গে যৌথভাবে নোবেল শান্তি পুরস্কার পান।

• নেলসন মেন্ডেলা:
- নেলসন ম্যান্ডেলা ১৮ জুলাই ১৯১৮ সালে পূর্ব কেপের এমভেজো গ্রামে মাদিবা বংশে জন্মগ্রহণ করেন।
- নেলসন মেন্ডেলার রাজনৈতিক দল - আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেস।
- ১৯৪২ সাল থেকে ক্রমবর্ধমান রাজনৈতিকভাবে জড়িত থাকাকালীন, ১৯৪৪ সালে আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেসে যোগদান করেন।
- তখন তিনি ANC যুব লীগ (ANCYL) গঠনে সহায়তা করেন।
- তিনি ছিলেন প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ প্রেসিডেন্ট।
- এফ ডব্লিউ ডি ক্লার্ক দেশের বর্ণবাদী ব্যবস্থার অবসান ঘটাতে সাহায্য করেছিলেন এবং সংখ্যাগরিষ্ঠ শাসনে শান্তিপূর্ণ পরিবর্তনের সূচনা করেছিলেন।
- ম্যান্ডেলা এবং ডি ক্লার্ক যৌথভাবে তাদের প্রচেষ্টার জন্য ১৯৯৩ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- তার মৃত্যু ৫ ডিসেম্বর ২০১৩, জোহানেসবার্গ- এ।

• মার্টিন লুথার কিং:
- মার্টিন লুথার কিং ছিলেন আফ্রিকান-আমেরিকান কৃষ্ণাঙ্গ মানবাধিকার কর্মী।
- যুক্তরাষ্ট্রের নিগ্রোদের অধিকার আদায়ে আন্দোলনের অহিংসবাদী নেতা ছিলেন মার্টিন লুথার কিং।
- মার্টিন লুথার কিং আমেরিকায় বর্ণবৈষম্য দূর করার পেছনে একজন অগ্রদূত হিসেবে কাজ করেছেন।
- ১৯৬৩ সালের ২৮ আগস্ট ওয়াশিংটনের লিঙ্কন মেমোরিয়ালের সিঁড়িতে দাঁড়িয়ে তিনি একটি ঐতিহাসিক ভাষণ দেন।
- ভাষণটি সবাই এখন 'I have a dream' শিরোনামে জানে।
- এই ভাষণে উঠে এসেছে নিগ্রোদের প্রতি অত্যাচারের কথা, তাদের বৈষম্যের শিকার হওয়ার কথা।

উৎস: Britannica.

১,৫৯২.
জেনেভা কনভেনশন-১৯৪৯ কোন বিষয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট?
  1. ক) মানব পাচার রোধ
  2. খ) রাসায়নিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ
  3. গ) যুদ্ধকালীন আচরণ বিধি
  4. ঘ) শিশু অধিকার
ব্যাখ্যা
জেনেভা কনভেনশন:
- জেনেভা কনভেনশন হলো আন্তর্জাতিক আইন যা যুদ্ধকালীন মানবাধিকার এবং মানবিক আচরণ সংক্রান্ত কিছু মৌলিক নীতি নির্ধারণ করে।
- এই কনভেনশনগুলি মূলত যুদ্ধবন্দী, আহত বা অসুস্থ সেনা সদস্য এবং সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা ও মর্যাদা রক্ষার জন্য প্রতিষ্ঠিত।
- সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ‘জেনেভা কনভেনশন’ স্বাক্ষরিত হয়।
- এর আওতায় ৪টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল রয়েছে।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ১২ আগস্ট, ১৯৪৯ সালে।
- এই চুক্তিকে ‘চারটি রেডক্রস কনভেনশন’ বলা হয়।

⇒ মূল জেনেভা কনভেনশনগুলো:
১. প্রথম কনভেনশন (১৮৬৪): আহত ও অসুস্থ সেনা সদস্যদের সুরক্ষা এবং তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা সম্পর্কে।
২. দ্বিতীয় কনভেনশন (১৯০৬): সমুদ্রে যুদ্ধরত সেনাদের সুরক্ষা ও তাদের চিকিৎসা সংক্রান্ত। ১৯০৭ সালে ‘হেগ চুক্তি’ সংশোধন করে এটি স্বাক্ষরিত হয়।
৩. তৃতীয় কনভেনশন (১৯২৯): যুদ্ধবন্দীদের সুরক্ষা এবং তাদের প্রতি মানবিক আচরণ।
৪. চতুর্থ কনভেনশন (১৯৪৯): সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা, বিশেষত যুদ্ধক্ষেত্র বা দখলদারিত্বের সময়।

উল্লেখ্য,
• কনভেনশনের সংশোধন ও আধুনিকায়ন:
- ১৯৪৯ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর কনভেনশনগুলোর সংস্করণ আরো উন্নত ও আধুনিক করা হয় এবং ১৯৭৭ ও ২০০৫ সালে আরও প্রোটোকল যুক্ত করা হয়।
- এর মাধ্যমে যুদ্ধের সময় মানবাধিকার রক্ষা নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা আরও জোরদার হয়েছে।

⇒ প্রটোকলসমূহ:
• প্রটোকল:
- ১৯৭৭ সালে; ১; আন্তর্জাতিক সামরিক সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি রক্ষার্থে গৃহীত হয়।
• প্রটোকল: ২;
- ১৯৭৭ সালে; অ-আন্তর্জাতিক সামরিক সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিবর্গকে রক্ষার সাথে সম্পর্ক।
• প্রটোকল: ৩;
- ২০০৫ সালে; অতিরিক্ত স্বাতন্ত্র্যসূচক প্রতীক পরিগ্রহ করা সংক্রান্ত বিষয়ে গৃহীত হয়।

উৎস: INTERNATIONAL COMMITTEE OF THE RED CROSS.
১,৫৯৩.
মিশর সুয়েজ খাল খনন করে কোন দেশের সহায়তায়?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. ইসরায়েল
  3. যক্তরাজ্য
  4. ফ্রান্স
ব্যাখ্যা
সুয়েজ খাল একটি কৃত্রিম সামুদ্রিক খাল যা লোহিত সাগরকে ভূমধ্যসাগরের সাথে যুক্ত করেছে।
- ফরাসি প্রকৌশলী ফার্দিনান্দ দ্য লেসেপ্সের উদ্যোগে ১৮৫৯ সালে সুযেজ খালের খননকার্য শুরু হয়। ১৮৬৯ সালের ১৭ নভেম্বর খালটি নৌ চলাচলের জন্যে উন্মুক্ত‍ করে দেওয়া হয়।
- শুরুতে খালটি ফ্রান্স ও মিশরের জয়েন্ট ভেঞ্চার কোম্পানির মাধ্যমে পরিচালিত হতো। পরবর্তীতে মিশর তার ৪৪ ভাগ শেয়ার ব্রিটেনের নিকট বিক্রি করে দেয়।

- ১৯৫৬ সালের ২৬ জুলাই মিশরের গামাল আবদেল নাসের সরকার সুয়েজ খালকে জাতীয়করণ করেন।
- এর ফলে ইসরাইল, ফ্রান্স ও ব্রিটেনের সাথে মিশরের যুদ্ধ বেধে যায় যা ‘দ্বিতীয় আরব-ইসরাইল যুদ্ধ’ বা ‘সুয়েজ যুদ্ধ’ নামে পরিচিত।
- বর্তমানে সুয়েজ খাল মিশর সরকারের অধীন ‘সুয়েজ খাল কর্তৃপক্ষ’ নামে একটি কোম্পানি দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে।
- আন্তর্জাতিক চুক্তি অনুসারে সুয়েজ খাল সবদেশের জন্যে সকল ধরনের বাণিজ্যিক ও সামরিক জাহাজ চলাচলের চন্যে উন্মুক্ত থাকবে।

(তথ্যসূত্র: সুয়েজ খাল কর্তৃপক্ষ ওয়েবসাইট)
১,৫৯৪.
বর্তমানে শেনজেনভুক্ত দেশের সংখ্যা কয়টি? [ফেব্রুয়ারি, ২০২৬]
  1. ২১টি
  2. ২২টি
  3. ২৭টি
  4. ২৯টি
ব্যাখ্যা

শেনজেন চুক্তি (Schengen):
- বর্তমানে শেনজেনভুক্ত দেশের সংখ্যা ২৯টি।
- সর্বশেষ  ২০২৪ সালের মার্চে  শেনজেন অঞ্চলে যুক্ত হয়েছে রোমানিয়া ও বুলগেরিয়া।

উল্লেখ্য,
- শেনজেন একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যা ইউরোপীয় দেশগুলোর মধ্যে ব্যক্তিদের অবাধ চলাচলের অনুমতি প্রদান করে।
- শেনজেন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ১৯৮৫ সালে।
- স্থান: লুক্সেমবার্গের শেনজেন শহরে।
- ১৯৯৫ সালের ২৬ মার্চ চুক্তিটি কার্যকর হলে ভিসামুক্ত ইউরোপের যাত্রা শুরু হয়।
- শেনজেনভুক্ত দেশ: ২৯টি। ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৫টি দেশ এবং ইইউর বাইরের চার দেশ সুইজারল্যান্ড, নরওয়ে, আইসল্যান্ড এবং লিচেনস্টাইন শেনজেন অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।

উৎস: European Union ওয়েবসাইট। 

১,৫৯৫.
পেলোপনেসীয় যুদ্ধ কোন দুটি নগর রাষ্ট্রের মধ্যে সংঘটিত হয়েছিল?
  1. এথেন্স ও থিবস
  2. স্পার্টা ও করিন্থ
  3. এথেন্স ও স্পার্টা
  4. থিবস ও করিন্থ
ব্যাখ্যা

পেলোপনেসীয় যুদ্ধ প্রধানত দুটি গ্রিক নগর-রাষ্ট্র এথেন্স এবং স্পার্টা-এর মধ্যে সংঘটিত হয়েছিল।

পেলোপনেসিয়ার যুদ্ধ:

- এথেন্স ও স্পার্টা উভয় রাষ্ট্রের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি যে যুদ্ধ সংঘটিত হয়, তা ইতিহাসে পেলোপনেসিয়ার যুদ্ধ নামে পরিচিত।

⇒ জ্ঞান-বিজ্ঞান, দর্শন, সাহিত্য ও রাজনীতি সর্বক্ষেত্রে বিশ্বসভ্যতায় অবিস্মরণীয় অবদান রাখা নগররাষ্ট্র এথেন্সের পতন হয় সামরিক নগররাষ্ট্র স্পার্টার কাছে।
- ৪৬০ থেকে ৪০৪ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ পর্যন্ত মোট তিনবার এই যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
- এই যুদ্ধে দুই রাষ্ট্র পরস্পরের মিত্রদের নিয়ে জোট গঠন করে।
- এথেন্সের মিত্র রাষ্ট্র নিয়ে গঠিত জোটের নাম ছিল 'ডেলিয়ান লীগ'।
- অপরদিকে স্পার্টা তার মিত্রদের নিয়ে যে জোট গঠন করে, তার নাম ছিল 'পেলোপনেসীয় লীগ'।
- এই মরণপণ যুদ্ধে এথেন্সের মান-মর্যাদা ও স্বাধীনতা বিলীন হয়ে যায়।
- ৩৬৯ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে এথেন্স চলে যায় স্পার্টার অধীনে।
- ৩৩৮ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে মেসিডোনের (গ্রিস) রাজা ফিলিপ থিরাস দখল করে নিলে এথেন্স মেসিডোনের অধীনে চলে যায়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৫৯৬.
শিন্তো ধর্ম প্রধানত কোন দেশে প্রচলিত?
  1. চীন
  2. জাপান
  3. দক্ষিণ কোরিয়া
  4. ভিয়েতনাম
ব্যাখ্যা

শিন্তো ধর্ম:
- শিন্তো (Shinto) হলো জাপানের আদিবাসী ধর্মীয় বিশ্বাস ও অনুশীলন।
- এটি জাপানের জাতীয় ধর্ম হিসেবে বিবেচিত হয় এবং জাপানের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য, উৎসব, মন্দির (জিঙ্গু/শ্রাইন) এবং দৈনন্দিন জীবনের সাথে গভীরভাবে জড়িত। বিশ্বের অন্য কোনো দেশে শিন্তো ধর্মের এমন ব্যাপক ও প্রাতিষ্ঠানিক প্রচলন নেই।
- শিন্তো শব্দটির আক্ষরিক অর্থ "কামির পথ" (সাধারণত পবিত্র বা ঐশ্বরিক শক্তি, বিশেষ করে বিভিন্ন দেবতা বা দেবতা)।
- বৌদ্ধধর্ম থেকে আদিবাসী জাপানি বিশ্বাসকে আলাদা করার জন্য এই ধর্ম ব্যবহৃত হয়েছিল।
- এটি ষষ্ঠ শতাব্দীতে জাপানে প্রবর্তিত হয়েছিল।

উৎস: Britannica.

১,৫৯৭.
যুক্তরাষ্ট্রের আইন সভার নাম কী? 
  1. কংগ্রেস
  2. পার্লামেন্ট
  3. ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি
  4. ফেডারেল কাউন্সিল
ব্যাখ্যা

- যুক্তরাষ্ট্রের আইন সভার নাম কংগ্রেস।
- হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভ হলো যুক্তরাষ্ট্রের আইনসভার নিম্নকক্ষ।
- হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভস ৪৩৫ জন সদস্য।
- সিনেট উচ্চ কক্ষ।
- সিনেট (৫০*২ = ১০০ জন) সদস্য।

যুক্তরাষ্ট্র (USA) :
- পূর্ণ নাম: ইউনাইটেড স্টেটস অফ আমেরিকা (United States of America).
- ৫০টি অঙ্গরাজ্য, একটি ফেডারেল জেলা (ওয়াশিংটন, ডি.সি.)।
- রাজধানী: ওয়াশিংটন, ডি.সি. (Washington, D.C.)
- স্বাধীনতা দিবস: ৪ জুলাই, ১৭৭৬ (গ্রেট ব্রিটেন থেকে)।
- সংবিধান: ১৭৮৭ সালে গৃহীত যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান বিশ্বের প্রাচীনতম লিখিত সংবিধান।
- রাজনৈতিক দল: প্রধানত দ্বিদলীয় ব্যবস্থা প্রচলিত, ডেমোক্রেটিক পার্টি এবং রিপাবলিকান পার্টি।
- সীমানা: উত্তরে কানাডা এবং দক্ষিণে মেক্সিকো।
- প্রধান নদ-নদী: মিসিসিপি, মিসৌরি, কলোরাডো, রিও গ্রান্ডে।
- বর্তমান রাষ্ট্রপতি: ডোনাল্ড ট্রাম্প (৪৭ তম ও ৪৫ তম নির্বাচিত)

উল্লেখ্য,
- ২০২৬ সাল যুক্তরাষ্ট্রের জন্য একটি ঐতিহাসিক বছর, কারণ এই বছর দেশটি তার স্বাধীনতার ২৫০ বছর পূর্তি  উদযাপন করবে।
- মহাকাশ গবেষণা: নাসা (NASA)-র মাধ্যমে চাঁদে মানুষের পদার্পণ (অ্যাপোলো মিশন) এবং মঙ্গলে রোভার প্রেরণ। আর্টেমিস প্রোগ্রামের মাধ্যমে ২০২৬ সালের দিকে পুনরায় চাঁদে মানুষ পাঠানোর পরিকল্পনা চলমান রয়েছে।

উৎস: যুক্তরাষ্ট্র পার্লামেন্ট এবং ব্রিটানিকা।

১,৫৯৮.
কারাগারের রোজনামচা বইয়ের প্রকাশক কে?
  1. ক) দি ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড
  2. খ) বাংলা একাডেমি
  3. গ) বাংলাদেশ সরকারি মুদ্রণালয়
  4. ঘ) আনন্দ পাবলিশার্স
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রচিত দ্বিতীয় আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ হলো কারাগারের রোজনামচা। এটি ২০১৭ সালে বঙ্গবন্ধুর ৯৭তম জন্মবার্ষিকীতে বাংলা একাডেমি প্রকাশ করে। এই গ্রন্থটি মূলত একটি ডায়রি যা বঙ্গবন্ধু ১৯৬৬-১৯৬৮ সময়ে কারাগারে বন্দিবস্থায় লিখেছিলেন।
এর ভূমিকা লিখেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। নামকরণ করেন শেখ রেহেনা। প্রচ্ছদ ও নকশা করেন তারিক সুজাত। তবে প্রচ্ছদে ব্যবহৃত বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি অঙ্কন করেন শিল্পী রাসেল কান্তি দাশ।
(সূত্র: কারাগারের রোচনামচা)
১,৫৯৯.
জৈন ধর্মের প্রধান প্রচারক কে ছিলেন?
  1. গুরু নানক
  2. শঙ্করাচার্য
  3. মহাবীর
  4. ঋষভদেব
ব্যাখ্যা
জৈনধর্ম:
- জৈনধর্ম হলো ভারতীয় উপমহাদেশের একটি প্রাচীন ধর্ম।
- এই ধর্ম বিশ্বের প্রাচীনতম ধর্মমতগুলোর অন্যতম।
- জৈন শব্দটি এসেছে সংস্কৃত জিন শব্দ থেকে। সংস্কৃতিতে জিন অর্থ জয়ী।
- - জৈনদের প্রধান ধর্মগ্রন্থের নাম দ্ব্বাদশ অঙ্গ। জৈনদের দুটি প্রধান সমপ্রদায়ের নাম শ্বেতাম্বর ও দিগম্বর।

⇒ যে মানুষ আসক্তি, আকাঙ্ক্ষা, ক্রোধ, অহংকার, লোভ ইত্যাদি জয়ের মাধ্যমে পবিত্র অনন্ত জ্ঞান লাভ করেছে, তাকে জিন বলা হয়।
- জিনদের আচরিত ও প্রচারিত পথের অনুগামীদের বলে জৈন।
- এরা তাদের প্রধান ধর্মগুরুকে বলতেন তীর্থঙ্কর।
- জৈনরা তাদের ইতিহাসে চব্বিশজন তীর্থঙ্করের কথা উল্লেখ করেছেন।
- এঁদের শিক্ষাই জৈনধর্মের মূল ভিত্তি।
- প্রথম তীর্থঙ্করের নাম ঋষভনাথ এবং সর্বশেষ তীর্থঙ্করের নাম মহাবীর।

⇒ খ্রিস্টপূর্ব ৬ষ্ঠ শতাব্দীতে জৈনধর্মের সর্বাধিক প্রভাবশালী প্রচারক ছিলেন মহাবীর। তিনি জৈনধর্মের ২৪তম তীর্থঙ্কর। মহাবীরকে অনেক সময় ভুলবশত জৈনধর্মের প্রবর্তক মনে করা হয়। প্রকৃতপক্ষে জৈনধর্ম তাঁর আগে থেকে প্রচলিত ছিল এবং তিনি গোড়া থেকেই এই ধর্মের অনুগামী ছিলেন।
- মহাবীরের পূর্বসূরি ২৩তম তীর্থঙ্কর ছিলেন পার্শ্বনাথ।
- ২২তম তীর্থঙ্কর নেমিনাথ ছিলেন পার্শ্বনাথের পূর্বসূরি। 

উৎস: i) Britannica.
ii) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, ষষ্ঠ শ্রেণি।
১,৬০০.
৪র্থ আরব ইসরাইল যুদ্ধ সংঘটিত হয় কত সালে?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে
ব্যাখ্যা

আরব-ইসরাইল যুদ্ধ:
- মোট ৪টি আরব-ইসরাইল যুদ্ধ সংঘটিত হয়।

১ম আরব-ইসরাইল যুদ্ধ:
- এই যুদ্ধ সংঘটিত হয় ১৯৪৮ সালে।
- ইসরায়েল এবং আরব রাষ্ট্রসমূহ ও ফিলিস্তিনি আরব বাহিনীর গুলোর সম্মিলিত সামরিক বাহিনী মধ্যে সংঘটিত হয়।
- এটি আরবিতে নাকবা (বিপর্যয়) ও হিব্রুতে মিলখেমেত হাতজমাউত (স্বাধীনতা যুদ্ধ) বলে পরিচিত।

২য় আরব-ইসরাইল যুদ্ধ:
- এই যুদ্ধ সংঘটিত হয় ১৯৫৬ সালে।

৩য় আরব ইসরাইল যুদ্ধ:
- সংঘটিত হয় ১৯৬৭ সালে।
- ১৯৬৭ সালে ইসরাইল পূর্ব জেরুজালেম দখল করেছিল।
- এই যুদ্ধের স্থায়িত্ব ছিল মাত্র ৬ দিন।

৪র্থ আরব ইসরাইল যুদ্ধ:
- সংঘটিত হয় ১৯৭৩ সালে।
- Yom Kippur War নামে পরিচিত ৪র্থ আরব-ইসরাইল যুদ্ধ।
- ইহুদিদের পবিত্র দিন ইয়ম কিপুরের সময় ইসরায়েল-অধিকৃত অঞ্চলে আরব জোটের অতর্কিত হামলার মাধ্যমে এই যুদ্ধ শুরু হয়।
- মিশরীয় ও সিরিয়ান সেনারা যুদ্ধবিরতি রেখা ভেদ করে যথাক্রমে সিনাই উপদ্বীপ ও গোলান মালভূমিতে ঢুকে পড়ে।
- যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন উভয়ে তাদের নিজ নিজ মিত্রদের এসময়ে সহায়তা করে।
- ফলে দুইটি পারমাণবিক শক্তিধর দেশের মধ্যে বিবাদ সৃষ্টি হয়।

তথ্যসূত্র - Worldatlas.com