ব্যাখ্যা
• শুদ্ধ বানান- তোশক।
- সঠিক উচ্চারণ: তোশোক্।
- এটি একটি ফারসি শব্দ।
অর্থ:
- বিছানায় চাদরের নিচে পাতা হয় এমন তুলা কৃত্রিম স্পঞ্জ প্রভৃতির তৈরি গদিবিশেষ।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ২৫ / ২৭ · ২,৪০১–২,৫০০ / ২,৬৯১
• শুদ্ধ বানান- তোশক।
- সঠিক উচ্চারণ: তোশোক্।
- এটি একটি ফারসি শব্দ।
অর্থ:
- বিছানায় চাদরের নিচে পাতা হয় এমন তুলা কৃত্রিম স্পঞ্জ প্রভৃতির তৈরি গদিবিশেষ।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
সঠিক উত্তর হলো: ঘ) বানান ও বিভক্তির।
ব্যাখ্যা:
বাক্যটি হলো: “পুরান চাল ভাতে বাড়ে।” এই বাক্যে দুটি প্রধান ভুল রয়েছে: বানান এবং বিভক্তি সংক্রান্ত।
এখানে ভুল হয়েছে দুই জায়গায়:
১. বানানের ভুল- "পুরান" ভুল বানান।
সঠিক বানান: পুরাণ (তৎসম শব্দ, অর্থ: পুরাতন/পুরোনো)। বাংলা একাডেমি অভিধান ও প্রমিত বানানে "পুরাণ"ই সঠিক।
২. বিভক্তির ভুল "পুরাণ চালে" এবং "ভাত বাড়ে" হবে সঠিক রূপ।
এখানে বলা উচিত:
পুরাণ চালে ভাত বাড়ে।
সঠিক বাক্য: "পুরাণ চালে ভাত বাড়ে।" (অর্থ: পুরোনো চাল রান্না করলে ভাতের পরিমাণ বেশি হয়।)
উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান; বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ), ভাষা শিক্ষা- ড. হায়াৎ মামুদ; বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম অনুসারে,
• মূর্চ্ছা- বানানটি অশুদ্ধ ।
• প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম:
রেফের পর ব্যঞ্জনবর্ণের দ্বিত্ব হবে না।
যেমন:
- অর্জ্জন, ঊর্দ্ধ, কার্ত্তিক, কর্ম্ম, মূর্চ্ছা, কার্য্য ইত্যাদির পরিবর্তে যথাক্রমে- অর্জন, ঊর্ধ্ব, কার্তিক, কর্ম, মূর্ছা, কার্য ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা একাডেমি, প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম।
শুদ্ধ বানান- বেণু।
কতকগুলো শব্দে স্বভাবতই 'ণ' হয়।
যেমন:
চাণক্য, মাণিক্য, গণ, বাণিজ্য, লবণ, মণ, বেণু, বীণা, কঙ্কণ, কণিকা, স্থাণু, ফণী ইত্যাদি।
অন্যদিকে,
- অশুদ্ধ: কান্ড।
- শুদ্ধ: কাণ্ড।
- অশুদ্ধ: কুর্ণিশ।
- শুদ্ধ: কুর্নিশ।
- অশুদ্ধ: মনিকা।
- শুদ্ধ: মণিকা।
উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
• বাংলা একাডেমির প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী ‘গ্রীস’ শব্দটির বানান ভুল।
--------------------
• দেশের নাম লিখতে ই-কার ব্যবহার:
- যে কোনো দেশের নাম লিখার সময় সাধারণভাবে ই-কার ব্যবহার করা যায়।
- উদাহরণস্বরূপ—
- গ্রিস, জার্মানি, ইতালি, হাঙ্গেরি ইত্যাদি।
- তবে কিছু দেশের ক্ষেত্রে এটি ব্যতিক্রম,
- যেখানে ই-কার প্রয়োগ করা হয় না।
- এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য—শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
'স্বতন্ত্রতা' এবং 'স্বাতন্ত্র্য' - দুটি শব্দই সঠিক।
ভুল শব্দগুলোর শুদ্ধরূপঃ
পাপিষ্টতর/পাপিষ্টতম = পাপিষ্ট
মহিমামণ্ডিত = মহিমমণ্ডিত
দৈন্যতা = দৈন্য, দীনতা।
উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
• শুদ্ধ বানান - 'প্রোজ্জ্বল'
অন্যদিকে,
• অশুদ্ধ - শুদ্ধ
- গোধূলী - গোধূলি,
- বুদ্ধিজীবি - বুদ্ধিজীবী।
- অন্তর্জগত - অন্তর্জগৎ।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
শুদ্ধ বানানগুলো হলো :
অন্তরিন
মুহূর্ত
শুশ্রূষা
উৎস : ভাষা-শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ, বাংলা ব্যাকরণ, ড. শাজাহান মনির, বাংলা একাডেমি প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণির ব্যাকরণ, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাকরণ।
সঠিক শব্দ - দুষ্প্রাপ্য, পরস্পর, নিষ্পত্তি, স্নেহাস্পদ।
উৎসঃ বাংলা একাডেমি অভিধান
• তার সৌজন্যে আমি সুযোগটি পেয়েছি। - বাক্যটি শুদ্ধ।
অন্যদিকে,
অশুদ্ধ বাক্য: যুক্তি খণ্ডন হয়েছে, তবে মুক্তি মেলে নি।
শুদ্ধ বাক্য: যুক্তি খণ্ডিত হয়েছে, তবে মুক্তি মেলে নি৷
অশুদ্ধ বাক্য: তোমাকে দেখে সে আশ্চর্য হয়েছে।
শুদ্ধ বাক্য: তোমাকে দেখে সে আশ্চর্যান্বিত হয়েছে৷
অশুদ্ধ বাক্য: অন্নাভাবে প্রতি ঘরে ঘরে হাহাকার।
শুদ্ধ বাক্য: অন্নাভাবে ঘরে ঘরে হাহাকার।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• আলোচনার মাধ্যমে সব সমস্যাগুলোর সমাধান সম্ভব। - বাক্যটি বহুবচনের অপপ্রয়োগজনিত অশুদ্ধি।
- শুদ্ধ বাক্য: আলোচনার মাধ্যমে সব সমস্যার সমাধান সম্ভব।
বহুবচনের অপপ্রয়োগজনিত অশুদ্ধি:
- বহুত্ব বোঝাতে আমরা বহুবচন ব্যবহার করি। বিশেষ্য পদের সঙ্গে গুলি/গুলো/রা, এরা ইত্যাদি যুক্ত করে বহুবচন তৈরি যা হয়। স্মরণ রাখতে হবে যে বহুবচনের পরে দ্বিত্ব প্রয়োগ হয় না, অর্থাৎ কোনো শব্দকে এক বার বহুবচনে রূপান্তরিত করলে পুনরায় তার বহুত্ব অপ্রয়োজনীয়। তাই অগণিত, অনেক, বহু, যাবতীয়, সব ইত্যাদি যত বহুত্ববাচক শব্দ আছে, তাদের পরে সংশ্লিষ্ট বিশেষ্য পদের সঙ্গে গুলি/গুলো ইত্যাদি যুক্ত হবে না।
অন্যদিকে,
শুদ্ধ বাক্য: অপব্যয় একটি মারাত্মক ব্যাধি।
শুদ্ধ বাক্য: নতুন ছেলেগুলো উৎপাত করছে।
শুদ্ধ বাক্য: আকণ্ঠ ভোজনে স্বাস্থ্যহানি ঘটে।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• অশুদ্ধ বানান- উপরোক্ত।
• বানানটির শুদ্ধরূপ- উপরিউক্ত।
অর্থ:
- ওপরে বা পূর্বে বলা হয়েছে এমন, উপর্যুক্ত।
অন্যদিকে,
- উল্লিখিত, আইনজীবী ও জাদুঘর বানানগুলো শুদ্ধ।
উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
আধুনিক বাংলা একাডেমি অভিধান অনুসারে ন্যূনতম শব্দটি প্রমিত।
উৎস : ভাষা-শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ, বাংলা ব্যাকরণ, ড. শাজাহান মনির, বাংলা একাডেমি প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণির ব্যাকরণ, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাকরণ।
• বিদ্বান মূর্খ অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ। বাক্যটি শুদ্ধ।
অন্যদিকে,
অশুদ্ধ: পরবর্তীকালে তার সাথে আমার সাক্ষাৎ হয়নি।
শুদ্ধ: পরবর্তীতে তার সাথে আমার সাক্ষাৎ হয়নি।
অশুদ্ধ: বিবিধ জিনিসপত্র কিনলাম।
শুদ্ধ: বিবিধ জিনিস কিনলাম।
অশুদ্ধ: আকণ্ঠ পর্যন্ত ভোজন করলাম।
শুদ্ধ: আকণ্ঠ ভোজন করলাম।
উৎস: ভাষা শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ।
গ) তে প্রদত্ত সবগুলো শব্দের বানান শুদ্ধ।
অশুদ্ধ বানানগুলোর শুদ্ধরূপ :
- নিপিড়ীত = নিপীড়িত
- মুর্ছনা = মূর্ছনা
শুশ্রুষা = শুশ্রূষা
উৎস: সংসদ বাংলা অভিধান।
• অপশনের সবগুলো বাক্য শুদ্ধ।
- শুদ্ধ বাক্য: আজকাল বিদুষী মেয়ের অভাব নেই।
- শুদ্ধ বাক্য: সে সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেছে।
- শুদ্ধ বাক্য: বৃক্ষটি সমূলে উৎপাটিত হয়েছে।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
- শুদ্ধ বাক্যটি হচ্ছে মেয়েটি স্বয়ংবরা।
অন্যদিকে,
অশুদ্ধ বাক্য: ছেলেটি অস্থির মেধাবী।
শুদ্ধ বাক্য: ছেলেটি অত্যন্ত মেধাবী।
অশুদ্ধ বাক্য: আজকাল বিদ্বান মেয়ের অভাব নেই।
শুদ্ধ বাক্য: আজকাল বিদুষী মেয়ের অভাব নেই।
অশুদ্ধ বাক্য: ক্ষমা একটি মহানগুণ।
শুদ্ধ বাক্য: ক্ষমা একটি মহৎ গুণ।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
• তোমার কাজে আমি সন্তুষ্ট হলাম- বাক্যটি শুদ্ধ কারণ এখানে বিশেষণ পদ (সন্তুষ্ট) সঠিকভাবে ব্যবহৃত হয়েছে।
--------------------------
অন্যদিকে,
- "তোমার কাজে আমি সন্তোষ হলাম।"- বাক্যটি অশুদ্ধ কারণ এখানে বিশেষ্য পদ (সন্তোষ) ভুলভাবে ব্যবহৃত হয়েছে।
- “তোমার কাজে আমি সন্তোষজনক হলাম।"- ভুল, কারণ ‘সন্তোষজনক’ কাজ বা বস্তুর গুণ বোঝায়, কিন্তু ব্যক্তি নিজে সন্তোষজনক না হয়ে ‘সন্তুষ্ট’ হন।
- “তোমার কাজে আমি সন্তোষ্ট হলাম।"- বাক্যটি বানানজনিত কারনে ভুল। সন্তোষ্ট' বানানটি ভুল।
উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
প্রথম গুচ্ছের অশুদ্ধ বিকিরন শব্দের শুদ্ধরূপ বিকিরণ
দ্বিতীয় গুচ্ছের অশুদ্ধ শুশ্রুষা শব্দের শুদ্ধরূপ শুশ্রূষা
তৃতীয় গুচ্ছের অশুদ্ধ মনীষি শব্দের শুদ্ধরূপ মনীষী
উৎস : বাংলা একাডেমি আধুনিক বানান অভিধান
• শুদ্ধ বানান - দেদীপ্যমান।
- এটি একটি বিশেষ্য পদ।
- শব্দটি সংস্কৃত ভাষা হতে আগত।
শব্দের অর্থ:
- অত্যন্ত উজ্জ্বল বা দীপ্তিময় দেখাচ্ছে এমন;
- অতিশয় দীপ্তিশীল;
- জাজ্বল্যমান।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বানান অভিধান।
(ই, উ) ব্যবহারের নিয়ম:
সকল অতৎসম অর্থাৎ তদ্ভব, দেশি, বিদেশি, মিশ্র শব্দে কেবল ই এবং উ এবং এদের কারচিহ্ন হিসেবে 'কি-কার' ও '-কার' ব্যবহৃত হবে।
যেমন:
ই:
আরবি, আসামি, ইংরেজি, ইমান, ইরানি, উনিশ, ওকালতি, কাহিনি, কুমির, কেরামতি, খুশি, খেয়ালি গাড়ি, গোয়ালিনি, চাচি, জমিদারি, জাপানি, জার্মানি, টুপি, তরকারি, দাড়ি, দাদি, দাবি, দিঘি, দিদি, নানি নিচু, পশমি, পাখি, পাগলামি, পাগলি, পিসি, ফরাসি, ফরিয়াদি, ফারসি, ফিরিঙ্গি, বর্ণালি, বাঁশি, বাঙালি, বাড়ি, বিবি, বুড়ি, বেআইনি, বেশি, বোমাবাজি, ভারি (অত্যন্ত অর্থে), মামি, মালি, মাসি, মাস্টারি, রানি, রুপালি, রেশমি, শাড়ি, সরকারি, সিন্ধি, সোনালি, হাতি, হিজরি, হিন্দি, হেঁয়ালি।
উ: চুন, পুজো, পুব, মুলা, মুলো।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• সর্বনাম, বিশেষণ, ক্রিয়া-বিশেষণ ও যোজক পদরূপে কী শব্দটি ঈ-কার দিয়ে লেখা হবে।
যেমন:
- এটা কী বই?
- কী আনন্দ!
- কী আর বলব?
- কী করছ?
- কী করে যাব?
- কী খেলে?
- কী জানি?
উৎস: বাংলা একাডেমি, প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম।
বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
• শুদ্ধ বানান - 'কৃষিজীবী'।
--------------
বাংলা একাডেমির প্রমিত বাংলা বানান রীতি অনুযায়ী কতিপয় শুদ্ধ বানান হলো-
• বিকিরণ,
• মুমূর্ষু,
• কৃষিজীবী,
• মরীচিকা,
• দধীচি,
• মন্ত্রিসভা,
• মন্ত্রিপরিষদ,
• শিরশ্ছেদ ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান; বাংলা একাডেমির প্রমিত বাংলা বানান রীতি।
• প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম:
তৎসম শব্দে 'অপর, পরা, পূর্ব, প্রা' ইত্যাদি উপসর্গের সঙ্গে 'অহ্ন' প্রত্যয় যুক্ত হলে 'অহ্ন' শব্দের 'দন্ত- ন' পরিবর্তিত হয়ে 'মূর্ধন্য- ণ' হয়।
যেমন- অপরাহ্ণ, পরাহ্ণ, প্রাহ্ণ, পূর্বাহ্ণ ইত্যাদি।
• প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম অনুসারে, পূর্বাহ্ন শুদ্ধ নয়, এর শুদ্ধ বানান- 'পূর্বাহ্ণ'।
উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান; প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মতি- ড. হায়াৎ মামুদ এবং ড. মোহাম্মদ আমীন।
• শুদ্ধ বানান- সমীহিত।
- এটি একটি সংস্কৃত শব্দ।
- প্রকৃতি প্রত্যয়- [সম্ + ঈহ্ + ত]
অর্থ:
- চেষ্টিত, অভীষ্ট, ঈপ্সিত।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
ঔজ্জ্বল্য (বিশেষ্য)
১) উজ্জ্বলতা; দীপ্তি; প্রখরতা।
২) চাকচিক্য; চেকনাই।
উজ্জ্বল (বিশেষণ )।
উৎসঃ বাংলা একাডেমি অভিধান।
প্রশ্নের অপশনগুলোর মধ্যে যথাযথ শুদ্ধ বাক্য হচ্ছে অন্যায়ের প্রতিফলন অনিবার্য।
অন্যান্য অপশনগুলোর শুদ্ধ বাক্য হচ্ছেঃ
- তাহার অপরিসীম আনন্দ হইল।
- মাছগুলোর দাম কত?
- চরিত্রহীন লোক পশ্বধম।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
শুদ্ধ বানান- মনোমুগ্ধকর।
• মনোমুগ্ধকর শব্দের অর্থ:
- মনকে মোহিত করে এমন,
- মনোজ্ঞ।
সুতরাং,
বাক্যটি হবে: তাজমহলের মনোমুগ্ধকর সৌন্দর্য দেখে পর্যটকরা বিমোহিত হয়ে যান।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
- সঠিক বানান = আরক্তিম।
অর্থ:
- ঈষৎ লাল হয়েছে এমন।।
অন্যদিকে,
• অশুদ্ধ = স্নেহাশীষ;
• শুদ্ধ = স্নেহাশিস;
• অশুদ্ধ = দারিদ্র্যতা;
• শুদ্ধ = দরিদ্রতা;
• অশুদ্ধ = সুচিষ্মিতা;
• শুদ্ধ = শুচিস্মিতা;
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।