বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

কম্পিউটার নম্বর সিস্টেম ও লজিক গেইটসমূহ

মোট প্রশ্ন১,৩২০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

কম্পিউটার নম্বর সিস্টেম ও লজিক গেইটসমূহ

PrepBank · পাতা / ১৪ · ৮০১৯০০ / ১,৩২০

৮০১.
দশমিক পূর্ণ সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তরের জন্য সংখ্যাটিকে কত দ্বারা ভাগ দিতে হয়?
  1. ক) ২
  2. খ) ৮
  3. গ) ১০
  4. ঘ) ১৬
ব্যাখ্যা
দশমিক পূর্ণ সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তরের জন্য সংখ্যাটিকে দুই দ্বারা ভাগ দিতে হয়। 

- মানুষ তার দৈনন্দিন জীবনে গণনা কিংবা হিসাব-নিকাশের জন্য যে সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়, তাই দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- দশমিক সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি হচ্ছে শুন্য। 
- যে পদ্ধতিতে শুন্য এবং এক এই দুইটিমাত্র সংখ্যা বা, অঙ্ক ব্যবহার করা হয়, তাকে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি বলে। 
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি হচ্ছে দুই।   

পূর্ণ দশমিক সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর- 
- দশমিক সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তরিত করবার জন্য দশমিক সংখ্যাকে দুই দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে। 
- ভাগফলকে পুনরায় দুই দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে। 
- এ পদ্ধতির পুনরাবৃত্তি করতে হবে যতক্ষণ না ভাজ্য শুন্য হয়। 
- সংরক্ষিত ভাগশেষগুলোকে শেষ থেকে প্রথম দিকে ধারাবাহিকভাবে অর্থাৎ উল্টো করে সাজিয়ে লিখলে যে সংখ্যাটি পাওয়া যায় তাই দশমিক সংখ্যার সমকক্ষ বাইনারি সংখ্যা।

সূত্র: ৮৬ পৃষ্ঠা, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮০২.
(0.3125)10 = (?)8
  1. 0.87
  2. 0.46
  3. 0.24
  4. 0.86
৮০৩.
নিচের কোন ক্ষেত্রে অ্যান্ড গেইটের আউটপুট 1 হবে?
  1. দুটি ইনপুট 0
  2. একটি ইনপুট 1 ও একটি ইনপুট 0
  3. দুটি ইনপুট 1
  4. অ্যান্ড গেইটে আউটপুট 1 হয় না
ব্যাখ্যা

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (উন্মুক্ত)।
৮০৪.
ওয়াশিং মেশিনে স্বয়ংক্রিয় কাপড় ধোয়ার জন্য কোন লজিক গেইটের ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) ন্যান্ড গেইট
  2. খ) নর গেইট
  3. গ) নট গেইট
  4. ঘ) অ্যান্ড গেইট
ব্যাখ্যা
নর গেইট (NOR Gate)
- নর (NOR) গেইট হচ্ছে অর গেইট ও নট গেইটের সমষ্টি। 
- অর গেইটের আউটপুটকে নট গেইটের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত করলে নর গেইট তৈরি হয়। 
- অর গেইট যে কাজ করে নর গেইট তার বিপরীত কাজ করে।
- বর্তমানে ওয়াশিং মেশিনে স্বয়ংক্রিয় কাপড় ধোয়ার জন্য নর গেইটের ব্যবহার করা হয়।


উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৮০৫.
যেসব দেশের ভাষা ৮-বিটের বেশি কোডিং চায়, তাদের ক্ষেত্রে কোন কোড ব্যবহৃত হয়?
  1. ইউনিকোড
  2. অ্যাসকি কোড
  3. ইবিসিডিক কোড
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা

• যেসব দেশের ভাষায় ইংরেজির মতো সীমিত অক্ষরের বাইরে অতিরিক্ত অক্ষর, চিহ্ন ও লিপি ব্যবহৃত হয়, সেসব ভাষা প্রকাশের জন্য ৮-বিটের বেশি কোডিং প্রয়োজন হয়। ASCII কোড মূলত ৭-বিট এবং সীমিত ইংরেজি অক্ষরের জন্য ব্যবহৃত হয়, তাই এটি যথেষ্ট নয়। EBCDIC-ও সীমিত পরিসরের এবং প্রধানত কিছু নির্দিষ্ট কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত হয়। কিন্তু ইউনিকোড এমন একটি মান যা ৮-বিটের সীমা অতিক্রম করে বিশ্বের প্রায় সব ভাষার অক্ষর, সংখ্যা ও প্রতীক সমর্থন করে। তাই সঠিক উত্তর হলো ক) ইউনিকোড।

• ইউনিকোড:
- ইউনিকোড ১৬ বিট বিশিষ্ট কোড।
- বিভিন্ন ধরনের ক্যারেক্টার এবং টেক্সটকে প্রকাশ করার জন্য ইউনিকোড ব্যবহৃত হয়।
- বিশ্বের সকল দেশের ভাষাসমূহকে প্রকাশ করার জন্য 16 বিটের এই কোড ব্যবহার করা হয়।
- ইউনিকোডের সাহায্যে 216 = 65,536 কোড গ্রুপ তৈরি করা সম্ভব।
- ফলে যে সমস্ত দেশের ভাষাকে প্রকাশ করতে 8 বিটের বেশি কোড ব্যবহৃত হয়, সে সব ক্ষেত্রে ইউনিকোড ব্যবহৃত হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮০৬.
কোন কোডটি সাধারণত IBM এবং IBM সমকক্ষ কম্পিউটারেই শুধু ব্যবহৃত হয়?
  1. BCD
  2. EBCDIC
  3. UNICODE
  4. ASCII
ব্যাখ্যা
♦ ইবিসিডিক কোড (EBCDIC):
- ৮-বিট বিসিডি কোড Extended Binary Coded Decimal Information Code বা ইবিসিডিক কোড নামে পরিচিত।
- ইবিসিডিক (EBCDIC) কোডে ০ থেকে ৯ সংখ্যার জন্য ১১১১, A থেকে Z বর্ণের জন্য ১১০০, ১১০১ ও ১১১০ এবং বিশেষ চিহ্নের জন্য ০১০০, ০১০১, ০১১০ ও ০১১১ জোন বিট হিসাবে ব্যবহার করা হয়।
- ২৫৬টি বর্ণ, সংখ্যা ও বিশেষ চিহ্নকে এ পদ্ধতিতে কোড করে কম্পিউটারে ব্যবহার উপযোগী করা আছে।
- এ কোডটি সাধারণত IBM এবং IBM সমকক্ষ কম্পিউটারেই শুধু ব্যবহৃত হয়।
- যেমন IBM মেইনফ্রেম ও মিনি কম্পিউটারে EBCDIC কোড ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী।
৮০৭.
Which two gates are known as Universal Gates?
  1. AND and OR
  2. XOR and XNOR
  3. NAND and NOR
  4. OR and NOT
ব্যাখ্যা
NAND এবং NOR গেইট - এই দুটি গেইটকেই সার্বজনীন গেইট বলা হয়, কারণ এদের দিয়ে বাকি সব গেইটের কাজ করা যায়।

সার্বজনীন গেইট:
- যে সকল গেইটের মাধ্যমে অ্যান্ড, অর ও নট গেইটের ফাংশনকে প্রতিস্থাপন করা যায় তাদেরকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
- অর, অ্যান্ড এবং নট এই তিনটি মৌলিক গেইটের সমন্বয়ে সকল প্রকার লজিক সার্কিট বা যুক্তি বর্তনী তৈরি করা যায়।
- আবার শুধুমাত্র ন্যান্ড গেইট ব্যবহার করেই যে কোন লজিক সার্কিট বা যুক্তি বর্তনী তৈরি করা যায়।
- এর কারণ ন্যান্ড গেইট দিয়ে অর, অ্যান্ড এবং নট গেইট বাস্তবায়ন সম্ভব।
- একইভাবে শুধু নর গেইট দিয়েই অর, অ্যান্ড এবং নট গেইট তথা যে কোন লজিক সার্কিট বা যুক্তি বর্তনী তৈরি করা সম্ভব।

উৎস: বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮০৮.
235 এর বিসিডি কোড কত?
  1. ক) 000101010110
  2. খ) 001001110101
  3. গ) 001000110101
  4. ঘ) 000111001010
ব্যাখ্যা


∴ 235 এর বিসিডি কোড হলো 001000110101
৮০৯.
ফ্লিপ-ফ্লপ কী নামে পরিচিত?
  1. সিঙ্গেল ভাইব্রেটর
  2. বাই স্ট্যাবল মাল্টি ভাইব্রেটর
  3. সিকোয়েন্সিয়াল ভাইব্রেটর
  4. ডিজিটাল ভাইব্রেটর
ব্যাখ্যা
• ফ্লিপ-ফ্লপ:
- ফ্লিপ-ফ্লপ হলো লজিক গেইট দিয়ে তৈরি এক ধরনের ডিজিটাল বর্তনী, যা এক বিট তথ্য ধারণ করতে পারে।
- প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপে এক বা একাধিক ইনপুটের জন্য দুটি আউটপুট পাওয়া যায়।
- ফ্লিপ-ফ্লপ মূলত সিঙ্গেল বিট নিয়ে কাজ করে।
- ফ্লিপ-ফ্লপ মূলত মাল্টিপল বিট নিয়ে কাজ করতে পারেনা।
- এটি এক বিট 0 অথবা 1 হতে পারে।
- এজন্য ফ্লিপ-ফ্লপকে বাই স্ট্যাবল মাল্টি ভাইব্রেটর বলা হয়।

• ফ্লিপ ফ্লপের ব্যবহার:
১. বিভিন্ন রেজিস্টার তৈরিতে ফ্লিপ ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
২. সিকোয়েন্সিয়াল সার্কিটে মেমরি উপাদান হিসেবে ফ্লিপ ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
৩. ডিজিটাল ঘড়ি, ডিজিটাল ক্যামেরা, মোবাইল ফোন ইত্যাদিতে ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহৃত হয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।
৮১০.
OR গেইটের কাজ হলো-
  1. +
  2. -
  3. ×
  4. /
ব্যাখ্যা
♦ অর গেইট:
- অর গেইট যৌক্তিক যোগ পদ্ধতিতে কাজ করে।
- যে গেইটের দুই বা ততোধিক ইনপুট থাকে এবং আউটপুট ইনপুটসমূহের যৌক্তিক যোগফলের সমান তাকে অর গেইট বলে।
- কমপক্ষে একটি ইনপুট । হলে অর গেইটের আউটপুট 1 হবে, অন্যথায় আউটপুট হবে 0।
- দুইটি ইনপুট সংকেত A ও B এবং আউটপুট X হলে অর গেইটের সমীকরণ, সাংকেতিক সংকেত ও সত্যক সারণি হবে নিম্নরূপ-



উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮১১.
10101111 এর 1's complement কোনটি?
  1. 1111 1111
  2. 0000 0000
  3. 0101 0000
  4. 1100 0011
ব্যাখ্যা
• 10101111 এর 1's complement 0101 0000.

• ১ এর পরিপূরক গঠন (1's complement form):
- বাইনারি সংখ্যায়, ০ এর স্থানে ১ এবং ১ এর স্থানে ০ বসিয়ে সংখ্যাটির ১ এর পরিপূরক (1's complement form) করা হয়।
- অর্থাৎ সংখ্যার বিট গুলোকে উল্টিয়ে দেয়া হয়।

এখানে,
10101111 এর স্থানে বিট গুলোকে উল্টিয়ে 0101 0000 হলো ১ এর পরিপূরক (1's complement).

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৮১২.
(727.6) কে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করুন-
  1. 111010111.110
  2. 110010101.110
  3. 101010011.111
  4. 11101101.1101
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: (727.6) কে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করুন-

সমাধান:
৮১৩.
A = 0 এবং B =1 হলে, XNOR গেইটের ক্ষেত্রে আউটপুট কী হবে?
  1. 11
  2. 1
  3. 0
  4. 10
ব্যাখ্যা
• এক্স নর গেইট বা Exclusive NOR (XNOR) Gate:
- Exclusive NOR গেইটকে সংক্ষেপে এক্স নর (XNOR) গেইট বলে।
- এক্স অর গেইটের আউটপুটকে নট গেইট দিয়ে প্রবাহিত করলে অর্থাৎ, এক্স অর গেইট এবং নট গেইটের সমন্বয়ে এক্স নর গেইট গঠিত হয়।
- এক্স অর গেইট যে কাজ করে এই গেইট তার বিপরীত কাজ করে অর্থাৎ, দুইটি ইনপুট সমান হলেই কেবলমাত্র আউটপুট 1 হবে, অন্যথায় আউটপুট 0 হবে।
- A = 0 এবং B =1 হলে, XNOR গেইটের ক্ষেত্রে আউটপুট 0 হবে।

 উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮১৪.
(1101010)2 = (?)10
  1. 102
  2. 105
  3. 106
  4. 108
ব্যাখ্যা
ডান পাশ থেকে শুরু, 1 থেকে দ্বিগুণ করে যতটা বাইনারি সংখ্যা থাকবে ততটা দশমিক সংখ্যার দ্বিগুণ লিখতে হবে। তারপর বাইনারি সংখ্যার যেগুলোতে 1 থাকবে তত তম দশমিক সংখ্যার সাথে 1 গুণ করতে হবে। তারপর যোগ করলে দশমিক সংখ্যা পাওয়া যাবে।
64-32-16-8-4-2-1
(64×1) + (32×1) + (16×0) + (8×1) + (4×0) + (2×1) + (1×0)
= 64+32+0+8+0+2+0
= 106
৮১৫.
(159.52)16 সংখ্যাটির সমতুল্য অক্টাল মান কত?
  1. 531.244
  2. 525.232
  3. 547.314
  4. 533.422
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: (159.52)16 সংখ্যাটির সমতুল্য অক্টাল মান কত?

সমাধান:


উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৮১৬.
বাইনারি 110101 কে ডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তর করলে কত হয়?
  1. 45
  2. 53
  3. 65
  4. 60
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: বাইনারি 110101 কে ডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তর করলে কত হয়?

সমাধান:
• বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর:
- বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করার সময় প্রত্যেক অংককে ২ এর ঘাত অনুযায়ী গুণ করতে হয়।
- গুণ করার সময় স্থানীয় মান অনুযায়ী ২ এর ঘাত ০ থেকে শুরু করে বাম দিকে বাড়াতে হয়।
- প্রাপ্ত গুণফলকে যোগ করলে উক্ত বাইনারি সংখ্যাটির সমতুল্য দশমিক মান বা ডেসিমেল নাম্বার পাওয়া যায়।

(110101)2 = 1 × 25 + 1 × 24 + 0 × 23 + 1 × 22 + 0 × 21 + 1 × 20
= 32 + 16 + 0 + 4 + 0 + 1
= 53

∴ (110101)2 = 53

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

৮১৭.
কোন গেট ব্যবহার করে যে কোনো Boolean ফাংশন বাস্তবায়ন করা যায়?
  1. XOR
  2. NOR
  3. NAND
  4. খ ও গ উভয়ই 
ব্যাখ্যা

◉ NAND এবং NOR উভয়কেই বলা হয় Universal Gate. কারণ শুধু NAND অথবা শুধু NOR দিয়েই যেকোনো Boolean ফাংশন (AND, OR, NOT, XOR ইত্যাদি) তৈরি করা যায়।

লজিক গেইট:
- লজিক গেইট হচ্ছে এক ধরনের ইলেকট্রনিক সার্কিট যা এক বা একাধিক ইনপুট গ্রহণ করে কোন যুক্তির ভিত্তিতে একটি মাত্র আউটপুট প্রদান করে।
- লজিক গেইটে ব্যবহৃত দুটি ইনপুট হলো 1 এবং 0.
- মৌলিক লজিক গেইট তিনটি। যথা- অর গেইট, অ্যান্ড গেইট এবং নট গেইট।
- বুলিয়ান অ্যালজেবরার যোগের কাজ সম্পাদনের জন্য অর লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়।
- বুলিয়ান অ্যালজেবরার গুণনের কাজ সম্পাদনের জন্য এন্ড লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়।
- বুলিয়ান অ্যালজেবরার পূরকের কাজ সম্পাদনের জন্য নট লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়। 

• সার্বজনীন গেইট:
- যে গেইট এর সাহায্যে মৌলিক গেইটসহ (AND, OR, NOT) যেকোনো গেইট এবং যেকোনো সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায় তাকে সার্বজনীন গেইট বলে।
- NAND ও NOR গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
- কারণ, শুধুমাত্র NAND গেইট বা শুধুমাত্র NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বা সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, মাহবুবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৮১৮.
11101 এর 1's complement কোনটি?
  1. ক) 01110
  2. খ) 00010
  3. গ) 00111
  4. ঘ) 00110
ব্যাখ্যা
• ১ এর পরিপূরক গঠন (1's complement form):
বাইনারি সংখ্যায়, ০ এর স্থানে ১ এবং ১ এর স্থানে ০ বসিয়ে সংখ্যাটির ১ এর পরিপূরক (1's complement form) করা হয়। অর্থাৎ সংখ্যার বিট গুলোকে উল্টিয়ে দেয়া হয়।

এখানে,
11101 এর স্থানে বিট গুলোকে উল্টিয়ে 00010 হলো ১ এর পরিপূরক (1's complement).

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৮১৯.
নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি কোনটি?
  1. মেয়ান
  2. হায়ারোগ্লিফিক্স
  3. ট্যালি
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• সংখ্যা পদ্ধতি:
- প্রাচীনকাল থেকেই মানুষ গণনার কাজের জন্য বিভিন্ন সাংকেতিক চিহ্ন, বর্ণ, সংখ্যা বা অংক ইত্যাদি ব্যবহার করেছে। এ ধরনের সাংকেতিক চিহ্ন, বর্ণ, সংখ্যা বা অংক পাশাপাশি রেখে তা প্রকাশ করার পদ্ধতিই হলো সংখ্যা পদ্ধতি।
- সংখ্যা পদ্ধতিকে মূলত দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-

১. নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি:
- নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি হলো এমন এক ধরনের পদ্ধতি, যেখানে সংখ্যাগুলোর কোনো স্থানীয় মান থাকে না। শুধুমাত্র সংখ্যার নিজস্ব মান দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
- নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতিতে হাতিয়ার, পশুপাখি, জীবজন্তুর ছবি, গাছ, ফুল ফল ইত্যাদি প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করা হতো।
- তবে এ ধরনের সংখ্যা পদ্ধতিতে গাণিতিক কাজ করা খুবই জটিল।
- প্রাচীনকালে ব্যবহৃত হায়ারোগ্লিফিক্স, মেয়ান, ট্যালি সংখ্যা পদ্ধতি নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতির উদাহরণ।

২. পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি:
- কোনো সংখ্যা পদ্ধতি প্রকাশ করার জন্য যে সকল সাংকেতিক চিহ্ন বা মৌলিক চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তা অংক বা ডিজিট নামে পরিচিত। যেমন: বাইনারি সংখ্যাকে প্রকাশ করার জন্য দুটি অংক ০ এবং ১ ব্যবহার করা হয়।
- ডিজিট ব্যবহার করে সংখ্যা পদ্ধতি প্রকাশ করার পদ্ধতিই হলো পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮২০.
XOR গেইটে আউটপুট 0 হবে, যখন ইনপুট -
  1. A = 0, B = 1
  2. A = 1, B = 11
  3. A = 1, B = 0
  4. A = 1, B = 1
ব্যাখ্যা
• এক্স অর গেইট (Exclusive OR (XOR) Gate):
- Exclusive OR গেইটকে সংক্ষেপে এক্স অর গেইট বলে।
- মৌলিক গেইট দিয়ে এক্স অর গেইট তৈরি করা হয় বলে একে প্রকৃত অর গেইট বলে।
- এটি অ্যান্ড, অর, নট, ন্যান্ড, নর ইত্যাদি গেইটের সাহায্যেও তৈরি করা যায়।
- এই গেইটের দুটি ইনপুট সমান না হলে আউটপুট 1 হয়, অন্যথায় আউটপুট 0 হবে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮২১.
ডিজিটাল সিস্টেমে ডেটা সিঙ্ক্রোনাইজ করার জন্য কোন ধরনের ফ্লিপ ফ্লপ ব্যবহার করা হয়?
  1. T Flip Flop
  2. JK Flip Flop
  3. SR Flip Flop
  4. D Flip Flop
ব্যাখ্যা
• ডিজিটাল সিস্টেমে ডেটা সিঙ্ক্রোনাইজ করার জন্য "D Flip Flop" ফ্লিপ ফ্লপ ব্যবহার করা হয়

• ফ্লিপ-ফ্লপ:
- ফ্লিপ-ফ্লপ হলো লজিক গেইট দিয়ে তৈরি এক ধরনের ডিজিটাল বর্তনী, যা এক বিট তথ্য ধারণ করতে পারে।
- প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপে এক বা একাধিক ইনপুটের জন্য দুটি আউটপুট পাওয়া যায়।
- ফ্লিপ-ফ্লপ মূলত সিঙ্গেল বিট নিয়ে কাজ করে।
- ফ্লিপ-ফ্লপ মূলত মাল্টিপল বিট নিয়ে কাজ করতে পারেনা।
- এটি এক বিট 0 অথবা 1 হতে পারে।
- এজন্য ফ্লিপ-ফ্লপকে বাই স্ট্যাবল মাল্টি ভাইব্রেটর বলা হয়।

ফ্লিপ-ফ্লপের প্রকারভেদ ফ্লিপ-ফ্লপ সাধারণত ৫ প্রকার।
যথা-
১. SR ফ্লিপ-ফ্লপ,
২. D ফ্লিপ-ফ্লপ,
৩. JK ফ্লিপ-ফ্লপ,
৪ . T ফ্লিপ-ফ্লপ ও
৫. মাস্টার-স্লেভ ফ্লিপ-ফুপ।

• ফ্লিপ ফ্লপের ব্যবহার:
১. বিভিন্ন রেজিস্টার তৈরিতে ফ্লিপ ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
২. সিকোয়েন্সিয়াল সার্কিটে মেমরি উপাদান হিসেবে ফ্লিপ ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
৩. ডিজিটাল ঘড়ি, ডিজিটাল ক্যামেরা, মোবাইল ফোন ইত্যাদিতে ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহৃত হয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।
৮২২.
XOR গেইটের ক্ষেত্রে ইনপুট A = 1 এবং B = 1 হলে আউটপুট কত হবে?
  1. 0
  2. 1
  3. 2
  4. অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ক) 0

• এক্স অর গেইট (Exclusive OR (XOR) Gate):
- Exclusive OR গেইটকে সংক্ষেপে এক্স অর (XOR) গেইট বলে।
- মৌলিক গেইট দিয়ে এক্স অর গেইট তৈরি করা হয় বলে একে প্রকৃত অর গেইট বলে।
- এটি আ্যান্ড, অর, নট, ন্যান্ড, নর ইত্যাদি গেইটের সাহায্যেও তৈরি করা যায়।
- এই গেইটের দুটি ইনপুট সমান না হলে আউটপুট 1 হয়, অন্যথায় আউটপুট 0 হবে।
- উদাহরণস্বরূপ, যদি ইনপুট A = 0 এবং B = 1 হয়, আউটপুট হবে 1; একইভাবে A = 1 এবং B = 0 হলে আউটপুট হবে 1। কিন্তু যদি ইনপুট দুটো সমান হয়, যেমন A = 0, B = 0 অথবা A = 1, B = 1, তখন আউটপুট হবে 0।

এছাড়া,
- XNOR গেইটে দুটি ইনপুট একই মানের হলে আউটপুট 1 হয়। দুটি ইনপুট ভিন্ন মানের হলে আউটপুট 0 হয়।
- OR গেইটে যে কোনো একটি ইনপুট 1 হলে আউটপুট 1 হয়। দুটি ইনপুটই 0 হলে আউটপুট 0 হয়।
- AND গেইটে দুটি ইনপুটই 1 হলে আউটপুট 1 হয়। যে কোনো একটি ইনপুট 0 হলে আউটপুট 0 হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি-১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮২৩.
Convert the binary number (1011101)2  into hexadecimal.
  1. (4D)16
  2. (4E)16
  3. (5D)16
  4. (4F)16
ব্যাখ্যা

বাইনারি সংখ্যাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তর:
১। বাইনারি সংখ্যাটির অংকগুলোকে ডান দিক থেকে ক্রমান্বয়ে বাম দিকে 4 বিটবিশিষ্ট একেকটি গ্রুপে ভাগ করতে হবে।
২। যদি সর্ব বামের গ্রুপ তৈরিতে 4 বিট না থাকে তাহলে প্রয়োজন অনুসারে বাম দিকে একটি বা দুটি বা তিনটি, শূন্য (0) বসিয়ে 4 বিটের গ্রুপ সম্পন্ন করতে হবে।
৩। প্রতিটি গ্রুপের সমতুল্য হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার মান বসালে বাইনারি সংখ্যাটি হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তরিত হবে।
৪। এই পদ্ধতিতে 0-9 পর্যন্ত অংক এবং 10-15 পর্যন্ত মানের জন্য A-F বর্ণমালা ব্যবহৃত হয়।

উদাহরণ-১: (1011101)2 কে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তর।
(1011101)2= 101 1101
= 0101 1101 [4-বিট গ্রুপ তৈরির জন্য বামে 1টি অতিরিক্ত শূন্য যোগ করা হয়েছে।]
= (5D)16

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮২৪.
কোন ধনাত্মক সংখ্যাকে ঋণাত্মক সংখ্যায় কিংবা ঋণাত্মক সংখ্যাকে ধনাত্মক সংখ্যায় পরিবর্তন করাকে কী বলে?
  1. ক) সিফটিং
  2. খ) নিগেশন
  3. গ) পুশ
  4. ঘ) কমিট
ব্যাখ্যা
কোন ধনাত্মক সংখ্যাকে ঋণাত্মক সংখ্যায় কিংবা ঋণাত্মক সংখ্যাকে ধনাত্মক সংখ্যায় পরিবর্তন করাকে নিগেশন বা বিপরীতকরণ বলে।
৮২৫.
সত্য ও মিথ্যার উপর নির্ভর করে যে অ্যালজেবরা -
  1. ক) Boolean algebra
  2. খ) Albert algebra
  3. গ) Azumaya algebra.
  4. ঘ) Banach algebra
ব্যাখ্যা

সত্য ও মিথ্যার উপর নির্ভর করে যে অ্যালজেবরার তৈরি হয়েছে তাকে বুলিয়ান অ্যালজেবরা বলা হয়। সাধারণত এই সত্যকে বাইনারি অংক ১ এবং মিথ্যাকে ০ দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
মূলত ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে বুলিয়ান অ্যালজেবরার ব্যবহারিক প্রয়োগ লক্ষ্য করা যায়।

উৎসঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এইচএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)

৮২৬.
(1011) কে ডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তর করুন-
  1. ক) 10
  2. খ) 11
  3. গ) 12
  4. ঘ) 13
ব্যাখ্যা
1011 = 1 × 2 + 0 × 2+ 1 × 21  + 1 × 2° 
         = 8 + 0 + 2 + 1 
         = 11

বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি: 
বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি একটি সংখ্যা পদ্ধতি যাতে সকল সংখ্যাকে কেবলমাত্র ০ এবং ১ দিয়ে প্রকাশ করা হয়।
এই সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি দুই।
ডিজিটাল ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতির লজিক গেটে এই সংখ্যাপদ্ধতির ব্যাপক প্রয়োগ রয়েছে।
তাছাড়া প্রায় সকল আধুনিক কম্পিউটারে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
বাইনারি পদ্ধতিতে প্রতিটি অঙ্ককে বিট বলা হয়।

ডেসিমাল বা দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি : প্রাচীন ভারতে দশমিক সংখ্যা পদ্ধতির প্রচলন প্রথম শুরু হয় বলে একে হিন্দু সংখ্যা পদ্ধতিও বলা হয়।

সূত্র: ৯৬ পৃষ্ঠা, কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮২৭.
অক্টাল সংখ্যা নয় কোনটি?
  1. ক) ৬৪৫
  2. খ) ৭৩১
  3. গ) ১২৩
  4. ঘ) ১২B
ব্যাখ্যা
অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি
অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তি হচ্ছে ৮।
এই পদ্ধতিতে 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6 এবং 7 এই ৮টি মৌলিক অংক ব্যবহৃত হয়।
(১০১), (৭৩১), (৬৪৫.১০৩), ইত্যাদি হলো অক্টাল সংখ্যার উদাহরণ।
৮২৮.
অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির উদ্ভাবক কে?
  1. জন উইলিয়াম নাইস্ট্রম
  2. গটফ্রিড লিবনিজ
  3. রবার্ট উইলিয়াম বিমার
  4. রাজা ৭ম চার্লস
ব্যাখ্যা
♦ অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি:
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ৮।
- এ পদ্ধতিতে মোট ৮টি অংক বা ডিজিট ব্যবহৃত হয়।
- অংক বা ডিজিটগুলো হলো ০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬ ও ৭।
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতিতে দশমিকের(.) আগের অঙ্কগুলোকে  MSD (বেশি গুরুত্বের অঙ্ক)  এবং পরের অঙ্কগুলোকে  LSD (কম গুরুত্বের অঙ্ক) বলে।
- অক্টাল সংখ্যার আবিষ্কারক সুইডেনের রাজা ৭ম চার্লস।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণী, মাহবুবুর রহমান। 
৮২৯.
(95)10 সংখ্যাটির বাইনারি সংখ্যা কোনটি?
  1. 1011111
  2. 1110111
  3. 1101111
  4. 1010111
ব্যাখ্যা
• পূর্ণ দশমিক সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর:
১। দশমিক সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করার জন্য দশমিক সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যার বেজ ২ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে।
২। ভাগফলকে পুনরায় ২ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে।
৩। এ পদ্ধতির পুনরাবৃত্তি করতে হবে যতক্ষণ না ভাগফল ০ হয়।
৪। সংরক্ষিত ভাগশেষগুলোকে শেষ থেকে শুরু বা সর্বোচ্চ গুরুত্বপূর্ণ অংক (MSB-Most Significant Bit) থেকে সর্বনিম্ন গুরুত্বপূর্ণের অংক (LSB-Least Significant Bit) পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে লিখলে সংখ্যাটির সমকক্ষ বাইনারি মান পাওয়া যাবে।
৮৩০.
নিচের কোনটি NAND Gate এর ইনপুট - আউটপুট সম্পর্ক নয়? (এখানে প্রথম দুটি বিট ইনপুট এবং তৃতীয় বিট আউটপুট নির্দেশ করছে)
  1. ক) 0, 0, 1
  2. খ) 0, 1, 1
  3. গ) 1, 0, 1
  4. ঘ) 1, 1, 1
ব্যাখ্যা
AND + NOT = NAND গেট
NAND গেট AND গেটের বিপরীত।
NAND গেইটে সবগুলো ইনপুট 0 হলে আউটপুট 1 হয়।
৮৩১.
বুলিয়ান অ্যালজেবরায় যোগের জন্য প্রয়োজনীয় লজিক গেট কোনটি?
  1. NOR gate
  2. NOT gate
  3. AND gate
  4. OR gate
ব্যাখ্যা

• বুলিয়ান অ্যালজেবরায় যোগ (Addition) অপারেশন বোঝাতে OR Gate ব্যবহৃত হয়। কারণ OR Gate–এর আউটপুট তখনই ১ হয়, যখন এর যেকোনো একটি বা একাধিক ইনপুট ১ হয়। অর্থাৎ, এটি ঠিক বুলিয়ান অ্যালজেবরার যোগের নিয়মের সাথে মিলে যায়। যেমন, A + B = 1 হবে যদি A = 1 অথবা B = 1 হয়। অন্যদিকে AND Gate গুণ (Multiplication) নির্দেশ করে, আর NOT Gate একটি মানের বিপরীত নির্দেশ করে। NOR Gate হলো OR Gate–এর বিপরীত। তাই বুলিয়ান যোগের ক্ষেত্রে সঠিক লজিক গেট হলো OR Gate.

• লজিক গেইট:
- লজিক গেইট হচ্ছে এক ধরনের ইলেকট্রনিক সার্কিট যা এক বা একাধিক ইনপুট গ্রহণ করে কোন যুক্তির ভিত্তিতে একটি মাত্র আউটপুট প্রদান করে।
- লজিক গেইটে ব্যবহৃত দুটি ইনপুট হলো 1 এবং 0।
- মৌলিক লজিক গেইট তিনটি। যথা- অর গেইট, অ্যান্ড গেইট এবং নট গেইট।

• OR gate: বুলিয়ান অ্যালজেবরার যোগের কাজ সম্পাদনের জন্য অর লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়।
• AND gate: বুলিয়ান অ্যালজেবরার গুণনের কাজ সম্পাদনের জন্য এন্ড লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়।
• NOT gate: বুলিয়ান অ্যালজেবরার পূরকের কাজ সম্পাদনের জন্য নট লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৮৩২.
হেক্সাডেসিমেল হতে অক্টাল-এ রূপান্তর করার জন্য নিচের কোন পদ্ধতি ব্যবহার করতে হবে?
  1. ক) Hexadecimal-Binary-Octal
  2. খ) Hexadecimal-Decimal-Binary-Octal
  3. গ) Hexadecimal-Octal
  4. ঘ) Hexadecimal-Binary-Decimal-Octal
  5. ঙ) কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
হেক্সাডেসিমেল হতে অক্টাল-এ রূপান্তর করার জন্য Hexadecimal-Binary-Octal এই পদ্ধতি অনুসরণ করতে হবে।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি- মোঃ মজিবুর রহমান।
৮৩৩.
দশমিক সংখ্যার ১২ এর বাইনারি মান কত?
  1. ১০০১
  2. ১০১০
  3. ১০১১
  4. ১১০০
৮৩৪.
নিচের কোনটিকে সার্বজনীন কোড বলা হয়?
  1. ক) ASCII
  2. খ) Unicode
  3. গ) BCD
  4. ঘ) EBCDIC
ব্যাখ্যা
• ইউনিকোড (Unicode):
- Unicode এর পূর্ণনাম হলো Universal Code বা সার্বজনীন কোড।
- ইউনিকোড হচ্ছে 16 বিট কোড। 
- বিভিন্ন ধরনের ক্যারেক্টার এবং টেক্সটকে প্রকাশ করার জন্য ইউনিকোড ব্যবহৃত হয়। 
- বিশ্বের সকল দেশের ভাষাসমূহকে প্রকাশ করার জন্য 16 বিটের এই কোড ব্যবহার করা হয়। 

• বিসিডি কোড (BCD Code):
- দশমিক সংখ্যা যেহেতু বহুলভাবে ব্যবহৃত হয়, তাই এর দশমিক রূপটি যতটুকু সম্ভব অক্ষুণ্ণ রেখে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তরের জন্য একটি বিশেষ ধরনের কোডিং পদ্ধতি গ্রহণ করতে হয়। এটিকে বিসিডি কোড বলে।
- BCD এর পূর্ণ অর্থ হলো Binary Code Decimal।

• অ্যাসকি কোড (ASCII Code):
- ASCII একটি শব্দ সংক্ষেপ যার পূর্ণ নাম American Standard Code for Information Interchange.
- এটি একটি বহুল ব্যবহৃত আলফানিউমেরিক কোড যা মাইক্রো কম্পিউটার, মিনি কম্পিউটারসহ অনেক মেইনফ্রেম কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয়।
- অ্যাসকি কোড ৭টি বিট নিয়ে গঠিত। 
- ASCII কোড দ্বারা 27 অর্থাৎ 128টি বিভিন্ন অংক, অক্ষর ও চিহ্ন নির্দিষ্ট করা যায়। 

• ইবিসিডিক কোড (EBCDIC Code):
- ইবিসিডিক (EBCDIC) Extended Binary Coded Information Code-এর সংক্ষিপ্ত রূপ।
- এটি একটি ৪ বিটের কোড। সুতরাং এ কোড দ্বারা 28 বা 256টি অংক, অক্ষর বা চিহ্ন প্রকাশ করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৩৫.
কে NAND গেইটে পাঠালে আউটপুট কোনটি আসবে
  1. ক) A + B
  2. খ) AB
  3. গ)
  4. ঘ)
৮৩৬.
In computers, what is the smallest and basic unit of information storage?
  1. ক) Bit
  2. খ) Byte
  3. গ) Newton
  4. ঘ) Mega Byte
ব্যাখ্যা
The smallest unit of data in a computer is called Bit (Binary Digit). A bit has a single binary value, either 0 or 1. In most computer systems, there are eight bits in a byte. The value of a bit is usually stored as either above or below a designated level of electrical charge in a single capacitor within a memory device.
Source: Google Book
৮৩৭.
NOT গেটের ইনপুট সাধারণত কয়টি?
  1. ক) ১টি
  2. খ) ২টি
  3. গ) ৩টি
  4. ঘ) অনির্দিষ্ট
ব্যাখ্যা
নট গেইট (NOT Gate)
এ গেইটে একটি ইনপুট ও একটি আউটপুট থাকে। ইনপুটের বিপরীত হবে আউটপুট। সেজন্য এ গেইটকে ইনভার্টার (Inverter) বলা হয়। এ গেইটে ইনপুট সত্য হলে আউটপুট মিথ্যা, আর যদি ইনপুট মিথ্যা হয় তাহলে আউটপুট সত্য হয়।
রেফারেন্সঃ নবম দশম শ্রেণির কম্পিউটার (ভোকেশনাল)
৮৩৮.
নিচের কোন বুলিয়ান উপপাদ্যটি সঠিক নয়?
  1. A + 0 = A
  2. A + 1 = 1
  3. A + A = A
  4. A . 1 = 0
ব্যাখ্যা
বুলিয়ান উপপাদ্য:
- সাধারণত বুলিয়ান উপপাদ্যের সাহায্যে বুলিয়ান অ্যালজেবরার সকল জটিল সমীকরণসমূহের সরল করা হয়।



উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৩৯.
'11001 - 1110' বাইনারি বিয়োগফলের ডেসিমেল মান কত?
  1. ক) 1011
  2. খ) 111
  3. গ) 11
  4. ঘ) 1101
ব্যাখ্যা
• বাইনারি বিয়োগফল: 11001 - 1110 = 1011

• 1011 এর ডেসিমেল মান = 11
৮৪০.
কোন লজিক গেটকে "ইনক্লুসিভ ডিসজংশন" (Inclusive Disjunction) বলা হয়?
  1. NAND
  2. XOR
  3. AND
  4. OR
ব্যাখ্যা

• ইনক্লুসিভ ডিসজংশন (Inclusive Disjunction) বা OR গেট হলো একটি মৌলিক লজিক গেট যা দুটি বা তার বেশি ইনপুটের মধ্যে যেকোনো একটির মান ১ হলে আউটপুট ১ দেয়। অন্যভাবে বলতে গেলে, ইনপুটগুলির মধ্যে এক বা একাধিক “সত্য” হলে আউটপুট সত্য হয়। উদাহরণস্বরূপ, দুটি ইনপুট A এবং B আছে। যদি A=0 এবং B=0 হয়, আউটপুট হবে 0। কিন্তু যদি A=1 এবং B=0 অথবা A=0 এবং B=1 অথবা A=1 এবং B=1 হয়, আউটপুট সব ক্ষেত্রেই 1 হবে। এই বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী, এটি XOR-এর মতো নয় যেটি কেবল একটিমাত্র ইনপুট সত্য হলে ১ দেয়, তাই ইনক্লুসিভ ডিসজংশন OR গেটকে বোঝায়।

সঠিক উত্তর: ঘ) OR.

লজিক গেইট:
- লজিক গেইট হচ্ছে এক ধরনের ইলেকট্রনিক সার্কিট যা এক বা একাধিক ইনপুট গ্রহণ করে কোন যুক্তির ভিত্তিতে একটি মাত্র আউটপুট প্রদান করে।
- লজিক গেইটে ব্যবহৃত দুটি ইনপুট হলো 1 এবং 0।
- মৌলিক লজিক গেইট তিনটি। যথা- অর গেইট, অ্যান্ড গেইট এবং নট গেইট।

- OR gate: বুলিয়ান অ্যালজেবরার যোগের কাজ সম্পাদনের জন্য অর লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়।
- AND gate: বুলিয়ান অ্যালজেবরার গুণনের কাজ সম্পাদনের জন্য এন্ড লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়।
- NOT gate: বুলিয়ান অ্যালজেবরার পূরকের কাজ সম্পাদনের জন্য নট লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৮৪১.
কম্পিউটার নিচের কোন ভাষাটি ব্যবহার করে?
  1. ক) প্রসেসিং
  2. খ) বাইনারি
  3. গ) প্রতিনিধিত্বমূলক
  4. ঘ) কিলোবাইট
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটারে বাইনারি (০ এবং ১) ভাষাটি ব্যবহার করা হয়।

• বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি: কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয় ০ এবং ১ দুইটি সংখ্যা। যে সংখ্যা পদ্ধতিতে ০ এবং ১ এই দুইটি মাত্র সংখ্যা বা অংক ব্যবহার করা হয় তাকে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- দুটি অংক ব্যবহারের কারণেই এই সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি হচ্ছে 2 । 
- সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তির উপর নির্ভর করে সংখ্যা পদ্ধতিকে চার ভাগে ভাগ করা হয়:
১) দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি (Decimal number system)
২) বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (Binary number system)
৩) অক্ট্যাল সংখ্যা পদ্ধতি (Octal number system)
৪) হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি (Hexadecimal number system)

উৎস: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি।
৮৪২.
(175)10 কে অক্টাল সংখ্যায় রুপান্তর করলে নিম্নের কোনটি পাওয়া যাবে?
  1. ক) 730
  2. খ) 120
  3. গ) 257
  4. ঘ) 175
ব্যাখ্যা
প্রশ্নে প্রদত্ত সংখ্যাটি দশমিক সংখ্যা।
- দশমিক সংখ্যাকে অক্টালে নিতে হলে ৮ দিয়ে ভাগ করতে হয়।
- প্রথমে ভাগফল এবং একটি হাইফেন দিয়ে ভাগশষ লিখতে হয়।
- এভাবে প্রাপ্ত ভাগফলকে পুনরায় ৮ দিয়ে ভাগ করতে হয়। ভাগফলের স্থানে ০ আসলে ভাগ করা বন্ধ করে ভাগশেষসমূহ নিচ থেকে উপরের দিকে লিখলেই অক্টালে রূপান্তরিত হয়।
৮৪৩.
কমিউনিকেশন সিস্টেমে গেটওয়ে কি কাজে ব্যবহার হয়?
  1. বিভিন্ন নেটওয়ার্ক ডিভাইস সংযুক্ত করার কাজে
  2. দুই বা তার অধিক ভিন্ন ধরনের নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করার কাজে
  3. এটি নেটওয়ার্ক হাব কিংবা সুইচের মতই কাজ করে
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
গেটওয়ে:
- গেটওয়ে ব্যবহার করে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের কাজ করা হয়।
- গেটওয়ে এবং রাউটার ব্যবহার করে ছোট ছোট নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করে বড় ধরনের নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হয়।
- রাউটার একই প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে কিন্তু গেটওয়ে বিভিন্ন প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)।
৮৪৪.
1011 এর পরবর্তী বাইনারি সংখ্যা কত?
  1. ক) 1010
  2. খ) 1100
  3. গ) 1101
  4. ঘ) 1110
ব্যাখ্যা
• বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করার সময় প্রত্যেক অংককে ২ দ্বারা গুণ করতে হবে।
গুণ করার সময় স্থানীয় মান অনুযায়ী ২ এর ঘাত ০ হতে বাড়াতে হবে।
- যেমন: একক স্থানীয় অংকটিকে ২ দ্বারা, দশক স্থানীয় অংকটিকে ২ দ্বারা, শতক স্থানীয় অংকটিকে ২, দ্বারা গুণ করতে হবে। প্রাপ্ত গুণফলকে যোগ করলে উক্ত বাইনারি সংখ্যাটির সমতুল্য দশমিক মান পাওয়া যাবে। 

এখানে, 1011 এর দশমিক সংখ্যা হলো 11.
1011
= 1 × 2+ 0 × 2+ 1 × 21 + 1 × 20 
= 8 + 0 + 2 + 1 
= 11 

1100 এর দশমিক সংখ্যা হলো 12.
1100
= 1 × 23 + 1 × 22 + 0 × 21 + 0 × 2
= 8 + 4 + 0 + 0 
= 12 

সুতরাং 1011 এর পরবর্তী বাইনারি সংখ্যা 1100.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৪৫.
হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা 586 এর সমতূল্য ডেসিমেল সংখ্যা কত?
  1. 1212
  2. 1313
  3. 1414
  4. 1515
ব্যাখ্যা
(586)₁₆ = (5 × 16²) + (8 × 16¹) + (6 × 16⁰)
= 1280 + 128 + 6
= (1414)₁₀
৮৪৬.
(1110111)2 এর সমতুল্য দশমিক সংখ্যা কত?
  1. 115
  2. 119
  3. 124
  4. 127
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: (1110111)2 এর সমতুল্য দশমিক সংখ্যা কত?

সমাধান:
(1110111)2 = (1 × 26) +  (1 × 25) + (1 × 24) + (0 × 23) + (1 × 22) + (1 × 21) + (1 × 20)
= 64 + 32 + 16 + 0 + 4 + 2 + 1
= 119
৮৪৭.
ASCII কোডের বিটের সংখ্যা কত?
  1. 2
  2. 4
  3. 7
  4. 8
ব্যাখ্যা
ASCII (American Standard Code for Information Interchange) is the most common character encoding format for text data in computers and on the internet. Characters in ASCII encoding include upper- and lowercase letters A through Z, numerals 0 through 9 and basic punctuation symbols.
ASCII, stands for American Standard Code for Information Interchange. It's a 7-bit character code where every single bit represents a unique character.

Source - ICT, class XI-XII, NCTB
৮৪৮.
(১১০১০১) = ( ? )১০
  1. ১১
  2. ১৩
  3. ৪১
  4. ৫৩
ব্যাখ্যা

উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৮৪৯.
(233)10 এর অক্টাল মান কত?
  1. ক) (153)8
  2. খ) (315)8
  3. গ) (321)8
  4. ঘ) (351)8
ব্যাখ্যা
8 | 233
8 | 29 - 1
8 | 3 - 5
   | 0 - 3

∴ (233)10 = (351)8
৮৫০.
ASCII কোড অনুযায়ী কম্পিউটারে ‘C’ অক্ষরকে উপস্থাপন করতে কোন সংখ্যা ব্যবহৃত হয়?
  1. 67
  2. 68
  3. 66
  4. 65
ব্যাখ্যা

• কম্পিউটারের মধ্যে অক্ষরগুলোকে সংখ্যা হিসেবে সংরক্ষণ করার জন্য ASCII (American Standard Code for Information Interchange) ব্যবহার করা হয়। ASCII কোড একটি মানক পদ্ধতি যা প্রতিটি অক্ষর ও নিয়ন্ত্রণ চিহ্নকে একটি নির্দিষ্ট পূর্ণসংখ্যার সঙ্গে যুক্ত করে। উদাহরণস্বরূপ, বড় হাতের অক্ষর ‘A’ থেকে ‘Z’ পর্যন্ত ৬৫ থেকে ৯০ পর্যন্ত সংখ্যা ব্যবহার করে উপস্থাপন করা হয়। তাই ‘C’ অক্ষরটি ASCII অনুযায়ী উপস্থাপন করতে ৬৭ সংখ্যা ব্যবহার করা হয়। অর্থাৎ কম্পিউটার যখন ‘C’ অক্ষরটি দেখতে বা প্রক্রিয়াকরণ করতে চায়, তখন এটি আসলে ৬৭ সংখ্যা হিসেবে সংরক্ষিত থাকে। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো ক) 67
 
• অ্যাসকি কোড (ASCII Code):
- ASCII শব্দের পূর্ণরূপ হলাে American Standard Code for Information Interchange.
- 1963 সালে আমেরিকান ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড ইনস্টিটিউড (ANSI) কর্তৃক ASCII কোডটি আবিষ্কৃত হয়।
- এটি বহুল ব্যবহৃত একটি 7 বিটের কোড, যার দ্বারা 128টি বিভিন্ন অংক, অক্ষরসহ বিভিন্ন চিহ্ন এবং আরাে কতকগুলাে বিশেষ চিহ্নকে প্রকাশ বা নির্দিষ্ট করা যায়।
- এটি ASCII-7 কোড নামে পরিচিত।
- ASCII-7 কোডের সর্ব বামে একটি প্যারিটি বিট যােগ করলে ASCII-৪ কোড তৈরি হয়। ASCII-8 কোডের মাধ্যমে 256টি বিভিন্ন অংক, অক্ষরসহ বিভিন্ন চিহ্ন এবং আরাে কতকগুলাে বিশেষ চিহ্নকে প্রকাশ বা নির্দিষ্ট করা যায়।

'A' এর ASCII code = 65
'B' এর ASCII code = 66
'C' এর ASCII code = 67
'a' এর ASCII code = 97
'b' এর ASCII code = 98
'c' এর ASCII code = 99

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮৫১.
নিচের কোন সংখ্যাটি অক্টাল সংখ্যা নয়?
  1. ক) ২৩৫
  2. খ) ১২০০
  3. গ) ১০১০
  4. ঘ) ২৮০
ব্যাখ্যা
অক্টাল সংখ্যা এর জন্য ০ থেকে ৭ পর্যন্ত ডিজিট ব্যবহার করা হয় তাই ২৮০ অক্টাল সংখ্যা নয়।
৮৫২.
"ABC" হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার সমতুল্য দশমিক মান কত? 
  1. 2748
  2. 3124
  3. 4096
  4. 5270
ব্যাখ্যা

◉ হেক্সাডেসিমেল "ABC" = দশমিক 2748

হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি:
- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে ১৬ টি (০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ৯, A, B, C, D, E, F) প্রতীক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি বলে, যেমন- (১২০৯A)১৬।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিতে মোট ১৬ টি প্রতীক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় বলে এর বেজ বা ভিত্তি হচ্ছে ১৬।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিকে চার বিট সংখ্যা পদ্ধতিও বলা হয়।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিতে ব্যবহৃত ১৬ টি (০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ৯, A, B, C, D, E, F) প্রতীক বা চিহ্নকে চার বিটের মাধ্যমেই প্রকাশ করা যায়।
- A, B, C, D, E, F প্রতীক গুলোকে যথাক্রমে ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪, ১৫ দ্বারা প্রকাশ করা যায়।
- ডিজিটাল সিস্টেমে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাইনারি সংখ্যাকে নির্ভুল ও সহজে উপস্থাপন করার জন্য হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
- এছাড়া বিভিন্ন মেমোরি অ্যাড্রেস ও রং এর কোড হিসেবে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।

A = 10
B = 11
C = 12

∴ (ABC)16 = (10 × 162) + (11 × 161) + (12 × 160
= (10 × 256) + (11 × 16) + (12 × 1)
= 2560 + 176 + 12
= 2748

৮৫৩.
মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনে ইউনিকোড ব্যবহারের কারণ কী?
  1. নেটওয়ার্কের পারফরম্যান্স উন্নত করে
  2. ব্যাটারি দীর্ঘস্থায়ী করে
  3. টেক্সট সঠিকভাবে দেখায়
  4. অ্যাপের আকার হ্রাস করে
ব্যাখ্যা

• মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনে ইউনিকোড ব্যবহারের প্রধান কারণ হলো টেক্সট সঠিকভাবে প্রদর্শন করা। ইউনিকোড হলো একটি আন্তর্জাতিক স্ট্যান্ডার্ড যা বিশ্বের বিভিন্ন ভাষার অক্ষর, চিহ্ন এবং প্রতীক সমর্থন করে। এটি ব্যবহার করলে অ্যাপ্লিকেশনে বাংলা, ইংরেজি, হিন্দি কিংবা যেকোনো ভাষার লেখা ঠিকমতো দেখা যায়। ইউনিকোড ব্যবহার না করলে ভাষাগত অক্ষরগুলোর অবস্থান, চিহ্ন এবং ফন্টের সমস্যা দেখা দিতে পারে, যা ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা খারাপ করে। তাই মোবাইল অ্যাপ ডেভেলপাররা ইউনিকোডকে অগ্রাধিকার দেন, যাতে টেক্সট সব প্ল্যাটফর্মে এবং ডিভাইসে সঠিকভাবে প্রদর্শিত হয়। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো – গ) টেক্সট সঠিকভাবে দেখায়।

• ইউনিকোড:
• উদ্ভাবন ও উন্নয়ন:
- ১৯৯১ সালে Apple Computer Corporation এবং Xerox Corporation-এর একদল প্রকৌশলী যৌথভাবে ইউনিকোড উদ্ভাবন করেন।
- শুরু থেকেই ইউনিকোডকে আরও উন্নত করার লক্ষ্যে Unicode Consortium কাজ করে যাচ্ছে।

• ব্যবহার ও বৈশিষ্ট্য:
- বিশ্বের ছোট-বড় সকল ভাষাকে কম্পিউটারে কোডভুক্ত করার জন্য ইউনিকোড ব্যবহৃত হয়।
-  ইউনিকোড মূলত ২ বাইট বা ১৬ বিটের কোড।
- এই কোডের মাধ্যমে ৬৫,৫৩৬টি অদ্বিতীয় চিহ্নকে নির্দিষ্ট করা যায়।
- যে ভাষাগুলোর জন্য ৮ বিট অপর্যাপ্ত ছিল (যেমন: চায়নিজ, কোরিয়ান, জাপানিজ), সেগুলোর সকল চিহ্ন সহজেই কোডভুক্ত করা সম্ভব হয়।

• অ্যাসকির (ASCII) সাথে সম্পর্ক:
- ইউনিকোড অ্যাসকি কোডের সাথে কম্প্যাটিবল।
- অর্থাৎ, ইউনিকোডের প্রথম ২৫৬টি কোড অ্যাসকির প্রথম ২৫৬টি কোডের অনুরূপ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৮৫৪.
১ কিলোবাইট = কত বিট?
  1. ক) ১০০০০ বিট
  2. খ) ১০২৪ বিট
  3. গ) ৮১৯২ বিট
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
১ বাইট = ৮ বিট
১ কিলোবাইট = ১০২৪ বাইট
= (১০২৪ × ৮) বিট
= ৮১৯২ বিট

উৎস:  তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণী। 
৮৫৫.
কোন সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি হচ্ছে ২?
  1. ক) দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি
  2. খ) বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি
  3. গ) অক্ট্যাল সংখ্যা পদ্ধতি
  4. ঘ) হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি
ব্যাখ্যা
• বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি হচ্ছে ২।

• বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি: যে সংখ্যা পদ্ধতিতে 0 এবং 1 এই দুইটি মাত্র সংখ্যা বা অংক ব্যবহার করা হয় তাকে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- দুটি অংক ব্যবহারের কারণেই এই সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি হচ্ছে ২।
- সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তির উপর নির্ভর করে সংখ্যা পদ্ধতিকে চার ভাগে ভাগ করা হয়:
১. দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি (Decimal number system)
২. বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (Binary number system)
৩. অক্ট্যাল সংখ্যা পদ্ধতি (Octal number system)
৪. হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি (Hexadecimal number system)

উৎস: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি।
৮৫৬.
হেক্সাডেসিমাল F এর মান বাইনারিতে-
  1. ক) ১০১০
  2. খ) ১১১১
  3. গ) ১১১০
  4. ঘ) ১১০১
ব্যাখ্যা
কোন ব্যাখ্যা যোগ করা হয়নি।
৮৫৭.
6 লাইন ডিকোডারের ক্ষেত্রে আউটপুট লাইন কত? 
  1. 52 টি
  2. 62 টি
  3. 64 টি
  4. 88 টি
ব্যাখ্যা

• ৬ লাইন ইনপুটযুক্ত একটি ডিকোডার সাধারণত 2n আউটপুট লাইন তৈরি করে, যেখানে n হল ইনপুট লাইনের সংখ্যা। এখানে n = 6, তাই আউটপুট লাইনের সংখ্যা হবে 26 = 64। ডিকোডারের মূল কাজ হল নির্দিষ্ট ইনপুট কম্বিনেশন অনুযায়ী একক আউটপুট সক্রিয় করা, বাকিগুলো বন্ধ রাখা। তাই ৬ লাইন ইনপুটযুক্ত ডিকোডার ৬৪টি ভিন্ন আউটপুট লাইন তৈরি করতে সক্ষম। সুতরাং প্রদত্ত অপশন গুলোর মধ্যে সঠিক উত্তর হলো গ) 64 টি।

• ডিকোডার:
- ডিকোডার হলো এমন একটি সমবায় সার্কিট যার সাহায্যে n টি ইনপুট থেকে সর্বাধিক 2n টি আউটপুট লাইনের একটিতে 1 ও বাকিগুলোতে 0 আউটপুট পাওয়া যায়।
- কখন কোন আউটপুট লাইনে 1 পাওয়া যাবে তা নির্ভর করে ইনপুটগুলোর মানের উপর।
- ডিকোডার হলো এমন এক ধরনের ইলেকট্রনিক সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী যা কম্পিউটারে ব্যবহৃত ভাষাকে মানুষের বোধগম্য ভাষায় রূপান্তর করে।

∴ 6 লাইন ডিকোডারের ক্ষেত্রে আউটপুট লাইন = 26
= 64 টি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮৫৮.
নিচের কোনটি Octal number নয়? 
  1. 19
  2. 77
  3. 15
  4. 101
ব্যাখ্যা
• অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি:
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ৮।
- এ পদ্ধতিতে মোট ৮টি অংক বা ডিজিট ব্যবহৃত হয়।
- অংক বা ডিজিটগুলো হলো ০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬ ও ৭।
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি হচ্ছে 8। যেমন- 101, 367, 452 কিন্তু 19 অক্টাল সংখ্যা নয় কারণ 9 অঙ্কটি অক্টাল সংখ্যার অঙ্ক বা চিহ্ন না।
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতিতে দশমিকের(.) আগের অঙ্কগুলোকে MSD (বেশি গুরুত্বের অঙ্ক) এবং পরের অঙ্কগুলোকে LSD (কম গুরুত্বের অঙ্ক) বলে।
- অক্টাল সংখ্যার আবিষ্কারক সুইডেনের রাজা ৭ম চার্লস।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণী, মাহবুবুর রহমান।
৮৫৯.
নিচের কোন Octal সংখ্যাটি Decimal সংখ্যা ৫৫-এর সমতুল্য?
  1. ৫৫
  2. ৭৭
  3. ৬৭
  4. ৮৭
ব্যাখ্যা
দশমিক পূর্ণ সংখ্যাকে অক্ট্যাল সংখ্যায় রূপান্তর করার জন্য সংখ্যাটিকে ৮ দ্বারা (যেহেতু অক্ট্যাল সংখ্যার ভিত্তি ৮) উপর্যুপরি ভাগ করতে হয় যতক্ষণ পর্যন্ত না ভাগফল ০ (শূন্য) হয়। অত:পর ভাগশেষগুলোকে সর্বোচ্চ গুরুত্বের অংক (Most Significant Digit - MSD) থেকে সর্বনিম্ন গুরুত্বের অংক (Least Significant Digit -LSD) পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে সাজিয়ে সংখ্যাটির সমতুল্য অক্ট্যাল মান নির্ণয় করা যায়।

Division by 8   Quotient(ভাগফল)   Remainder (ভাগশেষ)  

(55)/8                 6                                    7                        

(6)/8                   0                                    6    

 (55)10 = (67)8
৮৬০.
৮-বিট ২’s কমপ্লিমেন্ট ফরম্যাটে প্রকাশযোগ্য পূর্ণসংখ্যার পরিসর কত?
  1. -২৫৫ থেকে +২৫৫
  2. -১২৭ থেকে +১২৮
  3. -১২৮ থেকে +১২৭
  4. -২৫৬ থেকে +২৫৫
ব্যাখ্যা

• ৮-বিট ২’s কমপ্লিমেন্ট ফরম্যাট ব্যবহার করে পূর্ণসংখ্যা প্রকাশের সময় একটি বিট চিহ্নের জন্য (sign bit) ব্যবহৃত হয়। বাকি ৭ বিট সংখ্যা প্রকাশের জন্য থাকে। ২’s কমপ্লিমেন্ট সিস্টেমে সর্বনিম্ন সংখ্যা হলো -2n-1 এবং সর্বোচ্চ সংখ্যা হলো 2n-1-1, যেখানে n হলো বিটের সংখ্যা। ৮-বিটের ক্ষেত্রে n = 8। তাই সর্বনিম্ন সংখ্যা -27 = -128 এবং সর্বোচ্চ সংখ্যা 27-1 = 127। অর্থাৎ, ৮-বিট ২’s কমপ্লিমেন্ট ফরম্যাটে প্রকাশযোগ্য পূর্ণসংখ্যার পরিসর -128 থেকে +127। অতএব সঠিক উত্তর হলো গ) -১২৮ থেকে +১২৭

• ২-এর পরিপুরক (2's Complement):
- কোনো বাইনারি সংখ্যার প্রতিটি বিটকে পূরক করে বা উল্টিয়ে (0 এর জায়গায় 1 এবং 1 এর জায়গায় 0) যে সংখ্যা পাওয়া যায় তাকে ১-এর পরিপূরক বলে।
- বাইনারি সংখ্যাকে ১-এর পরিপূরক বা উল্টিয়ে লিখে তার সাথে ১ যোগ করে যে সংখ্যা পাওয়া যায় তাকে ২-এর পরিপূরক বলা হয়।
- ১৯৪৫ সালে জন ভন নিউম্যান EDSAC কম্পিউটারের ২ এর পরিপূরক ব্যবহারের প্রস্তাব করেন।

সূত্র - sciencedirect. [link]

৮৬১.
কোনটি বুলিয়ান বিভাজন উপপাদ্য?
  1. A(B + C) = AB + AC
  2. A + B = B + A
  3. A.B = B.A
  4. A + (B + C) = (A + B) + C
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কোনটি বুলিয়ান বিভাজন উপপাদ্য?


সমাধান: 


উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৬২.
কোন দুটি গেইটকে ‘ইউনিভার্সাল গেইট’ বলা হয়?
  1. NAND ও NOR 
  2. NOT ও AND
  3. OR ও XOR
  4. AND ও OR
ব্যাখ্যা

• যে কোনো দুটি গেইটকে ‘ইউনিভার্সাল গেইট’ বলা হয়, তা এমন গেইট যা দিয়ে যে কোনো ধরনের লজিক ফাংশন তৈরি করা সম্ভব। অর্থাৎ, শুধুমাত্র সেই গেইট ব্যবহার করেই আমরা AND, OR, NOT সহ সব ধরনের কম্বিনেশনাল লজিক সার্কিট ডিজাইন করতে পারি। এই দৃষ্টিকোণ থেকে NAND এবং NOR গেইটই ইউনিভার্সাল গেইট হিসেবে পরিচিত। উদাহরণস্বরূপ, শুধুমাত্র NAND গেইট ব্যবহার করেও NOT, AND ও OR ফাংশন তৈরি করা যায়। একইভাবে, শুধুমাত্র NOR গেইট ব্যবহার করেও সব ধরনের লজিক ফাংশন তৈরি সম্ভব। তাই, সঠিক উত্তর হলো: ক) NAND ও NOR.

• সার্বজনীন গেইট:
- যেসব গেইট ব্যবহার করে AND, OR ও NOT গেইট বাস্তবায়ন করা যায়, সেগুলোকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
- OR, AND এবং NOT - এই তিনটি মৌলিক গেইটের সমন্বয়ে সব ধরনের লজিক সার্কিট বা যুক্তি বর্তনী তৈরি করা যায়।
- শুধুমাত্র NAND গেইট ব্যবহার করেই যেকোনো লজিক সার্কিট তৈরি করা সম্ভব।
- এর কারণ, NAND গেইট দিয়েই OR, AND ও NOT গেইট বাস্তবায়ন করা যায়।
- একইভাবে শুধুমাত্র NOR গেইট দিয়েও OR, AND ও NOT গেইট তথা যেকোনো লজিক সার্কিট তৈরি করা সম্ভব।
- তাই NAND এবং NOR গেইট - এই দুইটি গেইটকেই সার্বজনীন গেইট বলা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রথম পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮৬৩.
How many bits of information can a flip-flop store?
  1. 2 bits
  2. 8 bits 

  3. 1 bit

  4. 16 bits
ব্যাখ্যা

একটি ফ্লিপ-ফ্লপ ১ বিট তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে।

ফ্লিপ-ফ্লপ
- ফ্লিপ-ফ্লপ একটি মৌলিক ডিজিটাল ইলেকট্রনিক সার্কিট যা বাইস্টেবল মাল্টিভাইব্রেটর হিসেবেও পরিচিত। 
- এটি দুটি স্থিতিশীল অবস্থার মধ্যে সুইচ করতে পারে এবং একটি বিট তথ্য সংরক্ষণ করতে সক্ষম। 
- ফ্লিপ-ফ্লপ সাধারণত সিকোয়েন্সিয়াল লজিক সার্কিটে ব্যবহৃত হয়, যেখানে এটি মেমরি এলিমেন্ট হিসেবে কাজ করে। 
- ফ্লিপ-ফ্লপের বিভিন্ন প্রকার রয়েছে, যেমন SR (Set-Reset) ফ্লিপ-ফ্লপ, D (Data or Delay) ফ্লিপ-ফ্লপ, JK ফ্লিপ-ফ্লপ, এবং T (Toggle) ফ্লিপ-ফ্লপ। 
- প্রতিটি প্রকারের নিজস্ব অপারেশনাল বৈশিষ্ট্য এবং ব্যবহার আছে। 
- উদাহরণস্বরূপ, D ফ্লিপ-ফ্লপ ইনপুট ডেটা সরাসরি আউটপুটে নিয়ে আসে যখন ক্লক পালস প্রয়োগ করা হয়।
- JK ফ্লিপ-ফ্লপের ইনপুটের উপর ভিত্তি করে সেট, রিসেট বা টগল হতে পারে। 
- ফ্লিপ-ফ্লপগুলি কম্পিউটার মেমরি, রেজিস্টার, কাউন্টার এবং অন্যান্য ডিজিটাল লজিক সার্কিটে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৮৬৪.
হেক্সাডেসিমেল F এর বাইনারি মান কত?
  1. ক) 1111
  2. খ) 1110
  3. গ) 1010
  4. ঘ) 1101
ব্যাখ্যা
হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি: 
- এই পদ্ধতির ভিত্তি হচ্ছে 16.
- অর্থাৎ এই পদ্ধতিতে 16 টি মৌলিক অংক রয়েছে। এই সংখ্যাসমূহ 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9 এবং অতঃপর A, B, C, D, E ও F।
- বর্ণ (Alphabet) এবং সংখ্যা (Number) উভয়ের ব্যবহার থাকার কারণে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির আরেক নাম আলফানিউমেরিক সংখ্যা পদ্ধতি। - হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির A, B, C, D, E এবং F-এর সমতুল্য দশমিক হচ্ছে যথাক্রম 10, 11, 12, 13, 14 এবং 15.
এখানে, 
হেক্সাডেসিমেল F = 15
তাহলে, ডেসিমেল থেকে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর: 

 
আবার, বাইনারি থেকে ডেসিমেল রূপান্তর: 
1111
= 1×23 + 1×22 + 1×21 + 1×20 
= 8 + 4 + 2 + 1
= 15

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৬৫.
একটি ইনপুট ও একটি আউটপুট থাকে কোন গেইটে?
  1. নট গেইট
  2. অ্যান্ড গেইট
  3. অর গেইট
  4. ন্যান্ড গেইট
ব্যাখ্যা
• মৌলিক লজিক গেইট:
- ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতি বাস্তবায়নের জন্য যে সমস্ত গেইট মূলত কাজ করে তাদেরকে মৌলিক গেইট বলা হয়।
- কম্পিউটার বা অন্যান্য ডিজিটাল পদ্ধতির মূলে রয়েছে তিনটি মৌলিক গেইট। যথা -

১. নট গেইট:
- এই গেইট যৌক্তিক উল্টানো পদ্ধতিতে কাজ করে।
- যে গেইটে একটি ইনপুট ও একটি আউটপুট থাকে তাকে নট গেইট বলে।
- এই গেইটের ইনপুট 1 হলে আউটপুট হবে 0 এবং ইনপুট 0 হলে আউটপুট 1 হবে।

২. অর গেইট:
- এই গেইট যৌক্তিক যোগ পদ্ধতিতে কাজ করে।
- যে গেইটের দুই বা ততোধিক ইনপুট থাকে এবং আউটপুট ইনপুটসমূহের যৌক্তিক যোগফলের সমান তাকে অর গেইট বলে।
- কমপক্ষে একটি ইনপুট 1 হলে অর গেইটের আউটপুট 1 হবে, অন্যথায় আউটপুট 0 হবে।

৩. অ্যান্ড গেইট:
- এই গেইট যৌক্তিক গুণন পদ্ধতিতে কাজ করে।
- যে গেইটের দুই বা ততোধিক ইনপুট থাকে এবং আউটপুট ইনপুটগুলোর যৌক্তিক গুণফলের সমান হয় তাকে অ্যান্ড গেইট বলে।
- সবগুলো ইনপুট 1 হলে অ্যান্ড গেইটের আউটপুট 1 হবে; অন্যথায় আউটপুট 0 হবে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৬৬.
76 এর বিসিডি কোড কত
  1. 01110110
  2. 01000110
  3. 00110111
  4. 01010011
ব্যাখ্যা
• 76 এর বিসিডি 01110110.

• বিসিডি কোড:

- বিসিডি (BCD) শব্দের পূর্ণরূপ হলো বাইনারি কোডেড ডেসিমেল (Binary Coded Decimal)।
- দশমিক (Decimal) সংখ্যার প্রতিটি অঙ্ককে বাইনারিতে রূপান্তরই হলো বিসিডি কোড।
- এই পদ্ধতিতে দশমিক সংখ্যা 0 থেকে 9 পর্যন্ত মোট দশটি অংককে সমতুল্য 4 বিট বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করা হয়।
- 4 বিট দ্বারা 24 অর্থাৎ 16 ভিন্ন অবস্থা নির্দেশ করা যায়। তাই 16টি অবস্থা ব্যবহার করে কয়েক প্রকার BCD কোড গঠন করা সম্ভব।
- এর মধ্যে BCD 8421 কোড বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য এবং বহুল ব্যবহৃত।

এখন,
7 এর বিসিডি 0111
6 এর বিসিডি 0110
∴ 76 এর বিসিডি 01110110.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৬৭.
একটি বাইনারি সংখ্যায় সর্বোচ্চ কয়টি digit থাকতে পারে?
  1. ক) ১টি
  2. খ) ২টি
  3. গ) ১০টি
  4. ঘ) অসংখ্য
ব্যাখ্যা
বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (Binary Number System):
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি একটি ২-ভিত্তিক সংখ্য পদ্ধতি।
-  এ পদ্ধতিতে ০ এবং ১ এই দুটি অংক ব্যবহৃত হয়। 
- এ দুটি অংককে বিভিন্নভাবে সাজিয়ে যেকোনো সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে লেখা যায়।
- একটি বাইনারি সংখ্যায় অসংখ্য digit থাকতে পারে। যেমন : ১০১১১০১১১১১১
- বাইনারিতে দুটি অংক ব্যবহৃত হয় বিধায় এ পদ্ধতির বেজ ২। (১১০), (১১০১), (১০১.০১১) ইত্যাদি হলো বাইনারি সংখ্যার উদাহরণ।
- কম্পিউটার বাইনারি সংখ্যার মাধ্যমে যেকোনো ধরনের উপাত্ত বা ডেটা সংরক্ষণ করে থাকে। 



সূত্রঃমৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৮৬৮.
নিচের কোনটি (১৪) এর সঠিক বাইনারি রূপ?
  1. (001100)2
  2. (010100)2
  3. (111100)2
  4. (101010)2
ব্যাখ্যা
অক্টাল থেকে বাইনারিতে রূপান্তর:
- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে ৮টি অঙ্ক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয়, তাকে অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- অক্টাল থেকে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তরের ক্ষেত্রে প্রতিটি অক্টাল অংক কে তিন বিট বিশিষ্ট বাইনারি রূপান্তর করলে বাইনারি সংখ্যা পাওয়া যায়। যেমন-
১ = ০০১
২ = ০১০
৩ = ১০১
৪ = ১০০

∴ (১৪) = (001100)2

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৬৯.
হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিতে কোন অক্ষরটি দশমিক মান 15 নির্দেশ করে? 
  1. D
  2. E
  3. F
  4. A
ব্যাখ্যা

• হেক্সাডেসিমেলে A=10 থেকে F=15 পর্যন্ত মান নির্দেশ করে।
- অর্থাৎ A = 10, B = 11, C = 12, D = 13, E = 14, F = 15.

• সংখ্যা লেখার বা প্রকাশ করার যে নিয়ম অনুসরণ করা হয়, তাকে সংখ্যা পদ্ধতি বলা হয়। সংখ্যা পদ্ধতির প্রকারভেদ লক্ষ করা যায় নিচের মতো—

• সংখ্যা পদ্ধতির প্রকারভেদ:

- দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি (Decimal Number System),
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (Binary Number System),
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি (Octal Number System),
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি (Hexadecimal Number System).

• দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি (Decimal Number System):

- মানুষ সাধারণত হিসাব–নিকাশের জন্য যে সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করে, তাকে দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- এই সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি (Base) হলো 10.

- এই পদ্ধতিতে ব্যবহৃত অঙ্কগুলো হলো—
0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9.

- উদাহরণ: (13)10, (95)10 .
 
• বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (Binary Number System):

- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে মাত্র দুটি অঙ্ক— 0 ও 1 ব্যবহার করা হয়, তাকে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- এই সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি (Base) হলো 2।

- কম্পিউটার যেহেতু বৈদ্যুতিক সংকেতের মাধ্যমে কাজ করে, তাই এটি বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করে।

- উদাহরণ: (101)2, (1000111).

• অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি (Octal Number System):

- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে 8টি অঙ্ক ব্যবহার করা হয়, তাকে অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- এই সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি (Base) হলো 8.

- এই পদ্ধতিতে ব্যবহৃত অঙ্কগুলো হলো—
0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7.

- উদাহরণ: (105)8, (765).
 
• হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি (Hexadecimal Number System):

- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে ১৬টি চিহ্ন ব্যবহার করা হয়, তাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- এই সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি (Base) হলো 16.

- এই পদ্ধতিতে ব্যবহৃত চিহ্নগুলো হলো—

- সংখ্যা: 0–9.
- বর্ণ: A, B, C, D, E, F.
এখানে—
A = 10, B = 11, C = 12, D = 13, E = 14, F = 15.

উদাহরণ: (15)16, (ABC)16 .

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮৭০.
(110110)2 এর সমকক্ষ মান - 
  1. (66)8
  2. (54)10
  3. (36)16
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
(110110)2 = (66)8
(110110)2 = (54)10
(110110)2 = (36)16
৮৭১.
নিচের কোনটি অক্টাল নাম্বার নয়?
  1. ক) ১৭৫
  2. খ) ১৬৫
  3. গ) ২৩১
  4. ঘ) ১৭৯
ব্যাখ্যা

অকটাল নাম্বার সিস্টেম বলতে ৮ ভিত্তিক একটি সংখ্যা পদ্ধতি বা গণনা পদ্ধতি। অর্থাৎ প্রতিটি সংখ্যার জন্য শুধুমাত্র ৮টি সম্ভাব্য অঙ্ক নিয়ে অষ্টক সংখ্যা পদ্ধতি গঠিত হয়।
অঙ্কগুলি হল ০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭ পর্যন্ত।
১৭৯ এখানে ৯ অক্টাল নাম্বার নয়। তাই এটি দশমিক সংখ্যা ।

সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (মুজিবুর রহমান)

৮৭২.
বাইনারিতে 11001110 এবং 11001100 এর যোগফল কত হবে?
  1. ক) 110011011
  2. খ) 1100110100
  3. গ) 110011010
  4. ঘ) 110101110
ব্যাখ্যা

৮৭৩.
The decimal number (175)10 converted to octal is -
  1. 250
  2. 357
  3. 257
  4. 355
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - গ) 257

পূর্ণ দশমিক সংখ্যাকে অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তর প্রক্রিয়া:
ধাপ-১: দশমিক সংখ্যাটিকে অক্টাল সংখ্যার ভিত্তি ৮ দিয়ে ভাগ করুন এবং ভাগশেষটি সংরক্ষণ করুন।
ধাপ-২: প্রাপ্ত ভাগফলকে আবার ৮ দিয়ে ভাগ করুন এবং নতুন ভাগশেষটিও সংরক্ষণ করুন।
ধাপ-৩: এই প্রক্রিয়াটি পুনরাবৃত্তি করুন যতক্ষণ না ভাগফল শূন্য (০) হয়।
ধাপ-৪: সংরক্ষিত ভাগশেষগুলোকে উল্টো ক্রমে (শেষ ভাগশেষ থেকে প্রথম ভাগশেষ পর্যন্ত) লিখলে সংখ্যাটির সমকক্ষ অক্টাল মান পাওয়া যাবে।



উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)। 

৮৭৪.
(159.69)16 এর সমতুল্য অক্টাল মান কত?
  1. 531.322
  2. 571.644
  3. 854.511
  4. 893.533
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: (159.69)16 এর সমতুল্য অক্টাল মান কত?

সমাধান:

৮৭৫.
কোনটি Universal Gate হিসেবে পরিচিত?
  1. OR
  2. AND
  3. NOR
  4. XOR
ব্যাখ্যা

• NOR গেট ব্যবহার করে মৌলিক তিনটি গেট (NOT, OR, AND) তৈরি করা যায়, তাই এটি Universal Gate বা সার্বজনীন গেইট হিসেবে পরিচিত।

সার্বজনীন গেইট (Universal Gate):
- যে গেইট এর সাহায্যে মৌলিক গেইটসহ (AND, OR, NOT) যেকোনো গেইট এবং যেকোনো সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায় তাকে সার্বজনীন গেইট বলে।
- NAND ও NOR গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
- কারণ, শুধুমাত্র NAND গেইট বা শুধুমাত্র NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বা সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়।

অন্যদিকে,
মৌলিক লজিক গেইট:
- OR Gate,
- AND Gate,
- NOT Gate.

বিশেষ লজিক গেইট:
- XOR Gate,
- XNOR Gate.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৮৭৬.
নিম্নের কোন লজিক গেইটটি যৌক্তিক গুণন পদ্ধতিতে কাজ করে?
  1. ক) OR Gate
  2. খ) AND Gate
  3. গ) NOT Gate
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
অ্যান্ড গেইট যৌক্তিক গুণন পদ্ধতিতে কাজ করে। 

- AND গেইট হচ্ছে যৌক্তিক গুণের গেইট।
- বুলিয়ান অ্যালজেবরায় যৌক্তিক গুণের কাজ সম্পাদনের জন্য যে গেইট ব্যবহার করা হয়, তাকে AND গেইট বলা হয়।
- AND গেইটের ক্ষেত্রে দুই বা ততোধিক ইনপুট লাইন থাকে এবং একটি মাত্র আউটপুট লাইন থাকে।  
- যেহেতু AND গেইট যৌক্তিক গুণের গেইট তাই এটি যৌক্তিক গুণের নিয়ম মেনে চলে।
- এই গেইটের ক্ষেত্রে যেকোনো একটি ইনপুটের মান ০ হলে আউটপুট ০ হয়, অন্যথায় ১ হয়।

সূত্র: ১২৬ পৃষ্ঠা, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। [লিঙ্ক]
৮৭৭.
প্রদত্ত অপশন থেকে মেমোরি ধারণক্ষমতার সবচেয়ে বড় এককটি চিহ্নিত করুন।
  1. ক) মেগাবাইট
  2. খ) পেটাবাইট
  3. গ) গিগাবাইট
  4. ঘ) টেরাবাইট
ব্যাখ্যা

বিট (Bit) : বাইনারি সংখ্যা ০ এবং ১ কে বলা হয় বিট। মেমরির ধারণক্ষমতা পরিমাপের ক্ষুদ্রতম একক হচ্ছে বিট।

বাইট (Byte) :
 ৮ বিটের সমন্বয়ে গঠিত হয় একটি বাইট। বিট বা বাইটের সমন্বয়ে তৈরি হয় শব্দ।

মেমরি পরিমাপের এককগুলোর মধ্যে সম্পর্ক নিম্নরূপঃ

৮ বিট = ১ বাইট = ১ অক্ষর
১০ বাইট বা ১০২৪ বাইট = ১ কিলোবাইট (1 KB)
২০ বাইট বা ১০২৪ কিলোবাইট = ১ মেগাবাইট (1 MB)
৩০ বাইট বা ১০২৪ মেগাবাইট = ১ গিগাবাইট (1 GB)
৪০ বাইট বা ১০২৪ গিগাবাইট = ১ টেরাবাইট (1 TB)
৫০ বাইট বা ১০২৪ টেরাবাইট = ১ পেটাবাইট (1 PB)

সূত্রঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

৮৭৮.
বাইনারি সংখ্যা 11010 এর ২ এর পরিপূরক (2’s Complement) কত?
  1. 01010
  2. 00110
  3. 00101
  4. 01011
ব্যাখ্যা

২-এর পরিপূরক (2's Complement):
- কোনো বাইনারি সংখ্যার প্রতিটি বিটকে পূরক করে বা উল্টিয়ে (0 এর জায়গায় 1 এবং 1 এর জায়গায় 0) যে সংখ্যা পাওয়া যায় তাকে ১-এর পরিপূরক বলে।
- বাইনারি সংখ্যাকে ১-এর পরিপূরক বা উল্টিয়ে লিখে তার সাথে ১ যোগ করে যে সংখ্যা পাওয়া যায় তাকে ২-এর পরিপূরক বলা হয়।
- ১৯৪৫ সালে জন ভন নিউম্যান EDSAC কম্পিউটারের ২ এর পরিপূরক ব্যবহারের প্রস্তাব করেন।

​প্রদত্ত সংখ্যা = 11010
প্রথমে ১ এর পরিপূরক (1’s complement) নর্ণয় করতে হবে। 
11010 → 00101

এরপর এতে 1 যোগ করতে হবে →
00101 + 1 = 00110

​উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৮৭৯.
অক্টাল সংখ্যা 162 কে ডেসিমেল ফরম্যাটে রূপান্তর করলে কত পাওয়া যাবে?
  1. 108
  2. 132
  3. 114
  4. 98
ব্যাখ্যা
• (162)8 এর ডেসিমেল নাম্বার 114.

• অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি:
- সংজ্ঞা:
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি হলো একটি সংখ্যাগত পদ্ধতি যেখানে মোট ৮টি সংখ্যা (0-7) ব্যবহৃত হয়। এটি ভিত্তি (Base) 8 এর উপর নির্ভরশীল।

- উদাহরণ:
- অক্টাল সংখ্যা: 10, 25, 162, 755 ইত্যাদি।

- প্রয়োগ:
- কম্পিউটারের বিভিন্ন লো-লেভেল অপারেশনে অক্টাল সংখ্যা ব্যবহৃত হয়।
- পুরোনো কম্পিউটার সিস্টেমে এবং UNIX পারমিশন ব্যবস্থাপনায় অক্টাল সংখ্যা ব্যবহৃত হয়।

- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি বাইনারি ও হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা পদ্ধতির মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি বিশেষ করে কম্পিউটার বিজ্ঞান ও ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

এখানে,
(162)8
= (1 × 82) + (6 × 81) + (2 × 80)
= 64 + 48 + 2
= 114

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৮৮০.
(4851)10 = (P)16, এখানে P এর মান কত?
  1. 12F3
  2. 13F4
  3. 13E2
  4. 12F1
ব্যাখ্যা
• (4851)10 = (P)16, এখানে P এর মান = 12F3

• পূর্ণ দশমিক সংখ্যাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তর:
১. দশমিক সংখ্যাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তরিত করার জন্য দশমিক সংখ্যাকে ১৬ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে।
২. ভাগফলকে পুনরায় ১৬ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে।
৩. এ পদ্ধতির পুনরাবৃত্তি করতে হবে যতক্ষণ না ভাজ্য ০ হয়।
৪. সংরক্ষিত ভাগশেষগুলোকে শেষ থেকে প্রথম দিকে ধারাবাহিকভাবে অর্থাৎ উল্টো করে সাজিয়ে লিখলে ১ থেকে F এর সমন্বয়ে যে সংখ্যাটি পাওয়া যায় তাই দশমিক সংখ্যার সমকক্ষ হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা।
৫. ভাগশেষ সংরক্ষণের ক্ষেত্রে যদি ভাগশেষ ১০ থেকে ১৫ হয় তবে যথাক্রমে ১০ A, ১১ → B, ১২ C, ১৩→D, ১৪ ও ১৫ F সংখ্যা লিখতে হবে।
৮৮১.
অর মৌলিক গেইট কাজ করে -
  1. ক) যৌক্তিক যোগ পদ্ধতিতে
  2. খ) যৌক্তিক গুণন পদ্ধতিতে
  3. গ) যৌক্তিক উল্টানো পদ্ধতিতে
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
অর মৌলিক গেইট কাজ করে যৌক্তিক যোগ পদ্ধতিতে। 

- যেসকল গেইট দ্বারা বুলিয়ান অ্যালজেবরার মৌলিক অপারেশনগুলো বাস্তবায়ন করা যায় তাদেরকে মৌলিক লজিক গেইট বলা হয়।
- মৌলিক লজিক গেইটের সাহায্যে সকল যৌগিক গেইট ও যেকোন সার্কিট তৈরি করা যায়। 
- কম্পিউটার ডিজিটাল পদ্ধতির মূলে এই তিনটি গেইট রয়েছে। যথা- AND Gate, OR Gate, NOT Gate. 
- বুলিয়ান অ্যালজেবরায় যৌক্তিক যোগের কাজ সম্পাদনের জন্য যে গেইট ব্যবহার করা হয়, তাকে OR গেইট বলা হয়।
- OR গেইটে দুই বা ততোধিক ইনপুট লাইন থাকে এবং একটিমাত্র আউটপুট লাইন থাকে।
- যেহেতু OR গেইট যৌক্তিক যোগের গেইট তাই এটি যৌক্তিক যোগের নিয়ম মেনে চলে। অর্থাৎ এই গেইটের ক্ষেত্রে যেকোনো একটি ইনপুটের মান ১ হলে আউটপুট ১ হয়, অন্যথায় ০ হয়।

সূত্র: ১২৭ পৃষ্ঠা, কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৮৮২.
(AB.CD)16 এর সমতুল্য দশমিক মান কোনটি?
  1. 157.8007
  2. 149.5008
  3. 171.8007
  4. 183.5008
ব্যাখ্যা
• ভগ্নাংশের ক্ষেত্রে হেক্সাডেসিমেল হতে দশমিকে রূপান্তর:
ভগ্নাংশের ক্ষেত্রে হেক্সাডেসিমেল বিন্দুর পর হতে -1, -2, -3 ইত্যাদি দ্বারা অবস্থান চিহ্নিত করে নিতে হয়। এরপর প্রতিটি ডিজিটকে 16 দ্বারা গুণ করে গুণফলকে যোগ করলে দশমিক সংখ্যা পাওয়া যায়। যেখানে n হচ্ছে -1, -2, -3 ইত্যাদি।
(AB.CD)16
= (10 × 16¹) + (11 × 16⁰) + (12 × 16⁻¹) + (13 × 16⁻2)
= (171.8007)10
৮৮৩.
নিচের কোন গেইটে দুটি ইনপুট একই হলে আউটপুট 1 হবে?
  1. ক) NAND
  2. খ) XNOR
  3. গ) XOR
  4. ঘ) AND
ব্যাখ্যা
XNOR গেইটে সবগুলো ইনপুট একই হলে আউটপুট পাওয়া যায়।

৮৮৪.
81 এর বিসিডি কোড হচ্ছে:
  1. 00101011
  2. 11001100
  3. 01011100
  4. 10000001
ব্যাখ্যা

• 81 এর বিসিডি কোড হচ্ছে: 10000001

• বিসিডি কোড:
- বিসিডি (BCD) শব্দের পূর্ণরূপ হলো বাইনারি কোডেড ডেসিমেল (Binary Coded Decimal)।
- দশমিক (Decimal) সংখ্যার প্রতিটি অঙ্ককে বাইনারিতে রূপান্তরই হলো বিসিডি কোড।
- এই পদ্ধতিতে দশমিক সংখ্যা 0 থেকে 9 পর্যন্ত মোট দশটি অংককে সমতুল্য 4 বিট বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করা হয়।
- 4 বিট দ্বারা 24 অর্থাৎ 16 ভিন্ন অবস্থা নির্দেশ করা যায়। তাই 16টি অবস্থা ব্যবহার করে কয়েক প্রকার BCD কোড গঠন করা সম্ভব।
- এর মধ্যে BCD 8421 কোড বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য এবং বহুল ব্যবহৃত।

8 এর বিসিডি কোড হবে: 1000
1 এর বিসিডি কোড হবে: 0001
∴ 81 এর BCD কোড হবে: 1000 0001

বিসিডি কোড (BCD – Binary Coded Decimal) হলো একটি পদ্ধতি, যেখানে প্রতিটি দশমিক সংখ্যা (0–9)কে ৪ বিটের বাইনারি সংখ্যা দিয়ে দেখানো হয়। উদাহরণস্বরূপ:

0 → 0000
1 → 0001
2 → 0010
3 → 0011
4 → 0100
5 → 0101
6 → 0110
7 → 0111
8 → 1000
9 → 1001

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮৮৫.
নিচের কোনটি অক্টাল নাম্বার নয়?
  1. ক) ১৫৭
  2. খ) ৬২৪
  3. গ) ১৯২
  4. ঘ) ৩০৫
ব্যাখ্যা
অকটাল নাম্বার সিস্টেম বলতে ৮ ভিত্তিক একটি সংখ্যা পদ্ধতি বা গণনা পদ্ধতি। অর্থাৎ প্রতিটি সংখ্যার জন্য শুধুমাত্র ৮টি সম্ভাব্য অঙ্ক নিয়ে অষ্টক সংখ্যা পদ্ধতি গঠিত হয়।
অঙ্কগুলি হল ০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭ পর্যন্ত।

১৯২ এর ৯ অক্টাল নাম্বার নয়। তাই এটি দশমিক সংখ্যা ।

সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (মুজিবুর রহমান)
৮৮৬.
৮টি ইনপুটের জন্য এনকোডারে আউটপুটের সংখ্যা হবে-
  1. ১ টি
  2. ২ টি
  3. ৩ টি
  4. ৪ টি
ব্যাখ্যা
• এনকোডার:
- এনকোডার এক ধরনের সমবায় সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী, যা মানুষের ব্যবহৃত বিভিন্ন আলফানিউমেরিক বর্ণ, বিশেষ চিহ্ন, টেক্সট, অডিও ও ভিডিও ইত্যাদিকে ডিজিটাল সিস্টেমের বোধগম্য কোডে রূপান্তর করে।
- এনকোডার এমন একটি সমবায় সার্কিট যার দ্বারা সর্বাধিক 2n টি ইনপুট থেকে n টি আউটপুট লাইনে 0 বা 1 আউটপুট পাওয়া যায়।
- যদি 23 = 8টি ইনপুট হয় তাহলে 3টি আউটপুট হবে।
- যে কোন মুহূর্তে একটি মাত্র ইনপুট 1 ও বাকি সব ইনপুট 0 থাকে।
- এনকোডার বিভিন্ন ধরনের হতে পারে। যেমন: 4 থেকে 2 এনকোডার, 8 থেকে 3 এনকোডার ইত্যাদি।
- এনকোডারের সাহায্যে যে কোন আলফানিউমেরিক বর্ণকে অ্যাসকি, ইবিসিডিক ইত্যাদি কোডে পরিণত করা যায়। সেজন্য ইনপুট ব্যবস্থায় কী-বোর্ডের সঙ্গে এনকোডার যুক্ত থাকে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৮৭.
0 x 1234 সংখ্যার বাইনারিরূপ কোনটি?
  1. 001010011100
  2. 0010010010100
  3. 1110101111001011
  4. 0001001000110100
ব্যাখ্যা

• 0x লেখা হয় সংখ্যাটি হেক্সাডেসিমাল (base-16) বোঝানোর জন্য। বিভিন্ন সংখ্যা পদ্ধতি আলাদা করে চিনতে সুবিধার জন্য এই প্রিফিক্স ব্যবহার করা হয়। যেমন, সাধারণ দশমিক সংখ্যায় কোনো প্রিফিক্স থাকে না, কিন্তু বাইনারির জন্য 0b, অক্টালের জন্য 0০ এবং হেক্সাডেসিমালের জন্য 0x ব্যবহৃত হয়। এখানে × দ্বারা বোঝানো হয় "hexadecimal"। তাই 0x1234 মানে হলো 1234 সংখ্যাটি দশমিক নয়, বরং হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা পদ্ধতিতে লেখা। এটি কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রোগ্রামিংয়ে খুবই প্রচলিত।
- 0 x 1234 সংখ্যার বাইনারিরূপ হচ্ছে: 0001001000110100
 
• হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি: 

- এই পদ্ধতির ভিত্তি হচ্ছে 16।
- অর্থাৎ এই পদ্ধতিতে 16 টি মৌলিক অংক রয়েছে। এই সংখ্যাসমূহ 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9 এবং অতঃপর A, B, C, D, E ও F।
- বর্ণ (Alphabet) এবং সংখ্যা (Number) উভয়ের ব্যবহার থাকার কারণে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির আরেক নাম আলফানিউমেরিক সংখ্যা পদ্ধতি। - হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির A, B, C, D, E এবং F-এর সমতুল্য দশমিক হচ্ছে যথাক্রম 10, 11, 12, 13, 14 এবং 15.

• 0 x 1234 সংখ্যার বাইনারিরূপ:
0 x 1234
একটি hexadecimal সংখ্যা।

Hex → Binary রূপান্তরের জন্য প্রতিটি hex digit = ৪ বিট বাইনারি:

1 → 0001

2 → 0010

3 → 0011

4 → 0100

সবগুলো একসাথে লিখলে:

0 x 1234 = 00010010001101002

সুতরাং সঠিক উত্তর হলো:
ঘ) 0001001000110100

উল্লেখ্য, 

১৩ জানুয়ারি, ২০২৬ -এ ৫০ তম বিসিএসের জন্য নেয়া ১ম ফাইনাল মডেল টেস্টে এ টাইপের একটি প্রশ্ন দেয়া হয়েছিল -


সূত্র: IBM. [link]

৮৮৮.
কোন বর্তনীতে ক্যারিসহ দুইটি বিট যোগ করা হয়?
  1. ক) হাফ অ্যাডার
  2. খ) ফুল অ্যাডার
  3. গ) এনকোডার
  4. ঘ) ডিকোডার
ব্যাখ্যা
ফুল অ্যাডার:
- যে বর্তনীতে ক্যারিসহ দুইটি বিট যোগ করার মত ব্যবস্থা থাকে, তাকে পূর্ণ যোগের বর্তনী বা ফুল অ্যাডার বলে।
- এই বর্তনীতে দুইটি বিটের জন্য দুইটি ইনপুট সংকেত (A, B) ও একটি গ্রহণ ক্যারি C; থাকে এবং যোগফল (S) ও ১টি আউটপুট ক্যারি C থাকে। 



উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৮৯.
হাফ-অ্যাডারের সাহায্যে ফুল-অ্যাডারের বাস্তবায়নে কোনটির প্রয়োজন হয়?
  1. এক্স-অর গেইট
  2. নর গেট
  3. অ্যান্ড গেট
  4. অর গেট
ব্যাখ্যা
• অর্ধযোগের বর্তনী দ্বারা পূর্ণযোগের বর্তনী বাস্তবায়ন:
- হাফ অ্যাডারের সাহায্যে ফুল এডার তৈরীর জন্য ২টি Half-adder এবং Carry যোগের জন্য ১টি অতিরিক্ত অর গেইটের প্রয়োজন হয়।
- ধরি, একটি পূর্ণযোগের বর্তনীর ইনপুট সংকেত ও ক্যারি যথাক্রমে A, B ও Ci এবং আউটপুট বা যোগফল S এবং ক্যারি Co
- নিম্নে হাফ এডার দ্বারা ফুল এডার বাস্তবায়নের ব্লক ডায়াগ্রাম দেয়া হলো:

- প্রথম হাফ-অ্যাডারের ইনপুট A ও B থেকে যোগফল S ও ক্যারি C পাওয়া যায়।
- দ্বিতীয় হাফ-অ্যাডারে ইনপুট হিসেবে ১ম অ্যাডারের যোগফল ST ও ক্যারি C দেয়া হয়, যার থেকে যোগফল S2 ও ক্যারি C2 পাওয়া যায়।
- দ্বিতীয় হাফ অ্যাডারের যোগফলই হবে ফুল অ্যাডারের যোগফল।
- ১ম ও ২য় হাফ অ্যাডারের ক্যারি যোগ করে পাওয়া যাবে ফুল অ্যাডারের ক্যারি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৯০.
121F কোন ধরনের সংখ্যা?
  1. ক) ডেসিমেল
  2. খ) বাইনারি
  3. গ) হেক্সাডেসিমেল
  4. ঘ) অক্টাল
ব্যাখ্যা
হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা পদ্ধতির বেস - ১৬।
হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা গুলো হচ্ছে - 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9, A, B, C, D, E, F। সংখ্যা ও অক্ষর উভয়ই থাকার কারনে এটিকে আলফানিউমেরিক সংখ্যা পদ্ধতি বলা হয়।
উল্লিখিত সংখ্যাটি একটি হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা। এর ডেসিমেল মান - 4123

উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (উন্মুক্ত)
৮৯১.
কোন গেটে ইনপুট 1 হলে আউটপুট 0 হয়?
  1. AND Gate
  2. OR Gate
  3. NOT Gate
  4. XOR Gate
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - গ) NOT Gate

নট গেইট:
- যে গেইটে একটি ইনপুট ও একটি আউটপুট থাকে তাকে নট গেইট বলে। 
- এই গেইটের ইনপুট 1 হলে আউটপুট হবে ০ এবং ইনপুট 0 হলে আউটপুট হবে 1।



উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮৯২.
(99)10 = (?)2
  1. 1110010
  2. 1000011
  3. 1100010
  4. 1100011
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - ঘ) 1100011

দশমিক থেকে বাইনারিতে রূপান্তর:
ধাপ-১: যে দশমিক পূর্ণসংখ্যাটিকে বাইনারিতে রূপান্তর করতে হবে, সেটিকে ২ (বাইনারির ভিত্তি) দ্বারা ভাগ করতে হবে এবং ভাগশেষটি সংরক্ষণ করতে হবে।
ধাপ-২: উপরের ধাপে পাওয়া ভাগফলকে আবার ২ দ্বারা ভাগ করতে হবে এবং নতুন ভাগশেষটিও সংরক্ষণ করতে হবে। 
ধাপ-৩: এইভাবে প্রাপ্ত ভাগফলকে বারবার ২ দ্বারা ভাগ করতে হবে, যতক্ষণ না ভাগফল শূন্য (০) হয়।
ধাপ-৪: সবশেষে প্রাপ্ত ভাগশেষগুলোকে উল্টো ক্রমে (শেষ ভাগশেষ থেকে প্রথম ভাগশেষ পর্যন্ত) লিখলে রূপান্তরিত বাইনারি সংখ্যার পূর্ণাংশ পাওয়া যাবে।




সুতরাং, (99)10 = (1100011)2

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)

৮৯৩.
নিচের কোনটি বেস-৮ সংখ্যা?
  1. 85
  2. 9A
  3. 76
  4. 58
ব্যাখ্যা

• বেস-৮ (অক্টাল) সংখ্যা পদ্ধতিতে কেবলমাত্র ০ থেকে ৭ পর্যন্ত অঙ্ক ব্যবহার করা যায়। অর্থাৎ কোনো সংখ্যায় ৮ বা তার চেয়ে বড় অঙ্ক থাকলে তা বেস-৮ সংখ্যা হতে পারে না। দেওয়া বিকল্পগুলোর মধ্যে 85 সংখ্যাটিতে ৮ ও ৫ আছে, যেখানে ৮ গ্রহণযোগ্য নয়। 9A সংখ্যাটিতে ৯ ও A আছে, যা অক্টাল পদ্ধতিতে সম্পূর্ণ অবৈধ। 58 সংখ্যাটিতে ৮ রয়েছে, সেটিও গ্রহণযোগ্য নয়। কেবলমাত্র 76 সংখ্যাটিতে ৭ ও ৬ আছে, যা ০–৭ সীমার মধ্যে। তাই সঠিক উত্তর হলো গ) 76.

অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি:
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি হলো একটি সংখ্যাগত পদ্ধতি যেখানে মোট ৮টি সংখ্যা ব্যবহৃত হয়।
- এই পদ্ধতিতে 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6 এবং 7 এই ৮টি মৌলিক অংক ব্যবহৃত হয়।
- কম্পিউটারের বিভিন্ন লো-লেভেল অপারেশনে অক্টাল সংখ্যা ব্যবহৃত হয়।
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি বাইনারি ও হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা পদ্ধতির মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

উদাহরণ:
(২০৪), (৫১৫) ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মাহবুবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৮৯৪.
৮-ভিত্তিক গণনা পদ্ধতি কোনটি?
  1. Binary Coded Decimal
  2. Decimal
  3. Hexadecimal
  4. Octal
ব্যাখ্যা

অকটাল পদ্ধতিতে ০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭ এই ৮টি অংক ব্যবহার করা হয়। এ পদ্ধতিতে ভিত্তি হচ্ছে ৮। ৭ থেকে বড় সংখ্যা তৈরী করার জন্য এ পদ্ধতিতেও দু'টি স্থানের দরকার হয়।
৭ এর পরের সংখ্যা হচ্ছে ১০, যার দশমিক মান ৮। বড় সংখ্যা লিখার সময় বাইনারী পদ্ধতিতে অনেকগুলো অংক ব্যবহার করতে হয়। সুতরাং লেখা ও মনে রাখার জন্য এ সংখ্যা বেশ কঠিন। এ অসুবিধা দূর করার জন্য অকটাল পদ্ধতি চালু হয়। অকটাল সংখ্যা তৈরী করার জন্য একটি বাইনারী সংখ্যার প্রতি তিনটি বিট-একত্রে নিয়ে ছোট ছোট ভাগে ডান দিক থেকে বাঁ দিকে সাজিয়ে আসতে হয় এবং এক একটি ভাগকে নির্দিষ্ট করতে হয় ০ থেকে ৭ পর্যন্ত সংখ্যা দিয়ে।
সূত্রঃ নবম-দশম শ্রেণীর কম্পিউটার শিক্ষা বই (উন্মুক্ত)।

৮৯৫.
১৬ ভিত্তিক সংখ্যা পদ্ধতিকে কী বলা হয়?
  1. ক) বাইনারি
  2. খ) হেক্সাডেসিমেল
  3. গ) অক্টাল
  4. ঘ) ডেসিমাল
ব্যাখ্যা
বাইনারি - ২ ভিত্তিক সংখ্যা পদ্ধতি
অক্টাল - ৮ ভিত্তিক সংখ্যা পদ্ধতি
ডেসিমাল - ১০ ভিত্তিক সংখ্যা পদ্ধতি
হেক্সাডেসিমেল - ১৬ ভিত্তিক সংখ্যা পদ্ধতি
৮৯৬.
18H সংখ্যাটি কোন ধরনের সংখ্যা?
  1. ক) দশমিক
  2. খ) অক্টাল
  3. গ) হেক্সাডেসিমেল
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাতে 0-9 এবং A, B, C, D, E এবং F অক্ষর দিয়ে প্রকাশ করা হয়। তাই এটি কোন সংখ্যা পদ্ধতিতে পড়ে না।
৮৯৭.
একটি এনকোডারে ৬৪ টি ইনপুট লাইন থাকলে এর আউটপুট লাইন কয়টি হবে?
  1. ৫টি
  2. ৮টি
  3. ৪টি
  4. ৬টি
ব্যাখ্যা

এনকোডারে ৬৪ টি ইনপুট লাইন থাকলে এর আউটপুট লাইন হবে ৬টি।
-
এনকোডারের বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী, যদি 2n সংখ্যক ইনপুট থাকে, তাহলে n সংখ্যক আউটপুট লাইন থাকে। এখানে, ৬৪ = ২ হওয়ায়, আউটপুট লাইন হবে ৬টি।

• এনকোডার:
- এনকোডার এক ধরনের সমবায় সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী, যা মানুষের ব্যবহৃত বিভিন্ন আলফানিউমেরিক বর্ণ, বিশেষ চিহ্ন, টেক্সট, অডিও ও ভিডিও ইত্যাদিকে ডিজিটাল সিস্টেমের বোধগম্য কোডে রূপান্তর করে।
- এনকোডার এমন একটি সমবায় সার্কিট যার দ্বারা সর্বাধিক 2n টি ইনপুট থেকে n টি আউটপুট লাইনে 0 বা 1 আউটপুট পাওয়া যায়।
- যদি 24 = 16টি ইনপুট হয় তাহলে 4টি আউটপুট হবে।
- যদি 25 = 32টি ইনপুট হয় তাহলে 5টি আউটপুট হবে।
- যদি 26 = 64টি ইনপুট হয় তাহলে 6টি আউটপুট হবে।
- যে কোন মুহূর্তে একটি মাত্র ইনপুট 1 ও বাকি সব ইনপুট 0 থাকে।
- এনকোডার বিভিন্ন ধরনের হতে পারে। যেমন: 4 থেকে 2 এনকোডার, ৪ থেকে 3 এনকোডার ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮৯৮.
বাইনারি সংখ্যা (110101)2 এর দশমিক মান কত?
  1. 53
  2. 54
  3. 55
  4. 56
ব্যাখ্যা

• বাইনারি সংখ্যা 110101 এর দশমিক মান 53.

• বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর:
- বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করার সময় প্রত্যেক অংককে ২ দ্বারা গুণ করতে হয়।
- গুণ করার সময় স্থানীয় মান অনুযায়ী ২ এর ঘাত ০ হতে বাড়াতে হবে।
- প্রাপ্ত গুণফলকে যোগ করলে উক্ত বাইনারি সংখ্যাটির সমতুল্য দশমিক মান পাওয়া যাবে।

এখানে,
110101
= (1 × 25) + (1 × 24) + (0 × 23) + (1 × 22) + (0 × 21) + (1 × 20)
= 32 + 16 + 0 + 4 + 0 + 1
= 53

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

৮৯৯.
11011 বাইনারি নাম্বারের সমতুল্য ডেসিমাল নাম্বার কোনটি?
  1. ক) 23
  2. খ) 25
  3. গ) 27
  4. ঘ) 29
ব্যাখ্যা
(11011)2 
= (1 × 2⁴) + (1 × 2³) + (0 × 2²) + (1 × 2¹) + (1 × 2⁰) 
= (27)10
৯০০.
In digital electronics, the combinational circuit used for binary addition is called?
  1. Adder
  2. Encoder
  3. Decoder
  4. All of the above
ব্যাখ্যা

এডার:
- কম্পিউটারের যাবতীয় গাণিতিক কাজ বাইনারি যোগের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হয়।
- গুণ হলো বার বার যোগ করা এবং ভাগ হলো বার বার বিয়োগ করা।
- আবার পূরক পদ্ধতিতে বাইনারি যোগের মাধ্যমেই বিয়োগ করা যায়।
- কাজেই যোগের মাধ্যমে গুণ, বিয়োগ, ভাগ ইত্যাদির কাজ করা যায়।
- কম্পিউটার সিস্টেমে যে সমবায় সার্কিট দ্বারা যোগ করা যায় তাকে বলে এডার।
- ডিজিটাল ইলেক্ট্রনিক্সে দু ধরনের এডার আছে। যথা-
১। হাফ-এডার ও
২। ফুল-এডার

এনকোডার:
- এনকোডার এমন একটি সমবায় সার্কিট যার দ্বারা সর্বাধিক 2" টি ইনপুট থেকে n টি আউটপুট লাইনে 0 বা 1 আউটপুট পাওয়া যায়।
- যে কোন মুহূর্তে একটি মাত্র ইনপুট । ও বাকি সব ইনপুট থাকে।

ডিকোডার:
- ডিকোডার হলো এমন একটি সমবায় সার্কিট যার সাহায্যে n টি ইনপুট থেকে সর্বাধিক টি আউটপুট লাইনের একটিতে 1 ও বাকি সবকটিতে আউটপুট পাওয়া যায়।
- কখন কোন আউটপুট লাইনে 1 পাওয়া যাবে তা নির্ভর করে ইনপুটগুলোর 2n মানের উপর।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।