বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

The Penal Code, 1860

মোট প্রশ্ন২,৪৪৭এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

The Penal Code, 1860

PrepBank · পাতা ২০ / ২৫ · ১,৯০১২,০০০ / ২,৪৪৭

১,৯০১.
'ক' একটি অতি অল্প বয়স্ক শিশুকে হত্যা করার উদ্দেশ্যে উহাকে মরুভূমিতে রেখে আসে। ইহার ফলে শিশুটির মৃত্যু না হলেও, ‘ক’ _______ ধারায় বর্ণিত অপরাধ করেছে।
  1. ৩০০
  2. ৩০৩
  3. ৩০৭
  4. ৩১১
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩০৭ ধারা- খুনের উদ্যোগ:
কোন ব্যক্তি যদি এমন উদ্দেশ্য নিয়ে বা এমন আশঙ্কা জানা সত্ত্বেও এমন অবস্থায় এমন কোন কার্য করে, যার ফলে মৃত্যু ঘটলে সে খুনের দায়ে অপরাধী সাব্যস্ত হবে, তবে উক্ত ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে, এবং
যদি অনুরূপ কাজের কর্তৃক কোন ব্যক্তিকে আঘাত করা হয়, তবে অপরাধী যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা ইতোপূর্বে যে সাজার উলেখ করা হয়েছে, সে দণ্ডে দণ্ডিত হবে।

⇒ যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত ব্যক্তির উদ্যোগ:- যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত কোন ব্যক্তি যদি এই ধারায় উল্লেখিত অপরাধ করে এবং তার ফলে কেউ আহত হয়, তবে উক্ত ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে।

উদাহরণ:
(অ) 'ক', 'চ'-কে হত্যা করার উদ্দেশ্যে এমন অবস্থায় গুলি করে, যে অবস্থায় মৃত্যু অনুষ্ঠিত হলে 'ক' খুনের দায়ে অপরাধী সাব্যস্ত হবে। 'ক' এই ধারা বলে দণ্ডিত হবে।

(আ) 'ক' একটি অতি অল্প বয়স্ক শিশুকে হত্যা করার উদ্দেশ্যে উহাকে মরুভূমিতে রেখে আসে। ইহার ফলে শিশুটির মৃত্যু না হলেও ‘ক’ এই ধারায় বর্ণিত অপরাধ করেছে।

(ই) 'ক', 'চ' কে খুন করার উদ্দেশ্যে একটি বন্দুক ক্রয় করে উহা গুলি ভর্তি করে। এতদূর পর্যন্ত 'ক' অপরাধ করেছে বলে বিবেচনা করা হবে না। 'ক', 'চ'-এর প্রতি গুলি বর্ষণ করে। এইক্ষেত্রে সে এই ধারায় উল্লেখিত অপরাধ করেছে, এবং এই গুলি বর্ষণের দরুণ যদি সে 'চ'-কে আহত করে থাকে, তবে সে এই ধারার প্রথম অনুচ্ছেদের শেষাংশে নিদিষ্ট দণ্ডে দণ্ডিত হবে।

(ঈ) 'ক', 'চ'-কে বিষ প্রয়োগ করে খুন করার উদ্দেশ্যে বিষ ক্রয় করে এবং খাদ্যে বিষ মিশ্রিত করে; বিষ মিশ্রিত খাদ্য দ্রব্যটি 'ক'-এর নিকটই রয়েছে। এতদূর পর্যন্ত 'ক' এই ধারায় বর্ণিত অপরাধ করেছে বলে বিবেচনা করা হবে না। 'ক' বিষ মিশ্রিত খাদ্য দ্রবটি 'চ' এর খাবার টেবিলে রাখে অথবা উহা 'চ'-এর খাবার টেবিলে রাখার জন্য 'চ'-এর চাকরকে প্রদান করে । 'ক' এই ধারায় বর্ণিত অপরাধ করেছে।
১,৯০২.
ঔষধে ভেজাল মেশানো ও ভেজাল ঔষধ বিক্রির শাস্তি রয়েছে-
  1. ২৭৪ ধারা
  2. ২৭৫ ধারা
  3. ক ও খ উভয়ই
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• ২৭৪ ধারায় ঔষধে ভেজাল মেশানোর শাস্তি এবং ২৭৫ ধারায় ভেজাল ঔষধ বিক্রয় করার শাস্তি- উভয়ক্ষেত্রে অনধিক ৬ মাসের কারাদণ্ড বা অনধিক ১০০০ টাকা অর্তদণ্ড বা উভয়দণ্ড
১,৯০৩.
বিচার বিভাগীয় কার্যক্রম বহির্ভূত অন্যান্য ক্ষেত্রে ইচ্ছাকৃত মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়ার সর্বোচ্চ শাস্তি কত?
  1. ১ বছর কারাদণ্ড
  2. ২ বছর কারাদণ্ড
  3. ৩ বছর কারাদণ্ড
  4. ৫ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

দণ্ডবিধির ১৯৩ ধারা- মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার শাস্তি:
কোন ব্যক্তি যদি কোন বিচার বিভাগীয় কার্যক্রমের যে কোন পর্যায়ে ইচ্ছাপূর্বক মিথ্যা সাক্ষ্যদান ব্যবহার করার জন্য ইচ্ছাপূর্বক মিথ্যা সাক্ষ্য তৈরি করে, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং এতদ্ব্যতীত তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে; এবং

কোন ব্যক্তি যদি অপর কোন ক্ষেত্রে ইচ্ছাপূর্বক মিথ্যা সাক্ষ্য দান করে বা তৈরি করে, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।

ব্যাখ্যা (Explanation)
১- সামরিক আদালত (Court-martial) সংঘটিত বিচারও একটি বিচার বিভাগীয় কার্যক্রম।
২- কোন আদালতের কোন কার্যক্রম শুরু হওয়ার পূর্বে আইনের নির্দেশানুগ প্রারম্ভিক তদন্ত ও বিচারবিভাগীয় কার্যক্রমের একটি পর্যায় যদিও সে তদন্ত কোন আদালতে সংঘটিত নাও হতে পারে।
৩- কোন আদালত দ্বারা আইনানুসারে নির্দেশিত এবং কোন আদালতের ক্ষমতানুসারে পরিচালিত কোন তদন্ত বিচারবিভাগীয় কার্যক্রমের একটি পর্যায় যদিও সে তদন্ত কোন আদালতে সংঘটিত নাও হতে পারে।

উদাহরণ: 
জমির সীমানা অকুস্থলে নির্ণয়কল্পে কোন আদালত দ্বারা প্রেরিত কর্মচারীর বা অফিসারের সম্মুখে সম্পাদিত তদন্তে ক শপথ গ্রহণান্তর এমন একটি বিবৃতি দান করে, যা সে মিথ্যা বলে জানে। যেহেতু উক্ত তদন্তটি একটি বিচারবিভাগীয় কার্যক্রমেরই একটি পর্যায়, সেহেতু ক মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদান করেছে বলে অভিহিত হবে।

১,৯০৪.
The Penal Code, 1860 অনুসারে অপহরণ কত প্রকার?
  1. ২ প্রকার
  2. ৩ প্রকার
  3. ৪ প্রকার
  4. ৫ প্রকার
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৫৯ ধারা মতে মনুষ্যহরণ বা অপহরণ ২ প্রকার।
যথা:
(i) বাংলাদেশ থেকে মনুষ্যহরণ;
(ii) আইনগত অভিভাবকের নিকট হতে মনুষ্যহরণ।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৬০ ধারার বিধান বাংলাদেশ হতে মনুষ্য হরণ:- কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তিকে তার সম্মতি ছাড়াই অথবা তার স্বপক্ষে সম্মতি দানের ক্ষমতাসম্পন্ন অপর কারো সম্মতি ছাড়াই বাংলাদেশের সীমানার বাইরে পাঠিয়ে দেয় বা নিয়ে যায়, তবে উক্ত ব্যক্তি তাকে বাংলাদেশ হতে অপহরণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৬১ ধারার বিধান আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে মনুষ্যহরণ:- কোন ব্যক্তি যদি চৌদ্দ বৎসরের কম বয়সী কোন নাবালককে অথবা ষোল বৎসরের কম বয়সী কোন নাবালিকাকে অথবা বিকৃত মস্তিষ্ক কোন ব্যক্তিকে তার অভিভাবকের সম্মতি ছাড়াই অভিভাবকের রক্ষণাবেক্ষণ হতে নিয়ে যায়, তবে সে ব্যক্তি উক্ত অপ্রাপ্তবয়স্ক বালক বা বালিকাকে অথবা অনুরূপ বিকৃতমস্তিষ্ক ব্যক্তিকে আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে অপহরণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।
১,৯০৫.
সরকারি কর্মচারীকে তার কর্তব্য পালনে বাধা দেওয়ার জন্য স্বেচ্ছাকৃতভাবে আঘাত করলে সর্বোচ্চ কত বছরের কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. ৩ বছর
  2. ৭ বছর
  3. ১০ বছর
  4. ১৪ বছর
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩৩২ ধারা: সরকারী কর্মচারীকে কর্তব্য পালনে বাধা দিতে স্বেচ্ছাকৃত আঘাত:
যে ব্যক্তি স্বেচ্ছায় কোনো সরকারী কর্মচারীকে আঘাত করে, যখন সেই সরকারী কর্মচারী তার সরকারি দায়িত্ব পালন করছেন, অথবা যদি সেই ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে তাকে বা অন্য কোনো সরকারী কর্মচারীকে তার দায়িত্ব পালনে বাধা দিতে বা নিরুৎসাহিত করতে চায়, অথবা যদি সেই কর্মচারী আইনানুগভাবে তার দায়িত্ব পালনের সময় বা তা করার প্রচেষ্টার ফলে তার ওপর আঘাত করা হয়, তবে সেই ব্যক্তি তিন বছর পর্যন্ত যে কোনো মেয়াদের কারাদণ্ডে, বা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হতে পারেন।

[Whoever voluntarily causes hurt to any person being a public servant in the discharge of his duty as such public servant, or with intent to prevent or deter that person or any other public servant from discharging his duty as such public servant, or in consequence of anything done or attempted to be done by that person in the lawful discharge of his duty as such public servant, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both.]
১,৯০৬.
'ক' অসৎ উদ্দেশ্যে জনৈক মহিলার সম্মতি ছাড়া ও মহিলা বিরক্ত হবেন জেনেও তার ঘোমটা খুলে ফেলেন। 'ক' কোন অপরাধ করেছেন?
  1. Assault
  2. hurt
  3. Criminal force
  4. Assault with intent to outrage modesty
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৫০ ধারার: অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ:-
-কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির উপর সম্মতি ব্যতীত বল প্রয়োগ করে এবং কোন অপরাধ অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্যে অথবা অনুরূপ শক্তি প্রয়োগ কর্তৃক, যে ব্যক্তির উপর বল প্রয়োগ করা হল, তার জখম বা ভয় বা বিরক্তি উৎপাদনের উদ্দেশ্যে অথবা তার শক্তি প্রয়োগের ফলে, যার উপর শক্তি প্রয়োগ করা হল, তার জখম, ভয় বা বিরক্তি উৎপাদিত হতে পারে জানা সত্ত্বেও যদি সে অনুরূপ বল প্রয়োগ করে, তবে সে ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করেছে বলে পরিগণিত হয়।
উদাহরণ:
(চ) ক উদ্দেশ্যমূলকভাবে জনৈক মহিলার ঘোমটা খুলে ফেলে। এখানে, ক উদ্দেশ্যমূলকভাবে মহিলাটির উপর বল প্রয়োগ করেছে। ক যদি মহিলাটির সম্মতি ব্যতীত তা করে থাকে এবং তার উদ্দেশ্য যদি হয়- অথবা যদি তার জানা থাকে যে- মহিলাটি আহত, ভীতিগ্রস্ত বা বিরক্ত হবে, তবে সে মহিলাটির উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করেছে।

(ছ) ক চ-এর সম্মতি ব্যতীত চ-এর উপর একটি কুকুরকে ঝাঁপিয়ে পড়তে লেলিয়ে দেয়। এখানে ক-এর উদ্দেশ্য যদি হয় চ-কে আহত, ভীতিগ্রস্ত বা বিরক্ত করা, তবে ক চ-এর উপর অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করেছে।
------------------------
⇒ The Penal Code, 1860: Section-350. Criminal force:
-Whoever intentionally uses force to any person, without that person's consent, in order to the committing of any offence, or intending by the use of such force to cause, or knowing it to be likely that by the use of such force he will cause injury, fear or annoyance to the person to whom the force is used, is said to use criminal force to that other.
Illustrations:
(f) A intentionally pulls up a woman's veil. Here A intentionally uses force to her, and if he does so without her consent intending or knowing it to be likely that he may thereby injure, frighten or annoy her, he has used criminal force to her.

(g) Z is bathing, A pours into the bath water which he knows to be boiling. Here A intentionally by his own bodily power causes such motion in the boiling water as brings that water into contact with Z, or with other water so situated that such contact must affect Z's sense of feeling: A has therefore intentionally used force to Z; and if he has done this without Z's consent intending or knowing it to be likely that he may thereby cause injury, fear or annoyance to Z, A has used criminal force.
(h) A incites a dog to spring upon Z, without Z's consent. Here, if A intends to cause injury, fear or annoyance to Z, he uses criminal force to Z.
১,৯০৭.
Under Section 304A of The Penal Code, a person can be punished if they cause death due to:
  1. Self-defense
  2. Intentional action
  3. Rash or negligent act
  4. Accident without negligence
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০৪ক ধারার বিধান অবহেলার ফলে মৃত্যু সংঘটন:- কোন ব্যক্তি যদি বেপরোয়াভাবে বা অবহেলাজনকভাবে কার্য করে কারো মৃত্যু ঘটায় এবং তা শাস্তিযোগ্য নরহত্যা না হয়, তবে সে ব্যক্তি পাঁচ বৎসর পর্যন্ত মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
----------------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 304A: Causing death by negligence:
 Whoever causes the death of any person by doing any rash or negligent act not amounting to culpable homicide shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to five years, or with fine, or with both.
১,৯০৮.
দণ্ডবিধির ৩১২ ধারা অনুযায়ী, সাধারণ ক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে গর্ভবতী নারীর গর্ভপাত ঘটালে এবং তা মায়ের জীবন বাঁচানোর জন্য না হলে, সর্বোচ্চ কী শাস্তি হতে পারে?
  1. ২ বছর কারাদণ্ড
  2. ৩ বছর কারাদণ্ড
  3. ৫ বছর কারাদণ্ড
  4. ৭ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ধারা ৩১২ অনুযায়ী বলা হয়েছে:
“যে ব্যক্তি স্বেচ্ছায় এমন কোনো কার্য করেন, যার ফলে গর্ভবতী নারীর গর্ভপাত হয়, এবং যদি তা মায়ের জীবন রক্ষার জন্য “সৎ বিশ্বাসে” (good faith) করা না হয়ে থাকে, তাহলে সেই ব্যক্তিকে সর্বোচ্চ তিন বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, বা জরিমানা, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে।”
এছাড়াও, যদি ঐ নারী “quick with child” অর্থাৎ গর্ভধারণের পর নির্দিষ্ট পর্যায়ে পৌঁছে থাকেন (সাধারণত দ্বিতীয় বা তৃতীয় ত্রৈমাসিক বোঝানো হয়), তাহলে শাস্তি আরও বেশি হয় – সর্বোচ্চ ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং জরিমানা।
তবে প্রশ্নে গর্ভপাতের সাধারণ ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ শাস্তি জানতে চাওয়া হয়েছে, তাই: সঠিক উত্তর: ৩ বছর কারাদণ্ড — ধারা ৩১২ অনুসারে, যদি গর্ভপাত মায়ের জীবন বাঁচানোর উদ্দেশ্যে না করা হয়।

ধারা ৩১২: গর্ভপাত ঘটানো (Causing miscarriage)
"যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো গর্ভবতী নারীর গর্ভপাত ঘটায়, এবং যদি তা মায়ের জীবন রক্ষার জন্য সৎ বিশ্বাসে (good faith) করা না হয়, তবে সে ব্যক্তি সর্বোচ্চ তিন বছর পর্যন্ত যেকোনো প্রকার কারাদণ্ডে (simple বা rigorous imprisonment) দণ্ডিত হবেন, অথবা জরিমানা দিতে হবে, কিংবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।
আর যদি নারী “quick with child” অবস্থায় থাকেন, তবে সেই ব্যক্তির সর্বোচ্চ সাত বছর পর্যন্ত যেকোনো প্রকার কারাদণ্ড এবং জরিমানার বিধান থাকবে।

ব্যাখ্যা: এই ধারার অধীনে এমনকি যদি কোনো নারী নিজেই নিজের গর্ভপাত ঘটান, তাহলে তিনিও অপরাধী হিসেবে গণ্য হবেন।
--------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 312. Causing miscarriage:
Whoever voluntarily causes a woman with child to miscarry, shall, if such miscarriage be not caused in good faith for the purpose of saving the life of the woman, be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both; and,
if the woman be quick with child, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine. 
Explanation.-A woman who causes herself to miscarry, is within the meaning of this section.

১,৯০৯.
দণ্ডবিধির ৭৩ ধারা অনুসারে কারাদণ্ডের মেয়াদ ছয় মাসের অধিক না হলে, নির্জন কারাবাস সর্বোচ্চ কত দিনের হবে?
  1. ৭ দিন
  2. ১৪ দিন
  3. ১ মাস
  4. ২ মাস
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৭৩ ধারার বিধান, নির্জন কারাবাস:- যদি কোন ব্যক্তিকে এমন কোন অপরাধের জন্য দণ্ডিত করা হয়, যে অপরাধের জন্য আদালত এই আইনবলে তাকে সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারেন তবে, আদালত তার দণ্ডাজ্ঞার মাধ্যমেই আদেশ করতে পারবেন যে অপরাধীকে তার বিরুদ্ধে প্রদত্ত কারাদণ্ডের মেয়াদের কোন অংশবিশেষের বা কয়েকটি অংশের জন্য-যা সর্বসাকুল্যে তিন মাসের বেশি হতে পারবে না-নির্জন কারাবাসে আবদ্ধ রাখা হবে বিভিন্ন ক্ষেত্রে কতসময়ের জন্য অপরাধীকে নির্জন কারাবাসে আবদ্ধ রাখা হবে তা নিম্নে নির্দেশ করা যাচ্ছে:
-কারাদণ্ডের মেয়াদ ছয় মাসের অধিক না হলে অনধিক এক মাস পর্যন্ত;
কারাদণ্ডের মেয়াদ ছয় মাসের অধিক কিন্তু এক বৎসরের অনধিক হলে অনধিক দুই মাস পর্যন্ত;
কারাদণ্ডের মেয়াদ এক বৎসরের অধিক হলে অনধিক তিন মাস পর্যন্ত।
------------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section- 73: Solitary confinement:
Whenever any person is convicted of an offence for which under this Code the Court has power to sentence him to rigorous imprisonment, the Court may, by its sentence, order that the offender shall be kept in solitary confinement for any portion or portions of the imprisonment to which he is sentenced, not exceeding three months in the whole, according to the following scale, that is to say:-
a time not exceeding one month if the term of imprison-ment shall not exceed six months: 
a time not exceeding two months if the term of imprisonment shall exceed six months and shall not exceed one year: 
a time not exceeding three months if the term of imprisonment shall exceed one year.
১,৯১০.
দণ্ডবিধি অনুসারে বেআইনি সমাবেশের সদস্য হওয়ার সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৩ মাস কারাদণ্ড
  2. ৬ মাস কারাদণ্ড
  3. ১ বছর কারাদণ্ড
  4. ৩ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৪২ ধারার বিধান বেআইনি সমাবেশের সদস্য হওয়া: কোন ব্যক্তি যদি কি কি অবস্থায় কোন সমাবেশ বেআইনি সমাবেশে পরিণত হয়, তৎসম্পর্কে জ্ঞাত থাকা সত্ত্বেও ইচ্ছাপূর্বক সে সমাবেশে যোগদান করে বা সে সমাবেশে মিলিত থাকে, তবে সে ব্যক্তি একটি বেআইনি সমাবেশে যোগদানকারী ব্যক্তি বলে পরিগণিত হয়।
⇒ দণ্ডবিধির ১৪৩ ধারার বিধান বেআইনি সমাবেশের সদস্য হওয়ার শাস্তি: কোন ব্যক্তি যদি বেআইনি সমাবেশে যোগদান করে, তবে তাকে ছয় মাস পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত করা যাবে।
-------------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section-142: Being member of unlawful assembly: Whoever, being aware of facts which render any assembly an unlawful assembly, intentionally joins that assembly, or continues in it, is said to be a member of an unlawful assembly.
⇒ The Penal Code, 1860, Section-143: Punishment: Whoever is a member of an unlawful assembly, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to six months, or with fine, or with both.
১,৯১১.
সরকারি কর্মচারী বেআইনিভাবে ব্যবসায় লিপ্ত হওয়ার শাস্তি-
  1. অনধিক ১ বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
  2. অনধিক ২ বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
  3. শুধুমাত্র কারাদণ্ড
  4. শুধুমাত্র জরিমানা
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধি- ১৬৮ ধারা মতে সরকারি কর্মচারী বেআইনিভাবে ব্যবসায় লিপ্ত হওয়ার শাস্তি হলো অনধিক ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।
১,৯১২.
দণ্ডবিধির ২৮৩ ধারা অনুসারে, কোন ব্যক্তি যদি জনসাধারণের পথে বা নৌপথে কোন বিপদ সৃষ্টি করে, তাকে সর্বোচ্চ কত টাকা জরিমানা করা হতে পারে?
  1. ১০০ টাকা
  2. ২০০ টাকা
  3. ৫০০ টাকা
  4. ১০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ২৮৩ অনুযায়ী:
“যে কোনো ব্যক্তি যদি কোনো কাজ করে বা তার দায়িত্বে থাকা কোনো সম্পত্তি সম্পর্কে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নিয়ে জনসাধারণের চলাচলের পথ বা নৌপথে বিপদ, প্রতিবন্ধকতা বা ক্ষতি সৃষ্টি করে, তবে তাকে সর্বোচ্চ ২০০ টাকা জরিমানা করা যেতে পারে।”

অর্থাৎ দণ্ডবিধির ২৮৩ ধারা অনুযায়ী, যদি কোন ব্যক্তি জনসাধারণের পথে বা নৌপথে কোন বিপদ, প্রতিবন্ধকতা বা ক্ষতির সৃষ্টি করেন, তাহলে তাকে সর্বোচ্চ ২০০ টাকা জরিমানা করা হতে পারে।
সঠিক উত্তর: খ) ২০০ টাকা। 

⇒ The Penal Code, 1860- Section 283. Danger or obstruction in public way or line of navigation:
 Whoever, by doing any act, or by omitting to take order with any property in his possession or under his charge, causes danger, obstruction or injury to any person in any public way or public line of navigation, shall be punished with fine which may extend to two hundred taka.
১,৯১৩.
'ক' এর প্ররোচনায় 'খ' খুন করার উদ্দেশ্যে 'গ' কে ছুরিকাঘাত করে। 'গ' চিকিৎসাস্ত্রে সুস্থ হইয়া উঠে। 'ক' নিম্নের কোন অপরাধ করিয়াছে?
  1. গুরুতর আঘাতের প্ররোচনা
  2. নরহত্যার প্ররোচনা
  3. খুন করার প্ররোচনা
  4. 'গ' সুস্থ হওয়ায় কোন অপরাধ হয় নাই।
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২৯৯ ধারার ব্যাখ্যা ২ অনুযায়ী 'ক' খুন করার প্ররোচনার অপরাধ করিয়াছে।

⇒ দণ্ডবিধির ২৯৯ ধারার বিধান শাস্তিযোগ্য নরহত্যা (Culpable homicide):- কোন ব্যক্তি যদি মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্য নিয়ে কৃত কোন কাজ কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, অথবা যে দৈহিক জখম মৃত্যু ঘটাতে পারে, তেমন দৈহিক জখম ঘটাবার উদেশ্য নিয়ে কৃত কোন কাজের সংঘটন কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, অথবা যে কাজ মৃত্যু ঘটাতে পারে বলে সে জানে, সে কাজ সম্পাদন কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, তবে সেই ব্যক্তি শাস্তিযোগ্য নরহত্যার দোষে দোষী হবে।

⇒ ব্যাখ্যা (Explanation) ১:- যে ব্যক্তি অসুস্থতা, রোগ বা দৈহিক অপারগতায় ভুগতেছে, তার দৈহিক জখম করে মৃত্যু ত্বরান্বিত করলে তার মৃত্যু ঘটাবার অপরাধ হয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে।

⇒ ব্যাখ্যা (Explanation) ২:- যখন দৈহিক আঘাত বা জখমের কারণে মৃত্যু ঘটে, তখন যে ব্যক্তি অনুরূপ দৈহিক আঘাত বা জখম ঘটায়, সে ব্যক্তি মৃত্যু ঘটিয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে, যদিও যথোচিত প্রতিকারের ও সুনিপুণ চিকিৎসার ফলে সে মৃত্যু রোধ করা যেত।

⇒ ব্যাখ্যা (Explanation) ৩:- মাতৃগর্ভে কোন শিশুর মৃত্যু ঘটানো নরহত্যা নয়। কিন্তু যদি কোন শিশুর (দেহের) কোন অংশ নিষ্ক্রান্ত করার পর জীবিত শিশুটির মৃত্যু ঘটানো হয়, তবে তা শাস্তিযোগ্য নরহত্যা বলে পরিগণিত হবে, যদিও শিশুটি শ্বাসপ্রশ্বাস গ্রহণ না করে থাকে অথবা সম্পূর্ণরূপে ভুমিষ্ঠ না হয়ে থাকে।


---------------
⇒ Culpable homicide

Section 299. Whoever causes death by doing an act with the intention of causing death, or with the intention of causing such bodily injury as is likely to cause death, or with the knowledge that he is likely by such act to cause death, commits the offence of culpable homicide. 
 
Explanation 1. A person who causes bodily injury to another who is labouring under a disorder, disease or bodily infirmity, and thereby accelerates the death of that other, shall be deemed to have caused his death. 
Explanation 2. Where death is caused by bodily injury, the person who causes such bodily injury shall be deemed to have caused the death, although by resorting to proper remedies and skilful treatment the death might have been prevented.

Explanation 3. The causing of the death of a child in the mother's womb is not homicide. But it may amount to culpable homicide to cause the death of a living child, if any part of that child has been brought forth, though the child may not have breathed or been completely born.
১,৯১৪.
A, B-কে একটি দেওয়ানী মামলা পরিচালনা হতে বিরত করার উদ্দেশ্যে B-এর ঘর পুড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখায়। A এর অপরাধ কি?
  1. ঘরে আগুন দেওয়া
  2. অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন
  3. অনিষ্ট সাধন উত্তর
  4. ভয় দেখানো
ব্যাখ্যা
♦ দন্ডবিধির ৫০৩ ধারায় অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের বিধান রয়েছে। কোন ব্যক্তিকে আতঙ্কিত করার জন্য উক্ত ব্যক্তির সম্পত্তি বা সুনাম বা দেহের ক্ষতি (injury to property, reputation or person) করার ভয় বা হুমকি (threat) দেখানো হলে, তাকে অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন বা Criminal Intimidation বলে।
♦ যেমন- ক, খ-কে একটি দেওয়ানি মামলা পরিচালনা করা থেকে বিরত রাখার জন্য খ-এর বাড়ি পুড়িয়ে ফেলার হুমকি প্রদান করে। এখানে ক অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের দায়ে অপরাধী হবে ।
♦ ভীতি প্রদর্শিত লোকের স্বার্থ নিহিত রয়েছে এমন কোন মৃত লোকের সুনাম নষ্ট করার ভীতি প্রদর্শনও ৫০৩ ধারার অপরাধ বলে গণ্য হবে। যেমন- কামাল, রফিককে একটি কাজ করা থেকে বিরত রাখার জন্য রফিকের মৃত বাবার নামে কুৎসা রটানের হুমকি প্রদান করে। এখানে কামাল অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের দায়ে অপরাধী হবে ।
১,৯১৫.
তর্কাতর্কির এক পর্যায়ে X, Y কে গুরুতর আঘাত করলে তিনদিন পর Y মারা যায়। The Penal Code, 1860 এর কোন ধারায় X অপরাধ করেছে?
  1. ৩০৭
  2. ৩২৫
  3. ৩০২
  4. ৩০৪
ব্যাখ্যা
♦ The Penal Code, 1860 এর  ৩০৪ ধারায় নিন্দনীয় নরহত্যার জন্য ২ ধরণের শাস্তি রয়েছে। যথা- মৃত্যুর অভিপ্রায় ব্যতীত নিন্দনীয় নরহত্যা হলে শাস্তি অনধিক ১০ বছর কারাদন্ড বা অর্থদন্ড বা উভয় দন্ড মৃত্যুর অভিপ্রায় নিয়ে নিন্দনীয় নরহত্যা হলে শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদন্ড বা অনধিক ১০ বছর কারাদন্ড এবং অর্থদন্ড।

♦ তর্কাতর্কির এক পর্যায়ে X, Y কে গুরুতর আঘাত করলে তিনদিন পর Y মারা যায়। X মৃত্যুর অভিপ্রায় ব্যতীত নিন্দনীয় নরহত্যা করেছে তাই তার অপরাধ  The Penal Code, 1860 এর ৩০৪ ধারার বিধান অনুযায়ী গণ্য হবে বা শাস্তি হবে। 
১,৯১৬.
‘E’ আগুন দিয়ে একটি বাড়ি ধ্বংস করে, যা সাধারণত মানুষের বাসস্থান হিসেবে ব্যবহৃত হয়। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর কোন ধারা অনুসারে 'E' এর শাস্তি হবে?
  1. ধারা ৪৩৫
  2. ধারা ৪৩৬
  3. ধারা ৪৩৩
  4. ধারা ৪৩১
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪৩৬ অনুসারে, যে কেউ আগুন বা বিস্ফোরক দ্রব্য ব্যবহার করে ক্ষতিসাধন (Mischief) করে, এবং এর মাধ্যমে এমন কোনো ভবন ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে বা জেনে যে ধ্বংস হওয়ার সম্ভাবনা আছে, যা সাধারণত উপাসনালয়, মানুষের বাসস্থান, বা সম্পত্তি সংরক্ষণের স্থান হিসেবে ব্যবহৃত হয়, সে এই অপরাধের জন্য দায়ী। শাস্তি হলো যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা ১০ বছর পর্যন্ত যেকোনো প্রকারের কারাদণ্ড এবং জরিমানা। এখানে, ‘E’ আগুন দিয়ে একটি বাড়ি ধ্বংস করেছে, যা মানুষের বাসস্থান হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তাই ধারা ৪৩৬ প্রযোজ্য।
অর্থাৎ ‘E’-এর কাজ ধারা ৪৩৬-এর অধীনে বাড়ি ধ্বংসে আগুন দিয়ে ক্ষতিসাধন হিসেবে গণ্য, এবং এর শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং জরিমানা। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো খ) ধারা ৪৩৬।

⇒ দণ্ডবিধির ৪৩৬ ধারা- আগুন বা বিস্ফোরক দ্বারা ক্ষতি:
যে ব্যক্তি আগুন বা কোনো বিস্ফোরক পদার্থ ব্যবহার করে এমন ক্ষতি করে যা সাধারণত উপাসনাগৃহ, মানববাসস্থান বা সম্পত্তির সুরক্ষার জায়গারূপে ব্যবহৃত হয়, এবং তার উদ্দেশ্য থাকে বা সে জানে যে এইভাবে ওই স্থানের ধ্বংস সাধিত হতে পারে, তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হবে এবং তাকে অর্থদণ্ডও দেওয়া হতে পারে।

⇒ The Penal Code, 1860-Section 436- Mischief by fire or explosive substance with intent to destroy house, etc.:
Whoever commits mischief by fire or any explosive substance, intending to cause, or knowing it to be likely that he will thereby cause, the destruction of any building which is ordinarily used as a place of worship or as a human dwelling or as a place for the custody of property, shall be punished with imprisonment for life, or with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.

১,৯১৭.
দণ্ডবিধি কার্যকর হয় কবে থেকে?
  1. ৬ অক্টোবর, ১৮৬০
  2. ১লা জানুয়ারি, ১৮৬২
  3. ১লা জানুয়ারি, ১৮৬১
  4. ২০ অক্টোবর, ১৮৬০
ব্যাখ্যা
⇒ ১৮৩৩ সালে ভারতের শাসনভার ইংরেজ কোম্পানি হাত হতে ব্রিটিশ রাজ গ্রহণ করার পর ভারতবর্ষের জন্য একটি আইন কমিশন গঠন করেন।
-ভারতীয় উপমহাদেশে সর্বপ্রথম আইন কমিশন গঠন করা হয় ১৮৩৪ সালে।
- প্রথম আইন কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন থমাস ব্যাবিংটন ম্যাকুলে (Lord Macaulay).
- প্রথম আইন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন , i) সভাপতি-লর্ড ম্যাকলে। ii) সদস্য- মি: ম্যাকলিউড। iii) সদস্য-মি: এন্ডারসন। iv) সদস্য-মি: মিলার।
- ১৮৩৭ সালে এই কমিশন দণ্ডবিধি প্রণয়নের জন্য খসড়া জমা দেয় এবং ৬ অক্টোবর ১৮৬০ সালে বিলটি পাস হয় এবং দণ্ডবিধি ১লা জানুয়ারি ১৮৬২ সালে থেকে কার্যকর হয়।
- যার নামকরণ করা হয় ১৮৬০ সালের ৪৫ নং আইন, দণ্ডবিধি।

⇒  অর্থাৎ ১৮৬০ সালের ৬ অক্টোবর দণ্ডবিধি প্রণীত হয় যা ১৮৬২ সালের ১লা জানুয়ারী থেকে ‘Indian Penal Code’ নামে কার্যকর হয়।
১,৯১৮.
কোনো ব্যাংক কর্মকর্তা যদি আইন অনুযায়ী নির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ না করে, তাহলে ধারা ৪৬২ক এর অধীন তার বিরুদ্ধে কি অভিযোগ আনা হবে?
  1. প্রতারণার অভিযোগ
  2. দুর্নীতির অভিযোগ
  3. অবহেলার অভিযোগ
  4. জালিয়াতির অভিযোগ
ব্যাখ্যা
ধারা ৪৬২ক: ব্যাংক কর্মকর্তাদের এবং কর্মচারীদের অবহেলার জন্য শাস্তি:
যদি ব্যাংক কোম্পানির কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারী তার কাজ করতে গিয়ে অবহেলা করে, এবং এর ফলে কোম্পানির কোনো গ্রাহক বা অন্য কোনো ব্যক্তির কারণে কোম্পানির সম্পত্তির ক্ষতি হয়, তাহলে তাকে শাস্তি দেওয়া হবে।

এই শাস্তি হতে পারে:
দুই বছর পর্যন্ত যেকোনো ধরণের কারাদণ্ড;
জরিমানা;
অথবা উভয়ই।

ব্যাখ্যা: যদি ব্যাংক কর্মকর্তা বা কর্মচারী আইন অনুযায়ী তার কাজ করার নিয়ম না মেনে চলে বা দায়িত্ব পালনে অবহেলা করে, তাকে এই ধারায় দোষী ধরা হবে।

উদাহরণস্বরূপ,
যদি কোনো ব্যাংক কর্মকর্তা গ্রাহকের চেক ঠিকমতো যাচাই না করে এবং এর ফলে ব্যাংক ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তাহলে ওই কর্মকর্তা শাস্তির মুখোমুখি হতে পারে।
১,৯১৯.
দণ্ডবিধির ৯৬ ধারা অনুযায়ী _________ জন্য কোনো অধিকার প্রয়োগ করে থাকলে, তা আইনে অপরাধ বলে গণ্য করা হবে না।
  1. আইনগত কাজের
  2. ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষার
  3. কোনো অপরাধে সহায়তার
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৯৬ ধারায় বলা আছে,

ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষার জন্য কোনো অধিকার প্রয়োগ করে থাকলে তা আইনে অপরাধ বলে গণ্য করা হবে না।

"Nothing is an offence which is done in the exercise of the right of private defence."
১,৯২০.
দণ্ডবিধির ৩৫৯ ধারা অনুযায়ী মনুষ্যহরণ(Kidnapping) কয় প্রকার?
  1. ২ প্রকার
  2. ৩ প্রকার
  3. ৪ প্রকার
  4. ৫ প্রকার
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩৫৯ ধারা- মনুষ্যহরণ:
মনুষ্যহরণ দুই প্রকারের:- বাংলাদেশ হতে মনুষ্যহরণ এবং আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে মনুষ্যহরণ।

Section 359- Kidnapping:
Kidnapping is of two kinds; kidnapping from Bangladesh, and kidnapping from lawful guardianship.
১,৯২১.
'ক' একটি বাক্স ভেঙ্গে কিছু গহণাপত্র চুরি করার উদ্যোগ করে। সে বাক্সটি ভেঙ্গে দেখতে পায় যে উহাতে কোন গহনাপত্র নেই। সে চুরির উদ্দেশ্রে এই কাজটি করেছে। 'ক' এর কাজটি কোন ধারার আওতায় অপরাধ বলে পরিগণিত হবে?
  1. ৫১১ ধারা
  2. ৫০৭ ধারা
  3. ৫০৮ ধারা
  4. ৪৯৯ ধারা
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধি ৫১১ ধারার অধীন অপরাধ সংঘটনের উদ্যোগ বা প্রচেষ্টা এর অপরাধ করেছে।
১,৯২২.
দণ্ডবিধির ধারা ৩৫৪ এর অধীনে অপরাধ প্রমাণিত হলে সর্বোচ্চ কত বছরের কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৫ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৫৪ অনুযায়ী, কোনো নারীর শালীনতায় আঘাত করার উদ্দেশ্যে আক্রমণ বা অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করলে অপরাধী সর্বোচ্চ ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে। এছাড়া অর্থদণ্ড বা উভয় শাস্তি একসাথে প্রযোজ্য হতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৫৪ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি: কোনো নারীর উপর আক্রমণ (assault) বা অপরাধমূলক বল (criminal force) প্রয়োগ করে উদ্দেশ্য বা জ্ঞানসহকারে যে এতে তার শালীনতায় আঘাত (outrage modesty) পড়বে, তাহলে অপরাধী সর্বোচ্চ ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে। কারাদণ্ড (সশ্রম বা বিনাশ্রম) অথবা জরিমানা অথবা উভয় শাস্তি একসাথে প্রযোজ্য।
------
⇒ The Penal Code, 1860- Section- 354. Assault or criminal force to woman with intent to outage her modesty:
Whoever assaults or uses criminal force to any woman, intending to outrage or knowing it to be likely that he will thereby outrage her modesty, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.

১,৯২৩.
ক নিজেকে খ হিসেবে দাবি করে যেখানে খ মৃত। ক এইভাবে নিজেকে খ দাবি করে খ-এর ব্যাংক একাউন্ট থেকে টাকা উত্তোলন করে। ক-এর অপরাধ পেনাল কোড-এর ________ ধারায় শাস্তিযোগ্য।
  1. ৪১৫
  2. ৪১৬
  3. ৪১৯
  4. ৪২০
ব্যাখ্যা
⇒ পেনাল কোডের ৪১৬ ধারায় ছদ্মবেশী প্রতারণার সংজ্ঞা (Cheating by personation)- দন্ডবিধির ৪১৬ ধারায় অপরের রূপ ধারন পূর্বক প্রতারণা বা ছদ্মবেশী প্রতারণার (cheating by personation) বিধান রয়েছে। প্রতারণার উদ্দেশ্যে অন্যের পরিচয়ে নিজেকে উপস্থিত করলে তাকে ছদ্মবেশী প্রতারণা বা Cheating by personation বলে।
যে ব্যক্তির রূপ ধারন করা হয় সে ব্যক্তি প্রকৃত বা কল্পিত যাই হোক না কেন তা ছদ্মবেশে প্রতারণা হবে । যেমন- করিম নিজেকে আলতাফ হোসেনের ৩ নম্বর পুত্র বলে রহিমের নিকট উপস্থাপন করে কিন্তু বাস্তবে আলতাফ সাহেবের ১ জন পুত্র রয়েছে। এক্ষেত্রে করিম ছদ্মবেশী প্রতারণার জন্য দায়ী হবে ।

♦ ৪১৯ ধারায় cheating by personation এর শাস্তি বর্ণিত আছে যা অনধিক ৩ বৎসর কারাদন্ড বা অর্থদন্ড বা উভয়দন্ড।
♦ পেনাল কোডের ৪১৯ ধারায় শাস্তি বর্ণিত আছে তাই ৪১৯ ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
১,৯২৪.
একটি প্রচন্ড অগ্নিকান্ডের সময় আগুন যাতে চারদিকে ছড়িয়ে না পড়ে এবং মানুষের জীবন ও সম্পত্তির যেন কোন ক্ষতি না হয় সেজন্য ক আশপাশের ঘরবাড়ি ভেঙ্গে ফেলে। এখানে ক কি ধরণের অপরাধ করেছে?
  1. ক্ষতি
  2. উৎপাত
  3. ক ও খ উভয়ই
  4. কোন অপরাধ করেনি
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ৮১ ধারার বিধান সম্ভাব্য ক্ষতিকারক কার্য, কিন্তু অপরাধমূক অভিপ্রায় ব্যতিরেকে এবং অন্যবিধ ক্ষতি নিবারণকল্পে সম্পাদিতঃ

কোন কাজ শুধু ক্ষতিসাধন করতে পারে এইরূপ জানা সত্ত্বেও উহা করার ফলেই অপরাধ বলে বিবেচনা করা হবে না যদি কাজটি ক্ষতিসাধন করার জন্য কোনরূপ অপরাধমূলক উদ্দেশ্যে সম্পাদিত না হয়ে থাকে এবং উহা শরীরের বা সম্পত্তির অপর কোনরূপ ক্ষতি নিবারণ বা প্রতিরোধের উদ্দেশ্যে সরল বিশ্বাসে সম্পাদিত হয়ে থাকে। -
ব্যাখ্যা (Explanation):-
যে ক্ষতিটি নিবারণ বা প্রতিরোধ করতে হবে, উহা এতই আসন্ন বা প্রকট ছিল কিনা এবং উহা এমন প্রকৃতির ছিল কিনা যার ফলে, সম্পাদিত কাজটি ক্ষতি করতে পারে জানা সত্ত্বেও উহা করা বা করার মাধ্যমে ঝুঁকি গ্রহণ মার্জনীয় হবে, বাস্তব ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতেই এই প্রশ্নটির মীমাংসা করতে হবে।

♦যেহেতু ক আগুন যাতে চারদিকে ছড়িয়ে না পড়ে এবং মানুষের জীবন ও সম্পত্তির যেন কোন ক্ষতি না হয় সেজন্য আশপাশের ঘরবাড়ি ভেঙ্গে ফেলেছে। অর্থাৎ বড় ক্ষতি বাচাতে  সরল বিশ্বাসে ছোট ক্ষতি করেছে তাই তার কাজ কোন অপরাধ হয়নি।
১,৯২৫.
অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ এবং অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের ক্ষেত্রে কোন তথ্যটি সঠিক নয়?
  1. উভয় ক্ষেত্রে দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করা হয়
  2. উভয় ক্ষেত্রে অপরাধী সম্পত্তি বিশ্বাসভরে দখলে পেয়ে থাকে 
  3. উভয় ক্ষেত্রে অপরাধের বিষয়বস্তু স্থাবর এবং অস্থাবর সম্পত্তি
  4. উভয় ক্ষেত্রে অপরাধী সম্পত্তিটি অসাধুভাবে নিজ ব্যবহারে পরিণত করে 
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪০৩ ধারার বিধান অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ। অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাতের সংজ্ঞা (Dishonestly misappropriation of property)- স্বাভাবিকভাবে বা দৈবচক্রে কোন সম্পত্তি দখলে আসার পর, প্রকৃত মালিকের খোঁজ খবর না নিয়েই অথবা প্রকৃত মালিকের সন্ধান পাওয়া গেলে তাকে উক্ত সম্পত্তি ফেরত না দিয়ে নিজে ভোগ করলে তা অসাধুভাবে আত্মসাৎ হবে।
⇒ প্রাথমিকভাবে সম্পত্তি গ্রহণ করলেই তা অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎকরণ হবে না বরং পরবর্তীতে যখনই সম্পত্তিটি অসাধুভাবে নিজ ব্যবহারে পরিণত করা হয়, তখনই তা অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎকরণ বলে গণ্য হবে।
⇒ যেমন- 'A' নিজের মনে করে 'X'-এর সম্পত্তি সরল মনে 'X'-এর দখল হতে নিয়ে যায়। এক্ষেত্রে 'A' চুরির জন্য দায়ী হবে হবে না: কিন্তু যদি 'A' নিজের ভুল বোঝার পরেও অসাধুভাবে সম্পত্তিটি তার নিজের ব্যবহারের জন্য আত্মসাৎ করে, সেক্ষেত্রে 'A' অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাতের অপরাধে দায়ী হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৪০৫ ধারার বিধান অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ:- কোন ব্যক্তি যদি কোন ভাবে কোন সম্পত্তির বা সম্পত্তি পরিচালনের দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়ে, অসাধুভাবে সে সম্পত্তি আত্মসাৎ করে বা নিজের ব্যবহারে প্রয়োগ করে, অথবা অনুরূপ দায়িত্ব যেভাবে নির্বাহিত হত বলে বিহিত আইনে নির্দেশ করা হয়েছে, তা খেলাফ করে সে দায়িত্ব নির্বাহ সম্পর্কে সে প্রকাশ্য বা অনুরূপ যে আইনগত চুক্তি করেছে তা খেলাফ করে সে সম্পত্তি অসাধুভাবে ব্যবহার করে, বা বিলি ব্যবস্থা করে অথবা ইচ্ছাপূর্বক অপর কোন ব্যক্তিকে তা করতে দেয়, তবে উক্ত ব্যক্তি 'অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের' অপরাধ করেছে।

- অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ এবং অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাঙ্করণের ক্ষেত্রে দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করা হয় না।
- তাই উল্লিখিত প্রশ্নে অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ এবং অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ করণের ক্ষেত্রে দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করা হয় তথ্যটি সঠিক নয়।
১,৯২৬.
দণ্ডবিধির ১৮৯ ধারায়, সরকারি কর্মচারীকে হুমকি দেওয়ার ক্ষেত্রে শাস্তির মেয়াদ কত সময় পর্যন্ত হতে পারে?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৫ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৮৯ ধারায় বলা হয়েছে যে, যদি কেউ সরকারি কর্মচারীকে বা তার সঙ্গে সম্পর্কিত অন্য কোনো ব্যক্তিকে ক্ষতিসাধনের হুমকি দেয়, এবং সেই হুমকি দেওয়ার উদ্দেশ্য যদি সরকারি কর্মচারীকে তার সরকারি দায়িত্ব পালনে বাধ্য করা অথবা কোনো কাজ করতে বিলম্বিত করার জন্য হয়, তবে সেই ব্যক্তি ২ বছর পর্যন্ত মেয়াদে সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড অথবা অর্থদণ্ড অথবা উভয় শাস্তি হতে পারে।
- এতে নির্দেশিত শাস্তির মেয়াদ ২ বছর পর্যন্ত হতে পারে, এবং শাস্তি কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড হতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ১৮৯ ধারার বিধান সরকারি কর্মচারীকে ক্ষতিসাধনের হুমকি:- কোন সরকারি কর্মচারী হিসেবে তার সরকারি কর্তব্য সম্পাদনের সাথে সংশ্লিষ্ট কোন কাজ করতে প্রবৃত্ত করার উদ্দেশ্যে অথবা কোন কাজ করা হতে বিরত হওয়ার বা করতে বিলম্ব করার জন্য বাধ্য করার উদ্দেশ্যে, কোন ব্যক্তি যদি উক্ত সরকারি কর্মচারীকে অথবা অন্য যে কোন ব্যক্তির সাথে উক্ত সরকারি কর্মচারীর স্বার্থসংশ্লিষ্ট, সে অন্য ব্যক্তিকে ক্ষতিসাধনের হুমকি প্রদর্শন করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
⇒ The Penal Code, 1860- Section 189. Threat of injury to public servant:- Whoever holds out any threat of injury to any public servant, or to any person in whom he believes that public servant to be interested, for the purpose of inducing that public servant to do any act, or to forbear or delay to do any act, connected with the exercise of the public functions of such public servant, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
১,৯২৭.
দণ্ডবিধি অনুসারে কয় ধরনের ফলাফল বা পরিণতিকে আঘাতের সংজ্ঞাভুক্ত করা হয়েছে?
  1. ২ ধরনের
  2. ৩ ধরনের
  3. ৬ ধরনের
  4. ৮ ধরনের
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩১৯ ধারা: আঘাত:
কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির দৈহিক যন্ত্রণা, ব্যাধি বা অপরাগতা ঘটায়, তবে উক্ত ব্যক্তি আঘাত করেছে বলে পরিগণিত হবে।

Section 319- Hurt:
Whoever causes bodily pain, disease or infirmity to any person is said to cause hurt.

⇒ পেনাল কোড, ১৮৬০-এর ৩১৯ ধারা অনুযায়ী, আঘাত বলতে বোঝায়- শরীরের যেকোনো দৈহিক যন্ত্রণা, ব্যাধি বা অপরাগতা। এই ৩টি হচ্ছে আঘাতের সংজ্ঞার অন্তর্ভুক্ত ফলাফল:
- ব্যথা (Pain);
- রোগ (Disease);
- শারীরিক অক্ষমতা (Infirmity)।
১,৯২৮.
বিচারকালীন আসামী যে মেয়াদের কারাবাস ভোগ করেছে তা যদি সে যে দণ্ডে দণ্ডিত হয়েছে তার মেয়াদ অপেক্ষা বেশী হয়, তাহলে আসামী-
  1. অর্থ দণ্ড যদি থাকে মওকুফ হবে
  2. তাকে কারাবাস থেকে ছেড়ে দেওয়া হবে
  3. নতুন করে কারাবাস শুরু হবে
  4. ক এবং খ উভয়
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৫ ক অনুযায়ী দণ্ডাদেশের পূর্বে যদি জেল হাজতে যে মোট মেয়াদে অপরাধীকে দণ্ডিত করা হয়েছে তদাপেক্ষা অধিক হয়ে থাকে, তাহলে অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রদত্ত কারাদণ্ড ভোগ করিয়াছে বলে গণ্য হবে এবং জেল হাজতে থাকলে তৎক্ষণাৎ মুক্তি দিতে হবে এছাড়াও যদি কোন জরিমানা পরিশোধ করার দণ্ডিত করা হয়ে থাকে,তাহলে উক্ত অর্থদণ্ড জরিমানা মওকুফ হয়ে যাবে।
১,৯২৯.
দণ্ডবিধির কত ধারায় শুধুমাত্র ডাকাতির শাস্তির বিধান আছে?
  1. ৩৯১
  2. ৩৯২
  3. ৩৯৫
  4. ৩৯৬
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৯৫ ধারার বিধান ডাকাতির সাজা:- কোন ব্যক্তি যদি ডাকাতি করে, তবে উক্ত ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডনীয় হবে।
-------------------
⇒ Section 395:- Punishment for dacoity:- Whoever commits dacoity shall be punished with imprisonment for life, or with rigorous imprisonment for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.
১,৯৩০.
দণ্ডবিধির ৪৯৪ ধারায় স্বামী বা স্ত্রীর জীবদ্দশায় পুনরায় বিবাহকরণ (Bigamy) এর শাস্তি হতে পারে-
  1. অর্থদণ্ডসহ ৭ বৎসর পর্যন্ত যেকোন বর্ণনার কারাবাস
  2. ৫ বৎসর পর্যন্ত যেকোন বর্ণনার কারাবাস এবং অর্থদণ্ড 
  3. ১০ বৎসর পর্যন্ত যেকোন বর্ণনার কারাবাস এবং অর্থদণ্ড
  4. ৩ বৎসর পর্যন্ত যেকোন বর্ণনার কারাবাস অর্থদণ্ডসহ
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪৯৪ ধারার বিধান স্বামী বা স্ত্রীর জীবদ্দশায় পুনরায় বিবাহ করা: কোন ব্যক্তি যদি এক স্বামী বা এক স্ত্রী জীবিত থাকা সত্ত্বেও এমন কোন পরিস্থতিতে বিবাহ করে, যে পরিস্থিতিতে স্বামী বা স্ত্রী জীবিত থাকা অবস্থায় সংঘটিত বলে অনুরূপ বিষয়টি অবৈধ হয়েছে, তবে উক্ত ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

ব্যতিক্রম:- অনুরূপ স্বামী বা স্ত্রীর সাথে যে ব্যক্তির বিবাহ কোন উপযুক্ত আদালত দ্বারা নাকচ বলে ঘোষণা করা হয়েছে, সে ব্যক্তির ক্ষেত্রে এই ধারাটি প্রয়োগযোগ্য হবে না। কিংবা যে প্রাক্তন স্বামী বা স্ত্রীর জীবদ্দশায় বিবাহ সংঘটিত হচ্ছে, বিবাহের সময় পর্যন্ত যে প্রাক্তন স্বামী বা স্ত্রী যদি পূর্ববর্তী সাত বৎসর পর্যন্ত ক্রমাগত পরবর্তী বিবাহ অনুষ্ঠানকারীর নিকট থেকে অনুপস্থিত থেকে থাকে এবং সে সাত বৎসর যাবৎ অনুরূপ প্রাক্তন স্বামী বা স্ত্রী জীবিত রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি না শুনে থাকে তবে তার ক্ষেত্রে এই ধারা প্রয়োগযোগ্য হবে না; তবে পরবর্তী বিবাহকালে বিবাহ অনুষ্ঠানকারী ব্যক্তি যার সাথে তার বিবাহ হচ্ছে তাকে বিবাহ সংঘটিত হওয়ার পূর্বে তার জ্ঞাত সকল ঘটনা সংক্রান্ত প্রকৃত পরিস্থিতি সম্পর্কে অবহিত করতে হবে।

⇒ Section 494. Marrying again during life-time of husband or wife:- Whoever, having a husband or wife living, marries in any case in which such marriage is void by reason of its taking place during the life of such husband or wife, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to finel.

Exception: This section does not extend to any person whose marriage with such husband or wife has been declared void by a Court of competent jurisdiction, nor to any person who contracts a marriage during the life of a former husband or wife, if such husband or wife, at the time of the subsequent marriage, shall have been continually absent from such person for the space of seven years, and shall not have been heard of by such person as being alive within that time provided the person contracting such subsequent marriage shall, before such marriage takes place, inform the person with whom such marriage is contracted of the real state of facts so far as the same are within his or her knowledge.
১,৯৩১.
এক জন চোর এক বাড়িতে প্রবেশ করে এবং বাসিন্দাদের জীবন নাশের হুমকি দিয়ে টাকা ও অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী চুরি করে। এক্ষেত্রে কোন অপরাধ সংঘটিত হয়েছে?
  1. দস্যুতা
  2. গুরতর চুরি
  3. বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়
  4. মারাত্মক আঘাত
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৩৯০ ধারা- দস্যুতা:
প্রত্যেক দস্যুতায় হয় চুরি, না হয় বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়ের অপরাধ সংঘটিত হয়। যেক্ষেত্রে চুরি দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে:- চুরি করার উদ্দেশ্যে, অথবা চুরি করতে, কিংবা চুরিতে লব্ধ সম্পত্তি বহন বা বহনের উদ্যোগ কালে, অপরাধকারী তদুদ্দেশ্যে ইচ্ছাপূর্বক কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায় বা তাকে আঘাতদান করে তাকে অন্যায় ভাবে আটক করে বা করার উদ্যোগ করে, বা তাকে তাৎক্ষণিক মৃত্যু বা তাৎক্ষণিক আঘাত বা তাৎক্ষণিক অবৈধ আটকের ভীতি প্রদর্শন করে বা করার উদ্যোগ করে, তা হলে উক্ত চুরি হচ্ছে 'দস্যুতা'।

বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় যেক্ষেত্রে দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে:-
বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়ের সময় অপরাধী- যে ব্যক্তিকে ভয়ে বিহ্বল করা হয়েছে, সে ব্যক্তির বা অন্য কোন ব্যক্তিকে আশু মৃত্যুর, আশু আঘাতের বা আশু অন্যায় নিয়ন্ত্রণের ভয়ে অভিভূত করে বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় করলে, এবং এইভাবে যে ব্যক্তিকে ভয়ে অভিভূত করা হয়েছে, সে ব্যক্তিকে তখন বলপূর্বক আদায়কৃত বস্তুটি অর্পণে বাধ্য করলে, বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় 'দস্যুতা' বলে পরিগণিত হবে।

ব্যাখ্যা:- অপরাধী অন্য ব্যক্তিকে আশু মৃত্যুর, আঘাতের বা আশু অন্যায় নিয়ন্ত্রণের ভয়ে অভিভূত করার পক্ষে যথেষ্ট নিকটে থাকলে সে হাজির বলে পরিগণিত হবে।

⇒ উল্লিখিত ঘটনায় অপরাধী মৃত্যুর ভয় দেখিয়েছে এবং চুরি বা বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় করেছে। সুতরাং তা দণ্ডবিধির ৩৯০ ধারায় দস্যুতা হিসেবে বিবেচিত হবে।
১,৯৩২.
ফৌজদারি অপরাধের সাধারণ ব্যতিক্রম দণ্ডবিধির কত থেকে কত ধারায় আলোচনা করা হয়েছে?
  1. ৭৬ থেকে ১০০ ধারায়
  2. ৯৬ থেকে ১০৬ ধারায়
  3. ৭৪ থেকে ১০৪ ধারায়
  4. ৭৬ থেকে ১০৬ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০ এর চতুর্থ অধ্যায় ৭৬ ধারা থেকে ১০৬ ধারা পর্যন্ত সাধারণ ব্যতিক্রম সমূহ বা General exceptions নিয়ে আলোচনা করা হয়।
- যে কাজগুলোকে স্বাভাবিকভাবে অপরাধ বলে গণ্য করা হলেও বিশেষ ক্ষেত্রে অপরাধ বলে গণ্য করা হয় না তাকেই সাধারণ ব্যতিক্রম বা General Exception বলে। দণ্ডবিধির ৭৬ থেকে ১০৬ ধারায় কিছু সাধারণ ব্যতিক্রমের উল্লেখ রয়েছে। দণ্ডবিধির ৭৬ থেকে ১০৬ ধারার আওতাধীন কার্য বা কার্যবিরতিগুলো (acts or omission) স্বাভাবিকভাবে অপরাধ মনে হলেও সেগুলো ফৌজদারি দায় (criminal liability) থেকে মুক্ত; অর্থাৎ ৭৬ থেকে ১০৬ ধারার আওতাধীন কার্যগুলো অপরাধ মনে হলেও অপরাধী কোন শাস্তি পায়না।
- পেনাল কোডের ৭৬-১০৬ ধারার মধ্যে যে সকল সাধারণ ব্যতিক্রম বর্ণনা করা হয়েছে সেগুলোর কোনো একটির সুযোগ যদি কোনো অভিযুক্ত পায় তাহলে উক্ত ব্যক্তিকে যে কাজের জন্য অভিযুক্ত করা হয়েছে তা আর অপরাধ হিসেবেই গণ্য হবে না। অভিযুক্ত ব্যক্তি এই ক্ষেত্রে নিরপরাধ হিসেবে খালাস পাবে। দোষী সাব্যস্ত করার সুযোগও নাই।
- সাক্ষ্য আইনের ১০৫ ধারা অনুযায়ী কোনো ব্যক্তি যদি দাবি করে তার কার্য বা কার্যবিরতি দণ্ডবিধির ৭৬ থেকে ১০৬ ধারায় উল্লিখিত কোন সাধারণ ব্যতিক্রমের মধ্যে পড়ে, তবে তা প্রমাণের ভার উক্ত ব্যক্তির উপর বর্তায়।
১,৯৩৩.
দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারার সংজ্ঞা অনুযায়ী নিচের কোনটি চুরির হিসেবে গণ্য হয়?
  1. সম্পত্তি ধ্বংস করা
  2. স্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণ
  3. অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণ
  4. সম্পত্তির মালিকের সম্মতিতে সম্পত্তি গ্রহণ
ব্যাখ্যা
উত্তর: অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণ।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারায় চুরির বিধান রয়েছে। ৩৭৮ ধারামতে কোন ব্যক্তির দখল থেকে সম্মতি ব্যতীত কোন অস্থাবর সম্পত্তি (Movable property) অসাধুভাবে গ্রহণের উদ্দেশ্যে স্থানান্তর করলে বা সরানো হলে তা চুরি বলে গণ্য হবে। অন্যভাবে বলা যায়, যদি কোন ব্যক্তি কোন অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণের উদ্দেশ্যে সম্পত্তির দখলে থাকা ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া উক্ত সম্পত্তি স্থানান্তর করে তবে তা চুরি বলে গণ্য হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারার বিধান চুরি:- কোন ব্যক্তি যদি কারো দখল হতে তার সম্মতি ব্যতীত কোন অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণ করার উদ্দেশ্য নিয়ে উক্ত সম্পত্তি অনুরূপভাবে গ্রহণের জন্য স্থানান্তর করে, তবে উক্ত ব্যক্তি চুরি করেছে বলে গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ১:- কোন বস্তু যতক্ষণ পর্যন্ত অস্থাবর সম্পত্তি না হওয়া বিধায় মাটির সাথে যুক্ত থাকে, ততক্ষণ পর্যন্ত উহা চুরি করার বস্তু বলে গণ্য হবে না, কিন্তু যে মুহূর্তে উহাকে মাটি হতে বিচ্ছিন্ন করা হয় সে মুহূর্তেই উহা চুরি করার বস্তু হওয়ার যোগ্য গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ২:- যে কাজ কর্তৃক (মাটি হতে) বিচ্ছিন্নতা সাধন করা হয়, সে কাজ দ্বারাই স্থানান্তর করা হলে তা চুরি হতে পারে।
ব্যাখ্যা ৩:- কোন ব্যক্তি কোন বস্তুর গতির প্রতিবন্ধক অপসারণ করলে বা উহাকে অপর কোন বন্ধু হতে বিচ্ছিন্ন করলে এবং বাস্তবিকভাবে উহা স্থানান্তর করলে উক্ত বস্তু স্থানান্তর করে বলে পরিগণিত হবে।
ব্যাখ্যা ৪:- কোন ব্যক্তি যে কোন উপায়ে কোন পশুকে হাঁটায়, সে লোক সে পশুকে এবং অনুরূপভাবে সৃষ্ট গতির ফলে উক্ত পশু দ্বারা স্থানান্তরিত প্রত্যেক বস্তুকে স্থানান্তর করে বলে গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ৫:- সংজ্ঞায় উল্লিখিত সম্মতি প্রকাশ্য অথবা পরোক্ষ হতে পারে: এবং উক্ত সম্মতি দখলকারী ব্যক্তি বা উক্ত উদ্দেশ্য প্রকাশ্য বা পরোক্ষ ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তির দ্বারা প্রদত্ত হতে পারে।
----------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 378: Theft:
- Whoever, intending to take dishonestly any moveable property out of the possession of any person without that person's consent, moves that property in order to such taking, is said to commit theft.
Explanation 1.- A thing so long as it is attached to the earth, not being moveable property, is not the subject of theft; but it becomes capable of being the subject of theft as soon as it is severed from the earth.
Explanation 2.- A moving effected by the same act which effects the severance may be a theft.
Explanation 3.- A person is said to cause a thing to move by removing an obstacle which prevented it from moving or by separating it from any other thing, as well as by actually moving it.
Explanation 4.- A person, who by any means causes an animal to move, is said to move that animal, and to move everything which, in consequence of the motion so caused, is moved by that animal.
Explanation 5.- The consent mentioned in the definition may be express or implied, and may be given either by the person in possession, or by any person having for that purpose authority either express or implied.
১,৯৩৪.
ক এমন একটি রোগে ভুগছে যে, এক আঘাতেই তার মৃত্যু হওয়ার সম্ভাবনা আছে। খ এই কথা না জেনে 'ক' কে দৈহিক জখম করার অভিপ্রায়ে এমন আঘাত করে যা একজন সুস্থ ব্যক্তির মৃত্যু ঘটাতে পারে। উক্ত আঘাতের ফলে 'ক' মারা যায়।
  1. হত্যা
  2. খুন
  3. অপরাধজনক নরহত্যা
  4. নরহত্যা
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ৩০০ ধারার প্রথম অংশের অনুচ্ছেদ ২ অনুযায়ী, যদি অপরাধী জানে যে, সে যে ধরনের দৈহিক জখম করছে তা যে ব্যক্তিকে জখম করা হচ্ছে তার মৃত্যু ঘটাতে পারে এবং সে যদি এটা জেনে জখম, করে মৃত্যু ঘটায় তাহলে সেটা খুন হবে। আর যদি না জেনে জখম করে হত্যা করে, তাহলেও সেটা ৩০০ ধারার ৩য় অনুচ্ছেদ অনুযায়ী খুন বলে গণ্য হতে পারে যদি জখমের প্রকৃতি এমন হয় যে, উক্ত জখম একজন সুস্থ ব্যক্তির মৃত্যু ঘটাতে যথেষ্ট। এই ক্ষেত্রে জখমের অভিপ্রায় ছিল কিনা এবং জখম করার অভিপ্রায় নিয়ে এমন আঘাত করেছে কিনা যা একজন সুস্থ ব্যক্তির প্রকৃতির স্বাভাবিক নিয়মে মৃত্যু ঘটাতে যথেষ্ট কিনা তা বিবেচ্য বিষয় যদি মৃত্যু ঘটাতে যথেষ্ট হয় তাহলে সেটা খুন হবে। প্রশ্নে যদিও বা জানতো না যে, ক এমন একটি রোগে ভুগছে যে, এক আঘাতেই তার মৃত্যু হবার সম্ভাবনা আছে, কিন্তু খ, ক-কে এমন আঘাত করে হত্যা করেছে যা একজন সুস্থ ব্যক্তির মৃত্যু ঘটাতে পারে। তাই 'খ' খুনের দায়ে অভিযুক্ত হবে।

♦ দণ্ডবিধির ৩০০ ধারার বিধান খুনঃ
খুনের সবক্ষেত্রে ব্যতিক্রম নির্দেশ করা হয়েছে। সে সকল ক্ষেত্র ব্যতীত অন্যান্য সকল ক্ষেত্রে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুন হবে, যদি যে কার্যটি কর্তৃক মৃত্যু অনুষ্ঠিত হয়, সে কার্যটি মৃত্যু সংঘটনের জন্যই করা হয়ে থাকে, অথবা

দ্বিতীয়ত, যদি কার্যটি কোন ব্যক্তিকে এমনভাবে দৈহিক আঘাত দেওয়ার উদ্দেশ্যে করা হয়ে থাকে, আঘাতের ফলে যে ব্যক্তিকে আঘাত দেওয়া হল, সে যে ব্যক্তির মৃত্যু হতে পারে বলে অপরাধী জানে, অথবা

তৃতীয়ত, যদি কোন ব্যক্তিকে দৈহিক আঘাত দানের উদ্দেশ্যে কার্যটি করা হয় এবং যদি যে দৈহিক আঘাত দেওয়ার অভিসন্ধি করা হয়েছে, সে আঘাতটি প্রকৃতির স্বাভাবিক গতিতে মৃত্যু ঘটাবার পক্ষে যথেষ্ট হয়, অথবা

চতুর্থত, যদি যে ব্যক্তি কার্যটি অনুষ্ঠান করে সে ব্যক্তি জানে যে, কার্যটি এমন আশু বিপজ্জনক যে, ইহার দরুণ খুব সম্ভব মৃত্যু ঘটবে, অথবা ইহার দরুণ অবশ্যই এমন দৈহিক আঘাত ঘটবে, যার ফলে মৃত্যু ঘটতে পারে এবং মৃত্যু ঘটাবার বা অনুরূপ দৈহিক আঘাত ঘটাবার ঝুঁকি গ্রহণের অপর কোন অজুহাত ব্যতিরেকে অনুরূপ কার্য করে।
১,৯৩৫.
'A' obstructs a path along which 'Z' has a right to pass, 'A' not believing in good faith that he has a right to stop the path. 'Z' is thereby prevented from passing. What is the legal term used to describe 'A's action towards 'Z'?
  1. Consent
  2. Trespassing
  3. Infringement
  4. Wrongful restraint
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৩৯ ধারা- অবৈধ বাধা (Wrongful restraint):
যে ব্যক্তি কোন ব্যক্তিকে ইচ্ছাপূর্বক এমনভাবে বাধাদান করে যার ফলে উক্ত ব্যক্তির যেদিকে যাবার অধিকার রয়েছে, এমন কোন দিকে উক্ত ব্যক্তির যাবার পথ রুদ্ধ হয়, তবে সে ব্যক্তি উক্ত ব্যক্তিকে অবৈধভাবে বাধাদান করেছে বলে পরিগণিত হয়।

ব্যতিক্রম: যদি কোন লোক স্থলে বা জলে কোন বেসরকারি পথে বাধা দেওয়ার আইনসম্মত অধিকার তার রয়েছে বলে সরল মনে বিশ্বাসবশতঃ উক্ত পথে বিঘ্ন সৃষ্টি করে, তবে তার কাজ এই ধারার অর্থের আওতায় অপরাধ হবে না।

⇒ উদাহরণ:
যে পথ অতিক্রম করার অধিকার চ-এর রয়েছে, সে পথে ক বিঘ্ন সৃষ্টি করে। ক সরল মনে বিশ্বাস করে না যে, পথটি রোধ করার অধিকার তার রয়েছে। ক-এর পথ রোধের ফলে চ পথ অতিক্রম করতে অসমর্থ হয়। ক অবৈধভাবে চ-কে বাধাদান করেছে।
--------
Section 339- Wrongful restraint:
Whoever voluntarily obstructs any person so as to prevent that person from proceeding in any direction in which that person has a right to proceed, is said wrongfully to restrain that person. 
 
Exception-
The obstruction of a private way over land or water which a person in good faith believes himself to have a lawful right to obstruct, is not an offence within the meaning of this section. 
 
Illustration-
A obstructs a path along which Z has a right to pass, A not believing in good faith that he has a right to stop the path. Z is thereby prevented from passing. A wrongfully restrains Z.
১,৯৩৬.
What is meant by "Special Law" under The Penal Code,1860?
  1. A law applicable generally
  2. A law applicable only to judges
  3. A law applicable to a particular subject or area
  4. A law applicable to all citizens of the country
ব্যাখ্যা
 - দণ্ডবিধির ৪১ ধারা মতে বিশেষ আইন:- কোন বিশেষ বিষয়ের প্রতি প্রয়োগযোগ্য আইনকে 'বিশেষ আইন'।
→ The Penal Code,1860, Section 41. "Special law":- A "special law" is a law applicable to a particular subject."

- দণ্ডবিধির ৪২ ধারা মতে স্থানীয় আইন:- কেবলমাত্র বাংলাদেশের অভ্যন্তরস্থ এলাকা সমূহের কোন বিশেষ অংশের ক্ষেত্রে প্রয়োগযোগ্য আইনকে 'স্থানীয় আইন' বলে।
-The Penal Code,1860- Section 42. "Local law":- A "local law" is a law applicable only to a particular part of the territories comprised in Bangladesh.
১,৯৩৭.
দণ্ডবিধির ধারা ৪০২-এর অপরাধ প্রমাণের জন্য মূল উপাদান কোনটি?
  1. ডাকাতি সংঘটন করা
  2. ডাকাতির সরঞ্জাম সংগ্রহ করা
  3. ডাকাতির উদ্দেশ্যে একত্রিত হওয়া
  4. ডাকাতির পরিকল্পনা করা ও ডাকাতি করা
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০–এর ধারা ৪০২–এ বলা হয়েছে যে, যদি পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি ডাকাতি সংঘটনের উদ্দেশ্যে একত্রিত হয়, তবে তারা অপরাধী হিসেবে গণ্য হবে। এই অপরাধ প্রমাণের জন্য মূল উপাদান হলো ডাকাতির উদ্দেশ্যে একত্রিত হওয়া। অর্থাৎ, ডাকাতি সংঘটিত হয়েছে কিনা বা ডাকাতির সরঞ্জাম সংগ্রহ করা হয়েছে কিনা, তা অপরাধ প্রমাণের জন্য অপরিহার্য নয়। শুধু ডাকাতির উদ্দেশ্যে পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির একত্রিত হওয়াই যথেষ্ট।
- তাই সঠিক উত্তর হলো: গ) ডাকাতির উদ্দেশ্যে একত্রিত হওয়া।

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ ধারা ৪০২: ডাকাতি সংঘটনের উদ্দেশ্যে একত্রিত হওয়া:
যে কোনো ব্যক্তি, এই আইন কার্যকর হওয়ার পর, যদি পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির মধ্যে একজন হন যারা ডাকাতি সংঘটনের উদ্দেশ্যে একত্রিত হয়েছে, তবে তিনি সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন, যা সর্বোচ্চ সাত বছর পর্যন্ত মেয়াদে হতে পারে, এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যেতে পারে।
--------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 402. Assembling for purpose of committing dacoity:
Whoever, at any time after the passing of this Act, shall be one of five or more persons assembled for the purpose of committing dacoity, shall be punished with rigorous imprisonment for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.

১,৯৩৮.
কোন বিচার বিভাগীয় কার্যক্রমের ইচ্ছাকৃত ভাবে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানের শাস্তির বিধান দণ্ডবিধির কত ধারায় বর্ণিত হয়েছে?
  1. ১৯২ ধারায়
  2. ১৯৩ ধারায়
  3. ১৯৪ ধারায়
  4. ১৯৫ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৯৩ ধারার বিধান মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার শাস্তি: কোন ব্যক্তি যদি কোন বিচার বিভাগীয় কার্যক্রমের যে কোন পর্যায়ে ইচ্ছাপূর্বক মিথ্যা সাক্ষ্যদান ব্যবহার করার জন্য ইচ্ছাপূর্বক মিথ্যা সাক্ষ্য তৈরি করে, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং এতদ্ব্যতীত তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে; এবং
- কোন ব্যক্তি যদি অপর কোন ক্ষেত্রে ইচ্ছাপূর্বক মিথ্যা সাক্ষ্য দান করে বা তৈরি করে, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।
- ব্যাখ্যা-১:- সামরিক আদালত (Court-martial) সংঘটিত বিচারও একটি বিচার বিভাগীয় কার্যক্রম।
- ব্যাখ্যা-২:- কোন আদালতের কোন কার্যক্রম শুরু হওয়ার পূর্বে আইনের নির্দেশানুগ প্রারম্ভিক তদন্ত ও বিচারবিভাগীয় কার্যক্রমের একটি পর্যায় যদিও সে তদন্ত কোন আদালতে সংঘটিত নাও হতে পারে।
- ব্যাখ্যা-৩:- কোন আদালত দ্বারা আইনানুসারে নির্দেশিত এবং কোন আদালতের ক্ষমতানুসারে পরিচালিত কোন তদন্ত বিচারবিভাগীয় কার্যক্রমের একটি পর্যায় যদিও সে তদন্ত কোন আদালতে সংঘটিত নাও হতে পারে।

- উদাহরণ: 
জমির সীমানা অকুস্থলে নির্ণয়কল্পে কোন আদালত দ্বারা প্রেরিত কর্মচারীর বা অফিসারের সম্মুখে সম্পাদিত তদন্তে ক শপথ গ্রহণান্তর এমন একটি বিবৃতি দান করে, যা সে মিথ্যা বলে জানে। যেহেতু উক্ত তদন্তটি একটি বিচারবিভাগীয় কার্যক্রমেরই একটি পর্যায়, সেহেতু ক মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদান করেছে বলে অভিহিত হবে।
-------------
Section-193: Punishment for false evidence:
-Whoever intentionally gives false evidence in any stage of judicial proceeding, or fabricates false evidence for the purpose of being used in any stage of a judicial proceeding, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine;
and whoever intentionally gives or fabricates false evidence in any other case, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, and shall also be liable to fine.
Explanation-1.-A trial before a Court-martial is a judicial proceeding.
Explanation-2.-An investigation directed by law preliminary to a proceeding before a Court of Justice, is a stage of a judicial proceeding, though that investigation may not take place before a Court of Justice.
Explanation-3.-An investigation directed by a Court of Justice according to law, and conducted under the authority of a Court of Justice, is a stage of a judicial proceeding, though that investigation may not take place before a Court of Justice.
Illustration:
A, in an enquiry before an officer deputed by a Court of Justice to ascertain on the spot the boundaries of land, makes on oath a statement which he knows to be false. As this enquiry is a stage of a judicial proceeding, A has given false evidence.
১,৯৩৯.
দণ্ডবিধির ৩২০ ধারায় "গুরুতর আঘাত" হিসেবে কোনটি অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. হাড় বা দাঁতের ভাঙ্গন
  2. আঘাতের কারণে শারীরিক ক্লান্তি
  3. মাথা বা মুখের স্থায়ী বিকৃতি
  4. এক কানের শ্রবণ ক্ষমতা স্থায়ীভাবে হারানো
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩২০ ধারায় ৮ শ্রেণীর জখমকে গুরুতর জখম' হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
৮ শ্রেণির গুরুতর আঘাত হল। যথা:
(i) পুরুষত্বহীনকরণ।
(ii) স্থায়ীভাবে চোখের দৃষ্টি রহিতকরণ।
(iii) স্থায়ীভাবে কানের শ্রুতিশক্তি রহিতকরণ।
(iv) যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন।
(v) যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির স্থায়ী ক্ষতিকরণ।
(vi) মাথা বা মুখমন্ডলের স্থায়ী বিকৃতি।
(vii) হাড় বা দাঁত ভাঙ্গা।
(viii) কোন ব্যক্তিকে ২০ পর্যন্ত তীব্র যন্ত্রণা দেয় এমন আঘাত। 

অর্থাৎ দণ্ডবিধির ৩২০ ধারায় "আঘাতের কারণে শারীরিক ক্লান্তি" গুরুতর আঘাত হিসেবে অন্তর্ভুক্ত নয়।
------------
⇒ The Penal Code Section 320.Grievous hurt:
The following kinds of hurt only are designated as "grievous":- 
Firstly.-Emasculation. 
Secondly. -Permanent privation of the sight of either eye. 
Thirdly. -Permanent privation of the hearing of either ear.
Fourthly. -Privation of any member or joint. 
Fifthly. -Destruction or permanent impairing of the powers of any member or joint. 
Sixthly. -Permanent disfiguration of the head or face. 
Seventhly. -Fracture or dislocation of a bone or tooth. 
Eighthly. -Any hurt which endangers life or which causes the sufferer to be during the space of twenty days in severe bodily pain, or unable to follow his ordinary pursuits. 
১,৯৪০.
দণ্ডবিধির ৩০০ ধারার ব্যতিক্রম-১ এর বিধান প্রয়োগ করতে হলে উত্তেজনাটি (Provocation) হতে হবে-
  1. গুরুতর [Grave]
  2. হঠাৎ [Sudden]
  3. গুরুতর এবং হঠাৎ [Grave and Sudden]
  4. অনিচ্ছাপূর্বক [involuntarily]
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০০ ধারার বিধান খুন:- খুনের যে সবক্ষেত্রে ব্যতিক্রম নির্দেশ করা হয়েছে। সে সকল ক্ষেত্র ব্যতীত অন্যান্য সকল ক্ষেত্রে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুন হবে, যদি যে কার্যটি কর্তৃক মৃত্যু অনুষ্ঠিত হয়, সে কার্যটি মৃত্যু সংঘটনের জন্যই করা হয়ে থাকে, অথবা

দ্বিতীয়ত, যদি কার্যটি কোন ব্যক্তিকে এমনভাবে দৈহিক আঘাত দেওয়ার উদ্দেশ্যে করা হয়ে থাকে, যে আঘাতের ফলে যে ব্যক্তিকে আঘাত দেওয়া হল, সে ব্যক্তির মৃত্যু হতে পারে বলে অপরাধী জানে, অথবা

তৃতীয়ত, যদি কোন ব্যক্তিকে দৈহিক আঘাত দানের উদ্দেশ্যে কার্যটি করা হয় এবং যদি যে দৈহিক আঘাত দেওয়ার অভিসন্ধি করা হয়েছে, সে আঘাতটি প্রকৃতির স্বাভাবিক গতিতে মৃত্যু ঘটাবার পক্ষে যথেষ্ট হয়, অথবা

চতুর্থত, যদি যে ব্যক্তি কার্যটি অনুষ্ঠান করে সে ব্যক্তি জানে যে, কার্যটি এমন আশু বিপজ্জনক যে, ইহার দরুণ খুব সম্ভব মৃত্যু ঘটবে, অথবা ইহার দরুণ অবশ্যই এমন দৈহিক আঘাত ঘটবে, যার ফলে মৃত্যু ঘটতে পারে এবং মৃত্যু ঘটাবার বা অনুরূপ দৈহিক আঘাত ঘটাবার ঝুঁকি গ্রহণের অপর কোন অজুহাত ব্যতিরেকে অনুরূপ কার্য করে।

ব্যতিক্রম ১:- যেক্ষেত্রে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুন পরিগণিত হবে না :- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি মারাত্মক ও আকস্মিক প্ররোচনার ফলে অপরাধী আত্ম-সংযমশক্তি হারাইয়া ফেলে এবং যে ব্যক্তি প্ররোচনা দান করেছে, সে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায় অথবা ভুলক্রমে বা দুর্ঘটনাক্রমে অপর কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায়।

উপরোক্ত ব্যতিক্রমটি নিম্নোক্ত শর্তাবলী সাপেক্ষে:-

প্রথমত, প্ররোচনাটি কোন ব্যক্তিকে হত্যা করার বা তার ক্ষতি সাধনের অজুহাতস্বরূপ অপরাধী কর্তৃক স্বয়ং প্রার্থীত বা প্ররোচিত হতে পারবে না।
দ্বিতীয়ত, উক্ত প্ররোচনাটি আইনানুসারে কৃত কোন কার্য দ্বারা বা কোন সরকারী কর্মচারীর সরকারী কর্মচারী হিসেবে যথাযোগ্য ক্ষমতাবলীর আইনসম্মত প্রয়োগসঞ্জাত হতে পারবে না।
তৃতীয়ত, প্ররোচনা আত্মরক্ষার ব্যক্তিগত অধিকারের আইনসম্মত প্রয়োগক্রমে সম্পাদিত কোন কার্য পালন হতে পারবে না।

ব্যাখ্যা:- প্ররোচনাটি এমন মারাত্মক ও আকস্মিক ছিল কিনা, যার ফলে অপরাধটি খুনের শামিল হবে না, তা একটি ঘটনাগত প্রশ্ন।

ব্যতিক্রম ২:- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি অপরাধী সরল মনে তার আত্মরক্ষার অথবা সম্পত্তি রক্ষার ব্যক্তিগত অধিকার প্রয়োগক্রমে তাকে আইন প্রদত্ত ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করে এবং যার বিরুদ্ধে সে এই অধিকার প্রয়োগ করে, কোনরূপ পূর্ব-পরিকল্পনা ব্যতীত অথবা অনুরূপ অধিকার রক্ষার জন্য যতটুকু ক্ষতিসাধন করা আবশ্যক, তদপেক্ষা বেশি ক্ষতি সাধনের ইচ্ছা ব্যতিরেকে, তার মৃত্যু ঘটায়।

ব্যতিক্রম ৩:- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি দোষী একজন সরকারী কর্মচারী হিসেবে অথবা সরকারী কর্মচারীর সহায়তাকারী হিসেবে তাকে প্রদত্ত আইনানুগ ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করে এবং এমন একটি কাজ সম্পাদন করে মত্যু ঘটায়, যা সে অনুরূপ সরকারী কর্মচারীর দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে সম্পাদন করার জন্য আবশ্যকীয় ও আইনসম্মত বলে সরল মনে বিশ্বাস করে এবং সে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটলে তার প্রতি কোনরূপ দুরভিসন্ধি ছাড়াই কার্যটি করে।

ব্যতিক্রম ৪ :- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি অপরাধটি কোন আকস্মিক বিবাদের সময় আকস্মিক উত্তেজনার কারণে কোনরূপ পূর্ব পরিকল্পনা ছাড়াই সংঘটিত হয় এবং অপরাধী কোন অন্যায় সুযোগ গ্রহণ না করে থাকে অথবা নিষ্ঠুরভাবে বা অস্বাভাবিকভাবে কার্য না করে থাকে।

ব্যাখ্যা:- এইরূপ ক্ষেত্রে কোন পক্ষ প্রথম উস্কানি দেয় বা প্রথম আঘাত করে, তা আদৌ গুরুত্বপূর্ণ নয়।

ব্যতিক্রম ৫:- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি সে ব্যক্তির মৃত্যু হয়, সে ব্যক্তি আঠারো বৎসরের উর্ধ্ব বয়স্ক হলে স্বেচ্ছায় স্বীয় সম্মতিক্রমে মৃত্যুবরণ করে বা মৃত্যুর ঝুঁকি গ্রহণ করে।

------
⇒  Murder
Section 300. Except in the cases hereinafter excepted, culpable homicide is murder, if the act by which the death is caused is done with the intention of causing death, or- 
 
Secondly.- If it is done with the intention of causing such bodily injury as the offender knows to be likely to cause the death of the person to whom the harm is caused, or – 
 
Thirdly.- If it is done with the intention of causing bodily injury to any person and the bodily injury intended to be inflicted is sufficient in the ordinary course of nature to cause death, or – 
 
Fourthly.- If the person committing the act knows that it is so imminently dangerous that it must, in all probability, cause death, or such bodily injury as is likely to cause death, and commits such act without any excuse for incurring the risk of causing death or such injury as aforesaid.
When culpable homicide is not murder

Exception 1.-Culpable homicide is not murder if the offender, whilst deprived of the power of self-control by grave and sudden provocation, causes the death of the person who gave the provocation or cause the death of any other person by mistake or accident.

The above exception is subject to the following provisos:
Firstly.-That the provocation is not sought or voluntarily provoked by the offender as an excuse for killing or doing harm to any person. 
Secondly.-That the provocation is not given by anything done in obedience to the law, or by a public servant in the lawful exercise of the powers of such public servant. 
Thirdly.-That the provocation is not given by anything done in the lawful exercise of the right of private defence. 
Explanation.- Whether the provocation was grave and sudden enough to prevent the offence from amounting to murder is a question of fact.

Exception 2.- Culpable homicide is not murder if the offender, in the exercise in good faith of the right of private defense of person or property, exceeds the powers given to him by law and causes the death of the person against whom he is exercising such right of defense without premeditation, and without any intention of doing more harm than is necessary for the purpose of such defense.

Exception 3.- Culpable homicide is not murder if the offender, being a public servant or aiding a public servant acting for the advancement of public justice, exceeds the powers given to him by law, and causes death by doing an act which he, in good faith, believes to be lawful and necessary for the due discharge of his duty as such public servant and without ill-will towards the person whose death is caused. 
 
Exception 4.-Culpable homicide is not murder if it is committed without premeditation in a sudden fight in the heat of passion upon a sudden quarrel and without the offender's having taken undue advantage or acted in a cruel or unusual manner. 
Explanation.- It is immaterial in such cases which party offers the provocation or commits the first assault. 
 
Exception 5.- Culpable homicide is not murder when the person whose death is caused, being above the age of eighteen years, suffers death or takes the risk of death with his own consent.
১,৯৪১.
দণ্ডবিধির ২৭৩ ধারামতে ক্ষতিকর খাদ্য বা পানীয় বিক্রয়ের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৩ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২৭৩ ধারার বিধান: ক্ষতিকর খাদ্য বা পানীয় বিক্রয়:- কোন ব্যক্তি যদি এমন কোন দ্রব্য, খাদ্য বা পানীয় হিসেবে বিক্রয় করে, প্রদান করে বা বিক্রয়ার্থে উপস্থাপন করে, যা ক্ষতিকার করা হয়েছে বা সেরূপ হয়ে গিয়েছে অথবা যা এমন অবস্থায় রয়েছে, যাতে উহা খাদ্য বা পানীয় হিসেবে ব্যবহারের অনুপযুক্ত এবং উহা খাদ্য বা পানীয় হিসেবে স্বাস্থ্যহানিকর জানাসত্ত্বেও বা বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও তা করে, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
---------------------------
⇒ Section 273. Sale of noxious food or drink:- Whoever sells, or offers or exposes for sale, as food or drink, any article which has been rendered or has become noxious, or is in a state unfit food or drink, knowing or having reason to believe that the same is noxious as food or drink, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to six months, or with fine which may extend to one thousand taka, or with both.
১,৯৪২.
দণ্ডবিধির কত ধারায় 'Criminal breach of trust by clerk or servant' এর শাস্তির বিধান রয়েছে?
  1. দণ্ডবিধির ৪০৫ ধারায়
  2. দণ্ডবিধির ৪০৭ ধারায়
  3. দণ্ডবিধির ৪০৮ ধারায়
  4. দণ্ডবিধির ৪০৯ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪০৮ ধারার বিধান: কেরানী বা ভৃত্য দ্বারা অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গ করা:- কোন ব্যক্তি যদি কেরানি বা ভৃত্য হয়ে অথবা কেরানি বা ভৃত্য হিসেবে নিয়োজিত হয়ে অনুরূপ পদে কোন সম্পত্তির জিম্মাদার বা উহা পরিচালনের ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তি হিসেবে উহা সম্পর্কে অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গ করে, তবে উক্ত ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং অর্থ দণ্ডেও দণ্ডনীয় হবে।
--------
Section 408. Criminal breach of trust by clerk or servant:- Whoever, being a clerk or servant or employed as a clerk or servant, and being in any manner entrusted in such capacity with property, or with any dominion over property, commits criminal breach of trust in respect of that property, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.
১,৯৪৩.
১০ বছর বয়সী শিশুর কাজ কখন অপরাধ বলে গণনা হবে না?
  1. অপরিণত বোধ সম্পন্ন হলে
  2. কখনো অপরাধ হবে না
  3. খুন ব্যতীত অন্য ক্ষেত্রে
  4. নিন্দনীয় নরহত্যা ব্যতীত অন্য ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ৮৩ ধারামতে ৯ বছরের বেশি কিন্তু ১২ বছরের কম বয়স্ক অপরিণত বোধ সম্পন্ন (immature understanding) শিশুর কাজ অপরাধ নয় ।
♦ তবে পরিপক্কতা অর্জন করলে অর্থাৎ কাজের প্রকৃতি ও পরিণতি উপলব্ধি করতে পারলে উক্ত ৯ বছরের বেশি কিন্তু ১২ বছরের কম বয়স্ক শিশুর কাজ অপরাধ বলে গণ্য হবে।
১,৯৪৪.
দণ্ডবিধির ১২১ ধারা অনুযায়ী বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করলে সর্বোচ্চ শাস্তি কী হবে?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. ১৪ বছর কারাদণ্ড
  4. ১০ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
→ দণ্ডবিধির ১২১ ধারায় বলা হয়েছে,
- বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা বা যুদ্ধ ঘোষণার উদ্যোগ বা যুদ্ধ ঘোষণায় সহায়তা করলে সেই ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
------------
Section 121- Waging or attempting to wage war, or abeting waging of war, against Bangladesh:
- Whoever wages war against Bangladesh, or attempts to wage such war, or abets the waging of such war, shall be punished with death, or imprisonment for life, and shall also be liable to fine.
১,৯৪৫.
দণ্ডবিধি ১৮৬০ এর ২৯৫ ধারায় কোন অপরাধের শাস্তি বর্ণিত হয়েছে?
  1. কবরস্থানে অবৈধ প্রবেশ
  2. ধর্মীয় উপাসনা চলাকালে বিরক্তি সৃষ্টি
  3. ধর্মীয় স্থান বা পবিত্র বস্তু নষ্ট বা অপবিত্র করা
  4. ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার জন্য শব্দ উচ্চারণ
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০ এর ২৯৫ ধারায় যে অপরাধের বিধান রয়েছে তা হলো: কোন উপাসনালয় ধ্বংস, ক্ষতিসাধন বা অপবিত্র করা।
- কোন শ্রেণির ব্যক্তিদের কাছে পবিত্র বলে গণ্য কোন বস্তু ধ্বংস, ক্ষতিসাধন বা অপবিত্র করা। এই কাজটি করতে হবে কোন শ্রেণির ধর্মকে insult করার উদ্দেশ্যে অথবা এই জ্ঞান সত্ত্বেও যে, এই কাজটি উক্ত শ্রেণির ধর্মের প্রতি একটি insult হিসেবে গণ্য হবে।
অন্যদিকে,
ক) কবরস্থানে অবৈধ প্রবেশ → এটি ধারা ২৯৭ তে বর্ণিত।
খ) ধর্মীয় উপাসনা চলাকালে বিরক্তি সৃষ্টি → এটি ধারা ২৯৬ তে বর্ণিত।
ঘ) ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার জন্য শব্দ উচ্চারণ → এটি ধারা ২৯৮ তে বর্ণিত।
সুতরাং, ২৯৫ ধারার মূল বিষয় হলো ধর্মীয় স্থান বা পবিত্র বস্তুকে নষ্ট বা অপবিত্র করা।

⇒ দণ্ডবিধির ২৯৫ ধারা- কোন শ্রেণী বিশেষের ধর্মের প্রতি অবমাননা প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে উপসানালয়ের স্থান বিনষ্ট বা অপবিত্র করা:
কোন ব্যক্তি যদি কোন উপাসনা স্থান বিনস্ট করে, ক্ষতিগ্রস্ত করে বা অপবিত্র করে অথবা জনসাধারণের কোন শ্রেণী দ্বারা পবিত্র বলে গণ্য কোন বস্তু বিনষ্ট করে, ক্ষতিগ্রস্ত করে বা অপবিত্র করে, এবং জনসাধারণের কোন শ্রেণীর ধর্মকে অপদস্থ করার মানসেই তা করে অথবা অনুরূপ বিনষ্টকরণ, ক্ষতিসাধন বা অবপবিত্রকরণকে একশ্রেণীর জনসাধারণ তাদের ধর্মের প্রতি অবমাননা বলে বিবেচনা করবে জানা সত্ত্বেও তা করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 295, Injuring or defiling place of worship, with intent to insult the religion of any class:
Whoever destroys, damages or defiles any place of worship, or any object held sacred by any class of persons with the intention of thereby insulting the religion of any class of persons or with the knowledge that any class of persons is likely to consider such destruction, damage or defilement as an insult to their religion, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.

১,৯৪৬.
দণ্ডবিধির ৬৭ ধারা অনুযায়ী একজন ব্যক্তি ৫০ টাকা জরিমানা দিতে অস্বীকার করলে, আদালত সর্বোচ্চ কত দিন বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিতে পারে?
  1. ১ মাস
  2. ২ মাস
  3. ৩ মাস
  4. ৪ মাস
ব্যাখ্যা

→দণ্ডবিধির ৬৭ ধারা অনুযায়ী, অপরাধটি শুধু অর্থদণ্ড কর্তৃক দণ্ডনীয় হলে অর্থদণ্ড অনাদায়ে প্রদত্ত কারাদণ্ড:-
- অপরাধটি যদি শুধু অর্থদণ্ড কর্তৃক দণ্ডনীয় হয়, তবে অর্থদণ্ড অনাদায়ের জন্য আদালত যে কারাদণ্ডের আদেশ দিবেন, তা বিনাশ্রম হবে এবং অর্থদণ্ড অনাদায়ের জন্য আদালত অপরাধীকে যে মেয়াদের জন্য কারাদণ্ডে দণ্ডিত করার আদেশ দিবেন, তা নিম্নে নির্দেশিত বিভিন্ন পরিমাণের অধিক হবে না,
- যথা: অর্থদণ্ডের পরিমাণ পঞ্চাশ টাকার বেশি না হলে, অনূর্ধ্ব দুই মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদ; 
- অর্থদণ্ডের পরিমাণ একশত টাকার অধিক না হলে, অনূর্ধ্ব  চার মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদ; এবং
- এতদ্ব্যতীত অপর যে কোন ক্ষেত্রে অনধিক ছয় মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদ।

অর্থদণ্ডের ক্ষেত্রে কারাদণ্ড:
যদি কোনো অপরাধ শুধুমাত্র অর্থদণ্ডের মাধ্যমে শাস্তিযোগ্য হয় এবং অপরাধী অর্থদণ্ড প্রদান করতে না পারে, তাহলে আদালত তার পরিবর্তে কারাদণ্ডের আদেশ দিতে পারে। কারাদণ্ড হবে বিনাশ্রম কারাদণ্ড। আদালত অর্থদণ্ডের পরিমাণ অনুযায়ী কারাদণ্ডের মেয়াদ নির্ধারণ করবেন।
পঞ্চাশ টাকার বেশি না হলে: কারাদণ্ডের মেয়াদ অনধিক দুই মাস।
একশত টাকার বেশি না হলে: কারাদণ্ডের মেয়াদ অনধিক চার মাস।
অন্য যেকোনো ক্ষেত্রে: কারাদণ্ডের মেয়াদ অনধিক ছয় মাস।
উদাহরণ:
ক) একজন ব্যক্তি ৫০ টাকা জরিমানা দিতে অস্বীকার করলে, আদালত সর্বোচ্চ ২ মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিতে পারে।
খ) যদি জরিমানার পরিমাণ ১০০ টাকা হয়, তাহলে কারাদণ্ডের মেয়াদ সর্বোচ্চ ৪ মাস হতে পারে।
গ) যদি জরিমানা ১০০ টাকার বেশি হয়, তাহলে সর্বোচ্চ ৬ মাস কারাদণ্ড দেওয়া যাবে।
-------------
→ The Penal Code,1860- Section 67: Imprisonment for non-payment of fine, when offence punishable with fine only:
 If the offence be punishable with fine only, the imprisonment which the Court imposes in default of payment of the fine shall be simple, and the term for which the Court directs the offender to be imprisoned, in default of payment of fine, shall not exceed the following scale, that is to say, for any term not exceeding two months when the amount of the fine shall not exceed fifty taka, and for any term not exceeding four months when the amount shall not exceed one hundred taka, and for any term not exceeding six months in any other case.

১,৯৪৭.
১৮৩৪ সালে গঠিত প্রথম আইন কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন-
  1. G.W. Anderson
  2. F. Millet
  3. J.M. Macleod
  4. Lord Macaulay
ব্যাখ্যা
⇒ ভারতীয় উপমহাদেশে সর্বপ্রথম আইন কমিশন গঠন করা হয় ১৮৩৪ সালে।
⇒ প্রথম আইন কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন থমাস ব্যাবিংটন ম্যাকুলে (Lord Macaulay)
⇒ প্রথম আইন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন G.W. Anderson, F. Millet, এবং J.M. Macleod।

এ কমিশন দণ্ডবিধির খসড়া প্রণয়ন করে ১৮৩৭ সালের ১৪ই অক্টোবর ভারতের তৎকালীন গভর্নর জেনারেল লর্ড আ্যাকল্যান্ডের নিকট পেশ করেন। যা কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি স্যার বার্নেস পিকক এবং অন্যান্য বিচারপতগণ (যারা ফোর্ট উইলিয়ম লেজিসলেটিভ কাউন্সিলের সদস্য ছিলেন)। সতর্কতার সাথে পরীক্ষা করে ১৮৫৬ সালে দণ্ডবিধির খসড়া লজেসলেটিভ কাউন্সিলে উপস্থাপিত হয়। ১৮৬০ সালে লেজিসলেটিভ কাউন্সিল আরও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে চূড়ান্ত খসড়া তৈরী করেন। অতঃপর ভারতে বিদ্যমান বিভিন্ন আইনের সাথে সামঞ্জস্য রেখে কিছু সংশোধনী করে ১৮৬২ সালের ৬ই অক্টোবর দণ্ডবিধি পাশ হয়। যার নামকরণ করা হয় ১৮৬০ সালের ৪৫ নং আইন, দণ্ডবিধি।
১,৯৪৮.
দণ্ডবিধির অনুসারে wrongful confinement এর জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৬ মাসের কারাদণ্ড
  2. ১ বছরের কারাদণ্ড
  3. ২ বছরের কারাদণ্ড
  4. ৩ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৩৪৩ ধারায় বলা হয়েছে যে, যদি কেউ তিন দিনের বেশি সময় ধরে অন্য কোনো ব্যক্তিকে wrongful confinement (অবৈধ অবরোধ) করে, তবে তাকে সর্বোচ্চ ২ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে, অথবা জরিমানা বা উভয়টাই হতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৪৩ ধারা- তিন বা ততোধিক দিনের জন্য অবৈধ অবরোধ:
কোন ব্যক্তি যদি কাউকে তিন বা ততোধিক দিনের জন্য অবৈধভাবে অবরোধ করে রাখে, তবে উক্ত ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

⇒ The Penal Code, 1860- Section 343: Wrongful confinement for three or more days:
Whoever wrongfully confines any person for three days or more, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.

১,৯৪৯.
দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর কোন ধারায় 'মুদ্রা'র সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে?
  1. ধারা ২৫০
  2. ধারা ২৪০
  3. ধারা ২৩০
  4. ধারা ২২০
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ২৩০ ধারার বিধান: 'মুদ্রার' সংজ্ঞা:- বর্তমানে অর্থরূপে ব্যবহৃত এবং অনুরূপে ব্যবহৃত হওয়ার জন্য কোন রাষ্ট্রে বা সার্বভৌম শক্তির ক্ষমতাধীনে স্ট্যাম্পযুক্ত ও ইস্যুকৃত ধাতব দ্রব্যকে মুদ্রা বলে।
- বাংলাদেশি মুদ্রা:- বাংলাদেশি মুদ্রা বলতে বাংলাদেশের সরকারের ক্ষমতাধীন অর্থরূপে ব্যবহারের জন্য স্ট্যাম্পযুক্ত ও ইস্যুকৃত ধাতবদ্রব্য বুঝাবে; এবং অর্থরূপে, ব্যবহার রহিত হওয়া সত্ত্বেও এই অধ্যায়ের উদ্দেশ্যাবলীর দিক হতে অনুরূপভাবে স্ট্যাম্পযুক্ত ও ইস্যুকৃত ধাতবদ্রব্য বাংলাদেশি মুদ্রা বলে পরিচিত হবে।
উদাহরণ:
(ক) কড়ি (কাউরি) মুদ্রা নয়।
(খ) স্ট্যাম্পবিহীন তামার টুকরো, যদিও তা অর্থরূপে ব্যবহৃত হয়, মুদ্রা নয়।
(গ) মেডেল মুদ্রা নয়, কারণ সেগুলো অর্থরূপে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয় না।
(ঘ) কোম্পানির টাকা নামে পরিচিত মুদ্রা রানির মুদ্রা।
(ঙ) "ফরুখাবাদ" টাকা, যা পূর্বে ভারত সরকারের কর্তৃত্বে অর্থরূপে ব্যবহৃত হতো, তা বাংলাদেশি মুদ্রা হিসেবেই গণ্য হবে, যদিও তা এখন আর ব্যবহৃত হয় না।
----------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 230. “Coin” defined Bangladesh coin:
- Coin is metal used for the time being as money, and stamped and issued by the authority of some State or Sovereign Power in order to be so used.
- Bangladesh coin is metal stamped and issued by the authority of the Government in order to be used as money; and metal which has been so stamped and issued shall continue to be Bangladesh coin for the purposes of this Chapter, notwithstanding that it may have ceased to be used as money.

Illustrations:
(a) Cowries are not coin.
(b) Lumps of unstamped copper, though used as money, are not coin.
(c) Medals are not coin, inasmuch as they are not intended to be used as money.
(d) The coin denominated as the Company's taka is the Queen's coin.
(e) The "Farukhabad" taka, which was formerly used as money under the authority of the Government of India, is Bangladesh coin although it is no longer so used.

১,৯৫০.
৩৪ ধারার অধীনে কোন পরিস্থিতিতে যৌথ দায় বা Joint Liability প্রযোজ্য হয়?
  1. যদি অপরাধের পরিকল্পনা শুধুমাত্র এক ব্যক্তি দ্বারা করা হয়
  2. যদি অপরাধের কোন পূর্ব পরিকল্পনা না থাকে
  3. যদি অপরাধ দুই বা ততোধিক ব্যক্তি দ্বারা পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী সংঘটিত হয়
  4. উল্লিখিত কোনো ক্ষেত্রেই নয়
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩৪ ধারার বিধান- কতিপয় ব্যক্তি কর্তৃক একই উদ্দেশ্য সাধানকল্পে কৃত কার্যাবলী:

যখন কতিপয় ব্যক্তি একত্রিত হয়ে তাদের সকলের একই অভিপ্রায় সাধনকল্পে অপরাধমূলক কাজ সম্পাদিত করে, তখন অনুরূপ ব্যক্তিগণের প্রত্যেকেই উক্ত কাজের জন্য এইরূপে দায়ী হবেন যেন উক্ত কাজ উক্ত ব্যক্তি দ্বারা সম্পাদিত হয়েছিল।

সাধারণ অভিপ্রায় বা Common intention কোন অপরাধ নয় বরং এটা অপরাধীদের দায় নির্ধারনের একটি নীতি। এটির মাধ্যমে যৌথ দায় বা Joint Liability নির্ধারন হয়। পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী দুই বা ততোধিক ব্যক্তি একই অভিপ্রায়ে অপরাধ করলে উক্ত ব্যক্তিগণের অপরাধ করার সাধারণ অভিপ্রায় বা Common intention ছিল বলে মনে করতে হবে। ৩৪ ধারার অধীন সাধারণ উদ্দেশ্য (Common Intention) এর জন্য কোন ব্যক্তিকে যৌথভাবে দায়ী করতে হলে অপরাধটি অবশ্যই সংগঠিত হতে হবে এবং সেখানে সর্বনিম্ন ২ জন ব্যক্তি থাকতে হবে। কারণ দুইয়ের অধিক না থাকলে সাধারণ অভিপ্রায় (Common Intention) গঠিত হয় না।
১,৯৫১.
পেনাল কোড এ বর্ণিত দ্বীপান্তর এর শক্তি স্থলাভিষিক্ত করা হয় যে প্রকারের কারাদন্ড দিয়ে তা হলো-
  1. ১৪ বছর
  2. ২০ বছর
  3. ৩০ বছর
  4. যাবজ্জীবন
ব্যাখ্যা
♦ধারা ৫৩ক মতে কারাবাস উল্লেখের ব্যাখ্যা:- (১) (২) উপধারার শর্তাবলী সাপেক্ষে, সাময়িকভাবে প্রচলিত অপর যেকোন আইনে যেখানে যাবজ্জীবন ‘দ্বীপান্তর'-এর উল্লেখ রয়েছে, সেখানে উহা যাবজ্জীবন কারাবাস' ধরতে হবে।
(২) বর্তমানে প্রচলিত যেকোন আইনে কোন মেয়াদের বা স্বল্প মেয়াদের জন্য যেকোনভাবে হোক না কেন, দ্বীপান্তরের উল্লেখ থাকলে উহা রদ বলে পরিগণিত হবে।
(৩) বর্তমানে প্রচলিত অপর যেকোন আইনে, যেখানে দ্বীপান্তর উলেখ রয়েছে:
(ক) সেখানে উহা যদি যাবজ্জীবন দ্বীপান্তর বুঝায়, তবে উহাকে যাবজ্জীবন কারাবাস ধরতে
(খ) সেখানে উহা যদি স্বল্পতর মেয়াদের দ্বীপান্তর বুঝায়, তবে উহা রদ হিসেবে গণ্য হবে।

♦অর্থাৎ পেনাল কোড এর ৫৩ক ধারায় বলা হয়েছে যাবজ্জীবন দীপান্তর (Transportation for Life) কে যাবজ্জীবন কারাবাস (Imprisonment for Life ) বলে গণ্য করতে হবে।
১,৯৫২.
দণ্ডবিধির ৫৫ ধারায় কে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত অপরাধীর সাজা হ্রাস করতে পারে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. সরকার
  3. বিচারিক আদালত
  4. আপিল আদালত
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৫৫ ধারা- যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হ্রাস বা পরিবর্তন:
যে সকল মামলার ক্ষেত্রে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করা হয়, তার প্রত্যেক ক্ষেত্রে সরকার অপরাধীর সম্মতি ব্যতীতই দণ্ড হ্রাস করে অনূর্ধ্ব ২০ বৎসর মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে পরিবর্তন করতে পারবেন।

Section 55- Commutation of sentence of imprisonment for life:
In every case in which sentence of imprisonment for life shall have been passed, the Government may, without the consent of the offender, commute the punishment for imprisonment of either description for a term not exceeding twenty years.
১,৯৫৩.
বাংলাদেশ বা উহার কোন অংশে কার্যনির্বাহী সরকার পরিচালনা করিবার জন্য আইন বলে ক্ষমতা প্রদত্ত ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গকে বলা হয়-
  1. প্রশাসন
  2. জাতীয় সংসদ
  3. সরকার
  4. মন্ত্রীপরিষদ
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৭ ধারার বিধান 'সরকার' বলতে বাংলাদেশ বা উহার কোন অংশে কার্যনিবাহী সরকার পরিচালনা করবার জন্য আইনবলে ক্ষমতা প্রাপ্ত ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গকে বুঝাইবে।

- The Penal Code, 1860 Section 17: “Government”:  The word “Government” denotes the person or persons authorized by law to administer executive Government in Bangladesh, or in any part thereof.
১,৯৫৪.
বাংলাদেশী মুদ্রা জাল বলিয়া জানিয়া দখল করিবার পর উহা হস্তান্তরকরণ সম্পর্কিত দণ্ডবিধির ধারা কত?
  1. দণ্ডবিধির ২৩৮ ধারা
  2. দণ্ডবিধির ২৪০ ধারা
  3. দণ্ডবিধির ২৩৪ ধারা
  4. দণ্ডবিধির ২৪৩ ধারা
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ২৪০ ধারার বিধান বাংলাদেশের মুদ্রা জাল বলে জানা সত্ত্বেও দখলের পর উহা হস্তান্তর করা:- কোন ব্যক্তি যদি তার কাছে বাংলাদেশের যে জাল মুদ্রা রয়েছে, তা লাভের পর উহা যে বাংলাদেশের মুদ্রার জাল তা জানা সত্ত্বেও, প্রতারণামূলকভাবে বা তদ্বারা প্রতারণা করার উদ্দেশ্যে উহা কোন ব্যক্তিকে হস্তান্তর করে বা কোন ব্যক্তিকে উহা গ্রহণে বাধ্য করার চেষ্টা করে, তবে সে ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

------------------------
♦ Section 240. Delivery of Bangladesh coin possessed with knowledge that it is counterfeit:- Whoever, having and counterfeit coin, which is a counterfeit of Bangladesh coin, and which at the time when he became possessed of it, he knew to be a counterfeit of Bangladesh coin, fraudulently or with intent that fraud may be committed, delivers the same to any person, or attempts to induce any person to receive it, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.
১,৯৫৫.
যেক্ষেত্রে অপরাধের শাস্তি শুধুুমাত্র অর্থদণ্ড, সেক্ষেত্রে ৫০ টাকার কম অর্থদণ্ড প্রদানে ব্যর্থ হলে সর্বোচ্চ কত মেয়াদের জন্য কারাদণ্ড দেয়া যাবে?
  1. ২ মাস সশ্রম কারাদণ্ড
  2. ৩ মাস সশ্রম কারাদণ্ড
  3. ২ মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  4. ৩ মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
ধারা ৬৭- অর্থদণ্ডের ক্ষেত্রে কারাদণ্ড:
যদি কোনো অপরাধ শুধুমাত্র অর্থদণ্ডের মাধ্যমে শাস্তিযোগ্য হয় এবং অপরাধী অর্থদণ্ড প্রদান করতে না পারে, তাহলে আদালত তার পরিবর্তে কারাদণ্ডের আদেশ দিতে পারে। কারাদণ্ড হবে বিনাশ্রম কারাদণ্ড। আদালত অর্থদণ্ডের পরিমাণ অনুযায়ী কারাদণ্ডের মেয়াদ নির্ধারণ করবেন।
পঞ্চাশ টাকার বেশি না হলে: কারাদণ্ডের মেয়াদ অনধিক দুই মাস।
একশত টাকার বেশি না হলে: কারাদণ্ডের মেয়াদ অনধিক চার মাস।
অন্য যেকোনো ক্ষেত্রে: কারাদণ্ডের মেয়াদ অনধিক ছয় মাস।
১,৯৫৬.
দণ্ডবিধির ধারা ৩০৪ক এর অধীনে সর্বোচ্চ শাস্তি কত?
  1. ৩ বছর
  2. ৫ বছর
  3. ৭ বছর
  4. ১০ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০৪ক ধারা অনুসারে, যে ব্যক্তি অবহেলা বা বেপরোয়া আচরণের কারণে কোনো ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায়, তাকে শাস্তি দেওয়া হয়। এই ধারার শাস্তির সর্বোচ্চ মেয়াদ হলো ৫ বছরের কারাদণ্ড, জরিমানা বা উভয়ই।
- তবে, এটি নরহত্যা বা শক্তিশালী শাস্তির অপরাধের মধ্যে পড়ে না, কারণ এটি অবহেলা বা বেপরোয়া আচরণের কারণে ঘটে, যা কৃতকর্মের পরিণতির ওপর নির্ভর করে।
- এই ধারায়, মৃত্যু সংঘটনের উদ্দেশ্য থাকা না থাকলেও যদি কোনো ব্যক্তির অবহেলা বা বেপরোয়া আচরণের ফলে মৃত্যু ঘটে, তবে তার শাস্তি সর্বোচ্চ ৫ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে।
তাহলে, সঠিক উত্তর হল: ক) ৫ বছরের কারাদণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৩০৪ক (Section 304A) অনুযায়ী: “যে ব্যক্তি, কোনো বেপরোয়া বা অবহেলাজনিত কাজ করে, যার ফলে কোনো ব্যক্তির মৃত্যু ঘটে, এবং যা দণ্ডনীয় নরহত্যা নয়, সেই ব্যক্তি সর্বোচ্চ ৫ (পাঁচ) বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডে, বা অর্থদণ্ডে, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবে।”
--------
⇒ The Penal Code, 1860, Section- 304A. Causing death by negligence
Whoever causes the death of any person by doing any rash or negligent act not amounting to culpable homicide shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to five years, or with fine, or with both.
১,৯৫৭.
নিম্নবর্ণিত কোন বক্তব্যটি সঠিক?
  1. যাবজ্জীবন কারাদন্ড বিনাশ্রম হতে পারে
  2. যাবজ্জীবন কারাদন্ড সশ্রম হতে পারে
  3. যাবজ্জীবন কারাদন্ড সর্বদাই সশ্রম
  4. যাবজ্জীবন কারাদন্ড সর্বদাই বিনাশ্রম
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধি মূলত দণ্ড সম্পর্কিত আইন, দণ্ডবিধির ৫৩ ধারায় শাস্তির প্রকারভেদ রয়েছে। ৫৩ ধারায় পাঁচ প্রকার শাস্তি উল্লেখ আছে। যথা:
      (i)  মৃত্যুদণ্ড (Death penalty)
      (ii) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড (Imprisonment for life)
      (iii) কারাদণ্ড(Imprisonment) দুই প্রকার:

           ক) সশ্রম( Rigorous, that is,  with hard labour) এবং

           খ) বিনাশ্রম (Simple)

      (iv) সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত (forfeiture of property)
      (v) অর্থদণ্ড (fine)

♦দণ্ডবিধির ধারা ৫৩ তে বিধান আছে যে, কারাদণ্ড ২ প্রকারের- সশ্রম ও  বিনাশ্রম। 
♦ ব্যাখ্যাঃ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড সর্বদায় সশ্রম কারাদণ্ড হবে।
১,৯৫৮.
মারাত্মক অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে বেআইনী সমাবেশে যোগদান করলে সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৬ মাস কারাদণ্ড
  2. ১ বছর কারাদণ্ড
  3. ২ বছর কারাদণ্ড
  4. ৩ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৪৪ ধারা মতে মারাত্মক অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে বেআইনি সমাবেশের শাস্তি হিসেবে অনধিক ২ বছর কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দন্ডের বিধান রয়েছে।

- দণ্ডবিধির ১৪৪ ধারার বিধান মারাত্মক অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে বে-আইনী সমাবেশে যোগদান করা :- কোন ব্যক্তি যদি মারাত্মক অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে অথবা যে বস্তু অপরাধের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করলে মৃত্যু ঘটতে পারে তা কর্তৃক সজ্জিত হয়ে কোন বেআইনী সমাবেশে যোগদান করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
------------------------------------
- Section 144. Joining unlawful assembly armed with deadly weapon:- Whoever, being armed with any deadly weapon, or with anything which, used as a weapon of offence, is likely to cause death, is a member of an unlawful assembly, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
১,৯৫৯.
দণ্ডবিধির অধীনে কোন শাস্তি বৈধ নয়?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত
  3. নির্জন কারাবাস
  4. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বিনাশ্রম
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি অনুসারে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বিনাশ্রম বৈধ শাস্তি নয়।

⇒  দণ্ডবিধি মূলত দণ্ড সম্পর্কিত আইন, দণ্ডবিধির ৫৩ ধারায় শাস্তির প্রকারভেদ রয়েছে।
- ৫৩ ধারায় পাঁচ প্রকার শাস্তি উল্লেখ আছে। যথা:
      (i)  মৃত্যুদণ্ড (Death penalty)
      (ii) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড (Imprisonment for life)
      (iii) কারাদণ্ড(Imprisonment) দুই প্রকার:
           ক) সশ্রম( Rigorous, that is,  with hard labour) এবং
           খ) বিনাশ্রম (Simple)
      (iv) সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত (forfeiture of property)
      (v) অর্থদণ্ড (fine)
- ব্যাখ্যা: যাবজ্জীবন কারাদণ্ড সর্বদায় সশ্রম কারাদণ্ড হবে।

- দণ্ডবিধির ধারা ৫৩ তে বিধান আছে যে, কারাদণ্ড ২ প্রকারের- সশ্রম ও  বিনাশ্রম। 
- Section-53 Explanation.-In the punishment of imprisonment for life, the imprisonment shall be rigorous.
১,৯৬০.
As a result of 'A' punching 'B' in the face, 'B' loses a tooth. According to the Penal Code, the offense committed by 'A' is -
  1. Simple hurt
  2. Grievous hurt
  3. Attempt to murder
  4. Voluntarily causing hurt
ব্যাখ্যা
⇒ The Penal Code, 1860 এর ৩২০ ধারা অনুযায়ী ৮ শ্রেণির আঘাতকে গুরুতর আঘাত বলা হয়েছে। যথা:
(i) পুরুষত্বহীনকরণ
(ii) স্থায়ীভাবে চোখের দৃষ্টি রহিতকরণ
(iii) স্থায়ীভাবে কানের শ্রুতিশক্তি রহিতকরণ
(iv) যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন
(v) যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির স্থায়ী ক্ষতিকরণ
(vi) মাথা বা মুখমন্ডলের স্থায়ী বিকৃতি
(vii) হাড় বা দাঁত ভাঙ্গা 
(viii) কোন ব্যক্তিকে ২০ পর্যন্ত তীব্র যন্ত্রণা দেয় এমন আঘাত।

⇒ দণ্ডবিধির ৩২০ ধারার বিধান গুরুতর আঘাত:- শুধু নিম্নলিখিত আঘাতসমূহকেই "গুরুতর" বলে পরিগণিত করা যায়:-
প্রথমত, পুরুষত্বহীন করণ।
দ্বিতীয়ত, যেকোন চোখের জ্যোতি বা দৃষ্টিশক্তি চিরতরে নষ্ট করণ।
তৃতীয়ত, যেকোন কর্ণের শ্রবণশক্তি স্থায়ীভাবে নষ্ট করণ।
চতুর্থত, যেকোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন।
পঞ্চমত, যেকোন অঙ্গের বা গ্রন্থির শক্তিসমূহ ধ্বংস করণ বা চিরতরে খর্ব করণ।
ষষ্ঠত, মাথা বা মুখমণ্ডল স্থায়ীভাবে বিকৃত করণ।
সপ্তম, কোন অস্থি বা দন্ত ভগ্ন বা স্থানচ্যুত করণ।
অষ্টম, এমন কোন আঘাত যা জীবন সংশয় সৃষ্টি করে বা যাতে আহত ব্যক্তি বিশ দিন পর্যন্ত প্রচণ্ড দৈহিক যন্ত্রণা ভোগ করে বা সাধারণ কাজকর্ম করতে অপারগ হয়।
-------------------------- 
⇒ The Penal Code, 1860, Section 320: Grievous hurt:
The following kinds of hurt only are designated as "grievous":- 
Firstly.-Emasculation. 
Secondly.-Permanent privation of the sight of either eye. 
Thirdly.-Permanent privation of the hearing of either ear. 
Fourthly.-Privation of any member or joint. 
Fifthly.-Destruction or permanent impairing of the powers of any member or joint. 
Sixthly.-Permanent disfiguration of the head or face. 
Seventhly.-Fracture or dislocation of a bone or tooth. 
Eighthly.-Any hurt which endangers life or which causes the sufferer to be during the space of twenty days in severe bodily pain, or unable to follow his ordinary pursuits.
১,৯৬১.
রফিক একজন ব্যবসায়ী। তিনি একটি গ্রাহকের কাছ থেকে ৫০০ টাকার একটি নোট গ্রহণ করেন। পরে তিনি জানতে পারেন যে, এটি একটি জাল নোট। এরপরও তিনি সেটি প্রতারণামূলকভাবে অন্য এক ব্যবসায়ীর কাছে দেন। রফিকের বিরুদ্ধে কোন ধারায় মামলা হতে পারে?
  1. দণ্ডবিধির ২৩৮ ধারা
  2. দণ্ডবিধির ২৪০ ধারা
  3. দণ্ডবিধির ২৪২ ধারা
  4. দণ্ডবিধির ২৪৫ ধারা
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ২৪০ ধারা- বাংলাদেশের মুদ্রা জাল বলে জানা সত্ত্বেও দখলের পর উহা হস্তান্তর করা:
কোন ব্যক্তি যদি তার কাছে বাংলাদেশের যে জাল মুদ্রা রয়েছে, তা লাভের পর উহা যে বাংলাদেশের মুদ্রার জাল তা জানা সত্ত্বেও, প্রতারণামূলকভাবে বা তদ্বারা প্রতারণা করার উদ্দেশ্যে উহা কোন ব্যক্তিকে হস্তান্তর করে বা কোন ব্যক্তিকে উহা গ্রহণে বাধ্য করার চেষ্টা করে, তবে সে ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

Section 240- Delivery of Bangladesh coin possessed with knowledge that it is counterfeit:
 Whoever, having and counterfeit coin, which is a counterfeit of Bangladesh coin, and which at the time when he became possessed of it, he knew to be a counterfeit of Bangladesh coin, fraudulently or with intent that fraud may be committed, delivers the same to any person, or attempts to induce any person to receive it, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.
১,৯৬২.
'খ' একজন যুদ্ধবন্দীকে জোরপূর্বক সামরিক কাজে বাধ্য করে। দণ্ডবিধির ৩৭৪ ধারার অধীনে এর সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৬ মাস কারাদণ্ড
  2. ১ বছর কারাদণ্ড
  3. ২ বছর কারাদণ্ড
  4. ৩ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৪ ধারা- বেআইনী শ্রমে বাধ্য করা:
(১) কোন ব্যক্তি যদি কাউকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে শ্রম দান করতে বাধ্য করে, তবে সে ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

(২) কোন ব্যক্তি যদি কোন যুদ্ধবন্দী বা অপর কোন আশ্রিত ব্যক্তিকে বাংলাদেশ সশ্রম বাহিনীতে কার্য করতে বাধ্য করে, তবে সে ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে।

ব্যাখ্যা:- এই “যুদ্ধবন্দী" এবং "আশ্রিত ব্যক্তি" অভিব্যক্তিসমূহ যথাক্রমে ১৯৪৯ সনের ১২ই আগষ্ট তারিখের যুদ্ধবন্দীর ব্যবস্থাপনা সম্পর্কিত জেনেভা সম্মেলনের-৪ দফা এবং ১৯৪৯ সনের ১২ই আগষ্ট তারিখের যুদ্ধকালে বেসামরিক ব্যক্তিবর্গের নিরাপত্তা সম্পর্কিত জেনেভা সম্মেলনের ৪ দফা মোতাবেক তৎসমূহের প্রতি আরোপিত অর্থের অনুরূপ অর্থ দ্যোতক হবে।
১,৯৬৩.
'A' সিভিল সার্ভিসে রয়েছে বলে মিথ্যা ভান করে ইচ্ছাকৃতভাবে 'X'-কে বঞ্চনা করে এবং তাকে ধারে সম্পত্তি দিতে X-কে অসাধুভাবে প্ররোচিত করে। অথচ এই সম্পত্তির মূল্য প্রদানের ইচ্ছা 'A' এর নাই। এই ক্ষেত্রে 'A' কী অপরাধ করেছে?
  1. দস্যুতা
  2. প্রতারণা
  3. বলপূর্বক গ্রহণ
  4. অপরাধমূলক আত্মসাৎ
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪১৫ ধারার বিধান প্রতারণা:
- যদি কেউ কোন ব্যক্তিকে ছলনা করে প্রবঞ্চনামূলকভাবে বা অসাধুভাবে সে ব্যক্তিকে অন্য কাউকে কোন সম্পত্তি প্রদানে প্ররোচিত করে অথবা কোন ব্যক্তির কোন সম্পত্তি রেখে দেওয়াতে সম্পত্তি প্রদানে প্ররোচিত করে অথবা ইচ্ছাকৃতভাবে বা উদ্দেশ্যমূলকভাবে অনুরূপ প্রতারিত ব্যক্তিকে এমন কোন কাজ করতে বা করা হতে বিরত থাকতে প্ররোচিত করে যে কাজ সে ব্যক্তি অনুরূপভাবে প্রতারিত না হলে করত না বা করা হতে বিরত থাকত না এবং যে কাজ করার বা করা হতে বিরত থাকার ফলে তার দেহের, মনের খ্যাতির বা সম্পত্তির দিক হতে ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে, তবে অনুরূপ ছলনাকারী প্রতারণা করেছে বলে গণ্য হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation):- অসাধুভাবে তথ্য গোপন করা এই ধারার তাৎপর্যাধীনে ছলনা বলে পরিগণিত হবে।

উদাহরণ:
(ক) ক সিভিল সার্ভিসে রয়েছে বলে মিথ্যা ভান করে ইচ্ছাকৃতভাবে চ-কে বঞ্চনা করে এবং তাকে ধারে সম্পত্তি দিতে চ-কে অসাধুভাবে প্ররোচিত করে। অথচ এই সম্পত্তির মূল্য প্রদানের ইচ্ছা তার নাই। ক প্রতারণা করেছে।

(খ) কোন পণ্যের উপর কোন নকল মার্ক দিয়ে ক ইচ্ছাকৃতভাবে চ-কে প্রবঞ্চনামূলক এইরূপ বিশ্বাস করায় যে, পণ্যটি কোন প্রসিদ্ধ প্রস্তুতকারকের তৈরি। এইভাবে ক চ-কে সে পণ্যটি ক্রয় করতে ও উহার জন্য মূল্য প্রদান করতে প্ররোচিত করে। ক প্রতারণা করেছে।
(গ) ক চ-কে কোন দ্রব্যের একটি মিথ্যা নমুনা দেখিয়ে ইচ্ছাকৃতভাবে চ-কে প্রবঞ্চনামূলকভাবে এইরূপ বিশ্বাস করায় যে দ্রব্যটি নমুনার অনুরূপ। এইভাবে সে অসাধুভাবে চ-কে সে দ্রব্যটি ক্রয় করতে ও উহার মূল্য প্রদান করতে প্ররোচিত করে। ক প্রতারণা করেছে।
(ঘ) ক কোন দ্রব্যের মূল্যস্বরূপ এমন কোন সংস্থার নামে একটি বিল দেয় যেখানে সে টাকা রাখে এবং ক জানে যে বিলটি প্রত্যাখ্যাত হবে। এইভাবে সে চ-কে ইচ্ছাকৃত ভাবে প্রবঞ্চনায় ফেলে তাকে অসাধুভাবে দ্রব্যটি প্রদানে প্ররোচিত করে। দ্রব্যটির মূল্য প্রদানের ইচ্ছা তার নাই। ক প্রতারণা করেছে।
(ঙ) ক যেসব দ্রব্য হীরা নয় বলে জানে সে সব দ্রব্যকে হীরা বলে বর্ণনা দিয়ে ইচ্ছাকৃতভাবে চ-কে প্রবঞ্চনা করে এবং এইভাবে অসাধু উপায়ে চ-কে টাকা ধার দিতে প্ররোচিত করে । ক প্রতারণা করেছে।
১,৯৬৪.
দণ্ডবিধির অনুযায়ী, সরকারি কর্মচারীকে ক্ষতিসাধনের হুমকি দেওয়ার শাস্তি কী হতে পারে?
  1. সর্বোচ্চ ১ বছরের কারাদণ্ড
  2. সর্বোচ্চ ২ বছরের কারাদণ্ড
  3. সর্বোচ্চ ৩ বছরের কারাদণ্ড
  4. সর্বোচ্চ ৫ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ১৮৯ ধারা অনুযায়ী, সরকারি কর্মচারীকে বা তার স্বার্থসংশ্লিষ্ট কোনো ব্যক্তিকে ক্ষতিসাধনের হুমকি দেওয়ার শাস্তি হতে পারে সর্বোচ্চ ২ বছরের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড, বা উভয়ই।
- সঠিক উত্তর: খ) সর্বোচ্চ ২ বছরের কারাদণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ১৮৯ ধারার বিধান সরকারি কর্মচারীকে ক্ষতিসাধনের হুমকি:- কোন সরকারি কর্মচারী হিসেবে তার সরকারি কর্তব্য সম্পাদনের সাথে সংশ্লিষ্ট কোন কাজ করতে প্রবৃত্ত করার উদ্দেশ্যে অথবা কোন কাজ করা হতে বিরত হওয়ার বা করতে বিলম্ব করার জন্য বাধ্য করার উদ্দেশ্যে, কোন ব্যক্তি যদি উক্ত সরকারি কর্মচারীকে অথবা অন্য যে কোন ব্যক্তির সাথে উক্ত সরকারি কর্মচারীর স্বার্থসংশ্লিষ্ট, সে অন্য ব্যক্তিকে ক্ষতিসাধনের হুমকি প্রদর্শন করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
------------
⇒ The Penal Code, 1860-Section 189. Threat of injury to public servant:- Whoever holds out any threat of injury to any public servant, or to any person in whom he believes that public servant to be interested, for the purpose of inducing that public servant to do any act, or to forbear or delay to do any act, connected with the exercise of the public functions of such public servant, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.

১,৯৬৫.
দণ্ডবিধির ১২১ ধারায় কোন কাজটি দণ্ডনীয়?
  1. রাষ্ট্রের আইন অমান্য করা
  2. দেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা
  3. সন্ত্রাসী কার্যকলাপে অংশ নেওয়া
  4. জনগণের অধিকার হরণ করা
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ১২১ ধারায় বলা হয়েছে,
বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা বা যুদ্ধ ঘোষণার উদ্যোগ বা যুদ্ধ ঘোষণায় সহায়তা করলে সেই ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

Section 121- Waging or attempting to wage war, or abeting waging of war, against Bangladesh:
Whoever wages war against Bangladesh, or attempts to wage such war, or abets the waging of such war, shall be punished with death, or imprisonment for life, and shall also be liable to fine.
১,৯৬৬.
The Penal Code, 1860 এর কোন ধারার অপরাধের শাস্তি মৃত্যুদন্ড হবে না?
  1. ৩০৩
  2. ৩০৭
  3. ৩৬৪
  4. ৩৯৬
ব্যাখ্যা
♦The Penal Code, 1860 এর ৩৬৪ ধারা মতে খুন করিবার উদ্দেশ্যে মনুষ্য হরণ কিংবা অপহরণ কোন ব্যক্তি যদি কাউকে খুন করার জন্য অপহরণ করে অথবা তাকে এমনভাবে রাখার জন্য অপহরণ করে যাতে তার খুন হওয়ার আশংকা দেখা দেয়, তবে উক্ত ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে, অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে। অর্থাৎ এই ধারার অপরাধের শাস্তি মৃত্যুদন্ড হবে না।
♦তবে মৃত্যুদন্ডযোগ্য অপরাধের জন্য ১০টি ধারা রয়েছে। সেগুলো হলো ১২১, ১৩২, ১৯৪, ৩০২, ৩০৩, ৩০৫, ৩০৭, ৩২৬ক, ৩৬৪ক, ৩৯৬।
১,৯৬৭.
সরকারি কর্মচারীর দ্বারা আইনগতভাবে প্রদত্ত সমন জারি এড়াবার উদ্দেশ্যে আত্মগোপন করলে তার শাস্তি নিচের কোনটি হতে পারে?
  1. ১ মাস পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড
  2. ১ মাস পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  3. ৩ মাস পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড
  4. ৩ মাস পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
সমন বা অন্যান্য কার্যক্রম থেকে বাঁচার জন্য আত্মগোপন (ধারা ১৭২):
যে কেউ কোনো সরকারি কর্মচারীর দ্বারা আইনগতভাবে প্রদত্ত সমন, নোটিশ বা আদেশ গ্রহণ এড়ানোর জন্য আত্মগোপন করেন, তিনি দণ্ডনীয় হবেন।

শাস্তি:
সাধারণ ক্ষেত্রে:
- এক মাস পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড, অথবা
- পাঁচ শত টাকা পর্যন্ত জরিমানা, অথবা
- উভয় দণ্ড একসঙ্গে।

যদি সমন, নোটিশ বা আদেশ ব্যক্তিগতভাবে বা প্রতিনিধির মাধ্যমে আদালতে হাজির হওয়ার জন্য দেওয়া হয়, অথবা কোনো নথি উপস্থাপনের জন্য দেওয়া হয়,
তবে শাস্তি হবে—
- ছয় মাস পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড, অথবা
- এক হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা, অথবা
- উভয় দণ্ড একসঙ্গে।
১,৯৬৮.
দণ্ডবিধি ৬৮ ধারা অনুযায়ী অর্থদণ্ড পুরোপুরি পরিশোধ করলে কারাদণ্ডের কী হবে?
  1. কারাদণ্ড শেষ হবে
  2. কারাদণ্ড বহাল থাকবে
  3. কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে
  4. কারাদণ্ড আংশিকভাবে শেষ হবে
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি ৬৮ ধারা অনুযায়ী অর্থদণ্ড পুরোপুরি পরিশোধ করলে কারাদণ্ড শেষ হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৬৮ ধারার বিধান অর্থদণ্ড আদায়ে কারামুক্তি:- যে অর্থদণ্ড অনাদায়ে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে, সে অর্থদণ্ড প্রদত্ত হলে অথবা আইনগত কার্যক্রমের মাধ্যমে আদায়ীকৃত হলে আসামীর কারামুক্তি হবে। 
অর্থাৎ অর্থদণ্ড সম্পূর্ণ পরিশোধিত হলে অর্থদণ্ড অনাদায়ে যে কারাদণ্ড দেওয়া আছে তা সমাপ্ত হবে।
-------------------------------
⇒ Section 68. Imprisonment to terminate on payment of fine:- The imprisonment which is imposed in default of payment of a fine shall terminate whenever that fine is either paid or levied by process of law.
১,৯৬৯.
'চ' সহ পাঁচ ব্যক্তি 'ছ'-কে হত্যা করার পরিকল্পনা করে। পরিকল্পিত দিন, তারিখ ও সময়ে তারা সকলে মিলে 'ছ' কে হত্যা করে। 'চ' সহ উক্ত পাঁচ ব্যক্তির বিরুদ্ধে পেনাল কোডের ৩০২ ধারার সাথে নিম্নের কোন ধারাটি প্রাসঙ্গিক?
  1. ১৩৪
  2. ৩৪
  3. ১২০-এ
  4. ১১৪
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৩৪ ধারামতে যখন কতিপয় ব্যক্তি (২ বা ততোধিক) দ্বারা সকলের একই অভিপ্রায় পূরণকল্পে (in furtherance of Common Intention) কোন অপরাধমূলক কার্য সম্পাদিত হয় তখন প্রত্যেকে যৌথভাবে দায়ী হবে যেন নিজে কাজটি করেছে।

⇒ অভিন্ন অভিপ্রায় ফৌজদারি আইনের একটা নীতি, যেটা দিয়ে যৌথভাবে অভিযুক্ত করা যায়। অভিন্ন অভিপ্রায় মৌলিক/স্বতন্ত্র অপরাধ নয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৪ ধারা অনুযায়ী যখন একই অভিপ্রায় পূরণকল্পে একাধিক ব্যক্তি কোন অপরাধমূলক কাজ সম্পাদন করে তখন তাদের প্রত্যেকে উক্ত কাজের জন্য এমনভাবে দায়ী হবেন যেন প্রত্যেকে আলাদাভাবে কাজটি সম্পাদন করেছে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৪ ধারার অধীনে সাধারণ অভিপ্রায় প্রমাণ করার ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত বিষয় সমূহ গুরুত্বপূর্ণ:
ⅰ) কতিপয় ব্যক্তি কর্তৃক অপরাধমূলক কাজ সম্পাদিত হবে;
ii) তাদের প্রত্যেকের সাধারণ অভিপ্রায় এবং পূর্ব পরিকল্পনা ছিল উক্ত অপরাধ সংঘটন করা; এবং
iii) অভিপ্রায়কে সফল করার জন্য অপরাধ সংঘটনে অংশগ্রহণ।

⇒ কোনো ব্যক্তিকে ৩৪ ধারায় দায়ী করতে হলে এ ধারার যেকোনো একটি উপাদান থাকতে হবে। ৩৪ ধারার শাস্তি হবে মূল অপরাধের শাস্তি। 

৩৪ ধারার মূলনীতি প্রয়োগ করে ৩০২ ধারার অধীনে Common Intention এর জন্য দায়ী করে শাস্তি দেওয়া যাবে। অর্থাৎ, ৩০২ ধারার সাথে ৩৪ ধারাটি প্রাসঙ্গিক।
১,৯৭০.
দণ্ডবিধির কোন ধারায় "অপথে গৃহে প্রবেশ" (House-breaking)-এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে?
  1. ধারা ৪৪৩
  2. ধারা ৪৪৫
  3. ধারা ৪৪২
  4. ধারা ৪৪৪
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৪৪৫ ধারায় অপথে গৃহে প্রবেশের বিধান রয়েছে। ৪৪৫ ধারা অনুযায়ী নিম্নলিখিত ৬টি উপায়ে কোন গৃহে প্রবেশ করলে বা গৃহ থেকে বের হলে তা অপথে গৃহে প্রবেশ বা House breaking বলে গণ্য হবে। যথা-
i) বন্ধ দরজা বা পথ খুলে (Opening any passage fastended for );
ii) তালা খুলে বা ভেঙে (Opening or breaking lock);
iii) নতুন পথ তৈরি করে (Passage made by him);
iv) আক্রমন বা বলপ্রয়োগের ভয় দেখিয়ে (Using criminal force);
v) আটকানো কোন কিছুকে খুলে বা অন্যভাবে মুক্ত করে অস্বাভাবিক পন্থায় ভিতরে প্রবেশ করা বা নির্গমন হওয়া; অথবা
vi) প্রবেশ বা প্রস্থানের জন্য নয় এমন পথ দিয়ে গৃহে প্রবেশ করলে অপথে গৃহ প্রবেশ (house breaking) এর অপরাধ হবে।

অর্থাৎ দণ্ডবিধির ধারা ৪৪৫-এ "অপথে গৃহে প্রবেশ" (House-breaking)-এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। এই ধারায় বর্ণিত ৬টি বিশেষ পদ্ধতিতে গৃহে প্রবেশ বা প্রস্থান করলে তা House-breaking বলে গণ্য হবে।
-------------------------------
⇒The Penal Code, 1860- Section- 445: House-breaking: A person is said to commit “house-breaking" who commits house-trespass if he effects his entrance into the house or any part of it in any of the six ways hereinafter described; or if, being in the house or any part of it for the purpose of committing an offence, or, having committed an offence therein, he quits the house or any part of it in any of such six ways, that is to say:
Firstly.-If he enters or quits through a passage made by himself, or by any abettor of the house-trespass, in order to the committing of the house-trespass.
Secondly.-If he enters or quits through any passage not intended by any person, other than himself or an abettor of the offence, for human entrance; or through any passage to which he has obtained access by scaling or climbing over any wall or building.
Thirdly.-If he enters or quits through any passage which he or any abettor of the house-trespass has opened, in order to the committing of the house-trespass by any means by which that passage was not intended by the occupier of the house to be opened.
Fourthly.-If he enters or quits by opening any lock in order to the committing of the house-trespass, or in order to the quitting of the house after a house-trespass.
Fifthly.-If he effects his entrance or departure by using criminal force or committing an assault, or by threatening any person with assault.
Sixthly.-If he enters or quits by any passage which he knows to have been fastened against such entrance or departure, and to have been unfastened by himself or by an abettor of the house-trespass.
Explanation.- Any out-house or building occupied with a house, and between which and such house there is an immediate internal communication, is part of the house within the meaning of this section.

১,৯৭১.
“আকস্মিক ও মারাত্মক প্ররোচনায় আত্ম-সংযম হারিয়ে কারো মৃত্যু ঘটানো” দণ্ডবিধির ৩০০ ধারার কোন ব্যতিক্রমের অন্তর্ভুক্ত?
  1. ব্যতিক্রম-১
  2. ব্যতিক্রম-২
  3. ব্যতিক্রম-৩
  4. ব্যতিক্রম-৪
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩০০-এ বর্ণিত ব্যতিক্রম-১-এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য যখন: আকস্মিক ও মারাত্মক প্ররোচনা (Grave and Sudden Provocation) এর ফলে অপরাধী আত্মসংযম হারিয়ে ফেলে (Deprived of Self-Control) এবং সেই অবস্থায় প্ররোচনাদানকারীকে হত্যা করে অথবা দুর্ঘটনাবশত অন্য কাউকে হত্যা করে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩০০ ধারার ব্যতিক্রম-১ (Exception 1) বলছে:
“Culpable homicide is not murder if the offender, whilst deprived of the power of self-control by grave and sudden provocation, causes the death…”
 অর্থাৎ,যদি কেউ  আকস্মিক (sudden) এবং মারাত্মক (grave) প্ররোচনায়, আত্ম-সংযম হারিয়ে, প্ররোচক ব্যক্তি অথবা ভুলক্রমে অন্য কোনো ব্যক্তিকে হত্যা করে, তবে এটি খুন নয়, বরং শাস্তিযোগ্য নরহত্যা।

⇒ ব্যতিক্রম-১ এর মূল শর্তাবলী:
- প্ররোচনা অপরাধী নিজে উদ্দেশ্যমূলকভাবে তৈরি করেনি
- প্ররোচনা আইনসম্মত কার্যক্রম (যেমন পুলিশের গ্রেফতার) বা সরকারি কর্মকর্তার দায়িত্ব পালনের ফলে সৃষ্ট নয়
- প্ররোচনা আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগের ফলে সৃষ্ট নয়

সুতরাং, "আকস্মিক ও মারাত্মক প্ররোচনায় আত্ম-সংযম হারিয়ে কারো মৃত্যু ঘটানো" ক্ষেত্রে প্রযোজ্য ব্যতিক্রম হল ব্যতিক্রম-১ (ক)।

উদাহরণ:
যদি কেউ হঠাৎ করে তার স্ত্রীকে অন্য পুরুষের সাথে অবৈধ সম্পর্কে দেখে ফেলে এবং উত্তেজিত হয়ে তাকে হত্যা করে, তাহলে এটি ব্যতিক্রম-১ এর আওতায় পড়তে পারে (যদি আদালত প্ররোচনাকে যথেষ্ট মারাত্মক ও আকস্মিক বলে স্বীকৃতি দেয়)। কারণ এটি grave and sudden provocation।
১,৯৭২.
দণ্ডবিধির কোন ধারা অনুযায়ী সরল বিশ্বাসে কৃত যোগাযোগ (Communication made in good faith) এর ফলে কোন ব্যক্তির ক্ষতি সাধন হলে সেটা কোন অপরাধ বলে গণ্য হবে না?
  1. দণ্ডবিধির ৯০ ধারা
  2. দণ্ডবিধির ৯২ ধারা
  3. দণ্ডবিধির ৯৩ ধারা
  4. দণ্ডবিধির ৯৫ ধারা
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ৯৩ ধারার বিধান সদবিশ্বাসে কৃত যোগাযোগ:
 কোন ব্যক্তির মঙ্গলার্থে আন্তরিক সদিচ্ছাক্রমে কৃত যোগাযোগ বা খবর প্রদান, উক্ত খবর প্রদানের ফলে উক্ত ব্যক্তির কোন প্রকার ক্ষতি হওয়ার দরুণ অপরাধ হবে না।

♦ উদাহরণ
ক একজন সার্জন। তিনি আন্তরিক সদিচ্ছা থেকে জনৈক রোগীকে তার এই মত জানান যে, সে বাঁচবে না। ইহাতে মর্মান্তিক আঘাত প্রাপ্তির ফলে রোগীটির মৃত্যু হয়। কএর কাজটি অপরাধ বলে পরিগণিত হবে না, যদিও তিনি জানতেন যে, তার এইরূপ মত দেওয়ার ফলে রেগিটির মৃত্যু ঘটতে পারে।

------------------------------------
♦ Communication made in good faith
Section 93. No communication made in good faith is an offence by reason of any harm to the person to whom it is made, if it is made for the benefit of that person. 
 
♦ Illustration 
A, a surgeon, in good faith, communicates to a patient his opinion that he cannot live. The patient dies in consequence of the shock. A has committed no offence, though he knew it to be likely that the communication might cause the patient's death.
১,৯৭৩.
‘দণ্ডবিধির সাধারণ ব্যতিক্রম সহ যেকোনো ব্যতিক্রম প্রমাণের দায়িত্ব আসামির’ এটি কোথায় উল্লেখ করা আছে?
  1. সাক্ষ্য আইনের ১০৫ ধারায়
  2. দণ্ডবিধির চতুর্থ অধ্যায়
  3. দণ্ডবিধির ১০৫ ধারায়
  4. কোনটাই নয়
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ১০৫ ধারায় অনুসারে সাধারণ ব্যতিক্রম সহ ব্যতিক্রম ভ্রমণের দায়িত্ব আসামি উপর বর্তায়। ব্যতিক্রম প্রমাণের ভার (Burden of Proof of Exceptions) সাক্ষ্য আইনের ১০৫ ধারা অনুযায়ী কোন ব্যক্তি যদি দাবি করে তার কার্য বা কার্যবিরতি দণ্ডবিধির ৭৬ থেকে ১০৬ ধারায় উল্লেখিত কোন সাধারণ ব্যতিক্রমের মধ্যে পড়ে, তবে তা প্রমাণের ভার উক্ত ব্যক্তির উপর বর্তায়।
১,৯৭৪.
দণ্ডবিধির ৩০০ ধারায় কয়টি ব্যতিক্রমের কথা উল্লেখ আছে?
  1. ২টি
  2. ৪টি
  3. ৩টি
  4. ৫টি
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০০ ধারার বিধান খুন:- খুনের সবক্ষেত্রে ব্যতিক্রম নির্দেশ করা হয়েছে। সে সকল ক্ষেত্র ব্যতীত অন্যান্য সকল ক্ষেত্রে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুন হবে, যদি যে কার্যটি কর্তৃক মৃত্যু অনুষ্ঠিত হয়, সে কার্যটি মৃত্যু সংঘটনের জন্যই করা হয়ে থাকে, অথবা
দ্বিতীয়ত, যদি কার্যটি কোন ব্যক্তিকে এমনভাবে দৈহিক আঘাত দেওয়ার উদ্দেশ্যে করা হয়ে থাকে, যে আঘাতের ফলে যে ব্যক্তিকে আঘাত দেওয়া হল, সে ব্যক্তির মৃত্যু হতে পারে বলে অপরাধী জানে, অথবা
তৃতীয়ত, যদি কোন ব্যক্তিকে দৈহিক আঘাত দানের উদ্দেশ্যে কার্যটি করা হয় এবং যদি যে দৈহিক আঘাত দেওয়ার অভিসন্ধি করা হয়েছে, সে আঘাতটি প্রকৃতির স্বাভাবিক গতিতে মৃত্যু ঘটাবার পক্ষে যথেষ্ট হয়, অথবা
চতুর্থত, যদি যে ব্যক্তি কার্যটি অনুষ্ঠান করে সে ব্যক্তি জানে যে, কার্যটি এমন আশু বিপজ্জনক যে, ইহার দরুণ খুব সম্ভব মৃত্যু ঘটবে, অথবা ইহার দরুণ অবশ্যই এমন দৈহিক আঘাত ঘটবে, যার ফলে মৃত্যু ঘটতে পারে এবং মৃত্যু ঘটাবার বা অনুরূপ দৈহিক আঘাত ঘটাবার ঝুঁকি গ্রহণের অপর কোন অজুহাত ব্যতিরেকে অনুরূপ কার্য করে।

ব্যতিক্রম ১:- যেক্ষেত্রে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুন পরিগণিত হবে নাঃ- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি মারাত্মক ও আকস্মিক প্ররোচনার ফলে অপরাধী আত্ম-সংযমশক্তি হারাইয়া ফেলে এবং যে ব্যক্তি প্ররোচনা দান করেছে, সে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায় অথবা ভুলক্রমে বা দুর্ঘটনাক্রমে অপর কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায়।
উপরোক্ত ব্যতিক্রমটি নিম্নোক্ত শর্তাবলী সাপেক্ষে:-
প্রথমত, প্ররোচনাটি কোন ব্যক্তিকে হত্যা করার বা তার ক্ষতি সাধনের অজুহাতস্বরূপ অপরাধী কর্তৃক স্বয়ং প্রার্থীত বা প্ররোচিত হতে পারবে না।
দ্বিতীয়ত, উক্ত প্ররোচনাটি আইনানুসারে কৃত কোন কার্য দ্বারা বা কোন সরকারী কর্মচারীর সরকারী কর্মচারী হিসেবে যথাযোগ্য ক্ষমতাবলীর আইনসম্মত প্রয়োগসঞ্জাত হতে পারবে না।
তৃতীয়ত, প্ররোচনা আত্মরক্ষার ব্যক্তিগত অধিকারের আইনসম্মত প্রয়োগক্রমে সম্পাদিত কোন কার্য পালন হতে পারবে না।
ব্যাখ্যা:- প্ররোচনাটি এমন মারাত্মক ও আকস্মিক ছিল কিনা, যার ফলে অপরাধটি খুনের শামিল হবে না, তা একটি ঘটনাগত প্রশ্ন।
ব্যতিক্রম ২:- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি অপরাধী সরল মনে তার আত্মরক্ষার অথবা সম্পত্তি রক্ষার ব্যক্তিগত অধিকার প্রয়োগক্রমে তাকে আইন প্রদত্ত ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করে এবং যার বিরুদ্ধে সে এই অধিকার প্রয়োগ করে, কোনরূপ পূর্ব-পরিকল্পনা ব্যতীত অথবা অনুরূপ অধিকার রক্ষার জন্য যতটুকু ক্ষতিসাধন করা আবশ্যক, তদপেক্ষা বেশি ক্ষতি সাধনের ইচ্ছা ব্যতিরেকে, তার মৃত্যু ঘটায়।
ব্যতিক্রম ৩:- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি দোষী একজন সরকারী কর্মচারী হিসেবে অথবা সরকারী কর্মচারীর সহায়তাকারী হিসেবে তাকে প্রদত্ত আইনানুগ ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করে এবং এমন একটি কাজ সম্পাদন করে মত্যু ঘটায়, যা সে অনুরূপ সরকারী কর্মচারীর দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে সম্পাদন করার জন্য আবশ্যকীয় ও আইনসম্মত বলে সরল মনে বিশ্বাস করে এবং সে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটলে তার প্রতি কোনরূপ দুরভিসন্ধি ছাড়াই কার্যটি করে।
ব্যতিক্রম ৪:- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি অপরাধটি কোন আকস্মিক বিবাদের সময় আকস্মিক উত্তেজনার কারণে কোনরূপ পূর্ব পরিকল্পনা ছাড়াই সংঘটিত হয় এবং অপরাধী কোন অন্যায় সুযোগ গ্রহণ না করে থাকে অথবা নিষ্ঠুরভাবে বা অস্বাভাবিকভাবে কার্য না করে থাকে।
ব্যাখ্যা:- এইরূপ ক্ষেত্রে কোন পক্ষ প্রথম উস্কানি দেয় বা প্রথম আঘাত করে, তা আদৌ গুরুত্বপূর্ণ নয়।
ব্যতিক্রম ৫:- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি সে ব্যক্তির মৃত্যু হয়, সে ব্যক্তি আঠারো বৎসরের উর্ধ্ব বয়স্ক হলে স্বেচ্ছায় স্বীয় সম্মতিক্রমে মৃত্যুবরণ করে বা মৃত্যুর ঝুঁকি গ্রহণ করে।
⇒ দণ্ডবিধির ৩০০ ধারার ২য় অংশ বা ব্যতিক্রম (Exception) অনুযায়ী ৫টি ক্ষেত্রে নিন্দনীয় নরহত্যা খুন বলে গণ্য হবে না।
অর্থাৎ দণ্ডবিধির ৩০০ ধারায় ৫টি ব্যতিক্রমের কথা উল্লেখ আছে।
১,৯৭৫.
করিম একটি সেচ ব্যবস্থার পানি সরবরাহে বাধা দেয়, যার ফলে কৃষকদের ফসলের ক্ষতি হয়। দণ্ডবিধির কোন ধারার অধীনে তার শাস্তি হবে?
  1. ৪২৭ ধারা
  2. ৪৩০ ধারা
  3. ৪৩৩ ধারা
  4. ৪৩৬ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৮৬০ এর ৪৩০ ধারা অনুযায়ী, যদি কেউ এমন কোনো কাজ করে যা কৃষিকাজের জন্য, মানুষ বা প্রাণীর খাবার বা পানীয় জল, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, বা উৎপাদন কাজে ব্যবহৃত পানির সরবরাহ হ্রাস করে অথবা জানে যে তার কাজে এমনটা ঘটতে পারে, তাহলে তা "অনিষ্ট (mischief)" হিসেবে গণ্য হবে।
- এ ধরনের অনিষ্টের জন্য সর্বোচ্চ ৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড অথবা উভয়বিধ দণ্ড হতে পারে।
-  এই প্রশ্নে করিম সেচ ব্যবস্থার পানিতে বাধা দিয়েছে, যার ফলে কৃষকদের ফসলের ক্ষতি হয়েছে। এটি স্পষ্টভাবে ৪৩০ ধারার অধীনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৪৩০: সেচকাজে ব্যবহৃত জলাধি বা পানি সরবরাহে অনিষ্ট সাধন অথবা পানি ভুলভাবে সরিয়ে নেওয়ার মাধ্যমে অনিষ্ট:
যে ব্যক্তি এমন কোনো কাজের মাধ্যমে অনিষ্ট করে যা কৃষিকাজে ব্যবহৃত পানি, অথবা মানুষ ও প্রাণীর পানীয়জল, অথবা পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা কিংবা কোনো উৎপাদন কাজে ব্যবহৃত পানির সরবরাহ হ্রাস করে অথবা সে জানে যে, তার দ্বারা এমন হ্রাস ঘটতে পারে, সে ব্যক্তি দোষী সাব্যস্ত হবে এবং তাকে যেকোনো বর্ণনার কারাদণ্ড, যা সর্বোচ্চ পাঁচ বছর পর্যন্ত হতে পারে, বা অর্থদণ্ড, অথবা উভয়বিধ দণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে।
------------ 
⇒ The Penal Code, 1860- Section 430. Mischief by injury to works of irrigation or by wrongfully diverting water:
 Whoever commits mischief by doing any act which causes, or which he knows to be likely to cause, a diminution of the supply of water for agricultural purposes, or for food or drink for human beings or for animals which are property, or for cleanliness or for carrying on any manufacture, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to five years, or with fine, or with both.
১,৯৭৬.
দণ্ডবিধির কত থেকে কত ধারায় ফৌজদারি অপরাধের সাধারণ ব্যতিক্রম আলোচনা করা হয়েছে?
  1. ৭৬ থেকে ১০৯ ধারায়
  2. ৭৬ থেকে ১০৬ ধারায়
  3. ৬৫ থেকে ১১৫ ধারায়
  4. ৬৭ থেকে ১০৬ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির চতুর্থ অধ্যায় ৭৬ ধারা থেকে ১০৬ ধারা পর্যন্ত সাধারণ ব্যতিক্রম সমূহ বা General exceptions নিয়ে আলোচনা করা হয়।
- যে কাজগুলোকে স্বাভাবিকভাবে অপরাধ বলে গণ্য করা হলেও বিশেষ ক্ষেত্রে অপরাধ বলে গণ্য করা হয় না তাকেই সাধারণ ব্যতিক্রম বা General Exception বলে।
-দণ্ডবিধির ৭৬ থেকে ১০৬ ধারায় কিছু সাধারণ ব্যতিক্রমের উল্লেখ রয়েছে।
-দণ্ডবিধির ৭৬ থেকে ১০৬ ধারার আওতাধীন কার্য বা কার্যবিরতিগুলো (acts or omission) স্বাভাবিকভাবে অপরাধ মনে হলেও সেগুলো ফৌজদারি দায় (criminal liability) থেকে মুক্ত;
- অর্থাৎ ৭৬ থেকে ১০৬ ধারার আওতাধীন কার্যগুলো অপরাধ মনে হলেও অপরাধী কোন শাস্তি পায়না।

- পেনাল কোডের ৭৬-১০৬ ধারার মধ্যে যে সকল সাধারণ ব্যতিক্রম বর্ণনা করা হয়েছে সেগুলোর কোনো একটির সুযোগ যদি কোনো অভিযুক্ত পায় তাহলে উক্ত ব্যক্তিকে যে কাজের জন্য অভিযুক্ত করা হয়েছে তা আর অপরাধ হিসেবেই গণ্য হবে না।
- অভিযুক্ত ব্যক্তি এই ক্ষেত্রে নিরপরাধ হিসেবে খালাস পাবে। দোষী সাব্যস্ত করার সুযোগও নাই।
- সাক্ষ্য আইনের ১০৫ ধারা অনুযায়ী কোনো ব্যক্তি যদি দাবি করে তার কার্য বা কার্যবিরতি দণ্ডবিধির ৭৬ থেকে ১০৬ ধারায় উল্লিখিত কোন সাধারণ ব্যতিক্রমের মধ্যে পড়ে, তবে তা প্রমাণের ভার উক্ত ব্যক্তির উপর বর্তায়।
১,৯৭৭.
বার্ড ফ্লু আছে জানা সত্ত্বেও X বাজারে মুরগির মাংস বিক্রি করেন। X দণ্ডবিধির কত ধারার অধীনে অপরাধ করেছেন বলে গণ্য হবে?
  1. ২৬৮ ধারা
  2. ২৬৯ ধারা
  3. ২৬০ ধারা
  4. ২৭৪ ধারা
ব্যাখ্যা
♦বার্ড ফ্লু আছে জানা সত্বেও X বাজারে মুরগির মাংস বিক্রি করার মাধ্যমে দণ্ডবিধির ২৬৯ ধারার অধীন অপরাধ করেছে বলে গণ্য হবে। যেহেতু বার্ড ফ্লু আক্রান্ত মুরগির মাংস বাজারে বিক্রি করলে প্রাণঘাতী বার্ড ফ্লু ভাইরাস ছড়াতে পারে।

♦দণ্ডবিধির ২৬৯ ধারায় বলা হয়েছে, "যে ব্যক্তি বেআইনিভাবে বা অবহেলাজনিত এমন কোন কাজ করে যার কারণে জীবন বিপন্নকারী কোন রোগের সংক্রমণ বিস্তার লাভের সম্ভাবনা রয়েছে তাকে ছয় মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড দেয়া হতে পারে, জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডই হতে পারে।"
১,৯৭৮.
দণ্ডবিধি অনুসারে, কত দিন পর্যন্ত দৈহিক যন্ত্রণা বা কাজে অসামর্থ্য থাকলে তা গুরুতর আঘাত বলে গণ্য?
  1. ১০ দিন
  2. ২০ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ৪০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৩২০ অনুসারে, গুরুতর আঘাতের (Grievous Hurt) অষ্টম ধরনের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে এমন কোনো আঘাত যা জীবন সংশয় সৃষ্টি করে বা যাতে আহত ব্যক্তি বিশ দিন পর্যন্ত প্রচণ্ড দৈহিক যন্ত্রণায় ভোগ করে বা তার সাধারণ কাজকর্ম করতে অপারগ হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৩২০ ধারার বিধান গুরুতর আঘাত:- শুধু নিম্নলিখিত আঘাতসমূহকেই "গুরুতর" বলে পরিগণিত করা যায়:-
প্রথমত, পুরুষত্বহীন করণ।
দ্বিতীয়ত, যেকোন চোখের জ্যোতি বা দৃষ্টিশক্তি চিরতরে নষ্ট করণ।
তৃতীয়ত, যেকোন কর্ণের শ্রবণশক্তি স্থায়ীভাবে নষ্ট করণ।
চতুর্থত, যেকোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন।
পঞ্চমত, যেকোন অঙ্গের বা গ্রন্থির শক্তিসমূহ ধ্বংস করণ বা চিরতরে খর্ব করণ।
ষষ্ঠত, মাথা বা মুখমণ্ডল স্থায়ীভাবে বিকৃত করণ।
সপ্তম, কোন অস্থি বা দন্ত ভগ্ন বা স্থানচ্যুত করণ।
অষ্টম, এমন কোন আঘাত যা জীবন সংশয় সৃষ্টি করে বা যাতে আহত ব্যক্তি বিশ দিন পর্যন্ত প্রচণ্ড দৈহিক যন্ত্রণা ভোগ করে বা সাধারণ কাজকর্ম করতে অপারগ হয়।
-----------------
⇒The Penal Code, 1860- Section 320- Grievous hurt:
The following kinds of hurt only are designated as "grievous":-
Firstly.-Emasculation.
Secondly.-Permanent privation of the sight of either eye.
Thirdly.-Permanent privation of the hearing of either ear.
Fourthly.-Privation of any member or joint.
Fifthly.-Destruction or permanent impairing of the powers of any member or joint.
Sixthly.-Permanent disfiguration of the head or face.
Seventhly.-Fracture or dislocation of a bone or tooth.
Eighthly.-Any hurt which endangers life or which causes the sufferer to be during the space of twenty days in severe bodily pain, or unable to follow his ordinary pursuits.

১,৯৭৯.
ক উদ্দেশ্যমূলকভাবে খ-এর একটি রিং নদীতে ফেলে দিলো। ক পেনাল কোড-এর অধীনে কী অপরাধ করলো?
  1. অপরাধমূলক তসরুফ (criminal misappropriation)
  2. অনিষ্ট (Miscief)
  3. Criminal Breach of Trust
  4. Unlawful damage
ব্যাখ্যা
♦Penal Code, 1860-এর ধারা ৪২৫ এ অনিষ্ট এর সংজ্ঞা প্রদান করা হয়েছে। ক ইচ্ছাকৃতভাবে খ এর ক্ষতিসাধনের জন্য তার আংটি নদীতে ফেলে দেয় যা ৪২৫ ধারার অপরাধ। এই ধারার (গ) নং  উদাহরণ দ্রষ্টব্য। Unlawful damage নামে পেনাল কোডে কোনো অপরাধ নেই।
♦দণ্ডবিধি ৪২৫ ধারা অনুযায়ী অন্যের অন্যায় ক্ষতি বা লোকসানের (Wrongful loss or damage) উদ্দেশ্যে কোন সম্পত্তি ধ্বংস বা বিনষ্ট অথবা সম্পত্তির মূল্য/উপযোগীতা হ্রাস বা ক্ষতিগ্রস্ত করাকে অনিষ্ট বা ক্ষতি (mischief) বলে।
১,৯৮০.
নিম্নের কোনটি অসংহত অপরাধ নয়?
  1. ষড়যন্ত্র
  2. প্ররোচনা
  3. প্রচেষ্টা
  4. গণ-উৎপাত
ব্যাখ্যা
• অসংহত অপরাধ বা অসম্পূর্ণ অপরাধ (inchoate crime) হলো এমন একটি কার্য  যা সম্পূর্ণ অপরাধকর্ম সৃষ্টি না করলেও এটি ফৌজদারী আইনে তা নিষিদ্ধ। কারণ ওইগুলি পূর্ণ অপরাধের লক্ষ্যে পদক্ষেপস্বরূপ। এই অসম্পূর্ণ অপরাধগুলির অন্তর্ভুক্ত প্ররোচনা [Abetment], প্রচেষ্টা [Attempt], ষড়যন্ত্র [Conspiracy] ইত্যাদি। অর্থাৎ কোন অপরাধের সৃষ্টির কারণ হিসেবে এগুলা কাজ করে।

উল্লেখ্য, গণ-উৎপাত হচ্ছে একটি সম্পূর্ণ এবং স্বতন্ত্র অপরাধ।
 
⇒ Inchoate crimes, also known as incomplete crimes, are acts taken toward committing a crime or acts that constitute indirect participation in a crime. Although these acts are not themselves crimes, they are illegal because they are conducted in furtherance of a crime, and society wishes to deter individuals from taking such steps. Three primary inchoate crimes are attempt, conspiracy, and aiding and abetting.
১,৯৮১.
রাকিব তার বন্ধু মাহিন কে লাঠি দিয়ে তাড়া করে এবং মুখে বলে তরে আজ মেরেই ফেলব কিন্তু কোন আঘাত করে নাই। এই ক্ষেত্রে রাকিব দণ্ডবিধির কোন অপরাধটি করেছে?
  1. আক্রমণ
  2. বলপ্রয়োগ
  3. মারামারি
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৫১ ধারার বিধান  আক্রমণ:- কোন ব্যক্তি যদি এই উদ্দেশ্য নিয়ে বা এটা জানা সত্ত্বেও এমন কোন অঙ্গভঙ্গি করে বা কোন প্রস্তুতি গ্রহণ করে যে, তাতে হাজির কোন ব্যক্তির ভয় হয় যে, যে ব্যক্তি উক্ত অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে, সে ব্যক্তি উক্ত হাজির ব্যক্তির উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করতে উদ্যত হয়েছে, তবে প্রথমোক্ত ব্যক্তি আক্রমণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।
ব্যাখ্যা:- কেবলমাত্র মুখের কথা আক্রমণ বলে পরিগণিত হয় না। কিন্তু কোন ব্যক্তির ব্যবহৃত কথাগুলি তার অঙ্গভঙ্গিকে বা প্রস্তুতিকে এমন অর্থপূর্ণ করতে পারে, যার কারণে তার অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি আক্রমণ বলে পরিগণিত হতে পারে।

উদাহরণ:
(ক) ক, চ-এর প্রতি মুষ্টি উত্তোলন করে। ইহার ফলে চ যাতে বিশ্বাস করে যে ক তাকে আঘাত করতে উদ্যত হয়েছে, সে জন্যই ক তা করে অথবা ইহার ফলে এইরূপ : হতে পারে জানা সত্ত্বেও তা করে । ক আক্রমণ করেছে।
(খ) ক একটি হিংস্র কুকুরের মুখ বন্ধনী খুলতে শুরু করে। চ যাতে বিশ্বাস করে যে, ক কুকুরটিকে দিয়ে তাকে আক্রমণ করার উদ্দেশ্যেই কুকুরটির মুখ বন্ধনী খুলে দিচ্ছে, এই উদ্দেশ্যেই, অথবা চ এইরূপ বিশ্বাস করতে পারে জানা সত্ত্বেও ক এই কাজ করে। ক-চ এর উপর আক্রমণ করেছে।
(গ) ক একটি ছুড়ি ঘুরাতে ঘুরাতে চ-কে বলিল, “তোমাকে পিটুনি দেব।” এখানে যদিও কেবল ক-এর ব্যবহৃত কথাগুলি কোনক্রমেই আক্রমণ বলে পরিগণিত হতে পারে না, এবং যদিও অপর কোন অনুষঙ্গ ব্যতীত কেবল ক-এর অঙ্গভঙ্গি আক্রমণতৃল্য নয়, তবুও অঙ্গভঙ্গি ও তার আনুষঙ্গিক ব্যাখ্যামূলক কথাগুলি মিলিয়ে আক্রমণ বলে পরিগণিত হবে।
------------------------
⇒ The Penal Code,1860: Section 351: Assault:
-Whoever makes any gesture, or any preparation intending or knowing it to be likely that such gesture or preparation will cause any person present to apprehend that he who makes that gesture or preparation is about to use criminal force to that person, is said to commit an assault. 
Explanation.- Mere words do not amount to an assault. But the words which a person uses may give to his gestures or preparation such a meaning as may make those gestures or preparations amount to an assault. 
 Illustrations:
(a) A shakes his fist at Z, intending or knowing it to be likely that he may thereby cause Z to believe that A is about to strike Z. A has committed an assault. 
(b) A begins to unloose the muzzle of a ferocious dog, intending, or knowing it to be likely that he may thereby cause Z to believe that he is about to cause the dog to attack Z. A has committed an assault upon Z. 
(c) A takes up a stick, saying to Z, "I will give you a beating". Here, though the words used by A could in no case amount to an assault, and though the mere gesture, unaccompanied by any other circumstances, might not amount to an assault, the gesture explained by the words may amount to an assault.
১,৯৮২.
‘‘শুরুতে সৎ উদ্দেশ্য থাকে, শেষে অসৎ উদ্দেশ্য হয়’’ এটি প্রতিফলিত হয় কোন ক্ষেত্রে-
  1. চুরি
  2. ছিনতাই
  3. অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গ
  4. প্রতারণা
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধি ৪০৫ ধারা মতে বিশ্বাসভরে ভারপ্রাপ্ত হয়ে অথবা আইনগত চুক্তির মাধ্যমে কোন সম্পত্তি অপরাধীর দখলে আসার পর অপরাধী উক্ত বিশ্বাস বা চুক্তির বরখেলাপ করে সম্পত্তিটি অসাধুভাবে আত্মসাৎ করলে বা অসাধুভাবে নিজের ব্যবহারে লাগালে তাকে অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ বা Criminal Breach of Trust বলে।
১,৯৮৩.
'ক' ও 'খ' আনন্দ উপভোগের উদ্দেশ্যে পরস্পরের সঙ্গে তরবারি খেলা খেলতে সম্মতি হয়। তরবারি খেলার সময় 'ক' খেলার স্বাভাবিক নিয়ম মেনে এবং অনিচ্ছাকৃতভাবে 'খ' আহত করে। এখানে 'ক' নিচের কোন ধরনের অপরাধ করেছে?
  1. কোন অপরাধ করেনি
  2. আঘাত
  3. গুরুতর আঘাত
  4. গুরুতর আগের চেষ্টা
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ৮৭ ধারা মতে মৃত্যু বা গুরুতর জখম ঘটানোর অভিপ্রায় ব্যতীত কোন কাজ মৃত্যু বা গুরুতর জখম ঘটাতে পারে বলে জানা সত্ত্বেও ১৮ বছরের বেশি বয়স্ক ব্যক্তির ক্ষতির ঝুঁকি গ্রহণের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সম্মতি দিয়ে কাজটি করা হলে তা অপরাধ নয়।

♦ দণ্ডবিধির ৮৭ ধারার বিধান মৃত্যু বা গুরুতর আঘাত ঘটাইবার জন্য অভিপ্রেত নহে, এবং অনুরূপ সম্ভাবনাপূর্ণ বলিয়া অজ্ঞাত কার্য সম্মতি সহকারে সম্পাদন করা:
মৃত্যু ঘটাবার অথবা গুরুতর আঘাত করার উদ্দেশ্যে সম্পাদিত নয়, অথবা মৃত্যু ঘটাতে পারে বা গুরুতর আঘাত করতে পারে এইরূপ না জেনে সম্পাদিত কোন কাজ করার পর উহাতে কোন ক্ষতি হওয়ার ফলে অপরাধ হবে না; অথবা ১৮ বৎসরের অধিক বয়স্ক কোন ব্যক্তি প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে অনুরূপ কাজের ফল হতে উদ্ভূত ক্ষতি স্বীকার করার সম্মতিদানের পর, তার সম্মতি নিয়ে উক্তরূপ ক্ষতি সাধনের ইচ্ছা করে কাজটি করার পর তাতে কোনরূপ ক্ষতি হওয়ার ফলে কাজটি অপরাধ হবে না; অথবা যে ব্যক্তি কাজটি করছে, সে ব্যক্তি কাজটি করার ফলে ক্ষতি অনুষ্ঠিত হতে পারে জানা সত্ত্বেও যে ব্যক্তির ক্ষতি হতে পারে, সে ব্যক্তির ক্ষতির ঝুঁকি স্বীকারে সম্মতিক্রমে কাজটি করার পর তাতে কোনরূপ ক্ষতি হওয়ার ফলে কাজটি অপরাধ হবে না।

------------------
♦ Act not intended and not known to be likely to cause death or grievous hurt, done by consent:
Section 87. Nothing which is not intended to cause death, or grievous hurt, and which is not known by the doer to be likely to cause death, or grievous hurt, is an offence by reason of any harm which it may cause, or be intended by the doer to cause, to any person, above eighteen years of age, who has given consent, whether express or implied, to suffer that harm; or by reason of any harm which it may be known by the doer to be likely to cause to any such person who has consented to take the risk of that harm.
১,৯৮৪.
দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারায় কোন পরিস্থিতিতে মানহানি অপরাধ হিসাবে বিবেচিত হবে না?
  1. ব্যক্তিগত ক্ষোভে মন্তব্য করা
  2. জনস্বার্থে সত্য-দোষারোপ করা
  3. গোপন তথ্য প্রকাশ করা
  4. শখের উদ্দেশ্যে মন্তব্য করা
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারায় মানহানির ১০ টি ব্যতিক্রম (Exception) রয়েছে অর্থাৎ এই ১০ টি ক্ষেত্রে কোন মানহানিকর উক্তি বা তথ্য প্রকাশ করা হলেও মানহানির অপরাধ হবে না-
 
১) জনস্বার্থে বা জনগণের কল্যাণের জন্য কারো প্রতি সত্য-দোষারোপ করা হলে;
২) জনগণের প্রতি সরকারি কর্মচারীর আচরণ সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে কোন অভিমত প্রকাশ করা হলে;
৩) কোন জনসমস্যা/গণসমস্যা সম্পর্কে কোন ব্যক্তির আচরণ সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে অভিমত প্রকাশ করা হলে;
৪) কোন আদালতের কার্য বিবরণীর রিপোর্ট প্রকাশ করা হলে;
৫) আদালত কর্তৃক সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে এমন কোন ফৌজদারি বা দেওয়ানি মোকদ্দমার দোষ, গুণ বা সাক্ষী বা সাক্ষ্যের সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে কোন অভিমত প্রকাশ করা হলে;

৬) কোন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার ভার জনগণের উপর ন্যস্ত করা হলে তখন এ বিষয়ে সৎ বিশ্বাসে অভিমত প্রকাশ করা হলে, যেমন- কোন ব্যক্তি কোন বই প্রকাশ করলে বা প্রকাশ্য স্থানে বক্তৃতা দিলে তখন তা বিচার করার জন্য জনগণের কাছে উপস্থাপন করা হয়েছে বলে গণ্য করা হবে;
৭) অন্যের উপর আইনসম্মতভাবে ক্ষমতা রয়েছে এমন ব্যক্তি সরল বিশ্বাসে কোন নিন্দা করলে;
৮) ক্ষমতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তির নিকট সৎ বিশ্বাসে অভিমত দেয়া হলে;
৯) কোন ব্যক্তি নিজের বা অন্যের স্বার্থ রক্ষা করতে গিয়ে বা জনস্বার্থে সৎ বিশ্বাসে কোন দোষারোপ করলে;
১০) জনকল্যাণে সৎ বিশ্বাসে কোন ব্যক্তিকে সতর্ক করে কিছু বলা হলে;
১,৯৮৫.
রাকিব স্বেচ্ছাকৃতভাবে একজনের চোখের দৃষ্টি নষ্ট করার জন্য এসিড প্রয়োগ করে। রাকিবের বিরুদ্ধে কোন ধারায় মামলা করা হবে?
  1. ধারা ৩২০
  2. ধারা ৩২৩
  3. ধারা ৩২৬
  4. ধারা ৩২৬ক
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৩২৬ক ধারা: স্বেচ্ছাকৃতভাবে দুইটি চোখ উপড়ে বা এসিড জাতীয় পদার্থ দ্বারা চোখ দুইটির দৃষ্টি নষ্টকরণ বা মুখমণ্ডল বা মস্তক এসিড দ্বারা বিকৃতিকরণ:

যে ব্যক্তি ৩৩৫ ধারায় উল্লেখিত ক্ষেত্র ছাড়া স্বেচ্ছাকৃতভাবে নিম্নবর্ণিত উপায়ে-
(ক) ৩২০ ধারার দ্বিতীয় অনুচ্ছেদে বর্ণিত অপরাধ যেক্ষেত্রে উভয় চক্ষুর ব্যাপারে হয় উৎপাটন দ্বারা অথবা যেকোন ধরনের এসিড জাতীয় পদার্থ কর্তৃক, কিংবা
(খ) ৩২০ ধারার ষষ্ঠ অনুচ্ছেদে বর্ণিত অপরাধ যেক্ষেত্রে কোন এসিড জাতীয় পদার্থ দ্বারা কোন ব্যক্তিকে গুরুতর আঘাত করে, তবে সে ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে এবং অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত করা হবে।

Section 326A- Voluntarily causing grievous hurt in respect of both eyes, head or face by means of corrosive substance, etc:
Whoever, except in the case provided for by section 335, voluntarily causes grievous hurt of the kind mentioned in-
(a) clause secondly of section 320 in respect of both the eyes either by gouging out the same or by means of any corrosive substance; or
(b) clause sixthly of section 320 by means of any corrosive substance, shall be punished with death, or imprisonment for life and shall also be liable to fine.
১,৯৮৬.
No communication made in ______ is an offence by reason of any harm to the person to whom it is made, if it is made for the benefit of that person.
  1. no faith
  2. good faith
  3. evil motive
  4. honest motive
ব্যাখ্যা
• Section 93- Communication made in good faith:
No communication made in good faith is an offence by reason of any harm to the person to whom it is made, if it is made for the benefit of that person.
 
Illustration 
A, a surgeon, in good faith, communicates to a patient his opinion that he cannot live. The patient dies in consequence of the shock. A has committed no offence, though he knew it to be likely that the communication might cause the patient's death.

দণ্ডবিধির ৯৩ ধারা- বিধান সদবিশ্বাসে কৃত যোগাযোগ:
 কোন ব্যক্তির মঙ্গলার্থে আন্তরিক সদিচ্ছাক্রমে কৃত যোগাযোগ বা খবর প্রদান, উক্ত খবর প্রদানের ফলে উক্ত ব্যক্তির কোন প্রকার ক্ষতি হওয়ার দরুণ অপরাধ হবে না।
 
উদাহরণ
'ক' একজন সার্জন। তিনি আন্তরিক সদিচ্ছা থেকে জনৈক রোগীকে তার এই মত জানান যে, সে বাঁচবে না। ইহাতে মর্মান্তিক আঘাত প্রাপ্তির ফলে রোগীটির মৃত্যু হয়। 'ক' এর কাজটি অপরাধ বলে পরিগণিত হবে না, যদিও তিনি জানতেন যে, তার এইরূপ মত দেওয়ার ফলে রোগীটির মৃত্যু ঘটতে পারে।
১,৯৮৭.
দণ্ডবিধি অনুসারে, ব্যভিচারের সর্বোচ্চ কারাদণ্ডের মেয়াদ -
  1. তিন বছর
  2. পাঁচ বছর
  3. সাত বছর
  4. যাবজ্জীবন
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৪৯৭-এর অধীন, ব্যভিচার (adultery) অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি ৫ বছর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড, অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয়বিধ দণ্ড। এই অপরাধে শুধুমাত্র পুরুষ ব্যক্তিকে দায়ী করা যায়, এবং স্ত্রীকে সহায়তাকারী হিসেবে দণ্ডিত করা যায় না।

⇒ দণ্ডবিধির ৪৯৭ ধারার বিধান- ব্যভিচার:
কোন ব্যক্তি যদি অপর কোন ব্যক্তির স্ত্রী অথবা যাকে সে অন্য কোন ব্যক্তির স্ত্রী বলে জানে বা তার অনুরূপ বিশ্বাস করার কারণ আছে এমন কোন ব্যক্তির সাথে উক্ত অন্য ব্যক্তির সম্মতি ও সমর্থন ছাড়া এইরূপ যৌন সঙ্গম করে যা নারী ধর্ষণের সামিল নয়, তবে সে ব্যক্তি ব্যভিচারের অপরাধের জন্য দোষী হবে এবং তাকে পাঁচ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত করা যাবে। অনুরূপ ক্ষেত্রে স্ত্রী ব্যক্তিটি দুষ্কর্মের সহায়তাকারী হিসেবে দণ্ডিত হবে না।

⇒ The Penal Code, 1860-Section 497- Adultery:
Whoever has sexual intercourse with a person who is and whom he knows or has reason to believe to be the wife of another man, without the consent or connivance of that man, such sexual intercourse not amounting to the offence of rape, is guilty of the offence of adultery, and shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to five years, or with fine, or with both. In such case the wife shall not be punishable as an abettor.

১,৯৮৮.
দণ্ডবিধির ৩৪৩ ধারায় বর্ণিত অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1. ৬ মাস কারাদণ্ড
  2. ১ বছর কারাদণ্ড
  3. ২ বছর কারাদণ্ড
  4. ৩ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) ২ বছর কারাদণ্ড।
⇒ দণ্ডবিধির ৩৪৩ ধারায় বলা হয়েছে, কেউ যদি কাউকে তিন বা ততোধিক দিনের জন্য অবৈধভাবে আটক রাখে, তবে তাকে সর্বোচ্চ দুই বছর মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড, বা অর্থদণ্ড, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে।
⇒ দণ্ডবিধির ৩৪৩ ধারার বিধান তিন বা ততোধিক দিনের জন্য অবৈধ অবরোধ:- কোন ব্যক্তি যদি কাউকে তিন বা ততোধিক দিনের জন্য অবৈধভাবে অবরোধ করে রাখে, তবে উক্ত ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
----------- 
⇒ The Penal Code, 1860- Section 343. Wrongful confinement for three or more days:- Whoever wrongfully confines any person for three days or more, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
১,৯৮৯.
নিম্নের কোনটি অসংহত অপরাধ (inchoate crime)?
  1. গণ-উৎপাত
  2. চুরি
  3. ষড়যন্ত্র
  4. সাধারণ জখম
ব্যাখ্যা
⇒ Inchoate crimes, also known as incomplete crimes, are acts taken toward committing a crime or acts that constitute indirect participation in a crime. Although these acts are not themselves crimes, they are illegal because they are conducted in furtherance of a crime, and society wishes to deter individuals from taking such steps. Three primary inchoate crimes are attempt, conspiracy, and aiding and abetting.
------
- অসংহত অপরাধ বা অসম্পূর্ণ অপরাধ (inchoate crime) হলো এমন একটি কার্য  যা সম্পূর্ণ অপরাধকর্ম সৃষ্টি না করলেও এটি ফৌজদারী আইনে তা নিষিদ্ধ। কারণ ওইগুলি পূর্ণ অপরাধের লক্ষ্যে পদক্ষেপস্বরূপ। এই অসম্পূর্ণ অপরাধগুলির অন্তর্ভুক্ত প্ররোচনা [Abetment], প্রচেষ্টা [Attempt], ষড়যন্ত্র [Conspiracy] ইত্যাদি। অর্থাৎ কোন অপরাধের সৃষ্টির কারণ হিসেবে এগুলা কাজ করে।
১,৯৯০.
দণ্ডবিধির ৪০৭ ধারায় বিশ্বাসভঙ্গকারী ব্যক্তির জন্য সর্বোচ্চ কারাদণ্ডের মেয়াদ কত?
  1. ১০ বছর
  2. ৭ বছর
  3. ৫ বছর
  4. ৩ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ৪০৭ ধারা বিশেষভাবে প্রযোজ্য পরিবহনকারী (carrier), ঘাটের মালিক (wharfinger) বা গুদামদার (warehouse-keeper) — এই ধরনের ব্যক্তিদের উপর, যাদের উপর অন্যের সম্পদ সংরক্ষণের জন্য একটি বিশেষ দায়িত্ব অর্পিত থাকে। যদি তারা অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ (criminal breach of trust) করে, তাহলে তারা দণ্ডিত হবে সর্বোচ্চ ৭ (সাত) বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে এবং অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হতে পারে।

⇒দণ্ডবিধির ধারা ৪০৭: পরিবহনকারী, গুদামদার ইত্যাদির দ্বারা বিশ্বাসভঙ্গ:-
যে কেউ, যিনি পরিবহনকারী (carrier), ঘাটের মালিক বা তত্ত্বাবধায়ক (wharfinger), অথবা গুদামদার (warehouse-keeper) হিসেবে কোনো সম্পত্তি সংরক্ষণের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত হন, এবং সেই সম্পত্তি সম্পর্কে বিশ্বাসভঙ্গ করেন, তিনি সর্বোচ্চ ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন এবং তার সাথে অর্থদণ্ডও হতে পারে।

⇒ The Penal Code, 1860- Section 407- Criminal breach of trust by carrier, etc:
Whoever, being entrusted with property as a carrier, wharfinger or warehouse-keeper, commits criminal breach of trust in respect of such property, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.
১,৯৯১.
‘C’ তার নিজের স্ত্রী, যিনি ১১ বছর বয়সী, তার সাথে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করে। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৩৭৬ অনুসারে এই অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  2. ২ বছরের কারাদণ্ড
  3. ৭ বছরের কারাদণ্ড
  4. কোনো শাস্তি নয়
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৩৭৬ অনুসারে, সাধারণত ধর্ষণের শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং জরিমানা। তবে, ধারা ৩৭৫-এর ব্যতিক্রমে উল্লেখ আছে যে, কোনো পুরুষ তার নিজের স্ত্রীর সাথে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করলে এবং স্ত্রীর বয়স ১৩ বছরের কম না হলে তা ধর্ষণ হিসেবে গণ্য হয় না। কিন্তু ধারা ৩৭৬-এ আরও উল্লেখ আছে যে, যদি স্ত্রীর বয়স ১২ বছরের কম হয়, তবে এই কাজের জন্য শাস্তি ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, জরিমানা, বা উভয়ই। এখানে, ‘C’-এর স্ত্রীর বয়স ১১ বছর, যা ১২ বছরের কম, তাই ধারা ৩৭৬ অনুসারে সর্বোচ্চ শাস্তি ২ বছরের কারাদণ্ড, জরিমানা, বা উভয়ই।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৬ ধারার বিধান ধর্ষণের সাজা:- কোন ব্যক্তি যদি ধর্ষণের অপরাধ করে, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে, অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে, যদি না ধর্ষিত স্ত্রীলোকটি তার নিজ স্ত্রী হয় ও বারো বৎসরের কম বয়স্কা না হয়; যদি তদ্রূপ হয়, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 376. Punishment for rape:
- Whoever commits rape shall be punished with imprisonment for life or with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine, unless the woman raped is his own wife and is not under twelve years of age, in which case he shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.

১,৯৯২.
দণ্ডবিধির কোন ধারায় দাঙ্গা দমনের সময় সরকারি কর্মচারীকে আক্রমণ বা বাধাদানের শাস্তির বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ১৫৪
  2. ধারা ১৫২
  3. ধারা ১৫১
  4. ধারা ১৪৯
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ১৫২ অনুযায়ী, যদি কেউ দাঙ্গা বা অবৈধ সমাবেশ দমন করার সময় কোনো সরকারি কর্মচারীকে আক্রমণ করে, হুমকি দেয় বা বাধা দেয়, তাহলে সেটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এই অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ তিন বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, জরিমানা, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ১৫২ ধারার বিধান: দাঙ্গা ইত্যাদি দমনকালে সরকারি কর্মচারীকে আক্রমণ বা বাধাদান করা:- কোন সরকারি কর্মচারী অনুরূপ সরকারি কর্মচারী হিসেবে তাঁর কর্তব্য সম্পাদন উদ্দেশ্যে একটি অবৈধ সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করার অথবা দাঙ্গা দমন করার প্রচেষ্টাকালে কোন ব্যক্তি যদি তাকে আক্রমণ করে অথবা আক্রমণ করার হুমকি প্রদর্শন করে, অথবা বাধাদান করে বা বাধাদান করার চেষ্টা করে, অথবা অনুরূপ সরকারি কর্মচারীর প্রতি অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করে বা করার হুমকি প্রদর্শন করে বা চেষ্টা করে, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডে দণ্ডিত হবে।
---------
⇒ The Penal Code, 1860-Section-152- Assaulting or obstructing public servant when suppressing riot, etc.
- Whoever assaults or threatens to assault, or obstructs or attempts to obstruct, any public servant in the discharge of his duty as such public servant, in endeavouring to disperse an unlawful assembly, or to suppress a riot or affray, or uses, or threatens, or attempts to use criminal force to such public servant, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years or with fine, or with both.
১,৯৯৩.
দণ্ডবিধির কোন ধারাটি ফোর টুয়েন্টি নামে সকলের নিকট পরিচিত?
  1. ৪১৫ ধারা
  2. ৪২০ ধারা
  3. ৪৩০ ধারা
  4. ৪২৫ ধারা
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৪২০ ধারা হলে ফোর-টুয়েন্টি (Four- Twenty)-  প্রতারনা, ছলনা এবং ভাওতার দ্বারা কাউকে ঠকানো হলে সাধারনভাবে তা ৪২০ ধারার অধীন দণ্ডনীয় হয়।
• ৪২০ ধারায় বলা হয়েছে, যদি কোন ব্যক্তি, প্রতারণা করে এবং তা দ্বারা প্রতারিত ব্যক্তিকে অন্য কোন ব্যক্তির নিকট কোন সম্পত্তি সমর্পণ করতে অথবা কোন মূল্যবান জামানত কিংবা মূল্যবান জামানতে রূপান্তরিত হওয়ার যোগ্য কোন স্বাক্ষরিত বা সীলমোহরকৃত বস্তু প্রস্তুত, পরিবর্তন অথবা সমুদয় অংশ বা অংশবিশেষ বিনাশ করার জন্য অসাধুভাবে প্ররোচিত করে, তাহলে সে ব্যক্তি যে কোন বর্ণনার কারাদণ্ডে যার মেয়াদ ৭ বছর পর্যন্ত হতে পারে এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হবে। সুতরাং দণ্ডবিধি অনুযায়ী ফোর টুয়েন্টির শাস্তি অনধিক ৭ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড।
১,৯৯৪.
কোন Judicial Proceeding এ ইচ্ছাকৃত ভাবে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানের শাস্তির বিধান বর্ণিত হয়েছে The Penal Code 1860 এর Section-
  1. ১৯১ ধারায়
  2. ১৯৩ ধারায়
  3. ১৯৫ ধারায়
  4. ১৯৬ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ১৯৩ ধারার বিধান মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার শাস্তি:
কোন ব্যক্তি যদি কোন বিচার বিভাগীয় কার্যক্রমের যে কোন পর্যায়ে ইচ্ছাপূর্বক মিথ্যা সাক্ষ্যদান ব্যবহার করার জন্য ইচ্ছাপূর্বক মিথ্যা সাক্ষ্য তৈরি করে, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং এতদ্ব্যতীত তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে; এবং

-কোন ব্যক্তি যদি অপর কোন ক্ষেত্রে ইচ্ছাপূর্বক মিথ্যা সাক্ষ্য দান করে বা তৈরি করে, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।

♦ ব্যাখ্যা (Explanation) ১:- সামরিক আদালত (Court-martial) সংঘটিত বিচারও একটি বিচার বিভাগীয় কার্যক্রম।

♦ ব্যাখ্যা (Explanation) ২:- কোন আদালতের কোন কার্যক্রম শুরু হওয়ার পূর্বে আইনের নির্দেশানুগ প্রারম্ভিক তদন্ত ও বিচারবিভাগীয় কার্যক্রমের একটি পর্যায় যদিও সে তদন্ত কোন আদালতে সংঘটিত নাও হতে পারে।

♦ ব্যাখ্যা (Explanation) ৩:- কোন আদালত দ্বারা আইনানুসারে নির্দেশিত এবং কোন আদালতের ক্ষমতানুসারে পরিচালিত কোন তদন্ত বিচারবিভাগীয় কার্যক্রমের একটি পর্যায় যদিও সে তদন্ত কোন আদালতে সংঘটিত নাও হতে পারে।

♦ উদাহরণ: 
জমির সীমানা অকুস্থলে নির্ণয়কল্পে কোন আদালত দ্বারা প্রেরিত কর্মচারীর বা অফিসারের সম্মুখে সম্পাদিত তদন্তে ক শপথ গ্রহণান্তর এমন একটি বিবৃতি দান করে, যা সে মিথ্যা বলে জানে। যেহেতু উক্ত তদন্তটি একটি বিচারবিভাগীয় কার্যক্রমেরই একটি পর্যায়, সেহেতু ক মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদান করেছে বলে অভিহিত হবে।
১,৯৯৫.
নিম্নে কোনটি বিশ্বাস ভঙ্গের উপাদান?
  1. যিনি কোন সম্পদের অধিপত্যের ভার পাইয়াছেন,
  2. অধিপত্যের ভার পাইয়া যিনি অসাধুভাবে আত্মসাৎ করেন,
  3. সম্পদের অধিপত্যের ভার পাইয়া যিনি নিজের ব্যবহারে লাগান, 
  4. 'ক', 'খ' ও 'গ'
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪০৫ ধারার বিধান অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ:- কোন ব্যক্তি যদি কোনভাবে কোন সম্পত্তির বা সম্পত্তি পরিচালনের দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়ে, অসাধুভাবে সে সম্পত্তি আত্মসাৎ করে বা নিজের ব্যবহারে প্রয়োগ করে, অথবা অনুরূপ দায়িত্ব যেভাবে নির্বাহিত হত বলে বিহিত আইনে নির্দেশ করা হয়েছে, তা খেলাফ করে সে দায়িত্ব নির্বাহ সম্পর্কে সে প্রকাশ্য বা অনুরূপ যে আইনগত চুক্তি করেছে তা খেলাফ করে সে সম্পত্তি অসাধুভাবে ব্যবহার করে, বা বিলি ব্যবস্থা করে অথবা ইচ্ছাপূর্বক অপর কোন ব্যক্তিকে তা করতে দেয়, তবে উক্ত ব্যক্তি 'অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের' অপরাধ করেছে।
------------
⇒ Criminal breach of trust:
Section 405. Whoever, being in any manner entrusted with property, or with any dominion over property, dishonestly misappropriates or converts to his own use that property, or dishonestly uses or disposes of that property in violation of any direction of law prescribing the mode in which such trust is to be discharged, or of any legal contract, express or implied, which he has made touching the discharge of such trust, or wilfully suffers any other person so to do, commits "criminal breach of trust".
১,৯৯৬.
একজন ব্যক্তি হঠাৎ ঝগড়ার উত্তেজনায় (Sudden fight in heat of passion) অন্য একজনকে মেরে ফেললে তা খুন না হয়ে Culpable homicide হিসেবে গণ্য হতে পারে ধারা ৩০০ এর কোন ব্যতিক্রমের আওতায়?
  1. ব্যতিক্রম ২
  2. ব্যতিক্রম ৩
  3. ব্যতিক্রম ৪
  4. ব্যতিক্রম ৫
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৩০০-এর ব্যতিক্রম ৪-এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, দোষপূর্ণ হত্যা (Culpable Homicide) তখন খুন (Murder) হিসেবে গণ্য হবে না, যদি তা নিম্নলিখিত শর্তে ঘটে:
- পূর্বপরিকল্পনা ছাড়াই (without premeditation) হঠাৎ ঝগড়ার উত্তেজনায় (in a sudden fight in the heat of passion) ঘটে।
- ঝগড়াটি হঠাৎ এবং আকস্মিকভাবে (upon a sudden quarrel) শুরু হয়।
- অপরাধী অযাচিত সুবিধা গ্রহণ করেনি (without taking undue advantage)।
- অপরাধী নিষ্ঠুর বা অস্বাভাবিকভাবে (cruel or unusual manner) আচরণ করেনি।
এই ব্যতিক্রমে আরও বলা হয়েছে যে, কে প্রথমে উস্কানি দিয়েছে বা আক্রমণ শুরু করেছে তা বিবেচ্য নয়। অর্থাৎ, ঝগড়ার উৎপত্তি যে কোনো পক্ষ থেকে হতে পারে, কিন্তু যদি উপরের শর্তগুলো পূরণ হয়, তবে তা খুন নয়, বরং দোষপূর্ণ হত্যা হিসেবে বিবেচিত হবে।

উদাহরণ: যদি দুজন ব্যক্তি হঠাৎ ঝগড়ায় জড়িয়ে পড়ে এবং উত্তেজনার মুহূর্তে একজন অপরজনকে আঘাত করে মেরে ফেলে, তবে পূর্বপরিকল্পনা না থাকলে এবং অযাচিত সুবিধা বা নিষ্ঠুর আচরণ না থাকলে এটি ধারা ৩০০-এর ব্যতিক্রম ৪-এর আওতায় দোষপূর্ণ হত্যা হিসেবে গণ্য হবে।
------------
⇒ দণ্ডবিধির ৩০০ ধারার বিধান খুন:- খুনের যে সবক্ষেত্রে ব্যতিক্রম নির্দেশ করা হয়েছে। সে সকল ক্ষেত্র ব্যতীত অন্যান্য সকল ক্ষেত্রে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুন হবে, যদি যে কার্যটি কর্তৃক মৃত্যু অনুষ্ঠিত হয়, সে কার্যটি মৃত্যু সংঘটনের জন্যই করা হয়ে থাকে, অথবা

দ্বিতীয়ত, যদি কার্যটি কোন ব্যক্তিকে এমনভাবে দৈহিক আঘাত দেওয়ার উদ্দেশ্যে করা হয়ে থাকে, যে আঘাতের ফলে যে ব্যক্তিকে আঘাত দেওয়া হল, সে ব্যক্তির মৃত্যু হতে পারে বলে অপরাধী জানে, অথবা

তৃতীয়ত, যদি কোন ব্যক্তিকে দৈহিক আঘাত দানের উদ্দেশ্যে কার্যটি করা হয় এবং যদি যে দৈহিক আঘাত দেওয়ার অভিসন্ধি করা হয়েছে, সে আঘাতটি প্রকৃতির স্বাভাবিক গতিতে মৃত্যু ঘটাবার পক্ষে যথেষ্ট হয়, অথবা
চতুর্থত, যদি যে ব্যক্তি কার্যটি অনুষ্ঠান করে সে ব্যক্তি জানে যে, কার্যটি এমন আশু বিপজ্জনক যে, ইহার দরুণ খুব সম্ভব মৃত্যু ঘটবে, অথবা ইহার দরুণ অবশ্যই এমন দৈহিক আঘাত ঘটবে, যার ফলে মৃত্যু ঘটতে পারে এবং মৃত্যু ঘটাবার বা অনুরূপ দৈহিক আঘাত ঘটাবার ঝুঁকি গ্রহণের অপর কোন অজুহাত ব্যতিরেকে অনুরূপ কার্য করে।
ব্যতিক্রম ১:- যেক্ষেত্রে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুন পরিগণিত হবে না :- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি মারাত্মক ও আকস্মিক প্ররোচনার ফলে অপরাধী আত্ম-সংযমশক্তি হারাইয়া ফেলে এবং যে ব্যক্তি প্ররোচনা দান করেছে, সে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায় অথবা ভুলক্রমে বা দুর্ঘটনাক্রমে অপর কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায়।

উপরোক্ত ব্যতিক্রমটি নিম্নোক্ত শর্তাবলী সাপেক্ষে:-
প্রথমত, প্ররোচনাটি কোন ব্যক্তিকে হত্যা করার বা তার ক্ষতি সাধনের অজুহাতস্বরূপ অপরাধী কর্তৃক স্বয়ং প্রার্থীত বা প্ররোচিত হতে পারবে না।
দ্বিতীয়ত, উক্ত প্ররোচনাটি আইনানুসারে কৃত কোন কার্য দ্বারা বা কোন সরকারী কর্মচারীর সরকারী কর্মচারী হিসেবে যথাযোগ্য ক্ষমতাবলীর আইনসম্মত প্রয়োগসঞ্জাত হতে পারবে না।
তৃতীয়ত, প্ররোচনা আত্মরক্ষার ব্যক্তিগত অধিকারের আইনসম্মত প্রয়োগক্রমে সম্পাদিত কোন কার্য পালন হতে পারবে না।
ব্যাখ্যা:- প্ররোচনাটি এমন মারাত্মক ও আকস্মিক ছিল কিনা, যার ফলে অপরাধটি খুনের শামিল হবে না, তা একটি ঘটনাগত প্রশ্ন।
ব্যতিক্রম ২:- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি অপরাধী সরল মনে তার আত্মরক্ষার অথবা সম্পত্তি রক্ষার ব্যক্তিগত অধিকার প্রয়োগক্রমে তাকে আইন প্রদত্ত ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করে এবং যার বিরুদ্ধে সে এই অধিকার প্রয়োগ করে, কোনরূপ পূর্ব-পরিকল্পনা ব্যতীত অথবা অনুরূপ অধিকার রক্ষার জন্য যতটুকু ক্ষতিসাধন করা আবশ্যক, তদপেক্ষা বেশি ক্ষতি সাধনের ইচ্ছা ব্যতিরেকে, তার মৃত্যু ঘটায়।
ব্যতিক্রম ৩:- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি দোষী একজন সরকারী কর্মচারী হিসেবে অথবা সরকারী কর্মচারীর সহায়তাকারী হিসেবে তাকে প্রদত্ত আইনানুগ ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করে এবং এমন একটি কাজ সম্পাদন করে মত্যু ঘটায়, যা সে অনুরূপ সরকারী কর্মচারীর দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে সম্পাদন করার জন্য আবশ্যকীয় ও আইনসম্মত বলে সরল মনে বিশ্বাস করে এবং সে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটলে তার প্রতি কোনরূপ দুরভিসন্ধি ছাড়াই কার্যটি করে।
ব্যতিক্রম ৪:- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি অপরাধটি কোন আকস্মিক বিবাদের সময় আকস্মিক উত্তেজনার কারণে কোনরূপ পূর্ব পরিকল্পনা ছাড়াই সংঘটিত হয় এবং অপরাধী কোন অন্যায় সুযোগ গ্রহণ না করে থাকে অথবা নিষ্ঠুরভাবে বা অস্বাভাবিকভাবে কার্য না করে থাকে।
ব্যাখ্যা:- এইরূপ ক্ষেত্রে কোন পক্ষ প্রথম উস্কানি দেয় বা প্রথম আঘাত করে, তা আদৌ গুরুত্বপূর্ণ নয়।
ব্যতিক্রম ৫:- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি সে ব্যক্তির মৃত্যু হয়, সে ব্যক্তি আঠারো বৎসরের উর্ধ্ব বয়স্ক হলে স্বেচ্ছায় স্বীয় সম্মতিক্রমে মৃত্যুবরণ করে বা মৃত্যুর ঝুঁকি গ্রহণ করে।
-------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 300. Murder:
 Except in the cases hereinafter excepted, culpable homicide is murder, if the act by which the death is caused is done with the intention of causing death, or-
Secondly.- If it is done with the intention of causing such bodily injury as the offender knows to be likely to cause the death of the person to whom the harm is caused, or –
Thirdly.- If it is done with the intention of causing bodily injury to any person and the bodily injury intended to be inflicted is sufficient in the ordinary course of nature to cause death, or –
Fourthly.- If the person committing the act knows that it is so imminently dangerous that it must, in all probability, cause death, or such bodily injury as is likely to cause death, and commits such act without any excuse for incurring the risk of causing death or such injury as aforesaid.
When culpable homicide is not murder
Exception 1.-Culpable homicide is not murder if the offender, whilst deprived of the power of self-control by grave and sudden provocation, causes the death of the person who gave the provocation or cause the death of any other person by mistake or accident.
The above exception is subject to the following provisos:
Firstly.-That the provocation is not sought or voluntarily provoked by the offender as an excuse for killing or doing harm to any person. 
Secondly.-That the provocation is not given by anything done in obedience to the law, or by a public servant in the lawful exercise of the powers of such public servant. 
Thirdly.-That the provocation is not given by anything done in the lawful exercise of the right of private defence. 
Explanation.- Whether the provocation was grave and sudden enough to prevent the offence from amounting to murder is a question of fact.
Exception 2.- Culpable homicide is not murder if the offender, in the exercise in good faith of the right of private defense of person or property, exceeds the powers given to him by law and causes the death of the person against whom he is exercising such right of defense without premeditation, and without any intention of doing more harm than is necessary for the purpose of such defense.
Exception 3.- Culpable homicide is not murder if the offender, being a public servant or aiding a public servant acting for the advancement of public justice, exceeds the powers given to him by law, and causes death by doing an act which he, in good faith, believes to be lawful and necessary for the due discharge of his duty as such public servant and without ill-will towards the person whose death is caused.
Exception 4.-Culpable homicide is not murder if it is committed without premeditation in a sudden fight in the heat of passion upon a sudden quarrel and without the offender's having taken undue advantage or acted in a cruel or unusual manner. 
Explanation.- It is immaterial in such cases which party offers the provocation or commits the first assault.
Exception 5.- Culpable homicide is not murder when the person whose death is caused, being above the age of eighteen years, suffers death or takes the risk of death with his own consent.

১,৯৯৭.
সামরিক আইন ছাড়াও দণ্ডবিধির ধারা ৫ অনুযায়ী আর কোন ধরনের আইনকে দণ্ডবিধির প্রভাব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে?
  1. আন্তর্জাতিক আইন
  2. বিশেষ বা স্থানীয় আইন
  3. ফৌজদারি কার্যবিধি
  4. সাধারণ ক্ষমার আইন
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৫ অনুযায়ী, দণ্ডবিধি সামরিক আইন ছাড়াও কোনো বিশেষ বা স্থানীয় আইনকে প্রভাবিত করতে পারে না।
⇒ দণ্ডবিধির ধারা-৫: কতিপয় আইন এই আইন দ্বারা প্রভাবিত হবে না: এই আইনের কোনো কিছুই প্রজাতন্ত্রের সামরিক, নৌ বা বিমান বাহিনীর কর্মকর্তা, সৈনিক, নাবিক বা বিমান সেনাদের বিদ্রোহ ও পলায়নের শাস্তির জন্য প্রণীত কোনো আইনের বিধানাবলি বা কোনো বিশেষ বা স্থানীয় আইনকে বাতিল, পরিবর্তন, স্থগিত বা প্রভাবিত করার অভিপ্রায় ব্যক্ত করে না।
অতএব, সামরিক আইনের পাশাপাশি বিশেষ আইন (Special Law) এবং স্থানীয় আইন (Local Law)-ও দণ্ডবিধির প্রভাব থেকে অব্যাহত রয়েছে।

⇒ The Penal Code, 1860, Section-5. Certain laws not to be affected by this Act:
 Nothing in this Act is intended to repeal, vary, suspend, or affect any of the provisions of any Act for punishing mutiny and desertion of officers, soldiers, sailors or airmen in the service of the Republic, or of any special or local law.

১,৯৯৮.
"Cheating" এর সংজ্ঞা দণ্ডবিধির কোন ধারায় দেওয়া আছে?
  1. ৪১৫
  2. ৪১৬
  3. ৪১৭
  4. ৪২০
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪১৫-এ "প্রতারণা" (Cheating) এর সংজ্ঞা দেওয়া আছে। এই ধারায় বলা হয়েছে, যে কেউ কাউকে প্রতারিত করে অসাধুভাবে বা জালিয়াতিমূলকভাবে সম্পত্তি হস্তান্তর করতে প্ররোচিত করে, বা সম্পত্তি ধরে রাখার সম্মতি দেয়, অথবা ইচ্ছাকৃতভাবে এমন কিছু করতে বা না করতে প্ররোচিত করে যা প্রতারিত না হলে সে করত না বা বাদ দিত না, এবং যা শারীরিক, মানসিক, খ্যাতি বা সম্পত্তির ক্ষতি বা সম্ভাব্য ক্ষতি করে, তবে তাকে প্রতারণা করা হয়েছে বলা হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৪১৫ ধারার বিধান প্রতারণা:- যদি কেউ কোন ব্যক্তিকে ছলনা করে প্রবঞ্চনামূলকভাবে বা অসাধুভাবে সে ব্যক্তিকে অন্য কাউকে কোন সম্পত্তি প্রদানে প্ররোচিত করে অথবা কোন ব্যক্তির কোন সম্পত্তি রেখে দেওয়াতে সম্পত্তি প্রদানে প্ররোচিত করে অথবা ইচ্ছাকৃতভাবে বা উদ্দেশ্যমূলকভাবে অনুরূপ প্রতারিত ব্যক্তিকে এমন কোন কাজ করতে বা করা হতে বিরত থাকতে প্ররোচিত করে যে কাজ সে ব্যক্তি অনুরূপভাবে প্রতারিত না হলে করত না বা করা হতে বিরত থাকত না এবং যে কাজ করার বা করা হতে বিরত থাকার ফলে তার দেহের, মনের খ্যাতির বা সম্পত্তির দিক হতে ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে, তবে অনুরূপ ছলনাকারী 'প্রতারণা' করেছে বলে গণ্য হয়।
ব্যাখ্যা:- অসাধুভাবে তথ্য গোপন করা এই ধারার তাৎপর্যাধীনে ছলনা বলে পরিগণিত হবে।
----------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 415: Cheating:
- Whoever, by deceiving any person, fraudulently or dishonestly induces the person so deceived to deliver any property to any person, or to consent that any person shall retain any property, or intentionally induces the person so deceived to do or omit to do anything which he would not do or omit if he were not so deceived, and which act or omission causes or is likely to cause damage or harm to that person in body, mind, reputation or property, is said to "cheat".
Explanation:- A dishonest concealment of facts is a deception within the meaning of this section.

১,৯৯৯.
'অনধিকার গৃহে প্রবেশ' অপরাধ সংঘটনের জন্য কোনটি যথেষ্ট?
  1. প্রবেশকারীর প্রবেশ করার ইচ্ছা
  2. প্রবেশকারীর সম্পূর্ণ শরীরের প্রবেশ
  3. প্রবেশকারীর অবস্থান করার ইচ্ছা
  4. প্রবেশকারীর দেহের কোনো অংশের প্রবেশ
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৪৪২ ধারা- অনধিকার গৃহে প্রবেশ:
কোনো ব্যক্তি যদি মানুষের আবাসস্থল হিসাবে ব্যবহৃত কোন গৃহে, তাঁবুতে বা জলযানে অথবা উপাসনালয় হিসাবে ব্যবহৃত কোনো গৃহে অথবা সম্পত্তি হেফাজতের স্থান হিসাবে ব্যবহৃত কোনো গৃহে প্রবেশ করে বা সেখানে অবস্থান করে অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ সংঘটন করে, তবে উক্ত ব্যক্তি 'অনধিকার গৃহে প্রবেশ' অপরাধটি করেছে বলে গণ্য হয়।

ব্যাখ্যা: অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশকারীর দেহের কোনো অংশের প্রবেশই গৃহে অনধিকার প্রবেশ অপরাধ সংঘটনের জন্য যথেষ্ট।

Section 442- House-trespass:
Whoever commits criminal trespass by entering into or remaining in any building, tent or vessel used as a human dwelling or any building used as a place for worship, or as a place for the custody of property, is said to commit "house-trespass".

Explanation: The introduction of any part of the criminal trespasser's body is entering sufficient to constitute house-trespass.
২,০০০.
দণ্ডবিধির ২৯৯ ধারা অনুযায়ী, কোন কাজ করলে শাস্তিযোগ্য নরহত্যার অপরাধ সংঘটিত হয়?
  1. মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্যে কোনো কাজ করা
  2. কোনো কাজ করা, যা মৃত্যু ঘটাতে পারে বলে জানা থাকে
  3. কোনো কাজের মাধ্যমে দৈহিক আঘাত করা, যা মৃত্যু ঘটাতে পারে
  4. উপরের সবগুলো সঠিক
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২৯৯ ধারায় শাস্তিযোগ্য নরহত্যার অপরাধের শর্তগুলো বর্ণিত হয়েছে, এবং সেখানে যেকোনো কাজের মাধ্যমে মৃত্যু ঘটানোর উদ্দেশ্যে কিংবা এমন কাজ যা মৃত্যু ঘটাতে পারে, সে অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য নরহত্যা হতে পারে।
- মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্যে কোনো কাজ করা (ক):
যদি কোনো ব্যক্তি মৃত্যুর উদ্দেশ্যে কোনো কাজ করে এবং তার ফলস্বরূপ মৃত্যু ঘটে, তবে সেটা শাস্তিযোগ্য নরহত্যা হবে। এটি সরাসরি হত্যার উদ্দেশ্যে কাজ করার প্রমাণ।
- কোনো কাজ করা, যা মৃত্যু ঘটাতে পারে বলে জানা থাকে (খ):
যদি ব্যক্তি জানে যে তার কাজের মাধ্যমে মৃত্যু ঘটাতে পারে, এবং সে তাতে সজ্ঞানে কাজ করে, তাও শাস্তিযোগ্য নরহত্যা হবে। এখানে অভিপ্রায় বা উদ্দেশ্য থাকলেও, তিনি জানতেন যে তার কাজের ফলস্বরূপ মৃত্যু ঘটতে পারে।
- কোনো কাজের মাধ্যমে দৈহিক আঘাত করা, যা মৃত্যু ঘটাতে পারে (গ):
যদি কোনো ব্যক্তি এমন কাজ করে যা মৃত্যু ঘটাতে পারে, তবে তা শাস্তিযোগ্য নরহত্যার অপরাধ বলে গণ্য হবে। অর্থাৎ, শরীরের এমন আঘাত করা, যা মৃত্যুর কারণ হতে পারে, সেক্ষেত্রেও অপরাধ হতে পারে।
⇒ এই তিনটি শর্ত পূর্ণ হলে, ব্যক্তিটি শাস্তিযোগ্য নরহত্যার জন্য দায়ী হতে পারে।

⇒ কোন ব্যক্তি যদি:
- মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্যে কোন কাজ করে এবং তার ফলস্বরূপ মৃত্যু ঘটে,
- যে কাজের মাধ্যমে দৈহিক জখম হতে পারে এবং সেই জখম মৃত্যু ঘটাতে পারে, এমন কাজ করে এবং তার ফলস্বরূপ মৃত্যু ঘটে,
- যে কাজ মৃত্যুর কারণ হতে পারে বলে সে জানে, সেই কাজ করে এবং তার ফলে মৃত্যু ঘটে, তবে সেই ব্যক্তি শাস্তিযোগ্য নরহত্যার দোষে দোষী হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ২৯৯ ধারা- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা (Culpable homicide):
কোন ব্যক্তি যদি মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্য নিয়ে কৃত কোন কাজ কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, অথবা যে দৈহিক জখম মৃত্যু ঘটাতে পারে, তেমন দৈহিক জখম ঘটাবার উদ্দেশ্য নিয়ে কৃত কোন কাজের সংঘটন কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, অথবা যে কাজ মৃত্যু ঘটাতে পারে বলে সে জানে, সে কাজ সম্পাদন কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, তবে সেই ব্যক্তি শাস্তিযোগ্য নরহত্যার দোষে দোষী হবে।
- ব্যাখ্যা (Explanation) ১:
যে ব্যক্তি অসুস্থতা, রোগ বা দৈহিক অপারগতায় ভুগছে, তার দৈহিক জখম করে মৃত্যু ত্বরান্বিত করলে তার মৃত্যু ঘটাবার অপরাধ হয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে।
- ব্যাখ্যা (Explanation) ২:
যখন দৈহিক আঘাত বা জখমের কারণে মৃত্যু ঘটে, তখন যে ব্যক্তি অনুরূপ দৈহিক আঘাত বা জখম ঘটায়, সে ব্যক্তি মৃত্যু ঘটিয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে, যদিও যথোচিত প্রতিকারের ও সুনিপুণ চিকিৎসার ফলে সে মৃত্যু রোধ করা যেত।
- ব্যাখ্যা (Explanation) ৩:
মাতৃগর্ভে কোন শিশুর মৃত্যু ঘটানো নরহত্যা নয়। কিন্তু যদি কোন শিশুর (দেহের) কোন অংশ নিষ্ক্রান্ত করার পর জীবিত শিশুটির মৃত্যু ঘটানো হয়, তবে তা শাস্তিযোগ্য নরহত্যা বলে পরিগণিত হবে, যদিও শিশুটি শ্বাসপ্রশ্বাস গ্রহণ না করে থাকে অথবা সম্পূর্ণরূপে ভূমিষ্ঠ না হয়ে থাকে।