বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

প্রণালী, সীমারেখা ও অন্যান্য ভৌগোলিক বিষয় সম্পর্কিত

মোট প্রশ্ন৩৭৯এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

প্রণালী, সীমারেখা ও অন্যান্য ভৌগোলিক বিষয় সম্পর্কিত

PrepBank · পাতা / · ১০১২০০ / ৩৭৯

১০১.
লোহিত সাগর কোন দুইটি দেশকে পৃথক করেছে?
  1. জার্মানি এবং পোল্যান্ড
  2. ফ্রান্স এবং বেলজিয়াম
  3. কানাডা এবং ফ্রান্স
  4. সৌদি আরব এবং মিশর
ব্যাখ্যা
লোহিত সাগর:
- লোহিত সাগর (Red sea) ভারত মহাসাগরের একটি বিশেষ অংশ।
- এশিয়া মহাদেশকে আফ্রিকা মহাদেশ থেকে পৃথক করেছে লোহিত সাগর।
- লোহিত সাগর সৌদি আরব (এশিয়া) এবং মিশর (আফ্রিকা) কে পৃথক করেছে।
- এর দক্ষিণে বাব এল মান্দের প্রণালী।
- লোহিত সাগরে জলে এক ধরনের ব্যাকটেরিয়া আছে, যা বাতাস থেকে নাইট্রোজেন গ্রহণ করে ট্রিকোডেসামিয়াম রিথ্রিয়াম নামে এক ধরনের অজৈব যৌগ গঠন করে।
- এর রং লাল হওয়ায় এই সাগরের জল লাল দেখায়।

উৎস: World Atlas.
১০২.
কোন ধরনের ভূমিরূপের সাথে 'কাদা আগ্নেয়গিরি' যুক্ত?
  1. কার্স্ট ল্যান্ডফর্ম
  2. হিমবাহী ল্যান্ডফর্ম
  3. টেকটোনিক ল্যান্ডফর্ম
  4. স্ট্র্যাটোভোলকানো ল্যান্ডফর্ম
ব্যাখ্যা
কাদা আগ্নেয়গিরি:
- কাদা আগ্নেয়গিরি সাধারণত টেকটোনিক ল্যান্ডফর্ম বা পেট্রোলিয়াম সংগ্রহের জায়গাগুলির চারপাশে পাওয়া যায়।
- গর্তগুলি সাধারণত অগভীর হয় এবং মাঝে মাঝে কাদা ফুটতে থাকে।
-  এটিতে হাইড্রোকার্বন গ্যাসগুলি বিস্ফোরিত হয়।
-  সুপ্ত দাশগিল মাটির আগ্নেয়গিরি কাস্পিয়ান সাগরের পশ্চিম উপকূলের কাছে আজারবাইজানে অবস্থিত।

উৎস: ব্রিটানিকা ও Sciencedirect.com
১০৩.
বিশ্বের বৃহত্তম গ্রীষ্মমন্ডলীয় রেইনফরেস্ট কোনটি?
  1. সুন্দরবন
  2. কঙ্গো রেইন ফরেস্ট
  3. আমাজান বন
  4. জার্মানির ব্ল্যাক ফরেস্ট
ব্যাখ্যা

আমাজান বন:
- পৃথিবীর সবচেয়ে বড় গ্রীষ্মমণ্ডলীয় রেইনফরেস্ট, যা প্রায় ৫.৫ মিলিয়ন বর্গকিমি জুড়ে বিস্তৃত।
-  এটি দক্ষিণ আমেরিকার ৯টি দেশ জুড়ে বিস্তৃত, যার মধ্যে ব্রাজিলে প্রায় ৬০% অংশ রয়েছে।
-  এখানে ৪০,০০০+ উদ্ভিদ, ১,৩০০+ পাখি, ৪০০+ স্তন্যপায়ী, এবং ৩৭৮ প্রজাতির উভচর প্রাণীর আবাস।
-  এটিকে "পৃথিবীর ফুসফুস" বলা হয়, কারণ এটি বিশাল পরিমাণে অক্সিজেন উৎপন্ন করে এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণ করে।
-  বন উজাড়, কৃষিকাজ, খনি ও অবৈধ লোগিংয়ের কারণে আমাজান বন গুরুতর হুমকির মুখে রয়েছে।
- আমাজান বন বিশ্বের জলবায়ু ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে, বিশেষ করে বৃষ্টিপাত নিয়ন্ত্রণে।

উৎস: worldrainforests.com

১০৪.
মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্রকে বিভক্তকারী সীমারেখা কোনটি?
  1. ম্যাকমোহন লাইন
  2. ডুরান্ড লাইন
  3. সনোরা লাইন
  4. আলপাইন লাইন
ব্যাখ্যা
সনোরা লাইন:
- যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকোকে পৃথককারী সীমান্তরেখা সনোরা লাইন।
- এটি মেক্সিকোর সনোরা রাজ্য এবং যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনা রাজ্যকে আলাদা করে।
- ১৮৫৩ সালে এই সীমান্ত রেখা ভাগ করা হয়।
- সনোরা লাইন যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো বাণিজ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র।

• গুরত্বপূর্ণ কিছু সীমারেখা:
- আলপাইন লাইন: ইতালি - ফ্রান্স।
- লাইন অব কন্ট্রোল: ভারত-পাকিস্তান।
- ম্যাকমোহন লাইন: ভারত ও চীন।
- কার্জন লাইন: পোল্যান্ড-রাশিয়া।
- ওডারনিস লাইন: জার্মানি ও পোল্যান্ড।
- ম্যাজিনো লাইন: জার্মানি ও ফ্রান্স।

উৎস: Britannica.
১০৫.
আমেরিকা ও এশিয়াকে আলাদা করা প্রণালীর নাম কী?
  1. বেরিং প্রণালি
  2. মালাক্কা প্রণালি
  3. হরমুজ প্রণালি
  4. জিব্রাল্টার প্রণালি
ব্যাখ্যা

• পৃথককারী প্রণালি:
- বেরিং প্রণালি পৃথক করেছে আমেরিকাকে-এশিয়া থেকে।
- হরমুজ প্রণালি পৃথক করেছে- সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইরানকে।
- মালাক্কা প্রণালি পৃথক করেছে- সুমাত্র- মালয়েশিয়াকে।
- বসফরাস প্রণালি পৃথক করেছে- এশিয়া থেকে ইউরোপকে।
- জিব্রাল্টার প্রণালি ইউরোপ থেকে আফ্রিকাকে পৃথক করেছে।
- পক প্রণালি ভারতীয় রাজ্য তামিলনাড়ু ও শ্রীলঙ্কার মধ্যবর্তী একটি সামুদ্রিক প্রণালি।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা.

১০৬.
হরমুজ প্রণালী কোন দেশকে আরব উপদ্বীপ থেকে পৃথক করেছে?
  1. ইরান
  2. ওমান
  3. জর্ডান
  4. সিরিয়া
ব্যাখ্যা

হরমুজ প্রণালী:
- পারস্য উপসাগর ও ওমান উপসাগরকে সংযুক্ত করেছে হরমুজ প্রণালী।
- হরমুজ প্রণালী আরব উপদ্বীপ থেকে ইরানকে পৃথক করেছে।
- এই প্রণালীর ৩৪ কিলোমিটার দীর্ঘ।
- এই প্রণালীতে জাহাজ চলাচলের জন্য দুটো লেন রয়েছে এবং প্রতিটি লেন দুই মাইল প্রশস্ত।
- হরমুজ প্রণালী সংকীর্ণ হতে পারে।
- কিন্তু জ্বালানী তেল বহনের জন্য পৃথিবীর সবচেয়ে বড় জাহাজ চলাচল করার জন্য বিখ্যাত হরমুজ প্রণালী।
- পৃথিবীতে যে পরিমাণ জ্বালানী তেল রপ্তানি হয়, তার পাঁচ ভাগের এক ভাগ হরমুজ প্রণালী দিয়ে যায়।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

১০৭.
ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার সীমারেখা কোনটি?
  1. সিগফ্রিড লাইন
  2. লাইন অফ কন্ট্রোল
  3. হিন্ডারবার্গ লাইন
  4. সনোরা লাইন
ব্যাখ্যা

• লাইন অফ কন্ট্রোল:
- লাইন অফ কন্ট্রোল (Line of Control বা LoC) হলো ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার একটি সামরিক নিয়ন্ত্রণ রেখা।
- লাইনটি ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের পর গঠিত হয়।
- এবং ১৯৭২ সালে স্বাক্ষরিত সিমলা চুক্তি অনুযায়ী ‘নিয়ন্ত্রণ রেখা’ নামে পরিচিতি পায়।
- LoC প্রায় ৭৪০ কিলোমিটার দীর্ঘ।
- এই লাইন ভারত ও পাকিস্তানের নিয়ন্ত্রণাধীন জম্মু ও কাশ্মীরের অংশকে বিভক্ত করে।
- রেখাটি মূলত সামরিক কমান্ড লাইন হিসেবে কাজ করে।
- ভারতীয় পাশে ভারতীয় সেনাবাহিনী এবং পাকিস্তানি পাশে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী নিয়ন্ত্রণ ও সুরক্ষা নিশ্চিত করে।
- অনেক অংশে এটি শক্তভাবে নির্দেশিত তারের বেড়া দ্বারা সুরক্ষিত থাকে। 
- এটি একটি কার্যকরী সীমান্ত হলেও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত নয়। 
- LoC মূলত যুদ্ধবিরতি লাইন হিসেবে গঠিত হলেও পরবর্তীতে নিয়ন্ত্রণ রেখা হিসেবে পুনঃনির্ধারিত হয়েছে।

অন্যদিকে,
- জার্মানি ও ফ্রান্সকে বিভক্তকারী সীমারেখা- সিগফ্রিড লাইন।
- আর জার্মানি ও পোল্যান্ডকে বিভক্তকারী লাইন হচ্ছে- হিন্ডারবার্গ লাইন।
- মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্রকে বিভক্তকারী রেখা হচ্ছে- সনোরা লাইন।

উৎস: Britannica. 

১০৮.
কোন প্রণালী দ্বারা ইস্তানবুল শহর ইউরোপ ও এশিয়ায় বিভক্ত হয়েছে?
  1. বেরিং প্রণালী
  2. জিব্রাল্টার প্রণালী
  3. বসফরাস প্রণালী
  4. বাবেল মান্দেব প্রণালী
ব্যাখ্যা
তুরস্ক:
- তুরস্ককে বলা হয় ইউরেশিয়ান রাষ্ট্র।
- এর ইস্তানবুল শহরের একাংশ পড়েছে ইউরোপে এবং বাকি অংশ পড়েছে এশিয়ায়।
- এটি বিচ্ছিন্ন হয়েছে বসফরাস প্রণালী দ্বারা।
- তাই ইস্তানবুল শহরকে ইউরেশিয়ান শহর বলা হয়।
- ইস্তানবুল শহরের পূর্বনাম কনস্ট্যান্টিনোপল।

অন্যদিকে -
- জিব্রাল্টার প্রণালী: আফ্রিকা থেকে ইউরোপকে পৃথক করেছে।
- বেরিং প্রণালী: এশিয়া থেকে আমেরিকাকে পৃথক করেছে।
- বাবেল মান্দেব প্রণালী: আফ্রিকা থেকে এশিয়াকে পৃথক করেছে।

উৎস: Britannica.
১০৯.
’বসফরাস প্রণালী’ কোন দেশে অবস্থিত?
  1. তুরস্ক
  2. ইরান
  3. স্পেন
  4. মরক্কো
ব্যাখ্যা

⇒ বসফরাস প্রণালী তুরস্কে অবস্থিত। 

বসফরাস প্রণালী:
- বসফরাস প্রণালী এশিয়া ও ইউরোপের মধ্যবর্তী অঞ্চলের একটি অংশের সীমানা নির্দেশ করে।
- এটি তুরস্কের ইস্তানবুল শহরকে পৃথক করেছে।
- প্রণালীটিকে তাই ইস্তাম্বুল প্রণালীও বলা হয়।
- এই প্রণালীটি বিশ্বের নৌ চলাচলের ব্যবহৃত সবচেয়ে সরু জলপথ।
- মর্মর সাগর ও কৃষ্ণ সাগরকে যুক্ত করেছে বসফরাস প্রণালী।
- এই প্রণালী এশিয়া থেকে ইউরোপকে পৃথক করেছে।

উৎস: Britannica.

১১০.
বাংলাদেশের মাঝামাঝি দিয়ে কোন অক্ষরেখা অতিক্রম করেছে?
  1. বিষুবরেখা
  2. কর্কটক্রান্তি রেখা
  3. মকরক্রান্তি রেখা
  4. আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান ও সীমানা:
- এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণে বাংলাদেশের অবস্থান।
- বাংলাদেশ ২০°৩৪′ উত্তর অক্ষরেখা থেকে ২৬°৩৮′ উত্তর অক্ষরেখার মধ্যে এবং ৮৮°০১′ পূর্ব দ্রাঘিমা রেখা থেকে ৯২°৪১′ পূর্ব দ্রাঘিমা রেখার মধ্যে অবস্থিত।
- বাংলাদেশের মাঝামাঝি স্থান দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা (২৩.৫° উত্তর অক্ষরেখা) অতিক্রম করেছে।

• কর্কটক্রান্তি রেখা: 
- উত্তর গোলার্ধে ২৩.৫° উত্তর অক্ষরেখাকে কর্কটক্রান্তি রেখা নামে অভিহিত করা হয়
- পূর্ব-পশ্চিমে সর্বোচ্চ বিস্তৃতি ৪৪০ কি.মি. এবং উত্তর-উত্তর পশ্চিম থেকে দক্ষিণ-দক্ষিণ পূর্ব প্রান্ত পর্যন্ত সর্বোচ্চ বিস্তৃতি ৭৬০ কি.মি.।
- বাংলাদেশের উত্তরে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয় ও আসাম; পূর্বে আসাম, ত্রিপুরা ও মিজোরাম এবং মিয়ানমার; দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর এবং পশ্চিমে ভারতের, পশ্চিমবঙ্গ অবস্থিত।
 
অন্যদিকে,
- নিরক্ষরেখা (Equator): 
- পৃথিবীকে উত্তর ও দক্ষিণে সমান দুইটি গোলার্ধে বিভক্তকারী কাল্পনিক অক্ষরেখাটি নিরক্ষরেখা নামে অভিহিত। 
- অক্ষরেখাকে কর্কটক্রান্তি রেখা ও দক্ষিণ গোলার্ধে ২৩.৫° দক্ষিণ অক্ষরেখাকে মকরক্রান্তি রেখা নামে অভিহিত করা হয়।
- ভূ-গোলাককে পূর্ব- পশ্চিমে বেষ্টনকারী সর্বাপেক্ষা বৃহৎ অক্ষরেখা নিরক্ষরেখা। নিরক্ষরেখার মান হলো ০০। এই অক্ষরেখার অপর নাম সমূহ হলো- বিষুবরেখা (Equator) ও মহাবৃত্ত (Great Circle)। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও ভূগোল ও পরিবেশ, এইচএসসি, উন্মুক্ত ‍বিশ্ববিদ্যালয়।

১১১.
ম্যানারহেইম লাইন যে দুটি দেশের মধ্যকার সীমারেখা -
  1. ফিনল্যান্ড ও রাশিয়া
  2. ভারত ও চীন
  3. জার্মানি ও ফ্রান্স
  4. উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়া
ব্যাখ্যা
- ফিনল্যান্ড ও রাশিয়াকে পৃথক করেছে ম্যানারহেইম লাইন।
- এই লাইন ফিনল্যান্ড ও রাশিয়ার মধ্যকার সীমারেখা।

গুরুত্বপূর্ণ কিছু সীমারেখা:
- ভারত-পাকিস্তানকে বিভক্ত করেছে লাইন অফ কন্ট্রোল।
- পাকিস্তান-আফগানিস্তানকে পৃথক করেছে ডুরাল্ড লাইন।
- উত্তর ও দক্ষিণ ভিয়েতনামকে পৃথক করেছে ম্যাকনামারা লাইন।
- জার্মানি ও ফ্রান্সকে বিভক্ত করেছে সিগফ্রেড লাইন।
- জার্মানি ও পোল্যান্ডকে পৃথক করেছে হিনডেন বার্গ লাইন।
- ভারত-বাংলাদেশকে বিভক্ত করেছে র‍্যাডক্লিফ লাইন।
- ভারত ও চীন এর মধ্যবর্তী লাইন অব অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোল (LAC)।
- উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়াকে পৃথক করেছে ৩৮তম প্যারালাল লাইন।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১১২.
নিচের কোনটি বিশ্বের বৃহত্তম উষ্ণ মরুভূমি-
  1. সাহারা মরুভূমি
  2. আরব মরুভূমি
  3. কালাহারি মরুভূমি
  4. গোবি মরুভূমি
ব্যাখ্যা
সাহারা মরুভূমি:
- প্রায় ৯,২০০,০০০ বর্গকিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত।
- সাহারা মরুভূমিকে বিশ্বের বৃহত্তম উষ্ণ (গরম) মরুভূমি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- আয়তনের দিক থেকে এটি তৃতীয় বৃহত্তম মরুভূমি,
- শুধুমাত্র অ্যান্টার্কটিকা ও আর্কটিকের মেরু মরুভূমির পরেই অবস্থান।
- এবং এটি আফ্রিকা মহাদেশের প্রায় ৩১% অংশ দখল করে রেখেছে।
- সাহারা মরুভূমি উত্তর আফ্রিকার ১১টি দেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চলজুড়ে বিস্তৃত।
- এই দেশগুলো হলো: আলজেরিয়া, মিশর, লিবিয়া, সুদান, মরক্কো, তিউনিশিয়া, চাঁদ, মালি, নাইজার, মরিতানিয়া, পশ্চিম সাহারা।

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।
১১৩.
দার্দানেলিস প্রণালি পৃথক করেছে-
  1. আনাতোলিয়া ও গ্যালিপোলি উপদ্বীপ
  2. কৃষ্ণসাগর ও গ্যালিপোলি উপদ্বীপ
  3. মর্মর সাগর ও আনাতোলিয়া
  4. মর্মর সাগর ও কৃষ্ণসাগর
ব্যাখ্যা

দার্দানেলিস প্রণালী:
- দার্দানেলিস প্রণালী হলো উত্তর-পশ্চিম তুরস্কে অবস্থিত একটি সংকীর্ণ এবং আন্তর্জাতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ জলপথ।
-  এটি কৌশলগত ও বাণিজ্যিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জলপথ।
- এটি এশিয়া ও ইউরোপকে পৃথক করে।
- এই প্রণালী এশিয়া মাইনরের আনাতোলিয়াকে ইউরোপের গ্যালিপোলি উপদ্বীপ থেকে আলাদা করে।
- এই প্রণালী এজিয়ান সাগরকে মর্মর সাগরের সঙ্গে সংযুক্ত করে, যা পরে বসফরাস প্রণালীর মাধ্যমে কৃষ্ণ সাগরের সঙ্গে যুক্ত হয়।
- ফলে কৃষ্ণ সাগরের দেশগুলোর জন্য এটি বিশ্বের সঙ্গে একমাত্র সমুদ্র সংযোগ হিসেবে কাজ করে।
- সংযোগটি হলো: এজিয়ান সাগর → মর্মর সাগর → বসফরাস প্রণালী → কৃষ্ণ সাগর।
- প্রাচীনকালে দার্দানেলিস প্রণালী হেলেস্পন্ট নামে পরিচিত ছিল।

উৎস: Britannica.

১১৪.
কোন প্রণালীকে বঙ্গোপসাগরের প্রবেশপথ বলা হয়?
  1. দার্দানেলিস প্রণালী
  2. হরমুজ প্রণালী
  3. পক প্রণালী
  4. মোজাম্বিকা প্রণালী
ব্যাখ্যা

⇒ পক প্রণালী:
- দক্ষিণ-পূর্ব ভারত এবং উত্তর শ্রীলঙ্কার মধ্যে বঙ্গোপসাগরের একটি প্রবেশপথ।
- এটি ভারত ও শ্রীলঙ্কাকে পৃথক করে।
- বঙ্গোপসাগর ও আরব সাগর কে যুক্ত করে।

⇒ হরমুজ প্রণালী:
- পারস্য উপসাগর এবং ওমান সাগর এর সাথে সংযুক্তকারী চ্যানেল।
- এই প্রণালীটি ইরানকে ও আরব উপদ্বীপ ওমান (দক্ষিণ) থেকে পৃথক করে।

⇒ মোজাম্বিকা প্রণালী: 
- ভারত মহাসাগরের একটি প্রণালী যা, মোজাম্বিকা ও মাদাগাস্কার কে পৃথক করেছে।

⇒ দার্দানিসিলস প্রণালী:
- ভূমধ্যসাগর ও কৃষ্ণ সাগরকে সংযুক্তকারী প্রণালী, দার্দানেলিস প্রাণালী।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা ও The Business Standard.

১১৫.
ফ্রান্স কর্তৃক জার্মান-ফ্রান্স সীমান্তে নির্মিত সুরক্ষিত সীমারেখা কোনটি?
  1. সিগফ্রিড লাইন
  2. হিন্ডেনবার্গ লাইন
  3. ম্যাজিনো লাইন
  4. ডুরান্ড লাইন
ব্যাখ্যা
জার্মান আক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য ফ্রান্স কর্তৃক জার্মান-ফ্রান্স সীমান্তে নির্মিত সুরক্ষিত সীমারেখা ম্যাজিনো লাইন।

কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সীমারেখা:

সনোরা লাইন:
- মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্রেকে বিভক্তিকারী  সীমারেখা।
- যা মেক্সিকোর সনোরা রাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনা অঙ্গরাজ্যের মধ্যে অবস্থিত।
- এই সীমারেখা উভয় দেশের মধ্যে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক বিভাজন নির্ধারণ করে।
- মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে মোট সীমান্তের একটি অংশ, যা প্রায় ১৮৫৪ কিলোমিটার। 

ডুরান্ড লাইন
- স্যার হেনরি ডুরান্ড কর্তৃক ১৮৯৬ সালে তৎকালীন ভারত ও আফগানিস্তানের মধ্যে চিহ্নিত সীমারেখা।

হিন্ডেনবার্গ লাইন
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় জার্মানি এ রেখা পর্যন্ত পশ্চাদপসরণ করেছিল। এটি জার্মান ও পোল্যান্ডের সীমানা চিহ্নিতকরণ রেখা।

সিগফ্রিড লাইন
- জার্মানি কর্তৃক জর্মান-ফ্রান্স সীমান্তে নির্মিত সুরক্ষিত সীমারেখা।

ম্যাকমোহন লাইন
স্যার ম্যাকমোহন কর্তৃক চিহ্নিত ভারত ও চীনের মধ্যে সীমানা নির্দেশক লাইন।

উৎস: Britannica.
১১৬.
কৃষ্ণসাগর ও অ্যাজভ সাগর কোন প্রণালি দ্বারা পরস্পরের সাথে যুক্ত?
  1. ডেভিস প্রণালি
  2. বেরিং প্রণালি
  3. কার্চ প্রণালী
  4. মেসিনা প্রণালী
ব্যাখ্যা
কার্চ প্রণালী:
- কৃষ্ণসাগর ও অ্যাজভ সাগর কার্চ প্রণালী দ্বারা পরস্পরের সাথে যুক্ত।
- কার্চ প্রণালী রাশিয়ার মূল ভূখণ্ড থেকে রাশিয়া অধিকৃত ক্রিমিয়া উপদ্বীপকে পৃথক করেছে।
- অ্যাজভ সাগরের তীরে ইউক্রেনের মারিয়াপোল ও রাশিয়ার রোস্টভ সমুদ্রবন্দর অবস্থিত।
- ইউক্রেনের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে কার্চ প্রণালির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।

অন্যদিকে,
- মেসিনা প্রণালী টির ইনিয়ান – আইওনিয়ান সাগরকে সংযুক্ত করেছে।
- বেরিং প্রণালী বেরিং সাগর ও সুমেরু সাগরকে যুক্ত করেছে।
- ব্যাফিন সাগর ও ল্যাব্রাডর সাগরকে সংযুক্ত করেছে ডেভিস প্রণালী।

উৎস: Britannica.
১১৭.
পানামা খাল নির্মাণ কাজ সমাপ্ত হয় কবে?
  1. ১৯১০ সালে
  2. ১৯১২ সালে
  3. ১৯১৪ সালে
  4. ১৯১৬ সালে
ব্যাখ্যা
পানামা খাল:
- পানামা খাল আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগরকে সংযোগকারী কৌশলগত জলপথ।
- পানামা খাল একটি লক-টাইপ খাল।
- এটি পানামা প্রজাতন্ত্রের মালিকানাধীন ও পরিচালিত।
- খালটি পানামার সরু ভূমি দিয়ে আটলান্টিক (বিশেষত ক্যারিবিয়ান সাগর) এবং প্রশান্ত মহাসাগরকে সংযুক্ত করে।
- খালটি আগস্ট ১৯১৪ সালে সম্পন্ন হয়।
- এটি বিশ্বের দুটি সবচেয়ে কৌশলগত কৃত্রিম জলপথের একটি (অন্যটি সুয়েজ খাল)।
- যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ব এবং পশ্চিম উপকূলের মধ্যে ভ্রমণকারী জাহাজগুলো কেপ হর্ন ঘুরে আসার পরিবর্তে প্রায় ৮,০০০ নটিক্যাল মাইল (১৫,০০০ কিমি) দূরত্ব কমে।
- উত্তর আমেরিকার একটি উপকূল থেকে দক্ষিণ আমেরিকার বিপরীত পাশে বন্দরগুলোর যাত্রাপথে প্রায় ৩,৫০০ নটিক্যাল মাইল (৬,৫০০ কিমি) দূরত্ব কমে।
- ইউরোপ থেকে পূর্ব এশিয়া বা অস্ট্রেলিয়ার যাত্রাপথে প্রায় ২,০০০ নটিক্যাল মাইল (৩,৭০০ কিমি) দূরত্ব কমে।
- পানামা খাল বিশ্বব্যাপী বাণিজ্য এবং নৌচলাচলের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ সেতু।

উৎস: Britannica.
১১৮.
পৃথিবীর উত্তর ও দক্ষিণ মেরু সংযোগকারী কাল্পনিক রেখাসমূহ-
  1. দ্রাঘিমা রেখা
  2. কর্কটক্রান্তি রেখা
  3. মকরক্রান্তি রেখা
  4. নিরক্ষরেখা
ব্যাখ্যা
• দ্রাঘিমাংশ:
- ভূ-পৃষ্ঠের কোনো স্থানে মূল মধ্যরেখার সাথে পৃথিবীর কেন্দ্রবিন্দুতে সৃষ্ট কৌণিক দূরত্বকে দ্রাঘিমাংশ বলে।

• দ্রাঘিমা রেখা:
- যে কাল্পনিক রেখার মাধ্যমে দ্রাঘিমাংশ প্রকাশ করা হয়, তাকে দ্রাঘিমারেখা বলে।
- অর্থাৎ পৃথিবীর উত্তর ও দক্ষিণ মেরু সংযোগকারী কাল্পনিক রেখাসমূহ দ্রাঘিমা রেখা (Latitude)।
- প্রতিটি দ্রাঘিমারেখা একেকটি অর্ধবৃত্ত।

অন্যদিকে,
- অক্ষাংশ: ভূ-পৃষ্ঠের যে কোনো স্থানে নিরক্ষরেখার সাথে পৃথিবীর কেন্দ্র বিন্দুতে সৃষ্ট কৌণিক দূরত্বকে অক্ষাংশ বলে।
- অক্ষরেখা: যে কাল্পনিক রেখার মাধ্যমে একে প্রকাশ করা হয়, তাকে অক্ষরেখা বলে।
- নিরক্ষরেখা: পৃথিবীকে উত্তর-দক্ষিণে সমভাবে দুইভাগে বিভক্তকারী বৃত্তাকার রেখাটি নিরক্ষরেখা বা বিষুবরেখা নামে অভিহিত।
- এটি সর্ববৃহৎ অক্ষাংশ রেখা।
- কর্কটক্রান্তি রেখা: উত্তর গোলার্ধে ২৩.৫° উত্তর অক্ষরেখাকে কর্কটক্রান্তি রেখা নামে অভিহিত করা হয়।
- মকরক্রান্তি রেখা: দক্ষিণ গোলার্ধে ২৩.৫° দক্ষিণ অক্ষরেখাকে মকরক্রান্তি রেখা নামে অভিহিত করা হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১৯.
লিলি ফুলের দেশ বলা হয়- 
  1. সিরিয়া
  2. ইসরায়েল
  3. কানাডা 
  4. মিশর
ব্যাখ্যা

ভৌগলিক উপনাম:
- সোনালী প্যাগোডার দেশ: মিয়ানমার।
- লিলি ফুলের দেশ: কানাডা।
- ক্যাঙ্গারুর দেশ: অস্ট্রেলিয়া।
- সিল্ক রুটের দেশ: ইরান।
- মার্বেলের দেশ: ইতালি।
- পঞ্চম ড্রাগনের দেশ: তাইওয়ান।
- তামার দেশ: জাম্বিয়া।
- পিরামিডের দেশ: মিশর।
- প্রাচীরের দেশ: চীন।
- ভূমিকম্পের দেশ: জাপান।

উৎস: Britannica.com

১২০.
পর্তুগাল ও স্পেনের মধ্যে সীমানা কোনটি?
  1. লাইন অব ডিমারকেশন
  2. ডুরান্ড লাইন
  3. ওডার-নেইস লাইন
  4. ম্যাকমোহন লাইন
ব্যাখ্যা

বিভিন্ন দেশের সীমানা:
⇒ পার্পল লাইন: ইসরাইল ও সিরিয়ার মধ্যে সীমানা।
⇒ সনেরা লাইন: মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সীমানা।
⇒ ওডার-নেইস লাইন: জার্মানি ও পোল্যান্ডের মধ্যকার সীমানা।
⇒ ব্লু লাইন: লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যকার সীমানা।
⇒ লাইন অব ডিমারকেশন: পর্তুগাল ও স্পেনের মধ্যে সীমানা।
⇒ ডুরান্ড লাইন: পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে সীমানা।
⇒ রেডক্লিফ লাইন: ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সীমারেখা।
⇒ লাইন অব একচুয়াল কন্ট্রোল / ম্যাকমোহন লাইন: চীন ও ভারতের মধ্যে সীমানা।
⇒ লাইন অব কন্ট্রোল: ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সীমানা।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

১২১.
বেরিং প্রণালী কোন দুটি দেশকে পৃথক করেছে?
  1. চীন ও জাপান
  2. কানাডা ও রাশিয়া
  3. রাশিয়া ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
  4. জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া
ব্যাখ্যা

বেরিং প্রণালী:
-বেরিং প্রণালী হল প্রশান্ত মহাসাগরের সবচেয়ে উত্তরের অংশ।
- এই প্রণালী এশিয়া মহাদেশ ও উত্তর আমেরিকা মহাদেশ পৃথক করেছে।
- দেশ হিসেবে রাশিয়া ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে পৃথক করেছে এই প্রণালী।
- বেরিং প্রণালী এবং সাগর উভয়েরই নামকরণ করা হয়েছিল ভিটাস বেরিংয়ের সম্মানে।
- বেরিং প্রণালী তুলনামূলকভাবে অগভীর। 
- এর গড় গভীরতা ৫০ মিটার। এটি গভীরতম বিন্দুতে মাত্র ৯০ মিটার গভীর।
- প্রণালীতে ডায়োমেড দ্বীপপুঞ্জ এবং সেন্ট লরেন্স দ্বীপপুঞ্জসহ অসংখ্য দ্বীপ রয়েছে।

তথ্যসূত্র - Worldatlas.com

১২২.
সিয়াল ও সিমার মধ্যে বিভাজনকারী রেখার নাম কী?
  1. গুটেনবার্গ বিযুক্তি
  2. কনরাড বিযুক্তি
  3. সনোরা লাইন
  4. মোহোবিযুক্তি
ব্যাখ্যা
কনরাড বিযুক্তি:
- Sial ও Sima বিভাজনকারী স্তরকে কনরাড বিযুক্তি রেখা বলে।
- অর্থাৎ ভূ-ত্বকের লঘু ও গুরু শিলান্তরদ্বয় সীমারেখায় মিলিত হয়েছে তাকে কনরাড বিযুক্তি (Conrad Discontinuity) বলে।

⇒ সমুদ্র তলদেশের ভূত্বক প্রধানত ব্যাসল্ট জাতীয় এবং মহাদেশীয় ভূত্বক ফেলসিক স্তরবিহীন, ব্যাসল্ট-এর প্রধান খনিজ উপাদানের নাম সিলিকন (Si) এবং ম্যাগনেসিয়াম (Mg) যা সাধারণভাবে সিমা (Sima) নামে পরিচিত। ধারণা করা হয় যে, এ ব্যাসল্ট স্তরই সারা পৃথিবী জুড়ে বহিরাবরণ হিসেবে মহাদেশের মেফিক স্তরের নিচে ও গভীর সমুদ্রের তলদেশে বিদ্যমান। ভূ-ত্বকের নিচের দিকে প্রতি কিলোমিটারে ৩০° সে. তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়।

⇒ ভূ-কম্পীয় তরঙ্গের গতিবেগ লক্ষ্য করে ভূ-ত্বক গঠনকারী শিলাকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-(১) ওপরের লঘুশিলা, (২) মধ্যবর্তী গুরুশিলা ও (৩) নিচে অলিভিন জাতীয় শিলা।
ওপরের লঘুশিলা ভূ-ত্বকের বাইরের স্তর। এর ওপরেই আমরা গাছপালা ও তৃণাদি জন্মাতে দেখি। এ স্তরে গ্রাণাইড শিলার পরিমাণ বেশি তাই এক গ্রানাইট শিলা স্তর বলা হয়। গ্রানাইটে সিলিকা (Silica) ও অ্যালুমিনিয়ামের (Aluminium) পরিমাণ সবচেয়ে বেশি। তাই একে সিয়াল (Sial) স্তর বলে। মহাদেশগুলো প্রধানত এ জাতীয় শিলায় গঠিত।

অন্যদিকে,
• বিযুক্তি রেখা:
- ভূপৃষ্ঠ থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত যেখানে যেখানে ভূমিকম্প তরঙ্গের গতিবেগ পরিবর্তিত হয়,সেই স্থানগুলিকে বিযুক্তি রেখা বলে।
• মোহো বিযুক্তি রেখা:
- ইহা ভূত্বক ও গুরুমন্ডলের মাঝে অবস্থিত। ১৯০৯ সালে একটি ক্রোয়েশিয়ান ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞ আন্দ্রেজা মোহোরোভিচিক দ্বারা মোহোরোভিসিক বিচ্ছিন্নতা আবিষ্কার করেছিলেন। মহাদেশের ভূপৃষ্ঠের নীচে ৩৫ কিলোমিটার এবং সমুদ্রের ভূত্বকের নীচে ৮ কিলোমিটার গভীরতায় অবস্থিত।
• রেপিত্তি বিচ্ছিন্নতা:
- এটি অন্তঃগুরুমন্ডল (ইনার ম্যান্টেল) ও বহিঃ গুরুমন্ডল (আউটার ম্যান্টেল) এর মাঝে অবস্থিত।
•  গুটেনবার্গ বিচ্ছিন্নতা:
- এটি গুরুমন্ডল কেন্দ্রমন্ডল এর মাঝে রয়েছে গুটেনবার্গ বিযুক্তি রেখা ( Gutenberg discontinuity)
•  লেহম্যান বিযুক্তি:
- কেন্দ্রমন্ডলের ভিতরের ভাগ অর্থাৎ অন্তঃকেন্দ্রমন্ডল ও বহিঃ কেন্দ্রমন্ডলের মাঝে অবস্থিত লেহমান বিযুক্তি রেখা।

উৎস: ভূমিবিদ্যা, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২৩.
বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি স্থলসীমান্ত ভারতের কোন রাজ্যের সাথে?
  1. মেঘালয়
  2. আসাম
  3. ত্রিপুরা
  4. পশ্চিমবঙ্গ
ব্যাখ্যা

পশ্চিমবঙ্গ:
- বাংলাদেশের পশ্চিমাঞ্চলে পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে সীমান্ত রয়েছে।
- এর দৈর্ঘ্য প্রায় ২,২৬২ কিলোমিটার, যা বাংলাদেশের সবচেয়ে দীর্ঘ স্থলসীমান্ত।
- পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের এই দীর্ঘ সীমান্তের কারণে এটি দীর্ঘতম হিসেবে বিবেচিত।

• বাংলাদেশের স্থলসীমান্ত:
- বাংলাদেশের স্থলসীমান্ত ভারতের পাঁচটি রাজ্যের সাথে সংযুক্ত।
- এগুলো হলো পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, মেঘালয়, ত্রিপুরা এবং মিজোরাম।
- বাংলাদেশের সাথে মেঘালয়ের স্থলসীমান্ত রয়েছে, যা প্রায় ৪৩৬ কিলোমিটার দীর্ঘ।
- আসামের সাথে বাংলাদেশের স্থলসীমান্ত প্রায় ২৬৪ কিলোমিটার।
- ত্রিপুরার সাথে বাংলাদেশের স্থলসীমান্ত প্রায় ৮৭৪ কিলোমিটার।
- বাংলাদেশের সাথে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের স্থলসীমান্ত সবচেয়ে দীর্ঘ, যা প্রায় ২,২৬২ কিলোমিটার।
- সর্বমোট স্থল সীমানা ৪১৫৬ কিলোমিটার।

উৎস: বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ।

১২৪.
জাভা ও সুমাত্রা দ্বীপের মাঝে কোন প্রণালী অবস্থিত?
  1. মালাক্কা প্রণালী
  2. ফরমোজা প্রণালী
  3. পক প্রণালী
  4. সুন্দা প্রণালী
ব্যাখ্যা
সুন্দা প্রণালী (Sunda Strait): 
- সুন্দা প্রণালী (Sunda Strait) হলো জাভা ও সুমাত্রা দ্বীপের মাঝে অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক চ্যানেল। 
- এটি জাভা সাগর (প্রশান্ত মহাসাগরের অংশ)কে ভারত মহাসাগরের সঙ্গে সংযুক্ত করে।
- প্রস্থ: ১৬ থেকে ৭০ মাইল (২৬–১১০ কিমি)। 
- প্রণালীর মধ্যে রয়েছে কয়েকটি আগ্নেয় দ্বীপ, সবচেয়ে বিখ্যাত হলো ক্রাকাটোয়া।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ১৯৪২ সালে মিত্রবাহিনী ও জাপানি বাহিনীর মধ্যে একটি নৌ-সংঘর্ষ ঘটে এই প্রণালীতে। 
- এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ, যা ভারত মহাসাগরকে পূর্ব এশিয়ার সঙ্গে সংযুক্ত করে
- বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রণালী। 
- সুন্দা প্রণালী শুধুমাত্র ভৌগোলিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ নয়, বরং ইতিহাস ও প্রকৃতির দিক থেকেও এটি বিশ্ববাসীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে চলেছে।

উৎস: Britannica. 
১২৫.
যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকোকে পৃথককারী সীমান্তরেখা- 
  1. সনোরা লাইন
  2. ডুরান্ড লাইন
  3. ম্যাজিনো লাইন
  4. হিন্ডারবার্গ লাইন
ব্যাখ্যা

সনোরা লাইন:
- যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকোকে পৃথককারী সীমান্তরেখা সনোরা লাইন।
- এটি মেক্সিকোর সনোরা প্রদেশকে যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনা অঙ্গরাজ্য থেকে পৃথক করেছে।
- ১৮৫৩ সালে এই সীমান্ত রেখা ভাগ করা হয়।

অন্যদিকে,
• কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সীমারেখা:
- ওডারনিস লাইন: জার্মানি ও পোল্যান্ড।
- সিগফ্রিড লাইন: জার্মানি ও ফ্রান্স।
- হিন্ডারবার্গ লাইন: জার্মানি ও ফ্রান্স।
- ডুরান্ড লাইন: পাকিস্তান ও আফগানিস্তান।
- ম্যাজিনো লাইন: জার্মানি ও ফ্রান্স।

উৎস: Britannica.

১২৬.
মনপুরা দ্বীপ কোন জেলার অন্তর্গত?
  1. ভোলা
  2. নোয়াখালী
  3. বরিশাল
  4. বরগুনা
ব্যাখ্যা

মনপুরা দ্বীপ: 
- মনপুরা দ্বীপ বাংলাদেশের ভোলা জেলার অন্তর্গত একটি অন্যতম পুরনো দ্বীপ।
- এটি মেঘনা নদীর পলিবাহিত একটি দ্বীপ, এখানে প্রায় লক্ষাধিক মানুষের বসবাস।
- ইতিহাসবিদদের মতে, ষোড়শ শতাব্দীতে এখানে প্রথম বসতি স্থাপন করা হয়, এবং ১৬০০ খ্রিষ্টাব্দে পর্তুগিজ জলদস্যুরা এখানে বসতি গড়ে তোলে।
- পরবর্তীতে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর আগমনের ফলে এটি একটি আধুনিক উপজেলায় পরিণত হয়।
- মনপুরার ভাষা ও সংস্কৃতি ভোলা ও নোয়াখালীর সংমিশ্রণে গড়ে উঠেছে।

সূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 

১২৭.
Which strait separates Italy from Sicily?
  1. Strait of Gibraltar
  2. Bering Strait
  3. Bosphorus Strait
  4. Babel Mandeb Straits
  5. Strait of Messina
ব্যাখ্যা
মেসিনা প্রণালী:
- মেসিনা প্রণালী হলো সিসিলির পূর্ব প্রান্ত এবং দক্ষিণ ইতালিতে এর পশ্চিম প্রান্তের মধ্যবর্তী একটি সরু প্রণালী।
- এটি ইতালিকে সিসিলি থেকে আলাদা করেছে।
- এটি মধ্য ভূমধ্যসাগরের মধ্যে উত্তরে টাইরহেনিয়ান সাগরকে দক্ষিণে আয়োনিয়ান সাগরের সাথে সংযুক্ত করেছে।

অন্যদিকে -
- জিব্রাল্টার প্রণালী: আফ্রিকা থেকে ইউরোপকে পৃথক করেছে।
- বেরিং প্রণালী: এশিয়া থেকে আমেরিকাকে পৃথক করেছে।
- বসফরাস প্রণালী: এশিয়া থেকে ইউরোপকে পৃথক করেছে।
- বাবেল মান্দেব প্রণালী: আফ্রিকা থেকে এশিয়াকে পৃথক করেছে।

উৎস: World Atlas.
১২৮.
শিলিগুড়ি করিডোর ভারতের কোন রাজ্যে অবস্থিত?
  1. আসাম
  2. সিকিম
  3. ত্রিপুরা
  4. পশ্চিমবঙ্গ
ব্যাখ্যা
শিলিগুড়ি করিডোর:
- শিলিগুড়ি করিডোর ভারতের অন্তর্গত পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশে অবস্থিত একটি ক্ষুদ্র ভূখণ্ড।
- এই করিডোর ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলকে বাকি দেশের মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে যুক্ত করে রেখেছে।
- এই করিডোর অনেকটা বাঁকানো মুরগির ঘাড়ের মতো দেখায় বলে, তা ‘চিকেনস নেক' নামেও পরিচিত।
- এ ভূখণ্ডের প্রস্থ প্রায় ২১-৪০ কিমি।
- এটি ভারতের একমাত্র অংশ, যা চারটি ভিন্ন দেশের সঙ্গে যুক্ত।
- এর দুপাশে নেপাল, বাংলাদেশ এবং রাজতান্ত্রিক ভুটান করিডোরের উত্তর দিকে অবস্থিত।
- ১৯৪৭ এর দেশভাগের সময় বৃহত্তর বাংলা প্রদেশ দ্বিখণ্ডিত হলে এই শিলিগুড়ি করিডোরের সৃষ্টি হয়।
- এই সংকীর্ণ করিডোরটির মাধ্যমে নয়াদিল্লির পক্ষে উত্তর–পূর্ব ভারতের ওপর নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখা সম্ভব হয়েছে।

তথ্যসূত্র: বিবিসি রিপোর্ট, ব্রিটানিকা।
১২৯.
‘হাজার হ্রদের দেশ’ বলা হয় কোনটিকে?
  1. ফিনল্যান্ড
  2. নরওয়ে
  3. জাপান
  4. ইন্দোনেশিয়া
ব্যাখ্যা
কিছু ভৌগোলিক উপনাম:
• হাজার হ্রদের দেশ: ফিনল্যান্ড।
• হাজার দ্বীপের দেশ: ইন্দোনেশিয়া।
• নিশীথ সূর্যের দেশ: নরওয়ে।
• ম্যাপল পাতার দেশ: কানাডা।
• বজ্রপাতের দেশ: ভুটান।
• সূর্যোদয়ের দেশ: জাপান।
• সমুদ্রের বধু: গ্রেট ব্রিটেন।
• নীল নদের দেশ: মিশর।
• পঞ্চম ড্রাগনের দেশ: তাইওয়ান।

তথ্যসূত্র: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
১৩০.
বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত বিশ্বের কততম দীর্ঘতম সীমান্ত?
  1. ৫ম
  2. ৪র্থ
  3. ৩য়
  4. ২য়
ব্যাখ্যা

​ভারত ও বাংলাদেশ সীমান্ত:
​- বাংলাদেশ ও ভারতের সীমানা বিশ্বের ৫ম দীর্ঘতম সীমান্ত।
​- সীমান্ত দৈর্ঘ্য: ৪১৪২ কিলোমিটার।

​পৃথিবীর দীর্ঘতম স্থল সীমান্ত:
১. আমেরিকা ও কানাডা: দৈর্ঘ্য ৮৮৯৩ কিলোমিটার।
২. কাজাকিস্তান ও রাশিয়া: দৈর্ঘ্য ৭৬৪৪ কিলোমিটার।
৩. আর্জেন্টিনা ও চিলি: দৈর্ঘ্য ৬৬৯১ কিলোমিটার।
৪. চীন ও মঙ্গোলিয়া: দৈর্ঘ্য ৪৬৩০ কিলোমিটার।
৫. ভারত ও বাংলাদেশ: দৈর্ঘ্য ৪১৪২ কিলোমিটার।

অন্যদিকে,
- বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম স্থল সীমান্ত হলো স্পেন এবং মরক্কো।

উৎস: World Atlas.

১৩১.
লোহিত সাগর এবং আকাবা উপসাগরকে সংযুক্ত করে কোন প্রণালী?
  1. তাতার প্রণালী
  2. ফ্লোরিডা প্রণালী
  3. তিরান প্রণালী
  4. বসফরাস প্রণালী
ব্যাখ্যা

• তিরান প্রণালী:
- তিরান প্রণালী হল সিনাই উপদ্বীপ এবং আরব উপদ্বীপের মধ্যে অবস্থিত সরু প্রণালী বা সমুদ্রপথ, যা লোহিত সাগর এবং আকাবা উপসাগরকে সংযুক্ত করে ।
- প্রণালীর নামকরণ করা হয়েছে নিকটবর্তী তিরান দ্বীপ থেকে,
 
• তাতার প্রণালী: জাপান সাগর ও ওখোটস্ক সাগর কে যুক্ত করেছে।

• মেক্সিকো উপসাগর এবং আটলান্টিক মহাসাগর কে যুক্ত করেছে ফ্লোরিডা প্রণালী।

• মর্মর সাগর ও কৃষ্ণ সাগরকে যুক্ত করেছে বসফরাস প্রণালী।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১৩২.
সুয়েজ খাল বর্তমানে কোন দেশের মালিকানাধীন?
  1. মিশর
  2. ফ্রান্স
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. ক + খ
ব্যাখ্যা
সুয়েজ খাল
- মিশরের সিনাই উপদ্বীপের পশ্চিমে সুয়েজ খাল অবস্থিত।
- এটি একটি কৃত্রিম সামুদ্রিক খাল।
- ভূমধ্যসাগর ও লোহিত সাগরকে যুক্ত করেছে এই খাল।
- নির্মাণকাল : ২৫ এপ্রিল, ১৮৫৯ - ১৭ নভেম্বর, ১৮৬৯।
- ১৮৬৯ সালে এটি সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হয়।
- খালটি মিশরের সুয়েজ ক্যানেল অথরিটির মালিকানাধীন।
- এটি ১২০ মাইল বা ১৯৩.৩ কিমি দীর্ঘ।

তথ্য - ব্রিটানিকা।
১৩৩.
উত্তর আটলান্টিক ও ভূমধ্যসাগরকে যুক্ত করেছে কোন প্রণালী?
  1. বসফরাস প্রণালী
  2. জিব্রাল্টার প্রণালী
  3. মালাক্কা প্রণালী
  4. বাব-এল-মানদেব
ব্যাখ্যা
• জিব্রাল্টার প্রণালী (Strait of Gibraltar): 
- জিব্রাল্টার প্রণালী (Strait of Gibraltar) হল একটি সংকীর্ণ জলপথ যা উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরকে ভূমধ্যসাগরের সঙ্গে সংযুক্ত করে।
- এটি স্পেন ও মরক্কোর মধ্যবর্তী অংশে অবস্থিত।
- এটি বিশ্বব্যাপী নৌ-বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি গেটওয়ে।

অন্যদিকে,
- বসফরাস প্রণালী: কৃষ্ণসাগর ও মর্মর সাগরকে যুক্ত করে (তুরস্কে)। 
- মালাক্কা প্রণালী: ভারত মহাসাগর ও প্রশান্ত মহাসাগরের সংযোগকারী (মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়ার মাঝখানে)। 
- বাব-এল-মানদেব: লোহিত সাগর ও আরব সাগরের সংযোগকারী (ইয়েমেন ও জিবুতি মাঝে)।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১৩৪.
সেনেগাল দেশটি আফ্রিকার কোন অঞ্চলের?
  1. পূর্ব আফ্রিকার
  2. পশ্চিম আফ্রিকার
  3. মধ্য আফ্রিকার
  4. উত্তর আফ্রিকার
ব্যাখ্যা
সেনেগাল:
- সেনেগাল পশ্চিম আফ্রিকার একটি দেশ।
- এটি  ১৯৬০ সাল পর্যন্ত ফ্রান্সের উপনিবেশ ছিল।
- এর রাজধানী- ডাকার।
-সেনেগালের ভাষা ফরাসি
- ধর্ম: ইসলাম, এছাড়াও খ্রিষ্টান ধর্মের অনুসারী রয়েছে।
- সেনেগালের মুদ্রা: ফ্রাঙ্ক।
- আইনসভা এককক্ষ বিশিষ্ট।
-  এটি রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা।

উল্লেখ্য,
- পশ্চিম আফ্রিকার কয়েকটি দেশ:-
- ঘানা, গিনি , গিনি-বিসাউ , আইভরি কোস্ট ,  সেনেগাল , সিয়েরালিয়ন , বুরকিনা ফাসো , গাম্বিয়া , লাইবেরিয়া , মালি , মৌরিতানিয়া , নাইজার , নাইজেরিয়া।

উৎস: Britannica.
১৩৫.
ভারত ও পাকিস্তানের সীমানারেখা কোনটি?
  1. লাইন অব অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোল
  2. ডুরান্ড লাইন
  3. লাইন অব কন্ট্রোল
  4. ম্যাকমোহন লাইন
ব্যাখ্যা
লাইন অব কন্ট্রোল:
- লাইন অব কন্ট্রোল (LOC) ভারত ও পাকিস্তানের সীমানারেখা।
- ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ ভারতের বিভাজনের সময় ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে কাশ্মীর নিয়ে বিরোধের সূত্রপাত হয়।
- কাশ্মীরের তৎকালীন মহারাজা প্রথমে স্বাধীন থাকতে চাইলেও পরে পাকিস্তানি অনুপ্রবেশ রোধে ভারতের সহায়তার শর্তে ভারতভুক্ত হন, যার ফলে ১৯৪৭-৪৮ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ শুরু হয়।
- ১৯৪৯ সালের করাচি চুক্তি একটি সাময়িক যুদ্ধবিরতি আনলেও ১৯৬৫ সালে সীমান্ত সংঘর্ষ ফের পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধে রূপ নেয়।
- এরপর ১৯৭১ সালে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের ফলে পূর্ব পাকিস্তান স্বাধীন হয়ে বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৭২ সালের সিমলা চুক্তি কাশ্মীর অঞ্চলে লাইন অব কন্ট্রোল (LOC) স্থাপন করে।
- তবে ১৯৭৪ সালে ভারতের পারমাণবিক পরীক্ষা এবং পরে পাকিস্তানের একই পথে এগিয়ে যাওয়া এ বিরোধকে পারমাণবিক স্তরে নিয়ে যায়, যার ফলে উত্তেজনা আরও বাড়ে।

উল্লেখ্য,
- ভারত ও চীনের মধ্যে সীমানারেখা লাইন অব অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোল। 
- ডুরান্ড লাইন হল আফগানিস্তান এবং পাকিস্তান সীমান্তে অবস্থিত একটি সীমান্ত রেখা বা লাইন।
- ম্যাকমোহন লাইন ১৯১৪ সালে সিমলা চুক্তির মাধ্যমে ব্রিটেন ও তিব্বতের স্বীকৃত হয়। বর্তমানে এটি ভারত ও চীনের মধ্যে আইন স্বীকৃত সীমানা, যদিও চীন সরকার একে বিতর্কিত অংশ বলে মনে করে।

উৎস: Global Conflict Tracker
১৩৬.
যুক্তরাজ্য থেকে ফ্রান্সকে পৃথক করছে -
  1. বাবেল মান্দেব প্রণালী
  2. বেরিং প্রণালী
  3. ডোভার প্রণালি
  4. জিব্রাল্টার প্রণালী
ব্যাখ্যা
• ডোভার প্রণালী: 
- ডোভার প্রণালী ইংরেজিতে: Strait of Dover।
- ইংল্যান্ড এবং ফ্রান্সের মধ্যে অবস্থিত একটি সংকীর্ণ জলপ্রণালী।
- ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্য পৃথক করেছে।
- এবং ইউরোপ মহাদেশ ও ব্রিটিশ দ্বীপপুঞ্জের মধ্যে সবচেয়ে ছোট জলপথ।
- এটি যুক্তরাজ্যের ডোভার শহর এবং ফ্রান্সের কালে (Calais) শহরের মাঝখানে অবস্থিত।
- এটি ইংলিশ চ্যানেলকে উত্তর সাগরের (North Sea) সঙ্গে যুক্ত করে।

এছাড়াও,
- এটি বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ততম সামুদ্রিক পথ, যেহেতু ইউরোপ এবং যুক্তরাজ্যের মধ্যে প্রধান নৌপথ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- এর নিচ দিয়ে চ্যানেল টানেল (Channel Tunnel) নির্মাণ করা হয়েছে,
- যা রেলপথের মাধ্যমে যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সকে সংযুক্ত করে।
- ইতিহাসে এই প্রণালীতে বহু নৌ-যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছে।

উৎস: World Atlas.
১৩৭.
'ম্যাজিনো লাইন' কোন দুইটি দেশের সীমারেখা নির্দেশ করে?
  1. জার্মানি ও পোল্যান্ড
  2. যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকো
  3. জার্মান ও ফ্রান্স
  4. পাকিস্তান ও আফগানিস্তান
ব্যাখ্যা
ম্যাজিনো লাইন:
- জার্মান আক্রমণ হতে রক্ষা পাওয়ার জন্য ফ্রান্স কর্তৃক জার্মান-ফ্রান্স সীমান্তে নির্মিত সুরক্ষিত সীমারেখা ম্যাজিনো লাইন।
- ইউরোপের দুই প্রতিবেশী দেশ ফ্রান্স ও জার্মানির মধ্যে অবস্থিত সীমান্ত বরাবর নির্মিত দুর্ভেদ্য লাইন ম্যাজিনো লাইন।
- ফ্রান্স ১৯৩০ এর দশকে এটি নির্মাণ করে।
- জার্মান আক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য নির্মিত হয়।
- ১৯৩৮ সালে নির্মাণ কাজ শেষ হয়।

অন্যদিকে,
⇒ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সীমারেখা:
- ওডারনিস লাইন: জার্মানি ও পোল্যান্ড।
- সিগফ্রিড লাইন: জার্মানি ও ফ্রান্স।
- হিন্ডারবার্গ লাইন: জার্মানি ও ফ্রান্স।
- সনোরা লাইন: যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকো।
- ডুরান্ড লাইন: পাকিস্তান ও আফগানিস্তান।

উৎস: Britannica.
১৩৮.
বেরিং প্রণালী পৃথক করেছে- 
  1. এশিয়া - ইউরোপ
  2. আফ্রিকা-এশিয়া
  3. উত্তর আমেরিকা-এশিয়া
  4. ইউরোপ - আফ্রিকা
ব্যাখ্যা

- বেরিং প্রণালী এশিয়া ও উত্তর আমেরিকা মহাদেশ দুটিকে পৃথক করেছে ।
- এবং প্রশান্ত মহাসাগর ও আর্কটিক মহাসাগরকে সংযুক্ত করেছে।
- এটি রাশিয়া (এশিয়া মহাদেশের অংশ) এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আলাস্কার মধ্যে অবস্থিত,
- যেখানে দুটি মহাদেশের সবচেয়ে নিকটবর্তী অংশ মাত্র প্রায় ৯0 কিলোমিটার দূরে। 

• বিখ্যাত কয়েকটি প্রণালী:
- দার্দানেলিস প্রণালী:  এশিয়া - ইউরোপ পৃথক করেছে।
- জিব্রাল্টার প্রণালী: আফ্রিকা-ইউরোপ পৃথক করেছে।
- পক প্রণালী: ভারত -শ্রীলংকা পৃথক করেছে। 
- মালাক্কা প্রণালী: সুমাত্রা- মায়েশিয়া পৃথক করেছে।
- সুন্দা প্রণালী: সুমাত্রা-জাভা পৃথক করেছে।
- হরমুজ প্রণালী: ইরান-আরব আমিরাত পৃথক করেছে।
- ফ্লোরিডা প্রণালী: কিউবা-ফ্লোরিডা পৃথক করেছে।
- ডোভার প্রণালী: ফ্রান্স-ব্রিটেন পৃথক করেছে।

উৎস: ব্রিটানিকা। 

১৩৯.
'জিব্রাল্টার' প্রণালী দ্বারা কোন দুই মহাদেশ পৃথক হয়েছে?
  1. ইউরোপ ও আফ্রিকা
  2. আফ্রিকা ও অস্ট্রেলিয়া
  3. ইউরোপ ও এশিয়া
  4. এশিয়া ও দক্ষিণ আমেরিকা
ব্যাখ্যা

• জিব্রাল্টার প্রণালী:
- জিব্রাল্টার প্রণালী ইউরোপ ও আফ্রিকাকে পৃথক করেছে। 
- জিব্রাল্টার প্রণালী হলো একটি সংকীর্ণ জলপথ যা ভূমধ্যসাগরকে আটলান্টিক মহাসাগরের সাথে সংযুক্ত করে।
- এটি স্পেন এবং উত্তর-পশ্চিম আফ্রিকার মধ্যে অবস্থিত।
- দৈর্ঘ্য: ৩৬ মাইল (৫৮ কিমি)।
- সর্বনিম্ন প্রস্থ: ৮ মাইল (১৩ কিমি), যা স্পেনের পয়েন্ট মারোকি এবং মরক্কোর পয়েন্ট সিরেসের মধ্যে।
- গড় গভীরতা: ১,২০০ ফুট (৩৬৫ মিটার)।
- জিব্রাল্টার প্রণালী উত্তর আফ্রিকার আটলাস পর্বতমালা এবং স্পেনের উঁচু মালভূমির মধ্যে অবস্থিত।
- এটি ইউরোপ ও আফ্রিকার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক ও সামরিক নৌপথ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

তথ্যসূত্র: Britannica.

১৪০.
The 17th Parallel is an imaginary line between -
  1. Namibia and Angola
  2. Egypt and Sudan
  3. Iraq and Iran
  4. North Korea and South Korea
  5. North and South Vietnam
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন দেশের আন্তর্জাতিক সীমারেখা:
- ১০ ডিগ্রী চ্যানেল: আন্দামান ও নিকোবর,
- ১৬তম প্যারালাল: নামিবিয়া ও অ্যাঙ্গোলা,
- ১৭তম প্যারালাল: উত্তর ভিয়েতনাম ও দক্ষিণ ভিয়েতনাম,
- ২০তম প্যারালাল: লিবিয়া ও সুদান,
- ২২তম প্যারালাল: মিশর ও সুদান,
- ২৪তম প্যারালাল: ভারত ও পাকিস্তান,
- ২৫তম প্যারালাল: মৌরিতানিয়া এবং মালি,
- ২৮তম প্যারালাল: ভারত ও পাকিস্তান,
- ৩১তম প্যারালাল: ইরাক ও ইরান,
- ৩৭তম প্যারালাল: ভারত ও মায়ানমার,
- ৩৮তম প্যারালাল: উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়া,
- ৪৯তম প্যারালাল: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা,
- ৮⁰ চ্যানেল: ভারত (মিনিকয় দ্বীপ) ও মালদ্বীপ,

উৎস: Britannica.
১৪১.
কোন মহাদেশে দেশের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি?
  1. এশিয়া
  2. ইউরোপ
  3. আফ্রিকা
  4.  উত্তর আমেরিকা
ব্যাখ্যা

• আফ্রিকা মহাদেশ:
- আয়তনে পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাদেশ হল আফ্রিকা মহাদেশ।
- আফ্রিকা মহাদেশের প্রায় মধ্যভাগ দিয়ে বিষুবরেখা বা নিরক্ষরেখা অতিক্রম করেছে।
- এর আয়তন ১১,৭২৪,০০০ বর্গ মাইল (৩০,৩৬৫,০০০ বর্গ কিমি)।
- এ মহাদেশের উত্তরে ভূ-মধ্যসাগর, দক্ষিণে দক্ষিণ মহাসাগর, পূর্বে ভারত মহাসাগর ও লোহিত সাগর এবং পশ্চিমে আটলান্টিক মহাসাগর অবস্থিত।
- আফ্রিকা মহাদেশের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দেশ রয়েছে।
- এই মহাদেশে মোট ৫৪টি দেশ অবস্থিত।
- আয়তনে আফ্রিকার সবচেয়ে বড় দেশ আলজেরিয়া।
- আয়তনে আফ্রিকার সবচেয়ে ছোট দেশ সিচেলিস।

» বিভিন্ন মহাদেশে দেশের সংখ্যা:
• আফ্রিকা - ৫৪টি।
• এশিয়া - ৪৮টি।
• ইউরোপ - ৪৪টি।
• উত্তর আমেরিকা - ২৩টি।
• অস্ট্রেলিয়া/ওশেনিয়া - ১৪টি।
• দক্ষিণ আমেরিকা - ১২টি।

তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড এটলাস।

১৪২.
ফ্রান্স ও ব্রিটেনকে পৃথককারী প্রণালী-
  1. পক প্রণালী
  2. ডোভার প্রণালী
  3. হরমুজ প্রণালী
  4. ডেভিস প্রণালী
ব্যাখ্যা
ডোভার প্রণালী:
- ডোভার প্রণালী গ্রেট ব্রিটেন দ্বীপকে ফ্রান্স থেকে পৃথক করেছে।
- এটি ইংলিশ চ্যানেল তথা আটলান্টিক মহাসাগরের সাথে উত্তর সাগরকে যুক্ত করেছে। 
- ডোভার প্রণালীটি বিশ্বের সবচেয়ে ব্যস্ত সমুদ্রপ্রণালী।
- এখানে প্রতিদিন প্রায় ৪০০ বাণিজ্যিক জাহাজ যাতায়াত করে।

অন্যদিকে -
- ভারত ও শ্রীলঙ্কাকে পৃথক করেছে পক প্রণালী।
- কানাডা ও গ্রিনল্যান্ডের পৃথক করেছে ডেভিস প্রণালী।
- আরব আমিরাত ও ইরানকে পৃথক করেছে হরমুজ প্রণালী।

উৎস: Britannica.
১৪৩.
বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহন ‘চোকপয়েন্ট’ কোনটি?
  1. জিব্রাল্টার প্রণালী
  2. হরমুজ প্রণালী
  3. মালাক্কা প্রণালী
  4. সুয়েজ খাল
ব্যাখ্যা

হরমুজ প্রণালী:
- পারস্য উপসাগর ও ওমান উপসাগরকে সংযুক্ত করেছে হরমুজ প্রণালি।
- এটি আরব উপদ্বীপ থেকে ইরানকে পৃথক করেছে।
- হরমুজ প্রণালির সবচেয়ে সরু অংশের প্রস্থ ৩৩ কিলোমিটার। সবচেয়ে প্রশস্ত অংশ ৯৫ কিলোমিটার।
- এই প্রণালীতে জাহাজ চলাচলের জন্য দুটো লেন রয়েছে এবং প্রতিটি লেন দুই মাইল প্রশস্ত।

উল্লেখ্য,
- এই চ্যানেলটি ৩৪ কিলোমিটার দীর্ঘ।
- পারস্য উপসাগর থেকে ওমান উপসাগর ও ভারত মহাসাগরে জাহাজ প্রবেশের একমাত্র সমুদ্রপথ হলো হরমুজ প্রণালী।
- এর এক পাশে অবস্থিত আরব দেশগুলো, যাদের মধ্যে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র রাষ্ট্রসমূহ, এবং অন্য পাশে রয়েছে ইরান।
- মধ্যপ্রাচ্য থেকে পৃথিবীর বিভিন্ন জায়গায় তেল রপ্তানি করা হয় হরমুজ প্রণালীর মাধ্যমে। এর মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল যায় এশিয়া, ইউরোপ, উত্তর আমেরিকা এবং অন্যান্য জায়গায়।

• যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি তথ্য কর্তৃপক্ষ ইআইএ এই জলপথকে “বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহন চোকপয়েন্ট” হিসেবে বর্ণনা করেছে।
- মার্কিন জ্বালানি তথ্য প্রশাসনের মতে, বিশ্বে প্রতিদিন ব্যবহৃত মোট তেলের প্রায় ২০ শতাংশ এই প্রণালী দিয়ে পরিবহন করা হয়।
- যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক এনার্জি ইনফরমেশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (ইআইএ) এক প্রতিবেদন অনুসারে, এ পথ দিয়ে প্রতিদিন গড়ে ২ কোটি ১০ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত জ্বালানি তেল পরিবাহিত হয়, বৈশ্বিক বাণিজ্যের যা প্রায় ২১ শতাংশ।
- হরমুজ প্রণালি দিয়ে প্রতিদিন প্রায় ২০ মিলিয়ন ব্যারেল তেল এবং তেল পণ্য পরিবহন করা হয়, যা বিশ্বব্যাপী তেল চালানের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ।

উৎস: i) Britannica.
ii) Al Jazeera.
iii) EIA (U.S. Energy Information Administration) ওয়েবসাইট।

১৪৪.
আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগরকে সংযুক্ত করেছে কোন খালটি?
  1. সুয়েজ খাল
  2. পানামা খাল
  3. কিল খাল
  4. হরমুজ প্রণালী
ব্যাখ্যা

• পানামা খাল:
- আটলান্টিক মহাসাগর ও প্রশান্ত মহাসাগরকে যুক্ত করেছে পানামা খাল।
- খালটি উত্তর আমেরিকার দেশ পানামাতে অবস্থিত।
- পানামা খালটির নির্মাণ ১৯০৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের তত্ত্বাবধানে শুরু হয়েছিল এবং ১৯১৪ সালে শেষ হয়েছিল।
- ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত পানামা খালটি আমেরিকার নিয়ন্ত্রণে ছিল।
- ১৯৭৯ সালের পর থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও পানামা প্রজাতন্ত্রের যৌথ সংস্থা খালটির নিয়ন্ত্রণ করে।
- ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৯৯ সালে যুক্তরাষ্ট্র পানামার কাছে খালটি পুরোপুরি হস্তান্তর করে।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।

১৪৫.
শুক্র গ্রহে কত দিনে এক বছর?
  1. ৮৮ দিনে
  2. ১২৫ দিনে
  3. ২২৫ দিনে
  4. ২৫০ দিনে
ব্যাখ্যা
শুক্র (Venus):
- সূর্যকে ঘুরে আসতে শুক্রের সময় লাগে ২২৫ দিন। 
- সুতরাং শুক্রে ২২৫ দিনে এক বছর।
শুক্রের কোনো উপগ্রহ নেই। 

উল্লেখ্য,
• বুধের মতো শুক্র গ্রহকেও ভোরের আকাশে শুকতারা এবং সন্ধ্যার আকাশে সন্ধ্যাতারা হিসেবে দেখা যায়।
- শুকতারা বা সন্ধ্যাতারা আসলে কোনো তারা নয়।
- কিন্তু নক্ষত্রের মতো জ্বলজ্বল করে বলেই আমরা একে ভুল করে তারা বলি।
- শুক্র গ্রহটি ঘন মেঘে ঢাকা।
- তাই এর উপরিভাগ থেকে সূর্যকে কখনই দেখা যায় না।
- শুক্রের মেঘাচ্ছন্ন বায়ুমন্ডল প্রধানত কার্বন ডাইঅক্সাইডের তৈরি।
- এটি সৌরজগতের সবচেয়ে উজ্জ্বল ও সবচেয়ে উত্তপ্ত গ্রহ।
- সূর্য থেকে শুক্র গ্রহের দূরত্ব ১০.৮ কোটি কিলোমিটার।
- এর দিন ও রাতের মধ্যে আলোর বিশেষ কোনো তারতম্য হয় না।
- এখানে বৃষ্টি হয় তবে এসিড বৃষ্টি। শুক্রের ব্যাস ১২,১০৪ কিলোমিটার।

তথ্যসূত্র- ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী।
১৪৬.
কোন প্রণালি প্রশান্ত মহাসাগর ও ভারত মহাসাগরকে যুক্ত করেছে?
  1. পক প্রণালি
  2. জিব্রাল্টার প্রণালি
  3. সুন্দা প্রণালি
  4. ফরমোজা প্রণালি
ব্যাখ্যা

সুন্দা প্রণালী:
- জাভা (পূর্ব) এবং সুমাত্রা দ্বীপপুঞ্জের মধ্যে ১৬-৭০ মাইল প্রশস্ত।
- এটি জাভা সাগর (প্রশান্ত মহাসাগর) এবং ভারত মহাসাগর (দক্ষিণ) কে সংযুক্ত করে। 
- এই প্রণালীর মধ্যে বেশ কয়েকটি আগ্নেয়গিরির দ্বীপ রয়েছে, যার মধ্যে সবচেয়ে বিখ্যাত হল ক্রাকাটোয়া।
- এই প্রণালী ১৯৪২ সালের মার্চ মাসে মিত্রশক্তি এবং জাপানি বাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষের স্থান ছিল।
- সুন্দা প্রণালী হল ভারত মহাসাগরকে পূর্ব এশিয়ার সাথে সংযুক্তকারী একটি গুরুত্বপূর্ণ পথ।

অন্যদিকে, 
- মালাক্কা প্রণালী ভারত মহাসাগর এবং প্রশান্ত মহাসাগরকে সংযুক্ত করে।
- বঙ্গোপসাগর ও মান্নার উপসাগরকে একসঙ্গে যুক্ত করেছে পক প্রণালী।
-  জিব্রাল্টার প্রণালী ভূমধ্যসাগর এবং আটলান্টিক মহাসাগরকে সংযুক্ত করে।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১৪৭.
রাশিয়ার মূল ভূখণ্ড ও ক্রিমিয়াকে পৃথক করেছে কোন প্রণালি?
  1. সিসিলি প্রণালি
  2. কার্চ প্রণালি
  3. মালাক্কা প্রণালি
  4. জিব্রাল্টার প্রণালি
ব্যাখ্যা
• প্রণালি:
- কার্চ প্রণালি রাশিয়ার মূল ভূখণ্ড থেকে রাশিয়া অধিকৃত ক্রিমিয়া উপদ্বীপকে পৃথক করেছে।
- কৃষ্ণসাগর ও অ্যাজভ সাগর কার্চ প্রণালি দ্বারা পরস্পরের সাথে যুক্ত।
- ইউক্রেনের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে কার্চ প্রণালির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।

অন্যদিকে,
- জিব্রাল্টার প্রণালি আফ্রিকা থেকে ইউরোপকে পৃথক করেছ এবং ভূমধ্যসাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরকে সাগরকে সংযুক্ত করেছে।
- মালাক্কা প্রণালি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াতে মালয় উপদ্বীপ এবং ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপের মধ্যে অবস্থিত একটি সমুদ্রপ্রণালী ।

উৎস: ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস এবং Britannica.Com
১৪৮.
৪৯তম সমান্তরাল রেখা কোন দুটি দেশের সীমানা হিসেবে পরিচিত? 
  1. উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়া
  2. যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা
  3. উত্তর ও দক্ষিণ ভিয়েতনাম
  4. জার্মানি ও পোল্যান্ড
ব্যাখ্যা

 ৪৯তম সমান্তরাল রেখা:
- ৪৯তম সমান্তরাল রেখা হলো উত্তর গোলার্ধের একটি অক্ষাংশ রেখা যা বিষুবরেখা থেকে ৪৯ ডিগ্রি উত্তরে অবস্থিত।
- এটি মূলত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং কানাডা-র মধ্যবর্তী আন্তর্জাতিক সীমানা হিসেবে বিশ্বব্যাপী পরিচিত।
- বিখ্যাত নাম: এটিকে প্রায়ই 'বিশ্বের দীর্ঘতম অরক্ষিত সীমান্ত' (The world's longest undefended border) বলা হয়।
- দৈর্ঘ্য: যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার মধ্যকার এই সীমান্ত রেখাটি প্রায় ২,০০০ কিলোমিটার (১,২৩০ মাইল) দীর্ঘ।

• ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট:
- ব্রিটিশ এবং মার্কিন সরকারের মধ্যে দীর্ঘ বিতর্কের পর ওরেগন চুক্তির মাধ্যমে রকি পর্বতমালা থেকে প্রশান্ত মহাসাগর (জর্জিয়া প্রণালী) পর্যন্ত ৪৯তম সমান্তরালকে সীমানা হিসেবে চূড়ান্ত করা হয়।

• কয়েকটি সীমারেখা: 
- রেডক্লিফ লাইন (Radcliffe Line): ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যবর্তী সীমানা।
- ম্যাকমোহন লাইন (McMahon Line): ভারত ও চীনের মধ্যবর্তী সীমারেখা (মূলত অরুণাচল প্রদেশ অংশে)।
- ডুরান্ড লাইন (Durand Line): পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যকার সীমানা।
- ৩৮তম সমান্তরাল রেখা (38th Parallel): উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যকার সীমানা।
- ৪৯তম সমান্তরাল রেখা (49th Parallel): যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার মধ্যবর্তী সীমানা (এটি বিশ্বের দীর্ঘতম নিরবচ্ছিন্ন সীমানা)।
- হিন্ডেনবার্গ লাইন (Hindenburg Line): জার্মানি ও পোল্যান্ডের মধ্যবর্তী সীমারেখা।
- ম্যাজিনো লাইন (Maginot Line): ফ্রান্স ও জার্মানির মধ্যবর্তী সীমানা।
-  ১৭তম সমান্তরাল রেখা: উত্তর ও দক্ষিণ ভিয়েতনামের মধ্যকার পূর্ববর্তী সীমানা (বর্তমানে এটি কার্যকর নয় কারণ ভিয়েতনাম এখন একীভূত)।
- লাইন অফ কন্ট্রোল (LoC): ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার কাশ্মীর অঞ্চলের অঘোষিত সীমানা।
- লাইন অফ অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোল (LAC): ভারত ও চীনের মধ্যকার বিতর্কিত সীমান্ত এলাকা।

উৎস: ব্রিটানিকা এবং ওয়ার্ল্ড এটলাস।

১৪৯.
ভারত ও চীনের মধ্যে অবস্থিত সীমানা কী নামে পরিচিত?
  1. ডুরান্ড লাইন
  2. ম্যাকমোহন লাইন
  3. লাইন অব কন্ট্রোল
  4. রেডক্লিফ লাইন
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন দেশের সীমানা:
- পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে সীমানা: ডুরান্ড লাইন।
- ভারত ও চীনের মধ্যে সীমানা: ম্যাকমোহন লাইন / লাইন অব একচুয়াল কন্ট্রোল।
- ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সীমারেখা: রেডক্লিফ লাইন।
- পর্তুগাল ও স্পেনের মধ্যে সীমানা: লাইন অব ডিমারকেশন।
- ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সীমানা: লাইন অব কন্ট্রোল।
- ইসরাইল ও সিরিয়ার মধ্যে সীমানা: পার্পল লাইন।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
১৫০.
রাশিয়া ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে আলাদা করেছে কোন প্রণালী? 
  1. পক প্রণালী
  2. জিব্রাল্টার প্রণালী
  3. বসফরাস প্রণালী
  4. বেরিং প্রণালী
ব্যাখ্যা

• বেরিং প্রণালী:
- বেরিং প্রণালী হল প্রশান্ত মহাসাগরের সবচেয়ে উত্তরের অংশ এবং এশিয়া ও উত্তর আমেরিকাকে, বিশেষ করে রাশিয়া ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে আলাদা করেছে।
- বেরিং প্রণালী এবং সাগর উভয়েরই নামকরণ করা হয়েছিল ভিটাস বেরিংয়ের সম্মানে।
- বেরিং প্রণালী তুলনামূলকভাবে অগভীর, যার গড় গভীরতা ৫০ মিটার। এটি গভীরতম বিন্দুতে মাত্র
৯০ মিটার গভীর।
- প্রণালীতে ডায়োমেড দ্বীপপুঞ্জ এবং সেন্ট লরেন্স দ্বীপপুঞ্জসহ অসংখ্য দ্বীপ রয়েছে।

• 'পক প্রণালি':  
- 'পক প্রণালি' পৃথক করেছে ভারত  ও শ্রীলংকাকে এবং সংযুক্ত করেছে ভারত মহাসাগর  ও আরব সাগরকে। 
- প্রণালিটি ৬৪ থেকে ১৩৭ কিলোমিটার বা ৪০ থেকে ৮৫ মাইল প্রশস্ত। 
- ব্রিটিশ ভারতের মাদ্রাজ প্রেসিডেন্সির গভর্নর রবার্ট পকের নামে এই প্রণালির নামকরণ করা হয়েছিল।
- তামিলনাড়ুর ভাইগাই নদী এই প্রণালিতে পতিত হয়েছে। 

• জিব্রাল্টার প্রণালী:
- জিব্রাল্টার প্রণালী ইউরোপ থেকে আফ্রিকাকে পৃথক করেছে।
- ভূমধ্যসাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরকে যুক্ত করেছে।
- যুক্ত করেছে: ভূমধ্যসাগরকে পশ্চিমে আটলান্টিক মহাসাগরের সাথে সংযোগকারী সমুদ্র প্রণালী।
- এটি উত্তর আফ্রিকাকে দক্ষিণ-পশ্চিম ইউরোপের আইবেরীয় উপদ্বীপ থেকে পৃথক করেছে।
- প্রণালীটি মরক্কো ও স্পেনকে পৃথক করে।

• বসফরাস প্রণালী:
- বসফরাস প্রণালী এশিয়া ও ইউরোপের মধ্যবর্তী অঞ্চলের একটি অংশের সীমানা নির্দেশ করে।
- এটি তুরস্কের ইস্তানবুল শহরকে পৃথক করেছে।
- প্রণালীটিকে তাই ইস্তাম্বুল প্রণালীও বলা হয়।
- এই প্রণালীটি বিশ্বের নৌ চলাচলের ব্যবহৃত সবচেয়ে সরু জলপথ।
- মর্মর সাগর ও কৃষ্ণ সাগরকে যুক্ত করেছে বসফরাস প্রণালী।
- এই প্রণালী এশিয়া থেকে ইউরোপকে পৃথক করেছে।

তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড এটলাস ও ব্রিটিনিকা। 

১৫১.
জিব্রাল্টার প্রণালী কোন দুটি মহাদেশকে পৃথক করেছে?
  1. এশিয়া ও আফ্রিকা
  2. উত্তর আমেরিকা ও ইউরোপ
  3. ইউরোপ ও আফ্রিকা
  4. এশিয়া ও আফ্রিকা
ব্যাখ্যা

জিব্রাল্টার প্রণালী:
- জিব্রাল্টার প্রণালী ইউরোপ থেকে আফ্রিকাকে পৃথক করেছে।
- ভূমধ্যসাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরকে সংযোজনকারী একমাত্র প্রাকৃতিক পথ।
- জিব্রাল্টার প্রণালী পূর্বে ভূমধ্যসাগরকে পশ্চিমে আটলান্টিক মহাসাগরের সাথে সংযোগকারী সমুদ্র প্রণালী।
- এটি উত্তর আফ্রিকাকে দক্ষিণ-পশ্চিম ইউরোপের আইবেরীয় উপদ্বীপ থেকে পৃথক করেছে।
- প্রণালীটি মরক্কো ও স্পেনকে পৃথক করে।
- যার গড় গভীরতা ১,২০০ ফুট (৩৬৫ মিটার)।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

১৫২.
কোন প্রণালী আফ্রিকাকে স্পেন থেকে আলাদা করেছে?
  1. বাব এল মান্দেব প্রণালী
  2. মালাক্কা প্রণালী
  3. জিব্রাল্টার প্রণালী
  4.  বেরিং প্রণালী
ব্যাখ্যা

• জিব্রাল্টার প্রণালী :
- ভূমধ্যসাগরকে আটলান্টিক মহাসাগরের সাথে সংযুক্তকারী চ্যানেল ,
- এটি স্পেন এবং আফ্রিকার মধ্যে অবস্থিত।
- এটি ইউরোপ এবং আফ্রিকা মহাদেশকে বিভক্ত করে।

• বাব এল মান্দেব প্রণালী :
- লোহিত সাগর এবং এডেন সাগর কে যুক্ত করে।
- আফ্রিকা এবং এশিয়া মহাদেশ কে বিভক্ত করে।

• মালাক্কা প্রণালী :
- আন্দামান সাগর ( ভারত মহাসাগর ) এবং দক্ষিণ চীন সাগর ( প্রশান্ত মহাসাগর ) এর মধ্যে সংযোগকারী জলপথ ।
- এটি সুমাত্রা এবংমালয়েশিয়া পৃথক করে।

•  বেরিং প্রণালী :
- এশিয়া ও উত্তর আমেরিকা মহাদেশকে বিভক্ত করে।
- প্রশান্ত মহাসাগর এবং উত্তর মহাসাগরকে যুক্ত করে।

উৎস: ব্রিটানিকা এবং worldatla.

১৫৩.
সাড়ে ২৩° উত্তর অক্ষরেখা কী নামে পরিচিত?
  1. অক্ষরেখা
  2. বিষুবরেখা
  3. কর্কটক্রান্তি রেখা
  4. মকরক্রান্তি রেখা
ব্যাখ্যা
কর্কটক্রান্তি রেখা:
- বাংলাদেশ ট্রপিক অব ক্যানসার বা কর্কটক্রান্তি রেখার উপর অবস্থিত।
- সাড়ে ২৩° উত্তর অক্ষরেখা কর্কটক্রান্তি রেখা নামে পরিচিত।
- এটি বাংলাদেশের পূর্ব-পশ্চিম বরাবর প্রায় মধ্যভাগ দিয়ে অতিক্রম করেছে।
- এছাড়াও বাংলাদেশের উপর দিয়ে ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমারেখা অতিক্রম করেছে।
- ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা উপজেলায় কর্কটক্রান্তি রেখা ও ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমা রেখা পরস্পরকে ছেদ করেছে।

উল্লেখ্য,
- ভূ-পৃষ্ঠের যে কোনো স্থানে নিরক্ষরেখার সাথে পৃথিবীর কেন্দ্র বিন্দুতে সৃষ্ট কৌণিক দূরত্বকে অক্ষাংশ বলে এবং যে কাল্পনিক রেখার মাধ্যমে একে প্রকাশ করা হয়, তাকে অক্ষরেখা বলে। 
- নিরক্ষরেখা বা বিষুবরেখা একটি কাল্পনিক রেখা যা পৃথিবীর মাঝ বরাবর এবং উত্তর মেরু এবং দক্ষিণ মেরু থেকে সমান দুরত্বে কল্পনা করা হয় এবং যা পৃথিবীকে দক্ষিণ গোলার্ধ এবং উত্তর গোলার্ধে ভাগ করে।
- দক্ষিণ গোলার্ধে ২৩.৫° দক্ষিণ অক্ষরেখা বা ২৩°৩০′ দক্ষিণ অক্ষাংশকে মকরক্রান্তি রেখা নামে অভিহিত করা হয়।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া।
১৫৪.
আফ্রিকা মহাদেশকে ইউরোপ থেকে পৃথক করেছে-
  1. বেরিং প্রণালী
  2. ডোভার প্রণালী
  3. দার্দানেলিস প্রণালী
  4. জিব্রাল্টার প্রণালী
ব্যাখ্যা

• জিব্রাল্টার প্রণালী:
- আটলান্টিক মহাসাগরের সাথে ভূমধ্যসাগরের সংযোগকারী চ্যানেল।
- আফ্রিকা মহাদেশকে - ইউরোপ থেকে পৃথক করেছে এটি।
- স্পেন এবং মরক্কোকে পৃথক করেছে।
- মরক্কোর একটি স্প্যানিশ এক্সক্লেভ; বা জেবেল মুসা (মুসা), মরক্কোতে।
- উত্তর আফ্রিকার এটলাস পর্বতমালা এবং স্পেনের উচ্চ মালভূমি দ্বারা গঠিত চাপের গভীরতায় প্রণালীটি ।
- এর গড় ১২০০ ফুট গভীরতা।

অপরদিকে,
• ডোভার প্রণালী:
- পথক করেছে: ফ্রান্স - ব্রিটেন।
- সংযুক্ত করেছে: ইংলিশ চ্যানেল ও উত্তর সাগর।

• দার্দানেলিস প্রণালী:
- পথক করেছে: এশিয়া - ইউরোপ।
- সংযুক্ত করেছে: ইজিয়ান সাগর - মরমর সাগর।

• বেরিং প্রণালী:
- পথক করেছে: আমেরিকা - এশিয়া।
- সংযুক্ত করেছে: উত্তর সাগর বেরিং সাগর।

উৎস: Britannica.

১৫৫.
গ্রিনিচ মানমন্দির কোথায় অবস্থিত?
  1. রাশিয়া
  2. যুক্তরাজ্য
  3. গ্রিস
  4. যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
• গ্রিনিচ মান:
- গ্রিনিচ মানমন্দির যুক্তরাজ্যের লন্ডন শহরে অবস্থিত।
- এর উপর দিয়ে মূল মধ্যরেখা বা শূন্য ডিগ্রী দ্রাঘিমারেখা গিয়েছে।
- ১৮৮৪ সালের ১ নভেম্বর জিএমটি আন্তর্জাতিকভাবে প্রমাণ সময় হিসেবে গৃহিত হয় ৷
- তবে ১৯৭২ সালে GMT এর পরিবর্তে আন্তর্জাতিক প্রমাণ সময় হিসেবে UTC (Coordinated Universal Time) গৃহিত হয়।
- গ্রিনিচ মানমন্দির অফিসিয়াল টাইম জোন হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- বাংলাদেশের সাথে যুক্তরাজ্যের গ্রিনিচ মানমন্দিরের সময়ের পার্থক্য +৬ ঘণ্টা। অর্থাৎ, ৬ ঘণ্টা আগে।
- পৃথিবীতে প্রতি ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্যে সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট করে।
- সেজন্যে বাংলাদেশ মূল মধ্যরেখা বা গ্রিনিচ মানমন্দির থেকে ৯০ ডিগ্রি পূর্বদিকে অবস্থিত হওয়ায় বাংলাদেশের সাথে গ্রিনিচের সময়ের পার্থক্য ৯০ x ৪ = ৩৬০ মিনিট বা ৬ ঘণ্টা।
- গ্রিনিচের পূর্ব দিকে অবস্থিত স্থানগুলোর সময় গ্রিনিচের থেকে এগিয়ে থাকে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১৫৬.
নিচের কোন প্রণালী 'Gate of Tears' নামে পরিচিত?
  1. হরমুজ প্রণালী
  2. পক প্রণালী
  3. জিব্রাল্টার প্রণালী
  4. বাব এল-মান্দেব প্রণালী
ব্যাখ্যা
⇒ বাব এল-মান্দেব প্রণালী 'Gate of Tears' নামে পরিচিত।

বাব এল-মান্দেব প্রণালী:
- বাব এল-মান্দেব প্রণালী, আরবি বাব আল-মান্দব, আরব এবং আফ্রিকা (দক্ষিণ-পশ্চিম) মধ্যবর্তী প্রণালী।
- প্রণালীটির মোট দৈর্ঘ্য, পূর্ব-উত্তর-পূর্ব থেকে পশ্চিম-দক্ষিণ-পশ্চিমে পরিমাপ করা হয় ১৪৮০ কিমি, এবং এর গড় প্রস্থ, উত্তর-উত্তর-পূর্ব থেকে দক্ষিণ-দক্ষিণ-পশ্চিমে পরিমাপ করা হয় ৪৮০ কিমি।
- এটি লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগর এবং ভারত মহাসাগর (দক্ষিণ-পূর্ব) এর সাথে সংযুক্ত করে।
- প্রণালীটি এডেন উপসাগর, গভীর জলের অববাহিকা যা লোহিত সাগর এবং আরব সাগরের মধ্যে একটি প্রাকৃতিক সমুদ্র সংযোগ তৈরি করে।
- এশিয়া-আফ্রিকা মহাদেশকে পৃথক করেছে বাব এল-মান্দেব প্রণালী।
- প্রণালীটি ৩২ কিমি প্রশস্ত এবং পেরিম দ্বীপ দ্বারা দুটি চ্যানেলে বিভক্ত।পশ্চিম চ্যানেলটি ২৬কিমি জুড়ে এবং পূর্ব দিকে ৩ কিমি প্রশস্ত।
- সুয়েজ খাল নির্মাণের সাথে, প্রণালীটি ভূমধ্যসাগর এবং পূর্ব এশিয়ার মধ্যে সংযোগের একটি অংশ গঠন করে।
- প্রণালীটির আরবি নামের অর্থ ‘কান্নার দ্বার’।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
১৫৭.
কোন প্রণালী দ্বারা তুরস্কের ইস্তানবুল শহর পৃথক হয়েছে?
  1. জাভা প্রণালী
  2. বসফরাস প্রণালী
  3. সুন্দা প্রণালী
  4. জিব্রাল্টার প্রণালী
ব্যাখ্যা
তুরস্ক:
- তুরস্ককে বলা হয় ইউরেশিয়ান রাষ্ট্র।
- এর ইস্তানবুল শহরের একাংশ পড়েছে ইউরোপে এবং বাকি অংশ পড়েছে এশিয়ায়।
- এটি বিচ্ছিন্ন হয়েছে বসফরাস প্রণালী দ্বারা।
- তাই ইস্তানবুল শহরকে ইউরেশিয়ান শহর বলা হয়।
- ইস্তানবুল শহরের পূর্বনাম কনস্ট্যান্টিনোপল।

উল্লেখ্য,
- বসফরাস প্রণালি তুরস্কের ইস্তানবুল শহরে অবস্থিত।
- কৃষ্ণসাগর ও ভূমধ্যসাগরকে যুক্ত করেছে বসফরাস প্রণালি।

উৎস: Britannica. 
১৫৮.
২৩°.৩০' দক্ষিণ অক্ষরেখার অপর নাম কী?
  1. সুমেরুবৃত্ত
  2. মকরক্রান্তি রেখা
  3. কর্কটক্রান্তি রেখা
  4. কুমেরুবৃত্ত
ব্যাখ্যা
• মকরক্রান্তি রেখা: ২৩.৫° বা ২৩°.৩০' দক্ষিণ অক্ষরেখা।

অন্যদিকে,
- কর্কটক্রান্তি রেখা: ২৩.৫° উত্তর অক্ষরেখা।
- সুমেরুবৃত্ত: ৬৬.৫° উত্তর অক্ষরেখা।
- কুমেরুবৃত্ত: ৬৬.৫° দক্ষিণ অক্ষরেখা।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া।
১৫৯.
এশিয়াকে ইউরোপ থেকে পৃথক করেছে কোন প্রণালী?
  1. বেরিং প্রণালী 
  2. হরমুজ প্রণালী 
  3. ফ্লোরিডা প্রণালী
  4. বসফরাস প্রণালী
ব্যাখ্যা

বসফরাস প্রণালী:
- পৃথক করেছে: এশিয়া ও ইউরোপ।
- সংযুক্ত করেছে: কৃষ্ণ সাগর ও মরমর সাগর।
- বসফরাস প্রণালী ১৯ মাইল দীর্ঘ এবং এর সর্বোচ্চ প্রস্থ উত্তর প্রান্তে ২.৩ মাইল।

অপরদিকে,
- বেরিং প্রণালী: আমেরিকা-এশিয়া পৃথক করেছে।
- হরমুজ প্রণালী: ইরান-আরব আমিরাত পৃথক করেছে।
- ফ্লোরিডা প্রণালী: কিউবা-ফ্লোরিডা পৃথক করেছে।

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।

১৬০.
'লাইন অব ডিমারকেশন' কোন দুইটি দেশের আন্তর্জাতিক সীমারেখা?
  1. ভারত ও চীন
  2. পর্তুগাল ও স্পেন
  3. ভারত ও পাকিস্তান
  4. পাকিস্তান ও আফগানিস্তান
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক সীমারেখা:
- ম্যাগিনট লাইন: জার্মানি ও ফ্রান্স,
- ম্যানারহেম রেখা: রাশিয়া ও ফিনল্যান্ড,
- লাইন অব ডিমারকেশন: পর্তুগাল ও স্পেন,
- সিগফ্রেড লাইন: জার্মানি ও ফ্রান্স,
- হিনডেন বার্গ লাইন: জার্মানি ও পোল্যান্ড।
- ম্যাকমোহন লাইন: ভারত ও চীন,
- র‍্যাডক্লিফ লাইন: ভারত ও পাকিস্তান,
- ডুরান্ড লাইন: পাকিস্তান ও আফগানিস্তান,
- তিন বিঘা করিডোর: ভারত ও বাংলাদেশ,
- লাইন অব কন্ট্রোল (LOC ): ভারত ও পাকিস্তান,
- লাইন অব অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোল (LAC ): ভারত ও চীন,
- ১০ ডিগ্রী চ্যানেল: আন্দামান ও নিকোবর,
- ১৬তম প্যারালাল: নামিবিয়া ও অ্যাঙ্গোলা,
- ১৭তম প্যারালাল: উত্তর ভিয়েতনাম ও দক্ষিণ ভিয়েতনাম,
- ২৪তম প্যারালাল: ভারত ও পাকিস্তান,
- ২৮তম প্যারালাল: ভারত ও পাকিস্তান,
- ৩৭তম প্যারালাল: ভারত ও মায়ানমার,
- ৩৮তম প্যারালাল: উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়া,
- ৪৯তম প্যারালাল: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা,
- ৮⁰ চ্যানেল: ভারত (মিনিকয় দ্বীপ) ও মালদ্বীপ,
- ইংলিশ চ্যানেল: ইংল্যান্ড ও ফ্রান্স,
- ওডার-নাইসে লাইন: পূর্বতন পূর্ব জার্মানি ও পোল্যান্ড,
- গ্রেট চ্যানেল: ভারত (আন্দামান, নিকোবর) ও সুমাত্রা,
- ডানকান প্যাসেজ: গ্রেট আন্দামান ও লিটন আন্দামান,

তথ্যসূত্র: i) Britannica.
ii) WorldAtlas.
১৬১.
'নিশিথ সূর্যের দেশ' হিসেবে পরিচিত কোন দেশ?
  1. নরওয়ে
  2. জাপান
  3. ফিনল্যান্ড
  4. কানাডা 
ব্যাখ্যা
'নিশিথ সূর্যের দেশ':

• নরওয়েকে 'নিশিথ সূর্যের দেশ' বলা হয়। 
• নরওয়ে উত্তর মেরুতে অবস্থিত হওয়ায় মে থেকে জুলাই মাস পর্যন্ত সূর্য অস্ত যায় না। ফলে সবসময়ই আকাশ আলোকিত রাখে, অর্থাৎ এ সময় এখানে সূর্য কখনো সম্পূর্ণ অস্তমিত হয় না । 
• নরওয়ে'তে নভেম্বর থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত সূর্য ওঠে না।  

- অপরদিকে,
• সাদা হাতির দেশ বলা হয় - থাইল্যান্ডকে। 
• সূর্যোদয়ের দেশ - জাপান। 
• ম্যাপল পাতার দেশ - কানাডা।  
• হাজার হ্রদের দেশ - ফিনল্যান্ড।  

তথ্যসূত্র: ব্রিটিনিকা।
১৬২.
ভারত মহাসাগর এবং দক্ষিণ চীন সাগরকে সংযোগকারী জলপথ কোনটি?
  1. মালাক্কা প্রণালী
  2. পক প্রণালী
  3. হরমুজ প্রণালী
  4. ডোভার প্রণালী
ব্যাখ্যা

মালাক্কা প্রণালী:
- এটি ভারত মহাসাগর এবং দক্ষিণ চীন সাগরকে সংযোগকারী জলপথ।
- মালাক্কা প্রণালী সুমাত্রা এবং মালয় উপদ্বীপের মধ্যে অবস্থিত।
- এর আয়তন প্রায় ২৫,০০০ বর্গ মাইল (৬৫,০০০ বর্গ কিমি)।
- প্রণালীটি ৫০০ মাইল (৮০০ কিমি) দীর্ঘ।
- এটি দক্ষিণে মাত্র ৪০ মাইল (৬৫ কিমি) ও উত্তরে ১৫৫ মাইল (২৪৯ কিমি) পর্যন্ত বিস্তৃত।
- প্রণালীটি বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ভ্রমণকারী শিপিং চ্যানেলগুলির মধ্যে একটি।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

১৬৩.
অস্ট্রেলিয়ার ভৌগলিক উপনাম কী?
  1. ম্যাপল পাতার দেশ
  2. ভূমিকম্পের দেশ
  3. হাজার হ্রদের দেশ
  4. ক্যাঙ্গারুর দেশ
ব্যাখ্যা

• ভৌগলিক উপনাম:
- অস্ট্রেলিয়া হলো ওশেনিয়া মহাদেশে অবস্থিত একটি দেশ।
- অস্ট্রেলিয়াকে ওশেনিয়া মহাদেশে অবস্থিত দ্বীপ ও বলা যায়।
- এই দ্বীপটি ভারত মহাসাগর ও দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরের মধ্যে অবস্থিত।
- অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে প্রচলিত ভৌগোলিক উপনাম হলো “ক্যাঙ্গারুর দেশ” এবং “The Land Down Under”.
- দেশটিতে ক্যাঙ্গারুর প্রচুরতার কারণে অস্ট্রেলিয়াকে ক্যাঙ্গারুর দেশ বলা হয়।
- আর ডাউন আন্ডার নির্দেশ করে অস্ট্রেলিয়া দক্ষিণ গোলার্ধে অবস্থিত।
- এছাড়া দেশটিকে আরও কিছু নামেও ডাকা হয়-
• Straya,
• Aussie,
• the Great Southern Land,
• the Sunburnt Country,
•  the Wide Brown Land. 

অন্যদিকে,
• ম্যাপল পাতার দেশ বলা হয়- কানাডাকে।
• ভূমিকম্পের দেশ বলা হয়- জাপানকে।
• হাজার হ্রদের দেশ বলা হয়- ফিনল্যান্ডকে।

উৎস: Britannica. 

১৬৪.
জিব্রাল্টার প্রণালী পৃথক করেছে-
  1. ইতালি-সিসিলি
  2. আফ্রিকা-স্পেন
  3. ফ্রান্স-ব্রিটেন
  4. আমেরিকা-এশিয়া
ব্যাখ্যা

• জিব্রাল্টার:
- ভূমধ্যসাগরের তীরে স্পেন উপকূলে ব্রিটিশ শাসিত একটি ভূখণ্ড জিব্রাল্টার।
- অঞ্চলটি ব্রিটিশদের অন্যতম সামরিক ও নৌঘাঁটি।
- এর ওপর আধিপত্য বিস্তার করে আছে ‘রক অব জিব্রাল্টার’, যার পাদদেশে প্রায় ৩৪ হাজার মানুষের বসবাস।
- জিব্রাল্টার নামটি নেওয়া হয়েছে আরবি জবাল তারিক বা তারিকের পাহাড় থেকে। 
- ১৭০৪ সালে স্পেনের কাছ থেকে জ্রিব্রাল্টার দখল করে ব্রিটিশরা।
- এর পর থেকেই অঞ্চলটি ব্রিটিশদের দখলে।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় এটি রয়েল নেভির গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটি ছিল।
- জিব্রাল্টার প্রণালি বা স্ট্রেইট অব জিব্রাল্টার নামে পরিচিত প্রণালিটির পশ্চিমে আটলান্টিক মহাসাগর আর পূর্বে ভূমধ্যসাগর।
- এটি আটলান্টিক মহাসাগরকে ভূমধ্যসাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে।
- আর পৃথক করেছে ইউরোপের স্পেন এবং আফ্রিকার মরক্কোকে।
- জিব্রাল্টার প্রণালির দৈর্ঘ্য ৬০ কিলোমিটার এবং প্রস্থ ১৪.৩ কিলোমিটার।
- বর্তমানেও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য এই প্রণালি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

 তথ্যসূত্র: Britannica

১৬৫.
ইউরোপ এবং এশিয়া মহাদেশ কে বিভক্ত করে কোন প্রণালী?
  1. হরমুজ প্রণালী
  2. জিব্রাল্টার প্রণালী
  3. বাব এল মান্দেব প্রণালী 
  4. বসফরাস প্রণালী
ব্যাখ্যা

• বসফরাস প্রণালী:
- দারদানেলিস এবং  মারমারা সাগরের পাশাপাশি বসফরাস প্রণালী তুর্কি ভূখণ্ডের মধ্যে অবস্থিত।
- এই প্রণালীটি উত্তর-পশ্চিম তুরস্কে অবস্থিত এবং থ্রেসকে আনাতোলিয়া থেকে পৃথক করে।
- এটি বিশ্বের সবচেয়ে সরু প্রণালী, যা কৃষ্ণ সাগরকে মারমারা সাগরের সাথে সংযুক্ত করে।
- মারমারা সাগর দারদানেলিস প্রণালীর মাধ্যমে ভূমধ্যসাগর এবং এজিয়ান সাগরের সাথে সংযুক্ত । 
- প্রণালীটি ইউরেশিয়ার পশ্চিম অংশ দখল করে এবং এশিয়া ও ইউরোপের মধ্যে সীমানা তৈরি করে উভয় মহাদেশ কে বিভক্ত করে।

• বাব এল মান্দেব প্রণালী :
- লোহিত সাগর এবং এডেন সাগর কে যুক্ত করে।
- আফ্রিকা এবং এশিয়া মহাদেশ কে বিভক্ত করে।

• ​জিব্রাল্টার প্রণালী:
​ভূমধ্যসাগরকে আটলান্টিক মহাসাগরের সাথে সংযুক্তকারী চ্যানেল ,
- স্পেন এবং আফ্রিকার মধ্যে অবস্থিত।
- ইউরোপ এবং আফ্রিকা মহাদেশকে বিভক্ত করে।

• হরমুজ প্রণালী:
​পারস্য উপসাগর (পশ্চিম) এবং আরব সাগর ( দক্ষিণ-পূর্ব) এর সাথে সংযুক্তকারী চ্যানেল ।
- এই প্রণালীটি ৩৫ থেকে ৬০ মাইল (৫৫ থেকে ৯৫ কিমি) প্রশস্ত এবং ইরানকে (উত্তর) আরব উপদ্বীপ (দক্ষিণ) থেকে পৃথক করে।

​উৎস: ব্রিটানিকা।

১৬৬.
ইউরোপের প্রবেশদ্বার বলা হয় কোন শহরকে?
  1. বার্ন
  2. মস্কো
  3. ভিয়েনা
  4. প্যারিস
ব্যাখ্যা
ভৌগোলিক প্রবেশদ্বার সমূহ:
- ভিয়েনা শহরকে 'ইউরোপের প্রবেশদ্বার' বলা হয়।
- বাংলাদেশের প্রবেশদ্বার বলা হয় চট্টগ্রামকে।
- ভারতের প্রবেশদ্বার বলা হয় মুম্বাইকে।
- পাকিস্তানের প্রবেশদ্বার বলা হয় করাচিকে।
- ভূমধ্যসাগরের প্রবেশদ্বার বলা হয় জিব্রাল্টারকে।

উৎস: worldatlus.
১৬৭.
শারদ বিষুব কোন তারিখে ঘটে?
  1. ২১ মার্চ
  2. ২১ জুন
  3. ২৩ সেপ্টেম্বর
  4. ২২ ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা

বাসন্ত বিষুব (Vernal Equinox) ও শারদ বিষুব (Autumnal Equinox): 
​- ২১শে মার্চ ও ২৩শে সেপ্টেম্বর সূর্য নিরক্ষরেখার (০০) উপর লম্বভাবে কিরণ দেয় বলে এই দুই দিন পৃথিবীর সর্বত্র দিন-রাত্রির দৈর্ঘ্য সমান হয়।
​-  একে বিষুব (Equinox) বলা হয়। 
​- ২১শে মার্চ উত্তর গোলার্ধে বসন্তকাল থাকায় এই উত্তর গোলার্ধে বিষুব 'বাসন্ত বিষুব' (Vernal Spring Equinox) নামে অভিহিত।
​- অপরদিকে ২৩শে সেপ্টেম্বর উত্তর গোলার্ধে শরৎকাল বিরাজ করায় উত্তর গোলার্ধে এই বিষুব 'শারদ বিষুব' (Autumnal Equinox) নামে অভিহিত হয়।
​- প্রকৃতপক্ষে, বাসন্ত বিষুব ও শারদ বিষুব উভয় গোলার্ধের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। 
​- একটি গোলার্ধে বিষুব অবস্থা চলাকালীন যে ঋতু বিরাজ করে, উক্ত ঋতু অনুসারে ঐ গোলার্ধে বাসন্ত বা শারদ বিষুব হয়।

​তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৬৮.
ইউরোপ থেকে আফ্রিকাকে পৃথক করেছে -
  1. জিব্রাল্টার প্রণালী
  2. পক প্রণালী
  3. বেরিং প্রণালী
  4. বাব এল-মান্দেব প্রণালী
  5. ডোভার প্রণালী
ব্যাখ্যা

জিব্রাল্টার প্রণালী:
- জিব্রাল্টার প্রণালী ইউরোপ থেকে আফ্রিকাকে পৃথক করেছে।
- ভূমধ্যসাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরকে সংযোজনকারী একমাত্র প্রাকৃতিক পথ।
- জিব্রাল্টার প্রণালী পূর্বে ভূমধ্যসাগরকে পশ্চিমে আটলান্টিক মহাসাগরের সাথে সংযোগকারী সমুদ্র প্রণালী।
- এটি উত্তর আফ্রিকাকে দক্ষিণ-পশ্চিম ইউরোপের আইবেরীয় উপদ্বীপ থেকে পৃথক করেছে।
- প্রণালীটি মরক্কো ও স্পেনকে পৃথক করে।
- যার গড় গভীরতা ১,২০০ ফুট (৩৬৫ মিটার)।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

১৬৯.
ডোভার প্রণালী যুক্ত করেছে -
  1. ভূমধ্যসাগর ও আটলান্টিক
  2. উত্তর সাগর ও আটলান্টিক মহাসাগর
  3. বাল্টিক সাগর ও উত্তর সাগর
  4. কৃষ্ণ সাগর ও ভূমধ্যসাগর
ব্যাখ্যা

ডোভার প্রণালী:
- ডোভার প্রণালী যুক্তরাজ্যকে ফ্রান্স থেকে পৃথক করেছে।
- এটি ইংলিশ চ্যানেল তথা আটলান্টিক মহাসাগরের সাথে উত্তর সাগরকে যুক্ত করেছে। 
- প্রণালীটি ১৮ থেকে ২৫ মাইল (৩০ থেকে ৪০ কিমি) প্রশস্ত।
- এর গভীরতা ১২০ থেকে ১৮০ ফুট (৩৫ থেকে ৫৫ মিটার) পর্যন্ত। 
- ডোভার প্রণালীটি বিশ্বের সবচেয়ে ব্যস্ত সমুদ্রপ্রণালী।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

১৭০.
হাজার হ্রদের দেশ বলা হয় কোন দেশ কে?
  1. নরওয়ে
  2. ফিনল্যান্ড
  3. তাইওয়ান
  4. নিউজিল্যান্ড
ব্যাখ্যা
• ফিনল্যান্ড উত্তর-পশ্চিম ইউরোপে বাল্টিক সাগরের উপকূলে অবস্থিত একটি রাষ্ট্র।
- ফিনল্যান্ড ইউরোপের সবচেয়ে উত্তরে অবস্থিত দেশগুলোর একটি।
- হাজার হ্রদের দেশ: ফিনল্যান্ড।

→ বিভিন্ন দেশের ভৌগলিক উপনাম:
- বজ্রপাতের দেশ: ভুটান।
- সূর্যোদয়ের দেশ: জাপান।
- নিষিদ্ধ দেশ: তিব্বত।
- শান্ত দেশ: কোরিয়া।
- সাদা হাতির দেশ: থাইল্যান্ড।
- সোনালী প্যাডোডার দেশ: মিয়ানমার।
- ধীবরের দেশ: নরওয়ে।
- হাজার হ্রদের দেশ: ফিনল্যান্ড।
- নীল নদের দেশ: মিশর।
-মরুভমির দেশ: আফ্রিকা।
- সিল্ক রুটের দেশ: ইরান।
- মার্বেলের দেশ: ইতালি।
- বহ্মদেশ: মিয়ানমার।
- দক্ষিণের গ্রেট ব্রিটেন: নিউজিল্যান্ড।
- তামার দেশ: জাম্বিয়া।
- পিরামিডের দেশ: মিশর।
- প্রাচীরের দেশ: চীন।
- ভূমিকম্পের দেশ: জাপান।
- ম্যাপল পাতার দেশ: কানাডা।

উৎস: Britannica.
১৭১.
মহীসোপান কত ডিগ্রি কোণে সমুদ্র তলদেশে নিমজ্জিত থাকে?
  1. ১°
  2. ৩°
  3. ৬°
  4. ৯°
ব্যাখ্যা
মহীসোপান:
- পৃথিবীর মহাদেশসমূহের স্থলভাগের যে অংশ অল্প ঢালু হয়ে সমুদ্রের পানির মধ্যে নেমে গেছে তাকে মহীসোপান বলে।
- মহীসোপান ১° কোণে সমুদ্র তলদেশে নিমজ্জিত থাকে।
- মহীসোপানের গড় প্রশস্ততা ৭০ কিলোমিটার।
- ইউরোপের উত্তর-পশ্চিম উপকূলে পৃথিবীর বৃহত্তম মহীসোপান অবস্থিত। উত্তর আমেরিকার পূর্ব উপকূলে দ্বিতীয় বৃহত্তম মহীসোপান অবস্থিত।
- বাংলাদেশের দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরে মহীসোপানের বিস্তৃতি প্রায় ৩৫০ নটিক্যাল মাইল।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি এবং ভূগোল ১ম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৭২.
রাশিয়ার সীমান্তবর্তী দেশ নয়?
  1. পোল্যান্ড
  2. লিথুয়ানিয়া
  3. উত্তর কোরিয়া
  4. দক্ষিণ কোরিয়া
ব্যাখ্যা
রাশিয়ার সীমান্তবর্তী দেশ:
- দক্ষিণ কোরিয়া রাশিয়ার সীমান্তবর্তী দেশ নয়।

উল্লেখ্য,
- রাশিয়ার সীমান্তবর্তী দেশ ১৪টি। যথা-
• আজারবাইজান।
• বেলারুশ।
• চীন।
• এস্তোনিয়া।
• ফিনল্যান্ড।
• জর্জিয়া।
• কাজাখস্তান।
• লাটভিয়া।
• লিথুয়ানিয়া।
• মঙ্গোলিয়া।
উত্তর কোরিয়া
• নরওয়ে।
• পোল্যান্ড।
• ইউক্রেন।

তথ্যসূত্র - Worldatlas.com
১৭৩.
কোন প্রণালী ভারত ও শ্রীলংকা'কে পৃথক করেছে?
  1. পানামা
  2. মালাক্কা প্রণালী
  3. পক প্রণালী
  4. বেরিং প্রণালী
ব্যাখ্যা
পক প্রণালী:
- পক প্রণালী ভারতীয় রাজ্য তামিলনাড়ু ও শ্রীলঙ্কার মধ্যবর্তী একটি সামুদ্রিক প্রণালী।
- এটি বঙ্গোপসাগর ও মান্নার উপসাগরকে একসঙ্গে যুক্ত করেছে।
- প্রণালীটি ৬৪-১৩৭ কিলোমিটার প্রশস্ত।
- তামিলনাড়ুর ভাইগাই নদী এই প্রণালীতে পতিত হয়েছে।
- ব্রিটিশ ভারতের মাদ্রাজ প্রেসিডেন্সির গভর্নর রবার্ট পকের নামে এই প্রণালীর নামকরণ করা হয়েছে।

অন্যদিকে,
- বেরিং প্রণালী উত্তর আমেরিকাকে এশিয়া থেকে পৃথক করেছে।
- পানামা যোজন আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগরকে যুক্ত করেছে।
- মালাক্কা প্রণালী সুমাত্রাকে মালয়েশিয়া থেকে পৃথক করেছে।

তথ্যসূত্র: ব্রিটেনিকা ওয়েবসাইট।
১৭৪.
বেরিং প্রণালী কোন দুটি দেশকে পৃথক করেছে?
  1. যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া
  2. স্পেন ও মরক্কো
  3. ব্রিটেন ও ফ্রান্স
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
বেরিং প্রণালী:
- The Gateway to the Arctic নামে পরিচিত। 
- বেরিং প্রণালী উত্তর মহাসাগর ও বেরিং সাগরকে যুক্ত করেছে।
- এটি এশিয়া (রাশিয়া) ও উত্তর আমেরিকা (যুক্তরাষ্ট্রের আলাস্কা) কে পৃথক করেছে।
- সবচেয়ে সরু অংশ ৮৫ কিলোমিটার (৫৫ মাইল) চওড়া।

অন্যান্য-
- জিব্রাল্টার প্রণালী স্পেন ও মরক্কোকে পৃথক করেছে।
- ইংলিশ চ্যানেল ও ডেভিস প্রণালী ব্রিটেন ও ফ্রান্সকে পৃথক করেছে।

উৎস: Ocean conservancy ওয়েবসাইট।
Britannica website.
১৭৫.
'লাইন অব একচুয়াল কন্ট্রোল' কোন দুটি দেশের মধ্যাকার সীমারেখা?
  1. ভারত - পাকিস্তান
  2. ভারত - নেপাল
  3. পাকিস্তান - চীন
  4. ভারত - চীন
ব্যাখ্যা
গুরুত্বপূর্ণ কিছু সীমারেখা:
- লাইন অব একচুয়াল কন্ট্রোল - ভারত ও চীন।
- আলপাইন লাইন - ইতালি - ফ্রান্স।
- লাইন অব কন্ট্রোল - ভারত-পাকিস্তান।
- ম্যাকমোহন লাইন - ভারত- চীন এর মধ্যবর্তী লাইন।
- ওডারনিস লাইন - জার্মানি ও পোল্যান্ড।
- ম্যাজিনো লাইন - জার্মানি ও ফ্রান্স।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১৭৬.
পানামা খালের খনন কাজ শুরু হয় কত সালে?
  1. ১৯২৩
  2. ১৯০৪
  3. ১৯২১ 
  4. ১৯১৪
ব্যাখ্যা

পানামা খাল: 
- পানামা খাল পৃথিবীর সবচেয়ে গভীরতম খাল।
- ১৯০৪ সালে পানামা খাল খনন করা শুরু হয়।
- খালটি মূলত যুক্তরাষ্ট্র দ্বারা খনন করা হয়েছিল।
- ১৯১৪ সালে এটি চালু করা হয়।
- পানামা খাল উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকাকে পৃথক করেছে;
- এবং আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগর কে যুক্ত করেছে।
- পানামা খালের নিয়ন্ত্রণ ১৯৯৯ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্তরাষ্ট্র থেকে পানামার কাছে হস্তান্তর করা হয়।
- এই হস্তান্তর টরিয়োস-কার্টার চুক্তি এর মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। 
- এই চুক্তি নিশ্চিত করেছিল যে- ৩১ ডিসেম্বর ১৯৯৯ সালের মধ্যে খালের সম্পূর্ণ মালিকানা ও পরিচালনার নিয়ন্ত্রণ পানামার হাতে চলে যাবে।
- চুক্তিগুলি স্বাক্ষরিত হয়েছিল মার্কিন রাষ্ট্রপতি জিমি কার্টার এবং পানামার জেনারেল ওমর টোরিজোস এর মধ্যে।

উৎস: প্রথম আলো ও Britannica.

১৭৭.
পানামা খালের অবস্থান কোথায়?
  1. দক্ষিণ আমেরিকা
  2. মধ্য আমেরিকা
  3. উত্তর আমেরিকা
  4. মধ্য ইউরোপ
ব্যাখ্যা
• পানামা খাল: 
- পানামা খাল হলো মধ্য আমেরিকার পানামা রাজ্যে পাওয়া মানব প্রকৌশলের এক বিস্ময়।
- প্রশান্ত মহাসাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরের মধ্যে একটি সামুদ্রিক সংযোগস্থল।
- দৈর্ঘ্য- ৪৮ মাইল।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে খাল নির্মাণের অধিকার দেয়।
- ১৯০৪ সালের নভেম্বরে মার্কিন কর্মীরা খনন শুরু করে।
- ১৯১৪ সালে নির্মাণ সম্পন্ন হয়।
-  পানামা খাল অঞ্চলটি নিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং পানামার মধ্যে আঞ্চলিক বিরোধ রয়েছে।
- ১৯৯৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর, আমেরিকান সরকার পানামা খাল কর্তৃপক্ষের কাছে নিয়ন্ত্রণ হস্তান্তর করে।

উৎস: WorldAtlas {লিংক}
১৭৮.
ইউরোপের রুটির ঝুড়ি বলা হয় কোন দেশকে?
  1. বেলারুশ
  2. পোল্যান্ড
  3. ইউক্রেন
  4. বেলজিয়াম
ব্যাখ্যা
ইউক্রেন:
- ইউক্রেন পূর্ব ইউরোপের একটি রাষ্ট্র।
- দেশটির আয়তন ৬০৩,৫৪৯ বর্গ কিমি।
- ভাষা: ইউক্রেনীয় (অফিসিয়াল), রাশিয়ান, রোমানিয়ান, পোলিশ, হাঙ্গেরিয়ান, বেলারুশিয়ান, বুলগেরিয়ান।
- ধর্ম: খ্রিস্টধর্ম (বেশিরভাগই পূর্ব অর্থোডক্স; এছাড়াও অন্যান্য খ্রিস্টান, রোমান ক্যাথলিক, প্রোটেস্ট্যান্ট), ইসলাম।
- ইউক্রেনের পশ্চিমে পোল্যান্ড, স্লোভাকিয়া ও হাঙ্গেরি, দক্ষিণ-পশ্চিমে রোমানিয়া ও মলদোভা, দক্ষিণে কৃষ্ণ সাগর ও আজভ সাগর, পূর্বে ও উত্তর-পূর্বে রাশিয়া এবং উত্তরে বেলারুস।
- ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ।
- ইউরোপের শস্য ভাণ্ডার খ্যাত ইউক্রেনের উর্বর ভূমিতে গম, সানফ্লাওয়ার এবং অন্যান্য দানাদার জাতীয় শস্য প্রচুর পরিমাণে উৎপন্ন হয়।
- এজন্য ইউক্রেনকে ইউরোপের রুটির ঝুড়ি বলা হয়।

সূত্র - Britannica.com
১৭৯.
‘Line of Actual Control (LAC)’ কোন দুটি দেশের মধ্যকার বিতর্কিত সীমান্তরেখা?
  1. পাকিস্তান ও আফগানিস্তান
  2. ভারত ও চীন
  3. ভারত ও আফগানিস্তান
  4. ভারত ও পাকিস্তান
ব্যাখ্যা
‘Line of Actual Control (LAC)’ ভারত ও চীনের মধ্যকার বিতর্কিত সীমান্তরেখা।

উল্লেখযোগ্য আন্তর্জাতিক সীমারেখা:
- ম্যাকমোহন লাইন: ভারত ও চীন,
- র‍্যাডক্লিফ লাইন: ভারত ও পাকিস্তান,
- ডুরান্ড লাইন: পাকিস্তান ও আফগানিস্তান,
- তিন বিঘা করিডোর: ভারত ও বাংলাদেশ,
- লাইন অব কন্ট্রোল (LOC ): ভারত ও পাকিস্তান,
- ১০ ডিগ্রী চ্যানেল: আন্দামান ও নিকোবর,
- ১৭তম প্যারালাল: উত্তর ভিয়েতনাম ও দক্ষিণ ভিয়েতনাম,
- ৩৮তম প্যারালাল: উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়া,
- ওডার-নাইসে লাইন: পূর্বতন পূর্ব জার্মানি ও পোল্যান্ড,
- ম্যাগিনট লাইন: জার্মানি ও ফ্রান্স,
- ম্যানারহেম রেখা: রাশিয়া ও ফিনল্যান্ড,
- লাইন অব ডিমারকেশন: পর্তুগাল ও স্পেন,
- ওডারনিস লাইন: জার্মানি ও পোল্যান্ড।
- সিগফ্রিড লাইন: জার্মানি ও ফ্রান্স।
- হিন্ডারবার্গ লাইন: জার্মানি ও ফ্রান্স।
- সনোরা লাইন: যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকো।

উৎস: i) Britannica.
ii) WorldAtlas.
১৮০.
অক্ষাংশ নির্ণয়ের পদ্ধতি হিসেবে সাধারণত কোন যন্ত্র ব্যবহৃত হয়?
  1. সেক্সট্যান্ট
  2. অ্যাস্ট্রোল্যাব
  3. সোলার ক্লক
  4. স্পিরোস্কোপ
ব্যাখ্যা

• অক্ষাংশ (Latitude) ও দ্রাঘিমাংশ (longitude) নির্ণয়ের পদ্ধতি:
অক্ষাংশ নির্ণয় করা হয়:-(উন্নতি কোণ ব্যবহার করে)
১। সেক্সট্যান্ট যন্ত্রের সাহায্যে [সূত্র: অক্ষাংশ = ৯০° – (মধ্যাহ্ন সূর্যের উন্নতি +/- বিষুবলম্ব)]
২। ধ্রুবতারার সাহায্যে [সূত্র: অক্ষাংশ = ধ্রুবতারার উন্নতি (নিরক্ষরেখায় ০° ও মেরুতে ৯০°)]

» দ্রাঘিমাংশ নির্ণয় করা হয়: (সময়ের পার্থক্য ব্যবহার করে)
১। স্থানীয় সময়ের পার্থক্য দ্বারা
২। গ্রিনিচের সময় দ্বারা
সূত্র: প্রতি ৪ মিনিট সময়ের পার্থক্য = ১° দ্রাঘিমার পার্থক্য। সময়ের হিসেবে গ্রিনিচের পূর্বদিকের দেশগুলো এগিয়ে থাকে এবং পশ্চিম দিকের দেশগুলো পিছিয়ে থাকে।
[বাংলাদেশ গ্রিনিচ থেকে ৯০° পূর্বে তাই বাংলাদেশে সময় ৬ ঘন্টা এগিয়ে]

তথ্যসূত্র: Live MCQ ক্লাস লেকচার এবং ভূগোল ও পরিবেশ, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৮১.
বাংলাদেশের সর্ব পূর্বের স্থান 'আখাইনঠং' কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. রাঙামাটি
  2. খাগড়াছড়ি
  3. বান্দরবান
  4. কক্সবাজার
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান: 

• সর্ব উত্তরের অবস্থান
- স্থান: বাংলাবান্ধা।
- উপজেলা: তেঁতুলিয়া।
- জেলা: পঞ্চগড়।

• সর্ব পূর্বের অবস্থান
- স্থান: আখাইনঠং।
- উপজেলা: থানচি।
- জেলা: বান্দরবান।

• সর্ব পশ্চিমের অবস্থান
- স্থান: মনাকষা।
- উপজেলা: শিবগঞ্জ।
- জেলা: চাঁপাইনবাবগঞ্জ।

• সর্ব দক্ষিণের অবস্থান
- স্থান: ছেড়াদ্বীপ (সেন্ট মার্টিন দ্বীপ)।
- উপজেলা: টেকনাফ।
- জেলা: কক্সবাজার।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১৮২.
কোন অক্ষরেখা বাংলাদেশের মাঝামাঝি স্থান দিয়ে অতিক্রম করেছে?
  1. ৮৮.৫° উত্তর অক্ষরেখা
  2. ২৩.৫° উত্তর অক্ষরেখা
  3. ২৬.৫° উত্তর অক্ষরেখা
  4. ২০.৫° উত্তর অক্ষরেখা
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান ও সীমানা:
- এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণে বাংলাদেশের অবস্থান।
- বাংলাদেশ ২০°৩৪′ উত্তর অক্ষরেখা থেকে ২৬°৩৮′ উত্তর অক্ষরেখার মধ্যে এবং ৮৮°০১′ পূর্ব দ্রাঘিমা রেখা থেকে ৯২°৪১′ পূর্ব দ্রাঘিমা রেখার মধ্যে অবস্থিত।
- বাংলাদেশের মাঝামাঝি স্থান দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা (২৩.৫° উত্তর অক্ষরেখা) অতিক্রম করেছে।
- পূর্ব-পশ্চিমে সর্বোচ্চ বিস্তৃতি ৪৪০ কি.মি. এবং উত্তর-উত্তর পশ্চিম থেকে দক্ষিণ-দক্ষিণ পূর্ব প্রান্ত পর্যন্ত সর্বোচ্চ বিস্তৃতি ৭৬০ কি.মি.।
- বাংলাদেশের উত্তরে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয় ও আসাম; পূর্বে আসাম, ত্রিপুরা ও মিজোরাম এবং মিয়ানমার; দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর এবং পশ্চিমে ভারতের, পশ্চিমবঙ্গ অবস্থিত।
- উত্তর গোলার্ধে ২৩.৫° উত্তর অক্ষরেখাকে কর্কটক্রান্তি রেখা নামে অভিহিত করা হয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১৮৩.
ড্রেক প্যাসেজ (Drake Passage) যুক্ত করেছে -
  1. ভারত ও আটলান্টিক মহাসাগরকে
  2. প্রশান্ত মহাসাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরকে
  3. আর্কটিক এবং দক্ষিণ মহাসাগরকে
  4. ভূমধ্যসাগর ও ক্যারিবিয়ান সাগরকে
ব্যাখ্যা
ড্রেক প্যাসেজ (Drake Passage):
- ড্রেক প্যাসেজ ১০০০ কি.মি. প্রশ্বস্ত একটি গভীর জলরাশি যা আটলান্টিক মহাসাগর ও প্রশান্ত মহাসাগরকে সংযুক্ত করেছে।
- এটি কেপহর্ন (দক্ষিণ আমেরিকার সর্বদক্ষিণের বিন্দু) ও দক্ষিণ শেটল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জের (ব্রিটিশ শাসিত অঞ্চল, অ্যান্টার্কটিকা পেনিনসুলার উত্তরে) মধ্যে অবস্থিত।
- পানামা খাল চালুর পূর্বে এই প্যাসেজ বিশ্ব বাণিজ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করত।
- ইংরেজ নাবিক স্যার ফ্রান্সিস ড্রেকের নামানুসারে এই প্যাসেজের নামকরণ করা হয়।

সূত্র: ব্রিটানিকা।
১৮৪.
গোবি মরুভূমি কোন দুই দেশের মধ্যে বিস্তৃত?
  1. চীন ও পাকিস্তান
  2. চীন ও মঙ্গোলিয়া
  3. ভারত ও নেপাল
  4. কাজাখস্তান ও চীন
ব্যাখ্যা
গোবি মরুভূমি:
-
গোবি মরুভূমি এশিয়ার বৃহত্তম মরুভূমি।
- এবং গোটা বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম মরুভূমি।
- উত্তর ও উত্তরপূর্ব চীন এবং দক্ষিণ মঙ্গোলিয়ার অংশে অবস্থিত।
- গোবি সাধারণত পাথুরে ও খরাময় মরুভূমি,
- যেখানে বালির চেয়ে পাথর এবং ছোট বড় কঙ্কর বেশি দেখা যায়।
- এটি বেশিরভাগই সমতল থেকে কিছুটা উঁচু বা পার্বত্য এলাকা নিয়ে গঠিত।

বিখ্যাত কিছু মরুভূমির অবস্থান:
- থর মরুভূমি: ভারত ও পাকিস্তান।
- মোজাবে মরুভূমি: যুক্তরাষ্ট্র,
- সাহারা মরুভূমি: আফ্রিকা,
- গোবি মরুভূমি: চীন ও মঙ্গোলিয়া।

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।
১৮৫.
’সাত পাহাড়ের শহর’ নামে কোন শহরটি পরিচিত?
  1. প্যারিস
  2. রোম
  3. লিসবন
  4. ইস্তাম্বুল
ব্যাখ্যা
ভৌগলিক উপনাম: 
- রোম, ইতালির রাজধানী।
-  রোম কে “সাত পাহাড়ের শহর” (City of Seven Hills) বলা হয়।
- কারণ প্রাচীন রোম শহরটি গঠিত হয়েছিল সাতটি ছোট ছোট পাহাড় বা টিলার উপর ভিত্তি করে।
• প্রাচীন রোম নগরটি নিচের সাতটি পাহাড়ের উপর প্রতিষ্ঠিত হয়-
- Aventine Hill,
- Caelian Hill,
- Capitoline Hill,
- Esquiline Hill,
- Palatine Hill,
- Quirinal Hill,
- Viminal Hill. 

উৎস: ব্রিটানিকা। 
১৮৬.
পৃথিবীর কত ডিগ্রি অক্ষাংশকে মহাবৃত্ত বা গুরুবৃত্ত বলা হয়?
  1. ০ ডিগ্রি
  2. ২৩.৫ ডিগ্রি
  3. ৬৬.৫ ডিগ্রি
  4. ৯০ ডিগ্রি
ব্যাখ্যা
 বিষুবরেখা/ নিরক্ষরেখা/মহাবৃত্ত:
- পৃথিবীর দুই মেরু হতে সমান দূরত্বে (পৃথিবীর মাঝখানে) পূর্ব-পশ্চিমে পৃথিবীকে ঘিরে থাকা কল্পিত বৃত্তকে বলা হয় নিরক্ষরেখা বা বিষুবরেখা বলে।
- বিষুবরেখা বা নিরক্ষরেখাকে বলা হয় মহাবৃত্ত বা গুরুবৃত্ত।
- আহ্নিক গতি নিরক্ষরেখায় সর্বাপেক্ষা বেশি। নিরক্ষরেখা বা বিষুবরেখার মান ০°। অর্থাৎ পৃথিবীর মহাবৃত্ত বা গুরুবৃত্ত এর মান ০°।
- তাহলে আমরা বলতে পারি যে, পৃথিবীর ০ ডিগ্রি অক্ষাংশকে মহাবৃত্ত বা গুরুবৃত্ত বলা হয়।

- নিরক্ষরেখার সমান্তরালে উত্তরে ও দক্ষিণে কতকগুলো রেখা কল্পনা করা হয়। এই রেখাগুলোকে অক্ষরেখা বা সমাক্ষরেখা বলে।
- অক্ষরেখাসমূহের দূরত্ব সর্বত্র সমান। নিরক্ষেরেখা থেকে উত্তরে বা দক্ষিণে কোনো স্থানের কৌণিক দূরত্বের মানকে ডিগ্রিতে প্রকাশ করলে তাকে অক্ষাংশ বলে। 
- নিরক্ষরেখা বা বিষুবরেখার মান ০°। নিরক্ষরেখা থেকে ৯০° উত্তর অক্ষাংশকে বলা হয় সুমেরু এবং ৯০° দক্ষিণ অক্ষাংশকে বলা হয় কুমেরু।
- এছাড়া ২৩.৫° উত্তর অক্ষাংশকে বলা হয় যথাক্রামে- কর্কটক্রান্তি এবং ২৩.৫° দক্ষিণ অক্ষাংশে বলা হয় মকরক্রান্তি।
- ৬৬.৫° উত্তর ও দক্ষিণ অক্ষাংশকে বলা হয় যথাক্রমে সুমেরু বৃত্ত এবং কুমেরু বৃত্ত।
- নিরক্ষরেখা বরাবর পৃথিবীর ব্যাস সর্বাপেক্ষা বেশি হওয়ায় এই অঞ্চলে পৃথিবীর আহ্নিক গতির বেগও সর্বাপেক্ষা বেশি (ঘন্টা প্রতি ১৭০০ কি.মি. প্রায়)।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৮৭.
পানামা খাল কোন দুইটি মহাসাগরকে যুক্ত করেছে?
  1. আটলান্টিক ও উত্তর মহাসাগর
  2. আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগর
  3. প্রশান্ত ও উত্তর মহাসাগর
  4. ভারত ও প্রশান্ত মাহসাগর
ব্যাখ্যা

পানামা খাল:
- এটি বিশ্ব বাণিজ্যের এক গুরুত্বপূর্ণ রুট।
- পানামা খাল আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগরকে যুক্ত করেছে।
- আর উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশ কে পৃথক করেছে।
- এই কৃত্রিম খালটি জাহাজ চলাচলের জন্য ১৯০৪ সালে খনন করা হয় যেটি বিশ্ববাসীর কাছে পানামা খাল হিসেবে সমাধিক পরিচিত।
- ১৯০৪ সালে এর খনন কাজ শুরু হয় এবং ১৯১৪ সালে সমাপ্ত হয়।
- পানামা খালের দৈর্ঘ্য ৬৫ কিলোমিটার এবং প্রস্থ ৩০ থেকে ৯০ মিটার পর্যন্ত।
- তবে গভীর জলভাগ থেকে এর দৈর্ঘ্য হিসেব করলে এর দৈর্ঘ্য দাঁড়ায় ৮২ কিলোমিটার।
- গভীরতা স্থানভেদে ৪৬ থেকে ৮৫ ফুট।
- এই খাল নির্মাণের ফলে যুক্তরাষ্ট্রে পুর্ব থেকে পশ্চিম উপকূলে চলাচলকারী জাহাজ গুলোর পথ প্রায় ১৫ হাজার কিলোমিটার হ্রাস পেয়েছে।

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ও  ব্রিটানিকা।

১৮৮.
Which one of the following Indian states does not have a common international border with Bangladesh?
  1. Meghalaya
  2. Manipur
  3. Tripura
  4. Assam
  5. Mizoram
ব্যাখ্যা
সেভেন সিস্টার্সভুক্ত মনিপুর ও নাগাল্যান্ড-এর বাংলাদেশের কোন সীমানা নেই।

বাংলাদেশের সীমানা:
- বাংলাদেশ এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব দিকে অবস্থিত।
- তিনদিকের মূলভাগ ভারত ও মিয়ানমার দ্বারা বেষ্টিত এবং দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর অবস্থিত।
- ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সাথে বাংলাদেশের ৩২টি জেলার সীমান্ত রয়েছে।
- ভারতের সাথে ৩০টি এবং মিয়ানমারের সাথে ৩টি।
- বাংলাদেশের রাঙামাটি জেলার সাথে ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সীমানা রয়েছে।

উল্লেখ্য,
- ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত সাতটি রাজ্যকে সেভেন সিস্টার্স বলা হয়।
- রাজ্যগুলো হলো: আসাম, মেঘালয়, অরুণাচল, মনিপুর, নাগাল্যান্ড, ত্রিপুরা এবং মিজোরাম।
- ভারতের মোট ৫টি রাজ্য বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী।
- এগুলো হলো: আসাম, ত্রিপুরা, মিজোরাম, মেঘালয় ও পশ্চিমবঙ্গ।

উৎস: i) Britannica.
         ii) ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১৮৯.
থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার মধ্যে প্রায় কত কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্ত এলাকা রয়েছে?
  1. ৫০০ কিলোমিটার
  2. ৬০০ কিলোমিটার
  3. ৮০০ কিলোমিটার
  4. ৯০০ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা

থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার সীমান্ত:
- থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়া দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দুটি প্রতিবেশী দেশ।
- এই দুই দেশের মধ্যে সীমান্তের মোট দৈর্ঘ্য প্রায় ৮০০ কিলোমিটার।
- সীমান্তটি থাইল্যান্ডের পূর্বাঞ্চল ও কম্বোডিয়ার পশ্চিমাঞ্চল জুড়ে বিস্তৃত।
- এই সীমান্ত অঞ্চলটি ভৌগোলিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। 
- ঐতিহাসিকভাবে, থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার সীমান্ত নিয়ে বিভিন্ন সময়ে বিরোধ দেখা দিয়েছে।

উল্লেখ্য,
- থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার মধ্যে মালয়েশিয়ার মধ্যস্থতায় একটি অস্ত্রবিরতি চুক্তি হয়।
- তবে সীমান্তে মাইন বিস্ফোরণে থাই সেনারা আহত হওয়ার পরের মাসে থাইল্যান্ড চুক্তি স্থগিত করে।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [link]

১৯০.
সোনালী প্যাগোডার দেশ নামে পরিচিত-
  1. শ্রীলঙ্কা
  2. মিয়ানমার
  3. থাইল্যান্ড
  4. হংকং 
ব্যাখ্যা

সোনালী প্যাগোডার দেশ:
- মিয়ানমারে অসংখ্য সোনালী রঙের প্যাগোডা ও স্তূপ ধর্ম, সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্যের প্রতীক।
- তাই মিয়ানমারকে  সোনালী প্যাগোডার দেশ বলা হয়।

ভৌগলিক উপনাম:
- সোনালী প্যাগোডার দেশ: মিয়ানমার।
- লিলি ফুলের দেশ: কানাডা।
- ক্যাঙ্গারুর দেশ: অস্ট্রেলিয়া।
- সিল্ক রুটের দেশ: ইরান।
- মার্বেলের দেশ: ইতালি।
- পঞ্চম ড্রাগনের দেশ: তাইওয়ান।
- তামার দেশ: জাম্বিয়া।
- পিরামিডের দেশ: মিশর।
- প্রাচীরের দেশ: চীন।
- ভূমিকম্পের দেশ: জাপান।

উৎস: Britannica.com

১৯১.
নিচের কোন দেশটি দ্বীপ রাষ্ট্র?
  1. নেপাল
  2. ভুটান
  3. থাইল্যান্ড
  4. শ্রীলঙ্কা
ব্যাখ্যা
• শ্রীলঙ্কা:
- শ্রীলঙ্কা দক্ষিণ এশিয়ার একটি দ্বীপরাষ্ট্র।
- যা ভারতীয় উপমহাদেশের দক্ষিণে অবস্থিত।
- এবং পাক প্রণালী (Palk Strait) দ্বারা ভারত থেকে পৃথক।
- দেশটি দক্ষিণ-পশ্চিমে মালদ্বীপ।
- এবং উত্তর-পশ্চিমে ভারতের সঙ্গে সমুদ্রসীমা ভাগ করে।
- শ্রীলঙ্কার মোট আয়তন প্রায় ৬৫,৬১০ বর্গকিলোমিটার।
- শ্রীলঙ্কার বাণিজ্যিক রাজধানী কলম্বো।


উৎস: World Atlas.
১৯২.
গোলান মালভূমিতে সিরিয়া-ইসরাইলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি রেখা কী নামে পরিচিত?
  1. ওডেরনিস লাইন 
  2. ব্লু লাইন
  3. পার্পল লাইন
  4. রেড লাইন
ব্যাখ্যা

গোলান মালভূমি:
- গোলান হলো সিরিয়ার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত প্রায় ১৮০০ বর্গকিলোমিটার (প্রায় ১০০০ বর্গমাইল) আয়তনের এক পাথুরে মালভূমি।
- এর উত্তরে লেবানন এবং দক্ষিণে জর্ডান অবস্থিত।
- গোলান মালভূমি নিয়ে সিরিয়া ও ইসরায়েলের মধ্যে বিরোধ রয়েছে।
- গোলান মালভূমিতে সিরিয়া-ইসরাইলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি রেখা ‘পার্পল লাইন' নামে পরিচিত।

উল্লেখ্য,
- গোলান মালভূমি ১৯৬৭ সাল পর্যন্ত সিরিয়ার একটি অংশ ছিল।
- ১৯৬৭ সালের তৃতীয় আরব-ইসরাইল যুদ্ধে ইসরাইল গোলান মালভূমির দুই-তৃতীয়াংশ দখল করে নেয়।
- ১৯৭৩ সালে মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের (যা ইয়োম কাপুর নামেও পরিচিত) সিরিয়া গোলানের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পাওয়ার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়।
- ১৯৭৪ সালে দুই দেশই অস্ত্রবিরতিতে সই করে।
- ১৯৮১ সালে ইসরায়েলি সরকার ঘোষণা করে যে গোলান মালভূমি এলাকাটি ইসরায়েলের একটি অংশ।

⇒ এই এলাকায় ইসরায়েলের সার্বভৌমত্বে কখনও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি মেলেনি।
- তবে মার্কিন নীতি ভঙ্গ করে ২০১৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই দখলদারিত্বে স্বীকৃতি দেন।

অন্যদিকে -
- ওডেরনিস লাইন  জার্মানি ও পোল্যান্ডের মধ্যেকার আধুনিক আন্তর্জাতিক সীমানা।
- ব্লু লাইন ইসরাইল এবং লেবাননের মধ্যকার সীমারেখা।
- গ্রিন লাইন ইসরাইল ও তার পার্শ্ববর্তী দেশ (ইজিপ্ট, জর্ডান, লেবানন এবং সিরিয়া) এর মধ্যে অবস্থিত সীমারেখা।

উৎস: Britannica.

১৯৩.
আলুটিলা প্রাকৃতিক গুহা কোথায় অবস্থিত?
  1. খাগড়াছড়ি জেলায়
  2. রাঙামাটি জেলায়
  3. বান্দরবান জেলায়
  4. কক্সবাজার জেলায়
ব্যাখ্যা

• আলুটিলা প্রাকৃতিক গুহা:
- আলুটিলা প্রাকৃতিক গুহা খাগড়াছড়ি জেলায় অবস্থিত। 

- বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামের খাগড়াছড়ি জেলার মাটিরাঙ্গা উপজেলায় এই প্রাকৃতিক গুহার অবস্থান।
- স্থানীয় ত্রিপুরা সম্প্রদায়ের কাছে এটি ‘মাতাই হাকর’ বা ‘দেবতার গুহা’ নামে পরিচিত। 
- পাহাড়ি আঁকাবাঁকা সড়কের পাশে ‘আলুটিলা পর্যটনকেন্দ্র’।
- এটির অবস্থান সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৬০০ ফুট ওপরে।
- গুহাটি দেখতে অনেকটা ভূগর্ভস্থ টানেলের মতো, যার দৈর্ঘ্য প্রায় ৩৫০ ফুট।
- গুহায় যেতে হলে ২৬৬টি সিঁড়ি বেয়ে নিচে নামতে হয়। 
- বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামের খাগড়াছড়ি জেলার মাটিরাঙ্গা উপজেলায় এই প্রাকৃতিক গুহার অবস্থান।

তথ্যসূত্র: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) প্রথম আলো।

১৯৪.
লম্বক প্রণালী সংযুক্ত করেছে - 
  1. ভারত মহাসাগর ও জাভা সাগর
  2. সেলেবস সাগর ও দক্ষিণ চীন সাগর
  3. আন্দামান সাগর ও বঙ্গোপসাগর
  4. আন্দামান সাগর ও দক্ষিণ চীন সাগর
ব্যাখ্যা

• লম্বক প্রণালী (Lombok Strait): 
- একটি প্রণালী (Strait) হলো প্রাকৃতিকভাবে গঠিত একটি সংকীর্ণ জলপথ, যা দুটি স্থলভাগের মধ্যে অবস্থান করে এবং দুটি বড় জলরাশিকে সংযুক্ত করে।
- লম্বক প্রণালী ইন্দোনেশিয়ার লম্বক ও বালি দ্বীপের মধ্যে অবস্থিত।
- এটি ভারত মহাসাগরকে জাভা (বালি) সাগরের সঙ্গে সংযুক্ত করে। 



- লম্বক প্রণালী ৬০ কিমি দীর্ঘ এবং এর সর্বোচ্চ গভীরতা ২৫০ মিটার (৮২০ ফুট)।
 - এটি প্রায়শই একটি বিকল্প পথ হিসেবে ব্যবহৃত হয়, বিশেষ করে ভারি মালবাহী জাহাজ (Bulk Carriers) এবং সুপারট্যাংকারগুলো যেগুলো আরব দেশ থেকে চীনে তেল বা অন্যান্য পণ্য পরিবহন করে।

তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড এটলাস।

১৯৫.
নিশীথ সূর্যের দেশ -
  1. রাশিয়া
  2. কানাডা
  3. ফিনল্যান্ড
  4. নরওয়ে
ব্যাখ্যা
নিশীথ সূর্যের দেশ: 
- নরওয়ের উত্তরাঞ্চলে গ্রীষ্মকালে সূর্য মাঝরাতেও অস্ত যায় না,
- যা একটি প্রকৃতির বিস্ময়।
- এই সৌন্দর্যমণ্ডিত ঘটনাই  উপাধি দিয়েছে নিশীথ সূর্যের দেশ।

ভূ-অবস্থান ও অক্ষাংশ:
- নরওয়ের উত্তরাংশ আর্কটিক সার্কেলের ভেতরে অবস্থিত।
- এই অঞ্চলে গ্রীষ্মকালে (মে থেকে জুলাই) এমন সময় আসে যখন সূর্য একেবারেই অস্ত যায় না।

উৎস: ব্রিটানিকা
১৯৬.
পানামা খাল কোন অঞ্চলে অবস্থিত?
  1. মধ্য আমেরিকা
  2. উত্তর আমেরিকা 
  3. দক্ষিণ আমেরিকা 
  4. পশ্চিম ইউরোপ
ব্যাখ্যা

◉ পানামা খাল মধ্য আমেরিকার পানামা রাষ্ট্রে অবস্থিত। এটি আটলান্টিক মহাসাগর (ক্যারিবীয় সাগরের মাধ্যমে) এবং প্রশান্ত মহাসাগরকে যুক্ত করেছে।

পানামা খাল:
- পানামা খাল (Panama Canal) পৃথিবীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কৃত্রিম জলপথ।
- এটি পানামা প্রজাতন্ত্রের মধ্যে অবস্থিত।
- খালটি উত্তর আমেরিকাকে দক্ষিণ আমেরিকা থেকে বিচ্ছিন্ন করেছে।
- প্রশান্ত মহাসাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরকে যুক্ত করেছে পানামা খাল।

⇒ পানামা খালের দৈর্ঘ্য প্রায় ৮২ কিলোমিটার।
- খালটি জাহাজ চলাচলের জন্য ১৯০৪ সালে খনন করা হয়।
- ১৯১৪ সালে এর খনন কাজ সমাপ্ত হয়।
- তৈরি করেছিলো যুক্তরাষ্ট্র।
- এ খালের মালিকানা ১৯৯৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের ছিল।
- এরপর তা পানামা রাষ্ট্রের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

উল্লেখ্য,
- এশিয়া থেকে আমেরিকা পর্যন্ত পণ্য আমদানি-রফতানির অন্যতম প্রধান সমুদ্রপথ পানামা খাল।

উৎস: Britannica.

১৯৭.
কোন প্রণালিটি ইউরোপ ও আফ্রিকার মাঝে অবস্থিত?
  1. বেরিং প্রণালী
  2. জিব্রাল্টার প্রণালী
  3. বসফরাস প্রণালী
  4. বাব এল মান্দেব প্রণালী
ব্যাখ্যা
জিব্রাল্টার প্রণালী (Strait of Gibraltar):
- জিব্রাল্টার প্রণালী হচ্ছে ইউরোপ এবং আফ্রিকা মহাদেশের মধ্যে অবস্থিত জলপথ।
- এটি ভূমধ্যসাগরকে আটলান্টিক মহাসাগরের সঙ্গে সংযুক্ত করে।
- এই প্রণালীটি স্পেনের দক্ষিণ প্রান্তে এবং মরক্কোর উত্তর প্রান্তে অবস্থিত।
- প্রণালীটি মরক্কো ও স্পেনকে পৃথক করে।
- এর গড় গভীরতা ১,২০০ ফুট (৩৬৫ মিটার)।

অন্যদিকে -
- বেরিং প্রণালী: এশিয়া থেকে আমেরিকাকে পৃথক করেছে।
- বসফরাস প্রণালী: এশিয়া এবং ইউরোপের মধ্যে অবস্থিত।
- বাব এল-মান্দেব প্রণালী: এশিয়া থেকে আফ্রিকাকে পৃথক করেছে।

তথ্যসূত্র - Britannica.
১৯৮.
খৈয়াছড়া ঝর্ণা কোথায় অবস্থিত?
  1. চট্টগ্রাম
  2. বান্দরবান
  3. রাঙ্গামাটি
  4. খাগড়াছড়ি
ব্যাখ্যা
খৈয়াছড়া ঝর্ণা:
- খৈয়াছড়া ঝর্ণা চট্টগ্রামের মীরসরাই উপজেলায় অবস্থিত। 
- স্থানীয়রা এই ঝর্ণাকে চতল বলে ডাকেন।
- খৈয়াছড়া চট্টগ্রামের মীরসরাই উপজেলার ঝর্ণাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয়।

এছাড়া,
- নাফাখুম জলপ্রপাত বান্দরবান জেলায় অবস্থিত একটি প্রাকৃতিক জলপ্রপাত।
- হিমছড়ি ঝর্ণা বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বিভাগের কক্সবাজার জেলায় অবস্থিত একটি পর্যটনস্থল।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
The Daily Star বাংলা
১৯৯.
বাবেল মান্দেব প্রণালি পৃথক করেছে -
  1. আফ্রিকা থেকে ইউরোপকে
  2. এশিয়া থেকে ইউরোপকে
  3. আফ্রিকা থেকে এশিয়াকে
  4. এশিয়া থেকে আমেরিকাকে
ব্যাখ্যা
বাবেল মান্দেব প্রণালি:
- আফ্রিকা থেকে এশিয়াকে পৃথক করেছে।
- প্রণালিটি আরব উপদ্বীপে অবস্থিত ইয়েমেন এবং আফ্রিকার অন্তরীপে অবস্থিত জিবুতি, ইরিত্রিয়া ও সোমালিয়াকে পৃথক করেছে। 

অন্যদিকে -
- জিব্রাল্টার প্রণালি: আফ্রিকা থেকে ইউরোপকে পৃথক করেছে।
- বেরিং প্রণালি: এশিয়া থেকে আমেরিকাকে পৃথক করেছে।
- বসফরাস প্রণালি: এশিয়া থেকে ইউরোপকে পৃথক করেছে।

উৎস: World Atlas.
২০০.
মেসিনা প্রণালী কোন সাগরে অবস্থিত?
  1. লোহিত সাগর
  2. ভূমধ্যসাগর
  3. আরব সাগর
  4. তিমুর সাগর
ব্যাখ্যা
• মেসিনা প্রণালী (Strait of Messina):
- মেসিনা প্রণালী হচ্ছে ভূমধ্যসাগরের একটি সংকীর্ণ জলপ্রবাহ।
- এটি ইতালির মূলভূখণ্ড (কালাব্রিয়া অঞ্চল) এবং সিসিলি দ্বীপ-এর মধ্যে অবস্থিত।
- এটি তিরেনিয়ান সাগর (Tyrrhenian Sea) ও আয়োনিয়ান সাগর (Ionian Sea)-কে সংযুক্ত করে।

উৎস: ব্রিটানিকা।