বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের কৃষিজ সম্পদ

মোট প্রশ্ন১,৬৮১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের কৃষিজ সম্পদ

PrepBank · পাতা ১৬ / ১৭ · ১,৫০১১,৬০০ / ১,৬৮১

১,৫০১.
নিচের কোন উদ্ভিদ কেবল ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চলে দেখা যায়?
  1. ক) খেজুর পাম
  2. খ) সাগু পাম
  3. গ) নিপা পাম
  4. ঘ) তাল পাম
ব্যাখ্যা
- গোলপাতা (Nipa palm) Arecaceae গোত্রের (Palmae) পামজাতীয় এক উদ্ভিদ প্রজাতি, Nypa fruticans।
- এটি ম্যানগ্রোভ উদ্ভিদ, ছড়িয়ে আছে এশিয়া, ওসেনিয়া ও আফ্রিকার পূর্ব-উপকূলের ম্যানগ্রোভ বনে।
- কান্ড খাটো, অনুভূমিক ও তাতে অজস্র শিকড়। পাতা লম্বা ও খাড়া, ৩-৯ মি লম্বা।
- গোলপাতা সুন্দরবনে স্বল্প ও মধ্যম লবণাক্ত অঞ্চলে জন্মে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া
১,৫০২.
উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত কোনটি?
  1. চমক
  2. আকবর
  3. তাহেরপুরী
  4. প্রগতি
ব্যাখ্যা
উচ্চ ফলনশীল কলার জাত:
- সিঙ্গাপুরী, কাবুলী, মেহের সাগর, অমৃত সাগর, সবরি, অনুপম, মালভোগ, মর্তমান, চাঁপা, অগ্নিশ্বর, কবরী।

উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত:
- হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, কুফরী, মুলটা ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল গমের জাত:
- কাঞ্চন, আকবর, অঘ্রাণী, প্রতিভা, সৌরভ, গৌরব।

উচ্চ ফলনশীল পেঁয়াজের জাত:
- সুখ সাগর, ঝিটকা, কৈলাসনগর, তাহেরপুরী, ভাতি।

উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাত:
- গ্রীন এক্সপ্রেস, ড্রামহেড, গোল্ডেন ক্রস, প্রভাতী, অগ্রদূত।

উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত:
- বিপ্লব, হিরা, মালা, ইরাটম, ময়না, চান্দিনা, হরিধান, নারিফা, সুফলা, প্রগতি ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল আমের জাত:
- মহানন্দা, ল্যাংড়া, ফজলি, হাড়িভাঙ্গা, আম্রপালি, গোপালভোগ, সূর্যপুরী, হিমসাগর, মোহনভোগ প্রভৃতি।

উচ্চ ফলনশীল ভুট্টার জাত:
- বর্ণালি, শুভ্রা, খই, মোহর।

তথ্যসূত্র - জাতীয় কৃষি বাতায়ন।
১,৫০৩.
নিচের কোনটি সোনালি আঁশ নামে পরিচিত?
  1. ইলিশ
  2. পাট
  3. রেশম
  4. তুলা
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে পাটকে সোনালি আঁশ বলা হয়।
- অতীতে পাট রপ্তানির মাধ্যমে দেশের প্রায় ৭৫ ভাগ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হতো বিধায় পাট কে সোনালি আঁশ নামে ডাকা হয়।
- বাংলাদেশ পাট উৎপাদনে বিশ্বে দ্বিতীয় এবং পাট ও পাটজাত পণ্য রপ্তানিতে বিশ্বে প্রথম।

(তথ্যসূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস ওয়েবসাইট)
১,৫০৪.
বাংলাদেশের কোন জেলায় সবচেয়ে বেশি চিংড়ি উৎপাদন হয়?
  1. সাতক্ষীরা
  2. বাগেরহাট
  3. খুলনা
  4. কক্সবাজার
ব্যাখ্যা
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২২ অনুসারে উৎপাদনে শীর্ষ জেলা:
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ময়মনসিংহ।
- বিভাগ অনুসারে সবচেয়ে বেশি ধান উৎপন্ন হয় রংপুর বিভাগে।
- আউশ ধান উৎপাদনের শীর্ষ জেলা: নওগাঁ।
- আমন ধান উৎপাদনের শীর্ষ জেলা: দিনাজপুর।
- বোরো ধান উৎপাদনের শীর্ষ জেলা: ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ঠাকুরগাঁও।
- মাছ উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ময়মনসিংহ।
- চিংড়ি উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: সাতক্ষীরা।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: বগুড়া।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ঝিনাইদহ।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২২।
১,৫০৫.
বাংলাদেশের রুটির ঝুড়ি বলা হয় কোন জেলাকে?
  1. ক) বরিশাল
  2. খ) রাজশাহী
  3. গ) যশোর
  4. ঘ) দিনাজপুর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের রুটির ঝুড়ি:
- বাংলাদেশের রুটির ঝুড়ি বলা হয় দিনাজপুর জেলাকে।
- যে অঞ্চলের জমি অপেক্ষাকৃত বেশি উর্বর, ফলনের অনুকূল আবহাওয়া বিদ্যমান, গমসহ অন্যন্য ফসলের ভালো ফলন হয় সে অঞ্চলকে রুটির ঝুড়ি বলা হয়। 
- গম উৎপাদনে একেক বছর একেক জেলা শীর্ষে থাকলেও তাদের রুটির ঝুড়ি বলা হয় না।
- সার্বিকভাবে গমসহ অন্যন্য ফসলের ভালো ফলন হওয়ায় দিনাজপুরকেই বাংলাদেশের রুটির ঝুড়ি বলা হয়৷
- গম গবেষণা কেন্দ্র দিনাজপুর জেলার নাশিপুরে অবস্থিত।
১,৫০৬.
ইনিয়া-৬৬ কোন ধরনের ফসলের জাত?
  1.  ধান
  2. গম
  3. ভুট্টা
  4. মুগডাল
ব্যাখ্যা

• উন্নত জাতের গম:
- আনন্দ, কাঞ্চন, আকবর, বরকত, অঘ্রাণী, সোনালিকা
- কল্যাণসোনা, প্রতিভা, গৌরব, শতাব্দী, বলাকা, দোয়েল
- সনোরা-৬৪, , ইনিয়া-৬৬, জুপাটিকা-৭৩,  সওগাত, সৌরভ
- বারিগম-১৭ , বারিগম-১৮ , , বারিগম-১৯
- বারিগম-২০ , বারিগম-২১, 


তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১,৫০৭.
বাংলাদেশে সর্বশেষ কৃষিনীতি প্রনীত হয় কত সালে?
  1. ক) ২০১৩
  2. খ) ২০১৫
  3. গ) ২০১৭
  4. ঘ) ২০১৯
ব্যাখ্যা
বিশাল জনগােষ্ঠীর দ্রুত অর্থনৈতিক উন্নতি, পল্লী অঞ্চলের উচ্চতর প্রবৃদ্ধি, কৃষি উন্নয়ন এবং গ্রামীণ কৃষির সাথে সংশ্লিষ্ট অ-কৃষি অর্থনৈতিককর্মকাণ্ডের উন্নয়নের প্রয়ােজনীয়তার উপর গুরুত্ব আরােপ করে জাতীয় কৃষিনীতি ২০১৩ প্রণয়ন করা হয়েছে। জাতীয় কৃষি নীতি - ২০১৩ কে যুগোপযোগী করে জাতীয় কৃষি নীতি - ২০১৮ এর খসড়া প্রনীত হয়েছে। (রেফারেন্সঃ বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল)
১,৫০৮.
মৎস্য প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট কোথায়?
  1. ময়মনসিংহ
  2. চাঁদপুর
  3. কক্সবাজার
  4. ফরিদপুর
ব্যাখ্যা
• মৎস্য অধিদপ্তর:
- স্বাধীনতা উত্তর বন, মৎস্য ও পশুপালন নামে কৃষি মন্ত্রণালয়ের একটি বিভাগ ছিল।
- ১৯৭৮ সালে কৃষি মন্ত্রণালয় থেকে আলাদা হয়ে  মৎস্য ও পশুপালন মন্ত্রণালয় নামে একটি নতুন মন্ত্রণালয় গঠিত হয়।
- পরবর্তীতে ১৯৮৪ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত মৎস্য ও পশুপালন বিভাগ নামে কৃষি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন একটি বিভাগে পরিণত  হয়।
- ১৯৮৬ সালে পুনরায় মৎস্য ও পশুপালন মন্ত্রণালয় নামে পুনর্গঠিত হয়।
- ২০০৯ সালে মৎস্য ও পশুসম্পদ মন্ত্রণালয়ের নাম পরিবর্তন করে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় হিসেবে নামকরণ করা হয়।
- মৎস্য প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট চাঁদপুরে

⇒ এছাড়াও,
- মৎস্য প্রশিক্ষণ ও সম্প্রসারণ কেন্দ্র: ফরিদপুর ও ময়মনসিংহ অবস্থিত।
- সামুদ্রিক মৎস্য ও প্রযুক্তি কেন্দ্র:  কক্সবাজার।
- নদী কেন্দ্র চাঁদপুরে।

উৎস: মৎস্য অধিদপ্তর।
১,৫০৯.
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২ অনুযায়ী কৃষি খাতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠী কত?
  1. ক) ১১.৫ শতাংশ
  2. খ) ৪০.৬ শতাংশ
  3. গ) ৩৯.০ শতাংশ
  4. ঘ) ৩৭.০৭ শতাংশ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২ অনুযায়ী,
• জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান ১১.৫ শতাংশ।
• কৃষি খাতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠী ৪০.৬ শতাংশ
• জিডিপিতে শিল্প খাতের অবদান ৩৭.০৭ শতাংশ।
• শিল্প খাতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠী ২০.৪ শতাংশ।
• জিডিপিতে সেবা খাতের অবদান ৫১.৪৪ শতাংশ।
• সেবা খাতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠী ৩৯.০ শতাংশ।

তথ্যসূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা - ২০২২
১,৫১০.
সবচেয়ে বেশি পেঁয়াজ উৎপাদন হয় -
  1. ক) পাবনায়
  2. খ) রাজশাহীতে
  3. গ) টাঙ্গাইলে
  4. ঘ) ঝিনাইদহে
ব্যাখ্যা
• সবচেয়ে বেশি পেঁয়াজ উৎপাদন হয় রাজশাহী বিভাগে (৯,০১,২৮২.৬৯ মে.টন)।
সবচেয়ে বেশি পেঁয়াজ উৎপাদন হয় পাবনা জেলায় (৫,০৯,২২৬ মে.টন)।

• সবচেয়ে বেশি আনারস উৎপাদন হয় টাঙ্গাইল জেলায় (১,২৭,৭৯৫ মে.টন)।
• সবচেয়ে বেশি তুলা উৎপাদন হয় ঝিনাইদহ জেলায় (২৮,৩৯৭.৬১ মে.টন)।

তথ্যসূত্র:- কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ – ২০২১
১,৫১১.
বাংলাদেশে কোন বনাঞ্চলকে চিরহরিৎ বনাঞ্চল বলা হয়?
  1. মধুপুর বনাঞ্চল
  2. পার্বত্য বনাঞ্চল
  3. গাজীপুর বনাঞ্চল
  4. বরেন্দ্র বনাঞ্চল
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের পার্বত্য অঞ্চল তথা খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি ও বান্দরবানের প্রায় সব অংশে এবং চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলের ক্রান্তীয় চিরহরিৎ বনভূমি বিস্তৃত।
- বাংলাদেশে পার্বত্য বনাঞ্চলকে চিরহরিৎ বনাঞ্চল বলা হয়।

• ক্রান্তীয় পাতাঝরা গাছের বনভূমি: 
- বাংলাদেশের প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহে এ বনভূমি রয়েছে। 
• এ বনভূমিকে দুই অংশে ভাগ করা হয়েছে-
(ক)ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল ও গাজীপুর জেলার মধুপুর ও ভাওয়ালের বনভূমি;
(খ)দিনাজপুর ও রংপুর জেলায় বরেন্দ্র বনভূমি অবস্থিত।

- শীতকালে এ বনভূমির বৃক্ষের পাতা ঝরে যায়।
- গ্রীষ্মকালে আবার নতুন পাতা গজায়।

• ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পাতাঝরা গাছের বনভূমি:
বাংলাদেশের খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি ও বান্দরবানের প্রায় সব অংশে এবং চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলের কিছু অংশে এ বনভূমি বিস্তৃত। পাহাড়ের অধিক বৃষ্টিপ্রবণ অঞ্চলে ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং কম বৃষ্টিপ্রবণ অঞ্চলে পাতাঝরা গাছের বনভূমি দেখা যায়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।

১,৫১২.
কুষ্টিয়া গ্রেড কোন সম্পদের সাথে সম্পর্কিত?
  1. ছাগলের চামড়া
  2. পাট
  3. বাগদা চিংড়ি
  4. তেজস্ক্রিয় বালু
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ উপনাম ও তাদের পরিচয়:
- Black Bengal হলো কালো জাতের দেশি ছাগল, যা তার দেহের রঙ ও দামী চামড়ার জন্য পরিচিত।
- ব্ল্যাক বেঙ্গল জাতের ছাগলের চামড়াকে বিশ্ববাজারে কুষ্টিয়া গ্রেড (Kushtia Grade) বলা হয়।
- এটি বাংলাদেশের সেরা এবং আন্তর্জাতিক মানের দামী চামড়া হিসেবে খ্যাত।
- প্রধানত কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা ও ঝিনাইদহ জেলা থেকে এই মানসম্পন্ন চামড়া সংগৃহীত হয়।
--------------------------- 
উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশে বিভিন্ন কৃষি ও প্রাণী সম্পদকে বিশেষ বৈশিষ্ট্যের কারণে স্বতন্ত্র নাম বা উপনামে অভিহিত করা হয়।
- উদাহরণস্বরূপ-
• Black Tiger হলো বাগদা চিংড়ি, যা সমুদ্র মাছ এবং রপ্তানির ক্ষেত্রে মূল্যবান। 
• White Gold হলো চিংড়ি সম্পদ, যা দেশের রপ্তানি ও অর্থনীতিতে বড় ভূমিকা রাখে। 
• সোনালি আঁশ বোঝায় দেশি ও তোষা পাট, যা বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী কৃষি ফসল।
• Black Gold হলো তেজস্ক্রিয় বালু, যা অর্থনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ। 

উৎস: অর্থনীতি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, ও প্রথম আলো পত্রিকা। 

১,৫১৩.
বর্তমানে দেশে নিয়ন্ত্রিত ফসলের সংখ্যা-
  1. ক) ৫ টি
  2. খ) ৬ টি
  3. গ) ৭ টি
  4. ঘ) ৮ টি
ব্যাখ্যা
‘বীজ আইন, ২০১৮’ অনুযায়ী জাতীয় বীজ বোর্ডের ১০০তম সভার সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৯ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে আগামী ৩ বছরের জন্য আলুকে অনিয়ন্ত্রিত ফসল ঘোষণা করে কৃষি মন্ত্রণালয় থেকে আদেশ জারি করা হয়েছে। বর্তমানে দেশে নিয়ন্ত্রিত ফসলের সংখ্যা ৬টি- ধান, গম, পাট, আখ, মেস্তা ও কেনাফ।
[সূত্রঃ লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, জানুয়ারি ২০২০]
১,৫১৪.
বাংলাদেশের একমাত্র মিঠাপানির জলাবন কোনটি?
  1. ক) সুন্দরবন
  2. খ) গজারি বন
  3. গ) শালবন
  4. ঘ) রাতারগুল জলাবন
ব্যাখ্যা
রাতারগুল সোয়াম ফরেস্ট
• রাতারগুল জলাবন বা রাতারগুল সোয়াম্প ফরেস্ট (Ratargul Swamp Forest) বাংলাদেশের একমাত্র মিঠাপানির জলাবন বা সোয়াম্প ফরেস্ট এবং বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য, যা সিলেটের গোয়াইনঘাটে অবস্থিত।
• বনের আয়তন ৩,৩২৫.৬১ একর, আর এর মধ্যে ৫০৪ একর বনকে ১৯৭৩ সালে বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
• সারা পৃথিবীতে স্বাদুপানির জলাবন আছে মাত্র ২২টি। ভারতীয় উপমহাদেশে আছে দুটি। একটি শ্রীলংকায়, আরেকটি বাংলাদেশের রাতারগুল।
• সুন্দর বিশাল এ বনের তুলনা চলে একমাত্র আমাজনের সঙ্গে। আমাজনের মতো এখানকার গাছ বছরে ৪ থেকে ৭ মাস পানির নিচে থাকে।
• এই বন মূলত প্রাকৃতিক বন হলেও পরবর্তিতে বাংলাদেশ বন বিভাগ, বেত, কদম, হিজল, মুর্তাসহ নানা জাতের জলসহিষ্ণু গাছ লাগিয়েছে। এছাড়া জলমগ্ন এই বনে রয়েছে হিজল, করচ আর বরুণ গাছ, আছে পিঠালি, অর্জুন, ছাতিম, গুটি জাম, আছে বট গাছও

তথ্যসূত্র: সিলেট বিভাগের ওয়েবসাইট। 
১,৫১৫.
পাটজাত পণ্য ব্যবহারে কত ধরনের বাধ্য বাধকতা রয়েছে?
  1. ১৭
  2. ১১
  3. ১৩
  4. ১৯
ব্যাখ্যা
পাটজাত পণ্য ব্যবহারে বাধ্যবাধকতা:
- পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার আইন, ২০১০ অনুসারে, ১৯ ধরনের পণ্যে পাটের বস্তা ব্যবহার বাধ্যতামূলক রয়েছে।
- এসব পণ্যে কেউ যদি প্লাস্টিকের ব্যবহার করে তাহলে আইনি ব্যবস্থা আরো জোরদার করা হবে।
- পাট চাষি ও পাটকল মালিকদের স্বার্থ রক্ষা ও পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর প্লাস্টিক ব্যাগের ব্যবহার সীমিত করার জন্য আইনটি প্রণয়ন করা হয়।
- প্রধানমন্ত্রী পাটপণ্যকে ‘বর্ষপণ্য ২০২৩’ হিসেবে ঘোষণা করেছিলেন।

উল্লেখ্য,
- ‘পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার আইন, ২০১০’ অনুযায়ী ৬টি পণ্য অর্থাৎ ধান, চাল, গম, ভূট্টা, সার ও চিনি পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহারের জন্য নির্ধারিত হয়েছে।
- পরবর্তীতে ২০১৭ সালের ২১ জানুয়ারি আরো মরিচ, হলুদ, পেঁয়াজ, আদা, রসুন, ডাল, ধনিয়া, আলু, আটা, ময়দা, তুষ-খুদ-কুড়াসহ মোট ১৭ (সতের)টি পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহারের জন্য নির্ধারিত করা হয়েছে।
- ২০১৮ সালের ৬ আগস্ট পোল্ট্রি ও ফিস ফিড মোড়কীকরণে পাটের বস্তা ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়।
- পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার আইন, ২০১০ এর ধারা-১৪ অনুযায়ী পাটের মোড়ক ব্যবহার না করলে অনূর্ধ্ব এক বছর কারাদণ্ড বা অনধিক ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।
- এ অপরাধ পুনঃসংগঠিত হলে সর্বোচ্চ দণ্ডের দ্বিগুণ দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) ৩ মে, ২০২৩, কালের কন্ঠ। 
১,৫১৬.
পাটের জিনোম কে আবিস্কার করেন?
  1. জগদীশ চন্দ্র বসু
  2. ড. কুদরত-ই-খুদা
  3. লিউয়েন হুক
  4. ড. মাকসুদুল আলম
ব্যাখ্যা
- ড. মাকসুদুল আলম ছিলেন একজন বাংলাদেশী জিনতত্ত্ববিদ।
- তার নেতৃত্বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ডাটাসফটের একদল উদ্যমী গবেষকের যৌথ প্রচেষ্টায় ২০১০ সালের মাঝামাঝি সময়ে সফলভাবে উন্মোচিত হয় পাটের জিন নকশা।
- ২০১০ সালের ১৬ জুন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আনুষ্ঠানিকভাবে পাটের জিনোম সিকোয়েন্স আবিষ্কারের ঘোষণা দেন।

তথ্যসূত্র; বিবিসি এবং ডয়েচ ভেলে
১,৫১৭.
উত্তরবঙ্গের কোন জেলায় চা বাগান আছে?
  1. ক) পঞ্চগড়
  2. খ) দিনাজপুর
  3. গ) বগুড়া
  4. ঘ) ঠাকুরগাঁও
ব্যাখ্যা
চা-বাগান:
- উত্তরবঙ্গের পঞ্চগড় জেলায় চা বাগান আছে।
- চা বোর্ড কর্তৃক নিবন্ধকৃত দেশে মোট চা-বাগানের সংখ্যা - ১৬৭ টি।
- মৌলভীবাজার জেলায় চা-বাগানের সংখ্যা - ৯২ টি।
- হবিগঞ্জ জেলায় চা-বাগানের সংখ্যা - ২৫ টি।
- সিলেট জেলায় চা-বাগানের সংখ্যা - ১৭ টি।
- চট্টগ্রাম জেলায় চা-বাগানের সংখ্যা - ২২ টি।
- রাঙ্গামাটি জেলায় চা-বাগানের সংখ্যা - ১ টি।
- পঞ্চগড় জেলায় চা-বাগানের সংখ্যা - ৮ টি।
- ঠাকুরগাওঁ জেলায় চা-বাগানের সংখ্যা - ২ টি।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ চা বোর্ড ওয়েবসাইট।
১,৫১৮.
বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠিত হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯৭২
  2. খ) ১৯৮২
  3. গ) ১৯৫১
  4. ঘ) ১৯৫৫
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিজেআরআই) দেশের অন্যতম প্রাচীন গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- ১৯০৪ সালে স্যার আর.এস. ফিনলো’র নেতৃত্বে ঢাকায় প্রথম পাটের গবেষণা শুরু হয়।
- অত:পর ১৯৩৬ সালে ইন্ডিয়ান সেন্ট্রাল জুট কমিটির (ICJC) আওতায় ঢাকায় জুট এগ্রিকালচারাল রিসার্চ ল্যাবরেটরী প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে এদেশে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে পাটের গবেষণা শুরু হয়।
- ১৯৫১ সালে ইন্ডিয়ান সেন্ট্রাল জুট কমিটির (ICJC) স্থলে পাকিস্তান সেন্ট্রাল জুট কমিটি (PCJC)  গঠিত হয় এবং বর্তমান স্থানে পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট স্থাপিত হয়।
- বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭৪ সালে এ্যাক্টের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয় বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিজেআরআই)।

বর্তমানে বিজেআরআই তিনটি ধারায়  গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করছে:
(১) পাটের কৃষি তথা পাট ও পাটজাতীয় আঁশ ফসলের উচ্চ ফলনশীল জাত উদ্ভাবন, উৎপাদন ব্যবস্থাপনা এবং বীজ উৎপাদন ও সংরক্ষণ সংক্রান্ত গবেষণা;
(২) পাটের কারিগরী তথা মূল্য সংযোজিত বহুমুখী নতুন নতুন পাট পণ্য উদ্ভাবন এবং প্রচলিত পাট পণ্যের মানোন্নয়ন সংক্রান্ত গবেষণা এবং
(৩) পাটের টেক্সটাইল অর্থাৎ পাট এবং তুলা ও অন্যান্য প্রাকৃতিক ও কৃত্রিম আঁশের সংমিশ্রনে পাট জাত টেক্সটাইল পণ্য উৎপাদন সংক্রান্ত গবেষণা এবং বাজারজাতকরণ ব্যবস্থাপনা।

- বর্তমানে বিজেআরআই এর কৃষি গবেষণায় ৬টি, কারিগরী গবেষণায় ৪টি, জুট টেক্সটাইল গবেষণায় ১টি এবং পরিকল্পনা, প্রশিক্ষণ ও যোগাযোগ বিভাগসহ মোট ১২টি বিভাগ রয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ পাঁট গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।

১,৫১৯.
বাংলাদেশের কোন জেলার মৃত্তিকায় লবণাক্ততা দেখা যায়?
  1. রাজশাহী
  2. কুড়িগ্রাম
  3. যশোর
  4. রংপুর
ব্যাখ্যা
- বঙ্গোপসাগরে পতিত নদীগুলোর পানি প্রবাহ হ্রাস পাওয়ার দরুণ দক্ষিণ-পশ্চিমে উজানের দিকে ক্রমেই লবণাক্ত পানি ঢুকে পড়ছে এবং গোটা অঞ্চলে ক্রমবর্ধমান লবণাক্ততা সমস্যা দেখা দিয়েছে।
-  খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, যশোর ও গোপালগঞ্জ লবণাক্ততায় বিশেষভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। 
- ফলে কৃষি, মৎস্য চাষ, বনায়ন, শক্তি উৎপাদন, শিল্প ও অন্যান্য কার্যক্রম বিশেষভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। 
 
উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১,৫২০.
জিডিপিতে প্রবৃদ্ধির হার সবচেয়ে কম কোন খাতের?
  1. ক) সেবা খাত
  2. খ) শিল্পখাত
  3. গ) কৃষি খাত
  4. ঘ) কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• সার্বিকভাবে অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষি ও সেবা খাতের অবদান – ক্রমহ্রাসমান এবং শিল্পখাতের অবদান - ক্রমবর্ধমান। যদিও সাময়িক হিসাবে ২০২০-২১ অর্থবছরে সেবা খাতের প্রবৃদ্ধির হার পূর্ববর্তী অর্থবছরের ০.৫৮ শতাংশ হতে বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ৬.৩১ শতাংশে।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য 
• অর্থনীতি/জিডিপির সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল খাত - শিল্পখাত; প্রবৃদ্ধির হার - ১০.৪৪%।
কৃষিখাতের প্রবৃদ্ধির হার সবচেয়ে কম; প্রবৃদ্ধির হার - ২.২০%।

• জিডিপির 
সর্ববৃহৎ খাত – সেবাখাত (১৩টি খাত নিয়ে গঠিত)।
ছোট খাত - কৃষিখাত।

• কর্মসংস্থানের দিক থেকে 
বৃহৎখাত - কৃষিখাত (৪০.৬% শ্রমশক্তি নিয়োজিত)।
ছোট খাত – শিল্পখাত (২০.৪% শ্রমশক্তি নিয়োজিত)। 

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২।
১,৫২১.
বর্তমানে দেশের সর্বাধিক বনাঞ্চলসম্পন্ন জেলা কোনটি?
  1. খাগড়াছড়ি
  2. বাগেরহাট
  3. বান্দরবান
  4. রাঙ্গামাটি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের বনাঞ্চল:
- দেশে মোট বনাঞ্চলের পরিমাণ - ৬৩,৬৩,৩০৯.৩৩ একর বা বা ২৫,৭৫,১৯৬.০১ হেক্টর।

সর্বাধিক বনাঞ্চলসম্পন্ন জেলা:
১) রাঙ্গামাটি - ১৩,৭৮,৫৫৫.১৩ একর।
২) বান্দরবান - ৭,৯৭,৫১৬.৪৯ একর।
৩) বাগেরহাট - ৫,৬৬,৫১২.৯৫ একর।
৪) খাগড়াছড়ি - ৫,৫৪,১১৬.২১ একর।
৫) খুলনা - ৫,৪৬,০৮১.৬১ একর।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
১,৫২২.
'শুকতারা' কোন ফসলের উন্নত জাত?
  1. মরিচ
  2. বেগুন
  3. টমেটো
  4. ভুট্টা
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন ফসলের উন্নত জাত:
• ইরাটম, ব্রি হাইব্রিড - ১ চান্দিনা, মালা , বিপ্লব, দুলাভোগ, মোহিনী, সুফলা: উন্নত জাতের ধান।
• সোনালিকা ও আকবর: উন্নত জাতের গম।
• সুমাত্রা ও ম্যানিলা: উন্নত জাতের তামাক।
• বর্ণালী, শুভ্রা ও উত্তরণ উন্নত জাতের ভুট্টা।
• মহানন্দা, ল্যাংড়া ও মােহনভােগ উন্নত জাতের আম।
• বাহার: উন্নত জাতের টমেটো।
• যমুনা: উন্নত জাতের মরিচ।
• শুকতারা, নয়নতারা, তারাপুরী, ইসলামপুরী, কাজলা, বিজয়, মুক্তকেশী, ঝুমকো: উন্নত জাতের বেগুন।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
১,৫২৩.
নিচের কোন দুটি সরিষার জাত?
  1. ক) সফল ও অগ্রণী
  2. খ) সোনালিকা ও আকবর
  3. গ) উত্তরণ ও মোহর
  4. ঘ) মিন্টু ও বাহার
ব্যাখ্যা
- সরিষার জাত সমূহ: সফল, অগ্রণী, টরি-৭, সোনালি, কল্যাণীয়া, দৌলত, বিনা সরিষা
- সোনালিকা ও আকবর : গম
- উত্তরণ ও মোহর : ভুট্টা
- মিন্টু ও বাহার : টমেটো।
(সূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস ও কৃষিশিক্ষা বোর্ড বই)
১,৫২৪.
BADC মূলত কী নিয়ে কাজ করে?
  1. স্বাস্থ্য
  2. কৃষি
  3. শিল্প
  4. শিক্ষা
ব্যাখ্যা
• BADC:
- BADC'র পূর্ণরূপ Bangladesh Agricultural Development Corporation. 
- বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (BADC) কৃষি উন্নয়নের জন্য কাজ করা একটি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি প্রতিষ্ঠান।
- এটি বাংলাদেশের প্রধান সরকারি বীজ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান, এটি কৃষি উপকরণ সরবরাহের দায়িত্ব পালন করে।
- BADC বিভিন্ন ফসলের উফশী বীজ উৎপাদন, সংরক্ষণ ও সরবরাহের পাশাপাশি সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং কৃষকদের কাছে মানসম্মত সার সরবরাহ করে থাকে।
- ১৯৬১ সালে পূর্ব পাকিস্তান কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন নামে প্রতিষ্ঠিত এ সংস্থাটি বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (BADC) নামে পরিচিতি লাভ করে।
- এর প্রধান কার্যালয় ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত।  

সূত্র: BADC ওয়েবসাইট।
১,৫২৫.
কোন দেশের পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার জন্য মোট আয়তনের কত শতাংশ বনভূমি থাকা প্রয়োজন?
  1. ক) ১৩ শতাংশ
  2. খ) ২১ শতাংশ
  3. গ) ২৫ শতাংশ
  4. ঘ) ৩০ শতাংশ
ব্যাখ্যা
- একটি দেশের মোট আয়তনের ২০-২৫ শতাংশ বনভূমি থাকা প্রয়োজন।
- কিন্তু বাংলাদেশের এ সম্পদের পরিমাণ রয়েছে মাত্র ১৩ শতাংশ।
- বর্তমানে দেশের ৩৫টি জেলায় বন বিভাগের নিয়ন্ত্রণাধীন বনভূমি রয়েছে।
- বন বিভাগ নিয়ন্ত্রণাধীন বনভূমির পরিমাণ ১,৮৮০,৪৯৩.৭৩ হেক্টর।
- দেশের মোট বনভূমির পরিমাণ ২,৫৭৫,১৯৬.০১ হেক্টর।
- মাধ্যমিক ভূগোল বইয়ের তথ্যমতে বনভূমির পরিমাণ ১৭ শতাংশ।       

তথ্যসূত্র- তথ্যসূত্র-বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় (নবম-দশম শ্রেণি), কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ : ২০২০।
১,৫২৬.
মধুপুর ও ভাওয়াল গড়ের বনাঞ্চল কী ধরনের বনভূমি?
  1. ক) সরলবর্গীয়
  2. খ) পত্রপতনশীল
  3. গ) চিরহরিৎ
  4. ঘ) চিরহরিৎ ও পত্রপতনশীল
ব্যাখ্যা
টাঙ্গাইলের মধুপুর, গাজীপুরের ভাওয়াল গড়, শেরপুর, ময়মনসিংহ ও বরেন্দ্রভূমি এলাকায় বিস্তৃত বনভূমি শালবননামে পরিচিত। শাল বা গজারি বৃক্ষের আধিক্যের কারণে এই বনভূমিকে শালবন বলা হয়।

শালবন একটি পত্রপতনশীল বৃক্ষের বনভূমি। যার কারণে শীতকালে এই বনের গাছের পাতা ঝড়ে যায়।
শালবনের মোট আয়তন প্রায় ১.২ লক্ষ হেক্টর।

(তথ্যসূত্র: বন অধিদপ্তর ওয়েবসাইট)
১,৫২৭.
লিচু উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ কোনটি?
  1. ক) রাজশাহী
  2. খ) খুলনা
  3. গ) রংপুর
  4. ঘ) ঢাকা
ব্যাখ্যা
লিচু
বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন - রংপুর বিভাগ (২৩,৬০০.৮২ মে.টন)
জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন - দিনাজপুর (১০,৬০৪ মে.টন)

তরমুজ
বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন - খুলনা বিভাগ (১,৬১,৩৩১ মে.টন)
জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন - খুলনা জেলা (১,৪৪,০১০ মে.টন)

আলু
বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন - রংপুর বিভাগ (৩৫,৫৭,৬৯৬ মে.টন)
জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন - বগুড়া জেলা (১২,৩০,৫০১ মে.টন)

আনারস
বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন - ঢাকা বিভাগ (১,৩৯,৭৯১ মে.টন)।
জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন - টাঙ্গাইল জেলা (১,২৭,৭৯৫ মে.টন)।

তথ্যসূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান গ্রন্থ-২০২১
১,৫২৮.
বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় গো প্রজনন ও দুগ্ধ খামার কোথায় অবস্থিত?
  1. কুষ্টিয়া
  2. বাগেরহাট
  3. সিলেট
  4. ঢাকা
ব্যাখ্যা

কেন্দ্রীয় গো প্রজনন ও দুগ্ধ খামার: 
- "কেন্দ্রীয় গো-প্রজনন ও দুগ্ধ খামার" বাংলাদেশে সাভার, ঢাকায় অবস্থিত।
- এটি ১৯৫৯-৬০ সালে ২৬১৩ একর জমিতে প্রতিষ্ঠিত হয়, তবে বর্তমানে এর আয়তন ৭৯২.৮৭ একর।
- ১৯৬৩-৬৪ সালে সিন্ধি, শাহীওয়ালসহ দেশীয় গবাদিপশু নিয়ে কার্যক্রম শুরু হয় এবং
- ১৯৭৩ সালে সরকারের উদ্যোগে অস্ট্রেলিয়া থেকে হোলস্টেইন ফ্রিজিয়ান ও জার্সি জাতের গরু আনা হয়। এটি বিশুদ্ধ ফ্রিজিয়ান, শাহীওয়াল, সংকর জাতের গরু পালন ও সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।  

উৎস: কেন্দ্রীয় গো প্রজনন ও দুগ্ধ খামার ওয়েবসাইট। 

১,৫২৯.
নিম্নের কোন জেলায় 'আগর' চাষ হয়?
  1. দিনাজপুর
  2. কুমিল্লা
  3. পাবনা
  4. মৌলভীবাজার
ব্যাখ্যা
'আগর' গাছ:
- আগর মূলত একটি গাছের নাম।
- আগর শব্দের আভিধানিক অর্থ হলো উৎকৃষ্ট বা সুগন্ধি বিশিষ্ট কাঠ।
- দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার রেইন ফরেস্টই আগর গাছের আদিস্থান হিসেবে ইতিহাসে স্থান করে নিয়েছে।
- আগর গাছ থেকে বিশেষ কালো রঙের কাঠ পাওয়া যায়, যা আগর কাঠ নামে পরিচিত।
- আগর কাঠকে ঈশ্বরের কাঠ বলা হয়।
- আতর বাংলাদেশে তরল সোনা হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে।
- বাংলাদেশে বর্তমানে সিলেট তথা মৌলভীবাজার, চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রামে আগর চাষ করার উপযোগী জায়গা রয়েছে।
- বড়লেখা উপজেলায় ছোট বড় প্রায় ৩০০টি আগর আতর ফ্যাক্টরি রয়েছে।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস (এআইএস) ওয়েবসাইট।
১,৫৩০.
কৃষি কল সেন্টার এর শর্ট কোড নম্বর কত?
  1. ১৬১১২
  2. ১৬১২২
  3. ১৬১২৩
  4. ১৬১২৪
ব্যাখ্যা
কৃষি কল সেন্টার:
- কৃষক এবং কৃষি সম্পর্কিত সকলের মাঝে কৃষিভিত্তিক সর্বাধুনিক প্রযুক্তি, সেবা এবং তথ্য ছড়িয়ে দেয়ার লক্ষ্যে ২০১২ সনের জুন মাসে কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনে কৃষি তথ্য সার্ভিসের পরিচালনায় দেশের প্রথম সরকারি কল সেন্টার হিসেবে 'কৃষি কল সেন্টার' এর পরীক্ষামূলক যাত্রা সূচিত হয়।
- কৃষি কল সেন্টারটি খামারবাড়ি, ঢাকাতে কৃষি তথ্য সার্ভিসের সদর দপ্তরে স্থাপিত।
- জুন ২০১৪ হতে ৫ ডিজিটের একটি শর্ট কোডের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে এ সেন্টারটির কার্যক্রম নতুনভাবে শুরু করা হয়েছে।
- কৃষি কল সেন্টারের শর্ট কোড নম্বর ১৬১২৩ ।
- কোন কৃষক যে কোন অপারেটরের মোবাইল ফোন দ বিষয়ে তাৎক্ষণিক বিশেষজ্ঞ পরামর্শ পেতে পারেন।
- সকাল ৯ ঘটিকা হতে বিকেল ৫ ঘটিকার পর্যন্ত কৃষি কল করা যায়।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
১,৫৩১.
বায়োফ্লক পদ্ধতির সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কোন ক্ষেত্রে?
  1. মুরগী পালন
  2. মাছ চাষ
  3. মধু চাষ
  4. মাশরুম চাষ
ব্যাখ্যা
- বায়োফ্লক হলো বর্তমান সময়ের মাছ চাষের একটি জনপ্রিয় পদ্ধতি।
- বায়োফ্লক এমন একটি পদ্ধতি যেখানে জৈব বর্জ্যের পুষ্টি থেকে পুনঃব্যবহারযোগ্য খাবার তৈরি করা হয়।
- যে ব্যাকটেরিয়া ও শৈবাল তৈরি হয় তা পানিতে উৎপন্ন হওয়া নাইট্রোজেন গঠিত জৈব বর্জ্যকে খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করে অ্যামোনিয়া গ্যাস তৈরি হতে না দিয়ে নিজেদের বংশ বাড়ায় এবং এটিকেই ফ্লক বলে।
- এসব ফ্লকে প্রচুর উপাদান থাকে, যা মাছের পুষ্টির যোগান দেয়।
- বায়োফ্লক পদ্ধতিতে বিশেষ ব্যবস্থাপনায় অল্প জায়গায় বিপুল পরিমান মাছ চাষ করা হয়।
- বায়োফ্লক পদ্ধতিটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া থেকে বাংলাদেশে এসেছে।

সূত্র: বিবিসি বাংলা।
১,৫৩২.
পাটের জুটনে পাট ও তুলার অনুপাত কত?
  1. ৫ : ৫
  2. ৬ : ৪
  3. ৭ : ৩
  4. ৪ : ৬
ব্যাখ্যা
পাট:
- পাট এক ধরনের কৃষিপণ্য।
- পাট একটি বর্ষাকালীন ফসল।
- এর জীবনকাল ১০০ থেকে ১২০ দিন পর্যন্ত।
- বাংলাদেশে পাটকে সোনালী আঁশ বলা হয়ে থাকে।
- পাট বাংলার শত বর্ষের ঐতিহ্য।
- দুই ধরনের পাট বাংলাদেশে দেখতে পাওয়া যায়: সাদা পাট ও তোষা পাট।
- জাতীয় পাট দিবস পালিত হয় ৬ মার্চ।
- জুটনের আবিষ্কারক ড. মোহাম্মদ সিদ্দিকুল্লাহ।
- জুটন (Jutton) হল ৭০ ভাগ পাট ও ৩০ ভাগ তুলার মিশ্রণে তৈরি কাপড়।
- তুলার আঁশের তৈরি বস্ত্রের বিকল্প হিসেবে পাট ও তুলার আঁশ নির্দিষ্ট অনুপাতে মিশিয়ে এই ধরনের তন্তু তৈরি করা হয়।
- পাটের তৈরি সোনালি ব্যাগের আবিষ্কারক ড. মোবারক আহমদ খান।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১,৫৩৩.
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩ অনুযায়ী জিডিপিতে কৃষিখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ কত?
  1. ৩৭.৫৬%
  2. ৪৫.৩৩%
  3. ৫১.২৪%
  4. ৫৭.৩৬%
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩:
- সার্বিকভাবে জিডিপি ১৯টি খাত নিয়ে গঠিত।
- এ ১৯টি খাতের মধ্যে ৬টি খাত আবার উপখাতে বিভক্ত।
- এই ১৯টি খাত ৩টি বৃহৎ খাতের অন্তর্ভুক্ত।
- জিডিপিতে বিভিন্ন খাতে অবদান -
• কৃষি: ১১.২০%।
• শিল্প: ৩৭.৫৬%।
• সেবা: ৫১.২৪%।

অন্যদিকে,
- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ৪৫.৩৩%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ১৭.০২%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ৩৭.৬৫%।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
১,৫৩৪.
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর অনুযায়ী,  বাংলাদেশে ড্রাগন ফল উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি? [অক্টোবর, ২০২৫]
  1. যশোর
  2. রাজশাহী
  3. ঝিনাইদহ
  4. চুয়াডাঙ্গা
ব্যাখ্যা

• ড্রাগন ফল উৎপাদন:
- কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ড্রাগন উৎপাদনের শীর্ষে আছে ঝিনাইদহ জেলা।
- এখানে গত অর্থবছরে উৎপাদন হয় ৩২ হাজার ৭৬৮ মেট্রিক টন ড্রাগন।
- এরপরে রয়েছে যশোর জেলা।
- এখানে গত অর্থবছরে উৎপাদন হয় ১২ হাজার ৫৫৩ মেট্রিক টন ড্রাগন।
- আর তৃতীয় শীর্ষ জেলা রাজশাহীতে উৎপাদন হয় ৪ হাজার ৪৭৭ মেট্রিক টন ড্রাগন।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো। (Link)

১,৫৩৫.
কৃষি ও বনজ খাতের উপখাত নয় কোনটি?
  1. ক) শস্য ও শাকসবজি
  2. খ) বনজ সম্পদ
  3. গ) মৎস সম্পদ
  4. ঘ) প্রাণী সম্পদ
ব্যাখ্যা
মৎস্য বাংলাদেশের কৃষির উপখাত নয়। এটি এখন উন্নত কৃষি খাত।
- পূর্বে মৎস্য, শস্য, শাকসবজি, বনজ সম্পদ ও প্রাণী সম্পর্কে কৃষির উপখাত হিসেবে ধরা হতো।
- বর্তমানে কৃষির উপখাত গুলো হল: শস্য ও শাকসবজি, বনজ সম্পদ এবং প্রাণী সম্পদ।

 উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক কৃষি শিক্ষা বই ও অর্থনৈতিক সমীক্ষা - ২০২২
১,৫৩৬.
কোনটি অনিয়ন্ত্রিত ফসল?
  1. ক) ধান
  2. খ) আলু
  3. গ) পাট
  4. ঘ) আখ
ব্যাখ্যা

আলু একটি অনিয়ন্ত্রিত ফসল। আলুকে অনিয়ন্ত্রিত ফসল হিসেবে ঘোষণা করা হয় ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯।

- যে সকল ফসলের বীজ, বিক্রয় বিতরণ বিনিময়, আমদানি ও রপ্তানি ইত্যাদি ক্ষেত্রে সরকারি, বেসরকারি পর্যায়ে বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সির অনুমোদন প্রয়োজন হয় না তাদেরকে অনিয়ন্ত্রিত ফসল বলে।
- যেমন: সরিষা, ভুট্টা, আলু ইত্যাদি।

- যে সকল ফসলের বীজ, বিক্রয় বিতরণ বিনিময়, আমদানি ও রপ্তানি ইত্যাদি ক্ষেত্রে সরকারি, বেসরকারি পর্যায়ে বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সির অনুমোদন প্রয়োজন হয় তাদেরকে নিয়ন্ত্রিত ফসল বলে।
- যেমন: ধান, গম, পাট, আখ ইত্যাদি।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক কৃষি শিক্ষা বোর্ড বই।

১,৫৩৭.
উচ্চ ফলনশীল পেঁয়াজের জাত কোনটি?
  1. তাহেরপুরী
  2. আইলসা
  3. প্রভাতী
  4. সুফলা
ব্যাখ্যা
উচ্চ ফলনশীল পেঁয়াজের জাত:
- সুখ সাগর, ঝিটকা, কৈলাসনগর, তাহেরপুরী, ভাতি।

অন্যদিকে: 
উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত:
- হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, কুফরী, মুলটা ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাত:
- গ্রীন এক্সপ্রেস, ড্রামহেড, গোল্ডেন ক্রস, প্রভাতী, অগ্রদূত।

উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত:
- বিপ্লব, হিরা, মালা, ইরাটম, ময়না, চান্দিনা, হরিধান, নারিফা, সুফলা, প্রগতি ইত্যাদি।

সূত্র - জাতীয় কৃষি বাতায়ন।
১,৫৩৮.
বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. নাটোর
  2. চাঁপাইনবাবগঞ্জ
  3. রাজশাহী
  4. বগুড়া
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড:
- বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড রাজশাহী জেলায় অবস্থিত।

 উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড ১৯৭৭ সালের ২৮ ডিসেম্বর বাংলাদেশ রেশম বোর্ড নামে যাত্রা শুরু করে।
- ২০১৩ সালে রেশম বোর্ড, রেশম গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট এবং সিল্ক ফাউন্ডেশন কে একীভূত করে বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড গঠন করা হয়।

সূত্রঃ বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড ওয়েবসাইট।
১,৫৩৯.
বাংলাদেশের বড় প্রাকৃতিক মৎস প্রজনন কেন্দ্র কোনটি?
  1. মেঘনা নদী
  2. কর্ণফুলী নদী
  3. পদ্মা নদী
  4. হালদা নদী
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের বড় প্রাকৃতিক মৎস প্রজনন কেন্দ্র - হালদা নদী।

হালদা নদী:
- হালদা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের একটি নদী।
- পার্বত্য চট্টগ্রামের বাটনাতলী পাহাড় হতে উৎপন্ন হয়ে এটি ফটিকছড়ির মধ্য দিয়ে চট্টগ্রাম জেলায় প্রবেশ করেছে।
- এটি কালুরঘাটের নিকটে কর্ণফুলী নদীর সাথে মিলিত হয়েছে।
- এর মোট দৈর্ঘ্য ৮১ কিলোমিটার।
- এটি দেশের বড় প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র।
- হালদা বিশ্বের একমাত্র জোয়ার-ভাটার নদী, যেখান থেকে রুইজাতীয় মাছের (রুই, কাতলা, মৃগেল, কালিবাউশ) নিষিক্ত ডিম সংগ্রহ করা হয়।
- হালদা নদীর প্রজনন সময় হচ্ছে এপ্রিল, মে, জুন এই তিন মাস।
- অমাবস্যা, পূর্ণিমা তিথিতে এখানে রুইজাতীয় মাছ নিষিক্ত ডিম ছাড়ে।
- হালদা হচ্ছে বাংলাদেশের একমাত্র প্রাকৃতিক জিন ব্যাংক।

উৎস:জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১,৫৪০.
উচ্চ ফলনশীল বেগুনের জাত কোনটি?
  1. তারাপুরি
  2. পদ্ম
  3. আকালী
  4. সুগন্ধী
ব্যাখ্যা

⇒ বেগুনের জাত:
• বারি বেগুন-১(উত্তরা),
• বারি বেগুন-২(তারাপুরি),
• বারি বেগুন-৪(কাজল),
• বারি বেগুন-৫(নয়নতারা)।

⇒ তরমুজ এর জাত:
• পদ্ম
• বারি তরমুজ-১
• বারি তরমুজ-২

⇒ মরিচের জাত:
• ঝাল ও মিষ্টি এ ধরনের মরিচ দেখা যায়।
• ঝাল মরিচের মধ্যে বগুড়া, চাঁদপুরী, ফরিদপুরী উল্লেখযোগ্য।
• এছাড়া কামরাংগা, আকালী ও কালো মরিচ খুব ঝাল।

⇒ তামাক:
• সুগন্ধী (BAT-2)

তথসূত্র - কৃষি তথ্য সার্ভিস।

১,৫৪১.
জমিতে মালচিং করা হয় কেন?
  1. মাটির আর্দ্রতা কমানোর জন্য
  2. মাটির তাপমাত্রা বৃদ্ধির জন্য
  3. মাটির pH কমানোর জন্য
  4. মাটির আর্দ্রতা সংরক্ষণের জন্য
ব্যাখ্যা
মালচিং:
- বিভিন্ন ধরনের বস্তু দিয়ে যখন গাছপালার গোড়া, সবজি ক্ষেত ও বাগানের বেডের জমি বিশেষ পদ্ধতিতে ঢেকে দেয়া হয় তখন তাকে বলে মালচ। এ পদ্ধতিটি কে মালচিং বলে।
- ফসলের ক্ষেতে আর্দ্রতা সংরক্ষণে মালচিং বিশেষভাবে উপকারী, কারণ এ প্রযুক্তি ব্যবহারে ফসল ক্ষেতের পানি সূর্যের তাপ ও বাতাসে দ্রুত উড়ে যায় না।
- ফলে জমিতে রসের ঘাটতি হয় না এবং সেচ লাগে অনেক কম।
- মালচিং ব্যবহার করলে জমিতে প্রায় ১০ থেকে ২৫ ভাগ আর্দ্রতা সংরক্ষণ করা সম্ভব হয়।
- মালচিং করার জন্য যেসব মালচ উপাদান ব্যবহার করা হয় সেগুলো হলো জৈব ও অজৈব পদার্থ। উপাদানগুলো হলো-ধান বা গমের খড়, কচুরিপানা, গাছের পাতা, শুকনা ঘাস, কম্পোস্ট, ভালোভাবে পচানো রান্নাঘরের আবর্জনা ইত্যাদি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
- শীতকালে মালচ ব্যবহার করলে মাটিতে প্রয়োজনীয় তাপমাত্রা ধরে রাখা সম্ভব হয় এবং গরমকালে মাটি ঠান্ডা থাকে, এমনকি বেশ কিছু পোকামাকড়ের আক্রমণও রোধ করা যায়।

তথ্যসূত্র - জাতীয় কৃষি বাতায়ন।
১,৫৪২.
পাট চাষের জন্য সবচেয়ে উপযোগী মাটি কোনটি?
  1. পলি মাটি
  2. বেলে মাটি
  3. দো-আঁশ মাটি
  4. এঁটেল মাটি
ব্যাখ্যা

পাট চাষ:
- উর্বর দো-আঁশ মাটি পাট চাষের জন্য সবচেয়ে উপযোগী।
- তবে বেলে ও এঁটেল মাটি ছাড়া সব জমিতেই পাট চাষ করা যায়।
- তবে যে জমিতে বর্ষার শেষের দিকে পলি পড়ে সে জমি পাট চাষের জন্য উত্তম।
- তোষা পাট উঁচু জমিতে এবং দেশী পাট উঁচু ও নিচু দু'ধরনের জমিতেই চাষ করা যায়।

তথ্যসূত্র - কৃষি শিক্ষা, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৫৪৩.
বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট সামুদ্রিক মৎস্য ও প্রযুক্তি কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. পটুয়াখালি
  2. চাঁদপুর
  3. বাগেরহাট
  4. কক্সবাজার
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই):
- বাংলাদেশের মৎস্য গবেষণা, উন্নয়ন এবং ব্যবস্থাপনার জন্য নিবেদিত একটি বিশিষ্ট প্রতিষ্ঠান। এখানে বিএফআরআই এর ইতিহাস এবং কার্যকলাপের একটি সংক্ষিপ্ত বিবরণ নিম্নরুপ:
-  বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই) বাংলাদেশের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
-  দেশের মৎস্য খাতে বৈজ্ঞানিক গবেষণা এবং প্রযুক্তিগত অগ্রগতির জন্য ক্রমবর্ধমান প্রয়োজনীয়তা মোকাবেলা করার লক্ষ্যে এটি তৈরি করা হয়েছে।

• বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট এর পাাঁচটি কেন্দ্র রয়েছে।
- কেন্দ্রসমুহ:
- বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট স্বাদুপানি কেন্দ্র, ময়মনসিংহ
- বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট নদী কেন্দ্র, চাঁদপুর
- বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট  চিংড়ি গবেষণা কেন্দ্র, বাগেরহাট
- বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট লোনাপানি কেন্দ্র, পাইকগাছা, খুলনা
- বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট সামুদ্রিক মৎস্য ও প্রযুক্তি কেন্দ্র, কক্সবাজার।

উৎস: বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট  লিংক
১,৫৪৪.
সরকার ঘােষিত দেশের প্রথম মৎস্য অভয়াশ্রম কোনটি?
  1. ক) বাইক্কা বিল
  2. খ) চলন বিল
  3. গ) হাকালুকি হাওর
  4. ঘ) হাইল হাওর
ব্যাখ্যা
• সরকার ঘােষিত দেশের প্রথম মৎস্য অভয়াশ্রম - হাইল হাওড়। 

- জলাশয় সংশ্লিষ্ট মৎস্যজীবী-জেলেসহ সংশ্লিষ্ট সুফলভোগীদের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং জলাশয়ের জৈবিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে সরকার এরই মধ্যে সরকারি জলমহাল ব্যবস্থাপনা নীতি ২০০৯ প্রণয়ন করেছে।
- এ নীতির আওতায় অভ্যন্তরীণ জলসম্পদের স্থায়িত্বশীল উন্নয়নের জন্য জলাশয় সংশ্লিষ্ট সুফলভোগী/জেলেদের সমন্বয়ে সমাজভিত্তিক সংগঠন গড়ে তোলার কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
- বিপন্ন প্রায় মৎস্য প্রজাতির সংরক্ষণ, প্রজনন ও বংশবৃদ্ধির জন্য অভয়াশ্রম স্থাপন একটি অন্যতম কারিগরি কৌশল।
- বিগত পাঁচ বছরে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন নদ-নদী ও অভ্যন্তরীণ মুক্ত জলাশয়ে ৫৩৪টি অভয়াশ্রম প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।
- পাঁচ বছরে স্থাপিত ৫৩৪টি অভয়াশ্রমসহ বর্তমানে দেশব্যাপী প্রায় ৫৫০টি অভয়াশ্রম স্থানীয় সুফলভোগী কর্তৃক সফলতার সঙ্গে পরিচালিত হচ্ছে।
- এসব অভয়াশ্রম স্থাপনের ফলে বিপন্ন প্রায় মৎস্য প্রজাতি যথা-চিতল, ফলি, বামোস, কালিবাউস, আইড়, টেংরা, মেনি, রানী, সরপুঁটি, মধু পাবদা, রিটা, কাজলী, চাকা, গজার, তারা বাইম ইত্যাদি মাছের প্রাপ্যতা বহুলাংশে বৃদ্ধি পেয়েছে।

সূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস/ দৈনিক পত্রিকা রিপোর্ট।
১,৫৪৫.
উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত কোনটি?
  1. সৌরভ
  2. গৌরব
  3. ড্রামহেড
  4. চমক
ব্যাখ্যা
উচ্চ ফলনশীল কলার জাত:
- সিঙ্গাপুরী, কাবুলী, মেহের সাগর, অমৃত সাগর, সবরি, অনুপম, মালভোগ, মর্তমান, চাঁপা, অগ্নিশ্বর, কবরী।

উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত:
- হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, কুফরী, মুলটা ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল গমের জাত:
- কাঞ্চন, আকবর, অঘ্রাণী, প্রতিভা, সৌরভ, গৌরব।

উচ্চ ফলনশীল পেঁয়াজের জাত:
- সুখ সাগর, ঝিটকা, কৈলাসনগর, তাহেরপুরী, ভাতি।

উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাত:
- গ্রীন এক্সপ্রেস, ড্রামহেড, গোল্ডেন ক্রস, প্রভাতী, অগ্রদূত।

উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত:
- বিপ্লব, হিরা, মালা, ইরাটম, ময়না, চান্দিনা, হরিধান, নারিফা, সুফলা, প্রগতি ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল আমের জাত:
- মহানন্দা, ল্যাংড়া, ফজলি, হাড়িভাঙ্গা, আম্রপালি, গোপালভোগ, সূর্যপুরী, হিমসাগর, মোহনভোগ প্রভৃতি।

তথ্যসূত্র - জাতীয় কৃষি বাতায়ন।
১,৫৪৬.
দেশের কোথায় ভাসমান ফসল চাষ পদ্ধতির প্রচলন রয়েছে?
  1. চট্টগ্রাম
  2. পিরোজপুর
  3. ঝিনাইদহ
  4. গাজীপুর
ব্যাখ্যা
- পিরোজপুর জেলার নাজিরপুর উপজেলায় প্রায় দেড়শ বছর পূর্বে দেশের প্রথম ভাসমান ফসল চাষের প্রচলন ঘটে। বিল এলাকা হওয়ায় কচুরিপানা, শেওলা প্রভৃতি দ্বারা বেড তৈরি করে ভাসমান পদ্ধতিতে ফসল চাষ করা হয়ে থাকে।
- বর্তমানে পটুয়াখালী, বরিশাল ও গোপালগঞ্জসহ দেশের বন্যা ও জলাবদ্ধপ্রবণ এলাকাসমূহে ভাসমান পদ্ধতিতে ফসলের চাষ হচ্ছে।
(তথ্যসূত্র: কৃষিশিক্ষা- নবম-দশম শ্রেণী এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরে)
১,৫৪৭.
পচনের পর পাট থেকে কয়ভাবে আঁশ ছাড়ানো যায়?
  1. ক) ৪ ভাবে
  2. খ) ৫ ভাবে
  3. গ) ২ ভাবে
  4. ঘ) ৩ ভাবে
ব্যাখ্যা
আঁশ ছাড়ানো ও পরিষ্কারকরণ
পচার পর পাট গাছ থেকে দু'ভাবে আঁশ ছাড়ানো যায়, যথা:- 

১। শুকনো জায়গায় বসে প্রতিটি পাট গাছ থেকে আলাদা আলাদাভাবে আঁশ ছাড়িয়ে নেয়ার পর কায়েকটি পাট গাছের আঁশ একত্রে করে ধুয়ে নেওয়া হয় এবং আঁটি বেঁধে রাখা হয়। এক্ষেত্রে পাটের কাঠি ভাঙ্গা হয় না বিধায় আস্ত থাকে।

২। হাঁটু থেকে কোমর পর্যন্ত পানিতে দাঁড়িয়ে পাটের আঁটির গোড়ায় কাঠ বা বাঁশের মুগুর দ্বারা পিটানো হয়। এরপর গোড়া থেকে ৪০-৪৬ সে.মি. দূরে ভেঙ্গে পানির মধ্যে লম্বভাবে কয়েকটি ঝাঁকি দিলেই গোড়ার পাটকাঠি বের হয়ে যায়। পরে গোড়ার আঁশ হাতে পেচিয়ে নিয়ে পানির উপর সমান্তরালভাবে সামনে পিছনে ঠেলা দিলেই অগ্রভাগের পাটকাঠি বের হয়ে যায়। পরবর্তীতে আঁশগুলো ভালোভাবে ধূয়ে নিয়ে আঁটি বেঁধে রাখা হয়।  

তথ্যসূত্র:- কৃষি শিক্ষা, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫৪৮.
বাংলাদেশের প্রথম বাণিজ্যিক চা বাগান কোনটি?
  1. দেওড়াছড়া
  2. মালনীছড়া
  3. মির্জাপুর
  4. লাক্কাতুরা
ব্যাখ্যা
চা ও চা বাগান:

- বাংলাদেশে চায়ের চাষাবাদ প্রথম শুরু হয় চট্টগ্রামে।
- বাণিজ্যিকভাবে বাংলাদেশে প্রথম চা চাষ শুরু হয় ১৮৫৪ সালে।
- বাংলাদেশে চায়ের চাষাবাদ প্রথম শুরু হয় ১৮৪০ সালে।
- সিলেটের মালনিছড়ায় প্রথম বাণিজ্যিক চা বাগান প্রতিষ্ঠা করা হয়
- বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি চা বাগান মৌলভীবাজার জেলায়।

তথ্যসূত্র- বিবিসি বাংলা, ২১ মে ২০১২, দৈনিক সমকাল, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০১৮ ও বাংলাদেশ চা বোর্ড ওয়েবসাইট।
১,৫৪৯.
মহানন্দা কী?
  1. ক) উন্নত জাতের গম
  2. খ) উন্নত জাতের কলা
  3. গ) উন্নত জাতের তুলা
  4. ঘ) উন্নত জাতের আম
ব্যাখ্যা
মহানন্দা হচ্ছে উন্নত জাতের আম।
(মহানন্দা): প্রতি বছর নিয়মিত ফল দেয়।
বাংলাদেশের সবখানেই এ জাতটির চাষ করা যায়।
পাকা ফলের রং আকর্ষণীয় হলদে।
ফলের ওজন গড়ে প্রায় ২০০ গ্রাম।

এছাড়াও---
- উন্নত জাতের গম- কাঞ্চন, আকবর, অঘ্রাণী, প্রতিভা, সৌরভ, গৌরব।
- উন্নত জাতের কলা- অমৃত সাগর, সবরি, অনুপম, মালভোগ, মর্তমান, চাঁপা, অগ্নিশ্বর, কবরী।
- উন্নত জাতের তুলা- সিবি-১১, সিবি-৫, সিবি-৯, সিবি-১০ 

তথ্যসূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
১,৫৫০.
মধুপুর ও ভাওয়াল গড়ের বনভূমির প্রধান বৃক্ষ কোনটি?
  1. ক) গজারি
  2. খ) সুন্দরী
  3. গ) সেগুন
  4. ঘ) গরান
ব্যাখ্যা
টাঙ্গাইলের মধুপুর, গাজীপুরের ভাওয়াল গড়, শেরপুর, ময়মনসিংহ ও বরেন্দ্রভূমি এলাকায় বিস্তৃত শালবন একটি পত্রপতনশীল বৃক্ষের বনভূমি। যার কারণে শীতকালে এই বনের গাছের পাতা ঝড়ে যায়।
শালবনের প্রধান বৃক্ষ হলো শাল বা গজারি।
শালবনের মোট আয়তন প্রায় ১.২ লক্ষ হেক্টর।

(তথ্যসূত্র: বন অধিদপ্তর ওয়েবসাইট)
১,৫৫১.
শালবন কোন ধরনের বনভূমি?
  1. চিরহরিৎ
  2. পত্রপতনশীল
  3. ক্রান্তীয় চিরহরিৎ ও পত্রপতনশীল
  4. স্রোতজ
ব্যাখ্যা
- টাঙ্গাইল ও গাজীপুর জেলায় অবস্থিত মধুপুর ও ভাওয়াল গড়ের শালবন হলো পত্রপতনশীল বৃক্ষের বনভূমি।
- শীতকালে এ বনের বৃক্ষের পাতাঝড়ে যায়।
- টাঙ্গাইল ও গাজীপুর ব্যতীত ময়মনসিংহ ও শেরপুর এবং উত্তরাঞ্চলের দিনাজপুর, রংপুর, নওগা, পঞ্চগড় ও ঠাকুরগাঁও জেলায়ও শালবন রয়েছে।
- শালবনের প্রধান বৃক্ষ শাল বা গজারী।
- শালবন ব্যতীত দেশের উত্তর-পূর্ব এবং দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের বনভূমির কম বৃষ্টিসম্পন্ন অঞ্চলেও পত্রপতনশীল বৃক্ষের আধিক্য রয়েছে।
(সূত্রঃ বন অধিদপ্তর ওয়েবসাইট)
১,৫৫২.
নিম্নের কোনটি খরিপ-১ মৌসুমের ফসল?
  1. মসুর ডাল
  2. মিষ্টি কুমড়া
  3. গম
  4. যব
ব্যাখ্যা

কৃষিক্ষেত্রে মৌসুম:
- ফসল উৎপাদনের জন্য সারাবছরকে দুইটি মৌসুমে ভাগ করা যায়। যথা:
i) রবি মৌসুম:
- শীতকালীন শস্যকে বলে রবি শস্য।
- আশ্বিন থেকে ফাল্গুন হচ্ছে রবি মৌসুম।
- মধ্য অক্টোবর থেকে মধ্য মার্চ পর্যন্ত, মতান্তরে মধ্য নভেম্বর থেকে মধ্য এপ্রিল পর্যন্ত সময়কালকে রবি মৌসুম বলে।
- গ্রীষ্মকালে অর্থাৎ ফেব্রুয়ারি এবং মার্চ মাসে ফসল তোলা হয়।
- বোরো ধান, গম, মসুর ডাল, যব, সরিষা, পেঁয়াজ, মটরশুঁটি ইত্যাদি ফসলকে এ মৌসুমের প্রধান শস্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এ ছাড়া ফুলকপি, বাঁধাকপি, মুলা, গাজর, লাউ, শিম, টমেটো, আলু ইত্যাদিও এ মৌসুমে চাষ করা হয়।

ii) খরিপ মৌসুম:
- চৈত্র থেকে ভাদ্র মাস পর্যন্ত সময়কে খরিপ মৌসুম বলে। খরিপ মৌসুমে বিশেষ করে আষাঢ় থেকে ভাদ্র মাসের মধ্যে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়। খরিপ মৌসুমে তাপমাত্রা ও বায়ুর আর্দ্রতা বেশি পরিলক্ষিত হয়। খরিপ মৌসুমকে আবার দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যথা: খরিপ-১ বা গ্রীষ্মকাল এবং খরিপ- ২ বা বর্ষাকাল।

খরিপ-১ মৌসুম:
- চৈত্র মাস থেকে আষাঢ় মাস (মধ্য মার্চ হতে মধ্য জুলাই) পর্যন্ত সময়কে খরিপ-১ বলা হয়। এইসময়কে গ্রীষ্মকালও বলা হয়।
- এ মৌসুমে উৎপন্ন ফসলগুলোকে খরিপ-১ শস্য বলে। যেমন- আউশ ধান, পাট, কাউন, ভুট্টা, তিল, মিষ্টি কুমড়া, কচু ও ঝিঙ্গা ইত্যাদি

⇒ খরিপ-২ মৌসুম:
- শ্রাবণ মাস থেকে আশ্বিন মাস (মধ্য জুলাই হতে মধ্য অক্টোবর) পর্যন্ত সময়কে খরিপ-২ বলে। এই সময় বর্ষাকাল।
- এ মৌসুমে উৎপন্ন ফসলগুলোকে খরিপ-২ শস্য বলে। যেমন- আমন ধান, ভুট্টা, মাষকলাই, বর্ষাকালীন সবজি ইত্যাদি ।

এছাড়াও,
- কিছু ফসল ও শাক-সবজি আছে যেগুলো উভয় মৌসুমেই বা সারা বছর চাষাবাদ করা হয়ে থাকে। এদেরকে বারোমাসী ফসল বলে। যেমন- কলা, পেঁপে ইত্যাদি।

উৎস: i) কৃষি শিক্ষা, নবম- দশম শ্রেণি।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১,৫৫৩.
গবাদিপশু উৎপাদনে বাংলাদেশের অবস্থান বিশ্বে-
  1. ক) ১০ তম
  2. খ) ১২ তম
  3. গ) ১৪ তম
  4. ঘ) ২০ তম
ব্যাখ্যা

জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) তথ্য অনুযায়ী, গবাদি পশু উৎপাদনে বিশ্বে দ্বাদশ স্থানে রয়েছে বাংলাদেশ।
- এককভাবে ছাগল উৎপাদনে বিশ্বে চতুর্থ। 
- ছাগলের দুধ উৎপাদনে বিশ্বে দ্বিতীয়। ছাগলকে গরিবের গাভী বলা হয়।
- বর্তমানে ছাগলের থেকে গরুর উৎপাদন বাড়ছে।

সূত্র: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়

১,৫৫৪.
বাংলাদেশের কোথায় জুম চাষ হয়?
  1. মধুপুর বনভূমিতে
  2. উপকূলীয় অঞ্চলে
  3. পার্বত্য অঞ্চলে
  4. সমতল ভূমিতে
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের পার্বত্য অঞ্চলে জুম চাষ হয়।

জুম চাষ:
- পাহাড়ি এলাকায় প্রচলিত এক ধরনের কৃষিপদ্ধতি।
- জুম চাষ বিশেষ শব্দে "ঝুম চাষ" নামেও পরিচিত।
- জুম চাষ এক ধরনের স্থানান্তরিত কৃষিপদ্ধতি।
- এটি মূলত জঙ্গল কেটে পুড়িয়ে চাষ করা হয়, আবার সেই স্থানে জমির উর্বরতা কমে গেলে পূর্বের স্থান হতে কৃষি জমি স্থানান্তরিত করে অন্যত্র আবার কৃষি জমি গড়ে ওঠে।
- পাহাড়ের গায়ে ঢালু এলাকায় এই চাষ করা হয়।
- এই পদ্ধতির চাষে বছরের বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ফসল উৎপাদন করা সম্ভব হয়।
- জুম চাষ ভারতে পোড়ু, বীরা, পোনম, প্রভৃতি নামেও পরিচিত।
- রাঙ্গামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি এই তিন জেলায় জুম চাষের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি।
- পাহাড়ীদের সমাজে জুম চাষ বেশ জনপ্রিয়।
- পাহাড়ী জুমিয়ান নারীরা অতি যত্নের সহিত জুম চাষে ব্যস্ত থাকে সব সময়।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১,৫৫৫.
নিচের কোন জেলায় উপকূলীয় বনায়ন কার্যক্রম চালু রয়েছে?
  1. ক) নোয়াখালী
  2. খ) কক্সবাজার
  3. গ) পিরোজপুর
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে সর্বপ্রথম ১৯৬৬ সালে উপকূলীয় সামাজিক বনায়ন কার্যক্রম ‍শুরু হয়। এর আওতায় বর্তমানে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, ফেনী, লক্ষীপুর, নোয়াখালী, ভোলা, বরগুনা, পটুয়াখালী এবং পিরোজপুরে প্রায় ১.৯৬ লক্ষ হেক্টর জমিতে বনায়ন করা হয়েছে এবং আরো প্রায় ৩ লক্ষ হেক্টর জমিতে বনায়ন কার্যক্রম চালু রয়েছে।
এ ধরনের বনভূমি প্যারা বন নামেও পরিচিত।
(সূত্রঃ বন অধিদপ্তর ওয়েবসাইট)
১,৫৫৬.
কোন জেলাকে বাংলার শস্যভান্ডার বলা হয়?
  1. রংপুর
  2. দিনাজপুর
  3. বরিশাল
  4. ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের শস্য ভাণ্ডার:
- বরিশাল জেলাকে বাংলার শস্যভান্ডার বলা হয়।
- বিপুল পরিমাণ কৃষিজমি ও আমন ধানের জন্য এই খ্যাতি ছিল।
- কীর্তনখোলা নদীর তীরে অবস্থিত এ শহরের পুরাতন নাম চন্দ্রদ্বীপ। 
- এ রাজ্য প্রতিষ্ঠার পূর্বে এ অঞ্চল ‘বাকলা' নামে পরিচিত ছিল।
- ‘বাকলা' অর্থ শস্য ব্যবসায়ী যা আরবী শব্দ থেকে আগত। 
- বাংলার শস্য ভান্ডার বরিশাল একদা ‘এগ্রিকালচারাল ম্যানচেস্টার' হিসেবে পরিচিত ছিল।
- প্রাচীনকাল থেকে পলি গঠিত উর্বর এ অঞ্চল ছিল কৃষির জন্য উৎকৃষ্ট এবং বসবাসের জন্য উত্তম।
- কৃষিই ছিল এ দেশের অর্থনীতির মূল উৎস।
- পর্যটক রালফ ফিস ১৫৮০ সালে বাকলাকে অত্যন্ত সম্পদশালী আখ্যায়িত করে এখানকার প্রচুর চাল, কার্পাস, রেশমবস্ত্র ও সুবৃহৎ ঘরের কথা উল্লেখ করেছেন। 

উৎস: i) বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
         ii) ২ ডিসেম্বর ২০২১, প্রথম আলো।
১,৫৫৭.
দেশে প্রথম ইকোপার্ক স্থাপিত হয় কোথায়?
  1. ক) ডুলাহাজরা
  2. খ) সীতাকুণ্ড
  3. গ) বড়লেখা
  4. ঘ) টেকনাফ
ব্যাখ্যা
১৯৯৮ সালে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে দেশের প্রথম ইকোপার্ক স্থাপিত হয়। এর নাম হলো সীতাকুণ্ড বোটানিক্যাল গার্ডেন ও ইকোপার্ক। এটির আয়তন প্রায় ৮০৮ হেক্টর। এটিসহ বর্তমানে দেশে মোট ১০টি ইকোপার্ক রয়েছে।

(তথ্যসূত্র: বন অধিদপ্তর ওয়েবসাইট)
১,৫৫৮.
বাংলাদেশে বোরো ধান রোপনের সময় -
  1. মধ্য মার্চ–মধ্য এপ্রিল
  2. মধ্য নভেম্বর–মধ্য জানুয়ারি
  3. জুনের শেষ–সেপ্টেম্বরের শুরু
  4. ডিসেম্বর – জানুয়ারির শুরু
ব্যাখ্যা
• ধান উৎপাদন:
- আউশ ধান রোপনের সময়=মধ্য মার্চ – মধ্য এপ্রিল।
- আউশ ধান উত্তোলনের সময় =মধ্য জুলাই – আগস্টের শুরু।

- আমন ধান রোপনের সময়=জুনের শেষ – সেপ্টেম্বরের শুরু।
- আমন ধান উত্তোলনের সময়= ডিসেম্বর – জানুয়ারির শুরু।

- বোরো ধান রোপনের সময়= মধ্য নভেম্বর – মধ্য জানুয়ারি।
- বোরো ধান উত্তোলনের সময় = এপ্রিল – মে।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান গ্রন্থ-২০২২।
১,৫৫৯.
অমৃতসাগর কোন ফসলের জাত?
  1. আম
  2. তরমুজ
  3. কলা
  4. লিচু
ব্যাখ্যা
অমৃতসাগর কলার একটি জাত।
কলার অন্যান্য জাতের মধ্যে রয়েছে:
- অগ্নিশ্বর
- বীটজবা
- মোহনবাশী
- কানাইবাশী
- চাম্পা
- চিনি চাম্পা
- সবরি
- বারি কলা-১
- বারি কলা-৪ প্রভৃতি।

(তথ্যসূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস ওয়েবসাইট)
১,৫৬০.
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত উন্নত বেগুনের জাত কোনটি?
  1. শুভ্রা
  2. বাহার
  3. যমুনা
  4. শুকতারা
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন ফসলের উন্নত জাত:
- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত উন্নত জাতের ফসল:

• উন্নত জাতের ধান: ইরাটম, ব্রি হাইব্রিড - ১ চান্দিনা, মালা, বিপ্লব, দুলাভোগ, মোহিনী, সুফলা।
• উন্নত জাতের গম: সোনালিকা ও আকবর।
• উন্নত জাতের তামাক: সুমাত্রা ও ম্যানিলা।
• উন্নত জাতের ভুট্টা: বর্ণালী, শুভ্রা ও উত্তরণ।
• উন্নত জাতের আম: মহানন্দা, ল্যাংড়া ও মােহনভােগ।
• উন্নত জাতের টমেটো: বাহার।
• :উন্নত জাতের মরিচ: যমুনা।
উন্নত জাতের বেগুন: শুকতারা, নয়নতারা, তারাপুরী, ইসলামপুরী, কাজলা, বিজয়, মুক্তকেশী, ঝুমকো।
• উন্নত জাতের আলু: হিরা, আইলসা, পেট্রোনিস, মুল্টা, ডায়ামন্ট, কার্ডিনাল, মন্ডিয়াল, কুফরী সিন্দুরী, চমক, ধীরা, গ্রানোলা, ক্লিওপেট্রা ও চিনেলা।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
১,৫৬১.
নিচের কোনটি লবণাক্ততা ও বন্যা সহিষ্ণু ধানের জাত?
  1. বিনাধান-২০
  2. বিনাধান-২১
  3. বিনাধান-২২
  4. বিনাধান-২৩
ব্যাখ্যা
বিনাধান-২৩ হলো একটি লবণাক্ততা ও বন্যা সহিষ্ণু ধানের জাত। এটির উদ্ভাবক বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট।
সম্প্রতি বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের একদল গবেষক বিনাধান-২৩ জাতের ধানের জীবনরহস্য উন্মোচন করতে সক্ষম হয়। এটি দেশে প্রথমবারের ধানের জীবন রহস্য উন্মোচনের ঘটনা।

অন্যদিকে,
- বিনাধান-২০ : জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত
- বিনাধান-২১ : খরা সহিষ্ণু ধানের জাত
- বিনাধান-২২ : লবণাক্ততা ও জলাবদ্ধতা অসহিষ্ণু ধানের জাত।

(তথ্যসূত্র: বিনা ওয়েবসাইট এবং দৈনিক ইত্তেফাক)
১,৫৬২.
চা বোর্ড কর্তৃক নিবন্ধকৃত দেশে মোট চা-বাগানের সংখ্যা কতটি? [মার্চ-২০২৬]
  1. ১৬৯টি
  2. ১৭০টি
  3. ১৭১টি
  4. ১৭২টি
ব্যাখ্যা

চা-বাগান:
- চা বোর্ড কর্তৃক নিবন্ধকৃত দেশে মোট চা-বাগানের সংখ্যা – ১৭১ টি।
- মৌলভীবাজার জেলায় চা-বাগানের সংখ্যা - ৯০ টি।
- হবিগঞ্জ জেলায় চা-বাগানের সংখ্যা - ২৫ টি।
- সিলেট জেলায় চা-বাগানের সংখ্যা - ১৯ টি।
- চট্টগ্রাম জেলায় চা-বাগানের সংখ্যা - ২২ টি।
- রাঙ্গামাটি জেলায় চা-বাগানের সংখ্যা - ২ টি।
- পঞ্চগড় জেলায় চা-বাগানের সংখ্যা - ১১ টি।
- ঠাকুরগাওঁ জেলায় চা-বাগানের সংখ্যা - ১ টি।
- খাগড়াছড়ি জেলায় চা-বাগানের সংখ্যা -১ টি। [ব্যাখ্যা আপডেট - মার্চ, ২০২৬]

উৎস: বাংলাদেশ চা বোর্ড ওয়েবসাইট।

১,৫৬৩.
‘শুকতারা‘ ও ‘তারাপুরী‘ কোন ফসলের একটি উন্নত জাত?
  1. ক) বেগুন
  2. খ) কলা
  3. গ) মারিচ
  4. ঘ) টমেটো
ব্যাখ্যা
• বেগুন:
- তারাপুরী (বারি বেগুন ২)- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনষ্টিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত হাইব্রিড জাত।
- ইসলামপুরী ও উত্তরা জাতের মধ্যে সংকরায়নের মাধ্যমে উদ্ভাবিত।
- শ্রাবণ-ভাদ্র মাস চারা রোপণের উপযুক্ত সময়।
- ফল গাঢ় বেগুনী, প্রায় ১৬ সেমি. লম্বা ও বেড় ৬ সেমি.।
- উচ্চফলনশীল, প্রতিটি ফলের ওজন গড়ে ৯০ গ্রাম, হেক্টর প্রতি গড় ফলন ৮০ টন।
- এ জাতটি ব্যাকটেরিয়াজনিত ঢলে পড়া রোগ প্রতিরোধ করতে পারে।

এছাড়াও আরো কিছু বেগুনের উন্নত জাত হলো:
নয়ন কাজল, কেজি বেগুন, শিংনাথ, ঝুমকো, মুক্তকেশী, শুকতারা, তারাপুরী (বারি বেগুন ২), কাজলা, নয়নতারা, বিজয়, চমক এফ১

তথ্যসূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
১,৫৬৪.
জাটকা ইলিশ কত সেন্টিমিটারের ছোট?
  1. ২৩ সেমি
  2. ২৫ সেমি
  3. ২৭ সেমি
  4. ৩০ সেমি
ব্যাখ্যা
ইলিশ:
- জাতীয় মাছ ইলিশ আমাদের ঐতিহ্যের ধারক ও বাহক।
- বর্তমানে ইলিশ উৎপাদনকারী ১১টি দেশের মধ্যে বিশ্বে প্রথম বাংলাদেশ।
- দেশের মোট মৎস্য উৎপাদনে ইলিশ মাছের অবদান প্রায় ১১%।
- বাংলাদেশের জিডিপিতে ইলিশের অবদান ১%।

⇒ বাংলাদেশের মৎস্য আইন অনুযায়ী, ১০ ইঞ্চি বা ২৫ সেন্টিমিটার আকৃতির ইলিশ জাটকা হিসেবে গণ্য হবে।
- এই আইন অমান্য করা হলে ন্যূনতম এক বছর থেকে দুই বছরের জেল অথবা পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করার বিধান রাখা হয়েছে।
- প্রতি বছর ১লা নভেম্বর হতে ৩০শে জুন পর্যন্ত মোট ০৮ (আট) মাস ১০ ইঞ্চি বা ২৫ সে.মি. সাইজের ইলিশ মাছ (জাটকা) আহরণ, পরিবহন, ক্রয়-বিক্রয়, মজুদ, বিনিময় দন্ডনীয় অপরাধ।

উৎস: ।) ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্প।
ii) মৎস্য অধিদপ্তর, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়।
১,৫৬৫.
কৃষিতে 'রামরঙ্গন' কীসের জাত?
  1. কমলা
  2. আম
  3. বেগুন
  4. আলু
ব্যাখ্যা
কমলার জাত:
- কৃষিতে 'রামরঙ্গন' কমলার জাত।
- এ জাতের কমলা চাষের সুবিধা হচ্ছে, এটি প্রতিকূল পরিবেশসহিষ্ণু। প্রচণ্ড গরমে এ ফল ঝরে না। পরিপক্ব হওয়ার পরও গাছ থেকে ফল ঝরে পড়ে না। পাকার পরও ফলটি এক মাস গাছে রাখা যায়।
- এছাড়াও, কমলার উন্নত জাত: বারি কমলা-১, বারি কমলা-২, বারি কমলা-৩, খাসি, ম্যান্ডারিন। 

বিভিন্ন ফসলের উন্নত জাত:
• উন্নত জাতের ধান: ইরাটম, ব্রি হাইব্রিড - ১, চান্দিনা, হীরা, মালা, বিপ্লব, দুলাভোগ, মোহিনী, সুফলা, আশা, প্রগতি।
• উন্নত জাতের আম: মহানন্দা, ল্যাংড়া, গোপালভোগ, হাড়িভাঙ্গা, ক্ষীরসাপাতি ও মােহনভােগ।
• উন্নত জাতের টমেটো: বাহার, মানিক, রতন, অপূর্ব, মিন্টো, ঝুমকা, সিঁদুর, শ্রাবণী।
• উন্নত জাতের বেগুন: শুকতারা, নয়নতারা, তারাপুরী, ইসলামপুরী, কাজলা, বিজয়, মুক্তকেশী, ঝুমকো।
• উন্নত জাতের আলু: হিরা, আইলসা, পেট্রোনিস, মুল্টা, ডায়ামন্ট, কার্ডিনাল, মন্ডিয়াল, কুফরী সিন্দুরী, চমক, ধীরা, গ্রানোলা, ক্লিওপেট্রা ও চিনেলা।

উৎস: i) কৃষি তথ্য সার্ভিস।
ii) প্রথম আলো।
১,৫৬৬.
জুম চাষ হয় কোন অঞ্চলে?
  1. ক) সমতল অঞ্চলে
  2. খ) পাহাড়ি অঞ্চলে
  3. গ) উপকূলীয় অঞ্চলে
  4. ঘ) হাওর অঞ্চলে
ব্যাখ্যা
• জুমচাষ (Jhum)  বাংলাদেশের পাহাড়ি অঞ্চলে সর্বাধিক প্রচলিত চাষাবাদ পদ্ধতি।
- এর প্রকৃত অর্থ হলো স্থান পরিবর্তনের মাধ্যমে চাষাবাদ করা।
- এ ধরনের চাষাবাদে শুষ্ক মৌসুমে বনভূমি কেটে বা পুড়িয়ে স্বল্পসময়ের জন্য (১-৩ বছর) ফসল চাষাবাদের পর প্রাকৃতিক বনভূমির পুনর্জন্ম ও মৃত্তিকার উর্বরতার ক্ষয়পূরণের জন্য দীর্ঘসময় (১০-৪০ বছর) পতিত রাখা হয়।
- জুম বা স্থানান্তর চাষাবাদ সাধারণভাবে ‘সুইডেন চাষাবাদ’ বা জঙ্গল পরিষ্কার ও পোড়ানো চাষাবাদ হিসেবে পরিচিত।
- এ ধরনের প্রাচীন চাষাবাদ অধিকাংশ উপজাতীয় অধিবাসীদের অতি পরিচিত।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া
১,৫৬৭.
বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা 
  2. ফরিদপুর 
  3. গাজীপুর 
  4. চাঁদপুর
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট:
- বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট ঢাকায় অবস্থিত।

⇒ বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিজেআরআই) দেশের অন্যতম প্রাচীন গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- পাটের উন্নয়ন সংক্রান্ত গবেষণা পরিচালনার উদ্দেশ্যে ১৯৫১ সালে বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট(বিজেআরআই) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বর্তমানে বিজেআরআই পাট ও পাট জাতীয় আঁশ ফসলের কৃষি গবেষণা, কারিগরী গবেষণা এবং পাট হতে টেক্সটাইল পণ্য উদ্ভাবন সংক্রান্ত গবেষণা পরিচালনা করে থাকে।
- রাজধানী ঢাকার প্রাণকেন্দ্র, শেরে বাংলা নগরের মানিক মিয়া এভিনিউতে বিজেআরআই এর প্রধান কার্যালয় অবস্থিত।

উল্লেখ্য,
- ১৯০৪ সালে স্যার আর.এস. ফিনলো'র নেতৃত্বে ঢাকায় প্রথম পাটের গবেষণা শুরু হয়।
- বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭৪ সালে এ্যাক্টের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয় বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিজেআরআই)।
- পাটের অঞ্চল ভিত্তিক কৃষি গবেষণার জন্য মানিকগঞ্জে পাটের কেন্দ্রীয় কৃষি পরীক্ষণ স্টেশন।
- রংপুর, ফরিদপুর, কিশোরগঞ্জ ও চান্দিনায় (কুমিল্লা) চারটি আঞ্চলিক পাট গবেষণা কেন্দ্র।
- তারাবো (নারায়নগঞ্জ), মনিরামপুর (যশোর) ও কলাপাড়ায় (পটুয়াখালী) তিনটি পাট গবেষণা উপকেন্দ্র।
- নশিপুরে (দিনাজপুর) একটি পাট বীজ উৎপাদন ও গবেষণা কেন্দ্র রয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।

১,৫৬৮.
বাংলাদেশ চা বোর্ড কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ক) ১৯৭২
  2. খ) ১৯৮০
  3. গ) ১৯৭৭
  4. ঘ) ১৯৮২
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ চা বোর্ড একটি সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান।
- পাকিস্তান টি অ্যাক্ট-১৯৫০ এর অধীনে ১৯৫১ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন পাকিস্তান টি বোর্ড গঠন করা হয়।
- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ০৪ জুন ১৯৫৭ সাল থেকে ২৩ অক্টোবর ১৯৫৮ সাল পর্যন্ত তৎকালীন টি বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন।
- ১৯৫৯ সালের ০৮ আগস্ট পাকিস্তান টি অ্যাক্ট-১৯৫০ বাতিল করে টি বোর্ড পরিচালনার লক্ষ্যে চা অধ্যাদেশ ১৯৫৯ জারী করা হয়।
- ১৯৭৭ সালে চা অধ্যাদেশ-১৯৫৯ বাতিল করে চা অধ্যাদেশ -১৯৭৭ জারী করা হয় এবং এ অধ্যাদেশের অধীনে বাংলাদেশ চা বোর্ড প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বাংলাদেশ চা বোর্ডের প্রধান কার্যক্রম হচ্ছে চা শিল্পের উন্নয়ন তথা চায়ের উৎপাদন, বিপণন ও রপ্তানী বৃদ্ধির জন্য যাবতীয় ব্যবস্থা গ্রহণ, নতুন চা বাগান প্রতিষ্ঠা ও পরিত্যাক্ত চা বাগান পুনর্বাসন, বাংলাদেশে উৎপাদিত চায়ের উপর উপ-কর আরোপ এবং তার সহায়ক অন্যান্য বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহন ও সামগ্রিকভাবে চা শিল্পের কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করা।

উৎস : জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,৫৬৯.
বালাম কোন অঞ্চলের সুপরিচিত ধান?
  1. ময়মনসিংহ
  2. চট্টগ্রাম
  3. রাজশাহী
  4. বরিশাল
ব্যাখ্যা
- বালাম ধান বরিশাল অঞ্চলের একটি সুপরিচিত ঐতিহ্যবাহী ধান।
- এটি বিশেষভাবে দক্ষিণাঞ্চলের নদী বিধৌত পলিসমৃদ্ধ জমিতে চাষ হতো, বিশেষ করে রোপা আমন মৌসুমে।
- বালাম ধানের চাষে খরচ কম ছিল এবং এটি সুস্বাদু চিকন চাল হিসেবে পরিচিত ছিল।
- এর ভাত দীর্ঘসময় তাজা থাকে, যা একসময় ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিল।

এছাড়াও, 
উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত:
- বিপ্লব, হিরা, মালা, ইরাটম, ময়না, চান্দিনা, হরিধান, নারিফা, সুফলা, প্রগতি ইত্যাদি।

সূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস ও কালের কণ্ঠ।
১,৫৭০.
কোনটি রবি মৌসুমের ফসল?
  1. রোপা আমন
  2. কচু
  3. মিষ্টি কুমড়া
  4. টমেটো
ব্যাখ্যা
রবি মৌসুম:
- শীতকালীন শস্যকে বলে রবি শস্য।
- কার্তিক থেকে ফাল্গুন হচ্ছে রবি মৌসুম।
- অক্টোবর ও নভেম্বর মাসে রবি শস্য বপন করা হয়।
- কম তাপমাত্রায় বপন করা হয়।
- ফেব্রুয়ারি এবং মার্চ মাসে ফসল তোলা হয়।
- বোরো ধান, গম, মসুর ডাল, যব, সরিষা, পেঁয়াজ, মটরশুঁটি ইত্যাদি ফসলকে এ মৌসুমের প্রধান শস্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- এ ছাড়া ফুলকপি, বাঁধাকপি, মুলা, গাজর, লাউ, শিম, টমেটো, আলু ইত্যাদিও এ মৌসুমে চাষ করা হয়।

অন্যদিকে,
⇒ খরিপ মৌসুম:
- গ্রীষ্মকালীন শস্যকে বলে খরিপ শস্য।
- চৈত্র থেকে আষাঢ় এবং শ্রাবণ থেকে আশ্বিন হলো খরিপ মৌসুম।
- যেমন- আউশ ধান, পাট, কাউন, ভুট্টা, তিল, মিষ্টি কুমড়া, কচু, ঝিঙ্গা, আমন ধান, ভুট্টা, মাষকলাই, বর্ষাকালীন সবজি ইত্যাদি।

এছাড়া, 
- কিছু ফসল ও শাক-সবজি আছে যেগুলো উভয় মৌসুমেই বা সারা বছর চাষাবাদ করা হয়ে থাকে।
- এদেরকে বারোমাসী ফসল বলে। যেমন- কলা, পেঁপে ইত্যাদি।
- আধুনিক চাষাবাদ কলাকৌশলের মাধ্যমে বর্তমানে সারাবছর সবধরনের ফসল উৎপাদন করা হচ্ছে।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, নবম- দশম শ্রেণি।
১,৫৭১.
কোন মাটি গোলাপ চাষের জন্য উত্তম?
  1. দোআঁশ মাটি
  2. এঁটেল মাটি
  3. বেলে মাটি
  4. বেলে-এঁটেল মাটি
ব্যাখ্যা
গোলাপ:
- গোলাপ ফুলকে ফুলের রাণী বলা হয়ে থাকে।
- এর কোমলতা, বর্ণ, সুগন্ধ এমন কেউ নেই যাকে আকৃষ্ট করে না।
- সাজ সজ্জায় কাটা ফুল হিসেবে কদর রয়েছে।
- এছাড়া সুগন্ধি প্রস্তুতিতে ব্যবহৃত হয়।
- পৃথিবী জুড়ে গোলাপের অসংখ্য জাত রয়েছে।
- জাতগুলোর কোনোটির গাছ বড়, কোনোটি ঝোপালো, কোনোটি লতানো।
- শাখা কলম, দাবা কলম এবং চোখ কলম এর মাধ্যমে গোলাপের বংশ বিস্তার করা হয়।

⇒ মাটি, জলবায়ু ও জমি নির্বাচন:
- গোলাপের জন্য রৌদ্যজ্জল, সুনিষ্কশিত ও জৈব পদার্থ সমৃদ্ধ দোআঁশ মাটি গোলাপ চাষের জন্য উত্তম।
- মাটির পিএইচ ৬.০-৭.৫ এর মধ্যে হওয়া উচিত।
- পানি জমে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করতে পারে এ ধরনের স্থান পরিত্যাগ করা উচিত।

⇒ গোলাপের বংশ বিস্তার:
- বীজ, শাখা কলম, দাবা কলম এবং চোখ কলম-এর মাধ্যমে গোলাপের বংশ বিস্তার করা হয়।
- তবে সংকর জাত উদ্ভাবনের জন্য বীজ মাধ্যমে বেছে নেয়া হয়।
- সাধারণত: উন্নত জাতের গোলাপ এর মাধ্যমে চোখ কলম বংশ বিস্তার করানো হয়।
- বাংলাদেশে নভেম্বর থেকে জানুয়ারী মাসের মাঝামাঝি সময় এ চোখ কলম করা হয়।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫৭২.
ইউরিয়া সারের কাঁচামাল-
  1. অপরিশোধিত তেল
  2. ক্লিংকার
  3. এমোনিয়া
  4. মিথেন গ্যাস
ব্যাখ্যা
• ইউরিয়া সার উৎপাদনের প্রধান কাঁচামাল হলো মিথেন গ্যাস বা প্রাকৃতিক গ্যাস।
------------------- 
ইউরিয়া সার:
- বাংলাদেশে ব্যবহৃত নাইট্রোজেন সারের মধ্যে ইউরিয়া প্রধান। 
- নাইট্রোজেনজাতীয় সারের মধ্যে ইউরিয়াতেই সবচেয়ে বেশি পরিমাণে নাইট্রোজেন থাকে।
- গৃহপালিত পশুর মূত্রে ইউরিয়া থাকে এবং মাটি এ উৎস থেকেও ইউরিয়া পায়। 
- ইউরিয়া সার থেকে উদ্ভিদ নাইট্রোজেন প্রধানত লাভ করে।
- এই সারে ৪০-৪৭ শতাংশ নাইট্রোজেন বিদ্যমান থাকে।
- এ সার জমিতে প্রয়োগ করলে মাটিতে রাসায়নিক বিক্রিয়া ছাড়া অনেক ফসলই সরাসরি ইউরিয়া হিসেবে এটি পরিশোষণ করতে পারে।
- তাছাড়া গাছে নাইট্রোজেনের অভাজনিত লক্ষণ পরিলক্ষিত হলে ইউরিয়ার দ্রবণ তৈরি করে সিঞ্চন যন্ত্রের সাহায্যে সরাসরি উদ্ভিদের পাতায় প্রয়োগ করলে উদ্ভিদ পত্র - রন্ধ্রের মাধ্যমে ইউরিয়া পরিশোষণ করতে পারে।
- ফলে রোগাক্রান্ত ও বিনষ্ট শিকড়যুক্ত উদ্ভিদ সতেজ হয়ে যায়।

উৎস: উদ্ভিদ পুষ্টি ও সার ব্যবস্থাপনা, বিসিআইসি ওয়েবসাইট, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, কৃষি মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
১,৫৭৩.
কৃষি বর্ষগ্রন্থ-২০১৯ অনুযায়ী, পেঁয়াজ উৎপাদনে বাংলাদেশের শীর্ষ জেলা-
  1. ক) মুন্সীগঞ্জ
  2. খ) ময়মনসিংহ
  3. গ) পাবনা
  4. ঘ) মানিকগঞ্জ
ব্যাখ্যা

কৃষি বর্ষগ্রন্থ-২০১৯ অনুযায়ী,
• পেঁয়াজ উৎপাদনে বাংলাদেশের শীর্ষ জেলা পাবনা।
• পাট উৎপাদনে বাংলাদেশের শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।
• ধান উৎপাদনে বাংলাদেশের শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
• মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশের শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
• আলু উৎপাদনে বাংলাদেশের শীর্ষ জেলা বগুড়া।
• চা উৎপাদনে বাংলাদেশের শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার
• কাঁঠাল উৎপাদনে বাংলাদেশের জেলা নরসিংদী।
• রেশম উৎপাদনে বাংলাদেশের শীর্ষ জেলা রাজশাহী।
• গম উৎপাদনে বাংলাদেশের শীর্ষ জেলা ঠাকুরগাঁও।
• রাবার উৎপাদনে বাংলাদেশের শীর্ষ জেলা কক্সবাজার।

১,৫৭৪.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, মোট মৎস্য উৎপাদনে ইলিশের পরিমাণ -
  1. ০৭.৬৯%
  2. ১০.৫৫%
  3. ১৪.৩১%
  4. ১৭.৯৮%
ব্যাখ্যা

মৎস্য উৎপাদন:
- মোট মৎস্য উৎপাদনের পরিমাণ: ৫০,১৮,৪৮৩ মে.টন।
- মিঠা পানিতে উৎপাদনের পরিমাণ: ৪৩,৮৯,৮৬০ মে.টন।
- লোনা পানিতে উৎপাদনের পরিমাণ: ৬,২৮,৬২৩ মে.টন।

• ইলিশ - ১০.৫৫%।
• চিংড়ি - ৫.১৯%।
• মেজরকার্প (রুই, কাতলা, মৃগেল) - ২২.৬৪%।
• এক্সটিককার্প (সিলভারকার্প, গ্রাসকার্প, ইত্যাদি) - ১১.৩০%।
• অন্যান্যকার্প (কালিবাউস, বাটা, ঘনিয়া) - ৩.১৩%।
• তেলাপিয়া - ৮.৭৬%।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

১,৫৭৫.
বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় গো-প্রজনন খামার কোথায় অবস্থিত?
  1. চট্টগ্রাম
  2. রাজশাহী
  3. সিলেট
  4. ঢাকা
ব্যাখ্যা
কেন্দ্রীয় গো-প্রজনন কেন্দ্র:
- কেন্দ্রীয় গো-প্রজনন ও দুগ্ধ খামার ঢাকার সাভারে অবস্থিত একটি সরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- এটি ১৯৫৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এই প্রতিষ্ঠানে উন্নত জাতের ষাঁড়ের জাত উন্নয়ন এবং পশুখাদ্য বিষয়ে গবেষণা করা হয়।

সূত্রঃ কেন্দ্রীয় গো-প্রজনন খামার ওয়েবসাইট।
১,৫৭৬.
‘খটখটিয়া‘ কোন ফসলের একটি উন্নত জাত?
  1. ক) মরিচ
  2. খ) কলা
  3. গ) আম
  4. ঘ) বেগুন
ব্যাখ্যা
খটখটিয়া - বেগুনের উন্নত জাত।

• বেগুনের জাত:

- বাংলাদেশে বেগুনের বহু জাত রয়েছে। এক জাত থেকে অন্যজাতে গাছের প্রকৃতি, ফলের রং, আকার, আকৃতি প্রভৃতি বিষয়ে বেশ পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়।
- বাংলাদেশে প্রধানতঃ লম্বা ফল, গোলাকর ফল ও গোলাকার এই তিন ধরণের বেগুনের চাষ বেশী হয়ে থাকে।

• কিছু বেগুনের উন্নত জাত হলো:

- খটখটিয়া, ইসলামপুরী, নয়ন কাজল, কেজি বেগুন, শিংনাথ, ঝুমকো, মুক্তকেশী, শুকতারা, তারাপুরী (বারি বেগুন ২), কাজলা, নয়নতারা, বিজয়, চমক এফ১, লাফাফা,  

তথ্যসূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
১,৫৭৭.
বাংলাদেশের কৃষি পরিবেশ অঞ্চল কয়টি?
  1. ২৩টি
  2. ১২টি
  3. ৩৩টি
  4. ৩০টি
ব্যাখ্যা
মাটির বৈশিষ্ট্য:
- মাটির বৈশিষ্ট্য বলতে মাটির শ্রেণি, জৈব পদার্থের মাত্রা, পটাশজনিত খনিজের মাত্রা ও অম্লমানমাত্রা এবং মাটির বন্ধুরতাকে বোঝায়।
- মাটির প্রকৃতি বা বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী বাংলাদেশকে ত্রিশটি কৃষি পরিবেশ অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছে।
- কোনো একটি কৃষি পরিবেশ অঞ্চল প্রকৃতপক্ষে সে অঞ্চলের মাটির প্রতিনিধিত্ব করে।
- কৃষি কর্মকান্ডের জন্য সবচেয়ে বড় কাজ হলো মাটির বৈশিষ্ট্য ও বন্ধুরতা অনুযায়ী ফসল নির্বাচন করা।
- মাটির বৈশিষ্ট্যভিত্তিক ফসল কৃষি কাজের একটি অত্যাবশ্যক প্রযুক্তি।
- এই প্রযুক্তি যত নিখুঁতভাবে ব্যবহার করা যাবে কৃষি কাজের ফলাফলও তত বেশি লাভজনক হবে।

⇒ মাটির গঠন ও প্রকৃতি অনুযায়ী ৩০টি কৃষি পরিবেশ অঞ্চলকে নিম্নোক্ত ৫টি ভাগে ভাগ করা যায়।
১। দোআঁশ ও পলি দোআঁশ মাটি অঞ্চল,
২। কাদা মাটি অঞ্চল,
৩। বরেন্দ্র অঞ্চল ও মধুপুর অঞ্চল,
৪। পাহাড়ি ও পাদভূমি অঞ্চল,
৫। উপকূলীয় অঞ্চল।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫৭৮.
বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশনের অধীনে কয়টি চিনিকল চালু রয়েছে?
  1. ১১টি
  2. ১৩টি
  3. ১৫টি
  4. ১৭টি
ব্যাখ্যা
বর্তমানে বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশনের অধীনে মোট ১৫টি চিনিকল চালু রয়েছে৷
রাষ্ট্রায়ত্ত খাতের সর্ববৃহৎ চিনিকল হলো কেরু এন্ড কোং (বিডি) লিমিটেড। এটি চুয়াডাঙ্গা জেলার দর্শনায় অবস্থিত।
এটি ১৯৩৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
নাটোরে অবস্থিত নর্থবেঙ্গল চিনিকল দেশের প্রথম চিনিকল।
১৫ টি চিনিকলের উৎপাদন ক্ষমতা ২.১০ লক্ষ মেট্রিকটন।
[সূত্রঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৯ এবং বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশন ওয়েবসাইট]
১,৫৭৯.
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর ২০১৯-২০ অর্থবছরের সাময়িক হিসাবে, স্থিরমূল্যে জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান-
  1. ক) ১১.৫৬ শতাংশ
  2. খ) ১২.২৫ শতাংশ
  3. গ) ১২.৫৫ শতাংশ
  4. ঘ) ১৩.৩৫ শতাংশ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সাময়িক হিসাব অনুযায়ী, ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে স্থিরমূল্যে জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান ১৩.৩৫ শতাংশ। শিল্পখাতের অবদান ৩৫.৩৬ শতাংশ এবং সেবাখাতের অবদান ৫১.৩০ শতাংশ। মাথাপিছু জাতীয় আয় ২০৬৪ মার্কিন ডলার এবং মাথাপিছু জিডিপি ১৯৭০ মার্কিন ডলার।
[সূত্রঃ বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) ওয়েবসাইট]
১,৫৮০.
তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. ক) লালমনিরহাট
  2. খ) কুষ্টিয়া
  3. গ) যশোর
  4. ঘ) ঝিনাইদহ
ব্যাখ্যা
২০১৮-১৯ অর্থবছরে দেশে মোট তামাক উৎপাদিত হয় ৮২,৩৯৯ মেট্রিক টন।
তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা সমূহ:
- প্রথম : কুষ্টিয়া : ৩৬,৮৬৯ মে. টন
- দ্বিতীয় : লালমনিরহাট : ১৫,৩০৫ মে. টন
- তৃতীয় : নীলফামারী : ৮,৩৫০ মে. টন।
(সূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০১৯)
১,৫৮১.
বাংলাদেশের কৃষিতে 'ময়না' কী?
  1. ক) উন্নত জাতের ধান
  2. খ) উন্নত জাতের গম
  3. গ) উন্নত জাতের ভুট্টা
  4. ঘ) উন্নত জাতের টমেটো
ব্যাখ্যা
• উন্নত জাতের ধান:- ময়না, হীরা, মালা, ইরাটম, চান্দিনা, ব্রিশাইল, সুফলা, হরিধান।
• উন্নত জাতের গম:- দোয়েল,আনন্দ,আকবর,বরকত,অগ্রণী,বলাকা।
• উন্নত জাতের ভুট্টা:- বর্ণালি, শুভ্র, উত্তরণ।
• উন্নত জাতের টমেটো:- বাহার, মানিক, রতন, মিন্টো, ঝুমকা। 

তথ্যসূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
১,৫৮২.
‘কাঞ্চন ও শতাব্দী’ কোন ফসলের উন্নত জাত?
  1. আলু
  2. গম
  3. মরিচ
  4. ধান
ব্যাখ্যা

‘কাঞ্চন ও শতাব্দী’ গমের উন্নত জাত।
• উন্নত জাতের গম: সোনালিকা, বলাকা, দোয়েল, অগ্রণী, আনন্দ, কাঞ্চন, শতাব্দী ও আকবর।


⇒ বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত উন্নত জাতের ফসল:
• উন্নত জাতের ধান: ইরাটম, বাংলামতি, ব্রিশাইল, চান্দিনা, হীরা, মালা, বিপ্লব, কিরণ, দুলাভোগ, দিশারী, মোহিনী, সুফলা, আশা, শ্রাবণী, প্রগতি, মুক্তা, ময়না, গাজী, শাহীবালাম, শাহজালাল। 
• উন্নত জাতের আলু: হিরা, আইলসা, পেট্রোনিস, মুল্টা, ডায়ামন্ট, কার্ডিনাল, মন্ডিয়াল, কুফরী সিন্দুরী, চমক, ধীরা, গ্রানোলা, ক্লিওপেট্রা ও চিনেলা।
• উন্নত জাতের মরিচ: বাইন, যমুনা, বালিজুরি, সূর্যমুখী, চৌরা, বারিমরিচ, বাগুরা।
• উন্নত জাতের ভুট্টা: বর্ণালী, শুভ্রা, মোহর ও উত্তরণ।
• উন্নত জাতের তামাক: সুমাত্রা ও ম্যানিলা।
• উন্নত জাতের আম: মহানন্দা, ল্যাংড়া, গোপালভোগ, হাড়িভাঙ্গা, ক্ষীরসাপাতি ও মােহনভােগ।
• উন্নত জাতের টমেটো: বাহার, মানিক, রতন, অপূর্ব, মিন্টো, ঝুমকা, সিঁদুর, শ্রাবণী।
• উন্নত জাতের বেগুন: শুকতারা, নয়নতারা, তারাপুরী, ইসলামপুরী, কাজলা, বিজয়, মুক্তকেশী, ঝুমকো।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।

১,৫৮৩.
'পিসিকালচার' নিচের কোনটির সাথে জড়িত?
  1. ক) মৌমাছির পালন বিষয়ক বিদ্যা
  2. খ) মৎস্য চাষ বিষয়ক বিদ্যা
  3. গ) রেশমের চাষ
  4. ঘ) পাখীপালন বিদ্যা
ব্যাখ্যা
▪ রেশম চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলে সেরিকালচার;
▪ মৌমাছির পালন বিষয়ক বিদ্যা - এপিকালচার;
মৎস্য চাষ বিষয়ক বিদ্যা - পিসিকালচার;
▪ চিংড়ি চাষ বিষয়ক বিদ্যা - প্রণকালচার।
▪ রেশমের চাষ - সেরিকালচার,
▪ উদ্যানবিদ্যা - হর্টিকালচার,
▪ পাখীপালন বিদ্যা - এভিকালচার,

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।  
১,৫৮৪.
বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৮০ সালে
  2. ১৯৮৪ সালে
  3. ১৯৮৭ সালে
  4. ১৯৯৩ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই)
⇨ বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই) দেশের মৎস্যসম্পদ উন্নয়নে গবেষণা পরিচালনার জন্য একমাত্র জাতীয় প্রতিষ্ঠান।
⇨ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন এ প্রতিষ্ঠানটি ১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
⇨ ইনস্টিটিউটের সদর দপ্তর ময়মনসিংহে অবস্থিত।
⇨ ইনস্টিটিউটের গবেষণা কার্যক্রম দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অবস্থিত ৫টি কেন্দ্র ও ৫টি উপকেন্দ্র হতে পরিচালিত হয়ে থাকে। গবেষণা কেন্দ্রগুলাে হচ্ছে -
• স্বাদুপানি কেন্দ্র, ময়মনসিংহ;
• নদী কেন্দ্র, চাঁদপুর;
• লােনাপানি কেন্দ্র, পাইকগাছা, খুলনা;
• সামুদ্রিক মৎস্য ও প্রযুক্তি কেন্দ্র, কক্সবাজার এবং
• চিংড়ি গবেষণা কেন্দ্র, বাগেরহাট।   

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই) ওয়েবসাইট।
১,৫৮৫.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৯ অনুযায়ী বাংলাদেশের জিডিপিতে কৃষি খাতের (ফসল, বন , প্রাণিসম্পদ, মৎস্যসহ) অবদান কত শতাংশ?
  1. ক) ১৩.৪০%
  2. খ) ১৩.৫৬%
  3. গ) ১৩.৬০%
  4. ঘ) ১৩.৬৫%
ব্যাখ্যা
কোন ব্যাখ্যা যোগ করা হয়নি।
১,৫৮৬.
মানিক, মিন্টু কোন ফসলের জাত?
  1. সরিষা
  2. বেগুন
  3. বাঁধাকপি
  4. টমেটো
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের উন্নতমানের ফসলের জাত:
• ধান- ইরাটম, ব্রিশাইল, সোনার বাংলা-১, ময়না, হরিধান, চান্দিনাম, নারিকা-১, মালাইরি।
• গম - অগ্রণী-সোনালিকা, বলাকা, দোয়েল, আকবর, আনন্দ, কাঞ্চন, বরকত।
• ভুট্টা- উত্তরণ, বর্ণালী, শুভ্রা;
• তুলা- রূপালী ও ডেলফোজ।
• টমেটো- মিন্টু, বাহার, মানিক, রতন, ঝুমকা, সিঁদুর, শ্রাবণী।
• তামাক - সুমাত্রা ও ম্যানিলা;
• বেগুন- ইওরা, শুকতারা, তারাপুরী।
• কলা - অগ্নিশ্বর, কানাইবাঁশী, মোহনবাঁশী, বীট জবা, অমৃতসাগর, সিংগাপুরী।
• বাধাঁকফি - গোল্ডেন ক্রস, কে ওয়াই ক্রস, গ্রীন এক্সপ্রেস, ড্রাম হেড
• সরিষা - সফল, অগ্রণী

উৎস: বাংলাদেশ কৃষি তথ্য সার্ভিস ওয়েবসাইট।

১,৫৮৭.
'আকবর' কোন ফসলের উন্নত জাতের নাম?
  1. আলু
  2. পাট
  3. গম
  4. ধান
ব্যাখ্যা
•  কিছু উচ্চ ফলনশীল ফসলের জাতের নাম:

আলু:

- হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, কুফরী, মুলটা ইত্যাদি।

কলা:
- সিঙ্গাপুরী, কাবুলী, মেহের সাগর, অমৃত সাগর, সবরি, অনুপম, মালভোগ, মর্তমান, চাঁপা, অগ্নিশ্বর, কবরী।

গম:
- কাঞ্চন, আকবর, অঘ্রাণী, প্রতিভা, সৌরভ, গৌরব।

ধান:
- বিপ্লব, হিরা, মালা, ইরাটম, ময়না, চান্দিনা, হরিধান, নারিফা, সুফলা, প্রগতি ইত্যাদি।

আম:
- মহানন্দা, ল্যাংড়া, ফজলি, হাড়িভাঙ্গা, আম্রপালি, গোপালভোগ, সূর্যপুরী, হিমসাগর, মোহনভোগ প্রভৃতি।

তথ্যসূত্র- জাতীয় কৃষি বাতায়নঃ, জাতীয় কৃষি তথ্য সার্ভিস।
১,৫৮৮.
বাংলাদেশে বার্ষিক গম উৎপাদনের পরিমাণ কত?
  1. ক) ১০.২৫ লক্ষ মেট্রিক টন
  2. খ) ১২.৪৬ লক্ষ মেট্রিক টন
  3. গ) ১৩.৯৮ লক্ষ মেট্রিক টন
  4. ঘ) ১৪.৩১ লক্ষ মেট্রিক টন
ব্যাখ্যা
- কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যানুসারে ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে দেশে মোট গম উৎপাদনের পরিমাণ ১২.৪৬ লক্ষ মেট্রিক টন। গম চাষের আওতাধীন জমির পরিমাণ ৩.৪২ লক্ষ হেক্টর।
গম উৎপাদনে শীর্ষ তিন জেলা:
- প্রথম : ঠাকুরগাও (১.৮৯ লক্ষ টন)
- দ্বিতীয় : চাপাইনবাবগঞ্জ (১.০৩ লক্ষ টন)
- তৃতীয় : পাবনা (০.৯৯ লক্ষ মে. টন)।
(তথ্যসূত্র: কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর)
১,৫৮৯.
চলতি ২০২০-২০২১ অর্থবছরে সরকারের কৃষিঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা কত?
  1. ক) ২৪,১২৪ কোটি টাকা
  2. খ) ২২,৭৪৯ কোটি টাকা
  3. গ) ২৬,২৯২ কোটি টাকা
  4. ঘ) ২৯,৩০০ কোটি টাকা
ব্যাখ্যা
২০২০-২০২১ অর্থবছরে বাংলাদেশ সরকার কৃষিঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে ২৬,২৯২ কোটি টাকা যা আগের অর্থবছরের চেয়ে ২,১৬৮ কোটি টাকা বেশি।
২০১৯-২০২০ অর্থবছরে লক্ষ্যমাত্রা ছিলো ২৪,১২৪ কোটি টাকা। তার মধ্যে বিতরণ করা সম্ভব হয় ২২,৭৪৯ কোটি টাকা।
(সূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংক)
১,৫৯০.
'মিয়াজাকি' কোন ফসলের জাত?
  1. ধান
  2. মরিচ
  3. লিচু
  4. আম
ব্যাখ্যা
'মিয়াজাকি' আমের একটি উন্নত জাত।

মিয়াজাকি:

- সূর্যডিম বা মিয়াজাকি হলো জাপানিজ আম।
- বিশ্ব বাজারে এটি ‘রেড ম্যাংগো’ নামে পরিচিত।
- যা বর্তমানে নোয়াল ফার্ম বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন করছে।

উল্লেখ্য,
- এটি বিশ্বের সবচেয়ে দামি আম।
- আমটির স্বাদ অন্য আমের চেয়ে প্রায় ১৫ গুণ বেশি।
- আমটি খেতে খুবই মিষ্টি।
- আমটির গড় ওজন প্রায় ৭০০ গ্রামের মতো।
- আমটি স্বাদের চেয়ে চাষ পদ্ধতির কারণে বেশি দামি।

⇒ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ‘বছরব্যাপী ফল উৎপাদনের মাধ্যমে পুষ্টি উন্নয়ন প্রকল্পের’ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩–২৪ অর্থবছরে সর্বোচ্চ ২৫ টন মিয়াজাকি উৎপাদিত হয়েছে।
- তার আগের বছর হয়েছিল ২৪ টন।

উৎস: i) কৃষি বাতায়ন।
         ii) ১০ জুন ২০২৪, প্রথম আলো।
১,৫৯১.
উচ্চ ফলনশীল গমের জাত কোনটি?
  1. কার্ডিনাল
  2. মুলটা
  3. সৌরভ
  4. কাবুলী
ব্যাখ্যা
উচ্চ ফলনশীল কলার জাত:
- সিঙ্গাপুরী, কাবুলী, মেহের সাগর, অমৃত সাগর, সবরি, অনুপম, মালভোগ, মর্তমান, চাঁপা, অগ্নিশ্বর, কবরী।

উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত:
- হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, কুফরী, মুলটা ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল গমের জাত:
- কাঞ্চন, আকবর, অঘ্রাণী, প্রতিভা, সৌরভ, গৌরব।

উচ্চ ফলনশীল পেঁয়াজের জাত:
- সুখ সাগর, ঝিটকা, কৈলাসনগর, তাহেরপুরী, ভাতি।

তথ্যসূত্র - জাতীয় কৃষি বাতায়ন।
১,৫৯২.
Which of the following is grown from stem cuttings?
  1. Sugarcane
  2. Maize
  3. Turmeric
  4. Banana
ব্যাখ্যা
উদ্ভিজ্জ বংশবৃদ্ধি:

- কাটিং হল উদ্ভিজ্জ বংশবৃদ্ধির সাধারণ পদ্ধতি অর্থাৎ অযৌন পদ্ধতি যার মাধ্যমে প্রায়ই গাছপালা জন্মায়।
- এই পদ্ধতিটি কান্ড, শিকড় বা পাতা ব্যবহার করে সঞ্চালিত হয়।
- কান্ড মাটিতে রাখলে শিকড় ও পাতা উৎপন্ন হয় এবং একেবারে নতুন উদ্ভিদে বৃদ্ধি পায়।
- কান্ডের কাটিং দ্বারা যে সকল গাছের বংশবৃদ্ধি হয় সেগুলো হল,
- আখ, সাইট্রাস, গোলাপ, দুরন্ত, কোকো, আঙ্গুর, কার্নেশন, বোগেনভিলিয়া ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র - Sciencedirect.com
১,৫৯৩.
পাহাড়ের অধিক বৃষ্টিপ্রবণ অঞ্চলে কী ধরনের বনভূমি দেখা যায়?
  1. ক্রান্তীয় আর্দ্র পর্ণমোচী বন
  2. সৃজিত বন
  3. ক্রান্তীয় চিরহরিৎ
  4. স্রোতজ বনভূমি
ব্যাখ্যা
ক্রান্তীয় চিরহরিৎ বনভূমি:
- বাংলাদেশের খাগড়াঝড়ি, রাঙামাটি ও বান্দরবানের প্রায় সব অংশে এবং চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলের কিছু অংশে এ বনাঞ্চাল বিস্তৃত।
- পাহাড়ের অধিক বৃষ্টিপ্রবণ অঞ্চলে ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং কম বৃষ্টিপ্রবণ অঞ্চলে পাতাঝরা গাছের বনভূমি দেখা যায়।

⇒ ক্রান্তীয় পাতাঝরা গাছের বনভূমি:
- বাংলাদেশের প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহে এ বনভূমি রয়েছে।
- এ বনভূমিকে দুই অংশে ভাগ করা হয়েছে-
(ক) ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল ও গাজীপুর জেলার মধুপুর ও ভাওয়ালের বনভূমি;
(খ) দিনাজপুর ও রংপুর জেলায় বরেন্দ্র বনভূমি অবস্থিত।
- শীতকালে এ বনভূমির বৃক্ষের পাতা ঝরে যায়।
- গ্রীষ্মকালে আবার নতুন পাতা গজায়।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৫৯৪.
নিচের কোনটি গমের উন্নত জাত?
  1. ক) তারাপুরী
  2. খ) ড্রামহেড
  3. গ) সোনালিকা
  4. ঘ) ডেলফোজ
ব্যাখ্যা
উন্নত জাতের গমঃ অঘ্রানী, শতাব্দী, প্রদীপ, সুফী, বিজয়, সোনালিকা, বলাকা, দোয়েল, আনন্দ, আকবর, কাঞ্চন, সৌরভ, গৌরব, বরকত, জুপাটিকা-৭৩, ইনিয়া-৬৬ ইত্যাদি।
বেগুনের উন্নত জাতঃ উত্তরা, তারাপুরী, কাজলা, নয়নতারা, শুকতারা।
রূপালি ও ডেলফোজ উন্নতজাতের তুলাবীজ।
ড্রামহেড উন্নতজাতের বাঁধাকপি।
[সূত্রঃ কৃষি তথ্য সার্ভিস (এআইএস)]
১,৫৯৫.
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. কোনাবাড়ি, গাজীপুর
  2. জয়দেবপুর, গাজীপুর
  3. রাজেন্দ্রপুর, গাজীপুর
  4. খামারবাড়ি, ঢাকা 
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (BRRI)-এর সদর দপ্তর গাজীপুর জেলার জয়দেবপুরে অবস্থিত।

• বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট: 

- বাংলাদেশের কৃষি গবেষণার একটি প্রধান অঙ্গ হচ্ছে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট,
- যা দেশের প্রধান খাদ্য ধান উৎপাদন ও জাত উন্নয়নে কাজ করছে।
- এটি গাজীপুর জেলার জয়দেবপুরে অবস্থিত।
-  ১৯৭০ সালের ১ অক্টোবর পূর্ব পাকিস্তান ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট হিসেবে এর যাত্রা শুরু।
- ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার পর এ প্রতিষ্ঠানের নতুন নামকরণ করা হয় বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট,
- এ প্রতিষ্ঠানের ১৯টি গবেষণা বিভাগ, ১৭টি আঞ্চলিক কার্যালয়, ০৬টি স্যাটেলাইট স্টেশন,

উৎস: বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।

১,৫৯৬.
মৃত্তিকার গঠন প্রক্রিয়া অনুসাবে মাটির স্তর কয়টি?
  1. ৪টি
  2. ৫টি
  3. ২টি
  4. ৩টি
ব্যাখ্যা
মাটির গঠন উপাদান:
-মাটি প্রধানত ৪টি উপাদান দ্বারা গঠিত। উপাদানগুলো হলো-
(১) অজৈব পদার্থ বা খনিজ পদার্থ
(২) জৈব পদার্থ
(৩) পানি ও
(৪) বায়ু।

তথ্যসূত্র - কৃষিশিক্ষা, ষষ্ঠ শ্রেণি, বোর্ড বই।
১,৫৯৭.
বাংলাদেশে শীতকালে নিম্নের কোন ফসলের চাষ বেশি হয়?
  1. পাট
  2. ভুট্টা
  3. গম
  4. তিল
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে শীতকালে গমের চাষ বেশি হয়।

কৃষিক্ষেত্রে মৌসুম:

- ফসল উৎপাদনের জন্য সারাবছরকে দুইটি মৌসুমে ভাগ করা যায়। যথা:
i) রবি মৌসুম,
ii) খরিপ মৌসুম।

⇒ রবি মৌসুম:
- শীতকালীন শস্যকে বলে রবি শস্য।
- কার্তিক থেকে ফাল্গুন হচ্ছে রবি মৌসুম। অক্টোবর ও নভেম্বর মাসে রবি শস্য বপন করা হয়। কম তাপমাত্রায় বপন করা হয়। ফেব্রুয়ারি এবং মার্চ মাসে ফসল তোলা হয়।
- বোরো ধান, গম, মসুর ডাল, যব, সরিষা, পেঁয়াজ, মটরশুঁটি ইত্যাদি ফসলকে এ মৌসুমের প্রধান শস্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এ ছাড়া ফুলকপি, বাঁধাকপি, মুলা, গাজর, লাউ, শিম, টমেটো, আলু ইত্যাদিও এ মৌসুমে চাষ করা হয়।

⇒ খরিপ মৌসুম:
- গ্রীষ্মকালীন শস্যকে বলে খরিপ শস্য। চৈত্র থেকে আষাঢ় এবং শ্রাবণ থেকে আশ্বিন হলো খরিপ মৌসুম।
- খরিপ মৌসুমকে আবার দু ভাগে ভাগ করা হয়।
- যেমন- খরিফ-১ ও খরিফ-২ মৌসুম।

খরিফ-১ মৌসুম:
- যে মৌসুমের সময় সীমা এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত বিস্তৃত থেকে তাকে খরিপ-১ মৌসুম বা গ্রীষ্মকালীন মৌসুম বলে। এ মৌসুমে উৎপন্ন ফসলগুলোকে খরিফ-১ শস্য বলে।
- যেমন- আউশ ধান, পাট, কাউন, ভুট্টা, তিল, মিষ্টি কুমড়া, কচু ও ঝিঙ্গা ইত্যাদি ।

খরিফ-২ মৌসুম:
- যে মৌসুমের সময়সীমা জুলাই মাস থেকে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত বিস্তৃত থাকে তাকে খরিফ-২ মৌসুম বা বর্ষা মৌসুম বলে।
- যেমন- আমন ধান, ভুট্টা, মাষকলাই, বর্ষাকালীন সবজি ইত্যাদি ।

এছাড়া
- কিছু ফসল ও শাক-সবজি আছে যেগুলো উভয় মৌসুমেই বা সারা বছর চাষাবাদ করা হয়ে থাকে।
- এদেরকে বারোমাসী ফসল বলে। যেমন- কলা, পেঁপে ইত্যাদি।
- আধুনিক চাষাবাদ কলাকৌশলের মাধ্যমে বর্তমানে সারাবছর সবধরনের ফসল উৎপাদন করা হচ্ছে।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, নবম- দশম শ্রেণি।
১,৫৯৮.
‘রাঁচি’ ও ‘ওয়াশিংটন’ নিচের কোন ফসলের জাত?
  1. পেঁপে
  2. পেয়ারা
  3. বেগুন
  4. ভুট্টা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে উৎপন্ন পেঁপের জাত সমূহের মধ্যে শাহী, রাঁচি, ওয়াশিংটন, হানিউড, পুষা ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।
(সূত্র: কৃষিশিক্ষা – সপ্তম শ্রেণী)
১,৫৯৯.
নিচের কোনটি ভুট্টার উন্নত জাত?
  1. ঝিটকা
  2. রূপালি
  3. যমুনা
  4. শুভ্রা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI) - কর্তৃক উদ্ভাবিত ভুট্টার জাত:-
- খৈ ভুট্টা, মোহর, বর্ণালী, শুভ্রা, বারি হাইব্রিড ভুট্টা ইত্যাদি
- ব্র্যাক কর্তৃক উদ্ভাবিত জাতঃ
উত্তরণ, বিপ্লব, শক্তি, প্যাসিফিক ইত্যাদি।
এছাড়াও রয়েছে -
- সুপার সাইন, কোহিনুর, ডন, প্রফিট, শাহী ইত্যাদি ভুট্টার জাত।

- উন্নত জাতের মরিচ:- মেজর, চন্দ্রমুখী, সনিক, যমুনা।
-  উন্নত জাতের পেঁয়াজ:- তাহেরপুরী, ভাতি, ঝিটকা, কৈলাসনগর।
-  উন্নত জাতের তুলা :- রূপালি ও ডেলফোজ।

উৎস:-  কৃষি তথ্য সার্ভিস।
১,৬০০.
কোন সেক্টরে দেশের সর্বাধিক জনশক্তি নিয়োজিত?
  1. ক) শিল্প
  2. খ) পরিবহন
  3. গ) কৃষি
  4. ঘ) পাইকারি ও খুচরা ব্যবসা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে কৃষি সেক্টরে সর্বাধিক জনশক্তি নিয়োজিত। বিবিএসের সর্বশেষ শ্রম জরিপ-২০১৮ অনুসারে কৃষিক্ষেত্রে দেশের মোট শ্রমশক্তির ৪০.৬ ভাগ নিয়োজিত। (সূত্র: কৃষি মন্ত্রণালয়)