ব্যাখ্যা
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরবর্তি সময়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন এর মধ্যে টানাপোড়া শুরু হয়।
- ১৯৪০ দশকের মাঝামাঝি থেকে ১৯৮০ দশকের শেষ অব্দি চলমান এই যুদ্ধ ইতিহাসে স্নায়ু যুদ্ধ নামে পরিচিত।
- এই যুদ্ধ শুরু হয় ১৯৪৫ সালে।
- ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের মাধ্যমে স্নায়ু যুদ্ধের অবসান ঘটে।
- ২৬ ডিসেম্বর, ১৯৯১ সালে আনুষ্ঠানিক ভাবে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতন ঘটে।
- তখন ১৫টি সোভিয়েত ইউনিয়ন স্বাধীন রাষ্ট্রে রুপান্তরিত হয়।
- রাষ্ট্র গুলো হলো: রাশিয়া, আজারবাইজান, আর্মেনিয়া, ইউক্রেন, উজবেকিস্থান, এস্তোনিয়া, কাজাকিস্থান, কিরগিজস্তান, জর্জিয়া, তুর্কমেনিস্তান, তাজিকিস্তান, বেলারুশ, মলদোভা, লিথুয়ানিয়া এবং লাটভিয়া।
উল্লেখ্য,
- তখন পৃথিবী ছিল দুই ভাগে বিভক্ত।
- একদিকে ছিল সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে সমাজতান্ত্রিক শিবির, অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে পুঁজিবাদী শিবিরের দেশগুলো।
- এই দুই শিবিরেই গঠিত হয়েছিল দুটি সামরিক জোট।
- একটি নর্থ আটলান্টিক ট্রিটি অর্গানাইজেশন (ন্যাটো), অন্যটি ওয়ারশ জোট।
- পুরো স্নায়ুযুদ্ধের কালজুড়ে মধ্য ইউরোপের উভয় পক্ষের দেশগুলো পরস্পরের দিকে তাক করে রেখেছিল পারমাণবিক শক্তিসম্পন্ন ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র।
- তখন তীব্র স্নায়ুযুদ্ধের কালেও ১৯৬৩ সালে রাজনীতিক, গবেষক ও নাগরিক সমাজকে নিয়ে আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বিষয়ে মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনের উদ্যোগ শুরু হয়।
- স্নায়ুযুদ্ধের অবসানের পর মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনের প্রধান দুই উদ্যোক্তা এভাল্ড ভন ক্লাইস্ট ও হোর্স্ট টেল্টশিক এই সম্মেলনকে বিশ্বজনীন রূপ দেওয়ার প্রয়াসে নতুন রূপরেখা তৈরি করেন।
উৎস: Britannica.