ব্যাখ্যা
- The appointment of a receiver pending a suit is a matter resting in the discretion of the Court.
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ১০ / ১২ · ৯০১–১,০০০ / ১,১৭২
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৩ ধারা- ঘোষণার ফলাফল: এই অধ্যায়ের বিধান মোতাবেক প্রদত্ত ঘোষণা কেবলমাত্র মামলার পক্ষসমূহ এবং তাদের মাধ্যমে দাবিরত ব্যক্তিদের উপর যেক্ষেত্রে পক্ষসমূহের কোন একটি হচ্ছে জিম্মাদার, সেক্ষেত্রে তেমন ব্যক্তিদের উপর ঘোষণার দিন পর্যন্ত তারা বেঁচে থাকলে তেমন পক্ষসমূহ যাদের জন্য জিম্মাদার হত, অবশ্য পালনীয় হবে।
এই ধারায় বলা হয়েছে যে, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অধীনে আদালত যে কোনো ঘোষণামূলক রায় প্রদান করবে, তা কার উপর বাধ্যকর হবে সে সম্পর্কে নির্দেশনা রয়েছে। এ রায় বাধ্যকর হবে:
১. মামলার পক্ষদের উপর;
২. পক্ষদের দাবিদারদের উপর (যারা পক্ষদের মাধ্যমে দাবি করছে);
৩. যদি কোনো পক্ষ ট্রাস্টি হন, তাহলে সেই ট্রাস্টিদের অধীনে যারা আছেন, তাদের উপর (যদি তারা ঘোষণার সময় বর্তমান থাকতেন);
অর্থাৎ ঘোষণামূলক রায়টি মামলার অন্তর্গত সরাসরি সম্পর্কিত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানগুলির উপর বাধ্যকর হবে। কিন্তু তৃতীয় পক্ষের উপর এই রায় বাধ্যকর হবে না।
-----------------
Section 43: Effect of declaration:
A declaration made under this Chapter is binding only on the parties to the suit, persons claiming through them respectively, and, where any of the parties are trustees, on the persons for whom, if in existence at the date of the declaration, such parties would be trustees.
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ৪৩ অনুসারে, ঘোষণামূলক ডিক্রি নিম্নলিখিত ব্যক্তিদের উপর বাধ্যকর হবে:
১. মোকদ্দমার পক্ষগণ
২. পক্ষগণের মাধ্যমে দাবিদার ব্যক্তিগণ
৩. পক্ষগণের জিম্মাদার (যেমন: ট্রাস্টি)
- এই বিধান অনুযায়ী, ঘোষণামূলক ডিক্রি শুধুমাত্র সরাসরি পক্ষগণের উপরই নয়, বরং তাদের উত্তরাধিকারী, বৈধ দাবিদার এবং ট্রাস্টিগণের জন্যও বাধ্যতামূলক।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৩ ধারার বিধান ঘোষণার ফলাফল:
- এই অধ্যায়ের বিধান মোতাবেক প্রদত্ত ঘোষণা কেবলমাত্র মামলার পক্ষসমূহ এবং তাদের মাধ্যমে দাবিরত ব্যক্তিদের উপর যেক্ষেত্রে পক্ষসমূহের কোন একটি হচ্ছে জিম্মাদার, সেক্ষেত্রে তেমন ব্যক্তিদের উপর ঘোষণার দিন পর্যন্ত তারা বেঁচে থাকলে তেমন পক্ষসমূহ যাদের জন্য জিম্মাদার হত, অবশ্য পালনীয় হবে।
অর্থাৎ ঘোষণামূলক ডিক্রি শুধুমাত্র মোকদ্দমার পক্ষগণ বা তাদের মাধ্যমে দাবীদার ব্যক্তিগণের উপর বাধ্যকর হবে এবং পক্ষগণের জিম্মাদারের উপরও বাধ্যকর হবে।
-------------
⇒ Specific Relief Act- Section 43 -Effect of declaration:- A declaration made under this Chapter is binding only on the parties to the suit, persons claiming through them respectively, and, where any of the parties are trustees, on the persons for whom, if in existence at the date of the declaration, such parties would be trustees.
Illustration:
- A, a Hindu, in a suit to which B, his alleged wife, and her mother, are defendants, seeks a declaration that his marriage was duly solemnized and an order for the restitution of his conjugal rights. The Court makes the declaration and order. C, claiming that B is his wife, then sues A for the recovery of B. The declaration made in the former suit is not binding upon C.
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ (The Specific Relief Act, 1877) এর ধারা ৬-এ প্রতিরোধমূলক প্রতিকার (Preventive Relief) এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।এই ধারা অনুসারে, ধারা ৫(গ) এর অধীন যে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার মঞ্জুর করা হয়, তাকে প্রতিরোধমূলক প্রতিকার বলে। এটি মূলত নিষেধাজ্ঞা (Injunction) এর মাধ্যমে বাস্তবায়িত হয়, যেখানে কোনো ব্যক্তিকে কোনো নির্দিষ্ট কাজ করা থেকে বিরত রাখার আদেশ দেওয়া হয়।
⇒ সাধারণত নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে প্রতিরোধমূলক প্রতিকার প্রদান করা হলেও সকল প্রকার নিষেধাজ্ঞা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার নয়।
- যেমন- অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা, চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা, অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা ইত্যাদি প্রতিরোধমূলক প্রতিকার হলেও বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা (Mandatory Injunction) হল আদেশাত্মক প্রতিকার।
- অর্থাৎ বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা ছাড়া সকল ধরনের নিষেধাজ্ঞা হলো নিরোধমূলক বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার (Preventive Relief).
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৫৩ ধারা মতে,
চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা:
চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা কেবলমাত্র শুনানির পর মামলার গুণাগুণের ভিত্তিতে প্রদত্ত ডিক্রি দ্বারাই মঞ্জুর করা যায়। এর মাধ্যমে বিবাদীকে চিরস্থায়ীভাবে এমন একটি অধিকার প্রয়োগ হতে বা এমন একটি কাজ করা হতে বিরত থাকার নির্দেশ প্রদান করা হয়, যা বাদীর অধিকারের বিপরীত হতে পারে।
Perpetual injunctions:
A perpetual injunction can only be granted by the decree made at the hearing and upon the merits of the suit, the defendant is thereby perpetually enjoined from the assertion of a right, or from the commission of an act, which would be contrary to the rights of the plaintiff.
⇒ তত্ত্বগত আইন ব্যক্তির অধিকার, কর্তব্য ও দায়িত্ব নির্ধারণ করে এবং প্রতিকারের বিধান দেয়। সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন দেওয়ানি মামলায় বিশেষ প্রতিকার (যেমন: সম্পত্তি ফিরিয়ে দেওয়া বা চুক্তি বাস্তবায়ন) প্রদান করে, যা অধিকার সংরক্ষণের জন্য তত্ত্বগত। পদ্ধতিগত আইন মামলার প্রক্রিয়া নির্ধারণ করে, যা এর থেকে ভিন্ন।
→ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন (Specific Relief Act) হলো তত্ত্বগত আইন (Substantive Law)।
- তত্ত্বগত আইন এমন আইন, যা কোনো ব্যক্তির অধিকার, কর্তব্য বা দায়িত্ব নির্ধারণ করে এবং শাস্তির বিধান দেয়। সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে দেওয়ানি মামলায় বিশেষ ধরণের প্রতিকার (যেমন: সম্পত্তি ফিরিয়ে দেওয়া, চুক্তি বাস্তবায়ন) প্রদানের জন্য বিধান রয়েছে, যা ব্যক্তির অধিকার সংরক্ষণ করে।
অন্যদিকে, পদ্ধতিগত আইন (Procedural Law) হলো আইন, যা মামলার বিচারপ্রক্রিয়া বা পদ্ধতি নির্ধারণ করে (যেমন: দেওয়ানী কার্যবিধি বা ফৌজদারি কার্যবিধি)।
অতএব, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন হলো তত্ত্বগত আইন, কারণ এটি কোনো নির্দিষ্ট অধিকারকে সংজ্ঞায়িত করে এবং প্রতিকার দেয়।
উত্তর: ঘ) ৪২ ও ৮ ধারা অনুসারে।
প্রশ্নে বলা হয়েছে - ‘ক’ নির্দিষ্ট সম্পত্তির দখলে আছে, ‘খ’ প্রকৃত মালিক, এবং ‘খ’ দাবি করছে যে ‘ক’ উক্ত সম্পত্তি তার কাছে অর্পণ করুক। এখানে দুই ধরনের অধিকার জড়িত:
মালিকানা অধিকার (ownership right) — যেটা ঘোষণার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠা করতে হবে (ধারা ৪২ অনুসারে),
দখল পুনরুদ্ধার বা অর্পণ (possession or delivery of property) — যেটা দাবি করা হবে (ধারা ৮ অনুসারে)।
ধারা ৮-
সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির দখলের অধিকারী ব্যক্তি তার দখল পুনরুদ্ধারের জন্য মামলা করতে পারেন।
(এটি “specific movable property”–এর জন্য প্রযোজ্য হলেও, স্থাবর সম্পত্তিতেও প্রযোজ্য হয় যদি দখল পুনরুদ্ধার চাওয়া হয়।)
ধারা ৪২-
যে কেউ তার আইনি চরিত্র বা কোনো অধিকার অস্বীকার করা হয়েছে বা অস্বীকারের আশঙ্কা রয়েছে, সে ঘোষণামূলক ডিক্রি (declaratory decree) চেয়ে মামলা করতে পারেন।
এই ক্ষেত্রে প্রযোজ্য বিশ্লেষণঃ
‘খ’ তার মালিকানা ঘোষণা চাচ্ছে → ধারা ৪২ প্রযোজ্য
একই সঙ্গে সম্পত্তি হস্তান্তর বা দখল চাচ্ছে → ধারা ৮ প্রযোজ্য
অতএব, মামলাটি করতে হবে-
নির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ধারা ৪২ ও ৮ উভয়ের অধীনে।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ধারা ১২ থেকে ধারা ৩০ পর্যন্ত চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন (Specific Performance of Contract) সংক্রান্ত বিধানসমূহ বিস্তারিতভাবে বর্ণিত আছে।
→ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এ মোট ৮ ধরনের সুনির্দিষ্ট প্রতিকার নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
এই প্রতিকারগুলো হলো:
১. স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি দখল পুনরুদ্ধার (ধারা ৮-১১):
- এই ধারাগুলোতে স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের বিধান রয়েছে।
২. চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন (ধারা ১২-৩০):
- এই ধারাগুলোতে চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন (Specific Performance of Contracts) নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
৩. দলিল সংশোধন (ধারা ৩১-৩৪):
- এই ধারাগুলোতে দলিল সংশোধন (Rectification of Instruments) নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
৪. চুক্তি বাতিল (ধারা ৩৫-৩৮):
- এই ধারাগুলোতে চুক্তি বাতিল (Rescission of Contracts) নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
৫. দলিল বাতিল (ধারা ৩৯-৪১):
- এই ধারাগুলোতে দলিল বাতিল (Cancellation of Instruments) নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
৬. ঘোষণামূলক প্রতিকার (ধারা ৪২-৪৩):
- এই ধারাগুলোতে ঘোষণামূলক প্রতিকার (Declaratory Relief) নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
৭. রিসিভার নিয়োগ (ধারা ৪৪):
- এই ধারায় রিসিভার নিয়োগ (Appointment of Receiver) নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
৮. নিষেধাজ্ঞা/প্রতিরোধমূলক প্রতিকার (ধারা ৫২-৫৭):
- এই ধারাগুলোতে নিষেধাজ্ঞা বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার (Injunctions) নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা৫৩,অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা: অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা হইল এইরূপ নিষেধাজ্ঞা যাহা একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অথবা আদালতের পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত কার্যকর থাকে। মামলার যেকোনো সময় ইহা মঞ্জুর করা যাইবে, এবং দেওয়ানি কার্যবিধি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হইবে।
চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা - কেবল শুনানির পর এবং মামলার গুণাগুণের উপর ভিত্তি করিয়া প্রদত্ত ডিক্রি দ্বারা চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা যাইবে: ইহার মাধ্যমে বিবাদিকে চিরস্থায়ীভাবে এমন একটি অধিকার প্রয়োগ, অথবা এমন একটি কাজ করা হইতে বিরত থাকিবার নির্দেশ দেওয়া হয় যাহা বাদির অধিকারের বিপরীতে হইবে।
------------
The Specific Relief Act,1877, Temporary injunctions Perpetual injunctions: Temporary injunctions are such as are to continue until a specified time, or until the further order of the Court. They may be granted at any period of a suit, and are regulated by the Code of Civil Procedure.
A perpetual injunction can only be granted by the decree made at the hearing and upon the merits of the suit: the defendant is thereby perpetually enjoined from the assertion of a right, or from the commission of an act, which would be contrary to the rights of the plaintiff.
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের মূল উদ্দেশ্য হলো আর্থিক ক্ষতিপূরণ (Damages) এর পরিবর্তে সরাসরি ও সুনির্দিষ্টভাবে অধিকার বাস্তবায়ন করা। যেমন: চুক্তি ভঙ্গের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র টাকা ক্ষতিপূরণ না দিয়ে আদালত নির্দিষ্ট পারফরমেন্স (Specific Performance) এর আদেশ দিতে পারেন।
- সম্পত্তি অবৈধ দখল থেকে মুক্তির ক্ষেত্রে শুধুমাত্র ক্ষতিপূরণ না দিয়ে সম্পত্তি ফেরত আদেশ দেওয়া যায়।
অর্থাৎ, এই আইন আর্থিক ক্ষতিপূরণ-এর বিকল্প (বিপরীতে) বা প্রতিযোগী প্রতিকার হিসেবে কাজ করে, যেখানে মূল লক্ষ্য ব্যক্তির প্রকৃত অধিকার পুনরুদ্ধার করা।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন (Specific Relief Act) এমন একটি আইন যা মূলত দেওয়ানি মামলাগুলির ক্ষেত্রে বিশেষ প্রতিকার বা সাহায্য প্রদান করে। এর মাধ্যমে আদালত একটি নির্দিষ্ট শাস্তির পরিবর্তে, ব্যক্তির অধিকার বা দাবির সঠিক বাস্তবায়ন নিশ্চিত করার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে। "সুনির্দিষ্ট প্রতিকার" বলতে এমন প্রতিকার বোঝানো হয় যা শুধুমাত্র সঠিক এবং নির্দিষ্ট বিষয়াদি নিয়ে বিচার করা হয়, যেমন সম্পত্তি ফিরিয়ে দেওয়া, বিশেষ পারফরমেন্সের আদেশ, বা কোনও চুক্তির কার্যকরী বাস্তবায়ন।
- এটি মূলত আর্থিক ক্ষতিপূরণ নয়, বরং এমন প্রতিকার যা কিছু নির্দিষ্ট দাবি বা অধিকার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে তার সঠিক অবস্থানে ফিরিয়ে দেয়। এর মধ্যে থাকে:
→ নির্দিষ্ট পারফরমেন্স
→ চুক্তির বাস্তবায়ন
→ কোনো সম্পত্তি বা প্রপার্টি ফেরত নেওয়া
→ অবৈধ দখল থেকে অবমুক্তি ইত্যাদি
অর্থাৎ, এটি দেওয়ানি মামলার প্রতিকার, যা সাধারাণত একটি ন্যায্যতা বা সঠিক অবস্থানে ফিরিয়ে আনতে সহায়তা করে।
প্রস্তাবনা:
যেহেতু কিছু নির্দিষ্ট ধরনের দেওয়ানি মামলায় সুনির্দিষ্ট প্রতিকার সম্পর্কিত আইন নির্ধারণ এবং সংশোধন করা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়; তাই এটি নিম্নরূপ প্রবর্তিত হলো:-
--------
Preamble:
WHEREAS it is expedient to define and amend the law relating to certain kinds of specific relief obtainable in civil suits; It is hereby enacted as follows:
⇒ “Equity imputes an intention to fulfill an obligation” – এই ম্যাক্সিমটি Specific Relief Act 1877 এর ধারা ১২ এর সাথে সম্পর্কিত। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো: গ) ধারা ১২।
- “Equity imputes an intention to fulfill an obligation” ম্যাক্সিমটি ইক্যুইটি বা ন্যায়বিচারের একটি মূলনীতি, যা নির্দেশ করে যে আদালত ধরে নেয় যে একটি চুক্তির পক্ষগুলো তাদের বাধ্যবাধকতা পূরণ করার অভিপ্রায় রাখে। এই ম্যাক্সিমটি Specific Relief Act 1877-এর ধারা ১২ এর সাথে সরাসরি সম্পর্কিত, যেখানে চুক্তির নির্দিষ্ট পালন (Specific Performance of Contracts) নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
ধারা ১২ এর বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
- ধারা ১২ এর অধীনে বলা হয়েছে যে, যদি একটি চুক্তির একটি পক্ষ তার বাধ্যবাধকতা পূরণে ব্যর্থ হয়, তবে অন্য পক্ষ আদালতের মাধ্যমে সেই চুক্তির নির্দিষ্ট পালন দাবি করতে পারে। এই ধারাটি ন্যায়বিচারের নীতির উপর ভিত্তি করে কাজ করে, যেখানে আদালত ধরে নেয় যে চুক্তির পক্ষগুলো তাদের প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে ইচ্ছুক ছিল এবং এই অভিপ্রায়কে সমর্থন করার জন্য আদালত তাদের বাধ্য করতে পারে।
- এই ম্যাক্সিমটি বিশেষভাবে ধারা ১২ এর সাথে সম্পর্কিত কারণ এটি বলে যে আদালত চুক্তির পক্ষগুলোর অভিপ্রায়কে গুরুত্ব দেয় এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে চুক্তির পালন বাধ্যতামূলক করতে পারে। এটি ইক্যুইটির নীতি “equity sees that as done which ought to be done” এর সাথেও সামঞ্জস্যপূর্ণ, যা ধারা ১২ এর আলোচনায় উল্লেখিত।
- উদাহরণস্বরূপ, যদি কোনো ব্যক্তি একটি সম্পত্তি বিক্রির চুক্তি করে কিন্তু পরে তা পূরণ করতে অস্বীকার করে, তবে ক্রেতা ধারা ১২ এর অধীনে আদালতে নির্দিষ্ট পালনের জন্য মামলা করতে পারে। আদালত এখানে ধরে নেবে যে বিক্রেতার চুক্তি পূরণের অভিপ্রায় ছিল এবং ন্যায়বিচারের জন্য তাকে তা পূরণে বাধ্য করবে।
অন্যান্য অপশনের ব্যাখ্যা:
ধারা ৯: এই ধারাটি অচল সম্পত্তির দখল সম্পর্কিত এবং বলে যে মালিক সরকারের বিরুদ্ধে দখলের জন্য মামলা করতে পারে না। এটি ম্যাক্সিমের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।
ধারা ১১: এই ধারাটি চলমান সম্পত্তির দায়-দায়িত্ব নিয়ে আলোচনা করে, যেখানে দখলকারী ব্যক্তি মালিক নয়। এটি নির্দিষ্ট পালন বা ইক্যুইটির অভিপ্রায়ের সাথে সম্পর্কিত নয়।
ধারা ১৫: এই ধারাটি চুক্তির বড় অংশ অপূর্ণ থাকলে নির্দিষ্ট পালনের বিষয়ে আলোচনা করে। এটি ম্যাক্সিমের সাথে সরাসরি যুক্ত নয়, কারণ এটি প্রধানত অপূর্ণ অংশের পরিমাণ নিয়ে কাজ করে।
- “Equity imputes an intention to fulfill an obligation” ম্যাক্সিমটি ধারা ১২ এর সাথে সরাসরি সম্পর্কিত কারণ এটি চুক্তির নির্দিষ্ট পালনের ক্ষেত্রে আদালতের ন্যায়বিচারমূলক দৃষ্টিভঙ্গিকে প্রতিফলিত করে। এই ধারাটি নিশ্চিত করে যে চুক্তির পক্ষগুলো তাদের প্রতিশ্রুতি পূরণে বাধ্য থাকে এবং আদালত ন্যায়বিচারের মাধ্যমে এটি বাস্তবায়ন করে।
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর অনুচ্ছেদ ১১৩ অনুযায়ী: "চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণ (Specific Performance of Contract) সম্পর্কিত মামলা দায়ের করার তামাদি সময়সীমা ১ বছর, এবং এই সময়সীমা গণনা শুরু হবে যেদিন বাদীর সেই বলবৎকরণ চাওয়ার অধিকার উদ্ভব হয় সেই তারিখ থেকে।"
- তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১১৩ অনুসারে, চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণের (Specific Performance) মামলার তামাদি মেয়াদ ১ বছর।
- এই মেয়াদ গণনা শুরু হয় চুক্তিভঙ্গের তারিখ থেকে।
- অর্থাৎ লিমিটেশন অ্যাক্ট, ১৯০৮-এর আর্টিকেল ১১৩ অনুসারে, চুক্তি বাস্তবায়নের (Specific Performance) মামলার জন্য লিমিটেশন পিরিয়ড হলো ১ বছর।
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ২২: সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের ডিক্রি প্রদানের ক্ষেত্রে ইচ্ছাধীন ক্ষমতা- সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের ক্ষেত্রে ডিক্রি প্রদানের এখতিয়ার আদালতের ইচ্ছাধীন, এবং আদালত এইরূপ প্রতিকার মঞ্জুর করিতে বাধ্য নহে শুধু এই কারণে যে, ইহা করা আইনসঙ্গত; কিন্তু আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতা স্বেচ্ছাচারিতা নহে বরং বিচক্ষণ, যুক্তিসঙ্গত হইবে, এবং বিচারকার্যাবলির মূলনীতি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হইবে এবং আপিল আদালতের মাধ্যমে সংশোধনযোগ্য হইবে।
নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রসমূহে আদালত সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের ডিক্রি প্রদান না করিবার বিষয়ে ইচ্ছাধীন ক্ষমতা
যথাযথভাবে প্রয়োগ করিতে পারিবে:
১। যেক্ষেত্রে এইরূপ পরিস্থিতিতে চুক্তি সম্পন্ন করা হয় যে, উহা বাদিকে বিবাদির উপর একটি অন্যায় সুবিধা প্রদান করিয়াছে, যদিও সেইখানে বাদিপক্ষ হইতে কোনো প্রতারণা বা মিথ্যা বর্ণনা নাই।
২। যেক্ষেত্রে চুক্তির কার্য সম্পাদন বিবাদিকে কিছু কষ্টের মধ্যে ফেলিবে, যাহা তিনি পূর্বে বুঝিতে পারেন নাই, অপরদিকে ইহার কার্য সম্পাদন না করিলে বাদিকে উহা তেমন কোনো কষ্টের মধ্যে ফেলিবে না।
--------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877-Section-22: Discretion as to decreeing specific performance: The jurisdiction to decree specific performance is discretionary, and the Court is not bound to grant such relief merely because it is lawful to do so; but the discretion of the Court is not arbitrary but sound and reasonable, guided by judicial principles and capable of correction by a Court of appeal.
The following are cases in which the Court may properly exercise a discretion not to decree specific performance:-
I. Where the circumstances under which the contract is made are such as to give the plaintiff an unfair advantage over the defendant, though there may be no fraud or misrepresentation on the plaintiff's part.
II. Where the performance of the contract would involve some hardship on the defendant which he did not foresee, whereas its non-performance would involve no such hardship on the plaintiff.
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৪ ধারার বিধান কোন চুক্তির যদি দুটো অংশ থাকে, যার মধ্যে একটা বৃহত্তর, অন্যটা ক্ষুদ্রতর এবং চুক্তিভুক্ত এক পক্ষ যদি বৃহত্তর অংশটুকু পালন করতে সমর্থ হয় এবং ক্ষুদ্রতর অংশটি অর্থের দ্বারা ক্ষতিপূরণযোগ্য হয়; তাহলে আদালত চুক্তিভুক্ত যে কোন এক পক্ষের মামলা দায়েরক্রমে বৃহত্তর অংশটি সুনির্দিষ্টিভাবে সম্পাদনের, এবং ক্ষুদ্রতর অংশটির জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারবেন।
→সুতরাং সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৪ ধারামতে কোন চুক্তির অসম্পাদিত অংশ ছোট হলে, আদালত ঐ চুক্তির সম্পাদনযোগ্য বৃহত্তর অংশের জন্য সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের আদেশ এবং বাকী অংশের জন্য ক্ষতিপূরণের আদেশ দিবে।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৫ ধারার বিধান কোন চুক্তির যদি দুটো অংশ থাকে, যার মধ্যে একটা বৃহত্তর, অন্যটা ক্ষুদ্রতর অংশ এবং চুক্তিভুক্ত এক পক্ষ যদি বৃহত্তর অংশটি পালন করতে সমর্থ না হয় কিংবা ঐ অংশটি অর্থের দ্বারা ক্ষতিপূরণযোগ্য না হয়, তাহলে ঐ পক্ষ চুক্তিটির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের ডিক্রি লাভের অধিকারী হবে না। তবে চুক্তির বৃহত্তর অংশ সম্পাদনের এবং ক্ষতিপূরণ লাভের সমস্ত অধিকার ত্যাগ করলে আদালত বিবাদীকে ক্ষুদ্রতর অংশটি সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদনের নির্দেশ দিতে পারবে।
→ সুতরাং সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৫ ধারামতে কোন চুক্তির অসম্পাদিত অংশ বড় হলে, সাধারণত ঐ চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের আদেশ দেয়া যায় না, তবে বাদী ক্ষতিপূরণের দাবি পরিত্যাগ করলে যতটুকু অংশ সম্পাদনযোগ্য তা সুনির্দিষ্ট সম্পাদনের আদেশ দিতে পারেন।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৬ ধারার বিধান কোন চুক্তির স্বাতন্ত্র্য অংশের সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনঃ যখন চুক্তির একটি অংশের স্বাতন্ত্র্যভাবে সুনির্দিষ্টভাবে কাজ সম্পাদন করা যায় বা করা আবশ্যক হয় এবং তা একই চুক্তির এমন অন্য অংশ হতে স্বাতন্ত্র্য এবং স্বাধীনভাবে অবস্থান করে যা সুনির্দিষ্টভাবে অবস্থান করে যা সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদন করা যাবে না বা করা আবশ্যক নহে, তাহলে আদালত পূর্ববর্তী অংশের সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের নির্দেশ প্রদান করতে পারেন।
→ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৬ ধারামতে কোন চুক্তির যদি দুটো অংশ থাকে, একটি অংশ আপনা-আপনি সুনির্দিষ্টিভাবে সম্পাদনযোগ্য এবং অপর অংশটি সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদনযোগ্য নয় এবং প্রথম অংশটি দ্বিতীয় অংশ থেকে ভিন্ন ও স্বাধীন (Separate and independent) হয়, তাহলে আদালত ঐ চুক্তির প্রথম অংশটি সুনির্দিষ্টিভাবে পালনের নির্দেশ দিতে পারবে।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ২১ক সরাসরি স্থাবর সম্পত্তির বিক্রয় চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যকারিতা-এর সাথে সম্পর্কিত। এই ধারা অনুসারে, কোন স্থাবর সম্পত্তির বিক্রয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করার জন্য দুটি শর্ত পূরণ করতে হবে:
১. চুক্তিটি লিখিত এবং রেজিস্ট্রিকৃত হতে হবে।
২. চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য মামলা দায়েরের সময় আদালতে জমা দিতে হবে।
- এই ধারার শিরোনামই হলো "অরেজিস্ট্রিকৃত বিক্রয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে অকার্যকরযোগ্য"।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ক ধারার বিধান অরেজিস্ট্রিকৃত বিক্রয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে অকার্যকরযোগ্য: এই আইন কিংবা বিদ্যমান অন্য কোন আইন বিপরীত কোন বিধান থাকলেও কোন স্থাবর সম্পত্তি বিক্রিয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরযোগ্য হবে না, যদি না-
(ক) চুক্তিটি লিখিত এবং ১৯০৮ সালের চুক্তি আইনের অধীন রেজিস্ট্রেশন হয়, হস্তান্তর গ্রহীতা ঐ সম্পত্তির কিংবা তার কোন অংশ দখল গ্রহণ করুক বা না করুক; এবং
(খ) চুক্তিটি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করার নিমিত্ত চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য মোকদ্দমাটি রুজুর কালে আদালতে জমা দেয়া হয়।
--------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877 - Section 21A Unregistered contract for sale not specifically enforceable: Notwithstanding anything to the contrary contained in this Act or any other law for the time being in force, no contract for sale of any immovable property can be specifically enforced unless–
(a) the contract is in writing and registered under the Registration Act, 1908, whether or not the transferee has taken possession of the property or any part thereof; and
(b) the balance amount of consideration of the contract is deposited in the court at the time of filing the suit for specific performance of the contract.
⇒ The Specific Relief Act, 1877 প্রাথমিকভাবে ইকুইটি আইন (Equity Law) এর ভিত্তি থেকে উদ্ভূত। এই আইনটি ন্যায়বিচারের নীতির উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে, যা ল্যাটিন শব্দ “aequitas” (অর্থাৎ ন্যায়পরায়ণতা ও সুবিচার) থেকে এসেছে। ইকুইটি আইন সাধারণ আইনের (Common Law) পরিপূরক হিসেবে কাজ করে, যেখানে কেবলমাত্র আর্থিক ক্ষতিপূরণ পর্যাপ্ত নয় এমন ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার (specific relief) প্রদান করে, যেমন চুক্তির সুনির্দিষ্ট পালন (specific performance) বা ইনজাংশন (injunction)।
⇒ The Specific Relief Act, 1877 এর মূল উদ্দেশ্য হলো চুক্তি পালন নিশ্চিত করা এবং সম্পত্তির অধিকার রক্ষা করা, যেখানে ন্যায়বিচারের নীতি প্রয়োগ করে পক্ষগুলোর মধ্যে ন্যায্যতা বজায় রাখা হয়। এটি ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক আমলে প্রণীত হয়েছিল এবং বাংলাদেশে এখনও একটি গুরুত্বপূর্ণ আইনি কাঠামো হিসেবে কাজ করে।
⇒ প্রয়োগের প্রেক্ষাপট (বাংলাদেশে):
বাংলাদেশে, Specific Relief Act, 1877 ইকুইটি আইনের নীতির উপর ভিত্তি করে চুক্তি ভঙ্গ, সম্পত্তি বিরোধ, এবং ইনজাংশনের ক্ষেত্রে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
অন্যান্য অপশনের বিশ্লেষণ:
খ) দেওয়ানি কার্যবিধি: দেওয়ানি কার্যবিধি (Civil Procedure Code, 1908) এই আইনের প্রয়োগের জন্য একটি পদ্ধতিগত কাঠামো প্রদান করে, তবে Specific Relief Act এর উৎস বা ভিত্তি নয়। এটি কেবল মামলা পরিচালনার প্রক্রিয়া নির্ধারণ করে।
গ) সম্পত্তি হস্তান্তর আইন: সম্পত্তি হস্তান্তর আইন (Transfer of Property Act, 1882) সম্পত্তি হস্তান্তরের নিয়ম-কানুন নিয়ে কাজ করে। যদিও এটি Specific Relief Act এর কিছু বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত (যেমন, সম্পত্তির দখল বা মালিকানা), তবে এটি Specific Relief Act এর ভিত্তি নয়।
ঘ) উল্লিখিত সবগুলো: Specific Relief Act শুধুমাত্র ইকুইটি আইনের উপর ভিত্তি করে তৈরি। দেওয়ানি কার্যবিধি এবং সম্পত্তি হস্তান্তর আইন এর প্রয়োগ বা সম্পর্কিত ক্ষেত্রে সহায়ক হলেও এর উৎস নয়। তাই এই অপশনটি সঠিক নয়।
অর্থাৎ The Specific Relief Act, 1877 ইকুইটি আইন থেকে উদ্ভূত, যা ন্যায়বিচারের নীতির উপর ভিত্তি করে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করে। এটি বাংলাদেশের আইনি ব্যবস্থায় চুক্তি এবং সম্পত্তি সংক্রান্ত বিরোধ নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
→ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৩ ধারার বিধান- যে চুক্তির বিষয়বস্তু আংশিকভাবে বিলুপ্ত হয়েছে:
চুক্তি আইনের ৫৬ ধারার কোন বিধান সত্ত্বেও চুক্তি সম্পাদনের সময় অস্তিত্ব ছিল, কিন্তু চুক্তি অনুযায়ী কার্যসম্পাদনের সময় আংশিকভাবে বিলুপ্ত হবার কারণে চুক্তি অনুযায়ী কার্যসম্পাদন পুরোপুরি অসম্ভব নয়।
উদাহরণ:
(ক) ক, খ-এর নিকট একটি বাড়ি এক লক্ষ টাকায় বিক্রয় করতে চুক্তিবদ্ধ হল। চুক্তি সম্পন্ন করার পরদিন ঘুর্ণিঝড়ে বাড়িটি বিধ্বস্ত হয়ে গেল। এখন ক্রয়মূল্য প্রদানের মাধ্যমে খ-কে চুক্তিতে তার অংশের কার্যসম্পদনে বাধ্য করা যেতে পারে।
(খ) খ কর্তৃক প্রদেয় নির্দিষ্ট অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে ক, খ- কে সারা জীবনের জন্য বার্ষিক বৃত্তি প্রদানের চুক্তিবদ্ধ হল। চুক্তি সম্পন্ন করার পরদিন খ ঘোড়ার পিঠ হতে পড়ে মারা গেল। এখন খ-এর প্রতিনিধিকে উক্ত অর্থ পরিশোধে বাধ্য করা যেতে পারে।
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা,৪১, যে পক্ষের জন্য দলিল বাতিল করা হইয়াছে সেই পক্ষকে ক্ষতিপূরণ প্রদানের আদেশদানের ক্ষমতা: দলিল বাতিলের রায় প্রদানের সময় আদালত যে পক্ষকে এইরূপ প্রতিকার প্রদান করিয়াছে, সেই পক্ষকে ন্যায়বিচারের স্বার্থে অপরপক্ষকে ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ প্রদান করিতে পারবে।
---------------------
The Specific Relief Act,1877, Section 41, Power to require party for whom instrument is cancelled to make compensation: On adjudging the cancellation of an instrument, the Court may require the party to whom such relief is granted to make any compensation to the other which justice may require.
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন (Specific Relief Act) এর প্রস্তাবনায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, এটি "নির্দিষ্ট ধরনের দেওয়ানি মামলায় প্রাপ্তিযোগ্য সুনির্দিষ্ট প্রতিকার সম্পর্কিত আইনকে সংজ্ঞায়িত ও সংশোধন করার" জন্য প্রণীত হয়েছে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো দেওয়ানি মামলাগুলিতে এমন প্রতিকার প্রদান করা যা আর্থিক ক্ষতিপূরণের পরিবর্তে নির্দিষ্ট অধিকার বা সম্পত্তির পুনরুদ্ধার, চুক্তির বাস্তবায়ন, অথবা অবৈধ দখল থেকে মুক্তি নিশ্চিত করে।
- সুতরাং সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন (Specific Relief Act) মূলত দেওয়ানি মামলার জন্য প্রযোজ্য।
- অর্থাৎ, এটি এমন মামলায় ব্যবহৃত হয় যেখানে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে তার নির্দিষ্ট অধিকার বা দাবি বাস্তবায়ন করতে হবে।
প্রস্তাবনা: যেহেতু কিছু নির্দিষ্ট ধরনের দেওয়ানি মামলায় সুনির্দিষ্ট প্রতিকার সম্পর্কিত আইন নির্ধারণ এবং সংশোধন করা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়; তাই এটি নিম্নরূপ প্রবর্তিত হলো:-
--------
Preamble: WHEREAS it is expedient to define and amend the law relating to certain kinds of specific relief obtainable in civil suits; It is hereby enacted as follows:
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৫৩ ধারার মতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা:-অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা হচ্ছে তেমন নিরোধ যা একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অথবা আদালতের পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত কার্যকর থাকে। মামলার যেকোন পর্যায়েই তা মঞ্জুর করা যায় এবং তা দেওয়ানি কার্যবিধি কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হয়।
চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা: চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা কেবলমাত্র শুনানির পর মামলার গুণাগুণের ভিত্তিতে প্রদত্ত ডিক্রি দ্বারাই মঞ্জুর করা যায়। এর মাধ্যমে প্রতিবাদীকে চিরস্থায়ীভাবে এমন একটি অধিকার প্রয়োগ হতে বা এমন একটি কাজ করা হতে বিরত থাকার নির্দেশ প্রদান করা হয়। যা বাদীর অধিকারের বিপরীত হতে পারে।
-----------------------
⇒ Section 53 Temporary injunctions: Temporary injunctions are such as are to continue until a specified time, or until the further order of the Court. They may be granted at any period of a suit, and are regulated by the Code of Civil Procedure.
Perpetual injunctions: A perpetual injunction can only be granted by the decree made at the hearing and upon the merits of the suit, the defendant is thereby perpetually enjoined from the assertion of a right, or from the commission of an act, which would be contrary to the rights of the plaintiff.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৬ ধারা,ভুলের জন্য রদ:
কেবল সাধারণ ভুলের জন্য লিখিত কোনো চুক্তি বাতিল করা যাবে না, যতক্ষণ না পর্যন্ত যার বিরুদ্ধে চুক্তি বাতিল করা হবে তাকে অনুরূপ অবস্থায় ফিরিয়ে আনা যায় যেন চুক্তি করা হয়নি।
--------------
Section 36: Rescission for mistake
Rescission of a contract in writing cannot be adjudged for mere mistake, unless the party against whom it is adjudged can be restored to substantially the same position as if the contract had not been made.
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ২৭-এর শিরোনামই হলো "Relief against parties and persons claiming under them by subsequent title" অর্থাৎ "পক্ষ ও তাদের অধিকারী ব্যক্তি যাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন করা যেতে পারে"।
- এই ধারা স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করে দেয় যে চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন নিম্নলিখিত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে করা যেতে পারে:
- চুক্তির যেকোনো পক্ষ
- চুক্তির পরবর্তী সময়ে অধিকারী দাবিদার
- নির্দিষ্ট শর্তসাপেক্ষে কোম্পানি ইত্যাদি।
অতএব, সঠিক উত্তর ঘ) ধারা ২৭।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭- ধারা ২৭: পক্ষ ও তাদের অধিকারী ব্যক্তি যাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন করা যেতে পারে:
এই অধ্যায়ে অন্যথায় নির্ধারিত না থাকলে, চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন নিম্নলিখিত ব্যক্তির বিরুদ্ধে করা যেতে পারে:
(ক) চুক্তির যেকোনো পক্ষ;
(খ) যে কোনো ব্যক্তি যে পক্ষের অধিকারী হয়ে, চুক্তির পরবর্তী সময়ে যে অধিকার দাবি করে, তবে এমন একজন ট্রান্সফারি যিনি সদ্ভাবে এবং মূল চুক্তি সম্পর্কে অবগত না হয়ে মূল্য পরিশোধ করেছেন, তার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন করা যাবে না;
(গ) যে কোনো ব্যক্তি যে চুক্তির আগে কোনো অধিকার দাবি করে, যা বাদী জানতেন এবং যার বিরুদ্ধে বিবাদী সেটি বাতিল করতে সক্ষম ছিল;
(ঘ) যখন একটি পাবলিক কোম্পানি একটি চুক্তি সম্পাদন করে এবং পরে অন্য একটি পাবলিক কোম্পানির সাথে একত্রীভূত হয়ে নতুন কোম্পানি গঠন হয়, তখন সেই নতুন কোম্পানির বিরুদ্ধে প্রথম চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন করা যেতে পারে;
(ঙ) যখন পাবলিক কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতারা কোম্পানি প্রতিষ্ঠার আগেই একটি চুক্তি সম্পাদন করেন, তখন সেই কোম্পানির বিরুদ্ধে সেই চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন করা যেতে পারে, তবে শর্ত হলো কোম্পানি চুক্তিটি অনুমোদন ও গৃহীত করেছে এবং প্রতিষ্ঠার শর্তাবলীর সাথে তা সামঞ্জস্যপূর্ণ।
-------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877- Section- 27.Relief against parties and persons claiming under them by subsequent title
Except as otherwise provided by this Chapter, specific performance of a contract may be enforced against-
(a) either party thereto;
(b) any other person claiming under him by a title arising subsequently to the contract, except a transferee for value who has paid his money in good faith and without notice of the original contract;
(c) any person claiming under a title which, though prior to the contract and known to the plaintiff, might have been displaced by the defendant;
(d) when a public company has entered into a contract and subsequently becomes amalgamated with another public company, the new company which arises out of the amalgamation;
(e) when the promoters of a public company have, before its incorporation, entered into a contract, the company: provided that the company has ratified and adopted the contract and the contract is warranted by the terms of the incorporation.
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৫ অনুসারে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার নিম্নলিখিত ৫টি উপায়ে প্রদান করা যায়:
১. ধারা ৫(ক): নির্দিষ্ট সম্পত্তির দখল গ্রহণ করে দাবিদারকে হস্তান্তরের মাধ্যমে।
২. ধারা ৫(খ): কোন পক্ষকে তার বাধ্যতামূলক কাজ সম্পাদনের আদেশ দেওয়ার মাধ্যমে।
৩. ধারা ৫(গ): কোন পক্ষকে তার নিষিদ্ধ কাজ করা থেকে বিরত রাখার মাধ্যমে।
৪. ধারা ৫(ঘ): ক্ষতিপূরণের ডিক্রি ছাড়াই পক্ষগুলোর অধিকার নির্ধারণ ও ঘোষণার মাধ্যমে।
৫. ধারা ৫(ঙ): একজন রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে।
এই ৫টি উপায়ই সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের মূল ভিত্তি গঠন করে এবং দেওয়ানি মামলায় বিশেষ প্রতিকার প্রদানের ক্ষেত্রে আদালত এই পদ্ধতিগুলো প্রয়োগ করেন।
→ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ অনুসারে, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার (Specific Relief) প্রদানের উদ্দেশ্য হলো প্রকৃত অধিকার রক্ষা করা এবং ক্ষতিপূরণের পরিবর্তে নির্দিষ্ট প্রতিকার নিশ্চিত করা। এটি নিম্নলিখিত উপায়ে প্রদান করা হতে পারে—
১) সম্পত্তির দখল গ্রহণ ও দাবিদারের কাছে হস্তান্তর করা
২) বাধ্যতামূলক নির্দেশের মাধ্যমে কোনো পক্ষকে নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন করতে বাধ্য করা
৩) কাউকে নির্দিষ্ট কাজ করা থেকে বিরত রাখা (Preventive Relief)
৪) পক্ষগুলোর অধিকার নির্ধারণ করা (Declaration of Rights)
৫) আদালতের মাধ্যমে রিসিভার (Receiver) নিয়োগ করা
- এটি শাস্তি প্রদান বা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা হয় না বরং প্রতিকারপ্রাপ্ত ব্যক্তি তার প্রকৃত অধিকার ফিরে পান বা নিশ্চিত করেন।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ৫ ধারা মতে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা হয় ৫ ভাবে যথা-
(ক) সুনির্দিষ্ট সম্পত্তির দখল গ্রহণ এবং তা দাবিদারকে প্রদানের মাধ্যমে;
(খ) কোন কাজ করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে ঐ কাজ করার আদেশ প্রদানের মাধ্যমে;
(গ) কোন কাজ না করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে তা করা হতে বিরত রাখার মাধ্যমে;
(ঘ) ক্ষতিপূরণের রোয়েদাদ ব্যতীত পক্ষসমূহের অধিকার নির্ণয় এবং ঘোষণার মাধ্যমে; অথবা
(ঙ) রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে।
----------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877-Section: 5. Specific relief how given:
Specific relief is given-
(a) by taking possession of certain property and delivering it to a claimant;
(b) by ordering a party to do the very act which he is under an obligation to do;
(c) by preventing a party from doing that which he is under an obligation not to do;
(d) by determining and declaring the rights of parties otherwise than by an award of compensation; or
(e) by appointing a receiver.
ধারা ৮, সুনির্দিষ্ট স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধার: সুনির্দিষ্ট স্থাবর সম্পত্তি দখলের অধিকারী ব্যক্তি উহা দেওয়ানি কার্যবিধি অনুসারে নির্ধারিত পদ্ধতিতে পুনরুদ্ধার করিতে পারিবেন।
---------------
Section 8, Recovery of specific immovable property: A person entitled to the possession of specific immovable property may recover it in the manner prescribed by the Code of Civil Procedure.
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ২১ক অনুযায়ী, স্থাবর সম্পত্তির বিক্রয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করার জন্য দুটি প্রধান শর্ত পূরণ করতে হয়:
১. চুক্তিটি লিখিত এবং রেজিস্ট্রেশন আইন, ১৯০৮ এর অধীনে নিবন্ধিত (রেজিস্ট্রিকৃত) হতে হবে।
২. চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য মামলা দায়েরের সময় আদালতে জমা দিতে হবে।
এই ধারা অনুযায়ী, বিক্রয় চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য মামলা দায়েরের সময় আদালতে জমা দিতে হয়।
অর্থাৎ, যখন বিক্রয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করার জন্য মামলা দায়ের করা হয়, তখনই অবশিষ্ট মূল্য আদালতে জমা দিতে হবে। এটি চুক্তি সম্পাদনের সময়, রায় ঘোষণার সময় বা বিচার্য বিষয় গঠনের সময় জমা দেওয়ার প্রয়োজন নেই।
সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো: খ) মামলা দায়েরের সময়।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ক ধারার বিধান অরেজিস্ট্রিকৃত বিক্রয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে অকার্যকরযোগ্য: এই আইন কিংবা বিদ্যমান অন্য কোন আইন বিপরীত কোন বিধান থাকলেও কোন স্থাবর সম্পত্তি বিক্রিয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরযোগ্য হবে না, যদি না-
(ক) চুক্তিটি লিখিত এবং ১৯০৮ সালের চুক্তি আইনের অধীন রেজিস্ট্রেশন হয়, হস্তান্তর গ্রহীতা ঐ সম্পত্তির কিংবা তার কোন অংশ দখল গ্রহণ করুক বা না করুক; এবং
(খ) চুক্তিটি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করার নিমিত্ত চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য মোকদ্দমাটি রুজুর কালে আদালতে জমা দেয়া হয়।
--------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877 - Section 21A Unregistered contract for sale not specifically enforceable: Notwithstanding anything to the contrary contained in this Act or any other law for the time being in force, no contract for sale of any immovable property can be specifically enforced unless–
(a) the contract is in writing and registered under the Registration Act, 1908, whether or not the transferee has taken possession of the property or any part thereof; and
(b) the balance amount of consideration of the contract is deposited in the court at the time of filing the suit for specific performance of the contract.