বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

The Penal Code, 1860

মোট প্রশ্ন২,৪৪৭এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

The Penal Code, 1860

PrepBank · পাতা / ২৫ · ২০১৩০০ / ২,৪৪৭

২০১.
নিম্নলিখিত কোন অপরাধের জন্য সর্বনিম্ন ৫ জন সদস্য থাকার প্রয়োজন নেই?
  1. দাঙ্গা
  2. ডাকাতি
  3. বেআইনী সমাবেশ
  4. দস্যুতা
ব্যাখ্যা
♦ দন্ডবিধির ১৪১ ধারায় বেআইনী সমাবেশের বিধান রয়েছে। পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি জনসাধারণের শান্তি-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী কোন সমাবেশ করলে তাকে বেআইনী সমাবেশ বা Unlawful Assembly বলে।

♦ দন্ডবিধির ১৪৬ ধারায় বলা হয়েছে বেআইনি সমাবেশ কর্তৃক বা এর কোনো সদস্য কর্তৃক বলপ্রয়োগ করা  হলে বা সহিংসতা (force or violence) করা হলে তখন সমাবেশের সকল সদস্য দাঙ্গা করেছে মর্মে বলা হবে। অর্থাৎ দাঙ্গার সদস্যও পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি হবে।

♦দণ্ডবিধি ৩৯১ ধারা মতে যখন ৫ বা ততোধিক ব্যক্তি মিলিত হয়ে একইসাথে কোন দস্যুতা সংঘটন করে, তখন সেই দস্যুতা ডাকাতি বলে গণ্য হবে।

♦দণ্ডবিধির ৩৯০ ধারা অনুযায়ী চুরি করার উদ্দেশ্যে বা বলপূর্বক গ্রহণের সময় কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটালে, আঘাত দান করলে বা আটক করে রাখলে অথবা মৃত্যু, আঘাত বা অবৈধ বাধার তাৎক্ষণিক ভয় (instant fear) দেখানো হলে তখন তা দস্যুতা বা Robbery বলে গণ্য হবে।

♦দস্যুতার সর্বনিম্ন সদস্য ১ জন এবং সর্বোচ্চ সদস্য ৪ জন। অন্যদিকে ডাকাতির সর্বনিম্ন সদস্য ৫ জন। দস্যুতার সদস্য যদি ৫ বা ততোধিক হয় তখন দস্যুতা ডাকাতিতে পরিণত হয়।

---------------------------------
♦ সাধারণ উদ্দেশ্য বা common object বলতে তদ্রূপ উদ্দেশ্যকে বোঝায় যা পূরণকল্পে সমাবেশের সকল সদস্য সমবেত হয়েছিল এবং সেই উদ্দেশ্য হাসিল করবে বলে তারা সকলে জানত; অর্থাৎ বেআইনী সমাবেশ করার জন্য যে সকল উদ্দেশ্য থাকে সেই সকল উদ্দেশ্য সমূহ হলো সাধারণ উদ্দেশ্য।

♦ সাধারণ উদ্দেশ্যগুলো (common object) নিম্নরূপ যথা-

১) সরকার, সরকারি কর্মচারী বা আইনসভাকে আইনসম্মত ক্ষমতা প্রয়োগকালে বাধা বা বলপ্রয়োগের হুমকি দান;
২) আইনগত ব্যবস্থা বাস্তবায়নে বাধা ।
৩) অনিষ্ট, অপরাধজনক অনধিকার প্রবেশ বা অপর কোন অপরাধ সংঘটন ।
৪) অপরাধজনক বলপ্রয়োগ পূর্বক সম্পত্তি অর্জন বা কোন ব্যক্তিকে রাস্তা বা পানি ব্যবহার বা দখল থেকে বঞ্চিত; অথবা
৫) কোন ব্যক্তিকে যা করতে বাধ্য নয় তা করাতে ও যা করতে বাধ্য তা থেকে বিরত রাখতে বাধ্য করা।

♦দণ্ডবিধি ৩৯১ ধারা মতে যখন ৫ বা ততোধিক ব্যক্তি মিলিত হয়ে একইসাথে কোন দস্যুতা সংঘটন করে, তখন সেই দস্যুতা ডাকাতি বলে গণ্য হবে।

♦ ডাকাতির উপাদান:

(i) পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি যৌথভাবে অপরাধটি সংঘটিত করেছিল;

(ii) উক্ত দলের এক বা একাধিক ব্যক্তি দস্যুতা করেছিল বা করার চেষ্টা করেছিল;

(iii) ডাকাত দলের সদস্যরা উপস্থিত ছিল এবং এ অপরাধ সংঘটনে সহায়তা করেছিল।

♦দস্যুতাকে হিংস্রতম চুরি বা হিংস্রতম বলপ্রয়োগ গ্রহণ বলা হয়। কেননা প্রত্যেক দস্যুতার অপরাধের মধ্যে চুরি বা বলপূর্বক গ্রহণ থাকতে হবে।

♦দস্যুতার মধ্যে নিম্নলিখিত উপাদান বিদ্যমান-

i)এক বা একাধিক ব্যক্তি তবে ৫ জনের কম যৌথভাবে অপরাধটি সংঘটিত করেছিল;
ii) আঘাতের ভয় বা মৃত্যুভয় দেখিয়ে বা অবৈধ আটকের ভয় দেখিয়েছিল;
iii) অসাধুভাবে সম্পত্তিটি প্রদানে বাধ্য করেছিল; এবং
iv) প্রত্যেক দস্যুতার অপরাধের মধ্যে চুরি বা বলপূর্বক গ্রহণ থাকতে হবে।

♦ প্রত্যেক ডাকাতির ক্ষেত্রে দস্যুতা ( চুরি অথবা বলপূর্বক গ্রহণ) থাকে। কিন্তু দস্যুতা এবং ডাকাতির মধ্যে মূল পার্থক্য হলো সংখ্যাগত।
২০২.
দণ্ডবিধির ধারা ৩৮৫ অনুযায়ী, কারো উপর আঘাতের ভয় দেখিয়ে Extortion করার উদ্দেশ্যে ভীতি প্রদর্শনের সর্বনিম্ন শাস্তি কত?
  1. ৩ বছর কারাদণ্ড
  2. ৫ বছর কারাদণ্ড
  3. ৭ বছর কারাদণ্ড
  4. ২ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৩৮৫ অনুসারে, যে কেউ চাঁদাবাজি (Extortion) করার উদ্দেশ্যে কোনো ব্যক্তিকে আঘাতের ভয় দেখায় বা ভীতি প্রদর্শনের চেষ্টা করে, তার শাস্তি হলো ১৪ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, যা ৫ বছরের কম হবে না, অথবা জরিমানা, অথবা উভয়ই। সুতরাং, এই অপরাধের সর্বনিম্ন শাস্তি হলো ৫ বছর কারাদণ্ড।
------
⇒ The Penal Code, 1860, Section-385. Putting person in fear of injury in order to commit extortion:
Whoever, in order to the committing of extortion, puts any person in fear, or attempts to put any person in fear, of any injury, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to fourteen years and shall not be less than five years, or with fine, or with both.

২০৩.
দণ্ডবিধি অনুসারে নিচের কোন শিশুর মৃত্যু ঘটানো নরহত্যা বলে বিবেচিত হবে না?
  1. মাতৃগর্ভস্থ শিশুর
  2. শিশুটি শ্বাসপ্রশ্বাস গ্রহণ না করে
  3. জীবন্ত শিশু যার বয়স ৩ দিনের কম
  4. জীবিত শিশু যার কোন অংশ প্রসূত হয়ে থাকে কিন্তু কান্না করেনাই
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২৯৯ ধারার বিধান শাস্তিযোগ্য নরহত্যা (Culpable homicide):- কোন ব্যক্তি যদি মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্য নিয়ে কৃত কোন কাজ কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, অথবা যে দৈহিক জখম মৃত্যু ঘটাতে পারে, তেমন দৈহিক জখম ঘটাবার উদেশ্য নিয়ে কৃত কোন কাজের সংঘটন কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, অথবা যে কাজ মৃত্যু ঘটাতে পারে বলে সে জানে, সে কাজ সম্পাদন কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, তবে সেই ব্যক্তি শাস্তিযোগ্য নরহত্যার দোষে দোষী হবে।

⇒ ব্যাখ্যা (Explanation) ১:- যে ব্যক্তি অসুস্থতা, রোগ বা দৈহিক অপারগতায় ভুগতেছে, তার দৈহিক জখম করে মৃত্যু ত্বরান্বিত করলে তার মৃত্যু ঘটাবার অপরাধ হয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে।

⇒ ব্যাখ্যা (Explanation) ২:- যখন দৈহিক আঘাত বা জখমের কারণে মৃত্যু ঘটে, তখন যে ব্যক্তি অনুরূপ দৈহিক আঘাত বা জখম ঘটায়, সে ব্যক্তি মৃত্যু ঘটিয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে, যদিও যথোচিত প্রতিকারের ও সুনিপুণ চিকিৎসার ফলে সে মৃত্যু রোধ করা যেত।

⇒ ব্যাখ্যা (Explanation) ৩:- মাতৃগর্ভে কোন শিশুর মৃত্যু ঘটানো নরহত্যা নয়। কিন্তু যদি কোন শিশুর (দেহের) কোন অংশ নিষ্ক্রান্ত করার পর জীবিত শিশুটির মৃত্যু ঘটানো হয়, তবে তা শাস্তিযোগ্য নরহত্যা বলে পরিগণিত হবে, যদিও শিশুটি শ্বাসপ্রশ্বাস গ্রহণ না করে থাকে অথবা সম্পূর্ণরূপে ভুমিষ্ঠ না হয়ে থাকে।

⇒ দণ্ডবিধির ২৯৯ ধারার ব্যাখ্যা-৩ মতে মাতৃগর্ভস্থ কোন শিশুর মৃত্যু ঘটানো খুন বা নিন্দনীয় নরহত্যা কোনটাই হবে না। তবে মাতৃগর্ভস্থ শিশুটি সম্পূর্ণরূপে জন্মগ্রহণ না করেও শিশুটির দেহের কোন অংশ নিষ্ক্রান্ত করার পর জীবিত শিশুটির মৃত্যু ঘটানো হলে তা নিন্দনীয় নরহত্যা বলে বিবেচিত হবে।
------------
⇒  Section 299. Culpable homicide
 Whoever causes death by doing an act with the intention of causing death, or with the intention of causing such bodily injury as is likely to cause death, or with the knowledge that he is likely by such act to cause death, commits the offence of culpable homicide. 
 
⇒  Illustrations 
(a) A lays sticks and turf over a pit, with the intention of thereby causing death, or with the knowledge that death is likely to be thereby caused. Z, believing the ground to be firm, treads on it, falls in and is killed. A has committed the offence of culpable homicide. 
(b) A knows Z to be behind a bush. B does not know it. A, intending to cause, or knowing it to be likely to cause Z's death induces B to fire at the bush. B fires and kills Z. Here B may be guilty of no offence; but A has committed the offence of culpable homicide. 
(c) A, by shooting at a fowl with intent to kill and steal it, kills B, who is behind a bush; A not knowing that he was there. Here, although A was doing an unlawful act, he was not guilty of culpable homicide, as he did not intend to kill B or cause death by doing an act that he knew was likely to cause death. 
 
Explanation 1. A person who causes bodily injury to another who is labouring under a disorder, disease or bodily infirmity, and thereby accelerates the death of that other, shall be deemed to have caused his death. 
 
Explanation 2. Where death is caused by bodily injury, the person who causes such bodily injury shall be deemed to have caused the death, although by resorting to proper remedies and skilful treatment the death might have been prevented. 
 
Explanation 3. The causing of the death of a child in the mother's womb is not homicide. But it may amount to culpable homicide to cause the death of a living child, if any part of that child has been brought forth, though the child may not have breathed or been completely born.
২০৪.
একজন ব্যক্তি কোন পরিস্থিতিতে মিথ্যা সাক্ষ্যদানের জন্য অপরাধী হবে না?
  1. সত্য না জানলে
  2. যা জানে না, তা জানার দাবি করলে
  3. যা বিশ্বাস করে না, তা বিশ্বাস করার দাবি করলে
  4. খ এবং গ
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ১৯১ ধারা- মিথ্যা সাক্ষ্যদান:
কোন ব্যক্তি যদি কোন শপথক্রমে বা আইনে কোন প্রকাশ্য বিধান অনুযায়ী সত্য বলতে আইনত: বাধ্য হওয়া সত্ত্বেও, অথবা কোন বিষয়ে একটি ঘোষণা প্রদান করতে আইনানুসারে বাধ্য হওয়া সত্ত্বেও, এমন কোন উক্তি করে বা বিবৃতি দান করে যা মিথ্যা, এবং যা হয় সে মিথ্যা বলে জানে, না হয় সে মিথ্যা বলে বিশ্বাস করে অথবা যা সে সত্য বলে বিশ্বাস করে না, তবে উক্ত ব্যক্তি মিথ্যা সাক্ষ্য দান করে বলে পরিগণিত হয়।

ব্যাখ্যা ১:
কোন উক্তি বা বিবৃতি মৌখিকভাবে অথবা অপর যেভাবেই করা হোক না কেন, এই ধারার অর্থানুসারে তা উক্তি বা বিবৃতি বলে বিবেচিত।

ব্যাখ্যা ২:
সত্যতা নিরূপণকারী ব্যক্তির বিশ্বাস বিষয়ক মিথ্যা উক্তি এই ধারার অর্থে অন্তর্ভুক্ত। কোন ব্যক্তি যা বিশ্বাস করে না, তা সে বিশ্বাস করে বলে এবং যা জানে না, তা জানার দাবি করলে সে ব্যক্তি মিথ্যা সাক্ষ্য দানের জন্য অপরাধী হবে।

Section 191- Giving false evidence:
Whoever being legally bound by an oath or by an express provision of law to state the truth, or being bound by law to make a declaration upon any subject, makes any statement which is false, and which he either knows or believes to be false or does not believe to be true, is said to give false evidence.

Explanation 1.-
A statement is within the meaning of this section, whether it is made verbally or otherwise. 
 
Explanation 2.-
A false statement as to the belief of the person attesting is within the meaning of this section, and a person may be guilty of giving false evidence by stating that he believes a thing which he does not believe, as well as by stating that he knows a thing which he does not know.
২০৫.
The Penal Code, 1860 অনুসারে মনুষ্যহরণ কত প্রকার?
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৩৫৯ ধারা মতে মনুষ্যহরণ বা অপহরণ ২ প্রকার।
যথা:
(i) বাংলাদেশ থেকে মনুষ্যহরণ
(ii) আইনগত অভিভাবকের নিকট হতে মনুষ্যহরণ।
২০৬.
দণ্ডবিধির অধীন মানহানির [defamation] শাস্তি কি?
  1. ২ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়
  2. ৫ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়
  3. ৩ বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়
  4. ২ বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি ৪৯৯ ধারা অনুযায়ী যখন কোন ব্যক্তি সম্পর্কিত কোন কুৎসা রটনা করা হয় যা উক্ত ব্যক্তির সুনাম নষ্ট করে (harm reputation) তাকে মানহানি বা Defamation বলে। অর্থাৎ কুৎসাজনক কথা বা চিহ্ন দ্বারা বা দৃশ্যমান কল্পমূর্তি প্রকাশের মাধ্যমে মানহানি করা হয়।

-দণ্ডবিধির ৫০০ ধারার অধীন মানহানির [defamation] শাস্তি হল ২ বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।
২০৭.
A জানে যে B, Z-কে হত্যা করেছে। A, B,-কে শাস্তি হতে বাঁচাতে মৃত লাশটি গুম করতে B কে সহায়তা করেছে। A দণ্ডবিধির কোন ধারায় অপরাধ করেছে?
  1. ১৯৩ ধারা
  2. ১৯৬ ধারা
  3. ১৯৭ ধারা
  4. ২০১ ধারা
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ২০১ ধারা মতে অপরাধীকে বাঁচানোর জন্য অপরাধের সাক্ষ্য নষ্ট করার শাস্তি হতে পারে-

(i)  মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধের ক্ষেত্রে অনধিক ৭ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড।

(ii)  যাবজ্জীবন বা অন্যূন ১০ বছর কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধের ক্ষেত্রে অনধিক ৩ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড।

(iii) ১০ বছরের কম মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধের ক্ষেত্রে মূল কারাদণ্ডের এক চতুর্থাংশ কারাদণ্ড বা  অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।

---------------------------------------- 
♦ দণ্ডবিধির ২০১ ধারার বিধান অপরাধের সাক্ষ্য প্রমাণের বিলোপসাধন অথবা অপরাধীকে অব্যাহতি দেওয়ার মিথ্যা খবর দেওয়া: কোন ব্যক্তি যদি কোন অপরাধীকে আইনের সাজা হতে বাঁচাবার উদ্দেশ্যে, কোন অপরাধ অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে জানা সত্ত্বেও অথবা অপরাধ অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে তার বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও, সে অপরাধটি সংঘটনের কোন সাক্ষ্য বা প্রমাণ বিলুপ্ত করে বা করায়, অথবা সে উদ্দেশ্য নিয়ে সে অপরাধটি সম্পর্কে কোন খবর দেয়, যা সে মিথ্যা বলে জানে অথবা যা মিথ্যা বলে তার বিশ্বাস করার কারণ রয়েছে, তখন-

যদি অপরাধটি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়:- যদি, যে অপরাধটি অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে সে জানে বা যে অপরাধটি অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে তার বিশ্বাস সে অপরাধটি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে;

যদি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়:- এবং যদি অপরাধটি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে;

যদি দশ বৎসর অপেক্ষা কম মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়:- এবং যদি অপরাধটি দশ বৎসর অপেক্ষা কম মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি অপরাধটির জন্য যে ধরনের (সম্ভ্রম অথবা বিনাশ্রম) কারাদণ্ডের বিধান করা হয়েছে, সে ধরনের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং অপরাধটির জন্য দীর্ঘতম যে মেয়াদের কারাদণ্ডের বিধান করা হয়েছে, তার কারাদণ্ডের মেয়াদ উহার এক চতুর্থাংশ পর্যন্ত যেকোন দৈর্ঘ্যের হবে, অথবা অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত হবে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
২০৮.
দণ্ডবিধি অনুযায়ী চোরাই সম্পত্তি লুকিয়ে রাখার কাজে স্বেচ্ছায় সহায়তা করার সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ১ বছর কারাদণ্ড
  2. ২ বছর কারাদণ্ড
  3. ৩ বছর কারাদণ্ড
  4. ৫ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪১৪ ধারার বিধান চোরাই সম্পত্তি লুকিয়ে রাখার কাজে সহায়তা করা:- কোন ব্যক্তি যদি সে যে সম্পত্তি চোরাই সম্পত্তি বলে জানে বা তার বিশ্বাস করার কারণ রয়েছে সে সম্পত্তি লুকিয়ে রাখতে বা বিলিব্যবস্থা করতে বা নিয়ে সরে পড়তে স্বেচ্ছায় সহায়তা করে, তবে উক্ত ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
---------------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section- 414. Assisting in concealment of stolen property:
-Whoever voluntarily assists in concealing or disposing of or making away with property which he knows or has reason to believe to be stolen property, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both.
২০৯.
দণ্ডবিধি,১৮৬০ কোথায় কার্যকর হয়?
  1. সমগ্র বাংলাদেশে
  2. পার্বত্য চট্রগ্রাম ছাড়া সমগ্র বাংলাদেশে
  3. নির্দিষ্ট কিছু অঞ্চল ছাড়া সমগ্র বাংলাদেশে
  4. খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি এবং বান্দরবান জেলা ছাড়া সমগ্র বাংলাদেশে
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ধারা ১- শিরোনাম ও আইনের কার্যকারিতার সীমা:
এই আইন 'দণ্ডবিধি' নামে অভিহিত হবে এবং ইহা বাংলাদেশের সর্বত্র কার্যকর হবে।

Section 1- Title and extent of operation of the Code:
This Act shall be called the Penal Code and shall take effect throughout Bangladesh.
২১০.
দণ্ডবিধির ধারা ৩২০ অনুসারে, গুরুতর আঘাত হিসেবে বিবেচিত হতে আহত ব্যক্তির কমপক্ষে কতদিন প্রচণ্ড দৈহিক যন্ত্রণা ভোগ করা লাগবে?
  1. ১০ দিন
  2. ১৫ দিন
  3. ২০ দিন
  4. ৩০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ধারা ৩২০–এ গুরুতর আঘাতের সংজ্ঞায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, যদি কোনো ব্যক্তি এমন একটি আঘাতে আহত হন “যাতে আহত ব্যক্তি ২০ দিন পর্যন্ত প্রচণ্ড দৈহিক যন্ত্রণা ভোগ করেন অথবা সাধারণ কাজকর্ম করতে অপারগ হন, তাহলে তা ‘গুরুতর আঘাত’ হিসেবে গণ্য হবে।”
অর্থাৎ, কমপক্ষে ২০ দিন যদি কেউ তীব্র শারীরিক যন্ত্রণা ভোগ করেন, সেটি গুরুতর আঘাত।

⇒ দণ্ডবিধির ৩২০ ধারার বিধান গুরুতর আঘাত:- শুধু নিম্নলিখিত আঘাতসমূহকেই "গুরুতর" বলে পরিগণিত করা যায়:-
প্রথমত, পুরুষত্বহীন করণ।
দ্বিতীয়ত, যেকোন চোখের জ্যোতি বা দৃষ্টিশক্তি চিরতরে নষ্ট করণ।
তৃতীয়ত, যেকোন কর্ণের শ্রবণশক্তি স্থায়ীভাবে নষ্ট করণ।
চতুর্থত, যেকোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন।
পঞ্চমত, যেকোন অঙ্গের বা গ্রন্থির শক্তিসমূহ ধ্বংসকরণ বা চিরতরে খর্ব করণ।
ষষ্ঠত, মাথা বা মুখমণ্ডল স্থায়ীভাবে বিকৃত করণ।
সপ্তম, কোন অস্থি বা দন্ত ভগ্ন বা স্থানচ্যুত করণ।
অষ্টম, এমন কোন আঘাত যা জীবন সংশয় সৃষ্টি করে বা যাতে আহত ব্যক্তি বিশ দিন পর্যন্ত প্রচণ্ড দৈহিক যন্ত্রণা ভোগ করে বা সাধারণ কাজকর্ম করতে অপারগ হয়।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 320: Grievous hurt:
The following kinds of hurt only are designated as "grievous":-
Firstly.-Emasculation.
Secondly.-Permanent privation of the sight of either eye.
Thirdly.-Permanent privation of the hearing of either ear.
Fourthly.-Privation of any member or joint.
Fifthly.-Destruction or permanent impairing of the powers of any member or joint.
Sixthly.-Permanent disfiguration of the head or face.
Seventhly.-Fracture or dislocation of a bone or tooth.
Eighthly.-Any hurt which endangers life or which causes the sufferer to be during the space of twenty days in severe bodily pain, or unable to follow his ordinary pursuits.

২১১.
‘D’ Z-এর সম্পত্তি ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে তার বাড়িতে আগুন লাগানোর চেষ্টা করে, কিন্তু বৃষ্টির কারণে আগুন জ্বলে না। দণ্ডবিধির কোন ধারায় অনুসারে 'D' এর কাজটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ?
  1. ধারা ১১৭
  2. ধারা ১২৩
  3. ধারা ৫০৬
  4. ধারা ৫১১
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৫১১ অনুসারে, যে কেউ এমন কোনো অপরাধ করার চেষ্টা করে, যা দণ্ডবিধিতে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা কারাদণ্ড দ্বারা শাস্তিযোগ্য, এবং সেই চেষ্টায় অপরাধ সংঘটনের দিকে কোনো কাজ করে, তবে তা শাস্তিযোগ্য। যদি অপরাধের চেষ্টার জন্য আলাদা শাস্তির বিধান না থাকে, তবে শাস্তি হবে মূল অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তির অর্ধেক পর্যন্ত কারাদণ্ড, জরিমানা, বা উভয়ই। এখানে, ‘D’ Z-এর সম্পত্তি ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে তার বাড়িতে আগুন লাগানোর চেষ্টা করেছে, যা ধারা ৪৩৫ (অগ্নিসংযোগের মাধ্যমে ক্ষতিকর কাজ) এর অধীনে অপরাধ। ধারা ৪৩৫ অনুসারে, এই অপরাধের শাস্তি ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, জরিমানা, বা উভয়ই। যেহেতু ‘D’ অপরাধটি সম্পূর্ণ করেনি, বরং চেষ্টা করেছে, তাই এটি ধারা ৫১১-এর অধীনে সম্পত্তি ধ্বংসের চেষ্টা হিসেবে শাস্তিযোগ্য, এবং সর্বোচ্চ শাস্তি হবে ৩ বছর ৬ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড, জরিমানা, বা উভয়ই।

- অর্থাৎ ‘D’-এর কাজ, অর্থাৎ সম্পত্তি ধ্বংসের জন্য অগ্নিসংযোগের চেষ্টা, ধারা ৫১১ (এবং ধারা ৪৩৫-এর সাথে সম্পর্কিত) অনুসারে শাস্তিযোগ্য। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো ঘ) ধারা ৫১১।

⇒ দণ্ডবিধির ৫১১ ধারার বিধান যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ সংঘটনের উদ্যোগের সাজা:-
কোন ব্যক্তি যদি এই বিধিবলে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় কোন অপরাধ সংঘটন করার অথবা অনুরূপ কোন অপরাধ সংঘটন করানোর উদ্যোগ করে এবং অনুরূপ উদ্যোগের মাধ্যমে অপরাধটি সংঘটনের উদ্দেশ্যে কোন কাজ করে, তবে যেক্ষেত্রে অনুরূপ উদ্যোগের সাজার জন্য এই বিধিতে কোন প্রকাশ্য বিধান করা হয় নাই, সেক্ষেত্রে সে ব্যক্তি অপরাধটির জন্য সে ধরনের অপরাধের জন্য বিহিত দণ্ডের দীর্ঘতম মেয়াদের অর্ধেক পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা সে অপরাধটির জন্য যে অর্থ দণ্ডেও বিধান করা হয়েছে সে অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
উদাহরণ:
(ক) 'ক' একটি বাক্স ভেঙ্গে কিছু গহনাপত্র চুরি করার উদ্যোগ করে। সে বাক্সটি ভেঙ্গে দেখতে পায় যে, উহাতে কোন গহনাপত্র নাই। সে চুরির উদ্দেশ্যে এই কাজটি করেছে; সুতরাং সে এই ধারার আওতায় অপরাধী বলে পরিগণিত হবে।
(খ) 'ক', 'চ'- এর পকেটে হাত দিয়ে চ-এর পকেট মারার উদ্যোগ নেয়। 'চ'- এর পকেটে কিছু ছিল না বলে ক-এর চেষ্টা ব্যর্থ হয়। 'ক' এই ধারার আওতায় অপরাধী বলে পরিগণিত হবে।
----------- 
⇒ The Penal Code, 1860,Section 511- Punishment for attempting to commit offences punishable with imprisonment for life or imprisonment:
Whoever attempts to commit an offence punishable by this Code with imprisonment for life or imprisonment, or to cause such an offence to be committed, and in such attempt does any act towards the commission of the offence, shall, where no express provision is made by this Code for the punishment of such attempt, be punished with imprisonment of any description provided for the offence, for a term which may extend to one-half of the longest term of imprisonment provided for that offence, or with such fine as is provided for the offence, or with both.

Illustration:
(a) A makes an attempt to steal some jewels by breaking open a box, and finds after so opening the box, that there is no jewel in it. He has done an act towards the commission of theft, and therefore is guilty under this section. 
(b) A makes an attempt to pick the pocket of Z by thrusting his hand into Z's pocket. A fails in the attempt in consequence of Z's having nothing in his pocket. A is guilty under this section.

২১২.
দণ্ডবিধির ৩৫০ ধারায়, কোন পরিস্থিতিতে বল প্রয়োগকে 'অপরাধমূলক' বলা হবে?
  1. যখন এটি শান্তিপূর্ণ হয়
  2. যখন এটি সম্মতির ভিত্তিতে হয়
  3. যখন এটি কোনো প্রভাব সৃষ্টি না করে
  4. যখন এটি জখম বা ভয় সৃষ্টি করে
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৫০ ধারার বিধান- অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ:
কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির উপর সম্মতি ব্যতীত বল প্রয়োগ করে এবং কোন অপরাধ অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্যে অথবা অনুরূপ শক্তি প্রয়োগ কর্তৃক, যে ব্যক্তির উপর বল প্রয়োগ করা হল, তার জখম বা ভয় বা বিরক্তি উৎপাদনের উদ্দেশ্যে অথবা তার শক্তি প্রয়োগের ফলে, যার উপর শক্তি প্রয়োগ করা হল, তার জখম, ভয় বা বিরক্তি উৎপাদিত হতে পারে জানা সত্ত্বেও যদি সে অনুরূপ বল প্রয়োগ করে, তবে সে ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

Section 350- Criminal force:
Whoever intentionally uses force to any person, without that person's consent, in order to the committing of any offence, or intending by the use of such force to cause, or knowing it to be likely that by the use of such force he will cause injury, fear or annoyance to the person to whom the force is used, is said to use criminal force to that other. 
২১৩.
দণ্ডবিধির ৩৯২ ধারার আওতাধীন দস্যুতার অপরাধের জন্য মূল শাস্তি কী?
  1. সশ্রম কারাদণ্ড
  2. বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  3. সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  4. মৃত্যুদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৯২ ধারা- দস্যুতার সাজা:
কোন ব্যক্তি যদি দস্যুতা সংঘটন করে তবে সে ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে। এবং যদি সূর্যাস্ত ও সূর্যোদয়ের মধ্যবর্তী সময় রাজপথে দস্যুতা অনুষ্ঠিত হয়, তবে কারাদণ্ডের মেয়াদ চৌদ্দ বৎসর পর্যন্ত হতে পারে।

⇒ Section 392- Punishment for robbery:
Whoever commits robbery shall be punished with rigorous imprisonment for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine; and, if the robbery be committed on the highway between sunset and sunrise, the imprisonment may be extended to fourteen years.
২১৪.
দণ্ডবিধির কত ধারায় ‘‘de minimus non corat lex’’ মতবাদটি প্রতিফলিত হয়েছে?
  1. ৮৫ ধারায়
  2. ১০৫ ধারায়
  3. ৭৫ ধারায়
  4. ৯৫ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ৯৫ ধারা অনুযায়ী সামান্য, উপেক্ষাযোগ্য এবং তুচ্ছ ঘটনা অপরাধমূলক হলেও দণ্ড দেয়া যাবে না।
♦দণ্ডবিধির ৯৫ ধারায় 'de minimus non curat lex' মতবাদটির প্রতিফলন ঘটেছে। 'de minimus non curat lex' means law would not take action on small & trifling matter.
২১৫.
A, B-এর সম্মতি ছাড়াই একটি কুকুরকে B-এর প্রতি ঝাঁপিয়ে পড়ার জন্য লেলিয়ে দেয়। এক্ষেত্রে যদি A, B-কে ক্ষতি, ভীতিপ্রদর্শন ও বিরক্ত করার ইচ্ছা থাকে, তাহলে A এর অপরাধ হলো-
  1. বলপ্রয়োগ করা
  2. অপরাধমূলক কুকুর লেলিয়ে দেওয়া
  3. অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করা
  4. অপরাধমূলক ক্ষতি করা
ব্যাখ্যা
⇒ The Penal Code, 1860 এর ৩৫০ মতে অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ: কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির উপর সম্মতি ব্যতীত বল প্রয়োগ করে এবং কোন অপরাধ অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্যে অথবা অনুরূপ শক্তি প্রয়োগ কর্তৃক, যে ব্যক্তির উপর বল প্রয়োগ করা হল, তার জখম বা ভয় বা বিরক্তি উৎপাদনের উদ্দেশ্যে অথবা তার শক্তি প্রয়োগের ফলে, যার উপর শক্তি প্রয়োগ করা হল, তার জখম, ভয় বা বিরক্তি উৎপাদিত হতে পারে জানা সত্ত্বেও যদি সে অনুরূপ বল প্রয়োগ করে, তবে সে ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

♦অর্থাৎ A, B-এর সম্মতি ছাড়াই একটি কুকুরকে B-এর প্রতি ঝাঁপিয়ে পড়ার জন্য লেলিয়ে দেয়। এক্ষেত্রে যদি A, B-কে ক্ষতি, ভীতিপ্রদর্শন ও বিরক্ত করার ইচ্ছা থাকে, তাহলে A এর অপরাধ হলো- অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ।
----------
Criminal force

Section 350. Whoever intentionally uses force to any person, without that person's consent, in order to the committing of any offence, or intending by the use of such force to cause, or knowing it to be likely that by the use of such force he will cause injury, fear or annoyance to the person to whom the force is used, is said to use criminal force to that other.
২১৬.
একজন কর্মচারী তার জিম্মায় থাকা প্রতিষ্ঠানের অর্থ বিনা অনুমতিতে ব্যক্তিগত উদ্দেশ্যে ব্যবহার করে। এই কাজ নিম্নের দণ্ডবিধির কোন ধারার সাথে সংশ্লিষ্ট?
  1. ৩৭৮ ধারা
  2. ৩০৩ ধারা
  3. ৪০৫ ধারা
  4. ৫০৬ ধারা
ব্যাখ্যা
• এক্ষেত্রে দণ্ডবিধির ৪০৫ ধারার অধীন অপরাধ সংঘটিত হয়েছে।

• দণ্ডবিধির ৪০৫ ধারা- অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ:

কোন ব্যক্তি যদি কোনভাবে কোন সম্পত্তির বা সম্পত্তি পরিচালনের দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়ে, অসাধুভাবে সে সম্পত্তি আত্মসাৎ করে বা নিজের ব্যবহারে প্রয়োগ করে, অথবা অনুরূপ দায়িত্ব যেভাবে নির্বাহিত হত বলে বিহিত আইনে নির্দেশ করা হয়েছে, তা খেলাফ করে সে দায়িত্ব নির্বাহ সম্পর্কে সে প্রকাশ্য বা অনুরূপ যে আইনগত চুক্তি করেছে তা খেলাফ করে সে সম্পত্তি অসাধুভাবে ব্যবহার করে, বা বিলি ব্যবস্থা করে অথবা ইচ্ছাপূর্বক অপর কোন ব্যক্তিকে তা করতে দেয়, তবে উক্ত ব্যক্তি 'অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের' অপরাধ করেছে।
২১৭.
নিচের কোনটি দণ্ডবিধির ৫০২ ধারার আওতায় পড়বে?
  1. মানহানিকর বক্তব্য দেওয়া
  2. অজ্ঞাতে মানহানিকর বই বিক্রি করা
  3. জেনেশুনে মানহানিকর পুস্তিকা বিক্রয়ের জন্য দোকানে রাখা
  4. ব্যক্তিগত চিঠিতে মানহানিকর কথা লেখা
ব্যাখ্যা

দণ্ডবিধির ৫০২ ধারা – মানহানিকর বিষয়সম্বলিত মুদ্রিত বা খোদিত বস্তু বিক্রয়:
যে ব্যক্তি জানে যে কোনো মুদ্রিত বা খোদিত বস্তুতে মানহানিকর বিষয় রয়েছে এবং সে সেই বস্তু বিক্রয় বা বিক্রয়ের জন্য প্রস্তাব করে, তাকে দুই বছরের জন্য বিনাশ্রম কারাদণ্ড, বা অর্থদণ্ড, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।

[Whoever sells or offers for sale any printed or engraved substance containing defamatory matter, knowing that it contains such matter, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.]

২১৮.
অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের ক্ষেত্রে অপরাধী প্রাথমিকভাবে সম্পত্তির দখল গ্রহণ করে-
  1. অসাধুভাবে
  2. বিশ্বাসভরে
  3. সরল বিশ্বাসে
  4. প্রতারণামূলকভাবে
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪০৫ ধারার বিধান অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ:- কোন ব্যক্তি যদি কোনভাবে কোন সম্পত্তির বা সম্পত্তি পরিচালনের দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়ে, অসাধুভাবে সে সম্পত্তি আত্মসাৎ করে বা নিজের ব্যবহারে প্রয়োগ করে, অথবা অনুরূপ দায়িত্ব যেভাবে নির্বাহিত হত বলে বিহিত আইনে নির্দেশ করা হয়েছে, তা খেলাফ করে সে দায়িত্ব নির্বাহ সম্পর্কে সে প্রকাশ্য বা অনুরূপ যে আইনগত চুক্তি করেছে তা খেলাফ করে সে সম্পত্তি অসাধুভাবে ব্যবহার করে, বা বিলি ব্যবস্থা করে অথবা ইচ্ছাপূর্বক অপর কোন ব্যক্তিকে তা করতে দেয়, তবে উক্ত ব্যক্তি 'অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের' অপরাধ করেছে।
অর্থাৎ অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের ক্ষেত্রে অপরাধী প্রাথমিকভাবে সম্পত্তির দখল গ্রহণ করে বিশ্বাসভরে তার পর অসাধুভাবে সে সম্পত্তি আত্মসাৎ করে বা নিজে ব্যবহার করে।
⇒ দণ্ডবিধির ৪০৬ ধারার বিধান অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের সাজা:- কোন ব্যক্তি যদি অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ করে, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
----------------------
- Section 405 Criminal breach of trust: Whoever, being in any manner entrusted with property, or with any dominion over property, dishonestly misappropriates or converts to his own use that property, or dishonestly uses or disposes of that property in violation of any direction of law prescribing the mode in which such trust is to be discharged, or of any legal contract, express or implied, which he has made touching the discharge of such trust, or wilfully suffers any other person so to do, commits "criminal breach of trust".
২১৯.
ছদ্মবেশী প্রতারণার সংজ্ঞা রয়েছ-
  1. ৪০৮ ধারায়
  2. ৪২৫ ধারায়
  3. ৪১৬ ধারায়
  4. ৩৮৩ ধারায়
ব্যাখ্যা
- দণ্ডবিধির ৪১৬ ধারা মতে অপরের রূপ ধারন পূর্বক প্রতারণা বা ছদ্মবেশী প্রতারণার (cheating by personation) বিধান রয়েছে।
- প্রতারণার উদ্দেশ্যে অন্যের পরিচয়ে নিজেকে উপস্থিত করলে তাকে ছদ্মবেশী প্রতারণা বা Cheating by personation বলে।
- যে ব্যক্তির রূপ ধারন করা হয় সে ব্যক্তি প্রকৃত বা কল্পিত যাই হোক না কেন তা ছদ্মবেশে প্রতারণা হবে।
২২০.
পাবলিক জায়গায় দুজন বা ততোধিক ব্যক্তি লড়াই করে জনশান্তি বিঘ্নিত করলে তাকে কী বলা হয়?
  1. Rioting
  2. Affray
  3. Public nuisance
  4. Unlawful assembly
ব্যাখ্যা

⇒ দুজন বা ততোধিক ব্যক্তি কোনো পাবলিক জায়গায় পরস্পরের সাথে লড়াই করে এবং তা দেখে সাধারণ মানুষ ভীত-সন্ত্রস্ত হয়, তখন সেই অপরাধটি Affray (আফ্রে) বা "জনসমক্ষে হুল্লোড় বা মারামারি" নামে পরিচিত। এটি দণ্ডবিধির Section 159 এ সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে।

- Rioting (দাঙ্গা) হলো পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির unlawful assembly (বেআইনি জমায়েত) দ্বারা সহিংসতা বা disturbance সৃষ্টি করা (Section 146)।
- Public nuisance (জনউপদ্রব) হলো এমন কোনো কাজ যা সাধারণ জনগণের inconvenient বা harmful (Section 268)।
- Unlawful assembly (বেআইনি জমায়েত) হলো পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির এমন সমাবেশ যাদের সাধারণ অবৈই লক্ষ্য থাকে (Section 141)।
- যেহেতু প্রশ্নে শুধু দুজন বা ততোধিক ব্যক্তির লড়াই এবং জনশান্তি বিঘ্নিত করার কথা উল্লেখ আছে, তাই এটি Affray এর সংজ্ঞার সাথে মেলে।

- "Affray" বা সড়ক মারামারি সংঘটিত হওয়ার জন্য জনসাধারণের শান্তি বিঘ্নিত হওয়া অপরিহার্য। এটি দণ্ডবিধির ১৫৯ ধারায় উল্লেখিত যে, দুই বা ততোধিক ব্যক্তি প্রকাশ্য স্থানে মারামারি করলে জনশান্তি বিঘ্নিত হয় এবং এটি "Affray" হিসেবে গণ্য হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ১৫৯ ধারার বিধান মারামারি:
যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি কোন প্রকাশ্য স্থানে মারামারি করে শান্তিভঙ্গ করে, তবে তারা "মারামারি” করেছে বলে পরিগণিত হয়।
⇒ দণ্ডবিধির ১৬০ ধারার বিধান মারামারির শাস্তি:
কোন ব্যক্তি যদি মারামারির অপরাধ সংঘটন করে, তবে সে ব্যক্তি এক মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা একশত টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section-159. Affray:
When two or more persons, by fighting in a public place, disturb the public peace, they are said to "commit an affray".
⇒ The Penal Code, 1860- Section-160. Punishment for committing affray:
Whoever commits an affray, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one month, or with fine which may extend to one hundred taka, or with both.

২২১.
A, B-এর মুখমণ্ডলে স্থায়ী বিকৃতি করার উদ্দেশ্যে তাকে আঘাত করে। কিন্তু সেই আঘাতে B-এর মুখে স্থায়ী বিকৃতি না হলেও সে ২০ দিন ধরে গুরুতর শারীরিক ব্যথায় ভোগে। A-এর অপরাধ কী?
  1. স্বেচ্ছায় সাধারণ আঘাত
  2. গুরুতর আঘাত করার চেষ্টা
  3. স্বেচ্ছায় গুরুতর আঘাত
  4. কোনো অপরাধ হয়নি
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩২২ অনুযায়ী, কেউ যদি গুরুতর আঘাত (grievous hurt) করার ইচ্ছা বা জ্ঞান রেখে কাউকে আঘাত করে, এবং প্রকৃতপক্ষে আঘাত গুরুতর হয়, তাকে স্বেচ্ছায় গুরুতর আঘাতকারী বলা হয়।
দণ্ডবিধির ধারা ৩২২ অনুযায়ী, এই পরিস্থিতিতেও A স্বেচ্ছায় গুরুতর আঘাতকারী হিসেবে দণ্ডনীয়।

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০, ধারা-৩২২: স্বেচ্ছায় গুরুতর আঘাত করা:
যে কেউ স্বেচ্ছায় আঘাত করে, যদি সে যে আঘাত করার ইচ্ছা করে বা জানে যে সে করতে পারে তা গুরুতর আঘাত হয়, এবং যদি সে যে আঘাত করে তা গুরুতর আঘাত হয়, তাহলে তাকে বলা হয় "স্বেচ্ছায় গুরুতর আঘাত করা"।

ব্যাখ্যা: একজন ব্যক্তিকে স্বেচ্ছায় গুরুতর আঘাত করা বলা হয় না যদি না সে গুরুতর আঘাত করে এবং গুরুতর আঘাত করার ইচ্ছা রাখে বা জানে যে সে সম্ভবত গুরুতর আঘাত করবে। কিন্তু তাকে স্বেচ্ছায় গুরুতর আঘাত করা বলা হয়, যদি একধরনের গুরুতর আঘাত করার ইচ্ছা রেখে বা জেনেশুনে, সে প্রকৃতপক্ষে অন্য ধরনের গুরুতর আঘাত করে।

উদাহরণ:
'ক', 'খ' এর মুখ স্থায়ীভাবে বিকৃত করার ইচ্ছা রেখে বা জেনেশুনে, 'খ' কে একটি আঘাত করে যা 'খ' এর মুখ স্থায়ীভাবে বিকৃত করে না, কিন্তু যা 'খ' কে বিশ দিন ধরে তীব্র শারীরিক ব্যথা ভোগ করায়। 'ক' স্বেচ্ছায় গুরুতর আঘাত করেছে।

⇒ The Penal Code,1860, Section-322: Voluntarily causing grievous hurt:
Whoever voluntarily causes hurt, if the hurt which he intends to cause or knows himself to be likely to cause is grievous hurt, and if the hurt which he causes is grievous hurt, is said “voluntarily to cause grievous hurt". 
Explanation.-A person is not said voluntarily to cause grievous hurt except when he both causes grievous hurt and intends or knows himself to be likely to cause grievous hurt. But he is said voluntarily to cause grievous hurt, if intending or knowing himself to be likely to cause grievous hurt of one kind, he actually causes grievous hurt of another kind. 
 
Illustration:
A, intending or knowing himself to be likely permanently to disfigure Z's face, gives Z a blow which does not permanently disfigure Z's face, but which causes Z to suffer severe bodily pain for the space of twenty days. A has voluntarily caused grievous hurt.

২২২.
অপরাধমূলক অভিপ্রায় ছাড়া যথাযথ যত্ন ও সতর্কতার সহিত আইনানুগ কার্য সম্পাদনকালে দুর্ঘটনা অপরাধ হিসাবে গণ্য হইবে না- বিধানটি দণ্ডবিধির কত ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. দণ্ডবিধির ৭৮ ধারা
  2. দণ্ডবিধির ৭৯ ধারা
  3. দণ্ডবিধির ৮০ ধারা
  4. দণ্ডবিধির ৮১ ধারা
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ৮০ ধারার বিধান আইনানুগ কাজ সম্পাদনকালে বিপত্তি বা দুর্ঘটনা:- কোন আইনানুগ কাজ আইনানুগ পদ্ধতিতে আইনানুগ উপায়ে যথোপযুক্ত সতর্কতা ও যত্নসহকারে সম্পাদন করাকালে কোন অপরাধমূলক উদ্দেশ্য বা অবগতি ছাড়া দুর্ঘটনা বা দুর্ভাগ্যক্রমে অনুষ্ঠিত কোন কিছুই অপরাধ বলে পরিগণিত হবে না।

--------------
♦ Accident in doing a lawful act:
- Section 80. Nothing is an offence which is done by accident or misfortune, and without any criminal intention or knowledge in the doing of a lawful act in a lawful manner by lawful means and with proper care and caution. 
 
♦ Illustration-
- A is at work with a hatchet; the head flies off and kills a man who is standing by. Here if there was no want of proper caution on the part of A, his act is excusable and not an offence.
২২৩.
'A' একটি বই 'Z'-এর লাইব্রেরি থেকে 'Z'-এর অনুপস্থিতিতে নিয়ে যায়, এই ভেবে যে 'Z' তাকে বইটি নিতে দিতেন। পরে 'A' বইটি বিক্রি করে। এই ক্ষেত্রে 'A' দণ্ডবিধির কোন ধারার অধীনে দোষী হবে?
  1. ৩৭৮ ধারা
  2. ৩৮৩ ধারা
  3. ৪০৩ ধারা
  4. ৪০৫ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ এই প্রশ্নে যে পরিস্থিতি বর্ণনা করা হয়েছে তা সরাসরি দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ৪০৩ ধারা (Dishonest misappropriation of property)-এর অধীন পড়ে।

ঘটনার বিশ্লেষণ:
‘A’ বন্ধুত্বের কারণে ‘Z’-এর লাইব্রেরি থেকে একটি বই নিয়ে যায়, তখন তার বিশ্বাস ছিল যে Z হয়তো সম্মতি দিতেন (অর্থাৎ, ইচ্ছাকৃত চুরি নয় — তাই ৩৭৮ ধারা [চুরি] প্রযোজ্য নয়),
কিন্তু পরে ‘A’ বইটি নিজের লাভের জন্য বিক্রি করে, অর্থাৎ নিজের জন্য আত্মসাৎ করে নেয়, যা অসৎ উদ্দেশ্যে মোচড়যোগ্য সম্পত্তি আত্মসাৎ এর মধ্যে পড়ে।
-  এই আচরণটি ধারা ৪০৩ অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য।
অর্থাৎ ‘A’ যেহেতু বইটি পরবর্তীতে নিজের লাভের জন্য বিক্রি করেছে, এটি অসৎ উদ্দেশ্যে আত্মসাৎ হিসেবে বিবেচিত হবে এবং সে দণ্ডবিধির ৪০৩ ধারা অনুযায়ী দোষী হবে।
সঠিক উত্তর: গ) ৪০৩ ধারা।

Illustration(b)
- A, being on friendly terms with Z, goes into Z's library in Z's absence, and takes away a book without Z's express consent. Here, if A was under the impression that he had Z's implied consent to take the 
book for the purpose of reading it, A has not committed theft. But if A afterwards sells the book for his own benefit, he is guilty of an offence under this section.

⇒ দণ্ডবিধির ৪০৩ ধারার বিধান অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ:
কোন ব্যক্তি যদি অসাধুভাবে কোন অস্থাবর সম্পত্তি আত্মসাৎ করে অথবা উহা তার নিজের ব্যবহারে প্রয়োগ করে, তবে উক্ত ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থদণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
ব্যাখ্যা ১:- কিছু সময়ের জন্য একটি অসাধু আত্মসাৎও এই ধারা অনুযায়ী আত্মসাৎ বলে পরিগণিত হবে।
ব্যাখ্যা ২:- কোন ব্যক্তি যদি কোন সম্পত্তি কারো দখলে নাই দেখতে পেয়ে সম্পত্তিটি উহার মালিকের স্বপক্ষে সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে অথবা মালিককে প্রত্যর্পণের উদ্দেশ্যে উহা নিয়ে যায়, তবে সে অসাধুভাবে উহা নিয়ে গিয়েছে বা আত্মসাৎ করেছে বলে পরিগণিত হবে না এবং কোন অপরাধে অপরাধী হবে না; কিন্তু সে উপরে বর্ণিত অপরাধে অপরাধী হবে যদি সে সম্পত্তিটির মালিককে জানা সত্ত্বেও বা মালিককে খুঁজে বাহির করার উপায় থাকা সত্ত্বেও উহা নিজের কাজে ব্যবহার করে, অথবা যদি সে মালিককে খুঁজে বাহির করার ও তাকে বিজ্ঞাপিত করার জন্য যুক্তিসংগত মাধ্যম অবলম্বনের উদ্দেশ্যে যথোপযুক্ত সময় পর্যন্ত সম্পত্তিটি সংরক্ষণ না করে উহা তার নিজের কাজে ব্যবহার করে।
অনুরূপ ক্ষেত্রে যুক্তিসংগত মাধ্যম কি এবং যথোপযুক্ত সময় কত দীর্ঘ হবে তা একটি ঘটনাগত প্রশ্ন। সম্পত্তিটি প্রাপকের পক্ষে উহার যথার্থ মালিককে তা জানার বা কোন বিশেষ ব্যক্তি যে উহার মালিক তা জানার আবশ্যক নাই; যদি সে সম্পত্তিটি আত্মসাৎ করার সময় উহা যে তার নয় তা বিশ্বাস করে বা সরল মনে বিশ্বাস করে যে, প্রকৃত মালিককে খুঁজে বাহির করা সম্ভব নয়, তবে তাই যথেষ্ট হবে।

⇒The Penal Code, 1860, Section 403. Dishonestly misappropriation of property:
-Whoever dishonestly misappropriates or converts to his own use any moveable property, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
Explanation-1.-A dishonest misappropriation for a time only is a misappropriation within the meaning of this section. 
Explanation-2.-A person who finds property not in the possession of any other person, and takes such property for the purpose of protecting it for, or of restoring it to, the owner, does not take or misappropriate it dishonestly, and is not guilty of an offence; but he is guilty of the offence above defined, if he appropriates it to his own use, when he knows or has the means of discovering the owner, or before he has used reasonable means to discover and give notice to the owner and has kept the property a reasonable time to enable the owner to claim it. 
What are reasonable means or what is a reasonable time in such a case, is a question of fact. 
It is not necessary that the finder should know who is the owner of the property, or that any particular person is the owner of it, it is sufficient if, at the time of appropriating it, he does not believe it to be his own property, or in good faith believes that the real owner cannot be found.
২২৪.
'চুরি' দস্যুতার শামিল হইবে, যদি চুরির উদ্দ্যেশ্যে চোরাইমাল লইয়া যাইবার সময় অপরাধী ইচ্ছাপূর্বক-
  1. কোন ব্যক্তির মৃত্যু, আঘাত বা অন্যায় নিয়ন্ত্রণ ঘটাইলে বা ঘটাইবার চেষ্টা করিলে,
  2. আশু মৃত্যুর বা আশু আঘাতের বা আশু অন্যায় নিয়ন্ত্রণের ভয় সৃষ্টি করিলে বা ভয় সৃষ্টির চেষ্টা করিলে,
  3. 'ক' বা 'খ'
  4. কোনটি নয়।
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৯০ ধারার বিধান: দস্যুতার সংজ্ঞা (Robbery)- চুরি করার উদ্দেশ্যে বা বলপূর্বক গ্রহণের সময় কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটালে, আঘাত দান করলে বা আটক করে রাখলে অথবা মৃত্যু, আঘাত বা অবৈধ বাধার তাৎক্ষণিক ভয় (instant fear) দেখানো হলে তখন তাদস্যুতা বা Robbery বলে গণ্য হবে।
⇒ দস্যুতাকে হিংস্রতম চুরি বা হিংস্রতম বলপ্রয়োগ গ্রহণ বলা হয়। কেননা প্রত্যেক দস্যুতার অপরাধের মধ্যে চুরি বা বলপূর্বক গ্রহণ থাকতে হবে। দস্যুতাকে সহজ কথায় রাহাজানি বলে আখ্যায়িত করা হয়।
⇒ বলপূর্বক গ্রহণ কখন দস্যুতা বলে গণ্য হবে (When extortion is robbery)- বলপূর্বক গ্রহণের সময় অপরাধী স্বয়ং ভিকটিমের নিকটে বা আশেপাশে উপস্থিত থেকে তাৎক্ষনিক ভয়ের সৃষ্টি করলে বলপূর্বক গ্রহণ দস্যুতা বলে গণ্য হবে।
⇒ চুরি কখন দস্যুতা বলে গণ্য হবে (When theft is robbery)- চুরি করার উদ্দেশ্যে বা চুরি করার সময় কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটালে, আঘাত দান করলে বা অবৈধ আটক করে রাখলে অথবা মৃত্যু, আঘাত বা অবৈধ বাধার তাৎক্ষণিক ভয় (instant fear) দেখানো হলে তখন চুরি দস্যুতা বলে গণ্য হবে।

⇒ পেনাল কোডের ৩৯০ ধারায় দস্যুতার সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। চুরি করার সময় কোন কাজ করলে সেটি দস্যুতায় রূপ নেবে এবং বলপূর্বক গ্রহণের সময় কী কাজ করলে সেটি দস্যুতায় রূপ নিবে সেটি বর্ণনা করা হয়েছে। চুরি অপরাধ সংঘটনকালে যদি death, hurt, wrongful restraint ইত্যাদি করে বা তা করার চেষ্টা করে বা তা করার তাৎক্ষণিক ভয় দেখায় তবে তা দস্যুতায় রূপ নেবে। কিন্তু extortion –এর ক্ষেত্রে উক্ত অপরাধগুলো সংঘটন করা নয়, বরং তা করার ভয় দেখালেই তা দস্যুতায় রূপান্তরিত হবে।
⇒ পেনাল কোডের ৩৯০ ধারা মতে প্রত্যেক দস্যতায় হয় চুরি, না হয় বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়ের অপরাধ সংঘটিত হয়।

⇒ যেক্ষেত্রে চুরি দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে (When theft is robbery):-
চুরি করার উদ্দেশ্যে, অথবা চুরি করতে, কিংবা চুরিতে লব্ধ সম্পত্তি বহন বা বহনের উদ্যোগ কালে, অপরাধকারী তদুদ্দেশ্যে ইচ্ছাপূর্বক কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায় বা তাকে আঘাতদান করে তাকে অন্যায় ভাবে আটক করে বা করার উদ্যোগ করে, বা তাকে তাৎক্ষণিক মৃত্যু বা তাৎক্ষণিক আঘাত বা তাৎক্ষণিক অবৈধ আটকের ভীতি প্রদর্শন করে বা করার উদ্যোগ করে, তা হলে উক্ত চুরি হচ্ছে দস্যুতা।

⇒ বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় যেক্ষেত্রে  দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে (When extortion is robbery):-
বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়ের সময় অপরাধী-যে ব্যক্তিকে ভয়ে বিহবল করা হয়েছে, সে ব্যক্তির বা অন্য কোন ব্যক্তিকে আশু মৃত্যুর, আশু আঘাতের বা আশু অন্যায় নিয়ন্ত্রণের ভয়ে অভিভূত করে বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় করলে, এবং এইভাবে যে ব্যক্তিকে ভয়ে অভিভূত করা হয়েছে, সে ব্যক্তিকে তখন বলপূর্বক আদায়কৃত বস্তুটি অর্পণে বাধ্য করলে, বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে।
⇒ ব্যাখ্যা (Explanation):-
অপরাধী অন্য ব্যক্তিকে আশু মৃত্যুর, আঘাতের বা আশু অন্যায় নিয়ন্ত্রণের ভয়ে অভিভূত করার পক্ষে যথেষ্ট নিকটে থাকলে সে হাজির বলে পরিগণিত হবে।

⇒ অর্থাৎ চুরি করার উদ্দেশ্যে বা বলপূর্বক গ্রহণের সময় কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটালে, আঘাত দান করলে বা আটক করে রাখলে অথবা মৃত্যু, আঘাত বা অবৈধ বাধার তাৎক্ষণিক ভয় (instant fear) দেখানো হলে তখন তা দস্যুতা বা Robbery বলে গণ্য হবে।

⇒ দস্যুতাকে হিংস্রতম চুরি বা হিংস্রতম বলপ্রয়োগ গ্রহণ বলা হয়। কেননা প্রত্যেক দস্যুতার অপরাধের মধ্যে চুরি বা বলপূর্বক গ্রহণ থাকতে হবে।

⇒ দস্যুতার মধ্যে নিম্নলিখিত উপাদান বিদ্যমান-
i)এক বা একাধিক ব্যক্তি তবে ৫ জনের কম যৌথভাবে অপরাধটি সংঘটিত করে;
ii) আঘাতের ভয় বা মৃত্যুভয় দেখিয়ে বা অবৈধ আটকের ভয় দেখায়;
iii) অসাধুভাবে সম্পত্তিটি প্রদানে বাধ্য করে; এবং
iv) প্রত্যেক দস্যুতার অপরাধের মধ্যে চুরি বা বলপূর্বক গ্রহণ থাকে।

⇒ দস্যুতার সর্বনিম্ন সদস্য ১ জন এবং সর্বোচ্চ সদস্য ৪ জন। অন্যদিকে ডাকাতির সর্বনিম্ন সদস্য ৫ জন। দস্যুতার সদস্য যদি ৫ বা ততোধিক হয় তখন দস্যুতা ডাকাতিতে পরিণত হয়।

⇒ প্রত্যেক ডাকাতির ক্ষেত্রে দস্যুতা ( চুরি অথবা বলপূর্বক গ্রহণ) থাকে। কিন্তু দস্যুতা এবং ডাকাতির মধ্যে মূল পার্থক্য হলো সংখ্যাগত। দণ্ডবিধির ৩৯১ ধারা অনুযায়ী ডাকাতির ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন সদস্য ৫ জন থাকতে হবে।
২২৫.
কত বয়সের নিচে কোনো নাবালককে অভিভাবকের সম্মতি ছাড়া তার অভিভাবকের কাছ থেকে নিয়ে গেলে, সেটি অপহরণ হিসেবে গণ্য হবে?
  1. ১৪ বছর
  2. ১৫ বছর
  3. ১৮ বছর
  4. ২১ বছর
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩৬১ ধারা- আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে মনুষ্যহরণ:
কোন ব্যক্তি যদি চৌদ্দ বৎসরের কম বয়সী কোন নাবালককে অথবা ষোল বৎসরের কম বয়সী কোন নাবালিকাকে অথবা বিকৃত মস্তিষ্ক কোন ব্যক্তিকে তার অভিভাবকের সম্মতি ছাড়াই অভিভাবকের রক্ষণাবেক্ষণ হতে নিয়ে যায়, তবে সে ব্যক্তি উক্ত অপ্রাপ্তবয়স্ক বালক বা বালিকাকে অথবা অনুরূপ বিকৃতমস্তিষ্ক ব্যক্তিকে আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে অপহরণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

ব্যাখ্যা: এই ধারায় "আইনসম্মত অভিভাবক" বলতে অনুরূপ অপ্রাপ্ত বয়স্ক বা অপর ব্যক্তির রক্ষণাবেক্ষণের জন্য আইনতঃ ভারপ্রাপ্ত যেকোন ব্যক্তিকেও বুঝাবে।

ব্যতিক্রম: যে ব্যক্তি সরল বিশ্বাসে নিজেকে কোন অবৈধ সন্তানের পিতা বলে বিশ্বাস করে অথবা যে ব্যক্তি নিজেকে অনুরূপ শিশুর আইনসম্মত রক্ষণাবেক্ষণের ক্ষমতাপ্রাপ্ত বলে সরলমনে বিশ্বাস করে, সে ব্যক্তি কোন অবৈধ বা বেআইনী উদ্দেশ্যে অনুরূপ কাজ না করলে তার ক্ষেত্রে এই ধারা প্রয়োগযোগ্য হবে না।
২২৬.
দণ্ডবিধির ২৬৬ ধারা অনুযায়ী, যদি কেউ ভুল ওজন বা মাপের যন্ত্র নিজের কাছে রাখে এবং তা প্রতারণামূলকভাবে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে থাকে, তবে তার সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ১ বছর কারাদণ্ড
  2. ২ বছর কারাদণ্ড
  3. ৩ বছর কারাদণ্ড
  4. ৫ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ২৬৬ ধারা অনুযায়ী: “যে ব্যক্তি কোনো ভুল ওজন বা মাপ বা ওজন করার যন্ত্র জেনে-বুঝে নিজের কাছে রাখে, এবং প্রতারণামূলকভাবে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে তা সংরক্ষণ করে, তাকে ১ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, অথবা জরিমানা, অথবা উভয় দণ্ড দেওয়া যেতে পারে।”
-------
⇒The Penal Code, 1860, Section- 266. Being in possession of false weight or measure:
Whoever is in possession of any instrument for weighing, or of any weight, or of any measure of length or capacity, which he knows to be false, and intending that the same may be fraudulently used, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one year, or with fine, or with both.
২২৭.
দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৩৭৮ কোন অপরাধের সাথে সম্পর্কিত?
  1. চুরি
  2. রাষ্ট্রদ্রোহ
  3. মানহানি
  4. ডাকাতি
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারার বিধান চুরি:- কোন ব্যক্তি যদি কারো দখল হতে তার সম্মতি ব্যতীত কোন অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণ করার উদ্দেশ্য নিয়ে উক্ত সম্পত্তি অনুরূপভাবে গ্রহণের জন্য স্থানান্তর করে, তবে উক্ত ব্যক্তি চুরি করেছে বলে গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ১:- কোন বস্তু যতক্ষণ পর্যন্ত অস্থাবর সম্পত্তি না হওয়া বিধায় মাটির সাথে যুক্ত থাকে, ততক্ষণ পর্যন্ত উহা চুরি করার বস্তু বলে গণ্য হবে না, কিন্তু যে মুহূর্তে উহাকে মাটি হতে বিচ্ছিন্ন করা হয় সে মুহূর্তেই উহা চুরি করার বস্তু হওয়ার যোগ্য গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ২:- যে কাজ কর্তৃক (মাটি হতে) বিচ্ছিন্নতা সাধন করা হয়, সে কাজ দ্বারাই স্থানান্তর করা হলে তা চুরি হতে পারে।
ব্যাখ্যা ৩:- কোন ব্যক্তি কোন বস্তুর গতির প্রতিবন্ধক অপসারণ করলে বা উহাকে অপর কোন বন্ধু হতে বিচ্ছিন্ন করলে এবং বাস্তবিকভাবে উহা স্থানান্তর করলে উক্ত বস্তু স্থানান্তর করে বলে পরিগণিত হবে।
ব্যাখ্যা ৪:- কোন ব্যক্তি যে কোন উপায়ে কোন পশুকে হাঁটায়, সে লোক সে পশুকে এবং অনুরূপভাবে সৃষ্ট গতির ফলে উক্ত পশু দ্বারা স্থানান্তরিত প্রত্যেক বস্তুকে স্থানান্তর করে বলে গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ৫:- সংজ্ঞায় উল্লিখিত সম্মতি প্রকাশ্য অথবা পরোক্ষ হতে পারে: এবং উক্ত সম্মতি দখলকারী ব্যক্তি বা উক্ত উদ্দেশ্য প্রকাশ্য বা পরোক্ষ ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তির দ্বারা প্রদত্ত হতে পারে।
------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 378: Theft:
- Whoever, intending to take dishonestly any moveable property out of the possession of any person without that person's consent, moves that property in order to such taking, is said to commit theft.
Explanation 1.- A thing so long as it is attached to the earth, not being moveable property, is not the subject of theft; but it becomes capable of being the subject of theft as soon as it is severed from the earth.
Explanation 2.- A moving effected by the same act which effects the severance may be a theft.
Explanation 3.- A person is said to cause a thing to move by removing an obstacle which prevented it from moving or by separating it from any other thing, as well as by actually moving it.
Explanation 4.- A person, who by any means causes an animal to move, is said to move that animal, and to move everything which, in consequence of the motion so caused, is moved by that animal.
Explanation 5.- The consent mentioned in the definition may be express or implied, and may be given either by the person in possession, or by any person having for that purpose authority either express or implied.
২২৮.
'P' তার ঘোড়া থেকে পড়ে যায় এবং অজ্ঞান হয়ে পড়ে। সার্জন 'A' দেখতে পায় যে, 'P'-এর মাথার খুলি ছিদ্র করা প্রয়োজন। 'A' 'P' কে হত্যা করার উদ্দেশ্য ছাড়া, সরল বিশ্বাসে 'P' এর মঙ্গলের জন্য তার হুঁশ ফেরার পূর্বে 'P' এর মাথায় ছিদ্র করে। এই ক্ষেত্রে 'A'-
  1. কোন অপরাধ করেনি
  2. হত্যার চেষ্টা করেছে
  3. নর হত্যার চেষ্টা করেছে
  4. গুরুতর জখম করেছে
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ৯২ ধারার বিধান সম্মতি ব্যতিরেকে কোন ব্যক্তির মঙ্গলার্থে সদবিশ্বাসে কৃত কার্য: যদি কোন ব্যক্তির উপকার করার আন্তরিক সদিচ্ছা থেকে বা সরল বিশ্বাসে উক্ত ব্যক্তির বিনা সম্মতিতে সম্পাদিত কাজের ফলে তার কোনরূপ ক্ষতি হয়, তবে উক্ত ক্ষতি হয়েছে বলে কার্যটি অপরাধ হবে না।

যদি কাজটি সম্পাদনকালে বাস্তব অবস্থাবলি এমন হয়ে থাকে যে, সে অবস্থায় উক্ত ব্যক্তির পক্ষে কাজটি করায় সম্মতি জ্ঞাপন করা অসম্ভব ছিল, অথবা সে ব্যক্তি সম্মতিদানে অপরাগ ছিল এবং তার এমন কোন অভিভাবক বা তার সম্পর্কে আইনসম্মত দায়িত্বসম্পন্ন অপর কোন ব্যক্তি ছিল না; যার নিকট থেকে উক্ত ব্যক্তির মঙ্গলার্থে যে কার্যটি করা হচ্ছে, সে কাজে যথাসময়ে সম্মতি নেয়া সম্ভব ছিল:

তবে শর্ত থাকে যে-

প্রথমত (First):- এই ব্যতিক্রম ইচ্ছাকৃতভাবে মৃত্যু ঘটালে সে ক্ষেত্রে অথবা ইচ্ছাকৃতভাবে মৃত্যু ঘটাবার চেষ্টা করলে সে ক্ষেত্রে প্রয়োগযোগ্য হবে না;

দ্বিতীয়ত (Secondly):-
এই ব্যতিক্রম যে কাজটি সম্পাদনের ফলে মৃত্যু ঘটতে পারে বলে কাজটি সম্পাদনকারী জানে, সে কাজটি যদি মৃত্যু নিরোধের বা গুরুতর আঘাত এড়াবার কিংবা কোন মারাত্মক রোগ নিরাময়ের বা অশক্তি বিদূরণের উদ্দেশ্য ছাড়াই অপর কোন উদ্দেশ্যে সম্পাদন হয়, তবে সে ক্ষেত্রে প্রয়োগযোগ্য হবে না;

তৃতীয়ত (Thirdly):- এই ব্যতিক্রম মৃত্যু নিরোধের বা আঘাত এড়াবার উদ্দেশ্য ছাড়াই ইচ্ছাকৃতভাবে আঘাত করা অথবা আঘাত করার চেষ্টা করার ক্ষেত্রে প্রয়োগযোগ্য হবে না;

চতুর্থত (Fourthly):- এই ব্যতিক্রম যে অপরাধ করার ক্ষেত্রে প্রয়োগযোগ্য হবে না, সে অপরাধ করতে সহায়তার বা যোগসাজশের ক্ষেত্রেও এই ব্যতিক্রম প্রয়োগযোগ্য হবে না।

উদাহরণসমূহ - Illustrations:
(ক) চ ঘোড়ার উপর থেকে পড়ে গিয়ে সংজ্ঞাহীন হয়ে যায়। ক একজন অস্ত্রচিকিৎসক। তিনি চ-কে পরীক্ষা করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন যে, তার মাথার খুলতে অন্ত্রোপচার করে চিকিৎসা করা আশু আবশ্যক। তদানুসারে ক চ-এর মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্যে নয়, বরং তার উপকার হবে এইরূপ আন্তরিক সদিচ্ছায় বা সরল বিশ্বাসে চ-এর স্বয়ং বিচার করার ক্ষমতা পুনরুদ্ধারের আগেই তার মাথার খুলিতে অস্ত্রোপচার করেন। ক এর কাজটি অপরাধ বলে বিবেচনা হবে না।

(খ) গুলির ফলে চ নিহত হতে পারে জেনেও বাঘের কবলে পতিত চ-কে নিহত করার উদ্দেশ্যে নয়, বরং তাকে বাঘের কবল হতে উদ্ধার করার বা বাচাবার আন্তরিক সদিচ্ছা থেকে ক বাঘটির প্রতি গুলিবর্ষণ করে। গুলির ফলে চ গুরুতরভাবে আহত বা নিহত হয়। ক-এর এইরূপ গুলিবর্ষণ অপরাধজনক হবে না।

(গ) ক একজন সার্জন। তিনি একটি শিশুকে দুর্ঘটনায় পতিত হতে দেখেন এবং শিশুটিকে পরীক্ষা করে দেখেন যে, দুর্ঘটনার ফলে শিশুটি এমন গুরুতরভাবে আহত হয়েছে যে, অবিলম্বে শিশুটির উপর অস্ত্রোপচার না করলে তার মৃত্যু ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে। পরিস্থিতিটি এমন যে শিশুটির অভিভাবকের অনুমতি প্রার্থনার অবকাশ নাই বা শিশুটির উপকার করার আন্তরিক সদিচ্ছা থেকে তিনি শিশুটির কাকুতি-মিনতি সত্ত্বেও তার উপর অস্ত্রোপচার করেন। ক-এর কাজটি অপরাধ নয়।
২২৯.
এককালীন নির্জন কারাবাসের সর্বোচ্চ মেয়াদ হতে পারে ________?
  1. ১৪ দিন
  2. ৩ মাসের বেশী
  3. ৩ মাস
  4. ১৪ দিনের বেশী
ব্যাখ্যা
♦The Penal Code, 1860 এর ৭৪ ধারা মতে নির্জন কারাবাসের সীমাঃ নির্জন কারাবাস আদেশ কার্যকরীকরণে অনুরূপ কারাবাসের মেয়াদ কোন ক্ষেত্রেই একাদিক্রমে ১৪ দিনের বেশি হবে না এবং কারাবাসের মেয়াদসমূহের মধ্যবর্তী বিরতিকালের মেয়াদও কারাবাসের মেয়াদ অপেক্ষা কম হবে না; প্রদত্ত কারাদণ্ডের মেয়াদ তিন মাসের বেশি হলে প্রদত্ত কারাদণ্ডের সমগ্র মেয়াদের মধ্যে কোন এক মাসে নির্জন কারাবাসের মেয়াদ সাত দিনের বেশি হবে না এবং অনুরূপ কারাবাসের মেয়াদসমূহের মধ্যবর্তী বিরতিকালের মেয়াদ অপেক্ষা কম হবে না।
২৩০.
যদি কেউ বেআইনি সমাবেশে যোগদানের জন্য অন্য কাউকে নিয়োগ বা সহায়তা করে, দণ্ডবিধির কত ধারা অনুসারে তার শাস্তির বিধান রয়েছে?
  1. ১৫০ ধারা
  2. ১৫১ ধারা
  3. ১৫২ ধারা
  4. ১৫৩ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৫০ ধারা অনুযায়ী, যদি কেউ বেআইনি সমাবেশে যোগদানের জন্য অন্য কাউকে নিয়োগ, নিযুক্ত, উৎসাহিত বা সহায়তা করে, তবে তাকে সেই বেআইনি সমাবেশের সদস্যদের মতোই শাস্তি প্রদান করা হবে। অর্থাৎ, সে নিজে সমাবেশে সরাসরি অংশগ্রহণ না করলেও অপরাধ সংঘটনের দায়ে দণ্ডনীয় হবে।

⇒ দণ্ডবিধি ১৫০ ধারা: বেআইনি সমাবেশে যোগদানের জন্য ব্যক্তিকে নিয়োগ বা সহায়তা করা: 
যে কেউ যদি কাউকে বেআইনি সমাবেশে যোগদান বা সদস্য হওয়ার জন্য নিয়োগ করে, নিয়োজিত করে, কাজে লাগায়, উৎসাহিত করে বা এ ধরনের নিয়োগ, নিয়োগপ্রক্রিয়া বা নিয়োজিত করার কাজে সহযোগিতা করে, তবে সে ব্যক্তি ঐ বেআইনি সমাবেশের সদস্য হিসেবে শাস্তিযোগ্য হবে।
এছাড়া, সে ব্যক্তি যে কোনো অপরাধ সংঘটিত করলে বা ঐ বেআইনি সমাবেশের সদস্য হিসেবে কোনো অপরাধ সংঘটিত হলে, তখন এই ধারা অনুসারে নিয়োগকারী বা সহযোগিতা প্রদানকারী ব্যক্তি ঐ অপরাধের জন্য সমানভাবে দোষী বলে গণ্য হবে এবং সেই অনুযায়ী শাস্তি পাবে, যেন সে নিজেই ঐ বেআইনি সমাবেশের সদস্য ছিল বা নিজেই অপরাধটি সংঘটিত করেছিল।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 150. Hiring, or conniving at hiring, of persons to join unlawful assembly:
Whoever hires or engages, or employs, or promotes, or connives at the hiring, engagement or employment of any person to join or become a member of any unlawful assembly, shall be punishable as a member of such unlawful assembly, and for any offence which may be committed by any such person as a member of such unlawful assembly in pursuance of such hiring, engagement or employment, in the same manner as if he had been a member of such unlawful assembly, or himself had committed such offence.
২৩১.
A একটি জিনিসে নকল চিহ্ন লাগিয়ে Z-কে এই বিশ্বাসে ঠকায় যে, এটা কোনো বিখ্যাত কোম্পানির তৈরি, এবং Z সেটি কিনে ফেলে। এক্ষেত্রে, A ________ করেছে।
  1. প্রতারণা
  2. জালিয়াতি
  3. অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ
  4. অসাধু সম্পত্তি গোপন
ব্যাখ্যা

The Penal Code, 1860 এর ধারা ৪১৫ - প্রতারণা (Cheating):
যে কেউ, কোনো ব্যক্তিকে প্রতারণা করে এবং সেই প্রতারণার মাধ্যমে সেই প্রতারিত ব্যক্তিকে কাউকে কোনো সম্পত্তি দিতে বা কাউকে সেই সম্পত্তি ধরে রাখতে সম্মতি জানাতে প্ররোচিত করে, অথবা এমন কিছু করতে বা না করতে প্ররোচিত করে, যা সে প্রতারিত না হলে করত না বা বাদ দিত না, এবং যার ফলে সেই ব্যক্তির দেহ, মন, সুনাম বা সম্পত্তির ক্ষতি বা ক্ষতির সম্ভাবনা ঘটে, তাহলে ঐ ব্যক্তিকে “প্রতারক” বলা হয়।

ব্যাখ্যা: যদি কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপন করে, তবে সেটিও এই ধারার অধীনে প্রতারণা হিসেবে বিবেচিত হবে।

উদাহরণসমূহ:
(ক) A মিথ্যা পরিচয় দিয়ে বলে যে সে সরকারি চাকরিজীবী। এভাবে সে Z-কে প্রতারিত করে এবং Z তাকে পণ্য দেয়, যা A আসলে পরিশোধ করার ইচ্ছা রাখে না। → A প্রতারণা করেছে।

(খ) A একটি জিনিসে নকল চিহ্ন লাগিয়ে Z-কে এই বিশ্বাসে ঠকায় যে এটা কোনো বিখ্যাত কোম্পানির তৈরি, এবং Z সেটি কিনে ফেলে। → A প্রতারণা করেছে।

(গ) A একটি ভুয়া নমুনা দেখিয়ে Z-কে বিশ্বাস করায় যে পুরো মাল সে রকমই, এবং Z তাকে দাম দিয়ে পণ্য কিনে। → A প্রতারণা করেছে।

২৩২.
দণ্ডবিধির কত ধারায় খুনের (Murder) সংজ্ঞা রয়েছে?
  1. ২৯৯ ধারায়
  2. ৩০০ ধারায়
  3. ৩০১ ধারায়
  4. ৩০২ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০০ ধারার বিধান খুন:- খুনের সবক্ষেত্রে ব্যতিক্রম নির্দেশ করা হয়েছে। সে সকল ক্ষেত্র ব্যতীত অন্যান্য সকল ক্ষেত্রে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুন হবে, যদি যে কার্যটি কর্তৃক মৃত্যু অনুষ্ঠিত হয়, সে কার্যটি মৃত্যু সংঘটনের জন্যই করা হয়ে থাকে, অথবা
দ্বিতীয়ত, যদি কার্যটি কোন ব্যক্তিকে এমনভাবে দৈহিক আঘাত দেওয়ার উদ্দেশ্যে করা হয়ে থাকে, যে আঘাতের ফলে যে ব্যক্তিকে আঘাত দেওয়া হল, সে ব্যক্তির মৃত্যু হতে পারে বলে অপরাধী জানে, অথবা
তৃতীয়ত, যদি কোন ব্যক্তিকে দৈহিক আঘাত দানের উদ্দেশ্যে কার্যটি করা হয় এবং যদি যে দৈহিক আঘাত দেওয়ার অভিসন্ধি করা হয়েছে, সে আঘাতটি প্রকৃতির স্বাভাবিক গতিতে মৃত্যু ঘটাবার পক্ষে যথেষ্ট হয়, অথবা
চতুর্থত, যদি যে ব্যক্তি কার্যটি অনুষ্ঠান করে সে ব্যক্তি জানে যে, কার্যটি এমন আশু বিপজ্জনক যে, ইহার দরুণ খুব সম্ভব মৃত্যু ঘটবে, অথবা ইহার দরুণ অবশ্যই এমন দৈহিক আঘাত ঘটবে, যার ফলে মৃত্যু ঘটতে পারে এবং মৃত্যু ঘটাবার বা অনুরূপ দৈহিক আঘাত ঘটাবার ঝুঁকি গ্রহণের অপর কোন অজুহাত ব্যতিরেকে অনুরূপ কার্য করে।
--------------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 300: Murder:
-Except in the cases hereinafter excepted, culpable homicide is murder, if the act by which the death is caused is done with the intention of causing death, or-
Secondly.-If it is done with the intention of causing such bodily injury as the offender knows to be likely to cause the death of the person to whom the harm is caused, or –
Thirdly.-If it is done with the intention of causing bodily injury to any person and the bodily injury intended to be inflicted is sufficient in the ordinary course of nature to cause death, or –
Fourthly.-f the person committing the act knows that it is so imminently dangerous that it must, in all probability, cause death, or such bodily injury as is likely to cause death, and commits such act without any excuse for incurring the risk of causing death or such injury as aforesaid.

Illustration:
(a) A shoots Z with the intention of killing him. Z dies in consequence. A commits murder.
২৩৩.
দণ্ডবিধির কোন ধারায় "অপরাধে প্ররোচনা" (Abetment of a thing) সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে?
  1. ধারা-৩৪
  2. ধারা-১০৭
  3. ধারা-১০৮
  4. ধারা-১২০
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ধারা ১০৭-এ "অপরাধে প্ররোচনা" (Abetment of a thing) এর সুনির্দিষ্ট সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। এই ধারায় বলা হয়েছে, কেউ অপরাধে প্ররোচনা দেয় যদি সে প্ররোচিত করে (Instigates), বা ষড়যন্ত্রে অংশগ্রহণ করে, এবং তাতে কোনো বেআইনি কাজ সংঘটিত হয়, বা ইচ্ছাকৃতভাবে সাহায্য করে (intentionally aids), কোনো কাজ করে বা বেআইনি অব্যাহতি দিয়ে।

⇒ দণ্ডবিধির ১০৭ ধারা অপরাধে সহায়তা বা প্ররোচনা (Abetment):
অপরাধে সহায়তা বা প্ররোচনা বলতে এমন কাজ বা কার্যক্রম বোঝায় যা অন্যকে অপরাধ করতে উসকানির মাধ্যমে সহায়তা করে। এর মধ্যে রয়েছে:
- অনুপ্রেরণা বা উসকানি (Instigation): অন্য কাউকে অপরাধ করার জন্য উদ্বুদ্ধ বা প্ররোচিত করা।
- ষড়যন্ত্র (Conspiracy): অপরাধ করার জন্য অন্য কারও সাথে গোপনে পরিকল্পনা করা।
- সহায়তা (Assistance): অপরাধ সংঘটনে সরাসরি সাহায্য করা।
→ যখন কোনো ব্যক্তি অন্য কাউকে অপরাধ করতে সাহায্য বা উসকানি দেয়, তখন তাকে অপরাধের সাথে সম্পর্কিত হিসেবে দণ্ডবিধির ১০৮ ধারায় প্ররোচনাকারী হিসেবে গণ্য করা হয়।
→ দণ্ডবিধির ১০৭ ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, যেকোনো ব্যক্তি যদি অপরাধ করার জন্য কাউকে প্ররোচিত করে বা অপরাধ সংঘটনের জন্য চক্রান্তে লিপ্ত হয়, তবে তাকে অপরাধে সহায়তা বা প্ররোচনাকারী বলে গণ্য করা হবে।

উদাহরণ: যদি একজন ব্যক্তি অন্য কাউকে চুরি করতে উসকানি দেয় বা চুরির জন্য তাকে সাহায্য করে, তবে সে সেই অপরাধের জন্য দায়ী হবে।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860 Section 107: Abetment of a thing:
A person abets the doing of a thing, who-
Firstly.- Instigates any person to do that thing; or
Secondly.- Engages with one or more other person or persons in any conspiracy for the doing of that thing, if an act or illegal omission takes place in pursuance of that conspiracy, and in order to the doing of that thing; or
Thirdly.- Intentionally aids, by any act or illegal omission, the doing of that thing.
Explanation-1.- A person who, by wilful misrepresenta-tion, or by wilful concealment of a material fact which he is bound to disclose, voluntarily causes or procures, or attempts to cause or procure, a thing to be done, is said to instigate the doing of that thing.
Explanation-2.- Whoever, either prior to or at the time of the commission of an act, does anything in order to facilitate the commission of that act, and thereby facilitates the commission thereof, is said to aid the doing of that act.
২৩৪.
চিকিৎসায় অবহেলাজনিত (Medical Negligence) কারণে যদি কোন ব্যক্তি মারা যায়, তাহলে ডক্তারকে দণ্ডবিধির কোন ধারায় দণ্ডিত করা যায়?
  1. দণ্ডবিধির ৩০৪ ধারায়
  2. দণ্ডবিধির ৩০৪ক ধারায়
  3. দণ্ডবিধির ৩০৪খ ধারায়
  4. দণ্ডবিধির ৩০৫ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০৪ক ধারার বিধান অবহেলার ফলে মৃত্যু সংঘটন:- কোন ব্যক্তি যদি বেপরোয়াভাবে বা অবহেলাজনকভাবে কার্য করে কারো মৃত্যু ঘটায় এবং তা শাস্তিযোগ্য নরহত্যা না হয়, তবে সে ব্যক্তি পাঁচ বৎসর পর্যন্ত মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
----------------------
⇒ Causing death by negligence:
Section 304A. Whoever causes the death of any person by doing any rash or negligent act not amounting to culpable homicide shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to five years, or with fine, or with both.
২৩৫.
মিথ্যা সাক্ষ্য (False Evidence) প্রদানের সংজ্ঞা রয়েছে-
  1. ১৯১ ধারা
  2. ১৯২ ধারা
  3. ২৯১ ধারা
  4. ১৯৪ ধারা
ব্যাখ্যা
• ১৯১ ধারা মতে কোন ব্যাক্তি যখন শপথ সহ বা শপথ ছাড়া কোন বিষয়ে আইনগত বাধ্য হয়ে এমন কোন মৌখিক বা লিখিত বিবৃতি দেয় যা তার জ্ঞান ও বিশ্বাস মতে মিথ্যা বা অসত্য, তখন এরূপ বিবৃতিকে মিথ্যা সাক্ষ্যদান বলে।
২৩৬.
দণ্ডবিধির কোন ধারায় তিন বা ততোধিক দিনের জন্য অবৈধভাবে কাউকে আটক রাখার জন্য শাস্তির বিধান রয়েছে?
  1. ধারা 340
  2. ধারা 342
  3. ধারা 343
  4. ধারা 344
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) ধারা 343.
⇒দণ্ডবিধির ৩৪৩ ধারা অনুযায়ী, যদি কেউ কাউকে তিন বা ততোধিক দিনের জন্য অবৈধভাবে আটক রাখে, তবে সে ব্যক্তি ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৪৩ ধারার বিধান তিন বা ততোধিক দিনের জন্য অবৈধ অবরোধ:- কোন ব্যক্তি যদি কাউকে তিন বা ততোধিক দিনের জন্য অবৈধভাবে অবরোধ করে রাখে, তবে উক্ত ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
-----
⇒ The Penal Code, 1860- Section 343. Wrongful confinement for three or more days:
- Whoever wrongfully confines any person for three days or more, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
২৩৭.
পেনাল কোডের কোন ধারার বিধান অনুযায়ী অপরাধ সংঘটনে অংশগ্রহণ না করা সত্বেও শুধু সাধারণ উদ্দেশ্য থাকায় অপরাধ সংঘটনের অপরাধে অভিযুক্ত হতে হয়?
  1. ৩৪
  2. ১৪৯
  3. ১৮৬
  4. ১৩৯
ব্যাখ্যা
♦পেনাল কোডের ১৪৯ ধারায় বেআইনী সমাবেশের দায় সম্পর্কে বলা হয়েছে। পেনাল কোডের ১৪৯ ধারা অনুযায়ী কোন বেআইনী সমাবেশের যেকোন সদস্য কর্তৃক সাধারণ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের জন্য কোন অপরাধ সংঘটিত হলে, অথবা সমাবেশের সদস্যগণ সাধারণ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের জন্য উক্ত অপরাধ সংঘটিত হতে পারে মর্মে জ্ঞাত থাকলে তাদের প্রত্যেকে উক্ত অপরাধের জন্য দায়ী হবে।
♦পেনাল কোডের ৩৪ ধারায় যৌথভাবে দায়ী করতে হলে অভিযুক্তদের অংশগ্রহণ থাকতে হবে। ৩৪ ধারার ক্ষেত্রে উপস্থিতি প্রয়োজনীয় না। অন্যদিকে ১৪৯ ধারা প্রয়োগ করতে হলে অপরাধ সংঘটনের অংশগ্রহণ প্রয়োজনীয় না বরং সাধারণ উদ্দেশ্য নিয়ে অপরাধ সংঘটনের সময় বেআইনী সমাবেশে উপস্থিত ছিল এটাই তাকে দায়ী করার জন্য যথেষ্ট ।
২৩৮.
যে উৎপাত দ্বারা জনগণকে ক্ষতিগ্রস্ত, বিপদগ্রস্থ বা অসুবিধার সৃষ্টি করা হয়, তাহাকে বলা হয়-
  1. উৎপাত (nuisance)
  2. গণ উৎপাত (Public nuisance)
  3. ব্যক্তিগত উৎপাত
  4. কোনটাই নয়
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ২৬৮ ধারায় গণ উৎপাত বা Public nuisance এর সংজ্ঞা রয়েছে। ২৬৮ ধারামতে যদি কোন লোক এমন কোন কাজ করে যার ফলে জনসাধারণের বা নিকটবর্তী সম্পত্তির মালিক বা বসবাসকারী লোকদের কোন ক্ষতি, বিপদের আশঙ্কা বা বিরক্তির সৃষ্টি হয়; তাহলে সেই লোক গণ উৎপাত বা Public nuisance করেছে বলে গণ্য হবে।

♦ দণ্ডবিধির ২৬৮ ধারার বিধান জনসাধারণের উপদ্রব :- যদি কোন এমন কোন কার্য করে বা এমন কোন কার্য করা হতে বেআইনীভাবে বিরত থাকে, যার ফলে জনসাধারণের বা সাধারণভাবে নিকটবর্তী সম্পত্তির মালিক বা অধিবাসী ব্যক্তিদের কোন ক্ষতি হয়, বিপদাশঙ্ক হয় বা বিরক্তির সৃষ্টি হয়, অথবা যার ফলে যেসব ব্যক্তি কোন সাধারণ অধিকার ব্যবহার করতে যাবে, তাদের ক্ষতিসাধন, ব্যাঘাত, বিপদাশঙ্ক বা বিরক্তি সৃষ্টি হবে, সে ব্যক্তি জনসাধারণের বিরক্তি উৎপাদক কাজ সম্পাদনের ফলে অপরাধী সাব্যস্ত হবে।

- কোন মামুলী বিরক্তি উৎপাদক কাজ কিছু সুবিধা বা সৌকর্য বিধান করেছে-এই অজুহাতে সে মামুলী বিরক্তি উৎপাদক কাজটি রেহাই পাবে না।

---------------------------------------
♦ Public nuisance:
Section 268. A person is guilty of a public nuisance who does any act or is guilty of an illegal omission which causes any common injury, danger or annoyance to the public or to the people in general who dwell or occupy property in the vicinity, or which must necessarily cause injury, obstruction, dangers or annoyance to persons who may have occasion to use any public right.A common nuisance is not excused on the ground that it causes some convenience or advantage.
২৩৯.
The Penal Code, 1860 এর ধারা ৩৪২ অনুসারে বেআইনি আটক অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ কত টাকা অর্থদণ্ড হতে পারে?
  1. ৫০০ টাকা
  2. ১০০০ টাকা
  3. ৩০০০ টাকা
  4. সর্বোচ্চ সীমা নেই
ব্যাখ্যা
• কোন ব্যক্তিকে কোন নির্দিষ্ট সীমাবদ্ধ এলাকার বাহিরে গমনে বাধা প্রদান করাকে অবৈধ আটক বা অবরোধ বলে। দণ্ডবিধির ৩৪২ ধারায় অবৈধ আটক বা অবরোধের শাস্তির বিধান রয়েছে।

অবৈধ আটক বা অবরোধের শাস্তি (ধারা ৩৪২)-
যে কেউ অন্য কোনো ব্যক্তিকে বেআইনিভাবে আটক করেন, তিনি দণ্ডনীয় হবেন।

শাস্তি:
- এক বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড (যেকোনো প্রকারের), অথবা
- এক হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড, অথবা
- উভয় দণ্ড একসঙ্গে।
২৪০.
দণ্ডবিধি অনুসারে, 'ক্ষতি (Injury)' বলতে কী বোঝায়?
  1. শুধুমাত্র শারীরিক আঘাত
  2. অবৈধভাবে আর্থিক ক্ষতিসাধন
  3. শুধুমাত্র মানসিক ক্ষতি
  4. দেহ, মন, সুনাম বা সম্পত্তির অবৈধ ক্ষতিসাধন
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৪৪ ধারা- ক্ষতি:
যদি কোনো ব্যক্তির দেহ, মন, সুনাম বা সম্পত্তিতে অবৈধভাবে কোনরূপ ক্ষতিসাধন করা হয়, তবে তাকে 'ক্ষতি' বলে।

Section 44-“Injury”:
The word "injury" denotes any harm whatever illegally caused to any person, in body, mind, reputation or property.
২৪১.
দণ্ডবিধির ৩৯১ ধারা অনুসারে, ডাকাতির ক্ষেত্রে ন্যূনতম কতজন ব্যক্তির অংশগ্রহণ প্রয়োজন?
  1. ২ জন
  2. ৩ জন
  3. ৫ জন
  4. ৭ জন
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৯১ ধারা অনুযায়ী, ডাকাতি সংঘটিত বা সংঘটন করার চেষ্টা করতে হলে কমপক্ষে পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি একত্রিত হতে হবে। এছাড়া, যদি ডাকাতি সংঘটন বা প্রচেষ্টা চালাতে সহায়তা প্রদানকারী ব্যক্তির সংখ্যা পাঁচ বা তার বেশি হয়, তাও "ডাকাতি" হিসেবে গণ্য হবে। তাই, ডাকাতির ক্ষেত্রে ন্যূনতম পাঁচজন ব্যক্তির অংশগ্রহণ প্রয়োজন।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৯১ ধারার বিধান ডাকাতি:- যদি পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটন করে বা দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করে, অথবা যদি কোন ক্ষেত্রে মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করে, অথবা যদি কোন ক্ষেত্রে মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটন প্রচেষ্টারত ব্যক্তির ও অনুরূপ কার্যে বা প্রচেষ্টায় সহায়তাকারী ব্যক্তির মোট সংখ্যা পাঁচ বা ততোধিক হয়, তবে অনুরূপ কাজ সংঘটনকারী বা প্রচেষ্টাকারী বা সহায়তাকারী প্রত্যেক ব্যক্তি ডাকাতি করছে বলে পরিগণিত হবে।
--------
⇒ The Penal Code, 1860-Section 391 Dacoity: When five or more persons conjointly commit or attempt to commit a robbery, or where the whole number of persons conjointly committing or attempting to commit a robbery, and persons present and aiding such commission or attempt, amount to five or more, every person so committing, attempting or aiding, is said to commit "dacoity".
২৪২.
The Penal Code, 1860 এর কোন ধারায় 'অপরাধ' (Offence) এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে?
  1. ৩৮
  2. ৪৪
  3. ৪০
  4. ৪৩
ব্যাখ্যা
• The Penal Code, 1860 এর ৪০ ধারায় 'অপরাধ' (Offence) এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে।

ধারা ৪০: “অপরাধ”-
এই ধারায় “অপরাধ” শব্দটির অর্থ:
১. যেসব অধ্যায় এবং ধারাগুলোর উল্লেখ ২ ও ৩ নম্বর ক্লজে করা হয়নি, সেখানে “অপরাধ” বলতে দণ্ডবিধি অনুযায়ী দণ্ডনীয় কোনো কাজকে বোঝানো হয়েছে।

২. তবে চতুর্থ অধ্যায়, অধ্যায় VA এবং নিম্নোক্ত ধারাসমূহে—
ধারা ৬৪, ৬৫, ৬৬, ৬৭, ৭১, ১০৯, ১১০, ১১২, ১১৪, ১১৫, ১১৬, ১১৭, ১৮৭, ১৯৪, ১৯৫, ২০৩, ২১১, ২১৩, ২১৪, ২২১, ২২২, ২২৩, ২২৪, ২২৫, ৩২৭, ৩২৮, ৩২৯, ৩৩০, ৩৩১, ৩৪৭, ৩৪৮, ৩৮৮, ৩৮৯ এবং ৪৪৫
এইসব ক্ষেত্রে “অপরাধ” বলতে দণ্ডবিধি অনুযায়ী অথবা এখানে পরে সংজ্ঞায়িত যেকোনো বিশেষ বা প্রাদেশিক আইন অনুযায়ী দণ্ডনীয় কাজকে বোঝানো হয়েছে।

৩. এবং ধারা ১৪১, ১৭৬, ১৭৭, ২০১, ২০২, ২১২, ২১৬ ও ৪৪১ এ “অপরাধ” শব্দের অর্থ সেই কাজ, যা বিশেষ বা প্রাদেশিক আইনের অধীনে দণ্ডনীয়, এবং যেটির শাস্তি ছয় মাস বা তদূর্ধ্ব কারাদণ্ড (জরিমানাসহ বা ব্যতিরেকে) হতে পারে।
২৪৩.
দণ্ডবিধির কোন ধারায় আইনটির অতিরাষ্ট্রিক প্রযোজ্যতার বিধান আছে?
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪ ধারার বিধান: দণ্ডবিধির অতিরাষ্ট্রিক প্রয়োগ (Extra-territorial application of Penal Code)-
-দণ্ডবিধির ৪ ধারায় দণ্ডবিধির অতিরাষ্ট্রিক প্রয়োগের বিধান রয়েছে। বাংলাদেশের কোন নাগরিক বাংলাদেশের বাহিরে কোন স্থানে বা বাংলাদেশের রেজিস্ট্রিকৃত কোন জাহাজ বা উড়োজাহাজে (জাহাজটি যেখানেই থাকুক না কেন) কোন অপরাধ করলে, বাংলাদেশের যে স্থানে উক্ত অপরাধীকে পাওয়া যাবে, সে স্থানে অপরাধ সংঘটন করেছে বলে ধারে নিয়ে তার বিচার করা যাবে।
অর্থাৎ দণ্ডবিধির ৪ ধারানুযায়ী বাংলাদেশের আদালত বাংলাদেশের বাইরে সংঘটিত অপরাধের বিচার করতে এমনভাবে ক্ষমতাবান যেন, বাংলাদেশের যে স্থানে অপরাধীকে পাওয়া যাবে সে স্থানে অপরাধটি সংঘটিত হয়েছে বলে মনে করা হবে।

⇒দণ্ডবিধির অনুযায়ী বাংলাদেশের নাগরিক দেশে-বিদেশে যেখানেই পেনাল কোডের অপরাধ করুক তাঁকে বাংলাদেশে যেখানে পাওয়া যাবে সেখানে বিচার করা যাবে। বিদেশি নাগরিক যদি বাংলাদেশে অবস্থান করে কোনো অপরাধ করলে এবং তা পেনাল কোডে দণ্ডনীয় হলে তার বিচার বাংলাদেশে করা যাবে। কিন্তু বিদেশি কোনো নাগরিক বিদেশে অপরাধ করলে সেটি বাংলাদেশে বিচার্য হবে না।
⇒ দণ্ডবিধির ২ থেকে ৪ ধারায় দণ্ডবিধির প্রয়োগ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। যে ক্ষেত্রে দণ্ডবিধি প্রয়াগ হবে-
(i) বাংলাদেশের সকল নাগরিকের ক্ষেত্রে: দেশে-বিদেশে যেখানেই অপরাধ সংঘটন করুক না কেন।
(ii) বিদেশি নাগরিকের ক্ষেত্রে: যদি সে বাংলাদেশে অথবা বাংলাদেশের নিবন্ধিত কোন জাহাজ বা বিমানে অপরাধ সংঘটন করে।
(iii) বাংলাদেশের নিবন্ধিত কোন জাহাজ বা বিমানে অপরাধ সংগঠন করার ক্ষেত্রে: উক্ত বাংলাদেশি জাহাজ বা বিমান বাংলাদেশ বা বিদেশে যেখানেই অবস্থান করুক না কেন।
---------------------
⇒The penal Code Section -4.Extension of Code to extra-territorial offences:
The provisions of this Code apply also to any offence committed by-
(1) any citizen of Bangladesh in any place without and beyond Bangladesh;
(4) any person on any ship or aircraft registered in Bangladesh wherever it may be.
Explanation.-In this section the word "offence" includes every act committed outside Bangladesh which, if committed in Bangladesh, would be punishable under this Code.

Illustrations:
(a) A, a Bangladesh subject, commits a murder in Uganda. He can be tried and convicted of murder in any place in Bangladesh in which he may be found.
(b) B, a European British subject, commits a murder in 3[Rangpur]. He can be tried and convicted of murder in any place in Bangladesh in which he may be found.
(c) C, a foreigner who is in the service of the Bangladesh Government, commits a murder in 4[Khulna]. He can be tried and convicted of murder at any place in Bangladesh in which he may be found.
(d) D, a British subject living in 5[Khulna], instigates E to commit a murder in 6[Chittagong]. D is guilty of abetting murder.
২৪৪.
দণ্ডবিধির ৬০ ধারা অনুযায়ী, কারাদণ্ডের ধরন নির্ধারণের ক্ষেত্রে কার ক্ষমতা রয়েছে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. সরকার
  3. অপরাধী
  4. রায়দানকারী আদালত
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৬০ ধারা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করে যে, যে আদালত অপরাধীকে দণ্ডিত করবে (রায়দানকারী আদালত) তারই এ ক্ষমতা রয়েছে। ধারাটির শুরুতেই বলা হয়েছে, "it shall be competent to the Court which sentences such offender..." অর্থাৎ "সেই আদালতের জন্য এটা কর্তব্য হবে, যে আদালত অপরাধীকে দণ্ডিত করে..."।
- ধারাটি আদালতকে তিনটি বিকল্প দেয়:
১. কারাদণ্ড সম্পূর্ণরূপে সশ্রম (wholly rigorous) হতে পারে।
২. কারাদণ্ড সম্পূর্ণরূপে বিনাশ্রম (wholly simple) হতে পারে।
৩. কারাদণ্ডের এক অংশ সশ্রম এবং বাকি অংশ বিনাশ্রম (partly rigorous and partly simple) হতে পারে।
- এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা শুধুমাত্র সেই বিশেষ আদালতের রয়েছে, যে আদালত মামলাটির চূড়ান্ত রায় দেয় এবং অপরাধীকে কারাদণ্ড প্রদান করে।
⇒ অর্থাৎ দণ্ডবিধির ৬০ ধারা অনুযায়ী, কারাদণ্ডের ধরন (সম্পূর্ণ সশ্রম, সম্পূর্ণ বিনাশ্রম, বা আংশিক সশ্রম ও বাকি বিনাশ্রম) নির্ধারণের ক্ষমতা রায়দানকারী আদালত এর রয়েছে। সঠিক উত্তর: ঘ) রায়দানকারী আদালত।

⇒ The Penal Code, 1860- Section-60: Sentence may be (in certain cases of imprisonment, wholly or partly rigorous or simple:
In every case in which an offender is punishable with imprisonment which may be of either description, it shall be competent to the Court which sentences such offender to direct in the sentence that such imprisonment shall be wholly rigorous, or that such imprisonment shall be wholly simple, or that any part of such imprisonment shall be rigorous and the rest simple.

২৪৫.
ঢাকায় এক বেআইনি সমাবেশ দাঙ্গায় পরিণত হয়। পুলিশ তা দমন করতে গেলে কয়েকজন সদস্য একজন পুলিশকে মারাত্মক আঘাত করে। দণ্ডবিধি অনুযায়ী, এই আঘাতকারীদের সর্বোচ্চ কী শাস্তি হতে পারে?
  1. ৫ বছরের কারাদণ্ড
  2. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  3. ২ বছরের কারাদণ্ড
  4.  ১ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ১৫২ অনুযায়ী, যদি কোনো সরকারি কর্মচারী বেআইনি সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করা বা দাঙ্গা দমন করার সময় আক্রমণের শিকার হন, আক্রমণের হুমকি পান, বাধা দেওয়া হয় বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করা হয়, তবে অপরাধীকে সর্বোচ্চ তিন বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে। এছাড়া অর্থদণ্ড বা উভয় শাস্তিও দেওয়া হতে পারে। সুতরাং এই ক্ষেত্রে আঘাতকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তি হবে তিন বছরের কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ১৫২ ধারার বিধান: দাঙ্গা ইত্যাদি দমনকালে সরকারী কর্মচারীকে আক্রমণ বা বাধাদান করা:- কোন সরকারী কর্মচারী অনুরূপ সরকারী কর্মচারী হিসেবে তাঁর কর্তব্য সম্পাদন উদ্দেশ্যে একটি অবৈধ সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করার অথবা দাঙ্গা দমন করার প্রচেষ্টাকালে কোন ব্যক্তি যদি তাকে আক্রমণ করে অথবা আক্রমণ করার হুমকি প্রদর্শন করে, অথবা বাধাদান করে বা বাধাদান করার চেষ্টা করে, অথবা অনুরূপ সরকারী কর্মচারীর প্রতি অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করে বা করার হুমকি প্রদর্শন করে বা চেষ্টা করে, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডে দণ্ডিত হবে।
---------
⇒ The Penal Code, 1860-Section-152- Assaulting or obstructing public servant when suppressing riot, etc.
- Whoever assaults or threatens to assault, or obstructs or attempts to obstruct, any public servant in the discharge of his duty as such public servant, in endeavouring to disperse an unlawful assembly, or to suppress a riot or affray, or uses, or threatens, or attempts to use criminal force to such public servant, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years or with fine, or with both. 

২৪৬.
What is the maximum punishment for counterfeiting a Government stamp under Section 255?
  1. Imprisonment for 5 years
  2. Imprisonment for 10 years
  3. Imprisonment for life
  4. Death penalty
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২৫৫ ধারা সরকারী স্ট্যাম্প জাল করণ :- কোন ব্যক্তি যদি সরকার দ্বারা রাজস্বের উদ্দেশ্যে প্রবর্তিত কোন স্ট্যাম্প জাল করে বা জ্ঞাতসারে অনুরূপ কোন স্ট্যাম্প জাল করার প্রক্রিয়ার অংশ বিশেষ সম্পাদন করে, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তাকে অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

- ব্যাখ্যা:- এক মূল্যের খাঁটি স্ট্যাম্পকে কোন ব্যক্তি যদি দেখতে অপর মূল্যের খাঁটি স্ট্যাম্পের মত করে লয়, তবে সে ব্যক্তি এই অপরাধ অনুষ্ঠান করে বলে পরিগণিত হবে।
__________________________________________
⇒ The Penal Code, 1860- Section-255. Counterfeiting Government stamp:- Whoever counterfeits, or knowingly performs any part of the process of counterfeiting, any stamp issued by Government for the purpose of revenue, shall be punished with imprisonment for life or with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.

- Explanation:- A person commits this offence who counterfeits by causing a genuine stamp of one denomination to appear like a genuine stamp of a different denomination.
২৪৭.
দণ্ডবিধির ৩০৪ ধারায় কোন অপরাধের সাজা বর্ণিত আছে?
  1. খুন
  2. অবহেলাজনিত মৃত্যু
  3. খুন নয়, এমন অপরাধমূলক নরহত্যা
  4. যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্তের দ্বারা খুন
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধি ৩০৪ ধারা- খুন নয়, এমন অপরাধমূলক নরহত্যা শাস্তি:
যে ব্যক্তি এমন একটি কাজ করেন, যা অপরাধমূলক নরহত্যা (culpable homicide) হলেও তা হত্যা (murder) হিসেবে গণ্য হয় না, তিনি নিম্নরূপে শাস্তিযোগ্য হবেন:

(১) যদি কাজটি এমন উদ্দেশ্য নিয়ে করা হয় যাতে কারো মৃত্যু ঘটে, অথবা এমন শারীরিক আঘাতের উদ্দেশ্যে যা মৃত্যুর সম্ভাবনা তৈরি করে—
তাহলে শাস্তি হবে:
- আজীবন কারাদণ্ড, অথবা
- যেকোনো ধরণের কারাদণ্ড, যা সর্বোচ্চ দশ বছর পর্যন্ত হতে পারে,
- এবং অর্থদণ্ড হতে পারে।

(২) কিন্তু যদি কাজটি এমন জ্ঞানে করা হয় যে এটি মৃত্যু ঘটাতে পারে, তবে:
- সর্বোচ্চ দশ বছর পর্যন্ত যেকোনো ধরণের কারাদণ্ড, অথবা
- শুধু অর্থদণ্ড, অথবা
- দুইটিই একসাথে হতে পারে,

যদি এতে মৃত্যুর উদ্দেশ্য না থাকে, বা এমন আঘাত দেওয়ার উদ্দেশ্য না থাকে যা মৃত্যু ঘটাতে পারে।
২৪৮.
দণ্ডবিধির কোন ধারায় বেআইনী শ্রমে বাধ্য করার বিধান দেওয়া হয়েছে?
  1. ধারা ৩৭০
  2. ধারা ৩৭২
  3. ধারা ৩৭৪
  4. ধারা ৩৭৩
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৩৭৪ বিধান “বেআইনী শ্রমে বাধ্য করা” (Unlawful compulsory labour) বলে পরিচিত। এই ধারায় বলা হয়েছে: “যে ব্যক্তি অন্য কাউকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে শ্রম করতে বাধ্য করে, সে ব্যক্তি এক বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবে।”
এছাড়াও, যদি কেউ যুদ্ধবন্দী বা আশ্রিত ব্যক্তিকে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীতে কাজ করতে বাধ্য করে, তবেও একইরূপ দণ্ড প্রযোজ্য হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৪ ধারার বিধান বেআইনী শ্রমে বাধ্য করা:-
(১) কোন ব্যক্তি যদি কাউকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে শ্রম দান করতে বাধ্য করে, তবে সে ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
(২) কোন ব্যক্তি যদি কোন যুদ্ধবন্দী বা অপর কোন আশ্রিত ব্যক্তিকে বাংলাদেশ সশ্রম বাহিনীতে কার্য করতে বাধ্য করে, তবে সে ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
ব্যাখ্যা:- এই “যুদ্ধবন্দী" এবং "আশ্রিত ব্যক্তি" অভিব্যক্তিসমূহ যথাক্রমে ১৯৪৯ সনের ১২ই আগষ্ট তারিখের যুদ্ধবন্দীর ব্যবস্থাপনা সম্পর্কিত জেনেভা সম্মেলনের-৪ দফা এবং ১৯৪৯ সনের ১২ই আগষ্ট তারিখের যুদ্ধকালে বেসামরিক ব্যক্তিবর্গের নিরাপত্তা সম্পর্কিত জেনেভা সম্মেলনের ৪ দফা মোতাবেক তৎসমূহের প্রতি আরোপিত অর্থের অনুরূপ অর্থ দ্যোতক হবে।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 374. Unlawful compulsory labour.
(1) Whoever unlawfully compels any person to labour against the will of that person, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one year, or with fine, or with both. 
(2) Whoever compels a prisoner of war or a protected person to serve in the armed forces of Bangladesh shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one year. 
Explanation. In this section the expressions "prisoner of war" and "protected person" shall have the same meaning as have been assigned to them respectively by Article 4 of the Geneva Convention Relative to the Treatment of Prisoners of War of August 12, 1949, and Article 4 of the Geneva Convention Relative to the Protection of Civilian Persons in Time of War of August 12, 1949,
২৪৯.
'১৮ বছরের উর্ধ্ব বয়স্ক ব্যক্তি স্বেচ্ছায় স্বীয় সম্মতিক্রমে মৃত্যুর ঝুঁকি গ্রহণ করে মৃত্যুবরণ করলে, উক্ত শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না।'- দণ্ডবিধির ৩০০ ধারার কোন ব্যতিক্রমে উল্লেখ আছে?
  1. ব্যতিক্রম ৫
  2. ব্যতিক্রম ৪
  3. ব্যতিক্রম ৩
  4. ব্যতিক্রম ১
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩০০ ধারা- খুন:

ব্যতিক্রম ১: যেক্ষেত্রে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুন পরিগণিত হবে না :- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি মারাত্মক ও আকস্মিক প্ররোচনার ফলে অপরাধী আত্ম-সংযমশক্তি হারাইয়া ফেলে এবং যে ব্যক্তি প্ররোচনা দান করেছে, সে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায় অথবা ভুলক্রমে বা দুর্ঘটনাক্রমে অপর কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায়।

ব্যতিক্রম ২: শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি অপরাধী সরল মনে তার আত্মরক্ষার অথবা সম্পত্তি রক্ষার ব্যক্তিগত অধিকার প্রয়োগক্রমে তাকে আইন প্রদত্ত ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করে এবং যার বিরুদ্ধে সে এই অধিকার প্রয়োগ করে, কোনরূপ পূর্ব-পরিকল্পনা ব্যতীত অথবা অনুরূপ অধিকার রক্ষার জন্য যতটুকু ক্ষতিসাধন করা আবশ্যক, তদপেক্ষা বেশি ক্ষতি সাধনের ইচ্ছা ব্যতিরেকে, তার মৃত্যু ঘটায়।

ব্যতিক্রম ৩: শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি দোষী একজন সরকারী কর্মচারী হিসেবে অথবা সরকারী কর্মচারীর সহায়তাকারী হিসেবে তাকে প্রদত্ত আইনানুগ ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করে এবং এমন একটি কাজ সম্পাদন করে মত্যু ঘটায়, যা সে অনুরূপ সরকারী কর্মচারীর দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে সম্পাদন করার জন্য আবশ্যকীয় ও আইনসম্মত বলে সরল মনে বিশ্বাস করে এবং সে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটলে তার প্রতি কোনরূপ দুরভিসন্ধি ছাড়াই কার্যটি করে।

ব্যতিক্রম ৪: শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি অপরাধটি কোন আকস্মিক বিবাদের সময় আকস্মিক উত্তেজনার কারণে কোনরূপ পূর্ব পরিকল্পনা ছাড়াই সংঘটিত হয় এবং অপরাধী কোন অন্যায় সুযোগ গ্রহণ না করে থাকে অথবা নিষ্ঠুরভাবে বা অস্বাভাবিকভাবে কার্য না করে থাকে।
ব্যাখ্যা:- এইরূপ ক্ষেত্রে কোন পক্ষ প্রথম উস্কানি দেয় বা প্রথম আঘাত করে, তা আদৌ গুরুত্বপূর্ণ নয়।

ব্যতিক্রম ৫: শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি সে ব্যক্তির মৃত্যু হয়, সে ব্যক্তি আঠারো বৎসরের উর্ধ্ব বয়স্ক হলে স্বেচ্ছায় স্বীয় সম্মতিক্রমে মৃত্যুবরণ করে বা মৃত্যুর ঝুঁকি গ্রহণ করে।
২৫০.
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদানের ক্ষেত্রে সাজার প্রকৃতি কিরূপ হবে?
  1. বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  2. সাধারন শ্রম
  3. সশ্রম
  4. সবকটাই হতে পারে
ব্যাখ্যা
• ৫৩ ধারায় ব্যাখ্যাতে উল্লেখ আছে যে, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হলে তা অবশ্যই সশ্রম হবে।
২৫১.
দণ্ডবিধির ১৮৯ ধারা কোন অপরাধ সংশ্লিষ্ট?
  1. সরকারী নথি জাল করা
  2. সরকারী সম্পত্তি ধ্বংস করা
  3. সরকারী কর্মচারীর প্রতি অশালীন আচরণ
  4. সরকারী কর্মচারীকে ক্ষতিসাধনের হুমকি প্রদান
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৮৯ ধারা- সরকারী কর্মচারীকে ক্ষতিসাধনের হুমকি:
কোন সরকারী কর্মচারী হিসেবে তার সরকারী কর্তব্য সম্পাদনের সাথে সংশ্লিষ্ট কোন কাজ করতে প্রবৃত্ত করার উদ্দেশ্যে অথবা কোন কাজ করা হতে বিরত হওয়ার বা করতে বিলম্ব করার জন্য বাধ্য করার উদ্দেশ্যে, কোন ব্যক্তি যদি উক্ত সরকারী কর্মচারীকে অথবা অন্য যে কোন ব্যক্তির সাথে উক্ত সরকারী কর্মচারীর স্বার্থসংশ্লিষ্ট, সে অন্য ব্যক্তিকে ক্ষতিসাধনের হুমকি প্রদর্শন করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

Section 189- Threat of injury to public servant:
Whoever holds out any threat of injury to any public servant, or to any person in whom he believes that public servant to be interested, for the purpose of inducing that public servant to do any act, or to forbear or delay to do any act, connected with the exercise of the public functions of such public servant, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
২৫২.
দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারায় চুরির অপরাধে কোন শর্তটি আবশ্যক?
  1. সম্পত্তির মালিকের সম্মতি থাকতে হবে
  2. সম্পত্তিটি অবশ্যই অস্থাবর হতে হবে
  3. চুরি কেবলমাত্র দিনের বেলা করা যাবে
  4. সম্পত্তি সরকারের মালিকানাধীন হতে হবে
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারায় চুরির বিধান রয়েছে। ৩৭৮ ধারামতে কোন ব্যক্তির দখল থেকে সম্মতি ব্যতীত কোন অস্থাবর সম্পত্তি (Movable property) অসাধুভাবে গ্রহণের উদ্দেশ্যে স্থানান্তর করলে বা সরানো হলে তা চুরি বলে গণ্য হবে। অন্যভাবে বলা যায়, যদি কোন ব্যক্তি কোন অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণের উদ্দেশ্যে সম্পত্তির দখলে থাকা ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া উক্ত সম্পত্তি স্থানান্তর করে তবে তা চুরি বলে গণ্য হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারায় চুরিকে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। চুরির অপরাধ অস্থাবর সম্পত্তি যেমন টাকা, স্বর্ণালংকার ইত্যাদির সাথে সম্পর্কিত। যখন কোন ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির দখলে থাকা কোন অস্থাবর সম্পত্তি উক্ত ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া অসাধু উপায়ে গ্রহণ করার অভিপ্রায়ে বা অনুরূপ গ্রহণের উদ্দেশ্যে উক্ত সম্পত্তি স্থানান্তর করে, সেই ব্যক্তি চুরি করেছে বলে গণ্য হবে। চুরির উপাদান বা শর্তসমূহ:
(i) অন্যকোনো ব্যক্তির দখল হতে অসাধুভাবে সম্পত্তি গ্রহণ করা
(ii) সম্পত্তিটি অবশ্যই অস্থাবর সম্পত্তি হবেl যেমন টাকা, স্বর্ণালংকার ইত্যাদি।
(iii) উক্ত সম্পত্তি অন্য ব্যক্তির দখল থেকে নিতে হবে।
(iv) সম্পত্তিটি উক্ত ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া নিবে।
(v) চুরি সম্পন্ন হবে যদি সম্পত্তিটি সামান্য হলেও প্রকৃতপক্ষে স্থানান্তর করা হয়।
------------
⇒ The Penal Code, 1860 Section, 378. Theft:
Whoever, intending to take dishonestly any moveable property out of the possession of any person without that person's consent, moves that property in order to such taking, is said to commit theft. 
Explanation 1.-A thing so long as it is attached to the earth, not being moveable property, is not the subject of theft; but it becomes capable of being the subject of theft as soon as it is severed from the earth. 
Explanation 2.-A moving effected by the same act which effects the severance may be a theft. 
Explanation 3.-A person is said to cause a thing to move by removing an obstacle which prevented it from moving or by separating it from any other thing, as well as by actually moving it. 
Explanation 4.-A person, who by any means causes an animal to move, is said to move that animal, and to move everything which, in consequence of the motion so caused, is moved by that animal. 
Explanation 5.-The consent mentioned in the definition may be express or implied, and may be given either by the person in possession, or by any person having for that purpose authority either express or implied.
২৫৩.
X এর বাবা মৃত Y একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। Z, X এর নিকট Y এর সুনাম ক্ষুন্ন করার ভয় দেখায়। Z এর কৃত কাজ
  1. অপরাধ নয়
  2. অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন
  3. কথা দ্বারা অনিষ্ট
  4. মানহানি
ব্যাখ্যা
♦ দন্ডবিধির ৫০৩ ধারায় অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের বিধান রয়েছে। কোন ব্যক্তিকে আতঙ্কিত করার জন্য উক্ত ব্যক্তির সম্পত্তি বা সুনাম বা দেহের ক্ষতি (injury to property, reputation or person) করার ভয় বা হুমকি (threat) দেখানো হলে, তাকে অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন বা Criminal Intimidation বলে।

♦ যেমন- ক, খ-কে একটি দেওয়ানি মামলা পরিচালনা করা থেকে বিরত রাখার জন্য খ-এর বাড়ি পুড়িয়ে ফেলার হুমকি প্রদান করে। এখানে ক অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের দায়ে অপরাধী হবে ।

♦ ভীতি প্রদর্শিত লোকের স্বার্থ নিহিত রয়েছে এমন কোন মৃত লোকের সুনাম নষ্ট করার ভীতি প্রদর্শনও ৫০৩ ধারার অপরাধ বলে গণ্য হবে। যেমন- কামাল, রফিককে একটি কাজ করা থেকে বিরত রাখার জন্য রফিকের মৃত বাবার নামে কুৎসা রটানের হুমকি প্রদান করে। এখানে কামাল অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের দায়ে অপরাধী হবে ।
২৫৪.
‘A’ একজন মহিলাকে অপহরণ করে, এই  উদ্দেশ্যে যে তাকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে বিয়ে করতে বাধ্য করা হবে। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৩৬৬ অনুসারে এই অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৭ বছরের কারাদণ্ড
  2. ১০ বছরের কারাদণ্ড
  3. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  4. ৫ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৩৬৬ অনুসারে, কোনো মহিলাকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে বিয়ে করতে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে বা অবৈধ যৌন সম্পর্কে প্ররোচিত করার উদ্দেশ্যে অপহরণ বা অপহরণ করলে শাস্তি ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং জরিমানা। এখানে, ‘A’ মহিলাকে অপহরণ করে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে বিয়ে করতে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে কাজ করেছে, যা ধারা ৩৬৬-এর অধীনে অপরাধ। সুতরাং, সর্বোচ্চ শাস্তি ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং জরিমানা।
সুতরাং, ‘A’-এর অপরাধের জন্য ধারা ৩৬৬ অনুসারে সর্বোচ্চ শাস্তি ১০ বছরের কারাদণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৬৬ ধারার বিধান কোন নারীকে বিবাহ ইত্যাদিতে বাধ্য করার অভিপ্রায়ে অপহরণ বা হরণ বা প্রলুব্ধকরণ:- কোন ব্যক্তি যদি কোন নারীকে অপহরণ করে এবং অপহরণ করার উদ্দেশ্য হয় অথবা অপহরণ করার ফলে এইরূপ হবে জানে যে, সে নারীকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে কোন ব্যক্তিকে বিবাহ করতে বাধ্য করা অথবা তাকে অবৈধ সহবাসে জোরপূর্বক বা ফুসলিয়ে বাধ্য করা অথবা তাকে জোরপূর্বক, বা ফুসলিয়ে অবৈধ সহবাসে বাধ্য করা হতে পারে জানা সত্ত্বেও যদি তাকে অপহরণ করা হয়, তবে সে ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে;
এবং কোন ব্যক্তি যদি এই বিধিতে বর্ণিত অপরাধজনক ভীতি প্রদর্শন দ্বারা অথবা ক্ষমতার অপব্যবহার দ্বারা অথবা বাধ্যতা সাধনের অপর কোন পদ্ধতি দ্বারা অপর কোন ব্যক্তির সাথে অবৈধ সহবাসে জোরপূর্বক বা ফুসলিয়ে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে কোন স্থান হতে গমনে বাধ্য করে অথবা সে নারীকে জোরপূর্বক বা ফুসলিয়ে অন্য কোন ব্যক্তির সাথে অবৈধ সহবাসে বাধ্য করা হতে পারে বলে জানা সত্ত্বেও তাকে কোন স্থান হতে গমনে বাধ্য করে, তবে সে ব্যক্তিও পূর্বোক্তরূপে দণ্ডিত হবে।
---------
⇒ The Penal Code, 1860,Section 366. Kidnapping or abducting or inducing woman to compel her marriage, etc.
Whoever kidnaps or abducts any woman with intent that she may be compelled, or knowing it to be likely that she will be compelled, to marry any person against her will, or in order that she may be forced or seduced to illicit intercourse, or knowing it to be likely that she will be forced or seduced to illicit intercourse, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine; and whoever, by means of criminal intimidation as defined in this Code or of abuse of authority or any other method of compulsion, induces any woman to go from any place with intent that she may be, or knowing that it is likely that she will be, forced or seduced to illicit intercourse with another person shall also be punishable as aforesaid.

২৫৫.
A রাজপথে Z এর সাক্ষাৎ পায়, পিস্তল দেখায় ও টাকা দাবী করে। এর ফলে Z টাকা দিয়ে দেয়। A এর ­অপরাধ-
  1. বলপূর্বক গ্রহণ
  2. দস্যুতা
  3. ডাকাতি
  4. চুরি
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ৩৯০ ধারা অনুযায়ী চুরি করার উদ্দেশ্যে বা বলপূর্বক গ্রহণের সময় কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটালে, আঘাত দান করলে বা আটক করে রাখলে অথবা মৃত্যু, আঘাত বা অবৈধ বাধার তাৎক্ষণিক ভয় (instant fear) দেখানো হলে তখন তা দস্যুতা বা Robbery বলে গণ্য হবে।
♦দস্যুতাকে হিংস্রতম চুরি বা হিংস্রতম বলপ্রয়োগ গ্রহণ বলা হয়। কেননা প্রত্যেক দস্যুতার অপরাধের মধ্যে চুরি বা বলপূর্বক গ্রহণ থাকতে হবে।

♦দস্যুতার মধ্যে নিম্নলিখিত উপাদান বিদ্যমান-
i)এক বা একাধিক ব্যক্তি তবে ৫ জনের কম যৌথভাবে অপরাধটি সংঘটিত করেছিল;
ii) আঘাতের ভয় বা মৃত্যুভয় দেখিয়ে বা অবৈধ আটকের ভয় দেখিয়েছিল;
iii) অসাধুভাবে সম্পত্তিটি প্রদানে বাধ্য করেছিল; এবং
iv) প্রত্যেক দস্যুতার অপরাধের মধ্যে চুরি বা বলপূর্বক গ্রহণ থাকতে হবে।
♦দস্যুতার সর্বনিম্ন সদস্য ১ জন এবং সর্বোচ্চ সদস্য ৪ জন। 

♦যেহেতু পিস্তল দেখিয়ে তাৎক্ষণিক ভয় সৃষ্টি করে টাকা গ্রহণ করা হয়েছে , তাই দস্যুতা করেছে বলে গণ্য হবে। এবং যেহেতু বলপূর্বক গ্রহণের সময় অপরাধী, ভিকটিম Z এর সামনে উপস্থিত  ছিল, তাই বলপূর্বক গ্রহণ দস্যুতায় পরিণত হয়েছে।
২৫৬.
'X' একজন সৈনিক। সে তার উর্ধ্বতন কর্মকর্তার আদেশে জনতার উপর গুলি চালায়। এতে করে ৫ জন ব্যক্তি গুরুতরভাবে জখম হয়। 'X' কোন ধরণের অপরাধ করেছে?
  1. গুরুতর জখম
  2. সাধারণ জখম
  3. কোন অপরাধ করেনি
  4. গুরুতর জখমের চেষ্টা
ব্যাখ্যা
♦এখানে ‘ক’ কোন অপরাধ করেনি কারণ সে নিজেকে আইনগতভাবে ঊর্ধতন কর্মকর্তার আদেশ মানতে বাধ্য বলে মনে করে সরল বিষ্বাসে গুলি করেছে। The Penal Code, 1860 এর ৭৬ ধারা অনুযায়ী কোন ব্যক্তি নিজেকে কোন কাজ করতে আইনগতভাবে বাধ্য মনে করে সরল বিশ্বাসে কোন কাজ করলে তার উক্ত কাজ অপরাধ হবে না।
২৫৭.
দণ্ডবিধির কত ধারায় অপথে গৃহে প্রবেশ (House breaking) এর উপায়গুলো বর্ণিত আছে?
  1. ৪৪৫ ধারায়
  2. ৪৪৬ ধারায়
  3. ৪৪৭ ধারায়
  4. ৪৪৮ ধারায়
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৪৪৫ ধারা অনুযায়ী,
নিম্নলিখিত ৬টি উপায়ে কোন গৃহে প্রবেশ করলে বা গৃহ থেকে বের হলে তা অপথে গৃহে প্রবেশ বা House breaking বলে গণ্য হবে। যথা-

(i) বন্ধ দরজা বা পথ খুলে;
(ii) তালা খুলে বা ভেঙ্গে;
(iii) নতুন পথ তৈরি করে;
(iv) আক্রমন বা বলপ্রয়োগের ভয় দেখিয়ে;
(v) আটকানো কোন কিছুকে খুলে বা অন্যভাবে মুক্ত করে অস্বাভাবিক পন্থায় ভিতরে প্রবেশ করা বা নির্গমন হওয়া; অথবা
(vi) প্রবেশ বা প্রস্থানের জন্য নয় এমন পথ দিয়ে গৃহে প্রবেশ করলে অপথে গৃহ প্রবেশ (house breaking) এর অপরাধ হবে।
২৫৮.
পূর্বের বিবাহের তথ্য গোপন রেখে পুনরায় বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার সর্বোচ্চ শাস্তি-
  1. ৭ বছর কারাদণ্ড
  2. ১০ বছর কারাদণ্ড
  3. ১২ বছর কারাদণ্ড
  4. ৫ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধি ৪৯৫ ধারা অনুযায়ী  পূর্বের বিবাহের তথ্য গোপন রেখে পুনরায় বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার শাস্তি হলো
• অনধিক ১০ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড। প্রথম বা দ্বিতীয় যে কোন স্ত্রী এই ধারার অপরাধে স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা করতে পারে।
২৫৯.
ফৌজদারী মামলায় fine প্রদান করা হলে উহা কত দিন পরে আর আদায় করা যাবে না?
  1. ১ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৬ বছর
  4. কোন সময়সীমা নেই
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৭০ ধারায় অর্থদণ্ড আদায়ের সময়সীমা সম্পর্কে ৩টি বিধানের উল্লেখ আছে। 

(i) দণ্ডাদেশ প্রদানের পরবর্তী ৬ বছরের মধ্যে যেকোনো সময়;
(ii) ৬ বছরের অধিক কারাদণ্ড হলে- কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ/উত্তীর্ণ হওয়ার আগে;
(iii) অর্থদণ্ড অনাদায়ে আসামির মৃত্যু হলে- আসামির সম্পত্তি থেকে আদায় করা হবে।

দণ্ডবিধির ৭০ ধারা-
অর্থদণ্ড বা উহার কোন অপরিশোধিত অংশ দণ্ডাদেশ দানের পরবর্তী ছয় বৎসরের মধ্যে যে কোন সময়ে আদায় করা যাবে, এবং উক্ত দণ্ডাদেশবলে অপরাধী যদি ছয় বৎসর হতেও দীর্ঘতর মেয়াদের জন্য কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়, তবে অর্থদণ্ড বা উহার কোন অপরিশোধিত অংশ উক্ত কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে যে কোন সময়ে আদায় করা হবে; অপরাধীর মৃত্যুর পর তার যে সম্পত্তি তার দায় পরিশোধ আইনতঃ দায়গ্রস্ত হতে পারে, অপরাধীর মৃত্যুর ফলে অনুরূপ সম্পত্তি দায়মুক্ত হবে না।
২৬০.
The Penal Code, 1860 এর 44 ধারা অনুযায়ী ‘Injury’ বলতে যে কোন ব্যক্তির __________ কিংবা সম্পত্তির প্রতি বেআইনি আঘাত দেওয়াকে বোঝায়।
  1. দেহ
  2. মন
  3. সুনাম
  4. দেহ, মন, সুনাম
ব্যাখ্যা
♦ The Penal Code, 1860 এর 44 ধারা অনুযায়ী Injury’ বলতে যে কোন ব্যক্তির দেহ, মন, সুনাম কিংবা সম্পত্তির প্রতি বেআইনি যেকোন আঘাত দেওয়াকে বোঝায়।
২৬১.
দণ্ডবিধির কত ধারায় মনুষ্য হরণের সাজা উল্লেখ আছে?
  1. ৩৫৯ ধারায়
  2. ৩৬০ ধারায়
  3. ৩৬২ ধারায়
  4. ৩৬৩ ধারায়
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৩৬২ ধারা- অপহরণ বা মনুষ্যহরণ:
যদি কোন ব্যক্তি, অপর কোন ব্যক্তিকে কোন স্থান হতে গমন করার জন্য জোরপূর্বক বাধ্য করে বা কোন প্রতারণামূলক উপায়ে প্রলুব্ধ করে, তবে উক্ত ব্যক্তি অনুরূপ ব্যক্তিকে অপহরণ করে বলে গণ্য হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৬৩ ধারা- মনুষ্য হরণের সাজা:
কোন ব্যক্তি যদি কাউকে বাংলাদেশ হতে অথবা আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে অপহরণ করে নিয়ে যায়, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

Section 362- Abduction:
Whoever by force compels, or by any deceitful means induces, any person to go from any place, is said to abduct that person.

Section 363- Punishment for kidnapping:
Whoever kidnaps any person from Bangladesh or from lawful guardianship, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.
২৬২.
আত্মহত্যার প্রচেষ্টার শাস্তি পেনাল কোড-এর কোন ধারায় বর্ণিত?
  1. ৩০৮
  2. ৩০৯
  3. ৩১০
  4. ৩১১
ব্যাখ্যা
♦ আত্মহত্যার প্রচেষ্টার অপরাধের শাস্তি পেনাল কোড-এর ৩০৯ ধারায় উল্লেখ আছে। যার শাস্তি ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড। 
২৬৩.
‘B’ জেনেশুনে ‘Z’-এর ফসলের ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে তার মাঠে গবাদি পশু ঢুকিয়ে দেয়। যা ‘Z’-এর সম্পত্তির ক্ষতি করে, এই ক্ষতির পরিমাণ ৫০ টাকা বা তার বেশি। দণ্ডবিধি অনুসারে এই অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ১ বছরের কারাদণ্ড
  2. ২ বছরের কারাদণ্ড
  3. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  4. ৫ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪২৫ অনুসারে, ক্ষতিসাধন (Mischief) বলতে এমন কাজকে বোঝায় যেখানে কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে বা জেনে যে তার কাজে ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা আছে, জনসাধারণ বা কোনো ব্যক্তির জন্য অন্যায় ক্ষতি বা ক্ষতি সাধনের উদ্দেশ্যে কোনো সম্পত্তি ধ্বংস করে, বা এমন পরিবর্তন করে যাতে সম্পত্তির মূল্য বা উপযোগিতা হ্রাস পায় বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এখানে, ‘B’ জেনে যে তার কাজে ‘Z’-এর ফসলের ক্ষতি হবে, তার মাঠে গবাদি পশু ঢুকিয়ে দিয়েছে, যা ধারা ৪২৫-এর উদাহরণ (h)-এর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং ক্ষতিসাধন হিসেবে গণ্য।

ধারা ৪২৭ অনুসারে, যদি ক্ষতিসাধনের ফলে ক্ষতির পরিমাণ ৫০ টাকা বা তার বেশি হয়, তবে শাস্তি হলো ২ বছর পর্যন্ত যেকোনো প্রকারের কারাদণ্ড, অথবা জরিমানা, অথবা উভয়ই। তাই, এই অপরাধের নাম ক্ষতিসাধন এবং সর্বোচ্চ শাস্তি ২ বছরের কারাদণ্ড।
-‘B’-এর কাজ ধারা ৪২৫-এর অধীনে ক্ষতিসাধন হিসেবে গণ্য, এবং ধারা ৪২৭ অনুসারে ক্ষতির পরিমাণ ৫০ টাকা বা তার বেশি হওয়ায় সর্বোচ্চ শাস্তি ২ বছরের কারাদণ্ড। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো খ) ২ বছরের কারাদণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৪২৭ - পঞ্চাশ টাকা পরিমাণ ক্ষতি করিয়া অনিষ্ট সাধন:
- কোন ব্যক্তি যদি ক্ষতি সাধন করে এবং তদ্বারা পঞ্চাশ টাকা বা তদূৰ্ব্ব পরিমাণ অর্থের অনিষ্ট করে, তবে উক্ত ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

⇒ The Penal Code, 1860- Section 427. Mischief causing damage to the amount of fifty taka:
 Whoever commits mischief and thereby causes loss or damage to the amount of fifty taka or upwards, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.

২৬৪.
'ক' কোনো মহিলাকে ভীতিগ্রস্থ বা আহত করার উদ্দেশ্যে যদি তার ঘোমটা খুলে ফেলে, তবে তা দণ্ডবিধি অনুযায়ী নিচে বর্ণিত কোন অপরাধটি হবে?
  1. আক্রমণ
  2. শ্লীলতাহানী
  3. ব্যভিচার
  4. অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ
ব্যাখ্যা

দণ্ডবিধির ৩৫০ ধারা: অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ:
কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির উপর সম্মতি ব্যতীত বল প্রয়োগ করে এবং কোন অপরাধ অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্যে অথবা অনুরূপ শক্তি প্রয়োগ কর্তৃক, যে ব্যক্তির উপর বল প্রয়োগ করা হল, তার জখম বা ভয় বা বিরক্তি উৎপাদনের উদ্দেশ্যে অথবা তার শক্তি প্রয়োগের ফলে, যার উপর শক্তি প্রয়োগ করা হল, তার জখম, ভয় বা বিরক্তি উৎপাদিত হতে পারে জানা সত্ত্বেও যদি সে অনুরূপ বল প্রয়োগ করে, তবে সে ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

উদাহরণ: 
(চ) ক উদ্দেশ্যমূলকভাবে জনৈক মহিলার ঘোমটা খুলে ফেলে। এখানে, ক উদ্দেশ্যমূলকভাবে মহিলাটির উপর বল প্রয়োগ করেছে। ক যদি মহিলাটির সম্মতি ব্যতীত তা করে থাকে এবং তার উদ্দেশ্য যদি হয়- অথবা যদি তার জানা থাকে যে- মহিলাটি আহত, ভীতিগ্রস্ত বা বিরক্ত হবে, তবে সে মহিলাটির উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করেছে।

Section-350. Criminal force:
Whoever intentionally uses force to any person, without that person's consent, in order to the committing of any offence, or intending by the use of such force to cause, or knowing it to be likely that by the use of such force he will cause injury, fear or annoyance to the person to whom the force is used, is said to use criminal force to that other.

Illustration:
(f) A intentionally pulls up a woman's veil. Here A intentionally uses force to her, and if he does so without her consent intending or knowing it to be likely that he may thereby injure, frighten or annoy her, he has used criminal force to her.

২৬৫.
The Penal Code, 1860 অনুসারে বেআইনি সমাবেশের সদস্য হওয়ার সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৩ মাস কারাদণ্ড
  2. ৩ বছর কারাদণ্ড
  3. ৬ মাস কারাদণ্ড
  4. ১ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৪২ ধারার বিধান বেআইনি সমাবেশের সদস্য হওয়া: কোন ব্যক্তি যদি কি কি অবস্থায় কোন সমাবেশ বেআইনি সমাবেশে পরিণত হয়, তৎসম্পর্কে জ্ঞাত থাকা সত্ত্বেও ইচ্ছাপূর্বক সে সমাবেশে যোগদান করে বা সে সমাবেশে মিলিত থাকে, তবে সে ব্যক্তি একটি বেআইনি সমাবেশে যোগদানকারী ব্যক্তি বলে পরিগণিত হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ১৪৩ ধারার বিধান বেআইনি সমাবেশের সদস্য হওয়ার শাস্তি: কোন ব্যক্তি যদি বেআইনি সমাবেশে যোগদান করে, তবে তাকে ছয় মাস পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত করা যাবে।
-------------------
- Section-142: Being member of unlawful assembly: Whoever, being aware of facts which render any assembly an unlawful assembly, intentionally joins that assembly, or continues in it, is said to be a member of an unlawful assembly.
- Section-143: Punishment: Whoever is a member of an unlawful assembly, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to six months, or with fine, or with both.
২৬৬.
'ক' অসৎ উদ্দেশ্যে জনৈক মহিলার সম্মতি ছাড়া এবং মহিলা বিরক্ত হবেন জেনেও তার ঘোমটা খুলে ফেলেন। 'ক' কোন অপরাধ করেছেন?
  1. আক্রমণ
  2. সাধারন আঘাত
  3. অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ
  4. মর্যাদা লঙ্ঘনের উদ্দেশ্যে আক্রমণ
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩৫০ ধারা: অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ:
কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির উপর সম্মতি ব্যতীত বল প্রয়োগ করে এবং কোন অপরাধ অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্যে অথবা অনুরূপ শক্তি প্রয়োগ কর্তৃক, যে ব্যক্তির উপর বল প্রয়োগ করা হল, তার জখম বা ভয় বা বিরক্তি উৎপাদনের উদ্দেশ্যে অথবা তার শক্তি প্রয়োগের ফলে, যার উপর শক্তি প্রয়োগ করা হল, তার জখম, ভয় বা বিরক্তি উৎপাদিত হতে পারে জানা সত্ত্বেও যদি সে অনুরূপ বল প্রয়োগ করে, তবে সে ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

উদাহরণ: 
(চ) ক উদ্দেশ্যমূলকভাবে জনৈক মহিলার ঘোমটা খুলে ফেলে। এখানে, ক উদ্দেশ্যমূলকভাবে মহিলাটির উপর বল প্রয়োগ করেছে। ক যদি মহিলাটির সম্মতি ব্যতীত তা করে থাকে এবং তার উদ্দেশ্য যদি হয়- অথবা যদি তার জানা থাকে যে- মহিলাটি আহত, ভীতিগ্রস্ত বা বিরক্ত হবে, তবে সে মহিলাটির উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করেছে।

Section-350. Criminal force:
Whoever intentionally uses force to any person, without that person's consent, in order to the committing of any offence, or intending by the use of such force to cause, or knowing it to be likely that by the use of such force he will cause injury, fear or annoyance to the person to whom the force is used, is said to use criminal force to that other.

Illustration:
(f) A intentionally pulls up a woman's veil. Here A intentionally uses force to her, and if he does so without her consent intending or knowing it to be likely that he may thereby injure, frighten or annoy her, he has used criminal force to her.
২৬৭.
দণ্ডবিধির ১৪৭ ধারা অনুসারে, "Rioting" এর জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1. এক বছরের কারাদণ্ড
  2. দুই বছরের কারাদণ্ড
  3. পাঁচ বছর কারাদণ্ড
  4. সাত বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ধারা ১৪৭ অনুযায়ী: "যে কেউ দাঙ্গার (Rioting) জন্য দোষী সাব্যস্ত হবে, তাকে সর্বোচ্চ দুই বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, অথবা জরিমানা, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে।"
→ দাঙ্গা (Rioting) হলো একটি বেআইনি সমাবেশ (Unlawful Assembly) যেটি বলপ্রয়োগ বা সহিংসতা করে।

⇒ The Penal Code, 1860- Section,147. Punishment for rioting:
- Whoever is guilty of rioting, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
২৬৮.
দন্ডবিধির কোন ধারায় Volentinon fit injuria মতবাদের প্রকাশ ঘটেছে?
  1. ২৮৩
  2. ৩০৪ খ
  3. ৮৭
  4. ৩০৪ ক
ব্যাখ্যা
♦ দন্ডবিধির ৮৭ ধারা অনুযায়ী, মৃত্যু বা গুরুতর আঘাত ঘটানোর জন্য অভিপ্রেত নহে, তবে অনুরূপ সম্ভাবনাপূর্ণ কোন কার্য কারোর সম্মতিতে করলে তা অপরাধ নয়; তবে যে সম্মতি দান করেছে তার বয়স নূন্যতম ১৮ বছর হতে হবে। Volenti non fit injuria অর্থ হলো-সম্মতিতে কৃত কোন ক্ষতিকারক কার্য অপরাধ নয়।
২৬৯.
What is the punishment for issuing or signing a false certificate under Section 197?
  1. Only a fine
  2. Warning only
  3. Life imprisonment
  4. Same as the punishment for giving false evidence
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৯৭ ধারার বিধান মিথ্যা সার্টিফিকেট ইস্যু করা কিংবা উহাতে স্বাক্ষর করা:- কোন ব্যক্তি যদি আইনের নির্দেশানুসারে কোন সার্টিফিকেট ইস্যু করে কিংবা উহাতে স্বাক্ষর করে কিংবা যে বিষয়ে আইনানুসারে কোন সার্টিফিকেট সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য, সে বিষয়ে অনুরূপ সার্টিফিকেট দান বা স্বাক্ষর করে এবং সার্টিফিকেটটি কোন বাস্তব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের দিক হতে মিথ্যা বলে জানা সত্ত্বেও বা অনুরূপভাবে মিথ্যা বলে বিশ্বাস করা সত্ত্বেও অনুরূপভাবে উহা দান বা স্বাক্ষর করে থাকে, তবে সে ব্যক্তি স্বয়ং মিথ্যা সাক্ষ্যদান করলে যেভাবে দণ্ডিত হত, এক্ষেত্রেও সে সেভাবে দণ্ডিত হবে।
----------------------------------
⇒ The Penal Code, 1860-Section 197: Issuing or signing false certificate:
-Whoever issues or signs any certificate required by law to be given or signed, or relating to any fact of which such certificate is by law admissible in evidence, knowing or believing that such certificate is false in any material point, shall be punished in the same manner as if he gave false evidence.
২৭০.
দণ্ডবিধি অনুসারে অর্থদণ্ড ছাড়া খুনের সর্বনিম্ন শাস্তি কী?
  1. ১০ বছর কারাদণ্ড
  2. ১৪ বছর কারাদণ্ড
  3. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  4. মৃত্যুদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৩০২ ধারার বিধান খুনের সাজা :- কোন ব্যক্তি যদি খুনের অপরাধ করে তবে উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩০২-এর অধীন, খুনের (murder) অপরাধের শাস্তি হলো মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড। অর্থাৎ, অর্থদণ্ড ছাড়া সর্বনিম্ন শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড।
--------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 302. Punishment for murder:-Whoever commits murder shall be punished with death, or imprisonment for life, and shall also be liable to fine.

২৭১.
দণ্ডবিধির ১২০ক ধারা অনুযায়ী অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র গঠনের জন্য ন্যূনতম কতজন ব্যক্তির প্রয়োজন?
  1. ১ জন
  2. ২ জন
  3. ৩ জন
  4. ৫ জন
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ১২০ক ধারা অনুযায়ী, অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র (Criminal Conspiracy) গঠনের জন্য ন্যূনতম দুইজন ব্যক্তির প্রয়োজন। এই ধারায় বলা হয়েছে যে, যখন দুই বা ততোধিক ব্যক্তি কোন অবৈধ কাজ করতে বা বৈধ কাজ অবৈধ উপায়ে করতে সম্মত হন, তখন তাদের সম্মতিকে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র হিসেবে গণ্য করা হবে।
অর্থাৎ, অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রে অন্তর্ভুক্ত ব্যক্তির সংখ্যা কমপক্ষে দুইজন হতে হবে, এবং তারা একসাথে ষড়যন্ত্রে অংশগ্রহণ করে যদি কোনও অবৈধ কাজ সংঘটিত করার জন্য সম্মত হন, তবে সেটি অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।

⇒ The Penal Code, 1860- Section, 120A. Definition of criminal conspiracy.
When two or more persons agree to do, or cause to be done,- 
(1) an illegal act, or 
(2) an act which is not illegal by illegal means, such an agreement is designated a criminal conspiracy: 
Provided that no agreement except an agreement to commit an offence shall amount to a criminal conspiracy unless some act besides the agreement is done by one or more parties to such agreement in pursuance thereof. 
Explanation.-It is immaterial whether the illegal act is the ultimate object of such agreement, or is merely incidental to that object.

২৭২.
দণ্ডবিধির কত ধারায় জীবনের সংজ্ঞা বর্ণিত আছে?
  1. ৩ ধারায়
  2. ৭ ধারায়
  3. ৩৫ ধারায়
  4. ৪৫ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪৫ ধারার বিধান জীবন:- প্রসঙ্গে ভিন্নতর কিছু না বুঝালে 'জীবন' কথাটি কর্তৃক মানুষের জীবন বুঝাবে। 

⇒ Section 45: 'Life': The word "life" denotes the life of a human being, unless the contrary appears from the context.
২৭৩.
বলপূর্বক গ্রহণের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৩ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৫ বছর
  4. ৭ বছর
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধি ৩৮৪ ধারা অনুযায়ী বলপূর্বক গ্রহণ বা বলপূর্বক আদায়ের শান্তি (Punishment for extortion) হলো অনধিক ৩ বছর কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।
২৭৪.
যদি কেউ অন্য কাউকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে শ্রমে বাধ্য করে, তবে সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1. ১ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  2. ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  3. ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  4. ৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৩৭৪ অনুযায়ী, "যদি কোন ব্যক্তি কাউকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে শ্রমে বাধ্য করে, তবে সে ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থদণ্ডে, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবে।"
অতএব, সর্বোচ্চ শাস্তি হলো ১ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৪ ধারার বিধান বেআইনী শ্রমে বাধ্য করা:-
(১) কোন ব্যক্তি যদি কাউকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে শ্রম দান করতে বাধ্য করে, তবে সে ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
(২) কোন ব্যক্তি যদি কোন যুদ্ধবন্দী বা অপর কোন আশ্রিত ব্যক্তিকে বাংলাদেশ সশ্রম বাহিনীতে কার্য করতে বাধ্য করে, তবে সে ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
ব্যাখ্যা:- এই “যুদ্ধবন্দী" এবং "আশ্রিত ব্যক্তি" অভিব্যক্তিসমূহ যথাক্রমে ১৯৪৯ সনের ১২ই আগষ্ট তারিখের যুদ্ধবন্দীর ব্যবস্থাপনা সম্পর্কিত জেনেভা সম্মেলনের-৪ দফা এবং ১৯৪৯ সনের ১২ই আগষ্ট তারিখের যুদ্ধকালে বেসামরিক ব্যক্তিবর্গের নিরাপত্তা সম্পর্কিত জেনেভা সম্মেলনের ৪ দফা মোতাবেক তৎসমূহের প্রতি আরোপিত অর্থের অনুরূপ অর্থ দ্যোতক হবে।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 374. Unlawful compulsory labour.
(1) Whoever unlawfully compels any person to labour against the will of that person, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one year, or with fine, or with both.
(2) Whoever compels a prisoner of war or a protected person to serve in the armed forces of Bangladesh shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one year.
Explanation. In this section the expressions "prisoner of war" and "protected person" shall have the same meaning as have been assigned to them respectively by Article 4 of the Geneva Convention Relative to the Treatment of Prisoners of War of August 12, 1949, and Article 4 of the Geneva Convention Relative to the Protection of Civilian Persons in Time of War of August 12, 1949.
২৭৫.
দন্ডবিধি (Penal Code) প্রণীত হয় কত সালে?
  1. ১৮৯৮
  2. ১৮৬০
  3. ১৮৭০
  4. ১৮৮০
ব্যাখ্যা
♦ প্রথম আইন কমিশন গঠিত হয় ১৮৩৪ সালে। প্রথম আইন কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন লর্ড থমাস ব্যাবিংটন ম্যাকুলে। ১৮৬০ সালের ৬ অক্টোবর দণ্ডবিধি প্রণীত হয় যা ১৮৬২ সালের ১লা জানুয়ারী থেকে ‘Indian Penal Code’ নামে কার্যকর হয়।
♦ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ আইনটি বাংলাদেশে ফৌজদারী অপরাধ সংক্রান্তীয় দণ্ড দান করার জন্য প্রধান আইন।
২৭৬.
দণ্ডবিধির ৩৫১ ধারা অনুযায়ী আক্রমণের জন্য কোনটি অপরিহার্য?
  1. সম্পত্তি ধ্বংস
  2. শুধুমাত্র মুখের কথা
  3. শারীরিক বল প্রয়োগ
  4. অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি দ্বারা ভয় সৃষ্টি
ব্যাখ্যা
উত্তর: অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি দ্বারা ভয় সৃষ্টি। 

⇒ দণ্ডবিধির ৩৫১ ধারার বিধান আক্রমণ:
- কোন ব্যক্তি যদি এই উদ্দেশ্য নিয়ে বা এটা জানা সত্ত্বেও এমন কোন অঙ্গভঙ্গি করে বা কোন প্রস্তুতি গ্রহণ করে যে, তাতে হাজির কোন ব্যক্তির ভয় হয় যে, যে ব্যক্তি উক্ত অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে, সে ব্যক্তি উক্ত হাজির ব্যক্তির উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করতে উদ্যত হয়েছে, তবে প্রথমোক্ত ব্যক্তি আক্রমণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।
ব্যাখ্যা:- কেবলমাত্র মুখের কথা আক্রমণ বলে পরিগণিত হয় না। কিন্তু কোন ব্যক্তির ব্যবহৃত কথাগুলি তার অঙ্গভঙ্গিকে বা প্রস্তুতিকে এমন অর্থপূর্ণ করতে পারে, যার কারণে তার অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি আক্রমণ বলে পরিগণিত হতে পারে।

উদাহরণ:
(ক) 'ক', 'চ'-এর প্রতি মুষ্টি উত্তোলন করে। ইহার ফলে 'চ' যাতে বিশ্বাস করে যে 'ক' তাকে আঘাত করতে উদ্যত হয়েছে, সে জন্যই 'ক' তা করে অথবা ইহার ফলে এইরূপ: হতে পারে জানা সত্ত্বেও তা করে । 'ক' আক্রমণ করেছে।
(খ) ক একটি হিংস্র কুকুরের মুখ বন্ধনী খুলতে শুরু করে। চ যাতে বিশ্বাস করে যে, ক কুকুরটিকে দিয়ে তাকে আক্রমণ করার উদ্দেশ্যেই কুকুরটির মুখ বন্ধনী খুলে দিচ্ছে, এই উদ্দেশ্যেই, অথবা চ এইরূপ বিশ্বাস করতে পারে জানা সত্ত্বেও ক এই কাজ করে। ক-চ এর উপর আক্রমণ করেছে।
(গ) ক একটি ছুড়ি ঘুরাতে ঘুরাতে চ-কে বলিল, “তোমাকে পিটুনি দেব।” এখানে যদিও কেবল ক-এর ব্যবহৃত কথাগুলি কোনক্রমেই আক্রমণ বলে পরিগণিত হতে পারে না, এবং যদিও অপর কোন অনুষঙ্গ ব্যতীত কেবল ক-এর অঙ্গভঙ্গি আক্রমণতৃল্য নয়, তবুও অঙ্গভঙ্গি ও তার আনুষঙ্গিক ব্যাখ্যামূলক কথাগুলি মিলিয়ে আক্রমণ বলে পরিগণিত হবে।
--------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 351. Assault:
- Whoever makes any gesture, or any preparation intending or knowing it to be likely that such gesture or preparation will cause any person present to apprehend that he who makes that gesture or preparation is about to use criminal force to that person, is said to commit an assault.
Explanation.- Mere words do not amount to an assault. But the words which a person uses may give to his gestures or preparation such a meaning as may make those gestures or preparations amount to an assault.

Illustrations:
(a) A shakes his fist at Z, intending or knowing it to be likely that he may thereby cause Z to believe that A is about to strike Z. A has committed an assault.
(b) A begins to unloose the muzzle of a ferocious dog, intending, or knowing it to be likely that he may thereby cause Z to believe that he is about to cause the dog to attack Z. A has committed an assault upon Z.
(c) A takes up a stick, saying to Z, "I will give you a beating". Here, though the words used by A could in no case amount to an assault, and though the mere gesture, unaccompanied by any other circumstances, might not amount to an assault, the gesture explained by the words may amount to an assault.
২৭৭.
পেনাল কোডের অধীনে কোনটি অনুমোদিত সাজা নয়?
  1. কারাদন্ড
  2. সম্পত্তি বাজেয়াপ্তকরণ
  3. বেত্রাঘাত
  4. জরিমানা
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধি মূলত দণ্ড সম্পর্কিত আইন, দণ্ডবিধির ৫৩ ধারায় শাস্তির প্রকারভেদ রয়েছে। ৫৩ ধারায় পাঁচ প্রকার শাস্তি উল্লেখ আছে।
♦ অর্থাৎ পেনাল কোডের অধীনে অনুমোদিত সাজা পাঁচটি। যথা:

      (i)  মৃত্যুদণ্ড (Death penalty)
      (ii) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড (Imprisonment for life)
      (iii) কারাদণ্ড(Imprisonment) দুই প্রকার:

           ক) সশ্রম( Rigorous, that is,  with hard labour) এবং

           খ) বিনাশ্রম (Simple)

      (iv) সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত (forfeiture of property)
      (v) অর্থদণ্ড (fine)

♦ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড সর্বদায় সশ্রম কারাদণ্ড হবে।

♦ দণ্ডবিধির ৫৩ ধারা অনুযায়ী বেত্রাঘাত  অনুমোদিত সাজা নয়।
২৭৮.
দণ্ডবিধির ৩০৪ক ধারা অনুসারে অবহেলা বা বেপরোয়া আচরণের কারণে কারও মৃত্যু ঘটালে সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৫ বছরের কারাদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. ১০ বছরের কারাদণ্ড
  4. মৃত্যুদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০৪ক ধারা অনুসারে, যে ব্যক্তি অবহেলা বা বেপরোয়া আচরণের কারণে কোনো ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায়, তাকে শাস্তি দেওয়া হয়। এই ধারার শাস্তির সর্বোচ্চ মেয়াদ হলো ৫ বছরের কারাদণ্ড, জরিমানা বা উভয়ই।
- তবে, এটি নরহত্যা বা শক্তিশালী শাস্তির অপরাধের মধ্যে পড়ে না, কারণ এটি অবহেলা বা বেপরোয়া আচরণের কারণে ঘটে, যা কৃতকর্মের পরিণতির ওপর নির্ভর করে।
এই ধারায়, মৃত্যু সংঘটনের উদ্দেশ্য থাকা না থাকলেও যদি কোনো ব্যক্তির অবহেলা বা বেপরোয়া আচরণের ফলে মৃত্যু ঘটে, তবে তার শাস্তি সর্বোচ্চ ৫ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে।
তাহলে, সঠিক উত্তর হল: ক) ৫ বছরের কারাদণ্ড।

⇒ The Penal Code, 1860, Section- 304A. Causing death by negligence
Whoever causes the death of any person by doing any rash or negligent act not amounting to culpable homicide shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to five years, or with fine, or with both.
২৭৯.
নিম্নলিখিত কোন কাজটি করলে দণ্ডবিধির ২২৮ ধারার অধীনে শাস্তি হতে পারে?
  1. বিচারকের কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টি করা
  2. আদালতে বিচারককে ইচ্ছাকৃতভাবে অপমান করা
  3. ক ও খ উভয়
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ২২৮ ধারা-বিচার কার্যক্রমের আসন গ্রহণকারী কোন সরকারী কর্মচারীকে ইচ্ছাকৃতভাবে অপমান করা বা তাহার কার্যে বাধা দেওয়ার শাস্তি:
কোন সরকারী কর্মচারী কোন বিচার বিভাগীয় কার্যক্রমের যেকোন পর্যায়ে নিয়ত থাকাকালে কোন ব্যক্তি যদি ইচ্ছাকৃতভাবে তাকে অপমান করে বা তার কাজে বাধা প্রদান করে, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণ অর্থদণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

Section 228- Intentional insult or interruption to public servant sitting in judicial proceeding:
Whoever intentionally offers any insult, or causes any interruption to any public servant, while such public servant is sitting in any stage of a judicial proceeding, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to six months, or with fine which may extend to one thousand taka, or with both.
২৮০.
ধারা ৫২ অনুসারে, 'সদবিশ্বাসে' কাজ করার মূল শর্ত কী?
  1. পেশাদারিত্ব
  2. আইনি পরামর্শ
  3. সতর্কতা ও মনোযোগ
  4. যে কোনো তৎপরতা ও পরিকল্পনা
ব্যাখ্যা
Section 52- “Good faith”
Nothing is said to be done or believed in "good faith" which is done or believed without due care and attention.

দণ্ডবিধির ৫২ ধারায় সদবিশ্বাসের সংজ্ঞা রয়েছে-
যথাযথ সতর্কতা ও মনোযোগ ব্যতিরেকে সম্পাদিত বা বিশ্বাসকৃত কোন কিছুই 'সদবিশ্বাসে' করা হয়েছে বা বিশ্বাস করা হয়েছে বলে গণ্য হবে না।
২৮১.
'ক’ ও ‘খ’ আনন্দ উপভোগের উদ্দেশ্যে পরস্পরের সাথে তরবারি খেলা খেলতে সম্মত হয়। খেলার এক পর্যায়ে অজান্তে 'ক' কর্তৃক 'খ' মারাত্মক আহত হয়। এখানে 'ক' কোন অপরাধে অপরাধী সাব্যস্ত হতে পারে?
  1. অসাধুতার দায়ে
  2. অবহেলামূলকভাবে আঘাত করার দায়ে
  3. গুরুতর জখমের দায়ে
  4. কোনো অপরাধ বলে গণ্য হবে না
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৮৭ ধারা:
যদি কোনো কাজ মৃত্যু বা গুরুতর আঘাতের উদ্দেশ্যে করা না হয় এবং কর্তার জানা না থাকে যে এটি মৃত্যু বা গুরুতর আঘাতের কারণ হতে পারে, তাহলে এটি অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না, যদি সেই ক্ষতি বা আঘাত গ্রহণ করতে ১৮ বছর বা তার বেশি বয়সের ব্যক্তি সম্মতি দিয়ে থাকে (স্পষ্ট বা পরোক্ষভাবে)। এছাড়াও, যদি সেই ব্যক্তি সম্ভাব্য ক্ষতির ঝুঁকি গ্রহণের জন্য সম্মতি দেয়, তাতেও এটি অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে না।

উদাহরণ:
A এবং Z নিজেদের বিনোদনের জন্য পরস্পরের সঙ্গে ফেন্সিং (তলোয়ার খেলা) করতে সম্মত হয়। এই চুক্তির মাধ্যমে প্রত্যেকে সম্মতি দেয় যে, খেলায় নির্দোষভাবে যদি কোনো আঘাত লাগে, তাহলে তারা তা মেনে নেবে। ফলে, যদি A ন্যায্য খেলার মধ্যে Z-কে আঘাত করে, তাহলে A কোনো অপরাধ করবে না।
২৮২.
দণ্ডবিধির ৪০০ ধারায় কোন অপরাধের জন্য শাস্তির বিধান দেওয়া হয়েছে?
  1. অস্ত্রসহ চুরি
  2. খুনসহ ডাকাতি
  3. ডাকাত দলভুক্ত হওয়া
  4. ডাকাতির প্রস্তুতি গ্রহণ
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) ডাকাত দলভুক্ত হওয়া। 
⇒ দণ্ডবিধির ৪০০ ধারা অনুযায়ী যদি কেউ এমন একটি দলে অন্তর্ভুক্ত থাকে যেটি অভ্যাসগতভাবে ডাকাতি করার উদ্দেশ্যে সংঘবদ্ধ, তবে তাকে দণ্ডিত করা হবে।
- এখানে অপরাধ হলো – ডাকাতির উদ্দেশ্যে গঠিত সংঘবদ্ধ দলে সদস্য হওয়া, অর্থাৎ ডাকাত দলভুক্ত হওয়া, যদিও সে নিজে ডাকাতি না-ও করে থাকে।
- এই অপরাধ প্রমাণিত হলে সর্বোচ্চ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা সর্বোচ্চ ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড হতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ৪০০ ধারার বিধান ডাকাত দলভুক্ত হইবার শাস্তি: কোন ব্যক্তি যদি এই আইন পাসের পরবর্তী যে কোন সময়ে কোন ডাকাতি সংঘটনের উদ্দেশ্যে যারা পরস্পর সংঘবদ্ধ আছে, এইরূপ কোন দলে থাকে, তবে উক্ত ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে, অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

⇒ The Penal Code, 1860, Section 400. Punishment for belonging to gang of dacoits:
Whoever, at any time after the passing of this Act, shall belong to a gang of persons associated for the purpose of habitually committing dacoity, shall be punished with 134[imprisonment] for life, or with rigorous imprisonment for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.
২৮৩.
দণ্ডবিধির ৪৯৪ ধারার মূল অপরাধ কোনটি?
  1. ব্যভিচার
  2. অবৈধ বিবাহ করা
  3. স্বামী বা স্ত্রী জীবিত থাকা অবস্থায় পুনরায় বিবাহ করা
  4. প্রতারণার মাধ্যমে বিবাহ করা
ব্যাখ্যা

দণ্ডবিধির ৪৯৪ ধারা- স্বামী বা স্ত্রীর জীবদ্দশায় পুনরায় বিবাহ করা:
কোন ব্যক্তি যদি এক স্বামী বা এক স্ত্রী জীবিত থাকা সত্ত্বেও এমন কোন পরিস্থতিতে বিবাহ করে, যে পরিস্থিতিতে স্বামী বা স্ত্রী জীবিত থাকা অবস্থায় সংঘটিত বলে অনুরূপ বিষয়টি অবৈধ হয়েছে, তবে উক্ত ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

ব্যতিক্রম:
অনুরূপ স্বামী বা স্ত্রীর সাথে যে ব্যক্তির বিবাহ কোন উপযুক্ত আদালত দ্বারা নাকচ বলে ঘোষণা করা হয়েছে, সে ব্যক্তির ক্ষেত্রে এই ধারাটি প্রয়োগযোগ্য হবে না। কিংবা যে প্রাক্তন স্বামী বা স্ত্রীর জীবদ্দশায় বিবাহ সংঘটিত হচ্ছে, বিবাহের সময় পর্যন্ত যে প্রাক্তন স্বামী বা স্ত্রী যদি পূর্ববর্তী সাত বৎসর পর্যন্ত ক্রমাগত পরবর্তী বিবাহ অনুষ্ঠানকারীর নিকট থেকে অনুপস্থিত থেকে থাকে এবং সে সাত বৎসর যাবৎ অনুরূপ প্রাক্তন স্বামী বা স্ত্রী জীবিত রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি না শুনে থাকে তবে তার ক্ষেত্রে এই ধারা প্রয়োগযোগ্য হবে না; তবে পরবর্তী বিবাহকালে বিবাহ অনুষ্ঠানকারী ব্যক্তি যার সাথে তার বিবাহ হচ্ছে তাকে বিবাহ সংঘটিত হওয়ার পূর্বে তার জ্ঞাত সকল ঘটনা সংক্রান্ত প্রকৃত পরিস্থিতি সম্পর্কে অবহিত করতে হবে।

২৮৪.
দণ্ডবিধি অনুসারে, মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের পরিবর্তন সম্পর্কিত ধারা কোনগুলো?
  1. ৫৩ ও ৫৩ক
  2. ৫৪ ও ৫৫
  3. ৫৫ক ও ৫৬
  4. ৫৫ ও ৫৭
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি অনুসারে, মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের পরিবর্তন (commutation) সম্পর্কিত ধারা হলো ৫৪ এবং ৫৫।
- ধারা ৫৪: মৃত্যুদণ্ডের রায় দেওয়া হলে, সরকার অপরাধীর সম্মতি ছাড়াই এই দণ্ডকে দণ্ডবিধিতে উল্লেখিত অন্য যেকোনো শাস্তিতে পরিবর্তন করতে পারে।
- ধারা ৫৫: যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় দেওয়া হলে, সরকার অপরাধীর সম্মতি ছাড়াই এই দণ্ডকে দুই ধরনের যেকোনো কারাদণ্ডে (কঠোর বা সাধারণ) পরিবর্তন করতে পারে, যার মেয়াদ ২০ বছরের বেশি হবে না।
সঠিক উত্তর: খ) ৫৪ ও ৫৫

⇒ দণ্ডবিধির  ৫৪ ধারার বিধান মৃত্যুদণ্ড হ্রাসকরণ:- মৃত্যুদণ্ড দান করা যেতে পারে এইরূপ প্রত্যেক ক্ষেত্রে সরকার অপরাধকারীর সম্মতি ব্যতিরেকে উক্ত দত্তকে এই বিধি ও আইন বলে ব্যবস্থিত অন্য যেকোন স্বল্প দণ্ডে রূপান্তরিত করতে পারবেন।
⇒ দণ্ডবিধির ৫৫ ধারার বিধান যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হ্রাস বা পরিবর্তন:- যে সকল মামলার ক্ষেত্রে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করা হয়, তার প্রত্যেক ক্ষেত্রে সরকার অপরাধীর সম্মতি ব্যতীতই দণ্ড হ্রাস করে অনূর্ধ্ব ২০ বৎসর মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে পরিবর্তন করতে পারবেন।
---------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 54. Commutation of sentence of death:- In every case in which sentence of death shall have been passed, the Government may, without the consent of the offender, commute the punishment for any other punishment provided by this Code.
⇒ The Penal Code, 1860- Section- 55. Commutation of sentence of imprisonment for life:- In every case in which sentence of imprisonment for life shall have been passed, the Government may, without the consent of the offender, commute the punishment for imprisonment of either description for a term not exceeding twenty years.

২৮৫.
কোনো ব্যক্তি যদি দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়ে সম্পত্তি অসাধুভাবে ব্যবহার করে, তবে তার অপরাধ কী হবে?
  1. চুরি
  2. দস্যুতা
  3. জালিয়াতি
  4. অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৪০৫ ধারা- অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ:
কোন ব্যক্তি যদি কোনভাবে কোন সম্পত্তির বা সম্পত্তি পরিচালনের দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়ে, অসাধুভাবে সে সম্পত্তি আত্মসাৎ করে বা নিজের ব্যবহারে প্রয়োগ করে, অথবা অনুরূপ দায়িত্ব যেভাবে নির্বাহিত হত বলে বিহিত আইনে নির্দেশ করা হয়েছে, তা খেলাফ করে সে দায়িত্ব নির্বাহ সম্পর্কে সে প্রকাশ্য বা অনুরূপ যে আইনগত চুক্তি করেছে তা খেলাফ করে সে সম্পত্তি অসাধুভাবে ব্যবহার করে, বা বিলি ব্যবস্থা করে অথবা ইচ্ছাপূর্বক অপর কোন ব্যক্তিকে তা করতে দেয়, তবে উক্ত ব্যক্তি 'অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের' অপরাধ করেছে।

Section 405- Criminal breach of trust:
Whoever, being in any manner entrusted with property, or with any dominion over property, dishonestly misappropriates or converts to his own use that property, or dishonestly uses or disposes of that property in violation of any direction of law prescribing the mode in which such trust is to be discharged, or of any legal contract, express or implied, which he has made touching the discharge of such trust, or wilfully suffers any other person so to do, commits "criminal breach of trust".
২৮৬.
সরকারি কর্মচারী কর্তৃক অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের ক্ষেত্রে The Penal Code, 1860 অনুযায়ী কারাদণ্ডের সর্বোচ্চ মেয়াদ কী?
  1. ১০ বছর
  2. ৭ বছর
  3. যাবজ্জীবন
  4. ১৪ বছর
ব্যাখ্যা
ধারাঃ ৪০৯ সরকারী কর্মচারী বা ব্যাংকার, বণিক বা প্রতিভূ কর্তৃক অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গকরণ:

কোন ব্যক্তি যদি সরকারী কর্মচারী হিসেবে তার পদমর্যাদা বলে অথবা ব্যাংকার, ব্যবসায়, ফ্যাক্টর, দালাল, এটর্নী বা প্রতিনিধি হিসেবে ব্যবসায় সূত্রে কোনভাবে কোন সম্পত্তির জিম্মাদার হয়ে বা উক্ত সম্পত্তির পরিচালনের ভারপ্রাপ্ত হয়ে সে সম্পত্তি সম্পর্কে অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গ করে, তবে উক্ত ব্যক্তি যাবজীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডনীয় হবে।
২৮৭.
বেনামী চিঠিপত্রের সাহায্যে অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের শাস্তি রয়েছে-
  1. ৫০৭ ধারায়
  2. ৫০৫ ধারায়
  3. ৫০৯ ধারায়
  4. ৫১০ ধারায়
ব্যাখ্যা
ধারা ৫০৭:
 • বেনামী চিঠিপত্রের সাহায্যে অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের শাস্তি (Criminal intimidation by an anonymous communication)- নাম ঠিকানা গোপন করে বা বেনামী চিঠির মাধ্যমে (by an anonymous communication) অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন করা হলে ৫০৬ ধারায় উল্লেখিত শাস্তিসহ আরও অনধিক ২ বছর কারাদণ্ড হবে।
২৮৮.
খুন নহে এমন অপরাধমূলক নরহত্যার সর্বোচ্চ শাস্তি কি?
  1. যাবজ্জীবন কারাদন্ড ও জরিমানা
  2. ১৪ বছরের কারাদন্ড ও জরিমানা
  3. ১০ বছরের কারাদন্ড ও জরিমানা
  4. ৭ বছরের কারাদন্ড ও জরিমানা
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ৩০৪ ধারার বিধান খুন বলিয়া গণ্য নহে এইরূপ অপরাধজনক নরহত্যার শাস্তি:

কোন ব্যক্তি যদি খুন নয় এমন শাস্তি যোগ্য নরহত্যা করে, তবে সে ব্যক্তি যাবজীবন কারাদণ্ডে, অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে, ,যদি যে কার্যটি কর্তৃক মৃত্যু অনুষ্ঠিত হয়, সে কার্যটি মৃত্যু সংঘটনের উদ্দেশ্য নিয়ে করা হয়, অথবা এমন দৈহিক জখম করার উদ্দেশ্য নিয়ে করা হয়, যে দৈহিক জখমের দরুণ মৃত্যু ঘটতে পারে,

অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে, যদি যে কার্যটি কর্তৃক মৃত্যু অনুষ্ঠিত হয়, সে কার্যটি সম্পাদনের দরুণ মৃত্যু অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে জানা থাকে, অথচ কার্যটি মৃত্যু সংঘটনের উদ্দেশ্যে করা হয় নাই যে দৈহিক জখম করার কারণে মৃত্যু ঘটতে পারে।

♦ অর্থাৎ ৩০৪ ধারায় নিন্দনীয় নরহত্যার জন্য ২ ধরণের শাস্তি রয়েছে। যথা-
১)মৃত্যুর অভিপ্রায় নিয়ে নিন্দনীয় নরহত্যা হলে শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদন্ড বা অনধিক ১০ বছর কারাদন্ড এবং অর্থদন্ড।
২) মৃত্যুর অভিপ্রায় ব্যতীত নিন্দনীয় নরহত্যা হলে শাস্তি অনধিক ১০ বছর কারাদন্ড বা অর্থদন্ড বা উভয় দন্ড।
 
♦তাইলে বলা যায় যে খুন নহে এমন অপরাধমূলক নরহত্যার সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদন্ড।
২৮৯.
Whoever does anything with the intention of causing wrongful gain to one person or wrongful loss to another person, is said to do that thing "__________".
  1. honestly
  2. dishonestly
  3. legally
  4. fraudulently
ব্যাখ্যা
• Section 24- “Dishonestly”:
Whoever does anything with the intention of causing wrongful gain to one person or wrongful loss to another person, is said to do that thing "dishonestly".

- কোনো ব্যক্তি অপর কোন ব্যক্তির প্রতি অবৈধ লাভ বা অবৈধ ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে কোন কিছু করলে, উক্ত ব্যক্তি উক্ত কাজটি অসাধুভাবে করেছে বলে গণ্য হবে।
২৯০.
দণ্ডবিধির ২৫৫ ধারার অধীনে, সরকারী স্ট্যাম্প জাল করার অপরাধে সর্বোচ্চ কী ধরনের শাস্তি প্রদান করা হয়?
  1. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  2. ৫ বছরের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  3. ৭ বছরের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  4. ১০ বছরের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ২৫৫ ধারা: সরকারী স্ট্যাম্প জালকরণ:
কোন ব্যক্তি যদি সরকার দ্বারা রাজস্বের উদ্দেশ্যে প্রবর্তিত কোন স্ট্যাম্প জাল করে বা জ্ঞাতসারে অনুরূপ কোন স্ট্যাম্প জাল করার প্রক্রিয়ার অংশ বিশেষ সম্পাদন করে, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

ব্যাখ্যা:
এক মূল্যের খাঁটি স্ট্যাম্পকে কোন ব্যক্তি যদি দেখতে অপর মূল্যের খাঁটি স্ট্যাম্পের মত করে লয়, তবে সে ব্যক্তি এই অপরাধ অনুষ্ঠান করে বলে পরিগণিত হবে।

Section 255- Counterfeiting Government stamp:
Whoever counterfeits, or knowingly performs any part of the process of counterfeiting, any stamp issued by Government for the purpose of revenue, shall be punished with imprisonment for life or with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.

Explanation:
A person commits this offence who counterfeits by causing a genuine stamp of one denomination to appear like a genuine stamp of a different denomination.
২৯১.
কোন একটি আঘাতেই মারা যেতে পারে Z এমন একটি রোগে ভুগছে। এরূপ অবস্থায় A একদিন Z কে আঘাত করে। ফলে Z এর মৃত্যু ঘটে, যদিও এরূপ একটিমাত্র আঘাত স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় সুস্থ সবল দেহের অধিকারী একজন লোককে মেরে ফেলার মতো যথেষ্ট ছিল না। Z এর রোগ বিষয়ে A অবগত ছিলো না। A এর কৃত কাজটি কোন ধরনের অপরাধ?
  1. খুন করেছে
  2. অপরাধমূলক নরহত্যা
  3. কোন অপরাধ করেনি
  4. ক ও খ
ব্যাখ্যা
• ২৯৯ ধারা মতে যদি কোন ব্যক্তির মারাত্মক অসুস্থতা বা দৈহিক বৈকল্যে ভোগার অবস্থা জানার পরেও আঘাত করে উক্ত ব্যক্তির মৃত্যু ত্বরান্বিত করা হয় তাহলে তা খুন হবে কিন্তু এ অসুস্থতার কথা না জেনে যদি তাকে আঘাত দ্বারা হত্যা করা হয় তা নিন্দনীয় নরহত্যা বা অপরাধমূলক নরহত্যা হবে।
২৯২.
"Forgery" শব্দটি দণ্ডবিধির কোন ধারায় সংজ্ঞায়িত?
  1. ৪৬৩ ধারা
  2. ৪৬৪ ধারা
  3. ৪৬৫ ধারা
  4. ৪৬৬ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪৬৩ ধারা-তে "Forgery" (জালিয়াতি) শব্দটির সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। "যে ব্যক্তি কোন ব্যক্তি বা জনগণের ক্ষতি সাধনের উদ্দেশ্যে বা মিথ্যা দাবি সমর্থনের উদ্দেশ্যে বা কাউকে প্রতারণার মাধ্যমে সম্পত্তি হস্তান্তরে প্ররোচিত করার উদ্দেশ্যে অথবা কোন মিথ্যা চুক্তিতে প্রবেশ করানোর উদ্দেশ্যে কোন মিথ্যা দলিল তৈরি করে, সে Forgery করেছে।" এ ধারা মূলত Forgery এর সাধারণ ধারণা ব্যাখ্যা করে, অর্থাৎ কাগজপত্র বা দলিল জাল করে প্রতারণা করা।

⇒ দণ্ডবিধির ৪৬৩ ধারার বিধান জালিয়াতি:
- কোন ব্যক্তি যদি জনসাধারণের কিংবা কোন ব্যক্তিবিশেষের ক্ষতিসাধনের জন্য অথবা কোন দাবি বা স্বত্ব প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে অথবা কোন ব্যক্তিকে তার সম্পত্তি ত্যাগে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে অথবা কোন প্রকাশ্য বা অনুক্ত চুক্তি সম্পাদনের উদ্দেশ্যে অথবা কোন প্রতারণা করার উদ্দেশ্যে বা যাতে প্রতারণা সংঘটিত হতে পারে এইরূপ অভিপ্রায়ে, কোন মিথ্যা দলিল কিংবা দলিলের অংশবিশেষ প্রণয়ন করে, তবে উক্ত ব্যক্তি জালিয়াতি করেছে বলে পরিগণিত হবে।
-------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 463- Forgery:
- Whoever makes any false document or part of a document, with intent to cause damage or injury, to the public or to any person, or to support any claim or title, or to cause any person to part with property, or to enter into any express or implied contract, or with intent to commit fraud or that fraud may be committed, commits forgery.
২৯৩.
A, Z এর দখলে থাকা একটি সম্পত্তি তার নিজের মনে করে সরল বিশ্বাসে নিয়ে যায়। A এর কৃত অপরাধ হলো-
  1. চুরি
  2. অর্থ আত্মসাৎ
  3. জোরপূর্বক সম্পত্তি আদায়
  4. কোন অপরাধ হয় নাই
ব্যাখ্যা
♦ অপরাধ সংঘটনের সময়ে আসামীর মনের অবস্থা ‘Mens rea' নামে পরিচিত। এটা 'অপরাধীর দুষ্টমন নামেও পরিচিত। একজন অপরাধী শুধু তার অপরাধজনক কার্যের জন্যই দায়ী হয়না বরং সে তার কার্যের সাথে তার অপরাধী মন বা অপরাধ করার ইচ্ছা বা উদ্দেশ্যের জন্যই বিশেষভাবে দায়ী হয়ে থাকে। এই অপরাধী মন বা অপরাধ করার ইচ্ছাকে বলা হয় mens rea বা guilty mind.

♦ লর্ড গোড়ার্ডের মতে, জনগণের স্বাধীনতা সংরক্ষণের জন্য এটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যে, আদালত কাউকে দোষী সাব্যস্ত করবে না, যতক্ষণ না তার একটি দোষী মন থাকে। যদি অপরাধীর মনে অপরাধ করার ইচ্ছা বা উদ্দেশ্য না থাকে,তাহলে তার কার্যকে অপরাধ বলে বিবেচনা করা যাবেনা (The act itself does not constitute guilt, unless with a guilty intent).

♦ফৌজদারি মামলায় আসামীকে শাস্তি দিতে হলে প্রসিকিউসন পক্ষকে আসামীর দুষ্ট মন প্রমাণ করতে হয়।

♦ দণ্ডবিধি অনুযায়ী সরল বিশ্বাসে কৃত কোন কাজ অপরাধ বলে গণ্য হবে না। চুরি, অর্থ আত্মসাৎ এবং জোরপূর্বক সম্পত্তি আদায়সহ অন্য যে কোন ফৌজদারী অপরাধে কোন ব্যক্তিকে অভিযুক্ত করার প্রথম শর্ত হলো উক্ত ব্যক্তির উক্ত অপরাধ করার দুষ্ট মন ( Guilty Mind) ছিল কিনা। যেহেতু A, Z এর দখলীয় সম্পত্তিটি সরল বিশ্বাসে নিয়ে যায়, তাই সে কোন অপরাধ করেনি এবং তার এমন কর্ম দণ্ডবিধির সাধারণ ব্যতিক্রমে মধ্যে পড়ে।
২৯৪.
দণ্ডবিধির কোন ধারায় "বছর" ও "মাস"-এর গণনা পদ্ধতি ব্রিটিশ ক্যালেন্ডার অনুযায়ী করার বিধান রয়েছে?
  1. ৪৭ ধারায়
  2. ৪৯ ধারায়
  3. ৫১ ধারায়
  4. ৫৩ ধারায়
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৪৯-এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, “year” বা “month” শব্দ ব্যবহৃত হলে তা ব্রিটিশ ক্যালেন্ডার (গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার) অনুযায়ী গণনা করতে হবে।
- সুতরাং, "বছর" ও "মাস" এর গণনা পদ্ধতি সম্পর্কিত একমাত্র সুনির্দিষ্ট বিধান ধারা ৪৯-এ রয়েছে।
----------
⇒ The Penal Code, 1860- Sections- 49.“Year” “Month”:
- Wherever the word "year" or the word "month" is used, it is to be understood that the year or the month is to be reckoned according to the British calendar.

২৯৫.
What is the minimum age requirement for a wife under Section 376 to not be considered under the exception?
  1. 9 years
  2. 12 years
  3. 13 years
  4. 16 years
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৬ ধারার বিধান ধর্ষণের সাজা:- কোন ব্যক্তি যদি ধর্ষণের অপরাধ করে, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে, অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে, যদি না ধর্ষিত স্ত্রীলোকটি তার নিজ স্ত্রী হয় ও বারো বৎসরের কম বয়স্কা না হয়; যদি তদ্রূপ হয়, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
--------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 376. Punishment for rape:- Whoever commits rape shall be punished with imprisonment for life or with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine, unless the woman raped is his own wife and is not under twelve years of age, in which case he shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
২৯৬.
রফিক একজন পুলিশ অফিসার। কোন জায়গায় অপহৃত দ্রব্য লুকিয়ে রাখার তথ্য প্রদানে বাধ্য করার জন্য সে সোহেলকে পীড়ন করে। এখানে রফিক দণ্ডবিধির কত ধারায় অপরাধ করেছে?
  1. ৩৩০ ধারা
  2. ৩২৯ ধারা
  3. ৩৩২ ধারা
  4. ৩২৮ ধারা
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ৩৩০ ধারা মতে জোরপূর্বক দোষ স্বীকারোক্তি আদায় করা অথবা কোন সম্পত্তি বা মূল্যবান জামানত প্রত্যর্পণ বা প্রত্যর্পণের ব্যাপারে সহায়ক তথ্য সরবরাহ করার জন্য শারীরিক নিপীড়ন বা আঘাতের শাস্তির বিধান রয়েছে।
২৯৭.
ট” তার ছেলের মঙ্গলের জন্য একজন সার্জনকে দিয়ে অপারেশন করাতে চায়। সার্জন শিশুটির পিতার নিকট থেকে অনুমতি নিয়ে অপারেশন করে। শিশুটি মারা যায়। সার্জনের অপরাধ কি?
  1. নিন্দনীয় নরহত্যা
  2. খুন
  3. ভুলবশত খুন
  4. কোন অপরাধ হয়নি
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ৮৯ ধারা মতে সার্জনের অপরাধ না হবার কারণ হলো শিশুটির অভিভাবকের অনুমতি নিয়ে এবং শিশুর মঙ্গলার্থে সরল বিশ্বাসে কার্যটি করেছে। এই ক্ষেত্রে শিশুটির বয়স ১২ বৎসরের কম হতে হবে।
২৯৮.
দণ্ডবিধির ধারা ২৯৯ এর ব্যাখ্যা-১ অনুযায়ী, কোন পরিস্থিতিতে মৃত্যু ঘটানো শাস্তিযোগ্য নরহত্যা হিসেবে গণ্য হবে?
  1. যদি কেউ আত্মহত্যা করে
  2. যদি কোনো সুস্থ ব্যক্তির মৃত্যু হয়
  3. যদি অসাবধানতাবশত মৃত্যু ঘটে
  4. যদি রোগাক্রান্ত ব্যক্তিকে আঘাত করে তার মৃত্যু ত্বরান্বিত করা হয়
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) যদি রোগাক্রান্ত ব্যক্তিকে আঘাত করে তার মৃত্যু ত্বরান্বিত করা হয়।
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ২৯৯ এর ব্যাখ্যা-১ অনুযায়ী, যদি কোনো রোগাক্রান্ত ব্যক্তিকে আঘাত করে তার মৃত্যু ত্বরান্বিত করা হয়, তবে এটি শাস্তিযোগ্য নরহত্যা হিসেবে গণ্য হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ২৯৯ ধারার বিধান শাস্তিযোগ্য নরহত্যা:- কোন ব্যক্তি যদি মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্য নিয়ে কৃত কোন কাজ কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, অথবা যে দৈহিক জখম মৃত্যু ঘটাতে পারে, তেমন দৈহিক জখম ঘটাবার উদ্দেশ্য নিয়ে কৃত কোন কাজের সংঘটন কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, অথবা যে কাজ মৃত্যু ঘটাতে পারে বলে সে জানে, সে কাজ সম্পাদন কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, তবে সেই ব্যক্তি শাস্তিযোগ্য নরহত্যার দোষে দোষী হবে।
ব্যাখ্যা ১:- যে ব্যক্তি অসুস্থতা, রোগ বা দৈহিক অপারগতায় ভুগছে, তার দৈহিক, জখম করে মৃত্যু ত্বরান্বিত করলে তার মৃত্যু ঘটাবার অপরাধ হয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে।
ব্যাখ্যা ২:- যখন দৈহিক আঘাত বা জখমের কারণে মৃত্যু ঘটে, তখন যে ব্যক্তি অনুরূপ দৈহিক আঘাত বা জখম ঘটায়, সে ব্যক্তি মৃত্যু ঘটিয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে, যদিও যথোচিত প্রতিকারের ও সুনিপুণ চিকিৎসার ফলে সে মৃত্যু রোধ করা যেত।
ব্যাখ্যা ৩:- মাতৃগর্ভে কোন শিশুর মৃত্যু ঘটানো নরহত্যা নয়। কিন্তু যদি কোন শিশুর (দেহের) কোন অংশ নিষ্ক্রান্ত করার পর জীবিত শিশুটির মৃত্যু ঘটানো হয়, তবে তা শাস্তিযোগ্য নরহত্যা বলে পরিগণিত হবে, যদিও শিশুটি শ্বাসপ্রশ্বাস গ্রহণ না করে থাকে অথবা সম্পূর্ণরূপে ভূমিষ্ঠ না হয়ে থাকে।
----------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 299: Culpable homicide:
- Whoever causes death by doing an act with the intention of causing death, or with the intention of causing such bodily injury as is likely to cause death, or with the knowledge that he is likely by such act to cause death, commits the offence of culpable homicide.
Explanation-1. A person who causes bodily injury to another who is labouring under a disorder, disease or bodily infirmity, and thereby accelerates the death of that other, shall be deemed to have caused his death.
Explanation-2. Where death is caused by bodily injury, the person who causes such bodily injury shall be deemed to have caused the death, although by resorting to proper remedies and skilful treatment the death might have been prevented.
Explanation-3. The causing of the death of a child in the mother's womb is not homicide. But it may amount to culpable homicide to cause the death of a living child, if any part of that child has been brought forth, though the child may not have breathed or been completely born.
২৯৯.
দণ্ডবিধির ৪০৬ ধারা অনুসারে অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের সর্বোচ্চ শাস্তি কত?
  1. ১ বছর কারাদণ্ড
  2. ২ বছর কারাদণ্ড
  3. ৩ বছর কারাদণ্ড
  4. ৫ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৪০৬ অনুসারে, অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ (Criminal breach of trust) করলে শাস্তি হলো যেকোনো প্রকারের কারাদণ্ড যা ৩ বছর পর্যন্ত হতে পারে, অথবা জরিমানা, অথবা উভয়।
সুতরাং, সঠিক উত্তর গ) ৩ বছর কারাদণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ৪০৬ ধারার বিধান অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের সাজা:- কোন ব্যক্তি যদি অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ করে, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

⇒ The Penal Code, 1860- Section 406. Punishment for criminal breach of trust:- Whoever commits criminal breach of trust shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both.

৩০০.
'ক' একজন সৈনিক। সে তার উর্ধ্বতন কর্মকর্তার আদেশে জনতার উপর গুলি চালায়। এতে করে ৫ জন ব্যক্তি গুরুতরভাবে জখম হয়। 'ক' কোন ধরণের অপরাধ করেছে?
  1. সাধারণ জখম
  2. গুরুতর জখম
  3. গুরুতর জখমের চেষ্টা
  4. কোন অপরাধ করেনি
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ৭৬ ধারার বিধান- আইনবলে বাধ্য বা ভুল ধারণাবশত নিজেকে আইনবলে বাধ্য বলিয়া বিশ্বাসকারী ব্যক্তি বিশেষে কর্তৃক সম্পাদিত কার্য:

⇒ যে ব্যক্তি কোন কাজ করতে আইনত বাধ্য বলে কোন কাজ সম্পাদন করলে, অথবা আইনের কাজটি ভুল না করে ঘটনা সম্পর্কে ভুলবশতঃ কাজটি করতে আইনত বাধ্য বলে সরল মনে বিশ্বাস করে সে ব্যক্তি কোন কাজ সম্পাদন করলে তা অপরাধ হবে না।

♦ উদাহরণসমূহ

⇒ (ক) ক একজন সৈনিক। সে তার উর্ধ্বতন অফিসারের নির্দেশক্রমে আইনের বিধানমতে কোন জনতার উপর গুলিবর্ষণ করে। ক-এর গুলিবর্ষণ কাজ অপরাধ হবে না।

⇒ (খ) বিচারালয়ের জনৈক কর্মকর্তা 'ক' উক্ত বিচারালয় কর্তৃক ম-কে গ্রেফতার করার জন্য আদিষ্ট হয়ে এবং যথাযথ তদন্তের পর; 'খ'- কে 'ম' মনে করে 'খ'-কে গ্রেফতার করেন। 'ক' কোন অপরাধ সংঘটন করেন নাই।