বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

The Specific Relief Act, 1877

মোট প্রশ্ন১,১৭২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

The Specific Relief Act, 1877

PrepBank · পাতা / ১২ · ৬০১৭০০ / ১,১৭২

৬০১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৯ ধারার ব্যাখ্যা অনুসারে, চুক্তির সুনির্দিষ্ট সম্পাদন অসম্ভব হলে আদালত কী করতে পারেন?
  1. আদালত চুক্তি বাতিল করতে পারেন।
  2. আদালত চুক্তির শর্ত পরিবর্তন করতে পারেন।
  3. আদালত বাদীকে ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে পারেন।
  4. আদালত প্রতিপক্ষকে কারাদণ্ড দিতে পারেন।
ব্যাখ্যা
⇒ সঠিক উত্তর: গ) আদালত বাদীকে ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে পারেন।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৯ ধারায় বলা হয়েছে যে, যদি কোনো চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন সম্ভব না হয়, তবে আদালত বাদীকে ক্ষতিপূরণ মঞ্জুর করতে পারেন। অর্থাৎ, চুক্তি কার্যকর না হলেও ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষ ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকারী।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৯ ধারার বিধান কতিপয় ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণ মঞ্জুরের ক্ষমতা:
কোন ব্যক্তি যে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য মামলা দায়ের করেছে, সে হয় তেমন কাজ সম্পাদনের অতিরিক্ত অথবা তার পরিপূরক হিসেবে চুক্তিভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারে।
যদি তেমন কোন মামলায় আদালত সিদ্ধান্ত করেন যে, সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন মঞ্জুর করা আবশ্যক, কিন্তু মামলার ন্যায়বিচারের জন্য এটুকুই যথেষ্ট নয় এবং চুক্তিভঙ্গের জন্য বাদীকে কিছু ক্ষতিপূরণ প্রদান করাও প্রয়োজন, তা হলে আদালত সে অনুসারে তার জন্য ক্ষতিপূরণ মঞ্জুর করবেন।
- এই ধারা অনুসারে যে ক্ষতিপূরণ মঞ্জুর করা হবে তা আদালত কর্তৃক নির্দেশিত পন্থায় নিরূপণ করা যেতে পারে।
ব্যাখ্যা: চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদন করার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে এমন পরিস্থিতি আদালত কর্তৃক এই ধারা অর্পিত এখতিয়ার প্রয়োগকে বাধাগ্রস্ত করে না।
------------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 19: Power to award compensation in certain cases:
Any person suing for the specific performance of a contract may also ask for compensation for its breach, either in addition to, or in substitution for, such performance.
If in any such suit the Court decides that specific performance ought not to be granted, but that there is a contract between the parties which has been broken by the defendant and that plaintiff is entitled to compensation for that breach, it shall award him compensation accordingly.
If in any such suit the Court decides that specific performance ought to be granted, but that it is not sufficient to satisfy the justice of the case, and that some compensation for breach of the contract should also be made to the plaintiff, it shall award him such compensation accordingly.
Compensation awarded under this section may be assessed in such manner as the Court may direct.
Explanation - The circumstance that the contract has become incapable of specific performance does not preclude the Court from exercising the jurisdiction conferred by this section.
৬০২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪১ ধারায় মোকদ্দমার কোন পক্ষের নিকট হতে আদালতকে ক্ষতিপূরণ আদায়ের ক্ষমতা দেয়া হয়েছে?
  1. যেকোনো পক্ষ থেকে
  2. যে পক্ষকে প্রতিকার প্রদান করা হয়েছে
  3. যে পক্ষের বিরুদ্ধে প্রতিকার প্রদান করা হয়েছে
  4. যে পক্ষের বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দায়ের করা হয়েছে
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪১ ধারা: যে পক্ষের জন্য দলিল বিলুপ্ত করা হয়েছে, সে পক্ষের নিকট হতে ক্ষতিপূরণ আদায়ের ক্ষমতা:
দলিল বিলুপ্তির রায় প্রদানের সময় আদালত যে পক্ষকে তদ্রুপ প্রতিকার মঞ্জুর করেছেন, সেপক্ষের তরফ হতে অন্য পক্ষকে ন্যায়বিচারের প্রয়োজনীয়তা মোতাবেক ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারেন।

Section 41- Power to require party for whom instrument is cancelled to make compensation:
On adjudging the cancellation of an instrument, the Court may require the party to whom such relief is granted to make any compensation to the other which justice may require.
৬০৩.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারায় বাদীকে প্রমাণ করতে হবে যে, সে অস্থাবর সম্পত্তির তাৎক্ষণিক দখলের অধিকারী?
  1. ৯ ধারায়
  2. ১০ ধারায়
  3. ১১ ধারায়
  4. ৮ ধারায়
ব্যাখ্যা
→ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১১ ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি কোনো অস্থাবর সম্পত্তির দখল বা নিয়ন্ত্রণ করে এবং সেই ব্যক্তি মালিক না হয়, তবে তাকে ওই সম্পত্তি সেই ব্যক্তির কাছে ফেরত দেওয়ার জন্য আদালত নির্দেশ দিতে পারে যিনি তার তাৎক্ষণিক দখলে থাকার অধিকারী।
তবে, এ ধরনের নির্দেশ দেওয়া যাবে শুধুমাত্র কিছু নির্দিষ্ট শর্তের অধীনে:
১. যখন দখলকারী ব্যক্তি দাবি করা সম্পত্তি তার দাবিকারীর এজেন্ট বা ট্রাস্টি হিসেবে দখল করে রেখেছে।
২. যখন টাকা দিয়ে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার মাধ্যমে দাবি করা সম্পত্তি ফেরত পাওয়া সম্ভব নয়।
৩. যখন সম্পত্তির ক্ষতি বা হারানোর পরিমাণ নির্ধারণ করা কঠিন।
৪. যখন দাবি করা সম্পত্তি অবৈধভাবে দাবিকারীর কাছ থেকে অন্য কোথাও চলে গেছে।
এছাড়া, ১১ ধারার অধীনে মামলা করা হলে, বাদীকে অবশ্যই প্রমাণ করতে হবে যে তিনি সেই সম্পত্তির তাৎক্ষণিক দখল রাখার অধিকারী।

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ - ধারা ১১: অধিকারী না হওয়া সত্ত্বেও দখলে থাকা ব্যক্তির দায়:
যে কোনো ব্যক্তি যদি কোনো নির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির দখল বা নিয়ন্ত্রণ রাখে, তবে সে যদি তার মালিক না হয়, তাকে সুনির্দিষ্টভাবে ওই সম্পত্তি তার দখলে থাকা ব্যক্তি থেকে উদ্ধার করতে বাধ্য করা যেতে পারে, তবে নিম্নলিখিত যে কোনো ক্ষেত্রে:-
(ক) যখন প্রতিপক্ষ ওই সম্পত্তি বাদী হিসেবে এজেন্ট বা ট্রাস্টি হিসেবে দখলে রাখে;
(খ) যখন মুদ্রায় ক্ষতিপূরণ বাদীকে ওই সম্পত্তি হারানোর জন্য যথেষ্ট প্রতিকার প্রদান করতে সক্ষম নয়;
(গ) যখন ওই সম্পত্তি হারানোর ফলে সৃষ্ট প্রকৃত ক্ষতি নির্ধারণ করা অত্যন্ত কঠিন হবে;
(ঘ) যখন ওই সম্পত্তির দখল অসৎভাবে বাদীর কাছ থেকে প্রতিপক্ষের কাছে স্থানান্তরিত হয়েছে।
----------- 
⇒ The Specific Relief Act, 1877- Section- 11. Liability of person in possession, not as owner to deliver to person entitled to immediate possession: 
Any person having the possession or control of a particular article of moveable property, of which he is not the owner, may be compelled specifically to deliver it to the person entitled to its immediate possession, in any of the following cases:- 
(a) when the thing claimed is held by the defendant as the agent or trustee of the claimant; 
(b) when compensation in money would not afford the claimant adequate relief for the loss of the thing claimed; 
(c) when it would be extremely difficult to ascertain the actual damage caused by its loss; 
(d) when the possession of the thing claimed has been wrongfully transferred from the claimant.
৬০৪.
The Specific Relief Act,1877 এর ২৯ ধারার বিধান অনুযায়ী চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়নের মামলা খারিজের ফলাফল কী?
  1. বিবাদী কর্তৃক ক্ষতিপূরণের মামলা দায়েরে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করবে
  2. বাদী কর্তৃক ক্ষতিপূরণের মামলা দায়েরে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করবে
  3. বাদী কর্তৃক ক্ষতিপূরণের মামলা দায়েরে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করবে না
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ২৯ অনুসারে,
একটি চুক্তি অথবা তার অংশের সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের মামলা খারিজ হয়ে গেলে, তা তেমন চুক্তি বা তার অংশবিশেষ ভঙ্গ করার দায়ে ক্ষতিপূরণের জন্য বাদী কর্তৃক মামলা দায়ের করার অধিকারে প্রতিবন্ধকতা স্থাপন করবে

Section 29- Bar of suit for breach after dismissal:
The dismissal of a suit for specific performance of a contract or part thereof shall bar the plaintiff's right to sue for compensation for the breach of such contract or part, as the case may be.
৬০৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন প্রযোজ্য হবে-
  1. চুক্তি নয় এমন কোন অঙ্গীকারের অধীন প্রতিকারে
  2. দণ্ডমূলক আইনের অধীন প্রতিকারে
  3. নিষেধাত্মক বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকারে
  4. ১৯০৮ সালের রেজিষ্ট্রেশন আইনের অধীন প্রতিকারে
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪ ধারামতে কোন ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন প্রযোজ্য হবে না-
i) চুক্তি নয় এমন কোন অঙ্গীকারের অধীন প্রতিকারে, এবং
ii) ১৯০৮ সালের রেজিষ্ট্রেশন আইনের অধীন প্রতিকারে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৭ ধারামতে দণ্ডমূলক আইন (Penal Laws) বলবৎ বা কার্যকর করার ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন প্রযোজ্য নয়। অর্থাৎ দণ্ডমূলক আইনের (Penal Laws) ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন প্রযোজ্য নয়।

 ⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ৫ ধারা মতে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা হয় ৫ ভাবে যথা- 
(ক) সুনির্দিষ্ট সম্পত্তির দখল গ্রহণ এবং তা দাবিদারকে প্রদানের মাধ্যমে;
(খ) কোন কাজ করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে ঐ কাজ করার আদেশ প্রদানের মাধ্যমে;
(গ) কোন কাজ না করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে তা করা হতে বিরত রাখার মাধ্যমে;
(ঘ) ক্ষতিপূরণের রোয়েদাদ ব্যতীত পক্ষসমূহের অধিকার নির্ণয় এবং ঘোষণার মাধ্যমে; অথবা
(ঙ)রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে।

 ⇒ সুতরাং সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫ ধারামতে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অধীন মোট ৫ প্রকার সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা হয় যার মধ্যে ৪টি আদেশাত্মক প্রতিকার এবং ১টি নিষেধাত্মক বা নিরোধমূলক বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার (Preventive Relief)।

 ⇒ ৫ ধারার ক, খ, ঘ এবং ও অনুচ্ছেদের ৪টি প্রতিকার হলো আদেশাত্মক প্রতিকার। অন্যদিকে ৫ ধারার গ অনুচ্ছেদের প্রতিকারটি নিরোধমূলক বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার (Preventive Relief)
 ⇒ অর্থাৎ নিষেধাত্মক বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকারে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন প্রযোজ্য হবে।

 সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫(ঘ) ধারার বিধান অনুযায়ী আদলত ক্ষতিপূরণ ব্যতীত অন্য কোনভাবে পক্ষসমূহের অধিকার নির্ধারণ এবং ঘোষণার মাধ্যমে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার দিতে পারে। অর্থাৎ ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে আদালত সুনির্দিষ্ট প্রতিকার মঞ্জুর করতে পারেনা। সুতরাং আর্থিক ক্ষতিপূরণ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার নয়।

 ⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৬ ধারায় প্রতিরোধমূলক প্রতিকার বা Preventive Relief এর সংজ্ঞা রয়েছে। সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫ ধারার (গ) অনুচ্ছেদের অধীন যে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার মঞ্জুর করা হয় তাকে নিরোধমূলক বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার বলে। অর্থাৎ যা না করার ব্যাপারে বাধ্যবাধকতা রয়েছে, তেমন কোন কাজ করা থেকে বিরত থাকার আদেশ প্রদানই হলো প্রতিরোধমূলক প্রতিকার।

 ⇒  সাধারণত নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে প্রতিরোধমূলক প্রতিকার প্রদান করা হলেও সকল প্রকার নিষেধাজ্ঞা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার নয়। যেমন- অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা, চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা, অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা ইত্যাদি প্রতিরোধমূলক প্রতিকার হলেও বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা (Mandatory Injunction) হল আদেশাত্মক প্রতিকার। অর্থাৎ বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা ছাড়া সকল ধরনের নিষেধাজ্ঞা হলো নিরোধমূলক বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার (Preventive Relief)।
৬০৬.
The Specific Relief Act, 1877 এর ৫২ ধারায় কোন প্রকার প্রতিকারের বিধান রয়েছে?
  1. বাধ্যতামূলক
  2. বিধিবদ্ধ
  3. নিরোধমূলক
  4. নেতিবাচক
ব্যাখ্যা
♦The Specific Relief Act, 1877 এর ৫২ ধারায় বিধান করা হয়েছে, নিষেধাজ্ঞা, স্থায়ী বা অস্থায়ী যারা আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতাবলে নিরোধমূলক প্রতিকার মাঞ্জুর করা হয়। [Preventive relief is granted at the discretion of the Court by injunction, temporary or perpetual]
৬০৭.
'ক', 'গ'-এর নির্দেশ ছাড়াই জ্ঞাতসারে 'গ'-এর মালিকানাধীন একটি সম্পত্তি 'খ'-এর নিকট বিক্রয় করতে চুক্তিবদ্ধ হয়। এক্ষেত্রে 'ক' সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৫ ধারায় এই চুক্তির-
  1. 'গ' এর অনুমোদন ছাড়াই চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন কার্যকর করতে পারে
  2. চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন কার্যকর করতে পারে না
  3. 'গ' এর অনুমোদন সাপেক্ষে সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন কার্যকর করতে পারে
  4. চুক্তি সম্পাদনের বিকল্প হিসেবে 'খ' থেকে জরিমানা আদায় করতে পারে
ব্যাখ্যা
ধারা-২৫: স্বত্বহীন অথবা অনুমতিক্রমে বসতকারি ব্যক্তি কর্তৃক চুক্তি (Contracts to sell property by one who has no title, or who is a voluntary settler)-
⇒ স্বত্ব না থাকা সত্ত্বেও কোন সম্পত্তি (স্থাবর বা অস্থাবর) বিক্রয় অথবা ভাড়া দেয়া হলে, বিক্রেতা অথবা ইজারাদাতার পক্ষে ঐ চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করা যায় না। তবে এক্ষেত্রে ক্রেতা/ইজারাদার চুক্তিভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণের মামলা করতে পারে।

যেমন- 'ক', 'গ'-এর নির্দেশ ছাড়াই এমন একটি সম্পত্তি 'খ'-এর নিকট বিক্রয় করতে চুক্তিবদ্ধ হয় যে সম্পত্তি সম্পর্কে ক জানে যে, তা 'গ'-এর মালিকানাধীন। 'ক' এই চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন কার্যকর করতে পারেনা, এমনকি যদি তা 'গ' অনুমোদন করতে ইচ্ছুকও থাকে।

⇒ যদিও বিক্রেতা/ইজারাদাতা এই বিশ্বাসে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন যে সম্পত্তিতে তার ভাল স্বত্ব আছে, কিন্তু বিক্রয় বা ভাড়া প্রদান সম্পন্ন করার সময় ক্রেতা বা ইজারাদারকে যুক্তিসঙ্গত সন্দেহমূলক স্বত্ব প্রদান করতে পারেন নি, সেক্ষেত্রেও বিক্রেতা অথবাইজারাদাতার পক্ষে ঐ চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না।

যেমন- ক কতিপয় জমিতে দখলে থাকা অবস্থায় তা জ-এর নিকট বিক্রয় করার জন্য চুক্তিবদ্ধ হল। পরবর্তীতে অনুসন্ধানে প্রকাশ পেল যে, ক. খ-এর উত্তরাধিকারী হিসাবে এই জমি দাবি করছে, যিনি বহু বৎসর পূর্বেই দেশত্যাগ করেছেন এবং সাধারণভাবে বিশ্বাস করা হয় যে, খ মারা গিয়াছেন, কিন্তু খ-এর মৃত্যু সম্পর্কে যথেষ্ট প্রমাণ নাই। এ অবস্থায় ক এই চুক্তিটির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন করার জন্য জ-কে বাধ্য করতে পারে না।

⇒ যে ব্যক্তি চুক্তিতে আবদ্ধ হওয়ার পূর্বেই চুক্তির বিষয়বস্তুর বন্দোবস্ত প্রদান করেছেন (যদিও তা কোন মূল্যবান প্রতিদানের উপর প্রতিষ্ঠিত নয়), তিনি তার পক্ষে ঐ চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করতে পারেন না।

যেমন- ক স্বাভাবিক স্নেহ-ভালবাসার বশবর্তী হয়ে তার ভাই ও ভাইয়ের সন্তান-সন্ততিকে কতিপয় সম্পত্তি বন্দোবস্ত প্রদান (settlement) করেন এবং তারপর একজন আগন্তকের (stranger) নিকট উক্ত বন্দোবস্তকৃত সম্পত্তি বিক্রি করার জন্য চুক্তিবদ্ধ হন। ক-এই চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন দাবি করতে পারেন না, কেননা তা করতে গেলে পূর্বের বন্দোবস্ত বাতিল করে দিতে হয় এবং উক্ত বন্দোবস্তের অধীনে দাবীদার ব্যক্তিগণের স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্থ হয়।
৬০৮.
ধারা ৩৮ অনুযায়ী, আদালত কোন ন্যায়পরায়ণ পদক্ষেপ নিতে পারে?
  1.  নিষেধাজ্ঞা প্রদান
  2. কেবল চুক্তি কার্যকর
  3. চুক্তি পুনর্নির্ধারণ
  4. ক্ষতিপূরণ প্রদান
ব্যাখ্যা

• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৮ ধারা অনুযায়ী: রদকারী পক্ষের পক্ষ থেকে আদালত প্রয়োজন অনুসারে ন্যায়পরতার দাবি করতে পারেন:
চুক্তি রদের রায় প্রদানের ক্ষেত্রে আদালত যে পক্ষকে প্রতিকার মঞ্জুর করেছেন, সেই পক্ষের থেকে অপর পক্ষকে ন্যায়বিচারের প্রয়োজন অনুসারে ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারেন।

Section 38- Court may require party rescinding to do equity:
On adjudging the rescission of a contract, the Court may require the party to whom such relief is granted to make any compensation to the other which justice may require.

৬০৯.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারা অনুযায়ী কয় ধরনের দলিল সংশোধন করা যায়?
  1. ২ ধরনের
  2. ৩ ধরনের
  3. ৬ ধরনের
  4. ৪ ধরনের
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারার বিধান-
যখন দলিল সংশোধন করা যেতে পারে যখন প্রতারণার মাধ্যমে বা পক্ষগণের পারস্পরিক ভুলের জন্য কোন লিখিত চুক্তি বা অন্য কোন লিখিত দলিল প্রকৃত অর্থে তাদের উদ্দেশ্য প্রকাশ করে না, তখন যেকোন পক্ষ অথবা তাদের স্বার্থ- সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি দলিলটি সংশোধিত করে নেওয়ার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে; এবং আদালত যদি এটি সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত দেখতে পান যে, দলিল প্রণয়নের সময় প্রতারণা অথবা ভুল করা হয়েছে এবং তা কার্যকর করবার ক্ষেত্রে পক্ষগণের প্রকৃত উদ্দেশ্য নিরূপণ করতে সক্ষম হয়, তাহলে আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে যতদূর পর্যন্ত তৃতীয় ব্যক্তি কর্তৃক সরল বিশ্বাসে এবং মূল্যের বিনিময়ে অর্জিত অধিকারে হস্তক্ষেপ না করেই করা যায়, ততদূর পর্যন্ত দলিল সংশোধন করতে পারেন - যাতে দলিলের এই উদ্দেশ্য ব্যক্ত করতে সক্ষম হয় ।

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারা অনুযায়ী ২ ধরনের দলিল সংশোধন করা যায়-
i) লিখিত দলিল; ও
ii) লিখিত চুক্তি।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারার অধীন দলিল সংশোধনের প্রতিকার শুধুমাত্র লিখিত চুক্তি সংশোধনের ক্ষেত্রে বা অন্য যেকোনো লিখিত দলিল সংশোধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। দলিল সংশোধন করা আদালতের স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা (Discretionary Power)। চুক্তি বা দলিলের পক্ষগণ বা তাদের প্রতিনিধিরা দলিল সংশোধনের জন্য মামলা করতে পারে।
৬১০.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে 'বাধ্যবাধকতা’ বলতে কী বোঝায়?
  1. বাদী কর্তৃক বিবাদীর প্রতি আরোপিত কর্তব্য
  2. আইন দ্বারা বলবৎযোগ্য কর্তব্য
  3. বিবাদীর প্রতি বাদীর দায়িত্ব-কর্তব্য
  4. ডিক্রিদার কর্তৃক দায়িকের উপর আরোপিত দায়িত্ব-কর্তব্য
ব্যাখ্যা
• ধারা ৩- ব্যাখ্যামূলক অনুচ্ছেদ:

'বাধ্যবাধকতা’ বলতে আইন দ্বারা কার্যকরীকরণযোগ্য প্রতিটি কর্তব্য অন্তর্ভুক্ত হবে।
"obligation" includes every duty enforceable by law.
৬১১.
'ক', 'খ' এর অধীনে তিন বছর শিক্ষানবিশ আইনজীবী হিসেবে কাজ করবেন মর্মে চুক্তিবদ্ধ হন। চুক্তিটির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন-
  1. বলবৎযোগ্য
  2. শর্তসাপেক্ষে বলবৎযোগ্য
  3. বলবৎযোগ্য নয়
  4. আংশিক বলবৎযোগ্য
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারামতে কোন চুক্তিসমূহ সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না (Contracts not specifically enforceable )- চুক্তির প্রকৃতি অনুসারে কিছু কিছু চুক্তির সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদন করার জন্য আদালত নির্দেশ দিয়ে থাকেন এবং কিছু কিছু চুক্তির ক্ষেত্রে আদালত সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদনের নির্দেশ প্রদান করে না। যে যে ক্ষেত্রে আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের আবেদন নামঞ্জুর করতে পারে তা সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না। কারণ এগুলি সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদনের যোগ্য নয়।
 
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারামতে নিম্নলিখিত ৮টি ক্ষেত্রে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না। যথা-
১) কোন চুক্তির ক্ষেত্রে আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট হলে 
২) কোন চুক্তি জটিল ও অসংখ্য পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণের সমষ্টি বা পক্ষসমূহের ব্যক্তিগত যোগ্যতা/সংকল্পের উপর নির্ভরশীল অথবা চুক্তিটি বলবৎ যোগ্য না হলে। 
৩) চুক্তির শর্তাবলী নির্ণয় করা না গেলে 
৪) চুক্তিটি প্রকৃতিগতভাবে বাতিলযোগ্য হলে 
৫) চুক্তিটি ট্রাস্টিগণ কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূতভাবে সম্পাদিত হলে
৬) বিশেষ কোন কর্পোরেশন বা পাবলিক কোম্পানী কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূত কোন চুক্তি
৭) চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পূর্বে বিষয়বস্তুর উল্লেখযোগ্য অংশ বিলুপ্ত হলে  অথবা
৮) যে চুক্তি ক্রমাগতভাবে ৩ বছর চলে।
 
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারায় আদালত এই ৮টি ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের আবেদন না মঞ্জুর করিবেন।

-উল্লিখিত প্রশ্নে চুক্তিটি যেহেতু ব্যক্তিগত যোগ্যতার উপর নির্ভরশীল তাই সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎযোগ্য নয়। 
----------------------------------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877- Section 21: Contracts not specifically enforceable: The following contracts cannot be specifically enforced:– 
(a) a contract for the non-performance of which compensation in money is an adequate relief; 
(b) a contract which runs into such minute or numerous details, or which is so dependent on the personal qualifications or volition of the parties, or otherwise from its nature is such, that the Court cannot enforce specific performance of its material terms; 
(c) a contract the terms of which the Court cannot find with reasonable certainty; 
(d) a contract which is in its nature revocable; 
(e) a contract made by trustees either in excess of their powers or in breach of their trust; 
(f) a contract made by or on behalf of a corporation or public company created for special purposes, or by the promoters of such company, which is in excess of its powers; 
(g) a contract the performance of which involves the performance of a continuous duty extending over a longer period than three years from its date; 
(h) a contract of which a material part of the subject- matter, supposed by both parties to exist, has, before it has been made, ceased to exist. 
 
And, save as provided by the Arbitration Act, 1940, no contract to refer present or future differences to arbitration shall be specifically enforced; but if any person who has made such a contract other than an arbitration agreement to which the provisions of the said Act apply and has refused to perform it sues in respect of any subject which he has contracted to refer, the existence of such contract shall bar the suit.
৬১২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ৩৭ ধারা অনুসারে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যকরির বিকল্প হিসেবে রদের আবেদনটি কোন পর্যায়ে আদালতে প্রার্থনা করা যেতে পারে?
  1. সাক্ষ্যগ্রহণের পরে
  2. আপিল চলাকালীন
  3. মামলার রায়ের পর
  4. মামলার প্রাথমিক আবেদনে
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ৩৭ ধারার বিধান অনুযায়ী, যদি কেউ একটি লিখিত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যকরির জন্য মামলা দায়ের করে, তবে বাদীকে শুরুতেই, অর্থাৎ মামলার প্রাথমিক আবেদনে (plaint)- বিকল্পভাবে এই প্রার্থনাও করতে হয় যে, যদি আদালত চুক্তিটি কার্যকর করতে না পারে, তবে সেটি রদ (rescission) করে বাতিল ঘোষণা করা হোক।
এটি করার উদ্দেশ্য হলো- একই মামলায় সুনির্দিষ্ট কার্যকরির পাশাপাশি বিকল্প প্রতিকার (চুক্তি রদ) চাওয়া যাতে বাদী অপ্রতুলতা বা অকার্যকারিতার কারণে সম্পূর্ণভাবে বঞ্চিত না হন।
অতএব, এটি মামলার শুরুতেই প্রার্থনা করতে হয়, পরবর্তীতে (যেমন, সাক্ষ্যগ্রহণের পরে, রায়ের পর বা আপিলের সময়) প্রথমবার বিকল্প আবেদন করলে তা গ্রহণযোগ্য নাও হতে পারে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৭ ধারার বিধান- সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের মোকদ্দমার বিকল্প হিসাবে রদের আর্জি:
লিখিত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য মোকদ্দমা রুজুকারী বাদী বিকল্প হিসাবে আবেদন অবহিত করতে পারেন যে, চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করা না গেলে তা রদ করা হোক এবং বিলুপ্ত হিসাবে ত্যাগ করা হোক; এবং আদালত চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করতে অস্বীকার করলে তা রদ করা এবং সে অনুসারে ত্যাগের নির্দেশ দিতে পারেন।
--------  
⇒ The Specific Relief Act, 1877- Section 37- Alternative prayer for rescission in suit for specific performance:
A plaintiff instituting a suit for the specific performance of a contract in writing may pray in the alternative that, if the contract cannot be specifically enforced, it may be rescinded and delivered up to be cancelled; and the Court, if it refuses to enforce the contract specifically, may direct it to be rescinded and delivered up accordingly.
৬১৩.
'ক' ১,০০০ টাকার বিনিময়ে তার নির্দিষ্ট পরিমাণ জমি 'খ' বরাবর উইল করে দিতে চুক্তিবদ্ধ হয়। চুক্তির পরপরই 'ক' উইল না করে মারা যায় এবং 'গ' তার সম্পত্তির প্রশাসনভার গ্রহণ করে। এক্ষেত্রে 'খ', 'গ'-এর বিরুদ্ধে-
  1. কোনো প্রতিকার পাবে না
  2. চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন দাবি করতে পারে না
  3. চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন দাবি করতে পারে
  4. ক এবং খ
ব্যাখ্যা
ধারা ২৭- পক্ষগণ ও তাদের নিকট প্রাপ্ত পরবর্তী স্বত্ত্বাধীন দাবিদার ব্যক্তি এবং পক্ষসমূহের বিরুদ্ধে প্রতিকার:

যদি এই অধ্যায়ে ভিন্নরূপ কোন বিধিবদ্ধ আইন না থাকলে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন কার্যকরী করা যেতে পারে-
ক) যেকোন পক্ষের বিরুদ্ধে;

খ) চুক্তির পরবর্তী সময়ে উদ্ভূত স্বত্ব কর্তৃক তার অধীনে দাবিরত যেকোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে, যদি না সে মূল্যের বিনিময়ে এমন একজন হস্তান্তরগ্রহীতা হয়, যে সরল বিশ্বাসে মূল চুক্তি সম্বন্ধে অবগত না থেকে তার অর্থ প্রদান করেছিল।

গ) এমন স্বত্বের আওতাধীন দাবিদার ব্যক্তির বিরুদ্ধে, যা যদিও চুক্তির পূর্ববর্তী ছিল এবং বাদী অবহিত ছিল, তবুও তা প্রতিবাদী স্থানচ্যুত করে থাকবে;

ঘ) যেক্ষেত্রে পাবলিক কোম্পানি চুক্তিবদ্ধ হয় এবং তার পর পরই তা অন্য পাবলিক কোম্পানির সাথে মিলিত হয়, সেক্ষেত্রে মিলিত হওয়ার কারণে সৃষ্ট নূতন কোম্পানির বিরুদ্ধে;

ঙ) যেক্ষেত্রে পাবলিক কোম্পানির উদ্যোক্তা ব্যক্তিগণ, কোম্পানি গঠনের আগেই চুক্তি করে, সেক্ষেত্রে কোম্পানির বিরুদ্ধে; যদি কোম্পানি চুক্তি অনুমােদন ও গ্রহণ করে থাকে এবং কোম্পানি গঠনের শর্ত দ্বারা চুক্তি সমর্থিত হয়ে থাকে।

উদাহরণসমূহ: উপধারা-খ এর-
- ক ১,০০০ টাকার বিনিময়ে তার নির্দিষ্ট পরিমাণ জমি উইল করে দিতে চুক্তিবদ্ধ হয়। চুক্তির পরপরই ক উইল না করে ইন্তেকাল করে এবং গ তার সম্পত্তির প্রশাসনভার গ্রহণ করে। খ, গ-এর বিরুদ্ধে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন কার্যকরী করতে পারে।

- ক কতক নির্দিষ্ট জমি খ-এর কাছে বিক্রয়ের জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়। চুক্তি সম্পাদনের পূর্বেই ক পাগল হয়ে যায় এবং গ-কে তার কার্যনির্বাহক নিযুক্ত করা হয়। খ গ-এর বিরুদ্ধে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন করতে পারে।
৬১৪.
নিরোধক প্রতিকার কীভাবে মঞ্জুর করা হয়?
  1. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি
  2. অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি
  3. ক বা খ
  4. উল্লিখিত কোনোভাবেই নয়
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫২ ধারা- নিরোধমূলক প্রতিকার যেভাবে মঞ্জুর করা হয়:
আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে অস্থায়ী বা চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারির মাধ্যমে নিরোধক প্রতিকার মঞ্জুর করা হয়.

Section 52- Preventive relief how granted:
Preventive relief is granted at the discretion of the Court by injunction, temporary or perpetual.

প্রতিরোধমূলক/ নিরোধমূলক প্রতিকার মঞ্জুর করা হয় আদালতের স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা বলে। আদালত নিম্নোক্ত ২ ভাবে প্রতিরোধমূলক প্রতিকার মঞ্জুর করতে পারেন।
১) অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Temporary injunctions) জারির মাধ্যমে; বা
২) চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Perpetual injunctions) জারীর মাধ্যমে।
৬১৫.
'Principles of rectification'- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারার বিষয়বস্তু?
  1. ৩১ ধারা
  2. ৩২ ধারা
  3. ৩৩ ধারা
  4. ৩৪ ধারা
ব্যাখ্যা
The Specific Relief Act, 1877- Section 33. Principles of rectification:
 In rectifying a written instrument, the Court may inquire what the instrument was intended to mean, and what were intended to be its legal consequences, and is not confined to the inquiry what the language of the instrument was intended to be.

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৩ ধারায় দলিল সংশোধনের সময় আদালত কর্তৃক অনুসৃত নীতির বিধান রয়েছে। ৩৩ ধারায় বলা হয়েছে যে, একটি লিখিত দলিল সংশোধনের সময় দলিল দ্বারা কি বুঝাতে চাওয়া হয়েছিল এবং চুক্তির বৈধ ফলাফল বিষয়ে পক্ষসমূহের কি অভিপ্রায় ছিল আদালত সে সম্পর্কে অনুসন্ধান করতে পারবেন। শুধুমাত্র দলিলের ভাষা দ্বারা পক্ষসমূহ কি অভিপ্রায় ব্যক্ত করতে চেয়েছিল আদালত এই বিষয়েই অনুসন্ধান সীমিত রাখবেন না। অর্থাৎ দলিল সংশোধনের ক্ষেত্রে আদালত পক্ষগণের ইচ্ছা কি ছিল তা খুঁজে বের করবেন এবং সে ইচ্ছা কার্যকর করবেন। এরূপ ক্ষেত্রে আদালত শুধুমাত্র দলিলের গঠনের দিকে না তাকিয়ে দলিলের মূল বিষয়ের উপর লক্ষ্য দেবেন।
৬১৬.
'ক'  কতিপয় সুনির্দিষ্ট সম্পত্তির দখলে আছে। 'খ' দাবী করে যে 'খ' উক্ত সম্পত্তির মালিক এবং এই কারণে 'ক' উক্ত সম্পত্তি খ-কে অর্পণ করা আবশ্যক । এই ক্ষেত্রে 'ক' এর নিম্নলিখিত কোন প্রতিকারটি সঠিক?
  1. ঘোষণামূলক মামলা দায়ের
  2. দখল উদ্ধারের মামলা
  3. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মামলা
  4. চুক্তি বলব এর মামলা
ব্যাখ্যা
♦ 'খ'  দাবী করছে যে সে উক্ত সম্পত্তির মালিক তাই এখানে 'খ' সম্পত্তিতে 'ক' এর মালিকানা অস্বীকার করছে। এই ক্ষেত্রে 'ক' যে উক্ত সম্পত্তির মালিক এমন ঘোষণা চেয়ে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ৪২ ধারায় ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে। এই ক্ষেত্রে শুধুমাত্র ঘোষণামূলক মামলা দায়ের করলে হবে কারণ বাদী ক সম্পত্তির দখলে আছে।

♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় ঘোষণামূলক বিধান রয়েছে । কোন ব্যক্তির আইনগত পরিচয় (Legal Character) কিংবা সম্পত্তিতে তার স্বত্বের অধিকার কেউ যদি অস্বীকার করে, তখন আইনগত পরিচয় বা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী (Person entitled to property) ব্যক্তি তার অধিকার ঘোষণা চেয়ে আদালতে যে মামলা দায়ের করে তাকে ঘোষণামূলক মামলা বা Declaratory Suit বা Suit for Declaration বলে। ~

♦ সুতরাং শুধুমাত্র ২টি ক্ষেত্রে অর্থাৎ আইনগত পরিচয় সম্পত্তিতে স্বত্বের ক্ষেত্রে আইনগত পরিচয় কিংবা কোন সম্পত্তির স্বত্ত্বের অধিকারী কোন ব্যক্তি ঘোষণামূলক মামলা দায়ের করতে পারে। ঘোষণামূলক মামলায় আদালত ঘোষণা মঞ্জুর করে যে ডিক্রি প্রদান করে, তাকে ঘোষণামূলক ডিক্রি বা Declaratory Decree বলে।
♦ অর্থাৎ ৪২ ধারায় আদালত যে ডিক্রি প্রদান করে, তাকে ঘোষণামূলক ডিক্রি (Declaratory Decree ) বলে।
৬১৭.
'ক' কতিপয় সুনির্দিষ্ট সম্পত্তির দখলে আছে। 'খ' দাবি করে যে 'খ' উক্ত সম্পত্তির মালিক এবং এই কারণে 'ক' উক্ত সম্পত্তি খ-কে অর্পণ করা আবশ্যক। এক্ষেত্রে 'ক' কত দিনের মধ্যে ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবে?
  1. ১ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৬ বছর
  4. ১২ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় ঘোষণামূলক বিধান রয়েছে । কোন ব্যক্তির আইনগত পরিচয় (Legal Character) কিংবা সম্পত্তিতে তার স্বত্বের অধিকার কেউ যদি অস্বীকার করে, তখন আইনগত পরিচয় বা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী (Person entitled to property) ব্যক্তি তার অধিকার ঘোষণা চেয়ে আদালতে যে মোকদ্দমা দায়ের করে তাকে ঘোষণামূলক মোকদ্দমা বা 'Declaratory Sui't বা 'Suit for Declaration' বলে।
 
তামাদি আইনে ঘোষণামূলক মোকদ্দমার কোনো সুনির্দিষ্ট বিধান নেই। এই আইনের ১২০ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, যে-সকল মামলার জন্য তামাদির মেয়াদ উল্লেখ নাই সেগুলো সাধারণত ৬ বছরের মধ্যে দায়ের করতে হয়।
-ঘোষণামূলক মামলার প্রকৃত কারণ উদ্ভব হওয়ার সময় হতে ৬ বছরের মধ্যে ঘোষণামূলক মামলা দায়ের করতে হবে।
৬১৮.
'আদালত চুক্তির আংশিক কার্য সম্পাদনের আদেশ দিতে পারবে না'- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারা এই সাধারণ নিয়মের ব্যতিক্রম?
  1. ৯ থেকে ১২ ধারা
  2. ১৪ থেকে ১৬ ধারা
  3. ১৮ থেকে ২১ ধারা
  4. ৩১ থেকে ৩৩ ধারা
ব্যাখ্যা
আংশিক চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন (Specific Performance of part of contract):

চুক্তির সম্পূর্ণ অংশের যেমন সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন করা যায় ঠিক তেমনি কোন কোন ক্ষেত্রে চুক্তির অংশ বিশেষেরও সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন করা যায়। সাধারণত আইন অনুসারে একটি চুক্তিকে অবিভাজ্য বলে ধরে নেয়া হয়। সুতরাং যদি সম্পূর্ণ চুক্তিটির কার্য সম্পাদন সম্ভব না হয়, তাহলে আদালত চুক্তিটি সম্পাদনে কাউকেও বাধ্য করতে পারবে না অর্থাৎ আদালত চুক্তির আংশিক কার্য সম্পাদনের আদেশ দিতে পারবে না।
কিন্তু সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৪ থেকে ১৬ ধারায় বর্ণিত বিধানগুলি এই সাধারণ নিয়মের ব্যতিক্রম। এই তিনটি ধারায় বর্ণিত অবস্থাতে একটি চুক্তির অংশ বিশেষের জন্য সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনে বাধ্য করা যায়। ১৪,১৫ ও ১৬ ধারা ব্যতীত অন্য কোন ক্ষেত্রে আদালত কোন চুক্তির আংশিক সম্পাদনের নির্দেশ দিতে পারবে না।
৬১৯.
যদি একটি চুক্তির একটি বড় অংশ অপূর্ণ থাকে বা ক্ষতিপূরণ দ্বারা প্রতিস্থাপন সম্ভব না হয়, তাহলে আদালত কখন যেটুকু সম্ভব সেই অংশের জন্য চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়নের নির্দেশ দিতে পারে?
  1. বাদী পক্ষ বাকী অংশের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি করলে
  2. বাদী পক্ষ বাকী অংশের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি না করলে
  3. বাদী পক্ষ বাকি অংশের বাস্তবায়নের দাবি না করলে
  4. খ এবং গ
ব্যাখ্যা
ধারা ১৫:
যদি একটি চুক্তির কোনো পক্ষ তার দায়িত্বের সবটুকু পালন করতে না পারে এবং যেই অংশটুকু অপূর্ণ থাকবে, সেটি চুক্তির একটি বড় অংশ হয় অথবা অর্থ প্রতিস্থাপন সম্ভব না হয়, তাহলে সেই পক্ষ সুনির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়নের জন্য রায় পাওয়ার যোগ্য নয়। তবে অন্য পক্ষের মামলায়, আদালত বিলম্বকারী পক্ষকে যেটুকু সম্ভব তাই সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদন করার নির্দেশ দিতে পারে, যদি বাদী পক্ষ আরো কোনো বাস্তবায়নের দাবি না করে এবং বিবাদী পক্ষের বিলম্বের কারণে হওয়া ক্ষতি বা ক্ষয়ের জন্য ক্ষতিপূরণের দাবি না করে।

[Where a party to a contract is unable to perform the whole of his part of it, and the part which must be left unperformed forms a considerable portion of the whole, or does not admit compensation in money, he is not entitled to obtain a decree for specific performance. But the Court may, at the suit of the other party, direct the party in default to perform specifically so much of his part of the contract as he can perform, provided that the plaintiff relinquishes all claim to further performance, and all right to compensation either for the deficiency, or for the loss or damage sustained by him through the default of the defendant.]

এই নীতি অনুসারে,
যদি একটি চুক্তির একটি বড় অংশ অপূর্ণ থাকে বা ক্ষতিপূরণ দ্বারা প্রতিস্থাপন সম্ভব না হয়, তাহলে আদালত পুরোপুরি সুনির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়নের রায় দিতে পারবে না। কারণ এক্ষেত্রে পুরোপুরি বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। তবে আদালত যেটুকু সম্ভব, সেইটুকুর জন্য সুনির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়নের নির্দেশ দিতে পারে, যদি বাদী পক্ষ বাকী অংশের জন্য ক্ষতিপূরণের দাবি না করে এবং আরো কোনো বাস্তবায়নের দাবি না করে। অর্থাৎ বাদীকে সীমিত বাস্তবায়নই গ্রহণ করতে হবে।
৬২০.
স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করার জন্য চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য কখন আদালতে জমা দিতে হয়?
  1. চুক্তি স্বাক্ষরের পর
  2. সম্পত্তির হস্তান্তরের সময়
  3. মোকদ্দমা রুজুর সময়
  4. রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন হলে
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ক ধারা- অরেজিস্ট্রিকৃত বিক্রয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে অকার্যকরযোগ্য:
এই আইন কিংবা বিদ্যমান অন্য কোন আইন বিপরীত কোন বিধান থাকলেও কোন স্থাবর সম্পত্তি বিক্রিয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরযোগ্য হবে না, যদি না-
(ক) চুক্তিটি লিখিত এবং ১৯০৮ সালের নিবন্ধন আইনের অধীন নিবন্ধিত হয়, হস্তান্তর গ্রহীতা ঐ সম্পত্তির কিংবা তার কোন অংশ দখল গ্রহণ করুক বা না করুক; এবং
(খ) চুক্তিটি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করার নিমিত্ত চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য মোকদ্দমাটি রুজুর কালে আদালতে জমা দেয়া হয়।

Section 21A- Unregistered contract for sale not specifically enforceable:
Notwithstanding anything to the contrary contained in this Act or any other law for the time being in force, no contract for sale of any immovable property can be specifically enforced unless–
(a) the contract is in writing and registered under the Registration Act, 1908, whether or not the transferee has taken possession of the property or any part thereof; and
(b) the balance amount of consideration of the contract is deposited in the court at the time of filing the suit for specific performance of the contract.
৬২১.
যদি কোনো ব্যক্তি জোরপূর্বক তার জমি থেকে উচ্ছেদ হয়, তাহলে সে কত দিনের মধ্যে স্বত্বসহ দখল পুনরুদ্ধারের মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবে?
  1. ৬ মাস
  2. ১২ মাস
  3. ১২ বছর
  4. ৬ বছর
ব্যাখ্যা
→ উত্তর হবে গ) ১২ বছর।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ৮ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি তার জমি থেকে জোরপূর্বক উচ্ছেদ হয়, তাহলে সে বেদখল হওয়ার দিন থেকে পরবর্তী ১২ বছরের মধ্যে স্বত্বসহ দখল পুনরুদ্ধারের মোকদ্দমা দায়ের করতে পারথা
অর্থাৎ, তামাদি আইন, ১৯০৮ এর অনুচ্ছেদ ১৪২ অনুযায়ী, দখলের তারিখ থেকে ১২ বছরের মধ্যে মোকদ্দমা দায়ের করতে হয়।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ৮ অনুযায়ী,
সুনির্দিষ্ট স্থাবর সম্পত্তির দখলের অধিকারী ব্যক্তি তা দেওয়ানি কার্যবিধি অনুসারে নির্ধারিত পন্থায় পুনরুদ্ধার করতে পারে।

এক্ষেত্রে,
- বাদীকে স্বত্ব প্রমাণ করতে হবে;
- বেদখল হওয়ার দিন থেকে পরবর্তী ১২ বছরের মধ্যে মোকদ্দমা করতে হবে;
- সরকার বাদী হলে ৬০ বছরের মধ্যে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবে। (অনুচ্ছেদ-১৪৯)

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮: অনুচ্ছেদ ১৪২- যখন বাদী স্থাবর সম্পত্তির দখলে, তখন বাদী বেদখল হলে অথবা বাদী তার দখল ত্যাগ করলে, সেই সম্পত্তির দখল লাভের জন্য দখলের তারিখ হতে ১২ বছরের মধ্যে মোকদ্দমা দায়ের করতে হয়।
৬২২.
নিরোধক প্রতিকার মঞ্জুর করা আদালতের কোন ধরনের ক্ষমতা?
  1. ইচ্ছাধীন ক্ষমতা
  2. বাধ্যতামূলক ক্ষমতা
  3. উচ্চ আদালতের নির্দেশনামূলে প্রাপ্ত ক্ষমতা
  4. স্বেচ্ছাচারী ক্ষমতা
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫২ ধারা- নিরোধমূলক প্রতিকার যেভাবে মঞ্জুর করা হয়:
আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে অস্থায়ী বা চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারির মাধ্যমে নিরোধক প্রতিকার মঞ্জুর করা হয়।

⇒ প্রতিরোধমূলক/ নিরোধমূলক প্রতিকার মঞ্জুর করা হয় আদালতের স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা বলে। আদালত নিম্নোক্ত ২ ভাবে প্রতিরোধমূলক প্রতিকার মঞ্জুর করতে পারেন-
১) অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Temporary injunctions) জারির মাধ্যমে; বা
২) চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Perpetual injunctions) জারীর মাধ্যমে।

৬২৩.
'A', 'B'-এর নিকট ২৫ শতক জমি বিক্রি করার নিমিত্তে চুক্তিপত্র করে কিন্তু অজ্ঞাত কারণে ৭ শতক জমি হস্তান্তর করতে অসমর্থ হয়, এক্ষেত্রে চুক্তিটি-
  1. সম্পাদন করা যাবে
  2. সম্পাদন করা যাবে না
  3. সম্পাদন করা যাবে কিন্তু অসম্পাদিত অংশের ক্ষতিপূরণ পাবে
  4. সম্পাদন করা যাবে কিন্তু অসম্পাদিত অংশের ক্ষতিপূরণ পাবে না
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৪ ধারার বিধান:
কোন চুক্তির যদি দুটো অংশ থাকে, যার মধ্যে একটা বৃহত্তর, অন্যটা ক্ষুদ্রতর এবং চুক্তিভুক্ত এক পক্ষ যদি বৃহত্তর অংশটুকু পালন করতে সমর্থ হয় এবং ক্ষুদ্রতর অংশটি অর্থের দ্বারা ক্ষতিপূরণযোগ্য হয়; তাহলে আদালত চুক্তিভুক্ত যে কোন এক পক্ষের মামলা দায়েরক্রমে বৃহত্তর অংশটি সুনির্দিষ্টিভাবে সম্পাদনের, এবং ক্ষুদ্রতর অংশটির জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারবেন।
 
⇒ সুতরাং সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৪ ধারামতে কোন চুক্তির অসম্পাদিত অংশ ছোট হলে, আদালত ঐ চুক্তির সম্পাদনযোগ্য বৃহত্তর অংশের জন্য সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের আদেশ এবং বাকী অংশের জন্য ক্ষতিপূরণের আদেশ দিবে।
- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ১৪ ধারা অনুযায়ী কোনো চুক্তির অসম্পাদিত অংশ ছোট হলে উক্ত চুক্তি সম্পাদন করা যাবে।

- এখানে চুক্তির সম্পাদিত অংশ ১৮ শতক তথা বড় এবং অসম্পাদিত অংশ ৭ শতক তথা ছোট, তাই চুক্তিটি সম্পাদন করা যাবে এবং অসম্পাদিত অংশের জন্য B-কে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।
----------------------------------
SR Act-Section-14.Specific performance of part of contract where part unperformed is small:
Where a party to a contract is unable to perform the whole of his part of it, but the part which must be left unperformed bears only a small proportion to the whole in value, and admits of compensation in money, the Court may, at the suit of either party, direct the specific performance of so much of the contract as can be performed, and award compensation in money for the deficiency.
 
Illustrations
(a) A contracts to sell B a piece of land consisting of 100 bighas. It turns out that 98 bighas of the land belong to A, and the two remaining bighas to a stranger, who refuses to part with them. The two bighas are not necessary for the use or enjoyment of the 98 bighas, nor so important for such use of enjoyment that the loss of them may not be made good in money. A may be directed at the suit of B to convey to B the 98 bighas and to make compensation to him for not conveying the two remaining bighas; or B may be directed, at the suit of A, to pay to A, on receiving the conveyance and possession of the land, the stipulated purchase-money less a sum awarded as compensation for the deficiency.
 
(b) In a contract for the sale and purchase of a house and lands for two lakhs of Taka, it is agreed that part of the furniture should be taken at a valuation. The court may direct specific performance of the contract notwithstanding the parties are unable to agree as to the valuation of the furniture, and may either have the furniture valued in the suit and include it in the decree for specific performance, or may confine its decree to the house.
৬২৪.
একটি চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করা যায় না, যখন-
  1. চুক্তিটির সম্পাদন পক্ষগণের ব্যক্তিগত যোগ্যতার উপর নির্ভরশীল।
  2. চুক্তিটির প্রকৃত ক্ষতি নিরুপনের কোন মাপকাঠি থাকে না।
  3. চুক্তিটির আর্থিক ক্ষতিপূরণ দ্বারা পর্যাপ্ত প্রতিকার হয় না।
  4. চুক্তিটির আর্থিক ক্ষতিপূরন পাওয়া যায় না।
ব্যাখ্যা
♦২১ ধারা অনুযায়ী- ৮ ক্ষেত্রে চুক্তি কার্যকর/বলবৎ করা যায় না:
১). যে চুক্তি সম্পাদন না করলে আর্থিক ক্ষতিপূরণ দ্বারা পর্যাপ্ত প্রতিকার হয়।
২). যে চুক্তি সুক্ষ্ম ও জটিল শর্ত দ্বারা গঠিত বা ব্যক্তিগত যোগ্যতা/সংকল্পের উপর নির্ভরশীল [যেমন: গল্প-উপন্যাস রচনা, অভিনয়, ব্যক্তিগত সেবা দেওয়া, বিবাহ করা সংক্রান্ত চুক্তি।]। 
৩). যে চুক্তির শর্ত আদালত যুক্তিসংগতভাবে নির্ণয় করতে পারে না।
৪). যে চুক্তি তার প্রকৃতির (Nature) কারণেই বাতিলযোগ্য [Revocable বা যে চুক্তি প্রকৃতিগতভাবেই প্রত্যহারযোগ্য]।
৫). জিম্মাদার/ট্রাস্টি কর্তৃক ক্ষমতা/চুক্তি বর্হিভূত চুক্তি। 
৬). কোম্পানির পক্ষে বা কর্মকর্তা কর্তৃক ক্ষমতা/চুক্তি বর্হিভূত চুক্তি। 
৭). যে চুক্তি পালনে শুরু করার তারিখ হতে ৩ বছরের বেশি সময় লাগে। 
৮) যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার আগেই বিষয়বস্তু বিলুপ্ত হয়েছে। মনে রাখুন, চুক্তিতে Arbitration Clause থাকলে চুক্তি কার্যকর করা যাবে না।

♦যে চুক্তির সম্পাদন পক্ষগণের ব্যক্তিগত যোগ্যতার উপর নির্ভরশীল, সেই চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করা যায় না।
৬২৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা ও চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার সংজ্ঞা দেওয়া আছে?
  1. ৫২ ও ৫৩
  2. ৫৩
  3. ৫৫ ও ৫৬
  4. ৫৭
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ৫৩ ধারার বিধান:
অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা:
- অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা হচ্ছে তেমন নিরোধ যা একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অথবা আদালতের পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত কার্যকর থাকে। মামলার যেকোনো পর্যায়েই তা মঞ্জুর করা যায় এবং তা দেওয়ানি কার্যবিধি কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হয়।
 
চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা:
- চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা কেবল মাত্র শুনানির পর মামলার গুণাগুণের ভিত্তিতে প্রদত্ত ডিক্রি দ্বারাই মঞ্জুর করা যায়। এর মাধ্যমে প্রতিবাদীকে চিরস্থায়ীভাবে এমন একটি অধিকার প্রয়োগ হতে বা এমন একটি কাজ করা হতে বিরত থাকার নির্দেশ প্রদান করা হয়। যা বাদীর অধিকারের বিপরীত হতে পারে।
----------------
SR Act: Section-53. Temporary injunctions, Perpetual injunctions:
Temporary injunctions are such as are to continue until a specified time, or until the further order of the Court. They may be granted at any period of a suit, and are regulated by the Code of Civil Procedure.
 
A perpetual injunction can only be granted by the decree made at the hearing and upon the merits of the suit: the defendant is thereby perpetually enjoined from the assertion of a right, or from the commission of an act, which would be contrary to the rights of the plaintiff.
৬২৬.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩২ ধারা অনুসারে চুক্তি সংশোধনের জন্য আদালত কোন বিষয়ে অনুমান করে?
  1. চুক্তির তারিখ
  2. সাক্ষীদের সংখ্যা
  3. পক্ষসমূহের অভিপ্রায়
  4. পক্ষসমূহের আর্থিক অবস্থা
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩২ ধারার শিরোনাম ও বিষয়বস্তুই হলো "পক্ষসমূহের অভিপ্রায় সম্পর্কে অনুমান" (Presumption as to intent of parties)।
- ধারাটিতে স্পষ্ট বলা হয়েছে: লিখিত চুক্তি সংশোধনের জন্য আদালতকে নিশ্চিত হতে হবে যে, চুক্তির সকল পক্ষের উদ্দেশ্য (অভিপ্রায়) ছিল একটি সুষম ও সুবিচারমূলক (equitable and conscientious) চুক্তি সম্পাদন করা।
সুতরাং, আদালত চুক্তি সংশোধন করার সময় পক্ষগুলোর মূল অভিপ্রায় কী ছিল তা যাচাই করে, চুক্তির তারিখ, সাক্ষীর সংখ্যা বা পক্ষগুলোর আর্থিক অবস্থা নয়।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩২ ধারার বিধান: পক্ষসমূহের অভিপ্রায় সম্পর্কে অনুমান:
- লিখিত চুক্তি সংশোধন করবার উদ্দেশ্যে আদালত অবশ্যই নিশ্চিত হবেন যে, চুক্তির সকল পক্ষের উদ্দেশ্য হচ্ছে সুষম ও সুবিচারমূলক চুক্তি সম্পাদন করা।
--------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877 Section:-32. Presumption as to intent of parties:
- For the purpose of rectifying a contract in writing, the Court must be satisfied that all the parties thereto intended to make an equitable and conscientious agreement.

৬২৭.
'A', 'B'-এর নিকট ৫০ শতক জমি বিক্রি করার নিমিত্তে চুক্তিপত্র করে কিন্তু অজ্ঞাত কারণে ১৫ শতক জমি হস্তান্তর করতে অসমর্থ হয়, এক্ষেত্রে চুক্তিটি-
  1. সম্পাদন করা যাবে
  2. সম্পাদন করা যাবে না
  3. সম্পাদন করা যাবে কিন্তু অসম্পাদিত অংশের ক্ষতিপূরণ পাবে না
  4. সম্পাদন করা যাবে কিন্তু অসম্পাদিত অংশের ক্ষতিপূরণ পাবে
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৪ ধারার বিধান:
-কোন চুক্তির যদি দুটো অংশ থাকে, যার মধ্যে একটা বৃহত্তর, অন্যটা ক্ষুদ্রতর এবং চুক্তিভুক্ত এক পক্ষ যদি বৃহত্তর অংশটুকু পালন করতে সমর্থ হয় এবং ক্ষুদ্রতর অংশটি অর্থের দ্বারা ক্ষতিপূরণযোগ্য হয়; তাহলে আদালত চুক্তিভুক্ত যে কোন এক পক্ষের মামলা দায়েরক্রমে বৃহত্তর অংশটি সুনির্দিষ্টিভাবে সম্পাদনের, এবং ক্ষুদ্রতর অংশটির জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারবেন।
 
⇒ সুতরাং সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৪ ধারামতে কোন চুক্তির অসম্পাদিত অংশ ছোট হলে, আদালত ঐ চুক্তির সম্পাদনযোগ্য বৃহত্তর অংশের জন্য সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের আদেশ এবং বাকী অংশের জন্য ক্ষতিপূরণের আদেশ দিবে।
- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ১৪ ধারা অনুযায়ী কোনো চুক্তির অসম্পাদিত অংশ ছোট হলে উক্ত চুক্তি সম্পাদন করা যাবে।

- এখানে চুক্তির ৫০ শতক জমির মধ্যে সম্পাদিত অংশ ৩৫ শতক তথা বড় এবং অসম্পাদিত অংশ ১৫ শতক তথা ছোট, তাই চুক্তিটি সম্পাদন করা যাবে এবং অসম্পাদিত অংশের জন্য B-কে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।
----------------------------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877-Section-14.Specific performance of part of contract where part unperformed is small:
Where a party to a contract is unable to perform the whole of his part of it, but the part which must be left unperformed bears only a small proportion to the whole in value, and admits of compensation in money, the Court may, at the suit of either party, direct the specific performance of so much of the contract as can be performed, and award compensation in money for the deficiency.
 
Illustrations
(a) A contracts to sell B a piece of land consisting of 100 bighas. It turns out that 98 bighas of the land belong to A, and the two remaining bighas to a stranger, who refuses to part with them. The two bighas are not necessary for the use or enjoyment of the 98 bighas, nor so important for such use of enjoyment that the loss of them may not be made good in money. A may be directed at the suit of B to convey to B the 98 bighas and to make compensation to him for not conveying the two remaining bighas; or B may be directed, at the suit of A, to pay to A, on receiving the conveyance and possession of the land, the stipulated purchase-money less a sum awarded as compensation for the deficiency.
 
(b) In a contract for the sale and purchase of a house and lands for two lakhs of Taka, it is agreed that part of the furniture should be taken at a valuation. The court may direct specific performance of the contract notwithstanding the parties are unable to agree as to the valuation of the furniture, and may either have the furniture valued in the suit and include it in the decree for specific performance, or may confine its decree to the house.
৬২৮.
দলিল সংশোধনের বিষয়ে বলা আছে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন-এর কত ধারায়?
  1. ৩০
  2. ৩১
  3. ৩৫
  4. ৩৯
ব্যাখ্যা
♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন-এর ৩১ ধারায় দলিল সংশোধনের বিধান আছে
৬২৯.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারা অনুযায়ী, যদি কাউকে অবৈধভাবে দখলচ্যুত করা হয়, তবে-
  1. কেবল চুক্তির ভিত্তিতে মামলা মামলা করতে পারবে
  2. স্বত্ব প্রমাণ না থাকলেও মামলা করতে পারবে
  3. স্বত্ব প্রমাণ করতে পারলেই কেবল মামলা করতে পারবে
  4. জমির মালিকের অনুমতি সাপেক্ষে মামলা করতে পারবে
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৯ ধারার বিধান: স্থাবর সম্পত্তির দখল চ্যুত ব্যক্তি কর্তৃক মামলা:
যদি কোন ব্যক্তি তার অসম্মতিতে আইনগত পন্থা ছাড়াই স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত হয়, তাহলে সে বা তার মাধ্যমে দাবিদার কোন ব্যক্তি মামলার মাধ্যমে তা পুনরুদ্ধার করতে পারে। তবে এই ধারার কোন কিছুই এমন সম্পত্তির ব্যাপারে নিজের স্বত্ব প্রতিষ্ঠিত এবং তার দখল পুনরুদ্ধার করার নিমিত্তে কোন ব্যক্তি কর্তৃক মামলা রুজু করার পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে না।
এই ধারা অনুসারে সরকারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা যাবে না।
এই ধারা অনুসারে দায়েরকৃত মামলার প্রদত্ত কোন ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে কোন আপিল করা যাবে না অথবা তেমন কোন আদেশ বা ডিক্রি পুনর্বিবেচনার কোন অনুমতি প্রদান করা হবে না।
৬৩০.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১০ ধারার কয়টি ব্যাখ্যা রয়েছে?
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে অস্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের জন্য মোকদ্দমা করতে হয় ১০ ধারার বিধান অনুসারে।
অর্থাৎ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১০ ধারায় 'Recovery of specific moveable property' সংক্রান্ত বিধান আছে। 
 
⇒সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের-১০ ধারার বিধান: সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির পুনরুদ্ধার: 
- সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির দখলের অধিকারী ব্যক্তি দেওয়ানি কার্যবিধিতে নির্ধারিত পন্থায় তার দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে।
 
ব্যাখ্যা-১: এই ধারা অনুসারে একজন জিম্মাদার যার জন্য জিম্মাদার নিযুক্ত হয়েছে সে ব্যক্তির হিতকর স্বার্থে নিয়োগ করার অধিকার রয়েছে এমন অস্থাবর সম্পত্তির দখল পাওয়ার জন্য মামলা রুজু করতে পারে।
ব্যাখ্যা-২: সম্পত্তির বর্তমান দখলের জন্য অস্থায়ী বা বিশেষ অধিকারকেই এই ধারা অনুযায়ী দায়েরকৃত মামলাকে সমর্থন করার জন্য যথেষ্ট।

অর্থাৎ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১০ ধারার ২টি ব্যাখ্যা রয়েছে।
------------
SR Act: Section-10.Recovery of specific moveable property:
A person entitled to the possession of specific moveable property may recover the same in the manner prescribed bythe Code of Civil Procedure.
 
Explanation 1- A trustee may sue under this section for the possession of property to the beneficial interest in which the person for whom he is trustee is entitled.
Explanation 2- A special or temporary right to the present possession of property is sufficient to support a suit under this section.
৬৩১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৫ ধারায় কোন প্রতিকার সম্পর্কিত বিধান রয়েছে?
  1. অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা
  2. অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
  3. স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
  4. বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৫ ধারায় বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞার (Mandatory injunction) বিধান রয়েছে। ৫৫ ধারামতে, বাধ্যতামূলক বা আদেশমূলক নিষেধাজ্ঞা হল কোন প্রত্যক্ষ কাজ (Positive act) অথবা আইনসংগত বাধ্যবাধকতা (legal obligation) পরিপূর্ণ করার আদেশ, যার মাধ্যমে ইতিপূর্বে যা করা হয়েছিল তা নষ্ট করা অথবা কোন জিনিসকে পূর্ববর্তী অবস্থায় স্থাপন (Restore) করার নির্দেশ থাকে।

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৫৫: বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা:

যেক্ষেত্রে একটি বাধ্যবাধকতা ভঙ্গ করান রোধের লক্ষ্যে এমন নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন করতে বাধ্য করা আবশ্যক হয় এবং আদালতে তা কার্যকরীযোগ্য হয়, সেক্ষেত্রে আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতা অনুযায়ী যে চুক্তি ভঙ্গের অভিযোগ করা হয়েছে তা রোধ করা এবং সেই সঙ্গে প্রয়োজনীয় কার্য সম্পাদনে বাধ্য করার জন্য নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারেন।

Section 55: Mandatory injunctions:
When, to prevent the breach of an obligation, it is necessary to compel the performance of certain acts which the Court is capable of enforcing, the Court may in its discretion grant an injunction to prevent the breach complained of, and also to compel performance of the requisite acts.
৬৩২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৮ ধারায় আদালত কার থেকে প্রয়োজন অনুসারে ন্যায়পরতার (equity) দাবি করতে পারেন?
  1. ক্ষতিগ্রস্থ পক্ষ
  2. চুক্তির যেকোনো পক্ষ
  3. চুক্তির সুফল ভোগকারী
  4. চুক্তি রদকারী পক্ষ
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৮ ধারা অনুযায়ী: রদকারী পক্ষের পক্ষ থেকে আদালত প্রয়োজন অনুসারে ন্যায়পরতার দাবি করতে পারেন:
চুক্তি রদের রায় প্রদানের ক্ষেত্রে আদালত যে পক্ষকে প্রতিকার মঞ্জুর করেছেন, সেই পক্ষের থেকে অপর পক্ষকে ন্যায়বিচারের প্রয়োজন অনুসারে ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারেন।

⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 38- Court may require party rescinding to do equity:
On adjudging the rescission of a contract, the Court may require the party to whom such relief is granted to make any compensation to the other which justice may require.
৬৩৩.
'ক' একটি জমির বৈধ দখলে আছে। প্রতিবেশী গ্রামবাসী উক্ত জমির উপর দিয়ে চলাচলের অধিকার দাবী করে। এক্ষেত্রে 'ক' কত দিনের মধ্যে ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবে?
  1. ১ বছর 
  2. ৩ বছর
  3. ৬ বছর
  4. ১২ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় ঘোষণামূলক বিধান রয়েছে। কোন ব্যক্তির আইনগত পরিচয় কিংবা সম্পত্তিতে তার স্বত্বের অধিকার কেউ যদি অস্বীকার করে, তখন আইনগত পরিচয় বা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী ব্যক্তি তার অধিকার ঘোষণা চেয়ে আদালতে যে মোকদ্দমা দায়ের করে তাকে ঘোষণামূলক মোকদ্দমা বা 'Declaratory Suit বলে।

- তামাদি আইনে ঘোষণামূলক মোকদ্দমার কোনো সুনির্দিষ্ট বিধান নেই। এই আইনের ১২০ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, যে-সকল মামলার জন্য তামাদির মেয়াদ উল্লেখ নাই সেগুলো সাধারণত ৬ বছরের মধ্যে দায়ের করতে হয়। সুতরাং প্রকৃত কারণ উদ্ভব হওয়ার সময় হতে ৬ বছরের মধ্যে ঘোষণামূলক মামলা দায়ের করতে হবে।

৬৩৪.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৪ ধারায় কোন আইনকে প্রাধান্য দেয়া হয়েছে?
  1. চুক্তি আইন
  2. নিবন্ধন আইন
  3. দেওয়ানি কার্যবিধি
  4. সম্পত্তি হস্তান্তর আইন
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৪ ধারা- তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ সুবিবেচনামূলক:
প্রক্রিয়াধীন মামলায় তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ আদালতের সম্পূর্ণ ইচ্ছাধীন।
তার নিয়োগের ধরন ও ফলাফল এবং তার অধিকার, ক্ষমতা, কর্তব্য এবং দায়দায়িত্ব দেওয়ানি কার্যবিধি কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হবে।

Section 44- Appointment of receivers discretionary, Reference to Code of Civil Procedure:
The appointment of a receiver pending a suit is a matter resting in the discretion of the Court.
The mode and effect of his appointment, and his rights, powers, duties and liabilities, are regulated by the Code of Civil Procedure.
৬৩৫.
নিম্নের কোন প্রতিকারটি সুনির্দিষ্ট প্রতিকারের আওতায় পড়ে না?
  1. নিষেধাজ্ঞা
  2. আর্থিক ক্ষতিপূরণ
  3. স্বত্ব ঘোষণা
  4. চুক্তি বাস্তবায়ন
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ৫ ধারা মতে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা হয় ৫ ভাবে যথা- 
(ক) সুনির্দিষ্ট সম্পত্তির দখল গ্রহণ এবং তা দাবিদারকে প্রদানের মাধ্যমে;
(খ) কোন কাজ করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে ঐ কাজ করার আদেশ প্রদানের মাধ্যমে;
(গ) কোন কাজ না করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে তা করা হতে বিরত রাখার মাধ্যমে;
(ঘ) ক্ষতিপূরণের রোয়েদাদ ব্যতীত পক্ষসমূহের অধিকার নির্ণয় এবং ঘোষণার মাধ্যমে; অথবা
(ঙ)রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে।

যদিও ৫ এর ঘ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে ক্ষতিপূরণমূলক প্রতিকার মঞ্জুর করা যায় কিন্তু সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা যায় না।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫(ঘ) ধারার বিধান অনুযায়ী আদলত ক্ষতিপূরণ ব্যতীত অন্য কোনভাবে পক্ষসমূহের অধিকার নির্ধারণ এবং ঘোষণার মাধ্যমে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার দিতে পারে। অর্থাৎ ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে আদালত সুনির্দিষ্ট প্রতিকার মঞ্জুর করতে পারেনা।
সুতরাং আর্থিক ক্ষতিপূরণ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার নয়।
-----------------
⇒ Section 5 Specific relief how given: Specific relief is given- 
(a) by taking possession of certain property and delivering it to a claimant; 
(b) by ordering a party to do the very act which he is under an obligation to do; 
(c) by preventing a party from doing that which he is under an obligation not to do; 
(d) by determining and declaring the rights of parties otherwise than by an award of compensation; or 
(e) by appointing a receiver.
৬৩৬.
কোন কারণে দলিল সংশোধন করা যেতে পারে?
  1. কেবল আইনি ত্রুটির কারণে
  2. প্রতারণা বা পক্ষসমূহের পারস্পরিক ভুলে
  3. কেবল দলিল নিবন্ধিত না হলে
  4. দলিল পক্ষসমূহের প্রকৃত উদ্দেশ্য প্রকাশ করলে
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারার বিধান- যখন দলিল সংশোধন করা যেতে পারে:
যখন প্রতারণার মাধ্যমে বা পক্ষসমূহের পারস্পরিক ভুলের দরুন কোন চুক্তি বা অপর কোন লিখিত দলিল সত্যিকারভাবে তাদের উদ্দেশ্য ব্যক্ত করে না, যেকোন পক্ষ বা তাদের স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি দলিল সংশোধিত করে নেওয়ার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে এবং যদি আদালত এটি সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত দেখতে পান যে, দলিল প্রণয়নের বেলায় প্রতারণা বা ভুল কার হয়েছে এবং তা কার্যকরী করার ব্যপারে পক্ষসমূহের সত্যিকার উদ্দেশ্য নিরূপণ করতে অক্ষম হয়, সেখানে আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতা অনুসারে যতদূর পর্যন্ত তা তৃতীয় পক্ষ কর্তৃক সরল বিশ্বাসে এবং মূল্যের বিনিময়ে অর্জিত অধিকারে হস্তক্ষেপ না করে করা যায়, ততদূর পর্যন্ত দলিল সংশোধন করতে পারেন, যাতে তা সে উদ্দেশ্য ব্যক্ত করতে সক্ষম হয়।

৬৩৭.
‘A’ নামক একজন ব্যক্তি ‘B’-এর কাছে জমি ভাড়া দেয় এবং ‘B’ চুক্তি করে যে সে জমি থেকে বালি বা নুড়ি খনন করবে না। ‘B’ এই চুক্তি লঙ্ঘন করে খনন শুরু করে। এই ক্ষেত্রে ‘A’ কী করাতে পারে?
  1. চুক্তি বাতিল করতে পারে।
  2. আর্থিক ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারে।
  3. নিষেধাজ্ঞার জন্য মামলা করতে পারে।
  4. কোনো আইনি পদক্ষেপ নিতে পারবে না।
ব্যাখ্যা

⇒ Specific Relief Act, 1877-এর Section 54-এর Illustration (a) অনুযায়ী, যদি 'A' 'B'-কে জমি ভাড়া দেয় এবং 'B' চুক্তি লঙ্ঘন করে বালি বা নুড়ি খনন শুরু করে, তাহলে 'A' আদালতের কাছে একটি Perpetual Injunction (চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা) মামলা করতে পারে। এই Injunction-এর মাধ্যমে 'B'-কে চুক্তি লঙ্ঘন করে খনন কাজ করা থেকে বিরত রাখা হবে। এটি চুক্তিভঙ্গ রোধ করার একটি প্রতিকার।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৫৪ ধারার বিধান চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরের সময়। এই অধ্যায়ের অন্তর্ভুক্ত বা এই অধ্যায়ে বর্ণিত অন্যান্য বিধানের অধীন আবেদনকারীর স্বপক্ষে বিরাজমান বাধ্যবাধকতা, তা প্রকাশ্য হোক বা অনুমিত হোক ভঙ্গ করাকে নিরোধ করার জন্য চিরস্থায়ী ইনজাংশন মঞ্জুর করা যেতে পারে।
যেক্ষেত্রে তেমন বাধ্যবাধকতা চুক্তির ফলে উদ্ভূত হয়, সেক্ষেত্রে আদালত এই আইনের দ্বিতীয় অধ্যায়ের বিধানসমূহ ও নিয়মাবলি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হবেন।
যেক্ষেত্রে প্রতিবাদী বাদীর সম্পত্তির অধিকারে বা সম্ভোগে অনধিকার হস্তক্ষেপ করে বা হস্তক্ষেপের হুমকি দেয়, সেক্ষেত্রে আদালত নিম্নোক্ত ক্ষেত্রসমূহে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারেন:
(ক) যেক্ষেত্রে প্রতিবাদীর জন্য সম্পত্তির জিম্মাদার;
(খ) যেক্ষেত্রে অধিকার লঙ্ঘনের ফলে কৃত বাস্তব ক্ষতি অথবা সম্ভাব্য ক্ষতি নিরূপণের কোন মানদণ্ড নেই;
(গ) যেক্ষেত্রে অধিকার লঙ্ঘন এমন ধরনের যে, আর্থিক ক্ষতিপূরণ দ্বারা তার পর্যাপ্ত প্রতিকার করা যাবে না;
(ঘ) যেক্ষেত্রে এমন সম্ভাবনা থাকে যে, অধিকার লঙ্ঘনের জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে না;
(ঙ) যেক্ষেত্রে বিচার বিভাগীয় কার্যধারার জটিলতা নিবারণের জন্য ইনজাংশন প্রয়োজনীয়।
ব্যাখ্যা: এই ধারার লক্ষ্য অনুযায়ী ট্রেডমার্ক সম্পত্তি মর্মে পরিগণিত হবে।
-----------
⇒ The Specific Relief Act, 1877- Section 54 Perpetual injunctions when granted: Subject to the other provisions contained in, or referred to by, this Chapter, a perpetual injunction may be granted to prevent the breach of an obligation existing in favour of the applicant, whether expressly or by implication.
When such obligation arises from contract, the Court shall be guided by the rules and provisions contained in Chapter II of this Act.
When the defendant invades or threatens to invade the plaintiff's right to, or enjoyment of, property, the Court may grant a perpetual injunction in the following cases (namely):-
(a) where the defendant is trustee of the property for the plaintiff;
(b) where there exists no standard for ascertaining the actual damage caused, or likely to be caused, by the invasion;
(c) where the invasion is such that pecuniary compensation would not afford adequate relief;
(d) where it is probable that pecuniary compensation cannot be got for the invasion;
(e) where the injunction is necessary to prevent a multiplicity of judicial proceedings.
Explanation - For the purpose of this section a trademark is property.

৬৩৮.
সরকার কর্তৃক কোন ব্যক্তি তার জমি হতে বেদখল হলে সে মামলা করতে পারে-
  1. দখল উদ্ধারের
  2. স্বত্ব ঘোষনা ও দখল উদ্ধারের
  3. কেবল স্বত্ব ঘোষণার
  4. স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার
ব্যাখ্যা
♦সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন অনুযায়ী কোনো সম্পত্তি থেকে সরকার কর্তৃক অন্যায়ভাবে দখলচ্যুত হলে এবং দখলচ্যুত ব্যক্তি সম্পত্তির বৈধ মালিক বা দাবিদার হয়ে থাকলে: ৮ ও ৪২ ধারা অনুযায়ী স্বত্ব ঘোষণা ও দখল উদ্ধারের জন্য মোকদ্দমা করতে পারবে।

♦সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ৯ ধারা অনুযায়ী সরকার কর্তৃক কোন ব্যক্তি তার জমি হতে বেদখল হলে সে কোন ভাবে সরকারের বিরুদ্ধে দখল উদ্ধারের মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবে না। কিন্তু উক্ত বেদখলকৃত ব্যক্তি ৮ এবং ৪২ ধারা অনুযায়ী স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারসহ স্বত্ত্ব ঘোষণার মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে। কারণ এই দুইটি ধারার অধীন সরকারের বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দায়েরে কোন বাধা নেই।
৬৩৯.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে স্থাবর সম্পত্তি দখল পুনরুদ্ধার মামলায় বাদী নিচের কোনটি প্রমাণ করতে হবে না?
  1. সম্পত্তিটি দখলে ছিল
  2. সম্পত্তিতে বাদীর স্বত্ব রয়েছে
  3. বিবাদী তাকে বেদখল করেছে
  4. বাদী ৬ মাসের মধ্যে মামলা করেছে
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন এর ৯ ধারায় দখল পুনরুদ্ধার করতে হলে বাদীকে প্রমাণ করতে হবে নালিশি সম্পত্তি তার দখলে ছিল এবং উক্ত সম্পত্তি হতে তাকে গত ৬ মাসের মধ্যে জোরপূর্বক বা বেআইনিভাবে বেদখল করা হয়েছে।
-এই ধারায় ( স্থাবর সম্পত্তি দখল পুনরুদ্ধার মামলায়) স্বত্ব প্রমাণ বা স্বত্বের প্রশ্ন উত্থাপন করার প্রয়োজন নেই, তথাপিও পক্ষ চাইলে উত্থাপন করতে পারেন।
ধারাঃ ৯- স্থাবর সম্পত্তির দখল পুরুদ্ধার (স্বত্বছাড়া শুধু দখল পুনুরুদ্ধার/মামলা করার সময়সীমা ৬ মাস)
-------------------------
SR Act- Section-9. Suit by person dispossessed of immoveable property:
If any person is dispossessed without his consent of immoveable property otherwise than in due course of law, he or any person claiming through him may, by suit recover possession thereof, notwithstanding any other title that may be set up in such suit.
 
Nothing in this section shall bar any person from suing to establish his title to such property and to recover possession thereof.
No suit under this section shall be brought against the Government.
No appeal shall lie from any order or decree passed in any suit instituted under this section, nor shall any review of any such order or decree be allowed.
৬৪০.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন কোন ক্ষেত্র অন্তর্ভুক্ত করে না?
  1. চুক্তিভুক্ত অঙ্গীকার
  2. সুনির্দিষ্ট  কার্যসম্পাদন
  3. চুক্তি‑বহির্ভূত অঙ্গীকার
  4. লিখিত দলিলের কার্যকারিতা
ব্যাখ্যা
• ধারা ৪- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অপ্রযোজ্যতা:
যদি না এই আইনে কোথাও অন্যরূপে সুস্পষ্টভাবে বিধিবদ্ধ থাকে, তবে এই আইনে কোন কিছুকেই এরূপ গণ্য করা হবে না, যাতে-
(ক) চুক্তি নয়, এমন কোন অঙ্গীকারের ব্যাপারে প্রতিকারের কোন অধিকার প্রদান করা হয়;
(খ) কোন ব্যক্তিকে কোন প্রতিকারের অধিকার হতে বঞ্চিত করা হয়, শুধুমাত্র নির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন ছাড়া, যা সে কোন চুক্তির অধীনে পেতে পারত; অথবা
(গ) দলিলসমূহের উপর রেজিস্ট্রেশন আইনের প্রয়োগকে প্রভাবিত করা হয়।
৬৪১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এ কয়টি অধ্যায় রয়েছে?
  1. ৩টি
  2. ৫টি
  3. ৭টি
  4. ১০টি
ব্যাখ্যা

• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭:
⇒ প্রকাশকাল: ৭ই ফেব্রুয়ারী ১৮৭৭;
⇒ কার্যকর: ১লা মে, ১৮৭৭; (১নং আইন)
⇒ সর্বশেষ সংশোধন: ১লা মে ২০০৪;
⇒ সর্বশেষ সংশোধন কার্যকর: ১লা জুলাই ২০০৫;
⇒ প্রকৃতি: দেওয়ানী প্রকৃতির;
⇒ আইনের ধরণ: মূল আইন;
⇒ প্রস্তাবনা: ১টি;
⇒ খন্ড: ৩টি;
⇒ তফলিস: নেই;
⇒ অধ্যায়: ১০টি;
⇒ ধারা: ৫৭টি।

৬৪২.
The provisions of Section 27A of The Specific Relief Act, 1877 refers to-
  1. Sale contract
  2. Lease contract
  3. Gift contract
  4. None of above
ব্যাখ্যা
Section 27A- Specific performance in case of part performance of contract to lease:

Subject to the provisions of this Chapter, where a contract to lease immoveable property is made in writing signed by the parties thereto or on their behalf, either party may, notwithstanding that the contract, though required to be registered, has not been registered, sue the other for specific performance of the contract if,-
(a) where specific performance is claimed by the lessor, he has delivered possession of the property to the lessee in part performance of the contract; and

(b) where specific performance is claimed by the lessee, he has, in part performance of the contract, taken possession of the property, or, being already in possession, continues in possession in part performance of the contract, and has done some act in furtherance of the contract:
Provided that nothing in this section shall affect the rights of a transferee for consideration who has no notice of the contract or of the part performance thereof.
This section applies to contracts to lease executed after the first day of April, 1930.

এই অধ্যায়ের বিধানাবলীর অধীনে, যদি স্থাবর সম্পত্তি লিজ দেয়ার একটি চুক্তি লিখিতভাবে পক্ষদ্বয় বা তাদের প্রতিনিধির স্বাক্ষরিত হয়, তবে যদিও চুক্তিটি নিবন্ধিত হওয়ার প্রয়োজন আছে কিন্তু নিবন্ধিত না হয়, তবুও আদেশ দ্বারা বাস্তবায়নের জন্য একপক্ষ অন্যপক্ষের বিরুদ্ধে মামলা করতে পারে যদি, -
(ক) যদি লিজদাতা বাস্তবায়নের দাবি করে, তিনি চুক্তির আংশিক বাস্তবায়নে সম্পত্তির দখল লিজগ্রহীতাকে হস্তান্তর করেছেন; এবং
(খ) যদি লিজগ্রহীতা বাস্তবায়নের দাবি করে, তিনি চুক্তির আংশিক বাস্তবায়নে সম্পত্তির দখল নিয়েছেন, অথবা ইতোমধ্যে দখলে থেকে চুক্তির আংশিক বাস্তবায়নে দখল বজায় রেখেছেন এবং চুক্তির পরিপূরকে কোনও কাজ করেছেন।

তবে এই ধারার কিছুই এমন হস্তান্তরিতের অধিকারে প্রভাব ফেলবে না যে প্রতিফলস্বরূপ হস্তান্তর গ্রহণ করে এবং যার চুক্তি বা তার আংশিক বাস্তবায়নের কোনও সংবাদ নেই।
এই ধারা ১লা এপ্রিল, ১৯৩০ এর পরে সম্পাদিত ভাড়ার চুক্তিগুলির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
৬৪৩.
একজন আইনজীবী 'ক' তার মক্কেল, একজন হিন্দু বিধবা 'খ' কে 'খ' এর পাওনাদারগণের প্রতারণার উদ্দেশ্যে সম্পত্তি তার নামে হস্তান্তর করতে প্ররোচিত করল। এক্ষেত্রে 'খ' এর প্রতিকার কী?
  1. ক্ষতিপূরণ পাবে
  2. হস্তান্তরের দলিল সংশোধনের
  3. হস্তান্তরের দলিল বাতিলের
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
• এই উদাহরণটি সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৩৫(খ) এর প্রেক্ষিতে দেওয়া হয়েছে। যদি কোনো চুক্তি অবৈধ হয় এবং বিবাদীর দোষ বাদীর চেয়ে বেশি হয়, তাহলে বাদী পক্ষ চুক্তি বাতিলের দাবি করতে পারবে। এই উদাহরণে 'ক' হলো প্রধান দোষী। সুতরাং, এক্ষেত্রে 'খ' ওই সম্পত্তি হস্তান্তরের দলিল বাতিলের দাবি করতে পারবেন।

 ৩৫ ধারা: বিচারপূর্বক যখন রদ করা যায়:
লিখিত চুক্তিতে স্বার্থসংশ্লিষ্ট যেকোন ব্যক্তি তা রদ করার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে এবং আদালত নিম্নোক্ত যেকোন ক্ষেত্রে বিচারপূর্বক চুক্তি রদ করতে পারেন:
(ক) যেখানে চুক্তি বাতিলযোগ্য অথবা বাদী কর্তৃক সমাপনীয়;
(খ) যেখানে আপাতত দৃশ্যমান নয় এমন কারণে চুক্তি অবৈধ এবং বাদীর চেয়ে প্রতিবাদীকেই দোষী করা যায় বেশি;
(গ) যেখানে একটি বিক্রয়চুক্তি বা একটি ইজারা গ্রহণের চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য ডিক্রি প্রদান করা হয়েছে এবং ক্রেতা ইজারাদার ক্রয়মূল্য বা অপরাপর অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হয়েছে।

⇒ যখন ক্রেতা বা ইজারাদার বিষয়বস্তুর দখলকারী থাকে এবং আদালত তেমন দখল অন্যায় মনে করেন সেখানে আদালত তাকে তেমন দখলকারী হিসাবে কোন লাভ বা ভাড়া পেয়ে থাকলে তা বিক্রেতা বা ইজারাদাতাকে প্রদানের নির্দেশ প্রদান করতে পারেন।

⇒ একই ক্ষেত্রে আদালত সে মামলায়ই আদেশ কর্তৃক যাতে ডিক্রি প্রদান করা হয়েছিল, কিন্তু তদমোতাবেক কাজ করা হয়নি, হয় কর্তব্য অবহেলাকারী পক্ষের বেলায় বা অসম্পূর্ণ চুক্তিই মামলার ন্যায়বিচারের আবশ্যকতা মোতাবেক রদ করে দিতে পারেন।

উদাহরণ:
উপধারা-ক এর-
'ক', 'খ'-এর নিকট একটি মাঠ বিক্রয় করল। মাঠের উপর দিয়ে যাতায়াতের অধিকার সম্পর্কে 'ক'-এর সরাসরি ব্যক্তিগত জ্ঞান ছিল, কিন্তু তা সে 'খ'-এর নিকট গোপন রাখল। সে চুক্তি রদ করে নেওয়ার অধিকারী।

উপধারা-খ এর-
একজন অ্যাটর্নি 'ক' তার মক্কেল একজন হিন্দু বিধবা 'খ' কে 'খ' এর পাওনাদারগণের প্রতারণার উদ্দেশ্যে সম্পত্তি তার নামে হস্তান্তর করতে প্ররোচিত করল। এখানে পক্ষসমূহ সমভাবে দোষী নয় এবং 'খ' হস্তান্তরের দলিল রদ করিয়ে নেয়ার অধিকারী।
৬৪৪.
যে দলিলসমূহ আংশিকভাবে বিলুপ্ত করা যেতে পারে কত ধারার বিধান
  1. ৪০
  2. ৩৯
  3. ২১
  4. ৪১
ব্যাখ্যা
♦সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪০ ধারার বিধান যে দলিলসমূহ আংশিকভাবে বিলুপ্ত করা যেতে পারেঃ
যেখানে দলিল বিভিন্ন অধিকার বা বিভিন্ন বাধ্যবাধকতার সাক্ষ্য হয়, সেখানে আদালত যথাযথ মামলায় আংশিকভাবে তা বিলুপ্ত করতে পারেন এবং অবশিষ্টাংশকে বহাল রাখতে পারেন।
৬৪৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৫৪ এর অধীনে, স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য কোন বিষয়টি প্রধানত বিবেচনা করা হয়?
  1. চুক্তির বৈধতা
  2. দখলের প্রমাণ
  3. ক্ষতিপূরণের পরিমাণ
  4. স্বত্বের প্রমাণ
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ৫৪ এর অধীনে, স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Permanent Injunction) প্রদানের ক্ষেত্রে প্রধানত দখলের প্রমাণ (Proof of Possession) বিবেচনা করা হয়। এই ধারা অনুসারে, আদালত সাধারণত বাদীর সম্পত্তির উপর দখলের অবস্থা পরীক্ষা করে, স্বত্ব (Title) নিয়ে জটিল বিষয়ে না গিয়ে। যদি বাদী প্রমাণ করতে পারেন যে তিনি সম্পত্তির উপর বৈধভাবে দখলে আছেন, তবে তিনি স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য আবেদন করতে পারেন, এমনকি তার স্বত্ব(Title) বিতর্কিত হলেও।

- ধারা ৫৪ এর বিধান: ধারা ৫৪ এ বলা হয়েছে যে, স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রদান করা যেতে পারে যখন কোনো ব্যক্তি সম্পত্তির উপর বাদীর অধিকারে হস্তক্ষেপ করার চেষ্টা করে বা হুমকি দেয়। এই ক্ষেত্রে, আদালত প্রধানত বাদীর দখলের অবস্থা বিবেচনা করে।
Manindra Nath Sen Sarma Vs. Bangladesh (4 BLD (AD) 285) এবং Md. Abdul Gafur and others Vs. Nazimuddin and others (4 BLD (HCD) 127) মামলায় আদালত স্পষ্ট করেছে যে, স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য স্বত্ব প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই, যদি বাদী দীর্ঘ সময় ধরে দখলে থাকেন এবং তা প্রমাণ করতে পারেন। এমনকি একজন অবৈধ দখলদারও (Trespasser) দীর্ঘ দখলের ভিত্তিতে নিষেধাজ্ঞা পেতে পারেন, যদি তিনি প্রমাণ করতে পারেন যে তিনি শান্তিপূর্ণভাবে দখলে আছেন।

কেন দখলের প্রমাণ প্রধান বিবেচনা?
- স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার উদ্দেশ্য হলো বাদীর বর্তমান দখলকে সুরক্ষিত করা, যাতে বিবাদী বা অন্য কেউ তাকে বেআইনিভাবে উচ্ছেদ করতে না পারে।
- Ansar Ali and others Vs. Sundar Ali and others (4 BLD (HCD) 140) মামলায় বলা হয়েছে যে, স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মামলায় আদালত স্বত্ব বা শিরোনামের জটিল প্রশ্নে প্রবেশ করে না, বরং কে স্পষ্টভাবে দখলে আছে তা বিবেচনা করে।
- দীর্ঘ দখল (Long Possession) এমনকি সত্যিকারের মালিকের বিরুদ্ধেও সুরক্ষিত হতে পারে, যদি না তাকে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে উচ্ছেদ করা হয় (Md. Abdul Gafur and others Vs. Nazimuddin and others)।

অন্য অপশনগুলি সঠিক নয়:
ক) চুক্তির বৈধতা: চুক্তির বৈধতা সুনির্দিষ্ট প্রতিপালনের মামলায় (ধারা ১২, ১৬, ২২) বিবেচনা করা হয়, কিন্তু স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার ক্ষেত্রে এটি প্রধান বিষয় নয়। ধারা ৫৪ প্রধানত দখলের উপর ফোকাস করে।
গ) ক্ষতিপূরণের পরিমাণ: ক্ষতিপূরণ স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার পরিবর্তে বিকল্প প্রতিকার হিসেবে বিবেচিত হতে পারে (Begum Sufia Khatoon and others Vs. Abdul Hakim Khan and another, 7 BLD (AD) 190), কিন্তু এটি ধারা ৫৪ এর প্রধান বিবেচনা নয়।
ঘ) স্বত্বের প্রমাণ: এটি সঠিক নয়, কারণ দখলের প্রমাণ স্পষ্টভাবে ধারা ৫৪ এর প্রধান বিষয়। 
- Pasharuddin Mir Vs. Ismail Mir and others (6 BLD (HCD) 155) মামলায় বলা হয়েছে যে, স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মামলায় স্বত্বের জটিল প্রশ্নের পরিবর্তে কে বাস্তবে এবং একচেটিয়াভাবে দখলে আছে তা বিবেচনা করা যথেষ্ট।
- Sheikh Ahmed and others Vs. Abdul Alim (9 BLD (HCD) 368) মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, সহ-শেয়ারার (Co-sharer) ক্ষেত্রেও, যদি বাদী একচেটিয়া দখলে থাকেন, তবে তিনি স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য মামলা করতে পারেন।
 
অর্থাৎ ধারা ৫৪ এর অধীনে, স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য আদালত প্রধানত বাদীর দখলের প্রমাণ বিবেচনা করে, স্বত্বের প্রমাণ বা চুক্তির বৈধতার উপর নয়। এটি নিশ্চিত করে যে বাদীর শান্তিপূর্ণ দখল বেআইনি হস্তক্ষেপ থেকে সুরক্ষিত থাকে।

৬৪৬.
নিম্নের কোন ক্ষেত্রে দেওয়ানি আদালত তার বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে না?
  1. দলিল বাতিল মোকদ্দমা
  2. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মোকদ্দমা
  3. দলিল সংশোধন মোকদ্দমা
  4. সুনির্দিষ্ট স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধার
ব্যাখ্যা
• বিবেচনামূলক ক্ষমতা বলতে বোঝায় যে, আদালত আইনত বাধ্য নয় কিন্তু উভয়পক্ষের বিরোধীয় বিষয়ে যুক্তি-প্রমাণে সন্তুষ্ট হয়ে ন্যায়বিচারের স্বার্থে আদালত প্রদত্ত সিদ্ধান্ত।

• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অধীন দেওয়ানি আদালত নিম্নোক্ত ক্ষেত্র বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে:

১. চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন (ধারা ১২);
২. দলিল সংশোধন (ধারা ৩১);
৩. বাতিল বা বাতিলযোগ্য দলিল বাতিল (ধারা ৩৯);
৪. ঘোষণামূলক প্রতিকার (ধারা ৪২);
৫. রিসিভার নিয়োগ (ধারা ৪৪);
৬. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (ধারা ৫৪);
৭. বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা (ধারা ৫৫);
৮. অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (ধারা ৫৩)।

আদালত ২টি ক্ষেত্রে Discretionary Power প্রয়োগ করতে পারে না:
১. সুনির্দিষ্ট স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধার (ধারা ৮);
২. স্থাবর সম্পত্তি দখল পুনরুদ্ধার (ধারা ৯)।

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ও ৯ ধারার আওতায় প্রতিকারগুলো পাওয়া পক্ষগণের অধিকার, তাই ৮ ও ৯ ধারার আওতায় স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার ও অর্পণের ক্ষেত্রে আদালত বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে না।
৬৪৭.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারা অনুযায়ী কোন ধরণের দলিল সংশোধন করা যায়?
  1. লিখিত চুক্তি 
  2. লিখিত দলিল
  3. মৌখিক চুক্তি
  4. ক এবং খ 
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারার বিধান-
যখন দলিল সংশোধন করা যেতে পারে যখন প্রতারণার মাধ্যমে বা পক্ষগণের পারস্পরিক ভুলের জন্য কোন লিখিত চুক্তি বা অন্য কোন লিখিত দলিল প্রকৃত অর্থে তাদের উদ্দেশ্য প্রকাশ করে না, তখন যেকোন পক্ষ অথবা তাদের স্বার্থ- সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি দলিলটি সংশোধিত করে নেওয়ার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে; এবং আদালত যদি এটি সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত দেখতে পান যে, দলিল প্রণয়নের সময় প্রতারণা অথবা ভুল করা হয়েছে এবং তা কার্যকর করবার ক্ষেত্রে পক্ষগণের প্রকৃত উদ্দেশ্য নিরূপণ করতে সক্ষম হয়, তাহলে আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে যতদূর পর্যন্ত তৃতীয় ব্যক্তি কর্তৃক সরল বিশ্বাসে এবং মূল্যের বিনিময়ে অর্জিত অধিকারে হস্তক্ষেপ না করেই করা যায়, ততদূর পর্যন্ত দলিল সংশোধন করতে পারেন - যাতে দলিলের এই উদ্দেশ্য ব্যক্ত করতে সক্ষম হয়।
-------------------
According to section 31 of the Specific Relief act, When instrument may be rectified-
When, through fraud or a mutual mistake of the parties, a contract or other instrument in writing does not truly express their intention, either party, or his representative in interest, may institute a suit to have the instrument rectified; and if the Court find it clearly proved that there has been fraud or mistake in framing the instrument, and ascertain the real intention of the parties in executing the same, the Court may in its discretion rectify the instrument so as to express that intention, so far as this can be done without prejudice to rights acquired by third persons in good faith and for value.

৬৪৮.
Under Section 32, if the Court is not satisfied with the intent of the parties, what can happen?
  1. The contract is automatically void
  2. The contract cannot be rectified
  3. The contract can still be enforced
  4. The contract must be renegotiated
ব্যাখ্যা
Section 32- Presumption as to intent of parties:
For the purpose of rectifying a contract in writing, the Court must be satisfied that all the parties thereto intended to make an equitable and conscientious agreement.

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩২ ধারা: পক্ষসমূহের অভিপ্রায় সম্পর্কে অনুমান:
লিখিত চুক্তি সংশোধন করবার উদ্দেশ্যে আদালত অবশ্যই নিশ্চিত হবেন যে, চুক্তির সকল পক্ষের উদ্দেশ্য হচ্ছে সুষম ও সুবিচারমূলক চুক্তি সম্পাদন করা।
৬৪৯.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৯ এর অধীনে মামলার জন্য কোন দুটি বিষয় প্রমাণ করতে হবে?
  1. স্বত্ব এবং সম্মতি
  2. দখল এবং বেদখল
  3. মালিকানা এবং দখল
  4. সম্মতি এবং আইনি পন্থা
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ধারা ৯ অনুসারে মামলার ক্ষেত্রে বাদীকে কেবলমাত্র দুইটি বিষয় প্রমাণ করতে হয়:
১. তিনি ওই স্থাবর সম্পত্তির দখলে ছিলেন, এবং
২. তাকে আইনগত পন্থা ছাড়া ও তার সম্মতি ব্যতীত উচ্ছেদ (বেদখল) করা হয়েছে।

- স্বত্ব (ownership) এই মামলার জন্য অপ্রাসঙ্গিক। ধারা ৯-এর মূল উদ্দেশ্য হলো— আইনবহির্ভূতভাবে কাউকে তার দখল থেকে উচ্ছেদ করা হলে তাকে দ্রুত প্রতিকার দেওয়া।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৯ ধারার বিধান: স্থাবর সম্পত্তির দখল চ্যুত ব্যক্তি কর্তৃক মামলা:
-যদি কোন ব্যক্তি তার অসম্মতিতে আইনগত পন্থা ছাড়াই স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত হয়, তাহলে সে বা তার মাধ্যমে দাবিদার কোন ব্যক্তি মামলার মাধ্যমে তা পুনরুদ্ধার করতে পারে। তবে এই ধারার কোন কিছুই এমন সম্পত্তির ব্যাপারে নিজের স্বত্ব প্রতিষ্ঠিত এবং তার দখল পুনরুদ্ধার করার নিমিত্তে কোন ব্যক্তি কর্তৃক মামলা রুজু করার পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে না।
-সরকারের ক্ষেত্রে এই ধারার কোনো প্রয়োগযোগ্য নেই।
-আদালত যে আদেশ দিবে তার বিরুদ্ধে আপিল বা পুনর্বিবেচনার আবেদন করা যাবে না।
-----------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section-9: Suit by person dispossessed of immoveable property:
If any person is dispossessed without his consent of immoveable property otherwise than in due course of law, he or any person claiming through him may, by suit recover possession thereof, notwithstanding any other title that may be set up in such suit.
Nothing in this section shall bar any person from suing to establish his title to such property and to recover possession thereof.
No suit under this section shall be brought against the Government.
No appeal shall lie from any order or decree passed in any suit instituted under this section, nor shall any review of any such order or decree be allowed.
৬৫০.
‘রহিম’, ‘করিম’-এর কাছে ৫ কাঠা জমি বিক্রি করতে চুক্তিবদ্ধ হয়। করিম নির্ধারিত তারিখে মূল্য পরিশোধ করতে ব্যর্থ হয় এবং চুক্তি পালন করতে অস্বীকৃতি জানায়। রহিম এরপর চুক্তি অমান্যের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি করে মামলা করে এবং ক্ষতিপূরণ পায়। এক্ষেত্রে, রহিম ক্ষতিপূরণ আদায় করার পর-
  1. চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন চাইতে পারবে না
  2. চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন চাইতে পারবে
  3. আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন চাইতে পারবে
  4. স্বয়ংক্রিয়ভাবে চুক্তি কার্যকর করতে পারবে
ব্যাখ্যা

এখন রহিম আর Specific Performance (জমি হস্তান্তরের আদেশ) চাইতে পারবে না, কারণ সে ইতোমধ্যে ক্ষতিপূরণকে প্রতিকার হিসেবে বেছে নিয়েছে।

ধারা ২৪- প্রতিকারের পথে ব্যক্তি বাধাসমূহ: চুক্তির সুনির্দিষ্ট এমন ব্যক্তির পক্ষে করা যায় না-
ক) যে চুক্তি অমান্যের জন্য ক্ষতিপূরণ আদায় করতে পারবে না;
খ) যে নিজ চুক্তির কোন প্রয়ােজনীয় শর্ত অমান্য করে বা শর্ত পালনে ব্যর্থ হয় এবং যদ্বরুণ তার নিজের অংশেরই কার্যসম্পাদন বাকী থাকে;
গ) যে ইতিমধ্যে তার প্রতিকার বেছে নিয়েছে এবং কথিত চুক্তি অমান্যের জন্য ক্ষতিপূরণ পেয়েছে; বা
ঘ) যে চুক্তি আগেই অবগত ছিল যে, তার বিষয়বস্তু (যদিও তা কোন মূল্যবান পণভিত্তিক নয়) বিলিবন্দোবস্ত করা হয়েছিল এবং তখন তা কার্যকরী ছিল।

উপধারা-গ এর-
‘ক’ ‘খ’-এর কাছে একটি বাড়ি সুনির্দিষ্ট শর্তে এবং ভাড়ায় ভাড়া প্রদানে চুক্তিবদ্ধ হয়। 'খ' চুক্তির কার্যসম্পাদনে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করে। 'ক' ইহার পর 'খ'-এর চুক্তি অমান্যের ক্ষতিপূরণের জন্য মােকদ্দমা রুজু করে এবং ক্ষতিপূরণ লাভ করে। 'ক' চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন কার্যকরী করার অধিকারী হবে না।

৬৫১.
'ক', 'খ' এর নিকট একটি মাঠ বিক্রয় করে। মাঠটির উপর দিয়ে চলাচলের অধিকার ছিল যা সম্পর্কে 'ক' এর সরাসরি ব্যক্তিগত জ্ঞান ছিল কিন্তু সে সেটা 'খ' এর নিকট হতে গোপন রেখেছিল। এই ক্ষেত্রে-
  1. 'ক' চুক্তিটি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করার অধিকারী 
  2. 'খ' চুক্তিটি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করার অধিকারী
  3. 'খ' চুক্তিটি রদ করার অধিকারী
  4. ক বা খ যে কোন একটি।
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৫ ধারার বিধান: বিচারপূর্বক যখন রদ করা যায়। লিখিত চুক্তিতে স্বার্থসংশ্লিষ্ট যেকোন ব্যক্তি তা রদ করার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে এবং আদালত নিম্নোক্ত যেকোন ক্ষেত্রে বিচারপূর্বক চুক্তি রদ করতে পারেন:

(ক) যেখানে চুক্তি বাতিলযোগ্য অথবা বাদী কর্তৃক সমাপনীয়; 
(খ) যেখানে আপাতত দৃশ্যমান নয় এমন কারণে চুক্তি অবৈধ এবং বাদীর চেয়ে প্রতিবাদীকেই দোষী করা যায় বেশি;

(গ) যেখানে একটি বিক্রয়চুক্তি বা একটি ইজারা গ্রহণের চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য ডিক্রি প্রদান করা হয়েছে এবং ক্রেতা ইজারাদার ক্রয়মূল্য বা অপরাপর অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হয়েছে।

যখন ক্রেতা বা ইজারাদার বিষয়বস্তুর দখলকারী থাকে এবং আদালত তেমন দখল অন্যায় মনে করেন সেখানে আদালত তাকে তেমন দখলকারী হিসাবে কোন লাভ বা ভাড়া পেয়ে থাকলে তা বিক্রেতা বা ইজারাদাতাকে প্রদানের নির্দেশ প্রদান করতে পারেন।

একই ক্ষেত্রে আদালত সে মামলায়ই আদেশ কর্তৃক যাতে ডিক্রি প্রদান করা হয়েছিল, কিন্তু তদমোতাবেক কাজ করা হয়নি, হয় কর্তব্য অবহেলাকারী পক্ষের বেলায় বা অসম্পূর্ণ চুক্তিই মামলার ন্যায়বিচারের আবশ্যকতা মোতাবেক রদ করে দিতে পারেন।

⇒  অর্থাৎ ধারা ৩৫-এর বিধান মোতাবেক চুক্তি অবসানের মামলা করতে পারেন। ৩৫ ধারার উদাহরণ (ক) দ্রষ্টব্য। 

⇒ Section 35 When rescission may be adjudged:- Any person interested in a contract in writing may sue to have it rescinded, and such rescission may be adjudged by the Court in any of the following cases, namely:- 
(a) where the contract is viodable or terminable by the plaintiff; 
(b) where the contract is unlawful for causes not apparent on its face, and the defendant is more to blame than the plaintiff; 
(c) where a decree for specific performance of a contract of sale, or of a contract to take a lease, has been made, and the purchaser or lessee makes default in payment of the purchase-money or other sums which the Court has ordered him to pay. 
 
When the purchaser or lessee is in possession of the subject-matter, and the Court finds that such possession is wrongful, the Court may also order him to pay to the vendor or lessor the rents and profits, if any, received by him as such possessor. 

In the same case, the Court may, by order in the suit in which the decree has been made and not complied with, rescind the contract, either so far as regards the party in default, or altogether as the justice of the case may require. 

Illustrations 
to (a)- 
A sells a field to B. There is a right of way over the field of which A has direct personal knowledge, but which he conceals from B. B is entitled to have the contract rescinded.
৬৫২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের মামলার তামাদি মেয়াদ কত?
  1. ৩ মাস
  2. ৬ মাস
  3. ৬ বছর
  4. ১২ বছর
ব্যাখ্যা
- তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ৩ অনুযায়ী সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ১৮৭৭ এর ৯ ধারার অধীন স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের মামলা বেদখল হওয়ার দিন থেকে ছয় মাসের মধ্যে করতে হবে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৯ ধারার বিধান:
-যদি কোন ব্যক্তি তার অসম্মতিতে আইনগত পন্থা ছাড়াই স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত হয়, তাহলে সে বা তার মাধ্যমে দাবিদার কোন ব্যক্তি মামলার মাধ্যমে তা পুনরুদ্ধার করতে পারে। তবে এই ধারার কোন কিছুই এমন সম্পত্তির ব্যাপারে নিজের স্বত্ব প্রতিষ্ঠিত এবং তার দখল পুনরুদ্ধার করার নিমিত্তে কোন ব্যক্তি কর্তৃক মামলা রুজু করার পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে না।
-সরকারের ক্ষেত্রে এই ধারার কোনো প্রয়োগযোগ্য নেই।
-আদালত যে আদেশ দিবে তার বিরুদ্ধে আপিল বা পুনর্বিবেচনার আবেদন করা যাবে না।
------------------
SR Act Section-9: Suit by person dispossessed of immoveable property:
If any person is dispossessed without his consent of immoveable property otherwise than in due course of law, he or any person claiming through him may, by suit recover possession thereof, notwithstanding any other title that may be set up in such suit.
Nothing in this section shall bar any person from suing to establish his title to such property and to recover possession thereof.
No suit under this section shall be brought against the Government.
No appeal shall lie from any order or decree passed in any suit instituted under this section, nor shall any review of any such order or decree be allowed.
৬৫৩.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫২ ধারায় রয়েছে-
  1. বিধিবদ্ধ প্রতিকার
  2. বাধ্যতামূলক প্রতিকার
  3. নেতিবাচক প্রতিকার
  4. নিরোধমূলক প্রতিকার
ব্যাখ্যা
⇒The Specific Relief Act, 1877 এর ৫২ ধারায় বিধান করা হয়েছে, নিষেধাজ্ঞা, স্থায়ী বা অস্থায়ী যারা আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতাবলে নিরোধমূলক প্রতিকার মাঞ্জুর করা হয়।
--------------------------
The Specific Relief Act, 1877 Section 52: Preventive relief how granted:
Preventive relief is granted at the discretion of the Court by injunction, temporary or perpetual.
৬৫৪.
চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ যদি আর্থিক ক্ষতিপূরণ দিয়ে পূরণ না করা যায়, তবে আদালত কি করতে পারে?
  1. সুনির্দিষ্ট কাজের আদেশ দিতে পারে
  2. সম্মতিভুক্ত কাজ বাতিল করতে পারে
  3. আনুমানিক আর্থিক ক্ষতিপূরণ আদায় করতে পারে
  4. কোন কিছুই করতে পারে না
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ধারা ১২ অনুসারে,
এ অধ্যায়ে অন্যভাবে বিধিবদ্ধ না থাকে, তবে যে কোন চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে আদায় করা যেতে পারে-
(ক) যখন সম্মতিভুক্ত কাজ সম্পাদন পুরোপুরি বা অংশত একটি জিম্মার অন্তর্ভুক্ত হয়;
(খ) যখন সম্মতিভূক্ত কাজ সম্পাদন না করলে কার্যত যে ক্ষতি সাধিত হবে, তার নির্ণয় করার কোন মানদণ্ডের অস্তিত্ব থাকে না;
(গ) যখন সম্মতিভূক্ত কাজ এমন হয় যে, তা সম্পাদন না করে আর্থিক ক্ষতিপূরণের মাধ্যমে পর্যাপ্ত প্রতিকার লাভ করা যায় না; অথবা
(ঘ) যখন এই সম্ভাবনা থাকে যে, সম্মতিভুক্ত কাজ সম্পাদন না করার জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে না।

ব্যাখ্যা:
যদি না এবং যতক্ষণ পর্যন্ত না বিপরীত কিছু প্রমাণিত হয়, আদালত এটা অবশ্যই ধরে নিবে যে, স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তিভঙ্গের পর্যাপ্ত প্রতিকার আর্থিক ক্ষতিপূরণের মাধ্যমে সম্ভব নয় এবং অস্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তিভঙ্গের প্রতিকার তেমন ভাবে করা যায়।
৬৫৫.
A, B এর সাথে এই মর্মে চুক্তি করে যে, সে ১২ মাসের জন্য B এর থিয়েটারে গান গাইবে এবং এই সময়ে সে অন্যত্র জনসম্মুখে গান পরিবেশন করবে না। এক্ষেত্রে-
  1. B চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎ করার ডিক্রি পাওয়ার অধিকারী
  2. অন্যত্র গান গাওয়া হতে A কে বিরত রাখতে B নিষেধাজ্ঞা পেতে পারে
  3. B চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎ করার ডিক্রি পাওয়ার অধিকারী নয়
  4. খ এবং গ
ব্যাখ্যা
The Specific Relief Act, 1877 এর ৫৭ ধারা- নেতিবাচক চুক্তি পালনের নিষেধাজ্ঞাঃ
ধারা ৫৬ এর উপধারা-(চ) এর বিধান সত্ত্বেও যেক্ষেত্রে একটি সুস্পষ্টভাবে বা ইঙ্গিতবোধকভাবে কতিপয় নির্দিষ্ট কাজ করা এবং কতিপয় নির্দিষ্ট কাজ না করবার সম্মতির সমন্বয়, সেক্ষেত্রে হাঁ-সূচক চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনে বাধ্য করতে আদালত অসমর্থ হলেও সে পরিস্থিতি আদালতকে না সূচক কাজ সম্পাদন সম্বন্ধে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা থেকে নিবারণ করবে না।
তবে শর্ত থাকে যে, বাদী তার যতটুকু অবশ্যপালনীয়, চুক্তির ততটুকু পালনে ব্যর্থ হয় নাই।
 
Section 57- Injunction to perform negative agreement:
Notwithstanding section 56, clause (f), where a contract comprises an affirmative agreement to do a certain act, coupled with a negative agreement, express or implied, not to do a certain act, the circumstance that the Court is unable to compel specific performance of the affirmative agreement shall not preclude it from granting an injunction to perform the negative agreement: provided that the applicant has not failed to perform the contract so far as it is binding on him.

Illustration: A contracts with B to sing for twelve months as B's theatre and not to sing in public elsewhere, B cannot obtain specific performance of the contract to sing, but he is entitled to an injunction restraining A from singing at any other place of public entertainment.

যেমন- A, B এর সাথে এই মর্মে চুক্তি করে যে, সে ১২ মাসের জন্য B এর থিয়েটারে গান গাইবে এবং এই সময়ে সে অন্যত্র জনসম্মুখে গান পরিবেশন করবে না। এই চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎ করার জন্য B ডিক্রি পাওয়ার অধিকারী নয়, কিন্তু A যেন এই সময়ে অন্যত্র জনসম্মুখে গান পরিবেশন না করতে পারে বা তাকে গান গাওয়া হতে বিরত রাখতে B নিষেধাজ্ঞা পেতে পারে।
৬৫৬.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৭ ধারার অধীনে, বাদী বিকল্পভাবে কী প্রার্থনা করতে পারেন?
  1. চুক্তির মেয়াদ বৃদ্ধি করা
  2. চুক্তি রদ করা ও বিলুপ্ত করা
  3. চুক্তির সম্পূর্ণ শর্ত পরিবর্তন করা
  4. আদালতের অনুমতি ছাড়া চুক্তি বাতিল করা
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: (খ) চুক্তি রদ করা ও বিলুপ্ত করা।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৭ ধারার অধীনে, যদি কোনো ব্যক্তি চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের জন্য মামলা করে, তবে তিনি বিকল্পভাবে আদালতের কাছে চুক্তি রদের (Rescission) আবেদন করতে পারেন।
এটি মূলত একটি বিকল্প প্রার্থনা (Alternative Prayer), যেখানে বাদী আদালতকে জানাতে পারেন যে—
- যদি চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর না করা যায়, তবে
- চুক্তিটি রদ (Rescind) করা হোক ও তা বিলুপ্ত ঘোষণা করা হোক।
ধারা ৩৭-এর কার্যকারিতা:
যদি আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন করতে অস্বীকৃতি জানায়, তবে আদালত চুক্তিটি রদ ও বিলুপ্ত করার নির্দেশ দিতে পারে।
এই ধারা বিশেষত লিখিত চুক্তির ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য, মৌখিক চুক্তির জন্য নয়।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৭ ধারার বিধান- সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের মোকদ্দমার বিকল্প হিসাবে রদের আর্জি:
লিখিত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য মোকদ্দমা রুজুকারী বাদী বিকল্প হিসাবে আবেদন অবহিত করতে পারেন যে, চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করা না গেলে তা রদ করা হোক এবং বিলুপ্ত হিসাবে ত্যাগ করা হোক; এবং আদালত চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করতে অস্বীকার করলে তা রদ করা এবং সে অনুসারে ত্যাগের নির্দেশ দিতে পারেন।
--------  
⇒ The Specific Relief Act, 1877- Section 37- Alternative prayer for rescission in suit for specific performance:
A plaintiff instituting a suit for the specific performance of a contract in writing may pray in the alternative that, if the contract cannot be specifically enforced, it may be rescinded and delivered up to be cancelled; and the Court, if it refuses to enforce the contract specifically, may direct it to be rescinded and delivered up accordingly.
৬৫৭.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ক ধারা কোন সালের সংশোধনীর মাধ্যমে সংযোজিত হয়েছিল?
  1. ১৯৯৭ সালের
  2. ২০০১ সালের
  3. ২০০৪ সালের
  4. ২০০৭ সালের
ব্যাখ্যা
Specific Relief (Amendment) Act-2004 দ্বারা সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ক ধারা সংযুক্ত করা হয়। Specific Relief (Amendment) Act-2004, কার্যকর বা বলবৎ হয়েছিল ০১.০৭.২০০৫ তারিখ হতে।

এই ধারা অনুযায়ী, স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয়ের অনিবন্ধিত চুক্তিপত্র সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে না। সুতরাং ২০০৫ সাল হতে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ক ধারা অনুযায়ী, এই আইনে অথবা অন্য কোন আইনে বিপরীত যা কিছু কার্যকর থাকুক না কেন, স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয়ের চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করা যেতে পারে যদি চুক্তিটি লিখিত হয় এবং The Registration Act, 1908 এর অধীনে নিবন্ধিত হয়।

এই ক্ষেত্রে হস্তান্তরগ্রহীতা বিক্রিত সম্পত্তির আংশিক বা পুরোপুরি দখল নিয়েছে কিনা তা প্রাসঙ্গিক না। এবং চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের মোকদ্দমা দায়েরকালীন সময়ে চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য আদালতে দাখিল করা হলে স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয়ের চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করা যেতে পারে।
৬৫৮.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় যে-সব চুক্তি সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের যোগ্য নয় তা উল্লেখ আছে?
  1. ১২ ধারায়
  2. ২৮ ধারায়
  3. ২১ ধারায়
  4. ২২ক ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা-২১: কোন চুক্তিসমূহ সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না (Contracts not specifically enforceable)- চুক্তির প্রকৃতি অনুসারে কিছু কিছু চুক্তির সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদন করার জন্য আদালত নির্দেশ দিয়ে থাকেন এবং কিছু কিছু চুক্তির ক্ষেত্রে আদালত সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদনের নির্দেশ প্রদান করে না। যে যে ক্ষেত্রে আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের আবেদন নামঞ্জুর করতে পারে তা সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না। কারণ এগুলি সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদনের যোগ্য নয়।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারামতে নিম্নলিখিত ৮টি ক্ষেত্রে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না। যথা-
১) কোন চুক্তির ক্ষেত্রে আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট হলে;
২) কোন চুক্তি জটিল ও অসংখ্য পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণের সমষ্টি বা পক্ষসমূহের ব্যক্তিগত যোগ্যতা/সংকল্পের উপর নির্ভরশীল অথবা চুক্তিটি বলবৎ যোগ্য না হলে;
৩) চুক্তির শর্তাবলী নির্ণয় করা না গেলে;
৪) চুক্তিটি প্রকৃতিগতভাবে বাতিলযোগ্য বা প্রত্যাহারযোগ্য হলে;
৫) চুক্তিটি ট্রাস্টিগণ কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূতভাবে সম্পাদিত হলে;
৬) বিশেষ কোন কর্পোরেশন বা পাবলিক কোম্পানী কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূত কোন চুক্তি;
৭) যে চুক্তি ক্রমাগতভাবে ৩ বছর চলে অথবা; 
৮) চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পূর্বে বিষয়বস্তুর উল্লেখযোগ্য অংশ বিলুপ্ত হলে।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারায় আদালত এই ৮টি ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের আবেদন না মঞ্জুর করিবেন।
----------------------------------------
⇒ Section 21 Contracts not specifically enforceable:
The following contracts cannot be specifically enforced:– 
(a) a contract for the non-performance of which compensation in money is an adequate relief; 
(b) a contract which runs into such minute or numerous details, or which is so dependent on the personal qualifications or volition of the parties, or otherwise from its nature is such, that the Court cannot enforce specific performance of its material terms; 
(c) a contract the terms of which the Court cannot find with reasonable certainty; 
(d) a contract which is in its nature revocable; 
(e) a contract made by trustees either in excess of their powers or in breach of their trust; 
(f) a contract made by or on behalf of a corporation or public company created for special purposes, or by the promoters of such company, which is in excess of its powers; 
(g) a contract the performance of which involves the performance of a continuous duty extending over a longer period than three years from its date; 
(h) a contract of which a material part of the subject- matter, supposed by both parties to exist, has, before it has been made, ceased to exist. 
And, save as provided by the Arbitration Act, 1940, no contract to refer present or future differences to arbitration shall be specifically enforced; but if any person who has made such a contract other than an arbitration agreement to which the provisions of the said Act apply and has refused to perform it sues in respect of any subject which he has contracted to refer, the existence of such contract shall bar the suit.
৬৫৯.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ৪৩ ধারা অনুযায়ী ঘোষনা মূলক ডিক্রীর ফলাফল কারা মানতে বাধ্য?
  1. পক্ষগণ/প্রতিনিধি
  2. রাষ্ট্রের সকলে
  3. সরকারী কর্মচারীরা
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ৪৩ ধারা অনুযায়ী ঘোষনা মূলক ডিক্রী মামলার ফলাফল পক্ষগণ/প্রতিনিধিগণ মানতে বাধ্য। কিন্তু তৃতীয় কোন ব্যক্তি /পক্ষ ঘোষনামূলক ডিক্রীর ফলাফল মানতে বাধ্য নয়।
৬৬০.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় চুক্তির পক্ষসমূহের অভিপ্রায় সম্পর্কে অনুমান বিষয়ে নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে?
  1. ৩২ ধারা 
  2. ৩৩ ধারা 
  3. ৩৪ ধারা 
  4. ৩৫ ধারা 
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩২ ধারা,পক্ষসমূহের অভিপ্রায় সম্পর্কে অনুমান: লিখিত চুক্তি সংশোধন করবার উদ্দেশ্যে আদালত অবশ্যই নিশ্চিত হবেন যে, চুক্তির সকল পক্ষের উদ্দেশ্য হচ্ছে সুষম ও সুবিচারমূলক চুক্তি সম্পাদন করা।
------------
Section 32- Presumption as to intent of parties: For the purpose of rectifying a contract in writing, the Court must be satisfied that all the parties thereto intended to make an equitable and conscientious agreement.

৬৬১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৩ ধারার অধীনে কে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন পেতে পারে?
  1. শুধুমাত্র সরকারি সংস্থা
  2. কেবলমাত্র চুক্তির মূল পক্ষ
  3. চুক্তির পক্ষ বা তার স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি
  4. কেবলমাত্র আদালতের নির্দেশপ্রাপ্ত ব্যক্তি
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) চুক্তির পক্ষ বা তার স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৩ ধারার অধীনে, সাধারণত চুক্তির মূল পক্ষই চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের জন্য মামলা করতে পারেন। তবে এই ধারা অনুসারে, কিছু বিশেষ পরিস্থিতিতে চুক্তির স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি বা উত্তরাধিকারীগণও এই অধিকার ভোগ করতে পারেন।
- অর্থাৎ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৩ ধারা অনুযায়ী, চুক্তির পক্ষ বা তার স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের জন্য আবেদন করতে পারে, নির্দিষ্ট কিছু শর্তসাপেক্ষে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৩ ধারার বিধান- সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন যে পেতে পারে:
এই অধ্যায়ে ভিন্নরূপ বিধিবদ্ধ না থাকলে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন পেতে পারে-
ক) চুক্তির যেকোনো পক্ষ;
খ) চুক্তির যেকোনো পক্ষের বা স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি; শর্ত থাকে যে, যেক্ষেত্রে তেমন পক্ষের শিক্ষা, দক্ষতা, সচ্ছলতা বা কোন ব্যক্তিগত গুণাগুণ চুক্তির উল্লেখযােগ্য উপাদান হয় বা যেক্ষেত্রে চুক্তিতে বিধান থাকে যে, তার স্বার্থের স্বত্ব নিয়ােগ করা যাবে না, সেক্ষেত্রে তার সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি বা তার প্রধান চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের অধিকারী হবেন না, যদি না চুক্তিতে তার অংশ ইতঃপূর্বেই সম্পাদিত থাকে।
গ) যেক্ষেত্রে চুক্তি হচ্ছে একটি বিবাহের ব্যাপারে নিষ্পত্তি বা একই পরিবারের সদস্যদের মধ্যকার সন্দেহপূর্ণ অধিকারের আপােষ-মীমাংসা, সেক্ষেত্রে চুক্তি অনুসারে হিতকরভাবে অধিকারী যেকোনো ব্যক্তি;
ঘ) যেক্ষেত্রে একজন আজীবন প্রজা তার ক্ষমতার যথাযথ প্রয়ােগপূর্বক চুক্তিবদ্ধ হয়েছে সেক্ষেত্রে অবশিষ্ট ব্যক্তি;
ঙ) যেক্ষেত্রে চুক্তিপত্র এমন যা সম্পন্ন করা হয়েছিল তার পূর্বাধিকার সাথে ও যেক্ষেত্রে তেমন চুক্তিপত্রের লাভ উত্তরাধিকারী পাওয়ার অধিকারী, সেক্ষেত্রে অধিকার ভােগের উত্তরাধিকারী;
চ) যেক্ষেত্রে চুক্তি হচ্ছে এমন উত্তরাধিকারী যা থেকে সৃষ্ট মুনাফা লাভের অধিকারী ও তা ভঙ্গহেতু আর্থিক ক্ষতি ভােগ করবে, সেক্ষেত্রে অবশিষ্ট ভাগের উত্তরাধিকারী;
ছ) যেক্ষেত্রে পাবলিক কোম্পানি চুক্তি করে ও তার পর পরই তা অপর একটি পাবলিক কোম্পানির সাথে মিলিত হয়ে যায়, সেক্ষেত্রে মিলিত হওয়ার কারণে গঠিত নূতন কোম্পানি;
জ) যেক্ষেত্রে একটি পাবলিক কোম্পানির উদ্যোক্তা ব্যক্তিগণ কোম্পানি গঠিত হওয়ার আগেই কোম্পানির প্রয়োজনবশত: চুক্তি করে এবং কোম্পানি গঠনের শর্তাবলিতে তেমন চুক্তিকে নির্বিঘ্ন করা হয়, সেক্ষেত্রে কোম্পানি।
------------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877-Section- 23. Who may obtain specific performance:
Except as otherwise provided by this Chapter, the specific performance of a contract may be obtained by-
(a) any party thereto;
(b) the representative in interest, or the principal, of any party thereto: provided that, where the learning, skill, solvency or any personal quality of such party is a material ingredient in the contract, or where the contract provides that his interest shall not be assigned, his representative in interest or his principal shall not be entitled to specific performance of the contract, unless where his part thereof has already been performed;
(c) where the contract is a settlement on marriage, or a compromise of doubtful rights between members of the same family, any person beneficially entitled thereunder;
(d) where the contract has been entered into by a tenant for life in due exercise of a power, the remainderman;
(e) a reversioner in possession, where the agreement is a covenant entered into with his predecessor in title and the reversioner is entitled to the benefit of such covenant;
(f) a reversioner in remainder, where the agreement is such a covenant, and the reversioner is entitled to the benefit thereof and will sustain material injury by reason of its breach;
(g) when a public company has entered into a contract and subsequently becomes amalgamated with another public company, the new company which arises out of the amalgamation;
(h) when the promoters of a public company have, before its incorporation, entered into a contract for the purposes of the company, and such contract is warranted by the terms of the incorporation, the company.
৬৬২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৯ ধারার অধীনে কত দিনের মধ্যে মোকদ্দমা দায়ের করতে হয়?
  1. ৬ মাসের মধ্যে
  2. ১ বছরের মধ্যে
  3. ৩ বছরের মধ্যে
  4. ৬ বছরের মধ্যে
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ৩৯ ধারায় জাল দলিল বাতিলের মোকদ্দমা দায়ের করা হয়:
⇒ ২টি ক্ষেত্রে আদালত দলিল বাতিলের মোকদ্দমায় দলিল বাতিলের আদেশ মঞ্জুর করতে পারেন- যে লিখিত দলিল বাতিল/ বাতিলযোগ্য, অথবা যদি বাদীর আশংকা থাকে যে, এরূপ দলিল যদি অনিষ্পন্ন অবস্থায় ছেড়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা ক্ষতির কারন হতে পারে। দলিল বাতিলের আদেশ মঞ্জুর করা- আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা।

The Limitation Act, 1908 এর অনুচ্ছেদ- ৯১:
কোন দলিল রদ [Set aside] বা বাতিল [Cancel] করার জন্য, যে ক্ষেত্রে অন্যকোন বিধান নেই সেক্ষেত্রে যে সকল ঘটনা বাদীকে উক্ত দলিল বাতিল বা রদ করার অধিকার দান করে সেগুলি যখন বাদী অবগত হয় তখন থেকে ৩ বছরের মধ্যে মামলা করতে হবে।

৬৬৩.
When does the court intervene under Section 41 of The Specific Relief Act, 1877?
  1. Only when a fraud is committed
  2. When the parties fail to reach an agreement
  3. When the rectification of an instrument is adjudged
  4. When the cancellation of an instrument is adjudged
ব্যাখ্যা
ধারা ৪১:
দলিল বিলুপ্তির রায় প্রদানের সময় আদালত যে পক্ষকে তদ্রুপ প্রতিকার মঞ্জুর করেছেন, সেই পক্ষের তরফ হতে অন্য পক্ষকে ন্যায়বিচারের প্রয়োজনীয়তা মোতাবেক ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারেন।

The Specific Relief Act, 1877- Section 41:
On adjudging the cancellation of an instrument, the Court may require the party to whom such relief is granted to make any compensation to the other which justice may require.
৬৬৪.
ফৌজদারি কার্যধারা স্থগিতের জন্য আদালত কোন ধরনের নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে?
  1. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
  2. অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
  3. অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা
  4. কোনোটি নয়
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৬ ধারামতে, নিম্নলিখিত ১১টি ক্ষেত্রে আদালত নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে না। যথা-
i) বিচারাধীন কার্যধারা স্থগিত;
ii) অধীনস্ত নয় এরূপ আদালতের কার্যধারা স্থগিত;
iii) আইন প্রনয়নকারী সংস্থার নিকট আবেদনে বাধা;
iv) সরকারী দপ্তর বা বিদেশি সরকারের কার্যে হস্তক্ষেপ;
v) ফৌজদারি কার্যধারা স্থগিত;
vi) অবলবৎযোগ্য চুক্তিভঙ্গ নিরোধের প্রশ্নে;
vii) উৎপাত (nuisance) নয় এমন কাজ নিরোধের জন্য;
viii) বাদীর মৌন সম্মতির প্রশ্নে;
ix) অন্য কোন পদ্ধতিতে একই প্রতিকারের ক্ষেত্রে;
x) বাদীর আচরন আদালতের সাহায্য পেতে বঞ্চিত করলে; অথবা
xi) মামলার বিষয়বস্তুতে বাদীর কোন স্বার্থ না থাকলে আদালত নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে না।
------------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, 56:-Injunction when refused:
 -An injunction cannot be granted- 
(a) to stay a judicial proceeding pending at the institution of the suit in which the injunction is sought, unless such restraint is necessary to prevent a multiplicity of proceedings; 
(b) to stay proceedings in a Court not subordinate to that from which the injunction is sought; 
(c) to restraint persons from applying to any legislative body; 
(d) to interfere with the public duties of any department of the Government, or with the sovereign acts of Foreign Government; 
(e) to stay proceedings in any criminal matter; 
(f) to prevent the breach of a contract the performance of which would not be specifically enforced; 
(g) to prevent, on the ground of nuisance, an act of which it is not reasonably clear that it will be a nuisance; 
(h) to prevent a continuing breach in which the applicant has acquiesced; 
(i) when equally efficacious relief can certainly be obtained by any other usual mode of proceeding except in case of breach of trust; 
(j) when the conduct of the applicant on his agents has been such as to disentitle him to the assistance of the Court; 
(k) where the applicant has no personal interest in the matter.
৬৬৫.
অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা কোন আইন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়?
  1. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭
  2. দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮
  3. ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮
  4. চুক্তি আইন, ১৮৭২
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ৫৩ ধারার বিধান:

অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা:
অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা হচ্ছে তেমন নিরোধ যা একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অথবা আদালতের পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত কার্যকর থাকে। মামলার যেকোনো পর্যায়েই তা মঞ্জুর করা যায় এবং তা দেওয়ানি কার্যবিধি কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হয়।

চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা:
চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা কেবল মাত্র শুনানির পর মামলার গুণাগুণের ভিত্তিতে প্রদত্ত ডিক্রি দ্বারাই মঞ্জুর করা যায়। এর মাধ্যমে প্রতিবাদীকে চিরস্থায়ীভাবে এমন একটি অধিকার প্রয়োগ হতে বা এমন একটি কাজ করা হতে বিরত থাকার নির্দেশ প্রদান করা হয়। যা বাদীর অধিকারের বিপরীত হতে পারে।

৬৬৬.
নিচের কে ঘোষণামূলক মামলা করতে পারেন?
  1. আইনসম্মত বৈশিষ্ট্যের অধিকারী ব্যক্তি
  2. কোন সম্পত্তিতে অধিকার আছে এমন ব্যক্তি
  3. মৌলিক অধিকার বলবৎ করতে অধিকারী ব্যক্তি
  4. 'ক' এবং 'খ' উভয়
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় ঘোষণামূলক মামলার বিধান রয়েছে। কোন ব্যক্তির আইনগত পরিচয় (Legal Character) কিংবা সম্পত্তিতে তার স্বত্বের অধিকার কেউ যদি অস্বীকার করে, তখন আইনগত পরিচয় বা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী (Person entitled to property) ব্যক্তি তার অধিকার ঘোষণা চেয়ে আদালতে যে মামলা দায়ের করে তাকে ঘোষণামূলক মামলা বা Declaratory Suit বা Suit for Declaration বলে।
 
⇒ শুধুমাত্র ২টি ক্ষেত্রে অর্থাৎ আইনগত পরিচয় ও সম্পত্তিতে স্বত্বের ক্ষেত্রে আইনগত পরিচয় কিংবা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী কোন ব্যক্তি ঘোষণামূলক মামলা দায়ের করতে পারে।
⇒ ঘোষণামূলক মামলায় আদালত ঘোষণা মঞ্জুর করে যে ডিক্রি প্রদান করে, তাকে ঘোষণামূলক ডিক্রি বা Declaratory Decree বলে। অর্থাৎ ৪২ ধারায় আদালত যে ডিক্রি প্রদান করে,তাকে ঘোষণামূলক ডিক্রি (Declaratory Decree) বলে।
 
⇒ অর্থাৎ কোন ব্যক্তির আইনানুগ পরিচয় বা কোন সম্পত্তিতে তার অধিকার যখন অন্য ব্যক্তি কর্তৃক অস্বীকার করা হয়, তখন আইনানুগ পরিচয়ের অধিকারী ব্যক্তি বা সম্পত্তিতে অধিকারী ব্যক্তি আদালতের নিকট তার আইনানুগ পরিচয় বা সম্পত্তিতে তার যে অধিকার আছে এই মর্মে ঘোষণা চেয়ে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।
⇒ এখানে আইনানুগ পরিচয় বলতে আইনসম্মত বৈশিষ্ট্যের অধিকারী ব্যক্তিকে বোঝায়।
 
⇒ ঘোষণামূলক ডিক্রির প্রকৃতি:-
i) ঘোষণামূলক ডিক্রি দ্বারা নতুন কোন অধিকার সৃষ্টি হয় না বরং বাদীর বিদ্যমান অধিকারকে ঘোষণা করে মাত্র। সুতরাং মামলা করার সময় বাদীর অধিকার বিদ্যমান থাকতে হবে, ভবিষ্যতে কোন অধিকার অর্জন হবে তার জন্য ঘোষণামূলক মামলা করা যায় না।
ii) ঘোষণামূলক মামলায় আদালত বিরোধীয় বস্তুতে আইনগত পরিচয় ও স্বত্বের ঘোষণা করে মাত্র, কিন্তু এই ডিক্রির দ্বারা কোন পক্ষকে কোন কাজ করতে বা করা হতে বিরত থাকতে আদেশ দেয় না।ঃ
iii) ঘোষণামূলক ডিক্রি প্রদান করা আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতা।
 
⇒ ৪২ ধারার অধীন ঘোষণামূলক ডিক্রি লাভের আবশ্যকীয় শর্তাবলি-
i) বাদী কোন আইনগত পরিচয় অথবা সম্পত্তিতে স্বত্বের অধিকারী হবে;
ii) বাদীর আইনগত পরিচয় (legal character) আইনের দ্বারা সৃষ্ট হতে হবে, চুক্তি দ্বারা সৃষ্ট কোন পরিচয় নয়; এবং
iii) বিবাদী কর্তৃক বাদীর আইনগত পরিচয় ও সম্পত্তির স্বত্ব অস্বীকার বা অস্বীকারের উদ্যোগ গ্রহণ।
 
⇒ মোকদ্দমা দায়ের:
১. যে আইনগত পরিচয়ের অধিকারী।
২. সম্পত্তিতে স্বত্বের একচ্ছত্র দখলের অধিকারী যার সম্পত্তির স্বত্ব অস্বীকার করা হয়েছে বা অস্বীকার করতে আগ্রহী হয়েছে।
৩. যার পদ, পরিচয় বা অধিকার অস্বীকার করা হয়েছে বা অস্বীকার করতে আগ্রহী হয়েছে।
--------------
⇒ SR Act:- Section-42. Discretion of Court as to declaration of status or right. Bar to such declaration:
-Any person entitled to any legal character, or to any right as to any property, may institute a suit against any person denying, or interested to deny, his title to such character or right, and the Court may in its discretion make therein a declaration that he is so entitled, and the plaintiff need not in such suit ask for any further relief:
Provided that no Court shall make any such declaration where the plaintiff, being able to seek further relief than a mere declaration of title, omits to do so.
Explanation:- A trustee of property is a "person interested to deny" a title adverse to the title of some one who is not in existence, and for whom, if in existence, he would be a trustee.
Illustrations:
(a) A is lawfully in possession of certain land. The inhabitants of a neighboring village claim a right of way across the land. A may sue for a declaration that they are not entitled to the right so claimed.
৬৬৭.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৪ ধারামতে কোন ধরনের আংশিক চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদনযোগ্য?
  1. চুক্তির অসম্পাদিত অংশ বড় হলে
  2. চুক্তির অসম্পাদিত অংশ ছোট হলে
  3. চুক্তির অসম্পাদিত অংশ স্বাতন্ত্র্য হলে
  4. চুক্তির সম্পাদিত অংশ ছোট হলে
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৪ ধারামতে-
কোন চুক্তির অসম্পাদিত অংশ ছোট হলে, আদালত ঐ চুক্তির সম্পাদনযোগ্য বৃহত্তর অংশের জন্য সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের আদেশ এবং বাকী অসম্পাদিত অংশের জন্য ক্ষতিপূরণের আদেশ দিতে পারে।

১৪ ধারার বিধান:
কোন চুক্তির যদি দুটো অংশ থাকে, যার মধ্যে একটা বৃহত্তর, অন্যটা ক্ষুদ্রতর এবং চুক্তিভুক্ত এক পক্ষ যদি বৃহত্তর অংশটুকু পালন করতে সমর্থ হয় এবং ক্ষুদ্রতর অংশটি অর্থের দ্বারা ক্ষতিপূরণযোগ্য হয়; তাহলে আদালত চুক্তিভুক্ত যে কোন এক পক্ষের মামলা দায়েরক্রমে বৃহত্তর অংশটি সুনির্দিষ্টিভাবে সম্পাদনের, এবং ক্ষুদ্রতর অংশটির জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারবেন।

Section 14: Specific performance of part of contract where part unperformed is small:
Where a party to a contract is unable to perform the whole of his part of it, but the part which must be left unperformed bears only a small proportion to the whole in value, and admits of compensation in money, the Court may, at the suit of either party, direct the specific performance of so much of the contract as can be performed, and award compensation in money for the deficiency.
৬৬৮.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারা অনুসারে কত বছরের বেশি সময়ব্যাপী চলমান চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরযোগ্য নয়?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৫ বছর
ব্যাখ্যা

​⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ২১(ছ) অনুযায়ী "যে চুক্তির কার্যকারিতা ৩ (তিন) বছরের অধিক সময় ধরে চলমান থাকে, তা সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না।"
- ​অর্থাৎ, যদি কোনো চুক্তি অনুযায়ী দায়িত্ব পালনের বিষয়টি চুক্তির তারিখ থেকে তিন বছরেরও বেশি সময় ধরে চলমান থাকে, তাহলে সাধারণভাবে সেই চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করা যাবে না।

​⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারামতে নিম্নলিখিত ৮টি ক্ষেত্রে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না। যথা-
১) কোন চুক্তির ক্ষেত্রে আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট হলে;
২) কোন চুক্তি জটিল ও অসংখ্য পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণের সমষ্টি বা পক্ষসমূহের ব্যক্তিগত যোগ্যতা/সংকল্পের উপর নির্ভরশীল অথবা চুক্তিটি বলবৎ যোগ্য না হলে;
৩) চুক্তির শর্তাবলি নির্ণয় করা না গেলে;
৪) চুক্তিটি প্রকৃতিগতভাবে বাতিলযোগ্য বা প্রত্যাহারযোগ্য হলে;
৫) চুক্তিটি ট্রাস্টিগণ কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূতভাবে সম্পাদিত হলে;
৬) বিশেষ কোন কর্পোরেশন বা পাবলিক কোম্পানি কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূত কোন চুক্তি;
৭) যে চুক্তি ক্রমাগতভাবে ৩ বছর চলে অথবা;
৮) চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পূর্বে বিষয়বস্তুর উল্লেখযোগ্য অংশ বিলুপ্ত হলে।
------------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 21 Contracts not specifically enforceable:
The following contracts cannot be specifically enforced:–
(a) a contract for the non-performance of which compensation in money is an adequate relief;
(b) a contract which runs into such minute or numerous details, or which is so dependent on the personal qualifications or volition of the parties, or otherwise from its nature is such, that the Court cannot enforce specific performance of its material terms;
(c) a contract the terms of which the Court cannot find with reasonable certainty;
(d) a contract which is in its nature revocable;
(e) a contract made by trustees either in excess of their powers or in breach of their trust;
(f) a contract made by or on behalf of a corporation or public company created for special purposes, or by the promoters of such company, which is in excess of its powers;
(g) a contract the performance of which involves the performance of a continuous duty extending over a longer period than three years from its date;
(h) a contract of which a material part of the subject- matter, supposed by both parties to exist, has, before it has been made, ceased to exist.
And, save as provided by the Arbitration Act, 1940, no contract to refer present or future differences to arbitration shall be specifically enforced; but if any person who has made such a contract other than an arbitration agreement to which the provisions of the said Act apply and has refused to perform it sues in respect of any subject which he has contracted to refer, the existence of such contract shall bar the suit.

৬৬৯.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৯ ধারা অনুসারে, সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের মামলা খারিজ হলে বাদীর কোন অধিকার বাধাগ্রস্ত হয়?
  1. চুক্তির পুনরায় স্বীকৃতির অধিকার
  2. চুক্তির পরিবর্তনের অধিকার
  3. চুক্তির ভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবির অধিকার
  4. কোনো অধিকারই বাধাগ্রস্ত হয় না
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ২৯ স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করে যে, যদি একটি চুক্তি বা তার অংশবিশেষের সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের মামলা খারিজ হয়ে যায়, তাহলে বাদী ওই একই চুক্তি ভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণের দাবিতে আলাদা কোনো মামলা দায়ের করতে পারবে না।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৯ ধারার সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের মামলা খারিজ করার ফলাফল বা 'The effect of dismissing a Suit for Specific Performance' এর বিধান আছে।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ধারা ২৯ অনুসারে, একটি চুক্তি অথবা তার অংশের সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের মামলা খারিজ হয়ে গেলে তা তেমন চুক্তি বা তার অংশবিশেষ ভঙ্গ করার দায়ে ক্ষতিপূরণের জন্য বাদী কর্তৃক মামলা দায়ের করার অধিকারে প্রতিবন্ধকতা স্থাপন করবে।
------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877- Section-29. Bar of suit for breach after dismissal:
-The dismissal of a suit for specific performance of a contract or part thereof shall bar the plaintiff's right to sue for compensation for the breach of such contract or part, as the case may be.

৬৭০.
একটি চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করা যায়, যখন-
  1. চুক্তির প্রকৃতিগতভাবেই প্রত্যাহারযোগ্য
  2. ইহার আর্থিক ক্ষতিপূরণ দ্বারা পর্যাপ্ত প্রতিকার হয়
  3. ইহার আর্থিক ক্ষতিপূরণ দ্বারা পর্যাপ্ত প্রতিকার হয় না
  4. চুক্তিটি সম্পাদনের পূর্বেই, চুক্তির বিষয়বস্তুর উল্লেখযোগ্য অংশের অস্তিত্ব বিলীন হয়
ব্যাখ্যা
♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারা মতে নিম্নলিখিত ৪টি ক্ষেত্রে কোন চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায়। যথা-

ক) চুক্তিটি অছি বা জিম্মার অন্তর্ভুক্ত হলে।

খ) চুক্তিভঙ্গের ফলে সৃষ্ট ক্ষতি নির্ণয়ের মানদন্ড না থাকলে।

গ) চুক্তিভঙ্গের ফলে আর্থিক ক্ষতিপূরণ অপর্যাপ্ত হলে।

ঘ) চুক্তিভঙ্গের ফলে ক্ষতিপূরণ পাওয়ার সম্ভবনা না থাকলে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায়।

অর্থাৎ একটি চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করা যায়, যখন ইহার আর্থিক ক্ষতিপূরণ দ্বারা পর্যাপ্ত প্রতিকার হয় না।
৬৭১.
A ও B এর মধ্যে সম্পাদিত চুক্তির শর্ত ভঙ্গের জন্য B কর্তৃক আনীত মামলায় আদালত চুক্তির শর্তাবলী যুক্তিসঙ্গত নিশ্চয়তার সাথে নির্ণয় করতে পারে না। এক্ষেত্রে আদালত _________।
  1. ক্ষতিপূরণের আদেশ দিবেন
  2. সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের আদেশ দিবেন
  3. সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন ও ক্ষতিপুরণের আদেশ দিবেন
  4. ক্ষতিপূরণের আদেশ দিবেন না
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ক) ক্ষতিপূরণের আদেশ দিবেন।
⇒ The Specific Relief Act, 1877 -এর ধারা ২১(গ) অনুযায়ী, যদি আদালত চুক্তির শর্তাবলী যুক্তিসঙ্গত নিশ্চয়তার সাথে নির্ণয় করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে সেই চুক্তির specific performance (সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন) আদেশ দেওয়া যাবে না।

ধারা ২১(গ)-এর বিধান: "a contract the terms of which the Court cannot find with reasonable certainty."
অর্থাৎ, চুক্তির শর্ত অস্পষ্ট বা অনির্দিষ্ট হলে আদালত শুধুমাত্র ক্ষতিপূরণ (compensation) দিতে পারবে, কিন্তু specific performance আদেশ দিতে পারবে না।
প্রাসঙ্গিক উদাহরণ (Illustration to clause (c)):
A, the owner of a refreshment-room, contracts with B to give him accommodation there for the sale of his goods and to furnish him with the necessary appliances. A refuses to perform his contract. The case is one for compensation and not for specific performance, the amount and nature of the accommodation and appliances being undefined.
এখানে চুক্তির শর্ত অস্পষ্ট হওয়ায় শুধুমাত্র ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়েছে।
- যখন আদালত চুক্তির শর্তাবলী যুক্তিসঙ্গত নিশ্চয়তার সাথে নির্ণয় করতে পারে না, তখন অস্তিত্বশীল বা অস্পষ্ট চুক্তি নিয়ে সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের আদেশ দেওয়ার সুযোগ থাকে না।

→ A ও B-এর মধ্যে এক চুক্তি হয়েছে। B মামলায় এসেছে চুক্তি ভঙ্গের অভিযোগে। তবে আদালত চুক্তির শর্তাবলী যুক্তিসঙ্গত নিশ্চয়তার সাথে নির্ণয় করতে পারছে না।
এক্ষেত্রে, Specific Relief Act-এর Section 21(c) সরাসরি প্রযোজ্য।

→ The Specific Relief Act, 1877 অনুসারে, চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন (specific performance) তখনই আদেশ দেওয়া যায়, যখন চুক্তির শর্তাবলী পরিষ্কার এবং পূর্ণরূপে নিশ্চিত হতে পারে। যদি আদালত চুক্তির শর্তাবলী স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করতে না পারে, তবে সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের আদেশ দেওয়া সম্ভব নয়।
এক্ষেত্রে, ক্ষতিপূরণের আদেশ দেওয়া হয়, কারণ চুক্তির শর্তাবলী না বুঝতে পারলে, ক্ষতিপূরণই সাধারণত পরবর্তী প্রক্রিয়া হিসেবে বিবেচিত হয়, যেটি একপক্ষের ক্ষতি পূরণের জন্য প্রদান করা হয়।
→ তবে সাধারণত এর পরিবর্তে ক্ষতিপূরণ (compensation) দেওয়া হয়, কারণ চুক্তিভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ আদালত প্রদান করতে পারে।
সুতরাং, সঠিক উত্তর হবে:ক) ক্ষতিপূরণের আদেশ দিবেন।
৬৭২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন অনুসারে নিবন্ধিত দলিল বাতিলের আদেশ দিলে আদালত ডিক্রীর কপিটি অবশ্যই পাঠাবে?
  1. আইন মন্ত্রনালয়ে
  2. ভূমি অফিসে 
  3. রেজিস্ট্রি অফিসে
  4. চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের-৩৯ ধারার বিধান: যখন বাতিলের আদেশ প্রদানযোগ্য:
- যেকোন ব্যক্তি যার বিরুদ্ধে লিখিত চুক্তি অবৈধ বা বাতিলযোগ্য, যার যুক্তিসঙ্গত আশঙ্কা রয়েছে যে, তেমন দলিল নিষ্পন্ন অবস্থায় ছেড়ে দিলে তা তার গুরুতর ক্ষতির কারণ হবে, তবে সে তা বাতিল বা বাতিলযোগ্য ঘোষণার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে; এবং আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে তেমন রায় প্রদান করতে এবং চুক্তি বিলুপ্তি হিসাবে ত্যাগের নির্দেশ দিতে পারেন।

-যদি দলিল নিবন্ধন আইন অনুসারে নিবন্ধনকৃত হয়ে থাকে, তবে আদালত তার ডিক্রির একটি কপি সে কর্মকর্তার বরাবরে প্রেরণ করবেন, যার কার্যালয়ে উক্ত দলিল নিবন্ধন করা হয়েছে এবং তেমন কর্মকর্তা তার বইতে দলিলের নকলে তার বিলুপ্তির বিষয়াবলী লিপিবদ্ধ করবেন।অর্থাৎ দলিল বাতিলের মোকদ্দমায় আদালত তার ডিক্রির কপি নিবন্ধন কর্মকর্তার বরাবরে প্রেরণ করবেন।
------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877-Section-39: When cancellation may be ordered:
- Any person against whom a written instrument is void or voidable, who has reasonable apprehension that such instrument, if left outstanding, may cause him serious injury, may sue to have it adjudged void or voidable; and the Court may, in its discretion, so adjudge it and order it to be delivered up and cancelled.
If the instrument has been registered under the Registration Act, 1908, the Court shall also send a copy of its decree to the officer in whose office the instrument has been so registered; and such officer shall note on the copy of the instrument contained in his books the fact of its cancellation.

৬৭৩.
The Specific Relief Act, 1877 এর কোন ধারায় বলা হয়েছে সরকারের বিরুদ্ধে ভূমি থেকে উচ্ছেদ বিষয়ে মামলা করা যাবে না?
  1. ধারা ৫
  2. ধারা ৮
  3. ধারা ৯
  4. ধারা ১২
ব্যাখ্যা

⇒The Specific Relief Act, 1877 এর ধারা ৯ এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, কোনো ব্যক্তি সরকারের বিরুদ্ধে স্থাবর সম্পত্তি (immovable property) থেকে উচ্ছেদ বা দখল পুনরুদ্ধারের জন্য মামলা করতে পারবে না। এই ধারাটি সরকারের বিরুদ্ধে দখল সংক্রান্ত মামলার ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতা আরোপ করে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ৯ এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, "No suit under this section shall be brought against the Government." অর্থাৎ, এই ধারার অধীনে সরকারের বিরুদ্ধে কোনো মামলা করা যাবে না।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৯ ধারার বিধান: স্থাবর সম্পত্তির দখল চ্যুত ব্যক্তি কর্তৃক মামলা:
-যদি কোন ব্যক্তি তার অসম্মতিতে আইনগত পন্থা ছাড়াই স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত হয়, তাহলে সে বা তার মাধ্যমে দাবিদার কোন ব্যক্তি মামলার মাধ্যমে তা পুনরুদ্ধার করতে পারে। তবে এই ধারার কোন কিছুই এমন সম্পত্তির ব্যাপারে নিজের স্বত্ব প্রতিষ্ঠিত এবং তার দখল পুনরুদ্ধার করার নিমিত্তে কোন ব্যক্তি কর্তৃক মামলা রুজু করার পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে না।
-সরকারের ক্ষেত্রে এই ধারার কোনো প্রয়োগযোগ্য নেই।
-আদালত যে আদেশ দিবে তার বিরুদ্ধে আপিল বা পুনর্বিবেচনার আবেদন করা যাবে না।
-----------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section-9: Suit by person dispossessed of immoveable property:
If any person is dispossessed without his consent of immoveable property otherwise than in due course of law, he or any person claiming through him may, by suit recover possession thereof, notwithstanding any other title that may be set up in such suit.
Nothing in this section shall bar any person from suing to establish his title to such property and to recover possession thereof.
No suit under this section shall be brought against the Government.
No appeal shall lie from any order or decree passed in any suit instituted under this section, nor shall any review of any such order or decree be allowed.

৬৭৪.
'ক', 'খ'-কে বিয়ে করার চুক্তিতে আবদ্ধ হয়; উক্ত চুক্তিটি-
  1. সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে
  2. সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে না
  3. আর্থিক ক্ষতিপূরণ দ্বারা প্রতিকার মঞ্জুর করা যাবে
  4. সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করতে বাধ্য করা যাবে
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ২১ ধারা মতে আটটি ক্ষেত্রে আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনে আদেশ দিবে না।
যথা- 
১। চুক্তি কার্যকর না করা হলে অর্থ দ্বারা ক্ষতিপূরণ সম্ভব। 
২। যে-সব চুক্তির শর্ত অস্পষ্ট, জটিল ; যার ফলে চুক্তির শর্ত সমূহ নির্ণয় করা সম্ভব না এবং শর্ত সমূহ সুনির্দিষ্ট ভাবে  সম্পাদন করা যায় না। 
৩। যে চুক্তি তার প্রকৃতির কারণে বাতিলযোগ্য। 
৪। ট্রাস্টিগণ কর্তৃক সম্পাদিত চুক্তি যা তাদের ক্ষমতা বহির্ভূত। 
৫। বিশেষ উদ্দেশ্যে গঠিত কোনো কর্পোরেশন বা পাবলিক কোম্পানির চুক্তি যা তাদের ক্ষমতার অতিরিক্ত। 
৬। যে চুক্তির শর্ত আদালত যুক্তিসংগত ভাবে নির্ণয় করতে পারেনা। 
৭। যে চুক্তি সম্পাদন করতে গেলে শুরুর তারিখ হতে তিন বছরেরও বেশি সময় কাজ করতে হয়। 
৮। যে চুক্তির বিষয়বস্তু স্বাক্ষরিত হওয়ার পূর্বেই বিলুপ্ত হয়েছে। 
 
উল্লিখিত প্রশ্নে 'ক', 'খ'-কে বিয়ে করার চুক্তিতে আবদ্ধ হয়; উক্ত চুক্তিটি-সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে না। কারণ ২১ ধারায় বলা আছে কোন চুক্তি জটিল ও অসংখ্য পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণের সমষ্টি বা পক্ষসমূহের ব্যক্তিগত যোগ্যতা/সংকল্পের উপর নির্ভরশীল অথবা চুক্তিটি বলবৎ যোগ্য না হলে; তা আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনে আদেশ দিবে না।
 
-যেহেতু  চুক্তিটি ব্যক্তিগত যোগ্যতার উপর নির্ভরশীল তাই সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে না। 
-------------------
SR Act: Section-21. Contracts not specifically enforceable:
The following contracts cannot be specifically enforced:–
(a) a contract for the non-performance of which compensation in money is an adequate relief;
(b) a contract which runs into such minute or numerous details, or which is so dependent on the personal qualifications or volition of the parties, or otherwise from its nature is such, that the Court cannot enforce specific performance of its material terms;
(c) a contract the terms of which the Court cannot find with reasonable certainty;
(d) a contract which is in its nature revocable;
(e) a contract made by trustees either in excess of their powers or in breach of their trust;
(f) a contract made by or on behalf of a corporation or public company created for special purposes, or by the promoters of such company, which is in excess of its powers;
(g) a contract the performance of which involves the performance of a continuous duty extending over a longer period than three years from its date;
(h) a contract of which a material part of the subject- matter, supposed by both parties to exist, has, before it has been made, ceased to exist.
 
And, save as provided by the Arbitration Act, 1940, no contract to refer present or future differences to arbitration shall be specifically enforced; but if any person who has made such a contract other than an arbitration agreement to which the provisions of the said Act apply and has refused to perform it sues in respect of any subject which he has contracted to refer, the existence of such contract shall bar the suit.
৬৭৫.
নিম্নের কোন বিষয় সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের মামলাকে সমর্থন করার জন্য যথেষ্ট হবে?
  1. সম্পত্তির সহ-মালিকের বক্তব্য
  2. সম্পত্তির পূর্ববর্তী দখলের স্থায়ী অধিকার
  3. সম্পত্তির পূর্ববর্তী দখলের অধিকারী ব্যক্তির বক্তব্য
  4. সম্পত্তির বর্তমান দখলের অস্থায়ী বা বিশেষ অধিকার
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের-১০ ধারা: সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির পুনরুদ্ধার:
সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির দখলের অধিকারী ব্যক্তি দেওয়ানি কার্যবিধিতে নির্ধারিত পন্থায় তার দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে।

ব্যাখ্যা- ১:
এই ধারা অনুসারে একজন জিম্মাদার যার জন্য জিম্মাদার নিযুক্ত হয়েছে, সে ব্যক্তির হিতকর স্বার্থে নিয়োগ করার অধিকার রয়েছে এমন অস্থাবর সম্পত্তির দখল পাওয়ার জন্য মামলা রুজু করতে পারে।

ব্যাখ্যা- ২:
সম্পত্তির বর্তমান দখলের জন্য অস্থায়ী বা বিশেষ অধিকারকেই এই ধারা অনুযায়ী দায়েরকৃত মামলাকে সমর্থন করার জন্য যথেষ্ট।

Section-10: Recovery of specific moveable property:
A person entitled to the possession of specific moveable property may recover the same in the manner prescribed by the Code of Civil Procedure.
Explanation 1- A trustee may sue under this section for the possession of property to the beneficial interest in which the person for whom he is trustee is entitled.
Explanation 2- A special or temporary right to the present possession of property is sufficient to support a suit under this section.
৬৭৬.
দলিল বাতিলের ক্ষেত্রে আদালত ক্ষতিপূরণ দেবার নির্দেশ দিলে ক্ষতিপূরণটি কে দেবেন?
  1.  যার পক্ষে দলিল বাতিল মঞ্জুর করা হয়েছে
  2. যার পক্ষে দলিল বাতিল মঞ্জুর করা হয়েছে তার প্রতিপক্ষ
  3. দলিলের স্বার্থসংশ্লিষ্ট যেকোনো পক্ষ
  4. দলিল জালিয়াতিকারী পক্ষ
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৪১- যে পক্ষের জন্য দলিল বাতিল করা হইয়াছে সেই পক্ষকে ক্ষতিপূরণ প্রদানের আদেশদানের ক্ষমতা: 
দলিল বাতিলের রায় প্রদানের সময় আদালত যে পক্ষকে এইরূপ প্রতিকার প্রদান করিয়াছে, সেই পক্ষকে ন্যায়বিচারের স্বার্থে অপরপক্ষকে ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ প্রদান করিতে পারবে।

৬৭৭.
আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে ___________ নিষেধাজ্ঞা জারির মাধ্যমে নিরোধক প্রতিকার মঞ্জুর করা হয়।
  1. অস্থায়ী
  2. চিরস্থায়ী
  3. বাধ্যতামূলক
  4. ক বা খ
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫২ ধারা- নিরোধমূলক প্রতিকার যেভাবে মঞ্জুর করা হয়:
আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে অস্থায়ী বা চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারির মাধ্যমে নিরোধক প্রতিকার মঞ্জুর করা হয়।

Section 52- Preventive relief how granted:
Preventive relief is granted at the discretion of the Court by injunction, temporary or perpetual.

⇒ প্রতিরোধমূলক/ নিরোধমূলক প্রতিকার মঞ্জুর করা হয় আদালতের স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা বলে। আদালত নিম্নোক্ত ২ ভাবে প্রতিরোধমূলক প্রতিকার মঞ্জুর করতে পারেন-
১) অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Temporary injunctions) জারির মাধ্যমে; বা
২) চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Perpetual injunctions) জারির মাধ্যমে।
৬৭৮.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ৩৯ ধারা অনুযায়ী আদালত কখন দলিল বাতিলের আদেশ দিতে পারেন?
  1. দলিলটি বাতিল হলে।
  2. দলিলটি বাতিলযোগ্য হলে।
  3. দলিলটি অনিষ্পন্ন অবস্থায় রেখে দিলে মারাত্মক ক্ষতি হওয়ায় আশংকা থাকলে।
  4. সবগুলো।
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৯ ধারা অনুযায়ী, আদালত নিম্নলিখিত ২টি ক্ষেত্রে দলিল বাতিলের মোকদ্দমায় দলিল বাতিলের আদেশ মঞ্জুর করতে পারে-
১. কোন লিখিত দলিল বাতিল [Void] বা বাতিলযোগ্য [Voidable] হলে;
২. যদি বাদীর যুক্তিসঙ্গত আশংকা থাকে যে, এরুপ দলিল যদি অনিষ্পন্ন অবস্থায় ছেড়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা তার গুরুতর ক্ষতির কারণ হতে পারে।

উদাহরণ:
'ক' 'খ' কে জমি প্রদান করে। 'খ' জমিটি 'গ' এর নামে উইল করে মারা যায়। এর পরে 'ঘ' জমির দখল গ্রহণ করে এবং এই মর্মে একটি জাল দলিল পেশ করে এই মর্মে যে, তার পক্ষে জিম্মাদার হিসাবে 'খ' কে উক্ত জমি হস্তান্তর করা হয়েছিল। 'গ' এই জাল দলিল বাতিলের জন্য আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।

৬৭৯.
যদি কাউকে আইনসম্মত প্রক্রিয়া ব্যতীত তার স্থাবর সম্পত্তি থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়, তবে তিনি কীভাবে তা পুনরুদ্ধার করতে পারেন
  1. আর্থিক ক্ষতিপূরণ দাবি করে
  2. সরকারি প্রশাসনের মাধ্যমে
  3. ফৌজদারি মামলার মাধ্যমে
  4. দেওয়ানি মোকদ্দমা দায়ের করে
ব্যাখ্যা
→ সঠিক উত্তর: দেওয়ানি মোকদ্দমা দায়ের করে।
→ যদি কোনো ব্যক্তিকে আইনসম্মত প্রক্রিয়া ব্যতীত তার স্থাবর সম্পত্তি থেকে সরিয়ে ফেলা হয়, তাহলে সে দেওয়ানি মোকদ্দমা (Civil Suit) দায়ের করে তার সম্পত্তি পুনরুদ্ধার করতে পারে।
→ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৯ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি অন্যায়ভাবে তার স্থাবর সম্পত্তি থেকে সরিয়ে ফেলা হয়, তাহলে তিনি বা তার প্রতিনিধি ওই সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের জন্য আদালতে মামলা করতে পারেন।
এটি একটি দেওয়ানি মামলা হবে, যেখানে সরকার বা ফৌজদারি মামলা সংশ্লিষ্ট নয়।

অন্য অপশনগুলোর ব্যাখ্যা:
ক) সরকারি প্রশাসনের মাধ্যমে: এটি সঠিক নয়, কারণ এটি আইনসংগত নয়। এই ধরনের মামলা আদালতে হতে হবে, সরকারি প্রশাসনের মাধ্যমে নয়।
গ) ফৌজদারি মামলার মাধ্যমে: এটি শুধুমাত্র তখন প্রযোজ্য হতে পারে, যখন সম্পত্তি হরণের সঙ্গে কোনো অপরাধ বা ফৌজদারি কার্য involved থাকে।
ঘ) আর্থিক ক্ষতিপূরণ দাবি করে: এটি সঠিক নয়, কারণ এই ধরনের পরিস্থিতিতে প্রাথমিকভাবে সম্পত্তি পুনরুদ্ধার করা মূল উদ্দেশ্য হয়, ক্ষতিপূরণ নয়।
৬৮০.
Under Section 43, a declaration made is binding on which of the following parties?
  1. Only the plaintiff
  2. Any interested third party
  3. The general public
  4. The parties to the suit and their claimants
ব্যাখ্যা
Section 43: Effect of declaration:
A declaration made under this Chapter is binding only on the parties to the suit, persons claiming through them respectively, and, where any of the parties are trustees, on the persons for whom, if in existence at the date of the declaration, such parties would be trustees.

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৩ ধারা- ঘোষণার ফলাফল:
এই অধ্যায়ের বিধান মোতাবেক প্রদত্ত ঘোষণা কেবলমাত্র মামলার পক্ষসমূহ এবং তাদের মাধ্যমে দাবিরত ব্যক্তিদের উপর যেক্ষেত্রে পক্ষসমূহের কোন একটি হচ্ছে জিম্মাদার, সেক্ষেত্রে তেমন ব্যক্তিদের উপর ঘোষণার দিন পর্যন্ত তারা বেঁচে থাকলে তেমন পক্ষসমূহ যাদের জন্য জিম্মাদার হত, অবশ্য পালনীয় হবে।
৬৮১.
'লিখিত চুক্তি সংশোধনের মূলনীতি'- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় বর্ণিত আছে?
  1. ধারা ৩২
  2. ধারা ৩৩
  3. ধারা ৩৪
  4. ধারা ৩৬
ব্যাখ্যা

The Specific Relief Act, 1877: ধারা ৩৩ – লিখিত চুক্তি সংশোধনের মূলনীতি (Principles of Rectification):
লিখিত কোনো দলিল বা চুক্তি সংশোধন করার সময়, আদালত নিম্নলিখিত বিষয়গুলো তদন্ত করতে পারে:
- সেই দলিল বা চুক্তি কী অর্থ বোঝাতে চেয়েছিল।
- সেই দলিল বা চুক্তির আইনি পরিণতি কী হওয়া উচিত ছিল।

আদালত কেবলমাত্র এই বিষয়েই সীমাবদ্ধ নয় যে, দলিলের ভাষা কোনভাবে লেখা হয়েছে; বরং উদ্দেশ্য ও আইনি প্রভাব বিবেচনায় নিতে পারে।

সহজভাবে বলা যায়:
যদি কোনো লিখিত চুক্তি ভুল বা অসঙ্গতভাবে লেখা হয়ে থাকে, আদালত তার মূল উদ্দেশ্য ও আইনি প্রভাব অনুসারে তা সংশোধন করতে পারে, শুধু ভাষার ভিত্তিতে নয়।

৬৮২.
X, Y এর নিকট একটি জমি বিক্রয় করল। উক্ত জমির উপর দিয়ে অন্যের চলাচলের অধিকার আছে জানা সত্ত্বেও X তা গোপন করে। Y চুক্তিটি কী করতে পারে?
  1. বাতিল
  2. স্থগিত
  3. রদ
  4. সংশোধন
ব্যাখ্যা
♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৫ ধারার বিধান বিচারপূর্বক যখন রদ করা যায়: লিখিত চুক্তিতে স্বার্থসংশ্লিষ্ট যে কোন ব্যক্তি তা রদ করার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে এবং আদালত নিম্নোক্ত যে কোন ক্ষেত্রে বিচারপূর্বক চুক্তি রদ করতে পারেনঃ

ক. যেখানে চুক্তি বাতিলযোগ্য অথবা বাদী কর্তৃক সমাপনীয়;

খ. যেখানে আপাতত দৃশ্যমান নয় এমন কারণে চুক্তি অবৈধ, এবং বাদীর চাইতে প্রতিবাদীকেই দোষী করা যায় বেশি।

গ, যেখানে একটি বিক্রয় চুক্তি অথবা একটি ইজারা গ্রহণের চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের জন্য ডিক্রি প্রদান করা হয়েছে এবং ক্রেতা, ইজারাদার ক্রয়মূল্য বা অপরাপর অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হয়েছে। যা আদালত তাকে পরিশোধ করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। হিসেবে গৃহীত খাজনা এবং লাভ বিক্রেতা বা ইজারাদাতাকে প্রদান করার নির্দেশ প্রদান করতে পারেন। একই ক্ষেত্রে আদালত সে মামলায় আদেশের মাধ্যমে যাতে ডিক্রি প্রদান করা হয়েছিল, কিন্তু তদানুযায়ী কাজ করা হয়নি , হয় কর্তব্য অবহেলাকারী পক্ষের বেলায় অথবা সম্পূর্ণ চুক্তিই মামলায় ন্যায়বিচারের আবশ্যক অনুযায়ী রদ করে দিতে পারেন।

♦ অর্থাৎ ধারা ৩৫-এর বিধান মোতাবেক চুক্তি অবসানের মামলা করতে পারেন। ৩৫ ধারার উদাহরণ দ্রষ্টব্য। 
৬৮৩.
চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন বলবতযোগ্য নয় যেক্ষেত্রে চুক্তি ভঙ্গের দরুণ ক্ষতিপূরণ _______।
  1. যথেষ্ট নয়
  2. নির্ণয় করা যায় না
  3. পাওয়া সম্ভব নয়
  4. যথেষ্ট হয়
ব্যাখ্যা
 ♦ ধারা-২১: কোন চুক্তিসমূহ সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না (Contracts not specifically enforceable )- চুক্তির প্রকৃতি অনুসারে কিছু কিছু চুক্তির সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদন করার জন্য আদালত নির্দেশ দিয়ে থাকেন এবং কিছু কিছু চুক্তির ক্ষেত্রে আদালত সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদনের নির্দেশ প্রদান করে না। যে যে ক্ষেত্রে আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের আবেদন নামঞ্জুর করতে পারে তা সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না। কারণ এগুলি সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদনের যোগ্য নয়।

♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারামতে নিম্নলিখিত ৮টি ক্ষেত্রে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না। যথা-

১) কোন চুক্তির ক্ষেত্রে আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট হলে 
২) কোন চুক্তি জটিল ও অসংখ্য পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণের সমষ্টি বা পক্ষসমূহের ব্যক্তিগত যোগ্যতা/সংকল্পের উপর নির্ভরশীল অথবা চুক্তিটি বলবৎ যোগ্য না হলে 
৩) চুক্তির শর্তাবলী নির্ণয় করা না গেলে 
৪) চুক্তিটি প্রকৃতিগতভাবে বাতিলযোগ্য হলে 
৫) চুক্তিটি ট্রাস্টিগণ কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূতভাবে সম্পাদিত হলে
৬) বিশেষ কোন কর্পোরেশন বা পাবলিক কোম্পানী কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূত কোন চুক্তি
৭) চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পূর্বে বিষয়বস্তুর উল্লেখযোগ্য অংশ বিলুপ্ত হলে  অথবা
৮) যে চুক্তি ক্রমাগতভাবে ৩ বছর চলে ।
৬৮৪.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় "যিনি দখলে আছেন, তিনিই দখলে থাকিবেন"-এই নীতির প্রতিফলন ঘটেছে?
  1. ৮ ধারার
  2. ১২ ধারার
  3. ৯ ধারার
  4. ৪২ ধারার
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৯ ধারার বিধান স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত ব্যক্তি কর্তৃক মামলা: যদি কোন ব্যক্তি তার অসম্মতিতে স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত হয়, তবে সে অথবা তার মাধ্যমে দাবিদার কোন ব্যক্তি মামলার মাধ্যমে তার দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে যদিও তেমন মামলায় অপর কোন স্বত্ব খাড়া করা হতে পারে, তথাপিও।
এই ধারার কোন কিছুই তেমন সম্পত্তির ব্যাপারে নিজের স্বত্ব প্রতিষ্ঠা এবং তার দখল পুনরুদ্ধার করার জন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক মামলা দায়েরের পথে প্রতিবন্ধকতা হবে না।
এই ধারা অনুসারে সরকারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা যাবে না। এই ধারা অনুসারে দায়েরকৃত মামলার প্রদত্ত কোন ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে কোন আপিল করা যাবে না অথবা তেমন কোন আদেশ বা ডিক্রি পুনর্বিবেচনার কোন অনুমতি প্রদান করা হবে না।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৯ ধারার যদি কোন ব্যক্তি তার অসম্মতিতে আইনগত পন্থা ছাড়াই স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত হয়, তাহলে সে বা তার মাধ্যমে দাবীদার কোন ব্যক্তি মামলার মাধ্যমে তা পুনরুদ্ধার করতে পারে। তবে এই ধারার কোন কিছুই এমন সম্পত্তির ব্যপারে নিজের স্বত্ব প্রতিষ্ঠিত এবং তার দখল পুনরুদ্ধার করার নিমিত্তে কোন ব্যক্তি কর্তৃক মামলা রুজু করার পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে না। সরকারের ক্ষেত্রে এই ধারার কোন প্রয়োগযোগ্য নেই। আদালত যে আদেশ দিবে তার বিরুদ্ধে আপিল বা পুনর্বিবেচনার আবেদন করা যাবে না।
ক) কোন সম্পত্তিতে জনসাধারণের যত ভাল স্বত্ব থাকে না কেন তাদেরকে আইন নিজের হাতে তুলে নেয়া হতে নিরুৎসাহ করাই এই ধারার লক্ষ্য।
খ) এই ধারায় ফরিয়াদীকে কোন স্বত্ব প্রদান করা হয়নি। আইনের মাধ্যম ছাড়া কেউ কাউকে সম্পত্তি হতে দখলচ্যুত করলে অধিকার বিচার না করে দখলচ্যুত ব্যক্তি বর্তমান ধারার মাধ্যমে দখল লাভ করতে পারে। শান্তিভঙ্গ রোধই এই ধারার অন্যতম লক্ষ্য।
গ) বর্তমান ধারার লক্ষ্য হল, বলপ্রয়োগ করে বেদখল নিরুৎসাহিত করা। এ ধারার শেষের অংশে কোন ডিক্রি অথবা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল কিংবা পুনর্বিচারের প্রার্থনা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এই ধারার অধীন কোন পক্ষ ডিক্রির মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত হলে তিনি তার প্রতিকার চেয়ে তার অধিকার প্রতিষ্ঠিত করার জন্য মামলা করতে পারেন কিংবা দেওয়ানি কার্যবিধির ১১৫ ধারার অধীনে হাইকোর্ট পুনর্বিচারের প্রার্থনা করতে পারেন।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৯ ধারার নীতি: দখলদারই দখলে থাকবেন, এটিই সাধারণ নীতি। তবে যার স্বত্ব আছে কিন্তু দখল নেই, তিনি আইন হাতে তুলে নিয়ে বলপ্রয়োগ করে দখলদারকে দখলচ্যুত না করে বরং প্রচলিত আইনের বিধান মতে স্বত্বের মোকদ্দমা রুজুর মাধ্যমে দখলে আসতে পারেন। মূলত এটিই আলোচ্য আইনের প্রধান নীতি।
⇒ বেদখল বলতে কি বুঝ?
বেদখল অর্থ প্রকৃত উচ্ছেদ বা তাড়ানো অর্থাৎ যে ব্যক্তি প্রকৃত দখলে ছিল তাকে দখল থেকে উচ্ছেদ করাই হল বেদখল। একজন প্রজাকে ইজারার শেষে দখলে থাকা শুধুমাত্র আইনের মাধ্যমে উচ্ছেদ করা যাবে।
⇒ সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ১১৬ ধারার আওতায় হোল্ডিন ওভার বিশিষ্ট একজন প্রজা বা টেন্যান্টের দখল বৈধ। অবৈধ নয় এরূপ প্রজাকে বেদখল করলে ৯ ধারা অনুসারে তা পুনরুদ্ধারের মামলা করতে পারে। আইনের যথার্থ মাধ্যম অর্থ নিয়মিত, স্বাভাবিক প্রক্রিয়া যা দ্বারা কোন কিছু সিদ্ধান্তের জন্য আদালতে উত্থাপন করা হয়।
⇒ বেদখল বাস্তবে হতে হবে, শুধুমাত্র কাগজপত্রে বেদখল হলে তাকে ৯ ধারা মোতাবেক বেদখল বলা যায় না। ৯ ধারার অধীন দখল পুনরুদ্ধারের জন্য বেদখল অবশ্যই আইনের পরিপন্থি হতে হবে। পক্ষান্তরে কোন ব্যক্তির ঘর বাড়ী বা সম্পত্তি থেকে আইনগত পদ্ধতিতে উচ্ছেদ হলে তাকে বেদখল বলা যায় না।
৬৮৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২২ ধারা কী বিষয়ের উপর আলোকপাত করে?
  1. চুক্তির বৈধতা নির্ধারণ
  2. ক্ষতিপূরণ নির্ধারণের নিয়ম
  3. চুক্তি বলবৎ করার বিষয়ে আইনসম্মত বাধ্যবাধকতা
  4. চুক্তি বলবৎকরণের আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা
ব্যাখ্যা

⇒ আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা অনুযায়ী, সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের ডিক্রি প্রদান করা আইনসম্মত হলেও এটি বাধ্যতামূলক নয়। সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২২ ধারার বিধান অনুযায়ী আদালত তার বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করে চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণের ডিক্রি না দিয়ে ক্ষতিপূরণ প্রদানের আদেশ দিতে পারে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ২২ অনুযায়ী, চুক্তি বলবৎকরণের মোকদ্দমায় যদি বিবাদী দেখাতে পারে যে, বিবাদির প্রতি বাদীর অন্যায় সুবিধা আছে এবং যেক্ষেত্রে চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণ বিবাদির প্রতি কষ্ট বা কঠোরতা hardship সৃষ্টি করবে কিন্তু চুক্তি বলবৎ না করলে বাদীকে এমন ধরনের কোন কঠোরতায় জড়াবে না,
সেই ক্ষেত্রে আদালত চুক্তি বলবৎকরণের ডিক্রি না দিতে বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে এবং চুক্তি বলবৎকরণের ডিক্রি না দিয়ে বিবাদীকে ক্ষতিপূরণ (solatium) মঞ্জুর করতে পারে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ - ধারা ২২: চুক্তি বলবৎকরণের বিষয়ে আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা: 
সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের ডিক্রি প্রদানের ক্ষমতা বিচারিক বিবেচনার উপর নির্ভরশীল, এবং কেবলমাত্র এটি আইনগতভাবে করা সম্ভব বলেই আদালত বাধ্যতামূলকভাবে এ ধরনের ডিক্রি প্রদান করবে—এমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। তবে, আদালতের এই বিবেচনা স্বেচ্ছাচারী হতে পারে না; এটি অবশ্যই যথাযথ ও যুক্তিসঙ্গত হতে হবে, যা বিচারিক নীতিমালা দ্বারা পরিচালিত এবং আপিল আদালত কর্তৃক সংশোধনযোগ্য হতে পারে।
নিম্নলিখিত পরিস্থিতিতে আদালত সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের ডিক্রি না দেওয়ার জন্য তার বিবেচনাধিকার প্রয়োগ করতে পারে—
১. যখন চুক্তির প্রেক্ষাপট এমন যে, তাতে বাদী প্রতিপক্ষের তুলনায় অন্যায্য সুবিধা লাভ করে, যদিও বাদীর পক্ষে কোনো প্রতারণা বা মিথ্যা উপস্থাপন নেই।
২. যখন চুক্তি কার্যকর করলে বিবাদীর জন্য অনাকাঙ্ক্ষিত কষ্ট বা অসুবিধার সৃষ্টি হয়, যা পূর্বানুমান করা সম্ভব হয়নি, তবে চুক্তি কার্যকর না করলে বাদীর জন্য তেমন কোনো অসুবিধা সৃষ্টি হবে না।
৩. যখন বাদী চুক্তি কার্যকর করার উপযোগী উল্লেখযোগ্য কার্য সম্পাদন করেছে বা এর ফলে কোনো ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে।
---------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877-Section-22: Discretion as to decreeing specific performance:
-The jurisdiction to decree specific performance is discretionary, and the Court is not bound to grant such relief merely because it is lawful to do so; but the discretion of the Court is not arbitrary but sound and reasonable, guided by judicial principles and capable of correction by a Court of appeal.
The following are cases in which the Court may properly exercise a discretion not to decree specific performance:-
I. Where the circumstances under which the contract is made are such as to give the plaintiff an unfair advantage over the defendant, though there may be no fraud or misrepresen-tation on the plaintiff's part.
II. Where the performance of the contract would involve some hardship on the defendant which he did not foresee, whereas its non-performance would involve no such hardship on the plaintiff.
III. Where the plaintiff has done substantial acts or suffered losses in consequence of a contract capable of specific performance.

৬৮৬.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩২ ধারার বিধান কী?
  1. When rescission may be adjudged
  2. Presumption as to intent of parties
  3. When instrument may be rectified
  4. Principles of rectification
ব্যাখ্যা
The Specific Relief Act, 1877 Section:-32. Presumption as to intent of parties:
-For the purpose of rectifying a contract in writing, the Court must be satisfied that all the parties thereto intended to make an equitable and conscientious agreement.
----------------------------------
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩২ ধারার বিধান: পক্ষসমূহের অভিপ্রায় সম্পর্কে অনুমান:
-লিখিত চুক্তি সংশোধন করবার উদ্দেশ্যে আদালত অবশ্যই নিশ্চিত হবেন যে, চুক্তির সকল পক্ষের উদ্দেশ্য হচ্ছে সুষম ও সুবিচারমূলক চুক্তি সম্পাদন করা। 
৬৮৭.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ধারার মামলার ক্ষেত্রে বাদীকে কী প্রমাণ করতে হবে?
  1. স্থাবর সম্পত্তির দখল
  2. স্থাবর সম্পত্তির স্বত্ব
  3. স্থাবর সম্পত্তির স্বত্ব এবং দখল দুটোই
  4. কোনো কিছু প্রমাণ করতে হবে না
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৮ ধারায় শুধুমাত্র যে একজন স্থাবর সম্পত্তির মালিক তার স্বত্বের উপর ভিত্তি করে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে তা না বরং দখলের অধিকারী যে কোন ব্যক্তি ৮ ধারায় মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে; যদি সে তার স্বত্ব প্রমাণ করতে পারে।

৮ ধারায় স্থাবর সম্পত্তিতে দখলের অধিকারী বলতে মালিক বা দখলদার হিসেবে দখলের অধিকারী ব্যক্তিকে বোঝানো হয়েছে।
৮ ধারার অধীন দেখাতে হবে সম্পত্তিতে স্বত্ব আছে এবং তা চুক্তিবলে হোক বা উত্তরাধিকারসূত্রে হোক বা দখলি স্বত্ব হোক এবং এমন স্বত্বের কারণে দখলের অধিকারী।

Section 8- Recovery of specific immoveable property:
A person entitled to the possession of specific immovable property may recover it in the manner prescribed by The Code of Civil Procedure, 1908.
৬৮৮.
The Specific Relief Act,1877 এর ৫৩ ধারা অনুসারে কোন প্রতিকারটি The Code Of Civil Procedure,1908 দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়?
  1. স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা 
  2. অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা 
  3. প্রতিরোধমূলক নিষেধাজ্ঞা 
  4. বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা 
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৫৩ অনুসারে, অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা - অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা হইল এইরূপ নিষেধাজ্ঞা যাহা একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অথবা আদালতের পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত কার্যকর থাকে। মামলার যেকোনো সময় ইহা মঞ্জুর করা যাইবে, এবং দেওয়ানি কার্যবিধি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হইবে।

চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা।- কেবল শুনানির পর এবং মামলার গুণাগুণের উপর ভিত্তি করিয়া প্রদত্ত ডিক্রি দ্বারা চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা যাইবে: ইহার মাধ্যমে বিবাদিকে চিরস্থায়ীভাবে এমন একটি অধিকার প্রয়োগ, অথবা এমন একটি কাজ করা হইতে বিরত থাকিবার নির্দেশ দেওয়া হয় যাহা বাদির অধিকারের বিপরীতে হইবে।
-----------------
Temporary injunctions section ,53. Temporary injunctions are such as are to continue until a specified time, or until the further order of the Court. They may be granted at any period of a suit, and are regulated by the Code of Civil Procedure.

Perpetual injunction: A perpetual injunction can only be granted by the decree made at the hearing and upon the merits of the suit: the defendant is thereby perpetually enjoined from the assertion of a right, or from the commission of an act, which would be contrary to the rights of the plaintiff.

৬৮৯.
'A', 'B' কে নির্দিষ্ট জমি ভাড়া প্রদান করে এবং 'B' সেখান থেকে বালি উত্তোলন না করার বিষয়ে 'A' এর সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়। কিন্তু 'B' চুক্তি লঙ্ঘন করে খনন কাজ করে। এক্ষেত্রে 'A', 'B' কে খনন কাজ থেকে বিরত রাখবার উদ্দেশ্যে -
  1. 'A' এর কোনো প্রতিকার নেই
  2. ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে
  3. নিষেধাজ্ঞা জারির মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে
  4. চুক্তি বাতিলের মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৪ ধারা: চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরের সময়:

এই অধ্যায়ে অন্তর্ভুক্ত বা উল্লিখিত অন্যান্য বিধানাধীন, আবেদনকারীর পক্ষে বিদ্যমান কোনো বাধ্যবাধকতা, সুস্পষ্ট বা গোপনীয়ভাবে ভঙ্গ প্রতিরোধ করার জন্য একটি স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রদান করা যেতে পারে।
যখন এমন বাধ্যবাধকতা চুক্তি থেকে উদ্ভূত হয়, আদালতকে এই আইনের অধ্যায় ২-এ অন্তর্ভুক্ত নিয়ম ও বিধানগুলিই অনুসরণ করতে হবে।
যখন বিবাদী পক্ষ বাদীর সম্পত্তির অধিকার বা উপভোগ আক্রমণ করে বা আক্রমণের হুমকি দেয়, তখন নিম্নলিখিত ক্ষেত্রগুলিতে আদালত একটি স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রদান করতে পারে, যথাঃ
ক) যদি বিবাদী বাদীর জন্য সেই সম্পত্তির ট্রাস্টি হয়;
খ) যদি আক্রমণের ফলে সৃষ্ট বা সম্ভাব্য ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ নির্ধারণের কোনো মান না থাকে;
গ) যদি আক্রমণটি এমন হয় যে আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট প্রতিকার হিসেবে কাজ না করে;
ঘ) যদি আক্রমণের জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়ার সম্ভাবনা না থাকে;
ঙ) যদি বহু আদালতি কার্যক্রম এড়াতে নিষেধাজ্ঞাটি প্রয়োজন হয়।

এখানে, 'B' চুক্তি লঙ্ঘন করে খনন কাজ করছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। সুতরাং 'A' আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করে 'B'কে এই কাজ থেকে বিরত রাখার জন্য নিষেধাজ্ঞা চাইতে পারবেন। আদালত যথাযথ বিবেচনা করে নিষেধাজ্ঞা জারি করতে পারবে।
৬৯০.
"Settlement" দলিলের মাধ্যমে কী নির্ধারন করা হয়?
  1. অস্থাবর সম্পত্তির মালিকানা
  2. স্থাবর সম্পত্তির মালিকানা
  3. স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তির উত্তরাধিকার
  4. ক বা খ
ব্যাখ্যা
• "settlement" means any instrument (other than a will or codicil as defined by the [Succession Act, 1925] whereby the destination or devolution of successive interests in moveable or immoveable property is disposed of or is agreed to be disposed of:

"settlement" শব্দটি কোনো এমন নথিকে বোঝায় (উইল বা কোডিসিল ব্যতীত যা Succession Act, 1925 এ সংজ্ঞায়িত হয়েছে) যার মাধ্যমে স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তির উত্তরাধিকার বা প্রকৃতির বিনিময় বা উক্ত বিনিময়ের সম্মতির বিষয়বস্তু নির্ধারিত হয়েছে।

অর্থাৎ, যে নথি উইল বা কোডিসিল ছাড়া হয়ে স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তির উত্তরাধিকার বা প্রকৃতি নির্ধারণ করে বা সেরকম নির্ধারণের বিষয়টি নিয়ে সম্মতি প্রকাশ করে, সেটিকে "settlement" বলা হয়েছে।
৬৯১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারায় ভুলের জন্য চুক্তি বাতিলের বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ৩০
  2. ধারা ৩৪
  3. ধারা ৩৫
  4. ধারা ৩৬
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ৩৬-এ ভুলের জন্য চুক্তি বাতিল (Rescission for mistake) এর বিধান রয়েছে। এই ধারা অনুসারে, কেবল সাধারণ ভুলের জন্য লিখিত চুক্তি বাতিল করা যাবে না, যদি না যার বিরুদ্ধে চুক্তিটি বাতিল করা হবে তাকে চুক্তি-পূর্ব অবস্থায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৬ ধারা: ভুলের জন্য রদ:
কেবল সাধারণ ভুলের জন্য লিখিত কোনো চুক্তি বাতিল করা যাবে না, যতক্ষণ না পর্যন্ত যার বিরুদ্ধে চুক্তি বাতিল করা হবে তাকে অনুরূপ অবস্থায় ফিরিয়ে আনা যায় যেন চুক্তি করা হয়নি।

⇒ The Specific Relief Act, 1877-Section 36: Rescission for mistake:
Rescission of a contract in writing cannot be adjudged for mere mistake, unless the party against whom it is adjudged can be restored to substantially the same position as if the contract had not been made.

৬৯২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারামতে ______ টি ক্ষেত্রে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না।
  1. ১১
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারামতে নিম্নলিখিত ৮টি ক্ষেত্রে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না। যথা-

১) কোন চুক্তির ক্ষেত্রে আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট হলে;
২) কোন চুক্তি জটিল ও অসংখ্য পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণের সমষ্টি বা পক্ষসমূহের ব্যক্তিগত যোগ্যতা/সংকল্পের উপর নির্ভরশীল অথবা চুক্তিটি বলবৎ যোগ্য না হলে;
৩) চুক্তির শর্তাবলী নির্ণয় করা না গেলে;
৪) চুক্তিটি প্রকৃতিগতভাবে বাতিলযোগ্য বা প্রত্যাহারযোগ্য হলে;
৫) চুক্তিটি ট্রাস্টিগণ কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূতভাবে সম্পাদিত হলে;
৬) বিশেষ কোন কর্পোরেশন বা পাবলিক কোম্পানী কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূত কোন চুক্তি;
৭) চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পূর্বে বিষয়বস্তুর উল্লেখযোগ্য অংশ বিলুপ্ত হলে অথবা;
৮) যে চুক্তি ক্রমাগতভাবে ৩ বছর চলে।
৬৯৩.
নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাখ্যানের ক্ষেত্র সম্পর্কে The Specific Relief Act, 1877 এর কোন ধারায় বলা হয়েছে?
  1. ৫৩
  2. ৫৪
  3. ৫৫
  4. ৫৬
ব্যাখ্যা
♦ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাখ্যানের ক্ষেত্র সম্পর্কে The Specific Relief Act, 1877 এর ৫৬ ধারায় বলা হয়েছে।
৫৬ ধারামতে আদালত ১১ টি ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে না।
= নিম্নেবর্ণিত ১১ টি ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা যাবে না-
১. বিচার বিভাগীয় কার্যধারা স্থগিত রাখার জন্য ২. অধীনস্থ আদালত ছাড়া অন্য কোন আদালতের কার্যধারা স্থগিত রাখার জন্য;
৩. কোন ব্যক্তিকে আইন প্রণয়ন বিষয়ক কর্তৃপক্ষের নিকট আবেদন করা থেকে বিরত রাখার জন্য।
৪. সরকারের কোন বিভাগের সরকারি কর্তব্যে বা বিদেশী সরকারের কোন কাজে হস্তক্ষেপ করার জন্য।
৫. কোন ফৌজদারি বিষয়ে কার্যধারা স্থগিত রাখার জন্য ।
৬. যে চুক্তির কার্য সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদন করা যায় না এমন চুক্তি ভঙ্গ নিরোধের উদ্দেশ্য।
৭. উৎপাত নয় এমন কাজ নিরোধ করার জন্য ।
৮. এমন একটি ক্রমাগত লঙ্ঘন নিরোধ করার জন্য যেটাতে বাদী মৌন সম্মতি প্রাদান করেছে।
৯. ট্রাস্ট ভঙ্গের মোকদ্দমা ব্যতীত অন্য কোন সাধারণ কার্যক্রমের মাধ্যমে সমপরিমাণ যথার্থ প্রতিকার নিশ্চিতভাবে পাওয়া যায়।
১০. যখন আবেদনকারী বা তার প্রতিনিধির আচরণ এমন যে, যা তাকে আদালতের সাহায্য হতে বঞ্চিত করে।
১১. যেখানে আবেদনকারীর মামলার বিষয়বস্তুতে কোন ব্যক্তিগত স্বার্থ নেই।
৬৯৪.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর কত ধারার উদ্দেশ্যে 'ট্রেডমার্ক' সম্পত্তি হিসেবে গণ্য করা হবে?
  1. ধারা ৫২
  2. ধারা ৫৩
  3. ধারা ৫৪
  4. ধারা ৫৫
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ - ধারা ৫৪: চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা কখন প্রদান করা হয়:
এই অধ্যায়ে অন্তর্ভুক্ত বা উল্লিখিত অন্যান্য বিধানাবলির অধীন, আবেদনকারীর অনুকূলে বিদ্যমান কোনো বাধ্যবাধকতা (স্পষ্ট বা অন্তর্নিহিত) লঙ্ঘন রোধ করার জন্য একটি চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রদান করা যেতে পারে।
যখন এই বাধ্যবাধকতা চুক্তি থেকে উদ্ভূত হয়, আদালত এই আইনের দ্বিতীয় অধ্যায়ে অন্তর্ভুক্ত বিধি ও বিধানাবলি দ্বারা পরিচালিত হবে।
যখন বিবাদী বাদীর সম্পত্তির অধিকার বা ভোগদখলে হস্তক্ষেপ করে বা হস্তক্ষেপের হুমকি দেয়, আদালত নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রদান করতে পারে:
(ক) যখন বিবাদী বাদীর জন্য সম্পত্তির ট্রাস্টি হয়;
(খ) লঙ্ঘনের কারণে সৃষ্ট বা সৃষ্টির সম্ভাব্য ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ নির্ধারণের কোনো মান (standard) না থাকলে।
(গ) লঙ্ঘন এমন ধরণের যে অর্থমূল্য ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট প্রতিকার দেবে না।
(ঘ) সম্ভব যে অর্থমূল্য ক্ষতিপূরণ লঙ্ঘনের জন্য পাওয়া যাবে না।
(ঙ) একাধিক বিচারিক মামলা এড়ানোর জন্য injunction প্রয়োজন।

ব্যাখ্যা: এই ধারার উদ্দেশ্যে, ট্রেডমার্ককে সম্পত্তি হিসেবে গণ্য করা হবে।

৬৯৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের বিধান মতে প্রতিরোধমূলক প্রতিকার মঞ্জুর করা যেতে পারে-
  1. ক্রোকাদেশ দ্বারা
  2. নিষেধাজ্ঞাদেশ দ্বারা
  3. ঘোষণামূলক আদেশ দ্বারা
  4. নিলাম বিক্রির আদেশ দ্বারা
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫২ ধারার বিধান নিরোধমূলক প্রতিকার যেভাবে মঞ্জুর করা হয়: আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে অস্থায়ী বা চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারির মাধ্যমে নিরোধক প্রতিকার মঞ্জুর করা হয়।
- The Specific Relief Act,1877-Section 52. Preventive relief how granted: Preventive relief is granted at the discretion of the Court by injunction, temporary or perpetual.

- কোন ব্যক্তি যে বেআইনি কাজ (Wrongful Act) করতে অধিকারী নয়, সেই কাজ করা, চালিয়ে যাওয়া, পুনরায় করা থেকে বিরত (Prevent) রাখতে, আদালত তার স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা বলে যে আদেশ দেয় তাই নিরোধমূলক প্রতিকার বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার (Prevent relief).
- প্রতিরোধমূলক/ নিরোধমূলক প্রতিকার মঞ্জুর করা হয় আদালতের স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা বলে। আদালত নিম্নোক্ত ২ ভাবে প্রতিরোধমূলক প্রতিকার মঞ্জুর করতে পারেন।
১) অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Temporary injunctions) জারির মাধ্যমে বা
২) চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Perpetual injunctions) জারীর মাধ্যমে।
 
- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫২ ধারা অনুযায়ী স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা হলো এক প্রকারের প্রতিরোধমূলক বা নিরোধমূলক প্রতিকার।
- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫২ ধারা অনুযায়ী নিরোধমূলক প্রতিকার বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার দেওয়ার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা (অস্থায়ী এবং স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা) হলো সর্বোত্তম পন্থা।
৬৯৬.
স্বত্ব সহ দখল পুনরুদ্ধার/ সুনির্দিষ্ট স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধার সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারায় আছে?
  1. ৭ ধারা
  2. ৯ ধারা
  3. ১০ ধারা
  4. ৮ ধারা
ব্যাখ্যা
- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ধারায় স্বত্ব প্রমাণ করতে হয়।
- বেদখলের ১২ বছরের মধ্যে মামলা করতে হবে।
- এ ক্ষেত্র আপীল, রিভিউ, রিভিশন করা যাবে এবং ৮ ধারার সাথে ৪২ ধারার প্রতিকার চাইতে হবে।
৬৯৭.
'ক', 'খ'-কে সারাজীবনের জন্য জমি উইল করে দেয় এবং 'গ'-কে পরবর্তী অধিকারী নির্দেশ করে। 'ক' মারা গেল। 'খ' জমিতে প্রবেশ করে কিন্তু 'গ', 'খ'-এর সম্মতি ছাড়াই স্বত্ব-সম্পর্কিত দলিলসমূহ হস্তগত করে। এক্ষেত্রে 'খ' -
  1. কোনো প্রতিকার পাবে না
  2. 'গ'-এর নিকট হতে সেগুলি পুনরুদ্ধার করতে পারে না
  3. 'গ'-এর নিকট হতে সেগুলি পুনরুদ্ধার করতে পারে
  4. ক এবং খ
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের-১০ ধারা: সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির পুনরুদ্ধার:

সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির দখলের অধিকারী ব্যক্তি দেওয়ানি কার্যবিধিতে নির্ধারিত পন্থায় তার দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে।
ব্যাখ্যা- ১: এই ধারা অনুসারে একজন জিম্মাদার যার জন্য জিম্মাদার নিযুক্ত হয়েছে সে ব্যক্তির হিতকর স্বার্থে নিয়োগ করার অধিকার রয়েছে এমন অস্থাবর সম্পত্তির দখল পাওয়ার জন্য মামলা রুজু করতে পারে।
ব্যাখ্যা- ২: সম্পত্তির বর্তমান দখলের জন্য অস্থায়ী বা বিশেষ অধিকারকেই এই ধারা অনুযায়ী দায়েরকৃত মামলাকে সমর্থন করার জন্য যথেষ্ট।

উদাহরণ:
(ক) 'ক', 'খ'-কে সারাজীবনের জন্য জমি উইল করে দেয় এবং 'গ'-কে পরবর্তী অধিকারী নির্দেশ করে। 'ক' মারা গেল। 'খ' জমিতে প্রবেশ করে কিন্তু 'গ', 'খ'-এর সম্মতি ছাড়াই স্বত্ব-সম্পর্কিত দলিলসমূহ হস্তগত করে। 'খ', 'গ'-এর নিকট হতে সেগুলি পুনরুদ্ধার করতে পারে।
৬৯৮.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৬ ধারায় কতটি ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা যাবে না তার তালিকা দেওয়া আছে?
  1. ৯টি
  2. ১১টি
  3. ১২টি
  4. ৮টি
ব্যাখ্যা

⇒ কোন কোন ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা যায় না তা সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৬ ধারায় আলোচনা করা হয়েছে।
-সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৬ ধারামতে নিম্নলিখিত ১১টি ক্ষেত্রে আদালত নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে না। যথা-
i) বিচারাধীন কার্যধারা স্থগিত;
ii) অধীন নয় এরূপ আদালতের কার্যধারা স্থগিত;
iii) আইন প্রণয়নকারী সংস্থার নিকট আবেদনে বাধা;
iv) সরকারি দপ্তর বা বিদেশি সরকারের কার্যে হস্তক্ষেপ;
v) ফৌজদারি কার্যধারা স্থগিত;
vi) অবলবৎযোগ্য চুক্তিভঙ্গ নিরোধের প্রশ্নে
vii) উৎপাত (nuisance) নয় এমন কাজ নিরোধের জন্য;
viii) বাদীর মৌন সম্মতির প্রশ্নে;
ix) অন্য কোন পদ্ধতিতে একই প্রতিকারের ক্ষেত্রে;
x) বাদীর আচরণ আদালতের সাহায্য পেতে বঞ্চিত করলে; অথবা
xi) মামলার বিষয়বস্তুতে বাদীর কোনো স্বার্থ না থাকলে আদালত নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে না।
------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section-56. Injunction when refused:- An injunction cannot be granted-
(a) to stay a judicial proceeding pending at the institution of the suit in which the injunction is sought, unless such restraint is necessary to prevent a multiplicity of proceedings;
(b) to stay proceedings in a Court not subordinate to that from which the injunction is sought;
(c) to restraint persons from applying to any legislative body;
(d) to interfere with the public duties of any department of the Government, or with the sovereign acts of Foreign Government;
(e) to stay proceedings in any criminal matter;
(f) to prevent the breach of a contract the performance of which would not be specifically enforced;
(g) to prevent, on the ground of nuisance, an act of which it is not reasonably clear that it will be a nuisance;
(h) to prevent a continuing breach in which the applicant has acquiesced;
(i) when equally efficacious relief can certainly be obtained by any other usual mode of proceeding except in case of breach of trust;
(j) when the conduct of the applicant on his agents has been such as to disentitle him to the assistance of the Court;
(k) where the applicant has no personal interest in the matter.

৬৯৯.
'Z', 'A'-এর পরিবারের মালিকানাধীন একটি দেবমূর্তির দখল পেল, যার যথাযথ দখলদার হচ্ছে 'A', এই ক্ষেত্রে-
  1. 'A' কে ক্ষতিপূরণ দিতে 'Z'-কে বাধ্য করা যেতে পারে।
  2. 'A' এর নিকট উক্ত দেবমূর্তি অর্পণ করতে 'Z'-কে বাধ্য করা যেতে পারে।
  3. 'Z' এর নিকট উক্ত দেবমূর্তির মালিকানা অর্পণ করতে 'A'-কে বাধ্য করা যেতে পারে।
  4. 'ক' আথবা 'খ'
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১১ ধারার বিধান: অব্যবহিত দখল লাভের অধিকারী ব্যক্তির নিকট থেকে দখল প্রদানের নিমিত্তে মালিক নয় এরূপ দখলকারী ব্যক্তির দায় দায়িত্ব:
-যে সম্পত্তির মালিক সে নিজে নয়, এমন অস্থাবর সম্পত্তির কোন বিশেষ অংশের দখলকারী বা নিয়ন্ত্রণকারী ব্যক্তিকে নিম্নোক্ত যে কোন অবস্থাতে অবিলম্বিত দখল লাভের অধিকারী ব্যক্তির নিকট সেটি প্রদানার্থে সুনির্দিষ্টভাবে বাধ্য করা যেতে পারে-
 
(ক) যখন দাবীকৃত সম্পত্তি দাবিদারের জিম্মাদারের বা প্রতিনিধি হিসেবে প্রতিবাদীদের নিকট রয়েছে।
(খ) যখন দাবিকৃত বস্তুর ক্ষতি টাকার মাধ্যমে ক্ষতিপূরণ দাবীদারের পর্যাপ্ত প্রতিকার করবে না।
(গ) যখন দাবীকৃত বস্তুর ক্ষতির কোন সাধিত যথার্থ ক্ষতির পরিমাণ নির্ণয় করা অত্যন্ত কষ্টসাধ্য হবে।
(ঘ) যখন দাবীকৃত বস্তুর দখল দাবিদারের নিকট হতে অন্যায়ভাবে হস্তান্তরিত করা হয়েছে।

উদাহরণ: 'Z', 'A'-এর পরিবারের মালিকানাধীন একটি দেবমূর্তির দখল পেল, যার যথাযথ দখলদার হচ্ছে 'A'। 'Z'-কে, 'A'-এর নিকট দেবমূর্তিটি অর্পণ করতে বাধ্য করা যেতে পারে।
--------------------
⇒ SR Act, Section-11. Liability of person in possession, not as owner to deliver to person entitled to immediate possession:
-Any person having the possession or control of a particular article of moveable property, of which he is not the owner, may be compelled specifically to deliver it to the person entitled to its immediate possession, in any of the following cases:-
(a) when the thing claimed is held by the defendant as the agent or trustee of the claimant;
(b) when compensation in money would not afford the claimant adequate relief for the loss of the thing claimed;
(c) when it would be extremely difficult to ascertain the actual damage caused by its loss;
(d) when the possession of the thing claimed has been wrongfully transferred from the claimant.

Illustrations:
of clause (a)-
A, proceeding to Europe, leaves his furniture in charge of B as his agent during his absence. B, without A's authority, pledges the furniture to C, and C, knowing that B had no right to pledge the furniture, advertises it for sale. C may be compelled to deliver the furniture to A, for he holds it as A's trustee.
 
of clause (b)-
Z has got possession of an idol belonging to A's family, and of which A is the proper custodian. Z may be compelled to deliver the idol to A.
 
of clause (c)-
A is entitled to a picture by a dead painter and a pair of rare China vases. B has possession of them. The articles are of too special a character to bear an ascertainable market value. B may be compelled to deliver them to A.
৭০০.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারা অনুসারে আদালত চুক্তি রদকারী পক্ষকে ন্যায়পরায়ণতা করতে বলতে পারেন?
  1. ৩৫ ধারা 
  2. ৩৬ ধারা 
  3. ৩৭ ধারা 
  4. ৩৮ ধারা 
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ধারা ৩৮, আদালত রদকারী পক্ষকে ন্যায়পরায়ণতা করিবার আদেশ করিতে পারিবে: চুক্তি রদের রায় প্রদানের ক্ষেত্রে আদালত যে পক্ষকে এইরূপ প্রতিকার প্রদান করিয়াছেন, সেই পক্ষকে ন্যায় বিচারের স্বার্থে অপরপক্ষকে ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবে।
---------------
Section 38: Court may require party rescinding to do equity: On adjudging the rescission of a contract, the Court may require the party to whom such relief is granted to make any compensation to the other which justice may require.