বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ ও বৈশ্বিক ভৌগলিক অঞ্চল, সীমানা, পারিবেশিক, আর্থ-সামাজিক ও ভূ-রাজনীতির গুরুত্ব

মোট প্রশ্ন১,৬৩৯এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ ও বৈশ্বিক ভৌগলিক অঞ্চল, সীমানা, পারিবেশিক, আর্থ-সামাজিক ও ভূ-রাজনীতির গুরুত্ব

PrepBank · পাতা ১৪ / ১৭ · ১,৩০১১,৪০০ / ১,৬৩৯

১,৩০১.
দহগ্রাম ও আঙ্গরপোতা ছিটমহল কোথায় অবস্থিত? 
  1. আদিতমারী, লালমনিরহাট
  2. পাটগ্রাম, লালমনিরহাট
  3. কালীগঞ্জ, লালমনিরহাট
  4. হাতীবান্ধা, লালমনিরহাট
ব্যাখ্যা

দহগ্রাম ও আঙ্গরপোতা ছিটমহল:
- লালমনিরহাট জেলাধীন পাটগ্রাম উপজেলার সীমান্তবর্তী ভারতের অভ্যন্তরে বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ছিটমহল ছিল দহগ্রাম ও আঙ্গরপোতা।
- এ ছিটমহলের সাথে তৎকালীন পাকিস্তানের মূল ভূখন্ডের যোগাযোগের জন্য একটি ‘প্যাসেজ ডোর’ এর ব্যবস্থা রাখা হয়েছিল,
- যা বর্তমানে ‘তিন বিঘা করিডোর’ নামে পরিচিত।
- পাকিস্তান আমল পেরিয়ে বাংলাদেশ আমল পর্যন্ত তিন বিঘা হস্তান্তর প্রশ্নে প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র সচিব পর্যায়ের অনেক বৈঠক এবং চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- ১৯৮৫ খ্রিষ্টাব্দের পর থেকে দহগ্রাম ও আঙ্গরপোতা ছিটমহল পাটগ্রাম উপজেলার একটি স্বতন্ত্র ইউনিয়ন ‘দহগ্রাম ইউনিয়ন’ হিসেবে পরিগণিত হয় এবং ১৯৮৯ খ্রিষ্টাব্দের ১৯ আগস্ট এখানে ইউনিয়ন পরিষদের শুভ উদ্বোধন ঘটে।
- ১৯৯২ খ্রিষ্টাব্দের ২৬ জুন ইজারার মাধ্যমে উক্ত তিন বিঘা বাংলাদেশকে প্রদান করা হয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১,৩০২.
বাংলার প্রথম স্বাধীন ও সার্বভৌম রাজা হলেন-
  1. ক) গোপাল
  2. খ) অশোক
  3. গ) শশাঙ্ক
  4. ঘ) লক্ষণ সেন
ব্যাখ্যা
শশাঙ্ক ছিলেন বাংলার প্রথম স্বাধীন ও সার্বভৌম রাজা।
তিনি নিজেকে গৌড়েশ্বর পরিচয় দিতেন। শশাঙ্ক একজন সুশাসক ছিলেন।
তার রাজধানী ছিল মুর্শিদাবাদের নিকটবর্তী কর্ণসুবর্ণ।
তার আমলে তাম্রলিপ্ত বন্দর গুরুত্ব লাভ করে।
বিখ্যাত চীনা পর্যটক হিউয়েন সাং হিন্দু ধর্মের অনুসারী রাজা শশাঙ্ককে বৌদ্ধ ধর্মের নিগ্রহকারী হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।
সূত্র- বোর্ড বইঃ নবম-দশম শ্রেণি।
১,৩০৩.
ভারত ও প্রশান্ত মহাসাগরের কত ডিগ্রি অক্ষাংশ ‘গর্জনশীল চল্লিশা’ নামে পরিচিত?
  1. ৪০°-৪৫° উত্তর
  2. ৪০°-৪৬° উত্তর
  3. ৪০°-৪৭° দক্ষিণ
  4. ৪০°-৪৯° দক্ষিণ
ব্যাখ্যা

গর্জনশীল চল্লিশা:
- দক্ষিণ গোলার্ধে জলভাগের পরিমাণ বেশি।
- তাই এখানে পশ্চিমা বায়ু প্রবল বেগে প্রবাহিত হয়।
- ৪০° - ৪৭° দক্ষিণ অক্ষাংশ পর্যন্ত অঞ্চলে পশ্চিমা বায়ুর গতিবেগ সর্বাপেক্ষা বেশি থাকে বলে এ অঞ্চলকে গর্জনশীল চল্লিশ বা গর্জনশীল চল্লিশা বলে।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

১,৩০৪.
বাংলাদেশের স্থল সীমান্ত রয়েছে-
  1. শুধু মিয়ানমারের সঙ্গে
  2. শুধু ভারতের সঙ্গে
  3. ভারতের ও চীনের সঙ্গে
  4. ভারত ও মিয়ানমারের সঙ্গে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান: 
- বাংলাদেশের স্থলভাগ ভারত ও মিয়ানমার দ্বারা বেষ্টিত।
- পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, উত্তরে পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি ও কুচবিহার জেলা এবং আসাম ও মেঘালয়, পূর্বে আসাম ও ত্রিপুরা রাজ্য এবং মিয়ানমার অবস্থিত।
- আর দক্ষিণে রয়েছে বিস্তৃত বঙ্গোপসাগর। 
- এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব দিকে বাংলাদেশ অবস্থিত।
- এদেশ প্রায় ২০°৩৪′ উত্তর থেকে ২৬°৩৮' উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৮°০১′ পূর্ব থেকে ৯২°৪১′ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ পর্যন্ত বিস্তৃত।
- বাংলাদেশের মাঝ বরাবর পূর্ব-পশ্চিমে কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে।
- ফলে এদেশ ক্রান্তীয় অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৩০৫.
ভূ-প্রকৃতি অনুযায়ী বাংলাদেশকে কতটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৫টি
  4. ৪টি
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতি:
- ভূ-প্রকৃতি অনুযায়ী বাংলাদেশকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়।
- এগুলো হলো:
• সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।
• প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ এবং
• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ।

প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ:
- আনুমানিক ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকাল বলে।
- দেশের উত্তর-পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভূমি, মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় বা উচ্চভূমি এর অন্তর্ভুক্ত।

টারাশয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ:
- বাংলাদেশের মোট ভূমির ১২ শতাংশ এলাকা নিয়ে টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ গঠিত।
- টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় যে সকল পর্বতের সৃষ্টি হয়েছে সেগুলো টারশিয়ারি যুগের পাহাড় নামে পরিচিত।
- দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের ও উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়ি ভূমি যেমন রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম, সিলেট, মৌলভীবাজার এবং হবিগঞ্জের পাহাড়গুলো টারশিয়ারি যুগের।
- এগুলো সবচেয়ে প্রাচীন ভূমি।

সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি:
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়ি এলাকা এবং প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ ব্যতীত সমগ্র বাংলাদেশ সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমির অন্তর্ভুক্ত।
- সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি অঞ্চলটি পদ্মা, ব্রহ্মপুত্র, যমুনা, মেঘনা প্রভৃতি নদ-নদী ও এদের উপনদী, শাখানদী বাহিত পলিমাটি দ্বারা গঠিত।

উৎস: i) ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
         ii) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৩০৬.
'পাতাগোনিয়া' মরুভূমি কোথায়?
  1. ক) মঙ্গোলিয়া
  2. খ) সৌদি আরব
  3. গ) আর্জেন্টিনা
  4. ঘ) যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
• পৃথিবীর উল্লেখযোগ্য মরুভূমিসমূহ:
- থর: ভারত-পাকিস্তান
- গোবি: চীন-মঙ্গোলিয়া
- কারাকুম: তুর্কমেনিস্তান
- পাতাগোনিয়া: আর্জেন্টিনা
- আতাকামা: চিলি
- মোজাবে: যুক্তরাষ্ট্র
- তাকলামাকান: চীন

তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস ও ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক।
১,৩০৭.
ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সাথে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা-
  1. ক) ১টি
  2. খ) ২টি
  3. গ) ৩টি
  4. ঘ) ০টি
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের সাথে ২টি দেশের আন্তর্জাতিক সীমান্ত রয়েছে।
- একটি ভারত এবং অপরটি মিয়ানমার।
- ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সাথে বাংলাদেশের ৩২টি জেলার সীমান্ত রয়েছে।
- ভারতের সাথে ৩০টি এবং মিয়ানমারের সাথে ৩টি।
- ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সীমান্তবর্তী বাংলাদেশের একমাত্র জেলা রাঙামাটি।

উৎস: বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের ওয়েবসাইট।

১,৩০৮.
বাংলাদেশ ও ভারতের সীমানা বিশ্বের কততম দীর্ঘতম সীমান্ত?
  1. ২য়
  2. ৩য়
  3. ৪র্থ
  4. ৫ম
ব্যাখ্যা
ভারত ও বাংলাদেশ সীমান্ত:
- বাংলাদেশ ও ভারতের সীমানা বিশ্বের ৫ম দীর্ঘতম সীমান্ত।
- সীমান্ত দৈর্ঘ্য: ৪১৪২ কিলোমিটার।

উল্লেখ্য,
পৃথিবীর দীর্ঘতম সীমান্ত:
১. আমেরিকা ও কানাডা: দৈর্ঘ্য ৮৮৯৩ কিলোমিটার।
২. কাজাকিস্তান ও রাশিয়া: দৈর্ঘ্য ৭৬৪৪ কিলোমিটার।
৩. আর্জেন্টিনা ও চিলি: দৈর্ঘ্য ৬৬৯১ কিলোমিটার।
৪. চীন ও মঙ্গোলিয়া: দৈর্ঘ্য ৪৬৩০ কিলোমিটার।
৫. ভারত ও বাংলাদেশ: দৈর্ঘ্য ৪১৪২ কিলোমিটার।

উৎস: World Atlas.
১,৩০৯.
আয়তনের ভিত্তিতে বাংলাদেশের বিশ্বের অবস্থান কত?
  1. ৯০তম
  2. ৯৪তম
  3. ৯৮তম
  4. ১০৫তম
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের আয়তন:
- আয়তনের ভিত্তিতে পৃথিবীতে বাংলাদেশের অবস্থান ৯৪তম।
- স্বাধীন ও সার্বভৌম এদেশের আয়তন ১,৪৭,৫৭০ বর্গকিলোমিটার বা ৫৬,৯৭৭বর্গমাইল।
- ভূমি পুনরম্নদ্ধার ও সমুদ্রসীমার সম্প্রসারণের ফলে বর্তমানে আয়তন দাড়িয়েছে ১,৪৮,৪৬০ বর্গকিলোমিটার (৮৯০ বর্গকিলোমিটার ভূমি নতুনভাবে যুক্ত হয়েছে)।
- এদেশে একদিকে যেমন প্রতিনিয়ত কিছু ভূমি নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে, অন্যদিকে তেমনি একইসাথে জেগে উঠছে নতুন নতুন চর।
- এই ভাঙাগড়ার ফলস্বরূপ প্রতিবছর গড়ে প্রায় ২০ বর্গকিলোমিটার নতুন ভূমি বাংলাদেশের মানচিত্রে যুক্ত হচ্ছে।
- ধারণা করা হচ্ছে, নতুন চর জাগার এই ধারা অব্যাহত থাকলে ২০৫০ সাল নাগাদ প্রায় ১০০০-১৫০০ বর্গকিলোমিটার ভূমি মূল ভূখন সাথে যুক্ত হবে। 
- যা আয়তনের দিক থেকে প্রায় ঢাকা জেলার সমান।
- এর ফলে বাংলাদেশের মোট আয়তন ১,৫০,০০০ বর্গকিলোমিটার ছাড়িয়ে যেতে পারে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম- দশম শ্রেণি ও ব্রিটানিকা। 

১,৩১০.
নিচের কোথায় ক্রান্তীয় চিরহরিৎ বনাঞ্চল রয়েছে?
  1. মধুপুর ও ভাওয়াল গড়
  2. বরেন্দ্র্রভূমি
  3. খুলনা অঞ্চল
  4. পার্বত্য চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে পার্বত্য চট্টগ্রাম, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সিলেট, হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজার জেলায় ক্রান্তীয় চিরহরিৎ বনভূমি রয়েছে।
এ বনাঞ্চলের বৃক্ষের পাতা শীতকালে ঝড়ে যায় না। এ বনাঞ্চলের আয়তন প্রায় ১৩.৭৭ লক্ষ হেক্টর যা দেশের মোট আয়তনের প্রায় ৯.৩৩ শতাংশ। এ বনের প্রধান বৃক্ষের মধ্যে গর্জন, চাপালিশ ও তেলসুর উল্লেখযোগ্য।
(সূত্র: বন বিভাগ ওয়েবসাইট)
১,৩১১.
আফ্রিকা মহাদেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ কোনটি?
  1. মাউন্ট এভারেস্ট
  2. মাউন্ট কিলিমাঞ্জারো 
  3. কিলিমিনাথো
  4. রুয়েনজুরি
ব্যাখ্যা

আফ্রিকা মহাদেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গের নাম মাউন্ট কিলিমাঞ্জারো।
- এটি তানজানিয়াতে অবস্থিত এবং এটি একটি সুপ্ত আগ্নেয়গিরি।
---------------------------------- 
আফ্রিকা মহাদেশ:
- আফ্রিকা মহাদেশ হলো পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাদেশ। 
- আফ্রিকার মোট ভূমির আয়তন প্রায় ৩০,৩৬৫,০০,০০০ বর্গকিমি (১,১৭,২৪,০০০ বর্গমাইল)।
- মহাদেশটি বিষুবরেখা দ্বারা প্রায় সমানভাবে দুই ভাগে বিভক্ত।
- ফলে আফ্রিকার বেশিরভাগ অংশ গ্রীষ্মমন্ডলীয় অঞ্চলের মধ্যে অবস্থিত।
- উত্তরে মহাদেশটি কর্কটক্রান্তি এবং দক্ষিণে মকরক্রান্তি দ্বারা সীমাবদ্ধ।
- আফ্রিকা মহাদেশে ৫৪টি দেশ রয়েছে [পশ্চিম সাহারা (১০৫,০২০ বর্গমাইল [২৭২,০০০ বর্গকিলোমিটার]) বাদ দেওয়া হয়েছে , যা মরক্কোর একটি সংযুক্ত অঞ্চল]। 

- আফ্রিকা মহাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী পশ্চিমে আটলান্টিক মহাসাগর, উত্তরে ভূমধ্যসাগর, পূর্বে লোহিত সাগর ও ভারত মহাসাগর, এবং দক্ষিণে আটলান্টিক ও ভারত মহাসাগরের মিশ্র জলরাশি দ্বারা বেষ্টিত।
- আফ্রিকাকে ইউরোপ থেকে পৃথক করেছে জিব্রাল্টার প্রণালী।
- এই মহাদেশের দক্ষিণপ্রান্তে অবস্থিত উত্তমাশা অন্তরীপ (Cape of Good Hope)।

- আফ্রিকার ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্যর মধ্যে রয়েছে- সাহারা মরুভূমি।
- আফ্রিকার দীর্ঘতম নদী নীল নদ।
- আফ্রিকার সর্বোচ্চ শৃঙ্গ কিলিমাঞ্জারো। 
- এবং আফ্রিকার সর্বনিম্ন স্থান আসাল হ্রদ (জিবুতি)। 

উৎস: Britannica. 

১,৩১২.
নিচের কোন দুটি ছিদ্রায়িত রাষ্ট্র?
  1. ক) স্পেন ও ফ্রান্স
  2. খ) অস্ট্রিয়া ও ইতালি
  3. গ) রাশিয়া ও যুক্তরাজ্য
  4. ঘ) ইতালি ও দক্ষিণ আফ্রিকা
ব্যাখ্যা
বিশ্বে ছিদ্রায়িত রাষ্ট্রের সংখ্যা দুইটি। এগুলো হলো:
দক্ষিণ আফ্রিকা ও
ইতালি।
দক্ষিণ আফ্রিকার অভ্যন্তরে ‘লেসোথ’ নামের আরেকটি স্বাধীন রাষ্ট্র অবস্থিত।
অন্যদিকে, ইতালির অভ্যন্তরে ‘ভ্যাটিকান সিটি’ ও ‘সানম্যারিনো’ রাষ্ট্রদ্বয় অবস্থিত।
(সূত্রঃ ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস)
১,৩১৩.
অর্থকরী ফসল নয় কোনটি?
  1. ক) ফুল
  2. খ) তুলা
  3. গ) তামাক
  4. ঘ) তেলবীজ
ব্যাখ্যা
যেসব ফসল সরাসরি বিক্রির জন্যে চাষ করা হয় তাদের অর্থকরী ফসল বলে। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে অর্থকরী ফসলগুলো হলোঃ পাট, চা, ইক্ষু, তুলা, তামাক, ফুল। অন্যদিকে ধান, গম, ভুট্টা, তেলবীজ, আলু, সবজী, ফলমূল ইত্যাদি হলো খাদ্যশস্য। (সূত্রঃ ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
১,৩১৪.
Which river of Bangladesh has its origin in Tibet?
  1. ক) Padma
  2. খ) Brahmaputra
  3. গ) Surma
  4. ঘ) Meghna
ব্যাখ্যা
ব্রহ্মপুত্র:
- হিমালয় পর্বতের কৈলাস শৃঙ্গের নিকটে ‘মানস সরোবর হ্রদ’ থেকে ব্রহ্মপুত্র নদের উৎপত্তি হয়েছে।
- এটি তিব্বত ও আসামের উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে কুড়িগ্রাম জেলার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
- ব্রহ্মপুত্র নদ ভৈরববাজারের নিকট মেঘনা নদীতে মিলিত হয়েছে।
- ধরলা ও তিস্তা ব্রহ্মপুত্রের প্রধান উপনদী এবং বংশী ও শীতলক্ষ্যা প্রধান শাখা নদী।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণী
১,৩১৫.
”শাহবাজপুর” কোন জেলার পূর্ব নাম?
  1. বরিশাল
  2. ভোলা
  3. নোয়াখালী
  4. লক্ষ্মীপুর 
ব্যাখ্যা

• ভোলা:
- ‘কুইন আইল্যান্ড অব বাংলাদেশ’ নামে পরিচিত ভোলা জেলা।
- ‘কুইন আইল্যান্ড অব বাংলাদেশ’ যা বাংলা করলে ‘বাংলাদেশের দ্বীপের রাণী’ হয়।
-  বাংলাদেশের বৃহত্তম দ্বীপ ভোলা।
- ভোলা জেলার পূর্ব নাম দক্ষিণ শাহবাজপুর।
- হিমালয় থেকে নেমে আসা ৩টি প্রধান নদী পদ্মা, মেঘনা ও ব্রহ্মপুত্র বাহিত পলি দিয়ে মোহনায় গড়ে উঠেছে এ দ্বীপ।
- জেলাটি ১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১,৩১৬.
পর্ণমোচী ও চিরহরিৎ বৃক্ষের বনভূমি দেখা যায় কোন জলবায়ু অঞ্চলে?
  1. ভূ-মধ্যসাগরীয় জলবায়ু অঞ্চল
  2. মৌসুমী জলবায়ু অঞ্চল
  3. নিরক্ষীয় জলবায়ু অঞ্চল
  4. ক ও গ
ব্যাখ্যা
মৌসুমী জলবায়ু:
- ঋতু পরিবর্তনের সাথে সাথে এ বায়ু প্রবাহের দিক পরিবর্তন হয় বলে একে মৌসুমি জলবায়ু বলা হয়।
- কর্কটক্রান্তি ও মকরক্রান্তির নিকটবর্তী অঞ্চল জুড়ে যে জলবায়ু বিস্তৃত তা মৌসুমি জলবায়ু।
- ক্যারিবিয়ান সাগর, পশ্চিম ভারতীয় দ্বীপসমূহের দেশগুলো, পূর্ব আফ্রিকা, পূর্ব ব্রাজিল, উত্তর-পূর্ব অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ চীন ও জাপান, থাইল্যান্ড, কম্পুচিয়া, ভারত, বাংলাদেশ, পাকিস্তান, মিয়ানমার অর্থাৎ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এই জলবায়ু অঞ্চলের অর্ন্তগত।
- এছাড়াও মেক্সিকো উপসাগরের উপকূলবর্তী দেশসমূহ, লাওস, মালাগাছি দ্বীপও এই জলবায়ুর অন্তর্ভুক্ত।

⇒ মৌসুমি জলবায়ুর বৈশিষ্ট্য:
- মৌসুমি জলবায়ুতে গ্রীষ্মকালে অধিক গরম ও শীতকালে শীত পড়ে।
- জুলাই মাস সবচেয়ে বেশি গরম ও জানুয়ারি মাসে বেশি শীত পড়ে।
- গ্রীষ্মকালে উত্তর গোলার্ধে সূর্য কর্কটক্রান্তি রেখার উপর দিয়ে লম্বভাবে কিরণ দেয় এবং এই সময় দক্ষিণ পূর্ব এশিয়া, মধ্য এশিয়া, উত্তর-পশ্চিম ভারত প্রভৃতি স্থানে বায়ুর নিম্নচাপ সৃষ্টি হয়।
- মৌসুমি জলবায়ু অঞ্চলে গ্রীষ্মকালে বৃষ্টিপাত বেশি হয় কিন্তু শীতকাল শুষ্ক থাকে। তবে অতিবৃষ্টি, বন্যা, খরাও এই জলবায়ু অঞ্চলে দেখা যায়।
- এই জলবায়ু অঞ্চলে উর্বর ভূমি ও পলিমাটি কৃষিকাজের জন্য উপকারী।
- উর্বর মাটি ও বৃষ্টিপাত, পর্যাপ্ত সূর্যালোক মৌসুমি জলবায়ু অঞ্চলে পর্ণমোচী ও চিরহরিৎ বৃক্ষের বনভূমির বিস্তার ঘটায়। চিরহরিৎ বৃক্ষের বনাঞ্চলে ২০০ সে.মি এর বেশি বৃষ্টিপাত হয় এবং তৃণভূমি অঞ্চলে ৫° সে.মি থেকে ১০০ সে.মি পর্যন্ত বৃষ্টিপাত হয়।

অন্যদিকে,
- ভূ-মধ্যসাগরীয় জলবায়ু অঞ্চলে বৃষ্টিপাত অধিক বলে এখানে শীতকালীন বৃক্ষ যেমন- জলপাই, কর্ক, তুঁত, নিম, পাইন গাছের উৎপত্তি লক্ষ্যণীয়।
- নিরক্ষীয় জলবায়ু অঞ্চলে অধিক বৃষ্টিপাতের জন্য চিরহরিৎ বনাঞ্চল দেখা যায়। 

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৩১৭.
"কিলিমাঞ্জারো পর্বত" কোন মহাদেশে অবস্থিত?
  1. এশিয়া মহাদেশ
  2. আফ্রিকা মহাদেশে
  3. ইউরোপ মহাদেশে
  4. আমেরিকা মহাদেশে
ব্যাখ্যা

• কিলিমাঞ্জারো পর্বত
- কিলিমাঞ্জারো পর্বত তানজানিয়ায় অবস্থিত, 
- মাউন্ট কিলিমাঞ্জারো হল আফ্রিকা মহাদেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ যার উচ্চতা ৫,৮৯৫ মিটার (১৯,৩৪০ ফুট)। 
- এই রাজকীয় পর্বতটি একটি তুষারাবৃত আগ্নেয়গিরি।
- এটি তিনটি ভিন্ন শৃঙ্গ নিয়ে গঠিত: Kibo, Mawenzi, এবং Shira।
- কিলিমাঞ্জারোর সর্বোচ্চ শৃঙ্গ হলো Kibo, যার উচ্চতা প্রায় ৫,৮৯৫ মিটার (১৯,৩৪০ ফুট)।

উৎস: National Geographic Society এবং ব্রিটানিকা।

১,৩১৮.
আয়তনে বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ জেলা কোনটি?
  1. ঢাকা
  2. সিলেট
  3. বান্দরবান
  4. রাঙ্গামাটি
ব্যাখ্যা
রাঙ্গামাটি জেলা:
- রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা ২২-২৭'' ও ২৩- ৪৪'' উত্তর অক্ষাংশ এবং ৯১- ৫৬'' ও ৯২- ৩৩'' পূর্ব দ্রাঘিমাংশের মধ্যে অবস্থিত।
- রাঙ্গামাটির উত্তরে ভারতের ত্রিপুরা, মিজোরাম, দক্ষিণে বান্দরবান, পূর্বে মিজোরাম ও পশ্চিমে চট্রগ্রাম ও খাগড়াছড়ি।
- এই জেলা আয়তনের দিক থেকে দেশের সর্ববৃহৎ জেলা।
- দেশের এক মাত্র রিক্সা বিহীন শহর।
- রাঙ্গামাটি জেলায় বাঙ্গালীসহ ১৪টি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বসবাস করে।
- রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান- এই তিন পার্বত্য অঞ্চলকে নিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলা সৃষ্টির পূর্বের নাম ছিল কার্পাস মহল।
- পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলা থেকে১৯৮১ সালে বান্দরবান এবং ১৯৮৩ সালে খাগড়াছড়ি পৃথক জেলা সৃষ্টি করা হলে পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলার মূল অংশ রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা হিসাবে আত্মপ্রকাশ করে।

তথ্যসূত্র - রাঙ্গামাটি জেলা ওয়েবসাইট।
১,৩১৯.
নিম্নের কোন ভৌগলিক অঞ্চলটি ‘রামসার সাইট’ হিসেবে স্বীকৃত?
  1. টাঙ্গুয়ার হাওর
  2. মাধবকুণ্ড
  3. বগা লেক
  4. কাপ্তাই হ্রদ
ব্যাখ্যা

টাঙ্গুয়ার হাওর  রামসার সাইট হিসেবে স্বীকৃত।

• রামসার সাইট:
- ১৯৭১ সালে ইরানের রামসার শহরে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- বাংলাদেশ ১৯৯২ সালের ২১ সেপ্টেম্বর রামসার সনদ কার্যকর করে।
- এ চুক্তির আওতায় বাংলাদেশের দুটি স্থান রামসার সাইট হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে ।
- সুন্দরবন রিজার্ভ ফরেষ্ট (২১মে, ১৯৯২)।
- টাঙ্গুয়ার হাওর (১০ জুলাই, ২০০০) রামসার সাইটের তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

উৎস: রামসার ওয়েবসাইট।

১,৩২০.
‘হায়লি গুব্বি’ আগ্নেয়গিরিটি নিচের কোন দেশে অবস্থিত?
  1. ইথিওপিয়া
  2. ইরিত্রিয়া
  3. রাশিয়া
  4. ইন্দোনেশিয়া
ব্যাখ্যা

• ‘হায়লি গুব্বি’ আগ্নেয়গিরি:
- ইথিওপিয়ার উত্তরাঞ্চলের একটি সুপ্ত আগ্নেয়গিরি হচ্ছে ‘হায়লি গুব্বি’ আগ্নেয়গিরি।
- আগ্নেয়গিরিটি ইথিওপিয়ার আফার অঞ্চলে আদ্দিস আবাবা থেকে প্রায় ৮০০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে ইরিত্রিয়া সীমান্তের কাছে অবস্থিত।
- প্রায় ৫০০ মিটার উচ্চতার এ আগ্নেয়গিরি রিফট ভ্যালির মধ্যে অবস্থিত।

উল্লেখ্য,
- ইথিওপিয়ার উত্তরাঞ্চলে দীর্ঘকাল ধরে সুপ্ত থাকা একটি আগ্নেয়গিরিতে গত ২৩ নভেম্বর, ২০২৫ সালে অগ্ন্যুৎপাত হয়েছে।
- এই অগ্ন্যুৎপাতের ফলে সৃষ্ট ছাইয়ের বিশাল মেঘ লোহিত সাগর পেরিয়ে ইয়েমেন, ওমান ও এমনকি ভারতের কিছু অংশেও ছড়িয়ে পড়েছে।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো। 

১,৩২১.
নিচের কোনটি রূপান্তরিত শিলা?
  1. ক) মার্বেল
  2. খ) কোয়ার্টজাইট
  3. গ) গ্রাফাইট
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
• রূপান্তরিত শিলা:
- অনেক সময় প্রচন্ড তাপ ও চাপের জন্য রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় আগ্নেয় ও পাললিক শিলা নতুন এক ধরনের শিলায় রূপান্তরিত হয় এবং আগের তুলনায় কঠিন ও কেলাসিত হয়, এই শিলাকে রূপান্তরিত শিলা বলে।
- পূর্বের রূপ ও অবস্থার পরিবর্তন হয় বলে একে রূপান্তরিত শিলা বলে।
⇒ রূপান্তরিত শিলা মূলত আগ্নেয় ও পাললিক শিলার পরিবর্তিত রূপ।
- যেমন- চুনাপাথর পরিবর্তিত হয়ে মার্বেল, বেলেপাথর পরিবর্তিত হয়ে কোয়ার্টজাইট, কাঁদা পরিবর্তিত হয়ে শ্লেট, গ্রানাইট পরিবর্তিত হয়ে নীসে, কয়লা পরিবর্তিত হয়ে গ্রাফাইটে পরিণত হয়।
- রূপান্তরিত শিলা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এটি আগ্নেয় শিলার সাথে একত্রে ভূ-ভাগের শতকরা প্রায় ৮৫ ভাগ গঠন করেছে।
- ভূ-ত্বাত্তিক সময় ব্যাপী মহাদেশের যে সঞ্চারণ এবং উত্থান-পতন হয়েছে এ শিলা থেকে তা জানা যায়।
- এ শিলা সূদুর অতীতকালের প্লেট সঞ্চারণের সাক্ষ্য বহন করে।
- রূপান্তরিত শিলা মার্বেল পাথর, শ্লেট, গার্নেট ইত্যাদির মত মূল্যবান খনিজ সম্পদ ধারণ করে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এইস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৩২২.
ভারতের সাথে সবচেয়ে দীর্ঘ স্থলসীমান্ত রয়েছে কোন দেশের?
  1. বাংলাদেশ
  2. চীন
  3. পাকিস্তান
  4. নেপাল
ব্যাখ্যা
ভারত:
- ভারত দক্ষিণ এশিয়ার একটি রাষ্ট্র।
- আয়তনে এটি দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম এবং বিশ্বের সপ্তম বৃহত্তম রাষ্ট্র।
- রাজধানী: নয়া দিল্লি।
- মুদ্রা: রুপি।
- দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম দেশ ভারত।

⇒ ভারতের স্থল সীমান্ত:
- ভারতের সাথে ৭টি দেশের স্থলসীমান্ত রয়েছে।
- দেশগুলো হলো: বাংলাদেশ, পাকিস্তান, চীন, নেপাল, ভুটান, মিয়ানমার, আফগানিস্তান।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের সাথে ভারতের সীমান্ত দৈর্ঘ্য: ৪১৪২ কিলোমিটার
- পাকিস্তানের সাথে ভারতের সীমান্ত দৈর্ঘ্য: ৩১৯০ কিলোমিটার।
- চীনের সাথে ভারতের সীমান্ত দৈর্ঘ্য: ২৬৫৯ কিলোমিটার।
- নেপালের সাথে ভারতের সীমান্ত দৈর্ঘ্য: ১৭৫১ কিলোমিটার।
- মিয়ানমারের সাথে ভারতের সীমান্ত দৈর্ঘ্য: ১৬৪৩ কিলোমিটার।
- ভুটানের সাথে ভারতের সীমান্ত দৈর্ঘ্য: ৪৩৪ কিলোমিটার।
- আফগানিস্তানের সাথে ভারতের সীমান্ত দৈর্ঘ্য: ১০৬ কিলোমিটার।

এছাড়াও,
- ভারত ও শ্রীলঙ্কা পক প্রণালী দ্বারা পৃথক হয়েছে।

উৎস: World Atlas.
১,৩২৩.
কোনটি স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশ নয়?
  1. নরওয়ে
  2. ডেনমার্ক
  3. সুইডেন
  4. ইতালি
ব্যাখ্যা
স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশ:
- ইতালি স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশ নয়।
- স্ক্যান্ডিনেভিয়া হলো ইউরোপের উত্তরে অবস্থিত একটি ভৌগোলিক অঞ্চল।
- স্ক্যান্ডিনেভিয়া সাধারণত নরওয়ে, সুইডেন এবং ডেনমার্ক নিয়ে গঠিত।
- অন্যদিকে, নর্ডিক অঞ্চল বলতে স্ক্যান্ডেনেভিয়ান দেশ + ফিনল্যান্ড + আইসল্যান্ডকে বুঝায়।
- অর্থাৎ, স্ক্যান্ডেনেভিয়ান দেশগুলো আসলে নর্ডিক অঞ্চলের মধ্যে পরে।
- নর্ডেন শব্দটি এই পাঁচটি দেশকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
- যথা- আইসল্যান্ড, ডেনমার্ক, নরওয়ে, সুইডেন এবং ফিনল্যান্ড।
- যাদের মধ্যে ভাষাগত, সাংস্কৃতিক এবং ভৌগোলিক মিল রয়েছে।
- যা উচ্চ সাক্ষরতা, দীর্ঘ জীবন প্রত্যাশা এবং প্রাকৃতিক সম্পদের প্রাচুর্যের জন্য পরিচিত।
 
তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড এটলাস ও ব্রিটেনিকা ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]
১,৩২৪.
পাদদেশীয় পলল সমভূমি দেখা যায় বাংলাদেশের কোন অঞ্চলে?
  1. রংপুর-দিনাজপুর
  2. কুমিল্লা-নোয়াখালী 
  3. চট্টগ্রাম-কক্সবাজার
  4. খুলনা-বাগেরহাট
ব্যাখ্যা

পাদদেশীয় পলল সমভূমি:
- পাহাড়ের পাদদেশে নদীবাহিত পানি সঞ্চিত হয়ে যে সমভূমি গড়ে ওঠে তাকে পাদদেশীয় পলল সমভূমি বলে।
- বাংলাদেশের রংপুর ও দিনাজপুর জেলার অধিকাংশ স্থানই পাদদেশীয় পলল সমভূমি নামে পরিচিত।
- তিস্তা, আত্রাই, যমুনেশ্বরী প্রভৃতি নদী দ্বারা এ অঞ্চল বিধৌত।
- এসব নদী হিমালায় পর্বত হতে উৎপন্ন হয়েছে। ফলে নদীগুলো সহজেই পাহাড় হতে পলল বহন করে এ অঞ্চলে সঞ্চয় করে পাদদেশীয় পললভূমি গঠন করেছে।
- পাহাড়ের পাদদেশে দুই বা ততোধিক পলল পাখা বা কোণ মিলিত হয়েও পাদদেশীয় পলল সমভূমি গঠন করতে পারে।

উল্লেখ্য,
- সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমিকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন-
(ক) রংপুর ও দিনাজপুরের পাদদেশীয় সমভূমি।
(খ) ঢাকা, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, জামালপুর, পাবনা, কুমিল্লা, নোয়াখালী ও সিলেটের অন্তর্গত বন্যা প্লাবন সমভূমি।
(গ) ফরিদপুর, কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা ও ঢাকা অঞ্চলের অংশবিশেষ নিয়ে ব-দ্বীপ সমভূমি।
(ঘ) নোয়াখালী ও ফেনী নদীর নিম্নভাগ থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত বিস্তৃত চট্টগ্রামের উপকূলীয় সমভূমি।
(ঙ) খুলনা ও পটুয়াখালী অঞ্চল এবং বরগুনা জেলার কিয়দংশ নিয়ে স্রোতজ সমভূমি।

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৩২৫.
দক্ষিণ আমেরিকার কোন দেশের সমুদ্রবন্দর নেই?
  1. ক) সুরিনাম
  2. খ) প্যারাগুয়ে
  3. গ) কলম্বিয়া
  4. ঘ) আর্জেন্টিনা
ব্যাখ্যা
দক্ষিণ আমেরিকার দুটি দেশ - প্যারাগুয়ে ও বলিভিয়ার নিজস্ব কোনো সমুদ্র বন্দর নেই।
- কারণ দেশ দুটি স্থলবেষ্টিত রাষ্ট্র। এদের চারপাশে কোনো সমুদ্র নেই।
উৎসঃ ওয়ার্ল্ড এটলাস এবং সংশ্লিষ্ট দেশের ওয়েবসাইট।
১,৩২৬.
বাংলাদেশের সাথে ভারতের মোট কয়টি রাজ্যের সীমান্ত রয়েছে?
  1. ৪ টি 
  2. ৫ টি 
  3. ৬ টি 
  4. ৭ টি 
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী ভারতের রাজ্য ৫টি।
• রাজ্যগুলো হলো:
- আসাম, 
- মিজোরাম, 
- ত্রিপুরা, 
- মেঘালয় ও 
- পশ্চিমবঙ্গ।

তথ্যসূত্র: বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের ওয়েবসাইট।

১,৩২৭.
প্রতি ১° দ্রাঘিমার পার্থক্যে সময়ের পার্থক্য কত?
  1. ৪ সেকেন্ড 
  2. ৪ মিনিট
  3. ৬ মিনিট
  4. ৮ মিনিট
ব্যাখ্যা

• আন্তর্জাতিক টাইম জোন:
- গ্রিনিচ মানমন্দির যুক্তরাজ্যের লন্ডন শহরে অবস্থিত।
- এর উপর দিয়ে মূল মধ্যরেখা বা শূন্য ডিগ্রী দ্রাঘিমারেখা গিয়েছে।
- ১৮৮৪ সালের ১ নভেম্বর জিএমটি আন্তর্জাতিকভাবে প্রমাণ সময় হিসেবে গৃহিত হয় ৷
- গ্রিনিচ মানমন্দির অফিসিয়াল টাইম জোন হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- গ্রিনিচের পূর্ব দিকে অবস্থিত স্থানগুলোর সময় গ্রিনিচের থেকে এগিয়ে থাকে।
- পৃথিবীতে প্রতি ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্যে সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট করে।
- কোন স্থান থেকে পশ্চিমে গেলে সময় কমবে আর পূর্বে গেলে সময় বাড়বে।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।  

১,৩২৮.
গ্রানাইট শিলাকে ‘সিয়াল (Sial)’ স্তর বলা হয় কেন?
  1. এতে লৌহ ও ম্যাগনেসিয়ামের পরিমাণ বেশি
  2. এতে সিলিকা ও অ্যালুমিনিয়ামের পরিমাণ বেশি
  3. এতে ক্যালসিয়াম ও সোডিয়াম বেশি
  4.  এতে কার্বন ও অক্সিজেন বেশি
ব্যাখ্যা

সিয়াল (Sial) স্তর:
- সিয়াল হলো ভূ-ত্বকের উপরের লঘুশিলা (Light crust) স্তর।
- এই স্তরের উপরেই গাছপালা ও তৃণাদি জন্মাতে দেখা যায়।
- সিয়াল স্তরে গ্রানাইট শিলার পরিমাণ বেশি, তাই একে গ্রানাইট শিলা স্তরও বলা হয়।
- গ্রানাইট শিলায় সিলিকা (Silica) ও অ্যালুমিনিয়াম (Aluminium) এর পরিমাণ বেশি থাকায় এ স্তরের নাম সিয়াল।
- মহাদেশগুলো প্রধানত সিয়াল জাতীয় শিলা দ্বারা গঠিত।
 
ভূ-ত্বকের গঠন:
১. সিয়াল (Granite স্তর): এটি ভূ-ত্বকের সর্বোচ্চ স্তর। এর নিচে অবস্থিত কনরাড বিযুক্তি (Conrad Discontinuity)।
২. সিমা (Basalt স্তর): এটি ভূ-ত্বকের মধ্যবর্তী স্তর যা ব্যাসল্ট শিলা দ্বারা গঠিত।
৩. অলিভিন স্তর: ভূ-ত্বকের নিম্নাংশ ভারী শিলা দ্বারা গঠিত এই স্তর।

উৎস: ভূমিবিদ্যা, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৩২৯.
কর্কটক্রান্তি রেখা মোট কয়টি দেশের ওপর দিয়ে অতিক্রম করেছে?
  1. ১০টি
  2. ১১টি
  3. ১৩টি
  4. ১৭টি
ব্যাখ্যা

কর্কটক্রান্তি রেখা (Tropic of Cancer):
- কর্কটক্রান্তি রেখা হলো উত্তর গোলার্ধে বিষুবরেখার সমান্তরালে অবস্থিত একটি কাল্পনিক রেখা যা নিরক্ষরেখার প্রায় ২৩.৫° উত্তর অক্ষাংশে অবস্থিত।
- কর্কটক্রান্তি রেখা প্রধানত ১৭টি দেশ, ৩টি মহাদেশ ও ৬টি জলাশয়ের ওপর দিয়ে অতিক্রম করেছে।
- প্রধান দেশসমূহ: আলজেরিয়া, নাইজার, লিবিয়া, মিশর, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ওমান, ভারত, বাংলাদেশ, মায়ানমার, চীন, তাইওয়ান, মেক্সিকো, বাহামা, পশ্চিম সাহারা, মৌরিতানিয়া, মালি।
- যেসব এলাকার ওপর দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা গেছে, সেসব এলাকা এবং আশপাশের এলাকায় তাপ অনেক বেশি। এখানে সূর্যের কিরণ লম্বভাবে পড়ে। 

উল্লেখ্য,
- কর্কটক্রান্তি রেখা বাংলাদেশের মাঝামাঝি স্থান দিয়ে অতিক্রম করেছে। এই রেখার অবস্থানের কারণে বাংলাদেশ গ্রীষ্মমন্ডলীয় জলবায়ুর অন্তর্গত এবং এখানে উষ্ণ ও আর্দ্র আবহাওয়া বিরাজ করে। 

উৎস: i) ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) Worldatlas.

১,৩৩০.
‘কান্টাস এয়ারওয়েজ লি.’ কোন দেশের বিমান সংস্থা?
  1. ক) সিঙ্গাপুর
  2. খ) অস্ট্রেলিয়া
  3. গ) কানাডা
  4. ঘ) ওমান
ব্যাখ্যা

‘কান্টাস এয়ারওয়েজ লিমিটেড’ অস্ট্রেলিয়ার একটি জনপ্রিয় বিমান সংস্থা।
এটি ১৯২০ সালে কুইন্সল্যান্ড আউটব্যাকে প্রতিষ্ঠিত হয়, কান্টাস এয়ারওয়েজ লি. অস্ট্রেলিয়ার বৃহত্তম অভ্যন্তরীন এবং আন্তর্জাতিক বিমান পরিচালনাকারী সংস্থা।
সূত্র: কান্টাস এয়ারওয়েজ লিমিটেড এর ওয়েবসাইট

১,৩৩১.
কোন নদীর মাধ্যমে মিয়ানমারের মংডু ও বাংলাদেশের টেকনাফ শহর আলাদা হয়েছে? 
  1. নাফ নদী 
  2. হাড়িয়াভাঙ্গা নদী 
  3. পায়রা নদী 
  4. কর্ণফুলি নদী 
ব্যাখ্যা

সীমান্তবর্তী জেলা:
- বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা মোট ৩২টি।
- ভারতের সাথে ৩০টি জেলার এবং মায়ানমারের সাথে ৩টি।
- মিয়ানমারের সাথে ৩টি (কক্সবাজার, রাঙ্গামাটি ও বান্দরবান) জেলার সীমান্ত রয়েছে।
- রাঙ্গামাটি একমাত্র জেলা যার সাথে ভারত ও মিয়ানমার ২টি দেশের সাথেই সীমান্ত রয়েছে।
- মায়ানমারের রাখাইন প্রদেশের বাংলাদেশ ঘেঁষা শহর মংডু।
- নাফ নদীর মাধ্যমে মংডু ও বাংলাদেশের টেকনাফ শহর আলাদা হয়ে আছে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১,৩৩২.
বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ-
  1. ক) চীন
  2. খ) কানাডা
  3. গ) যুক্তরাষ্ট্র
  4. ঘ) ব্রাজিল
ব্যাখ্যা
কানাডা উত্তর আমেরিকার উত্তরাংশে অবস্থিত একটি দেশ। কানাডা রাশিয়ার পরে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ। এর রাজধানী অটোয়া।
উৎসঃ ব্রিটানিকা
১,৩৩৩.
মেরু অঞ্চলের জলবায়ু মূলত -
  1. তুন্দ্রা অঞ্চল
  2. সাভানা অঞ্চল
  3. সাহেল অঞ্চল
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
মেরু জলবায়ু সমূহ (Polar Climates):
- এ জলবায়ুতে বছরের বেশিরভাগ সময় তাপমাত্রা হিমাংকের নিচে থাকে। ফলে উদ্ভিজ্জের জন্ম ও বৃদ্ধির জন্য গ্রীষ্মকালের স্থায়িত্ব ও উত্তাপের প্রাচুর্য অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
- উষ্ণতম মাসের গড় তাপমাত্রা ১০০ সে. এর কম থাকে।
- এই জলবায়ু মূলত দুটি শ্রেণিতে বিভক্ত।
যথা -
১. তুন্দ্রা অঞ্চল এবং
২. চিরস্থায়ী বরফের আচ্ছাদনজনিত জলবায়ু।

- তুন্দ্রা অঞ্চল মেরু দেশীয় জলবায়ু অঞ্চলের অন্তর্গত। 
- সুমেরু ও কুমেরু বৃত্তের মধ্যবর্তী স্থানে এই তন্দ্রা অঞ্চল অবস্থিত।
- দক্ষিণ গোলার্ধের এন্টার্কটিকা মহাদেশ; উত্তর গোলার্ধের সুইডেন, নরওয়ে, আলাস্কা, গ্রীনল্যান্ড, রাশিয়ার উত্তরাংশ, উত্তর কানাডা ইত্যাদি তুন্দ্রা অঞ্চলের অন্তর্গত।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৩৩৪.
বিশ্বে প্রাকৃতিক রাবার উৎপাদনের জন্যে প্রসিদ্ধ অঞ্চল কোনটি?
  1. আমাজন অববাহিকা
  2. কঙ্গো বেসিন
  3. ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চল
  4. দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া
ব্যাখ্যা
- বিশ্বে প্রাকৃতিক রাবার উৎপাদনের জন্যে সর্বাধিক প্রসিদ্ধ অঞ্চল হলো দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া।
- রাবার উৎপাদনের জন্যে সর্বোত্তম হলো উষ্ণ ও আর্দ্র জলবায়ু। জলবায়ুগত সুবিধার কারণে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার থাইল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, ভিয়েতনাম, ভারত প্রভৃতি দেশের সর্বাধিক রাবার উৎপাদিত হয়।
- দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ব্যতীত দক্ষিণ আমেরিকা ও আফ্রিকার মধ্যাঞ্চলেও প্রচুর প্রাকৃতিক রাবার উৎপাদিত হয়।
- বিশ্বে প্রাকৃতিক রাবার উৎপাদনে শীর্ষদেশ থাইল্যান্ড।
(তথ্যসূত্র: বিশ্ব খাদ্য ও কৃষি সংস্থা)
১,৩৩৫.
কুসুম্বা মসজিদটি কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) নাটোর
  2. খ) ঢাকা
  3. গ) কুমিল্লা
  4. ঘ) নওগাঁ
ব্যাখ্যা
- কুসুম্বা মসজিদ আত্রাই নদীর পশ্চিমতীরস্থ নওগাঁ জেলার মান্দা উপজেলার অন্তর্গত কুসুম্বা গ্রামের নাম অনুসারে পরিচিত।
- বাংলায় আফগানদের শাসন আমলে শূর বংশের শেষ দিকের শাসক গিয়াসউদ্দীন বাহাদুর শাহ-এর রাজত্বকালে জনৈক সুলায়মান মসজিদটি নির্মাণ করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া
১,৩৩৬.
বাংলাদেশের কোন জেলাকে ‘ভেনিস অব বেঙ্গল' বলা হয়?
  1. ক) বাগেরহাট
  2. খ) চট্টগ্রাম
  3. গ) ঢাকা
  4. ঘ) বরিশাল
ব্যাখ্যা
• বরিশালকে ভেনিস অব বেঙ্গল' বলা হয়। 

• প্রাচীন চন্দ্র দ্বীপের বর্তমান নাম - বরিশাল।
বরিশাল বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের একটি শহর।
বাংলার ভেনিস নামে পরিচিত এ শহরটি বরিশাল জেলায় অবস্থিত ও এটি বরিশাল বিভাগের সদর দপ্তর।
- এটি বাংলাদেশ - এর একটি অন্যতম সুন্দর শহর। কীর্তনখোলা নদীর তীরে অবস্থিত এই শহর।
- ‘ধান - নদী – খাল এই তিনে বরিশাল' খ্যাত বরিশাল বিভাগের ঐতিহাসিক গুরুত্ব অপরিসীম।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,৩৩৭.
ইন্দোনেশিয়ার বৃহত্তম দ্বীপ কোনটি?
  1. ক) হালমাহেরা
  2. খ) সুমাত্রা
  3. গ) জাভা
  4. ঘ) সুলাওয়েসি
ব্যাখ্যা
• ইন্দোনেশিয়া:
- নেদারল্যান্ডের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ (১৯৪৯ সালে)।
- ইন্দোনেশিয়ার প্রথম রাষ্ট্রপতি (স্বাধীনতার নেতৃত্ব প্রদান) সুকর্ণ।
- অন্য নাম - বাংকর্ণ 
- জেনারেল সুহার্তো (১৯৬৮-১৯৯৮) মোট ৩২ বছর রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন।

- মেঘবতী সুকর্ণপুত্রী (২০০১ সালে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত)।
- তিনি মুসলিম বিশ্বের প্রথম নির্বাচিত মহিলা প্রধান।

- বৃহত্তম দ্বীপ - সুমাত্রা।
- আচেহ প্রদেশ অবস্থিত ইন্দোনেশিয়ায়।
- জনবহুল দ্বীপ - জাভা (রাজধানী জাকার্তা অবস্থিত)।

তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড এটলাস ও ব্রিটানিকা।
১,৩৩৮.
'খারগ দ্বীপ' কোন দেশে অবস্থিত? 
  1. ইন্দোনেশিয়া 
  2. দক্ষিণ আফ্রিকা
  3. ইরান 
  4. ফিলিপাইন
ব্যাখ্যা

খারগ দ্বীপ:
- খারগ হলো ইরানের উপকূল থেকে প্রায় ১৫ নটিক্যাল মাইল দূরে অবস্থিত ছোট একটি দ্বীপ,
- যার দৈর্ঘ্য প্রায় পাঁচ মাইল।
- দ্বীপটিকে ইরানের 'অয়েল লাইফলাইন' বা 'তেলের জীবনরেখা' হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- সেখানে স্থায়ী বাসিন্দা খুব কম থাকলেও ইরানের প্রায় ৯০ শতাংশ রপ্তানিযোগ্য অপরিশোধিত তেল এই দ্বীপের মাধ্যমেই পরিবাহিত হয়।
- বড় বড় তেলবাহী ট্যাংকার ইরানের বিভিন্ন এলাকা থেকে তেল এনে এই দ্বীপে জমা করে।
- এরপর সেখান থেকে পারস্য উপসাগর ও হরমুজ প্রণালী হয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পাঠানো হয়,
- যার বড় একটি অংশ যায় চীনে। ইরানের তেলের সবচেয়ে বড় ক্রেতাই হলো চীন।
- এই দ্বীপে প্রবেশ বা ব্যবহার বন্ধ হয়ে গেলে ইরানের অর্থনীতি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলে।

বর্তমান পরিস্থিতিঃ 
- যুক্তরাষ্ট্র খারগ দ্বীপে বোমা হামলা চালিয়েছে ।এবং ইরানের 'ক্রাউন জুয়েল' খারগ দ্বীপে থাকা সব সামরিক লক্ষ্যবস্তু সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দিয়েছে।
- খারগ দ্বীপ দখলে নিতে বিশেষ বাহিনী পাঠানোর বিষয়টি বিবেচনা করছে ডোনাল্ড ট্রাম্প।

উৎস: worldatlas.com. the business standard.লিঙ্ক

১,৩৩৯.
সবচেয়ে বড় সার কারখানা কোনটি?
  1. ক) যমুনা ফার্টি. কো. লি.
  2. খ) চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টি. ফ্যাক্টরি লি.
  3. গ) শাহজালাল ফার্টি. কো. লি.
  4. ঘ) পলাশ ইউরিয়া ফার্টি. লি.
ব্যাখ্যা
উৎপাদন অনুসারে দেশের সবচেয়ে বড় সার কারখানা হলো সিলের ফেঞ্চুগঞ্জে অবস্থিত শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড। এর উৎপাদন ক্ষমতা ৫৮১,০০০ মেট্রিক টন। এটি ২০১৬ সালে স্থাপিত হয়। বর্তমানে দেশে ১৭ টি সার কারখানা রয়েছে। প্রথম ১৯৫১ সালে সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জে সার কারখানা স্থাপিত হয়। চট্টগ্রামে অবস্থিত কাফকো জাপান-বাংলাদেশ যৌথ উদ্যোগে স্থাপিত একমাত্র রপ্তানিমুখী সার কারখানা। (সূত্রঃ শিল্প মন্ত্রণালয় এবং ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
১,৩৪০.
বাংলাদেশের দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরে মহীসোপানের বিস্তৃতি কত?
  1. ক) ২৫০ নটিক্যাল মাইল
  2. খ) ২০০ নটিক্যাল মাইল
  3. গ) ৩৫৪ নটিক্যাল মাইল
  4. ঘ) ১২ নটিক্যাল মাইল
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের দক্ষিণে বঙ্গোসাগরে মহীসোপানের বিস্তৃতি প্রায় ৩৫৪ নটিক্যাল মাইল।
- পৃথিবীর মহাদেশসমূহের স্থলভাগের যে অংশ অল্প ঢালু হয়ে সমুদ্রের পানির মধ্যে নেমে গেছে তাকে  মহীসোপন বলে।
- মহীসোপান ১° কোণে সমুদ্র তলদেশে নিমজ্জিত থাকে।
- মহীসোপানের গড় প্রশস্ততা ৭০ কিলোমিটার।
- পৃথিবীর বৃহত্তম মহীসোপান ইউরোপের উত্তর-পশ্চিম উপকূলে অবস্থিত।

 উৎস : ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি এবং প্রথম আলো।
১,৩৪১.
নিম্নের কোনটিকে মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগোত্রীয় বলে ধারণা করা হয়?
  1. মধুপুর ও ভাওয়ালের গড়
  2. বরেন্দ্রভূমি
  3. তাজিনডং
  4. লালমাই পাহাড়
ব্যাখ্যা
টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ:
- বাংলাদেশের মোট ভূমির ১২ শতাংশ এলাকা নিয়ে টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ গঠিত।
- টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় যে সকল পর্বতের সৃষ্টি হয়েছে সেগুলো টারশিয়ারি যুগের পাহাড় নামে পরিচিত।
- রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম, সিলেট, মৌলভীবাজার এবং হবিগঞ্জের পাহাড়গুলো টারশিয়ারি যুগের।
- এ পাহাড়গুলোকে আসামের লুসাই এবং মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগোত্রীয় বলে ধারণা করা হয়
- এ যুগের পাহাড়সমূহ বেলেপাথর, শেল ও কর্দম দ্বারা গঠিত।
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহকে দুইভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা:
ক. দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ এবং
খ. উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ

⇒ দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ:
- রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি এবং কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম জেলার পূর্বাংশ এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
- দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের এ পাহাড়গুলোর গড় উচ্চতা ৬১০ মিটার।
- সাম্প্রতিককালে আবিস্কৃত তাজিনডং (বিজয়) পর্বতশৃঙ্গটি দেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ যার উচ্চতা ১,২৩১ মিটার।
- এটি আবিস্কৃত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত সর্বোচ্চ শৃঙ্গ ছিল কিওক্রাডং (উচ্চতা ১,২৩০ মিটার)।

⇒ উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ:
- ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা জেলার উত্তরাংশ, সিলেট জেলার উত্তর ও উত্তর- পূর্বাংশ এবং মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার দক্ষিণের পাহাড়গুলো এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
- এখানকার পাহাড়গুলোর গড় উচ্চতা ২৪৪ মিটারের বেশি নয়।
- উত্তরের পাহাড়গুলো স্থানীয়ভাবে টিলা নামে পরিচিত।
- এগুলোর উচ্চতা ৩০ থেকে ৯০ মিটার।

উৎস: i) ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৩৪২.
বাংলাদেশের নিম্নের কোন ভূমিরূপটি সবচেয়ে প্রাচীন?
  1. বরেন্দ্রভূমি
  2. প্লাবন সমভূমি
  3. দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়ি ভূমি
  4. উপকূলীয় সমভূমি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতি:
- ভূপ্রকৃতি অনুযায়ী বাংলাদেশকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়।
- এগুলো হলো:
• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ,
• প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ এবং
• সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।

প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ:
- আনুমানিক ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকাল বলে।
- দেশের উত্তর-পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভূমি, মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় বা উচ্চভূমি এর অন্তর্ভুক্ত।

টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ:
- বাংলাদেশের মোট ভূমির ১২ শতাংশ এলাকা নিয়ে টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ গঠিত।
- টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় যে সকল পর্বতের সৃষ্টি হয়েছে সেগুলো টারশিয়ারি যুগের পাহাড় নামে পরিচিত।
- দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের ও উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়ি ভূমি যেমন রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম, সিলেট, মৌলভীবাজার এবং হবিগঞ্জের পাহাড়গুলো টারশিয়ারি যুগের।
- এগুলো সবচেয়ে প্রাচীন ভূমি।

সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি:
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়ি এলাকা এবং প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ ব্যতীত সমগ্র বাংলাদেশ সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমির অন্তর্ভুক্ত।
- সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি অঞ্চলটি পদ্মা, ব্রহ্মপুত্র, যমুনা, মেঘনা প্রভৃতি নদ-নদী ও এদের উপনদী, শাখানদী বাহিত পলিমাটি দ্বারা গঠিত।

উৎস: i) ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৩৪৩.
দিনাজপুর, রাজশাহী, বগুড়া ও রংপুর অঞ্চল নিয়ে গঠিত -
  1. পাহাড়পুর
  2. চলনবিল
  3. বরেন্দ্রভূমি
  4. পলল গঠিত সমভূমি
ব্যাখ্যা
প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ:
- ভূ-তাত্তিক সময়পঞ্জি অনুযায়ী আনুমানিক ২৫,০০০ বছর পূর্বে এ সোপান অঞ্চল গঠিত হয়েছে বলে ভূ-বিজ্ঞানীরা মনে করেন।
- বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাংশের সুবিশাল বরেন্দ্রভূমি, মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই উচ্চভূমি নিয়ে এ অঞ্চল গঠিত।
এ অঞ্চলের আয়তন ১৩,৪২৭ বর্গকিলোমিটার। মাটির রং লাল ও ধূসর।
- প্লাইস্টোসিনকালের সোপান এলাকাকে আলোচনার সুবিধার্থে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা: ক) বরেন্দ্রভূমি, খ) মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং গ) লালমাই পাহাড়।

বরেন্দ্রভূমি:
- দিনাজপুর, রাজশাহী, বগুড়া ও রংপুর অঞ্চল নিয়ে বরেন্দ্রভূমি গঠিত।
- এর আয়তন ৯,২৮৮ বর্গকিলোমিটার বা ৩৬,০০ বর্গমাইল।
- বরেন্দ্রভূমি প্লাবন সমভূমি থেকে প্রায় ৬ থেকে ১২ মিটার উঁচু।
- সমগ্র বরেন্দ্র অঞ্চলটি পুনর্ভবা, আত্রাই ও যমুনা নদী দ্বারা চারটি অংশে বিভক্ত। মাটির রং লালচে হলুদ।
- বরেন্দ্রভূমির ছোট বিনুনী আকৃতির নদীগুলো খাড়ি নামে পরিচিত। 

তথ্যসূত্র: ভূগোল (১ম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৩৪৪.
কোন শহরে ১৯৯২ সালের ‘বিশ্ব ধরিত্রী সম্মেলন’ অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ক) রিও ডি জেনেরিও
  2. খ) রোম
  3. গ) প্যারিস
  4. ঘ) হামবুর্গ
ব্যাখ্যা
১৯৯২ সালের ৩-১৪ জুন ব্রাজিলের রিও ডি জেনেরিও শহরে ‘বিশ্ব ধরিত্রী সম্মেলন বা United Nations Conference on Environment and Development’ অনুষ্ঠিত হয়।
এতে ১১৭টি দেশের রাষ্ট্রপ্রধানসহ মোট ১৭৮টি দেশের প্রতিনিধিরা অংশ নেয়।
এই সম্মেলন থেকে এজেন্ডা-২১, UNFCCC, জীববৈচিত্র্য সম্পর্কিত সনদ এবং পরিবেশ ও উন্নয়ন সম্পর্কিত ‘রিও ঘোষণা’ গৃহিত হয়।
উৎসঃ ব্রিটানিকা
১,৩৪৫.
নিচের কোন জেলায় White Clay এর সন্ধান পাওয়া গেছে?
  1. ক) রাজশাহী
  2. খ) রাঙ্গামাটি
  3. গ) সুনামগঞ্জ
  4. ঘ) নেত্রকোনা
ব্যাখ্যা
চীনামাটি (White Clay or China Clay) কেওলিন কর্দম মণিক দ্বারা গঠিত উন্নতমানের কর্দম প্রধানত সিরামিক শিল্পে ব্যবহূত হয়ে থাকে।
- বাংলাদেশে গৃহস্থালি সামগ্রী হিসেবে চীনামাটির তৈরী তৈজসপত্রের ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে।
- বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে ভূ-পৃষ্ঠে অথবা অন্তর্ভূ-পৃষ্ঠে (subsurface) চীনামাটির সন্ধান পাওয়া গিয়েছে।
- নেত্রকোনা জেলার বিজয়পুর ও গোপালপুরে, শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী উপজেলায়, চট্টগ্রাম জেলার হাইটগাঁও ও সাতকানিয়া উপজেলার বাইতুল ইজ্জতে চীনামাটির মজুত রয়েছে।
- এ ছাড়া দিনাজপুর জেলার মধ্যপাড়া, বড়পুকুরিয়া ও দীঘিপাড়া এবং নওগাঁ জেলার পত্নীতলাতে ভূ-পৃষ্ঠের নিকটে চীনামাটি মজুতের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া
১,৩৪৬.
কোন জেলা ভারতের পাশাপাশি মিয়ানমারের সাথেও সীমান্ত ভাগ করেছে?
  1. বান্দরবান
  2. রাঙামাটি
  3. কক্সবাজার
  4. খাগড়াছড়ি
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলাসমূহ:
- মোট জেলা: ৬৪ (৮ বিভাগে)
- সীমান্তবর্তী জেলা: ৩২টি
- ভারতের সাথে: ৩০ জেলা
- মিয়ানমারের সাথে: ৩ জেলা
- দুই দেশের সাথেই সীমান্ত রয়েছে: রাঙামাটি জেলা
- ঢাকা ও বরিশাল বিভাগ ব্যতীত সব বিভাগেই সীমান্তবর্তী জেলা রয়েছে।

তথ্যসূত্র: ডিএমপি নিউজ ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১,৩৪৭.
বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান কোনটি সঠিক?
  1. ২৪° ৩৪' থেকে ২৮°৩৮' উত্তর অক্ষাংশ
  2. ৮৮° ০১' থেকে ৯২° ৪১' পূর্ব দ্রাঘিমাংশ
  3. ৮৮° ০১' থেকে ৯১° ৪১' পূর্ব দ্রাঘিমাংশ
  4. ২০° ৩৪' থেকে ২৪°৩৮' উত্তর অক্ষাংশ
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান:
- যেকোনো দেশের ভৌগোলিক অবস্থান নির্ধারিত হয়েছে অক্ষরেখা ও দ্রাঘিমারেখার ভিত্তিতে।
- বাংলাদেশ ৮৮° ০১' থেকে ৯২° ৪১' পূর্ব দ্রাঘিমারেখা এবং ২০° ৩৪' থেকে ২৬° ৩৮' উত্তর অক্ষরেখার মধ্যে অবস্থিত।
- পূর্ব থেকে পশ্চিমে এর সর্বোচ্চ বিস্তৃতি প্রায় ৪৪০ কিলোমিটার, এবং উত্তর থেকে দক্ষিণে বিস্তৃতি প্রায় ৭৬০ কিলোমিটার।
- দেশের সীমানা চারপাশে বিভিন্ন দেশ ও সমুদ্র দিয়ে ঘেরা।
- পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, উত্তরে আসাম ও মেঘালয়, পূর্বে ত্রিপুরা ও মায়ানমার এবং দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের উপকূল বাংলাদেশের অবস্থানকে ঘিরে রেখেছে।
- ভৌগোলিক বিচারে বাংলাদেশের অবস্থান দক্ষিণ এশিয়ায়, ভারত ও মিয়ানমারের মাঝখানে।
- এর ভূখণ্ড ১,৪৭,৫৭০ বর্গকিলোমিটার বা ৫৬,৯৭৭ বর্গমাইল (বিবিএস ২০২০ অনুসারে)। 

উৎস:  ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।

১,৩৪৮.
আসামের লুসাই এবং মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগোত্রীয় বলে ধারণা করা হয় নিচের কোনটিকে?
  1. ক) পার্বত্য অঞ্চলের পাহাড়
  2. খ) সিলেট অঞ্চলের পাহাড়
  3. গ) লালমাই পাহাড়
  4. ঘ) ক+খ
ব্যাখ্যা
টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ:
- টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় যে সকল পর্বতের সৃষ্টি হয়েছে সেগুলো টারশিয়ারি যুগের পাহাড় নামে পরিচিত।
- আজ থেকে প্রায় ২০ লক্ষ বছর পূর্বের সময়কে টারশিয়ারি যুগ বলা।
- রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম, সিলেট, মৌলভীবাজার এবং হবিগঞ্জের পাহাড়গুলো টারশিয়ারি যুগের।
- এ পাহাড়গুলোকে আসামের লুসাই এবং মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগোত্রীয় বলে ধারণা করা হয়।
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ বেলেপাথর, শেল ও কর্দম দ্বারা গঠিত।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৩৪৯.
লোহিত সাগর কোন দুটি দেশকে বিভক্ত করেছে?
  1. ক) মিশর ও ইসরাইল
  2. খ) ইরান ও কুয়েত
  3. গ) সৌদি আরব ও মিশর
  4. ঘ) মিশর ও তুরস্ক
ব্যাখ্যা

- এশিয়া মহাদেশকে আফ্রিকা মহাদেশ হতে পৃথক করেছে লোহিত সাগর এবং সুয়েজ খাল।
- লোহিত সাগর সৌদি আরব (এশিয়া) এবং মিশর (আফ্রিকা) কে পৃথক করেছে।
- ইউরোপ মহাদেশের দক্ষিণে আফ্রিকা মহাদেশ অবস্থিত।
- ইউরোপ মহাদেশকে আফ্রিকা মহাদেশ হতে পৃথক করেছে ভূমধ্যসাগর।

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।

১,৩৫০.
প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহের মধ্যে কোনটি অন্তর্ভুক্ত?
  1. লালমাই পাহাড়
  2. রাঙামাটির পাহাড়
  3. সিলেটের পাহাড়
  4. খাগড়াছড়ির পাহাড়
ব্যাখ্যা

ভূ-প্রকৃতি (Physiography):
- বাংলাদেশ পৃথিবীর অন্যতম বৃহত্তম ব-দ্বীপ।
- এদেশের ভূ-খন্ড উত্তর দিক থেকে দক্ষিণ দিকে ক্রমশ ঢালু হয়ে বিস্তৃত।
- উত্তর-পূর্ব এবং দক্ষিণ-পূর্ব দিকের পাহাড়ি অংশ ব্যতীত সমগ্র দেশ নদীবিধৌত পলল দ্বারা গঠিত সমভূমি।
- এই পললের পুরুত্ব প্রায় ১৮-২২ কিলোমিটার।
- ভূ-প্রকৃতির ভিন্নতার উপর ভিত্তি করে বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতিকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ।
• প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ।
• সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।

• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ:
- টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় যে সকল পর্বতের সৃষ্টি হয়েছে সেগুলো টারশিয়ারি যুগের পাহাড় নামে পরিচিত।
- আজ থেকে প্রায় ২০ লক্ষ বছর পূর্বের সময়কে টারশিয়ারি যুগ বলা হয়।
- রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম, সিলেট, মৌলভীবাজার এবং হবিগঞ্জের পাহাড়গুলো টারশিয়ারি যুগের।
- এ পাহাড়গুলোকে আসামের লুসাই এবং মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগোত্রীয় বলে ধারণা করা হয়।
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ বেলেপাথর, শেল ও কর্দম দ্বারা গঠিত।
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহকে আবার দুইভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো-
• দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ।
• উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ।

• প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ:
- আজ থেকে আনুমানিক প্রায় ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকাল বলে।
- এ অঞ্চলের মাটির রং লাল ও ধূসর।
- দেশের উত্তর-পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভূমি, মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় বা উচ্চভূমি এর অন্তর্ভুক্ত।
- প্লাইস্টোসিনকালে এসব উচ্চভূমি গঠিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়। 

• সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি:
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড় এবং প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ ব্যতীত সমগ্র দেশ সাম্প্রতিককালের পলি দ্বারা গঠিত এক বিস্তীর্ণ সমভূমি।
- এই প্লাবন সমভূমির বয়স ১২,০০০ বছরের কম।
- পদ্মা, মেঘনা, যমুনা প্রভৃতি প্রধান নদীসহ অসংখ্য উপনদী এবং শাখানদী জালের ন্যায় সমগ্র দেশে ছড়িয়ে রয়েছে। ন
- বন্যার সঙ্গে বাহিত পলিমাটি সঞ্চিত হয়ে দেশের বিস্তীর্ণ এলাকায় এই প্লাবন সমভূমি সৃষ্টি হয়েছে।
- এ প্লাবন সমভূমির আয়তন প্রায় ১,২৪,২৬৬ বর্গকিলোমিটার।
- এ অঞ্চলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো বিক্ষিপ্তভাবে ছড়িয়ে থাকা অসংখ্য জলাভূমি ও নিম্নভূমি। স্থানীয়ভাবে এগুলোকে বিল, ঝিল ও হাওড় বলে।
- রাজশাহী অঞ্চলের চলনবিল, ঢাকার আড়িয়াল বিল, গোপালগঞ্জের বিল, সুনামগঞ্জ, সিলেট, মৌলভীবাজার, ময়মনসিংহ এবং শেরপুর জেলার হাওড় ও বিল উল্লেখযোগ্য।
- মেঘনা নদীর মোহনায় হাতিয়া, সন্দ্বীপ, শাহবাজপুর এবং ভোলা জেলায় বেশ কিছু দ্বীপ অবস্থিত। এছাড়া দক্ষিণ উপকূলে আরও কিছু ছোট ছোট দ্বীপ রয়েছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৩৫১.
Which district of Bangladesh was a part of Assam?
  1. ক) Chittagong
  2. খ) Khulna
  3. গ) Feni
  4. ঘ) Sylhet
ব্যাখ্যা
• সিলেট জেলা:
১৮৭৪ - ১৯৪৭ পর্যন্ত সময়কালে সিলেট জেলা আসামের অন্তর্ভুক্ত থাকলেও ১৯৪৭ সালে ভারত বিভক্তির সময় গণভোটের মাধ্যমে সিলেট জেলা তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের চট্টগ্রাম বিভাগের অন্তর্ভুক্ত হয়।

তথ্যসূত্র: বিবিসি বাংলা নিউজ।
১,৩৫২.
নিচের কোনটি চ্যুতি-স্তূপ পর্বত?
  1. ক) কিলিমাঞ্জারো পর্বত
  2. খ) হেনরী পর্বত
  3. গ) আল্পস পবর্ত
  4. ঘ) সাতপুরা পর্বত
ব্যাখ্যা
- ভূ-আলোড়নের ফলে ভূপৃষ্ঠের শিলাস্তরে সংকোচন ও প্রসারণের মাধ্যমে সৃষ্ট পর্বত চ্যুতি-স্তূপ পর্বত নামে পরিচিত।
চ্যুতি-স্তূপ পর্বতের মধ্যে রয়েছে:
- বিন্ধ্যা পর্বত (ভারত)
- সাতপুরা পর্বত (ভারত)
- লবণ পর্বত (পাকিস্তান)
- ব্ল্যাক ফরেস্ট (জার্মানি)।
অন্যদিকে,
- কিলিমাঞ্জারো পর্বত : আগ্নেয় পর্বত
- হেনরী পর্বত : ল্যাকোলিথ পর্বত
- আল্পস পর্বত : ভঙ্গিল পর্বত।
(সূত্রঃ ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
১,৩৫৩.
প্রশান্ত মহাসাগরের মধ্য দিয়ে পূর্ব-পশ্চিমে কোন রেখাটি অবস্থান করে?
  1. ক) কর্কট ক্রান্তি রেখা
  2. খ) মকর ক্রান্তি রেখা
  3. গ) নিরক্ষরেখা
  4. ঘ) দ্রাঘিমা রেখা
ব্যাখ্যা
• প্রশান্ত মহাসাগর:
- প্রশান্ত মহাসাগরীয় স্রোত আটলান্টিক মহাসাগরীয় স্রোতের অনুরূপ।
- উপকূল রেখার অবস্থানের বিভিন্নতার কারণে আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগরের স্রোতসমূহের মধ্যে পার্থক্য দেখা যায়।
- প্রশান্ত মহাসাগরের মধ্য দিয়ে পূর্ব-পশ্চিমে নিরক্ষরেখা অবস্থান করায় প্রশান্ত মহাসাগরীয় স্রোত সমূহকে আঞ্চলিক ভাবে তিনভাগে ভাগ করা হয়েছে।
- যথা: দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরীয় স্রোত, উত্তর প্রশান্ত মহাসাগরীয় স্রোত এবং নিরক্ষীয় বিপরীত স্রোত।

অন্যদিকে,
- কর্কটক্রান্তি রেখা বা উত্তর বিষুব পৃথিবীর মানচিত্রে অঙ্কিত প্রধান পাঁচটি অক্ষাংশের একটি।
- এটি বিষুবরেখা হতে উত্তরে অবস্থিত এবং ২৩ ডিগ্রী ২৬ মিনিট ২২ সেকেন্ড অক্ষাংশ বরাবর কল্পিত একটি রেখা।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৩৫৪.
দক্ষিণ আমেরিকার কয়টি দেশে সমুদ্রবন্দর নেই?
  1. ক) ১টি
  2. খ) ২টি
  3. গ) ৩টি
  4. ঘ) ৪টি
ব্যাখ্যা

- দক্ষিণ আমেরিকার দুটি দেশে সমুদ্রবন্দর নেই।
- দেশ দুটি হলোঃ প্যারাগুয়ে ও বলিভিয়া।
- এদের নিজস্ব কোনো স্থলবন্দর না থাকার কারণ দেশ দুটি স্থলবেষ্টিত রাষ্ট্র।
- এদের চারপাশে কোনো সমুদ্র নেই।
উৎসঃ ওয়ার্ল্ড এটলাস।

১,৩৫৫.
'আচেহ প্রদেশ' কোন দেশে অবস্থিত?
  1. ইন্দোনেশিয়া
  2. জাপান
  3. ফিলিপাইন
  4. ভিয়েতনাম
ব্যাখ্যা
• ইন্দোনেশিয়া:
- স্বাধীনতা লাভ করে নেদারল্যান্ডসের কাছ থেকে (১৯৪৫ সালে)।
- ইন্দোনেশিয়ার প্রথম রাষ্ট্রপতি (স্বাধীনতার নেতৃত্ব প্রদান) সুকর্ণ।
- বৃহত্তম দ্বীপ - সুমাত্রা (আয়তনে)।
- আচেহ প্রদেশ অবস্থিত ইন্দোনেশিয়ায়।
- জনবহুল দ্বীপ - জাভা (রাজধানী জাকার্তা অবস্থিত)।

তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড এটলাস।
১,৩৫৬.
বাংলাদেশের মধুপুরের চত্বর ও বরেন্দ্রভূমি-
  1. ক) পলল সমভূমি
  2. খ) প্লাবন সমভূমি
  3. গ) সঞ্চয়জাত সমভূমি
  4. ঘ) ক্ষয়জাত সমভূমি
ব্যাখ্যা
ক্ষয়জাত সমভূমি: বিভিন্ন প্রাকৃতিক শক্তি, যেমন-নদীপ্রবাহ, বায়ুপ্রবাহ এবং হিমবাহের ক্ষয়ক্রিয়ার ফলে কোনো উচ্চভূমি ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে, নিচুঁ হয়ে ক্ষয়জাত সমভূমির সৃষ্টি হয়। অ্যাপালেশিয়ান পাদদেশীয় সমভূমি, ফিনল্যান্ড ও সাইবেরিয়া সমভূমি এ ধরনের ক্ষয়জাত সমভূমি। বাংলাদেশের মধুপুরের চত্বর ও বরেন্দ্রভূমি দুটি ক্ষয়জাত সমভূমির উদাহরণ। সূত্র- ভূগোল ও পরিবেশ ৯ম-১০ম শ্রেণি।
১,৩৫৭.
বাংলাদেশে প্রথম গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয় কোথায়?
  1. ক) ফেঞ্চুগঞ্জ
  2. খ) ছাতক
  3. গ) সুহিলপুর
  4. ঘ) হরিপুর
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের প্রধান খনিজ সম্পদ হলো প্রাকৃতিক গ্যাস।
- ১৯৫৫ সালে বার্মা ওয়েল কোম্পানি এদেশে সর্বপ্রথম সিলেটের হরিপুরে গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করে। ১৯৫৭ সাল থেকে গ্যাসের উৎপাদন শুরু হয়।
- বর্তমানে দেশে মোট ২৮টি গ্যাস ক্ষেত্র রয়েছে।
(তথ্যসূত্র: পেট্রোবাংলা ওয়েবসাইট)
১,৩৫৮.
কোন মালভূমিকে পৃথিবীর ছাদ বলা হয়?
  1. ক) তারিম মালভূমি
  2. খ) তিব্বত মালভূমি
  3. গ) পামীর মালভূমি
  4. ঘ) গোলান মালভূমি
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর উচ্চতম মালভূমি হলো পামীর মালভূমি।
- এটি মধ্য এশিয়ার তাজিকিস্তান, কিরগিজস্তান, চীন ও আফগানিস্তানে অবস্থিত।
- পামীর মালভূমির উচ্চতা প্রায় ৭,৬৪৯ মিটার।
- পামীর মালভূমিকে ‘পৃথিবীর ছাদ’ বলা হয়।
(সূত্র: ব্রিটানিকা)
১,৩৫৯.
পাকিস্তান ও আফগানিস্তানকে পৃথককারী রেখা কোনটি?
  1. র‍্যাডক্লিফ লাইন
  2. ডুরান্ড লাইন
  3. ম্যাকমোহন লাইন
  4. নাথুলা পাস
ব্যাখ্যা
• ডুরান্ড লাইন:
- আফগানিস্তান ও ব্রিটিশ ভারতের মধ্যকার নির্ধারিত সীমান্ত।
- ১৮৯৩ সালে এটি নির্ধারণ করা হয়।
- বর্তমানে পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের সীমান্ত হিসেবে পরিচিত।
- ২৬০০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই লাইন কারাকোরাম পর্বত, খাইবার পাস ইত্যাদি স্থান অতিক্রম করেছে।
- এটি আফগানিস্তানের ১২ টি প্রদেশ এবং পাকিস্তানের ৩ টি প্রদেশে বিস্তৃত।
এছাড়া,
- র‍্যাডক্লিফ লাইন ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার সীমান্তরেখা।
- ম্যাকমোহন লাইন ও লাইন অব একচুয়াল কন্ট্রোল ভারত ও চীনের মধ্যকার সীমান্তরেখা।


উৎস: ব্রিটানিকা।
১,৩৬০.
বাংলাদেশের সবচেয়ে উঁচু চূড়ার নাম কী?
  1. গারো পাহাড়
  2. তাজিংডং(বিজয়)
  3. কিওক্রাডাং
  4. চন্দ্রনাথ পাহাড়
ব্যাখ্যা

তাজিংডং (বিজয়):

- এটি টারশিয়ারি যুগের পাহাড়।
- বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ তাজিংডং।
- এটি বিজয় নামেও পরিচিত।
- স্থানীয় ভাষায় তাজিং অর্থ বড় আর ডং অর্থ পাহাড়। একত্রে বড় পাহাড়।
- তাজিংডং বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় বান্দরবানের রুমা উপজেলার রেমাক্রী পাংশা ইউনিয়নে সাইচল পর্বতসারিতে অবস্থিত।
- তাজিংডং এর উচ্চতা: ১২৩১ মি. বা ৪০৩৯ ফুট [সূত্র: মাধ্যমিক ভূগোল]।
- ১৩৭২ মি. বা ৪৫০০ ফুট [সূত্র: বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন]।
- ১০০৩ মিটার [সূত্র: জেলা প্রশাসক কার্যালয়, বান্দরবান]।
- বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ কেওক্রাডং (রুমা, বান্দরবান)।
- বাংলাদেশের সবচেয়ে উঁচু পাহাড় হচ্ছে গারো পাহাড়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ নবম দশম শ্রেণি এবং জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১,৩৬১.
গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন কোন মালভূমির অংশ?
  1. পামীর মালভূমি
  2. কলোরাডো মালভূমি 
  3. তিব্বত মালভূমি 
  4. পাতাগোনিয়া মালভূমি
ব্যাখ্যা

গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন:
- বিখ্যাত গিরিখাত গ্রান্ড ক্যানিয়ন উত্তর আমেরিকা মহাদেশে অবস্থিত।
- গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন মূলত যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনা অঙ্গরাজ্যে অবস্থিত কলোরাডো মালভূমির একটি অংশ।
- এই গিরিখাতের মধ্য দিয়ে কলোরাডো নদী বয়ে গেছে।
- গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন মূলত অনুভূমিক স্তরযুক্ত শিলা এবং লাভা প্রবাহ নিয়ে গঠিত।

উল্লেখ্য, কলোরাডো মালভূমি:
- কলোরাডো মালভূমি উত্তর আমেরিকাঞ্চলে অবস্থিত।
- এটি বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের চারটি রাজ্য কলোরাডো, নিউ মেক্সিকো, ইউটা এবং অ্যারিজোনাতে বিস্তৃত।
- এই মালভূমিটি অত্যন্ত ঐতিহাসিক এবং ভূগোলিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এখানে বহু জাতীয় উদ্যান, যেমন গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন, আর্চস, ক্যাটেড্রাল ভ্যালি এবং মেসা ভার্ডে অবস্থিত।
- এটি পাদদেশীয় মালভূমি।
- কলোরাডো মালভূমিতে সর্বাপেক্ষা দীর্ঘ ও গভীর গিরিখাতটির নাম গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন।

উৎস: Britannica.

১,৩৬২.
’লালমাই পাহাড়’ কোন ভূ-অঞ্চলের অন্তর্গত?
  1. প্লাবন সমভূমি
  2. প্লাইসটোসিন
  3. টারশিয়ারি
  4. পাদদেশীয় সমভূমি
ব্যাখ্যা
• ভূপ্রকৃতির উপর ভিত্তি করে বাংলাদেশের ভূমিকে তিনটি প্রধান ভূ-অঞ্চলে বিভক্ত করা হয়েছে।

- টারশিয়ারি পাহাড় অঞ্চল,
- প্লাইসটোসিন উচ্চভূমি ,
- এবং প্লাবন সমভূমি 

• প্লাইসটোসিন উচ্চভূমি:
- আনুমানিক ২৫০০০ বছর পূর্বের  সময়কে প্লাইস্টানকাল বলে।
• প্লাইসটোসিন উচ্চভূমির অন্তর্গত ভূ-অঞ্চাল হল
- লালমাই পাহাড়ি অঞ্চল,
- বরেন্দ্রভূমি,
- মধুপুর ভাওয়ালের গড়। 

• টারশিয়ারি পাহাড় অঞ্চলের অন্তর্গত ভূ-অঞ্চল:
-  উত্তর ও পূর্বাঞ্চলের পাহাড়ি অঞ্চল,
- দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চালের পাহাড় সমূহ।

• প্লাবন সমভূমি অঞ্চলের অন্তর্গত ভূ-অঞ্চল- 
১. রংপুর দিনাজপুরের পাদদেশীয় সমভূমি ।
২. ঢাকা, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, নোয়াখালি, কুমিল্লা অঞ্চলের অন্তর্গত বন্যা প্লাবন সমভূমি।
৩. ফরিদপুর, কুষ্টিয়া, যশোর, ঢাকা অঞ্চলের অংশ বিশেষ নিয়ে ব-দ্বিপ সমভূমি।
৪. নোয়খালী ও ফেনী নদীর নিম্ন ভাগ থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত বিস্তৃত উপকূলীয় সমভূমি।
৫. খুলনা, পটুয়াখালী অঞ্চল ও বরগুনা জেলার অংশবিশেষ স্রোতজ সমভূমি। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ নবম-দশম শ্রেণি বোর্ড বই।
১,৩৬৩.
এন্টার্কটিকা মহাদেশের সর্বোচ্চ আগ্নেয়গিরি-
  1. ক) মাউন্ট ইরেবাস
  2. খ) মাউন্ট সিডলি
  3. গ) মাউন্ট হ্যাম্পটন
  4. ঘ) মাউন্ট বার্লিন
ব্যাখ্যা
এন্টার্কটিকা মহাদেশ আয়তনে বিশ্বে পঞ্চম (আয়তনঃ ১৩,২০৯,০০০ বর্গকিলোমিটার)। মহাদেশটি পৃথিবীর দক্ষিণ প্রান্তে অবস্থিত এবং দক্ষিণ মেরুকে কেন্দ্র করে প্রায় বৃত্তাকারে অবস্থিত। এ মহাদেশের চতুর্দিকে দক্ষিণ মহাসাগর অবস্থিত। মহাদেশটি সারা বছর বরফে আচ্ছন্ন থাকে বলে মনুষ্য বসবাসের অনুপযোগী নয় (জনসংখ্যাঃ নেই)। পৃথিবীর মোট জমাটবদ্ধ বরফের ৯০ভাগ এন্টার্কটিকায় রয়েছে। শীতলতম এই মহাদেশে কোনো দেশ নেই। এখানকার উল্লেখযোগ্য প্রাণি অ্যালবাট্রস, পেঙ্গুইন, সীল ইত্যাদি। এ মহাদেশে মস ও শৈবাল জাতীয় উদ্ভিদ জন্মে। মাউন্ট ইরেবাস এই মহাদেশের সক্রিয় আগ্নেয়গিরি। এন্টার্কটিকা মহাদেশের সর্বোচ্চ আগ্নেয়গিরি মাউন্ট সিডলি। সর্বোচ্চ বিন্দু ভিনসন ম্যাসিফ। সর্বনিম্ন বিন্দু বেন্টলে সাবগ্ল্যাসিয়াল ট্রেঞ্চ। সামুদ্রিক পাথর প্রধান সম্পদ। সূত্র- worldatlas ওয়েবসাইট।
১,৩৬৪.
বাংলাদেশে গঙ্গা-পদ্মা বিধৌত অঞ্চলের আয়তন কত?
  1. ক) ৭০,১৬৭ বর্গকিলোমিটার
  2. খ) ২৫,২০৯ বর্গকিলোমিটার
  3. গ) ৩৪,১৮৮ বর্গকিলোমিটার
  4. ঘ) ৪১,৩৬৫ বর্গকিলোমিটার
ব্যাখ্যা
পদ্মা: বাংলাদেশের প্রধান নদী পদ্মা। এ নদী গঙ্গা নামে মধ্য হিমালয়ের গঙ্গোত্রী হিমবাহ থেকে উৎপন্ন
হয়েছে। এরপর প্রথমে দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং পরে দক্ষিণ-পূর্ব দিক দিয়ে অগ্রসর হয়ে ভারতের হরিদ্বারের নিকট গঙ্গা নামে
সমভূমিতে প্রবেশ করেছে। এখান থেকে ভারতের উত্তর প্রদেশ ও বিহার রাজ্যের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে পশ্চিমবঙ্গের
মুর্শিদাবাদ জেলার ধুলিয়ান নামক স্থানে ভাগিরথী (বা হুগলি নদী) নামে এর একটি শাখা বের হয়ে পশ্চিমবঙ্গের মধ্য দিয়ে
বঙ্গোপসাগরে পড়েছে। আর গঙ্গা নদীর মূল প্রবাহ রাজশাহী জেলার দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্তে প্রায় ১৪৫ কিলোমিটার পর্যন্ত
ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের সীমানা বরাবর এসে কুষ্টিয়ার উত্তর-পশ্চিম প্রান্তে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। এরপর
রাজবাড়ি জেলার গোয়ালন্দের নিকট যমুনার সাথে মিলিত হয়েছে। এই মিলিত ধারা পদ্মা নামে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে প্রবাহিত
হয়ে চাঁদপুরে মেঘনার সাথে মিশেছে। অত:পর তিন নদীর মিলিত স্রোত মেঘনা নামে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
বাংলাদেশে গঙ্গা-পদ্মা বিধৌত অঞ্চলের আয়তন প্রায় ৩৪,১৮৮ বর্গকিলোমিটার।

পদ্মার শাখানদীগুলোর মধ্যে কুমার, ভৈরব, গড়াই, মাথাভাঙ্গা, ইছামতি, আড়িয়াল খাঁ উল্লেখযোগ্য। উত্তর দিক থেকে
আগত উপনদীগুলোর মধ্যে মহানন্দা প্রধান। আর মহানন্দার উপনদীগুলোর মধ্যে রয়েছে পুনর্ভবা, নাগর, কুলিক, ট্যাংগন,
পাগলা প্রভৃতি।

উৎস: এস.এস.সি. ভূগোল ও পরিবেশ, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৩৬৫.
সেন্ট বার্নার্ড গিরিপথ কোন পর্বতমালায় অবস্থিত?
  1. আল্পস 
  2. রকি
  3. আন্দিজ
  4. হিমালয়
ব্যাখ্যা

সেন্ট বার্নার্ড গিরিপথ:
- সেন্ট বার্নার্ড গিরিপথ সুইস আল্পস পর্বতমালায় অবস্থিত।
- এটি সুইজারল্যান্ডের তৃতীয় সর্বোচ্চ গিরিপথ।
- এটি সুইজারল্যান্ড এবং ইতালির সীমান্তে প্রায় ৮,১০০ ফুট বা ২৪৬৯ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত।
- এটি সুইজারল্যান্ডের মার্টিগনি এবং ইতালির আওস্তা উপত্যকার মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে।
- এটি আল্পস পর্বতমালার একটি গুরুত্বপূর্ণ পাস, যা ঐতিহাসিকভাবে ইউরোপের উত্তর ও দক্ষিণ অংশের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করেছে।

উৎস: Britannica.

১,৩৬৬.
কোন দ্বীপে পর্তুগিজরা বাস করেছিল?
  1. ক) নিঝুম দ্বীপে
  2. খ) সোনাদিয়া দ্বীপে
  3. গ) পূর্বাশা দ্বীপে
  4. ঘ) মনপুরা দ্বীপে
ব্যাখ্যা
নিঝুম দ্বীপের পূর্ব নাম বাউলার চর বা বালুয়ার চর। মৎস্য আহরণ, উপকূলীয় সবুজ বেষ্টনী অঞ্চল এবং অতিথি পাখি আগমনের জন্য নিঝুম দ্বীপ বিখ্যাত।
দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপের অন্য নাম পূর্বাশা দ্বীপ। বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বিরোধপূর্ণ দ্বীপটি হাড়িয়াভাঙ্গা নদীর মোহনায় অবস্থিত। এর আয়তন ৮ কি.মি.। ২০১০ সালের মার্চ মাসে দ্বীপটি তলিয়ে যায়।
সোনাদিয়া দ্বীপ মৎস্য আহরণ ও অতিথি পাখির জন্য বিখ্যাত। এই দ্বীপে গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণ করা হবে।
১,৩৬৭.
মূল মধ্যরেখা থেকে কোনদিকে বাংলাদেশের অবস্থান?
  1. ক) পশ্চিমে
  2. খ) পূর্বে
  3. গ) উত্তরে
  4. ঘ) উত্তর দক্ষিণে
ব্যাখ্যা
পৃথিবীতে প্রতি ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্যে সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট করে।
সেজন্যেই বাংলাদেশ মূল মধ্যরেখা থেকে ৯০ ডিগ্রি পূর্বে অবস্থিত হওয়ায় বাংলাদেশের সাথে গ্রিনিচের সময়ের পার্থক্য (৯০ × ৪ = ৩৬০ মিনিট) বা ৬ ঘন্টা।
উৎসঃ মাধ্যমিক ভূগোল
১,৩৬৮.
বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কোন জেলাগুলোতে সু্ন্দরবন অবস্থিত?
  1. ক) খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা
  2. খ) খুলনা, ঝিনাইদহ ও সাতক্ষীরা
  3. গ) নওসিটি, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা
  4. ঘ) খুলনা, প্টুয়াখালী ও সাতক্ষীরা
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের অংশ ৬,০১৭ বর্গ কি.মি.আয়তনের সুন্দরবন বিশ্বের বৃহত্তম ব-দ্বীপ, দীর্ঘতম লবণাক্ত জলাভূমি এবং জীব বৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ ইকোসিস্টেম।
• এখানে ৩৩৪ প্রজাতির উদ্ভিদ এবং ৩৭৫ প্রজাতির বন্যপ্রাণী বিদ্যমান, যার মধ্যে আছে ৩৫ প্রজাতির সরীসৃপ, ৩১৫ প্রজাতির পাখি, ৪২ প্রজাতির স্তন্যপায়ী প্রাণী এবং বিশ্ব বিখ্যাত রয়েল বেঙ্গল টাইগার। প্রধান সরীসৃপ জাতিগুলোর মধ্যে আছে নোনা পানির কুমির, অজগর, গোখরা, গুইসাপ, সামুদ্রিক সাপ, গিরগিটি, কচ্ছপ এবং অন্যান্য।
• জলাভূমি হিসাবে রামসার এলাকার সকল বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান থাকায় সুন্দরবনকে ১৯৯২ সালে ৫৬০ তম রামসার এলাকা হিসাবে যোষণা করা হয়েছে। ১৯৯৭ সালে ইউনেস্কো সুন্দরবনকে ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট হিসেবে ঘোষণা করে।
• বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা জেলায় সু্ন্দরবন অবস্থিত।
• সুন্দরবনের প্রধান বৃক্ষ হলো সুন্দরী।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি এবং খুলনা জেলা ওয়েবসাইট। 
১,৩৬৯.
উত্তরাঞ্চলের পাহাড়গুলো স্থানীয়ভাবে কী নামে পরিচিত?
  1. গিরি
  2. মালভূমি
  3. টিলা
  4. উপত্যকা
ব্যাখ্যা

উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ:
- ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা জেলার উত্তরাংশ, সিলেট জেলার উত্তর ও উত্তর- পূর্বাংশ এবং মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার দক্ষিণের পাহাড়গুলো এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
- এখানকার পাহাড়গুলোর গড় উচ্চতা ২৪৪ মিটারের বেশি নয়।
- উত্তরের পাহাড়গুলো স্থানীয়ভাবে টিলা নামে পরিচিত।
- এগুলোর উচ্চতা ৩০ থেকে ৯০ মিটার।
- এ পার্বত্য অঞ্চলে অধিক বৃষ্টিপাত হওয়ায় পাহাড়ের ঢালে প্রচুর চা উৎপন্ন হয়।

উল্লেখ্য,
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহকে দুইভাগে ভাগ করা হয়েছে।
যথা-
ক. দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ।
খ. উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৩৭০.
এশিয়া ও ইউরোপকে বিভক্তকারী পর্বতমালা -
  1. পিরিনিজ
  2. ইউরাল
  3. কারাকোরাম
  4. অ্যাটলাস
ব্যাখ্যা
পর্বতমালা:
• এশিয়া ও ইউরোপের মাঝে ইউরাল পর্বত অবস্থিত।
- রাশিয়ায় অবস্থিত ইউরাল পর্বত এশিয়া ও ইউরোপকে পৃথক করেছে।
- ইউরাল পর্বত দ্বারা রাশিয়া ইউরোপীয় ও এশীয় অংশে বিভক্ত।
- ইউরাল পর্বতের দৈর্ঘ্য প্রায় আড়াইহাজার কিলোমিটার।
 
তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ও ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস।
১,৩৭১.
ভোলা জেলায় কোন চরগুলো রয়েছে? 
  1. চর গজারিয়া ও চর আলেকজান্ডার
  2. চর শ্রীজনী ও চর শাহাবানী 
  3. চর মানিক, চর কুকড়ি মুকড়ি
  4. মুহুরীর চর ও নির্মল চর
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের চরসমূহ:
- নদীর মাঝে বা মোহনায় পলি সঞ্চিত হয়ে জেগে উঠা ভূখণ্ড চর নামে পরিচিত।
- লক্ষ্মীপুর জেলা: চর গজারিয়া ও চর আলেকজান্ডার।
- ভোলা জেলা: চরফ্যাশন, চর মানিক, চর কুকড়ি মুকড়ি, চর নিউটন, চর নিজাম প্রভৃতি।
- নোয়াখালী জেলা: ভাসান চর, সুবর্ণ চর, চর শ্রীজনী, চর শাহাবানী প্রভৃতি।
- ফেনী জেলা: মুহুরীর চর।
- রাজশাহী জেলা: নির্মল চর।
- সুন্দরবন: দুবলার চর, পাটনি চর।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১,৩৭২.
নাফাখুম ঝর্ণা কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) কক্সবাজার
  2. খ) খাগড়াছড়ি
  3. গ) বান্দরবান
  4. ঘ) রাঙামাটি
ব্যাখ্যা
- নাফাখুম ঝর্ণা : বান্দরবান
- জাদিপাই ঝর্ণা : বান্দরবান
- শুভলং ঝর্ণা : রাঙামাটি
- হিমছড়ি ঝর্ণা : কক্সবাজার
- খৈয়াছড়া ঝর্ণা : চট্টগ্রাম
- হামহাম ঝর্ণা : মৌলভীবাজার
- সীতাকুণ্ড ঝর্ণা : চট্টগ্রাম।
(তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন)
১,৩৭৩.
নিচের কোন দুটি দেশের মধ্যে পৃথিবীর দীর্ঘতম স্থল সীমান্ত বিদ্যমান?
  1. যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা
  2. কাজাখস্তান ও রাশিয়া
  3. আর্জেন্টিনা ও চিলি
  4. চীন ও মঙ্গোলিয়া
ব্যাখ্যা

পৃথিবীর দীর্ঘতম স্থল সীমান্ত:
- যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার স্থল সীমান্ত হলো পৃথিবীর দীর্ঘতম স্থল সীমান্ত।
- যার দৈর্ঘ্য ৮৮৯৩ কিলোমিটার।

→ উল্লেখ্য:
- ২য় দীর্ঘতম আন্তর্জাতিক সীমারেখা কাজাখস্তান ও রাশিয়া, যার দৈর্ঘ্য ৭৬৪৪ কিলোমিটার।
- ৩য় দীর্ঘতম আন্তর্জাতিক সীমারেখা আর্জেন্টিনা ও চিলি, যার দৈর্ঘ্য ৬৬৯১ কিলোমিটার।
- ৪র্থ দীর্ঘতম আন্তর্জাতিক সীমারেখা চীন ও মঙ্গোলিয়া, যার দৈর্ঘ্য ৪৬৩০ কিলোমিটার।
- ৫ম দীর্ঘতম আন্তর্জাতিক সীমারেখা ভারত ও বাংলাদেশ, যার দৈর্ঘ্য ৪১৪২ কিলোমিটার।

তথ্যসূত্র - Statistica.com

১,৩৭৪.
জার্মানি ও ফ্রান্সকে বিভক্তকারী সীমারেখা কোনটি?
  1. ক) সনোরা লাইন
  2. খ) সিগফ্রিড লাইন
  3. গ) ম্যাকনামারা লাইন
  4. ঘ) ডুরান্ড লাই
ব্যাখ্যা
সিগফ্রিড লাইন – জার্মানি ও ফ্রান্স

• সীমারেখা:

- সনোরা লাইন - যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকো।
- ওডারনিস লাইন – জার্মানি ও পোল্যান্ড।
- ডুরান্ড লাইন - পাকিস্তান ও আফগানিস্তান।
- হিন্ডারবার্গ লাইন - জার্মানি ও পোল্যান্ডের।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১,৩৭৫.
‘সাগরকন্যা’ কোন স্থানের ভৌগলিক উপনাম?
  1. পটুয়াখালী
  2. নিঝুম দ্বীপ
  3. সেন্টমার্টিন
  4. মহেশখালী
ব্যাখ্যা
সাগরকন্যা:
- পটুয়াখালী জেলাকে বলা হয় সাগরকন্যা।
- বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণে কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত এ জেলারই ঐতিহ্য বহনকারী বেলাভূমি।
- অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি সাগর কন্যা কুয়াকাটা।
- একই স্থানে দাঁড়িয়ে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত অবলোকন করার মনোমুগ্ধকর পর্যটন স্পট।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,৩৭৬.
বাংলাদেশের সবচেয়ে উত্তরের জেলা কোনটি?
  1. দিনাজপুর
  2. ঠাকুরগাঁ
  3. লালমনিরহাট
  4. পঞ্চগড়
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান:
- বাংলাদেশ ২০°৩৪′ উত্তর অক্ষরেখা থেকে ২৬°৩৮′ উত্তর অক্ষরেখার মধ্যে এবং ৮৮°০১′ পূর্ব দ্রাঘিমা রেখা থেকে ৯২°৪১′ পূর্ব দ্রাঘিমা রেখার মধ্যে অবস্থিত।
- বাংলাদেশের উত্তরে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয় ও আসাম; পূর্বে আসাম, ত্রিপুরা ও মিজোরাম এবং মিয়ানমার; দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর এবং পশ্চিমে ভারতের, পশ্চিমবঙ্গ অবস্থিত।

⇒ বাংলাদেশের সবচেয়ে উত্তরের জেলা পঞ্চগড়।
- বাংলাদেশের সবচেয়ে উত্তরের উপজেলা তেঁতুলিয়া।
- বাংলাদেশের সবচেয়ে উত্তরের সীমান্তবর্তী স্থান বাংলাবান্ধা। (অক্ষাংশ ২৬°৩৮′ উত্তর অক্ষরেখা)।

এছাড়াও,
⇒ বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের স্থান মনাকষা। ( ৮৮°০১′ পূর্ব দ্রাঘিমা রেখা)
- বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের উপজেলা শিবগঞ্জ।
- বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের জেলা চাপাইনবাবগঞ্জ।

⇒ বাংলাদেশের সর্ব পূর্বের স্থান আখাইনঠং।(৯২°৪১′ পূর্ব দ্রাঘিমা রেখা)
- বাংলাদেশের সবচেয়ে পূর্বের উপজেলা থানচি।
- দেশের সর্ব পূর্বের জেলা বান্দরবান।

⇒  বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের স্থান ছেড়াদ্বীপ। (অক্ষাংশ ২০°৩৪′ উত্তর অক্ষরেখা)
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের উপজেলা টেকনাফ।
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের জেলা কক্সবাজার।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,৩৭৭.
টারশিয়ারি যুগের পাহাড় প্রধানত কোন শিলা দ্বারা গঠিত?
  1. গ্রানাইট ও ব্যাসাল্ট
  2. চুনাপাথর ও মার্বেল
  3. বেলেপাথর, শেল ও কর্দম
  4. আগ্নেয় শিলা
ব্যাখ্যা

টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ:
- টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় যে সকল পর্বতের সৃষ্টি হয়েছে সেগুলো টারশিয়ারি যুগের পাহাড় নামে পরিচিত।
- আজ থেকে প্রায় ২০ লক্ষ বছর পূর্বের সময়কে টারশিয়ারি যুগ বলা হয়।
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ বেলেপাথর, শেল ও কর্দম দ্বারা গঠিত।
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহকে দুইভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা-

ক. দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ।
খ. উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৩৭৮.
নিচের কোনটি স্রোতজ বনভূমি?
  1. রাতারগুল
  2. শালবন
  3. সুন্দরবন
  4. পার্বত্য বনাঞ্চল
ব্যাখ্যা
- সুন্দরবন পৃথিবীর বৃহত্তম প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বা স্রোতজ বনভূমি।
- বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা জেলায় অবস্থিত সুন্দরবনের আয়তন প্রায় ৬,০১৭ বর্গ কিলোমিটার যা সুন্দরবনের মোট আয়তনের প্রায় ৬২ ভাগ। ‍সুন্দরবনের বাকি অংশ ভারতে অবস্থিত।
- সুন্দরবনের প্রধান বৃক্ষ হলো সুন্দরী। সুন্দরী গাছের নাম থেকেই এই বনের নাম হয়েছে সুন্দরবন।
সুন্দরবনের অন্যান্য গাছের মধ্যে রয়েছে:
- গরান
- গেওয়া
- কেওড়া
- ধুন্দল
- গোলপাতা ইত্যাদি।
- রাতারগুল দেশের একমাত্র সোয়াম্প ফরেস্ট বা জলমগ্ন বনভূমি।
(তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী এবং বনবিভাগ ওয়েবসাইট)
১,৩৭৯.
'চর নিউটন' কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ভোলা
  2. নোয়াখালী
  3. ফেনী
  4. রাজশাহী
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের চরসমূহ:
- নদীর মাঝে বা মোহনায় পলি সঞ্চিত হয়ে জেগে উঠা ভূখণ্ড চর নামে পরিচিত।
- লক্ষ্মীপুর জেলা: চর গজারিয়া ও চর আলেকজান্ডার।
- ভোলা জেলা: চরফ্যাশন, চর মানিক, চর কুকড়ি মুকড়ি, চর নিউটন, চর নিজাম প্রভৃতি।
- নোয়াখালী জেলা: ভাসান চর, সুবর্ণ চর, চর শ্রীজনী, চর শাহাবানী প্রভৃতি।
- ফেনী জেলা: মুহুরীর চর।
- রাজশাহী জেলা: নির্মল চর।
- সুন্দরবন: দুবলার চর, পাটনি চর।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১,৩৮০.
নিচের কোন দ্বীপটি নিয়ে জাপান ও রাশিয়ার মধ্যকার বিরোধ রয়েছে?
  1. ক) মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ
  2. খ) দিয়াগো গার্সিয়া
  3. গ) গ্রেট বেরিয়ার রিফ
  4. ঘ) কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ
ব্যাখ্যা
- রাশিয়া ও জাপানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ দ্বীপ কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ ও শাখালিন দ্বীপপুঞ্জ।
- কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত।
- কুরিল দ্বীপপুঞ্জের অবস্থান জাপানের হোক্কাইডো দ্বীপের ঠিক উত্তরে।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জাপানের কাছ থেকে এই দ্বীপগুলো সোভিয়েত ইউনিয়ন দখল করে নেয়।
- প্রশান্ত মহাসাগরের যে চারটি দ্বীপ নিয়ে রাশিয়া ও জাপানের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ এটি তার মধ্যে একটি  হলো এই কুরিল দ্বীপপুঞ্জ।
- বিতর্কিত কুরিল দ্বীপপুঞ্জের চারটির মধ্যে দ্বিতীয় সবচেয়ে বড় দ্বীপ কুনাশির। 
- চারটি দ্বীপের সমন্বয়ে এই কুরিল দ্বীপপুঞ্জকে জাপান তাদের নর্দান টেরিটরি হিসাবে অভিহিত করে।
- এমনকি এই বিরোধের কারণে রাশিয়া ও জাপান দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ অবসান ঘোষণা করে হওয়া শান্তিচুক্তিতেও আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষর করে নি।
 
তথ্যসূত্র:- ব্রিটানিকা, ওয়াল্ড এটলাস।
১,৩৮১.
নিচের কোনটি পার্বত্য চট্টগ্রামের অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. কক্সবাজার
  2. খাগড়াছড়ি
  3. বান্দরবান
  4. রাঙ্গামাটি
ব্যাখ্যা
• পার্বত্য চট্টগ্রাম:
- বাংলাদেশে মোট ৬৪টি জেলা।
- এর মধ্যে পার্বত্য চট্টগ্রামের ৩টি জেলা বান্দরবান, খাগড়াছড়ি ও রাঙ্গামাটি।
- উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডের দেখভাল ও সমন্বয় সাধন পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ গঠন করা হয়।
- ১৯৯৮ সালের পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ আইনানুসারে, ১৯৯৯ সালের ২৭শে মে পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করে।
- পার্বত্য চট্টগ্রামের তিনটি জেলার পুরো এলাকার স্থানীয় শাসনের কাজকর্ম তদারকি করার জন্য এই বিশেষ ধরনের আঞ্চলিক পরিষদ গঠন করা হয়।
- ১ জন চেয়ারম্যান, ১২ জন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সদস্য, ৬ জন অ-ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সদস্য, ২ জন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী নারী সদস্য, ১ জন অ- ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী নারী সদস্য এবং তিন পার্বত্য জেলা পরিষদের ৩ চেয়ারম্যানসহ সর্বমোট ২৫ জন সদস্য সমন্বয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ গঠিত হবে।
- চেয়ারম্যান হবেন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী থেকে।
- তিন পার্বত্য জেলার চেয়ারম্যানগণ পদাধিকার বলে এর সদস্য হবেন এবং তাদের ভোটাধিকার থাকবে।
- আঞ্চলিক পরিষদে সরকারের যুগাসচিব পদমর্যাদার একজন মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা থাকবেন।
- আঞ্চলিক পরিষদের মেয়াদ হবে ৫ বছর।
- কক্সবাজার পার্বত্য চট্টগ্রামের অন্তর্ভুক্ত নয়।

উৎস: পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ।
১,৩৮২.
নিচের কোন দেশটি দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশে অবস্থিত?
  1. ক) গ্যাবন
  2. খ) হাইতি
  3. গ) গায়ানা
  4. ঘ) গাম্বিয়া
ব্যাখ্যা
গায়ানা – দক্ষিণ আমেরিকা
হাইতি – উত্তর আমেরিকা
গ্যাবন ও গাম্বিয়া – আফ্রিকা।
(সূত্র: ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস)
১,৩৮৩.
নিচের কোন জেলাটি ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যর সংলগ্ন নয়? 
  1. ব্রাহ্মণবাড়িয়া
  2. খাগড়াছড়ি
  3. বান্দরবান
  4. চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের বান্দরবান জেলাটি ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য সংলগ্ন অবস্থান নয়।

ভারতের রাজ্য: 
• বাংলাদেশের সংলগ্ন জেলা 
- আসাম ৪টি (কুড়িগ্রাম, সুনামগঞ্জ, সিলেট ও মৌলভীবাজার)
- ত্রিপুরা ৭টি (ফেনী, কুমিল্লা, হবিগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম ও রাঙ্গামাটি)
- মেঘালয়: ৪টি (নেত্রকোণা, ময়মনসিংহ, শেরপুর ও জামালপুর)
- মিজোরাম: ১টি (রাঙ্গামাটি)
- অপরদিকে বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী পশ্চিমবঙ্গের জেলা ৯টি। যথা: মুর্শিদাবাদ, নদীয়া, উত্তর চব্বিশ পরগোনা, মালদহ, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর, জলপাইগুড়ি, কুচবিহার ও দার্জিলিং।
- বাংলাদেশ সীমান্তের বিপরীতে মিয়ানমারের চিন প্রদেশের মংডু শহর অবস্থিত।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১,৩৮৪.
দক্ষিণ-পূর্ব অয়ন বায়ু নিরক্ষরেখা অতিক্রম করে কোন বায়ুতে রূপান্তরিত হয়?
  1. দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু
  2. কর্কটক্রান্তি বায়ু
  3. উত্তর-পূর্ব মৌসুমি বায়ু
  4. উত্তরীয় পশ্চিমী বায়ু
ব্যাখ্যা

বায়ু:
- দক্ষিণ গোলার্ধের উষ্ণ মহাসাগর থেকে দক্ষিণ-পূর্ব বাণিজ্য বায়ু উৎপন্ন হয়।
- গ্রীষ্মকালে যখন উত্তর গোলার্ধে তাপীয় নিম্নচাপ সরে যায়, তখন এই বায়ু নিরক্ষরেখা অতিক্রম করে উত্তর গোলার্ধে প্রবেশ করে
- নিরক্ষরেখা পার হওয়ার পর কোরিওলিস বলের প্রভাবে বায়ু ডানদিকে বাঁকে;( ফেরেলের সূত্র অনুযায়ী)।
- এবং দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু হিসেবে প্রবাহিত হতে শুরু করে।
- ভারত মহাসাগরের উপর দিয়ে আসার সময় এই দক্ষিণ-পূর্ব বাণিজ্য বায়ু প্রচুর জলীয় বাষ্প সংগ্রহ করে। 
- স্থলভাগে প্রবেশ করলে, বিশেষ করে হিমালয় পর্বতমালার সঙ্গে সংঘর্ষের কারণে ভারী বৃষ্টিপাত ঘটে।
- এটি উত্তর ও উত্তর-পূর্ব ভারত, পশ্চিমবঙ্গ এবং বাংলাদেশসহ অঞ্চলে বর্ষাকালীন বৃষ্টিপাতের প্রধান কারণ।
- ফলস্বরূপ, দক্ষিণ-পূর্ব অয়ন বায়ু নিরক্ষরেখা অতিক্রম করে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুতে রূপান্তরিত হয়।
- এবং গ্রীষ্মকালীন ভারী বৃষ্টিপাতের মূল উৎস হিসেবে কাজ করে।

উৎস:  ভূগোল ও পরিবেশ – নবম-দশম শ্রেণি।

১,৩৮৫.
বাংলাদেশের কোন জেলার সাথে মিয়ানমারের সীমানা রয়েছে?
  1. রাঙামাটি
  2. বান্দরবান
  3. কক্সবাজার
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্ত
- বাংলাদেশের সাথে মিয়ানমারের সীমান্তদৈর্ঘ্য ২৭১ কিমি।
- রাঙামাটি, বান্দরবান ও কক্সবাজার; এই তিন জেলার সাথে মিয়ানমারের সীমানা রয়েছে।
- মিয়ানমারের আরাকান ও চিন; এই দুই রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের সীমানা রয়েছে।
- নাফ নদী এই দুই দেশকে পৃথক করেছে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের মোট সীমান্ত - ৫১৩৮ কিমি।
- উপকূলীয় সীমানা - ৭১১ কিমি।
- ভারতের সাথে সীমান্তদৈর্ঘ্য - ৪১৫৬ কিমি।চ
- ভারতের ৫ টি রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের সীমানা রয়েছে। এগুলো হলো,
১. পশ্চিমবঙ্গ,
২. আসাম,
৩. ত্রিপুরা,
৪. মেঘালয়,
৫. মিজোরাম

তথ্যসূত্র- বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ ওয়েবসাইট।
১,৩৮৬.
হরমুজ প্রণালিতে অবস্থিত সমুদ্রবন্দর হলো-
  1. ক) এডেন
  2. খ) জেদ্দা
  3. গ) বন্দর আব্বাস
  4. ঘ) চাবাহার
ব্যাখ্যা
গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে অবস্থিত বন্দর আব্বাস ইরানের একটি সমুদ্রবন্দর। চাবাহার আরব সাগরের তীরে অবস্থিত ইরানের আরেকটি সমুদ্রবন্দর। লোহিত সাগরের তীরে অবস্থিত এডেন ও জেদ্দা যথাক্রমে ইয়েমেন ও সৌদি আরবের সমুদ্রবন্দর। (সূত্রঃ এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা)
১,৩৮৭.
নিচের কোনটি বিরল জনসংখ্যা অঞ্চল নয়?
  1. অস্ট্রেলিয়া
  2. দক্ষিণ আফ্রিকা
  3. সৌদি আরব
  4. মেক্সিকো
ব্যাখ্যা
জনসংখ্যার ঘনত্বের দিক থেকে পৃথিবীকে চারটি অঞ্চলে ভাগ করা যেতেপারে। যথা:

১. নিবিড় জনসংখ্যা অঞ্চল;
২. পরিমিত জনসংখ্যা অঞ্চল;
৩. বিরল জনসংখ্যা অঞ্চল এবং
৪. প্রায় জনহীন অঞ্চল ।

বিরল জনসংখ্যা অঞ্চল: 

- কোনো দেশ বা অঞ্চলে যদি প্রতি বর্গকিলোমিটারে ২ থেকে ৫০ জন লোক বাস করে তবে তাকে বিরল জনসংখ্যা অঞ্চল বলে। যেমন- দক্ষিণ আফ্রিকা, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, আইসল্যান্ড, সৌদি আরব, ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, রাশিয়া, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, উত্তর আমেরিকার প্রেইরি, দক্ষিণ আমেরিকার পম্পাস, ইউরেশিয়ার স্টেপস্ ।
অপরদিকে, 
- মেক্সিকো পরিমিত জনসংখ্যা অঞ্চল।


উৎস: ভূগোল দ্বিতীয়পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৩৮৮.
ইতালির ভিসুভিয়াস কী ধরনের পর্বত?
  1. ভঙ্গিল পর্বত
  2. চ্যুতি-স্তূপ পর্বত
  3. আগ্নেয় পর্বত
  4. ল্যাকোলিথ পর্বত
ব্যাখ্যা

ভিসুভিয়াস পর্বত:
- ভিসুভিয়াস পর্বত (Mount Vesuvius) ইতালিতে অবস্থিত।
- এটি একটি আগ্নেয় পর্বত।
- ভিসুভিয়াস পর্বত বিশ্বের সবচেয়ে বিপজ্জনক আগ্নেয়গিরিগুলির মধ্যে একটি হিসেবে পরিচিত।
- ৭৯ খ্রিষ্টাব্দে ভিসুভিয়াস পর্বতের ভয়াবহ অগ্ন্যুৎপাতের ফলে পম্পেই ও হারকুলেনিয়াম শহর দুটি ধ্বংস হয়ে যায়।
- এই অগ্ন্যুৎপাতের কারণে আগ্নেয়গিরির বিস্ফোরণ থেকে নির্গত লাভা, ছাই এবং গ্যাস দ্রুতভাবে শহরগুলোকে আচ্ছন্ন করে ফেলে, যা এতে বসবাসরত মানুষের জন্য মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

​⇒ ​আগ্নেয় পর্বত:
- ভূ-অভ্যন্তরস্থ ক্রিয়াকলাপের জন্য ম্যাগমা লাভা হিসাবে উদগিরিত হয়ে চারদিকে সঞ্চিত হয়। পরবর্তীতে জমে ঠান্ডা হয়ে যে শিলাস্তূপের সৃষ্টি করে তাকে আগ্নেয় পর্বত বলে।
- আগ্নেয় পর্বতের উৎপত্তি কোনো কোনো ক্ষেত্রে ভূ-আলোড়নের জন্য ভূ-ত্বকের দুর্বল অংশের ফাটলের মধ্য দিয়ে ভূ-গর্ভস্থ উত্তপ্ত লাভা, নানা প্রকার গ্যাস ও বাষ্প, ছাই, ধাতু ইত্যাদি প্রবল বেগে বেরিয়ে আসে। এই উত্তপ্ত লাভা ফাটলের চতুর্দিকে সঞ্চিত হতে হতে উঁচু পর্বতের সৃষ্টি করে।
- যেমন- জাপানের ফুজিয়ামা, হাওয়াই দ্বীপের মওনালোয়া, ইতালির ভিসুভিয়াস, আফ্রিকার কিলিমানজারো ইত্যাদি।

​অন্যদিকে,
- চ্যুতি-স্তূপ পর্বত: ভারতের বিন্ধ্যা ও সাতপুরা পর্বত, জার্মানির ব্ল‍্যাক ফরেস্ট, পাকিস্তানের লবণ পর্বত।
- ল্যাকোলিথ পর্বত: যুক্তরাষ্ট্রের হেনরী পর্বত।
- ভঙ্গিল পর্বত (Folded Mountain): এশিয়ার হিমালয়, দক্ষিণ আমেরিকার আন্দিজ, উত্তর আমেরিকার রকি এবং ইউরোপের আল্পস পর্বতমালা।

উৎস: i) ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৩৮৯.
মায়ানমার, লাওস ও থাইল্যান্ড সীমান্তে অবস্থিত আফিম উৎপাদনকারী অঞ্চল কী নামে পরিচিত?
  1. গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গেল
  2. গোল্ডেন ক্রিসেন্ট
  3. গোল্ডেন ওয়েজ
  4. গোল্ডেন ভিলেজ
ব্যাখ্যা
গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গেল:
- গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গেল হলো দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার তিনটি (মায়ানমার ,থাইল্যান্ড ,লাওস)দেশের সীমান্তে অবস্থিত আফিম উৎপাদনকারী অঞ্চল
- এদের অবস্থানগত আকৃতি ত্রিভুজের মত।

অন্যদিকে -
- গোল্ডেন ক্রিসেন্ট: আফগানিস্তান, পাকিস্তান ও ইরান সীমান্তে অবস্থিত আফিম মাদক উৎপাদনকারী অঞ্চল।
- গোল্ডেন ওয়েজ: বাংলাদেশ, ভারত ও নেপাল সীমান্ত যা মাদক পাচার ও চোরাচালানের জন্য বিখ্যাত ।
- গোল্ডেন ভিলেজ: বাংলাদেশের কুষ্টিয়া জেলার ২৬ টি গ্রামকে গাঁজা উৎপাদনের জন্য 'গোল্ডেন ভিলেজ' বলা হয়।

উৎস: Britannica.
১,৩৯০.
‘হর্ন অন্তরীপ' কোন দেশে অবস্থিত?
  1. জার্মান
  2. চিলি
  3. স্পেন
  4. গ্রিনল্যান্ড
ব্যাখ্যা
• ফ্রান্স স্পেন ভূ-ভাগের যে অংশ ক্রমশ সরু হয় সাগরের মধ্যে প্রসারিত হয় তা অন্তরীপ নামে পরিচিত।
- পৃথিবীর বিখ্যাত অন্তরীপসমূহ:

- হর্ন অন্তরীপ : চিলি।
- ট্রাফালগার অন্তরীপ : স্পেন।
- উত্তমাশা অন্তরীপ : দক্ষিণ আফ্রিকা।
-  রিস জেসাপ অন্তরীপ : গ্রিনল্যান্ড।
- গার্দাফুই অন্তরীপ : সোমালিয়া।
- কন্যাকুমারী অন্তরীপ : ভারত।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ও ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস।
১,৩৯১.
বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের অবস্থিত দ্বীপ কোনটি?
  1. ছেঁড়া দ্বীপ
  2. টেকনাফ দ্বীপ
  3. মহেশখালী দ্বীপ
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা

সর্ব দক্ষিণ:
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের স্থান হলো ছেড়াদ্বীপ। এটি সেন্টমার্টিন দ্বীপের দক্ষিণে অবস্থিত এবং বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের বিন্দু হিসেবে পরিচিত। সর্ব দক্ষিণের উপজেলা হলো টেকনাফ এটি কক্সবাজার জেলার অন্তর্গত। এছাড়া, সর্ব দক্ষিণের জেলা হলো কক্সবাজার।

সর্ব উত্তর:
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের সীমান্তবর্তী স্থান বাংলাবান্ধা। বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের উপজেলার তেঁতুলিয়া। বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড়।

সর্ব পূর্ব:
- বাংলাদেশের সর্ব পূর্বের স্থান আখাইনঠং। বাংলাদেশের সবচেয়ে পূর্বের উপজেলা থানচি। দেশের সর্ব পূর্বের জেলা বান্দরবান।

সর্ব পশ্চিম:
- বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের স্থান মনাকষা। বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের উপজেলা শিবগঞ্জ। বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের জেলা চাপাইনবাবগঞ্জ।

সূত্র - সংশ্লিষ্ট জেলার সরকারি ওয়েবসাইট এবং ভূগোল ও পরিবেশ: নবম-দশম শ্রেণি। 

১,৩৯২.
Which desert does "The Great Wall of China" pass through?
  1. ক) Atacama Desert
  2. খ) Slimpson Desert
  3. গ) Gobi Desert
  4. ঘ) Sahara Desert
ব্যাখ্যা
- The Great Wall stretches across 15 northern Chinese provinces, municipalities and autonomous regions, from the Bohai Sea in the east to the Gobi Desert, 2,500 kilometers away in the west.
- There are 15 geographically important passes built along the route.

Source: artsandculture.google.com
১,৩৯৩.
UNESCO কত সালে গ্রেট ব্যারিয়ার রিফকে বিশ্ব হেরিটেজ সাইট হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে?
  1. ১৯৮১ সালে
  2. ১৯৮৫ সালে
  3. ১৯৯০ সালে
  4. ২০০০ সালে
ব্যাখ্যা
গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ:
- এটি পৃথিবীর সবচেয়ে বড় এবং দীর্ঘতম প্রবাল রিফ।
- রিফটির দৈর্ঘ্য প্রায় ১,২৫০ মাইল (২,০০০ কিলোমিটার) এবং বিস্তৃতি ১০ থেকে ১০০ মাইল (১৬ থেকে ১৬০ কিলোমিটার) পর্যন্ত।
- এর আয়তন প্রায় ১,৩৫০০০ বর্গমাইল (৩৫০,০০০ বর্গকিলোমিটার)।
- ২,১০০টি পৃথক রিফ এবং ৮০০টি ফ্রিঞ্জিং রিফ রয়েছে।
- গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ড রাজ্যের উপকূলে, প্রশান্ত মহাসাগরের কোরাল সাগরে অবস্থিত।
- এই রিফের পানি সাধারণত স্ফটিকস্বচ্ছ এবং গরম জলের পরিবেশে প্রবালগুলো বেড়ে ওঠে, গড় তাপমাত্রা ২১°C থেকে ৩৮°C পর্যন্ত থাকে।
- গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ ১৭৭০ সালে ব্রিটিশ অভিযাত্রী ক্যাপ্টেন জেমস কুক দ্বারা আবিষ্কৃত হয়েছিল।
- ১৯৮১ সালে UNESCO এটি বিশ্ব হেরিটেজ সাইট হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করেছে।
- এটি ২,৯০০ এর বেশি একক রিফ দ্বারা গঠিত।

তথ্যসূত্র: ব্রিটেনিকা ওয়েবসাইট এবং ওয়ার্ল্ড এটলাস ওয়েবসাইট।
১,৩৯৪.
নিচের কোন তথ্যটি ভুল?
  1. উত্তর গোলার্ধে উষ্ণতম মাস - জানুয়ারি
  2. উত্তর গোলার্ধে শীতলতম মাস - জানুয়ারি
  3. দক্ষিণ গোলার্ধে উষ্ণতম মাস - জানুয়ারি
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
- উত্তর গোলার্ধে উষ্ণতম মাস - জুলাই
- উত্তর গোলার্ধে শীতলতম মাস - জানুয়ারি
- দক্ষিণ গোলার্ধে উষ্ণতম মাস - জানুয়ারি
- দক্ষিণ গোলার্ধে শীতলতম মাস - জুলাই

উৎস: ব্রিটানিকা ও ওয়ার্ল্ড এটলাস।
১,৩৯৫.
নিচের কোনটি 'প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা' নয়?
  1. সোনাদিয়া দ্বীপ
  2. হাকালুকি হাওর
  3. চলনবিল
  4. শীতলক্ষ্যা নদী
ব্যাখ্যা

প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা:
- দেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সুরক্ষা এবং প্রাকৃতিক পরিবেশ সংরক্ষণ ও পরিবেশগত মানোন্নয়নের লক্ষ্যে সরকার কর্তৃক বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ (সর্বশেষ সংশোধিত ২০১০) অনুসারে বিভিন্ন সময়ে কিছু এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (Ecologically Critical Area-ECA/ইসিএ) হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
- এ পর্যন্ত দেশের ১৩টি এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা ঘোষণা করা হয়েছে।
- এলাকাগুলো: সুন্দরবন, কক্সবাজার-টেকনাফ সমুদ্র সৈকত, সেন্টমাটিন দ্বীপ, সোনাদিয়া দ্বীপ, হাকালুকি হাওর, টাঙ্গুয়ার হাওর, মারজাত বাওড়, গুলশান-বারিধারা লেক, বুড়িগঙ্গা নদী, তুরাগ নদী, বালু নদী, শীতলক্ষ্যা নদী, জাফলং-ডাউকি নদী।

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বিলের নাম চলনবিল।
- এটি রাজশাহী, নাটোর, সিরাজগঞ্জ, এবং পাবনা জেলা জুড়ে বিস্তৃত।
- - ব্রহ্মপুত্র নদ যখন তার প্রবাহপথ পরিবর্তন করে বর্তমান যমুনায় রূপ নেয়, সে সময়েই চলনবিলের সৃষ্টি।

তথ্যসূত্র: পরিবেশ অধিদপ্তর [লিংক] 

১,৩৯৬.
নিচের কোন দেশটি মিলেনেশিয়া অঞ্চলের অন্তর্ভূক্ত?
  1. ফিজি
  2. নাউরু
  3. সামোয়া
  4. লাওস
ব্যাখ্যা
• ওশেনিয়া মহাদেশ:
• অঞ্চলভিত্তিক ওশেনিয়ার দেশসমূহ:
- অস্ট্রেলিয়া - ১.অস্ট্রেলিয়া।
- নিউজিল্যান্ড - ১.নিউজিল্যান্ড।

• মাইক্রোনেশিয়া - ১. মাইক্রোনেশিয়া, ২. কিরিবাতি ৩. নাউরু, ৪. মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ, ৫. পালাউ।
- বৃহত্তম দ্বীপ গুয়াম মাইক্রোনেশিয়া অঞ্চলে অবস্থিত, যার পরিমাপ ৫৬১ বর্গ কিমি।

• মিলেনেশিয়া
- "মেলানেশিয়া" শব্দটি গ্রীক থেকে এসেছে এবং এর অর্থ "কালো দ্বীপ"।
- মেলানেশিয়া দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত একটি অঞ্চল যা প্রায় ২,০০০ দ্বীপ নিয়ে গঠিত।
এই অঞ্চলের দেশগুলো হলো:
১. পাপুয়া নিউগিনি,
২. সলোমন দ্বীপপুঞ্জ,
৩. ভানুয়াতু এবং
৪. ফিজি।

•পলিনেশিয়া অঞ্চলের দেশসমূহ:
- টোঙ্গা
- টুভ্যালু ও
- সামোয়া।

তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড এটলাস।
১,৩৯৭.
বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের উপজেলা কোনটি?
  1. আটোয়ারি
  2. তেতুলিয়া
  3. দেবীগঞ্জ
  4. হালুয়াঘাট
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থান:

- তেঁতুলিয়া পঞ্চগড় জেলায় অবস্থিত।
- সর্ব উত্তরে - পঞ্চগড়(জেলা), - তেতুলিয়া (উপজেলা), বাংলাবান্ধা (ইউনিয়ন), জায়গীর জোত (স্থান)।
- সর্ব পশ্চিমে- চাঁপাইনবাবগঞ্জ(জেলা), শিবগঞ্জ(উপজেলা), মনাকাষা (স্থান)।
- সর্ব পূর্বে - বান্দরবান (জেলা), থানচি (উপজেলা), আখানইঠং (স্থান)। 
- সর্ব দক্ষিণে - কক্সবাজার (জেলা), টেকনাফ(উপজেলা), সেন্টমার্টিন (ইউনিয়ন), ছেঁড়া দ্বীপ(স্থান)। 

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১,৩৯৮.
‘ডেথ ভ্যালি' কোন মহাদেশে অবস্থিত?
  1. দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশে
  2. উত্তর আমেরিকা মহাদেশে
  3. এশিয়া মহাদেশে
  4. আফ্রিকা মহাদেশে
ব্যাখ্যা
ডেথ ভ্যালি:
- ডেথ ভ্যালি উত্তর আমেরিকায় অবস্থিত,
- বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া রাজ্যের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে।
- এটি উত্তর আমেরিকা মহাদেশের অংশ এবং এই অঞ্চলের সবচেয়ে নিচু, গরম এবং শুষ্ক এলাকা হিসেবে পরিচিত।
- উপত্যকাটি গ্রেট বেসিন এবং মোহাভি মরুভূমির সীমানার কাছে অবস্থিত।

সূত্র - Britannica.com
১,৩৯৯.
কোন দেশের সবচেয়ে বেশি দেশের সাথে সীমান্ত রয়েছে?
  1. ক) ব্রাজিল
  2. খ) চীন
  3. গ) কঙ্গো
  4. ঘ) জার্মানি
ব্যাখ্যা
চীন এবং রাশিয়া উভয় দেশের ১৪ টি দেশের সাথে সীমান্ত রয়েছে।

চীনের সীমান্ত রাষ্ট্রগুলো হলো:
রাশিয়া, মঙ্গোলিয়া, কাজাখস্তান, কিরগিজিস্তান, তাজিকিস্তান, আফগানস্তান, পাকিস্তান, ভারত, নেপাল, ভুটান, মায়ানমার, লাওস, ভিয়েতনাম এবং উত্তর কোরিয়া।

রাশিয়ার সীমান্ত রাষ্ট্রগুলো হলো:
আজারবাইজান, বেলারুশ, চীন, এস্তোনিয়া, ফিনল্যান্ড, জর্জিয়া, কাজাগস্তান, লাটভিয়া, লিথুয়ানিয়া, মঙ্গোলিয়া, উত্তর কোরিয়া, নরওয়ে, পোল্যান্ড, ইউক্রেন। 

- ব্রাজিলের সীমান্ত রয়েছে ১০ টি দেশের সাথে।
- কঙ্গোর সীমান্ত রয়েছে ৯ টি দেশের সাথে।
- জার্মানির সীমান্ত রয়েছে ৯ টি দেশের সাথে।

উৎস: worldatlus.
১,৪০০.
’বগা লেক’ কোথায় অবস্থিত?
  1. রাঙ্গামাটি
  2. খাগড়াছড়ি
  3. ফেনী
  4. বান্দারবান
ব্যাখ্যা

- বগাকাইন হ্রদ বা বগা লেক বাংলাদেশের সর্বোচ্চ উচ্চতার স্বাদু পানির একটি হ্রদ। 
- বান্দরবান শহর থেকে প্রায় ৭০ কিলোমিটার দূরে বগা লেকের  অবস্থান কেওকারাডং পর্বতের গা ঘেষে, রুমা উপজেলায়।

• দেশের অন্যান্য লেকসমূহ হলো:
- কাপ্তাই লেক: রাঙামাটি -
- বগা লেক: বান্দরবান
- মহামায়া লেক: চট্টগ্রাম
- ফয়'স লেক: চট্টগ্রাম
- ভাটিয়ারি লেক: চট্টগ্রাম।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।