ব্যাখ্যা
নিয়ম - ঃ + ট্ / ঠ্ = ষ্ট / ষ্ঠ
‘নিষ্ঠা’ শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ ‘নিঃ + ঠা’। এটি বিসর্গ সন্ধির উদাহরণ।
এরূপঃ
ধনুঃ + টঙ্কার = ধনুষ্টঙ্কার
নিঃ + ঠুর = নিষ্ঠুর।
সূত্র: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ৩২ / ৬৩ · ৩,১০১–৩,২০০ / ৬,৩২৭
নিয়ম - ঃ + ট্ / ঠ্ = ষ্ট / ষ্ঠ
‘নিষ্ঠা’ শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ ‘নিঃ + ঠা’। এটি বিসর্গ সন্ধির উদাহরণ।
এরূপঃ
ধনুঃ + টঙ্কার = ধনুষ্টঙ্কার
নিঃ + ঠুর = নিষ্ঠুর।
সূত্র: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
উত্তর: গ) গুরুচণ্ডালী দোষ।
গুরুচণ্ডালী দোষ হলো -
- ভিন্ন উৎসের শব্দের অসংগত মিশ্রণজনিত ত্রুটি।
- যখন খাঁটি বাংলা (দেশি/তদ্ভব) শব্দের সাথে তৎসম (সংস্কৃত) শব্দের সন্ধি করা হয়, তখন ভাষাগত বিশুদ্ধতা নষ্ট হয় এবং গুরুচণ্ডালী দোষ হয়।
উদাহরণ:
ভুল নিয়ম: "হাত + অর্পণ = হাতার্পণ" (হাত = খাঁটি বাংলা, অর্পণ = তৎসম)।
সঠিক নিয়ম: "হস্ত + অর্পণ = হস্তার্পণ" (উভয়ই তৎসম)।
--------------------
• 'সন্ধি' শব্দের অর্থ - মিলন।
• সন্ধি প্রধানত দুই প্রকার:
- খাঁটি বাংলা শব্দের সন্ধি,
- তৎসম শব্দের সন্ধি।
• খাঁটি বাংলা শব্দের সন্ধি দুই রকমের
- স্বরসন্ধি,
- ব্যঞ্জন সন্ধি।
• তৎসম শব্দের সন্ধি তিন প্রকার।
- স্বরসন্ধি,
- ব্যঞ্জন সন্ধি,
- বিসর্গ সন্ধি।
-------------------------------
• সন্ধির কতিপয় উদ্দেশ্য:
- সন্ধি মাধ্যমে ধ্বনির মিলন হয়।
- নতুন শব্দ তৈরি করা হয়।
- উচ্চারণে সহজতা আসে।
• সন্ধির ক্ষেত্রে বর্জনীয়:
- বাংলা ক্রিয়াপদের সাথে সন্ধি করা যায় না।
- খাঁটি বাংলা শব্দের সাথে বিসর্গ সন্ধি করা যায় না।
- খাটি বাংলা শব্দের সাথে তৎসম শব্দের সন্ধি করা যায় না। এতে গুরুচণ্ডালী দোষ হয়।
উৎস: ভাষা শিক্ষা- ড. হায়াৎ মামুদ, বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
- ট-বর্গীয় ধ্বনির আগে তৎসম শব্দে সব সময় মূর্ধন্য 'ণ' যুক্ত হয়। যেমন- ঘণ্টা, লণ্ঠন, কান্ড ইত্যাদি।
অন্যদিকে,
- সমাসবদ্ধ শব্দে সাধারণত ণ-ত্ব বিধান খাটে না। এরূপ ক্ষেত্রে ন হয়।
যেমন- ত্রিনয়ন, সর্বনাম, দুর্নীতি, দুর্নাম, দুর্নিবার, পরনিন্দা, অগ্রনায়ক।
- ত-বর্গীয় বর্ণের সঙ্গে যুক্ত ন কখনো ণ হয় না, ন হয়।
যেমন- অন্ত, = গ্রন্থ, ক্রন্দন।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ- ৯ম ও ১০ম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
• অর্ধস্বরধ্বনি নয়- ঊ্।
-------------------
• অর্ধস্বরধ্বনি:
যেসব স্বরধ্বনি পুরোপুরি উচ্চারিত হয় না সেগুলোকে অর্ধস্বরধ্বনি বলে।
- বাংলা ভাষায় অর্ধস্বরধ্বনি চারটি: ই্, উ্, এ্, ও্।
স্বরধ্বনি উচ্চারণ করার সময়ে টেনে দীর্ঘ করা যায়, কিন্তু অর্ধস্বরধ্বনিকে কোনোভাবে, দীর্ঘ করা যায় না।
যেমন:
• 'চাই' শব্দে দুটি স্বরধ্বনি আছে: [আ] এবং [ই্ ]। এখানে [আ] হলো পূর্ণ স্বরধ্বনি, [ই্] হলো অর্ধস্বরধ্বনি।
• একইভাবে 'লাউ' শব্দে দুটি স্বরধ্বনি আছে: [আ] এবং [উ্]। এখানে [আ] হলো পূর্ণ স্বরধ্বনি, [উ্] হলো অর্ধস্বরধ্বনি।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১-সংস্করণ)।
'ণ' ব্যবহারের নিয়ম:
১. ট-বর্গীয় ধ্বনির আগে তৎসম শব্দে সব সময় মূর্ধন্য 'ণ' যুক্ত হয়। যেমন- ঘণ্টা, লুণ্ঠন, কাণ্ড ইত্যাদি।
২. ঋ, র, ষ এর পরে মূর্ধন্য 'ণ' হয়। যেমন- ঋণ, তৃণ, বর্ণ, বর্ণনা, কারণ, মরণ, ব্যাকরণ, ভীষণ, ভাষণ, উষ্ণ ইত্যাদি।
৩. ঋ, র, ষ-এর পরে স্বরধ্বনি, য, য়, ব, হ, ং এবং ক-বর্গীয় ও প-বর্গীয় ধ্বনি থাকলে তার পরবর্তী ন মূর্ধন্য 'ণ' হয়।
যেমন- কৃপণ (ঋ-কারের পরে প্, তার পরে ণ), হরিণ (র-এর পরে ই, তার পরে ণ, অর্পণ (র্ + প+অ+ণ), লক্ষণ (ক্+ + অ + ণ)। এরূপ - রুক্মিণী, ব্রাহ্মণ ইত্যাদি।
৪. কতকগুলো শব্দে স্বভাবতই 'ণ' হয়।
চাণক্য, মাণিক্য, গণ, বাণিজ্য, লবণ, মণ, বেণু, বীণা, কঙ্কণ, কণিকা, কল্যাণ, শোণিত, মণি, স্থাণু, গুণ, পুণ্য, বেণী, ফণী, অণু, বিপণি, গণিকা, আপণ, লাবণ্য, বাণী, নিপুণ, ভণিতা, পাণি, গৌণ, কোণ, ভাণ, পণ, শাণ, চিক্কণ, নিক্কণ, তৃণ, কফণি (কনুই), বণিক, গুণ, গণনা, পিণাক, পণ্য, বাণ।
৫. সমাসবদ্ধ শব্দে সাধারণত ণ-ত্ব বিধান খাটে না। এরূপ ক্ষেত্রে ন হয়। যেমন- ত্রিনয়ন, সর্বনাম, দুর্নীতি, দুর্নাম, দুর্নিবার, পরনিন্দা, অগ্রনায়ক।
৬. ত-বর্গীয় বর্ণের সঙ্গে যুক্ত 'ন' কখনো 'ণ' হয় না, ন হয়। যেমন- অন্ত, গ্রন্থ, ক্রন্দন।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)।
• ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম (ব্যঞ্জনধ্বনি + স্বরধ্বনি):
ক, চ, ট, ত্, প্-এর পরে স্বরধ্বনি থাকলে সেগুলো যথাক্রমে গ্, জ্, ড্ (ড়), দ্, ব্ হয়। পরবর্তী স্বরধ্বনিটি পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনধ্বনির সঙ্গে যুক্ত হয়।
যেমন:
- দিক্ + অন্ত = দিগন্ত;
- ণিচ্ + অন্ত = ণিজন্ত;
- ষট্ + আনন = ষড়ানন;
- তৎ + অবধি = তদবধি;
- সুপ্ + অন্ত = সুবন্ত।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)।
যুক্তবর্ণ ক্ষ = ক + ষ, যেমন- বক্ষ, রক্ষা, শিক্ষা ইত্যাদি।
যুক্তবর্ণ হ্ম = হ + ম, যেমন- ব্রাহ্মণবাড়িয়া ইত্যাদি।
যুক্তবর্ণ জ্ঞ = জ + ঞ, জ্ঞান, বিজ্ঞান ইত্যাদি।
যুক্তবর্ণ ষ্ণ = ষ + ণ, কৃষ্ণ ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
• ব্যঞ্জন সন্ধির নিয়ম:
আগে ম্ এবং পরে চ্ থেকে ম্ পর্যন্ত বর্গীয় ধ্বনির যেকোনোটি থাকলে পূর্বপদের ম্ স্থানে পরবর্তী বর্গীয় ধ্বনির পঞ্চম ধ্বনি হয়।
যেমন:
- কিম্ + চিৎ = কিঞ্চিৎ,
- সম্ + ত্রাস = সন্ত্রাস,
- কিম্ + তু = কিন্তু,
- সম্ + ধি = সন্ধি,
- সম্ + নিবেশ = সন্নিবেশ ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, সপ্তম শ্রেণি এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)।
• "দই" শব্দে [ও] পূর্ণ স্বরধ্বরি এবং [ই্] অর্ধস্বরধ্বনি মিলে দ্বিস্বরধ্বনি [দই] তৈরি হয়েছে।
অন্যান্য অপশনগুলোর ব্যাখ্যা:
• নদ: এখানে শুধু /অ/ স্বরধ্বনি রয়েছে, দ্বিস্বরধ্বনি নয়।
• চাঁদ: এখানে /আ/ (দীর্ঘ স্বর) রয়েছে, কিন্তু দ্বিস্বরধ্বনি নয়।
• বল: এখানে /অ/ স্বরধ্বনি রয়েছে, দ্বিস্বরধ্বনি নয়।
--------------------
• দ্বিস্বরধ্বনি:
- পাশাপাশি দুটি স্বরধ্বনি থাকলে দ্রুত উচ্চরণের সময় তা একটি সংযুক্ত স্বরধ্বনি রূপে উচ্চারিত হয় যা দ্বিস্বর নামে পরিচিত।
-অর্থাৎ একসঙ্গে উচ্চারিত দুটো মিলিত স্বরধ্বনিকে যৌগিক স্বর বা দ্বি-স্বর বলা হয়। দ্বিস্বরে দুটি স্বর থাকে একটি পূর্ণ, আর একটি অপূর্ণ। বাংলায় পরের স্বরটিই সাধারণত অর্ধ হয়। বাংলা ভাষায় ২৫টি যৌগিক স্বরধ্বনি রয়েছে।
- বাংলা বর্ণমালায় যৌগিক স্বরজ্ঞাপক দুটো বর্ণ রয়েছে ঐ এবং ঔ। অন্য যৌগিক স্বরের চিহ্ন স্বরূপ কোনো বর্ণ নেই।
উদাহরণ: কৈ, বৌ।
আবর,
• পূর্ণ স্বরধ্বনি ও অর্ধস্বরধ্বনি একত্রে উচ্চারিত হলে দ্বিস্বরধ্বনি হয়। যেমন- 'লাউ' শব্দের [আ] পূর্ণ স্বরধ্বরি এবং [উ্] অর্ধস্বরধ্বনি মিলে দ্বিস্বরধ্বনি [লাউ] তৈরি হয়েছে।
দ্বিস্বরধ্বনির কিছু উদাহরণ:
[আই্]: তাই, নাই।
[এই্]: সেই, নেই।
[আও্]: যাও, দাও।
[আএ্]: খায়, যায়।
[উই্]: দুই, রুই।
[অএ্]: নয়, হয়।
[ওউ্]: মৌ, বউ।
[ওই্]: কৈ, দই।
[এউ্]: কেউ, ঘেউ।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম ও দশম শ্রেণি (২০২১-সংস্করণ) এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
মূর্ধন্য ব্যঞ্জন:
- দন্তমূল এবং তালুর মাঝখানে যে উঁচু অংশ থাকে তার নাম মূর্ধা। যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভের ডগা মূর্ধার সঙ্গে লেগে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, সেগুলোকে মূর্ধন্য ব্যঞ্জন বলে।
যেমন:
- টাকা, ঠেলাগাড়ি, ডাকাত, ঢোল, গাড়ি, মূঢ় প্রভৃতি শব্দের ট, ঠ, ড, ঢ, ড়, ঢ় মূর্ধন্য ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
• কণ্ঠনালীয় ব্যঞ্জন:
কণ্ঠনালীয় ব্যঞ্জন উচ্চারণের সময়ে ধ্বনিদ্বার থেকে বায়ু কণ্ঠনালি হয়ে সরাসরি বের হয়ে আসে।
- হাস শব্দের 'হ' কণ্ঠনালীয় ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।
অন্যদিকে,
• কণ্ঠ্য ব্যঞ্জন: ক, খ, গ, ঘ, ঙ কণ্ঠ্য ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।
• ওষ্ঠ্য ব্যঞ্জন: প, ফ, ব, ভ, ম ওষ্ঠ্য ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।
• দন্ত্য ব্যঞ্জন: ত, থ, দ, ধ দন্ত্য ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১-সংস্করণ)।
স্বরবর্ণের মােট ১০টি সংক্ষিপ্ত রূপ রয়েছে, এগুলাের নাম কারবর্ণ: া, ি, ী, ু, ূ, ৃ, ে, ৈ, ো, ৌ। কারবর্ণের স্বতন্ত্র ব্যবহার নেই। এগুলাে ব্যঞ্জনবর্ণের আগে, পরে, উপরে, নিচে বা উভয় দিকে যুক্ত হয়।
- কোনাে ব্যঞ্জনের সঙ্গে কারবর্ণ বা হসচিহ্ন না থাকলে ব্যঞ্জনটির সঙ্গে একটি ‘অ’ আছে বলে ধরে নেওয়া হয়।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি
• বিসর্গ সন্ধি:
পূর্বপদের শেষে যদি অ/আ ভিন্ন অন্য স্বরধ্বনির পর বিসর্গ (র-জাত) থাকে এবং পরপদের প্রথমে যদি স্বরধ্বনি থাকে তবে সন্ধির ফলে বিসর্গ র্ হয়ে যায় এবং পরের স্বরধ্বনির সঙ্গে যুক্ত হয়।
যেমন:
নিয়ম: ইঃ + অ = ই + র্:
- নিঃ + অন্ন = নিরন্ন।
- বহিঃ + অঙ্গ = বহিরঙ্গ।
নিয়ম: ইঃ + আ = ই + রা:
- নিঃ + আকার = নিরাকার।
- নিঃ + আশা = নিরাশা।
নিয়ম: উঃ + অ = উ + র:
- দুঃ + অবস্থা = দুরবস্থা।
- চতুঃ + অঙ্গ = চতুরঙ্গ।
নিয়ম: উঃ + আ = উ + রা:
- দুঃ + আত্মা = দুরাত্মা।
- দুঃ + আশা = দুরাশা।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• সমীভবন:
উচ্চারণের সময় পাশাপাশি অবস্থিত দুটি ব্যঞ্জনধ্বনি একই রকম হয়ে যাওয়াকে বলে সমীভবন।
- জন্ম > জম্ম,
- কাঁদনা > কান্না,
- স্বর্ণ > সন্ন ইত্যাদি।
অন্য অপশনগুলো:
• বিষমীভবন:
দুটো সমবর্ণের একটির পরিবর্তনকে বিষমীভবন বলে।
- শরীর > শরীল,
- লাল > নাল,
- লাঙ্গল > নাঙ্গল ইত্যাদি।
স্বরসঙ্গতি:
একটি স্বরধ্বনির প্রভাবে শব্দে অপর ঘরের পরিবর্তন ঘটলে তাকে বরসঙ্গতি বলে।
যেমন – দেশি > দিশি, বিলাতি > বিলিতি, মুলা > মুলাে ইত্যাদি।
ব্যঞ্জন বিকৃতি:
- শব্দের মধ্যে কোনো কোনো ব্যঞ্জনধ্বনি পরিবর্তিত হয়ে নতুন ব্যঞ্জন ধ্বনিতে পরিণত হওয়াকে বলে ব্যঞ্জন বিকৃতি।
উদাহরণ: কবাট > কপাট, ধোবা > ধোপা।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
• বিষমীভবন:
দুটো সমবর্ণের একটির পরিবর্তনকে বিষমীভবন বলে।
শরীর > শরীল,
লাল > নাল,
লাঙ্গল > নাঙ্গল ইত্যাদি।
অন্য অপশনগুলো:
• সমীভবন:
উচ্চারণের সময় পাশাপাশি অবস্থিত দুটি ব্যঞ্জনধ্বনি একই রকম হয়ে যাওয়াকে বলে সমীভবন।
জন্ম > জম্ম,
কাঁদনা > কান্না,
স্বর্ণ > সন্ন ইত্যাদি।
স্বরসঙ্গতি:
একটি স্বরধ্বনির প্রভাবে শব্দে অপর ঘরের পরিবর্তন ঘটলে তাকে বরসঙ্গতি বলে।
যেমন – দেশি > দিশি, বিলাতি > বিলিতি, মুলা > মুলাে ইত্যাদি।
ব্যঞ্জন বিকৃতি:
- শব্দের মধ্যে কোনো কোনো ব্যঞ্জনধ্বনি পরিবর্তিত হয়ে নতুন ব্যঞ্জন ধ্বনিতে পরিণত হওয়াকে বলে ব্যঞ্জন বিকৃতি।
যেমন: কবাট > কপাট, ধোবা > ধোপা।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
স্বরধ্বনি:
- সেসব ধ্বনি উচ্চারণের সময়ে বায়ু মুখগহ্বরের কোথাও বাধা পায় না, সেগুলোকে স্বরধ্বনি বলে।
উল্লেখ্য,
ব্যঞ্জনধ্বনি:
- যেসব ধ্বনি উচ্চারণের সময়ে বায়ু মুখের বাহিরে বের হওয়ার আগে বাকপ্রত্যঙ্গের বিভিন্ন জায়গায় বাধা পায়, সেগুলোকে ব্যঞ্জনধ্বনি বলে।
মৌলিক স্বরধ্বনি ৭টি:
[ই], [এ), [অ্যা], [আ], [অ], [ও], [উ];
• মৌলিক ব্যঞ্জনধ্বনি ৩০টি:
[প্], [ফ], [ব], ভিা, [ত্], [থ], [দ], [ধ], [ট], [ঠ], [ড], [ঢ়], [চ], [ছ], [জ], [ব],[ক], [খ], [গা,[ঘ], [ম], [ন], [ঙ], [স্], [শ], [হা, [ল], [র], [ড়], [ঢ়।।
- এখানে তৃতীয় বন্ধনী দিয়ে ধ্বনি বা উচ্চারণ নির্দেশ করা হয়েছে।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২সংস্করণ)।
• 'বিপচ্চয়' এর সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ: 'বিপদ + চয়'।
- এটি ব্যঞ্জনসন্ধির উদাহরণ।
• সন্ধির নিয়ম:
- ত্ ও দ্ এর পর চ্ ও ছ্- থাকলে ত্ ও দ্ স্থানে চ্ হয়।
যেমন:
- উৎ + ছেদ = উচ্ছেদ,
- বিপদ + ছায়া = বিপচ্ছায়া,
- বিপদ + চয় = বিপচ্চয়,
- সৎ + চিন্তা = সচ্চিন্তা।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ - নবম-দশম শ্রেণি ( ২০১৯ সংস্করণ)।
উত্তর- ব্যঞ্জনসন্ধি।
- ব্যঞ্জনসন্ধি: স্বরে আর ব্যঞ্জনে, ব্যঞ্জনে আর ব্যঞ্জনে এবং ব্যঞ্জনে আর স্বরে মিলিত হয়ে যে সন্ধি হয় তাকে ব্যঞ্জন সন্ধি বলে।
ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম অনুসারে:
- স্-এর পরে ত্ বা থ্ থাকলে, যথাক্রমে ত্ ও থ্ স্থানে ট ও ঠ হয়।
- যেমন:
- কৃষ + তি = কৃষ্টি।
- ষম্ + থ = ষষ্ঠ।
- ব্ষ + তি = বৃষ্টি।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)।
উৎসঃ মাধ্যমিক ব্যাকরণ বোর্ড বই।
উল্লেখ্য, প্রশ্নে উল্লেখিত অন্যান্য অপশনগুলোর সন্ধি-বিচ্ছেদ সঠিক।
• নিপাতনে সিদ্ধ ব্যঞ্জনসন্ধি:
কতগুলো সন্ধি কোন নিয়ম অনুসারে হয় না, সেগুলোকে নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি বলে।
নিচে কয়েকটি নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির উদাহরণ হলো:
আ + চর্য = আশ্চর্য,
গো + পদ = গোষ্পদ,
আ + পদ = আস্পদ,
পর + পর = পরস্পর,
ষট্ + দশ = ষোড়শ,
এক + দশ = একাদশ,
হরি + চন্দ্র = হরিশ্চন্দ্র,
পতৎ + অঞ্জলি = পতঞ্জলি ইত্যাদি।
অন্যদিকে,
• এ, ঐ, ও, ঔ-কারের পর এ, ঐ স্থানে যথাক্রমে অয়, আয় এবং ও, ঔ স্থানে যথাক্রমে অব্ ও আব্ হয়।
যেমন:
গৈ + অক = গায়ক,
গো + আদি = গবাদি,
গো + এষণা = গবেষণা,
পো + ইত্র = পবিত্র।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ) এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
ঘোষ ব্যঞ্জন:
যেসব ধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ধ্বনিদ্বারের কম্পন অপেক্ষাকৃত বেশি, সেসব ধ্বনিকে বলা হয় ঘোষধ্বনি।
যথা: ব, ভ, ম, দ, ধ, ন, র, ল, ড, ঢ, ড়, ঢ়, জ, ঝ, গ, ঘ, ঙ, হ।
অন্যদিকে,
অঘোষ ব্যঞ্জন:
যেসব ধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ধ্বনিদ্বারের কম্পন অপেক্ষাকৃত কম, সেসব ধ্বনিকে বলা হয় অঘোষধ্বনি।
যথা: প, ফ, ত, থ, স, ট, ঠ, চ, ছ, শ, ক, খ।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২-সংস্করণ)।
তালব্য ব্যঞ্জন:
- যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভে ডগা খানিকটা প্রসারিত হয়ে শক্ত তালুর কাছে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, সেগুলোকে তালব্য ব্যঞ্জন বলে।
- চাচা, ছাগল, জাল, ঝড়, শসা প্রভৃতি শব্দের চ, ছ, জ, ঝ, শ তালব্য ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।
অন্যদিকে:
- ফ, ভ - ওষ্ঠ্য ব্যঞ্জন।
- ল, স - দন্তমূলীয় ব্যঞ্জন।
- ত, ধ - দন্ত্য ব্যঞ্জন।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
সন্ধির নিয়ম:
- ম্- এর পর অন্তঃস্থ ধ্বনি যথা: য, র, ল, ব, কিংবা শ, ষ, স, হ থাকলে ম্- স্থলে অনুস্বার (ং) হয়।
যেমন:
- সম্ + রক্ষণ = সংরক্ষণ,
- সম্ + লাপ = সংলাপ,
- সম্ + শয় = সংশয়,
- স্বয়ম্ + বরা = স্বয়ংবরা ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ) এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• বাংলা বর্ণমালায় মাত্রাহীন বর্ণ সংখ্যা- ১০টি।
• মাত্রাভেদে বর্ণমালা:
- বাংলা বর্ণমালায় পূর্ণমাত্রা বর্ণের সংখ্যা ৩২টি।
- বাংলা বর্ণমালায় মাত্রাহীন বর্ণ সংখ্যা ১০টি।
- বাংলা বর্ণমালায় অর্ধমাত্রার বর্ণ হচ্ছে ৮টি।
• মাত্রাভেদে ব্যঞ্জনবর্ণ:
- ব্যঞ্জনবর্ণে পূর্ণমাত্রার বর্ণের সংখ্যা ২৬টি।
- ব্যঞ্জনবর্ণে অর্ধমাত্রার বর্ণ সংখ্যা ৭টি।
- ব্যঞ্জনবর্ণে মাত্রাহীন বর্ণের সংখ্যা ৬টি।
• মাত্রাভেদে স্বরবর্ণ:
- স্বরবর্ণে পূর্ণমাত্রার বর্ণের সংখ্যা ৬টি।
- স্বরবর্ণে অর্ধমাত্রার বর্ণ সংখ্যা ১টি।
- স্বরবর্ণে মাত্রাহীন বর্ণ সংখ্যা ৪টি।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ ও ২০২২ সংস্করণ)।
• পরাশ্রয়ী বর্ণ:
যেসব বর্ণ স্বাধীনভাবে স্বতন্ত্র বর্ণ হিসেবে ভাষায় ব্যবহৃত হয় না। এবং বর্ণে দ্যোতিত ধ্বনি অন্য ধ্বনির সঙ্গে মিলিত হয়ে একত্রে উচ্চারিত হয়, সে বর্ণগুলোকে বলা হয় পরাশ্রয়ী বর্ণ।
• বাংলা বর্ণমালায় তিনটি পরাশ্রয়ী বর্ণ রয়েছে।
যথা- ং, ঃও ঁ।
এই তিনটি বর্ণের বৈশিষ্ট্য:
- এরা স্বাধীনভাবে ব্যবহৃত হয় না।
- অন্য ধ্বনির সাথে মিলিত হয়ে উচ্চারিত হয়।
- এদের কোনো কার বা ফলা নেই।
প্রশ্নের অপশনগুলো:
ক) গল্প - কোনো পরাশ্রয়ী বর্ণ নেই।
খ) আকাঙ্ক্ষা - কোনো পরাশ্রয়ী বর্ণ নেই।
গ) চাঁদ - এতে ঁ (চন্দ্রবিন্দু) রয়েছে। এখানে ( ঁএকটি পরাশ্রয়ী বর্ণ।)
ঘ) হট্টগোল - কোনো পরাশ্রয়ী বর্ণ নেই।
সুতরাং সঠিক উত্তর - গ) চাঁদ।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিত, নবম - দশম শ্রেণি (সংস্করণ ২০২১)।
• "বার" শব্দের ‘র’ হলো → কম্পনজাত ধ্বনি।
-------------------
• কম্পনজাত ধ্বনি:
জিভ কম্পিত হয়ে বা দন্তমূল বারবার আঘাত করে উচ্চারিত হয় বলে এ-জাতীয় ব্যঞ্জনগুলিকে বলে কম্পনজাত। এ শ্রেণির বাংলা ব্যঞ্জন একটি /র/।
যেমন- বার, ধার।
----------------------
অন্যদিকে,
• তাড়নজাত ধ্বনি:
জিভ উলটিয়ে এ ধ্বনি তৈরি হয়। উচ্চারণের সময় জিভের সামনের অংশ উপরের শক্ত তালুতে একটিমাত্র টোকা দেয় বলে এগুলিকে টোকাজাত ধ্বনিও বলে। এ জাতীয় বাংলা প্রতিবেষ্টিত ব্যঞ্জন দুটি: ড় ও ঢ় । যেমন- ধড়ফড়, বাড়, গাঢ়, নিগূঢ়।
• ঘর্ষণজাত ধ্বনি:
এ ধ্বনি উচ্চারণের সময় দুটি বাগযন্ত্র খুব কাছাকাছি আসে; কিন্তু একসঙ্গে যুক্ত হয় না। ফলে বাতাস বাধা পায় ও সংকীর্ণ পথে বের হওয়ার সময় ঘর্ষণের সৃষ্টি করে বলে এগুলি ঘর্ষণজাত ধ্বনি বলা হয়। উচ্চারণস্থান অনুযায়ী বাংলা ঘর্ষণজাত ধ্বনি হচ্ছে দন্তমূলীয়/স্/ বস্তু, কাস্তে, তালব্য /শ/ দাশ, রাশ, হ্রাস, কণ্ঠনালীয়: /হ/ হাট, হনহন।
• পার্শ্বিক ধ্বনি:
বাতাস জিভের এক পাশ বা দু-পাশ দিয়ে বেরিয়ে যায় বলে এসব ব্যঞ্জনকে বলে পার্শ্বিক। বাংলায় এ শ্রেণির ধ্বনি একটি: ল। যেমন- তাল, শাল।
উৎস: মাধ্যমিক বাংলা দ্বিতীয় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• বিষমীভবন:
দুটো সমবর্ণের একটির পরিবর্তনকে বিষমীভবন বলে।
যেমন-
শরীর > শরীল,
লাল > নাল,
লাঙ্গল > নাঙ্গল ইত্যাদি।
অন্য অপশনগুলো:
• সমীভবন:
উচ্চারণের সময় পাশাপাশি অবস্থিত দুটি ব্যঞ্জনধ্বনি একই রকম হয়ে যাওয়াকে বলে সমীভবন।
যেমন-
জন্ম > জম্ম,
কাঁদনা > কান্না,
স্বর্ণ > সন্ন ইত্যাদি।
স্বরসঙ্গতি:
একটি স্বরধ্বনির প্রভাবে শব্দে অপর স্বরের পরিবর্তন ঘটলে তাকে বরসঙ্গতি বলে।
যেমন,
– দেশি > দিশি, বিলাতি > বিলিতি, মুলা > মুলাে ইত্যাদি।
ব্যঞ্জন বিকৃতি:
- শব্দের মধ্যে কোনো কোনো ব্যঞ্জনধ্বনি পরিবর্তিত হয়ে নতুন ব্যঞ্জন ধ্বনিতে পরিণত হওয়াকে বলে ব্যঞ্জন বিকৃতি।
উদাহরণ: কবাট > কপাট, ধোবা > ধোপা।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
• অশুদ্ধ বানান - ভূমিষাৎ।
- এর শুদ্ধ বানান - ভূমিসাৎ।
যে সব ক্ষেত্রে ষ-ত্ব বিধান প্রযোজ্য নয়:
- আরবি, ফারসি, ইংরেজি ইত্যাদি বিদেশি ভাষা থেকে আগত শব্দে ‘ষ’ হয় না। যেমন- জিনিস, পোশাক, মাস্টার, পোস্ট ইত্যাদি।
- সংস্কৃত ‘সাৎ’ প্রত্যয়যুক্ত পদেও ‘ষ’ হয় না। যেমন: অগ্নিসাৎ, ধূলিসাৎ, ভূমিসাৎ ইত্যাদি।
অন্যদিকে,
• কতগুলো শব্দে স্বভাবতই 'ষ' ব্যবহৃত হয়।
যেমন: ষড়ঋতু, রোষ, কোষ, আষাঢ়, ভাষণ, ঊষা, পৌষ ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
• বর্ণমালা:
- ধ্বনির প্রতীককে বলা হয় বর্ণ। এই বর্ণ কানে শোনার বিষয়কে চোখে দেখার বিষয়ে পরিণত করে। ভাষার সবগুলো বর্ণকে একত্রে বলা হয় বর্ণমালা।
- বাংলা বর্ণমালায় মোট বর্ণ ৫০টি।
- স্বরবর্ণ ১১টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি।
- মাত্রাহীন বর্ণ- বাংলা বর্ণমালায় মাত্রাহীন বর্ণ ১০টি।
- এর মধ্যে স্বরবর্ণ ৪টি এ, ঐ, ও, ঔ এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৬টি (ঙ ঞ, ৎ, ং, ঃ, ঁ)।
- অর্ধমাত্রা বর্ণ- বাংলা বর্ণমালায় অর্ধমাত্রার বর্ণ ৮টি।
- এর মধ্যে স্বরবর্ণ ১টি (ঋ) এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৭টি (খ, গ, ণ, থ, ধ, প, শ)।
- পূর্ণমাত্রা বর্ণ- ৩২টি। এর মধ্যে স্বরবর্ণ ৬টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ২৬টি।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম ও দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।