ব্যাখ্যা
অন্যদিকে,
মরুৎ = বাতাস/বায়ু
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ১৪ / ২৭ · ১,৩০১–১,৪০০ / ২,৬৯১
শুদ্ধ বাক্যঃ
- তাহার অধ্যবসায় সত্যিই প্রশংসনীয়।
- কায়কোবাদ 'মহাশ্মশান' লেখেন।
- আমি এই ঘটনা চাক্ষুষ দেখিয়াছি৷
- তাহাদের মধ্যে বেশ সখ্য দেখিতে পাই।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
• উপরিউক্ত সবগুলো বাক্যই অশুদ্ধ।
অশুদ্ধ বাক্য: পৃথিবী সর্বদা সূর্যের চারিদিকে ঘূর্ণীয়মান।
শুদ্ধ বাক্য: পৃথিবী সর্বদা সূর্যের চারিদিকে ঘূর্ণায়মান।
অশুদ্ধ বাক্য: এটা অপক্ক হাতের লেখা।
শুদ্ধ বাক্য: এটা কাঁচা হাতের লেখা।
অশুদ্ধ বাক্য: সকল আলেমগণ সভায় উপস্থিত ছিলেন।
শুদ্ধ বাক্য: সকল আলেম সভায় উপস্থিত ছিলেন।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
লাইভ পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে প্রশ্নের অপশনে ভুল ছিল।
পরবর্তীতে বিষয়টি নজরে আসায় সংশোধন করে দেওয়া হয়েছে।
------------------
বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
প্রমিত বানান = পঞ্চাঙ্ক ।
পঞ্চাঙ্ক শব্দের অর্থ: পাঁচ অঙ্কবিশিষ্ট (পঞ্চাঙ্ক নাটক)।
প্রমিত বানান = মুমূর্ষু।
মুমূর্ষু অর্থ: মৃত্যুকাল আসন্ন এমন, মরণাপন্ন, মৃতপ্রায়।
প্রমিত বানান = বারিধারা।
বারিধারা শব্দের অর্থ: জ;-প্রবাহ।
অন্যদিকে, 'নিরব' বানানটি অশুদ্ধ।
•’নিরব’ প্রমিত বানান = নীরব।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
শুদ্ধ বাক্য-
- তিনি সাক্ষ্য দেবেন না।
- আমি প্রত্যক্ষ করেছি।
- তিনি সস্ত্রীক এসেছেন।
- তার কথায় মাধুর্য নেই।
উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ৷
• বাংলা একাডেমির প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম অনুযায়ী,
- 'কৌতুহল' বানানটি অশুদ্ধ।
- শুদ্ধ রূপ- কৌতূহল।
- এটি একটি বিশেষণ পদ।
- এটি সংস্কৃত শব্দ 'কুতূহল' থেকে আগত।
- 'কু' উপসর্গ এবং 'তূহল' শব্দের সন্ধি বা তৎসম নিয়মে 'কুতূহল' হয়ে পরে সংস্কৃত ব্যাকরণ অনুযায়ী দীর্ঘ-উ কার (কৌতূহল) ধারণ করে।
- 'কৌতূহল' শব্দের অর্থ হলো- কোনো কিছু জানার বা দেখার প্রবল ইচ্ছা, আগ্রহ, জিজ্ঞাসু মনোভাব, বা অনুসন্ধিৎসা।
---------------
অন্যদিকে,
- কৌসুলি, আইনজীবী, ঐকতান- শব্দগুলির বানান শুদ্ধ।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
ব্রাক্ষ্মণ শব্দের শুদ্ধরূপ ‘ব্রাহ্মণ’
এই শব্দের যুক্ত বর্ণ হলো হ + ম = হ্ম
ব্রাহ্মণ (বিশেষ্য):
১. যিনি ব্রহ্মকে জানেন; হিন্দুমতে উচ্চবর্ণের লোক।
২. আর্যদের চারবর্ণের প্রথম বর্ণ।
৩. বিপ্র; বামুন।
৪. বেদের অংশবিশেষ।
৫. পুরোহিত ব্রাহ্মণ; পাচক ব্রাহ্মণ।
ব্রাহ্মণী (স্ত্রীলিঙ্গ)।
ব্রাহ্মণসমাজ (বিশেষ্য) - ব্রাহ্মণ সম্প্রদায়।
(তৎসম বা সংস্কৃত) ব্রহ্মন্+অ(অণ্)
উৎস : মাধ্যমিক বাংলা ব্যাকরণ বই ও বাংলা একাডেমি অভিধান।
ভুল বাক্যটির সঠিক রূপ -
তাহার উদ্ধত/ঔদ্ধতপূর্ণ আচরণে ব্যথিত হইয়াছি।
অপশনের অন্যান্য বাক্যগুলোর প্রয়োগ শুদ্ধ।
উৎসঃ ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম অনুসারে,
- মূর্ছা- শুদ্ধ বানান।
• প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম:
- রেফের পর ব্যঞ্জনবর্ণের দ্বিত্ব হবে না।
যেমন:
- অর্জ্জন, ঊর্দ্ধ, কার্ত্তিক, কর্ম্ম, মূর্চ্ছা, কার্য্য ইত্যাদির পরিবর্তে যথাক্রমে- অর্জন, ঊর্ধ্ব, কার্তিক, কর্ম, মূর্ছা, কার্য ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা একাডেমি প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম।
• শুদ্ধ বানান- একত্রিত।
- এটি একটি বাংলা শব্দ।
- শব্দটি বিশেষণ পদ।
অর্থ:
- একত্র করা হয়েছে এমন।
অন্যদিকে,
• অশুদ্ধ বানানগুলোর শুদ্ধরূপ হলো- অভ্যন্তরস্থ, বিপর্যস্ত, কেবল/মাত্র।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• শুদ্ধ বানন- অবচ্ছিন্ন।
- শব্দটি বিশেষণ পদ।
- এটি একটি সংস্কৃত শব্দ।
অর্থ:
- বিশিষ্ট।
- মিলিত, সংযুক্ত।
- বিচ্ছিন্ন (নিরবচ্ছিন্ন); বিভক্ত।
অশুদ্ধ বানানগুলোর শুদ্ধরূপ হলো- অবমাননীয়, নিরবচ্ছিন্ন, অবাঞ্ছিত।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• সংশয় (বিশেষ্য):
১. সন্দেহ; দ্বিধা; দ্বৈধবোধ (সংশয় চিত্তের দুর্বলতা প্রকাশক)।
২. ভবিষ্যতের ব্যাপারে ভয় (জীবন সংশয়)।
৩. অনিশ্চয়তাবোধ (ভিতরে একটা শব্দ শুনিয়া কেমন যেন সংশয় হইল-শামসুর রাহমান)।
'সংশয়' শব্দটির বিশেষণরূপ- সংশয়িত, সংশয়াকুল, সংশয়পূর্ণ।
'সংশয়পূর্ণ' শব্দটির অর্থ সন্দেহপূর্ণ বা দ্বিধাপূর্ণ।
সুতরাং, শুদ্ধ বাক্যটি হবে- তার জীবন সংশয়পূর্ণ।
এর দ্বারা গভীর অনিশ্চয়তা প্রকাশ পেয়েছে।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• শুদ্ধ বানান - অভিভূত।
- এতয়ই একটি বিশেষণ পদ।
- শব্দটি সংস্কৃত শব্দ।
শব্দের অর্থ:
- বিহ্বল।
- ভাবাবিষ্ট।
- পরাভূত।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• বাংলা একাডেমি আধুনিক বানান অভিধান অনুসারে,
- শুদ্ধ বানান- 'কুজ্ঝটিকা'।
- 'কুজ্ঝটিকা' শব্দের অর্থ: কুহেলিকা, কুয়াশা।
- সন্ধিবিচ্ছেদ: কুৎ + ঝটিকা = কুজ্ঝটিকা।
অন্যদিকে,
- 'প্রোজ্জল' শব্দের শুদ্ধ বানান - প্রোজ্জ্বল।
- 'বাল্মিকী' শব্দের শুদ্ধ বানান - বাল্মীকি।
- 'ব্যতয়' শব্দের শুদ্ধ বানান - ব্যত্যয়।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
সঠিক বানানগুলো হলো:
- শুচিস্মিতা
- মুহূর্ত
- মর্ত্য
- দৌরাত্ম্য
উৎসঃ বাংলা একাডেমী অভিধান।
• বানানের নিয়ম অনুসারে শুদ্ধরূপ: রুপালি।
নিয়ম:
আলি প্রত্যয়যুক্ত শব্দে ই-কার ব্যবহৃত হবে।
যেমন- সোনালি, মিতালি, বর্ণালি, খেয়ালি, রুপালি, হেঁয়ালি ইত্যাদি।
[ তবে ‘সোনালী ব্যাংক’ এর (সোনালী) বানানটি ব্যাংক কর্তৃক এভাবেই নিবন্ধিত। তাই সোনালী ব্যাংক লিখতে সোনালী শব্দটিই ব্যবহৃত হবে। যদিও বানানের নিয়ম অনুসারে (সোনালী) শব্দের সঠিক বানান সোনালি।]
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, এবং বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
ঋ, র, ষ এর পরে মূর্ধন্য 'ন' হয়। - উক্তিটি মিথ্যা।
কারণ, ঋ, র, ষ এর পরে মূর্ধন্য 'ণ' হয়।
• প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম অনুসারে,
• রেফের পর ব্যঞ্জনবর্ণের দ্বিত্ব হবেনা।
যেমনঃ অর্জ্জন, কর্ম্ম, কার্য্য, মূর্চ্ছা ইত্যাদির পরিবর্তে যথাক্রমে অর্জন, কর্ম, কার্য, মূর্ছা ইত্যাদি হবে।
• বিদেশি শব্দের বানানে মুর্ধন্য বর্ণ (ণ) লেখার প্রয়োজন হয়না।
যেমন- পোশাক, মাস্টার।
• ঋ, র, ষ এর পরে মূর্ধন্য 'ণ' হয়।
যেমন - ঋণ, তৃণ, বর্ণ, বর্ণনা, কারণ, মরণ, ভীষণ, ভাষণ, উষ্ণ ইত্যাদি।
• সংস্কৃত 'সাৎ' প্রতয়যুক্ত পদে ষ হয় না।
যেমন - অগ্নিসাৎ, ধূলিসাৎ, ভূমিসাৎ ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
• প্রদত্ত অপশনগুলোতে 'সকল আলেমগণ আজ উপস্থিত' বাক্যটি বাহুল্য দোষে দুষ্ট।
• বাক্যটির শুদ্ধরূপ হবে- 'সকল আলেম আজ উপস্থিত' বা 'আলেমগণ আজ উপস্থিত'।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
• শুদ্ধ বাক্য: বমাল চোর ধরা পড়েছে।
অন্যদিকে,
অশুদ্ধ বাক্য: শুধুমাত্র গায়ের জোরে সব হয় না।
শুদ্ধ বাক্য: শুধু গায়ের জোরে সব হয় না।
অশুদ্ধ বাক্য: যার লাঠি, তার ঘাঁটি।
শুদ্ধ বাক্য: যার লাঠি, তার মাটি।
অশুদ্ধ বাক্য: নদীর জল হ্রাস হয়েছে।
শুদ্ধ বাক্য: নদীর জল হ্রাস পেয়েছে।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
অশুদ্ধ বানান- উপরান্ত।
শুদ্ধরূপ- উপরন্তু।
- শব্দটি অব্যয় পদ।
- এটি একটি বাংলা শব্দ।
অর্থ:
- এছাড়াও,অধিকন্তু।
অন্যদিকে,
উপরিউক্ত, উপক্রান্ত ও উপর্যুপরি শব্দের বানানগুলো শুদ্ধ।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
- স্বরস্বরতী শব্দটি শুদ্ধ বানানে লেখা নয়।
- সেক্ষেত্রে শুদ্ধরূপ হবে, সরস্বতী।
- সুষ্ঠু , সূচিপত্র, স্টেশন শুদ্ধ বানানে লেখা।
উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, ড.হায়াৎ মামুদ।
আকৃষ্ট [আকৃশ্টো] (বিশেষণ)
অর্থঃ ১ আকর্ষণ করা হয়েছে এমন।
২ প্রলুব্ধ।
৩ মুগ্ধ।
আকৃষ্টি (বিশেষ্য)।
{(তৎসম বা সংস্কৃত) আ+√কৃষ্ + ত(ক্ত)}
• 'মিছিলে অনেক লোকেরা উপস্থিত ছিলেন।' বাক্যটিতে বহুবচনের অপপ্রয়োগ ঘটেছে।
• নিয়ম:
• বহুবচনের অপ্রপ্রয়োগজনিত ভুল:
- বহুত্ব বোঝাতে আমরা বহুবচন ব্যবহার করি। বিশেষ পদের সঙ্গে গুলি/গুলো/রা, এরা ইত্যাদি যুক্ত করে বহুবচন তৈরি করা হয়।
- বহুবচনের পরে দ্বিত্ব প্রয়োগ হয় না, অর্থাৎ কোনো শব্দকে একবার বহুবচনে রূপান্তরিত করলে পুনরায় তার বহুবচন অপ্রয়োজনীয়।
- তাই অগণিত, অনেক, বহু, যাবতীয়, সব ইত্যাদি যত বহুবচক পদ আছে, তাদের পরে সংশ্লিষ্ট বিশেষ পদের সঙ্গে গুলি/গুলো ইত্যাদি যুক্ত হবে না।
- যেমন:
- অশুদ্ধ: মিছিলে অনেক লোকেরা উপস্থিত ছিলেন।
- শুদ্ধ: মিছিলে অনেক লোক উপস্থিত ছিলেন।
---------------
বহুবচনের অপ্রপ্রয়োগজনিত কিছু অশুদ্ধি:
- অশুদ্ধ: সকল ছাত্ররা ক্লাসে উপস্থিত।
শুদ্ধ: সকল ছাত্র ক্লাসে উপস্থিত / ছাত্ররা ক্লাসে উপস্থিত।
- অশুদ্ধ: সকল সভ্যগণ সভায় উপস্থিত ছিলেন।
শুদ্ধ: সকল সভ্য সভায় উপস্থিত ছিলেন।
- অশুদ্ধ: শিক্ষক সকল সমস্যাগুলোর সমাধান করলেন।
শুদ্ধ: শিক্ষক সকল সমস্যার সমাধান করলেন।
- অশুদ্ধ: একে একে সব দর্শকেরা উপস্থিত হলো।
শুদ্ধ: একে একে সব দর্শক উপস্থিত হলো।
- অশুদ্ধ: রাতের আকাশে অসংখ্য তারকাবৃন্দের সমাহার।
শুদ্ধ: রাতের আকাশে অসংখ্য তারকার সমাহার।
- অশুদ্ধ: সকল সমস্যা সমূহের সমাধান হয়েছে।
শুদ্ধ: সকল সমস্যার সমাধান হয়েছে / সমস্যা সমূহের সমাধান হয়েছে।
- অশুদ্ধ: প্রধান শিক্ষক সকল বিষয়সমূহের আলোচনা করবেন।
শুদ্ধ: প্রধান শিক্ষক সকল বিষয়ের আলোচনা করবেন।
- অশুদ্ধ: অনুষ্ঠানে অনেক দর্শকেরা সমাগত হয়েছিল।
শুদ্ধ: অনুষ্ঠানে অনেক দর্শক সমাগত হয়েছিল।
- অশুদ্ধ: সকল শিক্ষার্থীগণ শিক্ষা সফরে গিয়েছিল।
শুদ্ধ: সকল শিক্ষার্থী শিক্ষা সফরে গিয়েছিল।
উৎস:
বাংলা ভাষা ২য় পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়;
ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
বাক্যের মধ্যে ব্যবহৃত বিশেষ্য পদকে বিশেষণ বা বিশেষণ পদকে বিশেষ্য ভেবে পদ পরিবর্তন করে এ ধরনের ভুল করা হয়।
যেমনঃ সে সম্ভ্রান্তশালী পরিবারে জন্মগ্রহণ করেছে।
শুদ্ধ রূপঃ সে সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেছে।
- অপশন ক) তে বহুবচনের অপপ্রয়োগজনিত ভুল রয়েছে।
এর সঠিক রূপঃক্লাসে অনেক ছাত্রছাত্রী এসেছিল।
- অপশন গ) তে হুল্যজনিত অপপ্রয়োগজনিত অশুদ্ধি রয়েছে।
এর শুদ্ধরূপ হবেঃ শুধু এই কটা টাকা দিলে?
- অপশন ঘ) তে বাচ্যজনিত অপপ্রয়োগজনিত অশুদ্ধি রয়েছে।
এর শুদ্ধরূপ হবেঃ যুক্তি খন্ডন হয়েছে, তবে মুক্তি মেলে নি।
উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
- শুদ্ধ বানান- দৌরাত্ম্য।
- এটি একটি সংস্কৃত শব্দ।
অর্থ-
- দুরাত্মার কাজ, উৎপীড়ন, পাপাচার।
অন্যদিকে,
- ’শশিভূষন’ শব্দের শুদ্ধরূপ- শশিভূষণ।
- ’কুজ্ঝটীকা’ শব্দের শুদ্ধরূপ- কুজ্ঝটিকা।
- ’ইন্দ্রীয়’ শব্দের শুদ্ধরূপ- ইন্দ্রিয়।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
শুদ্ধ বানান- পুষ্করিণী।
- শব্দটি বিশেষ্য পদ।
- এটি একটি সংস্কৃত শব্দ।
অর্থ:
- মাটি খুঁড়ে তৈরি উন্মুক্ত জলাধার।
- পুকুর; দিঘি; সরোবর।
অশুদ্ধ বানানগুলোর শুদ্ধরূপ- উদীচী, ঊর্মি, প্রজ্বলন/প্রোজ্জ্বলন।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
'আমি তোমার অপরাধ সম্পর্কে নিঃসন্দিহান।' বাক্যটিতে বিশেষ্যের জায়গায় বিশেষণের কিংবা বিশেষণের বাহুল্য প্রয়োগজনিত ভুল রয়েছে।
- শুদ্ধ বাক্য: আমি তোমার অপরাধ সম্পর্কে নিঃসন্দেহ।
অন্যদিকে,
- আলোচনার মাধ্যমে সব সমস্যাগুলোর সমাধান সম্ভব।- বহুবচনের অপপ্রয়োগজনিত অশুদ্ধি।
শুদ্ধ: আলোচনার মাধ্যমে সব সমস্যা সমাধান সম্ভব।
- আমি অপমান হয়েছি। - বাচ্যজনিত ভুল।
শুদ্ধ: আমি অপমানিত হয়েছি।
- ব্যাপারটা আমার আয়ত্তাধীন নয়।- পুনরুক্তি বা বাহুল্যজনিত ভুল।
শুদ্ধ: ব্যাপারটা আমার আয়ত্ত নয়।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম:
- অতৎসম অর্থাৎ নিজস্ব (অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি ইত্যাদি) ও বিদেশি শব্দে সর্বদা ঈ-কার এবং ঊ-কার বর্জিত হবে।
যেমন: তরকারি, মুলা, দিঘি, সরকারি, শাড়ি, পশমি, ইমান, কুরান, নিচু, ভুখা ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান; প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মতি- ড. হায়াৎ মামুদ এবং ড. মোহাম্মদ আমীন।
- বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
- অশুদ্ধ বানান- প্রতিযোগি।
- শুদ্ধরূপ- প্রতিযোগী।
• ইন্ - প্রত্যয়ান্ত শব্দের সঙ্গে - ত্ব ও -তা প্রত্যয় যুক্ত হলে ই-কার হবে।
- কৃতী → কৃতিত্ব।
- মন্ত্রী → মন্ত্রিত্ব।
- প্রতিযোগী → প্রতিযোগিতা।
- সহযোগী → সহযোগিতা।
- দায়ী → দায়িত্ব।
উৎস:
i) বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান
ii) ভাষা শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ।
শুদ্ধ বানানঃ
- স্বায়ত্তশাসন, সমীচীন।
- দুর্বার, মুমূর্ষু।
- দুর্গা, পুণ্য।
- সান্ত্বনা, শরীরী।
উৎসঃ বাংলা একাডেমি অভিধান।
• বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
প্রমিত বানান- ইতঃপূর্বে।
অন্যদিকে,
'উন্মোচণ' এর শুদ্ধ রূপ- 'উন্মোচন'
'ভাগীরথি' এর শুদ্ধ রূপ- 'ভাগীরথী '
'বিভূতী' এর শুদ্ধ রূপ- 'বিভূতি'
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• 'আমি অপমানিত হয়েছি।' বাক্যটি শুদ্ধ।
অন্যদিকে,
• অশুদ্ধ বাক্য: সূর্য উদয় হয়েছে।
• শুদ্ধ বাক্য: সূর্য উদিত হয়েছে।
• অশুদ্ধ বাক্য: ইক্ষুর চারা বপন করা হইল।
• শুদ্ধ বাক্য: ইক্ষুর চারা রোপন করা হইল।
• অশুদ্ধ বাক্য: আমি সন্তোষ হলাম।
• শুদ্ধ বাক্য: আমি সন্তুষ্ট হলাম।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
• শুদ্ধ বানান - নিরীক্ষণ।
- এটি একটি বিশেষ্য পদ।
- শব্দটি সংস্কৃত ভাষা হতে আগত।
শব্দের অর্থ:
- যত্ন সহকারে অবলোকন,
- গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।