বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বৈশ্বিক ইতিহাস, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা, ভূ-রাজনীতি

মোট প্রশ্ন৯,৩৩৪এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বৈশ্বিক ইতিহাস, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা, ভূ-রাজনীতি

PrepBank · পাতা ১১ / ৯৩ · ১,০০১১,১০০ / ৯,৩৩৪

১,০০১.
কোন দেশ 'Operation True Promise 3' চালু করেছে?
  1. ইরান
  2. ইসরাইল
  3. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
  4. চীন
ব্যাখ্যা
অপারেশন ‘ট্রু প্রমিজ থ্রি’:
- অপারেশন ‘ট্রু প্রমিজ থ্রি' অভিযান পরিচালনা করছে ইরান।
- ১৩ জুন, ২০২৫ তারিখে ইরানে ইসরাইলের পরিচালিত অভিযান ‘অপারেশন রাইজিং লায়ন’-এর বিপরীতে অপারেশন ট্রু প্রমিজ থ্রি অভিযান পরিচালনা করছে ইরান।

⇒  ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) ‘অপারেশন ট্রু প্রমিজ থ্রি’ নামের বৃহৎ সামরিক প্রতিশোধ শুরু করেছে।
- এ অপারেশনের মূল লক্ষ্য হলো- ইসরায়েলের বিমানঘাঁটি, রাডার ব্যবস্থা, এবং ভূগর্ভস্থ সামরিক ঘাঁটি ধ্বংস করা। 
- এই অপারেশন তিন ধাপে বাস্তবায়ন হবে-
১. প্রথম ধাপে বিমানঘাঁটি ও রাডার ব্যবস্থার ধ্বংস,
২. দ্বিতীয় ধাপে হিজবুল্লাহ ও হুতি বিদ্রোহীদের মাধ্যমে সীমান্তে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা,
৩. তৃতীয় ও চূড়ান্ত ধাপে ভূগর্ভস্থ ঘাঁটি থেকে হাইপারসনিক মিসাইল হামলা।

উল্লেখ্য,
- ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর ও অক্টোবরে ইরান 'অপারেশন ট্রু প্রমিজ-১' এবং 'ট্রু প্রমিজ-২' নামে দুটি প্রতিশোধমূলক সামরিক অভিযান পরিচালনা করেছিল।
- ওই অভিযানে শত শত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন দিয়ে ইসরায়েলের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ও গোয়েন্দা স্থাপনাগুলোতে নিখুঁতভাবে আঘাত হানা হয়।

উৎস: Tasnim পত্রিকা।
১,০০২.
জাতিসংঘের  প্রতিবেদন অনুযায়ী ইলেকট্রনিক বর্জ্যাগার কোন দেশকে বলা হয়?
  1. চীনকে
  2. যুক্তরাষ্ট্রকে
  3. জাপানকে
  4. ইউক্রেনকে
ব্যাখ্যা
চীন সম্পর্কিত তথ্য: 
- জাতিসংঘের  প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চীন বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ইলেকট্রনিক বর্জ্য ফেলার স্থান হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।
- জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী বিশ্বের ইলেকট্রনিক বর্জ্য ৭০ শতাংশের শেষ ঠিকানা হয় চীনে। 
- ল্যাপটপ, ডেস্কটপ, সেলফোন, টেলিভিশন, রেফ্রিজারেটরসহ বিভিন্ন ইলেকট্রনিক সামগ্রী ব্যবহারের অযোগ্য হলে তা ফেলে দেয়াটা স্বাভাবিক।
- কিন্তু ফেলে দেয়া এসব বর্জ্য চলে যায় বিশ্বের ইলেকট্রনিক বর্জ্যাগার চীনে।

উৎস: যুগান্তর পত্রিকা নিউজ।
১,০০৩.
পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধে জয় লাভ করে কে?
  1. ক) সম্রাট বাবর
  2. খ) সম্রাট আকবর
  3. গ) ইব্রাহীম লোদী
  4. ঘ) আহমদ শাহ আবদালী
ব্যাখ্যা
১৭৬১ সালের ১৪ জানুয়ারি মারাঠা বাহিনী এবং আহমদ শাহ আবদালী নেতৃত্বোধীন আফগান যৌথ বাহিনীর মধ্যে পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ সংঘটিত হয়৷ এতে আমহদ শাহ আবদালীর বাহিনী জয় লাভ করেন। পানিপথ ভারতের হরিয়ানা রাজ্যে অবস্থিত যা দিল্লি থেকে ৬০ মাইল উত্তরে অবস্থিত। (সূত্রঃ হরিয়ানা রাজ্যের সরকারি ওয়েবসাইট)
১,০০৪.
'লাইন অব কন্ট্রোল' বলতে কোন দুটি দেশের সীমান্তবর্তী রেখাকে চিহ্নিত করে?
  1. ইসরাইল ও জর্ডান
  2. দক্ষিণ কোরিয়া ও উত্তর কোরিয়া
  3. চীন ও তাইওয়ান
  4. ভারত ও পাকিস্তান
ব্যাখ্যা
লাইন অব কন্ট্রোল' বলতে কোন ভারত ও পাকিস্তান-এর সীমান্তবর্তী রেখাকে চিহ্নিত করে।

সিমলা চুক্তি (Simla Agreement):
- ১৯৭১ সালে ভারত পাকিস্তান সমঝোতার মাধ্যমে যে নিয়ন্ত্রণ সীমা তৈরি হয় তার নাম এল.ও.সি বা লাইন অব কন্ট্রোল।
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধকে কেন্দ্র করে পরবর্তী সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে এবং যুদ্ধবন্দীদের হস্তান্তরের উদ্দেশ্যে সিমলা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এই চুক্তির অধীনেই ভারত সব যুদ্ধবন্দিকে বিনা বিচারে পাকিস্তানে ফেরত পাঠায়।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২ জুলাই, ১৯৭২।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: সিমলা, হিমাচল প্রদেশ, ভারত।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী: ভারত ও পাকিস্তান।
- ভারতের পক্ষে: প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী।
- পাকিস্তানের পক্ষে: প্রেসিডেন্ট জুলফিকার আলী ভুট্টো।
- চুক্তির লক্ষ্য: ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ বিষয়াবলীর শান্তিপূর্ণ সমাধান, বন্ধুত্বপূর্ণ পারস্পারিক সহাবস্তান, যুদ্ধবন্দী বিনিময়, লাইন অব কন্ট্রোলকে বিরোধপূর্ণ কাশ্মীরের সীমানা হিসাবে পুনঃনির্ধারণ ইত্যাদি।

উল্লেখ্য,
আন্তর্জাতিক সীমারেখা:
- ম্যাকমোহন লাইন: ভারত ও চীন,
- র‍্যাডক্লিফ লাইন: ভারত ও পাকিস্তান,
- ডুরান্ড লাইন: পাকিস্তান ও আফগানিস্তান,
- তিন বিঘা করিডোর: ভারত ও বাংলাদেশ,
- লাইন অব অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোল (LAC ): ভারত ও চীন।

উৎস: UN Peacemaker.
১,০০৫.
East Timor was a colony of which country?
  1. ক) England
  2. খ) Netherlands
  3. গ) France
  4. ঘ) Portugal
  5. ঙ) None of these
ব্যাখ্যা
পূর্ব তিমুর দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি দ্বীপ রাষ্ট্র।
- আয়তন - ১৪,৮৭৪ বর্গকিলোমিটার।
- রাজধানী - দিলি।

ইতিহাসঃ
- ১৫২০ সালে সর্বপ্রথম পর্তুগীজরা এই দ্বীপ বসতি স্থাপন করে। পরে ১৬১৩ সালে ডাচরা দ্বীপের পশ্চিমাংশ দখল করে।
- এই দুই উপনিবেশিক শক্তি দ্বীপের দখল বা নিজেদের আধিপত্যের জন্য বিবাদে জড়ায়। ১৮১২-১৫ সাল পর্যন্ত দ্বীপটি ব্রিটিশরা শাসন করে।
- ১৮৬০ ও ১৮৯৩ সালে বিবাদমান উপনিবেশিক শক্তিগুলোর মধ্যে চুক্তির মাধ্যমে পূর্ব তিমুর শাসনের অধিকার লাভ করে পর্তুগীজরা। চুক্তি ১৯১৪ সালে কার্যকর হয়।
- ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত পূর্ব তিমুর পর্তুগালের উপনিবেশ ছিল।
- ১৯৭৫ সালে Revolutionary Front for an Independent East Timor গঠিত হয় এবং এর বেশিরভাগ অঞ্চল তাদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে এসে স্বাধীনতা ঘোষণা করে।
- ১৯৭৬ সালে ইন্দোনেশিয়া পূর্ব তিমুর আক্রমন করে দখল করে এবং এটি নিজেদের অঞ্চল বলে ঘোষণা করে।
- ১৯৯৯ সালের ৩০ আগস্ট পূর্ব তিমুরে স্বাধীনতার স্বপক্ষে গণভোট অনুষ্ঠিত হয় এবং জনসাধারণ স্বাধীনতার পক্ষে ভোট দেয়। পশ্চিম তিমুর ইন্দোনেশিয়ার সাথে থেকে যায়।
- তারপর থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত পূর্ব তিমুর জাতিসংঘের নিয়ন্ত্রণে ছিল। ২০০২ সালের এপ্রিলে Xanana Gusmão প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয় এবং জাতিসংঘ তার কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করে এবং পূর্ণাঙ্গ স্বাধীনতা লাভ করে।

উৎসঃ ব্রিটানিকা ও ওয়ার্ল্ড এটলাস।
১,০০৬.
কোন বিপ্লবের মধ্য দিয়ে বাস্তিল দুর্গের পতন ঘটে?  
  1. ফরাসি বিপ্লব
  2. শিল্প বিপ্লব 
  3. রুশ বিপ্লব
  4. বলশেভিক বিপ্লব 
ব্যাখ্যা

• বাস্তিল দুর্গ:
- ফরাসি স্বৈরতন্ত্র এবং অত্যাচারের একমাত্র প্রতীক ছিল এই বাস্তিল দুর্গ।
- এই বাস্তিল দুর্গে রাজতন্ত্রের বিরোধী ব্যক্তিদের বন্দি করে রাখা হতো ও অত্যাচার করা হতো।
- তাই জনগণের কাছে বাস্তিল দুর্গ ছিল ফরাসি রাজতন্ত্রের অত্যাচারের প্রতীক।
- রাজধানী প্যারিসে শ্রমিক ও সাধারণ জনগণ খাদ্যের দাবিতে রাজতন্ত্রের অত্যাচারের প্রতীক বাস্তিল দুর্গ আক্রমণ করে।
- ১৭৮৯ সালের ১৪ জুলাই ফ্রান্সের বিদ্রোহী জনগণ বাস্তিল দুর্গ আক্রমণ করে ধ্বংস করেছিল।
- সমস্ত বন্দিরাও মুক্তি পায়।
- বাস্তিল দুর্গের পতনের মাধ্যমে ফরাসি বিপ্লব শুরু হয়।
- বাস্তিল দুর্গের পতনের ফলে রাজা ষোড়শ লুই-এর স্বৈরশাসনের অবসান হয়।
- রাজা জাতীয় পরিষদকে স্বীকৃতি দেন এবং এই সময় থেকে রাষ্ট্রের প্রকৃত ক্ষমতা আইনসভার হাতে চলে যায়।
- ফ্রান্সের প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণের সূচনা হয় এবং অভিজাততন্ত্রের পতন আসন্ন হয়ে ওঠে।

উৎস: ব্রিটানিকা। 

১,০০৭.
Which country was part of the Allied Powers in World War I?
  1. ক) German
  2. খ) Russia
  3. গ) Austria
  4. ঘ) Hungary
ব্যাখ্যা
প্রথম বিশ্বযুদ্ধে মিত্রশক্তির অন্তর্ভূক্ত ছিলো - রাশিয়া।

• প্রথম বিশ্বযুদ্ধ ( ১৯১৪-১৯১৮):
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সূত্রপাত হয়েছিল ১৯১৪ সালের ২৮ জুন অস্ট্রিয়ার যুবরাজ আর্কডিউক ফার্ডিন্যাস্ড বসনিয়র রাজধানী সারায়েভোতে - আততায়ীর হাতে নিহত হবার ঘটনার মধ্য দিয়ে।
- যুদ্ধ শুরু হয়- ২৮ জুলাই, ১৯১৪ সালে।
- শেষ হয়- ১১ নভেম্বর, ১৯১৮ সালে।

- যুদ্ধে কেন্দ্রীয় শক্তিজোট ছিল- জার্মান, অস্ট্রিয়া, তুরস্ক, হাঙ্গেরী, বুলগেরিয়া।
- মিত্রশক্তি জোট ছিল- রাশিয়া, ফ্রান্স, সার্বিয়া, বেলজিয়াম, জাপান, বৃটেন, যুক্তরাষ্ট্র।
- যুদ্ধের ফলাফল- মিত্র শক্তির বিজয়।
- চার বছরের যুদ্ধে প্রায় ১ কোটি ৬০ লক্ষ মানুষের প্রাণহানী ঘটে।

তথ্যসূত্র: Britannica & History.com
১,০০৮.
কোন দেশে সবচেয়ে বেশি আপেল উৎপন্ন হয়?
  1. অস্ট্রেলিয়া
  2. ভারত
  3. চীন
  4. যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ খাদ্য সংস্থা [FAO] এবং USA কৃষি অধিদপ্তরের তথ্যমতে শীর্ষ আপেল উৎপাদনকারী দেশ- চীন।

উল্লেখ্য,
জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO – Food and Agriculture Organization of the United Nations) এর পরিসংখ্যান এর তথ্যানুযায়ী- বাংলাদেশ ২২ ধরনের কৃষিপণ্য উৎপাদন করার ক্ষেত্রে বিশ্বের সকল দেশের মধ্যে শীর্ষ ১০ দেশ এর  তালিকায় স্থান করে নিয়েছে।

এসব কৃষিপণ্যের তালিকায় রয়েছে -পাট, সুপারি, শুকনা মরিচ, চাল, রসুন, জাম, সুগন্ধি মসলা, মসুর ডাল, গ্রীষ্মমন্ডলীয় ফল, পেঁয়াজ, আলু, আদা, বেগুন, শিমের বিচি, নারকেলের ছোবড়া, চা, কুমড়া, আম, পেয়ারা, ফুলকপি, ব্রকলি মটরশুটি, পাখির খাদ্য ইত্যাদি।

উৎস: পত্রিকা রিপোর্ট।
১,০০৯.
‘বলিভারিয়ান বিপ্লব’ কোন দেশে সংঘটিত হয়?
  1. বলিভিয়া
  2. জর্জিয়া
  3. ইউক্রেন
  4. ভেনেজুয়েলা
ব্যাখ্যা

বলিভারিয়ান বিপ্লব:
- বলিভারিয়ান বিপ্লব ১৯৯৮ সালে ভেনিজুয়েলায় সংঘটিত হয়।
- ভেনেজুয়েলার প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি হুগো শ্যাভেজ-এর নেতৃত্বে এই বিপ্লব সংঘটিত হয়।
- এর লক্ষ্য ছিল সমাজতান্ত্রিক নীতি অনুসরণ করে অর্থনৈতিক বৈষম্য হ্রাস ও জনকল্যাণমূলক সংস্কার।

উল্লেখ্য,
- ১৯৯৮ সালে হুগো শ্যাভেজ প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়ে সরকার গঠনের পর দেশের এই ক্ষমতা ভারসাম্যের আমূল পরিবর্তনের চেষ্টা নেন, সাইমন বলিভারের বিপ্লবী ঐতিহ্যের সঙ্গে যুক্ত করেন দেশে জনক্ষমতা প্রতিষ্ঠার চেষ্টাকে, নাম দেন বলিভারিয়ান বিপ্লব।

উৎস: History.com

১,০১০.
আরব বসন্তের সূচনা হয় কোন দেশে?
  1. লিবিয়া
  2. তিউনিসিয়া
  3. সিরিয়া
  4. লেবানন
ব্যাখ্যা
আরব বসন্ত:
- আরব বসন্ত বলতে আরবের বিভিন্ন দেশের গণজাগরণকে বুঝায়।
- ২০১০ সালের শেষের দিকে শুরু হওয়া আরব রাষ্ট্রগুলোর জনগণের বিভিন্ন দাবিতে বিক্ষোভ ও আন্দোলন সংগঠিত হয় বলে এটি আরব বসন্ত বা আর রবিউল আরাবি নামে বিশ্বব্যাপী পরিচিত হয়ে ওটে।
- এই আন্দোলনের মাধ্যমে এই অঞ্চলের বহু দেশেই দীর্ঘকাল ধরে শাসনকারী স্বৈরশাসকরা ক্ষমতা থেকে উৎখাত হন
- এতে মূলত সামাজিক মাধ্যমে আন্দোলনগুলোর প্রসার এবং আঞ্চলিক মিডিয়ার ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

⇒ আরব বসন্তের সূচনা হয় তিউনিসিয়ায় জেসমিন বিপ্লবের মাধ্যমে।
- তিউনিসিয়া উত্তর আফ্রিকা মহাদেশের একটি দেশ।
- ২০১০ এবং ২০১১ সালে মধ্যপ্রাচ্য এবং উত্তর আফ্রিকায় গণতন্ত্রপন্থী বিক্ষোভ এবং বিদ্রোহের ঢেউ শুরু হয়েছিল।
- এই বিক্ষোভ পরে মিশর, লিবিয়া, সিরিয়া, ইয়েমেনসহ বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে যায়।
- প্রথমে মিশরের প্রেসিডেন্ট হোসনি মুবারকের পতন হয়।
- পরে লিবিয়ায় মুয়াম্মর আল-গাদ্দাফি জমানার অবসান হয়।
- এক হিসাবে বলা হয় আরব বসন্তের ফলে মাত্র পৌনে দুই বছরে লিবিয়া, সিরিয়া, মিশর, তিউনিসিয়া, বাহরাইন ও ইয়েমেনের মোট ক্ষতি হয়েছে দুই হাজার ৫৬ কোটি ডলার।


উৎস: i) Britannica.
ii) Al Jazeera.
১,০১১.
সম্প্রতি কোন দেশ 'সারমত ক্ষেপণাস্ত্র' তৈরি করেছে?
  1. রাশিয়া
  2. ইউক্রেন
  3. জার্মানি
  4. যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
'সারমত ক্ষেপণাস্ত্র' তৈরি করেছে - রাশিয়া।

• সারমত ক্ষেপণাস্ত্র:

- সম্প্রতি সারমত ক্ষেপণাস্ত্রগুলোকে যুদ্ধকালীন সময়ে মোতায়েন করেছে রাশিয়া।
- ১৯৮০ এর দশকের আন্তমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র (আইসিডএমবি) ব্যবস্থার বদলে এই সারমত ক্ষেপণাস্ত্র বানানো হয়।
- সারমতের ওজন ২০০ টনের বেশি। এই ক্ষেপণাস্ত্র ১৮ হাজার কিলোমিটার (১১ হাজার মাইল) পর্যন্ত লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালাতে সক্ষম। 
- আরএস-২৮ সারমত ক্ষেপণাস্ত্র ১০ টন ওজনের এমআইআরভি ওয়ারহেড দিয়ে বিশ্বের উত্তর বা দক্ষিণ মেরু যেকোনো স্থানে আঘাত হানতে সক্ষম।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।[লিঙ্ক]
১,০১২.
মিশরীয় সভ্যতায় "মেটেরিয়া মেডিকা" কী?
  1. মিশরের একটি সামরিক দল
  2. নীলনদের একটি অংশ
  3. ঔষধের তালিকা
  4. মিশরের একটি ধর্মীয় বই
ব্যাখ্যা
মিশরীয় সভ্যতা:
- মিশরীয় সভ্যতা খ্রিস্টপূর্ব ৫০০০ থেকে ৫২৫ অব্দ পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল এবং এটি নীলনদের অববাহিকায় গড়ে ওঠা এক প্রাচীন ও সমৃদ্ধ সভ্যতা। খ্রিস্টপূর্ব ৩২০০ অব্দে নারমার বা মেনেস উচ্চ ও নিম্ন মিশরকে একত্রিত করে প্রথম ফারাও হন এবং ঐক্যবদ্ধ মিশরের সূচনা করেন।  

উল্লেখ্য, 
- লিখনপদ্ধতি ও কাগজ আবিষ্কার ছিল মিশরীয় সভ্যতার এক গুরুত্বপূর্ণ দিক।
- তারা প্রথম ২৪টি ব্যঞ্জনবর্ণের বর্ণমালা তৈরি করে।
- মিশরীয়রা শুরুতে চিত্রের মাধ্যমে ভাব প্রকাশ করত, যা ‘হায়ারোগ্লিফিক’ নামে পরিচিত।
- তারা ‘প্যাপিরাস’ নামে এক ধরনের কাগজ তৈরি করে তার উপর লেখা শুরু করে। 

মেটেরিয়া মেডিকা: 
- মিশরীয় সভ্যতায় ‘মেটেরিয়া মেডিকা’ হলো ঔষধের একটি তালিকা।
- এটি ছিল চিকিৎসাশাস্ত্রে ব্যবহৃত বিভিন্ন ওষুধ ও তাদের গুণাগুণের বর্ণনা সম্বলিত একটি গ্রন্থ।
- মিশরীয়রা অস্ত্রোপচারের মাধ্যমেও রোগ সারাতো এবং হাড় জোড়া লাগানো, হৃদপিণ্ডের গতি নির্ণয় করত।
- ‘মেটেরিয়া মেডিকা’ তাদের চিকিৎসাবিজ্ঞানের অগ্রগতির প্রমাণ।

সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ইসলামের ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০১৩.
কার হাতে বাগদাদের পতন হয়?
  1. চেঙ্গিস খান
  2. তৈমুর লং
  3. হালাকু খান
  4. কুবলাই খান
ব্যাখ্যা
বাগদাদের পতন ও হালাকু খান:
– আল্লামা ইবনে আসির (রহ.) মোঙ্গলীয় নেতা হালাকু খানের হাতে বাগদাদের পতনকে ‘ইসলামী সভ্যতার সূর্যাস্ত’ আখ্যা দিয়েছেন।
– হালাকু খান ছিলেন চেঙ্গিস খানের পৌত্র।
– তিনি ছিলেন অর্ধস্বায়ত্তশাসিত মঙ্গোল অঞ্চল ইলখানেতের শাসক।
– ১২৫৬ সালে পারস্যের বিরুদ্ধে অভিযানের মধ্য দিয়ে হালাকু খানের মুসলিমবিরোধী অভিযান শুরু হয় এবং তা শেষ হয় ১২৫৮ সালে বাগদাদ পতনের মধ্য দিয়ে।
– বাগদাদ দখল করার পর আব্বাসীয় খলিফা আল মুস্তাসিম বিল্লাহ ও তাঁর সন্তানদের হত্যা করেন।
– দামেস্কের আইয়ুবি শাসকরাও হালাকু খানের নির্দয় আক্রমণের শিকার হয়েছিলেন।
– মামলুক সুলতানের হাতে ১২৬০ সালে আইন জালুতের যুদ্ধে হালাকু খান ও তাঁর মিত্ররা (জর্জিয়া ও আর্মেনিয়া) পরাজিত হয়।

উৎস: Britannica.
১,০১৪.
Who was the president of Russia during World War II?
  1. ক) Winston Churchill
  2. খ) Joseph Stalin
  3. গ) Harry S. Truman
  4. ঘ) Edward Heath
ব্যাখ্যা
• দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ:
- ১৯৩৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর জার্মানি কর্তৃক পোল্যান্ড আক্রমণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অক্ষশক্তির অন্তর্ভুক্ত ছিলো জার্মানি, জাপান ও ইতালি।
- মিত্রশক্তিতে ছিলো ব্রিটেন, ফ্রান্স, যুক্তরাষ্ট্র, সোভিয়েত ইউনিয়ন, চীন, পোল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস প্রভৃতি দেশ।
- ৮ ডিসেম্বর, ১৯৪১ সালে যুক্তরাষ্ট্র দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সরাসরি যোগদান করে।
- ৭ মে ১৯৪৫ জার্মানি মিত্রবাহিনীর নিকট নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ করে।
- ২ সেপ্টেম্বর ১৯৪৫ জাপান কর্তৃক আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ইতিহাসে প্রথমবারের মতো পারমাণবিক অস্ত্রের দুটি ব্যবহার হয়েছিল।
- তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন তথা রাশিয়ার নেতা বা প্রেসিডেন্ট ছিলেন জোসেফ স্ট্যালিন।
- যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন উইনস্টন চার্চিল।
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট।

তথ্যসূত্র: হিস্টোরি ও ব্রিটানিকা.কম।
১,০১৫.
ESA এর পূর্ণরূপ কী?
  1. European Sports Agency
  2. European Spaced Agent
  3. European Space Agency
  4. European Supporting Agent
ব্যাখ্যা
ESA:
- ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থা ESA।
- ESA এর পূর্ণরূপ: European Space Agency।
- ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থার সদর দপ্তর ফ্রান্সের প্যারিসে অবস্থিত।
- ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সি (ESA) মহাকাশে ইউরোপের প্রবেশদ্বার।
- ESA-এর কাজ হল ইউরোপীয় মহাকাশ প্রোগ্রাম তৈরি করা এবং তা বহন করা।

উৎস:  এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
১,০১৬.
কোয়ালিশন অব দ্য উইলিং’ প্রধানত কোন যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে গঠিত হয়েছে?
  1. ইরাক যুদ্ধ
  2. সিরিয়া গৃহযুদ্ধ
  3. সুদান গৃহযুদ্ধ
  4. রুশ-ইউক্রেন যুদ্ধ 
ব্যাখ্যা

কোয়ালিশন অব দ্য উইলিং (Coalition of the willing):
- ‘কোয়ালিশন অব দ্য উইলিং’ হলো রুশ-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার ও ফ্রান্সের নেতৃত্বে গঠিত একটি জোট।
- এটি ইউক্রেনকে শক্তিশালী সমর্থন, শান্তি চুক্তি রক্ষা এবং নিরাপত্তা গ্যারান্টি প্রদানের জন্য কাজ করে।
-  ২ মার্চ, ২০২৫ তারিখে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার ও ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ ‘Coalition of the Willing’ আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেন।
- এর লক্ষ্য যুদ্ধবিরতি বা শান্তিচুক্তির পর ইউক্রেনে শান্তি বজায় রাখা এবং রাশিয়ার ভবিষ্যৎ আক্রমণ প্রতিরোধ করা।
- সদস্য: ৩৫টি দেশ (ইউরোপীয় দেশগুলো ছাড়াও কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, জাপান, তুরস্ক ইত্যাদি)।

• ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে কোয়ালিশন অব দ্য উইলিং-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্মেলন ফ্রান্সের প্যারিসে অনুষ্ঠিত হয়েছে।  
- NATO মহাসচিব মার্ক রুটে, ইউরোপীয় ইউনিয়নের (EU) শীর্ষ কর্মকর্তারা, এবং জোটভুক্ত ৩৫টি দেশের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
- উদ্দেশ্য: ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যে সম্ভাব্য শান্তিচুক্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চয়তা নিয়ে আলোচনা।

উৎস: i) The Guardian.
ii) NATO ওয়েবসাইট।

১,০১৭.
শিল্প বিপ্লব সংঘটিত হয় কোন শতকে?
  1. সতের শতকে
  2. আঠার শতকে
  3. উনিশ শতকে
  4. বিশ শতকে
ব্যাখ্যা
শিল্প বিপ্লব:
- প্রথম শিল্প বিপ্লব সংঘটন কাল: ১৭৬০-১৮৪০ সাল।
- ১৭৬০ সাল থেকে ইউরোপের দেশ ইংল্যান্ডে প্রথম শিল্প বিপ্লব শুরু হয়।
- তাই ইংল্যান্ডকে শিল্প বিপ্লবের জন্মস্থান বলা হয়।
- ইংল্যান্ডে শুরু হলেও খুব দ্রুতই ইউরোপের অন্যান্য দেশ বেলজিয়াম, ফ্রান্স, জার্মানি, রাশিয়াসহ অন্যান্য দেশে তা ছড়িয়ে পড়ে।
- ইউরোপের পাশাপাশি ১৭৯০ সালে যুক্তরাষ্ট্রে শিল্প বিপ্লবের ছোঁয়া লাগে।
- শিল্প বিপ্লবের ফলে পণ্য উৎপাদন, বাজারজাতকরণ, অর্থনৈতিক ব্যবস্থা খুব দ্রুত পরিবর্তত হতে থাকে।
- এই সময় বিভিন্ন ইঞ্জিন, যন্ত্রপাতি ও তত্ত্ব আবিষ্কার হতে থাকে।
- ফলে বিশ্বের ইতিহাসও খুব দ্রুত পরিবর্তন হতে থাকে।

উৎস: Britannica.
১,০১৮.
কোন বিপ্লব নেপোলিয়ন বোনাপার্টের ক্ষমতাগ্রহণের মাধ্যমে শেষ হয়?
  1. ফরাসি বিপ্লব
  2. রুশ বিপ্লব
  3. জেসমিন বিপ্লব
  4. ভেলভেট বিপ্লব
ব্যাখ্যা
ফরাসি বিপ্লব: 
- ফরাসি বিপ্লব ছিল বিশ্ব ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। 
- এটি ১৭৮৯ সালে শুরু হয়ে ১৭৯০-এর দশকের শেষের দিকে নেপোলিয়ন বোনাপার্টের ক্ষমতাগ্রহণের মাধ্যমে শেষ হয়।
- এই সময় ফরাসি জনগণ তাদের রাজনৈতিক কাঠামোকে সম্পূর্ণরূপে বদলে দেয় এবং শতাব্দীপ্রাচীন রাজতন্ত্র ও সামন্ততান্ত্রিক ব্যবস্থা ধ্বংস করে।
- বিপ্লবের মূল কারণ ছিল ফরাসি অভিজাতদের প্রতি জনগণের ক্ষোভ এবং রাজা ষোড়শ লুইয়ের ব্যর্থ অর্থনৈতিক নীতি।
- শেষ পর্যন্ত রাজা ষোড়শ লুই ও তার স্ত্রী মেরি আঁতোয়ানেতকে গিলোটিনে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়।
- এটি আধুনিক গণতন্ত্রের ভিত্তি স্থাপনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে এবং জনগণের শক্তি কীভাবে রাজনৈতিক পরিবর্তন আনতে পারে, তা প্রমাণ করে।

উৎস: History.com
১,০১৯.
দাসপ্রথা বিলুপ্তির কারণে মার্কিন কোন প্রেসিডেন্টকে হত্যা করা হয়?
  1. আব্রাহাম লিংকন
  2. অ্যান্ড্রু জনসন
  3. রিচার্ড নিক্সন
  4. বেঞ্জামিন হ্যারিসন
ব্যাখ্যা
দাসপ্রথা বিলুপ্তির কারণে মার্কিন প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকনকে হত্যা করা হয়।

যুক্তরাষ্ট্রে দাসপ্রথা বিলুপ্ত:
- ১৮৬৫ সালের ৬ ডিসেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী গৃহীত হয়।
- এই ত্রয়োদশ সংশোধনী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে দাসপ্রথা বিলুপ্ত করে।
- আব্রাহাম লিংকন-এর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে দাসপ্রথা বিলুপ্ত হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৮৬০ সালে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপাবলিকান প্রার্থী হিসাবে আব্রাহাম লিংকন ইউনাইটেড স্টেটের ১৬তম প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।
- ১৮৬০ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগেই লিংকন দাস প্রথা বিলুপ্তির পক্ষে স্পষ্ট অবস্থান নেন।
- ১৮৬৩ আনুষ্ঠানিকভাবে দাসপ্রথা বিলুপ্ত ঘোষণা করেন। 
- দক্ষিণ অঞ্চলের ১১টি স্টেট দাসপ্রথার বিলুপ্তি কোনোভাবেই মেনে নিতে পারেনি। 
- ১৮৬৩ সালের ১৯ নভেম্বর লিংকন পেনসালভেনিয়ার গেটিসবার্গের যুদ্ধক্ষেত্রে দাঁড়িয়ে এক হৃদয়স্পর্শী ভাষণে বলেন, ‘গণতন্ত্র হলো জনগণের সরকার, জনগণের দ্বারা সরকার, জনগণের জন্য সরকার।’
- ১৮৬৪ সালে আব্রাহাম লিংকন দ্বিতীয় মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।
- ১৮৬৫ সালের ১৪ এপ্রিল ফোর্ডস অডিটরিয়ামে থিয়েটারের অভিনেতা জন উইলকেস বোথ (কনফেডারেটর এর কট্টর সমর্থক)  লিংকনের মাথায় গুলি চালান। 
- ১৮৬৫ সালের ১৫ এপ্রিল পিটারসন হাউজে প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকনের মৃত্যু হয়।

উৎস: History Channel.
১,০২০.
অ্যাসিরীয়রা বিশেষভাবে কোন ক্ষেত্রে পারদর্শী ছিল? 
  1. নৌযুদ্ধ
  2. কৃষি
  3. বাণিজ্য
  4. সামরিক কৌশল
ব্যাখ্যা

- অ্যাসিরীয়রা বিশেষভাবে সামরিক কৌশল ক্ষেত্রে পারদর্শী ছিল।

 অ্যাসিরীয় সভ্যতা (Assyrian Civilization):

- অ্যাসিরীয় ছিল মেসোপটেমিয়ার উত্তরাঞ্চলের একটি যোদ্ধা জাতি।
- তারা তাদের নিষ্ঠুর যুদ্ধকৌশল এবং বিশাল সাম্রাজ্য শাসনের জন্য পরিচিত।
- মেসোপটেমিয়ার উত্তরাঞ্চল (বর্তমান উত্তর ইরাক) ছিল আসিরীয়দের মূল কেন্দ্র।
- খ্রিস্টপূর্ব ৯০০ থেকে ৬১২ অব্দ পর্যন্ত তারা সবচেয়ে শক্তিশালী ছিল।
- প্রধান শহর: আশুর (Assur) এবং নিনভেশ (Nineveh)। নিনভেশ ছিল তাদের সাম্রাজ্যের জাঁকজমকপূর্ণ রাজধানী।
- প্রধান সম্রাট: সম্রাট আশুরবানিপাল (Ashurbanipal) এবং দ্বিতীয় সারগন।
- সামরিক কৌশল:  অ্যাসিরীয়রা প্রথম লোহার তৈরি অস্ত্র ও রথ ব্যবহারের মাধ্যমে এক অপরাজেয় সেনাবাহিনী গড়ে তোলে।
- তারা অত্যন্ত সুসংগঠিত সামরিক শাসন প্রবর্তন করে।
- অসুরবানিপালের লাইব্রেরি: সম্রাট আশুরবানিপাল নিনভেশ শহরে বিশ্বের প্রথম সুশৃঙ্খল গ্রন্থাগার প্রতিষ্ঠা করেন। এখানে হাজার হাজার কিউনিফর্ম মাটির ফলক সংরক্ষিত ছিল।

• স্থাপত্য: তারা বিশাল প্রাসাদ ও পাথরের খোদাই করা চিত্রকলার (Relief Sculpture) জন্য বিখ্যাত ছিল। ডানাযুক্ত ষাঁড় বা 'লামাসু' (Lamassu) ছিল তাদের স্থাপত্যের অন্যতম প্রতীক।

• প্রশাসনিক ব্যবস্থা:  অ্যাসিরীয় তাদের বিশাল সাম্রাজ্যকে বিভিন্ন প্রদেশে বিভক্ত করে দক্ষ প্রশাসনিক ব্যবস্থা গড়ে তুলেছিল।

উৎস: ব্রিটানিকা এবং এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।

১,০২১.
আধুনিক ইতিহাসের জনক কে?
  1. ক) লিওপোল্ড ফন্ র‍্যাংকে
  2. খ) ই এইচ কার
  3. গ) হেরোডোটাস
  4. ঘ) মারটিমার হুইলা
ব্যাখ্যা
- ইতিহাসের জনক হচ্ছেন - হেরোডোটাস।
- আধুনিক ইতিহাসের জনক হচ্ছেন - লিওপোল্ড ফন্ র‍্যাংকে।
- লিওপোল্ড ফন্ র্যাংকে মনে করেন কোন কিছুই অনুসন্ধান ও সত্য বিবরণই হলো ইতিহাস।
------------------------

- ‘ইতিহাস’ শব্দটির উৎপত্তি ‘ইতিহ’ শব্দ থেকে যার অর্থ ‘ঐতিহ্য’।
- ঐতিহ্য হচ্ছে অতীতের অভ্যাস, শিক্ষা, ভাষা, শিল্প, সাহিত্য-সংস্কৃতি যা ভবিষ্যতের জন্য সংরক্ষিত থাকে। 
- ইতিহাস হলো মানব সভ্যতা ও মানব সমাজের অগ্রগতির ধারাবাহিক সত্যনির্ভর বিবরণ।
- বিভিন্ন জাতি গোষ্ঠির উত্থান পতনের সত্যনিষ্ঠ বর্ণনা ইতিহাসের বিষয়বস্তু।
- গ্রিক পণ্ডিত হেরোডোটাস সর্বপ্রথম বিজ্ঞান সম্মতভাবে মানুষের অতীতের অভ্যাস, শিক্ষা, ভাষা, শিল্প, সাহিত্য-সংস্কৃতি কাহিনি ধারাবাহিকভাবে রচনার চেষ্টা করেছিলেন বলে তাকে ইতিহাসের জনক বলা হয়।
- সর্বোপরি ইতিহাস পাঠ মানুষের মধ্যে দেশপ্রেম, আত্মমর্যাদাবোধ এবং জাতীয়তাবোধেরও জন্ম দেয়।


উৎস:  হিস্টোরি ডট কম, বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০২২.
জলঘড়ি ও চন্দ্রপঞ্জিকা আবিষ্কার করে-
  1. ব্যাবিলনীয়রা
  2. অ্যাশেরীয়রা
  3. সুমেরীয়রা
  4. ক্যালেডীয়রা
ব্যাখ্যা

- পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতা মেসোপটেমীয় সভ্যতা।
- মেসোপটেমীয় সভ্যতার পর্যায় ছিল ৪টি। যথা:
১. সুমেরীয় সভ্যতা,
২. ব্যাবিলনীয় সভ্যতা,
৩. অ্যাশেরীয় সভ্যতা ও
৪. ক্যালেডীয় সভ্যতা।
- মেসোপটেমিয়ায় গড়ে ওঠা সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতা সুমেরীয় সভ্যতা।
- জলঘড়ি ও চন্দ্র পঞ্জিকা আবিষ্কারে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে সুমেরীয়রা।
- তবে সুমেরীয় সভ্যতার সবচেয়ে বড় অবদান চাকা আবিষ্কার।
- বৃত্তকে ৩৬০° কোণে ভাগ করে অ্যাশেরীয়রা।
- সভ্যতায় অ্যাশেরীয়দের অবদান সমরবাদী, যুদ্ধবিদ্যা, অস্ত্র ও হাতিয়ার তৈরি।
- পৃথিবীর প্রথম লিখিত আইনের প্রচলন হয় ব্যাবিলনে।
- সর্বপ্রথম পঞ্জিকার প্রচলন করে ব্যাবিলনীয় সভ্যতায়।
- সভ্যতায় ব্যাবিলনিয়দের অবদান ছিল আইন প্রণয়নে।
- ব্যাবিলনীয়দের আইন হাম্মুরাবির আইন নামে পরিচিত ছিল।
- ৭ দিনে সপ্তাহ গণনা শুরু করে ক্যালেডীয়রা।
- প্রতিদিনকে ১২ জোড়া ঘন্টায় ভাগ করার পদ্ধতি বের করে ক্যালেডীয়রা।
- ক্যালেডীয় সভ্যতা গড়ে তুলেছিলেন রাজা নেবুচাঁদনেজার।

১,০২৩.
'ওয়ার্ল্ড জাস্টিস প্রজেক্ট' কোন দেশভিত্তিক সংস্থা?
  1. যুক্তরাজ্য
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. জার্মানি
  4. ফ্রান্স
ব্যাখ্যা
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংস্থা ওয়ার্ল্ড জাস্টিস প্রজেক্ট (ডব্লিউজেপি) বৈশ্বিক আইনের শাসন সূচক প্রকাশ করে থাকে। 
সংস্থাটি ২০০৬ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে আইনের শাসনের এই সূচক প্রকাশ করে আসছে।
গত ১৫ অক্টোবর ২০২১ সালে, বৈশ্বিক আইনের শাসন সূচক প্রকাশ করেছে। 
২০২১ সালে আইনের শাসনের সূচকে ১৩৯টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১২৪তম। দক্ষিণ এশিয়ার ছয়টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে।
আইনের শাসন সূচকে সবচেয়ে ভালো অবস্থানে রয়েছে ডেনমার্ক, নরওয়ে ও ফিনল্যান্ড। অপর দিকে আইনের শাসনের সবচেয়ে খারাপ অবস্থা কঙ্গো, কম্বোডিয়া ও ভেনেজুয়েলায়।
উৎসঃ প্রথম আলো।
১,০২৪.
গ্রিকদের প্রধান দেবতার নাম কি ছিলো?
  1. ক) অ্যাপোলো
  2. খ) পোসিডন
  3. গ) এথেনা
  4. ঘ) জিউস
ব্যাখ্যা
প্রাচীন গ্রিসের অধিবাসীরা বিভিন্ন দেবদেবীর পূজা করতো। তাদের দেবদেবীর সংখ্যা ছিল বারোজন। এদের মধ্যে প্রধান দেবতা ছিলো জিউস। অ্যাপোলো ছিলো সূর্য দেবতা। পোসিডন সাগরের দেবতা এবং এথেনা জ্ঞানের দেবী।
(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
১,০২৫.
সম্প্রচার প্রতিষ্ঠান BBC এর পূর্ণরূপ কোনটি?
  1. British Broadcasting Corporation
  2. British Broadcasting Company
  3. Broadcast and Business Corporation
  4. Broadcast and Business Commission
ব্যাখ্যা
• BBC:
- পূর্ণরূপ: British Broadcasting Corporation।

- BBC একটি যুক্তরাজ্যভিত্তিক সরকারী গণমাধ্যম সংস্থা, যা ১৯২২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি বিশ্বের প্রাচীনতম এবং বৃহত্তম সম্প্রচার সংস্থা।
- প্রধান কার্যালয়: লন্ডন।
- এটি টেলিভিশন, রেডিও এবং অনলাইন প্ল্যাটফর্মে সংবাদ, ডকুমেন্টারি, শিক্ষা, বিনোদনসহ বিভিন্ন প্রোগ্রাম সম্প্রচার করে।

উৎস: BBC ওয়েবসাইট।
১,০২৬.
কোন দেশে একটি সড়কের নামকরণ করা হয়েছে 'বাংলাদেশ স্ট্রিট'?
  1. আইভরিকোস্ট
  2. সিয়েরা লিওন
  3. লাইবেরিয়া
  4. বেনিন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ স্ট্রিট:
- যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক নগরীর জ্যাকসন হাইটস এলাকার ৭৩ স্ট্রিটের নাম বদলে রাখা হয়েছে 'বাংলাদেশ স্ট্রিট'।
- সড়কটির নতুন নামকরণ উপলক্ষে অনুষ্ঠানে কয়েক শ অভিবাসী বাংলাদেশি যোগ দেন।
- অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন কুইন্স বরোর ১৫ ডিস্ট্রিক্ট কাউন্সিল মেম্বার ও নিউইয়র্ক শহরের সড়ক নামকরণ কমিটির চেয়ারম্যান শেখর কৃষ্ণান। 
- জ্যাকসন হাইটসের ৭৩ স্ট্রিটকে বাংলাদেশ স্ট্রিট করার প্রস্তাব আসে ২০২১ সালের সিটি কাউন্সিল নির্বাচনের সময়।
- জ্যাকসন হাইটস বাংলাদেশি বিজনেস অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ফাহাদ সোলায়মান এক মেলায় প্রথম এ দাবি তোলেন।
- এর আগে নিউইয়র্কে বাংলাদেশি অধ্যুষিত জ্যামাইকায় একটি সড়কের নাম 'বাংলাদেশ অ্যাভিনিউ' রাখা হয়েছে।
- ব্রঙ্কসের স্টালিং অ্যাভিনিউয়ের নাম বদলে রাখা হয়েছে 'বাংলা বাজার অ্যাভিনিউ'।

অন্যদিকে,
- আইভরি কোস্টে 'বাংলাদেশ সড়ক / Bangladesh Road' নামে একটি সড়ক আছে। 
- ২০০২ সালে পশ্চিম আফ্রিকার একটি দেশ সিয়েরা লিওনে অফিসিয়াল ভাষা হিসাবে বাংলা ভাষার নাম ঘোষণা করা হয়।
- তাছাড়া সিয়েরা লিওনে 'বাংলাদেশ' নামে একটি রাস্তা রয়েছে।
- 'বাংলাদেশ স্কয়ার' লাইবেরিয়ায় অবস্থিত।

[প্রশ্ন ও অপশন বিবেচনায় আইভরি কোস্ট সবচেয়ে কাছাকাছি হওয়ায় উত্তর হিসেবে নেওয়া হয়েছে।]

তথ্যসূত্র - প্রথম আলো, ২৭ মার্চ, ২০২৩।
১,০২৭.
সম্প্রতি জোহরান মামদানি নিউইয়র্ক সিটির কোন পদে নির্বাচিত হয়েছেন?
  1. সিনেটর
  2. মেয়র
  3. কাউন্সিলর
  4. গভর্নর
ব্যাখ্যা

- যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক নগরের নতুন মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী জোহরান মামদানি। 
- তিনি নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের সাবেক গভর্নর ও স্বতন্ত্র প্রার্থী অ্যান্ড্রু কুমোকে হারিয়ে জয়ী হয়েছেন।

উল্লেখ্য,
- জোহরান মামদানি নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের আইনসভার তিনবারের নির্বাচিত সদস্য। 
- তাঁর জন্ম উগান্ডায়।
- শিশু মামদানি বড় হয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার কেপটাউনে।
- সাত বছর বয়সে মা–বাবার হাত ধরে তিনি নিউইয়র্কে চলে আসেন।
- নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের আইনসভার সদস্য হওয়ার আগে জোহরান একজন কাউন্সিলর ছিলেন। এ ছাড়া তিনি একজন ‘র‍্যাপার’ও।

উৎস: প্রথম আলো।

১,০২৮.
'অরেঞ্জ বিপ্লব' কোন দেশের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা?
  1. ফ্রান্স
  2. ইতালি
  3. ইউক্রেন
  4. জার্মানি
ব্যাখ্যা
→ 'অরেঞ্জ বিপ্লব' ইউক্রেনের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। 

অরেঞ্জ বিপ্লব:
- 'অরেঞ্জ বিপ্লব' সংঘটিত হয়েছিল ইউক্রেনে।
- এটি একটি ধারাবাহিক প্রতিবাদ এবং রাজনৈতিক আন্দোলন ছিল, যা ২০০৪ সালে শুরু হয়।
- ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ ছিল এই নাগরিক আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দু।
- ২০০৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ব্যাপক কারচুপি এবং দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে, যার প্রতিবাদ হিসেবে এই আন্দোলন শুরু হয়।
- বিরোধী প্রার্থী ভিক্টর ইউশচেঙ্কো দুর্নীতি এবং স্বজনপ্রীতির বিরুদ্ধে প্রচারণা চালান।
- প্রতিবাদকারীরা ইউশচেঙ্কোর প্রচারণার রঙ (কমলা) ব্যবহার করে রাজপথে নামেন।
- ৩ ডিসেম্বর, সুপ্রিম কোর্ট নির্বাচন বাতিল করে নতুন ভোটের আদেশ দেয়।
- নতুন নির্বাচনে ইউশচেঙ্কো ৫২% ভোট পেয়ে জয়ী হন।

উল্লেখযোগ্য যে,
- ২০০৪ সালের অরেঞ্জ বিপ্লব থেকে ২০১৪ সালের মাইদান আন্দোলন পর্যন্ত ইউক্রেন রাজনৈতিক অস্থিরতা, রাশিয়ার প্রভাব এবং ইউরোপ ও রাশিয়ার মধ্যে ভারসাম্য রক্ষার জন্য সংগ্রাম করেছে।

তথ্যসূত্র: ব্রিটেনিকা ওয়েবসাইট।
১,০২৯.
শীতল মরুভূমির উদাহরণ নয় কোনটি?
  1. আর্কটিক
  2. লাদাখ
  3. অ্যান্টার্কটিকা
  4. দস্ত ই লুত
ব্যাখ্যা
মরুভূমি:
- যে স্থানের বৃষ্টিপাত ২৫ সে.মি. এর কম এবং বাস্পীভবন থেকে বৃষ্টিপাত কম তাকে মরুভূমি বলে।
- মরুভূমি ২ ধরনের।
- শীতল মরুভূমি – আর্কটিক, অ্যান্টার্কটিকা ও লাদাখ ।
- উষ্ণ মরুভূমি – দস্ত ই লুত (দাশত-ই লুত)।
- অ্যান্টার্কটিকা – পৃথিবীর সর্ববৃহৎ মরুভূমি। এটি একটি শীতল মরুভূমি।
- সাহারা মরুভূমি - পৃথিবীর সর্ববৃহৎ উষ্ণ মরুভূমি (আফ্রিকার দুঃখ)।

উৎস: Britannica.
১,০৩০.
কোন সংস্থাটি G-20 এর সদস্য?
  1. ক) আসিয়ান
  2. খ) ওআইসি
  3. গ) ইউরোপীয় ইউনিয়ন
  4. ঘ) কমনওয়েলথ
ব্যাখ্যা
• Group - 20 কে সংক্ষেপে G-20 বলা হয়। সব মহাদেশের উন্নত ও উন্নয়নশীল ২০টি দেশের অর্থনৈতিক সহযোগীতা ও বৈশ্বিক অর্থনীতি সম্পর্কিত আলোচনার জন্য জি-২০ হচ্ছে সর্বোচ্চ ফোরাম।     
• প্রতিষ্ঠাকাল:- ২৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৯ সাল।
• প্রতিষ্ঠার স্থান:- বার্লিন, জার্মানি।
• সদস্য সংখ্যা:- ২০টি (১৯টি দেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন)।

তথ্যসূত্র:- G20 ওয়েবসাইট।
১,০৩১.
মিয়ানমারের সামরিক সরকার রোহিঙ্গাদের নাগরিক সকল অধিকার বাতিল করে কত সালে? 
  1. ১৯৭৩ সালে
  2. ১৯৭৭ সালে
  3. ১৯৮২ সালে
  4. ১৯৮৭ সালে
ব্যাখ্যা

• মিয়ানমার:
- মিয়ানমার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া মহাদেশের একটি দেশ।
- প্রাচীন নাম ব্রহ্মদেশ।
- রাজধানীর নাম ইয়াঙ্গুন।
- আগে নাম ছিল রেঙ্গুন।
- এর দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের বিস্তীর্ণ উপকূল, পশ্চিমে বাংলাদেশ ও ভারত, উত্তরে চীন, পূর্বে চীন, লাওস ও থাইল্যান্ড।
- মিয়ানমারের সরকারী ভাষা বর্মী।
- কিয়াট হল মিয়ানমারের মুদ্রা।
- ১৯৪৮ সালে মিয়ানমার স্বাধীনতা লাভ করে।
- ১৯৬২ সালে মিয়ানমারের সামরিক সরকার রোহিঙ্গাদের প্রতি অমানবিক নির্যাতন করে।
- ১৯৭৮ সালে নে উইন সামরিক সরকার রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে 'অপারেশন ড্রাগন কিং' চালায়।
- ১৯৮২ সালে মিয়ানমারের নাগরিকত্ব আইনে ১৩৫টি গোত্রের জনগোষ্ঠীকে নাগরিকত্ব প্রদান করা হয় কিন্তু রোহিঙ্গাদের সেই তালিকার বাইরে রাখা হয়।


উৎস: ব্রিটানিকা

১,০৩২.
কোনটি জাপান সাগর ও পীত সাগরের মাঝে অবস্থিত?
  1. ক) বাহরাইন দ্বীপ
  2. খ) জাভা দ্বীপ
  3. গ) কোরিয়া দ্বীপ
  4. ঘ) সুমাত্রা দ্বীপ
ব্যাখ্যা
- জাপান সাগর(East Sea) ও পীত সাগরের (Yellow Sea) মধ্যে কোরিয়া উপদ্বীপ অবস্থিত। 
- উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়া নিয়ে কোরিয়া উপদ্বীপ গঠিত। 
 
উৎস : মিনেসোটা বিশ্ববিদ্যালয় ওয়েবসাইট
১,০৩৩.
হিব্রু সভ্যতার প্রধান ধর্মগ্রন্থ কোনটি?
  1. মার্কণ্ডেয়
  2. ওল্ড টেস্টামেন্ট
  3. গীজা বারা
  4. ডাসাম
ব্যাখ্যা
হিব্রু সভ্যতা:
- হিব্রু জাতি প্রাচীন মিসরীয় এবং মেসোপটেমীয় সভ্যতার পর প্রাচীন মানব সভ্যতায় অবদান রেখেছিল।
- হিব্রুদের মূল ধর্ম ইহুদী।
- ইসরাইলি জাতি হিসেবে অধিক পরিচিত।
- প্রাচীন ইউফ্রেটিস নদীর পাড় থেকে বিতাড়িত হয়ে প্যালেস্টাইনে বসতি স্থাপন করে হিব্রু জনগোষ্ঠী।
- হিব্রু শব্দের অর্থ 'বিদেশী'।
- নৃতাত্ত্বিক অর্থে হিব্রুরা কোনো নির্দিষ্ট জাতি নয়।
- হিব্রু জাতি খ্রিস্টপূর্ব ১৮০০ অব্দে তাদের আদি পুরুষ ইব্রাহিমের (আঃ) (আব্রাহাম) নেতৃত্বে উত্তর-পশ্চিম মেসোপটেমিয়ায় একত্রে বসবাস শুরু করে।
- হিব্রু ধর্মের প্রধান ধর্মগ্রন্থ: তাওরাত বা ওল্ড টেস্টামেন্ট।
- তাদের প্রধান দেবতা: জেহোভা।
- জেহোভাকে একেশ্বর বলে মনে করা হয়।
- এ যুগে ইহুদীরা জরথুস্ত্র ধর্মের প্রভাবে আসে এবং আবার একেশ্বরবাদে আকৃষ্ট হয়।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা ও ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০৩৪.
রাজনৈতিক দর্শনের বিখ্যাত গ্রন্থ ‘দ্য পলিটিক্স’ কার লেখা?
  1. সক্রেটিস
  2. এরিস্টটল
  3. প্লেটো
  4. মাকিয়াভেলি
ব্যাখ্যা

• এরিস্টটল:
-  তিনি ছিলেন একজন প্রচীন গ্রিক দার্শনিক ।
- এরিস্টটলের মতে আভিজ্ঞতাই জ্ঞানের উৎস।
-অ্যারিস্টটলের জন্ম উত্তর মেসিডোনিয়ার ক্যালসিডিক উপদ্বীপে।
- তাকে রাষ্ট্র বিজ্ঞানের জনক বলা হয়।
 - এরিস্টটলের শিক্ষক ছিলেন- প্লটো।
- তার বিখ্যাত গ্রন্থ - দ্যা পলিটিক্স।
- লাইসিয়াম তার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নাম।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ও ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,০৩৫.
জেকোবিন কী?
  1. ক) আমেরিকার বর্ণবাদী সন্ত্রাসী সংগঠন
  2. খ) ইউরোপীয় নাইট
  3. গ) ফরাসি বিপ্লবের অগ্রনায়ক ক্লাব
  4. ঘ) বিখ্যাত বেহালা বাদক
ব্যাখ্যা
ফ্রান্সের ভার্সাই শহরে ফরাসি বিপ্লবের অগ্রনায়ক ক্লাব 'জেকোবিন' যাত্রা শুরু করে। ম্যাক্সিমিলান রোবসপীয়র ছিলেন জেকোবিনের প্রতিষ্ঠাতা।
শুরুতে উদারমনা থাকলেও পরবর্তীতে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করার জন্য ক্লাবটি বিশেষভাবে সমালোচিত হয়।
উৎসঃ এনসাইক্লোপিডিয়া অব ব্রিটানিকা।
১,০৩৬.
দক্ষিণ আমেরিকা থেকে নির্বাচিত প্রথম পোপ কে?
  1. পোপ বেনেডিক্ট XVI
  2. পোপ জন পল II
  3. পোপ ফ্রান্সিস
  4. পোপ লিও XIII
ব্যাখ্যা
পোপ ফ্রান্সিস:
- পোপ ফ্রান্সিসকে বলা হয় ক্যাথলিক চার্চের মহান সংস্কারক।
- তিনি দক্ষিণ আমেরিকা থেকে নির্বাচিত প্রথম পোপ। 
- আসল নাম: জর্জ মারিও বার্গোগলিও (Jorge Mario Bergoglio)।
- জন্ম: ১৭ ডিসেম্বর ১৯৩৬, বুয়েনোস আইরেস, আর্জেন্টিনা।
- ২০১৩ সালে পোপ ফ্রান্সিস পোপ নির্বাচিত হয়েছিলেন।
- তাঁর ধর্মীয় গোষ্ঠী: জেসুইট (Society of Jesus)। 

⇒ তিনি দরিদ্রদের অধিকার, অভিবাসী সমস্যা এবং পরিবেশ রক্ষা-এই তিনটি বিষয়ের উপর তিনি জোর দিয়ে থাকেন।
- তাঁর প্রকাশিত একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল হলো "Laudato Si'" (২০১৫), যা জলবায়ু সংকট মোকাবেলা এবং পরিবেশ রক্ষার ওপর ভিত্তি করে লেখা।

উল্লেখ্য,
- তিনি ২১ এপ্রিল, ২০২৫ তারিখে মারা গিয়েছেন।

উৎস: Britannica.
১,০৩৭.
কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ কোন মহাসাগরে অবস্থিত?
  1. আটলান্টিক মহাসাগর
  2. ভারত মহাসাগর
  3. দক্ষিণ মহাসাগর
  4. প্রশান্ত মহাসাগর
ব্যাখ্যা

কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ:
- রাশিয়া ও জাপানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ দ্বীপ কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ ও শাখালিন দ্বীপপুঞ্জ।
- কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত।
- কুরিল দ্বীপপুঞ্জের অবস্থান জাপানের হোক্কাইডো দ্বীপের উত্তরে।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জাপানের কাছ থেকে এই দ্বীপগুলো সোভিয়েত ইউনিয়ন দখল করে নেয়।
- প্রশান্ত মহাসাগরের যে চারটি দ্বীপ নিয়ে রাশিয়া ও জাপানের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ এটি তার মধ্যে একটি  হলো এই কুরিল দ্বীপপুঞ্জ।
- বিতর্কিত কুরিল দ্বীপপুঞ্জের চারটির মধ্যে দ্বিতীয় সবচেয়ে বড় দ্বীপ কুনাশির। 
- চারটি দ্বীপের সমন্বয়ে এই কুরিল দ্বীপপুঞ্জকে জাপান তাদের নর্দান টেরিটরি হিসাবে অভিহিত করে।
- এমনকি এই বিরোধের কারণে রাশিয়া ও জাপান দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ অবসান ঘোষণা করে হওয়া শান্তিচুক্তিতেও আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষর করে নি।
 
তথ্যসূত্র - Britannica.com & Worldatlas.com

১,০৩৮.
'সিটি অব জয়' চলচ্চিত্রে কোন নগরীর দীনতা প্রকাশ পেয়েছে?
  1. ক) ঢাকা
  2. খ) করাচি
  3. গ) দিল্লি
  4. ঘ) কোলকাতা
ব্যাখ্যা

রোলান্ড জোফ পরিচালিত ছবি 'সিটি অব জয়'। 
- এই ছবিতে কোলকাতা শহরের দীনতা প্রকাশ পেয়েছে। 
- এই চলচ্চিত্র একজন কৃষক, একজন আমেরিকান ডাক্তার এবং একজন ব্রিটিশ নার্সের ঘটনা অবলম্বনে নির্মিত হয়েছে। 

উৎসঃ রটেন টম্যাটোস, আইএমডিবি 

১,০৩৯.
নিচের কে জাতীয় অধ্যাপক ছিলেন?
  1. ক) অধ্যাপিকা সুফিয়া আহমদ
  2. খ) অধ্যাপক আনিসুজ্জামান
  3. গ) ড. জামিলুর রেজা চৌধুরী
  4. ঘ) উপরের সকলেই
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জাতীয় অধ্যাপক ছিলেন অধ্যাপিকা সুফিয়া আহমদ (প্রথম নারী), অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান, ড. জামিলুর রেজা চৌধুরী। সম্প্রতি উনারা সবাই মৃত্যুবরণ করেন।
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার।
১,০৪০.
মালয়েশিয়ার বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর নাম কি?
  1. ক) মুহিউদ্দিন ইয়াসিন
  2. খ) ইসমাইল সাবরি ইয়াকুব
  3. গ) আনোয়ার ইব্রাহিম
  4. ঘ) মাহাথির মুহাম্মদ
ব্যাখ্যা
- মালয়েশিয়ার বর্তমান প্রধানমন্ত্রী হলেন ইসমাইল সাবরি ইয়াকুব। তিনি গত ২১ আগস্ট ২০২১ দেশটির নবম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বগ্রহণ করেন।
- এর আগে ১৬ আগস্ট, ২০২১ তারিখে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে মুহিউদ্দিন ইয়াসিন পদত্যাগ করেন।
(তথ্যসূত্র: আল জাজিরা)
১,০৪১.
কোন সনে পূর্ব জার্মানি ও পশ্চিম জার্মানি একত্রীকরণ করা হয়?
  1. ১৯৮০
  2. ১৯৮৫
  3. ১৯৯০
  4. ১৯৯৫
ব্যাখ্যা
জার্মান একত্রীকরণ:
• ১৯৪৯ সালের ৭ অক্টোবর জন্ম পূর্ব জার্মানির।
• আর ১৯৬১ সালের ১৩ আগস্ট বার্লিন দেয়াল তৈরি করে কৃত্রিমভাবে জার্মানিকে বিভক্ত করে রাখা হয়েছিল।
• ১৯৮৯ সালের ৯ নভেম্বর বার্লিন দেয়ালের পতন হয়। জার্মান একত্রীকরণের পথ এতে করে ত্বরান্বিত হয়। 
• দুই জার্মানির একত্রীকরণের ব্যাপারে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ১৯৯০ সালের ১৬ মে।
১৯৯০ সালের ৩ অক্টোবর পূর্ব জার্মানির অবলুপ্তি ঘোষণা করা হয় এবং দুই জার্মানি একত্রিত হয়।

জেনে রাখা ভালো
• আর ২ ডিসেম্বর (১৯৯০) যুক্ত জার্মানির প্রথম সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
• দুই জার্মানির একত্রীকরণ ছিল বিংশ শতাব্দীর একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা।
• স্নায়ুযুদ্ধকালীন সময় বিশ্ব দুভাগে ভাগ হয়ে গিয়েছিল।
• একভাগে ছিল মুক্ত ও গণতান্ত্রিক বিশ্ব, অন্যদিকে ছিল সমাজতান্ত্রিক দেশসমূহ।
• এই বিভক্তিই জার্মানিকে বিভক্ত করে রেখেছিল।
• পশ্চিম জার্মানিতে গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি বিকশিত হয়েছিল।
• আর পূর্ব জার্মানিতে সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। 

তথ্যসূত্র: আন্তর্জাতিক রাজনীতিকোষ, তারেক শামসুর রেহমান।
১,০৪২.
বাংলাদেশের কোন বিজ্ঞানী 'কলিঙ্গ পুরস্কার' লাভের গৌরব অর্জন করেছেন?
  1. ক) ড. আবদুল্লাহ আল-মুতী শরফুদ্দীন
  2. খ) ড. কুদরত-এ-খুদা
  3. গ) ড. জগদীশ চন্দ্র বসু
  4. ঘ) ড. কামাল উদ্দীন আহমদ
ব্যাখ্যা

আবদুল্লাহ আল-মুতী দেশের প্রধান প্রধান সব পুরস্কারের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পুরস্কার ও লাভ করেন।
যেমনঃ
- বাংলা একডেমি পুরস্কার (১৯৭৫),
- ইউনেস্কো আন্তর্জাতিক কলিঙ্গ পুরস্কার (১৯৮৩),
- একুশে পদক (১৯৮৫),
- স্বাধীনতা পুরস্কার (১৯৯৫)।
তার প্রথম প্রকাশিত বই- এসো বিজ্ঞানের রাজ্যে (১৯৫৫)।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

১,০৪৩.
“শক্তি নয়, ইচ্ছাই রাষ্ট্রের ভিত্তি” –এটি কার অভিমত?
  1. থমাস হবস
  2. ম্যাকিয়াভেলী
  3. জেরেমি বেন্থাম
  4. টি. এইচ. গ্রিন
ব্যাখ্যা
- “শক্তি নয়, ইচ্ছাই রাষ্ট্রের ভিত্তি” –এটি টি. এইচ. গ্রিনের অভিমত।
(ব্রিটানিকা)
১,০৪৪.
ইজিয়ান সভ্যতা কোন অঞ্চলে গড়ে উঠেছিল?
  1. গ্রিস 
  2. তুরস্ক
  3. ইতালি
  4. ইরান
ব্যাখ্যা

ইজিয়ান সভ্যতা (Aegean Civilization):
- গ্রিসের মূল ভূখণ্ড, ক্রিট দ্বীপ এবং ইজিয়ান সাগরের দ্বীপপুঞ্জকে কেন্দ্র করে ইজিয়ান সভ্যতা গড়ে ওঠে।
- এটি মূলত দুটি প্রধান ধারায় বিভক্ত ছিল: মিনোয়ান সভ্যতা (ক্রিট দ্বীপ) এবং মাইসিনীয় সভ্যতা (গ্রিসের মূল ভূখণ্ড)।

• মিনোয়ান সভ্যতা (Minoan Civilization):
- এটি ইজিয়ান অঞ্চলের প্রাচীনতম উন্নত সভ্যতা, যা ক্রিট দ্বীপে বিকশিত হয়েছিল।
- রাজা মিনোসের নামানুসারে এর নামকরণ করা হয়।
- তাদের প্রধান কেন্দ্র ছিল 'নোসোস' (Knossos) প্রাসাদ। 

• মাইসিনীয় সভ্যতা (Mycenaean Civilization):
- গ্রিসের মূল ভূখণ্ডে মাইসিনাই নামক শহরকে কেন্দ্র করে এই সভ্যতা গড়ে ওঠে।
- এটি ছিল মূলত একটি সামরিক বা বীর যোদ্ধাদের সভ্যতা।

• বিখ্যাত কবি হোমারের 'ইলিয়াড' ও 'ওডিসি' মহাকাব্যে এই মাইসিনীয় যুগের বীরত্ব এবং ট্রোজান যুদ্ধের কাহিনী বর্ণিত হয়েছে।
- তাদের স্থাপত্যের অন্যতম বৈশিষ্ট্য ছিল বিশাল পাথরের তৈরি 'লায়ন গেট' (Lion Gate)।

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট এবং হিস্টোরি ডট কম।

১,০৪৫.
‘রোজ বিপ্লব’ কোথায় সংঘটিত হয়?
  1. ইউক্রেন
  2. জর্জিয়া
  3. লিবিয়া
  4. ইরান
ব্যাখ্যা

ঐতিহাসিক বিপ্লবসমূহ:
- রোজ বিপ্লব: সংঘটিত হয় জর্জিয়ায় ২০০৩ সালে।
- আমেরিকান বিপ্লব: সংঘটিত হয় যুক্তরাষ্ট্রে ১৭৭৬ সালে।
- ফরাসি বিপ্লব: সংঘটিত হয় ফ্রান্সে ১৭৮৯ সালে।
- রুশ বিপ্লব: সংঘটিত হয় রাশিয়ায় ১৯১৭ সালে।
- সাংস্কৃতিক বিপ্লব: সংঘটিত হয় চীনে ১৯৬৬- ১৯৭৬ সালে।
- ইসলামিক বিপ্লব: সংঘটিত হয় ইরানে ১৯৭৯ সালে।
- অরেঞ্জ বিপ্লব: সংঘটিত হয় ইউক্রেনে ২০০৪ সালে।
- টিউলিপ বিপ্লব: সংঘটিত হয় কিরগিজস্থানে ২০০৫ সালে।
- নীল বিপ্লব: সংঘটিত হয় মিসরে ২০১১ সালে।
- জেসমিন বিপ্লব: সংঘটিত হয় তিউনিসিয়ায় ২০১১ সালে।

উৎস: Britannica.

১,০৪৬.
নোবেল জয়ী মারিয়া কোরিনা মাচাদো একজন-
  1. রাজনীতিবিদ 
  2. অর্থনীতিবিদ
  3. মানবাধিকার কর্মী
  4. রসায়নবিদ
ব্যাখ্যা

- ২০২৫ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন ভেনেজুয়েলার বিরোধীদলীয় নেতা মারিয়া কোরিনা মাচাদো।

- ৫৮ বছর বয়সী মাচাদো শুধু একজন রাজনীতিক নন, তিনি একজন শিল্প প্রকৌশলীও।
- মারিয়া কোরিনা মাচাদো ১৯৬৭ সালের ৭ অক্টোবর ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসে জন্মগ্রহণ করেন। 
- তাঁর বাবা ছিলেন ভেনেজুয়েলার ইস্পাতশিল্পের একজন প্রভাবশালী ব্যবসায়ী।

- মারিয়া কারাকাসের আন্দ্রেস বেলো ক্যাথলিক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইন্ডাস্ট্রিয়াল প্রকৌশলে স্নাতক ডিগ্রি এবং একই শহরের ইনস্টিটিউট অব অ্যাডভান্সড স্টাডিজ অব অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (আইইএসএ) থেকে অর্থনীতিতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।

- ২০১০ সালে বিরোধীদলীয় জোট থেকে তিনি ভেনেজুয়েলার জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন।
- ২০১২ সালে ‘ভেন্তে ভেনেজুয়েলা’ নামের রাজনৈতিক দল প্রতিষ্ঠা করেন মারিয়া।
- ২০১৪ সালে তিনি নিকোলা মাদুরোর সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভের নেতৃত্ব দেন এবং রাজনৈতিক নিপীড়নের শিকার হন।

উৎস: Nobel Prize ওয়েবসাইট এবং প্রথম আলো।

১,০৪৭.
History of the Peloponnesian War - বইটি কে লিখেছেন?
  1. হেরোডোটাস
  2. থুসিডাইডিস
  3. অ্যারিস্টটল
  4. এসকাইলাস
ব্যাখ্যা
- থুসিডাইডিস বিজ্ঞানসম্মত ইতিহাস রচনার জনক হিসেবে পরিচিত। তার রচিত বিখ্যাত বইটি History of the Peloponnesian War. 

প্রাচীন গ্রিসের সাহিত্য:

- সাহিত্যের ক্ষেত্রে প্রাচীন গ্রিসের অবদান আজও মানব সভ্যতার মূল্যবান সম্পদ হিসেবে বিবেচিত।
- হোমারের মহাকাব্য ইলিয়ড এবং ওডিসি প্রাচীন গ্রিসের মহাকাব্যের অসাধারণ নিদর্শন।
- বিয়োগান্তক নাটক রচনায় গ্রিকরা বিশেষভাবে পারদর্শী ছিল।
- এসকাইলাসকে এই ধরনের নাটকের জনক বলা হয়।
- তার রচিত বিখ্যাত দুটি নাটক হলো প্রমিথিউস বাউন্ড এবং আগামেমন।
- গ্রিসের শ্রেষ্ঠ নাট্যকার ছিলেন সোফোক্লিস। তিনি একশটিরও বেশি নাটক রচনা করেন।
- তার বিখ্যাত নাটকের মধ্যে রাজা অয়দিপাউস, আন্তিগোনে এবং ইলেকট্রা উল্লেখযোগ্য।

উল্লেখ্য: 
- আরেক বিখ্যাত নাট্যকার ছিলেন ইউরিপিদিস, তিনি বিয়োগান্তক নাটকের জন্য খ্যাত। এরিস্টোফেনেস তার মিলনান্তক ও ব্যঙ্গ রচনায় বিশেষভাবে পরিচিত ছিলেন।
- গ্রিকরাই ইতিহাস রচনার প্রবর্তক। হেরোডোটাস প্রথম ইতিহাস রচনা শুরু করেন বলে তাকে "ইতিহাসের জনক" বলা হয়। তার রচিত প্রথম বইটি গ্রিস ও পারস্যের মধ্যকার যুদ্ধ নিয়ে লেখা।
- থুসিডাইডিস বিজ্ঞানসম্মত ইতিহাস রচনার জনক হিসেবে পরিচিত।
- তার রচিত বিখ্যাত বইটি History of the Peloponnesian War. 


উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০৪৮.
ভারতের সেভেন সিস্টার্স ভুক্ত রাজ্য মিজোরামের রাজধানী-
  1. ইম্ফল
  2. কোহিমা
  3. শিলং
  4. আইজল
ব্যাখ্যা

ভারত: 
• সেভেন  সিস্টার্স ভুক্ত রাজ্য মিজোরামের রাজধানী- আইজল।
- অরুণাচল প্রদেশ – ইটানগর।
- অসম – দিসপুর।
- মণিপুর – ইম্ফল।
- মেঘালয় – শিলং।
- মিজোরাম – আইজল।
- নাগাল্যান্ড – কোহিমা।
- ত্রিপুরা – আগরতলা।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১,০৪৯.
বাংলাদেশ থেকে পৃথিবীর কেন্দ্র বরাবর একটি সরলরেখা টানা হলে সেটি কোথায় গিয়ে ভেদ করবে?
  1. যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায়
  2. চিলির নিকট প্রশান্ত মহাসাগরে
  3. লাইবেরিয়ার বাংলাদেশ স্কয়ার এ
  4. চিলির সান্তিয়াগোতে
ব্যাখ্যা
প্রতিপাদ স্থান 
- কোন স্থান থেকে পৃথিবীর কেন্দ্র বরাবর একটি কাল্পনিক সরলরেখা টানা হলে সেটি যেখানে গিয়ে ভেদ করবে, সেই স্থানদ্বয়কে পরস্পরের প্রতিপাদ স্থান বলে। 
- বাংলাদেশের প্রতিপাদ স্থান চিলির নিকট প্রশান্ত মহাসাগরে।

- চিলি দক্ষিণ আমেরিকার দক্ষিণ-পশ্চিম অংশের একটি দেশ।
- দেশটি প্রশান্ত মহাসাগরের উপকূল ঘেঁষে একটি লম্বা ফিতার মত প্রসারিত একটি ভূখণ্ড।
- এর রাষ্ট্রীয় নাম রিপাবলিক অব চিলি।
- রাজধানী সান্টিয়াগো।
- মুদ্রা পেসো।
- বিশ্বের সর্বাধিক কপার উৎপাদনকারী দেশ- চিলি। 

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম দশম শ্রেণী।
১,০৫০.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের বার্ষিক ভাষণকে কী বলা হয়?
  1. ইউনিয়ন অ্যাড্রেস
  2. ইউনিয়ন স্পিচ
  3. স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন
  4. ন্যাশনাল অ্যাড্রেস
ব্যাখ্যা
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের বার্ষিক ভাষণকে "স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন" বলা হয়। 

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র: 
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ৪ জুলাই, ১৭৭৬ সালে যুক্তরাজ্য থেকে স্বাধীনতা লাভ করে। এই দিনটি দেশের জাতীয় দিবস হিসেবে পালিত হয়।
- বর্তমানে, যুক্তরাষ্ট্রে ৫০টি অঙ্গরাজ্য রয়েছে, এর মধ্যে সর্বশেষ অঙ্গরাজ্য হল হাওয়াই।
- যুক্তরাষ্ট্রের পতাকায় ৫০টি তারা রয়েছে, এগুলো ৫০টি অঙ্গরাজ্যের প্রতিনিধিত্ব করে।
- যুক্তরাষ্ট্রের আইনসভা দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট। কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ হলো হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ এবং উচ্চকক্ষ হলো সিনেট পরিষদ। 
- প্রথম প্রেসিডেন্ট হিসেবে জর্জ ওয়াশিংটন দায়িত্ব গ্রহণ করেন। যদিও তিনি কখনো হোয়াইট হাউজে বসবাস করেননি, তিনি ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের বার্ষিক ভাষণকে "স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন" বলা হয়।  
- ফ্রান্স যুক্তরাষ্ট্রকে স্ট্যাচু অব লিবার্টি উপহার দিয়েছিল।
- ক্রীতদাস প্রথা বিলোপকারী প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকন, তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ১৬তম প্রেসিডেন্ট ছিলেন,
- ১৮৬৩ সালে ক্রীতদাস প্রথা বিলোপ করেন।

সূত্র: ব্রিটানিকা। 
১,০৫১.
নীল নদের উৎস কোনটি?
  1. ইথিওপিয়ার পবর্তমালা
  2. ভিক্টোরিয়া হ্রদ
  3. আন্দিজ পর্বতমালা
  4. মিনোসোটার হ্রদ
ব্যাখ্যা
নীল নদ:
- নীল নদ আফ্রিকা মহাদেশে অবস্থিত।
- এটি পৃথিবীর দীর্ঘতম নদী।
- নীল নদের দৈর্ঘ্য ৬৬৫০ কি.মি।
- আফ্রিকার লেক ভিক্টোরিয়া নীল নদের উৎস।
- বিভিন্ন দেশ হয়ে ভূ-মধ্যসাগরে নীল নদ পতিত হয়।
- নীলনদ ১১টি দেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।
- নীল নদের অববাহিকা মিশর, সুদান, দক্ষিণ সুদান, ইরিত্রিয়া, ইথিওপিয়া, কেনিয়া, কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র, বুরুন্ডি, রুয়ান্ডা, উগান্ডা এবং তানজানিয়া জুড়ে বিস্তৃত।
- এই নদ দুটি উপনদী নিয়ে গঠিত: সাদা নীল এবং নীল নীল।

তথ্যসূত্র - Britannica.com & Worldatlas.com
১,০৫২.
'ফোর বি' আন্দোলন কী?
  1. নারীবাদী আন্দোলন
  2. পরিবেশবাদী আন্দোলন
  3. সংস্কার আন্দোলন
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
'ফোর বি' আন্দোলন হলো নারীবাদী আন্দোলন।

'ফোর বি' আন্দোলন:
- ২০১০-এর দশকের মাঝামাঝি সময় থেকে শেষ পর্যন্ত দক্ষিণ কোরিয়ার নারীবাদীদের মধ্যে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই আন্দোলন হয়েছিল।
- তখন দেশটির নারীদের ওপর বেশ কয়েকটি সহিংসতার ঘটনা ঘটেছিল।
- আন্দোলনের অন্যতম আরেকটি কারণ ছিল দেশটির সামাজিক বৈষম্য।
- মূলত সেই আন্দোলনের থেকেই ‘ফোর বি’ আন্দোলন শুরু হয়েছে।

⇒ ২০১৬ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার সিউল সাবওয়ে স্টেশনে হত্যা করা হয় এক নারীকে। এ ঘটনায় সামনে আসে নারীদের নিরাপত্তা ও সমঅধিকার না থাকার বিষয়টি। পরে চারটি নীতি নিয়ে শুরু হয় ফোর বি আন্দোলন। চারটি নীতিই কোরীয় ভাষায় শুরু হয়েছে ‘বি’ দিয়ে, যার অর্থ হলো ‘না’। এ আন্দোলনের মূল উদ্দেশ্য ছিল নারীদের ওপর অতিরিক্ত চাপ এবং পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতার বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া।

⇒  ‘ফোর বি’:
- শব্দগুলো হলো
• বিহন: বিয়ে না করার সিদ্ধান্ত।
• বিচুলসান: সন্তান জন্ম না দেওয়ার সিদ্ধান্ত।
• বিইয়েওনায়: প্রেমিকের সঙ্গে ডেটিং না করার সিদ্ধান্ত।
• বিসেকসেউ: শারীরিক সম্পর্ক না করার সিদ্ধান্ত।

উৎস: প্রথম আলো।
১,০৫৩.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট ছিলেন কে?
  1. থমাস জেফারসন
  2. জেমস মনরো
  3. জর্জ ওয়াশিংটন
  4. ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট
ব্যাখ্যা
• মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র:
- স্বাধীনতা লাভ করে - ৪ জুলাই, ১৭৭৬ সালে যুক্তরাজ্য থেকে।
- অঙ্গরাজ্য - ৫০ টি।
- ইলেক্টোরাল ভোটের সংখ্যা - ৫৩৮ টি।
- প্রতিষ্ঠাকালীন অঙ্গরাজ্য - ১৩ টি।
- সর্বশেষ অঙ্গরাজ্য -  হাওয়াই।
- আয়তনে বৃহত্তম অঙ্গরাজ্য -  আলাস্কা।
- কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ এবং উচ্চকক্ষ সিনেট পরিষদ।

- যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান প্রেসিডেন্ট- জো বাইডেন (৪৬ তম)।
- প্রথম প্রেসিডেন্ট - জর্জ ওয়াশিংটন।
- যুক্তরাষ্ট্রকে স্ট্যাচু অব লিবার্টি উপহার দেয় কোন দেশ - ফ্রান্স।
- যুক্তরাষ্ট্রে ক্রীতদাস প্রথা বিলোপকারী প্রেসিডেন্টের নাম  - আব্রাহাম লিংকন।
- আব্রাহাম লিংকন ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের - ১৬ তম প্রেসিডেন্ট।

সূত্র: ব্রিটানিকা ও হিস্টোরি ডট কম।
১,০৫৪.
ইতিহাস বিখ্যাত ট্রয় নগরী কোন দেশে অবস্থিত?
  1. স্পেন
  2. ইতালি
  3. গ্রিস
  4. তুরস্ক
ব্যাখ্যা
ট্রয় নগরী:
- ইতিহাস বিখ্যাত ট্রয় নগরী বর্তমান তুরস্কের হেসারলিক বা আনাতোলিয়া নামক স্থানে অবস্থিত।
- ঐতিহাসিক ট্রয় নগরীর অস্তিত্ব এবং এর ধ্বংসের ইতিহাস প্রাচীন গ্রীক হোমারের মহাকাব্য ইলিয়াড-এ পাওয়া যায়।
- ট্রয় নগরী ১৯৯৮ সালে ইউনেস্কোর ‘বিশ্ব ঐতিহ্য’ তালিকায় যুক্ত হয়।

⇒ ট্রয়ের যুদ্ধ শুরু খ্রিষ্টপূর্ব ১২৫০ শতকে এবং শেষ খ্রিষ্টপূর্ব ১২৪০ শতকে।
- দীর্ঘ ১০ বছর ধরে চলেছিল যুদ্ধ।
- এই যুদ্ধ ট্রোজান যুদ্ধ নামে পরিচিত।
- যুদ্ধের কারণ ছিল হেলেন নামের এক সুন্দরী মহিলাকে কেন্দ্র করে, যিনি ট্রয়ের রাজা প্রিয়াম এর পুত্র পারিস দ্বারা অপহৃত হন।
- গ্রীক রাজা মেনেলাউস তার স্ত্রীর ফিরিয়ে আনার জন্য ট্রয়ের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেন।

উল্লেখ্য,
- প্যারিস যখন স্পার্টা থেকে রাতের অন্ধকারে হেলেনকে নিয়ে পালিয়ে এলেন, হেলেনের স্বামী স্পার্টার রাজা মেনেলাউস এবং তার ভাই আগামেমনন ক্রোধে উন্মত্ত হয়ে নৌবহর নিয়ে ইজিয়ান সাগর পাড়ি দিয়ে এই নগরের পাশে স্কামান্দার নদীর মুখে এসে তাঁবু গেড়েছিলেন।
- তাঁদের সঙ্গে যোগ দিয়েছিলেন গ্রিস বা আচিয়ানদের বন্ধুপ্রতিম সব রাজ্যের রাজা।
- পরবর্তীতে গ্রিকদের দ্বারা ট্রয় নগরী ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়।

উৎস: i) BBC.
ii) Britannica.
১,০৫৫.
"পার্ল অফ দ্য অ্যান্টিলিস" নামে কোন দেশ পরিচিতি পায়?
  1. পানামা
  2. কিউবা
  3. মরিশাস
  4. টুভ্যালু
ব্যাখ্যা
কিউবা:
- কিউবা হলো ওয়েস্ট ইন্ডিজের বৃহত্তম দ্বীপ এবং ক্যারিবীয় অঞ্চলের অন্যতম প্রভাবশালী দেশ।
- কিউবা ছিল আরাওয়াকান ভাষাভাষী তাইনো জনগণের আবাসস্থল।
- তাইনোরা পূর্ববর্তী জনগোষ্ঠীকে স্থানচ্যুত করে এখানে বসবাস শুরু করেছিল।
- ১৪৯২ সালে ক্রিস্টোফার কলম্বাস কিউবাকে স্পেনের জন্য দাবী করেন।
- এটি ১৮শ শতকে স্প্যানিশ সাম্রাজ্যের কাঁচা চিনি উৎপাদনের প্রধান উৎস হয়ে ওঠে।
 -এই কারণে কিউবা পরিচিতি পায় "পার্ল অফ দ্য অ্যান্টিলিস" নামে।
- কিউবা তার সমৃদ্ধ ইতিহাস এবং ক্যারিবীয় অঞ্চলে অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক প্রভাবের জন্য সুপরিচিত।

উৎস: Britannica. 
১,০৫৬.
তাইওয়ানের রাষ্ট্রীয় নাম কী?
  1. রিপাবলিক অব ফরমোজা
  2. রিপাবলিক অব তাইওয়ান
  3. রিপাবলিক অব চায়না
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
তাইওয়ান:
- তাইওয়ান সরকারীভাবে রিপাবলিক অব চায়না।
- ফরমোজার বর্তমান নাম তাইওয়ান।
- এটি পূর্ব এশিয়ার একটি দ্বীপ, যা তাইওয়ান প্রণালীর পূর্বে চীনা মূল ভূখন্ডের দক্ষিণ-পূর্ব উপকূলে অবস্থিত।
- আয়তন: ১৩,৯৭৬ বর্গ মাইল (৩৬,১৯৭ বর্গ কিমি)।
- ভাষা: ম্যান্ডারিন চাইনিজ (অফিসিয়াল), তাইওয়ানিজ, ফুকিয়েন এবং হাক্কা উপভাষায়ও কথা বলা হয়।
- ধর্ম: বৌদ্ধ ধর্ম, দাওবাদ, কনফুসিয়ানিজম, খ্রিস্টধর্ম।
- মুদ্রা: নতুন তাইওয়ান ডলার।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
১,০৫৭.
পারস্যের প্রাচীন ধর্মের নাম কী ছিল?
  1. ক) ইহুদি
  2. খ) মারদুক
  3. গ) জরথুস্ত্র
  4. ঘ) সাসানীয়
ব্যাখ্যা
জরথুস্ত্র ধর্ম:

- পারস্যের প্রাচীন ধর্মের নাম ছিল জরথুস্ত্র।

- জরথুস্ত্রের আবির্ভাব ঘটে খ্রিস্টপূর্ব সপ্তম শতকে
- পারস্যের সাসানীয় রাজবংশের সম্রাট আরদাশিরের সময় জরথুস্ত্র ধর্ম রাজকীয় মর্যাদা লাভ করে।
- জরথুস্ত্রবাদ ছিল একেশ্বরবাদে বিশ্বাসী।
- বিশ্বের অন্যান্য ধর্মের উপর জরথুস্ত্র ধর্মের বেপক প্রভাব রয়েছে।
- এদের প্রধান দেবতার নাম আছর মাজদা
- ধর্ম গ্রন্থের নাম জেন্দাবেস্তা

তথ্যসূত্র - উচ্চমাধ্যমিক ইসলামের ইতিহাস,প্রথম পত্র,বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০৫৮.
রটারডাম বন্দরটি কোন দেশে অবস্থিত?
  1. জার্মানি
  2. বেলজিয়াম
  3. ফ্রান্স
  4. নেদারল্যান্ডস
ব্যাখ্যা

- রটারডাম বন্দরটি নেদারল্যান্ডসে অবস্থিত এবং এটি ইউরোপের ব্যস্ততম সমুদ্র বন্দর।  

​রটারডাম:
- নেদারল্যান্ডের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর এবং প্রধান ইউরোপীয় বন্দর।
- রটারডাম উত্তর সাগর থেকে প্রায় ১৯ মাইল (৩০ কিমি) দূরে অবস্থিত।
- এটি নিউ ওয়াটারওয়ে নামে একটি খালের মাধ্যমে উত্তর সাগরের সঙ্গে সংযুক্ত।
- শহরটি নিউ মিউস নদীর (Nieuwe Maas) উভয় তীরে অবস্থিত, এটি রাইন নদীর একটি শাখা।
- ১২৮৩ সালে প্রথম রটারডামের নাম উল্লেখ করা হয়।
- ১৩৪০ সালে রটারডাম শি খাল খননের অনুমতি পায় এবং এটি প্রদেশের প্রধান বন্দর হয়ে ওঠে।
- ১৭শ শতকের শেষে এটি, আমস্টারডামের পরে, নেদারল্যান্ডসের দ্বিতীয় বৃহত্তম বাণিজ্যিক শহর হিসেবে পরিচিতি লাভ করে।

সূত্র: Britannica.

১,০৫৯.
ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. মহাত্মা গান্ধী
  2. সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল
  3. জওহরলাল নেহেরু
  4. রাজেন্দ্র প্রসাদ
ব্যাখ্যা
জওহরলাল নেহেরু:
- স্বাধীন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী ছিলেন জওহরলাল নেহেরু।
- তিনি ছিলেন ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রভাবশালী নেতা এবং মহাত্মা গান্ধীর রাজনৈতিক উত্তরাধিকারী।
- নেহরু ছিলেন ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের অন্যতম প্রধান নেতা।
- ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট ভারত স্বাধীনতা অর্জন করলে নেহরু স্বাধীন ভারতের প্রধানমন্ত্রী হন।
- ১৯৪৭ থেকে ১৯৬৪ সাল পর্যন্ত নেহেরু প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করে গেছেন তিনি।

উল্লেখ্য, 
- মহাত্মা গান্ধী, মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী নামেও পরিচিত।
- তিনি সত্যাগ্রহ আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন।
- সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল ভারতের প্রথম উপ-প্রধানমন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

উৎস: ব্রিটানিকা। 
  
১,০৬০.
মুহাম্মদ (সা:) এবং তাঁর অনুসারীদের মদিনার যাত্রাকে কী বলা হয়?
  1. ওমরাহ
  2. হিজরত
  3. ত্যাগ
  4. অনুগ্রহ
ব্যাখ্যা

- হিজরাহ (হিজিরা/হিজরা) হলো নবী মুহাম্মদ (সা.)-এর মক্কা থেকে ইয়াসরিব (মদিনা) যাওয়ার অভিযান।
- এটি ঘটেছিল ৬২২ খ্রিস্টাব্দে, মুসলমানদের নিপীড়ন থেকে বাঁচার জন্য।
- মদিনায় পৌঁছে মুহাম্মদ (সা.) স্থানীয় গোত্রগুলোর সঙ্গে মদিনার সংবিধান নিয়ে আলোচনা করেন।
- এই সংবিধানের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো মুসলিম সম্প্রদায়কে সামাজিক ও রাজনৈতিক সত্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা হয়।
- হিজরাহ শব্দটি ৬৩০ সালের মক্কা দখলের আগে আবিসিনিয়া (পরবর্তীকালে ইথিওপিয়া) এবং মদিনায় মুহাম্মদের অনুসারীদের  হিজরতের ক্ষেত্রেও ব্যবহার করা হয়েছে।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১,০৬১.
'প্যারাডাইস পেপারস' আন্তর্জাতিক কোন সংস্থার অনুসন্ধানী সাংবাদিকদের মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছিল?
  1. অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
  2. হিউম্যান রাইটস ওয়াচ
  3. ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম
  4. ইন্টারন্যাশনাল কনসোর্টিয়াম অফ ইনভেস্টিগেটিভ জার্নালিস্টস
ব্যাখ্যা

ICIJ:
- ICIJ-এর পূর্ণরূপ: International Consortium of Investigative Journalists.
- পানামা পেপারস (২০১৬) এবং প্যারাডাইস পেপারস (২০১৭) উভয় কেলেঙ্কারির তথ্য ফাঁস হওয়া নথিগুলো বিশ্লেষণ করে বিশ্বব্যাপী প্রকাশ করার নেতৃত্ব দিয়েছে এই ICIJ নামক অনুসন্ধানী সাংবাদিকদের আন্তর্জাতিক সংস্থা।
- তারা জার্মান পত্রিকা Süddeutsche Zeitung-এর কাছ থেকে পাওয়া ডকুমেন্টগুলো নিয়ে ১০০+ দেশের শতাধিক মিডিয়া সংস্থার (যেমন: The Guardian, BBC, Le Monde ইত্যাদি) সাথে সমন্বয় করে তদন্ত করে প্রকাশ করে।

উল্লেখ্য,
- প্যারাডাইস পেপারস বিশ্বের ২৫ হাজারেরও বেশি প্রতিষ্ঠানের অর্থনৈতিক লেনদেন ও মালিকানা-সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্যের এক বিশাল ডাটাবেজ।
- এ প্রতিষ্ঠানগুলোর মালিক পৃথিবীর ১২০টি দেশের ধনী, সুপরিচিত ও প্রভাবশালী ব্যক্তি।
- মূলত একটি ফার্মের এই নথিগুলো একসঙ্গে ফাঁস হয়ে যাওয়ার পর এর নাম দেওয়া হয়েছে ‘প্যারাডাইস পেপারস’।
- নথিগুলো ওই ফার্মের ক্লায়েন্টদের গোপন বিনিয়োগ, অর্থ পাচারসহ কর ফাঁকির বিষয় প্রমাণ করে।
- এসব নথি প্রথমে জার্মান দৈনিক সুইডয়চে সাইটংয়ের হাতে আসে।
- পরে সেসব নথি ইন্টারন্যাশনাল কনসোর্টিয়াম অব ইনভেস্টিগেটিভ জার্নালিস্টসের (আইসিআইজে) হাতে তুলে দেয় তারা।
- বারমুডায় অবস্থিত অ্যাপলবাই নামের এক আইনি সহযোগী সংঘটনের গোপন নথি এসব।
- ডাটাবেসের ১৩.৪ মিলিয়ন গোপন নথির প্রায় ৬.৮ মিলিয়ন এসেছে অফশোর আইনি সেবা সংস্থা অ্যাপলবাই এবং কর্পোরেট সেবা সংস্থা এস্টেরা থেকে।

উৎস: Britannica.

১,০৬২.
মাসাকো সম্প্রদায় নিম্নের কোন দেশে বাস করে?
  1. ব্রাজিল
  2. নিউজিল্যান্ড
  3. চীন
  4. মিয়ানমার
ব্যাখ্যা
মাসাকো সম্প্রদায়:
- মাসাকো সম্প্রদায় ব্রাজিলে বাস করে।
- এই সম্প্রদায় বিশেষ করে ব্রাজিলের আমাজন অঞ্চলে বসবাস করে। 

⇒ ব্রাজিল ১৯৮৭ সালে একটি উদ্ভাবনী নীতির প্রবর্তন করে, যার মাধ্যমে বিচ্ছিন্ন জনগোষ্ঠীর সঙ্গে কোনো যোগাযোগ শুরু না করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
- এর আগে সরকার-নেতৃত্বাধীন যোগাযোগের ফলে এসব জনগোষ্ঠীর ৯০ শতাংশের বেশি মারা গিয়েছিল।
- মূলত বাইরের মানুষদের থেকে আসা বিভিন্ন রোগের কারণে এই পরিণতি বরণ করতে হয়েছে তাদের।

উৎস: The Guardian. [link]
১,০৬৩.
কোন দেশটি আফ্রিকা মহাদেশে নয়?
  1. ক) মিশর
  2. খ) কসোভো
  3. গ) ঘানা
  4. ঘ) জাম্বিয়া
ব্যাখ্যা
ইউরোপের মুসলিম অধ্যুষিত দেশগুলো হলোঃ আলবেনিয়া, কসোভো, তুরস্ক। সূত্রঃ লাইভ এমসিকিউ আর্কাইভ।
১,০৬৪.
কোথায় ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়?
  1. মিশরে
  2. ব্রিটেনে
  3. যুক্তরাষ্ট্রে
  4. জার্মানিতে
ব্যাখ্যা
ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি:
- ক্যাম্প ডেভিড মূলত যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের অবকাশকালিন স্থান। 
- এই স্থানে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টারের উপস্থিতিতে ও তার মধ্যস্থতায় মিশরের প্রেসিডেন্ট সাদাত ও ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেগিনের মধ্যে ১৯৭৮ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর যে শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল, তা ইতিহাসে ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি নামে খ্যাত। 
- এই চুক্তির ফলে সিনাই এলাকা, যা ইসরাইল ১৯৬৭ সালের যুদ্ধে দখল করে নিয়েছিল মিশর ফিরে পেয়েছিল।
- গাজা ও জর্ডান নদীর পশ্চিমে তীরে ৫ বছরের মধ্যে স্বায়ত্তশাসন দেয়া হয়। 
- এই চুক্তিতে গোলান উপত্যকা (যা ইসরাইল দখল করে নিয়েছিল) সিরিয়ার কাছে ফিরিয়ে দেয়ার ব্যাপারে কোনো সমঝোতা হয় নি ৷ 
- ক্যাম্প ডেভিড চুক্তির কারণে মিসরের সাথে ইসরাইলের সম্পর্কের উন্নতি হয়েছিল বটে, কিন্তু আনোয়ার সাদাতকে প্রাণ দিতে হয়েছিল। 
- অনেক আরব দেশই এই চুক্তিকে সমর্থন করেনি।

তথ্যসূত্র: আন্তর্জাতিক রাজনীতিকোষ, তারেক শামসুর রেহমান।
১,০৬৫.
প্রাক-রাজবংশীয় যুগে মিশর কতগুলো ছোট ছোট নগর রাষ্ট্রে বিভক্ত ছিল - এগুলোকে কী বলা হত?
  1. নারমার
  2. পের-ও
  3. নোম
  4. মেম্ফিস
ব্যাখ্যা
প্রাচীন মিশর: 
- প্রাক-রাজবংশীয় যুগে মিশর কতগুলো ছোট ছোট নগর রাষ্ট্রে বিভক্ত ছিল।
- এগুলোকে 'নোম' বলা হতো।
- মিশরের প্রথম রাজা বা ফারাও-এর (মেনেস বা নারমার) অধিনে ঐক্যবদ্ধ মিশরের রাজধানী ছিল দক্ষিণ মিশরের মেম্ফিস।
- মিশরীয় 'পের-ও' শব্দ থেকে ফারাও শব্দের জন্ম।
- ফারাওরা ছিলেন অত্যন্ত ক্ষমতাশালী।
- তারা নিজেদেরকে সূর্য দেবতার বংশধর মনে করতেন।
- ফারাও পদটি ছিল বংশানুক্রমিক।
- অর্থাৎ ফারাওয়ের ছেলে হতো উত্তরাধিকার সূত্রে ফারাও।
- পেশার উপর ভিত্তি করে মিশরের সমাজের মানুষকে কয়েকটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়।
- যেমন: রাজপরিবার, পুরোহিত, অভিজাত, লিপিকার, ব্যবসায়ী, শিল্পী, কৃষক ও ভূমিদাস।
- মিশরের অর্থনীতি মূলত ছিল কৃষি নির্ভর।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০৬৬.
বাংলাদেশের সংবিধানে 'আইনের চোখে সব নাগরিক সমান' উল্লেখ আছে?
  1. ক) ৭ নং অনুচ্ছেদে
  2. খ) ২৭ নং অনুচ্ছেদে
  3. গ) ২৯ নং অনুচ্ছেদে
  4. ঘ) ১৯ নং অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের সংবিধানের,
• অনুচ্ছেদ-২৭ঃ আইনের চোখে সব নাগরিক সমান।
• অনুচ্ছেদ-৭ঃ সংবিধানের প্রাধান্য।
• অনুচ্ছেদ-১৯ঃ সুযোগের সমতা
• অনুচ্ছেদ-২৯ঃ সরকারি নিয়োগ লাভের সুযোগের সমতা।
উৎসঃ বাংলাদেশের সংবিধান।

১,০৬৭.
প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পূর্বে নরেন্দ্র মোদি কোন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন?
  1. অন্ধ্র প্রদেশ
  2. দিল্লি
  3. গুজরাট
  4. উত্তর প্রদেশ
ব্যাখ্যা
নরেন্দ্র মোদি:
- ভারতের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী হলেন নরেন্দ্র মোদি।
- তার রাজনৈতিক দলের নাম বিজেপি। 
- তিনি ২০১৪ সালে প্রথমবার ক্ষমতায় আসেন।
- ২০১৯ সালের নির্বাচনে জয়লাভ করে তিনি দ্বিতীয় দফায় ক্ষমতায় আসেন।
- ২০২৪ সালে টানা তৃতীয়বার নরেন্দ্র মোদি প্রধানমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

উল্লেখ্য,
- প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পূর্বে নরেন্দ্র মোদি গুজরাট রাজ্যের মূখ্যমন্ত্রী ছিলেন।
- খুব কম বয়সে তিনি মানুষের সেবায় নিজের জীবন উৎসর্গ করার সিদ্ধান্ত নেন।
- তৃণমূল স্তরের কর্মী হিসাবে, সংগঠক হিসাবে এবং তাঁর নিজের রাজ্য গুজরাটের ১৩ বছর মুখ্যমন্ত্রীত্বের কার্যকালের মেয়াদে প্রশাসক হিসাবে তাঁর দক্ষতা তিনি তুলে ধরেছেন।

⇒ ১৯৫০ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর তাঁর জন্ম হয়।
- তিনি স্বামী বিবেকানন্দের কাজে বিশেষভাবে প্রভাবিত হন। 

উৎস: Britannica.
১,০৬৮.
কোন দেশের পতাকায় কালেমা লেখা আছে?
  1. ইরাক
  2. কুয়েত
  3. সৌদিআরব
  4. মিশর
ব্যাখ্যা
♦সৌদি আরব:
- সৌদি আরবের কোনো আইনসভা ও সংবিধান নেই। 
- সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদ।
- মুদ্রা: রিয়াল।
- ১৯৩২ সালে সৌদি আরবে আবদুল আজিজ ইবনে সউদ - কর্তৃক রাজতন্ত্রের সূচনা হয়।
- সৌদি আরবই একমাত্র দেশ যার পতাকায় কালেমা লেখা আছে।
- পৃথিবীতে একমাত্র সৌদি আরবের পতাকা কখনো অর্ধনমিত করা হয় না।
- মুসলিম সম্প্রদায়ের জন্যে পবিত্র নগরী মক্কা ও মদিনা সৌদি আরবে অবস্থিত।

তথ্যসূত্র - Worldatlas.com. 
১,০৬৯.
রুশ বিপ্লবের দ্বিতীয় পর্যায় কী নামে পরিচিত?
  1. ফেব্রুয়ারি বিপ্লব
  2. জুলাই বিপ্লব
  3. নভেম্বর বিপ্লব
  4. বলশেভিক বিপ্লব
ব্যাখ্যা
রুশ বিপ্লব:
- ১৯১৭ সালে রাশিয়ায় মূলত দুটি বিপ্লব সংঘটিত হয়।
- এই দুটি বিপ্লব হলো ফেব্রুয়ারি বিপ্লব ও বলশেভিক বিপ্লব।
- এই দুটি বিপ্লবকে একত্রে ১৯১৭ সালের রুশ বিপ্লব' বলা হয়।

ফেব্রুয়ারি বিপ্লব:
- রুশ বিপ্লবের প্রথম পর্যায়কে ফেব্রুয়ারি বিপ্লব বলে।
- ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের ফলে দ্বিতীয় নিকোলাসকে ক্ষমতা থেকে উচ্ছেদ ও বন্দি করা হয়।
- ১৯১৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে পেট্রোগ্রাদে (সেন্ট পিটার্সবার্গে) খাদ্য ঘাটতি নিয়ে দাঙ্গা শুরু হয়।
- সেনাবাহিনী বিদ্রোহীদের সাথে যোগ দিলে নিকোলাস ত্যাগ করতে বাধ্য হন।
- রাশিয়ার রাজতন্ত্রের পতন হয় ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের কারণে।

বলশেভিক বিপ্লব/অক্টোবর বিপ্লব:
- রুশ বিপ্লবের দ্বিতীয় পর্যায়কে বলশেভিক বা অক্টোবর বিপ্লব বলে।
- বলশেভিক বিপ্লবের ফলে রাশিয়ায় লেনিনের নেতৃত্বে বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- বলশেভিক বিপ্লবের নেতা ছিলেন ভ্লাদিমির লেনিন ও লিওন ট্রটস্কি।

তথ্যসূত্র - History.com & Britannica.com
১,০৭০.
'হিন্ডেনবার্গ লাইন (Hindenburg Line)' নিচের কোন দুইটি দেশের মধ্যে অবস্থিত?
  1. ক) মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্র
  2. খ) আফগানিস্তান ও ভারত
  3. গ) জার্মান ও উত্তর-পূর্ব ফ্রান্স
  4. ঘ) উত্তর ও দক্ষিণ ভিয়েতনাম
ব্যাখ্যা
হিন্ডেনবার্গ লাইন (Hindenburg Line):
অবস্থানঃ জার্মানি - ওয়েস্টার্ন ফ্রন্ট (বেলজিয়াম, লুক্সেমবার্গ, উত্তর পূর্ব ফ্রান্স সীমান্ত)।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় ১৯১৬-১৭ সালে জার্মানি কর্তৃক এর পশ্চিম ফ্রন্টে নির্মিত প্রতিরক্ষা ব্যূহ। ১৯১৮ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর মিত্রবাহিনীর তীব্র আক্রমণে এর পতন হয়।

আরো কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সীমান্ত ও প্রতিরক্ষা লাইনঃ
- ওডারনিস লাইন : জার্মানি ও পোল্যান্ড
- সিগফ্রিড লাইন : জার্মানি ও ফ্রান্স
- সনোরা লাইন : যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকো।
- ডুরান্ড লাইন : পাকিস্তান ও আফগানিস্তান।

(তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা)
১,০৭১.
২০২০ সালে আর্মেনিয়ার বিরুদ্ধে আজারবাইজানের পরিচালিত সামরিক অভিযানের সাংকেতিক নাম ছিলো-
  1. অপারেশন এনডিউরিং ফ্রিডম
  2. অপারেশন আয়রন ফিস্ট
  3. অপারেশন সেন্টিনেল
  4. অপারেশন ডেজার্ট স্টর্ম
ব্যাখ্যা
- ২০২০ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর নাগার্নো কারাবাখ অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে যুদ্ধ বাধে যা দ্বিতীয় কারাবাখ যুদ্ধ নামে পরিচিত।
- এই যুদ্ধে আর্মেনিয়ার বিরুদ্ধে আজারবাইজানের পরিচালিত সামরিক অভিযানের কোডনেম হলো ‘অপারেশন আয়রন ফিস্ট’।
- দ্বিতীয় নাগার্নো কারাবাখ যুদ্ধে আর্মেনিয়া আজারবাইজানের নিকট শোচনীয়ভাবে পরাজিত হয়।
অন্যদিকে,
- ২০০১ সালে যুক্তরাষ্ট্রের আফগানিস্তান আক্রমণ : অপারেশন এনডিউরিং ফ্রিডম
- ১৯৯১ সালে ইরাকে বহুজাতিক বাহিনীর আক্রমণ : অপারেশন ডেজার্ট স্টর্ম
- অপরারেশন সেন্টিনেল হলো ২০১৯ সালে পারস্য উপসাগরে মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোটের নৌমহড়া।
(তথ্যসূত্র: হিস্টোরি ডটকম)
১,০৭২.
কোন বাংলাদেশি জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন?
  1. ক) আনোয়ারুল করিম চৌধুরী
  2. খ) ইসমাত জাহান
  3. গ) হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী
  4. ঘ) শেখ মুজিবুর রহমান
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ১৯৮৬ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৪১তম অধিবেশনে সভাপতির দায়িত্ব পালন করে। এতে বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতিসংঘে প্রথম বাংলায় ভাষণ দেন। আনোয়ারুল করিম ২০০১ সালে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে সভাপতিত্ব করেন। ইসমাত জাহান জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রথম নারী স্থায়ী প্রতিনিধি।
(সূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট)
১,০৭৩.
সর্বপ্রথম পৃথিবীর মানচিত্র অঙ্কন করেন -
  1. শুরিয়াস মেলাম
  2. অ্যানাক্সিম্যান্ডার
  3. পিথাগোরাস
  4. হিপোক্রেটিস
ব্যাখ্যা
• পৃথিবীর মানচিত্র:
- গ্রিক দার্শনিক অ্যানাক্সিম্যান্ডার সর্বপ্রথম পৃথিবীর মানচিত্র আঁকেন।
- তার এ মানচিত্রটিকে আরেকটু উন্নত করেন হেক্টিয়াস অফ মিলেটাস।
- তিনি এশিয়ার শেষ প্রান্ত ভারতের অবস্থানও দেখিয়েছিলেন। 
- গ্রিক দার্শনিকরাই প্রথম প্রমাণ করেছিলেন যে, পৃথিবী একটি গ্রহ যা নিজ কক্ষপথে আবর্তিত হয়।
- বিখ্যাত গণিতবিদ পিথাগোরাস গ্রিক নাগরিক।
- মানচিত্র অঙ্কন ইতিহাসের আদিযুগে সবশেষ মানচিত্র আঁকিয়ে ছিলেন টলেমি।
- বিখ্যাত চিকিৎসাবিজ্ঞানী হিপোক্রেটিস গ্রিক নাগরিক।

উৎস: ব্রিটানিকা এবং যুগান্তর পত্রিকা রিপোর্ট।
১,০৭৪.
প্রথম বিশ্বযুদ্ধ সমাপ্ত হয় কত সালে?
  1. ১৯১৭
  2. ১৯১৮
  3. ১৯১৯
  4. ১৯২০
ব্যাখ্যা

প্রথম বিশ্বযুদ্ধ:
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সূচনা হয়েছিল ১৯১৪ সালে।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পরিমাপ্তি হয় ১৯১৮ সালে।
- ইউরোপের কয়েকটি ক্ষুদ্র ও দুর্বল রাষ্ট্র ব্যতীত প্রায় সকল রাষ্ট্রই এ যুদ্ধে প্রত্যক্ষ কিংবা পরোক্ষভাবে জড়িত ছিল।
- এমনকি ইউরোপের বাইরেও এর বিস্তার ঘটেছিল।
- এই ব্যাপকতার জন্য এবং এই যুদ্ধের নাশকতার জন্য একে মহাযুদ্ধ বা বিশ্বযুদ্ধ বলা হয়।
- ১৯১৪ সালে বসনিয়ার রাজধানী সারায়েভা শহরে অস্ট্রিয়ার যুবরাজ ফ্রান্সিস ফার্ডিনান্ডের হত্যাকান্ডকে বিশ্বযুদ্ধের প্রত্যক্ষ কারণ বলে মনে করা হয়। 
- জার্মানি-ফ্রান্সের পারস্পরিক সন্দেহ ও ঈর্ষা, অস্ট্রিয়া ও রাশিয়ার তীব্র সংঘর্ষ, বলকান অঞ্চলে রাশিয়ার প্রভাব বৃদ্ধিতে অস্ট্রিয়ার ক্ষোভ, ইউরোপের প্রধান প্রধান - শক্তিবর্গের দুটি বিবাদমান শিবিরে বিভক্ত হয়ে যাওয়া, ইঙ্গ-জার্মান নৌ প্রতিযোগিতার জন্য উত্তেজনা বৃদ্ধি, উগ্র জাতীয়তাবাদ এবং অর্থনৈতিক সাম্রাজ্যবাদ ইত্যাদি বহু কারণের সম্মিলিত ফল হল বিশ্বযুদ্ধ।

উৎস: আধুনিক ইউরোপের ইতিহাস -২, এসএসইএইচএল, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

১,০৭৫.
কোন দেশটি বলকান অঞ্চলে অবস্থিত নয়?
  1. ক) কসোভো
  2. খ) সার্বিয়া
  3. গ) এস্তোনিয়া
  4. ঘ) বুলগেরিয়া
ব্যাখ্যা
• বলকান দেশ:
- বলকান পর্বতমালার পাদদেশ বা বলকান পেনিনসুলায় অবস্থিত দেশসমূহ এই অঞ্চলের অন্তর্ভূক্ত।
-মূলত ১০টি দেশকে বলকান দেশ বলে।

যথা -
- আলবেনিয়া,
- বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা,
- বুলগেরিয়া,
- ক্রোয়েশিয়া,
- কসোভো,
- মন্টিনিগ্রো,
- মেসিডোনিয়া,
- রোমানিয়া,
- সার্বিয়া ও
- স্লোভেনিয়া

এছাড়া,
- তুরস্কের ইউরোপিয়ান অংশ ও গ্রীসকেও এই অঞ্চলের অন্তর্ভূক্ত করা হয়ে থাকে।
- এস্তোনিয়া বাল্টিক দেশ।

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস ও ব্রিটানিকা.কম।
১,০৭৬.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন সময়ে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. ক) চেম্বারলেন
  2. খ) রুজভেল্ট
  3. গ) চার্চিল
  4. ঘ) স্ট্যালিন
ব্যাখ্যা

- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন উইনস্টন চার্চিল।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট ছিলেন জোসেফ স্টালিন। 
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট, এবং যুদ্ধের শেষ পর্যায়ে হ্যারি এস ট্রুম্যান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ছিলেন।

উৎসঃ ব্রিটানিকা

১,০৭৭.
'লাপাজ' কোন দেশের রাজধানী?
  1. ক) আর্জেন্টিনা
  2. খ) বলিভিয়া
  3. গ) চিলি
  4. ঘ) প্যারাগুয়ে
ব্যাখ্যা
- বলিভিয়ার রাজধানী লাপাজ পৃথিবীর উচ্চতম রাজধানী।
- সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে এর উচ্চতা ৩৬৫০ মিটার।
- দ্বিতীয় উচ্চতম রাজধানী হচ্ছে ইকুয়েডরের কিটো।

Source: Worldatlas.
১,০৭৮.
পাপুয়া নিউ গিনি কোন অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত?
  1. পলিনেশিয়া
  2. মাইক্রোনেশিয়া
  3. মেলানেশিয়া
  4. ওরিয়েন্টাল অঞ্চল
ব্যাখ্যা

⇒ মেলানেশিয়ান অঞ্চল প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত। দ্বীপপুঞ্জগুলি উত্তর-পশ্চিম থেকে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে একটি বৃত্ত তৈরি করে, যা নিউ গিনি থেকে শুরু হয়ে সলোমন দ্বীপপুঞ্জ, ভানুয়াতু, নিউ ক্যালেডোনিয়া, ফিজি এবং ছোট দ্বীপপুঞ্জের মধ্য দিয়ে বিস্তৃত। অ্যান্ডেসাইট লাইন পূর্বে মেলানেশিয়াকে পলিনেশিয়া এবং উত্তরে মাইক্রোনেশিয়াকে পৃথক করে। দক্ষিণে, অঞ্চলটি মকর রেখা এবং অস্ট্রেলিয়া দ্বারা বেষ্টিত।

• পাপুয়া নিউ গিনি:
- পাপুয়া নিউ গিনি দক্ষিণ-পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরের একটি দ্বীপ দেশ।
- আয়তন: ১৭৮,৩৫৫ বর্গ মাইল (৪৬১,৯৩৭ বর্গ কিমি)।
- রাজধানী: পোর্ট মোরসবি।
- ভাষা: ইংরেজি, টোক পিসিন, হিরি মোটু (সব অফিসিয়াল) ও আদিবাসী ভাষা।
- ধর্ম: খ্রিস্টান (প্রোটেস্ট্যান্ট, রোমান ক্যাথলিক), এছাড়াও ঐতিহ্যগত বিশ্বাস।
- মুদ্রা: কাইনা।
- এটি একটি সাংবিধানিক রাজতন্ত্র যার একটি আইনসভা রয়েছে।
- এর রাষ্ট্রপ্রধান হলেন ব্রিটিশ রাজা।
- দেশটি ১৯৭৫ সালে অস্ট্রেলিয়ার কাছ থেকে স্বাধীনতা অর্জন করে এবং ব্রিটিশ কমনওয়েলথে যোগদান করে।

অন্যদিকে,
⇒ মাইক্রোনেশিয়া, পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরের দেশ । এটি ক্যারোলিন দ্বীপপুঞ্জ দ্বীপপুঞ্জের ৬০০ টিরও বেশি দ্বীপ এবং দ্বীপ নিয়ে গঠিত।

⇒ হাওয়াই, ইস্টার দ্বীপ এবং নিউজিল্যান্ড দ্বারা গঠিত পলিনেশিয়ান ত্রিভুজ পলিনেশিয়াকে সংজ্ঞায়িত করে, যা মহাদেশীয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় দ্বিগুণ আয়তনের একটি অঞ্চল। পলিনেশিয়ান আউটলায়ার নামে পরিচিত আঠারোটি পলিনেশিয়ান-ভাষী সমাজ মাইক্রোনেশিয়া এবং মেলানেশিয়ায় অবস্থিত।

উৎস: Britannica.com.

১,০৭৯.
কোন চুক্তির মাধ্যমে ‘ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন’ গঠিত হয়?
  1. ক) রোম চুক্তি
  2. খ) প্যারিস প্যাক্ট
  3. গ) ম্যাস্ট্রিক্ট ট্রিটি
  4. ঘ) লিসবন চুক্তি
ব্যাখ্যা
- ১৯৯২ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি নেদারল্যান্ডসের ম্যাস্ট্রিক্ট শহরে ১২টি দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত ‘ম্যাস্ট্রিক্ট ট্রিটি’ এর মাধ্যমে ‘ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন’ গঠিত হয়। চুক্তিটি কার্যকর হয় ১৯৯৩ সালের ১ নভেম্বর।
- এই চুক্তির মাধ্যমেই ‘ইউরোপিয়ান ইকোনমিক কমিউনিটি’ ‘ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন’ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে এবং ইউরো মুদ্রা চালুর পথ সুগম হয়।
এর আগে ১৯৫৭ সালের ২৫ মার্চ স্বাক্ষরিত ‘রোম চুক্তি’র মাধ্যমে ‘ইউরোপিয়ান ইকোনমিক কমিউনিটি’ গঠিত হয়েছিলো।
- ২০০৭ সালে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের সংস্কার বিষয়ক লিসবন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
(তথ্যসূত্র: ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন ওয়েবসাইট)
১,০৮০.
পৃথিবীর সর্বোচ্চ বিমান বন্দর কোথায় অবস্থিত?
  1. চীন
  2. রাশিয়া
  3. লন্ডন
  4. নেপাল
ব্যাখ্যা
দাওচেং ইয়াডিং বিমানবন্দর:
- দাওচেং ইয়াডিং বিমানবন্দর (Daocheng Yading Airport) বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু বেসামরিক বিমানবন্দর।
- দাওচেং ইয়াডিং বিমানবন্দর চীনের সিচুয়ান প্রদেশের গারজে তিব্বতি স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলে অবস্থিত।
- এটি দাওচেং কাউন্টি থেকে প্রায় ৫০ কিলোমিটার উত্তরে এবং গাড়িতে প্রায় ১ ঘণ্টার দূরত্বে।
- সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে এর উচ্চতা ৪৪১১ মিটার, যা এটিকে বিশ্বের সর্বোচ্চ বেসামরিক বিমানবন্দর হিসেবে চিহ্নিত করে।
- বিমানবন্দরটি ২০১৩ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হয়।
- দাওচেং ইয়াডিং বিমানবন্দর দাওচেং কাউন্টিকে সেবা প্রদানকারী একমাত্র বিমানবন্দর।
- এর মাধ্যমে চেংদু থেকে দাওচেং ইয়াডিং ভ্রমণের সময় দুই দিনের বাসযাত্রা থেকে মাত্র ৬৫ মিনিটের বিমানযাত্রায় কমে এসেছে।

উৎস: China Discovery.
১,০৮১.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন জার্মানি কর্তৃক সোভিয়েত ইউনিয়ন আক্রমনের উদ্দেশ্যে পরিচালিত অপারেশনের নাম -
  1. অপারেশন বারবারোসা
  2. অপারেশন জ্যাকপট
  3. অপারেশন ডেজার্ট স্টর্ম
  4. অপারেশন রেইনবো
ব্যাখ্যা
অপারেশন বারবারোসা:
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায় পূর্ব ফ্রন্টের যুদ্ধ বা জার্মানীর রাশিয়া আক্রমণ।

⇒ ১৯৪১ সালে ২২ জুন জার্মানীর হিটলার 'অপারেশন বারবারোসা' নামে পরিচিত সোভিয়েত ইউনিয়ন অভিযান শুরু করেছিলেন।
- এই অভিযানে ১৯টি প্যানযার ডিভিশন, ৩ হাজার ট্যাংক, ২৫০০ বিমান এবং ৭০০০ কামান অংশ গ্রহণ করে।
- সর্বমোট ত্রিশ লক্ষ সৈনিক সাথে ৬ লক্ষ মোটরযান এবং ৬-৭ লক্ষ ঘোড়া ব্যবহার হয়েছিল এই অভিযানে।
- তিনটি দলে ভাগ হয়ে আক্রমণ শুরু করে জার্মান বাহিনী।
- এই তিনটি ভাগের নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন ফিল্ড মার্শাল ভব লিন, ভন বক এবং ভন রান্সডেট।
- আক্রমণের তীব্রতায় রাশিয়ান রেড আর্মিকে পিছু হটতে বাধ্য করে জার্মান বাহিনী।
- মাত্র ১৭ দিনের মধ্যেই তারা ৩ লাখ রাশিয়ান সৈনিককে বন্দি করা ছাড়াও আড়াই হাজার ট্যাঙ্ক, ১ হাজার ৪০০ আর্টিলারি গান এবং ২৫০টি রুশ ফাইটার প্লেন বিধ্বস্ত করে জার্মানরা।
- সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতা জোসেফ স্ট্যালিনের ইস্পাত-কঠিন নেতৃত্ব নাৎসিদের জয়রথ থামিয়ে অপারেশন বারবারোসাকে ব্যর্থ করে দেয়।
- স্ট্যালিনের নেতৃত্বে মাতৃভূমি রক্ষায় সোভিয়েত জনগণ জার্মানির বিরুদ্ধে প্রবল প্রতিরোধ গড়ে তোলে।
- জার্মানরা যেসব সোভিয়েত ভূখন্ড দখল করে, সেখানেও সোভিয়েত জনগণ গেরিলা যুদ্ধ চালিয়ে যায়।
- স্ট্যালিন সোভিয়েত জনগণ ও সৈন্যদের দেশরক্ষায় ব্যাপকভাবে উৎসাহিত করেন।
- মূলত সোভিয়েতদের প্রবল প্রতিরোধের ফলেই অপারেশন বারবারোসা ব্যর্থ হয়।

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় নৌবাহিনীর পরিচালিত প্রথম অভিযান ছিল 'অপারেশন জ্যাকপট'।
- 'অপারেশন ডেজার্ট স্টর্ম' এই যুদ্ধ সংঘটিত হয় ইরাক এবং ৩৪টি দেশের জাতিসংঘ অনুমোদিত যৌথ বাহিনীর মধ্যে।

উৎস: Britannica.
১,০৮২.
কত সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান প্রণীত হয়?
  1. ১৭৮১ সালে
  2. ১৭৭৬ সালে
  3. ১৭৮৯ সালে
  4. ১৭৭৮ সালে
ব্যাখ্যা
• মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র:
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বর্তমান বিশ্বের একটি অন্যতম প্রধান শক্তিশালী রাষ্ট্র। 
- যুক্তরাষ্ট্রের পূর্বদিকে রয়েছে আটলান্টিক মহাসাগর, পশ্চিমে প্রশান্ত মহাসাগর, উত্তরে কানাডা এবং দক্ষিণে মেক্সিকো ও মেক্সিকো উপসাগর।
- তেরটি উপনিবেশের ৫৫ জন প্রতিনিধ ১৭৭৬ সালের ৪ঠা জুলাই ঐতিহাসিক স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র (Declaration Of Independence) সর্বসম্মতভাবে গ্রহণ করে। 
- ১৭৭৭ সালের ১৭ নভেম্বর ১৩টি রাষ্ট্র চুক্তিবদ্ধ হয়ে একটি ‘কনফেডারেশন' গঠন করে এবং পরবর্তীতে ১৭৮৩ সালে স্বাধীনতার চূড়ান্ত স্বীকৃতি অর্জন করে।
- ১৭৮৭ সালের মার্কিন সংবিধানের উৎসরূপে গৃহীত হয়।
- সমবায়ী ১৩টি রাষ্ট্রের মধ্যে বিশেষত বানিজ্যিক স্বার্থের সংঘাত ক্রমশ প্রকট হয়ে উঠে।
- এ প্রেক্ষিতে রাষ্ট্র সমবায়ের দুর্বলতা দূর করার জন্য সংশোধনের প্রয়োজন দেখা দেয়।
- একটি সম্মেলন আহ্বানের মাধ্যমে আলেকজান্ডার হ্যামিলটনের যথার্থ প্রচেষ্টায় ১৭৮৭ সালে কংগ্রেসের নিকট আবেদন পেশ করা হয়।
- যার পরিপ্রেক্ষিতে ১৭৮৯ সালে নতুন সংবিধান প্রণীত হয়।

সূত্র: রাষ্ট্রবিজ্ঞান, বাংলাদেশ উন্মুক্তবিশ্ববিদ্যালয় ও হোয়াইট হাউজ ওয়েবসাইট (লিংক)। 
১,০৮৩.
রোমান সাম্রাজ্যের প্রথম সম্রাট কে ছিলেন?
  1. জুলিয়াস সিজার
  2. রমিউলাস সিজার
  3. অনরিয়াস সিজার
  4. অগাস্টাস সিজার
ব্যাখ্যা
অগাস্টাস সিজার:
- রোমান সাম্রাজ্যের প্রথম সম্রাট ছিলেন অগাস্টাস সিজার।
- তিনি মহাবীর জুলিয়াস সিজারের ভাগ্নে।
- অগাস্টাস সিজারের আসল নাম ছিল গাইয়াস অক্টাভিয়াস। 
- জুলিয়াস সিজারের মৃত্যুর পর তিনি নিজের নাম পরিবর্তন করে অগাস্টাস সিজার রাখেন।
- ৬৩ খ্রিস্টপূর্বাব্দে রোমের সমরনায়ক ও সিনেট সদস্যরা যখন দুই ভাগে বিভক্ত, এমনই এক সময় জন্মলাভ করেন অগাস্টাস সিজার।

⇒ সম্রাট অক্টাভিয়ান অগাস্টাস (খ্রিস্টপূর্ব ৩১-১৪ খ্রিস্টাব্দ) রোমের ইতিহাসে সর্বাপেক্ষা বিখ্যাত শাসক ছিলেন।
- তাঁর শাসনামলে রোমীয় সভ্যতায় স্বর্ণযুগের সূচনা হয়।
- তিনি একজন বিচক্ষণ রাজনীতিক ও দূরদৃষ্টিসম্পন্ন শাসক ছিলেন।
- তাঁর সময়ে রোমীয় ইতিহাস, সাহিত্য-সংস্কৃতি, শিল্পকলা, বিজ্ঞানচর্চা চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছে।
- এই জন্য ইতিহাসে তাঁর সময়কালকে 'অগাস্টান যুগ' (Augustan Age) বলা হয়।

উৎস: i) Britannica.
ii) ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০৮৪.
মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর নাম কী?
  1. ক) ফ্রন্টেক্স
  2. খ) বর্ডার পেট্রোল পুলিশ
  3. গ) নাসাকা
  4. ঘ) রেঞ্জার্স
ব্যাখ্যা
মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর নাম নাসাকা। 
ইউরোপীয় ইউনিয়নের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর নাম ফ্রন্টেক্স। 
থাইল্যান্ডের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর নাম Border Patrol Police (BPP)।
পাকিস্তানের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর নাম রেঞ্জার্স। 
 
উৎস: সংশ্লিষ্ট দেশের ওয়েবসাইট। 
১,০৮৫.
'Global Climate Forum' কোন দেশভিত্তিক সংস্থা?
  1. ক) যুক্তরাজ্য
  2. খ) যুক্তরাষ্ট্র
  3. গ) অস্ট্রেলিয়া
  4. ঘ) জার্মানি
ব্যাখ্যা
বিশ্ব জলবায়ু ফোরাম (Global Climate Forum)
▪ The GLOBAL CLIMATE FORUM (GCF) হলো জার্মানির বার্লিন ভিত্তিক একটি সংস্থা।
▪ ২০০১ সালে ইউরোপীয় গবেষণা ইনস্টিটিউট, এনজিও ও গবেষকদের সমন্বয়ে ইউরোপীয় জলবায়ু ফোরাম বা European Climate Forum (ECF) গঠন করে। ক্রমান্বয়ে ইউরোপীয় এই ফোরাম এশিয়া, অস্ট্রেলিয়াসহ অন্যান্য অঞ্চলে কার্যক্রম বিস্তার করে।
▪ ২০১১ সালে ইউরোপীয় জলবায়ু ফোরামের নাম পরিবর্তন করে “বিশ্ব জলবায়ু ফোরাম” বা Global Climate Forum (GCF) নামকরণ করা হয়।

তথ্যসূত্র: বিশ্ব জলবায়ু ফোরাম ওয়েবসাইট।
১,০৮৬.
চাকার আবিষ্কার কোন যুগে হয়েছিল?
  1. তাম্র যুগ
  2. মধ্য প্রস্তর যুগ
  3. নব্য প্রস্তর যুগ
  4. প্রাচীন প্রস্তর যুগ
ব্যাখ্যা

নব্য প্রস্তর যুগ:
- 'নব্যপ্রস্তর' শব্দটি এসেছে ইংরেজি Neolithic প্রতিশব্দ থেকে।
- আনুমানিক ৮০০০-৩৫০০ খ্রিস্টপূর্ব অব্দের মধ্যে ও নিকট প্রাচ্যে নব্য প্রস্তরযুগের প্রথম বিকাশ ঘটে।
- অতঃপর ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চল এবং অবশেষে খ্রিস্টপূর্ব ২৫০০ অব্দে ইংল্যান্ডে এ যুগের সূচনা হয়।
- এ যুগে তাঁত বা বয়ন শিল্পের বিকাশ ঘটে।
- নব্য প্রস্তরযুগের গুরুত্বপূর্ণ একটি কীর্তি হল চাকার আবিষ্কার।
- চাকার আবিষ্কার, মৃৎশিল্প, তাঁতশিল্প, পরিবহন এবং যুদ্ধকৌশলে পরিবর্তন ঘটায়।
- কৃত্রিম পদ্ধতিতে আগুন জ্বালানোর কৌশল আয়ত্ত্ব এবং এর ব্যাপক ব্যবহার নব্য প্রস্তর যুগের অর্জন।
- নব্য প্রস্তরযুগে বিবাহ ও পরিবার ব্যবস্থা গড়ে ওঠে।

⇒ নব্য প্রস্তরযুগের শেষপর্যায়ে এসে সীমিত আকারে তামার ব্যবহার শুরু হয়।

উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,০৮৭.
গুয়ান্তানামো বে কী?
  1. নাট্যশালা
  2. বন্দিশালা
  3. পর্যটনকেন্দ্র
  4. পারমাণবিক কেন্দ্র
ব্যাখ্যা

- গুয়ান্তানামো বে আটক শিবির বা গিটমো হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি সেনা আটক কেন্দ্র, যা কিউবার গুয়ান্তানামো বে নৌঘাঁটিতে অবস্থিত।  
- এটি মূলত ২০০২ সালে স্থাপিত হয় আফগানিস্তান, ইরাক এবং অন্যান্য অঞ্চলে আটক করা সন্দেহভাজন সন্ত্রাসবাদীদের আটক রাখার জন্য।

- এই শিবিরে বন্দীদের আইনি অধিকার নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক হয়। বিশেষ করে, জেনেভা কনভেনশন অনুসারে বন্দীদের ন্যায্য বিচার ও মানবিক আচরণের অধিকার থাকা - উচিত, কিন্তু গুয়ান্তানামোতে বন্দীদের উপর নির্যাতন, অবমাননাকর আচরণ এবং দীর্ঘমেয়াদী আটক (প্রায়শই বিচার ছাড়া) এর অভিযোগ উঠেছে।

বিশ্বব্যাপী অনেক মানবাধিকার সংগঠন এই শিবির বন্ধের দাবিতে এসেছে। মার্কিন আদালত ও প্রশাসনও এ নিয়ে বিভিন্ন সময় নানা বিতর্ক ও আইনি লড়াই করেছে।

উৎস: Britannica.

১,০৮৮.
মার্কিন রাজনীতিবিদ জোহরান মামদানির জন্মস্থান কোথায়?
  1. দক্ষিণ আফ্রিকা
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. নাইজেরিয়া
  4. উগান্ডা
ব্যাখ্যা

- ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী জোহরান মামদানি নিউইয়র্ক সিটির নির্বাচিত ১১১তম মেয়র।
- গত ১০০ বছরের মধ্যে নিউ ইয়র্কের সর্বকনিষ্ঠ মেয়র হলেন ৩৪ বছর বয়সী মামদানি।
- নিউইয়র্ক সিটির ইতিহাসে প্রথম মুসলিম মেয়র তিনি।
- জোহরান মামদানি নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের আইনসভার তিনবারের নির্বাচিত সদস্য। 
- তাঁর জন্ম উগান্ডায়।
- শিশু মামদানি বড় হয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার কেপটাউনে।
- সাত বছর বয়সে মা–বাবার হাত ধরে তিনি নিউইয়র্কে চলে আসেন।
- নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের আইনসভার সদস্য হওয়ার আগে জোহরান একজন কাউন্সিলর ছিলেন। এ ছাড়া তিনি একজন ‘র‍্যাপার’ও।

উৎস: প্রথম আলো।

১,০৮৯.
যুক্তরাজ্যের বর্তমান ক্ষমতাসীন দল কোনটি? [জুলাই, ২০২৪]
  1. কনজারভেটিভ পার্টি
  2. লেবার পার্টি
  3. লিবারেল ডেমোক্র্যাট
  4. রিপাবলিকান পার্টি
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

যুক্তরাজ্য:

- সরকার ব্যবস্থা: সাংবিধানিক রাজতন্ত্র।
- সংবিধান: অলিখিত।
- সরকার প্রধান: প্রধানমন্ত্রী।
- বর্তমান প্রধানমন্ত্রী: কিয়ের স্টারমার (লেবার পার্টি)।
- বর্তমান রাষ্ট্রপ্রধান: রাজা তৃতীয় চার্লস।

উল্লেখ্য,
- ব্রিটেনে সংসদের উপপ্রধানমন্ত্রী মিজ রেনার।
- ব্রিটেনে সংসদের অর্থমন্ত্রী র‍্যাচেল রিভস্।

⇒ ব্রিটেনে সংসদের নিম্নকক্ষ হাউস অফ কমন্সে মোট আসন সংখ্যা ৬৫০টি।
- সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে ৩২৬টি আসনে বিজয়ী হতে হয়।
- সম্প্রতি জুলাই, ২০২৪-এ অনুষ্ঠিত যুক্তরাজ্যের নির্বাচনে লেবার পার্টি জয়ী হয়েছে।
- লেবার পার্টি ৪১২টি আসনে জয় পেয়েছে।
- অন্যদিকে, কনজারভেটিভ পার্টি পেয়েছে ১২১টি আসন।
- লিবারেল ডেমোক্র্যাটরা ৭১টি আসন পেয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছে।

উৎস: Britannica.
১,০৯০.
’পাপুয়া নিউগিনি’ কোন অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত? 
  1. নিউজিল্যান্ড
  2. মাইক্রোনেশিয়া
  3. পলিনেশিয়া
  4. মেলানেশিয়া
ব্যাখ্যা

মিলেনেশিয়া:
"মেলানেশিয়া" শব্দটি গ্রীক থেকে এসেছে এবং এর অর্থ "কালো দ্বীপ"।
- মেলানেশিয়া দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত একটি অঞ্চল যা প্রায় ২,০০০ দ্বীপ নিয়ে গঠিত।
• এই অঞ্চলের দেশগুলো হলো:
১. পাপুয়া নিউগিনি,
২. সলোমন দ্বীপপুঞ্জ,
৩. ভানুয়াতু এবং
৪. ফিজি।
. ওশেনিয়া মহাদেশ:

• অঞ্চলভিত্তিক ওশেনিয়ার দেশসমূহ:
- অস্ট্রেলিয়া ১. অস্ট্রেলিয়া।
- নিউজিল্যান্ড- ১. নিউজিল্যান্ড।
- মাইক্রোনেশিয়া ১. মাইক্রোনেশিয়া, ২. কিরিবাতি ৩. নাউরু, ৪. মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ, ৫. পালাউ।
- বৃহত্তম দ্বীপ গুয়াম মাইক্রোনেশিয়া অঞ্চলে অবস্থিত, যার পরিমাপ ৫৬১ বর্গ কিমি।
• পলিনেশিয়া অঞ্চলের দেশসমূহ:
- টোঙ্গা
- টুভ্যালু ও
- সামোয়া।

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।

১,০৯১.
মিশরীয় সভ্যতার শেয়াল দেবতা কোনটি?
  1. হোরাস
  2. শেঠ
  3. আনুবিস
  4. থোথ
ব্যাখ্যা
মিশরীয় সভ্যতা:
- মিশরীয় সভ্যতার বিস্তৃতিকাল: খ্রিস্টপূর্ব ৫০০০-৫২৫ পর্যন্ত।
- মিশরে প্রথম এই সাম্রাজ্যের উদ্ভব ঘটে খ্রিস্টপূর্ব ৪০০০ অব্দে।
- একটি ছিল উত্তর মিশর অপরটি দক্ষিণ মিশর।
- স্থাপত্য ও ভাস্কর্যে তাদের ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ নির্মাতা বলা যায়।
- লিখন পদ্ধতির উদ্ভাবন, সেচ ব্যবস্থা চালু, চিকিৎসা শাস্ত্র, জ্যোতিষশাস্ত্র অংক শাস্ত্রসহ বিভিন্ন বিষয়ে তাদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান সভ্যতার ইতিহাসে এক গৌরবময় অধ্যায়ের সূচনা করেছিল।
- মিশরীয় সভ্যতার অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য: লিপি বা অক্ষর আবিষ্কার।
- তারা সর্বপ্রথম ২৪টি ব্যঞ্জনবর্ণের বর্ণমালা আবিষ্কার করতে সক্ষম হয়।
- মিশরীয় সভ্যতার প্রথম দিকে তারা ছবি এঁকে মনের ভাব প্রকাশ করত।
- এই লিখন পদ্ধতির নাম ছিল চিত্রলিপি।
- এই চিত্রলিপিকে বলা হয় ‘হায়ারোগ্লিফিক’ বা পবিত্র অক্ষর।
- পিরামিড: মিশরীয় স্থাপত্যের শ্রেষ্ঠ নিদর্শন। গিজার গ্রেট পিরামিড পৃথিবীর সপ্তাশ্চর্যের একটি।
- স্ফিংস: এটি ফারাও খাফরের শাসনকালে নির্মিত বিশাল মূর্তি।
- মিশরীয় সভ্যতায় বিভিন্ন দেবতার উপাসনা করা হত। যেমন:
• পাতালের দেবতা - ওসিরিস,
• যুদ্ধ এবং শিকারের সাথে যুক্ত আকাশের দেবতা - হোরাস,
• সহিংসতা, মরুভূমি এবং ঝড়ের দেবতা - শেঠ,
• শেয়াল দেবতা - আনুবিস,
• জ্ঞানের দেবতা - থোথ।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা ও বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০৯২.
মিয়ানমারের মুদ্রা কোনটি?
  1. কিয়াট
  2. বাথ
  3. রিঙ্গিত
  4. গুলট্রাম
ব্যাখ্যা
• মিয়ানমারের মুদ্রার নাম কিয়াট।

কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মুদ্রা:
• বাথ: থাইল্যান্ডের মুদ্রা।
• রিঙ্গিত: মালয়েশিয়া।
• গুলট্রাম: ভুটানের মুদ্রা।
• গুর্দে: হাইতি।
• লিরা: তুরস্ক।
• রিয়েল: ব্রাজিল।
• রুবল: রাশিয়া।
• পাউন্ড: যুক্তরাজ্য, মিশর, দক্ষিণ সুদান, লেবানন, সিরিয়া, সুদান।
• ইউরো: ইউরোপীয় জোন।
• পেসো: মেক্সিকো, ফিলিপাইন, আর্জেন্টিনা, কিউবা, ডোমিনাকান প্রজাতন্ত্র, চিলি, কলম্বিয়া, উরুগুয়ে।

উৎস: Britannica.
১,০৯৩.
মুসলমান প্রধান না হয়েও কোন দেশটি ইসলামী সম্মেলন সংস্থার সদস্য?
  1. ক) নাইজেরিয়া
  2. খ) লেবানন
  3. গ) উগান্ডা
  4. ঘ) মরক্কো
  5. ঙ) কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা

উগান্ডার ৮৫% এর উপরে জনসংখ্যা খ্রিস্টান। এবং, উগান্ডা ইসলামী সম্মেলন সংস্থার সদস্য।
সূত্রঃ উগান্ডার জনসংখ্যা রিপোর্ট এবং ওআইসি।

১,০৯৪.
মানুষের গড় আয়ু সবচাইতে বেশি কোন দেশে?
  1. ক) কানাডা
  2. খ) জাপান
  3. গ) নরওয়ে
  4. ঘ) সুইডেন
ব্যাখ্যা
- জাপানে গড় আয়ু সবচেয়ে বেশি।
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্যানুযায়ী, জাপানের লোকেরা ৭৫ বছর পর্যন্ত কোন ধরনের দুরারোগ্য রোগে আক্রান্ত হওয়া ছাড়াই বাঁচতে পারে।
- জাপানের নারীরা পুরুষদের চেয়ে বেশি দিন বাঁচে। 
- পুরুষদের গড় আয়ু ৮১ দশমিক ৯১ বছর এবং নারীদের গড় আয়ু ৮৮ দশমিক শূন্য ৯ বছর।
 
উৎস : ডেইলি ষ্টার ওয়েবসাইট 
১,০৯৫.
'ক্লিওপেট্রা' ছবির নাম ভূমিকায় কে অভিনয় করেন?
  1. মেরিলিন মনরো
  2. এলিজাবেথ টেইলর
  3. সোফিয়া লরেন
  4. অড্রে হেপবার্ন
ব্যাখ্যা
ক্লিওপেট্রা:
- ক্লিওপেট্রা ছিলেন ইতিহাসের বিখ্যাত মিশরীয় রানী।
- খ্রিস্টপূর্ব ৬৯ সালে আলেকজান্দ্রিয়ায় তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ছিলেন জুলিয়াস সিজারের প্রেমিকা এবং পরে মার্ক অ্যান্টনির স্ত্রী।
- ৫১ খ্রিস্টপূর্বাব্দে তার পিতা টলেমি XII এর মৃত্যুতে রানী হয়েছিলেন।
- ক্লিওপেট্রা সক্রিয়ভাবে রোমান রাজনীতিকে প্রভাবিত করেছিলেন।
- অক্টাভিয়ানের রোমান বাহিনী তাদের সম্মিলিত বাহিনীকে পরাজিত করার পর, অ্যান্টনি এবং ক্লিওপেট্রা আত্মহত্যা করেন।

উল্লেখ্য,
⇒ ‘ক্লিওপেট্রা’ সিনেমা ১৯৬৩ সালে মুক্তি পায়।
- এই সিনেমার অভিনেত্রী ছিলেন এলিজাবেথ টেইলর।
- ফিল্মটিতে রিচার্ড বার্টন , রেক্স হ্যারিসন , রডি ম্যাকডোওয়াল এবং মার্টিন ল্যান্ডউ সহ নামী ভূমিকায় এলিজাবেথ টেলর অভিনয় করেছেন।

উৎস: Britannica.
১,০৯৬.
আলেকজান্ডার দ্য গ্রেট ছিলেন একজন -
  1. ম্যাসিডোনিয়ান শাসক
  2. রোমান শাসক
  3. মিশরীয় শাসক
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
আলেকজান্ডার দ্য গ্রেট:
- আলেকজান্ডার দ্য গ্রেট ছিলেন একজন প্রাচীন ম্যাসিডোনিয়ান শাসক।
- তিনি ম্যাসিডোনিয়া এবং পারস্যের রাজা হিসেবে প্রাচীন বিশ্বের দেখা সবচেয়ে বড় সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।
- মাত্র ২০ বছর বয়সে পিতা দ্বিতীয় ফিলিপের স্থলাভিষিক্ত হন তৃতীয় আলেকজান্ডার।

- গ্রিক দার্শনিক অ্যারিস্টটলের ছাত্র আলেকজান্ডারকে বলা হতো ‘অর্ধেক পৃথিবীর রাজা’।
- কারণ গ্রিসের ছোট্ট রাজ্য ম্যাসিডন ছাপিয়ে প্রায় অর্ধেক পৃথিবী জয় করেছিলেন তিনি।
- মাত্র ৩০ বছর বয়সের মধ্যেই তিনি মিসর থেকে শুরু করে উত্তর-পশ্চিম ভারত পর্যন্ত ইতিহাসের অন্যতম বৃহত্তম সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন।

উৎস: History.com.
১,০৯৭.
পৃথিবীর গভীরতম হ্রদ কোনটি?
  1. কাস্পিয়ান
  2. বৈকাল
  3. মানস সরোবর
  4. ডেড সী (Dead Sea)
ব্যাখ্যা
বৈকাল হ্রদ:
- বৈকাল হ্রদ রাশিয়ায় অবস্থিত।
- এটি হলো পৃথিবীর সবচেয়ে গভীরতম হ্রদ।
- এর গভীরতা প্রায় ১৬৪২ মিটার।
- এটি পৃথিবীর প্রাচীনতম হ্রদ।

অন্যদিকে,
কাস্পিয়ান সাগর:
- কাস্পিয়ান সাগর (Caspian Sea) হলো পৃথিবীর সবচেয়ে বড় আন্তঃমহাদেশীয় হ্রদ।
- এটি সাগরের মতো দেখতে হলেও এটি প্রকৃতপক্ষে একটি হ্রদ।
- আয়তনে পৃথিবীর বৃহত্তম লবণাক্ত পানির হ্রদ।

মানস সরোবর:
- মানস সরোবর তিব্বতে কৈলাশ পর্বতের কাছে অবস্থিত।
- এটি পৃথিবীর উচ্চতম মিঠাপানির হ্রদও।
- এটি বৌদ্ধধর্মাবলম্বী এবং হিন্দুধর্মাবলম্বীদের কাছে এই সরোবর একটি অত্যন্ত পবিত্র হ্রদ হিসেবে গণ্য হয়।
- কৈলাশ পর্বতমালা থেকে জলপ্রবাহই এই মানস সরোবরে এসে পৌঁছায়।
- উল্লেখ্য, ব্রহ্মপুত্র নদ হিমালয় পর্বতের তিব্বত অংশের মানস সরোবর থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে।

Dead Sea:
- Dead Sea হলো একটি স্থলবেষ্টিত লবণের হ্রদ।
- এটি দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়ার ইসরায়েল এবং জর্ডানের মধ্যে অবস্থিত।
- পানিতে মানুষ ডুবে গেলেও ডেড সি বা মৃত সাগর এমন একটি হ্রদ যেখানে কেউ ডুবে না।
- এর পানি এতটাই ঘণ যে ওই পানিতে কেউ চাইলে শুয়েও থাকতে পারে।
- এতে কোন মাছ উৎপাদন হয় না।
- এই হ্রদটি ইসরায়েল, পশ্চিমতীর ও জর্ডানের সীমান্ত ঘেঁষে অবস্থিত।

উৎস: World Atlas.
১,০৯৮.
প্রাচীন মহাকাব্যের নাম কী?
  1. মহাভারত
  2. ঋগ্বেদ
  3. গিলগামেশ
  4. ওডেসি
ব্যাখ্যা
সুমেরীয় সভ্যতা:
-মেসোপটমীয়  সভ্যতার সবচেয়ে পুরাতন সভ্যতা সুমেরীয় সভ্যতা ।
-সুমেরীয় সভ্যতার অবস্থান - ইরাক।
-খ্রিষ্টপূর্ব ৪০০ অব্দে  এ সভ্যতা গড়ে উঠে।
-সুমেরীয়দের বড় অবদান - চাকা আবিষ্কার।
-তারা প্রথম লিখন পদ্ধতি কিউনিফর্ম উদ্ভাবন করেন।
-কিউনিফর্ম লিপিতে লেখা সবচেয়ে প্রাচীন মহাকাব্য গিলগামেশ।

উৎস
: britannica
১,০৯৯.
South Pole-এর অবস্থান কোন মহাদেশে?
  1. এশিয়া মহাদেশ
  2. ইউরোপ মহাদেশ
  3. দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশ
  4. অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশ
ব্যাখ্যা
অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশ:
- অ্যান্টার্কটিকা পৃথিবীর দক্ষিণতম মহাদেশ।
- অ্যান্টার্কটিক দক্ষিণ মহাসাগর দ্বারা বেষ্টিত।
- এটিতে ভৌগোলিক দক্ষিণ মেরু রয়েছে।
- এটি বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম মহাদেশ।
- এর আয়তন ১,৪২,০০,০০০ বর্গ কি.মি.।

⇒ অ্যান্টার্কটিকার বেশিরভাগ অংশই বরফ দ্বারা আবৃত তাই এটি মানুষ বসবাসের অনুপযোগী।
- বিশ্বের প্রায় ৭০% স্বাদু পানির রিজার্ভ সেখানে হিমায়িত রয়েছে।

⇒ আন্টার্কটিকার সর্বোচ্চ বিন্দু: ভিনসন মাসিফ এবং,
- সর্বনিম্ন বিন্দু: বেন্টলে স্যাবগ্লাসিয়াল।

⇒ এ মহাদেশের জীবজন্তু: পেঙ্গুইন, তিমি ও সীল।
- এ মহাদেশের প্রধান সম্পদ: পাথর।
- প্রধান খনিজ দ্রব্য: কয়লা।

উল্লেখ্য,
- ভূপৃষ্ঠের একেবারে দক্ষিণের স্থানটিকে দক্ষিণ মেরু (South Pole) বলা হয়ে থাকে।
- উত্তর মেরুর ঠিক বিপরীতে এর অবস্থান।
- উত্তর মেরুর সব দিকেই যেমন দক্ষিণ, একইভাবে দক্ষিণ মেরুর সব দিকে উত্তর।
- অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশে এর অবস্থান।
- দক্ষিণ মেরু সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৯ হাজার ৩০১ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত।
- দক্ষিণ মেরু উত্তরের চেয়েও বেশি ঠাণ্ডা।

উৎস: World Atlas.
১,১০০.
ইউক্রেনের  মুদ্রার নাম কী? 
  1. মানাত
  2. রিভনিয়া
  3. সোম
  4. তিয়িন
ব্যাখ্যা

ইউক্রেন:
- ইউক্রেন পূর্ব ইউরোপের একটি রাষ্ট্র।
- দেশটির আয়তন ৬০৩,৫৪৯ বর্গ কিমি।
- ভাষা: ইউক্রেনীয় (অফিসিয়াল), রাশিয়ান, রোমানিয়ান, পোলিশ, হাঙ্গেরিয়ান, বেলারুশিয়ান, বুলগেরিয়ান।
- ধর্ম: খ্রিস্টধর্ম (বেশিরভাগই পূর্ব অর্থোডক্স; এছাড়াও অন্যান্য খ্রিস্টান, রোমান ক্যাথলিক, প্রোটেস্ট্যান্ট), ইসলাম।
- মুদ্রা: রিভনিয়া।
- ইউক্রেনের পশ্চিমে পোল্যান্ড, স্লোভাকিয়া ও হাঙ্গেরি, দক্ষিণ-পশ্চিমে রোমানিয়া ও মলদোভা, দক্ষিণে কৃষ্ণ সাগর ও আজভ সাগর, পূর্বে ও উত্তর-পূর্বে রাশিয়া এবং উত্তরে বেলারুস। 
- ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ।
- ইউরোপের শস্য ভাণ্ডার খ্যাত ইউক্রেনের উর্বর ভূমিতে গম, সানফ্লাওয়ার এবং অন্যান্য দানাদার জাতীয় শস্য প্রচুর পরিমাণে উৎপন্ন হয়।
- এজন্য ইউক্রেনকে ইউরোপের রুটির ঝুড়ি বলা হয়।

তথ্যসূত্র - Britannica.com