বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ ও বৈশ্বিক ভৌগলিক অঞ্চল, সীমানা, পারিবেশিক, আর্থ-সামাজিক ও ভূ-রাজনীতির গুরুত্ব

মোট প্রশ্ন১,৬৩৯এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ ও বৈশ্বিক ভৌগলিক অঞ্চল, সীমানা, পারিবেশিক, আর্থ-সামাজিক ও ভূ-রাজনীতির গুরুত্ব

PrepBank · পাতা / ১৭ · ৮০১৯০০ / ১,৬৩৯

৮০১.
বরেন্দ্রভূমি হলো -
  1. টারশিয়ারি যুগের পাহাড়
  2. প্লাইস্টোসিন যুগের সোপান
  3. সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি
  4. পাদদেশীয় পালল সমভূমি
ব্যাখ্যা
বরেন্দ্রভূমি:
- বরেন্দ্রভূমি রাজশাহী বিভাগের নওগাঁ, রাজশাহী, বগুড়া, জয়পুরহাট এবং রংপুর বিভাগের গাইবান্ধা, রংপুর ও দিনাজপুর জেলার অংশবিশেষ নিয়ে গঠিত।
- এর আয়তন ৯,৩২০ বর্গকিলোমিটার।
- প্লাবন সমভূমি থেকে এর উচ্চতা ৬ থেকে ১২ মিটার।
- এটি প্লাইস্টোসিন যুগের সর্ববৃহৎ উঁচুভূমি।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮০২.
ঢাকা থেকে পশ্চিমে অবস্থিত একটি স্থানের দ্রাঘিমার পার্থক্য ৪৫°। ঢাকায় যখন সকাল ৯টা তখন সেই স্থানের স্থানীয় সময় কত?
  1. সকাল ১২.০০ টা
  2. বিকেল ৩.০০ টা
  3. সন্ধ্যা ৬.০০ টা
  4. ভোর ৬.০০টা
ব্যাখ্যা
• ঢাকা থেকে স্থানটির ব্যবধান = ৪৫°
= (৪৫×৪) মিনিট 
= ১৮০ মিনিট 
= ৩ ঘন্টা

সময়ের ব্যবধান হবে ৩ ঘণ্টা 

এখানে যে স্থানটির স্থানীয় সময় নির্ণয় করতে হবে সেটা ঢাকার পশ্চিমে দিকে অবস্থিত। সুতরাং স্থানীয়
সময় ঢাকার সময়ের চেয়ে কম হবে কারণ পূর্ব দিকে সূর্য আগে উদিত হয়েছে। তাই ঢাকার সময়ের সঙ্গে
৩ ঘণ্টা বিয়োগ করতে হবে।
.স্থানটির সময়
= ঢাকার সময় - সময়ের পার্থক্য
= সকাল ৯টা -  ৩ ঘণ্টা 
= ভোর ৬ টা।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ নবম-দশম শ্রেণি বোর্ড বই।
৮০৩.
পৃথিবীর নিরক্ষীয় ব্যাস কত?
  1. ১২,৭৫৭ কিলোমিটার
  2. ১৮,৭৫৭ কিলোমিটার
  3. ৮,৭৫৭ কিলোমিটার
  4. ১০,৭৫৭ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর ব্যাস:
- পৃথিবীর কেন্দ্র বিন্দুকে ছেদ করে একটি রেখা যদি পৃথিবীর যে কোনো দুইটি প্রান্তকে স্পর্শ করে, তবে ঐ রেখাকে পৃথিবীর ব্যাস বলা হয়।

• ইরাটোসথেনীসের গণনা অনুযায়ী-
- মেরুদেশীয় এলাকায় পৃথিবীর ব্যাস ১২,৭১৪ কি.মি. বা ৭,৯০০ মাইল,
- নিরক্ষরেখা বরাবর পৃথিবীর ব্যাস ১২,৭৫৭ কি.মি. বা ৭,৯২৭ মাইল।

⇒ পৃথিবীর ব্যাসার্ধ:
- পৃথিবীর ব্যাসার্ধ (Radius) হলো এমন একটি রেখা বা লাইন যেটি পৃথিবীর কেন্দ্র বিন্দু থেকে যে কোনো একটি প্রান্ত স্পর্শ করে।
- পৃথিবীর গড় ব্যাসার্ধ হলো ৬,৪০০ কিঃ মিঃ।

⇒ পৃথিবীর আয়তন:
- বিজ্ঞানীদের মতে, পৃথিবীর আয়তন ৫১ কোটি ৪৯ লক্ষ ২৫ হাজার ৭১৪.৩ বর্গ কিঃমিঃ।

⇒ পৃথিবীর পরিধি:
- গ্রীক পন্ডিত ইরাটোসথেনীস খৃস্টপূর্ব ২৫০ অব্দে গাণিতিক পদ্ধতিতে পৃথিবীর পরিধি নির্ণয় করেন।
- পৃথিবীর ঠিক মধ্যভাগ বরাবর অবস্থিত নিরক্ষরেখার (০০ অক্ষাংশ) পরিধি হলো পৃথিবীর পরিধি।
- পৃথিবীর প্রকৃত পরিধি প্রায় ৪০,০০০ কিঃ মিঃ বা ২৫,০০০ মাইল।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৮০৪.
বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতিকে কয় ভাগে ভাগ করা যায়?
  1. ২ ভাগে
  2. ৩ ভাগে
  3. ৪ ভাগে
  4. ৫ ভাগে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতি:
ভূ-প্রকৃতির ভিন্নতার উপর ভিত্তি করে বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতিকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা:
১. টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ।
২. প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ এবং
৩. সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮০৫.
২৩.৫° উত্তর অক্ষরেখার অপর নাম কী?
  1. কর্কটক্রান্তি রেখা
  2. মকর ক্রান্তি রেখা
  3. সুমেরু বৃত্ত
  4. কুমেরু বৃত্ত
ব্যাখ্যা
• ২৩.৫° উত্তর অক্ষরেখার অপর নাম কর্কটক্রান্তি রেখা।

• কর্কটক্রান্তি রেখা:
- বছরে সূর্য একবার বিষুবরেখা অতিক্রম করে উত্তর গোলার্ধের সর্বশেষ যে স্থান পর্যন্ত পরিক্রমা করে (২৩.৫ ডিগ্রী উত্তর অক্ষাংশ ) আবার বিষুবরেখার দিকে ফিরে আসে, সেই কাল্পনিক রেখাটিকে কর্কটক্রান্তি রেখা বলে
- ভূ-পৃষ্ঠের যে কোনো স্থানে নিরক্ষরেখার সাথে পৃথিবীর কেন্দ্র বিন্দুতে সৃষ্ট কৌণিক দূরত্বকে অক্ষাংশ বলে এবং যে কাল্পনিক রেখার মাধ্যমে একে প্রকাশ করা হয়, তাকে অক্ষরেখা বলে।

উল্লেখ্য: 
- ২৩.৫° উত্তর ও দক্ষিণ অক্ষরেখাসমূহ যথাক্রমে কর্কটক্রান্তি রেখা ও মকর ক্রান্তি রেখা নামে অভিহিত হয়।
- ৬৬.৫° উত্তর ও দক্ষিণ অক্ষরেখাসমূহ যথাক্রমে সুমেরু বৃত্ত ও কুমেরু বৃত্ত নামে অভিহিত হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮০৬.
স্পারসো (SPARRSO) কী?
  1. ক) মহাকাশ গবেষণাকারী বেসরকারী সংস্থা
  2. খ) একটি আধুনিক মহাকাশ প্রযুক্তি
  3. গ) মহাকাশ গবেষণাকারী সরকারি সংস্থা
  4. ঘ) বাংলাদেশের একটি ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র
ব্যাখ্যা
SPARRSO (স্পারসো) এর পূর্ণরূপ- Space Research and Remote Sensing Organisation (মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন কেন্দ্র)। এটি বাংলাদেশ সরকারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান। স্পারসো প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৮০ সালে এবং এটি ঢাকা শহরের আগারগাঁও এ অবস্থিত।
উৎসঃ স্পারসোর ওয়েবসাইট।
৮০৭.
লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান কোথায় অবস্থিত?
  1. মৌলভীবাজার
  2. সিলেট
  3. ময়মনসিংহ
  4. পার্বত্য চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান:
- মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান। 
- ১৯২৫ সালে বনায়ন করে সৃষ্ট বনরাজি এখন ঘন প্রাকৃতিক বনের আকার ধারণ করেছে।
- লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান বাংলাদেশে অবশিষ্ট চিরহরিৎ বনের একটি উল্লেখযোগ্য নমুনা।
- এটি একটি সংরক্ষিত বনাঞ্চল।
- এর আয়তন ১২৫০ হেক্টর।
- বাংলাদেশের ৭টি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য ও ১০টি জাতীয় উদ্যানের মধ্যে এটি অন্যতম।
- বাংলাদেশ সরকার ১৯৯৭ খ্রিস্টাব্দে এই বনকে 'জাতীয় উদ্যান' হিসেবে ঘোষণা করে।
- বিলুপ্তপ্রায় উল্লুকের জন্য এ বন বিখ্যাত।
- নিরক্ষীয় অঞ্চলের চিরহরিৎ বর্ষাবন বা রেইন ফরেষ্টের মতো এখানে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়।
- সূর্যের আলোর জন্য প্রতিযোগিতা করে এ বনের গাছপালা খুব উঁচু হয়ে থাকে, এবং অনেক ওপরে ডালপালা ছড়িয়ে চাঁদোয়ার মত সৃষ্টি করে।
- এই বন এতই ঘন যে মাটিতে সূর্যের আলো পড়েনা বললেই চলে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৮০৮.
বাংলাদেশের পার্বত্য জেলা কয়টি ?
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের পার্বত্য জেলা ৩ টি।
পার্বত্য চট্টগ্রাম বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের একটি এলাকা, যা তিনটি জেলা নিয়ে গঠিত:
- রাঙ্গামাটি 
- বান্দরবান 
- খাগড়াছড়ি নিয়ে গঠিত।

চট্টগ্রাম বিভাগের এই এলাকা পাহাড় ও উপত্যকায় পূর্ণ বলে এর নামকরণ হয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রাম।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক ভূগোল একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

৮০৯.
নিচের কোন দেশে সর্বাধিক ম্যানগ্রোভ বন রয়েছে?
  1. ক) বাংলাদেশ
  2. খ) ইন্দোনেশিয়া
  3. গ) ব্রাজিল
  4. ঘ) ভারত
ব্যাখ্যা
- পৃথিবীতে ১০২টি দেশে ম্যানগ্রোভের অস্তিত্ব থাকলেও কেবলমাত্র ১০টি দেশে ৫০০০ বর্গ কিমি এর বেশি ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল রয়েছে। 
- পৃথিবীর সমগ্র ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চলের ৪৩% ইন্দোনেশিয়া, ব্রাজিল, অস্ট্রেলিয়া এবং নাইজার এ অবস্থিত এবং এদের প্রত্যেকটি দেশে সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের ২৫% হতে ৬০% ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল রয়েছে। 
- বাংলাদেশে অবস্থিত ম্যানগ্রোভ বন (সুন্দরবন) পৃথিবীর একক বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন হিসেবে পরিচিত।
 
উৎস : বাংলাপিডিয়া। 
৮১০.
পর্তুগাল ও স্পেনের মধ্যে সীমানা কোনটি?
  1. লাইন অব ডিমারকেশন
  2. ব্লু লাইন
  3. ওডার-নেইস লাইন
  4. ডুরান্ড লাইন
ব্যাখ্যা

বিভিন্ন দেশের সীমানা:
⇒ পার্পল লাইন: ইসরাইল ও সিরিয়ার মধ্যে সীমানা।
⇒ সনেরা লাইন: মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সীমানা।
⇒ ওডার-নেইস লাইন: জার্মানি ও পোল্যান্ডের মধ্যকার সীমানা।
⇒ ব্লু লাইন: লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যকার সীমানা।
⇒ লাইন অব ডিমারকেশন: পর্তুগাল ও স্পেনের মধ্যে সীমানা।
⇒ ডুরান্ড লাইন: পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে সীমানা।
⇒ রেডক্লিফ লাইন: ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সীমারেখা।
⇒ লাইন অব একচুয়াল কন্ট্রোল / ম্যাকমোহন লাইন: চীন ও ভারতের মধ্যে সীমানা।
⇒ লাইন অব কন্ট্রোল: ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সীমানা।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

৮১১.
কোন শহরকে মসজিদের শহর বলা হয়?
  1. ঢাকা
  2. ইস্তাম্বুল
  3. কায়রো
  4. ক + খ
ব্যাখ্যা
গুরুত্বপূর্ন ভৌগলিক উপনাম (শহর)
- উদ্যানের শহর - শিকাগো।
- বিগ এ্যাপল - নিউওইয়র্ক।
- গোলাপী শহর -জয়পুর, রাজস্থান।
- চির বসন্তের নগরী - কিটো, ইকুয়েডর।
- চির শান্তির শহর - রোম।
- নিষিদ্ধ শহর - লাসা, তিব্বত।
- মসজিদের শহর - ঢাকা ও ইস্তাম্বুল।
- মন্দিরের শহর - বেনারস।
- সাত পাহাড়ের শহর - রোম।
- স্বর্ণ নগরী - জোহান্সবার্গ।
- সম্মেলনের শহর - জেনেভা।
- গ্রানাইটের শহর - এভারডিন।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা।
৮১২.
’হাইল হাওর’ কোন দুটি জেলা জুড়ে বিস্তৃত?
  1. মৌলভীবাজার ও সিলেট
  2. সিলেট ও হবিগঞ্জ
  3. নেত্রকোনা ও বরিশাল
  4. মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ
ব্যাখ্যা
হাইল হাওর:
- মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল ও হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলা জুড়ে বিস্তৃত ‘হাইল হাওর’।
- এই বিশাল জলাধারে রয়েছে ১৪টি বিল এবং পানি নিষ্কাশনের ১৩টি নালা।
- মোট আয়তন ১০ হাজার হেক্টর।
- প্রচুর লতা ও গুল্মজাতীয় উদ্ভিদ থাকায় স্থানীয়দের কাছে এটি লতাপাতার হাওর নামেও পরিচিত।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৮১৩.
বাংলাদেশের মোট আয়তনের তুলনায় প্লাবন সমভূমির পরিমাণ শতকরা কতভাগ?
  1. ৬০ ভাগ
  2. ৭০ ভাগ
  3. ৮০ ভাগ
  4. ৯০ ভাগ
ব্যাখ্যা
ভূপ্রকৃতি অনুসারে বাংলাদেশ তিন ভাগে বিভক্ত। যথা:
টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ, প্লাইস্টোসিনকালের ভূমিরূপ এবং সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।
দেশের মোট আয়তনের তুলনায়,
সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি – ৮০ ভাগ
টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ – ১২ ভাগ
প্লাইস্টোসিনকালের ভূমিরূপ – ৮ ভাগ।
(সূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : নবম-দশম শ্রেণী : পৃষ্ঠা-৫৯/৬০)
৮১৪.
৩৬০ আউলিয়ার দেশ বলা হয় কোনটিকে?
  1. বরিশাল
  2. সিলেট
  3. চট্টগ্রাম
  4. খুলনা
ব্যাখ্যা
সিলেট:
- সিলেটের পুরাতন ভৌগলিক নাম ছিল শ্রীহট্ট।
- ৩৬০ আউলিয়ার দেশ বলা হয় সিলেটকে। 
- মহান সাধক হযরত শাহজালাল (র.) ও হযরত শাহপরাণ (র.) সহ ৩৬০ আউলিয়ার পুণ্যভূমি সিলেট একটি প্রাচীন জনপদ।
- চীনা পরিব্রাজক হিউয়েন সাঙ এর ৬৪০ খ্রিষ্টাব্দের ভ্রমণ বিবরণী থেকে এ জেলা সম্পর্কে তথ্য পাওয়া যায়।
- চীন দেশীয় পর্যটক হিউয়েন সাং বলেছেন, ‘‘শ্রীহট্ট একটা প্রাচীন ও গৌরবশালী দেশ’’।
- দশম শতাব্দীতে মহারাজা শ্রীচন্দ্র কর্তৃক উৎকীর্ণ পশ্চিমভাগ তাম্রলিপি থেকে জানা যায় যে, তিনি এ জেলা জয় করেছিলেন।
- ঐতিহাসিকদের ধারণা সিলেট বা শ্রীহট্ট বহু আগে থেকেই একটি উল্লেখযোগ্য বাণিজ্যকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত ছিল।
- ১৪ শতকে ইয়েমেনের সাধক পুরুষ হযরত শাহজালাল (র.) সিলেট জয় করেন এবং ইসলাম প্রচার শুরু করেন।

উল্লেখ্য,
- ১২ আউলিয়ার দেশ বলা হয় চট্টগ্রামকে। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৮১৫.
আলুটিলা প্রাকৃতিক গুহা কোথায় অবস্থিত?
  1. খাগড়াছড়ি জেলায়
  2. রাঙামাটি জেলায়
  3. বান্দরবান জেলায়
  4. কক্সবাজার জেলায়
ব্যাখ্যা

• আলুটিলা প্রাকৃতিক গুহা:
- আলুটিলা প্রাকৃতিক গুহা খাগড়াছড়ি জেলায় অবস্থিত। 

- বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামের খাগড়াছড়ি জেলার মাটিরাঙ্গা উপজেলায় এই প্রাকৃতিক গুহার অবস্থান।
- স্থানীয় ত্রিপুরা সম্প্রদায়ের কাছে এটি ‘মাতাই হাকর’ বা ‘দেবতার গুহা’ নামে পরিচিত। 
- পাহাড়ি আঁকাবাঁকা সড়কের পাশে ‘আলুটিলা পর্যটনকেন্দ্র’।
- এটির অবস্থান সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৬০০ ফুট ওপরে।
- গুহাটি দেখতে অনেকটা ভূগর্ভস্থ টানেলের মতো, যার দৈর্ঘ্য প্রায় ৩৫০ ফুট।
- গুহায় যেতে হলে ২৬৬টি সিঁড়ি বেয়ে নিচে নামতে হয়। 
- বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামের খাগড়াছড়ি জেলার মাটিরাঙ্গা উপজেলায় এই প্রাকৃতিক গুহার অবস্থান।

তথ্যসূত্র: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) প্রথম আলো।

৮১৬.
আয়তনে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ কোনটি?
  1. ক) যুক্তরাষ্ট্র
  2. খ) রাশিয়া
  3. গ) কানাডা
  4. ঘ) চীন
ব্যাখ্যা
আয়তনে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ হচ্ছে  - রাশিয়া।

এছাড়াও 
আয়তনে বিশ্বের বৃহত্তম ৫ দেশ হচ্ছে -
- প্রথম - রাশিয়া।
- দ্বিতীয় - কানাডা।
- তৃতীয় - চীন।
- চতুর্থ - যুক্তরাষ্ট্র।
- পঞ্চম - ব্রাজিল।

তথ্যসূত্র: worldometer
৮১৭.
সেভেন সিস্টার্স রাজ্যের প্রবেশদ্বার বলা হয় কোনটিকে?
  1. গুয়াহাটি
  2. শীলং
  3. ইটানগর
  4. আগরতলা
ব্যাখ্যা
সেভেন সিস্টার্স:
- উত্তর-পূর্ব ভারতের সাতটি রাজ্য সেভেন সিস্টার্স নামে পরিচিত।
- রাজ্যগুলাে হচ্ছে: অরুণাচল, আসাম, মণিপুর, মেঘালয়, মিজোরাম, নাগাল্যান্ড, ত্রিপুরা।
- এই সাত রাজ্যের আয়তন ২,৬২,১৭৯ বর্গকিলোমিটার, যা ভারতের মোট এলাকার প্রায় ৭.৯৭ শতাংশ।
- এ অঞ্চলের জনসংখ্যা ভারতের মোট জনসংখ্যার ৩.৭৮ শতাংশ।
- ১৯৭২ সালে এই সাত রাজ্যকে সেভেন সিস্টার্সের মর্যাদা দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য,
- আসামের গুয়াহাটির মাধ্যমে সেভেন সিস্টার্সর্ভুক্ত রাজ্যগুলো ভারতের মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।
- তাই এটিকে সেভেন সিস্টার্স রাজ্যের প্রবেশদ্বার বলা হয়।

⇒ সেভেন সিস্টার্স অন্তর্ভুক্ত ৪টি রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের সীমানা সংযোগ রয়েছে।
- সেসব হলো: আসাম, মেঘালয়, মিজোরাম, ত্রিপুরা।

⇒ ভারতের সেভেন সিস্টার্সের রাজ্যসমূহ ও রাজধানী -
১. আসাম - দিসপুর,
২. মিজোরাম - আইজল,
৩. অরুনাচল - ইটানগর,
৪. মেঘালয় - শীলং,
৫. ত্রিপুরা - আগরতলা,
৬. মণিপুর - ইম্ফল,
৭. নাগাল্যান্ড - কোহিমা।

উৎস: Ministry of Home Affairs ওয়েবসাইট।
৮১৮.
ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইল জেলার উঁচু ভূমিকে বলে -
  1. ক) মধুপুর গড়
  2. খ) বরেন্দ্র ভূমি
  3. গ) লালমাই পাহাড়
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
প্লাইস্টোসিন কালের সোপানসমূহ বা চত্বরভূমি : বাংলাদেশের মোট ভূমির প্রায় ৮% এলাকা নিয়ে এ অঞ্চল গঠিত।

প্লাইস্টোসিন কালের সোপানসমূহকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়, যথা-
১. বরেন্দ্রভূমি, 
২. মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং
৩. লালমাই পাহাড়।

• নওগাঁ, রাজশাহী, বগুড়া, জয়পুরহাট, রংপুর ও দিনাজপুর জেলার অংশবিশেষ নিয়ে বরেন্দ্রভূমি গঠিত। এর আয়তন ৯,৩২০ বর্গকিলোমিটার। প্লাবন সমভূমি থেকে এর উচ্চতা ৬ থেকে ১২ মিটার। এ স্থানের মাটি ধূসর ও লাল বর্ণের। 

• ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, গাজীপুর ও ঢাকা জেলার অংশবিশেষ নিয়ে মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় গঠিত। এর আয়তন প্রায় ৪,১০৩ বর্গকিলোমিটার। সমভূমি থেকে এর উচ্চতা ৬ থেকে ৩০ মিটার।এখানকার মাটি লালচে এবং কংকরময় বলে কৃষিকাজের জন্য তেমন উপযোগী নয়। তবে প্রচুর পরিমাণে আনারস উৎপন্ন হয়। বনজঙ্গলে পরিপূর্ণ এ উচ্চভূমি গজারী বৃক্ষের কেন্দ্র। এজন্য এটি গজারী বৃক্ষের বনভূমি হিসেবেও পরিচিত। 

• কুমিল্লা শহর থেকে ৮ কিলোমিটার পশ্চিমে লালমাই থেকে ময়নামতি পর্যন্ত লালমাই পাহাড়টি বিস্তৃত। এর আয়তন ৩৪ বর্গকিলোমিটার। এই পাহাড়ের গড় উচ্চতা ২১ মিটার। এ অঞ্চলের মাটির রং লালচে এবং মাটি নুড়ি, বালি ও কংকর নির্মিত ।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম- দশম শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮১৯.
ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল ও গাজীপুর জেলার মধুপুর ও ভাওয়ালের বনভূমি কোন ধরনের বনভূমি রয়েছে?
  1. ক্রান্তীয় চিরহরিৎ বনভূমি
  2. স্রোতজ বনভূমি বা সুন্দরবন
  3. ক্রান্তীয় পাতাঝরা গাছের বনভূমি
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
ক্রান্তীয় পাতাঝরা গাছের বনভূমি:
বাংলাদেশের প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহে এ বনভূমি রয়েছে। এ বনভূমিকে দুই অংশে ভাগ করা হয়েছে
 -(ক) ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল ও গাজীপুর জেলার মধুপুর ও ভাওয়ালের বনভূমি; 
- (খ) দিনাজপুর ও রংপুর জেলায় বরেন্দ্র বনভূমি অবস্থিত। 
- শীতকালে এ বনভূমির বৃক্ষের পাতা ঝরে যায়। 
- গ্রীস্মকালে আবার নতুন পাতা গজায়।

উল্লেখ্য,
বনভূমি থেকে যে সম্পদ উৎপাদিত হয় বা পাওয়া যায় তাকে বনজ সম্পদ বলে।
- কোনো দেশের পারস্পরিক ভারসাম্য এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য মোট ভূমির ২৫ ভাগ বনভূমি থাকা প্রয়োজন।
- কিন্তু বাংলাদেশ বন অধিদপ্তর কর্তৃক ২০১৭ সালের হিসাব অনুযায়ী ডিসেম্বর ২০১৬ পর্যন্ত বাংলাদেশে মোট বনভূমির পরিমাণ শতকরা প্রায় ১৭.৪৭৯১ ভাগ।

এছাড়াও
⇒ জলবায়ু ও মাটির গুণাগুণের তারতম্যের কারণে বাংলাদেশের বনভূমিকে তিন শ্রেণিতে বিভক্ত করা যায়।
- বাংলাদেশের বনভূমি:
১)ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পাতাঝরা গাছের বনভূমি,
২) ক্রান্তীয় পাতাঝরা গাছের বনভূমি,
৩) স্রোতজ বনভূমি বা সুন্দরবন,

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ ৯ম-১০ম শ্রেণি।
৮২০.
বাংলাদেশে কোন সময়কাল বর্ষাকাল হিসেবে বিবেচিত?
  1. ক) এপ্রিল থেকে জুন
  2. খ) মে থেকে আগষ্ট
  3. গ) মে থেকে সেপ্টেম্বর
  4. ঘ) জুন থেকে অক্টোবর
ব্যাখ্যা
• জুন থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্ত বাংলাদেশে বর্ষাকাল বিরাজ করে।
- জুন মাসের শেষ দিকে বঙ্গোপসাগর থেকে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু প্রবাহের মাধ্যমে বর্ষাকালের শুরু হয়। বর্ষাকালে দেশের মোট বৃষ্টিপাতের প্রায় ৮০ ভাগ হয়ে থাকে।

অন্যদিকে,
- মার্চ থেকে মে মাস পর্যন্ত গ্রীষ্মকাল বিরাজ করে।
- নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত শীতকাল বিরাজ করে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি। 
৮২১.
'গঙ্গা খাদ' কোথায় অবস্থিত?
  1. গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র বদ্বীপের পশ্চিমে
  2. সন্দ্বীপ চেনেল
  3. বঙ্গোপসাগরে
  4. ক ও গ
ব্যাখ্যা
সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড:
- সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড (Swatch of No Ground) খাদ আকৃতির সামুদ্রিক অববাহিকা বা গিরিখাত।
- সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত। 
- এটি গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র বদ্বীপের পশ্চিমে অবস্থিত। 
- গঙ্গা খাদ নামেও এটি পরিচিত।
- সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ডের প্রস্থ ৫ থেকে ৭ কিলোমিটার, তলদেশ তুলনামূলকভাবে সমতল এবং পার্শ্ব দেয়াল প্রায় ১২ ডিগ্রি হেলানো।
- মহীসোপানের কিনারায় খাদের গভীরতা প্রায় ১,২০০ মিটার।
- বঙ্গীয় ডিপ সি ফ্যানের ওপর গবেষণায় দেখা গেছে যে, সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড অবক্ষেপপূর্ণ ঘোলাটে স্রোত এনে বেঙ্গল ফ্যানে ফেলছে।
- বঙ্গীয় ডিপ সি ফ্যানের অধিকাংশ পলল গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র সঙ্গমস্থলে উদ্ভূত। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 
৮২২.
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলির মধ্যে রয়েছে-
  1. কাজাখস্তান
  2. উত্তর কোরিয়া
  3. লাওস
  4. মঙ্গোলিয়া
ব্যাখ্যা
• পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলির মধ্যে রয়েছে -
- আফগানিস্তান, বাহরাইন, ইরান, ইরাক, ইসরায়েল, জর্ডান, কুয়েত, লেবানন, ওমান, কাতার, সৌদি আরব, সিরিয়া, তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং ইয়েমেন।

• পূর্ব এশিয়ার দেশগুলির মধ্যে রয়েছে -
- চীন, জাপান, উত্তর কোরিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া এবং মঙ্গোলিয়া (পাশাপাশি হংকং, ম্যাকাও এবং তাইওয়ান)

• দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলির মধ্যে রয়েছে - 
- বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত, মালদ্বীপ, নেপাল, পাকিস্তান এবং শ্রীলঙ্কা।

• দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলির মধ্যে রয়েছে
- ব্রুনাই, কম্বোডিয়া, ইন্দোনেশিয়া, লাওস, মালয়েশিয়া, মায়ানমার (বা বার্মা), ফিলিপাইন, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, পূর্ব তিমুর (বা তিমুর-লেস্টে) এবং ভিয়েতনাম।

উৎস: worldatlas
৮২৩.
আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী, কোন দেশ সীমান্তের শূন্যরেখা থেকে কত দূরত্বের মধ্যে অবকাঠামো নির্মাণ করতে পারবে না?
  1. ১৫০ গজ
  2. ২০০ গজ
  3. ২৫০ গজ
  4. ৩০০ গজ
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক আইন:
- আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী, সীমান্তের শূন্যরেখা থেকে ১৫০ গজের মধ্যে কোনো দেশ বেড়া কিংবা স্থাপনা নির্মাণ করতে পারবে না।

উল্লেখ্য,
- এই নিয়ম মূলত সীমান্ত অঞ্চলের নিরাপত্তা এবং শান্তিপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখার জন্য তৈরি করা হয়েছে। শূন্যরেখা এবং এর আশপাশের অঞ্চলে অবকাঠামো নির্মাণের ক্ষেত্রে উভয় দেশের মধ্যে সমঝোতা এবং অনুমতি প্রয়োজন, যাতে সীমান্তে উত্তেজনা বা অশান্তি সৃষ্টি না হয়।

উৎস: প্রথম আলো।
৮২৪.
দক্ষিণ আমেরিকায় অবস্থিত নয় কোন দেশটি?
  1. চিলি
  2. ইকুয়েডর
  3. কোস্টারিকা
  4. সুরিনাম
ব্যাখ্যা
দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশ:
- দক্ষিণ আমেরিকার মহাদেশ ১২ টি দেশ নিয়ে গঠিত।
- দেশগুলো হচ্ছে - ব্রাজিল, কলম্বিয়া, আর্জেন্টিনা, পেরু, ভেনেজুয়েলা, চিলি, ইকুয়েডর, বলিভিয়া, প্যারাগুয়ে, উরুগুয়ে, গায়ানা, সুরিনাম।
- আয়তনে এবং জনসংখ্যায় বৃহত্তম দেশ - ব্রাজিল।
- ব্রাজিল, গায়ানা এবং সুরিনাম ছাড়া সবকটিতেই স্প্যানিশ সরকারি ভাষা।
- ব্রাজিলের সরকারী ভাষা পর্তুগিজ।
-----------------
- কোস্টারিকা হচ্ছে উত্তর আমেরিকার দেশ।
 
তথ্যসূত্র: ওয়াল্ড এটলাস।
৮২৫.
নিঝুম দ্বীপ কোথায় অবস্থিত? 
  1. কুতুবদিয়া
  2. হাতিয়া
  3. ভোলা
  4. সন্দ্বীপ
ব্যাখ্যা

• নিঝুম দ্বীপ:
- নিঝুম দ্বীপ বাংলাদেশের একটি ছোট্ট দ্বীপ।
- এটি নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলার অন্তর্গত।
- এর আয়তন ৯১ বর্গ কিলোমিটার।
- নিঝুম দ্বীপ হাতিয়ার মেঘনা নদীর মোহনায় অবস্থিত।
- বঙ্গোপসাগরের কোল ঘেঁষে নিঝুম দ্বীপের অবস্থান।
- দ্বীপের তিন দিকে সাগর অন্যদিকে মেঘনার মোহনা।
- প্রায় ১৪ হাজার ৫০ একরের দ্বীপটি ১৯৪০ সালের দিকে জেগে ওঠে।
- ওসমান নামের একজন বাথানিয়া তাঁর মহিষের বাথান নিয়ে প্রথম নিঝুম দ্বীপে বসত গড়েন।
- তখন তাঁর নামেই এই চরের নাম হয় ওসমান চর।
- এই দ্বীপে প্রচুর বালুর ঢিবি বা টিলা ছিল বলে স্থানীয় লোকজন এই দ্বীপকে বাইল্যার ডেইল বা বাউল্লার চরও বলে ডাকত।
- আবার এ চরে প্রচুর ইচা মাছ (চিংড়ির স্থানীয় নাম) পাওয়া যেত বলে একে ইছামতীর চরও বলা হতো।
- বর্তমানে নিঝুম দ্বীপ হিসেবে পরিচিত হলেও স্থানীয় লোকজন এখনো এই দ্বীপকে বাইল্যার ডেইল বা বাউল্লার চর বলেই সম্বোধন করে।
- বাংলাদেশের বন বিভাগ সত্তরের দশকে এই দ্বীপে কার্যক্রম শুরু করে।
- নিঝুম দ্বীপ এখন হরিণের অভয়ারণ্য।
- দ্বীপের বিশেষ আকর্ষণ উভচর প্রজাতির মাছ।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৮২৬.
বাংলাদেশের দ্বিতীয় ‘রামসার সাইট’ হিসেবে পরিচিত কোনটি?
  1. হাকালুকি হাওর
  2. টাঙ্গুয়ার হাওর
  3. চলন বিল
  4. রাটারগুল সোয়াম্প ফরেস্ট
ব্যাখ্যা

টাঙ্গুয়ার হাওর:
- বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম মিঠা পানির জলাভূমি টাঙ্গুয়ার হাওর সিলেটের সুনামগঞ্জ জেলায় অবস্থিত।
- হাওরটি সুনামগঞ্জ শহর থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার দূরে তাহিরপুর ও ধর্মপাশা উপজেলায়।
- প্রায় ১০০ বর্গকিলোমিটার এলাকাজুড়ে বিস্তৃত এই হাওরের স্থানীয় নাম বেশ মজার, ‘নয়কুড়ি কান্দার ছয়কুড়ি বিল’।
- ২০০০ সালের ২৯ জানুয়ারি এই হাওরকে বাংলাদেশের দ্বিতীয় ‘রামসার সাইট’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

উল্লেখ্য,
- ভারতের মেঘালয় পাহাড় থেকে ৩৮টি ঝরনা নেমে এসে মিশেছে টাঙ্গুয়ার হাওরে।
- হাওরের প্রধান বিল ৫৪টি।, তবে ছোট-বড় মিলে মোট বিল আছে ১০৯টি।
- ভারতের মেঘালয়ের খাসিয়া, জৈন্তা পাহাড়ের পাদদেশে সারি সারি হিজল-করচ শোভিত, পাখিদের কলকাকলি মুখরিত টাংগুয়ার হাওর মাছ, পাখি এবং অন্যান্য জলজ প্রাণীর এক বিশাল অভয়াশ্রম।
- এটি একটি মাদার ফিশারী।

উৎস: i) বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) কালের কন্ঠ।

৮২৭.
নদীবিহীন দেশ কোনটি?
  1. বাহরাইন
  2. ইয়েমেন
  3. লিবিয়া
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
• নদীবিহীন দেশ:
- পৃথিবীতে এমন কিছু দেশ আছে যেগুলোর কোনো নদী নেই। অবশ্যই এগুলি বেশিরভাগই মরুভূমির দেশ, যেখানে বৃষ্টিপাত এবং জলের উৎস খুব কম, এবং কোনও বাস্তব নদী বা নদীর তল তৈরি করার জন্য পর্যাপ্ত জলপ্রবাহ নেই।

- স্থায়ী প্রাকৃতিক নদী নেই এমন দেশগুলি হলো:
- কমোরোস, জিবুতি, লিবিয়া, বাহামাস, বাহরাইন, কুয়েত, মালদ্বীপ, ওমান, কাতার, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ইয়েমেন, মাল্টা, মোনাকো, ভ্যাটিকান সিটি, কিরিবাতি, নাউরু, টোঙ্গা ও টুভালু।

তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড এটলাস।
৮২৮.
উত্তমাশা অন্তরীপ কোন দেশে অবস্থিত?
  1. সোমালিয়া
  2. ইথিওপিয়া
  3. দক্ষিণ আফ্রিকা
  4. নাইজেরিয়া
ব্যাখ্যা

উত্তমাশা অন্তরীপ:
- এটি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অন্তরীপ।
- অবস্থান: আফ্রিকার দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্ত, দক্ষিণ আফ্রিকা।
- ইউরোপ- এশিয়া সমুদ্রপথ আবিষ্কারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- আটলান্টিক মহাসাগর ও ভারত মহাসাগরের সংযোগস্থল।
- আবিষ্কারক: বার্তোলোমিউ ডায়াস।
- আবিষ্কারের সাল: ১৪৮৮ খ্রিষ্টাব্দ।

• বিখ্যাত অন্তরীপ ও তাঁদের অবস্থান:
- হর্ন অন্তরীপ : চিলি
- ট্রাফালগার অন্তরীপ : স্পেন
- মরিস জেসাপ অন্তরীপ : গ্রিনল্যান্ড
- গার্দাফুই অন্তরীপ : সোমালিয়া
- কন্যাকুমারী অন্তরীপ : ভারত।

উৎস: ব্রিটানিকা ও ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস।

৮২৯.
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা -
  1. ২২০ নটিক্যাল মাইল
  2. ২০০ নটিক্যাল মাইল
  3. ১২ নটিক্যাল মাইল
  4. ২৪ নটিক্যাল মাইল
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সমুদ্রসীমা:
- দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের উপকূল রেখার দৈর্ঘ্য ৭১৬ কিলোমিটার।
- বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা ১২ নটিক্যাল মাইল বা ২২.২২ কিলোমিটার
- অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা ২০০ নটিক্যাল মাইল বা ৩৭০.৪০ কিলোমিটার এবং
- ৩৫০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত মহীসোপান এলাকা বাংলাদেশের সমুদ্রসীমার অন্তর্ভূক্ত।    
নোট:- (১ নটিক্যাল মাইল = ১.৮৫২ কিলোমিটার)। 

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮৩০.
বাংলাদেশের সর্বাধিক ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চল কোনটি?
  1. দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল
  2. উত্তর-পূর্বাঞ্চল
  3. দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল
  4. উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল
ব্যাখ্যা
- ভূমিকম্পের ক্ষেত্রে ঝুঁকি বিবেচনায় সমগ্র বাংলাদেশকে তিনটি অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছে।
সর্বাধিক ঝুঁকিপূর্ণ উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের জেলাসমূহ হলো:
- সিলেট
- সুনামগঞ্জ
- মৌলভীবাজার
- হবিগঞ্জ এবং
- ‍বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলার উত্তরাংশ।
মাঝারি ঝুঁকিপূর্ণ জেলাসমূহ:
- চট্টগ্রাম
- কুমিল্লা
- ঢাকা
- টাঙ্গাইল ও
- রংপুর অঞ্চল।
কম ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলসমূহ:
- বরিশাল
- খুলনা ও
- ফরিদপুর সহ দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল।
(তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
৮৩১.
বরেন্দ্রভূমি বাংলাদেশের কোন অঞ্চলে অবস্থিত?
  1. উত্তর-পূর্ব
  2. উত্তর-পশ্চিম
  3. দক্ষিণ-পশ্চিম
  4. দক্ষিণ-পূর্ব
ব্যাখ্যা
প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ:
- আনুমানিক ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকাল বলে।
- এ অঞ্চলের মাটির রং লাল ও ধূসর।
- দেশের উত্তর-পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভূমি, মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় বা উচ্চভূমি এর অন্তর্ভুক্ত।
- প্লাইস্টোসিনকালে এসব উচ্চভূমি গঠিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়।

⇒ বরেন্দ্রভূমি:
- বরেন্দ্রভূমি রাজশাহী বিভাগের নওগাঁ, রাজশাহী, বগুড়া, জয়পুরহাট এবং রংপুর বিভাগের গাইবান্ধা, রংপুর ও দিনাজপুর জেলার অংশবিশেষ নিয়ে গঠিত।
- এর আয়তন ৯,৩২০ বর্গকিলোমিটার।
- প্লাবন সমভূমি থেকে এর উচ্চতা ৬ থেকে ১২ মিটার।
- এটি প্লাইস্টোসিন যুগের সর্ববৃহৎ উঁচুভূমি।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৩২.
ভারতের কোন রাজ্য বাংলাদেশের সিলেটের সীমান্তবর্তী?
  1. কেরালা
  2. মেঘালয়
  3. বিহার
  4. ওডিসা
ব্যাখ্যা
• সীমান্তবর্তী জেলা:
- বাংলাদেশে মোট বিভাগ ৮টি তার মধ্যে ২টি বিভাগের সবগুলো জেলা সীমান্তবর্তী।
- বিভাগগুলো হলো - ময়মনসিংহ ও সিলেট।
– ময়মনসিংহ বিভাগের সীমান্ত সংলগ্ন জেলাগুলো হলো- জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা।
- সিলেট বিভাগের সীমান্ত সংলগ্ন জেলাগুলো হলো- সুনামগঞ্জ, সিলেট, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ।
- ভারতের মেঘালয় রাজ্য বাংলাদেশের সিলেটের সীমান্তবর্তী?

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৮৩৩.
ভৌগলিক অবস্থান অনুসারে বাংলাদেশের টারশিয়ারি পাহাড়কে কত ভাগে ভাগ করা হয়?
  1. ৪ ভাগে
  2. ৩ ভাগে
  3. ৫ ভাগে
  4. ২ ভাগে
ব্যাখ্যা

• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ:
- বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব, উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
- টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় এ সকল পাহাড় সৃষ্টি হয়েছে। 
- এগুলো টারশিয়ারি যুগের পাহাড় নামে খ্যাত। 
- পাহাড়গুলো আসামের লুসাই এবং মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগোত্রীয়।
- এ পাহাড়গুলো বেলেপাথর, শেল ও কর্দম দ্বারা গঠিত। 

• এ অঞ্চলের পাহাড়গুলোকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
যথা-
(ক) দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ ও
(খ) উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।

৮৩৪.
'জয়সাগর দিঘি' কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. সিরাজগঞ্জ
  2. বরিশাল
  3. ময়মনসিংহ
  4. কিশোরগঞ্জ
ব্যাখ্যা
জয়সাগর দিঘি: 
- 'জয়সাগর দিঘি' সিরাজগঞ্জ জেলার রায়গঞ্জ উপজেলার সোনাখাড়া ইউনিয়নের নিমগাছী বাজারে অবস্থিত।

- এটি একটি প্রাচীন দিঘি, যা স্থানীয় জনগণের মধ্যে অনেক ইতিহাস ও জনশ্রুতির সাথে জড়িত।
- শীতকালে দিঘির চারপাশে নানা ধরনের পাখির আনাগোনা দেখা যায়, এবং দিনে মৃদু বাতাসে পানির মধ্যে খেলা করার সৌন্দর্য পরিবেশন করে। এর দৈর্ঘ্য আধা কিলোমিটার এবং প্রস্থ কিছুটা কম, আয়তন ৫৮ একর। দিঘি খনন করা হয় ঐতিহাসিক যুদ্ধের স্মৃতি হিসেবে, যা পরবর্তীতে 'জয়সাগর' নামে পরিচিত হয়। এখন এটি একটি জনপ্রিয় দর্শনীয় স্থান, যেখানে মানুষ মাছ চাষও করে। 

সূত্র: প্রথম আলো।
৮৩৫.
কোমল পাললিক শিলায় ভাঁজ পড়ে যে পর্বত গঠিত হয়েছে তাকে কি বলে?
  1. ক) আগ্নেয় পর্বত
  2. খ) ভঙ্গিল পর্বত
  3. গ) চ্যুতি পর্বত
  4. ঘ) ল্যাকোলিথ পর্বত
ব্যাখ্যা
ভঙ্গিল পর্বত : ভঙ্গ বা ভাঁজ থেকে ভঙ্গিল শব্দটির উৎপত্তি। কোমল পাললিক শিলায় ভাঁজ পড়ে যে পর্বত গঠিত হয়েছে তাকে ভঙ্গিল পর্বত বলে। উত্তর এশিয়ার হিমালয়, ইউরােপের আল্পস, আমেরিকার রকি, দক্ষিণ আমেরিকার আন্দিজ পর্বত ভঙ্গিল পর্বতের উদাহরণ।
৮৩৬.
বরেন্দ্রভূমি বলা হয় -
  1. ময়নামতি ও লালমাই পাহাড়কে
  2. ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইল অঞ্চলকে
  3. রাজশাহী বিভাগের উত্তর-পশ্চিম অঞ্চলকে
  4. মধুপুর ও ভাওয়ালের গড়কে
ব্যাখ্যা
• বরেন্দ্রভূমি (Barind Tract):
- রাজশাহী বিভাগের উত্তর-পশ্চিম অঞ্চলকে বরেন্দ্রভূমি বলে।
- বঙ্গ অববাহিকার বৃহত্তম প্লাইসটোসিন ভূ-প্রাকৃতিক একক।
- অবস্থান- বৃহত্তর দিনাজপুর, রংপুর, পাবনা, রাজশাহী ও বগুড়া জেলা জুড়ে বরেন্দ্রভূমির অবস্থান।
- বরেন্দ্রভূমির নামকরণের পেছনে একাধিক পৌরাণিক কাহিনী প্রচলিত রয়েছে। 'বর' শব্দের অর্থ হচ্ছে আশীর্বাদ এবং ‘ইন্দ্র' শব্দের অর্থ দেবতাদের রাজা। অর্থাৎ ইন্দ্রের বর বা ইন্দ্রের আশীর্বাদ থেকে সাধারণভাবে বরেন্দ্র শব্দটির উৎপত্তি।
- বরেন্দ্রভূমির অবস্থান গ্রীষ্মপ্রধান মৌসুমিমন্ডলে।
- কর্কটক্রান্তি এই ভূমির দক্ষিণে অবস্থান করছে।
- এই অঞ্চলের জলবায়ু সাধারণভাবে উষ্ণ ও আর্দ্র।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৮৩৭.
পৃথিবীর বৃহত্তম বিমান বন্দরটি কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) নিউইয়র্ক
  2. খ) লন্ডন
  3. গ) বার্লিন
  4. ঘ) দাম্মামে
ব্যাখ্যা
King Fahd International Airport in Dammam, Saudi Arabia is the biggest airport in the world by surface area.
Source: worldatlas.com
৮৩৮.
কুমিল্লা জেলার বিবির বাজার স্থলবন্দরের বিপরীতে ভারতের সীমান্তবর্তী অঞ্চল কোনটি?
  1. ক) ডাউকি
  2. খ) শ্রীমন্তপুর
  3. গ) পেট্রোপোল
  4. ঘ) কৃষ্ণঙ্গর
ব্যাখ্যা
- চুয়াডাঙ্গার দর্শনা স্থলবন্দর সংলগ্ন পশ্চিমবঙ্গের কৃষ্ণনগর স্থলবন্দর।
- বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্থলবন্দর যশোর জেলার বেনাপোল সংলগ্ন ভারতীয় স্থলবন্দর পেট্রাপোল।
- সিলেটের তামাবিল স্থলবন্দর সংলগ্ন ভারতের মেঘালয় রাজ্যের ডাউকি স্থলবন্দর।
- চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনা মসজিদ সংলগ্ন পশ্চিমবঙ্গের মোহাদিপুর স্থলবন্দর।
- কুমিল্লা জেলার বিবির বাজারের বিপরীতে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের আগতলার শ্রীমন্তপুর।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৮৩৯.
কর্কটক্রান্তি রেখা ও ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমা রেখা পরস্পরকে ছেদ করেছে বাংলাদেশের কোন উপজেলায়?
  1. বোয়ালমারী
  2. ভাঙ্গা
  3. আলফাডাঙ্গা
  4. ফরিদপুর সদর
ব্যাখ্যা

কর্কটক্রান্তি রেখা:
- সাড়ে ২৩° উত্তর অক্ষরেখা কর্কটক্রান্তি রেখা নামে পরিচিত।
- বাংলাদেশের মাঝ বরাবর পূর্ব-পশ্চিমে কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে।
- কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে এমন জেলাগুলো হচ্ছে - চুয়াডাঙা, ঝিনাইদহ, মাগুরা, রাজবাড়ি, ফরিদপুর, ঢাকা, মুন্সীগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটি।
- এছাড়াও বাংলাদেশের উপর দিয়ে ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমারেখা অতিক্রম করেছে।
- ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা উপজেলায় কর্কটক্রান্তি রেখা ও ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমা রেখা পরস্পরকে ছেদ করেছে।

উৎস:  ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া।

৮৪০.
পৃথিবীর ‘শীতলতম মহাদেশ’ বলা হয় কোনটিকে?
  1. ইউরোপ
  2. অ্যান্টার্কটিকা
  3. উত্তর আমেরিকা
  4. দক্ষিণ আমেরিকা
ব্যাখ্যা
এন্টার্কটিকা মহাদেশ (Antarctica)
- অ্যান্টার্কটিকা পৃথিবীর সবচেয়ে শীতল এবং শুষ্ক মহাদেশ।

- এটি উত্তর মেরুর সর্বউত্তরে অবস্থিত। 

⇒ এন্টার্কটিকা মহাদেশ আয়তনে বিশ্বে পঞ্চম।
- এর মোট আয়তন ১ কোটি ৩৩ লক্ষ ৪০ হাজার বর্গকিলোমিটার।
- এটি ৯০° দক্ষিণ মেরুরেখা থেকে ৬০° দক্ষিণ অক্ষরেখা পর্যন্ত বিস্তৃত।
- মহাদেশটি পৃথিবীর দক্ষিণ প্রান্তে অবস্থিত এবং দক্ষিণ মেরুকে কেন্দ্র করে প্রায় বৃত্তাকারে অবস্থিত।
- এ মহাদেশের চতুর্দিকে দক্ষিণ মহাসাগর অবস্থিত।
- মহাদেশটি সারাবছর বরফে আচ্ছন্ন থাকে বলে মনুষ্য বসবাসের অনুপযোগী।
- শীতলতম এই মহাদেশে কোনো দেশ নেই।
- এখানকার উল্লেখযোগ্য প্রাণি অ্যালবাট্রস, পেঙ্গুইন, সীল ইত্যাদি।
- এছাড়া এ মহাদেশে মস ও শৈবাল জাতীয় উদ্ভিদ জন্মে।

উৎস: i) ভূগোল ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) Britannica.
৮৪১.
'সেন্ট হেলেনা' দ্বীপের মালিকানা দেশ কোনটি?
  1. যুক্তরাজ্য
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. অস্ট্রেলিয়া
  4. ফ্রান্স
ব্যাখ্যা
সেন্ট হেলেনা দ্বীপ:
- 'সেন্ট হেলেনা' দ্বীপের মালিকানা দেশ যুক্তরাজ্য।
- এটি দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরের অবস্থিত একটি আগ্নেয়গিরির ক্রান্তীয় দ্বীপ।
- রোমান সম্রাজ্ঞী সেন্ট হেলেনার নামে দ্বীপের নামকরণ হয়।
- দ্বীপটি দক্ষিণ-পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলের প্রায় ১,৯৫০ কিলোমিটার (১,২১০ মাইল) এবং দক্ষিণ আমেরিকার উপকূলবর্তী শহর রিও ডি জেনেরো থেকে ৪,০০০ কিলোমিটার (২,৫০০ মাইল) পূর্বে অবস্থিত।
- ১৫০২ সালে পর্তুগিজরা এটি আবিষ্কার করে।
- এর আয়তন ১২২ বর্গ কিমি।
- ১৬৫৯ সালে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কম্পানি এই দ্বীপে জেমস টাউন নামে একটি শহর প্রতিষ্ঠা করে।
- বর্তমানে এই শহরটিই সেন্ট হেলেনার রাজধানী।
- দ্বীপটির জলবায়ু নাতিশীতোষ্ণ।

উৎস: Britannica.
৮৪২.
বাংলাদেশ এশিয়া মহাদেশের কোন অঞ্চলে অবস্থিত?
  1. ক) উত্তর
  2. খ) উত্তর-পূর্ব
  3. গ) দক্ষিণ
  4. ঘ) দক্ষিণ- পশ্চিম
ব্যাখ্যা
এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণাংশে, দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের অবস্থান।
- বাংলাদেশ  প্রায় ২০°৩৪' উত্তর থেকে ২৬°৩৮' উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৮°০১' পূর্ব থেকে ৯২°৪১' পূর্ব দ্রাঘিমাংশ পর্যন্ত বিস্তৃত।
- বাংলাদেশের মাঝ বরাবর পূর্ব-পশ্চিমে কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে। ফলে এদেশ ক্রান্তীয় অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি। 
৮৪৩.
চাকমা গ্রামের প্রধান হলেন -
  1. ক) হেডম্যান
  2. খ) মৌজা
  3. গ) পুঞ্জি
  4. ঘ) কারবারি
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের বৃহত্তম উপজাতি চাকমা।
- চাকমা গ্রামের প্রধান হলেন কারবারি।
- চাকমাদের কয়েকটি পাড়া নিয়ে গঠিত হয় মৌজা।
- চাকমা মৌজার প্রধান হলেন হেডম্যান।
- খাসিয়া গ্রামগুলো পরিচিত পুঞ্জি নামে।
উৎসঃ পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।
৮৪৪.
How many districts are touched by the Sundarbans?
  1. ক) 4
  2. খ) 7
  3. গ) 5
  4. ঘ) 8
ব্যাখ্যা
সুন্দরবন পৃথিবীর বৃহত্তম প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বা স্রোতজ বনভূমি। বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা জেলায় সুন্দরবন অবস্থিত। এছাড়া পটুয়াখালী এবং বরগুনা জেলার কিছু অংশেও সুন্দরবনের বিস্তৃতি রয়েছে।
অর্থাৎ, অপশন অনুসারে সঠিক উত্তর ৫টি।  

সুন্দরবনের আয়তন প্রায় ৬,০১৭ বর্গ কিলোমিটার যা সুন্দরবনের মোট আয়তনের প্রায় ৬২ ভাগ। ‍সুন্দরবনের বাকি অংশ ভারতে অবস্থিত।

সুন্দরবনের প্রধান বৃক্ষ হলো সুন্দরী। সুন্দরী গাছের নাম থেকেই এই বনের নাম হয়েছে সুন্দরবন।
সুন্দরবনের অন্যান্য গাছের মধ্যে রয়েছে:
- গরান
- গেওয়া
- কেওড়া
- ধুন্দল
- গোলপাতা ইত্যাদি।

(তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী এবং বনবিভাগ ওয়েবসাইট)
৮৪৫.
দক্ষিণ গোলার্ধ ও সূর্যের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দূরত্ব হয়-
  1. ক) ২১ জুন
  2. খ) ২১ জুলাই
  3. গ) ২৩ সেপ্টেম্বর
  4. ঘ) ২২ ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা
• দক্ষিণ গোলার্ধ ও সূর্যের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দূরত্ব হয়- ২১ জুন। 

• ২১জুন:

→ পৃথিবীর উত্তর গোলার্ধে দীর্ঘতম দিন।
→ পৃথিবীর দক্ষিণ গোলার্ধে সবচেয়ে ছোট দিন।
→ পৃথিবীর দক্ষিণ গোলার্ধ ও সূর্যের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দূরত্ব।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, ৯ম-১০ম শ্রেণি। 
৮৪৬.
প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত দ্বীপরাষ্ট্র কোনটি?
  1. ক) মালাগাসি
  2. খ) সলোমন দ্বীপপুঞ্জ
  3. গ) বাহরাইন দ্বীপ
  4. ঘ) দিয়াগো গার্সিয়া
ব্যাখ্যা
প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত উল্লেখযোগ্য দ্বীপরাষ্ট্রের নাম হল ফিলিপাইন, পাপুয়া নিউগিনি, পালাউ, নাউরু ও সলোমন দ্বীপপুঞ্জ ইত্যাদি। পারস্য উপসাগরে অবস্থিত দ্বীপ বাহরাইন দ্বীপ। দিয়াগো গার্সিয়া ও মালাগাসি দ্বীপ অবস্থিত ভারত মহাসাগরে। উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া অব ব্রিটিনিকা।
৮৪৭.
বাংলাদেশের 'চিলাহাটি স্থল বন্দর' এর ভারতীয় অংশের নাম কি?
  1. ফুলবাড়ি
  2. হলদিবাড়ি
  3. পেট্রাপোল
  4. ডাউকি
ব্যাখ্যা
চিলাহাটি স্থল বন্দরঃ
বাংলাদেশ অংশের নামঃ চিলাহাটি,ডোবার নিলফামারী।
ভারতীয় অংশের নামঃ হলদিবাড়ি, কুচবিহার, পশ্চিমবঙ্গ। 
উৎস : http://www.bsbk.gov.bd/
৮৪৮.
১৯৬৪ সালে কোন দেশে প্রথম জিআইএস-এর ব্যবহার শুরু হয়?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. কানাডা
  3. যুক্তরাজ্য
  4. অস্ট্রেলিয়া
ব্যাখ্যা
জিআইএস (GIS): 
- GIS-এর পূর্ণরূপ: Geographic information systems বা ভৌগোলিক তথ্য পদ্ধতি হলো ভৌগোলিক তথ্য সংরক্ষণ এবং বিশ্লেষণ ব্যবস্থা।
- বৃটিশ গবেষক সোহো (Soho) ১৮৫৪ সালে লন্ডন শহরের ভয়াবহ কলেরা রোগের উপর কাজ করেন। তিনি নিশ্চিত হন যে, কিছু পাম্পের পানি দূষিত হয়ে কলেরা ছড়াচ্ছে। লন্ডন শহরের ঐ এলাকার পানির পাম্প এবং চারপাশে কী পরিমাণ লোকের মধ্যে কলেরা ছড়াচ্ছে বা মারা যাচ্ছে সে সম্পর্কে উপাত্ত সংগ্রহ করে তা মানচিত্রে দেখান। তাঁর এ গবেষণার ফলে সমস্যা অনুধাবন করে কলেরা রোগ দূর করার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা সহজ হয়।
- ১৯৬৪ সালে কানাডিয়ান 'The Canadian Geographic Information System (CGIS)' এর মাধ্যমে জিআইএস এর ব্যবহার শুরু হয়।
- ১৯৮৬ সালে ESRI বাণিজ্যিকভাবে Arc/Info সফট্ওয়্যার তৈরি শুরু করে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশে ১৯৯১ সালে প্রথম জিআইএস এর ব্যবহার শুরু হয়।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৪৯.
কর্ণফুলী নদীর উৎপত্তিস্থল-
  1. ক) আসাম
  2. খ) হিমালয়
  3. গ) চট্রগ্রাম
  4. ঘ) ভৈরব
ব্যাখ্যা
-- বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের নদীগুলোর মধ্যে অন্যতম কর্ণফুলী।
-- এটি আসামের লুসাই পাহাড় থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে।
-- পাহাড়ি এ নদী চট্টগ্রাম ও রাঙামাটি জেলার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে পতেঙ্গার কাছে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
-- উৎস থেকে মোহনা পর্যন্ত এ নদীর দৈর্ঘ্য প্রায় ২৭৪ কিলোমিটার।
-- কর্ণফুলী নদীর প্রধান উপনদী হালদা, কাসালং, বোয়ালখালি, চেঙ্গী, শিলক, রাঙখিয়াং ইত্যাদি।
-- এ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন ক্ষমতা ২৩০ মেগাওয়াট। দেশের
-- প্রধান সমুদ্র বন্দরটি এই নদীর তীরে চট্টগ্রামে অবস্থিত। 

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় (SSC Programme), উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৫০.
রিং অব ফায়ারে অবস্থিত পৃথিবীর সবচেয়ে গভীর সমুদ্র খাত কোনটি?
  1. পুয়ের্তো রিকো ট্রেঞ্চ
  2. মারিয়ানা ট্রেঞ্চ
  3. জাভা ট্রেঞ্চ
  4. টোঙ্গা ট্রেঞ্চ
ব্যাখ্যা

রিং অফ ফায়ার (Ring of Fire):
- রিং অফ ফায়ার (Ring of Fire) প্রশান্ত মহাসাগরের চারপাশে অবস্থিত একটি বিশাল আগ্নেয়গিরি ও ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চল।
- এটি দেখতে বিশাল ঘোড়ার ক্ষুরের মতো আকৃতির।
- এটি দক্ষিণ চিলি থেকে শুরু করে আমেরিকার পশ্চিম উপকূল পর্যন্ত, আলাস্কার দ্বীপপুঞ্জ এবং জাপানের নিচে ফিলিপাইন পর্যন্ত বিস্তৃত। 
- এটি টেকটোনিক প্লেটগুলির সংঘর্ষের কারণে তৈরি।
- বিশ্বের বেশিরভাগ সক্রিয় আগ্নেয়গিরি (৭৫%) এবং বেশিরভাগ ভূমিকম্প (৯০%) এখানেই ঘটে, যার ফলে গভীর সমুদ্র খাত ও আগ্নেয়গিরির সৃষ্টি হয়েছে। 

উল্লেখ্য,
- রিং অফ ফায়ারের মধ্যে পৃথিবীর সবচেয়ে গভীর সমুদ্র খাত হলো মারিয়ানা ট্রেঞ্চ যার গভীরতম বিন্দুটি চ্যালেঞ্জার ডিপ (Challenger Deep) নামে পরিচিত। 

এছাড়াও,
- ১৮০০ সাল থেকে রিং অফ ফায়ারের মধ্যে যেসব প্রধান আগ্নেয়গিরির ঘটনা ঘটেছে তার মধ্যে রয়েছে অগ্ন্যুৎপাত মাউন্ট টাম্বোরা (১৮১৫), ক্রাকাটোয়া (১৮৮৩), নোভারূপ্তা (১৯১২), মাউন্ট সেন্ট হেলেন্স (১৯৮০), মাউন্ট রুইজ (১৯৮৫), এবং মাউন্ট পিনাটুবো (১৯৯১)।
- রিং অফ ফায়ার ইতিহাসের বেশ কয়েকটি বৃহত্তম রেকর্ডকৃত ভূমিকম্পের জন্য পরিচিত যার মধ্যে রয়েছে ১৯৬০ সালের চিলির ভূমিকম্প , ১৯৬৪ সালের আলাস্কার ভূমিকম্প , ২০১০ সালের চিলির ভূমিকম্প এবং ২০১১ সালের জাপানের ভূমিকম্প এবং সেই সাথে ধ্বংসাত্মক ২০০৪ সালের ভারত মহাসাগরের সুনামি।

অন্যদিকে,
- পুয়ের্তো রিকো ট্রেঞ্চ আটলান্টিক মহাসাগরে অবস্থিত এবং এটি আটলান্টিক মহাসাগরের গভীরতম স্থান, যা ক্যারিবিয়ান সাগর ও আটলান্টিকের সীমানায় পুয়ের্তো রিকো দ্বীপের উত্তরে অবস্থিত। 
- জাভা ট্রেঞ্চ বা সুন্দা খাত ভারত মহাসাগরে অবস্থিত এবং এটি ভারত মহাসাগরের গভীরতম স্থান, যা ইন্দোনেশিয়ার জাভা দ্বীপের দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত।
- টোঙ্গা ট্রেঞ্চ প্রশান্ত মহাসাগরের দক্ষিণ-পশ্চিম অংশে অবস্থিত। এটি মারিয়ানা ট্রেঞ্চের পর পৃথিবীর দ্বিতীয় গভীরতম মহাসাগরীয় খাত হিসেবে পরিচিত।

উৎস: Britannica.

৮৫১.
গারো পাহাড়ের সর্বোচ্চ শৃঙ্গের নাম কী?
  1. নকরেক
  2. বালফাক্রাম
  3. তুরা
  4. আরবেলা
ব্যাখ্যা

গারো পাহাড়:
- গারো পাহাড় বাংলাদেশের উত্তর পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত ভারতের মেঘালয় রাজ্যের গারোখাসি পাহাড়শ্রেণীর অন্তর্গত। 
- এটি বাংলাদেশের ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, কিশোরগঞ্জ জেলাসমূহ গারো পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত। 
- এটি বাংলাদেশের বৃহত্তম ও সবচেয়ে উঁচু পাহাড়।
- মেঘালয়ের রাজধানী শিলং এখানে অবস্থিত।
- গারো পাহাড়ে রয়েছে তিনটি জেলা তুরা, বলপাকরাম এবং নকরেক। 
- গারো পাহাড় বিশ্বের অন্যতম বৃষ্টিপ্রধান অঞ্চলসমূহের মধ্যে একটি। 
- গারো পাহাড়ের দীর্ঘতম নদীটির নাম সিমসাং। নদীটির উৎপত্তি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১৪০০ মিটার উচ্চতায় নকরেক অঞ্চলে, পরবর্তীতে নদীটি বাংলাদেশে প্রবেশ করে প্রবাহিত হয়েছে। 
- গারো পাহাড়ের সর্বোচ্চ শৃঙ্গের নাম নকরেক। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে এর উচ্চতা ১৪১২ মিটার।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) ভারতীয় তথ্য বাতায়ন।

৮৫২.
বাংলাদেশের সবচেয়ে কম আদ্রতার স্থান কোনটি?
  1. দিনাজপুর
  2. নাটোর
  3. পাবনা
  4. পঞ্চগড়
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে প্রায় সারা বছর জুড়েই উচ্চ আর্দ্রতা বিরাজমান থাকে। দেশের পশ্চিমাঞ্চলের অধিকাংশ স্থানে মার্চ-এপ্রিল মাসে সর্বাপেক্ষা কম আর্দ্রতা পরিলক্ষিত হয়। মার্চ মাসে দিনাজপুরে সর্বনিম্ন গড় আপেক্ষিক আর্দ্রতা (৫৭%) পরিলক্ষিত হয়েছে। দেশের পূর্বাঞ্চলীয় এলাকাসমূহে নিম্নতম আর্দ্র মাসগুলি হচ্ছে জানুয়ারি থেকে মার্চ। এ এলাকায় সর্বনিম্ন মাসিক আর্দ্রতা রেকর্ড করা হয় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মার্চ মাসে (৫৮.৫%)। জুন মাস থেকে সেপ্টেম্বর মাস জুড়ে দেশের সর্বত্র আপেক্ষিক আর্দ্রতা ৮০%-এর অধিক থাকে। জুলাই অথবা আগস্ট মাসে সম্পৃক্তি ঘাটতি (saturation deficit) সবচেয়ে কম হয়ে থাকে। সেপ্টেম্বর মাসে আর্দ্রতা চরমে পৌঁছে, এসময় বৃষ্টিপূর্ণ দিনের সংখ্যাও খুব বেশি হয় না। ভ্যাপসা গরম আবহাওয়ায় মানুষ অতীষ্ট হয়ে ওঠে।
বার্ষিক গড় আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিসীমাটি হল কক্সবাজারে সর্বোচ্চ ৭৮.১% থেকে পাবনায় সবনিম্ন ৭০.৫% পর্যন্ত।

উৎসঃ বাংলাপিডিয়া
৮৫৩.
বিলোনিয়া স্থলবন্দর কোন জেলার অন্তর্গত?
  1. পঞ্চগড়
  2. কুমিল্লা
  3. ফেনী
  4. যশোর
ব্যাখ্যা
বিলোনিয়া স্থলবন্দর:
- বাংলাদেশের বাণিজ্যনগরী হিসাবে পরিচিত চট্টগ্রাম বিভাগের অন্যতম একটি জেলা ফেনী।
- এ জেলার অন্তর্গত পরশুরাম উপজেলার উত্তর সীমান্তে রয়েছে বাংলাদেশের ১১তম স্থলবন্দর বিলোনিয়া স্থলবন্দর।
- এটি বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত;
- ফেনী জেলার পরশুরাম উপজেলার বিলোনিয়া সীমান্তে অবস্থিত।
- এর বিপরীতে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের মুহুরীঘাট এলসিএস রয়েছে;  
- ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০০৯ তারিখ বিলোনিয়া শুল্ক স্টেশনকে স্থলবন্দর ঘোষণা করা হয়; 
- ১৯ ডিসেম্বর ২০২২ তারিখ বন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম শুরু হয়;
- রাজধানী ঢাকা হতে বিলোনিয়া স্থলবন্দরের দূরত্ব প্রায় ১৫৬ কি.মি.। 

তথ্যসূত্র:  জাতীয় তথ্য বাতায়ন এবং যুগান্তর। লিঙ্ক 
৮৫৪.
সাভানা কীসের নাম?
  1. ক) মরুভূমি
  2. খ) তৃণভূমি
  3. গ) পর্বত
  4. ঘ) মালভূমি
ব্যাখ্যা
- সাভানা হলো আফ্রিকার সাহারা মরুভূমির দক্ষিণে অবস্থিত একটি বিস্তৃত তৃণভূমি। এটির আয়তন প্রায় ৫০ লক্ষ বর্গমাইল।
- এটি সাহারা মরুভূমি ও কালাহারি মরুভূমির মধ্যবর্তী স্থানে সুদান, দক্ষিণ সুদান, কেনিয়া, তাঞ্জানিয়া, বতসোয়ানা, জিম্বাবুয়ে, দক্ষিণ আফ্রিকা প্রভৃতি দেশজুড়ে বিস্তৃত।
(তথ্যসূত্র: ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক)
৮৫৫.
গোবী মরুভূমি বিস্তৃত -
  1. ক) রাশিয়া ও জাপান
  2. খ) যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকো
  3. গ) ভারত ও পাকিস্তান
  4. ঘ) মঙ্গোলিয়া ও চীন
ব্যাখ্যা
• গোবী মরুভূমি (Gobi Desert) মধ্য এশিয়ায় অবস্থিত একটি বিশাল মরুভূমি।
• মরুভূমিটির অবস্থান মঙ্গোলিয়া ও চীন - দুই দেশে বিস্তৃত।
• মরুভূমিটি আনুমানিক ১৩ লক্ষ (১২ লক্ষ ৯৫ হাজার) বর্গকিলোমিটার আয়তন বিশিষ্ট।

•বিখ্যাত কিছু মরুভূমির অবস্থান - 
- থর মরুভূমি : ভারত ও পাকিস্তান।
- গোবি মরুভূমি : চীন ও মঙ্গোলিয়া
- মোজাবে মরুভূমি : যুক্তরাষ্ট্র
- সাহারা মরুভূমি : আফ্রিকা

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
৮৫৬.
বাংলাদেশে কত ধরনের ভূমিরূপ দেখা যায়?
  1. ৩ ধরনের
  2. ৪ ধরনের
  3. ৫ ধরনের
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
ভূ-প্রকৃতি অনুসারে বাংলাদেশে তিন ধরনের ভূমিরূপ দেখা যায়।
এগুলো হলো:-
১। টারশিয়ারি যুগের পাহাড়শ্রেণী
২। প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ
৩। প্লাবন সমভূমি।

- এদের মধ্যে সবচেয়ে পুরাতন ভূমিরূপ হলো টারশিয়ারি যুগের পাহাড়শ্রেণী।
- আনুমানিক প্রায় ২০ লক্ষ বছর পূর্বে এগুলো গঠিত হয়।
- দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের চট্টগ্রাম, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান ও কক্সবাজার এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সিলেট, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, সুনামগঞ্জ, ময়মনসিংহ প্রভৃতি জেলা জুড়ে টারশিয়ারি যুগের পাহাড়শ্রেণী অবস্থিত।
- দেশের মোট আয়তনের প্রায় ২০ শতাংশ অঞ্চল টারশিয়ারি যুগে গঠিত।

- উত্তরাঞ্চলের বরেন্দ্রভূমি, টাঙ্গাইল-গাজীপুর-ময়মনসিংহ অঞ্চলের মধুপুর ও ভাওয়াল গড় এবং কুমিল্লার লালমাই পাহাড় হলো প্লাইস্টোসিনকালের ভূমিরূপ।

- বাকী সমগ্র অঞ্চল সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।
- দেশের মোট ভূমির প্রায় ৮০ শতাংশই সাম্প্রতিককালের প্লাবন ভূমিরূপ।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় , নবম-দশম শ্রেণি।
৮৫৭.
The biggest desert of the world is ______.
  1. ক) Great Victoria
  2. খ) Sahara
  3. গ) Kalahari
  4. ঘ) Tabermaa
  5. ঙ) None
ব্যাখ্যা
সাহারা মরুভূমি:
- পৃথিবীর সর্ববৃহৎ উষ্ণ মরুভূমি সাহারা মরুভূমি।
- সাহারা মরুভূমিকে আফ্রিকার দুঃখ বলা হয়।
- পাটাগোনিয়ান মরুভূমি অবস্থিত আর্জেন্টিনা ও চিলিতে।
- কালাহারি মরুভূমিও আফ্রিকায় অবস্থিত।।
- সোনোরান মরুভূমি যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকোতে অবস্থিত।

উৎসঃ ওয়ার্ল্ড এটলাস এবং সংশ্লিষ্ট দেশের ওয়েবসাইট।
৮৫৮.
What is the length of the coast line of Bay of Bengal?
  1. ক) 719 km
  2. খ) 716 km
  3. গ) 715 km
  4. ঘ) 718 km
ব্যাখ্যা
- বঙ্গোপসাগরের উপকূল রেখার দৈর্ঘ্য ৭১৬ কিলোমিটার
- বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা ১২ নটিক্যাল মাইল বা ২২.২২ কিলোমিটার 
- বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা ২০০ নটিক্যাল মাইল বা ৩৭০.৪০ কিলোমিটার (১ নটিক্যাল মাইল = ১.৮৫২ কিলোমিটার)।


তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় (SSC Programme), উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৫৯.
বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী ভারতের রাজ্য নয়-
  1. মেঘালয়
  2. আসাম
  3. মিজোরাম
  4. মণিপুর
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী ভারতের রাজ্য ৫টি।
• রাজ্যগুলো হলোঃ
- আসাম,
- মিজোরাম,
- ত্রিপুরা,
- মেঘালয় ও
- পশ্চিমবঙ্গ।
• মণিপুর ও নাগাল্যান্ড বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী রাজ্য নয়।
উৎসঃ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ এর ওয়েবসাইট।

৮৬০.
বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের উপজেলা কোনটি?
  1. ভোলাহাট
  2. শিবগঞ্জ
  3. রায়গঞ্জ
  4. গোমস্তাপুর
ব্যাখ্যা

সর্ব উত্তর:
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের সীমান্তবর্তী স্থান বাংলাবান্ধা।
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের উপজেলা তেঁতুলিয়া।
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড়।

সর্ব পূর্ব:
- বাংলাদেশের সর্ব পূর্বের স্থান আখাইনঠং।
- বাংলাদেশের সবচেয়ে পূর্বের উপজেলা থানচি।
- দেশের সর্ব পূর্বের জেলা বান্দরবান।

সর্ব পশ্চিম:
- বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের স্থান মনকষা।
- বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের উপজেলা শিবগঞ্জ।
- বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের জেলা চাঁপাইনবাবগঞ্জ।

সর্ব দক্ষিণ:
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের স্থান ছেড়াদ্বীপ।
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের উপজেলা টেকনাফ।
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের জেলা কক্সবাজার।

তথ্যসূত্র - সংশ্লিষ্ট জেলার সরকারি ওয়েবসাইট।

৮৬১.
নৃতাত্তিকভাবে বাংলাদেশের মানুষ প্রধানত কোন নরগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত?
  1. ক) মঙ্গোলীয়
  2. খ) অ্যালপাইন
  3. গ) আদি-অস্ট্রেলীয়
  4. ঘ) নার্কিড
ব্যাখ্যা

- অস্ট্রোলয়েড প্রাচীন বাংলায় একটি নৃ-গোষ্ঠী। নৃতত্ত্ববিদগণ এদেরকে আদি অস্ট্রেলীয় বলে মনে করেন। এ জনগোষ্ঠীকে অস্ট্রিক বা অস্ট্রো-এশীয়ও বলা হয়। প্রাচীন সাহিত্যে এরা নিষাদ নামে পরিচিত।
- বাংলাদেশের প্রাচীন জাতি হলো দ্রাবিড়।
- বাংলার আদি জনগণের অধিবাসিরা নিষাদ জাতির অন্তর্ভুক্ত।
- বাংলা আদি অধিবাসীগণ অস্ট্রিক ভাষাভাষী ছিল।
- বাংলাদেশে বসবাসকারী উপজাতির বড় অংশ হলো মঙ্গোলয়েড।

৮৬২.
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা কত দূর পর্যন্ত বিস্তৃত?
  1. ১২ কিলোমিটার
  2. ২০০ কিলোমিটার
  3. ৩৭০.৪০ কিলোমিটার
  4. ৭১৬ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের সমুদ্রসীমা:
বঙ্গোপসাগরের উপকূল রেখার দৈর্ঘ্য: ৭১৬ কিলোমিটার।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা: ১২ নটিক্যাল মাইল বা ২২.২২ কিলোমিটার।
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা: ২০০ নটিক্যাল মাইল বা ৩৭০.৪০ কিলোমিটার।

আমরা জানি,
- ১ নটিক্যাল মাইল = ১.৮৫২ কিলোমিটার
- তাহলে, ২০০ নটিক্যাল মাইল × ১.৮৫২ কিলোমিটার = ৩৭০.৪০ কিলোমিটার
- অর্থাৎ, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা ৩৭০.৪০ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত।

উল্লেখ্য,
- অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা: এটি মহীসোপানের সেই অংশ, যেখানে একটি দেশ সকল প্রাকৃতিক সম্পদের মালিক। মাছ, খনিজ, প্রবালসহ সব সম্পদ ব্যবহারের অধিকার সংশ্লিষ্ট দেশের।
- রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা: এটি ১২ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত বিস্তৃত, যেখানে দেশটির পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ থাকে। বিদেশি নৌযান বা সেনা প্রবেশ আইনত নিষিদ্ধ, বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে অনুমতি প্রয়োজন।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৬৩.
ধলেশ্বরী নদীর শাখা কোনটি?
  1. ক) শীতলক্ষ্যা
  2. খ) বুড়িগঙ্গা
  3. গ) বংশী
  4. ঘ) ধরলা
ব্যাখ্যা
ধলেশ্বরী নদী:
- ধলেশ্বরী নদী টাঙ্গাইল জেলার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে যমুনা থেকে সৃষ্ট একটি শাখা নদী। 
- নদীটির প্রবাহ সর্পিলাকৃতি।
- এর দুটি শাখা রয়েছে। 
- প্রধান শাখাটি মানিকগঞ্জের উত্তর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে মানিকগঞ্জের দক্ষিণে অপর শাখা কালীগঙ্গার সঙ্গে মিলিত হয়েছে। 
- বুড়িগঙ্গা ধলেশ্বরী নদীর একটি শাখা নদী।
- নারায়ণগঞ্জের কাছে ধলেশ্বরী শীতলক্ষ্যা নদীর সঙ্গে মিলিত হয়েছে এবং আরও দক্ষিণে প্রবাহিত হয়ে ষাটনলের কাছে মেঘনা নদীতে পতিত হয়ে এর নিজস্ব পরিচয় হারায়। 
- নদীটির সর্বমোট দৈর্ঘ্য ১৬০ কিমি।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৮৬৪.
বাংলাদেশে অবস্থিত সুন্দরবনের আয়তন কত বর্গ কি.মি.?
  1. ক) ৫,৬৫৫ বর্গ কি.মি.
  2. খ) ৫,৮৯৫ বর্গ কি.মি.
  3. গ) ৬,০১৭ বর্গ কি.মি.
  4. ঘ) ৬,৩২০ বর্গ কি.মি.
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা জেলায় অবস্থিত সুন্দরবনের আয়তন প্রায় ৬,০১৭ বর্গ কিলোমিটার যা সুন্দরবনের মোট আয়তনের প্রায় ৬২ ভাগ। সুন্দরবনের বাকি অংশ ভারতে অবস্থিত।

- সুন্দরবন বিশ্বের বৃহত্তম প্রাকৃতিক ও একক ম্যানগ্রোভ বনভূমি। এটি ইউনেস্কো ঘোষিত এটি বিশ্ব এতিহ্য এবং এটি রামসার সাইট।

- সুন্দরবনের প্রধান বৃ্ক্ষ সুন্দরী থেকে সুন্দরবন নামকরণ হয়েছে। এখানে পৃথিবী বিখ্যাত রয়েল বেঙ্গল টাইগার বসবাস করে।

(তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী এবং বনবিভাগ ওয়েবসাইট)
৮৬৫.
লেবানন কোন মহাদেশের অংশ?
  1. ইউরোপ
  2. আফ্রিকা
  3. এশিয়া
  4. উত্তর আমেরিকা
ব্যাখ্যা
• লেবানন:
- লেবানন এশিয়া মহাদেশের পশ্চিম এশিয়ার একটি রাষ্ট্র।
- এ দেশটির রাজধানী বৈরুত।
- ভৌগোলিকভাবে দেশটির উত্তর ও পূর্বে সিরিয়া, দক্ষিণে ইসরাইলের (ফিলিস্তিন) সীমানা দ্বারা পরিবেষ্টিত এবং পশ্চিমে ভূমধ্যসাগর ও সাইপ্রাস।
- এটি মধ্যপ্রাচ্যের লেভান্ট অঞ্চলের অংশ।
-  রাষ্ট্রের সরকারী ভাষা আরবি, অন্যদিকে ফরাসীও আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃত; সারা দেশে আধুনিক স্ট্যান্ডার্ড আরবির পাশাপাশি লেবানিজ আরবি ব্যবহৃত হয়।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট, World Atlas.
৮৬৬.
টারশিয়ারি যুগে গঠিত নয় -
  1. ক) উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ
  2. খ) আসামের লুসাই পাহাড়
  3. গ) দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ
  4. ঘ) বরেন্দ্র অঞ্চলের টিলাসমূহ
ব্যাখ্যা
টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ
• বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব, উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
• পাহাড়গুলাে আসামের লুসাই এবং মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগােত্রীয়।
• এ পাহাড়গুলাে বেলেপাথর, শেল ও কর্দম দ্বারা গঠিত।

• এ অঞ্চলের পাহাড়গুলােকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা-
(ক) দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ
- রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম জেলার পূর্বাংশ এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
- দক্ষিণ-পূর্বের এ পাহাড়গুলাের গড় উচ্চতা ৬১০ মিটার।
- বান্দরবানের একটি শৃঙ্গের নাম তাজিনডং (বিজয়), যার উচ্চতা ১.২৮০ মিটার। এটিই বাংলাদেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ।।

(খ) উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ 
- ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা জেলার উত্তরাংশ, সিলেট জেলার ৫ উত্তর ও উত্তর-পূর্বাংশ এবং মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার দক্ষিণের পাহাড়গুলাের গড় উচ্চতা ২৪৪ মিটারের বেশি নয়।
- উত্তরের পাহাড়গুলাে স্থানীয়ভাবে টিলা নামে পরিচিত।
- এগুলাের উচ্চতা ৩০ থেকে ৯০ মিটার।
- এ পার্বত্য অঞ্চলে অধিক বৃষ্টিপাত হওয়ায় পাহাড়ের ঢালে প্রচুর চা উৎপন্ন হয়।  

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৬৭.
ট্রপিক অব ক্যান্সার বাংলাদেশের কোন জেলার উপর দিয়ে অতিক্রম করেছে?
  1. কুমিল্লা
  2. রাঙামাটি
  3. ঝিনাইদহ
  4. বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
ট্রপিক অব ক্যান্সার:
- ট্রপিক অব ক্যান্সার বা কর্কটক্রান্তি রেখা।
- উত্তর গোলার্ধে ২৩.৫° উত্তর অক্ষরেখাকে কর্কটক্রান্তি রেখা নামে অভিহিত করা হয়।
- এটি বাংলাদেশের উপর দিয়ে (চুয়াডাঙা, ঝিনাইদহ, মাগুরা, রাজবাড়ি, ফরিদপুর, ঢাকা, মুন্সিগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটি) অতিক্রম করেছে।

⇒ বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান:
- বাংলাদেশ ভৌগোলিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে।
- এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব দিকে বাংলাদেশ অবস্থিত।
- এদেশ প্রায় ২০°৩৪' উত্তর থেকে ২৬°৩৮' উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৮°০১' পূর্ব থেকে ৯২°৪১′ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ পর্যন্ত বিস্তৃত।
- বাংলাদেশের মাঝ বরাবর পূর্ব-পশ্চিমে কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে।
- ফলে এদেশ ক্রান্তীয় অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।

উৎস: i) ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৮৬৮.
‘সংগ্রামপুঞ্জি ঝর্ণা’ কোন জেলায় অবস্থিত? 
  1. সিলেট
  2. মৌলভীবাজার 
  3. রাঙামাটি
  4. চট্টগ্রাম 
ব্যাখ্যা

• সংগ্রামপুঞ্জি ঝর্ণা:
- অবস্থান: জাফলং, গোয়াইনঘাট, সিলেট।
- এটি জাফলং জিরো পয়েন্ট থেকে ১ কিমি পশ্চিমে, খাসিয়া-জৈন্তা পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত। 
- এর স্থানীয় নাম মায়াবী ঝর্ণা।
- এই অবিরাম ধারার মোট তিনটি ধাপ রয়েছে, যার মধ্যে তৃতীয় ধাপে এমন একটি সুড়ঙ্গ রয়েছে যার অন্য প্রান্ত এখন পর্যন্ত জানা সম্ভব হয়নি।

তথ্যসূত্র: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 
ii) প্রথম আলো।

৮৬৯.
নিচের কোন দেশটির সমুদ্রতট নেই?
  1. ক) সিরিয়া
  2. খ) কম্বোডিয়া
  3. গ) প্যারাগুয়ে
  4. ঘ) সিয়েরা লিওন
ব্যাখ্যা
- উল্লিখিত অপশনসমূহের মধ্যে প্যারাগুয়ে স্থলবেষ্টিত রাষ্ট্র। অর্থাৎ প্যারাগুয়ের কোন সমুদ্রতট বা সমুদ্রসৈকত নেই।
- প্যারাগুয়ে ব্যতীত বলিভিয়া দক্ষিণ আমেরিকার অপর একটি স্থলবেষ্টিত রাষ্ট্র।
অন্যদিকে,
- সিরিয়া (সমুদ্রবন্দর-লাতাকিয়া), কম্বোডিয়া (সমুদ্রবন্দর-সিহানুকভিল) এবং সিয়েরা লিওনের (সমুদ্রবন্দর-ফ্রিটাউন) সমুদ্রতট রয়েছে।
(তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট)
৮৭০.
ইংরেজি Map শব্দটি কোন ভাষা থেকে উদ্ভূত?
  1. ক) গ্রিক
  2. খ) হিব্রু
  3. গ) আরবি
  4. ঘ) ল্যাটিন
ব্যাখ্যা
- ইংরেজি Map শব্দটি ল্যাটিন শব্দ Mappa থেকে এসেছে।
- ল্যাটিন ভাষায় Mappa মানে হলো কাপড়ের টুকরো। আগেরকার দিনে কাপড়ের উপরই ম্যাপ বা মানচিত্র আঁকা হতো।
- পৃথিবী বা কোন অঞ্চল বা এর অংশবিশেষকে কোন সমতল ক্ষেত্রের উপর অঙ্কন করাকে মানচিত্র বলে।
(সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী : পৃষ্ঠা-৩৩)
৮৭১.
ভৌগোলিকভাবে 'Tropic of Cancer' বাংলাদেশের কোন জেলাগুলোর ওপর দিয়ে গেছে?
  1. চাঁদপুর, ফেনী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
  2. কুমিল্লা, মানিকগঞ্জ, ফরিদপুর 
  3. ঢাকা, ফরিদপুর, বরিশাল
  4. রাঙ্গামাটি, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর 
ব্যাখ্যা

ভৌগোলিকভাবে Tropic of Cancer -কুমিল্লা, মানিকগঞ্জ, ফরিদপুর জেলার ওপর দিয়ে গেছে।
---------------------
• বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান:
- বাংলাদেশ এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণে অবস্থিত।
- এটি ২০°৩৪′ থেকে ২৬°৩৮′ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৮°০১′ থেকে ৯২°৪১′ পূর্ব দ্রাঘিমা রেখার মধ্যে বিস্তৃত।
- বাংলাদেশের ওপর দিয়ে যে গুরুত্বপূর্ণ ভৌগলিক রেখা অতিক্রম করেছে তার নাম কর্কটক্রান্তি রেখা বা ট্রপিক অব ক্যানসার এবং এটি 90 ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমা রেখা।

- কর্কটক্রান্তি রেখা (Tropic of Cancer) হলো পৃথিবীর বিষুবরেখা থেকে প্রায় ২৩°২৭′ উত্তর অক্ষাংশে অবস্থিত।
- এই অক্ষাংশ হলো সূর্যের সর্বোত্তম উত্তরের অবক্ষয় যখন সূর্য তার কক্ষপথে বিষুবরেখার সমান্তরাল অবস্থায় থাকে।
- উত্তর গোলার্ধে গ্রীষ্মকালীন সূর্যস্থানান্তর প্রায় জুন ২১ তারিখে ঘটে, তখন সূর্য সরাসরি কর্কটক্রান্তি রেখার ওপর থাকে।

- বাংলাদেশের কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করা জেলার নামগুলো হলো:
- চুয়াডাঙ্গা, মানিকগঞ্জ, ঝিনাইদহ, মাগুরা, রাজবাড়ী, ফরিদপুর, ঢাকা, মুন্সিগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, খাগড়াছড়ি ও রাঙ্গামাটি। 
- বাংলাদেশের ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমা রেখা ও কর্কটক্রান্তি রেখার ছেদবিন্দু ফরিদপুরে অবস্থিত।

উৎস: Britannica ও বাংলাপিডিয়া। 

৮৭২.
বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের স্থান কোনটি?
  1. শ্যামপুর
  2. মনাকষা
  3. শাহাবাজপুর
  4. কানসাট
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ভৌগলিক অবস্থান:
- যেহেতু বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের দ্রাঘিমাংশ ৮৮°০১′ পূর্ব দ্রাঘিমা রেখা এবং বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের সীমান্তবর্তী স্থান মনাকষা তাইলে আমরা বলতে পারি যে বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের সীমান্তবর্তী স্থান মনাকষা এর দ্রাঘিমাংশ ৮৮°০১′ পূর্ব দ্রাঘিমা রেখা।

⇒ সর্ব পশ্চিম:
- বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের স্থান মনাকষা। ( ৮৮°০১′ পূর্ব দ্রাঘিমা রেখা)
- বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের উপজেলা শিবগঞ্জ।
- বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের জেলা চাপাইনবাবগঞ্জ।

⇒ সর্ব পূর্ব:
- বাংলাদেশের সর্ব পূর্বের স্থান আখাইনঠং।(৯২°৪১′ পূর্ব দ্রাঘিমা রেখা)
- বাংলাদেশের সবচেয়ে পূর্বের উপজেলা থানচি।
- দেশের সর্ব পূর্বের জেলা বান্দরবান।

⇒ সর্ব উত্তর:
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের সীমান্তবর্তী স্থান বাংলাবান্ধা। (অক্ষাংশ ২৬°৩৮′ উত্তর অক্ষরেখা)
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের উপজেলার তেঁতুলিয়া।
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড়।

⇒ সর্ব দক্ষিণ:
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের স্থান ছেড়াদ্বীপ। (অক্ষাংশ ২০°৩৪′ উত্তর অক্ষরেখা)
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের উপজেলা টেকনাফ।
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের জেলা কক্সবাজার।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন
৮৭৩.
মুজিব-ইন্দিরা ইউনিয়নটি কোন জেলায় অবস্থিত
  1. ক) লালমনিরহাট
  2. খ) কুড়িগ্রাম
  3. গ) নীলফামারি
  4. ঘ) পঞ্চগড়
ব্যাখ্যা
মুজিব-ইন্দিরা ইউনিয়ন কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ী উপজেলায় অবস্থিত। ২০১৫ সালের ১ আগষ্ট (৩১ জুলাই মধ্যরাতে) ছিটমহল বিনিময়ের পূর্বে এর নাম ছিল ‘দাশিয়ারছড়া’ ছিটমহল।
উৎসঃ প্রথম আলো আর্কাইভ।
৮৭৪.
Where does Padma-Jamuna meet?
  1. ক) In Daulatdia
  2. খ) In Goalanda
  3. গ) In Paturia
  4. ঘ) In Bhairav
ব্যাখ্যা
• যমুনা নদী :
- ১৭৮৯ সালের ভূমিকম্পে ময়মনসিংহ জেলার দেওয়ানগঞ্জের কাছে ব্রহ্মপুত্রের যে শাখাটি বের হয়
সেটিই নদী যমুনা।
- এটি দক্ষিণ দিকে প্রবাহিত হয়ে রাজবাড়ি জেলার গোয়ালন্দের নিকট পদ্মার সাথে
মিলিত হয়।
- এরপর এই মিলিত স্রোত দক্ষিণ-পূর্ব দিকে পদ্মা নামে প্রবাহিত হয়েছে।
- যমুনার প্রধান শাখানদী ধলেশ্বরী এবং
- ধলেশ্বরীর শাখানদী বুড়িগঙ্গা।
- যমুনার উপনদীগুলোর মধ্যে ধরলা, তিস্তা, করতোয়া, আত্রাই অন্যতম। 

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৭৫.
বাংলাদেশের একমাত্র কৃত্রিম নৌপথ কোনটি?
  1. ক) রাবনাবাদ চ্যানেল
  2. খ) গাবখান চ্যানেল
  3. গ) কাওয়াখালি চ্যানেল
  4. ঘ) কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
- গাবখান চ্যানেলটি বাংলাদেশের একমাত্র কৃত্রিম নৌপথ যা বাংলার  সুয়েজখাল নামে পরিচিত।
- গাবখান চ্যানেল বাংলাদেশের ঝালকাঠি জেলায় অবস্থিত ।
- ঝালকাঠির সুগন্ধা-বিষখালী নদীর সাথে পিরােজপুরের সন্ধ্যা নদীর সংযােগ ঘটিয়েছে ১৬ কিমি দীর্ঘ এ গাবখান চ্যানেল।
- বাংলাদেশের ৩য় সমুদ্র বন্দর ‘পায়রা বন্দর’ পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার লালুয়া, বালিয়াতলী, ধূলাসার, ধানখালী ও টিয়াখালী ইউনিয়নের অন্তর্গত রাবনাবাদ চ্যানেলের পশ্চিম তীরে অবস্থিত।

তথ্যসূত্র:- ঝালকাঠি জেলা ওয়েবসাইট।
৮৭৬.
বাংলাদেশের কোন জেলা সবচেয়ে বেশী নদীবেষ্টিত?
  1. গৌরনদী
  2. পিরোজপুর
  3. বরিশাল
  4. ভোলা
ব্যাখ্যা
- জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন-এর সর্বশেষ রিপোর্ট অনুসারে, বাংলাদেশের সুনামগঞ্জ জেলায় সবচেয়ে বেশি নদী প্রবাহিত হয়েছে। 
- তবে প্রশ্নটি রিয়েল চাকরি পরীক্ষার প্রশ্ন ছিলো তাই প্রচলিত উত্তর হিসেবে ভোলা উত্তর নেওয়া হলো। 

বাংলাদেশের নদ-নদী:

- নদীমাতৃক বাংলাদেশে ছোট বড় মিলিয়ে ১০০৮ টি নদী প্রবাহিত হচ্ছে।
- পদ্মা-মেঘনা-যমুনা বাংলাদেশের ৩টি প্রধান নদী।
- দেশে নদীপথ রয়েছে: ২২ হাজার কি.মি.।
- নদ আছে ৪টি (ব্রহ্মপুত্র, কপোতাক্ষ, আড়িয়াল খাঁ ও কুমার)।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের দীর্ঘতম নদী পদ্মা (দৈর্ঘ্য - ৩৪১ কিলোমিটার)।
- বাংলাদেশের ক্ষুদ্রতম নদী গাঙ্গিনা ( দৈর্ঘ্য- .০৩২ কিলোমিটার)।
- সবচেয়ে বেশি উপজেলা দিয়ে প্রবাহিত নদী মেঘনা (৩৬টি উপজেলা)।
- সবচেয়ে বেশি নদ-নদী রয়েছে ঢাকা বিভাগে, ২২২টি।
- সবচেয়ে বেশি নদী রয়েছে সুনামগঞ্জ জেলায়, ৯৭টি।



উৎস: জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন।
৮৭৭.
নিম্নের কোনটি Hydro-meteorological দুর্যোগ?
  1. ঘূর্ণিঝড়
  2. নদীভাঙ্গন
  3. ভূমিধস
  4. বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
Hydro-meteorological দুর্যোগ:
- ভূমিধস, নদীভাঙ্গন ও ঘূর্ণিঝড় জলজ আবহাওয়াজনিত (Hydro-meteorological) দুর্যোগ।

⇒ দুর্যোগ হলো একটি মারাত্মক পরিস্থিতি যা প্রকৃতি বা মানবসৃষ্ট আপদের ফলে দেখা দেয়।
- সাধারণ অর্থে দুর্যোগ বলতে আপদ বোঝায় কিন্তু সব আপদই দুর্যোগ নয়।
- আপদ ও বিপদাপন্নতা এ দুটো উপাদান একত্র হলেই তাকে দুর্যোগ পরিস্থিতি বলা হয়।
- এই পরিস্থিতি চলমান সমাজ জীবনকে গভীরভাবে ব্যাহত করে এবং মানুষ, সম্পদ ও পরিবেশের এত ক্ষতি সাধন করে যা মোকাবেলায় একটি সমাজকে বিশেষ পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হয় এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এত বেশি হয় তা শুধু নিজস্ব সম্পদ দিয়ে প্রায়ই পূরণ করা সম্ভব হয় না বরং বাইরের সাহায্যের প্রয়োজন হয়।
- ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ও সৃষ্ট পরিস্থিতি দুর্যোগ কিনা তা নির্ধারণ একটি সমাজের সামর্থ্যের ওপর নির্ভর করে।

⇒ জলজ আবহাওয়াজনিত দুর্যোগ (Hydrometeorological Disasters) হলো এমন দুর্যোগ যা মূলত জলবায়ু বা আবহাওয়া সম্পর্কিত প্রাকৃতিক ঘটনার কারণে সৃষ্টি হয়।
- এই ধরনের দুর্যোগে সাধারণত জল এবং বায়ু সম্পর্কিত প্রাকৃতিক শক্তি কাজ করে।
- এই দুর্যোগগুলি মানুষ এবং পরিবেশের জন্য বিপজ্জনক হতে পারে এবং এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ঘটে।
- জলজ আবহাওয়াজনিত দুর্যোগের কিছু উদাহরণ হলো: বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, ভূমিধস, ভারি বৃষ্টি, খরা, তুষারপাত।

উৎস: i) দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
ii) NIDM.
৮৭৮.
ফ্রান্স কর্তৃক জার্মান-ফ্রান্স সীমান্তে নির্মিত সুরক্ষিত সীমারেখা কোনটি?
  1. জিগফ্রিড লাইন
  2. হিন্ডারবার্গ লাইন
  3. ওডেরনিস লাইন
  4. ম্যাজিনো লাইন
ব্যাখ্যা

ম্যাজিনো লাইন: 
- ফ্রান্স কর্তৃক জার্মান-ফ্রান্স সীমান্তে (প্রধানত আলসাস-লরেন অঞ্চলে) জার্মান আক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য ১৯২৯ থেকে ১৯৩৯ সালের মধ্যে নির্মিত বিশাল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা হলো ম্যাজিনো লাইন।
- এটি ফ্রান্সের প্রতিরক্ষামন্ত্রী আন্দ্রে ম্যাজিনোর নামে নামকরণ করা হয়েছে।

অপরদিকে,
• হিন্ডারবার্গ লাইন: প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় জার্মানির নির্মিত একটি শক্তিশালী প্রতিরক্ষামূলক সামরিক অবস্থান, যা ফ্রান্সের পশ্চিমাঞ্চলে অ্যারাস থেকে লাফাক্স পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল
• ওডেরনিস লাইন: এটি হলো দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জার্মানি ও পোল্যান্ডের মধ্যে নির্ধারিত একটি আন্তর্জাতিক সীমান্ত রেখা, 
• জিগফ্রিড লাইন: জিগফ্রিড লাইন (Siegfried Line) ছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জার্মানি কর্তৃক ফ্রান্স-জার্মানি সীমান্তে নির্মিত একটি শক্তিশালী প্রতিরক্ষামূলক সামরিক স্থাপনা।

উৎস:ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।

৮৭৯.
উত্তর -দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যকার সীমারেখা কোনটি?
  1. ৩৮ তম অক্ষরেখা
  2. ১৭ তম উত্তর অক্ষরেখা
  3. ম্যাজিনো লাইন
  4. ম্যাকমোহন লাইন
ব্যাখ্যা
৩৮ তম অক্ষরেখা:
- দুই কোরিয়ার মধ্যকার সীমারেখা হলো ৩৮ তম অক্ষরেখা।
- ১৯৪৫ সালে মার্কিন প্রশাসন কোরীয় উপদ্বীপকে ৩৮  তম অক্ষরেখায় বিভক্ত করে।
- ১৯১০ সাল থেকে কোরিয়া জাপানের উপনিবেশে ছিল।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপানের পরাজয়ের পর উত্তর কোরিয়া সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং দক্ষিণ কোরিয়া যুক্তরাষ্ট্র অধীনে চলে যায়।
- ১৯৪৮ সালে দুই কোরিয়ার জন্ম হয়।

এছাড়াও
- ১৭ তম অক্ষরেখা-  দক্ষিণ ও উত্তর ভিয়েতনাম বিভক্তকারী রেখা।
- ম্যাজিনো লাইন - জার্মান ও ফ্রান্স সীমান্তে ফ্রান্স কর্তৃক নির্মিত সীমারেখা।
- ম্যাকমোহন লাইন- ভারত ও চীনের মধ্যবর্তী সীমারেখা।

উৎস: Britannica.
৮৮০.
জাঙ্গালিয়া ও ডাকাতিয়া কোন নদীর শাখা নদী?
  1. ক) পদ্মা
  2. খ) মেঘনা
  3. গ) যমুনা
  4. ঘ) কর্ণফুল
ব্যাখ্যা
• মেঘনা (Meghna):
- উৎপত্তিস্থলে মেঘনার নাম ছিল বরাক নদী।
- ভারতের আসাম রাজ্যের নাগা-মনিপুর পার্বত্য অঞ্চলে উৎপন্ন বরাক নদী দুইটি শাখায় বিভক্ত হয়ে বাংলাদেশের সিলেট জেলার সীমান্ত দিয়ে প্রবেশ করেছে।
- এর মধ্যে একটি উত্তর সিলেট থেকে সুরমা নামে এবং অন্যটি দক্ষিণ সিলেট থেকে কুশিয়ারা নামে প্রবাহিত হয়ে হবিগঞ্জের কালনী নদীর সঙ্গে মিলিত হয়েছে।
- পরে সুরমা, কুশিয়ারা এবং কালনী নদীর মিলিত স্রোত কালনী নাম ধারণ করে কিছুদূর অগ্রসর হয়ে মেঘনা নাম ধারণ করেছে।
- এরপর মেঘনা নদী কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরববাজারের নিকট পুরাতন ব্রহ্মপুত্রের সাথে মিলিত হয়ে দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে প্রবাহিত হয়েছে।
- অত:পর চাঁদপুরের কাছে পদ্মার সাথে মিলিত হয়ে মেঘনা নামে আরো দক্ষিণে অগ্রসর হয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
- বাংলাদেশে মেঘনা বিধৌত অঞ্চলের আয়তন প্রায় ২৯,৭৮৫ বর্গকিলোমিটার।
- মেঘনার উপনদীসমূহের মধ্যে মনু, বাউলাই, গোমতী, তিতাস, কাসনি অন্যতম।
- জাঙ্গাালিয়া ও ডাকাতিয়া মেঘনার শাখানদী

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৮৮১.
বাংলাদেশের কোন অঞ্চলকে '৩৬০ আউলিয়ার দেশ' বলা হয়?
  1. চট্টগ্রাম
  2. সিলেট
  3. ঢাকা
  4. রাজশাহী
ব্যাখ্যা
◉ বাংলাদেশের — সিলেট অঞ্চলকে ৩৬০ আউলিয়ার দেশ বলা হয়।

৩৬০ আউলিয়ার দেশ:
- হযরত শাহজালাল (র.) ছিলেন উপমহাদেশের একজন বিখ্যাত দরবেশ ও পীর।
- তিনি ছিলেন ওলিকুল শিরোমণি।
- সিলেট অঞ্চলে তার মাধ্যমেই ইসলামের প্রসার ঘটে।
- সিলেটের প্রথম মুসলমান শেখ বোরহান উদ্দিন (র.) এর ওপর রাজা গৌড়গোবিন্দের অত্যাচার এবং এর প্রেক্ষিতে হযরত শাহজালাল (র.) ও তাঁর সফরসঙ্গী ৩৬০ আউলিয়ার সিলেট আগমন ইতিহাসের একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা।
- এ কারণে সিলেটকে ৩৬০ আউলিয়ার দেশ বলা হয়।
- কেউ কেউ সিলেটকে পূণ্যভূমি অভিধায়ও অভিহিত করেন।

উল্লেখ্য,
⇒ সিলেট জেলা:
- মহান সাধক হযরত শাহজালাল (র.) ও হযরত শাহপরাণ (র.)সহ ৩৬০ আউলিয়ার পুণ্যভূমি সিলেট একটি প্রাচীন জনপদ।
- সুলতানী আমলে সিলেটের নাম ছিল জালালাবাদ। 
- নানকার বিদ্রোহ সিলেটের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। 
- সিলেট জেলা ১৭৭২ সালের ১৭ মার্চ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- দেশের সর্ববৃহৎ হাওর হাকালুকি সিলেট জেলায় অবস্থিত।
- দেশে সবচেয়ে বেশি চা উৎপাদন হয় এই বিভাগে।
- সিলেট জেলা প্রাকৃতিক গ্যাস, তেল, চুনাপাথর, কঠিন শিলা, বালুসহ অন্যান্য প্রাকৃতিক সম্পদে অনন্য একটি জেলা। 
- দেশের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত সিলেটের লালাখালে হয়ে থাকে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৮৮২.
'রিছাং ঝর্ণা' কোথায় অবস্থিত?
  1. বান্দরবানে
  2. মৌলভীবাজারে
  3. কক্সবাজারে
  4. খাগড়াছড়িতে
ব্যাখ্যা

- খাগড়াছড়ির অন্যতম সৌন্দর্য ‘রিছাং ঝর্ণা’।
- আলুটিলা পর্যটন কেন্দ্র খাগড়াছড়িতে অবস্থিত।
- হিমছড়ি জলপ্রপাত কক্সবাজারে অবস্থিত।
- 'শৈলপ্রপাত' জলপ্রপাত বান্দরবানে অবস্থিত।
- হামহাম, মাধবকুন্ড জলপ্রপাত মৌলভীবাজারে অবস্থিত।
উৎসঃ সংশ্লিষ্ট জেলার সরকারি ওয়েবসাইট।

৮৮৩.
চর রাজিবপুর - কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. কুড়িগ্রাম
  2. লক্ষীপুর
  3. নোয়াখালী
  4. নেত্রকোণা
ব্যাখ্যা
• দেশে মোট উপজেলা ৪৯৫টি, সবচেয়ে দরিদ্র উপজেলা কুড়িগ্রামের চর রাজিবপুর।
• উত্তরে রৌমারী, পূর্বে ভারতের মেঘালয় রাজ্য, দক্ষিণে জামালপুর ও গাইবান্ধা, পশ্চিমে গাইবান্ধা ও চিলমারী উপজেলা
• আয়তন : ১১১.০৩ বর্গকিলোমিটার।
• উপজেলার জনসংখ্যা ৮৪ হাজার, দারিদ্র্যের হার ৭৯.৮ শতাংশ
• জেলা সদর থেকে ব্রহ্মপুত্র নদ দ্বারা বিচ্ছিন্ন, অনেকটা দ্বীপের মতো
• এই অঞ্চলে নদীভাঙন সবচেয়ে বড় সমস্যা, এ কারণে ভিটেমাটি ছাড়া হয় মানুষ।
• লোকজন এলাকায় কাজের অভাবে টাঙ্গাইল, ঢাকায় দিনমজুরের কাজ করেন।

উৎস:- দৈনিক প্রথম আলো।
৮৮৪.
বাংলাদেশের রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা কত নটিক্যাল মাইল?
  1. ১০ নটিক্যাল মাইল
  2. ১৬ নটিক্যাল মাইল
  3. ২০ নটিক্যাল মাইল 
  4. ১২ নটিক্যাল মাইল
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সমুদ্রসীমা:
- দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের উপকূল রেখার দৈর্ঘ্য ৭১৬ কিলোমিটার।
- বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা ১২ নটিক্যাল মাইল বা ২২.২২ কিলোমিটার।
- অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা ২০০ নটিক্যাল মাইল বা ৩৭০.৪০ কিলোমিটার এবং
- ৩৫০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত মহীসোপান এলাকা বাংলাদেশের সমুদ্রসীমার অন্তর্ভুক্ত।
- [নোট: ১ নটিক্যাল মাইল = ১.৮৫২ কিলোমিটার।]

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।।

৮৮৫.
'Rijuk Falls' is located in -
  1. ক) Bandarban
  2. খ) Rangamati
  3. গ) Khagrachhari
  4. ঘ) Cox’s Bazar
ব্যাখ্যা
বান্দরবানে অবস্থিত কয়েকটি ঝর্ণাঃ
- ঋজুক ঝর্ণা (Rijuk Falls)
- ট্রিপল ঝর্ণা (Triple Falls)
- জাদিপাই ঝর্ণা (Jadipai Falls)
- চিংড়ি ঝর্ণা (Shrimp Fountain)
- জোড়া ঝর্ণা বা যমজ ঝর্ণা (Twin Falls or Double Falls)
- রূপমুহুরী ঝর্ণা (Rupmuhuri Falls)
- বাকলাই ঝর্ণা (Baklai Falls)
- কুমারী ঝর্ণা (Kumari Falls)
- দামতুয়া ঝর্ণা(Damtuya Falls)
- রেনিক্ষ্যং ঝর্ণা (Renikkhyng Falls)
- শৈলপ্রপাত (Shaoilo Propat)
- তিনাপ সাইতার (Tinap Saitar)
- নাফাখুম (Nafakhum)

উৎসঃ বান্দরবান জেলা ওয়েবসাইট। 
৮৮৬.
সবচেয়ে বেশি চাল রপ্তানিকারক দেশ-
  1. ক) চীন
  2. খ) ভারত
  3. গ) পাকিস্তান
  4. ঘ) থাইল্যান্ড
ব্যাখ্যা
২০২০ সালে বিশ্বের সবচেয়ে চাল রপ্তানিকারক দেশ:
১. ভারত - ৮ বিলিয়ন USD (বিশ্বের চাল রপ্তানির ৩২%)
২. থাইল্যান্ড - ৩.৭ বিলিয়ন USD 
৩. পাকিস্তান - ২.১ বিলিয়ন USD
৪. যুক্তরাষ্ট্র - ১.৯ বিলিয়ন USD
৫. ভিয়েতনাম - ১.৮ বিলিয়ন USD
৬. চীন - ০.৯১৬ বিলিয়ন USD

উৎস: ওয়ার্ল্ড এক্সপোর্টার ওয়েবসাইট
৮৮৭.
বাংলার ‘দার্জিলিং’ নামে খ্যাত পাহাড়টি কোনটি?
  1. চিম্বুক
  2. গারো পাহাড়
  3. লালমাই পাহাড়
  4. চন্দ্রনাথ পাহাড়
ব্যাখ্যা

• চিম্বুক:
- সমুদ্রপৃষ্ঠ হতে আনুমানিক ২,৪০০ ফুট উঁচু চিম্বুক পাহাড় চুড়া।
- পাহাড়ি আকাঁবাকা পথে সর্পিল গতিতে চিম্বুক পাহাড়ের দিকে যেতে যেতে অধিকাংশ পর্যটকই ‘‘চিম্বুককে বাংলার দার্জিলিং’’ হিসেবে  আখ্যায়িত করেন।
- এটি চট্টগ্রাম বিভাগের পার্বত্য জেলা বান্দরবানের থানচিতে অবস্থিত।
- দূরত্ব: জেলাশহরহতে ২৬ কি. মি।
- ‘‘ম্রো’’ উপজাতীয়দের গ্রাম রয়েছে।
- বাংলাদেশের তৃতীয় বৃহত্তম পাহাড়।
- ঠিক এই চিম্বুকের পাহাড়ি এলাকার আদি নিবাসী ছিলেন “চিম্বুক ম্রো”। 
তার নামানুসারেই পাহাড়টি নাম পেয়েছে “চিম্বুক”।'
- কিন্তু স্থানীয় ম্রো’দের মাঝে এটি এখনও “ইয়াং বং হুং” নামে প্রচলিত।
- ম্রো ভাষায় “পাহাড়” বোঝাতে “হুং” শব্দটি ব্যবহার করা হয়।

উল্লেখ্য, 
- ভারতের মেঘালয় রাজ্যের গারো-খাসিয়া পর্বতশ্রেণির একটি অংশকে গারো পাহাড় বলে।
- এর কিছু অংশ রয়েছে ভারতের আসাম রাজ্যে ও বাংলাদেশের শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী উপজেলায়।
- ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, কিশোরগঞ্জ জেলাগুলো এ পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত।
- চন্দ্রনাথ পাহাড়: সীতাকুণ্ডে অবস্থিত।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও ঢাকা ট্রিবিউন। 

৮৮৮.
হালদা নদীর উৎপত্তি স্থল কোনটি?
  1. ক) শুভলং ঝর্ণা
  2. খ) কর্ণফুলী নদী
  3. গ) কাপ্তাই হ্রদ
  4. ঘ) চট্টগ্রামের বদনাতলী পাহাড়
ব্যাখ্যা
হালদা নদী (Halda River) পার্বত্য চট্টগ্রামের বদনাতলী পাহাড়ি এলাকা থেকে উৎসারিত হয়ে ফটিকছড়ি উপজেলার উত্তর-পূর্ব কোণ দিয়ে চট্টগ্রাম জেলায় প্রবেশ করেছে।
- সুউচ্চ শ্রেণীমালা উত্তরে রেখে হালদা নদী দক্ষিণ-পশ্চিম বরাবর প্রবাহিত হয়ে আবার দক্ষিণ গতিপথে এর মূল অববাহিকা গঠনকারী ফটিকছড়ি, হাটহাজারী, রাউজান ও চট্টগ্রাম শহরের বিবিরহাট, নাজিরহাট, সাত্তারঘাট ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ স্থান অতিক্রম করে গেছে।
- কালুরঘাটের কাছে এটি কর্ণফুলী নদীতে এসে মিশেছে। এর মোট দৈর্ঘ্য ৮০.৪৫ কিমি। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৮৮৯.
মহীসোপানের গড় গভীরতা-
  1. ক) ১২০ মিটার
  2. খ) ১৪০ মিটার
  3. গ) ১৫০ মিটার
  4. ঘ) ৩৭০ মিটার
ব্যাখ্যা
সমুদ্রের উপকূল রেখা থেকে তলদেশ ক্রমনিম্ন নিমজ্জিত অংশকে মহীসোপান বলে। এর গড় গভীরতা ১৫০ মিটার এবং গড় প্রশস্ততা ৭০ কিলোমিটার। এটি ১° কোণে ঢালু থাকে। ইউরোপের উত্তর-পশ্চিমে পৃথিবীর বৃহত্তম মহীসোপান অবস্থিত। (সূত্রঃ ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
৮৯০.
'বজ্রপাতের দেশ' বলা হয় কোনটিকে?
  1. জাপান
  2. ভুটান
  3. তিব্বত
  4. থাইল্যান্ড
ব্যাখ্যা
বজ্রপাতের দেশ:
- বজ্রপাতের দেশ: ভুটান।

অন্যদিকে,
⇒ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের ভৌগলিক উপনাম:
- নিশীথ সূর্যের দেশ: নরওয়ে।
- সূর্যোদয়ের দেশ: জাপান।
- নিষিদ্ধ দেশ: তিব্বত।
- শান্ত দেশ: কোরিয়া।
- সাদা হাতির দেশ: থাইল্যান্ড।
- সোনালী প্যাডোডার দেশ: মিয়ানমার।
- ধীবরের দেশ: নরওয়ে।
- হাজার হ্রদের দেশ: ফিনল্যান্ড।
- নীল নদের দেশ: মিশর।
- মরুভুমির দেশ: আফ্রিকা।
- চীর সবুজের দেশ: নাটাল (দ: আফ্রিকা)।
- লিলি ফুলের দেশ: কানাডা।
- ক্যাঙ্গারুর দেশ: অস্ট্রেলিয়া।
- সিল্ক রুটের দেশ: ইরান।
- মার্বেলের দেশ: ইতালি।
- পঞ্চম ড্রাগনের দেশ: তাইওয়ান।
- দক্ষিণের গ্রেট ব্রিটেন: নিউজিল্যান্ড।
- তামার দেশ: জাম্বিয়া।
- পিরামিডের দেশ: মিশর।
- প্রাচীরের দেশ: চীন।
- ভূমিকম্পের দেশ: জাপান।
- ম্যাপল পাতার দেশ: কানাডা।

উৎস: Britannica.
৮৯১.
বাংলাদেশের কোন দ্বীপটি প্রবাল দ্বীপ নামে খ্যাত?
  1. নিঝুমদ্বীপ
  2. সেন্ট মার্টিনস
  3. হাতিয়া
  4. কুতুবদিয়া
ব্যাখ্যা
সেন্ট মার্টিন দ্বীপ:
- সেন্ট মার্টিন্‌স দ্বীপ বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পূর্বাংশে অবস্থিত একটি প্রবালদ্বীপ।
- এটি কক্সবাজার জেলার টেকনাফে নাফ নদীর মোহনায় অবস্থিত।
- প্রচুর নারিকেল পাওয়া যায় বলে স্থানীয়ভাবে একে নারিকেল জিঞ্জিরাও বলা হয়ে থাকে।
- এটি বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ।
- বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন অসাধারণ জীববৈচিত্র্যে পরিপূর্ণ।
- এর আয়তন আয়তন ১৭ বর্গ কিলোমিটার।
- ৬৭২ বর্গমাইলের এই দ্বীপ বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণ সীমানায় অবস্থিত এবং প্রবাল, ইন্দো-প্যাসিফিক হ্যাম্পব্যাক ডলফিন, বিপদাপন্ন তিমি হাঙরসহ বহুসংখ্যক সামুদ্রিক প্রাণীর গুরুত্বপূর্ণ আশ্রয়স্থল।

উল্লেখ্য,
- টেকনাফ উপজেলা ওয়েবসাইট অনুসারে, সেন্টমার্টিন দ্বীপের আয়তন ১৭ বর্গ কিলোমিটার।
- কক্সবাজার জেলা ওয়েবসাইট অনুসারে, সেন্টমার্টিন দ্বীপের আয়তন প্রায় ৮ বর্গ কিলোমিটার ও উত্তর-দক্ষিণে লম্বা।
- সেন্টমার্টিন দ্বীপ সম্পর্কে সময় নিউজের রিপোর্টে বলা হয়েছে, সেন্টমার্টিন দ্বীপ ৭.৩ কিলোমিটার দীর্ঘ এবং আয়তন প্রায় ৮ বর্গ কিলোমিটার।
- প্রথম আলো রিপোর্টে বলা হয়েছে, দ্বীপের আয়তন ১৩ বর্গকিলোমিটার উল্লেখ রয়েছে।
- তবে গবেষণায় বলা হয়েছে ৮ বর্গকিলোমিটার।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৮৯২.
নিম্নের কোন জেলাটি বাংলাদেশ ও ভারত সীমান্তের মধ্যে সংযোগ নেই?
  1. বাগেরহাট
  2. নেত্রকোণা 
  3. রাঙ্গামাটি
  4. হবিগঞ্জ
ব্যাখ্যা

- বাগেরহাট জেলার সাথে বাংলাদেশ ও ভারত সীমান্তের মধ্যে সংযোগ নেই।

• সীমান্ত জেলা:

- বাংলাদেশে বিভাগ রয়েছে ৮টি এবং জেলা ৬৪টি।
- বাংলাদেশের মোট সীমান্তবর্তী জেলা ৩২টি।
- ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সাথে বাংলাদেশের ৩২টি জেলার সীমান্ত রয়েছে।
- ভারতের সাথে সীমান্তবর্তী জেলা ৩০টি এবং মিয়ানমারের সাথে সীমান্তবর্তী জেলা ৩টি।
- রাঙামাটি জেলার সাথে ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সীমানা রয়েছে।
- এছাড়াও, ৬টি বিভাগের সাথে আন্তর্জাতিক সীমান্ত থাকলেও ঢাকা ও বরিশাল বিভাগের সাথে কোনো আন্তর্জাতিক সীমান্ত নেই।

• খুলনা বিভাগের সীমান্তবর্তী জেলাগুলো হলো: সাতক্ষীরা, যশোর, চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর, ঝিনাইদহ এবং কুষ্টিয়া।
• সিলেট বিভাগের সীমান্তবর্তী জেলাগুলো হলো: সুনামগঞ্জ, সিলেট, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ।
• ময়মসসিংহ বিভাগের সীমান্তবর্তী জেলাগুলো হলো: জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৮৯৩.
'নয় কুড়ি কান্দায় ছয় কুড়ি বিল' নামে পরিচিত স্থান কোনটি?
  1. হাইক্কা বিল
  2. টাঙ্গুয়ার হাওর
  3. হাকালুকি হাওর
  4. চলন বিল
ব্যাখ্যা
টাঙ্গুয়ার হাওর (Tanguar Haor):  
- টাঙ্গুয়ার হাওর বাংলাদেশের বৃহত্তম গ্রুপ জলমহালগুলোর অন্যতম। বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব প্রান্তে সুনামগঞ্জ জেলার ধর্মপাশা এবং তাহিরপুর উপজেলাস্থিত জীববৈচিত্রে সমৃদ্ধ মিঠা পানির এ হাওর বাংলাদেশের ২য় রামসার এলাকা।
- এই হাওরের স্থানীয় নাম: নয় কুড়ি কান্দায় ছয় কুড়ি বিল।
- এ হাওরটিতে ছোটবড় ১২০টি বিল রয়েছে। ৪৬টি গ্রামসহ পুরো হাওর এলাকার আয়তন প্রায় ১০০ বর্গ কিমি, এর মধ্যে ২৮০২.৩৬ হেক্টর জলাভূমি রয়েছে।
- কেবল সুনামগঞ্জ নয়, গোটা বাংলাদেশেই হাওরটি শীতের অতিথি পাখিদের ‘স্বর্গরাজ্য’ হিসেবে পরিচিত। প্রতি বছর এখানে প্রায় ২০০ প্রজাতির অতিথি পাখির আগমন ঘটে।
- টাঙ্গুয়ার হাওরকে ২০০০ সালের ১০ জুলাই ১০৩১তম রামসার সাইট ঘোষণা করা হয়।

উৎস: সুনামগঞ্জ জেলা ওয়েবসাইট এবং বাংলাপিডিয়া।
৮৯৪.
নিচের কোন বিভাগের সবগুলো জেলা সীমান্তবর্তী?
  1. খুলনা
  2. রংপুর
  3. ময়মনসিংহ
  4. চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
• সীমান্তবর্তী জেলা:
- বাংলাদেশে মোট বিভাগ ৮টি তার মধ্যে ২টি বিভাগের সবগুলো জেলা সীমান্তবর্তী।
- বিভাগগুলো হলো - ময়মনসিংহ ও সিলেট।
- ময়মনসিংহ বিভাগের সীমান্ত সংলগ্ন জেলাগুলো হলো- জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা।
- সিলেট বিভাগের সীমান্ত সংলগ্ন জেলাগুলো হলো- সুনামগঞ্জ, সিলেট, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ।

সূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৮৯৫.
কোন দুটি টেকটোনিক প্লেটের সংঘর্ষে হিমালয় পর্বতমালার উৎপত্তি ঘটেছে?
  1. আফ্রিকান ও ইউরেশিয়ান প্লেট
  2. ইন্ডিয়ান ও ইউরেশিয়ান প্লেট
  3. প্যাসিফিক ও আমেরিকান প্লেট
  4. প্যাসিফিক ও ইউরেশিয়ান প্লেট
ব্যাখ্যা

হিমালয় পর্বতমালা:
- হিমালয় এশিয়ার একটি পর্বতমালা।
- এটি অনেকগুলো পর্বতের সমন্বয়ে গঠিত যা তিব্বতীয় মালভূমি থেকে ভারতীয় উপমহাদেশকে পৃথক করেছে।
- ভূ-তত্ত্ববিদদের ধারণা অনুযায়ী, ভারতীয় প্লেট ও ইউরেশিয়ান প্লেটের সংঘর্ষে হিমালয় সৃষ্টি হয়েছে।
- বিশ্বের তিনটি প্রধান নদী- সিন্ধু, ব্রহ্মপুত্র ও গঙ্গার উৎপত্তি হয়েছে এই পর্বতমালা থেকেই।
- হিমালয়ের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গের নাম মাউন্ট এভারেস্ট। এটি বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ। এভারেস্টের উচ্চতা ৮,৮৪৮.৮৬ মিটার বা ২৯,০৩২ ফুট।

উল্লেখ্য,
- হিমালয় পর্বতমালার উত্তর-পশ্চিমে হিন্দুকুশ এবং কারাকোরাম পর্বতমালা এবং উত্তরে তিব্বতের উচ্চ ও বিশাল মালভূমি অবস্থিত ।
- আফগানিস্তান, পাকিস্তান, ভারত, চীন, নেপাল ও ভুটান এশিয়ার এই ছয় দেশে বিস্তৃত হিমালয় পর্বতমালায় বিশ্বের উচ্চতম শৃঙ্গগুলো অবস্থান করছে। 
- এভারেস্ট পর্বতের পর বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ কেটুও হিমালয় পর্বতমালায় অবস্থিত। 
- মাউন্ট এভারেস্ট ও কেটু  ছাড়াও আট হাজার মিটারের বেশি বেশ কিছু পর্বত রয়েছে হিমালয়ে। এর মধ্যে কাঞ্চনজঙ্ঘা, মাকালু, ধবলগিরি, অন্নপূর্ণা পর্বত অন্যতম।

উল্লেখ্য,
- ইউরেশিয়ান প্লেট বিশ্বের সবচেয়ে বড় কনটিনেন্টাল প্লেট, যা ইউরোপ এবং এশিয়া জুড়ে বিস্তৃত।
- ইন্দোঅস্ট্রেলিয়ান প্লেট (বা ইন্ডিয়ান প্লেট) ভারতীয় উপমহাদেশ এবং অস্ট্রেলিয়া অন্তর্ভুক্ত করে। এটি উত্তর দিকে চলমান হয়ে ইউরেশিয়ান প্লেটের সাথে সংঘর্ষ করে, যা হিমালয় গঠনের প্রধান কারণ।
- আফ্রিকান প্লেট ইউরেশিয়ানের সাথে সংঘর্ষ করে মরক্কো থেকে ইউরোপীয় পর্বত গঠন করে, কিন্তু হিমালয়ের জন্য নয়।

উৎস: i) Britannica।
ii) National Geographic।

৮৯৬.
তিস্তা নদীর তীরবর্তী  জেলা কোনটি?
  1. লালমনিরহাট
  2. নীলফামারী
  3. রংপুর
  4. সবকয়টি
ব্যাখ্যা

• তিস্তা নদী:
- তিস্তা নদী (Tista River)  বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি নদী।
- হিন্দু পুরাণ অনুসারে এটি দেবী পার্বতীর স্তন থেকে উৎপন্ন হয়েছে।
- প্রকৃতপক্ষে নদীটির বাংলা নাম তিস্তা এসেছে ‘ত্রি-স্রোতা’ বা ‘তিন প্রবাহ’ থেকে।
- সিকিম হিমালয়ের ৭,২০০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত চিতামু হ্রদ থেকে এ নদীটি সৃষ্টি হয়েছে।
- এটি  দার্জিলিং-এ অবস্থিত শিভক গোলা নামে পরিচিত একটি গিরিসঙ্কটের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।
- দার্জিলিং পাহাড়ে তিস্তা একটি বন্য নদী এবং এর উপত্যকা ঘনবনে আচ্ছাদিত।
- পার্বত্য এলাকায় এর নিষ্কাশন এলাকার পরিমাণ মাত্র ১২,৫০০ বর্গ কিলোমিটার।
- পার্বত্য এলাকা থেকে প্রথমে প্রবাহটি দার্জিলিং সমভূমিতে নেমে আসে এবং পরে পশ্চিমবঙ্গের (ভারত) দুয়ার সমভূমিতে প্রবেশ করে। - নদীটি নিলফামারী জেলার খড়িবাড়ি সীমান্ত এলাকা দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।

- অষ্টাদশ শতকের প্রায় শেষ পর্যন্ত এ ধারাটি বিভিন্ন নদীপ্রবাহের মাধ্যমে  গঙ্গা নদীতে প্রবাহিত হতো।
- ১৭৮৭ সালের অতিবৃষ্টি একটি ব্যাপক বন্যার সৃষ্টি করেছিল এবং সেই সময় নদীটি গতিপথ পরিবর্তন করে লালমনিরহাট, রংপুর, কুড়িগ্রাম এবং গাইবান্ধা জেলার মধ্যদিয়ে প্রবাহিত হয়ে চিলমারী নদীবন্দরের দক্ষিণে  ব্রহ্মপুত্র নদে পতিত হয়।
- তিস্তা নদীর সর্বমোট দৈর্ঘ্য ৩১৫ কিমি, তার মধ্যে ১১৫ কিমি বাংলাদেশ ভূখন্ডে অবস্থিত।

- তিস্তার মাসিক গড় পানি অপসারণের পরিমাণ ২,৪৩০ কিউমেক।
- তিস্তা একসময় করতোয়া নদীর মাধ্যমে গঙ্গার সঙ্গে সংযুক্ত ছিল এবং এর অংশবিশেষ এখনও বুড়ি তিস্তা নামে পরিচিত। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৮৯৭.
'ভেঙ্গী ভেলী'র অবস্থান কোন জেলায়?
  1. ক) রাঙামাটি
  2. খ) খাগড়াছড়ি
  3. গ) বান্দরবান
  4. ঘ) চট্রগ্রাম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ভেলী বা উপত্যকাসমূহ:- 
• বালিশিরা ভেলী : মৌলভীবাজার।
ভেঙ্গী ভেলী : কাপ্তাই (রাঙামাটি)।
• সাজেক ভেলী : রাঙামাটি।
• হালদা ভেলী : খাগড়াছড়ি।
• সাঙ্গু ভেলী : চট্টগ্রাম।
• নাপিত খালী ভেলী : কক্সবাজার।

তথ্যসূত্র:- জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও দৈনিক পত্রিকা।
৮৯৮.
বাংলাদেশের সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম স্থল সীমানা রয়েছে ভারতের কোন রাজ্যের সাথে? 
  1. পশ্চিম বঙ্গ
  2. আসাম 
  3. মেঘালয়
  4. মিজোরাম
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম স্থল সীমানা রয়েছে ভারতের আসাম রাজ্যের সাথে।

• বাংলাদেশের স্থলসীমান্ত:

- বাংলাদেশের স্থলসীমান্ত ভারতের পাঁচটি রাজ্যের সাথে সংযুক্ত। যথা:
- পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, মেঘালয়, ত্রিপুরা এবং মিজোরাম।
- বাংলাদেশের সাথে মেঘালয়ের স্থলসীমান্ত রয়েছে, যা প্রায় ৪৩৬ কিলোমিটার দীর্ঘ।
- আসামের সাথে বাংলাদেশের স্থলসীমান্ত প্রায় ২৬৪ কিলোমিটার।
- ত্রিপুরার সাথে বাংলাদেশের স্থলসীমান্ত প্রায় ৮৭৪ কিলোমিটার।
- বাংলাদেশের সাথে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের স্থলসীমান্ত সবচেয়ে দীর্ঘ, যা প্রায় ২,২৬২ কিলোমিটার।
- সর্বমোট স্থল সীমানা ৪১৫৬ কিলোমিটার।

উৎস: বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড। এবং MAPs of India. [link]

৮৯৯.
বাংলাদেশে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত কোথায় ঘটে?
  1. বালুখালী, রাঙ্গামাটি
  2. কালাপাহাড়, মৌলভীবাজার
  3. লালাখাল, সিলেট
  4. মীরসরাই, চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
বার্ষিক বৃষ্টিপাতে শীর্ষ জেলা: 
বাংলাপিডিয়ার তথ্য অনুসারে, 
- বাংলাদেশে অঞ্চল ভেদে বাৎসরিক গড় বৃষ্টিপাতের তারতম্য রয়েছে।
- পশ্চিম-কেন্দ্রীয় অঞ্চলে এর পরিমাণ ১৫০০ মিমি, উত্তর-পূর্ব এবং দক্ষিণ-পূর্ব অঞ্চলে ৩০০০ মিমি।
- সুরমা উপত্যকা এবং পার্শ্ববর্তী পাহাড়ি অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের হার অতি উচ্চ।
- সিলেটে বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ৪১৮০ মিমি, মেঘালয় মালভূমির পাদদেশ সংলগ্ন সুনামগঞ্জে এর পরিমাণ ৫৩৩০ মিমি এবং লালাখাল (জৈন্তিয়াপুর উপজেলা) নামক স্থানে ৬৪০০ মিমি।
- বাংলাদেশে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত ঘটে থাকে এই লালাখালে।
- মেঘালয়ের চেরাপুঞ্জি সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক উপজেলা থেকে সরাসরি উত্তর দিকে মাত্র ১৬ কিমি দূরে অবস্থিত।
- চেরাপুঞ্জিতে বাৎসরিক গড় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ বিস্ময়কর রকমের বেশি, ১০৮২০ মিমি। 

জেলার ওয়েবসাইট অনুসারে,
- সিলেট জেলার বার্ষিক মোট বৃষ্টিপাত: ৩৩৩৪ মিমি.। 
- চট্টগ্রাম জেলার বার্ষিক বৃষ্টিপাত ৩,১৯৪ মিমি।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৯০০.
দুইদেশের সাথে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী একমাত্র জেলা কোনটি?
  1. রাঙ্গামাটি
  2. খাগড়াছড়ি
  3. বান্দরবান
  4. কক্সবাজার
ব্যাখ্যা
সীমান্তবর্তী জেলা:
- বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা মোট ৩২টি।  
- ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সীমান্তবর্তী বাংলাদেশের একমাত্র জেলা রাঙ্গামাটি।
- তার মধ্যে - ভারতের সাথে ৩০টি জেলার এবং মিয়ানমারের সাথে ৩টি (কক্সবাজার, রাঙ্গামাটি ও বান্দরবান) জেলার সীমান্ত রয়েছে।
- অর্থাৎ রাঙ্গামাটি একমাত্র জেলা যার সাথে ভারত ও মিয়ানমার ২টি দেশের সাথেই সীমান্ত রয়েছে।

⇒ অন্যদিকে,
- বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী ভারতের রাজ্য ৫টি। যথা- আসাম, মিজোরাম, ত্রিপুরা, মেঘালয় ও পশ্চিমবঙ্গ।
- উত্তরে- ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, আসাম ও মেঘালয় প্রদেশ।
- পূবে - ভারতের আসাম, ত্রিপুরা ও মিজোরাম প্রদেশ এবং মিয়ানমার।
- দক্ষিণে - বঙ্গোপসাগর, আন্দামান নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ (ভারত), মিয়ানমার।
- পশ্চিমে - ভারতের পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন এবং ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণি।