বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

কম্পিউটার নম্বর সিস্টেম ও লজিক গেইটসমূহ

মোট প্রশ্ন১,৩২০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

কম্পিউটার নম্বর সিস্টেম ও লজিক গেইটসমূহ

PrepBank · পাতা / ১৪ · ১০১২০০ / ১,৩২০

১০১.
নট গেইটের ইনপুট ০ হলে আউটপুট কত? 
  1. - ১
  2. ১১
ব্যাখ্যা
তিন প্রকার মৌলিক গেইটগুলাে হলাে :
১. অর গেইট (OR Gato): যৌক্তিক যোগের জন্য।
২. অ্যান্ড গেইট (AND Gate) : যৌক্তিক গুণের জন্য।
৩. নট গেইট NOT Gate) : যৌক্তিক পূরকের জন্য।

নট গেইট:
- এই গেইট যৌক্তিক উল্টানো পদ্ধতিতে কাজ করে।
- যে গেইটে একটি ইনপুট ও একটি আউটপুট থাকে তাকে নট গেইট বলে।
- এই গেইটের ইনপুট ১ হলে আউটপুট হবে ০ এবং ইনপুট ০ হলে আউটপুট হবে ১।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম,বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১০২.
অক্টাল সংখ্যা 162 এর ডেসিমেল মান কত?
  1. 112
  2. 114
  3. 116
  4. 118
ব্যাখ্যা
• (162)8 এর ডেসিমেল নাম্বার 114.

• অক্টাল সংখ্যা (Octal Number):
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তি হচ্ছে ৮।
- এই পদ্ধতিতে 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6 এবং 7 এই ৮টি মৌলিক অংক ব্যবহৃত হয়।
- উদাহরণ: (১০১), (৭৩১) ইত্যাদি।

এখানে,
(162)8
= (1 × 8²) + (6 × 8¹) + (2 × 8⁰)
= 64 + 48 + 2
= 114

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১০৩.
101111 বাইনারি নাম্বারের সমতুল্য ডেসিমাল নাম্বার কোনটি?
  1. ক) 47
  2. খ) 46
  3. গ) 48
  4. ঘ) 45
ব্যাখ্যা
(101111)₂
= (1 × 2⁵) + (0 × 2⁴) + (1 × 2³) + (1 × 2²) + (1 × 2¹) + (1 × 2⁰)
= (47)₁₀
১০৪.
নিচের কোনটি নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি?
  1. ক) বাইনারি
  2. খ) দশমিক
  3. গ) অক্টাল
  4. ঘ) ট্যালি
ব্যাখ্যা
সংখ্যা পদ্ধতি (Number System): 
- প্রাচীনকাল থেকেই মানুষ গণনার কাজের জন্য বিভিন্ন সাংকেতিক চিহ্ন, বর্ণ, সংখ্যা বা অংক ইত্যাদি ব্যবহার করেছে। এ ধরনের সাংকেতিক চিহ্ন, বর্ণ, সংখ্যা বা অংক পাশাপাশি রেখে তা প্রকাশ করার পদ্ধতিই হলো সংখ্যা পদ্ধতি। 
- সংখ্যা পদ্ধতিকে মূলত দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি (Non-Positional Number System) ও
২. পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি (Positional Number System)। 

নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি (Non- positional Number System):
- নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি হলো এমন এক ধরনের পদ্ধতি, যেখানে সংখ্যাগুলোর কোনো স্থানীয় মান থাকে না। শুধুমাত্র সংখ্যার নিজস্ব মান দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
- নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতিতে হাতিয়ার, পশুপাখি, জীবজন্তুর ছবি, গাছ, ফুল ফল ইত্যাদি প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করা হতো।
- তবে এ ধরনের সংখ্যা পদ্ধতিতে গাণিতিক কাজ করা খুবই জটিল।
- প্রাচীনকালে ব্যবহৃত হায়ারোগ্লিফিক্স, মেয়ান, ট্যালি সংখ্যা পদ্ধতি নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতির উদাহরণ। 

পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি (Positional Number System):
- কোনো সংখ্যা পদ্ধতি প্রকাশ করার জন্য যে সকল সাংকেতিক চিহ্ন বা মৌলিক চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তা অংক বা ডিজিট (Digit) নামে পরিচিত। যেমন: বাইনারি সংখ্যাকে প্রকাশ করার জন্য দুটি অংক ০ এবং ১ ব্যবহার করা হয়।
- ডিজিট ব্যবহার করে সংখ্যা পদ্ধতি প্রকাশ করার পদ্ধতিই হলো পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০৫.
লজিক গেইটে দুই বা ততোধিক ইনপুট থেকে সর্বোচ্চ কতটি আউটপুট পাওয়া সম্ভব?
  1. ক) ২ টি
  2. খ) ১ টি
  3. গ) ৩ টি
  4. ঘ) ০ টি
ব্যাখ্যা
বুলিয়ান অ্যালজেবরার ব্যবহারিক প্রয়োগের জন্য ইলেক্ট্রনিক সার্কিট ব্যবহার করা হয়, এ সকল ইলেক্ট্রনিক সার্কিট লজিক গেইট নামে পরিচিত।

লজিক গেইট হচ্ছে এক ধরনের ইলেক্ট্রনিক সার্কিট যা এক বা একাধিক ইনপুট গ্রহণ করে কোন যুক্তির ভিত্তিতে একটিমাত্র আউটপুট প্রদান করে।

নিচে দুই ইনপুট (1,1) বিশিষ্ট কতিপয়  লজিক গেইটের উদাহরণ দেয়া হল:
OR Gate
1 + 1 = 1

AND Gate
1.1 = 1

NOT gate
1' = 0

NOR Gate
1 + 1 = 0

NAND Gate
1.1 = 0

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (১১শ - ১২শ শ্রেণি), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১০৬.
কোনটি কোয়ান্টাম কম্পিউটিং অ্যালগরিদমের উদাহরণ?
  1. Quick Sort
  2. Dijkstra’s Algorithm
  3. Merge Sort
  4. Shor’s Algorithm
ব্যাখ্যা
• কোয়ান্টাম কম্পিউটিং:
- কোয়ান্টাম কম্পিউটিং আধুনিক কম্পিউটার বিজ্ঞান এবং গাণিতিক সমস্যাগুলির সমাধানে একটি বিপ্লবী ধারণা।
- এটি কোয়ান্টাম মেকানিক্স এর ধারণা ব্যবহার করে, যেখানে কোয়ান্টাম বিট (Qubit) একাধিক অবস্থানে থাকতে পারে, এবং তার ফলে এটি নির্দিষ্ট কাজগুলো খুব দ্রুত এবং দক্ষভাবে সম্পাদন করতে সক্ষম হয়।

- কোয়ান্টাম কম্পিউটিংয়ের জন্য যে অ্যালগরিদমগুলি তৈরি হয়েছে, সেগুলি সাধারণত ক্লাসিক্যাল কম্পিউটারের তুলনায় কিছু সমস্যা সমাধানে অনেক দ্রুত কাজ করে।
- এমন কিছু গুরুত্বপূর্ণ কোয়ান্টাম অ্যালগরিদমের মধ্যে একটি হল Shor’s Algorithm, যা বড় সংখ্যার গুণফল বের করা (Integer Factorization) এর জন্য ব্যবহৃত হয়।

Shor's Algorithm:
- Shor's Algorithm কোয়ান্টাম কম্পিউটিংয়ের একটি প্রধান অ্যালগরিদম যা বড় সংখ্যাকে দ্রুত গুণফলে বিভক্ত (factorization) করতে পারে।
- এটা বিন্যাসযোগ্য সংখ্যা গুণফল (large number factorization) বের করার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ, এবং এর মাধ্যমে আধুনিক ক্রিপ্টোগ্রাফি সিস্টেম যেমন RSA সিকিউরিটি ভেঙে ফেলতে পারে।
- Shor’s Algorithm একটি কোয়ান্টাম প্রক্রিয়া ব্যবহার করে গাণিতিক সমস্যাগুলি অনেক দ্রুত সমাধান করতে সক্ষম, যেখানে সাধারণ কম্পিউটারে এসব সমস্যা সমাধান করতে কয়েক হাজার বছর সময় লাগতে পারে।

- Grover's algorithm - কোয়ান্টাম কম্পিউটিং অ্যালগরিদমের আরেকটি উদাহরণ।

সূত্র: quantamagazine [লিংক]
১০৭.
(11010101)2 এর সমতুল্য দশমিক সংখ্যা কত?
  1. ক) 197
  2. খ) 199
  3. গ) 208
  4. ঘ) 213
ব্যাখ্যা
11010101 = (1×27) + (1×26) + (0×25) + (1×24) + (0×23) + (1×22) + (0×21) + (1×20)
= 128 + 64 + 16 + 4 + 1
= 213
১০৮.
Which of the following circuit is used as a 'Memory device' in computers?
  1. ক) Rectifier
  2. খ) Flip Flop
  3. গ) Comparator
  4. ঘ) Attenuator
ব্যাখ্যা
A flip-flop or latch is a circuit that has two stable states and can be used to store state information as Memory devices.
১০৯.
কয়েকটি অক্ষর নিয়ে গঠিত হয় একটি-
  1. ক) ফিল্ড
  2. খ) ফাইল
  3. গ) টেবিল
  4. ঘ) বাইট
ব্যাখ্যা
ডেটা হায়ারার্কি বিট, বাইট, ফিল্ড, রেকর্ড এবং ফাইল নিয়ে গঠিত যা ডেটাবেসের উপাদান। কয়েকটি অক্ষর নিয়ে গঠিত হয় একটি ফিল্ড। পরস্পর সম্পর্ক যুক্ত কয়েকটি ফিল্ড নিয়ে গঠিত হয় একটি রেকর্ড। আর এক বা একাধিক রেকর্ড নিয়ে টেবিল তৈরি হয়।
১১০.
A5A (Hex) সংখ্যার সমতুল্য Decimal মান কত?
  1. 2750 
  2. 2650 
  3. 2350 
  4. 1650 
ব্যাখ্যা

• A5A একটি হেক্সাডেসিমাল (Hex) সংখ্যা, যেখানে A এর মান ১০ এবং 5 এর মান ৫ ধরা হয়। হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা পদ্ধতিতে ভিত্তি হলো ১৬। তাই A5A সংখ্যাটিকে দশমিকে রূপান্তর করতে হলে প্রতিটি অঙ্ককে ১৬-এর ঘাত দিয়ে গুণ করতে হয়। সুতরাং A5A (Hex) সংখ্যার সমতুল্য Decimal মান হলো 2650 এবং সঠিক উত্তর খ) 2650.

হেক্সাডেসিমেল থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর: 
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তরের জন্য সংখ্যাটির প্রত্যেক অংককে নিজ নিজ স্থানীয় মান দ্বারা গুণ করে প্রাপ্ত গুণফলসমূহকে যোগ করতে হবে। এভাবে প্রাপ্ত যোগফলই হবে উক্ত হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার সমতুল্য দশমিক সংখ্যা।
- হেক্সাডেসিমেল থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করার সময় প্রত্যেক অংককে ১৬ দ্বারা গুণ করতে হবে।
- গুণ করার সময় স্থানীয় মান অনুযায়ী ১৬ এর ঘাত ০ হতে বাড়তে থাকবে। যেমন- একক স্থানীয় অংকটিকে ১৬০ দ্বারা, দশক স্থানীয় অংকটিকে ১৬১ দ্বারা, শতক স্থানীয় অংকটিকে ১৬২ দ্বারা,.....গুণ করতে হবে।
- এক্ষেত্রে খেয়াল রাখতে হবে যে, হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটির কোন অংক A, B, C, D, E ও F হলে যথাক্রমে ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪ ও ১৫ দিয়ে গুণ করতে হবে।
- প্রাপ্ত গুণফলকে যোগ করলে উক্ত হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটির সমতুল্য দশমিক মান পাওয়া যাবে।

এখানে, 
A5A = (A × 162) + (5 × 161) + (A × 160)
= (10 × 256) + (5 × 16) + (10 × 1)
= 2560 + 80 + 10
= 2650

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১১.
৫টি ইনপুটবিশিষ্ট ডিকোডারের আউটপুট লাইন কতটি?
  1. ক) ৫টি
  2. খ) ২৫টি
  3. গ) ৩২টি
  4. ঘ) ৬৪টি
ব্যাখ্যা
ডিকোডার:
- ডিকোডার হলো এমন একটি সমবায় সার্কিট যার সাহায্যে n টি ইনপুট থেকে সর্বাধিক 2n টি আউটপুট লাইনের একটিতে 1 ও বাকি সবকটিতে 0 আউটপুট পাওয়া যায়।
- কখন কোন আউটপুট লাইনে 1 পাওয়া যাবে তা নির্ভর করে ইনপুটগুলোর মানের উপর।

কাজ:
- n টি বিট দিয়ে 2n টি বাইনারি সংখ্যা লেখা যায়। যেমন, 3টি বিট দিয়ে 000(0) থেকে 111(7) পর্যন্ত 23 = 8 টি বাইনারি সংখ্যা লেখা সম্ভব।
- সুতরাং আউটপুট লাইনগুলোকে 0,1,2 .... ইত্যাদি নম্বর দিলে ডিকোডারের সাহায্যে বাইনারি সংখ্যাকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করা যায়।
- ৫টি ইনপুটবিশিষ্ট ডিকোডারের আউটপুট লাইন হবে ৩২টি

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১২.
নিচের কোনটি বাইনারি সংখ্যা?
  1. ক) (১০৩)১০
  2. খ) (৯৮.৫)১০
  3. গ) (১০১)
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
(১০১) সংখ্যাটি একটি বাইনারি সংখ্যা। কারণ, এইখানে দুইটিমাত্র সংখ্যা (০,১) ব্যবহার করা হয়েছে। 

- অপরদিকে, (১০৩)১০ এবং (৯৮.৫)১০ হচ্ছে দশমিক সংখ্যার উদাহরণ। 
- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে সংখ্যা গণনা করার জন্য ২টি অঙ্ক বা প্রতীক ব্যবহৃত হয় তাকে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি বলে। যেমন: (১০১০)
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে যেহেতু ০ এবং ১ এই দুইটি প্রতিক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তাই এর বেজ বা ভিত্তি হচ্ছে ২। 
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির ০ এবং ১ এই দুটি মৌলিক চিহ্নকে বিট বলে।
- আট বিটের গ্রুপ নিয়ে গঠিত হয় একটি বাইট।
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে মাত্র দুটি চিহ্ন থাকায় এর ভিত্তি ২। 
- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে দশটি (১০টি) অঙ্ক ব্যবহার করা হয় তাকে দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি বলে। 
- দশমিক সংখ্যা পদ্ধতিতে ব্যবহৃত অঙ্কগুলো হলো ০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮ এবং ৯।
- দশমিক সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি হচ্ছে ১০।

সূত্র- ৮৩ পৃষ্ঠা, কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রথম পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১৩.
এনকোডার দ্বারা ১২৮ টি ইনপুট থেকে কতটি আউটপুট পাওয়া যায়?
  1. ৫টি
  2. ৬টি
  3. ৭টি
  4. ৮টি
ব্যাখ্যা
• এনকোডার:
- এনকোডার এক ধরনের সমবায় সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী, যা মানুষের ব্যবহৃত বিভিন্ন আলফানিউমেরিক বর্ণ, বিশেষ চিহ্ন, টেক্সট, অডিও ও ভিডিও ইত্যাদিকে ডিজিটাল সিস্টেমের বোধগম্য কোডে রূপান্তর করে।

- এনকোডার এমন একটি সমবায় সার্কিট যার দ্বারা সর্বাধিক 2n টি ইনপুট থেকে n টি আউটপুট লাইনে 0 বা 1 আউটপুট পাওয়া যায়।
- যদি 24 = 16টি ইনপুট হয় তাহলে 4টি আউটপুট হবে।
- যদি 25 = 32টি ইনপুট হয় তাহলে 5টি আউটপুট হবে।
- যদি 26 = 64টি ইনপুট হয় তাহলে 6টি আউটপুট হবে।
- যদি 27 = 128টি ইনপুট হয় তাহলে 7টি আউটপুট হবে।

- যে কোন মুহূর্তে একটি মাত্র ইনপুট 1 ও বাকি সব ইনপুট 0 থাকে।
- এনকোডার বিভিন্ন ধরনের হতে পারে। যেমন: 4 থেকে 2 এনকোডার, 8 থেকে 3 এনকোডার ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১৪.
NOR গেইট গঠিত হয়-
  1. ক) AND এবং NOT নিয়ে
  2. খ) AND এবং OR নিয়ে
  3. গ) OR এবং NOT নিয়ে
  4. ঘ) AND, OR এবং NOT নিয়ে
ব্যাখ্যা
নর (NOR) গেইট হচ্ছে অর গেইট ও নট গেইটের সমষ্টি।
অর গেইটের আউটপুটকে নট গেইটের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত করলে নর গেইট তৈরি হয়।
অর গেইট যে কাজ করে নর গেইট তার বিপরীত কাজ করে।


 

 

উৎস:  তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
১১৫.
NOR গেইটের বিপরীত গেইট কোনটি?
  1. ক) AND Gate
  2. খ) OR Gate
  3. গ) NOT Gate
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
নর গেইট:
- নর (NOR) গেইট হচ্ছে অর গেইট ও নট গেইটের সমষ্টি।
- অর গেইটের আউটপুটকে নট গেইটের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত করলে নর গেইট তৈরি হয়।
- অর গেইট যে কাজ করে নর গেইট তার বিপরীত কাজ করে। 



অর গেইট:
- যে গেইটের দুই বা ততোধিক ইনপুট থাকে এবং আউটপুট ইনপুটসমূহের যৌক্তিক যোগফলের সমান তাকে অর গেইট বলে।
- কমপক্ষে একটি ইনপুট 1 হলে অর গেইটের আউটপুট 1 হবে, অন্যথায় আউটপুট ০ হবে। 



উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১৬.
কোন দুটি মৌলিক অঙ্ককে বিট বলে?
  1. ০ এবং ৪
  2. ০ এবং ২
  3. ০ এবং ৩
  4. ০ এবং ১
ব্যাখ্যা

- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি ০ এবং ১ এই দুটি মৌলিক অঙ্ককে বিট বলে।
- Binary Digit শব্দটির সংক্ষিপ্ত রূপ হচ্ছে বিট (Bit)।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, মাহবুবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

১১৭.
1 কিলোবাইট সমান কত বাইট?
  1. 1000 বাইট
  2. 1024 বাইট
  3. 1008 বাইট
  4. 1016 বাইট
ব্যাখ্যা

◉ 1 কিলোবাইট (KB) সমান 1024 বাইট।
কম্পিউটারে ডেটা পরিমাপের ক্ষেত্রে বাইনারি সিস্টেম ব্যবহার করা হয়, তাই 1 কিলোবাইট = 210 বাইট = 1024 বাইট।

বিট ও বাইট:
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে ০ অথবা ১ অংককে বিট বলে।
- বিট ডেটা কমিউনিকেশনের মৌলিক একক।
- ডেটা ও তথ্য পরিমাপের জন্য বিট একক হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

উল্লেখ্য, 
- ১ কিলোবিট = ১০০০ বিট।
- ১ মেগাবিট = ১০০০ কিলোবিট।
- ১ গিগাবিট = ১০০০ মেগাবিট।
- ১ টেরাবিট = ১০০০ গিগাবিট।
- ১ বাইট = ৮ বিট।
- ১ কিলোবাইট = ১০২৪ বাইট।
- ১ মেগাবাইট = ১০২৪ কিলোবাইট।
- ১ গিগাবাইট = ১০২৪ মেগাবাইট।
- ১ টেরাবাইট = ১০২৪ গিগাবাইট।
- ১ পেটাবাইট = ১০২৪ টেরাবাইট।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবর রহমান)।

১১৮.
নিচের কোনটি সত্য নয়?
  1. ক) ১০২৪ এক্সাবাইট = ১ জেটাবাইট (ZB)
  2. খ) ১০২৪ পেটাবাইট = ১ ইট্রাবাইট (EB)
  3. গ) ১০২৪ টেরাবাইট = ১ পেটাবাইট (PB)
  4. ঘ) ১০২৪ মেগাবাইট = ১ গিগাবাইট (GB)
ব্যাখ্যা
বাইট (Byte) : ৮টি বিট মিলে ১ বাইট হয়। এরূপ ৮ বিটের কোড দিয়ে যে কোনাে বর্ণ, অঙ্ক বা বিশেষ চিহ্নকে প্রকাশ করা হয়। এরূপ ৮ বিট বিশিষ্ট শব্দকে বাইট বলা হয় ।
কম্পিউটার মেমােরি পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত বিভিন্ন এককের মধ্যে সম্পর্ক
(ক) ৮ বিট = ১ বাইট = ১ অক্ষর।
(খ) ১০২৪ বাইট = ১ কিলােবাইট (KB)
(গ) ১০২৪ কিলােবাইট = ১ মেগাবাইট (MB)
(ঘ) ১০২৪ মেগাবাইট = ১ গিগাবাইট (GB)
(ঙ) ১০২৪ গিগাবাইট = ১ টেরাবাইট (TB)
(চ) ১০২৪ টেরাবাইট = ১ পেটাবাইট (PB)
(ছ) ১০২৪ পেটাবাইট = ১ এক্সাবাইট (EB)
(জ) ১০২৪ এক্সাবাইট = ১ জেটাবাইট (ZB)
(ঝ) ১০২৪ জেটাবাইট = ১ ইট্রাবাইট (YB)
১১৯.
হেক্সাডেসিমাল সংখ্যার ২ কে বাইনারিতে কিভাবে প্রকাশ করা যায়?
  1. ০১
  2. ১০
ব্যাখ্যা

উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
১২০.
53D কোন ধরনের সংখ্যা?
  1. ক) বাইনারি
  2. খ) ডেসিমাল
  3. গ) অকটাল
  4. ঘ) হেক্সাডেসিমাল
ব্যাখ্যা
যে সংখ্যা পদ্ধতি ১৬টি অঙ্ক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তাকে হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা পদ্ধতি বলে। এ পদ্ধতিতে ব্যবহৃত অঙ্ক গুলো হলো- 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9, A, B, C, D, E, F। তাই 53D সংখ্যাটি হেক্সাডেসিমাল।
১২১.
বুলিয়ান অ্যালজেবরার উদ্ভাবক কে?
  1. ডি মরগ্যান
  2. ফ্রেড কোহেন
  3. জর্জ বুল
  4. প্যাসকেল
ব্যাখ্যা
• বুলিয়ান অ্যালজেবরা:
- প্রখ্যাত ইংরেজ গণিতবিদ জর্জ বুল ১৮৪৭ সালে তাঁর প্রকাশিত প্রথম গ্রন্থ "দ্য ম্যাথমেটিক্যাল অ্যানালাইসিস ওফ লজিক"- এ‌ সর্বপ্রথম বুলিয়ান অ্যালজেবরা নিয়ে আলোচনা করেন।
- ১৮৫৪ সালে গণিত ও যুক্তির মধ্যে সম্পর্ক নিয়ে তাঁর "An investigation of the Laws of Thought" গ্রন্থে বুলিয়ান অ্যাালজেবরা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
- মূলত সত্য ও মিথ্যা এই দুই লজিকের ওপর ভিত্তি করে আলোচনা করা হয়।
- বাইনারি সংখ্যা আবিষ্কারের পর বুলিয়ান অ্যাালজেবরায় সত্য ও মিথ্যাকে বাইনারি 1 ও 0 দিয়ে পরিবর্তন করার মাধ্যমে কম্পিউটারে অঙ্ক কষার সমস্ত গাণিতিক সমস্যা সমাধান করা সম্ভব হয়।
- জর্জ বুল'কে বুলিয়ান অ্যালজেবরার আবিষ্কারক বলা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১২২.
দশমিক 551 - কে বাইনারীতে রূপান্তর করলে মান কত হবে?
  1. 1110010001
  2. 101010101
  3. 1000100111
  4. 1110010000
ব্যাখ্যা

- দশমিক সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করার জন্য সংখ্যাটিকে ক্রমাগত ২ দ্বারা ভাগ করতে হয় এবং ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হয়।
- এভাবে চলতে থাকে যতক্ষন না ভাগশেষ ০ আসে।
- দশমিক 551 = বাইনারি 1000100111 হবে।
সূত্রঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর (উন্মুক্ত বিশ্বঃ) কম্পিউটার ও আইসিটি বোর্ড বই।

১২৩.
কোন সংখ্যাকে কম্পিউটারের অভ্যন্তরে ব্যবহারে নিবল ভূমিকা রাখে?
  1. ক) বাইনারি
  2. খ) ডেসিমাল
  3. গ) অক্টাল
  4. ঘ) হেক্সাডেসিমাল
ব্যাখ্যা
নিবল (Nibble)
- এক বাইটের অর্ধেক বা ৪ বিটকে নিবল বলা হয়।
- নিবল মূলত হেক্সাডেসিমাল সংখ্যাকে কম্পিউটারের অভ্যন্তরে ব্যবহারে কার্যকর ভূমিকা পালন করে থাকে।
- এর কারণ হলো বাইনারির চারটি বিটকে একত্রে গ্রুপ করলে সেই গ্রুপটিকে একটি হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা দ্বারা উপস্থাপন করা সম্ভব।
- হেক্সাডেসিমালের এই চার বিটের কোডকে প্রকাশের জন্য মূলত নিবল উপস্থাপন করা হয়ে থাকে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
১২৪.
রেজিস্টারে ডেটা স্থানান্তর কত ভাবে হতে পারে?
  1. ২ ভাবে
  2. ৩ ভাবে
  3. ৪ ভাবে
  4. ৫ ভাবে
ব্যাখ্যা
• রেজিস্টার:
- রেজিস্টার হলো ফ্লিপ ফ্লপের সমন্বয়ে গঠিত ডিজিটাল বর্তনী।
- রেজিস্টারের প্রতিটি ফ্লিপ ফ্লপ এক বিট (Bit) তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে।
- একটি n-bit রেজিস্টারে n সংখ্যক ফ্লিপ ফ্লপ থাকে যা বাইনারি n-bit তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে।
- ফ্লিপ ফ্লপ ছাড়াও রেজিস্টারে কম্বিনেশনাল (Combinational) গেইট থাকতে পারে যা কোন ডাটা প্রসেসিংয়ের কাজ করতে পারে।
- রেজিস্টারে ডাটার স্থানান্তর তিনভাবে হতে পারে। যথা-
১। প্যারালাল স্থানান্তর,
২। সিরিয়াল স্থানান্তর ও
৩। মিশ্রভাবে স্থানান্তর।

- রেজিস্টারের ব্যবহার:
১। রেজিস্টারে প্রোগ্রামার কোন কিছু জমা রাখতে পারে না, একমাত্র CPU-ই গণনার প্রয়োজনে রেজিস্টারে কোন কিছু সঞ্চিত রাখতে পারে।
2।রেজিস্টার প্রধান মেমরির অন্তর্গত না হলেও এর গঠন প্রধান মেমরির অনুরূপ হতে পারে। ক্যাশ মেমরি হিসেবে রেজিস্টার বহুল ব্যবহৃত হয় ।
৩। তাছাড়া ক্যালকুলেটর এবং ঘড়িতেও রেজিস্টারের ব্যবহার দেখা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি - প্রথম পত্র, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২৫.
পূর্ণ দশমিক সংখ্যাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তর করতে -
  1. দশমিক সংখ্যাকে ২ দ্বারা উপর্যুপরি ভাগ করতে হবে
  2. দশমিক সংখ্যাকে ২ দ্বারা উপর্যুপরি গুণ করতে হবে
  3. দশমিক সংখ্যাকে ১৬ দ্বারা উপর্যুপরি ভাগ করতে হবে
  4. দশমিক সংখ্যাকে ১৬ দ্বারা উপর্যুপরি গুণ করতে হবে
ব্যাখ্যা
দশমিক সংখ্যাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তর
দশমিক পূর্ণ সংখ্যাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তরের জন্য সংখ্যাটিকে ১৬ দ্বারা (যেহেতু হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি হচ্ছে ১৬) উপর্যুপরি ভাগ করতে হবে যতক্ষণ পর্যন্ত না ভাগফল শূন্য (০) হয়। অতঃপর ভাগশেষগুলোকে সর্বোচ্চ গুরুত্বপূর্ণ অংক (MSD) থেকে সর্বনিম্ন গুরুত্বপূর্ণ অংক (LSD) পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে বাম থেকে ডানে সাজালে সংখ্যাটির সমতুল্য হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পাওয়া যাবে।

সূত্রঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২৬.
365 এর BCD কোড কত?
  1. ক) 001101100101
  2. খ) 001101101010
  3. গ) 010111010111
  4. ঘ) 110101011101
ব্যাখ্যা
BCD - Binary Coded Decimal.
এই নিয়ম অনুযায়ী ১ থেকে ৯ পর্যন্ত ডেসিমেল সংখ্যাগুলোর প্রতিটিকে 4 বিটের বাইনারি তে রুপান্তরিত করা হয়।
তাহলে,


সুতরাং 365 এর BCD হলো  001101100101
১২৭.
বুলিয়ান উপপাদ্য অনুযায়ী = ?
  1. 0
  2. 1
  3. y
  4. z
১২৮.
ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে “ফ্লিপ-ফ্লপ” বলতে কী বোঝায়?
  1. রেজিস্টরের একটি ধরন
  2. ট্রানজিস্টরের একটি ধরন
  3. এক বিট তথ্য সংরক্ষণ করার যন্ত্র
  4. ভোল্টেজ নিয়ন্ত্রণকারী
ব্যাখ্যা

• ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে ফ্লিপ-ফ্লপ হলো এমন একটি সার্কিট বা যন্ত্র যা একটি বিট তথ্য সংরক্ষণ করতে সক্ষম। এটি মূলত স্টোরেজ ডিভাইস হিসেবে কাজ করে এবং ডিজিটাল সিস্টেমে তথ্যের সময়ভিত্তিক ধরন নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যবহৃত হয়। ফ্লিপ-ফ্লপের দুটি স্থিতি থাকে, যা ০ বা ১ হিসেবে ডেটা সংরক্ষণ করতে পারে। এগুলো প্রায়শই রেজিস্টার এবং কাউন্টার তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। ফ্লিপ-ফ্লপ সিগন্যাল পরিবর্তনের উপর নির্ভর করে তথ্য রাখে এবং মেমোরি বা লজিক সার্কিটে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সুতরাং, ফ্লিপ-ফ্লপ হলো এক বিট তথ্য সংরক্ষণের জন্য ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে ব্যবহৃত যন্ত্র।

সঠিক উত্তর: গ) এক বিট তথ্য সংরক্ষণ করার যন্ত্র।

• ফ্লিপ-ফ্লপ:
- ফ্লিপ-ফ্লপ হলো লজিক গেইট দিয়ে তৈরি এক ধরনের ডিজিটাল বর্তনী, যা এক বিট তথ্য ধারণ করতে পারে।
- প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপে এক বা একাধিক ইনপুটের জন্য দুটি আউটপুট পাওয়া যায়।
- ফ্লিপ-ফ্লপ মূলত সিঙ্গেল বিট নিয়ে কাজ করে।

- ফ্লিপ-ফ্লপ মূলত মাল্টিপল বিট নিয়ে কাজ করতে পারেনা।
- এটি এক বিট 0 অথবা 1 হতে পারে।
- এজন্য ফ্লিপ-ফ্লপকে বাই স্ট্যাবল মাল্টি ভাইব্রেটর বলা হয়।

• ফ্লিপ-ফ্লপের প্রকারভেদ ফ্লিপ-ফ্লপ সাধারণত ৫ প্রকার।
যথা-
১. SR ফ্লিপ-ফ্লপ,
২. D ফ্লিপ-ফ্লপ,
৩. JK ফ্লিপ-ফ্লপ,
৪ . T ফ্লিপ-ফ্লপ ও
৫. মাস্টার-স্লেভ ফ্লিপ-ফুপ।

• ফ্লিপ ফ্লপের ব্যবহার:
১. বিভিন্ন রেজিস্টার তৈরিতে ফ্লিপ ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
২. সিকোয়েন্সিয়াল সার্কিটে মেমরি উপাদান হিসেবে ফ্লিপ ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
৩. ডিজিটাল ঘড়ি, ডিজিটাল ক্যামেরা, মোবাইল ফোন ইত্যাদিতে ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহৃত হয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।

১২৯.
কম্পিউটারে ব্যবহৃত সংখ্যা পদ্ধতি কোনটি?
  1. ক) Binary
  2. খ) Decimal
  3. গ) Octal
  4. ঘ) Hexadecimal
ব্যাখ্যা
বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি:
- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে 0 এবং 1 এই দুইটি মাত্র সংখ্যা বা অংক ব্যবহার করা হয় তাকে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- দুটি অংক ব্যবহারের কারণেই এই সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি হচ্ছে ২।
- সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তির উপর নির্ভর করে সংখ্যা পদ্ধতিকে চার ভাগে ভাগ করা হয়:

১. দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি (Decimal number system)
২. বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (Binary number system)
৩. অক্ট্যাল সংখ্যা পদ্ধতি (Octal number system)
৪. হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি (Hexadecimal number system)

উৎস: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি।
১৩০.
কম্পিউটারের অবস্থানগত সংখ্যা পদ্ধতি কয় প্রকার?
  1. ক) ২ প্রকার
  2. খ) ৩ প্রকার
  3. গ) ৪ প্রকার
  4. ঘ) ৫ প্রকার
ব্যাখ্যা

অবস্থানগত বা পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি চার প্রকার। যথা- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি, দশমিক বা ডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি, অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি এবং হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি।
তবে, এর মধ্যে ডেসিমেল পদ্ধতি আমরা দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহার করলেও কম্পিউটার এবং অন্যান্য ডিজিটাল ডিভাইসে এই পদ্ধতি সরাসরি ব্যবহৃত হয় না।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, মাহবুবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি। এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

১৩১.
'A' এর জন্য EBCDIC কোড কত?
  1. 11110101
  2. 11000001
  3. 10101100
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• ইবিসিডিক কোড:
- EBCDIC এর পূর্ণরূপ Extended Binary Coded Information Code.
- এটি একটি ৪ বিটের কোড।
- সুতরাং এ কোড দ্বারা 28 বা 256টি অংক, অক্ষর বা চিহ্ন প্রকাশ করা যায়।
- এই কোডে জোন বিট হিসেবে 0 থেকে 9 পর্যন্ত, সংখ্যার জন্য 1111, A থেকে Z পর্যন্ত বর্ণের জন্য 1100, 1101, 1110 এবং বিশেষ চিহ্নের জন্য 0100, 0101, 0110 ও 0111 ব্যবহৃত হয়।
- দশমিক সংখ্যাগুলোকে BCD 8421 কোডের মাধ্যমে প্রকাশ করে প্রত্যেক সংখ্যার সাথে 1111 যোগ করে EBCDIC কোড প্রকাশ করা হয়।
- যেমন- 5 কে EBCDIC-এ প্রকাশ করতে হলে 5 কে প্রথমে BCD 8421 অর্থাৎ 0101-এ প্রকাশ করে এর সাথে 1111 যোগ করতে হবে।
- কাজেই 5-এর EBCDIC হবে 11110101.
• 'A' এর জন্য EBCDIC 1100 0001.
•  'N' এর জন্য EBCDIC 1010 1100 ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩২.
কোন বুলিয়ান উপপাদ্য সঠিক?
  1. ক) A + 1 = A
  2. খ) A.1 = A
  3. গ) A + 0 = 1
  4. ঘ) A + A’ = 0
ব্যাখ্যা


সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩৩.
Half Adder সার্কিট কয়টি লজিক গেইট ব্যবহার করে তৈরি করা হয়?
ব্যাখ্যা

◉ Half Adder সার্কিট হলো একটি মৌলিক ডিজিটাল লজিক সার্কিট, যা দুটি বাইনারি সংখ্যা যোগ করতে ব্যবহৃত হয়। এটি দুটি মৌলিক গেইট ব্যবহার করে তৈরি করা হয়:
XOR গেইট: যোগফল (Sum) বের করতে ব্যবহৃত হয়।
AND গেইট: ক্যারি (Carry) বের করতে ব্যবহৃত হয়।

হাফ এডার: 
- দুইটি বাইনারি বিট যোগ করার জন্য যে বর্তনী ব্যবহার করা হয় তাকে অর্ধযোগের বর্তনী বলা হয়।
- দুইটি বিট A ও B যোগ করে এই বর্তনী হতে যোগফল (S) এবং হাতের সংখ্যা বা ক্যারি (C) পাওয়া যায়।
- ক্যারি যোগের ব্যবস্থা থাকে না বলে এই বর্তনীকে অর্ধযোগের বর্তনী বলে।


চিত্র: হাফ এডারের লজিক সার্কিট। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

১৩৪.
(726)10 কে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা রূপান্তর করলে হয় -
  1. 2E5
  2. 3E4
  3. 2D6
  4. 2E4
ব্যাখ্যা

◉ (726)10 কে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা রূপান্তর করলে হয় 2D6. 

দশমিক সংখ্যাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তর: 
- দশমিক পূর্ণ সংখ্যাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তরের জন্য সংখ্যাটিকে 16 দ্বারা (যেহেতু হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি হচ্ছে 16) উপর্যুপরি ভাগ করতে হবে যতক্ষণ পর্যন্ত না ভাগফল শূন্য (০) হয়।
- অতঃপর ভাগশেষগুলোকে সর্বোচ্চ গুরুত্বপূর্ণ অংক (MSD) থেকে সর্বনিম্ন গুরুত্বপূর্ণ অংক (LSD) পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে বাম থেকে ডানে সাজালে সংখ্যাটির সমতুল্য হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পাওয়া যাবে।

১. দশমিক সংখ্যাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তরিত করার জন্য দশমিক সংখ্যাকে ১৬ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে।
২. ভাগফলকে পুনরায় ১৬ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে।
৩. এ পদ্ধতির পুনরাবৃত্তি করতে হবে যতক্ষণ না ভাজ্য ০ হয়।
৪. সংরক্ষিত ভাগশেষগুলোকে শেষ থেকে প্রথম দিকে ধারাবাহিকভাবে অর্থাৎ উল্টো করে সাজিয়ে লিখলে ১ থেকে F এর সমন্বয়ে যে সংখ্যাটি পাওয়া যায় তাই দশমিক সংখ্যার সমকক্ষ হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা।
৫. ভাগশেষ সংরক্ষণের ক্ষেত্রে যদি ভাগশেষ ১০ থেকে ১৫ হয় তবে যথাক্রমে ১০→ A, ১১→ B, ১২→ C, ১৩→ D, ১৪→ E ও ১৫→ F সংখ্যা লিখতে হবে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩৫.
বুলিয়ান বিনিময় উপপাদ্য কোনটি?
  1. A + 1 = 1
  2. A.B = B.A
  3. A(B + C) = A.B + A.C
  4. A.1 = A
ব্যাখ্যা
বুলিয়ান উপপাদ্য: 
- সাধারণত বুলিয়ান উপপাদ্যের সাহায্যে বুলিয়ান অ্যালজাবরার সমস্যা সমাধান করা হয়।



উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩৬.
নিচের কোনটি Octal number নয়?
  1. ক) ১৪
  2. খ) ৭৬
  3. গ) ৩৮
  4. ঘ) ১০১
ব্যাখ্যা
অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতিতে অংক ব্যবহৃত হয় ৮টি। এগুলো হলো ০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬ ও ৭।
অতএব, অতএব অক্টাল সংখ্যা হলো ১-৭, ১০-১৭, ২০-২৭, ৩১-৩৭ ইত্যাদি।
তাই ৮, ৯, ১৮, ৩৮, ১৯, ২৮, ২৯, ৩৯ ইত্যাদি অক্টাল সংখ্যা নয়।
১৩৭.
(1000111 )2 কে দশমিক সংখ্যায় প্রকাশ করলে কত হয়?
  1. 73
  2. 98
  3. 71
  4. 88
ব্যাখ্যা

• (1000111 )2 কে দশমিক সংখ্যায় প্রকাশ করলে 71 হয়। 

• বাইনারি থেকে ডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তর:
(1101011)2 হলো একটি বাইনারি সংখ্যা। বাইনারি সংখ্যা দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করতে, আমরা প্রতিটি বিটকে তার স্থানের মান দিয়ে গুণ করি এবং সবগুলো যোগ করি।

1000111 = (1 × 26) (0 × 25) + (0 × 24) + (0 × 23) + (1 × 22) + (1 × 21) + (1 × 20)
= (64 + 4 + 2 + 1)
= 71

১৩৮.
26 এর 2 এর পরিপূরক কত?
  1. ক) 10100110
  2. খ) 11100010
  3. গ) 11101110
  4. ঘ) 11100110
১৩৯.
(9AF.8)16 = (?)10
  1. ক) 2479.50
  2. খ) 2343.29
  3. গ) 2512.56
  4. ঘ) 1678.35
১৪০.
(75)10 সংখ্যার সমতুল্য অক্টাল সংখ্যা কত? 
  1. ক) 111
  2. খ) 113
  3. গ) 255
  4. ঘ) 257
ব্যাখ্যা
• (75)10 সংখ্যার সমতুল্য অক্টাল সংখ্যা 113.

পূর্ণ দশমিক সংখ্যাকে অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তর:
১. দশমিক সংখ্যাকে অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তরিত করার জন্য দশমিক সংখ্যাকে ৮ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে।
২. ভাগফলকে পুনরায় ৮ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে।
৩. এ পদ্ধতির পুনরাবৃত্তি করতে হবে যতক্ষণ না ভাজ্য ০ হয়।
৪. সংরক্ষিত ভাগশেষগুলোকে শেষ থেকে প্রথম দিকে ধারাবাহিকভাবে অর্থাৎ উল্টো করে সাজিয়ে লিখলে যে সংখ্যাটি পাওয়া যায় তাই দশমিক সংখ্যার সমকক্ষ অক্টাল সংখ্যা।




উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪১.
নিচের কোন সংখ্যাটি অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতিতে সঠিক না?
  1. ক) 10110
  2. খ) 1254
  3. গ) 7854
  4. ঘ) 2154
ব্যাখ্যা
অক্টাল সংখ্যাপদ্ধতিতে বেস বা ভিত্তি হলো ৮ টি 
০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭ 

কিন্তু উক্ত 7854 সংখ্যাটির 8 অক্টালের অন্তর্ভুক্ত নয়।
১৪২.
কোন সংখ্যা পদ্ধতি কেবলমাত্র ০ এবং ১ ডিজিট ব্যবহার করে?
  1. Decimal
  2. Octal
  3. Hexadecimal
  4. Binary
ব্যাখ্যা

• যে সংখ্যা পদ্ধতি কেবলমাত্র ০ এবং ১ ডিজিট ব্যবহার করে, তাকে Binary সংখ্যা পদ্ধতি বলা হয়। এটি একটি দ্বিমিক (base-2) সংখ্যা পদ্ধতি, যেখানে মাত্র দুটি সংখ্যা বা বিট (০ ও ১) ব্যবহৃত হয়। কম্পিউটারের সকল ডেটা ও নির্দেশনা বাইনারি কোডে রূপান্তরিত হয়ে প্রসেস হয়। কারণ, কম্পিউটার সার্কিট কেবল দুটি অবস্থা (চালু বা বন্ধ, অর্থাৎ ১ বা ০) বুঝতে পারে। অন্যদিকে, Decimal পদ্ধতিতে ০-৯ পর্যন্ত দশটি ডিজিট, Octal পদ্ধতিতে ০-৭ পর্যন্ত আটটি ডিজিট এবং Hexadecimal পদ্ধতিতে ০-৯ এবং A-F পর্যন্ত ১৬টি ডিজিট ব্যবহার করা হয়। তাই সঠিক উত্তর: ঘ) Binary.

বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি: 
- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে 0 এবং 1 এই দু'টিমাত্র সংখ্যা বা অংক ব্যবহার করা হয় তাকে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- মোট দু'টি অংক ব্যবহারের কারণেই এই সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তি হচ্ছে ২। যেমন- (১০১), ১০০০১, (১০০০.১১১) ইত্যাদি হলো বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির উদাহরণ।
- এই পদ্ধতির 0 এবং 1 এই অংক দু'টিকে সংক্ষেপে বিট (Binary থেকে Bi এবং Digit থেকে। নিয়ে Bit) বলা হয়।
- 0 এবং 1-কে বিভিন্নভাবে সাজিয়ে যে কোন সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে লেখা সম্ভব। যেমন- দশমিক সংখ্যা 127 বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে 10000011।

• অপশন আলোচনা:
- দশমিক (Decimal): ০ থেকে ৯ পর্যন্ত ১০টি অংক (বেস-১০)।
- অক্টাল (Octal): ০ থেকে ৭ পর্যন্ত ৮টি অংক (বেস-৮)।
- হেক্সাডেসিমাল (Hexadecimal): ০ থেকে F পর্যন্ত ১৬টি অংক (বেস-১৬)।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৪৩.
An XNOR gate produces an output only when the two inputs are:
  1. ক) Same
  2. খ) Different
  3. গ) High
  4. ঘ) Low
ব্যাখ্যা
XNOR গেইটে সবগুলো ইনপুট একই হলে আউটপুট পাওয়া যায়।

১৪৪.
অক্টাল 157 কে ডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তর করলে কত হয়?
  1. 84
  2. 111
  3. 155
  4. 92
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: অক্টাল 157 কে ডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তর করলে কত হয়?

সমাধান:
• অক্টাল সংখ্যা (Octal Number):
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তি হচ্ছে ৮।
- এই পদ্ধতিতে 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6 এবং 7 এই ৮টি মৌলিক অংক ব্যবহৃত হয়।
- অক্টাল সংখ্যাকে (ভিত্তি 8) ডেসিমেল সংখ্যায় (ভিত্তি 10) রূপান্তর করতে হলে, অক্টাল সংখ্যার প্রতিটি অঙ্ককে তার স্থানীয় মান এবং ভিত্তি (8) দিয়ে গুণ করে প্রাপ্ত গুণফলগুলো যোগ করতে হয়।

উদাহরণ: (124)8, (731)8 ইত্যাদি।

এখানে, (157)8 কে ডেসিমেল সংখ্যা হিসেবে রূপান্তর করি:
(157)8 = 1 × 82 + 5 × 81 + 7 × 80
= 1 × 64 + 5 × 8 + 7 × 1
= 64 + 40 + 7
= 111
∴ (157)8 = 111

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

১৪৫.
কম্পিউটার কোন সংখ্যা পদ্ধতির মাধ্যমে ডেটা সংরক্ষণ করে?
  1. অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি
  2. দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি
  3. হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি
  4. বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির মাধ্যমে ডেটা সংরক্ষণ করে

• বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (Binary Number System):

- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি একটি ২-ভিত্তিক সংখ্যা পদ্ধতি।
- এ পদ্ধতিতে ০ এবং ১ এই দুটি অংক ব্যবহৃত হয়।
- এ দুটি অংককে বিভিন্নভাবে সাজিয়ে যেকোনো সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে লেখা যায়।
- কম্পিউটার বাইনারি সংখ্যার মাধ্যমে যেকোনো ধরনের উপাত্ত বা ডেটা সংরক্ষণ করে থাকে।
- আবার কম্পিউটারের সকল অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পন্ন হয় বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে।

• সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তির উপর নির্ভর করে চার ধরনের সংখ্যা পদ্ধতির প্রচলন লক্ষ্য করা যায়।

যেমন:
১. দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি,
২. বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি,
৩. অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি এবং
৪. হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪৬.
(507)8 = (?)16
  1. 123
  2. 215
  3. 147
  4. 153
ব্যাখ্যা
• অক্টাল থেকে হেক্সাডেসিমেল:
- অক্টাল সংখ্যাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তরের জন্য প্রথমে অক্টাল সংখ্যার প্রত্যেকটি অংকের সমতুল্য 3 বিট বাইনারি সংখ্যা বসিয়ে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করতে হবে।
- অতঃপর পুরো বাইনারি সংখ্যাটিকে 4 বিট বাইনারি গ্রুপে সাজিয়ে সমতুল্য হেক্সাডেসিমেল মান বসালে অক্টাল সংখ্যাটির হেক্সাডেসিমেল মান পাওয়া যায়।
১৪৭.
নিচের কোনগুলো মৌলিক গেইট?
  1. ক) AND, NAND, OR
  2. খ) AND, OR, NOR
  3. গ) NOT, OR, AND
  4. ঘ) AND, NOR, OR
ব্যাখ্যা
ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতি বাস্তবায়নের জন্য যে সমস্ত গেইট মূলত কাজ করে তাদেরকে মৌলিক গেইট বলা হয়। কম্পিউটার বা অন্যান্য ডিজিটাল পদ্ধতির মূলে রয়েছে তিনটি মৌলিক গেইট। যথা-
১। অর গেইট (OR Gate)
২। অ্যান্ড গেইট (AND Gate) ও
৩। নট গেইট (NOT Gate)
[সূত্রঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (উন্মুক্ত)]
১৪৮.
হেক্সাডেসিমেলে 4D এর সমতুল্য দশমিক মান কত?
  1. 67
  2. 77
  3. 87
  4. 97
ব্যাখ্যা
• হেক্সাডেসিমেল থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর:
- হেক্সাডেসিমেল থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করার সময় প্রত্যেক অংককে ১৬ দ্বারা গুণ করতে হবে।
- গুণ করার সময় স্থানীয় মান অনুযায়ী 16 এর ঘাত 0 হতে বাড়তে থাকবে।
- যেমন: একক স্থানীয় অংকটিকে 160 দ্বারা, দশক স্থানীয় অংকটিকে 161 দ্বারা, শতক স্থানীয় অংকটিকে 162 দ্বারা এভাবে গুণ করতে হবে।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটির A, B, C, D, E ও F হলো যথাক্রমে 10, 11, 12, 13, 14 ও 15 দিয়ে গুণ করতে হবে।
- প্রাপ্ত গুণফলকে যোগ করলে উক্ত হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটির সমতুল্য দশমিক মান পাওয়ার যাবে।

এখানে,
(4D)16
= (4 × 161) + (13 × 160)
= (4 × 16) + (13 × 1)
= (77)10

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪৯.
10 (দশমিক) কে হেক্সাডেসিমালে রূপান্তর করলে মান কত হয়?
  1. B
  2. 9
  3. A
  4. 8
ব্যাখ্যা

• দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি হলো আমাদের প্রচলিত গণনার পদ্ধতি, যেখানে ভিত্তি (Base) ১০। অন্যদিকে হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি হলো ১৬ এবং এখানে ০ থেকে ৯ পর্যন্ত সংখ্যা ও A থেকে F পর্যন্ত অক্ষর ব্যবহার করা হয়, যেখানে A মানে ১০, B মানে ১১, এভাবে F মানে ১৫ বোঝায়। এখন দশমিক ১০ সংখ্যাটিকে হেক্সাডেসিমালে রূপান্তর করলে দেখা যায় যে ১০ এর মান সরাসরি হেক্সাডেসিমালে A দ্বারা প্রকাশ করা হয়। অর্থাৎ, দশমিক ১০ = হেক্সাডেসিমাল A.

দশমিক ---- বাইনারি ---- অকট্যাল ---- হেক্সাডেসিমাল
৮ ------------ ১০০০ ---------- ১০ ------------ ৮
৯ ------------ ১০০১ ----------- ১১ ------------ ৯
১০ -----------১০১০ ----------- ১২------------- A
১১ ----------- ১০১১ ----------- ১৩ ------------ B

• হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা:
- হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা হলো এমন সংখ্যা যা ১৬ ভিত্তিতে লেখা হয়।
- এই সংখ্যাগুলোতে ব্যবহার করা হয় ০ থেকে ৯ পর্যন্ত ডিজিট এবং A থেকে F পর্যন্ত অক্ষর।
- এখানে A, B, C, D, E, F যথাক্রমে ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪, ১৫ মানে। তাই হেক্সাডেসিমাল সংখ্যায় G, H, Z অক্ষরগুলো থাকতে পারে না কারণ এগুলো হেক্সাডেসিমাল ভিত্তিতে স্বীকৃত নয়।

• সংখ্যা পদ্ধতি:
- কোন সংখ্যা লেখা বা প্রকাশ করার পদ্ধতিকে সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তির উপর নির্ভর করে চার ধরনের সংখ্যা পদ্ধতির প্রচলন লক্ষ্য করা যায়। যথা-
১. দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি (Decimal Number System),
২. বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (Binary Number System),
৩. অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি (Octal Number System) ও
৪. হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি (Hexadecimal Number System)।

- দশমিক সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ১০।
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ২।
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ৮।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ১৬।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১৫০.
49 এর বিসিডি কোড কত?
  1. 01101001
  2. 01001011
  3. 01001001
  4. 01001101
ব্যাখ্যা
• বিসিডি কোড:
- বিসিডি (BCD) শব্দের পূর্ণরূপ হলো বাইনারি কোডেড ডেসিমেল (Binary Coded Decimal)।
- দশমিক (Decimal) সংখ্যার প্রতিটি অঙ্ককে বাইনারিতে রূপান্তরই হলো বিসিডি কোড।
- এই পদ্ধতিতে দশমিক সংখ্যা 0 থেকে 9 পর্যন্ত মোট দশটি অংককে সমতুল্য 4 বিট বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করা হয়।
- 4 বিট দ্বারা 24 অর্থাৎ 16 ভিন্ন অবস্থা নির্দেশ করা যায়। তাই 16টি অবস্থা ব্যবহার করে কয়েক প্রকার BCD কোড গঠন করা সম্ভব।
- এর মধ্যে BCD 8421 কোড বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য এবং বহুল ব্যবহৃত। 

4 এর বিসিডি 0100
9 এর বিসিডি 1001
∴ 49 এর বিসিডি 01001001

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫১.
'১০১১০১' বাইনারি সংখ্যাকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করুন।
  1. ক) ৭৭
  2. খ) ৪৫
  3. গ) ৩৮
  4. ঘ) ৬৫
ব্যাখ্যা
১০১১০১ = (১ × ২) + (০ × ২) + (১ × ২) + (১ × ২) + (০ × ২) + (১ × ২)
= ৩২ + ০ + ৮ + ৪ + ০ + ১
= ৪৫
১৫২.
নর (NOR) গেইটের দুটি ইনপুট ১ হলে আউটপুট কত হবে?
  1. ক) ০
  2. খ) ১
  3. গ) ১০
  4. ঘ) ০ অথবা ১
ব্যাখ্যা
নর গেইট
- নর (NOR) গেইট হচ্ছে অর গেইট ও নট গেইটের সমষ্টি। 
- অর গেইটের আউটপুটকে নট গেইটের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত করলে নর গেইট তৈরি হয়। 
- অর গেইট যে কাজ করে নর গেইট তার বিপরীত কাজ করে।


উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫৩.
নিচের কোনটি সার্বজনীন গেইট নয়?
  1. OR
  2. NAND
  3. NOR
  4. সবগুলোই সার্বজনীন গেইট
ব্যাখ্যা

OR সার্বজনীন গেইট নয়। এটি একটি মৌলিক গেইট।

• সার্বজনীন গেইট:
- যে সকল গেইটের মাধ্যমে অ্যান্ড, অর ও নট গেইটের ফাংশনকে প্রতিস্থাপন করা যায় তাদেরকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
- অর, অ্যান্ড এবং নট এই তিনটি মৌলিক গেইটের সমন্বয়ে সকল প্রকার লজিক সার্কিট বা যুক্তি বর্তনী তৈরি করা যায়।
- আবার শুধুমাত্র ন্যান্ড (NAND) গেইট ব্যবহার করেই যে কোন লজিক সার্কিট বা যুক্তি বর্তনী তৈরি করা যায়।
- এর কারণ ন্যান্ড গেইট দিয়ে অর, অ্যান্ড এবং নট গেইট বাস্তবায়ন সম্ভব।
- একইভাবে শুধু নর (NOR) গেইট দিয়েই অর, অ্যান্ড এবং নট গেইট তথা যে কোন লজিক সার্কিট বা যুক্তি বর্তনী তৈরি করা সম্ভব।
- NAND এবং NOR গেইট এই দুটি গেইটকেই সার্বজনীন গেইট বলা হয়, কারণ এদের দিয়ে বাকি সব গেইটের কাজ করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১৫৪.
'10011010' এর ২ এর পরিপূরক কত?
  1. 01100110
  2. 01100111
  3. 01101110
  4. 01100011
ব্যাখ্যা
আমরা জানি,
১ এর পরিপূরক মানে ০ এর স্থলে ১ এবং ১ এর স্থলে ০ হবে।

'10011010' এর 1 এর পরিপূরক হবে 01100101
1 এর পরিপূরক এর সাথে 1 যোগ করলে বাইনারি সংখ্যার 2 এর পরিপূরক পাওয়া যায়।

∴ '10011010' এর ২ এর পরিপূরক হলো = 01100101 + 1 = 01100110
১৫৫.
25 এর বাইনারি সংখ্যা কত?
  1. ক) 10011
  2. খ) 11001
  3. গ) 11011
  4. ঘ) 10001
ব্যাখ্যা


25 এর সমতুল্য বাইনারি (11001)2
১৫৬.
ডেসিমেল 75 এর অক্টাল সংখ্যা কোনটি? 
  1. 113
  2. 121
  3. 111
  4. 123
ব্যাখ্যা
দশমিক সংখ্যাকে অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তর: 
- দশমিক পূর্ণ সংখ্যাকে অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তর করার জন্য সংখ্যাটিকে ৮ দ্বারা (যেহেতু অক্টাল সংখ্যার ভিত্তি ৮) উপর্যুপরি ভাগ করতে হয় যতক্ষণ পর্যন্ত না ভাগফল ০ (শূন্য) হয়। 
- অতঃপর ভাগশেষগুলোকে সর্বোচ্চ গুরুত্বের অংক (Most Significant Digit -MSD) থেকে সর্বনিম্ন গুরুত্বের অংক (Least Significant Digit-LSD) পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে সাজিয়ে সংখ্যাটির সমতুল্য অক্টাল মান নির্ণয় করা হয়। 

পূর্ণ দশমিক সংখ্যাকে অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তর: 
১. দশমিক সংখ্যাকে অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তরিত করার জন্য দশমিক সংখ্যাকে ৮ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে। 
২. ভাগফলকে পুনরায় ৮ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে। 
৩. এ পদ্ধতির পুনরাবৃত্তি করতে হবে যতক্ষণ না ভাজ্য ০ হয়। 
৪. সংরক্ষিত ভাগশেষগুলোকে শেষ থেকে প্রথম দিকে ধারাবাহিকভাবে অর্থাৎ উল্টো করে সাজিয়ে লিখলে যে সংখ্যাটি পাওয়া যায় তাই দশমিক সংখ্যার সমকক্ষ অক্টাল সংখ্যা। 


অর্থাৎ, (75)10 = (113)8

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫৭.
সংখ্যা যোগ করার জন্য ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে কোন ধরনের কম্বিনেশনাল সার্কিট ব্যবহৃত হয়?
  1. ডিকোডার
  2. রেজিস্টার
  3. এনকোডার
  4. অ্যাডার
ব্যাখ্যা

• ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে সংখ্যাগুলো যোগ করার জন্য অ্যাডার (Adder) নামের কম্বিনেশনাল সার্কিট ব্যবহার করা হয়। এটি এমন একটি লজিক সার্কিট যা দুই বা ততোধিক বিটের বাইনারি সংখ্যা নিয়ে তাদের যোগফল এবং প্রয়োজনে ক্যারি আউট উৎপন্ন করে। অ্যাডারের প্রধান দুটি ধরন হলো হাফ অ্যাডার (Half Adder) এবং ফুল অ্যাডার (Full Adder)। হাফ অ্যাডার দুটি বিট যোগ করতে পারে এবং একটি সিঙ্গেল ক্যারি আউট তৈরি করে, যেখানে ফুল অ্যাডার অতিরিক্ত ইনপুট ক্যারি সামলাতে সক্ষম। অ্যাডার বিভিন্ন ডিজিটাল সিস্টেমে, যেমন কম্পিউটার প্রসেসর, অরিথমেটিক লজিক ইউনিট (ALU) এবং ডিজিটাল ক্যালকুলেটর, গণনা এবং লজিক্যাল অপারেশন সম্পাদনে অপরিহার্য। অন্য কম্বিনেশনাল সার্কিট যেমন ডিকোডার, এনকোডার বা রেজিস্টার সংখ্যা যোগের কাজ করে না।

• অ্যাডার:
- কম্পিউটারের যাবতীয় গাণিতিক কাজ বাইনারি যোগের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হয়।
- গুণ হলো বার বার যোগ করা এবং ভাগ হলো বার বার বিয়োগ করা।
- আবার পূরক পদ্ধতিতে বাইনারি যোগের মাধ্যমেই বিয়োগ করা যায়।
- কাজেই যোগের মাধ্যমে গুণ, বিয়োগ, ভাগ ইত্যাদির কাজ করা যায়।

অন্যান্য অপশনসমূহ,
- রেজিস্টার: রেজিস্টার হলো ফ্লিপ ফ্লপের সমন্বয়ে গঠিত ডিজিটাল বর্তনী। রেজিস্টারের প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপ এক বিট তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে।
- এনকোডার: এনকোডার হলো এমন এক ধরনের ইলেট্রনিক সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী যা আলফাবেট বা মানুষের বোধগম্য ভাষাকে কম্পিউটারের বোধগম্য বা যান্ত্রিক ভাষায় রূপান্তর করে।
- ডিকোডার: ডিকোডার হলো এমন এক ধরনের ইলেট্রনিক সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী যা কম্পিউটারে ব্যবহৃত ভাষাকে মানুষের বোধগম্য ভাষায় রূপান্তর করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১৫৮.
নিচের কোনটিকে WAN ডিভাইস বলা যায়?
  1. গেটওয়ে
  2. হাব
  3. রাউটার
  4. ক ও গ উভয়ই
ব্যাখ্যা
• গেটওয়ে:
- গেটওয়ে একটি নেটওয়ার্ক ডিভাইস।
- একে WAN ডিভাইসও বলা হয়।
- এটি ভিন্ন প্রটোকল বিশিষ্ট দুই বা ততোধিক নেটওয়ার্ককে(LAN,MAN,WAN) সংযুক্ত করে WAN তৈরি করে।
- ভিন্ন প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করার সময় গেটওয়ে প্রটোকল ট্রান্সলেশন করে থাকে।
- বিভিন্ন নেটওয়ার্ক ডিভাইস যেমন - হাব, সুইচ এবং রাউটার ইত্যাদি ডিভাইসসমূহ প্রোটোকল ট্রান্সলেশনের সুবিধা দেয় না।

• হাব:
- হাব একটি নেটওয়ার্ক ডিভাইস এবং একে LAN ডিভাইসও বলা হয়।
- এর সাহায্যে নেটওয়ার্কের কম্পিউটারসমূহ পরস্পরের সাথে কেন্দ্রিয়ভাবে যুক্ত থাকে।
- একটি হাবে কতোগুলো ডিভাইস যুক্ত করা যাবে তা হাবের পোর্ট সংখ্যার উপর নির্ভর করে।
- LAN তৈরি করার জন্য হাব অধিক ব্যবহৃত হয়।
- স্টার - টপোলজির ক্ষেত্রে হাব হচ্ছে কেন্দ্রীয় ডিভাইস ।

• রাউটার:
- রাউটার একটি নেটওয়ার্ক ডিভাইস এবং একে WAN ডিভাইসও বলা হয় ।
- রাউটার রাউটিং টেবিল ব্যবহার করে উৎস থেকে গন্তব্যে ডেটা স্থানান্তরের জন্য সহজ, নিরাপদ ও কম দূরত্বের পথটি বেছে নেয়।
- রাউটার ডেটা আদান-প্রদানের সময় স্বয়ংক্রিয়ভাবে রাউটিং টেবিল তৈরি করে, যেখানে নেটওয়ার্কের সকল নোডের অ্যাড্রেস এবং পাথ থাকে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
১৫৯.
১১০০১ থেকে ১০০১ কে বাইনারি পদ্ধতিতে বিয়োগ করলে বিয়োগফল কত হবে?
  1. ক) ১০১০১
  2. খ) ১০০১১
  3. গ) ১০০০০
  4. ঘ) ১০০০১
১৬০.
যদি n টি চলক হয়, তবে সত্যক সারণিতে এদের দ্বারা ইনপুটের সর্বোচ্চ কয়টি কম্বিনেশন তৈরি করা সম্ভব?
  1. ক) n টি
  2. খ) 2টি 
  3. গ) nটি 
  4. ঘ) 22 টি 
ব্যাখ্যা
সত্যক সারণি:
- বুলিয়ান চলকের মানের সম্ভাব্য সব বিন্যাসের জন্য বুলিয়ান ফাংশনের যে মান হয় তা প্রকাশ করার টেবিলকে Truth Table বা সত্যক সারণি বলে।
- অর্থাৎ যে সারণিতে বুলিয়ান বীজগণিতের সূত্রে ব্যবহৃত চলকের সম্ভাব্য মান, মানের জন্য সূত্রের বামদিক এবং ডানদিকের অংশ সমান প্রমাণ করা যায়, সে সারণিকে সত্যক সারণি বলা হয়।
- যদি সত্যক সারণিতে n সংখ্যক চলক থাকে তবে ইনপুট এর অবস্থা হবে 2n সংখ্যক।



উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬১.
কোন লজিক গেইটে দুইটি ইনপুট একই হলে আউটপুট সত্য হয়?
  1. ক) AND
  2. খ) XNOR
  3. গ) XOR
  4. ঘ) NOR
ব্যাখ্যা


উৎস: উচ্চ মাধ্যমিকের ICT বই, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬২.
নিচের কোনটি সঠিক নয়?
  1. ক) A + 0 = A
  2. খ) A .1 = A
  3. গ) A . A′ = 0
  4. ঘ) A + A′ = 0
ব্যাখ্যা
বুলিয়ান উপপাদ্য:
- সাধারণত বুলিয়ান উপপাদ্যের সাহায্যে বুলিয়ান অ্যালজেবরার সকল জটিল সমীকরণসমূহের সরল করা হয়।
- বুলিয়ান অ্যালজেবরার মৌলিক উপপাদ্য:



উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬৩.
5x + 5x + 5x + 5x + 5x এর মান কোনটি?
  1. 5(2x + 1)
  2. 5(x + 1)
  3. 5(3x + 1)
  4. 3(2x + 1)
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 5x + 5x + 5x + 5x + 5x এর মান কোনটি?

সমাধান:
5x + 5x + 5x + 5x + 5x 
= 5x(1 + 1 + 1 + 1 + 1)
= 5x × 5
= 5x + 1

১৬৪.
"PTT Phone" কী ধরনের যোগাযোগ পদ্ধতি ব্যবহার করে?
  1. হাফ-ডুপ্লেক্স মোড
  2. ফুল-ডুপ্লেক্স মোড
  3. সিমপ্লেক্স মোড
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• “PTT Phone” বা Push-to-Talk ফোন মূলত হাফ-ডুপ্লেক্স মোড ব্যবহার করে। এই যোগাযোগ পদ্ধতিতে একবারে কেবল একজন ব্যবহারকারীই কথা বলতে পারে এবং অন্যজন শুনতে পায়, অর্থাৎ একদিকে কথা বলা এবং অন্যদিকে শোনা হয়, কিন্তু একই সময়ে উভয় কাজ সম্ভব নয়। যখন ব্যবহারকারী Push-to-Talk বাটন চাপেন, তখন তিনি কথা বলতে পারেন, আর বাটন ছাড়লে শোনা যায়। এটি সিম্পলেক্সের মতো নয়, যেখানে একবারে কেবল একটি দিকেই যোগাযোগ হয়, এবং ফুল-ডুপ্লেক্সের মতো নয়, যেখানে দুই পক্ষ একসঙ্গে কথা বলতে পারে। তাই, PTT ফোনের যোগাযোগ পদ্ধতি হাফ-ডুপ্লেক্স মোডের অন্তর্ভুক্ত।

• ডেটা ট্রান্সমিশন মোড: 
- দুটি ডিভাইসের মধ্যে ডেটা প্রবাহের দিক নির্দেশককে ডেটা ট্রান্সমিশন বা ডেটা কমিউনিকেশন মোড বলে। 
- ডেটা প্রবাহের দিক-এর উপর নির্ভর করে ডেটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়।  
যথা- 

১। সিমপ্লেক্স মোড (Simplex mode): 
- এই পদ্ধতিতে শুধু একদিকে ডেটা পাঠানো সম্ভব হয়, প্রেরক শুধু ডেটা প্রেরণ করে এবং গ্রাহক শুধু ডেটা গ্রহণ করে। 
যেমন- কি বোর্ড, মাউস, জয়স্টিক ইত্যাদি সিমপ্লেক্স মোডের উদাহরণ। 

২। হাফ-ডুপ্লেক্স মোড (Half-duplex mode): 
- এই পদ্ধতিতে দুইদিকেই ডেটা পাঠানো বা গ্রহণ করা সম্ভব, কিন্তু একসাথে নয়, আলাদা আলাদাভাবে। 
- একটি ডিভাইস ডেটা পাঠালে অন্যটিকে অপেক্ষা করতে হয় তার সুযোগ আসার জন্য। 
- এই পদ্ধতিতে ডেটার ভেতর সংঘর্ষ (collision) না হওয়ার জন্য বিশেষ সার্কিটের ব্যবস্থা রাখতে হয়। 
যেমন- ওয়াকিটকি, ফ্যাক্স, এস.এম.এস ইত্যাদি হাফ-ডুপ্লেক্স মোডে চলে। 

৩। ফুল-ডুপ্লেক্স মোড (Full-duplex mode): 
- ফুল-ডুপ্লেক্স মোডে একই সময়ে উভয় প্রান্তের দুটি ডিভাইস একই সাথে ডেটা প্রেরণ এবং গ্রহণ করতে পারে। 
যেমন- টেলিফোন, মোবাইল ফোন কিংবা কম্পিউটার নেটওয়ার্ক কমিউনিকেশন এই পদ্ধতির উদাহরণ। 

উৎস: 
১) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
২) techtarget [লিংক]
১৬৫.
ইউনিকোড উদ্ভাবন করেন কোন দুই প্রতিষ্ঠানের প্রকৌশলীরা?
  1. Microsoft এবং Intel
  2. Apple এবং Xerox
  3. IBM এবং Dell
  4. Google এবং Adobe
ব্যাখ্যা
• ইউনিকোড:
- ১৯৯১ সালে Apple Computer Corporation এবং Xerox Corporation এর একদল প্রকৌশলী যৌথভাবে ইউনিকোড উদ্ভাবন করেন।
- বিশ্বের ছোট বড় সকল ভাষাকে কম্পিউটারে কোডভুক্ত করার জন্য ইউনিকোড ব্যবহৃত হয়।
- ইউনিকোড মূলত ২ বাইট বা ১৬ বিটের কোড।
- ফলে যে সমস্ত ভাষাকে কোডভুক্ত করার জন্য ৮ বিট অপর্যাপ্ত ছিল (যেমন-চায়নিজ, কোরিয়ান, জাপানীজ ইত্যাদি) সে সকল ভাষার সকল চিহ্নকে সহজেই কোডভুক্ত করা সহজতর হলো।
- শুরু থেকেই ইউনিকোডকে আরও উন্নত করার লক্ষ্যে Unicode Consortium কাজ করে যাচ্ছে।
- ইউনিকোড অ্যাসকি কোডের সাথে কম্প্যাটিবল।
- অর্থাৎ ইউনিকোডের প্রথম ২৫৬টি কোড অ্যাসকি ২৫৬টি কোডের অনুরূপ।
- এই কোডের মাধ্যমে ৬৫,৫৩৬টি অদ্বিতীয় চিহ্নকে নির্দিষ্ট করা যায়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১৬৬.
XOR গেইটে আউটপুট 1 হবে, যখন ইনপুট-
  1. A = 1, B = 0
  2. A = 0, B = 0
  3. A = 1, B = 1
  4. খ ও গ উভয় ক্ষেত্রেই
ব্যাখ্যা
• এক্স অর গেইট:
- Exclusive OR গেইটকে সংক্ষেপে এক্স অর গেইট বলে।
- মৌলিক গেইট দিয়ে এক্স অর গেইট তৈরি করা হয় বলে একে প্রকৃত অর গেইট বলে।
- এটি অ্যান্ড, অর, নট, ন্যান্ড, নর ইত্যাদি গেইটের সাহায্যেও তৈরি করা যায়।
- এই গেইটের দুটি ইনপুট সমান না হলে আউটপুট 1 হয়, অন্যথায় আউটপুট 0 হবে।


উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬৭.
নিচের কোনটি সত্য নয়?
  1. ৮ বিট = ১ অক্ষর
  2. ১০২৪ এক্সাবাইট =১ জেটাবাইট (ZB)
  3. ১০২৪ টেরাবাইট = ১ এক্সাবাইট (EB)
  4. ১০২৪ জেটাবাইট = ১ ইট্রাবাইট (YB)
ব্যাখ্যা

বিট (Bit) :
বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে ব্যবহৃত অঙ্ক ০ (শূন্য) এবং ১ (এক) কে বিট বলে। ইংরেজি Binary শব্দের Bi এবং Digit শব্দের নিয়ে Bit শব্দটি গঠিত হয়।
ডিজিটাল কম্পিউটারের মেশিন ভাষা হলাে বিট (০ ও ১)। এক্ষেত্রে (0) বিট দিয়ে নিম্ন ভােল্টেজ (Low Voltage) এবং (১) বিট দিয়ে উচ্চ ভােল্টেজ (High Voltage) নির্দেশ করা হয়।

বাইট (Byte) : ৮টি বিট মিলে ১ বাইট হয়। এরূপ ৮ বিটের কোড দিয়ে যে কোনাে বর্ণ, অঙ্ক বা বিশেষ চিহ্নকে প্রকাশ করা হয়। এরূপ ৮ বিট বিশিষ্ট শব্দকে বাইট বলা হয়।
কম্পিউটার মেমােরি পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত বিভিন্ন এককের মধ্যে সম্পর্ক।

(ক) ৮ বিট =১ বাইট = ১ অক্ষর।
(খ) ১০২৪ বাইট =১ কিলােবাইট (KB)
(গ) ১০২৪ কিলােবাইট = ১ মেগাবাইট (MB)
(ঘ) ১০২৪ মেগাবাইট = ১ গিগাবাইট (GB)
(ঙ) ১০২৪ গিগাবাইট = ১ টেরাবাইট (TB)
(চ) ১০২৪ টেরাবাইট =১ পেটাবাইট (PB)
(ছ) ১০২৪ পেটাবাইট = ১ এক্সাবাইট (EB)
(জ) ১০২৪ এক্সাবাইট =১ জেটাবাইট (ZB)
(ঝ) ১০২৪ জেটাবাইট =১ ইট্রাবাইট (YB)

কম্পিউটার ওয়ার্ড (Computer Word) পর পর সংলগ্ন কতকগুলাে বিট বা বাইটের সমষ্টিকে একটি কম্পিউটার ওয়ার্ড বলে। সাধারণত ১৬ বা ৩২
বিটে ১ ওয়ার্ড ধরা হয়।

উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)

১৬৮.
নিচের কোনটি সত্য?
  1. NOR Gate - মৌলিক লজিক গেইট
  2. XOR Gate - মৌলিক লজিক গেইট
  3. NOT Gate - সার্বজনীন লজিক গেইট
  4. OR Gate - মৌলিক লজিক গেইট
ব্যাখ্যা
• সার্বজনীন গেইট:
- যে গেইট এর সাহায্যে মৌলিক গেইটসহ (AND, OR, NOT) যেকোনো গেইট এবং যেকোনো সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায় তাকে সার্বজনীন গেইট বলে।
- NAND ও NOR গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
- কারণ, শুধুমাত্র NAND গেইট বা শুধুমাত্র NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বা সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়।

• মৌলিক লজিক গেইট:
- OR Gate,
- AND Gate,
- NOT Gate.

• সার্বজনীন লজিক গেইট:
- NAND Gate,
- NOR Gate.

• বিশেষ লজিক গেইট:
- XOR Gate,
- XNOR Gate.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১৬৯.
বেজের উপর নির্ভর করে সংখ্যা পদ্ধতিকে কয়ভাগে ভাগ করা যায়?
  1. ক) তিন ভাগে
  2. খ) চার ভাগে
  3. গ) পাঁচ ভাগে
  4. ঘ) ছয় ভাগে
ব্যাখ্যা
বেজের উপর নির্ভর করে সংখ্যা পদ্ধতিকে চার ভাগে  ভাগ করা যায়। 

- যে পদ্ধতিতে সংখ্যা গণনা করা হয় বা প্রকাশ করা হয়, তাকে সংখ্যা পদ্ধতি (Number System) বলে।
- এ সকল সংখ্যাকে বিভিন্ন গাণিতিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় গণনার কাজ করা হয়।

- সংখ্যা পদ্ধতিকে সাধারণত চারভাগে ভাগ করা হয়েছে।
যেমন–
১. ডেসিমাল বা দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি
২. বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি
৩. অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি
৪. হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা পদ্ধতি

সূত্র: ৮৪ পৃষ্ঠা, কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।  

১৭০.
101 সংখ্যাটি কোন সংখ্যা পদ্ধতির অন্তর্গত? 
  1. অক্টাল 
  2. বাইনারি 
  3. ডেসিমেল 
  4. উল্লিখিত সবগুলোই 
ব্যাখ্যা

• বাইনারি: 
- বাইনারি সংখ্যার বেস ২ টি। 
যেমন - 0, 1. 

• অক্টাল: 
- অক্টাল সংখ্যার বেস ৮ টি। 
যেমন - 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7. 

• ডেসিমেল: 
- ডেসিমেল বা দশমিক সংখ্যার বেস ১০ টি। 
যেমন - 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9. 

• হেক্সাডেসিমেল: 
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার বেস ১৬ টি। 
যেমন - 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9, A, B, C, D, E, F. 

অর্থাৎ, 0, 1 এই দুই ডিজিট সকল সংখ্যাপদ্ধতির অন্তর্গত। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।

১৭১.
বিসিডি কোডে বিট কয়টি?
  1. ২টি
  2. ১৬টি
  3. ৪টি
  4. ৩২ টি
ব্যাখ্যা
• বিসিডি কোড: 
- BCD এর পূর্ণরূপ Binary Coded Decimal.
- দশমিক সংখ্যার প্রতিটি অংককে সমতুল্য বাইনারি সংখ্যা দ্বারা প্রকাশ করাকে বিসিডি কোড বলে।
- দশমিক পদ্ধতির সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যায় প্রকাশের নিমিত্তে এই কোড ব্যবহৃত হয়।
- ৪টি বিট দিয়ে BCD কোড গঠিত।
- ৪টি বিট দ্বারা ২৪ বা ১৬ টি অদ্বিতীয় চিহ্নকে নির্দিষ্ট করা যায়।
- তাই ১৬ টি অবস্থা ব্যবহার করে কয়েক প্রকার বিসিডি কোড সম্ভব।
- ৮৪২১ বিসিডি কোড যা Natural Binary Coded Decimal (NBCD) কোড নামেও পরিচিত।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১৭২.
হেক্সাডেসিমেলে 5C এর সমতুল্য দশমিক মান কত?
  1. 71
  2. 77
  3. 87
  4. 92
ব্যাখ্যা
• হেক্সাডেসিমেল থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর:
- হেক্সাডেসিমেল থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করার সময় প্রত্যেক অংককে ১৬ দ্বারা গুণ করতে হবে।
- গুণ করার সময় স্থানীয় মান অনুযায়ী 16 এর ঘাত 0 হতে বাড়তে থাকবে।
- যেমন: একক স্থানীয় অংকটিকে 160 দ্বারা, দশক স্থানীয় অংকটিকে 161 দ্বারা, শতক স্থানীয় অংকটিকে 162 দ্বারা এভাবে গুণ করতে হবে।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটির A, B, C, D, E ও F হলো যথাক্রমে 10, 11, 12, 13, 14 ও 15 দিয়ে গুণ করতে হবে।
- প্রাপ্ত গুণফলকে যোগ করলে উক্ত হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটির সমতুল্য দশমিক মান পাওয়ার যাবে।

এখানে,
(5C)16
= 12 × 160 + 5 × 161
= 12 × 1 + 5 × 16
= 12 + 80
= 92
সুতরাং, (5C)16 = (92)10

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৭৩.
What is the sum of binary numbers 100101 and 110101?
  1. 1001011
  2. 1011010
  3.  1101110
  4. 1110100
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) 1011010

বাইনারি যোগ:
- বাইনারি সংখ্যার যোগ প্রক্রিয়া দশমিক সংখ্যার যোগের মতোই, তবে এটি বিট ভিত্তিক।
- যখন দুটি বাইনারি বিট যোগ করা হয়, তখন ফলাফলের সাথে হাতের (Carry) বিট প্রয়োজন অনুযায়ী বামের দিকে স্থানান্তরিত হয়।

চারটি সম্ভব অবস্থা:
- 0 + 0 = 0
- 0 + 1 = 1
- 1 + 0 = 1
- 1 + 1 = 0 (হাতে 1 হয়, যা বাম দিকের পরবর্তী বিটের সাথে যোগ করতে হয়)


উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৭৪.
বাইনারি সংখ্যা ১১০০১ এর দশমিক রূপ কী?
  1. ২৩
  2. ২৪
  3. ২৫
  4. ২৬
ব্যাখ্যা

◉ বাইনারি সংখ্যা ১১০০১ এর দশমিক রূপ হচ্ছে - ২৫

বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর:
- বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করার সময় প্রত্যেক অংককে ২ দ্বারা গুণ করতে হয়।
- গুণ করার সময় স্থানীয় মান অনুযায়ী ২ এর ঘাত ০ হতে বাড়াতে হবে।
- প্রাপ্ত গুণফলকে যোগ করলে উক্ত বাইনারি সংখ্যাটির সমতুল্য দশমিক মান পাওয়া যাবে। 

এখানে, 
(11001)2 =  1 × 24 + 1 × 23 + 0 × 22 + 0 × 21 + 1 × 20
= 16 + 8 + 0 + 0 + 1
= 25

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

১৭৫.
What is the basic symbol of a number system called?
  1. Letter
  2. Code
  3. Symbol
  4. Digit
ব্যাখ্যা
সংখ্যা পদ্ধতির মৌলিক চিহ্ন 'ডিজিট' নামে পরিচিত।

• সংখ্যা পদ্ধতি:
- প্রাচীনকাল থেকেই মানুষ গণনার কাজের জন্য বিভিন্ন সাংকেতিক চিহ্ন, বর্ণ, সংখ্যা বা অংক ইত্যাদি ব্যবহার করেছে। এ ধরনের সাংকেতিক চিহ্ন, বর্ণ, সংখ্যা বা অংক পাশাপাশি রেখে তা প্রকাশ করার পদ্ধতিই হলো সংখ্যা পদ্ধতি।

• সংখ্যা পদ্ধতিকে মূলত দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি:
- নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি হলো এমন এক ধরনের পদ্ধতি, যেখানে সংখ্যাগুলোর কোনো স্থানীয় মান থাকে না। শুধুমাত্র সংখ্যার নিজস্ব মান দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
- নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতিতে হাতিয়ার, পশুপাখি, জীবজন্তুর ছবি, গাছ, ফুল ফল ইত্যাদি প্রতীক হসেবে ব্যবহার করা হতো।
- তবে এ ধরনের সংখ্যা পদ্ধতিতে গাণিতিক কাজ করা খুবই জটিল।
- প্রাচীনকালে ব্যবহৃত হায়ারোগ্লিফিক্স, মেয়ান, ট্যালি সংখ্যা পদ্ধতি নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতির উদাহরণ।

২. পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি:
- কোনো সংখ্যা পদ্ধতি প্রকাশ করার জন্য যে সকল সাংকেতিক চিহ্ন বা মৌলিক চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তা অংক বা ডিজিট (Digit) নামে পরিচিত। যেমন: বাইনারি সংখ্যাকে প্রকাশ করার জন্য দুটি অংক ০ এবং ১ ব্যবহার করা হয়।
- ডিজিট ব্যবহার করে সংখ্যা পদ্ধতি প্রকাশ করার পদ্ধতিই হলো পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৭৬.
দশমিক সংখ্যা ২৭ এর বাইনারি মান কত?
  1. ক) ১১১০০
  2. খ) ১১০১১
  3. গ) ১১০০১
  4. ঘ) ১১১০১
ব্যাখ্যা

2 | 27
2 | 13 - 1
2 | 6 - 1
2 | 3 - 0
2 | 1 - 1

2 | 0 - 1 ⇑

∴ (27)10 = (11011)2

১৭৭.
Logic Gate Diagram থেকে আউটপুট F = AB + A’C হলে এটি কোন ধরনের গেটের সমন্বয়? 
  1. AND + OR + NOT
  2. OR + NAND
  3. XOR + AND
  4. NOR + NOT
ব্যাখ্যা

প্রদত্ত সমীকরণ F = AB + A’C হলো একটি মিশ্র লজিক ফাংশন।

• এখানে তিনটি মৌলিক গেট ব্যবহার করা হয়েছে:
- NOT gate: A’ তৈরি করতে ব্যবহৃত।
- AND gate: দুটি গুণফল AB এবং (A’C) তৈরি করতে ব্যবহৃত।
- OR gate: AB এবং A’C এর আউটপুট যোগ করতে ব্যবহৃত।

• ধাপগুলো:
- A কে NOT gate এ পাঠিয়ে A’ তৈরি করা।
- AB তৈরি করতে AND gate ব্যবহার করা।
- A’C তৈরি করতে আরেকটি AND gate ব্যবহার করা।
- শেষে OR gate দিয়ে AB + A’C আউটপুট F পাওয়া যাবে।

তথ্যসূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি।

১৭৮.
(13)10 = (?)16
  1. D
  2. 13
  3. E
  4. C
ব্যাখ্যা
হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা পদ্ধতির বেস - ১৬।
হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা গুলো হচ্ছে - 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9, A, B, C, D, E, F.
এখানে,
A = 10
B = 11
C = 12
D = 13
E = 14
F = 15
সংখ্যা ও অক্ষর উভয়ই থাকার কারনে এটিকে আলফানিউমেরিক সংখ্যা পদ্ধতিও বলা হয়। 

উৎস: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (উন্মুক্ত)।
১৭৯.
100111 বাইনারি নাম্বারের সমতুল্য ডেসিমেল নাম্বার কত?
  1. 29
  2. 34
  3. 39
  4. 41
ব্যাখ্যা
• 100111 বাইনারি নাম্বারের সমতুল্য ডেসিমেল নাম্বার 39.

• বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর:
- বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করার সময় প্রত্যেক অংককে ২ দ্বারা গুণ করতে হয়।
- গুণ করার সময় স্থানীয় মান অনুযায়ী ২ এর ঘাত ০ হতে বাড়াতে হবে।
- প্রাপ্ত গুণফলকে যোগ করলে উক্ত বাইনারি সংখ্যাটির সমতুল্য দশমিক মান বা ডেসিমেল নাম্বার পাওয়ার যাবে।

এখানে,
100111
= 1 × 25 + 0 × 24 + 0 × 23 + 1 × 22 + 1 × 21 + 1 × 20
= 32 + 0 + 0 + 4 + 2 + 1
= 39

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
১৮০.
কম্পিউটারে সংখ্যা পদ্ধতিতে ব্যবহৃত সংখ্যা দুইটি কোনগুলো?
  1. ক) 0 এবং 9
  2. খ) 0 এবং 2
  3. গ) 0 এবং 1
  4. ঘ) 0 এবং 8
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয় ০ এবং ১ দুইটি সংখ্যা।
- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে 0 এবং 1 এই দুইটি মাত্র সংখ্যা বা অংক ব্যবহার করা হয় তাকে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- দুটি অংক ব্যবহারের কারণেই এই সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি হচ্ছে 2 । 
- সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তির উপর নির্ভর করে সংখ্যা পদ্ধতিকে চার ভাগে ভাগ করা হয়:
১. দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি (Decimal number system)
২. বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (Binary number system)
৩. অক্ট্যাল সংখ্যা পদ্ধতি (Octal number system)
৪. হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি (Hexadecimal number system)

উৎস: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি।
১৮১.
মৌলিক গেটের সমন্বয়ে কয়টি যৌগিক গেইট তৈরী করা যায়?
  1. ক) ২
  2. খ) ৪
  3. গ) ৬
  4. ঘ) ৮
ব্যাখ্যা
4 টি।
NAND, NOR, XOR, XNOR 
১৮২.
বুলিয়ান অ্যালজেবরায়, ১-এর পূরক মান কত?
  1. -১
ব্যাখ্যা
বুলিয়ান অ্যালজেবরায়, ১-এর পূরক মান ০।

বুলিয়ান অ্যালজেবরায়, দুইটি মান থাকে — ০ এবং ১।
কোনো মানের "পূরক" মানে হলো উল্টো মান।
পূরককে সাধারণত ¯ চিহ্ন (বার) বা ' (প্রাইম) চিহ্ন দিয়ে প্রকাশ করা হয়।
উদাহরণ:
১-এর পূরক = ০
০-এর পূরক = ১

যদি A একটি মান হয়, তাহলে:
যদি A = ১ হয় → তাহলে A' = ০
যদি A = ০ হয় → তাহলে A' = ১

উৎস: বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৮৩.
(175)10 ডেসিমাল সংখ্যাটির সমতুল্য অক্টাল মান কত? 
  1. 321
  2. 257
  3. 247
  4. 367
ব্যাখ্যা

◉ (175)10 = (257)8

পূর্ণ দশমিক সংখ্যাকে অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তর:
১. দশমিক সংখ্যাকে অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তরিত করার জন্য দশমিক সংখ্যাকে ৮ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে।
২. ভাগফলকে পুনরায় ৮ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে।
৩. এ পদ্ধতির পুনরাবৃত্তি করতে হবে যতক্ষণ না ভাজ্য ০ হয়।
৪. সংরক্ষিত ভাগশেষগুলোকে শেষ থেকে প্রথম দিকে ধারাবাহিকভাবে অর্থাৎ উল্টো করে সাজিয়ে লিখলে যে সংখ্যাটি পাওয়া যায় তাই দশমিক সংখ্যার সমকক্ষ অক্টাল সংখ্যা।

175 ÷ 8 = 21 ভাগশেষ 7
21 ÷ 8 = 2 ভাগশেষ 5
2 ÷ 8 = 0 ভাগশেষ 2

এখন ভাগশেষগুলো উল্টোদিক থেকে লিখলে পাওয়া যায় → 257

১৮৪.
ডেসিমেল সংখ্যা .46 এর সমতুল্য বাইনারি মান কোনটি?
  1. 0.101010......
  2. 0.01110......
  3. 0.00010......
  4. 0.110011......
ব্যাখ্যা
ভগ্নাংশের ক্ষেত্রে দশমিক হতে বাইনারিতে রূপান্তর:
দশমিক ভগ্নাংশকে ২ দ্বারা গুণ করতে হয় এবং গুণফলের পূর্ণ অংশটি সংরক্ষিত রেখে ভগ্নাংশকে পুনরায় ২ দ্বারা গুণ করতে হয়, এরপর পূর্ণ অঙ্ক হিসেবে প্রাপ্ত অঙ্কগুলো প্রাপ্তির ক্রমানুসারে পাশাপাশি লিখে দশমিক সংখ্যার সমকক্ষ বাইনারি সংখ্যা পাওয়া যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১৮৫.
বাইনারি সংখ্যাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তর করতে সংখ্যাটির অংকগুলোকে কত বিটবিশিষ্ট গ্রুপে ভাগ করে নেয়া প্রয়োজন?
  1. ক) ৪ বিট
  2. খ) ৩ বিট
  3. গ) ২ বিট
  4. ঘ) ১ বিট
ব্যাখ্যা
পর্যবেক্ষনে দেখা যায় যে, চার বিট বাইনারি সংখ্যা দ্বারা একটি হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা প্রকাশ হয়। তাই বাইনারি সংখ্যাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তর করার জন্য প্রথমে বাইনারি সংখ্যার অংকগুলোকে চার বিটবিশিষ্ট গ্রুপে ভাগ করে নিতে হয়। তারপর প্রতিটি গ্রুপের সমতুল্য হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার মান বসালে বাইনারি থেকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা মান পাওয়া যায়।
১৮৬.
যে ডিজিটাল বর্তনীয় মাধ্যমে আনকোডেড ডেটাকে কোডেড ডেটায় পরিনত করা হয়, তাকে কী বলে?
  1. ক) ডিকোডার
  2. খ) এনকোডার
  3. গ) উভয়ই
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

আনকোডেড মানে মানুষের ভাষা।
কোডেড মানে মেশিনের (কম্পিউটারের) ভাষা।
আমরা জানি, এনকোডার মানুষের ভাষাকে মেশিনের ভাষার রুপান্তর করে।

১৮৭.
বাফার গেইট কিসের বিপরীত আচরণ করে?
  1. নট গেইট
  2. অ্যান্ড গেইট
  3. অর গেইট
  4. এক্স-অর গেইট
ব্যাখ্যা
বাফার গেইট নট গেইট এর বিপরীত আচরণ করে।

• বাফার গেইট
- বাফার গেইট এক ধরনের লজিক গেইট যা নট গেইটের বিপরীত আচরণ করে।
- এতে একটি ইনপুট ও একটি আউটপুট রয়েছে।
- এই গেইটে ইনপুট দিলে আউটপুট ০ এবং ইনপুট ১ দিলে আউটপুটও ১ হবে।

উল্লেখ্য,
 - নট গেইটে ইনপুট ১ দিলে আউটপুট ০ এবং ইনপুট দিলে আউটপুট ১ হয়।



উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী)--প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১৮৮.
ডেসিমেল সংখ্যা 740 এর সমতুল্য হেক্সাডেসিমেল মান কত?
  1. 1A3
  2. 2E4
  3. 4B1
  4. 2A3
ব্যাখ্যা

∴ (740)10 = (2E4)16   [14 = E]
১৮৯.
নিচের কোনটি বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির বৈশিষ্ট্য নয়?
  1. শুধু ০ ও ১ ব্যবহার করে
  2. কম্পিউটারের মূল সংখ্যা পদ্ধতি
  3. মানুষের দৈনন্দিন জীবনে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত
  4. ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে ব্যবহৃত
ব্যাখ্যা

◉ বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি হলো ভিত্তি-২ সংখ্যা পদ্ধতি, যেখানে ২টি ডিজিট (০ ও ১) ব্যবহার হয়। এটি মূলত কম্পিউটার ও ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সের জন্য উপযোগী।

বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (Binary Number System):
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি একটি ২-ভিত্তিক সংখ্যা পদ্ধতি।
- এ পদ্ধতিতে ০ এবং ১ এই দুটি অংক ব্যবহৃত হয়। এ দুটি অংককে বিভিন্নভাবে সাজিয়ে যেকোনো সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে লেখা যায়।
- বাইনারিতে দুটি অংক ব্যবহৃত হয় বিধায় এ পদ্ধতির বেজ ২।
- (110)2, (1101)2 ইত্যাদি হলো বাইনারি সংখ্যার উদাহরণ।
- কম্পিউটার বাইনারি সংখ্যার মাধ্যমে যেকোনো ধরনের উপাত্ত বা ডেটা সংরক্ষণ করে থাকে।
- আবার কম্পিউটারের সকল অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পন্ন হয় বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে।

উল্লেখ্য, মানুষের দৈনন্দিন জীবনে দশমিক (Decimal) সংখ্যা পদ্ধতি (০–৯) সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৯০.
67 এর বিসিডি কোড হচ্ছে:
  1. 10110111
  2. 110111
  3. 10110101
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
• 67 এর বিসিডি কোড হচ্ছে: 01100111
- অপশন গুলোতে সঠিক উত্তর না থাকায়: উত্তর - অপশন (ঘ) কোনোটিই নয় হবে।


• বিসিডি কোড:
- বিসিডি (BCD) শব্দের পূর্ণরূপ হলো বাইনারি কোডেড ডেসিমেল (Binary Coded Decimal)।
- দশমিক (Decimal) সংখ্যার প্রতিটি অঙ্ককে বাইনারিতে রূপান্তরই হলো বিসিডি কোড।
- এই পদ্ধতিতে দশমিক সংখ্যা 0 থেকে 9 পর্যন্ত মোট দশটি অংককে সমতুল্য 4 বিট বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করা হয়।
- 4 বিট দ্বারা 24 অর্থাৎ 16 ভিন্ন অবস্থা নির্দেশ করা যায়। তাই 16টি অবস্থা ব্যবহার করে কয়েক প্রকার BCD কোড গঠন করা সম্ভব।
- এর মধ্যে BCD 8421 কোড বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য এবং বহুল ব্যবহৃত।

6 এর বিসিডি 0110
7 এর বিসিডি 0111
∴ 67 এর বিসিডি 01100111

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৯১.
ইনপুটের সংখ্যা n হলে আউটপুট 2n হয় কোন সার্কিটের ক্ষেত্রে?
  1. ক) রেজিস্টার
  2. খ) কাউন্টার
  3. গ) এনকোডার
  4. ঘ) ডিকোডার
ব্যাখ্যা
• ডিকোডার:
- ডিকোডার হলো এমন একটি সমবায় সার্কিট যার সাহায্যে n টি ইনপুট থেকে সর্বাধিক 2n টি আউটপুট লাইনের একটিতে 1 ও বাকি সবকটিতে 0 আউটপুট পাওয়া যায়।
- কখন কোন আউটপুট লাইনে 1 পাওয়া যাবে তা নির্ভর করে ইনপুটগুলোর মানের উপর।
- ডিকোডার হলো এমন এক ধরনের ইলেক্ট্রনিক সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী যা কম্পিউটারে ব্যবহৃত ভাষাকে মানুষের বোধগম্য ভাষায় রূপান্তর করে।

• এনকোডার:
- এনকোডার এমন একটি সমবায় সার্কিট যার দ্বারা সর্বাধিক 2n টি ইনপুট থেকে n টি আউটপুট লাইনে 0 বা 1 আউটপুট পাওয়া যায়।
- যে কোন মুহূর্তে একটি মাত্র ইনপুট 1 ও বাকি সব ইনপুট 0 থাকে। 

• রেজিস্টার:
- রেজিস্টার হলো ফ্লিপ ফ্লপের সমন্বয়ে গঠিত ডিজিটাল বর্তনী।
- রেজিস্টারের প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপ এক বিট (Bit) তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে।
- একটি n-bit রেজিস্টারে n সংখ্যক ফ্লিপ ফ্লপ থাকে যা বাইনারি n-bit তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে। 

• কাউন্টার:
- কাউন্টার হলো এমন একটি সিকুয়েন্সিয়াল সার্কিট যা এর মধ্যে প্রদানকৃত ইনপুট পালসের সংখ্যা গুণতে পারে।
- যে কাউন্টার বাইনারি সিকুয়েন্স অনুসরণ করে তাকে বাইনারি কাউন্টার বলে।
- একটি n বিট বাইনারি কাউন্টার হলো n টি ফ্লিপ-ফ্লপ এবং সংশ্লিষ্ট গেইট যা বাইনারি n বিট অর্থাৎ 0 থেকে 2n-1 পর্যন্ত গণনার সিকুয়েন্সকে অনুসরণ করতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৯২.
হেক্সাডেসিমেল সিস্টেমে দশমিক ১৫ কোন অক্ষর বা প্রতীকে প্রকাশ করা হয়? 
  1. E
  2. F
  3. D
  4. C
ব্যাখ্যা

• হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি একটি ভিত্তি-১৬ (base-16) পদ্ধতি, যেখানে মোট ১৬টি প্রতীক ব্যবহার করা হয়: ০–৯ এবং A, B, C, D, E, F। এখানে ০–৯ পর্যন্ত সংখ্যা একই থাকে, কিন্তু দশমিক ১০ থেকে ১৫ পর্যন্ত সংখ্যাগুলোকে অক্ষর দিয়ে প্রকাশ করা হয়। যেমন, দশমিক ১০ = A, ১১ = B, ১২ = C, ১৩ = D, ১৪ = E এবং ১৫ = F। তাই দশমিক সংখ্যা ১৫ হেক্সাডেসিমেল পদ্ধতিতে F দ্বারা প্রকাশ করা হয়। সুতরাং দেওয়া অপশন গুলোর মধ্যে সঠিক উত্তর হলো খ) F। হেক্সাডেসিমেল পদ্ধতি কম্পিউটার বিজ্ঞান ও ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি (Hexadecimal Number System):
- হেক্সাডেসিমেল একটি ১৬-ভিত্তিক সংখ্যা পদ্ধতি।
- এ পদ্ধতিতে মোট ১৬টি অংক বা ডিজিট ব্যবহার করা হয়।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় ১৬টি প্রতীকের মধ্যে দশমিক পদ্ধতির দশটি প্রতীক এবং বাকী ৬টি বর্ণ প্রতীক ব্যবহার করা হয়।
- ০ থেকে ৯ পর্যন্ত অংক প্রতীক এবং ৯-এর পরেরগুলো হচ্ছে A, B, C, D, E ও F ।
- এখানে A, B, C, D, E এবং F-এর সমতুল্য দশমিক মান হচ্ছে যথাক্রমে ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪ এবং ১৫। 

উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- বিস্তারিত জানতে Live MCQ Computer & ICT Cloud বইটি দেখুন। 

১৯৩.
16 base সংখ্যা 2A16 কে Decimal সংখ্যা হিসেবে প্রকাশ করলে কত হবে?
  1. 4010
  2. 4210
  3. 4410
  4. 4510
ব্যাখ্যা

• 16 base সংখ্যা সিস্টেমে 0 থেকে 9 সংখ্যাগুলো এবং A থেকে F অক্ষরগুলো ব্যবহার করা হয়।

এখানে:
2A16 = ?10(Decimal)

• প্রক্রিয়া:
- হেক্সা-ডেসিমাল এর ভিত্তি 16 হওয়ায় ডান দিকের (সবচেয়ে ছোট স্থানের) অঙ্ককে 160 এর ঘাত দিয়ে গুণ করা হবে।
- ডান থেকে বাম দিকে প্রতিটি অঙ্কের ঘাত 1 করে বাড়বে। যেমন: 161, 162, 163.
- যদি অঙ্ক সংখ্যা হয় 0 থেকে 9, তাহলে একই Decimal মান হবে।
- যদি অক্ষর হয় A থেকে F, তাহলে মান 10 থেকে 15 হবে।
- পরিশেষ যোগ করলেই ডেসিমাল সংখ্যা পাওয়া যাবে। 
 
সংখ্যা: 2A16
অবস্থান অনুযায়ী মান নির্ণয়:
বামদিকের ‘2’ = 2 × 161 = 32
ডানদিকের ‘A’ = 10 × 160 = 10 × 1 = 10

যোগফল: 32 + 10 = 42

সুতরাং: 2A16 = 4210

১৯৪.
(37)10 এর সমতুল্য বাইনারি কত?
  1. 1001011
  2. 100101
  3. 110101
  4. 101001
ব্যাখ্যা

∴ (37)10 এর সমতুল্য বাইনারি (100101)2
১৯৫.
'মেয়ান' কী ধরনের সংখ্যা পদ্ধতির উদাহরণ? 
  1. পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি
  2. নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি
  3. দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি
  4. কোনোটিই নয় 
ব্যাখ্যা

◉ "মেয়ান" সংখ্যা পদ্ধতি হলো একটি নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি (Non-positional Number System)। এটি প্রাচীন মিশরে ব্যবহৃত হতো, যেখানে বিভিন্ন চিহ্ন বা প্রতীক দিয়ে সংখ্যা প্রকাশ করা হত এবং প্রতিটি চিহ্নের নিজস্ব মান থাকত। 

সংখ্যা পদ্ধতি:
- প্রাচীনকাল থেকেই মানুষ গণনার কাজের জন্য বিভিন্ন সাংকেতিক চিহ্ন, বর্ণ, সংখ্যা বা অংক ইত্যাদি ব্যবহার করেছে। এ ধরনের সাংকেতিক চিহ্ন, বর্ণ, সংখ্যা বা অংক পাশাপাশি রেখে তা প্রকাশ করার পদ্ধতিই হলো সংখ্যা পদ্ধতি।
- সংখ্যা পদ্ধতিকে মূলত দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-

১. নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি:
- নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি হলো এমন এক ধরনের পদ্ধতি, যেখানে সংখ্যাগুলোর কোনো স্থানীয় মান থাকে না। শুধুমাত্র সংখ্যার নিজস্ব মান দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
- নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতিতে হাতিয়ার, পশুপাখি, জীবজন্তুর ছবি, গাছ, ফুল ফল ইত্যাদি প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করা হতো।
- তবে এ ধরনের সংখ্যা পদ্ধতিতে গাণিতিক কাজ করা খুবই জটিল।
- প্রাচীনকালে ব্যবহৃত হায়ারোগ্লিফিক্স, মেয়ান, ট্যালি সংখ্যা পদ্ধতি নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতির উদাহরণ।

২. পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি:
- কোনো সংখ্যা পদ্ধতি প্রকাশ করার জন্য যে সকল সাংকেতিক চিহ্ন বা মৌলিক চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তা অংক বা ডিজিট (Digit) নামে পরিচিত। যেমন: বাইনারি সংখ্যাকে প্রকাশ করার জন্য দুটি অংক ০ এবং ১ ব্যবহার করা হয়।
- ডিজিট ব্যবহার করে সংখ্যা পদ্ধতি প্রকাশ করার পদ্ধতিই হলো পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৯৬.
দশমিক সংখ্যা ১৭ এর বাইনারি রূপ কত?
  1. 10010
  2. 10101
  3. 10000
  4. 10001
ব্যাখ্যা
17 =8 × 2  reminder  1
8 = 4 × 2 reminder 0
4 = 2 × 2 reminder 0
2 = 1 × 2 reminder 0
1 = 0 × 2 reminder 1
(17) 10 = (10001)2
১৯৭.
ASCII কোডের কোন রেঞ্জ ক্যারেক্টারদের জন্য সংরক্ষিত?
  1. 0 - 31
  2. 32 - 55
  3. 48 - 57
  4. 66 - 110
ব্যাখ্যা

ASCII কোডের ০ থেকে ৩১ পর্যন্ত রেঞ্জটি নিয়ন্ত্রণ ক্যারেক্টারদের জন্য সংরক্ষিত।
- এই ক্যারেক্টারগুলো সাধারণভাবে দৃশ্যমান নয় এবং তারা কম্পিউটার বা প্রিন্টার ডিভাইসের নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যবহৃত হয়, যেমন কার্সর নিয়ন্ত্রণ, নতুন লাইন, ট্যাব ইত্যাদি।
- অন্যদিকে, ৩২ থেকে ৪৭ পর্যন্ত রেঞ্জটি বিশেষ চিহ্ন বা সিম্বল গুলোকে প্রতিনিধিত্ব করে, যেমন স্পেস, ডট, কমা, সেমিকোলন ইত্যাদি।
- ৪৮ থেকে ৫৭ পর্যন্ত সংখ্যাগুলো ০ থেকে ৯ পর্যন্ত ডিজিট বা সংখ্যা ক্যারেক্টারকে নির্দেশ করে।
- শেষ রেঞ্জ ৬৫ থেকে ৯০ পর্যন্ত বড় হাতের ইংরেজি অক্ষর (A থেকে Z) এর জন্য ব্যবহৃত হয়।
- তাই, ০-৩১ রেঞ্জটি মূলত নিয়ন্ত্রণ ক্যারেক্টারদের জন্য সংরক্ষিত।

• অ্যাসকি কোড (ASCII Code):
- পূর্ণরূপ: ASCII শব্দের পূর্ণরূপ হলো American Standard Code for Information Interchange |
- আবিষ্কার: ASCII কোডটি ১৯৬৩ সালে আমেরিকান ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড ইনস্টিটিউট (ANSI) কর্তৃক আবিষ্কৃত হয়।

• বৈশিষ্ট্য:
- এটি একটি ৭ বিটের কোড, যা দ্বারা ১২৮টি বিভিন্ন অংক, অক্ষর, চিহ্ন এবং কিছু বিশেষ চিহ্ন প্রকাশ বা নির্দিষ্ট করা যায়।
- এই কোডটি ASCII-৭ কোড নামে পরিচিত।

• ASCII-৮ কোড:
- ASCII-৭ কোডের সর্ববামে একটি প্যারিটি বিট যোগ করলে ASCII-৮ কোড তৈরি হয়।
- ASCII-৮ কোড মাধ্যমে ২৫৬টি বিভিন্ন অংক, অক্ষর, চিহ্ন এবং অন্যান্য বিশেষ চিহ্ন প্রকাশ বা নির্দিষ্ট করা যায়।
- এভাবে কোডের বিভিন্ন সংস্করণ ও তাদের বৈশিষ্ট্য গুলি স্পষ্টভাবে বোঝানো হয়েছে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৯৮.
বাইনারি যোগ করুন: 1 + 1 + 1 = ?
  1. ক) 111
  2. খ) 11
  3. গ) 3
  4. ঘ) 10
ব্যাখ্যা
বাইনারি যোগ:

1 + 0 = 1
1 + 1 = 10
1 + 1 + 1 = 11
১৯৯.
'F' বাইনারি সংখ্যায় কত?
  1. 111
  2. 1110
  3. 1011
  4. 1111
ব্যাখ্যা
'F' একটি হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা।
- দশমিক সংখ্যায় এর মান = 15
- বাইনারি সংখ্যায় এর মান = 1111
- অক্টাল সংখায় এর মান = 17
২০০.
বুলিয়ান অ্যালজেবরায় কয়টি মৌলিক লজিক্যাল অপারেশন রয়েছে?
  1. ক) ৪ টি
  2. খ) ৩ টি
  3. গ) ২ টি
  4. ঘ) ৫ টি
ব্যাখ্যা
বুলিয়ান অ্যালজেবরার (ডিজিটাল ইলেক্ট্রনিক্সে) তিনটি মৌলিক লজিক্যাল অপারেশন রয়েছে। যথা-
১) OR (+) Operation -> সাধারণ যোগের কাজ করা হয়।
২) AND (.) Operation -> সাধারণ গুনের কাজ করা হয়।
৩) NOT ( A') Operation -> পূরকের কাজ করে (০ থাকলে ১ এবং ১ থাকলে ০ এ পরিণত করে)

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (১১শ - ১২শ শ্রেণি), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।