ব্যাখ্যা
- মুজিববর্ষের লোগোর ডিজাইনার হলেন সব্যসাচী হাজরা যা ২০২০ সালের ১০ জানুয়ারি উন্মোচন করা হয়।
- স্বাধীনতা সুবর্ণজয়ন্তীর লোগোর কনসেপ্ট ও ডিজাইন করেন রামেন্দু মজুমদার এবং প্রদীপ চক্রবর্তী।
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ লেকচার এবং দৈনিক পত্রিকা
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ১৬ / ৩৭ · ১,৫০১–১,৬০০ / ৩,৬২২
- মুজিববর্ষের লোগোর ডিজাইনার হলেন সব্যসাচী হাজরা যা ২০২০ সালের ১০ জানুয়ারি উন্মোচন করা হয়।
- স্বাধীনতা সুবর্ণজয়ন্তীর লোগোর কনসেপ্ট ও ডিজাইন করেন রামেন্দু মজুমদার এবং প্রদীপ চক্রবর্তী।
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ লেকচার এবং দৈনিক পত্রিকা
• এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের সংবিধান মোট ১৭ বার সংশোধন হয়েছে।
• সর্বশেষ ৮ জুলাই ২০১৮ সালে সপ্তদশ সংশোধনী কার্যকর হয়।
• সপ্তদশ সংশোধনীর বিষয়বস্তু ছিল সংবিধানে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সদস্যদের মেয়াদ বৃদ্ধি।
উৎসঃ বাংলাদেশের সংবিধান।
• এডি সায়েন্টিফিক ইনডেক্স, ২০২৬:
- সম্প্রতি প্রকাশিত এডি সায়েন্টিফিক ইনডেক্স ২০২৬ অনুযায়ী, গবেষণা ও অ্যাকাডেমিক উৎকর্ষের স্বীকৃতিস্বরূপ মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং শাখায় মালয়েশিয়ায় প্রথম, এশিয়ায় দ্বিতীয় এবং বিশ্বে সপ্তম অবস্থান অর্জন করেছেন বাংলাদেশি বিজ্ঞানী অধ্যাপক ড. সাইদুর রহমান।
- ইঞ্জিনিয়ারিং ও টেকনোলজি/মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে তালিকাভুক্ত বিশ্বের ৩৩ হাজার ৩৭১ জন বিজ্ঞানীর মধ্যে এই মর্যাদাপূর্ণ অবস্থানে উঠে আসেন অধ্যাপক ড. সাইদুর রহমান।
- ২০২৫ সালেও একই র্যাঙ্কিংয়ে তিনি বিশ্বে সপ্তম ছিলেন।
- স্কলারজিপিএস ২০২৫ অনুযায়ী টেকসই জ্বালানি ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি গবেষণায় তিনি বিশ্বসেরা বিজ্ঞানী হিসেবে প্রথম স্থান অর্জন করেন।
- ২০২৫ সালের ওবাদা পুরস্কারে ‘বিশিষ্ট বিজ্ঞানী’ ক্যাটাগরিতে তিনি সম্মানিত হন।
- বিজ্ঞান, প্রকৌশল ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে এই আন্তর্জাতিক পুরস্কারে ২০২৫ সালে বিশ্বব্যাপী মাত্র আটজন বিজ্ঞানী নির্বাচিত হন, যাদের একজন ড. সাইদুর রহমান।
তথ্যসূত্র: ইত্তেফাক।
- বাংলাদেশে প্রথম করোনা শনাক্ত হয় ০৮ মার্চ ২০২০।
- করোনায় প্রথম ব্যক্তি মারা যায় ১৮ মার্চ ২০২০।
- ১৯ মার্চ মাদারীপুরের শিবচরে দেশের প্রথম লকডাউন ঘোষণা করা হয়।
- সারাদেশে লকডাউন ঘোষণা করা হয় ২৬শে মার্চ ২০২০।
- কুর্মিটোলা হাসপাতালের নার্স রুনু ভেরোনিকা কস্তা ২৭ জানুয়ারি ২০২১ দেশে প্রথম ব্যক্তি হিসেবে কোভিড-১৯ রোগের কোভিশিল্ড টিকা গ্রহণ করেন।
- গণপর্যায়ে টিকা প্রদান শুরু হয় ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১।
(তথ্যসূত্র: সরকারি করোনা ওয়েবসাইট ও বিবিসি বাংলা)
- টোল ও লেভী সুরকারের 'কর রাজস্বের' উৎস নয়। এটি 'কর-বহির্ভূত' সরকারি আয়ের উৎস।
• বাংলাদেশ সরকারের আয়ের উৎসসমূহ:
- বাংলাদেশ সরকার বার্ষিক রাজস্ব ও উন্নয়ন ব্যয় নির্বাহের জন্য যে সমস্ত উৎস থেকে সম্পদ সংগ্রহ করে তাকে সরকারের আয়ের উৎস বলে।
- যে সমস্ত বিভিন্ন উৎস থেকে বাংলাদেশ সরকারে মোট প্রাপ্তি সংগৃহীত হয় তা দু'ভাগে বিভক্ত, যথা-
(১) কর রাজস্ব এবং
(২) কর বহির্ভূত রাজস্ব।
» কর রাজস্ব বাংলাদেশ সরকারের রাজস্ব আয়ের প্রধান উৎস।
• কর রাজস্বের উৎস: আয় ও মুনাফা কর, আমদানি শুল্ক, মূল্য সংযোজন কর, আবগারি শুল্ক, সম্পূরক শুল্ক, যানবাহন কর, ভূমি রাজস্ব, নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প বিক্রয়, অন্যান্য কর ও শুল্ক
• কর-বহির্ভূত সরকারি আয়ের উৎস: মুনাফা ও লভ্যাংশ, সুদ, ফি, জরিমানা, সরকারি সম্পত্তি, টোল ও লেভী, বাণিজ্যিক আয়, বিশেষ কর, বিবিধ আয়
তথ্যসূত্র: অর্থনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও অর্থনীতি (দ্বিতীয় পত্র), এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- বাংলাদেশে জেনারেল সার্কুলেশন কয়েন সর্বশেষ ইস্যু করা হয়েছে ২০২৪ সালে।
- সর্বশেষ ২০২৪ সালে ১ টাকা, ২ টাকা এবং ৫ টাকার নতুন সিরিজের কয়েন প্রকাশ করা হয়েছে। (ডিসেম্বর, ২০২৫)
- এর আগে ২০১৪ সালে ১ টাকার কয়েন এবং ২০১৩ সালে ২ ও ৫ টাকার কয়েন ইস্যু হয়েছিল।
তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
• জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার (National Film Award) :
- কোনো বিশেষ চলচ্চিত্রে বিশেষ নির্মাণকুশলতার স্বীকৃতি দিতে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রবর্তন করা হয়েছে।
- ১৯৭৬ সালের ২৪ মার্চ প্রথম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ঘোষণা করেন তথ্যসচিব এ বি এম গোলাম মোস্তফা।
- ‘লাঠিয়াল’ সিনেমাকে ১৯৭৫ সালের সেরা সিনেমা হিসেবে নির্বাচন করেন বিচারকেরা।
- সিনেমাটি পরিচালনার পাশাপাশি প্রযোজনাও করেছেন প্রযোজক ও নির্মাতা নারায়ণ ঘোষ মিতা।
- সেরা সিনেমা, সেরা সেরা পরিচালক, সেরা অভিনেতাসহ সর্বোচ্চ পাঁচটি পুরস্কার পায় সিনেমাটি।
তথ্যসূত্র: প্রথম আলো।
প্রত্যক্ষ কর হলো এরূপ কর যার বোঝা সরাসরি ব্যক্তিকে বহন করতে হয়।
প্রত্যক্ষ করসমূহ হলো:
- আয়কর
- দানকর
- ভূমি উন্নয়ন কর
- ভ্রমণ কর ইত্যাদি।
এখানে,
ক) Value Added Tax প্রত্যক্ষ কর নয়।
এটি একটি পরোক্ষ কর।
(সূত্রঃ উচ্চ মাধ্যমিক অর্থনীতি বোর্ড বই)
• বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশন (BTA):
- চামড়া শিল্প মালিকদের জোটের নাম BTA।
- বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএ) হলো বাংলাদেশের ট্যানারি শিল্পের একটি অলাভজনক সংস্থা।
- এই সংগঠনটি দেশের ট্যানারি শিল্পের পক্ষে দৃঢ়ভাবে অবস্থান নেয়,
- সদস্যদের স্বার্থে নীতিগত সংস্কারের পক্ষে কাজ করে এবং গোটা চামড়া খাত তথা দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে।
অন্যদিকে.
- ট্যুর অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (টোয়াব)।
- সংবাদপত্রের মালিকদের সংগঠন নিউজপেপার্স ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (নোয়াব)।
- বিকেএমইএ বাংলাদেশে নিটওয়্যার প্রস্তুতকারকদের একটি জাতীয় বাণিজ্য সংস্থা।
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশন ওয়েবসাইট।
• নির্বাচন কমিশন:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের আওতায় নির্বাচন কমিশন গঠিত।
- এটি সাংবিধানিকভাবে গঠিত একটি প্রতিষ্ঠান।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অনধিক চারজন কমিশনারসহ মোট পাঁচজন নিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠিত।
- নির্বাচন কমিশনারগণকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দেন।
- বাংলাদেশের বর্তমান প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দীন।
- জনাব এ, এম, এম, নাসির উদ্দিন ২০২৪ সালের ২১ নভেম্বর তারিখে বাংলাদেশের ১৪ তম প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) হিসেবে নিয়োগ লাভ করেন।
- নির্বাচন কমিশনের সভায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার সভাপতির কাজ করেন।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য কমিশনারের মেয়াদ তাদের কার্যভার গ্রহণের তারিখ হতে পাঁচ বছর।
- বাংলাদেশে প্রথম নির্বাচন কমিশনার: বিচারপতি এম.ইদ্রিস।
তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি ও নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট।
- ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পড়ালেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার সিইসি এএমএম নাসির উদ্দীন।
- ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান, অুনষ্ঠিত হয়।
উল্লেখ্য,
- জাতীয় সংসদের ৩০০ আসনের মধ্যে ২৯৯টিতে গত বৃহস্পতিবার ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- শেরপুর-৩ আসনে একজন প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে ভোট গ্রহণ হয়নি।
- এছাড়া দুটি আসনে ফলাফলের গেজেট প্রকাশে আদালতের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।
- ফলে সব মিলিয়ে ৩০০ আসনের মধ্যে ২৯৭টি আসনের মধ্যে সংসদ সদস্য শপথ।
উৎস: প্রথম আলো এবং দ্যা বিজন্যাস স্ট্যান্ডার্ড।
- Ontario যুক্তরাষ্ট্রের অঙ্গরাজ্য নয়।
- এটি কানাডার অঙ্গরাজ্য।
যুক্তরাষ্ট্র:
- যুক্তরাষ্ট্র এর মোট পঞ্চাশটি অঙ্গরাজ্য রয়েছে।
- ১৯৫৯ সালে আলাস্কা (৪৯তম) এবং হাওয়াই (৫০তম) সর্বশেষ দুটি রাজ্য হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে যোগদান করে।
- আলাস্কা ভূখণ্ডের দিক থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তম অঙ্গরাজ্য।
- দেশটি ১৭৭৬ সালের ৪ জুলাই ব্রিটেন থেকে স্বাধীনতা লাভ করে এবং এই দিনটিই যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় দিবস হিসেবে পালিত হয়।
- জনসংখ্যার দিক থেকে ক্যালিফোর্নিয়া যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় অঙ্গরাজ্য।
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট ছিলেন জর্জ ওয়াশিংটন।
- ১৮৬৩ সালে প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকনের নেতৃত্বে যুক্তরাষ্ট্রে ক্রীতদাস প্রথার বিলোপ ঘটে।
উল্লেখ্য,
- যুক্তরাষ্ট্রের ৫০টি অঙ্গরাজ্য রয়েছে।
এগুলো হলো -
- আলাবামা, আলাস্কা, অ্যারিজোনা, আর্কানসাস, ক্যালিফোর্নিয়া, কলোরাডো, কানেকটিকাট, ডেলাওয়্যার, ফ্লোরিডা, জর্জিয়া, হাওয়াই, আইডাহো, ইলিনয়, ইন্ডিয়ানা, আইওয়া, কানসাস, কেনটাকি, লুইজিয়ানা, মেইন, মেরিল্যান্ড, ম্যাসাচুসেটস, মিশিগান, মিনেসোটা, মিসিসিপি, মিসৌরি, মনটানা, নেব্রাস্কা, নেভাদা, নিউ হ্যাম্পশায়ার, নিউ জার্সি, নিউ মেক্সিকো, নিউ ইয়র্ক, নর্থ ক্যারোলাইনা, নর্থ ডাকোটা, ওহাইও, ওকলাহোমা, ওরেগন, পেনসিলভানিয়া, রোড আইল্যান্ড, সাউথ ক্যারোলাইনা, সাউথ ডাকোটা, টেনেসি, টেক্সাস, উটাহ, ভারমন্ট, ভার্জিনিয়া, ওয়াশিংটন, ওয়েস্ট ভার্জিনিয়া, উইসকনসিন, ওয়াইয়োমিং।
সূত্র: ব্রিটানিকা।
- 'জুলাই জাতীয় সনদ-২০২৫' স্বাক্ষরিত হয় ১৭ অক্টোবর, ২০২৫।
- ঐতিহাসিক 'জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫' গত ১৭ অক্টোবর স্বাক্ষরিত হয়েছে।
- জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় ২৪টি রাজনৈতিক দলের ৪৮ জন প্রতিনিধি আনুষ্ঠানিকভাবে 'জুলাই জাতীয় সনদ-২০২৫' সই করেন।
- এরপর সই করেন জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সভাপতি ও প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ কমিশনের সদস্যরা।
- ৪০ পৃষ্ঠার এই সনদে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের রূপরেখা দেওয়া হয়েছে।
উৎস: প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়।[লিঙ্ক]
• জমিদার ঈশা খাঁ:
- মুঘলদের বিরুদ্ধে বাংলার যুদ্ধে যে বারভূঁইয়া বা বারো ভূঁইয়াদের নাম শোনা যায়, তাদের তালিকায় সবার আগে আসে ঈশা খাঁর নাম।
- ঢাকার অদূরে সোনারগাঁয়ে ছিল তার রাজধানী।
- জমিদার পুত্র হিসেবে যার জন্ম, কিন্তু তার শৈশব কেটেছে সুদূর তুরান বা তুর্কমেনিস্তানে একজন ক্রীতদাস হিসাবে।
- ঈশা খাঁর পূর্বপুরুষেরা ভারতের রাজস্থান থেকে ভাগ্যান্বেষণে বাংলায় এসে সুলতান আলাউদ্দিন হোসেন শাহের দরবারে কাজ শুরু করেন।
- ঈশা খাঁর দাদা ভগীরথকে দেওয়ানি দিয়েছেন সুলতান আলাউদ্দিন হোসেন শাহ।
তথ্যসূত্র: বিবিসি বাংলা। (Link)
রাঙ্গামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলার অন্তর্গত বিখ্যাত পর্যটন স্থল সাজেক ভ্যালি
⇒ বাংলাদেশের ভেলী বা উপত্যকাসমূহ:
• হালদা ভেলী : খাগড়াছড়ি
• ভেঙ্গী ভেলী : কাপ্তাই (রাঙামাটি)
• সাজেক ভেলী : রাঙামাটি
• সাঙ্গু ভেলী : চট্টগ্রাম
• নাপিত খালী ভেলী : কক্সবাজার
• বালিশিরা ভেলী : মৌলভীবাজার।
উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
• বাসেল কনভেনশন:
- বাসেল কনভেনশন হলো একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি ।
- যা বিপজ্জনক বর্জ্য এবং অন্যান্য ধরনের বর্জ্যের এক দেশ থেকে অন্য দেশে, বিশেষ করে উন্নত দেশ থেকে অনুন্নত বা উন্নয়নশীল দেশে, স্থানান্তর ও ব্যবস্থাপনাকে নিয়ন্ত্রণ করে।
- সম্পূর্ণ নাম: Basel Convention on the Control of Transboundary Movements of Hazardous Wastes and Their Disposal
- চুক্তি তারিখ: ২২ মার্চ ১৯৮৯ সালে।
- কার্যকর হয়: ৫ মে ১৯৯২ সালে।
- স্থান: বাসেল, সুইজারল্যান্ড ।
• উদ্দেশ্য:
- বিপজ্জনক বর্জ্যের আন্তর্জাতিক পরিবহন নিয়ন্ত্রণ করা।
- বিপজ্জনক বর্জ্যের নিরাপদ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা।
- পরিবেশ ও মানব স্বাস্থ্যের সুরক্ষা নিশ্চিত করা।
উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ১৯৯৩ সালে বাসেল কনভেনশনে যোগ দেয়।
- এর ফলে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিকভাবে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় একটি প্রতিশ্রুতিশীল অবস্থান গ্রহণ করে।
উৎস: Basel Convention ওয়েবসাইট।
- হালদা নদীকে নতুন করে ‘মৎস্য হেরিটেজ’ ঘোষণা করেছে সরকার।
- দেশে স্বাদুপানির মৎস্য খাতে অনন্য অবদান রাখা চট্টগ্রামের এ নদীটিকে দ্বিতীয়বারের মতো হেরিটেজ ঘোষণা করে ৫ নভেম্বর, ২০২৫ তারিখে গেজেট প্রকাশ করে সরকার।
• মৎস্য হেরিটেজ:
- গেজেট অনুযায়ী হালদা থেকে কোনো প্রকার মাছ ও জলজ প্রাণী ধরা বা শিকার করা যাবে না।
- তবে মৎস্য অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে প্রতি বছর প্রজনন মৌসুমে নির্দিষ্ট সময়ে মাছের নিষিক্ত ডিম আহরণ করা যাবে।
- ‘মৎস্য হেরিটেজ’ ঘোষণার গেজেট অনুযায়ী হালদা নদীর প্রাণী ও উদ্ভিদের আবাসস্থল ধ্বংসকারী কার্যকলাপ রহিত করা ছাড়াও ভূমি ও পানির বৈশিষ্ট্য নষ্ট হয় এমন কাজ করা যাবে না।
- মাছ, ডলফিন ও জলজ প্রাণীর জন্য ক্ষতিকর কাজ, নদীর চারপাশে বসতবাড়ি, শিল্প ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের বর্জ্য ও তরল বর্জ্য নির্গমন, নদীর বাঁক কেটে সোজা করাসহ নদীর সঙ্গে সংযুক্ত ১৭টি খালে প্রজনন মৌসুমে (ফেব্রুয়ারি-জুলাই) মৎস্য আহরণ করা যাবে না।
তথ্যসূত্র: বনিক বার্তা।
রাতারগুল জলাবন:
- রাতারগুল জলাবন বাংলাদেশের একমাত্র মিঠাপানির জলাবন।
- যা সিলেটের গোয়াইনঘাটে অবস্থিত।
- বনের আয়তন ৩,৩২৫.৬১ একর,
- আর এর মধ্যে ৫০৪ একর বনকে ১৯৭৩ সালে বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- সারা পৃথিবীতে স্বাদুপানির জলাবন আছে মাত্র ২২টি।
- ভারতীয় উপমহাদেশে আছে দুটি।
- একটি শ্রীলংকায়, আরেকটি বাংলাদেশের রাতারগুল।
উল্লেখ্য,
- হাকালুকি হাওর: এটি এশিয়ার অন্যতম বৃহত্তম মিঠাপানির জলাভূমি।
- লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান বাংলাদেশের একটি প্রধান জাতীয় উদ্যান।
- টাঙ্গুয়ার হাওর বাংলাদেশের দ্বিতীয় রামসার স্থান হিসাবে পরিচয়, প্রথমটি সুন্দরবন।
উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
• পাকিস্তানের আত্মসমর্পণের দলিল:
- ১৯৭১ সালে পাকিস্তানের আত্মসমর্পণ দলিলটির শিরোনাম Instrument of Surrender.
- এটি তিন প্রস্থে প্রস্তুত করা হয়।
- একটি প্রস্থ ভারত সরকার এবং দ্বিতীয় প্রস্থ পাকিস্তান সরকারের কাছে সংরক্ষিত আছে।
- তৃতীয় প্রস্থটি রয়েছে ঢাকার শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরে।
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিকেল পাঁচটা এক মিনিটে রমনা রেসকোর্সে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) মুক্তিবাহিনী-মিত্রবাহিনী যৌথ কম্যান্ডের পক্ষে লেফটেন্যান্ট জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা এবং পাকিস্তান বাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডের পক্ষে লেফটেন্যান্ট জেনারেল নিয়াজী পাকিস্তানের আত্মসমপর্ণের দলিলে স্বাক্ষর করেন।
উল্লেখ্য,
- ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ সকালে মানেকশ ভারতের পূর্বাঞ্চল বাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ মেজর জেনারেল জে এফ আর জেকবকে আত্মসমর্পণের দলিল ও আনুষ্ঠানিকতা চূড়ান্ত করার জন্য ঢাকায় পাঠান।
- ১৬ ডিসেম্বর বিকালে ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহ্রাওয়ার্দী উদ্যান) পাকিস্তান সামরিক বাহিনীর ৯৩ হাজার সৈন্য বিনা শর্তে সম্মিলিত বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করে।
- এই আত্মসমর্পণ দলিলে স্বাক্ষর করেন পূর্বাঞ্চলের সম্মিলিত বাহিনী প্রধান লেঃ জেনারেল জগজিত সিং অরোরা ও পাকিস্তান সেনাবাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় অধিনায়ক লেঃ জেঃ এ কে নিয়াজী।
- এই আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সরকারের প্রতিনিধিত্ব করেন মুক্তিবাহিনীর উপ-সেনা প্রধান ও বিমান বাহিনী প্রধান গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার।
এছাড়াও,
- এই অনুষ্ঠানে মুক্তিবাহিনীর নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন এস ফোর্স অধিনায়ক লেঃ কর্নেল কে এম সফিউল্লাহ, ২নং সেক্টরের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক মেজর এ টি এম হায়দার এবং টাঙ্গাইল মুক্তি বাহিনীর অধিনায়ক জনাব কাদের সিদ্দিকী।
তথ্যসূত্র:
i) মুক্তিযুদ্ধ -ই - আর্কাইভ।
ii) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্ৰেণি।
iii) দৈনিক ইত্তেফাক।
দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ:
- দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ ছিলেন মোগল সাম্রাজ্যের শেষ সম্রাট।
- ১৫২৬ খ্রিস্টাব্দে সম্রাট জহিরউদ্দিন বাবরের নেতৃত্বে ভারতবর্ষে মোগল শাসনের সূচনা হয়।
- তার উত্তরসূরীরা এই শাসনব্যবস্থাকে এক বিশাল সাম্রাজ্যে রূপান্তরিত করেন।
- বাবর থেকে আওরঙ্গজেব পর্যন্ত, অর্থাৎ ১৫২৬ থেকে ১৭০৭ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত সময়কালকে মোগল সাম্রাজ্যের স্বর্ণযুগ হিসেবে ধরা হয়।
- তবে ১৭০৭ সালে আওরঙ্গজেবের মৃত্যুর পর মোগল সাম্রাজ্যের ধ্বংস প্রক্রিয়া শুরু হয়। দীর্ঘ দেড়শ বছরের (১৭০৭-১৮৫৭) পতন পর্বের চূড়ান্ত পরিণতি ঘটে ১৮৫৭ সালের সিপাহী বিদ্রোহের মাধ্যমে।
- বিদ্রোহের নেতৃত্ব দেওয়ার অভিযোগে ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বাহাদুর শাহ জাফরকে বন্দি করে এবং তাকে নির্বাসিত করে বার্মার (বর্তমান মিয়ানমার) রেঙ্গুনে।
- সেখানে নির্বাসিত জীবন কাটিয়ে ১৮৬২ সালে তার মৃত্যু হয়।
- বাহাদুর শাহ জাফরের নির্বাসনের মাধ্যমে ভারতবর্ষে মোগল সাম্রাজ্যের চূড়ান্ত অবসান ঘটে।
সূত্র: ইতিহাস প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
সর্ব উত্তর:
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের সীমান্তবর্তী স্থান বাংলাবান্ধা।
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের উপজেলা তেঁতুলিয়া।
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড়।
সর্ব পূর্ব:
- বাংলাদেশের সর্ব পূর্বের স্থান আখাইনঠং।
- বাংলাদেশের সবচেয়ে পূর্বের উপজেলা থানচি।
- দেশের সর্ব পূর্বের জেলা বান্দরবান।
সর্ব পশ্চিম:
- বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের স্থান মনাকষা।
- বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের উপজেলা শিবগঞ্জ।
- বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের জেলা চাঁপাইনবাবগঞ্জ।
সর্ব দক্ষিণ:
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের স্থান ছেড়াদ্বীপ।
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের উপজেলা টেকনাফ।
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের জেলা কক্সবাজার।
তথ্যসূত্র - সংশ্লিষ্ট জেলার সরকারি ওয়েবসাইট।
আইএমএফের ঋণ কর্মসূচি:
- বাংলাদেশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০২৩ সালের ৩০ জানুয়ারি আইএমএফ ৪৭০ কোটি মার্কিন ডলারের ঋণ প্রস্তাব অনুমোদন করে।
- এরপর ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রথম কিস্তির ৪৭ কোটি ৬৩ লাখ ডলার, একই বছরের ডিসেম্বরে দ্বিতীয় কিস্তির ৬৮ কোটি ১০ লাখ ডলার, ২০২৪ সালের জুনে তৃতীয় কিস্তির ১১৫ কোটি ডলার এবং ২০২৫ সালের জুনে চতুর্থ ও পঞ্চম কিস্তির ১৩৩ কোটি ডলার পেয়েছে বাংলাদেশ।
- পরবর্তীতে আইএমএফের পর্ষদ বাংলাদেশের ঋণ কর্মসূচির মেয়াদ বাড়িয়েছে ছয় মাস এবং বাড়তি ৮০ কোটি ডলারও যুক্ত করেছে। কিস্তির সংখ্যাও এখন ৭ থেকে বেড়ে ৮টি হয়েছে।
- ৪৭০ কোটি ডলারের ঋণ কর্মসূচি বেড়ে এখন ৫৫০ কোটি ডলারের হয়েছে।
- নতুন সময়সীমা অনুযায়ী ঋণ কর্মসূচির মেয়াদ শেষ হবে ২০২৭ সালের জানুয়ারিতে।
তথ্যসূত্র - পত্রিকা প্রতিবেদন। (লিংক)
দ্বাদশ সংশোধনী:
- রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা পাল্টিয়ে সংসদীয় সরকার পদ্ধতি পুনরায় প্রবর্তন করা হয় দ্বাদশ সংশোধনীর মাধ্যমে।
- ১৯৯১ সালের ৬ই অগাষ্ট সংসদে সংশোধনীটি পাস হয়।
দ্বাদশ সংশোধনীর বিষয়বস্তু:
১. রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের সাংবিধানিক প্রধান হন।
২. প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রের প্রধান নির্বাহী বা সরকার প্রধান হন।
৩. প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে মন্ত্রিপরিষদ জাতীয় সংসদের কাছে দায়বদ্ধ হয়।
তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান ও বাংলাপিডিয়া।
তফসিলী ব্যাংক:
- যে ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তালিকাভুক্ত হয়ে এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্ধারিত নিয়ম-নীতি মেনে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করে, তাকে তালিকাভুক্ত ব্যাংক বলে।
- বর্তমানে মোট তফসিলি ব্যাংক: ৫৮টি। যথা:
• রাষ্ট্র মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক: ৬টি,
• বিশেষায়িত ব্যাংক: ৩টি,
• বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক: ৩৮টি (৫টি ইসলামী ব্যাংক একীভূত হওয়ার পর),
• ডিজিটাল বাণিজ্যিক ব্যাংক: ১টি,
• বিদেশি ব্যাংক: ৯টি।
⇒ বিদেশি ব্যাংক:
১. ব্যাংক আলফালাহ্ লিমিটেড,
২. কমার্শিয়াল ব্যাংক অব সিলন,
৩. হাবিব ব্যাংক লিমিটেড,
৪. এইচএসবিসি,
৫. ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান,
৬. সাসটেইনেবল ফাইন্যান্স ডিপার্টমেন্ট,
৭. স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া,
৮. স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক,
৯. উরি ব্যাংক।
উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
• ২০২৪-২৫ অর্থবছরে রেমিট্যান্স প্রাপ্তি:
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশে সব মিলিয়ে প্রায় ৩০.৩৩ বিলিয়ন ডলারের প্রবাসী আয় এসেছে।
- এই আয় ২০২৩-২৪ অর্থবছরের ২৩.৯১ বিলিয়ন ডলারের চেয়ে ৬.৪২ বিলিয়ন ডলার বা ২৬.৮ শতাংশ বেশি।
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স আসে।
» ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশে রেমিট্যান্স প্রেরণে শীর্ষ দেশ:
১. যুক্তরাষ্ট্র,
২. সৌদি আরব,
৩. সংযুক্ত আরব আমিরাত,
৪. যুক্তরাজ্য,
৫. মালয়েশিয়া।
তথ্যসূত্র: i) প্রথম আলো।
ii) বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত ‘আমার সোনার বাংলা’ গানের প্রথম ১০ চরণ। তবে এর ৪ চরণ রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে যন্ত্রসঙ্গীত হিসাবে পরিবেশন করা হয়।
বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইশতেহারে ১৯৭১ সালের ৩ মার্চ জাতীয় সঙ্গীত হিসাবে গানটি গৃহীত হয়।
সংবিধানের ৪নং অনুচ্ছেদে জাতীয় সংগীত সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- সার্বিকভাবে জিডিপি ১৯টি খাত নিয়ে গঠিত।
- এই ১৯টি খাত ৩টি বৃহৎ খাতের অন্তর্ভুক্ত।
⇒ জিডিপিতে বিভিন্ন খাতের অবদান -
• কৃষি: ১০.৯৪%।
• শিল্প: ৩৭.৪৪%।
• সেবা: ৫১.৬২%।
⇒ ৩টি বৃহৎ খাতে নিয়োজিত জনশক্তি -
• কৃষি: ৪৪.৬৭%।
• শিল্প: ১৭.৩৭%।
• সেবা: ৩৭.৯৬%।
তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।
• দেশের উপকূলীয় নদীবন্দর:
- দেশের প্রথম উপকূলীয় নদীবন্দর হলো সন্দ্বীপ।
- চট্টগ্রামের সন্দ্বীপকে দেশের প্রথম উপকূলীয় নদীবন্দর ঘোষণা করেছে সরকার।
- দেশের সর্বশেষ উপকূলীয় নদীবন্দর হলো হাতিয়া।
- নোয়াখালীর হাতিয়াকে দেশের ৫৪তম নদীবন্দর ঘোষণা করেছে সরকার।
- ৩ জুন ২০২৫ তারিখে বিষয়টি নিয়ে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় থেকে একটি সরকারি গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে।
- এই গেজেট অনুযায়ী, হাতিয়ার চানন্দি ইউনিয়নের চানন্দি চ্যানেলের একটি নির্দিষ্ট অংশকে নদী বন্দর হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
- এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বন্দর সংক্রান্ত ১৯০৮ সালের একটি আইনের আওতায়।
তথ্যসূত্র: i) বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) ওয়েবসাইট।
ii) দৈনিক ইনকিলাব।
শশাঙ্ক:
- বাংলার প্রথম গুরুত্বপূর্ণ নৃপতি শশাঙ্ক সপ্তম শতাব্দীর প্রথমার্ধের শাসক।
- গুপ্ত শাসনের পর বাংলার গৌড় রাজ্যের তিনি অধিপতি হন।
- বাংলাদেশের ইতিহাসে শশাঙ্ক ছিলেন প্রথম সার্বভৌম রাজা।
- শশাঙ্ক সপ্তম শতকের শুরুতে আনুমানিক ৬০৬ সালে গৌড়ে এক স্বাধীন রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন।
- স্বাধীন গৌড়রাজ্য বাংলার উত্তর, উত্তর-পশ্চিমাংশ পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।
- কর্ণসুবর্ণ ছিল শশাঙ্কের রাজধানী।
- বর্তমান মুর্শিদাবাদ জেলার বহরমপুরের ১০ কিলোমিটার দক্ষিণ- পশ্চিমে অবস্থিত রাঙ্গামাটি নামক স্থানটিই প্রাচীন কর্ণসুবর্ণ।
- শশাঙ্কই বাংলার প্রথম নৃপতি যার ভূমিদান করার মতো এবং মুদ্রা প্রকাশ করার মতো স্বাধীন ক্ষমতা ছিল।
- তিনি গৌড় রাজ্যকে ভারতের বিহার ও উড়িষ্যা পর্যন্ত বিস্তৃত করেন।
- শশাঙ্ক সনাতন হিন্দু (শৈব) ধর্মের অনুসারী ছিলেন।
- উত্তর ভারতে শশাঙ্কের প্রধান প্রতিদ্বন্ধী ছিলেন হর্ষবর্ধন।
তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ইতিহাস, এস এস এইচ এল প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
⇒ রাতারগুল জলাভূমি বন হল বাংলাদেশের সিলেটের গোয়াইনঘাটের ফতেহপুর ইউনিয়নের গোয়াইন নদীতে অবস্থিত একটি মিঠা পানির জলাভূমি বন। এটি বাংলাদেশের একমাত্র জলাভূমি এবং বিশ্বের কয়েকটি মিঠা পানির জলাভূমি বনের মধ্যে একটি। বনটি প্রাকৃতিকভাবে বাংলাদেশ সরকারের বন বিভাগের অধীনে সংরক্ষিত।
⇒ এর আয়তন ৩,৩২৫.৬১ একর, যার মধ্যে ৫০৪ একর জমি ২০১৫ সালে পশুপাখির অভয়ারণ্য হিসেবে ঘোষিত হয়েছিল।
- এটি সিলেটের সুন্দরবন নামে পরিচিত।
- বাংলাদেশের এই একমাত্র জলাভূমিটি সিলেট থেকে ২৬ কিলোমিটার (১৬ মাইল) দূরে অবস্থিত।
- এই বনের নাম এসেছে "রাতা" বা "পতি" গাছ থেকে, যা সিলেটের স্থানীয়রা ব্যবহার করে।
⇒ চিরসবুজ বনটি গোয়াইন নদীর তীরে অবস্থিত এবং চেঙ্গির খাল নদীর সাথে সংযুক্ত।
- এখানে জন্মানো বেশিরভাগ গাছ মিলেটিয়া পিনাটা।
- বর্ষাকালে এই বন ২০-৩০ ফুট জলের নিচে ডুবে থাকে।
- বছরের বাকি সময় জলের স্তর প্রায় ১০ ফুট গভীর থাকে। রাতারগুল "সুলহেতের সুন্দরবন" নামে পরিচিত।
উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
জিডিপি:
- চলতি মূল্যে জিডিপি (GDP): ৫৫,৫২,৭৫৩ কোটি টাকা।
- মাথাপিছু জিডিপি: ২,৬৭১ মার্কিন ডলার।
- স্থির মূল্যে জিডিপি (GDP): ৩৪,৭৯,০০১ কোটি টাকা।
- স্থির মূল্যে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: ৩.৯৭%।
- চলতি মূল্যে মোট জাতীয় আয় (GNI): ৩,৩৯,২১১ কোটি টাকা।
তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।
• শহিদ বুদ্ধিজীবি স্মৃতিসৌধ:
- বাঙালি জাতিকে মেধাশূন্য করার ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে মুক্তিযুদ্ধের সময় অগণিত বুদ্ধিজীবিকে হত্যাকরা হয়।
-পাকিস্তান সেনাবাহিনীকে মানবতাবিরোধী এই বর্বর কাজে সহায়তা করেছে রাজাকার ও আলবদর বাহিনী।
-পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী চূড়ান্ত পরাজয়ের দুই দিন পূর্বে ১৪ই ডিসেম্বর অসংখ্য বুদ্ধিজীবীকে হত্যা করে।
- তাঁদের স্মৃতি অমর করে রাখার জন্য ঢাকার মিরপুরে শহিদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করা হয়।
- এর স্থপতি ছিলেন মোস্তফা আলী কুদ্দুস। ১৯৭২ সালে এই স্মৃতিসৌধের নির্মাণকাজ শেষ হয়।
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
টেকসই উন্নয়ন প্রতিবেদন ২০২০ অনুসারে বাংলাদেশের অবস্থান ১০৯ তম।
প্রথম স্থানে আছে সুইডেন।
Source: sustainable development report 2020
তমুদ্দিন মজলিশ:
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেমের নেতৃত্বে ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন তমুদ্দুন মজলিস গঠিত হয় ১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর।
- ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন তমুদ্দিন মজলিশ।
- তমুদ্দুন মজলিস ভাষা আন্দোলনের প্রথম পুস্তিকা 'পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু' প্রকাশ করে।
- যেখানে রাষ্ট্রভাষা বাংলা দাবির পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করা হয়।
- ভাষা আন্দোলনে তমুদ্দিন মজলিশ সংগঠন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
উৎস: স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিল পত্র, বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।