ব্যাখ্যা
এগুলো হলো:
- ইরান
- ইরাক
- কুয়েত
- সৌদি আরব
- বাহরাইন
- কাতার
- ওমান ও
- সংযুক্ত আরব আমিরাত।
- ইয়েমেন পারস্য উপসাগরীয় রাষ্ট্র নয়।
(তথ্যসূত্রঃ ব্রিটানিকা)
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ৮ / ১৭ · ৭০১–৮০০ / ১,৬৩৯
- কুমেরুবৃত্ত পৃথিবীর দক্ষিণ গোলার্ধে অবস্থিত একটি কাল্পনিক অক্ষাংশ রেখা, যা প্রায় ৬৬.৫° দক্ষিণ অক্ষাংশে অবস্থিত।
- এটি দক্ষিণ মেরু অঞ্চলের সীমানা নির্ধারণ করে।
• অক্ষাংশ:
- ২৩.৫° উত্তর অক্ষাংশকে কর্কটক্রান্তি (Tropic of Cancer) বলে।
- ২৩.৫° দক্ষিণ অক্ষাংশকে বলে মকরক্রান্তি (Tropic of Capricorn)।
- ৬৬.৫° উত্তর অক্ষাংশকে বলে সুমেরুবৃত্ত (Arctic Circle) এবং
- ৬৬.৫° দক্ষিণ অক্ষাংশকে বলে কুমেরুবৃত্ত (Antarctic Circle)।
- বিষুবরেখাকে মহাবৃত্ত বা গুরুবৃত্ত বলে।
তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের পাহাড়গুলো মূলত টারশিয়ারি যুগের ভূমিরূপের উদাহরণ।
পার্বত্য চট্টগ্রাম:
- পার্বত্য চট্টগ্রাম (Chittagong Hill Tracts) দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে বাংলাদেশের একমাত্র ব্যাপক পাহাড়ি অঞ্চল (২১°২৫´ উত্তর অক্ষাংশ থেকে ২৩°৪৫´ উত্তর অক্ষাংশ ও ৯১°৫৪´ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ থেকে ৯২°৫০´ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ)।
- এর দক্ষিণ-পূর্ব সীমান্তে মায়ানমার, উত্তরে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য, পূর্বে মিজোরাম এবং পশ্চিমে চট্টগ্রাম জেলা অবস্থিত।
• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ:
- টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় যে সকল পর্বতের উৎপত্তি হয়েছে সেগুলো টারশিয়ারি যুগের পাহাড় হিসেবে পরিচিত।
- বাংলাদেশের মোট ভূমির ১২ শতাংশ এলাকা নিয়ে টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ গঠিত।
- আজ থেকে প্রায় ২০ লক্ষ বছর পূর্বের সময়কে টারশিয়ারি যুগ বলা হয়।
- এ পাহাড়সমূহ বেলেপাথর, শেল ও কদম দ্বারা গঠিত।
- রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম, সিলেট, মৌলভীবাজার এবং হবিগঞ্জের পাহাড়সমূহ টারশিয়ারি যুগের অন্তর্ভুক্ত।
- এ পাহাড়সমূহ আসামের লুসাই এবং মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগোত্রীয় বলে ধারণা করা হয়।
⇒ টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহকে দুইভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা:
ক. দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ:
- রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি এবং কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম জেলার পূর্বাংশ এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
খ. উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ:
- ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা জেলার উত্তরাংশ, সিলেট জেলার উত্তর ও উত্তর- পূর্বাংশ এবং মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার দক্ষিণের পাহাড়গুলো এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
উল্লেখ্য,
- ভূপ্রকৃতি অনুযায়ী বাংলাদেশকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো:
• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ,
• প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ এবং
• সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।
উৎস: i) ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
- ১৯৪৯ সালে আরব-ইসরায়েল যুদ্ধের শেষে আর্মিস্টিস বর্ডার চুক্তির অংশ হিসাবে লেবানন এবং ইসরায়েলের মধ্যে বেশিরভাগ সীমান্ত সংজ্ঞায়িত করা হয়েছিল। এই সীমানাকে গ্রীন লাইন বলা হয়।
- ১৯৬৭ সালে ছয় দিনের যুদ্ধের আগ পর্যন্ত এই দুই দেশের সীমান্ত অবস্থান একই ছিল, যখন ইসরাইল সিরিয়া থেকে গোলান হাইটস অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ নেয়।
- ১৯৭৮ সালে, ইসরায়েলি বাহিনী প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশনের হাতে টিকে থাকা দেশটিতে আক্রমণের প্রতিক্রিয়া হিসাবে লেবাননে আক্রমণ করেছিল।
- এই আগ্রাসনের সময় ইসরাইল লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলের একটি বড় অংশ দখল করে নেয়। লেবানন সরকার জাতিসংঘের কাছে সহায়তার অনুরোধ করেছিল এবং এই আগ্রাসনটি তখন এই আন্তর্জাতিক সংস্থার মধ্যস্থতা করেছিল, যেটি ইসরায়েলকে তার সৈন্য অপসারণের আহ্বান জানায়।
কয়েক বছর পরে, জাতিসংঘ এই দুটি দেশের মধ্যে একটি সীমানা তৈরি করে যা ব্লু লাইন নামে পরিচিত।
- ইসরায়েল তার সৈন্য প্রত্যাহারের আদেশ অনুসরণ করেছে কিনা তা নির্ধারণ করতে এই ব্লু লাইন ব্যবহার করা হয়েছিল।
- ২০০০ সালের মে পর্যন্ত ইসরায়েলি সৈন্যদের সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করা হয়নি। গ্রীন লাইন এবং ব্লু লাইন প্রায় অভিন্ন, যদিও কোনটিই এই দুই দেশের মধ্যে আনুষ্ঠানিক বা অফিসিয়াল সীমান্ত হিসাবে কাজ করার উদ্দেশ্যে ছিল না।
উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস ও হিস্টরি.কম।• বাংলাদেশ:
- এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণে বাংলাদেশের অবস্থান।
- বাংলাদেশের অবস্থান ২০°৩৪' উত্তর অক্ষরেখা হতে ২৬°৩৮' উত্তর অক্ষরেখার মধ্যে এবং ৮৮°০১' পূর্ব দ্রাঘিমা রেখা হতে ৯২°৪১' পূর্ব দ্রাঘিমা রেখার মধ্যে।
- বাংলাদেশের মাঝখান দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে।
- বাংলাদেশের গড় তাপমাত্রা ২৬.০১⁰ সেলসিয়াস।
- গড় বৃষ্টিপাত ২০৩⁰ সেন্টিমিটার।
- উষ্ণতম মাস: এপ্রিল, গড় তাপমাত্রা ২৮° সেলসিয়াস।
- শীতলতম মাস: জানুয়ারি, গড় তাপমাত্রা ১৭.৭° সেলসিয়াস।
তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি ও ওয়ার্ল্ড এটলাস।
দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরের সকল দ্বীপকে একত্রে ওশেনিয়া বলে। এটি বিশ্বের ক্ষুদ্রতম মহাদেশ।
ওশেনিয়া মহাদেশের গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলঃ
অস্ট্রেলেশিয়াঃ ১। অস্ট্রেলিয়া ও ২। নিউজিল্যান্ড।
পলিনেশিয়াঃ ১। সামোয়া, ২। টোঙ্গা ও ৩। টুভ্যালু।
মেলানেশিয়াঃ ১। পাপুয়া নিউগিনি, ২। সলোমন দ্বীপপুঞ্জ, ৩। ভানুয়াতু ও ৪। ফিজি।
মাইক্রোনেশিয়াঃ ১। ফেডারেল স্টেট অব মাইক্রোনেশিয়া, ২। কিরিবাতি, ৩। নাউরু, ৪। মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ ও ৫। পালাউ।
সূত্র- worldatlas ওয়েবসাইট।
- ”বাটালি পাহাড়” চট্টগ্রাম জেলায় অবস্থিত।
- এটি চট্টগ্রাম শহরের সবচেয়ে উঁচু পাহাড় হিসেবে স্বীকৃত।
- চট্টগ্রামের লালখানবাজার, টাইগারপাস ও আমবাগানের বিস্তৃত এলাকাজুড়ে বাটালি পাহাড়ের অবস্থান।
- এই পাহাড়ের চূড়া থেকে একঝলকে পুরো শহরসহ বঙ্গোপসাগর দেখা যায়।
- এই পাহাড় এর চূড়ায় মুক্তিযুদ্ধের স্মারকও রয়েছে।
উৎস: প্রথম আলো ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
♦ বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতি:
- বাংলাদেশ পৃথিবীর অন্যতম বৃহত্তম ব-দ্বীপ।
- এদেশের ভূ-খন্ড উত্তর দিক থেকে দক্ষিণ দিকে ক্রমশ ঢালু হয়ে বিস্তৃত।
- উত্তর-পূর্ব এবং দক্ষিণ-পূর্ব দিকের পাহাড়ি অংশ ব্যতীত সমগ্র দেশ নদীবিধৌত পলল দ্বারা গঠিত সমভূমি।
⇒ ভূ-প্রকৃতির ভিন্নতার উপর ভিত্তি করে বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতিকে ৩টি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ।
• প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ।
• সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।
♦ টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ:
- টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় যে সকল পর্বতের সৃষ্টি হয়েছে সেগুলো টারশিয়ারি যুগের পাহাড় নামে পরিচিত।
- আজ থেকে প্রায় ২০ লক্ষ বছর পূর্বের সময়কে টারশিয়ারি যুগ বলা হয়।
- রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম, সিলেট, মৌলভীবাজার এবং হবিগঞ্জের পাহাড়গুলো টারশিয়ারি যুগের।
- এ পাহাড়গুলোকে আসামের লুসাই এবং মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগোত্রীয় বলে ধারণা করা হয়।
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ বেলেপাথর, শেল ও কর্দম দ্বারা গঠিত।
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহকে আবার দুইভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো-
• দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ।
• উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ।
♦ প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ:
- আজ থেকে আনুমানিক প্রায় ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকাল বলে।
- এ অঞ্চলের মাটির রং লাল ও ধূসর।
- দেশের উত্তর-পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভূমি, মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় বা উচ্চভূমি এর অন্তর্ভুক্ত।
- প্লাইস্টোসিনকালে এসব উচ্চভূমি গঠিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়।
♦ সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি:
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড় এবং প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ ব্যতীত সমগ্র দেশ সাম্প্রতিককালের পলি দ্বারা গঠিত এক বিস্তীর্ণ সমভূমি।
- এই প্লাবন সমভূমির বয়স ১২,০০০ বছরের কম।
- পদ্মা, মেঘনা, যমুনা প্রভৃতি প্রধান নদীসহ অসংখ্য উপনদী এবং শাখানদী জালের ন্যায় সমগ্র দেশে ছড়িয়ে রয়েছে।
- বন্যার সঙ্গে বাহিত পলিমাটি সঞ্চিত হয়ে দেশের বিস্তীর্ণ এলাকায় এই প্লাবন সমভূমি সৃষ্টি হয়েছে।
- এ প্লাবন সমভূমির আয়তন প্রায় ১,২৪,২৬৬ বর্গকিলোমিটার।
- এ অঞ্চলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো বিক্ষিপ্তভাবে ছড়িয়ে থাকা অসংখ্য জলাভূমি ও নিম্নভূমি। স্থানীয়ভাবে এগুলোকে বিল, ঝিল ও হাওড় বলে।
- রাজশাহী অঞ্চলের চলনবিল, ঢাকার আড়িয়াল বিল, গোপালগঞ্জের বিল, সুনামগঞ্জ, সিলেট, মৌলভীবাজার, ময়মনসিংহ এবং শেরপুর জেলার হাওড় ও বিল উল্লেখযোগ্য।
- মেঘনা নদীর মোহনায় হাতিয়া, সন্দ্বীপ, শাহবাজপুর এবং ভোলা জেলায় বেশ কিছু দ্বীপ অবস্থিত। এছাড়া দক্ষিণ উপকূলে আরও কিছু ছোট ছোট দ্বীপ রয়েছে।
তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
বাংলাদেশের সীমানা:
- বাংলাদেশ এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব দিকে অবস্থিত।
- তিনদিকের মূলভাগ ভারত ও মিয়ানমার দ্বারা বেষ্টিত এবং দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর অবস্থিত।
- বাংলাদেশের আয়তন- ১,৪৭,৫৭০ বর্গ কি.মি.।
- পৃথিবীর বৃহত্তম ব-দ্বীপ- বাংলাদেশ।
- বাংলাদেশের মোট সীমান্ত দৈর্ঘ্য ৫১৩৮ কিলোমিটার।
- ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সাথে বাংলাদেশের ৩২টি জেলার সীমান্ত রয়েছে।
- ভারতের সাথে ৩০টি এবং মিয়ানমারের সাথে ৩টি।
উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের সাথে ভারতের সীমানা ৪১৫৬ কি.মি।
- বাংলাদেশের সমুদ্র উপকূলের দৈর্ঘ্য ৭১১ কি.মি.।
- কক্সবাজার সমুদ্র উপকূলের দৈর্ঘ্য ১৫৫ কিলোমিটার।
- বাংলাদেশের রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা ১২ নটিক্যাল মাইল।
- বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা ২০০ নটিক্যাল মাইল।
উৎস: i) ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
বাংলাদেশের সীমানা:
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের সীমান্তবর্তী স্থান বাংলাবান্ধা।
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের উপজেলার তেঁতুলিয়া।
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড়।
- বাংলাদেশের সর্ব পূর্বের স্থান আখাইনঠং।
- বাংলাদেশের সবচেয়ে পূর্বের উপজেলা থানচি।
- বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের স্থান মনাকষা।
- বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের উপজেলা শিবগঞ্জ।
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের স্থান ছেড়াদ্বীপ।
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের উপজেলা টেকনাফ।
উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
- পাপুয়া নিউ গিনি দক্ষিণ-পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরের একটি দ্বীপরাষ্ট্র।
- এটি নিউ গিনির পূর্ব অর্ধেক দখল করে আছে, যা বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম দ্বীপ।
- পাপুয়া নিউ গিনিতে বিসমার্ক দ্বীপপুঞ্জ, বোগেনভিল, বুকা (সলোমন দ্বীপপুঞ্জ শৃঙ্খলের অংশ), ছোট ছোট উপকূলীয় দ্বীপপুঞ্জ এবং অ্যাটলও রয়েছে।
- পাপুয়া নিউ গিনি নিরক্ষরেখার দক্ষিণ থেকে টরেস প্রণালী পর্যন্ত বিস্তৃত, যা নিউ গিনিকে অস্ট্রেলিয়ার উত্তরতম সম্প্রসারণ, কেপ ইয়র্ক উপদ্বীপ থেকে পৃথক করে।
- দেশের রাজধানী- পোর্ট মোরেসবি,
গুরুত্বপূর্ণ দ্বীপ:
⇒ প্রশান্ত মহাসাগর:
- পাপুয়া নিউ গিনি, হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জ, নিউজিল্যান্ড, ফিলিপাইন, পালাউ, নাউরু, তাহিতি, ফিজি, সলোমান দ্বীপপুঞ্জ ইত্যাদি।
⇒ আটলান্টিক মহাসাগর:
- যুক্তরাজ্য, বাহামা, বারমুডা, গ্রিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড, জ্যামাইকা, ডোমিনিকান প্রজাতন্ত্র, কিউবা ইত্যাদি।
⇒ ভারত মহাসাগর:
- মাদাগাস্কার, সেইসিলিশ, মরিশাস, দিয়াগো গার্সিয়া, মালদ্বীপ, আন্দামান ও নিকোবর, মালাগাছি ইত্যাদি।
উৎস: World Atlas, ব্রিটানিকা।
• চেঙ্গী নদী:
- খাগড়াছড়ির প্রধান নদী চেঙ্গী।
- ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যে এর উৎপত্তি। রাজ্যটির আঠারমুড়া থেকে শুরু হয়ে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে এটি মহালছড়িতে এসে কাপ্তাই লেকে মিলিত হয়েছে।
- এই নদীর অববাহিকায় রয়েছে লোগং, পানছড়ি, ভাইবোনছড়া, খাগড়াছড়ি, মাইসছড়ি ও মহালছড়ি।খাগড়াছড়ির মধ্য দিয়ে বয়ে চলা নদীটির নাম চেঙ্গি।
- এটি চিংড়ি নদী নামেও পরিচিত।
- পাহাড়ের মধ্য দিয়ে এঁকেবেঁকে চলা এই নদীর দৈর্ঘ্য ৯৬ কিলোমিটার এবং গড় প্রস্থ ৭৭ মিটার।
তথ্যসূত্র: মহালছড়ি উপজেলা ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
পেত্রা নগরী (Petra):
- পেত্রা হলো জর্ডানের দক্ষিণে অবস্থিত একটি প্রাচীন নগরী।
- এটি নাবাতীয় রাজ্যের রাজধানী ছিল।
- নাবাতীয় আরবরা খ্রিস্টপূর্ব ৪র্থ শতকে পেত্রা নির্মাণ করে।
- পেত্রা শব্দের অর্থ ‘পাথর’ বা ‘শিলা’।
- সম্পূর্ণ শহরটি লালচে বেলেপাথরের পাহাড় কেটে নির্মিত।
- বিখ্যাত স্থাপনাগুলির মধ্যে রয়েছে আল-খাজনে (The Treasury) ও আদ-দেইর (The Monastery)।
- পেত্রার স্থাপত্যে হেলেনিস্টিক ও প্রাচ্য শৈলীর মিশ্রণ দেখা যায়।
- রোমান দখলের পর শহরটি ধীরে ধীরে গুরুত্ব হারায়।
- ১৮১২ সালে সুইস অভিযাত্রী জোহান লুডভিগ বার্কহার্ট পেত্রা পুনরাবিষ্কার করেন।
- ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো পেত্রাকে বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে ঘোষণা করে।
- ২০০৭ সালে এটি বিশ্বের নতুন সাত আশ্চর্যের একটি হিসেবে নির্বাচিত হয়।
- পেত্রাকে তার লালচে পাথরের জন্য “রোজ-রেড সিটি” বলা হয়।
উৎস: ব্রিটানিকা।
• আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ:
- আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ যা বঙ্গোপসাগর এবং আন্দামান সাগরকে পৃথক করে।
- দুটি প্রধান দ্বীপগুচ্ছ নিয়ে গঠিত, আন্দামান দ্বীপপুঞ্জ ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ।
- এই দ্বীপপুঞ্জগুলো বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত।
- এবং ভারতের অধীনস্থ অঞ্চল হিসেবে পরিচিত।
- আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে মোট ৫৭২টি দ্বীপ রয়েছে্
উল্লেখ্য
- ২০০৪ সালে, ভারত মহাসাগরে সংঘটিত হয়।
- শক্তিশালী ভূমিকম্পের ফলে সৃষ্ট সুনামি এই দ্বীপপুঞ্জে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ করে।
উৎস: World Atlas.
• বিভিন্ন নদীর উৎপত্তিস্থল:
- পদ্মা নদীর উৎপত্তিস্থল গঙ্গা নামে হিমালয় পর্বতের গাঙ্গোত্রী হিমবাহ।
- মেঘনা নদীর উৎপত্তিস্থল আসামের লুসাই পাহাড়।
- যমুনা নদীর উৎপত্তিস্থল ব্ৰহ্মপুত্ৰ নামে কৈলাশ শৃঙ্গের মানস সরোবর হ্রদ।
- কর্ণফুলী নদীর উৎপত্তিস্থল মিজোরামের লুসাই পাহাড়।
- করতোয়া নদীর উৎপত্তিস্থল সিকিমের পার্বত্য অঞ্চল।
- সাঙ্গু নদীর উৎপত্তিস্থল মিয়ানমার-বাংলাদেশ সীমানার আরাকান পাহাড়।
- হালদা নদীর উৎপত্তিস্থল খাগড়াছড়ির বাদানাতলী পর্বতশৃঙ্গ।
- মহানন্দা নদীর উৎপত্তিস্থল মহালড্রীম, দার্জিলিং।
তথ্যসূত্র: ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্রহ্মপুত্র নদ:
- ব্রহ্মপুত্র নদ হিমালয় পর্বতের কৈলাস শৃঙ্গের নিকটে মানস সরোবর থেকে উৎপন্ন হয়েছে।
- এটি প্রথমে তিব্বতের উপর দিয়ে পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়েছে।
- পরে আসামের ভিতর দিয়ে পশ্চিম দিকে প্রবাহিত হয়েছে।
- ব্রহ্মপুত্রনদ কুড়িগ্রাম জেলার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
- দেওয়ানগঞ্জের কাছে নদটি দক্ষিণ-পূর্ব দিকে বাঁক নিয়েছে।
- এরপর ময়মনসিংহ জেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।
- ভৈরববাজারের দক্ষিণে এটি মেঘনা নদীতে পতিত হয়েছে।
- ধরলা ও তিস্তা ব্রহ্মপুত্রের প্রধান উপনদী।
- বংশী ও শীতলক্ষ্যা ব্রহ্মপুত্রের প্রধান শাখানদী।
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।
• বর্তমানে বাংলাদেশে কার্যকর বিভাগ সংখ্যা ৮টি।
• এর মধ্যে ৬ বিভাগের সাথে আন্তর্জাতিক সীমান্ত থাকলেও ঢাকা ও বরিশাল বিভাগের সাথে কোনো আন্তর্জাতিক সীমান্ত নেই।
• ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সাথে বাংলাদেশের ৩২টি জেলার সীমান্ত রয়েছে।
উৎসঃ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ এর ওয়েবসাইট।
সিনাই উপদ্বীপ মিশরে অবস্থিত ত্রিভুজ আকৃতির একটি উপদ্বীপ।
১৯৬৭ সালের যুদ্ধে ইসরায়েল সিনাই উপদ্বীপ দখল করে নেয়। ১৯৭৩ সালে মিশর সিনাই উপদ্বীপ দখলে নিতে যুদ্ধে লিপ্ত হয়। ১৯৭৯ সালের ইসরাইল ও মিশরের মধ্যে শান্তি চুক্তি হয়।
১৯৮২ সালে চুক্তির আওতায় ইসরাইল তাদের সেনাদের প্রত্যাহার করে নেয়।
উৎসঃ Aljajera.com
• দক্ষিণ গোলার্ধে অক্ষাংশ নির্ণয় করার সূত্র হলো:
- অক্ষাংশ = ৯০°−(মধ্যাহ্ন সূর্যের উন্নতি) + বিষুবলম্ব (দক্ষিণ হলে -, উত্তর হলে +)।
- এখানে, মধ্যাহ্ন সূর্যের উন্নতি = ৪৫°,
- বিষুবলম্ব = ১০° দক্ষিণ।
∴ অক্ষাংশ = ৯০°− ৪৫°+ ১০°
= ৪৫°+১০°
=৫৫°দক্ষিণ অক্ষাংশ
- অতএব, ঐ স্থানের অক্ষাংশ = ৫৫° দক্ষিণ।
উৎস: মানচিত্র পঠন ও ব্যবহার, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
পূর্ববঙ্গ জমিদারি দখল ও প্রজাসত্ব আইন (১৯৫০ খ্রি.)
গণদাবির কারণে মুসলিম লীগ সরকার ১৯৪৮ সালের ৩১ মার্চ পূর্ববঙ্গ জমিদারি দখল ও প্রজাসত্ব বিল উপস্থাপন করে। বহুবিতর্কের পর ১৯৫০ সালের ডিসেম্বর মাসে বিলটি আইনে পরিণত হয়। এ আইনের ফলে জমিদারি প্রথা বিলুপ্ত হয়।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।
• সোনাদিয়া দ্বীপ:
- কক্সবাজার শহর থেকে প্রায় ৭ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে সোনাদিয়া দ্বীপটি অবস্থিত।
- মহেশখালীর দক্ষিণ-পশ্চিমে বঙ্গোপসাগরের কুল ঘেঁষে সোনাদিয়ার অবস্থান।
- সোনাদিয়া দ্বীপটি মহেশখালীর কুতুবজোম ইউনিয়নে অবস্থিত।
- ঘটিভাঙ্গা নামে একটি খাল মহেশখালী দ্বীপের সাথে একসময় সোনাদিয়াকে বিচ্ছিন্ন রাখলেও খালের ওপর সেতু নির্মিত হওয়ায় যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ হয়েছে।
উৎস: কক্সবাজার জেলা ওয়েবসাইট।
• ব-দ্বীপ অঞ্চল:
- বাংলাদেশের সমগ্র দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল নিয়ে ব-দ্বীপ গঠিত হয়েছে।
- কুষ্টিয়া, যশোর, রাজশাহী, পাবনা ও ঢাকা জেলার অংশবিশেষ এবং খুলনা, পটুয়াখালী, বরিশাল ও ফরিদপুর এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
- বাংলাদেশের অধিকাংশ নদীগুলো এ অঞ্চলের উপর অথবা পাশ দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।
- ফলে সর্বদা এ অঞ্চল নদী বিধৌত পলি দ্বারা প্লাবিত।
- নদীর মোহনায় অনেকগুলো দ্বীপের সৃষ্টি হয়েছে। তার মধ্যে অন্যতম হল ভোলা, হাতিয়া, সন্দ্বীপ ও তালপট্টি।
- এ অঞ্চলের উপর দিয়ে প্রবাহিত নদীগুলো হল পদ্মা, যমুনা, মেঘনা, গড়াই, আড়িয়াল খাঁ, কপোতাক্ষ, মধুমতি ইত্যাদি।
- ফলে পূর্ব অংশের ভূমি প্রায় প্রতিবছর প্লাবিত থাকে।
- অপরদিকে, খুলনা ও পটুয়ালালি জেলার দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের তীরে গড়ে উঠেছে বাংলাদেশের প্রধান বনাঞ্চল সুন্দরবন।
উৎস: ভূগোল, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান:
• সর্ব উত্তরের অবস্থান
- স্থান: বাংলাবান্ধা।
- উপজেলা: তেঁতুলিয়া।
- জেলা: পঞ্চগড়।
• সর্ব পূর্বের অবস্থান
- স্থান: আখাইনঠং।
- উপজেলা: থানচি।
- জেলা: বান্দরবান।
• সর্ব পশ্চিমের অবস্থান
- স্থান: মনাকষা।
- উপজেলা: শিবগঞ্জ।
- জেলা: চাঁপাইনবাবগঞ্জ।
• সর্ব দক্ষিণের অবস্থান
- স্থান: ছেড়াদ্বীপ (সেন্ট মার্টিন দ্বীপ)।
- উপজেলা: টেকনাফ।
- জেলা: কক্সবাজার।
উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
• দক্ষিণ আমেরিকা:
- দক্ষিণ আমেরিকা হলো বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম মহাদেশ।
- এটি উত্তরে এবং উত্তর-পশ্চিমে ক্যারিবিয়ান সাগর, উত্তর-পূর্ব, পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্বে আটলান্টিক মহাসাগর এবং পশ্চিমে প্রশান্ত মহাসাগর দ্বারা বেষ্টিত।
- মহাদেশের মোট আয়তন প্রায় ৬,৮৭৮,০০০ বর্গমাইল (১৭,৮১৪,০০০ বর্গকিমি)।
- দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশে ১২টি সার্বভৌম দেশ রয়েছে।
- প্রধান দেশগুলো হলো:
- আর্জেন্টিনা, বলিভিয়া, ব্রাজিল, চিলি, কলম্বিয়া, ইকুয়েডর, গায়ানা, প্যারাগুয়ে, পেরু, সুরিনাম, উরুগুয়ে এবং ভেনিজুয়েলা।
- এর মধ্যে ব্রাজিল বৃহত্তম দেশ, আর সুরিনাম ক্ষুদ্রতম দেশ।
- দক্ষিণ আমেরিকার সর্বশেষ স্বাধীন দেশ হলো সুরিনাম।
- এটি ১৯৭৫ সালের ২৫ নভেম্বর নেদারল্যান্ডস থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।
- এই মহাদেশের স্থলবেষ্টিত (landlocked) দেশ হলো- বলিভিয়া ও প্যারাগুয়ে।
- দক্ষিণ আমেরিকার দীর্ঘতম পর্বতমালা হলো আন্দিজ পর্বতমালা।
- এর পশ্চিম উপকূলে অবস্থিত চিলি পৃথিবীর দীর্ঘতম এবং সবচেয়ে সরু দেশ।
- এই মহাদেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ হলো অ্যাকনকাগুয়া পর্বত (আর্জেন্টিনা)।
- এবং নিম্নতম স্থান হলো লাগুনা দেন কার্বন (আর্জেন্টিনা)
- বিশ্বের বৃহত্তম হ্রদ হলো টিটিকাকা হ্রদ, যা দক্ষিন আমেরিকার পেরু ও বলিভিয়ার সীমান্তে অবস্থান করে।
- এই মহাদেশের বৃহত্তম রেইনফরেস্ট হলো আমাজন বন।
- তাছাড়া এই মহাদেশেই অবস্থিত ইকুয়েডর চির বসন্তের দেশ হিসেবে পরিচিত।
উৎস: Britannica ও World Atlas.
কাঞ্চনজঙ্ঘা পর্বতশৃঙ্গ:
- কাঞ্চনজঙ্ঘা পর্বতশৃঙ্গ ভারত এবং নেপালের সীমান্তে অবস্থিত।
- এটি পূর্ব হিমালয়ে অবস্থিত, উত্তর-পূর্ব ভারতের সিকিম রাজ্য এবং পূর্ব নেপালের সীমান্তে অবস্থিত।
- এটি বিশ্বের তৃতীয় সর্বোচ্চ এবং ভারতের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ।
- এর উচ্চতা ৮,৫৮৬ মিটার।
- এই পর্বতটি গ্রেট হিমালয় পর্বতমালার অংশ।
উৎস: Britannica.
• সর্ব পশ্চিম:
- বাংলাদেশের সবচেয়ে পশ্চিমের বিভাগ: রাজশাহী।
- বাংলাদেশের সবচেয়ে পশ্চিমের জেলা: চাঁপাইনবাবগঞ্জ।
- বাংলাদেশের সবচেয়ে পশ্চিমের উপজেলা: শিবগঞ্জ।
- এবং বাংলাদেশের সবচেয়ে পশ্চিমের স্থান: মনাকষা।
উল্লেখ্য,
• সর্ব উত্তর:
- বাংলাদেশের সবচেয়ে উত্তরের বিভাগ: রংপুর।
- বাংলাদেশের সবচেয়ে উত্তরের জেলা হিসেবে পরিচিত পঞ্চগড়।
- বাংলাদেশের সবচেয়ে উত্তরের উপজেলা: তেতুলিয়া।
- বাংলাদেশের সবচেয়ে উত্তরের স্থান হলো: বাংলাবান্ধা।
• সর্ব পূর্ব:
- বাংলাদেশের সবচেয়ে পূর্বের বিভাগ: চট্টগ্রাম।
- বাংলাদেশের সবচেয়ে পূর্বের জেলা: বান্দরবান।
- বাংলাদেশের সবচেয়ে পূর্বের উপজেলা: থানচি।
- বাংলাদেশের সবচেয়ে পূর্বের স্থান হলো আখাইনঠং।
• সর্ব দক্ষিণ:
- বাংলাদেশের সবচেয়ে দক্ষিণের বিভাগ: চট্টগ্রাম।
- বাংলাদেশের সবচেয়ে দক্ষিণের জেলা: কক্সবাজার।
- বাংলাদেশের সবচেয়ে দক্ষিণের উপজেলা: টেকনাফ।
- বাংলাদেশের সবচেয়ে দক্ষিণের স্থান: ছেঁড়াদ্বীপ।
উৎস: সংশ্লিষ্ট জেলার সরকারি ওয়েবসাইট।
বাংলাদেশের ভৌগলিক অবস্থান:
সর্ব উত্তর:
- স্থান: বাংলাবান্ধা।
- উপজেলা: তেঁতুলিয়া।
- জেলা: পঞ্চগড়।
• সর্ব পূর্ব:
- স্থান: আখাইনঠং।
- উপজেলা: থানচি।
- জেলা: বান্দরবান।
• সর্ব পশ্চিম:
- স্থান: মনাকষা।
- উপজেলা: শিবগঞ্জ।
- জেলা: চাঁপাইনবাবগঞ্জ।
• সর্ব দক্ষিণ:
- স্থান: ছেড়াদ্বীপ।
- উপজেলা: টেকনাফ।
- জেলা: কক্সবাজার।
উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
- ভেনিজুয়েলা ক্যারিবিয়ান অঞ্চলে অবস্থিত নয়।
- এটি দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের একটি দেশ।
• ক্যারিবিয়ান দেশসমূহ:
- উত্তর আমেরিকার মূল ভূখণ্ডের দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত।
- এ অঞ্চলের সার্বভৌম দেশ: মোট ১৩টি। যথা-
- হাইতি,
- জামাইকা,
- সেন্ট কিটস ও নেভিস,
- সেন্ট লুসিয়া,
- সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইনস,
- ত্রিনিদাদ ও টোবাগো,
- অ্যান্টিগুয়া ও বারবুডা
- বাহামাস
- বার্বাডোস।
- কিউবা
- ডমিনিকা
- ডোমিনিকান প্রজাতন্ত্র
- গ্রানাডা।
উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।
বাংলাদেশের বিভিন্ন চরসমূহ:
- সুন্দরবনের চরসমূহ: দুবলার চর, পাটনি চর।
- লক্ষ্মীপুর জেলার চরসমূহ: চর গজারিয়া, চর আলেকজান্ডার।
- ভোলা জেলার চরসমূহ: চরফ্যাশন, চর মানিক, চর কুকড়ি মুকড়ি, চর নিউটন, চর নিজাম প্রভৃতি
- নোয়াখালী জেলার চরসমূহ: ভাসান চর, সুবর্ণ চর, চর শ্রীজনী, চর শাহাবানী প্রভৃতি।
- ফেনী জেলার চর: মুহুরীর চর।
- রাজশাহী জেলার চর: নির্মল চর।
উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
• এভারেস্ট পর্বত:
- মাউন্ট এভারেস্ট পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বত।
- এটি দক্ষিণ এশিয়ার গ্রেট হিমালয়ের চূড়ায় অবস্থিত পর্বত যা চীন ও নেপালের সীমান্ত অঞ্চলে অবস্থিত।
- তিব্বত এবং নেপালের সীমান্তে উত্থিত, লক্ষ লক্ষ বছর আগে ভারতীয় এবং ইউরেশিয়ান টেকটোনিক প্লেটের মধ্যে একটি টেকটোনিক সংঘর্ষ থেকে মাউন্ট এভারেস্ট তৈরি হয়েছিল।
- মাউন্ট এভারেস্ট হিমালয়ের মাঝের অংশে অবস্থিত।
- এভারেস্টের উচ্চতা ৮,৮৪৮.৮৬ মিটার বা ২৯,০৩২ ফুট।
উল্লেখ্য,
- ইউরেশিয়ান প্লেট বিশ্বের সবচেয়ে বড় কনটিনেন্টাল প্লেট, যা ইউরোপ এবং এশিয়া জুড়ে বিস্তৃত।
তথ্যসূত্র: i) ব্রিটানিকা।
ii) National Geographic।
বাংলাদেশের ঘোষিত প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা:
- অপরিণামদর্শী কর্মকাণ্ডের ফলে দেশের প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র্য মারাত্মক ক্ষতি হয়ে গিয়েছে।
- এর ফলে দেশের জীববৈচিত্র্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং কোনো কোনো প্রতিবেশের উৎপাদনশীলতাও কমে গিয়েছে।
- দেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সুরক্ষা এবং প্রাকৃতিক পরিবেশ সংরক্ষণ ও পরিবেশগত মানোন্নয়নের লক্ষ্যে সরকার কর্তৃক বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ (সর্বশেষ সংশোধিত ২০১০) অনুসারে বিভিন্ন সময়ে কিছু এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (Ecologically Critical Area-ECA/ইসিএ) হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
- এ-পর্যন্ত দেশের ১৩টি এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা ঘোষণা করা হয়েছে।
- এলাকাগুলো: সুন্দরবন, কক্সবাজার-টেকনাফ সমুদ্র সৈকত, সেন্টমাটিন দ্বীপ, সোনাদিয়া দ্বীপ, হাকালুকি হাওর, টাঙ্গুয়ার হাওর, মারজাত বাওড়, গুলশান-বারিধারা লেক, বুড়িগঙ্গা নদী, তুরাগ নদী, বালু নদী, শীতলক্ষ্যা নদী, জাফলং-ডাউকি নদী।
উল্লেখ্য,
- 'নিঝুম দ্বীপ 'বাংলাদেশের ঘোষিত প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা' নয়।
উৎস: পরিবেশ অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
গর্জনশীল চল্লিশ:
- দক্ষিণ গোলার্ধে জলভাগের পরিমাণ বেশি।
- তাই এখানে পশ্চিমা বায়ু প্রবল বেগে প্রবাহিত হয়।
- ৪০° - ৪৭° দক্ষিণ অক্ষাংশ পর্যন্ত অঞ্চলে পশ্চিমা বায়ুর গতিবেগ সর্বাপেক্ষা বেশি থাকে।
- এ অঞ্চলকে গর্জনশীল চল্লিশ (Roaring forties) বলে।
উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
রাঙ্গামাটি জেলা:
- আয়তনে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় জেলা- রাঙ্গামাটি।
- এর আয়তন: ৬১১৬ বর্গ কিলোমিটার।
- রাঙ্গামাটি জেলার ভৌগলিক অবস্থান উত্তর অক্ষাংশের ২১৫০° হতে ২৩-৪৫০।
- এবং পূর্ব দ্রাঘিমাংশের ৯১৪৫° হতে ৯২-৫৩০।
- এ জেলার উত্তরে ভারতের ত্রিপুরা ও মিজোরাম।
- দক্ষিণে বান্দরবান, পূর্বে মিজোরাম ও পশ্চিমে চট্টগ্রাম ও খাগড়াছড়ি।
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের স্থান- ছেড়া দ্বীপ (না থাকলে সেন্টমার্টিন হবে)।
- বাংলাদেশের সর্ব পূর্বের স্থান- আখাইনঠং (থানচি, বান্দরবন)।
- বাংলাদেশের পশ্চিমের স্থান- মনাকসা (শিবগড়, চাঁপাই নবাবগঞ্জ)।
- বাংলাদেশের বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের স্থান- জায়গীর জোত, বাংলা বান্ধা।
- আয়তনে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বিভাগ- চট্টগ্রাম।
- আয়তনে বাংলাদেশের সবচেয়ে ছোট জেলা নারায়ণগঞ্জ।
তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
• কুইবেক অঞ্চল:
- উত্তর আমেরিকার কুইবেক অঞ্চল এবং তার রাজধানী কুইবেক সিটি প্রায়শই “পশ্চিমের জিব্রাল্টার” (Gibraltar of the North) নামে পরিচিত।
- এর কারণ হলো এর ভৌগোলিক অবস্থান।
- সেন্ট লরেন্স নদীর তীরে উঁচু পাথুরে স্থল (Cap Diamant) হওয়ায় শহরটি প্রাকৃতিকভাবে দুর্ভেদ্য, যা ইউরোপীয় উপনিবেশ স্থাপনের সময় সামরিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ ছিল।
- কুইবেক কানাডার পূর্বভাগের বৃহত্তম প্রদেশ, আয়তনে ফ্রান্সের তিনগুণ এবং দেশটির দ্বিতীয় জনবহুল প্রদেশ।
- এটি ১৭টি প্রশাসনিক অঞ্চলে বিভক্ত, যার মধ্যে নর্ড-দ্য-কুয়েবেক, সেন্ট লরেন্স লো-ল্যান্ডস এবং অ্যাপলাচিয়ান আপল্যান্ডস উল্লেখযোগ্য।
- এর প্রধান ভাষা ফরাসি, যা অঞ্চলটির অনন্য সাংস্কৃতিক পরিচয় নিশ্চিত করে।
- কুইবেকের অর্থনীতি মূলত খনিজ সম্পদ, জলবিদ্যুৎ ও দক্ষ জনশক্তির ওপর নির্ভরশীল।
- ১৬০৮ সালে স্যামুয়েল ডি শ্যাম্পলেইন এই অঞ্চলটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।
- এই অঞ্চলটি উত্তর আমেরিকার প্রাচীন ইউরোপীয় বসতি হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ।
- সব মিলিয়ে, কুইবেক অঞ্চল তার ভৌগোলিক দুর্ভেদ্যতা, ঐতিহাসিক গুরুত্ব, সমৃদ্ধ সম্পদ এবং অনন্য সংস্কৃতির কারণে “পশ্চিমের জিব্রাল্টার” হিসেবে পরিচিত।
উৎস: Britannica.
- বাংলাদেশ মূল মধ্যরেখা বা গ্রিনিচ মানমন্দির থেকে ৯০ ডিগ্রি পূর্বদিকে অবস্থিত হওয়ায়,
গ্রিনিচ মান সময়:
- Greenwich Mean Time (GMT) একটি আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে প্রণীত সময় পদ্ধতি।
- গ্রিনিচ মান মন্দির যুক্তরাজ্যের লন্ডন শহরে অবস্থিত।
- এর উপর দিয়ে মূল মধ্যরেখা বা শূন্য ডিগ্রী দ্রাঘিমারেখা গিয়েছে।
- ১৮৮৪ সালের ১ নভেম্বর জিএমটি আন্তর্জাতিকভাবে প্রমাণ সময় হিসেবে গৃহিত হয়।
- তবে ১৯৭২ সালে GMT এর পরিবর্তে আন্তর্জাতিক প্রমাণ সময় হিসেবে UTC (Coordinated Universal Time) গৃহিত হয়।
উল্লেখ্য,
- পৃথিবীতে প্রতি ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্যে সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট করে।
- গ্রিনিচের পূর্ব দিকে অবস্থিত স্থানগুলোর সময় গ্রিনিচের থেকে এগিয়ে থাকে।
- গ্রিনিচের পশ্চিমের স্থানগুলোর সময় গ্রিনিচ থেকে পিছিয়ে থাকে।
- বাংলাদেশ মূল মধ্যরেখা বা গ্রিনিচ মানমন্দির থেকে ৯০ ডিগ্রি পূর্বদিকে অবস্থিত হওয়ায়,
- বাংলাদেশের সাথে গ্রিনিচের সময়ের পার্থক্য ৯০ x ৪ = ৩৬০ মিনিট বা ৬ ঘন্টা।
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণী ও ব্রিটানিকা।
• সাজেক ভ্যালি:
- সাজেক উপত্যকা বাংলাদেশের রাঙ্গামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলার অন্তর্গত সাজেক ইউনিয়নে অবস্থিত।
- সাজেক উপত্যকা একটি বিখ্যাত পর্যটন আকর্ষণ।
- এটি রাঙ্গামাটি জেলার সর্বউত্তরের মিজোরাম সীমান্তে অবস্থিত।
- এর উত্তরে ভারতের ত্রিপুরা, দক্ষিণে রাঙ্গামাটির লংগদু, পূর্বে ভারতের মিজোরাম, পশ্চিমে খাগড়াছড়ির দীঘিনালা অবস্থিত।
- সাজেক রুইলুই পাড়া এবং কংলাক পাড়া এই দুটি পাড়ার সমন্বয়ে গঠিত।
- এখানে মূলত লুসাই, পাংখোয়া এবং ত্রিপুরা আদিবাসী বসবাস করে।
- সাজেক হচ্ছে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ইউনিয়ন।
- এর আয়তন ৭০২ বর্গমাইল।
- সাজেকের বিজিবি ক্যাম্প বাংলাদেশের সর্বোচ্চ উঁচুতে অবস্থিত বিজিবি ক্যাম্প।
- সাজেক ভ্যালিকে বলা হয় রাঙ্গামাটির ছাদ।
তথ্যসূত্র: রাঙ্গামাটি জেলার ওয়েবসাইট।