বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

The Penal Code, 1860

মোট প্রশ্ন২,৪৪৭এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

The Penal Code, 1860

PrepBank · পাতা ১২ / ২৫ · ১,১০১১,২০০ / ২,৪৪৭

১,১০১.
দণ্ডবিধির কত ধারায় দণ্ডবিধির সর্বনিম্ন শাস্তি উল্লেখ আছে?
  1. ৫০০ ধারায়
  2. ৫০১ ধারায়
  3. ৫০৯ ধারায়
  4. ৫১০ ধারায়
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৫১০ ধারাটিতে দণ্ডবিধির সর্বনিম্ন শাস্তি উল্লেখ আছে।

⇒ দণ্ডবিধির ৫১০ ধারা অনুযায়ী,
কোন ব্যক্তি যদি নেশাগ্রস্ত অবস্থায় কোন প্রকাশ্য স্থানে গমন করে, বা যে স্থানে প্রবেশ করা তার পক্ষে অনধিকার প্রবেশ, সে স্থানে প্রবেশ করে এবং সে স্থানে এমন আচরণ করে, যার ফলে কারো বিরক্তি ঘটে, তবে সে ব্যক্তি চব্বিশ ঘন্টা পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে অথবা দশ টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত হবে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

Section 510- Misconduct in public by a drunken person:
Whoever, in a state of intoxication appears in any public place, or in any place which it is a trespass in him to enter, and there conducts himself in such a manner as to cause annoyance to any person, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to twenty-four hours, or with fine which may extend to ten taka, or with both.
১,১০২.
দণ্ডবিধির কত ধারায় 'Wrongful restraint' এর বিধান আছে?
  1. দণ্ডবিধির ৩২৯ ধারায়
  2. দণ্ডবিধির ৩৩৯ ধারায়
  3. দণ্ডবিধির ৩৪৯ ধারায়
  4. দণ্ডবিধির ৩৪০ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৩৯ ধারার বিধান অবৈধ বাধা (Wrongful restraint):- যে ব্যক্তি কোন ব্যক্তিকে ইচ্ছাপূর্বক এমনভাবে বাধাদান করে যার ফলে উক্ত ব্যক্তির যেদিকে যাবার অধিকার রয়েছে, এমন কোন দিকে উক্ত ব্যক্তির যাবার পথ রুদ্ধ হয়, তবে সে ব্যক্তি উক্ত ব্যক্তিকে অবৈধভাবে বাধাদান করেছে বলে পরিগণিত হয়।

ব্যতিক্রম :- যদি কোন লোক স্থলে বা জলে কোন বেসরকারি পথে বাধা দেওয়ার আইনসম্মত অধিকার তার রয়েছে বলে সরল মনে বিশ্বাসবশতঃ উক্ত পথে বিঘ্ন সৃষ্টি করে, তবে তার কাজ এই ধারার অর্থের আওতায় অপরাধ হবে না।

⇒ উদাহরণ
যে পথ অতিক্রম করার অধিকার চ-এর রয়েছে, সে পথে ক বিঘ্ন সৃষ্টি করে। ক সরল মনে বিশ্বাস করে না যে, পথটি রোধ করার অধিকার তার রয়েছে। ক-এর পথ রোধের ফলে চ পথ অতিক্রম করতে অসমর্থ হয়। ক অবৈধভাবে চ-কে বাধাদান করেছে।
--------
⇒ Section 339. Wrongful restraint:
Whoever voluntarily obstructs any person so as to prevent that person from proceeding in any direction in which that person has a right to proceed, is said wrongfully to restrain that person. 
 
Exception. The obstruction of a private way over land or water which a person in good faith believes himself to have a lawful right to obstruct, is not an offence within the meaning of this section. 
 
⇒ Illustration 
A obstructs a path along which Z has a right to pass, A not believing in good faith that he has a right to stop the path. Z is thereby prevented from passing. A wrongfully restrains Z.
১,১০৩.
The Penal Code, 1860 অনুসারে রাষ্ট্রদ্রোহ হলো _________।
  1. রাষ্ট্রপতির প্রতি অবজ্ঞা
  2. সরকারের প্রতি বিদ্বেষ
  3. রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র
  4. রাষ্ট্রের প্রতি অবজ্ঞা
ব্যাখ্যা
ধারা ১২৪ক রাষ্ট্রদ্রোহিতা:
কোন ব্যক্তি যদি উচ্চারিত বা লিখিত কথা বা উক্তি দ্বারা, অথবা চিহ্নাদি দ্বারা, অথবা দৃশ্যমান প্রতীকের সহায়তায় অথবা অপর কোনভাবে বাংলাদেশে আইনানুসারে প্রতিষ্ঠিত সরকারের প্রতি ঘৃণা বা বিদ্বেষ সৃষ্টি করে বা করার চেষ্টা করে অথবা বৈরিতা উদ্রেক করে বা করার চেষ্টা করে, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন অথবা যে কোন কম মেয়াদের কারাদণ্ডে যার সাথে অর্থদণ্ড যোগ করা যাবে অথবা তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে যার সাথে অর্থদণ্ড যোগ করা যাবে, অথবা তাকে অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।

ব্যাখ্যা ১: ‘বৈরিতা' বলতে রাজানুগত্যহীনতা এবং সর্বপ্রকার শত্রুতার ভাব বুঝায়।

ব্যাখ্যা ২: ঘৃণা, বিদ্বেষ বা বৈরিতা সৃষ্টি করা বা সৃষ্টি করার চেষ্টা করা ছাড়াই আইনসম্মত উপায়ে পরিবর্তন বা সংশোধনের উদ্দেশ্যে সরকারের গৃহীত ব্যবস্থাসমূহের প্রতি অসমর্থন প্রকাশ এই ধারামতে অপরাধ বলে পরিগণিত হবে না।

ব্যাখ্যা ৩: ঘৃণা, বিদ্বেষ বা বৈরিতা সৃষ্টি করার বা সৃষ্টি করার চেষ্টা করা ছাড়াই সরকারের কোন শাসন পরিচালন বিষয়ক বা অন্যরূপ কার্য সম্পর্কে অসমর্থনমূলক অভিমত বা মন্তব্য প্রকাশ এই ধারামতে অপরাধ বলে পরিগণিত হবে না।
১,১০৪.
দণ্ডবিধির ৩৮ ধারায় একই অপরাধমূলক কার্যে জড়িত ব্যক্তিগণ-
  1. একই অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হবে
  2. বিভিন্ন অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হতে পারে না
  3. বিভিন্ন অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হতে পারে
  4. ক এবং খ
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৮: অপরাধমূলক কার্যে জড়িত ব্যক্তিগণ বিভিন্ন অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হতে পারেন:
যেক্ষেত্রে কতিপয় ব্যক্তি কোন অপরাধমূলক কার্য সংঘটনে নিয়োজিত কিংবা জড়িত হন, সেক্ষেত্রে তারা উক্ত কাজের মাধ্যমে বিভিন্ন অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হতে পারেন।

উদাহরণ:
- ‘ক’ এমন উগ্র প্ররোচনায় ক্ষিপ্ত হয়ে ‘চ’ কে আক্রমণ করে যে, তার এই আক্রমনে ‘চ’ নিহত হইলে তাহা শুধু অপরাধমূলক প্রাণনাশ হইবে, যাহা খুন বলিয়া গণ্য হইবে না।

- 'চ' এর প্রতি 'খ' এর বিদ্বেষ থাকায় এবং 'চ' কে হত্যা করিবার জন্য 'খ' এর অভিপ্রায় থাকায়, 'খ' বিনা প্ররোচনায় 'চ' কে হত্যার কার্যে 'ক' কে সহায়তা করে। এই দৃষ্টান্তে 'ক' ও 'খ' উভয়েই 'চ' কে হত্যার কার্যে ব্যাপৃত থাকলেও, 'খ' খুনের অপরাধে অপরাধী সাব্যস্ত হবে কারন অভিপ্রায় ছিল এবং 'ক' কেবল অপরাধমূলক প্রাণনাশের অপরাধে অপরাধী হবে।
১,১০৫.
The Penal Code, 1860 এর সংজ্ঞানুসারে, একজন ব্যক্তিকে কখন "আইনত বাধ্য" বলা হয়?
  1. যখন সে ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো কাজ করে
  2. যখন সে তার দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করে
  3. যখন সে আইন মেনে চলে
  4. যখন কোনো কাজ না করা তার জন্য অবৈধ বলে গণ্য হয়
ব্যাখ্যা
ধারা ৪৩ অনুযায়ী,
"অবৈধ" শব্দটি এমন সবকিছুর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, যা অপরাধ, আইন দ্বারা নিষিদ্ধ, অথবা যা কোনো দেওয়ানি কার্যক্রমের ভিত্তি তৈরি করে।
এবং একজন ব্যক্তিকে তখনই "আইনত বাধ্য" বলা হয় যখন কোনো কাজ না করা তার জন্য অবৈধ বলে বিবেচিত হয়

Section 43- “Illegal” and “Legally bound to do”
The word “illegal” is applicable to everything which is an offence or which is prohibited by law, or which furnishes ground for a civil action: and a person is said to be "legally bound to do" whatever it is illegal in him to omit.
১,১০৬.
দণ্ডবিধির কোন ধারা অনুযায়ী দস্যুদের বা ডাকাতদের আশ্রয়দানকারীকে শাস্তি দেওয়া হয়?
  1. ধারা ২১৪
  2. ধারা ২১৬ক
  3. ধারা ২১৬
  4. ধারা ২১২
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ২১৬ক বিশেষভাবে ডাকাত/দস্যুদের আশ্রয়দানের শাস্তি সম্পর্কে বিধান করে। 
- দণ্ডবিধির ধারা ২১৬ক (Penal Code, 1860 – Section 216A) অনুযায়ী:
- যদি কেউ জানে বা বিশ্বাস করার যথাযথ কারণ থাকে যে কিছু ব্যক্তি ডাকাতি (robbery) অথবা দস্যুতা (dacoity) করতে যাচ্ছে বা সম্প্রতি করেছে, এবং সে ব্যক্তি তাদেরকে আশ্রয় দেয় এই উদ্দেশ্যে যে তারা যেন অপরাধ সংঘটিত করতে পারে অথবা শাস্তি থেকে বাঁচতে পারে, তবে: সে ব্যক্তি সর্বোচ্চ ৭ (সাত) বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন এবং অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হতে পারেন।
- Exception (ব্যতিক্রম): যদি স্বামী বা স্ত্রী অপরাধীকে আশ্রয় দেন, তাহলে এই ধারা তাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।

- অর্থাৎ দণ্ডবিধির ধারা ২১৬ক বিশেষভাবে দস্যু (robber) ও ডাকাত (dacoit)-দের আশ্রয়দানের শাস্তি সম্পর্কে বলা হয়েছে।

⇒The Penal Code, 1860 – Section 216A. Penalty for harbouring robbers or dacoits:
Whoever, knowing or having reason to believe that any persons are about to commit or have recently committed robbery or dacoity, harbours them or any of them, with the intention of facilitating the commission of such robbery or dacoity, or of screening them or any of them from punishment, shall be punished with rigorous imprisonment for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine. 
- Explanation.-For the purposes of this section it is immaterial whether the robbery or dacoity is intended to be committed, or has been committed, within or without Bangladesh. 
- Exception.–This provision does not extend to the case in which the harbour is by the husband or wife of the offender.

১,১০৭.
দণ্ডবিধির অধীন মানহানির [defamation] শাস্তি কি?
  1. যে কোন বর্ণনার ২ বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়
  2. যে কোন বর্ণনার ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়
  3. যে কোন বর্ণনার ১২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়
  4. যে কোন বর্ণনার ৬ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধি ৪৯৯ ধারা অনুযায়ী যখন কোন ব্যক্তি সম্পর্কিত কোন কুৎসা রটনা করা হয় যা উক্ত ব্যক্তির সুনাম নষ্ট করে (harm reputation) তাকে মানহানি বা Defamation বলে। অর্থাৎ কুৎসাজনক কথা বা চিহ্ন দ্বারা বা দৃশ্যমান কল্পমূর্তি প্রকাশের মাধ্যমে মানহানি করা হয়।
♦দণ্ডবিধির ৫০০ ধারার অধীন মানহানির [defamation] শাস্তি হল যে কোন বর্ণনার ২ বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।
১,১০৮.
ভূমির মালিকের স্বার্থে উক্ত ভূমি নিয়ে দাঙ্গা হলে এবং ভূমির মালিক যদি তা রোধ করার চেষ্টা না করে, তাহলে তার শাস্তি কী হবে?
  1. কারাদণ্ড
  2. অর্থদণ্ড
  3. সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হবে
  4. কোনো শাস্তি নেই
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ১৫৫ ধারা- যে ব্যক্তির স্বার্থে দাঙ্গা অনুষ্ঠিত হয় তার দায়দায়িত্ব:
যে ভূমি সম্পর্কে দাঙ্গা অনুষ্ঠিত হয়েছে, দাঙ্গাটি যদি ভূমির মালিক বা দখলদারের অথবা উক্ত স্বার্থ বা স্বত্বের দাবিদার কোন ব্যক্তির অথবা যে বিরোধীয় বিষয়টি নিয়ে দাঙ্গার সূত্রপাত হয়েছে উহাতে কোন স্বার্থ বা স্বত্বের দাবিদার কোন ব্যক্তির স্বার্থে বা স্বপক্ষে অথবা যে ব্যক্তি উহা হতে কোনভাবে উপকৃত হয়েছে তার স্বার্থে বা স্বপক্ষে অনুষ্ঠিত হয়, তবে অনুরূপ ব্যক্তি অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে-যদি উক্ত ব্যক্তি বা তার প্রতিনিধি বা তার ম্যানেজার অনুরূপ দাঙ্গা অনুষ্ঠিত হতে পারে অথবা যে বেআইনী সমাবেশ দ্বারা অনুরূপ দাঙ্গা অনুষ্ঠিত হবে তা অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে তার বা তাদের বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও অনুরূপ দাঙ্গা বা সমাবেশ নিরোধ করার এবং উহা দমন ও ছত্রভঙ্গ করার জন্য যথাক্রমে তার বা তাদের আয়ত্তাধীন সকল আইনসম্মত উপায় অবলম্বন না করে।

Section 155- Liability of person for whose benefit riot is committed:
Whenever a riot is committed for the benefit or on behalf of any person who is the owner or occupier of any land respecting which such riot takes place or who claims any interest in such land, or in the subject of any dispute which gave rise to the riot, or who has accepted or derived any benefit therefrom, such person shall be punishable with fine, if he or his agent or manager, having reason to believe that such riot was likely to be committed or that the unlawful assembly by which such riot was committed was likely to be held, shall not respectively use all lawful means in his or their power to prevent such assembly or riot from taking place, and for suppressing and dispersing the same.
১,১০৯.
'ক' একজন মৃত ব্যক্তির উইলের এক্সিকিউটর। উইলে যেভাবে সম্পত্তি বণ্টন করার জন্য আইনের যে নির্দেশ আছে তা অসঙ্গতভাবে ভঙ্গ করে সে ঐ সম্পত্তি নিজ ব্যবহারে পরিণত করেছে। এই ক্ষেত্রে 'ক' এর অপরাধ কি?
  1. বিশ্বাসভঙ্গ
  2. অসাধুভাবে অর্থ আত্মসাৎ 
  3. অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ
  4. প্রতারণা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪০৫ ধারার বিধান অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ:- কোন ব্যক্তি যদি কোনভাবে কোন সম্পত্তির বা সম্পত্তি পরিচালনের দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়ে, অসাধুভাবে সে সম্পত্তি আত্মসাৎ করে বা নিজের ব্যবহারে প্রয়োগ করে, অথবা অনুরূপ দায়িত্ব যেভাবে নির্বাহিত হত বলে বিহিত আইনে নির্দেশ করা হয়েছে, তা খেলাফ করে সে দায়িত্ব নির্বাহ সম্পর্কে সে প্রকাশ্য বা অনুরূপ যে আইনগত চুক্তি করেছে তা খেলাফ করে সে সম্পত্তি অসাধুভাবে ব্যবহার করে, বা বিলি ব্যবস্থা করে অথবা ইচ্ছাপূর্বক অপর কোন ব্যক্তিকে তা করতে দেয়, তবে উক্ত ব্যক্তি 'অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের' অপরাধ করেছে।

⇒ দণ্ডবিধির ৪০৬ ধারার বিধান অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের সাজা:- কোন ব্যক্তি যদি অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ করে, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
--------
Section 405 Criminal breach of trust: Whoever, being in any manner entrusted with property, or with any dominion over property, dishonestly misappropriates or converts to his own use that property, or dishonestly uses or disposes of that property in violation of any direction of law prescribing the mode in which such trust is to be discharged, or of any legal contract, express or implied, which he has made touching the discharge of such trust, or wilfully suffers any other person so to do, commits "criminal breach of trust".

Illustrations:
(a) A, being executor to the will of a deceased person, dishonestly disobeys the law which directs him to divide the effects according to the will, and appropriates them to his own use. A has committed criminal breach of trust.
১,১১০.
'A', 'B' এর পায়ে লাঠি দিয়ে আঘাত করে, যার ফলে 'B' ২৫ দিন তীব্র যন্ত্রণায় ভোগে এবং হাঁটতে পারে না। 'A' এর কৃত অপরাধ হলো?
  1. হত্যার চেষ্টা
  2. গুরুতর জখম
  3. সাধারণ জখম
  4. ইচ্ছাকৃত আঘাত
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) গুরুতর জখম।
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৩২০ অনুযায়ী, “গুরুতর জখম” (Grievous hurt) বলতে ৮ ধরনের আঘাতকে বোঝানো হয়। এর মধ্যে অষ্টম শ্রেণির গুরুতর আঘাত হলো:
"যে আঘাতে ভুক্তভোগী বিশ (২০) দিন পর্যন্ত তীব্র যন্ত্রণায় থাকে বা সাধারণ কার্যকলাপ করতে অক্ষম হয়" — এটি গুরুতর জখম।
→ উল্লিখিত ঘটনার প্রেক্ষিতে: 'B' ২৫ দিন তীব্র যন্ত্রণায় ভুগেছে , হাঁটতে পারেনি, অর্থাৎ সাধারণ কাজকর্মে অক্ষম ছিল, তাই এটি ধারা ৩২০ এর অধীন গুরুতর জখম হিসেবে গণ্য হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩২০ ধারার বিধান গুরুতর আঘাত:- শুধু নিম্নলিখিত আঘাতসমূহকেই "গুরুতর" বলে পরিগণিত করা যায়:-
প্রথমত, পুরুষত্বহীন করণ।
দ্বিতীয়ত, যেকোন চোখের জ্যোতি বা দৃষ্টিশক্তি চিরতরে নষ্ট করণ।
তৃতীয়ত, যেকোন কর্ণের শ্রবণশক্তি স্থায়ীভাবে নষ্ট করণ।
চতুর্থত, যেকোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন।
পঞ্চমত, যেকোন অঙ্গের বা গ্রন্থির শক্তিসমূহ ধ্বংসকরণ বা চিরতরে খর্ব করণ।
ষষ্ঠত, মাথা বা মুখমণ্ডল স্থায়ীভাবে বিকৃত করণ।
সপ্তম, কোন অস্থি বা দন্ত ভগ্ন বা স্থানচ্যুত করণ।
অষ্টম, এমন কোন আঘাত যা জীবন সংশয় সৃষ্টি করে বা যাতে আহত ব্যক্তি বিশ দিন পর্যন্ত প্রচণ্ড দৈহিক যন্ত্রণা ভোগ করে বা সাধারণ কাজকর্ম করতে অপারগ হয়।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 320: Grievous hurt:
The following kinds of hurt only are designated as "grievous":-
Firstly.-Emasculation.
Secondly.-Permanent privation of the sight of either eye.
Thirdly.-Permanent privation of the hearing of either ear.
Fourthly.-Privation of any member or joint.
Fifthly.-Destruction or permanent impairing of the powers of any member or joint.
Sixthly.-Permanent disfiguration of the head or face.
Seventhly.-Fracture or dislocation of a bone or tooth.
Eighthly.-Any hurt which endangers life or which causes the sufferer to be during the space of twenty days in severe bodily pain, or unable to follow his ordinary pursuits.
১,১১১.
'A', একজন গর্ভবতী নারীকে আঘাত করে, যা যদি তার মৃত্যু ঘটাত তবে তা শাস্তিযোগ্য নরহত্যা হতো। ঐ নারী বেঁচে যান কিন্তু তার গর্ভে থাকা জীবিত (quick) অনাগত সন্তানের মৃত্যু হয়। 'A'-এর অপরাধ দণ্ডবিধির কোন ধারা অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য হবে?
  1. ৩১২ ধারা
  2. ৩১৪ ধারা
  3. ৩১৫ ধারা
  4. ৩১৬ ধারা
ব্যাখ্যা

⇒ প্রদত্ত প্রশ্নের বর্ণনাটি দণ্ডবিধির ধারা ৩১৬-এর উদাহরণ (Illustration)-এর সাথে পুরোপুরি মিলে যায়। এখানে, A একটি কাজ করে যা যদি গর্ভবতী নারীর মৃত্যু ঘটাত তবে তা শাস্তিযোগ্য নরহত্যা (culpable homicide) হতো। নারী বেঁচে গেলেও তার গর্ভের জীবিত (quick) অনাগত সন্তানের মৃত্যু হয়।
- অতএব, A-এর অপরাধ ধারা ৩১৬ অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য হবে। সঠিক উত্তর: ঘ) ৩১৬ ধারা।

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০, ধারা-৩১৬। দণ্ডনীয় নরহত্যার পর্যায়ে পড়ে এমন কাজের দ্বারা জীবিত অনাগত সন্তানের মৃত্যু ঘটানো:
যে কেউ এমন পরিস্থিতিতে কোনো কাজ করে যে, যদি সে এর দ্বারা মৃত্যু ঘটায় তাহলে সে দণ্ডনীয় নরহত্যার জন্য দোষী হবে, এবং এই ধরনের কাজের দ্বারা একটি জীবিত অনাগত সন্তানের মৃত্যু ঘটায়, তাহলে তাকে উভয় প্রকার কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হবে যার মেয়াদ দশ বছর পর্যন্ত হতে পারে, এবং সে জরিমানার জন্যও দায়ী থাকবে।

উদাহরণ:
'ক', জেনেশুনে যে সে একজন গর্ভবতী মহিলার মৃত্যু ঘটাতে পারে, এমন একটি কাজ করে যা, যদি মহিলার মৃত্যু ঘটাত, তাহলে দণ্ডনীয় নরহত্যার পর্যায়ে পড়ত। মহিলা আহত হয় কিন্তু মারা যায় না; কিন্তু এর দ্বারা তার গর্ভে থাকা একটি অনাগত জীবিত সন্তানের মৃত্যু ঘটে। 'ক' এই ধারায় সংজ্ঞায়িত অপরাধের জন্য দোষী।

⇒ The Penal Code, 1860, section- 316. Causing death of quick unborn child by act amounting to culpable homicide:
Whoever does any act under such circumstances, that if he thereby caused death he would be guilty of culpable homicide, and does by such act cause the death of a quick unborn child, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine. 
Illustration:
A, knowing that he is likely to cause the death of a pregnant woman, does an act which, if it caused the death of the woman, would amount to culpable homicide. The woman is injured but does not die; but the death of an unborn quick child with which she is pregnant thereby caused. A is guilty of the offence defined in this section.

১,১১২.
দণ্ডবিধির ১৬০ ধারার অধীনে, মারামারির শাস্তি কত দিনের কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. এক মাস
  2. তিন মাস
  3. ছয় মাস
  4. এক বছর
ব্যাখ্যা
ধারা: ১৬০- মারামারির শাস্তি:
কোন ব্যক্তি যদি মারামারির অপরাধ সংঘটন করে, তবে সে ব্যক্তি এক মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা একশত টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

Section-160: Punishment for committing affray:
Whoever commits an affray, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one month, or with fine which may extend to one hundred taka, or with both.
১,১১৩.
খুন বলে গণ্য নয় এমন নিন্দনীয় নর হত্যার সর্বোচ্চ শাস্তি কি?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  4. ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
♦The Penal Code, 1860 এর ৩০৪ ধারা মতে খুন বলে গণ্য নয় এমন নিন্দনীয় নর হত্যার ২ ধরনের শাস্তি 
ক) মৃত্যু ঘটানোর অভিপ্রায় নিয়ে এমন নরহত্যা ঘটালে তার সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন। আর
খ) মৃত্যু ঘটানোর অভিপ্রায় নেই কিন্তু অপরাধী জানে যে তার কার্যটি সম্ভবত মৃত্যু ঘটাবে কিংবা এমন শারীরিক জখম ঘটাবে যা সম্ভবত মৃত্যু ঘটাবে তাহলে তার সর্বোচ্চ শাস্তি হলো ১০ বছর পর্যন্ত।
১,১১৪.
দণ্ডবিধির ১১৫ ধারা অনুযায়ী, মৃত্যুদণ্ডযোগ্য অপরাধের প্ররোচনা দেওয়ার পর যদি সেই অপরাধ সংঘটিত না হয়, তবে প্ররোচনাদাতার শাস্তি কী?
  1. সর্বোচ্চ ৫ বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  2. সর্বোচ্চ ৭ বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  3. সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  4. সর্বোচ্চ ১২ বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ১১৫ অনুযায়ী, যদি কেউ মৃত্যুদণ্ডযোগ্য অপরাধে প্ররোচনা (abetment) দেয়, কিন্তু সেই অপরাধ সম্পূর্ণভাবে সংঘটিত না হয়, তখন প্ররোচনাদাতা সর্বোচ্চ ৭ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড-এর আওতায় শাস্তি ভোগ করবে।

⇒ দণ্ডবিধির ১১৫ ধারার বিধান- মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডযোগ্য অপরাধের উস্কানি দেওয়া - যদি অপরাধ সংঘটিত না হয়; যদি ক্ষতি সৃষ্টিকারী কার্য সম্পাদিত হয়:
যে ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডযোগ্য অপরাধ সংঘটিত করার জন্য উস্কানি দেয়, কিন্তু উস্কানির ফলে ওই অপরাধ সংঘটিত না হয় এবং এই দণ্ডবিধিতে উস্কানির শাস্তির জন্য কোনো বিশেষ বিধান না থাকে, তাকে ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড দেওয়া হতে পারে এবং অর্থদণ্ডও আরোপিত হতে পারে;
এবং যদি কোনো এমন কার্য, যার জন্য উস্কানিদাতা দণ্ডনীয়, এবং যার কারণে কোনো ব্যক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়, সংঘটিত হয়, তাহলে উস্কানিদাতা ১৪ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে এবং অর্থদণ্ডও আরোপিত হবে।
------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section- 115.  Abetment of offence punishable with death or imprisonment for life- if offence be not committed; if act causing harm be done in consequence:
Whoever abets the commission of an offence punishable with death or [imprisonment] for life, shall, if that offence be not committed in consequence of the abetment, and no express provision is made by this Code for the punishment of such abetment, be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine;
-and if any act for which the abettor is liable in consequence of the abetment, and which causes hurt to any person, is done, the abettor shall be liable to imprisonment of either description for a term which may extend to fourteen years, and shall also be liable to fine. 

Illustration
A instigates B to murder Z. The offence is not committed. If B had murdered Z, he would have been subject to the punishment of death or [imprisonment] for life. Therefore A is liable to imprisonment for a term which may extend to seven years and also to a fine; and, if any hurt be done to Z in consequence of the abetment, he will be liable to imprisonment for a term which may extend to fourteen years, and to fine.

১,১১৫.
দণ্ডবিধির ৩৯৬ ধারার অধীনে খুনসহ ডাকাতির ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. দশ বছরের কারাদণ্ড
  4. সাত বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৯৬ ধারার বিধান খুনসহকারে ডাকাতি:- যদি মিলিতভাবে ডাকাতি অনুষ্ঠানকালে পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি, যে কোন একজন অনুরূপ ডাকাতি অনুষ্ঠানকালে খুন করে, তবে তাদের প্রত্যেকে মৃত্যুদণ্ডে অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে, অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডনীয় হবে।
-------------------- 
⇒ The Penal Code, 1860- Section 396. Dacoity with murder:- If any one of five or more persons, who are conjointly committing dacoity, commits murder in so committing dacoity, every one of those persons shall be punished with death, or imprisonment for life, or rigorous imprisonment for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.
১,১১৬.
সর্বনিম্ন কত দিন কোন ব্যক্তিকে আটক রাখলে আটককারী ব্যক্তি অনধিক ২ বছর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে?
  1. ২ দিন
  2. ৩ দিন
  3. ১০ দিন
  4. ৭ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৪৩ ধারার বিধান তিন বা ততোধিক দিনের জন্য অবৈধ অবরোধ:- কোন ব্যক্তি যদি কাউকে তিন বা ততোধিক দিনের জন্য অবৈধভাবে অবরোধ করে রাখে, তবে উক্ত ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
-------------------- 
⇒The Penal Code, 1860- Section 343: Wrongful confinement for three or more days:
-Whoever wrongfully confines any person for three days or more, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
১,১১৭.
The Penal Code, 1860 অনুসারে কয়টি উপায়ে 'House-breaking' এর অপরাধ সংঘটিত হতে পারে?
  1. 3
  2. 4
  3. 5
  4. 6
ব্যাখ্যা
♦ দন্ডবিধির ৪৪৫ ধারায় অপথে গৃহে প্রবেশের বিধান রয়েছে। ৪৪৫ ধারা অনুযায়ী নিম্নলিখিত ৬টি উপায়ে কোন গৃহে প্রবেশ করলে বা গৃহ থেকে বের হলে তা অপথে গৃহে প্রবেশ বা House breaking বলে গণ্য হবে। যথা-

i) বন্ধ দরজা বা পথ খুলে (Opening any passage fastended for );
ii) তালা খুলে বা ভেঙ্গে (Opening or breaking lock);

iii) নতুন পথ তৈরি করে (Passage made by him);
iv) আক্রমন বা বলপ্রয়োগের ভয় দেখিয়ে (Using criminal force);

v) আটকানো কোন কিছুকে খুলে বা অন্যভাবে মুক্ত করে অস্বাভাবিক পন্থায় ভিতরে প্রবেশ করা বা নির্গমন হওয়া; অথবা
vi) প্রবেশ বা প্রস্থানের জন্য নয় এমন পথ দিয়ে গৃহে প্রবেশ করলে অপথে গৃহ প্রবেশ (house breaking) এর অপরাধ হবে।
১,১১৮.
ক একটি অতি অল্প বয়স্ক শিশুকে হত্যা করার উদ্দেশ্যে ময়লার ডাস্টবিনে রেখে আসে। ভাগ্যক্রমে শিশুটি পথচারীদের নজরে আসে এবং বেঁচে যায়। পরে সিসি টিভি ফুটেজ দেখে ক কে আটক করা হয়। ক এর শাস্তি হবে-
  1. ৩০৫ ধারায়
  2. ৩০৬ ধারায়
  3. ৩০৭ ধারায়
  4. ৩০২ ধারায়
ব্যাখ্যা
- খুনের উদ্যোগ বা প্রচেষ্টা যা attempt to murder নামে মানুষের কাছে বহুল আলোচিত দণ্ডবিধির ৩০৭ ধারায় রয়েছে।
- ৩০৭ ধারামতে খুনের উদ্যোগের শান্তি অনধিক ১০ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড।
- তবে উক্ত কার্যের ফলে কোন ব্যক্তি আহত হলে অপরাধকারী যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা অনধিক ১০ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদন্ডে দণ্ডিত হবে।
- অন্যদিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত ব্যক্তি খুনের উদ্যোগ গ্রহণ করলে এবং উক্ত কার্যের ফলে কোন বাক্তি আহত হলে অপরাধী মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
১,১১৯.
Under Section 468, which of the following actions is punishable?
  1. Accidental forgery
  2. Forgery with the intent to cheat
  3. Forgery for personal records
  4. Forgery for artistic purposes
ব্যাখ্যা
Section 468- Forgery for purpose of cheating:
Whoever commits forgery, intending that the document forged shall be used for the purpose of cheating, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be to liable to fine.

ধারা ৪৬৮- প্রতারণার উদ্দেশ্যে জালিয়াতি:

যদি কোনো ব্যক্তি প্রতারণার উদ্দেশ্যে কোনো নথি বা দলিল জাল করে, তবে তাকে সাত বছর পর্যন্ত যেকোনো ধরণের কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।
১,১২০.
দণ্ডবিধির ৫৪ ধারার অধীনে সরকার কোন শাস্তি হ্রাস করার ক্ষমতা রাখে?
  1. অর্থদণ্ড
  2. মৃত্যুদণ্ড
  3. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  4. বিনাশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
→ দণ্ডবিধির ৫৪ ধারার বিধান মৃত্যুদণ্ড হ্রাসকরণ:- মৃত্যুদণ্ড দান করা যেতে পারে এইরূপ প্রত্যেক ক্ষেত্রে সরকার অপরাধকারীর সম্মতি ব্যতিরেকে উক্ত দণ্ডকে এই বিধি ও আইন বলে ব্যবস্থিত অন্য যেকোন স্বল্প দণ্ডে রূপান্তরিত করতে পারবেন।
→ সরকার দণ্ডবিধির ৫৪ ধারা অনুযায়ী মৃত্যুদণ্ড হ্রাস করে এবং ৫৫ ধারা অনুযায়ী যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হ্রাস করে যে কোন দণ্ডে রূপান্তর করতে পারে ।
- দণ্ডবিধির ৫৫ক ধারায় বলা হয়েছে, ৫৪ ও ৫৫ ধারার কোন কিছু রাষ্ট্রপতির ক্ষমা প্রদর্শন, শাস্তি কমানো, লাঘব বা মওকুফের অধিকার ক্ষতিগ্রস্থ করবে না।
অর্থাৎ, 
- ৫৪ ধারা: সরকার মৃত্যুদণ্ড কমিয়ে অন্য হালকা শাস্তিতে রূপান্তর করতে পারে।
- ৫৫ ধারা: সরকার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড কমিয়ে অন্য শাস্তিতে রূপান্তর করতে পারে।
- ৫৫ক ধারা: ৫৪ ও ৫৫ ধারা রাষ্ট্রপতির ক্ষমা বা শাস্তি কমানোর ক্ষমতায় বাধা দেয় না।
১,১২১.
দণ্ডবিধি ১৮৬০ আইনে কোন অধ্যায় নির্বাচন সংক্রান্ত অপরাধ সম্পর্কিত বিধি রয়েছে?
  1. প্রথম অধ্যায়
  2. পঞ্চম অধ্যায়
  3. নবম অধ্যায়
  4. নবম (ক) অধ্যায়
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধি ১৮৬০ আইনে মোট অধ্যায় ২৩ টি এবং দণ্ডবিধির মোট ধারা ৫১১ টি (মূল দণ্ডবিধিতে ৪৮৮টি ধারা ছিল)।
• গুরুত্বপূর্ণ কিছু অধ্যায়ের নাম:
- দ্বিতীয় অধ্যায়: সাধারণ ব্যাখ্যা সমূহ,
- তৃতীয় অধ্যায়: শাস্তি,
- চতুর্থ অধ্যায়: সাধারণ ব্যতিক্রম সমূহ,
- পঞ্চম অধ্যায়: অপরাধে সহায়তা বা প্ররোচনা,
- পঞ্চম-ক অধ্যায়: অপরাধ মূলক ষড়যন্ত্র,
- ষষ্ঠ অধ্যায়: রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধ,
- নবম অধ্যায়: সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীর সংক্রান্ত অপরাধ,
- নবম-ক অধ্যায়: নির্বাচন সংক্রান্ত অপরাধ,
- ষোড়শ অধ্যায়: মানবদেহ সংক্রান্ত অপরাধ,
- সপ্তদশ অধ্যায়: সম্পত্তির বিরুদ্ধে অপরাধ,  
- বিংশ অধ্যায়: বিবাহ সংক্রান্ত অপরাধ,
- একবিংশ অধ্যায়: মানহানি,
- ত্রয়োবিংশ অধ্যায়: অপরাধ সংগঠনের উদ্যোগ।
১,১২২.
দণ্ডবিধির ৩৪৯ ধারায় বলপ্রয়োগের ক্ষেত্রে কয়টি উপায়ের কোন ব্যক্তির গতি সঞ্চার, গতি পরিবর্তন বা গতি স্তব্ধ করার কথা বলা আছে?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ১টি
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৪৯ ধারার বিধান: বলপ্রয়োগ:- কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির গতি সঞ্চার করে, গতি পরিবর্তন করে বা গতি স্তব্ধ করে, অথবা যদি সে কোন বস্তুতে এমন গতি সঞ্চার করে, বা গতি স্তব্ধ করে, যাতে উহা অপর কোন ব্যক্তির দেহের কোন অংশের সংস্পর্শে আসে, অথবা যদি সে অপর কোন ব্যক্তির পরিহিত বা বাহিত কোন দ্রব্যে অনুরূপ গতি সঞ্চার, গতি পরিবর্তন বা গতি স্তব্ধ করে, অথবা যদি সে এমন কোন বস্তুর সাথে উহা করে যা এমনভাবে সংস্থিত যে, উহার সংস্পর্শ দ্বিতীয়োক্ত ব্যক্তির অনুভব-শক্তি ব্যাহত করে, তবে সে ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির প্রতি বলপ্রয়োগ করেছে বলে পরিগণিত হয়:-
তবে শর্ত থাকে যে, যে ব্যক্তি গতি সঞ্চার করে, গতি পরিবর্তন করে বা গতি স্তব্ধ করে, সে ব্যক্তির গতি সঞ্চারের, গতি পরিবর্তনের বা গতি স্তব্ধকরণের পদ্ধতি নিম্নোক্ত তিনটি উপায়ের যেকোন একটি হতে হবে-
প্রথমত:- তার নিজ দেহের শক্তি প্রয়োগ করে।
দ্বিতীয়ত:- কোন বস্তু এমনভাবে ব্যবহার করে, যার ফলে তার নিজের বা অপর কোন ব্যক্তির কোন কাজ ব্যতীত গতি বা গতির পরিবর্তন বা গতির স্তব্ধতা সাধিত হয়।
তৃতীয়ত:- কোন পশুকে চালিত করে গতি পরিবর্তন বা পশুটির গতি স্তব্ধ করে। 
------------------------
Section 349: Force:
- A person is said to use force to another if he causes motion, change of motion, or cessation of motion to that other, or if he causes to any substance such motion, or change of motion, or cessation of motion as brings that substance into contact with any part of that other's body, or with anything which that other is wearing or carrying, or with anything so situated that such contact affects that other's sense of feeling:
Provided that the person causing the motion, or change of motion, or cessation of motion, causes that motion, change of motion, or cessation of motion in one of the three ways hereinafter described: 
Firstly. By his own bodily power. 
Secondly. By disposing any substance in such a manner that the motion or change or cessation of motion takes place without any further act on his part, or on the part of any other person. 
Thirdly. By inducing any animal to move, to change its motion, or to cease to move.
১,১২৩.
যদি মিথ্যা সাক্ষ্যের ফলে নির্দোষ ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়, তাহলে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৭ বছর কারাদণ্ড
  2. ১০ বছর কারাদণ্ড
  3. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  4. মৃত্যুদণ্ড
ব্যাখ্যা
 সঠিক উত্তর: ঘ) মৃত্যুদণ্ড।
- দণ্ডবিধির ধারা ১৯৪ অনুযায়ী, যদি কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে আদালতে মিথ্যা সাক্ষ্য দেয় এবং এর ফলে একজন নির্দোষ ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়, তবে সেই ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ১৯৪ ধারা মতে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করার উদ্দেশ্যে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদান বা মিথ্যা সাক্ষ্য উদ্ভাবনের ২ ধরনের শাস্তি হতে পারে। যথা-
(i) কোন আসামীকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করার জন্য মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়ার পরও অথবা মিথ্যা সাক্ষ্য সৃষ্টি করার পরও উক্ত আসামীর মৃত্যুদন্ড না হলে বা আসামী খালাস পেলে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানকারী যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা অনধিক ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
(ii) মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানের ফলে কোন নির্দোষ লোকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হলে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানকারী মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা অনধিক ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ১৯৪ ধারার বিধান মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করানোর উদ্দেশ্যে মিথ্যা সাক্ষ্যদান বা মিথ্যা সাক্ষ্য তৈরি করা :- কোন ব্যক্তি যদি মিথ্যা সাক্ষ্যদান করে বা তৈরি করে এবং তদ্বারা কাউকে বর্তমানে বলবৎ কোন আইনবলে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় কোন অপরাধে দণ্ডিত করানোর উদ্দেশ্যেই তা করে থাকে কিংবা তার এইরূপ মিথ্যা সাক্ষ্য দান বা তৈরি করার ফলে কাউকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধে দণ্ডিত করা হতে পারে জেনেই যদিও তা করে থাকে, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে; তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা হবে।
⇒ যদি তার ফলে কোন নির্দোষ ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে সাজাপ্রাপ্ত হয় এবং সাজা বলবৎ হয়:- যদি অনুরূপ মিথ্যা সাক্ষ্যের ফলে কোন নির্দোষ ব্যক্তি সাজাপ্রাপ্ত হয় ও সাজা বলবৎ হয়, তবে যে ব্যক্তি অনুরূপ মিথ্যা সাক্ষ্যদান করেছে, সে ব্যক্তি হয় মৃত্যুদণ্ডে, না হয় এই ধরায় ইতোপূর্বে বর্ণিত সাজায় সাজাপ্রাপ্ত হবে।

⇒The Penal Code, 1860-Section 194: Giving or fabricating false evidence with intent to procure conviction of capital offence; if innocent person be thereby convicted and executed:
- Whoever gives or fabricates false evidence, intending thereby to cause, or knowing it to be likely that he will thereby cause, any person to be convicted of an offence which is capital by any law for the time being in force, shall be punished with imprisonment for life, or with rigorous imprisonment for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine;
and if an innocent person be convicted and executed in consequence of such false evidence, the person who gives such false evidence shall be punished either with death or the punishment herein before described.
১,১২৪.
দণ্ডবিধির ৩৪ ধারার বিধান কী?
  1. Voluntarily
  2. Common object
  3. Common Intention
  4. Good Faith
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ৩৪ ধারার বিধান কতিপয় ব্যক্তি কর্তৃক একই উদ্দেশ্য সাধানকল্পে কৃত কার্যাবলী:

যখন কতিপয় ব্যক্তি একত্রিত হয়ে তাদের সকলের একই অভিপ্রায় সাধনকল্পে অপরাধমূলক কাজ সম্পাদিত করে, তখন অনুরূপ ব্যক্তিগণের প্রত্যেকেই উক্ত কাজের জন্য এইরূপে দায়ী হবেন যেন উক্ত কাজ উক্ত ব্যক্তি দ্বারা সম্পাদিত হয়েছিল।

♦দণ্ডবিধির ৩৪ ধারায় সাধারণ অভিপ্রায় বা অভিন্ন অভিপ্রায় (Common Intention) এর বিধান রয়েছে:
(i) সাবধান অভিপ্রায় প্রমাণের ক্ষেত্রে কতিপয় ব্যক্তি কর্তৃক অপরাধমূলক কাজ সম্পাদিত হবে 
(ii) তাদের প্রত্যেকের সাধারণ অভিপ্রায় এবং পূর্ব পরিকল্পনা থাকবে উক্ত অপরাধ সংঘটিত করতে।
(iii) অপরাধটি সফল করার জন্য তারা অপরাধে  অংশগ্রহণ করবে।
১,১২৫.
সাধারণ ব্যতিক্রম সম্পর্কে দণ্ডবিধির কোথায় বলা আছে
  1. ৫৪ ধারা থেকে ৬৬ ধারায়
  2. ১৫ ধারা থেকে ৮৫ ধারায়
  3. ৭৬ ধারা থেকে ১০৬ ধারায়
  4. ২০ ধারা থেকে ১০৫ ধারায়
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধি ১৮৬০ এর চতুর্থ অধ্যায় ৭৬ ধারা থেকে ১০৬ ধারা পর্যন্ত সাধারণ ব্যতিক্রম সমূহ বা General exceptions নিয়ে আলোচনা করা হয়।
• সাক্ষ্য আইনের ১০৫ ধারা মতে দণ্ডবিধির সাধারণ ব্যতিক্রম সমূহ যেকোনো ব্যতিক্রম প্রমাণের দায়িত্ব আসামির।
১,১২৬.
Which of the following is required for someone to be considered a member of an unlawful assembly?
  1. Leading the assembly
  2. Passive observation from a distance in the assembly
  3. Intentional joining or continuing in the assembly
  4. Intentional joining and inviting others to join in the assembly
ব্যাখ্যা
The Penal Code, 1860-Section-142. Being member of unlawful assembly:
-Whoever, being aware of facts which render any assembly an unlawful assembly, intentionally joins that assembly, or continues in it, is said to be a member of an unlawful assembly.

⇒ দণ্ডবিধির ১৪১ ধারায় বেআইনি সমাবেশের বিধান রয়েছে। পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি জনসাধারণের শান্তি-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী কোনো সমাবেশ করলে তাকে বেআইনি সমাবেশ বা Unlawful Assembly বলে।
⇒ দণ্ডবিধির ১৪২ ধারার বিধান বেআইনী সমাবেশের সদস্য হওয়া: কোন ব্যক্তি যদি কি কি অবস্থায় কোন সমাবেশ বেআইনী সমাবেশে পরিণত হয়, তৎসম্পর্কে জ্ঞাত থাকা সত্ত্বেও ইচ্ছাপূর্বক সে সমাবেশে যোগদান করে বা সে সমাবেশে মিলিত থাকে, তবে সে ব্যক্তি একটি বেআইনী সমাবেশে যোগদানকারী ব্যক্তি বলে পরিগণিত হয়।
১,১২৭.
The Penal Code, 1860 এর ১৭৭ ধারা অনুযায়ী, কাদের কাছে মিথ্যা তথ্য দেওয়া অপরাধ?
  1. সাধারণ নাগরিক
  2. সরকারি কর্মচারী
  3. বিদেশি নাগরিক
  4. উল্লিখিত সকলের কাছে
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ১৭৭ ধারা- মিথ্যা তথ্য পরিবেশন:
কোন ব্যক্তি যদি কোন সরকারী কর্মচারীর নিকট, তিনি সরকারী কর্মচারী বলেই, কোন বিষয়ে তথ্য দিতে আইনত: বাধ্য হয়ে, সে বিষয়টির উপর সত্য বলে এমন কোন তথ্য পরিবেশন করে যা মিথ্যা বলে সে জানে বা যা মিথ্যা বলে বিশ্বাস করার তার কারণ রয়েছে, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে;
অথবা, উক্ত ব্যক্তি যে তথ্য দিতে আইনত বাধ্য, তা যদি কোন অপরাধের সংঘটন বিষয়ক হয়, বা কোন অপরাধের সংঘটন নিরোধের জন্য আবশ্যকীয় হয়, বা কোন অপরাধীকে গ্রেফতার করার জন্য আবশ্যকীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে। 

Section 177- Furnishing false information:
Whoever, being legally bound to furnish information on any subject to any public servant, as such, furnishes, as true, information on the subject which he knows or has reason to believe to be false, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to six months, or with fine which may extend to one thousand taka, or with both; 
or, if the information which he is legally bound to give respects the commission of an offence, or is required for the purpose of preventing the commission of an offence, or in order to the apprehension of an offender, with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
১,১২৮.
দণ্ডবিধির কোন ধারায় অপহরণ (Abduction) সংজ্ঞা প্রদান করা হইয়াছে?
  1. ৩৬০ ধারায়
  2. ৩৬১ ধারায় 
  3. ৩৬২ ধারায়
  4. ৩৬৩ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৬২ ধারার বিধান অপহরণ বা মনুষ্যহরণ:- যদি কোন ব্যক্তি, অপর কোন ব্যক্তিকে কোন স্থান হতে গমন করার জন্য জোরপূর্বক বাধ্য করে বা কোন প্রতারণামূলক উপায়ে প্রলুব্ধ করে, তবে উক্ত ব্যক্তি অনুরূপ ব্যক্তিকে অপহরণ করে বলে গণ্য হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৬৩ ধারার বিধান মনুষ্য হরণের সাজা:- কোন ব্যক্তি যদি কাউকে বাংলাদেশ হতে অথবা আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে অপহরণ করে নিয়ে যায়, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
------------
⇒ Section 362. Abduction:- Whoever by force compels, or by any deceitful means induces, any person to go from any place, is said to abduct that person.
⇒ Section 363. Punishment for kidnapping:- Whoever kidnaps any person from Bangladesh or from lawful guardianship, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.
১,১২৯.
‘A’ ‘B’ কে একটি দেওয়ানি মোকদ্দমা পরিচালনা থেকে বিরত রাখার উদ্দেশ্যে তার ঘর পুড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেয়। ‘A’ কর্তৃক কী অপরাধ সংঘটিত হয়েছে?
  1. অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন
  2. অপমান
  3. প্রতারণা
  4. অত্যাচার
ব্যাখ্যা
- দণ্ডবিধির ৫০৩ ধারায় অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের বিধান রয়েছে।
- কোন ব্যক্তিকে আতঙ্কিত করার জন্য উক্ত ব্যক্তির সম্পত্তি বা সুনাম বা দেহের ক্ষতি ( injury to property, reputation or person) করার ভয় বা হুমকি (threat) দেখানো হলে, তাকে অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন বা Criminal Intimidation বলে।

- এখানে ‘A' দণ্ডবিধির ৫০৩ ধারার অধীনে অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের অপরাধ করেছে। ৫০৬ ধারায় অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের শাস্তি রয়েছে যা অনধিক ২ বছর কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।
১,১৩০.
দণ্ডবিধির ৩৬৬ক ধারা অনুসারে অপ্রাপ্ত বয়স্কা বালিকা বলতে কোন বয়সের বালিকাকে বোঝানো হয়?
  1. ১৪ বছরের কম
  2. ১৬ বছরের কম
  3. ১৮ বছরের কম
  4. ২১ বছরের কম
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৬৬ক অনুযায়ী, অপ্রাপ্ত বয়স্কা বালিকা বলতে ১৮ বছর বয়সের নিচের কোনো মেয়েকে বোঝানো হয়েছে। এই ধারায় উল্লেখ আছে যে, যদি কোনো ব্যক্তি ১৮ বছরের কম বয়সী কোনো মেয়েকে যৌন-অবৈধ কাজে বাধ্য করতে বা প্রলুব্ধ করার উদ্দেশ্যে স্থানান্তর বা কোনো কাজ করায়, তবে তা এই ধারার অধীনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
অতএব, সঠিক উত্তর হলো গ) ১৮ বছরের কম।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৬৬ক ধারার বিধান অপ্রাপ্ত বয়স্কা বালিকা সংগ্রহ করণ:- কোন ব্যক্তি যদি যে কোন প্রকারেই হোক আঠারো বৎসরের কম বয়সী কোন অপ্রাপ্ত বয়স্কা বালিকাকে কোন স্থান হতে গমনে বা কোন কাজ সম্পাদনে বাধ্য করে এবং যদি তা করার উদ্দেশ্য হয়, বালিকাটিকে অপর কোন ব্যক্তির সাথে যৌন- অবৈধ সহবাসে জোরপূর্বক বা ফুসলিয়ে বাধ্য করা, অথবা তাকে অন্যভাবে অপর কোন ব্যক্তির সাথে অবৈধ যৌন-সহবাসে জোরপূর্বক বা ফুসলিয়ে বাধ্য করা হতে পারে বলে জানা সত্ত্বেও তাকে কোনস্থান হতে গমনে বা কোন কাজ সম্পাদন বাধ্য করে, তবে সে ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
----------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 366A. Procuration of minor girl:
Whoever, by any means whatsoever, induces any minor girl under the age of eighteen years to go from any place or to do any act with intent that such girl may be, or knowing that it is likely that she will be, forced or seduced to illicit intercourse with another person shall be punishable with imprisonment which may extend to ten years and shall also be liable to fine.

১,১৩১.
কোনো নারী যদি ১৩ বছর বয়সী হয় এবং তার সম্মতিতেই কোনো পুরুষ তার সঙ্গে যৌনসঙ্গম করে, তবে এটি কোন অপরাধ হবে?
  1. এটি ধর্ষণ নয়, কারণ সে সম্মতি দিয়েছে
  2. এটি ব্যভিচার হিসেবে গণ্য হবে
  3. এটি ধর্ষণ, কারণ ভিকটিমের বয়স ১৪ বছরের কম
  4. এটি আদালতের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩৭৫ ধারা-ধর্ষণ:
কোন পুরুষ অতঃপর উল্লেখিত ব্যতিক্রম ভিন্ন অপর সকল ক্ষেত্রে নিম্নোক্ত ৫টি যেকোন অবস্থায় কোন স্ত্রীলোকের সাথে যৌনসঙ্গম করলে সে ধর্ষণ করেছে বলে পরিগণিত হবে-
প্রথমত: স্ত্রীলোকটির ইচ্ছার বিরুদ্ধে।
দ্বিতীয়ত: স্ত্রীলোকটির সম্মতি ব্যতিরেকে।
তৃতীয়ত: স্ত্রীলোকটির সম্মতিক্রমেই, যেক্ষেত্রে মৃত্যু বা জখমের ভয় প্রদর্শন করে স্ত্রীলোকটির সম্মতি আদায় করা হলে।
চতুর্থত: স্ত্রীলোকটির সম্মতিক্রমেই, যেক্ষেত্রে পুরুষটি জানে যে, সে স্ত্রীলোকটি স্বামী নয়, এবং পুরুষটি ইহার জানে যে, স্ত্রীলোকটি তাকে এমন অপর একজন পুরুষ বলে ভুল করেছে, যে পুরুষটির সাথে সে আইন সম্মতভাবে বিবাহিত হয়েছে বা বিবাহিত বলে বিশ্বাস করে।
পঞ্চমত: স্ত্রীলোকটির সম্মতিক্রমে অথবা সম্মতি ব্যতিরেকে, যতি স্ত্রীলোকটির বয়স চৌদ্দ বৎসরের কম হয়।

ব্যাখ্যা (Explanation): ধর্ষণের অপরাধের জন্য আবশ্যকীয় যৌনসঙ্গমের জন্য যৌনাঙ্গ প্রবিষ্ট করাই যথেষ্ট গণ্য হবে।

ব্যতিক্রম (Exception): কোন পুরুষের কর্তৃক নিজ স্ত্রীর সাথে যৌনসঙ্গম ধর্ষণ বলে পরিগণিত হবে না, যদি স্ত্রী তের বৎসরে নিম্ন বয়স্কা না হয়।
১,১৩২.
According to Section 390 of the Penal Code, 1860, robbery always involves either:
  1. Theft or mischief
  2. Theft or extortion
  3. Assault or cheating
  4. Kidnapping or abduction
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৯০ ধারার বিধান দস্যুতা:- প্রত্যেক দস্যুতায় হয় চুরি, না হয় বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়ের অপরাধ সংঘটিত হয়।
- যেক্ষেত্রে চুরি দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে:- চুরি করার উদ্দেশ্যে, অথবা চুরি করতে, কিংবা চুরিতে লব্ধ সম্পত্তি বহন বা বহনের উদ্যোগ কালে, অপরাধকারী তদুদ্দেশ্যে ইচ্ছাপূর্বক কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায় বা তাকে আঘাতদান করে তাকে অন্যায় ভাবে আটক করে বা করার উদ্যোগ করে, বা তাকে তাৎক্ষণিক মৃত্যু বা তাৎক্ষণিক আঘাত বা তাৎক্ষণিক অবৈধ আটকের ভীতি প্রদর্শন করে বা করার উদ্যোগ করে, তা হলে উক্ত চুরি হচ্ছে 'দস্যুতা'।

- বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় যেক্ষেত্রে দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে:- বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়ের সময় অপরাধী- যে ব্যক্তিকে ভয়ে বিহ্বল করা হয়েছে, সে ব্যক্তির বা অন্য কোন ব্যক্তিকে আশু মৃত্যুর, আশু আঘাতের বা আশু অন্যায় নিয়ন্ত্রণের ভয়ে অভিভূত করে বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় করলে, এবং এইভাবে যে ব্যক্তিকে ভয়ে অভিভূত করা হয়েছে, সে ব্যক্তিকে তখন বলপূর্বক আদায়কৃত বস্তুটি অর্পণে বাধ্য করলে, বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় 'দস্যুতা' বলে পরিগণিত হবে।

ব্যাখ্যা:- অপরাধী অন্য ব্যক্তিকে আশু মৃত্যুর, আঘাতের বা আশু অন্যায় নিয়ন্ত্রণের ভয়ে অভিভূত করার পক্ষে যথেষ্ট নিকটে থাকলে সে হাজির বলে পরিগণিত হবে।
--------------------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section: 390- Robbery:  In all robbery there is either theft or extortion:
⇒When theft is robbery:
Theft is "robbery" if, in order to the committing of the theft, or in committing the theft, or in carrying away or attempting to carry away property obtained by the theft, the offender, for that end, voluntarily causes or attempts to cause to any person death or hurt or wrongful restraint, or fear of instant death or of instant hurt, or of instant wrongful restraint.
⇒When extortion is robbery:
Extortion is “robbery” if the offender, at the time of committing the extortion, is in the presence of the person put in fear, and commits the extortion by putting that person in fear of instant death, instant hurt, or of instant wrongful restraint to that person, or to some other person, and, by so putting in fear, induces the person so put in fear then and there to deliver up the thing extorted.

-Explanation:- The offender is said to be present if he is sufficiently near to put the other person in fear of instant death, of instant hurt, or of instant wrongful restraint.
১,১৩৩.
দণ্ডবিধির ৭৫ ধারা অনুসারে, পূর্বে অপরাধের জন্য ৩ বছর বা তার বেশি সময় দণ্ডিত হওয়ার পর আবার একই ধরনের অপরাধ করলে সর্বোচ্চ শাস্তি কত হতে পারে?
  1. ৩ বছর কারাদণ্ড
  2. ৫ বছর কারাদণ্ড
  3. ৭ বছর কারাদণ্ড
  4. ১০ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৭৫ ধারা অনুসারে, পূর্বে অপরাধের জন্য ৩ বছর বা তার বেশি সময় দণ্ডিত হওয়ার পর যদি একই ধরনের অপরাধ করা হয়, তবে সর্বোচ্চ শাস্তি হতে পারে: ঘ) ১০ বছর কারাদণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ৭৫ ধারায় বলা হয়েছে, যদি কোনো ব্যক্তি পূর্বে বাংলাদেশে দণ্ডিত হন এবং সেই অপরাধের জন্য ৩ বছর বা তার বেশি সময়ের শাস্তি পান, তবে পরবর্তী সময়ে যদি সেই ব্যক্তি একই ধরনের অপরাধ করেন, তাহলে তার শাস্তি বৃদ্ধি পাবে এবং তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা ১০ বছরের মধ্যে কোনো মেয়াদের শাস্তি দেওয়া হবে।

⇒ The Penal Code, 1860-Section -75. Enhanced punishment for certain offences under Chapter XII or Chapter XVII after previous conviction:
Whoever, having been convicted,
(a) by a Court in Bangladesh of an offence punishable under Chapter XII or Chapter XVII of this Code with imprisonment of either description for a term of three years or upwards;
shall be guilty of any offence punishable under either of those Chapters with like imprisonment for the like term, shall be 
subject for every such subsequent offence to imprisonment for life, or to imprisonment of either description for a term which may extend to ten years.
১,১৩৪.
দণ্ডবিধির ৪০৮ ধারার অধীন কোন ধরনের ব্যক্তি অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গের জন্য দণ্ডিত হতে পারে?
  1. যে কোনো ব্যক্তি
  2. ঋণদাতা
  3. কেরানী বা ভৃত্য
  4. আইনি পরামর্শক
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৪০৮ ধারা: কেরানী বা ভৃত্য দ্বারা অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গ করা:
কোন ব্যক্তি যদি কেরানি বা ভৃত্য হয়ে অথবা কেরানি বা ভৃত্য হিসেবে নিয়োজিত হয়ে অনুরূপ পদে কোন সম্পত্তির জিম্মাদার বা উহা পরিচালনের ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তি হিসেবে উহা সম্পর্কে অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গ করে, তবে উক্ত ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং অর্থ দণ্ডেও দণ্ডনীয় হবে।

Section 408- Criminal breach of trust by clerk or servant:
Whoever, being a clerk or servant or employed as a clerk or servant, and being in any manner entrusted in such capacity with property, or with any dominion over property, commits criminal breach of trust in respect of that property, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.
১,১৩৫.
Good faith within the meaning of the Penal Code means-
  1. An actual belief that the act done is not contrary to law.
  2. An act done with due care and attention.
  3. An act in fact, done honestly.
  4. An act done under bonafide belief.
ব্যাখ্যা
♦ “Good faith” Section 52. Nothing is said to be done or believed in "good faith" which is done or believed without due care and attention.

♦ দণ্ডবিধির ৫২ ধারায় সদবিশ্বাসের সংজ্ঞা রয়েছে- যথাযথ সতর্কতা ও মনোযোগ ব্যতিরেকে সম্পাদিত বা বিশ্বাসকৃত কোন কিছুই 'সদবিশ্বাসে' করা হয়েছে বা বিশ্বাস করা হয়েছে বলে গণ্য হবে না।

 ♦  এছাড়া তামাদি আইনের ২(৭) ধারায় সদ্ধিশ্বাস বা Good faith এর বিধান রয়েছে।
১,১৩৬.
কোন আসামীকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করার জন্য মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়ার পরও উক্ত আসামী খালাস পেলে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি কি হবে?
  1. কোন শাস্তি হবে না
  2. শুধু অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে
  3. অনধিক ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
  4. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির  ১৯৪ ধারা মতে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করার উদ্দেশ্যে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদান বা মিথ্যা সাক্ষ্য উদ্ভাবনের ২ ধরনের শাস্তি হতে পারে। যথা-

(i) কোন আসামীকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করার জন্য মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়ার পরও অথবা মিথ্যা সাক্ষ্য সৃষ্টি করার পরও উক্ত আসামীর মৃত্যুদন্ড না হলে বা আসামী খালাস পেলে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানকারী যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা অনধিক ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।

(ii) মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানের ফলে কোন নির্দোষ লোকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হলে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানকারী মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা অনধিক ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
-----------------------------------
♦ দণ্ডবিধির ১৯৪ ধারার বিধান মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করানোর উদ্দেশ্যে মিথ্যা সাক্ষ্যদান বা মিথ্যা সাক্ষ্য তৈরি করা :- কোন ব্যক্তি যদি মিথ্যা সাক্ষ্যদান করে বা তৈরি করে এবং তদ্বারা কাউকে বর্তমানে বলবৎ কোন আইনবলে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় কোন অপরাধে দণ্ডিত করানোর উদ্দেশ্যেই তা করে থাকে কিংবা তার এইরূপ মিথ্যা সাক্ষ্য দান বা তৈরি করার ফলে কাউকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধে দণ্ডিত করা হতে পারে জেনেই যদিও তা করে থাকে, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে; তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা হবে।

♦ যদি তার ফলে কোন নির্দোষ ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে সাজাপ্রাপ্ত হয় এবং সাজা বলবৎ হয়:- যদি অনুরূপ মিথ্যা সাক্ষ্যের ফলে কোন নির্দোষ ব্যক্তি সাজাপ্রাপ্ত হয় ও সাজা বলবৎ হয়, তবে যে ব্যক্তি অনুরূপ মিথ্যা সাক্ষ্যদান করেছে, সে ব্যক্তি হয় মৃত্যুদণ্ডে, না হয় এই ধরায় ইতোপূর্বে বর্ণিত সাজায় সাজাপ্রাপ্ত হবে।

______________________________________________________
♦  Giving or fabricating false evidence with intent to procure conviction of capital offence; if innocent person be thereby convicted and executed
♦  Section 194. Whoever gives or fabricates false evidence, intending thereby to cause, or knowing it to be likely that he will thereby cause, any person to be convicted of an offence which is capital by any law for the time being in force, shall be punished with imprisonment for life, or with rigorous imprisonment for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine; 
 
♦ and if an innocent person be convicted and executed in consequence of such false evidence, the person who gives such false evidence shall be punished either with death or the punishment herein before described.
১,১৩৭.
১৮৩৪ সালে গঠিত ভারতীয় উপমহাদেশে সর্বপ্রথম আইন কমিশনের চেয়ারম্যান কে ছিলেন?
  1. F. Millet
  2. J. M. Macleod
  3. Lord Macaulay
  4. G. W. Anderson
ব্যাখ্যা
⇒ ১৮৩৩ সালে ভারতের শাসনভার ইংরেজ কোম্পানি হাত হতে ব্রিটিশ রাজ গ্রহণ করার পর ভারতবর্ষের জন্য একটি আইন কমিশন গঠন করেন।
-ভারতীয় উপমহাদেশে সর্বপ্রথম আইন কমিশন গঠন করা হয় ১৮৩৪ সালে। প্রথম আইন কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন থমাস ব্যাবিংটন ম্যাকুলে (Lord Macaulay).
প্রথম আইন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন যা নিম্নরূপ:-
i) সভাপতি-লর্ড ম্যাকলে।
ii) সদস্য- মি: ম্যাকলিউড।
iii) সদস্য-মি: এন্ডারসন।
iv) সদস্য-মি: মিলার।

- ১৮৩৭ সালে এই কমিশন দণ্ডবিধি প্রণয়নের জন্য খসড়া জমা দেয় এবং ৬ অক্টোবর ১৮৬০ সালে বিলটি পাস হয় এবং দণ্ডবিধি ১লা জানুয়ারি ১৮৬২ সালে আইনটি কার্যকর হয়।
- যার নামকরণ করা হয় ১৮৬০ সালের ৪৫ নং আইন, দণ্ডবিধি।
১,১৩৮.
'M' এমন একটি রোগে ভুগছে যে, এক আঘাতেই তার মৃত্যু হবার সম্ভাবনা আছে। 'P' এই কথা না জেনে 'M'-কে দৈহিক জখম করার অভিপ্রায়ে এমন আঘাত করে যা একজন সুস্থ ব্যক্তির মৃত্যু ঘটাতে পারে। উক্ত আঘাতের ফলে 'M' মারা যায়। 'P' এর অপরাধ কি?
  1. হত্যা
  2. নিন্দনীয় নরহত্যা
  3. খুন বলে গণ্য নয় এমন নিন্দনীয় নরহত্যা
  4. কোন অপরাধ করেনি
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০০ ধারার বিধান খুন:- খুনের যে সবক্ষেত্রে ব্যতিক্রম নির্দেশ করা হয়েছে। সে সকল ক্ষেত্র ব্যতীত অন্যান্য সকল ক্ষেত্রে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুন হবে, যদি যে কার্যটি কর্তৃক মৃত্যু অনুষ্ঠিত হয়, সে কার্যটি মৃত্যু সংঘটনের জন্যই করা হয়ে থাকে, অথবা

দ্বিতীয়ত, যদি কার্যটি কোন ব্যক্তিকে এমনভাবে দৈহিক আঘাত দেওয়ার উদ্দেশ্যে করা হয়ে থাকে, যে আঘাতের ফলে যে ব্যক্তিকে আঘাত দেওয়া হল, সে ব্যক্তির মৃত্যু হতে পারে বলে অপরাধী জানে, অথবা

তৃতীয়ত, যদি কোন ব্যক্তিকে দৈহিক আঘাত দানের উদ্দেশ্যে কার্যটি করা হয় এবং যদি যে দৈহিক আঘাত দেওয়ার অভিসন্ধি করা হয়েছে, সে আঘাতটি প্রকৃতির স্বাভাবিক গতিতে মৃত্যু ঘটাবার পক্ষে যথেষ্ট হয়, অথবা

চতুর্থত, যদি যে ব্যক্তি কার্যটি অনুষ্ঠান করে সে ব্যক্তি জানে যে, কার্যটি এমন আশু বিপজ্জনক যে, ইহার দরুণ খুব সম্ভব মৃত্যু ঘটবে, অথবা ইহার দরুণ অবশ্যই এমন দৈহিক আঘাত ঘটবে, যার ফলে মৃত্যু ঘটতে পারে এবং মৃত্যু ঘটাবার বা অনুরূপ দৈহিক আঘাত ঘটাবার ঝুঁকি গ্রহণের অপর কোন অজুহাত ব্যতিরেকে অনুরূপ কার্য করে।

ব্যতিক্রম ১:- যেক্ষেত্রে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুন পরিগণিত হবে না :- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি মারাত্মক ও আকস্মিক প্ররোচনার ফলে অপরাধী আত্ম-সংযমশক্তি হারাইয়া ফেলে এবং যে ব্যক্তি প্ররোচনা দান করেছে, সে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায় অথবা ভুলক্রমে বা দুর্ঘটনাক্রমে অপর কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায়।

উপরোক্ত ব্যতিক্রমটি নিম্নোক্ত শর্তাবলী সাপেক্ষে:-

প্রথমত, প্ররোচনাটি কোন ব্যক্তিকে হত্যা করার বা তার ক্ষতি সাধনের অজুহাতস্বরূপ অপরাধী কর্তৃক স্বয়ং প্রার্থীত বা প্ররোচিত হতে পারবে না।
দ্বিতীয়ত, উক্ত প্ররোচনাটি আইনানুসারে কৃত কোন কার্য দ্বারা বা কোন সরকারী কর্মচারীর সরকারী কর্মচারী হিসেবে যথাযোগ্য ক্ষমতাবলীর আইনসম্মত প্রয়োগসঞ্জাত হতে পারবে না।
তৃতীয়ত, প্ররোচনা আত্মরক্ষার ব্যক্তিগত অধিকারের আইনসম্মত প্রয়োগক্রমে সম্পাদিত কোন কার্য পালন হতে পারবে না।

ব্যাখ্যা:- প্ররোচনাটি এমন মারাত্মক ও আকস্মিক ছিল কিনা, যার ফলে অপরাধটি খুনের শামিল হবে না, তা একটি ঘটনাগত প্রশ্ন।

ব্যতিক্রম ২:- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি অপরাধী সরল মনে তার আত্মরক্ষার অথবা সম্পত্তি রক্ষার ব্যক্তিগত অধিকার প্রয়োগক্রমে তাকে আইন প্রদত্ত ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করে এবং যার বিরুদ্ধে সে এই অধিকার প্রয়োগ করে, কোনরূপ পূর্ব-পরিকল্পনা ব্যতীত অথবা অনুরূপ অধিকার রক্ষার জন্য যতটুকু ক্ষতিসাধন করা আবশ্যক, তদপেক্ষা বেশি ক্ষতি সাধনের ইচ্ছা ব্যতিরেকে, তার মৃত্যু ঘটায়।

ব্যতিক্রম ৩:- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি দোষী একজন সরকারী কর্মচারী হিসেবে অথবা সরকারী কর্মচারীর সহায়তাকারী হিসেবে তাকে প্রদত্ত আইনানুগ ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করে এবং এমন একটি কাজ সম্পাদন করে মত্যু ঘটায়, যা সে অনুরূপ সরকারী কর্মচারীর দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে সম্পাদন করার জন্য আবশ্যকীয় ও আইনসম্মত বলে সরল মনে বিশ্বাস করে এবং সে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটলে তার প্রতি কোনরূপ দুরভিসন্ধি ছাড়াই কার্যটি করে।

ব্যতিক্রম ৪:- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি অপরাধটি কোন আকস্মিক বিবাদের সময় আকস্মিক উত্তেজনার কারণে কোনরূপ পূর্ব পরিকল্পনা ছাড়াই সংঘটিত হয় এবং অপরাধী কোন অন্যায় সুযোগ গ্রহণ না করে থাকে অথবা নিষ্ঠুরভাবে বা অস্বাভাবিকভাবে কার্য না করে থাকে।

ব্যাখ্যা:- এইরূপ ক্ষেত্রে কোন পক্ষ প্রথম উস্কানি দেয় বা প্রথম আঘাত করে, তা আদৌ গুরুত্বপূর্ণ নয়।

ব্যতিক্রম ৫:- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি সে ব্যক্তির মৃত্যু হয়, সে ব্যক্তি আঠারো বৎসরের উর্ধ্ব বয়স্ক হলে স্বেচ্ছায় স্বীয় সম্মতিক্রমে মৃত্যুবরণ করে বা মৃত্যুর ঝুঁকি গ্রহণ করে।

অর্থাৎ 'M' এমন একটি রোগে ভোগছে যে, এক আঘাতেই তার মৃত্যু হবার সম্ভাবনা আছে। 'P' এই কথা না জেনে 'M'-কে দৈহিক জখম করার অভিপ্রায়ে এমন আঘাত করে যা একজন সুস্থ ব্যক্তির মৃত্যু ঘটাতে পারে। উক্ত আঘাতের ফলে 'M' মারা যায়। যেহেতু এমন আঘাত করেছে যার ফলে একজন সুস্থ ব্যক্তির মৃত্যু ঘটাতে পারে তাইলে 'P' ৩০০ ধারার আধীনে খুনের অপরাধ করেছে।

------
⇒  Murder
Section 300. Except in the cases hereinafter excepted, culpable homicide is murder, if the act by which the death is caused is done with the intention of causing death, or- 
 
Secondly.- If it is done with the intention of causing such bodily injury as the offender knows to be likely to cause the death of the person to whom the harm is caused, or – 
 
Thirdly.- If it is done with the intention of causing bodily injury to any person and the bodily injury intended to be inflicted is sufficient in the ordinary course of nature to cause death, or – 
 
Fourthly.- If the person committing the act knows that it is so imminently dangerous that it must, in all probability, cause death, or such bodily injury as is likely to cause death, and commits such act without any excuse for incurring the risk of causing death or such injury as aforesaid.
When culpable homicide is not murder

Exception 1.-Culpable homicide is not murder if the offender, whilst deprived of the power of self-control by grave and sudden provocation, causes the death of the person who gave the provocation or cause the death of any other person by mistake or accident. 

The above exception is subject to the following provisos:
Firstly.-That the provocation is not sought or voluntarily provoked by the offender as an excuse for killing or doing harm to any person. 
Secondly.-That the provocation is not given by anything done in obedience to the law, or by a public servant in the lawful exercise of the powers of such public servant. 
Thirdly.-That the provocation is not given by anything done in the lawful exercise of the right of private defence. 
Explanation.- Whether the provocation was grave and sudden enough to prevent the offence from amounting to murder is a question of fact.

Exception 2.- Culpable homicide is not murder if the offender, in the exercise in good faith of the right of private defense of person or property, exceeds the powers given to him by law and causes the death of the person against whom he is exercising such right of defense without premeditation, and without any intention of doing more harm than is necessary for the purpose of such defense.

Exception 3.- Culpable homicide is not murder if the offender, being a public servant or aiding a public servant acting for the advancement of public justice, exceeds the powers given to him by law, and causes death by doing an act which he, in good faith, believes to be lawful and necessary for the due discharge of his duty as such public servant and without ill-will towards the person whose death is caused. 
 
Exception 4.-Culpable homicide is not murder if it is committed without premeditation in a sudden fight in the heat of passion upon a sudden quarrel and without the offender's having taken undue advantage or acted in a cruel or unusual manner. 
Explanation.- It is immaterial in such cases which party offers the provocation or commits the first assault. 
 
Exception 5.- Culpable homicide is not murder when the person whose death is caused, being above the age of eighteen years, suffers death or takes the risk of death with his own consent.
১,১৩৯.
দণ্ডবিধির ৩৪৯ ধারার মতে, বলপ্রয়োগ সংঘটিত হয় যখন—
  1. কেবলমাত্র সরাসরি আঘাত করা হয়।
  2. মৌখিক হুমকি প্রদান করা হয়।
  3. শুধুমাত্র শারীরিক বল প্রয়োগ করা হয়।
  4. গতি সঞ্চার, গতি পরিবর্তন বা গতি স্তব্ধ করা হয়।
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৪৯ ধারা অনুযায়ী, বলপ্রয়োগ (Force) সংঘটিত হয় যখন—
১) কোনো ব্যক্তির গতি সঞ্চার (cause motion) করা হয়,
২) তার গতির পরিবর্তন (change of motion) করা হয়, অথবা
৩) তার গতি স্তব্ধ (cessation of motion) করা হয়।
এছাড়াও, কোনো বস্তু বা প্রাণীর গতি পরিবর্তনের মাধ্যমে যদি কারও শরীরের সংস্পর্শে আনা হয় বা তার অনুভূতিতে প্রভাব ফেলে, তাহলেও বলপ্রয়োগ সংঘটিত হয়েছে বলে ধরে নেওয়া হবে।
অর্থাৎ দণ্ডবিধির ৩৪৯ ধারা অনুযায়ী, বলপ্রয়োগ বলতে বোঝায় গতি সঞ্চার, গতি পরিবর্তন বা গতি স্তব্ধ করা, যা সরাসরি বা পরোক্ষভাবে সংঘটিত হতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৪৯ ধারার বিধান: বলপ্রয়োগ:- কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির গতি সঞ্চার করে, গতি পরিবর্তন করে বা গতি স্তব্ধ করে, অথবা যদি সে কোন বস্তুতে এমন গতি সঞ্চার করে, বা গতি স্তব্ধ করে, যাতে উহা অপর কোন ব্যক্তির দেহের কোন অংশের সংস্পর্শে আসে, অথবা যদি সে অপর কোন ব্যক্তির পরিহিত বা বাহিত কোন দ্রব্যে অনুরূপ গতি সঞ্চার, গতি পরিবর্তন বা গতি স্তব্ধ করে, অথবা যদি সে এমন কোন বস্তুর সাথে উহা করে যা এমনভাবে সংস্থিত যে, উহার সংস্পর্শ দ্বিতীয়োক্ত ব্যক্তির অনুভব-শক্তি ব্যাহত করে, তবে সে ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির প্রতি বলপ্রয়োগ করেছে বলে পরিগণিত হয়:-
তবে শর্ত থাকে যে, যে ব্যক্তি গতি সঞ্চার করে, গতি পরিবর্তন করে বা গতি স্তব্ধ করে, সে ব্যক্তির গতি সঞ্চারের, গতি পরিবর্তনের বা গতি স্তব্ধকরণের পদ্ধতি নিম্নোক্ত তিনটি উপায়ের যেকোন একটি হতে হবে-
প্রথমত:- তার নিজ দেহের শক্তি প্রয়োগ করে।
দ্বিতীয়ত:- কোন বস্তু এমনভাবে ব্যবহার করে, যার ফলে তার নিজের বা অপর কোন ব্যক্তির কোন কাজ ব্যতীত গতি বা গতির পরিবর্তন বা গতির স্তব্ধতা সাধিত হয়।
তৃতীয়ত:- কোন পশুকে চালিত করে গতি পরিবর্তন বা পশুটির গতি স্তব্ধ করে।
----------------
⇒ The Penal Code, 1860-Section 349: Force:
- A person is said to use force to another if he causes motion, change of motion, or cessation of motion to that other, or if he causes to any substance such motion, or change of motion, or cessation of motion as brings that substance into contact with any part of that other's body, or with anything which that other is wearing or carrying, or with anything so situated that such contact affects that other's sense of feeling:
Provided that the person causing the motion, or change of motion, or cessation of motion, causes that motion, change of motion, or cessation of motion in one of the three ways hereinafter described:
Firstly. By his own bodily power.
Secondly. By disposing any substance in such a manner that the motion or change or cessation of motion takes place without any further act on his part, or on the part of any other person.
Thirdly. By inducing any animal to move, to change its motion, or to cease to move.
১,১৪০.
দণ্ডবিধির ৩২০ ধারা অনুসারে কোনটি গুরুতর আঘাত?
  1. স্থায়ীভাবে চোখের দৃষ্টি রহিতকরণ
  2. যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন
  3. হাড় বা দাঁত ভাঙ্গা
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
• ৩২০ ধারা অনুযায়ী ৮ শ্রেণির আঘাতকে গুরুতর আঘাত বলা হয়েছে। যথা:
(i) পুরুষত্বহীনকরণ
(ii) স্থায়ীভাবে চোখের দৃষ্টি রহিতকরণ
(iii) স্থায়ীভাবে কানের শ্রুতিশক্তি রহিতকরণ
(iv) যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন
(v) যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির স্থায়ী ক্ষতিকরণ
(vi) মাথা বা মুখমন্ডলের স্থায়ী বিকৃতি
(vii) হাড় বা দাঁত ভাঙ্গা
(viii) কোন ব্যক্তিকে ২০ পর্যন্ত তীব্র যন্ত্রণা দেয় এমন আঘাত।
১,১৪১.
নির্বাচনী অধিকার বলতে বোঝায়-
  1. কোন লোক নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে দাঁড়াবার বা না দাঁড়াবার অধিকার 
  2. নির্বাচনে ভোট দেওয়া বা না দেওয়ার অধিকার
  3. প্রার্থীতা প্রত্যাহার করার অধিকার
  4. উল্লিখিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৭১ক এর (খ) অংশে নির্বাচনী অধিকার বলতে বোঝায়-
-(i) কোন লোকের কোন নির্বাচনে প্রার্থী দাঁড়াবার বা না দাঁড়াবার অধিকার।
-(ii) প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হতে নাম প্রত্যাহার করার অধিকার।
-(iii) নির্বাচনে ভোট দেয়ার অথবা ভোটদান হতে বিরত থাকার অধিকারকে।

⇒ দণ্ডবিধির  ১৭১ক ধারার বিধান 'নির্বাচন প্রার্থী' 'নির্বাচনী অধিকার' কথা দুইটির সংজ্ঞা :- এই অধ্যায়ের উদ্দেশ্যসমূহের পরিপ্রেক্ষিতে- (ক) 'নির্বাচন প্রার্থী' বলতে কোন নির্বাচনের প্রার্থী হিসেবে মনোনীত ব্যক্তিকে বুঝাবে এবং যে ব্যক্তি কোন নির্বাচনের জল্পনা-কল্পনা চলাকালে উহাতে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে নিজেকে প্রতিভাত করেন সে ব্যক্তিকেও বুঝাবে। তবে সে ব্যক্তিকে পরে অনুরূপ নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে মনোনীত হতে হবে;

(খ) নির্বাচনী অধিকার' বলতে কোন ব্যক্তির কোন নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে দাঁড়াবার অথবা না দাঁড়াবার অথবা প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হতে নাম প্রত্যাহার করার অথবা ভোট দেওয়ার অথবা ভোটদান হতে বিরত থাকার অধিকার বুঝায়।
------------------------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section-171A- “Candidate”, “Electoral right” defined:
-For the purposes of this Chapter - 
- (a) "candidate" means a person who has been nominated as a candidate at any election and includes a person who, when an election is in contemplation, holds himself out as a prospective candidate thereat; provided that he is subsequently nominated as a candidate at such election; 
 
- (b) "electoral right" means the right of a person to stand, or not to stand as, or to withdraw from being, a candidate or to vote or refrain from voting at an election.
১,১৪২.
'A', 'B' কে ৫ দিনের জন্য অন্যায়ভাবে কারাবন্দী রাখে। 'A'-এর বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির কোন ধারা প্রযোজ্য হবে?
  1. ধারা ৩৪২
  2. ধারা ৩৪৩
  3. ধারা ৩৪৪
  4. ধারা ৩৪৫
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ধারা ৩৪৩ অনুযায়ী, যদি কেউ কাউকে তিন বা তার বেশি দিনের জন্য অন্যায়ভাবে আটকায়, তবে সর্বোচ্চ শাস্তি ২ বছরের কারাদণ্ড (সশ্রম বা বিনাশ্রম) অর্থদণ্ড বা উভয়ই প্রযোজ্য হতে পারে। 
- উল্লিখিত প্রশ্নে, 'A' 'B' কে ৫ দিনের জন্য অবৈধভাবে কারাবন্দী রেখেছে → এটি ধারা ৩৪৩-এর অধীনে অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৪৩ ধারার বিধান তিন বা ততোধিক দিনের জন্য অবৈধ অবরোধ:- কোন ব্যক্তি যদি কাউকে তিন বা ততোধিক দিনের জন্য অবৈধভাবে অবরোধ করে রাখে, তবে উক্ত ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
------------
⇒ The Penal Code,1860- Section 343: Wrongful confinement for three or more days:
-Whoever wrongfully confines any person for three days or more, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.

১,১৪৩.
দণ্ডবিধির ৩০০ ধারার কোন ব্যতিক্রমে ব্যক্তি আত্মরক্ষার অধিকারের সীমা অতিক্রম করে হত্যা করলে তা খুন পরিগণিত হবে না?
  1. ব্যতিক্রম ১
  2. ব্যতিক্রম ২
  3. ব্যতিক্রম ৩
  4. ব্যতিক্রম ৪
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৩০০ ধারার বিধান- খুন:

⇒ ব্যতিক্রম ১: যেক্ষেত্রে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুন পরিগণিত হবে নাঃ-
শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি মারাত্মক ও আকস্মিক প্ররোচনার ফলে অপরাধী আত্ম-সংযমশক্তি হারাইয়া ফেলে এবং যে ব্যক্তি প্ররোচনা দান করেছে, সে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায় অথবা ভুলক্রমে বা দুর্ঘটনাক্রমে অপর কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায়।

উপরোক্ত ব্যতিক্রমটি নিম্নোক্ত শর্তাবলী সাপেক্ষে:-
প্রথমত, প্ররোচনাটি কোন ব্যক্তিকে হত্যা করার বা তার ক্ষতি সাধনের অজুহাতস্বরূপ অপরাধী কর্তৃক স্বয়ং প্রার্থীত বা প্ররোচিত হতে পারবে না।
দ্বিতীয়ত, উক্ত প্ররোচনাটি আইনানুসারে কৃত কোন কার্য দ্বারা বা কোন সরকারী কর্মচারীর সরকারী কর্মচারী হিসেবে যথাযোগ্য ক্ষমতাবলীর আইনসম্মত প্রয়োগসঞ্জাত হতে পারবে না।
তৃতীয়ত, প্ররোচনা আত্মরক্ষার ব্যক্তিগত অধিকারের আইনসম্মত প্রয়োগক্রমে সম্পাদিত কোন কার্য পালন হতে পারবে না।

ব্যাখ্যা: প্ররোচনাটি এমন মারাত্মক ও আকস্মিক ছিল কিনা, যার ফলে অপরাধটি খুনের শামিল হবে না, তা একটি ঘটনাগত প্রশ্ন।

ব্যতিক্রম ২: শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি অপরাধী সরল মনে তার আত্মরক্ষার অথবা সম্পত্তি রক্ষার ব্যক্তিগত অধিকার প্রয়োগক্রমে তাকে আইন প্রদত্ত ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করে এবং যার বিরুদ্ধে সে এই অধিকার প্রয়োগ করে, কোনরূপ পূর্ব-পরিকল্পনা ব্যতীত অথবা অনুরূপ অধিকার রক্ষার জন্য যতটুকু ক্ষতিসাধন করা আবশ্যক, তদপেক্ষা বেশি ক্ষতি সাধনের ইচ্ছা ব্যতিরেকে, তার মৃত্যু ঘটায়।

⇒ ব্যতিক্রম ৩: শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি দোষী একজন সরকারী কর্মচারী হিসেবে অথবা সরকারী কর্মচারীর সহায়তাকারী হিসেবে তাকে প্রদত্ত আইনানুগ ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করে এবং এমন একটি কাজ সম্পাদন করে মত্যু ঘটায়, যা সে অনুরূপ সরকারী কর্মচারীর দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে সম্পাদন করার জন্য আবশ্যকীয় ও আইনসম্মত বলে সরল মনে বিশ্বাস করে এবং সে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটলে তার প্রতি কোনরূপ দুরভিসন্ধি ছাড়াই কার্যটি করে।

⇒ ব্যতিক্রম ৪: শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি অপরাধটি কোন আকস্মিক বিবাদের সময় আকস্মিক উত্তেজনার কারণে কোনরূপ পূর্ব পরিকল্পনা ছাড়াই সংঘটিত হয় এবং অপরাধী কোন অন্যায় সুযোগ গ্রহণ না করে থাকে অথবা নিষ্ঠুরভাবে বা অস্বাভাবিকভাবে কার্য না করে থাকে।
ব্যাখ্যা:- এইরূপ ক্ষেত্রে কোন পক্ষ প্রথম উস্কানি দেয় বা প্রথম আঘাত করে, তা আদৌ গুরুত্বপূর্ণ নয়।

⇒ ব্যতিক্রম ৫: শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি সে ব্যক্তির মৃত্যু হয়, সে ব্যক্তি আঠারো বৎসরের উর্ধ্ব বয়স্ক হলে স্বেচ্ছায় স্বীয় সম্মতিক্রমে মৃত্যুবরণ করে বা মৃত্যুর ঝুঁকি গ্রহণ করে।
১,১৪৪.
দণ্ডবিধির ৪১০ ধারায় কোন সম্পত্তি চোরাই মাল বলে বিবেচিত হয়?
  1. বলপূর্বক গৃহীত সম্পত্তি
  2. দস্যুতা দ্বারা হস্তান্তরিত সম্পত্তি
  3. অপরাধমূলকভাবে আত্মসাৎ বা বিশ্বাস ভঙ্গকৃত সম্পত্তি
  4. উপরের সবগুলোই
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৪১০ অনুসারে, "চোরাই সম্পত্তি" (Stolen Property) বলতে এমন সম্পত্তিকে বোঝায় যার দখল নিম্নলিখিত উপায়ে হস্তান্তরিত হয়েছে বা যা নিম্নলিখিত অপরাধের মাধ্যমে অর্জিত হয়েছে:
→ চুরি (Theft): ধারা ৩৭৮-এর অধীনে সংজ্ঞায়িত, যেখানে অসৎ উদ্দেশ্যে অস্থাবর সম্পত্তি মালিকের সম্মতি ছাড়া সরিয়ে নেওয়া হয়।
→ জোরপূর্বক আদায় (Extortion): ধারা ৩৮৩-এর অধীনে, যেখানে ভয় দেখিয়ে বা জোর করে সম্পত্তি গ্রহণ করা হয়।
→ দস্যুতা (Robbery): ধারা ৩৯০-এর অধীনে, যা চুরি বা জোরপূর্বক আদায়ের সাথে সহিংসতা বা ভয়ের উপাদান জড়িত।
→ অপরাধমূলক আত্মসাৎ (Criminal Misappropriation): ধারা ৪০৩-এর অধীনে, যেখানে অসৎ উদ্দেশ্যে সম্পত্তি নিজের বা অন্যের ব্যবহারে প্রয়োগ করা হয়।
→ অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ (Criminal Breach of Trust): ধারা ৪০৫-এর অধীনে, যেখানে দায়িত্বপ্রাপ্ত সম্পত্তি অসৎ উদ্দেশ্যে আত্মসাৎ বা ব্যবহার করা হয়।
- এই সম্পত্তি বাংলাদেশের মধ্যে বা বাইরে এই অপরাধের মাধ্যমে অর্জিত হলেও চোরাই সম্পত্তি হিসেবে গণ্য হবে। তবে, যদি এই সম্পত্তি আইনানুগভাবে দখলের অধিকারী ব্যক্তির হাতে চলে আসে, তবে তা আর চোরাই সম্পত্তি হিসেবে বিবেচিত হবে না।

অপশনের বিশ্লেষণ:
ক) বলপূর্বক গৃহীত সম্পত্তি: সঠিক, কারণ জোরপূর্বক আদায় (Extortion) দ্বারা অর্জিত সম্পত্তি চোরাই সম্পত্তি হিসেবে গণ্য।
খ) দস্যুতা দ্বারা হস্তান্তরিত সম্পত্তি: সঠিক, কারণ দস্যুতা (Robbery) দ্বারা হস্তান্তরিত সম্পত্তি চোরাই সম্পত্তির আওতায় পড়ে।
গ) অপরাধমূলকভাবে আত্মসাৎ বা বিশ্বাস ভঙ্গকৃত সম্পত্তি: সঠিক, কারণ অপরাধমূলক আত্মসাৎ (ধারা ৪০৩) এবং অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ (ধারা ৪০৫) দ্বারা অর্জিত সম্পত্তিও চোরাই সম্পত্তি।
ঘ) উপরের সবগুলোই: সঠিক, কারণ ধারা ৪১০-এ উল্লিখিত সকল উপায়ে (চুরি, জোরপূর্বক আদায়, দস্যুতা, অপরাধমূলক আত্মসাৎ, এবং অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ) অর্জিত সম্পত্তি চোরাই সম্পত্তি হিসেবে বিবেচিত হয়।
সঠিক উত্তর: ঘ) উপরের সবগুলোই। 

⇒ দণ্ডবিধির ৪১০ ধারার বিধান চোরাই সম্পত্তি:- চুরি বা জোরপূর্বক আদায় বা দস্যুতার কর্তৃক যে সম্পত্তি হস্তান্তরিত হয়েছে বা যে সম্পত্তি অপরাধমূলকভাবে আত্মসাৎ হয়েছে বা যে সম্পত্তি সম্পর্কে অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গ হয়েছে সে সম্পত্তিকে "চোরাই সম্পত্তি” বলে। অনুরূপ হস্তান্তর অথবা আত্মসাৎ বা বিশ্বাস ভঙ্গ বাংলাদেশের মধ্যে বা বাহিরে যেখানে সাধিত বা সংঘটিত হোক না কেন, সংশ্লিষ্ট সম্পত্তি 'চোরাই সম্পত্তি' বলে উহা আইনানুগভাবে দখলের অধিকারী ব্যক্তির দখলে আসে, তবে আর উহা চোরাই সম্পত্তি থাকে না।
---------
⇒ The Penal Code, 1860,Section 410. Stolen property:
Property, the possession whereof has been transferred by theft, or by extortion, or by robbery, and property which has been criminally misappropriated or in respect of which criminal breach of trust has been committed, is designated as "stolen property," whether the transfer has been made, or the misappropriation or breach of trust has been committed, within or without Bangladesh. But, if such property subsequently comes into the possession of a person legally entitled to the possession thereof, it then ceases to be stolen property.

১,১৪৫.
'ক' নিজেকে 'খ' বলে পরিচয় দিয়ে প্রতারণা করে; 'খ' জনৈক মৃত ব্যক্তি। দণ্ডবিধি অনুসারে 'ক' এর অপরাধ-
  1. Cheating with knowledge
  2. Cheating by personation
  3. Cheating by death man
  4. Cheating
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪১৬ ধারার বিধান অপরের রূপ ধারণপূর্বক প্রতারণা:
- কোন ব্যক্তি যদি নিজেকে অন্য কোন ব্যক্তি বলে প্রতারণা করে অথবা জ্ঞাতসারে কোন ব্যক্তিকে অন্য ব্যক্তি বলে চালিয়ে প্রতারণা করে অথবা নিজেকে বা অন্য কোন ব্যক্তিকে সে নিজে বা সে ব্যক্তি অন্য যে ব্যক্তি নয় সে ব্যক্তি বলে চালিয়ে প্রতারণা করে, তবে উক্ত ব্যক্তি অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করেছে বলে গণ্য হয়।
ব্যাখ্যা:- যে ব্যক্তির রূপ ধারণ করা হয়েছে সে ব্যক্তি প্রকৃত ব্যক্তি হোক আর কাল্পনিক ব্যক্তি হোক না কেন অপরাধটি অনুষ্ঠিত হবে।
উদাহরণ:
(ক) ক একই নামে একজন বিত্তশালী ব্যাংকার বলে নিজেকে পরিচয় দান করে। ক অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করেছে।
(খ) ক নিজেকে খ বলে পরিচয় দিয়ে প্রতারণা করে; খ জনৈক মৃত ব্যক্তি। ক অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করেছে।
--------------
Section-416. Cheating by personation:
A person is said to "cheat by personation" if he cheats by pretending to be some other person, or by knowingly substituting one person for another, or representing that he or any other person is a person other than he or such other person really is.
Explanation.-The offence is committed whether the individual personated is a real or imaginary person.
Illustrations:
(a) A cheats by pretending to be a certain rich banker of the same name. A cheats by personation.
(b) A cheats by pretending to be B, a person who is deceased. A cheats by personation.
১,১৪৬.
মানহানিকর বিষয় রয়েছে এরকম মুদ্রিত বস্তু জেনেশুনে বিক্রয় করার শাস্তি কী হতে পারে?
  1. কেবল সশ্রম কারাদণ্ড
  2. কেবল ১০০০ টাকা অর্থদণ্ড
  3. কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড
  4. কোনো শাস্তি নয়
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৫০২ ধারা – মানহানিকর বিষয়সম্বলিত মুদ্রিত বা খোদিত বস্তু বিক্রয়:
যে ব্যক্তি জানে যে কোনো মুদ্রিত বা খোদিত বস্তুতে মানহানিকর বিষয় রয়েছে এবং সে সেই বস্তু বিক্রয় বা বিক্রয়ের জন্য প্রস্তাব করে, তাকে দুই বছরের জন্য বিনাশ্রম কারাদণ্ড, বা অর্থদণ্ড, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।

[Whoever sells or offers for sale any printed or engraved substance containing defamatory matter, knowing that it contains such matter, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.]
১,১৪৭.
দণ্ডবিধির ৭৭ ধারা বিচারককে কোন ধরনের নিরাপত্তা দেয়?
  1. বিচারককে কারাদণ্ড থেকে রক্ষা করে
  2. বিচারককে ইচ্ছাকৃতভাবে অন্যায় করতে সহায়তা করে
  3. বিচারককে আইন লঙ্ঘনের জন্য সুরক্ষা দেয়
  4. বিচারককে আইনি ক্ষমতার মধ্যে কাজ করতে সহায়তা করে
ব্যাখ্যা
→ দণ্ডবিধির ৭৭ ধারা বিচারককে আইনি ক্ষমতার মধ্যে কাজ করতে সহায়তা করে।

→ দণ্ডবিধির ৭৭ ধারার বিধান বিচার সংক্রান্ত কাজ সম্পাদনকালে বিচারক দ্বারা কৃতকার্য:
-বিচার কাজ পরিচালনাকালে অর্থাৎ বিচারক হিসেবে কাজ পরিচালনাকালে বিচারক দ্বারা তাকে আইনে প্রদত্ত ক্ষমতা বা যে ক্ষমতা তাঁকে আইনে প্রদত্ত হয়েছে তিনি সরল মনে বিশ্বাস করেন সে ক্ষমতানুসারে কৃত কোন কাজ অপরাধ হবে না।
--------------------------------
→ The Penal Code,1860- Section 77: Act of Judge when acting judicially:-
- Nothing is an offence which is done by a Judge when acting judicially in the exercise of any power which is, or which in good faith he believes to be, given to him by law.
১,১৪৮.
রাষ্ট্রপতির ক্ষমা প্রদানের অধিকার সংক্রান্ত বিধান দণ্ডবিধির কোন ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ধারা ৫৪
  2. ধারা ৫৫
  3. ধারা ৫৫ক
  4. ধারা ৫৬
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৫৫ক (Section 55A of the Penal Code) এ রাষ্ট্রপতির ক্ষমা প্রদানের অধিকার স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে।
- ধারা ৫৫ক বলছে:
"Nothing in section fifty-four or section fifty-five shall derogate from the right of the President to grant pardons, reprieves, respites or remissions of punishment."
অর্থাৎ, দণ্ডবিধির ধারা ৫৪ ও ৫৫ অনুসারে সরকার দণ্ড রূপান্তর করতে পারলেও, রাষ্ট্রপতির ক্ষমা, দণ্ড মওকুফ, বিলম্ব বা স্থগিতাদেশ প্রদানের সাংবিধানিক অধিকার অক্ষুণ্ণ থাকে।

সুতরাং, দণ্ডবিধির ধারা ৫৫ক-এ রাষ্ট্রপতির ক্ষমা প্রদানের বিশেষ অধিকার সংরক্ষিত হয়েছে।

অন্যান্য অপশন বিশ্লেষণ:
ক) ধারা ৫৪: শুধুমাত্র মৃত্যুদণ্ড কমিয়ে অন্যান্য শাস্তিতে রূপান্তরের সরকারি ক্ষমতা।
খ) ধারা ৫৫: আজীবন কারাদণ্ডকে সীমিত মেয়াদে রূপান্তরের বিধান।
ঘ) ধারা ৫৬: বিলুপ্ত ধারা (Transportation শাস্তি সংক্রান্ত)।
১,১৪৯.
সার্জন ক” জানতো যে খ” কে অপারেশন করলে খ” এর মৃত্যু হতে পারে। কিন্তু খ” এর মঙ্গলের জন্য এবং সরল বিশ্বাসে ক” অপরেশনটি করে। খ” মারা যায়। ক” কি ধরনের অপরাধ করেছে?
  1. নিন্দনীয় নরহত্যা
  2. খুন
  3. ভুলবশত খুন
  4. কোন অপরাধ হয়নি
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ৮৮ ধারা মতে মৃত্যু ঘটানোর জন্য অভিপ্রেত নয় এমন কাজ কোন ব্যক্তি বিশেষের উপকারার্থে সরলবিশ্বাসে (Good Faith) সম্মতিসহকারে সম্পাদন করলেও তা অপরাধ নয়।
১,১৫০.
ধারা ১৪৪ অনুযায়ী, মারাত্মক অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে বেআইনী সমাবেশে যোগদান করলে কত বছর পর্যন্ত জেল হতে পারে?
  1. ৬ (ছয়) মাস পর্যন্ত
  2. ১ বছর পর্যন্ত
  3. ২ বছর পর্যন্ত
  4. ৩ বছর পর্যন্ত
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ১৪৪ ধারা মতে মারাত্মক অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে বেআইনি সমাবেশের শাস্তি হিসেবে অনধিক ২ বছর কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দন্ডের বিধান রয়েছে।

♦ দণ্ডবিধির ১৪৪ ধারার বিধান মারাত্মক অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে বে-আইনী সমাবেশে যোগদান করা :- কোন ব্যক্তি যদি মারাত্মক অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে অথবা যে বস্তু অপরাধের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করলে মৃত্যু ঘটতে পারে তা কর্তৃক সজ্জিত হয়ে কোন বেআইনী সমাবেশে যোগদান করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

------------------------------------
♦ Section 144. Joining unlawful assembly armed with deadly weapon:- Whoever, being armed with any deadly weapon, or with anything which, used as a weapon of offence, is likely to cause death, is a member of an unlawful assembly, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
১,১৫১.
সাধারণ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে বেআইনী সমাবেশে কোনো অপরাধ সংঘটিত হলে-
  1. কেবল অপরাধ সংঘটনকারীদের দণ্ডিত করা হবে
  2. সমাবেশের নেতাদের দণ্ডিত করা হবে
  3. সমাবেশের প্রত্যেক সদস্য অপরাধী হিসেবে গণ্য হবে
  4. কেবল অপরাধ সংঘটনকারী অপরাধী হিসেবে গণ্য হবে
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ১৪৯ ধারা- সাধারণ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে অনুষ্ঠিত অপরাধের জন্য বেআইনী সমাবেশে যোগদানকারী প্রত্যেক ব্যক্তিই অপরাধী সাব্যস্ত হবে:
যদি কোন বেআইনী সমাবেশে যোগদানকারী ব্যক্তি দ্বারা উক্ত বেআইনী সমাবেশে সাধারণ উদ্দেশ্য পূরণকল্পে কোন অপরাধ অনুষ্ঠিত হয়, অথবা উক্ত সাধারণ উদ্দেশ্য পূরণকল্পে যে অপরাধটি অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে উক্ত বেআইনী সামবেশের ব্যক্তিগণ জানত তা অনুষ্ঠিত হয়, তবে উক্ত অপরাধটি অনুষ্ঠিত হওয়ার সময়ে উক্ত বেআইনী সমাবেশে যোগদানকারী প্রত্যেক ব্যক্তি উক্ত অপরাধে অপরাধী হবে।

Section 149- Every member of unlawful assembly guilty of offence committed in prosecution of common object:
If an offence is committed by any member of an unlawful assembly in prosecution of the common object of that assembly, or such as the members of that assembly knew to be likely to be committed in prosecution of that object, every person who, at the time of the committing of that offence, is a member of the same assembly, is guilty of that offence.
১,১৫২.
অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ এবং অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ করণের ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত কোন তথ্যটি সঠিক নয়?
  1. উভয় ক্ষেত্রে অপরাধী সম্পত্তি বিশ্বাসভরে দখলে পেয়ে থাকে 
  2. উভয় ক্ষেত্রে দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করা হয়
  3. উভয় ক্ষেত্রে অপরাধের বিষয়বস্তু স্থাবর এবং অস্থাবর সম্পত্তি
  4. অপরাধী সম্পত্তিটি অসাধুভাবে নিজ ব্যবহারে পরিণত করে 
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪০৩ ধারার বিধান অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ। অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাতের সংজ্ঞা (Dishonestly misappropriation of property)- স্বাভাবিকভাবে বা দৈবচক্রে কোন সম্পত্তি দখলে আসার পর, প্রকৃত মালিকের খোঁজ খবর না নিয়েই অথবা প্রকৃত মালিকের সন্ধান পাওয়া গেলে তাকে উক্ত সম্পত্তি ফেরত না দিয়ে নিজে ভোগ করলে তা অসাধুভাবে আত্মসাৎ হবে।
⇒ প্রাথমিকভাবে সম্পত্তি গ্রহণ করলেই তা অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎকরণ হবে না বরং পরবর্তীতে যখনই সম্পত্তিটি অসাধুভাবে নিজ ব্যবহারে পরিণত করা হয়, তখনই তা অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎকরণ বলে গণ্য হবে।
⇒ যেমন- 'A' নিজের মনে করে 'X'-এর সম্পত্তি সরল মনে 'X'-এর দখল হতে নিয়ে যায়। এক্ষেত্রে 'A' চুরির জন্য দায়ী হবে হবে না: কিন্তু যদি 'A' নিজের ভুল বোঝার পরেও অসাধুভাবে সম্পত্তিটি তার নিজের ব্যবহারের জন্য আত্মসাৎ করে, সেক্ষেত্রে 'A' অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাতের অপরাধে দায়ী হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৪০৫ ধারার বিধান অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ:- কোন ব্যক্তি যদি কোনভাবে কোন সম্পত্তির বা সম্পত্তি পরিচালনের দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়ে, অসাধুভাবে সে সম্পত্তি আত্মসাৎ করে বা নিজের ব্যবহারে প্রয়োগ করে, অথবা অনুরূপ দায়িত্ব যেভাবে নির্বাহিত হত বলে বিহিত আইনে নির্দেশ করা হয়েছে, তা খেলাফ করে সে দায়িত্ব নির্বাহ সম্পর্কে সে প্রকাশ্য বা অনুরূপ যে আইনগত চুক্তি করেছে তা খেলাফ করে সে সম্পত্তি অসাধুভাবে ব্যবহার করে, বা বিলি ব্যবস্থা করে অথবা ইচ্ছাপূর্বক অপর কোন ব্যক্তিকে তা করতে দেয়, তবে উক্ত ব্যক্তি 'অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের' অপরাধ করেছে।

- অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ এবং অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাঙ্করণের ক্ষেত্রে দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করা হয় না।
- তাই উল্লিখিত প্রশ্নে অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ এবং অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ করণের ক্ষেত্রে দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করা হয় তথ্যটি সঠিক নয়।
১,১৫৩.
প্ররোচনাকারীর সংজ্ঞা রয়েছে-
  1. দণ্ডবিধির ১০৭ ধারায়
  2. দণ্ডবিধির ১০৮ ধারায়
  3. দণ্ডবিধির ১০৮ক ধারা
  4. দণ্ডবিধির ২৫ ধারা
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ১০৮ ধারায় প্ররোচনাকারীর (Abettor) সংজ্ঞা রয়েছে।

♦ সাধারণত যে ব্যক্তি অপরাধে প্ররোচনা প্রদান করে বা অপরাধের সহায়তা করে তাকে প্ররোচনাকারী বা Abettor বলে।

♦ দণ্ডবিধির ১০৮ ধারা অনুযায়ী কোন ব্যক্তি যদি কোন অপরাধ করতে সহায়তা করে, অথবা এমন একটি কাজে সহায়তা করে যে কাজটি সহায়তাকারীর মতো একই উদ্দেশ্য নিয়ে বা একই জ্ঞানের ভিত্তিতে যে ব্যক্তি আইনানুসারে প্রাপ্ত ক্ষমতাবলে তা করতে সক্ষম সেই ব্যক্তি করলে অপরাধ হত, তাহলে প্রথমোক্ত ব্যক্তি অপরাধ করতে সহায়তা ও প্ররোচনা দান করেছে বলে গণ্য হবে।

♦ কোন কাজ করা হতে বেআইনীভাবে বিরত থেকে সহায়তা করা বা প্ররোচনা দান করাও একটি অপরাধ, যদিও প্ররোচনাদাতা স্বয়ং কাজটি করতে বাধ্য নয়।

♦ দণ্ডবিধির ১০৭ ধারায় প্ররোচনার (Abetment) বিধান রয়েছে এবং দণ্ডবিধির ১০৮ ধারায় প্ররোচনাকারী বা প্ররোচনা দাতার (Abettor) সংজ্ঞা রয়েছে।
১,১৫৪.
মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করার উদ্দেশ্যে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানের ফলে কোন নির্দোষ লোকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হলে সর্বোচ্চ শাস্তি-
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. ১০ বছরের কারাদণ্ড
  3. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  4. ১৪ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
♦ ১৯৪ ধারা মতে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করার উদ্দেশ্যে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদান বা মিথ্যা সাক্ষ্য উদ্ভাবনের ২ ধরনের শাস্তি হতে পারে। যথা-

(i) কোন আসামীকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করার জন্য মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়ার পরও অথবা মিথ্যা সাক্ষ্য সৃষ্টি করার পরও উক্ত আসামীর মৃত্যুদন্ড না হলে বা আসামী খালাস পেলে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানকারী যাবজ্জীবন কারাদন্ড অথবা অনধিক ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।

(ii) মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানের ফলে কোন নির্দোষ লোকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হলে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানকারী মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা অনধিক ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
-----------------------------------------------------------
♦ দণ্ডবিধির ১৯৪ ধারার বিধান মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করানোর উদ্দেশ্যে মিথ্যা সাক্ষ্যদান বা মিথ্যা সাক্ষ্য তৈরি করা :- কোন ব্যক্তি যদি মিথ্যা সাক্ষ্যদান করে বা তৈরি করে এবং তদ্বারা কাউকে বর্তমানে বলবৎ কোন আইনবলে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় কোন অপরাধে দণ্ডিত করানোর উদ্দেশ্যেই তা করে থাকে কিংবা তার এইরূপ মিথ্যা সাক্ষ্য দান বা তৈরি করার ফলে কাউকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধে দণ্ডিত করা হতে পারে জেনেই যদিও তা করে থাকে, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে; তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা হবে।

♦ যদি তার ফলে কোন নির্দোষ ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে সাজাপ্রাপ্ত হয় এবং সাজা বলবৎ হয়:- যদি অনুরূপ মিথ্যা সাক্ষ্যের ফলে কোন নির্দোষ ব্যক্তি সাজাপ্রাপ্ত হয় ও সাজা বলবৎ হয়, তবে যে ব্যক্তি অনুরূপ মিথ্যা সাক্ষ্যদান করেছে, সে ব্যক্তি হয় মৃত্যুদণ্ডে, না হয় এই ধরায় ইতোপূর্বে বর্ণিত সাজায় সাজাপ্রাপ্ত হবে।
১,১৫৫.
একজন পরিবহনকারী তার কর্তব্যাধীন মাল নিয়ে বিশ্বাসভঙ্গ করেছে। সে দণ্ডবিধির কত ধারার আওতায় দণ্ডিত হবে?
  1. ধারা ৪০৩
  2. ধারা ৪০৫
  3. ধারা ৪০৭
  4. ধারা ৪০৮
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৪০৭: পরিবহনকারী, গুদামদার ইত্যাদির দ্বারা বিশ্বাসভঙ্গ-
যে কেউ, যিনি পরিবহনকারী (carrier), ঘাটের মালিক বা তত্ত্বাবধায়ক (wharfinger), অথবা গুদামদার (warehouse-keeper) হিসেবে কোনো সম্পত্তি সংরক্ষণের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত হন, এবং সেই সম্পত্তি সম্পর্কে বিশ্বাসভঙ্গ করেন, তিনি সর্বোচ্চ ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন এবং তার সাথে অর্থদণ্ডও হতে পারে।

Section 407- Criminal breach of trust by carrier, etc.
Whoever, being entrusted with property as a carrier, wharfinger or warehouse-keeper, commits criminal breach of trust in respect of such property, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.

১,১৫৬.
দণ্ডবিধি অনুযায়ী বলপ্রয়োগের উপাদান কয়টি?
  1. দুইটি
  2. তিনটি
  3. চারটি
  4. পাঁচটি
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৪৯ ধারার বিধান: বলপ্রয়োগ:- কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির গতি সঞ্চার করে, গতি পরিবর্তন করে বা গতি স্তব্ধ করে, অথবা যদি সে কোন বস্তুতে এমন গতি সঞ্চার করে, বা গতি স্তব্ধ করে, যাতে উহা অপর কোন ব্যক্তির দেহের কোন অংশের সংস্পর্শে আসে, অথবা যদি সে অপর কোন ব্যক্তির পরিহিত বা বাহিত কোন দ্রব্যে অনুরূপ গতি সঞ্চার, গতি পরিবর্তন বা গতি স্তব্ধ করে, অথবা যদি সে এমন কোন বস্তুর সাথে উহা করে যা এমনভাবে সংস্থিত যে, উহার সংস্পর্শ দ্বিতীয়োক্ত ব্যক্তির অনুভব-শক্তি ব্যাহত করে, তবে সে ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির প্রতি বলপ্রয়োগ করেছে বলে পরিগণিত হয়:-
তবে শর্ত থাকে যে, যে ব্যক্তি গতি সঞ্চার করে, গতি পরিবর্তন করে বা গতি স্তব্ধ করে, সে ব্যক্তির গতি সঞ্চারের, গতি পরিবর্তনের বা গতি স্তব্ধকরণের পদ্ধতি নিম্নোক্ত তিনটি উপায়ের যেকোন একটি হতে হবে-
প্রথমত:- তার নিজ দেহের শক্তি প্রয়োগ করে।
দ্বিতীয়ত:- কোন বস্তু এমনভাবে ব্যবহার করে, যার ফলে তার নিজের বা অপর কোন ব্যক্তির কোন কাজ ব্যতীত গতি বা গতির পরিবর্তন বা গতির স্তব্ধতা সাধিত হয়।
তৃতীয়ত:- কোন পশুকে চালিত করে গতি পরিবর্তন বা পশুটির গতি স্তব্ধ করে। 
------------------------
-The Penal Code, 1860, Section 349: Force:
- A person is said to use force to another if he causes motion, change of motion, or cessation of motion to that other, or if he causes to any substance such motion, or change of motion, or cessation of motion as brings that substance into contact with any part of that other's body, or with anything which that other is wearing or carrying, or with anything so situated that such contact affects that other's sense of feeling:
Provided that the person causing the motion, or change of motion, or cessation of motion, causes that motion, change of motion, or cessation of motion in one of the three ways hereinafter described:
Firstly. By his own bodily power.
Secondly. By disposing any substance in such a manner that the motion or change or cessation of motion takes place without any further act on his part, or on the part of any other person.
Thirdly. By inducing any animal to move, to change its motion, or to cease to move.
১,১৫৭.
সরকারি কর্মচারীকে ক্ষতিসাধনের হুমকি প্রদানের শাস্তি কী?
  1. অনধিক ৬ মাস কারাদণ্ড
  2. অনধিক ১ বছরের কারাদণ্ড
  3. ৫ বছরের কারাদণ্ড
  4. অনধিক ২ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
• ১৮৯ ধারায় সরকারি কর্মচারীকে ক্ষতিসাধনের হুমকি প্রদানে অনধিক ২ বছরের কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে।
১,১৫৮.
দণ্ডবিধি অনুসারে মারামারির অপরাধে সর্বোচ্চ অর্থদণ্ড কত?
  1. ১০ টাকা
  2. ৫০ টাকা
  3. ১০০ টাকা
  4. ৫০০ টাকা
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ১৬০ অনুসারে, মারামারির (Affray) অপরাধে সর্বোচ্চ ১০০ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড হতে পারে।
⇒ দণ্ডবিধির ১৫৯ ধারার বিধান মারামারি:
যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি কোন প্রকাশ্য স্থানে মারামরি করে শান্তিভঙ্গ করে, তবে তারা "মারামারি” করেছে বলে পরিগণিত হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ১৬০ ধারার বিধান  মারামারির শাস্তি:
কোন ব্যক্তি যদি মারামারির অপরাধ সংঘটন করে, তবে সে ব্যক্তি এক মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা একশত টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
___________
⇒ The Penal Code, 1860- Section 159:- Affray:
When two or more persons, by fighting in a public place, disturb the public peace, they are said to "commit an affray".
⇒ Section 160: Punishment for committing affray:
-Whoever commits an affray, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one month, or with fine which may extend to one hundred taka, or with both.

১,১৫৯.
রাতের বেলায় আরিফ তার বাড়ির বাইরে দাঁড়িয়ে ছিল তখন সে দেখতে পায় যে, কিছু লোক তার বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করছে। আরিফ সম্পত্তি রক্ষা করতে বাধ্য হয়ে আক্রমণকারীদের বাঁধা দেয় এবং এতে তাদের মৃত্যু হয়। এই ঘটনা দণ্ডবিধির ১০৩ ধারার বিধান অনুযায়ী-
  1. বৈধ
  2. বেআইনি
  3. শাস্তিযোগ্য
  4. খ এবং গ
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ১০৩ : যেক্ষেত্রে সম্পত্তি সম্পর্কিত ব্যক্তিগত আত্নরক্ষার অধিকার মৃত্যু ঘটাইবার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হয়:
সম্পত্তি রক্ষার ব্যক্তিগত অধিকার ৯৯ ধারায় আরোপিত নিয়ন্ত্রণ সাপেক্ষে স্বেচ্ছাকৃতভাবে অপরাধকারীর মৃত্যু সংঘটন বা তার অপর কোনরূপ ক্ষতিসাধন পর্যন্ত প্রয়োগযোগ্য হবে, যদি যে অপরাধটি করার বা করার চেষ্টার বিরুদ্ধে এই অধিকার প্রয়োগ আবশ্যকীয় হয়ে পড়েছে সে অপরাধটি নিম্নবর্ণিত বিভিন্ন প্রকৃতির মধ্যে যে কোন এক ধরনের হয়, যথা:-
প্রথমত (First): দস্যুতা;
দ্বিতীয়ত (Secondly): রাত্রিবেলা ঘর ভেঙ্গে ঘরে প্রবেশ করা;
তৃতীয়ত (Thirdly): কোন গৃহ, তাবু বা যানবাহনে অগ্নিসংযোগ করে ক্ষতি সাধন, যদি গৃহটি, তাবুটি বা যানবাহনটি মানুষের বাসস্থান হিসেবে অথবা সম্পত্তি রাখার স্থান হিসেবে ব্যবহৃত হয়;
চতুর্থত (Fourthly): চুরি, অনিষ্টকারিতা, অথবা গৃহে অনধিকার প্রবেশ, যদি পরিস্থিতি এমন হয় যে, সংশ্লিষ্ট আত্মরক্ষার ব্যক্তিগত অধিকারটি প্রয়োগ না করলে মৃত্যু বা গুরুতর আঘাত অনিবার্য বলে ন্যায়সঙ্গতভাবেই আশঙ্কার উদ্ভব হয়।

Section-103: When the right of private defence of property extends to causing death:
The right of private defence of property extends, under the restrictions mentioned in section 99, to the voluntary causing of death or of any other harm to the wrong-doer, if the offence, the committing of which, or the attempting to commit which, occasions the exercise of the right, be an offence of any of the descriptions hereinafter enumerated, namely:-
Firstly.-Robbery;
Secondly.-House-breaking by night;
Thirdly.-Mischief by fire committed on any building, tent or vessel, which building, tent or vessel is used as a human dwelling or as a place for the custody of property;
Fourthly.-Theft, mischief or house-trespass, under such circumstances as may reasonably cause apprehension that death or grievous hurt will be the consequence, if such right of private defence is not exercised;
১,১৬০.
দণ্ডবিধির ১৯৭ ধারা অনুসারে, মিথ্যা সার্টিফিকেট ইস্যু করার শাস্তি কী হবে?
  1. শুধুমাত্র জরিমানা
  2. শুধুমাত্র কারাদণ্ড
  3. প্রতারণার জন্য যে শাস্তি নির্ধারিত, তাই প্রযোজ্য
  4. মিথ্যা সাক্ষ্যদানের জন্য যে শাস্তি নির্ধারিত, তাই প্রযোজ্য
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ১৯৭ ধারা- মিথ্যা সার্টিফিকেট ইস্যু করা কিংবা উহাতে স্বাক্ষর করা:
কোন ব্যক্তি যদি আইনের নির্দেশানুসারে কোন সার্টিফিকেট ইস্যু করে কিংবা উহাতে স্বাক্ষর করে কিংবা যে বিষয়ে আইনানুসারে কোন সার্টিফিকেট সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য, সে বিষয়ে অনুরূপ সার্টিফিকেট দান বা স্বাক্ষর করে এবং সার্টিফিকেটটি কোন বাস্তব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের দিক হতে মিথ্যা বলে জানা সত্ত্বেও বা অনুরূপভাবে মিথ্যা বলে বিশ্বাস করা সত্ত্বেও অনুরূপভাবে উহা দান বা স্বাক্ষর করে থাকে, তবে সে ব্যক্তি স্বয়ং মিথ্যা সাক্ষ্যদান করলে যেভাবে দণ্ডিত হত, এক্ষেত্রেও সে সেভাবে দণ্ডিত হবে।

Section 197: Issuing or signing false certificate:
Whoever issues or signs any certificate required by law to be given or signed, or relating to any fact of which such certificate is by law admissible in evidence, knowing or believing that such certificate is false in any material point, shall be punished in the same manner as if he gave false evidence.
১,১৬১.
রিয়াদ তার স্ত্রীর জীবিত থাকা অবস্থায় পুনরায় বিবাহ করেন, যার ফলে তিনি দণ্ডবিধির ৪৯৪ ধারায় দোষী সাব্যস্ত হন। রিয়াদকে কী ধরনের শাস্তি দেওয়া হবে?
  1. ৩ বছর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  2. ৫ বছর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  3. ৭ বছর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  4. ১০ বছর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৪৯৪ ধারা- স্বামী বা স্ত্রীর জীবদ্দশায় পুনরায় বিবাহ করা:
কোন ব্যক্তি যদি এক স্বামী বা এক স্ত্রী জীবিত থাকা সত্ত্বেও এমন কোন পরিস্থতিতে বিবাহ করে, যে পরিস্থিতিতে স্বামী বা স্ত্রী জীবিত থাকা অবস্থায় সংঘটিত বলে অনুরূপ বিষয়টি অবৈধ হয়েছে, তবে উক্ত ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে

ব্যতিক্রম:
অনুরূপ স্বামী বা স্ত্রীর সাথে যে ব্যক্তির বিবাহ কোন উপযুক্ত আদালত দ্বারা নাকচ বলে ঘোষণা করা হয়েছে, সে ব্যক্তির ক্ষেত্রে এই ধারাটি প্রয়োগযোগ্য হবে না। কিংবা যে প্রাক্তন স্বামী বা স্ত্রীর জীবদ্দশায় বিবাহ সংঘটিত হচ্ছে, বিবাহের সময় পর্যন্ত যে প্রাক্তন স্বামী বা স্ত্রী যদি পূর্ববর্তী সাত বৎসর পর্যন্ত ক্রমাগত পরবর্তী বিবাহ অনুষ্ঠানকারীর নিকট থেকে অনুপস্থিত থেকে থাকে এবং সে সাত বৎসর যাবৎ অনুরূপ প্রাক্তন স্বামী বা স্ত্রী জীবিত রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি না শুনে থাকে তবে তার ক্ষেত্রে এই ধারা প্রয়োগযোগ্য হবে না; তবে পরবর্তী বিবাহকালে বিবাহ অনুষ্ঠানকারী ব্যক্তি যার সাথে তার বিবাহ হচ্ছে তাকে বিবাহ সংঘটিত হওয়ার পূর্বে তার জ্ঞাত সকল ঘটনা সংক্রান্ত প্রকৃত পরিস্থিতি সম্পর্কে অবহিত করতে হবে।
১,১৬২.
মুন্সেফ 'ক', ব্যাংকার 'খ'-এর পক্ষে একটি মোকদ্দমার সিদ্ধান্ত করার জন্য 'ক'-এর প্রতি পুরস্কারস্বরূপ 'ক'-এর ভাইয়ের জন্য 'খ'-এর ব্যাংকে একটি চাকুরী সংগ্রহ করে। 'ক' দণ্ডবিধির কোন ধারায় অপরাধ করেছে?
  1. ১৬১ ধারায়
  2. ১৬৩ ধারা
  3. ১৬২ ধারায়
  4. ১৬৪ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ১৬১ ধারার বিধান সরকারী কর্মচারী হইয়া বা হওয়ার আশা করিয়া কোন সরকারী কার্যের জন্য ঘুষ লওয়া:

- কোন ব্যক্তি যদি সরকারী কর্মচারী হিসেবে অথবা সরকারী কর্মচারী হবে বলে আশা করে কোন সরকারী কাজ করার অথবা করা হতে বিরত থাকার উদ্দেশ্যে বা পুরস্কার হিসাবে, অথবা সরকারী দায়িত্ব সম্পাদনকালে কোন ব্যক্তিকে অনুগ্রহ প্রদর্শন বা নিগ্রহ প্রদর্শন করার জন্য বা করা হতে বিরত থাকার জন্য, অথবা বাংলাদেশের সরকার বা আইনসভা দ্বারা অথবা কোন সরকারী কর্মচারী দ্বারা কোন ব্যক্তির উপকার বা অপকার করার জন্য বা তা করার চেষ্টায় নিজের অথবা অপর কোন ব্যক্তির জন্য কারো নিকট থেকে আইনসম্মত পারিশ্রমিক ছাড়াই অপর যে কোনরূপ পারিতোষিক গ্রহণ করে বা লাভ বা গ্রহণ করতে সম্মত হয় বা লাভ করতে চেষ্টা করে, তবে উক্ত ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

♦ ব্যাখ্যা (Explanation):-
- সরকারি কর্মচারী হবে বলে আশা করে কোন ব্যক্তি যদি সরকারী কর্মচারী হবে বলে আশা না করে কিন্তু প্রতারণার মাধ্যমে সরকারী কর্মচারী হবে এবং তখন কার্য করে দিবে এইরূপ ভ্রান্ত বিশ্বাস জন্মাইয়া কোন পারিতোষিক গ্রহণ করে, তবে উক্ত ব্যক্তি প্রতারণার অপরাধে অপরাধী সাব্যস্ত হতে পারে, কিন্তু এই ধারায় বর্ণিত অপরাধে অপরাধী সাব্যস্ত হবে না।

♦ পারিতোষিক(Gratificaion):- এই ধারায় পারিতোষিক বলতে শুধু আর্থিক পারিতোষিক অথবা অর্থের হিসেবে নির্ণেয় পারিতোষিক বুঝায় না।

♦ আইনসংগত পারিশ্রমিক (Legal remuneration):-
- এই ধারায় আইনসংগত পারিশ্রমিক বলতে কোন সরকারী কর্মচারী আইনসংগতভাবে যে পারিশ্রমিক দাবি করতে পারেন, কেবল তা বুঝায় না, যে কর্তৃপক্ষ কর্তৃক তিনি নিযুক্ত হয়েছেন সে কর্তৃপক্ষ তার যেসব পারিশ্রমিক গ্রহণ করতে অনুমতি দিয়েছেন সেসব পারিশ্রমিকও বুঝায়।

♦ করার উদ্দেশ্যে অথবা পুরস্কার হিসাবে (A motive or reward for doing):-
- যে ব্যক্তি সে যা করতে ইচ্ছক নয় তা করার উদ্দেশ্যে, অথবা সে যা করে নাই তা করার পুরস্কার হিসেবে পারিতোষিক গ্রহণ করে সে ব্যক্তিও এই কথাগুলির আওতায় আসবে।

উদাহরণসমূহ - Illustrations
(ক) ক একজন মুন্সেফ। চ জনৈক ব্যাংকার। ক একটি বিষয় চ-এর অনুকূলে নিস্পত্তি করে দেওয়ার পুরস্কারস্বরূপ চ-এর ব্যাংক তার (ক-এর) ভাইয়ের জন্য একটি চাকরি সংগ্রহ করে। ক এই ধারায় বর্ণিত অপরাধে অপরাধী হবে।
১,১৬৩.
‘A’ ‘B’ কে একটি দেওয়ানি মোকদ্দমা পরিচালনা থেকে বিরত রাখার উদ্দেশ্যে তার ঘর পুড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেয়। ‘A’ কর্তৃক কী অপরাধ সংঘটিত হয়েছে?
  1. অত্যাচার
  2. বলপূর্বক গ্রহণ
  3. অপরাধমূলক আত্মসাৎ
  4. অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ৫০৩ ধারায় অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের বিধান রয়েছে। কোন ব্যক্তিকে আতঙ্কিত করার জন্য উক্ত ব্যক্তির সম্পত্তি বা সুনাম বা দেহের ক্ষতি ( injury to property, reputation or person) করার ভয় বা হুমকি (threat) দেখানো হলে, তাকে অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন বা Criminal Intimidation বলে।

♦ এখানে ‘A' দণ্ডবিধির ৫০৩ ধারার অধীনে অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের অপরাধ করেছে।

♦ দণ্ডবিধির ৫০৬ ধারায় অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের শাস্তি রয়েছে যা অনধিক ২ বছর কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।
১,১৬৪.
দণ্ডবিধির ৪২৫ ধারার বিধান কী?
  1. Cheating
  2. Mischief
  3. Criminal trespass
  4. Cheating by personation
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪২৫ ধারার বিধান ক্ষতি বা অনিষ্ট:-
- কোন ব্যক্তি যদি জনসাধারণের বা কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা অনিষ্ট করার উদ্দেশ্যে, অথবা সে জনসাধারণের বা কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা অনিষ্ট করতে পারে বলে জানা সত্ত্বেও কোন সম্পত্তি ধ্বংস বা বিনষ্ট করে, অথবা কোন সম্পত্তিতে বা উহার অবস্থানে এমন কোন পরিবর্তন সাধন করে, যার ফলে উহার মূল্য বা আবশ্যকীয়তা বিনষ্ট হয় বা হ্রাস প্রাপ্ত হয়, বা উহা ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তবে উক্ত ব্যক্তি 'ক্ষতি' সাধন করেছে বলে গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ১:- ক্ষতি অনুষ্ঠিত হওয়ার জন্য অপরাধীর ক্ষতিগ্রস্ত কিংবা বিনষ্ট সম্পত্তির মালিকের ক্ষতি বা লোকসান করার ইচ্ছা থাকা প্রয়োজন নয়। কোন সম্পত্তির ক্ষতিসাধন করে কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা ব্যক্তিসানের উদ্দেশ্য থাকলে অথবা সম্পত্তির অনুরূপ ক্ষতিসাধন কর্তৃক কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা ব্যক্তিসানের আশঙ্কা রয়েছে জানা সত্ত্বেও সম্পত্তিটির ক্ষতিসাধন করলে অপরাধটি সংঘটিত হবে, যে সম্পত্তিটির অনুরূপ ক্ষতিসাধন করা হল, সে সম্পত্তিটি অনুরূপে অন্যায়ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির সম্পত্তি হোক আর নাই হোক।
ব্যাখ্যা ২:- যে ব্যক্তি কাজ সংঘটন করল সে ব্যক্তির নিজের বা মিলিতভাবে সে ব্যক্তির ও অন্যান্য ব্যক্তির সম্পত্তি ক্ষতিগ্রস্ত করে অনুষ্ঠিত কাজ কর্তৃক ক্ষতি সাধিত হতে পারে।
--------------------------
⇒ The Penal Code,1860, Section 425: Mischief:
-Whoever, with intent to cause, or knowing that he is likely to cause, wrongful loss or damage to the public or to any person, causes the destruction of any property, or any such change in any property or in the situation thereof as destroys or diminishes its value or utility, or affects it injuriously, commits "mischief".
Explanation 1.-It is not essential to the offence of mischief that the offender should intend to cause loss or damage to the owner of the property injured or destroyed. It is sufficient if he intends to cause, or knows that he is likely to cause, wrongful loss or damage to any person by injuring any property, whether it belongs to that person or not.
Explanation 2.-Mischief may be committed by an act affecting property belonging to the person who commits the act, or to that person and others jointly.
১,১৬৫.
চুরির শর্ত নয় কোনটি?
  1. অস্থাবর সম্পত্তি
  2. অনুমতি ব্যতীত সম্পত্তি সরানো
  3. সম্পত্তির দখল
  4. স্থাবর সম্পত্তি
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারায় চুরিকে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। চুরির অপরাধ অস্থাবর সম্পত্তি যেমন টাকা, স্বর্ণালংকার ইত্যাদির সাথে সম্পর্কিত। যখন কোন ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির দখলে থাকা কোন অস্থাবর সম্পত্তি উক্ত ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া অসাধু উপায়ে গ্রহণ করার অভিপ্রায়ে বা অনুরুপ গ্রহণের উদ্দেশ্যে উক্ত সম্পত্তি স্থানান্তর করে, সেই ব্যক্তি চুরি করেছে বলে গণ্য হবে। চুরির উপাদান বা শর্তসমূহ:

(i) অন্যকোনো ব্যক্তির দখল হতে অসাধুভাবে সম্পত্তি গ্রহণ করা।

(ii) সম্পত্তিটি অবশ্যই অস্থাবর সম্পত্তি হবেl যেমন টাকা, স্বর্ণালংকার ইত্যাদি।

(iii) উক্ত সম্পত্তি অন্য ব্যক্তির দখল থেকে নিতে হবে।

(iv) সম্পত্তিটি উক্ত ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া নিবে।

(v) চুরি সম্পন্ন হবে যদি সম্পত্তিটি সামান্য হলেও প্রকৃতপক্ষে স্থানান্তর করা হয়।

♦ অর্থাৎ চুরির শর্ত মতে স্থাবর সম্পত্তি চুরি করা যায় না।
১,১৬৬.
দন্ডবিধি অনুযায়ী বেআইনী সমাবেশ (Unlawful Assembly) গঠনের জন্য কমপক্ষে কতজন ব্যক্তির উপস্থিতি প্রয়োজন?
  1. ৩ জন
  2. ৪ জন
  3. ৫ জন
  4. ৬ জন
ব্যাখ্যা
♦ দন্ডবিধির ১৪১ ধারায় বেআইনী সমাবেশের বিধান রয়েছে। পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি জনসাধারণের শান্তি-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী কোন সমাবেশ করলে তাকে বেআইনী সমাবেশ বা Unlawful Assembly বলে।
♦ দন্ডবিধির ১৪১ ধারামতে ৫ বা ততোধিক ব্যক্তি কর্তৃক সৃষ্ট সমাবেশে নিম্নলিখিত ৫টি সাধারণ উদ্দেশ্য বা common object থাকলে তা বেআইনী সমাবেশ বলে গণ্য হবে। সাধারণ উদ্দেশ্যগুলো (common object) নিম্নরূপ যথা-
১) সরকার, সরকারি কর্মচারী বা আইনসভাকে আইনসম্মত ক্ষমতা প্রয়োগকালে বাধা বা বলপ্রয়োগের হুমকি দান;
২) আইনগত ব্যবস্থা বাস্তবায়নে বাধা ।
৩) অনিষ্ট, অপরাধজনক অনধিকার প্রবেশ বা অপর কোন অপরাধ সংঘটন ।
৪) অপরাধজনক বলপ্রয়োগ পূর্বক সম্পত্তি অর্জন বা কোন ব্যক্তিকে রাস্তা বা পানি ব্যবহার বা দখল থেকে বঞ্চিত; অথবা
৫) কোন ব্যক্তিকে যা করতে বাধ্য নয় তা করাতে ও যা করতে বাধ্য তা থেকে বিরত রাখতে বাধ্য করা।
♦ সাধারণ উদ্দেশ্য বা common object বলতে তদ্রূপ উদ্দেশ্যকে বোঝায় যা পূরণকল্পে সমাবেশের সকল সদস্য সমবেত হয়েছিল এবং সেই উদ্দেশ্য হাসিল করবে বলে তারা সকলে জানত; অর্থাৎ বেআইনী সমাবেশ করার জন্য যে সকল উদ্দেশ্য থাকে সেই সকল উদ্দেশ্য সমূহ হলো সাধারণ উদ্দেশ্য।
১,১৬৭.
একজন ব্যক্তি জেনে-শুনে চোরাই সম্পত্তি লুকিয়ে রাখতে সহায়তা করলে দণ্ডবিধির কোন ধারার অধীনে দোষী হবে?
  1. ৪১০ ধারা
  2. ৪১১ ধারা
  3. ৪১৩ ধারা
  4. ৪১৪ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ৪১৪ ধারা অনুযায়ী, যদি কোন ব্যক্তি জানে বা বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে কোনো সম্পত্তি চোরাই সম্পত্তি, এবং সেই সম্পত্তি লুকিয়ে রাখতে, বিলিব্যবস্থা করতে, বা সরিয়ে ফেলতে স্বেচ্ছায় সহায়তা করে, তবে সে ব্যক্তি এই ধারার অধীনে দোষী বলে গণ্য হবে।
- এই অপরাধে সর্বোচ্চ শাস্তি ৩ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড, অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ড।

অন্যান্য অপশন গুলোর মধ্য:
→ ৪১০ ধারা: চোরাই সম্পত্তির সংজ্ঞা দেয়, শাস্তি নির্ধারণ করে না।
→ ৪১১ ধারা: চোরাই মাল গ্রহণ বা রক্ষা করার শাস্তি নির্ধারণ করে।
→ ৪১৩ ধারা: অভ্যাসগতভাবে চোরাই মাল বেচাকেনার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
অতএব, প্রশ্নে বর্ণিত কর্মকাণ্ডের জন্য সঠিক ধারা হলো ৪১৪, যা চোরাই মাল লুকাতে সহায়তা করার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।


⇒ দণ্ডবিধির ৪১৪ ধারা- চোরাইমাল গোপন করিবার ব্যাপারে সহায়তাকরণ:
কোনো ব্যক্তি যদি সে যে সম্পত্তি চোরাই সম্পত্তি বলে জানে বা তার বিশ্বাস করার কারণ রয়েছে সে সম্পত্তি লুকিয়ে রাখতে বা বিলিব্যবস্থা করতে বা নিয়ে সরে পড়তে স্বেচ্ছায় সহায়তা করে, তবে উক্ত ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

⇒ The Penal Code, 1860, Section 414: Assisting in concealment of stolen property:
Whoever voluntarily assists in concealing or disposing of or making away with property which he knows or has reason to believe to be stolen property, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both.
১,১৬৮.
দণ্ডবিধি অনুযায়ী নিচের কোনটি বাংলাদেশী মুদ্রার অন্তর্ভূক্ত?
  1. কড়িসমূহ
  2. পদক
  3. স্ট্যাম্পবিহীন তাম্রখন্ড
  4. “ফারুখাবাদ" টাকা
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ২৩০ ধারার বিধান: 'মুদ্রার' সংজ্ঞা:- বর্তমানে অর্থরূপে ব্যবহৃত এবং অনুরূপে ব্যবহৃত হওয়ার জন্য কোন রাষ্ট্রে বা সার্বভৌম শক্তির ক্ষমতাধীনে স্ট্যাম্পযুক্ত ও ইস্যুকৃত ধাতব দ্রব্যকে মুদ্রা বলে।

বাংলাদেশী মুদ্রা:- বাংলাদেশী মুদ্রা বলতে বাংলাদেশের সরকারের ক্ষমতাধীন অর্থরূপে ব্যবহারের জন্য স্ট্যাম্পযুক্ত ও ইস্যুকৃত ধাতবদ্রব্য বুঝাবে; এবং অর্থরূপে, ব্যবহার রহিত হওয়া সত্ত্বেও এই অধ্যায়ের উদ্দেশ্যাবলীর দিক হতে অনুরূপভাবে স্ট্যাম্পযুক্ত ও ইস্যুকৃত ধাতবদ্রব্য বাংলাদেশী মুদ্রা বলে পরিচিত হবে।

উদাহরণসমূহ:

(ক) কড়িগুলো মুদ্রা নয়।

(খ) স্ট্যাম্পবিহীন তাম্রখণ্ড অর্থরূপে ব্যবহৃত হয়ে থাকলেও মুদ্রা নয়।

(গ) পদকগুলো মুদ্রা নয়, যেহেতু উহা অর্থরূপে ব্যবহারের জন্য নির্মিত হয় নাই।

(ঘ) কোম্পানির টাকা বলে অঙ্কিত মুদ্রা রানীর মুদ্রা বলে পরিগণিত হবে।

(ঙ) "ফারুখাবাদ" টাকা যা পূর্বে ভারত সরকারের ক্ষমতাধীনে অর্থরুপে ব্যবহৃত হত-তবুও বাংলাদেশী মুদ্রা, যদিও এটা আজও অনুরূপভাবে ব্যবহৃত হয় না।

---------------------
♦ “Coin” defined Bangladesh coin:
Section 230. Coin is metal used for the time being as money, and stamped and issued by the authority of some State or Sovereign Power in order to be so used. 
 
Bangladesh coin is metal stamped and issued by the authority of the Government in order to be used as money; and metal which has been so stamped and issued shall continue to be Bangladesh coin for the purposes of this Chapter, notwithstanding that it may have ceased to be used as money. 
 
Illustrations:
 
(a) Cowries are not coin. 
 
(b) Lumps of unstamped copper, though used as money, are not coin. 
 
(c) Medals are not coin, inasmuch as they are not intended to be used as money. 
 
(d) The coin denominated as the Company's taka is the Queen's coin. 
 
(e) The "Farukhabad" taka, which was formerly used as money under the authority of the Government of India, is Bangladesh coin although it is no longer so used.
১,১৬৯.
Which of the following is an essential element of the offense of rioting under Section 146?
  1. Unlawful assembly
  2. Use of force or violence
  3. Common objective of the assembly
  4. All of the above
ব্যাখ্যা
Section 146- Rioting:
Whenever force or violence is used by an unlawful assembly, or by any member thereof, in prosecution of the common object of such assembly, every member of such assembly is guilty of the offence of rioting.

ধারা ১৪৬- দাঙ্গা:
কখনো কোন বেআইনি সমাবেশ দ্বারা বা এর যে কোন সদস্য দ্বারা এরূপ সমাবেশের সাধারণ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বল বা হিংস্র পদ্ধতি প্রয়ােগ করা হলে, এরূপ সমাবেশের প্রতিটি সদস্য দাঙ্গার অপরাধে অপরাধী হবে।
১,১৭০.
'X' মৃত্যু হবে জেনেও 'Y' এর মৃত্যু ঘটানোর উদ্দেশ্যে গুলি ছোঁড়েন। কিন্তু ঐ গুলিতে 'Z' এর মৃত্যু হয়। 'X' এক্ষেত্রে The Penal Code, 1860 এর অধীনে কোন ধরণের অপরাধ করেছেন?
  1. খুন
  2. নিন্দনীয় নরহত্যা
  3. খুন বলে গণ্য নয় এমন নিন্দনীয় নরহত্যা
  4. কোন অপরাধ করেনি
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০১ ধারার বিধান যার মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্য ছিল তাকে ব্যতীত অপর ব্যক্তির মৃত্যু ঘটাইয়া শাস্তি যোগ্য নরহত্যা সংঘটন:- কোন ব্যক্তি যদি এমন কোন কার্য করে যা কর্তৃক মৃত্যু সংঘটনের ইচ্ছা বা উদ্দেশ্য তার ছিল অথবা যার দরুণ মৃত্যু সংঘটন হতে পারে বলে তার জানা ছিল এবং এই কার্য কর্তৃক সে এমন কোন ব্যক্তির মৃত্যু সংঘটন করে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা করে, যার মৃত্যু সে কামনা করে নাই বা যার মৃত্যু হতে পারে বলে তার জানা ছিল না, তবে অপরাধী যে ব্যক্তির মৃত্যু সংঘটনের ইচ্ছা করেছিল, কিংবা যে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটতে পারে বলে জানত সে ব্যক্তির মৃত্যু সংঘটন করলে তার অপরাধটি যেরূপ হত, এই ক্ষেত্রেও সেরূপ হবে।

⇒ অর্থাৎ 'X' মৃত্যু হবে জেনেও 'Y' এর মৃত্যু ঘটানোর উদ্দেশ্যে গুলি ছোঁড়েন। কিন্তু ঐ গুলিতে 'Z' এর মৃত্যু হয়। 'X' এক্ষেত্রে The Penal Code, 1860 এর ৩০১ ধারার অধীনে খুনের অপরাধ করেছেন।

---------------
⇒ Section 301. Culpable homicide by causing death of person other than person whose death was intended:-If a person, by doing anything which he intends or knows to be likely to cause death, commits culpable homicide by causing the death of any person, whose death he neither intends nor knows himself to be likely to cause, the culpable homicide committed by the offender is of the description of which it would have been if he had caused the death of the person whose death he intended or knew himself to be likely to cause.
১,১৭১.
"Attempt to commit suicide" এর সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  2. ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  3. ১ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড
  4. ৫০০ টাকা অর্থ দণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০৯ ধারার বিধান আত্মহত্যা করার চেষ্টা:- কোন ব্যক্তি যদি আত্মহত্যা করার চেষ্টা করে এবং অনুরূপ অপরাধ সংঘটনের উদ্দেশ্যে কোন কার্য করে, তবে উক্ত ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
-----------------
⇒ Section 309. Attempt to commit suicide:- Whoever attempts to commit suicide and does any act towards the commission of such offence, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to one year, or with fine, or with both.
১,১৭২.
নিম্নের কোন কাজটি দণ্ডবিধির ১০৭ ধারার অধীনে অপরাধে সহায়তা হিসেবে গণ্য হবে না?
  1. অপরাধের খবর দেয়া
  2. অপরাধে প্ররোচিত করা
  3. ষড়যন্ত্রে অংশগ্রহণ করা
  4. ইচ্ছাকৃতভাবে অপরাধ সংঘটনে সাহায্য করা
ব্যাখ্যা
যে সমস্ত কাজ করলে অপরাধ হয় সেই সমস্ত কাজ করার জন্য প্রত্যক্ষভাবে বা পরোক্ষভাবে কোন ইন্ধন যোগান কিংবা সমর্থন করাকে, আইনের ভাষায় প্ররোচনা বা Abetment বলা হয়ে।

দণ্ডবিধির ১০৭ ধারা অনুযায়ী ৩ ভাবে 'প্ররোচনা বা অপরাধে সহায়তা' অপরাধ হতে পারে-
(i) কাউকে প্ররোচিত করে (instigation);
(ii) ষড়যন্ত্রে অংশগ্রহণ করে (engagement  in any conspiracy);
(iii) কার্য বা কার্যবিরতি দ্বারা ইচ্ছাকৃতভাবে সাহায্য করে (aiding)

Section 107. Abetment of a thing:
A person abets the doing of a thing, who-
Firstly.- Instigates any person to do that thing; or 
Secondly.- Engages with one or more other person or persons in any conspiracy for the doing of that thing, if an act or illegal omission takes place in pursuance of that conspiracy, and in order to the doing of that thing; or 
Thirdly.- Intentionally aids, by any act or illegal omission, the doing of that thing. 
 
Explanation 1.- A person who, by wilful misrepresenta-tion, or by wilful concealment of a material fact which he is bound to disclose, voluntarily causes or procures, or attempts to cause or procure, a thing to be done, is said to instigate the doing of that thing. 
 
Illustration 
A, a public officer, is authorized by a warrant from a Court of Justice to apprehend Z. B, knowing that fact and also that C is not Z, wilfully represents to A that C is Z, and thereby intentionally causes A to apprehend C. Here B abets by instigation the apprehension of C. 
 
Explanation 2.- Whoever, either prior to or at the time of the commission of an act, does anything in order to facilitate the commission of that act, and thereby facilitates the commission thereof, is said to aid the doing of that act.
১,১৭৩.
‘B’ Z-কে হত্যা করার উদ্দেশ্যে তার খাবারে বিষ মেশায়, কিন্তু Z খাবার না খাওয়ায় হত্যা সংঘটিত হয় না। দণ্ডবিধির কোন ধারায় অনুসারে 'B' এর কাজটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ?
  1. ১১৮ ধারা
  2. ১২০ক ধারা
  3. ৫০৭ ধারা
  4. ৫১১ ধারা
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৫১১ অনুসারে, যে কেউ এমন কোনো অপরাধ করার চেষ্টা করে, যা দণ্ডবিধিতে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা কারাদণ্ড দ্বারা শাস্তিযোগ্য, এবং সেই চেষ্টায় অপরাধ সংঘটনের দিকে কোনো কাজ করে, তবে তা শাস্তিযোগ্য। এই ধারা অনুসারে, যদি অপরাধের চেষ্টার জন্য আলাদা শাস্তির বিধান না থাকে, তবে শাস্তি হবে মূল অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তির অর্ধেক পর্যন্ত কারাদণ্ড, জরিমানা, বা উভয়ই। এখানে, ‘B’ Z-কে হত্যা করার উদ্দেশ্যে তার খাবারে বিষ মেশায়, যা হত্যার চেষ্টা (Attempt to Murder) হিসেবে গণ্য। হত্যা (ধারা ৩০২) এর শাস্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং জরিমানা। তবে, হত্যার চেষ্টার জন্য ধারা ৩০৭ অনুসারে শাস্তি ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, জরিমানা, বা উভয়ই। যেহেতু এটি চেষ্টার অপরাধ এবং ধারা ৫১১ এর আওতায় পড়ে, তাই এটি ধারা ৫১১ এর অধীনেও বিবেচিত হয়।

অর্থাৎ ‘B’-এর কাজ, অর্থাৎ Z-কে হত্যার উদ্দেশ্যে বিষ মেশানো, ধারা ৫১১ (এবং ধারা ৩০৭) অনুসারে হত্যার চেষ্টা হিসেবে শাস্তিযোগ্য। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো ঘ) ৫১১ ধারা।

⇒ দণ্ডবিধির ৫১১ ধারার বিধান যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ সংঘটনের উদ্যোগের সাজা:-
কোন ব্যক্তি যদি এই বিধিবলে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় কোন অপরাধ সংঘটন করার অথবা অনুরূপ কোন অপরাধ সংঘটন করানোর উদ্যোগ করে এবং অনুরূপ উদ্যোগের মাধ্যমে অপরাধটি সংঘটনের উদ্দেশ্যে কোন কাজ করে, তবে যেক্ষেত্রে অনুরূপ উদ্যোগের সাজার জন্য এই বিধিতে কোন প্রকাশ্য বিধান করা হয় নাই, সেক্ষেত্রে সে ব্যক্তি অপরাধটির জন্য সে ধরনের অপরাধের জন্য বিহিত দণ্ডের দীর্ঘতম মেয়াদের অর্ধেক পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা সে অপরাধটির জন্য যে অর্থ দণ্ডেও বিধান করা হয়েছে সে অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
উদাহরণ:
(ক) 'ক' একটি বাক্স ভেঙ্গে কিছু গহনাপত্র চুরি করার উদ্যোগ করে। সে বাক্সটি ভেঙ্গে দেখতে পায় যে, উহাতে কোন গহনাপত্র নাই। সে চুরির উদ্দেশ্যে এই কাজটি করেছে; সুতরাং সে এই ধারার আওতায় অপরাধী বলে পরিগণিত হবে।
(খ) 'ক', 'চ'- এর পকেটে হাত দিয়ে চ-এর পকেট মারার উদ্যোগ নেয়। 'চ'- এর পকেটে কিছু ছিল না বলে ক-এর চেষ্টা ব্যর্থ হয়। 'ক' এই ধারার আওতায় অপরাধী বলে পরিগণিত হবে।
----------- 
⇒ The Penal Code, 1860,Section 511- Punishment for attempting to commit offences punishable with imprisonment for life or imprisonment:
Whoever attempts to commit an offence punishable by this Code with imprisonment for life or imprisonment, or to cause such an offence to be committed, and in such attempt does any act towards the commission of the offence, shall, where no express provision is made by this Code for the punishment of such attempt, be punished with imprisonment of any description provided for the offence, for a term which may extend to one-half of the longest term of imprisonment provided for that offence, or with such fine as is provided for the offence, or with both.

Illustration:
(a) A makes an attempt to steal some jewels by breaking open a box, and finds after so opening the box, that there is no jewel in it. He has done an act towards the commission of theft, and therefore is guilty under this section. 
(b) A makes an attempt to pick the pocket of Z by thrusting his hand into Z's pocket. A fails in the attempt in consequence of Z's having nothing in his pocket. A is guilty under this section.

১,১৭৪.
“মানবদেহের বিরুদ্ধে অপরাধ” দণ্ডবিধির কোন অধ্যায়ে আলোচিত হয়েছে?
  1. অধ্যায় XV
  2. অধ্যায় XVI
  3. অধ্যায় XVII
  4. অধ্যায় XVIII
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর অধ্যায় XVI: মানবদেহের বিরুদ্ধে অপরাধ:

জীবনের বিরুদ্ধে অপরাধ-
ধারা ২৯৯: অপরাধমূলক নরহত্যা;
ধারা ৩০০: খুন;
ধারা ৩০১: ভুল ব্যক্তিকে হত্যা করলে অপরাধমূলক নরহত্যা;
ধারা ৩০২: খুনের শাস্তি;
ধারা ৩০৩: যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত কর্তৃক খুনের শাস্তি;
ধারা ৩০৪: খুনে পরিণত না হওয়া অপরাধমূলক নরহত্যার শাস্তি;
ধারা ৩০৪A: অবহেলার ফলে মৃত্যুর কারণ হওয়া;
ধারা ৩০৪B: বেপরোয়া চালানোর ফলে মৃত্যুর কারণ হওয়া;
ধারা ৩০৫-৩০৬: আত্মহত্যায় প্ররোচনা;
ধারা ৩০৭-৩০৯: খুন বা আত্মহত্যার চেষ্টা;
ধারা ৩১০-৩১১: ঠগ ও তার শাস্তি।

গর্ভপাত, ভ্রূণের মৃত্যু, সদ্যজাতকে ফেলে দেওয়া, জন্ম গোপন ইত্যাদি সম্পর্কিত অপরাধ-
ধারা ৩১২-৩১৪: গর্ভপাত ঘটানো, নারীর সম্মতি ছাড়া গর্ভপাত, গর্ভপাতের ফলে মৃত্যু;
ধারা ৩১৫-৩১৬: জন্ম প্রতিরোধ বা জীবিত সন্তানকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়া;
ধারা ৩১৭-৩১৮: শিশু ফেলে যাওয়া, মৃতদেহ গোপনে নিষ্পত্তি।

ধারা ৩১৯-৩৩৮ক: আঘাত সংক্রান্ত অপরাধ;
ধারা ৩৩৯-৩৪৮: অন্যায়ভাবে আটক ও অবরুদ্ধকরণ;
ধারা ৩৪৯-৩৫৮: অপরাধজনিত বলপ্রয়োগ ও আক্রমণ;
ধারা ৩৫৯-৩৭৪: অপহরণ, গুম, দাসত্ব ও জোরপূর্বক শ্রম;
ধারা ৩৭৫: ধর্ষণ; ধারা ৩৭৬: ধর্ষণের শাস্তি;
ধারা ৩৭৭: প্রাকৃতিক নিয়মবিরুদ্ধ যৌন অপরাধ।
১,১৭৫.
নির্বাচনে অবৈধ প্রভাব বিস্তার বা মিথ্যা পরিচয়দানের জন্য সর্বোচ্চ কত মেয়াদের কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৩ বছর
ব্যাখ্যা

- দণ্ডবিধির ১৭১চ ধারার বিধান- নির্বাচনে অবৈধ প্রভাব বিস্তার বা মিথ্যা পরিচয়দানের সাজা :-
কোন ব্যক্তি যদি কোন নির্বাচনে অবৈধ প্রভাব বিস্তার বা মিথ্যা পরিচয়দানের অপরাধ করে, তবে সে ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

⇒ The Penal Code, 1860- Section 171F. Punishment for undue influence or personation at an election:
Whoever commits the offence of undue influence of personation at an election shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one year, or with fine, or with both.

১,১৭৬.
যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত আসামী জখমের মাধ্যমে খুনের উদ্যোগ নিলে সর্বনিম্ন শাস্তি হতে পারে?
  1. ৭ বছরের কারাদণ্ড
  2. ১০ বছরের কারাদণ্ড
  3. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  4. মৃত্যুদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০৭ ধারার বিধান খুনের উদ্যোগ:- কোন ব্যক্তি যদি এমন উদ্দেশ্য নিয়ে বা এমন আশঙ্কা জানা সত্ত্বেও এমন অবস্থায় এমন কোন কার্য করে, যার ফলে মৃত্যু ঘটলে সে খুনের দায়ে অপরাধী সাব্যস্ত হবে, তবে উক্ত ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে, এবং যদি অনুরূপ কাজের কর্তৃক কোন ব্যক্তিকে আঘাত করা হয়, তবে অপরাধী যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা ইতোপূর্বে যে সাজার উলেখ করা হয়েছে, সে দণ্ডে দণ্ডিত হবে।

⇒ যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত ব্যক্তির উদ্যোগ:- যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত কোন ব্যক্তি যদি এই ধারায় উল্লেখিত অপরাধ করে এবং তার ফলে কেউ আহত হয়, তবে উক্ত ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে।

অর্থাৎ যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত আসামী জখমের মাধ্যমে খুনের উদ্যোগ নিলে দণ্ডবিধির ৩০৭ ধারার বিধান মতে একমাত্র বা সর্বনিম্ন শাস্তি মৃত্যুদণ্ড।
--------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 307: Attempt to murder Attempts by life-convicts:
- Whoever does any act with such intention or knowledge, and under such circumstances that, if he by that act caused death, he would be guilty of murder, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine; and, if hurt is caused to any person by such act, the offender shall be liable either to imprisonment for life, or to such punishment as is hereinbefore mentioned. 
 
⇒ When any person offending under this section is under sentence of imprisonment for life, he may, if hurt is caused, be punished with death.
১,১৭৭.
‘B’ মিথ্যাভাবে নিজেকে একজন বিখ্যাত ব্যাংকার হিসেবে পরিচয় দিয়ে ‘Z’-কে প্রতারিত করে। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর বিধান অনুসারে এই অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ১ বছরের কারাদণ্ড
  2. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  3. ৫ বছরের কারাদণ্ড
  4. ৭ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪১৬ অনুসারে, ভিন্ন ব্যক্তির পরিচয়ে প্রতারণা (Cheating by Personation) বলতে এমন প্রতারণাকে বোঝায় যেখানে কেউ অন্য কোনো ব্যক্তি হিসেবে নিজেকে প্রচার করে, বা জেনেশুনে একজন ব্যক্তিকে অন্যের জন্য প্রতিস্থাপন করে, অথবা নিজেকে বা অন্য কাউকে এমন ব্যক্তি হিসেবে উপস্থাপন করে যিনি তিনি বা সেই ব্যক্তি প্রকৃতপক্ষে নন। এখানে, ‘B’ মিথ্যাভাবে নিজেকে একজন বিখ্যাত ব্যাংকার হিসেবে পরিচয় দিয়ে ‘Z’-কে প্রতারিত করেছে, যা ধারা ৪১৬-এর অধীনে ভিন্ন ব্যক্তির পরিচয়ে প্রতারণা।

- ধারা ৪১৯ অনুসারে, ভিন্ন ব্যক্তির পরিচয়ে প্রতারণার শাস্তি হলো ৩ বছর পর্যন্ত যেকোনো প্রকারের কারাদণ্ড, অথবা জরিমানা, অথবা উভয়ই। প্রশ্নে শুধুমাত্র প্রতারণার কথা উল্লেখ আছে, কিন্তু সম্পত্তি হস্তান্তরের কোনো নির্দিষ্ট তথ্য দেওয়া হয়নি। তাই ধারা ৪১৯ প্রযোজ্য।

⇒ অর্থাৎ ‘B’-এর কাজ ধারা ৪১৬-এর অধীনে ভিন্ন ব্যক্তির পরিচয়ে প্রতারণা হিসেবে গণ্য, এবং ধারা ৪১৯ অনুসারে এর সর্বোচ্চ শাস্তি হলো ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, অথবা জরিমানা, অথবা উভয়ই। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো খ) ৩ বছরের কারাদণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ৪১৯ ধারার বিধান অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করার শাস্তি:- কোন ব্যক্তি যদি অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করে, তবে উক্ত লোক তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860-Section-419. Punishment for cheating by personation:
-Whoever cheats by personation shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both.

১,১৭৮.
বাংলাদেশে নিবন্ধিত জাহাজে সংঘটিত অপরাধের বিচার সম্পর্কে বলা হয়েছে কোন ধারায়?
  1. ধারা ২
  2. ধারা ৩
  3. ধারা ৪
  4. ধারা ৫
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২ থেকে ৪ ধারায় দণ্ডবিধির প্রয়োগ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৪-এ বাংলাদেশের আঞ্চলিক সীমার বাইরে সংঘটিত অপরাধের বিচার সম্পর্কে বিস্তারিত বলা হয়েছে, যেখানে বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে:
→ ধারা ৪(৪) অনুযায়ী: বাংলাদেশে নিবন্ধিত কোনো জাহাজ বা বিমানে সংঘটিত অপরাধের ক্ষেত্রে দণ্ডবিধি প্রযোজ্য হবে, তা বাংলাদেশের সীমানার ভিতরে বা বাইরে যেখানেই ঘটুক না কেন।
→ এই ধারায় "অপরাধ" বলতে এমন সব কাজকে বোঝায় যা বাংলাদেশে সংঘটিত হলে দণ্ডবিধি অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য হতো।
→ যে ক্ষেত্রে দণ্ডবিধি প্রয়াগ হবে-
(i) বাংলাদেশের সকল নাগরিকের ক্ষেত্রে: দেশে-বিদেশে যেখানেই অপরাধ সংঘটন করুক না কেন।
(ii) বিদেশি নাগরিকের ক্ষেত্রে: যদি সে বাংলাদেশে অথবা বাংলাদেশের নিবন্ধিত কোন জাহাজ বা বিমানে অপরাধ সংঘটন করে।
(iii) বাংলাদেশের নিবন্ধিত কোন জাহাজ বা বিমানে অপরাধ সংগঠন করার ক্ষেত্রে: উক্ত বাংলাদেশি জাহাজ বা বিমান বাংলাদেশ বা বিদেশে যেখানেই অবস্থান করুক না কেন।
---------
⇒ The Penal Code, 1860, Section-4: Extension of Code to extra-territorial offences:
-The provisions of this Code apply also to any offence committed by-
(1) any citizen of Bangladesh in any place without and beyond Bangladesh;
(4) any person on any ship or aircraft registered in Bangladesh wherever it may be.
Explanation. -In this section the word "offence" includes every act committed outside Bangladesh which, if committed in Bangladesh, would be punishable under this Code.
১,১৭৯.
দণ্ডবিধি অনুসারে শিশুর বা উন্মাদ ব্যক্তির আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দানের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. সাত বছর কারাদণ্ড
  2. দশ বছর কারাদণ্ড
  3. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  4. মৃত্যুদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০৫ ধারার বিধান শিশুর বা উন্মাদ ব্যক্তির আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান:- যদি আঠারো বৎসরের কম বয়স্ক কোন ব্যক্তি, কোন উন্মাদ ব্যক্তি, প্রলাপগ্রস্ত ব্যক্তি, নির্বোধ ব্যক্তি, বা কোন ব্যক্তি নেশাগ্রস্ত অবস্থায় আত্মহত্যা করে, তবে যে ব্যক্তি এই আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান করে, সে ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা অনধিক দশ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
--------------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 305: Abetment of suicide of child or insane person:
-If any person under eighteen years of age, any insane person, any delirious person, any idiot, or any person in a state of intoxication commits suicide, whoever abets the commission of such suicide shall be punished with death or imprisonment for life, or imprisonment for a term not exceeding ten years, and shall also be liable to fine.
১,১৮০.
দণ্ডবিধির ৩২০ ধারার বিধান অনুযায়ী গুরুতর আঘাত নয় কোনটি?
  1. পুরুষত্বহীনকরণ
  2. হাড় বা দাঁত ভাঙ্গা
  3. কয়েক দিনের জন্য চোখের দৃষ্টি রহিতকরণ
  4. যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন
ব্যাখ্যা
⇒ The Penal Code, 1860 এর ৩২০ ধারা অনুযায়ী ৮ শ্রেণির আঘাতকে গুরুতর আঘাত বলা হয়েছে। যথা:
(i) পুরুষত্বহীনকরণ
(ii) স্থায়ীভাবে চোখের দৃষ্টি রহিতকরণ
(iii) স্থায়ীভাবে কানের শ্রুতিশক্তি রহিতকরণ
(iv) যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন
(v) যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির স্থায়ী ক্ষতিকরণ
(vi) মাথা বা মুখমন্ডলের স্থায়ী বিকৃতি
(vii) হাড় বা দাঁত ভাঙ্গা
(viii) কোন ব্যক্তিকে ২০ পর্যন্ত তীব্র যন্ত্রণা দেয় এমন আঘাত।

উল্লিখিত প্রশ্নে কয়েক দিনের জন্য চোখের দৃষ্টি রহিতকরণ গুরুতর আঘাত নয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৩২০ ধারার বিধান গুরুতর আঘাত:- শুধু নিম্নলিখিত আঘাতসমূহকেই "গুরুতর" বলে পরিগণিত করা যায়:-
প্রথমত, পুরুষত্বহীন করণ।
দ্বিতীয়ত, যেকোন চোখের জ্যোতি বা দৃষ্টিশক্তি চিরতরে নষ্ট করণ।
তৃতীয়ত, যেকোন কর্ণের শ্রবণশক্তি স্থায়ীভাবে নষ্ট করণ।
চতুর্থত, যেকোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন।
পঞ্চমত, যেকোন অঙ্গের বা গ্রন্থির শক্তিসমূহ ধ্বংস করণ বা চিরতরে খর্ব করণ।
ষষ্ঠত, মাথা বা মুখমণ্ডল স্থায়ীভাবে বিকৃত করণ।
সপ্তম, কোন অস্থি বা দন্ত ভগ্ন বা স্থানচ্যুত করণ।
অষ্টম, এমন কোন আঘাত যা জীবন সংশয় সৃষ্টি করে বা যাতে আহত ব্যক্তি বিশ দিন পর্যন্ত প্রচণ্ড দৈহিক যন্ত্রণা ভোগ করে বা সাধারণ কাজকর্ম করতে অপারগ হয়।
-----------------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 320: Grievous hurt:
 The following kinds of hurt only are designated as "grievous":- 
Firstly.-Emasculation. 
Secondly.-Permanent privation of the sight of either eye. 
Thirdly.-Permanent privation of the hearing of either ear. 
Fourthly.-Privation of any member or joint. 
Fifthly.-Destruction or permanent impairing of the powers of any member or joint. 
Sixthly.-Permanent disfiguration of the head or face. 
Seventhly.-Fracture or dislocation of a bone or tooth. 
Eighthly.-Any hurt which endangers life or which causes the sufferer to be during the space of twenty days in severe bodily pain, or unable to follow his ordinary pursuits.
১,১৮১.
দণ্ডবিধির ধারা ৩২০ অনুসারে, "Grievous Hurt" এর মধ্যে কোনটি ষষ্ঠ শ্রেণীতে অন্তর্ভুক্ত?
  1. দাঁত ভেঙে যাওয়া
  2. শ্রবণশক্তি হারানো
  3. অঙ্গ বা জোড় নষ্ট হওয়া
  4. মাথা বা মুখ স্থায়ীভাবে বিকৃত হওয়া
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ধারা ৩২০ অনুসারে, Grievous Hurt এর ষষ্ঠ শ্রেণী হলো “Permanent disfiguration of the head or face”, অর্থাৎ মাথা বা মুখ স্থায়ীভাবে বিকৃত হওয়া।

⇒ দণ্ডবিধির ৩২০ ধারার বিধান গুরুতর আঘাত:- শুধু নিম্নলিখিত আঘাতসমূহকেই "গুরুতর" বলে পরিগণিত করা যায়:-
প্রথমত, পুরুষত্বহীন করণ।
দ্বিতীয়ত, যেকোন চোখের জ্যোতি বা দৃষ্টিশক্তি চিরতরে নষ্ট করণ।
তৃতীয়ত, যেকোন কর্ণের শ্রবণশক্তি স্থায়ীভাবে নষ্ট করণ।
চতুর্থত, যেকোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন।
পঞ্চমত, যেকোন অঙ্গের বা গ্রন্থির শক্তিসমূহ ধ্বংস করণ বা চিরতরে খর্ব করণ।
ষষ্ঠত, মাথা বা মুখমণ্ডল স্থায়ীভাবে বিকৃত করণ।
সপ্তম, কোন অস্থি বা দন্ত ভগ্ন বা স্থানচ্যুত করণ।
অষ্টম, এমন কোন আঘাত যা জীবন সংশয় সৃষ্টি করে বা যাতে আহত ব্যক্তি বিশ দিন পর্যন্ত প্রচণ্ড দৈহিক যন্ত্রণা ভোগ করে বা সাধারণ কাজকর্ম করতে অপারগ হয়।
---------
⇒The Penal Code, 1860- Section 320- Grievous hurt:
The following kinds of hurt only are designated as "grievous":-
Firstly.-Emasculation.
Secondly.-Permanent privation of the sight of either eye.
Thirdly.-Permanent privation of the hearing of either ear.
Fourthly.-Privation of any member or joint.
Fifthly.-Destruction or permanent impairing of the powers of any member or joint.
Sixthly.-Permanent disfiguration of the head or face.
Seventhly.-Fracture or dislocation of a bone or tooth.
Eighthly.-Any hurt which endangers life or which causes the sufferer to be during the space of twenty days in severe bodily pain, or unable to follow his ordinary pursuits.

১,১৮২.
A এর মনিব কিছু মালপত্র বিক্রি করে টাকা আনার জন্য A কে পাঠায়। A তার মনিবকে বিক্রিত মালের টাকা দেয় নাই। A কি ধরনের অপরাধ করেছে?
  1. অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গ
  2. চুরি
  3. সম্পত্তি আত্মসাৎ
  4. বলপূর্বক গ্রহণ
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধি ৪০৫ ধারা মতে বিশ্বাসভরে ভারপ্রাপ্ত হয়ে অথবা আইনগত চুক্তির মাধ্যমে কোন সম্পত্তি অপরাধীর দখলে আসার পর অপরাধী উক্ত বিশ্বাস বা চুক্তির বরখেলাপ করে সম্পত্তিটি অসাধুভাবে আত্মসাৎ করলে বা অসাধুভাবে নিজের ব্যবহারে লাগালে তাকে অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ বা Criminal Breach of Trust বলে।
১,১৮৩.
A একজন সরকারি কর্মচারী, যিনি Z-কে ভুলভাবে বিশ্বাস করান যে, তার (A-এর) সরকারি প্রভাবের মাধ্যমে Z একটি উপাধি অর্জন করেছেন। এই বিশ্বাসের ফলে Z, A-কে এই কাজের জন্য পুরস্কার হিসেবে অর্থ প্রদান করেন। A দণ্ডবিধির কোন ধারার অধীনে একটি অপরাধ করেছেন?
  1. ১৫১
  2. ১৬১
  3. ২৬১
  4. ২৬৩
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ১৬১ ধারার বিধান- সরকারি কর্মচারী অবৈধ পুরস্কার গ্রহণ:
যে ব্যক্তি সরকারি কর্মচারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন বা তার দায়িত্ব গ্রহণের প্রত্যাশা করছেন, সে যদি কোনো ব্যক্তি থেকে, নিজের বা অন্য কোনো ব্যক্তির জন্য, কোনো ধরনের অবৈধ পুরস্কার গ্রহণ করে, বা গ্রহণ করতে সম্মত হয়, বা গ্রহণ করার চেষ্টা করে, এবং এটি যদি কোনো সরকারি কাজ করার বা না করার জন্য, অথবা তার সরকারি কার্যক্রমে কোনো ব্যক্তির প্রতি পক্ষে বা বিপক্ষে অনুকম্পা বা বিরোধিতা প্রদর্শন করার জন্য, বা সরকার বা আইনসভা বা অন্য কোনো সরকারি কর্মচারীর প্রতি কোনো সেবা বা অসেবা প্রদানের জন্য হয়, তবে তাকে ৩ বছরের পর্যন্ত কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডের শাস্তি দেওয়া হবে।

ব্যাখ্যা:
"সরকারি কর্মচারী হওয়ার প্রত্যাশা": যদি কোনো ব্যক্তি সরকারি কর্মকর্তা হওয়ার প্রত্যাশা না করেও অন্যদেরকে এভাবে প্রতারণা করে যে সে শীঘ্রই সরকারি কর্মচারী হবে এবং তারপর তাদের সেবা করবে, তবে সে প্রতারণার জন্য দোষী হতে পারে, কিন্তু এই ধারা অনুযায়ী অপরাধী নয়।
"গ্র্যাটিফিকেশন": "গ্র্যাটিফিকেশন" শব্দটি শুধুমাত্র আর্থিক উপকারিতা বা এমন কোনো পুরস্কারকেই বোঝায় যা টাকায় মাপা যেতে পারে, তা নয়; এটি এমন পুরস্কারকেও বোঝায় যেগুলো টাকা দিয়ে মূল্যায়ন করা যায় না।
"আইনগত পারিশ্রমিক": "আইনগত পারিশ্রমিক" শব্দটি শুধুমাত্র সরকারি কর্মচারীর দাবি করা পারিশ্রমিককেই বোঝায় না; এটি এমন সমস্ত পারিশ্রমিককেও অন্তর্ভুক্ত করে যা সে কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে গ্রহণ করতে পারে।
"কোনো কাজ করার জন্য প্রণোদনা বা পুরস্কার": যদি কোনো ব্যক্তি কোনো কাজ না করার জন্য পুরস্কার গ্রহণ করে, অথবা কোনো কাজ না করার জন্য পুরস্কার গ্রহণ করে যা সে আসলে করেনি, তবে তা এই ধারা অনুযায়ী অপরাধ বলে গণ্য হবে।

উদাহরণ:
(গ) A একজন সরকারি কর্মচারী, যিনি Z-কে ভুলভাবে বিশ্বাস করান যে, তার (A-এর) সরকারি প্রভাবের মাধ্যমে Z একটি উপাধি অর্জন করেছেন। এই বিশ্বাসের ফলে Z, A-কে এই কাজের জন্য পুরস্কার হিসেবে অর্থ প্রদান করেন। A এই ধারার অধীনে  অপরাধ করেছেন।
১,১৮৪.
কোন ব্যক্তি ব্যাংকিং কোম্পানির সাথে প্রতারণা করলে তার শাস্তি-
  1. অনধিক ২ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
  2. ৩ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
  3. শুধুমাত্র অর্থদণ্ড
  4. ৫ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধি ৪৬২-খ ধারা অনুযায়ী  কোন ব্যক্তি ব্যাংকিং কোম্পানির সাথে প্রতারণা করলে শাস্তি হলো অনধিক ২ বছর কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।
১,১৮৫.
একজন কালেক্টর যদি এমন একটি বাড়ি ভাড়া নেন যার প্রকৃত ভাড়া ২০০ টাকা কিন্তু তিনি শুধুমাত্র ৫০ টাকা দেন এবং বাড়ির মালিক তার আদালতে একটি মামলা পরিচালনা করছেন, তবে এটি কোন অপরাধের উদাহরণ?
  1. প্রতারণা
  2. ঘুষ গ্রহণ
  3. অনৈতিক লেনদেন
  4. সরকারি কর্মচারীর মাধ্যমে অবৈধ সুবিধা গ্রহণ
ব্যাখ্যা
→ একজন কালেক্টর যদি এমন একটি বাড়ি ভাড়া নেন যার প্রকৃত ভাড়া ২০০ টাকা, কিন্তু তিনি শুধুমাত্র ৫০ টাকা দেন এবং বাড়ির মালিক তার আদালতে একটি মামলা পরিচালনা করছেন, তাহলে এটি দণ্ডবিধির ১৬৫ ধারার অধীনে অপরাধ।
উত্তর: ঘ) সরকারি কর্মচারীর মাধ্যমে অবৈধ সুবিধা গ্রহণ।

- মূল অপরাধ: সরকারি কর্মচারী হওয়া সত্ত্বেও, তিনি তার ক্ষমতার অপব্যবহার করে একজন মামলাকারীর কাছ থেকে স্বাভাবিক বাজারমূল্যের চেয়ে কম মূল্যে সুবিধা গ্রহণ করেছেন।
- দণ্ডবিধির ১৬৫ ধারা অনুযায়ী: সরকারি কর্মচারী যদি তার অফিসিয়াল কাজের সাথে সংযুক্ত কোনো ব্যক্তির কাছ থেকে বিনামূল্যে বা কম মূল্যে কোনো মূল্যবান বস্তু গ্রহণ করেন, তবে এটি একটি অপরাধ। এই ক্ষেত্রে, কালেক্টর “অপর্যাপ্ত বিনিময়ে মূল্যবান বস্তু গ্রহণ” করেছেন, যা এই ধারার আওতায় পড়ে।
- কালেক্টর এখানে সরাসরি ঘুষ নেননি, তবে তিনি তার পদমর্যাদার সুযোগ নিয়ে অন্যের কাছ থেকে অনৈতিক সুবিধা নিয়েছেন।
- এটি ঘুষ গ্রহণের মতো সরাসরি আর্থিক লেনদেন না হলেও, তার সরকারি অবস্থানের কারণে তিনি সুবিধাটি পেয়েছেন।
- একে প্রভাব খাটিয়ে সুবিধা গ্রহণ (Undue Advantage) বলে গণ্য করা হয়, যা আইনের চোখে শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
- ঘুষ সাধারণত সরাসরি কোনো কাজ সম্পাদনের জন্য নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ বা সম্পদ গ্রহণের বিষয়টি বোঝায়। কিন্তু এখানে কালেক্টর সরাসরি কোনো অর্থ নেয়নি, বরং কম ভাড়ায় বাড়ি ভাড়া নিয়েছে, যা তাকে অন্যায়ভাবে লাভবান করেছে।
সুতরাং, এটি ‘সরকারি কর্মচারীর মাধ্যমে অবৈধ সুবিধা গ্রহণ’ (ঘ) অপশনটির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

⇒ দণ্ডবিধির ১৬৫ ধারার বিধান সরকারি কর্মচারীর দ্বারা বিনা প্রতিদানে মূল্যবান বস্তু গ্রহণ:
যদি কোনো সরকারি কর্মচারী তার নিজের বা অন্য কোনো ব্যক্তির জন্য বিনা প্রতিদানে বা অপর্যাপ্ত প্রতিদানে কোনো মূল্যবান বস্তু গ্রহণ করেন বা গ্রহণে সম্মত হন বা গ্রহণের চেষ্টা করেন, এবং সেই বস্তুটি এমন কোনো ব্যক্তির কাছ থেকে আসে—
যার কোনো কার্যক্রম বা মামলা সরকারি কর্মচারীর সামনে চলমান, সম্পন্ন হয়েছে বা ভবিষ্যতে হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, অথবা
যার অফিসিয়াল দায়িত্বের সাথে কোনোভাবে সংযুক্তি রয়েছে, অথবা
যে ব্যক্তি এমন কারো সাথে সম্পর্কিত বা আগ্রহী, যিনি সরকারি কর্মচারীর কার্যাবলিতে জড়িত,
শাস্তি: এই অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ তিন বছর মেয়াদে কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হতে পারে।

উদাহরণ:
(ক) A একজন কালেক্টর, তিনি Z-এর একটি বাড়ি ভাড়া নেন, যার মামলা তার আদালতে বিচারাধীন। বাড়িটির প্রকৃত ভাড়া ২০০ টাকা হলেও A মাত্র ৫০ টাকা ভাড়া দেন। এটি অপর্যাপ্ত প্রতিদানে মূল্যবান বস্তু গ্রহণের অপরাধ।
(খ) A একজন বিচারক। তিনি Z-এর কাছ থেকে সরকারি বন্ড কম দামে কেনেন, যখন সেগুলো বাজারে বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। যেহেতু Z-এর মামলা তার আদালতে বিচারাধীন, এটি অন্যায্য সুবিধা গ্রহণের শামিল।
(গ) Z-এর ভাই মিথ্যা সাক্ষ্যের অভিযোগে A ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির হন। A এরপর Z-এর কাছে ব্যাংকের শেয়ার বেশি দামে বিক্রি করেন, যদিও বাজারে সেগুলোর মূল্য কম। এটি অন্যায্য সুবিধা গ্রহণের অপরাধ।
------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section- 165. Public servant obtaining valuable thing, without consideration, from person concerned in proceeding or business transacted by such public servant: 
Whoever, being a public servant, accepts or obtains, or agrees to accept or attempts to obtain, for himself, or for any other person, any valuable thing without consideration, or for a consideration which he knows to be inadequate, 
from any person whom he knows to have been, or to be, or to be likely to be concerned in any proceeding or business transacted or about to be transacted by such public servant, or having any connection with the official functions of himself or of any public servant to whom he is subordinate, 
or from any person whom he knows to be interested in or related to the person so concerned, 
shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both. 
 
Illustrations:
(a) A, a Collector, hires a house of Z, who has a settlement case pending before him. It is agreed that A shall pay fifty taka a month, the house being such that, if the bargain were made in good faith, A would be required to pay two hundred taka a month. A has obtained a valuable thing from Z without adequate consideration. 
(b) A, a Judge, buys of Z, who has a case pending in A's Court, Government promissory notes at a discount, when they are selling in the market at a premium. A has obtained a valuable thing from Z without adequate consideration. 
(c) Z's brother is apprehended and taken before A, a Magistrate, on a charge of perjury. A sells to Z shares in a bank at a premium, when they are selling in the market at a discount. Z pays A for the shares accordingly. The money so obtained by A is a valuable thing obtained by him without adequate consideration.
১,১৮৬.
কোন ক্ষেত্রে নির্জন কারাবাস (solitary confinement) প্রদান করা যায়?
  1. বিনাশ্রম কারাদণ্ডের ক্ষেত্রে
  2. সশ্রম কারাদণ্ডের ক্ষেত্রে
  3. অর্থদণ্ড ক্ষেত্রে
  4. অর্থদণ্ড অনাদায়ে কারাদণ্ডের ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
শুধুমাত্র সশ্রম কারাদণ্ডের ক্ষেত্রে নির্জন কারাবাস দেয়া হয়। নির্জন কারাবাস সর্বমোট ৩ মাসের বেশি হবে না।

♦ দণ্ডবিধির ৭৩ ধারার বিধান, নির্জন কারাবাস:- যদি কোন ব্যক্তিকে এমন কোন অপরাধের জন্য দণ্ডিত করা হয়, যে অপরাধের জন্য আদালত এই আইনবলে তাকে সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারেন তবে, আদালত তার দণ্ডাজ্ঞার মাধ্যমেই আদেশ করতে পারবেন যে অপরাধীকে তার বিরুদ্ধে প্রদত্ত কারাদণ্ডের মেয়াদের কোন অংশবিশেষের বা কয়েকটি অংশের জন্য-যা সর্বসাকুল্যে তিন মাসের বেশি হতে পারবে না-নির্জন কারাবাসে আবদ্ধ রাখা হবে বিভিন্ন ক্ষেত্রে কতসময়ের জন্য অপরাধীকে নির্জন কারাবাসে আবদ্ধ রাখা হবে তা নিম্নে নির্দেশ করা যাচ্ছে: কারাদণ্ডের মেয়াদ ছয় মাসের অধিক না হলে অনধিক এক মাস পর্যন্ত; কারাদণ্ডের মেয়াদ ছয় মাসের অধিক কিন্তু এক বৎসরের অনধিক হলে অনধিক দুই মাস পর্যন্ত; কারাদণ্ডের মেয়াদ এক বৎসরের অধিক হলে অনধিক তিন মাস পর্যন্ত।
১,১৮৭.
অভি নিজের সাথে ধারালো অস্ত্র বহন করে একটি বেআইনী সমাবেশে যোগদান করে। দণ্ডবিধির ১৪৪ ধারা অনুযায়ী, অভির বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ কী ধরনের শাস্তি প্রযোজ্য?
  1. ৩ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড
  2. ২ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড
  3. ২ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  4. ২ বছরের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ১৪৪ ধারা- মারাত্মক অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে বেআইনী সমাবেশে যোগদান করা:
কোন ব্যক্তি যদি মারাত্মক অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে অথবা যে বস্তু অপরাধের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করলে মৃত্যু ঘটতে পারে তা কর্তৃক সজ্জিত হয়ে কোন বেআইনী সমাবেশে যোগদান করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

Section 144- Joining unlawful assembly armed with deadly weapon:
Whoever, being armed with any deadly weapon, or with anything which, used as a weapon of offence, is likely to cause death, is a member of an unlawful assembly, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
১,১৮৮.
'ক', 'ম'- কে একটি দেয়ালঘেরা জায়গায় যেতে বাধ্য করে এবং সেখানে 'ম' কে তালাবদ্ধ করে রাখে। ফলে, 'ম' দেয়ালের মধ্যবর্তী নির্দিষ্ট সীমার বাইরে যেতে অসমর্থ হয়। দণ্ডবিধি অনুযায়ী ক এর অপরাধটি কী নামে অভিহিত হবে?
  1. অবৈধ অবরোধ
  2. অবৈধ অর্পণ
  3. অন্যায় নিয়ন্ত্রণ
  4. অবৈধ বল প্রয়োগ
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩৪০ ধারার বিধান- অবৈধ অবরোধ:
যে ব্যক্তি কোন ব্যক্তির চলাচলে অবৈধভাবে এমন নিয়ন্ত্রণ আরোপ করে যে, উক্ত ব্যক্তি নিৰ্দিষ্ট সীমা অতিক্রম করতে পারে না, তবে সে ব্যক্তি উক্ত ব্যক্তিকে অবৈধভাবে অবরোধ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

উদাহরণ:
(ক) ক, চ-কে একটি দেয়াল-ঘেরা জায়গায় যেতে বাধ্য করে এবং সেখানে চ-কে তালাবদ্ধ করে রাখে। ফলে চ সে দেয়ালের মধ্যবর্তী নির্দিষ্ট সীমার বাইরে যেতে অসমর্থ হয়। ক চ-কে অবৈধভাবে অবরোধ করেছে।

(খ) ক কোন অট্টালিকার সকল বহির্দ্বারে আগ্নেয়াস্ত্রে-সজ্জিত ব্যক্তিদের মোতায়েন করে চ-কে বলে যে, চ অট্টালিকা হতে নিষ্ক্রমণের চেষ্টা করলে আগ্নেয়াস্ত্র-সজ্জিত ব্যক্তিরা চ-এর প্রতি গুলিবর্ষণ করবে। ক অবৈধভাবে চ-কে অবরোধ করেছে।
১,১৮৯.
বেআইনি সমাবেশের সদস্য হওয়ার শাস্তি কী?
  1. ১ বছর কারাদণ্ড বা অর্থদন্ড
  2. ৬ মাস কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড
  3. ৩ মাস কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
  4. ৬ মাস কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
ব্যাখ্যা
♦ পেনাল কোড-এর ১৪৩ ধারায় এই অপরাধের শাস্তি বর্ণিত আছে যা ৬ মাস কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
১,১৯০.
দণ্ডবিধির ৭০ ধারা অনুযায়ী, সাধারণত অর্থদণ্ড আদায় করা যাবে দণ্ডাদেশ দানের পরবর্তী কত বছরের মধ্যে?
  1. তিন বৎসরের মধ্যে
  2. পাঁচ বৎসরের মধ্যে
  3. ছয় বৎসরের মধ্যে
  4. দশ বৎসরের মধ্যে
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৭০-এর প্রথম অংশে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে: "অর্থদণ্ড বা উহার কোন অপরিশোধিত অংশ দণ্ডাদেশ দানের পরবর্তী ছয় বৎসরের মধ্যে যে কোন সময়ে আদায় করা যাবে" এটি সাধারণ নিয়ম। তবে এর একটি ব্যতিক্রম হলো: যদি অপরাধীর কারাদণ্ডের মেয়াদ ৬ বছরের বেশি হয়, তাহলে অর্থদণ্ড আদায় করা যাবে উক্ত কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে যে কোন সময়ে।

⇒ দণ্ডবিধির ৭০ ধারার বিধান- অর্থদণ্ড ছয় বৎসরের মধ্যে বা কারাদণ্ড চলতে থাকাকালে আদায়যোগ্য: মৃত্যুর ফলে সম্পত্তি দায়মুক্ত হবে না:-
- অর্থদণ্ড বা উহার কোন অপরিশোধিত অংশ দণ্ডাদেশ দানের পরবর্তী ছয় বৎসরের মধ্যে যে কোন সময়ে আদায় করা যাবে, এবং উক্ত দণ্ডাদেশ বলে অপরাধী যদি ছয় বৎসর হতেও দীর্ঘতর মেয়াদের জন্য কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়, তবে অর্থদণ্ড বা উহার কোন অপরিশোধিত অংশ উক্ত কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে যে কোন সময়ে আদায় করা হবে; অপরাধীর মৃত্যুর পর তার যে সম্পত্তি তার দায় পরিশোধ আইনত দায়গ্রস্ত হতে পারে, অপরাধীর মৃত্যুর ফলে অনুরূপ সম্পত্তি দায়মুক্ত হবে না।

⇒ The Penal Code, 1860 -Section- 70. Fine leviable within six years, or during imprisonment Death not to discharge property from liability:
The fine, or any part thereof which remains unpaid, may be levied at any time within six years after the passing of the sentence, and if, under the sentence, the offender be liable to imprisonment for a longer period than six years, then at any time previous to the expiration of that period; and the death of the offender does not discharge from the liability of any property which would, after his death, be legally liable for his debts.

১,১৯১.
দণ্ডবিধিতে মানহানি অপরাধের জন্য প্রদত্ত শাস্তি কী?
  1. ২ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়
  2. ৩ বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়
  3. ২ বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়
  4. ৩ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারায় মানহানি বা defamation এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে।

মানহানি:
কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির খ্যাতি বা সুনাম নষ্ট করার উদ্দেশ্যে বা তার খ্যাতি বা সুনাম নষ্ট হবে বলে জানা সত্ত্বেও বা তার বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও কথিত বা পঠিত হওয়ার জন্য অভিপ্রেত কথা বা চিহ্ন কর্তৃক বা দৃশ্যমান কল্পমূর্তির সাহায্যে সে ব্যক্তি সম্পর্কিত কোন নিন্দাবাদ প্রণয়ন বা প্রকাশ করে, তবে নিম্নে নির্দেশিত ব্যতিক্রমসমূহ ছাড়াই অন্যান্য ক্ষেত্রে, সে ব্যক্তি উক্ত অন্য ব্যক্তির মানহানি করে বলে পরিগণিত হয়।
 
ব্যাখ্যা ১:- যে মৃত ব্যক্তির জীবনকালে তার সম্পর্কে কোন নিন্দা করা হলে তার মানহানি ঘটত, সে মৃত ব্যক্তি সম্পর্কে অনুরূপ কোন নিন্দাবাদ এবং সে মৃত ব্যক্তির পরিবার-পরিজনের বা অন্যান্য কাছে আত্মীয়ের মনকে পীড়িত করার উদ্দেশ্যে অনুরূপ নিন্দাবাদ করা, মানহানি বলে পরিগণিত হবে।
 
ব্যাখ্যা ২:- কোন কোম্পানি বা সংঘ বা ব্যক্তিসমাবেশ সম্পর্কে সমষ্টিগতভাবে কোন নিন্দাবাদ করা মানহানি বলে পরিগণিত হতে পারে।
 
ব্যাখ্যা ৩:- বিকল্পরূপে বা বিদ্রূপাত্মকরূপে ব্যক্ত কোন নিন্দাবাদ মানহানির সামিল হতে পারে।
 
ব্যাখ্যা ৪:- কোন ব্যক্তি সম্পর্কে কোন নিন্দাবাদ প্রত্যক্ষভাবে বা পরোক্ষভাবে অন্যান্য ব্যক্তির দৃষ্টিতে সে ব্যক্তির নৈতিক বা বুদ্ধিগত চরিত্র হেয় না করলে, অথবা তার বর্ণ বা সম্প্রদায় কিংবা তার পেশার দিক হতে সে ব্যক্তির চরিত্রকে হেয় না করলে, অথবা সে ব্যক্তির প্রসিদ্ধি ক্ষুন্ন না করলে, অথবা তার দেহ বীভৎস বা ঘৃণা অবস্থায় বা যে অবস্থা সাধারণভাবে অরুচির বলে গণ্য, সে অবস্থায় রয়েছে বলে বিশ্বাস সৃষ্টি না করলে, সে ব্যক্তি সম্পর্কে উক্ত নিন্দাবাদ তার খ্যাতি বা সুনাম নষ্ট করে নাই বলে পরিগণিত হয়।
 
ব্যতিক্রম (Exception):
৪৯৯ ধারায় মানহানির ১০ টি ব্যতিক্রম (Exception) রয়েছে অর্থাৎ এই ১০ টি ক্ষেত্রে কোন মানহানিকর উক্তি বা তথ্য প্রকাশ করা হলেও মানহানির অপরাধ হবে না-
 
১) জনস্বার্থে বা জনগণের কল্যাণের জন্য কারো প্রতি সত্য-দোষারোপ করা হলে;
২) জনগণের প্রতি সরকারি কর্মচারীর আচরণ সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে কোন অভিমত প্রকাশ করা হলে;
৩) কোন জনসমস্যা/গণসমস্যা সম্পর্কে কোন ব্যক্তির আচরণ সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে অভিমত প্রকাশ করা হলে;
৪) কোন আদালতের কার্য বিবরণীর রিপোর্ট প্রকাশ করা হলে;
৫) আদালত কর্তৃক সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে এমন কোন ফৌজদারি বা দেওয়ানি মোকদ্দমার দোষ, গুণ বা সাক্ষী বা সাক্ষ্যের সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে কোন অভিমত প্রকাশ করা হলে;

৬) কোন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার ভার জনগণের উপর ন্যস্ত করা হলে তখন এ বিষয়ে সৎ বিশ্বাসে অভিমত প্রকাশ করা হলে, যেমন- কোন ব্যক্তি কোন বই প্রকাশ করলে বা প্রকাশ্য স্থানে বক্তৃতা দিলে তখন তা বিচার করার জন্য জনগণের কাছে উপস্থাপন করা হয়েছে বলে গণ্য করা হবে;
৭) অন্যের উপর আইনসম্মতভাবে ক্ষমতা রয়েছে এমন ব্যক্তি সরল বিশ্বাসে কোন নিন্দা করলে;
৮) ক্ষমতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তির নিকট সৎ বিশ্বাসে অভিমত দেয়া হলে;
৯) কোন ব্যক্তি নিজের বা অন্যের স্বার্থ রক্ষা করতে গিয়ে বা জনস্বার্থে সৎ বিশ্বাসে কোন দোষারোপ করলে;
১০) জনকল্যাণে সৎ বিশ্বাসে কোন ব্যক্তিকে সতর্ক করে কিছু বলা হলে;
 
শাস্তি:
ধারা ৫০০ অনুযায়ী, মানহানি অপরাধের শাস্তি- ২ বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়।
১,১৯২.
দণ্ডবিধির কোন ধারায়ব মৃত্যুদণ্ডযোগ্য অপরাধ সংঘটনের উদ্দেশ্যে গৃহ-অনধিকার প্রবেশের শাস্তির বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ৪৪৭
  2. ধারা ৪৪৮
  3. ধারা ৪৪৯
  4. ধারা ৪৫০
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪৪৯ অনুসারে, যে কেউ মৃত্যুদণ্ডযোগ্য অপরাধ (যেমন হত্যা, ধারা ৩০২) সংঘটনের উদ্দেশ্যে গৃহে অনধিকার প্রবেশ (House-trespass) করে, তার শাস্তি হলো যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা ১০ বছর পর্যন্ত কঠোর কারাদণ্ড এবং জরিমানা।

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৪৪৯: মৃত্যুদণ্ডযোগ্য অপরাধ করার উদ্দেশ্যে গৃহে অনধিকার প্রবেশ-
যে কেউ কোনো মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ সংঘটন করার উদ্দেশ্যে গৃহে অনধিকার প্রবেশ করলে তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা দশ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হবে এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।

⇒ The Penal Code,1860-Section 449: House-trespass in order to commit offence punishable with death-
Whoever commits house-trespass in order to the committing of any offence punishable with death, shall be punished with imprisonment for life, or with rigorous imprisonment for a term not exceeding ten years, and shall also be liable to fine.

১,১৯৩.
সরকারি কর্মচারীকে দায়িত্ব পালন থেকে বিরত রাখার উদ্দেশ্যে স্বেচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর আঘাত করলে, কোন ধারা অনুসারে মামলা করা যাবে?
  1. দণ্ডবিধির ৩১৩ ধারা
  2. দণ্ডবিধির ৩৩৩ ধারা
  3. দণ্ডবিধির ৩৪৩ ধারা
  4. দণ্ডবিধির ৩৫৩ ধারা
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩৩৩ ধারা: সরকারি কর্মচারীকে স্বেচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর আঘাত:
যদি কোনো ব্যক্তি কোনো সরকারি কর্মচারীকে তার দায়িত্ব পালনকালে স্বেচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর আঘাত দেয়, অথবা তাকে তার দায়িত্ব পালন থেকে বিরত রাখার উদ্দেশ্যে গুরুতর আঘাত করে, অথবা সরকারি কর্মচারীর দায়িত্ব পালনকালে কিছু করার পরিণামে গুরুতর আঘাত করে, তবে সেই ব্যক্তি সর্বোচ্চ ১০ বছর মেয়াদের কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।

Section 333- Voluntarily causing grievous hurt to deter public servant from his duty:
Whoever voluntarily causes grievous hurt to any person being a public servant in the discharge of his duty as such public servant, or with intent to prevent or deter that person or any other public servant from discharging his duty as such public servant, or in consequence of anything done or attempted to be done by that person in the lawful discharge of his duty as such public servant, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.
১,১৯৪.
দণ্ডবিধির ১৭৭ ধারায় কোন অপরাধের কথা বলা হয়েছে?
  1. প্রতারণা
  2. ঘুষ গ্রহণ
  3. মিথ্যা তথ্য পরিবেশন
  4. সরকারি নথি জালিয়াতি
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৭৭ ধারা- মিথ্যা তথ্য পরিবেশন:
কোন ব্যক্তি যদি কোন সরকারি কর্মচারীর নিকট, তিনি সরকারি কর্মচারী বলেই, কোন বিষয়ে তথ্য দিতে আইনত: বাধ্য হয়ে, সে বিষয়টির উপর সত্য বলে এমন কোন তথ্য পরিবেশন করে যা মিথ্যা বলে সে জানে বা যা মিথ্যা বলে বিশ্বাস করার তার কারণ রয়েছে, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে;
অথবা, উক্ত ব্যক্তি যে তথ্য দিতে আইনত বাধ্য, তা যদি কোন অপরাধের সংঘটন বিষয়ক হয়, বা কোন অপরাধের সংঘটন নিরোধের জন্য আবশ্যকীয় হয়, বা কোন অপরাধীকে গ্রেফতার করার জন্য আবশ্যকীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

Section 177- Furnishing false information:
Whoever, being legally bound to furnish information on any subject to any public servant, as such, furnishes, as true, information on the subject which he knows or has reason to believe to be false, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to six months, or with fine which may extend to one thousand taka, or with both;
or, if the information which he is legally bound to give respects the commission of an offence, or is required for the purpose of preventing the commission of an offence, or in order to the apprehension of an offender, with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
১,১৯৫.
দণ্ডবিধির ১১৭ ধারার অধীনে কোন কাজটি শাস্তিযোগ্য?
  1. দশজনের কম ব্যক্তিকে অপরাধ সংঘটনে বাধ্য করা
  2. একক ব্যক্তি দ্বারা অপরাধ সংঘটনে সাহায্য করা
  3. দশজনের অধিকসংখ্যক ব্যক্তি দ্বারা অপরাধ সংঘটনে সাহায্যকরণ
  4. জনসাধারণকে কোন উন্নয়নমূলক কাজ থেকে বিরত রাখা
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ১১৭ ধারা- জনসাধারণ বা দশজনের অধিকসংখ্যক ব্যক্তি দ্বারা অপরাধ সংঘটনে সাহায্যকরণ:
জনসাধারণ দ্বারা অথবা দশজনের অধিক সংখ্যক ব্যক্তি বা ব্যক্তিগোষ্ঠী দ্বারা অপরাধ সংঘটনে কেউ সাহায্য করলে তাকে তিন বৎসর পর্যন্ত কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হবে অথবা জরিমানা দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে অথবা উভয়বিধ দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।

Section 117- Abetting commission of offence by the public, or by more than ten persons:
Whoever abets the commission of an offence by the public generally or by any number or class of persons exceeding ten, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both.
১,১৯৬.
কোনো ব্যক্তি পুলিশ অফিসারের গ্রেফতার কাজে সহায়তা করতে অস্বীকার করলে, তিনি দণ্ডবিধির অধীন সর্বোচ্চ কারাদণ্ড পেতে পারে-
  1. ৬ মাস
  2. ৩ মাস
  3. ২ মাস
  4. ১ মাস
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ১৮৭ ধারা- সরকারী কর্মচারীকে সহায়তা করতে আইনত: বাধ্য হওয়া সত্ত্বেও তাঁদের অনুরূপ সহায়তা না করা:

কোন ব্যক্তি যদি কোন সরকারী কর্মচারীকে তাঁর সরকারী কর্তব্য সম্পাদনে সহায়তা করতে বা সহায়তা সংগ্রহ করে দিতে আইনত বাধ্য হওয়া সত্ত্বেও অনুরূপ সহায়তা দিতে ইচ্ছাপূর্বক অন্যথা করে, তবে সে ব্যক্তি এক মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা দুইশত টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয় দণ্ডেই দণ্ডিত হবে;
এবং অনুরূপ সহায়তা যদি কোন আদালত হতে আইনসম্মতভাবে দেওয়া সমনাদি বলবৎ করার জন্য অথবা কোন অপরাধের সংঘটন নিবারণের জন্য, অথবা কোন দাঙ্গা বা কলহ দমনের জন্য অথবা কোন অপরাধে বা আইনসম্মত আটক হতে পলায়নের দায়ে অভিযুক্ত বা অপরাধী ব্যক্তিকে গ্রেফতার করার জন্য সহায়তা দাবি করতে আইনসম্মত-ভাবে ক্ষমতাসম্পন্ন কোন সরকারী কর্মচারী দাবি করে থাকেন, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা পাঁচশত টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

Section 187- Omission to assist public servant when bound by law to give assistance:
Whoever, being bound by law to render or furnish assistance to any public servant in the execution of his public duty, intentionally omits to give such assistance, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to one month, or with fine which may extend to two hundred taka, or with both;
and if such assistance be demanded of him by a public servant legally competent to make such demand for the purposes of executing any process lawfully issued by a Court of Justice, or of preventing the commission of an offence, or of suppressing a riot, or affray, or of apprehending a person charged with or guilty of an offence, or of having escaped from lawful custody, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to six months, or with fine which may extend to five hundred taka, or with both.
১,১৯৭.
গুরুতর আঘাতের ভয় দেখিয়ে বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় করার ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন কারাদণ্ড হতে পারে-
  1. ৩ বছর
  2. ৫ বছর
  3. ৭ বছর
  4. ১০ বছর
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩৮৭ ধারা: প্রাণনাশ বা গুরুতর আঘাতের ভয় দেখিয়ে বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় করা:
যে কেউ বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় করার উদ্দেশ্যে কোনো ব্যক্তিকে অথবা অন্য কাউকে প্রাণনাশের বা গুরুতর আঘাতের ভয় দেখায় বা দেখানোর চেষ্টা করে, তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হবে এবং এই কারাদণ্ডের মেয়াদ সাত বছরের কম হবে না, এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা হবে।

Section 387- Putting person in fear of death or of grievous hurt, in order to commit extortion:
Whoever, in order to the committing of extortion, puts or attempts to put any person in fear of death or of grievous hurt to that person or to any other, shall be punished with imprisonment for life and shall not be less than seven years, and shall also be liable to fine.
১,১৯৮.
দণ্ডবিধির ৮৩ ধারা অনুসারে, শিশুর কাজের প্রকৃতি ও ফলাফল বিচার করার জন্য কী প্রয়োজন?
  1. পর্যাপ্ত অর্থ 
  2. পর্যাপ্ত বয়স
  3. পর্যাপ্ত অভিজ্ঞতা
  4. পর্যাপ্ত বুদ্ধির পরিপক্কতা 
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৮৩ ধারায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, নয় বৎসরের অধিক কিন্তু বার বৎসরের কম বয়সী শিশুর কোনো কাজ অপরাধ হবে না, যদি সেই শিশু সংশ্লিষ্ট কাজের সময় তার প্রকৃতি ও ফলাফল বিচার করার পক্ষে পর্যাপ্ত বুদ্ধির পরিপক্কতা (sufficient maturity of understanding) লাভ না করে থাকে। অর্থাৎ, শিশুর বুদ্ধিমত্তা এবং সচেতনতা বিবেচনা করে দোষীত্ব নির্ধারণ করা হয়।
সুতরাং, ৯ থেকে ১২ বছর বয়সী শিশুর ক্ষেত্রে অপরাধের জন্য দায়ী হতে পর্যাপ্ত বুদ্ধির পরিপক্কতা থাকা আবশ্যক। বয়স, অর্থ বা অভিজ্ঞতা নয়। অতএব, সঠিক উত্তর ঘ) পর্যাপ্ত বুদ্ধির পরিপক্কতা।

⇒ দণ্ডবিধির ৮২ ধারার বিধান নয় বৎসরের কম বয়সের শিশু দ্বারা সম্পাদিত কাজ:- নয় বৎসরের কম বয়স্ক শিশুর কোন কার্যই অপরাধ নয়।
⇒ দণ্ডবিধির ৮৩ ধারার বিধান নয় বৎসরের অধিক কিন্তু বার বৎসরের কম বয়সের অপরিণত বুদ্ধিসম্পন্ন শিশু দ্বারা সম্পাদিত কাজ:- নয় বৎসর অপেক্ষা বেশি কিন্তু বার বৎসর অপেক্ষা কম বয়সের এমন কোন শিশুর কোন কাজ অপরাধ বলে গণ্য হবে না, যে শিশু সংশ্লিষ্ট কাজটি করার সময় উহার প্রকৃতি ও ফলাফল বিচার করার পক্ষে পর্যাপ্ত বুদ্ধির পরিপক্কতা লাভ করে নাই।
------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 82. Act of a child under nine years of age:- Nothing is an offence which is done by a child under nine years of age.
⇒ The Penal Code, 1860, Section 83. Act of a child above nine and under twelve of immature understanding:
 Nothing is an offence which is done by a child above nine years of age and under twelve, who has not attained sufficient maturity of understanding to judge of the nature and consequences of his conduct on that occasion.

১,১৯৯.
অপরাধী মন বা অপরাধ করার ইচ্ছাকে কী বলা হয়?
  1. Actus reus
  2. Mens Rea
  3. Guilty act
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
• কোন ব্যক্তিকে ফৌজদারী অপরাধে অভিযুক্ত করতে প্রধানত ২টি শর্ত অবশ্যই পূরণ করতে হয়।
(i) অপরাধী মন [Mens Rea]; এবং
(ii) দোষাবহ কার্য বা অপরাধজনক কার্য [Actus reus]।

“Mens rea' শব্দের অর্থ ‘অপরাধী মন' (guilty mind)। অপরাধ সংঘটনের সময়ে আসামীর মনের অবস্থা “Mens rea' নামে পরিচিত। এটা ‘অপরাধীর দুষ্টমন' নামেও পরিচিত। একজন অপরাধী শুধু তার অপরাধজনক কার্যের জন্যই দায়ী হয় না বরং সে তার কার্যের সাথে তার অপরাধী মন বা অপরাধ করার ইচ্ছা বা উদ্দেশ্যের জন্যই বিশেষভাবে দায়ী হয়ে থাকে। এই অপরাধী মন বা অপরাধ করার ইচ্ছাকে বলা হয় mens rea বা guilty mind.
১,২০০.
নির্বাচনে মিথ্যা পরিচয় দানের শাস্তির বিধান আছে কত ধারায়?
  1. ১৭১ঘ ধারায়
  2. ১৭১চ ধারায়
  3. ১৭১ছ ধারায়
  4. ১৭১জ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ১৭১ঘ ধারার বিধান নির্বাচনে মিথ্যা পরিচয় দান:- কোন ব্যক্তি যদি কোন নির্বাচনে অপর কোন জীবিত বা মৃত ব্যক্তির নামে ভোটের কাগজের জন্য প্রার্থনা করে বা অপর কোন জীবিত বা মৃত ব্যক্তির নামে ভোটদান করে বা কোন কল্পিত নামে ভোটের কাগজ প্রার্থনা বা ভোটদান করে অথবা অনুরূপ নির্বাচনে একবার ভোটদানের পর পুনরায় একই নির্বাচনে নিজের নামে ভোটের কাগজ চায় এবং কোন ব্যক্তি যদি অনুরূপ কোন উপায়ে কোন ব্যক্তি দ্বারা ভোটদানে সহায়তা করে বা অনুরূপ কোন উপায়ে কোন ব্যক্তির ভোট সংগ্রহ করে বা সংগ্রহ করার চেষ্টা করে, তবে সে ব্যক্তি নির্বাচনে মিথ্যা পরিচয়দানের অপরাধে অপরাধী হবে।

♦ দণ্ডবিধির ১৭১চ ধারার বিধান নির্বাচনে অবৈধ প্রভাব বিস্তার বা মিথ্যা পরিচয়দানের সাজা :- কোন ব্যক্তি যদি কোন নির্বাচনে অবৈধ প্রভাব বিস্তার বা মিথ্যা পরিচয়দানের অপরাধ করে, তবে সে ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

--------------------
♦ Section 171D. Personation at elections:-Whoever at an election applies for a voting paper or votes in the name of any other person, whether living or dead, or in a fictitious name, or who having voted once at such election applies at the same election for a voting paper in his own name, and whoever abets, procures or attempts to procure the voting by any person in any such way, commits the offence of personating at an election.

♦ Section 171F. Punishment for undue influence or personation at an election:- Whoever commits the offence of undue influence of personation at an election shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one year, or with fine, or with both.