ব্যাখ্যা
অপশন ‘খ’ এর সবগুলো বানানই অশুদ্ধ। এদের শুদ্ধ বানান হলঃ সূচ্যগ্র, ভুঁড়িওয়ালা, মাতৃষ্বসা (খালা)।
অপশন ‘গ’ এর অনূর্বর এবং ঊর্ধবগামী বানান অশুদ্ধ। এদের শুদ্ধ বানান হলঃ অনুর্বর, ঊর্ধ্বগামী।
অপশন ‘ঘ’ এর সবগুলো বানানই শুদ্ধ।
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ১২ / ২৭ · ১,১০১–১,২০০ / ২,৬৯১
স্বরুপ বানানটি অশুদ্ধ।
এর শুদ্ধরূপ - স্বরূপ।
এর অর্থ - নিজের রূপ; প্রকৃত বা আসল রূপ।
সূত্র: বাংলা একাডেমী থেকে প্রণীত অভিধান।
• তৎসম শব্দের বানানে ণ-এর সঠিক ব্যবহারের নিয়মকে ণ-ত্ব বিধান বলে।
• ‘ণ’ - এর ভুল প্রয়োগ ঘটেছে- পিণ্ডারি শব্দে।
• 'পিণ্ডারি' শব্দটির সঠিক বানান - পিন্ডারি।
• 'পিন্ডারি' শব্দের অর্থ- মহারাষ্ট্রীয় অশ্বারোহী দস্যুদল, বর্গি।
• 'পিন্ডারি' মারাঠি শব্দ। বিদেশি শব্দে ণ-ত্ব বিধানের নিয়ম খাটে না।
------------------
অন্যদিকে,
• আপণ-
→ আপণ একটি পুরনো তদ্ভব শব্দ, যার অর্থ: নিজের মালিকানাধীন বা দোকান।
→ যদিও অনেকেই আপন ভাবেন, আসলে আপণ বানানটিও অভিধানসম্মতভাবে স্বীকৃত।
→ উদাহরণ: “আপণ প্রতিষ্ঠানে সে কর্মরত।”
• বিপণি-
→ শুদ্ধ বানান: বিপণি (অর্থ: দোকান)।
→ ‘ণ’ ব্যবহারে ভুল নেই।
• নিপুণ-
→ শুদ্ধ বানান: নিপুণ (অর্থ: দক্ষ/কুশলী)।
→ সঠিক প্রয়োগ।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি, (সংস্করণ-২০১৯); বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• শুদ্ধ বানান: অপরাহ্ণ।
- এটি সংস্কৃত শব্দ।
অর্থ: মধ্যাহ্ন থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত সময়, বিকেল।
অন্যদিকে,
• অশুদ্ধ বানান - চুষ্য।
শুদ্ধ বানান: চূষ্য, চোষ্য।
অর্থ: যা চোষা যায়।
• অশুদ্ধ বানান - 'জাজ্জ্বল্যমান'।
- এর শুদ্ধ বানান - 'জাজ্বল্যমান'।
- এটি একটি বিশেষণ পদ।
এর অর্থ:
- অতিশয় উজ্জ্বল।
• অশুদ্ধ বানান - পূণ্য।
- এর শুদ্ধ বানান - পুণ্য।
- এটি একটি বিশেষ্য পদ।
শব্দের অর্থ:
- সৎকর্মের ফল,
- সওয়াব।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• শুদ্ধ বানান - কৃচ্ছ্রসাধন।
- এটি একটি সংস্কৃত শব্দ।
- এটি বিশেষ্য পদ।
শব্দের অর্থ:
- কৃচ্ছ্রসাধনা।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
শুদ্ধ রূপ:
তত্ত্বাবধায়ক (বিশেষণ)
তত্ত্বাবধান করে যে ব্যক্তি; পরিদর্শক; পরিচালক।
{(তৎসম বা সংস্কৃত) তত্ত্ব+অবধায়ক}
উৎস: বাংলা ভাষার নিয়ম কানুন, হায়াৎ মাহমুদ , বাংলা একাডেমি বানান ও আধুনিক বাংলা অভিধান
'দুরদৃষ্ট' বানানটি শুদ্ধ।
প্রশ্নের অন্যন্য অপশনগুলির সঠিক রূপ -
গীতাঞ্জলি
ঝরনা
নমস্কার।
উৎসঃ ভাষা - শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• অশুদ্ধ বানান- মূধন্য।
• শুদ্ধ বানান- মূর্ধন্য।
- এটি একটি সংস্কৃত শব্দ।
- শব্দটি বিশেষণ পদ।
অর্থ:
- জিহ্বার অগ্রভাগদ্বারা মূর্ধা স্পর্শ করে উচ্চার্য।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• অশুদ্ধ বানান - যন্ত্রনা।
- শুদ্ধ বানান - যন্ত্রণা।
- এটি একটি বিশেষ্য পদ।
শব্দের অর্থ:
- পীড়া, যাতনা।
অন্যদিকে,
- শূদ্র, সহযোগিতা এবং স্বতঃস্ফূর্ত - শব্দগুলোর বানান শুদ্ধ।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
অশুদ্ধ: কালীদাস খ্যাতমান কবি।
শুদ্ধ: কালিদাস খ্যাতিমান কবি।
অন্যদিকে,
শুদ্ধ বাক্য - দশের লাঠি একের বোঝা।
শুদ্ধ বাক্য - এটা লজ্জাকর ব্যাপার।
শুদ্ধ বাক্য - সব মাছের দাম কত?
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• শুদ্ধ বানান- বিন্যস্ত।
-------------------------
• স্ত আর স্থ-য়ে গন্ডগোল:
স্ত /স্থ সংক্রান্ত বানান ভুল এড়াবার একটা উপায় আছে। যেসব শব্দে স্থ আছে, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সেসব শব্দ থেকে স্থ বাদ দিলেও অর্থবোধক শব্দ পড়ে থাকবে। কিন্তু স্ত দিয়ে যেসব শব্দ পাচ্ছি সেখানে স্ত বাদ দিলে অর্থবোধক শব্দ পড়ে থাকবে না।
উদাহরণগুলো লক্ষ করি:
• স্ত: অভ্যস্ত, অস্ত, আশ্বস্ত, গ্রস্ত (যেমন: বিপদগ্রস্ত) ত্রস্ত, নিরস্ত, ন্যস্ত, পরাস্ত, পর্যুদস্ত, প্রশস্ত, বিধ্বস্ত, বিন্যস্ত, বিপর্যস্ত, বিশ্বস্ত, ব্যতিব্যস্ত, সন্ত্রস্ত সমস্ত, স্বস্তি।
• স্থ: অন্তঃস্থ, অবস্থা, অভ্যন্তরস্থ, কণ্ঠস্থ, গর্ভস্থ, গৃহস্থ, তটস্থ, দুস্থ, দ্বারস্থ, ভূগর্ভস্থ, মধ্যস্থতা, মনস্থ, মুখস্থ, সভাস্থ, সমাধিস্থ, সুস্থ।
উল্লেখ্য, 'অধীনস্থ' ব্যাকরণসম্মত নয় বটে, কিন্তু বর্তমানে সর্বত্র প্রচলিত।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
- সঠিক বানান = বৈদগ্ধ্য।
- এটি একটি বিশেষ্য পদ।
অর্থ:
- রসিকতা, রসবোধ, দক্ষতা।
অন্যদিকে,
• অশুদ্ধ = কর্ণেল;
• শুদ্ধ = কর্নেল;
• অশুদ্ধ = স্বয়ম্বর;
• শুদ্ধ = স্বয়ংবর;
• অশুদ্ধ = বৈচিত্র;
• শুদ্ধ = বৈচিত্র্য;
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• এই মর্মে প্রত্যায়ন করা যাচ্ছে- বাক্যটিতে শুদ্ধ প্রয়োগ ঘটেছে।
• শুদ্ধ প্রয়োগ:
- ‘প্রত্যায়ন’ শব্দের অর্থ হলো বিশ্বাস বা প্রত্যয় সৃষ্টি করা।
- ‘প্রত্যয়ন’ শব্দের অর্থ হলো প্রত্যয়করণ বা প্রত্যয়িত করা।
- তাই, “এই মর্মে প্রত্যায়ন করা যাচ্ছে” বাক্যটি সঠিক।
- কারণ এর মানে হচ্ছে- কোনো বিষয় সম্পর্কে বিশ্বাস বা প্রত্যয় উৎপাদন করা সম্ভব হচ্ছে।
- অপরদিকে, “এই মর্মে প্রত্যয়ন করা যাচ্ছে” বাক্যে ‘করা’ শব্দটি দ্বিগুণ ব্যবহার হয়েছে, যা ব্যাকরণগতভাবে অনুচিত।
- অতএব, সঠিক ও উপযুক্ত রূপ হলো “এই মর্মে প্রত্যায়ন করা যাচ্ছে”।
অন্যদিকে,
• “তোমার সাথে আমার একটি গোপন পরামর্শ আছে” বাক্যটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
- কারণ ‘গোপন’ একটি বিশেষণ, যা সরাসরি ‘পরামর্শ’ বিশেষ্যটির সঙ্গে ব্যবহার করলে অপপ্রয়োগ ঘটে।
- সঠিক রূপ হলো- “তোমার সাথে আমার একটি গোপনীয় পরামর্শ আছে”।
- এখানে বিশেষ্য 'পরামর্শ'-এর সঙ্গে বিশেষণীয় রূপ 'গোপনীয়' ব্যবহার করা হয়েছে ।
• “সবিনয় পূর্বক নিবেদন করি” বাক্যটিও ভুল।
- কারণ ‘সবিনয়’ এবং ‘পূর্বক’ এক অর্থ বহন করে।
- দুটো একসাথে ব্যবহার করলে বাহুল্য দোষ হয়।
- সঠিক রূপ হবে- “বিনয়পূর্বক নিবেদন করি”।
• “এই বিষয় প্রমাণ হয়েছে” বাক্যটি ভুল।
- কারণ ‘প্রমাণ’ একটি বিশেষ্য, কিন্তু এখানে ‘প্রমাণ হওয়া’ বলে ক্রিয়ার অর্থ বোঝানো হয়েছে।
- এটি বাক্যের গঠন ও পদবিন্যাসের ভুল।
- শুদ্ধ রূপ হলো- “এই বিষয় প্রমাণিত হয়েছে”।
- এখানে ‘প্রমাণিত’ একটি বিশেষণ বা কৃদন্ত পদ হিসেবে ‘এই বিষয়’-কে বিশেষায়িত করছে।
উৎস:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা;
ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াত মামুদ।
- শুদ্ধ বানান - চূর্ণবিচূর্ণ।
- এটি একটি বিশেষণ পদ।
শব্দের অর্থ:
- সম্পূর্ণ চূর্ণিত,
- সম্পূর্ণ বিনষ্ট।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
- দুষ্কৃতকারী - শুদ্ধ বানান।
• দুষ্কৃতকারী (বিশেষণ):
- সংস্কৃত শব্দ।
শব্দের অর্থ:
দুষ্কর্মকারী, অন্যায়কারী, অপরাধী।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান; অভিগম্য অভিধান।
বহুবচনের পরে দ্বিত্ব প্রয়োগ হয় না, অর্থ্যাৎ কোন শব্দকে একবার বহুবচনে রূপান্তরিত করলে পুনরায় তার বহুত্ব অপ্রয়োজনীয়।
কোন বাক্যে এরকম করা হলে তাতে বহুবচনের অপপ্রয়োগজনিত অশুদ্ধি ঘটে।
প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে, ক ও ঘ - সঠিক বাক্য। কোন অশুদ্ধি ঘটে নি।
- অপশন খ) তে বিশেষ্য পদের বাহুল্য প্রয়োগজনিত ভুল রয়েছে।
এর সঠিক রূপঃ অনাবশ্যক ব্যাপারে কৌতুহল ভালো নয়।
- অপশন গ) তে বহুবচনের অপপ্রয়োগজনিত অশুদ্ধি রয়েছে।
এর শুদ্ধরূপ হবেঃ অন্য বিষয়গুলোর আলোচনা পরে হবে।
উৎসঃ ভাষা শিক্ষা বই, ড. হায়াৎ মামুদ।
শুদ্ধ বানান - হীনম্মন্যতা।
- এটি একটি বিশেষণ পদ।
- এটি সংস্কৃত শব্দ।
শব্দের অর্থ:
- নিজের সম্বন্ধে হীন ধারণা পোষণ।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
'অপেক্ষমান'- অশুদ্ধ বানান।
এর শুদ্ধ বানান- 'অপেক্ষমাণ'।
অন্যদিকে,
শুদ্ধ বানানগুলো হলো: নির্নিমেষ; পরিপোষণ; ত্রিনয়ন।
উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
• অশুদ্ধ বানান- নিদ্বন্দ্ব।
• শুদ্ধ বানান- নির্দ্বন্দ্ব।
- শব্দটি বিশেষণ পদ।
- এটি একটি সংস্কৃত শব্দ।
অর্থ:
- দ্বন্দ্বহীন, নির্বিবাদ।
অন্যদিকে,
নির্দেষ্টা, নির্দোষ ও নির্দ্বিধ শব্দের বনানগুলো শুদ্ধ।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• "কথাটা আমার স্মৃতিপটে জাগরূক আছে।" - বাক্যে অসঙ্গতিপুর্ণ অশুদ্ধ শব্দের প্রয়োগ হয়েছে।
- স্মৃতির প্রসঙ্গে "অঙ্কিত" শব্দটি সঠিক হবে, "জাগরূক" নয়। কারণ, জাগরূক অর্থ- সজাগ, হুঁশিয়ার।
• বাক্যটির শুদ্ধ রূপ - কথাতা আমার স্মৃতিপটে অঙ্কিত আছে।
অন্য অপশন,
ক) প্রত্যয়সাধিত শব্দের ভুল প্রয়োগ - নেই।
গ) বানান ভুল - নেই।
ঘ) বিশেষ্য-বিশেষণের অপপ্রয়োগ - নেই।
উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ ও ড. মোহাম্মদ আমীন।
• বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
'দুর্দশাগ্রস্ত' - বানানটি শুদ্ধ।
উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
'ঝরনা' বানানটি শুদ্ধ।
অন্যদিকে,
- অশুদ্ধ: গ্রামীন।
- শুদ্ধ: গ্রামীণ।
- অশুদ্ধ: বিদুষি।
- শুদ্ধ: বিদুষী।
- অশুদ্ধ:বাল্মীকী।
- শুদ্ধ:বাল্মীকি।
উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
চক্ষুষ্মান (বিশেষণ) = চক্ষু আছে এরূপ; দর্শনেন্দ্রয়বিশিষ্ট।
অন্যান্য শব্দের সঠিকরূপঃ
প্রত্ন্যুপন্নমতি = প্রত্যুৎপন্নমতি
ত্রহস্পর্শ = ত্র্যহস্পর্শ
উন্মীলীত = উন্মীলিত
উৎসঃ বাংলা একাডেমি অভিধান।
বাক্যের অত্যাশব্যকীয় গুণ তিনটি।
এগুলো হলো: আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি এবং যোগ্যতা।
- এক পদের পর অন্য পদ শোনার ইচ্ছা হলো আকাঙ্ক্ষা।
- বাক্যে ব্যবহৃত পদসমূহের সুশৃঙ্খল পদবিন্যাস হলো আসত্তি।
- বাক্যস্থিত পদসমূহের অন্তর্গত ও ভাবগত মিলবন্ধনের নাম হলো যোগ্যতা।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণী
উত্তর: খ) তিনি বিদেশের উদ্দেশে যাত্রা করেছেন। কারণ বাক্যটিতে- কোন দিকে যাচ্ছে বোঝাচ্ছে।
এখানে,
'উদ্দেশ্য' (বিশেষ্য):
- লক্ষ্য, উদ্দেশ, কারণ।
ব্যবহার: "কী উদ্দেশ্য?", "উদ্দেশ্য কী?", "উদ্দেশ্য পূরণ"
উদাহরণ: জীবনের উদ্দেশ্য।
'উদ্দেশে' (অব্যয়):
কোন দিকে, অভিমুখে, লক্ষ্য করে।
ব্যবহার: "ঢাকার উদ্দেশে", "তার উদ্দেশে"।
উদাহরণ: ঢাকার উদ্দেশে রওনা।
উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
• ঋ, র, ষ এর পরে স্বরধ্বনি, হ, য়, ব, ং, ক-বর্গীয় এবং প-বর্গীয় ধ্বনি থাকলে পরবর্তী দন্ত ন মূর্ধন্য ণ হয়। যেমনঃ
- পসারিণী,
- অগ্রহায়ণ,
- রূপায়ণ,
- প্রণয়ন,
- কৃপণ,
- গৃহিণী,
- নিরীক্ষণ,
- ক্ষণজীবী ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি।
দারিদ্র্য বাংলাদেশের প্রধান সমস্যা।- বাক্যটি শুদ্ধ।
অন্যদিকে,
অশুদ্ধ: তিনি স্বস্ত্রীক বেড়াতে গেছেন।
শুদ্ধ: তিনি সস্ত্রীক বেড়াতে গেছেন।
অশুদ্ধ: বিদ্যান মূর্খ অপেক্ষা শ্রেয়।
শুদ্ধ: বিদ্বান মূর্খ অপেক্ষা শ্রেয়।
অশুদ্ধ:আমার আর বাঁচিবার স্বাদ নাই।
শুদ্ধ:আমার আর বাঁচিবার সাধ নাই।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
• বাহুল্য দোষ:
প্রয়োজনের অতিরিক্ত শব্দ ব্যবহার করলে বাক্যে বাহুল্য দোষ ঘটে এবং বাক্য তার যোগ্যতা গুণ হারায়।
"নতুন ছেলেগুলো কলেজে বড় উৎপাত করছে।"- বাক্যটিতে বাহুল্য দোষমুক্ত রয়েছে।
অশুদ্ধ বাক্যের শুদ্ধ রূপ -
- 'দেশের সব ছাত্র এখানে উপস্থিত হয়েছেন' অথবা 'দেশের ছাত্রগণ এখানে উপস্থিত হয়েছেন'।
- 'ক্লাসে অনেক ছাত্র ছাত্রী এসেছিল।' অথবা 'ক্লাসে ছাত্র ছাত্রীরা এসেছিল।'
- 'মাছগুলোর দাম কত?' অথবা 'সব মাছের দাম কত?'
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ভাষা শিক্ষা- ড. হায়াৎ মামুদ।
- প্রদত্ত অপশনগুলোতে 'অধীনস্ত কর্মচারীরা করেছে।' বাক্যটি সঠিক নয়।
- এর সঠিক বাক্য হবে - অধীন কর্মচারীরা করেছে।
উৎসঃ বাংলা একাডেমির প্রতিম বাংলা বানানের নিয়ম।
• অশুদ্ধ বানান - ঠাণ্ডা ।
- এর শুদ্ধ বানান - ঠান্ডা।
মূর্ধন্য-ণ ও দন্ত্য-ন এর ব্যবহার:
- অতৎসম শব্দের বানানে ণ ব্যবহার করা হবে না।
যেমন:
- ইরান, কান, কোরান, গভর্নর, গুনতি, গোনা, ঝরনা, ধরন, পরান, রানি, সোনা, হর্ন।
- তৎসম শব্দে ট, ঠ, ড, ঢ-য়ের পূর্বে যুক্ত নাসিক্যবর্ণ ণ হয়।
যেমন:
- কণ্টক, প্রচণ্ড, লুণ্ঠন।
- কিন্তু অতৎসম শব্দের ক্ষেত্রে ট ঠ ড ঢ-য়ের আগে কেবল ন হবে।
যেমন:
গুন্ডা, ঝান্ডা, ঠান্ডা, ডান্ডা, লন্ঠন।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
স্বন - শব্দ
সন - বছর
উৎসঃ বাংলা দ্বিতীয় পত্র নবম দশম শ্রেনি।