বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

The Penal Code, 1860

মোট প্রশ্ন২,৪৪৭এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

The Penal Code, 1860

PrepBank · পাতা / ২৫ · ৬০১৭০০ / ২,৪৪৭

৬০১.
Y-এর রাস্তায় চলাচলের অধিকার আছে X সে পথে বিঘ্ন সৃষ্টি করে Y এর চলাচল বাধাগ্রস্থ হয়। X এর কৃত অপরাধ-
  1. ন্যায় আটক
  2. অন্যায় অর্পণ
  3. অন্যায় বাধা
  4. অন্যায় নিয়ন্ত্রণ
ব্যাখ্যা
♦ দন্ডবিধির ৩৩৯ ধারায় বলা হয়েছে, কোন ব্যক্তির যেদিকে যাওয়ার অধিকার আছে তাকে সেইদিকে যেতে ইচ্ছাকৃত ভাবে বাঁধা দেওয়া হলে তাকে অন্যায়ভাবে বাঁধা বা অবৈধ বাঁধা (Wrongful restraint) প্রদান করা হয়েছে বলা হবে।
♦এখানে X এর কৃত অপরাধ হল অন্যায় বাধা বা অবৈধ বাঁধা।

♦ দন্ডবিধির ৩৩৯ ধারাযর বিধান অবৈধ বাধা
:
যে ব্যক্তি কোন ব্যক্তিকে ইচ্ছাপূর্বক এমনভাবে বাধাদান করে যার ফলে উক্ত ব্যক্তির যেদিকে যাবার অধিকার রয়েছে, এমন কোন দিকে উক্ত ব্যক্তির যাবার পথ রুদ্ধ হয়, তবে সে ব্যক্তি উক্ত ব্যক্তিকে অবৈধভাবে বাধাদান করেছে বলে পরিগণিত হয়।

ব্যতিক্রম (Exception):-
যদি কোন লোক স্থলে বা জলে কোন বেসরকারি পথে বাধা দেওয়ার আইনসম্মত অধিকার তার রয়েছে বলে সরল মনে বিশ্বাসবশতঃ উক্ত পথে বিঘ্ন সৃষ্টি করে, তবে তার কাজ এই ধারার অর্থের আওতায় অপরাধ হবে না।

উদাহরণ:
যে পথ অতিক্রম করার অধিকার চ-এর রয়েছে, সে পথে ক বিঘ্ন সৃষ্টি করে। ক সরল মনে বিশ্বাস করে না যে, পথটি রোধ করার অধিকার তার রয়েছে। ক-এর পথ রোধের ফলে চ পথ অতিক্রম করতে অসমর্থ হয় । ক অবৈধভাবে চ-কে বাধাদান করেছে।

♦ দন্ডবিধির ৩৪০ ধারার বিধান অবৈধ অবরোধ:
যে ব্যক্তি কোন ব্যক্তির চলাচলে অবৈধভাবে এমন নিয়ন্ত্রণ আরোপ করে যে, উক্ত ব্যক্তি নিৰ্দিষ্ট সীমা অতিক্রম করতে পারে না, তবে সে ব্যক্তি উক্ত ব্যক্তিকে অবৈধভাবে অবরোধ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

উদাহরণ:
(ক) ক, চ-কে একটি দেয়াল-ঘেরা জায়গায় যেতে বাধ্য করে এবং সেখানে চ-কে তালাবদ্ধ করে রাখে। ফলে চ সে দেয়ালের মধ্যবর্তী নির্দিষ্ট সীমার বাইরে যেতে অসমর্থ হয়। ক চ-কে অবৈধভাবে অবরোধ করেছে।
(খ) ক কোন অট্টালিকার সকল বহির্দ্বারে আগ্নেয়াস্ত্রে-সজ্জিত ব্যক্তিদের মোতায়েন করে চ-কে বলে যে, চ অট্টালিকা হতে নিষ্ক্রমণের চেষ্টা করলে আগ্নেয়াস্ত্র-সজ্জিত ব্যক্তিরা চ-এর প্রতি গুলিবর্ষণ করবে। ক অবৈধভাবে চ-কে অবরোধ করেছে।
৬০২.
দণ্ডবিধির ধারা ৪৮২ অনুসারে, মিথ্যা ট্রেড মার্ক বা মালিকানা চিহ্ন ব্যবহারের সর্বোচ্চ শাস্তি কত বছর কারাদণ্ড?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৫ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০–এর ধারা ৪৮২ অনুযায়ী, যদি কেউ মিথ্যা ট্রেড মার্ক বা মিথ্যা মালিকানা চিহ্ন ব্যবহার করে, তবে সে অপরাধী হবে।
এই অপরাধের শাস্তি হলো সর্বোচ্চ ১ বছরের কারাদণ্ড (সশ্রম বা বিনাশ্রম), অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ড। তবে অভিযুক্ত যদি প্রমাণ করতে পারে যে তার প্রতারণার উদ্দেশ্য ছিল না, তাহলে সে দায়মুক্ত হতে পারে।
-  তাই সঠিক উত্তর হলো: ক) ১ বছর।

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪৮০ অনুসারে, কোনো ব্যক্তি যদি এমনভাবে পণ্য বা প্যাকেজে মার্ক ব্যবহার করে, যা যুক্তিসঙ্গতভাবে বিশ্বাস করায় যে পণ্যটি অন্য কারো তৈরি বা ব্যবসায়িক, তবে তা মিথ্যা ট্রেড মার্ক ব্যবহার হিসেবে গণ্য। ধারা ৪৮২ অনুসারে, মিথ্যা ট্রেড মার্ক ব্যবহারের শাস্তি হলো ১ বছর পর্যন্ত যেকোনো প্রকারের কারাদণ্ড, জরিমানা, বা উভয়ই, যদি না অভিযুক্ত প্রমাণ করতে পারে যে তার প্রতারণার উদ্দেশ্য ছিল না। 

⇒ The Penal Code, 1860-Section- 482.Punishment for using a false trade mark or property mark:
Whoever use any false trade mark or any false property mark shall, unless he proves that he acted without intent to defraud, be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one year, or with fine, or with both.

৬০৩.
What are the two kinds of kidnapping defined in Section 359 of the Penal Code, 1860?
  1. Kidnapping from home and kidnapping from public places
  2. Kidnapping for trafficking and kidnapping for revenge
  3. Kidnapping from Bangladesh and kidnapping for ransom
  4. Kidnapping from lawful guardianship and kidnapping from Bangladesh
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৫৯ ধারা মতে মনুষ্যহরণ বা অপহরণ ২ প্রকার।
যথা:
(i) বাংলাদেশ থেকে মনুষ্যহরণ;
(ii) আইনগত অভিভাবকের নিকট হতে মনুষ্যহরণ।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৬০ ধারার বিধান বাংলাদেশ হতে মনুষ্য হরণ:- কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তিকে তার সম্মতি ছাড়াই অথবা তার স্বপক্ষে সম্মতি দানের ক্ষমতাসম্পন্ন অপর কারো সম্মতি ছাড়াই বাংলাদেশের সীমানার বাইরে পাঠিয়ে দেয় বা নিয়ে যায়, তবে উক্ত ব্যক্তি তাকে বাংলাদেশ হতে অপহরণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৬১ ধারার বিধান আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে মনুষ্যহরণ:- কোন ব্যক্তি যদি চৌদ্দ বৎসরের কম বয়সী কোন নাবালককে অথবা ষোল বৎসরের কম বয়সী কোন নাবালিকাকে অথবা বিকৃত মস্তিষ্ক কোন ব্যক্তিকে তার অভিভাবকের সম্মতি ছাড়াই অভিভাবকের রক্ষণাবেক্ষণ হতে নিয়ে যায়, তবে সে ব্যক্তি উক্ত অপ্রাপ্তবয়স্ক বালক বা বালিকাকে অথবা অনুরূপ বিকৃতমস্তিষ্ক ব্যক্তিকে আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে অপহরণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860: Section-359: Kidnapping:
Kidnapping is of two kinds: kidnapping from Bangladesh, and kidnapping from lawful guardianship.

⇒ The Penal Code, 1860: Section-360: Kidnapping from Bangladesh, etc.:
 Whoever conveys any person beyond the limits of Bangladesh without the consent of that person, or of some person legally authorized to consent on behalf of that person, is said to kidnap that person from Bangladesh.

⇒ The Penal Code, 1860: Section-361: Kidnapping from lawful guardianship:
Whoever takes or entices any minor under fourteen years of age if a male, or under sixteen years of age if a female, or any person of unsound mind, out of the keeping of the lawful guardian of such minor or person of unsound mind, without the consent of such guardian, is said to kidnap such minor or person from lawful guardianship. 
 
Explanation.-The words "lawful guardian" in this section include any person lawfully entrusted with the care or custody of such minor or other person. 
 
Exception.-This section does not extend to the act of any person who in good faith believes himself to be the father of an illegitimate child, or who in good faith believes himself to be entitled to the lawful custody of such child, unless such act is committed for an immoral or unlawful purpose.
৬০৪.
একজন ব্যক্তি যদি দাঙ্গা দমনকালে পুলিশকে আক্রমণ করে, তাহলে দণ্ডবিধির কোন ধারা অনুসারে দণ্ডিত হবে?
  1. ধারা ১৪৯
  2. ধারা ১৫১
  3. ধারা ১৫২
  4. ধারা ১৫৩
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) ধারা ১৫২।
→ দণ্ডবিধির ১৫২ ধারা (Section 152 of the Penal Code, 1860) অনুযায়ী: যদি কোনো ব্যক্তি দাঙ্গা দমন বা অবৈধ সমাবেশ ছত্রভঙ্গের সময় দায়িত্বরত সরকারি কর্মচারীকে আক্রমণ করে, বাধা দেয়, হুমকি দেয় অথবা বল প্রয়োগ করে, তাহলে সে এই ধারায় দণ্ডিত হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ১৫২ ধারার বিধান: দাঙ্গা ইত্যাদি দমনকালে সরকারি কর্মচারীকে আক্রমণ বা বাধাদান করা:- কোন সরকারি কর্মচারী অনুরূপ সরকারি কর্মচারী হিসেবে তাঁর কর্তব্য সম্পাদন উদ্দেশ্যে একটি অবৈধ সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করার অথবা দাঙ্গা দমন করার প্রচেষ্টাকালে কোন ব্যক্তি যদি তাকে আক্রমণ করে অথবা আক্রমণ করার হুমকি প্রদর্শন করে, অথবা বাধাদান করে বা বাধাদান করার চেষ্টা করে, অথবা অনুরূপ সরকারি কর্মচারীর প্রতি অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করে বা করার হুমকি প্রদর্শন করে বা চেষ্টা করে, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডে দণ্ডিত হবে।
---------
⇒ The Penal Code, 1860-Section-152- Assaulting or obstructing public servant when suppressing riot, etc.
- Whoever assaults or threatens to assault, or obstructs or attempts to obstruct, any public servant in the discharge of his duty as such public servant, in endeavouring to disperse an unlawful assembly, or to suppress a riot or affray, or uses, or threatens, or attempts to use criminal force to such public servant, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years or with fine, or with both.
৬০৫.
কোন ব্যক্তি খুন করার বা খুন সহকারে দস্যুতা অনুষ্ঠান বা শিশু অপহরণের উদ্দেশ্যে অভ্যাসগতভাবে এক বা একাধিকব্যক্তির সাথে মেলামেশা করলে; উক্ত ব্যক্তি নিম্ন লিখিত কোন ধরনের অপরাধে অপরাধী হবে-
  1. খুন করার অপরাধে
  2. ঠগ
  3. শিশু পাচার
  4. উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩১০ ধারার বিধান ঠগ:- কোন ব্যক্তি যদি এই আইন পাস হওয়ার পরে কোন সময় খুনের মাধ্যমে বা খুন সহ দস্যুতা সাধন বা শিশু অপহরণের জন্য অপর এক বা একাধিক ব্যক্তির সাথে অভ্যাসগতভাবে সংশ্লিষ্ট হয়ে থাকে, তবে সে ব্যক্তি একজন ঠগ।
-------------
⇒ Section 310. Thug:- Whoever, at any time after the passing of this Act, shall have been habitually associated with any other or others for the purpose of committing robbery or child-stealing by means of or accompanied with murder, is a thug.
৬০৬.
'A', একজন নারীর সম্ভ্রমহানি করার অভিপ্রায়ে, জনসমক্ষে তার শাড়ি টেনে নামায়। এই কাজ দণ্ডবিধির কোন ধারায় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে?
  1. ৩৫২ ধারা
  2. ৩৫৩ ধারা
  3. ৩৫৪ ধারা
  4. ৩৫৬ ধারা
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৫৪ অনুযায়ী, কোনো নারীর শালীনতায় আঘাত করার উদ্দেশ্যে আক্রমণ বা অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করলে অপরাধী সর্বোচ্চ ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে। এছাড়া অর্থদণ্ড বা উভয় শাস্তি একসাথে প্রযোজ্য হতে পারে।
- 'A' একজন নারীর সম্ভ্রমহানি করার অভিপ্রায়ে জনসমক্ষে তার শাড়ি টেনে নামানো—এটি স্পষ্টভাবে দণ্ডবিধির ধারা ৩৫৪-এর আওতাভুক্ত অপরাধ।

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৫৪ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি: কোনো নারীর উপর আক্রমণ (assault) বা অপরাধমূলক বল (criminal force) প্রয়োগ করে উদ্দেশ্য বা জ্ঞানসহকারে যে এতে তার শালীনতায় আঘাত (outrage modesty) পড়বে, তাহলে অপরাধী সর্বোচ্চ ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে। কারাদণ্ড (সশ্রম বা বিনাশ্রম) অথবা জরিমানা অথবা উভয় শাস্তি একসাথে প্রযোজ্য।
------
⇒ The Penal Code, 1860- Section- 354. Assault or criminal force to woman with intent to outage her modesty:
Whoever assaults or uses criminal force to any woman, intending to outrage or knowing it to be likely that he will thereby outrage her modesty, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.

৬০৭.
দণ্ডবিধির ৪৭৮ ধারা অনুযায়ী ট্রেডমার্ক (Trade mark) কী?
  1. ব্যক্তি পরিচয় চিহ্ন
  2. পণ্যের গুণমান চিহ্ন
  3. স্থাবর সম্পত্তির মালিকানা চিহ্ন
  4. পণ্যের উৎপাদনকারী বা বাণিজ্যিক মালিকের চিহ্ন
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধি ৪৭৮ ধারার বিধান: পণ্য-প্রতীক (Trade mark): কোন পণ্যদ্রব্য, কোন বিশেষ ব্যক্তির প্রস্তুত পণ্যদ্রব্য বা ব্যবসায়ের পণ্য বলে নির্দেশ করার জন্য ব্যবহৃত চিহ্ন বা মার্কাকে পণ্য-প্রতীক বলে। অর্থাৎ কোন পণ্যদ্রব্যের মালিকানা নির্দেশক চিহ্ন বা মার্কাকে পণ্য- প্রতীক বা Trade mark বলে।

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৪৭৮- ট্রেডমার্ক: যে চিহ্নটি কোন পণ্য বা মালামাল নির্দিষ্ট ব্যক্তির উৎপাদন বা বাণিজ্যের নির্দেশক হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তাকে ট্রেডমার্ক বলা হয়, এবং এই কোডের উদ্দেশ্যে "ট্রেডমার্ক" শব্দের মধ্যে যেকোনো ট্রেডমার্ক অন্তর্ভুক্ত থাকবে যা ১৮৮৩ সালের পেটেন্ট, ডিজাইন এবং ট্রেডমার্ক আইন অনুযায়ী ট্রেডমার্ক রেজিস্টারে নিবন্ধিত, এবং যেকোনো ট্রেডমার্ক যা নিবন্ধন থাকা বা না থাকা সত্ত্বেও কোনো ব্রিটিশ অধিভুক্ত অঞ্চল বা বিদেশী রাষ্ট্রে আইন দ্বারা সুরক্ষিত, যেখানে ১৮৮৩ সালের পেটেন্ট, ডিজাইন এবং ট্রেডমার্ক আইনের ১০৩ ধারা, সরকারি আদেশের মাধ্যমে, সংশ্লিষ্ট সময়ে প্রযোজ্য হয়েছে।
⇒ দণ্ডবিধির ধারা-৪৭৯: প্রোপার্টি মার্ক: যে চিহ্নটি চলন্ত সম্পত্তির মালিকানা নির্দিষ্ট ব্যক্তির নির্দেশক হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তাকে প্রোপার্টি মার্ক বলা হয়।
--------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section-478. Trade mark: 
- A mark used for denoting that goods are the manufacture or merchandise of a particular person is called a trade mark, and for the purposes of this Code the expression "trade mark" includes any trade mark which is registered in the register of trade marks kept under the Patents, Designs and Trade Marks Act, 1883, and any trade mark which, either with or without registration, is protected by law in any British possession or Foreign State to which the provisions of the one hundred and third section of the Patents, Designs and Trade Marks Act, 1883, are, under Order-in-Council, for the time being applicable.
⇒ The Penal Code, 1860, Section-479:
- Property mark:- A mark used for denoting that moveable property belongs to a particular person is called a property mark.
৬০৮.
দণ্ডবিধির কত ধারায় শাস্তির প্রকারভেদ রয়েছে?
  1. ৫১
  2. ৫৩
  3. ৫৩ক
  4. ৫৫
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি মূলত দণ্ড সম্পর্কিত আইন, দণ্ডবিধির ৫৩ ধারায় শাস্তির প্রকারভেদ রয়েছে
- দণ্ডবিধির ৫৩ ধারায় পাঁচ প্রকার শাস্তি উল্লেখ আছে।
যথা:
(i) মৃত্যুদণ্ড (Death penalty)
(ii) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড (Imprisonment for life)
(iii) কারাদণ্ড(Imprisonment) দুই প্রকার:
ক) সশ্রম( Rigorous, that is, with hard labour) এবং
খ) বিনাশ্রম (Simple)
(iv) সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত (forfeiture of property) 
(v) অর্থদণ্ড (fine)
-ব্যাখ্যা: যাবজ্জীবন কারাদণ্ড সর্বদায় সশ্রম কারাদণ্ড হবে।
-------------------
⇒ Section-53: The punishments to which offenders are liable under the provisions of this Code are,-
Firstly,- Death;
Secondly,- Imprisonment for life;
Thirdly,-[Omitted]
Fourthly,-Imprisonment, which is of two descriptions, namely:
(1) Rigorous, that is, with hard labour;
(2) Simple;
Fifthly,- Forfeiture of property;
Sixthly,- Fine.
Explanation.-In the punishment of imprisonment for life, the imprisonment shall be rigorous.
৬০৯.
দণ্ডবিধির ১৭১ক ধারা অনুযায়ী, "নির্বাচনী অধিকার" (electoral right) কী?
  1. প্রার্থী হওয়া
  2. প্রার্থীতা প্রত্যাহার করা
  3. ভোট দেওয়া বা ভোট না দেওয়ার অধিকার
  4. উপরের সবগুলো 
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ১৭১ক ধারার (খ) উপধারা অনুযায়ী, "নির্বাচনী অধিকার" বলতে বোঝানো হয়েছে—
- প্রার্থী হিসেবে দাঁড়ানোর অধিকার
- প্রার্থী না হওয়ার অধিকার
- প্রার্থী হওয়ার পর মনোনয়ন প্রত্যাহারের অধিকার
- ভোট দেওয়ার অধিকার
- ভোটদান থেকে বিরত থাকার অধিকার
→ অতএব, উল্লিখিত প্রশ্নে 'উপরের সবগুলো ' সঠিক।

⇒ দণ্ডবিধির ১৭১ক ধারার বিধান 'নির্বাচন প্রার্থী' 'নির্বাচনী অধিকার' কথা দুইটির সংজ্ঞা :- এই অধ্যায়ের উদ্দেশ্যসমূহের পরিপ্রেক্ষিতে- (ক) 'নির্বাচন প্রার্থী' বলতে কোন নির্বাচনের প্রার্থী হিসেবে মনোনীত ব্যক্তিকে বুঝাবে এবং যে ব্যক্তি কোন নির্বাচনের জল্পনা-কল্পনা চলাকালে উহাতে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে নিজেকে প্রতিভাত করেন সে ব্যক্তিকেও বুঝাবে। তবে সে ব্যক্তিকে পরে অনুরূপ নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে মনোনীত হতে হবে;
(খ) নির্বাচনী অধিকার' বলতে কোন ব্যক্তির কোন নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে দাঁড়াবার অথবা না দাঁড়াবার অথবা প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হতে নাম প্রত্যাহার করার অথবা ভোট দেওয়ার অথবা ভোটদান হতে বিরত থাকার অধিকার বুঝায়।
---------
⇒ The Penal Code, 1860- Section-171A- “Candidate”, “Electoral right” defined:
- For the purposes of this Chapter -
- (a) "candidate" means a person who has been nominated as a candidate at any election and includes a person who, when an election is in contemplation, holds himself out as a prospective candidate thereat; provided that he is subsequently nominated as a candidate at such election;
- (b) "electoral right" means the right of a person to stand, or not to stand as, or to withdraw from being, a candidate or to vote or refrain from voting at an election.

৬১০.
দণ্ডবিধির ৩২৫ ধারায় “Voluntarily causing grievous hurt” এর সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৩ বছর কারাদণ্ড
  2. ৫ বছর কারাদণ্ড
  3. ৭ বছর কারাদণ্ড 
  4. ১০ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৩২৫ অনুসারে, যে কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর আঘাত (Grievous Hurt) করে, তাকে ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং জরিমানার শাস্তি দেওয়া যেতে পারে। সুতরাং, সর্বোচ্চ শাস্তি হলো ৭ বছর কারাদণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ৩২৫ ধারা- স্বেচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর আঘাত দানের (Voluntarily causing grievous hurt) শাস্তি:
- কোন ব্যক্তি, যদি ৩৩৫ ধারার বিধান সাপেক্ষে, স্বেচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর আঘাত করে, তবে সে ব্যক্তি ৭ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।

⇒ The Penal Code, 1860 Section-325: Punishment for voluntarily causing grievous hurt:
- Whoever, except in the case provided for by section 335, voluntarily causes grievous hurt, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.

৬১১.
প্রতারণার সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে কোন ধারায়?
  1. ৪১৫ ধারায়
  2. ৪১৭ ধারায়
  3. ৪১৯ ধারায়
  4. ৪২০ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ দন্ডবিধির ৪১৫ ধারায় প্রতারণার সংজ্ঞা রয়েছে। প্রতারণা বলতে ফাঁকি দিয়ে বা মিথ্যা বর্ণনার দ্বারা কাউকে এমনভাবে প্রভাবিত করা যে, প্রতারিত ব্যক্তি যেন প্রতারণাকারীর ইচ্ছামাফিক কোন কাজ করে যা প্রতারিত ব্যক্তির দেহ, মন, সুনাম বা সম্পত্তির ক্ষতি করে (damage or harm to that person in body,mind,reputation or property) অথবা প্রতারিত ব্যক্তিকে কোন কাজ করতে বা না করতে বা সম্পত্তি অর্পনে বাধ্য করে।
৬১২.
দণ্ডবিধির ৪৪৫ ধারায় কোন বিধানটি রয়েছে?
  1. Criminal trespass
  2. House-trespass
  3. House-breaking
  4. Lurking house-trespass
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪৪৫ ধারায় অপথে গৃহে প্রবেশের বিধান রয়েছে। ৪৪৫ ধারা অনুযায়ী নিম্নলিখিত ৬টি উপায়ে কোন গৃহে প্রবেশ করলে বা গৃহ থেকে বের হলে তা অপথে গৃহে প্রবেশ বা House breaking বলে গণ্য হবে। যথা-

i) বন্ধ দরজা বা পথ খুলে (Opening any passage fastended for );
ii) তালা খুলে বা ভেঙ্গে (Opening or breaking lock);

iii) নতুন পথ তৈরি করে (Passage made by him);
iv) আক্রমন বা বলপ্রয়োগের ভয় দেখিয়ে (Using criminal force);

v) আটকানো কোন কিছুকে খুলে বা অন্যভাবে মুক্ত করে অস্বাভাবিক পন্থায় ভিতরে প্রবেশ করা বা নির্গমন হওয়া; অথবা
vi) প্রবেশ বা প্রস্থানের জন্য নয় এমন পথ দিয়ে গৃহে প্রবেশ করলে অপথে গৃহ প্রবেশ (house breaking) এর অপরাধ হবে।
----------------
⇒ Section 445 House-breaking: A person is said to commit “house-breaking" who commits house-trespass if he effects his entrance into the house or any part of it in any of the six ways hereinafter described; or if, being in the house or any part of it for the purpose of committing an offence, or, having committed an offence therein, he quits the house or any part of it in any of such six ways, that is to say:
 
Firstly.-If he enters or quits through a passage made by himself, or by any abettor of the house-trespass, in order to the committing of the house-trespass.
Secondly.-If he enters or quits through any passage not intended by any person, other than himself or an abettor of the offence, for human entrance; or through any passage to which he has obtained access by scaling or climbing over any wall or building.
Thirdly.-If he enters or quits through any passage which he or any abettor of the house-trespass has opened, in order to the committing of the house-trespass by any means by which that passage was not intended by the occupier of the house to be opened.
Fourthly.-If he enters or quits by opening any lock in order to the committing of the house-trespass, or in order to the quitting of the house after a house-trespass.
Fifthly.-If he effects his entrance or departure by using criminal force or committing an assault, or by threatening any person with assault.
Sixthly.-If he enters or quits by any passage which he knows to have been fastened against such entrance or departure, and to have been unfastened by himself or by an abettor of the house-trespass.
Explanation.-Any out-house or building occupied with a house, and between which and such house there is an immediate internal communication, is part of the house within the meaning of this section.
৬১৩.
কোন ব্যক্তি অপর কোন ব্যক্তির প্রতি বলপ্রয়োগ (Force) করে বলে বিবেচিত হবে যদি সে উক্ত ব্যক্তিকে-
  1. গতিশীল করায় (cause of motion)
  2. তার গতি পরিবর্তন করায় (change of motion)
  3. গতি রোধ করায় (cessation of motion)
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৪৯ ধারার বিধান: বলপ্রয়োগ:- কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির গতি সঞ্চার করে, গতি পরিবর্তন করে বা গতি স্তব্ধ করে, অথবা যদি সে কোন বস্তুতে এমন গতি সঞ্চার করে, বা গতি স্তব্ধ করে, যাতে উহা অপর কোন ব্যক্তির দেহের কোন অংশের সংস্পর্শে আসে, অথবা যদি সে অপর কোন ব্যক্তির পরিহিত বা বাহিত কোন দ্রব্যে অনুরূপ গতি সঞ্চার, গতি পরিবর্তন বা গতি স্তব্ধ করে, অথবা যদি সে এমন কোন বস্তুর সাথে উহা করে যা এমনভাবে সংস্থিত যে, উহার সংস্পর্শ দ্বিতীয়োক্ত ব্যক্তির অনুভব-শক্তি ব্যাহত করে, তবে সে ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির প্রতি বলপ্রয়োগ করেছে বলে পরিগণিত হয়:-

তবে শর্ত থাকে যে, যে ব্যক্তি গতি সঞ্চার করে, গতি পরিবর্তন করে বা গতি স্তব্ধ করে, সে ব্যক্তির গতি সঞ্চারের, গতি পরিবর্তনের বা গতি স্তব্ধকরণের পদ্ধতি নিম্নোক্ত তিনটি উপায়ের যেকোন একটি হতে হবে-
প্রথমত:- তার নিজ দেহের শক্তি প্রয়োগ করে।
দ্বিতীয়ত:- কোন বস্তু এমনভাবে ব্যবহার করে, যার ফলে তার নিজের বা অপর কোন ব্যক্তির কোন কাজ ব্যতীত গতি বা গতির পরিবর্তন বা গতির স্তব্ধতা সাধিত হয়।
তৃতীয়ত:- কোন পশুকে চালিত করে গতি পরিবর্তন বা পশুটির গতি স্তব্ধ করে। 
------
Force:
Section 349. A person is said to use force to another if he causes motion, change of motion, or cessation of motion to that other, or if he causes to any substance such motion, or change of motion, or cessation of motion as brings that substance into contact with any part of that other's body, or with anything which that other is wearing or carrying, or with anything so situated that such contact affects that other's sense of feeling:

Provided that the person causing the motion, or change of motion, or cessation of motion, causes that motion, change of motion, or cessation of motion in one of the three ways hereinafter described: 
 
Firstly. By his own bodily power. 
Secondly. By disposing any substance in such a manner that the motion or change or cessation of motion takes place without any further act on his part, or on the part of any other person. 
Thirdly. By inducing any animal to move, to change its motion, or to cease to move.
৬১৪.
‘A’-কে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে, এবং শাস্তির ভগ্নাংশ গণনায় ধারা ৫৭ প্রযোজ্য। তাহলে যাবজ্জীবনকে কত বছরের সমান ধরা হবে?
  1. ১৫ বছর
  2. ৩০ বছর
  3. ৪০ বছর
  4. যাবজ্জীবনই
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৫৭ ধারা অনুযায়ী, শাস্তির মেয়াদ গণনায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডকে ৩০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
অর্থাৎ দণ্ডবিধির ধারা ৫৭ অনুসারে, শাস্তির মেয়াদের ভগ্নাংশ গণনার ক্ষেত্রে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডকে ৩০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের সমতুল্য ধরা হয়।
- সুতরাং, 'A'-এর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড শাস্তির ভগ্নাংশ (যেমন- remission, parole ইত্যাদি) গণনা করার সময় ৩০ বছর হিসেবে বিবেচিত হবে।
---------
 ⇒ The Penal Code,1860- Section 57: Fractions of terms of punishment:
- In calculating fractions of terms of punishment, imprisonment for life shall be reckoned as equivalent to rigorous imprisonment for thirty years.

৬১৫.
দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর কোন ধারা অনুযায়ী ৯ বছরের কম বয়সী শিশু কর্তৃক কৃত কাজ অপরাধ হিসেবে গণ্য হয় না?
  1. ধারা ৮৪
  2. ধারা ৮২
  3. ধারা ৮১
  4. ধারা ৮০
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৮২ অনুসারে, ৯ বছরের কম বয়সী কোনো শিশু দ্বারা করা কাজ অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হয় না, কারণ এই বয়সের শিশুরা সাধারণত তাদের কাজের অপরাধমূলক প্রকৃতি বা পরিণতি বুঝতে সক্ষম হয় না।
----------
⇒ The Penal Code, 1860- Sections- 82. Act of a child under nine years of age:
 - Nothing is an offence which is done by a child under nine years of age.
৬১৬.
'A' জানতো যে তার স্বামী খুন করেছে। 'A' তার স্বামীকে শাস্তি থেকে বাঁচানোর জন্য লুকিয়ে রাখে। এই ক্ষেত্রে 'A' এর সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ১ বছর কারাদণ্ড
  2. ৬ মাসের কারাদণ্ড
  3. ৭ বছর কারাদণ্ড
  4. কোন অপরাধ করেনি তাই শাস্তি পাবে না
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২১২ ধারার অধীন অপরাধীকে আশ্রয় দানের জন্য (Harbouring Offender) বা অপরাধীকে লুকিয়ে রাখার জন্য শাস্তির বিধান করা হয়েছে। কিন্তু অপরাধীকে তার স্বামী বা স্ত্রী আশ্রয় দিলে স্বামী বা স্ত্রী ২১২ ধারায় দণ্ডিত হবেনা। অর্থাৎ ২১২ ধারা স্বামী বা স্ত্রীর জন্য প্রযোজ্য হবে না।

⇒  দণ্ডবিধির ২১২ ধারার বিধান দোষী ব্যক্তিকে আশ্রয় দান করা:- কোন অপরাধ অনুষ্ঠিত হওয়ার পর কোন ব্যক্তি যদি কাউকে দোষী বলে জ্ঞাত করা থাকা সত্ত্বেও অথবা সে দোষী বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও তাকে আইনের সাজা হতে বাঁচাবার উদ্দেশ্যে লুকিয়ে রাখে বা আশ্রয়দান করে, সেক্ষেত্রে-

দোষী ব্যক্তি যদি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়:- যদি অপরাধটি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি পাঁচ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।

দোষী ব্যক্তি যদি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়:- যদি অপরাধটি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে কিংবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।

যদি অপরাধটি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয় এবং দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় না হয়, তবে সে ব্যক্তি সেই অপরাধটির জন্য বিহিত প্রকারের কারাদণ্ডের দীর্ঘতম মেয়াদের এক-চতুর্থাংশ পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে অথবা অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত হবে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

অত্র ধারার 'অপরাধ' বলতে বাংলাদেশের মধ্যে যে কাজ অনুষ্ঠিত হলে তা ৩০২, ৩০৪, ৩৮২, ৩৯২, ৩৯৩, ৩৯৪, ৩৯৫, ৩৯৬, ৩৯৭, ৩৯৮, ৩৯৯, ৪০২, ৪৩৫, ৪৩৬, ৪৪৯, ৪৫০, ৪৫৭, ৪৫৮, ৪৫৯ এবং ৪৬০ ধারায় যে কোনটি অনুযায়ী দণ্ডনীয় হত, তা বাংলাদেশের বাইরে যেকোন স্থানে অনুষ্ঠিত হলে তাকেও বুঝাবে এবং অনুরূপ যেকোন কাজ যেন অভিযুক্ত ব্যক্তি বাংলাদেশের অভ্যন্তরেই সংঘটনের জন্য দোষী সাব্যস্ত হয়েছে, এমনভাবেই দণ্ডনীয় বলে পরিগণিত হবে।

⇒  ব্যতিক্রম:- দোষী ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রী অনুরূপ আশ্রয়দান করলে বা লুকিয়ে রাখলে তখন এই বিধান প্রয়োগযোগ্য হবে না।
-----------------------
⇒  Exception. This provision shall not extend to any case in which the harbour or concealment is by the husband or wife of the offender.
৬১৭.
দণ্ডবিধিতে “Public servant” বলতে কত ধরণের ব্যক্তিকে উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. ৮ ধরণের ব্যক্তিকে
  2. ১০ ধরণের ব্যক্তিকে
  3. ৯ ধরণের ব্যক্তিকে
  4. ১২ ধরণের ব্যক্তিকে
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ২১ ধারায় সরকারি কর্মচারী বা Public Servant সম্পর্কে বলা হয়েছে। সরকারি কর্মচারী বলতে প্রজাতন্ত্রের কর্মে বেতনাদিযুক্ত পদে অধিষ্ঠিত বা কর্মরত কোনো ব্যক্তিকে বোঝায়। 'সরকারি কর্মচারী' কারা এর কোনো চূড়ান্ত সংজ্ঞা বা তালিকা নেই।

 ♦ দণ্ডবিধির ২১ ধারায় ১২ ধরণের ব্যক্তিকে সরকারী কর্মচারী বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

---------------------------
♦  “Public servant”
Section  21. The words "public servant" denote a person falling under any of the descriptions hereinafter following, namely:- 
 
First.-[Omitted by section 2 of the Penal Code (Amendment) Ordinance, 1982 (Ordinance No. X of 1982)]; 
 
Second. Every Commissioned Officer in the Military, Naval or Air Forces of Bangladesh.
 
[Third.- Every Judge including any person empowered by any law to perform, whether by himself or as a member of any body of persons, any adjudicatory function;] 
 
Fourth.- very officer of a Court of Justice whose duty it is, as such officer, to investigate or report on any matter of law or fact, or to make, authenticate, or keep any document, or to take charge or dispose of any property, or to execute any judicial process, or to administer any oath, or to interpret, or to preserve order in the Court; and every person specially authorized by a Court of Justice to perform any of such duties; 
 
Fifth.-Every juryman, assessor, or member of a panchayat assisting a Court of Justice or public servant; 
 
Sixth.-Every arbitrator or other person to whom any cause or matter has been referred for decision or report by any Court of Justice, or by any other competent public authority; 
 
Seventh.-Every person who holds any office by virtue of which he is empowered to place or keep any person in confinement; 
 
Eighth.-Every officer of the Government whose duty it is, as such officer, to prevent offences, to give information of offences, to bring offenders to justice, or to protect the public health, safety or convenience; 
 
Ninth.-Every officer whose duty it is, such officer, to take, receive, keep or expend any property on behalf of the Government, or to make any survey, assessment or contract on behalf of the Government, or to execute any revenue-process, or to investigate, or to report, on any matter affecting the pecuniary interests of the Government, or to make, authenticate or keep any document relating to the pecuniary interest of the Government, or to prevent the infraction of any law for the protection of the pecuniary interests of the Government ; 
 
Tenth.-Every officer whose duty it is, as such officer, to take, receive, keep or expend any property, to make any survey or assessment or to levy any rate or tax for any secular common purpose of any village, town or district, or to make, authenticate or keep any document for the ascertaining of the rights of the people of any village, town or district; 
 
Eleventh.-Every person who holds any office in virtue of which he is empowered to prepare, publish, maintain or revise an electoral roll or to conduct an election or part of an election. 
 
Illustration 
 
A Municipal Commissioner is a public servant. 
 
Twelfth.-Every person- 
 
(a) in the service or pay of the Government or remunerated by the Government by fees or commissions for the performance of any public duty; 
 
(b) in the service or pay of a local authority or of a corporation, body or authority established by or under any law or of a firm or company in which any part of the interest or share capital is held by, or vested in, the Government.
 
Explanation 1.-Persons falling under any of the above descriptions are public servants, whether appointed by the Government or not. 
 
Explanation 2.-Wherever the words "public servant" occur, they shall be understood of every person who is in actual possession of the situation of a public servant, whatever legal defect there may be in his right to hold that situation. 
 
Explanation 3.-The word "election" denotes an election for the purpose of selecting members of any legislative, municipal or other public authority, of whatever character, the method of selection to which is by, or under, any law prescribed as by election.
৬১৮.
দণ্ডবিধির ১৯২ ধারার অধীন কার নিকট ব্যবহার করার জন্য মিথ্যা সাক্ষ্য উদ্ভব বলে গণ্য হবে?
  1. সরকারী কর্মকর্তার নিকট
  2. বিচারিক কার্যক্রমে
  3. সালিসের সম্মুখে
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ১৯২ ধারার বিধান: মিথ্যা সাক্ষ্য উদ্ভাবন করা:- কোন ব্যক্তি যদি কোন অবস্থার অস্তিত্ব সৃষ্টি বা উদ্ভাবন করে, অথবা কোন বইতে বা রেকর্ডে মিথ্যা কথা লিপিবদ্ধ করে অথবা মিথ্যা বিবরণ সাক্ষ্য হিসেবে কোন বিচারবিভাগীয় কার্যক্রমে অথবা সরকারী কর্মচারীর সম্মুখে সরকারী কর্মচারী হিসেবে কোন আইনগত কার্যক্রমে অথবা কোন সালিসের সম্মুখে উত্থাপন করার উদ্দেশ্যেই যদি তা করা হয়ে থাকে এবং অনুরূপ অবস্থা বা মিথ্যা দলিল বা মিথ্যা বিবৃতি যদি এমন প্রকৃতির হয় যে, উক্ত কার্যক্রমে যিনি সাক্ষ্যের উপর ভিত্তি করে তাঁর মতামত গঠন করবেন, তিনি উক্ত অবস্থা বা মিথ্যা দলিল বা মিথ্যা বিবৃতিজনিত সাক্ষ্যে প্রভাবিত হয়ে অনুরূপ কার্যক্রমের সাথে গুরুত্বপূর্ণভাবে জড়িত কোন বিষয় সম্পর্কে ভুল ধারণা বা মত পোষণ করবেন, তবে সে ব্যক্তি 'মিথ্যা সাক্ষ্য তৈরি করেছে' বলে পরিগণিত হয়।

--------------
♦ Fabricating false evidence:
Section 192. Whoever causes any circumstance to exist or makes any false entry in any book or record, or makes any document containing a false statement, intending that such circumstance, false entry or false statement may appear in evidence in a judicial proceeding, or in a proceeding taken by law before  a public servant as such, or before an arbitrator, and that such  circumstance, false entry or false statement, so appearing in evidence, may cause any person who in such proceeding is to form an opinion upon the evidence, to entertain an erroneous opinion touching any point material to the result of such proceeding, is said "to fabricate the evidence.” 
 
Illustrations- 
(a) A puts jewels into a box belonging to Z, with the intention that they may be found in that box, and that this circumstance may cause Z to be convicted of theft. A has fabricated false evidence. 
 
(b) A makes a false entry in his Shop-book for the purpose of using it as corroborative evidence in a Court of Justice. A has fabricated false evidence. 
 
(c) A, with the intention of causing Z to be convicted of a criminal conspiracy, writes a letter in imitation of Z's handwriting purporting to be addressed to an accomplice in such criminal conspiracy, and puts the letter in a place which he knows that the officers of the Police are likely to search. A has fabricated false evidence.
৬১৯.
দণ্ডবিধির ৯৩ ধারায় কোন বিষয়ে বিধান দেয়া হয়েছে?
  1. সদবিশ্বাসে কৃত যোগাযোগ
  2. আত্মরক্ষা
  3. অপরাধে প্ররোচনা
  4. আদালতের নির্দেশ পালন
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৯৩ ধারা- বিধান সদবিশ্বাসে কৃত যোগাযোগ:
কোন ব্যক্তির মঙ্গলার্থে আন্তরিক সদিচ্ছাক্রমে কৃত যোগাযোগ বা খবর প্রদান, উক্ত খবর প্রদানের ফলে উক্ত ব্যক্তির কোন প্রকার ক্ষতি হওয়ার দরুণ অপরাধ হবে না।
 
উদাহরণ
'ক' একজন সার্জন। তিনি আন্তরিক সদিচ্ছা থেকে জনৈক রোগীকে তার এই মত জানান যে, সে বাঁচবে না। ইহাতে মর্মান্তিক আঘাত প্রাপ্তির ফলে রোগীটির মৃত্যু হয়। 'ক' এর কাজটি অপরাধ বলে পরিগণিত হবে না, যদিও তিনি জানতেন যে, তার এইরূপ মত দেওয়ার ফলে রোগীটির মৃত্যু ঘটতে পারে।

Section 93- Communication made in good faith:
No communication made in good faith is an offence by reason of any harm to the person to whom it is made, if it is made for the benefit of that person.
 
Illustration 
A, a surgeon, in good faith, communicates to a patient his opinion that he cannot live. The patient dies in consequence of the shock. A has committed no offence, though he knew it to be likely that the communication might cause the patient's death.
৬২০.
যে দৈহিক জখম মৃত্যু ঘটাতে পারে, তেমন দৈহিক জখম ঘটাবার উদ্দেশ্য নিয়ে কৃত কাজ মৃত্যু ঘটালে তবে তাকে কী অপরাধে অভিযুক্ত করা হবে?
  1. খুন
  2. শাস্তিযোগ্য নরহত্যা
  3. আত্মহত্যার প্ররোচনা
  4. গুরুতর আঘাত দেওয়া
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২৯৯ ধারার বিধান- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা (Culpable homicide):

কোন ব্যক্তি যদি মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্য নিয়ে কৃত কোন কাজ কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, অথবা যে দৈহিক জখম মৃত্যু ঘটাতে পারে, তেমন দৈহিক জখম ঘটাবার উদ্দেশ্য নিয়ে কৃত কোন কাজের সংঘটন কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, অথবা যে কাজ মৃত্যু ঘটাতে পারে বলে সে জানে, সে কাজ সম্পাদন কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, তবে সেই ব্যক্তি শাস্তিযোগ্য নরহত্যার দোষে দোষী হবে।

ব্যাখ্যা (Explanation) ১:- যে ব্যক্তি অসুস্থতা, রোগ বা দৈহিক অপারগতায় ভুগতেছে, তার দৈহিক জখম করে মৃত্যু ত্বরান্বিত করলে তার মৃত্যু ঘটাবার অপরাধ হয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে।

ব্যাখ্যা (Explanation) ২:- যখন দৈহিক আঘাত বা জখমের কারণে মৃত্যু ঘটে, তখন যে ব্যক্তি অনুরূপ দৈহিক আঘাত বা জখম ঘটায়, সে ব্যক্তি মৃত্যু ঘটিয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে, যদিও যথোচিত প্রতিকারের ও সুনিপুণ চিকিৎসার ফলে সে মৃত্যু রোধ করা যেত।

ব্যাখ্যা (Explanation) ৩:- মাতৃগর্ভে কোন শিশুর মৃত্যু ঘটানো নরহত্যা নয়। কিন্তু যদি কোন শিশুর (দেহের) কোন অংশ নিষ্ক্রান্ত করার পর জীবিত শিশুটির মৃত্যু ঘটানো হয়, তবে তা শাস্তিযোগ্য নরহত্যা বলে পরিগণিত হবে, যদিও শিশুটি শ্বাসপ্রশ্বাস গ্রহণ না করে থাকে অথবা সম্পূর্ণরূপে ভুমিষ্ঠ না হয়ে থাকে।

৬২১.
'ক', তার বন্ধু 'খ'-কে এইরূপ ভয় দেখায় যে, 'খ' তাকে টাকা না দিলে সে 'খ'- এর ছেলেকে আটকে রাখবে। এইভাবে 'ক','খ'-কে টাকা দিতে বাধ্য করে। 'ক' নিম্নের কোন অপরাধ করেছে?
  1. দস্যুতা
  2. বলপূর্বক গ্রহণ
  3. অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ
  4. অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৩৮৩ ধারা- বল প্রয়োগে সম্পত্তি আদায়:
 
কোন ব্যক্তি যদি ইচ্ছাকৃতভাবে কাউকে তার বা অপর কারো জখম হওয়ার ভয়ে অভিভূত করে এবং তদ্বারা অনুরূপ ভয়ে অভিভূত ব্যক্তিকে কোন ব্যক্তির কাছে যেকোন প্রকার দান বা চাঁদা প্রদানের বা কোন সম্পত্তি, মূল্যবান জামানত বা মূল্যবান জামানতে রূপান্তরযোগ্য কোন স্বাক্ষরিত বা সীলমোহরযুক্ত বস্তু অর্পণে অসাধুভাবে বাধ্য করে, তবে সে ব্যক্তি বল প্রয়োগে 'সম্পত্তি আদায়' করার অপরাধ করেছে বলে পরিগণিত হয়।
 
উদাহরণসমূহ:
(ক) 'ক', 'গ'-কে এইরূপ ভয় দেখায় যে, 'গ' তাকে টাকা না দিলে 'ক', 'গ'- এর বিরুদ্ধে মানহানির কুৎসা রটনা করবে। এইভাবে সে তাকে টাকা দিতে 'গ'-কে বাধ্য করে। 'ক' 'বল প্রয়োগে' সম্পত্তি আদায়' করেছে বলে পরিগণিত হবে।

উল্লিখিত ক্ষেত্রেও 'ক' ভয় দেখিয়ে সম্পত্তি আদায় করেছে। তাই উক্ত অপরাধ 'বলপূর্বক গ্রহণ' হিসেবে গণ্য হবে।
 
বলপূর্বক গ্রহণের শাস্তি:
দণ্ডবিধির ৩৮৪ ধারা মোতাবেক যে ব্যক্তি জোরপূর্বক গ্রহণের অপরাধ করে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
৬২২.
'A' কোন নদীতে নোঙর করা একটি নৌকায় বসে রয়েছে। 'Z' নোঙরের বাধন খুলে দেয় এবং ইচ্ছাকৃতভাবে স্রোতের অনুকূলে ভাসিয়ে দেয় এবং উক্ত কাজের ফলে 'Z' এর মনে ভীতি সৃষ্টি হয়। 'A' এর অপরাধ কী?
  1. অপরাধ করার চেষ্টা করা
  2. বলপ্রয়োগ করা
  3. অপরাধমূলক ক্ষতি করা
  4. অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৫০ ধারার বিধান অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ:- কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির উপর সম্মতি ব্যতীত বল প্রয়োগ করে এবং কোন অপরাধ অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্যে অথবা অনুরূপ শক্তি প্রয়োগ কর্তৃক, যে ব্যক্তির উপর বল প্রয়োগ করা হল, তার জখম বা ভয় বা বিরক্তি উৎপাদনের উদ্দেশ্যে অথবা তার শক্তি প্রয়োগের ফলে, যার উপর শক্তি প্রয়োগ করা হল, তার জখম, ভয় বা বিরক্তি উৎপাদিত হতে পারে জানা সত্ত্বেও যদি সে অনুরূপ বল প্রয়োগ করে, তবে সে ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

উদাহরণ
(ক) চ নদীতে নোঙ্গর করা একটি নৌকাতে বসে আছে। ক নোঙ্গর তুলে দিল এবং এইভাবে ইচ্ছাপূর্বক নৌকাটিকে নদীতে ভেসে যেতে দিল। এখানে ক ইচ্ছাকৃতভাবে চ-তে গতি সঞ্চার করল, এবং তা করল একটি বস্তুকে এমনভাবে সঞ্চালিত করে, যে বস্তুটি সঞ্চালনের পর কোন ব্যক্তির অন্যকোন কাজ ব্যতীতই উহাতে গতি সঞ্চারিত হয়েছে। সুতরাং ক-ইচ্ছাকৃতভাবে চ-এর উপর বল প্রয়োগ করেছে এবং ক যদি এটা চ-এর সম্মতি ব্যতীত করে থাকে এবং তার উদ্দেশ্য যদি হয় কোন অপরাধ অনুষ্ঠান করা, অথবা সে যদি এইরূপ উদ্দেশ্য নিয়ে বা এইরূপ জানা সত্ত্বেও কার্যটি করে থাকে যে, চ জখম, বিরক্তি বা ভীতিগ্রস্ত হতে পারে, তবে ক চ-এর উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করেছে।
-----------
Criminal force:
Section 350. Whoever intentionally uses force to any person, without that person's consent, in order to the committing of any offence, or intending by the use of such force to cause, or knowing it to be likely that by the use of such force he will cause injury, fear or annoyance to the person to whom the force is used, is said to use criminal force to that other. 
 
Illustrations 
(a) Z is sitting in a moored boat on a river. A unfastens the moorings, and thus intentionally causes the boat to drift down the stream. Here A intentionally causes motion to Z, and he does this by disposing substances in such a manner that the motion is produced without any other action on any person's part. A has therefore intentionally used force to Z; and if he has done so without Z's consent, in order to the committing of any offence, or intending or knowing it to be likely that this use of force will cause injury, fear or annoyance to Z, A has used criminal force to Z. 
 
(b) Z is riding in a chariot. A lashes Z's horses, and thereby causes them to quicken their pace. Here A has caused change of motion to Z by inducing the animals to change their motion. A has therefore used force to Z; and if A has done this without Z's consent, intending or knowing it to be likely that he may thereby injure, frighten or annoy Z, A has used criminal force to Z. 
 
(c) Z is riding in a palanquin. A, intending to rob Z, seizes the pole and stops the palanquin. Here A has caused cessation of motion to Z, and he has done this by his own bodily power. A has therefore used force to Z; and as A has acted thus intentionally, without Z's consent, in order to the commission of an offence. A has used criminal force to Z. 
 
(d) A intentionally pushes against Z in the street. Here A has by his own bodily power moved his own person so as to bring it into contact with Z. He has therefore intentionally used force to Z; and if he has done so without Z's consent, intending or knowing it to be likely that he may thereby injure, frighten or annoy Z, he has used criminal force to Z. 
 
(e) A throws a stone, intending or knowing it to be likely that the stone will be thus brought into contact with Z, or with Z's clothes, or with something carried by Z, or that it will strike water, and dash up the water against Z's clothes or something carried by Z. Here, if the throwing of the stone produce the effect of causing any substance to come into contact with Z, or Z's clothes, A has used force to Z; and if he did so without Z's consent, intending thereby to injure, frighten or annoy Z, he has used criminal force to Z. 
 
(f) A intentionally pulls up a woman's veil. Here A intentionally uses force to her, and if he does so without her consent intending or knowing it to be likely that he may thereby injure, frighten or annoy her, he has used criminal force to her. 
 
(g) Z is bathing, A pours into the bath water which he knows to be boiling. Here A intentionally by his own bodily power causes such motion in the boiling water as brings that water into contact with Z, or with other water so situated that such contact must affect Z's sense of feeling: A has therefore intentionally used force to Z; and if he has done this without Z's consent intending or knowing it to be likely that he may thereby cause injury, fear or annoyance to Z, A has used criminal force. 
 
(h) A incites a dog to spring upon Z, without Z's consent. Here, if A intends to cause injury, fear or annoyance to Z, he uses criminal force to Z.
৬২৩.
রাশেদ তার কর্মচারীকে ইচ্ছার বিরুদ্ধে শ্রম করতে বাধ্য করে। রাশেদ দণ্ডবিধির কোন ধারা লঙ্ঘন করেছে?
  1. ধারা ৩৬৬
  2. ধারা ৩৭৪
  3. ধারা ৩৭৮
  4. ধারা ৩৮৪
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩৭৪ ধারা- বেআইনী শ্রমে বাধ্য করা:
(১) কোনো ব্যক্তি যদি কাউকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে শ্রম দান করতে বাধ্য করে, তবে সেই ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

(২) কোনো ব্যক্তি যদি কোন যুদ্ধবন্দী বা অপর কোন আশ্রিত ব্যক্তিকে বাংলাদেশ সশ্রম বাহিনীতে কার্য করতে বাধ্য করে, তবে সে ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে।

ব্যাখ্যা: এই “যুদ্ধবন্দী" এবং "আশ্রিত ব্যক্তি" অভিব্যক্তিসমূহ যথাক্রমে ১৯৪৯ সনের ১২ই আগষ্ট তারিখের যুদ্ধবন্দীর ব্যবস্থাপনা সম্পর্কিত জেনেভা সম্মেলনের-৪ দফা এবং ১৯৪৯ সনের ১২ই আগষ্ট তারিখের যুদ্ধকালে বেসামরিক ব্যক্তিবর্গের নিরাপত্তা সম্পর্কিত জেনেভা সম্মেলনের ৪ দফা মোতাবেক তৎসমূহের প্রতি আরোপিত অর্থের অনুরূপ অর্থ দ্যোতক হবে।

Section 374- Unlawful compulsory labour:
(1) Whoever unlawfully compels any person to labour against the will of that person, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one year, or with fine, or with both.

(2) Whoever compels a prisoner of war or a protected person to serve in the armed forces of Bangladesh shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one year.

Explanation- In this section the expressions "prisoner of war" and "protected person" shall have the same meaning as have been assigned to them respectively by Article 4 of the Geneva Convention Relative to the Treatment of Prisoners of War of August 12, 1949, and Article 4 of the Geneva Convention Relative to the Protection of Civilian Persons in Time of War of August 12, 1949.
৬২৪.
‘A’ ইচ্ছাকৃতভাবে ‘Z’-এর দিকে পাথর নিক্ষেপ করে, জেনে যে এটি ‘Z’-কে জখম বা ভীত করতে পারে, এবং ‘Z’-এর সম্মতি ছাড়া এটি করে। ‘A’ দণ্ডবিধির কোন ধারার অধীনে অপরাধী? 
  1. ধারা ৩৫০
  2. ধারা ৩৫১
  3. ধারা ৩৫২
  4. ধারা ৩৫৪
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৩৫০ অনুসারে, কোনো ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া ইচ্ছাকৃতভাবে বলপ্রয়োগ করা, যদি এটি অপরাধ সংঘটনের উদ্দেশ্যে বা আঘাত, ভয় বা বিরক্তি সৃষ্টির জন্য হয়, তবে তা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ বলে গণ্য হয়। এখানে, ‘A’ ইচ্ছাকৃতভাবে ‘Z’-এর দিকে পাথর নিক্ষেপ করে, জেনে যে এটি ‘Z’-এর শরীর জখম করতে পারে এবং তাকে ভয় দেখাতে পারে। এটি ধারা ৩৫০-এর অধীনে অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ।
- সুতরাং, ‘A’ ধারা ৩৫০-এর অধীনে অপরাধী হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৫০ ধারার বিধান অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ:- কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির উপর সম্মতি ব্যতীত বল প্রয়োগ করে এবং কোন অপরাধ অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্যে অথবা অনুরূপ শক্তি প্রয়োগ কর্তৃক, যে ব্যক্তির উপর বল প্রয়োগ করা হল, তার জখম বা ভয় বা বিরক্তি উৎপাদনের উদ্দেশ্যে অথবা তার শক্তি প্রয়োগের ফলে, যার উপর শক্তি প্রয়োগ করা হল, তার জখম, ভয় বা বিরক্তি উৎপাদিত হতে পারে জানা সত্ত্বেও যদি সে অনুরূপ বল প্রয়োগ করে, তবে সে ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করেছে বলে পরিগণিত হয়।
উদাহরণ:
(ক) চ নদীতে নোঙ্গর করা একটি নৌকাতে বসে আছে। ক নোঙ্গর তুলে দিল এবং এইভাবে ইচ্ছাপূর্বক নৌকাটিকে নদীতে ভেসে যেতে দিল। এখানে ক ইচ্ছাকৃতভাবে চ-তে গতি সঞ্চার করল, এবং তা করল একটি বস্তুকে এমনভাবে সঞ্চালিত করে, যে বস্তুটি সঞ্চালনের পর কোন ব্যক্তির অন্যকোন কাজ ব্যতীতই উহাতে গতি সঞ্চারিত হয়েছে। সুতরাং ক-ইচ্ছাকৃতভাবে চ-এর উপর বল প্রয়োগ করেছে এবং ক যদি এটা চ-এর সম্মতি ব্যতীত করে থাকে এবং তার উদ্দেশ্য যদি হয় কোন অপরাধ অনুষ্ঠান করা, অথবা সে যদি এইরূপ উদ্দেশ্য নিয়ে বা এইরূপ জানা সত্ত্বেও কার্যটি করে থাকে যে, চ জখম, বিরক্তি বা ভীতিগ্রস্ত হতে পারে, তবে ক চ-এর উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করেছে।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 350: Criminal force:
-Whoever intentionally uses force to any person, without that person's consent, in order to the committing of any offence, or intending by the use of such force to cause, or knowing it to be likely that by the use of such force he will cause injury, fear or annoyance to the person to whom the force is used, is said to use criminal force to that other. 
 
Illustration:
(a) Z is sitting in a moored boat on a river. A unfastens the moorings, and thus intentionally causes the boat to drift down the stream. Here A intentionally causes motion to Z, and he does this by disposing substances in such a manner that the motion is produced without any other action on any person's part. A has therefore intentionally used force to Z; and if he has done so without Z's consent, in order to the committing of any offence, or intending or knowing it to be likely that this use of force will cause injury, fear or annoyance to Z, A has used criminal force to Z. 
 
(b) Z is riding in a chariot. A lashes Z's horses, and thereby causes them to quicken their pace. Here A has caused change of motion to Z by inducing the animals to change their motion. A has therefore used force to Z; and if A has done this without Z's consent, intending or knowing it to be likely that he may thereby injure, frighten or annoy Z, A has used criminal force to Z. 
 
(c) Z is riding in a palanquin. A, intending to rob Z, seizes the pole and stops the palanquin. Here A has caused cessation of motion to Z, and he has done this by his own bodily power. A has therefore used force to Z; and as A has acted thus intentionally, without Z's consent, in order to the commission of an offence. A has used criminal force to Z. 

৬২৫.
'ক' একজন নেশাগ্রস্ত ব্যক্তি রাস্তায় চিৎকার করছে, যার কারণে অন্যান্য লোকজন বিরক্ত হচ্ছে। উক্ত কাজ দণ্ডবিধির কত ধারার অধীন অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে?
  1. ৫০৬
  2. ৫০৭
  3. ৫০৯
  4. ৫১০
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৫১০ ধারা অনুযায়ী, নেশাগ্রস্থ ব্যক্তি দ্বারা প্রকাশ্যে অসদাচরণ:
কোন ব্যক্তি যদি নেশাগ্রস্ত অবস্থায় কোন প্রকাশ্য স্থানে গমন করে, বা যে স্থানে প্রবেশ করা তার পক্ষে অনধিকার প্রবেশ, সে স্থানে প্রবেশ করে এবং সে স্থানে এমন আচরণ করে, যার ফলে কারো বিরক্তি ঘটে, তবে সে ব্যক্তি চব্বিশ ঘন্টা পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে অথবা দশ টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত হবে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

Section 510- Misconduct in public by a drunken person:
Whoever, in a state of intoxication appears in any public place, or in any place which it is a trespass in him to enter, and there conducts himself in such a manner as to cause annoyance to any person, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to twenty-four hours, or with fine which may extend to ten taka, or with both.
৬২৬.
নিম্নের কোন কার্যটি চুরি (Theft) হিসাবে গণ্য হবে না?
  1. চলাচলের রাস্তায় পড়ে থাকা মূল্যবান আংটি কুড়িয়ে নেওয়া
  2. অপরের জমিতে দণ্ডায়মান গাছ কেটে ফেলা
  3. টোপ দিয়ে অন্যের পোষা প্রাণী নিয়ে যাওয়া
  4. অপরের জমিতে দণ্ডায়মান গাছ কেটে নিয়ে যাওয়া
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারায় চুরির বিধান রয়েছে। ৩৭৮ ধারামতে, কোন ব্যক্তির দখল থেকে সম্মতি ব্যতীত কোন অস্থাবর সম্পত্তি (Movable property) অসাধুভাবে গ্রহণের উদ্দেশ্যে স্থানান্তর করলে বা সরানো হলে তা চুরি বলে গণ্য হবে। অন্যভাবে বলা যায়, যদি কোন ব্যক্তি কোন অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণের উদ্দেশ্যে সম্পত্তির দখলে থাকা ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া উক্ত সম্পত্তি স্থানান্তর করে তবে তা চুরি বলে গণ্য হবে।

ধারা ৩৭৮- চুরি:
কোন ব্যক্তি যদি কারো দখল হতে তার সম্মতি ব্যতীত কোন অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণ করার উদ্দেশ্য নিয়ে উক্ত সম্পত্তি অনুরূপভাবে গ্রহণের জন্য স্থানান্তর করে, তবে উক্ত ব্যক্তি চুরি করেছে বলে গণ্য হবে।

ব্যাখ্যা ১: কোন বস্তু যতক্ষণ পর্যন্ত অস্থাবর সম্পত্তি না হওয়া বিধায় মাটির সাথে যুক্ত থাকে, ততক্ষণ পর্যন্ত উহা চুরি করার বস্তু বলে গণ্য হবে না, কিন্তু যে মুহূর্তে উহাকে মাটি হতে বিচ্ছিন্ন করা হয় সে মুহূর্তেই উহা চুরি করার বস্তু হওয়ার যোগ্য গণ্য হবে।

ব্যাখ্যা ২: যে কাজ কর্তৃক (মাটি হতে) বিচ্ছিন্নতা সাধন করা হয়, সে কাজ দ্বারাই স্থানান্তর করা হলে তা চুরি হতে পারে।

ব্যাখ্যা ৩: কোন ব্যক্তি কোন বস্তুর গতির প্রতিবন্ধক অপসারণ করলে বা উহাকে অপর কোন বন্ধু হতে বিচ্ছিন্ন করলে এবং বাস্তবিকভাবে উহা স্থানান্তর করলে উক্ত বস্তু স্থানান্তর করে বলে পরিগণিত হবে।

ব্যাখ্যা ৪: কোন ব্যক্তি যে কোন উপায়ে কোন পশুকে হাঁটায়, সে লোক সে পশুকে এবং অনুরূপভাবে সৃষ্ট গতির ফলে উক্ত পশু দ্বারা স্থানান্তরিত প্রত্যেক বস্তুকে স্থানান্তর করে বলে গণ্য হবে।

ব্যাখ্যা ৫: সংজ্ঞায় উল্লেখিত সম্মতি প্রকাশ্য অথবা পরোক্ষ হতে পারে। এবং উক্ত সম্মতি দখলকারী ব্যক্তি বা উক্ত উদ্দেশ্য প্রকাশ্য বা পরোক্ষ ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তির দ্বারা প্রদত্ত হতে পারে।

১,২ এবং ৪ নং ব্যাখা অনুসারে, অপশন 'খ', 'গ' এবং 'ঘ' চুরি বলে গণ্য হবে। যেহেতু রাস্তায় পড়ে থাকা আংটির মালিক কে বা প্রকৃত দখলদার কে তা যে ব্যক্তি আংটি কুড়িয়ে নিয়েছে, সে জানে না, তাই সে আংটি টি মালিকের বা প্রকৃত দখলদারের অসম্মতিতে নিয়েছে তা বলা যাবে না। সুতরাং, চলাচলের রাস্তায় পড়ে থাকা মূল্যবান আংটি কুড়িয়ে নেয়া চুরি বলে গণ্য হবে না।
৬২৭.
বাংলাদেশে বিভিন্ন শ্রেণীর নাগরিকদের মধ্যে শত্রুতা প্রসারিত করার শাস্তির বিধান করা হয়েছে-
  1. ১৫৩গ ধারায়
  2. ১৫২ ধারায়
  3. ১৫৩ক ধারায়
  4. ১৫৩ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ১৫৩ক ধারার বিধান বিভিন্ন শ্রেণীর মধ্যে শত্রুতা সৃষ্টি করা:- কোন ব্যক্তি যদি কোন উচ্চারিত বা লিখিত কথা কর্তৃক অথবা চিহ্ন কর্তৃক অথবা দৃশ্যমান প্রতীক কর্তৃক অথবা অপর কোনভাবে বাংলাদেশের জনসাধারণের বিভিন্ন শ্রেণীর মধ্যে শত্রুতার মনোভাব বা বিদ্বেষ সৃষ্টি করে বা সৃষ্টি করার চেষ্টা করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

♦ ব্যাখ্যা:- বাংলাদেশের জনসাধারণের বিভিন্ন শ্রেণীর মধ্যে বৈরিতা বা বিদ্বেষের মনোভাবপ্রসূত, বিষয়ারার বা যেসব বিষয় অনুরূপ বৈরিতা বা বিদ্বেষের মনোভাব সৃষ্টি করতে পারে বলে মনে হয়, সেসব বিষয় দূরীকরণের সৎ উদ্দেশ্য প্রণোদিত হয়ে এবং কোনরূপ দুরভিসন্ধিমূলক উদ্দেশ্য ছাড়া তৎসমূহের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তা এই ধারার অর্থ অনুযায়ী অপরাধ বলে পরিগণিত হবে না।
৬২৮.
দণ্ডবিধির কোন ধারায় বলা হয়েছে যে, অপর কারো ক্ষতি প্রতিরোধের উদ্দেশ্যে ক্ষতি ঘটানোর সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও যদি কাজটি সদাশয়ভাবে ও অপরাধমূলক উদ্দেশ্য ছাড়াই করা হয়, তবে তা অপরাধ নয়?
  1. ধারা-৭৯
  2. ধারা-৮০
  3. ধারা-৮১
  4. ধারা-৮২
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ধারা ৮১ বলছে: যদি কেউ অপর কোনো ব্যক্তি বা সম্পত্তির ক্ষতি প্রতিরোধ বা রোধ করার উদ্দেশ্যে, সদাশয়ভাবে (good faith) ও অপরাধমূলক উদ্দেশ্য ছাড়াই, এমন কোনো কাজ করে যার ফলে কিছুটা ক্ষতি হতে পারে—তাহলেও সেটি অপরাধ হবে না, যদি ওই ক্ষতি প্রতিরোধ জরুরি ও তাৎক্ষণিক ছিল বলে প্রমাণিত হয়।

দণ্ডবিধি, ১৮৬০ ধারা ৮১: ক্ষতি ঘটার সম্ভাবনা থাকলেও অপর ক্ষতি প্রতিরোধে ও অপরাধমূলক উদ্দেশ্য ব্যতীত কাজ করলে তা অপরাধ নয়:
যদি কোনো কাজ এমন জেনে-বুঝেই করা হয় যে, তাতে ক্ষতি ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে, তবুও সেই কাজটি কারো প্রতি ক্ষতি সাধনের অপরাধমূলক উদ্দেশ্য ব্যতীত এবং সদাশয়ভাবে (good faith) করা হয়, কোনো ব্যক্তি বা সম্পত্তির প্রতি অন্য একটি ক্ষতি প্রতিরোধ বা পরিহারের উদ্দেশ্যে, তাহলে তা মাত্ৰ এই কারণে অপরাধ বলে গণ্য হবে না যে, সেটি ক্ষতির সম্ভাবনা রাখে।ঃ

ব্যাখ্যা: এই ধরনের ক্ষেত্রে, যেই ক্ষতি প্রতিরোধ বা পরিহার করা হচ্ছিল, সেটি কতটা প্রকৃত ও তাৎক্ষণিক ছিল, এবং সেই কারণে ক্ষতি ঘটার সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও কাজটি করা যুক্তিযুক্ত ও গ্রহণযোগ্য ছিল কি না, তা বাস্তব প্রশ্ন (question of fact) হিসেবে বিবেচিত হবে।

⇒ The Penal Code, 1860, Section 81: Act likely to cause harm, but done without criminal intent and to prevent other harm:
Nothing is an offence merely by reason of its being done with the knowledge that it is likely to cause harm, if it be done without any criminal intention to cause harm, and in good faith for the purpose of preventing or avoiding other harm to person or property. 
 
Explanation.-It is a question of fact in such a case whether the harm to be prevented or avoided was of such a nature and so imminent as to justify or excuse the risk of doing the act with the knowledge that it was likely to cause harm.
৬২৯.
দণ্ডবিধির কত অধ্যায়ে "রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধ" সমূহ আলোচনা করা হয়েছে?
  1. ৩য় অধ্যায়ে
  2. ৫ম অধ্যায়ে
  3. ৬ষ্ঠ অধ্যায়ে
  4. ৪র্থ অধ্যায়ে
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধি, ১৮৬০ আইনে মোট অধ্যায় ২৩ টি এবং দণ্ডবিধির মোট ধারা ৫১১ টি। দণ্ডবিধির ৬ষ্ঠ অধ্যায়ে রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধ (OFFENCES AGAINST THE STATE) সমূহ আলোচনা করা হয়েছে।

রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধ: 

রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধ হলো এমন অপরাধ যা দেশের নিরাপত্তা ও স্বাধীনতার বিরুদ্ধে হয়। দণ্ডবিধিতে রাষ্ট্রবিরোধী বিভিন্ন অপরাধের বিধান রয়েছে। এগুলো হলো:

১. দেশদ্রোহ অপরাধ (Offences relating to Waging War against Bangladesh):
দণ্ডবিধির ১২১-১২৪এ ধারায় এ অপরাধসমূহ আছে। যেমন যুদ্ধ বা সশস্ত্র বিদ্রোহ ঘোষণা করা, রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালানো ইত্যাদি। এর শাস্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড।

২. নানা রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধ (Offences against the State):
১২১এ থেকে ১২৪ধারার বাইরেও রাষ্ট্রবিরোধী বিভিন্ন অপরাধ আছে ১২৫-১৩৩ধারায়। যেমন শাসনতন্ত্র উৎখাতের চেষ্টা (১২৫), প্রচার (১২৩), রাষ্ট্রপতি/প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র (১২১এ) ইত্যাদি। শাস্তি কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড।

৩. গোপনীয়তা ভঙ্গ (Sedition):
১২৪এ ধারায় সরকারের প্রতি অবাধ্যতা ও আইন অমান্য করাকে রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। শাস্তি আজীবন কারাদণ্ড পর্যন্ত।

এছাড়াও সৈন্য জন বা সামরিক ব্যক্তিদের জন্য আরও কিছু বিশেষ রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধের বিধান রয়েছে দণ্ডবিধিতে।
৬৩০.
যেক্ষেত্রে পেনাল কোড অনুসারে অর্থদণ্ডের বিধান থাকে কিন্তু কত টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া যাবে সে বিষয়ে কোন উল্লেখ থাকে না, সেক্ষেত্রে সর্বোচ্চ অর্থদণ্ডের পরিমাণ কত?
  1. এক হাজার টাকা
  2. দুই হাজার টাকা
  3. পাঁচ হাজার টাকা
  4. নির্দিষ্ট সীমা নেই কিন্তু অত্যধিক হবে না
ব্যাখ্যা
• অর্থদণ্ডের পরিমাণ (Amount of Fine): অর্থদণ্ডের বিধান আইনে আছে, কিন্তু কত পরিমাণ/টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া যাবে সে বিষয়ের উল্লেখ না থাকলে- সর্বোচ্চ অর্থদণ্ডের পরিমাণ নির্ধারণে নির্দিষ্ট সীমা নেই।

দণ্ডবিধির ৬৩ ধারা অনুযায়ী-

যেক্ষেত্রে অর্থদণ্ডের বিধান থাকে কিন্তু কত টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া যাবে সে বিষয়ে কোন উল্লেখ থাকে না, সেক্ষেত্রে অর্থ দণ্ডের নির্দিষ্ট সীমা নাই তবে অত্যাধিক হবে না।
৬৩১.
দণ্ডবিধির ৪৯৪ ধারা অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তি জীবিত স্বামী বা স্ত্রীর সাথে থাকা অবস্থায় পুনরায় বিবাহ করে, তাহলে তার সর্বোচ্চ শাস্তি কী হবে?
  1. ৩ বছর কারাদণ্ড
  2. ৫ বছর কারাদণ্ড
  3. ৭ বছর কারাদণ্ড
  4. ১০ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪৯৪ ধারার বিধান স্বামী বা স্ত্রীর জীবদ্দশায় পুনরায় বিবাহ করা: কোন ব্যক্তি যদি এক স্বামী বা এক স্ত্রী জীবিত থাকা সত্ত্বেও এমন কোন পরিস্থতিতে বিবাহ করে, যে পরিস্থিতিতে স্বামী বা স্ত্রী জীবিত থাকা অবস্থায় সংঘটিত বলে অনুরূপ বিষয়টি অবৈধ হয়েছে, তবে উক্ত ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

ব্যতিক্রম:- অনুরূপ স্বামী বা স্ত্রীর সাথে যে ব্যক্তির বিবাহ কোন উপযুক্ত আদালত দ্বারা নাকচ বলে ঘোষণা করা হয়েছে, সে ব্যক্তির ক্ষেত্রে এই ধারাটি প্রয়োগযোগ্য হবে না। কিংবা যে প্রাক্তন স্বামী বা স্ত্রীর জীবদ্দশায় বিবাহ সংঘটিত হচ্ছে, বিবাহের সময় পর্যন্ত যে প্রাক্তন স্বামী বা স্ত্রী যদি পূর্ববর্তী সাত বৎসর পর্যন্ত ক্রমাগত পরবর্তী বিবাহ অনুষ্ঠানকারীর নিকট থেকে অনুপস্থিত থেকে থাকে এবং সে সাত বৎসর যাবৎ অনুরূপ প্রাক্তন স্বামী বা স্ত্রী জীবিত রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি না শুনে থাকে তবে তার ক্ষেত্রে এই ধারা প্রয়োগযোগ্য হবে না; তবে পরবর্তী বিবাহকালে বিবাহ অনুষ্ঠানকারী ব্যক্তি যার সাথে তার বিবাহ হচ্ছে তাকে বিবাহ সংঘটিত হওয়ার পূর্বে তার জ্ঞাত সকল ঘটনা সংক্রান্ত প্রকৃত পরিস্থিতি সম্পর্কে অবহিত করতে হবে।
------------------------- 
⇒ The Penal Code, 1860-Section 494. Marrying again during life-time of husband or wife:
- Whoever, having a husband or wife living, marries in any case in which such marriage is void by reason of its taking place during the life of such husband or wife, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to finel.

Exception: This section does not extend to any person whose marriage with such husband or wife has been declared void by a Court of competent jurisdiction, nor to any person who contracts a marriage during the life of a former husband or wife, if such husband or wife, at the time of the subsequent marriage, shall have been continually absent from such person for the space of seven years, and shall not have been heard of by such person as being alive within that time provided the person contracting such subsequent marriage shall, before such marriage takes place, inform the person with whom such marriage is contracted of the real state of facts so far as the same are within his or her knowledge.
৬৩২.
দণ্ডবিধির ধারা ১১৪ অনুযায়ী, যদি কোনো উস্কানিদাতা অপরাধ সংঘটনের সময় উপস্থিত থাকে, তাহলে তাকে কীভাবে বিবেচনা করা হবে?
  1. নির্দোষ হিসেবে
  2. সরাসরি অপরাধী হিসেবে
  3. অপরাধের সাক্ষী হিসেবে
  4. শুধুমাত্র সহায়তাকারী হিসেবে
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ১১৪ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি এমন কোনো অপরাধে সহায়তা করে (abetment), যাতে সে অপরাধ সংঘটনের সময় উপস্থিত থাকে, তাহলে তাকে আর শুধু সহায়তাকারী হিসেবে নয়, প্রধান অপরাধী হিসেবে গণ্য করা হবে।
- অর্থাৎ, উস্কানিদাতা (Abettor) যদি অপরাধ সংঘটনের সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকে, তাহলে আইন তাকে সহায়তাকারী না ভেবে মুল অপরাধী হিসেবে দেখবে এবং তদনুসারে শাস্তি প্রদান করবে।

উদাহরণ: কোনো ব্যক্তি (ক) তার বন্ধুকে (খ) হত্যা করতে উস্কানি দেয় এবং হত্যার সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকে — তাহলে কেবল উস্কানির জন্য নয়, খুনের দায়েও সে দোষী বলে বিবেচিত হবে।

⇒The Penal Code, 1860- Section- 114: Abettor present when offence is committed:
Whenever any person, who if absent would be liable to be punished as an abettor, is present when the act or offence for which he would be punishable in consequence of the abetment is committed, he shall be deemed to have committed such act or offence.
৬৩৩.
দণ্ডবিধির ধারা ৩০৪খ অনুযায়ী সর্বোচ্চ শাস্তি কত?
  1. ৫ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ২ বছর
  4. ১ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩০৪খ অনুযায়ী, সড়ক দুর্ঘটনায় অবহেলা বা বেপরোয়া চালনার কারণে কারো মৃত্যু ঘটালে সর্বোচ্চ শাস্তি ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে, বা জরিমানা বা উভয় শাস্তি হতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৩০৪খ (Section 304B) অনুযায়ী: “যদি কোনো ব্যক্তি, জনসাধারণের পথে কোনো যানবাহন রাশ বা অবহেলার সাথে চালনার মাধ্যমে এমন কোনো কার্য করে যার ফলে অন্য কোনো ব্যক্তির মৃত্যু ঘটে, যা দণ্ডনীয় নরহত্যার পর্যায়ে পড়ে না, তবে সে ব্যক্তি অনধিক তিন বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডে, বা অর্থদণ্ডে, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবে।”

⇒The Penal Code, 1860-Section- 304B. Causing death by rash driving or riding on a public way:
Whoever causes the death of any person by rash or negligent driving of any vehicle or riding on any public way not amounting to culpable homicide shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both.
৬৩৪.
সড়কে বেপরোয়া গাড়ি চালানোর শাস্তি কোথায় উল্লেখ আছে?
  1. ২৭৩ ধারায়
  2. ২৭৫ ধারায়
  3. ২৭৬ ধারায়
  4. ২৭৯ ধারায়
ব্যাখ্যা
• ২৭৯ ধারায় বেপরোয়া গাড়ি চালানোর শাস্তির বিধান রয়েছে- অনধিক ৩ বছরের কারাদণ্ড বা সর্বনিম্ন ১ হাজার থেকে সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।
৬৩৫.
The Penal Code, 1860 এর কত ধারায় 'Abduction' এর সংজ্ঞা দেওয়া আছে?
  1. ৩৬২
  2. ৩৬৩
  3. ৩৬৫
  4. ৩৪৫
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৬২ ধারার বিধান অপহরণ বা মনুষ্যহরণ:- যদি কোন ব্যক্তি, অপর কোন ব্যক্তিকে কোন স্থান হতে গমন করার জন্য জোরপূর্বক বাধ্য করে বা কোন প্রতারণামূলক উপায়ে প্রলুব্ধ করে, তবে উক্ত ব্যক্তি অনুরূপ ব্যক্তিকে অপহরণ করে বলে গণ্য হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৬৩ ধারার বিধান মনুষ্য হরণের সাজা:- কোন ব্যক্তি যদি কাউকে বাংলাদেশ হতে অথবা আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে অপহরণ করে নিয়ে যায়, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
------------
⇒ The Penal Code, 1860 Section 362. Abduction: Whoever by force compels, or by any deceitful means induces, any person to go from any place, is said to abduct that person.
⇒ Section 363. Punishment for kidnapping:- Whoever kidnaps any person from Bangladesh or from lawful guardianship, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.
৬৩৬.
দণ্ডবিধি অনুসারে কোনটি অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের উপাদান নয়?
  1. যিনি কোন সম্পদের অধিপত্যের ভার পাইয়াছেন
  2. মালিকের অবর্তমানে তার সম্পদ দখলে নিয়ে নিজে ব্যবহার করা
  3. সম্পদের অধিপত্যের ভার পাইয়া যিনি নিজের ব্যবহারে লাগান
  4. অধিপত্যের ভার পাইয়া যিনি অসাধুভাবে আত্মসাৎ করেন
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪০৫ ধারার বিধান অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ:- কোন ব্যক্তি যদি কোনভাবে কোন সম্পত্তির বা সম্পত্তি পরিচালনের দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়ে, অসাধুভাবে সে সম্পত্তি আত্মসাৎ করে বা নিজের ব্যবহারে প্রয়োগ করে, অথবা অনুরূপ দায়িত্ব যেভাবে নির্বাহিত হত বলে বিহিত আইনে নির্দেশ করা হয়েছে, তা খেলাফ করে সে দায়িত্ব নির্বাহ সম্পর্কে সে প্রকাশ্য বা অনুরূপ যে আইনগত চুক্তি করেছে তা খেলাফ করে সে সম্পত্তি অসাধুভাবে ব্যবহার করে, বা বিলি ব্যবস্থা করে অথবা ইচ্ছাপূর্বক অপর কোন ব্যক্তিকে তা করতে দেয়, তবে উক্ত ব্যক্তি 'অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের' অপরাধ করেছে।
অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের শর্ত/ উপাদান:
-বিশ্বাসের ভারপ্রাপ্ত হয়ে বা আধিপত্যের মাধ্যমে
-কারো স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি
-অসাধুভাবে
-আত্মসাৎ, নিজের ব্যবহারে পরিণত বা হস্তান্তর করলে বা কাউকে এরূপ করার অনুমতি দান করলে।

অর্থাৎ 'মালিকের অবর্তমানে তার সম্পদ দখলে নিয়ে নিজে ব্যবহার করা' অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের উপাদান নয়। এই বিষয়টি চুরি হিসেবে গণ্য হবে।
-----------------------------
⇒Section 405: Criminal breach of trust:
-Whoever, being in any manner entrusted with property, or with any dominion over property, dishonestly misappropriates or converts to his own use that property, or dishonestly uses or disposes of that property in violation of any direction of law prescribing the mode in which such trust is to be discharged, or of any legal contract, express or implied, which he has made touching the discharge of such trust, or wilfully suffers any other person so to do, commits "criminal breach of trust".
৬৩৭.
দণ্ডবিধির কত ধারায় বেআইনি সমাবেশের সদস্য হওয়ার শাস্তির বিধান আছে?
  1. ১৪১
  2. ১৪২
  3. ১৪৩
  4. ১৪৪
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৪২ ধারার বিধান বেআইনি সমাবেশের সদস্য হওয়া: কোন ব্যক্তি যদি কি কি অবস্থায় কোন সমাবেশ বেআইনি সমাবেশে পরিণত হয়, তৎসম্পর্কে জ্ঞাত থাকা সত্ত্বেও ইচ্ছাপূর্বক সে সমাবেশে যোগদান করে বা সে সমাবেশে মিলিত থাকে, তবে সে ব্যক্তি একটি বেআইনি সমাবেশে যোগদানকারী ব্যক্তি বলে পরিগণিত হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ১৪৩ ধারার বিধান বেআইনি সমাবেশের সদস্য হওয়ার শাস্তি: কোন ব্যক্তি যদি বেআইনি সমাবেশে যোগদান করে, তবে তাকে ছয় মাস পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত করা যাবে।
-------------------
- Section-142: Being member of unlawful assembly: Whoever, being aware of facts which render any assembly an unlawful assembly, intentionally joins that assembly, or continues in it, is said to be a member of an unlawful assembly.
- Section-143: Punishment: Whoever is a member of an unlawful assembly, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to six months, or with fine, or with both.
৬৩৮.
ন্যূনতম কতজন ব্যক্তি মিলিত হলে তা বেআইনী সমাবেশ হিসেবে গণ্য হয়?
  1. ৩ জন
  2. ৫ জন
  3. ৭ জন
  4. ১০ জন
ব্যাখ্যা

দণ্ডবিধির ১৪১ ধারার বিধান- বেআইনী সমাবেশ:
পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির সমাবেশকে 'বেআইনী সমাবেশ' সেক্ষেত্রেই বলা হয়, যেক্ষেত্রে উক্ত সমাবেশের ব্যক্তিদের সাধারণ লক্ষ্য হয়-

প্রথম: বাংলাদেশের সরকার বা আইনসভাকে অথবা কোন সরকারী কর্মচারীকে অনুরূপ কর্মচারীর আইনসম্মত ক্ষমতা প্রয়োগের সময় অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ অথবা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি কর্তৃক ভীতি প্রদর্শন করা; কিংবা

দ্বিতীয়: কোন আইনের অথবা কোন আইনগত ব্যবস্থার কার্যকরীকরণে বাধা সৃষ্টি করা; কিংবা

তৃতীয়: কোন ব্যক্তির দুষ্কর্ম বা অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ অথবা অন্যবিধ অপরাধ অনুষ্ঠিত করা; কিংবা

চতুর্থ: কোন ব্যক্তির প্রতি অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করে বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন করে কোন সম্পত্তির দখল গ্রহণ করা, অথবা কোন ব্যক্তিকে পথের অধিকার ভোগ হতে বঞ্চিত করা অথবা জল ব্যবহারের অধিকার হতে বঞ্চিত করা অথবা তাকে তার দখলে অবস্থিত অপর কোন অশরীরী অধিকার থেকে বঞ্চিত করা অথবা কোন অধিকার বা কল্পিত অধিকার প্রতিষ্টা করা; কিংবা

পঞ্চম: অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করে বা অপরাধমূলক বল প্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন করে কোন ব্যক্তিকে সে আইনতঃ বাধ্য নয় এমন একটি কার্য সম্পাদনে বাধ্য করা অথবা যে কার্যটি করতে সে আইনত বাধ্য বা অধিকারী তা সম্পাদন হতে বিরত করা।

ব্যাখ্যা: যে সমাবেশ, সমাবিষ্ট হওয়াকালে বেআইনী ছিল না তা পরে বেআইনী সমাবেশ হতে পারে।

৬৩৯.
দণ্ডবিধির কোন ধারায় যৌথ দায় বা Doctrine of Joint Liability প্রয়োগ করা হয়েছে ?
  1. ৩৪ ধারায়
  2. ১৪৯ ধারায়
  3. ৩৯৬ ধারায়
  4. উল্লিখিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
→ যৌথ দায় (Joint Liability) বলতে বোঝায়, যখন একাধিক ব্যক্তি একটি অপরাধে যুক্ত হন, তখন তাদের মধ্যে কে কীভাবে অপরাধে অংশ নিয়েছেন তা বড় বিষয় নয়। গুরুত্বপূর্ণ হল যে, সমস্ত অপরাধের জন্য তারা সমানভাবে দায়ী হবেন।
- দণ্ডবিধির ৩৪, ৩৫, ৩৭, ৩৮ এবং ১৪৯ ধারায় যৌথ দায়ের বিধান রয়েছে।
- ৩৪ ধারায় যখন একাধিক ব্যক্তি একই অভিপ্রায় নিয়ে অপরাধ করেন, তাদের প্রত্যেকেই সমানভাবে শাস্তি পাবে।
- ১৪৯ ধারায় বেআইনি সমাবেশের সদস্যদের মধ্যে কেউ যদি অপরাধ করে, তবে সমাবেশের সকল সদস্যকেই দায়ী করা যাবে।
- ৩৯৬ ধারায় যদি ৫ বা তার বেশি ব্যক্তি ডাকাতি করতে গিয়ে এক জন খুন করে, তবে "খুনসহ ডাকাতি" এর অপরাধে সব ডাকাতকেই শাস্তি দেওয়া হবে, যদিও তারা প্রত্যেকে খুনে অংশ নেননি।
উপরোক্ত ধারায় Doctrine of Joint Liability প্রয়োগ করা হয়েছে, যার মাধ্যমে একাধিক অপরাধীকে একযোগভাবে দায়ী করা হয়।
৬৪০.
'A', an officer of a Court of Justice, being ordered by that Court to arrest 'Y'. After due enquiry, believing 'Z' to be 'Y', 'A' arrests 'Z'. Did 'A' commit any offence by arresting 'Z'?
  1. Yes, 'A' committed an offence
  2. No, 'A' did not commit any offence
  3. Yes, but it was a minor offence
  4. 'Z' will decide if it was an offence
ব্যাখ্যা
ধারা ৭৬ : আইনত বাধ্য বা ভুল ধারণাবশত নিজেকে আইনবলে বাধ্য বলে বিশ্বাসকারী ব্যক্তিবিশেষ কর্তৃক সম্পাদিত কার্য: 
যে ব্যক্তি কোনো কিছু সম্পাদন করার জন্য আইনবলে বাধ্য বা তথ্যের ভুল ধারণাবশত, আইনের ভুল ধারণাবশত নয়, সরল বিশ্বাসে নিজেকে কোনো কিছু সম্পাদন করার নিমিত্তে আইনবলে বাধ্য বলে বিশ্বাস করে, সে ব্যক্তি উক্ত কাজ সম্পাদন করলে তা অপরাধ নয়।

উদাহরণহসমূহ [Illustrations]:
ক) সৈনিক ‘ক’ তার উর্ধ্বতন অফিসারের আদেশ অনুযায়ী আইনের নির্দেশ মোতাবেক কোনো জনতার ওপর গুলি চালায়। ‘ক’ কোনো অপরাধ করে নাই।

খ) বিচারালয়ের কোনো এক কর্মকর্তা ‘ক’ উক্ত বিচারালয় কর্তৃক ‘ম’ কে গ্রেফতার করার জন্য আদিষ্ট হয় এবং যথাযথ তদন্তের পর ‘খ’ কে ‘ম’ মনে করে ‘খ’ কে গ্রেফতার করেন। ‘ক’ কোনো অপরাধ সংঘটিত করেনি।
[(b) A, an officer of a Court of Justice, being ordered by that Court to arrest Y, and, after due enquiry, believing Z to be Y, arrests Z. A has committed no offence.]
৬৪১.
সর্বনিম্ন কত দিন কেউকে অবৈধভাবে অবরোধ করা হলে, অপরাধীকে তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে?
  1. ৩ দিন
  2. ৫ দিন
  3. ১০ দিন
  4. ১৫ দিন
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৩৪৪ ধারা- দশ বা ততোধিক দিনব্যাপি অবৈধভাবে অবরোধ:
কোন ব্যক্তি যদি কাউকে দশ বা ততোধিক দিনের জন্য অবৈধভাবে অবরোধ করে রাখে; তবে উক্ত ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

Section 344- Wrongful confinement for ten or more days:
 Whoever wrongfully confines any person for ten days, or more, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, and shall also be liable to fine.
৬৪২.
‘চ’এর যে রাস্তায় চলাচলের অধিকার আছে সে পথে ‘ক’ বিঘ্ন সৃষ্টি করে। এতে ‘চ’ এর চলাচল বাধাগ্রস্ত হয় ‘ক'এর কৃত অপরাধ হলো-
  1. অন্যায় আটক
  2. অন্যায় অর্পণ
  3. অবৈধ বাধা
  4. অন্যায় নিয়ন্ত্রণ
ব্যাখ্যা
♦ দন্ডবিধির ৩৩৯ ধারায় বলা হয়েছে, কোন ব্যক্তির যেদিকে যাওয়ার অধিকার আছে তাকে সেইদিকে যেতে ইচ্ছাকৃত ভাবে বাঁধা দেওয়া হলে তাকে অন্যায়ভাবে বাঁধা বা অবৈধ বাঁধা (Wrongful restraint) প্রদান করা হয়েছে বলা হবে।
৬৪৩.
দণ্ডবিধির ২৮০ ধারার ক্ষেত্রে কোনটি অপরিহার্য নয়?
  1. নৌযান চালানো
  2. মানুষের মৃত্যু
  3. অবহেলা বা বেপরোয়া আচরণ
  4. জীবন বিপন্ন হওয়ার আশঙ্কা
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) মানুষের মৃত্যু।

দণ্ডবিধির ২৮০ ধারায় অপরাধ সংঘটিত হওয়ার জন্য মানুষের মৃত্যু হওয়া অপরিহার্য নয়। বরং নৌযান বেপরোয়াভাবে বা অবহেলায় চালানোর ফলে মানুষের জীবন বিপন্ন হওয়া বা আঘাতের আশঙ্কা সৃষ্টি হওয়াই যথেষ্ট।

দণ্ডবিধির ২৮০ ধারা- বেপরোয়াভাবে নৌযান চালনা:
কোন ব্যক্তি যদি এমন বেপরোয়াভাবে বা অবহেলার সাথে কোন নৌযান চালনা করে, যার কারণে কোন মানুষের জীবন বিপদাপন্ন হয় অথবা অপর কোন ব্যক্তির আঘাত লাগার বা জখম হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণের অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

⇒ The Penal Code, 1860- Section 280. Rash navigation of vessel:
Whoever navigates any vessel in a manner so rash or negligent as to endanger human life, or to be likely to cause hurt or injury to any other person, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to six months, or with fine which may extend to one thousand taka, or with both.

৬৪৪.
The Penal Code, 1860 কার্যকর হয় কবে?
  1. ১৮৬০ সালে
  2. ১৮৬১ সালে
  3. ১৮৬২ সালে
  4. ১৮৬৩ সালে
ব্যাখ্যা
• ভারতীয় উপমহাদেশে সর্বপ্রথম আইন কমিশন গঠন করা হয় ১৮৩৪ সালে। প্রথম আইন কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন থমাস ব্যাবিংটন ম্যাকুলে (Lord Macaulay).
প্রথম আইন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন যা নিম্নরূপ:-
i) সভাপতি-লর্ড ম্যাকলে।
ii) সদস্য- মি: ম্যাকলিউড।
iii) সদস্য-মি: এন্ডারসন।
iv) সদস্য-মি: মিলার।

- ১৮৩৭ সালে এই কমিশন দণ্ডবিধি প্রণয়নের জন্য খসড়া জমা দেয় এবং ৬ অক্টোবর ১৮৬০ সালে বিলটি পাস হয় এবং দণ্ডবিধি ১লা জানুয়ারি ১৮৬২ সালে থেকে কার্যকর হয়।
- যার নামকরণ করা হয় ১৮৬০ সালের ৪৫ নং আইন, দণ্ডবিধি।

⇒ অর্থাৎ ১৮৬০ সালের ৬ অক্টোবর দণ্ডবিধি প্রণীত হয়, যা ১৮৬২ সালের ১লা জানুয়ারী থেকে ‘Indian Penal Code’ নামে কার্যকর হয়।
৬৪৫.
দণ্ডবিধির ২৬৪ ধারার অধীনে, যদি কোনো ব্যক্তি প্রতারণামূলকভাবে মিথ্যা যন্ত্র ব্যবহার করে, তাহলে তার শাস্তি কী হতে পারে?
  1. ১ বছরের কারাদণ্ড অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয়
  2. ২ বছরের কারাদণ্ড অথবা ২০০০ টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয়
  3. ৩ বছরের কারাদণ্ড অথবা ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয়
  4. ৫ বছরের কারাদণ্ড অথবা ১০০০ টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয়
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ক) ১ বছরের কারাদণ্ড অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয়।

→ দণ্ডবিধির ২৬৪ ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি জানে যে সে যে যন্ত্রটি ব্যবহার করছে তা মিথ্যা, এবং সে এই যন্ত্রটি প্রতারণামূলকভাবে ব্যবহার করে, তবে তাকে ১ বছরের কারাদণ্ড অথবা অর্থদণ্ড অথবা উভয় শাস্তি দেওয়া হতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ২৬৪ ধারা- ওজনের জন্য প্রতারণামূলকভাবে মিথ্যা যন্ত্র ব্যবহার করা:
কোন ব্যক্তি যদি প্রতারণামূলকভাবে ওজনের জন্য এমন কোন যন্ত্র ব্যবহার করে, যা মিথ্যা বলে সে জানে, তবে-সেই ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 264- Fraudulent use of false instrument for weighing:
Whoever fraudulently uses any instrument for weighing which he knows to be false, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one year, or with fine, or with both.
৬৪৬.
সম্পদটি চোরাই জেনেও তা অসাধুভাবে দখলে রাখার অপরাধ বিষয়ে The Penal Code, 1860 এর কোন ধারায় বলা হয়েছে?
  1. ৪১০
  2. ৪১১
  3. ৩৮০
  4. ৩৭৯
ব্যাখ্যা
♦ The Penal Code, 1860 এর ৪১১ ধারার বিধান অসাধুভাবে চোরাইমাল গ্রহণ করা:  কোন ব্যক্তি যদি কোন সম্পত্তি চোরাই সম্পত্তি বলে জানা সত্ত্বেও, বা উহা চোরাই সম্পত্তি বলে তার বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও অসাধুভাবে অনুরূপ চোরাই সম্পত্তি গ্রহণ করে বা রেখে দেয়, তবে উক্ত ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
৬৪৭.
কোন ব্যক্তিকে তার যে দিকে গমনের অধিকার রয়েছে, তাকে সেই দিকে গমনে স্বেচ্ছাকৃত বাধা দেওয়া হলে, তাকে কি করা হয়েছে বলে গণ্য হবে?
  1. অবৈধ বাধাদান
  2. অবৈধ আটক
  3. তার বিরুদ্ধে বল প্রয়োগ
  4. উপরের সবগুলো 
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৩৯ ধারার বিধান অবৈধ বাধা (Wrongful restraint):- যে ব্যক্তি কোন ব্যক্তিকে ইচ্ছাপূর্বক এমনভাবে বাধাদান করে যার ফলে উক্ত ব্যক্তির যেদিকে যাবার অধিকার রয়েছে, এমন কোন দিকে উক্ত ব্যক্তির যাবার পথ রুদ্ধ হয়, তবে সে ব্যক্তি উক্ত ব্যক্তিকে অবৈধভাবে বাধাদান করেছে বলে পরিগণিত হয়।

ব্যতিক্রম :- যদি কোন লোক স্থলে বা জলে কোন বেসরকারি পথে বাধা দেওয়ার আইনসম্মত অধিকার তার রয়েছে বলে সরল মনে বিশ্বাসবশতঃ উক্ত পথে বিঘ্ন সৃষ্টি করে, তবে তার কাজ এই ধারার অর্থের আওতায় অপরাধ হবে না।

⇒ উদাহরণ
যে পথ অতিক্রম করার অধিকার চ-এর রয়েছে, সে পথে ক বিঘ্ন সৃষ্টি করে। ক সরল মনে বিশ্বাস করে না যে, পথটি রোধ করার অধিকার তার রয়েছে। ক-এর পথ রোধের ফলে চ পথ অতিক্রম করতে অসমর্থ হয়। ক অবৈধভাবে চ-কে বাধাদান করেছে।
--------
⇒ Wrongful restraint:
Section 339. Whoever voluntarily obstructs any person so as to prevent that person from proceeding in any direction in which that person has a right to proceed, is said wrongfully to restrain that person. 
 
⇒ Exception. The obstruction of a private way over land or water which a person in good faith believes himself to have a lawful right to obstruct, is not an offence within the meaning of this section. 
 
⇒ Illustration 
A obstructs a path along which Z has a right to pass, A not believing in good faith that he has a right to stop the path. Z is thereby prevented from passing. A wrongfully restrains Z.
৬৪৮.
দণ্ডবিধির ৬৬ ধারা অনুসারে, অর্থদণ্ড অনাদায়ে কারাদণ্ড নির্ধারণের ক্ষেত্রে কোন বিষয়টি বিবেচনা করা হয়?
  1. অর্থদণ্ডের পরিমাণ
  2. দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির আচরণ
  3. অপরাধীর আর্থিক অবস্থা 
  4. অপরাধের জন্য প্রযোজ্য কারাদণ্ডের ধরন
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৬৬ ধারা অনুসারে, অর্থদণ্ড অনাদায়ে কারাদণ্ড নির্ধারণের ক্ষেত্রে অপরাধের জন্য প্রযোজ্য কারাদণ্ডের ধরন বিবেচনা করা হয়। এই ধারায় বলা হয়েছে যে, অর্থদণ্ড অনাদায়ে প্রদত্ত কারাদণ্ড সেই ধরনের হবে, যে ধরনের কারাদণ্ডে অপরাধীকে অপরাধের জন্য দণ্ডিত করা যেত।
- সঠিক উত্তর: ঘ) অপরাধের জন্য প্রযোজ্য কারাদণ্ডের ধরন।

⇒ দণ্ডবিধির ৬৬ ধারার বিধান- অর্থদণ্ড অনাদায়ে প্রদত্ত কারাদণ্ডের ধরন:
অর্থদণ্ড অনাদায়ে প্রদত্ত কারাদণ্ডের ধরন, অপরাধটির জন্য অপরাধীকে যে ধরনের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা যেত সেরূপ হবে।
-------
⇒ The Penal Code,1860-Section 66- Description of imprisonment for non-payment of fine:
The imprisonment which the Court imposes in default of payment of a fine may be of any description to which the offender might have been sentenced for the offence.

৬৪৯.
দণ্ডবিধির কোন ধারায় বেআইনি সমাবেশের সংজ্ঞা উল্লেখ রয়েছে?
  1. ১৪১ ধারায়
  2. ১৪২ ধারায়
  3. ১৪৩ ধারায়
  4. ১৪৪ ধারায়
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ১৪১ ধারায় বেআইনি সমাবেশের বিধান রয়েছে। পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি জনসাধারণের শান্তি-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী কোন সমাবেশ করলে তাকে বেআইনি সমাবেশ বা Unlawful Assembly বলে।
→ দণ্ডবিধির ১৪১ ধারামতে ৫ বা ততোধিক ব্যক্তি কর্তৃক সৃষ্ট সমাবেশে নিম্নলিখিত ৫টি সাধারণ উদ্দেশ্য বা common object থাকলে তা বেআইনি সমাবেশ বলে গণ্য হবে। সাধারণ উদ্দেশ্যগুলো (common object) নিম্নরূপ যথা-
১) সরকার, সরকারি কর্মচারী বা আইনসভাকে আইনসম্মত ক্ষমতা প্রয়োগকালে বাধা বা বলপ্রয়োগের হুমকি দান;
২) আইনগত ব্যবস্থা বাস্তবায়নে বাধা ।
৩) অনিষ্ট, অপরাধজনক অনধিকার প্রবেশ বা অপর কোন অপরাধ সংঘটন ।
৪) অপরাধজনক বলপ্রয়োগ পূর্বক সম্পত্তি অর্জন বা কোন ব্যক্তিকে রাস্তা বা পানি ব্যবহার বা দখল থেকে বঞ্চিত; অথবা
৫) কোন ব্যক্তিকে যা করতে বাধ্য নয় তা করাতে ও যা করতে বাধ্য তা থেকে বিরত রাখতে বাধ্য করা।

→ সাধারণ উদ্দেশ্য বা common object বলতে তদ্রূপ উদ্দেশ্যকে বোঝায় যা পূরণকল্পে সমাবেশের সকল সদস্য সমবেত হয়েছিল এবং সেই উদ্দেশ্য হাসিল করবে বলে তারা সকলে জানত; অর্থাৎ বেআইনি সমাবেশ করার জন্য যে সকল উদ্দেশ্য থাকে সেই সকল উদ্দেশ্য সমূহ হলো সাধারণ উদ্দেশ্য।
---------------------
⇒ The Penal Code Section-141.Unlawful assembly:
- An assembly of five or more persons is designated an "unlawful assembly," if the common object of the persons composing that assembly is:
First: -To overawe by criminal force, or show of criminal force, Government or Legislature, or any public servant in the exercise of the lawful power of such public servant; or 
Second: To resist the execution of any law, or of any legal process; or 
Third: To commit any mischief or criminal trespass, or other offence ; or 
Fourth.- By means of criminal force, or show of criminal force, to any person to take or obtain possession of any property, or to deprive any person of the enjoyment of a right of way, or of the use of water or other incorporeal right of which he is in possession or enjoyment, or to enforce any right or supposed right; or 
Fifth.-By means of criminal force, or show of criminal force, to compel any person to do what he is not legally bound to do, or to omit to do what he is legally entitled to do. 
Explanation.-An assembly which was not unlawful when it assembled, may subsequently become an unlawful assembly.
৬৫০.
Which of the following actions is punishable under Section 399?
  1. Committing dacoity
  2. Conspiring to commit a minor theft
  3. Preparing to commit dacoity
  4. Assisting someone after they have committed dacoity
ব্যাখ্যা
Section 399- Making preparation to commit dacoity:
Whoever makes any preparation for committing dacoity, shall be punished with rigorous imprisonment for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.

দণ্ডবিধির ৩৯৯ ধারা: ডাকাতি সংঘটনের প্রস্তুতি:

যে কেউ ডাকাতি সংঘটনের উদ্দেশ্যে কোনো ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করে, তাকে সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হবে, যা দশ বছর পর্যন্ত মেয়াদ হতে পারে, এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যেতে পারে।
৬৫১.
প্রতারণামূলকভাবে বা বল প্রয়োগ করে কোন ব্যক্তিকে একস্থান থেকে অন্যস্থানে গমনে বাধ্য করলে তাকে বলে-
  1. অবৈধ অবরোধ
  2. Abduction
  3. মনুষ্যহরণ
  4. Kidnap
ব্যাখ্যা

দণ্ডবিধির ধারা ৩৬২ অনুযায়ী:
"যে কোন ব্যক্তি কোনো ব্যক্তি বা পুরুষকে প্রতারণা বা বল প্রয়োগের মাধ্যমে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে নিতে বাধ্য করে, তাকে অপহরণ বা ইংরেজিতে Abduction বলা হয়।"

The Penal Code, Section- 362. Abduction:
- Whoever by force compels, or by any deceitful means induces, any person to go from any place, is said to abduct that person.

৬৫২.
‘ক’ একটি কুঠার নিয়ে কাজ করছে। হঠাৎ কুঠারের মাথাটি খুলে গিয়ে উড়ে যায় এবং সন্নিকটে দণ্ডায়মান এক ব্যক্তিকে আঘাত করে এবং লোকটি মারা যায়। এক্ষেত্রে যদি ‘ক’ এর পক্ষে যথাযথ সতর্কতার অভাব না থেকে থাকে, তাহলে দণ্ডবিধির কোন ধারার বিধান অনুযায়ী তার কাজ অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না?
  1. ৮০ ধারা
  2. ৮৮ ধারা
  3. ৯০ ধারা
  4. ৯২ ধারা
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৮০ ধারার বিধান- আইনানুগ কাজ সম্পাদনকালে বিপত্তি বা দুর্ঘটনা:
কোন আইনানুগ কাজ আইনানুগ পদ্ধতিতে আইনানুগ উপায়ে যথোপযুক্ত সতর্কতা ও যত্নসহকারে সম্পাদন করাকালে কোন অপরাধমূলক উদ্দেশ্য বা অবগতি ছাড়া দুর্ঘটনা বা দুর্ভাগ্যক্রমে অনুষ্ঠিত কোন কিছুই অপরাধ বলে পরিগণিত হবে না।

উদাহরণ: ‘ক’ একটি কুঠার নিয়ে কাজ করছে, হঠাৎ তা কুঠারের মাথাটি খুলে গিয়ে উড়ে যায় এবং সন্নিকটে দণ্ডায়মান এক ব্যক্তিকে নিহত করে। এক্ষেত্রে যদি ‘ক’ এর পক্ষে যথাযথ সতর্কতার অভাব না থেকে থাকে, তাহলে তার কাজ মার্জনীয় হবে এবং অপরাধ হবে না।

Section 80- Accident in doing a lawful act:
Nothing is an offence which is done by accident or misfortune, and without any criminal intention or knowledge in the doing of a lawful act in a lawful manner by lawful means and with proper care and caution.

Illustration: A is at work with a hatchet; the head flies off and kills a man who is standing by. Here if there was no want of proper caution on the part of A, his act is excusable and not an offence.
৬৫৩.
কোন অস্থাবর সম্পত্তি গ্রহণ চুরি বলে গণ্য হবে যদি সম্পত্তিটি যেকোন ব্যক্তির দখল হতে-
  1. প্রতারণামূলকভাবে (Fraudulently) গ্রহণ করা হয়
  2. অসাধুভাবে (Dishonestly) গ্রহণ করা হয়
  3. জোরপূর্বক (Extortion) গ্রহণ করা হয়
  4. ভয় দেখিয়ে গ্রহণ করা হয়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারায় চুরির বিধান রয়েছে। ৩৭৮ ধারামতে কোন ব্যক্তির দখল থেকে সম্মতি ব্যতীত কোন অস্থাবর সম্পত্তি (Movable property) অসাধুভাবে গ্রহণের উদ্দেশ্যে স্থানান্তর করলে বা সরানো হলে তা চুরি বলে গণ্য হবে। অন্যভাবে বলা যায়, যদি কোন ব্যক্তি কোন অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণের উদ্দেশ্যে সম্পত্তির দখলে থাকা ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া উক্ত সম্পত্তি স্থানান্তর করে তবে তা চুরি বলে গণ্য হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারার বিধান চুরি:- কোন ব্যক্তি যদি কারো দখল হতে তার সম্মতি ব্যতীত কোন অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণ করার উদ্দেশ্য নিয়ে উক্ত সম্পত্তি অনুরূপভাবে গ্রহণের জন্য স্থানান্তর করে, তবে উক্ত ব্যক্তি চুরি করেছে বলে গণ্য হবে।

ব্যাখ্যা ১:- কোন বস্তু যতক্ষণ পর্যন্ত অস্থাবর সম্পত্তি না হওয়া বিধায় মাটির সাথে যুক্ত থাকে, ততক্ষণ পর্যন্ত উহা চুরি করার বস্তু বলে গণ্য হবে না, কিন্তু যে মুহূর্তে উহাকে মাটি হতে বিচ্ছিন্ন করা হয় সে মহূর্তেই উহা চুরি করার বস্তু হওয়ার যোগ্য গণ্য হবে।

ব্যাখ্যা ২:- যে কাজ কর্তৃক (মাটি হতে) বিচ্ছিন্নতা সাধন করা হয়, সে কাজ দ্বারাই স্থানান্তর করা হলে তা চুরি হতে পারে।

ব্যাখ্যা ৩:- কোন ব্যক্তি কোন বস্তুর গতির প্রতিবন্ধক অপসারণ করলে বা উহাকে অপর কোন বন্ধু হতে বিচ্ছিন্ন করলে এবং বাস্তবিকভাবে উহা স্থানান্তর করলে উক্ত বস্তু স্থানান্তর করে বলে পরিগণিত হবে।

ব্যাখ্যা ৪:- কোন ব্যক্তি যে কোন উপায়ে কোন পশুকে হাঁটায়, সে লোক সে পশুকে এবং অনুরূপভাবে সৃষ্ট গতির ফলে উক্ত পশু দ্বারা স্থানান্তরিত প্রত্যেক বস্তুকে স্থানান্তর করে বলে গণ্য হবে।

ব্যাখ্যা ৫:- সংজ্ঞায় উল্লেখিত সম্মতি প্রকাশ্য অথবা পরোক্ষ হতে পারে: এবং উক্ত সম্মতি দখলকারী ব্যক্তি বা উক্ত উদ্দেশ্য প্রকাশ্য বা পরোক্ষ ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তির দ্বারা প্রদত্ত হতে পারে।
----------------
Theft:
Section 378. Whoever, intending to take dishonestly any moveable property out of the possession of any person without that person's consent, moves that property in order to such taking, is said to commit theft. 
Explanation 1.- A thing so long as it is attached to the earth, not being moveable property, is not the subject of theft; but it becomes capable of being the subject of theft as soon as it is severed from the earth. 
Explanation 2.- A moving effected by the same act which effects the severance may be a theft. 
Explanation 3.- A person is said to cause a thing to move by removing an obstacle which prevented it from moving or by separating it from any other thing, as well as by actually moving it. 
Explanation 4.- A person, who by any means causes an animal to move, is said to move that animal, and to move everything which, in consequence of the motion so caused, is moved by that animal. 
Explanation 5.- The consent mentioned in the definition may be express or implied, and may be given either by the person in possession, or by any person having for that purpose authority either express or implied.
৬৫৪.
দণ্ডবিধির ৫০৭ ধারা অনুসারে, কোন কাজ এই ধারার অধীনে অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে?
  1. প্রকাশ্যে কাউকে অপরাধমূলক হুমকি দেওয়া
  2. অজ্ঞাত পরিচয়ে অপরাধমূলক হুমকি দেওয়া
  3. বন্ধুকে মজা করে হুমকি দেওয়া
  4. আইনি প্রক্রিয়ায় হুমকি দেওয়া
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৫০৭ ধারা অনুসারে, অজ্ঞাত পরিচয়ে বা নাম-ঠিকানা গোপন করে অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন করা এই ধারার অধীনে অপরাধ। প্রকাশ্য হুমকি বা মজার ছলে হুমকি এই ধারার আওতায় পড়ে না।

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৫০৭- অজ্ঞাত পরিচয় দ্বারা অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন:
যে ব্যক্তি অজ্ঞাত পরিচয় দ্বারা অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন করে, বা যে ব্যক্তি হুমকি প্রদানের জন্য যার নাম বা অবস্থান গোপন রাখার ব্যবস্থা গ্রহণ করে, তাকে দুই বছরের পর্যন্ত যেকোন ধরনের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হবে। এছাড়া, এই অপরাধের জন্য পূর্ববর্তী ধারায় প্রদত্ত শাস্তিও তাকে প্রদান করা হবে।

⇒ The Penal Code, 1860- Section - 507: Criminal intimidation by an anonymous communication:
Whoever commits the offence of criminal intimidation by an anonymous communication, or having taken precaution to conceal the name or abode of the person from whom the threat comes, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, in addition to the punishment provided for the offence by the last preceding section.

৬৫৫.
দণ্ডবিধির কোন ধারার বলা হয়েছে যে বাংলাদেশে সংঘটিত প্রতি কাজ বা অবহেলার জন্য ব্যক্তি এই কোড অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য?
  1. ধারা ১
  2. ধারা ২
  3. ধারা ৩
  4. ধারা ৪
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ধারা ২ -এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে: "বাংলাদেশের ভিতরে দণ্ডবিধির বিধানবিরূদ্ধ যে কোন কাজ বা অবহেলার জন্য প্রত্যেক ব্যক্তি এই কোড অনুযায়ী শাস্তিপ্রাপ্ত হবে এবং অন্যভাবে নয়।"
সুতরাং, বাংলাদেশের ভেতরে সংঘটিত দণ্ডবিধিবিরোধী কোনো কাজ বা অবহেলার (act or omission) জন্য ব্যক্তিকে এই কোডের অধীনেই শাস্তি দেওয়া হবে – এই মৌলিক সূত্রটি ধারা ২-এ উল্লেখিত হয়েছে।

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ২ অনুসারে, বাংলাদেশের মধ্যে সংঘটিত প্রত্যেক কাজ বা অবহেলা (যা এই কোডের বিধানের বিপরীত), তার জন্য ব্যক্তি এই কোড অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য হবে এবং অন্য কোনো উপায়ে নয়।

⇒ The Penal Code, 1860, Section-2: Punishment of offences committed within Bangladesh:
- Every person shall be liable to punishment under this Code and not otherwise for every act or omission contrary to the provisions thereof, of which he shall be guilty within Bangladesh.

৬৫৬.
দণ্ডবিধির ১৭০ ধারার অধীনে, যদি কেউ সরকারি কর্মচারী নয় জেনেও সরকারি কর্মচারীর ছদ্মবেশ ধারণ করে, তবে তার সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1. ১ বছরের কারাদণ্ড
  2. ২ বছরের কারাদণ্ড
  3. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  4. ৫ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৭০ ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি নিজেকে সরকারি কর্মচারী বলে পরিচয় দেয়, অথচ সে প্রকৃতপক্ষে সরকারি কর্মচারী নয়, এবং সেই ছদ্মবেশে কোনো কাজ করার চেষ্টা করে বা করে, তবে তাকে সর্বোচ্চ ২ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ১৭০ ধারার বিধান সরকারি কর্মচারী বলে ছদ্মবেশ ধারণ:
- কোন ব্যক্তি যদি কোন পদে অধিষ্ঠিত নয় বলে জানা সত্ত্বেও সে পদে অধিষ্ঠিত রয়েছে বলে পরিচয় দেয় অথবা অন্য যে ব্যক্তি যে পদে অধিষ্ঠিত আছে নিজেকে সে পদে অধিষ্ঠিত সে ব্যক্তি বলে ছদ্মবেশ ধারণ করে এবং এইরূপ মিথ্যা ছদ্মবেশ ধারণ করে সে পদের অধিকার বলে কোন কাজ করে বা করতে চেষ্টা করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
-----------------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 170. Personating a public servant:
- Whoever pretends to hold any particular office as a public servant, knowing that he does not hold such office or falsely personates any other person holding such office, and in such assumed character does or attempts to do any act under colour of such office, shall be punished with imprisonment of either description, for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
৬৫৭.
Under Section 310, when is a person recognized as a thug?
  1. If they are involved in occasional theft
  2. If they commit fraud multiple times
  3. If they are caught in possession of stolen goods
  4. If they habitually commit robbery or child-stealing with murder
ব্যাখ্যা
Section 310- Thug:
Whoever, at any time after the passing of this Act, shall have been habitually associated with any other or others for the purpose of committing robbery or child-stealing by means of or accompanied with murder, is a thug.

⇒ দণ্ডবিধির ৩১০ ধারা- ঠগ:
কোন ব্যক্তি যদি এই আইন পাস হওয়ার পরে কোন সময় খুনের মাধ্যমে বা খুন সহ দস্যুতা সাধন বা শিশু অপহরণের জন্য অপর এক বা একাধিক ব্যক্তির সাথে অভ্যাসগতভাবে সংশ্লিষ্ট হয়ে থাকে, তবে সে ব্যক্তি একজন ঠগ।
৬৫৮.
'X' একটি মুরগী হত্যা ও চুরি করার উদ্দেশ্যে মুরগিটির প্রতি গুলি ছোঁড়ে, কিন্তু ঝোপের অপর পাশে থাকা ‘Y' গুলি বর্ষণের ফলে মারা যায়, যা 'X' জানত না। 'X' এর অপরাধটি হলো?
  1. নিন্দনীয় নরহত্যা
  2. হত্যা
  3. খুন
  4. উপরোক্ত কোনটি নয়।
ব্যাখ্যা
♦এক্ষেত্রে 'X' এর কাজটি একটি বেআইনী কাজ হলেও, 'X' নিন্দনীয়/দন্ডনীয় নরহত্যার অপরাধে দায়ী হবে না, কারণ সে 'Y' কে হত্যা করার উদ্দেশ্যে গুলি ছোড়েনি বা এমন কোন কাজ মৃত্যু ঘটানোর অভিপ্রায় করেনি, যা মৃত্যু ঘটাতে পারে মর্মে তার জানা ছিল। কেননা দন্ডবিধির ২৯৯ ধারায় উল্লেখিত “মৃত্যু ঘটানোর অভিপ্রায়ে বা মৃত্যু ঘটায়” শব্দগুলো দ্বারা বুঝা যায় নিন্দনীয় নরহত্যা হওয়ার জন্য হত্যা করার ইচ্ছা থাকা জরুরী। কিন্তু X এর ইচ্ছা ছিল না এবং সে জানতোও না যে Y ঝোপের আড়ালে আছে। দন্ডবিধির ২৯৯ ধারার উদাহরণ গ  অনুসারে X এই কাজটি  নিন্দনীয়/দন্ডনীয় নরহত্যার অপরাধ নয় এবং হত্যা আর খুনও হয়নি।
৬৫৯.
'ঘ' একটি নৌকায় বসা 'ঙ' এর নৌকার দড়ি খুলে দেয়, যার ফলে নৌকাটি ভেসে যায়। দণ্ডবিধির কোন ধারা অনুসারে 'ঘ' এর এই কাজটি অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে?
  1. ধারা ৩৩৬
  2. ধারা ৩৪১
  3. ধারা ৩৫০
  4. ধারা ৪২৬
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৩৫০ (অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ বা Criminal force) অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তি সম্মতি ছাড়া অন্যের উপর ইচ্ছাকৃতভাবে বল প্রয়োগ করে অপরাধের উদ্দেশ্যে বা জখম/ভয়/বিরক্তির উদ্দেশ্যে, তাহলে তা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ। এখানে ‘ঘ’-এর কাজ (নৌকার দড়ি খুলে ভাসিয়ে দেওয়া) ধারা ৩৫০-এর উদাহরণ (ক)-এর মতোই: নৌকায় বসা ব্যক্তির গতি ইচ্ছাকৃতভাবে সঞ্চারিত করে ভয় বা বিরক্তি সৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৫০ ধারার বিধান অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ:- কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির উপর সম্মতি ব্যতীত বল প্রয়োগ করে এবং কোন অপরাধ অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্যে অথবা অনুরূপ শক্তি প্রয়োগ কর্তৃক, যে ব্যক্তির উপর বল প্রয়োগ করা হল, তার জখম বা ভয় বা বিরক্তি উৎপাদনের উদ্দেশ্যে অথবা তার শক্তি প্রয়োগের ফলে, যার উপর শক্তি প্রয়োগ করা হল, তার জখম, ভয় বা বিরক্তি উৎপাদিত হতে পারে জানা সত্ত্বেও যদি সে অনুরূপ বল প্রয়োগ করে, তবে সে ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করেছে বলে পরিগণিত হয়।
উদাহরণ:
(ক) চ নদীতে নোঙ্গর করা একটি নৌকাতে বসে আছে। ক নোঙ্গর তুলে দিল এবং এইভাবে ইচ্ছাপূর্বক নৌকাটিকে নদীতে ভেসে যেতে দিল। এখানে ক ইচ্ছাকৃতভাবে চ-তে গতি সঞ্চার করল, এবং তা করল একটি বস্তুকে এমনভাবে সঞ্চালিত করে, যে বস্তুটি সঞ্চালনের পর কোন ব্যক্তির অন্যকোন কাজ ব্যতীতই উহাতে গতি সঞ্চারিত হয়েছে। সুতরাং ক-ইচ্ছাকৃতভাবে চ-এর উপর বল প্রয়োগ করেছে এবং ক যদি এটা চ-এর সম্মতি ব্যতীত করে থাকে এবং তার উদ্দেশ্য যদি হয় কোন অপরাধ অনুষ্ঠান করা, অথবা সে যদি এইরূপ উদ্দেশ্য নিয়ে বা এইরূপ জানা সত্ত্বেও কার্যটি করে থাকে যে, চ জখম, বিরক্তি বা ভীতিগ্রস্ত হতে পারে, তবে ক চ-এর উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করেছে।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 350: Criminal force:
-Whoever intentionally uses force to any person, without that person's consent, in order to the committing of any offence, or intending by the use of such force to cause, or knowing it to be likely that by the use of such force he will cause injury, fear or annoyance to the person to whom the force is used, is said to use criminal force to that other.

Illustration:
(a) Z is sitting in a moored boat on a river. A unfastens the moorings, and thus intentionally causes the boat to drift down the stream. Here A intentionally causes motion to Z, and he does this by disposing substances in such a manner that the motion is produced without any other action on any person's part. A has therefore intentionally used force to Z; and if he has done so without Z's consent, in order to the committing of any offence, or intending or knowing it to be likely that this use of force will cause injury, fear or annoyance to Z, A has used criminal force to Z. 

(b) Z is riding in a chariot. A lashes Z's horses, and thereby causes them to quicken their pace. Here A has caused change of motion to Z by inducing the animals to change their motion. A has therefore used force to Z; and if A has done this without Z's consent, intending or knowing it to be likely that he may thereby injure, frighten or annoy Z, A has used criminal force to Z. 
 
(c) Z is riding in a palanquin. A, intending to rob Z, seizes the pole and stops the palanquin. Here A has caused cessation of motion to Z, and he has done this by his own bodily power. A has therefore used force to Z; and as A has acted thus intentionally, without Z's consent, in order to the commission of an offence. A has used criminal force to Z. 

৬৬০.
The Penal Code, 1860 কোন প্রকারের আইন?
  1. Private Law
  2. Procedural Law
  3. Adjective Law
  4. Substantive Law
ব্যাখ্যা

তত্ত্বগত বা মৌলিক আইন [Substantive Law]:
যে আইন কোন অধিকারকে সংজ্ঞায়িত করে, সৃষ্টি করে এবং অর্পণ করে বা কোন শাস্তিকে সংজ্ঞায়িত করে এবং দায় আরোপ করে সেই আইনকে তত্ত্বগত বা মৌলিক আইন [Substantive Law] বলে।
যেমন: সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, দণ্ডবিধি ইত্যাদি।
দণ্ডবিধিতে বিভিন্ন অপরাধকে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে, উক্ত অপরাধের শাস্তি উল্লেখ করা হয়েছে। এই কারণে এটা তত্ত্বগত আইন। কিন্তু এই অপরাধের বিচার পদ্ধতি দণ্ডবিধিতে উল্লেখ করা হয়নি। দণ্ডবিধিতে উল্লেখিত অপরাধের বিচার করার পদ্ধতি উল্লেখ করা হয়েছে ফৌজদারী কার্যবিধিতে। এই কারণে ফৌজদারী কার্যবিধি হলো পদ্ধতিগত আইন।

অন্যদিকে,
যে আইনে কোন মোকদ্দমা বা মামলার বিচার করার পদ্ধতি অর্থাৎ মামলা দায়ের থেকে শুরু করে চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি করা পর্যন্ত যে সকল আইনী প্রক্রিয়া বা পদ্ধতি অনুসরণ করে বিচার করতে হয়, সেই প্রক্রিয়া বা পদ্ধতি বা নিয়ম যে আইনে উল্লেখ থাকে সেই নিয়ম সংশ্লিষ্ট আইনকে পদ্ধতিগত আইন [Procedural Law or Adjective Law) বলে।
যেমন- ফৌজদারী কার্যবিধি, দেওয়ানী কার্যবিধি, তামাদি আইন ইত্যাদি।
- Procedural Law এবং Adjective Law উভয় পদ্ধতিগত আইন বোঝাতে ব্যবহার করা হয়।

- ব্যক্তির সাথে ব্যক্তির সম্পর্ক রক্ষা ও সামাজিক শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য Private Law প্রণয়ন ও প্রয়োগ করা হয়। যেমন- চুক্তি ও দলিল সংক্রান্ত আইন।

৬৬১.
নিম্নবর্ণিত অতিব্যক্তিরগুলির মধ্যে কোনটি দণ্ডবিধিতে উল্লেখিত আছে এবং তা mens rea কে নির্দেশ করে?
  1. Guilty mind
  2. Criminal mind
  3. Good faith
  4. Dishonestly
ব্যাখ্যা
♦ কোন ব্যক্তিকে ফৌজদারী অপরাধে অভিযুক্ত করতে প্রধানত ২টি শর্ত অবশ্যই পূরণ করতে হয়।
      (i) অপরাধী মন [Mens Rea] এবং
      (ii) দোষাবহ কার্য বা অপরাধজনক কার্য [Actus Rea]
♦ “Mens rea' শব্দের অর্থ ‘অপরাধী মন' (guilty mind)। অপরাধ সংঘটনের সময়ে আসামীর মনের অবস্থা “Mens rea' নামে পরিচিত। এটা ‘অপরাধীর দুষ্টমন' নামেও পরিচিত। একজন অপরাধী শুধু তার অপরাধজনক কার্যের জন্যই দায়ী হয় না বরং সে তার কার্যের সাথে তার অপরাধী মন বা অপরাধ করার ইচ্ছা বা উদ্দেশ্যের জন্যই বিশেষভাবে দায়ী হয়ে থাকে। এই অপরাধী মন বা অপরাধ করার ইচ্ছাকে বলা হয় mens rea বা guilty mind.
৬৬২.
ডাকাতি হলো-
  1. দুই বা ততোধিক ব্যক্তি কর্তৃক অনুষ্ঠিত দস্যুতা
  2. ৫ বা ততোধিক ব্যক্তি কর্তৃক সংঘটিত চুরি
  3. ৫ বা ততোধিক ব্যক্তি কর্তৃক সংঘটিত দস্যুতা
  4. খ এবং গ উভয়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৯১ ধারার বিধান ডাকাতি:- যদি পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটন করে বা দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করে, অথবা যদি কোন ক্ষেত্রে মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করে, অথবা যদি কোন ক্ষেত্রে মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটন প্রচেষ্টারত ব্যক্তির ও অনুরূপ কার্যে বা প্রচেষ্টায় সহায়তাকারী ব্যক্তির মোট সংখ্যা পাঁচ বা ততোধিক হয়, তবে অনুরূপ কাজ সংঘটনকারী বা প্রচেষ্টাকারী বা সহায়তাকারী প্রত্যেক ব্যক্তি ডাকাতি করছে বলে পরিগণিত হবে।
--------
⇒  Section 391 Dacoity: When five or more persons conjointly commit or attempt to commit a robbery, or where the whole number of persons conjointly committing or attempting to commit a robbery, and persons present and aiding such commission or attempt, amount to five or more, every person so committing, attempting or aiding, is said to commit "dacoity".

⇒  Section 395 Punishment for dacoity: Whoever commits dacoity shall be punished with imprisonment for life, or with rigorous imprisonment for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.
৬৬৩.
দণ্ডবিধির ৪৪৫ ধারায় কত ধরনের গৃহপ্রবেশকে 'অপথে গৃহপ্রবেশ' (House- breaking) হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে?
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪৪৫ ধারায় অপথে গৃহে প্রবেশের বিধান রয়েছে। ৪৪৫ ধারা অনুযায়ী নিম্নলিখিত ৬টি উপায়ে কোন গৃহে প্রবেশ করলে বা গৃহ থেকে বের হলে তা অপথে গৃহে প্রবেশ বা House breaking বলে গণ্য হবে। যথা-
i) বন্ধ দরজা বা পথ খুলে (Opening any passage fastended for );
ii) তালা খুলে বা ভেঙ্গে (Opening or breaking lock);
iii) নতুন পথ তৈরি করে (Passage made by him);
iv) আক্রমন বা বলপ্রয়োগের ভয় দেখিয়ে (Using criminal force);
v) আটকানো কোন কিছুকে খুলে বা অন্যভাবে মুক্ত করে অস্বাভাবিক পন্থায় ভিতরে প্রবেশ করা বা নির্গমন হওয়া; অথবা
vi) প্রবেশ বা প্রস্থানের জন্য নয় এমন পথ দিয়ে গৃহে প্রবেশ করলে অপথে গৃহ প্রবেশ (house breaking) এর অপরাধ হবে।

অর্থাৎ দণ্ডবিধির ৪৪৫ ধারায় এই ৬ ধরনের গৃহপ্রবেশকে 'অপথে গৃহপ্রবেশ' (House- breaking) হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
-------------------------------
⇒The Penal Code, 1860- Section- 445: House-breaking: A person is said to commit “house-breaking" who commits house-trespass if he effects his entrance into the house or any part of it in any of the six ways hereinafter described; or if, being in the house or any part of it for the purpose of committing an offence, or, having committed an offence therein, he quits the house or any part of it in any of such six ways, that is to say:
Firstly.-If he enters or quits through a passage made by himself, or by any abettor of the house-trespass, in order to the committing of the house-trespass.
Secondly.-If he enters or quits through any passage not intended by any person, other than himself or an abettor of the offence, for human entrance; or through any passage to which he has obtained access by scaling or climbing over any wall or building.
Thirdly.-If he enters or quits through any passage which he or any abettor of the house-trespass has opened, in order to the committing of the house-trespass by any means by which that passage was not intended by the occupier of the house to be opened.
Fourthly.-If he enters or quits by opening any lock in order to the committing of the house-trespass, or in order to the quitting of the house after a house-trespass.
Fifthly.-If he effects his entrance or departure by using criminal force or committing an assault, or by threatening any person with assault.
Sixthly.-If he enters or quits by any passage which he knows to have been fastened against such entrance or departure, and to have been unfastened by himself or by an abettor of the house-trespass.
Explanation.- Any out-house or building occupied with a house, and between which and such house there is an immediate internal communication, is part of the house within the meaning of this section.
৬৬৪.
দণ্ডবিধির কোন ধারা রাষ্ট্রপতির ক্ষমা প্রদর্শনের অধিকারকে সুরক্ষা দেয়?
  1. ৫৪ ধারা
  2. ৫৫ ধারা
  3. ৫৫ক ধারা
  4. ৫৬ ধারা
ব্যাখ্যা
→ দণ্ডবিধির ৫৫-ক ধারার বিধান রাষ্ট্রপতির বিশেষাধিকার সংরক্ষণ: ৫৪ ধারা বা ৫৫ ধারার কোন বিধান দ্বারাই রাষ্ট্রপতির ক্ষমা প্রদর্শন, মৃত্যুদণ্ড মওকুফ বা স্থগিত করা বা দণ্ডাজ্ঞা হাসের অধিকার ক্ষুন্ন হবে না।
অন্যদিকে,
- ৫৪ ধারা: সরকার মৃত্যুদণ্ড কমিয়ে অন্য হালকা শাস্তিতে রূপান্তর করতে পারে।
- ৫৫ ধারা: সরকার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড কমিয়ে অন্য শাস্তিতে রূপান্তর করতে পারে।
-----------
→ The Penal Code,1860- Section 55A: Saving for President’s prerogative: 
-Nothing in section fifty-four or section fifty-five shall derogate from the right of the President to grant pardons, reprieves, respites or remissions of punishment.
৬৬৫.
খুনের সর্বনিম্ন শাস্তি কোনটি?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  3. ১২ বৎসর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  4. দশ বৎসর পর্যন্ত হইতে পারে এইরূপ সশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০২ ধারার বিধান খুনের সাজা :- কোন ব্যক্তি যদি খুনের অপরাধ করে তবে উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
-----------------
⇒ Section 302. Punishment for murder:-Whoever commits murder shall be punished with death, or imprisonment for life, and shall also be liable to fine. 
৬৬৬.
দাঙ্গা কীভাবে সংঘটিত হতে পারে?
  1. বেআইনি সমাবেশে বল প্রয়োগ করলে
  2. বেআইনি সমাবেশে সহিংসতা প্রয়োগ করা হলে
  3. বেআইনি সমাবেশে লাঠিসোঁটা থাকলে
  4. ক+খ নং উপায়ে
ব্যাখ্যা
♦পেনাল কোড-এর ১৪৬ ধারায় বলা হয়েছে বেআইনি সমাবেশ কর্তৃক বা এর কোনো সদস্য কর্তৃক বলপ্রয়োগ করা  হলে বা সহিংসতা (force or violence) করা হলে তখন সমাবেশের সকল সদস্য দাঙ্গা করেছে মর্মে বলা হবে।
৬৬৭.
নিচের কোনটি গুরুতর জখম নয়?
  1. পুরুষত্বহীনকরণ
  2. অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন
  3. মাথার চুল ছিড়েফেলা
  4. স্থায়ীভাবে কানের শ্রুতিশক্তি রহিতকরণ
ব্যাখ্যা
♦ দন্ডবিধির ৩২০ ধারায় ধরণের গুরুতর জখমের উল্লেখ রয়েছে।

(i) পুরুষত্বহীনকরণ
(ii) স্থায়ীভাবে চোখের দৃষ্টি রহিতকরণ
(iii) স্থায়ীভাবে কানের শ্রুতিশক্তি রহিতকরণ
(iv) যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন
(v) যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির স্থায়ী ক্ষতিকরণ
(vi) মাথা বা মুখমন্ডলের স্থায়ী বিকৃতি
(vii) হাড় বা দাঁত ভাঙ্গা
(viii) কোন ব্যক্তিকে ২০ দিন পর্যন্ত তীব্র যন্ত্রণা দেয় এমন আঘাত।

♦ এর মধ্যে মাথার চুল ছিড়েফেলার বিষয়টি নাই। 
৬৬৮.
ডাকাতি সংঘটনের জন্য কমপক্ষে কয় জন সদস্যের প্রয়োজন?
  1. ৭ জন
  2. ৩ জন
  3. ৫ জন
  4. ১০ জন
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধি ৩৯১ ধারা মতে যখন ৫ বা ততোধিক ব্যক্তি মিলিত হয়ে একইসাথে কোন দস্যুতা সংঘটন করে, তখন সেই দস্যুতা ডাকাতি বলে গণ্য হবে।
• ডাকাতির অভিযোগ প্রমান করতে হলে দস্যুতার অভিযোগকেও প্রমান করতে হবে।

ডাকাতির উপাদান:
(i) পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি যৌথভাবে অপরাধটি সংঘটিত করেছিল;
(ii) উক্ত দলের এক বা একাধিক ব্যক্তি দস্যুতা করেছিল বা করার চেষ্টা করেছিল;
(iii) ডাকাত দলের সদস্যরা উপস্থিত ছিল এবং এ অপরাধ সংঘটনে সহায়তা করেছিল।

• ডাকাতির চেষ্টা করা কোন আলাদা অপরাধ নয়, ডাকাতির চেষ্টা করাও ডাকাতির অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।
• যেক্ষেত্রে আদালত ৫ বা ততোধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে ডাকাতির চার্জ গঠন করেছে কিন্তু পরবর্তীতে ৫ এর কম সংখ্যক ব্যক্তির অপরাধ প্রমাণিত হয়েছে, সেই ক্ষেত্রে আদালত ডাকাতির শাস্তি দিতে পারেনা কিন্তু তাদেরকে দস্যুতার জন্য দণ্ডিত করতে পারে।
৬৬৯.
দণ্ডের মেয়াদের ভগ্নাংশ হিসাবের ক্ষেত্রে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডকে কত বছর ধরা হয়?
  1. ১২ বছর
  2. ২০ বছর
  3. ২৫ বছর
  4. ৩০ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ যদিও প্রাথমিক অর্থে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বলতে আমৃত্যু কারাদণ্ডকে বোঝায়, কিন্তু দণ্ডবিধির ৫৭ ধারামতে দণ্ডের মেয়াদের ভগ্নাংশ হিসাবের ক্ষেত্রে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডকে ৩০ বছর ধরা হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৫৭ ধারায় বলা হয়েছে যে, দণ্ডের মেয়াদের ভগ্নাংশ হিসাবের ক্ষেত্রে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ৩০ বছর কারাদণ্ডের সমান বলে গণ্য হবে (In calculating fractions of terms of Punishment, imprisonment for life shall be reckoned as equivalent to rigorous imprisonment for thirty years)।
-সুতরাং দণ্ডবিধির ৫৭ ধারামতে শাস্তির ভগ্নাংশ হিসাব করতে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডকে ৩০ বছর ধরতে হবে।

বিষয়টি ব্যাখ্যা করা হল-
কোন অপরাধীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত করার পাশাপাশি দশ হাজার (১০,০০০/-) টাকা জরিমানা করা হলে। যদি অপরাধী জরিমানা দিতে ব্যর্থ হয় তাহলে অর্থদণ্ড অনাদায়ে কারাদণ্ড কত বছর হবে তা নির্দিষ্ট করে বলা যাবে না, কারণ যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের কোন নির্দিষ্ট মেয়াদ নেই কেননা কোন ব্যক্তি কতদিন বাঁচবে তা কেউ বলতে পারে না।
- এ রকম অনিশ্চয়তা দূর করতে অর্থাৎ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত ব্যক্তির কারাদণ্ডের পাশাপাশি অর্থদণ্ড করা হলে উক্ত ব্যক্তির অর্থদণ্ড অনাদায়ে কারাদণ্ড কীভাবে নির্ধারিত হবে সে বিষয়ে দণ্ডবিধির ৫৭ ধারায় বলা রয়েছে যে, শুধুমাত্র শাস্তির ভগ্নাংশ হিসেব করতে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডকে ৩০ বছর ধরা হবে।
৬৭০.
দণ্ডবিধির ধারা ১১৫ অনুসারে, মৃত্যুদণ্ড বা জীবনাদায়ে শাস্তিযোগ্য অপরাধের প্ররোচনা যদি সম্পন্ন না হয়, তবে সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  2. ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  3. ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  4. কোনো শাস্তি হবে না
ব্যাখ্যা

⇒  দণ্ডবিধির ধারা ১১৫ অনুসারে, যদি মৃত্যুদণ্ড বা জীবনাদায়ে শাস্তিযোগ্য কোনো অপরাধের প্ররোচনা সম্পন্ন না হয় এবং এই ধরনের প্ররোচনার শাস্তির জন্য কোডে কোনো বিশেষ বিধান না থাকে, তবে প্ররোচককে সর্বোচ্চ ৭ বছর পর্যন্ত যেকোনো ধরনের কারাদণ্ড এবং জরিমানা দেওয়া যেতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ১১৫ ধারার বিধান- মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডযোগ্য অপরাধের উস্কানি দেওয়া - যদি অপরাধ সংঘটিত না হয়; যদি ক্ষতি সৃষ্টিকারী কার্য সম্পাদিত হয়:
যে ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডযোগ্য অপরাধ সংঘটিত করার জন্য উস্কানি দেয়, কিন্তু উস্কানির ফলে ওই অপরাধ সংঘটিত না হয় এবং এই দণ্ডবিধিতে উস্কানির শাস্তির জন্য কোনো বিশেষ বিধান না থাকে, তাকে ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড দেওয়া হতে পারে এবং অর্থদণ্ডও আরোপিত হতে পারে;
এবং যদি কোনো এমন কার্য, যার জন্য উস্কানিদাতা দণ্ডনীয়, এবং যার কারণে কোনো ব্যক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়, সংঘটিত হয়, তাহলে উস্কানিদাতা ১৪ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে এবং অর্থদণ্ডও আরোপিত হবে।
------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section- 115.  Abetment of offence punishable with death or imprisonment for life- if offence be not committed; if act causing harm be done in consequence:
Whoever abets the commission of an offence punishable with death or 31[imprisonment] for life, shall, if that offence be not committed in consequence of the abetment, and no express provision is made by this Code for the punishment of such abetment, be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine;
-and if any act for which the abettor is liable in consequence of the abetment, and which causes hurt to any person, is done, the abettor shall be liable to imprisonment of either description for a term which may extend to fourteen years, and shall also be liable to fine. 

Illustration
A instigates B to murder Z. The offence is not committed. If B had murdered Z, he would have been subject to the punishment of death or 32[imprisonment] for life. Therefore A is liable to imprisonment for a term which may extend to seven years and also to a fine; and, if any hurt be done to Z in consequence of the abetment, he will be liable to imprisonment for a term which may extend to fourteen years, and to fine.

৬৭১.
দণ্ডবিধির ১৯৭ ধারার অধীনে কোন অপরাধটি অন্তর্ভুক্ত?
  1. মিথ্যা প্রমাণ উপস্থাপন
  2. নথি জালিয়াতি করা
  3. সরকারি নথি চুরি করা
  4. মিথ্যা সার্টিফিকেট ইস্যু করা বা স্বাক্ষর করা
ব্যাখ্যা
 সঠিক উত্তর: মিথ্যা সার্টিফিকেট ইস্যু করা বা স্বাক্ষর করা।

⇒ দণ্ডবিধির ১৯৭ ধারার বিধান মিথ্যা সার্টিফিকেট ইস্যু করা কিংবা উহাতে স্বাক্ষর করা:- কোন ব্যক্তি যদি আইনের নির্দেশানুসারে কোন সার্টিফিকেট ইস্যু করে কিংবা উহাতে স্বাক্ষর করে কিংবা যে বিষয়ে আইনানুসারে কোন সার্টিফিকেট সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য, সে বিষয়ে অনুরূপ সার্টিফিকেট দান বা স্বাক্ষর করে এবং সার্টিফিকেটটি কোন বাস্তব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের দিক হতে মিথ্যা বলে জানা সত্ত্বেও বা অনুরূপভাবে মিথ্যা বলে বিশ্বাস করা সত্ত্বেও অনুরূপভাবে উহা দান বা স্বাক্ষর করে থাকে, তবে সে ব্যক্তি স্বয়ং মিথ্যা সাক্ষ্যদান করলে যেভাবে দণ্ডিত হত, এক্ষেত্রেও সে সেভাবে দণ্ডিত হবে।
---------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 197: Issuing or signing false certificate:
- Whoever issues or signs any certificate required by law to be given or signed, or relating to any fact of which such certificate is by law admissible in evidence, knowing or believing that such certificate is false in any material point, shall be punished in the same manner as if he gave false evidence.
৬৭২.
দণ্ডবিধির ধারা ১০২ অনুযায়ী আত্মরক্ষার অধিকার কেবল তখনই শুরু হয় যখন—
  1. পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়
  2. প্রকৃতপক্ষে শারীরিক আঘাত ঘটে
  3. অপরাধ সম্পূর্ণ সংঘটিত হয়
  4. যুক্তিসঙ্গতভাবে আঘাতের সম্ভাবনা থাকে
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ১০২ অনুযায়ী, আত্মরক্ষার অধিকার কেবল তখনই শুরু হয় যখন যুক্তিসঙ্গতভাবে আঘাতের সম্ভাবনা থাকে। এই ধারায় বলা হয়েছে যে, শরীরের ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষার অধিকার অপরাধের চেষ্টা বা হুমকি থেকে শরীরে আঘাতের যুক্তিসঙ্গত আশঙ্কা সৃষ্টি হওয়ার সাথে সাথে শুরু হয়, যদিও অপরাধটি সম্পূর্ণভাবে সংঘটিত না হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ধারা-১০২: দেহ বা শরীর সম্পর্কিত আত্মরক্ষার অধিকারের স্থায়িত্ব-
শরীরের ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষার অধিকার তখনই শুরু হয়, যখন শরীরে আঘাতের আশঙ্কা যুক্তিসঙ্গতভাবে সৃষ্টি হয় এবং কোনো অপরাধের চেষ্টা বা হুমকি থেকে আসে, যদিও সেই অপরাধটি সম্পূর্ণভাবে সংঘটিত না-ও হতে পারে; এবং এই অধিকার তখন পর্যন্ত বজায় থাকে, যতক্ষণ পর্যন্ত সেই আঘাতের আশঙ্কা অব্যাহত থাকে।
-------- 
⇒ The Penal Code, 1860, Section 102- Commencement and continuance of the right of private defence of the body:
The right of private defence of the body commences as soon as a reasonable apprehension of danger to the body arises from an attempt or threat to commit the offence though the offence may not have been committed; and it continues as long as such, apprehension of danger to the body continues.

৬৭৩.
দণ্ডবিধির বিধান অনুযায়ী শুধুমাত্র অর্থদণ্ডের ক্ষেত্রে, ৫০ টাকার অধিক কিন্তু ১০০ টাকার কম অর্থদণ্ড প্রদানে ব্যর্থ হলে সর্বোচ্চ কত মেয়াদের কারাদণ্ড দেওয়া যাবে?
  1. ২ মাস
  2. ৩ মাস
  3. ৪ মাস
  4. ৬ মাস
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৬৭ ধারা অনুযায়ী, অপরাধটি শুধু অর্থদণ্ড কর্তৃক দণ্ডনীয় হলে অর্থদণ্ড অনাদায়ে প্রদত্ত কারাদণ্ড:-
- অপরাধটি যদি শুধু অর্থদণ্ড কর্তৃক দণ্ডনীয় হয়, তবে অর্থদণ্ড অনাদায়ের জন্য আদালত যে কারাদণ্ডের আদেশ দিবেন, তা বিনাশ্রম হবে এবং অর্থদণ্ড অনাদায়ের জন্য আদালত অপরাধীকে যে মেয়াদের জন্য কারাদণ্ডে দণ্ডিত করার আদেশ দিবেন, তা নিম্নে নির্দেশিত বিভিন্ন পরিমাণের অধিক হবে না,
- যথা: অর্থদণ্ডের পরিমাণ পঞ্চাশ টাকার বেশি না হলে, অনূর্ধ্ব দুই মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদ;
- অর্থদণ্ডের পরিমাণ একশত টাকার অধিক না হলে, অনূর্ধ্ব  চার মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদ; এবং
- এতদ্ব্যতীত অপর যে কোন ক্ষেত্রে অনধিক ছয় মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদ।

অর্থাৎ শুধুমাত্র অর্থদণ্ডের ক্ষেত্রে ৫০ টাকার অধিক কিন্তু ১০০ টাকার কম, অর্থদণ্ড প্রদানে ব্যর্থ হলে সর্বোচ্চ ৪ মাস মেয়াদের কারাদণ্ড দেওয়া যাবে।
-----------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section-67: Imprisonment for non-payment of fine, when offence punishable with fine only:
-If the offence be punishable with fine only, the imprisonment which the Court imposes in default of payment of the fine shall be simple, and the term for which the Court directs the offender to be imprisoned, in default of payment of fine, shall not exceed the following scale, that is to say, for any term not exceeding two months when the amount of the fine shall not exceed fifty taka, and for any term not exceeding four months when the amount shall not exceed one hundred taka, and for any term not exceeding six months in any other case.
৬৭৪.
'ক' এবং 'খ' তরবারি খেলায় অংশগ্রহণ করতে সম্মত হয়, কিন্তু খেলতে গিয়ে 'ক' অনিচ্ছাকৃতভাবে 'খ' কে আঘাত করে। এ ক্ষেত্রে 'ক' কোন ধরনের অপরাধী?
  1. হত্যার চেষ্টার
  2. অসাবধানতার
  3. গুরুতর আঘাতের
  4. কোন অপরাধী নয়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৮৭ ধারা মতে মৃত্যু বা গুরুতর জখম ঘটানোর অভিপ্রায় ব্যতীত কোন কাজ মৃত্যু বা গুরুতর জখম ঘটাতে পারে বলে জানা সত্ত্বেও ১৮ বছরের বেশি বয়স্ক ব্যক্তির ক্ষতির ঝুঁকি গ্রহণের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সম্মতি দিয়ে কাজটি করা হলে তা অপরাধ নয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৮৭ ধারার বিধান মৃত্যু বা গুরুতর আঘাত ঘটাইবার জন্য অভিপ্রেত নহে, এবং অনুরূপ সম্ভাবনাপূর্ণ বলিয়া অজ্ঞাত কার্য সম্মতি সহকারে সম্পাদন করা:
মৃত্যু ঘটাবার অথবা গুরুতর আঘাত করার উদ্দেশ্যে সম্পাদিত নয়, অথবা মৃত্যু ঘটাতে পারে বা গুরুতর আঘাত করতে পারে এইরূপ না জেনে সম্পাদিত কোন কাজ করার পর উহাতে কোন ক্ষতি হওয়ার ফলে অপরাধ হবে না; অথবা ১৮ বৎসরের অধিক বয়স্ক কোন ব্যক্তি প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে অনুরূপ কাজের ফল হতে উদ্ভূত ক্ষতি স্বীকার করার সম্মতিদানের পর, তার সম্মতি নিয়ে উক্তরূপ ক্ষতি সাধনের ইচ্ছা করে কাজটি করার পর তাতে কোনরূপ ক্ষতি হওয়ার ফলে কাজটি অপরাধ হবে না; অথবা যে ব্যক্তি কাজটি করছে, সে ব্যক্তি কাজটি করার ফলে ক্ষতি অনুষ্ঠিত হতে পারে জানা সত্ত্বেও যে ব্যক্তির ক্ষতি হতে পারে, সে ব্যক্তির ক্ষতির ঝুঁকি স্বীকারে সম্মতিক্রমে কাজটি করার পর তাতে কোনরূপ ক্ষতি হওয়ার ফলে কাজটি অপরাধ হবে না।
------------------
⇒ Section 87. Act not intended and not known to be likely to cause death or grievous hurt, done by consent:
 Nothing which is not intended to cause death, or grievous hurt, and which is not known by the doer to be likely to cause death, or grievous hurt, is an offence by reason of any harm which it may cause, or be intended by the doer to cause, to any person, above eighteen years of age, who has given consent, whether express or implied, to suffer that harm; or by reason of any harm which it may be known by the doer to be likely to cause to any such person who has consented to take the risk of that harm.
৬৭৫.
দণ্ডবিধির ১৫৯ ধারা অনুযায়ী, মারামারি সংঘটিত হয় যখন:
  1. শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ হয়
  2. ব্যক্তিগত স্থানে লড়াই হয়
  3. একা ব্যক্তি প্রকাশ্য স্থানে শান্তিভঙ্গ করে
  4. দুই বা ততোধিক ব্যক্তি প্রকাশ্য স্থানে লড়াই করে
ব্যাখ্যা
- দণ্ডবিধির ১৫৯ ধারায় বলা হয়েছে যে, যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি প্রকাশ্য স্থানে মারামারি করে এবং শান্তি ভঙ্গ করে, তবে তাদেরকে "মারামারি" হিসেবে গণ্য করা হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ১৫৯ ধারার বিধান মারামারি:
যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি কোন প্রকাশ্য স্থানে মারামরি করে শান্তিভঙ্গ করে, তবে তারা "মারামারি” করেছে বলে পরিগণিত হয়।
⇒ দণ্ডবিধির ১৬০ ধারার বিধান মারামারির শাস্তি:
কোন ব্যক্তি যদি মারামারির অপরাধ সংঘটন করে, তবে সে ব্যক্তি এক মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা একশত টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
--------------
⇒ The Penal Code, 1860-Section-159: Affray:
When two or more persons, by fighting in a public place, disturb the public peace, they are said to "commit an affray".
⇒The Penal Code, 1860-Section-160: Punishment for committing affray:
Whoever commits an affray, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one month, or with fine which may extend to one hundred taka, or with both.
৬৭৬.
দণ্ডবিধির কত ধারায় কোনো নারীর শ্লীলতাহানীর উদ্দেশ্যে অঙ্গভঙ্গি বা মন্তব্য করার শাস্তির বিধান রয়েছে?
  1. ৫০৩
  2. ৫০৯
  3. ৫১০
  4. ৫১১
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৫০৯ ধারা- কোনো নারীর শালীনতার অমর্যাদার অভিপ্রায়ে কোনো মন্তব্য, অঙ্গভঙ্গি বা কোন কার্যঃ
যদি কেউ কোনো নারীর শ্লীলতাহানির উদ্দেশ্যে কথা, অঙ্গভঙ্গি বা কোনো কাজ করে, তাহলে দায়ী ব্যক্তিকে এক বছর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সাজা বা অর্থদণ্ড কিংবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হতে হবে।

Section 509- Word, gesture or act intended to insult the modesty of a woman: 
Whoever, intending to insult the modesty of any woman, utters any word, makes any sound or gesture, or exhibits any object, intending that such word or sound shall be heard, or that such gesture or object shall be seen, by such woman, or intrudes upon the privacy of such woman, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to one year, or with fine, or with both.
৬৭৭.
নিচের কোনটি ৪২৪ ধারার মূল উপাদান?
  1. বলপ্রয়োগ
  2. হুমকি প্রদান
  3. সম্পত্তির ক্ষতি
  4. সম্পত্তি অপসারণ
ব্যাখ্যা

দণ্ডবিধির ৪২৪ ধারা: অসাধু বা প্রতারণামূলকভাবে সম্পত্তি অপসারণ বা গোপন করা:
যে ব্যক্তি অসাধু বা প্রতারণামূলকভাবে নিজের বা অন্যকারো সম্পত্তি গোপন করে অথবা অপসারণ করে, অথবা এমন কাজে সহায়তা করে যা সম্পত্তি গোপন বা অপসারণে সহায়তা করে, অথবা নিজের কোনো দাবি বা দাবির ছেড়ে দেয় যা তার অধিকারভুক্ত, তাকে দুই বছর পর্যন্ত মেয়াদের জন্য কারাদণ্ড, অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।

৬৭৮.
চুরি এবং দস্যুতার এর মধ্যবর্তী একটি অপরাধ হলো-
  1. ডাকাতি
  2. বলপূর্বক গ্রহণ
  3. অপহরণ
  4. উপরের কোনটি না
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৮৩ ধারার বিধান বল প্রয়োগে সম্পত্তি আদায়:- কোন ব্যক্তি যদি ইচ্ছাকৃতভাবে কাউকে তার বা অপর কারো জখম হওয়ার ভয়ে অভিভূত করে এবং তদ্বারা অনুরূপ ভয়ে অভিভূত ব্যক্তিকে কোন ব্যক্তির কাছে যেকোন প্রকার দান বা চাঁদা প্রদানের বা কোন সম্পত্তি, মূল্যবান জামানত বা মূল্যবান জামানতে রূপান্তরযোগ্য কোন স্বাক্ষরিত বা সীলমোহরযুক্ত বস্তু অর্পণে অসাধুভাবে বাধ্য করে, তবে সে ব্যক্তি বল প্রয়োগে 'সম্পত্তি আদায়' করার অপরাধ করেছে বলে পরিগণিত হয়।
⇒ বলপূর্বক গ্রহণ বা বলপূর্বক আদায়ের সংজ্ঞা (Extortion)- কাউকে ক্ষতি করার ভয় দেখিয়ে তার নিকট থেকে স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি গ্রহণ করাকে বলপূর্বক গ্রহণ বা বলপূর্বক আদায় বা extortion বলে। অন্যভাবে বলা যায়, কোন ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে অপর কোন ব্যক্তিকে মৃত্যুর ভয়, আঘাতের ভয় বা পথরুদ্ধ করার ভয় দেখিয়ে কোন কিছু দিতে বাধ্য করলে তাকে বলপূর্বক গ্রহণ বা বলপূর্বক আদায় বলে।
⇒ বলপূর্বক গ্রহণ বা বলপূর্বক আদায়ের উপাদান-
 স্থাবর ও অস্থাবর উভয় সম্পত্তির ক্ষেত্রে বলপূর্বক গ্রহণ হয়; এবং অপরাধী স্বয়ং উপস্থিত না থেকেও বলপূর্বক আদায় বা গ্রহণের অপরাধ করতে পারে।
যে ব্যক্তিকে ভয় দেখানো হয়েছে সে ব্যক্তি প্রকৃতপক্ষে সম্পত্তি অর্পণ করার সঙ্গেই বলপূর্বক গ্রহণের অপরাধ সংঘটিত হয়। বলপূর্বক গ্রহণ বা বলপূর্বক আদায়ের ক্ষেত্রে দূরবর্তী ক্ষতির ভয় থাকলেও তাৎক্ষণিক কোন ক্ষতি হয়না।
যেমন- ক, গ-কে এরূপ ভয় দেখায় যে, গ তাকে টাকা না দিলে ক, গ-এর বিরুদ্ধে কুৎসা রটনা করবে। এভাবে ক তাকে টাকা দিতে গ-কে বাধ্য করে। এখানে ক বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় করেছে বলে গণ্য হবে।

⇒  চুরি করার উদ্দেশ্যে বা বলপূর্বক গ্রহণের সময় কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটালে, আঘাত দান করলে বা আটক করে রাখলে অথবা মৃত্যু, আঘাত বা অবৈধ বাধার তাৎক্ষণিক ভয় (instant fear) দেখানো হলে তখন তা দস্যুতা বা Robbery বলে গণ্য হবে।

⇒  যখন কোন ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির দখলে থাকা কোন অস্থাবর সম্পত্তি উক্ত ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া অসাধু উপায়ে গ্রহণ করার অভিপ্রায়ে বা অনুরুপ গ্রহণের উদ্দেশ্যে উক্ত সম্পত্তি স্থানান্তর করে, সেই ব্যক্তি চুরি করেছে বলে গণ্য হবে।

⇒  চুরির ক্ষেত্রে সম্মতি ছাড়া অসাধু উপায়ে ও দস্যুতার ক্ষেত্রে আঘাত দান বা তাৎক্ষণিক ভয় (instant fear) দেখানো হয় কিন্তু বলপূর্বক গ্রহণ বা বলপূর্বক আদায়ের ক্ষেত্রে দূরবর্তী ক্ষতির ভয় থাকলেও তাৎক্ষণিক কোন ক্ষতি হয়না।

⇒  অর্থাৎ চুরি এবং দস্যুতার এর মধ্যবর্তী একটি অপরাধ হলো বলপূর্বক গ্রহণ। যা চুরি থেকে বড় কিন্তু দস্যুতার থেকে ছোট একটি অপরাধ।
৬৭৯.
দণ্ডবিধির ২৮২ ধারা অনুসারে, যে ব্যক্তি একটি জলযানে অস্বাভাবিকভাবে বা অতিরিক্ত ভারী করে মানুষ পরিবহন করে, তার সর্বোচ্চ কত দিনের কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. ৩ মাস
  2. ৬ মাস
  3. ১ বছর
  4. ২ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ২৮২ অনুযায়ী: "যদি কোনো ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে বা অবহেলায়, এমন কোনো জলযানে কাউকে ভাড়ার বিনিময়ে পরিবহন করে, যা এতটাই দুর্বল বা অতিরিক্ত বোঝাই যে, তাতে যাত্রীর জীবন ঝুঁকির সম্মুখীন হয়— তবে তিনি দণ্ডনীয় হবেন" সর্বোচ্চ ৬ মাস মেয়াদে কারাদণ্ড অথবা সর্বোচ্চ ১,০০০ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ড।

অর্থাৎ দণ্ডবিধির ২৮২ ধারা অনুযায়ী, যে ব্যক্তি একটি জলযানে অস্বাভাবিকভাবে বা অতিরিক্ত ভারী করে মানুষ পরিবহন করে, তার সর্বোচ্চ ৬ মাস কারাদণ্ড হতে পারে। 
৬৮০.
দণ্ডবিধির ৩৯৫ ধারা অনুসারে শুধুমাত্র ডাকাতির সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. দশ বছর কারাদণ্ড
  4. তিন বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
→ বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ৩৯৫ ধারা অনুসারে, যদি পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি যৌথভাবে ডাকাতি সংঘটিত করে, তবে এটি "ডাকাতি" (Dacoity) অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। এই অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা ১০ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড, এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হতে পারে।
অর্থাৎ, শুধুমাত্র ডাকাতির জন্য মৃত্যুদণ্ড প্রযোজ্য নয় তবে অন্যান্য গুরুতর পরিস্থিতিতে, যেমন ডাকাতির সময় হত্যা করা হলে (৩৯৬ ধারা), তখন মৃত্যুদণ্ডও হতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৯৫ ধারার বিধান ডাকাতির সাজা:- কোন ব্যক্তি যদি ডাকাতি করে, তবে উক্ত ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডনীয় হবে।
------------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 395. Punishment for dacoity:- Whoever commits dacoity shall be punished with imprisonment for life, or with rigorous imprisonment for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.
৬৮১.
দণ্ডবিধির ৪৬৩ ধারার অধীন কী উদ্দেশ্যে কোনো দলিল বা দলিলের অংশ প্রস্তুত করলে তা জালিয়াতি হিসেবে গণ্য হবে?
  1. কারো ক্ষতি সাধন করতে
  2. কোনো দাবি বা অধিকার সমর্থন করতে
  3. কোনো লোককে প্রকাশ্য বা অপ্রকাশ্য চুক্তি সম্পাদনে বাধ্য করতে
  4. উল্লিখিত সকল উদ্দেশ্যে
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৪৬৩ ধারায় জালিয়াতি কে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে।

দণ্ডবিধির ৪৬৩ ধারা অনুযায়ী কোন ব্যক্তি জালিয়াতি করেছে বলে গণ্য হবে যদি সে নিম্নলিখিত উদ্দেশ্যে কোন দলিল বা দলিলের অংশ প্রস্তুত করে;
১. কোনো ব্যক্তি বা জনসাধারণের ক্ষতি সাধন করতে [with intent to cause damage or injury]; বা
২. কোনো দাবি বা অধিকার সমর্থন করতে [to support any claim or title]; বা
৩. কোনো ব্যক্তিকে কোন সম্পত্তি পরিত্যাগ করতে [to cause any person to part with property]; বা
৪. কোনো লোককে প্রকাশ্য বা অপ্রকাশ্য চুক্তি সম্পাদনে বাধ্য করতে [to enter into any express or implied contract]; বা
৫. প্রতারণা করার অভিপ্রায়ে বা প্রতারণা সংঘটিত হতে পারে [with intend to commit fraud or fraud may be committed]।
৬৮২.
“Culpable homicide” বলতে কী বোঝায়?
  1. ইচ্ছাকৃত আত্মহত্যা
  2. দোষসিদ্ধ নরহত্যা
  3. চিকিৎসার অভাবে মৃত্যু
  4. অবহেলায় মৃত্যু ঘটানো
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) দোষসিদ্ধ নরহত্যা। 
দণ্ডবিধির ধারা ২৯৯ অনুযায়ী "Culpable homicide" বাংলায় "দোষসিদ্ধ নরহত্যা" বা "শাস্তিযোগ্য নরহত্যা" হিসেবে পরিচিত। এটি এমন একটি অপরাধ যেখানে-ইচ্ছাকৃতভাবে মৃত্যু ঘটানো হয়, অথবা ইচ্ছাকৃতভাবে এমন শারীরিক আঘাত করা হয় যা মৃত্যুর কারণ হতে পারে, অথবা জ্ঞানসহকারে এমন কাজ করা হয় যা থেকে মৃত্যু ঘটার সম্ভাবনা থাকে।

⇒ দণ্ডবিধির ২৯৯ ধারার বিধান শাস্তিযোগ্য নরহত্যা (Culpable homicide):- কোন ব্যক্তি যদি মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্য নিয়ে কৃত কোন কাজ কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, অথবা যে দৈহিক জখম মৃত্যু ঘটাতে পারে, তেমন দৈহিক জখম ঘটাবার উদেশ্য নিয়ে কৃত কোন কাজের সংঘটন কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, অথবা যে কাজ মৃত্যু ঘটাতে পারে বলে সে জানে, সে কাজ সম্পাদন কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, তবে সেই ব্যক্তি শাস্তিযোগ্য নরহত্যার দোষে দোষী হবে।
- ব্যাখ্যা ১:- যে ব্যক্তি অসুস্থতা, রোগ বা দৈহিক অপারগতায় ভুগতেছে, তার দৈহিক জখম করে মৃত্যু ত্বরান্বিত করলে তার মৃত্যু ঘটাবার অপরাধ হয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে।
- ব্যাখ্যা ২:- যখন দৈহিক আঘাত বা জখমের কারণে মৃত্যু ঘটে, তখন যে ব্যক্তি অনুরূপ দৈহিক আঘাত বা জখম ঘটায়, সে ব্যক্তি মৃত্যু ঘটিয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে, যদিও যথোচিত প্রতিকারের ও সুনিপুণ চিকিৎসার ফলে সে মৃত্যু রোধ করা যেত।
- ব্যাখ্যা ৩:- মাতৃগর্ভে কোন শিশুর মৃত্যু ঘটানো নরহত্যা নয়। কিন্তু যদি কোন শিশুর (দেহের) কোন অংশ নিষ্ক্রান্ত করার পর জীবিত শিশুটির মৃত্যু ঘটানো হয়, তবে তা শাস্তিযোগ্য নরহত্যা বলে পরিগণিত হবে, যদিও শিশুটি শ্বাসপ্রশ্বাস গ্রহণ না করে থাকে অথবা সম্পূর্ণরূপে ভুমিষ্ঠ না হয়ে থাকে।

⇒ The Penal Code, 1860- Section- 299. Culpable homicide:
Whoever causes death by doing an act with the intention of causing death, or with the intention of causing such bodily injury as is likely to cause death, or with the knowledge that he is likely by such act to cause death, commits the offence of culpable homicide. 
Explanation 1. A person who causes bodily injury to another who is labouring under a disorder, disease or bodily infirmity, and thereby accelerates the death of that other, shall be deemed to have caused his death. 
Explanation 2. Where death is caused by bodily injury, the person who causes such bodily injury shall be deemed to have caused the death, although by resorting to proper remedies and skilful treatment the death might have been prevented. 
Explanation 3. The causing of the death of a child in the mother's womb is not homicide. But it may amount to culpable homicide to cause the death of a living child, if any part of that child has been brought forth, though the child may not have breathed or been completely born.
৬৮৩.
সরকারী কর্মচারীকে ক্ষতিসাধনের হুমকির অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ১ বছরের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  2. ২ বছরের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  3. ৩ বছরের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  4. ৫ বছরের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৮৯ ধারার বিধান সরকারী কর্মচারীকে ক্ষতিসাধনের হুমকি:- কোন সরকারী কর্মচারী হিসেবে তার সরকারী কর্তব্য সম্পাদনের সাথে সংশ্লিষ্ট কোন কাজ করতে প্রবৃত্ত করার উদ্দেশ্যে অথবা কোন কাজ করা হতে বিরত হওয়ার বা করতে বিলম্ব করার জন্য বাধ্য করার উদ্দেশ্যে, কোন ব্যক্তি যদি উক্ত সরকারী কর্মচারীকে অথবা অন্য যে কোন ব্যক্তির সাথে উক্ত সরকারী কর্মচারীর স্বার্থসংশ্লিষ্ট, সে অন্য ব্যক্তিকে ক্ষতিসাধনের হুমকি প্রদর্শন করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

⇒ Section 189. Threat of injury to public servant:- Whoever holds out any threat of injury to any public servant, or to any person in whom he believes that public servant to be interested, for the purpose of inducing that public servant to do any act, or to forbear or delay to do any act, connected with the exercise of the public functions of such public servant, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
৬৮৪.
যদি একজন ব্যক্তি অন্যের স্ত্রীর সাথে সম্মতি ছাড়া যৌন সঙ্গম করে, তবে স্ত্রীর সম্পর্কে কি ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হবে?
  1. কোনো শাস্তি হবে না
  2. অভিযোগ দায়ের করা হবে
  3. সহযোগিতার জন্য দণ্ড প্রদান করা হবে
  4. স্ত্রীর সম্মতি যাচাই করা হবে
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৪৯৭ ধারা- ব্যভিচার:
কোন ব্যক্তি যদি অপর কোন ব্যক্তির স্ত্রী অথবা যাকে সে অন্য কোন ব্যক্তির স্ত্রী বলে জানে বা তার অনুরূপ বিশ্বাস করার কারণ আছে এমন কোন ব্যক্তির সাথে উক্ত অন্য ব্যক্তির সম্মতি ও সমর্থন ছাড়া এইরূপ যৌন সঙ্গম করে যা নারী ধর্ষণের সামিল নয়, তবে সে ব্যক্তি ব্যভিচারের অপরাধের জন্য দোষী হবে এবং তাকে সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত করা যাবে। অনুরূপ ক্ষেত্রে স্ত্রী ব্যক্তিটি দুষ্কর্মের সহায়তাকারী হিসেবে দণ্ডিত হবে না।

Section 497- Adultery:
Whoever has sexual intercourse with a person who is and whom he knows or has reason to believe to be the wife of another man, without the consent or connivance of that man, such sexual intercourse not amounting to the offence of rape, is guilty of the offence of adultery, and shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to five years, or with fine, or with both. In such case the wife shall not be punishable as an abettor.
৬৮৫.
নিচের কোনটি বেআইনি সমাবেশের 'সাধারণ উদ্দেশ্য' হিসেবে গণ্য হয় না?
  1. আইনগত প্রক্রিয়া বাস্তবায়নে বাধা দেওয়া
  2. শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসংস্থানের দাবি জানানো
  3. কোনো ব্যক্তিকে জোরপূর্বক অবৈধ কাজ করানো
  4. সরকারকে অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের মাধ্যমে ভীতিপ্রদর্শন
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৪১ ধারার মতে, বেআইনি সমাবেশের 'সাধারণ উদ্দেশ্য' হতে হবে অপরাধমূলক বা বেআইনি কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। কিন্তু শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসংস্থানের দাবি জানানো কোনো অপরাধমূলক বা বেআইনি উদ্দেশ্য নয়। তাই এটি বেআইনি সমাবেশের সাধারণ উদ্দেশ্য হিসেবে গণ্য হয় না।

⇒ দণ্ডবিধির ১৪১ ধারার বিধান বেআইনি সমাবেশ:- পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির সমাবেশকে 'বেআইনি সমাবেশ' সেক্ষেত্রেই বলা হয়, যেক্ষেত্রে উক্ত সমাবেশের ব্যক্তিদের সাধারণ লক্ষ্য হয়-
প্রথম:- বাংলাদেশের সরকার বা আইনসভাকে অথবা কোন সরকারি কর্মচারীকে অনুরূপ কর্মচারীর আইনসম্মত ক্ষমতা প্রয়োগের সময় অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ অথবা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি কর্তৃক ভীতি প্রদর্শন করা; কিংবা
দ্বিতীয়:- কোন আইনের অথবা কোন আইনগত ব্যবস্থার কার্যকরকরণে বাধা সৃষ্টি করা; কিংবা
তৃতীয়:- কোন ব্যক্তির দুষ্কর্ম বা অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ অথবা অন্যবিধ অপরাধ অনুষ্ঠিত করা; কিংবা
চতুর্থ:- কোন ব্যক্তির প্রতি অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করে বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন করে কোন সম্পত্তির দখল গ্রহণ করা, অথবা কোন ব্যক্তিকে পথের অধিকার ভোগ হতে বঞ্চিত করা অথবা জল ব্যবহারের অধিকার হতে বঞ্চিত করা অথবা তাকে তার দখলে অবস্থিত অপর কোন অশরীরী অধিকার থেকে বঞ্চিত করা অথবা কোন অধিকার বা কল্পিত অধিকার প্রতিষ্ঠা করা; কিংবা
পঞ্চম:- অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করে বা অপরাধমূলক বল প্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন করে কোন ব্যক্তিকে সে আইনত বাধ্য নয় এমন একটি কার্য সম্পাদনে বাধ্য করা অথবা যে কার্যটি করতে সে আইনত বাধ্য বা অধিকারী তা সম্পাদন হতে বিরত করা।

ব্যাখ্যা:- যে সমাবেশ, সমাবিষ্ট হওয়াকালে বেআইনি ছিল না তা পরে বেআইনি সমাবেশ হতে পারে।
----------------
⇒ The Penal Code, 1860-Section-141. Unlawful assembly:
An assembly of five or more persons is designated an "unlawful assembly," if the common object of the persons composing that assembly is
First.-To overawe by criminal force, or show of criminal force, Government or Legislature, or any public servant in the exercise of the lawful power of such public servant; or
Second.-To resist the execution of any law, or of any legal process; or
Third.- To commit any mischief or criminal trespass, or other offence; or
Fourth.-By means of criminal force, or show of criminal force, to any person to take or obtain possession of any property, or to deprive any person of the enjoyment of a right of way, or of the use of water or other incorporeal right of which he is in possession or enjoyment, or to enforce any right or supposed right; or
Fifth.-By means of criminal force, or show of criminal force, to compel any person to do what he is not legally bound to do, or to omit to do what he is legally entitled to do.

Explanation.-An assembly which was not unlawful when it assembled, may subsequently become an unlawful assembly.
৬৮৬.
নিচের কোনটি দণ্ডবিধির ধারা ১০ অনুযায়ী 'woman' শব্দের সংজ্ঞা?
  1. বিবাহিত নারী
  2. কর্মজীবী নারী
  3. কেবল প্রাপ্তবয়স্ক নারী
  4. যেকোনো বয়সের নারী
ব্যাখ্যা

 সঠিক উত্তর: খ) যেকোনো বয়সের নারী।

⇒ বাংলাদেশ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ধারা ১০ (Section 10) অনুযায়ী—
“Man denotes a male human being of any age; the word woman denotes a female human being of any age.”
অর্থাৎ, "woman" শব্দটি এমন একজন নারী মানবসন্তান বোঝায়, যার বয়স যেকোনো হতে পারে — তা শিশু, কিশোরী, প্রাপ্তবয়স্ক কিংবা বৃদ্ধা—সবাই এই সংজ্ঞার আওতাভুক্ত।
-  এখানে বিবাহিত, কর্মজীবী, না-বিবাহিত, অপ্রাপ্তবয়স্ক ইত্যাদি কোনো নির্দিষ্ট শর্ত আরোপ করা হয়নি।

৬৮৭.
দণ্ডবিধির ৩৫১ ধারা অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তি একটি লাঠি তুলে বলে, "আমি তোমাকে মারব", তবে এটি কী বলে গণ্য হয়?
  1. অপরাধ নয়
  2. আক্রমণ
  3. বলপ্রয়োগ
  4. শুধুমাত্র মৌখিক হুমকি
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৫১ ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি একটি লাঠি তুলে বলে, "আমি তোমাকে মারব", তবে এটি আক্রমণ (assault) হিসেবে গণ্য হবে। কারণ, এই অবস্থায় ব্যক্তি নিজের আচরণের মাধ্যমে ভীতি সৃষ্টি করেছে এবং আক্রমণের প্রচেষ্টা করেছে, যদিও শারীরিক আঘাত বাস্তবে ঘটেনি।
অর্থাৎ দণ্ডবিধির ৩৫১ ধারা অনুসারে, আক্রমণ বলতে এমন কোন আচরণকে বোঝানো হয় যা অন্য ব্যক্তিকে শারীরিক আঘাতের আশঙ্কা সৃষ্টি করে। এই ক্ষেত্রে, ব্যক্তি একটি লাঠি তুলে ধরে এবং হুমকি দেয়, যা আক্রমণ হিসেবে পরিগণিত হয়। 

⇒ দণ্ডবিধির ৩৫১ ধারার বিধান আক্রমণ:- কোন ব্যক্তি যদি এই উদ্দেশ্য নিয়ে বা এটা জানা সত্ত্বেও এমন কোন অঙ্গভঙ্গি করে বা কোন প্রস্তুতি গ্রহণ করে যে, তাতে হাজির কোন ব্যক্তির ভয় হয় যে, যে ব্যক্তি উক্ত অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে, সে ব্যক্তি উক্ত হাজির ব্যক্তির উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করতে উদ্যত হয়েছে, তবে প্রথমোক্ত ব্যক্তি আক্রমণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।
ব্যাখ্যা:- কেবলমাত্র মুখের কথা আক্রমণ বলে পরিগণিত হয় না। কিন্তু কোন ব্যক্তির ব্যবহৃত কথাগুলি তার অঙ্গভঙ্গিকে বা প্রস্তুতিকে এমন অর্থপূর্ণ করতে পারে, যার কারণে তার অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি আক্রমণ বলে পরিগণিত হতে পারে।
উদাহরণ:
(ক) ক, চ-এর প্রতি মুষ্টি উত্তোলন করে। ইহার ফলে চ যাতে বিশ্বাস করে যে ক তাকে আঘাত করতে উদ্যত হয়েছে, সে জন্যই ক তা করে অথবা ইহার ফলে এইরূপ হতে পারে জানা সত্ত্বেও তা করে। ক আক্রমণ করেছে।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 351: Assault:
-Whoever makes any gesture, or any preparation intending or knowing it to be likely that such gesture or preparation will cause any person present to apprehend that he who makes that gesture or preparation is about to use criminal force to that person, is said to commit an assault.
Explanation.- Mere words do not amount to an assault. But the words which a person uses may give to his gestures or preparation such a meaning as may make those gestures or preparations amount to an assault.
Illustrations
(a) A shakes his fist at Z, intending or knowing it to be likely that he may thereby cause Z to believe that A is about to strike Z. A has committed an assault.
(b) A begins to unloose the muzzle of a ferocious dog, intending, or knowing it to be likely that he may thereby cause Z to believe that he is about to cause the dog to attack Z. A has committed an assault upon Z.
(c) A takes up a stick, saying to Z, "I will give you a beating". Here, though the words used by A could in no case amount to an assault, and though the mere gesture, unaccompanied by any other circumstances, might not amount to an assault, the gesture explained by the words may amount to an assault.
৬৮৮.
“অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ” (Criminal Trespass) এর সর্বোচ্চ কারাদণ্ড হতে পারে-
  1. ১ মাস
  2. ৩ মাস
  3. ৬ মাস
  4. ১ বছর
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধি ৪৪৭ ধারা: অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশের শাস্তি-
যে কেউ অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ করে, সে ব্যক্তি সর্বোচ্চ তিন মাস পর্যন্ত কারাদণ্ডে, বা সর্বোচ্চ পাঁচ শত টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ডে, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবে।

Section 447- Punishment for criminal trespass:
Whoever commits criminal trespass shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three months, or with fine which may extend to five hundred taka, or with both.
৬৮৯.
'X' এবং 'Y' প্রকাশ্য স্থানে মারামারি করে সাধারণ জনশান্তি বিঘ্নিত করে। দণ্ডবিধি অনুযায়ী, তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1. ১৫ দিন পর্যন্ত কারাদণ্ড
  2. ১ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড
  3. ৩ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড
  4. ৬ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ১৫৯ অনুযায়ী, দুই বা ততোধিক ব্যক্তি প্রকাশ্য স্থানে মারামারি করলে তা “মারামারি” হিসেবে গণ্য হয়। ধারা ১৬০ অনুযায়ী, দোষী ব্যক্তি এক মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড, একশত টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড বা উভয় হতে পারে।
- প্রশ্নের ঘটনাটি দণ্ডবিধির ধারা ১৬০-এর অধীনে পড়ে, যা “মারামারি” (Affray) সম্পর্কিত।
সুতরাং, 'X' এবং 'Y'-এর সর্বোচ্চ শাস্তি ১ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ১৫৯ ধারার বিধান মারামারি:
যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি কোন প্রকাশ্য স্থানে মারামরি করে শান্তিভঙ্গ করে, তবে তারা "মারামারি” করেছে বলে পরিগণিত হয়।
⇒ দণ্ডবিধির ১৬০ ধারার বিধান মারামারির শাস্তি:
কোন ব্যক্তি যদি মারামারির অপরাধ সংঘটন করে, তবে সে ব্যক্তি এক মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা একশত টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
------
⇒ The Penal Code, 1860-Section-159: Affray:
When two or more persons, by fighting in a public place, disturb the public peace, they are said to "commit an affray".
⇒The Penal Code, 1860-Section-160: Punishment for committing affray:
Whoever commits an affray, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one month, or with fine which may extend to one hundred taka, or with both.

৬৯০.
খুন বলে গণ্য হওয়া দণ্ডনীয় নরহত্যা এবং খুন বলে গন্য না হওয়া দণ্ডনীয় নরহত্যার মধ্যে মূখ্য পার্থক্যকারী উপাদান কোনটি?
  1. খুনের অভিপ্রায়
  2. আঘাতের গুরুতর প্রকৃতি
  3. ব্যবহৃত অস্ত্রের গুরুতর প্রকৃতি
  4. যে পরিস্থিতিতে অপরাধ সংঘটিত হয়েছে
ব্যাখ্যা
♦খুন বলে গন্য হওয়া দণ্ডনীয় নরহত্যা এবং খুন বলে গন্য না হওয়া দণ্ডনীয় নরহত্যার মধ্যে মূখ্য পার্থক্যকারী উপাদান হলো ৩০০ ধারায় উল্লেখিত ৫টি ব্যতিক্রম পরিস্থিতি।
♦দণ্ডবিধি এর ৩০০ ধারায় উল্লিখিত খুনের সংজ্ঞায় ৫ টি ব্যতিক্রম আছে। যথা -
১. মারাত্মক বা আকস্মিক প্ররোচনায় সংযম হারাইয়া প্ররোচনাকারীকে বা ভুলক্রমে বা দূর্ঘটনাক্রমে অন্য ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায়।
২. অপরাধী সরলমনে আত্মরক্ষার বা সম্পত্তি রক্ষায় কোনোরূপ পরিকল্পনা ব্যতীত মৃত্যু ঘটায়।
৩. অপরাধকারী সরকারি কর্মচারী হিসেবে বা কর্মচারীর সাহায্যকারী হিসেবে দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনে আইনানুগ বলিয়া সরল মনে কর্তব্য পালন করতে যেয়ে মৃত্যু ঘটালে।
৪. পরিকল্পনা ব্যতীত আকস্মিক বিবাদের সময় উত্তেজনায় মৃত্যু ঘটলে।
৫. ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে স্বীয় সম্মতিতে মৃত্যু ঘটলে।
♦অর্থাৎ খুন বলে গণ্য হওয়া দণ্ডনীয় নরহত্যা এবং খুন বলে গন্য না হওয়া দণ্ডনীয় নরহত্যার মধ্যে মূখ্য পার্থক্যকারী উপাদান হল যে পরিস্থিতিতে অপরাধ সংঘটিত হয়েছে।
৬৯১.
X একটি অতি অল্প বয়স্ক শিশুর মৃত্যু ঘটানোর অভিপ্রায়ে তাকে একটি মরূভূমিতে রেখে আসলেও শিশুটির মৃত্যু হয়নি। X কোন অপরাধ করেছে?
  1. শিশুর আত্মহত্যায় সহায়তাকরণ
  2. দণ্ডনীয় নরহত্যার চেষ্টা
  3. অবহেলার মাধ্যমে মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টা
  4. খুনের চেষ্টা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০৭ ধারার বিধান খুনের উদ্যোগ:- কোন ব্যক্তি যদি এমন উদ্দেশ্য নিয়ে বা এমন আশঙ্কা জানা সত্ত্বেও এমন অবস্থায় এমন কোন কার্য করে, যার ফলে মৃত্যু ঘটলে সে খুনের দায়ে অপরাধী সাব্যস্ত হবে, তবে উক্ত ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে, এবং
যদি অনুরূপ কাজের কর্তৃক কোন ব্যক্তিকে আঘাত করা হয়, তবে অপরাধী যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা ইতোপূর্বে যে সাজার উলেখ করা হয়েছে, সে দণ্ডে দণ্ডিত হবে।
⇒ যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত ব্যক্তির উদ্যোগ:- যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত কোন ব্যক্তি যদি এই ধারায় উল্লেখিত অপরাধ করে এবং তার ফলে কেউ আহত হয়, তবে উক্ত ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে।
উদাহরণ:
(অ) ক চ-কে হত্যা করার উদ্দেশ্যে এমন অবস্থায় গুলি করে, যে অবস্থায় মৃত্যু অনুষ্ঠিত হলে ক খুনের দায়ে অপরাধী সাব্যস্ত হবে। ক এই ধারা বলে দণ্ডিত হবে।
(আ) ক একটি অতি অল্প বয়স্ক শিশুকে হত্যা করার উদ্দেশ্যে উহাকে মরুভূমিতে রেখে আসে। ইহার ফলে শিশুটির মৃত্যু না হলেও ‘ক’ এই ধারায় বর্ণিত অপরাধ করেছে।
(ই) ক, চ কে খুন করার উদ্দেশ্যে একটি বন্দুক ক্রয় করে উহা গুলি ভর্তি করে। এতদূর পর্যন্ত ক অপরাধ করেছে বলে বিবেচনা করা হবে না। ক চ-এর প্রতি গুলি বর্ষণ করে। এইক্ষেত্রে সে এই ধারায় উল্লেখিত অপরাধ করেছে, এবং এই গুলি বর্ষণের দরুণ যদি সে চ-কে আহত করে থাকে, তবে সে এই ধারার প্রথম অনুচ্ছেদের শেষাংশে নিদিষ্ট দণ্ডে দণ্ডিত হবে।
(ঈ) ক চ-কে বিষ প্রয়োগ করে খুন করার উদ্দেশ্যে বিষ ক্রয় করে এবং খাদ্যে বিষ মিশ্রিত করে; বিষ মিশ্রিত খাদ্য দ্রব্যটি ক-এর নিকটই রয়েছে। এতদূর পর্যন্ত ক এই ধারায় বর্ণিত অপরাধ করেছে বলে বিবেচনা করা হবে না। ক বিষ মিশ্রিত খাদ্য দ্রবটি চএর খাবার টেবিলে রাখে অথবা উহা চ-এর খাবার টেবিলে রাখার জন্য চ-এর চাকরকে প্রদান করে । ক এই ধারায় বর্ণিত অপরাধ করেছে।
--------
⇒Section 307: Attempt to murder, Attempts by life-convicts:
Whoever does any act with such intention or knowledge, and under such circumstances that, if he by that act caused death, he would be guilty of murder, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine; and, if hurt is caused to any person by such act, the offender shall be liable either to imprisonment for life, or to such punishment as is hereinbefore mentioned.
⇒ When any person offending under this section is under sentence of imprisonment for life, he may, if hurt is caused, be punished with death.
Illustration
(a) A shoots at Z with intention to kill him, under such circumstances that, if death ensued, A would be guilty of murder. A is liable to punishment under this section.
(b) A with the intention of causing the death of a child of tender years exposes it in a desert place. A has committed the offence defined by this section, though the death of the child does not ensue.
(c) A, intending to murder Z, buys a gun and loads it. A has not yet committed the offence. A fires the gun at Z. He has committed the offence defined in this section, and, if by such firing he wounds, he is liable to the punishment provided by the latter part of the first paragraph of this section.
(d) A, intending to murder Z, by poison, purchases poison and mixes the same with food which remains in A's keeping; A has not yet committed the offence in this section. A places the food on Z's table or delivers it to Z's servants to place it on Z's table. A has committed the offence defined in this section.
৬৯২.
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বলতে নিম্নের কোনটিকে নির্দেশ করে?
  1. ১৪ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ড
  2. ২০ বৎসরের সশ্রম কারাদণ্ড
  3. ৩০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড
  4. দণ্ডিত ব্যক্তির অবশিষ্ট জীবন ব্যাপী কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
যাবজ্জীবন সাজা অর্থ ৩০ বছরের কারাদণ্ড, তবে কোনো আদালত বা ট্রাইব্যুনাল বা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল রায়ে আমৃত্যু কারাদণ্ড উল্লেখ করলে তখন ওই আসামির আমৃত্যু কারাবাস হবে।
 
২০১৭ সালে সাভারের একজন ব্যবসায়ী জামান হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের সাজা পরিবর্তন করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়ে আপিল বিভাগ বলেছিলো যাবজ্জীবন মানে ত্রিশ বছর নয়, আমৃত্যু কারাবাস।
 
কিন্তু পরে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের মেয়াদ নিয়ে আইনজীবীদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হলে এ বিষয়ক একটি রিভিউ আবেদন হয় এবং ওই আবেদনের চূড়ান্ত রায়ে আপিল বিভাগ বলেছে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড মানে ৩০ বছরের কারাদণ্ড।
 
আপিল বিভাগ শর্ট অর্ডারে বলেছেন- বাংলাদেশের দণ্ডবিধি ও ফৌজদারী কার্যবিধি অনুযায়ী যাবজ্জীবন সাজার অর্থ হবে ত্রিশ বছর কারাদণ্ড। তবে কোনো নির্দিষ্ট আদালত বা ট্রাইব্যুনাল যদি কোনো ব্যক্তিকে আমৃত্যু কারাগারের আদেশ দিয়ে থাকেন সেক্ষেত্রে ওই ব্যক্তির জন্য কোনো রেয়াত বা বেনিফিট প্রযোজ্য হবেনা। তাকে আমৃত্যুই কারাগারে থাকতে হবে। তবে সাধারণত যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের মেয়াদ হবে ত্রিশ বছর।
৬৯৩.
দণ্ডবিধির ৪২৫ ধারায় আলোচ্য বিষয় কি?
  1. অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ
  2. প্রতারণা
  3. অনিষ্ট
  4. অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪২৫ ধারার বিধান ক্ষতি বা অনিষ্ট:- কোন ব্যক্তি যদি জনসাধারণের বা কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা অনিষ্ট করার উদ্দেশ্যে, অথবা সে জনসাধারণের বা কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা অনিষ্ট করতে পারে বলে জানা সত্ত্বেও কোন সম্পত্তি ধ্বংস বা বিনষ্ট করে, অথবা কোন সম্পত্তিতে বা উহার অবস্থানে এমন কোন পরিবর্তন সাধন করে, যার ফলে উহার মূল্য বা আবশ্যকীয়তা বিনষ্ট হয় বা হ্রাস প্রাপ্ত হয়, বা উহা ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তবে উক্ত ব্যক্তি 'ক্ষতি' সাধন করেছে বলে গণ্য হবে।

ব্যাখ্যা ১:- ক্ষতি অনুষ্ঠিত হওয়ার জন্য অপরাধীর ক্ষতিগ্রস্ত কিংবা বিনষ্ট সম্পত্তির মালিকের ক্ষতি বা লোকসান করার ইচ্ছা থাকা প্রয়োজন নয়। কোন সম্পত্তির ক্ষতিসাধন করে কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা ব্যক্তিসানের উদ্দেশ্য থাকলে অথবা সম্পত্তির অনুরূপ ক্ষতিসাধন কর্তৃক কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা ব্যক্তিসানের আশঙ্কা রয়েছে জানা সত্ত্বেও সম্পত্তিটির ক্ষতিসাধন করলে অপরাধটি সংঘটিত হবে, যে সম্পত্তিটির অনুরূপ ক্ষতিসাধন করা হল, সে সম্পত্তিটি অনুরূপে অন্যায়ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির সম্পত্তি হোক আর নাই হোক।

ব্যাখ্যা ২:- যে ব্যক্তি কাজ সংঘটন করল সে ব্যক্তির নিজের বা মিলিতভাবে সে ব্যক্তির ও অন্যান্য ব্যক্তির সম্পত্তি ক্ষতিগ্রস্ত করে অনুষ্ঠিত কাজ কর্তৃক ক্ষতি সাধিত হতে পারে।
---------
⇒ Mischief:
Section 425. Whoever, with intent to cause, or knowing that he is likely to cause, wrongful loss or damage to the public or to any person, causes the destruction of any property, or any such change in any property or in the situation thereof as destroys or diminishes its value or utility, or affects it injuriously, commits "mischief".

Explanation 1.-It is not essential to the offence of mischief that the offender should intend to cause loss or damage to the owner of the property injured or destroyed. It is sufficient if he intends to cause, or knows that he is likely to cause, wrongful loss or damage to any person by injuring any property, whether it belongs to that person or not.

Explanation 2.-Mischief may be committed by an act affecting property belonging to the person who commits the act, or to that person and others jointly.
৬৯৪.
দণ্ডবিধির ১৭৭ ধারায় প্রদানকৃত মিথ্যা তথ্য যদি কোনো অপরাধের সংঘটন বা অপরাধী গ্রেফতারের সাথে সম্পর্কিত হয়, সর্বোচ্চ শাস্তি কত?
  1. ৬ মাস কারাদণ্ড
  2. ১ বছর কারাদণ্ড
  3. ২ বছর কারাদণ্ড 
  4. ৩ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ১৭৭ ধারা- মিথ্যা তথ্য পরিবেশন:
কোন ব্যক্তি যদি কোন সরকারি কর্মচারীর নিকট, তিনি সরকারি কর্মচারী বলেই, কোন বিষয়ে তথ্য দিতে আইনত: বাধ্য হয়ে, সে বিষয়টির উপর সত্য বলে এমন কোন তথ্য পরিবেশন করে যা মিথ্যা বলে সে জানে বা যা মিথ্যা বলে বিশ্বাস করার তার কারণ রয়েছে, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে;
অথবা, উক্ত ব্যক্তি যে তথ্য দিতে আইনত বাধ্য, তা যদি কোন অপরাধের সংঘটন বিষয়ক হয়, বা কোন অপরাধের সংঘটন নিরোধের জন্য আবশ্যকীয় হয়, বা কোন অপরাধীকে গ্রেফতার করার জন্য আবশ্যকীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

৬৯৫.
৩ মাসের অধিক নির্জন কারাদণ্ডে (solitary confinement) দণ্ডিত আসামির ক্ষেত্রে মাসে কয়দিন নির্জন কারাবাস প্রদান করতে হবে?
  1. ১৪ দিন
  2. ২ দিন
  3. ৭ দিন
  4. ৫ দিন
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ধারা ৭৪ মতে- নির্জন কারাবাস আদেশ কার্যকরীকরণে অনুরূপ কারাবাসের মেয়াদ কোন ক্ষেত্রেই একাদিক্রমে ১৪ দিনের বেশি হবে না এবং কারাবাসের মেয়াদসমূহের মধ্যবর্তী বিরতিকালের মেয়াদও কারাবাসের মেয়াদ অপেক্ষা কম হবে না; প্রদত্ত কারাদণ্ডের মেয়াদ তিন মাসের বেশি হলে প্রদত্ত কারাদণ্ডের সমগ্র মেয়াদের মধ্যে কোন এক মাসে নির্জন কারাবাসের মেয়াদ সাত দিনের বেশি হবে না এবং অনুরূপ কারাবাসের মেয়াদসমূহের মধ্যবর্তী বিরতিকালের মেয়াদ অপেক্ষা কম হবে না।
৬৯৬.
কোন ক্ষেত্রটি "অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র" হিসাবে গণ্য করা হবে?
  1. যখন দুই বা ততোধিক ব্যক্তি সম্মত হয় একটি বৈধ কাজ করার জন্য
  2. যখন দুই বা ততোধিক ব্যক্তি সম্মত হয় একটি বেআইনি কাজ করার জন্য
  3. যখন একজন ব্যক্তি একা একটি বেআইনি কাজ করার পরিকল্পনা করে
  4. যখন একটি বেআইনি কাজ করা হয়, কিন্তু কোনো সম্মতি ছাড়া
ব্যাখ্যা
ধারা ১২০ক: অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের সংজ্ঞা:

যখন দুই বা ততোধিক ব্যক্তি সম্মত হয়, অথবা সম্মতি দেয়-
(১) একটি বেআইনি কাজ করার জন্য, অথবা
(২) একটি কাজ যা বেআইনি নয়, কিন্তু বেআইনি উপায়ে তা করার জন্য, তখন সেই সম্মতিকে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র হিসাবে গণ্য করা হয়।

তবে শর্ত থাকে যে, শুধুমাত্র কোনো অপরাধ করার উদ্দেশ্যে সম্মতি দেওয়াকেই অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র হিসেবে গণ্য করা হবে, যদি না ওই সম্মতির পাশাপাশি ঐ সম্মতির পক্ষে একটি বা একাধিক পক্ষ দ্বারা কিছু কাজ করা হয়।

ব্যাখ্যা: বেআইনি কাজটি ওই সম্মতির চূড়ান্ত উদ্দেশ্য কিনা, বা কেবলমাত্র সেই উদ্দেশ্যের সাথে সম্পর্কিত একটি ঘটনা কিনা, তা কোনো ব্যাপার নয়।
৬৯৭.
আরিফ পার্কে প্রবেশ করতে চাইলে, রানা তাকে বাধা দেয়, যদিও আরিফের প্রবেশের অধিকার আছে। রানার কাজটি দণ্ডবিধির কোন ধারায় সংজ্ঞিত অপরাধ?
  1. ৩৩৯ ধারায়
  2. ৩৪০ ধারায়
  3. ৩৪১ ধারায়
  4. ৩৪২ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৩৯ ধারার বিধান অবৈধ বাধা (Wrongful restraint):- যে ব্যক্তি কোন ব্যক্তিকে ইচ্ছাপূর্বক এমনভাবে বাধাদান করে যার ফলে উক্ত ব্যক্তির যেদিকে যাবার অধিকার রয়েছে, এমন কোন দিকে উক্ত ব্যক্তির যাবার পথ রুদ্ধ হয়, তবে সে ব্যক্তি উক্ত ব্যক্তিকে অবৈধভাবে বাধাদান করেছে বলে পরিগণিত হয়।
ব্যতিক্রম:- যদি কোন লোক স্থলে বা জলে কোন বেসরকারি পথে বাধা দেওয়ার আইনসম্মত অধিকার তার রয়েছে বলে সরল মনে বিশ্বাসবশত উক্ত পথে বিঘ্ন সৃষ্টি করে, তবে তার কাজ এই ধারার অর্থের আওতায় অপরাধ হবে না।
⇒ উদাহরণ:
যে পথ অতিক্রম করার অধিকার চ-এর রয়েছে, সে পথে ক বিঘ্ন সৃষ্টি করে। ক সরল মনে বিশ্বাস করে না যে, পথটি রোধ করার অধিকার তার রয়েছে। ক-এর পথ রোধের ফলে চ পথ অতিক্রম করতে অসমর্থ হয়। ক অবৈধভাবে চ-কে বাধাদান করেছে।

--------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 339. Wrongful restraint:
Whoever voluntarily obstructs any person so as to prevent that person from proceeding in any direction in which that person has a right to proceed, is said wrongfully to restrain that person.
Exception: The obstruction of a private way over land or water which a person in good faith believes himself to have a lawful right to obstruct, is not an offence within the meaning of this section.
Illustration:
A obstructs a path along which Z has a right to pass, A not believing in good faith that he has a right to stop the path. Z is thereby prevented from passing. A wrongfully restrains Z.
৬৯৮.
‘D’ জানে যে, তার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা নেই। তবুও একটি অচল চেক দিয়ে ‘Z’-এর কাছ থেকে পণ্য কিনে, পরিশোধের ইচ্ছা না রেখে। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর বিধান অনুসারে এই অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  2. ৫ বছরের কারাদণ্ড
  3. ৭ বছরের কারাদণ্ড
  4. ১০ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪১৫ অনুসারে, প্রতারণার মাধ্যমে কাউকে সম্পত্তি হস্তান্তর করতে বা সম্পত্তি ধরে রাখার সম্মতি দিতে প্ররোচিত করা, অথবা এমন কিছু করতে বা না করতে প্ররোচিত করা যা প্রতারিত না হলে সে করত না বা বাদ দিত না, এবং যা শারীরিক, মানসিক, খ্যাতি বা সম্পত্তির ক্ষতি করে, তা প্রতারণা (Cheating) হিসেবে গণ্য। এখানে, ‘D’ জেনে যে তার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা নেই, একটি অচল চেক দিয়ে ‘Z’-এর কাছ থেকে পণ্য কিনেছে, পরিশোধের ইচ্ছা না রেখে। এটি ধারা ৪১৫-এর উদাহরণ (d)-এর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ, যেখানে বলা হয়েছে যে অচল চেক দিয়ে সম্পত্তি হস্তান্তর করানো প্রতারণা।

- যেহেতু এই প্রতারণার ফলে পণ্য (সম্পত্তি) হস্তান্তর হয়েছে, তাই ধারা ৪২০ প্রযোজ্য। ধারা ৪২০ অনুসারে, প্রতারণার মাধ্যমে সম্পত্তি হস্তান্তর করানো বা মূল্যবান দলিল নষ্ট করার শাস্তি হলো ৭ বছর পর্যন্ত যেকোনো প্রকারের কারাদণ্ড এবং জরিমানা।

- ‘D’-এর কাজ ধারা ৪১৫-এর অধীনে প্রতারণা হিসেবে গণ্য, এবং যেহেতু এটি সম্পত্তি হস্তান্তরের সাথে জড়িত, ধারা ৪২০ অনুসারে সর্বোচ্চ শাস্তি হলো ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং জরিমানা। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো গ) ৭ বছরের কারাদণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৪২০ অনুযায়ী,
যদি কেউ প্রতারণা করে এবং এর ফলে প্রতারিত ব্যক্তিকে সম্পত্তি হস্তান্তর করতে বাধ্য করে, অথবা প্রতারিত ব্যক্তিকে কোনো মূল্যবান দলিল (যেমন চেক, চুক্তি ইত্যাদি) তৈরি, পরিবর্তন বা ধ্বংস করতে প্ররোচিত করে, তাহলে সেই ব্যক্তি অপরাধী হিসেবে গণ্য হবে। এই অপরাধের জন্য তাকে সর্বোচ্চ সাত বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড দেওয়া হতে পারে এবং এর পাশাপাশি তাকে অর্থদণ্ডও দেয়া যেতে পারে।

⇒ The Penal Code, 1860- Section-420: Cheating and dishonestly inducing deliver of property:
- Whoever cheats and thereby dishonestly induces the person deceived to deliver any property to any person, or to make, alter or destroy the whole or any part of a valuable security, or anything which is signed or sealed, and which is capable to being converted into a valuable security, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.

৬৯৯.
'A' একজন মহিলার কান হতে একটি কানের রিং টান দিয়ে ছিনিয়ে নিয়েছিল। এর ফলে মহিলা কানে আঘাত প্রাপ্ত হয় এবং কান হতে রক্ত পড়ে এই ক্ষেত্রে 'A' এর অপরাধটি হবে-
  1. চুরি
  2. দস্যুতা
  3. ডাকাতি
  4. বলপ্রয়োগ
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৯০ ধারার বিধান: দস্যুতার সংজ্ঞা (Robbery)- চুরি করার উদ্দেশ্যে বা বলপূর্বক গ্রহণের সময় কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটালে, আঘাত দান করলে বা আটক করে রাখলে অথবা মৃত্যু, আঘাত বা অবৈধ বাধার তাৎক্ষণিক ভয় (instant fear) দেখানো হলে তখন তাদস্যুতা বা Robbery বলে গণ্য হবে।
⇒ দস্যুতাকে হিংস্রতম চুরি বা হিংস্রতম বলপ্রয়োগ গ্রহণ বলা হয়। কেননা প্রত্যেক দস্যুতার অপরাধের মধ্যে চুরি বা বলপূর্বক গ্রহণ থাকতে হবে। দস্যুতাকে সহজ কথায় রাহাজানি বলে আখ্যায়িত করা হয়।
⇒ বলপূর্বক গ্রহণ কখন দস্যুতা বলে গণ্য হবে (When extortion is robbery)- বলপূর্বক গ্রহণের সময় অপরাধী স্বয়ং ভিকটিমের নিকটে বা আশেপাশে উপস্থিত থেকে তাৎক্ষনিক ভয়ের সৃষ্টি করলে বলপূর্বক গ্রহণ দস্যুতা বলে গণ্য হবে।
⇒ চুরি কখন দস্যুতা বলে গণ্য হবে (When theft is robbery)- চুরি করার উদ্দেশ্যে বা চুরি করার সময় কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটালে, আঘাত দান করলে বা অবৈধ আটক করে রাখলে অথবা মৃত্যু, আঘাত বা অবৈধ বাধার তাৎক্ষণিক ভয় (instant fear) দেখানো হলে তখন চুরি দস্যুতা বলে গণ্য হবে।

⇒ পেনাল কোডের ৩৯০ ধারায় দস্যুতার সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। চুরি করার সময় কোন কাজ করলে সেটি দস্যুতায় রূপ নেবে এবং বলপূর্বক গ্রহণের সময় কী কাজ করলে সেটি দস্যুতায় রূপ নিবে সেটি বর্ণনা করা হয়েছে। চুরি অপরাধ সংঘটনকালে যদি death, hurt, wrongful restraint ইত্যাদি করে বা তা করার চেষ্টা করে বা তা করার তাৎক্ষণিক ভয় দেখায় তবে তা দস্যুতায় রূপ নেবে। কিন্তু extortion –এর ক্ষেত্রে উক্ত অপরাধগুলো সংঘটন করা নয়, বরং তা করার ভয় দেখালেই তা দস্যুতায় রূপান্তরিত হবে।
⇒ পেনাল কোডের ৩৯০ ধারা মতে প্রত্যেক দস্যতায় হয় চুরি, না হয় বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়ের অপরাধ সংঘটিত হয়।

⇒ যেক্ষেত্রে চুরি দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে (When theft is robbery):-
চুরি করার উদ্দেশ্যে, অথবা চুরি করতে, কিংবা চুরিতে লব্ধ সম্পত্তি বহন বা বহনের উদ্যোগ কালে, অপরাধকারী তদুদ্দেশ্যে ইচ্ছাপূর্বক কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায় বা তাকে আঘাতদান করে তাকে অন্যায় ভাবে আটক করে বা করার উদ্যোগ করে, বা তাকে তাৎক্ষণিক মৃত্যু বা তাৎক্ষণিক আঘাত বা তাৎক্ষণিক অবৈধ আটকের ভীতি প্রদর্শন করে বা করার উদ্যোগ করে, তা হলে উক্ত চুরি হচ্ছে দস্যুতা।

⇒ বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় যেক্ষেত্রে  দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে (When extortion is robbery):-
বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়ের সময় অপরাধী-যে ব্যক্তিকে ভয়ে বিহবল করা হয়েছে, সে ব্যক্তির বা অন্য কোন ব্যক্তিকে আশু মৃত্যুর, আশু আঘাতের বা আশু অন্যায় নিয়ন্ত্রণের ভয়ে অভিভূত করে বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় করলে, এবং এইভাবে যে ব্যক্তিকে ভয়ে অভিভূত করা হয়েছে, সে ব্যক্তিকে তখন বলপূর্বক আদায়কৃত বস্তুটি অর্পণে বাধ্য করলে, বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে।
⇒ ব্যাখ্যা (Explanation):-
অপরাধী অন্য ব্যক্তিকে আশু মৃত্যুর, আঘাতের বা আশু অন্যায় নিয়ন্ত্রণের ভয়ে অভিভূত করার পক্ষে যথেষ্ট নিকটে থাকলে সে হাজির বলে পরিগণিত হবে।

⇒ অর্থাৎ চুরি করার উদ্দেশ্যে বা বলপূর্বক গ্রহণের সময় কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটালে, আঘাত দান করলে বা আটক করে রাখলে অথবা মৃত্যু, আঘাত বা অবৈধ বাধার তাৎক্ষণিক ভয় (instant fear) দেখানো হলে তখন তা দস্যুতা বা Robbery বলে গণ্য হবে।
⇒ দস্যুতাকে হিংস্রতম চুরি বা হিংস্রতম বলপ্রয়োগ গ্রহণ বলা হয়। কেননা প্রত্যেক দস্যুতার অপরাধের মধ্যে চুরি বা বলপূর্বক গ্রহণ থাকতে হবে।

⇒ দস্যুতার মধ্যে নিম্নলিখিত উপাদান বিদ্যমান-
i)এক বা একাধিক ব্যক্তি তবে ৫ জনের কম যৌথভাবে অপরাধটি সংঘটিত করে;
ii) আঘাতের ভয় বা মৃত্যুভয় দেখিয়ে বা অবৈধ আটকের ভয় দেখায়;
iii) অসাধুভাবে সম্পত্তিটি প্রদানে বাধ্য করে; এবং
iv) প্রত্যেক দস্যুতার অপরাধের মধ্যে চুরি বা বলপূর্বক গ্রহণ থাকে।

⇒ দস্যুতার সর্বনিম্ন সদস্য ১ জন এবং সর্বোচ্চ সদস্য ৪ জন। অন্যদিকে ডাকাতির সর্বনিম্ন সদস্য ৫ জন। দস্যুতার সদস্য যদি ৫ বা ততোধিক হয় তখন দস্যুতা ডাকাতিতে পরিণত হয়।
⇒ প্রত্যেক ডাকাতির ক্ষেত্রে দস্যুতা ( চুরি অথবা বলপূর্বক গ্রহণ) থাকে। কিন্তু দস্যুতা এবং ডাকাতির মধ্যে মূল পার্থক্য হলো সংখ্যাগত। দণ্ডবিধির ৩৯১ ধারা অনুযায়ী ডাকাতির ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন সদস্য ৫ জন থাকতে হবে।
৭০০.
'A' একজন জল্লাদ যে আদালতের আদেশ অনুযায়ী এক কয়েদীকে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করে। এই ক্ষেত্রে দণ্ডবিধি অনুসারে 'A' এর কাজটি-
  1. খুন
  2. নরহত্যার
  3. অপরাধমূলক নরহত্যার
  4. কোন অপরাধ নয়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৭৮ ধারা মতে আদালতের আদেশে কৃত কাজ অপরাধ নয় অর্থাৎ আদালতের রায় বা আদেশ মোতাবেক সম্পাদিত কোন কাজ অপরাধ নয় আদালতের আদেশ বাস্তবায়িত করার জন্য সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীগণ যে সমস্ত কার্য করবেন তা অপরাধ বলে গণ্য হবে না।
- দণ্ডবিধির ৭৮ ধারার বিধান আদালতের রায় বা আদেশের অনুসরণে সম্পাদিত কাজ:- কোন আদালতের নির্দেশক্রমে অথবা কোন আদালতের রায় বা আদেশ অনুযায়ী উক্ত রায় বা আদেশ বলবৎ থাকাকালে সম্পাদিত কোন কাজ অপরাধ বলে অভিহিত হবে না; আদালতের অনুরূপ রায় বা আদেশ প্রদানের এখতিয়ার না থাকলেও অনুরূপ কাজ অপরাধ বলে অভিহিত হবে না যদি উক্ত কাজটি সম্পন্নকারী ব্যক্তি সরল মনে বিশ্বাস করে থাকে যে, আদালতের অনুরূপ এখতিয়ার রয়েছে।
-------------------
Section 78: Act done pursuant to the judgment or order of Court:
 Nothing which is done in pursuance of, or which is warranted by the judgment or order of, a Court of Justice, if done whilst such judgment or order remains in force, is an offence, notwithstanding the Court may have had no jurisdiction to pass such judgment or order, provided the person doing the act in good faith believes that the Court had such jurisdiction.