বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

কম্পিউটার নম্বর সিস্টেম ও লজিক গেইটসমূহ

মোট প্রশ্ন১,৩২০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

কম্পিউটার নম্বর সিস্টেম ও লজিক গেইটসমূহ

PrepBank · পাতা / ১৪ · ৩০১৪০০ / ১,৩২০

৩০১.
কোনটি ইউনিভার্সাল গেইট?
  1. NOR
  2. NOT
  3. AND
  4. OR
ব্যাখ্যা
⚪ NOR গেইট হলো একটি ইউনিভার্সাল গেইট, কারণ এর মাধ্যমে আমরা অন্য সব লজিক গেইট (যেমন AND, OR, NOT) তৈরি করতে পারি।
- NOT গেইট একটি মৌলিক গেইট, কিন্তু এটি অন্য গেইট তৈরির জন্য পর্যাপ্ত নয়।
- AND এবং OR গেইট ইউনিভার্সাল গেইট নয়, কারণ এগুলোর সাহায্যে সব গেইট তৈরি করা সম্ভব নয়।

⚪ সার্বজনীন গেইট:

- যে সকল গেইটের মাধ্যমে অ্যান্ড, অর ও নট গেইটের ফাংশনকে প্রতিস্থাপন করা যায় তাদেরকে সার্বজনীন গেইট বা ইউনিভার্সাল গেইট বলা হয়।
- অর, অ্যান্ড এবং নট এই তিনটি মৌলিক গেইটের সমন্বয়ে সকল প্রকার লজিক সার্কিট বা যুক্তি বর্তনী তৈরি করা যায়।
- আবার শুধুমাত্র ন্যান্ড গেইট ব্যবহার করেই যে কোন লজিক সার্কিট বা যুক্তি বর্তনী তৈরি করা যায়।
- এর কারণ ন্যান্ড গেইট দিয়ে অর, অ্যান্ড এবং নট গেইট বাস্তবায়ন সম্ভব।
- একইভাবে শুধু নর গেইট দিয়েই অর, অ্যান্ড এবং নট গেইট তথা যে কোন লজিক সার্কিট বা যুক্তি বর্তনী তৈরি করা সম্ভব। এ জন্য এই গেইট দুটিকে বলা হয় সার্বজনীন গেইট।

⚪নর গেইট:
নর (NOR) গেইট হচ্ছে অর গেইট ও নট গেইটের সমষ্টি। অর গেইটের আউটপুটকে নট গেইটের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত করলে নর গেইট তৈরি হয়। অর গেইট যে কাজ করে নর গেইট তার বিপরীত কাজ করে। 


 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি-১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩০২.
একটি ইনপুট ও একটি আউটপুট থাকে কোন গেইটে?
  1. নট গেইটে
  2. বাফার গেইটে
  3. অ্যান্ড গেইটে
  4. ক ও খ উভয়ই
ব্যাখ্যা
নট গেইট:
এই গেইট যৌক্তিক উল্টানো পদ্ধতিতে কাজ করে।
যে গেইটে একটি ইনপুট ও একটি আউটপুট থাকে তাকে নট গেইট বলে।
এই গেইটের ইনপুট ১ হলে আউটপুট হবে ০ এবং ইনপুট ০ হলে আউটপুট হবে ১।

বাফার গেইট:
- বাফার গেইট এক ধরনের লজিক গেইট যা নট গেইটের বিপরীত আচরণ করে।
- এতে একটি ইনপুট ও একটি আউটপুট রয়েছে। এই গেইটে ইনপুট ০ দিলে আউটপুট ০ এবং ইনপুট ১ দিলে আউটপুটও ১ হবে।
উল্লেখ্য,

উৎস: এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী)--প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩০৩.
কম্পিউটার তার কার্যাবলী কোন ধরনের গাণিতিক প্রক্রিয়ায় সম্পাদন করে?
  1. ক) Decimal
  2. খ) Boolean
  3. গ) Binary
  4. ঘ) Hexadecimal
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার তার কার্যাবলী Boolean Algebra প্রক্রিয়ায় সম্পাদন করে. আধুনিক যুগে, বুলিয়ান বীজগণিত এবং বুলিয়ান ফাংশন কম্পিউটার চিপস এবং integrated circuits গুলির নকশায় অপরিহার্য।
৩০৪.
বাইনারি কোড 'EBCDIC' উদ্ভাবন করে নিম্নের কোন প্রতিষ্ঠান?
  1. ক) মাইক্রোসফট
  2. খ) বেল ল্যাবরেটরি
  3. গ) জেরক্স
  4. ঘ) আইবিএম
ব্যাখ্যা
- EBCDIC এর পূর্ণরূপ Binary-Coded Decimal Interchange Code.
- ইহা একটি ৮বিট বিশিষ্ট বাইনারি কোড। 
- বিখ্যাত কম্পিউটার প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান IBM এই কোডের উদ্ভাবক। 
 
 
EBCDIC, in full extended binary-coded decimal interchange code, data-encoding system, developed by IBM and used mostly on its computers, that uses a unique eight-bit binary code for each number and alphabetic character as well as punctuation marks and accented letters and nonalphabetic characters. 
EBCDIC differs in several respects from Unicode and ASCII, the most widely used systems of encoding text, dividing the eight bits for each character into two four-bit zones, with one zone indicating the type of character, digit, punctuation mark, lowercase letter, capital letter, and so on, and the other zone indicating the value—that is, the specific character within this type.
 
Source: Britannica
৩০৫.
73 এর বিসিডি কোড কত?
  1. 01110011
  2. 01111011
  3. 11110011
  4. 01110001
ব্যাখ্যা
• বিসিডি কোড:
- বিসিডি (BCD) শব্দের পূর্ণরূপ হলো বাইনারি কোডেড ডেসিমেল (Binary Coded Decimal)।
- দশমিক (Decimal) সংখ্যার প্রতিটি অঙ্ককে বাইনারিতে রূপান্তরই হলো বিসিডি কোড।
- এই পদ্ধতিতে দশমিক সংখ্যা 0 থেকে 9 পর্যন্ত মোট দশটি অংককে সমতুল্য 4 বিট বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করা হয়।
- 4 বিট দ্বারা 24 অর্থাৎ 16 ভিন্ন অবস্থা নির্দেশ করা যায়। তাই 16টি অবস্থা ব্যবহার করে কয়েক প্রকার BCD কোড গঠন করা সম্ভব।
- এর মধ্যে BCD 8421 কোড বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য এবং বহুল ব্যবহৃত।

7 এর বিসিডি 0111
3 এর বিসিডি 0011
∴ 73 এর বিসিডি 01110011

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩০৬.
কোনটি ইউনিভার্সাল গেইট?
  1. ক) OR
  2. খ) AND
  3. গ) NOT
  4. ঘ) NAND
ব্যাখ্যা
সার্বজনীন গেইট:
- যে সকল গেইটের মাধ্যমে অ্যান্ড, অর ও নট গেইটের ফাংশনকে প্রতিস্থাপন করা যায় তাদেরকে সার্বজনীন গেইট বা ইউনিভার্সাল গেইট বলা হয়।
- অর, অ্যান্ড এবং নট এই তিনটি মৌলিক গেইটের সমন্বয়ে সকল প্রকার লজিক সার্কিট বা যুক্তি বর্তনী তৈরি করা যায়।
- আবার শুধুমাত্র ন্যান্ড গেইট ব্যবহার করেই যে কোন লজিক সার্কিট বা যুক্তি বর্তনী তৈরি করা যায়।
- এর কারণ ন্যান্ড গেইট দিয়ে অর, অ্যান্ড এবং নট গেইট বাস্তবায়ন সম্ভব।
- একইভাবে শুধু নর গেইট দিয়েই অর, অ্যান্ড এবং নট গেইট তথা যে কোন লজিক সার্কিট বা যুক্তি বর্তনী তৈরি করা সম্ভব। এ জন্য এই গেইট দুটিকে বলা হয় সার্বজনীন গেইট।

ন্যান্ড গেইট:
- ন্যান্ড (NAND) গেইট হচ্ছে অ্যান্ড গেইট ও নট গেইটের সমন্বিত রূপ।
- অ্যান্ড গেইটের আউটপুটকে নট গেইটের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত করলে তখন তাকে বলা হয় ন্যান্ড গেইট।
- অ্যান্ড গেইট যে কাজ করে ন্যান্ড গেইট তার বিপরীত কাজ করে।



উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি-১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩০৭.
(৪৫)১০ = (?)
  1. ক) ৫৩
  2. খ) ৫৪
  3. গ) ৫৫
  4. ঘ) ৫৬
ব্যাখ্যা
কোন ব্যাখ্যা যোগ করা হয়নি।
৩০৮.
(- 5) কে ২ এর সম্পূরক পদ্ধতি ব্যবহার করে ৮ বিট বাইনারি প্রকাশ কোনটি?
  1. 111110102
  2. 111110112
  3. 111110012
  4. 111111012
ব্যাখ্যা

• ১ এর সম্পূরক (1’s Complement): কোনো বাইনারি সংখ্যার ১ এর সম্পূরক পাওয়ার জন্য সব বিট উল্টিয়ে দেওয়া হয়। 0 ⇒ 1, 1 ⇒ 0.
• ২ এর সম্পূরক (2’s Complement): কোনো বাইনারি সংখ্যার ২ এর সম্পূরক পাওয়ার জন্য সব বিট উল্টিয়ে দিয়ে সাথে 1 যোগ করতে হয়।

5 কে ৮ বিট বাইনারি আকারে লিখলে,
5 = 000001012

​১ এর সম্পূরক (One’s Complement): করতে বিট গুলোকে উল্টিয়ে দিলে,
00000101 ⇒ 11111010

এখন,
২ এর সম্পূরক (Two’s Complement): উল্টানো বিটের সাথে ১ যোগ করি,
11111010 + 1 = 111110112

​অতএব,
(- 5)10 = 111110112 

৩০৯.
বাইনারি সংখ্যা 10101 এর দশমিক মান কত? 
  1. 17
  2. 19
  3. 21
  4. 23
ব্যাখ্যা
- বাইনারি সংখ্যা 10101 এর দশমিক মান 21

বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর: 
- বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করার সময় প্রত্যেক অংককে ২ দ্বারা গুণ করতে হয়। 
- গুণ করার সময় স্থানীয় মান অনুযায়ী ২ এর ঘাত ০ হতে বাড়াতে হবে। 
- প্রাপ্ত গুণফলকে যোগ করলে উক্ত বাইনারি সংখ্যাটির সমতুল্য দশমিক মান পাওয়া যাবে। 

এখানে, 
10101 
= (1 ×24) + (0 × 23) + (1 × 22) + (0 × 21) + (1 × 20
= 16 + 0 + 4 + 0 + 1 
=21 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৩১০.
Boolean Algebra - এর নিচের কোনটি সঠিক?
  1. ক) A + Ā = 1
  2. খ) A . A = 1
  3. গ) A + A = 2A
  4. ঘ) উপরের কোনোটিই নয়
৩১১.
ডেসিমেল সংখ্যা 12 এর মান হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিতে কত?
  1. ক) B
  2. খ) C
  3. গ) D
  4. ঘ) E
ব্যাখ্যা
হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি (Hexadecimal Number System):
- হেক্সাডেসিমেল একটি ১৬ ভিত্তিক সংখ্যা পদ্ধতি। এ পদ্ধতিতে মোট ১৬টি অংক বা ডিজিট ব্যবহার করা হয়।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় ১৬টি প্রতীকের মধ্যে দশমিক পদ্ধতির দশটি প্রতীক এবং বাকী ৬টি বর্ণ প্রতীক ব্যবহার করা হয়।
- ০ থেকে ৯ পর্যন্ত অংক প্রতীক এবং ৯ এর পরেরগুলো হচ্ছে A, B, C, D, E ও F.
- এখানে A, B, C, D, E এবং F এর সমতুল্য দশমিক মান হচ্ছে যথাক্রমে ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪ এবং ১৫।
- (851)16, (21B)16 ইত্যাদি হলো হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার উদাহরণ। 



উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩১২.
ডেসিমেল সংখ্যা 105 এর সমতুল্য বাইনারি মান কত?
  1. 1010101
  2. 1101001
  3. 0101011
  4. 1001001
ব্যাখ্যা
• দশমিক থেকে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর:
- দশমিক সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করার জন্য সংখ্যাটিকে ক্রমাগত ২ দ্বারা ভাগ করতে হয় এবং ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হয়।
- এভাবে চলতে থাকে যতক্ষন না ভাগশেষ ০ আসে।

∴ দশমিক (105)10 = বাইনারি (1101001)2 হবে।
৩১৩.
EBCDIC মূলত কোন ধরনের কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত হয়?
  1. Mobile devices
  2. Personal computers
  3. UNIX servers
  4. IBM mainframes
ব্যাখ্যা

• EBCDIC (Extended Binary Coded Decimal Interchange Code) মূলত IBM তৈরি করা একটি ক্যারেক্টার এনকোডিং সিস্টেম, যা অক্ষর ও সংখ্যা কম্পিউটারে সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াকরণের জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি সাধারণত IBM-এর মূলফ্রেম কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত হয়, যা বড় বড় সংস্থা ও ব্যাংকিং সেক্টরে ডেটা প্রসেসিংয়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। EBCDIC-এর ডিজাইন মূলত বৃহৎ এবং জটিল ডেটা প্রসেসিং সিস্টেমকে সমর্থন করার জন্য করা হয়েছে। অন্য কম্পিউটার প্ল্যাটফর্ম যেমন মোবাইল ডিভাইস, পার্সোনাল কম্পিউটার বা UNIX সার্ভারে ASCII বা Unicode এনকোডিং বেশি প্রচলিত। সুতরাং, EBCDIC-এর প্রধান ব্যবহার ক্ষেত্র হলো IBM mainframes.

- সঠিক উত্তর: ঘ) IBM mainframes.

• ইবিসিডিক কোড:
- EBCDIC এর পূর্ণরূপ হলো Extended Binary Coded Decimal Interchange Code.
- এটি একটি ৪ বিটের কোড।
- এই কোড দ্বারা 28 বা 256টি অংক, অক্ষর বা চিহ্ন প্রকাশ করা যায়।
- এই কোডে জোন বিট হিসেবে 0 থেকে 9 পর্যন্ত, সংখ্যার জন্য 1111, A থেকে Z পর্যন্ত বর্ণের জন্য 1100, 1101, 1110 এবং বিশেষ চিহ্নের জন্য 0100, 0101, 0110 ও 0111 ব্যবহৃত হয়।
- দশমিক সংখ্যাগুলোকে BCD 8421 কোডের মাধ্যমে প্রকাশ করে প্রত্যেক সংখ্যার সাথে 1111 যোগ করে EBCDIC কোড প্রকাশ করা হয়।
- যেমন: 5 কে EBCDIC এ প্রকাশ করতে হলে 5 কে প্রথমে BCD 8421 অর্থাৎ 0101 এ প্রকাশ করে এর সাথে 1111 যোগ করতে হবে। কাজেই 5 এর EBCDIC হবে 11110101.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা।

৩১৪.
বুলিয়ান উপপাদ্য অনুসারে নিচের কোনটি সঠিক?
  1. ক) A+1 = 0
  2. খ) A.0 = 1
  3. গ) A.1 = 0
  4. ঘ) A+A′ = 1
ব্যাখ্যা

সূত্রঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি - প্রথম পত্র, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৩১৫.
(A25.B3)16 = (?)2
  1. 101000100101.10110011
  2. 100010011001.10011001
  3. 010111011010.01001100
  4. 101000010001.01001100
ব্যাখ্যা
এখানে,
A (10) = 1010
2 = 0010
5 = 0101
B (11) = 1011
3 = 0011

∴ (A25.B3)16 = 1010 0010 0101.1011 0011 
= (101000100101.10110011)2
৩১৬.
120 এর বিসিডি কোড কত?
  1. 11110000
  2. 000100100000
  3. 000100110001
  4. 000100101000
ব্যাখ্যা
⚪ বিসিডি কোড:
- বিসিডি (BCD) শব্দের পূর্ণরূপ হলো বাইনারি কোডেড ডেসিমেল (Binary Coded Decimal)।
- দশমিক (Decimal) সংখ্যার প্রতিটি অঙ্ককে বাইনারিতে রূপান্তরই হলো বিসিডি কোড।
- এই পদ্ধতিতে দশমিক সংখ্যা 0 থেকে 9 পর্যন্ত মোট দশটি অংককে সমতুল্য 4 বিট বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করা হয়।

- 4 বিট দ্বারা 24 অর্থাৎ 16 ভিন্ন অবস্থা নির্দেশ করা যায়। তাই 16টি অবস্থা ব্যবহার করে কয়েক প্রকার BCD কোড গঠন করা সম্ভব।
- এর মধ্যে BCD 8421 কোড বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য এবং বহুল ব্যবহৃত। 

120 এর প্রত্যেকটি digit হলো:

1

2

0

এখন প্রতিটি digit কে 4-bit binary তে রূপান্তর করি:

1 → 0001

2 → 0010

0 → 0000

এখন একসাথে বসালে:
0001 0010 0000

অথবা, একটানা লিখলে: 000100100000

এটাই হলো BCD রূপ।

∴ সঠিক উত্তর: 000100100000

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩১৭.
ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহৃত হয়-
  1. ক) মেমোরি উপাদান হিসেবে ব্যবহৃত হয়
  2. খ) ডেটা ট্রান্সফারে ব্যবহৃত হয়
  3. গ) কাউন্টার, রেজিস্টার হিসেবে ব্যবহৃত হয়
  4. ঘ) উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা
ফ্লিপ-ফ্লপ হলো লজিক গেইট দিয়ে তৈরি এক ধরনের ডিজিটাল বর্তনী, যা এক বিট তথ্য ধারণ করতে পারে। প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপে এক বা একাধিক ইনপুটের জন্য দুটি আউটপুট পাওয়া যায়। 
- মেমোরি ডিভাইসের ক্ষুদ্রতম একক হলো ফ্লিপ-ফ্লপ গেইট।
- অসংখ্য ফ্লিপ-ফ্লপ এর সমন্বয়ে গঠিত হয় ইলেক্ট্রনিক মেমোরি ডিভাইস।
• ফ্লিপ-ফ্লপ এর ব্যবহার-
১. মেমোরি উপাদান হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
২. কাউন্টার, রেজিস্টার হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৩. ডেটা ট্রান্সফারে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৩১৮.
(১২৭) এর বাইনারী কত?
  1. ক) ১১১০০১১
  2. খ) ১১১১০০১
  3. গ) ১১১১০০০
  4. ঘ) ১০১০১১১
ব্যাখ্যা

(১২৭) 
১ ২ ২৭
০০১ ০১০ ১১১
= ১০১০১১১

৩১৯.
বুলিয়ান উপপাদ্য অনুসারে, A + Ā = ?
  1. A
  2. 1
  3. 0
  4. Ā
ব্যাখ্যা

• বুলিয়ান অ্যালজেব্রার মৌলিক উপপাদ্য (OR logic) অনুযায়ী, কোনো চলক এবং তার বিপরীত (Complement) চলকের যোগফল সর্বদা 1 হয়।
যদি A = 0 হয়, তবে Ā = 1।
অতএব, 0 + 1 = 1

যদি A = 1 হয়, তবে Ā = 0।
অতএব, 1 + 0 = 1

সুতরাং, উভয় ক্ষেত্রেই A + Ā = 1। 

• বুলিয়ান অ্যালজেবরা উপপাদ্য সমূহ:


উৎস:  তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩২০.
১০০১ বাইনারি নাম্বারের সমতুল্য ডেসিমাল নাম্বার কোনটি?
  1. ক) ১১
  2. খ) ৮
  3. গ) ৯
  4. ঘ) ৭
ব্যাখ্যা
(1001)₂ = (1 × 2³) + (0 × 2²) + (0 × 2¹) + (1 × 2⁰) = (9)₁₀
৩২১.
কোন গেইটের আউটপুটকে নট গেইট দিয়ে প্রবাহিত করলে এক্স-নর গেইট পাওয়া যায়?
  1. ক) নট
  2. খ) অর
  3. গ) এক্স-অর
  4. ঘ) ন্যান্ড
ব্যাখ্যা
এক্স-অর এবং এক্স-নর নামে দুইটি লজিক গেইট রয়েছে যা বিশেষ গেইট নামে পরিচিত। এক্স-অর গেইটের আউটপুটকে নট গেইট দিয়ে প্রবাহিত করলে এক্স-নর গেইট পাওয়া যায়।
৩২২.
নিচের কোনটি আলফানিউমেরিক কোড?
  1. ক) ইউনিকোড
  2. খ) ইবিসিডিক কোড
  3. গ) অ্যাসকি কোড
  4. ঘ) উপরের সবগুলোই
ব্যাখ্যা
কতগুলো জনপ্রিয় আলফানিউমেরিক কোড হলো- ইউনিকোড, ইবিসিডিক কোড ও অ্যাসকি কোড।
৩২৩.
(97)10 বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করুন।
  1. ক) 1100001
  2. খ) 11001001
  3. গ) 1100011
  4. ঘ) 1000011
ব্যাখ্যা

সুতরাং, (97)10 = (1100001)2
৩২৪.
2510 = (?)2
  1. 11011
  2. 11001
  3. 11101
  4. 1000011
ব্যাখ্যা

ডেসিমেল সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে রূপান্তরঃ

পূর্ণ সংখ্যার ক্ষেত্রে-

ধাপ-১ঃ সংখ্যাটিকে টার্গেট সংখ্যা পদ্ধতির বেজ (২) দিয়ে ভাগ করতে হবে।

ধাপ-২ঃ ধাপ-১ ভাগফলকে নিচে এবং ভাগশেষকে ডানে লিখতে হবে।

ধাপ-৩ঃ ধাপ-১ এর ভাগফলকে পুনরায় টার্গেট সংখ্যা পদ্ধতির বেজ (২) দিয়ে ভাগ করতে হবে।

ধাপ-৪ঃ ধাপ-৩ এর ভাগফলকে নিচে ও ভাগশেষকে ডানে লিখতে হবে।

এই প্রক্রিয়া ততক্ষণ চলবে যতক্ষণ না ভাগফল শুন্য (0) হয়। অতঃপর ভাগশেষগুলোকে নিচ থেকে উপরের দিকে পর্যায়ক্রমে সাজিয়ে লিখলে ডেসিমেল পূর্ণসংখ্যাটির সমতুল্য বাইনারি মান পাওয়া যাবে।

যেমন ২৫ এর ক্ষেত্রে,

২৫ / ২ = ১২ ভাগশেষ -

১২ / ২ = ৬ ভাগশেষ -

৬ / ২ = ৩ ভাগশেষ -

৩ / ২ = ১ ভাগশেষ -

১ / ২ = ০ ভাগশেষ -

অর্থাৎ, দশমিক সংখ্যা ২৫-এর বাইনারি রূপ = ১১০০১

৩২৫.
(111011)2 - এর দশমিক সমকক্ষ মান কত?
  1. 59
  2. 69
  3. 49
  4. 79
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর - ক) 59

• পূর্ণ বাইনারি সংখ্যাকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর: 

১। বাইনারি সংখ্যার প্রত্যেকটি অংককে বাইনারি সংখ্যার বেজ 2 দ্বারা গুণ করতে হবে।
২। গুণ করার সময় স্থানীয় মান অনুযায়ী 2-এর ঘাত 0 হতে বাড়াতে হবে। যেমন- একক স্থানীয় অংকটিকে 20 দ্বারা, দশক স্থানীয় অংকটিকে 21 দ্বারা, শতক স্থানীয় অংকটিকে 22,..... দ্বারা গুণ করতে হবে।
৩। প্রাপ্ত গুণফলকে যোগ করলে দশমিকের সমতুল্য মান পাওয়া যাবে।


সুতরাং, (111011)2 = (59)10

উৎস: বিবিএ প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩২৬.
বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে ব্যবহৃত 0 এবং 1 অংক দুটিকে সংক্ষেপে কী বলা হয়?
  1. নিবল
  2. বাইট
  3. বিট
  4. ওয়ার্ড
ব্যাখ্যা

• বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে ব্যবহৃত 0 এবং 1 এই দুটি অংককে সংক্ষেপে বিট (Bit) বলা হয়; Bit শব্দটি Binary এবং Digit শব্দের সমন্বয়ে গঠিত।

• সংখ্যা পদ্ধতির প্রকারভেদ:
- সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তির উপর নির্ভর করে চার ধরনের সংখ্যা পদ্ধির প্রচলন রয়েছে।
- প্রধান চারটি সংখ্যা পদ্ধতি হলো: দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি (Decimal Number System), বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (Binary Number System), অক্ট্যাল সংখ্যা পদ্ধতি (Octal Number System), হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি (Hexadecimal Number System)।

• দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি:
- মানুষ দৈনন্দিন জীবনে গণনা ও হিসাব-নিকাশের জন্য যে সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করে তাকে দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি বলা হয়।
- এ পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তি 10।
- কারণ এতে মোট 10টি মৌলিক অংক ব্যবহৃত হয়।
- ব্যবহৃত অংকসমূহ: 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9।
- উদাহরণ: (101)10, 12310, (98.73)10
- সাধারণ হিসাব-নিকাশে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হলেও কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ প্রসেসিংয়ে সরাসরি ব্যবহৃত হয় না।

• বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি:
- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে মাত্র দুটি অংক 0 এবং 1 ব্যবহৃত হয় তাকে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- এই পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তি 2।
- 0 এবং 1 এই দুটি অংককে সংক্ষেপে বিট (Bit) বলা হয়।
- Bit শব্দটি Binary থেকে Bi এবং Digit থেকে t নিয়ে গঠিত।
- 0 এবং 1-কে বিভিন্নভাবে সাজিয়ে যে কোনো সংখ্যাকে বাইনারি পদ্ধতিতে প্রকাশ করা যায়।
- উদাহরণ: (101)2, 100012, (1000.111)2
- উদাহরণ: দশমিক সংখ্যা 127 বাইনারি পদ্ধতিতে 10000011।

• অক্ট্যাল সংখ্যা পদ্ধতি:
- অক্ট্যাল সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তি 8।
- এতে মোট 8টি মৌলিক অংক ব্যবহৃত হয়।
- ব্যবহৃত অংকসমূহ: 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7।
- উদাহরণ: (101)8, (731)8, (645.103)8

• হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি:
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তি 16।
- এতে মোট 16টি মৌলিক অংক ব্যবহৃত হয়।
- ব্যবহৃত অংকসমূহ: 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9, A, B, C, D, E, F।
- A, B, C, D, E, F এর দশমিক মান যথাক্রমে 10, 11, 12, 13, 14, 15।
- বর্ণ ও সংখ্যা উভয়ের ব্যবহার থাকার কারণে এটিকে আলফানিউমেরিক সংখ্যা পদ্ধতিও বলা হয়।
- উদাহরণ: (151)16, (1B)16, (ABC.B)16

• অন্যান্য অপশন:
- নিবল (Nibble) → 4 বিটের সমষ্টিকে নিবল বলা হয়।
- বাইট (Byte) → 8 বিটের সমষ্টিকে বাইট বলা হয়।
- ওয়ার্ড (Word) → কম্পিউটারের স্থাপত্যভেদে নির্দিষ্ট সংখ্যক বিটের সমষ্টিকে ওয়ার্ড বলা হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩২৭.
দশমিক সংখ্যা 25 এর বাইনারি সংখ্যা কোনটি?
  1. ক) 10110
  2. খ) 11001
  3. গ) 10101
  4. ঘ) 10001
ব্যাখ্যা
25 এর সমতুল্য বাইনারি হলো 11001

৩২৮.
The ASCII code of 'b' is?
  1. 66
  2. 97
  3. 98
  4. 67
ব্যাখ্যা

• অ্যাসকি কোড (ASCII Code):
- ASCII শব্দের পূর্ণরূপ হলাে American Standard Code for Information Interchange.
- এটি কম্পিউটারে ব্যবহৃত একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় আলফানিউমেরিক কোড।
- 1963 সালে আমেরিকান ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড ইনস্টিটিউড (ANSI) কর্তৃক ASCII কোডটি আবিষ্কৃত হয়।
- এটি বহুল ব্যবহৃত একটি 7 বিটের কোড, যার দ্বারা 128টি বিভিন্ন অংক, অক্ষরসহ বিভিন্ন চিহ্ন এবং আরাে কতকগুলাে বিশেষ চিহ্নকে প্রকাশ বা নির্দিষ্ট করা যায়।
- এটি ASCII-7 কোড নামে পরিচিত।
- ASCII-7 কোডের সর্ব বামে একটি প্যারিটি বিট যােগ করলে ASCII-8 কোড তৈরি হয়। ASCII-8 কোডের মাধ্যমে 256টি বিভিন্ন অংক, অক্ষরসহ বিভিন্ন চিহ্ন এবং আরাে কতকগুলাে বিশেষ চিহ্নকে প্রকাশ বা নির্দিষ্ট করা যায়।
• ইংরেজি ছোট হাতের অক্ষরগুলোর ডেসিমাল মান 97 থেকে 122 পর্যন্ত।
-  উদাহরণস্বরূপ: a = 97, b = 98, c = 99, d = 100 … z = 122।
• ইংরেজি বড় হাতের অক্ষরগুলোর ডেসিমাল মান 65 থেকে 90 পর্যন্ত।
উদাহরণস্বরূপ: A = 65, B = 66, C = 67 … Z = 90।

'A' এর ASCII code = 65
'B' এর ASCII code = 66
'C' এর ASCII code = 67
'a' এর ASCII code = 97
'b' এর ASCII code = 98
'c' এর ASCII code = 99

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩২৯.
বাইনারি সংখ্যা 1011011 এর সমতুল্য ডেসিমেল সংখ্যা কত?
  1. 90
  2. 91
  3. 80
  4. 81
ব্যাখ্যা
• বাইনারি সংখ্যা 1011011 এর সমতুল্য ডেসিমেল সংখ্যা 91.

• বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর:
- বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করার সময় প্রত্যেক অংককে ২ দ্বারা গুণ করতে হয়।
- গুণ করার সময় স্থানীয় মান অনুযায়ী ২ এর ঘাত ০ হতে বাড়াতে হবে।
- প্রাপ্ত গুণফলকে যোগ করলে উক্ত বাইনারি সংখ্যাটির সমতুল্য দশমিক মান বা ডেসিমেল নাম্বার পাওয়ার যাবে।

এখানে,
(1011011)2
= (1 × 2⁶) + (0 × 2⁵) + (1 × 2⁴) + (1 × 2³) + (0 × 2²) + (1 × 2¹) + (1 × 2⁰)
= 64 + 0 + 16 + 8 + 0 + 2 + 1
= (91)₁₀
৩৩০.
অক্টাল সংখ্যা (২৪) এর বাইনারি রূপ হচ্ছে:
  1. (১০১ ১১০)
  2. (১০১ ১০০)
  3. (১১১ ১১১)
  4. (০১০ ১০০)
ব্যাখ্যা

• অক্টাল সংখ্যা (২৪) এর বাইনারি রূপ হচ্ছে: (০১০ ১০০)

অক্টাল থেকে বাইনারিতে রূপান্তর:
- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে ৮টি অঙ্ক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয়, তাকে অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- অক্টাল থেকে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তরের ক্ষেত্রে প্রতিটি অক্টাল অংক কে তিন বিট বিশিষ্ট বাইনারি রূপান্তর করলে বাইনারি সংখ্যা পাওয়া যায়। যেমন-
১ = ০০১
২ = ০১০
৩ = ১০১
৪ = ১০০


∴ (২৪) = (০১০ ১০০)

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৩১.
একটি 4-বিট সিনক্রোনাস আপ কাউন্টার তৈরি করতে সর্বনিম্ন কয়টি ফ্লিপ-ফ্লপ দরকার?
  1. 1
  2. 2
  3. 4
  4. 16
ব্যাখ্যা

◉ একটি 4-বিট সিনক্রোনাস আপ কাউন্টার তৈরি করতে সর্বনিম্ন 4টি ফ্লিপ-ফ্লপ দরকার।
একটি n-বিট বাইনারি কাউন্টার তৈরি করতে n সংখ্যক ফ্লিপ-ফ্লপ দরকার, কারণ প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপ একটি বিট সংরক্ষণ করে এবং কাউন্টের মান পরিবর্তনের জন্য প্রয়োজন হয়।

ফ্লিপ-ফ্লপ:
- ফ্লিপ-ফ্লপ হলো লজিক গেইট দিয়ে তৈরি এক ধরনের ডিজিটাল বর্তনী, যা এক বিট তথ্য ধারণ করতে পারে।
- প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপে এক বা একাধিক ইনপুটের জন্য দুটি আউটপুট পাওয়া যায়।
- ফ্লিপ-ফ্লপ মূলত সিঙ্গেল বিট নিয়ে কাজ করে।
- ফ্লিপ-ফ্লপ মূলত মাল্টিপল বিট নিয়ে কাজ করতে পারেনা।
- এটি এক বিট 0 অথবা 1 হতে পারে।
- এজন্য ফ্লিপ-ফ্লপকে বাই স্ট্যাবল মাল্টি ভাইব্রেটর বলা হয়।

• ফ্লিপ ফ্লপের ব্যবহার:
১. বিভিন্ন রেজিস্টার তৈরিতে ফ্লিপ ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
২. সিকোয়েন্সিয়াল সার্কিটে মেমরি উপাদান হিসেবে ফ্লিপ ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
৩. ডিজিটাল ঘড়ি, ডিজিটাল ক্যামেরা, মোবাইল ফোন ইত্যাদিতে ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহৃত হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৩২.
ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে সমবায় সার্কিটের সংযোজন কী দ্বারা করা যেতে পারে?
  1. অ্যাডার
  2. রেজিস্টার
  3. ডিকোডার
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার সিস্টেমে যে সমবায় সার্কিট দ্বারা যোগ করা যায় তাকে বলে অ্যাডার।

• অ্যাডার:
- কম্পিউটারের যাবতীয় গাণিতিক কাজ বাইনারি যোগের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হয়।
- গুণ হলো বার বার যোগ করা এবং ভাগ হলো বার বার বিয়োগ করা।
- পূরক পদ্ধতিতে বাইনারি যোগের মাধ্যমেই বিয়োগ করা যায়।
- অতএব, যোগের মাধ্যমে গুণ, বিয়োগ, ভাগ ইত্যাদি কাজ করা সম্ভব।
- ডিজিটাল ইলেক্ট্রনিক্সে অ্যাডারের দুই ধরনের প্রকারভেদ রয়েছে:

১. হাফ-অ্যাডার:
- যে অ্যাডার দুটি বিট যোগ করে, যোগফল এবং হাতে থাকা সংখ্যা বা ক্যারি বের করে, তাকে হাফ-অ্যাডার বলা হয়।

২. ফুল-অ্যাডার:
- যে অ্যাডার একটি ক্যারি ও দুটি বিটসহ মোট তিনটি বিট যোগ করে, যোগফল এবং হাতে থাকা সংখ্যা বা ক্যারি বের করে, তাকে ফুল-অ্যাডার বলা হয়।
- এভাবে, অ্যাডারগুলি গাণিতিক কাজের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, যা সিস্টেমের কার্যকারিতা বৃদ্ধি করে।

• অন্যান্য অপশন আলোচনা:
• রেজিস্টার:
- রেজিস্টার হলো ফ্লিপ ফ্লপের সমন্বয়ে গঠিত ডিজিটাল বর্তনী।
- রেজিস্টারের প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপ এক বিট তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে।

• এনকোডার:
- এনকোডার হলো এমন এক ধরনের ইলেট্রনিক সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী যা আলফাবেট বা মানুষের বোধগম্য ভাষাকে কম্পিউটারের বোধগম্য বা যান্ত্রিক ভাষায় রূপান্তর করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩৩৩.
নিচের কোনটি মৌলিক (Basic) লজিক গেইট?
  1. NAND
  2. XOR
  3. XNOR 
  4. AND
ব্যাখ্যা

সার্বজনীন গেইট: 
- যে গেইট এর সাহায্যে মৌলিক গেইটসহ (AND, OR, NOT) যেকোনো গেইট এবং যেকোনো সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায় তাকে সার্বজনীন গেইট বলে। 
- NAND ও NOR গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়। কারণ, শুধুমাত্র NAND গেইট বা শুধুমাত্র NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বা সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়। 

মৌলিক লজিক গেইট: 
- OR Gate, 
- AND Gate এবং 
- NOT Gate. 

সার্বজনীন লজিক গেইট: 
- NAND Gate এবং 
- NOR Gate. 

বিশেষ লজিক গেইট: 
- XOR Gate এবং 
- XNOR Gate. 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৩৩৪.
অ্যালগরিদমের মূল উদ্দেশ্য কী?
  1. তথ্য কার্যকরভাবে সংরক্ষণ করা
  2. একটি নির্দিষ্ট সমস্যা ধাপে ধাপে সমাধান করা
  3. গ্রাফিক্যাল বিষয়বস্তু প্রদর্শন করা
  4. নেটওয়ার্ক ট্রাফিক পরিচালনা করা
ব্যাখ্যা

• অ্যালগরিদমের মূল উদ্দেশ্য হলো একটি নির্দিষ্ট সমস্যা ধাপে ধাপে সমাধান করা। এটি একটি সুসংগঠিত ধারা যেখানে সমস্যার সমাধানের জন্য প্রয়োজনীয় ধাপগুলি ক্রমবদ্ধভাবে নির্ধারণ করা হয়। অ্যালগরিদম কম্পিউটার প্রোগ্রামিং এবং তথ্য প্রযুক্তিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি কার্যকরী ও সঠিক সমাধান নিশ্চিত করে। তথ্য সংরক্ষণ, গ্রাফিক্যাল বিষয়বস্তু প্রদর্শন বা নেটওয়ার্ক ট্রাফিক পরিচালনা অ্যালগরিদমের সীমিত অংশ হতে পারে, কিন্তু মূল লক্ষ্য সবসময় সমস্যার সমাধান প্রক্রিয়াকে সহজ, নির্ভুল এবং কার্যকর করা। তাই ধাপে ধাপে সমাধান করাই অ্যালগরিদমের কেন্দ্রীয় উদ্দেশ্য।

• অ্যালগরিদমের মূল বৈশিষ্ট্য (Characteristics of Algorithm):
- অ্যালগরিদম হলো একটি স্পষ্ট ধাপে ধাপে নির্দেশনার সেট, যা কোনো সমস্যার সমাধান প্রদান করে।  
- এলোমেলো প্রক্রিয়ার ধারা নয়; অ্যালগরিদম সর্বদা নির্দিষ্ট ধাপে ধাপে কাজ করে।  
- ভিত্তিহীন অনুমান নয়; অ্যালগরিদমের প্রতিটি ধাপ নির্ভর করে পূর্বের ধাপের ফলাফলের উপর।  
- অস্পষ্ট যৌক্তিক ধারা নয়; অ্যালগরিদমে প্রতিটি ধাপ সুস্পষ্ট ও সুনির্দিষ্ট।  

- সঠিক উত্তর: খ) নির্দিষ্ট ধাপে ধাপে সমাধান।  

সূত্র:
- ব্রিটানিকা। [link]

৩৩৫.
কোনটি সঠিক নয়?
  1. ক) A + A = A
  2. খ) A . A = A
  3. গ) A + 1 = 0
  4. ঘ) A + A' = 1
ব্যাখ্যা


উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (১১শ - ১২শ শ্রেণি), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
৩৩৬.
নিচের কোনটি ১৬ বিটের মাইক্রোপ্রসেসর?
  1. ক) ৮০৮০
  2. খ) ৮০৮৬
  3. গ) ৮০৩৮৬
  4. ঘ) ৪০৪০
ব্যাখ্যা
- ৪০০৪, ৪০৪০ হল ৪ বিট বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর।
- ৮০০৮, ৮০৮০ হল ৮ বিট বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর।
- ৮০৮৬, ৮০৮৮, ৮০১৮৬ হল ১৬ বিট বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর।
- ৮০৩৮৬, ৮০৪৮৬ হল ৩২ বিট বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর।
- Intel Core i3, Core i5, Core i7, Intel Itanium হল ৬৪ বিট বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর।

১৯৭৮ সালে তৈরিকৃত ইন্টেল ৮০৮৬ মাইক্রোপ্রসেসর টি ১৬ বিটের প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর।

উৎস: আইসিটি নবম-দশম শ্রেণি
৩৩৭.
(4CF)16 কে দশমিকে রূপান্তর করুন।
  1. 1024
  2. 1231
  3. 1216
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

(4CF)16 
= 4 × 162 + 12 × 161 + 15 × 160 
= 4 × 256 + 12 × 16 + 15 × 1
= 1024 + 192 +15
= 1231

∴ (4CF)16 = (1231)10

৩৩৮.
অক্টাল সংখ্যা 164 এর ডেসিমেল মান কত?
  1. 108
  2. 116
  3. 124
  4. 104
ব্যাখ্যা
• (164)8 এর ডেসিমেল নাম্বার 116.

• অক্টাল সংখ্যা (Octal Number):
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তি হচ্ছে ৮।
- এই পদ্ধতিতে 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6 এবং 7 এই ৮টি মৌলিক অংক ব্যবহৃত হয়।
- উদাহরণ: (১০১)৮, (৭৩১)৮ ইত্যাদি।

এখানে,
(164)8
= (1 × 8²) + (6 × 8¹) + (4 × 8⁰)
= 64 + 48 + 4
= 116

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৩৩৯.

প্রদত্ত চিত্রে, A = 1, B = 0 এবং C = 1 হলে X এর মান কত?
  1. 1
  2. 0
  3. 1, 0 দুইটিই হতে পারে
  4. AC
৩৪০.
নর গেইট কোন কোন গেইটের সমন্বিত রুপ?
  1. অ্যান্ড গেইট ও নট গেইট
  2. অর গেইট ও নট গেইট
  3. অ্যান্ড গেইট ও অর গেইট
  4. দুটি নট গেইট
ব্যাখ্যা
নর গেইট
- নর (NOR) গেইট হচ্ছে অর গেইট ও নট গেইটের সমষ্টি। 
- অর গেইটের আউটপুটকে নট গেইটের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত করলে নর গেইট তৈরি হয়। 
- অর গেইট যে কাজ করে নর গেইট তার বিপরীত কাজ করে।

এক্স অর গেইট
- Exclusive OR গেইটকে সংক্ষেপে এক্স অর (XOR) গেইট বলে।
- মৌলিক গেইট দিয়ে এক্স অর গেইট তৈরি করা হয় বলে একে প্রকৃত অর গেইট বলে।
- এটি অ্যান্ড, অর, নট, ন্যান্ড, নর ইত্যাদি গেইটের সাহায্যেও তৈরি করা যায়।
- এই গেইটের দুটি ইনপুট সমান না হলে আউটপুট 1 হয়, অন্যথায় আউটপুট 0 হবে।

এক্স নর গেইট
- Exclusive NOR গেইটকে সংক্ষেপে এক্স নর (XNOR)গেইট বলে।
- এক্স অর গেইট এবং নট গেইটের সমন্বয়ে এক্স নর গেইট গঠিত হয়।
- এক্স অর গেইটর বিপরীত কাজ করে।
- দুইটি ইনপুট সমান হলেই কেবলমাত্র আউটপুট 1 হবে, অন্যথায় আউটপুট 0 হবে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
৩৪১.
'100' এর ১ এর পরিপূরক (1’s complement) কত?
  1. ক) 001
  2. খ) 011
  3. গ) 101
  4. ঘ) 100
ব্যাখ্যা
100 এর ১ এর পরিপূরক হচ্ছে  011

সূত্র- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ( একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
৩৪২.
35 দশমিক সংখ্যার বাইনারি সংখ্যা কত?
  1. ক) 100110
  2. খ) 100101
  3. গ) 100011
  4. ঘ) 100101
ব্যাখ্যা

ডান পাশ থেকে শুরু, 1 থেকে দ্বিগুণ করে যতটা বাইনারি সংখ্যা থাকবে ততটা দশমিক সংখ্যার দ্বিগুণ লিখতে হবে। তারপর বাইনারি সংখ্যার যেগুলোতে 1 থাকবে তত তম দশমিক সংখ্যার সাথে 1 গুণ করতে হবে। যেমন এখানে 6টি বাইনারি সংখ্যা আছে। তাহলে 32-16-8-4-2-1 ছয়টি সংখ্যা লেখা হলো। এখন কোন কোন সংখ্যার যোগফল 35 হবে সেই সংখ্যার জায়গায় 1 বসিয়ে বাকী গুলোতে 0 বসিয়ে বাইনারি সংখ্যা পাওয়া যাবে।
(32×1) + (16×0) + (8×0) + (4×0) + (2×1) + (1×1)
= 32+0+0+0+2+1
= 35

৩৪৩.
বাইনারি সংখ্যা .1101 এর সমতুল্য ডেসিমেল মান কোনটি?
  1. .8125
  2. .7578
  3. .2385
  4. .2560
ব্যাখ্যা
• ভগ্নাংশ বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর:
- বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করার সময় প্রত্যেক অংককে ২ দ্বারা গুণ করতে হবে।
- গুণ করার সময় স্থানীয় মান অনুযায়ী ২ এর ঘাত -১ হতে শুরু করে ডান দিকে বাড়াতে হবে।
- যেমন- প্রথম অংকটিকে ২-১ দ্বারা, দ্বিতীয় অংকটিকে ২-২ দ্বারা, তৃতীয় অংকটিকে ২-৩ দ্বারা গুণ করতে হবে।
- প্রাপ্ত গুণফলকে যোগ করলে উক্ত বাইনারি সংখ্যাটির সমতুল্য দশমিক মান পাওয়া যাবে।
৩৪৪.
নিচের কোনটি সঠিক নয়?
  1. ক)
  2. খ)
  3. গ)
  4. ঘ)
ব্যাখ্যা
ডি মরগানের সূত্রানুসারে,




খ) তে প্রদত্ত অপশনটি সঠিক নয়।
∴ উত্তরঃ খ।
৩৪৫.
কোনটি সবচেয়ে বড় ডাটার একক?
  1. ক) মেগাবাইট
  2. খ) কিলোবাইট
  3. গ) গিগাবাইট
  4. ঘ) টেরাবাইট
ব্যাখ্যা
টেরাবাইট হচ্ছে সবচেয়ে বড় ডাটার একক। 

- টেরাবাইট হলো ডিজিটাল তথ্য স্টোরেজের একটি প্রতীক।
- টেরাবাইটকে TB দ্বারা প্রকাশ করা হয়। এটি বাইটের ১,০৯৯,৫১১,৬২৭,৭৭৬ গুণ।
- কম্পিউটারে ডাটা স্টোরেজের পরিমাপের একক হিসেবে বাইট ব্যবহার করা হয়। 
- একটি সিঙ্গেল ‘ক্যারেক্টার অব টেক্সট’কে স্টোর করতে যে পরিমাণ জায়গা লাগে, তাকে বাইট বলে।
- বাইট আবার বিটের আট গুণ।
- প্রতিটি বাইনারি অঙ্ককে বিট বলা হয়।
- টেরাবাইট গিগাবাইটের তুলনায় ১০২৪ গুণ বড়।

সূত্র- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, সপ্তম শ্রেণি।
৩৪৬.
(৪৩.৩৭৫)১০ সংখ্যাটির সমকক্ষ বাইনারি মান কত?
  1. 110100.101
  2. 101011.011
  3. 111000.100
  4. 1010010.11
ব্যাখ্যা
• ভগ্নাংশ বা দশমিক পয়েন্টযুক্ত (.) ডেসিমেল সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর:3
- ভগ্নাংশকে উপর্যুপরি বাইনারি সংখ্যার বেজ ২ দিয়ে গুণ করতে হবে। গুণফলের ভগ্নাংশ ও পূর্ণ অংশটি আলাদা করতে হবে এবং পূর্ণ অংশটি সংরক্ষণ করতে হবে।
- এভাবে গুণফলের ভগ্নাংশকে পুনরায় ২ দিয়ে গুণ করে পূর্ণ অংশ ও ভগ্নাংশ পৃথক করতে হবে এবং যতক্ষণ না ভগ্নাংশ ০ হয় ততক্ষণ পর্যায়ক্রমে ২ দিয়ে গুণ করে পূর্ণ অংশ ও ভগ্নাংশ পৃথক করতে হবে এবং পূর্ণ অংশটি সংরক্ষণ করতে হবে। কমপক্ষে পাঁচবার গুণ করার পর ভগ্নাংশ ০ না হলে কার্যক্রম এই অবস্থায় শেষ করতে হবে।
- অতঃপর পূর্ণ অংশের মানগুলোকে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত (MSB থেকে LSB) পর্যায়ক্রমে সাজালেই কাঙ্ক্ষিত বাইনারি সংখ্যাটি পাওয়া যাবে।
৩৪৭.
157 (অক্টাল) কে ডেসিমেলে কনভার্ট করলে মান কত হয়?
  1. 111
  2. 119
  3. 113
  4. 105
ব্যাখ্যা

• 157 (অক্টাল) কে ডেসিমেলে কনভার্ট করলে মান 111 হয়।

• অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি:
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি হলো একটি সংখ্যা পদ্ধতি যার ভিত্তি (base) ৮। এটি ০ থেকে ৭ পর্যন্ত মোট ৮টি সংখ্যা ব্যবহার করে, যেমন: ০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭।
- প্রতিটি অঙ্কের মান নির্ধারণ করা হয় তার অবস্থান (position) অনুযায়ী এবং ৮-এর ঘাত (power) ব্যবহার করে।
- এই পদ্ধতিটি সাধারণত কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত হয়, বিশেষ করে তখন যখন বাইনারি সংখ্যাকে সংক্ষিপ্তভাবে প্রকাশ করতে হয়, কারণ তিনটি বাইনারি বিট = একটি অক্টাল সংখ্যা।
- উদাহরণস্বরূপ, বাইনারি সংখ্যা 101010 কে অক্টালে রূপান্তর করলে পাওয়া যায় 52।

এখানে,
(157)8
= (1 × 82) + (5 × 81) + (7 × 80)
= (1 × 64) + (5 × 8) + (7 × 1)
= 64 + 40 + 7
= (111)10

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্ত, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৩৪৮.
বুলিয়ান অ্যালজেবরার ক্ষেত্রে সঠিক যোগের নিয়ম কোনটি?
  1. 1 + 1 = 0
  2. 1 + 0 = 0
  3. 0 + 0 = 1
  4. 0 + 1 = 1
ব্যাখ্যা

বুলিয়ান অ্যালজেবরা যোগের ক্ষেত্রে যে সব নিয়ম মেনে চলে সেগুলো নিম্নরূপ -
0 + 0 = 0
1 + 0 = 1
0 + 1 = 1
1 + 1 = 1 (1 carry)
উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (উন্মুক্ত)

৩৪৯.
দশমিক সংখ্যা 49 এর বাইনারি মান কত?
  1. 110101
  2. 100011
  3. 110001
  4. 110011
ব্যাখ্যা

2 | 49
2 | 24 - 1
2 | 12 - 0
2 | 6 - 0
2 | 3 - 0
2 | 1 - 1
   | 0 - 1 ⇑

∴ (49)10 = (110001)2

৩৫০.
(11010110.0101111)2 = (?)8
  1. 231.524
  2. 472.325
  3. 249.322
  4. 326.274
৩৫১.
NAND গেইট হলো একটি-
  1. মৌলিক গেইট
  2. বিশেষ লজিক গেইট
  3. সার্বজনীন গেইট
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• মৌলিক লজিক গেইট:
- ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতি বাস্তবায়নের জন্য যে সমস্ত গেইট মূলত কাজ করে তাদেরকে মৌলিক গেইট বলা হয়।
- কম্পিউটার বা অন্যান্য ডিজিটাল পদ্ধতির মূলে রয়েছে তিনটি মৌলিক গেইট। যথা:
১. অর গেইট (OR Gate),
২. অ্যান্ড গেইট (AND Gate) এবং
৩. নট গেইট (NOT Gate).

• সার্বজনীন গেইট:
- যে গেইট এর সাহায্যে মৌলিক গেইটসহ (AND, OR, NOT) যেকোনো গেইট এবং যেকোনো সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায় তাকে সার্বজনীন গেইট বলে।
- NAND ও NOR গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
- কারণ, শুধুমাত্র NAND গেইট বা শুধুমাত্র NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বা সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়।

• বিশেষ লজিক গেইট:
- XOR Gate,
- XNOR Gate.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩৫২.
তিন বিট বিশিষ্ট বাইনারি কোডকে বলা হয়-
  1. ক) হেক্সা ডেসিমেল কোড
  2. খ) অকট্যাল কোড
  3. গ) আসকি কোড
  4. ঘ) বাইনারি কোড
ব্যাখ্যা
অকট্যাল সংখ্যা পদ্ধতির বেজ হলো ৮(আট) ।
শূন্য (০) সহ ১ থেকে ৭ পর্যন্ত অকট্যাল সংখ্যাকে ৩(তিন) বিট বাইনারি সংখ্যা দ্বারা প্রকাশ করা যায়।
কাজেই অকট্যাল সংখ্যা পদ্ধতি ও বাইনারি পদ্ধতির পারস্পরিক রূপান্তরের জন্য ৩ (তিন) বিটের বাইনারি সংখ্যা বিবেচনা করতে হবে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি
৩৫৩.
(48)10 এর BCD কোড কোনটি? 
  1. ক) 01011000
  2. খ) 11001000
  3. গ) 01001001
  4. ঘ) 01001000
ব্যাখ্যা
বিসিডি কোড:
- বিসিডি (BCD) শব্দের পূর্ণরূপ হলো Binary Coded Decimal.
- দশমিক (Decimal) সংখ্যার বাইনারি রূপান্তরই হলো বিসিডি কোড।
- এই পদ্ধতিতে দশমিক সংখ্যা 0 থেকে 9 পর্যন্ত মোট দশটি অংককে সমতুল্য 4 বিট বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করা হয়।
- 4 বিট দ্বারা 24 অর্থাৎ 16 ভিন্ন অবস্থা নির্দেশ করা যায়।
- তাই 16টি অবস্থা ব্যবহার করে কয়েক প্রকার BCD কোড গঠন করা সম্ভব।
- এর মধ্যে BCD 8421 কোড বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য এবং বহুল ব্যবহৃত। 



সুতরাং, (48)10 এর BCD কোড = 01001000.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৫৪.
(10011)2 এর দশমিক মান কত?
  1. ক) 17
  2. খ) 19
  3. গ) 18
  4. ঘ) 15
ব্যাখ্যা
(10011)₂ 
= (1 × 2⁴) + (0 × 2³) + (0 × 2²) + (1 × 2¹) + (1 × 2⁰) 
= (19)₁₀
৩৫৫.
কোন দুটি গেট দিয়ে যেকোন লজিক গেট বানানো সম্ভব?
  1. NAND এবং NOR
  2. OR এবং NOT
  3. OR এবং AND
  4. AND এবং NOT
ব্যাখ্যা

• NAND গেইট বা NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বাস্তবায়ন করা যায়।

• সার্বজনীন গেইট:
- যে গেইট এর সাহায্যে মৌলিক গেইটসহ (AND, OR, NOT) যেকোনো গেইট এবং যেকোনো সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায় তাকে সার্বজনীন গেইট বলে।
- NAND ও NOR গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
- কারণ, শুধুমাত্র NAND গেইট বা শুধুমাত্র NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বা সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়।

• মৌলিক লজিক গেইট:
- ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতি বাস্তবায়নের জন্য যে সমস্ত গেইট কাজ করে তাদেরকে মৌলিক গেইট বলা হয়।
- কম্পিউটার বা অন্যান্য ডিজিটাল পদ্ধতির মূলে রয়েছে তিনটি মৌলিক গেইট। যথা-
১। অর গেইট (OR Gate),
২। অ্যান্ড গেইট (AND Gate),
৩। নট গেইট (NOT Gate).

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৩৫৬.
ফ্লিপ-ফ্লপের এক অবস্থা থেকে অন্য অবস্থায় পরিবর্তন করার জন্য বাইরে থেকে যে তড়িৎপ্রবাহ দেওয়া হয় তাকে কী বলে?
  1. ইনপুট (Input)
  2. ট্রিগার (Trigger)
  3. আউটপুট (Output)
  4. লোডার (Loader)
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) ট্রিগার (Trigger) 

• ফ্লিপ ফ্লপ:
- ফ্লিপ-ফ্লপ হলো লজিক গেইট দ্বারা তৈরি এক ধরনের মেমরি উপাদান যা একটি বাইনারি বিট সংরক্ষণ করতে পারে।
- ফ্লিপ-ফ্লপের দুটি স্থায়ী অবস্থা (0, 1) আছে এবং এটি দুটি স্থায়ী অবস্থার যে কোন একটিতে থাকতে পারে। ধরা যাক, এটি প্রথম অবস্থায় আছে, তাহলে - এটি প্রথম অবস্থাতেই থাকবে যতক্ষণ না এতে বাইরে থেকে একটি তড়িৎপ্রবাহ (যাকে ট্রিগার (Trigger) বলা হয়) দেওয়া হচ্ছে।
- ফ্লিপ-ফ্লপের একটি আউটপুট অপর আউটপুটের বিপরীত হয়। 

• ফ্লিপ-ফ্লপের ব্যবহার:
- বিভিন্ন রেজিস্টার তৈরিতে ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
- সিকোয়েন্সিয়াল সার্কিটে মেমরি উপাদান হিসেবে ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
- ডিজিটাল ঘড়ি, ডিজিটাল ক্যামেরা, মোবাইল ফোন ইত্যাদিতে ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহৃত হয়।

• ফ্লিপ-ফ্লপের প্রকারভেদ:
ফ্লিপ-ফ্লপ সাধারণত ৫ প্রকারের হয়ে থাকে। যথা:
- SR ফ্লিপ-ফ্লপ,
- D ফ্লিপ-ফ্লপ,
- JK ফ্লিপ-ফ্লপ,
- T ফ্লিপ-ফ্লপ,
- মাস্টার-স্লেভ ফ্লিপ-ফ্লপ। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৫৭.
ইউনিকোডে 'ক' বর্ণটি কোন কোডের মাধ্যমে সনাক্ত করা যায়?
  1. ক) 0041
  2. খ) 0061
  3. গ) 0065
  4. ঘ) 0995
ব্যাখ্যা
ইউনিকোড (Unicode)
- ১৯৯১ সালে Apple Computer Corporation এবং Xerox Corporation এর একদল প্রকৌশলী যৌথভাবে ইউনিকোড উদ্ভাবন করেন।
- বিশ্বের ছোট বড় সকল ভাষাকে কম্পিউটারে কোডভুক্ত করার জন্য ইউনিকোড ব্যবহৃত হয়।
- ইউনিকোড মূলত ২ বাইট বা ১৬ বিটের কোড।
- ফলে যে সমস্ত ভাষাকে কোডভুক্ত করার জন্য ৮ বিট অপর্যাপ্ত ছিল (যেমন-চায়নিজ, কোরিয়ান, জাপানীজ ইত্যাদি) সে সকল ভাষার সকল চিহ্নকে সহজেই কোডভুক্ত করা সহজতর হলো।
- শুরু থেকেই ইউনিকোডকে আরও উন্নত করার লক্ষ্যে Unicode Consortium কাজ করে যাচ্ছে। 
- ইউনিকোড অ্যাসকি কোডের সাথে কম্প্যাটিবল।
- অর্থাৎ ইউনিকোডের প্রথম ২৫৬টি কোড অ্যাসকি ২৫৬টি কোডের অনুরূপ।
- এই কোডের মাধ্যমে ৬৫,৫৩৬টি অদ্বিতীয় চিহ্নকে নির্দিষ্ট করা যায়। উদাহরণ: A = U+0041, ক = U+0995.

সূত্র:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩৫৮.
নিচের কোনটি ৮ বিট বিশিষ্ট কোড?
  1. ক) ASCII
  2. খ) Unicode
  3. গ) Extended ASCII
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
• ASCII শব্দের পূর্ণরূপ হলাে American Standard Code for Information Interchange.
• 1963 সালে আমেরিকান ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড ইনস্টিটিউড (ANSI) কর্তৃক ASCII কোডটি আবিষ্কৃত হয়।
• ASCII বহুল ব্যবহৃত একটি 7 বিটের কোড, যার দ্বারা 128টি বিভিন্ন ক্যারেক্টার বা চিহ্নকে নির্দিষ্ট করা যায়।
• ASCII কোড শুধু ইংরেজি ভাষায় ব্যবহৃত হয়।
Extended ASCII হলো ৮ বিট বিশিষ্ট কোড, যার সাহায্যে 256টি বিভিন্ন ক্যারেক্টার বা চিহ্নকে নির্দিষ্ট করা যায়।
• Extended ASCII ইউরোপীয় ভাষার জন্য উপযোগী।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা এবং বিবিসি।
৩৫৯.
(68)10 এর বাইনারি মান -
  1. 1000110
  2. 1000100
  3. 1100100
  4. 10100100
ব্যাখ্যা
68/2 = 34, remainder is 0
34/2 = 17, remainder is 0
17/2 = 8, remainder is 1
8/2 = 4, remainder is 0
4/2 = 2, remainder is 0
2/2 = 1, remainder is 0
1/2 = 0, remainder is 1
So, (68)10  = (1000100)2
৩৬০.
Universal Code বলা হয় কোন কোডকে?
  1. ইউনিকোড
  2. অ্যাসকি কোড
  3. বিসিডি কোড
  4. ইবিসিডিক কোড
ব্যাখ্যা
• ইউনিকোড:
- ইউনিকোড 16 বিটের আলফানিউমেরিক কোড, যার পূর্ণনাম Universal Code (সর্বজনীন কোড)।
- পৃথিবীর সকল ভাষার বর্ণ, সংখ্যা ও চিহ্নসমূহ ডিজিটাল ডিভাইসে ব্যবহার করার জন্য ইউনিকোড ব্যবহৃত হয়।
- ১৯৯১ সালে অ্যাপল কম্পিউটার কর্পোরেশন এবং Xerox Corporation-এর একদল কম্পিউটার প্রকৌশলী যৌথভাবে ইউনিকোড উদ্ভাবন করেন।
- বর্তমানে বিশ্বব্যাপী প্রচলিত আসকি কোডের পাশাপাশি ইউনিকোড সিস্টেম চালু হয়েছে।
- ইউনিকোডের মাধ্যমে 216 = 65536টি অদ্বিতীয় চিহ্নকে নির্দিষ্ট করা যায়।
- Unicode Consortium নামে একটি সংগঠন ইউনিকোডের রক্ষণাবেক্ষণ করে, যার সদস্য হয়ে বাংলা ভাষাও ইউনিকোডভুক্ত হয়েছে।
- 1991 সালে 24টি ভাষা নিয়ে ইউনিকোডের প্রথম সংস্করণ 1.0.0 প্রকাশিত হয়, যার মধ্যে বাংলা ভাষাও অন্তর্ভুক্ত ছিল।
- 2020 সালে ইউনিকোডের 13 সংস্করণে 154টি ভাষা স্থান পেয়েছে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণী, মাহবুবুর রহমান।
৩৬১.
10000010101 এর সমতুল্য দশমিক সংখ্যা কত?
  1. ক) 1055
  2. খ) 1047
  3. গ) 1058
  4. ঘ) 1045
৩৬২.
নিচের কোন সংখ্যাটি অক্টাল পদ্ধতিতে সঠিক নয়?
  1. 1243
  2. 7412
  3. 2841
  4. 1241
ব্যাখ্যা
• অক্টাল সংখ্যাপদ্ধতিতে বেস বা ভিত্তি হলো ৮ টি। যথা-
০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭ 

উল্লেখিত সংখ্যাসমূহের মধ্যে 2841 সংখ্যাটির 8 অক্টালের অন্তর্ভুক্ত নয়।
৩৬৩.
127 এর বাইনারি -
  1. ক) 11111111
  2. খ) 111111
  3. গ) 111111111
  4. ঘ) 1111111
৩৬৪.
দশমিক সংখ্যা 23 কে দ্বিমিক সংখ্যায় রূপান্তর করলে কত হবে?
  1. ক) 10111
  2. খ) 10011
  3. গ) 11101
  4. ঘ) 10101
ব্যাখ্যা
দশমিক সংখ্যা 23 কে দ্বিমিক সংখ্যায় রূপান্তর করলে কত হবে 10111।
[সূত্রঃ convertbinary.com]
৩৬৫.
নীচের কোনটি Octal number নয়?
  1. ক) 18
  2. খ) 77
  3. গ) 15
  4. ঘ) 101
ব্যাখ্যা
Octal number system এ আটটি অংক ব্যবহৃত হয়। যথা- ০,১,২,৩,৪,৫,৬ এবং ৭। তাই ১৮ Octal number নয়।
৩৬৬.
(BC46)16 এর সমতূল্য অক্টাল মান কত?
  1. 570151
  2. 560107
  3. 136106
  4. 154201
৩৬৭.
দশমিক সংখ্যা 726.48 এর সমতুল্য হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা কত?
  1. 2B5.7AC...
  2. 2D6.7AE...
  3. 2B4.7EA...
  4. 2C4.7AC...
৩৬৮.
67 এর বিসিডি কোড কত?
  1. 110111
  2. 01110011
  3. 10110101
  4. 01100111
ব্যাখ্যা
• বিসিডি কোড:
- বিসিডি (BCD) শব্দের পূর্ণরূপ হলো বাইনারি কোডেড ডেসিমেল (Binary Coded Decimal)।
- দশমিক (Decimal) সংখ্যার প্রতিটি অঙ্ককে বাইনারিতে রূপান্তরই হলো বিসিডি কোড।
- এই পদ্ধতিতে দশমিক সংখ্যা 0 থেকে 9 পর্যন্ত মোট দশটি অংককে সমতুল্য 4 বিট বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করা হয়।
- 4 বিট দ্বারা 24 অর্থাৎ 16 ভিন্ন অবস্থা নির্দেশ করা যায়। তাই 16টি অবস্থা ব্যবহার করে কয়েক প্রকার BCD কোড গঠন করা সম্ভব।
- এর মধ্যে BCD 8421 কোড বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য এবং বহুল ব্যবহৃত।

6 এর বিসিডি 0110
7 এর বিসিডি 0111
∴ 67 এর বিসিডি 01100111

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৬৯.
(345.64)8 কে দশমিকে রূপান্তর করলে কত হবে?
  1. (229.8125)10
  2. (235.6875)10
  3. (219.8125)10
  4. (232.756)10
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: (345.64)8 কে দশমিকে রূপান্তর করলে (229.8125)10 হবে।

• অক্টাল থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তরের জন্য, প্রতিটি অক্টাল অঙ্ককে তার স্থানীয় মান অনুযায়ী 8-এর ঘাত দ্বারা গুণ করে প্রাপ্ত ফলাফলগুলো যোগ করতে হয়। দশমিক বিন্দুর পরের অঙ্কগুলোর জন্য 8-এর ঋণাত্মক ঘাত ব্যবহার করা হয়।
• এখানে, অক্টাল সংখ্যাটি হলো (345.64)8
• এর দশমিক রূপান্তর হলো:
 = (3 × 82) + (4 × 81) + (5 × 80) + (6 × 8- 1) + (4 × 8- 2)
 = (3 × 64) + (4 × 8) + (5 × 1) + (6/8) + (4/64)
 = 192 + 32 + 5 + 0.75 + 0.0625
 = 229.8125

∴ (345.64)8 = (229.8125)10 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৭০.
একটি বাইনারি সংখ্যার ২-এর পরিপূরক বের করার সঠিক ধাপ কোনটি?
  1. শুধু সর্বনিম্ন গুরুত্বপূর্ণ বিট উল্টানো
  2. শুধু ১ যোগ করা
  3. সব বিট উল্টিয়ে ১ যোগ করা
  4. সব বিট উল্টিয়ে ১ বিয়োগ করা
ব্যাখ্যা

• একটি বাইনারি সংখ্যার ২-এর পরিপূরক বের করার সঠিক ধাপ হলো প্রথমে সংখ্যাটির সব বিট উল্টানো (যেখানে ০ হবে ১ এবং ১ হবে ০), তারপর এই উল্টানো সংখ্যার সাথে ১ যোগ করা। কারণ ২-এর পরিপূরক হলো মূল সংখ্যা এবং এর ২-এর পরিপূরক সংখ্যার যোগফল বাইনারি সংখ্যা সীমার সর্বাধিক মানের এক কমে পৌঁছায়। উদাহরণস্বরূপ, যদি বাইনারি সংখ্যা হয় 0101 (দশমিক ৫), সব বিট উল্টালে পাওয়া যাবে 1010 এবং এতে ১ যোগ করলে হবে 1011 (দশমিক ১১)। তাই সঠিক পদ্ধতি হলো সব বিট উল্টিয়ে তার পরে ১ যোগ করা। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো গ) সব বিট উল্টিয়ে ১ যোগ করা।
 
• ২-এর পরিপূরক (2's Complement):
- কোনো বাইনারি সংখ্যার প্রতিটি বিটকে পূরক করে বা উল্টিয়ে (0 এর জায়গায় 1 এবং 1 এর জায়গায় 0) যে সংখ্যা পাওয়া যায় তাকে ১-এর পরিপূরক বলে।
- বাইনারি সংখ্যাকে ১-এর পরিপূরক বা উল্টিয়ে লিখে তার সাথে ১ যোগ করে যে সংখ্যা পাওয়া যায় তাকে ২-এর পরিপূরক বলা হয়।
- এই পদ্ধতির সাহায্যে যোগ এবং বিয়োগের মতো গাণিতিক অপারেশন সহজেই করা যায়, কারণ একই সার্কিট বা লজিক ব্যবহার করে ধনাত্মক এবং ঋণাত্মক সংখ্যার অপারেশন সম্পন্ন করা সম্ভব।

উদাহরণ: 
12 এর বাইনারি মান = 1100
12 এর বিট রেজিস্টার বাইনারি মান = 00001100
1 এর পরিপূরক মান = 11110011
1 এর পরিপূরক মান + 1 = 11110100

সুতরাং, 12 এর 2's Complement 11110100.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৩৭১.
কোন সংখ্যা পদ্ধতিতে বর্ণের ব্যবহার রয়েছে?
  1. ক) বাইনারি
  2. খ) ডেসিমেল
  3. গ) অক্টাল
  4. ঘ) হেক্সাডেসিমেল
ব্যাখ্যা
হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি
- এই পদ্ধতির ভিত্তি হচ্ছে 16।
- অর্থাৎ এই পদ্ধতিতে 16 টি মৌলিক অংক রয়েছে।
- সংখ্যাসমূহ 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9 এবং অতঃপর A, B, C, D, E ও F।
- বর্ণ (Alphabet) এবং সংখ্যা (Number) উভয়ের ব্যবহার থাকার কারণে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির আরেক নাম আলফানিউমেরিক সংখ্যা পদ্ধতি।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির A, B, C, D, E এবং F-এর সমতুল্য দশমিক হচ্ছে যথাক্রম 10, 11, 12, 13, 14 এবং 15।
- (151)16 , (1B7)16 ইত্যাদি হলো হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার উদাহরণ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
৩৭২.
কোন flip-flop কে 'Basic' flip-flop বলা হয়?
  1. T Flip-Flop
  2. D Flip-Flop
  3. SR Flip-Flop
  4. JK Flip-Flop
ব্যাখ্যা
⚪ SR (Set-Reset) ফ্লিপ-ফ্লপকে সবচেয়ে মৌলিক ফ্লিপ-ফ্লপ হিসেবে ধরা হয়, কারণ এটি থেকে অন্যান্য ফ্লিপ-ফ্লপগুলোর ডিজাইন উদ্ভূত হয়। এটি দুটি ইনপুট (S এবং R) এবং দুটি আউটপুট (Q এবং Q̅) নিয়ে গঠিত এবং এটি বাইনারি তথ্য ধারণ করতে ব্যবহৃত হয়।

⚪ ফ্লিপ-ফ্লপ:
- ফ্লিপ-ফ্লপ হলো লজিক গেইট দিয়ে তৈরি এক ধরনের ডিজিটাল বর্তনী, যা এক বিট তথ্য ধারণ করতে পারে।
- প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপে এক বা একাধিক ইনপুটের জন্য দুটি আউটপুট পাওয়া যায়।
- ফ্লিপ-ফ্লপ মূলত সিঙ্গেল বিট নিয়ে কাজ করে।

- ফ্লিপ-ফ্লপ মূলত মাল্টিপল বিট নিয়ে কাজ করতে পারেনা।
- এটি এক বিট 0 অথবা 1 হতে পারে।
- এজন্য ফ্লিপ-ফ্লপকে বাই স্ট্যাবল মাল্টি ভাইব্রেটর বলা হয়।

⚪ ফ্লিপ-ফ্লপের প্রকারভেদ ফ্লিপ-ফ্লপ সাধারণত ৫ প্রকার।
যথা-
১. SR ফ্লিপ-ফ্লপ,
২. D ফ্লিপ-ফ্লপ,
৩. JK ফ্লিপ-ফ্লপ,
৪ . T ফ্লিপ-ফ্লপ ও
৫. মাস্টার-স্লেভ ফ্লিপ-ফুপ।

⚪ ফ্লিপ ফ্লপের ব্যবহার:
১. বিভিন্ন রেজিস্টার তৈরিতে ফ্লিপ ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
২. সিকোয়েন্সিয়াল সার্কিটে মেমরি উপাদান হিসেবে ফ্লিপ ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
৩. ডিজিটাল ঘড়ি, ডিজিটাল ক্যামেরা, মোবাইল ফোন ইত্যাদিতে ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহৃত হয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।
৩৭৩.
একটি হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা কতটি বিট উপস্থাপন করতে পারে?
ব্যাখ্যা

• হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা হলো ১৬ ভিত্তির সংখ্যা, যেখানে প্রতিটি অঙ্ক ০ থেকে ৯ এবং A থেকে F পর্যন্ত হতে পারে। প্রতিটি হেক্সাডেসিমাল অঙ্ককে বাইনারি (বিট) হিসেবে প্রকাশ করা যায়। যেহেতু ২ এর ঘাতের সংখ্যা দ্বারা বাইনারি প্রকাশ করা হয়, তাই ১৬ ভিত্তির প্রতিটি অঙ্ককে ৪টি বিট দিয়ে প্রকাশ করা সম্ভব। উদাহরণস্বরূপ, হেক্সাডেসিমাল অঙ্ক F কে বাইনারিতে লিখলে হয় 1111, যা মোট ৪টি বিট। সুতরাং, একটি হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা ৪টি বিট উপস্থাপন করতে পারে। সঠিক উত্তর হলো গ) ৪।

• সংখ্যা পদ্ধতি:
- কোন সংখ্যা লেখা বা প্রকাশ করার পদ্ধতিকে সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তির উপর নির্ভর করে চার ধরনের সংখ্যা পদ্ধতির প্রচলন লক্ষ্য করা যায়।

যথা-
১. দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি (Decimal Number System),
২. বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (Binary Number System),
৩. অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি (Octal Number System) ও
৪. হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি (Hexadecimal Number System )।

- দশমিক সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ১০।
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ২।
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ৮।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ১৬।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৭৪.
4 লাইন ডিকোডারের ক্ষেত্রে কতগুলো আউটপুট লাইন থাকে?
  1. ১৬টি 
  2. ৩২টি 
  3. ৬৪টি 
  4. ৪টি 
ব্যাখ্যা

◉ 4-লাইন ডিকোডারের আউটপুট লাইন সংখ্যা ১৬ টি। এর কারণ হলো ডিকোডারের মূলনীতি অনুযায়ী, যদি ডিকোডারে ইনপুট লাইনের সংখ্যা n হয়, তাহলে আউটপুট লাইনের সংখ্যা হবে 2ⁿ টি। যেহেতু এখানে ইনপুট লাইনের সংখ্যা 4, তাই আউটপুট লাইনের সংখ্যা হবে 24 = 16 টি।

ডিকোডার:
- ডিকোডার হলো এমন একটি সমবায় সার্কিট যার সাহায্যে n টি ইনপুট থেকে সর্বাধিক 2n টি আউটপুট লাইনের একটিতে 1 ও বাকিগুলোতে 0 আউটপুট পাওয়া যায়।
- কখন কোন আউটপুট লাইনে 1 পাওয়া যাবে তা নির্ভর করে ইনপুটগুলোর মানের উপর।
- ডিকোডার হলো এমন এক ধরনের ইলেকট্রনিক সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী যা কম্পিউটারে ব্যবহৃত ভাষাকে মানুষের বোধগম্য ভাষায় রূপান্তর করে।

∴ 4 লাইন ডিকোডারের ক্ষেত্রে আউটপুট লাইন = 24
= 16 টি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৭৫.
কম্পিউটারের যুক্তি বর্তনী অংশের সাধারণ গেইটগুলোর নাম কি?
  1. ক) AND এবং OR
  2. খ) NOT, AND এবং OR
  3. গ) NOT এবং OR
  4. ঘ) XOR এবং OR
ব্যাখ্যা
কম্পিউটারের যুক্তি বর্তনী অংশের তিনটি মৌলিক গেইট হলোঃ NOT, AND এবং OR.
৩৭৬.
নিচের কোনটি মৌলিক লজিক গেইট?
  1. NOR
  2. NOT
  3. NAND
  4. XOR
ব্যাখ্যা
মৌলিক লজিক গেইট:
- ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতি বাস্তবায়নের জন্য যে সমস্ত গেইট মূলত কাজ করে তাদেরকে মৌলিক গেইট বলা হয়।
- কম্পিউটার বা অন্যান্য ডিজিটাল পদ্ধতির মূলে রয়েছে তিনটি মৌলিক গেইট। যথা:
১. অর গেইট (OR Gate),
২. অ্যান্ড গেইট (AND Gate) এবং
৩. নট গেইট (NOT Gate)।

সার্বজনীন গেইট:
- যে গেইট এর সাহায্যে মৌলিক গেইটসহ (AND, OR, NOT) যেকোনো গেইট এবং যেকোনো সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায় তাকে সার্বজনীন গেইট বলে।
- NAND ও NOR গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
- কারণ, শুধুমাত্র NAND গেইট বা শুধুমাত্র NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বা সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়।

মৌলিক লজিক গেইট:
- OR Gate,
- AND Gate,
- NOT Gate.

সার্বজনীন লজিক গেইট:
- NAND Gate,
- NOR Gate.

বিশেষ লজিক গেইট:
- XOR Gate,
- XNOR Gate.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩৭৭.
(1011)2 + (0101)2 =?
  1. 1100
  2. 1000
  3. 1110
  4. 10000
ব্যাখ্যা
বাইনারি পদ্ধতিতে যোগ করে,
1011
0101
________
10000

∴ (1011)2 + (0101)2 = (10000)2
৩৭৮.
বুলিয়ান অ্যালজেব্রায় যোগ করার জন্য মূলত কোন লজিক গেট ব্যবহার করা হয়? 
  1. NOT gate
  2. NOR gate
  3. OR gate
  4. AND gate
ব্যাখ্যা

• বুলিয়ান অ্যালজেব্রায় যোগ (Addition) করার জন্য প্রধানত OR গেট ব্যবহার করা হয়। কারণ OR গেট দুটি ইনপুটের মধ্যে অন্তত একটি ইনপুট “1” হলে আউটপুট “1” দেয়, যা বুলিয়ান যোগের ধারণার সাথে মিলে যায়। উদাহরণস্বরূপ, যদি A এবং B দুটি বিট থাকে, তবে A + B বুলিয়ান যোগকে OR গেট দ্বারা প্রকাশ করা যায়। অন্যদিকে, AND গেট সাধারণত গুণের জন্য, NOT গেট বিপরীত মান বের করার জন্য এবং NOR গেট কম্বিনেশন বা অন্যান্য জটিল লজিকের জন্য ব্যবহৃত হয়। তাই সরাসরি যোগের জন্য OR গেট সবচেয়ে প্রাথমিক এবং মৌলিক লজিক গেট হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

- সঠিক উত্তর: গ) OR gate.

• লজিক গেইট:
- লজিক গেইট হচ্ছে এক ধরনের ইলেকট্রনিক সার্কিট যা এক বা একাধিক ইনপুট গ্রহণ করে কোন যুক্তির ভিত্তিতে একটি মাত্র আউটপুট প্রদান করে।
- লজিক গেইটে ব্যবহৃত দুটি ইনপুট হলো 1 এবং 0।
- মৌলিক লজিক গেইট তিনটি। যথা- অর গেইট, অ্যান্ড গেইট এবং নট গেইট।

- OR gate: বুলিয়ান অ্যালজেবরার যোগের কাজ সম্পাদনের জন্য অর লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়।
- AND gate: বুলিয়ান অ্যালজেবরার গুণনের কাজ সম্পাদনের জন্য এন্ড লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়।
- NOT gate: বুলিয়ান অ্যালজেবরার পূরকের কাজ সম্পাদনের জন্য নট লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৩৭৯.
'10111 + 11111' বাইনারি যোগফলের হেক্সাডেসিমেল মান কত?
  1. ক) 52
  2. খ) 5C
  3. গ) 6E
  4. ঘ) 36
ব্যাখ্যা
⇒ বাইনারি যোগ: 10111 + 11111 = 110110
⇒ 110110 এর হেক্সাডেসিমেল মান: 36

বাইনারি যোগের ক্ষেত্রে,
⇒ 0 + 0 = 0
⇒ 1 + 0 = 1
⇒ 1 + 1 = 10  [বসবে 0 আর হাতে থাকবে 1]
⇒ 1 + 1 + 1 = 11 [বসবে 1 আর হাতে থাকবে 1]
৩৮০.
(২৭)১০ সংখ্যাটির বাইনারি রূপ নিচের কোনটি?
  1. ১১০০১
  2. ১১১০১
  3. ১০১১১
  4. ১১০১১
ব্যাখ্যা

ভাগ ভাগফল ভাগশেষ
২৭/২ ১৩ ১
১৩/২ ৬ ১
৬/২ ৩ ০
৩/২ ১ ১
১/২ ০ ১
∴(২৭)১০ = (১১০১১)

৩৮১.
যৌক্তিক উল্টানো পদ্ধতিতে কাজ করে -
  1. ক) অর গেইট
  2. খ) অ্যান্ড গেইট
  3. গ) নট গেইট
  4. ঘ) ক ও গ
ব্যাখ্যা
নট গেইট যৌক্তিক উল্টানো পদ্ধতিতে কাজ করে। 

- অ্যান্ড গেইট যৌক্তিক গুণন পদ্ধতিতে কাজ করে।
- অর গেইট  যৌক্তিক যোগ পদ্ধতিতে কাজ করে।
- যে গেইটে একটি ইনপুট এবং একটি আউটপুট থাকে, তাকে নট গেইট বলে। 
- নট গেইটের ইনপুট শুন্য হলে আউটপুট ১ হবে, আবার ইনপুট শুন্য হলে আউটপুট হবে ১। 
- যখন কোন সংখ্যা বা রাশিকে একটি নির্দিষ্ট নিয়মের মাধ্যমে পরিচালনা করা যায়, তখন সেই নিয়মকে লজিক বলা হয়।
- লজিক্যাল নীতির উপর ভিত্তি করে যে সব সার্কিট ডিজাইন করা হয় যার এক বা একাধিক ইনপুট থাকে এবং একটি মাত্র আউটপুট থাকে তাকে লজিক গেইট বলা হয়। 

সূত্র: ১২৬ পৃষ্ঠা, কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৮২.
যে কোন বেসের নম্বর সিস্টেমে সবচেয়ে ছোট সংখ্যাটি কী?
  1. 0
  2. 1
  3. বেস অনুযায়ী ভিন্ন হয়
  4. কোনোটিই নয় 
ব্যাখ্যা

◉ যেকোনো বেস (Base) সংখ্যা পদ্ধতিতে শূন্যতম (সবচেয়ে ছোট) সংখ্যাটি হলো 0.
কারণ, সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি (Base) যাই হোক না কেন (যেমন: বাইনারি- Base 2, দশমিক- Base 10, হেক্সাডেসিমেল- Base 16 ইত্যাদি), সব ক্ষেত্রেই সংখ্যা গণনা শুরু হয় 0 থেকে।

সংখ্যা পদ্ধতির প্রকারভেদ:
- সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তির উপর নির্ভর করে চার ধরনের সংখ্যা পদ্ধতির প্রচলন লক্ষ্য করা যায়। যেমন:
১. দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি (Decimal Number System),
২. বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (Binary Number System),
৩. অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি (Octal Number System) এবং
৪. হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি (Hexadecimal Number System)।

• দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি:
- মানুষ দৈনন্দিন জীবনে গণনা কিংবা হিসাব-নিকাশের জন্য যে সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করে তাই দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি।
- এ পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তি হচ্ছে 10.
- (101)10, (98.73)10 ইত্যাদি হলো দশমিক সংখ্যার উদাহরণ।

• বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি:
- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে 0 এবং 1 এই দু'টিমাত্র সংখ্যা বা অংক ব্যবহার করা হয় তাকে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- মোট দু'টি অংক ব্যবহারের কারণেই এই সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তি হচ্ছে 2.
- (110)2, (1101)2 ইত্যাদি হলো বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির উদাহরণ।

• অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি:
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তি হচ্ছে ৮।
- এই পদ্ধতিতে 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6 এবং 7 এই ৮টি মৌলিক অংক ব্যবহৃত হয়।
- (101)8, (731)8 ইত্যাদি হলো অক্টাল সংখ্যার উদাহরণ।

• হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি:
- এই পদ্ধতির ভিত্তি হচ্ছে 16.
- অর্থাৎ এই পদ্ধতিতে 16 টি মৌলিক অংক রয়েছে। এই সংখ্যাসমূহ 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9 এবং অতঃপর A, B, C, D, E ও F।
- (151)16, (1B)16 ইত্যাদি হলো হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার উদাহরণ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৮৩.
কোন গেইটগুলো সার্বজনীন গেইট হিসেবে পরিচিতি?
  1. OR এবং NOT
  2. XOR এবং NOT
  3. AND এবং OR
  4. NAND এবং NOR
ব্যাখ্যা

• সার্বজনীন গেইট বলতে সেই লজিক গেইটগুলোকে বোঝানো হয় যেগুলো ব্যবহার করে অন্য সব মৌলিক গেইট (AND, OR, NOT) তৈরি করা যায়। NAND এবং NOR গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়, কারণ শুধু NAND অথবা শুধু NOR দিয়েই সমস্ত লজিক সার্কিট বাস্তবায়ন সম্ভব। যেমন, NAND গেইট দিয়ে NOT, AND এবং OR গেইট তৈরি করা যায় আবার NOR গেইট দিয়েও একইভাবে তৈরি করা যায়। এই কারণে NAND ও NOR গেইট ডিজিটাল ইলেকট্রনিকসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং বহুল ব্যবহৃত। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো: ঘ) NAND এবং NOR.

• সার্বজনীন গেইট:
- যে সকল গেইটের মাধ্যমে অ্যান্ড, অর ও নট গেইটের ফাংশনকে প্রতিস্থাপন করা যায় তাদেরকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
- অর, অ্যান্ড এবং নট এই তিনটি মৌলিক গেইটের সমন্বয়ে সকল প্রকার লজিক সার্কিট বা যুক্তি বর্তনী তৈরি করা যায়।
- আবার শুধুমাত্র ন্যান্ড গেইট ব্যবহার করেই যে কোন লজিক সার্কিট বা যুক্তি বর্তনী তৈরি করা যায়।
- এর কারণ NAND গেইট দিয়ে অর, অ্যান্ড এবং নট গেইট বাস্তবায়ন সম্ভব।
- একইভাবে শুধু NOR গেইট দিয়েই অর, অ্যান্ড এবং নট গেইট তথা যে কোন লজিক সার্কিট বা যুক্তি বর্তনী তৈরি করা সম্ভব।
- এ জন্য NAND এবং NOR গেইট দুটিকে বলা হয় সার্বজনীন গেইট।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৮৪.
সার্বজনীন গেইট বলা হয় না কোন গেইটকে?
  1. NAND
  2. NOR
  3. AND
  4. সবগুলোই সার্বজনীন গেইট
ব্যাখ্যা
• সার্বজনীন গেইট:
- যে গেইট এর সাহায্যে মৌলিক গেইটসহ (AND, OR, NOT) যেকোনো গেইট এবং যেকোনো সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়, তাকে সার্বজনীন গেইট বলে।
- NAND ও NOR গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
- কারণ, শুধু NAND গেইট বা শুধু NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বা সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়।

• মৌলিক লজিক গেইট:
- ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতি বাস্তবায়নের জন্য যে সমস্ত গেইট কাজ করে তাদেরকে মৌলিক গেইট বলা হয়।
- কম্পিউটার বা অন্যান্য ডিজিটাল পদ্ধতির মূলে রয়েছে তিনটি মৌলিক গেইট। যথা-
১। অর গেইট (OR Gate),
২। অ্যান্ড গেইট (AND Gate)
৩। নট গেইট (NOT Gate).

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩৮৫.
101 সংখ্যাটি কোন সংখ্যা পদ্ধতির অন্তর্গত?
  1. বাইনারি
  2. হেক্সাডেসিমেল
  3. ডেসিমেল
  4. উল্লিখিত সবগুলোই
ব্যাখ্যা
বাইনারি: 
- বাইনারি সংখ্যার বেস ২ টি। 
যেমন - 0, 1. 

অক্টাল: 
- অক্টাল সংখ্যার বেস ৮ টি। 
যেমন - 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7. 

ডেসিমেল: 
- ডেসিমেল বা দশমিক সংখ্যার বেস ১০ টি। 
যেমন - 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9. 

হেক্সাডেসিমেল: 
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার বেস ১৬ টি। 
যেমন - 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9, A, B, C, D, E, F. 

অর্থাৎ, 0, 1 এই দুই ডিজিট সকল সংখ্যাপদ্ধতির অন্তর্গত। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
৩৮৬.
সকল ধনাত্মক পূর্ণসংখ্যাকে কি বলা হয়?
  1. ক) ক্যারেকটার
  2. খ) ইন্টিজার
  3. গ) রিয়েল
  4. ঘ) ডাবল
ব্যাখ্যা
• সকল ধনাত্মক পূর্ণসংখ্যাকে ইন্টিজার বলা হয়।

ইন্টিজার (Integer Type) টাইপ:
- প্রোগ্রামে পূর্ণসংখ্যা (যেমন- 23, 1456, 2345 ইত্যাদি) নিয়ে কাজ করার জন্য Integer ব্যবহৃত হয়।
- ইন্টিজার টাইপের ভেরিয়েবল ঘোষোণার জন্য int কীওয়ার্ড ব্যবহৃত হয়।
- যেমন- int x;

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৩৮৭.
ফ্লিপ-ফ্লপ ও লজিক গেইটের সমন্বয়ে গঠিত সার্কিট -
  1. ক) কাউন্টার
  2. খ) অ্যাডার
  3. গ) এনকোডার
  4. ঘ) ডিকোডার
ব্যাখ্যা
কাউন্টার
- কাউন্টার হলো এমন একটি সিকুয়েন্সিয়াল সার্কিট যা এর মধ্যে প্রদানকৃত ইনপুট পালসের সংখ্যা গুণতে পারে।
- এটি ফ্লিপ-ফ্লপ ও লজিক গেইটের সমন্বয়ে গঠিত।
- কাউন্টারের ইনপুট পালস্ (যাকে কাউন্ট পালস্ও বলে) ক্লক পালস্ বা অন্য কোন পালস্ হতে পারে।
- কাউন্ট নির্দিষ্ট সময় পরপর আসতে পারে বা অনিয়মিতভাবেও আসতে পারে। কাউন্টার বিভিন্ন সিকুয়েন্স বা ক্রম অনুসরণ করতে পারে তবে সবচেয়ে সরল ও সহজ সিকুয়েন্স হলো বাইনারি সিকুয়েন্স।
- যে কাউন্টার বাইনারি সিকুয়েন্স অনুসরণ করে তাকে বাইনারি কাউন্টার বলেন।
- একটি n বিট বাইনারি কাউন্টার হলো n টি ফ্লিপ-ফ্লপ এবং সংশ্লিষ্ট গেইট যা বাইনারি n বিট অর্থাৎ ০ থেকে ২n - 1 পর্যন্ত গণনার সিকুয়েন্সকে অনুসরণ করতে পারে।
- কাউন্টার সর্বাধিক যতটি সংখ্যা গুণতে পারে তাকে তার মডিউলাস বা মোড নাম্বার বলে। কোন কাউন্টারে n টি ফ্লিপ-ফ্লপ থাকলে তার মডিউলাস ২n.
- কোন কাউন্টারের ফ্লিপ-ফ্লপের সংখ্যা বৃদ্ধি করে মোড নাম্বার বা মডিউলাস বৃদ্ধি করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই, একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩৮৮.
(1101)2 এর দশমিক সংখ্যা কত?
  1. ১১
  2. ১২
  3. ১৩
ব্যাখ্যা
বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর: 
- বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করার সময় প্রত্যেক অংককে ২ দ্বারা গুণ করতে হবে। 
- গুণ করার সময় স্থানীয় মান অনুযায়ী ২ এর ঘাত ০ হতে বাড়াতে হবে। 
যেমন: একক স্থানীয় অংকটিকে ২ দ্বারা, দশক স্থানীয় অংকটিকে ২ দ্বারা, শতক স্থানীয় অংকটিকে ২দ্বারা গুণ করতে হবে। 
- প্রাপ্ত গুণফলকে যোগ করলে উক্ত বাইনারি সংখ্যাটির সমতুল্য দশমিক মান পাওয়া যাবে। 

এখানে, 
(1101)2 এর দশমিক সংখ্যা হলো- 
= 1 × 23 + 1 × 22 + 0 × 21 + 1 × 2
= 8 + 4 + 0 + 1 
= 13 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৮৯.
পরপর সংলগ্ন কতকগুলো ______ এর সমষ্টিকে কম্পিউটার ওয়ার্ড বলে।
  1. ক) টেরাবাইট
  2. খ) মেগাবাইট
  3. গ) কিলোবাইট
  4. ঘ) বাইট
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার ওয়ার্ড (Computer Word)
- পর পর সংলগ্ন কতকগুলো বিট বা বাইটের সমষ্টিকে একটি কম্পিউটার ওয়ার্ড বলে। 
- সাধারণত ১৬ বা ৩২ বিটে ১ ওয়ার্ড ধরা হয়।

কম্পিউটার মেমোরি পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত বিভিন্ন এককের মধ্যে সম্পর্ক-
(ক) ৮ বিট = ১ বাইট = ১ অক্ষর
(খ) ১০২৪ = ১ কিলোবাইট (KB) (গ) ১০২৪ কিলোবাইট = ১ মেগাবাইট (MB)
(ঘ) ১০২৪ মেগাবাইট = ১ গিগাবাইট (GB)
(ঙ) ১০২৪ গিগাবাইট = ১ টেরাবাইট (TB)
(চ) ১০২৪ টেরাবাইট = ১ পেটাবাইট (PB)
(ছ) ১০২৪ পেটাবাইট = ১ এক্সাবাইট (EB)
(জ) ১০২৪ এক্সাবাইট = ১ জেটাবাইট (ZB)
(ঝ) ১০২৪ জেটাবাইট = ১ ইট্রাবাইট (YB)

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।
৩৯০.
​​​(১১১০১১) এর সমকক্ষ দশমিক সংখ্যা কত?
  1. ৭৭
  2. ৪৩
  3. ৩০
  4. ৫৯
ব্যাখ্যা

​​​(১১১০১১) এর সমকক্ষ দশমিক সংখ্যা ৫৯।

​​পূর্ণ বাইনারি সংখ্যাকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর
​১। বাইনারি সংখ্যার প্রত্যেকটি অংককে বাইনারি সংখ্যার বেজ 2 দ্বারা গুণ করতে হবে।
​২। গুণ করার সময় স্থানীয় মান অনুযায়ী 2-এর ঘাত 0 হতে বাড়াতে হবে। যেমন- একক স্থানীয় অংকটিকে 20 দ্বারা, দশক স্থানীয় অংকটিকে 21 দ্বারা, শতক স্থানীয় অংকটিকে 22 ....... দ্বারা গুণ করতে হবে।
​৩। প্রাপ্ত গুণফলকে যোগ করলে দশমিকের সমতুল্য মান পাওয়া যাবে।

​(১১১০১১) = ১x২ + ১x২ + ১x২ + ০x২ + ১x২ + ১x২
​ = ৩২ + ১৬ + ৮ + ০ + ২ + ১
​ = ৫৯

​​​(১১১০১১) = (৫৯)১০

​উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৯১.
কোন ধরনের কোডকে EBCDIC কোড বলা হয়?
  1. ৭-বিট ASCII কোড
  2. ১৬-বিট ইউনিকোড কোড
  3. ১৬-বিট ASCII কোড
  4. ৮-বিট BCD কোড
ব্যাখ্যা

EBCDIC কোড হলো এক ধরনের ৮-বিট BCD কোড।

ইবিসিডিক (EBCDIC) কোড:
- ৮ - বিট বিসিডি কোড, Extended Binary Coded Decimal Information Code বা ইবিসিডিক কোড নামে পরিচিত।
- ইবিসিডিক (EBCDIC) কোডে ০ থেকে ৯ সংখ্যার জন্য ১১১১,
- A থেকে Z বর্ণের জন্য ১১০০, ১১০১ ও ১১১০,
- বিশেষ চিহ্নের জন্য ০১০০, ০১০১, ০১১০ ও ০১১১ জোন বিট হিসাবে ব্যবহার করা হয়।
- ২৫৬টি বর্ণ, সংখ্যা ও বিশেষ চিহ্নকে এ পদ্ধতিতে ফোড করে কম্পিউটারে ব্যবহার উপযোগী করা আছে।
- এটি মূলত BCD (Binary Coded Decimal) পদ্ধতির একটি বর্ধিত রূপ।
- এ কোডটি সাধারণত IBM এবং IBM সমকক্ষ কম্পিউটারেই শুধু ব্যবহৃত হয়।
- যেমন IBM মেইনফ্রেম ও মিনি কম্পিউটারে EBCDIC কোড ব্যবহার করা হয়।

• অন্যান্য অপশন:
- ৭-বিট ASCII কোড: ASCII (American Standard Code for Information Interchange) একটি ৭-বিট কোড এবং এটি EBCDIC থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন। এটি সাধারণত IBM মেইনফ্রেমের বাইরে ব্যবহৃত হয়।
- ১৬-বিট ইউনিকোড কোড: ইউনিকোড একটি আন্তর্জাতিক মানদণ্ড যা বিশ্বের প্রায় সব ভাষার অক্ষরকে সমর্থন করে। এটি ১৬-বিট বা ৩২-বিট হতে পারে, যা EBCDIC-এর ধারণার সাথে মেলে না।
- ১৬-বিট ASCII কোড: সাধারণত ASCII কোড ৭-বিট বা ৮-বিট হয়। ১৬-বিট ASCII কোড প্রচলিত নয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৩৯২.
What is the binary equivalent of decimal number 95?
  1. 1001101
  2. 1011111
  3. 1111011
  4. 1101111
ব্যাখ্যা
(95)10 = (1011111)2

• পূর্ণ দশমিক সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর:

১। দশমিক সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করার জন্য দশমিক সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যার বেজ ২ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে।
২। ভাগফলকে পুনরায় ২ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে।
৩। এ পদ্ধতির পুনরাবৃত্তি করতে হবে যতক্ষণ না ভাগফল ০ হয়।
৪। সংরক্ষিত ভাগশেষগুলোকে শেষ থেকে শুরু বা সর্বোচ্চ গুরুত্বপূর্ণ অংক (MSB-Most Significant Bit) থেকে সর্বনিম্ন গুরুত্বপূর্ণের অংক (LSB-Least Significant Bit) পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে লিখলে সংখ্যাটির সমকক্ষ বাইনারি মান পাওয়া যাবে।


সুতরাং, (95)10 = (1011111)2

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৯৩.
বুলিয়ান আলজেবরার কোন উপপাদ্যটি সঠিক নয়?
  1. ক) A + 1 = 1
  2. খ) A + A' = 1
  3. গ) A + A = A
  4. ঘ) A + 0 = 0
ব্যাখ্যা

বুলিয়ান উপপাদ্য:
- A + 0 = A
- A + A = A
- A + A' = 1
- A + 1 = 1
- A . 1 = A
- A . A' = 0
- A . A = A
- A . 0 = 0

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৩৯৪.
101 সংখ্যাটি কোন সংখ্যা পদ্ধতির অন্তর্গত?
  1. অক্টাল
  2. বাইনারি
  3. ডেসিমেল
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
বাইনারি: বেস ২ টি। 
যেমন - 0, 1. 

অক্টাল: বেস ৮ টি। 
যেমন - 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7. 

ডেসিমেল: বেস ১০ টি। 
যেমন - 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9. 

হেক্সাডেসিমেল: বেস ১৬ টি। 
যেমন - 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9, A, B, C, D, E, F. 

অর্থাৎ 0, 1 এই দুই ডিজিট সকল সংখ্যাপদ্ধতির অন্তর্গত। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)। 
৩৯৫.
যেসব দেশের ভাষা প্রকাশে ৮ বিটের অধিক কোড দরকার হয়, সেগুলোর জন্য কোন কোড ব্যবহার করা হয়?
  1. অ্যাসকি কোড
  2. ইউনিকোড
  3. ইবিসিডিক কোড
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• যেসব দেশের ভাষা প্রকাশে ৮ বিটের অধিক কোড দরকার হয়, সেগুলোর জন্য ইউনিকোড (Unicode) ব্যবহার করা হয়। অ্যাসকি (ASCII) এবং ইবিসিডিক (EBCDIC) কোড ৭ বা ৮ বিটের সীমার মধ্যে সীমাবদ্ধ, যা কেবল ইংরেজি বর্ণমালা ও কিছু নির্দিষ্ট চিহ্ন প্রকাশ করতে সক্ষম। কিন্তু চীনা, জাপানি, বাংলা, হিন্দি, আরবি ইত্যাদি ভাষার অক্ষর ও চিহ্নগুলো প্রকাশের জন্য হাজার হাজার ভিন্ন কোড দরকার হয়। ইউনিকোড হলো একটি আন্তর্জাতিক স্ট্যান্ডার্ড, যা ১৬, ২৪ বা ৩২ বিট পর্যন্ত সমর্থন করে এবং প্রায় সব ভাষার অক্ষর, সংকেত ও প্রতীক সমর্থন করে। তাই সঠিক উত্তর হলো: খ) ইউনিকোড।

• ইউনিকোড:
- ইউনিকোড ১৬ বিট বিশিষ্ট কোড।
- বিভিন্ন ধরনের ক্যারেক্টার এবং টেক্সটকে প্রকাশ করার জন্য ইউনিকোড ব্যবহৃত হয়।
- বিশ্বের সকল দেশের ভাষাসমূহকে প্রকাশ করার জন্য 16 বিটের এই কোড ব্যবহার করা হয়।
- ইউনিকোডের সাহায্যে 216 = 65,536 কোড গ্রুপ তৈরি করা সম্ভব।
- ফলে যে সমস্ত দেশের ভাষাকে প্রকাশ করতে 8 বিটের বেশি কোড ব্যবহৃত হয়, সে সব ক্ষেত্রে ইউনিকোড ব্যবহৃত হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৯৬.
কোন গেইটের ক্ষেত্রে ইনপুট 0 হলে আউটপুট 1 হবে এবং ইনপুট 0 হলে আউটপুট হবে 1 হবে?
  1. NAND
  2. NOT
  3. OR
  4. AND
ব্যাখ্যা
মৌলিক লজিক গেইট:
- ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতি বাস্তবায়নের জন্য যে সমস্ত গেইট মূলত কাজ করে তাদেরকে মৌলিক গেইট বলা হয়।
- কম্পিউটার বা অন্যান্য ডিজিটাল পদ্ধতির মূলে রয়েছে তিনটি মৌলিক গেইট। যথা:
১. অর গেইট (OR Gate),
২. অ্যান্ড গেইট (AND Gate) এবং
৩. নট গেইট (NOT Gate)।

• অর গেইট:
- যে গেইটের দুই বা ততোধিক ইনপুট থাকে এবং আউটপুট ইনপুটসমূহের যৌক্তিক যোগফলের সমান তাকে অর গেইট বলে।
- কমপক্ষে একটি ইনপুট 1 হলে অর গেইটের আউটপুট 1 হবে, অন্যথায় আউটপুট ০ হবে।

• অ্যান্ড গেইট:
- যে গেইটের দুই বা ততোধিক ইনপুট থাকে এবং আউটপুট ইনপুটগুলোর যৌক্তিক গুণফলের সমান হয় তাকে অ্যান্ড গেইট বলে।
- সবগুলো ইনপুট 1 হলে অ্যান্ড গেইটের আউটপুট 1 হবে; অন্যথায় আউটপুট 0 হবে।

• নট গেইট:
- যে গেইটে একটি ইনপুট ও একটি আউটপুট থাকে তাকে নট গেইট বলে।
- এই গেইটের ইনপুট 1 হলে আউটপুট হবে 0 এবং ইনপুট 0 হলে আউটপুট হবে 1.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৯৭.
কত সালে জর্জ বুল গণিত ও যুক্তির মধ্যে সুস্পষ্ট সম্পর্ক বের করেন?
  1. ক) ১৯৪৫
  2. খ) ১৮৩৩
  3. গ) ১৯৪৪
  4. ঘ) ১৮৫৪
ব্যাখ্যা
কোন ব্যাখ্যা যোগ হয় নি। 
৩৯৮.
যে কোন একটি ইনপুট ১ হলেই আউটপুট ১ হয়, কোন লজিক গেইটে?
  1. ক) AND
  2. খ) OR
  3. গ) X-OR
  4. ঘ) NAND
ব্যাখ্যা
OR Gate এর সত্যক সারণি থেকে পাই,

সবগুলো ইনপুট ০ হলে আউটপুট ০ হয়।
যেকোন একটি ইনপুট ১ হলেই আউটপুট ১ হয়।
৩৯৯.
নিম্নোক্ত গেইটে ইনপুট 1 হলে আউটপুট কত হবে?
  1. 1
  2. 0
  3. 1010
  4. 10
ব্যাখ্যা
• নট গেইট:
- এই গেইট যৌক্তিক উল্টানো পদ্ধতিতে কাজ করে।
- যে গেইটে একটি ইনপুট ও একটি আউটপুট থাকে তাকে নট গেইট বলে।


- এই গেইটের ইনপুট 1 হলে আউটপুট হবে 0 এবং ইনপুট 0 হলে আউটপুট হবে 1.


উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪০০.
(1111011)2 এর অক্টাল প্রকাশ হলো -
  1. ক) (153)8
  2. খ) (125)8
  3. গ) (176)8
  4. ঘ) (173)8
ব্যাখ্যা
001 111 011
  1    7     3

(1111011)2 = (173)8