ব্যাখ্যা
সূত্র-১: অ/আ+অ/আ = আ ।যেমন – উত্তর+অধিকার = উত্তরাধিকার।
সূত্র-২: ই/ঈ+ই/ঈ = ঈ । যেমন – অতি+ইন্দ্রিয় = অতীন্দ্রিয়।
সূত্র-৩: উ/ঊ+উ/ঊ = উ। যেমন – মরু+উদ্যান = মরূদ্যান।
• ব্যঞ্জনসন্ধি স্বরে-ব্যঞ্জনে, ব্যঞ্জনে-স্বরে ও ব্যঞ্জনে-ব্যঞ্জনে যে সন্ধি হয়, তাকে ব্যঞ্জনসন্ধি বলে। যেমন – কথা+ছলে = কথাচ্ছলে, পরি+ছেদ = পরিচ্ছেদ।
এখানে পূর্ববর্তী স্বরের প্রভাবে পরবর্তী ছ-এর জায়গায় চ্ছ হয়েছে।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।