ব্যাখ্যা
এটি দেশের বৃহত্তম বনাঞ্চল। এ বনের উদ্ভিদের মধ্যে চাপালিশ, তেলসুর প্রভৃতি প্রধান।
তবে এ বনাঞ্চলের কম বৃষ্টিবহুল এলাকায় পত্রপতনশীল বৃক্ষের উপস্থিতি দেখা যায়।
(সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী এবং বনবিভাগ)
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ১২ / ১৭ · ১,১০১–১,২০০ / ১,৬৩৯
• চিকেন নেক:
- 'চিকেন নেক' হিসেবে পরিচিত শিলিগুড়ি করিডোর।
⇒ ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলকে বাকি দেশের মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে যুক্ত করে রেখেছে যে সরু অংশটা, সেটাই আসলে ‘শিলিগুড়ি করিডর’ বা চিকেন নেক নামে পরিচিত।
- ভারতের মানচিত্রে শিলিগুড়ি শহরের কাছে অবস্থিত এই করিডরটা অনেকটা বাঁকানো মুরগির ঘাড়ের মতো দেখায় বলে এই জায়গাটাকে অনেকে ‘চিকেনস নেক’ বলেও বর্ণনা করেন।
- এই করিডরের সবচেয়ে সরু অংশটা মাত্র ২১ কিলোমিটার চওড়া, যার আশেপাশেই রয়েছে অন্তত চারটি দেশের আন্তর্জাতিক সীমান্ত।
- এর সঙ্গে উত্তরে নেপাল, পূর্বে বাংলাদেশ ও ভুটান এবং উত্তরে চীন সীমান্ত।
উৎস: i) BBC.
ii) প্রথম আলো।
- সাইপ্রাস বলকান রাষ্ট্র নয়।
- সাইপ্রাস হল ভূমধ্যসাগরের একটি দ্বীপ, যা ইউরোপের অন্তর্গত এবং এটি তৃতীয় বৃহত্তম ভূমধ্যসাগরীয় দ্বীপ রাষ্ট্র।
বলকান রাষ্ট্র:
- বলকান রাষ্ট্র বলতে বোঝায় সেই দেশগুলোকে যেগুলো দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপের বালকান উপদ্বীপে অবস্থিত।
• বালকান উপদ্বীপভুক্ত দেশসমূহ;
- আলবেনিয়া, বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা, বুলগেরিয়া, ক্রোয়েশিয়া, কসোভো, মন্টিনিগ্রো, উত্তর মেসিডোনিয়া ,রোমানিয়া (আংশিক) সার্বিয়া, স্লোভেনিয়া (আংশিক)।
উল্লেখ্য,
- গ্রিস ও তুরস্ককে বালকান থেকে বাদ দেওয়া হয়।
- পর্তুগাল, সুইজারল্যান্ড ও ডেনমার্ক এই দেশগুলো পশ্চিম ও উত্তর ইউরোপে অবস্থিত এবং বলকান অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত নয়।
উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।
• রাজশাহীর উত্তরাংশ, বগুড়ার পশ্চিমাংশ, রংপুর ও দিনাজপুরের কিছু অংশ নিয়ে গঠিত‒ বরেন্দ্রভূমি।
• জনপদগুলোর অবস্থান:
- গৌড় জনপদ: বর্তমান চাপাইনবাবগঞ্জ থেকে শুরু করে পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ, বীরভূম ও বহরমপুর এলাকায় এটি বিস্তৃত ছিলো।
- বঙ্গ জনপদ: বঙ্গ জনপদ অন্তর্ভুক্ত ছিলো বৃহত্তর ফরিদপুর, বাখেরগঞ্জ ও পটুয়াখালীর নিচু জলাভূমি, ঢাকা, বরিশাল, ময়মনসিংহের কিছু অংশ।
- পুণ্ড্র জনপদ: বগুড়া, রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী প্রভৃতি অঞ্চল নিয়ে এই জনপদটি গঠিত হয়েছিলো।
- বরেন্দ্র জনপদ: বর্তমান রাজশাহী, রংপুর ও দিনাজপুর অঞ্চল জুড়ে বিরাজমান ছিলো।
- হরিকেল জনপদ: সিলেট ও চট্টগ্রামের অংশবিশেষ ছিলো।
- চন্দ্রদ্বীপ জনপদ: বর্তমান বরিশাল অঞ্চলে চন্দ্রদ্বীপ নামক একটি জনপদের সৃষ্টি হয়েছিল। এ জনপদটি বালেশ্বর ও মেঘনার মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত।
- সমতট জনপদ: বর্তমান বৃহত্তর নোয়াখালী ও কুমিল্লা অঞ্চল জুড়ে বিস্তৃত ছিলো।
- তাম্রলিপ্ত: মেদিনীপুর।
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
- বাংলাদেশের বান্দরবান জেলাটি ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য সংলগ্ন অবস্থান নয়।
ভারতের রাজ্য:
• বাংলাদেশের সংলগ্ন জেলা
- আসাম ৪টি (কুড়িগ্রাম, সুনামগঞ্জ, সিলেট ও মৌলভীবাজার)
- ত্রিপুরা ৭টি (ফেনী, কুমিল্লা, হবিগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম ও রাঙ্গামাটি)
- মেঘালয়: ৪টি (নেত্রকোণা, ময়মনসিংহ, শেরপুর ও জামালপুর)
- মিজোরাম: ১টি (রাঙ্গামাটি)
- অপরদিকে বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী পশ্চিমবঙ্গের জেলা ৯টি। যথা: মুর্শিদাবাদ, নদীয়া, উত্তর চব্বিশ পরগোনা, মালদহ, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর, জলপাইগুড়ি, কুচবিহার ও দার্জিলিং।
- বাংলাদেশ সীমান্তের বিপরীতে মিয়ানমারের চিন প্রদেশের মংডু শহর অবস্থিত।
উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা:
- বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ (সর্বশেষ সংশোধিত ২০১০) অনুসারে বিভিন্ন সময়ে কিছু এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (Ecologically Critical Area - ECA /ইসিএ) হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
- এ-পর্যন্ত দেশের ১৩টি এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা ঘোষণা করা হয়েছে।
- পরিবেশ অধিদপ্তর ১৯৯৯ সালে সেন্ট মার্টিনকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (ইসিএ) ঘোষণা করে।
- ৩৮ বছরের সেন্ট মার্টিন দ্বীপে প্রবাল প্রজাতি ১৪১টি থেকে কমে ৪০টিতে নেমেছে ।
অন্যদিকে:
- সোনাদিয়া দ্বীপ, হাকালুকি হাওর, টাঙ্গুয়ার হাওর, মারজাত বাওড়, এবং সুন্দরবনকে ১৯৯৯ সালে ঘোষণা করে। - জাফলং-ডাউকি নদী ২০১৫ সালে।
তথ্যসূত্র - পরিবেশ অধিদপ্তর।
কর্কটক্রান্তি রেখা (Tropic of Cancer):
- কর্কটক্রান্তি রেখা হলো উত্তর গোলার্ধে বিষুবরেখার সমান্তরালে অবস্থিত একটি কাল্পনিক রেখা যা নিরক্ষরেখার প্রায় ২৩.৫° উত্তর অক্ষাংশে অবস্থিত।
- কর্কটক্রান্তি রেখা প্রধানত ১৭টি দেশ, ৩টি মহাদেশ ও ৬টি জলাশয়ের ওপর দিয়ে অতিক্রম করেছে।
- প্রধান দেশসমূহ: আলজেরিয়া, নাইজার, লিবিয়া, মিশর, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ওমান, ভারত, বাংলাদেশ, মায়ানমার, চীন, তাইওয়ান, মেক্সিকো, বাহামা, পশ্চিম সাহারা, মৌরিতানিয়া, মালি।
- যেসব এলাকার ওপর দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা গেছে, সেসব এলাকা এবং আশপাশের এলাকায় তাপ অনেক বেশি। এখানে সূর্যের কিরণ লম্বভাবে পড়ে।
উল্লেখ্য,
- কর্কটক্রান্তি রেখা বাংলাদেশের মাঝামাঝি স্থান দিয়ে অতিক্রম করেছে। এই রেখার অবস্থানের কারণে বাংলাদেশ গ্রীষ্মমন্ডলীয় জলবায়ুর অন্তর্গত এবং এখানে উষ্ণ ও আর্দ্র আবহাওয়া বিরাজ করে।
- এটি বাংলাদেশের ১১টি জেলার উপর দিয়ে ( চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ, মাগুরা, রাজবাড়ি, ফরিদপুর, ঢাকা, মুন্সিগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটি) অতিক্রম করেছে।
উৎস: i) ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) Worldatlas.
সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি:
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ এবং প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ ছাড়া সমগ্র বাংলাদেশ নদীবিধৌত এক বিস্তীর্ণ প্লাবন সমভূমি।
- এর কিছুসংখ্যক পরিত্যক্ত অশ্বখুরাকৃতি নদীখাত।
- স্থানীয়ভাবে এগুলোকে বিল, ঝিল ও হাওড় বলে।
- হাওর এলাকা: উত্তর-পূর্বাঞ্চলের নেত্রকোনা, কিশোরগঞ্জ এবং সুনামগঞ্জ জেলার নিচু প্লাবন ভূমি।
- চলনবিল, মাদারিপুর বিল ও সিলেট অঞ্চলের হাওড়সমূহ।
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
- 'পেরেজিল দ্বীপ' ভূমধ্যসাগরে অবস্থিত।
- এই দ্বীপ নিয়ে বিবদমান দুটি হলোঃ মরক্কো ও স্পেন।
- মরক্কোতে দ্বীপটি 'লায়লা দ্বীপ' নামে পরিচিত।
উৎসঃ ওয়ার্ল্ড এটলাস।
কক্সবাজার জেলার অন্তর্গত টেকনাফ বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের উপজেলা।
সর্ব দক্ষিণ:
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের স্থান হলো ছেড়াদ্বীপ।
- এটি সেন্টমার্টিন দ্বীপের দক্ষিণে অবস্থিত এবং বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের বিন্দু হিসেবে পরিচিত।
- সর্ব দক্ষিণের উপজেলা হলো টেকনাফ এটি কক্সবাজার জেলার অন্তর্গত।
- এছাড়া, সর্ব দক্ষিণের জেলা হলো কক্সবাজার।
সর্ব উত্তর:
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের সীমান্তবর্তী স্থান বাংলাবান্ধা।
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের উপজেলার তেঁতুলিয়া।
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড়।
সর্ব পূর্ব:
- বাংলাদেশের সর্ব পূর্বের স্থান আখাইনঠং।
- বাংলাদেশের সবচেয়ে পূর্বের উপজেলা থানচি।
- দেশের সর্ব পূর্বের জেলা বান্দরবান।
সর্ব পশ্চিম:
- বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের স্থান মনাকষা।
- বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের উপজেলা শিবগঞ্জ।
- বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের জেলা চাপাইনবাবগঞ্জ।
সূত্র - সংশ্লিষ্ট জেলার সরকারি ওয়েবসাইট এবং ভূগোল ও পরিবেশ: নবম-দশম শ্রেণি।
বাংলাদেশের বনজ সম্পদ:
- বনভূমি থেকে যে সকল সম্পদ পাওয়া যায় তাকে বনজ সম্পদ বলে।
- যে কোনো দেশের প্রাকৃতিক ভারসাম্য এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য মোট ভূমির ২৫ ভাগ বনভূমি থাকা প্রয়োজন।
- কিন্তু বাংলাদেশে বনভূমির পরিমাণ শতকরা প্রায় ১৭ ভাগ।
- মাটির গুণাগুণ ও জলবায়ুর তারতম্যের কারণে বাংলাদেশের বনভূমিকে তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়। যথা:
১. ক্রান্তীয় পাতাঝরা গাছের বনভূমি।
২. ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পাতাঝরা গাছের বনভূমি।
৩. স্রোতজ বনভূমি বা সুন্দরবন
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
বাংলাদেশের সীমান্ত:
- বাংলাদেশের সাথে ভারত ও মিয়ানমারের সীমান্ত রয়েছে।
- ভারতের ৫ টি রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত রয়েছে।
- এগুলো হলো: পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, ত্রিপুরা, মিজোরাম ও মেঘালয়।
- উল্লেখ্য ভারতের সেভেন সিস্টার্স রাজ্যগুলো হলো – আসাম, মিজোরাম, মণিপুর, মেঘালয়, নাগাল্যান্ড, অরুনাচল ও ত্রিপুরা।
- এদের মধ্যে ৪টির সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত রয়েছে: আসাম, মিজোরাম, মেঘালয় ও ত্রিপুরা।
- মণিপুর, নাগাল্যান্ড ও অরুনাচল এর সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত নেই।
- বাংলাদেশের সর্বমোট সীমারেখা ৪৭১১ কি.মি।
- বাংলাদেশ-ভারতের সীমারেখা ৩৭১৫ কি.মি বা বিজিবি’র তথ্য মতে, ৪১৫৬ কিলোমিটার।
- বাংলাদেশ-মিয়ানমারের সীমারেখা ২৮০ কি.মি. বা বিজিবি’র তথ্য মতে, ২৭১ কিলোমিটার।
- বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা ৩২ টি: ভারতের সাথে ৩০টি এবং মিয়ানমারের সাথে ৩টি জেলার (রাঙামাটি, বান্দরবন ও কক্সবাজার) সীমান্ত রয়েছে।
এছাড়া,
- রাঙামাটি জেলায় বাংলাদেশ, ভারত ও মিয়ানমারের সীমান্তরেখা পরস্পরকে স্পর্শ করেছে।
- অর্থাৎ এটি তিনদেশের সীমান্ত যুক্ত হওয়া একটি সাধারণ জেলা।
- ভারতের ত্রিপুরা ও মিজোরাম উভয় রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী সাধারণ জেলাও রাঙামাটি।
- বরিশাল ও ঢাকা বিভাগের সাথে কোন দেশের সীমান্ত সংযোগ নেই।
উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ওজোস দেল সালাদো:
- ওজোস দেল সালাদো হলো বিশ্বের সর্বোচ্চ সক্রিয় আগ্নেয়গিরি।
- এটি আর্জেন্টিনা-চিলি সীমান্তে আন্দিজ পর্বতমালায় অবস্থিত।
- এর উচ্চতা ৬,৮৯৩ মিটার।
- এটি দক্ষিণ আমেরিকার দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পর্বত এবং আতাকামা মরুভূমির পূর্বে অবস্থিত একটি স্ট্র্যাটো-আগ্নেয়গিরি।
- উল্লেখযোগ্যভাবে, ওজোস দেল সালাদোতে বিশ্বের সর্বোচ্চ হ্রদ রয়েছে, যা ৬,৩৯০ মিটার উঁচুতে অবস্থিত।
উল্লেখ্য,
- এটি হিমালয়ের বাইরে বিশ্বের সর্বোচ্চ আগ্নেয়গিরি এবং সাতটি মহাদেশের সর্বোচ্চ আগ্নেয়গিরি বা 'ভলক্যানিক সেভেন সামিট'-এর অংশ।
উৎস: World Atlas.
১) তানসেনকে সঙ্গীত সম্রাট বলা হয়। তার একমাত্র উপাধি ছিল "মিয়া", মানে হল জ্ঞানী ব্যাক্তি।
২) আমীর খস্রু কে বলা হয় "Parrot of India" তোতা-ই-হিন্দ।
৩) বিখ্যাত নেত্রী সরোজিনী নাইডু, তিনি বিশিষ্ট কবিও ছিলেন। তাঁর রচিত কবিতা সংগ্রহ The Golden Threshold ১৯০৫ সালে প্রকাশিত হওয়ার পর তিনি সাধারণ্যে ‘বুলবুলে হিন্দ’ খেতাবে বিভূষিত হন।
১৯০৮ সালে হায়দ্রাবাদে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ত্রাণ তৎপরতার জন্য ব্রিটিশ সরকার তাঁকে কায়সার-ই-হিন্দ স্বর্ণপদক প্রদান করে।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া ও ব্রিটানিকা।
পুন্ড্রনগর বাংলাদেশের প্রাচীনতম নগরকেন্দ্র।
এর প্রাচীনত্ব খ্রিস্টপূর্ব চার শতকের বলে ধরে নেওয়া হয়। পুন্ড্রনগরের (গুপ্ত ও গুপ্ত-পরবর্তী যুগে ‘পুন্ড্রবর্ধনপুর নামে উল্লিখিত) ধ্বংসাবশেষ শনাক্ত করা হয়েছে বগুড়া জেলার মহাস্থান-এ আবিষ্কৃত ধ্বংসাবশেষের সঙ্গে।
সূত্র: বাংলাপিডিয়া
• ডিবির হাওর:
- সিলেটের জৈন্তাপুরে জৈন্তরাজ্যের রাজা রাম সিংহের স্মৃতিবিজড়িত ডিবির হাওর, ইয়াম, হরফকাটা কেন্দ্রী বিলসহ রয়েছে চারটি বিল৷
- বিলগুলোকে কেন্দ্র করেই নাম করা হয়েছে ডিবির হাওর৷
- বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তবর্তী মেঘালয় পাহাড়ের পাদদেশে রাম সিংহের বিলগুলো শাপলার সিজনে শাপলার রাজ্যে রূপ নেয়৷
- বিলে ফুটে থাকে অজস্র লাল শাপলা।
- লতা- পাতা-গুল্মে ভরা বিলের পানিতে শত-হাজারো লাল শাপলা হার মানায় ভোরের সূর্যের আলোকেও।
- সবুজ পাতার আচ্ছাদনে ঢাকা পড়েছে বিস্তীর্ণ জলরাশি৷
- ভোরের আলোয় শাপলার হাসি আরও আলোকিত করে দেয় বিলগুলোকে৷
- প্রকৃতি তার নিজ হাতে লাল শাপলার হাসিতে সাজিয়ে দেয় বিলগুলোকে৷
- বেড়াতে আসা যেকোনো ভ্রমণপিপাসুদের মনের দুয়ার খুলে দেবে এই শাপলা বিল।।
- একটি ধ্বংসপ্রায় মন্দির আছে।
উৎ]স: জাতীয় তথ্য বাতায়ন এবং প্রথম আলো।
বাংলাদেশের উত্তরে অবস্থিত ভারতের তিনটি রাজ্য—পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয় ও আসাম।
বাংলাদেশের সীমা:
- বাংলাদেশের উত্তরে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয় ও আসাম রাজ্য;
- পূর্বে আসাম, ত্রিপুরা, মিজোরাম রাজ্য ও মিয়ানমার;
- দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর এবং পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য অবস্থিত।
- বাংলাদেশের সর্বমোট সীমারেখা ৪,৭১১ কিলোমিটার।
- এর মধ্যে ভারত-বাংলাদেশের সীমারেখার দৈর্ঘ্য ৩,৭১৫ কিলোমিটার।
- বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমারেখার দৈর্ঘ্য ২৮০ কিলোমিটার এবং
- দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের তটরেখার দৈর্ঘ্য ৭১৬ কিলোমিটার।
- বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমে হাড়িয়াভাঙ্গা নদী এবং দক্ষিণপূর্বে নাফ নদী ভারত ও মিয়ানমারের সীমানায় অবস্থিত।
সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া।
বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতি:
- ভূ-প্রকৃতির ভিন্নতার উপর ভিত্তি করে বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতিকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১। টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ;
২। প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ এবং
৩। সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।
প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ:
- আজ থেকে আনুমানিক প্রায় ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকাল বলে।
- এ অঞ্চলের মাটির রং লাল ও ধূসর।
- দেশের উত্তর-পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভূমি, মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় বা উচ্চভূমি এর অন্তর্ভুক্ত।
- প্লাইস্টোসিনকালে এসব উচ্চভূমি গঠিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়।
বরেন্দ্রভূমি:
- বরেন্দ্রভূমি রাজশাহী বিভাগের নওগাঁ, রাজশাহী, বগুড়া, জয়পুরহাট এবং রংপুর বিভাগের গাইবান্ধা, রংপুর ও দিনাজপুর জেলার অংশবিশেষ নিয়ে গঠিত।
- এর আয়তন ৯,৩২০ বর্গকিলোমিটার।
- প্লাবন সমভূমি থেকে এর উচ্চতা ৬ থেকে ১২ মিটার।
- এটি প্লাইস্টোসিন যুগের সর্ববৃহৎ উঁচুভূমি।
- বর্তমানে বরেন্দ্র বহুমুখী সেচ প্রকল্প এবং আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহার করে এ অঞ্চলটিকে কৃষিকাজের জন্য বিশেষ উপযোগী করা হয়েছে।
তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• অক্ষাংশ ও অক্ষরেখা:
- ভূ-পৃষ্ঠের যে কোনো স্থানে নিরক্ষরেখার সাথে পৃথিবীর কেন্দ্র বিন্দুতে সৃষ্ট কৌণিক দূরত্বকে অক্ষাংশ বলে এবং যে কাল্পনিক রেখার মাধ্যমে একে প্রকাশ করা হয়, তাকে অক্ষরেখা বলে।
• নিরক্ষরেখা (Equator):
- পৃথিবীকে উত্তর ও দক্ষিণে সমান দুইটি গোলার্ধে বিভক্তকারী কাল্পনিক অক্ষরেখাটি নিরক্ষরেখা নামে অভিহিত।
- ভূ-গোলাককে পূর্ব-পশ্চিমে বেষ্টনকারী সর্বাপেক্ষা বৃহৎ অক্ষরেখা নিরক্ষরেখা।
- এই অক্ষরেখার অপর নাম সমূহ হলো- বিষুবরেখা (Equator) ও মহাবৃত্ত (Great Circle)।
- বিষুবরেখা রেখা থেকে অক্ষাংশ গণনা করা হয়।
তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম; বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
কিলিমাঞ্জারো পর্বত:
- কিলিমাঞ্জারো আগ্নেয় পর্বত তানজানিয়াতে অবস্থিত।
- এটি উত্তর-পূর্ব তানজানিয়াতে কেনিয়ার সাথে সীমান্তে অবস্থিত।
- এটি একটি মৃত আগ্নেয়গিরি।
- এটি আফ্রিকার সবচেয়ে উঁচু পর্বত।
- মাউন্ট কিলিমাঞ্জারোর উচ্চতা প্রায় ৫,৮৯৫ মিটার (১৯,৩৪০ ফুট)।
উল্লেখ্য,
- কিলিমাঞ্জারো তিনটি শৃঙ্গ দ্বারা গঠিত: কিবো, মাওয়েঞ্জি এবং শিরা।
- উচ্চতর শৃঙ্গটির নাম কিবো। কিবোর জ্বালামুখ সর্বদাই বরফে আবৃত থাকে।
উৎস: Britannica.
ওয়েস্টফালিয়া :
- উত্তর-পশ্চিম জার্মানির ঐতিহাসিক অঞ্চল।
- বর্তমান ফেডারেল ভূমি (রাজ্য) নর্থ রাইন-ওয়েস্টফালিয়ার একটি বৃহৎ অংশ নিয়ে গঠিত ।
• প্রাচীনস্যাক্সনরা তিনটি প্রধান দলে বিভক্ত ছিল:
- ওয়েস্টফালিয়ান,
- অ্যাংগ্রিয়ান (জার্মান: Engern),
- ইস্টফালিয়ান (Ostfalen)।
- ওয়েস্টফালিয়ানরা, যারা প্রায় ৭০০ খ্রিস্টাব্দে এমস এবং হান্টে নদীর তীরে বসতি স্থাপন করেছিল।
- এর আর্চবিশপরা১১৮০ সালে কোলন ওয়েস্টফালিয়াকে ডাচি হিসেবে গ্রহণ করে, কিন্তু ডাচি মূলত কোলনের উত্তর-পূর্বে অবস্থিত একটি অঞ্চলে সীমাবদ্ধ ছিল।
- ১৬৪৪ থেকে ১৬৪৮ সাল পর্যন্ত ওয়েস্টফালিয়ান শহর মুনস্টার এবং ওসনাব্রুক শান্তি সম্মেলন আয়োজন করে যা আশি বছরের যুদ্ধ এবং ত্রিশ বছরের যুদ্ধের জার্মান পর্বের মীমাংসা করে । এর ফলে ওয়েস্টফালিয়ার শান্তি আধুনিক ইউরোপীয় জাতি-রাষ্ট্র ব্যবস্থার ভিত্তি তৈরিতে অবদান রাখে।
উৎস: ব্রিটনিকা।
উত্তর গোলার্ধে বসন্তকাল ও দক্ষিণ গোলার্ধে শরৎকাল:
- পৃথিবী ২২শে ডিসেম্বরের পর নিজ কক্ষপথে অগ্রসর হতে হতে ২১শে | মার্চ এমন অবস্থানে পৌঁছায় যখন সূর্য রশ্মি নিরক্ষরেখা বরাবর লম্বভাবে পতিত হয়৷
- ২১শে মার্চ পৃথিবীর সর্বত্র দিন-রাত্রি সমান হয়।
- এই সময়কালে অর্থাৎ জানুয়ারি থেকে মার্চ মাসে উত্তর গোলার্ধে বসন্তকাল ও দক্ষিণ গোলার্ধে শরৎকাল বিরাজ করে।
তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ (নবম-দশম শ্রেণি), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- ভূপৃষ্ঠে ছিদ্রপথ পা ফাটলের চারপাশে ক্রমশ জমাট বেঁধে যে উঁচু মোচাকৃতি পর্বত সৃষ্টি করে তাকে আগ্নেয়গিরি বলে।
- জাপানের ফুজিয়ামা সুপ্ত আগ্নেয়গিরির উদাহরণ।
- হাওয়াই দ্বীপের মাওনালেয়া ও মাওনাকেয়া সক্রিয় আগ্নেয়গিরির উদাহরণ।
- ইরানের কোহিসুলতান মৃত আগ্নেয়গিরির উদাহরণ।
উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
- বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণে কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত এ জেলারই ঐতিহ্য বহনকারী বেলাভূমি।
- অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি সাগর কন্যা কুয়াকাটা।
- একই স্থানে দাঁড়িয়ে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত অবলোকন করার মনোমুগ্ধকর পর্যটন স্পট।
- কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত পটুয়াখালি জেলায় অবস্থিত যেখান থেকে সূর্যোদয় এবং সূর্যাস্ত অবলকন করা যায়।
উৎস: পটুয়াখালী জেলার ওয়েবসাইট।
পাদদেশীয় পলল সমভূমি:
- পাদদেশীয় পলল সমভূমি মূলত পলি সঞ্চয়ের ফলে গঠিত।
- অবস্থান: বাংলাদেশের উত্তর পশ্চিমাঞ্চল।
- এই অঞ্চলটি কৃষিকাজের জন্য উপযোগী।
- সমুদ্র সমতল থেকে উচ্চতা: প্রায় ৩০.৫ মিটার।
- পাদদেশীয় পলল সমভূমির মোট আয়তন: প্রায় ৪,০০০ বর্গকিলোমিটার।
• অন্তর্ভুক্ত জেলা
- পঞ্চগড়
- ঠাকুরগাঁও
- দিনাজপুর
- নীলফামারী
- লালমনিরহাট
- কুড়িগ্রাম
- রংপুর
- গাইবান্ধা
• প্রধান নদী
- তিস্তা
- করতোয়া
- আত্রাই
উৎস: বাংলাদেশ স্টাডিজ, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ভৌগলিক উপনাম:
- সোনালী প্যাগোডার দেশ: মিয়ানমার।
- লিলি ফুলের দেশ: কানাডা।
- ক্যাঙ্গারুর দেশ: অস্ট্রেলিয়া।
- সিল্ক রুটের দেশ: ইরান।
- মার্বেলের দেশ: ইতালি।
- পঞ্চম ড্রাগনের দেশ: তাইওয়ান।
- তামার দেশ: জাম্বিয়া।
- পিরামিডের দেশ: মিশর।
- প্রাচীরের দেশ: চীন।
- ভূমিকম্পের দেশ: জাপান।
উৎস: Britannica.com
• শুক্র (Venus):
- সূর্যের চারিদিকে ঘুরে আসতে শুক্রের সময় লাগে ২২৫ দিন।
- সূর্য থেকে এর গড় দূরত্ব প্রায় ১০.৮ কোটি কিলোমিটার।
- ভোর রাতে পূর্ব আকাশে শুক্র গ্রহকে বলা হয় 'শুকতারা'।
- সন্ধ্যাবেলায় পশ্চিম আকাশে একে বলা হয় 'সন্ধ্যাতারা'।
- শুক্র গ্রহেরও কোনো উপগ্রহ নেই।
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• বান্দরবান জেলা মিয়ানমারের সঙ্গে সীমান্ত ভাগ করলেও ভারতের সঙ্গে এর কোনো সীমান্ত নেই।
---------------------------
• সীমান্তবর্তী জেলা:
- বাংলাদেশের মোট সীমান্তবর্তী জেলা ৩২টি।
- এর মধ্যে ৩০টি জেলা ভারতের সঙ্গে সীমান্তযুক্ত;
- আর ৩টি জেলা মিয়ানমারের সঙ্গে সীমান্ত ভাগ করে—এগুলো হলো বান্দরবান, রাঙামাটি ও কক্সবাজার।
- এই তিন জেলার মধ্যে রাঙামাটি একটি বিশেষ জেলা;
- কারণ এটি বাংলাদেশের একমাত্র জেলা যেখানে ভারত (ত্রিপুরা ও মিজোরামের অংশ) এবং মিয়ানমার—উভয় দেশের সঙ্গেই সীমান্ত রয়েছে;
- ফলে রাঙামাটি একটি ত্রি-সীমান্ত সংযোগকারী জেলা হিসেবে পরিচিত।
- অন্যদিকে, বান্দরবান জেলা কেবল মিয়ানমারের সঙ্গে সীমান্ত ভাগ করে, ভারতের সঙ্গে এর কোনো সীমান্ত নেই।
- একইভাবে, কক্সবাজারও শুধুমাত্র মিয়ানমারের সঙ্গে সীমান্তযুক্ত;
- ভারতের সঙ্গে এর কোনো সীমান্ত নেই, কারণ জেলার দক্ষিণ ও পশ্চিমাংশ বঙ্গোপসাগরের দিকে উন্মুক্ত।
উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
• এশিয়া মহাদেশ:
- এশিয়া মহাদেশ পৃথিবীর বৃহত্তম ও জনবহুল মহাদেশ।
- এর মোট আয়তন প্রায় ৪৪,৬১৪,০০,০০০ বর্গকিমি (এশিয়ান রাশিয়া এবং ককেশীয় দ্বীপপুঞ্জসহ, তবে নিউ গিনি বাদে), যা পৃথিবীর স্থলভাগের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ।
- এটি পূর্ব ও উত্তর গোলার্ধে অবস্থিত।
- এশিয়া মহাদেশে স্বাধীন দেশ আছে ৪৪ টি আর সার্বভৌম দেশ হচ্ছে ৪৯ টি।
- এশিয়া মহাদেশের সর্বশেষ স্বাধীন রাষ্ট্র হলো পূর্ব তিমুর।
- পূর্ব তিমুর ২০০২ সালের ২০ মে ইন্দোনেশিয়ার কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।
- ভূগোলিক বৈশিষ্ট্যে এশিয়ায় রয়েছে পৃথিবীর ছাদ খ্যাত পামির মালভূমি।
- এশিয়ার দীর্ঘতম নদী হলো ইয়াংসিকিয়াং (চীন)।
- বিশ্বের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্ট (৮,৮৫০ মিটার বা ২৯,০৩৫ ফুট) এশিয়ায় অবস্থিত।
- পৃথিবীর স্থলভাগের সর্বনিম্ন স্থান হলো মৃত সাগর, যা এশিয়া মহাদেশে অবস্থিত।
- এছাড়া, বিশ্বের গভীরতম মহাদেশীয় হ্রদ বৈকাল হ্রদ এশিয়ায় অবস্থিত, যার গভীরতা ১,৬২০ মিটার।
- এশিয়ার বৃহত্তম মরুভূমি হলো গোবি মরুভূমি।
- আর বৃহত্তম সাগর হলো দক্ষিণ চীন সাগর।
- ভূখণ্ডের সীমারেখা নির্ধারণে ইউরাল পর্বতমালা ইউরোপের সাথে এশিয়ার সীমানা চিহ্নিত করে।
- এশিয়ার কিছু দেশ দ্বীপপুঞ্জ আকারে রয়েছে- যেমন জাপান, ফিলিপাইন ও ইন্দোনেশিয়া।
- আয়তনের দিক থেকে এশিয়ার বৃহত্তম দেশ হলো চীন।
- আর আয়তনের দিক থেকে এশিয়ার ক্ষুদ্রতম দেশ হলো মালদ্বীপ।
----------------------------------
উল্লেখ্য,
- এশিয়ার দেশগুলো অঞ্চলভিত্তিকভাবে বণ্টিত:
• দক্ষিণ এশিয়া:
- বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, ভুটান, মালদ্বীপ, আফগানিস্তান।
• পূর্ব এশিয়া:
- চীন, জাপান, মঙ্গোলিয়া, উত্তর কোরিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, তাইওয়ান।
• দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া:
- ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর, ফিলিপাইন, ভিয়েতনাম, ব্রুনাই, কম্বোডিয়া, লাওস, মিয়ানমার, তিমুর
• পশ্চিম এশিয়া (মধ্যপ্রাচ্য):
- ইরান, ইরাক, সৌদি আরব, কুয়েত, বাহরাইন, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ওমান, ইয়েমেন, জর্ডান, লেবানন, সিরিয়া, তুরস্ক, সাইপ্রাস, ইসরায়েল
• মধ্য এশিয়া ও অন্যান্য:
- কাজাখস্তান, উজবেকিস্তান, তুর্কমেনিস্তান, তাজিকিস্তান, কিরগিজস্তান, আজারবাইজান, আর্মেনিয়া, জর্জিয়া, রাশিয়া।
উৎস: Britannica.
বাংলাদেশের সমুদ্রসীমা:
- বঙ্গোপসাগরের উপকূল রেখার দৈর্ঘ্য ৭১৬ কিলোমিটার।
- বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা ১২ নটিক্যাল মাইল বা ২২.২২ কিলোমিটার।
- বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা ২০০ নটিক্যাল মাইল বা ৩৭০.৪০ কিলোমিটার।
- ১ নটিক্যাল মাইল = ১.৮৫২ কিলোমিটার।
তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান:
- বাংলাদেশ ভৌগোলিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে।
- এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব দিকে বাংলাদেশ অবস্থিত।
- এদেশ প্রায় ২০°৩৪' উত্তর থেকে ২৬°৩৮' উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৮°০১' পূর্ব থেকে ৯২°৪১′ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ পর্যন্ত বিস্তৃত।
- বাংলাদেশের মাঝ বরাবর পূর্ব-পশ্চিমে কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে।
- ফলে এদেশ ক্রান্তীয় অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
- সমুদ্রতট রেখার দৈর্ঘ্য ৭১৬ কিলোমিটার।
- রাজনৈতিক সমুদ্রসীমার দৈর্ঘ্য ১২ নটিক্যাল মাইল।
- অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমার দৈর্ঘ্য ২০০ নটিক্যাল মাইল।
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
• ক্রান্তীয় পাতাঝরা গাছের বনভূমি:
- বাংলাদেশের প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহে এ বনভূমি রয়েছে।
• এ বনভূমিকে দুই অংশে ভাগ করা হয়েছে-
(ক) ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল ও গাজীপুর জেলার মধুপুর ও ভাওয়ালের বনভূমি;
(খ) দিনাজপুর ও রংপুর জেলায় বরেন্দ্র বনভূমি অবস্থিত।
- শীতকালে এ বনভূমির বৃক্ষের পাতা ঝরে যায়।
- গ্রীষ্মকালে আবার নতুন পাতা গজায়।
• ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পাতাঝরা গাছের বনভূমি:
বাংলাদেশের খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি ও বান্দরবানের প্রায় সব অংশে এবং চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলের কিছু অংশে এ বনভূমি বিস্তৃত। পাহাড়ের অধিক বৃষ্টিপ্রবণ অঞ্চলে ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং কম বৃষ্টিপ্রবণ অঞ্চলে পাতাঝরা গাছের বনভূমি দেখা যায়।
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।
• প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ:
- আজ থেকে আনুমানিক প্রায় ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকাল বলে।
- এ অঞ্চলের মাটির রং লাল ও ধূসর।
- দেশের উত্তর-পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভূমি, মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় বা উচ্চভূমি এর অন্তর্ভুক্ত।
- প্লাইস্টোসিনকালে এসব উচ্চভূমি গঠিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়।
উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।