বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বৈশ্বিক ইতিহাস, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা, ভূ-রাজনীতি

মোট প্রশ্ন৯,৩৩৪এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বৈশ্বিক ইতিহাস, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা, ভূ-রাজনীতি

PrepBank · পাতা ১০ / ৯৩ · ৯০১১,০০০ / ৯,৩৩৪

৯০১.
নিচের কোনটি মেসোপটেমিয়া সভ্যতার অংশ ছিলো না?
  1. ক্যালডীয়
  2. অ্যাজটেক
  3. ব্যাবিলনীয়
  4. সুমেরীয়
ব্যাখ্যা
- অ্যাজটেক সভ্যতা মেসোপটেমিয়া সভ্যতার অংশ ছিলো না। 

অ্যাজটেক সভ্যতা: 
- অ্যাজটেক সভ্যতা চতুর্দশ শতক থেকে ষোড়শ শতকের প্রথমার্ধ পর্যন্ত মেক্সিকোর মধ্য ও দক্ষিণাঞ্চলে বিরাজমান ছিলো।
- কৃষি ও বাণিজ্যে অ্যাজটেক সভ্যতা অনেক সমৃদ্ধ ছিলো।
- তাদের প্রধান শহর ছিলো তেহুচিটলান।
- ১৫২১ সালে স্পেনিশদের দ্বারা অ্যাজটেক সভ্যতা ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়।
--------------------------
মেসোপটেমীয় সভ্যতা:

- আধুনিক ইরাক রাষ্ট্রের সীমারেখার মধ্যেই প্রাচীনকালে মেসোপটেমীয় সভ্যতা গড়ে উঠেছিল। 
- গ্রিক শব্দ মেসোপটেমিয়ার অর্থ হচ্ছে দুই নদীর মধ্যবর্তী দেশ।
- খ্রিস্টপূর্ব প্রায় ৫০০০ অব্দে টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস নদীর মধ্যবর্তী অঞ্চলে মিশরীয় সভ্যতার সমকালীন একটি সভ্যতা গড়ে ওঠে।
- এই সভ্যতাটি ইতিহাসে মেসোপটেমীয় সভ্যতা নামে পরিচিত।
- মেসোপটেমীয় অঞ্চলে বেশ কয়েকটি সভ্যতার বিকাশ ঘটে।

যেমন: 
→ সুমেরীয়,
→ ব্যাবিলনীয়,
→ এ্যাসিরীয়,
→ ক্যালডীয়। 

- সভ্যতাগুলোর ভিন্ন ভিন্ন নাম থাকলেও একই ভূখণ্ডে গড়ে উঠার কারণে এগুলোকে একত্রে মেসোপটেমীয় সভ্যতা বলা হয়।

সূত্র: ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্রিটানিকা।
৯০২.
বিখ্যাত 'ফারাও খুফুর পিরামিড' কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) গ্রিসে
  2. খ) তুরস্কে
  3. গ) মিশরে
  4. ঘ) ফ্রান্সে
ব্যাখ্যা
পিরামিড:
- মিসরীয়দের ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ নির্মাতা বলা হয়। 
- প্রাচীন মিসরীয় শিল্পকলা ও স্থাপত্যের আশ্চর্য নিদর্শন 'পিরামিড। 
- পাথর দিয়ে নিখুঁতভাবে তৈরী ত্রিকোনাকার পিরামিড আজও মিসরের কায়রো শহরের অদূরে সভ্যতার ইতিহাস বহন করছে। 
- এ সকল পিরামিডের অভ্যন্তরে মিসরের রাজা এবং সম্ভ্রান্ত লোকদের মৃতদেহ (মমি) করে রাখা হয়েছে। 
- লক্ষাধিক পাথর টুকরো করে নিখুঁতভাবে জোড়া দিয়ে এই পিরামিড তৈরী করা হতো এবং এক একটা পিরামিড চার থেকে পাঁচশ ফুট উচু ছিল। 
- এ থেকে সহজেই অনুমান করা যায় মিসরীয়দের বিজ্ঞান ও কারিগরি কৌশল কি পরিমান উন্নত ছিল। 
- মিসরে অনেক পিরামিড আছে যার মধ্যে সবচেয়ে বিখ্যাত হলো 'ফারাও খুফুর পিরামিড'। 

উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯০৩.
রাশিয়ার প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা গ্রহণ করেন-
  1. স্ট্যালিন
  2. লেনিন
  3. গর্ভাচেব
  4. রুশো
ব্যাখ্যা

• পৃথিবীর প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণয়নকারী রাশিয়া।
• ১৯২২ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী যোসেফ স্ট্যালিন রাশিয়ার প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা গ্রহণ করেন।
উৎসঃ রাশিয়ার সরকারি ওয়েবসাইট।

৯০৪.
সম্প্রতি পৃথিবীর ৪৮তম রক্তের গ্রুপ ‘গোয়াডা নেগেটিভ (G–)’ শনাক্ত করেছে কোন দেশ? (সেপ্টেম্বর-২০২৫)
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. ফ্রান্স
  3. নাইজেরিয়া
  4. মালি
ব্যাখ্যা

- রক্তের নতুন একটি গ্রুপের সন্ধান পেয়েছে ফ্রান্সের জাতীয় রক্ত সঞ্চালন সংস্থা ‘দ্য ফ্রেঞ্চ ব্লাড এস্টাবলিশমেন্ট’। (সেপ্টেম্বর-২০২৫)
- ফরাসি এক নারীর শরীরে থাকা রক্তের নতুন গ্রুপটির নামকরণ করা হয়েছে—গোয়াডা নেগেটিভ। 
- ১৫ বছর আগে সংগ্রহ করা নমুনা বিশ্লেষণ করে এই রক্তের গ্রুপের খোঁজ মিলেছে।
- এ মাসে ইন্টারন্যাশনাল সোসাইটি অব ব্লাড ট্রান্সফিউশন আনুষ্ঠানিকভাবে রক্তের নতুন গ্রুপটিকে স্বীকৃতি দিয়েছে।

উৎস: প্রথম আলো।

৯০৫.
তাইওয়ানের সরকারী নাম কী?
  1. পিপলস রিপাবলিক অব তাইপে
  2. রিপাবলিক অব চায়না
  3. চায়নিজ তাইপে
  4. তাইওয়ান প্রজাতন্ত্র
ব্যাখ্যা
তাইওয়ান:
- তাইওয়ান সরকারীভাবে রিপাবলিক অব চায়না।
- ফরমোজার বর্তমান নাম তাইওয়ান।
- এটি পূর্ব এশিয়ার একটি দ্বীপ, যা তাইওয়ান প্রণালীর পূর্বে চীনা মূল ভূখন্ডের দক্ষিণ-পূর্ব উপকূলে অবস্থিত।
- আয়তন: ১৩,৯৭৬ বর্গ মাইল (৩৬,১৯৭ বর্গ কিমি)।
- ভাষা: ম্যান্ডারিন চাইনিজ (অফিসিয়াল), তাইওয়ানিজ, ফুকিয়েন এবং হাক্কা উপভাষায়ও কথা বলা হয়।
- ধর্ম: বৌদ্ধ ধর্ম, দাওবাদ, কনফুসিয়ানিজম, খ্রিস্টধর্ম।
- মুদ্রা: নতুন তাইওয়ান ডলার।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৯০৬.
ইরানের ও ছয় জাতির মধ্যে স্বাক্ষরিত পরমাণু চুক্তি কোনটি?
  1. ক) Joint Comprehensive Plan Of Action
  2. খ) Joint Comprehensive & Progressive Action
  3. গ) Joint Comprehensive Nuclear Deal
  4. ঘ) Iran Nuclear Action Plan
ব্যাখ্যা
ইরানের পরমাণু ইস্যুতে নিরাপত্তা পরিষদের ৫টি দেশ ও জার্মানির সাথে ইরান সরকারের স্বাক্ষরিত চুক্তি Joint Comprehensive Plan Of Action (JCPOA) নামে পরিচিত।

২০১৫ সালের ১৪ জুলাই অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় যা ২০১৬ সালের ১৬ জানুয়ারী কার্যকর হয়। পরবর্তীতে নিরাপত্তা পরিষদ এটি অনুমোদন করে।

ডোনাল্ড ট্রাম্প ২০১৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রকে চুক্তিটি থেকে প্রত্যাহার করে নিলে এটি কার্যত অচল হয়ে পড়ে। তবে বর্তমান মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন পুনরায় চুক্তিটিতে ফিরে আসার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
এই চুক্তির ফলে ২০২০ সালের অক্টোবরে ইরানের উপর থেকে জাতিসংঘের অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়।

(তথ্যসূত্র: বিবিসি ওয়ার্ল্ড ও আল জাজিরা)
৯০৭.
গ্লাসনস্ত নীতির আওতায় সোভিয়েত ইউনিয়নে প্রথমবারের মতো কোনটি শুরু হয়?
  1. মুক্ত বাজার ব্যবস্থা
  2. জনগণের মতামত প্রকাশের স্বাধীনতা
  3. সাধারণ নির্বাচন
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
মিখাইল গর্বাচেভ:
- মিখাইল গর্বাচেভ ছিলেন একজন সোভিয়েত রাজনীতিবিদ এবং সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের সর্বশেষ প্রেসিডেন্ট।
- তিনি ১৯৮৫ সালে ক্ষমতাসীন হওয়ার পর গ্লাসনস্ত এবং পেরেস্ত্রইকা নামে দুটির সংস্কারমূলক নীতি গ্রহণ করেন।
- স্নায়ুযুদ্ধের অবসান এবং যুক্তরাষ্ট্র-সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যকার দীর্ঘ শীতল সম্পর্ক উষ্ণ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন মিখাইল গর্বাচেভ।

⇒ গ্লাসনস্ত নীতি:
- গ্লাসনস্ত শব্দের অর্থ হচ্ছে মুক্তবস্থা বা খোলা হাওয়া।
- ১৯৮৫ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট মিখাইল গর্বাচেভ মানবধিকার ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে ব্যক্তি স্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের অধিকারকে স্বীকৃতি দেয়ার জন্য যে নীতি গ্রহণ করেছিলেন তাই হচ্ছে গ্লাসনস্ত।
- এর লক্ষ্য ছিল সরকারের কর্মকাণ্ডে স্বচ্ছতা আনা, দুর্নীতি কমানো এবং জনগণের মাঝে মুক্ত চিন্তা ও আলোচনা উত্সাহিত করা।
- এই নীতি পরবর্তীতে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের দিকে পরিচালিত হয়।

⇒ পেরেস্ত্রইকা নীতি:
- পেরেস্ত্রইকা শব্দের অর্থ হচ্ছে পুনর্গঠন।
- আর্থিক ও সামাজিক সংস্কার করতে ১৯৮৫ সালে এই নীতি প্রবর্তন করেন প্রেসিডেন্ট মিখাইল গর্বাচেভ।
- ওই সময় দেশকে নতুন দিশায় নিয়ে যেতে যে পুনর্গঠন প্রকৃত শুরু করেছিলেন তিনি, সেটাই পেরেস্ত্রইকা।
- এর লক্ষ্য ছিল বাজার অর্থনীতি উপাদান অন্তর্ভুক্ত করা, প্রশাসনিক ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনা এবং দুর্নীতি কমানো।
- এই নীতি সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে পরিবর্তন তৈরি করলেও, এটি শেষ পর্যন্ত সোভিয়েত ইউনিয়নের পতন ত্বরান্বিত করে।

উৎস: Britannica.
৯০৮.
যুক্তরাষ্ট্রে দাসপ্রথা বিলুপ্ত করেন কে?
  1. জর্জ ওয়াশিংটন
  2. আব্রাহাম লিংকন
  3. রোনাল্ড রিগ্যান
  4. মার্টিন লুথার কিং
ব্যাখ্যা

যুক্তরাষ্ট্রে দাসপ্রথা বিলুপ্ত:
- ১৮৬৫ সালের ১৮ ডিসেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী গৃহীত হয়।
- আব্রাহাম লিংকন, এই ত্রয়োদশ সংশোধনী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে দাসপ্রথা বিলুপ্ত করে।

উল্লেখ্য,
- ১৮৬০ সালে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপাবলিকান প্রার্থী হিসাবে আব্রাহাম লিংকন ইউনাইটেড স্টেটের ১৬তম প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।
- ১৮৬০ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগেই লিংকন দাস প্রথা বিলুপ্তির পক্ষে স্পষ্ট অবস্থান নেন।
- ১৮৬৩ সালের ১৯ নভেম্বর লিংকন পেনসালভেনিয়ার গেটিসবার্গের যুদ্ধক্ষেত্রে দাঁড়িয়ে এক হৃদয়স্পর্শী ভাষণে বলেন, ‘গণতন্ত্র হলো জনগণের সরকার, জনগণের দ্বারা সরকার, জনগণের জন্য সরকার।’
- তার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে দাসপ্রথা বিলুপ্ত হয়।

উৎস: History Channel.

৯০৯.
ইসরাইলকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম দেশ কোনটি?
  1. যুক্তরাজ্য
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. মিশর
  4. ফ্রান্স
ব্যাখ্যা
- ইসরাইলকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম দেশ যুক্তরাষ্ট্র।

ইসরাইল:
- ফিলিস্তিন অংশের ভূমি দখল করে রাষ্ট্র গঠন করে ইসরাইল।
- বেলফোর ঘোষণা ইসরায়েল রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সম্পর্কিত।
- ১৯৪৮ সালের ১৪ই মে ব্রিটিশ ও মার্কিনদের সহায়তায় ইহুদিরা আরব ভূমিতে ইসরাইল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করে।
- যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলকে প্রথম স্বীকৃতি দেয়।
- ইসরাইলের রাজধানী: জেরুজালেম।
- ইসরাইলের মুদ্রা: শেকেল।
- ইসরাইলের ভাষা হিব্রু।
- মুসলমান, ইহুদি ও খ্রিস্টান এই তিন ধর্মাবলম্বীদের কাছে পবিত্রভূমি ফিলিস্তিনের জেরুজালেম।
- তারাই একমাত্র দেশ যারা শুধুমাত্র ধর্মের ভিত্তিতে সরাসরি নাগরিকত্ব দেয়।
- গোয়েন্দা সংস্থা: মোসাদ, আমান।

উল্লেখ্য,
- ইসরায়েলের স্বপ্নদ্রষ্টা অস্ট্রিয়ান সাংবাদিক থিওডর হার্জেল।
- ইহুদিবাদ অন্দোলনের প্রবক্তা থিওডোর হার্জল।

এছড়াও, 
- ইসরাইলকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম আরব দেশ মিসর।
- ইসরাইলকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম মুসলিম দেশ তুরস্ক।

উৎস: Britannica ও U.S. Embassy in Israel (.gov).
৯১০.
ব্রাজিলের প্রধান ভাষা-
  1. স্প্যানিস
  2. পর্তুগিজ
  3. মান্দারিন
  4. ইংরেজী
ব্যাখ্যা
ব্রাজিল: 
- দাপ্তরিক নাম: ফেডারেটিভ রিপাবলিক অব ব্রাজিল।
- রাজধানী: ব্রাসিলিয়া।
- দক্ষিণ আমেরিকার ও পশ্চিম গোলার্ধের সবচেয়ে বড় দেশ।
- ভাষা: পর্তুগিজ (একমাত্র প্রধান পর্তুগিজভাষী দেশ দক্ষিণ আমেরিকায়)।
- মুদ্রা: ব্রাজিলিয়ান রিয়াল (Brazilian Real, BRL)।
- ধর্ম: প্রধানত খ্রিস্টান (বিশেষ করে রোমান ক্যাথলিক)।
- ১৮২২ সালের ৭ সেপ্টেম্বর ব্রাজিল পর্তুগাল কাছ থেকে স্বাধীনতা ঘোষণা করে।
- প্রিন্স পেড্রো স্বাধীনতা ঘোষণা করেছিলেন; ব্রাজিল সাম্রাজ্যের প্রথম শাসক।
- প্রতি বছর ৭ই সেপ্টেম্বর ব্রাজিল স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করে।
- শাসনব্যবস্থা: ফেডারেল রিপাবলিক; রাষ্ট্রপতি শাসিত গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা।
- বর্তমান রাষ্ট্রপতি: লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা।
- অবস্থান: দক্ষিণ আমেরিকার পূর্ব ও মধ্যভাগে অবস্থিত।

উল্লেখ্য
- ব্রাজিল ১০টি দেশের সাথেই সীমান্ত ভাগ করে নিয়েছে (ব্যতিক্রম: চিলি ও ইকুয়েডর)।
- উত্তর: ভেনিজুয়েলা, গায়ানা, সুরিনাম, ফরাসি গায়ানা।
- পশ্চিম: পেরু, বলিভিয়া।
- দক্ষিণ-পশ্চিম: প্যারাগুয়ে, আর্জেন্টিনা।
- দক্ষিণ: উরুগুয়ে।
- পূর্ব: আটলান্টিক মহাসাগর (প্রায় ৭,৫০০ কিমি দীর্ঘ উপকূল)
• প্রাকৃতিক বৈচিত্র্য:
- আমাজন বন: বিশ্বের বৃহত্তম রেইনফরেস্ট, “পৃথিবীর ফুসফুস” নামে পরিচিত।
- আমাজন নদী: বিশ্বের সবচেয়ে পানিধারী নদী।

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।
৯১১.
মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র এর বিখ্যাত বক্তৃতার নাম কী?
  1. Give Me Liberty
  2. The Audacity of Hope
  3. Yes We Can
  4. I Have a Dream
ব্যাখ্যা
- মার্টিন লুথার কিং জুনিয়রের সবচেয়ে বিখ্যাত বক্তৃতার নাম হলো “I Have a Dream”।
- ১৯৬৩ সালে ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত “মার্চ ফর জবস অ্যান্ড ফ্রিডম” নামক বিশাল সমাবেশে তিনি এই ভাষণ দেন। বক্তৃতাটিতে তিনি জাতিগত বৈষম্য ও বর্ণবাদের বিরুদ্ধে শান্তিপূর্ণ সংগ্রামের গুরুত্ব তুলে ধরেন। 

মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র: 
- মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র ছিলেন একজন আমেরিকান বাপ্তিস্ট ধর্মযাজক, সামাজিক অধিকারকর্মী ও নাগরিক অধিকার আন্দোলনের নেতা।  
- তিনি ১৫ জানুয়ারি, ১৯২৯ সালে আটলান্টা, জর্জিয়া, যুক্তরাষ্ট্রে জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৯৬৩ সালে ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত “মার্চ ফর জবস অ্যান্ড ফ্রিডম” নামক বিশাল সমাবেশে কিং তাঁর বিখ্যাত “I Have a Dream” ভাষণ দেন।  
- ১৯৬৪ সালে বর্ণবৈষম্য বিলুপ্তিতে অহিংস ভূমিকার জন্য মাত্র ৩৫ বছর বয়সে তিনি নোবেল শান্তি পুরস্কারে ভূষিত হন।
- মার্টিন লুথার কিং জুনিয়রের মৃত্যু ঘটে ৪ এপ্রিল, ১৯৬৮ সালে মেমফিস, টেনেসি, যুক্তরাষ্ট্রে, যখন তিনি এক বর্ণবাদী আততায়ীর গুলিতে নিহত হন।
- যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি বছর জানুয়ারির তৃতীয় সোমবার “Martin Luther King Jr. Day” হিসেবে পালিত হয়।

সূত্র: Britannica ও পত্রিকার রিপোর্ট।  
৯১২.
কোন সালে হিটলার জার্মান চ্যান্সেলর নিযুক্ত হন?
  1. ১৯৩৩
  2. ১৯৩৪
  3. ১৯৩১
  4. ১৯৩২
ব্যাখ্যা
এডলফ হিটলার:
- এডলফ হিটলার ছিলেন নাৎসি পার্টির প্রধান নেতা।
- এডলফ হিটলার অস্ট্রীয় বংশোদ্ভূত জার্মান রাজনীতিবিদ।
- তিনি ন্যাশনাল সোশ্যালিস্ট জার্মান ওয়ার্কার্স পার্টির নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।
- হিটলার ১৯৩৩ থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত জার্মানির চ্যান্সেলর ছিলেন।

উল্লেখ্য,
- 'অপছন্দের চেয়ে ঘৃণার স্থায়িত্ব বেশি' -উক্তিটি এডলফ হিটলার-এর।
- Hate is more lasting than dislike. — Adolf Hitler।

⇒ নাৎসিবাদ:
- নাৎসিবাদ হচ্ছে হিটলার ও তার দল নাৎসি পার্টি কর্তৃক শাসনব্যবস্থা।
- ১৯৩২ সালে দেশের রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচন প্রার্থী হয়ে হিনডেনবার্গের কাছে হিটলার পরাজিত হন।
- ১৯৩৩ সালে হিনডেনবার্গ হিটলারকে তাঁর চ্যান্সেলার নিযুক্ত করেন।
- কিছুদিনের মধ্যেই হিটলার সকল ক্ষমতা নিজের হাতে নিয়ে দেশে নাৎসি একনায়কতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেন।

উৎস: Britannica.
৯১৩.
পোপ ফ্রান্সিস মৃত্যুবরণ করেন কবে?
  1. ১৭ এপ্রিল, ২০২৫
  2. ২১ এপ্রিল, ২০২৫
  3. ২৩ এপ্রিল, ২০২৫
  4. ২৫ এপ্রিল, ২০২৫
ব্যাখ্যা
পোপ ফ্রান্সিস:
- পোপ ফ্রান্সিস দক্ষিণ আমেরিকা থেকে নির্বাচিত প্রথম পোপ।
- আসল নাম: জর্জ মারিও বার্গোগলিও (Jorge Mario Bergoglio)।
- জন্ম: ১৭ ডিসেম্বর ১৯৩৬, বুয়েনোস আইরেস, আর্জেন্টিনা।
- পোপ ফ্রান্সিস ২০১৩ সালে পোপ হিসেবে নির্বাচিত হন এবং ২০২৫ সালের এপ্রিল পর্যন্ত ক্যাথলিক গির্জার নেতৃত্ব দেন।
- তিনি গির্জার সংস্কার, দারিদ্র্য বিমোচন, পরিবেশ রক্ষা, এবং নারী ও যুবকদের ক্ষমতায়নে তাঁর বিশেষ উদ্যোগের জন্য পরিচিত ছিলেন।​
- পোপ ফ্রান্সিস ২১ এপ্রিল, ২০২৫ ভ্যাটিকানে তার বাসভবন কাসা সান্টা মার্টায় ৮৮ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন।
- ফ্রান্সিসের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া ২৬ এপ্রিল ভ্যাটিকান সিটির সেন্ট পিটার্স স্কয়ারে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- ‘পোপ’ হলেন ক্যাথলিক খ্রিস্টানদের প্রধান ধর্মগুরু।
- তিনি রোমান ক্যাথলিক গির্জার সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক প্রধান।
- তাকে খ্রিস্টান ধর্মের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- পোপ হিসাবে যিনি নির্বাচিত হন, তিনি ভ্যাটিকানের রাষ্ট্রপ্রধানও হন।

তথ্যসূত্র- ব্রিটানিকা, পত্রিকা রিপোর্ট।
৯১৪.
চীনের মহাপ্রাচীরের গড় উচ্চতা-
  1. ক) ২০ ফিট
  2. খ) ২২ ফিট
  3. গ) ২৪ ফিট
  4. ঘ) ২৬ ফিট
ব্যাখ্যা
চীনের মহাপ্রাচী:
- চীনের মহাপ্রাচীর নির্মিত হয়- চৌ-রাজ বংশের আমলে।
- রাজা শিহুয়াং তি এই প্রাচীর তৈরি করেন।
- হুনদের আক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য যে প্রাচীর নির্মিত হয়েছিল এখন তা বিশ্বের আশ্চর্য বস্তুর একটি।
- দেড় হাজার মাইল দীর্ঘ এই প্রাচীরের উচ্চতা- গড়ে ২৪ ফুট
- এই প্রাচীরের উপর দিয়ে ৬ জন অশ্বারোহী পাশাপাশি চলতে পারতো।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা (এসএসসি প্রোগ্রাম), উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯১৫.
যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়া থেকে কোন অঙ্গরাজ্যটি ক্রয় করে?
  1. আলাস্কা
  2. ক্যালিফোর্নিয়া
  3. লস অ্যাঞ্জেলেস
  4. হাওয়াই
ব্যাখ্যা
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র:
- স্বাধীনতা লাভ করে ৪ জুলাই, ১৭৭৬ সালে যুক্তরাজ্য থেকে।
- যুক্তরাষ্ট্রে জাতীয় দিবস - ৪ জুলাই।
- অঙ্গরাজ্য - ৫০ টি।
- সর্বশেষ অঙ্গরাজ্য - হাওয়াই।
- পতাকায় তারকা সংখ্যা ৫০ টি।
- আইনসভা - কংগ্রেস (দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট)।
- কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ এবং উচ্চকক্ষ সিনেট পরিষদ।
- যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান প্রেসিডেন্ট- ডোনাল্ড ট্রাম্প। [ জুন, ২০২৫]
- প্রথম প্রেসিডেন্ট - জর্জ ওয়াশিংটন।
- যুক্তরাষ্ট্র আলাস্কা অঙ্গরাজ্যটি ক্রয় করে।

উল্লেখ্য, 
- হাওয়ােই অঙ্গরাজ্যটি ক্রয় করে ফ্রান্স থেকে।
- যুক্তরাষ্ট্রকে স্ট্যাচু অব লিবার্টি উপহার দেয় কোন দেশ- ফ্রান্স।
- যুক্তরাষ্ট্রে ক্রীতদাস প্রথা বিলোপকারী প্রেসিডেন্টের নাম আব্রাহাম লিংকন।
- আব্রাহাম লিংকন ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের ১৬ তম প্রেসিডেন্ট।
- যুক্তরাষ্ট্র থেকে ক্রীতদাস প্রথা বিলোপ হয় - ১৮৬৩ সালে।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যে প্রেসিডেন্ট কখনো হোয়াইট হাউজে বসবাস করেননি জর্জ ওয়াশিংটন।

উৎস: ব্রিটানিকা। 
৯১৬.
দ্বিতীয় ইন্দোচীন যুদ্ধ নামে পরিচিত কোন যুদ্ধ?
  1. কোরিয়া যুদ্ধ
  2. ভিয়েতনাম যুদ্ধ
  3. চীন-জাপান যুদ্ধ
  4. উপসাগরীয় যুদ্ধ
ব্যাখ্যা

ভিয়েতনাম যুদ্ধ:
- ভিয়েতনাম যুদ্ধ দ্বিতীয় ইন্দোচীন যুদ্ধ নামে পরিচিত। 
- ১ নভেম্বর ১৯৫৫ সালে বিংশ শতাব্দীর অন্যতম রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ ভিয়েতনাম যুদ্ধের শুরু হয়।
- যা প্রায় ২০ বছর ধরে চলে।
- ১৯৭৫ সালের ৩০ এপ্রিল সমাজতান্ত্রিক উত্তর ভিয়েতনাম কর্তৃক মার্কিন সমর্থনপুষ্ট দক্ষিণ ভিয়েতনামকে দখলের মাধ্যমে এই যুদ্ধের অবসান হয়।
- এর আগে ১৯৭৩ সালে মার্কিন সৈন্য প্রত্যাহারে উত্তর ভিয়েতনাম ও আমেরিকার মধ্যে চুক্তি সাক্ষরিত হয়।
-  এ যুদ্ধে ৫৮,০০০ মার্কিন সৈন্যসহ ২০ লক্ষ মানুষ মারা যায়।
- ১৯৭৫ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধ বন্ধ হয় এবং ১৯৭৬ সালে দুই ভিয়েতনাম একত্রিত হয়।

উৎস: হিস্টোরি ডটকম।

৯১৭.
Which mountain range separates Europe from Asia?
  1. Andes
  2. Alps
  3. Ural Mountains
  4. Carpathian Muntains
ব্যাখ্যা
ইউরাল পর্বতমালা:

- ইউরাল পর্বতমালা এশিয়া ও ইউরোপকে পৃথক করেছে।
- এর আয়তন ১,৫৫০ মাইল (২,৫০০ কিমি)।
- পাহাড়ের গড় উচ্চতা ৩,৩০০-৩,৬০০ ফুট (১,০০০-১,১০০ মিটার)।
- সর্বোচ্চ শিখর হল মাউন্ট নরোদনায় ৬,২১৭ ফুট (১,৮৯৫ মিটার)।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৯১৮.
সাম্প্রতিক ভারতে কোথায় সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটে? ( মে ২০২৫)
  1. পাঠানকোট
  2. পহেলগাম
  3. কোকরাঝাড়
  4. ভোপাল
ব্যাখ্যা
- সাম্প্রতিক ভারতের সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটে - পহেলগাম।
- 22 Apr 2025 পহেলগাঁওয়ে সন্ত্রাসী হামলায় ঘটে।
- পহেলগাম জুম্মু কাশ্মীরের একটি অঞ্চল।

• কাশ্মীর ,উত্তর-পশ্চিম ভারতীয় উপমহাদেশের একটি অঞ্চল ।
-  ভারত শাসিত দক্ষিণ এবং দক্ষিণ-পূর্ব অংশ, জম্মু  কাশ্মীর ।
- পাকিস্তান দ্বারা শাসিত অঞ্চল :আজাদ কাশ্মীর ।

উৎস: ব্রিটানিকা এবং Hindustan Times.
৯১৯.
মন্ট্রিয়ল কোন দেশের বৃহত্তম শহর?
  1. ক) যুক্তরাজ্য
  2. খ) কানাডা
  3. গ) যুক্তরাষ্ট্র
  4. ঘ) ফ্রান্স
ব্যাখ্যা
কুইবেক কানাডার দ্বিতীয় বৃহত্তম প্রদেশ। এটির রাজধানী কুইবেক সিটি। তবে মন্ট্রিয়াল হলো বৃহত্তম শহর। ফরাসি উপনিবেশের অধীনে ছিল এই প্রদেশ। এ অঞ্চলের অধিকাংশ অধিবাসীর ভাষা ফরাসী এবং প্রদেশটির প্রধান সরকারি ভাষাও ফরাসী। Source: quebec.ca
৯২০.
কোন প্রেসিডেন্ট এর শাসনামলে আমেরিকায় দাস প্রথার বিলুপ্তি ঘটে?
  1. এন্ড্রো জনসন
  2. জর্জ ওয়াশিংটন
  3. আব্রাহাম লিংকন
  4. জেমস গারফিল্ড
ব্যাখ্যা
আব্রাহাম লিংকন (১৮০৯ - ১৮৬৫):
- আব্রাহাম লিংকন ছিলেন আমেরিকার ১৬তম প্রেসিডেন্ট।
- ১৮৬১ সালের ৪ মার্চ থেকে ১৮৬৫ সালের ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত তিনি আমেরিকার প্রেসিডেন্ট পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন।
- গেটিসবার্গের ভাষণ (Gettysburg Address) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকনের একটি বিখ্যাত ভাষণ।
- আব্রাহাম লিংকন আমেরিকার গৃহযুদ্ধের সময় পেনসিলভানিয়ার গেটিসবার্গে এই ভাষণ দেন।
- ১৮৬৩ সালের ১৯ নভেম্বর ভাষণটি দিতে তাঁর লেগেছিল তিন মিনিটেরও কম সময়।
- ১৮৬২ সালের ২২ সেপ্টেম্বর আব্রাহাম লিংকন দাস প্রথা বিলুপ্তির ঘোষণা দেন।
- এ লক্ষে ১ জানুয়ারি ১৮৬৩ তিনি Emancipation Proclamation এ স্বাক্ষর করেন।
- পরবর্তীতে সংবিধানের ১৩তম সংশোধনী কার্যকরের মাধ্যমে ১৮৬৫ সালের ১৮ ডিসেম্বর সাংবিধানিকভাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে দাস প্রথা নিষিদ্ধ হয়।
- ১৮৬১ সাল থেকে ১৮৬৫ সাল পর্যন্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কনফেডারেট ও ইউনিয়নিস্টদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ সংঘটিত হয় যা মার্কিন গৃহযুদ্ধ নামে পরিচিত। তখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন আব্রাহাম লিংকন।

উৎস: Britannica & History.com
৯২১.
যুক্তরাষ্ট্র পানামার কাছে পানামা খালটি পুরোপুরিভাবে হস্তান্তর করে-
  1. ক) ১৯১৪ সালে
  2. খ) ১৯৭৯ সাল
  3. গ) ১৯৮৬ সালে
  4. ঘ) ১৯৯৯ সালে
ব্যাখ্যা
আটালান্টিক মহাসাগর ও প্রশান্ত মহাসাগরকে যুক্ত করেছে পানামা খাল। পানামা খালটির নির্মাণ ১৯০৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের তত্ত্বাবধানে শুরু হয়েছিল এবং ১৯১৪ সালে শেষ হয়েছিল। ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত পানামা খালটি আমেরিকার নিয়ন্ত্রণে ছিল। ১৯৭৯ সালের পর থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও পানামা প্রজাতন্ত্রের যৌথ সংস্থা খালটির নিয়ন্ত্রণ করে। ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৯৯ সালে যুক্তরাষ্ট্র পানামার কাছে খালটি পুরোপুরি হস্তান্তর করে।
[সূত্রঃ ব্রিটানিকা এবং লাইভ এমসিকিউ আর্কাইভ]
৯২২.
ফরাসি বিপ্লবের শিশু নামে পরিচিত -
  1. অলিম্প দ্য গুজ
  2. মেরি অ্যান্টোইনেট
  3. নেপোলিয়ন বোনাপার্ট
  4. জোসেফ অ্যাগ্রিকল ভিয়ালা
ব্যাখ্যা
নেপোলিয়ন বোনাপার্ট:
- নেপোলিয়ন বোনাপার্ট ছিলেন একাধারে ফ্রান্সের অবিসংবাদিত সম্রাট ও তুখোড় সেনাপ্রধান।
- তিনি ফরাসি বিপ্লবের ক্রান্তিলগ্নে ফ্রান্সের হাল ধরেছিলেন।
- ফ্রান্সকে ইউরোপের শক্তিধর রাষ্ট্রে পরিণত করতে নেপোলিয়ন সক্ষম হয়েছিলেন।
- ফরাসি বিপ্লবের শিশু বলা হয় নেপোলিয়ন বোনাপার্টকে।
- বিখ্যাত 'ওয়াটার লু' যুদ্ধ সংঘটিত হয় ১৮১৫ সালে।
- এই যুদ্ধে পরাজিত হন ফরাসি বীর নেপোলিয়ন বোনাপার্ট।
- পরাজয়ের ফলে তাঁকে দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরের সেন্ট হেলেনা দ্বীপে নির্বাসন দেওয়া হয়।
- যেখানে ১৮২১ সালে আর্সেনিকের বিষক্রিয়ায় নেপোলিয়ন মৃত্যুবরণ করেন।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৯২৩.
কসোভোর রাজধানীর নাম কী?
  1. পালিকির
  2. মাজরু
  3. মেলিকিওক
  4. প্রিস্টিনা
ব্যাখ্যা
কসোভো:
- কসোভো ইউরোপের ভূমিবেষ্টিত ছোট্ট একটি দেশ।
- এর চারদিকে রয়েছে বলকানের চারটি দেশ: আলবেনিয়া, নর্থ মেসিডোনিয়া, মন্টেনিগ্রো এবং সার্বিয়া।
- এটি সার্বিয়ার উপনিবেশ ছিল।
- ২০০৮ সালে সার্বিয়া থেকে স্বাধীন হয় কসোভো।
- রাজধানী: প্রিস্টিনা
- প্রধান ভাষা: আলবেনীয় ও সার্বীয়।
- মুদ্রা: ইউরো।

উল্লেখ্য,
- ১৩৮৯ সালে কসোভো যুদ্ধের পর এখানে ইসলামের আগমন ঘটে।
- এরপর থেকে ১৯১২ সাল পর্যন্ত তা অটোমান সাম্রাজ্যের অধীনে ছিল।
- বলকান যুদ্ধের পর, এটি সার্বিয়া এবং মন্টিনিগ্রোকে হস্তান্তর করা হয়।
- যুগোস্লাভিয়ার মধ্যে একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রদেশে পরিণত হয়।
- ১৯৯০-এর দশকে যুগোশ্লাভিয়া ভেঙ্গে যাবার পরপরই স্বাধীনতার ইচ্ছে প্রকাশ করে কসোভো।
- ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সালে সার্বিয়া থেকে স্বাধীন হয় কসোভো।

উৎস: Britannica.
৯২৪.
কোন দেশটি আরব লীগের সদস্য নয়?
  1. ক) সোমালিয়া
  2. খ) মরক্কো
  3. গ) ইরান
  4. ঘ) ফিলিস্তিন
ব্যাখ্যা
- আরবলীগ হলো মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকার মুসলিম দেশগুলোর রাজনৈতিক জোট।
- এটি ১৯৪৫ সালের ২২ মার্চ গঠিত হয়।
- এটির সদর দপ্তর মিশরের রাজধানী কায়রোতে অবস্থিত।
- সোমালিয়া, মরক্কো ও ফিলিস্তিনসহ সংস্থাটির বর্তমান সদস্য ২২ টি।
- সিরিয়ার সদস্যপদ বর্তমানে স্থগিত রয়েছে।
- বর্তমান মহাসচিব মিশরের আহমেদ আবুল ঘেইত। সেপ্টেম্বরে নতুন মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন হোসাইন ইব্রাহিম তানহা।
- ইরান, তুরস্ক, আফগানিস্তান আরবলীগের সদস্য নয়।
(তথ্যসূত্রঃ আরব লীগ ওয়েবসাইট এবং ব্রিটানিকা)
৯২৫.
আয়তনে সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম মহাদেশ কোনটি?
  1. দক্ষিণ আমেরিকা
  2. উত্তর আমেরিকা
  3. এন্টার্কটিকা
  4. অস্ট্রেলিয়া
ব্যাখ্যা

অস্ট্রেলিয়া:
- অস্ট্রেলিয়া আয়তনে বিশ্বের ক্ষুদ্রতম মহাদেশ।
- এটি প্রায় ৮৫ লক্ষ ৪ হাজার ২৪১ বর্গকিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত।
- এ মহাদেশের সর্বোচ্চ স্থান পুঁসাক জায়া (৪,৮৮৪ মিটার)।
- আঞ্চলিক অবস্থান অনুসারে অস্ট্রেলিয়া মহাদেশকে ৪টি অঞ্চলে বিভক্ত করা যায়।
- যথা-অস্ট্রোলেশিয়া, মেলানেশিয়া, মাইক্রোনেশিয়া এবং পলিনেশিয়া।
- মেলানেশিয়া, মাইক্রোনেশিয়া এবং পলিনেশিয়া নিয়ে ওশেনিয়া অঞ্চল গঠিত।
- অস্ট্রেলিয়া মহাদেশ ২২টি দেশ নিয়ে গঠিত।
- এর মধ্যে আয়তনে বৃহত্তম অস্ট্রেলিয়া (৭৬,৮২,৩০০ বর্গকিলোমিটার) এবং ক্ষুদ্রতম নাউরু (২১.৩ বর্গকিলোমিটার)।
- অস্ট্রেলিয়ার দীর্ঘতম নদী মারে ডার্লিং (৩,৪৯০ কিলোমিটার)।

উল্লেখ্য,
- পৃথিবীতে ৭টি মহাদেশ রয়েছে।
- মহাদেশ ৭টি- এশিয়া, আফ্রিকা, উত্তর আমেরিকা, দক্ষিণ আমেরিকা, এন্টার্কটিকা, ইউরোপ এবং অস্ট্রেলিয়া।
- মহাদেশসমূহের মধ্যে আয়তনে এশিয়া মহাদেশ সবচেয়ে বৃহত্তম।

 উৎস: ভূগোল দ্বিতীয় পত্র (এইচএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯২৬.
ইজিয়ান সভ্যতার তথ্য পাওয়া যায় -
  1. হোমারের ইলিয়ড ও ওডেসি মহাকাব্যে
  2. এরিস্টটলের রচনা দ্বারা
  3. হেরোডোটাসের বর্ণনার মাধ্যমে
  4. প্রত্নতাত্বিক আবিষ্কারের ফলে
ব্যাখ্যা
ইজিয়ান সভ্যতা:
- ইজিয়ান সভ্যতা প্রস্তর ও ব্রোঞ্জ যুগের সভ্যতা।
- ইজিয়ান সাগরের অঞ্চলে যথাক্রমে প্রায় ৭০০০-৩০০০ খ্রিস্টপূর্বে এবং প্রায় ৩০০০-১০০০  খ্রিস্টপূর্বে গড়ে উঠে।
- ইজিয়ান সভ্যতার অপর নাম মিনীয় (Minoan) সভ্যতা।
- মিনীয় সভ্যতা অঞ্চলটি ক্রিট, সাইক্লেডস এবং অন্যান্য কিছু দ্বীপ এবং গ্রীক মূল ভূখন্ড, পেলোপোনিজ, মধ্য গ্রীস এবং থেসালি নিয়ে গঠিত।
- ইজিয়ান সভ্যতার কেন্দ্র ছিল গ্রিস।
- ইজিয়ান সাগরের তীরবর্তী পূর্ব বলকান অঞ্চল নিয়ে ইজিয়ান সভ্যতা গড়ে উঠে।
- ইজিয়ান সভ্যতার তথ্য পাওয়া যায় গ্রিক কবি হোমারের ইলিয়ড ও ওডেসি মহাকাব্যে
- ইজিয়ান সভ্যতার পতন ঘটে ১১০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে। 
 
উৎস: Britannica.
৯২৭.
'Great Leap Forward' কর্মসূচির প্রবক্তা কে?
  1. মাও সে তুং
  2. শেখ মুজিবুর রহমান
  3. নেলসন ম্যান্ডেলা
  4. ‎আডলফ হিটলার
ব্যাখ্যা
• মাও সে তুং:  
- Great Leap Forward  ইতিহাসের এই সমালোচিত কর্মসূচিটির প্রবক্তা-মাও সে তুং।
- গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের প্রথম চেয়ারম্যান: মাও সে তুং।
- ১৯৪৯ সালের ১ অক্টোবর বেইজিংয়ের তিয়েনআনমেন চত্বরে পিপলস রিপাবলিক অব চায়না প্রতিষ্ঠা  করেন।
- চীনের কমিউনিস্ট পার্টির নাম বললে যাঁর নাম প্রথমেই বলতে হয়, তিনি মাও সে–তুং।
- ১৮৯৩ সালে মাও সে–তুং–এর জন্মের সময় চীনে চলছিল চিং রাজবংশের দুর্দশাগ্রস্ত শাসন।
- মাও সেতুং ১৯৬৬ সালের প্রথম দিকে তার সাংস্কৃতিক বিপ্লব শুরু করেছিলেন।

উৎস: ব্রিটানিকা। [লিঙ্ক]
৯২৮.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এর প্রেসিডেন্টের নাম কি?
  1. ক) ডোনাল্ড ট্রাম্প
  2. খ) ডব্লিউ জর্জ বুশ
  3. গ) বারাক ওবামা
  4. ঘ) জন এফ কেনেডি
ব্যাখ্যা
ডোনাল্ড ট্রাম্প ২০ জানুয়ারি, ২০১৭ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ৪৫তম প্রেসিডেন্ট। রিপাবলিকান পার্টির হয়ে তিনি নির্বাচন করেন এবং রিপাবলিকান পার্টির আরেক নাম GOP বা Grand Old Party
৯২৯.
When was Bastille destroyed?
  1. 10 July 1789
  2. 12 July 1798
  3. 12 July 1789
  4. 14 July 1798
  5. 14 July 1789
ব্যাখ্যা
বাস্তিল দুর্গ:
- ফরাসি স্বৈরতন্ত্র এবং অত্যাচারের একমাত্র প্রতীক ছিল এই বাস্তিল দুর্গ।
- এই বাস্তিল দুর্গে রাজতন্ত্রের বিরোধী ব্যক্তিদের বন্দি করে রাখা হতো ও অত্যাচার করা হতো।
- তাই জনগণের কাছে বাস্তিল দুর্গ ছিল ফরাসি রাজতন্ত্রের অত্যাচারের প্রতীক।
- রাজধানী প্যারিসে শ্রমিক ও সাধারণ জনগণ খাদ্যের দাবিতে রাজতন্ত্রের অত্যাচারের প্রতীক বাস্তিল দুর্গ আক্রমণ করে।
- ১৭৮৯ সালের ১৪ জুলাই ফ্রান্সের বিদ্রোহী জনগণ বাস্তিল দুর্গ আক্রমণ করে ধ্বংস করেছিল।
- সমস্ত বন্দিরাও মুক্তি পায়।
- বাস্তিল দুর্গের পতনের মাধ্যমে ফরাসী বিপ্লব শুরু হয়।

উল্লেখ্য,
- বাস্তিল দুর্গের পতনের ফলে রাজা ষোড়শ লুই-এর স্বৈরশাসনের অবসান হয়।
- রাজা জাতীয় পরিষদকে স্বীকৃতি দেন এবং এই সময় থেকে রাষ্ট্রের প্রকৃত ক্ষমতা আইনসভার হাতে চলে যায়।
- ফ্রান্সের প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণের সূচনা হয় এবং অভিজাততন্ত্রের পতন আসন্ন হয়ে ওঠে।

উৎস: Britannica.
৯৩০.
‘Every man is guilty of all the good he didn't do’ - উক্তিটি কার?
  1. ক) ভলতেয়ার
  2. খ) রুশো
  3. গ) ফ্রেংকলিন
  4. ঘ) গুস্তাভো
ব্যাখ্যা
- ‘Every man is guilty of all the good he didn't do’ - উক্তিটি ভলতেয়ারের।
- ভলতেয়ার চেয়েছিলেন এমন একটি সমাজব্যবস্থা যেখানে প্রত্যেক মানুষ তার সাধ্যমতো ভালো কাজ করবে।

ফরাসি বিপ্লব:
- ফরাসি বিপ্লবের মূলমন্ত্র ছিল স্বাধীনতা,সাম্য ও ভ্রাতৃত্ব
- ফরাসি বিপ্লব পূর্বতন সমাজকে আমূল পরিবর্তিত করে দিয়েছিল।
- পূর্বতন সমাজে তিনটি গোষ্ঠী ছিল। এগুলো হলো যাজক শ্রেণি, অভিজাত শ্রেণি এবং জনসাধারণ। অভিজাত প্রভাবিত পূর্বতন সমাজের প্রতি শহরের জনতা ও বিপ্লবী বুর্জোয়া শ্রেণি অসন্তুষ্ট ছিল।
- ফরাসি বিপ্লব হয়েছিল ১৭৮৯ সালের ১৪ জুলাই
- ফরাসি বিপ্লবের মাধ্যমে বাস্তিল দুর্গের পতন ঘটে
- নেপোলিয়ন বোনাপার্ট ফরাসি বিপ্লবের অগ্রনায়ক ছিলেন

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা ও দৈনিক কালের যুগান্তর, ৫ আগস্ট ২০২১।
৯৩১.
ব্রিটেনের সাবেক উপনিবেশ না হয়েও কোন দেশটি কমনওয়েলথের সদস্য?
  1. মোজাম্বিক
  2. মিশর
  3. পাকিস্তান
  4. অস্ট্রেলিয়া
ব্যাখ্যা
কমনওয়েলথ মূলত ব্রিটেনের সাবেক উপনিবেশিক দেশগুলোর জোট হলেও মোজাম্বিক ও রুয়ান্ডা সাবেক ব্রিটিশ উপনিবেশ না হয়েও কমনওয়েলথের সদস্য।
মোজাম্বিক পর্তুগালের নিকট থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।
১৯৪৯ সালে আধুনিক কমনওয়েলথের আত্মপ্রকাশ ঘটে৷
কমনওয়েলথের বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৫৪টি। সদরদপ্তর লন্ডনের মার্লবোরো হাউজে অবস্থিত।
অন্যদিকে,
মিশর ব্রিটেনের সাবেক উপনিবেশ হয়েও কমনওয়েলথের সদস্য নয়।
অস্ট্রেলিয়া ও পাকিস্তান ব্রিটেনের সাবেক উপনিবেশ এবং কমনওয়েলথ সদস্য।
(সূত্রঃ কমনওয়েলথ ওয়েবসাইট)
৯৩২.
পটুয়াখালীর জলবায়ুকে কেমন জলবায়ু বলা হয়?
  1. ক) চরমভাবাপন্ন
  2. খ) মৃদুভাবাপন্ন
  3. গ) নিয়তভাবাপন্ন
  4. ঘ) অনিয়তভাবাপন্ন
ব্যাখ্যা
• মৃদুভাবাপন্ন:
- পটুয়াখালীর জলবায়ুকে বলা হয় মৃদুভাবাপন্ন
- জলভাগের অবস্থান কোনো এলাকার জলবায়ুকে মৃদুভাবাপন্ন করে। যেমন- কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, পটুয়াখালী সমুদ্র উপকূলে অবস্থিত হওয়ায় এসব স্থানের জলবায়ু মৃদুভাবাপন্ন।
-  সমুদ্রের নিকটবর্তী এলাকায় শীত-গ্রীষ্ম তেমন পার্থক্য না হলেও সমুদ্র উপকূল থেকে দূরের এলাকায় শীত ও গ্রীষ্ম উভয়ই বেশি হয়। এ কারণে সমুদ্র নিকটবর্তী জলবায়ুকে সমভাবাপন্ন ও দূরবর্তী জলবায়ুকে মহাদেশীয় চরমভাবাপন্ন জলবায়ু বলা হয়।
- স্থলভাগের চেয়ে জলভাগ অনেক ধীরে ধীরে উত্তপ্ত হয়। কারণ পানির আপেক্ষিক তাপ ধারণ ক্ষমতা বেশি। অর্থাৎ একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ সমুদ্রের পানি উত্তপ্ত হতে যে পরিমাণ তাপের দরকার হয় তার সমপরিমাণ মাটি উত্তপ্ত হতে তার থেকে কম তাপ দরকার হয়।
- তবে সৌরতাপ ভূমি অপেক্ষা সমুদ্রের অনেক গভীরে প্রবেশ করে তাপ বিস্তার করে। এ কারণেই অনেক দীর্ঘ সময়ে সমুদ্র উত্তপ্ত হয়।
- আবার তাপ বিকিরণের ক্ষেত্রে সমুদ্র পুনরায় ধীরে ধীরে তাপ হারায় যা ভূমির ক্ষেত্রে আরও দ্রুত হয়। ফলে সমুদ্র ঠান্ডা হতেও দীর্ঘ সময় লাগে। মূলত এ কারণেই গ্রীষ্মকালে উপকূলীয় এলাকা ভূ-ভাগের অভ্যন্তরের তুলনায় শীতল হয় এবং শীতকালে তুলনামূলকভাবে উষ্ণ থাকে।

তথ্যসূত্র: ভূগোল প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৩৩.
নিম্নের কোন দেশের আইনসভা এককক্ষবিশিষ্ট?
  1. মিয়ানমার
  2. ভুটান 
  3. নেপাল
  4. মালদ্বীপ
ব্যাখ্যা

মালদ্বীপ:
- এশিয়ার ক্ষুদ্রতম দেশ হল মালদ্বীপ।
- এটি ভারত মহাসাগরের মধ্যে অবস্থিত।
- এর আয়তন প্রায় ১১৬ বর্গ মাইল।
- মালদ্বীপ দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক জোট সার্কের সদস্য।
- রাজধানী: মালে।
- ভাষা: দিভেহী ও ইংরেজি।
- মালদ্বীপের আইনসভা এককক্ষবিশিষ্ট।
- পার্লামেন্ট: পিপলস মজলিস।
- মুদ্রা: মালদ্বীপীয় রুপাইয়া।

⇒ ​দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা:
​• যুক্তরাষ্ট্র: পার্লামেন্ট-কংগ্রেস (উচ্চকক্ষ: সিনেট, নিম্ন কক্ষ: হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভস),
• ভারত: পার্লামেন্ট (উচ্চকক্ষ: কাউন্সিল অফ স্টেটস/ রাজ্যসভা, নিম্ন কক্ষ: হাউজ অফ দা পিপল/লোক সভা),
• রাশিয়া: পার্লামেন্ট (উচ্চকক্ষ: ফেডারেশন কাউন্সিল, নিম্ন কক্ষ: স্টেট ডুমা)
​• যুক্তরাজ্য: পার্লামেন্ট (উচ্চকক্ষ: হাউস অফ লর্ডস, নিম্ন কক্ষ-হাউস অফ কমন্স),
​• পাকিস্তান: মজলিস-এ- শূরা (উচ্চকক্ষ: সিনেট, নিম্ন কক্ষ: ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি),
​• অস্ট্রেলিয়া: ফেডারেল পার্লামেন্ট (উচ্চকক্ষ: সিনেট, নিম্ন কক্ষ: হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভস),
​• ভুটান: পার্লামেন্ট (উচ্চকক্ষ: ন্যাশনাল কাউন্সিল, নিম্ন কক্ষ: ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি),
​• মিয়ানমার: ইউনিয়ন অ্যাসেম্বলি (উচ্চকক্ষ: ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি, নিম্ন কক্ষ: পিপলস অ্যাসেম্বলি),
​• জাপান: ডায়েট (উচ্চকক্ষ: হাউস অফ কাউন্সিলর্স, নিম্ন কক্ষ: হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভস)।
• নেপাল: ফেডারেল পার্লামেন্ট (ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি, হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ)।

উৎস: Britannica.

৯৩৪.
ভেলভেট বিপ্লব (Velvet Revolution) কোথায় সংঘটিত হয়েছিল?
  1. জর্জিয়া
  2. কিরগিজস্তান
  3. চেকোস্লোভাকিয়া
  4. ইউক্রেন
ব্যাখ্যা

ভেলভেট বিপ্লব (Velvet Revolution):
- সময়কাল: ১৭ নভেম্বর – ২৯ ডিসেম্বর, ১৯৮৯।
- স্থান: চেকোস্লোভাকিয়া (বর্তমানে চেক রিপাবলিক ও স্লোভাকিয়া)।
- মূল অংশগ্রহণকারীরা: ছাত্র-জনতা।
- বিশেষ নাম: Gentle Revolution (শান্তিপূর্ণ বিপ্লব)।
- কারণ: কমিউনিস্ট শাসন থেকে মুক্তি এবং সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃস্থাপন।

উল্লেখ্য,
- কমলা বিপ্লব (Orange Revolution): ক্ষমতাবদলকে কেন্দ্র করে ২০০৪ সালের নভেম্বর মাস থেকে ২০০৫ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত ইউক্রেনে সংঘটিত কিছু সরকার বিরোধী আন্দোলনকে “কমলা বিপ্লব” বা অরেঞ্জ রেভুলুশ্যন বলে।
- গোলাপ বিপ্লব (Rose Revolution): ২০০৩ সালে জর্জিয়ায় ক্ষমতা হস্তান্তরকে কেন্দ্র করে ঘটে যাওয়া রাজনৈতিক ঘটনাবলীর সমষ্টিকে গোলাপ বিপ্লব বলে।
- টিউলিপ বিপ্লব (Tulip Revolution): ২০০৫ সালের ফেব্রুয়ারি ও মার্চে কিরগিজস্তানে নির্বাচনে কারচুপির পরিপ্রেক্ষিতে টিউলিপ বিপ্লব সংঘটিত হয়।

 উৎস: ব্রিটানিকা ও লাইভ এমসিকিউ লেকচার। 

৯৩৫.
রুশ বিপ্লবের নেতৃত্ব দিয়েছিল কোন দল?
  1. ইনশেভিক পার্টি
  2. বলশেভিক পার্টি
  3. কমিউনিস্ট পার্টি
  4. নাৎসি বাহিনী
ব্যাখ্যা
- ১৯১৭ সালে অক্টোবর বিপ্লবের মধ্য দিয়ে ভ্লাদিমির ইলিচ লেনিনের নেতৃত্বাধীন বলশেভিক পার্টি ও শ্রমিক সোভিয়েতরা পেট্রোগ্রাদের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে উৎখাত করে রাশিয়ান সোভিয়েত ফেডারেশন সোশালিস্ট রিপাবলিক প্রতিষ্ঠা করেন।
- ইতিহাসে এটি বলশেভিক বিপ্লব নামেও পরিচিত।
- সাড়া জাগানো এ বিপ্লবের স্থায়িত্ব ছিল মাত্র ১০দিন।
- এই বিপ্লবের ফলে বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক দেশ হিসেবে রাশিয়ার আত্মপ্রকাশ ঘটে যা ১৯২২ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন নামধারণ করে।
- যার পতন ঘটে ১৯৯১ সালের ২৫ ডিসেম্বর।

তথ্যসূত্র:- ব্রিটানিকা।
৯৩৬.
'Great Depression’ বলতে কী বোঝায়?
  1. কৃষি বিপ্লব
  2. প্লেগ মহামারি
  3. দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক মন্দা
  4. রাজনৈতিক আন্দোলন
ব্যাখ্যা
Great Depression:
- গ্রেট ডিপ্রেশন হলো বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক মন্দা যা বিংশ শতাব্দীর ত্রিশের দশকে সংঘটিত হয়েছিল।
- এই অবস্থা প্রায় ১৯২৯ - ১৯৩৯ সাল পর্যন্ত স্থায়ী হয়েছিল।
- ১৯২৯ সালের আগস্টে যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারে নেমেছিল ভয়াবহ ধ্বস।
- আমেরিকা ছাড়িয়ে পার্শ্ববর্তী অঞ্চল ও ইউরোপেও ছড়িয়ে পড়েছিল এর প্রভাব।
- এই মন্দায় যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাংকগুলো দেউলিয়া হয়ে যায় এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করা মেক্সিকান শরণার্থীদের একাংশ নির্যাতনের শিকার হয়ে দেশে ফিরতে বাধ্য হন।
- প্রায় এক দশক ধরে চলা অর্থনৈতিক মহামন্দায় সোভিয়েত ইউনিয়ন ছাড়া সারা বিশ্ব সম্মুখীন হয়েছিল অর্থনৈতিক ক্ষতির।

উৎস: Britannica.
৯৩৭.
রুশ বিপ্লবের প্রথম পর্যায় কোনটি?
  1. ফেব্রুয়ারি বিপ্লব
  2. এপ্রিল বিপ্লব
  3. জুলাই বিপ্লব
  4. অক্টোবর বিপ্লব
ব্যাখ্যা
রুশ বিপ্লব:
- ১৯১৭ সালে রাশিয়ায় মূলত দুটি বিপ্লব সংঘটিত হয়।
- এই দুটি বিপ্লব হলো ফেব্রুয়ারি বিপ্লব ও বলশেভিক বিপ্লব।
- এই দুটি বিপ্লবকে একত্রে ১৯১৭ সালের রুশ বিপ্লব' বলা হয়।

ফেব্রুয়ারি বিপ্লব:
- রুশ বিপ্লবের প্রথম পর্যায়কে ফেব্রুয়ারি বিপ্লব বলে।
- ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের ফলে দ্বিতীয় নিকোলাসকে ক্ষমতা থেকে উচ্ছেদ ও বন্দি করা হয়।
- ১৯১৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে পেট্রোগ্রাদে (সেন্ট পিটার্সবার্গে) খাদ্য ঘাটতি নিয়ে দাঙ্গা শুরু হয়।
- সেনাবাহিনী বিদ্রোহীদের সাথে যোগ দিলে নিকোলাস ত্যাগ করতে বাধ্য হন।
- রাশিয়ার রাজতন্ত্রের পতন হয় ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের কারণে।

বলশেভিক বিপ্লব/অক্টোবর বিপ্লব:
- রুশ বিপ্লবের দ্বিতীয় পর্যায়কে বলশেভিক বা অক্টোবর বিপ্লব বলে।
- বলশেভিক বিপ্লবের ফলে রাশিয়ায় লেনিনের নেতৃত্বে বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- বলশেভিক বিপ্লবের নেতা ছিলেন ভ্লাদিমির লেনিন ও লিওন ট্রটস্কি।

তথ্যসূত্র - History.com & Britannica.com
৯৩৮.
যীশু খ্রিস্টের জন্মস্থান কোথায়?
  1. ভারত
  2. ইরাক
  3. জেরুজালেম
  4. ইতালি
ব্যাখ্যা
যীশু খ্রিস্ট:

- যীশু খ্রিস্টের জন্মস্থান বেথলেহেম জেরুজালেম শহরে।
- যিশু ছিলেন একজন ইহুদি ধর্মপ্রচারক। যিনি খ্রিস্টধর্মের কেন্দ্রীয় ব্যক্তিত্ব হিসেবে গণ্য হন।
- তিনি নাসরতের যিশু নামেও অভিহিত হন। যিশুকে প্রদত্ত উপাধি ‘খ্রিস্ট’ থেকে খ্রিস্টধর্মের নামকরণ করা হয়েছে।
- খ্রিস্টানরা বিশ্বাস করেন, যীশু ইশ্বরের পুত্র এবং বাইবেলের পুরাতন নিয়মে পূর্বব্যক্ত মসিহ যার আগমন নতুন নিয়মে পুনর্ব্যক্ত হয়েছে।
- আদি বাইবেল অনুযায়ী ২৫ ডিসেম্বর যিশু খ্রিস্টের জন্ম হয় এবং তখন থেকে এই দিন যিশু খ্রিস্টের জন্মদিন হিসাবে ধরা হয়।

তথ্যসূত্র - ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ ওয়েবসাইট ও একুশে টিভি ওয়েবসাইট, ২১ ডিসেম্বর ২০১৯।
৯৩৯.
আয়তনে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ কোনটি?
  1. ক) কানাডা
  2. খ) রাশিয়া
  3. গ) যুক্তরাষ্ট্র
  4. ঘ) ব্রাজিল
ব্যাখ্যা
আয়তনে বিশ্বের শীর্ষ পাঁচটি দেশ:
- প্রথম : রাশিয়া
- দ্বিতীয় : কানাডা
- তৃতীয় : যুক্তরাষ্ট্র
- চতুর্থ : চীন
- পঞ্চম : ব্রাজিল
▪ জনসংখ্যায় পৃথিবীর বৃহত্তম দেশ চীন।
▪ জনসংখ্যায় পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ ভারত।

তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস।
৯৪০.
অক্টোবর বিপ্লবের নেতৃত্ব দিয়েছেন কে?
  1. ক) মাও সে তুং
  2. খ) ভি. আই. লেনিন
  3. গ) ফ্লেডরিক এঙ্গেলস
  4. ঘ) কার্ল মার্কস
ব্যাখ্যা
• অক্টোবর বিপ্লবের নেতৃত্ব দিয়েছেন ভি. আই. লেনিন। 

• ১৯১৭ সালে রাশিয়ায় মূলত দুটি বিপ্লব সংঘটিত হয়। এই দুটি বিপ্লবকে একত্রে “১৯১৭ সালের রুশ বিপ্লব” (Russian Revolution of 1917) বলা হয়।

ফেব্রুয়ারি বিপ্লব:
- রুশ বিপ্লবের প্রথম পর্যায়কে ফেব্রুয়ারি বিপ্লব বলা হয়।
- ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের ফলে - রাজতন্ত্রের অবসান ঘটে এবং জার দ্বিতীয় নিকোলাসকে ক্ষমতা থেকে উচ্ছেদ ও বন্দি করা হয়।
- ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের নেতৃত্ব ছিলেন - আলেক্সান্দ্রো এফ. ক্যারেনস্কি (Aleksandr F. Kerensky)।

বলশেভিক বিপ্লব/অক্টোবর বিপ্লব:
- রুশ বিপ্লবের দ্বিতীয় পর্যায়কে বলশেভিক বা অক্টোবর বিপ্লব বলে।
- বলশেভিক বিপ্লবের ফলে - রাশিয়ায় লেনিনের নেতৃত্বে বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- বলশেভিক বিপ্লবের নেতা ছিলেন - ভ্লাদিমির লেনিন ও লিওন ট্রটস্কি।

উৎস: হিস্টোরি ও ব্রিটানিকা.কম। 
৯৪১.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে মিত্রশক্তির অন্তর্ভুক্ত ছিল -
  1. ইতালি
  2. জাপান
  3. জার্মানি
  4. ফ্রান্স
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ:
- ১৯৩৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর জার্মানি কর্তৃক পোল্যান্ড আক্রমণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়।

⇒ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অক্ষশক্তির অন্তর্ভুক্ত ছিল:
• জার্মানি,
• জাপান,
• ইতালি।

⇒ মিত্রশক্তির অন্তর্ভুক্ত ছিল:
• ব্রিটেন,
• ফ্রান্স,
• যুক্তরাষ্ট্র,
• সোভিয়েত ইউনিয়ন,
• চীন,
• পোল্যান্ড,
• নেদারল্যান্ডস প্রভৃতি দেশ।

- ৮ ডিসেম্বর, ১৯৪১ সালে যুক্তরাষ্ট্র দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সরাসরি যোগদান করে।
- ৭ মে ১৯৪৫ জার্মানি মিত্রবাহিনীর নিকট নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ করে।
- ২ সেপ্টেম্বর ১৯৪৫ জাপান কর্তৃক আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ইতিহাসে প্রথমবারের মতো পারমাণবিক অস্ত্রের দুটি ব্যবহার হয়েছিল।
- তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন তথা রাশিয়ার নেতা বা প্রেসিডেন্ট ছিলেন জোসেফ স্ট্যালিন।
- যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন উইনস্টন চার্চিল।
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট ও হ্যারি এস. ট্রুম্যান।

তথ্যসূত্র - হিস্টোরি ও ব্রিটানিকা কম।
৯৪২.
ভেলভেট বিপ্লব কোন দেশে সংঘটিত হয়েছিল?
  1. ইউক্রেন
  2. ইরাক
  3. ইরান
  4. চেকোস্লোভাকিয়া
ব্যাখ্যা
ভেলভেট বিপ্লব:
- '১৯৮৯ সালে ভেলভেট বিপ্লব' চেকোস্লোভাকিয়ায় সংঘটিত হয়েছিল।
- এটি ছিল একটি অহিংস আন্দোলন যার মাধ্যমে কমিউনিস্ট শাসনের অবসান ঘটে

⇒ ঐতিহাসিক বিপ্লবসমূহ:
- জেসমিন বিপ্লব: সংঘটিত হয় তিউনিসিয়ায় ২০১১ সালে।
- আমেরিকান বিপ্লব: সংঘটিত হয় যুক্তরাষ্ট্রে ১৭৭৬ সালে।
- ফরাসি বিপ্লব: সংঘটিত হয় ফ্রান্সে ১৭৮৯ সালে।
- রুশ বিপ্লব: সংঘটিত হয় রাশিয়ায় ১৯১৭ সালে।
- সাংস্কৃতিক বিপ্লব: সংঘটিত হয় চীনে ১৯৬৬- ১৯৭৬ সালে।
- ইসলামিক বিপ্লব: সংঘটিত হয় ইরানে ১৯৭৯ সালে।
- রোজ বিপ্লব: সংঘটিত হয় জর্জিয়ায় ২০০৩ সালে।
- অরেঞ্জ বিপ্লব: সংঘটিত হয় ইউক্রেনে ২০০৪ সালে।
- টিউলিপ বিপ্লব: সংঘটিত হয় কিরগিজস্থানে ২০০৫ সালে।
- নীল বিপ্লব: সংঘটিত হয় মিসরে ২০১১ সালে।

উৎস: Britannica.
৯৪৩.
বর্ণবাদী শাসনবিরোধী আন্দোলনের নেতা আর্চবিশপ ডেসমন্ড টুটু কোন দেশের ছিলেন?
  1. নাইজেরিয়ার
  2. যুক্তরাষ্ট্রের
  3. জিম্বাবুয়ে
  4. দক্ষিণ আফ্রিকার
ব্যাখ্যা
• আর্চবিশপ ডেসমন্ড টুটু: 
- আর্চবিশপ ডেসমন্ড টুটু দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদী শাসনবিরোধী আন্দোলনের নেতা ছিলেন।
- তিনি ছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকায় বর্ণবাদী শাসনবিরোধী সংগ্রামের প্রধান নায়ক নেলসন মান্ডেলার সমসাময়িক।
- ১৯৪৮ থেকে ১৯৯১ পর্যন্ত দক্ষিণ আফ্রিকায় শ্বেতাঙ্গরা গাত্রবর্ণের ভিত্তিতে বৈষম্যমূলক বর্ণবাদী শাসন চালিয়েছিল, তার বিরুদ্ধে আন্দোলনে তিনি ছিলেন অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এক শক্তি।
- দক্ষিণ আফ্রিকার মানুষের সংগ্রামে তার এই অবদানকে স্বীকৃতি জ্ঞাপন করে ১৯৮৪ সালে তাকে নোবেল শান্তি পুরস্কার প্রদান করা হয়।

সূত্র: বিবিসি বাংলা। 
৯৪৪.
Which is not part of Great Britain?
  1. ক) Ireland
  2. খ) England
  3. গ) Scotland
  4. ঘ) Wales
ব্যাখ্যা
গ্রেট ব্রিটেন:

- আয়ারল্যান্ড গ্রেট ব্রিটেনের অংশ নয়।
- ইংল্যান্ড, ওয়েলস, স্টকল্যান্ড এবং উত্তর আয়ারল্যান্ড নিয়ে গ্রেট ব্রিটেন বা যুক্তরাজ্য গঠিত।
- আয়ারল্যান্ড একটি পৃথক স্বাধীন রাষ্ট্র।
- ১৭০৭ সালে ইউনিয়ন অ্যাক্টের মাধ্যমে ইংল্যান্ড ও ওয়েলসের ও স্টকল্যান্ড একত্রিত হয়ে গ্রেট ব্রিটেন গঠন করে ।
- পরবর্তীতে ১৮০১ সালে আয়ারল্যান্ড এতে যোগ দিলে এর নাম হয় ইউনাইটেড কিংডম ।
- ১৯১৯ সালে আয়ারল্যান্ড স্বাধীনতা ঘোষণা করলে এটি দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে যায় যার উত্তরাংশ উত্তর আযারল্যান্ড নাম নিয়ে গ্রেট ব্রিটেনে থেকে যায়।

তথ্যসূত্র - ইউকে সরকারি ওয়েবসাইট।
৯৪৫.
কাকে আধুনিক সিঙ্গাপুরের জনক বলা হয়?
  1. হালিমা ইয়াকুব
  2. লি কুয়ান ইউ
  3. ডেভিড বেন গুয়েরিন
  4. জুলিয়াস নায়ারে
ব্যাখ্যা
- আধুনিক সিঙ্গাপুরের জনক লি কুয়ান ইউ।

সিঙ্গাপুর:
- দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ধনী নগররাষ্ট্র সিঙ্গাপুর।
- সিঙ্গাপুরের রাজধানী সিঙ্গাপুর সিটি।
- সিঙ্গাপুরের মুদ্রা সিঙ্গাপুরীয় ডলার।
- আধুনিক সিঙ্গাপুরের জনক হলেন লি কুয়ান ইউ।
- লি কুয়ান ইউ ১৯৫৯ সালের জুন মাসে সিঙ্গাপুরের প্রধানমন্ত্রী হন।
- তিনি ১৯৫৯ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত সিঙ্গাপুরের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।
- তাঁর দীর্ঘ শাসনামলে , সিঙ্গাপুর দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সবচেয়ে সমৃদ্ধ দেশ হয়ে ওঠে।

এছাড়াও,
- সিঙ্গাপুর ব্রিটিশ উপনিবেশ ছিল।
- ১৯৫৯ সালে সিঙ্গাপুর স্ব-শাসিত হয়ে ওঠে।
- ১৯৬৩ সালে লি কুয়ান ইউ মালয়েশিয়ার সঙ্গে জোটবদ্ধ হয়ে ফেডারেশন গঠন করেন, যা ১৯৬৫ সাল পর্যন্ত স্থায়ী হয়।
- ১৯৬৫ সালে মালয়েশিয়ার কাছ থেকে স্বাধীন হয় সিঙ্গাপুর।
- ৯ আগস্ট, ১৯৬৫ সালে একটি স্বাধীন রাষ্ট্রে পরিণত হয়।
- দেশটির নতুন নাম হয় 'রিপাবলিক অব সিঙ্গাপুর'।
- ১৯৯০ সালে সিঙ্গাপুরের প্রতিষ্ঠাতা প্রধানমন্ত্রী লি কুয়ান ইউ পদত্যাগ করেন।
- সিঙ্গাপুরে প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট: হালিমা ইয়াকুব।

উৎস: Britannica.
৯৪৬.
উলানবাটোর কোন দেশের রাজধানী?
  1. উজবেকিস্তান
  2. মঙ্গোলিয়া
  3. আর্মেনিয়া
  4. জর্জিয়া
ব্যাখ্যা
মঙ্গোলিয়া:
- পূর্ব এশিয়ার স্থলবেষ্টিত দেশ মঙ্গোলিয়া।
- এর উত্তরে রাশিয়া এবং দক্ষিণ, পূর্ব ও পশ্চিমে চীন অবস্থিত। 
- মঙ্গোলিয়া পর্বতসংকুল দেশ হলেও এখানে আছে বিস্তীর্ণ চারণভূমি, দীর্ঘ নদী ও বিশাল মরুভূমি। 
- রাজধানী: উলানবাটোর।
- মুদ্রা : টোগ্রোগ।

অন্যদিকে,
- উজবেকিস্তানের রাজধানী: তাশখন্দ।
- আর্মেনিয়ার রাজধানী: ইয়েরেভান। 
- জর্জিয়ার রাজধানী: তিবি‌লিসি।

উৎস: Britannica.
৯৪৭.
কাজাখস্তানের মুদ্রার নাম কী?
  1. সোম
  2. কিয়াট
  3. গুলট্রাম
  4. টেংগে
ব্যাখ্যা
কাজাখস্তান:
- বিশ্বের বৃহত্তম স্থলবেষ্টিত দেশ কাজাখস্তান।
- এটি মধ্য এশিয়ার একটি দেশ।
- দেশটির আয়তন ১,০৫২,০৯০ বর্গ মাইল (২,৭২৪,৯০০ বর্গ কিমি)।
- এর রাজধানী আস্তানা।
- ভাষা: কাজাখ, রাশিয়ান।
- ধর্ম: ইসলাম (বেশিরভাগই সুন্নি), খ্রিস্টান।
- মুদ্রা: টেংগে।
- কাজাখস্তান হল একটি একক প্রজাতন্ত্র যার পার্লামেন্ট দুটি কক্ষ নিয়ে গঠিত।
- এর রাষ্ট্র ও সরকার প্রধান হলেন রাষ্ট্রপতি।

তথ্যসুত্র - Britannica.com
৯৪৮.
খুলনা হার্ডবোর্ড মিল-টি কোন দেশের সহায়তা নিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিলো?
  1. ক) জাপান
  2. খ) কানাডা
  3. গ) যুক্তরাষ্ট্র
  4. ঘ) যুক্তরাজ্য
  5. ঙ) চীন
ব্যাখ্যা
খুলনা হার্ডবোর্ড মিলস্ লিঃ, শহর খালিশপুর, খুলনা দেশের একমাত্র সরকারি হার্ডবোর্ড কারখানা। খুলনা হার্ডবোর্ড মিলস্ লিঃ এর স্থাপনা তৎকালীন পূর্ব-পাকিস্তান শিল্প উন্নয়ন সংস্থা (ইপিআইডিসি’র) সময়ে ১৯৬৫ সালে। কারখানাটি কানাডীয় সরকারি সাহায্য সংস্থার সহায়তায় স্থাপিত হয়। কারখানার প্রধান কাঁচামাল সুন্দরবনে উৎপাদিত কাঁচা সুন্দরী জ্বালানী কাঠ। সূত্রঃ বাংলাদেশ ক্যামিকেল ইন্ড্রাস্টিজ কর্পোরেশন (BCIC)।
৯৪৯.
প্রাচীন 'আলেকজান্দ্রিয়া' শহরটি কোন সাগরের তটে গড়ে উঠেছিল?
  1.  ভূমধ্যসাগর
  2. কাস্পিয়ান সাগর
  3. লোহিত সাগর
  4. আরব সাগর
ব্যাখ্যা

•আলেকজান্দ্রিয়া:
- আলেকজান্দ্রিয়া মিশরের প্রধান শহর।
- এটি ভূমধ্যসাগরীয় বিশ্বের অন্যতম প্রধান শহর এবং হেলেনিক বৃত্তি ও বিজ্ঞানের কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।
- ইতিহাস জুড়ে এটি বিশ্বজনীন শহর হিসেবে ভূমধ্যসাগরের সাথে বিস্তৃত।
- প্রতিষ্ঠাতা: আলেকজান্ডার দি গ্রেট, ৩৩২ খ্রিস্টপূর্বাব্দ।
- মিশরের রাজধানী হিসেবে ব্যবহৃত: ৩৩২ খ্রিস্টপূর্বাব্দ থেকে ৬৪২ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত।
- ৬৪২ খ্রিস্টাব্দে আরব বাহিনী (আমর ইবনে আল-আস) কর্তৃক দখল।

• ভৌগোলিক অবস্থান:
- কায়রো থেকে: প্রায় ১১৪ মাইল (১৮৩ কিমি) উত্তর-পশ্চিমে।
- নীল নদের ব-দ্বীপের পশ্চিম প্রান্তে, ভূমধ্যসাগরের ধারে।
- শহরের আয়তন: ১১৬ বর্গমাইল (৩০০ বর্গকিমি)।

• প্রধান বৈশিষ্ট্য:
- প্রধান সমুদ্রবন্দর এবং শিল্প কেন্দ্র।
- ভূমধ্যসাগরের উত্তরের বাতাস শহরের জলবায়ুকে মরুভূমির থেকে আলাদা করেছে।
- সাংস্কৃতিক দিক থেকে শহরটি মিশরের দিকে পিঠ এবং ভূমধ্যসাগরের দিকে মুখ করে বিস্তৃত।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।

৯৫০.
ভারতের মিজোরাম রাজ্যটি বাংলাদেশের কোন দিকে অবস্থিত?
  1. ক) পশ্চিমে
  2. খ) উত্তরে
  3. গ) দক্ষিণে
  4. ঘ) পূর্বে
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের উত্তরে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয় ও আসাম রাজ্যের অবস্থান।
- বাংলাদেশের পূর্বে ভারতের আসাম, মিজোরাম ও ত্রিপুরা রাজ্য এবং মিয়ানমারের আরাকান ও চিন প্রদেশ অবস্থিত।
- বাংলাদেশের পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য অবস্থিত।
- বাংলাদেশের দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর অবস্থিত।

উৎসঃ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৯৫১.
কোরীয় সংকটকে কেন্দ্র করে জাতিসংঘে 'Uniting for peace resolution' পাশ করা হয় -
  1. ১ নভেম্বর, ১৯৫০
  2. ৩ নভেম্বর, ১৯৫০
  3. ১ নভেম্বর, ১৯৫৩
  4. ৩ নভেম্বর, ১৯৫৩
ব্যাখ্যা
কোরীয় যুদ্ধ:
- ১৯১০ সাল থেকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পর্যন্ত কোরিয়া উপদ্বীপ জাপানের অধীনে ছিল।
- কিন্তু দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপান পরাজিত হওয়ার ফলে ১৯৪৫ সালে মার্কিন প্রশাসন কোরীয় উপদ্বীপকে ভাগ করে।
- ১৯৪৮ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার জন্ম হয়।
- শুরু থেকেই দুটি রাষ্ট্রের মধ্যে উত্তপ্ত সম্পর্ক বিরাজ করে। এই যুদ্ধকে 'the Forgotten War' বলে অভিহিত করেছেন।

⇒ যুদ্ধের সংক্ষিপ্ত বিবরণ:
- যুদ্ধ সংঘটনকাল: ১৯৫০-১৯৫৩ সাল।
▪ বিবাদমান পক্ষসমূহ: সোভিয়েত ইউনিয়ন ও চীনের সমর্থিত - উত্তর কোরিয়া ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও মিত্রদের সমর্থিত - দক্ষিণ কোরিয়া।
▪ যুদ্ধের ফলাফল: কোরিয়া সংকটকালীন সময়ে ১৯৫০ সালের ৩ নভেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ শান্তির জন্য ঐক্য” (Uniting for Peace) প্রস্তাব পাশ করে এবং উত্তেজনা প্রশমনের চেষ্টা চালায়।
- এ যুদ্ধের প্রেক্ষিতে জাতিসংঘ ৩ নভেম্বর, ১৯৫০ সালে 'Uniting for peace resolution' পাশ করে।
- এই যুদ্ধের ফলে ৩৮° সমান্তরাল রেখা বরাবর দুটি দেশের সীমান্ত নির্ধারিত হয়।
- অবশেষে ২৭ জুলাই, ১৯৫৩ সালে কোরীয় যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটে।

উৎস: UN ওয়েবসাইট।
৯৫২.
বর্তমানে অপরিশোধিত তেল আমদানিতে শীর্ষ দেশ কোনটি? (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
  1. কাতার
  2. চীন
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. ইরান
ব্যাখ্যা

অপরিশোধিত তেল আমদানি:
- চীন ২০২৪ সালে প্রায় ৩২৪.৬ বিলিয়ন USD মূল্যের কাঁচা তেল আমদানি করেছে,
- যা ছিল মোট আমদানি মূল্যের ২৪.৬%,
- চীন বছরের ভিত্তিতে সবচেয়ে বড় তেল আমদানিকারক দেশ।
- যুক্তরাষ্ট্র: দ্বিতীয়। 
- ভারত: তৃতীয়।

অন্যদিকে,
রপ্তানিতে প্রথম - সৌদি আরব। 
২য় অবস্তানে রাশিয়া।  

উৎস: worlds top export report.[লিঙ্ক]

৯৫৩.
নিচের কোনটি বলকান রাষ্ট্র?
  1. ক্রোয়েশিয়া
  2. স্লোভেনিয়া
  3. কসোভো
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

বলকান রাষ্ট্র:
- বলকান হলো দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপে অবস্থিত একটি পার্বত্য অঞ্চল।
- বলকান পর্বতমালার পাদদেশ বা বলকান পেনিনসুলায় অবস্থিত রাষ্ট্রসমূহ এই অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।

⇒ বলকান রাষ্ট্রসমূহ হলো:
• ক্রোয়েশিয়া,
• স্লোভেনিয়া,
• কসোভো,
• মন্টিনিগ্রো,
• বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা,
• রোমানিয়া,
• বুলগেরিয়া,
• সার্বিয়া,
• উত্তর মেসিডোনিয়া,
• আলবেনিয়া।
• গ্রিস।

তথ্যসূত্র - Worldatlas.com

৯৫৪.
ফিনল্যান্ড ও রাশিয়া সীমান্ত রেখার নাম কী?
  1. ক) ম্যাকনামারা লাইন
  2. খ) ডুরান্ড লাইন
  3. গ) ম্যাকমোহন লাইন
  4. ঘ) ম্যানারহেইম লাইন
ব্যাখ্যা
- ফিনল্যান্ড ও রাশিয়া সীমান্ত রেখার নাম 'ম্যানারহেইম লাইন' 
- ভারত ও চীন সীমান্ত রেখার নাম 'ম্যাকমোহন লাইন' 
- পাকিস্তান ও আফগানিস্তান সীমান্ত রেখার নাম 'ডুরান্ড লাইন'
- উত্তর ও দক্ষিণ ভিয়েতনাম সীমান্ত রেখার নাম 'ম্যাকনামারা লাইন'


 [উৎস: ব্রিটানিকা]
 
৯৫৫.
নিচের কোনটি ভারতের সেভেন সিস্টার্স রাজ্যগুলোর অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. আসাম
  2. মেঘালয়
  3. ত্রিপুরা
  4. সিকিম
ব্যাখ্যা

 • সেভেন সিস্টার্স:
- ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত সাতটি রাজ্যকে সেভেন সিস্টার্স বলা হয়।
- রাজ্যগুলো হলো: আসাম, মেঘালয়, অরুণাচল, মনিপুর, নাগাল্যান্ড, ত্রিপুরা এবং মিজোরাম। 
- ভারতের মোট ৫টি রাজ্য বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী।
- এগুলো হলো:  আসাম, ত্রিপুরা, মিজোরাম, মেঘালয় ও পশ্চিমবঙ্গ।

এছাড়াও -
- ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সাথে বাংলাদেশের ৩২টি জেলার সীমান্ত রয়েছে।
- ভারতের সাথে ৩০টি এবং মিয়ানমারের সাথে ৩টি।
- একটি জেলার সাথে উভয় দেশের সীমানা রয়েছে সেটি হচ্ছে বাংলাদেশের আয়তনে সবচেয়ে বড় জেলা রাঙামাটি।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৯৫৬.
বিশ্বের বৃহত্তম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র 'কাশিওয়াজাকি-কারিওয়া' কোন দেশে অবস্থিত?
  1. চীন
  2. জাপান
  3. রাশিয়া
  4. উত্তর কোরিয়া
ব্যাখ্যা

বৃহত্তম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র:
- বিশ্বের বৃহত্তম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র হলো কাশিওয়াজাকি–কারিওয়া নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট জাপানে অবস্থিত।
- কেন্দ্রটির নির্মাণ শুরু হয় ১৯৮০-এর দশকে।
- ১৯৮৫ থেকে ১৯৯৭ সালের মধ্যে একে একে সব রিঅ্যাক্টর চালু করা হয়।
- এখানে মোট ৭টি রিঅ্যাক্টর রয়েছে।
- ২০১১ সালের ভয়াবহ সুনামি এবং ফুকুশিমা দাইচি পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে দুর্ঘটনার পর কেন্দ্রটির সব রিঅ্যাক্টর বন্ধ হয়ে যায়।
- সম্প্রতি, জাপান সরকার কাশিওয়াজাকি-কারিওয়া বিদ্যুৎকেন্দ্র পুনরায় চালুর অনুমোদন দিতে যাচ্ছে।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা রিপোর্ট। [link]

৯৫৭.
বুকা কিসের রাজধানী?
  1. ক) আজারবাইজান
  2. খ) সিসিলি
  3. গ) মিন্দানাও
  4. ঘ) বুগেনভিল
  5. ঙ) টার্কস দ্বীপপুঞ্জ
ব্যাখ্যা
পাপুয়া নিউগিনির স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল বুগেনভিল দ্বীপপুঞ্জের রাজধানী শহর হল বুকা। সম্প্রতি বুগেনভিলে দু'দফা গণভোটে সে দেশের জনগণ স্বাধীনতার পক্ষে রায় দেয়। (সূত্রঃ ব্রিটানিকা)
৯৫৮.
কিউবান বিপ্লব সংঘটিত হয় বিংশ শতাব্দির- 
  1. পঞ্চাশের দশকে 
  2. ষাটের দশকে
  3. সত্তরের দশকে
  4. আশির দশকে
ব্যাখ্যা

• কিউবা বিপ্লবের সময়কাল - ১৯৫৬ -১৯৫৯ সাল। 

• কিউবা বিপ্লব:
- কিউবার বিপ্লবী মহানায়ক ফিদেল কাস্ত্রো।
- কিউবার তৎকালীন প্রেসিডেন্ট বাতিস্তা ও কিউবার ওপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে বিপ্লবের ময়দানে সক্রিয় হন কাস্ত্রো।
-তার প্রথম পদক্ষেপ ছিল মেক্সিকো থেকে কিউবায় আক্রমণ চালানো।
- ১৯৫৬ সালের ২৫ নভেম্বর তিনি ও তার বিপ্লবী সহযোগীরা কিউবার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেন।
- পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গেই বাতিস্তার সেনাবাহিনীর আক্রমণে নাস্তানাবুদ হন।
- শুরুর দিকেই তাকে কারাবন্দী করে বাতিস্তা সরকার।
- কিউবার মানুষের মুক্তির জন্য গেরিলা যুদ্ধে নামেন কাস্ত্রো।
- এরই মধ্যে চে গুয়েভারার সঙ্গে ফিদেল কাস্ত্রোর গেরিলা যুদ্ধে পরিকল্পনা আরও বিস্তৃতি পায়।
- ফিদেল কাস্ত্রো তাকে গ্রেনেড তৈরির কারখানা, রুটি বানানোর জন্য চুল্লি প্রস্তুত এবং নিরক্ষর সঙ্গীদের লেখাপড়ার জন্য স্কুল তৈরির দায়িত্ব দেন।
- বিখ্যাত টাইম ম্যাগাজিন তিন বছর পর চে গুয়েভারাকে ‘কাস্ত্রোর মস্তিষ্ক’ বলে আখ্যায়িত করেছিল।
- সংগঠিত হয়ে কাস্ত্রোর বিপ্লবী বাহিনী গেরিলা যুদ্ধে আরও সক্রিয় হয়ে ওঠে।
- আচমকা হামলায় বাতিস্তা সরকার পর্যুদস্ত হয়ে পড়ে।
- সিয়েরা পর্বতমালা, শহর পেরিয়ে তারা হাভানায় ঢুকে পড়লে বাতিস্তা সরকার পালিয়ে যায়।
- জয়ী হন কাস্ত্রো, জয় হয় বিপ্লবের।
- বিপ্লবের নেতা, ফিদেল কাস্ত্রো, ১৯৫৯ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত কিউবা শাসন করেছিলেন।

উৎস: ব্রিটানিকা। 

৯৫৯.
নিচের কোন দেশটির মুদ্রার নাম ‘রুপি’ নয়?
  1. ক) ভারত
  2. খ) পাকিস্তান
  3. গ) নেপাল
  4. ঘ) মালদ্বীপ
ব্যাখ্যা

ভারত, পাকিস্তান এবং নেপালের মুদ্রার নাম রুপি।
অন্যদিকে মালদ্বীপের মুদ্রার নাম ‍রুপিয়া।
Source: worldatlas.com

৯৬০.
'কানাডা' কোন মহাদেশে অবস্থিত?
  1. ইউরোপ
  2. অস্ট্রেলিয়া
  3. উত্তর আমেরিকা
  4. দক্ষিণ আমেরিকা
ব্যাখ্যা
• কানাডা:
- কানাডা উত্তর আমেরিকা মহাদেশের একটি দেশ।
- এটি আয়তনে পৃথিবীর ২য় বৃহত্তম দেশ।
- কানাডার রাজধানীর নাম অটোয়া।
- টরেন্টো হচ্ছে কানাডার বৃহত্তম শহর।
- কানাডার রাজনৈতিক ব্যবস্থা সাংবিধানিক রাজতন্ত্র।
- ম্যাপল পাতার দেশ নামে পরিচিতি কানাডা।
- কানাডার জাতীয় পতাকায়ও ম্যাপল পাতার ছবি রয়েছে।

উৎস: Britannica.
৯৬১.
কোন দেশ থেকে 'ফ্রাইডেস ফর ফিউচার' আন্দোলনের সূত্রপাত হয়?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. পোল্যান্ড
  3. সুইডেন
  4. সুইজারল্যান্ড
ব্যাখ্যা
ফ্রাইডেস ফর ফিউচার:

- 'ফ্রাইডেস ফর ফিউচার' আন্দোলন হলো জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে স্কুল শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে সূত্রপাত হওয়া একটি আন্দোলন।
- ২০১৮ সালের আগস্টে সুইডেনে স্কুল শিক্ষার্থী গ্রেটা থুনবার্গের উদ্যোগে এই আন্দোলনের সূত্রপাত হয়।
- এই আন্দোলনের অংশ হিসেবে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবীতে সারা বিশ্বে স্কুল শিক্ষার্থীরা শুক্রবারে স্কুলে না গিয়ে রাজপথে নেমে আসে।

তথ্যসূত্র - ফ্রাইডেস ফর ফিউচার মুভমেন্ট ওয়েবসাইট।
৯৬২.
এশিয়ার সবচেয়ে বড় অর্থনীতির দেশ কোনটি?
  1. চীন
  2. ভারত
  3. রাশিয়া
  4. সিঙ্গাপুর
ব্যাখ্যা

এশিয়ায় সবচেয়ে বড় অর্থনীতির দেশ:
- এশিয়ায় সবচেয়ে বড় অর্থনীতির দেশ চীন।

• এশিয়ার সবচেয়ে বড় অর্থনীতির দেশ হলো চীন। এটি বর্তমানে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ।
- দেশটির মোট জিডিপি ২০ লাখ ৬৫ হাজার ১০০ কোটি ডলারে পৌঁছাতে পারে।
- বিশ্বের উৎপাদন খাতের মোট মূল্য সংযোজনের প্রায় ৩০ শতাংশই আসে চীন থেকে। বৈদ্যুতিক যান, ব্যাটারি, সৌর প্যানেল ও নানা উন্নত শিল্প উপকরণে চীনা প্রতিষ্ঠানগুলো বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খলে আধিপত্য বজায় রেখেছে।

• এশিয়ার ২য় বৃহৎ অর্থনীতির দেশ ভারত। 
- এশিয়ার ৩য় বৃহৎ অর্থনীতির দেশ জাপান।

উল্লেখ্য,
- বিশ্বের সববৃহৎ অর্থনীতির দেশ যুক্তরাষ্ট্র। যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের মাথাপিছু আয় ৮৯ হাজার ৫৯৮ ডলার। উদ্ভাবনভিত্তিক অর্থনীতি থেকে দেশটির আয় হয়। 

উৎস: i) প্রথম আলো।  [link]
ii) IMF ওয়েবসাইট। [link]

৯৬৩.
স্ক্যান্ডেনেভিয়ান রাষ্ট্র নয় কোনটি?
  1. ডেনমার্ক
  2. লুক্সেমবার্গ
  3. সুইডেন
  4. নরওয়ে
ব্যাখ্যা
⇒ লুক্সেমবার্গ স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশ নয়।

স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশ:
- স্ক্যান্ডিনেভিয়া হলো ইউরোপের উত্তরে অবস্থিত একটি ভৌগোলিক অঞ্চল।
- স্ক্যান্ডেনেভিয়ান রাষ্ট্র মূলত ৩টি।
- যথা- নরওয়ে, সুইডেন ও ডেনমার্ক।
- তবে ফিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড এবং ফারো আইল্যান্ডকেও অনেক ক্ষেত্রে স্ক্যান্ডিনেভিয়ান রাষ্ট্র হিসেব গণ্য করা হয়।

• নর্ডিক অঞ্চল বলতে স্ক্যান্ডেনেভিয়ান দেশ + ফিনল্যান্ড + আইসল্যান্ডকে বুঝায়।
অর্থাৎ, স্ক্যান্ডেনেভিয়ান দেশগুলো আসলে নর্ডিক অঞ্চলের মধ্যে পরে।

• নর্ডিক অঞ্চলভূক্ত দেশ ৫টি।
যথা - আইসল্যান্ড, ডেনমার্ক, নরওয়ে, সুইডেন এবং ফিনল্যান্ড।

তথ্যসূত্র - Worldatlas.com ও Britannica.com
৯৬৪.
'The roof of the world' নামে পরিচিত কোনটি?
  1. তিব্বত
  2. মিশর
  3. পেরু
  4. চিলি
ব্যাখ্যা
তিব্বত (Tibet):
- তিব্বত একটি উপত্যকা। একে "roof of the world" নামেও অভিহিত করা হয়।
- তিব্বত মূলত বৌদ্ধ ধর্মের অনুসারী অধ্যুসিত এলাকা।

⇒ তিব্বতের আয়তন: ১২,২১,৬০০ বর্গকিলোমিটার।
- রাজধানী শহর: লাসা। একে নিষিদ্ধ শহর বলা হয়।

⇒ হিমালয়ের সমগ্র পরিসর জুড়ে, অসংখ্য উপত্যকা এবং গিরিখাত রয়েছে।
- বিশ্বের দীর্ঘতম এবং সবচেয়ে সুন্দর পর্বতশ্রেণী, এই উপত্যকাগুলি শুধুমাত্র পাহাড়ের তীব্র সৌন্দর্যকে বাড়িয়ে তোলে এবং পাহাড়ের তুষারময় প্রান্তরকে উপত্যকার সবুজ সবুজ ল্যান্ডস্কেপের সাথে বৈসাদৃশ্য করে ভ্রমণকারীদের অভিজ্ঞতা বাড়িয়ে তোলে।

উৎস: i) Britannica.
ii) USGS (.gov).
৯৬৫.
বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম পূর্ণ স্বাধীন রাষ্ট্র কোনটি?
  1. মোনাকো
  2. নাউরু
  3. বার্বাডোস
  4. ভ্যাটিকান সিটি
ব্যাখ্যা
ভ্যাটিকান সিটি:
- ক্যাথলিক চার্চের সদরদপ্তর ভ্যাটিকান সিটি বিশ্বের সবচেয়ে ছোট পূর্ণ স্বাধীন রাষ্ট্র।
- ভ্যাটিকান সিটি টাইবার নদীর তীরে অবস্থিত।
- ১৯২৯ সালে পোপ পায়াস একাদশ এবং ইতালির স্বৈরশাসক বেনিতো মুসোলিনির মধ্যে স্বাক্ষরিত ল্যাটেরান চুক্তির মাধ্যমে ভ্যাটিকান সিটি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ভ্যাটিকান সিটির আয়তন ৪৪ হেক্টর (০.৪৪ বর্গ কিলোমিটার)।
- প্রাচীন প্রাচীরঘেরা এ নগররাষ্ট্রে বসবাস করেন প্রায় ৯০০ জন।

উল্লেখ্য,
- ভ্যাটিকানের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন পোপ, যিনি রাষ্ট্রের প্রধান ও বিশ্বের ১৪০ কোটি ক্যাথলিকের ধর্মীয় নেতা।
- হোলি সি’ হলো ক্যাথলিক চার্চ ও ভ্যাটিকান সিটির কেন্দ্রীয় শাসন কর্তৃপক্ষ, এটি আন্তর্জাতিক আইনের অধীন একটি সার্বভৌম আইনগত সত্তা।
- রোমান কুরিয়া হলো হোলি সির প্রশাসনিক সংস্থা। এটি সেই কেন্দ্রীয় প্রতিষ্ঠান, যার মাধ্যমে পোপ ক্যাথলিক চার্চ পরিচালনা করেন।
- ভ্যাটিকানের জাতীয় সংগীতের নাম ‘পন্টিফিক্যাল মার্চ’। এটি বিশ্বের একমাত্র জাতীয় সংগীত, যা লাতিন ভাষায় গাওয়া হয়।
- ভ্যাটিকানের ফটকে পাহারা দেন সুইস গার্ডস। তাঁরা বিশ্বের সবচেয়ে পুরোনো সেনাবাহিনীর সদস্য।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট, পত্রিকা রিপোর্ট।
৯৬৬.
ভারতীয় উপমহাদেশের সবচেয়ে প্রাচীন রাজনৈতিক দল কোনটি?
  1. ভারতীয় জনতা পার্টি
  2. ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস
  3. অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস
  4. দ্রাবিড়া মুনেত্রা কাজাঘাম 
ব্যাখ্যা

ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস:
- ভারতীয় উপমহাদেশের সবচেয়ে প্রাচীন রাজনৈতিক দল হলো ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস (Indian National Congress)।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ২৮শে ডিসেম্বর, ১৮৮৫।
- প্রতিষ্ঠাতা: ইংরেজ সিভিলিয়ান অ্যালান অক্টোভিয়ান হিউম এবং অন্যান্য ভারতীয় ও ব্রিটিশ সদস্য।
- কংগ্রেসের প্রথম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ব্যারিস্টার উমেশ ব্যানার্জী।
- সুরেন্দ্রনাথ ব্যানার্জী ১৮৭৬ সালে ইন্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েশন প্রতিষ্ঠা করেন।

অন্যদিকে,
- উপমহাদেশের দ্বিতীয় রাজনৈতিক দল নিখিল ভারত মুসলিম লীগ ১৯০৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। 

উৎস: i) Britannica.
ii) EBSCO.

৯৬৭.
বর্তমানে (সেপ্টেম্বর, ২০২৩) জার্মানির চ্যান্সেলরের নাম কী?
  1. অটো ফন বিস্‌মার্ক
  2. অ্যাঞ্জেলা মার্কেল
  3. কনরাড অ্যাডেনাউয়ার
  4. ওলাফ শলৎজ
ব্যাখ্যা
জার্মানির চ্যান্সেলর:
- জার্মানির প্রজাতন্ত্রীর চ্যান্সেলর হচ্ছে দেশের সরকার প্রধান।
- সাধারণত গণতান্ত্রিক উপায়ে জার্মানির চ্যান্সেলর নির্বাচিত করা হয় দেশটিতে।
- জার্মানির বর্তমান চ্যান্সেলর হিসেবে শপথ নিয়েছেন ওলাফ শলৎস।
- জার্মানির নবম চ্যান্সেলর হিসেবে নিযুক্ত হলেন ওলাফ শলৎস।

অন্যদিকে -
- জার্মানির প্রথম চ্যান্সেলর ছিলেন অটো ফন বিস্‌মার্ক।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জার্মানির প্রথম নেতা ছিলেন কনরাড অ্যাডেনাউয়ার।
- জার্মান দেশটিতে আঙ্গেলা মার্কেল ষোল বছর নেতৃত্ব দিয়েছেন।

উৎস: Britannica.
৯৬৮.
আন্দিজ পর্বতমালা যে মহাদেশে অবস্থিত –
  1. দক্ষিণ আমেরিকা
  2. এশিয়া
  3. উত্তর আমেরিকা
  4. ইউরোপ
ব্যাখ্যা
আন্দিজ পর্বতমালা:
- পৃথিবীর দীর্ঘতম পর্বতশ্রেণী আন্দিজ পর্বতমালা।
- আন্দিজ পর্বতমালা দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশে অবস্থিত।
- আন্দিজ পর্বতমালা আর্জেন্টিনা, বলিভিয়া, চিলি, কলম্বিয়া, ইকুয়েডর, পেরু এবং ভেনেজুয়েলা মোট সাতটি দেশ জুড়ে অবস্থিত।
- আন্দিজ দক্ষিণ আমেরিকার পশ্চিম উপকূল বরাবর প্রায় ৪,৩০০ মাইল পর্যন্ত প্রসারিত।
- পৃথিবীর ভূত্বকের নীচে থাকা টেকটোনিক প্লেটগুলি একত্রিত হয়ে আন্দিজ সৃষ্টি হয়।
- আন্দিজ পর্বতমালা পূর্ব থেকে পশ্চিমে ১২০ থেকে ৪৩০ মাইল প্রশস্ত।
- উত্তর আন্দিজ, মধ্য আন্দিজ এবং দক্ষিণ আন্দিজ হল আন্দিজ পর্বতমালার তিনটি বিভাগ।

উৎস:  Worldatlas.com
৯৬৯.
গডস আর্মি কোন দেশের গেরিলা সংগঠন?
  1. জাপান
  2. অ্যাঙ্গোলা
  3. আয়ারল্যান্ড
  4. মিয়ানমার
ব্যাখ্যা
• গডস আর্মি:
- ‘গডস আর্মি' মিয়ানমারের একটি বিপ্লবী গ্রুপ বা গোষ্ঠী।
- ১৯৯৭ সালে Saw Toe Toe গডস আর্মির প্রতিষ্ঠা করেন।
- এই গোষ্ঠীটি মিয়ানমারের কারেন রাজ্যে তাদের কার্যক্রম চালায়।

সূত্র:- নিউইয়র্ক টাইমস ও ব্রিটানিকা।
৯৭০.
‘পোপ’ পদটি কোন ধর্মের সাথে সম্পর্কিত?
  1. হিন্দু ধর্ম
  2. বৌদ্ধ ধর্ম
  3. খ্রিস্টান ধর্ম
  4. ইসলাম ধর্ম
ব্যাখ্যা
• পোপ:
- ‘পোপ’ হলেন ক্যাথলিক খ্রিস্টানদের প্রধান ধর্মগুরু।

- তিনি রোমান ক্যাথলিক গির্জার সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক প্রধান।
- তাকে খ্রিস্টান ধর্মের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- পোপ হিসাবে যিনি নির্বাচিত হন, তিনি ভ্যাটিকানের রাষ্ট্রপ্রধানও হন।
- বর্তমান পোপ ফ্রান্সিস ২০১৩ সালে পোপ হিসেবে নির্বাচিত হন এবং ২০২৫ সালের এপ্রিল পর্যন্ত ক্যাথলিক গির্জার নেতৃত্ব দেন।
- পোপ ফ্রান্সিস ছিলেন ৭৪১ সালের পর প্রথম নন-ইউরোপিয়ান পোপ।
- তিনি গির্জার সংস্কার, দারিদ্র্য বিমোচন, পরিবেশ রক্ষা, এবং নারী ও যুবকদের ক্ষমতায়নে তাঁর বিশেষ উদ্যোগের জন্য পরিচিত ছিলেন।​

উল্লেখ্য,
- পোপ ফ্রান্সিস ২১ এপ্রিল, ২০২৫ ভ্যাটিকানে তার বাসভবন কাসা সান্টা মার্টায় ৮৮ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন।

তথ্যসূত্র: বিবিসি।
৯৭১.
'ওয়াটারলু' কোন দেশে অবস্থিত?
  1. ক) ফ্রান্স
  2. খ) হল্যান্ড
  3. গ) জার্মানি
  4. ঘ) বেলজিয়াম
ব্যাখ্যা

- ওয়াটারলু বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলস শহরের অদূরবর্তী একটি ছোট শহর।
- ১৮১৫ সালের ১৮ জুন বেলজিয়ামের ওয়াটারলু নামক স্থানে ব্রিটেন ও ফ্রান্সের মধ্যে ঐতিহাসিক ওয়াটারলু যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
- এই যুদ্ধে ব্রিটিশ সেনাপতি আর্থার ওয়েলেসলির (প্রথম ডিউক অব ওয়েলিংটন) নিকট ফ্রান্সের তৎকালীন সম্রাট নেপোলিয়ন বোনাপার্ট পরাজিত হন।
- এতে করে নেপোলিয়নকে আটলান্টিক মহাসাগরে অবস্থিত সেন্ট হেলেনা দ্বীপে নির্বাসন দেওয়া হয়।
- এর আগে রাশিয়া আক্রমণ করে পরাজিত হলে তাকে ভূমধ্যসাগরের সেন্ট এলবা দ্বীপে নির্বাসন দেওয়া হয়।
- সেন্ট হেলেনা দ্বীপে নির্বাসিত অবস্থায় নেপোলিয়ন ১৮২১ সালে মারা যান।
(তথ্যসূত্রঃ ব্রিটানিকা এবং হিস্টোরি ডটকম)

৯৭২.
কম্বোডিয়ার আইনসভার উচ্চকক্ষ কী নামে পরিচিত?
  1.  সিনেট
  2. রাজসভা
  3. হাউজ অব লর্ডস
  4. পার্লামেন্ট
ব্যাখ্যা

কম্বোডিয়া: 
- রাষ্ট্রীয় নাম: কিংডম অব কম্বোডিয়া (Kingdom of Cambodia).
- রাজধানী: নম পেন (Phnom Penh)
- ভৌগোলিক অবস্থান: দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া।
- স্বাধীনতা লাভ: ৯ নভেম্বর ১৯৫৩।
-  স্বাধীনতা লাভ: ফ্রান্স থেকে।
- রাজনৈতিক পটপরিবর্তন: ১৯৭০ সালে  অভ্যুত্থানের পর সাময়িকভাবে রাজতন্ত্র বিলোপ করা হয় এবং প্রজাতন্ত্র ঘোষণা করা হয়। পরবর্তীতে রাজতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়।
- রাষ্ট্রব্যবস্থা: সাংবিধানিক রাজতন্ত্র।
- রাষ্ট্রপ্রধান: রাজা (বর্তমান: নরোদম সিহামোনি)।
- সরকারপ্রধান: প্রধানমন্ত্রী (বর্তমান: হুন মানেত)
- আইনসভা (পার্লামেন্ট)।
- কম্বোডিয়ার আইনসভা দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট:
- উচ্চকক্ষ: সিনেট (Senate),
- নিম্নকক্ষ: জাতীয় সভা (National Assembly),

• ক্ষমতা হস্তান্তর: ২০২৩ সালের আগস্টে কম্বোডিয়ার দীর্ঘকালীন শাসক হুন সেন পদত্যাগ করেন এবং তার পুত্র হুন মানেত প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এটি দেশটির রাজনীতিতে একটি নতুন প্রজন্মের সূচনা।

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।

৯৭৩.
ইস্ট লন্ডন (East London) সমুদ্র বন্দর কোথায় অবস্থিত?
  1. যুক্তরাজ্য
  2. ভারত
  3. দক্ষিণ আফ্রিকা
  4. আয়ারল্যাড
ব্যাখ্যা

ইস্ট লন্ডন সমুদ্র বন্দর: 
- ইস্ট লন্ডন সমুদ্র বন্দর দক্ষিণ আফ্রিকার ইস্টার্ন কেপ প্রদেশে অবস্থিত।

- এটি বাফেলো নদীর মোহনায়, ভারত মহাসাগরের তীরে অবস্থিত।
- এই বন্দরটি পোর্ট রেক্স নামে পরিচিত ছিল।
- এটি ইস্ট লন্ডন শহরের বাফেলো সিটি পৌরসভার অধীনে পরিচালিত হয়।
 
দক্ষিণ আফ্রিকা:
- দক্ষিণ আফ্রিকা আফ্রিকা মহাদেশের সর্বদক্ষিণে অবস্থিত রাষ্ট্র।
- দক্ষিণ আফ্রিকার রাষ্ট্রীয়/প্রশাসনিক নাম Republic of South Africa.
- দেশটির দক্ষিণে ভারত মহাসাগর ও দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগর অবস্থিত।
- দেশটির আইনসভার নাম পার্লামেন্ট।
- দেশটির আইনসভা ২ কক্ষ বিশিষ্ট।
- মুদ্রার নাম র‍্যান্ড।

সূত্র: ব্রিটানিকা। 

৯৭৪.
মার্কিন কোন প্রেসিডেন্ট কখনো হোয়াইট হাউজে বসবাস করেননি?
  1. আব্রাহাম লিংকন
  2. রিচার্ড নিক্সন
  3. জর্জ ওয়াশিংটন
  4. মার্টিন লুথার কিং
ব্যাখ্যা
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট:
- হোয়াইট হাউস মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত।
- ১৮০০ সাল থেকে প্রতিটি আমেরিকান রাষ্ট্রপতির আবাসস্থল।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট: জর্জ ওয়াশিংটন।
- জর্জ ওয়াশিংটন কখনো হোয়াইট হাউজে বসবাস করেননি।

অন্যদিকে -
- যুক্তরাষ্ট্রে ক্রীতদাস প্রথা বিলোপকারী প্রেসিডেন্ট: আব্রাহাম লিংকন।
- রিচার্ড নিক্সন ‘ওয়াটার গেট’ কেলেঙ্কারীর সাথে জড়িত ছিলেন এবং একমাত্র মার্কিন প্রেসিডেন্ট যিনি পদত্যাগ করেছিলেন।
- মার্টিন লুথার কিং ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের নিগ্রোদের অধিকার আদায়ে আন্দোলনের অহিংসবাদী নেতা।

উৎস: Britannica.
৯৭৫.
কানাডার ফরাসি ভাষী জনগোষ্ঠী কোন অঙ্গরাজ্যে সর্বাধিক বসবাস করে?
  1. ক) মেনিটোবা
  2. খ) কুইবেক
  3. গ) আলবার্টা
  4. ঘ) নোভাস্কশিয়া
ব্যাখ্যা
- কানাডার কুইবেক অঙ্গরাজ্যে সর্বাধিক ফরাসিভাষী জনগোষ্ঠী বাস করে।
- কুইবেকে প্রায় ৮০% লোক ফরাসি ভাষা ব্যবহার করে।
- কানাডার অন্য অঙ্গরাজ্যগুলোতে সর্বাধিক ব্যবহৃত ভাষা ইংরেজি।

উৎস:- worldatlas.com
৯৭৬.
মহেঞ্জোদারো ও হরপ্পা কোন সভ্যতার অন্তর্গত?
  1. গ্রীক
  2. রোমান
  3. সিন্ধু
  4. চৈনিক
ব্যাখ্যা

সিন্ধু সভ্যতা:
- সিন্ধু নদের অববাহিকা অঞ্চলে গড়ে উঠেছিল বলে এই সভ্যতার নাম সিন্ধু সভ্যতা।
- মহেঞ্জোদারো ও হরপ্পা উভয় অঞ্চল সিন্ধু সভ্যতার অন্তর্গত। 
- সিন্ধু সভ্যতার সংস্কৃতিকে অনেক সময়ে হরপ্পা সংস্কৃতি বা হরপ্পা সভ্যতা বলা হয়ে থাকে।
- বিশ শতকের প্রথম দিকে বাঙালি প্রত্নতত্ত্ববিদ রাখালদাস বন্দ্যোপাধ্যায় পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশের লারকানা জেলায় মহেঞ্জোদারোতে এবং দয়ারাম সাহানীর চেষ্টায় পাঞ্জাবের পশ্চিম দিকে মন্টোগোমারী জেলার হরপ্পায় এই সভ্যতা আবিষ্কৃত হয়।
- জন মার্শালের নেতৃত্বে পুরাতত্ত্ব বিভাগ অনুসন্ধান চালিয়ে আরো বহু নিদর্শন আবিষ্কার করে।
- সিন্ধু সভ্যতা উপমহাদেশের প্রাচীনতম সভ্যতা।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা (এসএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৯৭৭.
আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট - এর সদরদপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) ম্যানিলায়
  2. খ) বার্নে
  3. গ) বনে
  4. ঘ) টোকিওতে
ব্যাখ্যা

আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা কেন্দ্র (International Rice Research Institute (IRRI)) হল একটি স্বশাসিত, অলাভজনক, কৃষিবিষয়ক বিশ্লেষণ এবং প্রশিক্ষণ সংস্থা।
সংস্থাটির সদর দপ্তর ফিলিপাইন এর ম্যানিলাতে অবস্থিত।
উৎসঃ IRRI website.

৯৭৮.
নিম্নের কোন শিল্পী স্পেনে জন্মগ্রহণ করেন?
  1. মাইকেল অ্যাঞ্জেলো
  2. লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি
  3. পাবলো পিকাসো
  4. পল সেজান
ব্যাখ্যা
পাবলো পিকাসো:
- বিংশ শতাব্দীর সবচেয়ে প্রভাবশালী চিত্রশিল্পীদের একজন পাবলো পিকাসো। 
- তিনি একাধারে ছিলেন দক্ষ ভাস্কর, মৃৎশিল্পী, পোশাক পরিকল্পক ও মঞ্চসজ্জাশিল্পী। 
- পাবলো রুইজ পিকাসোর জন্ম ১৮৮১ সালের ২৫ অক্টোবর দক্ষিণ স্পেনের ভূমধ্যসাগরের তীরবর্তী মালাগা শহরে।
- পিকাসোর আঁকা অসংখ্য বিখ্যাত ছবির একটি হলো ‘গোয়ের্নিকা’। 
- তাঁর আরও কয়েকটি উল্লেখযোগ্য সৃষ্টি হলো ‘দ্য ওল্ড গিটারিস্ট’, ‘গার্ল বিফোর আ মিরর’, ‘দ্য উইপিং ওমেন’, ‘উইমেন অব আলজিয়ার্স’, ‘সেলফ পোর্ট্রেট’, ‘থ্রি মিউজিশিয়ানস’, ‘সিটেড বাথার’ প্রভৃতি।

অন্যদিকে,
মাইকেল এঞ্জেলাে (Michelangelo)

- মাইকেল এঞ্জেলাে ছিলেন রেনেসাঁস যুগের একজন ইতালিয় ভাস্কর, চিত্রকর, স্থপতি এবং কবি।
- জন্ম ১৪৭৫ সালের ৬ই মার্চ ইতালিতে।
- মাইকেল অ্যাঞ্জেলোর শ্রেষ্ঠ মূর্তি মা মেরীর কোলে যীশুর মূর্তি।
- মাইকেল অ্যাঞ্জেলোর উল্লেখযোগ্য ভাস্কর্যগুলো হলো ম্যাডোনা এন্ড চাইল্ড, নাইট, মোজেস, পিয়েটা, স্লেইভ ইত্যাদি।
- ১৫৬৪ সালের ১৮ ই ফেব্রুয়ারি এই বিশ্ববিখ্যাত মহান শিল্পী পরলােকগমন করেন।

লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি:
- লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি একজন ইতালীয় রেনেসাঁ পলিমাথ, চিত্রশিল্পী, ভাস্কর, স্থপতি, সংগীতশিল্পী, বিজ্ঞানী, গণিতবিদ, প্রকৌশলী, উদ্ভাবক, অ্যান্টোনিস্ট, ভূতত্ত্ববিদ, ম্যাগাজিনর, উদ্ভিদবিদ এবং লেখক।
- লিওনার্দো ইতালির ফ্লোরেন্স-এর কাছাকাছি Tuscany, ছোট শহরে ভ্যানি মধ্যে জন্মগ্রহণ করেন। 
- তাঁর বিখ্যাত শিল্পকর্ম: The Last Supper, Mona Lisa, The Vitruvian Man, The Portrait of a Lady with an Ermine, The Virgin of the Rocks, The Baptism of Christ, The Adoration of the Magi (1481), The Virgin and Child with St Anne (1510), The Madonna and Child with St. Anne, The Madonna and Child with a Cat, Portrait of Ginevra de' Benci (1474-1476)।

পল সেজান (Paul Cézanne):
- পল সেজান ছিলেন একজন ফরাসি চিত্রশিল্পী।
- তিনি পোস্ট-ইমপ্রেশনিস্ট চিত্রশিল্পী ছিলেন যার কাজ আধুনিক শিল্পের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ছিল।
- তিনি  ১৯ জানুয়ারী, ১৮৩৯ ফ্রান্সের আইক্স-এন-প্রোভেন্সে একটি ধনী পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।
- সেজানের সবচেয়ে বিখ্যাত কাজগুলির মধ্যে "দ্য মাউন্ট সেন্ট ভিক্টোয়ার", "দ্য লার্জ ব্রেথ", "স্টাডি অফ অ্যাপলস" এবং "দ্য বাথার্স" উল্লেখযোগ্য। 

উৎস: Britannica.
৯৭৯.
'একাডেমি অব সায়েন্স' কোথায় অবস্থিত?
  1. রাশিয়া
  2. আমেরিকা
  3. ফ্রান্স
  4. যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা
• একাডেমি অব সায়েন্স:
- অবস্থান: রাশিয়ার সেইন্ট পিটার্সবার্গে ।
- এটি একটি রাষ্ট্র মালিকানাধীন গ্রন্থাগার।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ১৭২৪ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি।

উৎস: ব্রিটিনিকা।
৯৮০.
পপি উৎপাদন ক্ষেত্রে কোন দেশগুলোকে 'গোল্ডেন ট্রায়েঙ্গেল বলা হয়? 
  1. মিয়ানমার, থাইল্যান্ড ও চীন
  2. মিয়ানমার, থাইল্যান্ড ও লাওস
  3. মিয়ানমার, আফগানিস্তান ও কম্বোডিয়া
  4. ইরান, আফগানিস্তান ও পাকিস্তান
ব্যাখ্যা
গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গেল:
- গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গেল হলো দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার তিনটি (মায়ানমার ,থাইল্যান্ড ,লাওস) দেশের সীমান্তে অবস্থিত আফিম উৎপাদনকারী অঞ্চল।
- এদের অবস্থানগত আকৃতি ত্রিভুজের মত।

অন্যদিকে -
- গোল্ডেন ক্রিসেন্ট: আফগানিস্তান, পাকিস্তান ও ইরান সীমান্তে অবস্থিত আফিম মাদক উৎপাদনকারী অঞ্চল।
- গোল্ডেন ওয়েজ: বাংলাদেশ, ভারত ও নেপাল সীমান্ত যা মাদক পাচার ও চোরাচালানের জন্য বিখ্যাত ।
- গোল্ডেন ভিলেজ: বাংলাদেশের কুষ্টিয়া জেলার ২৬ টি গ্রামকে গাঁজা উৎপাদনের জন্য 'গোল্ডেন ভিলেজ' বলা হয়।

উৎস: Britannica.
৯৮১.
'রুশ বিপ্লব' কত সালে সংঘটিত হয়?
  1. ১৯১১ সালে
  2. ১৯১৩ সালে
  3. ১৯১৬ সালে
  4. ১৯১৭ সালে
ব্যাখ্যা

• রুশ বিপ্লবের :
- ১৯১৭ সালের রুশ বিপ্লব এর মাধ্যমে সাম্রাজ্যবাদী সরকারকে উৎখাত করে বলশেভিকদের ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত করে।
- রুশ বিপ্লবের নেতৃত্বে ছিলেন ভ্লাদিমির ইলিচ-উলিয়ানোভা লেনিন বা ভি আই লেনিন।
- বিপ্লবের ফলে রাশিয়ায় শ্রমিক শ্রেণির বিপ্লবী সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল
- পশ্চিম ইউরোপের পুঁজিবাদী সমাজ, সংস্কৃতি, অর্থনীতি এবং রাষ্ট্র ব্যবস্থার উপর চরম আঘাত করে এই বলশেভিক বিপ্লব বা রুশ বিপ্লব। 

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ।

৯৮২.
ফরাসি বিপ্লব চলাকালীন কত সালে রাজা ষোড়শ লুইয়ের মৃত্যদন্ড কার্যকর হয়?
  1. ক) ১৭৮৯
  2. খ) ১৯৯২
  3. গ) ১৭৯৩
  4. ঘ) ১৭৯৯
ব্যাখ্যা
১৭৮৯ সালের ১৪ জুলাই বাস্তিল দুর্গ আক্রমনের মাধ্যমে ফরাসি বিপ্লবের শুরু হয়। ১৭ জুলাই কৃষক শ্রেণী বিদ্রোহ শুরু করে। ১৭৯২ সালের ১১ ডিসেম্বর রাজা ষোড়শ লুইয়ের বিচার শুরু হয় এবং ১৭৯৩ সালের ২১ জানুয়ারি তার মৃত্যুদন্ড কার্যকর করা হয়।
উৎসঃ একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণীর ইতিহাস ২য় পত্র বই (উন্মুক্ত)।
৯৮৩.
পৃথিবীর সর্বাধিক লোকের মাতৃভাষার নাম?
  1. Chinese
  2. Hindi
  3. English
  4. French
ব্যাখ্যা
• পৃথিবীর সর্বাধিক লোকের মাতৃভাষা - মান্দারিন (চাইনিজ)। 

এছাড়াও, 
- বিশ্বে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ভাষা হচ্ছে - ইংরেজি (পূর্বে ছিল মান্দারিন)।
- দ্বিতীয় ব্যবহৃত ভাষা - মান্দারিন।
- তৃতীয় ব্যবহৃত ভাষা - হিন্দি।
- চতুর্থ ব্যবহৃত ভাষা - স্পেনিশ।
- পঞ্চম ব্যবহৃত ভাষা - ফ্রেন্স।
- ষষ্ঠ ব্যবহৃত ভাষা - আরবি।
- সপ্তম ব্যবহৃত ভাষা - বাংলা।

তথ্যসূত্র: ethnologue.com
৯৮৪.
'হরপ্পা সভ্যতা' বলা হয়ে থাকে কোনটিকে?
  1. চৈনিক সভ্যতা
  2. হিব্রু সভ্যতা
  3. পারস্য সভ্যতা
  4. সিন্ধু সভ্যতা
ব্যাখ্যা
সিন্ধু সভ্যতা:
- সিন্ধু নদের অববাহিকা অঞ্চলে গড়ে উঠেছিল বলে এই সভ্যতার নাম সিন্ধু সভ্যতা।
- সিন্ধু সভ্যতার সংস্কৃতিকে অনেক সময়ে হরপ্পা সংস্কৃতি বা হরপ্পা সভ্যতা বলা হয়ে থাকে।
- পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশের মহেঞ্জোদারোতে এবং পাঞ্জাবের হরপ্পায় এই সভ্যতা আবিষ্কৃত হয়।
- মহেঞ্জোদারো ও হরপ্পা উভয় অঞ্চল একই সভ্যতার অন্তর্গত।
- সিন্ধু সভ্যতা উপমহাদেশের প্রাচীনতম সভ্যতা।

উল্লেখ্য,
⇒ পরিমাপ পদ্ধতি:
- সিন্ধু সভ্যতার অধিবাসিরা দ্রব্যের ওজন ও পরিমাপ পদ্ধতির উদ্ভাবক ছিল।
- তাদের এই পরিমাপ পদ্ধতির আবিষ্কার সভ্যতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ অবদান বলে বিবেচিত।
- তারা বিভিন্ন দ্রব্য ওজনের জন্য নানা মাপের ভিন্ন ভিন্ন আকৃতির বাটখারা ব্যবহার করত।
- দাগ কাটা স্কেল দিয়ে দৈর্ঘ্য মাপার পদ্ধতিও তাদের জানা ছিল।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৮৫.
ভারতের সেভেন সিস্টার্স ভুক্ত রাজ্য মণিপুরের রাজধানী-
  1. ইম্ফল
  2. কোহিমা
  3. আগরতলা
  4. আইজল
ব্যাখ্যা
ভারত: 
• সেভেন  সিস্টার্স ভুক্ত রাজ্য মণিপুরের রাজধানী-
- অরুণাচল প্রদেশ – ইটানগর।
- অসম – দিসপুর।
- মণিপুর – ইম্ফল।
- মেঘালয় – শিলং।
- মিজোরাম – আইজল।
- নাগাল্যান্ড – কোহিমা।
- ত্রিপুরা – আগরতলা।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৯৮৬.
নিচের কোন দেশটি সর্বাধিক ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চলে অবস্থিত?
  1. লিবিয়া
  2. ইন্দোনেশিয়া
  3. সুইডেন
  4. নামিবিয়া
ব্যাখ্যা
- অবস্থান ও গঠনগত কারণে পৃথিবীর সর্বত্র ভূমিকম্পের প্রবণতা সমান নয়। প্রশান্ত মহাসাগরীয় প্লেটের বাহিরের দিকের সীমানা বরাবর অঞ্চল, ভূমধ্যসাগরের উত্তর-পূর্ব উপকূল এবং মধ্য এশিয়া অঞ্চল বিশ্বের মধ্যে ভূমিকম্পের জন্যে সর্বাধিক ঝুকিপূর্ণ।
এই অঞ্চলে অবস্থিত ভূমিকম্পপ্রবণ দেশগুলো হলো:
- চিলি
- পেরু
- ইকুয়েডর
- যুক্তরাষ্ট্র
- জাপান
- ফিলিপাইন
- ইন্দোনেশিয়া
- ইরান
- আফগানিস্তান
- চীন
- ইতালি
- অ্যালিউশান দ্বীপপুঞ্জ প্রভৃতি।
অন্যদিকে,
- লিবিয়া, নামিবিয়াসহ আফ্রিকা মহাদেশ এবং সুইডেনসহ উত্তর-পশ্চিম ইউরোপ ভূমিকম্পের জন্যে ঝুকিপূর্ণ নয়।
(তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস)
৯৮৭.
বসফরাস প্রণালী কোন শহরের মধ্য দিয়ে যায়?
  1. আঙ্কারা
  2. ইস্তানবুল
  3. সাফা
  4. বুন্দেস
ব্যাখ্যা

• বসফরাস প্রণালী:
- বসফরাস প্রণালী এশিয়া ও ইউরোপের মধ্যবর্তী অঞ্চলের একটি অংশের সীমানা নির্দেশ করে।
- এটি তুরস্কের ইস্তানবুল শহরকে পৃথক করেছে।
- প্রণালীটিকে তাই ইস্তাম্বুল প্রণালীও বলা হয়।
- এই প্রণালীটি বিশ্বের নৌ চলাচলের ব্যবহৃত সবচেয়ে সরু জলপথ।
- মর্মর সাগর ও কৃষ্ণ সাগরকে যুক্ত করেছে বসফরাস প্রণালী।
- এই প্রণালী এশিয়া থেকে ইউরোপকে পৃথক করেছে।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।

৯৮৮.
আলতামিরা গুহা কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) স্পেন
  2. খ) পর্তুগাল
  3. গ) ইতালি
  4. ঘ) নেদারল্যান্ড
ব্যাখ্যা
আলতামিরা গুহা:
- আলতামিরা গুহাটি উত্তর স্পেনে অবস্থিত।
- গুহাটি প্রাগৈতিহাসিক চিত্রকর্ম এবং খোদাইয়ের জন্য বিখ্যাত।
- এটি ক্যান্টাব্রিয়া প্রদেশের বন্দর শহর সান্তান্ডার থেকে ১৯ মাইল (৩০ কিমি) পশ্চিমে অবস্থিত।
- আলতামিরা ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট মনোনীত হয়েছিল।
- ১৮৬৮ সালে একজন শিকারী দ্বারা আবিষ্কৃত গুহাটি ১৮৭৬ সালে স্থানীয় সম্ভ্রান্ত ব্যক্তি মার্সেলিনো সানজ ডি সাউতুওলা পরিদর্শন করেছিলেন।
- আলতামিরা গুহাটি ৯৭১ ফুট (২৯৬ মিটার) লম্বা।

উৎস: Britannica.
৯৮৯.
গ্রীক সভ্যতার দুই প্রধান নগর-রাষ্ট্র কোনগুলো ছিল?
  1. মেমফিস ও থিবস
  2. বাবিলন ও নিনেভে
  3. রোম ও কার্থেজ
  4. এথেন্স ও স্পার্টা
ব্যাখ্যা
গ্রীক সভ্যতা:
⇒ ইউরোপ মহাদেশের আধুনিক গ্রীক রাষ্ট্রের অন্তর্গত প্রাচীন কয়েকটি শহরকে কেন্দ্র করে গ্রীক সভ্যতার উদ্ভব ঘটে। বলকান উপকূলের দক্ষিণাংশে অবস্থিত গ্রীস প্রায় পাঁচ হাজার বর্গমাইল ব্যাপী বিস্তৃত। অড্রিয়াটিক সাগর, ভূমধ্যসাগর, এজিয়ান সাগর দ্বারা বেষ্টিত থাকার কারণে গ্রীক সভ্যতাকে 'ওসেনিয়ান' (সাগরীয়) সভ্যতা বলা হয়। 

⇒ গ্রীক সভ্যতার দুটি স্তর রয়েছে। প্রথম স্তর হেলেনিক সভ্যতা এবং দ্বিতায় স্তরে হেলেনিস্টিক সভ্যতা। তাই গ্রীক সভ্যতার উন্মেষ বা আদিপর্ব হেলেনিক যুগ। কেবল গ্রীক উপদ্বীপ কেন্দ্রীক এই সভ্যতার প্রধান কেন্দ্র বিন্দু ছিল এথেন্স। খ্রিস্টপূর্ব ২০০০ থেকে ৩৩৭ অব্দ পর্যন্ত হেলেনিক যুগ বিদ্যমান ছিল। অতঃপর রাজা ফিলিপ কর্তৃক মেসিডোনিয়া কেন্দ্রীক নতুন সভ্যতা গড়ে ওঠে। রাজা ফিলিপের পুত্র আলেকজান্ডারের নেতৃত্বে গ্রীকরা ইউরোপ আফ্রিকা ও এশিয়া ব্যাপী বিশাল সাম্রাজ্য গড়ে তোলে। ফলে গ্রীক শিক্ষা-সংস্কৃতির সঙ্গে বাইরের সংস্কৃতির মিশ্রণ ঘটিয়ে যে সভ্যতার সৃষ্টি হয় তাই হেলেনিস্টিক যুগের সভ্যতা।

⇒ গ্রীক সভ্যতার ক্রমবিকাশে আদিকালকে হোমারিক যুগ বলা হয়। গ্রীক কবি হোমারের নাম থেকে এ যুগের নামকরণ করা হয়। খ্রিস্টপূর্ব ১২০০ থেকে ৮০০ অব্দ পর্যন্ত এই যুগের বিস্তৃতি। বিখ্যাত কবি হোমার 'ইলিয়ড' এবং 'ওডিসি' নামে দুটি মহাকাব্য রচনা করেন। তার রচনাবলী থেকে গ্রীক ইতিহাস, ভূগোল, সাহিত্য, লোক ঐতিহ্যের সন্ধান পাওয়া যায়। হোমারিক যুগে সমগ্র গ্রীক ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র গ্রামীণ সংস্থায় (Village Community) বিভক্ত ছিল এবং স্বাধীন ভাবে পরিচালিত হতো। 

⇒ খ্রিস্টপূর্ব ৮০০ অব্দের দিকে হোমারিক যুগের অবসান ঘটে। হোমারিক যুগের গ্রাম সম্প্রদায়গুলি ভেঙ্গে কালক্রমে নগর রাষ্ট্রের সৃষ্টি হয়। এথেন্স, থিক্স, মেগারা, স্পার্টা এবং করিন্থ প্রভৃতি নগরীকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছিল এসব ক্ষুদ্র রাষ্ট্র। 
- প্রাচীন গ্রিক সভ্যতার দুটি প্রধান নগর-রাষ্ট্র ছিল এথেন্স ও স্পার্টা।
এথেন্স ছিল গণতন্ত্র ও সংস্কৃতির কেন্দ্র, যেখানে দর্শন, শিল্পকলা এবং স্থাপত্যের বিকাশ ঘটেছিল। অন্যদিকে, স্পার্টা ছিল সামরিক শক্তিতে পারদর্শী একটি নগর-রাষ্ট্র, যেখানে কঠোর সামরিক প্রশিক্ষণ ও শৃঙ্খলা ছিল প্রধান। 

⇒ খ্রিস্টপূর্ব পঞ্চম শতাব্দীতে গ্রীসের দুটি শক্তিশালী নগর রাষ্ট্র এথেন্স ও স্পার্টার মধ্যে বিরোধ বাধে। স্পার্টা নগর রাষ্ট্রটি বরাবরই সামরিক তন্ত্রের ওপর প্রতিষ্ঠিত ছিল। উভয় রাষ্ট্রের মধ্যে যে যুদ্ধ হয় তা ইতিহাসে পেলোপনেসীয় যুদ্ধ (খ্রিস্টপূর্ব ৪৩১-৪০৪ অব্দ) বলে খ্যাত। এই যুদ্ধে এথেন্সের পতন ঘটে এবং স্পার্টা এথেন্স দখল করে নেয়। ফলে হেলেনিক সভ্যতারও পতন ঘটে।

উৎস: i) ইসলামের ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) Britannica.
৯৯০.
আসিরিয়া কোন সভ্যতার অংশ?
  1. মিশরীয় সভ্যতা
  2. মায়া সভ্যতা
  3. মেসোপটেমীয় সভ্যতা
  4. ফিনিশীয় সভ্যতা
ব্যাখ্যা
আসিরিয়া সভ্যতা: 
- আসিরিয়া ছিল প্রাচীন মেসোপটেমিয়ার একটি রাজ্য।
- এটি বর্তমানে উত্তর ইরাক ও দক্ষিণ-পূর্ব তুরস্কে অবস্থিত।
- প্রথমদিকে এটি ব্যাবিলন ও মিতান্নি সাম্রাজ্যের অধীন ছিল (দ্বিতীয় সহস্রাব্দ খ্রিস্টপূর্ব)।
- খ্রিস্টপূর্ব ১৪শ শতকে আসিরিয়া একটি স্বাধীন রাষ্ট্রে পরিণত হয়।
- এরপর এটি মেসোপটেমিয়া, আর্মেনিয়া এবং উত্তর সিরিয়ার কিছু অংশে শক্তিশালী এক সাম্রাজ্যে পরিণত হয়।
- রাজা তুকুলতি-নিনুর্তা প্রথমের মৃত্যুর (প্রায় ১২০৮ খ্রিস্টপূর্ব) পর আসিরিয়ার শক্তি হ্রাস পায়।
- খ্রিস্টপূর্ব ১১শ শতকে তিগলাথ-পিলেসার প্রথম সাময়িকভাবে শক্তি পুনরুদ্ধার করেন।
- খ্রিস্টপূর্ব ৯শ শতকে আসিরিয়া আবারও সম্প্রসারণ শুরু করে।
- তিগলাথ-পিলেসার তৃতীয়, সারগন দ্বিতীয়, সেন্নাখেরিব ও এসারহাদ্দনের মতো শক্তিশালী রাজাদের শাসনে খ্রিস্টপূর্ব ৮ম থেকে ৭ম শতক পর্যন্ত আসিরিয়া মধ্যপ্রাচ্যের বিশাল এলাকা (মিশর থেকে পারস্য উপসাগর পর্যন্ত) নিয়ন্ত্রণ করে।
- আশুরবানিপাল ছিলেন শেষ মহাশক্তিশালী রাজা। তাঁর মৃত্যুর (৬২৭ খ্রিস্টপূর্ব) পর সাম্রাজ্য দুর্বল হয়ে পড়ে।
- শেষমেশ খ্রিস্টপূর্ব ৬১২–৬০৯ সালে চালদীয় ও মিদীয়দের একত্রিত আক্রমণে আসিরিয়া ধ্বংস হয়।
- আসিরিয়ানরা যুদ্ধকুশল ও নিষ্ঠুরতার জন্য খ্যাত ছিল।
- তারা বিশাল স্থাপত্য নির্মাণেও পারদর্শী ছিল।
- নিনেভে, আশুর ও নিমরুদের প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন তাদের কীর্তির সাক্ষ্য বহন করে।

উৎস: Britannica.
৯৯১.
প্রথম লোহা আবিষ্কৃত হয় কোথায়?
  1. ক) প্রাচীন গ্রিসে
  2. খ) এশিয়া মাইনরে
  3. গ) ইতালিতে
  4. ঘ) মিশরে
ব্যাখ্যা
লৌহযুগ:
- লোহার আবিষ্কার ও ব্যবহারের সঙ্গে সঙ্গে ব্রোঞ্জযুগের একচেটিয়া অধিকার ও কর্তৃত্ব হ্রাস পেয়েছিল।
- ব্রোঞ্জ ছিল দুষ্প্রাপ্য ও মূল্যবান ধাতু। এর ব্যবহার মূলত অভিজাত শ্রেণির হাতে কেন্দ্রীভূত ছিল। 
- সহজ লভ্য ও দামে সস্তা হওয়ায় লোহার ব্যাপক ব্যবহার পরিলক্ষিত হয়।
- সাধারণ মানুষও তাদের দৈনন্দিন নানা প্রয়োজনে লৌহ নির্মিত যন্ত্রপাতি ব্যবহার করতে শুরু করে।
- এভাবেই লৌহযুগ নামে নতুন এক সভ্যতার বিকাশ লাভ ঘটে।
- এশিয়া মাইনরে হিট্টাইটরা (Hittites) প্রথম লোহার আবিষ্কার ও এর ব্যবহার শুরু করে
- খ্রিস্টপূর্ব ১৫০০ অব্দে মধ্যপ্রাচ্যে লোহার ব্যবহার শুরু হয়।
- লোহার আবিষ্কার ও ব্যবহার সভ্যতার সামাজিক ভিত্তিকে অনেক মজবুত এবং এর পরিধিকে আরও প্রসারিত করে।
- লৌহযুগে বর্ণমালাভিত্তিক লিখন পদ্ধতির প্রচলন শুরু হয়।
- ব্যবসাবাণিজ্য ও মুদ্রা-অর্থনীতি ব্যাপকতা লাভ করে।
- জাহাজ চলাচল ব্যাপকভাবে শুরু হওয়ার ফলে যাতায়াতব্যবস্থা সহজ হয়। 
- লৌহযুগে শিল্প, বাণিজ্য, নগরায়ন প্রভৃতিকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন পেশাভিত্তিক সামাজিক শ্রেণির উদ্ভব ঘটে।
- লৌহযুগে গ্রিসে এক উন্নত গণতান্ত্রিক নগরসভ্যতার বিকাশ ঘটে।

উৎস: সমাজবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
৯৯২.
নিম্নের কোন দেশ ইন্দোচীনের অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. লাওস
  2. ভিয়েতনাম
  3. ফিলিপাইন
  4. কম্বোডিয়া
ব্যাখ্যা

ইন্দোচীন:
- ইন্দোচীন হলো দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি উপদ্বীপ অঞ্চল।
- ভিয়েতনাম, লাওস এবং কম্বোডিয়া এই তিনটি অঞ্চল নিয়ে গঠিত ইন্দোচীন।
- ১৯৫৮-১৮৯৩ সালের মধ্যে, ফ্রান্স প্রথম ইন্দোচীন ইউনিয়ন গঠন করে।
- ১৯৪০ সালে জাপান উত্তর ভিয়েতনাম অঞ্চল দখল করে।
- ১৯৪৫ সালের আগস্টে জাপানের আত্মসমর্পণের পর উত্তরে ভিয়েতনামের জাতীয়তাবাদী নেতা হো চি মিনের নেতৃত্বে ভিয়েতনামের গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র ঘোষণা করে।

অন্যদিকে, 
- ফিলিপাইন ইন্দোচীনের অন্তর্ভুক্ত নয়। 

উৎস: Britannica.

৯৯৩.
'গ্রাউন্ড জিরো' নামটি জড়িত কোনটির সাথে?
  1. ক) World Trade Center
  2. খ) Statue of liberty
  3. গ) American Peace Center
  4. ঘ) World Cemetry
ব্যাখ্যা
▪ ২০০১ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অবস্থিত World Trade Center, প্রতিরক্ষা ভবন - পেন্টাগন ও পেনসেলভেনিয়াতে জঙ্গীগোষ্ঠী আল-কায়দা বোমা হামলা করে।
▪ হামলায় World Trade Center - এর টুইন টাওয়ার সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়ে যায়।
▪ জায়গাটি এখন “গ্রাউন্ড জিরো” নামে পরিচিত। আল-কায়দার হামলার প্রেক্ষিতে ইরাক ও আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র।
▪ ২০০২ সালে 'Department of Homeland Security" তৈরি করে।  

তথ্যসূত্র:- ব্রিটানিকা এবং বাংলাদেশ প্রতিদিন।
৯৯৪.
বিশ্বের বৃহত্তম লবণাক্ত পানির হ্রদ-
  1. বৈকাল হ্রদ
  2. ভিক্টোরিয়া হ্রদ
  3. মর্মর সাগর (মৃত সাগর)
  4. কাস্পিয়ান সাগর
ব্যাখ্যা

কাস্পিয়ান সাগর:
- কাস্পিয়ান সাগর আজারবাইজান, রাশিয়া, কাজাখস্তান, তুর্কিমেনিস্তান ও ইরান জুড়ে অবস্থিত।
- বিশ্বের বৃহত্তম হ্রদ।
- কাস্পিয়ান সাগর বিশ্বের বৃহত্তম লবণাক্ত পানির হ্রদ।
- দৈর্ঘ্য ১১৯৯ কিমি।
- এটি মূলত ভূ-বেষ্টিত সাগর।

উল্লেখ্য,
- বিশ্বের বৃহত্তম সুপেয় পানির হ্রদ- সুপিরিয়র।
- বিশ্বের গভীরতম হ্রদ - বৈকাল হ্রদ।
- ভিক্টোরিয়া হ্রদ - পৃথিবীর ৩য় বৃহত্তম হ্রদ।

সূত্র: ব্রিটানিকা ও হিস্টোরি ডটকম।

৯৯৫.
নিচের কোনটি এডেন উপসাগর তীরবর্তী রাষ্ট্র নয়?
  1. ক) জিবুতি
  2. খ) সৌদিআরব
  3. গ) ইয়েমেন
  4. ঘ) সোমালিয়া
ব্যাখ্যা
- এডেন উপসাগর হল ভারত মহাসাগরের একটি সম্প্রসারণ, যা আরব উপদ্বীপ এবং আফ্রিকা মহাদেশের মধ্যে অবস্থিত। 
- এই উপসাগরটি বাব এল মান্দেব প্রণালী হয়ে লোহিত সাগরকে আরব সাগরের সাথে সংযুক্ত করেছে।
- এডেন উপসাগর সুয়েজ খালের শিপিং রুটের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা লোহিত সাগর এবং ভূমধ্যসাগরকে সংযুক্ত করেছে। 
- এডেন উপসাগর তীরবর্তী রাষ্ট্র ৩টি। যথা:
- জিবুতি 
- সোমালিয়া 
- ইয়েমেন 
 
উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস ওয়েবসাইট। 
৯৯৬.
আজটেকদের শক্তিশালী সাম্রাজ্য বর্তমান কোথায় ছিল?
  1. মধ্য মেক্সিকো
  2. গুয়েতেমালা
  3. পেরু
  4. বলিভিয়া
ব্যাখ্যা

•  আজটেক সভ্যতা: 
- আজটেকদের শক্তিশালী সাম্রাজ্য ছিল বর্তমান মেক্সিকো অঞ্চলে।
- স্প্যানিশ আক্রমণকারীরা ১৫১৯ সালের দিকে মধ্য মেক্সিকোতে আজটেক সভ্যতার এক সমৃদ্ধ নগরের সন্ধান পায়।
- তারা সমৃদ্ধ এই নগর থেকে বিভিন্ন সম্পদ লুটপাট করে।
- তাদের আক্রমণের অনেক আগে মেক্সিকো অঞ্চলের জনশ্রুতি ও কিংবদন্তি থেকে আজটেক জাতির নাম শোনা যায়।
- তারা প্রথম বসতি গড়েছিল আজলটান অঞ্চলে। জায়গাটি ছিল মেক্সিকোর উত্তরে কিংবা উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের কোথাও।
- সভ্যতা বিকাশের গোড়ার দিকে আজটেকরা ছিল যাযাবর।
- তাদের জনসংখ্যা তেমন একটা বেশি ছিল না।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই। 

৯৯৭.
’মুকালা সমুদ্র বন্দর’ কোন দেশে অবস্থিত?
  1. সিরিয়া
  2. ইরান
  3. কাজাখস্তান
  4. ইয়েমেন
ব্যাখ্যা

- মুকালা সমুদ্র বন্দর ইয়েমেনে অবস্থিত

মুকালা সমুদ্র বন্দর:

- মুকালা সমুদ্র বন্দর ইয়েমেনে অবস্থিত।
- এটি আরব সাগরের তীরে হাদরামাউত গভর্নরেটের একটি প্রধান বন্দর ও রাজধানী শহর।
- ইয়েমেন প্রজাতন্ত্র পশ্চিম এশিয়ার একটি আরব দেশ।
- দেশটি এককালে আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্য ও এশিয়ার সংযোগস্থল ছিল।
- আরব উপদ্বীপের দক্ষিণ প্রান্তে দক্ষিণ আরবজুড়ে দেশটির অবস্থান।
- ইয়েমেন আরব উপদ্বীপের দ্বিতীয় বৃহত্তম রাষ্ট্র।
- ইয়েমেনের সীমান্তে রয়েছে উত্তরে সৌদি আরব, পশ্চিমে লোহিত সাগর, দক্ষিণে এডেন উপসাগর ও আরব সাগর এবং পূর্ব-উত্তর পূর্বে ওমান।

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।

৯৯৮.
'গ্লাসনস্ত ও পেরেস্ত্রইকা' নীতি চালু হয়েছিল কোন দেশে?
  1. যুক্তরাজ্য
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. চেকোস্লোভাকিয়া
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• 'গ্লাসনস্ত ও পেরেস্ত্রইকা' নীতি চালু হয়েছিল সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন। [প্রদত্ত প্রশ্নে উত্তর কোনটি নয়] 
- প্রেসিডেন্ট মিখাইল গর্বাচেভ ১৯৮৫ সালে ক্ষমতাসীন হওয়ার পর গ্লাসনস্ত এবং পেরেস্ত্রইকা নামে দুটির সংস্কারমূলক নীতি গ্রহণ করেন।
- গ্লাস্তনস্ত ছিলো রাজনৈতিক সংস্কার কর্মসূচি।
- পেরেস্ত্রইকা ছিলো অর্থনৈতিক সংস্কার কর্মসূচি বিষয়ক নীতি।
- মিখাইল গর্ভাচেভ সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রথম ও একমাত্র প্রেসিডেন্ট।
- সোভিয়েত ইউনিয়নের সর্বশেষ নেতা।

উৎস: হিস্টোরি ওয়েবসাইট।
৯৯৯.
চীনের সাথে স্থলসীমান্ত নেই কোন দেশের?
  1. ভিয়েতনাম
  2. কাজাকিস্তান
  3. তুর্কিমিনিস্তান
  4. লাওস
ব্যাখ্যা
• চীনের সাথে বিশ্বের সর্বাধিক ১৪ টি দেশের সীমান্ত রয়েছে।
দেশগুলো হলো: মঙ্গোলিয়া, রাশিয়া, উত্তর কোরিয়া, ভিয়েতনাম, লাওস, মায়ানমার, ভারত, ভুটান, নেপাল, পাকিস্তান, আফগানিস্তান, কিরগিস্তান, তাজিকিস্তান এবং কাজাকিস্তান।
এছাড়া দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান সাথে রয়েছে জলসীমা।

• চীন:
- চীনের সরকারি নাম: চীনা গণপ্রজাতন্ত্রী (People’s Republic of China)
- রাজধানী: বেইজিং।
- সংখ্যাগরিষ্ঠ জাতি- হান।
- আইনসভার নাম: NAtional People`s Congress.
- সরকার ব্যবস্থা: একদলীয় সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র (কমিউনিস্ট পার্টি শাসিত)
- জনসংখ্যা: প্রায় ১৪০ কোটিরও বেশি। 
- মুদ্রা: ইউয়ান (Yuan, RMB )
- ভাষা: ম্যান্ডারিন চীনা (সরকারি ভাষা)।

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস ও ব্রিটানিকা।
১,০০০.
সুমেরীয় সভ্যতায় ধর্মীয় ও রাষ্ট্রীয় নেতাদের পদবী কী ছিল?
  1. পাতেজী
  2. জিগগুরাট
  3. ডুঙি
  4. ভেনাস
ব্যাখ্যা
সুমেরীয় সভ্যতা:
- মেসোপটেমীয়া অঞ্চলের সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতা সুমেরীয়।
- ৫০০০ খ্রিস্টপূর্বে সুমেরীয় জাতি মেসোপটেমিয়ার দক্ষিণাংশে এবং পারস্য উপকূল অঞ্চলে বসবাস শুরু করে।
- এরা অ-সেমিটিক জাতিগোষ্ঠি এবং মধ্য এশিয়া থেকে স্থানান্তরিত হয়ে মেসোপটেমিয়া অঞ্চলে বসতি স্থাপন করে।
- লিখন পদ্ধতি, জ্ঞান-বিজ্ঞান চর্চা, আইন কানুন প্রণয়ন, ধর্মীয় অনুশাসন ইত্যাদি সুমেরীয়রাই প্রথম শুরু করে।
- সুমেরীয় সভ্যতায় ধর্মীয় ও রাষ্ট্রীয় নেতাদের পদবী ছিল 'পাতেজী'।
- সুমেরীয়দের পরবর্তী বিখ্যাত শাসক ছিলেন সম্রাট 'ডুঙি'।
- সম্রাট ডুঙির নেতৃত্বে সুমেরীয়গণ খ্রিস্টপূর্ব ২১০০ অব্দে একটি ঐক্যবদ্ধ সাম্রাজ্য গড়ে তুলেন।
- ডুঙি সুমের জাতির জন্য সর্বপ্রথম একটি বিধিবদ্ধ আইন (Code) প্রচলন করেন।
- সুমেরীয় সমাজে শিল্প ও ব্যবসা পরিচালনায় নারীদের অধিকার দেওয়া হয়েছিল।
- মেসোপটেমীয় সভ্যতার বিকাশ এবং নিত্য নতুন আবিষ্কারের মূলে সুমেরীয়দের অবদানই অধিক ছিল।
- সুমেরীয় শ্রেষ্ঠ স্থাপত্যকীর্তি ‘জিগগুরাট' নামক ধর্মমন্দির।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা ও ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।