ব্যাখ্যা
- ২০১১ সালের ৩০শে জুন জাতীয় সংসদে পঞ্চদশ সংশোধনী আইন পাস হয় এবং রাষ্ট্রপতির অনুমোদন হয় ২০১১ সালের ৩ জুলাই।
⇒ সংবিধানে ধর্মনিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা পুনর্বহাল করা হয় এবং রাষ্ট্রীয় মূলনীতি হিসেবে জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতার নীতি সংযোজন করা হয়।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে শেখ মুজিবুর রহমানকে জাতির জনক হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- এই সংশোধনীর দ্বারা 'তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল' করা হয়।
- জাতীয় সংসদে মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বিদ্যমান ৪৫-এর স্থলে ৫০ করা হয়।
- সংবিধানে ৭ অনুচ্ছেদের পরে ৭ (ক) ও ৭ (খ) অনুচ্ছেদ সংযোজন করে সংবিধান বহির্ভূত পন্থায় রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখলের পথ রুদ্ধ করা হয়।
উল্লেখ্য,
- পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে ৫৪টি ক্ষেত্রে সংযোজন, পরিমার্জন ও প্রতিস্থাপন আনা হয়েছিল।
- আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকার পতনের পর ২০২৪ সালের ১৯ আগস্ট জনস্বার্থে পাঁচ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি পঞ্চদশ সংশোধনীর বৈধতা নিয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন।
- তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিলসহ সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী অবৈধ ঘোষণা করে এই সংশোধনীর বেশ কিছু অংশ বাতিল করেছেন হাইকোর্ট।
- রায়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা সংক্রান্ত পঞ্চদশ সংশোধনী আইনের বিধান বাতিল করা হয় যা ভবিষ্যতে কার্যকর হবে।
- ১৪২ অনুচ্ছেদ বাতিল করার মধ্য দিয়ে জনগণের ইচ্ছাকে বাতিল করা হয়েছিল।
- যে কারণে ১৪২ অনুচ্ছেদ পুনঃস্থাপন করা হলো।
- সংশোধনীর বাকি বিষয়গুলো পরবর্তী সংসদের ওপর ছেড়ে দেওয়া হলো।
উৎস: i) BBC.
ii) প্রথম আলো।