বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ ও বৈশ্বিক ভৌগলিক অঞ্চল, সীমানা, পারিবেশিক, আর্থ-সামাজিক ও ভূ-রাজনীতির গুরুত্ব

মোট প্রশ্ন১,৬৩৯এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ ও বৈশ্বিক ভৌগলিক অঞ্চল, সীমানা, পারিবেশিক, আর্থ-সামাজিক ও ভূ-রাজনীতির গুরুত্ব

PrepBank · পাতা ১৫ / ১৭ · ১,৪০১১,৫০০ / ১,৬৩৯

১,৪০১.
কাপ্তাই লেক থেকে প্লাবিত রাঙ্গামাটির উপত্যকা হল-
  1. সাঙ্গু ভ্যালী
  2. হালদা ভ্যালী
  3. ভেঙ্গি ভ্যালী
  4. সাজেক ভ্যালী
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় পাহাড়- গারো পাহাড়।
- বাংলাদেশের পাহাড় সমূহের গড় উচ্চতা- ২০৫০ ফুট।
- আলু টিলা পাহাড়- খাগড়াছড়িতে অবস্থিত।
- লালমাই পাহাড়- কুমিল্লায় অবস্থিত।
- ইউরেনিয়াম পাওয়া গেছে- কুলাউড়া পাহাড়ে।
- কুলাউড়া পাহাড় অবস্থিত- মৌলভীবাজার জেলায়।
- চিম্বুক পাহাড়ের পাদদেশে বাস করে- মারমা উপজাতি।
- ‘কালা পাহাড়’ বা ‘পাহাড়ের রাণী’ বলা হয়- চিম্বুক পাহাড়কে (৩য় উচ্চতম)।
- হিন্দুদের তীর্থ স্থানের জন্য বিখ্যাত- চন্দ্রনাথের পাহাড়।
- বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বত শৃঙ্গের নাম- তাজিংডং বা বিজয় বা মদক মুয়াল।
- বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পর্বত শৃঙ্গ- কেওক্রাডং।
- কাপ্তাই লেক থেকে প্লাবিত রাঙ্গামাটির উপত্যকা হল- ভেঙ্গি ভ্যালী।
- সাঙ্গু ভ্যালী অবস্থিত- চট্টগ্রামে।
- হালদা ভ্যালী অবস্থিত- খাগড়াছড়িতে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,৪০২.
আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা কোন মহাসাগরের উপর দিয়ে কল্পনা করা হয়? 
  1. প্রশান্ত মহাসাগর
  2. আটলান্টিক মহাসাগর
  3. ভারত মহাসাগর
  4. উত্তর মহাসাগর
ব্যাখ্যা

আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা:
- পৃথিবীপৃষ্ঠে কল্পিত ১৮০° দ্রাঘিমা রেখাটি আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা নামে পরিচিত।
- এশিয়া ও উত্তর আমেরিকা মহাদেশের মধ্যভাগ দিয়ে অংকিত এই রেখা স্থলভাগ এড়িয়ে প্রশান্ত মহাসাগরের উপর দিয়ে কল্পনা করা হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৮০° পূর্ব ও পশ্চিম দ্রাঘিমা মূলত একই দ্রাঘিমা রেখা।
- ফলে একই দ্রাঘিমা রেখায় সময়ের ব্যবধান হয়ে যাচ্ছে ২৪ ঘন্টা এবং তারিখের ক্ষেত্রে দুইটি তারিখ হয়ে যাচ্ছে।
- তারিখ, সময় ও সাপ্তাহিক দিন নির্ধারনের এই সমস্যা সমাধানের উদেশ্যে ১৮৮৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন-এ 'দ্রাঘিমা ও সময়' সম্পর্কিত আর্ন্তজাতিক সম্মেলনে ১৮০° দ্রাঘিমা রেখাকে 'আর্ন্তজাতিক তারিখ রেখা' হিসাবে স্থির করা হয়।
- আর্ন্তজাতিক তারিখ রেখা প্রশান্ত মহাসাগরের উপর দিয়ে কল্পনা করা হয় এবং রেখাটি সাইবেরিয়ার উত্তর-পূর্বাংশ এবং এ্যালিউশয়ান, ফিজি ও চ্যাথাম দ্বীপপুঞ্জের স্থলভাগকে এড়িয়ে ১১° পূর্ব দিয়ে বেঁকে এবং বেরিং প্রণালিতে ১২° পূর্ব দিকে বেঁকে কল্পনা করা হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৪০৩.
বাসন্ত বিষুব বা মহাবিষুব বলা হয় কোন দিনটিকে?
  1. ২১ মার্চ
  2. ২২ জুন 
  3. ২৩ সেপ্টেম্বর
  4. ২২ ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা

উত্তর গোলার্ধে বসন্তকাল ও দক্ষিণ গোলার্ধে শরৎকাল:
- পৃথিবী তার কক্ষপথে চলতে চলতে ২২ ডিসেম্বরের পর থেকে ২১ মার্চ পর্যন্ত এমন স্থানে ফিরে আসে যখন সূর্য নিরক্ষরেখার উপর লম্বভাবে কিরণ দিতে থাকে।
- ফলে ২১ মার্চ পৃথিবীর সর্বত্র দিনরাত্রি সমান হয়।
- দিনের বেলায় সূর্যকিরণের কারণে ভূপৃষ্ঠের বায়ুস্তর গরম হয় এবং রাত্রিবেলায় বিকিরিত হয়ে ঠান্ডা হয়।
- এই সময় উত্তর গোলার্ধে বসন্তকাল ও দক্ষিণ গোলার্ধে শরৎকাল।
- ২১ মার্চ পৃথিবীর সর্বত্র দিনরাত্রি সমান হয় এবং ঐ দিনটিকে বাসন্ত বিষুব বা মহাবিষুব বলে।

অন্যদিকে,
- ২৩শে সেপ্টেম্বর দিনটিকে বলে জলবিষুব।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

১,৪০৪.
উত্তর গোলার্ধে শরৎকাল হলে দক্ষিণ গোলার্ধে-
  1. শীতকাল
  2. গ্রীষ্মকাল
  3. বসন্তকাল
  4. হেমন্তকাল
ব্যাখ্যা
• উত্তর গোলার্ধে শরৎকাল ও দক্ষিণ গোলার্ধে বসন্তকাল:
- ২১এ জুন থেকে দক্ষিণ মেরু সূর্যের দিকে হেলতে থাকে।
- উত্তর গোলার্ধের অংশগুলোকম কিরণ পেতে থাকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধের অংশগুলো বেশি সূর্যকিরণ পেতে থাকে।
- এভাবে ২৩এ সেপ্টেম্বর সূর্য নিরক্ষরেখার উপর লম্বভাবেকিরণ দেয়।
- তাই এ সময় পৃথিবীর সর্বত্র দিন ও রাত্রি সমান হয়।
- দিনের বেলায় যে তাপ আসে রাত সমান হওয়ায় একই পরিমাণ তাপ বিকিরিত হওয়ার সুযোগ পায়।
- ফলে আবহাওয়াতে ঠান্ডা গরমের পরিমাণ সমান থাকে।
- এই সময় উত্তর গোলার্ধে শরৎকাল ও দক্ষিণ গোলার্ধে বসন্তকাল বিরাজ করে।
- ২৩ এ সেপ্টেম্বরের দেড় মাস আগে থেকেই উত্তর গোলার্ধে শরৎকালের সূচনা হয় এবং দেড় মাস পর পর্যন্ত এই শরৎকাল স্থায়ী থাকে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ নবম-দশম শ্রেণি বোর্ড বই।
১,৪০৫.
বাংলাদেশের মোট বনভূমির কত শতাংশ পাহাড়ী বন রয়েছে?
  1. ক) ৪০%
  2. খ) ৪৫%
  3. গ) ৩০%
  4. ঘ) ৩৫%
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের মোট বনভূমির -
৩৮.৭১% - প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বন।
৩০% - পাহাড়ী বন।  
১১.৪২% - সৃজিত ম্যানগ্রোভ বন।
৭.৬১% - শালবন।
১.৭১% - জলাভূমির বন। 

সূত্র: bforest.portal.gov.bd
১,৪০৬.
'সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড' অন্য কী নামে পরিচিত?
  1. ক) দুবলার চর
  2. খ) গঙ্গারিডি
  3. গ) কলাতলী চ্যানেল
  4. ঘ) গঙ্গা খাদ
ব্যাখ্যা
- সোয়াচ অফ নো গ্রাউন্ড হলো বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত একটি গভীরতম উপত্যকা বা গিরিখাত।
- সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড এর গড় গভীরতা প্রায় ১,২০০ মিটার এবং সবচেয়ে গভীরতম উপত্যাকা হলো ১,৩৪০ মিটার।
- এই খাতটি সুন্দরবন এর দুবলার চর থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।

- Swatch of No Ground গঙ্গা খাদ নামেও পরিচিত।
- এটা বিশ্বের বড় ১১টি বড় উপত্যকার মধ্যে একটি।

উৎস: বাংলাপিডিয়া
১,৪০৭.
১৯৮২ সালের সমুদ্র আইন সংক্রান্ত কনভেনশন অনুযায়ী একটি উপকূলীয় রাষ্ট্রের মহীসোপানের (continental shelf) সীমা হবে ভিত্তি রেখা হতে-
  1. ক) ৩৫০ নটিক্যাল মাইল
  2. খ) ৪০০ নটিক্যাল মাইল
  3. গ) ২০০ নটিক্যাল মাইল
  4. ঘ) ৩০০ নটিক্যাল মাইল
ব্যাখ্যা
১৯৮২ সালের সমুদ্র আইন সংক্রান্ত কনভেনশন অনুযায়ী,
- একটি উপকূলীয় রাষ্ট্রের মহীসোপানের (Continental Shelf) সীমা হবে ভিত্তি রেখা হতে ৩৫০ নটিক্যাল মাইল
- অর্থনৈতিক সীমারেখার দৈর্ঘ্য - ২০০ নটিক্যাল মাইল।

উৎসঃ ব্রিটানিকা
১,৪০৮.
নিচের কোনটি পার্বত্য চট্টগ্রামের জেলা নয়?
  1. ক) রাঙ্গামাটি
  2. খ) বান্দরবান
  3. গ) চট্টগ্রাম
  4. ঘ) খাগড়াছড়ি
ব্যাখ্যা
- রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান এই তিনটি জেলা নিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম গঠিত।
- আশির দশকের প্রথম দিকে দেশব্যাপী প্রশাসনিক সংস্কারের অংশ হিসেবে পার্বত্য চট্টগ্রামকে তিনটি স্বতন্ত্র জেলায় বিভক্ত করা হয়।
- এগুলো হচ্ছে রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান জেলা।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া
১,৪০৯.
বাংলাদেশের উষ্ণতম স্থান হিসেবে পরিচিত কোনটি?
  1. ঈশ্বরদী, পাবনা
  2. লালপুর, নাটোর
  3. নাচোল, চাঁপাইনবাবগঞ্জ
  4. পুটিয়া, রাজশাহী
ব্যাখ্যা
• লালপুর: 
- নাটোরের লালপুর বাংলাদেশের উষ্ণতম স্থান।

- নাটোর জেলা গ্রীষ্মমন্ডলীয় জলবায়ু এলাকায় অবস্থিত।
- বাংলাদেশের চরমভাবাপন্ন এলাকাগুলোর মধ্যে অন্যতম।
- আয়তনের দিক থেকে নাটোর জেলার ৩য় বৃহত্তম উপজেলা হলো লালপুর যা ১৮৬৯ সালে প্রতিষ্ঠিত।
- গ্রীষ্মকালে মাঝে মাঝে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেড ও শীতকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড রেকর্ড হয়ে থাকে।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,৪১০.
পামীর মালভূমি কোন ধরনের মালভূমি?
  1. লাভা গঠিত মালভূমি
  2. পর্বতবেষ্টিত মালভূমি
  3. পাদদেশীয় মালভূমি
  4. মহাদেশীয় মালভূমি
ব্যাখ্যা

পামীর মালভূমি:
- কয়েকটি পাহাড়ের সম্মিলিত স্থানে যে সমতল অঞ্চল তৈরি হয় তাই মালভূমি।
- পামীর মালভূমি পর্বতবেষ্টিত মালভূমি।
- পামীর মালভূমি মধ্য এশিয়ায় অবস্থিত বিশ্বের সর্বোচ্চ ও বৃহত্তম মালভূমির মধ্যে অন্যতম।
- সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে এর উচ্চতা হচ্ছে প্রায় ১৯,০০০ থেকে ২০,০০০ ফুট।
- এটি মধ্য এশিয়ার তাজিকিস্তান, আফগানিস্তান, পাকিস্তান ও চীনের সংযোগস্থলে অবস্থিত। এর বেশিরভাগ অংশ তাজিকিস্তানে অবস্থিত।

⇒ এই অঞ্চলটি তাজিকিস্তান, আফগানিস্তান, চীন ও পাকিস্তানের সীমান্তে হিমালয়, কারাকোরাম, হিন্দু কুশ ও তিয়ান শান পর্বতমালাকে সংযুক্ত করেছে।
- সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে অত্যধিক উচ্চতায় অবস্থিত হওয়ার কারণে এবং বিশ্বের প্রধান পর্বতশ্রেণীগুলোর মিলনস্থল হওয়ায় একে "পৃথিবীর ছাদ" বলা হয়। 
- এটি প্রাচীন 'সিল্ক রোড'-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল।

উৎস: Britannica.

১,৪১১.
কোনটি রাশিয়ার সীমান্তবর্তী দেশ নয়?
  1. ফিনল্যান্ড
  2. রোমানিয়া
  3. লাটভিয়া
  4. জর্জিয়া
ব্যাখ্যা
রাশিয়ার সীমান্তবর্তী দেশ:
- রাশিয়ার সীমান্তবর্তী দেশ ১৪টি। যথা-
• আজারবাইজান।
• বেলারুশ।
• চীন।
• এস্তোনিয়া।
• ফিনল্যান্ড।
• জর্জিয়া।
• কাজাখস্তান।
• লাটভিয়া।
• লিথুয়ানিয়া।
• মঙ্গোলিয়া।
• উত্তর কোরিয়া।
• নরওয়ে।
• পোল্যান্ড।
• ইউক্রেন।

অন্যদিকে -
- রোমানিয়া রাশিয়ার সীমান্তবর্তী দেশ নয়।

উৎস: Worldatlas.
১,৪১২.
নিচের কোন দেশটি বলকান রাষ্ট্রের অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. মন্টিনিগ্রো
  2. বুলগেরিয়া
  3. ক্রোয়েশিয়া
  4. নরওয়ে
ব্যাখ্যা
- নরওয়ে বলকান রাষ্ট্রের অন্তর্ভুক্ত নয়।

• বলকান রাষ্ট্র বলতে বোঝায় সেই দেশগুলোকে যেগুলো দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপের বালকান  উপদ্বীপে অবস্থিত।
• বালকান উপদ্বীপভুক্ত দেশসমূহ; 
- আলবেনিয়া
- বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা
- বুলগেরিয়া
- ক্রোয়েশিয়া
- কসোভো
- মন্টিনিগ্রো
- উত্তর মেসিডোনিয়া
- রোমানিয়া (আংশিক)।
- সার্বিয়া।
- স্লোভেনিয়া (আংশিক)।

উল্লেখ্য, 
- গ্রিস ও তুরস্ককে বালকান বাদ দেওয়া হয়।
- পর্তুগাল, সুইজারল্যান্ড ও ডেনমার্ক এই দেশগুলো পশ্চিম ও উত্তর ইউরোপে অবস্থিত এবং বলকান অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত নয়।

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।
১,৪১৩.
'কালাহারি মরুভূমি' আফ্রিকা মহাদেশের কয়টি দেশ জুড়ে অবস্থিত?
  1. ৩টি
  2. ৫টি
  3. ৭টি
  4. ৮টি
ব্যাখ্যা
কালাহারি মরুভূমি:
- কালাহারি হলো আফ্রিকা মহাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম মরুভূমি।
- এটি আফ্রিকা মহাদেশের প্রায় ৩টি দেশে ৩৬০,০০০ বর্গ মাইল এলাকা জুড়ে বিস্তৃত।
- ৩টি দেশ হলো বতসোয়ানা, নামিবিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকা।
- প্রায় ৭০% কালাহারি মরুভূমি বতসোয়ানায় অবস্থিত।

উল্লেখ্য,
- কালাহারি মরুভূমির জলবায়ু মূলত গরম এবং শুষ্ক। 
- এ মরুভূমিতে রয়েছে সিংহ, চিতা, হায়েনা, জিরাফ, জেব্রাসহ নানা প্রাণী।
- এখানেও রয়েছে বেশ কিছু আদিবাসী জনগোষ্ঠীর আবাস।

উৎস: Worldatlas.
১,৪১৪.
গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণের জন্য প্রস্তাবিত সোনাদিয়া দ্বীপের আয়তন কত?
  1. ক) ৯১ বর্গ কিলোমিটার
  2. খ) ৯ বর্গ কিলোমিটার
  3. গ) ৭ বর্গ কিলোমিটার
  4. ঘ) ৮ বর্গ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা
সোনাদিয়া কক্সবাজার জেলাধীন মহেশখালী উপজেলার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও জীববৈচিত্র্য সমৃদ্ধ একটিদ্বীপ।
- দ্বীপটির আয়তন ৯ বর্গ কিলোমিটার।
- কক্সবাজার শহর থেকে ৭ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে মহেশখালী উপজেলার কুতুবজোম ইউনিয়নে সোনাদিয়া অবস্থিত।

- প্রায় ১৪ কিলোমিটার দীর্ঘ প্রশস্থ সৈকত, সৈকত ঘেষে সারিবদ্ধভাবে দাড়িয়ে থাকা সূউচ্চ বালিয়াড়ি, জালের  মতো ছোট-বড় অসংখ্য খাল বেষ্টিত ম্যানগ্রোভ বন, বিস্তির্ণ ল্যাগুন্যাল ম্যাডফ্ল্যাট, কেয়া-নিশিন্দার ঝোপ, বিচিত্র প্রজাতির জলচর পাখি সোনাদিয়া দ্বীপের প্রধান বৈশিষ্ট্য।
- সমুদ্র সৈকতের পাশ ঘেষে অবস্থিত সোনাদিয়ার সূ-উচ্চু বালিয়াড়ির তুলনা বাংলাদেশে  নেই। সমুদ্র এবং সৈকত থেকে বালিয়াড়ির দৃশ্য অপূর্ব মনে হয়।
- সোনাদিয়ার সৈকত এবং বালিয়াড়ি বিপন্ন জলপাই বর্ণের সামুদ্রিক কাছিমের ডিম পাড়ার উপযোগী স্থান। এখানে সামুদ্রিক সবুজ কাছিমও ডিম পাড়তে আসে।
- সমুদ্র সৈকতের বেলাভূমিতে পানির কিনারা ঘেষে বিচরন করে লাল কাঁকড়া এবং প্যারাবন এলাকায় শীলা কাঁকড়া পাওয়া যায়।

উৎস: মহেশখালী উপজেলার ওয়েবসাইট ও শিক্ষক বাতায়ন।
১,৪১৫.
আন্তর্জাতিক তারিখ রেখাটি কোন মহাসাগরের উপর দিয়ে টানা হয়েছে?
  1. আটলান্টিক মহাসাগরে
  2. প্রশান্ত মহাসাগরে
  3. ভারত মহাসাগরে
  4. আর্কটিক মহাসাগরে
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা:
- পৃথিবীপৃষ্ঠে কল্পিত ১৮০° দ্রাঘিমা রেখাটি আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা নামে পরিচিত।
- এশিয়া ও উত্তর আমেরিকা মহাদেশের মধ্যভাগ দিয়ে অংকিত এই রেখা স্থলভাগ এড়িয়ে প্রশান্ত মহাসাগরের উপর দিয়ে কল্পনা করা হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৮০° পূর্ব ও পশ্চিম দ্রাঘিমা মূলত একই দ্রাঘিমা রেখা।
- ফলে একই দ্রাঘিমা রেখায় সময়ের ব্যবধান হয়ে যাচ্ছে ২৪ ঘন্টা এবং তারিখের ক্ষেত্রে দুইটি তারিখ হয়ে যাচ্ছে।
- তারিখ, সময় ও সাপ্তাহিক দিন নির্ধারনের এই সমস্যা সমাধানের উদেশ্যে ১৮৮৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন-এ 'দ্রাঘিমা ও সময়' সম্পর্কিত আর্ন্তজাতিক সম্মেলনে ১৮০° দ্রাঘিমা রেখাকে 'আর্ন্তজাতিক তারিখ রেখা' হিসাবে স্থির করা হয়।
- আর্ন্তজাতিক তারিখ রেখা প্রশান্ত মহাসাগরের উপর দিয়ে কল্পনা করা হয় এবং রেখাটি সাইবেরিয়ার উত্তর-পূর্বাংশ এবং এ্যালিউশয়ান, ফিজি ও চ্যাথাম দ্বীপপুঞ্জের স্থলভাগকে এড়িয়ে ১১° পূর্ব দিয়ে বেঁকে এবং বেরিং প্রণালিতে ১২° পূর্ব দিকে বেঁকে কল্পনা করা হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৪১৬.
ভারতের সাথে কোন দেশের সবচেয়ে দীর্ঘ স্থল সীমান্ত রয়েছে?
  1. চীন
  2. বাংলাদেশ
  3. পাকিস্তান
  4. নেপাল
ব্যাখ্যা

ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত:
- ভারতের সাথে পাকিস্তান, বাংলাদেশ, নেপাল, ভুটান, মিয়ানমার, চীন ৬টি দেশের সঙ্গে স্থল সীমান্ত আছে। 
- স্থল সীমান্তের হিসেবে বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সীমান্ত সবচেয়ে দীর্ঘ।
- বাংলাদেশের সাথে ৪ হাজার ৯৬ দশমিক ৭০ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্ত আছে ভারতের। 
- এ সীমান্ত বিশ্বের পঞ্চম দীর্ঘ স্থলসীমান্ত।

উল্লেখ্য,
- ভারতের সাথে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা ৩০টি।

- বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী ভারতের রাজ্য ৫টি।
- রাজ্যগুলো হলো: আসাম, মিজোরাম, ত্রিপুরা, মেঘালয় ও পশ্চিমবঙ্গ।

তথ্যসূত্র- Ministry of Home affairs, India, [Link]; পত্রিকা প্রতিবেদন।

১,৪১৭.
নিম্নলিখিত কোনটি প্লাইসটোসিন উচ্চভূমির অন্তর্গত নয়?
  1. লালমাই পাহাড়ি অঞ্চল
  2. বরেন্দ্রভূমি
  3. মধুপুর ভাওয়ালের গড়
  4. বান্দরবান পাহাড় 
ব্যাখ্যা

প্লাইসটোসিন উচ্চভূমির অন্তর্গত নয়- বান্দরবন পাহাড় ।

- বাংলাদেশের প্রায় সমগ্র অঞ্চল এক বিস্তীর্ণ সমভূমি।
-  বাংলাদেশে সামান্য পরিমাণে উচ্চভূমি রয়েছে। 
- ভূপ্রকৃতির ভিত্তিতে বাংলাদেশকে প্রধানত তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়।

- টারশিয়ারি পাহাড় অঞ্চল,
- প্লাইসটোসিন উচ্চভূমি ,
- এবং প্লাবন সমভূমি ।

• প্লাইসটোসিন উচ্চভূমি :
- আনুমানিক ২৫০০০ বছর পূর্বের  সময়কে প্লাইস্টানকাল বলে।
- প্লাইসটোসিন উচ্চভূমির অন্তর্গত ভূ-অঞ্চাল হল-
- লালমাই পাহাড়ি অঞ্চল,
- বরেন্দ্রভূমি, মধুপুর ভাওয়ালের গড় ( টাঙ্গাইল)। 

• টারশিয়ারি পাহাড় অঞ্চলের অন্তর্গত ভূ-অঞ্চল -  
- উত্তর ও পূর্বাঞ্চলের পাহাড়ি অঞ্চল,
- দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চালের পাহাড় সমূহ।
- বাংলাদেশের মোট ভূমির প্রায় ১২% ভাগ নিয়ে টারশিয়ারি পাহাড় অঞ্চল গঠিত।
- দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চালের পাহাড় সমূহ- রাঙ্গামাটি, বান্দরবন, কক্সবাজার,ও চট্টগ্রাম, জেলার পূর্বাংশ এ অঞ্চলের অন্তর্গত।
- উত্তর ও পূর্বাঞ্চলের পাহাড়ি অঞ্চল- ময়মনসিংহ ও নেত্রকোণা জেলার উত্তরাংশ, সিলেট জেলার উত্তর ও উত্তর- পূর্বাংশ এবং মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার পাহাড়গুলো নিয়ে এ অঞ্চল গঠিত।  

• সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমিকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন-
(ক) রংপুর ও দিনাজপুরের পাদদেশীয় সমভূমি।
(খ) ঢাকা, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, জামালপুর, পাবনা, কুমিল্লা, নোয়াখালী ও সিলেটের অন্তর্গত বন্যা প্লাবন সমভূমি।
(গ) ফরিদপুর, কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা ও ঢাকা অঞ্চলের অংশবিশেষ নিয়ে ব-দ্বীপ সমভূমি।
(ঘ) নোয়াখালী ও ফেনী নদীর নিম্নভাগ থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত বিস্তৃত চট্টগ্রামের উপকূলীয় সমভূমি।
(ঙ) খুলনা ও পটুয়াখালী অঞ্চল এবং বরগুনা জেলার কিয়দংশ নিয়ে স্রোতজ সমভূমি।

উৎস: ভূগোল পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।

১,৪১৮.
বাংলাদেশের কোন বিভাগটির সাথে ভারতের কোনো সীমান্ত নেই?
  1. রাজশাহী বিভাগ
  2. খুলনা বিভাগ
  3. চট্টগ্রাম বিভাগ
  4. বরিশাল বিভাগ
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের মোট ৮ টি বিভাগের মধ্যে ৬টি বিভাগের সাথে আন্তর্জাতিক সীমান্ত থাকলেও ঢাকা ও বরিশাল বিভাগের সাথে কোনো আন্তর্জাতিক সীমান্ত নেই।

• সীমান্ত জেলা:
- বাংলাদেশে বিভাগ রয়েছে ৮টি এবং জেলা ৬৪টি।
- বাংলাদেশের মোট সীমান্তবর্তী জেলা ৩২টি।
- ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সাথে বাংলাদেশের ৩২টি জেলার সীমান্ত রয়েছে।
- ভারতের সাথে সীমান্তবর্তী জেলা ৩০টি এবং মিয়ানমারের সাথে সীমান্তবর্তী জেলা ৩টি।
- রাঙামাটি জেলার সাথে ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সীমানা রয়েছে।

তথ্যসূত্র: বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ ওয়েবসাইট।

১,৪১৯.
‘মাৎস্যন্যায়’ ধারনাটি কিসের সাথে সম্পর্কিত?
  1. ক) মাছ ধরার নৌকা
  2. খ) ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা
  3. গ) মাছ বাজার
  4. ঘ) আইন-শৃঙ্খলাহীন অরাজক অবস্থা
ব্যাখ্যা

শশাঙ্কের মৃত্যুর পরবর্তী একশ বছর (৬৫০-৭৫০) বাংলায় কোনো স্থায়ী সরকার ছিলো না বললেই চলে। সমগ্র দেশ অভ্যন্তরীণ কলহ- কোন্দলে ছিন্ন-বিচ্ছিন্ন এবং বৈদেশিক আক্রমণে পর্যুদস্ত হয়েছে।

গোপাল-এর উত্থানের আগে খ্রিস্টীয় আট শতকের মাঝামাঝি সময়ের রাজনৈতিক অবস্থাকে পাল আমলের একটি লিপিতে (খালিমপুর তাম্রশাসন) 'মাৎস্যন্যায়' বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ অরাজকতা ও নৈরাজ্যের মধ্য দিয়ে পাল বংশের প্রতিষ্ঠাতা গোপালের আবির্ভাব হয়। পাল তাম্রশাসনে উল্লেখ পাওয়া যায় যে, গোপাল উল্লিখিত অরাজক অবস্থার (মাৎস্যন্যায়ম) অবসান ঘটান।

উৎসঃ বাংলাপিডিয়া

১,৪২০.
মারমা উপজাতির বসবাস কোন পাহাড়ে?
  1. ক) আসামের পাহাড় অঞ্চলে
  2. খ) চিম্বুক পাহাড়ে
  3. গ) গারো পাহাড়ে
  4. ঘ) জৈয়ন্তিকা পাহাড়ে
ব্যাখ্যা
পাহাড়ভিত্তিক উপজাতিদের বাসস্থানঃ
গারো পাহাড়ে - গারো
চিম্বুক পাহাড়ে- মারমা
জৈয়ন্তিকা পাহাড়ে- খাসিয়া
আসামের পাহাড় অঞ্চলে- মণিপুরী
(রেফারেন্সঃ nrigostisanad.gov.bd)
১,৪২১.
মুজিবনগর কোথায় অবস্থিত?
  1. সাতক্ষীরায়
  2. মেহেরপুরে
  3. চুয়াডাঙ্গায়
  4. নবাবগঞ্জে
ব্যাখ্যা
• মুজিবনগর:
- মেহেরপুর জেলায় মুজিব নগর অবস্থিত।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে বৈদ্যনাথতলা গ্রামের নামকরণ হয় মুজিবনগর।
- মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য এখানে গঠিত হয় বাংলাদেশের প্রথম সরকার। -
- মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা গ্রামে মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে।
- মুজিব নগর সরকার গঠিত হয় ১০ এপ্রিল ১৯৭১ সালে।
- সরকার শপথ গ্রহন করে ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ সালে।
- শপথ বাক্য পাঠ করান অধ্যপক ইউসুফ আলী।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানকে রাষ্ট্রপতি করা হয়।
- সৈয়দ নজরুল ইসলাম ছিলেন অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি।
- বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দিন আহমেদ।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১,৪২২.
'তামাবিল স্থলবন্দর' বাংলাদেশের কোন স্থানে অবস্থিত?
  1. জকিগঞ্জ
  2. বিয়ানীবাজার
  3. গোয়াইনঘাট
  4. জৈন্তাপুর
ব্যাখ্যা

 তামাবিল স্থলবন্দর: 
- সিলেট জেলার অন্তর্গত গোয়াইনঘাট উপজেলার তামাবিল নামক স্থানে অবস্থিত।
- তামাবিল স্থলবন্দরের বিপরীতে ডাউকি, শিলং, মেঘালয়, ভারত। 
- নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের সরাসরি নিয়ন্ত্রণে তামাবিল স্থলবন্দরের কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের আওতায় তামাবিল স্থল শুল্ক ষ্টেশনের কার্যক্রম চালু হয়।
- ভারত হতে আমদানিকৃত পণ্য গ্রহণ, সংরক্ষণ, কাস্টমস্ কর্তৃক রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় অবকাঠামোগত সুবিধা ও সেবা প্রদানের লক্ষ্যে সরকার কর্তৃক তামাবিল স্থলবন্দর ঘোষণা করা হয়।
- প্রাথমিকভাবে একটি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় বন্দরের ২৩.৭২ একর জমি অধিগ্রহণপূর্বক প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মিত হয়।
- পরবর্তীতে ২৭-১০-২০১৭ খ্রি: তারিখে তামাবিল স্থলবন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ ওয়েবসাইট। 

১,৪২৩.
বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী ভারতের সেভেন সিস্টার্স রাজ্য কতটি?
  1. ৪টি 
  2. ৫টি 
  3. ৬টি 
  4. ৭টি 
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের সীমান্ত সংলগ্ন সেভেন সিস্টার্সের রাজ্য ৪টি।

সেভেন সিস্টার্স:

- উত্তর-পূর্ব ভারতের সাতটি রাজ্য সেভেন সিস্টার্স নামে পরিচিত।
- রাজ্যগুলো হচ্ছে -আসাম, অরুণাচল, মেঘালয়, ত্রিপুরা, মণিপুর, মিজোরাম ও নাগাল্যান্ড।
- ভারতের সেভেন সিস্টারস খ্যাত রাজ্যগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের সীমান্ত সংলগ্ন ৪টি রাজ্য - আসাম, মেঘালয়, ত্রিপুরা, মিজোরাম।
- ভারতের মোট ৫টি রাজ্য বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী।
- এগুলো হলো: আসাম, ত্রিপুরা, মিজোরাম, মেঘালয় ও পশ্চিমবঙ্গ।

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।

১,৪২৪.
২২ ডিসেম্বর তারিখে সূর্য কোন রেখার উপর লম্বভাবে কিরণ দেয়?
  1. কর্কটক্রান্তি
  2. মকরক্রান্তি
  3. অক্ষরেখা
  4. নিরক্ষরেখা
ব্যাখ্যা

২২ ডিসেম্বর:
- ২২ ডিসেম্বর উত্তর গোলার্ধের সবচেয়ে ছোট দিন ও বড় রাত।
- ২২ ডিসেম্বর দক্ষিণ গোলার্ধে সবচেয়ে বড় দিন ও ছোট রাত।

⇒ মকরক্রান্তি রেখা:
- দক্ষিণ গোলার্ধে ২৩.৫° দক্ষিণ অক্ষরেখাকে মকরক্রান্তি রেখা নামে অভিহিত করা হয়।
- ২২ শে ডিসেম্বর তারিখে সূর্য ২৩.৫° দক্ষিণ অক্ষরেখায় (মকরক্রান্তি) লম্বভাবে কিরণ দেয়।
- উক্ত তারিখে দক্ষিণ মেরু বিন্দু অর্থ্যাৎ ৯০° দক্ষিণ থেকে ৬৬.৫° দক্ষিণ অক্ষরেখা পর্যন্ত ২৪ ঘন্টা দিন থাকে।
- ফলে ৬৬.৫° দক্ষিণ অক্ষরেখাকে কুমেরু অঞ্চলের শেষ সীমানা ধরা হয় এবং এই অক্ষরেখাকে কুমেরুবৃত্ত (Antarctic Circle) নামে অভিহিত করা হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

১,৪২৫.
নিচের কোন জেলায় প্লাইস্টোসিন যুগের সোপান ভূমি পাওয়া যায়?
  1. রাঙ্গামাটি
  2. বরিশাল
  3. খাগড়াছড়ি
  4. গাজীপুর
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতি:
- ভূপ্রকৃতি অনুযায়ী বাংলাদেশকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো:
১. টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ,
২. প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ এবং
৩. সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।

• প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ:
- আনুমানিক ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকাল বলে।
- এ অঞ্চলের মাটির রং লাল ও ধূসর।
- দেশের উত্তর-পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভূমি, মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় বা উচ্চভূমি এর অন্তর্ভুক্ত।
- প্লাইস্টোসিনকালে এসব উচ্চভূমি গঠিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়।

ক) বরেন্দ্রভূমি:
- বরেন্দ্রভূমি রাজশাহী বিভাগের নওগাঁ, রাজশাহী, বগুড়া, জয়পুরহাট এবং রংপুর বিভাগের গাইবান্ধা, রংপুর ও দিনাজপুর জেলার অংশবিশেষ নিয়ে গঠিত।
- এর আয়তন ৯,৩২০ বর্গকিলোমিটার।
- প্লাবন সমভূমি থেকে এর উচ্চতা ৬ থেকে ১২ মিটার।
- এটি প্লাইস্টোসিন যুগের সর্ববৃহৎ উঁচুভূমি।
- বর্তমানে বরেন্দ্র বহুমুখী সেচ প্রকল্প এবং আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহার করে এ অঞ্চলটিকে কৃষিকাজের জন্য বিশেষ উপযোগী করা হয়েছে।

খ) মধুপুর ও ভাওয়ালের গড়:
- টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ জেলার মধুপুর এবং গাজীপুর জেলার ভাওয়ালের গড় নিয়ে এলাকাটি গঠিত।
- এটি প্লাইস্টোসিন যুগের দ্বিতীয় বৃহত্তম উঁচুভূমি।
- সমভূমি থেকে এর গড় উচ্চতা প্রায় ৩০ মিটার এবং আয়তন ৪,১০৩ বর্গকিলোমিটার।
- এখানকার মৃত্তিকা কৃষিকাজের জন্য তেমন উপযোগী নয়। এটি দেশের গজারী বৃক্ষের কেন্দ্র হিসাব পরিচিত।

গ) লালমাই পাহাড়:
- কুমিল্লা শহর থেকে ৮ কিলোমিটার পশ্চিমে লালমাই থেকে ময়নামতি পর্যন্ত এ পাহাড়টি বিস্তৃত।
- এর আয়তন প্রায় ৩৪ বর্গকিলোমিটার এবং গড় উচ্চতা ২১ মিটার।
- এ পাহাড়ের মাটি লাল এবং নুড়ি, বালি ইত্যাদি দ্বারা গঠিত।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৪২৬.
পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হয়-
  1. ক) কয়লা
  2. খ) প্রাকৃতিক গ্যাস
  3. গ) এলএনজি
  4. ঘ) তেল
ব্যাখ্যা
পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র পটুয়াখালী জেলায় অবস্থিত। এতে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে ইন্দোনেশিয়া এবং অস্ট্রেলিয়া থেকে আমদানি করা কয়লা। ১৩২০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র দেশের সর্ববৃহৎ কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র। (সূত্রঃ জাতীয় তথ্য বাতায়ন)
১,৪২৭.
ভূ-প্রকৃতি অনুযায়ী, বরেন্দ্রভূমি কোন যুগের পাহাড়?
  1. প্লাইস্টোসিনকালের সোপান
  2. টারাশয়ারি যুগের পাহাড়
  3. সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি
  4. পাদদেশীয় পলল সমভূমি
ব্যাখ্যা
প্লাইস্টোসিন কালের সোপানসমূহ:
- আনুমানিক ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিন কাল বলে।
- দেশের উত্তর-পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভূমি, মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় বা উচ্চভূমি এর অন্তর্ভুক্ত।

⇒ টারাশয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ:
- বাংলাদেশের মোট ভূমির ১২ শতাংশ এলাকা নিয়ে টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ গঠিত।
- টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় যে সকল পর্বতের সৃষ্টি হয়েছে সেগুলো টারশিয়ারি যুগের পাহাড় নামে পরিচিত।
- দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের ও উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়ি ভূমি যেমন রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম, সিলেট, মৌলভীবাজার এবং হবিগঞ্জের পাহাড়গুলো টারশিয়ারি যুগের।
- এগুলো সবচেয়ে প্রাচীন ভূমি।

⇒ সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি:
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়ি এলাকা এবং প্লাইস্টোসিন কালের সোপানসমূহ ব্যতীত সমগ্র বাংলাদেশ সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমির অন্তর্ভুক্ত।
- সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি অঞ্চলটি পদ্মা, ব্রহ্মপুত্র, যমুনা, মেঘনা প্রভৃতি নদ-নদী ও এদের উপনদী, শাখানদী বাহিত পলিমাটি দ্বারা গঠিত।

উৎস: i) ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
         ii) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৪২৮.
পাহাড়ের বৃষ্টিপ্রবণ অঞ্চলে কোন বনভূমি প্রাকৃতিকভাবে গড়ে ওঠে? 
  1. ক্রান্তীয় চিরহরিৎ বন
  2. স্রোতজ বন
  3. শ্বাসমূলীয় বন
  4. ক্রান্তীয় পাতাঝরা বন
ব্যাখ্যা

• ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পাতাঝরা গাছের বনভূমি:
- বাংলাদেশের খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি ও বান্দরবানের প্রায় সব অংশে এবং চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলের কিছু অংশে এ বনভূমি বিস্তৃত।
- পাহাড়ের অধিক বৃষ্টিপ্রবণ অঞ্চলে ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং কম বৃষ্টিপ্রবণ অঞ্চলে পাতাঝরা গাছের বনভূমি দেখা যায়।

• ক্রান্তীয় পাতাঝরা গাছের বনভূমি 
- বাংলাদেশের প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহে এ বনভূমি রয়েছে।
এ বনভূমিকে দুই অংশে ভাগ করা হয়েছে- 
(ক) ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল ও গাজীপুর জেলার মধুপুর ও ভাওয়ালের বনভূমি; 
(খ) দিনাজপুর ও রংপুর জেলায় বরেন্দ্র বনভূমি অবস্থিত। 
শীতকালে এ বনভূমির বৃক্ষের পাতা ঝরে যায়। গ্রীষ্মকালে আবার নতুন পাতা গজায়।

তথ্যসূত্র: ভূগোল পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি। 

১,৪২৯.
বাংলাদেশের সঙ্গে সমুদ্রসীমা রয়েছে কোন দেশের?
  1. ক) শ্রিলংকা
  2. খ) থাইল্যান্ড
  3. গ) ভারত
  4. ঘ) ক ও গ উভয়ই
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সাথে সমুদ্রসীমা আছে দুটি দেশেরঃ ভারত এবং মিয়ানমার। তাদের সাথে সমুদ্রসীমা বিরোধের নিষ্পত্তি হয়েছে কয়েকবছর আগে।

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার সমুদ্রসীমা সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তি হয় নেদারল্যান্ডের হেগে অবস্থিত Permanent Court Arbitration (PCA) বা স্থায়ী সালিশী আদালতে। ৮ অক্টোবর বাংলাদেশ এ আদালতে মামলা দায়ের করে। আদালত শুনানি শেষে ৭ জুলাই ২০১৪ রায় প্রদান করে। এতে বিরোধপূর্ণ ২৫,৬০২ বর্গ কিমি সমুদ্রসীমার মধ্যে বাংলাদেশ ১৯,৪৬৭ এবং ভারত ৬,১৩৫ বর্গকিমি এলাকা পায়। এর আগে ২০১২ সালে ১৪ই মার্চ ITLOS বাংলাদেশ-মিয়ানমার সমুদ্রসীমার রায় প্রদান করে। Permanent Court Arbitration (PCA) ১৮৯৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এর সদস্য সংখ্যা ১২২ টি। বাংলাদেশ ২০১২ সালের ২৬ এপ্রিল এর সদস্য হয়।

উৎসঃ মাধ্যমিক ভূগোল

১,৪৩০.
আয়তন এবং গভীরতার দিক থেকে সবচেয়ে বড় মহাসাগর কোনটি?
  1. ক) প্রশান্ত মহাসাগর
  2. খ) আটলান্টিক মহাসাগর
  3. গ) ভারত মহাসাগর
  4. ঘ) উত্তর মহাসাগর
ব্যাখ্যা
• পৃথিবীর বৃহত্তম ও গভীরতম মহাসাগর প্রশান্ত মহাসাগর।
• প্রশান্ত মহাসাগরের আয়তন - ১৬ কোটি ৮৭ লক্ষ বর্গকিলোমিটার।
• গড় গভীরতা - গড় - ৪,১৮৮ মি.; সর্বোচ্চ গভীরতা - ১০,৯২০ মি.
• এই মহাসাগরে পৃথিবীর সর্ববৃহৎ প্রবাল প্রাচীর গ্রেট বেরিয়ার রিফ অবস্থিত।
• ২৩০০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই প্রবাল প্রাচীর অস্ট্রেলিয়ার উত্তর-পূর্বে প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত‌।
• আর পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাসাগরের নাম আটলান্টিক মহাসাগর। 

তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড এটলাস এবং ভূগোল প্রথম পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৪৩১.
বাংলাদেশের পূর্ব থেকে পশ্চিমে সর্বোচ্চ বিস্তৃতি কত??
  1. ৭৬০ কিমি
  2. ৪৪০ কিমি
  3. ৭৪০ কিমি
  4. ৪৬০ কিমি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ভৌগোলিক পরিচিতি :
- বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার একটি দেশ।
- এই দেশের ভূখণ্ডগত বিস্তৃতি ১৪৭, ৫৭০ বর্গ কিলোমিটার, যা গ্রীসের চাইতে সামান্য বড়। 
- এর ভৌগোলিক অবস্থান ২০°৩৪´ উ থেকে ২৬°৩৮´ উ অক্ষাংশ এবং ৮৮°০১´ পূ থেকে ৯২°৪১´ পূ দ্রাঘিমাংশে।
- পূর্ব থেকে পশ্চিমে এর সর্বোচ্চ বিস্তৃতি প্রায় ৪৪০ কিমি
- উত্তর উত্তর-পশ্চিম থেকে দক্ষিণ দক্ষিণ-পূর্বে সর্বোচ্চ বিস্তৃতি ৭৬০ কিমি। 
- বাংলাদেশের সর্বপূর্বের : স্থান : আখাইনঠং, উপজেলা : থানচি জেলা : বান্দরবান।
- সর্বপশ্চিমের: - স্থান : মনাকষা - উপজেলা : শিবগঞ্জ - জেলা : চাঁপাইনবাবগঞ্জ। 
- সর্বদক্ষিণের: - স্থান : ছেঁড়া দ্বীপ - উপজেলা : টেকনাফ - জেলা : কক্সবাজার।
- সর্বউত্তরের:- স্থান : বাংলাবান্দা - উপজেলা: তেঁতুলিয়া- জেলা : পঞ্চগড়।
- বাংলাদেশ ৮টি মূল প্রশাসনিক অঞ্চল সমন্বয়ে গঠিত, যা বিভাগ নামে পরিচিত। এগুলো হলো বরিশাল, চট্টগ্রাম, ঢাকা, খুলনা, রাজশাহী, সিলেট, ময়মনসিংহ এবং রংপুর বিভাগ।
- এসকল বিভাগের অধীনে রয়েছে ৬৪টি জেলা এবং এই ৬৪টি জেলাকে বিভক্ত করা হয়েছে মোট ৪৯৫টি উপজেলায়।

তথ্যসূত্র- জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,৪৩২.
বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণের ইউনিয়ন কোনটি?
  1. ক) হাতিয়া
  2. খ) কক্সবাজার
  3. গ) টেকনাফ
  4. ঘ) সেন্টমার্টিন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমে- চাঁপাইনবাবগঞ্জ (জেলা), শিবগঞ্জ (উপজেলা), মনাকাষা (স্থান)।
বাংলাদেশের সর্ব পূর্বে- বান্দরবান (জেলা), থানচি (উপজেলা), আখানইঠং( স্থান)।
বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণে-কক্সবাজার (জেলা), টেকনাফ (উপজেলা), সেন্টমার্টিন (ইউনিয়ন), ছেঁড়া দ্বীপ (স্থান)।
বাংলাদেশের সর্ব উত্তরে- পঞ্চগড় (জেলা), তেতুলিয়া (উপজেলা), বাংলাবান্ধা (ইউনিয়ন), জায়গীর জোত (স্থান)।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন
১,৪৩৩.
GPS এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Global Positioning Structure
  2. General Positioning System
  3. Global Positioning System
  4. Geographical Projection System
ব্যাখ্যা
জিপিএস: 
- বর্তমানে মানচিত্র তৈরি, পঠন এবং ব্যবস্থাপনার সবচেয়ে আধুনিক ব্যবহার হচ্ছে জিপিএস এবং জিআইএস।
- জিপিএস (GPS)-এর ইংরেজি হলো Global Positioning System (GPS)।
- কোনো একটি স্থানের ভৌগোলিক অবস্থান জানতে চাইলে সবচেয়ে সহজ উপায় হচ্ছে জিপিএস-এর মাধ্যমে জানা।
- জিপিএস দ্বারা কোনো একটি নির্দিষ্ট স্থানের অক্ষাংশ, দ্রাঘিমাংশ, উচ্চতা ও দূরত্ব জানা যায়।
- এছাড়া ঐ স্থানের উত্তর দিক, তারিখ ও সময় জানা যায়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১,৪৩৪.
বাংলাদেশের সাথে ভারতের কয়টি রাজ্যের সীমান্ত আছে? 
  1. ৫টি
  2. ৪টি
  3. ৬টি
  4. ৭টি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা:
- বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী মোট জেলা- ৩২টি।
- বাংলাদেশের সাথে ভারত ও মিয়ানমার দুটি দেশের সীমান্ত রয়েছে।
- ভারতের সাথে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা- ৩০টি।
- মিয়ানমারের সাথে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা- ৩টি (কক্সবাজার, রাঙ্গামাটি ও বান্দরবান)।
- বাংলাদেশ-ভারত ও মায়ানমার এই তিনটি দেশের যৌথ সীমান্ত রয়েছে রাঙ্গামাটি জেলার।
- বাংলাদেশের সাথে ভারতের ৫টি রাজ্যের সীমান্ত আছে।
- সীমান্ত রাজ্য হলো:  পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, ত্রিপুরা, মেঘালয়, এবং মিজোরাম।

- বাংলাদেশের সাথে মায়ানমারের ২টি রাজ্যের সীমান্ত আছে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১,৪৩৫.
বাংলাদেশের সর্বাধিক বনাঞ্চাল রয়েছে কোন জেলায়? ( মে ২০২৫)
  1. বান্দরবান
  2. রাঙামাটি
  3. বাগেরহাট
  4. খুলনা
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের বনাঞ্চালের পরিমাণ - ৬৩,৬৩,৩০৯.৩৩ একর। ( মে ২০২৫)
- সর্বাধিক বনাঞ্চাল সম্পন্ন জেলা ৫ টি।
- রাঙামাটি - ১৩,৭৮,৫৫৫.১৩ একর।
- বান্দরবান - ৭, ৯৭,৫১৬.৪৯ একর।
- বাগেরহাট - ৫,৬৬,৫১২.৯৫ একর।
- খাগড়াছড়ি - ৫,৫৪,১১৬.২১ একর।
- খুলনা - ৫,৪৬,০৮১.৬১ একর।


উৎস:
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৩।
১,৪৩৬.
বাংলাদেশের সমুদ্র উপকূলীয় সীমার দৈর্ঘ্য কত?
  1. ক) ১২ কি.মি.
  2. খ) ২৫০ কি.মি.
  3. গ) ২০০ কি.মি.
  4. ঘ) ৭১১ কি.মি.
ব্যাখ্যা
• বিজিবি এবং ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের তথ্যানুসারে:
- বাংলাদেশের মোট সীমান্ত দৈর্ঘ্য : ৫,১৩৮ কিলোমিটার
- মোট স্থলসীমান্ত : ৪,৪২৭ কি.মি.
- ভারতের সাথে স্থলসীমান্ত : ৪,১৫৬ কি.মি.
- মিয়ানমারের সাথে স্থলসীমান্ত : ২৭১ কি.মি.
- সমুদ্রতট রেখার দৈর্ঘ্য : ৭১১ কিলোমিটার।


• মাধ্যমিক ভূগোল বইয়ের তথ্যানুসারে:
- মোট সীমান্ত : ৪,৭১১ কিলোমিটার
- মোট স্থলসীমান্ত : ৩,৯৯৫ কি.মি.
- ভারতের সাথে স্থলসীমান্ত : ৩,৭১৫ কি.মি.
- মিয়ানমারের সাথে স্থলসীমান্ত : ২৮০ কি.মি.
- সমুদ্রতট রেখার দৈর্ঘ্য : ৭১৬ কি.মি.।


তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী : পৃষ্ঠা- ১৪৯, ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর এবং বিজিবি
১,৪৩৭.
সমুদ্রের তলদেশে বাংলাদেশ ভূখণ্ডের সীমানা কত?
  1. ১২ নটিক্যাল মাইল
  2. ১২০ নটিক্যাল মাইল
  3. ২০০ নটিক্যাল মাইল
  4. ৩৫০ নটিক্যাল মাইল
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সমুদ্রসীমা
- ২০১২ সালে ITLOS এবং ২০১৪ সালে PCA যথাক্রমে মিয়ানমার ও ভারত সাথে সমুদ্রসীমা নিয়ে করা মামলায় বাংলাদেশের পক্ষে রায় দেয়।
- এই রায়ের ফলে বাংলাদেশ মোট ১,১৮,৮১৩ বর্গ কিমি সমুদ্রসীমা অর্জন করে। 
- বর্তমানে বাংলাদেশের রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা - ১২ নটিক্যাল মাইল।
- অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা - ২০০ নটিক্যাল মাইল।
- মহীসোপান বা সমুদ্রের তলদেশে বাংলাদেশ ভূখণ্ডের সীমানা - উপকূল থেকে ৩৫০ নটিক্যাল মাইল।

উল্লেখ্য, 
- ১ নটিক্যাল মাইল = ১.৮৫২ কিমি।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।

১,৪৩৮.
পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসকারী সবচেয়ে প্রাচীন নৃগোষ্ঠী কোনটি?
  1. ক) চাকমা
  2. খ) মারমা
  3. গ) মুরং
  4. ঘ) লুসাই
ব্যাখ্যা
- পার্বত্য চট্টগ্রামে মোট ১১টি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বসবাস করে।
- এর মধ্যে সবচেয়ে প্রাচীন নৃগোষ্ঠী হলো মুরং বা ম্রো সম্প্রদায়।
- এরা আনুমানিক ১৪৩০ খ্রিষ্টাব্দে আরাকান রাজ্য থেকে বান্দরবান জেলায় এসে বসতি স্থাপন করে।
- বান্দরবান জেলায় বর্তমানে প্রায় ২৮ হাজারের অধিক মুরং জনগোষ্ঠী বাস করে যা সংখ্যায় বান্দরবানের দ্বিতীয় বৃহত্তম সম্প্রদায়।
- জনসংখ্যায় দেশের বৃহত্তম ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী হলো চাকমা।
- মারমা সম্প্রদায় পার্বত্য চট্টগ্রামের দ্বিতীয় বৃহত্তম এবং লুসাই সম্প্রদায় ক্ষুদ্রতম নৃগোষ্ঠী।
(সূত্র: ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী – সপ্তম শ্রেণী এবং বান্দরবান জেলা ও নৃগোষ্ঠী সনদ ওয়েবসাইট)
১,৪৩৯.
বাংলাদেশের সীমানার কোন দিকে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য অবস্থিত?
  1. পূর্ব ও পশ্চিম
  2. উত্তর ও পূর্ব
  3. উত্তর ও পশ্চিম
  4. শুধু পশ্চিম
ব্যাখ্যা

◉ বাংলাদেশের উত্তরে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, আসাম ও মেঘালয় রাজ্য অবস্থিত। এছাড়াও পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য রয়েছে।

বাংলাদেশের সীমানা: 
- বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী ভারতের রাজ্য হচ্ছে ৫টি।
এগুলো হলো -
→ ত্রিপুরা,
→ আসাম,
→ মিজোরাম,
→ মেঘালয় ও
→ পশ্চিমবঙ্গ।

সীমান্তবর্তী স্থান:
- বাংলাদেশের উত্তরে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, আসাম ও মেঘালয় রাজ্য অবস্থিত।
- পশ্চিম দিকে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের সীমানা রয়েছে।
- পূর্ব দিকে ভারতের আসাম, ত্রিপুরা ও মিজোরাম রাজ্য এবং মিয়ানমার রয়েছে।
- দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর এবং ভারতীয় আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের সীমানা রয়েছে, পাশাপাশি মিয়ানমারেরও অবস্থান রয়েছে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা মোট ৩২টি।
- এর মধ্যে বাংলাদেশের সাথে ভারতের সীমান্তবর্তী জেলার সংখ্যা ৩০টি, এবং মিয়ানমারের সাথে সীমান্তবর্তী জেলার সংখ্যা ৩টি। বাংলাদেশের রাঙামাটি জেলা হলো একমাত্র জেলা, যেটা ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সীমানার সঙ্গে সংযুক্ত।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

১,৪৪০.
সোমপুর মহাবিহার কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ক) রাজশাহী
  2. খ) নওগাঁ
  3. গ) জয়পুরহাট
  4. ঘ) কুমিল্লা
ব্যাখ্যা
পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার বা সোমপুর মহাবিহার বাংলাদেশের নওগাঁ জেলার বদলগাছি উপজেলায় অবস্থিত।
 
সোমপুর মহাবিহার প্রাচীন বাংলার একটি বৌদ্ধ বিহার।
- পাহাড়পুরএর উৎখননকৃত বিহার কমপ্লেক্সের সঙ্গে সোমপুর মহাবিহারকে অভিন্ন মনে করা হয়।
- পাল বংশের দ্বিতীয় রাজা ধর্মপাল (আনু. ৭৮১-৮২১ খ্রি) এ বিহার স্থাপন করেন।
- ধ্বংসাবশেষ হতে কিছু মাটির সিল পাওয়া গেছে, যেখানে উৎকীর্ণ রয়েছে ‘শ্রী-সোমপুরে-শ্রী-ধর্মপালদেব-মহাবিহারিয়ার্য-ভিক্ষু-সংঘস্য’। 

 [উৎসঃ নওগাঁ জেলার সরকারি ওয়েবসাইট, বাংলাপিডিয়া।
১,৪৪১.
পৃথিবীর ভূত্বক কয়টি বৃহৎ টেকটোনিক প্লেট দ্বারা গঠিত?
  1. ৫টি
  2. ৭টি
  3. ৯টি
  4. ১১টি
ব্যাখ্যা

টেকটোনিক প্লেট:
- টেকটোনিক প্লেট হচ্ছে পাথরের একটি স্তর যা পৃথিবীর অভ্যন্তরের গলিত অংশটির সবচেয়ে বাইরের আবরণ।
- টেকটোনিক প্লেট এর উপরে পৃথিবীর সবকিছু অবস্থান করছে।
- ১৯১২ খ্রিষ্টাব্দে আবহাওয়াবিদ আলফ্রেড ওয়েগেনারের মহীসঞ্চারণ তত্ত্ব বা কন্টিনেন্টাল ড্রিফট থেকে টেকটোনিক প্লেট ধারণার জন্ম হয়।
- মহীসঞ্চারণ তত্ত্ব অনুসারে কোনো একসময় সবগুলো মহাদেশ মিলে একটি মহাদেশ ছিল যাকে প্যানজিয়া বলা হয়।

⇒ পৃথিবীর ভূত্বক ৭টি বৃহৎ টেকটোনিক প্লেট দ্বারা গঠিত। প্লেটগুলো হলো:
- প্রশান্ত মহাসাগরীয় প্লেট (Pacific Plate),
- উত্তর আমেরিকান প্লেট (North American Plate),
- ইউরেশীয় প্লেট (Eurasian Plate),
- আফ্রিকান প্লেট (African Plate),
- অ্যান্টার্কটিক প্লেট (Antarctic Plate),
- ভারত-অস্ট্রেলীয় প্লেট (Indo-Australian Plate) ও
- দক্ষিণ আমেরিকান প্লেট (South American Plate)।

উৎস: Worldatlas.

১,৪৪২.
বাংলাদেশের সর্বউত্তরে অবস্থিত স্থান কোনটি?
  1. ক) জায়গীর জোত
  2. খ) ছেঁড়া দ্বীপ
  3. গ) মনাকাষা
  4. ঘ) আখানইঠং
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরে- পঞ্চগড়(জেলা), তেতুলিয়া(উপজেলা), বাংলাবান্ধা(ইউনিয়ন), জায়গীর জোত(স্থান)
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণে- কক্সবাজার(জেলা), টেকনাফ(উপজেলা), সেন্টমার্টিন(ইউনিয়ন), ছেঁড়া দ্বীপ(স্থান)।
- বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমে- চাঁপাইনবাবগ­ঞ্জ(জেলা), শিবগঞ্জ(উপজেলা), মনাকাষা(স্থান)।
- বাংলাদেশের সর্ব পূর্বে- বান্দরবান(জেলা), থানচি(উপজেলা), আখানইঠং(স্থান)।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,৪৪৩.
কে সর্বপ্রথম উত্তর-পূর্ব ভারতের সাতটি রাজ্যকে ‘সেভেন সিস্টার্স’ নামে উল্লেখ করেন?
  1. সিউ-কা-ফা
  2. জ্যোতি প্রসাদ সাইকিয়া
  3. লক্ষ্মণ প্রসাদ আচার্য
  4. জ্যোতিরিন্দ্র সিনহা
ব্যাখ্যা
সেভেন সিস্টার্স:
- উত্তর-পূর্ব ভারতের সাতটি রাজ্য সেভেন সিস্টার্স নামে পরিচিত।
- এই সাত রাজ্যের আয়তন ২,৬২,১৭৯ বর্গকিলোমিটার, যা ভারতের মোট এলাকার প্রায় ৭.৯৭ শতাংশ।
- এ অঞ্চলের জনসংখ্যা ভারতের মোট জনসংখ্যার ৩.৭৮ শতাংশ।
- ত্রিপুরার সাংবাদিক জ্যোতি প্রসাদ সাইকিয়া সর্বপ্রথম রাজ্যগুলোকে একত্রে ‘সেভেন সিস্টার্স’ নামে উল্লেখ করেন।
- ১৯৭২ সালে এই সাত রাজ্যকে সেভেন সিস্টার্সের মর্যাদা দেওয়া হয়।
- আসামের মাধ্যমে রাজ্যগুলো ভারতের মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।
- আগে এসব রাজ্য ভারতের অন্তর্ভুক্ত ছিল না।
- রাজ্যগুলাে হচ্ছে: অরুণাচল, আসাম, মণিপুর, মেঘালয়, মিজোরাম, নাগাল্যান্ড, ত্রিপুরা।

⇒ ভারতের সেভেন সিস্টার্সের রাজ্যসমূহ ও রাজধানী -
১. আসাম - দিসপুর,
২. মিজোরাম - আইজল,
৩. অরুনাচল - ইটানগর,
৪. মেঘালয় - শীলং,
৫. ত্রিপুরা - আগরতলা,
৬. মণিপুর - ইম্ফল,
৭. নাগাল্যান্ড - কোহিমা।

উৎস: Ministry of Home Affairs ওয়েবসাইট।
১,৪৪৪.
ইসরাইল-এর সমুদ্রবন্দর কোনটি?
  1. ক) আকাবা
  2. খ) আন্টওয়ার্প
  3. গ) জেদ্দা
  4. ঘ) হাইফা
ব্যাখ্যা
হাইফা ভূমধ্যসাগরের তীরে অবস্থিত ইসরাইলের প্রধান সমুদ্রবন্দর।
জর্ডানের সমুদ্রবন্দরের নাম আকাবা।
আন্টওয়ার্প বেলজিয়ামের সমুদ্রবন্দর।
জেদ্দা সৌদি আরবের সমুদ্রবন্দর।
উৎসঃ ব্রিটানিকা এবং সংশ্লিষ্ট দেশের ওয়েবসাইট
১,৪৪৫.
কোন নদী গারো পাহাড় থেকে উৎপন্ন?
  1. ধলেশ্বরী
  2. বলেশ্বরী
  3. সুরমা
  4. সোমেশ্বরী
ব্যাখ্যা
সোমেশ্বরী নদী: 
- উত্তরের গারো পাহাড় থেকে নেমে আসা নদী সোমেশ্বরী। 
- সোমেশ্বরী নদীর আগের নাম ছিল 'সমসাঙ্গ'। 
- সোমেশ্বরী নদীর উৎপত্তিস্থল আমাদের প্রতিবেশী দেশ ভারতে। 
- নেত্রকোণার দূর্গাপুর উপজেলার বিজয়পুর (বাংলাদেশের একমাত্র সাদা মাটির পাহাড় নামে খ্যাত) ও ভবানীপুর গ্রামের ভিতর দিয়ে এই সোমেশ্বরী নদী বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
- বছরের বেশিরভাগ সময় সোমেশ্বরীর একপাশ জুড়ে থাকে বালুচর, অন্য পাশে হালকা নীলাভ জল।

উল্লেখ্য, গারো পাহাড়ে কংস নদীরও উৎপত্তি। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,৪৪৬.
পৃথিবীর গভীরতম মহাসাগর কোনটি?
  1. ক) আটলান্টিক মহাসাগর
  2. খ) প্রশান্ত মহাসাগর
  3. গ) ভারত মহাসাগর
  4. ঘ) উত্তর মহাসাগর
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর গভীরতম ও বৃহত্তম মহাসাগর হলো প্রশান্ত মহাসাগর বা প্যাসিফিক ওশান। প্রশান্ত মহাসাগরের গড় গভীরতা ৪,২৭০ মিটার এবং আয়তন ১৬.৬ কোটি বর্গকিলোমিটার।

প্রশান্ত মহাসাগরে পৃথিবীর গভীরতম সমুদ্রখাত মারিয়ানা ট্রেঞ্চ অবস্থিত। মারিয়ানা ট্রেঞ্চের চ্যালেঞ্জার ডিপ হলো পৃথিবীর গভীরতম স্থান যার গভীরতা প্রায় ৩৬,১৯৭ ফুট।

আয়তনে ও গভীরতায় পৃথিবীর ক্ষুদ্রতম মহাসাগর হলো দক্ষিণ মহাসাগর। এটির আয়তন ১.৪৭ কোটি বর্গকিলোমিটার এবং গড় গভীরতা ১৪৯ মিটার।

(তথ্যসূত্র: মাধ্যমিক ভূগোল ও পরিবেশ এবং ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস)
১,৪৪৭.
দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপের অপর নাম কী?
  1. নিউমুর দ্বীপ
  2. হাতিয়া
  3. সোনাদিয়া দ্বীপ
  4. শাহ পরীর দ্বীপ
ব্যাখ্যা
দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ:
- এটি সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার অন্তর্ভূক্ত বঙ্গোপসাগরের অগভীর সামুদ্রিক মহীসোপান (continental shelf) এলাকায় জেগে ওঠা একটি  উপকূলবর্তী দ্বীপ। 
- দ্বীপটি মূলত  গঙ্গা-পদ্মা নদীপ্রণালী-এর বিভিন্ন শাখা নদীর পলল অবক্ষেপণের ফলে গড়ে উঠেছে।
- দ্বীপটির বর্তমান আয়তন প্রায় ১০ বর্গ কিলোমিটার। 
- ১৯৭০ সালের প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড়ের পর হাড়িয়াভাঙ্গা নদীর মোহনার অদূরে বাংলাদেশের সমুদ্রসীমায় দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ জেগে ওঠে।
- ১৯৭১ সালের মাঝামাঝি সময়ে দ্বীপটির অভ্যুদয় ভারতের পশ্চিমবঙ্গ সরকারের দৃষ্টিগোচর হয়।
- ভারত নতুন জেগে ওঠা দ্বীপটিকে ‘নিউমুর দ্বীপ’ The New Moore Island) নামে চিহ্নিত করে।
- সে সময় পশ্চিমবঙ্গে দ্বীপটিকে কখনও ‘নিউমুর’ আবার কখনও ‘পূর্বাশা’ নামে অভিহিত করা হতো।
- ভারত সরকারও দ্বীপটিকে নিজ রাষ্ট্রীয় সীমানার অন্তর্ভূক্ত বলে দাবী করে থাকে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১,৪৪৮.
'চর কুকড়ি মুকড়ি' কোথায় অবস্থিত? 
  1. লক্ষীপুর
  2. ভোলা
  3. ফেনী
  4. নোয়াখালী
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের চরসমূহ:
- নদীর মাঝে বা মোহনায় পলি সঞ্চিত হয়ে জেগে উঠা ভূখণ্ড চর নামে পরিচিত।
- লক্ষ্মীপুর জেলা: চর গজারিয়া ও চর আলেকজান্ডার।
- ভোলা জেলা: চরফ্যাশন, চর মানিক, চর কুকড়ি মুকড়ি, চর নিউটন, চর নিজাম প্রভৃতি।
- নোয়াখালী জেলা: ভাসান চর, সুবর্ণ চর, চর শ্রীজনী, চর শাহাবানী প্রভৃতি।
- ফেনী জেলা: মুহুরীর চর।
- রাজশাহী জেলা: নির্মল চর।
- সুন্দরবন: দুবলার চর, পাটনি চর।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১,৪৪৯.
বাংলাদেশের প্রায় মধ্যভাগে কোনটি অবস্থিত?
  1. ১২০ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমারেখা
  2. ৯০ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমারেখা
  3. ১২০ ডিগ্রি পশ্চিম দ্রাঘিমারেখা
  4. ৯০ ডিগ্রি পশ্চিম দ্রাঘিমারেখা
ব্যাখ্যা
প্রমাণ সময় (Standard Time):
- দ্রাঘিমারেখার উপর মধ্যাহ্ন সূর্যের অবস্থানের সময়কালকে দুপুর ১২টা ধরে স্থানীয় সময় নির্ধারণ করলে একই দেশের মধ্যে সময় গণনার বিভ্রাট হয়।
- সেজন্য প্রত্যেক দেশের একটি প্রমাণ সময় নির্ণয় করা হয়।
- প্রত্যেক দেশেই সেই দেশের মধ্যভাগের কোনো স্থানের দ্রাঘিমারেখা অনুযায়ী যে সময় নির্ণয় করা হয় সে সময়কে ঐ দেশের প্রমাণ সময় বলে।
- অনেক বড়ো দেশ হলে কয়েকটি প্রমাণ সময় থাকে।
- আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের চারটি এবং কানাডাতে পাঁচটি প্রমাণ সময় রয়েছে।
- গ্রিনিচের (০ ডিগ্রি দ্রাঘিমা) স্থানীয় সময়কে সমগ্র পৃথিবীর প্রমাণ সময় হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে।
- বাংলাদেশের প্রমাণ সময় গ্রিনিচের সময় অপেক্ষা ৬ ঘণ্টা অগ্রবর্তী।
- ৯০ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমারেখা বাংলাদেশের প্রায় মধ্যভাগে অবস্থিত।
- এ কারণে এ দ্রাঘিমার স্থানীয় সময়কে বাংলাদেশের প্রমাণ সময় ধরে কাজ করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১,৪৫০.
'ফিশার ভিলেজ' কোন দুটি জেলায় অবস্থিত?
  1. মুন্সিগঞ্জ ও শরীয়তপুর
  2. শরীয়তপুর ও নেত্রকোনা
  3. ফরিদপুর ও বরিশাল
  4. খুলনা ও কিশোরগঞ্জ
ব্যাখ্যা
২১ জুন ২০২১ সালে, শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার ‘হাইলসার’ গ্রাম ও নেত্রকোনার ‘দক্ষিণ বিশিউড়া’ গ্রামকে ‘ফিশার ভিলেজ’ হিসেবে ঘোষণা করে পরিপত্র জারি করা হয়।
সোর্স: দৈনিক পত্রিকা
১,৪৫১.
'চলনবিল' সাম্প্রতিককালের কোন প্লাবন সমভূমিতে অবস্থিত?
  1. পাদদেশীয় পলল সমভূমি
  2. সিলেট অববাহিকা
  3. গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র-মেঘনার প্লাবন সমভূমি
  4. ব-দ্বীপ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতি:
- ভূপ্রকৃতি অনুযায়ী বাংলাদেশকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়।
- এগুলো হলো:
• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ,
• প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ এবং
• সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।

সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি:
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়ি এলাকা এবং প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ ব্যতীত সমগ্র বাংলাদেশ সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমির অন্তর্ভুক্ত।
- সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি অঞ্চলটি পদ্মা, ব্রহ্মপুত্র, যমুনা, মেঘনা প্রভৃতি নদ-নদী ও এদের উপনদী, শাখানদী বাহিত পলিমাটি দ্বারা গঠিত।
- বাংলাদেশের বৃহত্তম এ এলাকার নদীগুলো প্রায়ই গতি পরিবর্তনের কারণে নতুন নতুন পললভূমি গঠিত হতে দেখা যায়।
- এ সমভূমির গড় উচ্চতা প্রায় ৯ মিটার।

দেশের সমগ্র সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি অঞ্চলটি একই ধরনের নয় বলে একে আবার নিম্নলিখিত কয়েকটি অঞ্চলে ভাগ করে আলোচনা করা যায়। যথা: 
ক) কুমিল্লার বা ত্রিপুরার সমভূমি,
খ) পাদদেশীয় পলল সমভূমি,
গ) সিলেট অববাহিকা,
ঘ) গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র-মেঘনার প্লাবন সমভূমি,
ঙ) ব-দ্বীপ।

⇒ গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র-মেঘনার প্লাবন সমভূমি:
- বৃহত্তর ঢাকা, কুমিল্লা, ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, পাবনা ও রাজশাহী অঞ্চলের অংশ বিশেষ নিয়ে এ প্লাবন সমভূমি গঠিত।
- এই অঞ্চলেও বেশ কিছু বিল ও হাওড় আছে।
- বাংলাদেশের বৃহত্তম বিল 'চলনবিল' এই এলাকাতে অবস্থিত
- এ অঞ্চলের অধিকাংশ স্থানই বর্ষার সময় পানিতে প্লাবিত হয়।

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৪৫২.
বাংলাদেশ-মিয়ানমার সমুদ্রসীমা বিরোধ মামলার রায় হয় কত সালে?
  1. ২০১৪ সালের ৭ জুলাই
  2. ২০১২ সালের ৭ জুলাই
  3. ২০১২ সালের ১৪ মার্চ
  4. ২০১৪ সালের ১৪ মার্চ
ব্যাখ্যা
• সমুদ্র সীমা:
- বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তির মামলার রায় হয় ২০১২ সালের ১৪ মার্চ।
- জার্মানির হামবুর্গে অবস্থিত সমুদ্র আইনবিষয়ক আন্তর্জাতিক ট্রাইবুনাল International Tribunal for the Law of the Sea (ITLOS) এ সমুদ্রসীমা বিষয়ক এই মামলাটি নিষ্পত্তি হয়।
এই রায়ের ফলে বাংলাদেশ লাভ করে ১,১১,৬৩১ বর্গকিলোমিটার সমুদ্রসীমা।

অন্যদিকে,
- PCA (Permanent Court of Arbitration) আদালতে  ৭ই জুলাই, ২০১৪ সালে বাংলাদেশ ও ভারতের সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তি হয়।

উৎস: সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর ওয়েবসাইট এবং বিবিসি পত্রিকা রিপোর্ট।
১,৪৫৩.
পর্তুগাল ও স্পেনের মধ্যে সীমানা কোনটি?
  1. লাইন অব ডিমারকেশন
  2. সনেরা লাইন
  3. পার্পল লাইন
  4. ম্যাকমোহন লাইন
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন দেশের সীমানা:

- ডুরান্ড লাইন - পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে সীমানা।
- ম্যাকমোহন লাইন - ভারত ও চীনের মধ্যে সীমানা।
- রেডক্লিফ লাইন - ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সীমারেখা।
- লাইন অব ডিমারকেশন - পর্তুগাল ও স্পেনের মধ্যে সীমানা।
- লাইন অব কন্ট্রোল - ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সীমানা।
- লাইন অব একচুয়াল কন্ট্রোল - চীন ও ভারত মধ্যে সীমানা।
- পার্পল লাইন - ইসরাইল ও সিরিয়ার মধ্যে সীমানা।
- সনেরা লাইন - মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্র মধ্যকার সীমানা।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
১,৪৫৪.
লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান কী ধরনের বনভূমি?
  1. স্রোতজ বনভূমি
  2. ক্রান্তীয় চিরহরিৎ
  3. ক্রান্তীয় পাতাঝরা 
  4. পত্র পতনশীল জাতীয়
ব্যাখ্যা

• লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান:
- মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান।
- ১৯২৫ সালে বনায়ন করে সৃষ্ট বনরাজি এখন ঘন প্রাকৃতিক বনের আকার ধারণ করেছে।
- লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান বাংলাদেশে ক্রান্তীয় চিরহরিৎ জাতীয় বনের একটি উল্লেখযোগ্য নমুনা।
- এটি একটি সংরক্ষিত বনাঞ্চল।
- এর আয়তন ১২৫০ হেক্টর।
- বাংলাদেশের ৭টি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য ও ১০টি জাতীয় উদ্যানের মধ্যে এটি অন্যতম।
- বাংলাদেশ সরকার ১৯৯৭ খ্রিস্টাব্দে এই বনকে 'জাতীয় উদ্যান' হিসেবে ঘোষণা করে।
- বিলুপ্তপ্রায় উল্লুকের জন্য এ বন বিখ্যাত।
- নিরক্ষীয় অঞ্চলের চিরহরিৎ বর্ষাবন বা রেইন ফরেষ্টের মতো এখানে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়।
- সূর্যের আলোর জন্য প্রতিযোগিতা করে এ বনের গাছপালা খুব উঁচু হয়ে থাকে, এবং অনেক ওপরে ডালপালা ছড়িয়ে চাঁদোয়ার মত সৃষ্টি করে।
- এই বন এতই ঘন যে মাটিতে সূর্যের আলো পড়েনা বললেই চলে।

উল্লেখ্য,
• বাংলাদেশের বনভূমি:
- যে কোনো দেশের প্রাকৃতিক ভারসাম্য এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য মোট ভূমির ২৫ ভাগ বনভূমি থাকা প্রয়োজন।
- মাটির গুণাগুণ ও জলবায়ুর তারতম্যের কারণে বাংলাদেশের বনভূমিকে তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়।
- যথা :
১. ক্রান্তীয় পাতাঝরা গাছের বনভূমি।
২. ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পাতাঝরা গাছের বনভূমি।
৩. স্রোতজ বনভূমি বা সুন্দরবন।

⇔ ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পাতাঝরা গাছের বনভূমি:
- পাহাড়ের অধিক বৃষ্টিপ্রবণ অঞ্চলে ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং কম বৃষ্টিপ্রবণ অঞ্চলে পাতাঝরা গাছের বনভূমি দেখা যায়।
- বাংলাদেশের খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি ও বান্দরবানের প্রায় সব অংশে এবং চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলের কিছু অংশে এ বনভূমি বিস্তৃত।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১,৪৫৫.
কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের দৈর্ঘ্য কত?
  1. ক) ১২০ কি.মি.
  2. খ) ১২৫ কি.মি.
  3. গ) ১৩০ কি.মি.
  4. ঘ) ১৫০ কি.মি.
ব্যাখ্যা
• কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের দৈর্ঘ্য ১২০ কি.মি.।

• কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতটি পৃথিবীর দীর্ঘতম অখন্ডিত সমুদ্র সৈকত। 
- কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে অবস্হিত একটি পর্যটন শহর।
- এটি চট্টগ্রাম বিভাগের কক্সবাজার জেলার অন্তর্গত। কক্সবাজার তার নৈসর্গিক সৌন্দর্য্যের জন্য বিখ্যাত।
- এখানে রয়েছে বিশ্বের দীর্ঘতম অবিচ্ছিন্ন প্রাকৃতিক বালুময় সমুদ্র সৈকত যা কক্সবাজার শহর থেকে বদরমোকাম পর্যন্ত একটানা ১২০ কি.মি. পর্যন্ত বিস্তৃত।
- এখানে রয়েছে বাংলাদেশের বৃহত্তম সামুদ্রিক মৎস্য বন্দর এবং সাবমেরিন ক্যাবল ল্যান্ডিং স্টেশান।

সূত্র: কক্সবাজার জেলা ও বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের ওয়েবসাইট।
১,৪৫৬.
সেন্টমার্টিনস দ্বীপ ভৌগোলিকভাবে কয়টি অংশে বিভক্ত?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
ব্যাখ্যা
- সেন্টমার্টিনস ৭.৩১৫ কিমি দীর্ঘ এবং উত্তর-উত্তরপশ্চিম এবং দক্ষিণ-দক্ষিণপূর্ব দিক জুড়ে বিন্যস্ত।
- ভৌগোলিকভাবে এটি তিনটি অংশে বিভক্ত।
- উত্তরাঞ্চলীয় অংশকে বলা হয় নারিকেল জিনজিরা বা উত্তর পাড়া এবং এ অংশ ২,১৩৪ মিটার দীর্ঘ ও ১,৪০২ মিটার প্রশস্ত।
- দক্ষিণাঞ্চলীয় অংশটি দক্ষিণ পাড়া হিসেবে পরিচিত, যা ১৯২৯ মিটার দীর্ঘ এবং - এর সাথে সংযুক্ত রয়েছে দক্ষিণ পূর্ব দিকে বিস্তৃত একটি সংকীর্ণ লেজের মতো এলাকা, যার সর্বোচ্চ প্রশস্ততা ৯৭৫ মিটার। - একটি সংকীর্ণ কেন্দ্রীয় অঞ্চল বা মধ্য পাড়া দুইটি অংশকে সংযুক্ত করেছে।
- বেল্ট বা ফিতার মতো এই অঞ্চলটির দৈর্ঘ্য এবং প্রস্থ যথাক্রমে ১৫২৪ মিটার ও ৫১৮ মিটার এবং সংকীর্ণতম অংশটি গলাচিপা নামে পরিচিত।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।
১,৪৫৭.
নিচের কোনটি স্থলবেষ্টিত রাষ্ট্র?
  1. ক) বেলারুশ
  2. খ) উত্তর কোরিয়া
  3. গ) ভেনেজুয়েলা
  4. ঘ) আলজেরিয়া
ব্যাখ্যা
- উল্লিখিত দেশসমূহের মধ্যে বেলারুশের কোন সমুদ্রবন্দর নেই। দেশটি একটি স্থলবেষ্টিত রাষ্ট্র।
অন্যদিকে,
- নাম্পো : উত্তর কোরিয়ার সমুদ্রবন্দর
- লা গুয়েরা : ভেনেজুয়েলার সমুদ্রন্দর
- আলজিয়ার্স : আরজেরিয়ার সমুদ্রবন্দর।
(তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ও ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস)
১,৪৫৮.
নিচের কোনটি পৃথিবীর দীর্ঘতম প্রণালী?
  1. ক) হরমুজ প্রণালী
  2. খ) তাতার প্রণালী
  3. গ) মালাক্কা প্রণালী
  4. ঘ) পক প্রণালী
ব্যাখ্যা
মালাক্কা প্রণালী:
- ভারত মহাসাগর (আন্দামান সাগর) কে প্রশান্ত মহাসাগর (দক্ষিণ চীন সাগর) এর সঙ্গে সংযুক্ত করেছে। 
- এটি ইন্দোনেশিয়া ও মালয়শিয়াকে পৃথক করেছে।
- এর দৈর্ঘ্য - ৮০০ কি.মি (৫০০ মাইল)
- দৈর্ঘ্যের হিসাবে এটিই সবচেয়ে দীর্ঘ প্রণালী।
----------------
তাতার প্রণালী:-
- ওখটস্ক ও জাপান সাগরকে সংযুক্ত করেছে।
- রাশিয়া ও শাখানিলকে পৃথক করেছে।
- এর দৈর্ঘ্য ৬৩২ কি.মি. (৩৯৩ মাইল)।
-----------
- হরমুজ প্রণালী একটি সরু জলপথ যা পশ্চিমের পারস্য উপসাগরকে পূর্বে ওমান উপসাগর ও আরব সাগরের সাথে সংযুক্ত করেছে এবং আরব উপদ্বীপ থেকে ইরানকে পৃথক করেছে।
- পক প্রণালি ভারত মহাসাগরের বঙ্গোপসাগর ও পক উপসাগরকে যুক্ত করেছে।

উৎস : ব্রিটানিকা।
১,৪৫৯.
নিচের কোনটি বলকান রাষ্ট্র?
  1. ক) ইন্দোনেশিয়া
  2. খ) রােমানিয়া
  3. গ) ইথিওপিয়া
  4. ঘ) স্কটল্যান্ড
ব্যাখ্যা

বলকান দেশঃ
বলকান পর্বতমালার পাদদেশ বা বলকান পেনিনসুলায় অবস্থিত দেশসমূহ এই অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
মূলত ১০টি দেশকে বলকান দেশ বলে।
যথা -
- আলবেনিয়া,
- বসনিয়া ও হার্জেগােভিনা,
- বুলগেরিয়া,
- ক্রোয়েশিয়া,
- কসােভাে,
- মন্টিনিগ্রো,
- মেসিডােনিয়া,
- রােমানিয়া,
- সার্বিয়া ও
- স্লোভেনিয়া
এছাড়াও,
তুরস্কের ইউরােপিয়ান অংশ ও গ্রীসকেও এই অঞ্চলের অন্তর্ভূক্ত করা হয়ে থাকে।
উৎসঃ ওয়ার্ল্ড এটলাস ও ব্রিটানিকা.কম।

১,৪৬০.
বাংলাদেশের জলসীমা বা উপকূলীয় সীমানা কত কি.মি.?
  1. ৬১০ কি.মি.
  2. ৬৭৮ কি.মি.
  3. ৭১৬ কি.মি.
  4. ৭৬১ কি.মি.
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের সীমান্ত দৈর্ঘ্য:
- সর্বমোট সীমারেখা- ৪,৭১১ কি.মি. [BGB'র তথ্য মতে ৫,১৩৮ কি.মি.]
-  স্থলসীমা- ভারত-বাংলাদেশ ৩,৭১৫ কি.মি. ও মায়ানমার-বাংলাদেশ ২৮০ কি.মি. [BGB: ৪,১৫৬ কি.মি. ও ২৭১ কি.মি.]
- জলসীমা বা উপকূলীয় সীমানা- ৭১৬ কি.মি. [BGB: ৭১১ কি.মি.]
- ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সাথে বাংলাদেশের ৩২টি জেলার সীমান্ত রয়েছে।
- ভারতের সাথে ৩০টি এবং মিয়ানমারের সাথে ৩টি।
- বাংলাদেশের রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা ১২ নটিক্যাল মাইল।
- বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা ২০০ নটিক্যাল মাইল।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১,৪৬১.
বাংলাদেশের বৃহত্তম প্রাচীন গাঙ্গেয় ব-দ্বীপ কোনটি?
  1. ঝালকাঠি
  2. পটুয়াখালী
  3. ভোলা
  4. পিরোজপুর
ব্যাখ্যা
• ভোলা জেলার :
- ভোলা বাংলাদেশের বৃহত্তম প্রাচীন গাঙ্গেয় ব-দ্বীপ।
- ভোলা, জেলা হিসেবে  স্বীকৃতি পায়  ১৯৮৪ সালে।
- পূর্বে এটি নোয়াখালী জেলার অধিনে sub division ছিল।
- নোয়াখালী জেলার অধিনে sub division হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছিল ১৮৪৫ সালে।
- তখন এর প্রশাসনিক কেন্দ্র ছিল বর্তমান দৌলতখানে।
- ১৮৬৯ সালে sub division হিসেবে বরিশাল জেলার অধিনে যুক্ত হয় ।
- পরবর্তীতে ১৮৭৬ সালে প্রশাসনিক কেন্দ্র দৌলতখান থেকে ভোলায় স্থানান্তর হয়।
- বর্তমান ভোলা জেলাতে ৭ টি উপজেলা, ৭০ টি ইউনিয়ন রয়েছে।

উৎস: ভোলা জেলা ওয়েবসাইট।
১,৪৬২.
প্যাম্পাস তৃণভূমি কোন অঞ্চলে অবস্থিত?
  1. ক) দক্ষিণ আমেরিকা
  2. খ) উত্তর আমেরিকা
  3. গ) মধ্য-পূর্ব আফ্রিকা
  4. ঘ) ইউরেশিয়া
ব্যাখ্যা
প্যাম্পাস হলো দক্ষিণ আমেরিকার ব্রাজিলে অবস্থিত একটি তৃণভূমি।
এছাড়া ক্যাম্পোস ও ল্যানোস তৃণভূমিও দক্ষিণ আমেরিকায় অবস্থিত।
পৃথিবীর অন্যান্য তৃণভূমির মধ্যে আফ্রিকার সাভানা, উত্তর আমেরিকার প্রেইরি, পূর্ব ইউরোপ ও মধ্য-পশ্চিম এশিয়ার ইউরেশিয়ান স্তেপ প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।
(সূত্রঃ ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক ও ব্রিটানিকা)
১,৪৬৩.
ঢাকার প্রতিপাদ স্থান হচ্ছে -
  1. আটলান্টিক মহাসাগরে
  2. চিলির নিকটবর্তী প্রশান্ত মহাসাগরে
  3. মেক্সিকো উপসাগরে
  4. ভারত মহাসাগরে
ব্যাখ্যা
প্রতিপাদ স্থান (Antipode):
- পৃথিবী পৃষ্ঠের কোনো বিন্দুর ঠিক বিপরীত দিকের বিন্দুকে সেই স্থানের প্রতিপাদ স্থান বলে।
- বাংলাদেশ থেকে পৃথিবীর কেন্দ্র ভেদ করে সরলরেখা টানলে চিলির নিকট প্রশান্ত মহাসাগরে গিয়ে বের হবে।
- অর্থাৎ ঢাকার প্রতিপাদ স্থান- চিলির নিকট প্রশান্ত মহাসাগরে।
- প্রতিপাদ স্থান সম্পূর্ণরূপে একে অন্যের বিপরীতে অবস্থান করে।
- প্রতিপাদ স্থান নির্ণয়ের জন্য পৃথিবী পৃষ্ঠের কোনো বিন্দু থেকে পৃথিবীর কেন্দ্রের মধ্য দিয়ে একটি কল্পিত রেখা পৃথিবীর ঠিক বিপরীত দিকে টানলে ঐ কল্পিত রেখা যে বিন্দুতে পৃথিবী পৃষ্ঠের বিপরীত পাশে মিলিত হয় সেই স্থানই ঐ বিন্দুর প্রতিপাদ স্থান।
- প্রতিপাদ স্থানদ্বয়ের অক্ষাংশ এক, তবে এরা পরস্পর বিপরীত গোলার্ধে অবস্থান করে।
- প্রতিপাদ স্থান দুইটির অক্ষাংশের মান এক হলেও এদের দ্রাঘিমার পার্থক্য ১৮০°।
- অর্থাৎ ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমায় অবস্থিত বাংলাদেশ আর চিলির নিকট প্রশান্ত মহাসাগরের ঐ স্থানটি ৯০° পশ্চিম দ্রাঘিমায় অবস্থিত হবে অর্থাৎ ঠিক বিপরীত ঢাকার প্রতিপাদ স্থান।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৪৬৪.
টারশিয়ারি যুগের পাহাড় বাংলাদেশের মোট ভূমির কোন অংশ দখল করে? 
  1. ১২ শতাংশ
  2. ১৫ শতাংশ
  3. ২০ শতাংশ
  4. ১০ শতাংশ
ব্যাখ্যা

• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ:
- টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় যে সকল পর্বতের সৃষ্টি হয়েছে সেগুলো টারশিয়ারি যুগের পাহাড় নামে পরিচিত।
- বাংলাদেশের মোট ভূমির ১২ শতাংশ এলাকা নিয়ে টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ গঠিত।

• প্রকারভেদ: টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহকে দুইভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা:
• ক. দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ:
- রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি এবং কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম জেলার পূর্বাংশ এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
- দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের এ পাহাড়গুলোর গড় উচ্চতা ৬১০ মিটার।

তথ্যসূত্র: i) ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।

১,৪৬৫.
বরেন্দ্র অঞ্চলের আয়তন কত বর্গ কিলোমিটার?
  1. ৪,১০৩ বর্গ কি.মি.
  2. ৬,৬৬৫ বর্গ কি.মি.
  3. ৯,৩২০ বর্গ কি.মি.
  4. ১২,২২৪ বর্গ কি.মি.
ব্যাখ্যা
- নওগাঁ, রাজশাহী, বগুড়া, জয়পুরহাট, রংপুর ও দিনাজপুর জেলার অংশবিশেষ বরেন্দ্রভূমি নামে পরিচিত। এটির আয়তন প্রায় ৯,৩২০ বর্গকিলোমিটার।
- এই ভূমিরূপ প্রায় ২৫ হাজার বছর পূর্বে প্লাইস্টোসিনকালে গঠিত হয়েছিলো।
- প্লাবন সমভূমি থেকে বরেন্দ্রভূমি ৬ থেকে ১২ মিটার অধিক উচ্চতায় অবস্থিত।
- বরেন্দ্রভূমির মাটি ধূসর ও লাল বর্ণের।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : নবম-দশম শ্রেণী : পৃষ্ঠা-৬০)
১,৪৬৬.
নিম্নের কোনটি 'চিকেন নেক' হিসেবে পরিচিত?
  1. তিনবিঘা করিডোর
  2. কোলিল করিডোর
  3. শিলিগুড়ি করিডোর
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
চিকেন নেক:
- 'চিকেন নেক' হিসেবে পরিচিত শিলিগুড়ি করিডোর।

⇒ ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলকে বাকি দেশের মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে যুক্ত করে রেখেছে যে সরু অংশটা, সেটাই আসলে ‘শিলিগুড়ি করিডর’ নামে পরিচিত।
- ভারতের মানচিত্রে শিলিগুড়ি শহরের কাছে অবস্থিত এই করিডরটা অনেকটা বাঁকানো মুরগির ঘাড়ের মতো দেখায় বলে এই জায়গাটাকে অনেকে ‘চিকেনস নেক’ বলেও বর্ণনা করেন।
- এই করিডরের সবচেয়ে সরু অংশটা মাত্র ২১ কিলোমিটার চওড়া, যার আশেপাশেই রয়েছে অন্তত চারটি দেশের আন্তর্জাতিক সীমান্ত।
- এর সঙ্গে উত্তরে নেপাল, পূর্বে বাংলাদেশ ও ভুটান এবং উত্তরে চীন সীমান্ত।

উৎস: i) BBC.
ii) যুগান্তর।
১,৪৬৭.
নিরক্ষীয় জলবায়ুর অন্তর্গত দেশ নয় কোনটি?
  1. বাহরাইন
  2. ইন্দোনেশিয়া
  3. ফিলিপাইন
  4. ব্রুনাই
ব্যাখ্যা
নিরক্ষীয় জলবায়ুর অন্তর্গত দেশ নয় - বাহরাইন।

• নিরক্ষীয় জলবায়ু:
-  নিরক্ষরেখায় অবস্থানকারী দেশসমূহ এবং এই নিরক্ষরেখার কাছাকাছি অবস্থানরত দেশসমূহে নিরক্ষীয় জলবায়ু বিরাজমান বলে একে বলা হয় নিরক্ষীয় জলবায়ু।

• অবস্থান ও দেশসমূহ:
- নিরক্ষরেখার উভয় পাশে ৫° অক্ষাংশের মধ্যে নিরক্ষীয় অঞ্চল অবস্থিত।
-  সূর্যের উত্তরায়ন ও দক্ষিণায়নের ফলে এ অঞ্চলে দুইবার মাত্রাতিরিক্ত তাপমাত্রা দেখা যায়। কোনো কোনো স্থানে নিরক্ষরেখার উত্তর ও দক্ষিণে ১০° অক্ষাংশের সীমা পর্যন্ত নিরক্ষরেখা বিস্তৃত।

- বিষুবরেখার পার্শ্ববর্তী ৯৬৫ কি. মি. এলাকাজুড়ে এই জলবায়ুর প্রভাব বিস্তৃত।
- আফ্রিকার কঙ্গো নদী অববাহিকা ও গিনি উপকূলীয় এলাকা, মধ্য আমেরিকার পূর্ব উপকূলের পানামা, হন্ডুরাস, কোস্টারিকা, নিকারাগুয়া এবং দক্ষিণ আমেরিকার পূর্ব উপকূল এই জলবায়ু অঞ্চলের অর্ন্তগত।

- এছাড়াও নিরক্ষরেখার কাছাকাছি অবস্থিত দেশগুলো যেমন- মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া, ব্রুনাই, ফিলিপাইন, আমাজান নদীর অববাহিকা, পেরু, ইকুয়েডর ও কলম্বিয়ার দক্ষিণাঞ্চল জুড়েও এই জলবায়ু প্রভাব বিস্তার করে।

তথ্যসূত্র: ভূগোল প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৪৬৮.
সুন্দরবনকে কখন সংরক্ষিত বনভূমি হিসেবে ঘোষণা করা হয়?
  1. ক) ১৮৭২ সালে
  2. খ) ১৮৭৮ সালে
  3. গ) ১৮৭৯ সালে
  4. ঘ) ১৮৯২ সালে
ব্যাখ্যা
• সুন্দরবন:
- সুন্দরবন বিশ্বের একক বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন।
- এ-বনের জীববৈচিত্র্য বিশ্বের যে কোনো ম্যানগ্রোভ বনের তুলনায় অনেক বেশি সমৃদ্ধ।
- সুন্দরবন ১৮৭৮ সনে সংরক্ষিত বনভূমি হিসেবে ঘোষণা করা হয় এবং ১৯৭৯ সনে সুন্দরবনের ব্যবস্থাপনার দায়িত্বভার বন বিভাগ গ্রহণ করে।
- সুন্দরবনের মোট আয়তন ৬০১৭ বর্গকিলোমিটার। তন্মধ্যে স্থলভাগ ৪,১৪৩ বর্গকিলোমিটার (৭০%) এবং জলভাগ ১,৮৭৪ বর্গকিলোমিটার (৩০%)।
- সমগ্র সুন্দরবন খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাটে বিস্তৃত।

এছাড়া,
- ৩টি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য কেন্দ্র এবং ৩টি বিশেষায়িত বণ্যপ্রানী (ডলফিন) অভয়ারণ্য বিদ্যমান।
- ৬ ডিসেম্বর, ১৯৯৭ সনে UNESCO সুন্দরবনের ৩টি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যকে ৭৯৮তম World Heritage Site হিসেবে ঘোষণা করে।
- মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৯ সনে নীলকমলে World Heritage Site-এর নামফলক উন্মোচন করেন।
- সুন্দরবনের জলভাগ জীববৈচিত্র্য সমৃদ্ধ হওয়ায় ১৯৯২ সনের ২১ মে থেকে এটি Ramsar Site হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে।


তথ্যসূত্র: বন সংরক্ষকের দপ্তর, খুলনা।
১,৪৬৯.
লোহিত সাগর যে দুটি মহাদেশকে বিভক্ত করেছে-
  1. ক) এশিয়া ও ইউরোপ
  2. খ) ইউরোপ ও আফ্রিকা
  3. গ) আফ্রিকা ও এশিয়া
  4. ঘ) আমেরিকা ও এশিয়া
ব্যাখ্যা
এশিয়া মহাদেশকে আফ্রিকা মহাদেশ হতে পৃথক করেছে লোহিত সাগর এবং সুয়েজ খাল। লোহিত সাগর সৌদি আরব (এশিয়া) এবং মিশর (আফ্রিকা) কে পৃথক করেছে।
ইউরোপ মহাদেশের দক্ষিণে আফ্রিকা মহাদেশ অবস্থিত। ইউরোপ মহাদেশকে আফ্রিকা মহাদেশ হতে পৃথক করেছে ভূমধ্যসাগর।
উৎসঃ ওয়ার্ল্ড এটলাস।
১,৪৭০.
নিচের কোন জেলাতে প্লাস্টোসিন চত্বরভূমি রয়েছে?
  1. চাঁদপুর
  2. বগুড়া
  3. পিরোজপুর
  4. মাদারীপুর
ব্যাখ্যা
আজ থেকে প্রায় ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিন কাল বলা হয়। ঐ সময়ে গঠিত ভূমিরূপ প্লাইস্টোসিন কালের ভূমি নামে পরিচিত।
বাংলাদেশে অবস্থিত প্লাইস্টোসিন কালের ভূমিরূপগুলো হলো:
- রাজশাহী, বগুড়া, দিনাজপুর, রংপুর ও জয়পুরহাট জেলার বরেন্দ্রভূমি
- ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, গাজীপুর ও ঢাকা জেলায় অবস্থিত মধুপুর ও ভাওয়াল গড়
- কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড়।
- দেশের মোট ভূখণ্ডের প্রায় ৮ শতাংশ হলো প্লাইস্টোসিন কালে গঠিত ভূমিরূপ।

(সূত্রঃ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : নবম-দশম শ্রেণী : পৃষ্ঠা-৬০)
১,৪৭১.
দর্শনা স্থলবন্দর কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) দিনাজপুর
  2. খ) যশোর
  3. গ) চুয়াডাঙ্গা
  4. ঘ) সাতক্ষীরা
ব্যাখ্যা

ভোমরা স্থলবন্দর – সাতক্ষীরা
দর্শনা স্থলবন্দর – চুয়াডাঙ্গা
বিরল ও হিলি স্থলবন্দর – দিনাজপুর
সোনা মসজিদ স্থলবন্দর – চাপাই নবাবগঞ্জ।
(সূত্র: স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ)

১,৪৭২.
নিচের কোন দেশটি মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত নয়?
  1. তুর্কমেনিস্তান
  2. ইয়েমেন
  3. কাতার
  4. ইরান
ব্যাখ্যা
- মধ্যপ্রাচ্যের দেশ নয় - তুর্কমেনিস্তান।
- তুর্কমেনিস্তান হলো মধ্য এশিয়ার দেশ।

• মধ্যপ্রাচ্যে:
- মধ্যপ্রাচ্যে ১৮টি দেশ রয়েছে।
- এগুলো হলো: বাহরাইন, সাইপ্রাস, মিশর, ইরান, ইরাক, ইসরাইল, জর্ডান, কুয়েত, লেবানন, ওমান, ফিলিস্তিন, কাতার, সৌদি আরব, সিরিয়ান আরব রিপাবলিক, তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং ইয়েমেন।

তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড এটলাস।
১,৪৭৩.
আসাম ও বার্মিজ দ্বীপের মধ্যে কিছু ছোট ছোট দ্বীপ জন্মলাভ করে-
  1. ইয়োসিন যুগে
  2. মায়োসিন যুগে
  3. প্লায়স্টোসিন যুগে
  4. অলিগোসিন যুগে
ব্যাখ্যা

• বঙ্গ অববাহিকার জন্ম ও সমুদ্র গ্রাস:
- ইয়োসিন যুগে অর্থাৎ ৫-৬ কোটি বছর পূর্বে পলল সঞ্চয়নের মাধ্যমে আসাম ও বার্মিজ অববাহিকার মধ্যে কিছু ছোট ছোট দ্বীপ জন্মলাভ করে।
- এ সময়ের শেষভাগে 'ইষ্ট বেঙ্গল রিজ' নামক একটি বালুকাময় উচ্চ ভূমি দক্ষিণ-পশ্চিম ও উত্তর পূর্ব লাইন বরাবর আসাম ওবঙ্গ অববাহিকার মাঝে সমুদ্রে জমা হতে থাকে।
- অলিগোসিন (প্রায় ৪ কোটি বছর) সময় পর্যন্ত সমগ্র বঙ্গ অববাহিকা সমুদ্রের নীচেই ছিলো।
- দ্রুত ভরাট হওয়ার ফলে অববাহিকার গুলোর গভীরতা ক্রমশঃ হ্রাস পেতে থাকে।
- এ সময়ে অসংখ্য নদী সমুদ্রে এসে মিলিত হয়।
- নদী বাহিত পলি অববাহিকায় পলল পাখার মত ছড়িয়ে যায়।

উৎস: ভূগোল দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৪৭৪.
এশিয়ার হিমালয় কোন ধরনের পর্বত?
  1. আগ্নেয় পর্বত
  2. চ্যুতি-স্তুপ পর্বত
  3. ভঙ্গিল পর্বত
  4. ল্যাকোলিথ পর্বত
ব্যাখ্যা
- সমুদ্রতল থেকে অন্তত ১০০০ মিটারের বেশি উঁচু সুবিস্তৃত ও খাড়া ঢালবিশিষ্ট শিলাস্তূপকে পর্বত বলে।
- উৎপত্তিগত বৈশিষ্ট্য ও গঠন প্রকৃতির ভিত্তিতে পর্বত প্রধানত ৪ প্রকার।

যথা:
→ ভঙ্গিল পর্বত,
→ আগ্নেয় পর্বত,
→ চ্যুতি-স্তুপ পর্বত ও
→ ল্যাকোলিথ পর্বত।

ভঙ্গিল পর্বত: 
- ভঙ্গ বা ভাঁজ থেকে ভঙ্গিল শব্দটির উৎপত্তি।
- কোমল পাললিক শিলায় ভাঁজ পড়ে যে পর্বত গঠিত হয়েছে তাকে ভঙ্গিল পর্বত বলে।
- ভঙ্গিল পর্বতের প্রধান বৈশিষ্ট্য ভাঁজ।
- পৃথিবীর উচ্চতম অধিকাংশ পর্বত এ শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত।
- এশিয়ার হিমালয়, ইউরোপের আল্পস, উত্তর আমেরিকার রকি, দক্ষিণ আমেরিকার আন্দিজ পর্বত ভঙ্গিল পর্বতের উদাহরণ।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৪৭৫.
'কালাপানি' কোন দুই রাষ্ট্রের মধ্যে অমীমাংসিত ভূখণ্ড?
  1. বাংলাদেশ ও মিয়ানমার
  2. পাকিস্তান ও আফগানিস্তান
  3. ভুটান ও ভারত
  4. ভারত ও নেপাল
ব্যাখ্যা
 কালাপানি:
- কালাপানি অঞ্চল ভারত ও নেপালের মধ্যকার বিতর্কিত একটি অঞ্চল যা উত্তরাখণ্ডের পিথোরাগড় জেলায় অবস্থিত।
- বর্তমানে এই অঞ্চল ভারত প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
- নেপাল ও ভারতের মধ্যে ১৬ হাজার কিলোমিটারের বেশি খোলা সীমান্ত রয়েছে।
- তার মধ্যে বেশ কয়েকটি জায়গা নিয়ে দুই দেশের মধ্যে বিরোধ রয়েছে।
- বিরোধের কেন্দ্রে থাকা ভূখণ্ডগুলোর মধ্যে কালাপানি, লিপুলেখ এবং সুস্তা অন্যতম।
- নেপালের উত্তর-পশ্চিম অংশে এগুলো অবস্থিত।
- যার দক্ষিণে ভারতের কুমায়ুন এবং উত্তরে চীনের তিব্বত।
- এই ভূখণ্ডটি ভারত, নেপাল ও চীন- তিন দেশের একটি সংযোগস্থল।

উৎস: বিবিসি নিউজ বাংলা।
১,৪৭৬.
আয়তনের দিক দিয়ে পৃথিবীর বৃহত্তম দেশ কোনটি?
  1. ক) কানাডা
  2. খ) যুক্তরাষ্ট্র
  3. গ) রাশিয়া
  4. ঘ) ব্রাজিল
ব্যাখ্যা
আয়তনের দিক দিয়ে পৃথিবীর বৃহত্তম দেশ রাশিয়া। কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও ব্রাজিল যথাক্রমে ২য়, ৩য়, ৪র্থ ও পঞ্চম বৃহত্তম দেশ। জনসংখ্যায় বৃহত্তম দেশ চীন এবং দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ ভারত।
উৎসঃ ওয়ার্ল্ড এটলাস।
১,৪৭৭.
‘খৈয়াছড়া ঝর্ণা’ কোথায় অবস্থিত?
  1. মৌলভীবাজার
  2. রাঙামাটি
  3. চট্টগ্রাম
  4. খাগড়াছড়ি
ব্যাখ্যা
- খৈয়াছড়া ঝর্ণা চট্টগ্রাম জেলার মিরসরাই উপজেলার বড়তাকিয়ায় অবস্থিত।
এই ঝর্ণায় ৭/৯ টি ধাপ রয়েছে যা বেয়ে বেয়ে পানি নিচে নেমে আসে। আকারে এটি দেশের সবচেয়ে বড় ঝর্ণা।
- শুভলং ঝর্ণা অবস্থিত রাঙামাটি জেলায়
- হামহাম ঝর্ণা অবস্থিত মৌলভীবাজার জেলায়।
(সূত্রঃ জাতীয় তথ্য বাতায়ন)
১,৪৭৮.
নারিকেল জিঞ্জিরা নামে পরিচিত দ্বীপ কোনটি?
  1. ক) ছেড়া দ্বীপ
  2. খ) মহেশখালি দ্বীপ
  3. গ) সেন্ট মার্টিন দ্বীপ
  4. ঘ) সদ্বীপ
ব্যাখ্যা
সেন্ট মার্টিন দ্বীপ: বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণ অংশে বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পূর্বে কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলা থেকে ৯ কিমি দক্ষিণে গড়ে ওঠা একটি ছোট দ্বীপ।
- মায়ানমারের উত্তর-পশ্চিম উপকূল থেকে ৮ কিমি পশ্চিমে নাফ নদীর মুখে দ্বীপটি অবস্থিত। 
- স্থানীয় জনসাধারণ এটিকে নারিকেল জিনজিরা নামে চেনে।
-মূল ভূখন্ড এবং দ্বীপের মধ্যবর্তী ৯.৬৬ কিমি প্রশস্ত প্রণালী দ্বীপের দক্ষিণ-পশ্চিমের উন্মুক্ত সাগরের তুলনায় অনেক অগভীর।
-  এখানে পশ্চিম-উত্তর পশ্চিম দিক জুড়ে রয়েছে ১০-১৫ কিমি প্রবাল প্রাচীর।
- প্রবাল দ্বীপ নামেও দ্বীপটি পরিচিত ।

উৎস: বাংলাপিডিয়া,  ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৪৭৯.
'তাহরির স্কয়ার' কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) সিউল
  2. খ) আম্মান
  3. গ) কায়রো
  4. ঘ) তেহরান
ব্যাখ্যা
Tahrir Square is a major public town square in downtown Cairo, Egypt.
Source: britannica.com
১,৪৮০.
রূপান্তরিত শিলার বৈশিষ্ট্য নয় কোনটি?
  1. কেলাসিত
  2. অধিকতর শক্ত
  3. জীবাশ্মযুক্ত
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

- রূপান্তরিত শিলায় জীবাশ্ম থাকে না। 
⇒ তাই 'জীবাশ্মযুক্ত' রূপান্তরিত শিলার বৈশিষ্ট্য নয়।


♦ রূপান্তরিত শিলা:
- প্রচন্ড তাপ ও চাপের জন্য রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় আগ্নেয় ও পাললিক শিলা নতুন শিলায় রূপান্তরিত হয় এবং আগের তুলনায় কঠিন ও কেলাসিত হয়, এই শিলাকে রূপান্তরিত শিলা বলে।
- পূর্বের রূপ ও অবস্থার পরিবর্তন হয় বলে একে রূপান্তরিত শিলা বলে।
- রূপান্তরিত শিলা মূলত আগ্নেয় ও পাললিক শিলার পরিবর্তিত রূপ। যেমন-
• চুনাপাথর পরিবর্তিত হয়ে মার্বেল,
• বেলেপাথর পরিবর্তিত হয়ে কোয়ার্টজাইট,
• কাঁদা পরিবর্তিত হয়ে শ্লেট,
• গ্রানাইট পরিবর্তিত হয়ে নীসে,
• কয়লা পরিবর্তিত হয়ে গ্রাফাইটে পরিণত হয়। 

♦ রূপান্তরিত শিলার বৈশিষ্ট্য:
• কেলাসিত।
• অধিকতর শক্ত ও মজবুত।
• জীবাশ্মহীন।
• সমান্তরাল।

তথ্যসূত্র - ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৪৮১.
বাংলাদেশে আয়তনে সবচেয়ে ছোট বিভাগ -
  1. ক) ময়মনসিংহ
  2. খ) সিলেট
  3. গ) খুলনা
  4. ঘ) বরিশাল
ব্যাখ্যা
বিভাগ:
- বাংলাদেশে মোট ৮টি বিভাগ রয়েছে।
- এর মধ্যে আয়তনে সবচেয়ে ছোট বিভাগ - ময়মনসিংহ।
- এর আয়তন ১০,৫৫২ বর্গ কিমি ।
- আয়তনে সবচেয়ে বড় বিভাগ চট্টগ্রাম ৩৩,৯০৪ বর্গ কিমি ।
- জনসংখ্যায় সবচেয়ে বড় বিভাগ ঢাকা এবং সবচেয়ে ছোট বরিশাল বিভাগ।
- সবচেয়ে বেশি জেলা রয়েছে ঢাকা বিভাগে ১৩টি।
- সবচেয়ে কম ৪টি করে জেলা রয়েছে সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 
১,৪৮২.
বাংলাদেশের গভীর উপত্যকাগুলােতে কোন ধরণের অরণ্য দেখা যায়?
  1. পত্র-পতনশীল অরণ্য
  2. ক্রান্তীয় চিরহরিৎ অরণ্য
  3. গরান অরণ্য
  4. মধুপুর অরণ্য
ব্যাখ্যা
ক্রান্তীয় চিরহরিৎ অরণ্য : এ অরণ্যকে সব সময় সবুজ দেখায়, এ জন্য চির হরিৎ নাম দেওয়া হয়েছে।
এ ধরনের অরণ্যের জন্য বাৎসরিক ২০৩ সে.মি. ৮০ ইঞ্চি এর বেশি গড় বৃষ্টিপাত প্রয়ােজন।
দেশের গভীর উপত্যকাগুলােতে যেখানে পানির কোনাে অভাব নেই, সে সকল স্থানে ২৪-৩০ মিটার উঁচু বৃক্ষবিশিষ্ট এ অরণ্য দেখা যায়।
এ অঞ্চলগুলাে হচ্ছে চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্রগ্রাম ও সিলেট। চাপালিশ, তেলসুর ও ময়না হচ্ছে ক্রান্তীয় চিরহরিৎ বৃক্ষের উদাহরণ।

উৎস: ব্যাচেলর অফ এডুকেশন, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৪৮৩.
বাংলাদেশের সমুদ্র অঞ্চলের মোট আয়তন কত বর্গ কি.মি.?
  1. ক) ১০৫,১২০ বর্গ কিমি
  2. খ) ১১৮,৮১৩ বর্গকিমি
  3. গ) ১৩৮,৪৭০ বর্গকিমি
  4. ঘ) ১৬৭,৮৯০ বর্গকিমি
ব্যাখ্যা
মিয়ানমার এবং ভারতের সাথে সমুদ্রসীমা নিয়ে বিরোধ নিষ্পত্তির পর বাংলাদেশের সমুদ্র অঞ্চলের বর্তমান মোট আয়তন হলো ১ লক্ষ ১৮ হাজার ৮১৩ বর্গ কিলোমিটার। ২০০ নটিক্যাল মাইলের একচ্ছত্র অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমার পাশাপাশি চট্টগ্রাম উপকূল থেকে ৩৫৪ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত মহীসোপানের উপর বাংলাদেশের দাবীও স্বীকৃত। (সূত্রঃ বিবিসি বাংলা, ৯ জুলাই ২০১৪)
১,৪৮৪.
বাংলাদেশের শীতলতম জেলা-
  1. পঞ্চগড়
  2. নাটোর
  3. রাজশাহী
  4. সিলেট
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের শীতলতম মাস জানুয়ারি,
- বাংলাদেশের উষ্ণতম মাস এপ্রিল,
- বাংলাদেশের উষ্ণতম জেলা রাজশাহী,
- বাংলাদেশের শীতলতম জেলা সিলেট,
- বাংলাদেশের উষ্ণতম স্থান লালপুর, নাটোর।
- বাংলাদেশের শীতলতম স্থান শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
উৎসঃ বাংলিপিডিয়া।

১,৪৮৫.
বাংলাদেশের সর্বপূর্বের স্থানের নাম কী?
  1. আখাইনঠং
  2. জকিগঞ্জ
  3. মনাকষা
  4. সাজেক
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থান:
- সর্বপূর্বের স্থান : আখাইনঠং।
- উপজেলা : থানচি।
- জেলা : বান্দরবান।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের স্থান - বাংলাবান্ধা।
- উপজেলা : তেঁতুলিয়া
- জেলা : পঞ্চগড়।

- সর্ব দক্ষিণের স্থান : ছেঁড়া দ্বীপ/সেন্টমার্টিন।
- উপজেলা : টেকনাফ
- জেলা : কক্সবাজার

- সর্বপশ্চিমের:- স্থান : মনাকষা।
- উপজেলা : শিবগঞ্জ।
- জেলা : চাপাইনবাবগঞ্জ।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১,৪৮৬.
কর্কটক্রান্তি রেখা মোট কয়টি দেশের ওপর দিয়ে অতিক্রম করেছে?
  1. ১১টি
  2. ১৩টি
  3. ১৫টি
  4. ১৭টি
ব্যাখ্যা

কর্কটক্রান্তি রেখা (Tropic of Cancer):
- কর্কটক্রান্তি রেখা হলো উত্তর গোলার্ধে বিষুবরেখার সমান্তরালে অবস্থিত একটি কাল্পনিক রেখা যা নিরক্ষরেখার প্রায় ২৩.৫° উত্তর অক্ষাংশে অবস্থিত।
- কর্কটক্রান্তি রেখা প্রধানত ১৭টি দেশ, ৩টি মহাদেশ ও ৬টি জলাশয়ের ওপর দিয়ে অতিক্রম করেছে।
- প্রধান দেশসমূহ: আলজেরিয়া, নাইজার, লিবিয়া, মিশর, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ওমান, ভারত, বাংলাদেশ, মায়ানমার, চীন, তাইওয়ান, মেক্সিকো, বাহামা, পশ্চিম সাহারা, মৌরিতানিয়া, মালি।
- যেসব এলাকার ওপর দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা গেছে, সেসব এলাকা এবং আশপাশের এলাকায় তাপ অনেক বেশি। এখানে সূর্যের কিরণ লম্বভাবে পড়ে। 

উল্লেখ্য,
- কর্কটক্রান্তি রেখা বাংলাদেশের মাঝামাঝি স্থান দিয়ে অতিক্রম করেছে। এই রেখার অবস্থানের কারণে বাংলাদেশ গ্রীষ্মমন্ডলীয় জলবায়ুর অন্তর্গত এবং এখানে উষ্ণ ও আর্দ্র আবহাওয়া বিরাজ করে। 
- এটি বাংলাদেশের ১১টি জেলার উপর দিয়ে ( চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ, মাগুরা, রাজবাড়ি, ফরিদপুর, ঢাকা, মুন্সিগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটি) অতিক্রম করেছে।

উৎস: i) ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) Worldatlas.

১,৪৮৭.
জাপানের ফুজিয়ামা কোন ধরনের পর্বত?
  1. ভঙ্গিল পর্বত
  2. আগ্নেয় পর্বত
  3. চ্যূতি-স্তূপ পর্বত
  4. ল্যাকোলিথ পর্বত
ব্যাখ্যা
• আগ্নেয় পর্বত:
- জাপানের ফুজিয়ামা আগ্নেয় পর্বত।
- ভূ-অভ্যন্তরস্থ ক্রিয়াকলাপের জন্য ম্যাগমা লাভা হিসাবে উদগিরিত হয়ে চারদিকে সঞ্চিত হয়। পরবর্তীতে জমে ঠান্ডা হয়ে যে শিলাস্তূপের সৃষ্টি করে তাকে আগ্নেয় পর্বত বলে।
- লাভার প্রকৃতির ওপর আগ্নেয় পর্বতের বিস্তৃতি ও আকৃতি নির্ভর করে।
- কোনো কোনো আগ্নেয় পর্বত খাড়া ঢালবিশিষ্ট এবং স্বল্প স্থান জুড়ে থাকে।
- কোনো কোনো ক্ষেত্রে ভূ-আলোড়নের জন্য ভূ-ত্বকের দুর্বল অংশের ফাটলের মধ্য দিয়ে ভূ-গর্ভস্থ উত্তপ্ত লাভা, নানা প্রকার গ্যাস ও বাষ্প, ছাই, ধাতু ইত্যাদি প্রবল বেগে বেরিয়ে আসে। এই উত্তপ্ত লাভা ফাটলের চতুর্দিকে সঞ্চিত হতে হতে উঁচু পর্বতের সৃষ্টি করে।
- হাওয়াই দ্বীপের মওনালোয়া, ইতালির ভিসুভিয়াস, আফ্রিকার কিলিমানজারো ইত্যাদি আগ্নেয় পর্বতের উদাহরণ।

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র, এইচ.এস.সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৪৮৮.
নিচের কোন দেশটির কোন সমুদ্র বন্দর নেই?
  1. ক) উরুগুয়ে
  2. খ) বলিভিয়া
  3. গ) সুরিনাম
  4. ঘ) কলম্বিয়া
ব্যাখ্যা

- দক্ষিণ আমেরিকার দুটি দেশের কোন সমুদ্র বন্দর নেই।
- এই দেশ দুটি হলো: প্যারাগুয়ে ও বলিভিয়া।
- এদের নিজস্ব কোনো সমুদ্রবন্দর নেই। কারণ দেশ দুটি স্থলবেষ্টিত রাষ্ট্র। এদের চারপাশে কোনো সমুদ্র নেই।

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।

১,৪৮৯.
কাঁটাতারের বেড়া থেকে শূন্য পয়েন্ট পর্যন্ত কত মিটার জায়গাকে 'No Man's Land' বিবেচনা করা হয়?
  1. ১০০ মিটার
  2. ১৫০ মিটার
  3. ১৮০ মিটার
  4. ২০০ মিটার
ব্যাখ্যা

• কাঁটাতারের বেড়া থেকে শূন্য পয়েন্ট পর্যন্ত ১৫০ মিটার জায়গা নো ম্যানস ল্যান্ড হিসেবে চিহ্নিত।

- বাংলাদেশ ভারত স্থল সীমান্ত চুক্তি, ইন্দিরা-মুজিব চুক্তি নামে পরিচিত।
- এ চুক্তির অন্য সব বিষয়ের মধ্যে অন্যতম একটি বিষয় ছিল যে, যদি কোনো দেশ সীমান্ত বরাবর বেড়া দেয়, তবে তা শূন্য পয়েন্ট থেকে নিজ ভূখণ্ডের ১৫০ মিটার ভেতরে নির্মাণ করতে হবে।

• স্থলসীমান্ত চুক্তি ১৯৭৪:
- ১৯৭৪ সালের ১৬ মে বাংলাদেশ ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী যথাক্রমে শেখ মুজিবুর রহমান ও ইন্দিরা গান্ধী স্থল সীমান্ত চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
- এর উদ্দেশ্য ছিল বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে অমীমাংসিত স্থল সীমানা চূড়ান্ত করা।
- এই চুক্তি অনুযায়ী ভারতের ভেতরে থাকা দক্ষিণ বেরুবাড়ি ভারতের দখলে চলে যায় এবং দহগ্রাম ও আঙ্গরপোতা বাংলাদেশের অধিকারে আসে।
- ছিটমহল দুটি বাংলাদেশের মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন থাকায় পানবাড়ি মৌজার সঙ্গে যুক্ত করার জন্য তিনবিঘা জমি ভারত বাংলাদেশের অনুকূলে স্থায়ী ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।
- চুক্তি সইয়ের পরপরই বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ এটি অনুমোদন করে।

এছাড়াও
- ২০১১ সালের ৬ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ ভারতের মধ্যে স্থল সীমান্ত সম্পর্কিত প্রটোকল স্বাক্ষরিত হয়।
- উল্লেখ্য, ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তিটি প্রটোকল নয়, পূর্ণাঙ্গ চুক্তি ছিলো।

- ২০১১ সালে ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং বাংলাদেশ সফর করেন।
- ২০১১ সালের ৬ সেপ্টেম্বর ড. মনমোহন সিংয়ের বাংলাদেশ সফরে ওই প্রটোকল স্বাক্ষরিত হয়।
- উক্ত প্রটোকলে সীমান্তে অচিহ্নিত অংশগুলো চিহ্নিত করার পাশাপাশি বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ছিটমহল এবং অপদখলীয় ভূমি সমস্যার সমাধান করে স্থায়ী সীমানা চিহ্নিত করা হয়।
- এর আওতায় বাংলাদেশের ভেতর থাকা ভারতের ১১১টি ছিটমহল ও ভারতের মধ্যে থাকা বাংলাদেশের ৫১টি ছিটমহল বিনিময়ে সম্মত হয়।
- পরবর্তীতে এই চুক্তির আওতায় ২০১৫ সালে ছিটমহল বিনিময় হয়।

তথ্যসূত্র: জাতীয়  তথ্য বাতায়ন।

১,৪৯০.
'অলিভ টারটল' বাংলাদেশের কোন দ্বীপে পাওয়া যায়?
  1. ক) সেন্টমার্টিন
  2. খ) রাঙ্গাবালি
  3. গ) চর আলেকজান্ডার
  4. ঘ) ছেড়াদ্বীপ
ব্যাখ্যা

বিশ্বের দুর্লভ জলপাইরঙা কাছিম বা অলিভ রিডলে টার্টল (Olive ridley sea turtle) পাওয়া যায় বাংলাদেশের সেন্টমার্টিনে৷

দেশের ভৌগোলিক সীমায় বঙ্গোপসাগরে কচ্ছপ বিচরণ করে। পশ্চিমে সুন্দরবন থেকে দক্ষিণ-পূর্বের সেন্টমার্টিন দ্বীপ পর্যন্ত বিস্তৃত সমুদ্র সৈকতের বালুচরে এরা ডিম পাড়তে আসে। শীতকাল থেকে বর্ষার শুরু পর্যন্ত কচ্ছপের ডিম পাড়ার সময়। স্থান ও প্রজাতিভেদে দিন-ক্ষণ পরিবর্তন হয়।
বাংলাদেশের সমুদ্রসীমায় এখন পর্যন্ত পাঁচ প্রজাতির সামুদ্রিক কচ্ছপের উপস্থিতির তথ্য পাওয়া গেছে।
এর মধ্যে অলিভ রিডলে, গ্রিন টারটল এবং হকসিবল্ড এই তিন প্রজাতির কচ্ছপ কক্সবাজার উপকূলে ডিম পাড়তে আসে।

উৎসঃ দৈনিক যুগান্তর।

১,৪৯১.
বাংলাদেশের কোন এলাকাকে Marine Protected Area (MPA) ঘোষণা করা হয়েছে?
  1. সেন্টমার্টিন দ্বীপ 
  2. ভোলা দ্বীপ
  3.  চর আলেকজান্ডার
  4. পারকি সমুদ্র সৈকত
ব্যাখ্যা

• 'Marine Protected Area (MPA):
- সেন্টমার্টিন দ্বীপ ও এর আশেপাশের ১ হাজার ৭৪৩ বর্গ কিলোমিটার এলাকাকে মেরিন প্রটেক্টেড এরিয়া ঘোষণা করা হয়েছে।
- এর আগে ১৯৯৯ সালে ৫৯০ হেক্টর প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকায় ‘সেন্টমার্টিন মেরিন প্রটেক্টেড এরিয়া’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল।
- নতুন ঘোষণায় সেন্টমার্টিন দ্বীপ ও এর আশেপাশের ১ হাজার ৭৪৩ বর্গ কিলোমিটার এলাকার পাশাপাশি বঙ্গোপসাগরের ৭০ মিটার গভীর সমুদ্র যোগ হয়েছে।
- অনিয়ন্ত্রিত জাহাজ ও ইঞ্জিনচালিত নৌকার চলাচল, মাত্রাতিরিক্ত মৎস্য সম্পদ আহরণ, সমুদ্রে বর্জ্য ও ক্ষতিকারক রাসায়নিক পদার্থ নিক্ষেপ, প্রবাল উপনিবেশ ধ্বংস, জীববৈচিত্র্য হ্রাস ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধে এই উদ্যোগ নিয়েছে পরিবেশ মন্ত্রণালয়।

• অন্যসব 'Marine Protected Area (MPA):
- চর কুকরি-মুকরি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য 
- হিমছড়ি জাতীয় উদ্যান;
- কুয়াকাটা জাতীয় উদ্যান ;
- সামুদ্রিক সংরক্ষণাগার সামুদ্রিক সংরক্ষণাগার;
- নিঝুম দ্বীপ জাতীয় উদ্যান ;
- সোনারচর বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য ;
- সুন্দরবন পূর্ব বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য ;
- সুন্দরবন দক্ষিণ বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য ;
- সুন্দরবন পশ্চিম বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য ;
- সোয়াচ অফ নো গ্রাউন্ড মেরিন সুরক্ষিত এলাকা;
- সোয়াচ অফ নো গ্রাউন্ড মেরিন সুরক্ষিত এলাকা মেরিন পার্ক;
- টেংরাগিরি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য;


উৎস: বাংলা ট্রিবিউন এবং Marine Conservation Institute।

১,৪৯২.
নাটোরের দিঘাপাতিয়ার জমিদার বাড়িটি এখন কী নামে পরিচিত?
  1. ক) গণভবন
  2. খ) বঙ্গভবন
  3. গ) উত্তরা গণভবন
  4. ঘ) উত্তরবঙ্গ সংসদ ভবন
ব্যাখ্যা
- ঢাকার বাইরে প্রধানমন্ত্রীর একমাত্র বাসভবন নাটোরের উত্তরা গণভবন। 
- ইতিহাস আর ঐতিহ্যের সাক্ষী হয়ে আজও সগৌরবে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে নাটোরের দিঘাপতিয়া রাজবাড়ি। 
- স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দিঘাপতিয়া রাজবাড়িকে ‘উত্তরা গণভবন’ নামকরণ করেন। 
 
উৎস: trinomulerjanala.ictd.gov.bd
১,৪৯৩.
বাংলাদেশের কোন নদীতে ভাঙনের প্রবণতা সবচেয়ে বেশি?
  1. ক) মেঘনা নদী
  2. খ) যমুনা নদী
  3. গ) পদ্মা নদী
  4. ঘ) ব্রহ্মপুত্র নদ
ব্যাখ্যা
- মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসার সমীক্ষা অনুযায়ী বাংলাদেশের পদ্মা নদী বাংলাদেশ ও বিশ্বের সবচেয়ে ভাঙনপ্রবণ নদী।
- নাসার মতে ১৯৬৭ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত গত ৫০ বছরে পদ্মায় ৬৬০ বর্গকিমি এলাকা ভাঙনের শিকার হয়েছে।
- বিজ্ঞান সাময়িকী স্প্রিংগার নেচার এর মতে, বিগত ১০৫ বছরে পদ্মা নদী দ্বারা ভাঙনের পরিমাণ ১,৭৪৯ বর্গকিমি। একই সময়ে পদ্মায় সৃষ্ট চরের পরিমাণ ১,৩১৬ বর্গকিমি।
- গবেষণা মতে প্রতিবছর পদ্মায় ১৭ বর্গকিমি এলাকা ভাঙনের শিকার হয় এবং ১৩ বর্গকিমি চর সৃষ্টি হয়।
- চাঁদপুর, শরীয়তপুর, মাদারীপুর, সিরাজগঞ্জ, ফরিদপুর, মুন্সিগঞ্জ প্রভৃতি জেলায় নদীভাঙনের পরিমাণ সর্বাধিক।
(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া এবং প্রথম আলো, ১৬ আগস্ট ২০২০)
১,৪৯৪.
বাংলাদেশের দীর্ঘতম নদ কোনটি?
  1. ক) মেঘনা
  2. খ) যমুনা
  3. গ) কপোতাক্ষ
  4. ঘ) ব্ৰহ্মপুত্ৰ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের দীর্ঘতম নদ হলো ব্ৰহ্মপুত্ৰ। 
ব্রহ্মপুত্র (Brahmaputra)
⇨ ব্রহ্মপদ নদ হিমালয় পর্বতের কৈলাস শৃঙ্গের মানস সরোবর থেকে উৎপন্ন হয়েছে। এরপর এটি তিব্বত ও আসামের ভিতর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে কুড়িগ্রাম জেলার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।    
⇨ এই নদ ময়মনসিংহ জেলার দেওয়ানগঞ্জের কাছে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে বাঁক নিয়ে ভৈরববাজারের দক্ষিণে মেঘনায় মিলিত হয়েছে।
⇨ বাংলাদেশের ভিতরে এ নদের দৈর্ঘ্য প্রায় ২৭৭ কিলোমিটার।
⇨ ধরলা ও তিস্তা ব্রহ্মপুত্রের প্রধান উপনদী।
⇨ আর প্রধান শাখানদী হলো বংশী ও শীতলক্ষ্যা। 

তথ্যসূত্র:- ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১,৪৯৫.
বাংলাদেশের সবচেয়ে উঁচু ও বৃহত্তম পাহাড়ের অবস্থান কোন জেলায়?
  1. ক) সিলেট
  2. খ) বান্দরবান
  3. গ) ময়মনসিংহ
  4. ঘ) রাঙামাটি
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের সবচেয়ে উঁচু এবং বৃহত্তম পাহাড় ময়মনসিংহের গারো পাহাড়।
- গারো পাহাড় বাংলাদেশের উত্তর পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত, পূর্ব- পশ্চিম বরাবর বিস্তৃত একটি পর্বতশ্রেণী।
- গারো পাহাড় মূলত পূর্ব গারো পাহাড়, পশ্চিম গারো পাহাড় এবং দক্ষিণ গারো পাহার এই তিনটি অঞ্চলে বিভক্ত।
- বাংলাদেশের ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, কিশোরগঞ্জ জেলাসমূহ গারো পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত এবং এই অঞ্চলসমূহ এই পাহাড়ের পাদদেশীয় পালিজ সমৃদ্ধ।
- গারো পাহাড়ের উত্তর এবং উত্তর পশ্চিমে রয়েছে আসাম এবং পূর্বে মেঘালয়ে খাসি পাহাড়।
- গারো  মূলত ভারতের মেঘালয় রাজ্যের গারোখাসি পাহাড়শ্রেণীর অন্তর্গত, মেঘালয়ের রাজধানী শিলং এখানে অবস্থিত।

অন্যদিকে,
- চন্দ্রনাথ পাহাড় চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে অবস্থিত হিন্দুদের জন্য তীর্থস্থান।
- কুলাউড়া পাহাড় মৌলভীবাজার,  এই পাহাড়ে ইউরেনিয়াম পাওয়া গেছে।
- চিম্বুক পাহাড় বান্দরবান অবস্থিত একটি পাহাড়, এটি  'কালা পাহাড়' বা 'পাহাড়ের রানী' নামে পরিচিত।
- জৈয়ন্তিকা পাহাড় সিলেট।
- লালমাই পাহাড়টি  কুমিল্লায় অবস্থিত।

 তথ্যসূত্র:- বাংলাপিডিয়া ও সংশ্লিষ্ট জেলা সমূহের ওয়েবসাইট।
১,৪৯৬.
আয়তনে পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ কোনটি?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. কানাডা
  3. চীন
  4. মেক্সিকো
ব্যাখ্যা
কানাডা: 
-  কানাডা - উত্তর আমেরিকা মহাদেশ অবস্থিত।
-  স্বাধীনতা লাভ করে - যুক্তরাজ্য থেকে (১৮৬৭ সালে)।
- কানাডার মুদ্রায় ব্রিটেনের রাণীর ছবি আছে।
- কানাডার মুদ্রার নাম - ডলার।
-  আয়তনে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ - কানাডা।
-  বর্তমান প্রধানমন্ত্রী - জাস্টিন ট্রুডো।
- ম্যালপ পাতার দেশ - কানাডা।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ও হিস্ট্রি।
১,৪৯৭.
বাংলাদেশের মোট ভূমির কত শতাংশ এলাকা নিয়ে প্লাইস্টোসিনকালের সোপান সমূহ গঠিত?
  1. ক) ৮০ শতাংশ
  2. খ) ৫ শতাংশ
  3. গ) ১২ শতাংশ
  4. ঘ) ৮ শতাংশ
ব্যাখ্যা

ভূ-প্রকৃতি অনুসারে বাংলাদেশকে ৩টি ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা-
- টারশিয়ারী যুগের পাহাড়সমূহ,
- প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ এবং
- সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।

বাংলাদেশের মোট ভূমির,
- ১২% টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ,
- ৮% প্লাইস্টোসিনকালের সোপান সমূহ এবং
- ৮০% সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

১,৪৯৮.
অস্ট্রেলিয়ার ভৌগলিক উপনাম কী?
  1. ম্যাপল পাতার দেশ
  2. ভূমিকম্পের দেশ
  3. হাজার হ্রদের দেশ
  4. ক্যাঙ্গারুর দেশ
ব্যাখ্যা

• ভৌগলিক উপনাম:
- অস্ট্রেলিয়া হলো ওশেনিয়া মহাদেশে অবস্থিত একটি দেশ।
- অস্ট্রেলিয়াকে ওশেনিয়া মহাদেশে অবস্থিত দ্বীপ ও বলা যায়।
- এই দ্বীপটি ভারত মহাসাগর ও দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরের মধ্যে অবস্থিত।
- অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে প্রচলিত ভৌগোলিক উপনাম হলো “ক্যাঙ্গারুর দেশ” এবং “The Land Down Under”.
- দেশটিতে ক্যাঙ্গারুর প্রচুরতার কারণে অস্ট্রেলিয়াকে ক্যাঙ্গারুর দেশ বলা হয়।
- আর ডাউন আন্ডার নির্দেশ করে অস্ট্রেলিয়া দক্ষিণ গোলার্ধে অবস্থিত।

- এছাড়া দেশটিকে আরও কিছু নামেও ডাকা হয়-
• Straya,
• Aussie,
• the Great Southern Land,
• the Sunburnt Country,
•  the Wide Brown Land. 

অন্যদিকে,
• ম্যাপল পাতার দেশ বলা হয়- কানাডাকে।
• ভূমিকম্পের দেশ বলা হয়- জাপানকে।
• হাজার হ্রদের দেশ বলা হয়- ফিনল্যান্ডকে।

উৎস: Britannica. 

১,৪৯৯.
'ডেপসাং-ডেমচক' অঞ্চল নিয়ে কোন দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা চলছে?
  1. ক) ভারত ও চীন
  2. খ) ভারত ও নেপাল
  3. গ) চীন ও রাশিয়া
  4. ঘ) চীন ও পাকিস্তান
ব্যাখ্যা
সীমানা:
- 'ডেপসাং-ডেমচক' অঞ্চল নিয়ে ভারত ও চীনের মধ্যে উত্তেজনা চলছে।
- ভারত ও চীনের সেনাবাহিনীর মধ্যে পূর্ব লাদাখের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা (এলএসি) বরাবর সংঘর্ষ-পূর্ববর্তী স্থিতাবস্থা বিরাজমান রয়েছে।
- দুই দেশই সামরিক ও কূটনৈতিক পরিসরে আলোচনার মধ্য দিয়ে সমস্যার দ্রুত সমাধানে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। লক্ষ্য পূরণ হওয়া পর্যন্ত দুই দেশই সীমান্তে শান্তি ও সংহতি রক্ষা করে চলবে।’
- ২০২০ সালের জুনে পূর্ব লাদাখের গলওয়ানে ভারত ও চীনের ফৌজের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ঘটেছিল।
- গলওয়ান সংঘর্ষের পর প্যাংগং লেক, গোগরা-হট স্প্রিং, চুমুর ও গলওয়ান উপত্যকায় সেনা সরানোর পর ৩ থেকে ১০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে ‘বাফার জোন’ বা ‘নো ম্যানস ল্যান্ড’ তৈরি করা হয়েছে।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
১,৫০০.
নিচের কোনটি স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশ?
  1. আলবেনিয়া
  2. নরওয়ে
  3. বেলজিয়াম
  4. লাটবিয়া
ব্যাখ্যা
• স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশসমূহ: 
- স্ক্যান্ডিনেভিয়া হচ্ছে ইউরোপের উত্তরাঞ্চলের একটি অঞ্চল।
- এই অঞ্চলে প্রধানত তিনটি দেশ অন্তর্ভুক্ত:
• ডেনমার্ক,
• নরওয়ে,
• সুইডেন। 

• নর্ডিক দেশসমূহ:
- স্ক্যান্ডিনেভিয়ার তিনটি দেশ (ডেনমার্ক, সুইডেন, নরওয়ে)+ ফিনল্যান্ড ,আইসল্যান্ড। 

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস। [লিঙ্ক]