বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

The Penal Code, 1860

মোট প্রশ্ন২,৪৪৭এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

The Penal Code, 1860

PrepBank · পাতা ১৫ / ২৫ · ১,৪০১১,৫০০ / ২,৪৪৭

১,৪০১.
Public nuisance এর বিধান রয়েছে কত ধারায়?
  1. ২৫৮ ধারায়
  2. ২৬০ ধারায়
  3. ২৬৮ ধারায়
  4. ২৭৮ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ২৬৮ ধারায় গণ উৎপাত বা Public nuisance এর সংজ্ঞা রয়েছে। ২৬৮ ধারামতে যদি কোন লোক এমন কোন কাজ করে যার ফলে জনসাধারণের বা নিকটবর্তী সম্পত্তির মালিক বা বসবাসকারী লোকদের কোন ক্ষতি, বিপদের আশঙ্কা বা বিরক্তির সৃষ্টি হয়; তাহলে সেই লোক গণ উৎপাত বা Public nuisance করেছে বলে গণ্য হবে।
১,৪০২.
'ক' এর ইউরোপের ভিসা পাওয়ার কথা শুনে ইচ্ছাকৃত ক্ষতি সাধনের উদ্দেশ্যে 'খ' তার বিরুদ্ধে নারী নির্যাতনের মিথ্যা মামলা করে, যার ফলে 'ক' এর ইউরোপ যাওয়া বাতিল হয়ে যায়। 'খ' এর কৃত কাজটি দণ্ডবিধির কোন ধারায় অপরাধ বলে গণ্য হবে?
  1. ২০৯ ধারায়
  2. ২১১ ধারায়
  3. ২১২ ধারায়
  4. ২১৩ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ২১১ ধারা মতে ক্ষতি সাধনের জন্য মিথ্যা মামলা বা মিথ্যা অভিযোগ দায়েরের শাস্তির বিধান রয়েছে। অহেতুক কোন ফৌজদারি মামলা দায়ের করা হলে ২১১ ধারা মতে দুই ধরনের শাস্তি হতে পারে।

(i)  ক্ষতি সাধনের জন্য অহেতুক কোন ফৌজাদারি মামলা দায়ের করলে অনধিক ২ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড 

(ii) যদি উক্তরূপ ফৌজদারি মামলা মৃত্যদণ্ড বা যাবজ্জীবন করাদণ্ড বা ৭ বছর বা তদুর্ধ্ব কারাদণ্ডে দণ্ডিত করার জন্য হয় তাহলে দোষী ব্যাক্তি অনধিক ৭ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।

♦ দণ্ডবিধির ২১১ ধারা বিধান ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে অপরাধ বিষয়ক মিথ্যা অভিযোগ উত্থাপন:- কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তিকে ক্ষতিসাধনের জন্য উক্ত অন্য ব্যক্তির বিরুদ্ধে ফৌজদারী মামলা রুজু করার বা অপরাধ সংঘটনের অভিযোগ উত্থাপন করার কোন সংগত বা আইনানুগ যুক্তি নাই বলে জানা সত্ত্বেও উক্ত অন্য ব্যক্তির বিরুদ্ধে কোন ফৌজদারী মামলা রুজু করে বা অনুরূপ মামলা রুজু করায়, কিংবা উক্ত অন্য ব্যক্তির কোন অপরাধ করেছে বলে মিথ্যা অভিযোগ উত্থাপন করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা উভয় দণ্ডেই দণ্ডিত হবে;

এবং যদি অনুরূপ ফৌজদারি মামলায়, মৃত্যুদণ্ডে, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে, কিংবা সাত বৎসর বা তদূর্ধ্ব মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় কোন অপরাধ সংঘটনের মিথ্যা অভিযোগ রুজু করা হয়, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং এতদ্ব্যতীত তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।
১,৪০৩.
X, Y এর নাকে ঘুষি মেরে নাক ভেঙ্গে দেয়। The Penal Code, 1860 এর কোন ধারায় X অপরাধ করেছে?
  1. ৩২৩
  2. ৩২৪
  3. ৩২৫
  4. ৩২৬
ব্যাখ্যা
♦ দন্ডবিধির ধারা-৩২২ তে স্বেচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর আঘাত দানের সংজ্ঞা (voluntarily causing grievous hurt) - কাউকে যদি ইচ্ছাকৃতভাবে (intentionally) জেনে গুরুতর আঘাত প্রদান করা হয়, তাহলে তাকে স্বেচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর আঘাত দান বলা হয়

♦ যদি কোন লোক প্রকৃতপক্ষে গুরুতর আঘাত দেয় এবং গুরুতর আঘাত দেয়ার ইচ্ছা পোষণ করে অথবা গুরুতর আঘাত দিতে পারে বলে জানে, তবে সে ইচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর আঘাত দিয়েছে বলে গণ্য হবে। অন্যথায় সে ইচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর আঘাত দিয়েছে বলে গণ্য হবে না

দন্ডবিধির ৩২৫ ধারায় স্বেচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর আঘাতের শাস্তি হল অনধিক ৭ বৎসর কারাদন্ড এবং অর্থদন্ড।

♦ X, Y এর নাকে ঘুষি মেরে নাক ভেঙ্গে দেয়। The Penal Code, 1860 এর ৩২৫ ধারায় X অপরাধ করেছে

♦ দন্ডবিধির ৩২৫ ধারার একটি ব্যতিক্রম ক্ষেত্র হল ৩৩৪ ধারা; অন্যদিকে ৩২৬ ধারার ব্যতিক্রম হল ৩৩৫ ধারা
১,৪০৪.
দণ্ডবিধির ৫৫ ধারা অনুযায়ী, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হ্রাস বা পরিবর্তন করার ক্ষমতা কার রয়েছে?
  1. আদালত
  2. সরকার
  3. রাষ্ট্রপতির
  4. কারা কর্তৃপক্ষ
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৫৫ ধারা অনুযায়ী, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডকে কমিয়ে সর্বোচ্চ ২০ বছরের কারাদণ্ডে রূপান্তর করার ক্ষমতা শুধুমাত্র সরকারের আছে, এবং এজন্য অপরাধীর সম্মতি প্রয়োজন হয় না।

⇒ দণ্ডবিধির ৫৫ ধারার বিধান যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হ্রাস বা পরিবর্তন:- যে সকল মামলার ক্ষেত্রে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করা হয়, তার প্রত্যেক ক্ষেত্রে সরকার অপরাধীর সম্মতি ব্যতীতই দণ্ড হ্রাস করে অনূর্ধ্ব ২০ বৎসর মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে পরিবর্তন করতে পারবেন।
-------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section- 55. Commutation of sentence of imprisonment for life:- In every case in which sentence of imprisonment for life shall have been passed, the Government may, without the consent of the offender, commute the punishment for imprisonment of either description for a term not exceeding twenty years.

১,৪০৫.
যদি কোন ব্যক্তি 'অবৈধ বাধার অপরাধে অভিযুক্ত হয়, তাহলে তাকে সর্বোচ্চ কত টাকা জরিমানা করা যায়?
  1. ১০০ টাকা
  2. ৫০০ টাকা
  3. ১০০০ টাকা
  4. ৫০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৩৯ ধারার অধীনে অবৈধ বাধা দানের বিধান আছে। কোন ব্যক্তিকে তার যে দিকে গমনের অধিকার রয়েছে সেই দিকে গমনে বাধা প্রদান করলে তাকে অবৈধ বাধা বলে। কোন ব্যক্তিকে কোন নির্দিষ্ট সীমাবদ্ধ এলাকার বাহিরে গমনে বাধা প্রদান করাকে অবৈধ আটক বা অবরোধ বলে।
⇒ কিন্তু কোন সংরক্ষিত স্থান বা বেসরকারি স্থান বা জলপথে যেতে বাধা প্রদানের ক্ষেত্রে ৩৩৯ ধারার অবৈধ বাধা প্রযোজ্য হবে না।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৪২ ধারায় অবৈধ আটক বা অবরোধের শাস্তি হিসেবে অনধিক ১ বছরের কারাদণ্ড বা অনধিক ১০০০ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ডের বিধান রয়েছে।
⇒  Punishment for wrongful confinement:
Section 342. Whoever wrongfully confines any person, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one year, or with fine which may extend to one thousand taka, or with both.
১,৪০৬.
যদি দস্যুতা রাতে রাজপথে সংঘটিত হয়, তাহলে সর্বোচ্চ কত বছরের সাজা হতে পারে?
  1. ৭ বছর
  2. ১০ বছর
  3. ১২ বছর
  4. ১৪ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৯২ ধারার বিধান- দস্যুতার সাজা:
কোন ব্যক্তি যদি দস্যুতা সংঘটন করে তবে সে ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে। এবং যদি সূর্যাস্ত ও সূর্যোদয়ের মধ্যবর্তী সময় রাজপথে দস্যুতা অনুষ্ঠিত হয়, তবে কারাদণ্ডের মেয়াদ চৌদ্দ বৎসর পর্যন্ত হতে পারে।
১,৪০৭.
দণ্ডবিধির ১১৫ ধারায়, সহায়তাকারী যদি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধে সহায়তা করে এবং অপরাধটি সংঘটিত না হয়, তবে তাকে কী ধরনের শাস্তি দেওয়া হবে?
  1. ৩ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  2. ৭ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  3. ১০ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  4. ১৪ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
→ দণ্ডবিধির ১১৫ ধারার বিধান মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধে সহায়তাকরণ,
- যদি অপরাধ ঘটানো না হয়:
কোনো ব্যক্তি যদি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ ঘটাতে সহায়তা করে, কিন্তু সেই অপরাধটি ঘটে না, তবে সেই ব্যক্তি ৭ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে। এছাড়াও, তাকে অর্থদণ্ড দেওয়া হতে পারে।

-যদি অপরাধ ঘটে এবং আঘাত হয়:
যদি অপরাধটি সংঘটিত হয় এবং সেই অপরাধের ফলে কোনো ব্যক্তি আঘাতপ্রাপ্ত হয়, তবে সহায়তাকারীকে ১৪ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হতে পারে। তাছাড়া, তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যেতে পারে।
----------------
Section 115: Abetment of offence punishable with death or imprisonment for life- if offence be not committed; if act causing harm be done in consequence:
 Whoever abets the commission of an offence punishable with death or imprisonment for life, shall, if that offence be not committed in consequence of the abetment, and no express provision is made by this Code for the punishment of such abetment, be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine; 
 
and if any act for which the abettor is liable in consequence of the abetment, and which causes hurt to any person, is done, the abettor shall be liable to imprisonment of either description for a term which may extend to fourteen years, and shall also be liable to fine.
১,৪০৮.
যদি কোনো ব্যক্তি মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদান করে এবং তার ফলে কাউকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করার চেষ্টা করা হয়, কিন্তু সেই আসামি খালাস পেয়ে যায়, তবে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1. শুধু অর্থদণ্ড
  2. ৭ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
  3. ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
  4. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

→ যদি মিথ্যা সাক্ষ্যের কারণে আসামি মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত না হয় বা খালাস পায়, তাহলে সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং সর্বনিম্ন শাস্তি ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড।
তাই সঠিক উত্তর "ঘ) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড"।

⇒ দণ্ডবিধির ১৯৪ ধারা মতে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করার উদ্দেশ্যে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদান বা মিথ্যা সাক্ষ্য উদ্ভাবনের ২ ধরনের শাস্তি হতে পারে। যথা-
(i) কোন আসামিকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করার জন্য মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়ার পরও অথবা মিথ্যা সাক্ষ্য সৃষ্টি করার পরও উক্ত আসামীর মৃত্যুদণ্ড না হলে বা আসামি খালাস পেলে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানকারী যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা অনধিক ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
(ii) মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানের ফলে কোন নির্দোষ লোকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হলে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানকারী মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা অনধিক ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ১৯৪ ধারার বিধান মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করানোর উদ্দেশ্যে মিথ্যা সাক্ষ্যদান বা মিথ্যা সাক্ষ্য তৈরি করা :-
- কোন ব্যক্তি যদি মিথ্যা সাক্ষ্যদান করে বা তৈরি করে এবং তদ্বারা কাউকে বর্তমানে বলবৎ কোন আইনবলে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় কোন অপরাধে দণ্ডিত করানোর উদ্দেশ্যেই তা করে থাকে কিংবা তার এইরূপ মিথ্যা সাক্ষ্য দান বা তৈরি করার ফলে কাউকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধে দণ্ডিত করা হতে পারে জেনেই যদিও তা করে থাকে, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে; তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা হবে।
- যদি তার ফলে কোন নির্দোষ ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে সাজাপ্রাপ্ত হয় এবং সাজা বলবৎ হয়:- যদি অনুরূপ মিথ্যা সাক্ষ্যের ফলে কোন নির্দোষ ব্যক্তি সাজাপ্রাপ্ত হয় ও সাজা বলবৎ হয়, তবে যে ব্যক্তি অনুরূপ মিথ্যা সাক্ষ্যদান করেছে, সে ব্যক্তি হয় মৃত্যুদণ্ডে, না হয় এই ধরায় ইতঃপূর্বে বর্ণিত সাজায় সাজাপ্রাপ্ত হবে।
______________________
⇒The Penal Code, 1860-Section 194: Giving or fabricating false evidence with intent to procure conviction of capital offence; if innocent person be thereby convicted and executed:
- Whoever gives or fabricates false evidence, intending thereby to cause, or knowing it to be likely that he will thereby cause, any person to be convicted of an offence which is capital by any law for the time being in force, shall be punished with imprisonment for life, or with rigorous imprisonment for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine;
and if an innocent person be convicted and executed in consequence of such false evidence, the person who gives such false evidence shall be punished either with death or the punishment herein before described.

১,৪০৯.
দণ্ডবিধির ৪৪৫ ধারায় কয়টি পথে অনধিকার গৃহপ্রবেশকে [House Trespass] অপথে গৃহ প্রবেশ বা সিঁদ কেটে গৃহেপ্রবেশ [House Breaking] বলে উল্লেখ করা হয়েছ?
  1. ৬ টি
  2. ৪ টি
  3. ৩ টি
  4. ৫ টি
ব্যাখ্যা
♦ দন্ডবিধির ৪৪৫ ধারায় অপথে গৃহে প্রবেশের বিধান রয়েছে। ৪৪৫ ধারা অনুযায়ী নিম্নলিখিত ৬টি উপায়ে কোন গৃহে প্রবেশ করলে বা গৃহ থেকে বের হলে তা অপথে গৃহে প্রবেশ বা House breaking বলে গণ্য হবে। যথা-

i) বন্ধ দরজা বা পথ খুলে (Opening any passage fastended for );
ii) তালা খুলে বা ভেঙ্গে (Opening or breaking lock);

iii) নতুন পথ তৈরি করে (Passage made by him);
iv) আক্রমন বা বলপ্রয়োগের ভয় দেখিয়ে (Using criminal force);

v) আটকানো কোন কিছুকে খুলে বা অন্যভাবে মুক্ত করে অস্বাভাবিক পন্থায় ভিতরে প্রবেশ করা বা নির্গমন হওয়া; অথবা
vi) প্রবেশ বা প্রস্থানের জন্য নয় এমন পথ দিয়ে গৃহে প্রবেশ করলে অপথে গৃহ প্রবেশ (house breaking) এর অপরাধ হবে।
১,৪১০.
কোন ব্যক্তি খুন করার বা খুন সহকারে দস্যুতা অনুষ্ঠান বা শিশু অপহরণের উদ্দেশ্যে অভ্যাসগতভাবে এক বা একাধিকব্যক্তির সাথে মেলামেশা করলে; উক্ত ব্যক্তি নিম্ন লিখিত কোন ধরনের অপরাধে অপরাধী হবে-
  1. খুনের উদ্যোগ
  2. শিশু পাচার
  3. ঠগ
  4. উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩১০ ধারার বিধান ঠগ:- কোন ব্যক্তি যদি এই আইন পাস হওয়ার পরে কোন সময় খুনের মাধ্যমে বা খুন সহ দস্যুতা সাধন বা শিশু অপহরণের জন্য অপর এক বা একাধিক ব্যক্তির সাথে অভ্যাসগতভাবে সংশ্লিষ্ট হয়ে থাকে, তবে সে ব্যক্তি একজন ঠগ।
-------------
⇒ Section 310. Thug:- Whoever, at any time after the passing of this Act, shall have been habitually associated with any other or others for the purpose of committing robbery or child-stealing by means of or accompanied with murder, is a thug.
১,৪১১.
The penal code 1860 অনুযায়ী ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষা অধিকার প্রয়োগ করা যায় কতটি ক্ষেত্রে?
  1. দুটি ক্ষেত্রে
  2. তিনটি ক্ষেত্রে
  3. ৪টি ক্ষেত্রে
  4. ছয়টি ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষার অধিকার শরীর ও সম্পত্তির ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা যায়।
• ৯৭ দ্বারা অনুযায়ী ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করা যায়।
(i) অন্যের আক্রমণ হতে নিজের বা অন্যের দেহ রক্ষা করতে।
(ii) নিজের বা অন্যের সম্পত্তি রক্ষা করতে।
১,৪১২.
দণ্ডবিধি অনুসারে কয় উপায়ে কোন গৃহে প্রবেশ করলে অপথে গৃহে প্রবেশ বলে গণ্য হবে?
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪৪৫ ধারায় অপথে গৃহে প্রবেশের বিধান রয়েছে। ৪৪৫ ধারা অনুযায়ী নিম্নলিখিত ৬টি উপায়ে কোন গৃহে প্রবেশ করলে বা গৃহ থেকে বের হলে তা অপথে গৃহে প্রবেশ বা House breaking বলে গণ্য হবে। যথা-
i) বন্ধ দরজা বা পথ খুলে (Opening any passage fastended for );
ii) তালা খুলে বা ভেঙ্গে (Opening or breaking lock);
iii) নতুন পথ তৈরি করে (Passage made by him);
iv) আক্রমন বা বলপ্রয়োগের ভয় দেখিয়ে (Using criminal force);
v) আটকানো কোন কিছুকে খুলে বা অন্যভাবে মুক্ত করে অস্বাভাবিক পন্থায় ভিতরে প্রবেশ করা বা নির্গমন হওয়া; অথবা
vi) প্রবেশ বা প্রস্থানের জন্য নয় এমন পথ দিয়ে গৃহে প্রবেশ করলে অপথে গৃহ প্রবেশ (house breaking) এর অপরাধ হবে।
----------------
Section 445 House-breaking: A person is said to commit “house-breaking" who commits house-trespass if he effects his entrance into the house or any part of it in any of the six ways hereinafter described; or if, being in the house or any part of it for the purpose of committing an offence, or, having committed an offence therein, he quits the house or any part of it in any of such six ways, that is to say:
Firstly.-If he enters or quits through a passage made by himself, or by any abettor of the house-trespass, in order to the committing of the house-trespass. 
Secondly.-If he enters or quits through any passage not intended by any person, other than himself or an abettor of the offence, for human entrance; or through any passage to which he has obtained access by scaling or climbing over any wall or building. 
Thirdly.-If he enters or quits through any passage which he or any abettor of the house-trespass has opened, in order to the committing of the house-trespass by any means by which that passage was not intended by the occupier of the house to be opened. 
Fourthly.-If he enters or quits by opening any lock in order to the committing of the house-trespass, or in order to the quitting of the house after a house-trespass. 
Fifthly.-If he effects his entrance or departure by using criminal force or committing an assault, or by threatening any person with assault. 
Sixthly.-If he enters or quits by any passage which he knows to have been fastened against such entrance or departure, and to have been unfastened by himself or by an abettor of the house-trespass. 
Explanation.-Any out-house or building occupied with a house, and between which and such house there is an immediate internal communication, is part of the house within the meaning of this section.
১,৪১৩.
দণ্ডবিধির ধারা ১০৭ অনুযায়ী, প্ররোচনা (abetment) মোট কতটি উপায়ে সংঘটিত হতে পারে?
  1. ৫টি
  2. ৪টি
  3. ৩টি
  4. ২টি
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ১০৭ অনুযায়ী "Abetment" বা প্ররোচনা/সহায়তা মূলত ৩টি উপায়ে হয়ে থাকে:
১) প্ররোচনা (Instigation),
২) ষড়যন্ত্র (Conspiracy),
৩) ইচ্ছাকৃত সহায়তা (Intentional aid).

⇒ যে সমস্ত কাজ করলে অপরাধ হয় সেই সমস্ত কাজ করার জন্য প্রত্যক্ষভাবে বা পরোক্ষভাবে কোন ইন্ধন জোগান কিংবা সমর্থন করাকে আইনের ভাষায় প্ররোচনা বা Abetment বলা হয়।
-দণ্ডবিধির ১০৭ ধারা অনুযায়ী ৩ ভাবে প্ররোচনা বা অপরাধে সহায়তা অপরাধ হতে পারে।
(i) কাউকে প্ররোচিত করে (instigation)
(ii) ষড়যন্ত্রে অংশগ্রহণ করে (engagement)
(iii) কার্য বা কার্যবিরতি দ্বারা ইচ্ছাকৃতভাবে সাহায্য করে (aiding)
---------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 107: Abetment of a thing: A person abets the doing of a thing, who
Firstly.- Instigates any person to do that thing; or
Secondly.- Engages with one or more other person or persons in any conspiracy for the doing of that thing, if an act or illegal omission takes place in pursuance of that conspiracy, and in order to the doing of that thing; or
Thirdly.- Intentionally aids, by any act or illegal omission, the doing of that thing.
Explanation-1: A person who, by wilful misrepresentation, or by wilful concealment of a material fact which he is bound to disclose, voluntarily causes or procures, or attempts to cause or procure, a thing to be done, is said to instigate the doing of that thing.
১,৪১৪.
রফিক একজন নিরপরাধ ব্যক্তির বিরুদ্ধে আদালতে মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়, যেন তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। এতে দণ্ডবিধির কোন ধারা প্রযোজ্য?
  1. ১৯২ ধারা
  2. ১৯৪ ধারা
  3. ১৯৭ ধারা
  4. ২০১ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৯৪ ধারার বিধান- মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করানোর উদ্দেশ্যে মিথ্যা সাক্ষ্যদান বা মিথ্যা সাক্ষ্য তৈরি করা:
কোন ব্যক্তি যদি মিথ্যা সাক্ষ্যদান করে বা তৈরি করে এবং তদ্বারা কাউকে বর্তমানে বলবৎ কোন আইনবলে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় কোন অপরাধে দণ্ডিত করানোর উদ্দেশ্যেই তা করে থাকে কিংবা তার এইরূপ মিথ্যা সাক্ষ্য দান বা তৈরি করার ফলে কাউকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধে দণ্ডিত করা হতে পারে জেনেই যদিও তা করে থাকে, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে; তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা হবে।

⇒ যদি তার ফলে কোন নির্দোষ ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে সাজাপ্রাপ্ত হয় এবং সাজা বলবৎ হয়:
যদি অনুরূপ মিথ্যা সাক্ষ্যের ফলে কোন নির্দোষ ব্যক্তি সাজাপ্রাপ্ত হয় ও সাজা বলবৎ হয়, তবে যে ব্যক্তি অনুরূপ মিথ্যা সাক্ষ্যদান করেছে, সে ব্যক্তি হয় মৃত্যুদণ্ডে, না হয় এই ধরায় ইতোপূর্বে বর্ণিত সাজায় সাজাপ্রাপ্ত হবে।
১,৪১৫.
According to Section 45 of the Penal Code, 1860, the term "life" generally refers to the life of which being?
  1. Plants
  2. Animals
  3. Human beings
  4. All living organisms
ব্যাখ্যা
⇒ The Penal Code, 1860: Section 45: 'Life': The word "life" denotes the life of a human being, unless the contrary appears from the context.

⇒ দণ্ডবিধির ৪৫ ধারার বিধান জীবন:- প্রসঙ্গে ভিন্নতর কিছু না বুঝালে 'জীবন' কথাটি কর্তৃক মানুষের জীবন বুঝাবে।
১,৪১৬.
‘E’ রাস্তায় একটি মূল্যবান আংটি পায়, মালিকের খোঁজ না করে তা অবিলম্বে বিক্রি করে দেয়। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর বিধান অনুসারে এই অপরাধের নাম কী?
  1. চুরি
  2. প্রতারণা
  3. অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ 
  4. অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪০৩ অনুসারে, কোনো চলমান সম্পত্তি অসাধুভাবে আত্মসাৎ করা বা নিজের ব্যবহারের জন্য রূপান্তর করা অপরাধমূলক সম্পত্তি অপচয় (অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ) হিসেবে গণ্য। ধারা ৪০৩-এর উদাহরণ (f) অনুসারে, ‘E’ রাস্তায় একটি মূল্যবান আংটি পেয়েছে এবং মালিকের খোঁজ না করে তা অবিলম্বে বিক্রি করে দিয়েছে, যা অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ।
সুতরাং, ‘E’-এর কাজ ধারা ৪০৩ অনুসারে অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ।

(f) A finds a valuable ring, not knowing to whom it belongs. A sells it immediately without attempting to discover the owner. A is guilty of an offence under section 403 of The Penal Code, 1860.

⇒ দণ্ডবিধির ৪০৩ ধারার বিধান অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ:
কোন ব্যক্তি যদি অসাধুভাবে কোন অস্থাবর সম্পত্তি আত্মসাৎ করে অথবা উহা তার নিজের ব্যবহারে প্রয়োগ করে, তবে উক্ত ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থদণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
ব্যাখ্যা ১:- কিছু সময়ের জন্য একটি অসাধু আত্মসাৎও এই ধারা অনুযায়ী আত্মসাৎ বলে পরিগণিত হবে।
ব্যাখ্যা ২:- কোন ব্যক্তি যদি কোন সম্পত্তি কারো দখলে নাই দেখতে পেয়ে সম্পত্তিটি উহার মালিকের স্বপক্ষে সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে অথবা মালিককে প্রত্যর্পণের উদ্দেশ্যে উহা নিয়ে যায়, তবে সে অসাধুভাবে উহা নিয়ে গিয়েছে বা আত্মসাৎ করেছে বলে পরিগণিত হবে না এবং কোন অপরাধে অপরাধী হবে না; কিন্তু সে উপরে বর্ণিত অপরাধে অপরাধী হবে যদি সে সম্পত্তিটির মালিককে জানা সত্ত্বেও বা মালিককে খুঁজে বাহির করার উপায় থাকা সত্ত্বেও উহা নিজের কাজে ব্যবহার করে, অথবা যদি সে মালিককে খুঁজে বাহির করার ও তাকে বিজ্ঞাপিত করার জন্য যুক্তিসংগত মাধ্যম অবলম্বনের উদ্দেশ্যে যথোপযুক্ত সময় পর্যন্ত সম্পত্তিটি সংরক্ষণ না করে উহা তার নিজের কাজে ব্যবহার করে।
অনুরূপ ক্ষেত্রে যুক্তিসংগত মাধ্যম কি এবং যথোপযুক্ত সময় কত দীর্ঘ হবে তা একটি ঘটনাগত প্রশ্ন। সম্পত্তিটি প্রাপকের পক্ষে উহার যথার্থ মালিককে তা জানার বা কোন বিশেষ ব্যক্তি যে উহার মালিক তা জানার আবশ্যক নাই; যদি সে সম্পত্তিটি আত্মসাৎ করার সময় উহা যে তার নয় তা বিশ্বাস করে বা সরল মনে বিশ্বাস করে যে, প্রকৃত মালিককে খুঁজে বাহির করা সম্ভব নয়, তবে তাই যথেষ্ট হবে।

⇒The Penal Code, 1860, Section 403. Dishonestly misappropriation of property:
-Whoever dishonestly misappropriates or converts to his own use any moveable property, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
Explanation-1.-A dishonest misappropriation for a time only is a misappropriation within the meaning of this section. 
Explanation-2.-A person who finds property not in the possession of any other person, and takes such property for the purpose of protecting it for, or of restoring it to, the owner, does not take or misappropriate it dishonestly, and is not guilty of an offence; but he is guilty of the offence above defined, if he appropriates it to his own use, when he knows or has the means of discovering the owner, or before he has used reasonable means to discover and give notice to the owner and has kept the property a reasonable time to enable the owner to claim it. 
What are reasonable means or what is a reasonable time in such a case, is a question of fact. 
It is not necessary that the finder should know who is the owner of the property, or that any particular person is the owner of it, it is sufficient if, at the time of appropriating it, he does not believe it to be his own property, or in good faith believes that the real owner cannot be found.

১,৪১৭.
নিচের কোন ক্ষেত্রে পেনাল কোড অনুযায়ী, শরীরের আত্মরক্ষামূলক অধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে মৃত্যু ঘটানো যায়?
  1. অপরাধমূলক অনুপ্রবেশ
  2. ইভ টিজিং
  3. অপহরণের অভিপ্রায়ে আঘাত
  4. আঘাত
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ১০০ ধারামতে দেহ বা শরীরকে প্রতিরক্ষার জন্য নিম্নলিখিত ৬টি ক্ষেত্রে আক্রমণকারীর মৃত্যু পর্যন্ত ঘটানো যায়। যথা-
i) এমন আক্রমন যা মৃত্যু ঘটাতে পারে
ii) এমন আক্রমন যা গুরুতর আঘাত তৈরী করতে পারে
iii) ধর্ষণের ক্ষেত্রে
IV) অপ্রকৃত কাম লালসার ক্ষেত্রে
v) মনুষ্যহরণ বা অপহরণের চেষ্টা করলে
vi) আইনের আশ্রয় নিতে বাধা দিতে অবৈধভাবে আটক করলে
♦অর্থাৎ, অপহরণের অভিপ্রায়ে আঘাত সঠিক উত্তর
১,৪১৮.
‘ঘ’ আইনানুসারে প্রয়োজনীয় সার্টিফিকেট দান করে, যা সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য, কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ তথ্যে মিথ্যা লিখে। ‘ঘ’ The Penal Code, 1860-এর কোন ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছে?
  1. ১৯১
  2. ১৯৫
  3. ১৯৭
  4. ১৯৮
ব্যাখ্যা

⇒ প্রদত্ত ঘটনাটি দণ্ডবিধির ধারা ১৯৭-এর একটি স্পষ্ট উদাহরণ। এই ধারা অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি যদি আইনত প্রয়োজনীয় বা সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য কোনো সার্টিফিকেট ইস্যু করে বা দান করে, এবং তিনি জানেন বা বিশ্বাস করেন যে সার্টিফিকেটটি কোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মিথ্যা, তবে তিনি এই ধারার অধীনে শাস্তিযোগ্য হবেন।

⇒ দণ্ডবিধির ১৯৭ ধারার বিধান মিথ্যা সার্টিফিকেট ইস্যু করা কিংবা উহাতে স্বাক্ষর করা:- কোন ব্যক্তি যদি আইনের নির্দেশানুসারে কোন সার্টিফিকেট ইস্যু করে কিংবা উহাতে স্বাক্ষর করে কিংবা যে বিষয়ে আইনানুসারে কোন সার্টিফিকেট সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য, সে বিষয়ে অনুরূপ সার্টিফিকেট দান বা স্বাক্ষর করে এবং সার্টিফিকেটটি কোন বাস্তব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের দিক হতে মিথ্যা বলে জানা সত্ত্বেও বা অনুরূপভাবে মিথ্যা বলে বিশ্বাস করা সত্ত্বেও অনুরূপভাবে উহা দান বা স্বাক্ষর করে থাকে, তবে সে ব্যক্তি স্বয়ং মিথ্যা সাক্ষ্যদান করলে যেভাবে দণ্ডিত হত, এক্ষেত্রেও সে সেভাবে দণ্ডিত হবে।
--------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 197: Issuing or signing false certificate:
-Whoever issues or signs any certificate required by law to be given or signed, or relating to any fact of which such certificate is by law admissible in evidence, knowing or believing that such certificate is false in any material point, shall be punished in the same manner as if he gave false evidence.

১,৪১৯.
দণ্ডবিধির কোন ধারা অনুযায়ী কেউ যদি নিজেকে অন্য ব্যক্তি বলে পরিচয় দিয়ে প্রতারণা করে, তবে তা "personation by cheating" হিসেবে গণ্য হয়?
  1. ধারা ৪১৪
  2. ধারা ৪১৫
  3. ধারা ৪১৬
  4. ধারা ৪১৮
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ৪১৬ ধারায় বলা হয়েছে: "যদি কেউ নিজেকে অন্য কোন ব্যক্তি বলে প্রতারণা করে, বা জ্ঞাতসারে অন্যকে ভুলভাবে উপস্থাপন করে প্রতারণা করে, তবে সেটি ‘Cheating by personation’ বা রূপ ধারণ করে প্রতারণা হিসেবে গণ্য হবে।"
- অতএব, দণ্ডবিধির ৪১৬ ধারা অনুযায়ী এটি "personation by cheating" বা "অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা"।

⇒ দণ্ডবিধির ৪১৬ ধারার বিধান অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা:- কোন ব্যক্তি যদি নিজেকে অন্য কোন ব্যক্তি বলে প্রতারণা করে অথবা জ্ঞাতসারে কোন ব্যক্তিকে অন্য ব্যক্তি বলে চালিয়ে প্রতারণা করে অথবা নিজেকে বা অন্য কোন ব্যক্তিকে সে নিজে বা সে ব্যক্তি অন্য যে ব্যক্তি নয় সে ব্যক্তি বলে চালিয়ে প্রতারণা করে, তবে উক্ত ব্যক্তি অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করেছে বলে গণ্য হয়।
ব্যাখ্যা :- যে ব্যক্তির রূপ ধারণ করা হয়েছে সে ব্যক্তি প্রকৃত ব্যক্তি হোক আর কাল্পনিক ব্যক্তি হোক না কেন অপরাধটি অনুষ্ঠিত হবে।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 416. Cheating by personation:
 A person is said to "cheat by personation" if he cheats by pretending to be some other person, or by knowingly substituting one person for another, or representing that he or any other person is a person other than he or such other person really is.
Explanation.- The offence is committed whether the individual personated is a real or imaginary person.

Illustrations:
(a) A cheats by pretending to be a certain rich banker of the same name. A cheats by personation.
(b) A cheats by pretending to be B, a person who is deceased. A cheats by personation.
১,৪২০.
বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণার ষড়যন্ত্রের সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. ৭ বছরের কারাদণ্ড
  4. ১০ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ১২১ ধারায় বলা হয়েছে,
বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা বা যুদ্ধ ঘোষণার উদ্যোগ বা যুদ্ধ ঘোষণায় সহায়তা করলে সেই ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

Section 121- Waging or attempting to wage war, or abeting waging of war, against Bangladesh:
Whoever wages war against Bangladesh, or attempts to wage such war, or abets the waging of such war, shall be punished with death, or imprisonment for life, and shall also be liable to fine.

সেই সাথে,
১২১(ক) ধারায় বলা হয়েছে, ১২১ ধারায় দণ্ডিত অপরাধ সংগঠনের ষড়যন্ত্র করলে উক্ত ব্যক্তি যাবজ্জীবন পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে।

Section 121A- Conspiracy to commit offences punishable by section 121:
Whoever within or without Bangladesh conspires to commit any of the offences punishable by section 121, or to deprive Bangladesh of the sovereignty of her territories or of any part thereof, or conspires to overawe, by means of criminal force or the show of criminal force, the Government, shall be punished with imprisonment for life or with imprisonment of either description which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.
১,৪২১.
যদি কেউ মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডযোগ্য অপরাধের উস্কানি দেয় কিন্তু সেই অপরাধ সংঘটিত না হয়, তাহলে দণ্ডবিধি অনুসারে উস্কানিদাতার সর্বোচ্চ শাস্তি কী হবে?
  1. ৫ বছর কারাদণ্ড
  2. ৭ বছর কারাদণ্ড
  3. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  4. কোন শাস্তি হবে না কারণ অপরাধ সংঘটিত হয়নি
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১১৫ ধারায় বলা হয়েছে যে, যদি কেউ মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডযোগ্য কোনো অপরাধের উস্কানি দেয়, কিন্তু সেই অপরাধ সংঘটিত না হয়, তবে উস্কানিদাতা সর্বোচ্চ ৭ বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
এছাড়া, যদি উস্কানির ফলে কোনো শারীরিক ক্ষতি বা আঘাত হয়, তবে শাস্তি আরো কঠোর হতে পারে এবং তা ১৪ বছরের কারাদণ্ড পর্যন্ত হতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ১১৫ ধারার বিধান- মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডযোগ্য অপরাধের উস্কানি দেওয়া - যদি অপরাধ সংঘটিত না হয়; যদি ক্ষতি সৃষ্টিকারী কার্য সম্পাদিত হয়:
যে ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডযোগ্য অপরাধ সংঘটিত করার জন্য উস্কানি দেয়, কিন্তু উস্কানির ফলে ওই অপরাধ সংঘটিত না হয় এবং এই দণ্ডবিধিতে উস্কানির শাস্তির জন্য কোনো বিশেষ বিধান না থাকে, তাকে ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড দেওয়া হতে পারে এবং অর্থদণ্ডও আরোপিত হতে পারে;

এবং যদি কোনো এমন কার্য, যার জন্য উস্কানিদাতা দণ্ডনীয়, এবং যার কারণে কোনো ব্যক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়, সংঘটিত হয়, তাহলে উস্কানিদাতা ১৪ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে এবং অর্থদণ্ডও আরোপিত হবে।

⇒ The Penal Code, 1860- Section- 115.  Abetment of offence punishable with death or imprisonment for life- if offence be not committed; if act causing harm be done in consequence:
Whoever abets the commission of an offence punishable with death or 31[imprisonment] for life, shall, if that offence be not committed in consequence of the abetment, and no express provision is made by this Code for the punishment of such abetment, be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine; 
 
and if any act for which the abettor is liable in consequence of the abetment, and which causes hurt to any person, is done, the abettor shall be liable to imprisonment of either description for a term which may extend to fourteen years, and shall also be liable to fine. 
 
Illustration
A instigates B to murder Z. The offence is not committed. If B had murdered Z, he would have been subject to the punishment of death or 32[imprisonment] for life. Therefore A is liable to imprisonment for a term which may extend to seven years and also to a fine; and, if any hurt be done to Z in consequence of the abetment, he will be liable to imprisonment for a term which may extend to fourteen years, and to fine.
১,৪২২.
নিম্নলিখিত কোন ক্ষেত্র 'অপহরণ' হিসেবে বিবেচিত হবে?
  1. জোরপূর্বক বাধ্য করে একস্থান থেকে অন্যস্থানে নিয়ে গেলে
  2. প্রতারণামূলক উপায়ে প্রলুব্ধ করে একস্থান থেকে অন্যস্থানে নিয়ে গেলে
  3. ক বা খ উভয়
  4. ক বা খ কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৩৬২ ধারা- অপহরণ:
যদি কোন ব্যক্তি অপর কোন ব্যক্তিকে কোন স্থান হতে গমন করার জন্য জোরপূর্বক বাধ্য করে বা কোন প্রতারণামূলক উপায়ে প্রলুব্ধ করে, তবে উক্ত ব্যক্তি অনুরূপ ব্যক্তিকে অপহরণ করে বলে গণ্য হবে।

অর্থাৎ কোনো এক স্থান থেকে অন্য স্থানে সম্মতিসহ চলে গেলে তা অপহরণ হিসেবে গণ্য হবে না।

Section 362- Abduction:
Whoever by force compels, or by any deceitful means induces, any person to go from any place, is said to abduct that person.
১,৪২৩.
কোন ব্যক্তি আদালতের নথি বা সরকারের সরকারি রেজিস্টারের নথি জাল করিলে সর্বোচ্চ কত বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. তিন বছর
  2. পাঁচ বছর
  3. সাত বছর
  4. দশ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪৬৬ অনুসারে, যে কেউ আদালতের রেকর্ড বা কার্যধারা, জন্ম, বিবাহ, মৃত্যু বা দাফনের রেজিস্টার, সরকারি কর্মচারী কর্তৃক রক্ষিত রেজিস্টার, বা সরকারি কর্মচারীর দায়িত্বে তৈরি দলিল, মামলা দায়ের বা প্রতিরক্ষার অনুমতি, বা পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি জাল করলে, তার শাস্তি হলো ৭ বছর পর্যন্ত যেকোনো প্রকারের কারাদণ্ড এবং জরিমানা। এখানে সর্বোচ্চ কারাদণ্ড হলো ৭ বছর।

- অর্থাৎ ধারা ৪৬৬ অনুসারে, আদালতের নথি বা সরকারি রেজিস্টারের নথি জাল করার সর্বোচ্চ শাস্তি ৭ বছরের কারাদণ্ড এবং জরিমানা। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো গ) সাত বছর।

⇒ দণ্ডবিধির ৪৬৬ ধারা আদালতের নথিপত্র বা সরকারী রেজিস্টার ইত্যাদি জালকরণ:
- কোন ব্যক্তি যদি এমন একটি দলিল জাল করে যা কোন বিচারালয়ের নথি অথবা প্রসিডিং কিংবা কোন বিচারালয়ে উত্থাপিত নথি বা প্রসিডিং বলে অথবা কোন জন্ম, খ্রিস্টানদের ধর্মীয় অনুষ্ঠান, বিবাহ কিংবা সমাধিকরণের রেজিস্টার বলে অথবা কোন সরকারী কর্মচারী কর্তক সরকারী কর্মচারী হিসেবে রক্ষিত রেজিস্টার বলে অথবা কোন সরকারী কর্মচারী দ্বারা তার সরকারী পদ মর্যাদা বলে কৃত সার্টিফিকেট বা দলিল বলে, অথবা কোন মামলা দায়ের করার বা উহাতে পক্ষ সমর্থনের কিংবা উহাতে কোন কার্যক্রম গ্রহণের রায় মানার কিংবা পাওয়ার অব এটনী বলে প্রতিভাত হয়, তবে উক্ত ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম কিংবা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

⇒ The Penal Code, 1860, Section- 466. Forgery of record of Court or of public register, etc:
Whoever forges a document, purporting to be a record or proceeding of or in a Court of Justice, or a register of birth, baptism, marriage or burial, or a register kept by a public servant as such, or a certificate or document purporting to be made by a public servant in his official capacity, or an authority to institute or defend a suit, or to take any proceedings therein, or to confess judgment, or a power of attorney, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.

১,৪২৪.
অর্থদণ্ড ব্যতীত দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় খুনের অপরাধের সর্বনিম্ন শাস্তি কী?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. ১০ বছর কারাদণ্ড
  4. ৭ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০২ ধারার বিধান খুনের সাজা:- কোন ব্যক্তি যদি খুনের অপরাধ করে তবে উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
অর্থাৎ অর্থদণ্ড ব্যতীত দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় সর্বনিম্ন শাস্তি - যাবজ্জীবন কারাদণ্ড।
-----------------
⇒ The Penal Code,1860-Section 302. Punishment for murder:-Whoever commits murder shall be punished with death, or imprisonment for life, and shall also be liable to fine.
১,৪২৫.
রহিম ইচ্ছাকৃতভাবে সোহেলের ব্যাগে মাদকদ্রব্য রাখে, যাতে পুলিশ সেটি পায় এবং সোহেল মাদক মামলায় ফেঁসে যায়। রহিমের কাজ কী হিসেবে গণ্য হবে?
  1. চুরি
  2. প্রতারণা
  3. জালিয়াতি
  4. মিথ্যা প্রমাণ তৈরি
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ঘ) মিথ্যা প্রমাণ তৈরি।

⇒ দণ্ডবিধির ১৯২ ধারার বিধান: মিথ্যা সাক্ষ্য উদ্ভাবন করা:

কোন ব্যক্তি যদি কোন অবস্থার অস্তিত্ব সৃষ্টি বা উদ্ভাবন করে, অথবা কোন বইতে বা রেকর্ডে মিথ্যা কথা লিপিবদ্ধ করে অথবা মিথ্যা বিবরণ সাক্ষ্য হিসেবে কোন বিচারবিভাগীয় কার্যক্রমে অথবা সরকারী কর্মচারীর সম্মুখে সরকারী কর্মচারী হিসেবে কোন আইনগত কার্যক্রমে অথবা কোন সালিসের সম্মুখে উত্থাপন করার উদ্দেশ্যেই যদি তা করা হয়ে থাকে এবং অনুরূপ অবস্থা বা মিথ্যা দলিল বা মিথ্যা বিবৃতি যদি এমন প্রকৃতির হয় যে, উক্ত কার্যক্রমে যিনি সাক্ষ্যের উপর ভিত্তি করে তাঁর মতামত গঠন করবেন, তিনি উক্ত অবস্থা বা মিথ্যা দলিল বা মিথ্যা বিবৃতিজনিত সাক্ষ্যে প্রভাবিত হয়ে অনুরূপ কার্যক্রমের সাথে গুরুত্বপূর্ণভাবে জড়িত কোন বিষয় সম্পর্কে ভুল ধারণা বা মত পোষণ করবেন, তবে সে ব্যক্তি 'মিথ্যা সাক্ষ্য তৈরি করেছে' বলে পরিগণিত হয়।

উদাহরণসমূহ (Illustrations):
(ক) A, Z–এর বাক্সে রত্নপাথর রাখে, যাতে এগুলো ওই বাক্সে পাওয়া যায় এবং এই পরিস্থিতির কারণে Z চুরির অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হয়। A মিথ্যা প্রমাণ তৈরি করেছে।

(খ) A, আদালতে সমর্থক প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করার উদ্দেশ্যে নিজের দোকানের হিসাবপত্রে (Shop-book) মিথ্যা নথি লিখে। A মিথ্যা প্রমাণ তৈরি করেছে।

(গ) A, Z–কে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রে দোষী প্রমাণ করার উদ্দেশ্যে Z–এর লেখা নকল করে একটি চিঠি লিখে, যা সে জানে পুলিশ পরিদর্শন করবে এমন স্থানে রাখে। A মিথ্যা প্রমাণ তৈরি করেছে।

১,৪২৬.
কোন কাজটি ধারা ১৮৯-এর অধীনে অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে?
  1. সরকারী কর্মচারীর ব্যক্তিগত কাজে ক্ষতি করলে
  2. সরকারী কর্মচারীকে তার ব্যক্তিগত কাজে সহায়তা করতে হুমকি দিলে
  3. সরকারী কর্মচারীকে তার সরকারি দায়িত্ব পালনকালে আঘাত প্রদান করলে
  4. সরকারী কর্মচারীকে তার সরকারি দায়িত্ব পালনে বিরত রাখার জন্য হুমকি দিলে
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ১৮৯ ধারা- সরকারী কর্মচারীকে ক্ষতিসাধনের হুমকি:
কোন সরকারী কর্মচারী হিসেবে তার সরকারী কর্তব্য সম্পাদনের সাথে সংশ্লিষ্ট কোন কাজ করতে প্রবৃত্ত করার উদ্দেশ্যে অথবা কোন কাজ করা হতে বিরত হওয়ার বা করতে বিলম্ব করার জন্য বাধ্য করার উদ্দেশ্যে, কোন ব্যক্তি যদি উক্ত সরকারী কর্মচারীকে অথবা অন্য যে কোন ব্যক্তির সাথে উক্ত সরকারী কর্মচারীর স্বার্থসংশ্লিষ্ট, সে অন্য ব্যক্তিকে ক্ষতিসাধনের হুমকি প্রদর্শন করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

Section 189- Threat of injury to public servant:
Whoever holds out any threat of injury to any public servant, or to any person in whom he believes that public servant to be interested, for the purpose of inducing that public servant to do any act, or to forbear or delay to do any act, connected with the exercise of the public functions of such public servant, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
১,৪২৭.
'A' বাংলাদেশের নাগরিক আমেরিকা থাকা অবস্থায় একজন আফ্রিকান নাগরিক 'B' কে হত্য করে। তার পর সে বাংলাদেশে চলে আসেন। এই ক্ষেত্রে 'A' এর বিচার-
  1. বাংলাদেশে বিচার করা যাবে না।
  2. বাংলাদেশে যেখানে পাওয়া যাবে সেখানে বিচার করা যাবে।
  3. আমেরিকায় নিয়ে বিচার করা যাবে।
  4. কোন বিচার হবে না।
ব্যাখ্যা
⇒ পেনাল কোড অনুযায়ী বাংলাদেশের নাগরিক দেশে-বিদেশে যেখানেই পেনাল কোডের অপরাধ করুক তাঁকে বাংলাদেশে যেখানে পাওয়া যাবে সেখানে বিচার করা যাবে। বিদেশী নাগরিক যদি বাংলাদেশে অবস্থান করে বা বাংলাদেশের নিবন্ধিত কোন জাহাজ বা বিমানে অবস্থান করে কোনো অপরাধ করলে এবং তা পেনাল কোডে দণ্ডনীয় হলে তার বিচার বাংলাদেশে করা যাবে। কিন্তু বিদেশী কোনো নাগরিক বিদেশে অপরাধ করলে সেটি বাংলাদেশে বিচার্য হবে না।

⇒ দণ্ডবিধির ২ থেকে ৪ ধারায় দণ্ডবিধির প্রয়োগ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। যে ক্ষেত্রে দণ্ডবিধি প্রয়াগ হবে-
(i)  বাংলাদেশের সকল নাগরিকের ক্ষেত্রে: দেশে-বিদেশে যেখানেই অপরাধ সংঘটন করুক না কেন।
(ii) বিদেশি নাগরিকের ক্ষেত্রে: যদি সে বাংলাদেশে অথবা বাংলাদেশের নিবন্ধিত কোন জাহাজ বা বিমানে অপরাধ সংঘটন করে।
(iii) বাংলাদেশের নিবন্ধিত কোন জাহাজ বা বিমানে অপরাধ সংগঠন করার ক্ষেত্রে: উক্ত বাংলাদেশি জাহাজ বা বিমান বাংলাদেশ বা বিদেশে যেখানেই অবস্থান করুক না কেন।
১,৪২৮.
জামাল এর মৃত্যু ঘটানোর ইচ্ছা নিয়ে লাঠি দ্বারা আঘাত করে তাকে খুন করার অপরাধে রাহাত অভিযুক্ত হলো। বিচারকালে কোন বিষয়টি বিচার্য বিষয় হবে না?
  1. রাহাত কর্তৃক জামালকে লাঠি দ্বারা আঘাত।
  2. উক্ত আঘাতের ফলে রাহাত কর্তৃক জামালের মৃত্যু ঘটানো।
  3. রাহাত কর্তৃক জামাল এর মৃত্যু ঘটানোর অভিপ্রায়।
  4. রাহাত এর বন্ধু ও বন্ধুর বড় ভাইয়ের মধ্যকার বিদ্বেষ।
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ৫ মোতাবেক কোন মামলায় বা কার্যক্রমে বিচার্য প্রত্যেক বিষয়ের এবং এই আইনের অতঃপর যে সকল বিষয় প্রাসঙ্গিক বলে ঘোষিত হয়েছে তাদের অস্তিত্ব বা সম্পর্কে সাক্ষ্য দেয়া যেতে পারে। ভিন্ন অন্য কোন বিষয় সম্পর্কে সাক্ষ্য দেয়া যাবে না।

♦ এখানে রাহাত এর বন্ধু ও বন্ধুর বড় ভাইয়ের মধ্যকার বিদ্বেষ এর বিষয়টি অপ্রাসঙ্গিক তাই এটি বিচার্য বিষয় নয়।
১,৪২৯.
দণ্ডবিধির ১২৪ক ধারা অনুসারে রাষ্ট্রদ্রোহ বলতে কী বুঝায়?
  1. রাষ্ট্রের প্রতি অবজ্ঞা
  2. রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র
  3. সরকারের প্রতি বিদ্বেষ
  4. রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্বের ক্ষতি করা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১২৪ক ধারার বিধান রাষ্ট্রদ্রোহিতা:
কোন ব্যক্তি যদি উচ্চারিত বা লিখিত কথা বা উক্তি দ্বারা, অথবা চিহ্নাদি দ্বারা, অথবা দৃশ্যমান প্রতীকের সহায়তায় অথবা অপর কোনভাবে বাংলাদেশে আইনানুসারে প্রতিষ্ঠিত সরকারের প্রতি ঘৃণা বা বিদ্বেষ সৃষ্টি করে বা করার চেষ্টা করে অথবা বৈরিতা উদ্রেক করে বা করার চেষ্টা করে, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন অথবা যে কোন কম মেয়াদের কারাদণ্ডে যার সাথে অর্থদণ্ড যোগ করা যাবে অথবা তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে যার সাথে অর্থদণ্ড যোগ করা যাবে, অথবা তাকে অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।

ব্যাখ্যা ১: ‘বৈরিতা' বলতে রাজানুগত্যহীনতা এবং সর্বপ্রকার শত্রুতার ভাব বুঝায়।
ব্যাখ্যা ২: ঘৃণা, বিদ্বেষ বা বৈরিতা সৃষ্টি করা বা সৃষ্টি করার চেষ্টা করা ছাড়াই আইনসম্মত উপায়ে পরিবর্তন বা সংশোধনের উদ্দেশ্যে সরকারের গৃহীত ব্যবস্থাসমূহের প্রতি অসমর্থন প্রকাশ এই ধারামতে অপরাধ বলে পরিগণিত হবে না।
ব্যাখ্যা ৩: ঘৃণা, বিদ্বেষ বা বৈরিতা সৃষ্টি করার বা সৃষ্টি করার চেষ্টা করা ছাড়াই সরকারের কোন শাসন পরিচালন বিষয়ক বা অন্যরূপ কার্য সম্পর্কে অসমর্থনমূলক অভিমত বা মন্তব্য প্রকাশ এই ধারামতে অপরাধ বলে পরিগণিত হবে না। 
---------------------
Section 124A. Sedition:
 Whoever by words, either spoken or written, or by signs, or by visible representation, or otherwise, brings or attempts to bring into hatred or contempt, or excites or attempts to excite disaffection towards, the Government established by law shall be punished with imprisonment for life or any shorter term, to which fine may be added, or with imprisonment which may extend to three years, to which fine may be added, or with fine.
 
Explanation 1.-The expression "disaffection" includes disloyalty and all feelings of enmity. 
Explanation 2.-Comments expressing disapprobation of the measures of the Government with a view to obtain their alteration by lawful means, without exciting or attempting to excite hatred, contempt or disaffection, do not constitute an offence under this section. 
Explanation 3.-Comments expressing disapprobation of the administrative or other action of the Government without exciting or attempting to excite hatred, contempt or disaffection, do not constitute an offence under this section.
১,৪৩০.
A কোনো পণ্যে নকল চিহ্ন লাগিয়ে Z-কে বিশ্বাস করায় যে, এটি কোনো বিখ্যাত প্রস্তুতকারকের তৈরি, এবং এইভাবে Z-কে তা কিনতে প্ররোচিত করে। এখানে A এর অপরাধ কী?
  1. প্রতারণা 
  2. জালিয়াতি
  3. অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ
  4. মিথ্যা দলিল প্রণয়ন
ব্যাখ্যা

The Penal Code, 1860 এর ধারা ৪১৫ – প্রতারণা (Cheating):
যে ব্যক্তি কাউকে প্রতারণা করে (deceiving any person)- এবং অসৎভাবে বা প্রতারণামূলকভাবে (fraudulently or dishonestly) সেই প্রতারিত ব্যক্তিকে প্ররোচিত করে যেন সে কোনো সম্পত্তি হস্তান্তর করে (deliver any property), অথবা কোনো ব্যক্তিকে সম্পত্তি ধরে রাখতে সম্মতি দেয় (consent to retain property), অথবা এমন কিছু করে বা করা থেকে বিরত থাকে, যা সে প্রতারণা না হলে করত না বা বাদ দিত না, এবং এই কাজ বা অবহেলার ফলে যদি ঐ ব্যক্তির শরীর, মন, সুনাম বা সম্পত্তির ক্ষতি হয় বা হওয়ার সম্ভাবনা থাকে, তবে বলা হয় যে, সে “প্রতারণা (Cheating)” করেছে।

ব্যাখ্যা (Explanation): যদি কেউ অসৎভাবে কোনো সত্য গোপন করে (dishonest concealment of facts) — তাহলেও সেটি “প্রতারণা” হিসেবে গণ্য হবে।

উদাহরণসমূহ (Illustrations):
(a) A মিথ্যা দাবি করে যে সে সরকারি চাকরিজীবী, এবং এই মিথ্যা পরিচয়ে Z-এর কাছ থেকে বাকিতে পণ্য নেয়, যদিও A-এর পরিশোধের কোনো ইচ্ছা নেই।
- A প্রতারণা করেছে।

(b) A কোনো পণ্যে নকল চিহ্ন লাগিয়ে Z-কে বিশ্বাস করায় যে এটি কোনো বিখ্যাত প্রস্তুতকারকের তৈরি, এবং এইভাবে Z-কে তা কিনতে প্ররোচিত করে।
- A প্রতারণা করেছে।

(c) A মিথ্যা নমুনা (sample) দেখিয়ে Z-কে বিশ্বাস করায় যে আসল পণ্যও একই মানের, এবং Z সেই পণ্য ক্রয় করে।
-  A প্রতারণা করেছে।

১,৪৩১.
Mens-rea বলতে বুঝায়?
  1. ভাল মন
  2. দোষযুক্ত মন
  3. সরল মন
  4. ক ও খ উভয়ই
ব্যাখ্যা
♦ কোন ব্যক্তিকে ফৌজদারী অপরাধে অভিযুক্ত করতে প্রধানত ২টি শর্ত অবশ্যই পূরণ করতে হয়।
      (i) দোষযুক্ত মন বা অপরাধী মন [Mens Rea] এবং
      (ii) দোষাবহ কার্য বা অপরাধজনক কার্য [Actus Rea]

♦ “Mens rea' শব্দের অর্থ ‘অপরাধী মন বা দোষযুক্ত মন' (guilty mind)।

♦  অপরাধ সংঘটনের সময়ে আসামীর মনের অবস্থা “Mens rea' নামে পরিচিত। এটা ‘অপরাধীর দুষ্টমন' নামেও পরিচিত। একজন অপরাধী শুধু তার অপরাধজনক কার্যের জন্যই দায়ী হয় না বরং সে তার কার্যের সাথে তার অপরাধী মন বা অপরাধ করার ইচ্ছা বা উদ্দেশ্যের জন্যই বিশেষভাবে দায়ী হয়ে থাকে। এই অপরাধী মন বা অপরাধ করার ইচ্ছাকে বলা হয় mens rea বা guilty mind.
১,৪৩২.
দণ্ডবিধির ৯৩ ধারার অনুসারে কোন পরিস্থিতিতে সদবিশ্বাসে করা যোগাযোগ অপরাধ বলে গণ্য হবে না?
  1. যদি তা অসৎ উদ্দেশ্যে করা হয়
  2. যদি তা অন্যের ক্ষতির কারণ হয়ে থাকে
  3. যদি তা অপরাধমূলক উদ্দেশ্যে করা হয়
  4. যদি তা অন্যের মঙ্গলের জন্য এবং সদবিশ্বাসে করা হয়
ব্যাখ্যা
→ দণ্ডবিধির ৯৩ ধারার বিধান সদবিশ্বাসে কৃত যোগাযোগ:
 -কোন ব্যক্তির মঙ্গলার্থে আন্তরিক সদিচ্ছাক্রমে কৃত যোগাযোগ বা খবর প্রদান, উক্ত খবর প্রদানের ফলে উক্ত ব্যক্তির কোন প্রকার ক্ষতি হওয়ার দরুণ অপরাধ হবে না।

উদাহরণ: ক একজন সার্জন। তিনি আন্তরিক সদিচ্ছা থেকে জনৈক রোগীকে তার এই মত জানান যে, সে বাঁচবে না। ইহাতে মর্মান্তিক আঘাত প্রাপ্তির ফলে রোগীটির মৃত্যু হয়। কএর কাজটি অপরাধ বলে পরিগণিত হবে না, যদিও তিনি জানতেন যে, তার এইরূপ মত দেওয়ার ফলে রেগিটির মৃত্যু ঘটতে পারে।

------------------------------------
→ The Penal Code,1860- Section 93: Communication made in good faith:
- No communication made in good faith is an offence by reason of any harm to the person to whom it is made, if it is made for the benefit of that person. 
 
Illustration:
- A, a surgeon, in good faith, communicates to a patient his opinion that he cannot live. The patient dies in consequence of the shock. A has committed no offence, though he knew it to be likely that the communication might cause the patient's death.
১,৪৩৩.
দণ্ডবিধি অনুসারে, মিথ্যা সাক্ষ্যের ফলে যদি কোনো নির্দোষ ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়, তাহলে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানকারীর সর্বোচ্চ কী শাস্তি হতে পারে?
  1. ১০ বছর কারাদণ্ড
  2. মৃত্যুদণ্ড
  3. ৭ বছর কারাদণ্ড
  4. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির  ১৯৪ ধারা মতে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করার উদ্দেশ্যে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদান বা মিথ্যা সাক্ষ্য উদ্ভাবনের ২ ধরনের শাস্তি হতে পারে। যথা-
(i) কোন আসামীকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করার জন্য মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়ার পরও অথবা মিথ্যা সাক্ষ্য সৃষ্টি করার পরও উক্ত আসামীর মৃত্যুদন্ড না হলে বা আসামী খালাস পেলে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানকারী যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা অনধিক ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
(ii) মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানের ফলে কোন নির্দোষ লোকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হলে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানকারী মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা অনধিক ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
-------------
⇒ দণ্ডবিধির ১৯৪ ধারার বিধান মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করানোর উদ্দেশ্যে মিথ্যা সাক্ষ্যদান বা মিথ্যা সাক্ষ্য তৈরি করা :- কোন ব্যক্তি যদি মিথ্যা সাক্ষ্যদান করে বা তৈরি করে এবং তদ্বারা কাউকে বর্তমানে বলবৎ কোন আইনবলে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় কোন অপরাধে দণ্ডিত করানোর উদ্দেশ্যেই তা করে থাকে কিংবা তার এইরূপ মিথ্যা সাক্ষ্য দান বা তৈরি করার ফলে কাউকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধে দণ্ডিত করা হতে পারে জেনেই যদিও তা করে থাকে, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে; তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা হবে।

⇒ যদি তার ফলে কোন নির্দোষ ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে সাজাপ্রাপ্ত হয় এবং সাজা বলবৎ হয়:- যদি অনুরূপ মিথ্যা সাক্ষ্যের ফলে কোন নির্দোষ ব্যক্তি সাজাপ্রাপ্ত হয় ও সাজা বলবৎ হয়, তবে যে ব্যক্তি অনুরূপ মিথ্যা সাক্ষ্যদান করেছে, সে ব্যক্তি হয় মৃত্যুদণ্ডে, না হয় এই ধরায় ইতোপূর্বে বর্ণিত সাজায় সাজাপ্রাপ্ত হবে।
_________
The Penal Code, 1860- Section-194: Giving or fabricating false evidence with intent to procure conviction of capital offence; if innocent person be thereby convicted and executed:
-Whoever gives or fabricates false evidence, intending thereby to cause, or knowing it to be likely that he will thereby cause, any person to be convicted of an offence which is capital by any law for the time being in force, shall be punished with imprisonment for life, or with rigorous imprisonment for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine; 
-and if an innocent person be convicted and executed in consequence of such false evidence, the person who gives such false evidence shall be punished either with death or the punishment herein before described.

১,৪৩৪.
সরকারি কর্মচারীকে ক্ষতিসাধনের হুমকির শাস্তির বিধান দণ্ডবিধির কত ধারায় আছে?
  1. ১৮২ ধারায়
  2. ১৮৭ ধারায়
  3. ১৮৯ ধারায়
  4. ১৯০ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৮৯ ধারার বিধান সরকারি কর্মচারীকে ক্ষতিসাধনের হুমকি:- কোন সরকারি কর্মচারী হিসেবে তার সরকারি কর্তব্য সম্পাদনের সাথে সংশ্লিষ্ট কোন কাজ করতে প্রবৃত্ত করার উদ্দেশ্যে অথবা কোন কাজ করা হতে বিরত হওয়ার বা করতে বিলম্ব করার জন্য বাধ্য করার উদ্দেশ্যে, কোন ব্যক্তি যদি উক্ত সরকারি কর্মচারীকে অথবা অন্য যে কোন ব্যক্তির সাথে উক্ত সরকারি কর্মচারীর স্বার্থসংশ্লিষ্ট, সে অন্য ব্যক্তিকে ক্ষতিসাধনের হুমকি প্রদর্শন করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
-----------------------
- Section 189. Threat of injury to public servant:- Whoever holds out any threat of injury to any public servant, or to any person in whom he believes that public servant to be interested, for the purpose of inducing that public servant to do any act, or to forbear or delay to do any act, connected with the exercise of the public functions of such public servant, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
১,৪৩৫.
'অর্থদণ্ড বা উহার কোন অপরিশোধিত অংশ দণ্ডাদেশ দানের পরবর্তী ছয় বৎসরের মধ্যে যে কোন সময়ে আদায় করা যাবে'- The Penal Code, 1860 এর কত ধারায় বলা হয়েছে?
  1. ৬৩ ধারায়
  2. ৬৫ ধারায়
  3. ৬৭ ধারায়
  4. ৭০ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৭০ ধারার বিধান- অর্থদও ছয় বৎসরের মধ্যে বা কারাদণ্ড চলতে থাকাকালে আদায়যোগ্য: মৃত্যুর ফলে সম্পত্তি দায়মুক্ত হবে না:
অর্থদণ্ড বা উহার কোন অপরিশোধিত অংশ দণ্ডাদেশ দানের পরবর্তী ছয় বৎসরের মধ্যে যে কোন সময়ে আদায় করা যাবে, এবং উক্ত দণ্ডাদেশবলে অপরাধী যদি ছয় বৎসর হতেও দীর্ঘতর মেয়াদের জন্য কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়, তবে অর্থদণ্ড বা উহার কোন অপরিশোধিত অংশ উক্ত কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে যে কোন সময়ে আদায় করা হবে; অপরাধীর মৃত্যুর পর তার যে সম্পত্তি তার দায় পরিশোধ আইনতঃ দায়গ্রস্ত হতে পারে, অপরাধীর মৃত্যুর ফলে অনুরূপ সম্পত্তি দায়মুক্ত হবে না।

Section 70- Fine leviable within six years, or during imprisonment Death not to discharge property from liability:
The fine, or any part thereof which remains unpaid, may be levied at any time within six years after the passing of the sentence, and if, under the sentence, the offender be liable to imprisonment for a longer period than six years, then at any time previous to the expiration of that period; and the death of the offender does not discharge from the liability of any property which would, after his death, be legally liable for his debts.
১,৪৩৬.
দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ২৩-এ কোনটি সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে?
  1. অসাধুতা (Dishonesty)
  2. অন্যায় লাভ (Wrongful gain) 
  3. অন্যায় ক্ষতি (Wrongful loss)
  4. 'খ' এবং 'গ' উভয়ের
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০–এর ধারা ২৩–এ “অন্যায় লাভ” (Wrongful gain) এবং “অন্যায় ক্ষতি” (Wrongful loss) সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। এখানে বলা হয়েছে:
অন্যায় লাভ (Wrongful gain): এটি হলো অবৈধ উপায়ে এমন সম্পত্তি অর্জন করা, যার উপর অর্জনকারী ব্যক্তির আইনি অধিকার নেই।
অন্যায় ক্ষতি (Wrongful loss): এটি হলো অবৈধ উপায়ে এমন সম্পত্তি থেকে কোনো ব্যক্তিকে বঞ্চিত করা, যার উপর তার আইনি অধিকার রয়েছে।
সুতরাং, ধারা ২৩–এ উভয় ধারণাই—অন্যায় লাভ ও অন্যায় ক্ষতি—সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। তাই সঠিক উত্তর হলো: ঘ) 'খ' এবং 'গ' উভয়ের।
-------------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section-23:
→ “Wrongful gain”
 "Wrongful gain" is gain by unlawful means of property to which the person gaining is not legally entitled.
→ “Wrongful loss”
"Wrongful loss" is the loss by unlawful means of property to which the person losing it is legally entitled.
→ Losing wrongfully.
- A person is said to gain wrongfully when such person retains wrongfully, as well as when such person acquires wrongfully.
- A person is said to loss wrongfully when such person is wrongfully kept out of any property, as well as when such person is wrongfully deprived of property.

১,৪৩৭.
দণ্ডবিধির ২৯৯ ধারা অনুযায়ী, কোন ক্ষেত্রে একজন ব্যক্তি শাস্তিযোগ্য নরহত্যার দোষে দোষী হবে?
  1. যদি সে মৃত্যু ঘটানোর উদ্দেশ্যে কোনো কাজ করে
  2. যদি সে এমন দৈহিক জখম ঘটায় যা মৃত্যু ঘটাতে পারে বলে জানে
  3. যদি সে মৃত্যু ঘটানোর সম্ভাবনা আছে এমন কাজ করে
  4. উপরের সবগুলোই সঠিক
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২৯৯ ধারা অনুযায়ী, "শাস্তিযোগ্য নরহত্যা" ঘটবে যদি কোনো ব্যক্তি: ১) মৃত্যু ঘটানোর উদ্দেশ্যে কোনো কাজ করে , ২) এমন দৈহিক জখম ঘটায় যা মৃত্যু ঘটাতে পারে বলে জানে , ৩) মৃত্যু ঘটানোর সম্ভাবনা আছে এমন কাজ করে।
- এই তিনটি পরিস্থিতিই শাস্তিযোগ্য নরহত্যার অন্তর্ভুক্ত, কারণ এতে মৃত্যুর ঘটনা ঘটানোর উদ্দেশ্য বা অবহেলা সম্পর্কিত কারণ থাকে, যা আইন অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য।

⇒ দণ্ডবিধির ২৯৯ ধারার বিধান শাস্তিযোগ্য নরহত্যা:- কোন ব্যক্তি যদি মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্য নিয়ে কৃত কোন কাজ কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, অথবা যে দৈহিক জখম মৃত্যু ঘটাতে পারে, তেমন দৈহিক জখম ঘটাবার উদ্দেশ্য নিয়ে কৃত কোন কাজের সংঘটন কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, অথবা যে কাজ মৃত্যু ঘটাতে পারে বলে সে জানে, সে কাজ সম্পাদন কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, তবে সেই ব্যক্তি শাস্তিযোগ্য নরহত্যার দোষে দোষী হবে।

ব্যাখ্যা ১:- যে ব্যক্তি অসুস্থতা, রোগ বা দৈহিক অপারগতায় ভুগছে, তার দৈহিক, জখম করে মৃত্যু ত্বরান্বিত করলে তার মৃত্যু ঘটাবার অপরাধ হয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে।
ব্যাখ্যা ২:- যখন দৈহিক আঘাত বা জখমের কারণে মৃত্যু ঘটে, তখন যে ব্যক্তি অনুরূপ দৈহিক আঘাত বা জখম ঘটায়, সে ব্যক্তি মৃত্যু ঘটিয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে, যদিও যথোচিত প্রতিকারের ও সুনিপুণ চিকিৎসার ফলে সে মৃত্যু রোধ করা যেত।
ব্যাখ্যা ৩:- মাতৃগর্ভে কোন শিশুর মৃত্যু ঘটানো নরহত্যা নয়। কিন্তু যদি কোন শিশুর (দেহের) কোন অংশ নিষ্ক্রান্ত করার পর জীবিত শিশুটির মৃত্যু ঘটানো হয়, তবে তা শাস্তিযোগ্য নরহত্যা বলে পরিগণিত হবে, যদিও শিশুটি শ্বাসপ্রশ্বাস গ্রহণ না করে থাকে অথবা সম্পূর্ণরূপে ভূমিষ্ঠ না হয়ে থাকে।
----------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 299: Culpable homicide:
- Whoever causes death by doing an act with the intention of causing death, or with the intention of causing such bodily injury as is likely to cause death, or with the knowledge that he is likely by such act to cause death, commits the offence of culpable homicide.

Explanation-1. A person who causes bodily injury to another who is labouring under a disorder, disease or bodily infirmity, and thereby accelerates the death of that other, shall be deemed to have caused his death.
Explanation-2. Where death is caused by bodily injury, the person who causes such bodily injury shall be deemed to have caused the death, although by resorting to proper remedies and skilful treatment the death might have been prevented. 
Explanation-3. The causing of the death of a child in the mother's womb is not homicide. But it may amount to culpable homicide to cause the death of a living child, if any part of that child has been brought forth, though the child may not have breathed or been completely born.
১,৪৩৮.
অপরাধের প্রচেষ্টার জন্য দণ্ড দেওয়া হয় কিন্তু অপরাধটি সংঘটিত হলে কোন দণ্ড হয় না। অপরাধটি সংঘটনের উদ্যোগ বা প্রচেষ্টার শাস্তি কোন ধারায়?
  1. ৩০৮ ধারায়
  2. ৩০৯ ধারায়
  3. ৩০৭ ধারায়
  4. ৩০৬ ধারায়
ব্যাখ্যা
• অপরাধটি হলো আত্মহত্যার উদ্যোগ বা প্রচেষ্টা।
• ৩০৯ ধারায় যার শাস্তি ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।
• অপরাধটি সংঘটিত হয়ে গেলে মৃত ব্যক্তিকে দণ্ড দেওয়া যায় না।
১,৪৩৯.
কোন অস্থাবর সম্পত্তি কোন বিশেষ ব্যক্তির স্বত্বাধীনে বলে বোঝানোর জন্য ব্যবহৃত চিহ্নকে কী বলে?
  1. Property mark
  2. Trade mark
  3. Patent
  4. Copyright
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ৪৭৯ ধারায় সম্পত্তি চিহ্ন (Property mark) এর বিধান রয়েছে। কোন অস্থাবর সম্পত্তি কোন বিশেষ ব্যক্তির স্বত্বাধীন বলে বুঝানোর জন্য ব্যবহৃত চিহ্নকে সম্পত্তি চিহ্ন বলে। অর্থাৎ কোন অস্থাবর সম্পত্তির মালিকানা নির্দেশক চিহ্নকে সম্পত্তি চিহ্ন বা Property mark বলে।
১,৪৪০.
দণ্ডবিধির ধারা ২৭৫ অনুযায়ী ভেজাল ঔষধ বিক্রির সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৬ মাস কারাদণ্ড
  2. ১ বছর কারাদণ্ড
  3. ২ বছর কারাদণ্ড
  4. ৩ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ২৭৫ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি জেনেশুনে ভেজালযুক্ত ঔষধ: বিক্রি করে, বিক্রির জন্য প্রদর্শন করে, ডিসপেনসারি থেকে অশোধিত/ভেজালমুক্ত বলে ইস্যু করে, অজ্ঞাতসারে কোনো ব্যক্তিকে ব্যবহার করতে দেয়, তাহলে তার শাস্তি হবে: সর্বোচ্চ ৬ মাসের কারাদণ্ড অথবা  ১,০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা অথবা উভয় শাস্তি। 

⇒The Penal Code, 1860 – Section 275. Sale of adulterated drugs:
Whoever, knowing any drug or medical preparation to have been adulterated in such a manner as to lessen its efficacy, to change its operation, or to render it noxious, sells the same, or offers or exposes it for sale, or issues it from any dispensary for medicinal purposes as unadulterated, or causes it to be used for medicinal purposes by any person not knowing of the adulteration, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to six months, or with fine which may extend to one thousand taka, or with both.
১,৪৪১.
"মাতৃগর্ভে কোন শিশুর মৃত্যু ঘটানো নরহত্যা নয়" এই বিধানটি দণ্ডবিধির কোথায় বর্ণিত আছে?
  1. ২৯৯ ধারা, ব্যাখ্যা-১
  2. ২৯৯ ধারা, ব্যাখ্যা-২
  3. ২৯৯ ধারা, ব্যাখ্যা-৩
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২৯৯ ধারার বিধান শাস্তিযোগ্য নরহত্যা (Culpable homicide):- কোন ব্যক্তি যদি মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্য নিয়ে কৃত কোন কাজ কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, অথবা যে দৈহিক জখম মৃত্যু ঘটাতে পারে, তেমন দৈহিক জখম ঘটাবার উদেশ্য নিয়ে কৃত কোন কাজের সংঘটন কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, অথবা যে কাজ মৃত্যু ঘটাতে পারে বলে সে জানে, সে কাজ সম্পাদন কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, তবে সেই ব্যক্তি শাস্তিযোগ্য নরহত্যার দোষে দোষী হবে।

⇒ ব্যাখ্যা (Explanation) ১:- যে ব্যক্তি অসুস্থতা, রোগ বা দৈহিক অপারগতায় ভুগতেছে, তার দৈহিক জখম করে মৃত্যু ত্বরান্বিত করলে তার মৃত্যু ঘটাবার অপরাধ হয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে।

⇒ ব্যাখ্যা (Explanation) ২:- যখন দৈহিক আঘাত বা জখমের কারণে মৃত্যু ঘটে, তখন যে ব্যক্তি অনুরূপ দৈহিক আঘাত বা জখম ঘটায়, সে ব্যক্তি মৃত্যু ঘটিয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে, যদিও যথোচিত প্রতিকারের ও সুনিপুণ চিকিৎসার ফলে সে মৃত্যু রোধ করা যেত।

⇒ ব্যাখ্যা (Explanation) ৩:- মাতৃগর্ভে কোন শিশুর মৃত্যু ঘটানো নরহত্যা নয়। কিন্তু যদি কোন শিশুর (দেহের) কোন অংশ নিষ্ক্রান্ত করার পর জীবিত শিশুটির মৃত্যু ঘটানো হয়, তবে তা শাস্তিযোগ্য নরহত্যা বলে পরিগণিত হবে, যদিও শিশুটি শ্বাসপ্রশ্বাস গ্রহণ না করে থাকে অথবা সম্পূর্ণরূপে ভুমিষ্ঠ না হয়ে থাকে।

⇒ দণ্ডবিধির ২৯৯ ধারার ব্যাখ্যা-৩ মতে মাতৃগর্ভস্থ কোন শিশুর মৃত্যু ঘটানো খুন বা নিন্দনীয় নরহত্যা কোনটাই হবে না।
- তবে মাতৃগর্ভস্থ শিশুটি সম্পূর্ণরূপে জন্মগ্রহণ না করেও শিশুটির দেহের কোন অংশ নিষ্ক্রান্ত করার পর জীবিত শিশুটির মৃত্যু ঘটানো হলে তা নিন্দনীয় নরহত্যা বলে বিবেচিত হবে।
১,৪৪২.
শামীম স্ত্রীর সম্মতি ছাড়া তার গর্ভপাত ঘটিয়েছেন। এক্ষেত্রে, শামীম দণ্ডবিধির ৩১৩ ধারায় সর্বোচ্চ কী শাস্তি পেতে পারে?
  1. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  2. ৭ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  3. ৫ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  4. ৩ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩১৩ ধারা- স্ত্রীলোকের সম্মতি ছাড়া গর্ভপাত করণ:
কোন ব্যক্তি যদি পূর্ববর্তী ধারায় বর্ণিত অপরাধটি সংশ্লিষ্ট স্ত্রীলোকের সম্মতি ছাড়া সম্পাদন করে স্ত্রীলোকটি আসন্ন প্রসবা হোক বা না হোক- তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

Section 313: Causing miscarriage without women's consent:
Whoever commits the offence defined in the last preceding section without the consent of the woman, whether the woman is quick with child or not, shall be punished with imprisonment for life, or with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.
১,৪৪৩.
'A' রাত্রিবেলা একটি গৃহে প্রবেশ করে। গৃহটিতে প্রবেশে 'A' এর আইনগত অধিকার রয়েছে। 'B' সরল বিশ্বাসে 'A'কে চোর ভেবে আক্রমণ করে। এক্ষেত্রে 'B' কি ধরনের অপরাধ করেছে?
  1. আঘাত
  2. কোন অপরাধ করেনি
  3. আক্রমণ
  4. মারাত্মক আঘাত
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ৯৬ ধারা মতে আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগকালে কৃত কোন কিছুই অপরাধ নয়। অর্থাৎ আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করতে গিয়ে কোন অপরাধ সংঘটিত হলেও তা অপরাধ বলে গণ্য হবেনা।

♦ অন্যভাবে বলা যায় যে, ৭৬ ধারা অনুযায়ী এটি একটি Mistake of fact যে কারণে 'B' এর কৃত কাজটি কোন অপরাধ বলে গণ্য হবে না।
১,৪৪৪.
কবরস্থান বা মৃতদেহের প্রতি অসম্মান প্রদর্শনের জন্য দণ্ডবিধির কোন ধারা প্রযোজ্য?
  1. ২৯৫
  2. ২৯৬
  3. ২৯৭
  4. ২৯৮
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ২৯৭ অনুযায়ী, যদি কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে কারো ধর্মীয় অনুভূতি আঘাত করতে বা কারো অনুভূতিতে আঘাত করার জ্ঞান থাকা সত্ত্বেও কবরস্থান বা মৃতদেহের জন্য নির্ধারিত স্থান-এ অনধিকার প্রবেশ (trespass) করে, অথবা কোনো মানব মৃতদেহের প্রতি অসম্মান প্রদর্শন করে, অথবা কোনো অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া বা ধর্মীয় দাফন অনুষ্ঠানে বিঘ্ন সৃষ্টি করে, তাহলে তাকে সর্বোচ্চ এক বছরের কারাদণ্ড, অথবা জরিমানা, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।

⇒ The Penal Code, 1860, section 297. Trespassing on burial places, etc.
- Whoever, with the intention of wounding the feelings of any person, or of insulting the religion of any person, or with the knowledge that the feelings of any person are likely to be wounded, or that the religion of any person is likely to be insulted thereby, commits any trespass in any place of worship or on any place of sepulture, or any place set apart for the performance of funeral rites or as a depository for the remains of the dead, or offers any indignity to any human corpse, or causes disturbance to any persons assembled for the performance of funeral ceremonies, 
shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one year, or with fine, or with both.
১,৪৪৫.
The Penal Code 1860 এর কোন ধারায় 'Good Faith' : 'Nothing is said to be done or believed in good faith which is done or believed without due care and attention'. উল্লেখিত হয়েছে?
  1. ১১
  2. ২২
  3. ৪২
  4. ৫২
ব্যাখ্যা
♦ “Good faith” Section 52. Nothing is said to be done or believed in "good faith" which is done or believed without due care and attention.

♦ দণ্ডবিধির ৫২ ধারায় সদবিশ্বাসের সংজ্ঞা রয়েছে- যথাযথ সতর্কতা ও মনোযোগ ব্যতিরেকে সম্পাদিত বা বিশ্বাসকৃত কোন কিছুই 'সদবিশ্বাসে' করা হয়েছে বা বিশ্বাস করা হয়েছে বলে গণ্য হবে না।

 ♦  এছাড়া তামাদি আইনের ২(৭) ধারায় সদ্ধিশ্বাস বা Good faith এর বিধান রয়েছে।
১,৪৪৬.
দণ্ডবিধির বিধান অনুসারে কারাদণ্ড ভোগের সময় আসামি মারা গেলে তার আরোপিত অর্থদণ্ডের বিষয়ে কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে?
  1. সরকারের কোষাগার থেকে পরিশোধিত হবে
  2. আসামির অর্থদণ্ডের অর্ধেক আদায় করা হবে
  3. আসামির সম্পত্তি থেকে অর্থদণ্ড আদায় করা হবে
  4. আসামির মৃত্যুর কারণে অর্থদণ্ড মওকুফ হবে
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৭০ ধারায় অর্থদণ্ড আদায়ের সময়সীমা সম্পর্কে ৩টি বিধানের উল্লেখ আছে।
(i) দণ্ডাদেশ প্রদানের পরবর্তী ৬ বছরের মধ্যে যেকোনো সময়।
(ii) ৬ বছরের অধিক কারাদণ্ড হলে- কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ/উত্তীর্ণ হওয়ার আগে।
(iii) অর্থদণ্ড অনাদায়ে আসামির মৃত্যু হলে- আসামির সম্পত্তি থেকে আদায় করা হবে।
অর্থাৎ আসামির মৃত্যু হলেও অর্থদণ্ড/জরিমানা মওকুফ হবে না।

⇒ দণ্ডবিধির ৭০ ধারার বিধান-অর্থদও ছয় বৎসরের মধ্যে বা কারাদণ্ড চলতে থাকাকালে আদায়যোগ্য:
- মৃত্যুর ফলে সম্পত্তি দায়মুক্ত হবে না:- অর্থদণ্ড বা উহার কোন অপরিশোধিত অংশ দণ্ডাদেশ দানের পরবর্তী ছয় বৎসরের মধ্যে যে কোন সময়ে আদায় করা যাবে, এবং উক্ত দণ্ডাদেশ বলে অপরাধী যদি ছয় বৎসর হতেও দীর্ঘতর মেয়াদের জন্য কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়,
- তবে অর্থদণ্ড বা উহার কোন অপরিশোধিত অংশ উক্ত কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে যে কোন সময়ে আদায় করা হবে;
- অপরাধীর মৃত্যুর পর তার যে সম্পত্তি তার দায় পরিশোধ আইনত দায়গ্রস্ত হতে পারে, অপরাধীর মৃত্যুর ফলে অনুরূপ সম্পত্তি দায়মুক্ত হবে না।
--------
- The penal code section-70. Fine leviable within six years, or during imprisonment Death not to discharge property from liability:
The fine, or any part thereof which remains unpaid, may be levied at any time within six years after the passing of the sentence, and if, under the sentence, the offender be liable to imprisonment for a longer period than six years, then at any time previous to the expiration of that period; and the death of the offender does not discharge from the liability of any property which would, after his death, be legally liable for his debts.

১,৪৪৭.
দণ্ডবিধির ২৩২ ধারা অনুযায়ী, বাংলাদেশ coin জাল করার সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৭ বছর কারাদণ্ড
  2. ১০ বছর কারাদণ্ড
  3. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  4. শুধু জরিমানা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২৩২ ধারা বলছে:
"যে ব্যক্তি বাংলাদেশ coin জাল করে, বা জাল করার প্রক্রিয়ার কোনো অংশ জেনে-বুঝে সম্পাদন করে, তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, অথবা ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং জরিমানা দেওয়া যেতে পারে।"
- অর্থাৎ এই অপরাধটি অত্যন্ত গুরুতর বলে বিবেচিত হয়, কারণ এটি রাষ্ট্রীয় অর্থনৈতিক নিরাপত্তার সঙ্গে জড়িত। তাই সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে "যাবজ্জীবন কারাদণ্ড" নির্ধারিত আছে। 
------ 
⇒The Penal Code, 1860-Section- 232. Counterfeiting Bangladesh coin:
Whoever counterfeits, or knowingly performs any part of the process of counterfeiting Bangladesh coin, shall be punished with imprisonment for life, or with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.
১,৪৪৮.
দণ্ডবিধিতে কয় ধরনের আঘাতকে গুরুতর আঘাত (Grievous hurt) বলা হয়েছে?
  1. ১০
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩২০ ধারা অনুযায়ী ৮ শ্রেণির আঘাতকে গুরুতর আঘাত বলা হয়েছে। যথা:
(i) পুরুষত্বহীনকরণ
(ii) স্থায়ীভাবে চোখের দৃষ্টি রহিতকরণ
(iii) স্থায়ীভাবে কানের শ্রুতিশক্তি রহিতকরণ
(iv) যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন
(v) যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির স্থায়ী ক্ষতিকরণ
(vi) মাথা বা মুখমন্ডলের স্থায়ী বিকৃতি
(vii) হাড় বা দাঁত ভাঙ্গা
(viii) কোন ব্যক্তিকে ২০ পর্যন্ত তীব্র যন্ত্রণা দেয় এমন আঘাত।

⇒ দণ্ডবিধির ৩২০ ধারার বিধান গুরুতর আঘাত:- শুধু নিম্নলিখিত আঘাতসমূহকেই "গুরুতর" বলে পরিগণিত করা যায়:-
প্রথমত, পুরুষত্বহীন করণ।
দ্বিতীয়ত, যেকোন চোখের জ্যোতি বা দৃষ্টিশক্তি চিরতরে নষ্ট করণ।
তৃতীয়ত, যেকোন কর্ণের শ্রবণশক্তি স্থায়ীভাবে নষ্ট করণ।
চতুর্থত, যেকোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন।
পঞ্চমত, যেকোন অঙ্গের বা গ্রন্থির শক্তিসমূহ ধ্বংস করণ বা চিরতরে খর্ব করণ।
ষষ্ঠত, মাথা বা মুখমণ্ডল স্থায়ীভাবে বিকৃত করণ।
সপ্তম, কোন অস্থি বা দন্ত ভগ্ন বা স্থানচ্যুত করণ।
অষ্টম, এমন কোন আঘাত যা জীবন সংশয় সৃষ্টি করে বা যাতে আহত ব্যক্তি বিশ দিন পর্যন্ত প্রচণ্ড দৈহিক যন্ত্রণা ভোগ করে বা সাধারণ কাজকর্ম করতে অপারগ হয়।
-----------
⇒ Section 320: Grievous hurt:
The following kinds of hurt only are designated as "grievous":- 
Firstly.-Emasculation. 
Secondly.-Permanent privation of the sight of either eye. 
Thirdly.-Permanent privation of the hearing of either ear. 
Fourthly.-Privation of any member or joint. 
Fifthly.-Destruction or permanent impairing of the powers of any member or joint. 
Sixthly.-Permanent disfiguration of the head or face. 
Seventhly.-Fracture or dislocation of a bone or tooth. 
Eighthly.-Any hurt which endangers life or which causes the sufferer to be during the space of twenty days in severe bodily pain, or unable to follow his ordinary pursuits.
১,৪৪৯.
'ক' তাহার প্রতিবেশীর স্ত্রী 'খ' এর ঘরে অন্ধকারে প্রবেশ করে এবং নিজে 'খ'-এর স্বামীর কণ্ঠ ধারণ করে ও 'খ'-এর সাথে যৌনসহবাস করে। 'ক' জানিত যে, 'খ' তাহাকে স্বামী ভাবিয়া ভুল করিয়া যৌনসহবাসে সম্মতি দিয়াছে। এইক্ষেত্রে 'ক' কি অপরাধ করিয়াছে?
  1. ব্যভিচার
  2. ধর্ষণ
  3. যৌন সহবাস
  4. সম্মতিতে যৌন সহবাস
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৫ ধারার বিধান ধর্ষণ (Rape):- কোন পুরুষ অতঃপর উল্লেখিত ব্যতিক্রম ভিন্ন অপর সকল ক্ষেত্রে নিম্নোক্ত পাঁচটি যেকোন অবস্থায় কোন স্ত্রীলোকের সাথে যৌনসঙ্গম করলে সে ধর্ষণ করেছে বলে পরিগণিত হবে।
প্রথমত:- স্ত্রীলোকটির ইচ্ছার বিরুদ্ধে।
দ্বিতীয়ত:- স্ত্রীলোকটির সম্মতি ব্যতিরেকে।
তৃতীয়ত:- স্ত্রীলোকটির সম্মতিক্রমেই, যেক্ষেত্রে মৃত্যু বা জখমের ভয় প্রদর্শন করে স্ত্রীলোকটির সম্মতি আদায় করা হলে।
চতুর্থত:- স্ত্রীলোকটির সম্মতিক্রমেই, যেক্ষেত্রে পুরুষটি জানে যে, সে স্ত্রীলোকটি স্বামী নয়, এবং পুরুষটি ইহার জানে যে, স্ত্রীলোকটি তাকে এমন অপর একজন পুরুষ বলে ভুল করেছে, যে পুরুষটির সাথে সে আইন সম্মতভাবে বিবাহিত হয়েছে বা বিবাহিত বলে বিশ্বাস করে।
পঞ্চমত:- স্ত্রীলোকটি সম্মতিক্রমে অথবা সম্মতি ব্যতিরেকে, যদি স্ত্রীলোকটির বয়স চৌদ্দ বৎসরের কম হয়।

ব্যাখ্যা:-
ধর্ষণের অপরাধের জন্য আবশ্যকীয় যৌনসঙ্গমের জন্য যৌনাঙ্গ প্রবিষ্ট করাই যথেষ্ট গণ্য হবে।

ব্যতিক্রম
:- কোন পুরুষের কর্তৃক নিজ স্ত্রীর সাথে যৌনসঙ্গম ধর্ষণ বলে পরিগণিত হবে না, যদি স্ত্রী তের বৎসরে নিম্ন বয়স্কা না হয়।
---------------
Rape
Section 375. A man is said to commit "rape" who except in the case hereinafter excepted, has sexual intercourse with a woman under circumstances falling under any of the five following descriptions: 
Firstly. Against her will. 
Secondly. Without her consent. 
Thirdly. With her consent, when her consent has been obtained by putting her in fear of death, or of hurt. 
Fourthly. With her consent, when the man knows that he is not her husband, and that her consent is given because she believes that he is another man to whom she is or believes herself to be lawfully married. 
Fifthly. With or without her consent, when she is under fourteen years of age. 
 
Explanation. Penetration is sufficient to constitute the sexual intercourse necessary to the offence of rape. 
Exception. Sexual intercourse by a man with his own wife, the wife not being under thirteen years of age, is not rape.
১,৪৫০.
দণ্ডবিধি অনুসারে নিচের কোন শাস্তিটি বৈধ নয়?
  1. নির্জন কারাবাস
  2. মৃত্যুদণ্ড
  3. সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত
  4. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বিনাশ্রম
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি মূলত দণ্ড সম্পর্কিত আইন, দণ্ডবিধির ৫৩ ধারায় শাস্তির প্রকারভেদ রয়েছে। ৫৩ ধারায় পাঁচ প্রকার শাস্তি উল্লেখ আছে। যথা:
      (i)  মৃত্যুদণ্ড (Death penalty)
      (ii) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড (Imprisonment for life)
      (iii) কারাদণ্ড(Imprisonment) দুই প্রকার:
           ক) সশ্রম( Rigorous, that is,  with hard labour) এবং
           খ) বিনাশ্রম (Simple)
      (iv) সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত (forfeiture of property)
      (v) অর্থদণ্ড (fine)

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৫৩ তে বিধান আছে যে, কারাদণ্ড ২ প্রকারের- সশ্রম ও  বিনাশ্রম। 
⇒ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড সর্বদায় সশ্রম কারাদণ্ড হবে।
---------------------------------------------------
⇒  Punishments
Section 53. The punishments to which offenders are liable under the provisions of this Code are,- 
Firstly,- Death;
Secondly,- Imprisonment for life;
Thirdly,-[Omitted by the Criminal Law (Extinction of Discriminatory Privileges) Act 1949 (Act No. II of 1950]. 
Fourthly,-Imprisonment, which is of two descriptions, namely:- 
(1) Rigorous, that is, with hard labour; 
(2) Simple; 
Fifthly,- Forfeiture of property; 
Sixthly,- Fine. 

⇒ Explanation.-In the punishment of imprisonment for life, the imprisonment shall be rigorous.
১,৪৫১.
দণ্ডবিধির বিধান অনুযায়ী ডাকাতি করা কালে খুন সংঘটিত হলে, সে খুনের জন্য কে দায়ী?
  1. যে খুন করে
  2. যে খুন করে ও যারা খুনে সাহায্য করে
  3. ডাকাতের সর্দার ও যে খুন করে
  4. ডাকাতিতে অংশগ্রহণকারী প্রত্যেকে
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৯৬ ধারার বিধান খুনসহকারে ডাকাতি:- যদি মিলিতভাবে ডাকাতি অনুষ্ঠানকালে পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি, যে কোন একজন অনুরূপ ডাকাতি অনুষ্ঠানকালে খুন করে, তবে তাদের প্রত্যেকে মৃত্যুদণ্ডে অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে, অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডনীয় হবে।
-------------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 396: Dacoity with murder: If any one of five or more persons, who are conjointly committing dacoity, commits murder in so committing dacoity, every one of those persons shall be punished with death, or imprisonment for life, or rigorous imprisonment for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.
১,৪৫২.
মারাত্মক অস্ত্র দ্বারা আঘাতের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৩ বছর কারাদণ্ড
  2. ৫ বছর কারাদণ্ড
  3. ৭ বছর কারাদণ্ড
  4. ১০ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

The Penal Code,1860 এর ধারা ৩২৪ – বিপজ্জনক অস্ত্র বা উপায় ব্যবহার করে ইচ্ছাকৃতভাবে আঘাত করা:
যে কোনো ব্যক্তি, ধারা ৩৩৪ দ্বারা নির্দিষ্ট কিছু ব্যতীত, যদি ইচ্ছাকৃতভাবে কারো শরীরে আঘাত (hurt) করে, এবং তা নিম্নলিখিত যেকোনো মাধ্যমে ঘটায়- কোনো অস্ত্র বা যন্ত্র যা ফায়ারিং, ছেদ বা কোপ দেওয়ার জন্য ব্যবহৃত হয়, কোনো অস্ত্র যা আঘাতের জন্য ব্যবহৃত হলে মৃত্যুর সম্ভাবনা সৃষ্টি করতে পারে, আগুন বা গরম পদার্থ ব্যবহার করে, জৈব বা রাসায়নিক বিষ বা দাহ্য পদার্থ, বিস্ফোরক পদার্থ, এমন কোনো পদার্থ যা মানবদেহে শ্বাস, গ্রহণ বা রক্তে প্রবেশ করলে ক্ষতিকর, কোনো প্রাণী ব্যবহার করে,

তাহলে তার শাস্তি হবে-
কারাদণ্ড সর্বোচ্চ ৩ বছর, অথবা জরিমানা, অথবা উভয়ই।

১,৪৫৩.
'ক', 'চ'-কে একটি দেয়াল-ঘেরা জায়গায় যেতে বাধ্য করে এবং সেখানে 'চ'-কে তালাবদ্ধ করে রাখে। ফলে 'চ' সেই দেয়ালের মধ্যবর্তী নির্দিষ্ট সীমার বাইরে যেতে অসমর্থ হয়। 'ক' কী অপরাধ করেছে?
  1. অপহরণ
  2. অবৈধ বাধা
  3. অবৈধ অবরোধ
  4. বলপূর্বক বাধা
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩৪০ ধারা- অবৈধ অবরোধ:
যে ব্যক্তি কোন ব্যক্তির চলাচলে অবৈধভাবে এমন নিয়ন্ত্রণ আরোপ করে যে, উক্ত ব্যক্তি নিৰ্দিষ্ট সীমা অতিক্রম করতে পারে না, তবে সে ব্যক্তি উক্ত ব্যক্তিকে অবৈধভাবে অবরোধ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

উদাহরণ:
(ক) 'ক', 'চ'-কে একটি দেয়াল-ঘেরা জায়গায় যেতে বাধ্য করে এবং সেখানে চ-কে তালাবদ্ধ করে রাখে। ফলে 'চ' সেই দেয়ালের মধ্যবর্তী নির্দিষ্ট সীমার বাইরে যেতে অসমর্থ হয়। 'ক', 'চ'-কে অবৈধভাবে অবরোধ করেছে।

(খ) 'ক' কোন অট্টালিকার সকল বহির্দ্বারে আগ্নেয়াস্ত্রে-সজ্জিত ব্যক্তিদের মোতায়েন করে 'চ'-কে বলে যে, চ অট্টালিকা হতে নিষ্ক্রমণের চেষ্টা করলে আগ্নেয়াস্ত্র-সজ্জিত ব্যক্তিরা 'চ'-এর প্রতি গুলিবর্ষণ করবে। 'ক' অবৈধভাবে 'চ'-কে অবরোধ করেছে।
১,৪৫৪.
দণ্ডবিধির ২৬৫ ধারা অনুসারে, যে ব্যক্তি ভুয়া ওজন বা পরিমাপ প্রতারণামূলকভাবে ব্যবহার করে, তার সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1. ৬ মাস কারাদণ্ড
  2. ১ বছর কারাদণ্ড
  3. ২ বছর কারাদণ্ড
  4. ৩ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ধারা ২৬৫ অনুযায়ী বলা হয়েছে,
- "যে ব্যক্তি প্রতারণার উদ্দেশ্যে ভুয়া ওজন বা পরিমাপ (দৈর্ঘ্য বা আয়তনের) ব্যবহার করে, অথবা প্রকৃত ওজন/পরিমাপকে ভিন্ন হিসেবে ব্যবহার করে, সে ব্যক্তি দণ্ডিত হবে সর্বোচ্চ এক বছর মেয়াদে কারাদণ্ডে, বা জরিমানা, অথবা উভয় দণ্ডে।"
- অর্থাৎ, দণ্ডবিধির ২৬৫ ধারা অনুযায়ী, যে ব্যক্তি ভুয়া ওজন বা পরিমাপ প্রতারণামূলকভাবে ব্যবহার করে, তাকে ১ বছরের কারাদণ্ড, জরিমানা, বা উভয় দণ্ড প্রদান করা হতে পারে।

সুতরাং, এই অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি ১ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড।
১,৪৫৫.
দণ্ডবিধি অনুযায়ী যেক্ষেত্রে অপরাধের শাস্তি শুধুমাত্র অর্থদণ্ড এবং উক্ত অর্থদণ্ড পরিশোধ করতে ব্যর্থ হয়, সেই ক্ষেত্রে আসামীকে প্রদত্ত কারাবাস-
  1. শুধুমাত্র সশ্রম হতে পারে
  2. শুধুমাত্র বিনাশ্রম হতে পারে
  3. সশ্রম বা বিনাশ্রম হতে পারে
  4. আদালত নির্ধারণ করবেন
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি অনুযায়ী যেক্ষেত্রে অপরাধের শাস্তি শুধুমাত্র অর্থদণ্ড এবং উক্ত অর্থদণ্ড পরিশোধ করতে ব্যর্থ হয় সেই ক্ষেত্রে আসামীকে প্রদত্ত কারাবাস-শুধুমাত্র বিনাশ্রম হতে পারে।
⇒ দণ্ডবিধির ৬৭ ধারা অনুযায়ী, অপরাধটি শুধু অর্থদণ্ড কর্তৃক দণ্ডনীয় হলে অর্থদণ্ড অনাদায়ে প্রদত্ত কারাদণ্ড:-
- অপরাধটি যদি শুধু অর্থদণ্ড কর্তৃক দণ্ডনীয় হয়, তবে অর্থদণ্ড অনাদায়ের জন্য আদালত যে কারাদণ্ডের আদেশ দিবেন, তা বিনাশ্রম হবে এবং অর্থদণ্ড অনাদায়ের জন্য আদালত অপরাধীকে যে মেয়াদের জন্য কারাদণ্ডে দণ্ডিত করার আদেশ দিবেন, তা নিম্নে নির্দেশিত বিভিন্ন পরিমাণের অধিক হবে না,
⇒ যথা: অর্থদণ্ডের পরিমাণ পঞ্চাশ টাকার বেশি না হলে, অনূর্ধ্ব দুই মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদ; 
⇒ অর্থদণ্ডের পরিমাণ একশত টাকার অধিক না হলে, অনতিরিক্ত চার মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদ; এবং
⇒ এতদ্ব্যতীত অপর যে কোন ক্ষেত্রে অনধিক ছয় মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদ।
১,৪৫৬.
পেনাল কোড হলো একটি-
  1. Adjective law
  2. Substantive law
  3. Preventive law
  4. Procedural law
ব্যাখ্যা
♦যে আইন কোন অধিকারকে সংজ্ঞায়িত করে, সৃষ্টি করে এবং অর্পণ করে বা কোন শাস্তিকে সংজ্ঞায়িত করে এবং দায় আরোপ করে সেই আইনকে তত্ত্বগত বা মৌলিক আইন [Substantive Law] বলে। যেমন সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, দণ্ডবিধি ইত্যাদিদণ্ডবিধিতে বিভিন্ন অপরাধকে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে, উক্ত অপরাধের শাস্তি উল্লেখ করা হয়েছে। এই কারণে এটা তত্ত্বগত আইন বা Substantive law.

♦ যে আইনে কোন মোকদ্দমা বা মামলার বিচার করার পদ্ধতি অর্থাৎ মামলা দায়ের থেকে শুরু করে চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি করা পর্যন্ত যে সকল আইনী প্রক্রিয়া বা পদ্ধতি অনুসরণ করে বিচার করতে হয়, সেই প্রক্রিয়া বা পদ্ধতি বা নিয়ম যে আইনে উল্লেখ থাকে সেই নিয়ম সংশ্লিষ্ট আইনকে পদ্ধতিগত আইন [Procedural Law or Adjective Law] বলে। যেমন ফৌজদারী কার্যবিধি, দেওয়ানী কার্যবিধি, তামাদি আইন ইত্যাদি। Procedural Law এবং Adjective Law উভয় পদ্ধতিগত আইন বোঝাতে ব্যবহার করা হয়।
১,৪৫৭.
দণ্ডবিধির ১৪৬ ধারা অনুসারে, কোন অবস্থায় সহিংসতা বা বল প্রয়োগ করা হলে তা "Rioting" হিসেবে গণ্য হবে?
  1. ব্যক্তিগত দ্বন্দ্বের ক্ষেত্রে
  2. অবৈধ সমাবেশের মাধ্যমে
  3. আইনত অনুমোদিত দল
  4. সাধারণ মানুষের প্রতিবাদে
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৪৬ ধারা অনুযায়ী, Rioting (দাঙ্গা) তখনই সংঘটিত হয় যখন:
- অবৈধ সমাবেশ (Unlawful Assembly) - অর্থাৎ ৫ বা ততোধিক ব্যক্তি (ধারা ১৪১)
- সম্মিলিত উদ্দেশ্য (Common Object) বাস্তবায়নের জন্য
- বলপ্রয়োগ বা সহিংসতা ব্যবহার করে।

- দণ্ডবিধির ১৪৬ ধারায় "Rioting" (দাঙ্গা) গঠনের শর্ত হলো যে, যদি কোনো অবৈধ সমাবেশ বা সমাবেশের কোনো সদস্য সহিংসতা বা বল প্রয়োগ করে, এবং সেটি সমাবেশের সাধারণ উদ্দেশ্য (common object) বাস্তবায়নের জন্য হয়, তাহলে সেটি "Rioting" হিসেবে গণ্য হবে।
- অর্থাৎ, অবৈধ সমাবেশ যেখানে মানুষ একত্রিত হয় কোনো অপরাধ বা সহিংসতা সংঘটিত করার উদ্দেশ্যে, সেখানে সহিংসতা বা বল প্রয়োগ হলে তা Rioting হিসেবে গণ্য হবে।
- এখানে অবৈধ সমাবেশ বা লক্ষ্য বা উদ্দেশ্য গুরুত্বপূর্ণ, কারণ একটি বৈধ বা অনুমোদিত সমাবেশে সহিংসতা ঘটলেই তা "Rioting" হবে না, যদি না সেই সহিংসতা অপরাধমূলক উদ্দেশ্যে হয়।
১,৪৫৮.
‘বলপ্রয়োগ’ (Force) এর সংজ্ঞা দণ্ডবিধির কোন ধারায় দেওয়া হয়েছে?
  1. 348
  2. 349
  3. 350
  4. 351
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৩৫০ (Section 350)–তে ‘বলপ্রয়োগ’ (Force) এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। এই ধারায় বলা হয়েছে কাউকে বলপ্রয়োগ বলতে বোঝায় – কারো শরীরের গতির পরিবর্তন ঘটানো, থামিয়ে দেওয়া বা চলাচলের জন্য বল প্রয়োগ করা।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৪৯ ধারার বিধান: বলপ্রয়োগ:- কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির গতি সঞ্চার করে, গতি পরিবর্তন করে বা গতি স্তব্ধ করে, অথবা যদি সে কোন বস্তুতে এমন গতি সঞ্চার করে, বা গতি স্তব্ধ করে, যাতে উহা অপর কোন ব্যক্তির দেহের কোন অংশের সংস্পর্শে আসে, অথবা যদি সে অপর কোন ব্যক্তির পরিহিত বা বাহিত কোন দ্রব্যে অনুরূপ গতি সঞ্চার, গতি পরিবর্তন বা গতি স্তব্ধ করে, অথবা যদি সে এমন কোন বস্তুর সাথে উহা করে যা এমনভাবে সংস্থিত যে, উহার সংস্পর্শ দ্বিতীয়োক্ত ব্যক্তির অনুভব-শক্তি ব্যাহত করে, তবে সে ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির প্রতি বলপ্রয়োগ করেছে বলে পরিগণিত হয়: 
তবে শর্ত থাকে যে, যে ব্যক্তি গতি সঞ্চার করে, গতি পরিবর্তন করে বা গতি স্তব্ধ করে, সে ব্যক্তির গতি সঞ্চারের, গতি পরিবর্তনের বা গতি স্তব্ধকরণের পদ্ধতি নিম্নোক্ত তিনটি উপায়ের যেকোন একটি হতে হবে-
প্রথমত:- তার নিজ দেহের শক্তি প্রয়োগ করে।
দ্বিতীয়ত:- কোন বস্তু এমনভাবে ব্যবহার করে, যার ফলে তার নিজের বা অপর কোন ব্যক্তির কোন কাজ ব্যতীত গতি বা গতির পরিবর্তন বা গতির স্তব্ধতা সাধিত হয়।
তৃতীয়ত:- কোন পশুকে চালিত করে গতি পরিবর্তন বা পশুটির গতি স্তব্ধ করে। 
------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 349. Force:
A person is said to use force to another if he causes motion, change of motion, or cessation of motion to that other, or if he causes to any substance such motion, or change of motion, or cessation of motion as brings that substance into contact with any part of that other's body, or with anything which that other is wearing or carrying, or with anything so situated that such contact affects that other's sense of feeling:
Provided that the person causing the motion, or change of motion, or cessation of motion, causes that motion, change of motion, or cessation of motion in one of the three ways hereinafter described: 
Firstly. By his own bodily power. 
Secondly. By disposing any substance in such a manner that the motion or change or cessation of motion takes place without any further act on his part, or on the part of any other person. 
Thirdly. By inducing any animal to move, to change its motion, or to cease to move.
১,৪৫৯.
দণ্ডবিধি অনুযায়ী কতটি ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করা যায়?
  1. ২ টি
  2. ৩ টি
  3. ৪ টি
  4. ৫ টি
ব্যাখ্যা
→ দণ্ডবিধি ৯৭ ধারা অনুযায়ী ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষার অধিকার শরীর ও সম্পত্তির ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা যায়।
-৯৭ দ্বারা অনুযায়ী ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করা যায় দুটি ক্ষেত্রে-
(i) অন্যের আক্রমণ হতে নিজের বা অন্যের দেহ রক্ষা করতে।
(ii) নিজের বা অন্যের সম্পত্তি রক্ষা করতে।
--------------
- The Penal Code, 1860, Section 97: Right of private defence of the body and of property:
Every person has a right, subject to the restrictions contained in section 99, to defend 
Firstly.-His own body, and the body of any other person against any offence affecting the human body; 
Secondly.-The property, whether moveable or immovable, of himself or of any other person, against any act which is an offence falling under the definition of theft, robbery, mischief or criminal trespass, or which is an attempt to commit theft, robbery, mischief or criminal trespass.
১,৪৬০.
একটি বাড়িতে ৬ জন মিলে ডাকাতি করতে যায়। ডাকাতির সময় তাদের একজন গৃহস্বামীকে মারধর করে হত্যা করে। এই ক্ষেত্রে আইন অনুযায়ী কী দণ্ড দেওয়া যেতে পারে?
  1. প্রত্যেকেরই মৃত্যুদণ্ড হতে পারে
  2. কেবল হত্যাকারী ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হবে
  3. বাকি সদস্যদের শুধু অর্থদণ্ড দেওয়া যাবে
  4. খ এবং গ
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ক) প্রত্যেকেরই মৃত্যুদণ্ড হতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৯৬ ধারার বিধান- খুনসহকারে ডাকাতি:
যদি মিলিতভাবে ডাকাতি অনুষ্ঠানকালে পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি, যে কোন একজন অনুরূপ ডাকাতি অনুষ্ঠানকালে খুন করে, তবে তাদের প্রত্যেকে মৃত্যুদণ্ডে অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে, অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হবে।

⇒ ধারা ৩৯৬ বলছে:
যদি পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি সম্মিলিতভাবে ডাকাতি করে এবং সেই সময়ে তাদের মধ্যেকার কেউ খুন করে, তবে সবাই সমানভাবে দায়ী হবে। সুতরাং, শুধু হত্যাকারী নয়, বাকিরাও ডাকাতি ও খুনের ঘটনার জন্য সমানভাবে দণ্ডনীয়, কারণ তারা সংঘবদ্ধভাবে অপরাধে অংশগ্রহণ করেছে।
১,৪৬১.
এক গ্রামে ৮/১০ জন লোক জমায়েত হয়েছিল এবং তাদের উদ্দেশ্য ছিল যে, তারা একজন ব্যক্তিকে তার জমি থেকে বেদখল করবে এবং সেই জমি নিজেরা দখল করবে। এই সমাবেশটি দণ্ডবিধির কত ধারার অধীন বেআইনি সমাবেশ হিসেবে গণ্য হবে?
  1. ১৫১ ধারা
  2. ১৪৮ ধারা
  3. ১৪১ ধারা
  4. ১৫৩ ধারা
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ১৪১ ধারায় বেআইনি সমাবেশের বিধান রয়েছে। পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি জনসাধারণের শান্তি-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী কোনো সমাবেশ করলে তাকে 'বেআইনি সমাবেশ বা Unlawful Assembly' বলে।

দণ্ডবিধির ১৪১ ধারামতে, ৫ বা ততোধিক ব্যক্তি কর্তৃক সৃষ্ট সমাবেশে নিম্নলিখিত ৫টি সাধারণ উদ্দেশ্য বা common object থাকলে তা বেআইনি সমাবেশ বলে গণ্য হবে। যথা-
i) সরকার, সরকারি কর্মচারী বা আইনসভাকে আইনসম্মত ক্ষমতা প্রয়োগকালে বাধা বা বলপ্রয়োগের হুমকি দান;
ii) আইনগত ব্যবস্থা বাস্তবায়নে বাধা;
iii) অনিষ্ট, অপরাধজনক অনধিকার প্রবেশ বা অপর কোন অপরাধ সংঘটন;
iv) অপরাধজনক বলপ্রয়োগ পূর্বক সম্পত্তি অর্জন বা কোন ব্যক্তিকে রাস্তা বা পানি ব্যবহার বা দখল থেকে বঞ্চিত;
v) কোনো ব্যক্তিকে যা করতে বাধ্য নয় তা করাতে ও যা করতে বাধ্য তা থেকে বিরত রাখতে বাধ্য করা।

অর্থাৎ এই সমাবেশটি উল্লেখিত উদ্দেশ্যের কারনে দণ্ডবিধির ১৪১ ধারার অধীন বেআইনি সমাবেশ হিসেবে গণ্য হবে।

Section 141: Unlawful assembly:

An assembly of five or more persons is designated an "unlawful assembly," if the common object of the persons composing that assembly is:
First- To overawe by criminal force, or show of criminal force, Government or Legislature, or any public servant in the exercise of the lawful power of such public servant; or
Second- To resist the execution of any law, or of any legal process; or
Third- To commit any mischief or criminal trespass, or other offence; or
Fourth- By means of criminal force, or show of criminal force, to any person to take or obtain possession of any property, or to deprive any person of the enjoyment of a right of way, or of the use of water or other incorporeal right of which he is in possession or enjoyment, or to enforce any right or supposed right; or
Fifth- By means of criminal force, or show of criminal force, to compel any person to do what he is not legally bound to do, or to omit to do what he is legally entitled to do.

Explanation- An assembly which was not unlawful when it assembled, may subsequently become an unlawful assembly.
১,৪৬২.
Common object কোন ধারার অপরাধের উপাদান?
  1. ১৩৪
  2. ৩৪
  3. ১৪৯
  4. ৩৫
ব্যাখ্যা
♦পেনাল কোড-এর ১৪৯ ধারা মতে বে-আইনি সমাবেশের কোনো সদস্য যদি common object বাস্তবায়নে কোনো অপরাধ করে তবে উক্ত সমাবেশের সকল সদস্য ব্যক্তিগতভাবে উক্ত অপরাধের জন্য দোষী সাব্যস্ত হবে। সকল সদস্যের সাধারণ উদ্দেশ্য বা common object ছিল এটি প্রমাণ করতে না পারলে ১৪৯ ধারায় সকলকে ব্যক্তিগতভাবে দায়ি করা যাবে না।
১,৪৬৩.
সরকার মৃত্যুদণ্ড হ্রাস করে যে কোন দণ্ডে রূপান্তর করতে পারে দণ্ডবিধির কত ধারা অনুযায়ী?
  1. ৫৪ ধারায়
  2. ৫৫ ধারায়
  3. ৫৫ক ধারায়
  4. ৫৬ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ৫৪ ধারার বিধান মৃত্যুদণ্ড হ্রাসকরণ:- মৃত্যুদণ্ড দান করা যেতে পারে এইরূপ প্রত্যেক ক্ষেত্রে সরকার অপরাধকারীর সম্মতি ব্যতিরেকে উক্ত দণ্ডকে এই বিধি ও আইন বলে ব্যবস্থিত অন্য যেকোন স্বল্প দণ্ডে রূপান্তরিত করতে পারবেন।
♦ সরকার দণ্ডবিধির ৫৪ ধারা অনুযায়ী মৃত্যুদণ্ড হ্রাস করে এবং ৫৫ ধারা অনুযায়ী যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হ্রাস করে যে কোন দণ্ডে রূপান্তর করতে পারে । দণ্ডবিধির ৫৫ক ধারায় বলা হয়েছে, ৫৪ ও ৫৫ ধারার কোন কিছু রাষ্ট্রপতির ক্ষমা প্রদর্শন, শাস্তি কমানো, লাঘব বা মওকুফের অধিকার ক্ষতিগ্রস্থ করবে না।
১,৪৬৪.
যদি রাতের বেলায় কেউ একটি বাড়িতে চুরি করার উদ্দেশ্যে প্রবেশ করে, তবে সেই বাড়ির মালিক আত্মরক্ষার অধিকারের সর্বোচ্চ সীমা কতদূর পর্যন্ত প্রয়োগ করতে পারেন?
  1. চোরকে ধরিয়ে দিতে পারেন
  2. চোরকে কেবল ভয় দেখাতে পারেন
  3. চোরকে ধাক্কা দিয়ে বের করে দিতে পারেন
  4. চোরের মৃত্যু ঘটাতে পারেন যদি পরিস্থিতি বিপজ্জনক হয়
ব্যাখ্যা
→ দণ্ডবিধির ১০৩ ধারার মতে, সম্পত্তি রক্ষার জন্য আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করা যায়, এমনকি আক্রমণকারীর মৃত্যু ঘটানো পর্যন্ত, যদি অপরাধের প্রকৃতি গুরুতর হয়।
রাতের বেলায় বেআইনিভাবে ঘরে প্রবেশ (House-breaking by night) এই চারটি গুরুতর অপরাধের মধ্যে একটি, যার ক্ষেত্রে আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করে অপরাধীর মৃত্যু ঘটানো বৈধ হতে পারে।
তবে, এই অধিকার দণ্ডবিধির ৯৯ ধারার শর্ত সাপেক্ষে প্রযোজ্য। যদি পরিস্থিতি এমন হয় যে আত্মরক্ষা না করলে বাড়ির মালিক বা পরিবারের সদস্যদের জীবন বা গুরুতর ক্ষতির আশঙ্কা থাকে, তখন প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগ করা আইনসিদ্ধ হতে পারে।

অতএব, যদি রাতের বেলায় কেউ বেআইনিভাবে চুরি করার উদ্দেশ্যে বাড়িতে প্রবেশ করে এবং সেই পরিস্থিতি প্রাণনাশ বা গুরুতর আঘাতের আশঙ্কা তৈরি করে, তাহলে আত্মরক্ষার সর্বোচ্চ সীমা পর্যন্ত (অপরাধীর মৃত্যু ঘটানো) যেতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ১০৩ :- যেক্ষেত্রে সম্পত্তি সম্পর্কিত ব্যক্তিগত আত্মরক্ষার অধিকার মৃত্যু ঘটাইবার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হয়:
- সম্পত্তি রক্ষার ব্যক্তিগত অধিকার ৯৯ ধারায় আরোপিত নিয়ন্ত্রণ সাপেক্ষে স্বেচ্ছাকৃতভাবে অপরাধকারীর মৃত্যু সংঘটন বা তার অপর কোনরূপ ক্ষতিসাধন পর্যন্ত প্রয়োগযোগ্য হবে, যদি যে অপরাধটি করার বা করার চেষ্টার বিরুদ্ধে এই অধিকার প্রয়োগ আবশ্যকীয় হয়ে পড়েছে সে অপরাধটি নিম্নবর্ণিত বিভিন্ন প্রকৃতির মধ্যে যে কোন এক ধরনের হয়, যথা:-
প্রথমত (First): দস্যুতা;
দ্বিতীয়ত (Secondly): রাত্রিবেলা ঘর ভেঙ্গে ঘরে প্রবেশ করা:
তৃতীয়ত (Thirdly): কোন গৃহ, তাঁবু বা যানবাহনে অগ্নিসংযোগ করে ক্ষতি সাধন, যদি গৃহটি, তাবুটি বা যানবাহনটি মানুষের বাসস্থান হিসেবে অথবা সম্পত্তি রাখার স্থান হিসেবে ব্যবহৃত হয়;
চতুর্থত (Fourthly): চুরি, অনিষ্টকারিতা, অথবা গৃহে অনধিকার প্রবেশ, যদি পরিস্থিতি এমন হয় যে, সংশ্লিষ্ট আত্মরক্ষার ব্যক্তিগত অধিকারটি প্রয়োগ না করলে মৃত্যু বা গুরুতর আঘাত অনিবার্য বলে ন্যায়সঙ্গতভাবেই আশঙ্কার উদ্ভব হয়।
---------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section-103: When the right of private defence of property extends to causing death:
The right of private defence of property extends, under the restrictions mentioned in section 99, to the voluntary causing of death or of any other harm to the wrong-doer, if the offence, the committing of which, or the attempting to commit which, occasions the exercise of the right, be an offence of any of the descriptions hereinafter enumerated, namely:-
Firstly.-Robbery;
Secondly.-House-breaking by night;
Thirdly.-Mischief by fire committed on any building, tent or vessel, which building, tent or vessel is used as a human dwelling or as a place for the custody of property;
Fourthly.-Theft, mischief or house-trespass, under such circumstances as may reasonably cause apprehension that death or grievous hurt will be the consequence, if such right of private defence is not exercised;
১,৪৬৫.
দণ্ডবিধির ১১৪ ধারা অনুসারে, প্ররোচনাকারী যখন অপরাধ সংঘটনের সময় উপস্থিত থাকে, তখন তাকে কী শাস্তি প্রদান করা হতে পারে?
  1. কোনো শাস্তি নয়
  2. সাক্ষী হিসেবে শাস্তি
  3. অপরাধী হিসেবে শাস্তি
  4. প্ররোচনাকারী হিসেবে শাস্তি
ব্যাখ্যা
ধারা ১১৪: অপরাধ সংঘটনের সময় উপস্থিত প্ররোচনাকারী:
যখন কোনো ব্যক্তি, যে অনুপস্থিত থাকলে প্ররোচনাকারী হিসেবে শাস্তি পাওয়ার যোগ্য হতো, সেই ব্যক্তি যদি সেই কাজ বা অপরাধ সংঘটনের সময় উপস্থিত থাকে, যার জন্য সে প্ররোচনার কারণে শাস্তিযোগ্য হতো, তখন তাকে সেই কাজ বা অপরাধ সংঘটিত করেছে বলে গণ্য করা হবে।

Section 114- Abettor present when offence is committed:
Whenever any person, who if absent would be liable to be punished as an abettor, is present when the act or offence for which he would be punishable in consequence of the abetment is committed, he shall be deemed to have committed such act or offence.
১,৪৬৬.
কোনো ব্যক্তি মিথ্যা এজাহার দায়ের করলে তার শাস্তির বিধান দণ্ডবিধির কোন ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ২২০ ধারা
  2. ৩০৫ ধারা
  3. ২১১ ধারা
  4. ৪১২ ধারা
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ২১১ ধারার বিধান ক্ষতি করিবার উদ্দেশ্যে অপরাধের মিথ্যা অভিযোগ:
-কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তিকে ক্ষতিসাধনের জন্য উক্ত অন্য ব্যক্তির বিরুদ্ধে ফৌজদারী মামলা রুজু করার বা অপরাধ সংঘটনের অভিযোগ উত্থাপন করার কোন সংগত বা আইনানুগ যুক্তি নাই বলে জানা সত্ত্বেও উক্ত অন্য ব্যক্তির বিরুদ্ধে কোন ফৌজদারী মামলা রুজু করে বা অনুরূপ মামলা রুজু করায়, কিংবা উক্ত অন্য ব্যক্তির কোন অপরাধ করেছে বলে মিথ্যা অভিযোগ উত্থাপন করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা উভয় দণ্ডেই দণ্ডিত হবে, এবং
-যদি অনুরূপ ফৌজদারি মামলায়, মৃত্যুদণ্ডে, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে, কিংবা সাত বৎসর বা তদূর্ধ্ব মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় কোন অপরাধ সংঘটনের মিথ্যা অভিযোগ রুজু করা হয়, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং এতদ্ব্যতীত তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।
১,৪৬৭.
দণ্ডবিধির ৫০৩ ধারার বিধান অনুযায়ী, যদি কেউ অন্যকে তার ব্যক্তিগত, মর্যাদার বা সম্পত্তির ক্ষতি বা ক্ষতি হতে পারে এমন হুমকি দেয়, তাহলে সে কী অপরাধে দোষী হবে?
  1. ডাকাতি
  2. অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন
  3. বলপূর্বক গ্রহণ
  4. দস্যুতা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৫০৩ ধারার বিধান অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন করা:- কোন ব্যক্তি যদি অপর কোন ব্যক্তিকে তার দেহের, খ্যাতির বা সম্পত্তির অথবা সে ব্যক্তি যার সাথে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট এমন কোন লোকের দেহের বা খ্যাতির ক্ষতি বা হানি করার ভীতি প্রদর্শন করে এবং সে ব্যক্তির ভয় সরকারের উদ্দেশ্যে অথবা সে ব্যক্তিকে হুমকি হতে বাঁচার জন্য সে আইনতঃ যা করতে বাধ্য নয়, তাকে তা করতে বাধ্য করায়, অথবা সে আইনত যা করার ক্ষমতা সম্পন্ন, তাকে তা করা হতে বিরত থাকতে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে অনুরূপ ভীতি প্রদর্শন করে, তবে সে ব্যক্তি অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন করেছে।
ব্যাখ্যা:- ভীতি প্রদর্শিত ব্যক্তির স্বার্থ নিহিত আছে এমন কোন মৃত ব্যক্তির সুনাম নষ্ট করার ভীতি প্রদর্শন এই ধারার আওতাধীন হবে। 

⇒ উদাহরণ:
ক খ-কে একটি দেওয়ানী মামলা পরিচালনা করা হতে বিরত করার জন্য খ-এর বাড়ি পুড়ে ফেলার ভীতি প্রদর্শন করে, ক অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের দায়ে অপরাধী হবে।
------------
⇒ The Penal Code,1860- Section 503. Criminal Intimidation:
- Whoever threatens another with any injury to his person, reputation or property, or to the person or reputation of any one in whom that person is interested, with intent to cause alarm to that person, or to cause that person to do any act which he is not legally bound to do, or to omit to do any act which that person is legally entitled to do, as the means of avoiding the execution of such threat, commits criminal intimidation.
Explanation:- A threat to injure the reputation of any deceased person in whom the person threatened is interested, is within this sect on.

⇒ Illustration:
A, for the purpose of inducing B to desist from prosecuting a civil suit, threatens to burn B's house. A is guilty of criminal intimidation.
১,৪৬৮.
জালিয়াতির সংজ্ঞা দণ্ডবিধির কত ধারায় দেওয়া হয়েছে?
  1. ৪৬২ ধারায়
  2. ৪৬৩ ধারায়
  3. ৪৬৪ ধারায়
  4. ৪৬৬ ধারায়
ব্যাখ্যা
• ৪৬৩ ধারা অনুযায়ী জালিয়াতির সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
• ৪৬৪ ধারায় মিথ্যা দলিল প্রস্তুত করণ,
• ৪৬৬ ধারায় আদালতের নথিপত্র ও সরকারী রেটিষ্টার জালিয়াতি,
• ৪৬৬ ধারায় বিবাহের রেজিষ্ট্রি জালিয়াতি এবং
• ৪৬৭ ধারার মূল্যবান জামানত ও উইল জামানত ও উইল জালিয়াতি সম্পর্কে বলা হয়েছে।
১,৪৬৯.
'দণ্ডবিধি' ১৮৬০ সালের কত নং আইন?
  1. ১ নং আইন
  2. ৫ নং আইন
  3. ৩৫ নং আইন
  4. ৪৫ নং আইন
ব্যাখ্যা
⇒ ভারতীয় উপমহাদেশে সর্বপ্রথম আইন কমিশন গঠন করা হয় ১৮৩৪ সালে। প্রথম আইন কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন থমাস ব্যাবিংটন ম্যাকুলে (Lord Macaulay)। প্রথম আইন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন G.W. Anderson, F. Millet, এবং J.M. Macleod। ১৮৩৭ সালে এই কমিশন দণ্ডবিধি প্রণয়নের জন্য খসড়া জমা দেয় এবং ৬ অক্টোবর ১৮৬০ সালে বিলটি পাস হয় এবং দণ্ডবিধি ১লা জানুয়ারী ১৮৬২ সালে আইনটি কার্যকর হয়।

⇒ এই আইন সামান্য কিছু পরিবর্তন সাপেক্ষে বর্তমানে ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশে প্রচলিত আছে।
⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০ সালের ৪৫ নং আইন।
⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০ আইনে মোট অধ্যায় ২৩ টি এবং দণ্ডবিধির মোট ধারা ৫১১ টি (মূল দণ্ডবিধিতে ৪৮৮টি ধারা ছিল)।
১,৪৭০.
দণ্ডবিধির ২০১ ধারা অনুযায়ী, যদি মূল অপরাধটি দশ বছরের কম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে অপরাধের সাক্ষ্য অদৃশ্যকারী বা ধ্বংসকারী ব্যক্তির সর্বোচ্চ শাস্তি কত?
  1. সর্বোচ্চ ১ বছর কারাদণ্ড
  2. সর্বোচ্চ ৩ বছর কারাদণ্ড
  3. মূল অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তির অর্ধেক
  4. মূল অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তির এক-চতুর্থাংশ পর্যন্ত কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ২০১ এর তৃতীয় অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, যদি মূল অপরাধ দশ বছরের কম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সাক্ষ্য অদৃশ্যকারী বা ধ্বংসকারী ব্যক্তি মূল অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তির এক-চতুর্থাংশ পর্যন্ত কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ২০১ ধারার বিধান অপরাধকারীকে গোপন করিবার জন্য অপরাধের সাক্ষ্য অদৃশ্য করিয়া দেওয়া বা মিথ্যা তথ্য সরবরাহ করা:
- কোন ব্যক্তি যদি কোন অপরাধীকে আইনের সাজা হতে বাঁচাবার উদ্দেশ্যে, কোন অপরাধ অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে জানা সত্ত্বেও অথবা অপরাধ অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে তার বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও, সে অপরাধটি সংঘটনের কোন সাক্ষ্য বা প্রমাণ বিলুপ্ত করে বা করায়, অথবা সে উদ্দেশ্য নিয়ে সে অপরাধটি সম্পর্কে কোন খবর দেয়, যা সে মিথ্যা বলে জানে অথবা যা মিথ্যা বলে তার বিশ্বাস করার কারণ রয়েছে, তখন-
-যদি অপরাধটি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয় (if a capital offence):-
যদি, যে অপরাধটি অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে সে জানে বা যে অপরাধটি অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে তার বিশ্বাস সে অপরাধটি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে;
যদি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয় (if punishable with imrisonment for life):-
এবং যদি অপরাধটি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে;
যদি দশ বৎসর অপেক্ষা কম মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয় (if punishable with less thatn ten year’s imprisonment):-
এবং যদি অপরাধটি দশ বৎসর অপেক্ষা কম মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি অপরাধটির জন্য যে ধরনের কারাদণ্ডের বিধান করা হয়েছে, সে ধরনের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং অপরাধটির জন্য দীর্ঘতম যে মেয়াদের কারাদণ্ডের বিধান করা হয়েছে, তার কারাদণ্ডের মেয়াদ উহার এক চতুর্থাংশ পর্যন্ত যেকোনো দৈর্ঘ্যের হবে, অথবা অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত হবে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
উদাহরণ:
'খ', 'চ'-কে খুন করেছে জানা সত্ত্বেও 'ক', 'খ'-কে সাজা হতে বাঁচাবার উদ্দেশ্যে 'খ'-কে 'চ' এর মৃতদেহটি লুকিয়ে ফেলিতে সহায়তা করে। 'ক' সাত বৎসর সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং এতদ্‌ব্যতীত তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।
------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 201. Causing disappearance of evidence of offence, or giving false information to screen offender- if a capital offence; if punishable with imprisonment for life; if punishable with less than ten years’ imprisonment:
Whoever, knowing or having reason to believe that an offence has been committed, causes any evidence of the commission of that offence to disappear, with the intention of screening the offender from legal punishment, or with that intention gives any information respecting the offence which he knows or believes to be false,
shall, if the offence which he knows or believes to have been committed is punishable with death, be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine;
and if the offence is punishable with [imprisonment for life], or with imprisonment which may extend to ten years, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, and shall also be liable to fine;
and if the offence is punishable with imprisonment for any term not extending to ten years, shall be punished with imprisonment of the description provided for the offence, for a term which may extend to one-fourth part of the longest term of the imprisonment provided for the offence, or with fine, or with both.

Illustration:
A, knowing that B has murdered Z, assists B to hide the body with the intention of screening B from punishment. A is liable to imprisonment of either description for seven years, and also to fine.

১,৪৭১.
‘ক’ নিজের মনে করে ‘খ’ এর ঘর হতে তাঁকে না জানিয়ে একটি ঘড়ি নিয়ে গেলো। পেনাল কোডের অধীনে ‘ক’ কী অপরাধ করেছে?
  1. ক চুরির অপরাধ করেছে
  2. ক কোনো অপরাধ করেনি
  3. ক বিশ্বাসভঙ্গের অপরাধ করেছে
  4. ক বিনা অনুমতিতে বস্তু সরানোর অপরাধ করেছে।
ব্যাখ্যা
♦ চুরির অপরাধ সংঘটনের জন্য অসৎ উদ্দেশ্য থাকা লাগে। এখানে ক ঘড়িটি তাঁর নিজের ঘড়ি ভেবে সৎ বিশ্বাসে তা নিয়ে যাওয়ায় তা চুরি হয় নি। এখানে বিশ্বাসভঙ্গের কোনো উপাদানও নাই।
১,৪৭২.
The Penal Code, 1860 এর ধারা ৮২ কাদের সুরক্ষা দেয়?
  1. ৯–১২ বছরের শিশুদের
  2. কেবল ৯ বছরের নিচের শিশুদের
  3. মানসিক অপ্রকৃতিস্থ ব্যক্তিদের
  4. কিশোর অপরাধীদের
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৮২ ধারার বিধান- নয় বৎসরের কম বয়সের শিশু দ্বারা সম্পাদিত কাজ:
নয় বৎসরের কম বয়স্ক শিশুর কোন কার্যই অপরাধ নয়।

Section 82- Act of a child under nine years of age:
Nothing is an offence which is done by a child under nine years of age.

১,৪৭৩.
'ক' ও 'খ' পৃথকভাবে এবং বিভিন্ন সময়ে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র মাত্রায় বিষ প্রয়োগ করে 'গ' কে খুন করার জন্য একমত হয়। 'ক' ও 'খ', 'গ' কে খুন করার লক্ষ্যে চুক্তি অনুযায়ী বিষ প্রয়োগ করে। 'গ' এর প্রতি অনুরূপভাবে প্রযুক্ত কতিপয় মাত্রায় বিষ প্রয়োগের কারণে তার মৃত্যু হয়। উক্ত খুনের দায়ে দায়ী হবে____।
  1. ক ও খ
  2. ক অথবা খ
ব্যাখ্যা
♦The Penal Code, 1860 এর ৩৭ ধারা মতে যদি কতিপয় ব্যক্তি একাধিক কাজের মাধ্যমে কোন অপরাধ করে, সেক্ষেত্রে যে ব্যক্তি উক্ত অপরাধ সংঘটনের সকল বা যে কোন একটি কাজের মাধ্যমে অপরাধটি সংঘটনে সহায়তা করে, সে সহায়তাকারী ব্যক্তি অন্য অপরাধীদের সাথে সমানভাবে দায়ী হবে।

♦ এক্ষেত্রে “ক' ও 'খ' ইচ্ছাপূর্বকভাবে খুন সংঘটনে সহযোগিতা করে এবং তাদের প্রত্যেকেই এ ধরণের একটি কাজ সম্পাদন করে যাদ্বারা মৃত্যু সংঘটিত হয়। যদিও তাদের কাজসমূহ স্বাতন্ত্র্য তবুও উভয়েই উক্ত অপরাধের জন্য দোষী হবে।
১,৪৭৪.
দণ্ডবিধির ৩২০ ধারার আলোকে নিম্নলিখিত কোনটি "গুরুতর আঘাত" হিসেবে গণ্য হবে?
  1. সামান্য রক্তপাত
  2. অস্থি ভঙ্গ হওয়া
  3. কেবল অস্থায়ী আঁচড়
  4. ত্বকে সামান্য লাল হয়ে যাওয়া
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ধারা ৩২০ গুরুতর আঘাত (Grievous Hurt) এর সংজ্ঞা নির্ধারণ করে। এই ধারায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে:
“অস্থি বা দন্ত ভগ্ন বা স্থানচ্যুত করণ” — এটি গুরুতর আঘাত হিসেবে গণ্য হবে।
অর্থাৎ, কারো হাড় ভেঙে গেলে (fracture) বা দাঁত ভেঙে গেলে অথবা স্থানচ্যুত হলে, সেটা গুরুতর আঘাত হিসেবে আইনের চোখে অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হয়।
অন্যদিকে, সামান্য রক্তপাত, অস্থায়ী আঁচড়, ত্বকে সামান্য লাল হওয়া – এগুলো সাধারণ আঘাত (Simple hurt) হিসেবে বিবেচিত হয় এবং ধারা ৩২০ এর অধীনে পড়ে না।

⇒ দণ্ডবিধির ৩২০ ধারার বিধান গুরুতর আঘাত:- শুধু নিম্নলিখিত আঘাতসমূহকেই "গুরুতর" বলে পরিগণিত করা যায়:-
প্রথমত, পুরুষত্বহীন করণ।
দ্বিতীয়ত, যেকোন চোখের জ্যোতি বা দৃষ্টিশক্তি চিরতরে নষ্ট করণ।
তৃতীয়ত, যেকোন কর্ণের শ্রবণশক্তি স্থায়ীভাবে নষ্ট করণ।
চতুর্থত, যেকোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন।
পঞ্চমত, যেকোন অঙ্গের বা গ্রন্থির শক্তিসমূহ ধ্বংসকরণ বা চিরতরে খর্ব করণ।
ষষ্ঠত, মাথা বা মুখমণ্ডল স্থায়ীভাবে বিকৃত করণ।
সপ্তম, কোন অস্থি বা দন্ত ভগ্ন বা স্থানচ্যুত করণ।
অষ্টম, এমন কোন আঘাত যা জীবন সংশয় সৃষ্টি করে বা যাতে আহত ব্যক্তি বিশ দিন পর্যন্ত প্রচণ্ড দৈহিক যন্ত্রণা ভোগ করে বা সাধারণ কাজকর্ম করতে অপারগ হয়।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 320: Grievous hurt:
The following kinds of hurt only are designated as "grievous":-
Firstly.-Emasculation.
Secondly.-Permanent privation of the sight of either eye.
Thirdly.-Permanent privation of the hearing of either ear.
Fourthly.-Privation of any member or joint.
Fifthly.-Destruction or permanent impairing of the powers of any member or joint.
Sixthly.-Permanent disfiguration of the head or face.
Seventhly.-Fracture or dislocation of a bone or tooth.
Eighthly.-Any hurt which endangers life or which causes the sufferer to be during the space of twenty days in severe bodily pain, or unable to follow his ordinary pursuits.

১,৪৭৫.
দণ্ডবিধির ২২৮ ধারা অনুযায়ী, যদি কোন ব্যক্তি বিচার কার্যক্রমের কোনো পর্যায়ে বিচারকের আসন গ্রহণকারী সরকারি কর্মচারীকে ইচ্ছাকৃতভাবে অপমান করে, তবে তাকে _____ মাস পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হতে পারে।
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ২২৮ ধারা- বিচার বিষয়ক কার্যক্রমের কোন পর্যায়ে বিচারকের আসন গ্রহণকারী কোন সরকারী কর্মচারীকে ইচ্ছাকৃতভাবে অপমান করা বা তাহার কার্যে বাধা দেওয়ার শাস্তি:
কোন সরকারী কর্মচারী কোন বিচার বিভাগীয় কার্যক্রমের যেকোন পর্যায়ে নিয়ত থাকাকালে কোন ব্যক্তি যদি ইচ্ছাকৃতভাবে তাকে অপমান করে বা তার কাজে বাধা প্রদান করে, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণ অর্থদণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

Section 228- Intentional insult or interruption to public servant sitting in judicial proceeding:
Whoever intentionally offers any insult, or causes any interruption to any public servant, while such public servant is sitting in any stage of a judicial proceeding, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to six months, or with fine which may extend to one thousand taka, or with both.
১,৪৭৬.
দণ্ডবিধির ৩৭৬ ধারা কোন অপরাধের শাস্তির সাথে সম্পর্কিত?
  1. খুন
  2. ধর্ষণ
  3. চুরি
  4. অবৈধ অবরোধ
ব্যাখ্যা
⇒দণ্ডবিধির ৩৭৬ ধারা বাংলাদেশ দণ্ডবিধির একটি গুরুত্বপূর্ণ ধারা, যা ধর্ষণ (Rape) অপরাধের জন্য শাস্তির বিধান দেয়।
- এই ধারায় বলা হয়েছে, ধর্ষণের দায়ে দোষী ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা ১০ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড দেওয়া যেতে পারে।
- তবে যদি ভিকটিম তার নিজ স্ত্রী হন এবং স্ত্রীর বয়স ১২ বছরের কম না হয়, তাহলে শাস্তি সর্বোচ্চ ২ বছর কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয় হতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৬ ধারার বিধান ধর্ষণের সাজা:
- কোন ব্যক্তি যদি ধর্ষণের অপরাধ করে, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে, অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে, যদি না ধর্ষিত স্ত্রীলোকটি তার নিজ স্ত্রী হয় ও বারো বৎসরের কম বয়স্কা না হয়; যদি তদ্রূপ হয়, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
--------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 376. Punishment for rape:
-Whoever commits rape shall be punished with imprisonment for life or with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine, unless the woman raped is his own wife and is not under twelve years of age, in which case he shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
১,৪৭৭.
যদি কেউ অবৈধ সমাবেশে যোগদানের জন্য নিয়োগপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের নিজের বাড়িতে রাখেন, তবে দণ্ডবিধি অনুযায়ী তার সর্বোচ্চ কী শাস্তি হতে পারে?
  1. ৩ মাসের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
  2. ৬ মাসের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
  3. ১ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
  4. ২ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
ব্যাখ্যা
→ বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ১৫৭ ধারা অনুযায়ী, যদি কেউ জানেন যে কিছু ব্যক্তি অবৈধ সমাবেশে যোগ দেওয়ার জন্য নিয়োগপ্রাপ্ত, নিযুক্ত বা কাজে লাগানো হয়েছে এবং তারপরও তাদের নিজের বাড়ি বা নিয়ন্ত্রণাধীন জায়গায় আশ্রয় দেন, তবে তার সর্বোচ্চ ৬ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড, বা উভয় দণ্ড হতে পারে।
----------
⇒ The Penal Code, 1860- Section-157. Harbouring persons hired for an unlawful assembly:
Whoever harbours, receives or assembles, in any house or premises in his occupation or charge, or under his control any persons, knowing that such persons have been hired, engaged or employed, or are about to be hired, engaged or employed, to join or become members of an unlawful assembly, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to six months, or with fine, or with both.
১,৪৭৮.
দণ্ডবিধি অনুযায়ী কোন ধরনের সম্পত্তি চুরির বিষয়বস্তু হতে পারে?
  1. মেধা সম্পত্তি
  2. স্থাবর সম্পত্তি
  3. অস্থাবর সম্পত্তি
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৩৭৮ অনুসারে, চুরি (Theft) হলো কোনো ব্যক্তির অস্থাবর সম্পত্তি (Movable Property) তার সম্মতি ছাড়া অসৎ উদ্দেশ্যে গ্রহণ করা, যাতে সেই সম্পত্তি তার দখল থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়।
- মেধা সম্পত্তি (Intellectual Property): এটি চুরির বিষয়বস্তু হতে পারে না, কারণ এটি অস্থাবর সম্পত্তি নয়। মেধা সম্পত্তি, যেমন কপিরাইট বা পেটেন্ট, অন্য আইনের (যেমন কপিরাইট আইন) অধীনে সুরক্ষিত থাকে।
- স্থাবর সম্পত্তি (Immovable Property): যেমন জমি বা বাড়ি, চুরির বিষয়বস্তু হতে পারে না, কারণ চুরির সংজ্ঞা অনুযায়ী সম্পত্তি অবশ্যই অস্থাবর হতে হবে।
- অস্থাবর সম্পত্তি (Movable Property): দণ্ডবিধির ধারা ২২-এ সংজ্ঞায়িত, যা শারীরিকভাবে স্থানান্তরযোগ্য এবং যা চুরির বিষয়বস্তু হতে পারে, যেমন টাকা, গয়না, গাড়ি ইত্যাদি।
- কোনটি নয়: এটি সঠিক নয়, কারণ অস্থাবর সম্পত্তি চুরির বিষয়বস্তু হতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারার বিধান চুরি:- কোন ব্যক্তি যদি কারো দখল হতে তার সম্মতি ব্যতীত কোন অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণ করার উদ্দেশ্য নিয়ে উক্ত সম্পত্তি অনুরূপভাবে গ্রহণের জন্য স্থানান্তর করে, তবে উক্ত ব্যক্তি চুরি করেছে বলে গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ১:- কোন বস্তু যতক্ষণ পর্যন্ত অস্থাবর সম্পত্তি না হওয়া বিধায় মাটির সাথে যুক্ত থাকে, ততক্ষণ পর্যন্ত উহা চুরি করার বস্তু বলে গণ্য হবে না, কিন্তু যে মুহূর্তে উহাকে মাটি হতে বিচ্ছিন্ন করা হয় সে মহূর্তেই উহা চুরি করার বস্তু হওয়ার যোগ্য গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ২:- যে কাজ কর্তৃক (মাটি হতে) বিচ্ছিন্নতা সাধন করা হয়, সে কাজ দ্বারাই স্থানান্তর করা হলে তা চুরি হতে পারে।
ব্যাখ্যা ৩:- কোন ব্যক্তি কোন বস্তুর গতির প্রতিবন্ধক অপসারণ করলে বা উহাকে অপর কোন বন্ধু হতে বিচ্ছিন্ন করলে এবং বাস্তবিকভাবে উহা স্থানান্তর করলে উক্ত বস্তু স্থানান্তর করে বলে পরিগণিত হবে।
ব্যাখ্যা ৪:- কোন ব্যক্তি যে কোন উপায়ে কোন পশুকে হাঁটায়, সে লোক সে পশুকে এবং অনুরূপভাবে সৃষ্ট গতির ফলে উক্ত পশু দ্বারা স্থানান্তরিত প্রত্যেক বস্তুকে স্থানান্তর করে বলে গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ৫:- সংজ্ঞায় উল্লেখিত সম্মতি প্রকাশ্য অথবা পরোক্ষ হতে পারে: এবং উক্ত সম্মতি দখলকারী ব্যক্তি বা উক্ত উদ্দেশ্য প্রকাশ্য বা পরোক্ষ ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তির দ্বারা প্রদত্ত হতে পারে।

১,৪৭৯.
দণ্ডবিধির ৩৯৩ ধারার বিধান অনুযায়ী, ডাকাতি করার চেষ্টা করলে সর্বোচ্চ শাস্তি কতটুকু হতে পারে?
  1. ৫ বছর কারাদণ্ড
  2. ৭ বছর কারাদণ্ড
  3. ১০ বছর কারাদণ্ড
  4. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৯৩ ধারার বিধান অনুযায়ী, ডাকাতি করার চেষ্টা করলে সর্বোচ্চ শাস্তি ৭ বছর কারাদণ্ড হতে পারে।
- এটি উল্লেখযোগ্য যে, চেষ্টা করা অপরাধও শাস্তিযোগ্য এবং এটি শেষ পর্যন্ত ডাকাতি সংঘটিত না হলেও শাস্তির আওতায় আসবে। তবে শাস্তির মেয়াদ ৭ বছর পর্যন্ত হতে পারে এবং জরিমানা আরোপিত হতে পারে।
-------
⇒ The Penal Code, 1860- Section-393. Attempt to commit robbery:
Whoever attempts to commit robbery shall be punished with rigorous imprisonment for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.
১,৪৮০.
দণ্ডবিধির বিধান অনুযায়ী কোনটি দস্যুতা বলে গণ্য হবে না?
  1. চুরির উগ্রতা
  2. বলপূর্বক গ্রহণের উগ্রতা
  3. অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ
  4. তাৎক্ষণিক মৃত্যুর ভয় দেখিয়ে সম্পত্তি আদায়
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৯০ অনুসারে, দস্যুতা (Robbery) বলতে বোঝায় যখন চুরি (Theft) বা বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় (Extortion)-এর সাথে নির্দিষ্ট কিছু উগ্রতা (violence) যুক্ত থাকে। তবে অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ (Criminal Breach of Trust) দস্যুতা বলে গণ্য হয় না।
- অর্থাৎ দণ্ডবিধি অনুসারে চুরির উগ্রতা, বলপূর্বক গ্রহণের উগ্রতা ও তাৎক্ষণিক মৃত্যুর ভয় দেখিয়ে সম্পত্তি আদায় দস্যুতা বলে গণ্য হবে। কিন্তু অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ দস্যুতা বলে গণ্য হবে না।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৯০ ধারার বিধান দস্যুতা:- প্রত্যেক দস্যুতায় হয় চুরি, না হয় বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়ের অপরাধ সংঘটিত হয়।
যেক্ষেত্রে চুরি দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে:- চুরি করার উদ্দেশ্যে, অথবা চুরি করতে, কিংবা চুরিতে লব্ধ সম্পত্তি বহন বা বহনের উদ্যোগ কালে, অপরাধকারী তদুদ্দেশ্যে ইচ্ছাপূর্বক কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায় বা তাকে আঘাতদান করে তাকে অন্যায় ভাবে আটক করে বা করার উদ্যোগ করে, বা তাকে তাৎক্ষণিক মৃত্যু বা তাৎক্ষণিক আঘাত বা তাৎক্ষণিক অবৈধ আটকের ভীতি প্রদর্শন করে বা করার উদ্যোগ করে, তা হলে উক্ত চুরি হচ্ছে 'দস্যুতা'।
বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় যেক্ষেত্রে দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে:- বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়ের সময় অপরাধী- যে ব্যক্তিকে ভয়ে বিহ্বল করা হয়েছে, সে ব্যক্তির বা অন্য কোন ব্যক্তিকে আশু মৃত্যুর, আশু আঘাতের বা আশু অন্যায় নিয়ন্ত্রণের ভয়ে অভিভূত করে বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় করলে, এবং এইভাবে যে ব্যক্তিকে ভয়ে অভিভূত করা হয়েছে, সে ব্যক্তিকে তখন বলপূর্বক আদায়কৃত বস্তুটি অর্পণে বাধ্য করলে, বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় 'দস্যুতা' বলে পরিগণিত হবে।
ব্যাখ্যা:- অপরাধী অন্য ব্যক্তিকে আশু মৃত্যুর, আঘাতের বা আশু অন্যায় নিয়ন্ত্রণের ভয়ে অভিভূত করার পক্ষে যথেষ্ট নিকটে থাকলে সে হাজির বলে পরিগণিত হবে।
---------
⇒ The Penal Code, 1860 -Section-390- Robbery: In all robbery there is either theft or extortion:
- When theft is robbery:
Theft is "robbery" if, in order to the committing of the theft, or in committing the theft, or in carrying away or attempting to carry away property obtained by the theft, the offender, for that end, voluntarily causes or attempts to cause to any person death or hurt or wrongful restraint, or fear of instant death or of instant hurt, or of instant wrongful restraint.
- When extortion is robbery:
Extortion is “robbery” if the offender, at the time of committing the extortion, is in the presence of the person put in fear, and commits the extortion by putting that person in fear of instant death, instant hurt, or of instant wrongful restraint to that person, or to some other person, and, by so putting in fear, induces the person so put in fear then and there to deliver up the thing extorted.
- Explanation. -The offender is said to be present if he is sufficiently near to put the other person in fear of instant death, of instant hurt, or of instant wrongful restraint.

১,৪৮১.
সরকারি কর্মচারীর ছদ্মবেশ ধারণ করার সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ১ বছর করাদণ্ড
  2. ২ বছর করাদণ্ড
  3. ৩ বছর করাদণ্ড
  4. ৫ বছর করাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৭০ ধারার বিধান: ভুয়া সরকারী কর্মচারী বলিয়া পরিচয় দেওয়া:
- কোন ব্যক্তি যদি কোন পদে অধিষ্ঠিত নয় বলে জানা সত্ত্বেও সে পদে অধিষ্ঠিত রয়েছে বলে পরিচয় দেয় অথবা অন্য যে ব্যক্তি যে পদে অধিষ্ঠিত আছে নিজেকে সে পদে অধিষ্ঠিত সে ব্যক্তি বলে ছদ্মবেশ ধারণ করে এবং এইরূপ মিথ্যা ছদ্মবেশ ধারণ করে সে পদের অধিকার বলে কোন কাজ করে বা করতে চেষ্টা করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম করাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
------------
⇒ The Penal Code,1860: Section-170: Personating a public servant:
- Whoever pretends to hold any particular office as a public servant, knowing that he does not hold such office or falsely personates any other person holding such office, and in such assumed character does or attempts to do any act under colour of such office, shall be punished with imprisonment of either description, for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
১,৪৮২.
দণ্ডবিধির ৪০৬ ধারায় দোষী ব্যক্তির জন্য সর্বোচ্চ কারাদণ্ডের মেয়াদ কত?
  1. তিন বছর
  2. পাঁচ বছর
  3. সাত বছর
  4. দশ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ৪০৬ ধারায় বলা হয়েছে, অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ করলে সর্বোচ্চ তিন বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড, অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ড হতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ৪০৬ ধারার বিধান অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের সাজা:- কোন ব্যক্তি যদি অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ করে, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

⇒ The Penal Code, 1860- Section 406. Punishment for criminal breach of trust:- Whoever commits criminal breach of trust shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both.
১,৪৮৩.
৯ বছরের নিচে একটি শিশু যদি কোনো কাজ করে, তা দণ্ডবিধির কোন ধারায় অপরাধ বলে গণ্য হবে না?
  1. ধারা ৮১
  2. ধারা ৮২
  3. ধারা ৮৩
  4. ধারা ৮৪
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৮২-এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে: "৯ বছরের কম বয়সী শিশু দ্বারা সংঘটিত কোনো কাজ অপরাধ বলে গণ্য হবে না।"
- অর্থাৎ, এমন কোনো শিশু যদি কোনো কার্য করে যা সাধারণভাবে অপরাধ হতো, তবুও তার বয়স যদি ৯ বছরের কম হয়, তবে সেটি আইনের চোখে অপরাধ বলে গণ্য হবে না।

⇒ The Penal Code Section 82. Act of a child under nine years of age
- Nothing is an offence which is done by a child under nine years of age.
১,৪৮৪.
নিম্নের কোনটি বেআইনি সমাবেশের উদ্দেশ্য?
  1. সরকারী কর্মচারীর ওপর অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন
  2. কোন আইনের কার্যকরীকরণে বাধা সৃষ্টি করা
  3. অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করে সম্পত্তির দখল গ্রহণ করা
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ১৪১ ধারা- বেআইনী সমাবেশ:
পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির সমাবেশকে 'বেআইনী সমাবেশ' সেক্ষেত্রেই বলা হয়, যেক্ষেত্রে উক্ত সমাবেশের ব্যক্তিদের সাধারণ লক্ষ্য হয়-

প্রথম: বাংলাদেশের সরকার বা আইনসভাকে অথবা কোন সরকারী কর্মচারীকে অনুরূপ কর্মচারীর আইনসম্মত ক্ষমতা প্রয়োগের সময় অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ অথবা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি কর্তৃক ভীতি প্রদর্শন করা; কিংবা

দ্বিতীয়: কোন আইনের অথবা কোন আইনগত ব্যবস্থার কার্যকরীকরণে বাধা সৃষ্টি করা; কিংবা

তৃতীয়: কোন ব্যক্তির দুষ্কর্ম বা অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ অথবা অন্যবিধ অপরাধ অনুষ্ঠিত করা; কিংবা

চতুর্থ: কোন ব্যক্তির প্রতি অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করে বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন করে কোন সম্পত্তির দখল গ্রহণ করা, অথবা কোন ব্যক্তিকে পথের অধিকার ভোগ হতে বঞ্চিত করা অথবা জল ব্যবহারের অধিকার হতে বঞ্চিত করা অথবা তাকে তার দখলে অবস্থিত অপর কোন অশরীরী অধিকার থেকে বঞ্চিত করা অথবা কোন অধিকার বা কল্পিত অধিকার প্রতিষ্টা করা; কিংবা

পঞ্চম: অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করে বা অপরাধমূলক বল প্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন করে কোন ব্যক্তিকে সে আইনতঃ বাধ্য নয় এমন একটি কার্য সম্পাদনে বাধ্য করা অথবা যে কার্যটি করতে সে আইনত বাধ্য বা অধিকারী তা সম্পাদন হতে বিরত করা।

ব্যাখ্যা: যে সমাবেশ, সমাবিষ্ট হওয়াকালে বেআইনী ছিল না তা পরে বেআইনী সমাবেশ হতে পারে।
১,৪৮৫.
কত দিনের মধ্যে ফৌজদারি মামলার জরিমানা (fine) আদায় করতে হবে?
  1. ৩ বছর
  2. ৫ বছর
  3. ৬ বছর
  4. ৭ বছর
ব্যাখ্যা
• ৭০ ধারায় অর্থদণ্ড আদায়ের সময়সীমা সম্পর্কে ৩টি বিধানের উল্লেখ আছে।
(i) দণ্ডাদেশ প্রদানের পরবর্তী ৬ বছরের মধ্যে যেকোনো সময় ।
(ii) ৬ বছরের অধিক কারাদণ্ড হলে- কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ/উত্তীর্ণ হওয়ার আগে।
(iii) অর্থদণ্ড অনাদায়ে আসামির মৃত্যু হলে- আসামির সম্পত্তি থেকে আদায় করা হবে। অর্থাৎ আসামির মৃত্যু হলেও অর্থদণ্ড/জরিমানা মওকুফ হবে না ।
১,৪৮৬.
A, B এর সাথে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে B এর তলপেটে একটা লাথি দেয়। ফলে B এর তাৎক্ষণিক মৃত্যু ঘটে। A কোন অপরাধটি করেছে?
  1. খুন করেছে
  2. নরহত্যার চেষ্টা করেছে
  3. কোন অপরাধ করেনি
  4. অপরাধজনক নরহত্যা করেছে
ব্যাখ্যা
♦এখানে A অপরাধজনক নরহত্যা করেছে। কেননা এখানে খুন করার উদ্দেশ্যে লাথি দেওয়া হয়নি, বরং আকস্মিক উত্তেজনার বশবর্তী হয়ে দেওয়া হয়। সুতরাং এটি খুনের অপরাধ না হয়ে অপরাধজনক নরহত্যা বলে পরিগণিত হবে।
১,৪৮৭.
দণ্ডবিধির কত ধারায় অনিচ্ছাকৃত নেশাগ্রস্ততার কারণে বিচারশক্তি রহিত ব্যক্তির কাজ অপরাধ নয় বলে উল্লেখ আছে?
  1. দণ্ডবিধির ৮১ ধারায়
  2. দণ্ডবিধির ৮৩ ধারায়
  3. দণ্ডবিধির ৮৫ ধারায়
  4. দণ্ডবিধির ৮৭ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির  ৮৫ ধারার বিধান অনিচ্ছাকৃত নেশাগ্রস্ত হওয়ার ফলে বিচার বিবেচনা অক্ষম ব্যক্তির সম্পাদিত কার্য:- এমন কোন ব্যক্তির কোন কার্যই অপরাধ নয়, যে ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট কাজটি করার সময় নেশার ফলে কার্যটির প্রকৃতি অনুধাবনে অক্ষম বা অপারগ ছিল অথবা কাজটি যে অন্যায় অযথা আইনবিরুদ্ধ তা বুঝতে অসমর্থ ছিল;

⇒ তবে শর্ত এই যে, যে বস্তুটি তাকে নেশাগ্রস্ত বা মত্ত করেছিল, সে বস্তুটি তার অগোচরে অথবা তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে তাকে দেওয়া হয়েছিল বা তার উপর প্রয়োগ করা হয়েছিল।
---------------
♦ Section 85. Act of a person incapable of judgment by reason of intoxication caused against his will:- Nothing is an offence which is done by a person who, at the time of doing it, is, by reason of intoxication, incapable of knowing the nature of the act, or that he is doing what is either wrong, or contrary to law:
⇒ Provided that the thing which intoxicated him was administered to him without his knowledge or against his will.
১,৪৮৮.
দণ্ডবিধি অনুসারে নিচের কোনটি দস্যুতা বলে গণ্য হবে না?
  1. চুরির উগ্রতা
  2. বলপূর্বক গ্রহণের উগ্রতা
  3. অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ
  4. তাৎক্ষণিক মৃত্যুর ভয় দেখিয়ে সম্পত্তি আদায়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৯০ ধারার বিধান দস্যুতা:- প্রত্যেক দস্যুতায় হয় চুরি, না হয় বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়ের অপরাধ সংঘটিত হয়।
যেক্ষেত্রে চুরি দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে:- চুরি করার উদ্দেশ্যে, অথবা চুরি করতে, কিংবা চুরিতে লব্ধ সম্পত্তি বহন বা বহনের উদ্যোগ কালে, অপরাধকারী তদুদ্দেশ্যে ইচ্ছাপূর্বক কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায় বা তাকে আঘাতদান করে তাকে অন্যায় ভাবে আটক করে বা করার উদ্যোগ করে, বা তাকে তাৎক্ষণিক মৃত্যু বা তাৎক্ষণিক আঘাত বা তাৎক্ষণিক অবৈধ আটকের ভীতি প্রদর্শন করে বা করার উদ্যোগ করে, তা হলে উক্ত চুরি হচ্ছে 'দস্যুতা'।
বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় যেক্ষেত্রে দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে:- বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়ের সময় অপরাধী- যে ব্যক্তিকে ভয়ে বিহ্বল করা হয়েছে, সে ব্যক্তির বা অন্য কোন ব্যক্তিকে আশু মৃত্যুর, আশু আঘাতের বা আশু অন্যায় নিয়ন্ত্রণের ভয়ে অভিভূত করে বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় করলে, এবং এইভাবে যে ব্যক্তিকে ভয়ে অভিভূত করা হয়েছে, সে ব্যক্তিকে তখন বলপূর্বক আদায়কৃত বস্তুটি অর্পণে বাধ্য করলে, বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় 'দস্যুতা' বলে পরিগণিত হবে।
ব্যাখ্যা:- অপরাধী অন্য ব্যক্তিকে আশু মৃত্যুর, আঘাতের বা আশু অন্যায় নিয়ন্ত্রণের ভয়ে অভিভূত করার পক্ষে যথেষ্ট নিকটে থাকলে সে হাজির বলে পরিগণিত হবে।

অর্থাৎ দণ্ডবিধি অনুসারে চুরির উগ্রতা, বলপূর্বক গ্রহণের উগ্রতা ও তাৎক্ষণিক মৃত্যুর ভয় দেখিয়ে সম্পত্তি আদায় দস্যুতা বলে গণ্য হবে। কিন্তু অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ দস্যুতা বলে গণ্য হবে না।
---------
⇒ The Penal Code, 1860-Section-390- Robbery:  In all robbery there is either theft or extortion:
- When theft is robbery:
Theft is "robbery" if, in order to the committing of the theft, or in committing the theft, or in carrying away or attempting to carry away property obtained by the theft, the offender, for that end, voluntarily causes or attempts to cause to any person death or hurt or wrongful restraint, or fear of instant death or of instant hurt, or of instant wrongful restraint.
- When extortion is robbery:
Extortion is “robbery” if the offender, at the time of committing the extortion, is in the presence of the person put in fear, and commits the extortion by putting that person in fear of instant death, instant hurt, or of instant wrongful restraint to that person, or to some other person, and, by so putting in fear, induces the person so put in fear then and there to deliver up the thing extorted.

⇒ Explanation.-The offender is said to be present if he is sufficiently near to put the other person in fear of instant death, of instant hurt, or of instant wrongful restraint.
১,৪৮৯.
দণ্ডবিধির, ১৮৬০ এর ৩০০ ধারার ব্যতিক্রম-৩ অনুযায়ী, অপরাধী খুন করলে তা খুন গণ্য হবে না যদি—
  1. আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করে
  2. মারাত্মক ও আকস্মিক প্ররোচনা থাকে
  3. সরকারী কর্মচারীর হিসেবে প্রদত্ত আইনানুগ ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করে
  4.  যে ব্যক্তির মৃত্যু হয়, সেই ব্যক্তি স্বেচ্ছায় স্বীয় সম্মতিক্রমে মৃত্যুবরণ করে
ব্যাখ্যা

দণ্ডবিধির ৩০০ ধারার বিধান- খুন:
⇒ ব্যতিক্রম ১:
যেক্ষেত্রে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুন পরিগণিত হবে না-
শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি মারাত্মক ও আকস্মিক প্ররোচনার ফলে অপরাধী আত্ম-সংযমশক্তি হারাইয়া ফেলে এবং যে ব্যক্তি প্ররোচনা দান করেছে, সে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায় অথবা ভুলক্রমে বা দুর্ঘটনাক্রমে অপর কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায়।
উপরোক্ত ব্যতিক্রমটি নিম্নোক্ত শর্তাবলী সাপেক্ষে:-
প্রথমত, প্ররোচনাটি কোন ব্যক্তিকে হত্যা করার বা তার ক্ষতি সাধনের অজুহাতস্বরূপ অপরাধী কর্তৃক স্বয়ং প্রার্থীত বা প্ররোচিত হতে পারবে না।
দ্বিতীয়ত, উক্ত প্ররোচনাটি আইনানুসারে কৃত কোন কার্য দ্বারা বা কোন সরকারী কর্মচারীর সরকারী কর্মচারী হিসেবে যথাযোগ্য ক্ষমতাবলীর আইনসম্মত প্রয়োগসঞ্জাত হতে পারবে না।
তৃতীয়ত, প্ররোচনা আত্মরক্ষার ব্যক্তিগত অধিকারের আইনসম্মত প্রয়োগক্রমে সম্পাদিত কোন কার্য পালন হতে পারবে না।
ব্যাখ্যা:- প্ররোচনাটি এমন মারাত্মক ও আকস্মিক ছিল কিনা, যার ফলে অপরাধটি খুনের শামিল হবে না, তা একটি ঘটনাগত প্রশ্ন।

⇒ ব্যতিক্রম ২:
শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি অপরাধী সরল মনে তার আত্মরক্ষার অথবা সম্পত্তি রক্ষার ব্যক্তিগত অধিকার প্রয়োগক্রমে তাকে আইন প্রদত্ত ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করে এবং যার বিরুদ্ধে সে এই অধিকার প্রয়োগ করে, কোনরূপ পূর্ব-পরিকল্পনা ব্যতীত অথবা অনুরূপ অধিকার রক্ষার জন্য যতটুকু ক্ষতিসাধন করা আবশ্যক, তদপেক্ষা বেশি ক্ষতি সাধনের ইচ্ছা ব্যতিরেকে, তার মৃত্যু ঘটায়।

⇒ ব্যতিক্রম ৩:
শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি দোষী একজন সরকারী কর্মচারী হিসেবে অথবা সরকারী কর্মচারীর সহায়তাকারী হিসেবে তাকে প্রদত্ত আইনানুগ ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করে
এবং এমন একটি কাজ সম্পাদন করে মত্যু ঘটায়, যা সে অনুরূপ সরকারী কর্মচারীর দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে সম্পাদন করার জন্য আবশ্যকীয় ও আইনসম্মত বলে সরল মনে বিশ্বাস করে এবং সে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটলে তার প্রতি কোনরূপ দুরভিসন্ধি ছাড়াই কার্যটি করে।

⇒ ব্যতিক্রম ৪:
শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি অপরাধটি কোন আকস্মিক বিবাদের সময় আকস্মিক উত্তেজনার কারণে কোনরূপ পূর্ব পরিকল্পনা ছাড়াই সংঘটিত হয় এবং অপরাধী কোন অন্যায় সুযোগ গ্রহণ না করে থাকে অথবা নিষ্ঠুরভাবে বা অস্বাভাবিকভাবে কার্য না করে থাকে।
ব্যাখ্যা:- এইরূপ ক্ষেত্রে কোন পক্ষ প্রথম উস্কানি দেয় বা প্রথম আঘাত করে, তা আদৌ গুরুত্বপূর্ণ নয়।

⇒ ব্যতিক্রম ৫:
শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি সে ব্যক্তির মৃত্যু হয়, সে ব্যক্তি আঠারো বৎসরের উর্ধ্ব বয়স্ক হলে স্বেচ্ছায় স্বীয় সম্মতিক্রমে মৃত্যুবরণ করে বা মৃত্যুর ঝুঁকি গ্রহণ করে।

১,৪৯০.
দণ্ডবিধির কত ধারায় বাংলাদেশি মুদ্রার সংজ্ঞা দেয়া আছে?
  1. ২২৯ ধারায়
  2. ২৩০ ধারায়
  3. ২৩১ ধারায়
  4. ২৩২ ধারায়
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ২৩০ ধারার বিধান: 'মুদ্রার' সংজ্ঞা:
বর্তমানে অর্থরূপে ব্যবহৃত এবং অনুরূপে ব্যবহৃত হওয়ার জন্য কোন রাষ্ট্রে বা সার্বভৌম শক্তির ক্ষমতাধীনে স্ট্যাম্পযুক্ত ও ইস্যুকৃত ধাতব দ্রব্যকে মুদ্রা বলে।

- বাংলাদেশি মুদ্রা:
 বাংলাদেশি মুদ্রা বলতে বাংলাদেশের সরকারের ক্ষমতাধীন অর্থরূপে ব্যবহারের জন্য স্ট্যাম্পযুক্ত ও ইস্যুকৃত ধাতবদ্রব্য বুঝাবে; এবং অর্থরূপে, ব্যবহার রহিত হওয়া সত্ত্বেও এই অধ্যায়ের উদ্দেশ্যাবলীর দিক হতে অনুরূপভাবে স্ট্যাম্পযুক্ত ও ইস্যুকৃত ধাতবদ্রব্য বাংলাদেশি মুদ্রা বলে পরিচিত হবে।


উদাহরণ:

(ক) কড়ি (কাউরি) মুদ্রা নয়।
(খ) স্ট্যাম্পবিহীন তামার টুকরো, যদিও তা অর্থরূপে ব্যবহৃত হয়, মুদ্রা নয়।
(গ) মেডেল মুদ্রা নয়, কারণ সেগুলো অর্থরূপে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয় না।
(ঘ) কোম্পানির টাকা নামে পরিচিত মুদ্রা রানির মুদ্রা।
(ঙ) "ফরুখাবাদ" টাকা, যা পূর্বে ভারত সরকারের কর্তৃত্বে অর্থরূপে ব্যবহৃত হতো, তা বাংলাদেশি মুদ্রা হিসেবেই গণ্য হবে, যদিও তা এখন আর ব্যবহৃত হয় না।

১,৪৯১.
খুনের অপরাধের জন্য দণ্ডবিধিতে কী শাস্তি রয়েছে?
  1. শুধু মৃত্যুদণ্ড
  2. শুধুমাত্র কারাদণ্ড
  3. মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  4. মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩০২ ধারা- খুনের সাজা:
কোন ব্যক্তি যদি খুনের অপরাধ করে তবে উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

Section 302- Punishment for murder:
Whoever commits murder shall be punished with death, or imprisonment for life, and shall also be liable to fine.
১,৪৯২.
What is the minimum number of persons required to form an "unlawful assembly"?
  1. 3
  2. 5
  3. 7
  4. 4
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৪১ ধারায় বেআইনি সমাবেশের বিধান রয়েছে। পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি জনসাধারনের শান্তি শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী কোন সমাবেশ করলে তাকে বেআইনি সমাবেশ বলে।
- দণ্ডবিধির ১৪১ ধারার বিধান বেআইনী সমাবেশ:- পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির সমাবেশকে 'বেআইনী সমাবেশ' সেক্ষেত্রেই বলা হয়, যেক্ষেত্রে উক্ত সমাবেশের ব্যক্তিদের সাধারণ লক্ষ্য হয়-
প্রথম:- বাংলাদেশের সরকার বা আইনসভাকে অথবা কোন সরকারী কর্মচারীকে অনুরূপ কর্মচারীর আইনসম্মত ক্ষমতা প্রয়োগের সময় অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ অথবা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি কর্তৃক ভীতি প্রদর্শন করা; কিংবা
দ্বিতীয়:- কোন আইনের অথবা কোন আইনগত ব্যবস্থার কার্যকরীকরণে বাধা সৃষ্টি করা; কিংবা
তৃতীয়:- কোন ব্যক্তির দুষ্কর্ম বা অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ অথবা অন্যবিধ অপরাধ অনুষ্ঠিত করা; কিংবা
চতুর্থ:- কোন ব্যক্তির প্রতি অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করে বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন করে কোন সম্পত্তির দখল গ্রহণ করা, অথবা কোন ব্যক্তিকে পথের অধিকার ভোগ হতে বঞ্চিত করা অথবা জল ব্যবহারের অধিকার হতে বঞ্চিত করা অথবা তাকে তার দখলে অবস্থিত অপর কোন অশরীরী অধিকার থেকে বঞ্চিত করা অথবা কোন অধিকার বা কল্পিত অধিকার প্রতিষ্টা করা; কিংবা
পঞ্চম:- অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করে বা অপরাধমূলক বল প্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন করে কোন ব্যক্তিকে সে আইনতঃ বাধ্য নয় এমন একটি কার্য সম্পাদনে বাধ্য করা অথবা যে কার্যটি করতে সে আইনত বাধ্য বা অধিকারী তা সম্পাদন হতে বিরত করা।
ব্যাখ্যা:- যে সমাবেশ, সমাবিষ্ট হওয়াকালে বেআইনী ছিল না তা পরে বেআইনী সমাবেশ হতে পারে।
----------------------
The Penal Code, 1860-Section-141: Unlawful assembly- An assembly of five or more persons is designated an "unlawful assembly," if the common object of the persons composing that assembly is-
First.-To overawe by criminal force, or show of criminal force, Government or Legislature, or any public servant in the exercise of the lawful power of such public servant; or
Second.-To resist the execution of any law, or of any legal process; or
Third- To commit any mischief or criminal trespass, or other offence; or
Fourth.-By means of criminal force, or show of criminal force, to any person to take or obtain possession of any property, or to deprive any person of the enjoyment of a right of way, or of the use of water or other incorporeal right of which he is in possession or enjoyment, or to enforce any right or supposed right; or
Fifth.-By means of criminal force, or show of criminal force, to compel any person to do what he is not legally bound to do, or to omit to do what he is legally entitled to do.
Explanation.-An assembly which was not unlawful when it assembled, may subsequently become an unlawful assembly.
১,৪৯৩.
A, B-এর পকেটে এই উদ্দেশ্যে কিছু অলংকার রাখে যে উক্ত অলংকার উক্ত পকেটে পাওয়া যেতে পারে এবং এই ঘটনার জন্য B চুরির অপরাধে দণ্ডিত হতে পারে। A এর অপরাধ?
  1. সত্য লুকানো
  2. মিথ্যা সাক্ষ্যদান
  3. মিথ্যা সাক্ষ্য উদ্ভাবন
  4. কোন অপরাধ করেনি
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ১৯২ ধারার বিধান: মিথ্যা সাক্ষ্য উদ্ভাবন করা:- কোন ব্যক্তি যদি কোন অবস্থার অস্তিত্ব সৃষ্টি বা উদ্ভাবন করে, অথবা কোন বইতে বা রেকর্ডে মিথ্যা কথা লিপিবদ্ধ করে অথবা মিথ্যা বিবরণ সাক্ষ্য হিসেবে কোন বিচারবিভাগীয় কার্যক্রমে অথবা সরকারী কর্মচারীর সম্মুখে সরকারী কর্মচারী হিসেবে কোন আইনগত কার্যক্রমে অথবা কোন সালিসের সম্মুখে উত্থাপন করার উদ্দেশ্যেই যদি তা করা হয়ে থাকে এবং অনুরূপ অবস্থা বা মিথ্যা দলিল বা মিথ্যা বিবৃতি যদি এমন প্রকৃতির হয় যে, উক্ত কার্যক্রমে যিনি সাক্ষ্যের উপর ভিত্তি করে তাঁর মতামত গঠন করবেন, তিনি উক্ত অবস্থা বা মিথ্যা দলিল বা মিথ্যা বিবৃতিজনিত সাক্ষ্যে প্রভাবিত হয়ে অনুরূপ কার্যক্রমের সাথে গুরুত্বপূর্ণভাবে জড়িত কোন বিষয় সম্পর্কে ভুল ধারণা বা মত পোষণ করবেন, তবে সে ব্যক্তি 'মিথ্যা সাক্ষ্য তৈরি করেছে' বলে পরিগণিত হয়।

--------------
♦ Fabricating false evidence
Section 192. Whoever causes any circumstance to exist or makes any false entry in any book or record, or makes any document containing a false statement, intending that such circumstance, false entry or false statement may appear in evidence in a judicial proceeding, or in a proceeding taken by law before  a public servant as such, or before an arbitrator, and that such  circumstance, false entry or false statement, so appearing in evidence, may cause any person who in such proceeding is to form an opinion upon the evidence, to entertain an erroneous opinion touching any point material to the result of such proceeding, is said "to fabricate the evidence.” 
 
Illustrations 
(a) A puts jewels into a box belonging to Z, with the intention that they may be found in that box, and that this circumstance may cause Z to be convicted of theft. A has fabricated false evidence. 
 
(b) A makes a false entry in his Shop-book for the purpose of using it as corroborative evidence in a Court of Justice. A has fabricated false evidence. 
 
(c) A, with the intention of causing Z to be convicted of a criminal conspiracy, writes a letter in imitation of Z's handwriting purporting to be addressed to an accomplice in such criminal conspiracy, and puts the letter in a place which he knows that the officers of the Police are likely to search. A has fabricated false evidence.
১,৪৯৪.
দণ্ডবিধির ৫৫ক ধারায় কার বিশেষ অধিকার সংরক্ষণ করা হয়েছে?
  1. রাষ্ট্র
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. আদালত
  4. সরকার
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির  ৫৫ক ধারার বিধান- রাষ্ট্রপতির বিশেষ অধিকার সংরক্ষণ:
৫৪ ধারা বা ৫৫ ধারার কোন বিধান দ্বারাই রাষ্ট্রপতির ক্ষমা প্রদর্শন, মৃত্যুদণ্ড মওকুফ বা স্থগিত করা বা দণ্ডাজ্ঞা হ্রাসের অধিকার ক্ষুন্ন হবে না।

Section 55A- Saving for President prerogative:
Nothing in section fifty- four or section fifty-five shall derogate from the right of the President to grant pardons, reprieves, respites or remissions of punishment.
১,৪৯৫.
যে ব্যক্তি এক শ্রেণির সরকারী খাঁটি ষ্ট্যাম্পকে ভিন্ন শ্রেণীর সরকারী খাঁটি ষ্ট্যাম্পের সদৃশ করিয়া জাল করে, সেই ব্যক্তি কি অপরাধ করে বলিয়া গণ্য হইবে?
  1. মুদ্রা জালকরণ
  2. সরকারী ষ্ট্যাম্প জালকরণ
  3. জালকরণ
  4. ষ্ট্যাম্প জালকরণ
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ২৫৫ ধারার বিধান: সরকারী স্ট্যাম্প জাল করণ:- কোন ব্যক্তি যদি সরকার দ্বারা রাজস্বের উদ্দেশ্যে প্রবর্তিত কোন স্ট্যাম্প জাল করে বা জ্ঞাতসারে অনুরূপ কোন স্ট্যাম্প জাল করার প্রক্রিয়ার অংশ বিশেষ সম্পাদন করে, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তাকে অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

ব্যাখ্যা:- এক মূল্যের খাঁটি স্ট্যাম্পকে কোন ব্যক্তি যদি দেখতে অপর মূল্যের খাঁটি স্ট্যাম্পের মত করে লয়, তবে সে ব্যক্তি এই অপরাধ অনুষ্ঠান করে বলে পরিগণিত হবে।

-------------------
♦ Section 255. Counterfeiting Government stamp:- Whoever counterfeits, or knowingly performs any part of the process of counterfeiting, any stamp issued by Government for the purpose of revenue, shall be punished with imprisonment for life or with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.

⇒ Explanation:- A person commits this offence who counterfeits by causing a genuine stamp of one denomination to appear like a genuine stamp of a different denomination.
১,৪৯৬.
দণ্ডবিধির ১০৩ ধারায় বর্ণিত ‘অপথে গৃহে প্রবেশ’ কোন ক্ষেত্রে অপরাধকারীর মৃত্যু ঘটানোর অধিকার দেয়?
  1. যখন তা দিনের বেলা ঘটে
  2. যখন তা রাত্রিকালীন হয়
  3. যখন তা জনসম্মুখে ঘটে
  4. যখন তা সরকারী ভবনে ঘটে
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ১০৩: যেক্ষেত্রে সম্পত্তি সম্পর্কিত ব্যক্তিগত আত্নরক্ষার অধিকার মৃত্যু ঘটাইবার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হয়:
 সম্পত্তি রক্ষার ব্যক্তিগত অধিকার ৯৯ ধারায় আরোপিত নিয়ন্ত্রণ সাপেক্ষে স্বেচ্ছাকৃতভাবে অপরাধকারীর মৃত্যু সংঘটন বা তার অপর কোনরূপ ক্ষতিসাধন পর্যন্ত প্রয়োগযোগ্য হবে, যদি যে অপরাধটি করার বা করার চেষ্টার বিরুদ্ধে এই অধিকার প্রয়োগ আবশ্যকীয় হয়ে পড়েছে সে অপরাধটি নিম্নবর্ণিত বিভিন্ন প্রকৃতির মধ্যে যে কোন এক ধরনের হয়, যথা:-
প্রথমত (First): দস্যুতা;
দ্বিতীয়ত (Secondly): রাত্রিবেলা অপথে গৃহে প্রবেশ করা:
তৃতীয়ত (Thirdly): কোন গৃহ, তাবু বা যানবাহনে অগ্নিসংযোগ করে ক্ষতি সাধন, যদি গৃহটি, তাবুটি বা যানবাহনটি মানুষের বাসস্থান হিসেবে অথবা সম্পত্তি রাখার স্থান হিসেবে ব্যবহৃত হয়;
চতুর্থত (Fourthly): চুরি, অনিষ্টকারিতা, অথবা গৃহে অনধিকার প্রবেশ, যদি পরিস্থিতি এমন হয় যে, সংশ্লিষ্ট আত্মরক্ষার ব্যক্তিগত অধিকারটি প্রয়োগ না করলে মৃত্যু বা গুরুতর আঘাত অনিবার্য বলে ন্যায়সঙ্গতভাবেই আশঙ্কার উদ্ভব হয়।
১,৪৯৭.
দণ্ডবিধির ২১২ ধারা অনুসারে মৃত্যুদণ্ডযোগ্য অপরাধীর আশ্রয়দাতার শাস্তির ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম কোনটি?
  1. বন্ধু বন্ধুকে আশ্রয় দিলে
  2. বাবা ছেলেকে আশ্রয় দিলে
  3. স্ত্রী তার স্বামীকে আশ্রয় দিলে
  4. বড় ভাই ছোট ভাইকে আশ্রয় দিলে
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ধারা ২১২ অনুযায়ী, যে ব্যক্তি কোনো অপরাধ সংঘটনের পর যদি অপরাধীকে আশ্রয় দেন বা লুকিয়ে রাখেন, তাহলে তিনি দণ্ডনীয় হবেন।
 তবে, এই ধারায় একটি ব্যতিক্রম রয়েছে:
-  Exception: এই ধারা প্রযোজ্য হবে না, যদি অপরাধীর স্বামী বা স্ত্রী তাকে আশ্রয় দেন বা লুকিয়ে রাখেন।
- অর্থাৎ, স্বামী স্ত্রী পরস্পরকে আশ্রয় দিলে তারা দণ্ডবিধির ২১২ ধারায় দণ্ডিত হবেন না।

⇒ দণ্ডবিধির ২১২ ধারায় অপরাধীকে আশ্রয় বা লুকিয়ে রাখার জন্য শাস্তির বিধান আছে। যদি দোষী ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে আশ্রয়দাতা পাঁচ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন। যাবজ্জীবন বা দশ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডের ক্ষেত্রে, দণ্ডিতের জন্য শাস্তি তিন বছর পর্যন্ত। দশ বছরের নিচে এক বছর পর্যন্ত দণ্ডনীয় অপরাধে দণ্ডিত হলে, দণ্ডের সর্বাধিক মেয়াদের এক-চতুর্থাংশ পর্যন্ত কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড হতে পারে।
এই ধারার 'অপরাধ' বলতে বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী দণ্ডনীয় যে কোনো কাজ বোঝানো হয়েছে, যা বাংলাদেশের বাইরে সংঘটিত হলেও দণ্ডনীয় হবে। তবে, দোষী ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রী যদি তাকে আশ্রয় দেন, তাহলে এই বিধান প্রযোজ্য হবে না।

- দণ্ডবিধির ২১২ ধারার বিধান দোষী ব্যক্তিকে আশ্রয় দান করা:- কোন অপরাধ অনুষ্ঠিত হওয়ার পর কোন ব্যক্তি যদি কাউকে দোষী বলে জ্ঞাত করা থাকা সত্ত্বেও অথবা সে দোষী বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও তাকে আইনের সাজা হতে বাঁচাবার উদ্দেশ্যে লুকিয়ে রাখে বা আশ্রয়দান করে, সেক্ষেত্রে-
দোষী ব্যক্তি যদি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়:
- যদি অপরাধটি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি পাঁচ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।
দোষী ব্যক্তি যদি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়:
- যদি অপরাধটি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে কিংবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।
যদি অপরাধটি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয় এবং দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় না হয়, তবে সে ব্যক্তি সেই অপরাধটির জন্য বিহিত প্রকারের কারাদণ্ডের দীর্ঘতম মেয়াদের এক-চতুর্থাংশ পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে অথবা অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত হবে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
 
- অত্র ধারার 'অপরাধ' বলতে বাংলাদেশের মধ্যে যে কাজ অনুষ্ঠিত হলে তা ৩০২, ৩০৪, ৩৮২, ৩৯২, ৩৯৩, ৩৯৪, ৩৯৫, ৩৯৬, ৩৯৭, ৩৯৮, ৩৯৯, ৪০২, ৪৩৫, ৪৩৬, ৪৪৯, ৪৫০, ৪৫৭, ৪৫৮, ৪৫৯ এবং ৪৬০ ধারায় যে কোনটি অনুযায়ী দণ্ডনীয় হত, তা বাংলাদেশের বাইরে যেকোন স্থানে অনুষ্ঠিত হলে তাকেও বুঝাবে এবং অনুরূপ যেকোন কাজ যেন অভিযুক্ত ব্যক্তি বাংলাদেশের অভ্যন্তরেই সংঘটনের জন্য দোষী সাব্যস্ত হয়েছে, এমনভাবেই দণ্ডনীয় বলে পরিগণিত হবে।
⇒ ব্যতিক্রম:- দোষী ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রী অনুরূপ আশ্রয়দান করলে বা লুকিয়ে রাখলে তখন এই বিধান প্রয়োগযোগ্য হবে না।
১,৪৯৮.
'খ' উঁচু ছাদ থেকে লাফ দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করে, কিন্তু নিচে সফট ল্যান্ডিং ব্যবস্থা থাকায় সে বেঁচে যায়। দণ্ডবিধি অনুসারে 'খ' এর এই কাজের জন্য সর্বোচ্চ কী শাস্তি হতে পারে?
  1. শুধুমাত্র জরিমানা
  2. ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  3. ১ বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  4. কোনো শাস্তি নেই
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩০৯ অনুসারে: "যেকোনো ব্যক্তি আত্মহত্যার চেষ্টা করে এবং এমন চেষ্টার অংশ হিসেবে কোনো কাজ সম্পাদন করলে, তাকে সর্বোচ্চ ১ (এক) বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে।"

⇒ দণ্ডবিধির ৩০৯ ধারা- আত্মহত্যা করার চেষ্টা:
কোন ব্যক্তি যদি আত্মহত্যা করার চেষ্টা করে এবং অনুরূপ অপরাধ সংঘটনের উদ্দেশ্যে কোন কার্য করে, তবে উক্ত ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

⇒The Penal Code, 1860-Section Section 309- Attempt to commit suicide:
Whoever attempts to commit suicide and does any act towards the commission of such offence, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to one year, or with fine, or with both.

১,৪৯৯.
How many types of punishments are prescribed in the Penal Code, 1860?
  1. 2
  2. 3
  3. 5
  4. 7
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি মূলত দণ্ড সম্পর্কিত আইন, দণ্ডবিধির ৫৩ ধারায় শাস্তির প্রকারভেদ রয়েছে।
- দণ্ডবিধির ৫৩ ধারায় পাঁচ প্রকার শাস্তি উল্লেখ আছে।
যথা:
(i) মৃত্যুদণ্ড (Death penalty)
(ii) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড (Imprisonment for life)
(iii) কারাদণ্ড(Imprisonment) দুই প্রকার:
ক) সশ্রম( Rigorous, that is, with hard labour) এবং
খ) বিনাশ্রম (Simple)
(iv) সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত (forfeiture of property)
(v) অর্থদণ্ড (fine)
-ব্যাখ্যা: যাবজ্জীবন কারাদণ্ড সর্বদায় সশ্রম কারাদণ্ড হবে।
-------------------
⇒ Section-53: The punishments to which offenders are liable under the provisions of this Code are,-
Firstly,- Death;
Secondly,- Imprisonment for life;
Thirdly,-[Omitted]
Fourthly,-Imprisonment, which is of two descriptions, namely:
(1) Rigorous, that is, with hard labour;
(2) Simple;
Fifthly,- Forfeiture of property;
Sixthly,- Fine.
Explanation.-In the punishment of imprisonment for life, the imprisonment shall be rigorous.
১,৫০০.
‘B’ একটি ঘরে ‘X’-কে তালাবদ্ধ করে রাখে, যার ফলে ‘X’ কোনো দিকে যেতে পারে না। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর কোন ধারা অনুসারে ‘B’ অপরাধী হবে?
  1. ধারা ৩৩৯
  2. ধারা ৩৪০
  3. ধারা ৩৪১
  4. ধারা ৩৪২
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৪০ অনুসারে, কোনো ব্যক্তিকে এমনভাবে অন্যায়ভাবে সংযম করা যে তিনি নির্দিষ্ট সীমার বাইরে যেতে পারেন না, তাকে অন্যায় বন্দীকরণ (Wrongful Confinement) বলা হয়। ‘B’-এর কাজ ধারা ৩৪০-এর অধীনে অপরাধ।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৪০ ধারার বিধান অবৈধ অবরোধ:
যে ব্যক্তি কোন ব্যক্তির চলাচলে অবৈধভাবে এমন নিয়ন্ত্রণ আরোপ করে যে, উক্ত ব্যক্তি নিৰ্দিষ্ট সীমা অতিক্রম করতে পারে না, তবে সে ব্যক্তি উক্ত ব্যক্তিকে অবৈধভাবে অবরোধ করেছে বলে পরিগণিত হয়।
উদাহরণ:
(ক) ক, চ-কে একটি দেয়াল-ঘেরা জায়গায় যেতে বাধ্য করে এবং সেখানে চ-কে তালাবদ্ধ করে রাখে। ফলে চ সে দেয়ালের মধ্যবর্তী নির্দিষ্ট সীমার বাইরে যেতে অসমর্থ হয়। ক চ-কে অবৈধভাবে অবরোধ করেছে।
(খ) ক কোন অট্টালিকার সকল বহির্দ্বারে আগ্নেয়াস্ত্রে-সজ্জিত ব্যক্তিদের মোতায়েন করে চ-কে বলে যে, চ অট্টালিকা হতে নিষ্ক্রমণের চেষ্টা করলে আগ্নেয়াস্ত্র-সজ্জিত ব্যক্তিরা চ-এর প্রতি গুলিবর্ষণ করবে। ক অবৈধভাবে চ-কে অবরোধ করেছে।

⇒The Penal Code, 1860- Section 340- Wrongful confinement:
Whoever wrongfully restrains any person in such a manner as to prevent that person form proceeding beyond certain circumscribing limits, is said "wrongfully to confine" that person.
Illustrations-
(a) A causes Z to go within a walled space, and locks Z in. Z is thus prevented from proceeding in any direction beyond the circumscribing line of wall. A wrongfully confines Z. 
(b) A places men with firearms at the outlets of a building, and tells Z that they will fire at Z if Z attempts to leave the building. A wrongfully confines Z.