বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

কম্পিউটারের ইতিহাস

মোট প্রশ্ন৫৭২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

কম্পিউটারের ইতিহাস

PrepBank · পাতা / · ৩০১৪০০ / ৫৭২

৩০১.
১৯৮১ সালে প্রথম ল্যাপটপ কম্পিউটার প্রবর্তন করে কোন কোম্পানি? 
  1. ডেল
  2. অ্যাপল
  3. এপসন
  4. মাইক্রোসফট
ব্যাখ্যা
ল্যাপটপ কম্পিউটার: 
- ল্যাপটপ কম্পিউটার ওজনে হালকা, আকারে ছোট এবং সহজে বহনযোগ্য। 
- ল্যাপটপ কম্পিউটার এসি বিদ্যুত এবং ব্যাটারি উভয়ের সাহায্যেই ব্যবহার করা যায়। 
১৯৮১ সালে এপসন (Epson) কোম্পানি প্রথম ল্যাপটপ কম্পিউটার প্রবর্তন করে। 
- ডেক্সটপের চেয়ে অনেক বেশি বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী। 
- মাউসের পরিবর্তে টাচপ্যাড ব্যবহার করা হয়। 
- ল্যাপটপ কম্পিউটারের সাথে আলাদাভাবে মিনিটর, মাউস, কি-বোর্ড ইত্যাদি ডিভাইস যুক্ত করা যায়। 
- বাংলাদেশের তৈরি প্রথম ল্যাপটপ দোয়েল (DOEL)। 
- দোয়েল ল্যাপটপ তৈরি করে টেলিফোন শিল্প সংস্থা লিমিটেড। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি এবং dw.com
৩০২.
প্রথম সফল পার্সোনাল কম্পিউটার বাজারজাত করে কোন প্রতিষ্ঠান?
  1. ক) আইবিএম
  2. খ) মাইক্রোসফট
  3. গ) এপল
  4. ঘ) ইনটেল
ব্যাখ্যা

মাইক্রোকম্পিউটারকে পার্সোনাল কম্পিউটার বা সংক্ষেপে পিসি বলা হয়। মাইক্রোকম্পিউটার হচ্ছে কারিগরি নাম এবং পিসি হচ্ছে চলতি নাম।

প্রথম সফল মাইক্রোকম্পিউটার বাজারে ছেড়েছিল ১৯৭৬ সালে এপল নামে একটি আমেরিকান কোম্পানি। এই কম্পিউটারকে বলা হয় এপল গোত্রের ডেস্কটপ বা এপল পিসি।

উৎসঃ এসএসসি তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (উন্মুক্ত)।

 
৩০৩.
প্রথম ল্যাপটপ কম্পিউটার উৎপাদনকারী কোম্পানির নাম কী?
  1. মাইক্রোসফট
  2. এপসন
  3. টেশিস
  4. আই.বি.এম
ব্যাখ্যা

• প্রথম ল্যাপটপ কম্পিউটার উৎপাদনকারী কোম্পানির নাম হলো এপসন। ১৯৮০ সালের দিকে, প্রযুক্তি ক্ষেত্রের উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে কম্পিউটারকে বহনযোগ্য করার ধারণা এসেছে। এই ধারার প্রথম বাস্তব উদাহরণ হলো এপসনের ‘HX-20’ ল্যাপটপ, যা বিশ্বের প্রথম কম্প্যাক্ট এবং পোর্টেবল কম্পিউটার হিসেবে পরিচিত। এটি ছোট আকারের হলেও প্রিন্টার, ডিসপ্লে এবং ব্যাটারি সমন্বিত ছিল, যা ব্যবহারকারীদের সহজে যেকোনো স্থানে কাজ করার সুবিধা প্রদান করত। অন্যান্য উল্লেখযোগ্য প্রতিষ্ঠান যেমন মাইক্রোসফট বা আই.বি.এম পরবর্তীতে ল্যাপটপ বা পোর্টেবল কম্পিউটার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে, কিন্তু প্রথম ল্যাপটপের কৃতিত্ব এপসনের।

- উত্তর: খ) এপসন।

• ল্যাপটপ কম্পিউটার:
- ল্যাপটপ কম্পিউটার ওজনে হালকা, আকারে ছোট এবং সহজে বহনযোগ্য।
- ল্যাপটপ কম্পিউটার এসি বিদ্যুত এবং ব্যাটারি উভয়ের সাহায্যেই ব্যবহার করা যায়।
- ১৯৮১ সারে এপসন (Epson) কোম্পানি প্রথম ল্যাপটপ কম্পিউটার প্রবর্তন করে। 
- ডেক্সটপের চেয়ে অনেক বেশি বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী।
- মাউসের পরিবর্তে টাচপ্যাড ব্যবহার করা হয়। 
- ল্যাপটপ কম্পিউটারের সাথে আলাদাভাবে মিনিটর, মাউস, কি-বোর্ড ইত্যাদি ডিভাইস যুক্ত করা যায়।
- বাংলাদেশের তৈরি প্রথম ল্যাপটপ দোয়েল (DOEL)।
- দোয়েল  ল্যাপটপ তৈরি করে টেলিফোন শিল্প সংস্থা লিমিটেড।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩০৪.
বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনে স্থাপিত ‘IBM 1620’ মডেলের মেইনফ্রেম কম্পিউটারটি ছিল-
  1. ক) প্রথম প্রজন্মের
  2. খ) দ্বিতীয় প্রজন্মের
  3. গ) তৃতীয় প্রজন্মের
  4. ঘ) চতুর্থ প্রজন্মের
ব্যাখ্যা
১৯৬৪ সালে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনে স্থাপিত হয় ‘আইবিএম-১৬২০ (IBM 1620)’ মডেলের একটি মেইনফ্রেম কম্পিউটার।
-এটি ছিল দ্বিতীয় প্রজন্মের মেইনফ্রেম কম্পিউটার।
-ব্যাংক, বীমা, অর্থলগ্নীকারী প্রতিষ্ঠান এবং বৈজ্ঞানিক কর্ম তৎপরতা পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানে মেইনফ্রেম কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়।
[উৎসঃ মাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি]
৩০৫.
কম্পিউটার একটি -
  1. ক) সমস্যা সমাধানের যন্ত্র
  2. খ) হিসাবকারী যন্ত্র
  3. গ) সিদ্ধান্ত গ্রহণের যন্ত্র
  4. ঘ) হিসাব পরীক্ষার যন্ত্র
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার একটি হিসাবকারী যন্ত্র
- কম্পিউটার হলো বিভিন্ন গাণিতিক সমস্যা সমাধানের জন্য তৈরি একটি ইলেক্ট্রনিক যন্ত্র।
- এটি যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ প্রভৃতি গাণিতিক কাজ অত্যন্ত দ্রুত গতিতে ও নির্ভুলভাবে করতে পারে।
- গাণিতিক যুক্তি ও সিদ্ধান্ত মূলক কাজও কম্পিউটার নির্ভরতার সাথে করতে পারে।
- প্রকৃতপক্ষে, কম্পিউটারের নিজস্ব কোন চিন্তা-চেতনা, শক্তি বা বুদ্ধি নেই। মানুষের দেয়া নির্দেশ অনুযায়ী এই যন্ত্র কাজ করে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩০৬.
গণনাকারী যন্ত্র অ্যাবাকাসের প্রথম ব্যবহার শুরু হয় কোন দেশে?
  1. যুক্তরাষ্ট্রে
  2. রাশিয়াতে
  3. জাপানে
  4. চীনে
ব্যাখ্যা
• অ্যাবাকাস (Abacus):
- অ্যাবাকাস প্রাচীনতম গণনা যন্ত্র, যা একটি ফ্রেমে সাজানো গুটির স্থান পরিবর্তন করে গণনা করার কাজ পরিচালিত করে।
- খ্রীস্টপূর্ব পঞ্চম শতাব্দীতে অ্যাবাকাসের প্রথম ব্যবহার শুরু হয়েছিল চীনে।
- দ্বাদশ শতাব্দী পর্যন্ত ইউরোপ ও এশিয়ায় অ্যাবাকাস ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়েছিল।
- পঞ্চদশ শতাব্দীতে অ্যাবাকাস জাপানে প্রবর্তিত হয়।
- চীনে অ্যাবাকাসকে বলা হয় সুয়ানপান (Suanpan), জাপানে সরোবান (Soroban) এবং রাশিয়াতে বলা হয় স্কেটিয়া (Sketia)।
- অ্যাবাকাস শব্দটির অর্থ হলো গণনাকারী বোর্ড।
- এটি কাঠের তৈরি আয়তাকার কাঠামো যাতে ফ্রেমের ভেতরে সুতা বা তার বেঁধে বিভিন্ন রঙের গুটি বা বল সাজানো থাকে।
- সাধারণত প্রত্যেক তারের ওপরের দিকে দুটি এবং নিচের দিকে পাঁচটি বল বা গুটি লাগনো থাকে।
- সবার ওপরের তারকে ধরা হতো এককের ঘর, দ্বিতীয় তারটি ছিল দশকের এবং তৃতীয় তারটি ছিল শতকের।
- গুটিগুলো সঞ্চালন করে অ্যাবাকাসের সাহায্যে যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ প্রভৃতি কাজ করা যেত।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩০৭.
DOS অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার শুরু হয়েছিলো কোন প্রজন্ম থেকে?
  1. ক) ২য় প্রজন্ম
  2. খ) ৩য় প্রজন্ম
  3. গ) ৪র্থ প্রজন্ম
  4. ঘ) ১ম প্রজন্ম
ব্যাখ্যা
• চতুর্থ প্রজন্ম কম্পিউটার: 
- ১৯৭১ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত চতুর্থ প্রজন্ম শুরু হয়েছে বলে ধরা হয়।
- কম্পিউটার তৈরিতে বড় ধরনের বিপ্লব পরিলক্ষিত হয় ১৯৭১ সালে IC এবং VLSI বর্তনীর সাহায্যে নির্মিত মাইক্রোপ্রসেসর আবিষ্কারের মধ্য দিয়ে।
- মূলত মাইক্রোপ্রসেসর হলো সিলিকনের তৈরি এক ধরনের VLSI চিপ।
- চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটারগুলো মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহার করে তৈরি করা হতো। 
- Windows, DOS অপারেটিং সিস্টেম দুটির ব্যবহার এ প্রজন্ম থেকেই শুরু হয়েছিল।
- ১৯৮১ সালে IBM কোম্পানি ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে প্রথম মাইক্রোকম্পিউটার তৈরি করা শুরু করে।
- IBM 3033, IBM 4341, TRS 40, Pentium Series, IBM পিসি ইত্যাদি এ প্রজন্মের কম্পিউটার। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩০৮.
ড. ভিনসেন্ট অ্যাটানোসফ ও তাঁর ছাত্র ক্লিফ কোন ইলেক্ট্রনিক উপাদান ব্যবহার করে ABC কম্পিউটার তৈরি করেন?
  1. ট্রানজিস্টর 
  2. ভ্যাকুয়াম টিউব
  3. মাইক্রোপ্রসেসর
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
ABC (Atanasoff Berry Computer):
- যুক্তরাষ্ট্রের আইওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞানের অধ্যাপক ড. জন ভিনসেন্ট অ্যাটানসাফ (Dr. John Vincent Atanasoff) এবং তাঁর ছাত্র ক্লিফ (Cliff Berry) ১৯৩৯ সালে যৌথভাবে ভ্যাকুয়াম টিউব ব্যবহার একটি ইলেকট্রনিক গণনাকারী যন্ত্র আবিষ্কার করেন।
- তাঁদের নামানুসারে যন্ত্রটির নামকরণ করা হয় এবিসি (ABC - Atanasoff Berry Computer)।
- ABC ছিল প্রথম ইলেকট্রনিক কম্পিউটার।
- ABC গাণিতিক/যুক্তিমূলক কাজের জন্য ৪৫টি ভ্যাকুয়াম টিউব এবং তথ্য সংরক্ষণের জন্য মেমোরি হিসেবে ক্যাপাসিটর ব্যবহার করা হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩০৯.
বর্তমানে বিশ্বের দ্রুততম কম্পিউটারটি কোন দেশের?
  1. ক) চীন
  2. খ) রাশিয়া
  3. গ) জাপান
  4. ঘ) যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাধর (শক্তিশালী) সুপার কম্পিউটারের তালিকায় শীর্ষস্থানে ফিরে এসেছে যুক্তরাষ্ট্র। চীনকে পেছনে ফেলে এই অবস্থানে উঠে এসেছে তারা। বিবিসি এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, সম্প্রতি বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাধর ৫০০ সুপার কম্পিউটারের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। এতে প্রথম ও দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের দুটি কম্পিউটার। এই দুটি সুপারকম্পিউটারের নাম সামিট ও সিয়েরা। চীন তালিকায় তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে। সুপার কম্পিউটারের তালিকার শীর্ষে থাকা সামিট প্রতি সেকেন্ডে ২ লাখ ট্রিলিয়ন গণনা কাজ করতে পারে। সামিট ও সিয়েরা দুটি সুপার কম্পিউটারই তৈরি করেছে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান আইবিএম। গত বছর ক্ষমতাধর সুপারকম্পিউটারের তালিকায় শীর্ষে ছিল চীনের তৈরি সানওয়ে তাইহুলাইট। এটাই বর্তমান তালিকায় তিন নম্বরে অবস্থা করছে। উৎস: বিবিসি।
৩১০.
কোন কোম্পানি প্রথম ল্যাপটপ কম্পিউটার প্রবর্তন করে?
  1. অ্যাপল
  2. এপসন
  3. আইবিএম
  4. মাইক্রোসফট 
ব্যাখ্যা

ল্যাপটপ কম্পিউটার: 
- ল্যাপটপ কম্পিউটার ওজনে হালকা, আকারে ছোট এবং সহজে বহনযোগ্য। 
- ল্যাপটপ কম্পিউটার এসি বিদ্যুত এবং ব্যাটারি উভয়ের সাহায্যেই ব্যবহার করা যায়। 
- ১৯৮১ সালে এপসন (Epson) কোম্পানি প্রথম ল্যাপটপ কম্পিউটার প্রবর্তন করে। 
- ডেক্সটপের চেয়ে অনেক বেশি বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী। 
- মাউসের পরিবর্তে টাচপ্যাড ব্যবহার করা হয়। 
- ল্যাপটপ কম্পিউটারের সাথে আলাদাভাবে মিনিটর, মাউস, কি-বোর্ড ইত্যাদি ডিভাইস যুক্ত করা যায়। 
- বাংলাদেশের তৈরি প্রথম ল্যাপটপ দোয়েল (DOEL)। 
- দোয়েল ল্যাপটপ তৈরি করে টেলিফোন শিল্প সংস্থা লিমিটেড। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি এবং উৎস: dw.com 

৩১১.
সর্বপ্রথম বাণিজ্যিক কম্পিউটার কোনটি?
  1. ক) Mark-1
  2. খ) ইউনিভ্যাক
  3. গ) এনিয়াক
  4. ঘ) এবিসি
ব্যাখ্যা
- প্রথম সংরক্ষিত প্রোগ্রাম বিশিষ্ট ইলেকট্রনিক কম্পিউটার- এডস্যাক (EDSAC),
- প্রথম বৈদ্যুতিক কম্পিউটার মার্ক- ১ (Mark-1),
- প্রথম পূর্ণাঙ্গ বৈদ্যুতিক কম্পিউটার এনিয়াক-১ (ENIAC-1) এবং
- বাণিজ্যিক ভিত্তিতে তৈরি প্রথম ইলেকট্রনিক কম্পিউটার ও ডিজিটাল কম্পিউটার - ইউনিভ্যাক-১ (UNIVAC-1)।
৩১২.
Ransomware সর্বপ্রথম কত সালে কম্পিউটারকে আক্রমণ করে?
  1. ক) ২০১২
  2. খ) ২০১৩
  3. গ) ২০১৪
  4. ঘ) ২০১৬
ব্যাখ্যা
Ransomware সর্বপ্রথম ২০১৬ সালে কম্পিউটারকে আক্রমণ করে। 

Ransomware হলো এক ধরনের ম্যালওয়্যার (Malware) অর্থাৎ বলা যেতে পারে এক ধরনের ক্ষতিকারক ভাইরাস যেটি কিনা যেকোন কম্পিউটার ডিভাইস কে হ্যাক করতে পারে এবং যার কম্পিউটার ডিভাইস  তাকে কম্পিউটারে প্রবেশ করতে দেয় না অর্থাৎ যার কম্পিউটার সে নিজে অ্যাক্সেস করতে পারে না। 

সূত্রঃ ক্যাসপারস্কি ওয়েবসাইট [লিঙ্ক]
৩১৩.
বাংলাদেশে প্রথম কম্পিউটার স্থাপনের সময়কাল কখন?
  1. ১৯৬৮ সালে
  2. ১৯৭৪ সালে
  3. ১৯৭২ সালে
  4. ১৯৬৪ সালে
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশে (তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে) প্রথম কম্পিউটার স্থাপন করা হয় ১৯৬৪ সালে, বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন-এর তত্ত্বাবধানে।
- কম্পিউটারটি ছিল IBM 1620 মডেলের। এটি একটি প্রাথমিক কম্পিউটার সিস্টেম ছিল, যা মূলত গবেষণা ও তথ্য বিশ্লেষণের কাজে ব্যবহার করা হতো।
- এর আগে, পাকিস্তান ও বাংলাদেশে কম্পিউটার প্রযুক্তি ছিল খুবই সীমিত, কিন্তু ১৯৬৪ সালে এই কম্পিউটারটির প্রতিষ্ঠা বাংলাদেশের প্রযুক্তির ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ছিল। এর মাধ্যমে দেশের গবেষণা কার্যক্রমে গতি আসে এবং পরবর্তীতে কম্পিউটার প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়তে থাকে।

- বাংলাদেশের প্রথম কম্পিউটার ব্যবহারের জন্য একটি কেন্দ্র প্রতিষ্ঠিত হয়, যার মাধ্যমে বিভিন্ন শস্য গবেষণা ও বিজ্ঞানমূলক কাজে কম্পিউটার ব্যবহার শুরু হয়। ১৯৭০ ও ১৯৭৪ সালের মধ্যে আরও অনেক কম্পিউটার প্রতিষ্ঠিত হয়, তবে ১৯৬৪ সালের ঘটনাটি বাংলাদেশের কম্পিউটার যুগের সূচনা হিসেবে চিহ্নিত।
- এটি ছিল বাংলাদেশের কম্পিউটার বিজ্ঞানের প্রথম পদক্ষেপ, এবং পরবর্তীতে এর ব্যবহার শিক্ষা, সরকারি প্রতিষ্ঠান ও ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে বিস্তৃত হতে থাকে।

• বাংলাদেশে প্রথম কম্পিউটার স্থাপন:
- ১৯৬৪ সালে দ্বিতীয় প্রজন্মের IBM 1620 কম্পিউটার দিয়ে বাংলাদেশে কম্পিউটারের ব্যবহার শুরু হয়।
- এটি ছিল আইবিএম কোম্পানির একটি মেইনফ্রেইম কম্পিউটার
- IBM 1620 সিরিজের কম্পিউটারটি স্থাপিত হয় তৎকালীন পাকিস্থান পরমাণু গবেষণা কেন্দ্রে যার বর্তমান নাম বাংলাদেশ পরমাণু গবেষণা কেন্দ্র।
- যন্ত্রটির প্রধান ব্যবহার ছিল জটিল গবেষণা কাজে গাণিতিক হিসাব সম্পন্ন-করণ।

- কম্পিউটারটি বর্তমানে ঢাকার আগারগাঁও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি যাদুঘরে সংরক্ষিত আছে।
- ষাটের দশকের শেষ দিকে হাবিব ব্যাংক ও ইউনাইটেড ব্যাংক কম্পিউটার স্থাপন করে।
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো 1969 সালের দিকে মেইনফ্রেম কম্পিউটার ব্যবহার শুরু করে।
- কম্পিউটারটি বর্তমানে ঢাকার আগারগাঁও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি যাদুঘরে সংরক্ষিত আছে।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল, ভোকেশনাল।

৩১৪.
বিদ্যুৎ এর সিস্টেম লস কমানোর জন্য কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) রেকটিফায়ার
  2. খ) স্টেপ-আপ ট্রান্সফর্মার
  3. গ) স্টেপ-ডাউন ট্রান্সফর্মার
  4. ঘ) ট্রানজিস্টর
ব্যাখ্যা
একটা নির্দিষ্ট বিদ্যুৎ শক্তির জন্য যদি উচ্চ ভোল্টেজ বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয় তাহলে রোধজনিত তাপশক্তি হিসেবে লস কমে যায়। সে জন্য বিদ্যুৎকেন্দ্রে যে বিদ্যুৎ শক্তি উৎপাদন করা হয় সেটিকে স্টেপ-আপ ট্রান্সফর্মারের সাহায্যে উচ্চতর ভোল্টেজে রূপান্তর করা হয়।

[সূত্রঃ বিজ্ঞান নবম-দশম শ্রেণি]
৩১৫.
কোনটি আইসির একটি ধরন?
  1. TTL
  2. CR2032
  3. LED
  4. Resistor
ব্যাখ্যা
• আইসি বা ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট (Integrated Circuit) হলো একটি ছোট চিপ যা অনেক ধরনের ইলেকট্রনিক উপাদান যেমন ট্রানজিস্টর, রেজিস্টর এবং ক্যাপাসিটর একত্রিত করে একটি ক্ষুদ্র সিলিকন প্লেটে স্থাপন করে। এটি বিভিন্ন ইলেকট্রনিক যন্ত্রের মূল কাজ সম্পাদন করে। প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে TTL (Transistor-Transistor Logic) হলো আইসির একটি ধরন। TTL আইসি প্রধানত লজিক সার্কিট তৈরিতে ব্যবহৃত হয় এবং এটি ট্রানজিস্টর ব্যবহার করে লজিক ফাংশন সম্পাদন করে। অন্যদিকে CR2032 হলো ব্যাটারি, LED হলো আলো উৎপন্ন উপাদান, এবং Resistor হলো বৈদ্যুতিক প্রবাহ নিয়ন্ত্রণকারী উপাদান। সুতরাং, আইসির ধরন হিসেবে সঠিক উত্তর হলো TTL।

• Integrated Circuit:
- ১৯৫৮ সালে রবার্ট নইসি (Robert Noyce) এবং জ্যাক কিলবি (Jack Kilby) IC (Integrated Circuit) আবিষ্কার করে ইলেকট্রনিক জগতে যুগান্তকারী পরিবর্তনের সূচনা করেন। 
- একটি মাত্র IC-তে অনেকগুলো ট্রানজিস্টর, রেজিস্টার, ক্যাপাসিটর এবং অন্যান্য উপকরণ মিশিয়ে একটি ক্ষুদ্র সিলিকন পাতের ওপর স্থাপন করা থাকে। 
- তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারগুলো IC ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছিল। 
- ফলে কম্পিউটারের আকার আরো ছোট হয়ে আসে, দাম কমে যায়, বিদ্যুৎ খরচ কমে যায়, কাজের গতি ও নির্ভরশীলতা বহুগুণে বেড়ে যায়। 
- একই সাথে কম্পিউটারের মেমোরিব্যবস্থারও উন্নতি ঘটে। 

উৎস: 
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
২. ব্রিটানিকা।
৩১৬.
প্রথম পূর্ণাঙ্গ ইলেকট্রনিক কম্পিউটার হচ্ছে -
  1. ENIAC-1
  2. EDSAC
  3. UNIVAC-1
  4. MARK-1
ব্যাখ্যা

◉ ENIAC (Electronic Numerical Integrator and Computer) ছিল প্রথম পূর্ণাঙ্গ ইলেকট্রনিক, ডিজিটাল, এবং প্রোগ্রামযোগ্য কম্পিউটার।

ENIAC:
- ENIAC এর পূর্ণরূপ হলো Electronic Numerical Integrator And Computer.
- ১৯৪৬ সালে ড. জন মউসলি এবং তার ছাত্র প্রেসপার একার্ট যৌথভাবে ENIAC (Electronic Numerical Integrator And Calculator) নামক কম্পিউটারটি তৈরি করেছিলেন।
- ENIAC ছিল প্রথম প্রজন্মের ডিজিটাল কম্পিউটার।
- ENIAC কম্পিউটারের প্রোগ্রামের জন্য তারযুক্ত প্লাগবোর্ড ব্যবহার করা হতো।

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
খ) এডস্যাক (EDSAC) – এটি ছিল প্রথম স্টোরড প্রোগ্রাম কম্পিউটার, যা ১৯৪৯ সালে চালু হয়েছিল।
(গ) পিডিপি-৮ (PDP-8) – এটি ছিল প্রথম মিনি কম্পিউটার, যা ১৯৬৫ সালে বাজারে আসে।
(ঘ) MARK-1 - MARK-1 ছিল বিশ্বের প্রথম ইলেক্ট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার। 

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩১৭.
ড. হারমান হলেরিথ প্রতিষ্ঠিত কোম্পানিটি পরবর্তীতে কোন নামে পরিচিত হয়?
  1. Microsoft
  2. IBM
  3. Intel
  4. Apple
ব্যাখ্যা

• ড. হারমান হলেরিথ প্রতিষ্ঠিত Tabulating Machine Company পরবর্তীতে একীভূত হয়ে IBM (International Business Machines) নামে পরিচিত হয়।

 • ট্যাবুলেটিং মেশিন(Tabulating Machine):
- ট্যাবুলেটিং মেশিন হলো একটি ইলেক্ট্রো-মেকানিক্যাল গণনা যন্ত্র, যা তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে ব্যবহৃত হতো।
- এটি বিশেষভাবে জনগণনা ও বৃহৎ পরিসরের ডেটা প্রক্রিয়াকরণের জন্য তৈরি করা হয়েছিল।
 
• ট্যাবুলেটিং মেশিনের আবিষ্কার:
- ১৮৮০ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পরিসংখ্যানবিদ ড. হারমান হলেরিথ (Dr. Herman Hollerith) ট্যাবুলেটিং মেশিন আবিষ্কার করেন।
- এই যন্ত্রে পাঞ্চ কার্ড (Punched Card) ব্যবহার করে ডেটা ইনপুট দেওয়া হতো।
- ১৮৮০ সালের আদমশুমারিতে ডেটা সংগ্রহ ও বিশ্লেষণে এই মেশিন সফলভাবে ব্যবহৃত হয়।
 
• ট্যাবুলেটিং মেশিনের বৈশিষ্ট্য:
- পাঞ্চ কার্ডের মাধ্যমে তথ্য সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াকরণ করা হতো।
- স্বল্প সময়ে বিপুল পরিমাণ ডেটা প্রক্রিয়াকরণ সম্ভব ছিল।
- মানুষের হাতে করা গণনার তুলনায় দ্রুত ও নির্ভুল ফলাফল প্রদান করত।
 
• IBM-এর সাথে সম্পর্ক:
- ১৮৯৬ সালে ড. হারমান হলেরিথ Tabulating Machine Company প্রতিষ্ঠা করেন।
- পরবর্তীতে এই কোম্পানি একীভূত হয়ে IBM (International Business Machines) নামে পরিচিত হয়।
- ট্যাবুলেটিং মেশিন আধুনিক কম্পিউটার শিল্পের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
 
• ট্যাবুলেটিং মেশিনের গুরুত্ব:
- ডেটা প্রক্রিয়াকরণে স্বয়ংক্রিয়তার সূচনা করে।
- আধুনিক কম্পিউটার ও ডেটা প্রসেসিং সিস্টেমের ভিত্তি স্থাপন করে।
- ইলেক্ট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার যুগের সূচনা ঘটায়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)।

৩১৮.
কম্পিউটারে ব্যবহৃত ভাষাকে মানুষের বোধগম্য ভাষায় রূপান্তর করে নিচের কোনটি?
  1. এনকোডার
  2. ডিকোডার
  3. এডার
  4. রেজিস্টার
ব্যাখ্যা

এডার: কম্পিউটার সিস্টেমে যে সমবায় সার্কিট দ্বারা যোগ করা যায় তাকে বলে এডার।
এনকোডার: এনকোডার হলো এমন এক ধরনের ইলেট্রনিক সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী যা আলফাবেট বা মানুষের বোধগম্য ভাষাকে
কম্পিউটারের বোধগম্য বা যান্ত্রিক ভাষায় রূপান্তর করে।
ডিকোডার: ডিকোডার হলো এমন এক ধরনের ইলেট্রনিক সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী যা কম্পিউটারে ব্যবহৃত ভাষাকে মানুষের বোধগম্য ভাষায় রূপান্তর করে।
রেজিস্টার: রেজিস্টার হলো ফ্লিপ ফ্লপের সমন্বয়ে গঠিত ডিজিটাল বর্তনী। রেজিস্টারের প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপ এক বিট তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে।
উৎসঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এইচএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)

৩১৯.
কম্পিউটারের প্রাথমিক রূপ কোনটি?
  1. আর্পানেট
  2. এবিসি
  3. টেবুলেটিং মেশিন
  4. এডসাক
ব্যাখ্যা
• টেবুলেটিং মেশিন:
- ১৮৮০ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ড. হারম্যান হলিরিথ নামের একজন পরিসংখ্যানবিদ সেন্সাস মেশিন বা টেবুলেটিং মেশিন নামে একটি গণনা যন্ত্র আবিষ্কার করেন।
- তাঁর উদ্ভাবিত যন্ত্রে তিনি পাঞ্চ কার্ড ব্যবহার করে ১৮৯০ সালের শুমারি মাত্র তিন বছরে শেষ করেন।
- এ ধরনের মেশিন ছাড়া ১৮৮০ সালের শুমারি করতে সময় লেগেছিল দশ বছর।
- সেন্সাস মেশিন ব্যবহার করে অনেক দিন পর্যন্ত ডেটা সংরক্ষণ করা যেত।
- ড. হলিরিথ ১৮৯৬ সালে 'টেবুলেটিং মেশিন কোম্পানি' নাম দিয়ে একটি ব্যবসায়ীপ্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠিত করেন।
- পরবর্তীতে তাঁর কোম্পানি আরো কয়েকটা কোম্পানির সঙ্গে একীভূত হয়ে IBM (International Business Machine) কোম্পানি গঠিত হয়।
- টেবুলেটিং মেশিন উদ্ভাবিত হওয়ার পর হতেই ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল টেকনিক ব্যবহার করে কম্পিউটার তৈরির যুগ শুরু হয়।
- টেবুলেটিং মেশিনটির প্রধান অংশগুলো ছিল কার্ড পাঞ্চার (Card puncher), কার্ড রিডার (Card reader) এবং ইলেক্ট্রোমেকানিক্যাল কার্ড সর্টার (Electromechanical card sorter)।
- হলিরিথ এর এই গবেষণা ও উন্নয়নের প্রচেষ্ঠার ফলেই 'এনালগ কম্পিউটার' নামক নতুন শ্রেণির গণনাকারী যন্ত্রের উদ্ভব ঘটে।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. কম্পিউটার পরিচিতি ও ব্যবহার, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩২০.
কম্পিউটার কে আবিষ্কার করেন?
  1. ইউলিয়াম অটরেড
  2. ব্লেইসি প্যাসকেল
  3. হাওয়ার্ড এইকিন
  4. আবাকাস
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার আবিষ্কার করেন হাওয়ার্ড এইকিন।

- ১৯৩৭ সালে আমেরিকার হার্ভাড বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিতের অধ্যাপক ড. হাওয়ার্ড এইচ আইকেন ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল টেকনিক ব্যবহার করে চার্লস ব্যাবেজের অ্যানালাইটিক ইঞ্জিনের মতো একটি যন্ত্র তৈরি করার পরিকল্পনা করেন, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করতে পারে।
- ১৯৪৪ সালে হাওয়ার্ড মার্ক-১ (Mark-I) নামের পৃথিবীর প্রথম ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার তৈরি করেন।
- মার্ক-১ ছিল হার্ভাড বিশ্ববিদ্যালয় ও আইবিএম কোম্পানির যৌথ উদ্যোগের একটি ফসল।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩২১.
ইন্টেল এর প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর কোনটি?
  1. ক) ৪০৪০
  2. খ) ৪৪৪৪
  3. গ) ৪০০৪
  4. ঘ) ৪০০০
ব্যাখ্যা
- প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর হলো ইন্টেল 4004, যা ১৯৭১ সালে উদ্ভাবিত হয়। 
- ৪০০৪, ৪০৪০ হল ৪ বিট বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর।
- ৮০০৮, ৮০৮০ হল ৮ বিট বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর।
- ৮০৮৬, ৮০৮৮, ৮০১৮৬ হল ১৬ বিট বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর।
- ৮০৩৮৬, ৮০৪৮৬ হল ৩২ বিট বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর।
- Intel Core i3, Core i5, Core i7, Intel Itanium হল ৬৪ বিট বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৩২২.
তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্য নয় কোনটি?
  1. বাযুশূন্য টিউবের পরিবর্তে ট্রানজিস্টর এর ব্যবহার
  2. IC এর ব্যবহার
  3. মুদ্রণের জন্য লাইন প্রিন্টারের ব্যবহার
  4. আউটপুট হিসেবে মনিটরের ব্যবহার
ব্যাখ্যা
• তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার:
- তৃতীয় প্রজন্মের ব্যাপ্তিকাল ১৯৬৫ হতে ১৯৭০ সাল পর্যন্ত।
- IBM 360, 370, PDP 8, PDP II ইত্যাদি তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার।
- এ প্রজন্মে কম্পিউটারে একটি গাণিতিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে প্রায় ৫ ন্যানো সেকেন্ড সময় লাগত।
- ১৯৫৮ সালে রবার্ট নইসি এবং জ্যাক কিলবি IC (Integrated Circuit) আবিষ্কার করেন। 

• তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্যসমূহ হলো- 
- IC এর ব্যবহার।
- অর্ধপরিবাহী স্মৃতির উদ্ভব ও বিকাশ (RAM, ROM এর ব্যবহার শুরু)।
- আকৃতি ছোট, কম দাম এবং ক্ষমতা বৃদ্ধি।
- মুদ্রণের জন্য লাইন প্রিন্টারের ব্যবহার।
- আউটপুট হিসেবে মনিটরের ব্যবহার।
- অপারেটিং সিস্টেম ব্যবস্থার উন্নয়ন।
- সহজে স্থানান্তরযোগ্য।
- রিয়েল টাইম অপারেটিং সিস্টেম, মাল্টিপ্রোগ্রামিং পদ্ধতি, টাইম শেয়ারিং, ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্টের ব্যবহার।
- যান্ত্রিক গোলযোগ কম বলে রক্ষণাবেক্ষণ খরচ কম ইত্যাদি।
- উচ্চতর ভাষার ব্যাপক ব্যবহার। 

• দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারে বাযুশূন্য টিউবের পরিবর্তে ট্রানজিস্ট্রর ব্যবহৃত হয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্রি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩২৩.
বাংলাদেশে স্থাপিত প্রথম কম্পিউটারটি ছিল-
  1. ক) সুপার কম্পিউটার
  2. খ) মিনি কম্পিউটার
  3. গ) মেইনফ্রেম কম্পিউটার
  4. ঘ) মাইক্রো কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে ১৯৬৪ সালে পরমাণু শক্তি কমিশনে স্থাপিত হয় আইবিএম ১৬২০ মডেলের মেইনফ্রেম কম্পিউটার। উৎস: মাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি।
৩২৪.
সর্বপ্রথম মাইক্রোপ্রসেসর সম্পর্কে ধারণা কে প্রদান করেন?
  1. ক) Ed Roberts
  2. খ) Maurice Wilkes
  3. গ) Howard H. Aiken
  4. ঘ) Charles Babbage
ব্যাখ্যা
সর্বপ্রথম মাইক্রোপ্রসেসর সম্পর্কে Maurice Wilkes ১৯৫১ সালে ধারণা প্রবর্তন করেন। 

- মাইক্রোপ্রসেসর (Microprocessor) হল একক ভিএলএসআই (VLSI-Very Large Scale Integration) চিলিকন চিপ।
- এটি মাইক্রোকম্পিউটারের সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট বা সিপিইউ।
- মাইক্রোপ্রসেসর একক চিপ বা আইসি আকারে মাইক্রোকম্পিউটারের ভেতরে সন্নিবিষ্ট থাকে।
- মাইক্রোপ্রসেসর দিয়ে মাইক্রোকম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ কাজ সমাধান করা হয়।

সূত্র- Computer History [লিঙ্ক]
৩২৫.
কম্পিউটারের পঞ্চম প্রজন্মে কোন ধরনের কম্পিউটার উদ্ভাবিত হয়েছে?
  1. ফ্লপি ডিস্ক কম্পিউটার
  2. মেকানিক্যাল কম্পিউটার
  3. সুপার কম্পিউটার
  4. এনালগ কম্পিউটার
ব্যাখ্যা

কম্পিউটারের পঞ্চম প্রজন্মে সুপার কম্পিউটার উদ্ভাবিত হয়েছে।

• কম্পিউটারের পঞ্চম প্রজন্ম:
- সাধারণত ২০০১ সাল থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত নির্মিত কম্পিউটারগুলোকে পঞ্চম প্রজন্মের অন্তর্ভুক্ত ধরা হয়।
- প্রকৃতপক্ষে, পঞ্চম প্রজন্ম বলতে ভবিষ্যতের উন্নততর প্রযুক্তির কম্পিউটারকেও নির্দেশ করে।
- এ প্রজন্মের কম্পিউটারগুলো মানুষের ভাষায় যোগাযোগ করতে ও কথার অর্থ বুঝতে সক্ষম হবে। অর্থাৎ, এগুলো হবে বুদ্ধিমান কম্পিউটার।
- পঞ্চম প্রজন্মের প্রযুক্তি VLSI থেকে UVLSI (Ultra Very Large Scale Integration) পর্যায়ে উন্নীত হয়েছে।

• পঞ্চম প্রজন্মের কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্যসমূহ:
১. একীভূত বর্তনীর (Integrated Circuit) মাধ্যমে বহু মাইক্রোপ্রসেসরের ব্যবহার।
২. কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence বা AI) প্রযুক্তির অন্তর্ভুক্তি ও ব্যাপক ব্যবহার।
৩. স্বয়ংক্রিয় অনুবাদক ও শ্রবণযোগ্য শব্দের মাধ্যমে কম্পিউটার নিয়ন্ত্রণের সুবিধা।
৪. উন্নত প্রোগ্রামিং প্রযুক্তি ও সফটওয়‍্যার ব্যবস্থাপনা।
৫. তথ্য সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াকরণের ক্ষমতায় অসাধারণ অগ্রগতি।
৬. হার্ডওয়‍্যার ও সফটওয়‍্যারের উল্লেখযোগ্য উন্নতি।
৭. উচ্চগতির ইন্টারনেট ব্যবস্থার সহজলভ্যতা।
৮. শক্তিশালী সুপার কম্পিউটারের উদ্ভাবন ও ক্রমোন্নয়ন।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩২৬.
এমবেডেড কম্পিউটারের প্রথম ব্যবহার কীসের সাথে জড়িত?
  1. ATM
  2. Space missions
  3. Camera
  4. Satellite
ব্যাখ্যা
• এমবেডেড কম্পিউটার: 
- একটি এমবেডেড সিস্টেম হলো একটি কম্পিউটারাইজড সিস্টেম যা কিছু নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে।
- এটি সাধারণত একটি বড় সিস্টেমের মধ্যে কাজ করে এবং হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার উভয় উপাদান নিয়ে গঠিত।
- মেডিক্যাল ডিভাইস, নিরাপত্তা ব্যবস্থা, শিল্প নিয়ন্ত্রক, এমনকি কিছু ঘরোয়া যন্ত্রপাতি যেমন ওয়াশিং মেশিন এবং মাইক্রোওয়েভে এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়।

''The first embedded system to be widely recognized was the Apollo Guidance Computer (AGC). Developed by MIT for NASA's Apollo Program in 1965, the AGC was used to control all onboard equipment used during space missions.''

উৎস:
১. Computerhope website
২. [Link]
৩২৭.
ট্রোজান হর্স সাধারণত কীভাবে একটি কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে?
  1. নিজে নিজে প্রতিলিপি তৈরি করে এবং নেটওয়ার্ক জুড়ে ছড়িয়ে পড়ে
  2. স্বয়ংক্রিয়ভাবে ইমেইল সার্ভারের মাধ্যমে
  3. BIOS কনফিগারেশন পরিবর্তন করে
  4. ব্যবহারকারীদের প্রতারিত করে এটি ডাউনলোড ও ইনস্টল করায়
ব্যাখ্যা
• ট্রোজান হর্স (Trojan Horse) হল একটি ক্ষতিকারক সফটওয়্যার যা সাধারণত একটি দরকারি প্রোগ্রামের ছদ্মবেশে লুকিয়ে থাকে। ব্যবহারকারী যখন সেই ফাইলটি ডাউনলোড করে এবং ইনস্টল করে, তখন ট্রোজান হর্সটি তাদের কম্পিউটারে প্রবেশ করে এবং ক্ষতিকারক কাজ শুরু করে - যেমন তথ্য চুরি, দূর থেকে নিয়ন্ত্রণ নেওয়া ইত্যাদি।

ট্রোজান নিজে থেকে ছড়ায় না বা কপি হয় না (যেমন ভাইরাস বা ওয়ার্ম হয়)। এটি ব্যবহারকারীর ভুলে ইনস্টল করা হয় - সাধারণত ইমেইলের সংযুক্তি, ফ্রি সফটওয়্যারের লিংক, বা ভুয়া আপডেটের মাধ্যমে।

তাই ট্রোজান হর্স সংক্রমণের প্রধান উপায় হল: ব্যবহারকারীকে প্রতারণা করে এটি ডাউনলোড ও ইনস্টল করানো।

• ম্যালওয়্যার (Malware):
- ম্যালওয়্যার (Malware) একটি ইংরেজি শব্দ যার পূর্ণ শব্দরূপ হলো Malicious Software। সাধারণভাবে ম্যালওয়্যার বলতে সেই সমস্ত সফটওয়্যারকে বোঝানো হয়, যে সফটওয়্যারগুলো ডিজাইন করা হয় ব্যবহারকারীর অজান্তে কোনো কম্পিউটারে অবৈধ অনুপ্রবেশ করে উক্ত কম্পিউটার সিস্টেমের ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে।
- যদিও কম্পিউটার ভাইরাসও একই উদ্দেশ্যে ডিজাইন করা হয়ে থাকে তথাপি ম্যালওয়্যার এবং কম্পিউটার ভাইরাসের মধ্যে সুনির্দিষ্ট পার্থক্য রয়েছে। ম্যালওয়্যার সম্পর্কে ভালোভাবে জানার জন্য কম্পিউটার ভাইরাসের সাথে ম্যালওয়্যারের পার্থক্য বোঝাটা অত্যন্ত জরুরী।

- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এমন এক ধরনের কম্পিউটার প্রোগ্রাম বা ব্যবহারকারীর অনুমতি বা ধারণা ছাড়াই স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিজে নিজেই কপি হতে পারে এবং এটি কম্পিউটার সিস্টেমে থাকা বিভিন্ন সফটওয়্যার প্রোগ্রামকে আক্রান্ত করে থাকে। অপরপক্ষে ম্যালওয়্যার আরও অনেক বিস্তৃত একটি টার্ম হিসেবে ব্যবহৃত হয় যার অন্যতম সাধারণ একটি টাইপ হচ্ছে কম্পিউটার ভাইরাস।
- কম্পিউটার ভাইরাস ছাড়াও ম্যালওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত সফটওয়্যারগুলোর মধ্যে রয়েছে স্পাইওয়্যার, অ্যাডওয়্যার, ট্রোজান হর্স, ওয়ার্ম প্রভৃতি।
- এগুলোর প্রতিটির টাইপ বা প্রকৃতি ভিন্ন হলেও এদের উদ্দেশ্য এক অর্থাৎ কম্পিউটার সিস্টেমে অবৈধ অনুপ্রবেশ এবং এর ক্ষতিসাধন করা। এজন্য এগুলোর প্রত্যেকটি ম্যালওয়্যারের এক একটি টাইপ হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে। এমনকি আর্থিক প্রতারণা বা অবৈধ উপায়ে অর্থ আদায়ে ব্যবহৃত সফটওয়্যারগুলোকেও অ্যাডভান্স লেভেলের ম্যালওয়্যার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়, যেমন: Ransomware.

তথ্যসূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
৩২৮.
ENIAC কম্পিউটারের প্রোগ্রামের জন্য কী ব্যবহৃত হতো?
  1. ফ্লপি ডিস্ক
  2. মেমরি কার্ড
  3. হার্ড ডিস্ক
  4. তারযুক্ত প্লাগবোর্ড
ব্যাখ্যা
• ENIAC:
- ENIAC-এর পূর্ণরূপ হলো Electronic Numerical Integrator And Computer
- ১৯৪৬ সালে ড. জন মউসলি এবং তার ছাত্র প্রেসপার একার্ট যৌথভাবে ENIAC (Electronic Numerical Integrator And Calculator) নামক কম্পিউটারটি তৈরি করেছিলেন।
- ENIAC ছিল প্রথম প্রজন্মের ডিজিটাল কম্পিউটার।
- ENIAC কম্পিউটারের প্রোগ্রামের জন্য তারযুক্ত প্লাগবোর্ড ব্যবহার করা হতো।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩২৯.
"জেমিনি একই সঙ্গে ছবি, ভিডিও, অডিও ও টেক্সটের মতো বিভিন্ন ধরনের মাল্টিমিডিয়া বুঝতে পারে।" - কথাটি কোন প্রজন্মের কম্পিউটারের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. তৃতীয় প্রজন্ম
  2. দ্বিতীয় প্রজন্ম
  3. পঞ্চম প্রজন্ম
  4. চতুর্থ প্রজন্ম
ব্যাখ্যা
• গুগলের ডিপমাইন্ডের বিজ্ঞানীরা জেমিনি নামের এআই/আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স মডেল তৈরি করেছেন।
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন বা এআই পঞ্চম প্রজন্মের কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্য।
-  অতএব, "জেমিনি একই সঙ্গে ছবি, ভিডিও, অডিও ও টেক্সটের মতো বিভিন্ন ধরনের মাল্টিমিডিয়া বুঝতে পারে।" - কথাটি পঞ্চম প্রজন্মের কম্পিউটারের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

• পঞ্চম প্রজন্ম (Fifth Generation): 
- সাধারণত ২০০১ সাল থেকে শুরু করে বর্তমান সময়ের কম্পিউটারগুলোকে পঞ্চম প্রজন্মে কম্পিউটার বিবেচনা করা হয়।
- মূলত পঞ্চম প্রজন্ম বলতে প্রকৃত অর্থে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকেই বোঝায়। এ প্রজন্মের কম্পিউটারগুলো মানুষের ভাষায় কথা বলা ও মানুষের কথা বুঝতে পারার ক্ষমতাও থাকবে। অর্থাৎ এগুলো হবে বুদ্ধিমান কম্পিউটার।
- পঞ্চম প্রজন্ম VLSI প্রযুক্তিকে অতিক্রম করে UVLSI (Ultra Very Large Scale Integration) প্রযুক্তিতে অবস্থান করবে।

পঞ্চম প্রজন্মের কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্যসমূহ নিম্নরূপ:
১. বহু মাইক্রোপ্রসেসর বিশিষ্ট একীভূত বর্তনীর ব্যবহার।
২. কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন।
৩. স্বয়ংক্রিয় অনুবাদক ও শ্রবণযোগ্য শব্দ দিয়ে কম্পিউটারের সাথে সংযোগ ও পরিচালনা।
৪. প্রোগ্রাম সামগ্রীর ব্যাপক উন্নতি।
৫. তথ্য ধারণক্ষমতার ব্যাপক উন্নতি।
৬. হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের ব্যাপক ক্রমোন্নতি।
৭. অবিশ্বাস্য দ্রুতগতিসম্পন্ন ইন্টারনেট ব্যবস্থা।
৮. বিপুল শক্তিসম্পন্ন সুপার কম্পিউটারের উন্নয়ন, ইত্যাদি।

উৎস:
১) মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২) blog.google
৩৩০.
প্রথম ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার কী নামে পরিচিত?
  1. Mark-I
  2. IBM 701
  3. EDVAC
  4. Manchester Baby
ব্যাখ্যা

• প্রথম ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটারকে Mark-I নামে পরিচিত। এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় এবং IBM-এর সহযোগিতায় তৈরি হয়েছিল ১৯৪৪ সালে। Mark-I মূলত একটি যান্ত্রিক এবং বৈদ্যুতিক সংমিশ্রণ দ্বারা কাজ করত, তাই এটিকে ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার বলা হয়। এটি বড় আকারের ছিল এবং ঘন্টায় কয়েকশো অঙ্কের হিসাব করতে সক্ষম ছিল। Mark-I প্রোগ্রামিংর জন্য পাঞ্চ কার্ড ব্যবহার করত এবং বিজ্ঞান ও সামরিক হিসাবের জন্য বিশেষভাবে ব্যবহৃত হত। এই কম্পিউটার আধুনিক ডিজিটাল কম্পিউটারের পথপ্রদর্শক হিসেবে পরিচিত এবং কম্পিউটার বিজ্ঞান ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অবস্থান করে।

- সঠিক উত্তর: ক) Mark-I

• ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার:
- যান্ত্রিক ও ইলেকট্রনিক উভয় পদ্ধতির সমন্বয়ে গঠিত কম্পিউটারকে ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার বলা হয়।
- ১৯৩৭ সালে আমেরিকার হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিতের অধ্যাপক ড. হাওয়ার্ড এইচ আইকেন ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল টেকনিক ব্যবহার করে চার্লস ব্যাবেজের অ্যানালাইটিক ইঞ্জিনের মতো একটি যন্ত্র তৈরি করার পরিকল্পনা করেন, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করতে পারে।
- ১৯৪৪ সালে হাওয়ার্ড আইকেন মার্ক-১ (Mark-I) নামের পৃথিবীর প্রথম ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার তৈরি করেন।
- মার্ক-১ ছিল হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও আইবিএম কোম্পানির যৌথ উদ্যোগের একটি ফসল।
- মার্ক-১ কম্পিউটারটি ১৫ বছর চালু ছিল।
- বর্তমানে এটি প্রদর্শনের জন্য হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে সংরক্ষিত আছে।

অপশন আলোচনা:
- Manchester Baby:
- এটি ১৯৪৮ সালে তৈরি হওয়া প্রথম stored-program কম্পিউটার।
- এটি ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল ছিল না; এটি একটি ইলেকট্রনিক কম্পিউটার।

- EDVAC:
- EDVAC (Electronic Discrete Variable Automatic Computer) তৈরি হয়েছিল ১৯৪৯ সালে।
- এটি একটি ইলেকট্রনিক কম্পিউটার ছিল, ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল নয়।

- Mark-I:
- Harvard Mark-I (অথবা IBM Automatic Sequence Controlled Calculator - ASCC) ছিল প্রথম ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার, যা ১৯৪৪ সালে তৈরি হয়েছিল।
- এটি গণনার জন্য ইলেকট্রনিক সার্কিটের পাশাপাশি মেকানিক্যাল অংশও ব্যবহার করত।
- সুতরাং, এই অপশনটি সঠিক উত্তর।

- IBM 701:
- এটি ১৯৫২ সালে IBM কোম্পানি দ্বারা তৈরি একটি ইলেকট্রনিক কম্পিউটার।
- এটি ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার নয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৩১.
লগারিদমের সারণী আবিষ্কার করেন -
  1. আইজ্যাক নিউটন
  2. ব্লেইজ প্যাসকেল
  3. উইলিয়াম অটরেড
  4. জন নেপিয়ার
ব্যাখ্যা
♦ নেপিয়ারের অস্থি বা হাড়:
- ১৬১৪ সালে স্কটল্যান্ডের গণিতবিদ জন নেপিয়ার (John Napier) লগারিদমের সারণি আবিষ্কার করেন যার ফলে অনেক জটিল গাণিতিক হিসাব সহজ হয়।
- তিনি ১৬১৭ সালে দাগকাটা এবং সংখ্যা বসানো দণ্ড ব্যবহার করে সংখ্যাভিত্তিক গণনাযন্ত্র আবিষ্কার করেন।
- এসব দণ্ড নেপিয়ারের অস্থি নামে পরিচিত।
- নেপিয়ারের যন্ত্রে দশটি দণ্ড এবং প্রত্যেক দণ্ডে দশটি করে সংখ্যা ছিল।
- ফলে গুণ ও ভাগের কাজ করা সহজ হয়ে যায় এবং যন্ত্রটি ব্যবহার করে, এমনকি বর্গমূল নির্ণয় করা সম্ভব ছিল।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৩২.
নিচের কোনটি দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার?
  1. ক) IBM-370
  2. খ) PDP-8
  3. গ) GE-600
  4. ঘ) RCA-501
ব্যাখ্যা

RCA-501 একটি দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার।

১৯৫২ থেকে ১৯৬৪ সাল পর্যন্ত যে সমস্ত কম্পিউটার গুলি ব্যবহার করা হতো সেগুলির দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারের মধ্যে পড়ে এই দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারের প্রধান উপাদান গুলি হল ট্রানজিস্টার ট্রানজিস্টার আবিষ্কার করেন লাইব্রেরীতে ১৯৪৭ সালে ওয়ান্টেড ব্রিটেন ও উয়িলিয়াম ও জন বারদী।

দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্য
-ভ্যাকুয়াম টিউবের পরিবর্তে ট্রানজিস্টর ব্যবহার।
-কাজের গতি ও নির্ভরযোগ্যতার উন্নতি।
-প্রক্রিয়াকরণের গতি প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারের থেকে দ্রুততর।
-আকারে ছোট (৫১ বর্গফুট)
-ইনপুট এবং আউটপুট ডিভাইসগুলো দ্রুত ছিল৷
-টেলিফোন লাইনের মধ্যদিয়ে ডাটা প্রেরণের ব্যবস্থা।

উদাহরণ- IBM-400, RCA-501, GE-200 ইত্যাদি।

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)

৩৩৩.
কম্পিউটারে কাজ করার গতি হিসাব করা হয় সাধারণত - 
  1. মিলিসেকেন্ডে
  2. ন্যানোসেকেন্ডে
  3. মাইক্রোসেকেন্ডে
  4. ম্যাক্রোসেকেন্ডে
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার: 
- Computer শব্দটির আভিধানিক অর্থ গণনাযন্ত্র বা হিসাবকারী যন্ত্র। 
- পূর্বে কম্পিউটার দিয়ে শুধুমাত্র হিসাব-নিকাশের কাজই করা হতো। 
- কিন্তু বর্তমান অত্যাধুনিক কম্পিউটার দিয়ে অত্যন্ত দ্রুতগতিতে জটিল হিসাব-নিকাশের কাজ নির্ভুলভাবে করা ছাড়াও বহু রকমের কাজ করা যায়। 
- কম্পিউটার সেকেন্ডের মধ্যে কোটি কোটি হিসাব-নিকাশ করতে পারে। 
- কম্পিউটারে কাজ করার গতি হিসাব করা হয় সাধারণত ন্যানোসেকেন্ডে। 
- ন্যানোসেকেন্ড হচ্ছে এক সেকেন্ডের একশত কোটি ভাগের একভাগ সময় মাত্র। 

- ইলেকট্রন প্রবাহের মাধ্যমে কম্পিউটারের যাবতীয় কাজকর্ম পরিচালিত হয়। 
- মূলত কম্পিউটার একটি অত্যাধুনিক ইলেক্ট্রনিক্স যন্ত্র, যা নিজস্ব স্মৃতিভাণ্ডারে সুনির্দিষ্ট এক বা একাধিক কাজের নিদের্শাবলি সংরক্ষণ করে রাখে। 
- ব্যবহারকারী ডাটা বা উপাত্ত সরবরাহ করলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কম্পিউটার প্রক্রিয়াকরণ (প্রসেসিং) করে কাজের ফলাফল প্রদান করে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৩৩৪.
নিচের কোনটিকে IBM Mark-I নামে বাজারজাত করে?
  1. ক) ACSS
  2. খ) ASCC
  3. গ) BOMC
  4. ঘ) FEMC
ব্যাখ্যা

কিছু কিছু ইলেক্ট্রনিক যন্ত্রাংশ যেমন ভালব আবিষ্কৃত হওয়ার পর কম্পিউটারের সংগে ইলেক্ট্রনিক যন্ত্রাংশের ব্যবহার শুরু হয়। যান্ত্রিক ও ইলেক্ট্রনিক উভয় পদ্ধতির সমন্বয়ে গঠিত কম্পিউটারকে ইলেক্ট্রোমেকানিক্যাল কম্পিউটার বলে। আমেরিকার হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিতের অধ্যাপক ডঃ হাওয়ার্ড এইচ আইকেন ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস মেশিন (International Business Machine – IBM) কোম্পানিক চারজন প্রকৌশলী জে ডব্লিও ব্রাইস, বি এম ডারফি, এফ ই হ্যামিলটন এবং সি ডি লেক এর সহায়তায় Automatic Sequence Control Calculator (ASCC) নামে একটি ইলেক্ট্রোমেকানিক্যাল যন্ত্র তৈরির পরিকল্পনা করেন।
১৯৪৪ সালে আই বি এম মার্ক-১ (Mark-1) নামে এটি বাজারজাত বা বিক্রয় করতে শুরু করেন। মার্ক-১ যন্ত্রের সাহায্যে জটিল গাণিতিক সমস্যার সমাধান করা যেত।

৩৩৫.
কম্পিউটার এর জনক চার্লস ব্যাবেজ পেশায় কি ছিলেন? 
  1. জ্যোতির্বিদ
  2. রসায়নবিদ
  3. পদার্থবিদ
  4. গণিতবিদ
ব্যাখ্যা
চার্লস ব্যাবেজ: 
- ১৭৯১ সালের ২৬ ডিসেম্বর লন্ডনে জন্মগ্রহন করেন। 
- তিনি পেশায় ছিলেন গণিতবিদ। 
- চার্লস ব্যাবেজ ১৮৩৩ সালে অ্যানালিটিক্যাল ইঞ্জিন তৈরির পরিকল্পনা গ্রহণ ও নকশা তৈরি করেন। 
- তার এই অ্যানালিটিক্যাল ইঞ্জিনের পরিকল্পনায় আধুনিক কম্পিউটারের ধারণা নিহিত থাকায় চার্লস ব্যাবেজকে কম্পিউটারের জনক বলা হয়। 
- ১৮২২ সালে চার্লস ব্যাবেজ ডিফারেন্স ইঞ্জিন আবিষ্কার করেন। 

উৎস: মাধ্যমিক এর ICT বই, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি এবং ব্রিটানিকা।
৩৩৬.
রবার্ট নইসি এবং জ্যাক কিলবি কত সালে আইসি আবিষ্কার করে?
  1. ১৯৫১
  2. ১৯৫৫
  3. ১৯৫৮
  4. ১৯৬৩
ব্যাখ্যা
• তৃতীয় প্ৰজন্মের কম্পিউটার:
- তৃতীয় প্রজন্মের ব্যাপ্তিকাল ১৯৬৫ হতে ১৯৭০ সাল পর্যন্ত।
- ১৯৫৮ সালে রবার্ট নইসি এবং জ্যাক কিলবি IC (Integrated Circuit) আবিষ্কার করে ইলেকট্রনিক জগতে যুগান্তকারী পরিবর্তনের সূচনা করেন।
- একটি মাত্র IC-তে অনেকগুলো ট্রানজিস্টর, রেজিস্টার, ক্যাপাসিটর এবং অন্যান্য উপকরণ মিশিয়ে একটি ক্ষুদ্র সিলিকন পাতের ওপর স্থাপন করা থাকে।
- তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারগুলো IC ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছিল।
- ফলে কম্পিউটারের আকার আরো ছোট হয়ে আসে, দাম কমে যায়, বিদ্যুৎ খরচ কমে যায়, কাজের গতি ও নির্ভরশীলতা বহুগুণে বেড়ে যায়।
- একই সাথে কম্পিউটারের মেমোরি ব্যবস্থারও উন্নতি ঘটে।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
৩৩৭.
Deep Blue is related to -
  1. ক) Stock Exchange
  2. খ) Blue Economy
  3. গ) IBM
  4. ঘ) Blue Ocean
ব্যাখ্যা
• On May 11, 1997, an IBM computer called IBM ® Deep Blue ® beat the world chess champion after a six-game match: two wins for IBM, one for the champion, and three draws.
- The match lasted several days and received massive media coverage around the world.
- It was the classic plot line of man vs. machine. 

Source: ibm.com
৩৩৮.
বাংলাদেশের প্রথম কম্পিউটারের মডেল কি ছিল?
  1. ক) IBM 360
  2. খ) IBM 1024
  3. গ) IBM 2048
  4. ঘ) IBM 4096
  5. ঙ) উপরের কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে প্রথম কম্পিউটার আসে ১৯৬৪ সালে। এটি ছিল IBM 1620 মডেলের Mainframe কম্পিউটার।
৩৩৯.
নিচের কোনটি অ্যানালগ কম্পিউটার?
  1. মাইক্রোকম্পিউটার
  2. ল্যাপটপ কম্পিউটার
  3. মোটরগাড়ির স্পিডোমিটার
  4. সুপার কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
• অ্যানালগ কম্পিউটার:
- যে সকল কম্পিউটার বৈদ্যুতিক সংকেতের ওপর নির্ভর করে ইনপুট গ্রহণ করে প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদিত করে তাদেরকে অ্যানালগ কম্পিউটার বলে।
- তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের জন্য অ্যানালগ কম্পিউটারে বর্ণ বা অংকের পরিবর্তে ক্রমাগত পরিবর্তনশীল বা অ্যানালগ বৈদ্যুতিক সিগন্যাল ব্যবহার করা হয়।
- তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের পর প্রাপ্ত ফলাফল সাধারণত মিটার, ওসিলোসকোপ ইত্যাদিতে প্রদর্শিত হয়।
- মোটরগাড়ির স্পিডোমিটার, স্লাইড রুল, অপারেশনাল অ্যামপ্লিফায়ার ইত্যাদি অ্যানালগ কম্পিউটারের উদাহরণ।
- সাধারণত চাপ, তাপ, তরল পদার্থের প্রবাহ ইত্যাদির উঠা-নামা বা হ্রাস-বৃদ্ধি পরিমাপের জন্য অ্যানালগ কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়।
- গাড়ি, উড়োজাহাজ, মহাকাশ যান ইত্যাদির গতিবেগ, বায়ু, তরল ও কঠিন পদার্থের চাপ এবং কোনো বিশেষ স্থানের বা কক্ষের তাপমাত্রা পরিমাপের জন্য অ্যানালগ কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়।
- অ্যানালগ কম্পিউটারের ফলাফলের সূক্ষ্মতা তুলনামূলকভাবে কম।

• মাইক্রোকম্পিউটার, মিনি কম্পিউটার, মেইনফ্রেম কম্পিউটার, সুপার কম্পিউটার হচ্ছে ডিজিটাল কম্পিউটারের উদাহরণ।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৪০.
ট্রানজিস্টর প্রস্তুতিতে নিচের কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) কার্বন
  2. খ) সিলিকন
  3. গ) গ্রাফাইট
  4. ঘ) দস্তা
ব্যাখ্যা
• ট্রানজিস্টর প্রস্তুতিতে ব্যবহৃত হয়-সিলিকন।
• ট্রানজিস্টর (Transistor) একটি অর্ধপরিবাহী যন্ত্র, যা সাধারণত অ্যামপ্লিফায়ার এবং বৈদ্যুতিকভাবে নিয়ন্ত্রিত সুইচ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
• কম্পিউটার, সেলুলার ফোন এবং অন্য সকল আধুনিক ইলেকট্রনিক্সের মূল গাঠনিক উপাদান হিসেবে ট্রানজিস্টর ব্যবহার করা হয়।
• ১৯৪৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের বেল টেলিফোন ল্যাবরেটরির তিনজন গবেষক
- জে. বার্ডিন (J. Bardeen ),
- ডব্লিউ ব্রাটেন (W. Brattain) ও
- ডব্লিউ শেকলে ( W. Shockley) ট্রানজিস্টর আবিষ্কার করেন। 

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১ ,এস এসসি ও দাখিল ( ভোকেশনাল )।
৩৪১.
কোনটি সুপার কম্পিউটার?
  1. CYBER 205
  2. UNIVAC 1100
  3. IBM S/34
  4. MACINTOSH
ব্যাখ্যা
• সুপার কম্পিউটার (Super Computer):
- সুপার কম্পিউটার হচ্ছে সবচেয়ে শক্তিশালী, ব্যয়বহুল ও দ্রুতগতিসম্পন্ন কম্পিউটার।
- এ ধরনের কম্পিউটারে বিপুল পরিমাণ উপাত্ত সংরক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত মেমোরি এবং বিপুল পরিমাণ প্রক্রিয়াকরণ কাজের ক্ষমতা থাকে। 
- ইন্টেল কর্পোরেশনের প্যারাগন, জাপানের নিপ্পন ইলেকট্রনিক কোম্পানির Super SX II, CRAY - I, CRAY - XMP, CYBER 205, ETA-D2P ইত্যাদি সুপার কম্পিউটারের উদাহরণ। 

• মাইক্রোকম্পিউটার (Micro Computer):
- মাইক্রো এর সাধারণ অর্থ হচ্ছে ক্ষুদ্র। তাই ক্ষুদ্রাকৃতির মাইক্রোপ্রসেসর চিপ দিয়ে যে সকল কম্পিউটার গঠিত হয় সেসব কম্পিউটারকে বলা হয় মাইক্রোকম্পিউটার।
- এ ধরনের কম্পিউটার সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর, প্রধান মেমোরি, সহায়ক মেমোরি এবং ইনপুট আউটপুট যন্ত্রপাতি নিয়ে গঠিত।
- একজন ব্যবহারকারী একাই একটি মাইক্রোকম্পিউটার ব্যবহার করতে পারেন বলে এ ধরনের কম্পিউটারকে ব্যক্তিগত বা পার্সোনাল কম্পিউটারও বলা হয়। 
- IBM PC, Apple Macintosh, TRS80, HP 85, IBM Pentium, Power PC, ইত্যাদি মাইক্রোকম্পিউটারের উদাহরণ।


• মেইনফ্রেম কম্পিউটার (Mainframe Computer):
- মাইক্রো ও মিনি কম্পিউটার অপেক্ষা মেইনফ্রেম কম্পিউটার আকৃতিতে বড় কিন্তু সুপার কম্পিউটারের চেয়ে ছোট।
- এ ধরনের কম্পিউটারে এক বা একাধিক কেন্দ্রীয় প্রসেসর থাকে বিধায় অনেক দ্রুতগতিসম্পন্ন, তথ্য সংরক্ষণ ক্ষমতা অনেক বেশি।
- UNIVAC 1100, NCR 8000, IBM 4300 ইত্যাদি মেইনফ্রেম কম্পিউটারের উদাহরণ। 

• মিনি কম্পিউটার (Mini Computer): 
- সাধারণত মেইনফ্রেম কম্পিউটারের চেয়ে ছোট আকারের কিন্তু মাইক্রোকম্পিউটারের চেয়ে কিছুটা বড় আকারের কম্পিউটারকে বলা হয় মিনি কম্পিউটার।
- এ ধরনের কম্পিউটারের গতি, মেমোরি এবং কাজ করার ক্ষমতা মাইক্রোকম্পিউটারের তুলনায় অনেক বেশি।
- PDP-II, IBM S/34, IBMS / 36, NCR S / 9290, NOVA3 ইত্যাদি মিনি কম্পিউটারের উদাহরণ।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৪২.
দোয়েল ল্যাপটপ তৈরি করে কোন কোম্পানি?
  1. এপসন
  2. টেশিস
  3. আইবিএম
  4. ক্যানন
ব্যাখ্যা
• ল্যাপটপ কম্পিউটার:
- ল্যাপটপ কম্পিউটার ওজনে হালকা, আকারে ছোট এবং সহজে বহনযোগ্য।
- ল্যাপটপ কম্পিউটার এসি বিদ্যুত এবং ব্যাটারি উভয়ের সাহায্যেই ব্যবহার করা যায়।
- ১৯৮১ সারে এপসন (Epson) কোম্পানি প্রথম ল্যাপটপ কম্পিউটার প্রবর্তন করে।
- ডেক্সটপের চেয়ে অনেক বেশি বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী।
- মাউসের পরিবর্তে টাচপ্যাড ব্যবহার করা হয়।
- ল্যাপটপ কম্পিউটারের সাথে আলাদাভাবে মিনিটর, মাউস, কি-বোর্ড ইত্যাদি ডিভাইস যুক্ত করা যায়।
- বাংলাদেশের তৈরি প্রথম ল্যাপটপ দোয়েল (DOEL)।
- দোয়েল ল্যাপটপ তৈরি করে টেলিফোন শিল্প সংস্থা লিমিটেড।

উৎস:
১. dw report [Link]
২. Live MCQ লেকচার শীট।
৩৪৩.
MacOS ডেভেলপ করেছে কোন কোম্পানি?
  1. ক) এপল
  2. খ) মাইক্রোসফট
  3. গ) আইবিএম
  4. ঘ) হুয়াওয়ে
ব্যাখ্যা
MacOS এপলের কম্পিউটারগুলোতে ব্যবহৃত অপারেটিং সিস্টেম। iOS ব্যবহৃত হয় এপলের মোবাইল ফোনে।
Source: developer.apple.com
৩৪৪.
ট্রানজিস্টর আবিষ্কৃত হয় কত সালে?
  1. ১৯৪৮ সালে
  2. ১৯৬৫ সালে
  3. ১৯৬৭ সালে
  4. ১৯৬৯ সালে
ব্যাখ্যা
• ট্রানজিস্টর:
-  ট্রানজিস্টর একটি অর্ধপরিবাহী যন্ত্র, যা সাধারণত অ্যামপ্লিফায়ার এবং বৈদ্যুতিকভাবে নিয়ন্ত্রিত সুইচ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- তিন প্রান্তবিশিষ্ট যে ক্ষুদ্র অর্ধপরিবাহী যন্ত্রে বহির্মুখী প্রবাহ, ভোল্টেজ এবং ক্ষমতা অন্তর্মুখী প্রবাহ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় তাকে ট্রানজিস্টর বলে।
- ট্রানজিস্টরকে বিংশ শতাব্দীর শ্রেষ্ট আবিষ্কার বলা হয়। 
- ১৯৪৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের বেল টেলিফোন ল্যাবরেটরির তিনজন গবেষক জে. বার্ডিন, ডব্লিউ ব্রাটেন ও ডব্লিউ সক্লে  ট্রানজিস্টর আবিষ্কারের করেন।
- ট্রানজিস্টর আবিষ্কারের কারণে জে. বার্ডিন, ডব্লিউ ব্রাটেন ও ডব্লিউ সক্লেকে ১৯৫৬ সালে নোবেল পুরষ্কার দেয়া হয়। 
- ট্রানজিস্টর দুর্বল তড়িৎ সংকেতকে বিবর্ধন করতে পারে এবং উচ্চগতিসম্পন্ন সুইচ হিসেবে ব্যবহার করা যায়। 
- ট্রানজিস্টরের প্রধান অংশ তিনটি। যথা - এমিটার, কালেক্টর এবং বেস।  
- ট্রানজিস্টর আকারে অনেক ছোট হওয়ায় বিদ্যুৎ খরচ কম হয়,কম্পিউটার গরম কম হয় এবং ট্রানজিস্টর আবিষ্কারের ফলে কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি পেয়েছে। 

 উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৪৫.
'ল্যাপটপ' হলো এক ধরনের-
  1. ক) পর্বতারোহণ সামগ্রী
  2. খ) ছোট কুকুর
  3. গ) বাদ্যযন্ত্র
  4. ঘ) ছোট কম্পিটার
ব্যাখ্যা
- 'ল্যাপটপ' হলো এক ধরনের ছোট কম্পিউটার। 
- একটি ল্যাপটপ বা একটি নোটবুক হল বহনযোগ্য ব্যক্তিগত কম্পিউটার যা ভ্রমণ উপযোগী।
- ল্যাপটপ এবং নোটবুক উভয়কে পূর্বে ভিন্ন ধরা হত কিন্তু বর্তমানে তা মানা হয় না।
- Lap মানে হল ‘কোল’। কোলের উপর রেখে যে কম্পিউটার ব্যবহার করা যায় বা হয় তাঁকে Laptop বলে।
৩৪৬.
মােটরগাড়ির স্পিডােমিটার কোন ধরনের কম্পিউটারের উদাহরণ?
  1. ক) মেইনফ্রেম কম্পিউটার
  2. খ) হাইব্রিড কম্পিউটার
  3. গ) ডিজিটাল কম্পিউটার
  4. ঘ) অ্যানালগ কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
• অ্যানালগ কম্পিউটার (Analog Computer):
- যে সকল কম্পিউটার বৈদ্যুতিক সংকেতের ওপর নির্ভর করে ইনপুট গ্রহণ করে প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদিত করে, সেসব কম্পিউটারকে অ্যানালগ কম্পিউটার বলা হয়।
- তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের জন্য অ্যানালগ কম্পিউটারে বর্ণ বা অংকের পরিবর্তে ক্রমাগত পরিবর্তনশীল বা অ্যানালগ বৈদ্যুতিক সিগন্যাল ব্যবহার করা হয়।
- তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের পর প্রাপ্ত ফলাফল সাধারণত মিটার, ওসিলোসকোপ ইত্যাদিতে প্রদর্শিত হয়।
- মোটরগাড়ির স্পিডোমিটার, স্লাইড রুল, অপারেশনাল অ্যামপ্লিফায়ার ইত্যাদি অ্যানালগ কম্পিউটারের উদাহরণ।

• ডিজিটাল কম্পিউটার (Digital Computer):
- যে সকল কম্পিউটার বাইনারি পদ্ধতিতে অর্থাৎ ডিজিটাল পদ্ধতিতে ক্রিয়া সম্পন্ন করে, সেসব কম্পিউটারকে ডিজিটাল, কম্পিউটার বলা হয়।
- তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের জন্য ডিজিটাল কম্পিউটার বৈদ্যুতিক সিগন্যালের পরিবর্তে ডিজিট (0/1) ব্যবহার করে।
- মাইক্রোকম্পিউটার, মিনি কম্পিউটার, মেইনফ্রেম কম্পিউটার, সুপার কম্পিউটার হচ্ছে ডিজিটাল কম্পিউটারের উদাহরণ।

• মেইনফ্রেম কম্পিউটার (Mainframe Computer):
- মাইক্রো ও মিনি কম্পিউটার অপেক্ষা মেইনফ্রেম কম্পিউটার আকৃতিতে বড় কিন্তু সুপার কম্পিউটারের চেয়ে ছোট।
- এ ধরনের কম্পিউটারে অনেক বড় বড় এবং জটিল ও সূক্ষ্ম কাজ করার ক্ষমতা রয়েছে।
- রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো, ব্যাংক, বিমা, ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠানে বিপুল তথ্য আদান-প্রদান, সংরক্ষণ এবং জটিল ও সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম উপাত্ত বিশ্লেষণ এবং বৈজ্ঞানিক কর্মতৎপরতা পরিচালনা, নিয়ন্ত্রণ ও বিশ্লেষণ এবং মূল্যায়নের জন্য মেইনফ্রেম কম্পিউটারের প্রয়োজন হয়ে থাকে। 

• হাইব্রিড কম্পিউটার (Hybrid Computer):
- অ্যানালগ ও ডিজিটাল উভয় কম্পিউটারের নীতির সমন্বয়ে যে কম্পিউটার গঠিত তাকে হাইব্রিড কম্পিউটার বলা হয়। একে সংকর কম্পিউটারও বলা হয়। 
- এটি বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়; যেমন: মিসাইল, সমরাস্ত্র, বৈজ্ঞানিক গবেষণা, নভোযান, রাসায়নিক দ্রব্যের গুণাগুণ নির্ণয়, পরমাণুর গঠন-প্রকৃতি নির্ণয়, পরীক্ষাগারে ঔষধের মান নির্ণয় ইত্যাদিতে ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৪৭.
অ্যাবাকাস হচ্ছে-
  1. ক) প্রিন্টিং ডিভাইস
  2. খ) গণনাযন্ত্র
  3. গ) কম্পিউটার অ্যান্টিভাইরাস
  4. ঘ) কম্পিউটার ভাইরাস
ব্যাখ্যা
• অ্যাবাকাস (Abacus):
- অ্যাবাকাস প্রাচীনতম গণনা যন্ত্র, যা একটি ফ্রেমে সাজানো গুটির স্থান পরিবর্তন করে গণনা করার কাজ পরিচালিত করে।
- খ্রীষ্টপূর্ব পঞ্চম শতাব্দীতে অ্যাবাকাসের প্রথম ব্যবহার শুরু হয়েছিল চীনে বলে জানা যায়।
- দ্বাদশ শতাব্দী পর্যন্ত ইউরোপ ও এশিয়ায় অ্যাবাকাস ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়েছিল।
- পঞ্চদশ শতাব্দীতে অ্যাবাকাস জাপানে প্রবর্তিত হয়।
- চীনে অ্যাবাবাসকে বলা হয় সুয়ানপান (Suanpan), জাপানে সরোবান (Soroban) এবং রাশিয়াতে বলা হয় স্কেটিয়া (Sketia)।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৪৮.
আধুনিক কম্পিউটারের দ্রুত অগ্রগতির মূলে রয়েছে-
  1. ক) পাঞ্চ কার্ড
  2. খ) ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট
  3. গ) বায়ুশূন্য টিউব
  4. ঘ) ট্রানজিস্টর
ব্যাখ্যা
ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট:
- ১৯৫৮ সালে রবার্ট নইসি (Robert Noyce) এবং জ্যাক কিলবি (Jack Kilby) IC (Integrated Circuit) আবিষ্কার করে ইলেকট্রনিক জগতে যুগান্তকারী পরিবর্তনের সূচনা করেন। মাইক্রোইলেকট্রনিকসের অগ্রযাত্রা মূলত তখন থেকে শুরু হয়।
- একটি মাত্র IC-তে অনেকগুলো ট্রানজিস্টর, রেজিস্টার, ক্যাপাসিটর এবং অন্যান্য উপকরণ মিশিয়ে একটি ক্ষুদ্র সিলিকন পাতের ওপর স্থাপন করা থাকে।
- তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারগুলো IC ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছিল।
- ফলে কম্পিউটারের আকার আরো ছোট হয়ে আসে, দাম কমে যায়, বিদ্যুৎ খরচ কমে যায়, কাজের গতি ও নির্ভরশীলতা বহুগুণে বেড়ে যায়। একই সাথে কম্পিউটারের মেমরিব্যবস্থারও উন্নতি ঘটে।
- IBM 360, 370, PDP 8, PDP II ইত্যাদি তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৪৯.
আইবিএম কত সালে পার্সোনাল কম্পিউটার তৈরি করে?
  1. ক) 1979
  2. খ) 1980
  3. গ) 1981
  4. ঘ) 1983
ব্যাখ্যা
The first IBM PC, formally known as the IBM Model 5150, was based on a 4.77 MHz Intel 8088 microprocessor and used Microsoft´s MS-DOS operating system.
৩৫০.
কম্পিউটারের কাজ করার ধাপ হচ্ছে-
  1. ক) দুটি
  2. খ) তিনটি
  3. গ) চারটি
  4. ঘ) পাঁচটি
ব্যাখ্যা
কম্পিউটারের কাজ করার ধাপ হচ্ছে তিনটি। যথা- ১. ব্যবহারকারীর দেওয়া তথ্য-উপাত্তকে ও নির্দেশ গ্রহণ করা (ইনপুট), ২. তথ্যের প্রক্রিয়াকরণ (প্রসেসিং) করা এবং ৩. প্রক্রিয়াজাত তথ্য প্রদান বা প্রকাশ করা (আউটপুট)। উৎস: মাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি।
৩৫১.
বিশ্বের প্রথম ইলেক্ট্রনিক ডিজিটাল কম্পিউটার -
  1. ক) ABC
  2. খ) ENIAC
  3. গ) UNIVAC
  4. ঘ) EDSAC
ব্যাখ্যা
বিশ্বের প্রথম ইলেক্ট্রনিক ডিজিটাল কম্পিউটার - ABC (Atanasoff-Berry Computer)

From Britannica -
Atanasoff-Berry Computer (ABC)
, an early digital computer. It was generally believed that the first electronic digital computers were the Colossus, built in England in 1943, and the ENIAC, built in the United States in 1945.



ENIAC: ১৯৪৬ সালে ড. জন মউসলি এবং তাঁর ছাত্র প্রেসপার একার্ট যৌথভাবে ENIAC নামক কম্পিউটারটি তৈরি করেছিলেন। এটি হলো প্রথম প্রজন্মের ডিজিটাল কম্পিউটার।

UNIVAC: ১৯৫১ সালে ENIAC এর নির্মাতারা UNIVAC কম্পিউটারের নির্মাণকাজ শেষ করেন।
ইউনিভাকই ছিল সর্বপ্রথম বাণিজ্যিক ভিত্তিতে তৈরি ইলেকট্রনিক কম্পিউটার এবং এ যন্ত্রেই সর্বপ্রথম চুম্বক-ফিতা ব ̈বহার করা হয়েছিল।

EDSAC: EDSAC কম্পিউটারই প্রথম সংরক্ষিত প্রোগ্রাম বিশিষ্ট ইলেকট্রনিক কম্পিউটার।
অনেকেই একে প্রথম স্বয়ংক্রিয় ডিজিটাল কম্পিউটার মনে করেন।

সূত্রঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৩৫২.
বাংলাদেশের প্রথম কম্পিউটার কোথায় স্থাপিত হয়?
  1. ক) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোতে
  2. খ) বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে
  3. গ) বাংলাদেশ পরমানু শক্তি কেন্দ্রে
  4. ঘ) বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলে
ব্যাখ্যা
১৯৬৪ সালে পরমাণু শক্তি কেন্দ্র ঢাকায় বাংলাদেশের প্রথম IBM-1620 মডেলের একটি কম্পিউটার স্থাপন করা হয়। এটি বর্তমানে বাংলাদেশের জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘরে সংরক্ষিত রয়েছে।
[সূত্রঃ বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন]
৩৫৩.
ইলেক্ট্রনিক্সের শুরু হয় কোনটি আবিষ্কারের মধ্য দিয়ে? 
  1. ক) আইসি (IC)
  2. খ) রোবট 
  3. গ) ট্রানজিস্টর 
  4. ঘ) কম্পিউটার 
ব্যাখ্যা
ইলেক্ট্রনিক্সের শুরু হয় ট্রানজিস্টর আবিষ্কারের মধ্য দিয়ে।  ১৯৪৮ সালে ট্রানজিস্টর আবিষ্কার হয়। 
তবে বিপ্লব ঘটে IC আবিষ্কারের ফলে। ১৯৫৮ সালে IC আবিষ্কার হয়।
 
৩৫৪.
ন্যানোসেকেন্ড কী?
  1. এক সেকেন্ডের এক কোটি ভাগের একভাগ
  2. এক সেকেন্ডের একশত ভাগের একভাগ
  3. এক সেকেন্ডের একশত কোটি ভাগের একভাগ
  4. এক সেকেন্ডের এক হাজার ভাগের একভাগ
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার: 
- Computer শব্দটির আভিধানিক অর্থ গণনাযন্ত্র বা হিসাবকারী যন্ত্র। 
- পূর্বে কম্পিউটার দিয়ে শুধুমাত্র হিসাব-নিকাশের কাজই করা হতো। কিন্তু বর্তমান অত্যাধুনিক কম্পিউটার দিয়ে অত্যন্ত দ্রুতগতিতে জটিল হিসাব-নিকাশের কাজ নির্ভুলভাবে করা ছাড়াও বহু রকমের কাজ করা যায়। 
- কম্পিউটার সেকেন্ডের মধ্যে কোটি কোটি হিসাব-নিকাশ করতে পারে। 
- সাধারণত ন্যানোসেকেন্ড -এ কম্পিউটারে কাজ করার গতি হিসাব করা হয়। 
- ন্যানোসেকেন্ড হচ্ছে এক সেকেন্ডের একশত কোটি ভাগের একভাগ সময় মাত্র। 
- ইলেকট্রন প্রবাহের মাধ্যমে কম্পিউটারের যাবতীয় কাজকর্ম পরিচালিত হয়। 
- মূলত কম্পিউটার একটি অত্যাধুনিক ইলেক্ট্রনিক্স যন্ত্র, যা নিজস্ব স্মৃতিভাণ্ডারে সুনির্দিষ্ট এক বা একাধিক কাজের নিদের্শাবলি সংরক্ষণ করে রাখে। 
- ব্যবহারকারী ডাটা বা উপাত্ত সরবরাহ করলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কম্পিউটার প্রক্রিয়াকরণ (প্রসেসিং) করে কাজের ফলাফল প্রদান করে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৫৫.
Which generation of computers used vacuum tubes?
  1. First generation
  2. Second generation
  3. Third generation 
  4. Fourth generation 
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - ক) First generation
- এই প্রজন্মের কম্পিউটারগুলোতে সার্কিট হিসেবে ভ্যাকুয়াম টিউব ব্যবহার করা হত। 
- প্রোগ্রামিং ভাষা হিসেবে মেশিন ল্যাঙ্গুয়েজ ব্যবহার করা হত।
- ENIAC (Electronic Numerical Integrator and Computer), যা ভ্যাকুয়াম টিউব ব্যবহার করত।

• প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৪২-১৯৫৯):
- আকারে বড় ও ভারী।
- উচ্চ শব্দ ও উত্তাপ সমস্যা।
- সীমিত তথ্য ধারণ ক্ষমতা।
- ধীর গতিসম্পন্ন।
- প্রথমে মেশিন ভাষা, তারপর এসেম্বলি ভাষার ব্যবহার।
- যেমন: ABC, ENIAC, UNIVAC.

• কম্পিউটারের পাঁচটি প্রজন্ম বা জেনারেশন:
- প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৪২ - ১৯৫৯),
- দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৫৯ - ১৯৬৫),
- তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৬৫ - ১৯৭১),
- চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৭১ - বর্তমান),
- পঞ্চম প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৮২ - বর্তমান)।

উৎস: কম্পিউটার পরিচিতি ও ব্যবহার, স্কুল অব এগ্রিকালচার এন্ড রুরাল ডেভেলপমেন্ট, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্রিটানিকা।  

৩৫৬.
FOCUS কোন প্রজন্মের ভাষা?
  1. দ্বিতীয় প্রজন্ম
  2. তৃতীয় প্রজন্ম
  3. চতুর্থ প্রজন্ম
  4. পঞ্চম প্রজন্ম
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন প্রজন্মের ভাষা: 
১) প্রথম প্রজন্মের ভাষা (১৯৪৫-১৯৫০)- machine Language বা যান্ত্রিক ভাষা। 
২) দ্বিতীয় প্রজন্মের ভাষা (১৯৫০-১৯৬০)- assembly language বা অ্যাসেম্বলি ভাষা। 

৩) তৃতীয় প্রজন্মের ভাষা (১৯৬০-১৯৭০)- high level language বা উচ্চস্তরের ভাষা। 
যেমন- C++, BASIC, PASCAL, FORTRAN, Java, C, Ruby, Perl. 

৪) চতুর্থ প্রজন্মের ভাষা (১৯৭০-১৯৮০)- very high level language বা অতি উচ্চস্তরের ভাষা। 
যেমন- SQL, NOMAD, FOCUS

৫) পঞ্চম প্রজন্মের ভাষা (১৯৮০-বর্তমান)- natural language বা স্বাভাবিক ভাষা। 
যেমন- Prolog, OPSS, Mercury. 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি। 
৩৫৭.
কোনটি উচ্চ মানের মুদ্রণযন্ত্র?
  1. ক) ইংকজেট প্রিন্টার
  2. খ) লেজার প্রিন্টার
  3. গ) ইমপ্যাক্ট প্রিন্টার
  4. ঘ) ডট প্রিন্টার
ব্যাখ্যা
কোন ব্যাখ্যা যোগ করা হয়নি।
৩৫৮.
তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার কীসের উপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছিল?
  1. ক) ভ্যাকুয়াম টিউব
  2. খ) ট্রানজিস্টর
  3. গ) মাইক্রোপ্রসেসর
  4. ঘ) ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট
ব্যাখ্যা
- প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার ছিলো ভ্যাকুয়াম টিউব ভিত্তিক৷
- দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারের ভিত্তি ছিলো ট্রানজিস্টর।
- তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার ছিলো সিলিকন চিপ ভিত্তিক ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট বা IC বেজড৷
- চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটারে VLSI এবং মাইক্রোপ্রসেসরের প্রসার ও প্রচলন হয়। সরাসরি ব্যবহারের জন্য প্রোগ্রাম প্যাকেজের প্রচলন শুরু হয়।

উৎসঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
৩৫৯.
কত সালে ডিজিটাল বাংলাদেশের পরিকল্পনা করা হয়?
  1. ২০১২ সাল
  2. ২০১৪ সাল
  3. ২০০৬ সাল
  4. ২০০৮ সাল
ব্যাখ্যা

বর্তমান সরকার ২০০৮ সালে বাংলাদেশকে ২০২১ সালের মধ্যে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তােলার একটি পরিকল্পনা গ্রহণ করে।
অর্থাৎ, স্বাধীনতার ৫০ বছরে ২০২১ সালে বাংলাদেশ ডিজিটাল বাংলাদেশে পরিণত হবে। ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার মূল লক্ষ্যই হলাে বাংলাদেশ বিশ্বের একটি উন্নত দেশ হিসেবে ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে জনগণের জীবনযাত্রার মান সর্বোচ্চ পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া এবং ডিজিটাল প্রযুক্তি নির্ভর জীবনধারা গড়ে তুলে পুরাে জাতির জন্য একটি জ্ঞানভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করা। এটি একাত্তরের স্বাধীনতার স্বপ্ন বাস্তবায়নের রূপকল্প।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর (উন্মুক্ত বিশ্বঃ) কম্পিউটার ও আইসিটি বই।

৩৬০.
Analytical & Differential Engine আবিষ্কার করেন কে?
  1. জন নেপিয়ার
  2. ব্লেইজ প্যাসকেল
  3. লেডি অ্যাডা লাভলেস
  4. চার্লস ব্যাবেজ
ব্যাখ্যা

• জন নেপিয়ার:
- জন নেপিয়ার (১৫৫০ - ১৬১৭) ছিলেন একজন বিখ্যাত স্কটিশ গণিতবিদ, পদার্থবিদ এবং জ্যোতির্বিদ, যিনি মূলত লগারিদম (Logarithms) আবিষ্কারের জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত।
- নেপিয়ারের হাড় (Napier's Bones) এটি একটি ম্যানুয়ালি পরিচালিত গণনা যন্ত্র বা ক্যালকুলেটর, যা গুণ ও ভাগ করার কাজে ব্যবহৃত হতো।

• ব্লেইজ প্যাসকেল:
- ব্লেইজ প্যাসকেল (১৬২৩ - ১৬৬২) ছিলেন একজন প্রখ্যাত ফরাসি গণিতবিদ, পদার্থবিদ এবং দার্শনিক।
-  তিনি বিশ্বের অন্যতম প্রথম যান্ত্রিক ক্যালকুলেটর তৈরি করেন, যা প্যাসকেলাইন (Pascaline) নামে পরিচিত

• লেডি অ্যাডা লাভলেস:
- লেডি অ্যাডা লাভলেস (১৮১৫-১৮৫২) ছিলেন একজন ব্রিটিশ গণিতবিদ ও লেখিকা, যাকে বিশ্বের প্রথম কম্পিউটার প্রোগ্রামার হিসেবে গণ্য করা হয়। তিনি চার্লস ব্যাবেজের অ্যানালিটিক্যাল ইঞ্জিনের জন্য প্রথম প্রোগ্রাম বা অ্যালগরিদম লেখেন।
- সর্বপ্রথম বাইনারি ইন্সট্রাকশনের সূচনা করেন। 

• চার্লস ব্যাবেজ:
- চার্লস ব্যাবেজ (১৭৯১–১৮৭১) ছিলেন একজন প্রখ্যাত ইংরেজ গণিতবিদ, দার্শনিক ও যন্ত্র প্রকৌশলী, যাকে আধুনিক কম্পিউটারের জনক বলা হয়। তিনি প্রথম ডিজিটাল প্রোগ্রামযোগ্য কম্পিউটারের ধারণা তৈরি করেছিলেন।
- তিনি ১৮২২ সালে 'ডিফারেন্স ইঞ্জিন' এবং ১৮৩৩ সালে 'অ্যানালিটিক্যাল ইঞ্জিন' তৈরির পরিকল্পনা করেন যা আধুনিক কম্পিউটারের ভিত্তি।

উৎস:
১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
২। Britannica [Link]

৩৬১.
বেতার যন্ত্রের আবিষ্কারক কে?
  1. জগদীশ চন্দ্র বসু
  2. গুগলিয়েলমো মার্কনি
  3. রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিনসন
  4. চার্লস ব্যাবেজ
ব্যাখ্যা
• জগদীশ চন্দ্র বসু:
- জগদীশ চন্দ্র বসু ছিলেন একজন বাঙালি পদার্থবিদ, উদ্ভিদবিদ ও জীববিজ্ঞানী। তাঁর গবেষণা উদ্ভিদবিজ্ঞানকে সমৃদ্ধ করে তোলে এবং ভারতীয় উপমহাদেশে ব্যবহারিক ও গবেষণাধর্মী বিজ্ঞানের সূচনা করে।
- বিনা তারে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে বার্তা প্রেরণে প্রথম সফল হন তিনি।
- ১৮৯৫ সালে জগদীশ চন্দ্র বসু অতিক্ষুদ্র তরঙ্গ ব্যবহার করে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে তথ্য প্রেরণে সফল হন।
- ইনস্টিটিউট অব ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ার্স তাকে রেডিও বিজ্ঞানের জনক বলে অভিহিত করেন।

• গুগলিয়েলমো মার্কনি:
- একই সময় বেতার তরঙ্গ ব্যবহার করে একই কাজে প্রথম সফলতা লাভ করে ইতালির বিজ্ঞানী গুগলিয়েলমো মার্কনি।
- এজন্য তাকে বেতার যন্ত্রের আবিষ্কারক হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

• রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিনসন:
- ষাট-সত্তরের দশকে ইন্টারনেট প্রটোকল ব্যবহার করে আরপানেটের (ARPANET) জন্ম হয়।
- ১৯৭১ সালে আমেরিকান প্রোগ্রামার রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিনসন আরপানেট (ARPANET) সিস্টেম ব্যবহার করে প্রথম ই-মেইল সিস্টেম চালু করেন।
- এজন্য তিনি চিহ্ন ব্যবহার করেন যা এখন পর্যন্ত ই-মেইল অ্যাড্রেসে ব্যবহার হয়ে আসছে।

• চার্লস ব্যাবেজ:
- তাঁকে কম্পিউটারের জনক বলা হয়।
- তিনি ডিফারেন্স ইঞ্জিন ও এনালিটিক্যাল ইঞ্জিন নামের দুইটি গণনা যন্ত্র তৈরি করেন।
- প্রযুক্তির সীমাবদ্ধতার কারণে তাঁর উদ্ভাবিত যন্ত্র সেই সময় সাফল্যের সাথে কাজ করতে পারেনি।
- তবে ১৯৯১ সালে তাঁর ডিজাইন থেকেই সফলভাবে কর্মক্ষম একটি যন্ত্র তৈরি করা হয়। 

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৬২.
আইবিএম - ৪৩৩১ সিস্টেম (মেইনফ্রেম কম্পিউটার) কোন প্রজন্মের কম্পিউটার?
  1. ক) প্রথম
  2. খ) দ্বিতীয়
  3. গ) তৃতীয়
  4. ঘ) চতুর্থ
ব্যাখ্যা

আইবিএম ৪৩৩১ (IBM-4331) কম্পিউটারটি তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার। ১৯৭৯ সালে আইবিএম প্রথম কম্পিউটারটি জন সম্মুখে উপস্থাপন করে।

- আইবিএম ৪৩৩১ সিস্টেম (মেইনফ্রেম কমপিউটার) - ১৯৮৬ সালে বুয়েটের কম্পিউটার সেন্টার তৃতীয় প্রজন্মের এই কম্পিউটারটি সংগ্রহ করে।
- বিভিন্ন সময়ে এটিতে নানা সংযোজন বিয়োজন ঘটে। এই সিস্টেমের অপারেটিং সিস্টেম ছিল VM/CMS ।
- এই সিস্টেমে একসংগে প্রায় শতাধিক ব্যাক্তির কাজ করার সুযোগ ছিল তবে এর সঙ্গে সর্বোচ্চ ৩০টি টারমিনাল লাগানো হয়েছিল অর্থাৎ ৩২ জন ব্যবহারকারী এক সঙ্গে এই কম্পিউটারে কাজ করার সুযোগ পেত। 

তথ্যসূত্র: আইবিএম ওয়েবসাইট ও জাতীয় বিজ্ঞান যাদুঘরের ওয়েবসাইট।

৩৬৩.
ডেস্কটপ এক ধরনের ___।
  1. সুপার কম্পিউটার
  2. মিনি কম্পিউটার
  3. মাইক্রো কম্পিউটার
  4. মেইনফ্রেম কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
• মাইক্রোকম্পিউটার: 
- মাইক্রো এর সাধারণ অর্থ ক্ষুদ্র। 
- ক্ষুদ্রাকৃতির মাইক্রোপ্রসেসর চিপ দিয়ে যে কম্পিউটার গঠিত হয় তাকে মাইক্রোকম্পিউটার বলে। 
- মাইক্রোকম্পিউটারকে পার্সোনাল কম্পিউটার বা সংক্ষেপে PC বলা হয়। 
- মানুষের ব্যবহারিক সুবিধার প্রতি লক্ষ রেখে বিভিন্ন রকমের মাইক্রোকম্পিউটার বাজারে এসেছে। যেমন -
১. পামটপ কম্পিউটার
২. ল্যাপটপ কম্পিউটার 
৩. নোটবুক কম্পিউটার
৪. ডেস্কটপ কম্পিউটার
- Tablet PC, Phablet, Smartphone ইত্যাদি ও মাইক্রোকম্পিউটারের অন্তর্ভুক্ত। 
-  ১৯৮১ সালে IBM কোম্পানি ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে প্রথম মাইক্রোকম্পিউটার তৈরি করে। 
- অতিমাত্রায় তাপমাত্রা ওঠানামা করলে মাইক্রোকম্পিউটারের কিছু সিস্টেম নষ্ট হয়ে যায়। তাই কম্পিউটার সূর্যালোক, উত্তপ্ত বা খুব বেশি ঠান্ডা স্থানে রাখা বিপদজনক। 
- সক্রিয় একটি মাইক্রোকম্পিউটারের জন্য আদর্শ রুম টেম্পারেচার ৬০ থেকে ৯০ ডিগ্রী ফারেনহাইট, এবং বন্ধ থাকা অবস্থায় ৫০ থেকে ১১০ ডিগ্রী ফারেনহাইট।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৬৪.
তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্য নয় কোনটি?
  1. অর্ধপরিবাহী স্মৃতির উদ্ভব
  2. কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার
  3. IC এর ব্যবহার
  4. উচ্চতর ভাষার ব্যবহার
ব্যাখ্যা
• তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার:
- তৃতীয় প্রজন্মের ব্যাপ্তিকাল ১৯৬৫ হতে ১৯৭০ সাল পর্যন্ত।
- IBM 360, 370, PDP 8, PDP II ইত্যাদি তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার।
- এ প্রজন্মে কম্পিউটারে একটি গাণিতিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে প্রায় ৫ ন্যানো সেকেন্ড সময় লাগত।
- ১৯৫৮ সালে রবার্ট নইসি এবং জ্যাক কিলবি IC (Integrated Circuit) আবিষ্কার করেন। 

• তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্যসমূহ হলো- 
- IC এর ব্যবহার।
- অর্ধপরিবাহী স্মৃতির উদ্ভব ও বিকাশ (RAM, ROM এর ব্যবহার শুরু)।
- আকৃতি ছোট, কম দাম এবং ক্ষমতা বৃদ্ধি।
- মুদ্রণের জন্য লাইন প্রিন্টারের ব্যবহার।
- আউটপুট হিসেবে মনিটরের ব্যবহার।
- অপারেটিং সিস্টেম ব্যবস্থার উন্নয়ন।
- সহজে স্থানান্তরযোগ্য।
- রিয়েল টাইম অপারেটিং সিস্টেম, মাল্টিপ্রোগ্রামিং পদ্ধতি, টাইম শেয়ারিং, ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্টের ব্যবহার।
- যান্ত্রিক গোলযোগ কম বলে রক্ষণাবেক্ষণ খরচ কম ইত্যাদি।
- উচ্চতর ভাষার ব্যাপক ব্যবহার। 

• কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (Artificial Intelligence) ব্যবহার শুরু হয় চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটারে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্রি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৬৫.
বৃহৎ ও অতি বৃহৎ মানের আইসির ব্যবহার শুরু হয় কোন প্রজন্ম থেকে?
  1. ক) প্রথম
  2. খ) দ্বিতীয়
  3. গ) তৃতীয়
  4. ঘ) চতুর্থ
ব্যাখ্যা

চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটার হতে বৃহৎ ও অতি বৃহৎ মানের আইসির ব্যবহার শুরু হয়।

চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্যগুলো নিম্নে তুলে ধরা হল:
১। ১৯৭১ এ টেড হফ মাইক্রোপ্রসেসরের উদ্ভাবন করেন।
২। তথ্য প্রযুক্তির সর্বক্ষেত্রে ব্যাপক উন্নয়ন।
৩। মাইক্রোপ্রসেসরে সম্পূর্ণ একটি সি.পি.ইউ একটি চিপে আটকানো হয়।
৪। ১৯৭৬ খ্রিস্টাব্দে এ্যাপল কম্পিউটার এবং ১৯৮৩ তে এ্যাপল ম্যাকিনটোশ বাজারে আসে।
৫। ১৯৮১ তে আইবিএম পিসির আর্বিভাব হয়।
৬। সফটওয়্যারের অভূতপূর্ব উন্নয়ন সাধন হয়।
৭। বিষ্ময়কর আবিস্কার ইন্টারনেটের সংযোজন শুরু হয়।
৮। কম্পিউটারের আকার অনেক ছোট হয় এবং কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। আর দাম সাধারণের হাতের নাগালে চলে আসে।

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)

৩৬৬.
পঞ্চম প্রজন্মের কম্পিউটারের ভিত্তি কী?
  1. System Knowledge
  2. Programming
  3. Artificial Intelligence
  4. VVLS
ব্যাখ্যা
• পঞ্চম প্রজন্ম (Fifth Generation): 
- সাধারণত ২০০১ সাল থেকে শুরু করে বর্তমান সময়ের কম্পিউটারগুলোকে পঞ্চম প্রজন্মে কম্পিউটার বিবেচনা করা হয়।
- মূলত পঞ্চম প্রজন্ম বলতে প্রকৃত অর্থে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকেই বোঝায়। এ প্রজন্মের কম্পিউটারগুলো মানুষের ভাষায় কথা বলা ও মানুষের কথা বুঝতে পারার ক্ষমতাও থাকবে। অর্থাৎ এগুলো হবে বুদ্ধিমান কম্পিউটার।
- পঞ্চম প্রজন্ম VLSI প্রযুক্তিকে অতিক্রম করে UVLSI (Ultra Very Large Scale Integration) প্রযুক্তিতে অবস্থান করবে।

- এ প্রজন্মের কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্যসমূহ নিম্নরূপ:
১. বহু মাইক্রোপ্রসেসর বিশিষ্ট একীভূত বর্তনীর ব্যবহার।
২. কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন।
৩. স্বয়ংক্রিয় অনুবাদক ও শ্রবণযোগ্য শব্দ দিয়ে কম্পিউটারের সাথে সংযোগ ও পরিচালনা।
৪. প্রোগ্রামসামগ্রীর ব্যাপক উন্নতি।
৫. তথ্য ধারণক্ষমতার ব্যাপক উন্নতি ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৬৭.
কোন ব্যক্তির তত্ত্বাবধানে 'মার্ক-১' নির্মাণ করা হয়?
  1. Von Neumann ​
  2. Charles Babbage
  3. Howard Aiken
  4. Alan Turing
ব্যাখ্যা

• ‘মার্ক–১’ ছিল বিশ্বের প্রথম দিকের স্বয়ংক্রিয় ইলেক্ট্রোমেকানিক্যাল কম্পিউটার, যা ১৯৪৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি হয়। এটি নির্মাণের প্রধান তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক হাওয়ার্ড আইকেন (Howard Aiken)। তিনি এই প্রকল্পের ধারণা দেন এবং IBM কোম্পানির সহযোগিতায় যন্ত্রটি নির্মিত হয়। মার্ক–১ বিশাল আকৃতির হলেও সে সময়ের জন্য অসাধারণ প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন ছিল। এর মাধ্যমে জটিল গাণিতিক সমাধান দ্রুত করা সম্ভব হয়েছিল, যা বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও সামরিক প্রয়োজনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই সঠিক উত্তর হলো গ) Howard Aiken, যিনি এই ঐতিহাসিক যন্ত্রটির নির্মাণে নেতৃত্ব দেন।

- মার্ক-১ নামে পরিচিত ইলেক্ট্রোমেকানিক্যাল কম্পিউটারটি হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস মেশিন (International Business Machine) কোম্পানীর যৌথ উদ্যোগে নির্মিত হয়।
- হাওয়ার্ড এইকিনের তত্ত্বাবধানে ১৯৪৪ সালে এটি নির্মিত হয়।

- মার্ক-১ কম্পিউটারের কয়েকটি উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো-
ক) মার্ক-১ ছিল পৃথিবীর প্রথম স্বয়ংক্রিয় হিসাবকারী যন্ত্র।
খ) কম্পিউটারটির মাধ্যমে যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ এবং ত্রিকোণমিতিক ফাংশন ছাড়াও অনেক জটিল গাণিতিক কাজ করা যেত।
গ) কম্পিউটারটির দৈর্ঘ্য ছিল ৫১ ফুট ও উচ্চতা ৮ ফুট। বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ঘ) এর ওজন ছিল প্রায় ৫ টন।
এ কম্পিউটারটিতে সাত লক্ষেরও অধিক যন্ত্রাংশ সংযোগের জন্য প্রায় ৫০০ মাইল দীর্ঘ তারের প্রয়োজন হয়েছিল। মার্ক-১ কম্পিউটারটি প্রদর্শনের জন্য বর্তমানে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে সযত্নে সংরক্ষিত আছে।

উৎস: কম্পিউটারের ইতিহাস ও শ্রেণিবিভাগ, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৬৮.
Which was the first digital computer made with an IC chip?
  1. IBM-306
  2. IBM-360
  3. IBM-036
  4. IBM-603
  5. IBM-630
ব্যাখ্যা
⇒ ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট (IC) দিয়ে তৈরী প্রথম ডিজিটাল কম্পিউটার হল IBM 360.

তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার:

- তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারগুলিতে ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট (IC) ব্যবহার করা শুরু হয়।
- ইন্টিগ্রেটেড সার্কিটের ব্যবহারের কারণে কম্পিউটারের আকার ও বিদ্যুৎ খরচ কম হয় এবং এর কার্যক্ষমতা ও গতি অনেক বৃদ্ধি পায়।
- IC সিলিকন দিয়ে তৈরী।
- RAM, ROM এর ব্যবহার।
- RAM, ROM ও অর্ধপরিবাহী দিয়ে তৈরী।
- উচ্চতর ভাষার ব্যাপক ব্যবহার।

তথ্যসূত্র - মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৬৯.
মানুষ এবং কম্পিউটারের মধ্যে মৌলিক পার্থক্যের ভিত্তিতে, কম্পিউটারের কোন বৈশিষ্ট্যটি উল্লেখ করা হয়?
  1. কম্পিউটার প্রাকৃতিক চিন্তা প্রক্রিয়া অনুসরণ করে
  2. মানুষের চিন্তা করার ক্ষমতা আছে, কিন্তু কম্পিউটারের নেই
  3. কম্পিউটার নিজস্ব মতামত তৈরি করতে সক্ষম
  4. কম্পিউটার মানবিক অনুভূতি অনুভব করে
ব্যাখ্যা
- কম্পিউট (Compute) শব্দের অর্থ হচ্ছে গণনা করা এবং কম্পিউটার (Computer) শব্দের অর্থ হচ্ছে গণনাকারী।
- সুতরাং অভিধানিক দিক থেকে কম্পিউটারকে গণনাকারী যন্ত্র হিসাবে অভিহিত করা হয়।
- কম্পিউটার হল বিভিন্ন গাণিতিক ও যুক্তিমূলক সমস্যা সমাধানের জন্য তৈরি একটি ইলেক্ট্রনিক যন্ত্র।
- কম্পিউটারের সাহায্যে যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ প্রভৃতি গাণিতিক কাজ অতি দ্রুত ও নির্ভুলভাবে করা যায়।
- কম্পিউটারের সাথে মানুষের মৌলিক পার্থক্য হল মানুষের মত কম্পিউটারের নিজস্ব কোন বুদ্ধি বা চিন্তা করার ক্ষমতা নেই।
- কম্পিউটারের নিজস্ব স্মৃতি থাকে। কম্পিউটার বিভিন্ন তথ্যকে স্মৃতিতে ধারণ করে রাখে এবং প্রয়োজনে নির্দেশ অনুযায়ী ধারণকৃত তথ্য নির্ভলভাবে এবং তড়িৎ গতিতে উপস্থাপন করতে পারে।
- কম্পিউটারের প্রধান তিনটি বৈশিষ্ট্য হল- বিপুল পরিমাণ তথ্য স্মৃতিতে সংরক্ষণ করে রাখা, নির্ভুলভাবে কাজ করা এবং অতি দ্রুত গতিতে কাজ সম্পন্ন করা।

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৭০.
কম্পিউটারের বাহ্যিক (External) হার্ডওয়্যারের উদাহরণ কোনটি?
  1. RAM
  2. Power supply
  3. Video card
  4. Joystick
ব্যাখ্যা

• হার্ডওয়্যার (Hardware):
- কম্পিউটার সিস্টেম পরস্পর সম্পর্কিত বিভিন্ন ধরনের উপাদান নিয়ে গঠিত, যা ব্যবহারকারী প্রদত্ত কোনো প্রোগ্রামের নির্দেশাবলি পালন করে এবং ফলাফল প্রদান করে।
- কম্পিউটারব্যবস্থায় হার্ডওয়‍্যার অন্যতম উপাদান। কম্পিউটার তৈরিতে ব্যবহৃত বিভিন্ন ধরনের ডিভাইস বা যন্ত্র এবং যন্ত্রাংশসমূহকে বলা হয় কম্পিউটার হার্ডওয়্যার।
- সাধারণত কম্পিউটার হার্ডওয়‍্যারকে আমরা দেখতে পারি এবং স্পর্শ করতে পারি।
- ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট, মাইক্রোপ্রসেসর, মাদারবোর্ড প্রভৃতি যন্ত্রপাতি নিয়ে সুষ্ঠুভাবে সম্পাদন ও সহায়তা করার জন্য রয়েছে অন্য ডিভাইসসমূহ যেমন-ডিস্ক, ডিস্ক ড্রাইভ, কি-বোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার ইত্যাদি যন্ত্রপাতি। উল্লিখিত সকল যন্ত্রপাতিই কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার।

• কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ হার্ডওয়্যারের অংশসমূহ:
-CPU (central processing unit).
-Drive (e.g., Blu-ray, CD-ROM, DVD, floppy drive, hard drive, and SSD).
-Fan (heat sink)
-Modem
-Motherboard
-Network card
-Power supply
-RAM
-Sound card
-Video card 

• কম্পিউটারের বাহ্যিক হার্ডওয়্যারের অংশসমূহ: 
-Flat-panel, monitor, and LCD
-Game pad
-Joystick
-Keyboard
-Microphone
-Mouse
-Printer
-Projector
-Scanner
-Speakers
-USB thumb drive 

উৎস:
১। Computer Hope Website [Link]
২। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (বিবিএ প্রোগ্রাম)- উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৭১.
পঞ্চম প্রজন্মের কম্পিউটারের মূল ভিত্তি কোনটি?
  1. ভ্যাকুয়াম টিউব
  2. ট্রানজিস্টর
  3. মাইক্রোপ্রসেসর
  4. কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
ব্যাখ্যা

• পঞ্চম প্রজন্মের কম্পিউটারের মূল ভিত্তি হলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI)।

• পঞ্চম প্রজন্মের কম্পিউটার(Fifth Generation Computer):
- সাধারণভাবে ২০০১ সাল থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত ব্যবহৃত কম্পিউটারকে পঞ্চম প্রজন্মের কম্পিউটার বলা হয়।
- এই প্রজন্মের কম্পিউটারগুলো মানুষের ভাষা বুঝতে ও অনুকরণ করতে সক্ষম।
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence) এই প্রজন্মের মূল ভিত্তি।
 
• পঞ্চম প্রজন্মের প্রযুক্তিগত ভিত্তি:
- পঞ্চম প্রজন্মের কম্পিউটার VLSI ও ULSI (Ultra Large Scale Integration) প্রযুক্তির উপর ভিত্তি করে নির্মিত।
- একটি সিলিকন চিপে কয়েক কোটি থেকে কয়েকশ কোটি ট্রানজিস্টর সংযোজন করা সম্ভব হয়।
 
• পঞ্চম প্রজন্মের কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্য:
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যাপক ব্যবহার।
- মানুষের ভাষা ও আচরণ অনুকরণ করার ক্ষমতা।
- ভয়েস কমান্ড ও স্বাভাবিক ভাষা প্রক্রিয়াকরণ(NLP) সুবিধা।
- প্রোগ্রামিং ভাষার ব্যাপক উন্নয়ন।
- তথ্য প্রক্রিয়াকরণের গতি ও ক্ষমতা অত্যন্ত বেশি।
- হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের ব্যাপক সমন্বয়।
- অনলাইন ও বুদ্ধিমান ইন্টারনেটভিত্তিক ব্যবহার।
- বিপুল ক্ষমতাসম্পন্ন সুপার কম্পিউটার উন্নয়ন।
 
• পঞ্চম প্রজন্মের কম্পিউটারের ব্যবহার:
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক সিস্টেম।
- রোবোটিক্স ও স্বয়ংক্রিয় নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা।
- ভাষা শনাক্তকরণ ও অনুবাদ।
- বিশেষজ্ঞ সিস্টেম(Expert System)।
- আধুনিক গবেষণা ও ডেটা বিশ্লেষণ।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)। 

৩৭২.
ট্রানজিস্টর আবিষ্কারের সাথে সম্পৃক্ত ব্যাক্তি নয় কে?
  1. জে. বার্ডিন
  2. উইলিয়াম অডরেট
  3. ডব্লিউ ব্রাটেন
  4. ডব্লিউ সক্লে
ব্যাখ্যা
• ট্রানজিস্টর:
-  ট্রানজিস্টর একটি অর্ধপরিবাহী যন্ত্র, যা সাধারণত অ্যামপ্লিফায়ার এবং বৈদ্যুতিকভাবে নিয়ন্ত্রিত সুইচ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- তিন প্রান্তবিশিষ্ট যে ক্ষুদ্র অর্ধপরিবাহী যন্ত্রে বহির্মুখী প্রবাহ, ভোল্টেজ এবং ক্ষমতা অন্তর্মুখী প্রবাহ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় তাকে ট্রানজিস্টর বলে।
- ১৯৪৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের বেল টেলিফোন ল্যাবরেটরির তিনজন গবেষক জে. বার্ডিন, ডব্লিউ ব্রাটেন ও ডব্লিউ সক্লে  ট্রানজিস্টর আবিষ্কারের করেন।
- ট্রানজিস্টর আবিষ্কারের কারণে জে. বার্ডিন, ডব্লিউ ব্রাটেন ও ডব্লিউ সক্লেকে ১৯৫৬ সালে নোবেল পুরষ্কার দেয়া হয়। 
- ট্রানজিস্টর দুর্বল তড়িৎ সংকেতকে বিবর্ধন করতে পারে এবং উচ্চগতিসম্পন্ন সুইচ হিসেবে ব্যবহার করা যায়। 
- ট্রানজিস্টরের প্রধান অংশ তিনটি। যথা - এমিটার, কালেক্টর এবং বেস।  
- ট্রানজিস্টর আকারে অনেক ছোট হওয়ায় বিদ্যুৎ খরচ কম হয়,কম্পিউটার গরম কম হয় এবং ট্রানজিস্টর আবিষ্কারের ফলে কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি পেয়েছে। 

 উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৭৩.
কোন যন্ত্র আবিষ্কারের জন্য চার্লস ব্যবেজকে কম্পিউটারের জনক বলা হয়?
  1. ক) এনালাইজিং ইঞ্জিন
  2. খ) এসেম্বলি লাইনার
  3. গ) ডিফারেন্স ইঞ্জিন
  4. ঘ) এনিগমা ইঞ্জিন
ব্যাখ্যা
চার্লস ব্যাবেজ:

- ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় গণিতবিদ অধ্যাপক চার্লস ব্যাবেজ ১৮২২ সালে ডিফারেন্স ইঞ্জিন আবিষ্কার করেন। এজন্য তাকে কম্পিউটারের জনক বলা হয়।
- ১৮৩৩ সালে এনালিটিক্যাল ইঞ্জিন নামক একটি যান্ত্রিক কম্পিউটার তৈরীর পরিকল্পনা গ্রহণ করেন এবং নকশা করেন।

তথ্যসূত্র - মাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি।
৩৭৪.
কম্পিউটারের আর্কিটেকচার এর সাথে কার নাম জড়িত?
  1. জন ভন নিউম্যান
  2. চার্লস ব্যাবেজ
  3. অগাস্টা অ্যাডা
  4. টিম বার্নার্স-লি
ব্যাখ্যা

◉ জন ভন নিউম্যান আধুনিক কম্পিউটার আর্কিটেকচারের জনক হিসেবে পরিচিত। তিনি ১৯৪৫ সালে ভন নিউম্যান আর্কিটেকচার প্রস্তাব করেন। 

জন ভন নিউম্যান: 
- জন ভন নিউম্যান, আসল নাম জ্যানোস নিউম্যান, (জন্ম 28 ডিসেম্বর, 1903, বুদাপেস্ট, হাঙ্গেরি—মৃত্যু 8 ফেব্রুয়ারি, 1957, ওয়াশিংটন, ডিসি, ইউ.এস.), হাঙ্গেরিয়ান-বংশোদ্ভূত আমেরিকান গণিতবিদ।
- ফলিত গণিতের জন্য ভন নিউম্যানের উপহার কোয়ান্টাম তত্ত্ব, স্বয়ংক্রিয় তত্ত্ব, অর্থনীতি এবং প্রতিরক্ষা পরিকল্পনাকে প্রভাবিত করে এমন দিকগুলিতে তার কাজ নিয়েছিল।
- ভন নিউম্যান গেম তত্ত্বের পথপ্রদর্শক এবং অ্যালান টুরিং এবং ক্লড শ্যাননের সাথে সঞ্চিত-প্রোগ্রাম ডিজিটাল কম্পিউটারের ধারণাগত উদ্ভাবকদের একজন ছিলেন।
- ভন নিউম্যান মেশিন, আধুনিক, বা ক্লাসিক্যাল, কম্পিউটারের মৌলিক নকশা করেন।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ENIAC-এর নির্মাণে জড়িত তিনজন প্রধান বিজ্ঞানী-আর্থার বার্কস, হারম্যান গোল্ডস্টাইন এবং জন ভন নিউম্যান-"ইলেক্ট্রনিক কম্পিউটিং ইন্সট্রুমেন্টের লজিক্যাল ডিজাইনের প্রাথমিক আলোচনা" (1946)-এ ধারণাটি সম্পূর্ণরূপে প্রকাশ করেছিলেন।

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
চার্লস ব্যাবেজ: অ্যানালিটিক্যাল ইঞ্জিনের ডিজাইনার (মেকানিক্যাল কম্পিউটার)।
অগাস্টা অ্যাডা: প্রথম প্রোগ্রামার হিসাবে পরিচিত।
টিম বার্নার্স-লি: ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (WWW) এর উদ্ভাবক।

উৎস: ব্রিটানিকা। 

৩৭৫.
কম্পিউটারের বিকাশের কোন পর্যায়ে প্রথমবার ট্রানজিস্টর প্রযুক্তি প্রয়োগ করা হয়েছিল?
  1. প্রথম প্রজন্ম
  2. দ্বিতীয় প্রজন্ম
  3. চতুর্থ প্রজন্ম
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা

• কম্পিউটার বিকাশের দ্বিতীয় প্রজন্মে (Second Generation) প্রথম ট্রানজিস্টর ব্যবহৃত হয়। 

• দ্বিতীয় প্রজন্ম কম্পিউটার:
- ১৯৫৯ সাল হতে ১৯৬৫ সাল পর্যন্ত আবিষ্কৃত কম্পিউটারেকে দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার হিসাবে ধরা হয়।
- ট্রানজিস্টর আবিষ্কার হওয়ার ফলে এই প্রজন্মের কম্পিউটারে বায়ুশূন্য টিউবের পরিবর্তে ট্রানজিস্টর ব্যবহৃত হয়।
ট্রানজিস্টরে কোনো চলমান অংশ নেই এবং এর কাজ সুইচের মতো।
- দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারে ট্রানজিস্টর ব্যবহারের ফলে কম্পিউটারের আকার ছোট হয়, দাম কমে যায়, কম্পিউটারের গতি বৃদ্ধি পায় এবং বিদ্যুৎ খরচের পরিমাণও অনেক কমে যায়।
- এই সময়ে কম্পিউটারের তাপ সমস্যার সমাধান হয়।
- চুম্বকীয় কোর স্মৃতি এবং উচ্চ গতিসম্পন্ন ইনপুট-আউটপুট অংশ এই সময়ে কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয়।
- দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারেই প্রথম উচ্চতর প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ যেমন ফোরট্রান (FORTRAN), কোবল (COBOL) ইত্যাদির উদ্ভব ও প্রচলন শুরু হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৭৬.
ENIAC কম্পিউটারটির উদ্ভাবক ছিলেন -
  1. Larry Page and Sergey Brin
  2. Steve Jobs and Steve Wozniak
  3. John Mauchly and J. Presper Eckert
  4. Bill Gates and Paul Allen
ব্যাখ্যা
• ENIAC:
- ENIAC-এর পূর্ণরূপ হলো Electronic Numerical Integrator And Computer.
- ১৯৪৬ সালে ড. জন মউসলি (John Mauchly) এবং তার ছাত্র প্রেসপার একার্ট (J. Presper Eckert) যৌথভাবে ENIAC (Electronic Numerical Integrator And Calculator) নামক কম্পিউটারটি তৈরি করেছিলেন।
- ENIAC ছিল প্রথম প্রজন্মের ডিজিটাল কম্পিউটার।
- ENIAC কম্পিউটারের প্রোগ্রামের জন্য তারযুক্ত প্লাগবোর্ড ব্যবহার করা হতো। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৭৭.
চার্লস ব্যাবেজ কোন যন্ত্রটি উদ্ভাবন করেছিলেন?
  1. অ্যানালিটিক্যাল ইঞ্জিন
  2. টাইপরাইটার
  3. ক্যালকুলেটর
  4. অ্যাবাকাস 
ব্যাখ্যা

◉ চার্লস ব্যাবেজ (Charles Babbage) ছিলেন একজন ব্রিটিশ গণিতবিদ ও কম্পিউটিং পথিকৃৎ, যাকে "কম্পিউটারের জনক" বলা হয়। তিনি ১৮৩৭ সালে অ্যানালিটিক্যাল ইঞ্জিন ডিজাইন করেছিলেন, যা ছিল একটি যান্ত্রিক জেনারেল-পারপাস কম্পিউটার।
- এটি প্রোগ্রামযোগ্য ছিল এবং আধুনিক কম্পিউটারের মূল নীতিগুলি (ইনপুট/আউটপুট, প্রসেসিং, মেমরি) ধারণ করত।

চার্লস ব্যাবেজ:
- প্রযুক্তির ইতিহাসের অন্যতম এক স্মরণীয় ব্যক্তিত্বের নাম চার্লস ব্যাবেজ।
- তিনি ছিলেন একাধারে গণিতবিদ, দার্শনিক, আবিষ্কারক এবং যন্ত্র প্রকৌশলী।
- তাঁকে কম্পিউটারের জনক বলা হয়।
- তিনি ডিফারেন্স ইঞ্জিন ও এনালিটিক্যাল ইঞ্জিন নামের দুইটি গণনা যন্ত্র তৈরি করেন।
- প্রযুক্তির সীমাবদ্ধতার কারণে তাঁর উদ্ভাবিত যন্ত্র সেই সময় সাফল্যের সাথে কাজ করতে পারেনি।
- ১৯৯১ সালে তাঁর ডিজাইন থেকেই সফলভাবে কর্মক্ষম একটি যন্ত্র তৈরি করা হয়।
- চার্লসের দুটি ইঞ্জিনই গণনার কাজ করতে পারত।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৭৮.
কম্পিউটার বিজ্ঞানের জনক চার্লস ব্যাবেজ কোন যন্ত্রের নকশা তৈরি করেছিলেন?
  1. Difference Engine
  2. Tabulating Machine
  3. Pascaline
  4. উপরের সবগুলো 
ব্যাখ্যা

◉ চার্লস ব্যাবেজ (Charles Babbage) কম্পিউটিং ইতিহাসের একজন অগ্রগামী, যাকে "কম্পিউটারের জনক" বলা হয়। তিনি দুটি যন্ত্রের ডিজাইন তৈরি করেছিলেন:
i) ডিফারেন্স ইঞ্জিন (Difference Engine): এটি একটি যান্ত্রিক ক্যালকুলেটর, যা গাণিতিক সারণী তৈরি করতে ব্যবহৃত হতো।
ii) অ্যানালিটিক ইঞ্জিন (Analytical Engine): এটি একটি প্রোগ্রামযোগ্য যন্ত্র, যা আধুনিক কম্পিউটারের ধারণার ভিত্তি তৈরি করে। এটি লজিক্যাল অপারেশন এবং ডেটা প্রসেসিং করতে সক্ষম ছিল।

চার্লস ব্যাবেজ:
- প্রযুক্তির ইতিহাসের অন্যতম এক স্মরণীয় ব্যক্তিত্বের নাম চার্লস ব্যাবেজ।
- তিনি ছিলেন একাধারে গণিতবিদ, দার্শনিক, আবিষ্কারক এবং যন্ত্র প্রকৌশলী।
- তাঁকে কম্পিউটারের জনক বলা হয়।
- তিনি ডিফারেন্স ইঞ্জিন ও এনালিটিক্যাল ইঞ্জিন নামের দুইটি গণনা যন্ত্র তৈরি করেন।
- প্রযুক্তির সীমাবদ্ধতার কারণে তাঁর উদ্ভাবিত যন্ত্র সেই সময় সাফল্যের সাথে কাজ করতে পারেনি।
- ১৯৯১ সালে তাঁর ডিজাইন থেকেই সফলভাবে কর্মক্ষম একটি যন্ত্র তৈরি করা হয়।
- চার্লসের দুটি ইঞ্জিনই গণনার কাজ করতে পারত।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৭৯.
Abacus কী?
  1. ক) অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার
  2. খ) ইউটিলিটি সফটওয়্যার
  3. গ) প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ
  4. ঘ) গণনাযন্ত্র
ব্যাখ্যা
• অ্যাবাকাস (Abacus):
- গণনার কাজে সহায়তার জন্য প্রাচীনকাল থেকে বিভিন্ন প্রকার যান্ত্রিক কৌশল প্রচলিত থাকলেও অ্যাবাকাস (Abacus) নামক একটি প্রাচীন গণনার যন্ত্রকেই কম্পিউটারের ইতিহাসে প্রথম যন্ত্র হিসেবে ধরা হয়। অর্থাৎ বলা যায় অ্যাবাকাস থেকেই কম্পিউটারের ইতিহাসের শুভযাত্রা।
- অ্যাবাকাস শব্দটির অর্থ হলো গণনাকারী বোর্ড।
- এটি কাঠের তৈরি আয়তাকার কাঠামো যাতে ফ্রেমের ভেতরে সুতা বা তার বেঁধে বিভিন্ন রঙের গুটি বা বল সাজানো থাকে।
- সাধারণত প্রত্যেক তারের ওপরের দিকে দুটি এবং নিচের দিকে পাঁচটি বল বা গুটি লাগানো থাকে।
- সবার ওপরের তারকে ধরা হতো এককের ঘর, দ্বিতীয় তারটি ছিল দশকের এবং তৃতীয় তারটি ছিল শতকের। এভাবে প্রত্যেক তারে একটি করে মান থাকত। ফ্রেমের মাঝখান বাম, ডান কিংবা ওপর-নিচ বিভক্ত থাকত। গুটিগুলো সঞ্চালন করে অ্যাবাকাসের সাহায্যে যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ প্রভৃতি কাজ করা যেত।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৮০.
প্রোগ্রামিং এর জন্য শত শত তার বদলাতে কয়েকদিন পর্যন্ত সময় লেগে যেত –--- এ সমস্যা দূর করার জন্য ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা কোন কম্পিউটার তৈরির উদ্যোগ নেয়?
  1. EDSAC
  2. ABC
  3. ENIAC
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• ABC (Atanasoff Berry Computer):
- যুক্তরাষ্ট্রের আইওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞানের অধ্যাপক ড. জন ভিনসেন্ট অ্যাটানোসফ (Dr. John Vincent Atanasoff) এবং তাঁর ছাত্র ক্লিফ (Cliff Berry) ১৯৩৯ সালে যৌথভাবে ভ্যাকুয়াম টিউব ব্যবহার একটি ইলেকট্রনিক গণনাকারী যন্ত্র আবিষ্কার করেন।
- তাঁদের নামানুসারে যন্ত্রটির নামকরণ করা হয় এবিসি (ABC - Atanasoff Berry Computer)।
- এটিই ছিল প্রথম ইলেকট্রনিক কম্পিউটার।
- এটির গাণিতিক/যুক্তিমূলক কাজের জন্য ৪৫টি ভ্যাকুয়াম টিউব এবং তথ্য সংরক্ষণের জন্য মেমোরি হিসেবে ক্যাপাসিটর ব্যবহার করা হয়।

• ENIAC (Electronic Numerical Integrator and Calculator): 

- ১৯৪৬ সালে ড. জন মডসাল এবং তাঁর ছাত্র প্রেসপার একটি (Presper Eckert) যৌথভাবে ENIAC (Electronic Numerical Integrator and Calculator) নামক কম্পিউটারটি তৈরি করেছিলেন।
- ENIAC হচ্ছে প্রথম প্রজন্মের ডিজিটাল কম্পিউটার।
- এনিয়াক (ENIAC) কম্পিউটারের প্রোগ্রামের জন্য তারযুক্ত প্লাগবোর্ড ব্যবহার করা হতো।

• EDSAC (Electronic Delay Storage Automatic Calculator):
- প্রোগ্রামিংয়ের জন্য তারের সংযোগ বদলানোর প্রয়োজন হতো এবং শত শত সংযোগ বদলানোর জন্য কয়েক দিন পর্যন্ত সময় লেগে যেত।
- এ ধরনের অসুবিধার দূর করার লক্ষ্যে আমেরিকায় এডভ্যাক (EDVAC) তৈরির সময়েই কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিতের অধ্যাপক মার্কস উইলকিসের নেতৃত্বাধীন একদল বিজ্ঞানী EDSAC (Electronic Delay Storage Automatic Calculator) নামক কম্পিউটারটি তৈরি করেন।

- প্রকৃতপক্ষে এডস্যাক (EDSAC) কম্পিউটারই প্রথম সংরক্ষিত প্রোগ্রামবিশিষ্ট ইলেকট্রনিক কম্পিউটার। 

• UNIVAC (Universal Automatic Computer):
- ১৯৫১ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেট ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজিতে হোয়ার্লউইন্ড-১ কম্পিউটার নির্মাণের কাজ শেষ হয়।
- একই বছরে ENIAC- এর নির্মাতারা UNIVAC (Universal Automatic Computer) কম্পিউটারের নির্মাণকাজ শেষ করেন। ইউনিভ্যাকই ছিল সর্বপ্রথম বাণিজ্যিক ভিত্তিতে তৈরি ইলেকট্রনিক কম্পিউটার এবং এ যন্ত্রেই সর্বপ্রথম চুম্বক-ফিতা ব্যবহার করা হয়েছিল। UNIVAC কম্পিউটারে একই সঙ্গে পড়া, গণনা ও তথ্য লেখার কাজ করা যেত।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৮১.
ARPANET কোন প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে তৈরি হয়েছিল?
  1. DARPA
  2. ISO
  3. IEEE
  4. NASA
ব্যাখ্যা

• ARPANET হলো একটি নেটওয়ার্ক যা তৈরি করা হয় DARPA এর উদ্যোগে। DARPA (Defense Advanced Research Projects Agency) হলো মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের একটি গবেষণা সংস্থা। 

• ARPANET:
- ১৯৬৮ সালের ARPANET ছিলো ইন্টারনেটের প্রাথমিক পর্যায়।
- ARPANET-এর পূর্ণরূপ হলো: ‘Advanced Research Projects Agency Network’.
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে ১৯৬৯ সালে ARPANET এর প্রকৃত যাত্রা শুরু হয়।
- ১৯৮২ সালে TCP/IP উদ্ভাবনের মাধ্যমে ইন্টারনেটের প্রাথমিক যাত্রা শুরু হয়।
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদানের জন্য সর্বাধিক ব্যবহৃত প্রটোকল TCP/IP.
- ১৯৯২ সালে ইন্টারনেট সোসাইটি (ISOC) প্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৮২.
অ্যাবাকাসকে জাপানে কী নামে ডাকা হয়?
  1. সরোবান
  2. সুয়ানপান
  3. স্কেটিয়া
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• অ্যাবাকাস:
- অ্যাবাকাস প্রাচীনতম গণনা যন্ত্র, যা একটি ফ্রেমে সাজানো গুটির স্থান পরিবর্তন করে গণনা করার কাজ পরিচালিত করে।
- গুটি গুলো সঞ্চালন করে অ্যাবাকাসের সাহায্যে যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ ইত্যাদি কাজ করা যেত।
- অ্যাবাকাস শব্দটির অর্থ গণনাকারী বোর্ড।
- খ্রীস্টপূর্ব পঞ্চম শতাব্দীতে অ্যাবাকাসের প্রথম ব্যবহার শুরু হয়েছিল চীনে।
- দ্বাদশ শতাব্দী পর্যন্ত ইউরোপ ও এশিয়ায় অ্যাবাকাস ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়েছিল।
- পঞ্চদশ শতাব্দীতে অ্যাবাকাস জাপানে প্রবর্তিত হয়।
- চীনে অ্যাবাবাসকে বলা হয় সুয়ানপান (Suanpan), জাপানে সরোবান (Soroban) এবং রাশিয়াতে বলা হয় স্কেটিয়া ( Sketia)।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৮৩.
নিচের কোনটি বিশ্বের প্রথম ওয়েব ব্রাউজার?
  1. ক) Mosaic
  2. খ) WorldWideWeb
  3. গ) Archie
  4. ঘ) Bing
ব্যাখ্যা
টিম বার্নাস লি - সর্বপ্রথম ১৯৯০ সালে ওয়েব ব্রাউজার উদ্ভাবন করেন।
- তাঁর উদ্ভাবিত প্রথম ব্রাউজারের নাম - WorldWideWeb. এটি ১৯৯৪ সালে এই নামে চালু থাকে।
- পরবর্তীতে ১৯৯৪ সালে WorldWideWeb এর নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় - Nexus.
------------
- Archie হলো প্রথম সার্চ ইঞ্জিন।
- Mosaic একটি ওয়েব ব্রাউজার।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৩৮৪.
বিশ্বের প্রথম কমার্শিয়াল কম্পিউটার হলো- 
  1. ENIAC
  2. UNIVAC
  3. IBM 701
  4. Mark I
ব্যাখ্যা

UNIVAC-এর প্রধান পরিচয় হলো এটি ইতিহাসের প্রথম বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদিত ও বিক্রিত কম্পিউটার যা আধুনিক কম্পিউটার শিল্পের ভিত্তি স্থাপন করেছিল।

UNIVAC:
- UNIVAC এর পূর্ণরূপ Universal Automatic Computer.
- ১৯৫১ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজিতে হোয়ার্লউইন্ড-১ কম্পিউটার নির্মাণের কাজ শেষ হয়।
- একই বছরে ENIAC- এর নির্মাতা ড. জন মউসলি ও প্রেসপার UNIVAC কম্পিউটারের নির্মাণকাজ শেষ করেন।
- ইউনিভ্যাকই ছিল সর্বপ্রথম বাণিজ্যিক ভিত্তিতে তৈরি ইলেকট্রনিক কম্পিউটার এবং এ যন্ত্রেই সর্বপ্রথম চুম্বক-ফিতা ব্যবহার করা হয়েছিল।
- UNIVAC কম্পিউটারে একই সঙ্গে পড়া, গণনা ও তথ্য লেখার কাজ করা যেত।

• কিছু গুরুত্বপূর্ণ পূর্ণরূপ:
- ENIAC: Electronic Numerical Integrator and Computer.
- EDVAC: Electronic Discrete Variable Automatic Computer.
- ASSC (MARK-1): Automatic Sequence Control Calculator.
- ABC: Atanasoff-Berry Computer.

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৮৫.
নিচের কোনটি কম্পিউটারের মস্তিষ্ক রূপে কাজ করে?
  1. ক) গ্রাফিক্স কার্ড
  2. খ) হার্ড ডিস্ক
  3. গ) প্রসেসর
  4. ঘ) রম
ব্যাখ্যা
প্রসেসর হলো কম্পিউটারের অন্যতম প্রধান হার্ডওয়্যার। মূলত একে CPU = Central Processing Unit (সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট) বলে। প্রকৃত অর্থে মাইক্রো প্রসেসর একটি সয়ংসম্পন্ন এবং প্রোগ্রামেবল গাণিতিক ইন্জিন। যা ইন্সটাকশনের মাধ্যমে কম্পিউটারের যাবতীয় অপারেশন নিয়ন্ত্রণ এবং সম্পাদন করে।
৩৮৬.
বিনা তারে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে বার্তা প্রেরণে প্রথম সফল হোন কোন বিজ্ঞানী?
  1. ক) জগদীশ চন্দ্র বসু
  2. খ) অ্যাডা লাভলেস
  3. গ) জেমস ক্লার্ক ম্যাক্স অয়েল
  4. ঘ) গুগ্লিয়েলমো মার্কনি
ব্যাখ্যা

বিনা তারে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে বার্তা প্রেরণে প্রথম সফল জগদীশ চন্দ্র বসু। অ্যাডা লাভলেস algotithm programming এর ধারনা দেন। জেমস ক্লার্ক ম্যাক্স অয়েল electo-magnetic force এর ধারনা দেন। গুগ্লিয়েলমো মার্কনি বেতার যন্ত্রের আবিষ্কারক।
তথ্য সূত্রঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি, পৃষ্ঠা- ৩ ও ৪।

৩৮৭.
কোনটিতে প্রথম Punched Card ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) Analytical Engine
  2. খ) ENIAC
  3. গ) Hollerith Machine
  4. ঘ) Magnetic Machine
ব্যাখ্যা
বিদ্যুৎ দ্বারা চালিত প্রথম মেশিন হচ্ছে HOLLERITH MACHINE, এটি আবিষ্কার করেন HERMAN HOLLERITH, এটিতে একটি মেশিন ডাটা রেকর্ডিং সুতাে এবং অন্য মেশিনের রেকর্ড করা ডাটা ক্যালকুলেশন করতো।
এই মেশিনে নাম্বার এবং Text উভয়ই পড়তে পারতাে। এটিতেই প্রথম Punched card ব্যবহার করা হয়। এটির অপর নাম Tabulating Machine.
সুত্রঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি প্রথম পত্র, নবম দশম শ্রেণি।
৩৮৮.
নিচের কোন উক্তিটি ভুল?
  1. ক) ১৯৬৯ সালে Ken Thompson ইউনিক্স অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করেন
  2. খ) ইউনিক্স অপারেটিং সিস্টেমে একসঙ্গে একাধিক অপারেটর কাজ করতে পারে
  3. গ) শুধু মেইনফ্রেম কম্পিউটারে ইউনিক্স ব্যবহার করা যায়
  4. ঘ) ইউনিক্স অপারেটিং সিস্টেমকে মাল্টিটাস্কিং বলে
ব্যাখ্যা
ইউনিক্স (Unix): ১৯৬৯ সালে Ken Thompson AT&T-এর বেল ল্যাবরেটরি হতে মিনি কম্পিউটার PDP-7 এর জন্য সহজ, সরল এবং তুলনামূলকভাবে ছোট আকারের ইউনিক্স নামে একটি অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করেন। আইনগত বাধার কারণে ১৯৭৬ সালের পূর্ব পর্যন্ত Unix কেবলমাত্র AT&T-ই ব্যবহার করতাে। ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযােগিতায় ১৯৭৬ সালে ইউনিক্স প্রথম পাবলিক ভার্সন UNIX-6 বের হয়। ১৯৭৮ সালে বের হয় Unix-7। ইউনিক্স একটি চমৎকার অপারেটিং সিস্টেম। একসঙ্গে একাধিক অপারেটর কাজ করতে পারে। সেজন্য এটিকে মাল্টি ইউজার বলা হয়। আবার একই সঙ্গে বহুকাজ এবং একটি মনিটরকে বহু মনিটরের ন্যায় ব্যবহার করা যায় বলে এই সিস্টেমকে মাল্টিটাস্কিং (Multitasking)-ও বলে। মেইনফ্রেম কম্পিউটার থেকে শুরু করে মাইক্রোকম্পিউটারে ইউনিক্স ব্যবহার করা যায়।
উৎসঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
৩৮৯.
বর্তমানে কম্পিউটারের কোন প্রজন্ম চলছে?
  1. চতুর্থ
  2. পঞ্চম
  3. অষ্টম
  4. নবম
ব্যাখ্যা
• ১৯৪২ হতে ১৯৫৯ সাল পর্যন্ত আবিষ্কৃত কম্পিউটারকে সাধারণত প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার বলা হয়।
এবিসি (ABC), এনিয়াক (ENIAC), এডসেক (EDSAC), ইউনিভ্যাক (UNIVAC) প্রভৃতি প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার।

• ১৯৫৯ সাল হতে ১৯৬৫ সাল পর্যন্ত আবিষ্কৃত কম্পিউটারেকে দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার হিসাবে ধরা হয়।
IBM-1400, CDC-1604, RCA 301, RCA 501, NCR 300, GE 200 ইত্যাদি দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার।

• ১৯৬৫ সাল হতে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত আবিষ্কৃত কম্পিউটারকে তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার হিসাবে ধরা হয়।
IBM 360, IBM 370, PDP II, GE 600 ইত্যাদি তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার।

• চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটারের সময়কাল হল ১৯৭১ সাল হতে বর্তমান সময় পর্যন্ত।
IBM PS/2, Apple Macintosh ইত্যাদি চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটার।

সূত্রঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
৩৯০.
PDA-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Protocol Disk Administrator
  2. Personal Digital Assistant
  3. Primary Digital Assistant
  4. Portable Disk Assistants
ব্যাখ্যা
• PDA-এর পূর্ণরূপ Personal Digital Assistant.

• PDA:
- ১৯৯৩ সালে ইলেকট্রনিক নির্মাতারা পার্সোনাল ডিজিটাল অ্যাসিস্টেন্ট তৈরি করেন।
- পিডিএ এর প্রাথমিক ভার্সন ছিল অ্যাপলের নিউটন।
- এ ধরনের কম্পিউটার ক্ষুদ্রাকৃতির এবং দেখতে অনেকটা ক্যালকুলেটরের ন্যায়, যা হাতের তালুর মধ্যে রেখে ব্যবহার করা যায়, এমনকি পকেটে রেখে সহজে বহন করা যায়।
- এট হেল্ড বা পকেট কম্পিউটার নামেও পরিচিত।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৯১.
প্রথম ল্যাপটপ কম্পিউটার কোন কোম্পানির উদ্যোগে প্রবর্তন করা হয়েছিল?
  1. Dell
  2. IBM
  3. Epson
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• ল্যাপটপ কম্পিউটার:
- ল্যাপটপ কম্পিউটার এসি বিদ্যুত এবং ব্যাটারি উভয়ের সাহায্যেই ব্যবহার করা যায়।
- ১৯৮১ সালে এপসন (Epson) কোম্পানি প্রথম ল্যাপটপ কম্পিউটার প্রবর্তন করে।
- ল্যাপটপ কম্পিউটার ডেক্সটপের চেয়ে অনেক বেশি বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী।

- ল্যাপটপ কম্পিউটারে মাউসের পরিবর্তে টাচপ্যাড ব্যবহার করা হয়।
- ল্যাপটপ কম্পিউটারের সাথে আলাদাভাবে মিনিটর, মাউস, কি-বোর্ড ইত্যাদি ডিভাইস যুক্ত করা যায়।
- বাংলাদেশের তৈরি প্রথম ল্যাপটপ দোয়েল (DOEL) তৈরি করে টেলিফোন শিল্প সংস্থা লিমিটেড।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৩৯২.
C প্রোগ্রামিং ভাষার জনক কে?
  1. কেন থম্পসন
  2. ডেনিস রিচি
  3. অ্যালান টুরিং
  4. চার্লস সিমনি
ব্যাখ্যা

• ডেনিস রিচি: তিনি C প্রোগ্রামিং ভাষা উদ্ভাবন করেন এবং UNIX অপারেটিং সিস্টেম উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
 
• কম্পিউটার ও আইসিটিতে বিভিন্ন বিষয়ের জনক:

• আধুনিক কম্পিউটারের জনক:
- চার্লস ব্যাবেজ (Charles Babbage)–কে আধুনিক কম্পিউটারের জনক বলা হয়।
- তিনি Analytical Engine–এর ধারণা প্রদান করেন।
 
• কম্পিউটার বিজ্ঞানের জনক:
- অ্যালান টুরিং (Alan Turing)–কে কম্পিউটার বিজ্ঞানের জনক বলা হয়।
- তিনি Turing Machine ধারণা প্রদান করেন।
 
• কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জনক(AI):
- জন ম্যাকার্থি (John McCarthy)–কে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জনক বলা হয়।
- তিনিই প্রথম Artificial Intelligence শব্দটি ব্যবহার করেন।
 
• ইন্টারনেটের জনক:
- ভিন্ট সার্ফ (Vint Cerf) ও রবার্ট কান (Robert Kahn)–কে ইন্টারনেটের জনক বলা হয়।
- তারা TCP/IP প্রোটোকল উন্নয়ন করেন।
 
• World Wide Web-এর জনক:
- টিম বার্নার্স-লি (Tim Berners-Lee)–কে WWW–এর জনক বলা হয়।
- তিনি HTTP, HTML ও URL উদ্ভাবন করেন।
 
• ই-মেইলের জনক:
- রে টমলিনসন (Ray Tomlinson)–কে ই-মেইলের জনক বলা হয়।
- তিনি প্রথম ই-মেইলে @ (at) চিহ্ন ব্যবহার করেন।
 
• প্রোগ্রামিং ভাষার জনক (C Language):
- ডেনিস রিচি (Dennis Ritchie)–কে C প্রোগ্রামিং ভাষার জনক বলা হয়।
 
• অপারেটিং সিস্টেমের জনক (UNIX):
- ডেনিস রিচি ও কেন থম্পসন (Ken Thompson)–কে UNIX অপারেটিং সিস্টেমের জনক বলা হয়।
 
• কম্পিউটার মাউসের জনক:
- ডগলাস এঙ্গেলবার্ট (Douglas Engelbart)–কে কম্পিউটার মাউসের জনক বলা হয়।
 
• কম্পিউটার গ্রাফিক্সের জনক:
- ইভান সাদারল্যান্ড (Ivan Sutherland)–কে কম্পিউটার গ্রাফিক্সের জনক বলা হয়।
 
• ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যারের জনক:
- চার্লস সিমনি (Charles Simonyi)–কে আধুনিক ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যারের পথিকৃৎ বলা হয়।
  
উৎস: ব্রিটানিকা।

৩৯৩.
কোনটি অ্যানালগ ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট?
  1. 555 Timer
  2. Microprocessor
  3. Logic gate IC
  4. FPGA
ব্যাখ্যা

• অ্যানালগ ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট (IC) হলো এমন একটি সার্কিট যা ধারাবাহিক সংকেত (continuous signals) নিয়ে কাজ করে, অর্থাৎ ভোল্টেজ বা কারেন্টের মান নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে ধীরে ধীরে পরিবর্তিত হতে পারে। দেওয়া অপশনগুলোর মধ্যে 555 Timer একটি ক্লাসিক অ্যানালগ IC, যা অস্থিরতা (oscillation), পুলস (pulse generation) এবং টাইমিং অ্যাপ্লিকেশনের জন্য ব্যবহৃত হয়। অন্যদিকে Microprocessor, Logic gate IC, এবং FPGA ডিজিটাল সার্কিটের উদাহরণ, কারণ এগুলো শুধুমাত্র ডিজিটাল সংকেত (0 এবং 1) নিয়ে কাজ করে। তাই অ্যানালগ ইন্টিগ্রেটেড সার্কিটের সঠিক উত্তর হলো 555 Timer। এটি ইলেকট্রনিক্সে অ্যানালগ টাইমিং এবং সিগন্যাল কন্ট্রোলের জন্য সবচেয়ে জনপ্রিয় IC.

• Integrated Circuit:
- ১৯৫৮ সালে রবার্ট নইসি (Robert Noyce) এবং জ্যাক কিলবি (Jack Kilby) IC (Integrated Circuit) আবিষ্কার করে ইলেকট্রনিক জগতে যুগান্তকারী পরিবর্তনের সূচনা করেন।
- একটি মাত্র IC-তে অনেকগুলো ট্রানজিস্টর, রেজিস্টার, ক্যাপাসিটর এবং অন্যান্য উপকরণ মিশিয়ে একটি ক্ষুদ্র সিলিকন পাতের ওপর স্থাপন করা থাকে।
- তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারগুলো IC ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছিল।
- ফলে কম্পিউটারের আকার আরো ছোট হয়ে আসে, দাম কমে যায়, বিদ্যুৎ খরচ কমে যায়, কাজের গতি ও নির্ভরশীলতা বহুগুণে বেড়ে যায়।
- একই সাথে কম্পিউটারের মেমোরিব্যবস্থারও উন্নতি ঘটে।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
২. ব্রিটানিকা।

৩৯৪.
স্কেটিয়া হচ্ছে –
  1. প্রিন্টিং ডিভাইস 
  2. ভাইরাসের নাম 
  3. গণনা যন্ত্র
  4. এন্টিভাইরাসের নাম 
ব্যাখ্যা
অ্যাবাকাস (Abacus):
- অ্যাবাকাস প্রাচীনতম গণনা যন্ত্র, যা একটি ফ্রেমে সাজানো গুটির স্থান পরিবর্তন করে গণনা করার কাজ পরিচালিত করে।
- গুটিগুলো সঞ্চালন করে অ্যাবাকাসের সাহায্যে যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ প্রভৃতি কাজ করা যেত৷
- খ্রিষ্টপূর্ব পঞ্চম শতাব্দীতে অ্যাবাকাসের প্রথম ব্যবহার শুরু হয়েছিল চীনে।
- দ্বাদশ শতাব্দী পর্যন্ত ইউরোপ ও এশিয়ায় অ্যাবাকাস ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়েছিল।
- পঞ্চদশ শতাব্দীতে অ্যাবাকাস জাপানে প্রবর্তিত হয়।
- চীনে অ্যাবাকাসকে বলা হয় সুয়ানপান (Suanpan), জাপানে সরোবান (Soroban) এবং রাশিয়াতে বলা হয় স্কেটিয়া (Sketia)
--------------------
--------------------

- অ্যাবাকাস শব্দটির অর্থ হলো গণনাকারী বোর্ড।
- এটি কাঠের তৈরি আয়তাকার কাঠামো যাতে ফ্রেমের ভেতরে সুতা বা তার বেঁধে বিভিন্ন রঙের গুটি বা বল সাজানো থাকে।
- সাধারণত প্রত্যেক তারের উপরের দিকে দুটি এবং নিচের দিকে পাঁচটি বল বা গুটি লাগানো  থাকে ।
- সবার ওপরের তারকে ধরা হতো এককের ঘর, দ্বিতীয় তারটি ছিল দশকের এবং তৃতীয় তারটি ছিল শতকের।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৯৫.
“অ্যাপল কম্পিউটার” কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. ক) স্টিভ জবস
  2. খ) স্টিভ জবস ও স্টিভ ওজনিয়াক
  3. গ) স্টিভ জবস, রোনাল্ড ওয়েনে ও স্টিভ ওজনিয়াক
  4. ঘ) স্যামুএল টমলিনসন
ব্যাখ্যা

“অ্যাপল কম্পিউটার” কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতা স্টিভ জবস, রোনাল্ড ওয়েনে ও স্টিভ ওজনিয়াক।
তথ্য সূত্রঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি, পৃষ্ঠা- ৫।

৩৯৬.
'Apple Macintosh' কোন প্রজন্মের কম্পিউটার?
  1. দ্বিতীয় প্রজন্ম
  2. তৃতীয় প্রজন্ম
  3. চতুর্থ প্রজন্ম
  4. পঞ্চম প্রজন্ম
ব্যাখ্যা
'Apple Macintosh' চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটার।

• কম্পিউটারের পাঁচটি প্রজন্ম বা জেনারেশন:
- প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৪২ - ১৯৫৯),
- দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৫৯ - ১৯৬৫),
- তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৬৫ - ১৯৭১),
- চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৭১ - বর্তমান),
- পঞ্চম প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৮২ - বর্তমান)।

• চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৭১- বর্তমান):
- মাইক্রোপ্রসেসর ও বৃহদাকার একীভূত বর্তনী ব্যবহার।
- আরও ছোট ও শক্তিশালী।
- মাইক্রো কম্পিউটারের উদ্ভব।
- সফটওয়্যার ও প্রোগ্রাম প্যাকেজের ব্যবহার।
- CD, Pen Drive ইত্যাদির মাধ্যমে তথ্য সংরক্ষণ।
- মাল্টিপ্রসেসর সিস্টেমের আবির্ভাব।
- উদাহরণ: IBM PS/2, Apple Macintosh.

উৎস: কম্পিউটার পরিচিতি ও ব্যবহার, স্কুল অব এগ্রিকালচার এন্ড রুরাল ডেভেলপমেন্ট, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৯৭.
ABC কম্পিউটারকে সাধারণভাবে বিশ্বের প্রথম কোন ধরনের কম্পিউটার হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়?
  1. প্রথম যান্ত্রিক কম্পিউটার
  2. প্রথম ইলেক্ট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার
  3. প্রথম ইলেকট্রনিক কম্পিউটার
  4. প্রথম বাণিজ্যিক কম্পিউটার
ব্যাখ্যা

• প্রথম ইলেকট্রনিক কম্পিউটার—ABC সম্পূর্ণভাবে ইলেকট্রনিক উপাদান (ভ্যাকুয়াম টিউব) ব্যবহার করে গণনা করত।

• এবিসি কম্পিউটার(ABC–Atanasoff Berry Computer):

- যুক্তরাষ্ট্রের আইওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞানের অধ্যাপক ড. জন ভিনসেন্ট অ্যাটানাসফ(Dr. John Vincent Atanasoff) এবং তাঁর ছাত্র ক্লিফ বেরি(Cliff Berry) ১৯৩৯ সালে যৌথভাবে একটি ইলেকট্রনিক গণনাযন্ত্র আবিষ্কার করেন।
- তাঁদের নামানুসারেই যন্ত্রটির নামকরণ করা হয় ABC (Atanasoff Berry Computer)।
- ABC–কে বিশ্বের প্রথম ইলেকট্রনিক কম্পিউটার হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- এই কম্পিউটারে গাণিতিক ও যুক্তিমূলক কাজের জন্য ৪৫টি ভ্যাকুয়াম টিউব ব্যবহৃত হয়েছিল।
- তথ্য সংরক্ষণের জন্য এতে মেমরি হিসেবে ক্যাপাসিটর ব্যবহার করা হয়।
- ABC কম্পিউটারটি ইলেকট্রনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে স্বয়ংক্রিয় গণনার পথ উন্মুক্ত করে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)।

৩৯৮.
কম্পিউটারের যন্ত্রাংশ বা যন্ত্রকে কি বলে?
  1. ক) মনিটর
  2. খ) আউটপুট
  3. গ) হার্ডওয়্যার
  4. ঘ) সফটওয়্যার
ব্যাখ্যা
কোন ব্যাখ্যা যোগ করা হয়নি।
৩৯৯.
DOEL ল্যাপটপ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. বিসিসি
  2. বিটিআরসি
  3. আইবিএম
  4. টেশিস
ব্যাখ্যা
• দোয়েল (DOEL):
- বাংলাদেশে তৈরি প্রথম ল্যাপটপের নাম দোয়েল (DOEL)।
- ২০১১ সালের ১১ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই ল্যাপটপের উদ্বোধন করেন। 
- দোয়েল ল্যাপটপের প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান হলো ‘টেলিফোন শিল্প সংস্থা (টেশিস) লিমিটেড।
- বাংলাদেশের জাতীয় পাখির নামে তৈরি দোয়েলের চারটি মডেলের নাম দেয়া হয়েছে জাতীয় জীবনের চারটি ঐতিহাসিক ঘটনার স্মরণে।
- ল্যাপটপের মাদার বোর্ডসহ শতকরা ৬০ ভাগ যন্ত্রাংশ বাংলাদেশেই তৈরি করা হয়েছে।

উৎস: বিবিসি বাংলা।
৪০০.
ARPANET নেটওয়ার্ক তৈরির উদ্যোগ নিয়েছিল কোন সংস্থা?
  1. ISO
  2. IEEE
  3. DARPA
  4. NASA
ব্যাখ্যা

• ARPANET নেটওয়ার্ক তৈরির উদ্যোগ নিয়েছিল DARPA। DARPA (Defense Advanced Research Projects Agency) হলো যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি গবেষণা সংস্থা, যা নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবনে কাজ করে। ১৯৬০-এর দশকে DARPA-এর লক্ষ্য ছিল একটি কম্পিউটার নেটওয়ার্ক তৈরি করা, যা দূরবর্তী কম্পিউটারগুলিকে সংযুক্ত করতে পারে এবং যেকোনো আক্রমণ বা যোগাযোগ বিঘ্নিত হলে তথ্যের আদান-প্রদান চালু রাখতে সক্ষম হবে। এই প্রচেষ্টা থেকেই জন্ম নেয় ARPANET, যা আজকের ইন্টারনেটের ভিত্তি। ARPANET প্রথমবার কম্পিউটারগুলির মধ্যে প্যাকেট-সুইচিং প্রযুক্তি ব্যবহার করে যোগাযোগ স্থাপন করে। এই নেটওয়ার্কের মাধ্যমে বৈজ্ঞানিক ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলির মধ্যে তথ্য দ্রুত এবং নিরাপদে আদান-প্রদান সম্ভব হয়।

- সঠিক উত্তর: গ) DARPA.

• ARPANET:
- ১৯৬৮ সালের ARPANET ছিলো ইন্টারনেটের প্রাথমিক পর্যায়।
- ARPANET-এর পূর্ণরূপ হলো: ‘Advanced Research Projects Agency Network’.
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে ১৯৬৯ সালে ARPANET এর প্রকৃত যাত্রা শুরু হয়।
- ১৯৮২ সালে TCP/IP উদ্ভাবনের মাধ্যমে ইন্টারনেটের প্রাথমিক যাত্রা শুরু হয়।
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদানের জন্য সর্বাধিক ব্যবহৃত প্রটোকল TCP/IP.
- ১৯৯২ সালে ইন্টারনেট সোসাইটি (ISOC) প্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।