বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বৈশ্বিক ইতিহাস, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা, ভূ-রাজনীতি

মোট প্রশ্ন৯,৩৩৪এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বৈশ্বিক ইতিহাস, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা, ভূ-রাজনীতি

PrepBank · পাতা ১২ / ৯৩ · ১,১০১১,২০০ / ৯,৩৩৪

১,১০১.
রাশিয়ান কমিউনিস্ট পার্টির প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. জোসেফ স্টালিন
  2. লিয়ন ত্রটস্কি
  3. নিকোলাই 
  4. ভ্লাদিমির লেনিন
ব্যাখ্যা

ভ্লাদিমির লেলিন
- ভ্লাদিমির লেনিনের প্রকৃত নাম ভ্লাদিমির ইলিচ উলিয়ানভ।
- জন্ম: ২২ এপ্রিল ১৮৭০, সিম্বিরস্ক, রাশিয়া।
- মৃত্যু: ২১ জানুয়ারি ১৯২৪, গোর্কি (মস্কোর কাছে)।
- তিনি রাশিয়ান কমিউনিস্ট পার্টির প্রতিষ্ঠাতা।
- ১৯১৭ সালের রুশ বিপ্লবের প্রধান নেতা ছিলেন।
- সোভিয়েত রাষ্ট্রের স্থপতি ও নির্মাতা হিসেবে পরিচিত।

- ১৯০৩ সালে লন্ডনে রাশিয়ান সোশ্যাল-ডেমোক্র্যাটিক ওয়ার্কার্স পার্টির সভায় বলশেভিক উপদলের নেতা।
- বিপ্লবী সংবাদপত্র প্রতিষ্ঠা ও সম্পাদনা: দলকে সর্বহারা শ্রেণীর অগ্রদূত, পেশাদার বিপ্লবীদের কেন্দ্রীভূত সংগঠন হিসেবে উপস্থাপন।
- তত্ত্ব: পরবর্তীতে লেনিনবাদ নামে পরিচিত, যা কার্ল মার্ক্সের তত্ত্বের সঙ্গে যুক্ত হয়ে মার্কসবাদ-লেনিনবাদ গঠন করে এবং কমিউনিস্ট বিশ্বদৃষ্টিতে রূপান্তরিত হয়।
- তিনি ১৯০৫ সালের রুশ বিপ্লবের সময় রাশিয়ায় ফিরে আসেন।
- ১৯০৭ সালে আবার নির্বাসন শুরু, পরবর্তী ১০ বছর ধরে আন্দোলন চালান।
- ১৯১৭ সালের রুশ বিপ্লবের মাধ্যমে রাশিয়ায় ফিরে আসেন এবং বলশেভিক অভ্যুত্থানের নেতৃত্ব দেন, যা অস্থায়ী সরকার উৎখাত করে
সোভিয়েত রাষ্ট্রের নেতা হিসেবে জার্মানির সঙ্গে ব্রেস্ট-লিটোভস্ক চুক্তি স্বাক্ষর (১৯১৮) করেন।
- ১৯১৯ সালে কমিন্টার্ন (কমিউনিস্ট ইন্টারন্যাশনাল) প্রতিষ্ঠা করেন।
- অর্থনৈতিক বিপর্যয় রোধের জন্য নতুন অর্থনৈতিক নীতি (NEP) চালু করেন।

ভ্লাদিমির লেনিন রচিত বই:
- State and Revolution.
- Imperialism, the Highest Stage of Capitalism.
- Philosophical Notebooks.
- Materialism and Empirio-criticism.

উৎস: ব্রিটানিকা।

১,১০২.
নীল নদের উৎপত্তিস্থল কোনটি?
  1. লেক বৈকাল
  2. ইথিওপিয়ার পবর্তমালা
  3. আন্দিজ পর্বতমালা
  4. লেক ভিক্টোরিয়া
ব্যাখ্যা
নীল নদ:
- নীল নদ আফ্রিকা মহাদেশে অবস্থিত।
- এটি পৃথিবীর দীর্ঘতম নদী।
- নীল নদের দৈর্ঘ্য ৬৬৫০ কি.মি।
- আফ্রিকার লেক ভিক্টোরিয়া নীল নদের উৎস।
- বিভিন্ন দেশ হয়ে ভূ-মধ্যসাগরে নীল নদ পতিত হয়।
- নীলনদ ১১টি দেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।
- নীল নদের অববাহিকা মিশর, সুদান, দক্ষিণ সুদান, ইরিত্রিয়া, ইথিওপিয়া, কেনিয়া, কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র, বুরুন্ডি, রুয়ান্ডা, উগান্ডা এবং তানজানিয়া জুড়ে বিস্তৃত।
- এই নদ দুটি উপনদী নিয়ে গঠিত: সাদা নীল এবং নীল নীল।

তথ্যসূত্র - Britannica.com & Worldatlas.com
১,১০৩.
হায়ারোগ্লিফিক কী?
  1. ক) মিশরীয় চিত্র লিপি
  2. খ) চীনের লিপি
  3. গ) গ্রিক লিপি
  4. ঘ) রোমান লিপি
ব্যাখ্যা
- মিশরীয় সভ্যতার অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য ছিল লিপি বা অক্ষর আবিষ্কার।
- নগর সভ্যতা বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে মিশরীয় লিখনপদ্ধতির উদ্ভব ঘটে।
- পাঁচ হাজার বছর পূর্বে তারা সর্বপ্রথম ২৪টি ব্যঞ্জনবর্ণের বর্ণমালা আবিষ্কার করতে সক্ষম হয়।
- প্রথমদিকে ছবি এঁকে তারা মনের ভাব প্রকাশ করত। এই লিখন পদ্ধতির নাম ছিল চিত্রলিপি।
- এই চিত্রলিপিকে বলা হয় ‘হায়ারোগ্লিফিক’ বা পবিত্র অক্ষর।

[উৎস: উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, এস এস সি প্রোগ্রাম] 
১,১০৪.
হাওয়াই কত সালে যুক্তরাষ্ট্রের সর্বশেষ অঙ্গরাজ্য হিসেবে যুক্ত হয়েছিল?
  1. ১৯৫৮ সালে
  2. ১৯৫৯ সালে
  3. ১৯৬২ সালে
  4. ১৯৬৭ সালে
ব্যাখ্যা

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র:
- আবিষ্কারক: ১৪৯২ সালে ইতালিয়ান নাবিক কলম্বাস।
- স্বাধীনতা লাভ করে: ৪ জুলাই, ১৭৭৬ সালে যুক্তরাজ্য থেকে।
- যুক্তরাষ্ট্রে জাতীয় দিবস: ৪ জুলাই।
- প্রতিষ্ঠাকালীন অঙ্গরাজ্য: ১৩ টি।
- বর্তমান অঙ্গরাজ্য: ৫০ টি।
- সর্বশেষ অঙ্গরাজ্য: হাওয়াই।
- ইলেক্টোরাল ভোটের সংখ্যা: ৫৩৮ টি।
- প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার জন্যে ন্যূনতম ২৭০টি ইলেক্টোরাল ভোটের প্রয়োজন হয়।
- আইনসভা: কংগ্রেস (দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট)।
- কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ এবং উচ্চকক্ষ সিনেট পরিষদ।
- বর্তমান প্রেসিডেন্ট: ডোনাল্ড ট্রাম্প।
- যুক্তরাষ্ট্রকে স্ট্যাচু অব লিবার্টি উপহার দেয় কোন দেশ: ফ্রান্স।

উল্লেখ্য,
- যুক্তরাষ্ট্র ইউনিয়নের সর্বশেষ অঙ্গরাজ্য: হাওয়াই।
- ১৯৫৯ সালে হাওয়াই যুক্তরাষ্ট্রের ৫০তম অঙ্গরাজ্য হিসেবে যুক্ত হয়।

উৎস: Britannica.

১,১০৫.
'বন্দর আব্বাস' কোন দেশের সমুদ্র বন্দর?
  1. সিরিয়া
  2. মিশর
  3. ইরান
  4. ইয়েমেন
ব্যাখ্যা
বন্দর আব্বাস:
- ‘বন্দর আব্বাস’ ইরানের সমুদ্র বন্দর।
- এটি ইরানের দক্ষিণ-পশ্চিমে পারস্য উপসাগরের উপকূলে অবস্থিত।
- এটি হরমুজগানের প্রাদেশিক রাজধানী ও বৃহত্তম শহর।
-  বন্দরটি হরমুজ প্রণালীর তীরে একটি কৌশলগত অবস্থানে অবস্থিত।
- যেখান দিয়ে পৃথিবীর মোট উৎপাদিত তেলের পাঁচ ভাগের এক ভাগ পরিবহন করা হয়। 

সম্প্রতি,
- বন্দর আব্বাসের শহিদ রাজি বন্দরে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে।
- এতে এখন পর্যন্ত নিহত বেড়ে ৪০ জনে দাঁড়িয়েছে।
- সেইসঙ্গে আহতের সংখ্যা এক হাজার ২০০ ছাড়িয়েছে।

তথ্যসূত্র - ওয়ার্ল্ড এটলাস, পত্রিকা রিপোর্ট।
১,১০৬.
নিচের কোন দেশটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অক্ষশক্তির অন্তর্ভুক্ত ছিল না?
  1. ইতালি
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. জাপান
  4. জার্মানি
ব্যাখ্যা
- 'যুক্তরাষ্ট্র' দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অক্ষশক্তির অন্তর্ভুক্ত ছিল না।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ:
- ১৯৩৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর জার্মানি কর্তৃক পোল্যান্ড আক্রমণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়।

অক্ষশক্তির অন্তর্ভুক্ত ছিল,
• জার্মানি,
• জাপান,
• ইতালি।

মিত্রশক্তির অন্তর্ভুক্ত ছিল,
• ব্রিটেন,
• ফ্রান্স,
যুক্তরাষ্ট্র,
• সোভিয়েত ইউনিয়ন,
• চীন,
• পোল্যান্ড,
• নেদারল্যান্ডস প্রভৃতি দেশ।

এছাড়াও, 
- ১৯৪১ সালের ৮ ডিসেম্বর, যুক্তরাষ্ট্র দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে সরাসরি যোগদান করে। এর ফলে যুদ্ধের কৌশল এবং পরিস্থিতি নতুন দিকে মোড় নেয়।
- ৭ মে ১৯৪৫ সালে জার্মানি মিত্রবাহিনীর কাছে নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ করে, যা ইউরোপীয় মঞ্চে যুদ্ধের সমাপ্তির সূচনা করে। এরপর, ২ সেপ্টেম্বর ১৯৪৫ সালে জাপান আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণ করলে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ইতিহাসে প্রথমবারের মতো পারমাণবিক অস্ত্রের দুটি ব্যবহার হয়েছিল, যখন যুক্তরাষ্ট্র জাপানের হিরোশিমা এবং নাগাসাকিতে পারমাণবিক বোমা ফেলে।
- তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতা ছিলেন জোসেফ স্ট্যালিন, যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন উইনস্টন চার্চিল, এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট ও হ্যারি এস. ট্রুম্যান।

সূত্র - হিস্টোরি ও ব্রিটানিকা কম।
১,১০৭.
কোন সভ্যতায় কলোসিয়াম নাট্যশালা নির্মিত হয়-
  1. ক) ইনকা
  2. খ) গ্রিক
  3. গ) রোমান
  4. ঘ) একমেলিড
ব্যাখ্যা
সম্রাট হার্ডিয়ানের তৈরি ধর্মমন্দির প্যানথিয়ন রোমানদের স্থাপত্যের এক অসাধারণ নির্দশন। ৮০ খ্রিস্টাব্দে রোমান সম্রাট টিটাস কর্তৃক কলোসিয়াম নাট্যশালা নির্মিত হয়, যেখানে একসঙ্গে ৫৬০০ দর্শক বসতে পারত।
সূত্র- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ম শ্রেণি।
১,১০৮.
পানামা খাল কোন মহাদেশে অবস্থিত?
  1. ক) দক্ষিণ আমেরিকা
  2. খ) ইউরোপ
  3. গ) এশিয়া
  4. ঘ) উত্তর আমেরিকা
ব্যাখ্যা
▪ আটলান্টিক মহাসাগর ও প্রশান্ত মহাসাগরকে যুক্ত করেছে পানামা খাল।
খালটি উত্তর আমেরিকার দেশ পানামাতে অবস্থিত।
▪ পানামা খালটির নির্মাণ ১৯০৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের তত্ত্বাবধানে শুরু হয়েছিল এবং ১৯১৪ সালে শেষ হয়েছিল।
▪ ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত পানামা খালটি আমেরিকার নিয়ন্ত্রণে ছিল।
▪ ১৯৭৯ সালের পর থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও পানামা প্রজাতন্ত্রের যৌথ সংস্থা খালটির নিয়ন্ত্রণ করে।
▪ ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৯৯ সালে যুক্তরাষ্ট্র পানামার কাছে খালটি পুরোপুরি হস্তান্তর করে।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা। 
১,১০৯.
‘গুয়ানতানামো বে কারাগার’ কোন দেশে অবস্থিত?
  1. আইভরিকোস্ট
  2. কিউবা
  3. গুয়েতেমালা
  4. নিকারাগুয়া
ব্যাখ্যা

• গুয়ানতানামো বে কারাগার: 
- গুয়ানতানামো বে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি কারাগার।
- ১৯০৩ সালে হাভানা চুক্তির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র কিউবার কাছ থেকে গুয়ানতানামো বে ইজারা নেয়।
- গুয়ানতানামো বে কারাগারটি ২০০২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি কিউবার দক্ষিণ-পূর্বে ক্যারিবীয় সাগরে অবস্থিত।
- এটি বন্দীদের উপর অমানুষিক নির্যাতনের জন্য কুখ্যাত।
- ক্যাম্প সেভেন ছিল সিআইএর গোপন শিবির, যেখানে ২০০১ সালের ৯/১১ হামলার সঙ্গে জড়িত অপরাধীরা আটক ছিলেন।
- এখানে বিভিন্ন মুসলিম দেশ থেকে ধরে আনা বন্দীদের আটক করা হয়।
- যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বিভাগ এই ক্যাম্পটি বন্ধের ঘোষণা দেয়।
- কারাগারটি মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রতীক হিসেবে পরিচিত।

উৎস: ব্রিটানিকা, এবং প্রথম আলো।

১,১১০.
কোন শহরকে পশ্চিমা সভ্যতার সূতিকাগার বলা হয়?
  1. রোম, ইতালি
  2. এথেন্স, গ্রিস
  3. লন্ডন, ইংল্যান্ড
  4. প্যারিস, ফ্রান্স
ব্যাখ্যা
⇒ গ্রিসের রাজধানী এথেন্স:
- গ্রিসের রাজধানী এথেন্সকে পশ্চিমা সভ্যতার সূতিকাগার এবং গণতন্ত্রের জন্মস্থান বলা হয়।
- এথেন্স বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন শহর, যার ইতিহাস প্রায় ৩,৪০০ বছরেরও পুরনো।
- এই শহর গ্রিক, রোমান, বাইজেন্টাইন ও অটোমান স্মৃতিচিহ্নে ভরপুর।
- অতীতে এথেন্সে একটি শক্তিশালী নগররাষ্ট্র ছিল। এটি শিল্প, শিক্ষা ও দর্শনের কেন্দ্র ছিল।
- প্লেটোর শিক্ষায়তন ও অ্যারিস্টটলের জ্ঞানার্জনের স্থান ছিল এথেন্স।] 

⇒ উল্লেখ্য,
- গ্রিসের রাষ্ট্রীয় নাম হলো ‘হেলেনিক রিপাবলিক’। ১৯৭৪ সালে এই নাম গৃহিত হয়।
- এর পূর্বে গ্রিসের রাষ্ট্রীয় নাম ছিলো ‘কিংডম অব গ্রিস’।
- গ্রিসের পূর্বনাম হেলাস থেকে হেলেনিক নামের উদ্ভব ঘটেছে।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো নিউজ। [লিঙ্ক]
১,১১১.
সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের মাধ্যমে কতটি স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্ম হয়?
  1. ক) ৭টি
  2. খ) ১২টি
  3. গ) ১৫টি
  4. ঘ) ১৬টি
ব্যাখ্যা
১৯৯১ সালের ২৫ ডিসেম্বর সোভিয়েত ইউনিয়নের সর্বশেষ প্রেসিডেন্ট মিখাইল গর্বাচেভের পদত্যাগের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতন ঘটে।
সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে ১৫টি স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্ম হয়। এগুলো হলো:
রাশিয়া
ইউক্রেন
বেলারুশ
মোলদাভিয়া
এস্তোনিয়া
লাটভিয়া
লিথুয়ানিয়া
জর্জিয়া
আর্মেনিয়া
আজারবাইজান
কাজাখস্তান
উজবেকিস্তান
কিরগিজস্তান
তাজিকিস্তান
তুর্কমেনিস্তান।
এর আগে ১৯২২ সালের ৩০ ডিসেম্বর সোভিয়েত ইউনিয়ন গঠিত হয়।
(সূত্র: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা)
১,১১২.
নেপোলিয়ন বোনাপার্টের পতন ঘটে কোন যুদ্ধে?
  1. অস্টারলিৎজের যুদ্ধ
  2. ট্রাফালগারের যুদ্ধ
  3. লিপজিগের যুদ্ধ
  4. ওয়াটারলুর যুদ্ধ
ব্যাখ্যা

- ১৮১৫ সালের ওয়াটারলুর যুদ্ধে ডিউক অফ ওয়েলিংটনের নেতৃত্বাধীন ব্রিটিশ এবং ভন ব্লুচারের নেতৃত্বাধীন প্রুশিয়ান বাহিনীর কাছে নেপোলিয়নের চূড়ান্ত পরাজয় ঘটে। এই পরাজয়ের পর তাকে সেন্ট হেলেনা দ্বীপে নির্বাসিত করা হয়।

নেপোলিয়ন বোনাপার্ট:
- নেপোলিয়ন বোনাপার্ট ছিলেন একাধারে ফ্রান্সের অবিসংবাদিত সম্রাট ও তুখোড় সেনাপ্রধান।
- তিনি ফরাসি বিপ্লবের ক্রান্তিলগ্নে ফ্রান্সের হাল ধরেছিলেন।
- ফ্রান্সকে ইউরোপের শক্তিধর রাষ্ট্রে পরিণত করতে নেপোলিয়ন সক্ষম হয়েছিলেন।

উল্লেখ্য,
- ফরাসি বিপ্লবের শিশু বলা হয় নেপোলিয়ন বোনাপার্টকে।
- বিখ্যাত 'ওয়াটার লু' যুদ্ধ সংঘটিত হয় ১৮১৫ সালে।
- এই যুদ্ধে পরাজিত হন ফরাসি বীর নেপোলিয়ন বোনাপার্ট।
- পরাজয়ের ফলে তাঁকে দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরের সেন্ট হেলেনা দ্বীপে নির্বাসন দেওয়া হয়।
- যেখানে ১৮২১ সালে আর্সেনিকের বিষক্রিয়ায় নেপোলিয়ন মৃত্যুবরণ করেন।

সূত্র: Britannica.

১,১১৩.
‘The Truths We Hold’ গ্রন্থের লেখক -
  1. ক) বারাক ওবামা
  2. খ) কমলা হ্যারিস
  3. গ) জো বাইডেন
  4. ঘ) নরেন্দ্র মোদি
ব্যাখ্যা
♦উল্লেখিত প্রশ্নের সঠিক উত্তর হলো - কমলা হ্যারিস।

• The Truths We Hold:
- কমলা হ্যারিসের স্মৃতিকথামূলক গ্রন্থ।
-  ৮ জানুয়ারী,২০১৯ সালে বইটি প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল।
-  ৭ মে, ২০১৯ সালে ফিলোমেল বুকস দ্বারা প্রথম সংস্করণ প্রকাশিত হয়েছিল।
- এই বইটিতে কমলা হ্যারিসের নিজ জীবন, চিন্তা ও আদর্শের প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠেছে।
- সমস্যা-সমাধান, সঙ্কট ব্যবস্থাপনা, চ্যালেঞ্জিং সময়ে নেতৃত্ব-পদ্ধতিসহ অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচিত হয়েছে।

তথ্যসূত্র: The New York Times.
১,১১৪.
'জেজু দ্বীপ' কোন দেশে অবস্থিত?
  1. চীন
  2. উত্তর কোরিয়া
  3. রাশিয়া
  4. দক্ষিণ কোরিয়া
ব্যাখ্যা
জেজু দ্বীপ:
- জেজু দ্বীপ দক্ষিণ কোরিয়ার সর্ববৃহৎ দ্বীপ।
- এটি একটি স্বায়ত্তশাসিত এলাকা।
- এর আয়তন ১৮৪৬ বর্গ কি.মি।
- এ দ্বীপে অনেকগুলো সুপ্ত আগ্নেয়গিরি রয়েছে।
- জেজু দ্বীপকে ২০০৭ সালে ইউনেস্কো তার ঐতিহ্য তালিকায় আদি নিদর্শন হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে।
- এই দ্বীপেই দক্ষিণ কোরিয়ার সর্বোচ্চ শৃঙ্গ ও সর্বোচ্চ বিন্দু হ্যালোসান অবস্থিত।
 
উৎস: Britannica.Com
১,১১৫.
শান্তিতে নোবেল পুরস্কার প্রত্যাখ্যানকারী একমাত্র ব্যক্তি কে?
  1. লি ডাক থো
  2. মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র
  3. স্যার স্যামুয়েলসন
  4. হরগোবিন্দ থোরানা
ব্যাখ্যা
লি ডাক থো:

- তিনি ১৯১১ সালের ১৪ অক্টোবর ভিয়েতনামে জন্ম গ্রহণ করেন।
- তিনি ভিয়েতনামের রাজনীতিবিদ।
- ১৯৭৩ সালে তাঁকে শান্তির জন্য নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু থো তা প্রত্যাখ্যান করেছিলেন।
- লি ডাক থো ছিলেন ১৯৩০ সালে ইন্দোচাইনিজ কমিউনিস্ট পার্টির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা।
- তিনি ১৯৯০ সালের ১৩ অক্টোবর ভিয়েতনামে মৃত্যুবরণ করেন।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
১,১১৬.
ভারতের রাজধানী কলকাতা থেকে দিল্লিতে স্থানান্তরের ঘোষণা কবে দেওয়া হয়?
  1. ১৯১১ সালে
  2. ১৯১৪ সালে
  3. ১৯২২ সালে
  4. ১৯৩২ সালে
ব্যাখ্যা
ভারত:
- ভারত আয়তনে দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম এবং বিশ্বের সপ্তম বৃহত্তম রাষ্ট্র।
- রাজধানী: নয়া দিল্লি।
- মুদ্রা: রুপি।
- প্রেসিডেন্ট: দ্রৌপদী মুর্মু।
- প্রধানমন্ত্রী: নরেন্দ্র মোদি।
- প্রধান পর্বতমালা: হিমালয়।
- প্রধান নদী: গঙ্গা, যমুনা, সিন্ধু, ব্রহ্মপুত্র।
- ১৯৪৭ সালে ভারতবর্ষ দুই ভাগে ভাগ হয়ে হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠ ভারত ও মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ পাকিস্তান নামক দুটি স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্ম হয়।
- ১৯৫০ সালের ২৬ জানুয়ারি ভারতীয় সংবিধান কার্যকর হয়। তাই প্রতি বছর ২৬ জানুয়ারি ভারতে প্রজাতন্ত্র দিবস পালন করা হয়।
- ভারতে বর্তমানে ২৮টি অঙ্গরাজ্য ও ৮টি কেন্দ্র শাসিত অঞ্চল রয়েছে।
- জাতীয় প্রতীক: অশোকচক্র।
- অঙ্গরাজ্য: ২৮টি।
- আইনসভা: দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট। যথা: রাজ্যসভা (উচ্চকক্ষ) ও লোকসভা (নিম্নকক্ষ)।

উল্লেখ্য,
- ১৯১১ সালের ১২ ডিসেম্বর দিল্লিতে অনুষ্ঠিত ব্রিটেনের রাজা পঞ্চম জর্জের অভিষেক অনুষ্ঠানে রাজা জর্জ ব্রিটিশ ভারতের রাজধানী কলকাতা থেকে দিল্লিতে স্থানান্তরের ঘোষণা দেন।
- এলক্ষ্যে ১৯১২ সালে দিল্লিতে সরকারের অস্থায়ী দপ্তর নির্মাণ করা হয়।
- দিল্লিকে রাজধানী হিসেবে গড়ে তোলার কাজ সমাপ্ত হয় ১৯৩১ সালে।

উৎস: Ministry of External Affairs.
১,১১৭.
বলকান রাষ্ট্র নয় কোনটি?
  1. রোমানিয়া
  2. বলিভিয়া
  3. আলবেনিয়া
  4. বুলগেরিয়া
ব্যাখ্যা
⇒ বলিভিয়া বলকান রাষ্ট্র নয়।

বলকান রাষ্ট্র:
- বলকান রাষ্ট্রগুলি হলো ইউরোপের দক্ষিণ-পূর্ব অঞ্চলের একটি গ্রুপ, যা বলকান উপদ্বীপে অবস্থিত।
- এই অঞ্চলে একাধিক দেশের সমষ্টি রয়েছে, এবং এগুলির মধ্যে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক, জাতিগত এবং ঐতিহাসিক বৈচিত্র্য রয়েছে।

বলকান রাষ্ট্র:
• আলবেনিয়া,
• বসনিয়া ও হেরজেগোভিনা
• বুলগেরিয়া
• ক্রোয়েশিয়া
• কসোভো
• মন্টেনেগ্রো
• উত্তর মেসিডোনিয়া
• রোমানিয়া
• সার্বিয়া
• স্লোভেনিয়া।
- গ্রীস ও তুরস্ক ভৌগোলিকভাবে আংশিক বলকান অঞ্চলে অবস্থিত।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
১,১১৮.
"ভাইমার প্রজাতন্ত্র" কোন দেশের সাথে জড়িত?
  1. রাশিয়া
  2. ইতালি
  3. জার্মানি
  4. ফ্রান্স
ব্যাখ্যা
ভাইমার প্রজাতন্ত্র: 
- ভাইমার প্রজাতন্ত্র ছিল জার্মানির প্রথম গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা, এটি ১৯১৯ থেকে ১৯৩৩ সাল পর্যন্ত টিকে ছিল।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধে জার্মানির পরাজয়ের পর ১৯১৮ সালের নভেম্বরে কায়সার উইলহেম দ্বিতীয় তার ক্ষমতা ত্যাগ করার পর, জার্মানির শাসন ব্যবস্থা পরিবর্তিত হয়। ১৯১৯ সালে ভাইমার শহরে জার্মানির নতুন সংবিধান তৈরি করা হয় এবং এই সংবিধান অনুযায়ী গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ভাইমার প্রজাতন্ত্রের অধীনে জার্মানিতে একটি সংসদীয় প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, তবে এটি আর্থিক সংকট, রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং বাম ও ডানপন্থী উগ্রতার কারণে বেশ দুর্বল হয়ে পড়ে। ১৯৩৩ সালে অ্যাডলফ হিটলারের নেতৃত্বে নাৎসি পার্টি ক্ষমতায় আসে এবং ভাইমার প্রজাতন্ত্রের অবসান ঘটে, এটি শেষ পর্যন্ত নাৎসি শাসনের সূচনা হয়।

সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো ও ব্রিটানিকা।
১,১১৯.
কিউবার ক্ষেপণাস্ত্র সংকটের সময়কাল-
  1.  ১৯৬১ সাল
  2.  ১৯৬২ সাল
  3.  ১৯৬৬ সাল
  4.  ১৯৬৮ সাল
ব্যাখ্যা

• কিউবার ক্ষেপণাস্ত্র সংকট:
- কিউবার ক্ষেপণাস্ত্র সংকট ছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে একটি ১৩ দিনের সংঘর্ষ, যা একটি আন্তর্জাতিক সংকটে পরিণত হয়েছিল।
- সময়কাল: অক্টোবর, ১৯৬২ সাল।

উল্লেখ্য,
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর পারমাণবিক শক্তি, সামরিক ও বিশ্বজুড়ে ভূরাজনৈতিক আধিপত্য বিস্তারের প্রতিযোগিতায় নামে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া।
- ১৯৫৯ সালে কিউবায় ফিদেল কাস্ত্রোর নেতৃত্বে সমাজতান্ত্রিক সরকার ক্ষমতায় আসে।
- ১৯৬২ সালে মার্কিন গোয়েন্দা তথ্য পায় যে, সোভিয়েত ইউনিয়ন কিউবায় গোপনে পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপন করছে যা যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডকে কয়েক মিনিটে আঘাত করতে সক্ষম।
- প্রেসিডেন্ট জন এফ. কেনেডি ১৯৬২ সালের ২২ অক্টোবর কিউবায় নৌ অবরোধের ঘোষণা দেন।
- ফলে সমগ্র ল্যাটিন আমেরিকায় যুদ্ধের পরিমন্ডল তৈরি হয়।
- এই পরিস্থিতি 'কিউবা ক্ষেপণাস্ত্র সংকট' নামে পরিচিত।
- এই ঘটনা শীতল যুদ্ধের পরিস্থিতিকে আরও উত্তেজনাপূর্ণ করে তোলে।
- শেষ পর্যন্ত সোভিয়েত নেতা নিকিতা ক্রুশ্চেভ ক্ষেপণাস্ত্র প্রত্যাহারে রাজি হন।
- বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্র কিউবায় আক্রমণ না করার প্রতিশ্রুতি দেয়। 

উৎস: History.com

১,১২০.
টলেমি কী ছিলেন?
  1. চিকিৎসক
  2. দার্শনিক
  3. জ্যোতির্বিদ
  4. সেনাপতি
ব্যাখ্যা
টলেমি:
- ক্লডিয়াস টলেমি ছিলেন গ্রিকো-মিশরীয় জ্যোতির্বিদ ও গাণিতবিদ।
- তিনি রোম-শাসিত মিশরের ইজিপ্টাস নামক প্রদেশের অধিবাসী ছিলেন।

উল্লেখ্য,
- তিনি আলেকজান্দ্রিয়ার নিকট একটি মানমন্দিরে কাজ করতেন।
- তাঁর তৈরি করা মহাবিশ্বের মডেলে ধারাবাহিকভাবে পৃথিবী, চাঁদ, বুধ, শুক্র, সূর্য, মঙ্গল, বৃহস্পতি, শনিকে রাখা হয়েছে।
- এগুলোর কেন্দ্রে পৃথিবীকে দেখানো হয়েছে।
- বৃত্তের ভেতর চতুর্ভুজসম্পর্কিত উপপাদ্যটি টলেমির।
- তিনি ত্রিকোণমিতিক ছক তৈরির কাজে উপপাদ্যটি ব্যবহার করেন।

উৎস: Britannica.
১,১২১.
ইহুদিদের জন্য আলাদা রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার স্বপ্নদ্রষ্টা কে?
  1. থিওডর হার্জেল
  2. ডেভিড বেনগুরিয়ন
  3. আর্থার বেলফোর
  4. ব্যারন রথচাইল্ড
ব্যাখ্যা
ইসরাইল রাষ্ট্রের স্বপ্নদ্রষ্টা:
- মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম দেশগুলোর মাঝখানে ছোট্ট একটি দেশ ইসরায়েল।
- ১৯৪৮ সালের ১৪ই মে ফিলিস্তিন ছেড়ে যায় ব্রিটেন, আর ইহুদিরা ঘোষণা করে নিজস্ব রাষ্ট্র ইসরায়েলের।
- তারাই একমাত্র দেশ যারা শুধুমাত্র ধর্মের ভিত্তিতে সরাসরি নাগরিকত্ব দেয়, সেটা পৃথিবীর যে প্রান্তেরই ইহুদি হোক না কেন।
- ইতিহাসে ইসরায়েল বলে কোনো রাষ্ট্র ছিল না।
- ইসরায়েলের স্বপ্নদ্রষ্টা অস্ট্রিয়ান সাংবাদিক থিওডর হার্জেল।
- ‘জুডেনস্টাট’ বা ‘ইহুদি রাষ্ট্র’ নামে ১৮৯৬ সালে তিনি যে বই লেখেন, তা হিটলারের ‘মেইন ক্যাম্ফে’র মতোই বিপজ্জনক।
- হার্জেল লেখেন, ‘আমরা সেখানে (ফিলিস্তিনে) এশিয়ার বিরুদ্ধে ইউরোপের দুর্গপ্রাচীর বানাব।’

উল্লেখ্য,
- যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলকে প্রথম স্বীকৃতি দেয়।
- ইসরায়েল রাষ্ট্র যেদিন প্রতিষ্ঠা হয়, ঠিক সেদিনই স্বীকৃতি দিয়েছিল আমেরিকা।


উৎস: i) ১১ ডিসেম্বর ২০১৭, প্রথম আলো। [link]
         ii) Britannica.
১,১২২.
কৃষ্ণাঙ্গ মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় নেলসন মেন্ডেলা কত বছর কারাভোগ করেন?
  1. ক) ২৫
  2. খ) ২৬
  3. গ) ২৭
  4. ঘ) ২৮
  5. ঙ) ৩১
ব্যাখ্যা
১৯৬৪ সালের ১১ জুন ম্যান্ডেলার বিরুদ্ধে এএনসি-র সশস্ত্র সংগ্রামে নেতৃত্বদানের অভিযোগ এনে শাস্তি দেওয়া হয়। তারপর থেকে ম্যান্ডেলার কারাবাস শুরু হয় রেবন দ্বীপের কারাগারে। তিনি তাঁর ২৭ বছরের কারাবাসের প্রথম ১৮ বছর কাটিয়েছিলেন এখানেই। তবে জেলে থাকার সময়ে বিশ্বজুড়ে সুনাম ছড়িয়ে পড়তে থাকে তাঁর। দক্ষিণ আফ্রিকার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কৃষ্ণাঙ্গ নেতা হিসেবে সারা বিশ্বে পরিচিতি লাভ করেন তিনি। সশ্রম কারাদন্ডের অংশ হিসেবে রেবন দ্বীপের কারাগারে ম্যান্ডেলা ও তাঁর সহবন্দিরা একটি চুনাপাথরের খনিতে শ্রমিক হিসেবে কাজ করতে বাধ্য হন। দীর্ঘ সংগ্রামী জীবনের এক পর্যায়ে এসে ১৯৯০ খ্রিস্টাব্দের ২ ফেব্রুয়ারি দক্ষিণ আফ্রিকার তদানীন্তন রাষ্ট্রপতি এফ ডব্লিউ ডি. ক্লার্ক আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেসেরসহ অন্যান্য বর্ণবাদবিরোধী সংগঠনের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছিলেন। অন্যদিকে তিনি ঘোষণা করেন, ম্যান্ডেলার মুক্তিদানের কথা।
একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির ইতিহাস ২য় পত্র বই (উন্মুক্ত)।
১,১২৩.
ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোতে কত সালে অভিন্ন মুদ্রা হিসেবে 'ইউরো' কার্যকর হয়?
  1. ১৯৯৭ সালে
  2. ১৯৯৯ সালে
  3. ২০০০ সালে
  4. ২০০২ সালে
ব্যাখ্যা
ইউরো:
- ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহের একক মুদ্রার নাম ইউরো।
- ইউরো মুদ্রা € প্রতীক দ্বারা উপস্থাপিত হয়।
- ইউরো মুদ্রার জনক হলেন রবার্ট মুন্ডেল।
- ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক ১ জানুয়ারি, ১৯৯৯ তারিখে 'ইউরো' মুদ্রা চালু করে।
- ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোতে 'ইউরো' মুদ্রা অভিন্ন মুদ্রা হিসেবে ২০০২ সালে কার্যকর হয়।

উল্লেখ্য,
- ডেলরস রিপোর্ট ১৯৯০-১৯৯৯ সালে ইউরো অঞ্চলের জন্য তিন-পর্যায়ের প্রস্তুতি প্রস্তাব করে।
- এক দশকের প্রস্তুতির পর, ১ জানুয়ারি ১৯৯৯ তারিখে ইউরো মুদ্রা চালু হয়।
- প্রথম তিন বছর এটি ছিল একটি 'অদৃশ্য' মুদ্রা, যা শুধু অ্যাকাউন্টিং উদ্দেশ্যে এবং বৈদ্যুতিকঅর্থপ্রদানের জন্য ব্যবহৃত হতো।
- তবে ১ জানুয়ারি ২০০২ তারিখে 'ইউরো মুদ্রা' কয়েন এবং ব্যাংকনোট হিসেবে চালু হয় এবং ১২টি ইউরোপীয় ইউনিয়ন দেশসমূহে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় নগদ পরিবর্তন ঘটে।

⇒ সর্বশেষ ক্রোয়েশিয়া ২০১৩ সালে ইউরোপীয় ইউনিয়নে যোগদান করে এবং ২০তম দেশ হিসেবে ইউরো মুদ্রা গ্রহণ করে।
- এখন পর্যন্ত ২০টি দেশ একক মুদ্রা হিসেবে ইউরো মুদ্রা গ্রহণ করেছে।
- দেশগুলো হল: অস্ট্রিয়া, গ্রিস, জার্মানি, ফ্রান্স, স্পেন, পর্তুগাল, নেদারল্যান্ড, বেলজিয়াম, লুক্সেমবার্গ, আয়ারল্যান্ড, মাল্টা, সাইপ্রাস, লিথুনিয়া, লাটভিয়া, এস্তোনিয়া, স্লোভেনিয়া, স্লোভাকিয়া, ইতালি, ফিনল্যান্ড ও ক্রোয়েশিয়া।

উৎস: European Union ওয়েবসাইট। [link]
১,১২৪.
প্রেইরি তৃণভূমির অবস্থান কোথায়?
  1. মধ্য এশিয়া
  2. উত্তর আমেরিকা
  3. দক্ষিণ আমেরিকা
  4. আফ্রিকা
ব্যাখ্যা
- তৃণভূমি হলো ঘাস দ্বারা আচ্ছাদিত সুবিস্তৃত ভূমি। সাধারণত স্বল্প বৃষ্টিপাতযুক্ত অঞ্চলে তৃণভূমি গড়ে উঠে।

পৃথিবীর বিখ্যাত কিছু তৃণভূমি:
- প্রেইরি (উত্তর আমেরিকা),
- প্যাম্পাস ও ল্যানোস (দক্ষিণ আমেরিকা),
- সাভানা (আফ্রিকা),
- স্তেপ (পূর্ব ইউরোপ ও মধ্য এশিয়া) প্রভৃতি।

উৎস: ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক ও ব্রিটানিকা।
১,১২৫.
ব্রাজিল কোন মহাদেশে অবস্থিত?
  1. দক্ষিণ আমেরিকা
  2. উত্তর আমেরিকা
  3. এশিয়া
  4. ইউরোপ
  5. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
ব্রাজিল:
- ব্রাজিল আয়তনে দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের সবচেয়ে বড় দেশ।
- আয়তন: ৩,২৮২,৯০৭ বর্গ মাইল (৮,৫০২,৭২৮ বর্গ কিমি)।
- রাজধানী: ব্রাসিলিয়া।
- ভাষা: পর্তুগিজ (অফিসিয়াল)।
- ধর্ম: খ্রিস্টধর্ম (প্রধানত রোমান ক্যাথলিক; এছাড়াও প্রোটেস্ট্যান্ট), এছাড়াও ঐতিহ্যগত বিশ্বাস।
- মুদ্রা: ব্রাজিলিয়ান রিয়েল।
- এটি একটি বহুদলীয় ফেডারেল প্রজাতন্ত্র যেখানে দুটি আইনসভা রয়েছে।
- এর রাষ্ট্র ও সরকার প্রধান হলেন রাষ্ট্রপতি।
- ব্রাজিল পর্তুগালের উপনিবেশ ছিল।
- ১৮২২ সালে ব্রাজিল পর্তুগাল থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
১,১২৬.
বার্বাডোজের রাজধানী নিচের কোনটি?
  1. জুবা
  2. পোর্ট অব প্রিন্স
  3. কিংস্টন
  4. ব্রিজটাউন
ব্যাখ্যা
বার্বাডোস:
- এটি একটি দ্বীপ দেশ।
- ক্যারিবিয়ান দ্বীপপুঞ্জের সবচেয়ে পূর্বদিকে অবস্থিত।
- রাজধানী: ব্রিজটাউন। 
- ভাষা: ইংরেজি (অফিসিয়াল)।
- ধর্ম: খ্রিস্টধর্ম (বেশিরভাগই প্রোটেস্ট্যান্ট)।
- মুদ্রা: বার্বাডোজ ডলার। 

বিভিন্ন দেশের রাজধানী:

- জিবুতির রাজধানীর নাম জিবুতি সিটি।
- দক্ষিন সুদানের রাজধানীর নাম জুবা।
- হাইতির রাজধানীর নাম পোর্ট অব প্রিন্স।
- জ্যামাইকার রাজধানীর নাম কিংস্টন।
- সেন্ট লুসিয়ার রাজধানীর নাম ক্যাস্ট্রিজ।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
১,১২৭.
১৮০৫ সালের ট্রাফালগার যুদ্ধে কোন দেশ বিজয়ী হয়?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. ব্রিটেন
  3. স্পেন
  4. ফ্রান্স
ব্যাখ্যা

- ট্রাফালগার যুদ্ধে ব্রিটেন জয় লাভ করে।

ট্রাফালগার যুদ্ধ: 

- ট্রাফালগার যুদ্ধ ১৮০৫ সালের ২১ অক্টোবর স্পেন উপকূলে সংঘটিত হয়।
- এটি ছিল ইতিহাসের অন্যতম রক্তক্ষয়ী নৌযুদ্ধ।
- ব্রিটেনের এডমিরাল লর্ড নেলসনের নেতৃত্বে, ব্রিটেন ফ্রান্স ও স্পেনের মিলিত নৌশক্তির বিরুদ্ধে জয় লাভ করে।
- এই বিজয়ের পর, লন্ডনে ট্রাফালগার স্কয়ার নির্মিত হয় নেলসনের প্রতি সম্মান জানাতে।
- ট্রাফালগার স্কয়ার বর্তমানে ইংল্যান্ডের সেন্ট্রাল লন্ডনে একটি গুরুত্বপূর্ণ মিলনস্থল।

সূত্র: ব্রিটানিকা ও হিস্টোরি ডট কম। 

১,১২৮.
ইউরোপীয় কোন পর্যটক চীন আবিষ্কার করেন?
  1. লরেন ম্যাক
  2. কুবলাই খান
  3. কনফুসিয়াস
  4. মার্কোপোলো
ব্যাখ্যা
চীন:
- বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশ চীন।
- চীন পূর্ব এশিয়ার একটি রাষ্ট্র।
- রাজধানী: বেইজিং।
- মুদ্রা: ইউয়ান।
- ভাষা: মান্দারিন।
- বর্তমান প্রধানমন্ত্রী: লি কেকিয়াং।
- বর্তমান রাষ্ট্রপতি: শি জিন পিং।

উল্লেখ্য,
- চীন আবিষ্কার করে মার্কোপোলো। 
- মার্কোপোলো হলেন একজন ভেনিস পর্যটক ও বণিক।
- ইউরোপীয়দের মধ্যে সবপ্রথম তিনি সিল্ক রোড’ পাড়ি দিয়ে চীন দেশে আসেন।
- তখন ইউরোপীয়দের কাছে চীনের নাম ছিল ক্যাথে’।
- মার্কোপোলের ভ্রমণ সংক্রান্ত বইটির নাম হলো লিভ্রে দেস মান ভেলেস দ্যু মন্ডে (বিস্ময়কর পৃথিবীরে বর্ণনা) এই বইয়ের মাধ্যমে তিনি সমগ্র ইউরোপের কাছে এশিয়া ও চীরকে পরিচয় করিয়ে দেন।

উৎস: Britannica.
১,১২৯.
তেনজিং ও হিলারি কোন সালে এভারেস্ট শৃঙ্গ জয় করেন?
  1. ১৯৫০
  2. ১৯৫১
  3. ১৯৫২
  4. ১৯৫৩
ব্যাখ্যা
- বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গের নাম এভারেস্ট পর্বত বা মাউন্ট এভারেস্ট (Mount Everest)।
- ১৯৫৩ সালে এডমন্ড হিলারি ও তেনজিং নোরগে নেপালের দিক থেকে দক্ষিণ-পূর্ব শৈলশিরা ধরে প্রথম এই শৃঙ্গ জয় করেন।
- ১৯৬০ সালের ২৫ মে চীনা পর্বতারোহী ওয়াং ফুঝোউ, গোনপো ও চু ইয়িনহুয়া উত্তর শৈলশিরা ধরে প্রথম শৃঙ্গ জয় করেন।

উল্লেখ্য:
- প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ২৩ মে ২০১০ সালে প্রথম এভারেস্ট জয় করেন মুসা ইব্রাহিম।
- নারীদের মধ্যে প্রথম বাংলাদেশি এভারেস্টজয়ী হচ্ছেন নিশাত মজুমদার।
- তিনি ১৯ মে ২০১২ সালে এভারেস্ট জয় করেন।
- বিশ্বের মধ্যে বাংলাদেশ হচ্ছে ৬৭তম এভারেস্টজয়ী দেশ।
- এখন পর্যন্ত পাঁচজন বাংলাদেশি এভারেস্ট জয় করেছেন।
- তাঁরা হলেন মুসা ইব্রাহীম, এম এ মুহিত, নিশাত মজুমদার, ওয়াসফিয়া নাজরীন ও মো. খালেদ হোসাইন।
- সবচেয়ে বেশিবার (২০ বার) এভারেস্টের চূড়ায় পা রাখেন নেপালের আপা শেরপা।
 
উৎস: ৬ ডিসেম্বর, ২০২২, কালের কন্ঠ।
১,১৩০.
আল-আকসা মসজিদ কোথায়?
  1. ক) বাগদাদ
  2. খ) মক্কা
  3. গ) মদিনা
  4. ঘ) জেরুজালেম
ব্যাখ্যা
• আল আকসা মসজিদ ইসরাইল অধিকৃত জেরুজালেম শহরে অবস্থিত।
• এটি মুসলমানদের দ্বিতীয় কিবলা নামে পরিচিত।
• ১৯৬৯ সালে ইহুদীরা এই মসজিদে আগুন ধরিয়ে দেয়।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
১,১৩১.
'মনরো ডক্ট্রিনে' নিম্নের কোন বিষয়টি প্রাধান্য পেয়েছে?
  1. ইউরোপীয় দেশ গুলো থেকে হাওয়াই দ্বীপের স্বাধীনতা রক্ষা করা।
  2. আধিপত্যকে জোর দেয়া যখন তা নৈতিক বাধ্যতামূলক হিসেবে বিবেচিত হবে।
  3. ল্যাটিন আমেরিকায় ইউরোপের উপনিবেশ স্থাপন বন্ধ।
  4. দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপসহ গোটা বিশ্বে সমাজতন্ত্রের বিস্তার ঠেকানো।
ব্যাখ্যা
- James Monroe articulated the US foreign policy goal of ending European colonization in the Americas.
- The Monroe Doctrine was articulated in President James Monroe's seventh annual message to Congress on December 2, 1823.
- The European powers, according to Monroe, were obligated to respect the Western Hemisphere as the United States' sphere of interest.

মনরো চারটি মৌলিক বিষয় তুলে ধরেছিলেন:
-  মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইউরোপীয় বিষয়ে হস্তক্ষেপ করবে না;
-  মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আমেরিকাতে বিদ্যমান উপনিবেশগুলিতে হস্তক্ষেপ করবে না;
-  পশ্চিম গোলার্ধে ভবিষ্যতে উপনিবেশ ঘটানো যাবে না; এবং
- যদি কোন ইউরোপীয় শক্তি আমেরিকা মহাদেশে হস্তক্ষেপ করার চেষ্টা করে, তবে তা যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে একটি শত্রুতামূলক কাজ হিসাবে দেখা হবে।

Source: www.ourdocuments.gov, Britannica
১,১৩২.
পূর্ব তিমুর কোন দেশের উপনিবেশ ছিলো?
  1. পর্তুগাল
  2. ফ্রান্স
  3. ব্রিটেন
  4. জার্মানি
ব্যাখ্যা
- পূর্ব তিমুর পর্তুগালের উপনিবেশ ছিল।
- দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ কম্বোডিয়া, ভিয়েতনাম ও লাওস ফ্রান্সের উপনিবেশ ছিল।
- মিয়ানমার, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর ও ব্রুনাই ব্রিটিশ উপনিবেশ ছিল।
- ফিলিপাইন যুক্তরাষ্ট্রের উপনিবেশ ছিল।

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
১,১৩৩.
সুয়েজ খাল কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) সিরিয়া
  2. খ) তুরঙ্ক
  3. গ) মিসর
  4. ঘ) সুদান
ব্যাখ্যা
সুয়েজ খাল মিশরের সিনাই উপদ্বীপের পশ্চিমে অবস্থিত একটি কৃত্তিম সামুদ্রিক খাল। এটি ভূমধ্যসাগরকে লোহিত সাগরের সাথে যুক্ত করেছে। দশ বছর ধরে খননের পর পথটি ১৮৬৯ খ্রিস্টাব্দে সর্বসাধারণের জন্য খুলে দেয়া হয়। Source:history.state.gov
১,১৩৪.
চীনে কত সালে কমিউনিজম প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ক) ১৯৪৯ সালে
  2. খ) ১৯৫৩ সালে
  3. গ) ১৯৫৯ সালে
  4. ঘ) ১৯৬৬ সালে
ব্যাখ্যা
• চীন:
- জনসংখ্যায় বিশ্বের দ্বিতীয় দেশ - চীন।
- মুদ্রার নাম - ইউয়ান।
- ভাষার নাম - মান্দারিন।
- আইনসভার নাম - ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেস।

- বর্তমান প্রধানমন্ত্রী - লি কেকিয়াং।
- বর্তমান রাষ্ট্রপতি - শি জিন পিং।
- আধুনিক চীনের জনক - সান ইয়াৎ সেন।
- গণচীনের প্রতিষ্ঠাতা - মাও সে তুং।
- গ্রেট হল অবস্থিত - বেইজিং, চীনে।
- ‘তিয়েন আনমেন‘ স্কয়ার অবস্থিত - বেইজিং চীন। 

- প্রথম আফিম যুদ্ধ (১৮৩৯-৪২) সংগঠিত হয় - চীন এবং ব্রিটেনের মধ্যে।
- দ্বিতীয় আফিম যুদ্ধ (১৮৫৬-৬০) যা তীর যুদ্ধ বা চীনে অ্যাংলো-ফরাসি যুদ্ধ নামেও পরিচিত ‍যা ব্রিটেন এবং ফ্রান্স চীনের বিরুদ্ধে লড়াই করেছিল।
- চীনের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিসি) প্রতিষ্ঠিত হয় - ১৯৪৯ সালে।
- চীনে কমিউনিজম প্রতিষ্ঠিত হয় - ১৯৪৯ সালে।

- ১ অক্টোবর, ১৯৪৯-এ, চীনা কমিউনিস্ট নেতা মাও সেতুং গণপ্রজাতন্ত্রী চীন (পিআরসি) প্রতিষ্ঠা করেন।
- চীনে সাংস্কৃতিক বিপ্লব হয় - ১৯৬৬-১৯৭৬ পর্যন্ত।
- চীনে সাংস্কৃতিক বিপ্লবের নেতৃত্বদান করেন - মাও সেতুং।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
১,১৩৫.
নিম্নোক্ত কোন ব্যক্তি ইতিহাসের বিগ ফোর (Big Four)-এর অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. জর্জ ক্লেমেনসো
  2. হ্যারি এস ট্রুম্যান
  3. ডেভিড লয়েড জর্জ
  4. উড্রো উইলসন
ব্যাখ্যা
হ্যারি এস ট্রুম্যান ইতিহাসের বিগ ফোর (Big Four)-এর অন্তর্ভুক্ত নয়।

বিগ ফোর (Big Four):
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শেষ হয়েছিল ১৯১৯ সালে।
- প্যারিসে এই বিশ্বযুদ্ধ শান্তি সম্মেলনে বিজয়ী মিত্রশক্তির প্রতিনিধিরা যোগ দিলেও প্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা ছিল মোট চারটি দেশের।
- মিত্রপক্ষের তৎকালীন ৪টি দেশের নেতা যারা ইতিহাসে “বিগ ফোর” (Big Four) নামে পরিচিত। তারা হলেন -
• যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট - উড্রো উইলসন,
• যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী - ডেভিড লয়েড জর্জ,
• ফ্রান্সের প্রধানমন্ত্রী - জর্জ ক্লেমেনসো ও,
• ইতালির প্রধানমন্ত্রী - ভিটোরিও অরল্যান্ডো।

⇒ প্রথম বিশ্বযুদ্ধ সংঘটিত হওয়ার আগে ইউরোপে দুই ভাগে বিভক্ত হয়েছিল। 
১. এক পক্ষে ছিল ইংল্যান্ড, ফ্রান্স, রাশিয়া, চীন, জাপান ইত্যাদি পোর্তুগাল যা মিত্রশক্তি নামে পরিচিত ছিল।
২. অপরপক্ষে অস্ট্রিয়া, ইতালি, তুরস্ক বুলগেরিয়া যা অক্ষশক্তি নামে পরিচিত।

উৎস: Britannica.
১,১৩৬.
নিচের কোনটি নর্ডিক (Nordic) রাষ্ট্র নয়?
  1. ক) ফিনল্যান্ড
  2. খ) সুইজারল্যান্ড
  3. গ) সুইডেন
  4. ঘ) আইসল্যান্ড
ব্যাখ্যা
নর্ডিক (Nordic):
উত্তর ইউরোপের ৫টি দেশকে একত্রে নর্ডিক দেশ বলা হয়ে থাকে। দেশগুলো হচ্ছে:
- ফিনল্যান্ড, 
- ডেনমার্ক, 
- আইসল্যান্ড, 
- সুইডেন ও 
- নরওয়ে।
 
 স্ক্যান্ডেনেভিয়া (Scandinavia):
ঐতিহাসিক, সাংস্কৃতিক এবং ভাষাগত মিলের দিক থেকে নরওয়ে, সুইডেন ও ডেনমার্ক (ফারাও দ্বীপপুঞ্জ, গ্রিনল্যান্ডসহ) এই ৩টি দেশকে স্ক্যান্ডেনেভিয়ান দেশ বলা হয়ে থাকে।
 
নর্ডিক অঞ্চল বলতে আসলে, স্ক্যান্ডেনেভিয়ান দেশ + ফিনল্যান্ড + আইসল্যান্ডকে বুঝায়।
অর্থাৎ, স্ক্যান্ডেনেভিয়ান দেশগুলো আসলে নর্ডিক অঞ্চলের মধ্যে পরে।
 
উৎসঃ ওয়ার্ল্ড এটলাস, এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
১,১৩৭.
ফিনল্যান্ডের পর রাশিয়া সম্প্রতি কোন দেশটিতে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে দেয়?
  1. ক) লাটভিয়া
  2. খ) লিথুয়ানিয়া
  3. গ) এস্তোনিয়া
  4. ঘ) ডেনমার্ক
ব্যাখ্যা
- ফিনল্যান্ডের পর এবার ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) আরেক দেশ লিথুয়ানিয়ায় (২২ মে) বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে রাশিয়া।
- লিথুয়ানিয়ার বিদ্যুৎ সঞ্চালন কর্তৃপক্ষ লিটগ্রিড এ তথ্য জানিয়েছে।
- লিটগ্রিডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) রোকাস মাসিউলিস বলেন, রাশিয়ার ওপর নির্ভরতা বাদ দিয়ে প্রাথমিকভাবে তাঁরা এখন লিথুয়ানিয়ার স্থানীয় বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে চাহিদা মেটানোর চেষ্টা করছেন। 

তথ্যসূত্র:- দৈনিক প্রথম আলো।
১,১৩৮.
অগাস্টান যুগ বলা হয় -
  1. অক্টাভিয়ানের শাসনামলকে
  2. পম্পির রাজত্বকালকে
  3. ব্রুটাসের শাসন কালকে
  4. জুলিয়াস সিজারের শাসনকালকে
ব্যাখ্যা
অগাস্টান যুগ:
- জুলিয়াস সিজারসহ (সিজার রোমান সম্রাটদের উপাধি) অনেক বিখ্যাত শাসক রোমীয় সাম্রাজ্যের শাসক ছিলেন।
- কিন্তু সম্রাট অক্টাভিয়ান অগাস্টাস (খ্রিস্টপূর্ব ৩১-১৪ খ্রিস্টাব্দ) রোমের ইতিহাসে সর্বাপেক্ষা বিখ্যাত শাসক ছিলেন।
- সম্রাট অক্টাভিয়ান অগাস্টাস-এর শাসনামলে রোমীয় সভ্যতায় স্বর্ণযুগের সূচনা হয়।
- তিনি একজন বিচক্ষণ রাজনীতিক ও দূরদৃষ্টিসম্পন্ন শাসক ছিলেন।
- তাঁর সময়ে রোমীয় ইতিহাস, সাহিত্য-সংস্কৃতি, শিল্পকলা, বিজ্ঞানচর্চা চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছে।

⇒ এই জন্য ইতিহাসে সম্রাট অক্টাভিয়ান অগাস্টাস-এর সময়কালকে 'অগাস্টান যুগ' (Augustan Age) বলা হয়।


উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১৩৯.
কত সালে চীনে ‘শতফুল ফুটতে দাও’ নীতি গৃহীত হয়?
  1. ১৯৫৮ সালে
  2. ১৯৫৬ সালে
  3. ১৯৫৩ সালে
  4. ১৯৫১ সালে
ব্যাখ্যা
• মাও সেতুং:
- চীনা কমিউনিষ্ট আন্দোলনের অন্যতম নেতা মাও সেতুং ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের প্রধান স্থপতি।
- ১৯৪৯ সালের ১ অক্টোবর, এক বিপ্লবের মাধ্যমে কমিউনিস্ট বিপ্লবী মাও-সেতুং এর নেতৃত্বে গণপ্রজাতন্ত্রী চীন গণচীন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- মাও-সেতুং কে গণচীনের জনক বলা হয়।
- চীন বর্তমানে পৃথিবীর দ্বিতীয় প্রধান অর্থনীতির দেশ।
- ১৯৫৬ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নে স্ট্যালিনের প্রতি অবজ্ঞা প্রদর্শনের নীতি অনুসৃত হলে এর প্রতিক্রিয়া হিসেবে মাও-সেতুং চীনে ‘শত ফুল ফুটতে দাও’ নীতির আওতায় বুদ্ধিজীবীদের কাছ থেকে আমলাতন্ত্র ও প্রশাসনের সমালোচনা আহবান করেন। 
- ১৯৫৮ সালে তিনি ‘বৃহৎ উল্লম্ফন কর্মসূচী’ নীতিমালার মাধ্যমে আমলাতান্ত্রিক রাষ্ট্রকে স্থানীয় স্বায়ত্বশাসিত কমিউনের মাধ্যমে প্রতিস্থাপিত করার উদ্যোগ গ্রহণ করেন।

উৎস: Britannica & history.com এবং প্রথম আলো।
১,১৪০.
মাওরি কোন দেশের আদিবাসী জনগোষ্ঠী?
  1. নিউজিল্যান্ড
  2. আফগানিস্তান
  3. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
  4. কানাডা
ব্যাখ্যা
মাওরি: 
- মাওরি হল নিউজিল্যান্ডের একটি পলিনেশীয় জনগোষ্ঠী (আদিবাসী)।
- ১৭৬৯–৭০ সালে, ক্যাপ্টেন জেমস কুক নিউজিল্যান্ডের দুটি প্রধান দ্বীপ পরিভ্রমণ করেন এবং নিউজিল্যান্ডে উপনিবেশ স্থাপনের সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করেন।
- প্রাথমিকভাবে তিমি শিকারি, সিল শিকারি এবং অন্যান্য ইউরোপীয় ব্যবসায়ীদের মাওরিরা স্বাগত জানায়।
- মাসকেট, রোগ, পশ্চিমা কৃষি পদ্ধতি, এবং মিশনারিদের আগমনে মাওরি সংস্কৃতি ও সামাজিক কাঠামো ভেঙে পড়তে শুরু করে।
- ১৮৩০-এর দশকের শেষের দিকে নিউজিল্যান্ড ইউরোপের সঙ্গে যুক্ত হয় এবং ইউরোপীয় উপনিবেশবাদীদের আগমন ব্যাপকভাবে বাড়ে।
- মাওরি জনগণের ইতিহাস নিউজিল্যান্ডের সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিক ঐতিহ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

উৎস: Britannica. 
১,১৪১.
প্রথম বিশ্বযুদ্ধে অক্ষশক্তির অন্তর্গত দেশ ছিল - 
  1. ফ্রান্স
  2. ইতালি
  3. হাঙ্গেরি
  4. জাপান
ব্যাখ্যা

প্রথম বিশ্বযুদ্ধ: 
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধ (World War I) ১৯১৪ থেকে ১৯১৮ সাল পর্যন্ত সংঘটিত হয়েছিল এবং এটি ছিল ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ ও ধ্বংসাত্মক যুদ্ধ।
- যুদ্ধটি মূলত ইউরোপের বিভিন্ন শক্তির মধ্যে সংঘটিত হলেও এর প্রভাব ছিল পৃথিবীজুড়ে।

⇒ যুদ্ধের পটভূমি:
- যুদ্ধ শুরু হয়: ২৮ জুলাই, ১৯১৪ সালে।
- শেষ হয়: ১১ নভেম্বর, ১৯১৮ সালে।
- যুদ্ধের ফলাফল: মিত্র শক্তির বিজয়।
- অক্ষশক্তি: জার্মানি, অস্ট্রিয়া, হাঙ্গেরি, অটোমান সাম্রাজ্য ও বুলগেরিয়া।
- মিত্রশক্তি: সার্বিয়া, রাশিয়া, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, ইতালি, জাপান প্রভৃতি দেশ।

⇒ প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর ১৯১৯ সালে ভার্সাই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। যার মাধ্যমে অনেক সাম্রাজ্য ভেঙে যায়, যেমন অস্ট্রো-হাঙ্গেরি, অটোমান সাম্রাজ্য, রাশিয়ার সাম্রাজ্য, এবং জার্মান সাম্রাজ্য। নতুন দেশ গঠন হয়, যেমন চেকোস্লোভাকিয়া, পোল্যান্ড, এবং যুগোস্লাভিয়া।
- জার্মানিকে বিশাল ক্ষতিপূরণ দিতে বাধ্য করা হয়।
 
উৎস: i) History.com
ii) Britannica.

১,১৪২.
নিচের কোন সভ্যতাটি নদী কেন্দ্রিক সভ্যতা ছিল না?
  1. মিশরীয় সভ্যতা
  2. গ্রিক সভ্যতা
  3. সিন্ধু সভ্যতা
  4. চৈনিক সভ্যতা
ব্যাখ্যা
গ্রিক সভ্যতা: 
- ইউরোপ মহাদেশের গ্রিক রাষ্ট্রের অন্তর্গত প্রাচীন কয়েকটি শহরকে কেন্দ্র করে গ্রিক সভ্যতার উদ্ভব ঘটে। 
- বলকান উপকূলের দক্ষিণাংশে অবস্থিত গ্রিক প্রায় পাঁচ হাজার বর্গমাইল ব্যাপী বিস্তৃত। 
- ভূ-প্রকৃতি দেশটিকে তিন ভাগে বিভক্ত করে দিয়েছে।
- যথা: দক্ষিণ গ্রিস, মধ্য গ্রিস ও উত্তর গ্রিস। 
- মেসিডোনিয়ান অধিপতি আলেকজাণ্ডারের শাসনামলে এ সভ্যতার সীমা ছাড়িয়ে আধুনিক মিসর, ইসরাইল, প্যালেষ্টাইন, লেবানন, সিরিয়া, ইরাক ও ইরান হয়ে ভারতবর্ষ পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছিল। 
- উল্লেখ্য, এটি নদী কেন্দ্রিক সভ্যতা ছিল না। 
- আড্রিয়াটিক সাগর, ভূমধ্যসাগর, ইজিয়ান সাগর দ্বারা বেষ্টিত থাকার কারণে গ্রিক সভ্যতাকে 'ওসেনিয়ান' (সাগরীয়) সভ্যতা বলা হয়। 

অন্যদিকে,
- চৈনিক সভ্যতা গড়ে উঠেছিল হোয়াংহোও ইয়াংসিকিয়াং নদীর অববাহিকায়। 
- মিশরীয় সভ্যতা গড়ে উঠেছিল নীল নদীর তীরে। 
- সিন্ধু সভ্যতা গড়ে উঠেছিল সিন্ধু নদীর তীরে।

উৎস: i) Britannica.
         ii) ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
         iii) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১,১৪৩.
আটলান্টিক সনদ‘ কোন দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়েছিল?
  1. ফ্রান্স ও যুক্তরাষ্ট্র
  2. যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য
  3. ফ্রান্স ও রাশিয়া
  4. যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মান
ব্যাখ্যা
আটলান্টিক সনদ:
- স্বাক্ষরের স্থান - আটলান্টিক মহাসাগর।
- স্বাক্ষরিত হয় - ১৪ আগস্ট, ১৯৪১ সালে।
- পক্ষসমূহ - যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য।
- উদ্দেশ্য - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে পৃথিবীতে শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠা।
- স্বাক্ষরকারী- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন রুজভেল্ট ও ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিল।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১,১৪৪.
কোন সালে রাশিয়া ক্রিমিয়া দখল করে?
  1. ক) ২০১৩ সালে
  2. খ) ২০১৪ সালে
  3. গ) ২০১৫ সালে
  4. ঘ) ২০১৬ সালে
ব্যাখ্যা
• ক্রিমিয়া:
- ১৬ মার্চ, ২০১৪ সালে ইউক্রেনের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল কৃষ্ণ সাগরের উত্তর উপকূলের ছোট দ্বীপ ক্রিমিয়ায় অনুষ্ঠিত এক গণভোটে ক্রিমিয়ার জনগণ রাশিয়ার সাথে একীভূত হওয়ার পক্ষে রায় দেন।
- ১৭ মার্চ, ২০১৪ সালে ক্রিমিয়ার পার্লামেন্ট নিজেদের স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা করে।
- ১৮ মার্চ, ২০১৪ সালে ক্রিমিয়া দখল করে নেয় রাশিয়া।
- ২১ মার্চ, ২০১৪ সালে সকল আইনি প্রক্রিয়া শেষে ইতিহাসের সবচেয়ে স্বল্পায়ু রাষ্ট্র ক্রিমিয়া রাশিয়ার অন্তর্ভুক্ত হয়।

এছাড়াও,
- ২৩ জুন, ১৯১৭ সালে ইউক্রেন গণপ্রজাতন্ত্রের ঘোষণা দেয়।
- ১৯১৮ সালে ইউক্রেনে বলশেভিক সাম্যবাদী সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯২২ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রতিষ্ঠাতা চার সদস্যের অন্যতম প্রজাতন্ত্র হিসেবে ইউক্রেন আত্মপ্রকাশ করে।
- ২৪ আগস্ট, ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে ইউক্রেন স্বাধীনতা লাভ করে।

উৎস: হিস্টোরি ডটকম এবং বিবিসি ওয়ার্ল্ড।
১,১৪৫.
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় বিমানঘাটি কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) ইরাক
  2. খ) সংযুক্ত আরব আমিরাত
  3. গ) কাতার
  4. ঘ) সৌদি আরব
ব্যাখ্যা
মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় বিমানঘাটি কাতারে অবস্থিত। এটির নাম আল উদাইদ বিমানঘাটি।
১৯৯১ সালে প্রথম উপসাগরীয় যুদ্ধের সময় এই ঘাটিটি নির্মাণ করা হয়।
এই ঘাটিতে আট হাজারের অধিক মার্কিন সেনা ও শতাধিক যুদ্ধবিমান মোতায়েন রয়েছে।
(সূত্রঃ CNN)
১,১৪৬.
প্রাচীন গ্রিসে সংস্কৃতির বিভিন্ন ধারা এবং গণতন্ত্র চর্চার মূল কেন্দ্র ছিল-
  1. ক) এথেন্স
  2. খ) স্পার্টা
  3. গ) আলেকজান্দ্রিয়া
  4. ঘ) কোরিন্থ
ব্যাখ্যা
উনিশ শতকের শেষে ইজিয়ান সাগরের দ্বীপপুঞ্জে এবং এশিয়া মাইনরের পশ্চিম উপকূলে আবিষ্কৃত হয় এক উন্নততর প্রাচীন নগর সভ্যতা। সন্ধান মেলে মহাকাব্যের ট্রয় নগরীসহ একশত নগরীর ধ্বংস স্তুপের। ইউরোপ মহাদেশের এই অঞ্চলেই প্রথম সভ্যতার উন্মেষ ঘটেছিল। যাকে বলা হয় ইজিয়ান সভ্যতা বা প্রাক ক্ল্যাসিক্যাল গ্রিক সভ্যতা। গ্রিসের পূর্ব নাম ছিল হেলাস। রোমানরা পরবর্তিকালে এর নামকরণ করে গ্রিস। গ্রিক সভ্যতার সঙ্গে ‘হেলেনিক’ ও ‘হেলেনিস্টিক’ এই দুটি সংস্কৃতির নাম জড়িত। অসংখ্য নগররাষ্ট্র নিয়ে গড়ে উঠা প্রাচীন গ্রিসে সংস্কৃতির বিভিন্ন ধারা এবং গণতন্ত্র চর্চার মূল কেন্দ্র ছিল এথেন্স।
[সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ম শ্রেণি]
১,১৪৭.
'অপারেশন ব্ল্যাক ফ্ল্যাগ' অভিযান পরিচালনা করেছে কোন দেশ?
  1. ইসরায়েল
  2. পাকিস্তান 
  3. রাশিয়া 
  4. তুরস্ক
ব্যাখ্যা

অপারেশন ব্ল্যাক ফ্ল্যাগ:
- ইয়েমেনে 'অপারেশন ব্ল্যাক ফ্ল্যাগ' অভিযান পরিচালনা করেছে ইসরায়েল। 

⇒ ৭ জুলাই, ২০২৫ তারিখে ইয়েমেনের হুদায়দাহ, রাস ইসা ও সাইফ বন্দরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইসরায়েলি বাহিনী।
- দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ জানান, ইয়েমেনের হুথি গোষ্ঠীকে লক্ষ্য করে ‘অপারেশন ব্ল্যাক ফ্ল্যাগ’ নামে একটি সামরিক অভিযান শুরু করেছে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)।
- এরই অংশ হিসেবে চালানো হয় ওই হামলা।
- প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের অক্টোবর মাসে গাজায় হামাসের সঙ্গে সংঘর্ষ শুরুর পর থেকেই গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয় হুথিরা। এরপর লোহিত সাগরের বাণিজ্যিক জলপথে চলাচলকারী বিভিন্ন জাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা শুরু করে তারা।

উল্লেখ্য,
- ৮ জুলাই, ২০২৫ তারিখে ইসরায়েলের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার জবাবে এবার পাল্টা আঘাত হেনেছে ইয়েমেনের হুথি গোষ্ঠী। ইসরায়েলের রাজধানী তেলআবিবের প্রধান বিমানবন্দরসহ একাধিক স্থানে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে তারা।

উৎস: i) CNN. 
ii) BBC.

১,১৪৮.
ভার্সাই চুক্তি অনুযায়ী জার্মানিকে 'ইউপেন ও মালমেডি' শহর কোন দেশের নিকট হস্তান্তরের নির্দেশ দেয়া হয়?
  1. ক) পোল্যান্ড
  2. খ) হল্যান্ড
  3. গ) লিথুয়ানিয়া
  4. ঘ) বেলজিয়াম
ব্যাখ্যা
ভার্সাই সন্ধিচুক্তি প্যারিসের অদূরে অবস্থিত ভার্সাই নগরীতে ১৯১৯ সালের ২৮ জুন জার্মানির ওপর কিছু অনৈতিক শর্ত চাপিয়ে দেয়ার মাধ্যমে শেষ হয় ভার্সাই চুক্তি। 

ভার্সাই চুক্তির শর্ত হিসেবে নির্ধারণ করা হয় অনেকগুলাে অবাস্তব ধারা। যার মধ্যে ছিল

১. জার্মানির সব ধরনের সামরিক কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকা।
২. ফরাসি সার্বভৌমত্ব ও আধিপত্য পুরােপুরি স্বীকার করে নেয়া।
৩. জার্মান নিয়ন্ত্রিত টনডার্ন শহরের পাশাপাশি উত্তরাঞ্চলীয় সেউইগ ডেনমার্কের অধীনে ছেড়ে দেয়া।
৪. পােজেন ও পশ্চিম প্রুশিয়ার পােমেরানিয়া নবগঠিত পােল্যান্ডের কাছে ছেড়ে দিতে হবে।
৫. উচ্চ সাইলেশিয়ার হাশিন হালসিজিন এলাকা চেকশ্লোভাকিয়ার কাছে হস্তান্তর।
৬. গণভােট সাপেক্ষে সাইলেশিয়ার পূর্বাংশকেও পােলান্ডের অনুকূলে ছেড়ে দিতে বাধ্য থাকা।
৭. ইউপেন ও মালমেডির মত সমৃদ্ধ জার্মান শহরকে বেলজিয়ামের কাছে হস্তান্তর করা
৮. পূর্ব প্রুশিয়ার সােলাউ এলাকা পােল্যান্ডকে ছেড়ে দেয়া।
৯. পূর্ব প্রুশিয়ার মামেলল্যান্ডকে লিথুয়ানিয়ার আনুকূল্যে ত্যাগ করা।
১০. ওয়ার্মিয়াও মাসুরিয়ার নিয়ন্ত্রণ পােল্যান্ডকে ফিরিয়ে দেয়া।
১১. ডানজিগ বন্দরকে উন্মুক্ত নগরী ঘােষণা করা যা জাতিপুঞ্জের অধীনে থাকবে।

উৎস: ইতিহাস দ্বিতীয় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১৪৯.
Which of the following countries does not have an Army?
  1. ক) Bhutan
  2. খ) Nepal
  3. গ) Maldives
  4. ঘ) India
  5. ঙ) None
ব্যাখ্যা
উল্লিখিত সবগুলো দেশের সেনাবাহিনী রয়েছে। 
নিম্নোক্ত দেশগুলোর সেনাবাহিনী নেই:
- ভানুয়াতু 
- ভাটিক্যান সিটি 
- মরিশাস 
- এন্ডোরা 
- কোস্টারিকা 
- আইসল্যান্ড 
- গ্রিনল্যান্ড 
- পানামা 
 
উৎস: ওয়ার্ল্ড পপুলেশন রিভিউ ওয়েবসাইট। 
 
১,১৫০.
চেঙ্গিস খান কোন জাতিগোষ্ঠীকে একত্রিত করে সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেছিলেন?
  1. রোমানিয়ার যাযাবর উপজাতি
  2. মঙ্গোলিয়ার যাযাবর উপজাতি
  3. পারস্যের যাযাবর উপজাতি
  4. তুরস্কের যাযাবর উপজাতি
ব্যাখ্যা

মঙ্গোল সাম্রাজ্য:
- মোঙ্গল সাম্রাজ্য পৃথিবীর ইতিহাসের বৃহত্তম সাম্রাজ্য হিসেবে অভিহিত।
- চেঙ্গিস খান মঙ্গোল সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করে।
- তিনি ১১৬২ সালে মঙ্গোলিয়ায় জন্মগ্রহণ করেন
- তার আসল নাম ছিল তেমুজিন।
- ১২০৬ সালে মঙ্গোলিয়ার যাযাবর উপজাতিগুলোকে সংগঠিত করার মাধ্যমে বিখ্যাত মোঙ্গল নেতা চেঙ্গিস খান এই সাম্রাজ্যের পত্তন করেন।
- ১২২৭ সালে চেঙ্গিস খান মৃত্যুবরণ করেন।
- চেঙ্গিস খানের মৃত্যুর পর তার বংশধরগণ এই সাম্রাজ্যের আরো বিস্তৃতি ঘটান।
- মোঙ্গল সাম্রাজ্য তার সর্বোচ্চ শিখরের সময় পূর্ব ইউরোপ থেকে ইন্দোচীন পর্যন্ত বিস্তৃত ছিলো যার আয়তন ছিলো এক কোটি বর্গমাইলেরও অধিক।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

১,১৫১.
সাময়িকী ফোর্বসের তালিকা অনুযায়ী, বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী মুদ্রা কোনটি? (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
  1. ওমানি রিয়াল
  2. কুয়েতি দিনার
  3. ব্রিটিশ পাউন্ড
  4. মার্কিন ডলার
ব্যাখ্যা

শক্তিশালী মুদ্রা:
- মুদ্রাশক্তি বলতে একটি মুদ্রার ক্রয়ক্ষমতাকে বোঝানো হয়।
- জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের ১৯৫টি দেশে বর্তমানে ১৮০টি মুদ্রা ব্যবহৃত হচ্ছে।
- মার্কিন সাময়িকী ফোর্বস সম্প্রতি বিশ্বের প্রভাবশালী ১০টি মুদ্রার একটি তালিকা করেছে। 
- তালিকায় বর্তমানে বিশ্বে সবচেয়ে শক্তিশালী মুদ্রা কুয়েতি দিনার।
- এক কুয়েতি দিনারে ৩ দশমিক ২৬ মার্কিন ডলার পাওয়া যায়।
​- বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৩৯৭ টাকা। 
​- এক মার্কিন ডলারের মূল্য শূন্য দশমিক ৩১ কুয়েতি দিনার। 
- উল্লেখ্য, দ্বিতীয় অবস্থানে বাহরাইনি দিনার এবং তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে ওমানের রিয়াল।

তথ্যসূত্র- Forbes magazine. [Link]

১,১৫২.
নিচের কোনটি শিখদের ধর্মগ্রন্থ?
  1. ত্রিপিটক
  2. বেদ
  3. বাইবেল
  4. গ্রন্থ সাহেব
ব্যাখ্যা
শিখ:
- উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশ - ১৫ শতকের শেষের দিকে ভারতীয় উপমহাদেশের পাঞ্জাব অঞ্চলে শিখ ধর্ম, ধর্ম এবং দর্শন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর সদস্যরা শিখ নামে পরিচিত।
- প্রবর্তক - গুরু নানক।
- ধর্মগ্রন্থ - গ্রন্থ সাহেব (আদি গ্রন্থ)।
- উপাসনালয় - গুরু দুয়ারা।
- পবিত্র স্থান - শিখদের পবিত্র ধর্মীয় স্থান - পাঞ্জাবের অমৃতসরে অবস্থিত ‘স্বর্ণমন্দির’।

অন্যদিকে,
- ইহুদীদের ধর্মগ্রন্থ - হিব্রু বাইবেল (তাওরাত)।
- হিন্দুদের ধর্মগ্রন্থ - বেদ।
- বৌদ্ধধর্মের ধর্মগ্রন্থ - ত্রিপিটক।

উৎস: ইতিহাস প্রথম পত্র, বিএ, বিএসএস; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাপিডিয়া।
১,১৫৩.
হোমারের রচিত মহাকাব্যের নাম কী?
  1. গিলগামেশ
  2. ইলিয়াড
  3. প্যারাডাইস লস্ট
  4. শাহনামা 
ব্যাখ্যা

• হোমার:
- হোমার ছিলেন প্রাচীন গ্রীক কবি।
- তিনি খ্রিস্টপূর্ব ৯ম বা ৮ম শতাব্দীতে আইওনিয়া অঞ্চলে বিকশিত হন।
- তাঁর জীবন সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে খুব কমই জানা যায়।
- ঐতিহ্য অনুসারে, হোমার অন্ধ ছিলেন।
- তিনি “ইলিয়াড” ও “ওডিসি” — এই দুটি মহান মহাকাব্যের রচয়িতা হিসেবে পরিচিত।
- প্রাচীন গ্রীকরা তাঁকে এই দুটি মহাকাব্যের জন্য দায়ী করেছেন।
-  আধুনিক পণ্ডিতরা সাধারণত একমত যে তিনি ইলিয়াড রচনা করেছিলেন (কিন্তু এর মূল স্রষ্টা ছিলেন না)।
- তিনি অন্তত ওডিসি রচনায় অনুপ্রেরণা জুগিয়েছিলেন বলে ধারণা করা হয়।

অন্যদিকে,
- শাহনাম মহাকাব্যটির লেখক ছিলেন- ফেরদৌসী।
- প্যারাডাইস লস্ট মহাকাব্যটির লেখক ছিলেন- জন মিল্টন
- গিলগামেশের মহাকাব্য একটি মেসোপটেমীয় মহাকাব্য। 

উৎস: ব্রিটানিকা।

১,১৫৪.
মনরো ডকট্রিন কোন গোলার্ধকে ইউরোপীয় হস্তক্ষেপ থেকে বিরত রাখার জন্য ঘোষণা করা হয়েছিল? 
  1. উত্তর গোলার্ধ
  2. দক্ষিণ গোলার্ধ
  3. পূর্ব গোলার্ধ
  4. পশ্চিম গোলার্ধ
ব্যাখ্যা

মনরো ডকট্রিন: 
- ১৮২৩ সালের ২ ডিসেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জেমস মনরো ‘মনরো ডকট্রিন’ ঘোষণা করেন।
- মনরো ডকট্রিন পশ্চিম গোলার্ধকে ইউরোপীয় ইউরোপীয় হস্তক্ষেপ থেকে বিরত রাখার জন্য ঘোষণা করা হয়েছিল।
- মনরো ডকট্রিন মূলত পশ্চিম গোলার্ধে অর্থাৎ আমেরিকা মহাদেশে প্রযোজ্য।
- এই মতবাদের উদ্দেশ্য ছিল ইউরোপীয় শক্তিগুলোকে নতুন করে আমেরিকা মহাদেশে উপনিবেশ স্থাপন বা রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ করা থেকে বিরত রাখা। বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্র ইউরোপের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি বা তাদের বিদ্যমান উপনিবেশগুলোতে হস্তক্ষেপ করবে না।
- এটি আমেরিকার দেশগুলোর স্বাধীনতা রক্ষা এবং পশ্চিম গোলার্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব বিস্তারের ভিত্তি স্থাপন করে। 
- এই মতবাদটি বিশ শতকে আমেরিকান গ্র্যান্ড কৌশলের কেন্দ্রবিন্দু ছিল।
- এই মতবাদ ‘পলিসি অব আইসোলেশন’ নামেও পরিচিত ছিল।

⇒ মনরো ডকট্রিনের মূল বক্তব্য ছিল:
- উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার কোনো স্বাধীন দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে ইউরোপের কোনো দেশ হস্তক্ষেপ করতে পারবে না।
- এই অঞ্চলে নতুন করে কোনো উপনিবেশ স্থাপন করা যাবে না।
- কোনো ইউরোপীয় হস্তক্ষেপকে আমেরিকার নিরাপত্তার ওপর সরাসরি আক্রমণ হিসেবে দেখা হবে।
- বিনিময়ে তিনি প্রতিশ্রুতি দেন যে, যুক্তরাষ্ট্র বিদ্যমান ইউরোপীয় উপনিবেশগুলোকে স্বীকৃতি দেবে এবং ইউরোপীয় দেশগুলোর অভ্যন্তরীণ বিষয়গুলিতে হস্তক্ষেপ করবে না।

উৎস: Britannica.

১,১৫৫.
আয়তনের দিক থেকে বিশ্বের সর্ববৃহৎ দেশ-
  1. ক) কানাডা
  2. খ) রাশিয়া
  3. গ) ব্রাজিল
  4. ঘ) ভারত
ব্যাখ্যা
- সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে যাওয়ার পর আয়তনে পৃথিবীর বৃহত্তম দেশ রাশিয়া,
- দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ হলো কানাডা,
- তৃতীয় বৃহত্তম দেশ যুক্তরাষ্ট্র,
- চতুর্থ বৃহত্তম দেশ চীন।

Source: Worldatlas
১,১৫৬.
যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের উচ্চ কক্ষের নাম কী?
  1. হাউজ অব কমন্স
  2. সিনেট
  3. হাউজ অব লর্ডস
  4. হাউজ অব রিপ্রেজেনটিটিভ
ব্যাখ্যা
- যুক্তরাষ্ট্রের দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট আইনসভার নাম কংগ্রেস।
- কংগ্রেসের উচ্চ কক্ষের নাম সিনেট - ১০০ আসন। 
- নিম্ন কক্ষের নাম হাউজ অব রিপ্রেজেনটিটিভ - ৪৩৫ আসন।   

- যুক্তরাজ্যের দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট আইনসভার নাম পার্লামেন্ট।
- পার্লামেন্টের উচ্চ কক্ষের নাম হাউজ অব লর্ডস।
- নিম্ন কক্ষের নাম হাউজ অব কমন্স।

তথ্যসূত্র:  ব্রিটানিকা।
১,১৫৭.
কোন দুটি দেশের মধ্যে ‘শতবর্ষ ব্যাপী যুদ্ধ’ ঘটেছিল? 
  1. রাশিয়া এবং ইউক্রেনের মধ্যে 
  2. ইংল্যান্ড এবং ফ্রান্সের মধ্যে 
  3. ইসরায়েল এবং ফিলিস্তিনের মধ্যে 
  4. ভারত এবং পাকিস্তানের মধ্যে
ব্যাখ্যা

- 'শতবর্ষ ব্যাপী যুদ্ধ' সংঘটিত হয় ইংল্যান্ড-ফ্রান্সের মধ্যে।
• শতবর্ষ ব্যাপী যুদ্ধ:
- ইংল্যান্ড ও ফ্রান্সের মধ্যে শতবর্ষব্যাপী যুদ্ধ হয়েছিল।
- এই যুদ্ধের স্থায়িত্বকাল ছিল ১৩৩৭ সাল থেকে ১৪৫৩ সাল পর্যন্ত।
- 'জোয়ান অব আর্ক' ছিল ফ্রান্সের সেনাপতি।
- ইংল্যান্ডের রাজা তৃতীয় এডওয়ার্ড এই যুদ্ধ শুরু করেন ফ্রান্সের সিংহাসনের দাবিতে।
- এই যুদ্ধে বিজয়ী হয় ফ্রান্স।

অন্যদিকে,
- রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের উৎস ২০১৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে ছদ্মবেশী রাশিয়ান সৈন্যদের দ্বারা ইউক্রেনীয় স্বায়ত্তশাসিত প্রজাতন্ত্র ক্রিমিয়ার গোপন আক্রমণের মাধ্যমে শুরু হয়। 
- ১৯৪৮ সাল থেকে ইসরায়েল এবং ফিলিস্তিনের মধ্যে সংঘাত শুরু হয়। 
- পাকিস্তান ১৯৬৫ সালের আগস্টে ভারতনিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে হামলা চালালে দ্বিতীয়বারের মতো দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হয়। 

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া অব ব্রিটানিকা।

১,১৫৮.
বঙ্গবন্ধুর 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' মারাঠি ভাষায় অনুবাদ করেন কে?
  1. প্রফেসর ফ্রান্স ভট্টাচার্য
  2. অপর্ণা ভেলনকার
  3. ড. সৌমেন ভারতীয়া
  4. ড. জুরি শর্মা
ব্যাখ্যা
- বঙ্গবন্ধু অসমাপ্ত আত্মজীবনী সর্বশেষ অনূদিত ভাষা হলো মারাঠি ভাষা (অপূর্ণ আত্মকথা)।
- এর অনুবাদক অপর্ণা ভেলনকার।
উৎস: দৈনিক পত্রিকা।
১,১৫৯.
নিচের কোনটি স্থলবেষ্টিত রাষ্ট্র?
  1. সুইজারল্যান্ড
  2. দক্ষিণ কোরিয়া
  3. পোল্যান্ড
  4. মেক্সিকো
ব্যাখ্যা
উল্লিখিত অপশনসমূহের মধ্যে সুইজারল্যান্ড স্থলবেষ্টিত রাষ্ট্র।
অন্যদিকে,
মেক্সিকো, দক্ষিণ কোরিয়া এবং পোল্যান্ডের সমুদ্রতট ও সমুদ্রবন্দর রয়েছে।

(তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস)
১,১৬০.
সুইজারল্যান্ডের রাজধানীর নাম কী?
  1. জুরিখ
  2. বার্ন
  3. জেনেভা
  4. বাসেল
ব্যাখ্যা
সুইজারল্যান্ড:
- সুইজারল্যান্ড মধ্য ইউরোপের একটি রাষ্ট্র।
- প্রশাসনিক রাজধানী: বার্ন।
- বিচারিক কেন্দ্র: লোজান।
- সুইজারল্যান্ড একটি ভূমিবেষ্টিত (landlocked) দেশ।
- এখানে রয়েছে উঁচু পর্বতমালা, গভীর আল্পাইন হ্রদ, সবুজ উপত্যকা।
- সুইজারল্যান্ডের শহরগুলোতে প্রাচীন ও আধুনিক স্থাপত্যের সংমিশ্রণ লক্ষ্য করা যায়।
- দেশটি আল্পস পর্বতমালার জন্য বিখ্যাত, যা লেখক, শিল্পী, ফটোগ্রাফার এবং অ্যাডভেঞ্চারপ্রেমীদের আকর্ষণ করে।
- সুইজারল্যান্ড তার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, স্থিতিশীল জীবনযাত্রা ও নিরপেক্ষ নীতির জন্য বিশ্বব্যাপী সমাদৃত।

উৎস: Britannica.
১,১৬১.
Which country is called 'The Country of Copper'?
  1. ক) Sudan
  2. খ) Cuba
  3. গ) Bagdad
  4. ঘ) Zambia
ব্যাখ্যা
জাম্বিয়া
- দক্ষিণ আফ্রিকার দেশ জাম্বিয়া তামা আকরিকের ব্যাপক রপ্তানির কারণে কখনও কখনও 'তামার দেশ' নামে পরিচিত।
- জাম্বিয়া বিশ্বের সর্বোচ্চ গ্রেডের তামার আমানতগুলির মধ্যে একটির অধিকারী।
- বিশ্বের সপ্তম বৃহত্তম তামা উৎপাদক হিসাবে স্থান পেয়েছে।
- জাম্বিয়া কোবাল্ট, নিকেল এবং ম্যাঙ্গানিজের ছোট, শোষণযোগ্য আমানতেরও আবাসস্থল।
- দেশের বৈদেশিক রপ্তানি আয়ের ৭০ শতাংশের বেশি অবদান রাখে তামা।
- জাম্বিয়া বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ পান্না উৎপাদন করে।

অন্যদিকে -
- কিউবাকে বলা হয় পৃথিবীর চিনির আধার।
-  সুদানকে বলা হয় আফ্রিকার হৃদয়।
- বাগদাদকে বলা হয় শান্তির নীড়।

 উৎস:  Zambia - Mining and Minerals - International Trade Administration, trade.gov.
১,১৬২.
নিচের কোন দেশ এখনও পর্যন্ত ইসরায়েলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করে নি?
  1. সংযুক্ত আরব আমিরাত
  2. জর্ডান
  3. দক্ষিণ সুদান
  4. সৌদি আরব
ব্যাখ্যা
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ইসরায়েলের সাথে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে যেসব আরব দেশ এরই মধ্যে এগিয়ে এসেছে, আবার তাদের সাথে যোগ দিয়েছে মরক্কো।
- মরক্কো জানিয়েছে যে তারা ইসরায়েলের সঙ্গে পূর্ণ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক স্থাপন করছে।
- চুক্তি অনুযায়ী, বিরোধপূর্ণ পশ্চিম সাহারা অঞ্চলের ওপর মরক্কোর যে দাবি, তাকে স্বীকৃতি দেবে যুক্তরাষ্ট্র।
- ওই অঞ্চল নিয়ে মরক্কো এবং আলজেরিয়া সমর্থিত পলিসারিও ফ্রন্টের মধ্যে বিরোধ চলছে। পলিসারিও ফ্রন্ট সেখানে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে চায়।

আরব দেশগুলোর ইসরাইলের সাথে সম্পর্ক: 
- মিসর [১৯৭৯ সালে] ও জর্ডান [১৯৯৪ সালে] প্রথম ইসরাইলের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করে। 
- সংযুক্ত আরব আমিরাত [১৫ সেপ্টেম্বর ২০২০], বাহরাইন [১৫ সেপ্টেম্বর ২০২০]  এর পর ইসরায়েলের সাথে সম্পর্ক স্বাভাবিক করে।
- মরক্কো হলো আরব লীগের ষষ্ঠ সদস্য, যারা ইসরায়েলের সাথে সম্পর্ক স্বাভাবিক করেছে। (বিবিসি বাংলা রিপোর্ট ১১ ডিসেম্বর ২০২০)
- ১৯৯৯ সালে মৌরিতানিয়াও ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দিয়েছিল। কিন্ত দশ বছর পর তারা আবার ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক ছেদ করে। (বিবিসি বাংলা রিপোর্ট ২৫ অক্টোবর, ২০২০)
- এখনও পর্যন্ত ইসরায়েলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করে নি সৌদি আরব। 
- স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র ছাড়া ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক নয় বলে ঘোষণা দিয়েছে সৌদি আরব।
- বাহরাইনের আন্তর্জাতিক ডায়ালিং কোড +৯৭৩ সাথে মিল রেখে ইসরায়েলি দল "ইআই এআই ফ্লাইট ৯৭৩"-এ সফর করেছে।

উৎস: বিবিসি বাংলা [১১ ডিসেম্বর ২০২০]।
১,১৬৩.
চীনের বিশেষ প্রশাসনিক অঞ্চল রয়েছে -
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
ব্যাখ্যা
বিশেষ প্রশাসনিক অঞ্চল:
- হংকং বর্তমানে চীনের একটি বিশেষ প্রশাসনিক অঞ্চল যা এক দেশ দুই নীতির ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে।
- ১৮৪২ সালে নানকিং চুক্তির মাধ্যমে হংকং ব্রিটেনের অধীনস্থ হয় এবং ১৮৯৮ সালে চীন হংকংকে ৯৯ বছরের জন্যে ব্রিটেনের নিকট লিজ দেয়।
- ১৯৯৭ সালের ১ জুলাই ব্রিটেন পুনরায় চীনের নিকট হংকং কে হস্তান্তর করে।
- হংকংয়ের পুঁজিবাদী অর্থনীতিকে সচল রাখতে গৃহীত এক দেশ দুই নীতির মেয়াদ ২০৪৭ সাল পর্যন্ত।
- চীনের অপর একটি বিশেষ প্রশাসনিক অঞ্চল হলো সাবেক পর্তুগিজ কলোনি ম্যাকাও।
-  বর্তমানে চীনে দুটি  বিশেষ প্রশাসনিক অঞ্চল  রয়েছে: ম্যাকাও এবং হংকং।

উৎস: চীনের সরকারি ওয়েবসাইট এবং Investopedia.Com।[লিঙ্ক]
১,১৬৪.
শার্লে দ্য গল কে ছিলেন?
  1. ফ্রান্সের ত্রাণকর্তা
  2. জার্মানির ত্রাণকর্তা
  3. ইংল্যান্ডের ত্রাণকর্তা
  4. আমেরিকার ত্রাণকর্তা
ব্যাখ্যা
ফ্রান্সের ত্রাণকর্তা শার্লে দ্য গল (Charles de Gaulle): 
- ম্যাজিনো লাইন অতিক্রম করে জার্মান পাঞ্জার ডিভিশনের অবিশ্বাস্য সফলতা দুর্ভাগ্যের দিন ডেকে আনে ফরাসিদের।
- এ সময় ফ্রান্সের ত্রাণকর্তার ভূমিকায় আবির্ভূত হন শার্লে দ্য গল।
- তিনি ১৯৪১ সালের দিকে সুয়েজ খাল অঞ্চলে প্রথম জার্মান বাহিনীর বিরুদ্ধে আক্রমণ পরিচালনা করেছিলেন।
- এরপর যখন যুদ্ধে পরাজয়ের মধ্য দিয়ে ফ্রান্সের ভাগ্য অনিশ্চিত হয়ে পড়ে তখন পুরো জাতির হাল ধরেন তিনিই। 
- তার নেতৃত্ব ফ্রান্সকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ এবং পরবর্তী সংকটকালীন সময়ে দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত করে।
- পূর্ণ নাম: শার্লে আন্দ্রে জোসেফ মেরি দ্য গল (Charles André Joseph Marie de Gaulle)
- জন্ম: ২২ নভেম্বর, ১৮৯০, ফ্রান্সের লিল শহরে।
- মৃত্যু: ৯ নভেম্বর, ১৯৭০, কোলোম্বে-লে-দো-জিগলিস, ফ্রান্স।

কার্যকাল ও অবদান:
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধে ফরাসি সেনাবাহিনীতে কাজ করেন।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জার্মানির বিরুদ্ধে প্রতিরোধে নেতৃত্ব দেন।
- ১৯৪০ সালে জার্মানির আক্রমণে ফ্রান্স দখল হওয়ার পর ব্রিটেনে পালিয়ে যান।
- লন্ডন থেকে "ফ্রি ফ্রান্স" আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন।
- তার বিখ্যাত বাণী: "ফ্রান্স হারেনি।"

রাজনৈতিক জীবন:
- ১৯৫৮ সালে আলজেরিয়া সংকটের সময় তিনি ফ্রান্সের পঞ্চম প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেন।
- ১৯৫৯ থেকে ১৯৬৯ সাল পর্যন্ত ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতি ছিলেন।
- ফ্রান্সের স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি গড়ে তোলেন।
- ন্যাটো থেকে ফ্রান্সকে আংশিকভাবে প্রত্যাহার করেন।
- আধুনিক ফ্রান্সের প্রতিষ্ঠাতা
- তার নেতৃত্বে ফ্রান্সের অর্থনীতি ও জাতীয় গৌরব পুনরুদ্ধার হয়।

উল্লেখযোগ্য কর্ম:
বই: "The Call to Honor" তার লেখা বিখ্যাত স্মৃতিকথা।

উৎস:
ইতিহাস দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
Encyclopaedia Britannica
BBC History
France Diplomacy Archive
১,১৬৫.
ব্যাবিলনীয় সভ্যতা কীসের জন্য বিখ্যাত ছিল?
  1. ধর্মীয় সংস্কার
  2. জাহাজ নির্মাণ
  3. লিখন পদ্ধতি উদ্ভাবন
  4. আইন প্রণয়ন
ব্যাখ্যা

ব্যাবিলনীয় সভ্যতা: 
- ব্যাবিলনীয় সভ্যতা হলো মেসোপটেমিয়ায় গড়ে উঠা দ্বিতীয় সভ্যতা।
- খ্রিস্টপূর্ব ১৮০০ থেকে খ্রিস্টপূর্ব ১৬০০ অব্দে ব্যাবিলনীয় সভ্যতা বিকশিত হয়।
- অ্যামেরাইট জাতি এই সভ্যতা গড়ে তোলে।
- ব্যাবিলনীয় সভ্যতা আইন প্রণয়নের জন্যে বিখ্যাত।
- ব্যাবিলনীয় রাজা হাম্বুরাবি পৃথিবীর প্রথম আইনপ্রণেতা হিসেবে বিবেচিত। ফ্রান্সের লুভ্যর মিউজিয়ামে সংরক্ষিত একটি স্তম্ভে ২৮২টি আইনের উল্লেখ পাওয়া যায়।
- আইন প্রণয়নের পাশাপাশি বিজ্ঞান, জ্যোতিষশাস্ত্র, গণিত ও শিল্পকলায়ও ব্যাবিলনীয় সভ্যতার অবদান রয়েছে।
- ব্যাবিলনীয় সভ্যতায় মাসকে ৩০দিনে, সপ্তাহকে ৭দিনে এবং দিনকে ২৪ ঘন্টায় বিভক্ত করা হয়।

উৎস: ইতিহাস ও সামাজিক বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণী।

১,১৬৬.
যুক্তরাজ্যের সরকারের ধরন কিরূপ?
  1. ক) গনতান্ত্রিক
  2. খ) সমাজতান্ত্রিক
  3. গ) সংসদীয় রাজতন্ত্র
  4. ঘ) বিশেষ ধরনের গণপ্রজাতন্ত্র
ব্যাখ্যা
The United Kingdom is a constitutional monarchy. Its reigning monarch, Queen Elizabeth II, is also the Queen and Head of State of (15) other Commonwealth realms, including Australia, Canada, Jamaica and New Zealand.
Source: worldatlas.com
১,১৬৭.
'Pivot to Asia' নীতি প্রবর্তন করে কোন মার্কিন প্রেসিডেন্ট?
  1. ডোনাল্ড ট্রাম্প
  2. বারাক ওবামা
  3. বিল ক্লিনটন
  4. জর্জ ডব্লিউ বুশ
ব্যাখ্যা
- 'Pivot to Asia' নীতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা প্রবর্তন করেন। এই নীতির মাধ্যমে ওবামা প্রশাসন এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামরিক সম্পৃক্ততা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করে। ২০১১ সালে প্রেসিডেন্ট ওবামা এই নীতির ঘোষণা দেন। 

যুক্তরাষ্ট্র:
- যুক্তরাষ্ট্রে মোট পঞ্চাশটি রাজ্য রয়েছে ।
- আলাস্কা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তম রাজ্য।
- স্বাধীনতা লাভ করে ৪ জুলাই, ১৭৭৬ সালে যুক্তরাজ্য থেকে। এজন্য যুক্তরাষ্ট্রে জাতীয় দিবস ৪ জুলাই।
- জনসংখ্যায় বৃহত্তম অঙ্গরাজ্য ক্যালিফোর্নিয়া।
- প্রথম প্রেসিডেন্ট ছিলেন জর্জ ওয়াশিংটন।
- যুক্তরাষ্ট্র থেকে ক্রীতদাস প্রথা বিলোপ হয় - ১৮৬৩ সালে।
- যুক্তরাষ্ট্রে ক্রীতদাস প্রথা বিলোপকারী প্রেসিডেন্টের নাম - আব্রাহাম লিংকন।

সূত্র: ব্রিটানিকা ও Council on Foreign Relations.
১,১৬৮.
মৃত সাগর কোথায় অবস্থিত?
  1. সিরিয়া এবং জর্ডানের মধ্যে
  2. ইসরায়েল এবং সিরিয়ার মধ্যে
  3. ইসরায়েল এবং জর্ডানের মধ্যে
  4. লেবানন এবং জর্ডানের মধ্যে
ব্যাখ্যা
মৃত সাগর:
- মৃত সাগর একটি স্থলবেষ্টিত লবণাক্ত হ্রদ, যা ইসরায়েল এবং জর্ডানের মধ্যে অবস্থিত।
- এর পূর্ব তীর জর্ডানের অন্তর্ভুক্ত।
- এর পশ্চিম তীরের দক্ষিণ অংশ ইসরায়েলের অন্তর্ভুক্ত।
- পশ্চিম তীরের উত্তর অংশ ফিলিস্তিনি পশ্চিম তীরে অবস্থিত, যা ১৯৬৭ সালের আরব-ইসরায়েল যুদ্ধ থেকে ইসরায়েলের দখলে রয়েছে।
- মৃত সাগর মূলত জর্ডান নদীর পানি দ্বারা পূর্ণ হয়, যা উত্তরের দিক থেকে হ্রদে প্রবাহিত হয়।
- মৃত সাগর পৃথিবীর পৃষ্ঠের সবচেয়ে নিচু স্থান এবং নিম্নতম জলাশয়।
- ২০শ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে, এর পৃষ্ঠের উচ্চতা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১,৩০০ ফুট (৪০০ মিটার) নিচে নির্ধারণ করা হয়েছিল।
- ২০১০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়ে হ্রদের স্তর ২০শ শতাব্দীর মধ্যবর্তী স্তরের তুলনায় প্রায় ১,৪১০ ফুট (৪৩০ মিটার) নিচে অবস্থান করছিল। 

উৎস: Britannica.
১,১৬৯.
কোন বিপ্লবের ফলে তিউনিসিয়ার স্বৈরাচারী একনায়ক জয়নাল আবেদিন বেন আলী ক্ষমতাচ্যুত হন?
  1. ক) অক্টোবর বিপ্লব
  2. খ) স্যাফরন বিপ্লব
  3. গ) আগস্ট বিপ্লব
  4. ঘ) জেসমিন বিপ্লব
ব্যাখ্যা
তিউনিসিয়ার স্বৈরাচারী একনায়ক বেন আলি ১৯৮৭ সাল থেকে তিউনিশিয়া শাসন করে আসছিলেন। ওই অঞ্চলের অন্য অনেক দেশের মধ্যে বেশ সমৃদ্ধিশালী হিসেবেই পরিচিত ছিল তিউনিসিয়া। তবে সেই সমৃদ্ধি আপামর জনতার কল্যাণে কাজে লাগেনি। যুক্তরাষ্ট্র ও ফ্রান্সের সমর্থনপুষ্ট ওই সরকার জনগণের যে কোনও ক্ষোভ ও প্রতিরোধকে কঠোর হাতে দমন করতো। কিন্তু ২০১০ সালের ১৭ ডিসেম্বর শিক্ষিত সবজি বিক্রেতা মোহাম্মদ বিন বোয়াজিজির আত্মাহুতিতে পাল্টে যায় দৃশ্যপট। ২০১১ সালের ১৪ জানুয়ারি পদত্যাগে বাধ্য হন তিউনিসিয়ার স্বৈরাচারী একনায়ক জায়নুল আবেদিন বেন আলী। তিউনিসিয়ায় ওই বিপ্লবকে বলা হয় ‘জেসমিন বিপ্লব’। সূত্র- আল জাজিরা, মিডল ইস্ট আই।
১,১৭০.
পৃথিবীর মানচিত্র প্রথম অঙ্কন করেন কারা?
  1. মিশরীয়রা
  2. গ্রিকরা
  3. সুমেরীয়রা 
  4. ক্যালডিয়রা 
ব্যাখ্যা

গ্রিক সভ্যতা:
- আনুমাণিক খ্রিস্টপূর্ব ১৩০০-১২০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে গ্রিক সভ্যতার সূচনা হয়
- পূর্ণ বিকাশ ঘটে খ্রিস্টপূর্ব ৬ষ্ঠ ও ৫ম শতকে।
- গ্রীক সভ্যতাকে 'ওসেনিয়ান' (সাগরীয়) সভ্যতা বলা হয়।
- হেলেনিক সভ্যতা এবং হেলেনিস্টিক সভ্যতা এই দুটি স্তর রয়েছে গ্রীক সভ্যতার। 
- গ্রিকরা প্রথম বিজ্ঞান চর্চা শুরু করে খ্রিস্টপূর্ব ৬০০ অব্দে।
- পৃথিবীর মানচিত্র প্রথম অংকন করেন গ্রিক বিজ্ঞানিরা।
- তারাই প্রথম প্রমাণ করেন যে, পৃথিবী একটি গ্রহ এবং তা নিজ কক্ষপথে আবর্তিত হয়।
- গ্রিক জ্যোতির্বিদরা সূর্য ও চন্দ্র গ্রহণের কারণ নির্ণয় করতে সক্ষম হন।
- চাঁদের নিজস্ব কোনো আলো নেই, বজ্র ও বিদ্যুৎ জিউসের ক্রোধের কারণে নয় প্রাকৃতিক কারণে ঘটে। এই সত্য তারাই প্রথম আবিষ্কার করেন।

উৎস: i) ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
         ii) ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,১৭১.
চীনের মহাপ্রাচীর কোন রাজার আমলে নির্মিত হয়েছিল?
  1. ক) শাং
  2. খ) হূন
  3. গ) পিকিং
  4. ঘ) শি-হুয়াং তি
ব্যাখ্যা
চীনের প্রাচীর:
চৌ বংশের রাজা শি-হুয়াং তি-এর রাজত্বকালে নির্মিত হয়েছিল 'চীনের মহাপ্রাচীর'। হূনদের আক্রমণ প্রতিরোধ করার জন্যএই প্রাচীর তৈরি করা হয়েছিল। দেড় হাজার মাইল দীর্ঘ  এই প্রাচীরের উচ্চতা ছিল গড়ে ২৪ ফুট। এই প্রাচীরের উপর দিয়ে ৬ জন অশ্বারোহী পাশাপাশি চলতে পারত। চীনের প্রাচীর বিশ্বের আশ্চর্য বস্তুর একটি । 

সূত্র: ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় 
১,১৭২.
পৃথিবীর কোথায় প্রথম লিখিত আইনের প্রচলন হয়?
  1. পারস্য
  2. ব্যাবিলনে
  3. পাঞ্জাবে
  4. বেতেলহামে
ব্যাখ্যা
• ব্যাবিলনীয় সভ্যতার:
- সিরিয়ার মরুভূমি অঞ্চলে আমোরাইট নামক এক জাতি বসবাস করত।
- এরা এক সময় মেসোপটেমিয়ায় এসে নগর সভ্যতা গড়ে তোলে।
- এদের এই সভ্যতাকে বলে ব্যাবিলনীয় সভ্যতা।
- এ সভ্যতার পত্তন হয় খ্রিস্টপূর্ব ২০০০ অব্দে।
- আমোরাইট নেতা হাম্মুরাবী ছিলেন ব্যাবিলনীয় সাম্রাজ্যের সর্বশ্রেষ্ঠ রাজা।
- পৃথিবীর প্রথম লিখিত আইনের প্রচলন হয় ব্যাবিলনে।

→ শিল্পকর্ম:
- ব্যাবিলনীয় সভ্যতায় তৈলচিত্রের সন্ধান পাওয়া যায়।
- তাদের আঁকা বিভিন্ন ছবি পাওয়া গেছে।
- জিগুরাট মন্দির পক্তে শ্রেষ্ঠ স্থাপত্য কীর্তি।
- একটি মন্দির আবিষ্কৃত হয়েছে যা ৭ তলা বিশিষ্ট।

এছাড়াও,
- সুমেরীয় সভ্যতার সবচেয়ে বড় অবদান চাকা আবিষ্কার।
- সর্বপ্রথম পঞ্জিকার প্রচলন করে ব্যাবিলনীয় সভ্যতায়।
- ৭ দিনে সপ্তাহ গণনা শুরু করে ক্যালেডীয়রা।

উৎস: ব্রিটানিকা ও বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১৭৩.
কোন শতকে মোঙ্গল সাম্রাজ্যের গোড়াপত্তন হয়?
  1. ক) দ্বাদশ
  2. খ) ত্রয়োদশ
  3. গ) চতুর্দশ
  4. ঘ) পঞ্চদশ
ব্যাখ্যা
মোঙ্গল সাম্রাজ্য:
- মোঙ্গল সাম্রাজ্য পৃথিবীর ইতিহাসের বৃহত্তম সাম্রাজ্য হিসেবে অভিহিত।
- ত্রয়োদশ শতকের শুরুতে (১২০৬ সালে) মঙ্গোলিয়ার যাযাবর উপজাতিগুলোকে সংগঠিত করার মাধ্যমে বিখ্যাত মোঙ্গল নেতা চেঙ্গিস খান এই সাম্রাজ্যের পত্তন করেন।
- চেঙ্গিস খান ১১৬২ সালে মঙ্গোলিয়ায় জন্মগ্রহণ করেন এবং ১২২৭ সালে মৃত্যুবরণ করেন। তার আসল নাম ছিলো তেমুজিন।
- চেঙ্গিস খানের মৃত্যুর পর তার বংশধরগণ এই সাম্রাজ্যের আরো বিস্তৃতি ঘটান। মোঙ্গল সাম্রাজ্য তার সর্বোচ্চ শিখরের সময় পূর্ব ইউরোপ থেকে ইন্দোচীন পর্যন্ত বিস্তৃত ছিলো যার আয়তন ছিলো এক কোটি বর্গমাইলেরও অধিক।
- ১২৫৯ সালে মেংগু খানের মৃত্যুর পর উত্তরাধিকার দ্বন্দ্বে মোঙ্গল সাম্রাজ্য বিভিন্ন ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে। এতে করে চতুর্দশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে মোঙ্গল সাম্রাজ্যের বিস্তৃতি কেবল মঙ্গোলিয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ হয়।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা এবং হিস্টোরি ওয়েবসাইট
১,১৭৪.
বাংলাদেশের উত্তরে ভারতের কোন রাজ্যের অবস্থান?
  1. মেঘালয়
  2. আসাম
  3. মিজোরাম
  4. ত্রিপুরা
ব্যাখ্যা
সীমান্ত:
- বাংলাদেশের উত্তর দিকে ভারতের মেঘালয় রাজ্য অবস্থিত।

অন্যদিকে,
আসাম উত্তর-পুর্বদিকে অবস্থিত।
- ত্রিপুরা ও মিজোরাম রাজ্য বাংলাদেশের পূর্বে অবস্থিত।
- পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বাংলাদেশের পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিম দিকে অবস্থিত।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
১,১৭৫.
অপারেশন ‘ট্রু প্রমিজ থ্রি’ কোন দেশের বিরুদ্ধে পরিচালিত অভিযান?
  1. ইরান
  2. ইরাক
  3. ইসরায়েল
  4. সিরিয়া
ব্যাখ্যা
অপারেশন ‘ট্রু প্রমিজ থ্রি’:
- অপারেশন ‘ট্রু প্রমিজ থ্রি' অভিযান পরিচালনা করছে ইরান।
- ১৩ জুন, ২০২৫ তারিখে ইরানে ইসরাইলের পরিচালিত অভিযান ‘অপারেশন রাইজিং লায়ন’-এর বিপরীতে অপারেশন ট্রু প্রমিজ থ্রি অভিযান পরিচালনা করছে ইরান।

⇒ ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) ‘অপারেশন ট্রু প্রমিজ থ্রি’ নামের বৃহৎ সামরিক প্রতিশোধ শুরু করেছে।
- এ অপারেশনের মূল লক্ষ্য হলো- ইসরায়েলের বিমানঘাঁটি, রাডার ব্যবস্থা, এবং ভূগর্ভস্থ সামরিক ঘাঁটি ধ্বংস করা।
- এই অপারেশন তিন ধাপে বাস্তবায়ন হবে-
১. প্রথম ধাপে বিমানঘাঁটি ও রাডার ব্যবস্থার ধ্বংস,
২. দ্বিতীয় ধাপে হিজবুল্লাহ ও হুতি বিদ্রোহীদের মাধ্যমে সীমান্তে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা,
৩. তৃতীয় ও চূড়ান্ত ধাপে ভূগর্ভস্থ ঘাঁটি থেকে হাইপারসনিক মিসাইল হামলা।

উল্লেখ্য,
- ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর ও অক্টোবরে ইরান 'অপারেশন ট্রু প্রমিজ-১' এবং 'ট্রু প্রমিজ-২' নামে দুটি প্রতিশোধমূলক সামরিক অভিযান পরিচালনা করেছিল।
- ওই অভিযানে শত শত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন দিয়ে ইসরায়েলের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ও গোয়েন্দা স্থাপনাগুলোতে নিখুঁতভাবে আঘাত হানা হয়।

উৎস: Tasnim পত্রিকা।
১,১৭৬.
১৯৯৩ সালে জাতিসংঘের তত্ত্ববধানে কম্বোডিয়ায় অনুষ্ঠিত নির্বাচনে কোন দল বিজয়ী হয়েছে?
  1. ফুনসিনপেক
  2. সিপিপি
  3. খেমাররুজ
  4. কেপিএলএনএফ
ব্যাখ্যা
১৯৯৩ সালে জাতিসংঘের তত্ত্ববধানে কম্বোডিয়ার অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বিজয়ী হয়েছে ফুনসিনপেক। ভিয়েতনামের দখল ছিল কম্বোডিয়া তারা জাতিসংঘের হস্তক্ষেপে ১৯৯৩ সালে আধুনিক কম্বোডিয়া আত্নপ্রকাশ করে। এবং ১৯৯৩ সালে জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে কম্বোডিয়ার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এ নির্বাচনে বিজয়ী হয় ফুনসিনপেক দল।

কম্বোডিয়া:
- দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার উন্নয়নশীল দেশ কম্বোডিয়া। 
- রাজধানী: নমপেন।
- গুরুত্বপূর্ণ শহর: সিয়ানুক‌ভিল। 
- সরকার প্রধান: প্রধানমন্ত্রী।
- সরকারী ভাষা: খমের।
- মুদ্রা: রিয়েল।

উৎস: Britannica.
১,১৭৭.
পানি প্রবাহের দিক থেকে বিশ্বের বৃহত্তম নদী কোনটি? 
  1. নীল নদ
  2. আমাজন নদী
  3. ভলগা নদী
  4. ইয়াংসি নদী
ব্যাখ্যা

দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশ:
- সর্বোচ্চ শৃঙ্গ: মাউন্ট অ্যাকনকাগুয়া (৬,৯৬১ মিটার)।
- এটি আর্জেন্টিনায় অবস্থিত এবং এশিয়ার বাইরে বিশ্বের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ।
- সর্বনিম্ন বিন্দু: লেগুনা ডেল কার্বন। এটি আর্জেন্টিনায় অবস্থিত এবং সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১০৫ মিটার নিচে।
- বৃহত্তম দেশ: ব্রাজিল (এটি মহাদেশের প্রায় অর্ধেক ভূখণ্ড দখল করে আছে)।
- ক্ষুদ্রতম দেশ: সুরিনাম।
- বৃহত্তম নদী: আমাজন নদী (Amazon River)। এটি জলপ্রবাহের দিক থেকে বিশ্বের বৃহত্তম নদী।
- দীর্ঘতম পর্বতমালা: আন্দিজ পর্বতমালা। এটি বিশ্বের দীর্ঘতম মহাদেশীয় পর্বতমালা।
- শুষ্কতম স্থান: আতাকামা মরুভূমি (চিলি)। এটি পৃথিবীর অন্যতম শুষ্কতম অঞ্চল।
- সর্বাধিক জনবহুল দেশ: ব্রাজিল।
- অ্যাঞ্জেল জলপ্রপাত (ভেনিজুয়েলা): বিশ্বের সর্বোচ্চ নিরবচ্ছিন্ন জলপ্রপাত (উচ্চতা ৯৭৯ মিটার)।

এছাড়াও,
- পৃথিবীর ফুসফুস: আমাজন রেইনফরেস্টকে পৃথিবীর ফুসফুস বলা হয়।
- স্থলবেষ্টিত দেশ: দক্ষিণ আমেরিকায় মাত্র দুটি স্থলবেষ্টিত (Landlocked) দেশ রয়েছে—বলিভিয়া এবং প্যারাগুয়ে।
- পানামা খাল: এটি দক্ষিণ আমেরিকাকে উত্তর আমেরিকা থেকে পৃথক করেছে এবং বৈশ্বিক বাণিজ্যের একটি প্রধান পথ।

উৎস: WorldAtlas.com.

১,১৭৮.
আরব বসন্ত আন্দোলনের সূচনা কোন দেশ থেকে হয়েছিল?
  1. মিশর
  2. তিউনিসিয়া
  3. লিবিয়া
  4. ইয়েমেন
ব্যাখ্যা
আরব বসন্ত:
- মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকার কয়েকটি দেশে রাজতন্ত্র ও একনায়কতন্ত্র উচ্ছেদ করে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার যে আন্দোলন ২০১০ সালে শুরু হয়, তাকে একত্রে আরব বসন্ত বলা হয়।
- এই আন্দোলনের সূচনা হয় আফ্রিকার দেশ তিউনিশিয়া থেকে, তাই দেশটিকে আরব বসন্তের সূতিকাগার বলা হয়।

উল্লেখ্য, 

- ২০১১ সালে পশ্চিমা সংবাদমাধ্যম প্রথম মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকায় স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে সংঘটিত গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে আরব বসন্ত হিসেবে আখ্যা দেয়।
- আরব বসন্তের প্রভাবে তিউনিশিয়া, মিশর, লিবিয়া, ইয়েমেন, বাহরাইন ও মরক্কোতে ক্ষমতা বদল বা কিছু কিছু ক্ষেত্রে ক্ষমতা হ্রাসসহ নানা রাজনৈতিক পরিবর্তন ঘটে।

সূত্র: ব্রিটানিকা ও পত্রিকা রিপোর্ট।
১,১৭৯.
কোন নদীর তীরে প্রাচীন চৈনিক সভ্যতা গড়ে উঠেছিলো?
  1. হোয়াংহো
  2. ইয়াংসিকিং
  3. ব্রহ্মপুত্র
  4. ক ও খ
ব্যাখ্যা
চৈনিক সভ্যতা (Chinese Civilization):
- চৈনিক সভ্যতা পৃথিবীতে বিরাজমান সবচেয়ে পুরাতন সভ্যতা।
- খ্রিস্টপূর্ব ২০০০ অব্দ থেকে আজ পর্যন্ত চীন তার সাংস্কৃতিক ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে। এটিই একমাত্র সভ্যতা যা কোনো সময় পুরোপুরি ধ্বংস প্রাপ্ত হয়নি।
- চীন পূর্ব এশিয়ার বৃহত্তম রাষ্ট্র। খ্রিস্টপূর্ব ১,৫০০ অব্দে চৈনিক সভ্যতা তার চরম শিখরে অবস্থান করেছিল।
- প্রায় ৪০০০ বছর পূর্বে অর্থ্যাৎ খ্রিস্টপূর্ব ২০০০ অব্দে চীনের হোয়াংহো ও ইয়াংসিকিং নদীর তীরে প্রাচীন চৈনিক সভ্যতা গড়ে উঠেছিল বলে ধারনা করা হয়।
- দেশটির তিনটি অঞ্চলে প্রাচীন সভ্যতা গড়ে উঠেছিল। এর মধ্যে একটি হোয়াংহো নদীর তীরে, দ্বিতীয়টি ইয়াংসিকিয়াং নদীর তীরে, তৃতীয়টি দক্ষিণ চীনের ভূখণ্ডে।
- নদীগুলোর প্রভাবে প্রাচীন চীনে কৃষিভিত্তিক সভ্যতা গড়ে উঠেছিল।
- চৈনিক সভ্যতা সৃষ্টি হয়েছিল- শাং রাজবংশ (Shang Dynasty), জোও রাজবংশ (Zhou Dynasty) আমলে।
- এছাড়াও চৈনিক সভ্যতার উত্তরাধিকারী হিসাবে আরো বেশ কয়েকটি রাজবংশ যেমন - জিয়া রাজবংশ (Xia Dynasty), কিন রাজবংশ (Qin Dynasty), মিং রাজবংশ (Ming Dynasty) ইত্যাদি চীন শাসন করে।

উৎস: হিস্টরি.কম
১,১৮০.
মার্কিন বিমান ঘাঁটি ইরবিল ও আল-আসাদ কোন দেশে অবস্থিত?
  1. ক) কাতার
  2. খ) ইরাক
  3. গ) তুরস্ক
  4. ঘ) সিরিয়া
ব্যাখ্যা
মার্কিন বিমান ঘাঁটি ইরবিল ও আল-আসাদ ইরাকে অবস্থিত।
- সম্প্রতি ইরানের শীর্ষ জেনারেল কাসেম সোলেইমানিকে ড্রোন হামলায় হত্যার জবাব হিসাবে এই দুই ঘাঁটিতে মিসাইল হামলা করেছিল ইরান।
উৎসঃ বিবিসি নিউজ এবং অন্যান্য পত্রিকা।
১,১৮১.
মিগ-২১ কী?
  1. এক ধরনের যাত্রীবাহী বিমান
  2. এক বিশেষ ধরনের হেলিকপ্টার
  3. এক ধরনের যুদ্ধ বিমান
  4. জো বাইডেনের বিশেষ বিমান
ব্যাখ্যা
₻ যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিমানগুলো হলো:
- বি-৫২
- এফ-১৬,
- স্টেলথ,
- সি-১৩০ 
₻  রাশিয়ার যুদ্ধবিমান গুলো হলো:
- মিগ-২১,
- মিগ-২৯,‌
- ইয়াক-১৩০ ইত্যাদি।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১,১৮২.
Blood and Iron Policy-এর প্রবক্তা কে?
  1. দ্বিতীয় নিকোলাস
  2. এডলফ হিটলার
  3. অটো ভন বিসমার্ক
  4. কিম জং উন
ব্যাখ্যা
অটো ভন বিসমার্ক:
- অটোভন বিসমার্ক আধুনিক জার্মানির জনক।
- জার্মানিতে ১৮৭১ সালে ক্ষমতায় বসেন অটোভন বিসমার্ক।
- তিনি জার্মান সাম্রাজ্যের প্রথম চ্যান্সেলর।
- তাঁর হাত ধরে জার্মান রাজ্যগুলো একক রাষ্ট্রের পতাকাতলে জড়ো হয়।
- ইউরোপে অন্যতম শক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে জার্মানি।
- Blood and Iron Policy-এর প্রবক্তা অটো ভন বিসমার্ক।

উৎস: Britannica ও History Flame.
১,১৮৩.
ভারতীয় সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে সর্বভারতীয় পরিষেবা (All India Services) গঠনের বিধান রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৩১২
  2. অনুচ্ছেদ ৩১৫
  3. অনুচ্ছেদ ৩২০
  4. অনুচ্ছেদ ২৪২
ব্যাখ্যা

All India Services: 
- ভারতের স্বাধীনতার পর ইন্ডিয়ান সিভিল সার্ভিস (ICS)-এর পরিবর্তে ইন্ডিয়ান অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস (IAS) এবং ইন্ডিয়ান পুলিশ সার্ভিস (IPS) গঠন করা হয়।
- ভারতীয় সংবিধানের ৩১২ নং অনুচ্ছেদে সর্বভারতীয় পরিষেবা (All India Services - AIS) গঠনের বিধান রয়েছে, এটা কেন্দ্র ও রাজ্য উভয়ের প্রশাসনে কাজ করে।
- বর্তমানে তিনটি AIS রয়েছে: IAS, IPS এবং ১৯৬৬ সালে গঠিত ইন্ডিয়ান ফরেস্ট সার্ভিস (IFoS)।
- এই পরিষেবাগুলোর মাধ্যমে প্রশাসনিক কাঠামোকে সুশৃঙ্খল ও কার্যকর রাখা হয়।
- সংবিধান অনুযায়ী, AIS সদস্যরা রাজ্যে নিযুক্ত হলেও কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনেও দায়িত্ব পালন করেন।

সূত্র: ভারতের সংবিধান। 

১,১৮৪.
চীন থেকে ভারতবর্ষে আসা প্রথম পর্যটকের নাম কী?
  1. ফা-হিয়েন
  2. হিউয়েন সাং
  3. মা হুয়ান
  4. মেগাস্থিনিস
ব্যাখ্যা
ফা-হিয়েন:
- চীন থেকে ভারতবর্ষে আসা প্রথম পর্যটকের নাম ফা-হিয়েন।
- পাঁচ শতকের সূচনায় তিনি ভারত ভ্রমণ করেন।
- এ সময় গুপ্ত বংশীয়রা বাংলার অংশবিশেষসহ ভারত শাসন করছিলেন।
- ফা-হিয়েন ৩৯৯ খ্রিস্টাব্দে চীন থেকে যাত্রা শুরু করেন।
- ভারত ভ্রমণের শেষ পর্যায়ে তিনি সীমান্ত রাজ্য চম্পার মধ্য দিয়ে বাংলায় প্রবেশ করেন।
- সেখান থেকেই সমুদ্রপথে তিনি অপর বৌদ্ধপ্রধান অঞ্চল শ্রীলঙ্কায় যেতে চেয়েছিলেন।
- শ্রীলঙ্কা যাওয়ার পূর্বে ফা-হিয়েন দীর্ঘ দুবছর তাম্রলিপ্তিতে বৌদ্ধ ধর্মগ্রন্থের অনুলিপি তৈরি ও বৌদ্ধ মূর্তির ছবি আঁকেন।
- তাঁর বিবরণী থেকে জানা যায়, এ সময় তাম্রলিপ্তিতে চবিবশটি বৌদ্ধ মঠ ও অনেক বৌদ্ধ সন্ন্যাসী ছিলেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১,১৮৫.
নিচের কোনটি লিবিয়ার সমুদ্রবন্দর?
  1. ক) আকাবা
  2. খ) ফুলগাজী
  3. গ) কাসাব্লাঙ্কা
  4. ঘ) বেনগাজী
ব্যাখ্যা
ভূমধ্যসাগরের তীরে অবস্থিত বেনগাজী লিবিয়ার প্রধান সমুদ্রবন্দর এবং দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর। এখানে লিবিয়ার পার্লামেন্ট ভবন অবস্থিত। লিবিয়ার রাজধানীর নাম ত্রিপলী।
অন্যদিকে কাসাব্লাঙ্কা হলো মরক্কোর একটি বিখ্যাত শহর। আকাবা জর্ডানের একমাত্র সমুদ্রবন্দর এবং ফুলগাজী বাংলাদেশের ফেনী জেলার একটি উপজেলার নাম।
(সূত্রঃ ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস)
১,১৮৬.
ইউরোপিয়ান পার্লামেন্ট কোথায় অবস্থিত?
  1. প্যারিস
  2. স্ট্রাসবার্গ
  3. বার্লিন
  4. মিউনিখ
ব্যাখ্যা
ইউরোপিয়ান পার্লামেন্ট হলো ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের একটি প্রতিষ্ঠান যা প্রত্যক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত হয়।
ইউরোপিয়ান পার্লামেন্টের তিনটি কার্যালয় রয়েছে। এগুলোর অবস্থান হলো:
ফ্রান্সের ট্রাসবার্গ
লুক্সেমবার্গ এবং
বেলজিয়ামের ব্রাসেলস।
লুক্সেমবার্গ কার্যালয়ে প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড, ব্রাসেলস অফিসে সংসদীয় কমিটি সমূহের সভা এবং স্ট্রাসবার্গে পার্লামেন্ট অধিবশেন বসে।
ইউরোপিয়ান পার্লামেন্টের আসন সংখ্যা ৭০৫টি।
(সূত্র: ইউরোপীয়ান পার্লামেন্ট ওয়েবসাইট)
১,১৮৭.
ফরাসি বিপ্লবের মূলমন্ত্র এর অন্তর্ভুক্ত নয় কোনটি?
  1. সাম্য 
  2. গণতন্ত্র
  3. ভ্রাতৃত্ব
  4. স্বাধীনতা
ব্যাখ্যা

- ফরাসি বিপ্লবের মূলমন্ত্র এর অন্তর্ভুক্ত নয় গণতন্ত্র।

ফরাসি বিপ্লব:

- ১৭৮৯ সালের ১৪ জুলাই বাস্তিল দূর্গ পতনের মাধ্যমে ফরাসি বিপ্লব শুরু হয়।
- এই বিপ্লব দশ বছর স্থায়ি হয়েছিল।
- এই বিপ্লবের মূল মন্ত্র ছিলো স্বাধীনতা, সাম্য ও ভ্রাতৃত্ব।
- এ সময় ফ্রান্সের রাজা ছিলেন ষোড়শ লুই।
- ১৭৯৩ সালের ২১ জানুয়ারি রাজা ষোড়শ লুইকে গিলোটিনে হত্যা করা হয়।
- লেখনীর মাধ্যমে বিখ্যাত দার্শনিক রুশো ও ভলতেয়ার ফরাসি বিপ্লবের অনুপ্রেরণা যুগিয়েছিলেন।
- ফরাসি বিপ্লবের শিশু বলা হয় নেপোলিয়ন বোনাপার্টকে।
- নেপোলিয়ন বোনাপার্ট এই বিপ্লবের আদর্শ দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিলেন।
- এবং বিপ্লবের পরবর্তী সময়ে তিনি ফ্রান্সের একজন প্রভাবশালী সামরিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বে পরিণত হন। 

উৎস: i) ইতিহাস-৪, বিএ এবং বিএসএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) ব্রিটানিকা।

১,১৮৮.
নব্যপ্রস্তর যুগের কীর্তি -
  1. আগুন জ্বালানোর কৌশল আবিষ্কার
  2. কাপড় বুনন
  3. চাকার আবিষ্কার
  4. বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
নব্যপ্রস্তর যুগ:
- আদি মানব এক সময় নতুন পাথরের যুগে প্রবেশ করে।
- এ সময় তৈরি পাথরের অস্ত্র অনেক বেশি উন্নত ছিল।
- এ যুগে মানুষ কৃষিকাজ শিখেছিল।
- কৃষি আর পশু পালন ছিল মানুষের প্রধান পেশা।
- এরই পাশাপাশি মাটির রকমারি বাসন-কোসন তৈরি করতে শিখল।
- নব্য প্রস্তরযুগের গুরুত্বপূর্ণ একটি কীর্তি হল চাকার আবিষ্কার।
- কৃত্রিম পদ্ধতিতে আগুন জ্বালানোর কৌশল আয়ত্ত্ব এবং এর ব্যাপক ব্যবহার নব্য প্রস্তর যুগের অর্জন।
- নব্য প্রস্তরযুগের শেষপর্যায়ে এসে সীমিত আকারে তামার ব্যবহার শুরু হয়।
- নতুন পাথরের যুগের মানুষ কাপড় বুনতে পারতো
- শিকারি জীবনের অবসান হওয়ায় এ যুগের মানুষ স্থায়ী বসতি স্থাপন করে।
- মানুষ স্থায়ী বসবাস গড়ার কারণেই ধীরে ধীরে গ্রামের বিকাশ ঘটলো।
- নতুন পাথরের যুগের সংস্কৃতির প্রধান কেন্দ্র ছিল সিন্ধু নদীর উপত্যকা এবং বেলুচিস্তান।
- দক্ষিণ ভারতে পাওয়া যায় উন্নত ধরনের পাথরের কুঠার।
- এ যুগে মৃতদেহকে কবর দেয়া হতো।
- কবরের উপরে তৈরি করা হতো সমাধি।

উৎস: সমাজবিজ্ঞান দ্বিতীয়পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১৮৯.
মাহাথির মোহাম্মদ টানা কত বছর মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন?
  1. ২২ বছর
  2. ২৩ বছর
  3. ২৪ বছর
  4. ২৫ বছর
ব্যাখ্যা
মাহাথির মোহাম্মদ:

- একুশ বছর বয়সে ইউনাইটেড মালয়স ন্যাশনাল অর্গানাইজেশন নামে একটি রাজনৈতিক দলে যোগ দেন, যেটির সংক্ষিপ্ত রূপ ইউএমএনও। দলটি আমনো নামে বেশি পরিচিত।
- সে সময় ডাক্তারি পেশায় ছিলেন তিনি। রাজনীতির পাশাপাশি নিজের এলাকায় সাত বছর ধরে ডাক্তারি পেশার চর্চ্চা করেন তিনি।
- ১৯৬৪ সালে তিনি পার্লামেন্ট সদস্য হন।
- ১৯৬৯ সালে তিনি তার আসন হারান এবং তাকে দল থেকে বরখাস্ত করা হয়।
- মাহাথির মোহাম্মদ ১৯৮১ সাল থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত টানা ২২ বছর মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন।
- ১৯৮০ এর দশকে মালয়েশিয়ার ব্যাপক অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং রূপান্তরের জন্য তাকেই কৃতিত্ব দেয়া হয়।
- পরবর্তীতে দীর্ঘ বিরতির পর তিনি ২০১৮ সালে পুনরায় নির্বাচনে অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন।
- ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে তিনি প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেন।
- তিনি ২ দফায় মোট ২৪ বছর মালয়শিয়ার প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।
- তিনি মালয়েশিয়ার রাজনীতির 'টাইটানিক' নামে পরিচিত।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা ও ওয়ার্ল্ড এটলাস।
১,১৯০.
'জিগুরাত' কাদের ধর্ম মন্দির?
  1. অ্যাশেরীয়
  2. সুমেরীয়
  3. ব্যাবিলনীয়
  4. মিশরীয়
ব্যাখ্যা
সুমেরীয় সভ্যতার অবস্থান ও সময়কাল
- মেসোপটেমীয় অঞ্চলে বসতি গড়ে তোলায় প্রথম নেতৃত্ব দেয় সুমেরীয়রা।
- সুমেরী একটি জাতির নাম। তাদের আদি বাসস্থান ছিল মেসোপটেমিয়ার (বর্তমান ইরাক) উত্তর-পূর্বে অবস্থিত এলামের পাহাড়ি অঞ্চলে।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে খ্রিস্টপূর্ব ৪০০০ অব্দে এদের একটি শাখা মেসোপটেমিয়ার দক্ষিণে বসতি গড়ে তোলে।
- তাদের নামানুসারে এ অঞ্চলটির নাম সুমেরীয় অঞ্চল। আর তাদের সভ্যতাকে বলা হয় সুমেরীয় সভ্যতা।
- সুমেরীয়রা খ্রিস্টপূর্ব ৩৫০০ অব্দের পূর্বেই সুমেরু নগর গড়ে তোলে।

সুমেরীয়দের সামাজিক অবস্থা
- সুমেরীয় সমাজের মানুষ বিভিন্ন শ্রেণীতে বিভক্ত ছিল।
যেমন- অভিজাত সম্প্রদায়: উচ্চ শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত ছিল শাসক, পুরোহিত, অভিজাত, সামন্ত প্রভু, বণিক, শিল্পমালিক এবং উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তা।
মধ্য শ্রেণী: মধ্য শ্রেণীতে অবস্থান ছিল চিকিৎসক, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের স্বাধীন ভূমিমালিক (কৃষক) শ্রমিক।
নিম্ন শ্রেণী: নিম্ন শ্রেণীর অধিবাসী ছিল দাস, ভূমিদাস ও সাধারণ শ্রমিক তথা সর্বসাধারণ।

ধর্ম:
- সুমেরীয় ধর্মের কয়েকটি বৈশিষ্ট্য ছিল।
• প্রথমত, সুমেরীয়রা বহু দেবতায় বিশ্বাসী ছিল।
• দ্বিতীয়ত, সুমেরীয় ধর্ম ছিল ইহজাগতিক ধর্ম।
• তৃতীয়ত, সুমেরীয় ধর্মে নৈতিকতা অনুপস্থিত ছিল।
- তারা বৃষ্টি, বাতাস, পানি, উর্বরতা, প্লেগ রোগ ইত্যাদি প্রাকৃতিক শক্তিকে দেবতা মনে করত।
- তাদের কেন্দ্রীয় ধর্মমন্দিরকে বলত 'জিগুরাত' আর ধর্মগুরুকে বলত 'পাতেজি'।

উৎস: উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের এইচএসসি প্রোগ্রামের ইতিহাস প্রথম পত্র।
১,১৯১.
ইউরোপের দেশ 'নেদারল্যান্ডস' নামটির বাংলা অর্থ কোনটি?
  1. নিম্ন ভূমি
  2. সমতল ভূমি
  3. উর্বর ভূমি
  4. উচ্চ ভূমি
ব্যাখ্যা

নেদারল্যান্ডস:
- নেদারল্যান্ডস উত্তর-পশ্চিম ইউরোপের একটি দেশ।
- ইউরোপের দেশ 'নেদারল্যান্ডস' নামটির বাংলা অর্থ নিম্ন ভূমির দেশ।
- দেশের বেশিরভাগ অংশ জুড়ে অবস্থিত নিম্নভূমিগুলি মূলত সমতল ভূখণ্ড দ্বারা গঠিত।
- এই অঞ্চলের বেশিরভাগ অংশ সমুদ্রপৃষ্ঠের উপরে বা নীচে অবস্থিত।
- দেশটি হল্যান্ড নামেও পরিচিত।
- নেদারল্যান্ডস সাংবিধানিক রাজার অধীনে একটি সংসদীয় গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র।
- দেশটির উত্তর ও পশ্চিমে উত্তর সাগর , পূর্বে জার্মানি এবং দক্ষিণে বেলজিয়াম অবস্থিত।
- দেশটির মোট আয়তন: প্রায় ২,৫০০ বর্গমাইল (৬,৫০০ বর্গকিলোমিটার)।
- রাজধানী: আমস্টারডাম।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা।

১,১৯২.
কুর্দি জাতির বসবাস নেই-
  1. ক) ইরাকে
  2. খ) জর্ডানে
  3. গ) তুরস্কে
  4. ঘ) ইরানে
ব্যাখ্যা
কুর্দিরা মধ্যপ্রাচ্যের একটি প্রাচীন জাতি। এরা সংখ্যায় আড়াই থেকে সাড়ে তিন কোটির মতো যা মধ্যপ্রাচ্যের চতুর্থ বৃহত্তম জাতিগোষ্ঠী। তুরস্ক, ইরাক, ইরান, সিরিয়া ও আর্মেনিয়ার জুড়ে এদের বসবাস। কুর্দিদের অধিকাংশই সুন্নি মুসলিম। কুর্দিরা দীর্ঘদিন ধরে মধ্যপ্রাচ্যে নিজেদের জন্যে একটি স্বতন্ত্র রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় চেষ্টা ও লড়াই করে আসছে। কিন্তু আজ অবধি তা সম্ভব হয়নি। (সূত্রঃ বিবিসি ওয়ার্ল্ড)
১,১৯৩.
আকিয়াব কোন দেশের সমুদ্র বন্দর?
  1. ইরাক
  2. ইরান
  3. জর্ডান
  4. মিয়ানমার
ব্যাখ্যা

- আকিয়াব মিয়ানমারের একটি সমুদ্রবন্দর।

অন্যদিকে
- জর্ডানের সমুদ্রবন্দরের নাম- আকাবা।
- ইরানের সমুদ্র বন্দর- বন্দর আব্বাস ।
- ইয়েমেনের সমুদ্র বন্দর- এডেন।

• বিভিন্ন সমুদ্রবন্দরের নাম:
- জেদ্দা ও দাম্মাম : সৌদি আরবের সমুদ্রবন্দর
- পোর্ট সুদান : সুদানের সমুদ্রবন্দর।
- 'মন্ট্রিল', 'কুইবেক', 'ভ্যাঙ্কুভার' সমুদ্রবন্দর অবস্থিত কানাডায়।
- 'গ্লাসগো' সমুদ্র বন্দর অবস্থিত স্কটল্যান্ডে।
- আন্টওয়ার্প : বেলজিয়ামের সমুদ্রবন্দর।
- রটারডাম : নেদারল্যান্ডসের সমুদ্রবন্দর।
- ডানজিগ : পোল্যান্ডের সমুদ্রবন্দর।
- হামবুর্গ ও ডুইসবার্গ : জার্মানির সমুদ্রবন্দর।

উৎস: worldatlas.com

১,১৯৪.
বাইজান্টাইন সাম্রাজ্যের পতনের পিছনে কে রয়েছেন?
  1. আর্তুগুল গাজি
  2. উসমানীয় খলিফা দ্বিতীয় মুরাদ
  3. প্রথম সুলাইমান
  4. উসমানীয় খলিফা দ্বিতীয় মোহাম্মদ
ব্যাখ্যা
বাইজান্টাইন সাম্রাজ্য:
- খ্রিস্টপূর্ব ৭৫৩ সালে ইতালির টাইবার নদীর তীরে রোম নগরী স্থাপিত হয়।
- এই নগরীর গোড়াপত্তন করেন রোমাস ও রমুলাস নামে দুই ভাই।
- এই বিশাল সাম্রাজ্য শাসনের জন্য রোমান সম্রাট কনস্টানটাইন সাম্রাজ্যের পূর্বাঞ্চলে কৃষ্ণসাগর তীরবর্তী বাইজান্টিয়াম নামক স্থানে দ্বিতীয় রাজধানী প্রতিষ্ঠা করেন।
- ৩৩০ সালে প্রতিষ্ঠিত এই দ্বিতীয় রাজধানীর নামকরণ করা হয় কনস্টান্টিনোপল।
- পূর্ব রাজধানীকে কেন্দ্র করে রোমান সাম্রাজ্যের পূর্বাঞ্চল তথা পূর্ব ইউরোপ, পূর্ব-ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চল, কৃষ্ণসাগরীয় অঞ্চল, এশিয়া মাইনরসহ পশ্চিম এশিয়া অঞ্চল শাসিত হতো।

⇒ বাইজান্টাইন সাম্রাজ্যের পতন:
- পশ্চিম এশিয়া অঞ্চলে ইসলামী সভ্যতার উত্থান ও বিকাশের পটভূমিতে বাইজান্টাইন সাম্রাজ্যের সীমা ষষ্ঠ শতাব্দী থেকে ক্রমাগত সংকুচিত হয়ে পড়তে থাকে।
- আব্বাসীয় শাসনামল পর্যন্ত ইসলামী সাম্রাজ্য পশ্চিম ইউরোপের স্পেন, সমগ্র উত্তর আফ্রিকা, মধ্য এশিয়া এবং দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চল পর্যন্ত বিস্তৃত হয়।
- ১২৫৮ সালে মোঙ্গল নেতা হালাকু খানের হাতে বাগদাদের পতন ঘটার পর ইসলামী সভ্যতার নেতৃত্ব গ্রহণ করে ওসমানীয় তুর্কিরা।
- চতুর্দশ শতাব্দী থেকে ওসমানীয় তুর্কিদের শক্তি ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পায়।
- ১৪৫৩ সালে উসমানীয় খলিফা দ্বিতীয় মোহাম্মদের হাতে বাইজান্টাইন সাম্রাজ্যের রাজধানী কনস্টান্টিনোপলের পতন ঘটে।
- পরবর্তী পর্যায়ে তুর্কি শক্তি সমগ্র গ্রিস অঞ্চলসহ পূর্ব ইউরোপের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে তাদের সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করে।
- ১৪৫৩ সাল ইউরোপ তথা পৃথিবীর ইতিহাসে একটি মাইল ফলক হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে।

উৎস: আধুনিক ইউরোপের ইতিহাস, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১৯৫.
'I have a dream' শীর্ষক বিখ্যাত ভাষণটি কত সালে প্রদান করা হয়?
  1. ক) ১৯৬২ সালে
  2. খ) ১৯৬৩ সালে
  3. গ) ১৯৬৫ সালে
  4. ঘ) ১৯৬৮ সালে
ব্যাখ্যা
• মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র:
- মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একজন সমাজকর্মী ও বর্ণবাদবিরোধী নেতা।
- তিনি আজীবন বর্ণবাদ ও আমেরিকার নিপীড়িত মানুষের অধিকার আদায়ের জন্যে সংগ্রাম করে গেছেন।
- ১৯৬৩ সালের ২৮ আগস্ট ওয়াশিংটন ডিসির লিঙ্কন মেমোরিয়ালের সম্মুখে তিনি তার বিখ্যাত 'I Have a Dream' ভাষণটি প্রদান করেন।
- সেখানে তিনি এমন একটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্বপ্নের কথা বলেছিলেন যা বিচ্ছিন্নতা এবং বর্ণবাদ মুক্ত।
- ১৯৬৪ সালে তিনি নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- ১৯৬৮ সালের ৪ এপ্রিল তিনি যুক্তরাষ্ট্রের মেম্ফিস শহরে আততায়ীর গুলিতে তিনি মারা যান।
- মার্টিন লুথার হলেন খ্রিস্টান প্রোটেস্টেন্ট সম্প্রদায় ধর্মীয় নেতা।

উৎস: Britannica & History.com
১,১৯৬.
নিচের কোন যুদ্ধটি "The Great War” নামে পরিচিত?
  1. ক) আরব-ইসরাইল যুদ্ধ
  2. খ) উপসাগরীয় যুদ্ধ
  3. গ) দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ
  4. ঘ) প্রথম বিশ্বযুদ্ধ
ব্যাখ্যা
⇨ গত শতাব্দীর প্রথম ভাগে বিশ্বের পরাশক্তিগুলো প্রধানত ইউরোপে এক রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে। ১৯১৪ সাল থেকে ১৯১৮ সাল পর্যন্ত সময়ে সংঘটিত এই যুদ্ধটি প্রথম বিশ্বযুদ্ধ নামে পরিচিত।
⇨ প্রথম বিশ্বযুদ্ধ “মহাযুদ্ধ ” বা "The Great War” নামে ইতিহাসে বিখ্যাত। এই যুদ্ধের মাধ্যমে বিশ্ব প্রথম সামরিক শক্তির সর্বগ্রাসী চেহারা প্রত্যক্ষ করে। এর আগে কোন যুদ্ধে এতো প্রাণহানি ঘটে নি।
⇨ চার বছরের যুদ্ধে প্রায় ১ কোটি ৬০ লক্ষ মানুষের প্রাণহানি ঘটে। সবচেয়ে বেশি প্রায় ৩৭ লাখ প্রাণহানি ঘটে রাশিয়ার। 

একনজরে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ
▪ যুদ্ধ সংঘটনকাল:- ২৮ জুলাই, ১৯১৪ — ১১ নভেম্বর, ১৯১৮ খ্রিস্টাব্দ।
▪ অক্ষশক্তি:- জার্মানি, অস্ট্রিয়া, হাঙ্গেরি, বুলগেরিয়া, গ্রীস ও তুরস্ক।
▪ মিত্রশক্তি:- রাশিয়া, ব্রিটেন, ফ্রান্স, যুক্তরাষ্ট্র, ইতালি, জাপান, চীন, সার্বিয়া, রোমানিয়া ও বেলজিয়াম প্রভৃতি দেশ।  
▪ ফলাফল:- মিত্রশক্তি বিজয়ী।    

তথ্যসূত্র:- ব্রিটানিকা।
১,১৯৭.
‘দ্য ফোর্থ ইন্ডাস্ট্রিয়াল রেভল্যুশন’ গ্রন্থটির লেখক কে?
  1. নাসিম নিকোলাস তেলেব
  2. মার্ক সিনগার
  3. ক্লাউস শোয়েব
  4. জেরেমি রিফকিন
ব্যাখ্যা
দ্য ফোর্থ ইন্ডাস্ট্রিয়াল রেভ্যুলেশন: 
- বিশ্ব অর্থনীতি ফোরামের চেয়ারম্যান ক্লাউস শোয়েব তার ‘দ্য ফোর্থ ইন্ডাস্ট্রিয়াল রেভ্যুলেশন’ বইতে চতুর্থ শিল্প বিপ্লব নিয়ে আলোচনা করেছেন।
- ওয়ালি-উল-মারূফ মতিন কর্তৃক বাংলাভাষায় একমাত্র অনুমোদিত অনুবাদ গ্রন্থ।
- ফোর্থ ইন্ডাস্ট্রিয়াল রেভল্যুশনে মূল নিয়ামকরূপে কাজ করছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, দক্ষতা, সর্বেোপরি ডিজিটাল, ফিজিক্যাল ও বায়োলজিক্যাল সিস্টেমের এক অপূর্ব সমন্বয়।
- পূর্বের শিল্প বিপ্লবগুলো ছিল বেশিরভাগ ফিজিক্যাল সিস্টেমনির্ভর, অথচ ইতিহাসে এই প্রথম মানসিক দক্ষতা ও ডিজিটাল সিস্টেমকে প্রাধান্য দিয়ে একটি শিল্প বিপ্লবের সূচনা হয়েছে।

সূত্র: বিশ্ব অর্থনীতি ফোরামের ওয়েবসাইট।
১,১৯৮.
শ্রীলঙ্কার মুদ্রার নাম কি?
  1. ডলার
  2. পাউন্ড
  3. টাকা
  4. রুপী
ব্যাখ্যা
শ্রীলংকা:
- শ্রীলংকা দক্ষিণ এশিয়ার একটি দ্বীপরাষ্ট্র।
- এটি ভারত মহাসাগরে, বঙ্গোপসাগরের দক্ষিণ-পশ্চিমে ও আরব সাগরের দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত।
- রাজধানী: শ্রী জয়বর্ধনপুর কোট্টে।
- বৃহত্তম নগরী: কলম্বো।
- মুদ্রা: শ্রীলঙ্কান রুপি।

⇒ শ্রীলংকার বর্তমান প্রধানমন্ত্রী হরিণী অমরাসুরিয়া।
- শ্রীলংকার প্রধানমন্ত্রী হিসাবে হরিণী অমরাসুরিয়াকে নিয়োগ দিয়েছেন দেশটির বামপন্থি প্রেসিডেন্ট অনূঢ়া কুমার দিশানায়েকে।
- তিনি শ্রীলংকার ১৬তম প্রধানমন্ত্রী।
- সেপ্টেম্বর, ২০২৪-এ তিনি প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন।
- দেশটির ১৫তম প্রধানমন্ত্রী দীনেশ গুণবর্ধনের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন অমরাসুরিয়া।

⇒ শ্রীলংকার বর্তমান প্রেসিডেন্ট অনূঢ়া কুমারা দিশানায়েকে।
- মার্ক্সবাদী নেতা অনূঢ়া কুমারা দিশানায়েকে ন্যাশনাল পিপলস পাওয়ার (এনপিপি) জোটের নেতা।
- সেপ্টেম্বর, ২০২৪-এ তিনি প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন।

উৎস: Britannica.
১,১৯৯.
ইউরো মুদ্রা কবে থেকে নোট এবং মুদ্রা হিসেবে প্রচলন শুরু করে?
  1. ১ জুলাই, ১৯৯৯
  2. ১ জানুয়ারি, ১৯৯৯
  3. ১ জুলাই, ২০০২
  4. ১ জানুয়ারি, ২০০২
ব্যাখ্যা
ইউরো মুদ্রা ১লা জানুয়ারি, ২০০২ সাল থেকে নোট এবং মুদ্রা হিসেবে বাজারে প্রচলন শুরু করে। এর আগে, ১৯৯৯ সালের ১লা জানুয়ারি ইউরো একটি হিসাবরক্ষণ মুদ্রা হিসেবে চালু হয়েছিল।

ইউরো (€):
- ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহের একক মুদ্রার নাম ইউরো।
- ইউরো মুদ্রার জনক রবার্ট মুন্ডেল।
- ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক ১ জানুয়ারি, ১৯৯৯ তারিখে 'ইউরো' মুদ্রা চালু করে।
- ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোতে 'ইউরো' মুদ্রা একক মুদ্রা হিসেবে ১ জানুয়ারি, ২০০২ সালে কার্যকর হয়।

উল্লেখ্য,
⇒ ইউরো মুদ্রা প্রবর্তনের সিদ্ধান্ত ম্যাসট্রিক্ট চুক্তি (Maastricht Treaty) এর মাধ্যমে নেওয়া হয়। এই চুক্তিটি ১৯৯২ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি স্বাক্ষরিত হয় এবং ১৯৯৩ সালের ১ নভেম্বর কার্যকর হয়। স্বাক্ষর করে ১২টি ইউরোপীয় দেশ। ম্যাসট্রিক্ট চুক্তিতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (EU) সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে একটি আর্থিক ও অর্থনৈতিক ইউনিয়ন প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের পরিকল্পনা করা হয়, যার অংশ হিসেবে ইউরো মুদ্রার প্রবর্তনও অন্তর্ভুক্ত ছিল। ম্যাসট্রিক্ট চুক্তির মাধ্যমে ইউরো মুদ্রার পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয় এবং ২০০২ সালে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোতে 'ইউরো' মুদ্রা অভিন্ন মুদ্রা হিসেবে চালু হয়।

উল্লেখ্য,
- ডেলরস রিপোর্ট ১৯৯০-১৯৯৯ সালে ইউরো অঞ্চলের জন্য তিন-পর্যায়ের প্রস্তুতি প্রস্তাব করে।
- এক দশকের প্রস্তুতির পর, ১ জানুয়ারি ১৯৯৯ তারিখে ইউরো মুদ্রা চালু হয়।
- প্রথম তিন বছর এটি ছিল একটি 'অদৃশ্য' মুদ্রা, যা শুধু অ্যাকাউন্টিং উদ্দেশ্যে এবং বৈদ্যুতিক অর্থ প্রদানের জন্য ব্যবহৃত হতো।
- তবে ১ জানুয়ারি ২০০২ তারিখে 'ইউরো মুদ্রা' কয়েন এবং ব্যাংকনোট হিসেবে চালু হয় এবং ১২টি ইউরোপীয় ইউনিয়ন দেশসমূহে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় নগদ পরিবর্তন ঘটে।

উৎস: European Union ওয়েবসাইট।
১,২০০.
কোন দেশের জনসংখ্যা সবচেয়ে বেশি?
  1. রাশিয়া
  2. জাপান
  3. বাংলাদেশ
  4. সৌদি আরব
ব্যাখ্যা

• অপশনে উল্লেখিত দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের জনসংখ্যা সবচেয়ে বেশি।

জনসংখ্যার দিক থেকে শীর্ষ ১০ দেশ (আগস্ট ২০২৪): 
১. ভারত
২. চীন
৩. যুক্তরাষ্ট্র
৪. ইন্দোনেশিয়া 
৫. পাকিস্তান
৬. নাইজেরিয়া
৭. ব্রাজিল 
৮. বাংলাদেশ
৯. রাশিয়া
১০. ইথিওপিয়া। 

উল্লেখ্য, 
ক) রাশিয়ার জনসংখ্যা - ১৪৪, ৮২০, ৪২৩ জন। 
খ) জাপানের জনসংখ্যা - ১২৩, ৭৫৩, ০৪১ জন। 
গ) বাংলাদেশের জনসংখ্যা - ১৭৩, ৫৬২, ৩৬৪ জন। 
ঘ) সৌদি আরবের জনসংখ্যা - ৩৩, ৯৬২, ৭৫৭ জন। 

উৎস: World Population Review. [Link]