বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

প্রাণিবিজ্ঞান সম্পর্কিত

মোট প্রশ্ন২,২২৭এই পাতাপ্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

প্রাণিবিজ্ঞান সম্পর্কিত

PrepBank · পাতা ২৩ / ২৩ · ২,২০১২,২০৫ / ২,২২৭

২,২০১.
নিচের কোন রোগটি ব্যাকটেরিয়া জনিত? 
  1. পোলিও 
  2. কলেরা 
  3. জলাতঙ্ক 
  4. ইনফ্লুয়েঞ্জা 
ব্যাখ্যা

ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ: 
- ব্যাকটেরিয়া দ্বারা আক্রান্ত রোগকে ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ বলে। 
- কয়েকটি উল্লেখযোগ্য ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ হচ্ছে: যক্ষ্মা, ডিপথেরিয়া, হুপিংকাশি, ধনুষ্টংকার, মেনিনজাইটিস, কলেরা, গনোরিয়া, সিফিলিস, টাইফয়েড, আমাশয়, প্লেগ, কুষ্ঠ ইত্যাদি। 

ভাইরাসজনিত রোগ: 
- ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত রোগকে ভাইরাসজনিত রোগ বলে। 
- কয়েকটি উল্লেখযোগ্য ভাইরাসজনিত রোগ হচ্ছে: জন্ডিস, পোলিও, জলাতঙ্ক, কোভিড-১৯, হার্পিস, দাদ, গুটি বসন্ত, জল বসন্ত, হাম, মাম্পস, ইনফ্লুয়েঞ্জা, বার্ড ফ্লু, সোয়াইন ফ্লু ইত্যাদি। 

উল্লেখ্য, 
- 'নিউমোনিয়া' রোগটি ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া ও অন্যান্য অণুজীব দ্বারা সংক্রমিত হয়। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,২০২.
মৌমাছি সংক্রান্ত বিজ্ঞান কোনটি?
  1. Alimentology
  2. Melittology
  3. Aphnology
  4. Ichthyology
ব্যাখ্যা
- মৌমাছি সংক্রান্ত বিজ্ঞানকে বলা হয় Melittology.
- Melittology গ্রিক শব্দ থেকে আগত। 
- যে কীটতত্ত্ববিদ মৌমাছির গবেষণায় বিশেষজ্ঞ, তাকে বলা হয় Melittologist.
 
উৎস: Merriam-Webster Dictionary
২,২০৩.
নিচের কোনটি অমেরুদন্ডী প্রাণী? 
  1. বাদুড়
  2. ব্যাঙ
  3. কুমির
  4. কেঁচো
ব্যাখ্যা
মেরুদন্ডী প্রাণী: 
(ক) মৎস্যকুল: 
- এ দলের প্রাণীরা পানিতে বাস করে। দেহ আঁশ দিয়ে ঢাকা। ফুলকার সাহায্যে শ্বাস কাজ চালায়। 
যেমন- রুই, কাতল, পুঁটি। 

(খ) উভচর প্রাণী: 
- এসব প্রাণী পানিতে এবং ডাঙ্গায় বসবাস করে। জীবনচক্রের একটা অংশ এদের পানিতে বিকাশ লাভ করে। 
যেমন- ব্যাঙ। 

(গ) সরিসৃপ: 
- এরা বুকে ভর দিয়ে চলাফেরা করে। 
যেমন- কুমির, টিকটিকি। 

(ঘ) পাখি: 
- এসব প্রাণীর দেহ পালকে ঢাকা থাকে। 
যেমন- ময়না, টিয়া, ঘুঘু। 

(ঙ) স্তন্যপায়ী প্রাণী: 
- এসব প্রাণী মায়ের দুধ পান কর। 
যেমন- বাদুড়, তিমি, মানুষ। 

অমেরুদন্ডী প্রাণী: 
১. প্রোটোজোয়া: 
- এরা এককোষী আদি প্রাণী। 
যেমন- অ্যামিবা, ম্যালেরিয়া জীবাণু। 

২. পরিফেরা: 
- এসব প্রাণীর দেহ অসংখ্য ক্ষুদ ক্ষুদ্র ছিদ্র যুক্ত। এরা জলে বাস করে। 
যেমন- স্পনজিলা। 

৩. সিলেনটারেটা: 
- এ পর্বের বেশির ভাগ প্রাণী সমুদ্রে বাস করে। এদের দেহের মেলো দিকটা মুখ হিসেবে কাজ করে। মুখের চারদিকে টেন্টাকল আছে। 
যেমন- হাইড্রা, জেলীফিস। 

৪. প্লাটিহেলমিনথিস: 
- এ পর্বের অন্তর্ভুক্ত প্রাণীদের দেহ ফিতার মত চ্যাপ্টা। এরা সাধারণত পরজীবী। 
যেমন- ফিতাকৃমি। 

৫. নেমাথেলমিনথিস: 
- এ পর্বের প্রাণীদের দেহ নলাকৃতি ও অখণ্ডিত। এরা সাধারণত পরজীবী। 
যেমন- কেঁচোকৃমি। 

৬. অ্যানিলিডা: 
- এ জাতীয় প্রাণীদের দেহ নরম এবং রিং বা বলয়ের মত খণ্ড খণ্ড অংশ দিয়ে গঠিত। 
যেমন- কেঁচো, জোঁক। 

৭. আর্থোপোডা: 
- এ পর্বের প্রাণীদের দেহ শক্ত আবরণে ঢাকা এবং এদের সন্ধিযুক্ত পা রয়েছে। 
যেমন- চিংড়ি, তেলাপোকা। 

৮. একাইনোর্ডামাটা: 
- এসব প্রাণী সমুদ্রে বাস করে। এদের দেহ কাটাযুক্ত। 
যেমন- তারামাছ। 

৯. মলাস্কা: 
- এ পর্বের প্রাণীদের দেহ নরম কিন্তু শক্ত খোলস দিয়ে আবৃত। 
যেমন- শামুক, ঝিনুক। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,২০৪.
হাইপোগ্লাইসেমিয়া রোগ নিচের কোনটির অভাবে হয়? 
  1. ক্যালসিয়াম
  2. রক্তের গ্লুকোজ
  3. ইনসুলিন
  4. ভিটামিন-ই
ব্যাখ্যা
হাইপোগ্লাইসেমিয়া রোগ: 
- ডায়াবেটিস আক্রান্তদের কাছে হাইপো (হাইপোগ্লাসেমিয়া) একটি প্রচলিত শব্দ, বিশেষ করে টাইপ-১ বা ইনসুলিন-নির্ভরশীল রোগীদের ক্ষেত্রে। 
- মূলত ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীদের বিশেষ করে ইনসুলিন নিতে হয় এমন রোগীদের হাইপোগ্লাইসেমিয়া দেখা দেয়। 
- রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে নিচে নেমে যাওয়াকে হাইপোগ্লাইসেমিয়া বলে। 
- স্বাভাবিক মাত্রা হলো খালি পেটে ৬.১ মিলিমোল প্রতি লিটারে এবং খাবারের ২ ঘণ্টা পর ৭.৮ মিলিমোল প্রতি লিটারে থাকা উচিত। 
- রক্তের শর্করা ঘন ঘন কমে গেলে বা বেশি হলে দেহ ও মনের ওপর বেশ চাপ সৃষ্টি হয়। 
- খুব বেশি হাইপোগ্লাইসেমিয়া হলে মস্তিষ্কের স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা হ্রাস পায়। 
- গ্লুকোজ  হচ্ছে আমাদের জীবনীশক্তি বা ফুয়েল, যা প্রতিটি কোষে শক্তি সরবরাহ করে। 
- এই গ্লুকোজ বিপজ্জনক মাত্রায় নেমে গেলে এক এক করে বিভিন্ন অঙ্গের কার্যক্রম কমে যেতে থাকে। বিশেষ করে মস্তিষ্কের একমাত্র জ্বালানি হচ্ছে গ্লুকোজ। 
- সে কারণে হাইপোগ্লাইসেমিয়া দীর্ঘ সময় চলতে থাকলে রোগী অচেতন হয়ে পড়েন, এমনকি মৃত্যুও হতে পারে। 

হাইপোগ্লাইসেমিয়া রোগের কারণ: 
- ইনসুলিন গ্রহণের মাত্রা বা ওষুধের মাত্রা বেশি এবং খাবার কম হলে, অর্থাৎ খাবার ও ওষুধের মধ্যে সমন্বয় না থাকলে। 
- সময় না মেনে দেরিতে খাবার খেলে। 
- দীর্ঘক্ষণ কঠোর ব্যায়াম করলে। 
- অসুস্থতার পর খাবার খেতে না পারলে বা খাবার কম খেলে। 
- অত্যধিক মদ্যপান করলে। 

উৎস: দৈনিক প্রথম আলো, সমকাল ও যুগান্তর পত্রিকা।
২,২০৫.
মানুষের মুখবিবরেই কোন খাদ্য উপাদানটির পরিপাক ক্রিয়া শুরু হয়?
  1. ক) শর্করা
  2. খ) ভিটামিন
  3. গ) আমিষ
  4. ঘ) লবণ
ব্যাখ্যা
খাদ্য পরিপাকে বিভিন্ন তন্ত্রের গ্রন্থির ভূমিকা:
মানুষের মুখবিবরে কেবলমাত্র শর্করার পরিপাক ঘটে
মুখবিবরে লালাগ্রন্থি থেকে নিঃসৃত লালারস খাদ্য পরিপাকের রাসায়নিক কার্যক্রমে মূল ভূমিকা পালন করে।
মূলতঃ তিন ধরনের লালাগ্রন্থি থেকে নিঃসৃত লালারসের সাথে খাদ্যবস্তু মিশ্রিত হয়
লালারসে মিউসিন এবং দু’প্রকারের পরিপাকীয় এনজাইম; যথা: টায়ালিন ও মলটেজ থাকে।

- মিউসিন: মিউসিন খাদ্য বস্তুর সাথে মিশ্রিত হয়ে খাদ্য বস্তুকে নরম ও পিচ্ছিল করে।
- টায়ালিন: টায়ালিন এনজাইম প্রধানত সিদ্ধ বা রন্ধণকৃত স্টার্চ, গ্লাইকোজেন ও ডেক্সট্রিন অণুকে হাইড্রোলাইসিস করে ক্ষুদ্রতর ডেক্সট্রিন, মলটোজ ও আইসোমলটোজে পরিণত করে।

সুত্র: প্রাণিবিদ্যা, এইচএসসি।