বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

কম্পিউটার নম্বর সিস্টেম ও লজিক গেইটসমূহ

মোট প্রশ্ন১,৩২০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

কম্পিউটার নম্বর সিস্টেম ও লজিক গেইটসমূহ

PrepBank · পাতা / ১৪ · ৬০১৭০০ / ১,৩২০

৬০১.
A bit can be -
  1. ক) 1 or 0
  2. খ) 1
  3. গ) 0
  4. ঘ) None of these
ব্যাখ্যা
বিট (Bit):
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে ব্যবহৃত অঙ্ক ০ (শূন্য) এবং ১ (এক) কে বিট বলে।
- ইংরেজি Binary শব্দের Bi এবং Digit শব্দের নিয়ে Bit শব্দটি গঠিত হয়।
- ডিজিটাল কম্পিউটারের মেশিন ভাষা হলাে বিট (০ ও ১)।
- এক্ষেত্রে (০) বিট দিয়ে নিম্ন ভােল্টেজ (Low Voltage) এবং (১) বিট দিয়ে উচ্চ ভােল্টেজ (High Voltage) নির্দেশ করা হয়।

বাইট (Byte):
- ৮টি বিট মিলে ১ বাইট হয়।
- ৮ বিটের কোড দিয়ে যে কোনাে বর্ণ, অঙ্ক বা বিশেষ চিহ্নকে প্রকাশ করা হয়। এরূপ ৮ বিট বিশিষ্ট শব্দকে বাইট বলা হয়।
৬০২.
নিচের কোনটি হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির চিহ্ন?
  1. ক) I
  2. খ) M
  3. গ) L
  4. ঘ) F
ব্যাখ্যা
যে সংখ্যা পদ্ধতিতে ১৬ টি অঙ্ক/চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
এ পদ্ধতিতে ব্যবহৃত অঙ্ক/চিহ্নগুলো হলো 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9, A, B, C, D, E ও F। প্রশ্নের I, M ও L হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির চিহ্ন নয়।
৬০৩.
Hexadecimal সংখ্যা A5A এর Decimal মান কত?
  1. 2450
  2. 2550
  3. 2650
  4. 2850
ব্যাখ্যা
◉ Hexadecimal সংখ্যা A5A এর Decimal মান হচ্ছে - 2650.

হেক্সাডেসিমেল থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর: 
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তরের জন্য সংখ্যাটির প্রত্যেক অংককে নিজ নিজ স্থানীয় মান দ্বারা গুণ করে প্রাপ্ত গুণফলসমূহকে যোগ করতে হবে। এভাবে প্রাপ্ত যোগফলই হবে উক্ত হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার সমতুল্য দশমিক সংখ্যা।
- হেক্সাডেসিমেল থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করার সময় প্রত্যেক অংককে ১৬ দ্বারা গুণ করতে হবে।
- গুণ করার সময় স্থানীয় মান অনুযায়ী ১৬ এর ঘাত ০ হতে বাড়তে থাকবে। যেমন- একক স্থানীয় অংকটিকে ১৬ দ্বারা, দশক স্থানীয় অংকটিকে ১৬ দ্বারা, শতক স্থানীয় অংকটিকে ১৬ দ্বারা,.....গুণ করতে হবে।
- এক্ষেত্রে খেয়াল রাখতে হবে যে, হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটির কোন অংক A, B, C, D, E ও F হলে যথাক্রমে ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪ ও ১৫ দিয়ে গুণ করতে হবে।
- প্রাপ্ত গুণফলকে যোগ করলে উক্ত হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটির সমতুল্য দশমিক মান পাওয়া যাবে।

এখানে, 
A5A = (A × 162) + (5 × 161) + (A × 160)
= (10 × 256) + (5 × 16) + (10 × 1)
= 2560 + 80 + 10
= 2650

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬০৪.
Excess - 3 কয় বিট বিসিডি কোড?
  1. 3 - বিট
  2. 4 - বিট
  3. 5 - বিট
  4. 6 - বিট
ব্যাখ্যা
4-বিট বিসিডি কোড (4-Bit BCD Code) :
- 4-বিট বিসিডি কোডের সাহায্যে দশমিক সংখ্যা 0 থেকে 9 পর্যন্ত মোট দশটি অংককে আলাদা আলাদাভাবে সমতুল্য 4 বিটের বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করে প্রকাশ করা হয়।
- এ ধরনের কোডের সাহায্যে 24 বা 16টি ভিন্ন ভিন্ন কোড তৈরি করা সম্ভব। এর মধ্যে শুধুমাত্র 0000 থেকে 1001 পর্যন্ত ব্যবহৃত হয়। বাকি 1010, 1011,1100, 1101, 1110 এবং 1111 এই ছয়টি সংখ্যা BCD কোডে ব্যবহৃত হয় না।

4-বিট বিসিডি কোডের মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় দুটি কোড হলো—
১. ওয়েটেড 4-বিট বিসিডি কোড (Weighted 4 Bit BCD Code) ও
২. Excess - 3 বিসিডি কোড (Excess - 3 BCD Code)

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী।
৬০৫.
হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা FFFF এর সমতুল্য বাইনারি মান কত?
  1. 1101110111011101
  2. 1011101110111011
  3. 1111111111111111
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা FFFF এর সমতুল্য বাইনারি মান হচ্ছে: 1111111111111111




সূত্র: Malvino, A.P. and Leach, D.P.; Digital Principles and Applications, Tata McGraw-Hill Publishing Company (Book pdf)
৬০৬.
অ্যালগরিদমের মূল বৈশিষ্ট্য হল -
  1. এলোমেলো প্রক্রিয়ার ধারা
  2. ভিত্তিহীন অনুমান
  3. নির্দিষ্ট ধাপে ধাপে সমাধান
  4. অস্পষ্ট যৌক্তিক ধারা
ব্যাখ্যা

• অ্যালগরিদমের মূল বৈশিষ্ট্য হলো নির্দিষ্ট ধাপে ধাপে সমাধান। অর্থাৎ কোনো সমস্যা সমাধানের জন্য একটি অ্যালগরিদমে সব ধাপ সুস্পষ্টভাবে লেখা থাকে, যাতে অনুসরণকারী ব্যক্তি বা কম্পিউটার সহজে নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করতে পারে। এতে কোনো ধাপই এলোমেলো বা অস্পষ্ট হয় না এবং ভিত্তিহীন অনুমানের জায়গা থাকে না। প্রতিটি ধাপ যুক্তিসঙ্গত ও নির্দিষ্টভাবে সাজানো থাকে, যা অনুসরণ করলে নির্দিষ্ট সময়ে সঠিক ফলাফল পাওয়া যায়। এজন্য বলা যায়, অ্যালগরিদম হলো একটি সুনির্দিষ্ট প্রক্রিয়া যা ধাপে ধাপে কাজ করে সমস্যার কার্যকর সমাধান নিশ্চিত করে।

• অ্যালগরিদমের মূল বৈশিষ্ট্য (Characteristics of Algorithm):
- অ্যালগরিদম হলো একটি স্পষ্ট ধাপে ধাপে নির্দেশনার সেট, যা কোনো সমস্যার সমাধান প্রদান করে।  

- এলোমেলো প্রক্রিয়ার ধারা নয়; অ্যালগরিদম সর্বদা নির্দিষ্ট ধাপে ধাপে কাজ করে।  
- ভিত্তিহীন অনুমান নয়; অ্যালগরিদমের প্রতিটি ধাপ নির্ভর করে পূর্বের ধাপের ফলাফলের উপর।  
- অস্পষ্ট যৌক্তিক ধারা নয়; অ্যালগরিদমে প্রতিটি ধাপ সুস্পষ্ট ও সুনির্দিষ্ট।  

- তাই অ্যালগরিদমের মূল বৈশিষ্ট্য হলো - নির্দিষ্ট ধাপে ধাপে সমাধান।  

- সঠিক উত্তর: গ) নির্দিষ্ট ধাপে ধাপে সমাধান।  

সূত্র:
- geeksforgeeks [link]

৬০৭.
(২৫)১০ কে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করলে হবে-
  1. ক) ১১০০১
  2. খ) ০১১০১
  3. গ) ১০১০১
  4. ঘ) ১০০১১
ব্যাখ্যা
দশমিক সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর: দশমিক সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করার জন্য দশমিক সংখ্যাকে ২ দিয়ে ভাগ করলে ভাগশেষ কে সংরক্ষণ করতে হবে। তারপর ভাগফলকে পুনরায় ২ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে। তারপরে পদ্ধতির পুনরাবৃত্তি করতে হবে যতক্ষণ না ভাজ্য ০ হয়। এবং সংরক্ষিত পাক সেগুলো কি শেষ থেকে প্রথমদিকে ধারাবাহিকভাবে অর্থপূর্ণ করে সাজিয়ে লিখলে ১ ও ০ এর সমন্বয়ে যে সংখ্যাটি পাওয়া যায় তাই দশমিক সংখ্যার সমকক্ষ বাইনারি সংখ্যা। উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, মাহবুবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৬০৮.
(10101) বাইনারি সংখ্যার সমতুল্য দশমিক মান কত?
  1. ক) 20
  2. খ) 21
  3. গ) 22
  4. ঘ) 23
ব্যাখ্যা
বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর:
বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করার সময় প্রত্যেক অংককে ২ দ্বারা গুণ করতে হবে। গুণ করার সময় স্থানীয় মান অনুযায়ী ২ এর ঘাত ০ হতে বাড়াতে হবে।
- একক স্থানীয় অংকটিকে ২ দ্বারা, দশক স্থানীয় অংকটিকে ২ দ্বারা, শতক স্থানীয় অংকটিকে ২ ,------- দ্বারা গুণ করতে হবে।
- প্রাপ্ত গুণফলকে যোগ করলে উক্ত বাইনারি সংখ্যাটির সমতুল্য দশমিক মান পাওয়া যাবে।
যেমন -
(10101)2
= (1 x 24) + (0 x 23) + (1 x 22) + (0 x 21) + (1 x 20)
= 16 + 0 + 4 + 0 + 1
= 21 
৬০৯.
(527.375)8 = (?)16
  1. 257.7E7
  2. 157.7E8
  3. 150.7E8
  4. 187.7F8
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) 157.7E8

অক্টাল থেকে হেক্সাডেসিমেল: 

- অক্টাল সংখ্যাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তরের জন্য প্রথমে অক্টাল সংখ্যার প্রত্যেকটি অংকের সমতুল্য 3 বিট বাইনারি সংখ্যা বসিয়ে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করতে হবে। 
- অতঃপর পুরো বাইনারি সংখ্যার সমতুল্য হেক্সাডেসিমেল মান বসালে অক্টাল সংখ্যাটির হেক্সাডেসিমেল মান পাওয়া যাবে। 



সুতরাং, (527.375)8 = (157.7E8)16 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান। 

৬১০.
47 এর বিসিডি কোড কত?
  1. 01100101
  2. 01000111
  3. 01100010
  4. 01110101
ব্যাখ্যা
 বিসিডি কোড:
- বিসিডি (BCD) শব্দের পূর্ণরূপ হলো বাইনারি কোডেড ডেসিমেল (Binary Coded Decimal)।
- দশমিক (Decimal) সংখ্যার প্রতিটি অঙ্ককে বাইনারিতে রূপান্তরই হলো বিসিডি কোড।
- এই পদ্ধতিতে দশমিক সংখ্যা 0 থেকে 9 পর্যন্ত মোট দশটি অংককে সমতুল্য 4 বিট বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করা হয়।
- 4 বিট দ্বারা 24 অর্থাৎ 16 ভিন্ন অবস্থা নির্দেশ করা যায়। তাই 16টি অবস্থা ব্যবহার করে কয়েক প্রকার BCD কোড গঠন করা সম্ভব।
- এর মধ্যে BCD 8421 কোড বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য এবং বহুল ব্যবহৃত। 

4 এর বিসিডি 0100
7 এর বিসিডি 0111
∴ 47 এর বিসিডি 01000111

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬১১.
বুলিয়ান অ্যালজেবরা যোগের ক্ষেত্রে কোন নিয়মটি সঠিক?
  1. 0 + 1 = 10
  2. 1 + 0 = 0
  3. 1 + 1 = 0
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• বুলিয়ান অ্যালজেবরা:
- বাইনারি উপাদানসমূহের গেইট দ্বারা গঠিত গাণিতিক পদ্ধতি যা ‘+' ও ‘-' এই দুই গাণিতিক চিহ্নের সাহায্যে পরিচালিত তাকে বুলিয়ান অ্যালজেবরা বলে।
- বুলিয়ান অ্যালজেবরায় শুধুমাত্র বুলিয়ান যোগ ও গুণ-এর সাহায্যে সমস্ত কাজ করা হয়।

• বুলিয়ান অ্যালজেবরা যোগের ক্ষেত্রে যে সব নিয়ম মেনে চলে সেগুলো নিম্নরূপ:
0 + 0 = 0
0 + 1 = 1
1 + 0 = 1
1 + 1 = 1

• বুলিয়ান অ্যালজেবরা গুণের ক্ষেত্রে যে সব নিয়ম মেনে চলে সেগুলো নিম্নরূপ:
0 . 0 = 0
0 . 1 = 0
1 . 0 = 0
1 . 1 = 1

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬১২.
(16)8 কে বাইনারিতে প্রকাশ করলে কত পাওয়া যাবে?
  1. ক) 1010
  2. খ) 1110
  3. গ) 1100
  4. ঘ) 1101
ব্যাখ্যা
অক্টাল থেকে বাইনারি:
অক্টাল সংখ্যার অঙ্কগুলাে হচ্ছে 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6 এবং 7 এবং এই প্রত্যেকটি সংখ্যাকে তিন বিট বাইনারি সংখ্যা হিসেবে প্রকাশ করা যায়।
Octal → Binary
0 → 000
1 → 001
2 → 010
3 → 011
4 → 100
5 → 101
6 → 110
7 → 111

এই রূপান্তরটি ব্যবহার করে যে কোনাে অক্টাল সংখ্যাকে তার জন্য প্রযােজ্য তিনটি বাইনারি সংখ্যা দিয়ে প্রকাশ করলেই পুরাে অক্টাল সংখ্যার বাইনারি রূপ বের হয়ে যাবে। যেমন:
(16)8 = (001110)2 = (1110)2

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)
৬১৩.
(১২A)১৬ = (?)
  1. ১০১০০১০১
  2. ১০০১০১০১০
  3. ১০০১০০১০
  4. ১১০০১০০১
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) ১০০১০১০১০

​হেক্সাডেসিমেল থেকে বাইনারি রূপান্তর 

​- শূন্য (০) সহ ১ থেকে F পর্যন্ত হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাকে ৪ (চার) বিট বাইনারি সংখ্যা দ্বারা প্রকাশ করা যায়। 
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার প্রতিটি অংককে ৪ (চার) বিটের বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করলেই কাঙ্খিত বাইনারি সংখ্যাটি পাওয়া যায়। 
- ​শূন্য (০) সহ ১ থেকে F পর্যন্ত হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাকে ৪ (চার) বিট বাইনারি সংখ্যা দ্বারা প্রকাশ করার জন্য বাম দিকের ভাগে খালি থাকলে প্রয়োজনীয় সংখ্যক ০ দিয়ে পূর্ণ করতে হবে।

 (১২A)১৬ = ​ 1         2         A
                 ​ ↓         ↓       ​ ↓ 
                 ​0001  0010  1010

​(১২A)১৬ = (১০০১০১০১০)

​উৎস. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৬১৪.
ফ্লিপ ফ্লপের প্রধান কাজ কী?
  1. সিগন্যাল বাড়ানো
  2. একটি বাইনারি স্টেট সংরক্ষণ করা
  3. এনালগ থেকে ডিজিটালে রূপান্তর করা
  4. ক্লক পালস উৎপন্ন করা
ব্যাখ্যা
• ফ্লিপ ফ্লপের প্রধান কাজ হলো একটি বাইনারি স্টেট সংরক্ষণ করা। এটি একটি ডিজিটাল সার্কিট যা দুইটি স্থির অবস্থা বা স্টেট ধরে রাখতে সক্ষম, যেমন ০ বা ১। ফ্লিপ ফ্লপ সাধারণত ডিজিটাল মেমরি ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং এটি তথ্য সংরক্ষণ এবং স্থানান্তরের কাজে ব্যবহৃত হয়। সিগন্যাল বাড়ানো, এনালগ থেকে ডিজিটালে রূপান্তর করা বা ক্লক পালস উৎপন্ন করা ফ্লিপ ফ্লপের কাজ নয়। তাই সঠিক উত্তর হলো (খ) একটি বাইনারি স্টেট সংরক্ষণ করা। এটি ডিজিটাল লজিক সার্কিটের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।

• ফ্লিপ-ফ্লপ:
- ফ্লিপ-ফ্লপ হলো লজিক গেইট দিয়ে তৈরি এক ধরনের ডিজিটাল বর্তনী, যা এক বিট তথ্য ধারণ করতে পারে।
- প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপে এক বা একাধিক ইনপুটের জন্য দুটি আউটপুট পাওয়া যায়।
- ফ্লিপ-ফ্লপ মূলত সিঙ্গেল বিট নিয়ে কাজ করে।
- ফ্লিপ-ফ্লপ মূলত মাল্টিপল বিট নিয়ে কাজ করতে পারেনা।
- এটি এক বিট 0 অথবা 1 হতে পারে।
- এজন্য ফ্লিপ-ফ্লপকে বাই স্ট্যাবল মাল্টি ভাইব্রেটর বলা হয়।

• ফ্লিপ ফ্লপের ব্যবহার:
১. বিভিন্ন রেজিস্টার তৈরিতে ফ্লিপ ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
২. সিকোয়েন্সিয়াল সার্কিটে মেমরি উপাদান হিসেবে ফ্লিপ ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
৩. ডিজিটাল ঘড়ি, ডিজিটাল ক্যামেরা, মোবাইল ফোন ইত্যাদিতে ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহৃত হয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।
৬১৫.
ASCII কোড প্রাথমিকভাবে কোথায় ব্যবহার করার জন্য তৈরি করা হয়েছিল?
  1. ক্যালকুলেটর
  2. কম্পিউটার
  3. টেলিপ্রিন্টার
  4. টেবুলেটিং মেশিন
ব্যাখ্যা
• অ্যাসকি কোড (ASCII Code):
- ASCII শব্দের পূর্ণরূপ হলো American Standard Code for Information Interchange.
- 1963 সালে আমেরিকান ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড ইনস্টিটিউড (ANSI) কর্তৃক ASCII কোডটি আবিষ্কৃত হয়।
- এটি বহুল ব্যবহৃত একটি 7 বিটের কোড, যার দ্বারা 128টি বিভিন্ন অংক, অক্ষরসহ বিভিন্ন চিহ্ন এবং আরো কতকগুলো বিশেষ চিহ্নকে প্রকাশ বা নির্দিষ্ট করা যায়।
- এটি ASCII-7 কোড নামে পরিচিত।
- ASCII-7 কোডের সর্ব বামে একটি প্যারিটি বিট যোগ করলে ASCII-8 কোড তৈরি হয়। ASCII-8 কোডের মাধ্যমে 256টি বিভিন্ন অংক, অক্ষরসহ বিভিন্ন চিহ্ন এবং আরো কতকগুলো বিশেষ চিহ্নকে প্রকাশ বা নির্দিষ্ট করা যায়।
- ASCII কোড প্রথমে টেলিপ্রিন্টারে ব্যবহারের জন্য তৈরি করা হয়, পরবর্তীতে তা কম্পিউটারের জন্য সমন্বয় করা হয়।
 
উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৬১৬.
বাইনারি পদ্ধতির প্রতীক চিহ্ন কোনটি? 
  1. ০ এবং ২
  2. ০ এবং ১
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটারে ব্যবহৃত বাইনারি পদ্ধতির প্রতীক চিহ্ন দুটি অংক হচ্ছে ০ এবং ১। 
- প্রতীক, মৌলিক চিহ্ন দ্বারা কোনো সংখ্যা প্রকাশ করার পদ্ধতিকে সংখ্যা পদ্ধতি বা number system বলে। 
- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে সংখ্যা গণনা করার জন্য ২টি অঙ্ক বা প্রতীক ব্যবহৃত হয় তাকে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি বলে। 
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে যেহেতু ০ এবং ১ এই দুইটি প্রতিক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয়। 
- বাইনারির সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি হচ্ছে ২। 

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট। 
৬১৭.
সাধারণত কয়টি বিট নিয়ে একটি অক্ষর গঠিত হয়?
  1. ক) ৪টি
  2. খ) ৮টি
  3. গ) ১৬ টি
  4. ঘ) ৩২ টি
ব্যাখ্যা
ডেটা হায়ারার্কি বিট, বাইট, ফিল্ড, রেকর্ড এবং ফাইল নিয়ে গঠিত যা ডেটাবেসের উপাদান। অঙ্ক, বর্ণ বা বিশেষ চিহ্ন কি অক্ষর বলে। অ, গ, a, b, 2 ইত্যাদি এক একটি অক্ষর। সাধারণত ৮টি বিট নিয়ে একটি অক্ষর গঠিত হয়।
৬১৮.
নিচের কোনটি সার্বজনীন গেইট নয়?
  1. NAND
  2. AND
  3. NOR
  4. উভয় ক ও গ
ব্যাখ্যা
AND সার্বজনীন গেইট নয়। এটি একটি মৌলিক গেইট।

সার্বজনীন গেইট:
- যে সকল গেইটের মাধ্যমে অ্যান্ড, অর ও নট গেইটের ফাংশনকে প্রতিস্থাপন করা যায় তাদেরকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
- অর, অ্যান্ড এবং নট এই তিনটি মৌলিক গেইটের সমন্বয়ে সকল প্রকার লজিক সার্কিট বা যুক্তি বর্তনী তৈরি করা যায়।
- আবার শুধুমাত্র ন্যান্ড গেইট ব্যবহার করেই যে কোন লজিক সার্কিট বা যুক্তি বর্তনী তৈরি করা যায়।
- এর কারণ ন্যান্ড গেইট দিয়ে অর, অ্যান্ড এবং নট গেইট বাস্তবায়ন সম্ভব।
- একইভাবে শুধু নূর গেইট দিয়েই অর, অ্যান্ড এবং নট গেইট তথা যে কোন লজিক সার্কিট বা যুক্তি বর্তনী তৈরি করা সম্ভব।

NAND এবং NOR গেইট - এই দুটি গেইটকেই সার্বজনীন গেইট বলা হয়, কারণ এদের দিয়ে বাকি সব গেইটের কাজ করা যায়।

উৎস: বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬১৯.
নিচের কোনটি অক্টাল নাম্বার?
  1. 188
  2. 627
  3. 591
  4. 823
ব্যাখ্যা
- 627 এটি অক্টাল নাম্বার। অক্টাল পদ্ধতিতে 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6 ও 7 এই সংখ্যাগুলো ব্যবহার করা হয়।
- 188, 591 ও 823 এই সংখ্যাগুলো অক্টাল নাম্বার নয় কারণ অক্টাল পদ্ধতিতে 8 ও 9 ব্যবহার করা হয় না।
৬২০.
AND গেইটের আইসি নম্বর -
  1. ক) IC-7432
  2. খ) IC-7408
  3. গ) IC-7404
  4. ঘ) IC-7400
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন লজিক গেইটের আইসি নং - 
• OR - IC-7432
AND - IC-7408
• NOT - IC-7404
• NAND - IC-7400
• NOR -  IC-7402

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিকের ICT বই, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৬২১.
নিচের কোনটি অক্টাল সংখ্যা (২৪) এর সঠিক বাইনারি রূপ?
  1. (111 101)2
  2. (010 100)2
  3. (111 100)2
  4. (101 010)2
ব্যাখ্যা
অক্টাল থেকে বাইনারিতে রূপান্তর:
- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে ৮টি অঙ্ক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয়, তাকে অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- অক্টাল থেকে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তরের ক্ষেত্রে প্রতিটি অক্টাল অংক কে তিন বিট বিশিষ্ট বাইনারি রূপান্তর করলে বাইনারি সংখ্যা পাওয়া যায়। যেমন-
১ = ০০১
২ = ০১০
৩ = ১০১
৪ = ১০০

∴ (২৪) = (010 100)2

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬২২.
বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে স্থানীয় মান (Place Value) কোন ভিত্তিতে বৃদ্ধি পায়?
  1. ২ এর ঘাত
  2. ৮ এর ঘাত
  3. ১০ এর ঘাত
  4. ১৬ এর ঘাত
ব্যাখ্যা

• বাইনারি সংখ্যায় স্থানীয় মান হয় 20 , 21, 22, 23… অর্থাৎ দুই এর ঘাতের ভিত্তিতে বৃদ্ধি পায় ।

• বাইনারি সংখ্যাঃ

- বাইনারি সংখ্যাতেও প্রত্যেকটি অঙ্কের একটি স্থানীয় মান রয়েছে।
- দশমিক সংখ্যায় স্থানীয় মান 100, 101, 102 … এভাবে বেড়ে যায়।
- বাইনারি সংখ্যায় 20, 21, 22, 23 … এভাবে বেড়ে যায়।
- ভগ্নাংশ প্রকাশ করার জন্য দশমিক বিন্দুর পর অঙ্কগুলো 10-1, 10-2, 10-3 … এভাবে কমে।
- ঠিক সেরকম বাইনারি সংখ্যায় বাইনারি বিন্দুর পর অঙ্কগুলো 2-1, 2-2, 2-3 … এভাবে কমে।

উৎস: একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি।

৬২৩.
কম্পিউটারে গণনার একক কোনটি?
  1. ক) সেন্টিমিটার
  2. খ) বাইট
  3. গ) ডেসিবল
  4. ঘ) মিটার
ব্যাখ্যা
বাইনারি পদ্ধতিতে কম্পিউটার গণনার একক বাইট। উৎসঃ দৈনিক প্রথম আলো
৬২৪.
হাফ-অ্যাডারের সম আউটপুটের লজিক সার্কিট কোন গেটের উপর নির্ভর করে?
  1. NAND
  2. AND
  3. XOR
  4. OR
ব্যাখ্যা

• হাফ-অ্যাডার হলো একটি মৌলিক ডিজিটাল সার্কিট যা দুটি একবিট ইনপুটকে যোগ করতে ব্যবহৃত হয়। হাফ-অ্যাডারের দুটি আউটপুট থাকে—Sum এবং Carry। এখানে Sum আউটপুটটি নির্ধারিত হয় ইনপুট দুটির XOR (Exclusive OR) অপারেশনের মাধ্যমে, কারণ XOR গেট তখনই ‘1’ আউটপুট দেয় যখন ইনপুটের মধ্যে ঠিক একটি ‘1’ থাকে। অন্যদিকে, Carry আউটপুটের জন্য AND গেট ব্যবহৃত হয়, কারণ Carry তখনই ‘1’ হয় যখন উভয় ইনপুটই ‘1’ হয়। তাই হাফ-অ্যাডারের মূলত Sum আউটপুটের লজিক সার্কিট নির্ভর করে XOR গেটের উপর, যা ইনপুটের পার্থক্য সঠিকভাবে প্রকাশ করে।

উত্তর: গ) XOR.

• অ্যাডার:
- ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে যে সমবায় সার্কিট দ্বারা যোগ করা যায় তাকে অ্যাডার বলে।
- অ্যাডার দুই ধরনের। যথা-
১. হাফ-অ্যাডার:
- যে অ্যাডার দুটি বিট যোগ করে যোগফল ও হাতে থাকা সংখ্যা বা ক্যারি বের করে তাকে হাফ-অ্যাডার বলে।

২. ফুল-অ্যাডার:
- যে অ্যাডার একটি ক্যারি ও দুটি বিটসহ মোট তিনটি বিট যোগ করে যোগফল ও হাতে থাকা সংখ্যা বা ক্যারি বের করে তাকে ফুল-অ্যাডার বলে।

• এনকোডার:
- এনকোডার হলো এমন এক ধরনের ইলেট্রনিক সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী যা আলফাবেট বা মানুষের বোধগম্য ভাষাকে কম্পিউটারের বোধগম্য বা যান্ত্রিক ভাষায় রূপান্তর করে।

• ডিকোডার:
- ডিকোডার হলো এমন এক ধরনের ইলেট্রনিক সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী যা কম্পিউটারে ব্যবহৃত ভাষাকে মানুষের বোধগম্য ভাষায় রূপান্তর করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৬২৫.
1F এর সমতুল্য বাইনারি কত? 
  1. 00011110
  2. 00011111
  3. 00101101
  4. 00101111
ব্যাখ্যা
- 1F হলো হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা। 
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটিকে বাইনারিতে প্রকাশ করার জন্য প্রতি হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাকে সমতুল্য ৪ বিট বাইনারিতে প্রকাশ করতে হবে। 
- 1 এর সমতুল্য বাইনারি = 0001 
- F এর সমতুল্য বাইনারি = 1111 
1F এর সমতুল্য বাইনারি = 00011111.
৬২৬.
১০২৪ টেরাবাইটের সমতুল্য-
  1. ১ গিগাবাইট
  2. ১ টেরাবাইট
  3. ১ পেটাবাইট
  4. ১ এক্সাবাইট
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার মেমোরি পরিমাপের একক:
1 Bit = Binary Digit,
8 Bits = 1 Byte.

1024 Bytes = 1 KB (Kilo Byte),
1024 KB = 1 MB (Mega Byte),
1024 MB = 1 GB (Giga Byte),
1024 GB = 1 TB (Terra Byte),
1024 TB = 1 PB (Petabyte),
1024 PB = 1 EB (Exa Byte).

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬২৭.
(12)10 এর 1 এর পরিপূরক কত?
  1. 1010
  2. 0100
  3. 0011
  4. 1100
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: (12)10 এর 1 এর পরিপূরক কত?

সমাধান: 
(12)10 = (1100)2

1100 এর 1 এর পরিপূরক = 0011  ।

৬২৮.
10110 + 11111 বাইনারি সংখ্যার যোগফল কত?
  1. ক) 11001
  2. খ) 11011
  3. গ) 110111
  4. ঘ) 110101
ব্যাখ্যা
0 + 0 = 0
0 + 1 = 1
1 + 0 = 0
1 + 1 = 10

বাইনারি দুইটি ১ যোগ করলে যোগফল শূন্য, হাতে থাকবে ১
বাইনারি তিনটি ১ যোগ করলে যোগফল ১, হাতে থাকবে ১ 

10110 + 11111
= 110101
৬২৯.
অক্টাল সংখ্যা ব্যবস্থায় কোন অঙ্ক ব্যবহার করা যায়?
  1. 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7 
  2. 0, 1, 3, 5, 7, 9, 11
  3. 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 9
  4. 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8
ব্যাখ্যা

• অক্টাল সংখ্যা ব্যবস্থা হল একটি সংখ্যা পদ্ধতি যা ভিত্তি ৮ ব্যবহার করে। অর্থাৎ, এই ব্যবস্থায় ০ থেকে ৭ পর্যন্ত মোট ৮টি অঙ্ক ব্যবহার করা হয়। অন্য কোনো সংখ্যা যেমন ৮ বা ৯ এখানে থাকতে পারে না। প্রতিটি অঙ্কের মান ০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, এবং ৭ পর্যন্ত সীমাবদ্ধ। অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি কম্পিউটার বিজ্ঞান ও ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ বাইনারি সংখ্যাকে সহজে অক্টালে রূপান্তর করা যায়। এই পদ্ধতি ব্যবহার করলে বড় বাইনারি সংখ্যাকে ছোট এবং সহজ রূপে লেখা যায়। তাই অক্টাল সংখ্যায় শুধুমাত্র 0 থেকে 7 পর্যন্ত অঙ্ক ব্যবহার করা যায়।

সঠিক উত্তর: ক) 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7

• অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি:
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ৮।
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতিতে দশমিকের(.) আগের অঙ্কগুলোকে MSD (বেশি গুরুত্বের অঙ্ক) এবং পরের অঙ্কগুলোকে LSD (কম গুরুত্বের অঙ্ক) বলে।
- অক্টাল সংখ্যার আবিষ্কারক সুইডেনের রাজা ৭ম চার্লস।
- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে আটটি অঙ্ক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তাকে অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- এ পদ্ধতিতে ব্যবহৃত অঙ্ক গুলো হলো- ০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭।
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি হচ্ছে ৮। যেমন- ৫১২, ১৬২০, ৬৪ কিন্তু ২৮১ অকটাল সংখ্যা নয়, কারণ ৮ অক্ট্যাল সংখ্যার অঙ্ক বা চিহ্ন না।

- বাইনারি সংখ্যার ভিত্তি - ২
- দশমিক বা ডেসিমেল সংখ্যার ভিত্তি - ১০
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার ভিত্তি - ১৬

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণী, মাহবুবুর রহমান।

৬৩০.
EBCDIC কোডটি কত বিটের বিসিডি কোডের সম্প্রসারিত সংস্করণ?
  1. 4-বিট
  2. 6-বিট
  3. 7-বিট
  4. 8-বিট
ব্যাখ্যা
• EBCDIC কোডটি আট বিটের বিসিডি কোডের সম্প্রসারিত সংস্করণ।

• ইবিসিডিক কোড:
- ৮-বিট বিসিডি কোড Extended Binary Coded Decimal Information Code বা ইবিসিডিক কোড নামে পরিচিত।
- ইবিসিডিক (EBCDIC) কোডে ০ থেকে ৯ সংখ্যার জন্য ১১১১, A থেকে Z বর্ণের জন্য ১১০০, ১১০১ ও ১১১০ এবং বিশেষ চিহ্নের জন্য ০১০০, ০১০১, ০১১০ ও ০১১১ জোন বিট হিসাবে ব্যবহার করা হয়।
- ২৫৬টি বর্ণ, সংখ্যা ও বিশেষ চিহ্নকে এ পদ্ধতিতে কোড করে কম্পিউটারে ব্যবহার উপযোগী করা আছে।
- এ কোডটি সাধারণত IBM এবং IBM সমকক্ষ কম্পিউটারেই শুধু ব্যবহৃত হয়।
- যেমন IBM মেইনফ্রেম ও মিনি কম্পিউটারে EBCDIC কোড ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী।
৬৩১.
(A1D.FC)16 সংখ্যাটির সমতুল্য অক্টাল মান-
  1. 1557.385
  2. 5035.770
  3. 5345.71
  4. 5103.70
ব্যাখ্যা
(A1D.FC)16=(5035.770)

হেক্সাডেসিমেল থেকে অক্টাল:
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাকে অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তরের জন্য প্রথমে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার প্রত্যেকটি অংকের সমতলা 4 বিট বাইনারি সংখ্যা বসিয়ে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করতে হবে।
- অতঃপর পুরো বাইনারি সংখ্যাটি ৩বিট বাইনারি গ্রুপে সাজিয়ে সমতুল্য অক্টাল মান বসালে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটির অক্টাল মান পাওয়া যায়।




সুতরাং, (A1D.FC)16=(5035.770)

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৩২.
(10110110)2 = (?)16
  1. B6
  2. A7
  3. C5
  4. D2
ব্যাখ্যা
(10110110)2 = (?)16
৬৩৩.
দশমিক সংখ্যা 18 এর সমতুল্য অক্টাল মান কত?
  1. 21
  2. 22
  3. 23
  4. 24
ব্যাখ্যা
- আমরা দৈনন্দিন জীবনে দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করি কিন্তু কম্পিউটারে বাইনারি, অক্টাল ও হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়।
- কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়াকরণের বিষয় ব্যাখ্যা বিশ্লেষণের জন্যে এক ধরনের সংখ্যা পদ্ধতিকে অন্য সংখ্যা পদ্ধতিতে রূপান্তরের প্রয়োজন হয়।
- নিচের সারণীতে ০ থেকে ২০ পর্যন্ত দশমিক সংখ্যার সমতুল্য বাইনারি, অক্টাল ও হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা দেখানো হলো:

 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৩৪.
কোনটি পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি?
  1. রোমান সংখ্যা
  2. হায়ারোগ্লিফিক্স
  3. দশমিক সংখ্যা
  4. ট্যালি সংখ্যা
ব্যাখ্যা

দশমিক সংখ্যা একটি পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি।

• পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি:
- কোনো সংখ্যা পদ্ধতি প্রকাশ করার জন্য যে সকল সাংকেতিক চিহ্ন বা মৌলিক চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তা অংক বা ডিজিট (Digit) নামে পরিচিত।
- যেমন: বাইনারি সংখ্যাকে প্রকাশ করার জন্য দুটি অংক ০ এবং ১ ব্যবহার করা হয়।
- ডিজিট ব্যবহার করে সংখ্যা পদ্ধতি প্রকাশ করার পদ্ধতিই হলো পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি।

• নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি:
- নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি হলো এমন এক ধরনের পদ্ধতি, যেখানে সংখ্যাগুলোর কোনো স্থানীয় মান থাকে না। শুধুমাত্র সংখ্যার নিজস্ব মান দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
- নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতিতে হাতিয়ার, পশুপাখি, জীবজন্তুর ছবি, গাছ, ফুল ফল ইত্যাদি প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করা হতো।
- তবে এ ধরনের সংখ্যা পদ্ধতিতে গাণিতিক কাজ করা খুবই জটিল।
- প্রাচীনকালে ব্যবহৃত হায়ারোগ্লিফিক্স, মেয়ান, ট্যালি সংখ্যা পদ্ধতি নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতির উদাহরণ।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬৩৫.
ওয়েবসাইটে ব্যবহারের জন্য ইউনিকোডের স্ট্যান্ডার্ড পদ্ধতি হলো-
  1. UTF-4
  2. UTF-64
  3. UTF-8
  4. UTF-32
ব্যাখ্যা
• ইউনিকোড:
- ১৯৯১ সালে Apple Computer Corporation এবং Xerox Corporation এর একদল প্রকৌশলী যৌথভাবে ইউনিকোড উদ্ভাবন করেন।
- বিশ্বের ছোট বড় সকল ভাষাকে কম্পিউটারে কোডভুক্ত করার জন্য ইউনিকোড ব্যবহৃত হয়।
- ইউনিকোড মূলত ২ বাইট বা ১৬ বিটের কোড।
- যে সমস্ত ভাষাকে কোডভুক্ত করার জন্য ৮ বিট অপর্যাপ্ত ছিল (যেমন-চায়নিজ, কোরিয়ান, জাপানীজ ইত্যাদি) সে সকল ভাষার সকল চিহ্নকে সহজেই কোডভুক্ত করা সহজতর হয় ইউনিকোডের মাধ্যমে।
- শুরু থেকেই ইউনিকোডকে আরও উন্নত করার লক্ষ্যে Unicode Consortium কাজ করে যাচ্ছে।
- ইউনিকোড অ্যাসকি কোডের সাথে কম্প্যাটিবল।
- ইউনিকোডের প্রথম ২৫৬টি কোড অ্যাসকি ২৫৬টি কোডের অনুরূপ।
- এই কোডের মাধ্যমে ৬৫,৫৩৬টি অদ্বিতীয় চিহ্নকে নির্দিষ্ট করা যায়। উদাহরণ: A U+0041, ক = U+0995.
- ইউনিকোডের বাইটগুলো প্রক্রিয়া করার পদ্ধতিগুলোর মধ্যে UTF-8 ও UTF-19 হচ্ছে সবচেয়ে প্রচলিত পদ্ধতি।
- ওয়েবসাইটের জন্য UTF-8 হলো স্ট্যান্ডার্ড, কারণ ব্যবহার করার সময় UTF-8 শুধু যে কয়টি বিটের প্রয়োজন ততোগুলোই ব্যবহার করে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৬৩৬.
বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে 11 এর পরের সংখ্যা কত?
  1. ক) 12
  2. খ) 10
  3. গ) 100
  4. ঘ) 011
ব্যাখ্যা

সূত্রঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি - প্রথম পত্র,এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৬৩৭.
(234)16 কে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করলে হবে-
  1. ক) 426
  2. খ) 480
  3. গ) 564
  4. ঘ) 530
ব্যাখ্যা
(234)16 = 2 × 162 +3 × 161 + 4× 160
           = 2 × 256 + 3× 16 + 4 × 1
           =512 + 48 + 4
           = 564
৬৩৮.
এক বা একাধিক রেকর্ড নিয়ে তৈরি হয়-
  1. ক) ফিল্ড
  2. খ) ফাইল
  3. গ) টেবিল
  4. ঘ) বাইট
ব্যাখ্যা
ডেটা হায়ারার্কি বিট, বাইট, ফিল্ড, রেকর্ড এবং ফাইল নিয়ে গঠিত যা ডেটাবেসের উপাদান। কয়েকটি অক্ষর নিয়ে গঠিত হয় একটি ফিল্ড। পরস্পর সম্পর্ক যুক্ত কয়েকটি ফিল্ড নিয়ে গঠিত হয় একটি রেকর্ড। আর এক বা একাধিক রেকর্ড নিয়ে টেবিল তৈরি হয়।
৬৩৯.
ডেসিমেল 75-এর সমতুল্য অক্টাল সংখ্যা কী?
  1. 119
  2. 122
  3. 113
  4. 107
ব্যাখ্যা
• দশমিক সংখ্যাকে অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তর: 
- দশমিক পূর্ণ সংখ্যাকে অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তর করার জন্য সংখ্যাটিকে ৮ দ্বারা (যেহেতু অক্টাল সংখ্যার ভিত্তি ৮) উপর্যুপরি ভাগ করতে হয় যতক্ষণ পর্যন্ত না ভাগফল ০ (শূন্য) হয়। 
- অতঃপর ভাগশেষগুলোকে সর্বোচ্চ গুরুত্বের অংক (Most Significant Digit -MSD) থেকে সর্বনিম্ন গুরুত্বের অংক (Least Significant Digit-LSD) পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে সাজিয়ে সংখ্যাটির সমতুল্য অক্টাল মান নির্ণয় করা হয়। 

• পূর্ণ দশমিক সংখ্যাকে অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তর: 
১. দশমিক সংখ্যাকে অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তরিত করার জন্য দশমিক সংখ্যাকে ৮ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে। 
২. ভাগফলকে পুনরায় ৮ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে। 
৩. এ পদ্ধতির পুনরাবৃত্তি করতে হবে যতক্ষণ না ভাজ্য ০ হয়। 
৪. সংরক্ষিত ভাগশেষগুলোকে শেষ থেকে প্রথম দিকে ধারাবাহিকভাবে অর্থাৎ উল্টো করে সাজিয়ে লিখলে যে সংখ্যাটি পাওয়া যায় তাই দশমিক সংখ্যার সমকক্ষ অক্টাল সংখ্যা। 


অর্থাৎ, (75)10 = (113)8

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৪০.
অক্টাল থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তরের জন্য প্রত্যেক অংককে কত দ্বারা গুণ দিতে হয়?
  1. ক) ৮
  2. খ) ১৬
  3. গ) ৩২
  4. ঘ) ৬৪
ব্যাখ্যা
অক্টাল থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তরের জন্য প্রত্যেক অংককে আট দ্বারা  গুণ দিতে হয়। 

- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে ৮টি (০,১,২,৩,৪,৫,৬,৭) প্রতিক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তাকে অকটাল সংখ্যা পদ্ধতি বলে। যেমন- (১২০)
- অকটাল সংখ্যা পদ্ধতিতে ০ থেকে ৭ পর্যন্ত মোট ৮ টি প্রতিক বা চিহ্ন নিয়ে যাবতীয় গাণিতিক কর্মকান্ড সম্পাদন করা হয় বলে এর বেজ বা ভিত্তি হলো ৮।
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতিকে তিন বিট সংখ্যা পদ্ধতিও বলা হয়। কারণ অকটাল সংখ্যা পদ্ধতিতে ব্যবহৃত ০ থেকে ৭ পর্যন্ত মোট ৮ টি প্রতিক বা চিহ্নকে তিন বিটের মাধ্যমেই প্রকাশ করা যায়।
- ডিজিটাল সিস্টেমে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাইনারি সংখ্যাকে নির্ভূল ও সহজে উপস্থাপন করার জন্য অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।

সূত্র: ৯৮ পৃষ্ঠা, কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।  
৬৪১.
53-এর BCD (Binary Coded Decimal) কোড কী?
  1. 01010101
  2. 11010001
  3. 10001100
  4. 01010011
ব্যাখ্যা

বিসিডি কোড:
- বিসিডি (BCD) শব্দের পূর্ণরূপ হলো বাইনারি কোডেড ডেসিমেল (Binary Coded Decimal)।
- BCD হলো একটি পদ্ধতি যেখানে প্রতিটি দশমিক (ডেসিমেল) অঙ্ককে ৪-বিট বাইনারিতে রূপান্তর করা হয়।
উদাহরণ:
দশমিক 5 → BCD 0101
দশমিক 3 → BCD 0011

- দশমিক (Decimal) সংখ্যার প্রতিটি অঙ্ককে বাইনারিতে রূপান্তরই হলো বিসিডি কোড।
- এই পদ্ধতিতে দশমিক সংখ্যা 0 থেকে 9 পর্যন্ত মোট দশটি অংককে সমতুল্য 4 বিট বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করা হয়।
- 4 বিট দ্বারা 24 অর্থাৎ 16 ভিন্ন অবস্থা নির্দেশ করা যায়। তাই 16টি অবস্থা ব্যবহার করে কয়েক প্রকার BCD কোড গঠন করা সম্ভব।
- এর মধ্যে BCD 8421 কোড বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য এবং বহুল ব্যবহৃত।

5 এর বিসিডি 0101
3 এর বিসিডি 001

∴ 53 এর বিসিডি 01010011

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬৪২.
(1011)2 + (0101)2 = ?
  1. (1100)2
  2. (11000)2
  3. 01100)2
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
1011
0101
___________
10000
∴ (1011)2 + (0101)2 = (10000)2
৬৪৩.
বিশ্বের ছোট বড় সকল ভাষাকে কম্পিউটারে কোডভুক্ত করা যায় কোনটির সাহায্যে?
  1. আসকি কোড
  2. ইউনিকোড
  3. বিসিডি কোড
  4. আলফানিউমেরিক কোড
ব্যাখ্যা


উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি -২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)
৬৪৪.
ইউনিকোডের প্রথম কতটি কোড আসকি কোডের অনুরূপ?
  1. ১২৮
  2. ২৫৬
  3. ৬৪
  4. ৬৫৫৩৬
ব্যাখ্যা


উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি -২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)
৬৪৫.
বেজ বা ভিত্তির উপর নির্ভর করে কত ধরনের সংখ্যা পদ্ধতি আছে?
  1. ২ ধরনের
  2. ৩ ধরনের
  3. ৪ ধরনের
  4. ৫ ধরনের
ব্যাখ্যা
• সংখ্যা পদ্ধতি:
- কোন সংখ্যা লেখা বা প্রকাশ করার পদ্ধতিকে সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তির উপর নির্ভর করে চার ধরনের সংখ্যা পদ্ধতির প্রচলন লক্ষ্য করা যায়। যথা-
১. দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি (Decimal Number System),
২. বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (Binary Number System),
৩. অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি (Octal Number System) ও
৪. হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি (Hexadecimal Number System )।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৪৬.
পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতিতে কোনো একটি সংখ্যার মান বের করার জন্য নিচের কোনটি প্রয়োজন?
  1. সংখ্যাটিতে ব্যবহৃত অঙ্কগুলোর নিজস্ব মান
  2. সংখ্যা পদ্ধতির বেইস বা ভিত
  3. সংখ্যাটিতে ব্যবহৃত অঙ্কগুলোর অবস্থান বা স্থানীয় মান
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতিতে কোন একটি সংখ্যার মান বের করার জন্য ৩ টি ডেটার প্রয়োজন হয়।
যেমন - 
- সংখ্যাটিতে ব্যবহৃত অঙ্কগুলোর নিজস্ব মান
- সংখ্যা পদ্ধতির বেইস বা ভিত
- সংখ্যাটিতে ব্যবহৃত অঙ্কগুলোর অবস্থান বা স্থানীয় মান
[তথ্যসূত্র - তথ্যসূত্র - তথ্য ও যোগাযোগ প্রজুক্তি(প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান), একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণি, পৃষ্ঠা - ১৯১]
৬৪৭.
কম্পিউটার নিচের কোন ভাষাটি ব্যবহার করে?
  1. ক) প্রসেসিং
  2. খ) বাইনারি
  3. গ) কিলোবাইট
  4. ঘ) প্রতিনিধিত্বমূলক
ব্যাখ্যা
ডিজিটাল ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতির লজিক গেটে এই সংখ্যাপদ্ধতির ব্যাপক প্রয়োগ রয়েছে। তাছাড়া প্রায় সকল আধুনিক কম্পিউটারে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। বাইনারি পদ্ধতিতে প্রতিটি অঙ্ককে বিট বলা হয়।
৬৪৮.
'Z' এর ASCII কোড কত?
  1. ক) 89
  2. খ) 90
  3. গ) 100
  4. ঘ) 97
৬৪৯.
কম্পিউটার কোন সংখ্যা পদ্ধতিতে কাজ করে? 
  1. রোমান
  2. বাইনারি
  3. দশমিক
  4. ষোড়শিক
ব্যাখ্যা
বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি: 
 - যে সংখ্যা পদ্ধতিতে সংখ্যা গণনা করার জন্য ২টি অঙ্ক বা প্রতীক ব্যবহৃত হয় তাকে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
যেমন-(১০১০)। 
 - বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে যেহেতু ০ এবং ১ এই দুইটি প্রতিক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয়। 
 - বাইনারি সংখ্যার ভিত্তি হচ্ছে ২। 
- এ পদ্ধতিতে ০ এবং ১ মোট ২টি মৌলিক অঙ্ক আছে। 
- বাইনারি সংখ্যার মাধ্যমে কম্পিউটারের সমস্ত যোগ বিয়োগ ও অন্যান্য কার্যাদি সম্পন্ন করা হয়। 

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
৬৫০.
ইউনিকোডের ক্ষেত্রে সর্বাধিক ব্যবহৃত এনকোডিং স্ট্যান্ডার্ড হল -
  1. ক) UTF-6
  2. খ) UTF-7
  3. গ) UTF-8
  4. ঘ) UTF-9
ব্যাখ্যা
Unicode Transformation Format 8-bit is a variable-width encoding that can represent every character in the Unicode character set. It was designed for backward compatibility with ASCII and to avoid the complications of endianness and byte order marks in UTF-16 and UTF-32. (Ref- utf-8.com)
৬৫১.
  1. ক) A
  2. খ) 1
  3. গ) 0
  4. ঘ) ABC
৬৫২.
হেক্সাডেসিমেলে 3D এর সমতুল্য দশমিক মান কত?
  1. 49
  2. 61
  3. 63
  4. 67
ব্যাখ্যা
• হেক্সাডেসিমেল থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর:
- হেক্সাডেসিমেল থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করার সময় প্রত্যেক অংককে ১৬ দ্বারা গুণ করতে হবে।
- গুণ করার সময় স্থানীয় মান অনুযায়ী 16 এর ঘাত 0 হতে বাড়তে থাকবে।
- যেমন: একক স্থানীয় অংকটিকে 160 দ্বারা, দশক স্থানীয় অংকটিকে 161 দ্বারা, শতক স্থানীয় অংকটিকে 162 দ্বারা এভাবে গুণ করতে হবে।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটির A, B, C, D, E ও F হলো যথাক্রমে 10, 11, 12, 13, 14 ও 15 দিয়ে গুণ করতে হবে।
- প্রাপ্ত গুণফলকে যোগ করলে উক্ত হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটির সমতুল্য দশমিক মান পাওয়ার যাবে।

এখানে,
(3D)16
= 13 × 160 + 3 × 161
= 13 × 1 + 3 × 16
= 13 + 48
= 61
সুতরাং, (4D)16 = (61)10

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৫৩.
An adder in which the bits of the operands are added one after another is
  1. ক) Half-adder
  2. খ) Full-adder
  3. গ) Serial adder
  4. ঘ) All of the above
ব্যাখ্যা

Adder : is a unit which adds together two input variables.
Half-adder can only add the inputs together.
Full-adder can add a bit carried from another addition as well as the two inputs.

৬৫৪.
আইপি ভার্সন ৪ (IPV4) এ প্রত্যেকটি আইপি এড্রেস কত বিটের হয়ে থাকে?
  1. ক) ১৬
  2. খ) ৩২
  3. গ) ৬৪
  4. ঘ) ১২৮
ব্যাখ্যা
আইপি ভার্সন ৪ (IPV4) এ প্রত্যেকটি আইপি এড্রেস ৩২ বিটের  হয়ে থাকে। 

- IP Address হলো Internet Protocol Address।
- ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত প্রতিটি কম্পিউটারের একটি ঠিকানা থাকে এ ঠিকানাকে বলা হয় আইপি অ্যাড্রেস (IP Address)।
- IPv4 হচ্ছে Internet Protocol Version 4 এর সংক্ষিপ্ত রূপ।
- এটি হচ্ছে Internet Protocol এর ৪র্থ সংস্করণ এবং Standard Internetworking পদ্ধতির মূল প্রোটকল।
- IPv4 এর সর্ব প্রথম সংস্করনের জন্য ১৯৮৩ সালে ARPANET(Advanced Research Projects Agency Network ) কর্তৃক এটি তৈরি করা হয়।

সূত্র: ১৫০ পৃষ্ঠা, কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৫৫.
অক্টাল সংখ্যা 157 কে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করলে কত হবে?
  1. 119
  2. 115
  3. 111
  4. 121
ব্যাখ্যা

• অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতিতে প্রতিটি সংখ্যা ০ থেকে ৭ পর্যন্ত অঙ্ক দ্বারা প্রকাশিত হয়। একটি অক্টাল সংখ্যা দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করার জন্য, প্রতিটি অঙ্ককে তার অবস্থান অনুযায়ী ৮ এর ঘাত দ্বারা গুণ করতে হয়। উদাহরণস্বরূপ, অক্টাল সংখ্যা 157 কে দশমিক সংখ্যা পদ্ধতিতে রূপান্তর করি। সুতরাং, অক্টাল সংখ্যা 157 এর দশমিক মান হবে 111.

• অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি:
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি হলো একটি সংখ্যা পদ্ধতি যার ভিত্তি (base) ৮। এটি ০ থেকে ৭ পর্যন্ত মোট ৮টি সংখ্যা ব্যবহার করে, যেমন: ০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭।
- প্রতিটি অঙ্কের মান নির্ধারণ করা হয় তার অবস্থান (position) অনুযায়ী এবং ৮-এর ঘাত (power) ব্যবহার করে।
- এই পদ্ধতিটি সাধারণত কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত হয়, বিশেষ করে তখন যখন বাইনারি সংখ্যাকে সংক্ষিপ্তভাবে প্রকাশ করতে হয়, কারণ তিনটি বাইনারি বিট = একটি অক্টাল সংখ্যা।
- উদাহরণস্বরূপ, বাইনারি সংখ্যা 101010 কে অক্টালে রূপান্তর করলে পাওয়া যায় 52।

এখানে,
(157)8
= (1 × 82) + (5 × 81) + (7 × 80)
= (1 × 64) + (5 × 8) + (7 × 1)
= 64 + 40 + 7
= (111)10

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্ত, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৬৫৬.
কোন লজিক গেইটের ক্ষেত্রে সব ইনপুট 0 থাকলে আউটপুট 1 হয়?
  1. NAND
  2. OR
  3. AND
  4. XOR
ব্যাখ্যা
[NAND গেইটের ক্ষেত্রে সব ইনপুট 0 থাকলে আউটপুট 1 হয়। XOR গেইটের ক্ষেত্রেও আউটপুট 1 হতে পারে যদি ইনপুট 0 এবং 1 থাকে, কিন্তু সব ইনপুট 0 হলে আউটপুট 0 হয়। OR এবং AND গেইটের ক্ষেত্রে, সব ইনপুট 0 থাকলে আউটপুট 0 হয়।]

• NAND গেইট:


- AND গেইট + NOT গেইট = NAND গেইট।
- NAND গেইট AND গেইটের বিপরীত।
- NAND গেইটে সবগুলো ইনপুট 1 হলে আউটপুট 0 হয়। অন্যথায় আউটপুট 1 হয়।
- অর্থাৎ, NAND গেইটে দুটি ইনপুট 0 হলে আউটপুট 1 হবে।
- NAND ও NOR গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
- কারণ, শুধুমাত্র NAND গেইট বা NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বা সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়।
- একটি লজিক গেট-এর আউটপুট 1 হয় যখন এর সব ইনপুট 0 থাকে। এই গেটটি - NAND গেইট।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৬৫৭.
ওয়াই-ফাই (Wi-Fi) এর স্ট্যান্ডার্ড কোনটি?
  1. IEEE 802.16
  2. IEEE 802.15
  3. IEEE 802.11
  4. IEEE 802.10
ব্যাখ্যা
• ওয়াই-ফাই (Wi-Fi) এর স্ট্যান্ডার্ড হলো IEEE 802.11, এটি একটি সেট টেকনোলজির মান, যা বেতার স্থানীয় এলাকা নেটওয়ার্ক (Wireless Local Area Network বা WLAN) তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয়। IEEE 802.11 স্ট্যান্ডার্ডের মাধ্যমে ডিভাইসগুলো ওয়্যারলেসভাবে ইন্টারনেট বা অন্যান্য নেটওয়ার্কের সাথে সংযোগ স্থাপন করতে পারে। অন্য অপশনগুলো যেমন IEEE 802.16 মূলত ওয়াই-ম্যাক্সের জন্য, IEEE 802.15 ব্লুটুথের জন্য এবং IEEE 802.10 নিরাপত্তা সম্পর্কিত প্রোটোকলের জন্য ব্যবহৃত হয়। তাই ওয়াই-ফাইয়ের সঠিক স্ট্যান্ডার্ড হলো IEEE 802.11

• ওয়াই-ফাই (Wi-Fi):
- কম্পিউটার/ডিজিটাল বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতিগুলোকে তারবিহীন উপায়ে ইন্টারনেটে সংযুক্ত করার একটি প্রযুক্তি হলো ওয়াই-ফাই (Wi-Fi)।
- ওয়াই-ফাই হলো জনপ্রিয় একটি ওয়‍্যারলেস নেটওয়ার্কিং প্রযুক্তি, যেটি তারবিহীন উচ্চগতির ইন্টারনেট ও নেটওয়ার্ক সংযোগে বেতার তরঙ্গকে ব্যবহার করে থাকে।
- এটি একটি ওয়‍্যারলেস বা তারবিহীন LAN স্ট্যান্ডার্ড যা প্রযুক্তিগতভাবে IEEE 802.11 নামে পরিচিত।
- ওয়াই-ফাই অ্যানাবন্ড ডিভাইস যেমন- ল্যাপটপ, ভিডিও গেম কনসোল, স্মার্টফোন কিংবা ডিজিটাল অডিও প্লেয়ার প্রভৃতি একটি ওয়‍্যারলেস নেটওয়ার্ক অ্যাকসেস পয়েন্টের মাধ্যমে ইন্টারনেটের সাথে যুক্ত হতে পারে।
- ইন্টারনেট অ্যাকসেসের জন্য Wi-Fi নেটওয়ার্কভুক্ত এলাকাকে Hotspot বলা হয়।
- এর ডেটা কমিউনিকেশন গতি খুবই কম এবং সিকিউরিটি ব্যবস্থাও দুর্বল।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৬৫৮.
OR গেইট এর কাজ কি?
  1. ক) যোগ করা
  2. খ) বিয়োগ করা
  3. গ) গুণ করা
  4. ঘ) ভাগ করা
ব্যাখ্যা

OR গেইট যোগ পদ্ধতিতে কাজ সম্পাদন করে থাকে এবং AND গুণন পদ্ধতিতে কাজ সম্পাদন করে থাকে।
সূত্রঃ উচ্চ মাধ্যমিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (মাহবুবুর রহমান)

৬৫৯.
সার্বজনীন গেইট কোনটি?
  1. OR Gate
  2. XOR Gate
  3. AND Gate
  4. NOR Gate
ব্যাখ্যা

• NOR Gate হলো একটি সার্বজনীন গেইট (Universal Gate), কারণ এই গেইট ব্যবহার করে অন্য সকল মৌলিক গেইট (AND, OR, NOT) তৈরি করা সম্ভব।

• সার্বজনীন গেইট:
- যে গেইট এর সাহায্যে মৌলিক গেইটসহ (AND, OR, NOT) যেকোনো গেইট এবং যেকোনো সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায় তাকে সার্বজনীন গেইট বলে।
- NAND ও NOR গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
- কারণ, শুধুমাত্র NAND গেইট বা শুধুমাত্র NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বা সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়।

• মৌলিক লজিক গেইট:
- ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতি বাস্তবায়নের জন্য যে সমস্ত গেইট কাজ করে তাদেরকে মৌলিক গেইট বলা হয়।
- কম্পিউটার বা অন্যান্য ডিজিটাল পদ্ধতির মূলে রয়েছে তিনটি মৌলিক গেইট। যথা-
১। অর গেইট (OR Gate),
২। অ্যান্ড গেইট (AND Gate) ও
৩। নট গেইট (NOT Gate).

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৬৬০.
১১০০১ (বাইনারি) কে দশমিক সিস্টেমে রূপান্তর করলে কত হবে?
  1. ২৬
  2. ২৪
  3. ২৩
  4. ২৫
ব্যাখ্যা

• বাইনারি সংখ্যা ১১০০১ এর দশমিক রূপ হচ্ছে - ২৫

বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর:
- বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করার সময় প্রত্যেক অংককে ২ দ্বারা গুণ করতে হয়।
- গুণ করার সময় স্থানীয় মান অনুযায়ী ২ এর ঘাত ০ হতে বাড়াতে হবে।
- প্রাপ্ত গুণফলকে যোগ করলে উক্ত বাইনারি সংখ্যাটির সমতুল্য দশমিক মান পাওয়া যাবে। 

এখানে, 
(11001)2 =  1 × 24 + 1 × 23 + 0 × 22 + 0 × 21 + 1 × 20
= 16 + 8 + 0 + 0 + 1
= 25

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৬৬১.
(1011101)2 = (P)10
  1. 62
  2. 65
  3. 88
  4. 93
ব্যাখ্যা

• (1011101)2 = (P)10
P এর মান 93

• বাইনারি থেকে ডেসিমেল (দশমিক) সংখ্যায় রূপান্তর:
- বাইনারি থেকে ডেসিমেল (দশমিক) সংখ্যায় রূপান্তরের জন্য, বাইনারি সংখ্যার প্রতিটি অঙ্ককে তার স্থানীয় মান অনুযায়ী 2-এর ঘাত দ্বারা গুণ করে প্রাপ্ত ফলাফলগুলো যোগ করতে হয়।

• এখানে, বাইনারি সংখ্যাটি হলো 1011101।
- এর ডেসিমেল রূপান্তর হলো:
(1 × 26) + (0 × 25) + (1 × 24) + (1 × 23) + (1 × 22) + (0 × 21) + (1 × 20)
= 64 + 0 + 16 + 8 + 4 + 0 + 1
= 93

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬৬২.
"1F4" হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটির দশমিক মান কত?
  1. 484
  2. 496
  3. 500
  4. 512
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: "1F4" হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটির দশমিক মান কত?

ব্যাখ্যা:
হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিতে ১৬ টি প্রতীক ব্যবহার করা হয়: ০-৯ এবং A থেকে F (যা ১০ থেকে ১৫ পর্যন্ত মান বোঝায়)।

"1F4"16 কে দশমিক মানে রূপান্তর করলে,
= (1 × 162) + (15 × 161) + (4 × 160)
= (1 × 256) + (15 × 16) + (4 × 1)
= 256 + 240 + 4 = 500

অর্থাৎ, (1F4)16 = (500)10

৬৬৩.
কোন সংখ্যার ২ এর পরিপূরক '001001' ?
  1. ক) 111011
  2. খ) 110111
  3. গ) 100111
  4. ঘ) 111111
ব্যাখ্যা
২ এর পরিপূরক করার নিয়ম: 
step 1: প্রথমে ১ এর পরিপূরক করতে হবে।
step 2: ১ এর পরিপূরক এর সাথে ১ যোগ করতে হবে।

বিপরীত করতে হলে,
step 1: প্রথমে ১ বিয়োগ করতে হবে।
step 2: বিয়োগফলকে ১ এর পরিপূরক করতে হবে।

001001
-        1
001000

001000 এর ১ এর পরিপূরক 110111

∴ সংখ্যাটি 110111
৬৬৪.
10101 এর 1's complement কোনটি?
  1. 01010
  2. 01100
  3. 00000
  4. 11111
ব্যাখ্যা
⚪ ১'s complement মানে হলো একটি বাইনারি সংখ্যার প্রত্যেকটি বিট (bit) উল্টে ফেলা — অর্থাৎ,

যেখানে 1 আছে, সেখানে 0 বসবে

যেখানে 0 আছে, সেখানে 1 বসবে।

১০১০১ সংখ্যাটির ১'s complement হবে:
⇒ প্রতিটি বিট উল্টালে হয়:
⇒ ০১০১০

এখানে,
10101 এর স্থানে বিট গুলোকে উল্টিয়ে 01010 হলো ১ এর পরিপূরক (1's complement).

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৬৬৫.
মৌলিক লজিক গেইট কোনটি?
  1. NAND
  2. AND
  3. XOR
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
মৌলিক লজিক গেইট:
- ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতি বাস্তবায়নের জন্য যে সমস্ত গেইট মূলত কাজ করে তাদেরকে মৌলিক গেইট বলা হয়।
- কম্পিউটার বা অন্যান্য ডিজিটাল পদ্ধতির মূলে রয়েছে তিনটি মৌলিক গেইট। যথা:
১. অর গেইট (OR Gate),
২. অ্যান্ড গেইট (AND Gate) এবং
৩. নট গেইট (NOT Gate)। 

সার্বজনীন গেইট:

- যে গেইট এর সাহায্যে মৌলিক গেইটসহ (AND, OR, NOT) যেকোনো গেইট এবং যেকোনো সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায় তাকে সার্বজনীন গেইট বলে।
- NAND ও NOR গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
- কারণ, শুধুমাত্র NAND গেইট বা শুধুমাত্র NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বা সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়।

মৌলিক লজিক গেইট:
- OR Gate,
- AND Gate,
- NOT Gate.

সার্বজনীন লজিক গেইট:
- NAND Gate,
- NOR Gate.

বিশেষ লজিক গেইট:
- XOR Gate,
- XNOR Gate.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৬৬৬.
ASCII-7 কোডের মাধ্যমে কতটি অক্ষরকে নির্দিষ্ট করা যায়?
  1. ৬৪
  2. ১২৮
  3. ২৫৬
  4. ৫১২
ব্যাখ্যা
• ASCII কোড:
- American Standard Code for Information Interchange এর সংক্ষিপ্ত রূপ ASCII বা অ্যাসকি।
- অ্যাসকি একটি বহুল প্রচলিত কোড।
- এটি একটি ক্যারেক্টার এনকোডিং স্কিম যা কম্পিউটারে বর্ণ, সংখ্যা ও প্রতীক সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়।

• ASCII-7
- ১৯৬৫ সালে রবার্ট বিমার সাত বিটের অ্যাসকি কোড উদ্ভাবন করেন। 
- ASCII-7 ৭টি বিট নিয়ে গঠিত হয়। যার বাম দিকের ৩টি বিটকে জোন এবং ডান দিকের চারটি বিটকে সংখ্যাসূচক বিট হিসেবে ধরা হয়।
- এ কোডের মাধ্যমে ২ বা ১২৮ টি অক্ষরকে নির্দিষ্ট করা যায়। 
- প্রতিটি অক্ষর এনকোড করতে প্রয়োজন হয় 7 বিট।

তথ্যসূত্র:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি; প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান। 
৬৬৭.
সব ধরনের গেইট তৈরি করা যায় -
  1. AND গেইট দিয়ে।
  2. OR গেইট দিয়ে।
  3. NOT গেইট দিয়ে।
  4. NOR গেইট দিয়ে।
ব্যাখ্যা
• লজিক গেইট:
- লজিক গেইট হচ্ছে এক ধরনের ইলেকট্রনিক সার্কিট যা এক বা একাধিক ইনপুট গ্রহণ করে কোন যুক্তির ভিত্তিতে একটি মাত্র আউটপুট প্রদান করে।
- লজিক গেইটে ব্যবহৃত দুটি ইনপুট হলো 1 এবং 0. 
- মৌলিক লজিক গেইট তিনটি। যথা- অর গেইট, অ্যান্ড গেইট এবং নট গেইট।
- বুলিয়ান অ্যালজেবরার যোগের কাজ সম্পাদনের জন্য অর লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়। 
- বুলিয়ান অ্যালজেবরার গুণনের কাজ সম্পাদনের জন্য এন্ড লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়। 
- বুলিয়ান অ্যালজেবরার পূরকের কাজ সম্পাদনের জন্য নট লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়। 

• সার্বজনীন গেইট:
- যে গেইট এর সাহায্যে মৌলিক গেইটসহ (AND, OR, NOT) যেকোনো গেইট এবং যেকোনো সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায় তাকে সার্বজনীন গেইট বলে।
- NAND ও NOR গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
- কারণ, শুধুমাত্র NAND গেইট বা শুধুমাত্র NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বা সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, মাহবুবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৬৬৮.
নিচের কোন বুলিয়ান উপপাদ্যটি সঠিক নয়?
  1. A + 0 = 0
  2. A + 1 = 1
  3. A ⋅ 1 = A
  4. A ⋅ 0 = 0
ব্যাখ্যা
• বুলিয়ান উপপাদ্য:
- সাধারণত বুলিয়ান উপপাদ্যের সাহায্যে বুলিয়ান অ্যালজেবরার সকল জটিল সমীকরণসমূহের সরল করা হয়।
- বুলিয়ান অ্যালজেবরার মৌলিক উপপাদ্যগুলো নিম্নরূপ:

 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৬৬৯.
দশমিক সংখ্যা 726 এর সমতুল্য হেক্সাডেসিমেল মান কত?
  1. 2C3
  2. 3A5
  3. 3B7
  4. 2D6
ব্যাখ্যা
• পূর্ণ দশমিক সংখ্যাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তর:
- দশমিক সংখ্যাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তরিত করার জন্য দশমিক সংখ্যাকে ১৬ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে।
- ভাগফলকে পুনরায় ১৬ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে।
- এ পদ্ধতির পুনরাবৃত্তি করতে হবে যতক্ষণ না ভাজ্য ০ হয়।
- সংরক্ষিত ভাগশেষগুলোকে শেষ থেকে প্রথম দিকে ধারাবাহিকভাবে অর্থাৎ উল্টো করে সাজিয়ে লিখলে ১ থেকে F এর সমন্বয়ে যে সংখ্যাটি পাওয়া যায় তাই দশমিক সংখ্যার সমকক্ষ হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা।
- ভাগশেষ সংরক্ষণের ক্ষেত্রে যদি ভাগশেষ ১০ থেকে ১৫ হয় তবে যথাক্রমে ১০ → A, ১১ → B, ১২→ C, ১৩→D, ১৪ → E ও ১৫ → F সংখ্যা লিখতে হবে।
৬৭০.
মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনে ইউনিকোড ব্যবহার করার উদ্দেশ্য কী?
  1. টেক্সট সঠিকভাবে দেখায়
  2. অ্যাপের আকার হ্রাস করে
  3. ব্যাটারি দীর্ঘস্থায়ী করে
  4. নেটওয়ার্কের পারফরম্যান্স উন্নত করে
ব্যাখ্যা

• মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনে ইউনিকোড ব্যবহারের প্রধান কারণ হলো টেক্সট সঠিকভাবে প্রদর্শন করা। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো – গ) টেক্সট সঠিকভাবে দেখায়।

• ইউনিকোড:
• উদ্ভাবন ও উন্নয়ন:
- ১৯৯১ সালে Apple Computer Corporation এবং Xerox Corporation-এর একদল প্রকৌশলী যৌথভাবে ইউনিকোড উদ্ভাবন করেন।
- শুরু থেকেই ইউনিকোডকে আরও উন্নত করার লক্ষ্যে Unicode Consortium কাজ করে যাচ্ছে।

• ব্যবহার ও বৈশিষ্ট্য:
- বিশ্বের ছোট-বড় সকল ভাষাকে কম্পিউটারে কোডভুক্ত করার জন্য ইউনিকোড ব্যবহৃত হয়।
-  ইউনিকোড মূলত ২ বাইট বা ১৬ বিটের কোড।
- এই কোডের মাধ্যমে ৬৫,৫৩৬টি অদ্বিতীয় চিহ্নকে নির্দিষ্ট করা যায়।
- যে ভাষাগুলোর জন্য ৮ বিট অপর্যাপ্ত ছিল (যেমন: চায়নিজ, কোরিয়ান, জাপানিজ), সেগুলোর সকল চিহ্ন সহজেই কোডভুক্ত করা সম্ভব হয়।

• অ্যাসকির (ASCII) সাথে সম্পর্ক:
- ইউনিকোড অ্যাসকি কোডের সাথে কম্প্যাটিবল।
- অর্থাৎ, ইউনিকোডের প্রথম ২৫৬টি কোড অ্যাসকির প্রথম ২৫৬টি কোডের অনুরূপ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৬৭১.
সার্বজনীন কোড বলা হয় কোনটিকে?
  1. অ্যাসকি কোড
  2. ইউনিকোড
  3. বিসিডি কোড
  4. ইবিসিডিক কোড
ব্যাখ্যা
• ইউনিকোড (Unicode):
- Unicode এর পূর্ণনাম হলো Universal Code বা সার্বজনীন কোড।
- ইউনিকোড হচ্ছে 16 বিট কোড। 
- বিভিন্ন ধরনের ক্যারেক্টার এবং টেক্সটকে প্রকাশ করার জন্য ইউনিকোড ব্যবহৃত হয়। 
- বিশ্বের সকল দেশের ভাষাসমূহকে প্রকাশ করার জন্য 16 বিটের এই কোড ব্যবহার করা হয়। 

• বিসিডি কোড (BCD Code):
- দশমিক সংখ্যা যেহেতু বহুলভাবে ব্যবহৃত হয়, তাই এর দশমিক রূপটি যতটুকু সম্ভব অক্ষুণ্ণ রেখে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তরের জন্য একটি বিশেষ ধরনের কোডিং পদ্ধতি গ্রহণ করতে হয়। এটিকে বিসিডি কোড বলে।
- BCD এর পূর্ণ অর্থ হলো Binary Code Decimal।

• অ্যাসকি কোড (ASCII Code):
- ASCII একটি শব্দ সংক্ষেপ যার পূর্ণ নাম American Standard Code for Information Interchange.
- এটি একটি বহুল ব্যবহৃত আলফানিউমেরিক কোড যা মাইক্রো কম্পিউটার, মিনি কম্পিউটারসহ অনেক মেইনফ্রেম কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয়।
- অ্যাসকি কোড ৭টি বিট নিয়ে গঠিত। 
- ASCII কোড দ্বারা 27 অর্থাৎ 128টি বিভিন্ন অংক, অক্ষর ও চিহ্ন নির্দিষ্ট করা যায়। 

• ইবিসিডিক কোড (EBCDIC Code):
- ইবিসিডিক (EBCDIC) Extended Binary Coded Information Code-এর সংক্ষিপ্ত রূপ।
- এটি একটি ৪ বিটের কোড। সুতরাং এ কোড দ্বারা 28 বা 256টি অংক, অক্ষর বা চিহ্ন প্রকাশ করা যায়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৭২.
চিহ্ন বিট (Signed Number) '0' হলে সংখ্যাটি কী হিসেবে ধরা হয়?
  1. ক) ধনাত্মক
  2. খ) ঋণাত্মক
  3. গ) নিরপেক্ষ
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
সাইনড নম্বর (Signed Number)
- দশমিক সংখ্যায় ঋণাত্মক কোন মান বোঝাতে সংখ্যাটির পার্শ্বে ‘-’ চিহ্ন দেওয়া হয়। কম্পিউটারে ঋণাত্মক সংখ্যা বোঝানোর কোন অবকাশ নাই।
- বাইনারি পদ্ধতিতে সাইন বা চিহ্ন বোঝানোর জন্য সাধারণত একটি অতিরিক্ত বিট ব্যবহার করা হয়। একে চিহ্ন বিট বলে।
- এই চিহ্ন বিট 0 হলে সংখ্যাটিকে ধনাত্মক এবং 1 হলে সংখ্যাটিকে ঋণাত্মক ধরা হয়।
- ১ বাইটে বা ৮ বিট রেজিস্টারে যে সকল চিহ্নযুক্ত বা সাইন্ড সংখ্যা উপস্থাপন করা যায় তার ব্যাপ্তি  হবে  - ১২৮ থেকে +১২৭ এর মধ্যে; মোট ২৫৬ টি বা শূন্য সহ ২ পৃথক মান উপস্থাপন করা যাবে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
৬৭৩.
(375)8 এর বাইনারি মান কত?
  1. ক) 011 111 101
  2. খ) 011 111 111
  3. গ) 101 111 101
  4. ঘ) 111 111 111
৬৭৪.
The octal equivalent of (101010)2 is -
  1. 52
  2. 25
  3. 62
  4. 26
ব্যাখ্যা
বাইনারি থেকে অক্টালে রূপান্তরের ক্ষেত্রে ৩ বিট নিয়ে কাজ করতে হবে -

এখানে,

∴ (101010)2 = (52)8
সুতরাং 101010 এর সমমানের অক্টাল মান 52.
৬৭৫.
(১০০১০১)2 + (১১০১০১)2 = ?
  1. ১০০১১০১
  2. ১১০১১১০
  3. ১০১১০১০
  4. ১১০০১০১
ব্যাখ্যা

      100101
(+) 110101
    1011010

৬৭৬.
ASCII-7 কোডের সাথে কী যুক্ত করলে এটি ASCII-8 কোডে রূপান্তরিত হয়?
  1. জোন বিট
  2. ডাটা বিট
  3. প্যারিটি বিট
  4. স্টার্ট বিট
ব্যাখ্যা

• অ্যাসকি কোড (ASCII Code):
- ASCII শব্দের পূর্ণরূপ হলাে American Standard Code for Information Interchange.
- 1963 সালে আমেরিকান ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড ইনস্টিটিউড (ANSI) কর্তৃক ASCII কোডটি আবিষ্কৃত হয়।
- এটি বহুল ব্যবহৃত একটি 7 বিটের কোড, যার দ্বারা 128টি বিভিন্ন অংক, অক্ষরসহ বিভিন্ন চিহ্ন এবং আরাে কতকগুলাে বিশেষ চিহ্নকে প্রকাশ বা নির্দিষ্ট করা যায়।
- এটি ASCII-7 কোড নামে পরিচিত।
- ASCII-7 কোডের সর্ব বামে একটি প্যারিটি বিট যােগ করলে ASCII-৪ কোড তৈরি হয়
- ASCII-8 কোডের মাধ্যমে 256টি বিভিন্ন অংক, অক্ষরসহ বিভিন্ন চিহ্ন এবং আরাে কতকগুলাে বিশেষ চিহ্নকে প্রকাশ বা নির্দিষ্ট করা যায়।

'A' এর ASCII code = 65
'B' এর ASCII code = 66
'C' এর ASCII code = 67
'a' এর ASCII code = 97
'b' এর ASCII code = 98
'c' এর ASCII code = 99

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬৭৭.
ডট ম্যাট্রিক্সের গতি পরিমাপক একক কোনটি?
  1. ক) DPI
  2. খ) CPS
  3. গ) IPS
  4. ঘ) SSD
ব্যাখ্যা
CPS - Character per second
৬৭৮.
(FF)16 এর সমতুল্য দশমিক মান কত?
  1. 215
  2. 225
  3. 255
  4. 265
ব্যাখ্যা
(FF)16 = 15 × 161 + 15 × 160
= 240 + 15 × 1
= 240 + 15
= (255)10
৬৭৯.
'A' অক্ষরটির ASCII কোড কি?
  1. ৬৫
  2. ৪৫
  3. ৮৫
  4. ৯৮
ব্যাখ্যা
• অ্যাসকি কোড:
- ASCII একটি শব্দ সংক্ষেপ যার পূর্ণ নাম American Standard Code for Information Interchange.
- এটি একটি বহুল ব্যবহৃত আলফানিউমেরিক কোড যা মাইক্রো কম্পিউটার, মিনি কম্পিউটারসহ অনেক মেইনফ্রেম কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয়।
- অ্যাসকি কোড ৭টি বিট নিয়ে গঠিত। যেমন, A অক্ষরটির অ্যাসকি কোড 1000001.
- ASCII কোড দ্বারা 27 অর্থাৎ 128টি বিভিন্ন অংক, অক্ষর ও চিহ্ন নির্দিষ্ট করা যায়।
- ASCII কোডের ডান দিকের চারটি বিটকে সংখ্যাসূচক বিট এবং বামদিকের তিনটি বিটকে জোন বলা হয়।
- তবে একেবারে বামে একটি প্যারিটি বিট (Parity Bit) যোগ করে অ্যাসকিকে ৮ বিট (ASCII-8)-এ রূপান্তর করা হয়।

- 'A' এর ASCII code = 65
- 'B' এর ASCII code = 66
- 'C' এর ASCII code = 67
- 'a' এর ASCII code = 97
- 'b' এর ASCII code = 98
- 'c' এর ASCII code = 99

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৮০.
1 nibble equals to -
  1. ক) 0.5 byte
  2. খ) 4 byte
  3. গ) 5 byte
  4. ঘ) None
ব্যাখ্যা
১ নিবল সমান অর্ধ বাইট বা ০.৫ বাইট বা ৪ বিট
১ বাইট সমান ১ ক্যারেক্টার বা ৮ বিট।
১ কিলোবাইট সমান ১০২৪ বাইট।
১ মেগাবাইট সমান ১০২৪ কিলোবাইট।
১ গিগাবাইট সমান ১০২৪ মেগাবাইট।
১ টেরাবাইট সমান ১০২৪ গিগাবাইট।

উৎসঃ তথ্য ও যােগাযােগ প্রযুক্তি, মাহবুবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
৬৮১.
হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা (2B6)16 এর দশমিক সংখ্যা কত? 
  1. ক) 512
  2. খ) 678
  3. গ) 694
  4. ঘ) 778
ব্যাখ্যা
• হেক্সাডেসিমেল থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর:
- হেক্সাডেসিমেল থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করার সময় প্রত্যেক অংককে ১৬ দ্বারা গুণ করতে হবে।
- গুণ করার সময় স্থানীয় মান অনুযায়ী ১৬ এর ঘাত ০ হতে বাড়তে থাকবে।
- যেমন: একক স্থানীয় অংকটিকে 160 দ্বারা, দশক স্থানীয় অংকটিকে 161 দ্বারা, শতক স্থানীয় অংকটিকে 162 দ্বারা এভাবে গুণ করতে হবে।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটির A,B,C,D,E ও F হলো যথাক্রমে 10, 11, 12, 13, 14 ও 15 দিয়ে গুণ করতে হবে।
- প্রাপ্ত গুণফলকে যোগ করলে উক্ত হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটির সমতুল্য দশমিক মান পাওয়ার যাবে।

এখানে, 
(2B6)16 
= 2 × 162 + B × 161 + 6 × 160 
= 2 × 256 + 11 × 16 + 6 × 1
= 512 + 176 + 6
= (694)10

সুতরাং, (2B6)16 = (694)10

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৮২.
বুলিয়ান এলজেবরায় পরিপূরক প্রক্রিয়াটির জন্য কোন ইলেকট্রনিক গেট বা লজিক গেট ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) OR
  2. খ) NOT
  3. গ) AND
  4. ঘ) XOR
ব্যাখ্যা
বুলিয়ান এলজেবরা (Boolean Algebra): ডিজিটাল ইলেক্ট্রনিক্সের পুরাে জগৎটি বুলিয়ান এলজেবরাকে ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।
এটি ভিন্ন ধরনের এলজেবরা যেখানে শুধু 0 এবং 1 এর সেট {0, 1} নিয়ে কাজ করা হয়।

বুলিয়ান এলজেবরায় মাত্র তিনটি প্রক্রিয়া (operation) করা হয়।
সেগুলাে হচ্ছে -
১. পরিপূরক (Complement),
২. গুণ (Multiply) এবং
৩. যােগ (Add)

বুলিয়ান এলজেবরার তিনটি প্রক্রিয়াকে বাস্তবায়ন করার জন্য তিনটি ইলেকট্রনিক গেট বা লজিক গেট ব্যবহার করা হয়।

পরিপূরক প্রক্রিয়াটির জন্য - NOT গেট,
গুণ করার জন্য - AND গেট এবং
যােগ করার জন্য - OR গেট।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)
৬৮৩.
ইউনিকোডে 'A' বর্ণটি কোন কোডের মাধ্যমে সনাক্ত করা যায়?
  1. ক) 0041
  2. খ) 0047
  3. গ) 0061
  4. ঘ) 0065
ব্যাখ্যা
ইউনিকোড (Unicode)
- ১৯৯১ সালে Apple Computer Corporation এবং Xerox Corporation এর একদল প্রকৌশলী যৌথভাবে ইউনিকোড উদ্ভাবন করেন।
- বিশ্বের ছোট বড় সকল ভাষাকে কম্পিউটারে কোডভুক্ত করার জন্য ইউনিকোড ব্যবহৃত হয়।
- ইউনিকোড মূলত ২ বাইট বা ১৬ বিটের কোড।
- ফলে যে সমস্ত ভাষাকে কোডভুক্ত করার জন্য ৮ বিট অপর্যাপ্ত ছিল (যেমন-চায়নিজ, কোরিয়ান, জাপানীজ ইত্যাদি) সে সকল ভাষার সকল চিহ্নকে সহজেই কোডভুক্ত করা সহজতর হলো।
- শুরু থেকেই ইউনিকোডকে আরও উন্নত করার লক্ষ্যে Unicode Consortium কাজ করে যাচ্ছেন। 
- ইউনিকোড অ্যাসকি কোডের সাথে কম্প্যাটিবল।
- অর্থাৎ ইউনিকোডের প্রথম ২৫৬টি কোড অ্যাসকি ২৫৬টি কোডের অনুরূপ।
- এই কোডের মাধ্যমে ৬৫,৫৩৬ বা ২ টি অদ্বিতীয় চিহ্নকে নির্দিষ্ট করা যায়। উদাহরণ: A = U+0041.

সূত্র:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৬৮৪.
বাইনারি সংখ্যা 110011001 এর সমতুল্য ডেসিমেল মান কত?
  1. 401
  2. 409
  3. 376
  4. 371
ব্যাখ্যা
• বাইনারি সংখ্যা 110011001 এর দশমিক মান 409.

• বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর:
- বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করার সময় প্রত্যেক অংককে ২ দ্বারা গুণ করতে হয়।
- গুণ করার সময় স্থানীয় মান অনুযায়ী ২ এর ঘাত ০ হতে বাড়াতে হবে।
- প্রাপ্ত গুণফলকে যোগ করলে উক্ত বাইনারি সংখ্যাটির সমতুল্য দশমিক মান পাওয়া যাবে।

এখানে,
(110011001)2 = (1 × 2⁸) + (1 × 2⁷) + (0 × 2⁶) + (0 × 2⁵) + (1 × 2⁴) + (1 × 2³) + (0 × 2²) + (0 × 2¹) + (1 × 2⁰)
= 256 + 128 + 0 + 0 + 16 + 8 + 0 + 0 + 1
= (409)₁₀

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৬৮৫.
সমস্যা সমাধানের যৌক্তিক ক্রমানুসারে বর্ণনা হলো -
  1. ক) সুডোকোড
  2. খ) অ্যালগরিদম
  3. গ) প্রবাহচিত্র
  4. ঘ) বেসিক কমান্ড
ব্যাখ্যা

সুডােকোড: প্রােগ্রামের ধরন ও কার্যাবলী তুলে ধরার জন্য কিছু সংখ্যক নির্দেশ বা স্টেটমেন্টের সমাহারকেই সুডােকোড বলা হয়। Pseudo অর্থ ছদ্ম। সুডোকোড অর্থ ছদ্ম-প্রােগ্রাম।
বেসিক কমান্ড: বেসিক প্রােগ্রাম লেখার জন্য ব্যবহৃত শব্দ, যেমন- PRINT, LET, GOTo ইত্যাদি।
এ্যালগরিদম: সমস্যা সমাধানের যৌক্তিক ক্রমানুসারী বর্ণনা। এই বর্ণনার ভিত্তিতে ফ্লোচার্ট অঙ্কন করা হয়।
প্রবাহচিত্র: এটি এ্যালগরিদমের চিত্ররূপ।

উৎসঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)

৬৮৬.
(৫৫৩৫)৮ = ('?')১৬ 
  1. ক) B৫D
  2. খ) C৫E
  3. গ) B৬D
  4. ঘ) C৬E
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: (৫৫৩৫)৮ = ('?')১৬ 

সমাধান: 
• অক্টাল থেকে হেক্সাডেসিমেলে রূপান্তর করার জন্য প্রথমে অক্টাল থেকে বাইনারি এবং পরবর্তীতে বাইনারি থেকে হেক্সাডেসিমেলে রুপান্তর করে সহজেই তা সমাধান করা যায়।

• (5535)8 কে বাইনারি রূপান্তর: অক্টাল থেকে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তরের ক্ষেত্রে প্রতিটি অক্টাল অংককে ৩ বিট বিশিষ্ট বাইনারি রূপান্তর করলে বাইনারি সংখ্যা পাওয়া যায়।

এখানে,
অক্টাল 5 = বাইনারি 101
অক্টাল 3 = বাইনারি 11 



• (101101011101)2 হেক্সাডেসিমেলে রূপান্তর: কোন বাইনারি পূর্ণ সংখ্যাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তরের জন্য সংখ্যাটির অংকগুলোকে ডান দিক থেকে ৪ বিট বিশিষ্ট এক একটি গ্রুপে ভাগ করা হয়।

এখানে,
বাইনারি 1011 = হেক্সাডেসিমেল B
বাইনারি 0101 = হেক্সাডেসিমেলে 5
বাইনারি 1101 = হেক্সাডেসিমেলে D

∴ (5535)8 = (B5D)16
৬৮৭.
0x2F সংখ্যাটির বাইনারি রূপ কোনটি?
  1. 0010 1111
  2. 0011 1111
  3. 0010 1101
  4. 0011 1101
ব্যাখ্যা

• 0010 1111 হলো 0x2F–এর সঠিক বাইনারি রূপ, কারণ প্রতিটি হেক্স ডিজিটকে ৪-বিট বাইনারিতে রূপান্তর করলে 2 → 0010 এবং F → 1111 হয়।

• হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা পদ্ধতি:
- হেক্সাডেসিমাল পদ্ধতির ভিত্তি ১৬।
- এতে মোট ১৬টি মৌলিক অঙ্ক ব্যবহৃত হয়।
- অঙ্কসমূহ হলো 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9 এবং A, B, C, D, E, F.
- এখানে A, B, C, D, E, F–এর দশমিক মান যথাক্রমে 10, 11, 12, 13, 14, 15.
- হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা সাধারণত 0x প্রিফিক্স দিয়ে লেখা হয়।
- 0x দ্বারা বোঝানো হয় এটি hexadecimal সংখ্যা।

• হেক্স থেকে বাইনারি রূপান্তর:
- হেক্স থেকে বাইনারি রূপান্তরের জন্য প্রতিটি হেক্স ডিজিটকে ৪-বিট বাইনারিতে রূপান্তর করা হয়।
- কারণ ১৬ = 24, অর্থাৎ প্রতিটি হেক্স অঙ্ক ৪ বিট দ্বারা প্রকাশ করা যায়।
- উদাহরণ:
0 → 0000,
1 → 0001,
2 → 0010,
F → 1111.

• 0x2F সংখ্যার বাইনারি রূপান্তর:
- 2 → 0010
- F → 1111
সুতরাং, 0x2F = 0010 11112
 
• অন্যান্য অপশন:
- 0011 1111 → এটি 0x3F–এর বাইনারি রূপ।
- 0010 1101 → এটি 0x2D–এর বাইনারি রূপ।
- 0011 1101 → এটি 0x3D–এর বাইনারি রূপ।
 
উৎস: আইবিএম [লিংক]।

৬৮৮.
(101)10 কে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করুন।
  1. ক) 1101101
  2. খ) 1100101
  3. গ) 1110101
  4. ঘ) 1010011
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: (101)10 কে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করুন।

সমাধান:

এখন, নিচের থেকে শুরু করে উপরের দিকে ভাগশেষগুলো ক্রমান্বয়ে নিতে হবে।

সুতরাং, (101)10 = (1100101)2
৬৮৯.
নিচের কোনটি ফ্লিপ-ফ্লপের প্রকারভেদ নয়?
  1. T Flip-flop
  2. JK Flip-flop
  3. D Flip-flop
  4. Q Flip-flop
ব্যাখ্যা
• ফ্লিপ-ফ্লপ:
- ফ্লিপ-ফ্লপ হলো লজিক গেইট দিয়ে তৈরি এক ধরনের ডিজিটাল বর্তনী, যা এক বিট তথ্য ধারণ করতে পারে।
- প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপে এক বা একাধিক ইনপুটের জন্য দুটি আউটপুট পাওয়া যায়।
- ফ্লিপ-ফ্লপ মূলত সিঙ্গেল বিট নিয়ে কাজ করে।
- ফ্লিপ-ফ্লপ মূলত মাল্টিপল বিট নিয়ে কাজ করতে পারেনা।
- এটি এক বিট 0 অথবা 1 হতে পারে।
- এজন্য ফ্লিপ-ফ্লপকে বাই স্ট্যাবল মাল্টি ভাইব্রেটর বলা হয়।

ফ্লিপ-ফ্লপের প্রকারভেদ ফ্লিপ-ফ্লপ সাধারণত ৫ প্রকার।
যথা-
১. SR ফ্লিপ-ফ্লপ,
২. D ফ্লিপ-ফ্লপ,
৩. JK ফ্লিপ-ফ্লপ,
৪ . T ফ্লিপ-ফ্লপ ও 
৫. মাস্টার-স্লেভ ফ্লিপ-ফুপ।

সুতরাং, Q Flip-flop - ফ্লিপ-ফ্লপের প্রকারভেদ নয়।


• ফ্লিপ ফ্লপের ব্যবহার:
১. বিভিন্ন রেজিস্টার তৈরিতে ফ্লিপ ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
২. সিকোয়েন্সিয়াল সার্কিটে মেমরি উপাদান হিসেবে ফ্লিপ ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
৩. ডিজিটাল ঘড়ি, ডিজিটাল ক্যামেরা, মোবাইল ফোন ইত্যাদিতে ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহৃত হয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।
৬৯০.
অক্ট্যাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি কত? 
  1. ৮ 
  2. ২ 
  3. ১৬ 
  4. ১০ 
ব্যাখ্যা

অক্ট্যাল সংখ্যা পদ্ধতি: 
- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে আটটি অঙ্ক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তাকে অক্ট্যাল সংখ্যা পদ্ধতি বলে। 
- এ পদ্ধতিতে ব্যবহৃত অঙ্ক গুলো হলো- ০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭। 
- অক্ট্যাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি হচ্ছে ৮। 
- ৭১৪, ৭৬৫, ৫৬৭ অক্ট্যাল সংখ্যা কিন্তু ৪৮৫ অক্ট্যাল সংখ্যা নয়, কারণ ৮ অক্ট্যাল সংখ্যার অঙ্ক বা চিহ্ন না। 

অন্যদিকে, 
- বাইনারি সংখ্যার ভিত্তি ২। 
- দশমিক বা ডেসিমেল সংখ্যার ভিত্তি ১০। 
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার ভিত্তি ১৬। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৬৯১.
(110011)2 কে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর কর।
  1. 49
  2. 40
  3. 51
  4. 64
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: (110011)2 কে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর কর।

সমাধান:
(110011)2 = (1 × 25) + (1 × 24) + (0 × 23) + (0 × 22) + (1 × 21) + (1 × 20)
= 32 + 16 + 0 + 0 + 2 + 1
= 51

∴ (110011)2 = (51)10

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৬৯২.
ডিজিটাল সার্কিটে ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহার করার উদ্দেশ্য কী?
  1. ক্লক পালস জেনারেট করা
  2. অ্যানালগ থেকে ডিজিটাল সিগন্যাল পরিবর্তন করা
  3. সিগন্যাল অ্যাম্প্লিফাই করা
  4. এক বিট ডেটা স্টোর করা
ব্যাখ্যা

• ডিজিটাল সার্কিটে ফ্লিপ-ফ্লপের প্রধান কাজ হলো এক বিট ডেটা সংরক্ষণ করা। ফ্লিপ-ফ্লপ একটি বাইস্টেবল মাল্টিভাইব্রেটর, যার দুটি স্থায়ী অবস্থা থাকে: ০ ও ১। 

• ফ্লিপ-ফ্লপ:
- ফ্লিপ-ফ্লপ হলো লজিক গেইট দিয়ে তৈরি এক ধরনের ডিজিটাল বর্তনী, যা এক বিট তথ্য ধারণ করতে পারে।
- প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপে এক বা একাধিক ইনপুটের জন্য দুটি আউটপুট পাওয়া যায়।
- ফ্লিপ-ফ্লপ মূলত সিঙ্গেল বিট নিয়ে কাজ করে।
- ফ্লিপ-ফ্লপ মূলত মাল্টিপল বিট নিয়ে কাজ করতে পারেনা।
- এটি এক বিট 0 অথবা 1 হতে পারে।
- এজন্য ফ্লিপ-ফ্লপকে বাই স্ট্যাবল মাল্টি ভাইব্রেটর বলা হয়।

• ফ্লিপ ফ্লপের ব্যবহার:
১. বিভিন্ন রেজিস্টার তৈরিতে ফ্লিপ ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
২. সিকোয়েন্সিয়াল সার্কিটে মেমরি উপাদান হিসেবে ফ্লিপ ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
৩. ডিজিটাল ঘড়ি, ডিজিটাল ক্যামেরা, মোবাইল ফোন ইত্যাদিতে ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহৃত হয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।

৬৯৩.
হেক্সাডেসিমেল নম্বর সিস্টেমে কত ধরনের ইউনিক ডিজিট পাওয়া যায়?
  1. ১০
  2. ১৬ 
  3. ৮ 
ব্যাখ্যা
• হেক্সাডেসিমেল নম্বর সিস্টেম হল একটি সংখ্যার প্রকাশের পদ্ধতি যেখানে মোট ১৬টি ইউনিক ডিজিট ব্যবহার করা হয়। এই পদ্ধতিতে ডিজিটগুলো ০ থেকে ৯ পর্যন্ত এবং তারপর A থেকে F পর্যন্ত অক্ষর ব্যবহৃত হয়, যেখানে A, B, C, D, E, F যথাক্রমে ১০ থেকে ১৫ পর্যন্ত মান প্রকাশ করে। তাই হেক্সাডেসিমেল সিস্টেমে মোট ১৬ ধরনের ইউনিক ডিজিট পাওয়া যায়। এটি কম্পিউটার বিজ্ঞানে বিশেষভাবে ব্যবহৃত হয় কারণ এটি বাইনারি সংখ্যাকে সহজে ছোট আকারে প্রকাশ করতে সাহায্য করে।
- অতএব, সঠিক উত্তর হলো গ) ১৬।

• হেক্সাডেসিমেল (Hexadecimal) সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ১৬.
এতে অঙ্কগুলো হলো: 0,1,2,3,4,5,6,7,8,9,A(10),B(11),C(12),D(13),E(14),F(15)।

• বিভিন্ন সংখ্যা পদ্ধতি:
১. দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি (Decimal Number System),
২. বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (Binary Number System),
৩. অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি (Octal Number System) ও
৪. হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি (Hexadecimal Number System )।

- দশমিক সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ১০।
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ২।
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ৮।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ১৬।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৯৪.
“ট্যালি” কোন ধরনের সংখ্যার পদ্ধতির উদাহরণ? 
  1. পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি
  2. নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি
  3. দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি
  4. কোনোটিই নয় 
ব্যাখ্যা

• “ট্যালি” হলো নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতির উদাহরণ। এতে সংখ্যাগুলো সাধারণত লাঠি বা চিহ্নের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়, যেমন | || ||| ইত্যাদি। এখানে প্রতিটি চিহ্ন একটি নির্দিষ্ট সংখ্যা বোঝায়, কিন্তু চিহ্নের অবস্থান সংখ্যা মান পরিবর্তন করে না। অর্থাৎ, সংখ্যার মান নির্ভর করে শুধুমাত্র চিহ্নের সংখ্যা বা গণনার উপর, অবস্থানের উপর নয়। এটি পজিশনাল পদ্ধতির মতো নয়, যেখানে স্থান বা অবস্থান সংখ্যা মান নির্ধারণ করে। ট্যালি পদ্ধতি প্রাচীনকাল থেকে ব্যবহৃত হয়েছে গণনা এবং হিসাবের জন্য। তাই এটি স্পষ্টভাবে নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতির একটি উদাহরণ।

সংখ্যা পদ্ধতি:
- প্রাচীনকাল থেকেই মানুষ গণনার কাজের জন্য বিভিন্ন সাংকেতিক চিহ্ন, বর্ণ, সংখ্যা বা অংক ইত্যাদি ব্যবহার করেছে। এ ধরনের সাংকেতিক চিহ্ন, বর্ণ, সংখ্যা বা অংক পাশাপাশি রেখে তা প্রকাশ করার পদ্ধতিই হলো সংখ্যা পদ্ধতি।
- সংখ্যা পদ্ধতিকে মূলত দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-

১. নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি:
- নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি হলো এমন এক ধরনের পদ্ধতি, যেখানে সংখ্যাগুলোর কোনো স্থানীয় মান থাকে না। শুধুমাত্র সংখ্যার নিজস্ব মান দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
- নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতিতে হাতিয়ার, পশুপাখি, জীবজন্তুর ছবি, গাছ, ফুল ফল ইত্যাদি প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করা হতো।
- তবে এ ধরনের সংখ্যা পদ্ধতিতে গাণিতিক কাজ করা খুবই জটিল।
- প্রাচীনকালে ব্যবহৃত হায়ারোগ্লিফিক্স, মেয়ান, ট্যালি সংখ্যা পদ্ধতি নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতির উদাহরণ।

২. পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি:
- কোনো সংখ্যা পদ্ধতি প্রকাশ করার জন্য যে সকল সাংকেতিক চিহ্ন বা মৌলিক চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তা অংক বা ডিজিট (Digit) নামে পরিচিত। যেমন: বাইনারি সংখ্যাকে প্রকাশ করার জন্য দুটি অংক ০ এবং ১ ব্যবহার করা হয়।
- ডিজিট ব্যবহার করে সংখ্যা পদ্ধতি প্রকাশ করার পদ্ধতিই হলো পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬৯৫.
একটি 4-bit বাইনারি সংখ্যায় সর্বোচ্চ মান কী?
  1. 15
  2. 16
  3. 14
  4. 8
ব্যাখ্যা
• একটি 4-bit বাইনারি সংখ্যায় ৪টি বিট থাকে। প্রতিটি বিটের মান হতে পারে 0 অথবা 1।
তাই, সর্বোচ্চ মান পাওয়ার জন্য সবগুলো বিটকে 1 ধরা হয়:
1111 (binary)

এটিকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করলে: 
= (1 × 2³) + (1 × 2²) + (1 × 2¹) + (1 × 2⁰)  
= 8 + 4 + 2 + 1  
= 15 (decimal)

অন্যদিকে,
16: এটি 5-bit সংখ্যায় প্রকাশ করা যায় (10000)।

14: এটি 4-bit হলেও সর্বোচ্চ নয় (1110)।

8: এটি 1000, কিন্তু সর্বোচ্চ নয়। 

• 4-bit দিয়ে মোট সংখ্যা প্রকাশ করা যায় = 2⁴ = 16টি (0 থেকে 15 পর্যন্ত) 
যেখানে,
সর্বনিম্ন মান = 0000 (Binary) = 0 (Decimal)
সর্বোচ্চ মান = 1111 (Binary) = 15 (Decimal)

তথ্যসূত্র:  
-  HSC ICT, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেনী , ২০২৩। 
-  Stallings, William. Computer Organization and Architecture.
-  Khan Academy - Binary number system .
৬৯৬.
দশমিক সংখ্যা (45)10 এর সমতুল্য বাইনারি সংখ্যা কত?
  1. 101111
  2. 101100
  3. 101101
  4. 101001
ব্যাখ্যা
দশমিক সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর: 
- দশমিক পূর্ণ সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করার জন্য সংখ্যাটিকে ২ দ্বারা (বাইনারি সংখ্যার ভিত্তি ২) উপর্যুপরি ভাগ করতে হয় যতক্ষণ পর্যন্ত না ভাগফল ০ (শূন্য) হয়। 
- অতঃপর ভাগশেষগুলোকে সর্বোচ্চ গুরুত্বের অংক (Most Significant Bit- MSB) থেকে সর্বনিম্ন গুরুত্বের অংক (Least Significant Bit- LSB) পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে সাজিয়ে সংখ্যাটির সমতুল্য বাইনারি মান নির্ণয় করা যায়। 

পূর্ণ দশমিক সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর: 
১. দশমিক সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তরিত করার জন্য দশমিক সংখ্যাকে ২ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে। 
২. ভাগফলকে পুনরায় ২ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে। 
৩. এ পদ্ধতির পুনরাবৃত্তি করতে হবে যতক্ষণ না ভাজ্য ০ হয়। 
৪. সংরক্ষিত ভাগশেষগুলোকে শেষ থেকে প্রথম দিকে ধারাবাহিকভাবে অর্থাৎ উল্টো করে সাজিয়ে লিখলে যে সংখ্যাটি পাওয়া যায় তাই দশমিক সংখ্যার সমকক্ষ বাইনারি সংখ্যা। 


সুতরাং, (45)10 এর সমতুল্য বাইনারি সংখ্যা = 101101

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৯৭.
বুলিয়ান উপপাদ্য অনুসারে, এর সমান কত হবে?
  1. ক) 0
  2. খ) 1
  3. গ) A
  4. ঘ)
ব্যাখ্যা


সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৯৮.
নিচের কোন ডেসিমাল যোগটি ভুল?
  1. ০ + ০ = ০
  2. ০ + ১ = ১
  3. ১ + ০ = ১
  4. ১ + ১ = ০
ব্যাখ্যা

কয়েকটি ডেসিমাল যোগঃ
০ + ০ = ০
০ + ১ = ১
১ + ০ = ১
১ + ১ = ২

কয়েকটি বাইনারি যোগ
০ + ০ = ০
০ + ১ = ১
১ + ০ = ১
১ + ১ = ০ এবং এর সাথে হাতে ১ থাকবে (হাতে থাকাকে ক্যারি বলে)৷

উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি- মোঃ মজিবুর রহমান

৬৯৯.
ইনভার্টার হিসেবে ব্যবহৃত লজিক গেটের বিকল্প নাম কী?
  1. NOR
  2. NOT
  3. XOR
  4. NAND
ব্যাখ্যা

• ইনভার্টার একটি ডিজিটাল সার্কিট যা ইনপুটের বিপরীত মান প্রদান করে। উদাহরণস্বরূপ, যদি ইনপুট “১” হয়, আউটপুট হবে “০”, এবং যদি ইনপুট “০” হয়, আউটপুট হবে “১”। এটি মূলত একটি NOT গেটের কাজ। তাই ইনভার্টার হিসেবে ব্যবহৃত লজিক গেটের বিকল্প নাম হলো NOT গেট। অন্য অপশনগুলো যেমন NOR, XOR বা NAND বিভিন্ন লজিক ফাংশন সম্পাদন করে এবং সরাসরি ইনভার্টার হিসেবে ব্যবহৃত হয় না, যদিও NAND বা NOR দিয়ে কনফিগার করে ইনভার্টার তৈরি করা সম্ভব। সরলভাবে বলতে গেলে, ইনভার্টার এবং NOT গেট একই কাজ করে।

- সঠিক উত্তর: খ) NOT.

NOT গেইট:
- এই গেইট যৌক্তিক উল্টানো পদ্ধতিতে কাজ করে।
- যে গেইটে একটি ইনপুট ও একটি আউটপুট থাকে তাকে নট গেইট বলে।
- এই গেইটের ইনপুট ১ হলে আউটপুট হবে ০ এবং ইনপুট ০ হলে আউটপুট হবে ১।
- এ গেইটে একটি ইনপুট ও একটি আউটপুট থাকে। ইনপুটের বিপরীত হবে আউটপুট। সেজন্য এ গেইটকে ইনভার্টার (Inverter) বলা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম,বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭০০.
মানুষ কম্পিউটারে কোন সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহারে ইনপুট প্রদান করে?
  1. ক) দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি
  2. খ) বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি
  3. গ) অকটাল সংখ্যা পদ্ধতি
  4. ঘ) হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি
ব্যাখ্যা
দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি:
- মানুষ দৈনন্দিন জীবনে গণনা কিংবা হিসাব-নিকাশের জন্য যে সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করে তাই দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি।
- এ পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তি হচ্ছে 10.
- কারণ এই পদ্ধতিতে মোট 10 টি মৌলিক চিহ্ন ব্যবহার করা হয়। যথা: 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8 এবং 9.
- (101)10, (123)10 ইত্যাদি হলো দশমিক সংখ্যার উদাহরণ।
- সাধারণ হিসাব নিকাশের জন্য দশমিক সংখ্যা পদ্ধতির ব্যাপক প্রচলন থাকলেও কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ প্রসেসিংয়ের জন্য ব্যবহার করা যায় না।
- মানুষ কম্পিউটারে দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহারে ইনপুট প্রদান করে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।