বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

কম্পিউটার নম্বর সিস্টেম ও লজিক গেইটসমূহ

মোট প্রশ্ন১,৩২০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

কম্পিউটার নম্বর সিস্টেম ও লজিক গেইটসমূহ

PrepBank · পাতা / ১৪ · ৫০১৬০০ / ১,৩২০

৫০১.
দশমিক সংখ্যার প্রত্যেকটি অংককে সমতুল্য বাইনারি সংখ্যায় প্রকাশ করা যায় কোন কোডের মাধ্যমে?
  1. ক) EBCDIC
  2. খ) ASCII
  3. গ) BCD
  4. ঘ) Unicode
ব্যাখ্যা
• বিসিডি কোড (BCD Code):
- দৈনন্দিন হিসাব নিকাশে আমরা সবসময় দশমিক সংখ্যা ব্যবহার করলেও কম্পিউটার বা ইলেক্ট্রনিক সার্কিট দিয়ে ডিজিটাল প্রক্রিয়া করার জন্য এগুলোকে বাইনারিতে রূপান্তর করে নিতে হয়। 
- কিন্তু এই প্রক্রিয়ায় রূপান্তরের পরে এর দশমিক রূপটি অক্ষুণ্ণ থাকেনা।
- দশমিক সংখ্যা যেহেতু বহুলভাবে ব্যবহৃত হয়, তাই এর দশমিক রূপটি যতটুকু সম্ভব অক্ষুণ্ণ রেখে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তরের জন্য একটি বিশেষ ধরনের কোডিং পদ্ধতি গ্রহণ করতে হয়। এটিকে বিসিডি কোড বলে।
- BCD এর পূর্ণ অর্থ হলো Binary Coded Decimal. 

• অ্যাসকি কোড:
- ASCII একটি শব্দ সংক্ষেপ যার পূর্ণ নাম American Standard Code for Information Interchange.
- এটি একটি বহুল ব্যবহৃত আলফানিউমেরিক কোড যা মাইক্রো কম্পিউটার, মিনি কম্পিউটারসহ অনেক মেইনফ্রেম কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয়।

• ইবিসিডিক কোড:
- ইবিসিডিক (EBCDIC) Extended Binary Coded Information Code-এর সংক্ষিপ্ত রূপ।
- এটি একটি ৪ বিটের কোড। 

• ইউনিকোড:
- ইউনিকোড হচ্ছে 16 বিট কোড।
- বিভিন্ন ধরনের ক্যারেক্টার এবং টেক্সটকে প্রকাশ করার জন্য ইউনিকোড ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫০২.
(0.105)10 = (?)8
  1. 0.065
  2. 0.056
  3. 0.061
  4. 0.055
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - ক) 0.065

দশমিক ভগ্নাংশকে অক্টালে রূপান্তর:
ধাপ-১: ভগ্নাংশকে অক্টাল ভিত্তি ৮ দিয়ে গুণ করতে হবে। গুণফলের পূর্ণ অংশ এবং ভগ্নাংশ আলাদা করতে হবে এবং পূর্ণ অংশটি সংরক্ষণ করতে হবে।
ধাপ-২: গুণফলের ভগ্নাংশকে পুনরায় ৮ দিয়ে গুণ করতে হবে এবং পূর্ণ অংশ ও ভগ্নাংশ আলাদা করতে হবে। এই প্রক্রিয়া যতক্ষণ না ভগ্নাংশ ০ হয় ততক্ষণ চালাতে হবে। যদি কমপক্ষে ৫-৬ বার গুণ করার পরও ভগ্নাংশ ০ না হয়, তবে এই অবস্থায় কার্যক্রম শেষ করতে হবে।
ধাপ-৩: সংরক্ষিত পূর্ণ অংশগুলোকে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত (MSD থেকে LSD) সাজালে কাঙ্ক্ষিত অক্টাল সংখ্যাটি পাওয়া যাবে।

 

সুতরাং (0.105)10 = (0.065)8

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৫০৩.
হেক্সাডেসিমেল A5 কে দশমিক সিস্টেমে কিভাবে প্রকাশ করা যাবে?
  1. 90
  2. 125
  3. 145
  4. 165
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: হেক্সাডেসিমেল A5 কে দশমিক সিস্টেমে কিভাবে প্রকাশ করা যাবে?

সমাধান:
• হেক্সাডেসিমেল থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর:
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা থেকে দশমিক সংখ্যা রূপান্তর করতে হলে, প্রতিটি অংককে 16 এর ঘাত অনুযায়ী গুণ করতে হবে।

স্থানীয় মান অনুযায়ী গুণ করা:
- একক স্থানীয় অংকটিকে 160 দ্বারা গুণ করতে হবে।
- দশক স্থানীয় অংকটিকে 161 দ্বারা গুণ করতে হবে।
- শতক স্থানীয় অংকটিকে 162 দ্বারা গুণ করতে হবে, এবং এভাবে বামে যাওয়ার সাথে সাথে 16 এর ঘাত বাড়বে।

• হেক্সাডেসিমেল অংকের মান:
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা A, B, C, D, E, এবং F যথাক্রমে 10, 11, 12, 13, 14, এবং 15 মানের সমান। এই মানগুলোও গুণফলে ব্যবহার করতে হবে।

এখন,
(A5)16 = 5 × 160 + A × 161
= 5 × 1 + 10 × 16
= 5 + 160
= 165

∴ (A5)16 = (165)10  

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫০৪.

এর মান কত?
  1. AC
  2. 1
  3. ABC
  4. 0
৫০৫.
(1001011)2 = (?)10
  1. ক) 57
  2. খ) 105
  3. গ) 75
  4. ঘ) 67
ব্যাখ্যা

(1001011)2 = 1×26 + 0×25 + 0×24 + 1×23 + 0×22 + 1×21 + 1×20
= 64 + 0 + 0 + 8 + 0 + 2 + 1
= 75

৫০৬.
1's complement of 32 is-
  1. 100000
  2. 001100
  3. 100001
  4. 011111
ব্যাখ্যা

- বাইনারি সংখ্যায় ০ এর স্থানে ১ এবং ১ এর স্থানে ০ বসিয়ে বা সংখ্যার বিটগুলোকে উল্টানোকে সংখ্যাটির ১ এর পরিপূরক বলে।
- ৩২ এর বাইনারি সংখ্যা ১০০০০০।
- এই সংখ্যাটির ১ এর পরিপূরক হবে ০১১১১১।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, মাহবুবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৫০৭.
হেক্সাডেসিমেল 10 এর পূর্ববর্তী সংখ্যা কত?
  1. ক) 9
  2. খ) F
  3. গ) E
  4. ঘ) 1F
ব্যাখ্যা
হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি:
- এই পদ্ধতির ভিত্তি হচ্ছে 16.
- অর্থাৎ এই পদ্ধতিতে 16 টি মৌলিক অংক রয়েছে। এই সংখ্যাসমূহ 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9 এবং অতঃপর A, B, C, D, E ও F.
- বর্ণ (Alphabet) এবং সংখ্যা (Number) উভয়ের ব্যবহার থাকার কারণে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির আরেক নাম আলফানিউমেরিক সংখ্যা পদ্ধতি।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির A, B, C, D, E এবং F-এর সমতুল্য দশমিক হচ্ছে যথাক্রম 10, 11, 12, 13, 14 এবং 15.

• হেক্সাডেসিমেল 9 এর পরবর্তি সংখ্যা A, B, C, D, E, F, 10.
- অর্থাৎ, হেক্সাডেসিমেল 10 এর পূর্ববর্তী সংখ্যা F.



উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫০৮.
(531.24)8 কে হেক্সে কনভার্ট করলে মান কত হয়?
  1. 159.50
  2. 169.50
  3. 180.30
  4. 120.70
ব্যাখ্যা

• (531.24)8 কে হেক্সাডেসিমেলে প্রকাশ করলে 159.50 হবে। 
- হেক্স বা হেক্সাডেসিমাল (Hexadecimal) হলো একটি সংখ্যা পদ্ধতি যা ১৬ ভিত্তি (base-16) ব্যবহার করে। এটি দশমিক (decimal) বা বাইনারি (binary) এর মতোই সংখ্যা প্রকাশের একটি পদ্ধতি, তবে এখানে ১৬টি ভিন্ন সংখ্যা থাকে:

0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9 → সাধারণ সংখ্যা
A, B, C, D, E, F → দশমিক ১০ থেকে ১৫ পর্যন্ত মানের জন্য

- বৈশিষ্ট্য:
- সংক্ষিপ্ত: বড় বাইনারি সংখ্যাকে সহজে ছোট হেক্স সংখ্যায় প্রকাশ করা যায়।
- কম্পিউটার ব্যবহার: কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রোগ্রামিংয়ে, যেমন রঙের কোড, মেমোরি এড্রেস ইত্যাদিতে হেক্স বহুল ব্যবহৃত।
- সহজ রূপান্তর: প্রতিটি হেক্স সংখ্যা ঠিক ৪ বিট বাইনারির সমান, তাই বাইনারি ↔ হেক্স রূপান্তর খুব সহজ।

- উদাহরণ:
বাইনারি: 1010 → হেক্স: A
বাইনারি: 1111 → হেক্স: F
- হেক্স ব্যবহার করে কম্পিউটার ডেটা আরও পড়তে সহজ ও সংক্ষিপ্ত হয়।

 • অক্ট্যাল থেকে হেক্সাডেসিমেল রূপান্তর:
- অক্ট্যাল সংখ্যাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তরের জন্য প্রথমে অক্ট্যাল সংখ্যার প্রত্যেকটি অংককে ৩ বিট বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করতে হবে।
- অত:পর পুরো বাইনারি সংখ্যাটিকে ৪ বিট বাইনারি গ্রুপে সাজিয়ে সমতুল্য হেক্সাডেসিমেল মান বসালে উক্ত অক্টাল সংখ্যাটির হেক্সাডেসিমেল মান পাওয়া যাবে।


উৎস:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫০৯.
১০১০১১ বাইনারি সংখ্যাটির সমমান দশমিক সংখ্যা কোনটি?
  1. ক) ৫৫
  2. খ) ৪৩
  3. গ) ৪৫
  4. ঘ) ৩৭
ব্যাখ্যা

বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তরঃ
বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করার সময় প্রত্যেক অংককে ২ দ্বারা গুণ করতে হবে। গুণ করার সময় স্থানীয় মান অনুযায়ী ২ এর ঘাত ০ হতে বাড়াতে হবে।
- একক স্থানীয় অংকটিকে ২ দ্বারা,
- দশক স্থানীয় অংকটিকে ২ দ্বারা,
- শতক স্থানীয় অংকটিকে ২ ,------- দ্বারা গুণ করতে হবে।
প্রাপ্ত গুণফলকে যোগ করলে উক্ত বাইনারি সংখ্যাটির সমতুল্য দশমিক মান পাওয়া যাবে।

(১০১০১১)
= (১ × ২) + (০ × ২) + (১ × ২) + (০ × ২) + (১ × ২) + (১ × ২)
= ৩২ + ০ + ৮ + ০ + ২ + ১
= ৪৩
∴ (১০১০১১) = (৪৩)১০

৫১০.
নিচের কোনটি অক্ট্যাল সংখ্যা নয়?
  1. ৫৬৭
  2. ৭৬৫
  3. ৪৮৫
  4. ৭১৪
ব্যাখ্যা
অক্ট্যাল সংখ্যা: 
- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে আটটি অঙ্ক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তাকে অক্ট্যাল সংখ্যা পদ্ধতি বলে। 
- এ পদ্ধতিতে ব্যবহৃত অঙ্ক গুলো হলো- ০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭। 
- অক্ট্যাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি হচ্ছে ৮ । 
- ৭১৪, ৭৬৫, ৫৬৭ অক্ট্যাল সংখ্যা কিন্তু ৪৮৫ অক্ট্যাল সংখ্যা নয়, কারণ ৮ অক্ট্যাল সংখ্যার অঙ্ক বা চিহ্ন না। 

অন্যদিকে, 
- বাইনারি সংখ্যার ভিত্তি ২। 
- দশমিক বা ডেসিমেল সংখ্যার ভিত্তি ১০। 
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার ভিত্তি ১৬। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৫১১.
(5012)10 সংখ্যাটির হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তর কোনটি? 
  1. (139C)16
  2. (1384)16
  3. (A394)16
  4. (1394)16
ব্যাখ্যা

• (5012)10 সংখ্যাটির হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তর হলো (1394)16 

- দশমিক (Decimal) সংখ্যাকে হেক্সাডেসিমেলে রূপান্তর করতে হলে সংখ্যাটিকে ১৬ দিয়ে পর্যায়ক্রমিক ভাগ করতে হয় এবং ভাগশেষগুলোকে নিচ থেকে ওপরের দিকে (MSB to LSB) সাজাতে হয়।

৫১২.
(212) কে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করুন - 
  1. ক) (183)10
  2. খ) (143)10
  3. গ) (138)10
  4. ঘ) (153)10
ব্যাখ্যা
(212) = 2 × 82 + 1 × 8× 2 × 8°
            = 2 × 64 + 1 × 8 + 2 × 1
            = 128 + 8 + 2
            = 138

(212)8   = (138)10

৫১৩.
নিচের কোনটি অক্টাল সংখ্যা হতে পারে না?
  1. 054
  2. 765
  3. 849
  4. 127
ব্যাখ্যা
• অক্টাল সংখ্যা হলো এমন একটি সংখ্যা পদ্ধতি যেখানে শুধুমাত্র 0 থেকে 7 পর্যন্ত অঙ্ক ব্যবহার করা যায়। অর্থাৎ, অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতিতে 8 বা 9 এর মতো সংখ্যা ব্যবহার করা যায় না। প্রশ্নে দেওয়া বিকল্পগুলোর মধ্যে ক) 054, খ) 765, ঘ) 127 - এই তিনটিতে শুধুমাত্র 0-7 এর মধ্যকার অঙ্ক রয়েছে, তাই এগুলো অক্টাল সংখ্যা হতে পারে। কিন্তু গ) 849 সংখ্যাটিতে ‘8’ এবং ‘9’ রয়েছে, যেগুলো অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতিতে বৈধ নয়। তাই গ) 849 কখনই অক্টাল সংখ্যা হতে পারে না। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো: গ) 849.

• অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি:
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ৮।
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতিতে দশমিকের(.) আগের অঙ্কগুলোকে MSD (বেশি গুরুত্বের অঙ্ক) এবং পরের অঙ্কগুলোকে LSD (কম গুরুত্বের অঙ্ক) বলে।
- অক্টাল সংখ্যার আবিষ্কারক সুইডেনের রাজা ৭ম চার্লস।
- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে আটটি অঙ্ক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তাকে অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- এ পদ্ধতিতে ব্যবহৃত অঙ্ক গুলো হলো- ০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭।
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি হচ্ছে ৮। যেমন- ৫১২, ১৬২০, ৬৪ কিন্তু ২৮১ অকটাল সংখ্যা নয়, কারণ ৮ অক্ট্যাল সংখ্যার অঙ্ক বা চিহ্ন না।
- বাইনারি সংখ্যার ভিত্তি - ২
- দশমিক বা ডেসিমেল সংখ্যার ভিত্তি - ১০
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার ভিত্তি - ১৬

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণী, মাহবুবুর রহমান।
৫১৪.
বাইনারিতে 11001110 এবং 11001100 এর যোগফল কত?
  1. 110011010
  2. 001100101
  3. 110001010
  4. 101011010
৫১৫.
100101 বাইনারি নাম্বারের সমতুল্য ডেসিমেল নাম্বার কোনটি?
  1. ক) 46
  2. খ) 54
  3. গ) 37
  4. ঘ) 27
ব্যাখ্যা
• 100101 বাইনারি নাম্বারের সমতুল্য ডেসিমেল নাম্বার 37.

বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর:
- বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করার সময় প্রত্যেক অংককে ২ দ্বারা গুণ করতে হয়।
- গুণ করার সময় স্থানীয় মান অনুযায়ী ২ এর ঘাত ০ হতে বাড়াতে হবে।
- প্রাপ্ত গুণফলকে যোগ করলে উক্ত বাইনারি সংখ্যাটির সমতুল্য দশমিক মান বা ডেসিমেল নাম্বার পাওয়ার যাবে।

এখানে,
100101
= 1×25 + 0×24 + 0×23 + 1×22 + 0×21 + 1×20 
= 32+0+0+4+0+1
= 37

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৫১৬.
5y + 5y + 5y + 5y + 5y এর মান কত?
  1. 5y + 1
  2. 52y + 3
  3. 5y
  4. 125
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 5y + 5y + 5y + 5y + 5y এর মান কত?

সমাধান:
5y + 5y + 5y + 5y + 5y
= 5y(1 + 1 + 1 + 1 + 1)
= 5y . 51
= 5y + 1

৫১৭.
সংখ্যা পদ্ধতি মোট কত প্রকার?
  1. ক) ২ প্রকার
  2. খ) ৩ প্রকার
  3. গ) ৪ প্রকার
  4. ঘ) ৫ প্রকার
ব্যাখ্যা
সংখ্যা পদ্ধতির প্রকারভেদ:
- সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তির উপর নির্ভর করে চার ধরনের সংখ্যা পদ্ধতির প্রচলন লক্ষ্য করা যায়। যেমন:
১. দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি (Decimal Number System),
২. বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (Binary Number System),
৩. অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি (Octal Number System) এবং 
৪. হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি (Hexadecimal Number System)।

দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি:
- মানুষ দৈনন্দিন জীবনে গণনা কিংবা হিসাব-নিকাশের জন্য যে সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করে তাই দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি।
- এ পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তি হচ্ছে 10.
- (101)10, (98.73)10 ইত্যাদি হলো দশমিক সংখ্যার উদাহরণ। 

বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি:
- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে 0 এবং 1 এই দু'টিমাত্র সংখ্যা বা অংক ব্যবহার করা হয় তাকে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- মোট দু'টি অংক ব্যবহারের কারণেই এই সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তি হচ্ছে 2.
- (110)2, (1101)ইত্যাদি হলো বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির উদাহরণ। 

অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি:
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তি হচ্ছে ৮।
- এই পদ্ধতিতে 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6 এবং 7 এই ৮টি মৌলিক অংক ব্যবহৃত হয়।
- (101)8, (731)8 ইত্যাদি হলো অক্টাল সংখ্যার উদাহরণ।

হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি:
- এই পদ্ধতির ভিত্তি হচ্ছে 16.
- অর্থাৎ এই পদ্ধতিতে 16 টি মৌলিক অংক রয়েছে। এই সংখ্যাসমূহ 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9 এবং অতঃপর A, B, C, D, E ও F। 
- (151)16, (1B)16 ইত্যাদি হলো হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার উদাহরণ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫১৮.
ইউনিকোড ব্যবহারের মূল উদ্দেশ্য কী?
  1. শুধু ইংরেজি ভাষা প্রদর্শন করার জন্য
  2. সংখ্যার জন্য কোড তৈরি করা
  3. মেমোরিতে স্পেস কমানোর জন্য 
  4. বিশ্বের বিভিন্ন ভাষার অক্ষর ও চিহ্ন উপস্থাপন করা
ব্যাখ্যা

ইউনিকোড (Unicode) হলো একটি আন্তর্জাতিক মান, যা বিশ্বের সকল ভাষার অক্ষর, সংখ্যা ও প্রতীককে একটি অভিন্ন কোডে উপস্থাপন করে।

ইউনিকোড উদ্ভাবন ও উন্নয়ন:
- ১৯৯১ সালে Apple Computer Corporation এবং Xerox Corporation-এর একদল প্রকৌশলী যৌথভাবে ইউনিকোড উদ্ভাবন করেন।
- শুরু থেকেই ইউনিকোডকে আরও উন্নত করার লক্ষ্যে Unicode Consortium কাজ করে যাচ্ছে।

ব্যবহার ও বৈশিষ্ট্য:
- বিশ্বের ছোট-বড় সকল ভাষাকে কম্পিউটারে কোডভুক্ত করার জন্য ইউনিকোড ব্যবহৃত হয়।
- ইউনিকোড মূলত ২ বাইট বা ১৬ বিটের কোড।
- এই কোডের মাধ্যমে ৬৫,৫৩৬টি অদ্বিতীয় চিহ্নকে নির্দিষ্ট করা যায়।
- যে ভাষাগুলোর জন্য ৮ বিট অপর্যাপ্ত ছিল (যেমন: চায়নিজ, কোরিয়ান, জাপানিজ), সেগুলোর সকল চিহ্ন সহজেই কোডভুক্ত করা সম্ভব হয়।

অ্যাসকির (ASCII) সাথে সম্পর্ক:
- ইউনিকোড অ্যাসকি কোডের সাথে কম্প্যাটিবল।
- অর্থাৎ, ইউনিকোডের প্রথম ২৫৬টি কোড অ্যাসকির প্রথম ২৫৬টি কোডের অনুরূপ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৫১৯.
110011001 এর 1's Complement-
  1. 110011001
  2. 001100110
  3. 001100000
  4. 110011111
ব্যাখ্যা
আমরা জানি,
1 এর পরিপূরক মানে 0 এর স্থলে 1 এবং 1 এর স্থলে 0 হবে।
'110011001' এর ১ এর পরিপূরক হবে 001100110
৫২০.
SR ফ্লিপ-ফ্লপ-এ SR বলতে কী বোঝায়?
  1. Set and Reset
  2. Set and Run
  3. Shift and Reset
  4. Switch and Reset
ব্যাখ্যা
• ফ্লিপ-ফ্লপ:
- ফ্লিপ-ফ্লপ হলো লজিক গেইট দিয়ে তৈরি এক ধরনের ডিজিটাল বর্তনী, যা এক বিট তথ্য ধারণ করতে পারে।
- প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপে এক বা একাধিক ইনপুটের জন্য দুটি আউটপুট পাওয়া যায়।
- ফ্লিপ-ফ্লপ মূলত সিঙ্গেল বিট নিয়ে কাজ করে।
- ফ্লিপ-ফ্লপ মূলত মাল্টিপল বিট নিয়ে কাজ করতে পারেনা।
- এটি এক বিট 0 অথবা 1 হতে পারে।
- এজন্য ফ্লিপ-ফ্লপকে বাই স্ট্যাবল মাল্টি ভাইব্রেটর বলা হয়।

• ফ্লিপ ফ্লপের ব্যবহার:
১. বিভিন্ন রেজিস্টার তৈরিতে ফ্লিপ ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
২. সিকোয়েন্সিয়াল সার্কিটে মেমরি উপাদান হিসেবে ফ্লিপ ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
৩. ডিজিটাল ঘড়ি, ডিজিটাল ক্যামেরা, মোবাইল ফোন ইত্যাদিতে ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহৃত হয়।

ফ্লিপ-ফ্লপের প্রকারভেদ ফ্লিপ-ফ্লপ সাধারণত ৫ প্রকার।
যথা-
১. SR ফ্লিপ-ফ্লপ,
২. D ফ্লিপ-ফ্লপ,
৩. JK ফ্লিপ-ফ্লপ,
৪ . T ফ্লিপ-ফ্লপ ও 
৫. মাস্টার-স্লেভ ফ্লিপ-ফুপ।

SR ফ্লিপ-ফ্লপ:
- SR ফ্লিপ-ফ্লপ সবচেয়ে সরলতম ফ্লিপ-ফ্লপ হলো SR ল্যাচ বা SET-RESET বা SR ফ্লিপ-ফ্লপ।
- দুটি ন্যান্ড (NAND) গেইট অথবা নর গেইট (NOR) এমনভাবে যুক্ত থাকে যে একটির ইনপুট অন্যটির আউটপুটের সাথে সংযুক্ত অর্থাৎ ক্রস কাপলড (Cross Coupled) ভাবে সংযুক্ত থাকে।
- ন্যান্ড (NAND) বা নর (NOR) গেইট ব্যবহার করে SR ল্যাচ তৈরি করা যেতে পারে।
- SR ল্যাচে আউটপুট অবস্থাকে 1 বা HIGH করাকে সেট এবং ০ বা LOW করাকে রিসেট বলে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।
৩. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫২১.
কোন দশমিক সংখ্যা BCD 1000 0100 দিয়ে প্রকাশ করা হয়েছে?
  1. 84
  2. 88
  3. 86
  4. 82
ব্যাখ্যা

• "84" দশমিক সংখ্যা BCD 1000 0100 দিয়ে প্রকাশ করা হয়েছে।

• BCD (Binary-Coded Decimal) কোড হল একটি ৪-বিট বাইনারি সিস্টেম যা প্রতিটি দশমিক সংখ্যাকে আলাদা করে প্রকাশ করে। প্রতিটি ৪-বিটের গ্রুপ একটি দশমিক অঙ্ক নির্দেশ করে।
- BCD কোডের সুবিধা হলো এটি সরাসরি মানুষের পড়ার জন্য সহজ এবং ডিজিটাল সিস্টেমে অঙ্কগুলোর প্রতিফলন সহজ করে।
- BCD কোড 1000 0100 "84" দশমিক সংখ্যা নির্দেশ করে।

​বিসিডি কোড:
- বিসিডি (BCD) শব্দের পূর্ণরূপ হলো বাইনারি কোডেড ডেসিমেল (Binary Coded Decimal)।
- দশমিক (Decimal) সংখ্যার প্রতিটি অঙ্ককে বাইনারিতে রূপান্তরই হলো বিসিডি কোড।
- এই পদ্ধতিতে দশমিক সংখ্যা 0 থেকে 9 পর্যন্ত মোট দশটি অংককে সমতুল্য 4 বিট বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করা হয়।
- 4 বিট দ্বারা 24 অর্থাৎ, 16 ভিন্ন অবস্থা নির্দেশ করা যায়। তাই 16টি অবস্থা ব্যবহার করে কয়েক প্রকার BCD কোড গঠন করা সম্ভব।
- এর মধ্যে BCD 8421 কোড বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য এবং বহুল ব্যবহৃত। 

8 এর বিসিডি 1000
4 এর বিসিডি 0100
∴ 84 এর বিসিডি 1000 0100

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫২২.
1100101 সংখ্যাটিকে ২এর পরিপূরক করলে নিচের কোন সংখ্যাটি আসবে?
  1. ক) 0011011
  2. খ) 1101001
  3. গ) 0011010
  4. ঘ) 0011001
ব্যাখ্যা
২ এর পরিপূরক করতে হলে একটি বাইনারি সংখ্যাকে প্রথমে ১এর পরিপূরক করতে হবে তারপর এই ১এর পরিপূরক এর সাথে ১ যোগ করতে হবে।

1100101
0011010 - ১এর পরিপূরক
+         1
0011011
৫২৩.
75E কোন ধরনের সংখ্যা?
  1. ক) ডেসিমাল
  2. খ) অকটাল
  3. গ) হেক্সাডেসিমাল
  4. ঘ) বাইনারি
ব্যাখ্যা

- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে ১৬টি অঙ্ক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তাকে হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- এ পদ্ধতিতে ব্যবহৃত অঙ্ক গুলো হলোঃ 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9, A, B, C, D, E, F।
- তাই 75E সংখ্যাটি হেক্সাডেসিমাল।

৫২৪.
কম্পিউটার সিস্টেমে যে সমবায় সার্কিট দ্বারা যোগ করা যায় তাকে কী বলে?
  1. অ্যাডার
  2. এনকোডার
  3. ডিকোডার
  4. অ্যান্ড গেইট
ব্যাখ্যা
• অ্যাডার:
- কম্পিউটার সিস্টেমে যে সমবায় সার্কিট দ্বারা যোগ করা যায় তাকে বলে অ্যাডার।
- কম্পিউটারের যাবতীয় গাণিতিক কাজ বাইনারি যোগের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হয়।
- গুণ হলো বার বার যোগ করা এবং ভাগ হলো বার বার বিয়োগ করা।
- আবার পূরক পদ্ধতিতে বাইনারি যোগের মাধ্যমেই বিয়োগ করা যায়।
- কাজেই যোগের মাধ্যমে গুণ, বিয়োগ, ভাগ ইত্যাদির কাজ করা যায়।

• ডিজিটাল ইলেক্ট্রনিক্সে দুই ধরনের অ্যাডার আছে। যথা:
১. হাফ-অ্যাডার ও
২. ফুল-অ্যাডার।

• ডিকোডার:
- ডিকোডার এক ধরনের সমবায় সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী, যা ডিজিটাল সিস্টেমের বোধগম্য কোডকে মানুষের বোধগম্য ফরম্যাটে রূপান্তরিত করে।

• এনকোডার:
- এনকোডার এক ধরনের সমবায় সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী, যা মানুষের ব্যবহৃত বিভিন্ন আলফানিউমেরিক বর্ণ, বিশেষ চিহ্ন, টেক্সট, অডিও ও ভিডিও ইত্যাদিকে ডিজিটাল সিস্টেমের বোধগম্য কোডে রূপান্তর করে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৫২৫.
নিচের কোনটি বিশেষ গেইট?
  1. XOR
  2. XNOR
  3. NAND
  4. ক ও খ উভয়ই
ব্যাখ্যা
• বিশেষ গেইট:
- XOR গেইট এবং XNOR গেইটকে বিশেষ গেইট বলা হয়।

• এক্স অর গেইট (Exclusive OR (XOR) Gate:
- Exclusive OR গেইটকে সংক্ষেপে এক্স অর গেইট বলে।
- মৌলিক গেইট দিয়ে এক্স অর গেইট তৈরি করা হয় বলে একে প্রকৃত অর গেইট বলে।
- এটি অ্যান্ড, অর, নট, ন্যান্ড, নর ইত্যাদি গেইটের সাহায্যেও তৈরি করা যায়।
- এই গেইটের দুটি ইনপুট সমান না হলে আউটপুট 1 হয়, অন্যথায় আউটপুট 0 হবে।
- মৌলিক গেইট (অ্যান্ড, অর, নট) দিয়ে এক্স অর গেইট তৈরি করা যায়।

• এক্স নর গেইট বা Exclusive NOR (XNOR) Gate:
- Exclusive NOR গেইটকে সংক্ষেপে এক্স নর (XNOR) গেইট বলে।
- এক্স অর গেইটের আউটপুটকে নট গেইট দিয়ে প্রবাহিত করলে অর্থাৎ এক্স অর গেইট এবং নট গেইটের সমন্বয়ে এক্স নর গেইট গঠিত হয়।
- দুইটি ইনপুট সমান হলেই কেবলমাত্র আউটপুট 1 হবে, অন্যথায় আউটপুট 0 হবে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫২৬.
(342)8 = (?)2
  1. 011010100
  2. 011100010
  3. 011010011
  4. 10101010
ব্যাখ্যা
1 বিট অক্টাল সংখ্যাকে প্রকাশ করতে সর্বোচ্চ 3 বিট বাইনারি লাগে।

অক্টাল 3 এর সমতুল্য বাইনারি= 011
অক্টাল 4 এর সমতুল্য বাইনারি = 100
অক্টাল 2 এর সমতুল্য বাইনারি = 010
∴ (342)8 = (011100010)2
৫২৭.
কোন ফ্লিপ-ফ্লপ সাধারণত রেজিস্টার এবং মেমরি ইউনিটে ব্যবহৃত হয়?
  1. D flip-flop
  2. SR flip-flop
  3. JK flip-flop
  4. T flip-flop
ব্যাখ্যা

• রেজিস্টার এবং মেমরি ইউনিটে D flip-flop সাধারণত ব্যবহৃত হয়। কারণ D flip-flop-এ ইনপুট ডেটা সরাসরি আউটপুটে সংরক্ষিত হয় ক্লক সিগন্যালের উপর নির্ভর করে, যা ডেটার নির্ভরযোগ্য স্টোরেজ নিশ্চিত করে। অন্য ফ্লিপ-ফ্লপ যেমন SR, JK বা T-তে আউটপুট নিয়ন্ত্রণে জটিলতা থাকে এবং কখনও কখনও অনির্ধারিত অবস্থা সৃষ্টি হতে পারে, যা মেমরি বা রেজিস্টারের জন্য সুবিধাজনক নয়। D flip-flop একক ইনপুট “D” দ্বারা সহজভাবে কাজ করে, তাই এটি সিকোয়েন্সিয়াল সার্কিটে ডেটা সংরক্ষণ এবং ট্রান্সফার করার জন্য আদর্শ। রেজিস্টার, শিফট রেজিস্টার এবং কাউন্টার ডিজাইনে D flip-flop এর ব্যবহার সবচেয়ে বেশি দেখা যায়।

- সঠিক উত্তর: ক) D flip-flop.
 
• ফ্লিপ-ফ্লপ:
- ফ্লিপ-ফ্লপ হলো লজিক গেইট দিয়ে তৈরি এক ধরনের ডিজিটাল বর্তনী, যা এক বিট তথ্য ধারণ করতে পারে।
- প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপে এক বা একাধিক ইনপুটের জন্য দুটি আউটপুট পাওয়া যায়।
- ফ্লিপ-ফ্লপ মূলত সিঙ্গেল বিট নিয়ে কাজ করে।
- ফ্লিপ-ফ্লপ মূলত মাল্টিপল বিট নিয়ে কাজ করতে পারেনা।
- এটি এক বিট 0 অথবা 1 হতে পারে।
- এজন্য ফ্লিপ-ফ্লপকে বাই স্ট্যাবল মাল্টি ভাইব্রেটর বলা হয়।

• ফ্লিপ ফ্লপের ব্যবহার:
১. বিভিন্ন রেজিস্টার তৈরিতে ফ্লিপ ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
২. সিকোয়েন্সিয়াল সার্কিটে মেমরি উপাদান হিসেবে ফ্লিপ ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
৩. ডিজিটাল ঘড়ি, ডিজিটাল ক্যামেরা, মোবাইল ফোন ইত্যাদিতে ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহৃত হয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।

৫২৮.
(১০১০১০১) বাইনারি সংখ্যাটির সমতুল্য ডেসিমাল সংখ্যা কত?
  1. ৮১
  2. ৮৯
  3. ৮৫
  4. ৭৯
ব্যাখ্যা
বাইনারি অঙ্কগুলোকে নিজস্ব স্থানীয় মান দিয়ে গুণ করে প্রাপ্ত গুণফলকে যোগ করলে বাইনারি সংখ্যাটির সমান দশমিক সংখ্যা পাওয়া যাবে।
যেমন:
(১০১০১০১)
= (১ × ২) + (০ × ২) + (১ × ২) + (০ × ২) + (১ × ২) + (০ × ২) + (১ × ২^০) 
= ৬৪ + ০ + ১৬ + ০ + ৪ + ০ + ১
= (৮৫)১০

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, মাহবুবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৫২৯.
বুলিয়ান অ্যাডিশন করতে কোন লজিক গেট ব্যবহার করা হয়?
  1. OR গেইট
  2. NAND গেইট
  3. NOR গেইট
  4. কোনটিই নয় 
ব্যাখ্যা

• বুলিয়ান অ্যাডিশনের জন্য OR গেইট ব্যবহার করা হয়। বুলিয়ান অ্যাডিশন হলো দুটি বাইনারি মান (0 বা 1) যোগ করার প্রক্রিয়া। OR গেইট এমন একটি লজিক গেইট যা দুটি ইনপুটের মধ্যে যেকোনো একটি 1 হলে আউটপুট 1 দেয়। উদাহরণস্বরূপ, দুটি ইনপুট A এবং B থাকলে, OR গেইট আউটপুট হবে 1 যদি A = 1 অথবা B = 1 হয়; আর শুধুমাত্র দুটোই 0 হলে আউটপুট হবে 0। বুলিয়ান অ্যাডিশনে এটি মূলত সাম আউটপুট (Sum) নির্ণয়ে ব্যবহৃত হয়। অন্যদিকে, NOR বা NAND গেইট মূলত নেগেশন বা কমপ্লিমেন্টারি লজিকের জন্য ব্যবহৃত হয়, যা সরাসরি অ্যাডিশনের জন্য ব্যবহৃত হয় না। তাই সঠিক উত্তর হলো OR গেইট।

• লজিক্যাল OR অপারেশন:
- বুলিয়ান অ্যালজেব্রায়, যোগ অপারেশন (A + B) হলো লজিক্যাল OR অপারেশন।
- অর্থাৎ, বুলিয়ান অ্যালজেবরার যোগ (Addition) অপারেশনে OR গেইট ব্যবহৃত হয়।
- বুলিয়ান অ্যালজেবরায় যোগ মানে হলো দুটি ইনপুটের মধ্যে যেকোনো একটিতে যদি ১ থাকে, তাহলে ফলাফল হবে ১।
- এটি ঠিক OR গেইটের কার্যপ্রণালীর মতো, যেখানে A অথবা B ইনপুটে যেকোনো একটি বা উভয়ই ১ হলে আউটপুট ১ হয়।
- যেমন, A = 0 এবং B = 1 হলে A + B = 1 ঠিক যেমন OR গেইটে ইনপুট দিলে ফলাফল 1 হয়। 

• লজিক গেইট:
- লজিক গেইট হচ্ছে এক ধরনের ইলেকট্রনিক সার্কিট যা এক বা একাধিক ইনপুট গ্রহণ করে কোন যুক্তির ভিত্তিতে একটি মাত্র আউটপুট প্রদান করে।
- লজিক গেইটে ব্যবহৃত দুটি ইনপুট হলো 1 এবং 0.
- মৌলিক লজিক গেইট তিনটি। যথা- অর গেইট, অ্যান্ড গেইট এবং নট গেইট।
- OR gate: বুলিয়ান অ্যালজেবরার যোগের কাজ সম্পাদনের জন্য অর
লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়।
- AND gate: বুলিয়ান অ্যালজেবরার গুণনের কাজ সম্পাদনের জন্য এন্ড লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়।
- NOT gate: বুলিয়ান অ্যালজেবরার পূরকের কাজ সম্পাদনের জন্য নট লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৫৩০.
(1372)8 এই অক্টাল সংখ্যাটিকে হেক্সাডেসিমেলে রূপান্তর করুন।
  1. ক) (2FA)16
  2. খ) (2EA)16
  3. গ) (1FB)16
  4. ঘ) (2FB)16
ব্যাখ্যা
• অক্টাল থেকে হেক্সাডেসিমেলে রূপান্তর করার জন্য প্রথমে অক্টাল থেকে বাইনারি এবং পরবর্তীতে বাইনারি থেকে হেক্সাডেসিমেলে রুপান্তর করে সহজেই তা সমাধান করা যায়।

• (1372)8 কে বাইনারি রূপান্তর: অক্টাল থেকে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তরের ক্ষেত্রে প্রতিটি অক্টাল অংককে ৩ বিট বিশিষ্ট বাইনারি রূপান্তর করলে বাইনারি সংখ্যা পাওয়া যায়।

∴ (1372)8 = (001011111010)2
• (001011111010)2 কে হেক্সাডেসিমেলে রূপান্তর: কোন বাইনারি পূর্ণ সংখ্যাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তরের জন্য সংখ্যাটির অংকগুলোকে ডান দিক থেকে ৪ বিট বিশিষ্ট এক একটি গ্রুপে ভাগ করা হয়।

∴ (001011111010)2 = (2FA)16
৫৩১.
101010 বাইনারি নাম্বারের সমতুল্য ডেসিমেল নাম্বার কোনটি?
  1. 37
  2. 42
  3. 47
  4. 53
ব্যাখ্যা
(101010)₂ = (1 × 2⁵) + (0 × 2⁴) + (1 × 2³) + (0 × 2²) + (1 × 2¹) + (0 × 2⁰)
= 32 + 0 + 8 + 0 + 2 + 0
= (42)₁₀
৫৩২.
অক্টাল সংখ্যা 174 এর ডেসিমেল মান কত?
  1. 122
  2. 124
  3. 126
  4. 128
ব্যাখ্যা
• (174)8 এর ডেসিমেল নাম্বার 124.

• অক্টাল সংখ্যা (Octal Number):
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তি হচ্ছে ৮।
- এই পদ্ধতিতে 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6 এবং 7 এই ৮টি মৌলিক অংক ব্যবহৃত হয়।
- উদাহরণ: (১০১), (৭৩১) ইত্যাদি।

এখানে,
(174)8
= (1 × 8²) + (7 × 8¹) + (4 × 8⁰)
= 64 + 56 + 4
= 124

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মাহবুবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৫৩৩.
(Y + X)( Y + X̄) = কোনটি?
  1. X + Y
  2. Y + XY
  3. Y
  4. 0
ব্যাখ্যা

(Y + X)( Y + X̄) = YY + YX̄ + XY + XX̄
= Y ++ YX̄ + XY + 0
= Y(1 + X̄ + X)
= Y(1 + 1)
= Y.1
= Y
[উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি , পৃষ্ঠা নং -২৩১ ]

৫৩৪.
সব ধরনের লজিক গেট কোন দুটি গেট ব্যবহার করে তৈরি করা যায়?
  1. OR এবং NOT
  2. OR এবং AND
  3. AND এবং NOT
  4. NAND এবং NOR
ব্যাখ্যা

• সব ধরনের লজিক গেট সাধারণত কম্বিনেশনাল সার্কিটের মাধ্যমে তৈরি করা যায়। কিন্তু বিশেষভাবে, কিছু গেটকে ব্যবহার করে অন্য সব গেট তৈরি করা সম্ভব। উদাহরণস্বরূপ, AND, OR, NOT হল বেসিক গেট, কিন্তু এককভাবে NAND বা NOR দিয়ে সব ধরনের লজিক ফাংশন তৈরি করা যায়। কারণ NAND এবং NOR উভয়ই “সার্বজনীন” গেট। অর্থাৎ, শুধু NAND ব্যবহার করেও AND, OR, NOT, XOR সহ সব ধরনের লজিক গেট তৈরি করা সম্ভব। একইভাবে, শুধুমাত্র NOR ব্যবহার করেও সব গেট তৈরি করা যায়। তাই যদি প্রশ্নে বলা হয় কোন দুটি গেট ব্যবহার করে সব ধরনের লজিক গেট তৈরি করা যায়, সেক্ষেত্রে সঠিক উত্তর হবে ঘ) NAND এবং NOR, কারণ এগুলো সার্বজনীন এবং যেকোনো লজিক গেটের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা যায়।

• সার্বজনীন গেইট:
- যে গেইট এর সাহায্যে মৌলিক গেইটসহ (AND, OR, NOT) যেকোনো গেইট এবং যেকোনো সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায় তাকে সার্বজনীন গেইট বলে।
- NAND ও NOR গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
- কারণ, শুধুমাত্র NAND গেইট বা শুধুমাত্র NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বা সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়।

• মৌলিক লজিক গেইট:
- ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতি বাস্তবায়নের জন্য যে সমস্ত গেইট কাজ করে তাদেরকে মৌলিক গেইট বলা হয়।
- কম্পিউটার বা অন্যান্য ডিজিটাল পদ্ধতির মূলে রয়েছে তিনটি মৌলিক গেইট। যথা-
১। অর গেইট (OR Gate),
২। অ্যান্ড গেইট (AND Gate),
৩। নট গেইট (NOT Gate).

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৫৩৫.
(311)₈ = ?₁₀
  1. 210
  2. 200
  3. 211
  4. 201
ব্যাখ্যা
(311)₈ = (201)₁₀ ।

অক্টাল থেকে দশমিক:
কোনো অক্টাল সংখ্যার প্রতিটি অংককে নিজ নিজ স্থানীয় মান দ্বারা গুণ করে প্রাপ্ত গুণফলকে যোগ করলে উক্ত অক্টাল সংখ্যাটির সমকক্ষ দশমিক মান পাওয়া যায়।

পূর্ণ অক্টাল সংখ্যাকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর:
১। অক্টাল সংখ্যার প্রত্যেকটি অংককে অক্টাল সংখ্যার বেজ ৪ দ্বারা গুণ করতে হবে।
২। গুণ করার সময় স্থানীয় মান অনুযায়ী ৪-এর ঘাত। হতে বাড়াতে হবে। যেমন- একক স্থানীয় অংকটিকে ৪0 দ্বারা দশক স্থানীয় অংকটিকে ৪1 দ্বারা, শতক স্থানীয় অংকটিকে ৪2,
৩। প্রাপ্ত গুণফলকে যোগ করলে দশমিকের সমতুল্য মান পাওয়া যাবে।


সুতরাং, (311)₈ = (201)₁₀

উৎস: বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৩৬.
110101 থেকে 101010 বিয়োগ করলে কত থাকে?
  1. ক) 001101
  2. খ) 011011
  3. গ) 001011
  4. ঘ) 010101
ব্যাখ্যা


তাহলে,
110101
101010
001011
৫৩৭.
১১০০১০১ এর সাথে ১০১০১০১ এর যোগফল -
  1. ১০১০০১১১
  2. ১০১১১০১০
  3. ১০১১০১০
  4. ১০০১১১০১০১
ব্যাখ্যা

উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
৫৩৮.
নিচের কোনটি অক্ট্যাল সংখ্যা নয়?
  1. ক) ১০০০১০০
  2. খ) ৭৫৬২৩৩
  3. গ) ৪৬৬৮০২
  4. ঘ) ১৬২০১১১
ব্যাখ্যা
অক্ট্যাল সংখ্যা
- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে আটটি অঙ্ক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তাকে অক্ট্যাল সংখ্যা পদ্ধতি বলে। 
- এ পদ্ধতিতে ব্যবহৃত অঙ্ক গুলো হলো- ০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭। 
- অক্ট্যাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি হচ্ছে ৮। 
- ৪৬৬৮০২ অকটাল সংখ্যা নয়, কারণ ৮ অক্ট্যাল সংখ্যার অঙ্ক বা চিহ্ন না।

সূত্র- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ( একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৫৩৯.
কোন গেইটটি "ইনভার্টার" হিসেবেও পরিচিত?
  1. NAND
  2. NOT
  3. NOR
  4. XOR
ব্যাখ্যা

• NOT গেইটকে সাধারণত "ইনভার্টার" হিসেবেও বলা হয়। কারণ এটি একটি মৌলিক লজিক গেইট যা ইনপুটের বিপরীত আউটপুট প্রদান করে। অর্থাৎ, যদি ইনপুট ১ হয়, আউটপুট ০ হয় এবং ইনপুট ০ হলে আউটপুট ১ হয়। এটি ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সের মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করে এবং বিভিন্ন লজিক সার্কিটের নির্মাণে অপরিহার্য। NOT গেইটের মাধ্যমে সংকেতকে উল্টানো যায়, যা কম্পিউটার, মাইক্রোকন্ট্রোলার এবং অন্যান্য ডিজিটাল ডিভাইসের মধ্যে তথ্য প্রক্রিয়াকরণের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। তাই, NOT গেইটকে ইনভার্টার বলা হয় কারণ এটি ইনপুটের বিপরীত মান প্রদান করে।

উত্তর: খ) NOT.


NOT গেইট:
- এই গেইট যৌক্তিক উল্টানো পদ্ধতিতে কাজ করে।
- যে গেইটে একটি ইনপুট ও একটি আউটপুট থাকে তাকে নট গেইট বলে।
- এই গেইটের ইনপুট ১ হলে আউটপুট হবে ০ এবং ইনপুট ০ হলে আউটপুট হবে ১।
- এ গেইটে একটি ইনপুট ও একটি আউটপুট থাকে। ইনপুটের বিপরীত হবে আউটপুট। সেজন্য এ গেইটকে ইনভার্টার (Inverter) বলা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম,বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৪০.
কোন গেইট দ্বারা লজিক্যাল যোগ এর কাজ করা হয়?
  1. ক) OR
  2. খ) AND
  3. গ) NOT
  4. ঘ) NOR
ব্যাখ্যা
তিন ধরনের মৌলিক গেইট বিদ্যমান। যথা-

১) OR (+) Operation -> সাধারণ যোগের কাজ করা হয়।
২) AND (.) Operation -> সাধারণ গুনের কাজ করা হয়।
৩) NOT ( A') Operation -> পূরকের কাজ করে ( ০ থাকলে ১ এবং ১ থাকলে ০ এ পরিণত করে)

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (১১শ - ১২শ শ্রেণি), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৫৪১.
28 দশমিক সংখ্যার বাইনারি সংখ্যা কত?
  1. ক) 11100
  2. খ) 10101
  3. গ) 11011
  4. ঘ) 11010
ব্যাখ্যা

- ডান পাশ থেকে শুরু, 1 থেকে দ্বিগুণ করে যতটা বাইনারি সংখ্যা থাকবে ততটা দশমিক সংখ্যার দ্বিগুণ লিখতে হবে।
- তারপর বাইনারি সংখ্যার যেগুলোতে 1 থাকবে তত তম দশমিক সংখ্যার সাথে 1 গুণ করতে হবে। যেমন এখানে 6টি বাইনারি সংখ্যা আছে। তাহলে 32-16-8-4-2-1 ছয়টি সংখ্যা লেখা হলো। এখন কোন কোন সংখ্যার যোগফল 35 হবে সেই সংখ্যার জায়গায় 1 বসিয়ে বাকী গুলোতে 0 বসিয়ে বাইনারি সংখ্যা পাওয়া যাবে।
(16×1) + (8×1) + (4×1) + (2×0) + (1×0)
= 16 + 8 + 4 + 0 + 0
= 28

৫৪২.
একটি n বিটের কোডিং পদ্ধতি দ্বারা কতটি অদ্বিতীয় চিহ্নকে নির্দিষ্ট করা যায়?
  1. ক) 2n
  2. খ) 2n
  3. গ) n2
  4. ঘ) 2n2
ব্যাখ্যা
ASCII-7 ৭টি বিট নিয়ে গঠিত হয়। তাই এর সাহায্যে ২ = ১২৮টি অদ্বিতীয় চিহ্নকে নির্দিষ্ট করা যায়।

ASCII-8 ৮টি বিট নিয়ে গঠিত হয়। তাই এর সাহায্যে ২ = ২৫৬টি অদ্বিতীয় চিহ্নকে নির্দিষ্ট করা যায়। 

ইউনিকোড মূলত ১৬ বিটের কোড, তাই এর সাহায্যে ২১৬ = ৬৫৫৩৬টি অদ্বিতীয় চিহ্নকে নির্দিষ্ট করা যায়। 

∴ একটি n বিটের কোডিং পদ্ধতি দ্বারা ২n টি অদ্বিতীয় চিহ্নকে নির্দিষ্ট করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণি), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান। 
৫৪৩.
কোন দুটি গেট দিয়ে যেকোনো লজিক গেট বাস্তবায়ন করা যায়?
  1. NOT এবং OR
  2. AND এবং NOT
  3. NAND এবং NOR
  4. AND এবং OR
ব্যাখ্যা
• সার্বজনীন গেইট:
- যে গেইট এর সাহায্যে মৌলিক গেইটসহ (AND, OR, NOT) যেকোনো গেইট এবং যেকোনো সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায় তাকে সার্বজনীন গেইট বলে।
- NAND ও NOR গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
- কারণ, শুধুমাত্র NAND গেইট বা শুধুমাত্র NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বা সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়।

• মৌলিক লজিক গেইট:
- ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতি বাস্তবায়নের জন্য যে সমস্ত গেইট কাজ করে তাদেরকে মৌলিক গেইট বলা হয়।
- কম্পিউটার বা অন্যান্য ডিজিটাল পদ্ধতির মূলে রয়েছে তিনটি মৌলিক গেইট। যথা-
১। অর গেইট (OR Gate),
২। অ্যান্ড গেইট (AND Gate) ও
৩। নট গেইট (NOT Gate).

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৫৪৪.
নিচের কোনটি অক্ট্যাল সংখ্যা?
  1. ক) 10110
  2. খ) 24813
  3. গ) 4010A
  4. ঘ) 39012
ব্যাখ্যা
অক্ট্যাল সংখ্যা
- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে আটটি অঙ্ক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তাকে অক্ট্যাল সংখ্যা পদ্ধতি বলে। 
- এ পদ্ধতিতে ব্যবহৃত অঙ্ক গুলো হলো- ০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭। 
- অক্ট্যাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি হচ্ছে ৮। যেমন- ৭১৪, ৭৬৫, ৫৬৭ কিন্তু ৪৮৫ অকটাল সংখ্যা নয়, কারণ ৮ অক্ট্যাল সংখ্যার অঙ্ক বা চিহ্ন না।

সূত্র- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ( একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
৫৪৫.
100111 বাইনারি সংখ্যা ডেসিমেলে রূপান্তর করলে কত হবে?
  1. 39
  2. 21
  3. 37
  4. 45
ব্যাখ্যা
• 100111 বাইনারি সংখ্যা ডেসিমেলে রূপান্তর করলে 39 হবে।

• বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর:
- বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করার সময় প্রত্যেক অংককে ২ দ্বারা গুণ করতে হয়।
- গুণ করার সময় স্থানীয় মান অনুযায়ী ২ এর ঘাত ০ হতে বাড়াতে হবে।
- প্রাপ্ত গুণফলকে যোগ করলে উক্ত বাইনারি সংখ্যাটির সমতুল্য দশমিক মান বা ডেসিমেল নাম্বার পাওয়ার যাবে।

এখানে,
100111
= 1 × 25 + 0 × 24 + 0 × 23 + 1 × 22 + 1 × 21 + 1 × 20
= 32 + 0 + 0 + 4 + 2 + 1
= 39

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৫৪৬.
BCD কোড 1000 0100 নিচের দশমিক সংখ্যা নির্দেশ করে?
  1. 82
  2. 84
  3. 86
  4. 88
ব্যাখ্যা

• BCD (Binary-Coded Decimal) কোড হল একটি ৪-বিট বাইনারি সিস্টেম যা প্রতিটি দশমিক সংখ্যাকে আলাদা করে প্রকাশ করে। প্রতিটি ৪-বিটের গ্রুপ একটি দশমিক অঙ্ক নির্দেশ করে।
- BCD কোডের সুবিধা হলো এটি সরাসরি মানুষের পড়ার জন্য সহজ এবং ডিজিটাল সিস্টেমে অঙ্কগুলোর প্রতিফলন সহজ করে।
- BCD কোড 1000 0100 "84" দশমিক সংখ্যা নির্দেশ করে।

​বিসিডি কোড:
- বিসিডি (BCD) শব্দের পূর্ণরূপ হলো বাইনারি কোডেড ডেসিমেল (Binary Coded Decimal)।
- দশমিক (Decimal) সংখ্যার প্রতিটি অঙ্ককে বাইনারিতে রূপান্তরই হলো বিসিডি কোড।
- এই পদ্ধতিতে দশমিক সংখ্যা 0 থেকে 9 পর্যন্ত মোট দশটি অংককে সমতুল্য 4 বিট বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করা হয়।
- 4 বিট দ্বারা 24 অর্থাৎ, 16 ভিন্ন অবস্থা নির্দেশ করা যায়। তাই 16টি অবস্থা ব্যবহার করে কয়েক প্রকার BCD কোড গঠন করা সম্ভব।
- এর মধ্যে BCD 8421 কোড বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য এবং বহুল ব্যবহৃত। 

8 এর বিসিডি 1000
4 এর বিসিডি 0100
∴ 84 এর বিসিডি 1000 0100

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৪৭.
অক্টাল সংখ্যা নয় কোনটি?
  1. ক) ৪৫১
  2. খ) ১০৮
  3. গ) ৭২৬
  4. ঘ) ৩২৬
ব্যাখ্যা
১০৮ অক্টাল সংখ্যা নয়। 
অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তি হচ্ছে ৮।
এই পদ্ধতিতে 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6 এবং 7 এই ৮টি মৌলিক অংক ব্যবহৃত হয়।
(১০১), (৭৩১), (৬৪৫.১০৩) ইত্যাদি হলো অক্টাল সংখ্যার উদাহরণ।
 
 
৫৪৮.
Which digits are used in the octal number system?
  1. 0 and 1
  2. 0–7
  3. 1–8
  4. 0–9
ব্যাখ্যা

• অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতিতে ব্যবহৃত অঙ্কগুলো হলো 0 থেকে 7।

• অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি (Octal Number System):
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি এমন একটি সংখ্যা পদ্ধতি, যেখানে মোট ৮টি অঙ্ক ব্যবহার করা হয়।
- এই সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি (Base) হলো 8।
- ব্যবহৃত অঙ্কগুলো হলো 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7.
- - উদাহরণ: (105)8, (765)8.

• অন্যান্য সংখ্যা পদ্ধতি:
- দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি (Decimal Number System)–এর Base হলো 10 এবং এতে অঙ্ক ব্যবহৃত হয় 0 থেকে 9.
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (Binary Number System)–এর Base হলো 2 এবং এতে শুধু 0 ও 1 ব্যবহৃত হয়।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি (Hexadecimal Number System)–এর Base হলো 16 এবং এতে 0–9 ও A–F পর্যন্ত চিহ্ন ব্যবহৃত হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৪৯.
10101111 এর 1 's complement কোনটি?
  1. ক) 11111111
  2. খ) 00000000
  3. গ) 01010000
  4. ঘ) 11000011
ব্যাখ্যা
বাইনারী পদ্ধতিতে প্রকাশিত সংখ্যা 0 ও 1 কে 1 ও 0 দ্বারা বদল করলে 1's complement পাওয়া যায়। তাই 10101111 এর 1's complement = 01010000
৫৫০.
এক্স-নর গেইটে একটি ইনপুট 1 এবং একটি ইনপুট 0 হলে, আউটপুট কত হবে?
  1. 1
  2. 0
  3. যেকোনোটি হতে পারে
  4. কোনো আউটপুট আসবে না
ব্যাখ্যা
• এক্স-নর গেইট:
- Exclusive NOR গেইটকে সংক্ষেপে এক্স নর (XNOR)গেইট বলে।
- এক্স অর গেইট এবং নট গেইটের সমন্বয়ে এক্স নর গেইট গঠিত হয়।
- এক্স অর গেইটর বিপরীত কাজ করে।
- দুইটি ইনপুট সমান হলেই কেবলমাত্র আউটপুট 1 হবে, অন্যথায় আউটপুট 0 হবে।

 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৫১.
ASCII is an example of -
  1. Binary numbers
  2. Data storage format
  3. Encryption method
  4. Alphanumeric codes 
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - ঘ) Alphanumeric codes 

আলফানিউমেরিক কোড:
-
অক্ষর (a - z, A - Z), অংক (0-9) এবং বিভিন্ন গাণিতিক চিহ্ন (+, -, =, x ইত্যাদি) সহ আরও কতকগুলো বিশেষ চিহ্ন (!, @, #, $, %, *, / ইত্যাদি) জন্য ব্যবহৃত কোডকে আলফানিউমেরিক কোড বলা হয়।
- ০ থেকে ৯ পর্যন্ত অংকগুলো নির্দিষ্ট করা ছাড়াও কম্পিউটার সহ বিভিন্ন প্রযুক্তিপণ্যের কর্মদক্ষতাকে কাজে লাগানোর প্রয়াসে অক্ষর ও অন্যান্য চিহ্নের প্রয়োজন হয়। এই কারণেই আলফানিউমেরিক কোডের উদ্ভব হয়েছে।
- আলফানিউমেরিক কোড ডেটা কমিউনিকেশন ও ডেটা ট্রান্সফারের ক্ষেত্রে শৃংখলাও আনয়ন করেছে।

জনপ্রিয় আলফানিউমেরিক কোডসমূহ:
- অ্যাসকি (ASCII) কোড,
- ইবিসিডিক (EBCDIC) কোড,
- ইউনিকোড (Unicode),

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)। 

৫৫২.
দশমিক সংখ্যা 8 এবং 20 এর সমতুল্য অক্টাল মান কত?
  1. 8 এবং 22
  2. 10 এবং 24
  3. 8 এবং 20
  4. 16 এবং 21
ব্যাখ্যা
- আমরা দৈনন্দিন জীবনে দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করি কিন্তু কম্পিউটারে বাইনারি, অক্টাল ও হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়।
- কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়াকরণের বিষয় ব্যাখ্যা বিশ্লেষণের জন্যে এক ধরনের সংখ্যা পদ্ধতিকে অন্য সংখ্যা পদ্ধতিতে রূপান্তরের প্রয়োজন হয়।
- নিচের সারণীতে ০ থেকে ২০ পর্যন্ত দশমিক সংখ্যার সমতুল্য বাইনারি, অক্টাল ও হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা দেখানো হলো:


উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৫৩.
বাফার গেইটের ইনপুট ০ হলে আউটপুট কত হবে?
  1. ১১
  2. ১০
ব্যাখ্যা
বাফার গেইট:
- বাফার গেইটের সিগন্যাল কোন প্রকার পরিবর্তন ছাড়াই আউটপুটে যায়।
- এতে একটি ইনপুট এবং একটি আউটপুট রয়েছে।
- বাফার গেইটের আচরণ নট গেইটের বিপরীত।
- উদাহরণ: বাফার গেইটে ইনপুট ০ হলে, আউটপুট ০ হবে এবং ইনপুট ১ হলে, আউটপুট ১ হবে।

বাফার গেইটের সত্যক সারণি


সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৫৫৪.
কোন কোডটি "Error Detection" এর জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. ASCII
  2. Parity Bit
  3. Unicode
  4. EBCDIC
ব্যাখ্যা
• Parity Bit হলো এমন একটি error detection code, যা কম্পিউটারে তথ্য প্রেরণ বা সংরক্ষণের সময় ত্রুটি সনাক্ত করার জন্য ব্যবহৃত হয়। 

এটি যেভাবে কাজ করে- 
Even Parity (জোড় Parity):
-  ডেটার মধ্যে 1 বিট সংখ্যা জোড় রাখতে একটি Parity Bit যোগ করা হয়।
-  যদি 1-এর সংখ্যা বিজোড় হয়, তাহলে 1 যোগ করে জোড় করা হয়।

Odd Parity (বিজোড় Parity):
-  ডেটার মধ্যে 1 বিট সংখ্যা বিজোড় রাখতে Parity Bit যোগ করা হয়।
 
সীমাবদ্ধতা
-  Parity Bit কেবলমাত্র একটি বিট পরিবর্তন শনাক্ত করতে পারে।
-  একাধিক বিট পরিবর্তন ঘটলে এটি নির্ণয় করতে পারে না।

অন্যদিকে, 

ASCII: ASCII হলো এমন একটি Character Encoding Standard, যা কম্পিউটারে টেক্সট (Text) ডেটা সংরক্ষণ ও বিনিময়ের জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি বাইনারি কোড ব্যবহার করে অক্ষর, সংখ্যা ও প্রতীককে প্রতিনিধিত্ব করে। এটি error detection এর জন্য  ব্যবহৃত হয় না।

Unicode: Unicode একটি স্ট্যান্ডার্ড ক্যারেক্টার এনকোডিং সিস্টেম, যা বিশ্বের প্রায় সব ভাষা, প্রতীক, স্ক্রিপ্ট ও চিহ্ন ডিজিটালভাবে উপস্থাপন করতে সক্ষম।

EBCDIC: এটি IBM-এর তৈরি character encoding পদ্ধতি।

তথ্যসূত্র:
-  IBM Docs.
-  Stallings, William. Computer Organization and Architecture.
৫৫৫.
দুই ইনপুট বিশিষ্ট OR গেইটে A = 0, B = 1 হলে আউটপুট কত?
  1. 0
  2. 1
  3. অপরিবর্তিত
  4. নির্ধারিত নয়
ব্যাখ্যা

• যেকোনো একটি ইনপুট 1 হলে OR গেইটের আউটপুট 1 হয়।

• মৌলিক লজিক গেইট:

- ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে সার্কিট বাস্তবায়নের জন্য যে গেইটগুলো মৌলিক কাজ সম্পন্ন করে, সেগুলোকে মৌলিক লজিক গেইট বলা হয়।
- কম্পিউটার ও অন্যান্য ডিজিটাল পদ্ধতির ভিত্তি হিসেবে প্রধানত তিনটি মৌলিক লজিক গেইট ব্যবহৃত হয়। যথা—

• মৌলিক লজিক গেইটসমূহ:

- অর গেইট (OR Gate),
- এন্ড গেইট (AND Gate),
- নট গেইট (NOT Gate).
 
• অর গেইট (OR Gate):

- অর গেইট যৌক্তিক যোগ (Logical Addition) পদ্ধতিতে কাজ করে।
- অর্থাৎ, এই গেইটের যেকোনো একটি ইনপুট 1 (High) হলে আউটপুট 1 (High) হয়।
- সব ইনপুট 0 (Low) হলে তবেই আউটপুট 0 (Low) হয়।

 
• অর গেইটের গাণিতিক সমীকরণ:

X = A OR B,
অথবা,
X = A + B.

• তিন ইনপুট বিশিষ্ট অর গেইট:

যখন অর গেইটে তিনটি ইনপুট থাকে, তখন আউটপুট হবে ইনপুটগুলোর যৌক্তিক যোগফল।

• গাণিতিক সমীকরণ:

X = A + B + C.


উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৫৬.
2's Complement সিস্টেমে ৮-বিটে সবচেয়ে ছোট সংখ্যা কত?
  1. - 127
  2. - 128
  3. - 255
  4. - 256
ব্যাখ্যা

◉ 2’s Complement সিস্টেমে n-bit এর ক্ষেত্রে সংখ্যার পরিসীমা হয় —

−2 n−1  থেকে    2 n−1−1
এখানে n = 8
সবচেয়ে ছোট সংখ্যা = − 27 = − 128
সবচেয়ে বড় সংখ্যা = 27−1 = 127

২-এর পরিপূরক (2's Complement):
- কোনো বাইনারি সংখ্যার প্রতিটি বিটকে পূরক করে বা উল্টিয়ে (0 এর জায়গায় 1 এবং 1 এর জায়গায় 0) যে সংখ্যা পাওয়া যায় তাকে ১-এর পরিপূরক বলে।
- বাইনারি সংখ্যাকে ১-এর পরিপূরক বা উল্টিয়ে লিখে তার সাথে ১ যোগ করে যে সংখ্যা পাওয়া যায় তাকে ২-এর পরিপূরক বলা হয়।
- এই পদ্ধতির সাহায্যে যোগ এবং বিয়োগের মতো গাণিতিক অপারেশন সহজেই করা যায়, কারণ একই সার্কিট বা লজিক ব্যবহার করে ধনাত্মক এবং ঋণাত্মক সংখ্যার অপারেশন সম্পন্ন করা সম্ভব।

উদাহরণ: 
12 এর বাইনারি মান = 1100
12 এর বিট রেজিস্টার বাইনারি মান = 00001100
1 এর পরিপূরক মান = 11110011
1 এর পরিপূরক মান + 1 = 11110100

সুতরাং, 12 এর 2's Complement 11110100.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৫৫৭.
১ এক্সাবাইট (EB) সমান -
  1. ক) ১০২৪ জেটাবাইট
  2. খ) ১০২৪ গিগাবাইট
  3. গ) ১০২৪ টেরাবাইট
  4. ঘ) ১০২৪ পেটাবাইট
ব্যাখ্যা
(ক) ৮ বিট = ১ বাইট = ১ অক্ষর।
(খ) ১০২৪ বাইট =১ কিলােবাইট (KB)
(গ) ১০২৪ কিলােবাইট = ১ মেগাবাইট (MB)
(ঘ) ১০২৪ মেগাবাইট = ১ গিগাবাইট (GB)
(ঙ) ১০২৪ গিগাবাইট = ১ টেরাবাইট (TB)
(চ) ১০২৪ টেরাবাইট = ১ পেটাবাইট (PB)
(ছ) ১০২৪ পেটাবাইট = ১ এক্সাবাইট (EB)
(জ) ১০২৪ এক্সাবাইট = ১ জেটাবাইট (ZB)
(ঝ) ১০২৪ জেটাবাইট = ইট্রাবাইট (YB) 


উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)
৫৫৮.
কোনটি আলফানিউমেরিক কোড?
  1. ক) হেক্সাডেসিমেল
  2. খ) বিসিডি
  3. গ) অক্টাল
  4. ঘ) আসকি
ব্যাখ্যা

আলফানিউমেরিক কোড: কম্পিউটার সিস্টেমে সংখ্যাসূচক(০-৯) চিহ্নের পাশাপাশি বিভিন্ন বর্ণ (a-z,A-Z) ও বিভিন্ন গাণিতিক এবং বিশেষ চিহ্ন (+,$,⋆,#,% ইত্যাদি) ব্যবহৃত হয়। এসকল সংখ্যা, বর্ণ ও চিহ্নের জন্য যে কোড ব্যবহৃত হয় তাকে আলফানিউমেরিক কোড বলে।
বিভিন্ন আলফানিউমেরিক কোড-
1. ইবিসিডিক (EBCDIC)
2. অ্যাসকি (ASCII)
3. ইউনিকোড (Unicode)
(রেফারেন্সঃ একাদশ দ্বাদশ শ্রেনীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি)

৫৫৯.
হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা (2D6)16 এর দশমিক সংখ্যা কত? 
  1. ক) 512
  2. খ) 520
  3. গ) 720
  4. ঘ) 726
ব্যাখ্যা
হেক্সাডেসিমেল থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর:
- হেক্সাডেসিমেল থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করার সময় প্রত্যেক অংককে ১৬ দ্বারা গুণ করতে হবে।
- গুণ করার সময় স্থানীয় মান অনুযায়ী ১৬ এর ঘাত ০ হতে বাড়তে থাকবে।
- যেমন: একক স্থানীয় অংকটিকে ১৬ দ্বারা, দশক স্থানীয় অংকটিকে ১৬ দ্বারা, শতক স্থানীয় অংকটিকে ১৬ দ্বারা এভাবে গুণ করতে হবে।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটির A,B,C,D,E ও F হলো যথাক্রমে ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪ ও ১৫ দিয়ে গুণ করতে হবে।
- প্রাপ্ত গুণফলকে যোগ করলে উক্ত হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটির সমতুল্য দশমিক মান পাওয়ার যাবে।

এখানে, 
(2D6)16 
= 2 × 16+ D × 16+ 6 × 16
= 2 × 256 + 13 × 16 + 6 × 1
= 512 + 208 + 6
= (726)10
সুতরাং, (2D6)16 = (726)10

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৬০.
কাউন্টার কোন ধরনের সার্কিট?
  1. কম্বিনেশনাল সার্কিট
  2. সিকুয়েন্সিয়াল সার্কিট
  3. এনালগ সার্কিট
  4. বাইনারি সার্কিট
ব্যাখ্যা
• কাউন্টার:
- কাউন্টার হলো এমন একটি সিকুয়েন্সিয়াল সার্কিট যা এর মধ্যে প্রদানকৃত ইনপুট পালসের সংখ্যা গুণতে পারে।
- কাউন্টারের ইনপুট পালস্ (যাকে কাউন্ট পালস্ও বলে) ক্লক পালস্ বা অন্য কোন পালস্ হতে পারে।
- কাউন্টার বিভিন্ন সিকুয়েন্স অনুসরণ করতে পারে তবে সবচেয়ে সরল ও সহজ সিকুয়েন্স হলো বাইনারি সিকুয়েন্স।
- যে কাউন্টার বাইনারি সিকুয়েন্স অনুসরণ করে তাকে বাইনারি কাউন্টার বলে।
- একটি n বিট বাইনারি কাউন্টার হলো n টি ফ্লিপ ফ্লপ এবং সংশ্লিষ্ট গেইট যা বাইনারি n ফ্লিপ-ফ্লপ বিট অর্থাৎ 0 থেকে 2n -1 পর্যন্ত গণনার সিকুয়েন্সকে অনুসরণ করতে পারে।
- কাউন্টার সর্বাধিক যতটি সংখ্যা গুণতে পারে তাকে তার মডিউলাস (Modulus) বা মোড নাম্বার বলে।
- কোন কাউন্টারে n টি ফ্লিপ-ফ্লপ থাকলে তার মডিউলাস 2n।
- কোন কাউন্টারের ফ্লিপ ফ্লপের সংখ্যা বৃদ্ধি করে মোড নাম্বার বা মডিউলাস বৃদ্ধি করা যায়।
- কাউন্টারের ব্যবহার

• ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে কাউন্টারের ব্যাপক ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়। যেমন-
- ক্লক পালসের সংখ্যা গণনার কাজে
- টাইমিং সিগনাল প্রদানের কাজে
- ডিজিটাল ঘড়িতে
- ডিজিটাল কম্পিউটারে
- অ্যানালগ সিগনালকে ডিজিটাল সিগনালে রূপান্তর করার কাজে; ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৬১.
A + AB = কত?
  1. ক) A + B
  2. খ) B
  3. গ) A
  4. ঘ) 1
ব্যাখ্যা
A + AB
= A(1 + B)
=A . 1  [1 + A = 1]
=A    [A .1 = A]
৫৬২.
পূর্ণ দশমিক সংখ্যাকে অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তরিত করার জন্য দশমিক সংখ্যাকে কত দ্বারা ভাগ দিতে হয়?
  1. ক) ২
  2. খ) ৮
  3. গ) ১০
  4. ঘ) ১৬
ব্যাখ্যা
• দশমিক সংখ্যাকে অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তর:
- দশমিক পূর্ণ সংখ্যাকে অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তর করার জন্য সংখ্যাটিকে ৮ দ্বারা (যেহেতু অক্টাল সংখ্যার ভিত্তি ৮) উপর্যুপরি ভাগ করতে হয় যতক্ষণ পর্যন্ত না ভাগফল ০ (শূন্য) হয়।
- অতঃপর ভাগশেষগুলোকে সর্বোচ্চ গুরুত্বের অংক (Most Significant Digit -MSD) থেকে সর্বনিম্ন গুরুত্বের অংক (Least Significant Digit-LSD) পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে সাজিয়ে সংখ্যাটির সমতুল্য অক্টাল মান নির্ণয় করা হয়।

• পূর্ণ দশমিক সংখ্যাকে অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তর:
১. দশমিক সংখ্যাকে অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তরিত করার জন্য দশমিক সংখ্যাকে ৮ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে।
২. ভাগফলকে পুনরায় ৮ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে।
৩. এ পদ্ধতির পুনরাবৃত্তি করতে হবে যতক্ষণ না ভাজ্য • হয়।
৪. সংরক্ষিত ভাগশেষগুলোকে শেষ থেকে প্রথম দিকে ধারাবাহিকভাবে অর্থাৎ উল্টো করে সাজিয়ে লিখলে যে সংখ্যাটি পাওয়া যায় তাই দশমিক সংখ্যার সমকক্ষ অক্টাল সংখ্যা।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৬৩.
(107.26)8 এর সমতুল্য দশমিক মান কত?
  1. 92.67314
  2. 65.18356
  3. 71.34375
  4. 67.27461
ব্যাখ্যা
(107.26)8 = (1 × 8²) + (0 × 8¹) + (7 × 8⁰) + (2 × 8⁻¹) + (6 × 8-2)
= 64 + 0 + 7 + 0.25 + 0.09375
= (71.34375)10
৫৬৪.
নিচের কোন উক্তিটি সঠিক?
  1. ক) ১ কিলোবাইট = ১০২৪ বাইট
  2. খ) ১ মেগাবাইট = ১০২৪ বাইট
  3. গ) ১ কিলোবাইট = ১০০০ বাইট
  4. ঘ) ১ মেগাবাইট = ১০০০ বাইট
ব্যাখ্যা
- ১ বাইট সমান ৮ বিট
- ১ কিলোবিট = ১০২৪ বিট
- ১ কিলোবাইট = ১০২৪ বাইট
- ১ মেগাবাইট = ১০২৪ কিলোবাইট বা ১০,৪৮,৫৭৬ বাইট বা ১০২৪×১০২৪ বাইট।
সুত্রঃ আইসিটি নবম-দশম শ্রেণি এবং একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি(মাহবুবুর রহমান)।
৫৬৫.
Extended ASCII কোড কত বিট বিশিষ্ট?
  1. ৩ বিট
  2. ৮ বিট
  3. ১৬ বিট
  4. ৩২ বিট
ব্যাখ্যা
• অ্যাসকি কোড:
- ASCII একটি শব্দ সংক্ষেপ যার পূর্ণ নাম American Standard Code for Information Interchange.
- এটি একটি বহুল ব্যবহৃত আলফানিউমেরিক কোড যা মাইক্রো কম্পিউটার, মিনি কম্পিউটারসহ অনেক মেইনফ্রেম কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয়।
- অ্যাসকি কোড ৭টি বিট নিয়ে গঠিত। যেমন, A অক্ষরটির অ্যাসকি কোড 1000001.
- ASCII কোড দ্বারা 27 অর্থাৎ 128টি বিভিন্ন অংক, অক্ষর ও চিহ্ন নির্দিষ্ট করা যায়।
- ASCII কোডের ডান দিকের চারটি বিটকে সংখ্যাসূচক বিট এবং বামদিকের তিনটি বিটকে জোন বলা হয়।
- তবে একেবারে বামে একটি প্যারিটি বিট (Parity Bit) যোগ করে অ্যাসকিকে ৮ বিট (ASCII-8)-এ রূপান্তর করা হয়।
- একে Extended ASCII Code বলা হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৬৬.
1001 এর বিপরীতকরণ বা নিগেশন এর মান -
  1. ক) 0111
  2. খ) 0110
  3. গ) 0101
  4. ঘ) 1010
ব্যাখ্যা
- কোন ধনাত্মক সংখ্যাকে ঋণাত্মক সংখ্যায় কিংবা কোন ঋণাত্মক সংখ্যাকে ধনাত্মক সংখ্যায় পরিবর্তন করাকে বিপরীতকরণ বা নিগেশন বলে।
- বাইনারি চিহ্নযুক্ত সংখ্যাকে ২ এর পরিপূরকে পরিবর্তন করে বিপরীতকরণ বা নিগেশন করা হয়।
- বিপরীতকরণ বা নিগেশনের ফলে কোন সংখ্যার মানের পরিবর্তন হয় না কিন্তু চিহ্নের পরিবর্তন হয়।

» 1001 এর বিপরীতকরণ বা নিগেশন এর মান:
» 1001 এর 1 এর  পরিপূরক হচ্ছে 0110
» 1001 এর 2 এর  পরিপূরক হচ্ছে = 0110 + 1 = 0111
» অর্থাৎ 1001 এর বিপরীতকরণ বা নিগেশনের মান হচ্ছে = 0111


সুত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৫৬৭.
Boolean Algebra-এর নিচের কোনটি সঠিক?
  1. A. A = 1
  2. A + A = 2A
  3. উপরের কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
• বুলিয়ান অ্যালজেবরা: বাইনারি উপাদানসমূহের গেইট দ্বারা গঠিত গাণিতিক পদ্ধতি যা ‘+' ও ‘-' এই দুই গাণিতিক চিহ্নের সাহায্যে পরিচালিত তাকে বুলিয়ান অ্যালজেবরা বলে।
• বুলিয়ান উপপাদ্য: সাধারণত বুলিয়ান উপপাদ্যের সাহায্যে বুলিয়ান অ্যালজেবরার সকল জটিল সমীকরণসমূহের সরল করা হয়


উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৬৮.
11011 এর সমতুল্য দশমিক সংখ্যা কত?
  1. ২৫
  2. ২৭
  3. ২৯
  4. ৩২
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 11011 এর সমতুল্য দশমিক সংখ্যা কত?

সমাধান:
11011 = (1 × 24) + (1 × 23) + (0 × 22) + (1 × 21) + (1 × 20)
= 16 + 8 + 0 + 2 + 1
= 27
৫৬৯.
প্রশ্নবোধক চিহ্নের স্থানে কী বসবে?
  1. xy
  2. x + y
  3. (x + y) এর পরিপূরক
  4. x ⊕ y 
ব্যাখ্যা

চিত্রটিতে NAND গেইট দিয়ে OR গেইটের বাস্তবায়ন দেখানো হয়েছে।
৫৭০.
নিচের কোনটি 42(16) এর বাইনারী রূপ?
  1. 01010010(2)
  2. 101010(2)
  3. 01000010(2)
  4. 01001101(2)
ব্যাখ্যা
Convert each hex digit to 4 binary digits (see conversion table below):
42
= 4 2
= 0100 0010
= 01000010
Convert every hex digit (start lowest digit) to 4 binary digits, with this table:

Hexa -- Binary
------------------
0 -- 0000
1 -- 0001
2 -- 0010
3 -- 0011
4 -- 0100
5 -- 0101
6 -- 0110
7 -- 0111
8 -- 1000
9 -- 1001
A -- 1010
B -- 1011
C -- 1100
D -- 1101
E -- 1110
F -- 1111

৫৭১.
(0.1101)2 কে দশমিক সংখ্যায় রুপান্তর করলে পাওয়া যায়-
  1. 0.8125
  2. 0.4125
  3. 0.2325
  4. 0.1125
ব্যাখ্যা
⇒ (0.1101)2 = 0 × 20 + 1 × 2-1 + 1 × 2-2 + 0 × 2-3 + 1 × 2-4
= (1/2) + (1/4) + (1/16)
= 0.5 + 0.25 + 0.0625
= 0.8125

∴ (0.1101)2 = (0.8125)10
৫৭২.
এগুলোর মধ্যে কোনটির সর্বোচ্চ ভ্যালু?
  1. ক) Giga-byte
  2. খ) Mega-byte
  3. গ) Tera-byte
  4. ঘ) Exa-byte
ব্যাখ্যা

বিট (Bit) :
বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে ব্যবহৃত অঙ্ক ০ (শূন্য) এবং ১ (এক) কে বিট বলে। ইংরেজি Binary শব্দের Bi এবং Digit শব্দের নিয়ে Bit শব্দটি গঠিত হয়।
ডিজিটাল কম্পিউটারের মেশিন ভাষা হলাে বিট (০ ও ১)। এক্ষেত্রে (0) বিট দিয়ে নিম্ন ভােল্টেজ (Low Voltage) এবং (১) বিট দিয়ে উচ্চ ভােল্টেজ (High Voltage) নির্দেশ করা হয়।

বাইট (Byte) : ৮টি বিট মিলে ১ বাইট হয়। এরূপ ৮ বিটের কোড দিয়ে যে কোনাে বর্ণ, অঙ্ক বা বিশেষ চিহ্নকে প্রকাশ করা হয়। এরূপ ৮ বিট বিশিষ্ট শব্দকে বাইট বলা হয়।
কম্পিউটার মেমােরি পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত বিভিন্ন এককের মধ্যে সম্পর্ক।

(ক) ৮ বিট = ১ বাইট = ১ অক্ষর।
(খ) ১০২৪ বাইট =১ কিলােবাইট (KB)
(গ) ১০২৪ কিলােবাইট = ১ মেগাবাইট (MB)
(ঘ) ১০২৪ মেগাবাইট = ১ গিগাবাইট (GB)
(ঙ) ১০২৪ গিগাবাইট = ১ টেরাবাইট (TB)
(চ) ১০২৪ টেরাবাইট = ১ পেটাবাইট (PB)
(ছ) ১০২৪ পেটাবাইট = ১ এক্সাবাইট (EB)
(জ) ১০২৪ এক্সাবাইট = ১ জেটাবাইট (ZB)
(ঝ) ১০২৪ জেটাবাইট = ইট্রাবাইট (YB)

কম্পিউটার ওয়ার্ড (Computer Word) পর পর সংলগ্ন কতকগুলাে বিট বা বাইটের সমষ্টিকে একটি কম্পিউটার ওয়ার্ড বলে। সাধারণত ১৬ বা ৩২
বিটে ১ ওয়ার্ড ধরা হয়।

উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)

৫৭৩.
What is the decimal equivalent of (1101011)2?
  1. 85
  2. 97
  3. 102
  4. 107
ব্যাখ্যা

Question:  What is the decimal equivalent of (1101011)2?

Solution:
• (1101011)2 কে দশমিক সংখ্যায় প্রকাশ করলে 107 হয়।
(1101011)2 হলো একটি বাইনারি সংখ্যা। বাইনারি সংখ্যা দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করতে, আমরা প্রতিটি বিটকে তার স্থানের মান দিয়ে গুণ করি এবং সবগুলো যোগ করি।

1101011 = (1 × 26) (1 × 25) + (0 × 24) + (1 × 23) + (0 × 22) + (1 × 21) + (1 × 20)
= (64 + 32 + 8 + 2 + 1)
= 107

৫৭৪.
দুই বা ততোধিক ইনপুট এবং আউটপুট ইনপুটগুলোর যৌক্তিক যোগফলের সমান কোন গেইটে?
  1. AND
  2. OR
  3. NOT
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
অর গেইট যৌক্তিক যোগ পদ্ধতিতে কাজ করে। যে গেইটের দুই বা ততোধিক ইনপুট থাকে এবং আউটপুট ইনপুটগুলোর যৌক্তিক যোগফলের সমান তাকে অর গেইট বলে।
৫৭৫.
কম্পিউটার লজিকে '1' দ্বারা কোনটি বুঝানো হয় না?
  1. ক) High
  2. খ) False
  3. গ) Positive
  4. ঘ) True
ব্যাখ্যা
লজিক্যাল অপারেশনে,
0 দ্বারা low, false, negative বুঝানো হয়।
ট্রানজিস্টর লজিক সার্কিটের ক্ষেত্রে ০ থেকে + ০.৮ ভোল্ট পর্যন্ত লেবেলকে লজিক ০ ধরা হয়।

1 দ্বারা High, True, Positive বুঝানো হয়।
ট্রানজিস্টর লজিক সার্কিটের ক্ষেত্রে + ২ থেকে + ৫ ভোল্ট পর্যন্ত লেবেলকে লজিক ১ ধরা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (১১শ - ১২শ শ্রেণি), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৫৭৬.
নিচের কোনটি সার্বজনীন গেইট?
  1. AND গেট
  2. OR গেট
  3. XOR গেট
  4. NAND গেট
ব্যাখ্যা

• NAND গেট হলো একটি সার্বজনীন গেট।

• মৌলিক লজিক গেইট:
- ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতি বাস্তবায়নের জন্য যে সমস্ত গেইট কাজ করে তাদেরকে মৌলিক গেইট বলা হয়।

• কম্পিউটার বা অন্যান্য ডিজিটাল পদ্ধতির মূলে তিনটি মৌলিক গেইট রয়েছে। যেমন-
১। অর গেইট (OR Gate),
২। অ্যান্ড গেইট (AND Gate) ও
৩। নট গেইট (NOT Gate).

• সার্বজনীন গেইট:
- যে গেইট এর সাহায্যে মৌলিক গেইটসহ (AND, OR, NOT) যেকোনো গেইট এবং যেকোনো সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায় তাকে সার্বজনীন গেইট বলে।
- NAND ও NOR গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
- কারণ, শুধুমাত্র NAND গেইট বা শুধুমাত্র NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বা সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৫৭৭.
নিম্নের কোন গেট ব্যবহার করে যেকোনো অন্য গেট গঠন করা যায়?
  1. NAND এবং NOR
  2. AND এবং OR
  3. XOR এবং XNOR
  4. AND এবং NOT
ব্যাখ্যা
• যেকোনো অন্য গেট গঠন করার জন্য NAND এবং NOR গেট ব্যবহার করা যায়। কারণ, NAND ও NOR গেটকে Universal Gate বলা হয়। এই দুটি গেটের মাধ্যমে ডিজিটাল লজিকের সকল মৌলিক গেট (AND, OR, NOT, XOR, XNOR ইত্যাদি) তৈরি করা সম্ভব। বিশেষ করে, NAND গেট একাধিকবার সংযুক্ত করে NOT, AND, OR সহ সব ধরনের গেট তৈরি করা যায়। তেমনি NOR গেট দিয়েও একই কাজ করা সম্ভব। এর ফলে ডিজিটাল সার্কিট ডিজাইন আরও সহজ ও খরচসাশ্রয়ী হয়। তাই বিকল্প কোনো গেট ছাড়াই NAND বা NOR দিয়ে পূর্ণাঙ্গ লজিক সিস্টেম তৈরি করা সম্ভব।

• সার্বজনীন গেইট:
- যে গেইট এর সাহায্যে মৌলিক গেইটসহ (AND, OR, NOT) যেকোনো গেইট এবং যেকোনো সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায় তাকে সার্বজনীন গেইট বলে।
- NAND ও NOR গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
- কারণ, শুধুমাত্র NAND গেইট বা শুধুমাত্র NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বা সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়।

• মৌলিক লজিক গেইট:
- ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতি বাস্তবায়নের জন্য যে সমস্ত গেইট কাজ করে তাদেরকে মৌলিক গেইট বলা হয়।
- কম্পিউটার বা অন্যান্য ডিজিটাল পদ্ধতির মূলে রয়েছে তিনটি মৌলিক গেইট। যথা-
১. অর গেইট (OR Gate),
২. অ্যান্ড গেইট (AND Gate) ও
৩. নট গেইট (NOT Gate).

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৫৭৮.
(525)8 কে বাইনারিতে রূপান্তর করলে হয় - 
  1. 101010100
  2. 101010101
  3. 101010111
  4. 010100100
ব্যাখ্যা

 (525)8 কে বাইনারিতে রূপান্তর করলে হয় - (101010101)2

• অক্ট্যাল থেকে বাইনারিতে রূপান্তর: 
- অক্টাল থেকে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তরের ক্ষেত্রে প্রতিটি অক্ট্যাল অংককে তিন বিট বিশিষ্ট বাইনারি রূপান্তর করলে বাইনারি সংখ্যা পাওয়া যায়।
- ১ থেকে ৭ পর্যন্ত সকল অক্টাল সংখ্যার বাইনারি মান: 

• (525)এর বাইনারি মান হবে - 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৭৯.
(.1101)2 কে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করুন -
  1. ক) (.3125)10
  2. খ) (.6125)10
  3. গ) (.8125)12
  4. ঘ) (.8125)10
ব্যাখ্যা
(.1101)2 = 1 × 2-1  + 1 × 2-2  + 0 × 2-3 + 1 × 2-4

                 = 1/2 + 1/4 + 0 + 1/16
                  = .5 + .25 + 0.0625
                  = .8125 

(.1101) = (.8125)10
৫৮০.
অক্টাল 245 কে ডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিতে রূপান্তর করলে পাওয়া যায়:
  1. 165
  2. 167
  3. 171
  4. 175
ব্যাখ্যা

• অক্টাল 245 কে ডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিতে রূপান্তর করলে পাওয়া যায়: 165

• অক্টাল কে ডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তর:
- অক্টাল সংখ্যা (Octal Number):অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তি হচ্ছে ৮।
- এই পদ্ধতিতে 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6 এবং 7 এই ৮টি মৌলিক অংক ব্যবহৃত হয়।
- অক্টাল সংখ্যাকে (ভিত্তি 8) ডেসিমেল সংখ্যায় (ভিত্তি 10) রূপান্তর করতে হলে, অক্টাল সংখ্যার প্রতিটি অঙ্ককে তার স্থানীয় মান এবং ভিত্তি (8) দিয়ে গুণ করে প্রাপ্ত গুণফলগুলো যোগ করতে হয়।
- উদাহরণ: (124)8, (731)8 ইত্যাদি।

এখানে, (245)8 কে ডেসিমেল সংখ্যা হিসেবে রূপান্তর করি:
(245)8 = 2 × 82 + 4 × 81 + 5 × 80
= 2 × 64 + 4 × 8 + 5 × 1
= 128 + 32 + 5
= 165
∴ (245)8 = 165

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৫৮১.
ASCII-8 দ্বারা প্রকাশযোগ্য অঙ্ক, অক্ষর ও চিহ্নের মোট সংখ্যা কত?
  1. 128 টি
  2. 256 টি
  3. 512 টি
  4. 1024 টি
ব্যাখ্যা
• ASCII-8 (বা Extended ASCII) দ্বারা সর্বমোট 256টি অঙ্ক, অক্ষর ও চিহ্ন প্রকাশ করা যায়। মূলত, স্ট্যান্ডার্ড ASCII 7-বিট হয় এবং এতে 128টি (0-127) ক্যারেক্টার থাকে। কিন্তু ASCII-8 হলো 8-বিট সংস্করণ, যা 0 থেকে 255 পর্যন্ত মোট 256টি ইউনিক কোড সমর্থন করে। এতে স্ট্যান্ডার্ড ASCII এর পাশাপাশি অতিরিক্ত গ্রাফিক চিহ্ন, বিশেষ অক্ষর ও আন্তর্জাতিক ভাষার প্রতীক যুক্ত করা হয়। এটি কম্পিউটারের তথ্য বিনিময়ে বহুল ব্যবহৃত হয়ে থাকে। অতএব, ASCII-8 দ্বারা প্রকাশযোগ্য মোট ক্যারেক্টার সংখ্যা হলো 256টি।
- সঠিক উত্তর: খ) 256 টি।

• অ্যাসকি কোড (ASCII Code):
- ASCII শব্দের পূর্ণরূপ হলাে American Standard Code for Information Interchange.
- 1963 সালে আমেরিকান ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড ইনস্টিটিউড (ANSI) কর্তৃক ASCII কোডটি আবিষ্কৃত হয়।
- এটি বহুল ব্যবহৃত একটি 7 বিটের কোড, যার দ্বারা 128টি বিভিন্ন অংক, অক্ষরসহ বিভিন্ন চিহ্ন এবং আরাে কতকগুলাে বিশেষ চিহ্নকে প্রকাশ বা নির্দিষ্ট করা যায়।
- এটি ASCII-7 কোড নামে পরিচিত।
- ASCII-7 কোডের সর্ব বামে একটি প্যারিটি বিট যােগ করলে ASCII-৪ কোড তৈরি হয়।
- ASCII-8 কোডের মাধ্যমে 256টি বিভিন্ন অংক, অক্ষরসহ বিভিন্ন চিহ্ন এবং আরাে কতকগুলাে বিশেষ চিহ্নকে প্রকাশ বা নির্দিষ্ট করা যায়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৮২.
'১০১০১' এর ২ এর পরিপূরক কত?
  1. ১১০০১
  2. ০১০১১
  3. ১১০১১
  4. কোনোটি নয়
ব্যাখ্যা
• '১০১০১' এর ২ এর পরিপূরক হচ্ছে: ০১০১১

আমরা জানি,
১ এর পরিপূরক মানে ০ এর স্থলে ১ এবং ১ এর স্থলে ০ হবে।
'১০১০১' এর ১ এর পরিপূরক হবে ০১০১০

১ এর পরিপূরক এর সাথে ১ যোগ করলে বাইনারি সংখ্যার ২ এর পরিপূরক পাওয়া যায়
'১০১০১' এর ২ এর পরিপূরক হলো = ০১০১০ + ১ = ০১০১১
৫৮৩.
(111010)2 এর সমতুল্য অক্টাল সংখ্যা কত?
  1. 65
  2. 75
  3. 62
  4. 72
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: (111010)2 এর সমতুল্য অক্টাল সংখ্যা কত?

সমাধান: 
111010 এর সমতুল্য অক্টাল সংখ্যা বের করতে হলে ডান দিক থেকে তিন বিট করে আলাদা করে করে সমতুল্য অক্টাল সংখ্যা বের করতে হবে।
111 = 7
010 = 2

∴ সমতুল্য অক্টাল সংখ্যা = 72
৫৮৪.
ফ্লিপ-ফ্লপ সার্কিট মূলত কী ধরনের সিস্টেম?
  1. গ্রাফিক্স প্রসেসিং সিস্টেম
  2. ডিস্ক ফ্র্যাগমেন্টেশন সিস্টেম
  3. হায়ারার্কিক্যাল ডাটাবেজ
  4. মেমোরি ইউনিট
ব্যাখ্যা

◉ ফ্লিপ-ফ্লপ (Flip-Flop) হলো সিকোয়েনশিয়াল লজিক (Sequential Logic) সার্কিট, যা বাইনারি ডাটা (0 বা 1) সংরক্ষণ করতে পারে।
- এটি একটি 1-bit মেমোরি ইউনিট, যা Clock Pulse দ্বারা পরিচালিত হয় এবং ডাটা ধরে রাখার ক্ষমতা রাখে।
- ফ্লিপ-ফ্লপ সার্কিট রেজিস্টার, কাউন্টার, ও মাইক্রোপ্রসেসরের স্টোরেজ ইউনিট তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।

ফ্লিপ-ফ্লপ:
- ফ্লিপ-ফ্লপ হলো লজিক গেইট দিয়ে তৈরি এক ধরনের ডিজিটাল বর্তনী, যা এক বিট তথ্য ধারণ করতে পারে।
- প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপে এক বা একাধিক ইনপুটের জন্য দুটি আউটপুট পাওয়া যায়।
- ফ্লিপ-ফ্লপ মূলত সিঙ্গেল বিট নিয়ে কাজ করে।
- ফ্লিপ-ফ্লপ মূলত মাল্টিপল বিট নিয়ে কাজ করতে পারেনা।
- এটি এক বিট 0 অথবা 1 হতে পারে।
- এজন্য ফ্লিপ-ফ্লপকে বাই স্ট্যাবল মাল্টি ভাইব্রেটর বলা হয়।

ফ্লিপ ফ্লপের ব্যবহার:
১. বিভিন্ন রেজিস্টার তৈরিতে ফ্লিপ ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
২. সিকোয়েন্সিয়াল সার্কিটে মেমরি উপাদান হিসেবে ফ্লিপ ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
৩. ডিজিটাল ঘড়ি, ডিজিটাল ক্যামেরা, মোবাইল ফোন ইত্যাদিতে ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহৃত হয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।

৫৮৫.
নিচের কোন ক্ষেত্রে ফ্লিপ ফ্লপ ব্যবহার করা হয়?
  1. রেজিস্টার তৈরিতে
  2. ডিজিটাল ক্যামেরায়
  3. মোবাইল ফোনে
  4. উপরের সব ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• ফ্লিপ-ফ্লপ:
- ফ্লিপ-ফ্লপ হলো লজিক গেইট দিয়ে তৈরি এক ধরনের ডিজিটাল বর্তনী, যা এক বিট তথ্য ধারণ করতে পারে।
- প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপে এক বা একাধিক ইনপুটের জন্য দুটি আউটপুট পাওয়া যায়।
- ফ্লিপ-ফ্লপ মূলত সিঙ্গেল বিট নিয়ে কাজ করে।

- ফ্লিপ-ফ্লপ মূলত মাল্টিপল বিট নিয়ে কাজ করতে পারেনা।
- এটি এক বিট 0 অথবা 1 হতে পারে।
- এজন্য ফ্লিপ-ফ্লপকে বাই স্ট্যাবল মাল্টি ভাইব্রেটর বলা হয়।

• ফ্লিপ ফ্লপের ব্যবহার:
১. বিভিন্ন রেজিস্টার তৈরিতে ফ্লিপ ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
২. সিকোয়েন্সিয়াল সার্কিটে মেমরি উপাদান হিসেবে ফ্লিপ ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
৩. ডিজিটাল ঘড়ি, ডিজিটাল ক্যামেরা, মোবাইল ফোন ইত্যাদিতে ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহৃত হয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।
৫৮৬.
বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি কত?
  1. 2
  2. 8
  3. 10
  4. 16
ব্যাখ্যা
• বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি:
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি একটি ২-ভিত্তিক সংখ্যা পদ্ধতি অর্থাৎ এ সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি বা বেজ ২।

• বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি হলো সরলতম গণনা পদ্ধতি। 
- বাইনারি পদ্ধতিতে ০ এবং ১ এই দুটি মাত্র অংক ব্যবহৃত হয়। এ জন্য এই পদ্ধতিকে দ্বিমিতিক সংখ্যা পদ্ধতিও বলা হয়।
- এটি একটি পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি। এই পদ্ধতিতে ব্যবহৃত ০ অথবা ১ অংককে সংক্ষেপে বিট (Bit বা Binary digit) বলা হয়।
- বিট হলো ডেটা ও তথ্য সংরক্ষণ, ডেটা কমিউনিকেশন ও ডিজিটাল কম্পিউটারের মৌলিক একক।
- ডেটা ও তথ্য পরিমাপের জন্যও বিট ব্যবহৃত হয়। 

তথ্যসূত্র:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি; প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৫৮৭.
বিভিন্ন ভাষায় লিখিত সংখ্যাকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করে কোনটি?
  1. কাউন্টার
  2. ডিকোডার
  3. রেজিস্টার
  4. এনকোডার
ব্যাখ্যা
• এনকোডারের ব্যবহার:
- বিভিন্ন ইনপুট ডিভাইস যেমন কী-বোর্ড, মাউস বিভিন্ন টেলিফোন সেট ইত্যাদিতে ব্যবহৃত হয়।
- এনকোডার আলফানিউমেরিক কোডকে ASCII ও EBCDIC কোডে রূপান্তর করে।
- এনকোডার অ্যানালগ অডিও ভিডিওকে ডিজিটাল অডিও ভিডিওতে কনভার্ট করে ।
- দশমিক সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যায় ও বিভিন্ন কোডে রূপান্তর করে।
- রোবটিক্সে রোবট কন্ট্রোল করার ক্ষেত্রে (পজিশনাল অগ্রগণ্যতা নির্ণয়ে) এনকোডার ব্যবহৃত হয়।
- মাইক্রোপ্রসেসরের ইন্টারাপ্ট রিকোয়েস্ট (IRQ) কন্ট্রোল করার ক্ষেত্রে এনকোডার ব্যবহৃত হয়।

• ডিকোডারের ব্যবহার:
- ডিকোডার একটি বহুল ব্যবহৃত ইলেকট্রনিক যন্ত্র। 
- বিভিন্ন ধরনের ডিসপ্লেতে যেমন, মনিটরে প্রদর্শনের জন্য ভিডিও কার্ডে ডিকোডার বর্তনী ব্যবহার করা হয়।
- বাইনারি সংখ্যাকে সমতুল্য দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করে।
- বিভিন্ন ভাষায় লিখিত সংখ্যাকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করে।
- ASCII ও EBCDIC কোডকে আলফানিউমেরিক কোডে রূপান্তর করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৫৮৮.
বাসাবাড়িতে ব্যবহৃত পানির ট্যাংকের স্বয়ংক্রিয় ব্যবহার কোন লজিক গেইটের নিয়ন্ত্রন করা যায়?
  1. ক) NOR Gate
  2. খ) OR
  3. গ) AND Gate
  4. ঘ) NOT Gate
ব্যাখ্যা
নট গেইট (NOT Gate)
- এই গেইট যৌক্তিক উল্টানো পদ্ধতিতে কাজ করে।
- যে গেইটে একটি ইনপুট ও একটি আউটপুট থাকে তাকে নট গেইট বলে।
- এই গেইটের ইনপুট 1 হলে আউটপুট হবে 0 এবং ইনপুট 0 হলে আউটপুট 1 হবে।
- বাসাবাড়িতে ব্যবহৃত পানির ট্যাংকের স্বয়ংক্রিয় ব্যবহার নট গেইটের নিয়ন্ত্রন করা যায়।



সূত্র:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৮৯.
১০২৪ পেটাবাইটের সমতুল্য-
  1. ১ এক্সাবাইট
  2. ১ ইয়োট্টাবাইট
  3. ১ টেরাবাইট
  4. ১ গিগাবাইট
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার মেমোরি পরিমাপের একক:
1 Bit = Binary Digit
8 Bits = 1 Byte
1024 Bytes = 1 KB (Kilo Byte)
1024 KB = 1 MB (Mega Byte)
1024 MB = 1 GB (Giga Byte)
1024 GB = 1 TB (Terra Byte)
1024 TB = 1 PB (Petabyte)
1024 PB = 1 EB (Exa Byte)

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৯০.
প্যারালাল পোর্ট কানেক্টরে সাধারণত কয়টি পিন থাকে?
  1. ক) ৯টি
  2. খ) ১৬টি
  3. গ) ২৫টি
  4. ঘ) ৬টি
ব্যাখ্যা

প্যারালাল পোর্ট:
প্যারালাল পোর্টের মাধ্যমে একসাথে একাধিক বিট স্থানান্তরিত হয়। সাধারণত প্যারালাল পোর্ট ২৫ পিনবিশিষ্ট হয়।
এ ধরনের পোর্টে তথ্য সমান্তরালভাবে আদান-প্রদান করা হয়।
প্রিন্টার, স্ক্যানার, অপট্যিকাল ডিভাইস ইত্যাদি ডিভাইস এ ধরনের পোর্টে যুক্ত করা যায়।

সূত্রঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

৫৯১.
NOR গেইটের কোন ইনপুট সমন্বয়ে আউটপুট সত্য হবে?
  1. ক) 0, 0
  2. খ) 0, 1
  3. গ) 1, 0
  4. ঘ) 1, 1
ব্যাখ্যা


অর্থাৎ, দুইটি সংকেত মিথ্যা হলে আউটপুট সত্য হবে।

∴ 0, 0 এর জন্য আউটপুট 1 বা সত্য হবে।
৫৯২.
অর গেইট ও নট গেইটের সমষ্টি কোনটি?
  1. NOR Gate
  2. AND Gate
  3. NAND Gate
  4. XNOR Gate
ব্যাখ্যা
• নর (NOR) গেইট:
- নর (NOR) গেইট হচ্ছে অর গেইট ও নট গেইটের সমষ্টি।
- অর গেইটের আউটপুটকে নট গেইটের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত করলে নর গেইট তৈরি হয়।
- অর গেইট যে কাজ করে নর গেইট তার বিপরীত কাজ করে। নিচে ২ ইনপুট বিশিষ্ট নর গেইটের সত্যক সারণি ও চিত্র দেখানো হলো :

                   চিত্র: নর গেইট


উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৯৩.
ডিজিটাল সার্কিটে Addition করার জন্য কোন Combinational Circuit কাজ করে?
  1. এনকোডার 
  2. ডিকোডার
  3. রেজিস্টার
  4. অ্যাডার
ব্যাখ্যা

• ডিজিটাল সার্কিটে সংখ্যাগুলো যোগ করার জন্য অ্যাডার (Adder) নামক কম্বিনেশনাল সার্কিট ব্যবহার করা হয়। অ্যাডার দুটি বাইনারি সংখ্যা নিয়ে তাদের যোগফল তৈরি করে। এটি একটি মৌলিক কম্বিনেশনাল লজিক সার্কিট যা বিট ভিত্তিক গণনা করতে সক্ষম। এক বিট যোগফলের জন্য হাফ অ্যাডার (Half Adder) এবং একাধিক বিট যোগফলের জন্য ফুল অ্যাডার (Full Adder) ব্যবহার করা হয়। হাফ অ্যাডার শুধু দুটি ইনপুট বিটের যোগফল এবং ক্যারি বের করতে পারে, যেখানে ফুল অ্যাডার অতিরিক্ত ইনপুট ক্যারিও যোগ করতে পারে। অন্যদিকে, এনকোডার ইনপুট সিগন্যালকে কোডে রূপান্তর করে, ডিকোডার কোডকে আউটপুটে ভাঙে, আর রেজিস্টার ডেটা সংরক্ষণ করে। তাই যোগফলের জন্য সঠিক উত্তর: অ্যাডার।

অ্যাডার:
- কম্পিউটারের যাবতীয় গাণিতিক কাজ বাইনারি যোগের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হয়।
- গুণ হলো বার বার যোগ করা এবং ভাগ হলো বার বার বিয়োগ করা।
- আবার পূরক পদ্ধতিতে বাইনারি যোগের মাধ্যমেই বিয়োগ করা যায়।
- কাজেই যোগের মাধ্যমে গুণ, বিয়োগ, ভাগ ইত্যাদির কাজ করা যায়।

এছাড়াও, 
• রেজিস্টার:
- রেজিস্টার হলো ফ্লিপ ফ্লপের সমন্বয়ে গঠিত ডিজিটাল বর্তনী।
- রেজিস্টারের প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপ এক বিট তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে।

• এনকোডার:
- এনকোডার হলো এমন এক ধরনের ইলেট্রনিক সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী যা আলফাবেট বা মানুষের বোধগম্য ভাষাকে কম্পিউটারের বোধগম্য বা যান্ত্রিক ভাষায় রূপান্তর করে।

• ডিকোডার:
- ডিকোডার হলো এমন এক ধরনের ইলেট্রনিক সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী যা কম্পিউটারে ব্যবহৃত ভাষাকে মানুষের বোধগম্য ভাষায় রূপান্তর করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৫৯৪.
বাইনারি পদ্বতিতে ১১০০১০১ এর সাথে ১০১০১০১ যোগ কর।
  1. ক) ১০০১১১০
  2. খ) ১০০১১০১০
  3. গ) ১০১১১০১০
  4. ঘ) ১০১০১০১১
ব্যাখ্যা
দশমিক পদ্ধতির মত একই উপায়ে বাইনারি যোগ করা হয়। দুটি বাইনারি অংক যোগের চারটি নিম্নরূপ অবস্থা হয়
0+0=0
0+1=1
১+০=১
১+১ = ০ এবং এর সাথে হাতে ১ থাকবে। (হাতে থাকাকে ক্যারি বলে)
বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির যোগ হচেছ খুবই গুরুত্বপূর্ণ গাণিতিক প্রক্রিয়া। কম্পিউটারসহ প্রায় সব ইলেক্ট্রনিক যন্ত্রেই যোগের সাহায্যে বিয়োগ, গুণ ও ভাগ করা হয়। যেমন পর্যায়ক্রমে যোগের মাধ্যমে গুণ করা যায়। আবার ঋণাত্মক সংখ্যাকে ধনাত্মক সংখ্যার সাথে যোগের মাধ্যমে বিয়োগ করা হয়। আর ভাগ হলো বিয়োগেরই সংক্ষিপ্ত রূপ।
কাজেই শুধুমাত্র যোগের সার্কিট ব্যবহার করে অন্যান্য গাণিতিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা যায়। ফলে সার্কিটের সরলতা বৃদ্ধিতে ইহা খুবই সহায়ক।
 
উদাহরণ:
১১০০১০১ এর সাথে ১০১০১০১ যোগ:
   ১১০০১০১
+ ১০১০১০১
-------------
  ১০১১১০১০
 
৫৯৫.
নিচের কোনটি ইনপুট ডিভাইস?
  1. ডিজিটাল ক্যামেরা
  2. স্ক্যানার
  3. OMR
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
ডিজিটাল ক্যামেরা, স্ক্যানার, OMR, ওয়েবক্যাম প্রভৃতি ইনপুট ডিভাইস।
টাচ স্ক্রিন হচ্ছে ইনপুট - আউট পুট ডিভাইস।
তথ্যসূত্র - তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, সপ্তম শ্রেণি, পৃষ্ঠা - ২০ ও ২১।
৫৯৬.
(12)10 এর 1 এর পরিপূরক কত?
  1. ক) 1100
  2. খ) 0100
  3. গ) 0011
  4. ঘ) 1010
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: (12)10 এর 1 এর পরিপূরক কত?

সমাধান:
(12)10 = (1100)2

1100 এর 1 এর পরিপূরক = 0011
৫৯৭.
শিফ্ট রেজিস্টার কোনটি?
  1. শিফ্ট লেফট
  2. শিফট রাইট
  3. কন্ট্রোলড শিফ্ট
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• শিফ্ট রেজিস্টার:
- যে রেজিস্টার বাইনারি ডাটাকে ডানদিক বা বাম দিকে বা উভয় দিকে সরাতে পারে তাকে শিফ্ট রেজিস্টার বলে।
- শিফ্ট রেজিস্টারে একগুচ্ছ ফ্লিপ-ফ্লপ চেইন আকারে একটির সাথে অপরটি যুক্ত থাকে যাতে একটি ফ্লিপ-ফ্লপের আউটপুট পরবর্তী ফিল্প-ফ্লপের ইনপুটের সাথে সংযুক্ত থাকে।
- সকল ফ্লিপ-ফ্লপে একটি কমন ক্লক পালস্ পায় যা একটি স্টেজ থেকে অপর স্টেজে শিফ্ট সূচনা করে।
- একটি সরলতম শিফ্ট রেজিস্টারের চিত্র নিচে দেওয়া হলো যেখানে শুধুমাত্র D টাইপ ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহার করা হয়েছে এবং একটি ফ্লিপ-ফ্লপের আউটপুট পরবর্তী ফ্লিপ-ফ্লপের ইনপুটের সাথে সংযুক্ত।
- সকল ফ্লিপ-ফ্লপে একটি কমন ক্লক পালস্ দেওয়া হয়। এক একটি পালসে এক একটি বিট সরানো হয়।

• শিফ্ট রেজিস্টার কয়েক ধরনের হয়।
যথা-
(i) শিফ্ট লেফট,
(ii) শিফ্ট রাইট এবং
(iii) কন্ট্রোলড শিফ্ট।

• কন্ট্রোলড শিফ্ট রেজিস্টার আবার দু'ধরনের হতে পারে।
• যথা-
(i) সিরিয়াল লোডিং ও
(ii) প্যারালাল লোডিং।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৯৮.
n-সংখ্যক চলকের জন্য সত্যক সারণিতে ইনপুটের বিন্যাস কী হবে?
  1. 2n
  2. 3n
  3. 22n
  4. 32n
ব্যাখ্যা


উৎসঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এইচএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
৫৯৯.
কোন কোডটি Excess-3 কোডের সাথে সম্পর্কিত নয়?
  1. Binary
  2. Decimal
  3. BCD
  4. Hexadecimal
ব্যাখ্যা
• Excess-3 কোড একটি  self-complementary বাইনারি কোড, যা মূলত BCD (Binary Coded Decimal) কোডের উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়। এই কোড ব্যবহৃত হয় ডিজিটাল সিস্টেমে দশমিক সংখ্যাকে কোড করতে।

-  Excess-3 কোড = BCD কোড + 3 (প্রতিটি ডিজিটে ৩ যোগ করা হয়)
-  এই কোডে Decimal সংখ্যা যেমন 0 থেকে 9 কে বিশেষভাবে বাইনারি রূপে উপস্থাপন করা হয়।

 উদাহরণ:
- Decimal 2 = BCD → 0010
- Excess-3 → 0010 + 0011 = 0101

অন্যদিকে,
Hexadecimal হলো  একটি ভিন্ন কোডিং পদ্ধতি যা 16টি চিহ্ন (0–9, A–F) ব্যবহার করে। এটি Excess-3 এর সাথে সম্পর্কিত নয় এবং কোনোভাবে তার বেস বা রূপান্তরের উপর নির্ভর করে না।

তথ্যসূত্র:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি,  ৯ম ও ১০ম শ্রেণী ।
- M. Morris Mano, "Digital Logic and Computer Design", Chapter: Number Systems.
৬০০.
(253)10 এর সমতুল্য অক্টাল কত?
  1. 373
  2. 375
  3. 357
  4. 351
ব্যাখ্যা

(253)10 র সমতুল্য অক্টাল হলো (375)8