বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

The Penal Code, 1860

মোট প্রশ্ন২,৪৪৭এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

The Penal Code, 1860

PrepBank · পাতা / ২৫ · ১০১২০০ / ২,৪৪৭

১০১.
কোন অপরাধের প্রস্তুতির জন্য শাস্তি প্রদানের বিধান আছে?
  1. দস্যুতা
  2. ডাকাতি
  3. বলপূর্বক গ্রহণ
  4. ধর্ষণ
ব্যাখ্যা
♦পেনাল কোড-এর ৩৯৯ ধারায় ডাকাতির প্রস্তুতিকেও শাস্তিযোগ্য করা হয়েছে। সাধারণত অপরাধ সংঘটন, এর সংঘটনে সহযোগিতা বা অপরাধ সংঘটনের প্রচেষ্টা কে শাস্তিযোগ্য করা হয়। কিন্তু ৩৯৯ ধারায় ডাকাতির প্রস্তুতিকেও শাস্তিযোগ্য করা হয়েছে।
১০২.
দণ্ডবিধি ২৯৫ ধারার অধীনে অপরাধ সংঘটিত হয় যদি —
  1. কোনো ব্যক্তিকে অপমান করা হল্র
  2. শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহকে ক্ষতিগ্রস্ত করা হলে
  3. ধর্মীয় উপাসনালয়কে ক্ষতিগ্রস্ত বা অপবিত্র করা হলে
  4. খ ও গ
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ২৯৫ ধারা- কোন শ্রেণী বিশেষের ধর্মের প্রতি অবমাননা প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে উপসানালয়ের স্থান বিনষ্ট বা অপবিত্র করা:
কোন ব্যক্তি যদি কোন উপাসনা স্থান বিনস্ট করে, ক্ষতিগ্রস্ত করে বা অপব্রিত করে অথবা জনসাধারণের কোন শ্রেণী দ্বারা পবিত্র বলে গণ্য কোন বস্তু বিনষ্ট করে, ক্ষতিগ্রস্ত করে বা অপবিত্র করে, এবং জনসাধারণের কোন শ্রেণীর ধর্মকে অপদস্থ করার মানসেই তা করে অথবা অনুরূপ বিনষ্টকরণ, ক্ষতিসাধন বা অবপবিত্রকরণকে একশ্রেণীর জনসাধারণ তাদের ধর্মের প্রতি অবমাননা বলে বিবেচনা করবে জানা সত্ত্বেও তা করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

Section 295⇒ Injuring or defiling place of worship, with intent to insult the religion of any class:
Whoever destroys, damages or defiles any place of worship, or any object held sacred by any class of persons with the intention of thereby insulting the religion of any class of persons or with the knowledge that any class of persons is likely to consider such destruction, damage or defilement as an insult to their religion, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
১০৩.
‘A’ একজন সরকারি কর্মচারীকে তার দায়িত্ব পালনের সময় ইচ্ছাকৃতভাবে ধাক্কা দেয়, যাতে তিনি তার কাজে বাধা পান। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৩৫৩ অনুসারে এই অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৫ বছরের কারাদণ্ড
  2. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  3. ২ বছরের কারাদণ্ড
  4. ১ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৫৩ অনুসারে, সরকারি কর্মচারীকে দায়িত্ব পালনের সময় বা তাকে বাধা দেওয়ার উদ্দেশ্যে আক্রমণ বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করলে শাস্তি ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, জরিমানা, বা উভয়ই।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৫৩ ধারার বিধান:
কোনো ব্যক্তি যদি এমন অন্য কোনো ব্যক্তিকে আক্রমণ করে বা তার ওপর বল প্রয়োগ করে, যে ব্যক্তি সরকারি কর্মকর্তা বা কর্মচারী হিসেবে কর্তব্য সম্পাদনরত অথবা অনুরূপ কর্মচারীকে তার সরকারি কর্মচারী হিসেবে করণীয় কর্তব্য সম্পাদনে বাধা দানের উদ্দেশ্যে তার ওপর অনুরূপ আক্রমণ বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করে তিন বছর বা যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে, এমনকি উভয়বিধ দণ্ডে দণ্ডিত হবে।
----------- 
⇒ The Penal Code, 1860- Section 353- Assault or criminal force to deter public servant from discharge of his duty:
Whoever assaults or uses criminal force to any person being a public servant in the execution of his duty as such public servant, or with intent to prevent or deter that person from discharging his duty as such public servant, or in consequence of anything done or attempted to be done by such person in the lawful discharge of his duty as such public servant, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both.

১০৪.
A, Z কে হুমকি দেয় যে, তাকে টাকা না দিলে Z সম্পর্কে সে মানহানিকর বক্তব্য প্রকাশ করবে। A যে অপরাধ করেছে তা -
  1. মানহানি
  2. অনিষ্টসাধন
  3. বলপূর্বক আদায়
  4. বিশ্বাসভঙ্গ
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ৩৮৩ ধারার বিধান বল প্রয়োগে সম্পত্তি আদায়:- কোন ব্যক্তি যদি ইচ্ছাকৃতভাবে কাউকে তার বা অপর কারো জখম হওয়ার ভয়ে অভিভূত করে এবং তদ্বারা অনুরূপ ভয়ে অভিভূত ব্যক্তিকে কোন ব্যক্তির কাছে যেকোন প্রকার দান বা চাঁদা প্রদানের বা কোন সম্পত্তি, মূল্যবান জামানত বা মূল্যবান জামানতে রূপান্তরযোগ্য কোন স্বাক্ষরিত বা সীলমোহরযুক্ত বস্তু অর্পণে অসাধুভাবে বাধ্য করে, তবে সে ব্যক্তি বল প্রয়োগে ‘সম্পত্তি আদায়' করার অপরাধ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

♦দণ্ডবিধির ৩৮৪ ধারার বিধান বল প্রয়োগে সম্পত্তি আদায়ের সাজা (Punishment for extortion):- কোন ব্যক্তি যদি বল প্রয়োগে সম্পত্তি আদায় করে, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
১০৫.
কত বছর বয়সের শিশু কোন অপরাধ করলে তা অপরাধ গণ্য হয় না?
  1. ১০
  2. ১২
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৮২ ধারা অনুযায়ী-
৯ বছরের কম বয়স্ক কোন শিশুর কার্য অপরাধ হিসাবে গণ্য হয় না।

এবং ৮৩ ধারা অনুযায়ী-
৯ বছরের বেশী কিন্তু ১২ বছরের কম বয়স্ক অপরিনত বোধ সম্পন্ন শিশুর কোন কার্যই অপরাধ বলে গণ্য হবে না।

অর্থাৎ ৭ বছর বয়সী শিশু কোন অপরাধ করলে তা অপরাধ গণ্য হয় না।
১০৬.
বাংলাদেশের বাইরে সংঘটিত অপরাধ কোন শর্তে বাংলাদেশে বিচারযোগ্য?
  1. যদি অপরাধ গুরুতর হয়
  2. যদি তা আন্তর্জাতিক আদালতে যায়
  3. যদি অপরাধী বাংলাদেশি নাগরিক হয়
  4. যদি বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি অনুমোদন করে
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ৪ ধারা এবং ফৌজদারী কার্যবিধি ১৮৮ ধারার অনুযায়ী, বাংলাদেশের বাইরে সংঘটিত অপরাধ বাংলাদেশে বিচারযোগ্য হয় যদি:
- অপরাধ বাংলাদেশী নাগরিকের দ্বারা সংঘটিত হয়, অথবা
- বাংলাদেশে নিবন্ধিত জাহাজ বা বিমানে যেকোনো ব্যক্তি অপরাধ সংঘটন করে।

⇒ দণ্ডবিধির ৪ ধারার বিধান বাংলাদেশের বাইরে সংঘটিত অপরাধের জন্য বিধিটির আওতার সম্প্রসারণ:
- নিম্নোক্ত ব্যক্তিগণ দ্বারা সংঘটিত কোন অপরাধের ক্ষেত্রেও এই বিধির বিধানগুলো প্রয়োগযোগ্য হবে;
(১) বাংলাদেশের বাইরে অবস্থিত কোন জায়গায় বাংলাদেশের নাগরিক;
(৪) বাংলাদেশে রেজিষ্ট্রিকৃত যে কোন জাহাজ বা বিমান পোতে আরোহী যে কোন ব্যক্তি উক্ত জাহাজ কিংবা বিমান পোতে যেখানেই থাকুক না কেন।
- ব্যাখ্যা:- এই ধারা মতে যে কার্য বাংলাদেশের মধ্যে সংঘটিত হলে এই বিধি অনুযায়ী দণ্ডনীয় হত তা বাংলাদেশের বাইরে সংঘটিত হলে তার 'অপরাধ' কথাটির আওতাভুক্ত হবে।

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ১৮৮ ধারার বিধান বাংলাদেশের বাহিরে সংঘটিত অপরাধের দায়:
যখন বাংলাদেশের কোন নাগরিক বাংলাদেশের সীমার বাহিরে কোন স্থানে কোন অপরাধ করে; অথবা যখন কোন ব্যক্তি বাংলাদেশে নিবন্ধিকৃত কোন জাহাজ বা উড়োজাহাজে, তাহা যেখানেই অবস্থান করুক না কেন, কোন অপরাধ করে;
তখন বাংলাদেশের যে স্থানেই তাকে খুঁজে পাওয়া যাবে সে স্থানে অপরাধ সংঘটন করেছে মর্মে ধরে নিয়ে সে অনুসারে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া যাবে।

১০৭.
দণ্ডবিধির ৩৪৪ ধারা অনুসারে, অবৈধ অবরোধের সর্বোচ্চ কারাদণ্ডের মেয়াদ কত?
  1. এক বছর
  2. দুই বছর
  3. তিন বছর
  4. পাঁচ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৩৪৪ ধারায় উল্লেখ আছে যে, যেকোনো ব্যক্তি যদি কাউকে দশ বা ততোধিক দিনের জন্য অবৈধভাবে অবরোধ করে, তাহলে তাকে সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে তিন বছর পর্যন্ত দণ্ডিত করা যাবে এবং অর্থদণ্ডও আরোপিত হতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৪৪ ধারা- দশ বা ততোধিক দিনব্যাপি অবৈধভাবে অবরোধ:
কোন ব্যক্তি যদি কাউকে দশ বা ততোধিক দিনের জন্য অবৈধভাবে অবরোধ করে রাখে; তবে উক্ত ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

⇒ The Penal Code, 1860, Section 344- Wrongful confinement for ten or more days:
 Whoever wrongfully confines any person for ten days, or more, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, and shall also be liable to fine.

১০৮.
যদি কোন শিশুর দেহের অংশ মাতৃগর্ভ থেকে নিষ্ক্রান্ত হওয়ার পর হত্যা করা হয়, তবে সেটি কী ধরনের অপরাধ হবে?
  1. সাধারণ হত্যা
  2. দুর্ঘটনা
  3. শাস্তিবিহীন নরহত্যা
  4. শাস্তিযোগ্য নরহত্যা
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ২৯৯ ধারা- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা (Culpable homicide):
কোন ব্যক্তি যদি মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্য নিয়ে কৃত কোন কাজ কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, অথবা যে দৈহিক জখম মৃত্যু ঘটাতে পারে, তেমন দৈহিক জখম ঘটাবার উদেশ্য নিয়ে কৃত কোন কাজের সংঘটন কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, অথবা যে কাজ মৃত্যু ঘটাতে পারে বলে সে জানে, সেই কাজ সম্পাদন কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, তবে সেই ব্যক্তি শাস্তিযোগ্য নরহত্যার দোষে দোষী হবে।

ব্যাখ্যা (Explanation) ১:
যে ব্যক্তি অসুস্থতা, রোগ বা দৈহিক অপারগতায় ভুগতেছে, তার দৈহিক জখম করে মৃত্যু ত্বরান্বিত করলে তার মৃত্যু ঘটাবার অপরাধ হয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে।

ব্যাখ্যা (Explanation) ২:
যখন দৈহিক আঘাত বা জখমের কারণে মৃত্যু ঘটে, তখন যে ব্যক্তি অনুরূপ দৈহিক আঘাত বা জখম ঘটায়, সে ব্যক্তি মৃত্যু ঘটিয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে, যদিও যথোচিত প্রতিকারের ও সুনিপুণ চিকিৎসার ফলে সে মৃত্যু রোধ করা যেত।

ব্যাখ্যা (Explanation) ৩:
মাতৃগর্ভে কোন শিশুর মৃত্যু ঘটানো নরহত্যা নয়। কিন্তু যদি কোন শিশুর (দেহের) কোন অংশ নিষ্ক্রান্ত করার পর জীবিত শিশুটির মৃত্যু ঘটানো হয়, তবে তা শাস্তিযোগ্য নরহত্যা বলে পরিগণিত হবে, যদিও শিশুটি শ্বাসপ্রশ্বাস গ্রহণ না করে থাকে অথবা সম্পূর্ণরূপে ভুমিষ্ঠ না হয়ে থাকে।
১০৯.
দণ্ডবিধির ৪০৫ ধারা কোন অপরাধের সাথে সম্পর্কিত?
  1. জালিয়াতি
  2. বিশ্বাসভঙ্গের অপরাধ
  3. অসৎভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ
  4. গর্ভপাত সংঘটন
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ৪০৫ ধারা "Criminal Breach of Trust" বা "অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ"-এর সংজ্ঞা প্রদান করে। এই ধারায় বলা হয়েছে, যদি কোন ব্যক্তি কারো সম্পত্তি বা সম্পত্তির উপর নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব পায়, এবং সেই দায়িত্বপূর্ণ সম্পত্তি অসাধুভাবে (dishonestly) আত্মসাৎ করে, অথবা আইনের নির্দেশ বা কোনো চুক্তির বিরুদ্ধে গিয়ে তা ব্যবহার বা বিতরণ করে, অথবা ইচ্ছাকৃতভাবে অন্য কাউকে সে কাজ করতে দেয় তাহলে সে ব্যক্তি "অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের" অপরাধে দোষী বলে গণ্য হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৪০৫ ধারা- অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ:
কোন ব্যক্তি যদি কোনোভাবে কোন সম্পত্তির বা সম্পত্তি পরিচালনের দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়ে, অসাধুভাবে সে সম্পত্তি আত্মসাৎ করে বা নিজের ব্যবহারে প্রয়োগ করে, অথবা অনুরূপ দায়িত্ব যেভাবে নির্বাহিত হত বলে বিহিত আইনে নির্দেশ করা হয়েছে, তা খেলাফ করে সে দায়িত্ব নির্বাহ সম্পর্কে সে প্রকাশ্য বা অনুরূপ যে আইনগত চুক্তি করেছে তা খেলাফ করে সে সম্পত্তি অসাধুভাবে ব্যবহার করে, বা বিলি ব্যবস্থা করে অথবা ইচ্ছাপূর্বক অপর কোন ব্যক্তিকে তা করতে দেয়, তবে উক্ত ব্যক্তি 'অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের' অপরাধ করেছে।

⇒ The Penal Code, 1860- Section 405- Criminal breach of trust:
Whoever, being in any manner entrusted with property, or with any dominion over property, dishonestly misappropriates or converts to his own use that property, or dishonestly uses or disposes of that property in violation of any direction of law prescribing the mode in which such trust is to be discharged, or of any legal contract, express or implied, which he has made touching the discharge of such trust, or wilfully suffers any other person so to do, commits "criminal breach of trust".
১১০.
অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের (Criminal conspiracy) সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে দণ্ডবিধির কত নং ধারায়?
  1. ধারা ১২০
  2. ধারা ১২০ক
  3. ধারা ১২০খ
  4. ধারা ১২১
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ১২০ক ধারায় অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রকে [criminal conspiracy] কে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। যখন দুই বা ততোধিক ব্যক্তি কোন অবৈধ কাজ করতে [To do an illegal act] বা কোন বৈধ কাজ অবৈধ উপায়ে করতে [to do a legal act by illegal means] সম্মত হয়, তখন উক্ত ব্যক্তিরা 'অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র' করেছে বলে গণ্য হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ১২০ক: অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের সংজ্ঞা:
যখন দুইজন বা তার বেশি ব্যক্তি নিম্নলিখিত কোন কাজ করতে বা করানোর জন্য একমত হন:
- একটি অবৈধ কাজ করা, অথবা
- এমন কোনো কাজ করা যা আইনত অবৈধ নয় কিন্তু অবৈধ উপায়ে করা হয়, তবে এই ধরনের একমত হওয়াকে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র বলা হয়।

শর্ত: যে কোনো একমত হওয়া শুধুমাত্র অপরাধ সংঘটনের উদ্দেশ্যে হলে তা অপরাধী ষড়যন্ত্র হিসেবে গণ্য হবে, তবে এর জন্য এই চুক্তির সাথে সম্পর্কিত এক বা একাধিক পক্ষের দ্বারা এমন কিছু কার্যক্রম সম্পাদিত হতে হবে, যা এই চুক্তির উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের জন্য করা হয়।

ব্যাখ্যা: এটি গুরুত্বপূর্ণ নয় যে ওই অবৈধ কাজটি চুক্তির মূল উদ্দেশ্য ছিল, অথবা তা চুক্তির উদ্দেশ্য থেকে এক প্রকার অনুষঙ্গী ছিল।
-------- 
⇒ The Penal Code, 1860- Section- 120A. Definition of criminal conspiracy. 
 When two or more persons agree to do, or cause to be done,- 
(1) an illegal act, or 
(2) an act which is not illegal by illegal means, such an agreement is designated a criminal conspiracy: 
Provided that no agreement except an agreement to commit an offence shall amount to a criminal conspiracy unless some act besides the agreement is done by one or more parties to such agreement in pursuance thereof.
Explanation.-It is immaterial whether the illegal act is the ultimate object of such agreement, or is merely incidental to that object.

১১১.
পেনাল কোডের কোন অধ্যায়ে রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধ সম্পর্কিত বিধান রয়েছে?
  1. তৃতীয়
  2. চতুর্থ
  3. পঞ্চম
  4. ষষ্ঠ
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধি ১৮৬০ আইনে মোট অধ্যায় ২৩ টি এবং দণ্ডবিধির মোট ধারা ৫১১ টি (মূল দণ্ডবিধিতে ৪৮৮টি ধারা ছিল)। গুরুত্বপূর্ণ কিছু অধ্যায়ের নাম: দ্বিতীয় অধ্যায়: সাধারণ ব্যাখ্যা সমূহ, তৃতীয় অধ্যায়: শাস্তি, চতুর্থ অধ্যায়: সাধারণ ব্যতিক্রম সমূহ, পঞ্চম অধ্যায়: অপরাধে সহায়তা বা প্ররোচনা, পঞ্চম-ক অধ্যায়: অপরাধ মূলক ষড়যন্ত্র, ষষ্ঠ অধ্যায়: রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধ, নবম অধ্যায়: সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীর সংক্রান্ত অপরাধ, নবম-ক অধ্যায়: নির্বাচন সংক্রান্ত অপরাধ, ষোড়শ অধ্যায়: মানবদেহ সংক্রান্ত অপরাধ, সপ্তদশ অধ্যায়: সম্পত্তির বিরুদ্ধে অপরাধ,  বিংশ অধ্যায়: বিবাহ সংক্রান্ত অপরাধ, একবিংশ অধ্যায়: মানহানি, ত্রয়োবিংশ অধ্যায়: অপরাধ সংগঠনের উদ্যোগ।
♦পেনাল কোডের ষষ্ঠ অধ্যায় অধ্যায়ে রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধ সম্পর্কিত বিধান রয়েছে।
১১২.
দণ্ডবিধি অনুযায়ী নিচের কোন অপরাধের ক্ষেত্রে পাঁচ জনের কম সদস্য থাকে?
  1. ডাকাতি
  2. দস্যুতা
  3. বেআইনি সমাবেশ
  4. দাঙ্গা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৪১ ধারায় বেআইনি সমাবেশের বিধান রয়েছে। পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি জনসাধারণের শান্তি-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী কোনো সমাবেশ করলে তাকে বেআইনি সমাবেশ বা Unlawful Assembly বলে।
⇒ দণ্ডবিধির ১৪৬ ধারায় বলা হয়েছে বেআইনি সমাবেশ কর্তৃক বা এর কোনো সদস্য কর্তৃক বলপ্রয়োগ করা হলে বা সহিংসতা (force or violence) করা হলে তখন সমাবেশের সকল সদস্য দাঙ্গা করেছে মর্মে বলা হবে। অর্থাৎ দাঙ্গার সদস্যও পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি হবে।
⇒ দণ্ডবিধি ৩৯১ ধারা মতে যখন ৫ বা ততোধিক ব্যক্তি মিলিত হয়ে একইসাথে কোন দস্যুতা সংঘটন করে, তখন সেই দস্যুতা ডাকাতি বলে গণ্য হবে।
⇒ দণ্ডবিধির ৩৯০ ধারা অনুযায়ী চুরি করার উদ্দেশ্যে বা বলপূর্বক গ্রহণের সময় কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটালে, আঘাত দান করলে বা আটক করে রাখলে অথবা মৃত্যু, আঘাত বা অবৈধ বাধার তাৎক্ষণিক ভয় (instant fear) দেখানো হলে তখন তা দস্যুতা বা Robbery বলে গণ্য হবে।
-দস্যুতার সর্বনিম্ন সদস্য ১ জন এবং সর্বোচ্চ সদস্য ৪ জন। অন্যদিকে ডাকাতির সর্বনিম্ন সদস্য ৫ জন। দস্যুতার সদস্য যদি ৫ বা ততোধিক হয় তখন দস্যুতা ডাকাতিতে পরিণত হয়।

⇒ দস্যুতাকে হিংস্রতম চুরি বা হিংস্রতম বলপ্রয়োগ গ্রহণ বলা হয়। কেননা প্রত্যেক দস্যুতার অপরাধের মধ্যে চুরি বা বলপূর্বক গ্রহণ থাকতে হবে।
⇒ দস্যুতার মধ্যে নিম্নলিখিত উপাদান বিদ্যমান-
i)এক বা একাধিক ব্যক্তি তবে ৫ জনের কম যৌথভাবে অপরাধটি সংঘটিত করেছিল;
ii) আঘাতের ভয় বা মৃত্যুভয় দেখিয়ে বা অবৈধ আটকের ভয় দেখিয়েছিল;
iii) অসাধুভাবে সম্পত্তিটি প্রদানে বাধ্য করেছিল; এবং
iv) প্রত্যেক দস্যুতার অপরাধের মধ্যে চুরি বা বলপূর্বক গ্রহণ থাকতে হবে।

উল্লিখিত প্রশ্নে সঠিক উত্তর (খ)। দস্যুতার ক্ষেত্রে ৫ জনের কম সদস্য থাকে।
১১৩.
‘B’ একজন রাজস্ব কর্মকর্তা, যিনি সরকারি টাকা সংরক্ষণের জন্য অর্পিত। তিনি সেই টাকা অসাধুভাবে নিজের ব্যবহারে নিয়ে নেন। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর বিধান অনুসারে এই অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  2. ৭ বছরের কারাদণ্ড
  3. ১০ বছরের কারাদণ্ড
  4. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪০৫ অনুসারে, কোনো ব্যক্তি যিনি সম্পত্তি বা সম্পত্তির উপর নিয়ন্ত্রণের জন্য অর্পিত হয়েছেন, সেই সম্পত্তি অসাধুভাবে আত্মসাৎ করলে বা নিজের ব্যবহারে রূপান্তর করলে তা অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ (Criminal Breach of Trust) হিসেবে গণ্য। এখানে, ‘B’ একজন রাজস্ব কর্মকর্তা হিসেবে সরকারি টাকা সংরক্ষণের জন্য অর্পিত ছিলেন এবং তা অসাধুভাবে নিজের ব্যবহারে নিয়েছেন, যা ধারা ৪০৫-এর অধীনে অপরাধ। ধারা ৪০৯ অনুসারে, সরকারি কর্মচারী হিসেবে অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের শাস্তি হলো যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং জরিমানা। সুতরাং, সর্বোচ্চ শাস্তি হলো যাবজ্জীবন কারাদণ্ড।
সুতরাং, ‘B’-এর অপরাধের জন্য ধারা ৪০৯ অনুসারে সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ৪০৯ ধারা অনুযায়ী,
‘যে ব্যক্তি তার সরকারি কর্মচারীজনিত ক্ষমতার বা একজন ব্যাংকার, বণিক, আড়তদার, দালাল, অ্যাটর্নি বা প্রতিভূ হিসাবে তাহার ব্যবসায় ব্যাপদেশে যে কোনও প্রকারে কোনও সম্পত্তি বা কোনও সম্পত্তির ওপর আধিপত্যের ভারপ্রাপ্ত হইয়া সম্পত্তি সম্পর্কে অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ করেন, সেই ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা ১০ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হইবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবে।’
------- 
⇒The Penal Code, 1860- Section 409- Criminal breach of trust by public servant, or by banker, merchant or agent:
Whoever, being in any manner entrusted with property, or with any dominion over property in his capacity of a public servant or in the way of his business as a banker, merchant, factor, broker, attorney or agent, commits criminal breach of trust in respect of that property, shall be punished with imprisonment for life, or with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.

১১৪.
দণ্ডবিধির ২৭৩ ধারা অনুযায়ী যদি কোন ব্যক্তি ক্ষতিকর খাদ্য বা পানীয় বিক্রয় করে যা খাদ্য বা পানীয় হিসেবে স্বাস্থ্যহানিকর, তার সর্বোচ্চ অর্থদণ্ড কত হতে পারে?
  1. ৫০০ টাকা
  2. ১,০০০ টাকা
  3. ২,০০০ টাকা
  4. ৩,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
→ দণ্ডবিধির ২৭৩ ধারা অনুযায়ী, যদি কোন ব্যক্তি ক্ষতিকর খাদ্য বা পানীয় বিক্রয় করে যা খাদ্য বা পানীয় হিসেবে স্বাস্থ্যহানিকর, তার সর্বোচ্চ অর্থদণ্ড ১,০০০ টাকা হতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ২৭৩ ধারার বিধান: ক্ষতিকর খাদ্য বা পানীয় বিক্রয়:- কোন ব্যক্তি যদি এমন কোন দ্রব্য, খাদ্য বা পানীয় হিসেবে বিক্রয় করে, প্রদান করে বা বিক্রয়ার্থে উপস্থাপন করে, যা ক্ষতিকর করা হয়েছে বা সেরূপ হয়ে গিয়েছে অথবা যা এমন অবস্থায় রয়েছে, যাতে উহা খাদ্য বা পানীয় হিসেবে ব্যবহারের অনুপযুক্ত এবং উহা খাদ্য বা পানীয় হিসেবে স্বাস্থ্যহানিকর জানা সত্ত্বেও বা বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও তা করে, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যেকোনো পরিমাণ অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
----------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 273. Sale of noxious food or drink:- Whoever sells, or offers or exposes for sale, as food or drink, any article which has been rendered or has become noxious, or is in a state unfit food or drink, knowing or having reason to believe that the same is noxious as food or drink, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to six months, or with fine which may extend to one thousand taka, or with both.
১১৫.
একজন সরকারি কর্মচারী আইনত ব্যবসায় জড়িত না থাকার বাধ্যবাধকতা থাকা সত্ত্বেও যদি তিনি ব্যবসায় জড়িত হন, তবে এটি দণ্ডবিধির কোন ধারার অপরাধের আওতায় পড়ে?
  1. ১৬৭ ধারা
  2. ১৬৮ ধারা
  3. ১৬৯ ধারা
  4. ১৭০ ধারা
ব্যাখ্যা
→ দণ্ডবিধির ১৬৮ ধারা অনুযায়ী, কোনো সরকারি কর্মচারী যদি আইনত ব্যবসায় জড়িত না থাকার বাধ্যবাধকতা থাকা সত্ত্বেও ব্যবসা পরিচালনা করেন, তাহলে এটি একটি অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।
এই অপরাধের শাস্তি হলো:
- সর্বোচ্চ ১ বছর মেয়াদে সাধারণ কারাদণ্ড, অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ড।

অন্য অপশনগুলো:
- ১৬৭ ধারা: সরকারি কর্মচারীর দ্বারা বেআইনি রিপোর্ট প্রদান সংক্রান্ত।
- ১৬৯ ধারা: সরকারি কর্মচারীর বেআইনি সম্পত্তি ক্রয় সংক্রান্ত।
- ১৭০ ধারা: সরকারি কর্মচারী হিসেবে মিথ্যা পরিচয় দেওয়ার অপরাধ সংক্রান্ত।
----------
⇒ The Penal Code, 1860- Section-168. Public servant unlawfully engaging in trade: 
Whoever, being a public servant, and being legally bound as such public servant not to engage in trade, engages in trade, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to one year, or with fine, or with both.
১১৬.
'ক' একটি বিল অব এক্সচেঞ্জে নিজের নাম স্বাক্ষর করে। তার উদ্দেশ্য, বিলটিতে নিজের নাম স্বাক্ষর করে তা একই নামের অপর একজন ব্যক্তি কর্তৃক সম্পাদিত হয়েছে বলে বিশ্বাস সৃষ্টি করবে। 'ক' _________ করেছে।
  1. প্রতারণা
  2. মানহানি
  3. জালিয়াতি
  4. মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদান
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: জালিয়াতি।

দণ্ডবিধির ধারা ৪৬৪: মিথ্যা দলিল তৈরি-
একজন ব্যক্তি মিথ্যা দলিল তৈরি করে বলে গণ্য হবে, যদি সে নিচের যেকোনো এক বা একাধিক উপায়ে কাজ করে:

প্রথমতঃ
যে ব্যক্তি অসৎ উদ্দেশ্যে বা প্রতারণার মাধ্যমে কোনো দলিল বা দলিলের অংশ নিজে তৈরি করে, স্বাক্ষর করে, সীল দেয় বা কার্যকর করে বা এ ধরনের কোনো চিহ্ন তৈরি করে, যাতে এটি বিশ্বাসযোগ্য হয় যে উক্ত দলিলটি এমন একজন ব্যক্তি দ্বারা বা তার অনুমতিতে তৈরি, স্বাক্ষরিত, সীলযুক্ত বা কার্যকর হয়েছে—যার দ্বারা বা অনুমতিতে এটি বাস্তবে করা হয়নি, বা যে সময়ের কথা বলা হচ্ছে, সে সময় এটি করা হয়নি—তাহলে এটি মিথ্যা দলিল তৈরি।

দ্বিতীয়তঃ
যে ব্যক্তি আইনানুগ কর্তৃত্ব ছাড়া, অসৎ বা প্রতারণামূলক উদ্দেশ্যে, নিজের বা অন্য কারো দ্বারা তৈরি করা একটি দলিলে কোনো গুরুত্বপূর্ণ অংশে বদল বা পরিবর্তন করে (যেমন কেটে দেওয়া বা যোগ করা), তা সে ব্যক্তি জীবিত হোক বা মৃত—তাও মিথ্যা দলিল তৈরি হিসেবে গণ্য হবে।

তৃতীয়তঃ
যে ব্যক্তি কারো মানসিক ভারসাম্যহীনতা, মাতলামি বা প্রতারণার কারণে তাকে বুঝতে না দিয়েই দলিলে স্বাক্ষর, সীল বা পরিবর্তন করায়—তবুও এটি মিথ্যা দলিল তৈরির অপরাধ।

ব্যাখ্যা ১:
একজন ব্যক্তি যদি নিজের নামেই স্বাক্ষর করেন, তবুও নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে সেটি জালিয়াতি (Forgery) হিসেবে গণ্য হতে পারে।

উদাহরণ (ক):
A একটি বিল অব এক্সচেঞ্জে নিজের নামেই স্বাক্ষর করে, এই উদ্দেশ্যে যে, যেন লোকে মনে করে বিলটি অন্য একজন (যার নাম A-এর সঙ্গে মিলে যায়) তৈরি করেছে। এইভাবে বিভ্রান্তি ছড়ানোর উদ্দেশ্যে নিজের নাম ব্যবহার করায়, A জালিয়াতি করেছে।
১১৭.
বেআইনি সমাবেশে যোগদান করার জন্য একজনের সর্বোচ্চ কত সময়ের কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. ৩ মাস
  2. ৬ মাস
  3. ১ বছর
  4. ২ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ১৪২ ধারার বিধান- বেআইনি সমাবেশের সদস্য হওয়া:
যে ব্যক্তি এমন কিছু ঘটনার বিষয়ে অবগত থাকা সত্ত্বেও, যা কোনো সমাবেশকে অবৈধ সমাবেশ (unlawful assembly) হিসেবে পরিণত করে, ইচ্ছাকৃতভাবে সেই সমাবেশে যোগ দেয় অথবা তাতে অংশগ্রহণ অব্যাহত রাখে, সে ব্যক্তি অবৈধ সমাবেশের সদস্য বলে গণ্য হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ১৪৩ ধারার বিধান- শাস্তি: 
কোন ব্যক্তি যদি বেআইনি সমাবেশে যোগদান করে, তবে তাকে ছয় মাস পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত করা যাবে।

১১৮.
কোনটি অপরাধমূলক প্রবেশ বলিয়া গণ্য হইবে?
  1. কোন ব্যক্তির কোন সম্পদের উপর কোন অপরাধ অনুষ্ঠানে অভিপ্রায় প্রবেশ করে,
  2. সম্পত্তির দখলদার কোন ব্যক্তিকে ভীতিপ্রদর্শন করিবার অভিপ্রায় প্রবেশ করে,
  3. সম্পত্তি দখলদার কোন ব্যাক্তিকে অপমান করিবার অভিপ্রায়ে প্রবেশ করে,
  4. 'ক', 'খ' ও 'গ'-এর বর্ণিত যে কোন একটি।
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪৪১ ধারার বিধান অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ:- কোন ব্যক্তি যদি অপর কোন ব্যক্তির দখলভুক্ত সম্পত্তির মধ্যে বা উপরে প্রবেশ করে এবং কোন অপরাধ অনুষ্ঠানের বা অনুরূপ সম্পত্তি দখলকারী ব্যক্তিকে ভীতি প্রদর্শনের, অপমান করার বা বিরক্ত করার উদ্দেশ্যে অনুরূপ প্রবেশ করে, অথবা, আইনানুগভাবে অনুরূপ সম্পত্তির মধ্যে বা উপরে প্রবেশের পর বেআইনীভাবে সেখানে অবস্থান করে এবং অনুরূপ ব্যক্তিকে ভীতি প্রদর্শনের, অপমান করার বা বিরক্ত করার উদ্দেশ্যে অথবা কোন অপরাধ অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্যে অনুরূপ বে-আইনীভাবে সেখানে অবস্থান করে, তবে উক্ত ব্যক্তি 'অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ' করেছে বলে পরিগণিত হবে।
-----------
Section 441: Criminal trespass:- Whoever enters into or upon property in the possession of another with intent to commit an offence or to intimidate, insult or annoy any person in possession of such property. or, having lawfully entered into or upon such property, unlawfully remains there with intent thereby to intimidate insult or annoy any such person, or with intent to commit an offence, is said to commit "criminal trespass".
১১৯.
অপরাধী স্বামীকে লুকিয়ে রাখলে বা আশ্রয় দিলে স্ত্রী দোষী হবে না এটি দণ্ডবিধির কোন ধারায় বলা হয়েছে?
  1. ১৭৩ ধারায়
  2. ১৭১ ধারায়
  3. ১৬৫ ধারায়
  4. ২১২ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ দন্ডবিধির ২১২ ধারার ব্যতিক্রম অনুযায়ী অপরাধী ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রী অভিযুক্ত অপরাধীকে লুকিয়ে রাখলে বা আশ্রয় দিলে এই ধারায় সে দোষী হবে না;

♦ দন্ডবিধির ২১৬ ধারায় হাজত হতে পলায়নকারীকে স্বামী বা স্ত্রীকে আশ্রয় দান করলে দায়ী হবে না ।

♦ দন্ডবিধির ২১৬ক ধারায় ডাকাত/দস্যু ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রী তাকে লুকিয়ে রাখলে বা আশ্রয় দিলে এই ধারায় সে দোষী হবে না।
১২০.
দণ্ডবিধি অনুযায়ী কয়টি ক্ষেত্রে দেহ বা শরীরকে প্রতিরক্ষার জন্য আক্রমণকারীর মৃত্যু পর্যন্ত ঘটানো যায়?
  1. ৩ টি ক্ষেত্রে
  2. ৪ টি ক্ষেত্রে
  3. ৬ টি ক্ষেত্রে
  4. ৮ টি ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১০০ ধারা অনুযায়ী ছয়টি ক্ষেত্রে দেহ বা শরীরকে প্রতিরক্ষার জন্য আক্রমণকারীর মৃত্যু পর্যন্ত ঘটানো যায়। যথা:  

      (i) এমন আক্রমণ যা মৃত্যু ঘটাতে পারে।
      (ii) এমন আক্রমণ যা গুরুতর আঘাত তৈরি করতে পারে।
      (iii) ধর্ষণের অভিপ্রায় নিয়ে আক্রমণ।
      (iv) অপকৃত কাম লালসার অভিপ্রায় নিয়ে আক্রমণ।
      (v) মনুষ্যহরণ বা অপহরণের চেষ্টায় আক্রমণ।
      (vi) আইনের আশ্রয় নিতে বাধা দিতে অবৈধভাবে আটক রাখলে।
-----------------------
Section 100. When the right of private defence of the body extends to causing death:
 The right of private defence of the body extends, under the restrictions mentioned in the last preceding section, to the voluntary causing of death or of any other harm to the assailant, if the offence which occasions the exercise of the right be of any of the descriptions hereinafter enumerated, namely:- 
Firstly.-Such an assault as may reasonably cause the apprehension that death will otherwise be the consequence of such assault; 
Secondly.-Such an assault as may reasonably cause the apprehension that grievous hurt will otherwise be the consequence of such assault; 
Thirdly.-An assault with the intention of committing rape; 
Fourthly.-An assault with the intention of gratifying unnatural lust; 
Fifthly.-An assault with the intention of kidnapping or abducting; 
Sixthly.-An assault with the intention of wrongfully confining a person, under circumstances which may reasonably cause him to apprehend that he will be unable to have recourse to the public authorities for his release.
১২১.
According to Section 53, if an offender is sentenced to life imprisonment, it is considered to be:
  1. Without labor
  2. Rigorous imprisonment
  3. Simple imprisonment
  4. Conditional imprisonment
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি মূলত দণ্ড সম্পর্কিত আইন, দণ্ডবিধির ৫৩ ধারায় শাস্তির প্রকারভেদ রয়েছে। দণ্ডবিধির ৫৩ ধারায় পাঁচ প্রকার শাস্তি উল্লেখ আছে।
যথা:
(i) মৃত্যুদণ্ড (Death penalty);
(ii) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড (Imprisonment for life);
(iii) কারাদণ্ড(Imprisonment) দুই প্রকার:
ক) সশ্রম( Rigorous, that is, with hard labour) এবং
খ) বিনাশ্রম (Simple);

(iv) সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত (forfeiture of property);
(v) অর্থদণ্ড (fine).

ব্যাখ্যা: যাবজ্জীবন কারাদণ্ড সর্বদায় সশ্রম কারাদণ্ড হবে।

Section 53: The punishments to which offenders are liable under the provisions of this Code are,-
Firstly,- Death;
Secondly,- Imprisonment for life;
Thirdly,-[Omitted]
Fourthly,- Imprisonment, which is of two descriptions, namely:
(1) Rigorous, that is, with hard labour;
(2) Simple;

Fifthly,- Forfeiture of property;
Sixthly,- Fine.

Explanation.- In the punishment of imprisonment for life, the imprisonment shall be rigorous.
১২২.
সরকারি কর্মচারী হিসেবে ছদ্মবেশ ধারণ করার শাস্তি-
  1. ১ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
  2. ২ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
  3. অনধিক ৩ বছরের কারাদণ্ড
  4. শুধুমাত্র অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধি- ১৭০ ধারা মতে সরকারি কর্মচারী হিসেবে ছদ্মবেশ ধারণ করার শাস্তি হলো ২ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।
১২৩.
দণ্ডবিধির ৩৫০ ধারায় কী বলা আছে?
  1. অবৈধ আবরোধ
  2. বল প্রয়োগের সংজ্ঞা
  3. অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ
  4. আক্রমণ
ব্যাখ্যা
• ৩৫০ ধারা মতে সম্মতি ছাড়া বা অপরাধ করার উদ্দেশ্যে কোন ব্যক্তির উপর বল প্রয়োগের ফলে জখম, ভয় বা বিরক্তি সৃষ্টি করা হলে তাকে অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ বলে।
১২৪.
অর্থদন্ড কত বছরের মধ্যে যেকোন সময় আদায় করা যায়-
  1. ৬ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ২ বছর
  4. ১ বছর
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ৭০ ধারার বিধান অর্থদণ্ড ছয় বৎসরের মধ্যে বা কারাদণ্ড চলতে থাকাকালে আদায়যোগ্য: মৃত্যুর ফলে সম্পত্তি দায়মুক্ত হবে না:- অর্থদণ্ড বা উহার কোন অপরিশোধিত অংশ দণ্ডাদেশ দানের পরবর্তী ছয় বৎসরের মধ্যে যে কোন সময়ে আদায় করা যাবে, এবং উক্ত দণ্ডাদেশবলে অপরাধী যদি ছয় বৎসর হতেও দীর্ঘতর মেয়াদের জন্য কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়, তবে অর্থদণ্ড বা উহার কোন অপরিশোধিত অংশ উক্ত কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে যে কোন সময়ে আদায় করা হবে; অপরাধীর মৃত্যুর পর তার যে সম্পত্তি তার দায় পরিশোধ আইনত দায়গ্রস্ত হতে পারে, অপরাধীর মৃত্যুর ফলে অনুরূপ সম্পত্তি দায়মুক্ত হবে না।

♦অর্থাৎ দণ্ডবিধির ৭০ ধারা অনুযায়ী, দণ্ডাজ্ঞা প্রদানের পরবর্তী ৬ বছরের মধ্যে অর্থদণ্ড আদায়যোগ্য । যদি অপরাধী ৬ বৎসরের বেশি সময়ের জন্য দণ্ডিত হয়, তাহলে উক্ত দণ্ডের মেয়াদ সমাপ্ত হওয়ার পূর্বে যেকোন সময়ে অর্থদণ্ড আদায়যোগ্য হবে।
১২৫.
তপন, একজন উন্মাদ ব্যক্তিকে আত্মহত্যার জন্য প্ররোচিত করে এবং সেই ব্যক্তি আত্মহত্যা করে। তপন দণ্ডবিধির কোন ধারার আওতায় অপরাধ করেছে এবং তার সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1. দণ্ডবিধির ৩০৫ ধারা; মৃত্যুদণ্ড
  2. দণ্ডবিধির ৩০৪ ধারা; যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. দণ্ডবিধির ৩০৬ ধারা; অনধিক ৭ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  4. দণ্ডবিধির ৩০৭ ধারা; অনধিক ১০ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৩০৫ ধারা- শিশুর বা উন্মাদ ব্যক্তির আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান:
যদি আঠারো বৎসরের কম বয়স্ক কোন ব্যক্তি, কোন উন্মাদ ব্যক্তি, প্রলাপগ্রস্ত ব্যক্তি, নির্বোধ ব্যক্তি, বা কোন ব্যক্তি নেশাগ্রস্ত অবস্থায় আত্মহত্যা করে, তবে যে ব্যক্তি এই আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান করে, সে ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা অনধিক দশ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

Section 305: Abetment of suicide of child or insane person:
If any person under eighteen years of age, any insane person, any delirious person, any idiot, or any person in a state of intoxication commits suicide, whoever abets the commission of such suicide shall be punished with death or imprisonment for life, or imprisonment for a term not exceeding ten years, and shall also be liable to fine.
১২৬.
'ক' একটি রাস্তায় বাধার সৃষ্টি করে, যে রাস্তা 'খ' এর অতিক্রম করার অধিকার রয়েছে। 'ক' সরল বিশ্বাসে মনে করে যে, তার উক্ত পথ বন্ধ করার অধিকার রয়েছে। এক্ষেত্রে, 'ক' এর অপরাধ কী?
  1. অন্যায় আটক
  2. অন্যায়ভাবে বাধা
  3. অবৈধ অবরোধ
  4. কোনো অপরাধ নয় 
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর : কোনো অপরাধ নয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৩৯ ধারার বিধান- অবৈধ বাধা (Wrongful restraint):
যে ব্যক্তি কোন ব্যক্তিকে ইচ্ছাপূর্বক এমনভাবে বাধাদান করে যার ফলে উক্ত ব্যক্তির যেদিকে যাবার অধিকার রয়েছে, এমন কোন দিকে উক্ত ব্যক্তির যাবার পথ রুদ্ধ হয়, তবে সে ব্যক্তি উক্ত ব্যক্তিকে অবৈধভাবে বাধাদান করেছে বলে পরিগণিত হয়।

ব্যতিক্রম:
যদি কোন লোক স্থলে বা জলে কোন বেসরকারি পথে বাধা দেওয়ার আইনসম্মত অধিকার তার রয়েছে বলে সরল মনে বিশ্বাসবশতঃ উক্ত পথে বিঘ্ন সৃষ্টি করে, তবে তার কাজ এই ধারার অর্থের আওতায় অপরাধ হবে না।

⇒ উদাহরণ:
যে পথ অতিক্রম করার অধিকার চ-এর রয়েছে, সে পথে ক বিঘ্ন সৃষ্টি করে। ক সরল মনে বিশ্বাস করে না যে, পথটি রোধ করার অধিকার তার রয়েছে। ক-এর পথ রোধের ফলে চ পথ অতিক্রম করতে অসমর্থ হয়। ক অবৈধভাবে চ-কে বাধাদান করেছে।

১২৭.
দণ্ডবিধির ধারা ৩৪৩ অনুযায়ী, তিন বা ততোধিক দিনের অবৈধ অবরোধের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ১ বছর কারাদণ্ড
  2. ২ বছর কারাদণ্ড
  3. ৩ বছর কারাদণ্ড
  4. ৫ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৩৪৩ অনুসারে, যে ব্যক্তি কাউকে তিন বা ততোধিক দিনের জন্য অবৈধভাবে অবরোধ করে রাখে, তার শাস্তি হলো দুই বছর পর্যন্ত যেকোনো প্রকারের (সশ্রম বা বিনাশ্রম) কারাদণ্ড, অথবা জরিমানা, অথবা উভয় দণ্ড। সুতরাং সর্বোচ্চ কারাদণ্ড ২ বছর।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৪৩ ধারা- তিন বা ততোধিক দিনের জন্য অবৈধ অবরোধ:
কোন ব্যক্তি যদি কাউকে তিন বা ততোধিক দিনের জন্য অবৈধভাবে অবরোধ করে রাখে, তবে উক্ত ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

⇒ The Penal Code, 1860- Section 343: Wrongful confinement for three or more days:
Whoever wrongfully confines any person for three days or more, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.

১২৮.
দণ্ডবিধির ধারা ১৪৪ অনুযায়ী, বেআইনি সমাবেশে মারাত্মক অস্ত্রসহ অংশগ্রহণ করলে সর্বাধিক কী দণ্ড হতে পারে?
  1. ৬ মাসের কারাদণ্ড
  2. ১ বছরের কারাদণ্ড
  3. ২ বছরের কারাদণ্ড
  4. ৩ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒  দণ্ডবিধির ১৪৪ ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি বেআইনি সমাবেশে মারাত্মক অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে যোগদান করে, তবে তাকে সর্বোচ্চ দুই বছরের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হতে পারে, অথবা তাকে অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা হতে পারে, অথবা উভয় দণ্ডই দেওয়া হতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ১৪৪ ধারা- মারাত্মক অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে বেআইনি সমাবেশে যোগদান করা:
কোন ব্যক্তি যদি মারাত্মক অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে অথবা যে বস্তু অপরাধের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করলে মৃত্যু ঘটতে পারে তা কর্তৃক সজ্জিত হয়ে কোন বেআইনি সমাবেশে যোগদান করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

⇒ The Penal Code, 1860- Section 144- Joining unlawful assembly armed with deadly weapon:
Whoever, being armed with any deadly weapon, or with anything which, used as a weapon of offence, is likely to cause death, is a member of an unlawful assembly, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.

১২৯.
'ক' এর দ্বারা 'গ' এর দাঁত ভাঙার ঘটনায় 'ক' এর কৃত অপরাধ কী?
  1. সাধারণ জখম
  2. ইচ্ছাকৃত জখম
  3. মারাত্মক জখম
  4. হত্যা চেষ্টা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩২০ ধারা অনুযায়ী, দাঁত ভাঙা গুরুতর আঘাত বা মারাত্মক জখম হিসেবে গণ্য হয়।
- এটি ৩২০ ধারার সপ্তম দৃষ্টান্ত, যা বলে যে, "হাড় বা দাঁত ভাঙা" গুরুতর আঘাত হিসাবে পরিগণিত হবে।
- এছাড়া, ইচ্ছাকৃত জখম বা সাধারণ জখম এসবের মধ্যে দাঁত ভাঙার মতো গুরুতর আঘাত অন্তর্ভুক্ত নয়। দাঁত ভাঙার ঘটনা মারাত্মক জখম হিসেবেই বিবেচিত হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩২০ ধারার বিধান গুরুতর আঘাত:- শুধু নিম্নলিখিত আঘাতসমূহকেই "গুরুতর" বলে পরিগণিত করা যায়:-
প্রথমত, পুরুষত্বহীন করণ।
দ্বিতীয়ত, যেকোন চোখের জ্যোতি বা দৃষ্টিশক্তি চিরতরে নষ্ট করণ।
তৃতীয়ত, যেকোন কর্ণের শ্রবণশক্তি স্থায়ীভাবে নষ্ট করণ।
চতুর্থত, যেকোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন।
পঞ্চমত, যেকোন অঙ্গের বা গ্রন্থির শক্তিসমূহ ধ্বংসকরণ বা চিরতরে খর্ব করণ।
ষষ্ঠত, মাথা বা মুখমণ্ডল স্থায়ীভাবে বিকৃত করণ।
সপ্তম, কোন অস্থি বা দন্ত ভগ্ন বা স্থানচ্যুত করণ।
অষ্টম, এমন কোন আঘাত যা জীবন সংশয় সৃষ্টি করে বা যাতে আহত ব্যক্তি বিশ দিন পর্যন্ত প্রচণ্ড দৈহিক যন্ত্রণা ভোগ করে বা সাধারণ কাজকর্ম করতে অপারগ হয়।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 320: Grievous hurt:
The following kinds of hurt only are designated as "grievous":-
Firstly.-Emasculation.
Secondly.-Permanent privation of the sight of either eye.
Thirdly.-Permanent privation of the hearing of either ear.
Fourthly.-Privation of any member or joint.
Fifthly.-Destruction or permanent impairing of the powers of any member or joint.
Sixthly.-Permanent disfiguration of the head or face.
Seventhly.-Fracture or dislocation of a bone or tooth.
Eighthly.-Any hurt which endangers life or which causes the sufferer to be during the space of twenty days in severe bodily pain, or unable to follow his ordinary pursuits.
১৩০.
ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেওয়ার উদ্দেশ্যে কোনো উপাসনালয় ধ্বংস বা অপবিত্র করার সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. এক বছরের কারাদণ্ড
  2. দুই বছরের কারাদণ্ড
  3. পাঁচ বছরের কারাদণ্ড
  4. শুধুমাত্র জরিমানা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ২৯৫ অনুযায়ী যদি কেউ কোনো উপাসনালয় বা ধর্মীয় প্রতীক ধ্বংস, ক্ষতিসাধন বা অপবিত্র করে, এমন উদ্দেশ্যে যে, এতে কোনো শ্রেণির ধর্মীয় অনুভূতি আহত হবে, অথবা এমন জ্ঞান থাকা সত্ত্বেও যে এতে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত লাগবে, তবে তার সর্বোচ্চ শাস্তি হলো দুই বছরের কারাদণ্ড, অথবা জরিমানা, অথবা উভয় দণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ২৯৫ ধারা- কোন শ্রেণী বিশেষের ধর্মের প্রতি অবমাননা প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে উপসানালয়ের স্থান বিনষ্ট বা অপবিত্র করা:
কোন ব্যক্তি যদি কোন উপাসনা স্থান বিনস্ট করে, ক্ষতিগ্রস্ত করে বা অপব্রিত করে অথবা জনসাধারণের কোন শ্রেণী দ্বারা পবিত্র বলে গণ্য কোন বস্তু বিনষ্ট করে, ক্ষতিগ্রস্ত করে বা অপবিত্র করে, এবং জনসাধারণের কোন শ্রেণীর ধর্মকে অপদস্থ করার মানসেই তা করে অথবা অনুরূপ বিনষ্টকরণ, ক্ষতিসাধন বা অবপবিত্রকরণকে একশ্রেণীর জনসাধারণ তাদের ধর্মের প্রতি অবমাননা বলে বিবেচনা করবে জানা সত্ত্বেও তা করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 295, Injuring or defiling place of worship, with intent to insult the religion of any class:
Whoever destroys, damages or defiles any place of worship, or any object held sacred by any class of persons with the intention of thereby insulting the religion of any class of persons or with the knowledge that any class of persons is likely to consider such destruction, damage or defilement as an insult to their religion, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
১৩১.
ক একটি ঘরে ঢুকে দস্যুতা করার জন্য খ ও গ কে প্ররোচনা দিলো এবং এই উদ্দেশ্যে অস্ত্র সরবরাহ করলো। দস্যুতা সংঘটনের সময় ঘরের মালিক ‘ম’ তাদেরকে প্রতিহত করায় খ তাঁকে হত্যা করলো। ক এই ক্ষেত্রে ____?
  1. ক শুধু দস্যুতার প্ররোচনার দায়ে দোষী হবে
  2. ক খুনের প্ররোচনার দায়ে দোষী হবে
  3. ক এর কোনো অপরাধ হবে না, খ ও গ খুনের দায়ে অভিযুক্ত হবে
  4. ক সাধারণ উদ্দেশ্য না থাকার কারণে শাস্তি পাবে না।
ব্যাখ্যা
♦পেনাল কোডের ১১১ ধারায় বলা হয়েছে যে কোনো একটি অপরাধের জন্য প্ররোচনা দিলে এবং বাস্তবে ভিন্ন অপরাধ হলে এবং এই ভিন্ন অপরাধ প্ররোচিত অপরাধের সম্ভাব্য পরিণাম (probable consequence) হলে প্ররোচনাদানকারী (abettor) এমনভাবে শাস্তি পাবে যেন উক্ত কাজের জন্যই প্ররোচনা দেওয়া হয়েছে। দস্যুতা সংঘটনে বাঁধা দেওয়া এবং সেখানে হত্যাকাণ্ড ঘটা সম্ভাব্য পরিণাম হওয়ায় abettor কে দস্যুতার জন্য নয় বরং খুনের প্ররোচনার জন্য দোষী করা যাবে।
১৩২.
মানুষের জীবন বিপদাপন্ন হতে পারে এমন বেপরোয়াভাবে রাজপথে গাড়ি চালানোর দায়ে অভিযুক্ত বক্তির দণ্ডবিধির ২৭৯ ধারা অনুসারে সর্বোচ্চ কোন মেয়াদের কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. এক বৎসর
  2. ছয় মাস
  3. তিন বৎসর
  4. দশ বৎসর
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ২৭৯ ধারায় বেপরোয়া গাড়ি চালানোর শাস্তির বিধান রয়েছে- অনধিক ৩ বছরের কারাদণ্ড বা সর্বনিম্ন ১ হাজার থেকে সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।

♦ দণ্ডবিধির ২৭৯ ধারার বিধান জনসাধারণের ব্যবহৃত সড়কে বেপরোয়াভাবে গাড়ি চালনা বা আরোহণ :- কোন ব্যক্তি যদি জনসাধারণের ব্যবহৃত কোন সড়কের উপর দিয়ে এমন বেপরোয়াভাবে বা অবহেলামূলক ভাবে কোন গাড়ি চালায় বা চড়িয়ে বেড়ায়, যাতে মানুষের জীবন বিপদাপন্ন হয় অথবা অপর কোন ব্যক্তির আহত বা জখম হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা সর্বনিম্ন এক হাজার টাকার শর্তে যা পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণের অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

-ব্যাখ্যা (Explanation):- কোন ব্যক্তি প্রকাশ্য রাস্তায় যদি এইরূপ দ্রুত কোন যান বা অশ্ব চালনা করেন যার গতি আপাতত বলবৎ কোন আইনের কর্তৃক বা আওতায় এতদুদ্দেশ্যে নির্ধারিত গতিসীমা অতিক্রম করে, তবে তিনি এই ধারার উদ্দেশ্যে মনুষ্য জীবন বিপন্ন করা কিংবা অপর কোন ব্যক্তিকে আঘাত করা বা আহত করার মত বেপরোয়াভাবে বা অবহেলামূলকভাবে যান বা অশ্ব চালনা করেছেন বলে গণ্য হবেন।

-----------
♦ Rash driving or riding on a public way
Section 279. Whoever drives any vehicle, or rides, on any public way in a manner so rash or negligent as to endanger human life, or to be likely to cause hurt or injury to any other person, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine which may, subject to the minimum of one thousand taka, extend to five thousand taka or with both. 
 
Explanation. Any person driving any vehicle, or riding, on any public way, in a speed which exceeds the limit prescribed in this behalf by or under any law for the time being in force shall, for the purpose of this section, be deemed to have driven so rashly or negligently as to endanger human life, or cause hurt or injury to any other person.
১৩৩.
দণ্ডবিধিতে ‘অপরাধ’ এর সংজ্ঞা কত ধারার বিষয়বস্তু?
  1. ২৭ ধারা
  2. ২৮ ধারা
  3. ৪০ ধারা
  4. ৪১ ধারা
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধি ধারা ৪০- "Offence" (অপরাধ):
এই ধারার ২ ও ৩ নম্বর উপধারায় উল্লেখিত অধ্যায় ও ধারাসমূহ ব্যতীত, "অপরাধ" বলতে এই দণ্ডবিধি দ্বারা দণ্ডনীয় কোনো কার্যকে বোঝানো হয়েছে।

অধ্যায় IV, অধ্যায় VA এবং নিম্নলিখিত ধারাসমূহে, যথা ৬৪, ৬৫, ৬৬, ৬৭, ৭১, ১০৯, ১১০, ১১২, ১১৪, ১১৫, ১১৬, ১১৭, ১৮৭, ১৯৪, ১৯৫, ২০৩, ২১১, ২১৩, ২১৪, ২২১, ২২২, ২২৩, ২২৪, ২২৫, ৩২৭, ৩২৮, ৩২৯, ৩৩০, ৩৩১, ৩৪৭, ৩৪৮, ৩৮৮, ৩৮৯ এবং ৪৪৫-এ "অপরাধ" বলতে দণ্ডবিধির অধীনে দণ্ডনীয় কোনো কার্য বা যে কোনো বিশেষ বা স্থানীয় আইন অনুযায়ী দণ্ডনীয় কার্য বোঝানো হয়েছে।

এছাড়া, ধারা ১৪১, ১৭৬, ১৭৭, ২০১, ২০২, ২১২, ২১৬ এবং ৪৪১-এ "অপরাধ" সেই একই অর্থ বহন করে যদি বিশেষ বা স্থানীয় আইনের অধীনে উক্ত কার্য ছয় মাস বা তার অধিক মেয়াদের কারাদণ্ডে (জরিমানাসহ বা ছাড়াও) দণ্ডনীয় হয়।
১৩৪.
দণ্ডবিধির ১৯৭ ধারা অনুসারে কোন বিষয়ে দণ্ডের বিধান রয়েছে?
  1. ভুয়া সাক্ষী হওয়া
  2. জালিয়াতি করা
  3. ঘুষ গ্রহণ করা
  4. মিথ্যা সার্টিফিকেট ইস্যু করা
ব্যাখ্যা
→ বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ১৯৭ ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি আইনত স্বীকৃত কোনো সার্টিফিকেট ইস্যু করে বা স্বাক্ষর করে এবং তা বাস্তব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মিথ্যা জেনেও বা বিশ্বাস করেও করে, তাহলে তিনি মিথ্যা সাক্ষ্যের শাস্তির অনুরূপ দণ্ডযোগ্য হবেন।
অতএব, সঠিক উত্তর: ঘ) মিথ্যা সার্টিফিকেট ইস্যু করা।

⇒ দণ্ডবিধির ১৯৭ ধারার বিধান মিথ্যা সার্টিফিকেট ইস্যু করা কিংবা উহাতে স্বাক্ষর করা:
- কোন ব্যক্তি যদি আইনের নির্দেশানুসারে কোন সার্টিফিকেট ইস্যু করে কিংবা উহাতে স্বাক্ষর করে কিংবা যে বিষয়ে আইনানুসারে কোন সার্টিফিকেট সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য, সে বিষয়ে অনুরূপ সার্টিফিকেট দান বা স্বাক্ষর করে এবং সার্টিফিকেটটি কোন বাস্তব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের দিক হতে মিথ্যা বলে জানা সত্ত্বেও বা অনুরূপভাবে মিথ্যা বলে বিশ্বাস করা সত্ত্বেও অনুরূপভাবে উহা দান বা স্বাক্ষর করে থাকে, তবে সে ব্যক্তি স্বয়ং মিথ্যা সাক্ষ্যদান করলে যেভাবে দণ্ডিত হত, এক্ষেত্রেও সে সেভাবে দণ্ডিত হবে।
---------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 197: Issuing or signing false certificate:
- Whoever issues or signs any certificate required by law to be given or signed, or relating to any fact of which such certificate is by law admissible in evidence, knowing or believing that such certificate is false in any material point, shall be punished in the same manner as if he gave false evidence.
১৩৫.
ডাকাতি সংঘটিত হতে হলে কমপক্ষে কতজন ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতা থাকতে হবে?
  1. ২ জন
  2. ৩ জন
  3. ৪ জন
  4. ৫ জন
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৩৯১ ধারার বিধান- ডাকাতি:
যদি পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটন করে বা দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করে, অথবা যদি কোন ক্ষেত্রে মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করে, অথবা যদি কোন ক্ষেত্রে মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটন প্রচেষ্টারত ব্যক্তির ও অনুরূপ কার্যে বা প্রচেষ্টায় সহায়তাকারী ব্যক্তির মোট সংখ্যা পাঁচ বা ততোধিক হয়, তবে অনুরূপ কাজ সংঘটনকারী বা প্রচেষ্টাকারী বা সহায়তাকারী প্রত্যেক ব্যক্তি ডাকাতি করছে বলে পরিগণিত হবে।

Section 391- Dacoity:
When five or more persons conjointly commit or attempt to commit a robbery, or where the whole number of persons conjointly committing or attempting to commit a robbery, and persons present and aiding such commission or attempt, amount to five or more, every person so committing, attempting or aiding, is said to commit "dacoity".
১৩৬.
যে ব্যক্তি কোনো প্রার্থীর সাধারণ বা বিশেষ লিখিত অনুমতি ছাড়া নির্বাচনী প্রচারের জন্য অর্থ ব্যয় করেন, তাকে কত টাকা পর্যন্ত জরিমানা করা হতে পারে?
  1. ১০০ টাকা
  2. ২০০ টাকা
  3. ৫০০ টাকা
  4. ১০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ১৭১জ অনুসারে, যে ব্যক্তি কোনো প্রার্থীর সাধারণ বা বিশেষ লিখিত অনুমতি ছাড়া নির্বাচনী প্রচারের জন্য অর্থ ব্যয় করেন, তাকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে। এই ধারা নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অবৈধ ব্যয়কে নিয়ন্ত্রণ করার উদ্দেশ্যে প্রণয়ন করা হয়েছে, যাতে কোনো ব্যক্তি প্রার্থীর অনুমতি ছাড়াই নির্বাচনী প্রচারে অর্থ ব্যয় না করেন। 
তবে, যদি কোনো ব্যক্তি ১০ টাকার কম ব্যয় করে এবং পরে প্রার্থীর লিখিত অনুমোদন নেন, তবে তাকে অনুমোদনপ্রাপ্ত ব্যয়কারী হিসেবে গণ্য করা হবে এবং সে ক্ষেত্রে তাকে শাস্তি দেওয়া হবে না।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860- Section- 171H. Illegal payments in connection with an election:
Whoever without the general or special authority in writing of a candidate incurs or authorises expenses on account of the holding of any public meeting, or upon any advertisement, circular or publication, or in any other way whatsoever for the purpose of promoting or procuring the election of such candidate, shall be punished with fine which may extend to five hundred taka:
Provided that if any person having incurred any such expenses not exceeding the amount of ten taka without authority obtains within ten days from the date on which such expenses were incurred the approval in writing of the candidate, he shall be deemed to have incurred such expenses with the authority of the candidate.
১৩৭.
দণ্ডবিধির ৩৪৪ ধারা অনুযায়ী কাউকে দশ বা ততোধিক দিন অবৈধভাবে আটক রাখার সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৩ মাস কারাদণ্ড
  2. ৬ মাস কারাদণ্ড
  3. ১ বছর কারাদণ্ড
  4. ৩ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ৩৪৪ ধারা অনুযায়ী, যদি কেউ কাউকে ১০ দিন বা তার বেশি সময় অবৈধভাবে আটক বা অবরুদ্ধ রাখে, তবে সর্বোচ্চ তিন বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড দেওয়া যেতে পারে।
⇒ দণ্ডবিধির ৩৪৪ ধারার বিধান দশ বা ততোধিক দিনব্যাপি অবৈধভাবে অবরোধ:- কোন ব্যক্তি যদি কাউকে দশ বা ততোধিক দিনের জন্য অবৈধভাবে অবরোধ করে রাখে; তবে উক্ত ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860-Section 344. Wrongful confinement for ten or more days:- Whoever wrongfully confines any person for ten days, or more, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, and shall also be liable to fine.
১৩৮.
দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ৪০৮ ধারায় কেরানি বা ভৃত্য যদি অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ করে, তবে তার সর্বোচ্চ কারাদণ্ড কত বছর?
  1. ১০ বছর
  2. ৭ বছর
  3. ৫ বছর
  4. ৩ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ৪০৮ ধারা অনুযায়ী যদি কেরানি বা ভৃত্য হিসেবে নিযুক্ত কোন ব্যক্তি তার দায়িত্বে অর্পিত সম্পত্তির জিম্মাদার হয়ে অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ করে, তবে সে সর্বোচ্চ ৭ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৪০৮ ধারার বিধান: কেরানি বা ভৃত্য দ্বারা অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গ করা:- কোন ব্যক্তি যদি কেরানি বা ভৃত্য হয়ে অথবা কেরানি বা ভৃত্য হিসেবে নিয়োজিত হয়ে অনুরূপ পদে কোন সম্পত্তির জিম্মাদার বা উহা পরিচালনের ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তি হিসেবে উহা সম্পর্কে অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গ করে, তবে উক্ত ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং অর্থ দণ্ডেও দণ্ডনীয় হবে।
--------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 408. Criminal breach of trust by clerk or servant:- Whoever, being a clerk or servant or employed as a clerk or servant, and being in any manner entrusted in such capacity with property, or with any dominion over property, commits criminal breach of trust in respect of that property, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.
১৩৯.
'ক' 'খ' কে এমন একটি ছুরিকাঘাত করে যা হৃৎপিণ্ডে আঘাত করে এবং 'খ' এর তাৎক্ষণিক মৃত্যু হয়। 'ক' জানত যে এই ধরনের আঘাত মৃত্যুর কারণ হতে পারে। দণ্ডবিধি অনুসারে 'ক' এর এই কাজটি কী অপরাধ হবে?
  1. খুন
  2. হত্যার চেষ্টা
  3. দোষযোগ্য নরহত্যা
  4. দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যু
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৩০০ অনুসারে, এই কাজটি হত্যা (Murder) হিসেবে গণ্য হবে। ধারা ৩০০-এর দ্বিতীয় খণ্ডে বলা হয়েছে যে, যদি কোনো ব্যক্তি এমন কোনো কাজ করে যা সে জানে মৃত্যু ঘটাতে পারে (যেমন: হৃদয়ে ছুরিকাঘাত), এবং তাতে মৃত্যু ঘটে, তাহলে তা হত্যা। এখানে ‘ক’ জানত যে আঘাতটি মৃত্যুর কারণ হতে পারে, এবং তাৎক্ষণিক মৃত্যু ঘটেছে, তাই উদ্দেশ্য বা জ্ঞানসহ হত্যা।

⇒ দণ্ডবিধির ৩০০ ধারার বিধান খুন:- খুনের সবক্ষেত্রে ব্যতিক্রম নির্দেশ করা হয়েছে। সে সকল ক্ষেত্র ব্যতীত অন্যান্য সকল ক্ষেত্রে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুন হবে, যদি যে কার্যটি কর্তৃক মৃত্যু অনুষ্ঠিত হয়, সে কার্যটি মৃত্যু সংঘটনের জন্যই করা হয়ে থাকে, অথবা
দ্বিতীয়ত, যদি কার্যটি কোন ব্যক্তিকে এমনভাবে দৈহিক আঘাত দেওয়ার উদ্দেশ্যে করা হয়ে থাকে, যে আঘাতের ফলে যে ব্যক্তিকে আঘাত দেওয়া হল, সে ব্যক্তির মৃত্যু হতে পারে বলে অপরাধী জানে, অথবা
তৃতীয়ত, যদি কোন ব্যক্তিকে দৈহিক আঘাত দানের উদ্দেশ্যে কার্যটি করা হয় এবং যদি যে দৈহিক আঘাত দেওয়ার অভিসন্ধি করা হয়েছে, সে আঘাতটি প্রকৃতির স্বাভাবিক গতিতে মৃত্যু ঘটাবার পক্ষে যথেষ্ট হয়, অথবা
চতুর্থত, যদি যে ব্যক্তি কার্যটি অনুষ্ঠান করে সে ব্যক্তি জানে যে, কার্যটি এমন আশু বিপজ্জনক যে, ইহার দরুণ খুব সম্ভব মৃত্যু ঘটবে, অথবা ইহার দরুণ অবশ্যই এমন দৈহিক আঘাত ঘটবে, যার ফলে মৃত্যু ঘটতে পারে এবং মৃত্যু ঘটাবার বা অনুরূপ দৈহিক আঘাত ঘটাবার ঝুঁকি গ্রহণের অপর কোন অজুহাত ব্যতিরেকে অনুরূপ কার্য করে।

⇒ ব্যতিক্রম ১:- যেক্ষেত্রে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুন পরিগণিত হবে নাঃ- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি মারাত্মক ও আকস্মিক প্ররোচনার ফলে অপরাধী আত্ম-সংযমশক্তি হারাইয়া ফেলে এবং যে ব্যক্তি প্ররোচনা দান করেছে, সে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায় অথবা ভুলক্রমে বা দুর্ঘটনাক্রমে অপর কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায়।
উপরোক্ত ব্যতিক্রমটি নিম্নোক্ত শর্তাবলী সাপেক্ষে:-
প্রথমত, প্ররোচনাটি কোন ব্যক্তিকে হত্যা করার বা তার ক্ষতি সাধনের অজুহাতস্বরূপ অপরাধী কর্তৃক স্বয়ং প্রার্থীত বা প্ররোচিত হতে পারবে না।
দ্বিতীয়ত, উক্ত প্ররোচনাটি আইনানুসারে কৃত কোন কার্য দ্বারা বা কোন সরকারী কর্মচারীর সরকারী কর্মচারী হিসেবে যথাযোগ্য ক্ষমতাবলীর আইনসম্মত প্রয়োগসঞ্জাত হতে পারবে না।
তৃতীয়ত, প্ররোচনা আত্মরক্ষার ব্যক্তিগত অধিকারের আইনসম্মত প্রয়োগক্রমে সম্পাদিত কোন কার্য পালন হতে পারবে না।
ব্যাখ্যা:- প্ররোচনাটি এমন মারাত্মক ও আকস্মিক ছিল কিনা, যার ফলে অপরাধটি খুনের শামিল হবে না, তা একটি ঘটনাগত প্রশ্ন।

⇒ ব্যতিক্রম ২:- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি অপরাধী সরল মনে তার আত্মরক্ষার অথবা সম্পত্তি রক্ষার ব্যক্তিগত অধিকার প্রয়োগক্রমে তাকে আইন প্রদত্ত ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করে এবং যার বিরুদ্ধে সে এই অধিকার প্রয়োগ করে, কোনরূপ পূর্ব-পরিকল্পনা ব্যতীত অথবা অনুরূপ অধিকার রক্ষার জন্য যতটুকু ক্ষতিসাধন করা আবশ্যক, তদপেক্ষা বেশি ক্ষতি সাধনের ইচ্ছা ব্যতিরেকে, তার মৃত্যু ঘটায়।

⇒ ব্যতিক্রম ৩:- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি দোষী একজন সরকারী কর্মচারী হিসেবে অথবা সরকারী কর্মচারীর সহায়তাকারী হিসেবে তাকে প্রদত্ত আইনানুগ ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করে এবং এমন একটি কাজ সম্পাদন করে মত্যু ঘটায়, যা সে অনুরূপ সরকারী কর্মচারীর দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে সম্পাদন করার জন্য আবশ্যকীয় ও আইনসম্মত বলে সরল মনে বিশ্বাস করে এবং সে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটলে তার প্রতি কোনরূপ দুরভিসন্ধি ছাড়াই কার্যটি করে।

⇒ ব্যতিক্রম ৪ :- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি অপরাধটি কোন আকস্মিক বিবাদের সময় আকস্মিক উত্তেজনার কারণে কোনরূপ পূর্ব পরিকল্পনা ছাড়াই সংঘটিত হয় এবং অপরাধী কোন অন্যায় সুযোগ গ্রহণ না করে থাকে অথবা নিষ্ঠুরভাবে বা অস্বাভাবিকভাবে কার্য না করে থাকে।
ব্যাখ্যা:- এইরূপ ক্ষেত্রে কোন পক্ষ প্রথম উস্কানি দেয় বা প্রথম আঘাত করে, তা আদৌ গুরুত্বপূর্ণ নয়।

⇒ ব্যতিক্রম ৫:- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি সে ব্যক্তির মৃত্যু হয়, সে ব্যক্তি আঠারো বৎসরের উর্ধ্ব বয়স্ক হলে স্বেচ্ছায় স্বীয় সম্মতিক্রমে মৃত্যুবরণ করে বা মৃত্যুর ঝুঁকি গ্রহণ করে।

১৪০.
নিম্নলিখিত কোনটি দণ্ডবিধির ৪৪ ধারার অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. পরিবেশগত ক্ষতি
  2. মানসিক ক্ষতি
  3. সম্পত্তির ক্ষতি
  4. শারীরিক ক্ষতি
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৪৪ ধারার বিধান অনুযায়ী "Injury" বলতে শারীরিক ক্ষতি, মানসিক ক্ষতি ও সম্পত্তির ক্ষতি অন্তর্ভুক্ত কিন্তু পরিবেশগত ক্ষতি অন্তর্ভুক্ত নয়।
- পরিবেশগত ক্ষতি (Environmental Injury): প্রাকৃতিক সম্পদ বা পরিবেশের উপর ক্ষতিকর প্রভাব। যেমন: বন উজাড়, জলদূষণ।
- দণ্ডবিধির ৪৪ ধারার বিধান ক্ষতি:- যদি কোন ব্যক্তির দেহ, মন, সুনাম বা সম্পত্তিতে অবৈধভাবে কোনরূপ ক্ষতিসাধন করা হয় তবে তাকে 'ক্ষতি' বলে।
- দণ্ডবিধির ধারা ৪৪: "ক্ষতি": "ক্ষতি" শব্দটি এমন যে কোনো ধরনের ক্ষতি বা হানি বোঝায়, যা অবৈধভাবে কোনো ব্যক্তির দেহ, মন, খ্যাতি বা সম্পত্তির ওপর ঘটানো হয়।
----------
- The Penal Code, 1860 Section-44: “Injury”- The word "injury" denotes any harm whatever illegally caused to any person, in body, mind, reputation or property.

১৪১.
দণ্ডবিধির ৪১০ ধারায় কত ধরনের সম্পত্তিকে চোরাই মাল হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে?
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ৪১০ ধারার বিধান চোরাইমালঃ
চুরি বা জোরপূর্বক আদায় বা দস্যুতার কর্তৃক যে সম্পত্তি হস্তান্তরিত হয়েছে বা যে সম্পত্তি অপরাধমূলকভাবে আত্মসাৎ হয়েছে বা যে সম্পত্তি সম্পর্কে অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গ হয়েছে সে সম্পত্তিকে "চোরাই সম্পত্তি বলে। অনুরূপ হস্তান্তর অথবা আত্মসাৎ বা বিশ্বাস ভঙ্গ বাংলাদেশের মধ্যে বা বাহিরে যেখানে সাধিত বা সংঘটিত হোক না কেন, সংশ্লিষ্ট সম্পত্তি চোরাই সম্পত্তি' বলে উহা আইনানুগভাবে দখলের অধিকারী ব্যক্তির দখলে আসে, তবে আর উহা চোরাই সম্পত্তি থাকে না।

♦ ৫টি উপায়ে প্রাপ্ত সম্পত্তি চোরাইমাল বলে গণ্য হবে। যথা:
১. চুরি (Theft)
২. বলপূর্বক গ্রহণ (Extortion)
৩. দস্যুতা (Robbery)
৪. অপরাধমূলক আত্মসাৎ (Criminal Misappropriation)
৫. অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ (Criminal breach of trust)
তবে চোরাইমাল যদি মালিকের দখলে চলে আসে তাহলে তা আর চোরাইমাল বলে গণ্য হবে না। ডাকাতির মাধ্যমে প্রাপ্ত সম্পত্তি চোরাইমাল বলে গণ্য হবে না।

♦অর্থাৎ চুরি, বলপূর্বক গ্রহণ, দস্যুতা, অপরাধমূলক আত্মসাৎ এবং অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের মাধ্যমে যে সম্পত্তির দখল গ্রহণ করা হয় তা চোরই মাল বলে গণ্য হবে।
১৪২.
দণ্ডবিধির ধারা ১৮৯ অনুযায়ী যে ব্যক্তি কোনো সরকারি কর্মচারী বা তার সম্পর্কিত কাউকে আঘাতের হুমকি দিয়ে তাকে কোনো কাজ করতে বা বিলম্ব করতে প্ররোচিত করে, তাকে কী ধরনের শাস্তি দেওয়া হতে পারে?
  1. ১ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা জরিমানা অথবা উভয়
  2. ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা জরিমানা অথবা উভয়
  3. ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা জরিমানা অথবা উভয়
  4. ৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা জরিমানা অথবা উভয়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ১৮৯ অনুযায়ী, যে ব্যক্তি কোনো সরকারি কর্মচারী বা তার সম্পর্কিত কাউকে আঘাতের হুমকি দিয়ে তাকে কোনো কাজ করতে বা বিলম্ব করতে প্ররোচিত করে, তাকে ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, জরিমানা অথবা উভয় শাস্তি দেওয়া হতে পারে।
-----
⇒ The Penal Code, 1860- Section-189. Threat of injury to public servant:
Whoever holds out any threat of injury to any public servant, or to any person in whom he believes that public servant to be interested, for the purpose of inducing that public servant to do any act, or to forbear or delay to do any act, connected with the exercise of the public functions of such public servant, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
১৪৩.
গুরুতর প্ররোচনা ব্যতীত অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের অপরাধে একজন অপরাধীকে সর্বোচ্চ কত টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া যেতে পারে?
  1. ২০০ টাকা
  2. ৩০০ টাকা
  3. ৫০০ টাকা
  4. ১০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৫২: গুরুতর প্ররোচনা ব্যতীত আক্রমণ বা অপরাধমূলক বল প্রয়োগের শাস্তি-
যে ব্যক্তি কাউকে গুরুতর এবং হঠাৎ প্ররোচনা ছাড়া আক্রমণ বা অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করবে, তাকে তিন মাস পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড, পাঁচশত টাকা পর্যন্ত জরিমানা, অথবা উভয়ই আরোপ করা হবে।

ব্যাখ্যা:
গুরুতর এবং হঠাৎ প্ররোচনা, যদি অপরাধী প্ররোচনাটি নিজের থেকে ইচ্ছাকৃতভাবে বা স্বেচ্ছায় তৈরি করে এবং সেটিকে অপরাধের জন্য অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করে, তবে ওই প্ররোচনা অপরাধের শাস্তি কমানোর কারণ হবে না।

এছাড়া, যদি প্ররোচনা আইন মেনে কিছু করা হয়, বা কোনো সরকারি কর্মচারী তার বৈধ ক্ষমতা প্রয়োগ করে প্ররোচনা প্রদান করে, অথবা ব্যক্তি নিজেকে বৈধ আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করে প্ররোচনা দেয়, তবে সেক্ষেত্রে প্ররোচনাটি শাস্তি কমানোর কারণ হবে না।

যে প্ররোচনাটি গুরুতর এবং হঠাৎ ছিল, তা অপরাধ কমানোর জন্য যথেষ্ট কিনা, তা একটি প্রকৃত ঘটনা হিসেবে বিচার করা হবে।
১৪৪.
The Penal Code, 1860 অনুসারে দস্যুতার সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  2. ৭ বৎসর কারাদণ্ড
  3. ১০ বৎসর কারাদণ্ড
  4. ১৪ বৎসর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৯২ ধারামতে দস্যুতার শাস্তি (Punishment for robbery)- অনধিক ১০ বৎসর 'সশ্রম' কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড। তবে দস্যুতার অপরাধ সূর্যাস্ত ও সূর্যোদয়ের মধ্যবর্তী সময় সংঘটিত হলে দস্যুতার শাস্তি ১৪ বৎসর পর্যন্ত 'সশ্রম' কারাদণ্ড হতে পারে।
অর্থাৎ The Penal Code, 1860 অনুসারে দস্যুতার সর্বোচ্চ শাস্তি ১৪ বৎসর 'সশ্রম' কারাদণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৯২ ধারার বিধান দস্যুতার সাজা:- কোন ব্যক্তি যদি দস্যুতা সংঘটন করে তবে সে ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে। এবং যদি সূর্যাস্ত ও সূর্যোদয়ের মধ্যবর্তী সময় রাজপথে দস্যুতা অনুষ্ঠিত হয়, তবে কারাদণ্ডের মেয়াদ চৌদ্দ বৎসর পর্যন্ত হতে পারে।
--------------
⇒ Section 392. Punishment for robbery:- Whoever commits robbery shall be punished with rigorous imprisonment for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine; and, if the robbery be committed on the highway between sunset and sunrise, the imprisonment may be extended to fourteen years.
১৪৫.
'চ' সহ পাঁচ ব্যক্তি 'ছ'-কে হত্যা করার পরিকল্পনা করে। পরিকল্পিত দিন, তারিখ ও সময়ে তারা সকলে মিলে 'ছ'-কে হত্যা করে। 'চ' সহ উক্ত পাঁচ ব্যক্তির বিরূদ্ধে পেনাল কোডের ৩০২ ধারার সাথে নিচের কোন ধারাটি প্রাসঙ্গিক?
  1. ১৩৪ ধারা
  2. ৩৪ ধারা
  3. ১২০ক ধারা
  4. ১১৪ ধারা
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ৩৪ ধারামতে যখন কতিপয় ব্যক্তি (২ বা ততোধিক) দ্বারা সকলের একই অভিপ্রায় পূরণকল্পে (in furtherance of Common Intention) কোন অপরাধমূলক কার্য সম্পাদিত হয় তখন প্রত্যেকে যৌথভাবে দায়ী হবে যেন নিজে কাজটি করেছে।

♦ অভিন্ন অভিপ্রায় ফৌজদারি আইনের একটা নীতি, যেটা দিয়ে যৌথভাবে অভিযুক্ত করা যায়। অভিন্ন অভিপ্রায় মৌলিক/স্বতন্ত্র অপরাধ নয়।

♦ দণ্ডবিধির ৩৪ ধারা অনুযায়ী যখন একই অভিপ্রায় পূরণকল্পে একাধিক ব্যক্তি কোন অপরাধমূলক কাজ সম্পাদন করে তখন তাদের প্রত্যেকে উক্ত কাজের জন্য এমনভাবে দায়ী হবেন যেন প্রত্যেকে আলাদাভাবে কাজটি সম্পাদন করেছে।

♦ দণ্ডবিধির ৩৪ ধারার অধীনে সাধারণ অভিপ্রায় প্রমাণ করার ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত বিষয় সমূহ গুরুত্বপূর্ণ:
ⅰ) কতিপয় ব্যক্তি কর্তৃক অপরাধমূলক কাজ সম্পাদিত হবে;
ii) তাদের প্রত্যেকের সাধারণ অভিপ্রায় এবং পূর্ব পরিকল্পনা ছিল উক্ত অপরাধ সংঘটন করা; এবং
iii) অভিপ্রায়কে সফল করার জন্য অপরাধ সংঘটনে অংশগ্রহণ।

♦ কোনো ব্যক্তিকে ৩৪ ধারায় দায়ী করতে হলে এ ধারার যেকোনো একটি উপাদান থাকতে হবে। ৩৪ ধারার শাস্তি: মূল অপরাধের শাস্তি। 

৩৪ ধারার মূলনীতি প্রয়োগ করে ৩০২ ধারার অধীনে Common Intention এর জন্য দায়ী করে শাস্তি দেওয়া যাবে। অর্থাৎ, ৩০২ ধারার সাথে ৩৪ ধারাটি প্রাসঙ্গিক।
১৪৬.
দণ্ডবিধি অনুসারে বেআইনি সমাবেশ গঠন করতে কমপক্ষে কতজন ব্যক্তি উপস্থিত থাকতে হবে?
  1. ৩ জন
  2. ১০ জন
  3. ১৫ জন
  4. ৫ জন
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৪১ ধারায় বেআইনি সমাবেশের বিধান রয়েছে। পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি জনসাধারনের শান্তি শৃঙ্খলা  বিঘ্নকারী কোন সমাবেশ করলে তাকে বেআইনি সমাবেশ বলে।
- দণ্ডবিধির ১৪১ ধারার বিধান বেআইনী সমাবেশ:- পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির সমাবেশকে 'বেআইনী সমাবেশ' সেক্ষেত্রেই বলা হয়, যেক্ষেত্রে উক্ত সমাবেশের ব্যক্তিদের সাধারণ লক্ষ্য হয়-
প্রথম:- বাংলাদেশের সরকার বা আইনসভাকে অথবা কোন সরকারী কর্মচারীকে অনুরূপ কর্মচারীর আইনসম্মত ক্ষমতা প্রয়োগের সময় অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ অথবা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি কর্তৃক ভীতি প্রদর্শন করা; কিংবা 
দ্বিতীয়:- কোন আইনের অথবা কোন আইনগত ব্যবস্থার কার্যকরীকরণে বাধা সৃষ্টি করা; কিংবা
তৃতীয়:- কোন ব্যক্তির দুষ্কর্ম বা অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ অথবা অন্যবিধ অপরাধ অনুষ্ঠিত করা; কিংবা
চতুর্থ:- কোন ব্যক্তির প্রতি অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করে বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন করে কোন সম্পত্তির দখল গ্রহণ করা, অথবা কোন ব্যক্তিকে পথের অধিকার ভোগ হতে বঞ্চিত করা অথবা জল ব্যবহারের অধিকার হতে বঞ্চিত করা অথবা তাকে তার দখলে অবস্থিত অপর কোন অশরীরী অধিকার থেকে বঞ্চিত করা অথবা কোন অধিকার বা কল্পিত অধিকার প্রতিষ্টা করা; কিংবা
পঞ্চম:- অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করে বা অপরাধমূলক বল প্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন করে কোন ব্যক্তিকে সে আইনতঃ বাধ্য নয় এমন একটি কার্য সম্পাদনে বাধ্য করা অথবা যে কার্যটি করতে সে আইনত বাধ্য বা অধিকারী তা সম্পাদন হতে বিরত করা।
ব্যাখ্যা:- যে সমাবেশ, সমাবিষ্ট হওয়াকালে বেআইনী ছিল না তা পরে বেআইনী সমাবেশ হতে পারে।
১৪৭.
'ক' এর দোকানে নিযুক্ত ক্যাশিয়ার 'খ' দায়িত্বে নিয়োজিত থাকাবস্থায় ক্যাশ কাউন্টার থেকে ৩০,০০০ টাকা সরিয়ে ফেলে।এক্ষেত্রে 'খ' দণ্ডবিধির অধীন সর্বোচ্চ কী শাস্তি পেতে পারে?
  1. ৭ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  2. ৩ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  3. ৫ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  4. ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
ধারা ৪০৮- কেরানী বা ভৃত্য দ্বারা অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গ করা:
 
কোন ব্যক্তি যদি কেরানি বা ভৃত্য হয়ে অথবা বা ভৃত্য হিসেবে নিয়োজিত হয়ে অনুরূপ পদে কোন সম্পত্তির জিম্মাদার বা উহা পরিচালনের ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তি হিসেবে উহা সম্পর্কে অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গ করে, তবে উক্ত ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং অর্থ দণ্ডেও দণ্ডনীয় হবে।
 
Section 408- Criminal breach of trust by clerk or servant:
 
Whoever, a clerk or servant or employed as a clerk or servant, and being in any manner entrusted in such capacity with property, or with any dominion over property, commits criminal breach of trust in respect of that property, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.
১৪৮.
দণ্ডবিধির ৪৭৮ ধারায় কোনটির সংজ্ঞা দেয়া আছে?
  1. Property mark
  2. Forged document
  3. Trade mark
  4. False document
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৪৭৮ ধারা- পণ্য-প্রতীক:
কোন পণ্যদ্রব্য, কোন বিশেষ ব্যক্তির প্রস্তুত পণ্যদ্রব্য বা ব্যবসায়ের পণ্য বলে নির্দেশ করার জন্য ব্যবহৃত চিহ্ন বা মার্কাকে পণ্য-প্রতীক বলে।
এবং এই বিধির উদ্দেশ্যে 'পণ্য-প্রতীক' কথাটির কর্তৃক ১৮৮৩ সালের পেটেন্টস, ডিজাইনস ও ট্রেড মার্কস আইন মোতাবেক রক্ষিত পণ্য-প্রতীক রেজিস্টারে রেজিষ্ট্রিকৃত যে কোন পণ্য-প্রতীক বুঝাবে এবং রেজিষ্ট্রেশনসহ বা রেজিষ্ট্রেশন ব্যতীত বর্তমানে রাষ্ট্র প্রধানের আদেশ বলে ব্রিটিশ সাম্রাজের কোন অংশে বা বৈদেশিক রাষ্ট্রে যেখানে ১৮৮৩ সালের পেটেন্টস, ডিজাইনস ও ট্রেড মার্কস আইনের ১০৩ ধারা প্রয়োগযোগ্য, সেখানে আইনে সংরক্ষিত যে কোন পণ্য-প্রতীকও বুঝাবে।

Section 478- Trade mark:
A mark used for denoting that goods are the manufacture or merchandise of a particular person is called a trade mark, and for the purposes of this Code the expression "trade mark" includes any trade mark which is registered in the register of trade marks kept under the Patents, Designs and Trade Marks Act, 1883, and any trade mark which, either with or without registration, is protected by law in any British possession or Foreign State to which the provisions of the one hundred and third section of the Patents, Designs and Trade Marks Act, 1883, are, under Order-in-Council, for the time being applicable.
১৪৯.
'Volante non-fit injuria' মতবাদটি দণ্ডবিধির কোন ধারায় প্রতিফলিত হয়েছে?
  1. ৮৭ ধারায়
  2. ৮৮ ধারায়
  3. ৮৯ ধারায় 
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ধারা ৮৭, ৮৮ এবং ৮৯ পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত  ব্যক্তি বা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির অভিভাবকের সম্মতি নিয়ে গঠিত কোনো ক্ষতি অপরাধ বলে গণ্য হবে কিনা তা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

♦ সম্মতি বা ভলেনটি নন্ ফিট ইনজুরিয়া (Consent or Volante non-fit injuria): কারো সম্মতিক্রমে কোন কার্য সম্পাদিত হলে এবং এর ফলে কোন ক্ষতি হলে সম্মতিদানকারী কোন অভিযোগ করতে পারে না। এটা যে নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত তাকে বলে ভলেন্টি নন্ ফিট্ ইনজুরিয়া। বাদী যে অধিকার স্বেচ্ছা প্রণোদিত ভাবে পরিত্যাগ করেছে সে অধিকার আর সে বলবৎ করতে পারে না। তাই মুষ্ঠিযুদ্ধে আহত হলে বা ডাক্তার অস্ত্রোপচার করলে টর্ট আইনে কাউকে দায়ী করা যায় না। এ মতবাদ প্রতিষ্ঠিত করতে হলে বাদীর অবগতি ও সম্মতি প্রতিষ্ঠিত করতে হবে।
১৫০.
স্বামী বা স্ত্রীর জীবদ্দশায় পুনরায় বিবাহ করার শাস্তি দন্ডবিধির কত ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ৪৯৪ ধারায়
  2. ৪৯৫ ধারায়
  3. ৪৯৭ ধারায়
  4. ৪৯৬ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ ৪৯৪ ধারায় স্বামী বা স্ত্রীর জীবদ্দশায় পুনরায় বিবাহ করলে শাস্তি ৭ বৎসরের কারাদন্ড।

♦ ৪৯৫
ধারা অনুযায়ী পূর্বের বিবাহ গোপন করে বিয়ে করলে শাস্তি ১০ বৎসরের কারাদন্ড

৪৯৬ ধারা অনুযায়ী যে বিবাহ আইন সম্মত নয় সে বিবাহ করলে শাস্তি ৭ বৎসর এবং ৪৯৭ ধারা অনুযায়ী ব্যভিচারের শাস্তি ৫ বৎসর
১৫১.
'ক' জানে যে, তার বিরুদ্ধে একজন ব্যবসায়ী পাওনা টাকার মামলা করতে পারেন। তাই ''ক' তার মূল্যবান মোটরসাইকেল বন্ধুর বাসায় লুকিয়ে রাখে, যাতে আদালত মোটরসাইকেল বাজেয়াপ্ত করতে না পারে। এক্ষেত্রে 'ক' এর কাজ কোন অপরাধের মধ্যে পড়ে?
  1. জালিয়াতি
  2. অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ
  3. অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ
  4. অসাধুভাবে সম্পত্তি গোপন করা
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ঘ) অসাধুভাবে সম্পত্তি গোপন করা।

⇒ মিজান ইচ্ছাকৃতভাবে তার সম্পত্তি (মোটরসাইকেল) গোপন করেছে, যাতে আদালত তা বাজেয়াপ্ত করতে না পারে। এটি দণ্ডবিধি ধারা ৪২৪–এর অসাধু বা প্রতারণামূলকভাবে সম্পত্তি গোপন করা বা অপসারণ করা— অপরাধের মধ্যে পড়ে।

দণ্ডবিধির ৪২৪ ধারা: অসাধু বা প্রতারণামূলকভাবে সম্পত্তি অপসারণ বা গোপন করা:
যে ব্যক্তি অসাধু বা প্রতারণামূলকভাবে নিজের বা অন্যকারো সম্পত্তি গোপন করে অথবা অপসারণ করে, অথবা এমন কাজে সহায়তা করে যা সম্পত্তি গোপন বা অপসারণে সহায়তা করে, অথবা নিজের কোনো দাবি বা দাবির ছেড়ে দেয় যা তার অধিকারভুক্ত, তাকে দুই বছর পর্যন্ত মেয়াদের জন্য কারাদণ্ড, অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।

১৫২.
দণ্ডবিধির ৩৬২ ধারার বিধান আনুসারে নিচের কোনটি অপহরণ (Abduction)?
  1. বাংলাদেশ হইতে মনুষ্য হরণ
  2. আইনানুগ অভিভাবকত্ব হইতে মনুষ্য হরণ
  3. জোরপূর্বক কোন ব্যক্তিকে কোন স্থান হইতে গমনে বাধ্য করিলে
  4. উল্লিখিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৬২ ধারার বিধান অপহরণ বা মনুষ্যহরণ:- যদি কোন ব্যক্তি, অপর কোন ব্যক্তিকে কোন স্থান হতে গমন করার জন্য জোরপূর্বক বাধ্য করে বা কোন প্রতারণামূলক উপায়ে প্রলুব্ধ করে, তবে উক্ত ব্যক্তি অনুরূপ ব্যক্তিকে অপহরণ করে বলে গণ্য হবে।
⇒ দণ্ডবিধির ৩৬৩ ধারার বিধান মনুষ্য হরণের সাজা:- কোন ব্যক্তি যদি কাউকে বাংলাদেশ হতে অথবা আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে অপহরণ করে নিয়ে যায়, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
------------
⇒ Section 362. Abduction:- Whoever by force compels, or by any deceitful means induces, any person to go from any place, is said to abduct that person.
⇒ Section 363. Punishment for kidnapping:- Whoever kidnaps any person from Bangladesh or from lawful guardianship, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.
১৫৩.
‘A’ জানে যে একটি আংটি চুরি হয়েছে, তা সে ‘Z’-এর কাছ থেকে কিনে নেয়। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর বিধান অনুসারে এই অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ১ বছরের কারাদণ্ড
  2. ২ বছরের কারাদণ্ড
  3. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  4. ৫ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪১০ অনুসারে, চুরি, চাঁদাবাজি, ডাকাতি, অপরাধমূলক অপচয়, বা অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের মাধ্যমে স্থানান্তরিত সম্পত্তি "চুরি হওয়া সম্পত্তি" হিসেবে গণ্য। ধারা ৪১১ অনুসারে, যে কেউ জেনে বা বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও চুরি হওয়া সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণ বা ধরে রাখে, তার শাস্তি ৩ বছর পর্যন্ত যেকোনো প্রকারের কারাদণ্ড, জরিমানা, বা উভয়ই। এখানে, ‘A’ জেনে যে আংটি চুরি হয়েছে, তা ‘Z’-এর কাছ থেকে কিনে নিয়েছে, যা ধারা ৪১১-এর অধীনে অপরাধ। সুতরাং, সর্বোচ্চ শাস্তি ৩ বছরের কারাদণ্ড।
সুতরাং, ‘A’-এর অপরাধের জন্য ধারা ৪১১ অনুসারে সর্বোচ্চ শাস্তি ৩ বছরের কারাদণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ৪১১ ধারার বিধান অসাধুভাবে চোরাইমাল গ্রহণ করা:  কোন ব্যক্তি যদি কোন সম্পত্তি চোরাই সম্পত্তি বলে জানা সত্ত্বেও, বা উহা চোরাই সম্পত্তি বলে তার বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও অসাধুভাবে অনুরূপ চোরাই সম্পত্তি গ্রহণ করে বা রেখে দেয়, তবে উক্ত ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
---------
⇒ The Penal Code, 1860 Section 411.Dishonestly receiving stolen property:
Whoever dishonestly receives or retains any stolen property, knowing or having reason to believe the same to be stolen property, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both.

১৫৪.
ধারা ৯৪ অনুযায়ী কোন ক্ষেত্রে হুমকির মাধ্যমে বাধ্য করা হলে তা অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না?
  1. হালকা আঘাতের ভয়ে
  2. সামাজিক সম্মানহানির ভয়ে
  3. অর্থনৈতিক ক্ষতির ভয়ে
  4. তাৎক্ষণিক মৃত্যুর আশঙ্কা সৃষ্টি হলে
ব্যাখ্যা
ধারা ৯৪: হুমকির মাধ্যমে বাধ্য করা হলে যে কাজ অপরাধ নয়:
হত্যা এবং রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডযোগ্য অপরাধ ব্যতীত, কোনো ব্যক্তি যদি হুমকির কারণে এমন কোনো কাজ করতে বাধ্য হয়, যা তার কাছে তখন এমনভাবে উপলব্ধি হয় যে তাৎক্ষণিকভাবে মৃত্যুর আশঙ্কা সৃষ্টি হয়েছে, তবে সেটি অপরাধ বলে গণ্য হবে না।

শর্ত: যদি কাজটি করা ব্যক্তি তার ইচ্ছায় বা তাৎক্ষণিক মৃত্যুর আশঙ্কা ছাড়া অন্য ক্ষতির কারণে এমন অবস্থানে নিজেকে না নিয়ে থাকে, যে কারণে তাকে এমন হুমকির অধীন হতে হয়েছে।

ব্যাখ্যা ১: কোনো ব্যক্তি যদি তার নিজের ইচ্ছায় বা মার খাওয়ার ভয়ে দস্যুদের একটি গ্যাং-এ যোগ দেয় এবং গ্যাংয়ের প্রকৃতি সম্পর্কে জানে, তাহলে তার সহযোগীদের দ্বারা তাকে বাধ্য করা হলে, আইনত যা অপরাধ, সেই কাজ করার ক্ষেত্রে এই বিধির সুবিধা পাওয়ার অধিকার তার থাকবে না।

ব্যাখ্যা ২: কোনো ব্যক্তি যদি দস্যুদের একটি গ্যাং-এর দ্বারা ধরে নিয়ে গিয়ে তাৎক্ষণিক মৃত্যুর হুমকির মাধ্যমে বাধ্য হয় কোনো অপরাধমূলক কাজ করতে, যেমন একজন লৌহশিল্পীকে তার সরঞ্জাম ব্যবহার করে বাড়ির দরজা খুলতে বাধ্য করা হয় যাতে দস্যুরা বাড়িতে প্রবেশ করে লুটপাট করতে পারে, তাহলে সেই ব্যক্তি এই বিধির সুবিধা পাওয়ার অধিকারী হবে।

Section 94- Act to which a person is compelled by threats:
Except murder, and offences against the State punishable with death, nothing is an offence which is done by a person who is compelled to do it by threats, which, at the time of doing it, reasonably cause the apprehension that instant death to that person will otherwise be the consequence: Provided the person doing the act did not of his own accord, or from a reasonable apprehension of harm to himself short of instant death, place himself in the situation by which he became subject to such constraint. 
 
Explanation 1.-A person who, of his own accord, or by reason of a threat of being beaten, joins a gang of dacoits, knowing their character, is not entitled to the benefit of this exception on the ground of his having been compelled by his associates to do anything that is an offence by law. 
 
Explanation 2.-A person seized by a gang of dacoits, and forced by threat of instant death, to do a thing which is an offence by law; for example, a smith compelled to take his tools and to force the door of a house for the dacoits to enter and plunder it, is entitled to the benefit of this exception.
১৫৫.
দণ্ডবিধি অনুসারে সম্পত্তি প্রতিরক্ষার জন্য কয়টি ক্ষেত্রে আক্রমণকারীর মৃত্যু পর্যন্ত ঘটানো যায়?
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ১০৩ ধারামতে সম্পত্তি প্রতিরক্ষার জন্য ৪টি ক্ষেত্রে আক্রমণকারীর মৃত্যু পর্যন্ত ঘটানো যায়। যথা-
i) দস্যুতা (Robbery)
ii) রাত্রি বেলায় অপথে গৃহে প্রবেশ (House-breaking by night);
iii) বাসগৃহে বা কোন সম্পত্তি রাখার স্থানে অগ্নি সংযোগ (Mischief by fire committed on any building, tent or vessel, used as a human dwelling); এবং
iv) গুরুতর আঘাত বা মৃত্যুর আশঙ্কাযুক্ত চুরি, ক্ষতি বা অনধিকার গৃহে প্রবেশ (Theft, mischief or house - trespass, under such circumstances as may reasonably cause apprehension of death or grievous hurt)।
---------------------
⇒ দণ্ডবিধির ১০৩ :- যেক্ষেত্রে সম্পত্তি সম্পর্কিত ব্যক্তিগত আত্নরক্ষার অধিকার মৃত্যু ঘটাইবার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হয়:
- সম্পত্তি রক্ষার ব্যক্তিগত অধিকার ৯৯ ধারায় আরোপিত নিয়ন্ত্রণ সাপেক্ষে স্বেচ্ছাকৃতভাবে অপরাধকারীর মৃত্যু সংঘটন বা তার অপর কোনরূপ ক্ষতিসাধন পর্যন্ত প্রয়োগযোগ্য হবে, যদি যে অপরাধটি করার বা করার চেষ্টার বিরুদ্ধে এই অধিকার প্রয়োগ আবশ্যকীয় হয়ে পড়েছে সে অপরাধটি নিম্নবর্ণিত বিভিন্ন প্রকৃতির মধ্যে যে কোন এক ধরনের হয়, যথা:-
প্রথমত (First): দস্যুতা;
দ্বিতীয়ত (Secondly): রাত্রিবেলা ঘর ভেঙ্গে ঘরে প্রবেশ করা:
তৃতীয়ত (Thirdly): কোন গৃহ, তাবু বা যানবাহনে অগ্নিসংযোগ করে ক্ষতি সাধন, যদি গৃহটি, তাবুটি বা যানবাহনটি মানুষের বাসস্থান হিসেবে অথবা সম্পত্তি রাখার স্থান হিসেবে ব্যবহৃত হয়;
চতুর্থত (Fourthly): চুরি, অনিষ্টকারিতা, অথবা গৃহে অনধিকার প্রবেশ, যদি পরিস্থিতি এমন হয় যে, সংশ্লিষ্ট আত্মরক্ষার ব্যক্তিগত অধিকারটি প্রয়োগ না করলে মৃত্যু বা গুরুতর আঘাত অনিবার্য বলে ন্যায়সঙ্গতভাবেই আশঙ্কার উদ্ভব হয়।
---------------
⇒ Section-103: When the right of private defence of property extends to causing death:
The right of private defence of property extends, under the restrictions mentioned in section 99, to the voluntary causing of death or of any other harm to the wrong-doer, if the offence, the committing of which, or the attempting to commit which, occasions the exercise of the right, be an offence of any of the descriptions hereinafter enumerated, namely:-
Firstly.-Robbery;
Secondly.-House-breaking by night;
Thirdly.-Mischief by fire committed on any building, tent or vessel, which building, tent or vessel is used as a human dwelling or as a place for the custody of property;
Fourthly.-Theft, mischief or house-trespass, under such circumstances as may reasonably cause apprehension that death or grievous hurt will be the consequence, if such right of private defence is not exercised;
১৫৬.
'ক' একজন সরকারি কর্মচারী। তার সরকারি কর্তব্যপালনে বাধা দেবার উদ্দেশ্যে 'খ', 'ক' কে আক্রমণ করলে 'খ' এর সর্বোচ্চ শাস্তি নিচের কোনটি হতে পারে?
  1. ৬ মাস কারাদণ্ড
  2. ১ বছর কারাদণ্ড
  3. ২ বছর কারাদণ্ড
  4. ৩ বছর কারাদণ্ড 
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর : ৩ বছর কারাদণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৫৩ অনুসারে, সরকারি কর্মচারীকে দায়িত্ব পালনের সময় বা তাকে বাধা দেওয়ার উদ্দেশ্যে আক্রমণ বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করলে শাস্তি ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড, বা উভয়ই।


⇒ দণ্ডবিধির ৩৫৩ ধারার বিধান:
কোনো ব্যক্তি যদি এমন অন্য কোনো ব্যক্তিকে আক্রমণ করে বা তার ওপর বল প্রয়োগ করে, যে ব্যক্তি সরকারি কর্মকর্তা বা কর্মচারী হিসেবে কর্তব্য সম্পাদনরত অথবা অনুরূপ কর্মচারীকে তার সরকারি কর্মচারী হিসেবে করণীয় কর্তব্য সম্পাদনে বাধা দানের উদ্দেশ্যে তার ওপর অনুরূপ আক্রমণ বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করে তিন বছর বা যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে, এমনকি উভয়বিধ দণ্ডে দণ্ডিত হবে।

১৫৭.
দণ্ডবিধির ১২০ক ধারার অধীনে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের (Criminal Conspiracy) মূল উপাদান কী?
  1. সম্মতি
  2. যথাযথ প্রমাণ
  3. অপরাধ সংঘটন
  4. উল্লিখিত সব
ব্যাখ্যা
অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র [Criminal Conspiracy]:
দণ্ডবিধির ১২০ক ধারায় অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রকে [criminal conspiracy] কে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। যখন দুই বা ততোধিক ব্যক্তি কোন অবৈধ কাজ করতে [To do an illegal act] বা কোন বৈধ কাজ অবৈধ উপায়ে করতে [to do a legal act by illegal means] সম্মত হয় তখন উক্ত ব্যক্তিরা অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র করেছে বলে গণ্য হবে।

অভিন্ন অভিপ্রায় এবং অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের মধ্যে পার্থক্য:

দণ্ডবিধির ৩৪ ধারার অধীনে অভিন্ন অভিপ্রায় [Common Intention] এবং ১২০ক ধারার অধীনে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের [Criminal Conspiracy] এর মধ্যে পার্থক্য আছে-

১২০ক ধারার মূল উপাদান হচ্ছে সম্মতি। সম্মতি অনুযায়ী অপরাধটি হয়েছে কি হয়নি তা বিবেচ্য বিষয় না। অর্থাৎ, সম্মতি অনুযায়ী অপরাধটি সংঘটিত না হলেও তারা অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের জন্য দণ্ডিত হবে। অন্যদিকে, ৩৪ ধারার মূল উপদান অভিন্ন অভিপ্রায় অনুযায়ী অপরাধ সংঘটিত হওয়া। অপরাধটি সংঘটিত না হলে ৩৪ ধারা প্রয়োগ করা যায় না।

⇒ ১২০ক ধারায় অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র একটি স্বতন্ত্র অপরাধ অর্থাৎ ষড়যন্ত্র অনুযায়ী অপরাধমূলক কার্যটি সংঘটিত হোক বা না হোক শুধুমাত্র অপরাধ করার সম্মতি বা ষড়যন্ত্র থাকলে তাকে দণ্ডিত করা যাবে। ৩৪ ধারা কোন মূল অপরাধ না অর্থাৎ শুধুমাত্র অভিন্ন অভিপ্রায় থাকার কারণে কোন ব্যক্তিকে দণ্ডিত করা যায় না, যদি না অভিন্ন অভিপ্রায় অনুযায়ী অপরাধটি সংঘটিত হয়।
১৫৮.
'অর্থদণ্ড বা উহার কোন অপরিশোধিত অংশ দণ্ডাদেশ দানের পরবর্তী ছয় বৎসরের মধ্যে যে কোন সময়ে আদায় করা যাবে"- দণ্ডবিধির কত ধারার বিধান?
  1. ৬৩
  2. ৬৭
  3. ৭০
  4. ৭৩
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৭০ ধারার বিধান- অর্থদও ছয় বৎসরের মধ্যে বা কারাদণ্ড চলতে থাকাকালে আদায়যোগ্য, মৃত্যুর ফলে সম্পত্তি দায়মুক্ত হবে না:
অর্থদণ্ড বা উহার কোন অপরিশোধিত অংশ দণ্ডাদেশ দানের পরবর্তী ছয় বৎসরের মধ্যে যে কোন সময়ে আদায় করা যাবে, এবং উক্ত দণ্ডাদেশবলে অপরাধী যদি ছয় বৎসর হতেও দীর্ঘতর মেয়াদের জন্য কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়, তবে অর্থদণ্ড বা উহার কোন অপরিশোধিত অংশ উক্ত কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে যে কোন সময়ে আদায় করা হবে; অপরাধীর মৃত্যুর পর তার যে সম্পত্তি তার দায় পরিশোধ আইনতঃ দায়গ্রস্ত হতে পারে, অপরাধীর মৃত্যুর ফলে অনুরূপ সম্পত্তি দায়মুক্ত হবে না।

Section 70- Fine leviable within six years, or during imprisonment Death not to discharge property from liability:
The fine, or any part thereof which remains unpaid, may be levied at any time within six years after the passing of the sentence, and if, under the sentence, the offender be liable to imprisonment for a longer period than six years, then at any time previous to the expiration of that period; and the death of the offender does not discharge from the liability of any property which would, after his death, be legally liable for his debts.

⇒ দণ্ডবিধির ৭০ ধারায় অর্থদণ্ড আদায়ের সময়সীমা সম্পর্কে ৩টি বিধানের উল্লেখ আছে।
(i) দণ্ডাদেশ প্রদানের পরবর্তী ৬ বছরের মধ্যে যেকোনো সময়;
(ii) ৬ বছরের অধিক কারাদণ্ড হলে- কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ/উত্তীর্ণ হওয়ার আগে;
(iii) অর্থদণ্ড অনাদায়ে আসামির মৃত্যু হলে- আসামির সম্পত্তি থেকে আদায় করা হবে।
১৫৯.
দণ্ডবিধির কত ধারায় পশু সংরক্ষণের ক্ষেত্রে অবহেলা প্রদর্শন করলে এর শাস্তির বিধান বর্ণিত আছে?
  1. ২৭৭ ধারায়
  2. ২৮৫ ধারায়
  3. ২৮৮ ধারায়
  4. ২৮৯ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২৮৯ ধারার বিধান: প্রাণী সম্পর্কে অবহেলামূলক আচরণ করা:- কোন ব্যক্তি যদি তার দখলভুক্ত কোন প্রাণী সম্পর্কে এমন কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করতে জ্ঞাতসারে বা অবহেলামূলকভাবে অন্যথা করে, যে ব্যবস্থা উক্ত প্রাণী হতে মানুষের জীবনের প্রতি সম্ভাব্য বিপদের বিরুদ্ধে অথবা নিশ্চয়তা বিধানের জন্য পর্যাপ্ত, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
-----------------
⇒ The Penal Code, 1860-Section-289. Negligent conduct with respect to animal:-
-Whoever knowingly or negligently omits to take such order with any animal in his possession as is sufficient to guard against any probable danger to human life, or any probable danger of grievous hurt from such animal, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to six months, or with fine which may extend to one thousand taka, or with both.
১৬০.
গর্ভপাতের কোন পরিস্থিতিতে ধারা ৩১৩ প্রযোজ্য হবে?
  1. স্ত্রীর সম্মতি থাকলে
  2. স্ত্রীর সম্মতি না থাকলে
  3. আইনসম্মতভাবে করা হলে
  4. পূর্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া হলে
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩১৩ ধারা- স্ত্রীলোকের সম্মতি ছাড়া গর্ভপাত করণ:
কোন ব্যক্তি যদি পূর্ববর্তী ধারায় বর্ণিত অপরাধটি সংশ্লিষ্ট স্ত্রীলোকের সম্মতি ছাড়া সম্পাদন করে স্ত্রীলোকটি আসন্ন প্রসবা হোক বা না হোক- তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

Section 313: Causing miscarriage without women's consent:
Whoever commits the offence defined in the last preceding section without the consent of the woman, whether the woman is quick with child or not, shall be punished with imprisonment for life, or with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.
১৬১.
দন্ডবিধি অনুসারে Kidnapping কত প্রকার?
  1. ২ প্রকার
  2. ৩ প্রকার
  3. ৪ প্রকার
  4. ৫ প্রকার
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ৩৫৯ ধারা মতে মনুষ্যহরণ বা অপহরণ ২ প্রকার। যথা: (i) বাংলাদেশ থেকে মনুষ্যহরণ (ii) আইনগত অভিভাবকের নিকট হতে মনুষ্যহরণ।
১৬২.
দণ্ডবিধির ধারা ১৯৩ অনুযায়ী কোনো ব্যক্তি বিচার বিভাগীয় কার্যক্রম ছাড়া অন্য ক্ষেত্রে ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা সাক্ষ্য দিলে সর্বোচ্চ কত বছরের কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. ১ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৫ বছর
  4. ৭ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৯৩ ধারা অনুযায়ী, যদি কোন ব্যক্তি বিচার বিভাগীয় কার্যক্রম ছাড়া অন্য কোন ক্ষেত্রে ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা সাক্ষ্য দেয় বা মিথ্যা সাক্ষ্য তৈরি করে, তবে তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড হতে পারে।
- ধারা ১৯৩ এর দ্বিতীয় অংশ: "Whoever intentionally gives or fabricates false evidence in any other case, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, and shall also be liable to fine."
- এটি পরিষ্কারভাবে বলে যে, বিচার বিভাগীয় কার্যক্রমের বাইরে মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার শাস্তি ৩ বছর পর্যন্ত হতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ১৯৩ ধারার বিধান মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার শাস্তি:
কোন ব্যক্তি যদি কোন বিচার বিভাগীয় কার্যক্রমের যে কোন পর্যায়ে ইচ্ছাপূর্বক মিথ্যা সাক্ষ্যদান ব্যবহার করার জন্য ইচ্ছাপূর্বক মিথ্যা সাক্ষ্য তৈরি করে, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং এতদ্‌ব্যতীত তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে; এবং
-কোন ব্যক্তি যদি অপর কোন ক্ষেত্রে ইচ্ছাপূর্বক মিথ্যা সাক্ষ্য দান করে বা তৈরি করে, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।
-ব্যাখ্যা (Explanation) ১:- সামরিক আদালত (Court-martial) সংঘটিত বিচারও একটি বিচার বিভাগীয় কার্যক্রম।
- ব্যাখ্যা (Explanation) ২:- কোন আদালতের কোন কার্যক্রম শুরু হওয়ার পূর্বে আইনের নির্দেশানুগ প্রারম্ভিক তদন্ত ও বিচারবিভাগীয় কার্যক্রমের একটি পর্যায় যদিও সে তদন্ত কোন আদালতে সংঘটিত নাও হতে পারে।
- ব্যাখ্যা (Explanation) ৩:- কোন আদালত দ্বারা আইনানুসারে নির্দেশিত এবং কোন আদালতের ক্ষমতানুসারে পরিচালিত কোন তদন্ত বিচারবিভাগীয় কার্যক্রমের একটি পর্যায় যদিও সে তদন্ত কোন আদালতে সংঘটিত নাও হতে পারে।
------------
⇒ The Penal Code, 1860-Section-193. Punishment for false evidence: Whoever intentionally gives false evidence in any stage of judicial proceeding, or fabricates false evidence for the purpose of being used in any stage of a judicial proceeding, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine;
and whoever intentionally gives or fabricates false evidence in any other case, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, and shall also be liable to fine.
Explanation -1.-A trial before a Court-martial is a judicial proceeding.
Explanation -2.-An investigation directed by law preliminary to a proceeding before a Court of Justice, is a stage of a judicial proceeding, though that investigation may not take place before a Court of Justice.
Explanation -3.-An investigation directed by a Court of Justice according to law, and conducted under the authority of a Court of Justice, is a stage of a judicial proceeding, though that investigation may not take place before a Court of Justice.
১৬৩.
‘A’ জনসমক্ষে বলে, “Z একজন সৎ ব্যক্তি নন, তিনি B-এর ঘড়ি চুরি করেছেন,” এই উদ্দেশ্যে যাতে Z-এর সুনাম ক্ষুণ্ন হয়। এটি সত্য নয় এবং কোনো ব্যতিক্রমের আওতায় পড়ে না। দণ্ডবিধির বিধান অনুসারে এই অপরাধের নাম কী?
  1. প্রতারণা
  2. মানহানি
  3. ক্ষতিসাধন
  4. মিথ্যা অভিযোগ
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪৯৯ অনুসারে, কোনো ব্যক্তির সুনাম ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে বা জেনেশুনে যে এটি সুনাম ক্ষুণ্ন করবে, এমনভাবে মুখে, লিখিতভাবে, চিহ্নের মাধ্যমে, বা দৃশ্যমান উপস্থাপনার মাধ্যমে অভিযোগ করা মানহানি (Defamation) হিসেবে গণ্য। এখানে, ‘A’ জনসমক্ষে বলেছে যে “Z একজন সৎ ব্যক্তি নন, তিনি B-এর ঘড়ি চুরি করেছেন,” যা মিথ্যা এবং Z-এর সুনাম ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে করা হয়েছে। এটি কোনো ব্যতিক্রমের (Exceptions) আওতায় পড়ে না, তাই ধারা ৪৯৯-এর অধীনে মানহানি হিসেবে গণ্য। ধারা ৫০০ অনুসারে, এই অপরাধের শাস্তি হলো ২ বছর পর্যন্ত সাধারণ কারাদণ্ড, জরিমানা, বা উভয়ই।

অর্থাৎ ‘A’-এর কাজ ধারা ৪৯৯-এর অধীনে মানহানি হিসেবে গণ্য। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো খ) মানহানি।

১৬৪.
কোনো ব্যক্তি তার দখলাধীন প্রাণীর জন্য যথাযথ ব্যবস্থা না নিলে এবং তা যদি কোনো মানুষের জীবনকে ঝুঁকিতে ফেলে, তাহলে তার সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1. ৩ মাসের কারাদণ্ড
  2. ৬ মাসের কারাদণ্ড
  3. ১ বছরের কারাদণ্ড
  4. ২ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ২৮৯ ধারার বিধান: প্রাণী সম্পর্কে অবহেলামূলক আচরণ করা:
কোন ব্যক্তি যদি তার দখলভুক্ত কোন প্রাণী সম্পর্কে এমন কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করতে জ্ঞাতসারে বা অবহেলামূলকভাবে অন্যথা করে, যে ব্যবস্থা উক্ত প্রাণী হতে মানুষের জীবনের প্রতি সম্ভাব্য বিপদের বিরুদ্ধে অথবা নিশ্চয়তা বিধানের জন্য পর্যাপ্ত, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণ অর্থদণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

Section-289. Negligent conduct with respect to animal:
Whoever knowingly or negligently omits to take such order with any animal in his possession as is sufficient to guard against any probable danger to human life, or any probable danger of grievous hurt from such animal, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to six months, or with fine which may extend to one thousand taka, or with both.
১৬৫.
'ক' একটি বাড়িতে পরিকল্পিত হত্যার উদ্দেশ্যে অনধিকার প্রবেশ করে, তার শাস্তি কী হবে?
  1. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  2. ১০ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড
  3. শুধুমাত্র অনধিকার প্রবেশের শাস্তি পাবে
  4. ক বা খ
ব্যাখ্যা
• ধারা ৪৪৯: মৃত্যুদণ্ডযোগ্য অপরাধ করার উদ্দেশ্যে গৃহে অনধিকার প্রবেশ-
যে কেউ কোনো মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ সংঘটন করার উদ্দেশ্যে গৃহে অনধিকার প্রবেশ করলে তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা দশ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হবে এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।

Section 449: House-trespass in order to commit offence punishable with death-
Whoever commits house-trespass in order to the committing of any offence punishable with death, shall be punished with imprisonment for life, or with rigorous imprisonment for a term not exceeding ten years, and shall also be liable to fine.
১৬৬.
দণ্ডবিধির কোন ধারা অনুযায়ী বাংলাদেশে সমকামীতা অপরাধ?
  1. দণ্ডবিধির ৩৭৫ ধারা
  2. দণ্ডবিধির ৩৭৬ ধারা
  3. দণ্ডবিধির ৩৭৭ ধারা
  4. দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৭ ধারায় অস্বাভাবিক অপরাধ বা Unnatural offence এর শাস্তি রয়েছে। দণ্ডবিধির ৩৭৭ ধারামতে কোন পুরুষ, নারী বা জন্তুর সাথে প্রাকৃতিক নিয়মের বিরুদ্ধে যৌন সহবাসের শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা অনধিক ১০ বৎসর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৭ ধারার অধীন সমকামিতা, পায়ুপথে যৌন সংগম এবং জন্তুর সাথে যৌন সংগম অস্বাভাবিক অপরাধ (Unnatural offence) বলে গণ্য হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৭ ধারার বিধান অস্বাভাবিক অপরাধসমূহ:- কোন ব্যক্তি যদি প্রকৃতির নিয়মের বিরুদ্ধে কোন পুরুষ, স্ত্রীলোক বা পশুর সাথে যৌন সঙ্গম করে, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে, অথবা দেশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

⇒ ব্যাখ্যা:- এই ধারায় বর্ণিত অপরাধের জন্য আবশ্যকীয় যৌন সঙ্গমের জন্য যৌনাঙ্গ প্রবিষ্ট করাই যথেষ্ট হবে।
----------------
⇒ Unnatural offences:
Section 377. Whoever voluntarily has carnal intercourse against the order of nature with any man, woman or animal, shall be punished with imprisonment for life, or with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.

Explanation. Penetration is sufficient to constitute the carnal intercourse necessary to the offence described in this section.
১৬৭.
এক ব্যক্তি তার স্ত্রীকে আঘাত করার উদ্দেশ্যে আঘাত করতে গিয়ে কোলের নবজাতক শিশুর গায়ে আঘাত লাগে এবং শিশুটি মারা যায়। এক্ষেত্রে The Penal Code, 1860 এর ৩০০ ধারার কোন ব্যতিক্রমটি প্রযোজ্য হবে?
ব্যাখ্যা
ব্যতিক্রম ১:- যেক্ষেত্রে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুন পরিগণিত হবে নাঃ- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি মারাত্মক ও আকস্মিক প্ররোচনার ফলে অপরাধী আত্ম-সংযমশক্তি হারাইয়া ফেলে এবং যে ব্যক্তি প্ররোচনা দান করেছে, সে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায় অথবা ভুলক্রমে বা দুর্ঘটনাক্রমে অপর কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায়।
উপরোক্ত ব্যতিক্রমটি নিম্নোক্ত শর্তাবলী সাপেক্ষে:-
প্রথমত, প্ররোচনাটি কোন ব্যক্তিকে হত্যা করার বা তার ক্ষতি সাধনের অজুহাতস্বরূপ অপরাধী কর্তৃক স্বয়ং প্রার্থীত বা প্ররোচিত হতে পারবে না।
দ্বিতীয়ত, উক্ত প্ররোচনাটি আইনানুসারে কৃত কোন কার্য দ্বারা বা কোন সরকারী কর্মচারীর সরকারী কর্মচারী হিসেবে যথাযোগ্য ক্ষমতাবলীর আইনসম্মত প্রয়োগসঞ্জাত হতে পারবে না।
তৃতীয়ত, প্ররোচনা আত্মরক্ষার ব্যক্তিগত অধিকারের আইনসম্মত প্রয়োগক্রমে সম্পাদিত কোন কার্য পালন হতে পারবে না।

ব্যাখ্যা:- প্ররোচনাটি এমন মারাত্মক ও আকস্মিক ছিল কিনা, যার ফলে অপরাধটি খুনের শামিল হবে না, তা একটি ঘটনাগত প্রশ্ন।
-----------------
Section 300 Exception-1: When culpable homicide is not murder:
-Culpable homicide is not murder if the offender, whilst deprived of the power of self-control by grave and sudden provocation, causes the death of the person who gave the provocation or cause the death of any other person by mistake or accident. 
 
The above exception is subject to the following provisos:
Firstly.-That the provocation is not sought or voluntarily provoked by the offender as an excuse for killing or doing harm to any person. 
Secondly.-That the provocation is not given by anything done in obedience to the law, or by a public servant in the lawful exercise of the powers of such public servant.
Thirdly.-That the provocation is not given by anything done in the lawful exercise of the right of private defence.

Explanation.- Whether the provocation was grave and sudden enough to prevent the offence from amounting to murder is a question of fact.
১৬৮.
শুধুমাত্র চুরি করার সর্বোচ্চ শাস্তি কি?
  1. ৩ বৎসর কারাদণ্ড
  2. ৭ বৎসর কারাদণ্ড
  3. ৪ বৎসর কারাদণ্ড
  4. ৫ বৎসর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৯ ধারার বিধান চুরি করার সাজা:- কোন ব্যক্তি যদি চুরি করে, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
----------
⇒ Section 379 Punishment for theft: Whoever commits theft shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both.
১৬৯.
দণ্ডবিধির ৪৬৬ ধারা অনুসারে কোনো আদালতের রেকর্ড বা জনসাধারণের নিবন্ধন জাল করলে সর্বোচ্চ কী শাস্তি হতে পারে?
  1. ২ বছর কারাদণ্ড
  2. ৭ বছর কারাদণ্ড
  3. ১০ বছর কারাদণ্ড
  4. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪৬৬ ধারা অনুসারে, যদি কেউ কোনো নথি জাল করে যেটি আদালতের রেকর্ড, জন্ম, মৃত্যু, বিবাহ বা দাফনের সরকারি নিবন্ধন, সরকারি কর্মচারীর অফিসিয়াল দলিল বা সার্টিফিকেট, পাওয়ার অব অ্যাটর্নি বা মামলা পরিচালনার অনুমতিপত্র তবে তা গুরুতর জালিয়াতি (forgery) হিসেবে গণ্য হয়।
- শাস্তি: এ অপরাধে সর্বোচ্চ ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড (যে কোনো ধরনে) এবং জরিমানা হতে পারে।
 - অতএব, সঠিক উত্তর: খ) ৭ বছর কারাদণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ৪৬৬ ধারা আদালতের নথিপত্র বা সরকারী রেজিস্টার ইত্যাদি জালকরণ:
- কোন ব্যক্তি যদি এমন একটি দলিল জাল করে যা কোন বিচারালয়ের নথি অথবা প্রসিডিং কিংবা কোন বিচারালয়ে উত্থাপিত নথি বা প্রসিডিং বলে অথবা কোন জন্ম, খ্রিস্টানদের ধর্মীয় অনুষ্ঠান, বিবাহ কিংবা সমাধিকরণের রেজিস্টার বলে অথবা কোন সরকারী কর্মচারী কর্তক সরকারী কর্মচারী হিসেবে রক্ষিত রেজিস্টার বলে অথবা কোন সরকারী কর্মচারী দ্বারা তার সরকারী পদ মর্যাদা বলে কৃত সার্টিফিকেট বা দলিল বলে, অথবা কোন মামলা দায়ের করার বা উহাতে পক্ষ সমর্থনের কিংবা উহাতে কোন কার্যক্রম গ্রহণের রায় মানার কিংবা পাওয়ার অব এটনী বলে প্রতিভাত হয়, তবে উক্ত ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম কিংবা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

⇒ The Penal Code, 1860, Section- 466. Forgery of record of Court or of public register, etc:
Whoever forges a document, purporting to be a record or proceeding of or in a Court of Justice, or a register of birth, baptism, marriage or burial, or a register kept by a public servant as such, or a certificate or document purporting to be made by a public servant in his official capacity, or an authority to institute or defend a suit, or to take any proceedings therein, or to confess judgment, or a power of attorney, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.
১৭০.
আইনানুগভাবে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার আদেশে সৈনিক ভিড়ের উপর গুলি করলে এটি অপরাধ নয়। এটি দণ্ডবিধির কোন ধারা অনুযায়ী দায়মুক্ত?
  1. ধারা ৭৬
  2. ধারা ৭৭
  3. ধারা ৮০
  4. ধারা ৮৪
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৭৬ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি আইন দ্বারা বাধ্য থাকে, অথবা ঘটনার ভ্রান্তি (mistake of fact)-এর কারণে সদিচ্ছায় নিজেকে আইন দ্বারা বাধ্য মনে করে কোনো কাজ সম্পাদন করে, তবে সেটি অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না।
- এই পরিস্থিতিতে, সৈনিক তার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার আইনানুগ আদেশ মেনে কাজ করেছে, যা ধারা ৭৬-এর আওতাভুক্ত। তাই এটি একটি দায়মুক্তি (exception) এবং সৈনিক কোনো অপরাধের জন্য দায়ী হবে না।

⇒  দণ্ডবিধির ৭৬ ধারার বিধান- আইনবলে বাধ্য বা ভুল ধারণাবশতঃ নিজেকে আইনবলে বাধ্য বলে বিশ্বাসকারী ব্যক্তিবিশেষ কর্তৃক সম্পাদিত কার্য:
যে ব্যক্তি কোন কাজ করতে আইনত: বাধ্য বলে কোন কাজ সম্পাদন করলে, অথবা আইনের কাজটি ভুল না করে ঘটনা সম্পর্কে ভুলবশত: কাজটি করতে আইনত: বাধ্য বলে সরল মনে বিশ্বাস করে সে ব্যক্তি কোন কাজ সম্পাদন করলে তা অপরাধ হবে না।
উদাহরণসমূহ:
(ক) ক একজন সৈনিক। সে তার উর্ধ্বতন অফিসারের নির্দেশক্রমে আইনের বিধানমতে কোন জনতার উপর গুলিবর্ষণ করে। ক-এর গুলিবর্ষণ কাজ অপরাধ হবে না।
(খ) বিচারালয়ের জনৈক কর্মকর্তা 'ক' উক্ত বিচারালয় কর্তৃক ম-কে গ্রেফতার করার জন্য আদিষ্ট হয়ে এবং যথাযথ তদন্তের পর 'খ'-কে 'ম' মনে করে 'খ'-কে গ্রেফতার করেন। 'ক' কোন অপরাধ সংঘটন করেন নাই।
---------
⇒The Penal Code, 1860-Section 76: Act done by a person bound, or by mistake of fact believing himself bound, by law:
Nothing is an offence which is done by a person who is, or who by reason of a mistake of fact and not by reason of a mistake of law in good faith believes himself to be, bound by law to do it.
Illustrations:
(a) A, a soldier, fires on a mob by the order of his superior officer, in conformity with the commands of the law. A has committed no offence.
(b) A, an officer of a Court of Justice, being ordered by that Court to arrest Y, and, after due enquiry, believing Z to be Y, arrests Z. A has committed no offence.

১৭১.
দণ্ডবিধির কত ধারায় খুনের শাস্তির বিধান রয়েছে?
  1. ৩০০
  2. ৩০২
  3. ২৯৯
  4. ৫৩
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০২ ধারার বিধান খুনের সাজা:- কোন ব্যক্তি যদি খুনের অপরাধ করে তবে উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
-----------------
⇒ Section 302. Punishment for murder:-Whoever commits murder shall be punished with death, or imprisonment for life, and shall also be liable to fine. 
১৭২.
ইভ-টিজিং করার সর্বোচ্চ শাস্তি-
  1. ১ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
  2. ১ বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  3. ১ মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  4. ৬ মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধি ৫০৯ ধারা অনুযায়ী কোন নারীর শ্লীলতাহানী বা অমর্যাদা করার উদ্দেশ্যে কোন কথা, অঙ্গভঙ্গি, বস্তু প্রদর্শন বা কোন কাজ করার শাস্তি হলো অনধিক ১ বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড। ইভ-টিজিং করার শাস্তি ৫০৯ ধারায় প্রদান করা হয়।

♦ অর্থাৎ ইভ-টিজিং করার সর্বোচ্চ শাস্তি ১ বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড।
১৭৩.
দণ্ডবিধির কত ধারায় চুরির শাস্তির বিধান আছে?
  1. ৩৭৮
  2. ৩৭৯
  3. ৩৮২
  4. ৩৮৩
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৯ ধারার বিধান চুরি করার সাজা:- কোন ব্যক্তি যদি চুরি করে, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
----------
⇒ Section 379 Punishment for theft: Whoever commits theft shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both.
১৭৪.
A একটি বিচারালয়ের অফিসার। উক্ত আদালত কর্তৃক-Y কে আটক করার আদেশ প্রাপ্ত হয়ে এবং যথাযথ অনুসন্ধান করার পর Z কে Y মনে করে Z কে আটক করে। এই ক্ষেত্রে A এর অপরাধ-
  1. বেআইনী বাধা প্রদান করেছে
  2. কোন অপরাধ করেনি
  3. অপহরণ করেছে
  4. অবৈধ আটক করেছে
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ৭৬ ধারার বিধান- আইনবলে বাধ্য বা ভুল ধারণাবশত নিজেকে আইনবলে বাধ্য বলিয়া বিশ্বাসকারী ব্যক্তি বিশেষে কর্তৃক সম্পাদিত কার্য:

⇒ যে ব্যক্তি কোন কাজ করতে আইনত বাধ্য বলে কোন কাজ সম্পাদন করলে, অথবা আইনের কাজটি ভুল না করে ঘটনা সম্পর্কে ভুলবশতঃ কাজটি করতে আইনত বাধ্য বলে সরল মনে বিশ্বাস করে সে ব্যক্তি কোন কাজ সম্পাদন করলে তা অপরাধ হবে না।

♦ উদাহরণসমূহ:
⇒ (ক) ক একজন সৈনিক। সে তার উর্ধ্বতন অফিসারের নির্দেশক্রমে আইনের বিধানমতে কোন জনতার উপর গুলিবর্ষণ করে। ক-এর গুলিবর্ষণ কাজ অপরাধ হবে না।

⇒ (খ) বিচারালয়ের জনৈক কর্মকর্তা 'ক' উক্ত বিচারালয় কর্তৃক ম-কে গ্রেফতার করার জন্য আদিষ্ট হয়ে এবং যথাযথ তদন্তের পর; 'খ'- কে 'ম' মনে করে 'খ'-কে গ্রেফতার করেন। 'ক' কোন অপরাধ সংঘটন করেন নাই।
১৭৫.
দণ্ডবিধির ৪৯৪ ধারার আওতায়, কোন ক্ষেত্রে ব্যক্তি সাত বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে?
  1. যদি এক স্বামী বা স্ত্রীর জীবদ্দশায় পুনরায় বিবাহ করে
  2. যদি স্বামী বা স্ত্রীর মৃত্যু হলে পুনরায় বিবাহ করে
  3. যদি বিবাহের সময় প্রাক্তন স্ত্রীর সম্মতি না পাওয়া যায়
  4. যদি পুনরায় বিবাহের পরে আগের স্ত্রীর সাথে সম্পর্ক থাকে
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৪৯৪ ধারা- স্বামী বা স্ত্রীর জীবদ্দশায় পুনরায় বিবাহ করা:
কোন ব্যক্তি যদি এক স্বামী বা এক স্ত্রী জীবিত থাকা সত্ত্বেও এমন কোন পরিস্থতিতে বিবাহ করে, যে পরিস্থিতিতে স্বামী বা স্ত্রী জীবিত থাকা অবস্থায় সংঘটিত বলে অনুরূপ বিষয়টি অবৈধ হয়েছে, তবে উক্ত ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

ব্যতিক্রম:
অনুরূপ স্বামী বা স্ত্রীর সাথে যে ব্যক্তির বিবাহ কোন উপযুক্ত আদালত দ্বারা নাকচ বলে ঘোষণা করা হয়েছে, সে ব্যক্তির ক্ষেত্রে এই ধারাটি প্রয়োগযোগ্য হবে না। কিংবা যে প্রাক্তন স্বামী বা স্ত্রীর জীবদ্দশায় বিবাহ সংঘটিত হচ্ছে, বিবাহের সময় পর্যন্ত যে প্রাক্তন স্বামী বা স্ত্রী যদি পূর্ববর্তী সাত বৎসর পর্যন্ত ক্রমাগত পরবর্তী বিবাহ অনুষ্ঠানকারীর নিকট থেকে অনুপস্থিত থেকে থাকে এবং সে সাত বৎসর যাবৎ অনুরূপ প্রাক্তন স্বামী বা স্ত্রী জীবিত রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি না শুনে থাকে তবে তার ক্ষেত্রে এই ধারা প্রয়োগযোগ্য হবে না; তবে পরবর্তী বিবাহকালে বিবাহ অনুষ্ঠানকারী ব্যক্তি যার সাথে তার বিবাহ হচ্ছে তাকে বিবাহ সংঘটিত হওয়ার পূর্বে তার জ্ঞাত সকল ঘটনা সংক্রান্ত প্রকৃত পরিস্থিতি সম্পর্কে অবহিত করতে হবে।

Section 494- Marrying again during life-time of husband or wife:
Whoever, having a husband or wife living, marries in any case in which such marriage is void by reason of its taking place during the life of such husband or wife, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.

Exception:
This section does not extend to any person whose marriage with such husband or wife has been declared void by a Court of competent jurisdiction, nor to any person who contracts a marriage during the life of a former husband or wife, if such husband or wife, at the time of the subsequent marriage, shall have been continually absent from such person for the space of seven years, and shall not have been heard of by such person as being alive within that time provided the person contracting such subsequent marriage shall, before such marriage takes place, inform the person with whom such marriage is contracted of the real state of facts so far as the same are within his or her knowledge.
১৭৬.
'A' 'Z' কে নিহত করার উদ্দেশ্যে তার প্রতি গুলিবর্ষণ করে, ফলে 'Z' এর মৃত্যু হয়। 'A' কি অপরাধ করেছে?
  1. খুন
  2. নরহত্যা
  3. অপরাধজনক নরহত্যা
  4. আত্মহত্যার সহায়তাকরণ
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০০ ধারার বিধান খুন:- খুনের সবক্ষেত্রে ব্যতিক্রম নির্দেশ করা হয়েছে। সে সকল ক্ষেত্র ব্যতীত অন্যান্য সকল ক্ষেত্রে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুন হবে, যদি যে কার্যটি কর্তৃক মৃত্যু অনুষ্ঠিত হয়, সে কার্যটি মৃত্যু সংঘটনের জন্যই করা হয়ে থাকে, অথবা
দ্বিতীয়ত, যদি কার্যটি কোন ব্যক্তিকে এমনভাবে দৈহিক আঘাত দেওয়ার উদ্দেশ্যে করা হয়ে থাকে, যে আঘাতের ফলে যে ব্যক্তিকে আঘাত দেওয়া হল, সে ব্যক্তির মৃত্যু হতে পারে বলে অপরাধী জানে, অথবা
তৃতীয়ত, যদি কোন ব্যক্তিকে দৈহিক আঘাত দানের উদ্দেশ্যে কার্যটি করা হয় এবং যদি যে দৈহিক আঘাত দেওয়ার অভিসন্ধি করা হয়েছে, সে আঘাতটি প্রকৃতির স্বাভাবিক গতিতে মৃত্যু ঘটাবার পক্ষে যথেষ্ট হয়, অথবা
চতুর্থত, যদি যে ব্যক্তি কার্যটি অনুষ্ঠান করে সে ব্যক্তি জানে যে, কার্যটি এমন আশু বিপজ্জনক যে, ইহার দরুণ খুব সম্ভব মৃত্যু ঘটবে, অথবা ইহার দরুণ অবশ্যই এমন দৈহিক আঘাত ঘটবে, যার ফলে মৃত্যু ঘটতে পারে এবং মৃত্যু ঘটাবার বা অনুরূপ দৈহিক আঘাত ঘটাবার ঝুঁকি গ্রহণের অপর কোন অজুহাত ব্যতিরেকে অনুরূপ কার্য করে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩০০ ধারার (উদা:ক)।
--------------------
Murder:
Section 300. Except in the cases hereinafter excepted, culpable homicide is murder, if the act by which the death is caused is done with the intention of causing death, or-
Secondly.-If it is done with the intention of causing such bodily injury as the offender knows to be likely to cause the death of the person to whom the harm is caused, or –
Thirdly.-If it is done with the intention of causing bodily injury to any person and the bodily injury intended to be inflicted is sufficient in the ordinary course of nature to cause death, or –
Fourthly.-f the person committing the act knows that it is so imminently dangerous that it must, in all probability, cause death, or such bodily injury as is likely to cause death, and commits such act without any excuse for incurring the risk of causing death or such injury as aforesaid.

Illustrations
(a) A shoots Z with the intention of killing him. Z dies in consequence. A commits murder.
১৭৭.
X, Y এর স্বর্ণের আংটিটি Y এর সম্মতি ছাড়া এই উদ্দেশ্যে নিয়ে যায় যে, Y বিনিময়ে কিছু টাকা না দেয়া পর্যন্ত আংটিটি X নিজ দখলে রাখবে। X এর অপরাধ কী?
  1. চুরি
  2. প্রতারণা
  3. অপরাধমূলক সম্পত্তি আত্মসাৎকরণ
  4. অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ
ব্যাখ্যা
এই ক্ষেত্রে, X এর অপরাধ হবে "চুরি" (Theft)।
যেহেতু X, Y এর সম্মতি ছাড়াই Y এর স্বর্ণের আংটিটি নিয়ে যায় এবং উদ্দেশ্য ছিল আংটিটি X নিজের কাছে রেখে, Y কে কিছু টাকা না দিলে ফেরত না দেওয়ার, এই কাজটি চুরি হিসেবে গণ্য হবে।
ধারা ৩৭৮ অনুযায়ী, চুরি সংঘটিত হয় যখন কোন ব্যক্তি অন্যের দখল থেকে তার সম্মতি ছাড়া সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণ করে। X এখানে Y এর সম্মতি ছাড়াই আংটিটি নিয়ে গেছে, এবং তার উদ্দেশ্য ছিল আংটিটি নিজে দখলে রাখা যতক্ষণ না Y টাকা দেয়, যা একটি চুরির ঘটনা হিসেবে পরিগণিত হবে।

ধারা: ৩৭৮ - চুরি.
- কোন ব্যক্তি যদি কারো দখল হতে তার সম্মতি ব্যতীত কোন অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণ করার উদ্দেশ্য নিয়ে উক্ত সম্পত্তি অনুরূপভাবে গ্রহণের জন্য স্থানান্তর করে, তবে উক্ত ব্যক্তি চুরি করেছে বলে গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ১:- কোন বস্তু যতক্ষণ পর্যন্ত অস্থাবর সম্পত্তি না হওয়া বিধায় মাটির সাথে যুক্ত থাকে, ততক্ষণ পর্যন্ত উহা চুরি করার বস্তু বলে গণ্য হবে না, কিন্তু যে মুহুর্তে উহাকে মাটি হতে বিচ্ছিন্ন করা হয় সে মহুর্তেই উহা চুরি করার বস্তু হওয়ার যোগ্য গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ২:- যে কাজ কর্তৃক (মাটি হতে) বিচ্ছিন্নতা সাধন করা হয়, সে কাজ দ্বারাই স্থানান্তর করা হলে তা চুরি হতে পারে।
ব্যাখ্যা ৩:- কোন ব্যক্তি কোন বস্তুর গতির প্রতিবন্ধক অপসারণ করলে বা উহাকে অপর কোন বস্তু হতে বিচ্ছিন্ন করলে এবং বাস্তবিকভাবে উহা স্থানান্তর করলে উক্ত বস্তু স্থানান্তর করে বলে পরিগণিত হবে।
ব্যাখ্যা ৪:- কোন ব্যক্তি যে কোন উপায়ে কোন পশুকে হাটায়, সে লোক সে পশুকে এবং অনুরূপভাবে সৃষ্ট গতির ফলে উক্ত পশু দ্বারা স্থানান্তরিত প্রত্যেক বস্তুকে স্থানান্তর করে বলে গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ৫:- সংজ্ঞায় উল্লেখিত সম্মতি প্রকাশ্য অথবা পরোক্ষ হতে পারে এবং উক্ত সম্মতি দখলকারী ব্যক্তি বা উক্ত উদ্দেশ্য প্রকাশ্য বা পরোক্ষ ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তির দ্বারা প্রদত্ত হতে পারে।

উদাহরণসমূহ:
(ঠ) ক গ-এর একটি দ্রব্য গ-এর সম্মতি ছাড়া গ-এর দখল হতে নিয়ে যায়। ক-এর উদ্দেশ্য গ-এর নিকট থেকে তার দ্রব্য প্রত্যপণের পুরস্কারস্বরূপ অর্থ না পাওয়া পর্যন্ত সে উহা রেখে দিবে। এখানে ক অসাধুভাবে দ্রব্যটি নিয়ে গিয়েছে; সুতরাং ক চুরি করেছে বলে পরিগণিত হবে ।

Illustrations
(l) A takes an article belonging to Z out of Z's possession without Z's consent, with the intention of keeping it until he obtains money from Z as a reward for its restoration. Here A takes dishonestly; A has therefore committed theft.
১৭৮.
Abetment এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে?
  1. ১০৫ ধারায়
  2. ১০৭ ধারায়
  3. ১০৮ ধারায়
  4. ১০৬ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ ধারা ১০৭ অনুযায়ী যে সমস্ত কাজ করলে অপরাধ হয় সেই সমস্ত কাজ করার জন্য প্রত্যক্ষভাবে বা পরোক্ষভাবে কোন ইন্ধন যোগান কিংবা সমর্থন করাকে আইনের ভাষায় প্ররোচনা বা Abetment বলা হয়ে। 

♦ ১০৭ ধারা অনুযায়ী ৩ ভাবে প্ররোচনা বা অপরাধে সহায়তা অপরাধ হতে পারে।

(i) কাউকে প্ররোচিত করে 
(ii) ষড়যন্ত্রে অংশগ্রহণ করে
(iii) কার্য বা কার্যবিরতি দ্বারা ইচ্ছাকৃতভাবে সাহায্য করে
১৭৯.
দণ্ডবিধির কত ধারায় চুরির শাস্তির বিধান রয়েছে?
  1. দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারায়
  2. দণ্ডবিধির ৩৭৯ ধারায়
  3. দণ্ডবিধির ৩৮০ ধারায়
  4. দণ্ডবিধির ৩৮৪ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৯ ধারার বিধান চুরি করার সাজা:- কোন ব্যক্তি যদি চুরি করে, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
----------
⇒ Section 379 Punishment for theft: Whoever commits theft shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both.
১৮০.
'ক' অবৈধভাবে 'গ' এর অবৈধ ক্ষতি সাধন করার ইচ্ছায় স্বেচ্ছাকৃতভাবে 'গ' এর মালিকানাধীন একটি মূল্যবান জামানত পুড়িয়ে ফেলে। 'ক' এর অপরাধ-
  1. বিশ্বাসভঙ্গ
  2. অনিষ্টসাধন
  3. অবৈধভাবে ক্ষতি করা
  4. ক এবং খ
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধি ৪২৫ ধারা অনুযায়ী অন্যের অন্যায় ক্ষতি বা লোকসানের (Wrongful loss or damage) উদ্দেশ্যে কোন সম্পত্তি ধ্বংস বা বিনষ্ট অথবা সম্পত্তির মূল্য/উপযোগীতা হ্রাস বা ক্ষতিগ্রস্ত করাকে অনিষ্টসাধন বা ক্ষতি (mischief) বলে।
♦ Penal Code, 1860-এর ধারা ৪২৫ তে অনিষ্টসাধন এর সংজ্ঞা প্রদান করা হয়েছে। ক ইচ্ছাকৃতভাবে খ এর ক্ষতিসাধনের জন্য তার  জামানত পুড়িয়ে ফেলে যা ৪২৫ ধারার অপরাধ।
♦ দণ্ডবিধি ৪২৬ ধারা অনুযায়ী অনিষ্টসাধনের শাস্তি  রয়ছে।
১৮১.
নিচের কোন কাজটি দণ্ডবিধির ধারা ৩৫৪ এর অধীনে শাস্তিযোগ্য হবে?
  1. নারীকে উপহার দেওয়া
  2. নারীর সাথে কথা বলা
  3. নারীর কাছে টাকা চাওয়া
  4. নারীর শাড়ি টেনে শালীনতায় আঘাত
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৫৪ অনুযায়ী, কোনো নারীর শালীনতায় আঘাত করার উদ্দেশ্যে বা জ্ঞানসহকারে আক্রমণ বা অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করলে তা এই ধারার অধীনে শাস্তিযোগ্য। নারীর শাড়ি টেনে ধরা বা টান দেয়া তার শালীনতায় আঘাত করার একটি স্পষ্ট উদাহরণ, যা এই ধারায় অপরাধ হিসেবে গণ্য।
অন্যদিকে, উপহার দেওয়া, কথা বলা বা টাকা চাওয়া—এগুলো শালীনতায় আঘাত করার উদ্দেশ্য বা অপরাধমূলক বল প্রয়োগের অন্তর্ভুক্ত নয়, তাই সেগুলো ধারা ৩৫৪ এর অধীনে শাস্তিযোগ্য হবে না।

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৫৪ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি: কোনো নারীর উপর আক্রমণ (assault) বা অপরাধমূলক বল (criminal force) প্রয়োগ করে উদ্দেশ্য বা জ্ঞানসহকারে যে এতে তার শালীনতায় আঘাত (outrage modesty) পড়বে, তাহলে অপরাধী সর্বোচ্চ ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে। কারাদণ্ড (সশ্রম বা বিনাশ্রম) অথবা জরিমানা অথবা উভয় শাস্তি একসাথে প্রযোজ্য।
------
⇒ The Penal Code, 1860- Section- 354. Assault or criminal force to woman with intent to outage her modesty:
Whoever assaults or uses criminal force to any woman, intending to outrage or knowing it to be likely that he will thereby outrage her modesty, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.

১৮২.
দণ্ডবিধির ৩০৬ ধারায় কখন কোনো ব্যক্তি প্ররোচনা দানের শাস্তি পাবে?
  1. কোনো ব্যক্তি যদি আত্মহত্যার পরিকল্পনা করে
  2. কোনো ব্যক্তি যদি আত্মহত্যা করে
  3. কোনো ব্যক্তি যদি আত্মহত্যার চেষ্টা করে
  4. উপরের সকল ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৩০৬ ধারার বিধান: আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান-
কোনো ব্যক্তি যদি আত্মহত্যা করে, তবে যে ব্যক্তি আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান করবে, উক্ত ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

Section 306: Abetment of suicide-
If any person commits suicide, whoever abets the commission of such suicide, shall be punished with imprisonment either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.
১৮৩.
কোন পরিস্থিতিতে ধর্ষণ বলে গণ্য হবে?
  1. যদি স্ত্রীলোকটির ইচ্ছার বিরুদ্ধে যৌনসঙ্গম করা হয়
  2. যদি স্ত্রীলোকটির সম্মতি ব্যতিরেকে যৌনসঙ্গম করা হয়
  3. যদি পুরুষটি মৃত্যুর ভয় দেখিয়ে যৌনসঙ্গমের সম্মতি আদায় করে
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩৭৫ ধারা- ধর্ষণ:
কোন পুরুষ অতঃপর উল্লেখিত ব্যতিক্রম ভিন্ন অপর সকল ক্ষেত্রে নিম্নোক্ত পাঁচটি যেকোন অবস্থায় কোন স্ত্রীলোকের সাথে যৌনসঙ্গম করলে সে ধর্ষণ করেছে বলে পরিগণিত হবে।
প্রথমত: স্ত্রীলোকটির ইচ্ছার বিরুদ্ধে;
দ্বিতীয়ত: স্ত্রীলোকটির সম্মতি ব্যতিরেকে;
তৃতীয়ত: স্ত্রীলোকটির সম্মতিক্রমেই, যেক্ষেত্রে মৃত্যু বা জখমের ভয় প্রদর্শন করে স্ত্রীলোকটির সম্মতি আদায় করা হলে;
চতুর্থত: স্ত্রীলোকটির সম্মতিক্রমেই, যেক্ষেত্রে পুরুষটি জানে যে, সে স্ত্রীলোকটি স্বামী নয়, এবং পুরুষটি ইহার জানে যে, স্ত্রীলোকটি তাকে এমন অপর একজন পুরুষ বলে ভুল করেছে, যে পুরুষটির সাথে সে আইন সম্মতভাবে বিবাহিত হয়েছে বা বিবাহিত বলে বিশ্বাস করে;
পঞ্চমত: স্ত্রীলোকটি সম্মতিক্রমে অথবা সম্মতি ব্যতিরেকে, যদি স্ত্রীলোকটির বয়স চৌদ্দ বৎসরের কম হয়।

ব্যাখ্যা: ধর্ষণের অপরাধের জন্য আবশ্যকীয় যৌনসঙ্গমের জন্য যৌনাঙ্গ প্রবিষ্ট করাই যথেষ্ট গণ্য হবে।
ব্যতিক্রম: কোন পুরুষের কর্তৃক নিজ স্ত্রীর সাথে যৌনসঙ্গম ধর্ষণ বলে পরিগণিত হবে না, যদি স্ত্রী তের বৎসরে নিম্ন বয়স্কা না হয়।

Section 375- Rape:
A man is said to commit "rape" who except in the case hereinafter excepted, has sexual intercourse with a woman under circumstances falling under any of the five following descriptions:
Firstly- Against her will;
Secondly- Without her consent;
Thirdly- With her consent, when her consent has been obtained by putting her in fear of death, or of hurt;
Fourthly- With her consent, when the man knows that he is not her husband, and that her consent is given because she believes that he is another man to whom she is or believes herself to be lawfully married;
Fifthly- With or without her consent, when she is under fourteen years of age. 
 
Explanation- Penetration is sufficient to constitute the sexual intercourse necessary to the offence of rape. 
Exception- Sexual intercourse by a man with his own wife, the wife not being under thirteen years of age, is not rape.
১৮৪.
সরকারী কর্মচারীকে তার কর্তব্য পালনে বাধাদান করার জন্য ইচ্ছাকৃতভাবে আঘাত প্রদান করা The Penal Code, 1860 এর কত ধারায় শাস্তিযোগ্য?
  1. ৩৩৩ ধারা
  2. ৩৩২ ধারা
  3. ৩৩১ ধারা
  4. ৩৩০ ধারা
ব্যাখ্যা
♦The Penal Code, 1860 এর ৩৩২ ধারার বিধান সরকারী কর্মচারীকে তাহার কর্তব্য পালনে বাধাদান করিবার জন্য স্বেচ্ছাকৃতভাবে আঘাত দান করাঃ যে ব্যক্তি কোন সরকারী কর্মচারী হিসেবে তার কর্তব্যকর্ম সম্পাদনরত অবস্থায়, অথবা সে সরকারী কর্মচারীকে বা অন্য কোন সরকারী কর্মচারীকে অনুরূপ সরকারী কর্মচারী হিসেবে তার কর্তব্যকর্ম সম্পাদন হতে নিরস্ত, বা ব্যাহত করার উদ্দেশ্যে স্বেচ্ছাকৃতভাবে আহত করে, অথবা উক্ত সরকারী কর্মচারী অনুরূপ সরকারী কর্মচারী হিসেবে তার দায়িত্ব আইনানুগভাবে সম্পাদনের উদ্দেশ্যে কোন কাজ করেছেন ১০ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
১৮৫.
দণ্ডবিধি অনুযায়ী, কতজন ব্যক্তি মিলিতভাবে দস্যুতা করলে তা ডাকাতি (Dacoity) হিসেবে গণ্য হবে?
  1. দুই বা ততোধিক ব্যক্তি
  2. তিন বা ততোধিক ব্যক্তি
  3. চার বা ততোধিক ব্যক্তি
  4. পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৯১ অনুসারে পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি মিলিতভাবে দস্যুতা (robbery) করলে বা তার চেষ্টা করলে তা ডাকাতি (Dacoity) হিসেবে গণ্য হবে।
⇒ দণ্ডবিধির ৩৯১ ধারার বিধান ডাকাতি:- যদি পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটন করে বা দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করে, অথবা যদি কোন ক্ষেত্রে মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করে, অথবা যদি কোন ক্ষেত্রে মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটন প্রচেষ্টারত ব্যক্তির ও অনুরূপ কার্যে বা প্রচেষ্টায় সহায়তাকারী ব্যক্তির মোট সংখ্যা পাঁচ বা ততোধিক হয়, তবে অনুরূপ কাজ সংঘটনকারী বা প্রচেষ্টাকারী বা সহায়তাকারী প্রত্যেক ব্যক্তি ডাকাতি করছে বলে পরিগণিত হবে।
----------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section-391: Dacoity: When five or more persons conjointly commit or attempt to commit a robbery, or where the whole number of persons conjointly committing or attempting to commit a robbery, and persons present and aiding such commission or attempt, amount to five or more, every person so committing, attempting or aiding, is said to commit "dacoity".

১৮৬.
অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের ক্ষেত্রে সম্পত্তি কী ধরনের হতে পারে?
  1. শুধুমাত্র নগদ অর্থ
  2. শুধুমাত্র স্থাবর সম্পত্তি
  3. শুধুমাত্র অস্থাবর সম্পত্তি
  4. স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি
ব্যাখ্যা
উত্তর: স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি।

⇒ যদি কোনো ব্যক্তি বিশ্বাসের ভিত্তিতে অর্পিত সম্পত্তি আইন বা চুক্তির শর্ত লঙ্ঘন করে অসাধুভাবে আত্মসাৎ করেন, ব্যক্তিগত ব্যবহারে পরিণত করেন, অন্যকে হস্তান্তর করেন বা কাউকে তা করতে অনুমতি দেন, তবে এটি অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ।
উপাদান:
- বিশ্বাসের ভিত্তিতে সম্পত্তির দায়িত্বপ্রাপ্ত হওয়া
- স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি
- অসাধুভাবে আত্মসাৎ বা অন্যভাবে ব্যবহার করা
- নিজস্ব ব্যবহারে পরিণত করা, হস্তান্তর করা বা অনুমতি দেওয়া

⇒ দণ্ডবিধির ৪০৫ ধারার বিধান অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ:- কোন ব্যক্তি যদি কোনোভাবে কোন সম্পত্তির বা সম্পত্তি পরিচালনের দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়ে, অসাধুভাবে সে সম্পত্তি আত্মসাৎ করে বা নিজের ব্যবহারে প্রয়োগ করে, অথবা অনুরূপ দায়িত্ব যেভাবে নির্বাহিত হত বলে বিহিত আইনে নির্দেশ করা হয়েছে, তা খেলাফ করে সে দায়িত্ব নির্বাহ সম্পর্কে সে প্রকাশ্য বা অনুরূপ যে আইনগত চুক্তি করেছে তা খেলাফ করে সে সম্পত্তি অসাধুভাবে ব্যবহার করে, বা বিলি ব্যবস্থা করে অথবা ইচ্ছাপূর্বক অপর কোন ব্যক্তিকে তা করতে দেয়, তবে উক্ত ব্যক্তি 'অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের' অপরাধ করেছে।
-----------------------------
⇒ The Penal Code, 1860-Section 405: Criminal breach of trust:
-Whoever, being in any manner entrusted with property, or with any dominion over property, dishonestly misappropriates or converts to his own use that property, or dishonestly uses or disposes of that property in violation of any direction of law prescribing the mode in which such trust is to be discharged, or of any legal contract, express or implied, which he has made touching the discharge of such trust, or wilfully suffers any other person so to do, commits "criminal breach of trust".
১৮৭.
নিচের কোনটি তত্ত্বগত আইন (Substantive Law)-
  1. দণ্ডবিধি-1860
  2. ফৌজদারি কার্যবিধি 1898
  3. সাক্ষ্য আইন- 1872
  4. তামাদি আইন-1908
ব্যাখ্যা
♦যে আইন কোন অধিকারকে সংজ্ঞায়িত করে, সৃষ্টি করে এবং অর্পণ করে বা কোন শাস্তিকে সংজ্ঞায়িত করে এবং দায় আরোপ করে সেই আইনকে তত্ত্বগত বা মৌলিক আইন [Substantive Law] বলে। যেমন: সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, দণ্ডবিধি ইত্যাদি। দণ্ডবিধিতে বিভিন্ন অপরাধকে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে, উক্ত অপরাধের শাস্তি উল্লেখ করা হয়েছে। এই কারণে এটি একটি তত্ত্বগত আইন।
১৮৮.
ডাকাতি সংঘটনে প্রস্তুতির সর্বোচ্চ শাস্তি-
  1. ১০ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  2. ৭ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  3. ৫ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  4. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধি ৩৯৯ ধারা মতে ডাকাতি সংঘটনের প্রস্তুতির শাস্তি হলো অনধিক ১০ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড। প্রস্তুতি বলতে ডাকাতির দল সংগঠন করা, পরিকল্পনা করা, প্রভৃতি বোঝায়।
১৮৯.
'ক' জনৈক জমিদার। সে জানে যে, তার জমিদারির এলাকার মধ্যে একটি খুনের অপরাধ অনুষ্ঠিত হয়েছে। কিন্তু সে জেলার ম্যাজিস্ট্রেটকে ইচ্ছাপূর্বক এইরূপ ভ্রান্ত খবর দেয় যে, সাপে কামড়ের ফলে দুর্ঘটনা-ক্রমেই মৃত্যুটি অনুষ্ঠিত হয়েছে। 'ক' দণ্ডবিধির কোন ধারায় বর্ণিত অপরাধে অপরাধী হবে?
  1. ১৭৬ ধারা
  2. ১৭৭ ধারা
  3. ১৮১ ধারা
  4. ১৭৯ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৭৭ ধারার বিধান মিথ্যা তথ্য পরিবেশন:- কোন ব্যক্তি যদি কোন সরকারী কর্মচারীর নিকট, তিনি সরকারী কর্মচারী বলেই, কোন বিষয়ে তথ্য দিতে আইনত: বাধ্য হয়ে, সে বিষয়টির উপর সত্য বলে এমন কোন তথ্য পরিবেশন করে যা মিথ্যা বলে সে জানে বা যা মিথ্যা বলে বিশ্বাস করার তার কারণ রয়েছে, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে;
-অথবা উক্ত ব্যক্তি যে তথ্য দিতে আইনত বাধ্য, তা যদি কোন অপরাধের সংঘটন বিষয়ক হয়, বা কোন অপরাধের সংঘটন নিরোধের জন্য আবশ্যকীয় হয়, বা কোন অপরাধীকে গ্রেফতার করার জন্য আবশ্যকীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
উদাহরণ-
(ক) ক জনৈক জমিদার। সে জানে যে, তার জমিদারীর এলাকার মধ্যে একটি খুনের অপরাধ অনুষ্ঠিত হয়েছে। কিন্তু সে জেলার ম্যাজিস্ট্রেটকে ইচ্ছাপূর্বক এইরূপ ভ্রান্ত খবর দেয় যে, সৰ্প দংশনের ফলে দুর্ঘটনা-ক্রমেই মৃত্যুটি অনুষ্ঠিত হয়েছে। ক এই ধারায় বর্ণিত অপরাধে অপরাধী হবে।
অর্থাৎ 'ক' দণ্ডবিধির ১৭৭ ধারায় বর্ণিত অপরাধে অপরাধী হবে।


ব্যাখ্যা (Explanation): ১৭৬ ধারায় ও এই ধারায় অপরাধ’ কথাটি বলতে বাংলাদেশের মধ্যে অনুষ্ঠিত হলে যে কাজ নিম্নোক্ত ধারাসমূহে যে কোনটি অনুযায়ী দণ্ডনীয় হত, দেশের বাইরে যে কোন স্থানে অনুরূপ কোন কাজ অনুষ্ঠিত হলে তার বুঝাবে যথাঃ ৩০২, ৩০৪, ৩৮২, ৩৯২, ৩৯৩, ৩৯৪, ৩৯৫, ৩৯৬, ৩৯৭, ৩৯৮, ৩৯৯, ৪০২, ৪৩৫, ৪৩৬, ৪৪৯, ৪৫০, ৪৫৭, ৪৫৮, ৪৫৯ ও ৪৬০ ধারা; এবং অপরাধী বলতে অনুরূপ যে কোন কার্যের জন্য অপরাধী বলে অভিযুক্ত যে কোন ব্যক্তিকেও বুঝাবে।
------------------
⇒ Section 177: Furnishing false information:
-Whoever, being legally bound to furnish information on any subject to any public servant, as such, furnishes, as true, information on the subject which he knows or has reason to believe to be false, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to six months, or with fine which may extend to one thousand taka, or with both;
or, if the information which he is legally bound to give respects the commission of an offence, or is required for the purpose of preventing the commission of an offence, or in order to the apprehension of an offender, with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
১৯০.
'ক' একটি বাক্স ভেঙ্গে কিছু গহনা চুরির চেষ্টা করে। সে বাক্সটি ভেঙ্গে দেখতে পায় তাতে কোনো গহনা নেই। 'ক' The Penal Code, 1860 এর কোন ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছে?
  1. 411
  2. 379
  3. 380
  4. 511
ব্যাখ্যা

⇒ উল্লিখিত ঘটনাটি দণ্ডবিধির ধারা ৫১১-এর একটি স্পষ্ট উদাহরণ, যা ধারাটির উদাহরণ (Illustration)-এও উল্লেখ আছে।
- দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৫১১ অনুসারে, যাবজ্জীবন বা কারাদণ্ডযোগ্য অপরাধের উদ্যোগ (attempt) করলে এবং সেই উদ্যোগে কোনো কাজ করলে (যদি এর জন্য আলাদা বিধান না থাকে), তাহলে অপরাধটির শাস্তির অর্ধেক পর্যন্ত কারাদণ্ড, জরিমানা বা উভয় দ্বারা শাস্তিযোগ্য। এখানে ‘ক’-এর বাক্স ভাঙ্গা চুরির উদ্যোগের কাজ (act towards commission), যা ধারা ৫১১-এর উদাহরণ (ক)-এর মতোই। চুরি সংঘটিত না হলেও উদ্যোগ শাস্তিযোগ্য।

⇒ দণ্ডবিধির ৫১১ ধারার বিধান যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ সংঘটনের উদ্যোগের সাজা:-
কোন ব্যক্তি যদি এই বিধিবলে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় কোন অপরাধ সংঘটন করার অথবা অনুরূপ কোন অপরাধ সংঘটন করানোর উদ্যোগ করে এবং অনুরূপ উদ্যোগের মাধ্যমে অপরাধটি সংঘটনের উদ্দেশ্যে কোন কাজ করে, তবে যেক্ষেত্রে অনুরূপ উদ্যোগের সাজার জন্য এই বিধিতে কোন প্রকাশ্য বিধান করা হয় নাই, সেক্ষেত্রে সে ব্যক্তি অপরাধটির জন্য সে ধরনের অপরাধের জন্য বিহিত দণ্ডের দীর্ঘতম মেয়াদের অর্ধেক পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা সে অপরাধটির জন্য যে অর্থ দণ্ডেও বিধান করা হয়েছে সে অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
উদাহরণ:
(ক) 'ক' একটি বাক্স ভেঙ্গে কিছু গহনাপত্র চুরি করার উদ্যোগ করে। সে বাক্সটি ভেঙ্গে দেখতে পায় যে, উহাতে কোন গহনাপত্র নাই। সে চুরির উদ্দেশ্যে এই কাজটি করেছে; সুতরাং সে এই ধারার আওতায় অপরাধী বলে পরিগণিত হবে।
(খ) 'ক', 'চ'- এর পকেটে হাত দিয়ে চ-এর পকেট মারার উদ্যোগ নেয়। 'চ'- এর পকেটে কিছু ছিল না বলে ক-এর চেষ্টা ব্যর্থ হয়। 'ক' এই ধারার আওতায় অপরাধী বলে পরিগণিত হবে।
----------- 
⇒ The Penal Code, 1860,Section 511- Punishment for attempting to commit offences punishable with imprisonment for life or imprisonment:
Whoever attempts to commit an offence punishable by this Code with imprisonment for life or imprisonment, or to cause such an offence to be committed, and in such attempt does any act towards the commission of the offence, shall, where no express provision is made by this Code for the punishment of such attempt, be punished with imprisonment of any description provided for the offence, for a term which may extend to one-half of the longest term of imprisonment provided for that offence, or with such fine as is provided for the offence, or with both.

Illustration:
(a) A makes an attempt to steal some jewels by breaking open a box, and finds after so opening the box, that there is no jewel in it. He has done an act towards the commission of theft, and therefore is guilty under this section. 
(b) A makes an attempt to pick the pocket of Z by thrusting his hand into Z's pocket. A fails in the attempt in consequence of Z's having nothing in his pocket. A is guilty under this section.

১৯১.
কোনটি অপথে গৃহপ্রবেশ (House breaking) বলিয়া গণ্য হইবে?
  1. সিঁধ কাটিয়া প্রবেশ
  2. তালা ভাঙ্গিয়া প্রবেশ
  3. আক্রমণ বা ভয় দেখাইয়া প্রবেশ
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪৪৫ ধারায় অপথে গৃহে প্রবেশের বিধান রয়েছে। ৪৪৫ ধারা অনুযায়ী নিম্নলিখিত ৬টি উপায়ে কোন গৃহে প্রবেশ করলে বা গৃহ থেকে বের হলে তা অপথে গৃহে প্রবেশ বা House breaking বলে গণ্য হবে। যথা-

i) বন্ধ দরজা বা পথ খুলে (Opening any passage fastended for );
ii) তালা খুলে বা ভেঙ্গে (Opening or breaking lock);

iii) নতুন পথ তৈরি করে (Passage made by him);
iv) আক্রমন বা বলপ্রয়োগের ভয় দেখিয়ে (Using criminal force);

v) আটকানো কোন কিছুকে খুলে বা অন্যভাবে মুক্ত করে অস্বাভাবিক পন্থায় ভিতরে প্রবেশ করা বা নির্গমন হওয়া; অথবা
vi) প্রবেশ বা প্রস্থানের জন্য নয় এমন পথ দিয়ে গৃহে প্রবেশ করলে অপথে গৃহ প্রবেশ (house breaking) এর অপরাধ হবে।
----------------
Section 445 House-breaking: A person is said to commit “house-breaking" who commits house-trespass if he effects his entrance into the house or any part of it in any of the six ways hereinafter described; or if, being in the house or any part of it for the purpose of committing an offence, or, having committed an offence therein, he quits the house or any part of it in any of such six ways, that is to say:
 
Firstly.-If he enters or quits through a passage made by himself, or by any abettor of the house-trespass, in order to the committing of the house-trespass. 
Secondly.-If he enters or quits through any passage not intended by any person, other than himself or an abettor of the offence, for human entrance; or through any passage to which he has obtained access by scaling or climbing over any wall or building. 
Thirdly.-If he enters or quits through any passage which he or any abettor of the house-trespass has opened, in order to the committing of the house-trespass by any means by which that passage was not intended by the occupier of the house to be opened. 
Fourthly.-If he enters or quits by opening any lock in order to the committing of the house-trespass, or in order to the quitting of the house after a house-trespass. 
Fifthly.-If he effects his entrance or departure by using criminal force or committing an assault, or by threatening any person with assault. 
Sixthly.-If he enters or quits by any passage which he knows to have been fastened against such entrance or departure, and to have been unfastened by himself or by an abettor of the house-trespass. 
Explanation.-Any out-house or building occupied with a house, and between which and such house there is an immediate internal communication, is part of the house within the meaning of this section.
১৯২.
দণ্ডবিধির ৩৪৪ ধারা প্রযোজ্য হতে হলে অবরোধ বা আটক সর্বনিম্ন কতদিন হতে হবে?
  1. ৫ দিন
  2. ৭ দিন
  3. ১০ দিন
  4. ১৫ দিন
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) ১০ দিন।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৪৪ ধারার বিধান- দশ বা ততোধিক দিনব্যাপি অবৈধভাবে অবরোধ:
কোন ব্যক্তি যদি কাউকে দশ বা ততোধিক দিনের জন্য অবৈধভাবে অবরোধ করে রাখে; তবে উক্ত ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

⇒ The Penal Code, 1860- Section 344. Wrongful confinement for ten or more days:
Whoever wrongfully confines any person for ten days, or more, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, and shall also be liable to fine.
১৯৩.
A, B এর পকেট মারার উদ্দেশ্যে তার পকেটে হাত দেয়। কিন্তু B এর পকেট শূণ্য থাকায় A পকেট মারতে পারেনি। A শাস্তি হতে পারে অপরাধের সর্বোচ্চ সাজার মেয়াদের -
  1. অর্ধেক
  2. এক চতুর্থাংশ
  3. এক তৃতীয়াংশ
  4. এক পঞ্চমাংশ
ব্যাখ্যা
♦৫১১ ধারা অনুসারে যে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধসমূহ সংঘটনের উদ্যোগ গ্রহণ করে বা সেটা অনুযায়ী কোন কাজ করে এবং অনুরূপ উদ্যোগের শাস্তির ব্যাপারে দণ্ডবিধিতে কোন স্পষ্ট বিধান না থাকলে উক্ত অপরাধের জন্য নির্ধারিত যেকোন বর্ণনার কারাদণ্ডে যার মেয়াদ উক্ত অপরাধের জন্য ব্যবস্থিত কারাদণ্ডের দীর্ঘতম মেয়াদের অর্ধেক মেয়াদ পর্যন্ত বা অর্থদণ্ডে বা উভয় প্রকার হতে পারে।
A, B এর পকেট মারার উদ্দেশ্যে তার পকেটে হাত দেয়। কিন্তু B এর পকেট শূন্য থাকায় A পকেট মারতে ব্যর্থ হয়। এটা মূলত চুরির উদ্যোগ। দণ্ডবিধিতে চুরির শাস্তি ৩৭৯ ধারায় উল্লেখ আছে। কিন্তু চুরির উদ্যোগ যেমন পকেট মারার উদ্যোগ গ্রহণের কোন শাস্তির বিধান দণ্ডবিধিতে নেই। সেহেতু A এর শান্তি নির্ধারিত হবে ৫১১ ধারা অনুসারে এবং ৫১১ ধারা অনুসারে, ৩৭৯ ধারায় চুরির জন্য নির্ধারিত সর্বোচ্চ কারাবাসের অর্ধেক দণ্ডে A দণ্ডিত হতে পারে।
১৯৪.
নিচের কোনটি ফৌজদারি অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তির 'দোষযুক্ত মন' নির্দেশ করে?
  1. Actus Rea
  2. Mens Rea
  3. Lex Fori
  4. Plea of Alibi
ব্যাখ্যা
⇒ কোন ব্যক্তিকে ফৌজদারী অপরাধে অভিযুক্ত করতে প্রধানত ২টি শর্ত অবশ্যই পূরণ করতে হয়।
      (i) দোষযুক্ত মন বা অপরাধী মন [Mens Rea] এবং
      (ii) দোষাবহ কার্য বা অপরাধজনক কার্য [Actus Rea]
- 'Mens rea' শব্দের অর্থ ‘অপরাধী মন বা দোষযুক্ত মন' (guilty mind)।

- অপরাধ সংঘটনের সময়ে আসামীর মনের অবস্থা “Mens rea' নামে পরিচিত। এটা ‘অপরাধীর দুষ্টমন' নামেও পরিচিত। একজন অপরাধী শুধু তার অপরাধজনক কার্যের জন্যই দায়ী হয় না বরং সে তার কার্যের সাথে তার অপরাধী মন বা অপরাধ করার ইচ্ছা বা উদ্দেশ্যের জন্যই বিশেষভাবে দায়ী হয়ে থাকে। এই অপরাধী মন বা অপরাধ করার ইচ্ছাকে বলা হয় mens rea বা guilty mind.
অর্থাৎ “Mens rea' ফৌজদারি অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তির 'দোষযুক্ত মন' নির্দেশ করে।
১৯৫.
অপরের রূপ ধারণপূর্বক প্রতারণার বিধান আছে কত ধারায়?
  1. ধারা ৪০৬
  2. ধারা ৪১৯
  3. ধারা ৪১৬
  4. ধারা ৪২৬
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ৪১৬ ধারার বিধান অপরের রূপ ধারণপূর্বক প্রতারণাঃ কোন ব্যক্তি যদি নিজেকে অন্য কোন ব্যক্তি বলে প্রতারণা করে অথবা জ্ঞাতসারে কোন ব্যক্তিকে অন্য ব্যক্তি বলে চালিয়ে প্রতারণা করে অথবা নিজেকে বা অন্য কোন ব্যক্তিকে সে নিজে বা সে ব্যক্তি অন্য যে ব্যক্তি নয় সে ব্যক্তি বলে চালিয়ে প্রতারণা করে, তবে উক্ত ব্যক্তি অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করেছে বলে গণ্য হয়।

ব্যাখ্যা (Explanation):-

যে ব্যক্তির রূপ ধারণ করা হয়েছে সে ব্যক্তি প্রকৃত ব্যক্তি হোক আর কাল্পনিক ব্যক্তি হোক না কেন অপরাধটি অনুষ্ঠিত হবে।

উদাহরণসমূহঃ
(ক) ক একই নামে একজন বিত্তশালী ব্যাংকার বলে নিজেকে পরিচয় দান করে। ক অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করেছে।

(খ) ক নিজেকে খ বলে পরিচয় দিয়ে প্রতারণা করে, খ জনৈক মৃত ব্যক্তি। ক অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করেছে।
১৯৬.
Penal Code 1860 এর কত ধারায় Private defence (আত্মরক্ষা বা প্রতিরক্ষার) কথা উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. ৯০ ধারা
  2. ৯৭ ধারা
  3. ৩ ধারা
  4. ৯৬ ধারা
ব্যাখ্যা
• ৯৬ ধারায় আত্মরক্ষার অধিকার সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে।
• কোন ব্যক্তি তার নিজের জানমাল ও অপরের জানমাল এবং সরকারি সম্পত্তিকে যে কোন প্রকার ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করার জন্য আক্রমণকারীর বিরুদ্ধে যে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে তাকে আত্মরক্ষার ব্যক্তিগত অধিকার বলে।
১৯৭.
যে রাস্তা দিয়ে 'Y' নিয়মিত যাতায়াত করে, সেখানে 'X' ইচ্ছাকৃতভাবে বাধা সৃষ্টি করে 'Y' এর চলাচল ব্যাহত করে। এই কার্যটি কী ধরনের অপরাধ?
  1. Criminal force
  2. Wrongful restraint
  3. Wrongful confinement
  4. Kidnapping
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৩৯ অনুযায়ী, যদি কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে এমনভাবে বাধা সৃষ্টি করে যার ফলে কোনো ব্যক্তি যে পথে যাবার অধিকার রাখে, সেই পথে যেতে না পারে, তবে এটি “অবৈধ বাধা” (Wrongful Restraint) হিসেবে গণ্য হবে।
- এই ক্ষেত্রে ‘X’ ইচ্ছাকৃতভাবে এমন একটি পথ রুদ্ধ করেছে যেটি ‘Y’-এর চলাচলের জন্য উন্মুক্ত ছিল। ফলে, ‘Y’ তার আইনসম্মত পথে চলাচল করতে না পারায় ‘X’ দণ্ডবিধির ৩৩৯ ধারা অনুযায়ী “Wrongful restraint” অপরাধে দোষী।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৩৯ ধারার বিধান অবৈধ বাধা (Wrongful restraint):- যে ব্যক্তি কোন ব্যক্তিকে ইচ্ছাপূর্বক এমনভাবে বাধাদান করে যার ফলে উক্ত ব্যক্তির যেদিকে যাবার অধিকার রয়েছে, এমন কোন দিকে উক্ত ব্যক্তির যাবার পথ রুদ্ধ হয়, তবে সে ব্যক্তি উক্ত ব্যক্তিকে অবৈধভাবে বাধাদান করেছে বলে পরিগণিত হয়।ঃ
ব্যতিক্রম :- যদি কোন লোক স্থলে বা জলে কোন বেসরকারি পথে বাধা দেওয়ার আইনসম্মত অধিকার তার রয়েছে বলে সরল মনে বিশ্বাসবশতঃ উক্ত পথে বিঘ্ন সৃষ্টি করে, তবে তার কাজ এই ধারার অর্থের আওতায় অপরাধ হবে না।
⇒ উদাহরণ: যে পথ অতিক্রম করার অধিকার চ-এর রয়েছে, সে পথে ক বিঘ্ন সৃষ্টি করে। ক সরল মনে বিশ্বাস করে না যে, পথটি রোধ করার অধিকার তার রয়েছে। ক-এর পথ রোধের ফলে চ পথ অতিক্রম করতে অসমর্থ হয়। ক অবৈধভাবে চ-কে বাধাদান করেছে।
--------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 339. Wrongful restraint:
 Whoever voluntarily obstructs any person so as to prevent that person from proceeding in any direction in which that person has a right to proceed, is said wrongfully to restrain that person. 
Exception. The obstruction of a private way over land or water which a person in good faith believes himself to have a lawful right to obstruct, is not an offence within the meaning of this section.
Illustration:
A obstructs a path along which Z has a right to pass, A not believing in good faith that he has a right to stop the path. Z is thereby prevented from passing. A wrongfully restrains Z.
১৯৮.
মৃত্যুদণ্ড যোগ্য অপরাধ সংঘটনের উদ্দেশ্যে গৃহে অনাধিকার প্রবেশের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. মৃত্যদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. অর্থদণ্ড
  4. সশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধি ৪৪৯ ধারা মতে মৃত্যুদণ্ডযোগ্য অপরাধ সংঘটনের উদ্দেশ্যে গৃহে অনধিকার প্রবেশের শাস্তি হলো যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা অনধিক ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড।
১৯৯.
দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারায় কতগুলো ব্যতিক্রমের উল্লেখ আছে?
  1. ৭টি
  2. ৮টি
  3. ৯ টি
  4. ১০ টি
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারার বিধান মানহানি:- কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির খ্যাতি বা সুনাম নষ্ট করার উদ্দেশ্যে বা তার খ্যাতি বা সুনাম নষ্ট হবে বলে জানা সত্ত্বেও বা তার বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও কথিত বা পঠিত হওয়ার জন্য অভিপ্রেত কথা বা চিহ্ন কর্তৃক বা দৃশ্যমান কল্পমূর্তির সাহায্যে সে ব্যক্তি সম্পর্কিত কোন নিন্দাবাদ প্রণয়ন বা প্রকাশ করে, তবে নিম্নে নির্দেশিত ব্যতিক্রমসমূহ ছাড়াই অন্যান্য ক্ষেত্রে, সে ব্যক্তি উক্ত অন্য ব্যক্তির মানহানি করে বলে পরিগণিত হয়।

ব্যাখ্যা ১:- যে মৃত ব্যক্তির জীবনকালে তার সম্পর্কে কোন নিন্দা করা হলে তার মানহানি ঘটত, সে মৃত ব্যক্তি সম্পর্কে অনুরূপ কোন নিন্দাবাদ এবং সে মৃত ব্যক্তির পরিবার-পরিজনের বা অন্যান্য কাছে আত্মীয়ের মনকে পীড়িত করার উদ্দেশ্যে অনুরূপ নিন্দাবাদ করা, মানহানি বলে পরিগণিত হবে।

ব্যাখ্যা ২:- কোন কোম্পানি বা সংঘ বা ব্যক্তিসমাবেশ সম্পর্কে সমষ্টিগতভাবে কোন নিন্দাবাদ করা মানহানি বলে পরিগণিত হতে পারে।

ব্যাখ্যা ৩:- বিকল্পরূপে বা বিদ্রূপাত্মকরূপে ব্যক্ত কোন নিন্দাবাদ মানহানির সামিল হতে পারে।

ব্যাখ্যা ৪:- কোন ব্যক্তি সম্পর্কে কোন নিন্দাবাদ প্রত্যক্ষভাবে বা পরোক্ষভাবে অন্যান্য ব্যক্তির দৃষ্টিতে সে ব্যক্তির নৈতিক বা বুদ্ধিগত চরিত্র হেয় না করলে, অথবা তার বর্ণ বা সম্প্রদায় কিংবা তার পেশার দিক হতে সে ব্যক্তির চরিত্রকে হেয় না করলে, অথবা সে ব্যক্তির প্রসিদ্ধি ক্ষুন্ন না করলে, অথবা তার দেহ বীভৎস বা ঘৃণা অবস্থায় বা যে অবস্থা সাধারণভাবে অরুচির বলে গণ্য, সে অবস্থায় রয়েছে বলে বিশ্বাস সৃষ্টি না করলে, সে ব্যক্তি সম্পর্কে উক্ত নিন্দাবাদ তার খ্যাতি বা সুনাম নষ্ট করে নাই বলে পরিগণিত হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারায় মানহানি বা defamation এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে এবং সেখানে মোট ১০ টি ব্যতিক্রম সাপেক্ষে এই অপরাধ সংঘটনের কথা বলা আছে।
⇒ ৪৯৯ ধারায় ১০টি  ব্যতিক্রম নিচে দেয়া হল-

১) জনস্বার্থে বা জনগণের কল্যাণের জন্য কারো প্রতি সত্য-দোষারোপ করা হলে তা মানহানি হবে না।
২) জনগণের প্রতি সরকারি কর্মচারীর আচরণ সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে কোন অভিমত প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়।
৩) কোন জনসমস্যা/গণসমস্যা সম্পর্কে কোন ব্যক্তির আচরণ সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে অভিমত প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়।
৪) কোন আদালতের কার্য বিবরণীর রিপোর্ট প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়।
৫) আদালত কর্তৃক সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে এমন কোন ফৌজদারি বা দেওয়ানি মোকদ্দমার দোষ, গুণ বা সাক্ষী বা সাক্ষ্যের সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে কোন অভিমত প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়।
৬) কোন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার ভার জনগণের উপর ন্যস্ত করা হলে তখন এ বিষয়ে সৎ বিশ্বাসে অভিমত প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়। যেমন- কোন ব্যক্তি কোন বই প্রকাশ করলে বা প্রকাশ্য স্থানে বক্তৃতা দিলে তখন তা বিচার করার জন্য জনগণের কাছে উপস্থাপন করা হয়েছে বলে গণ্য করা হবে।
৭) অন্যের উপর আইনসম্মতভাবে ক্ষমতা রয়েছে এমন ব্যক্তি সরল বিশ্বাসে কোন নিন্দা করলে তা মানহানি হবে না।
৮) ক্ষমতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তির নিকট সৎ বিশ্বাসে অভিমত দেয়া হলে তা মানহানি বলে গণ্য হবে না। যেমন- পুলিশের কাছে কারো ব্যাপারে অভিযোগ করা ।
৯) কোন ব্যক্তি নিজের বা অন্যের স্বার্থ রক্ষা করতে গিয়ে বা জনস্বার্থে সৎ বিশ্বাসে কোন দোষারোপ করলে তা মানহানি নয়।
১০) জনকল্যাণে সৎ বিশ্বাসে কোন ব্যক্তিকে সতর্ক করে কিছু বলা হলে তা মানহানি হবে না ।

⇒ দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারায় মানহানির ১০ টি ব্যতিক্রম (Exception) রয়েছে অর্থাৎ এই ১০ টি ক্ষেত্রে কোন মানহানিকর উক্তি বা তথ্য প্রকাশ করা হলেও মানহানির অপরাধ হবেনা।

⇒ শান্তি: ধারা ৫০০ অনুযায়ী, মানহানি অপরাধের শাস্তি- ২ বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়।
২০০.
Which of the following statements is true regarding Section 303?
  1. It mandates a life sentence for all murderers.
  2. It applies only to those with a prior murder conviction.
  3. It imposes the death penalty for murder committed by life convicts.
  4. It allows for parole for life convicts who commit murder.
ব্যাখ্যা
Section 303- Punishment for murder by life-convict:
Whoever, being under sentence of imprisonment for life, commits murder, shall be punished with death.

ধারা ৩০৩- যাবজ্জীবন কারাবাসে দন্ডিত ব্যক্তি কর্তৃক অনুষ্ঠিত খুনের শাস্তি:
কোন ব্যক্তি যদি যাবজীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত অবস্থায় খুন করে, তবে সে ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হবে।