ব্যাখ্যা
(সূত্রঃ এনসাক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা)
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ৫ / ১৪ · ৪০১–৫০০ / ১,৩৪৯
• ফ্যাসিবাদ:
- ইতালিয় শব্দ 'ফ্যাসিমো' এসেছে 'ফ্যাসিও' থেকে, অন্যদিকে 'ফ্যাসিও' শব্দটি এসছে ল্যাটিন শব্দ 'ফ্যাসেস' থেকে।
- এর অর্থ হচ্ছে, লাঠি, কাঠ বা রডের আটি, যেটি একত্রে বেধে রাখা হয়।
- ‘ফ্যাসিজম’ হচ্ছে একটি রাজনৈতিক মতাদর্শ এবং গণআন্দোলন, যেটি ১৯১৯ সাল থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত ইউরোপের বিভিন্ন দেশে সংঘটিত হয়েছিল।
- ‘ফ্যাসিজম’ বা ‘ফ্যাসিবাদ’ আন্দোলনের মধ্য দিয়ে উগ্র-ডানপন্থী জাতীয়তাবাদের আবির্ভাব ঘটে ইউরোপে।
- এই মতাদর্শে বিরোধীদের কোন জায়গা ছিল না।
- ফ্যাসিবাদের মূলমন্ত্র: ক্ষমতার কেন্দ্রীকরণ, ব্যক্তি স্বাধীনতার অবমূল্যায়ন, উগ্র জাতীয়তাবাদ।
- ১৯২২ সালে, মুসোলিনি ইতালিতে ফ্যাসিবাদী শাসন প্রতিষ্ঠা করেন এবং তার শাসনব্যবস্থা দ্রুত অন্যান্য দেশে প্রভাব বিস্তার করে।
অন্যদিকে,
⇒ জার্মানিতে হিটলারের নেতৃত্বে ‘নাৎসিজম’ বা ‘নাৎসিবাদ’– এর উত্থান হয়। এটি ছিল ‘ফ্যাসিজম’ এর একটি রূপ।
- ‘ফ্যাসিবাদ’ উত্থানের মধ্য দিয়ে ইউরোপে হিটলার ও মুসোলিনির মতো বিতর্কিত নেতার উদ্ভব হয়।
- ফ্যাসিস্টরা মার্ক্সবাদীদের বিরোধী ছিল।
উৎস: History.com
ট্রাফালগার স্কয়ারের সাথে সবচেয়ে বেশি সম্পর্কযুক্ত ব্যক্তি হলেন ভাইস-অ্যাডমিরাল নেলসন। তিনি ট্রাফালগারের যুদ্ধে ব্রিটিশ নৌবাহিনীর বিজয়ের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন এবং স্কোয়ারের কেন্দ্রে অবস্থিত নেলসনের কলামটি তার স্মরণে নির্মিত হয়েছে।
ট্রাফালগার স্কয়ার:
- ট্রাফালগার স্কয়ার লন্ডনের একটি বিখ্যাত স্থান।
- এটি প্রধানত অ্যাডমিরাল হোরেশিও নেলসন-এর সাথে সম্পর্কযুক্ত।
- লন্ডনের ট্রাফালগার স্কয়ারে ৫২ মিটার উঁচু 'নেলসনের কলাম (Nelson's Column)' স্থাপিত হয়।
- শীর্ষে নেলসনের মূর্তি এবং চারপাশে ব্রোঞ্জের সিংহ স্থাপন করা হয়েছে।
উল্লেখ্য,
- ১৮০৫ সালে অ্যাডমিরাল নেলসন ফরাসি ও স্প্যানিশ নৌবাহিনীর বিরুদ্ধে ব্রিটিশ নৌবাহিনীর নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।
- অ্যাডমিরাল নেলসন ট্রাফালগারের যুদ্ধে ফ্রান্স-স্পেনের নৌবাহিনীকে পরাজিত করেছিলেন যা ব্রিটিশ নৌশক্তির শ্রেষ্ঠত্ব প্রতিষ্ঠা করেছিল।
- অ্যাডমিরাল নেলসন এই যুদ্ধে মৃত্যুবরণ করেন।
⇒ ট্রাফালগারের যুদ্ধ (১৮০৫): নেলসন ব্রিটিশ নৌবাহিনীর কমান্ডার হিসেবে এই যুদ্ধে ফ্রান্স-স্পেনের যৌথ নৌবহরকে পরাজিত করেন। এটি নেপোলিয়নের ব্রিটিশ আক্রমণের পরিকল্পনা ব্যর্থ করে।
উৎস: Britannica.
মাদার তেরেসা:
- মাদার তেরেসার আসল নাম Agnes Gonxha Bojaxhiu.
- উত্তর মেসিডোনিয়ায় ১৯১০ সালের ২৭ আগস্ট জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ১৯২৮ সালে কলকাতায় আসেন।
- তিনি কলকাতায় অর্ডার স্কুলে ১৭ বছর শিক্ষকতা করেছেন।
- ১৯৬২ সালে ভারত সরকার মাদার তেরেসাকে ভারতের জনগণের সেবার জন্য তার সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মানের একটি পদ্মশ্রী প্রদান করে।
- মাদার তেরেসা ১৯৭৯ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- মাদার তেরেসা ৫ সেপ্টেম্বর ১৯৯৭ সালে মৃত্যুবরণ করেন।
তথ্যসূত্র- Britannica.com
চীনের সাংস্কৃতিক বিপ্লব (১৯৬৬-১৯৭৬):
- চীনের সাংস্কৃতিক বিপ্লবের প্রধান নেতা ছিলেন মাও সেতুং।
- তিনি গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের কমিউনিস্ট পার্টির চেয়ারম্যান হিসেবে তার ক্ষমতা সুসংহত করতে এবং বিপ্লবী চেতনা পুনরুজ্জীবিত করার লক্ষ্যে এই সামাজিক-রাজনৈতিক আন্দোলন শুরু করেছিলেন।
• এই বিপ্লব প্রায় ১০ বছর স্থায়ী হয়।
- সমগ্র চীনকে কমিউনিস্ট শাসনের আওতায় আনা, অর্থনৈতিক পুনর্গঠন, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য পুনরুদ্ধার ও কমিউনিস্ট বিরোধী ভাবধারা প্রতিহত করার জন্য এই বিপ্লব শুরু হয়।
- চীনের সাংস্কৃতিক বিপ্লবের ফলে সমগ্র চীন ঐক্যবদ্ধ হয় এবং কমিউনিস্ট পার্টির অবস্থান দৃঢ় হয়।
উৎস: Britannica.
• পোপ:
- ‘পোপ’ হলেন ক্যাথলিক খ্রিস্টানদের প্রধান ধর্মগুরু।
- তিনি রোমান ক্যাথলিক গির্জার সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক প্রধান।
- তাকে খ্রিস্টান ধর্মের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- পোপ হিসাবে যিনি নির্বাচিত হন, তিনি ভ্যাটিকানের রাষ্ট্রপ্রধানও হন।
উল্লেখ্য,
- বর্তমান পোপ রবার্ট ফ্রান্সিস প্রেভোস্ট মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে নির্বাচিত প্রথম পোপ। [আগস্ট, ২০২৫]
- তিনি পরিচিত পোপ চতুর্দশ লিও নামে।
- ৮ মে, ২০২৫ ভোটে নতুন পোপ নির্বাচিত হন রবার্ট ফ্রান্সিস প্রেভোস্ট।
- বিশ্বের ৭০টি দেশ থেকে ভ্যাটিকানে জড়ো হওয়া ১৩৩ কার্ডিনাল এই নির্বাচন প্রক্রিয়ায় অংশ নেন।
তথ্যসূত্র: বিবিসি।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ফিল্ড মার্শাল এরউইন রোমেল 'ডেজার্ট ফক্স' (Desert Fox) বা "মরু শিয়াল" নামে পরিচিত ছিলেন।
ফিল্ড মার্শাল রোমেল:
- ফিল্ড মার্শাল এরউইন রোমেল (Erwin Rommel) ছিলেন নাজি জার্মানির একজন বিখ্যাত সেনা কমান্ডার।
⇒ তার বিশেষ খ্যাতি ছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় আফ্রিকায়, বিশেষত উত্তর আফ্রিকায়, জার্মান আফ্রিকা কর্পসের (German Afrika Korps) নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য।
- রোমেল ১৯১০ সালে জার্মানির সেনাবাহিনীতে যোগ দেন এবং দ্রুতই তার কৌশলগত দক্ষতা এবং নেতৃত্বের জন্য পরিচিতি লাভ করেন।
- এই কারণেই তিনি 'ডেজার্ট ফক্স' নামে পরিচিত হয়ে উঠেন।
উল্লেখ্য,
- রোমেল যুদ্ধের শেষের দিকে হিটলারের নীতির বিরোধিতা করতে শুরু করেন এবং ১৯৪৪ সালে তাকে সামরিক ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকার অভিযোগে আত্মহত্যার জন্য চাপ দেওয়া হয়।
- তার মৃত্যু আত্মহত্যা হিসেবে ঘোষণা করা হয়, যদিও এটি এক ধরনের চাপ বা ষড়যন্ত্র ছিল।
- ১৪ অক্টোবর, ১৯৪৪-এ বিষ খেয়ে আত্মহত্যা করার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল।
- রোমেলকে তার দক্ষতা, সাহসিকতা এবং কৌশলগত চিন্তাভাবনার জন্য স্মরণ করা হয়।
উৎস: Britannica.
- ভিনসেন্ট ভ্যান গঘ—চিত্রকলার ইতিহাসে অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও প্রভাবশালী শিল্পী।
- আর তাঁর সবচেয়ে বিখ্যাত চিত্রশিল্পগুলোর একটি হল ‘Sunflowers’ বা সূর্যমুখী ফুল।
- ১৮৮৭ থেকে ১৮৮৯ সালের মধ্যে তিনি এই সূর্যমুখী নিয়ে মোট ১১টি ছবি এঁকেছিলেন।
- তিনি এই চিত্রগুলো তিন ধাপে আঁকেন—প্রথমে প্যারিসে, পরে দক্ষিণ ফ্রান্সের আর্ল শহরে এবং এরপর আগের কিছু ছবির কপি তৈরি করেন।
- ভ্যান গঘের সূর্যমুখী শুধুই একটি ফুলের ছবি নয়। এটি প্রেম, বিশ্বাস, ক্ষয় মিলিয়ে সবকিছুর এক বিস্ময়কর প্রতীক।
উৎস: ব্রিটানিকা এবং দৈনিক জনকণ্ঠ।
আব্রাহাম লিংকন:
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ১৬তম প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকন।
- তার রাজনৈতিক দল ছিল রিপাবলিকান পার্টি।
- তাঁকে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে সফল ও জনপ্রিয় প্রেসিডেন্ট হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- 'The ballot is stronger than bullet'- বিখ্যাত উক্তিটি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকন।
উল্লেখ্য,
⇒ ১৮৬৩ সালের ১৯ নভেম্বর লিংকন পেনসালভেনিয়ার গেটিসবার্গের যুদ্ধক্ষেত্রে দাঁড়িয়ে এক হৃদয়স্পর্শী ভাষণে বলেন, ‘গণতন্ত্র হলো জনগণের সরকার, জনগণের দ্বারা সরকার, জনগণের জন্য সরকার।’ প্রজাতন্ত্রবাদ, সমঅধিকার, স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের প্রবক্তা, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ১৬তম প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকন গণতন্ত্রের সবচেয়ে জনপ্রিয় এই সংজ্ঞাটা দিয়েছিলেন গেটিসবার্গ ভাষণে। তিন মিনিটের কম সময়ের সেই ভাষণকে বলা হয় পৃথিবীর শ্রেষ্ঠতম ভাষণের একটি। তার বিখ্যাত উক্তি - '‘Government by the people, for the people, of the people’।
⇒ আব্রাহাম লিংকন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বহু বছরের দাসপ্রথা বিলুপ্ত করেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতির আধুনিকীকরণে তিনি অসামান্য ভূমিকা পালন করেন। তিনি ১৮৬৩ সালে দাসপ্রথার বিলুপ্তি ঘোষণা করেন। এটি ছিল দাসপ্রথার বিরুদ্ধে নেওয়া পৃথিবীর ইতিহাসের সবচেয়ে বড় পদক্ষেপ।
⇒ ১৮৩২ সালে যুক্তরাষ্ট্র ও নেটিভ আমেরিকাদের মধ্যে ‘ব্ল্যাক হক’ যুদ্ধ শুরু হলে এলাকার স্বেচ্ছাসেবীরা লিংকনকে তাদের অধিনায়ক মনোনীত করেন। এই যুদ্ধে আব্রাহাম লিংকন তাঁর কৃতিত্বের জন্য প্রশংসিত হন। এরপর লিংকন হুইগ দলের সমর্থক হিসেবে স্থানীয় রাজনীতি যোগ দেন।
⇒ আব্রাহাম লিংকন ১৮৪৬ সালে ইলিনয়ের হাউস অব রিপ্রেজেনটেটিভ নির্বাচনে জয়ী হন। ১৮৫৪ সালে ডেমোক্রেটিক দল প্রেইরি ল্যান্ডে দাসপ্রথা চালু করলে আব্রাহাম লিংকন এর বিরোধিতা করেন এবং পুনরায় রাজনীতিতে ফিরে আসেন। ১৮৫৬ সালে তিনি রিপাবলিকান দলে যোগ দেন। ১৮৬০ সালে বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী প্রতিযোগীদের পেছনে ফেলে রিপাবলিকান দলের প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হন এবং ৬ নভেম্বর নির্বাচিত হন যুক্তরাষ্ট্রের ১৬তম প্রেসিডেন্ট।
উৎস: History Channel.
→ বিখ্যাত অর্থনীতিবিদ 'অ্যাডাম স্মিথ' স্কটল্যান্ডে জন্মগ্রহন করেছিলেন।
অ্যাডাম স্মিথ:
- আধুনিক অর্থশাস্ত্রের জনক অ্যাডাম স্মিথ ।
- এডাম স্মিথ গ্লাসকো বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ছিলেন।
- গ্লাসগো বিশ্ববিদ্যালয়েই অধ্যাপনা করার সময়ে তিনি দ্য থিওরি অব মোরাল সেন্টিমেন্টস নামের বইটি লেখেন।
- ক্ল্যাসিকাল অর্থনীতি, মুক্তবাজার অর্থনীতি ও অর্থনৈতিক উদারতার প্রবর্তক এডাম স্মিথ ।
- সর্বপ্রথম তিনি অদৃশ্য হস্ত কথাটি ব্যবহার করেন।
- এডাম স্মিথ ১৭৭৬ সালে তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ 'An enquiry into the nature and causes of the wealth of Nations' রচনা করেন।
- এই বইয়ে তিনি অর্থনীতির মূল বিষয়গুলো সম্পর্কে ধারণা দেন।
- এই বইকে ‘বাইবেল অব ইকোনমিকস'ও বলা হয়৷
তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা ও প্রথম আলো।
• Mein Kampf:
- 'মাইন কাম্ফ' (Mein Kampf) বইটি এডলফ হিটলার রচনা করেছেন।
- এই বইটি তাঁর আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ।
- এই গ্রন্থে তিনি তাঁর রাজনৈতিক মতামত ও বিশ্ব দৃষ্টিকোণ প্রকাশ করেছেন।
- বইটি লেখার সময় হিটলার জেলে বন্দী ছিলেন।
- এবং তাঁর রাজনৈতিক দর্শন ও ইহুদি বিদ্বেষের ধারণা এই গ্রন্থে স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।
অন্যদিকে,
- নেলসন ম্যান্ডেলার আত্মজীবনীমূলক বই A Long Walk to Freedom ।
- এটি ১৯৯৪ সালে প্রকাশিত হয়।
- এই বইতে মেন্ডেলা তাঁর শৈশব, কৈশোর, শিক্ষা, এবং দক্ষিণ আফ্রিকায় বর্ণবাদ বিরোধী সংগ্রামে তাঁর ভূমিকা ও ২৭ বছরের কারাবাসের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেছেন।
তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
→ 'লং ওয়াক টু ফ্রিডম' বইটি লিখেছেন নেলসন ম্যান্ডেলা।
নেলসন ম্যান্ডেলা:
- ১৮ জুলাই ১৯১৮ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার এমভেজোতে জন্মগ্রহণ করেছিলেন।
- তিনি ছিলেন একজন কালো জাতীয়তাবাদী নেতা।
- দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ রাষ্ট্রপতি নেলসন ম্যান্ডেলা।
- ১৯৪৪ সালে তিনি আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেসে (ANC) যোগদান করেন।
- এফ ডব্লিউ ডি ক্লার্ক দেশের বর্ণবাদী বিচ্ছিন্নতার বর্ণবাদী ব্যবস্থার অবসান ঘটাতে সাহায্য করেছিলেন এবং সংখ্যাগরিষ্ঠ শাসনে শান্তিপূর্ণ পরিবর্তনের সূচনা করেছিলেন।
- ম্যান্ডেলা এবং ডি ক্লার্ক যৌথভাবে তাদের প্রচেষ্টার জন্য ১৯৯৩ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- 'লং ওয়াক টু ফ্রিডম' যা তার প্রথম জীবন এবং কারাগারে থাকা বছরগুলির বিবরণ দেয়, ১৯৯৪ সালে প্রকাশিত হয়েছিল।
- নেলসন ম্যান্ডেলা ৫ ডিসেম্বর ২০১৩ সালে মারা যান।
তথ্যসূত্র - Britannica.com
• গ্রীকদের 'ভালোবাসা ও সৌন্দর্যের দেবতা' আফ্রোডাইট।
• গ্রীকদের কৃষি বিষয়ক দেবী ডিমিটার,
• ব্যবসা বিষয়ক দেবতা- হারমেস,
• দেবতাদের রাজা- জিউস,
• যুদ্ধ দেবতা- এরিস।
উৎসঃ এনসাইক্লোপিডিয়া অব ব্রিটানিকা।
জৈন ধর্ম:
- জৈন শব্দটি এসেছে সংস্কৃত জিন শব্দ থেকে। সংস্কৃতিতে জিন অর্থ জয়ী।
- জৈনরা তাদের ইতিহাসে চব্বিশজন তীর্থঙ্করের কথা উল্লেখ করেছেন।
- প্রথম তীর্থঙ্করের নাম ঋষভনাথ এবং সর্বশেষ তীর্থঙ্করের নাম মহাবীর (২৪তম)।
- খ্রিস্টপূর্ব ৬ষ্ঠ শতাব্দীতে জৈনধর্মের সর্বাধিক প্রভাবশালী প্রচারক ছিলেন মহাবীর।
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, ৬ষ্ঠ শ্রেণি এবং উচ্চ মাধ্যমিক ইতিহাস ১মপত্র, এইচএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- সুশাসনের ধারণাটি বহুমাত্রিক।
- সুশাসন অর্থ হচ্ছে নির্ভুল, দক্ষ ও কার্যকরী শাসন।
- সুশাসনের ধারণা প্রথম পাওয়া যায় প্লেটোর 'The Republic' গ্রন্থে।
The Asian Drama' গ্রন্থটির রচয়িতা গুনার মিরডাল।
গুনার মিরডাল:
- গুনার মিরডাল (Gunnar Myrdal) ছিলেন একজন সুইডিশ অর্থনীতিবিদ, রাজনীতিবিদ.
- উন্নয়নমূলক অর্থনীতিতে তার অবদান যথেষ্ট।
- তৃতীয় বিশ্বের অর্থনৈতিক উন্নয়নে তার চিন্তাভাবনা উল্লেখযোগ্যভাবে প্রতিফলিত হয় তার বেশ কিছু লেখা ও প্রকাশিত পুস্তকে।
- 'Economic Theory and Underdeveloped Regions' মিরডাল লিখিত এরূপ একটি প্রামাণ্য গ্রন্থ।
- উন্নয়নের হাত ধরে যে চক্রাকার ও ক্রমযৌগিক (Circular and cumulative) কার্যকারণ সম্পর্ক রচিত হয় তা প্রতিফলিত হয়েছে তার বর্তমান তত্ত্বে।
উল্লেখ্য,
- ১৯৭৪ সালে তিনি "অর্থনৈতিক ও সামাজিক ও প্রাতিষ্ঠানিক ঘটনাগুলির পারস্পরিক নির্ভরতার তাত্পর্যপূর্ণ বিশ্লেষণের জন্য অর্থ ও অর্থনৈতিক বৈষম্যের তত্ত্ব এবং তাদের তাত্পর্যপূর্ণ বিশ্লেষণের জন্য" ফ্রেডরিখ হায়েকের সাথে যৌথভাবে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পান।
অন্যদিকে,
- The Idea Of Justice-গ্রন্থটির রচয়িতা অমর্ত্য সেন।
উৎস: Britannica.
♦ "কেবল আয়ের অভাব নয়, বরং সামর্থ্যের অভাবই দারিদ্র্যের মূল কারন"- অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন 'Development as Freedom' গ্রন্থে এই যুক্তি তুলে ধরেন।
অমর্ত্য সেন:
- অমর্ত্য সেন একজন ভারতীয় বাঙালী অর্থনীতিবিদ ও দার্শনিক।
- ১৯৯৮ সালে তিনি অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেছিলেন।
- দারিদ্র এবং দুর্ভিক্ষ নিয়ে গবেষণার জন্য ১৯৯৮ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পান অমর্ত্য সেন।
⇒ ১৯৫১ সালে আইএসসি পরীক্ষায় প্রথম হয়ে তিনি ভর্তি হন কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজে এবং তারপর অর্থনীতি নিয়ে উচ্চতর শিক্ষা গ্রহণ করেন ইংল্যাণ্ডে কেম্ব্রিজের ট্রিনিটি কলেজে। এছাড়াও তিনি ১৯৯৮ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত ক্যামব্রিজের ট্রিনিটি কলেজের মাস্টার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
- তিনি ইকোনমিস্ট ফর পিস অ্যান্ড সিকিউরিটির একজন ট্রাষ্টি।
- তিনিই প্রথম ভারতীয় শিক্ষাবিদ যিনি একটি অক্সব্রিজ কলেজের প্রধান হন। এছাড়াও তিনি প্রস্তাবিত নালন্দা আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসাবেও কাজ করেছেন।
- ২০০৬ সালে টাইম ম্যাগাজিন তাকে অনূর্ধ্ব ষাট বছর বয়সী ভারতীয় বীর হিসেবে চিহ্নিত করেছে। ২০১০ সালে তাকে বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় স্থান দেওয়া হয়।
উল্লেখ্য,
- "কেবল আয়ের অভাব নয়, বরং সামর্থ্যের অভাবই দারিদ্র্যের মূল কারণ" - এই উক্তিটি অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন-এর। তিনি তার "Development as Freedom" গ্রন্থে এই যুক্তি তুলে ধরেন। এখানে 'সামর্থ্যের অভাব' বলতে শুধু আর্থিক সংগতিই নয়, বরং মানুষের সক্ষমতার অভাবকেও বোঝানো হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সুযোগ এবং স্বাধীনতা লাভের অভাব।
এছাড়াও,
- অমর্ত্য সেনের লেখা গ্রন্থাবলি ৩০টিরও বেশি ভাষায় অনূদিত হয়েছে।
- The Idea Of Justice-গ্রন্থটির রচয়িতা অমর্ত্য সেন। বইটি মূলত জন রলসের 'A Theory of Justice' (1971)-এর মৌলিক ধারণাগুলির একটি সমালোচনা এবং সংশোধন।
উৎস: i) Britannica.
ii) Development as Freedom- Amartya Sen.
গ্যারি জে ব্যাস:
- দ্য ব্লাড টেলিগ্রাম (The Blood Telegram) গ্রন্থটির লেখক গ্যারি জে ব্যাস।
- দ্য ব্লাড টেলিগ্রাম (The Blood Telegram) গ্রন্থ:
- বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা নিয়ে আমেরিকান অধ্যাপক গ্যারি জে বাসের রচিত বইটির মূল নাম 'দ্য ব্লাড টেলিগ্রাম: নিক্সন, নিসিঞ্জার অ্যান্ড আ ফরগটেন জেনোসাইড'।
- তবে 'ব্লাড টেলিগ্রাম' হলো আর্চার কেন্ট ব্লাডের একটি তারবার্তা।
-১৯৭১ সালে তিনি পূর্ব পাকিস্তানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কনসাল জেনারেল ছিলেন।
- মুক্তিযুদ্ধের সময় কেন্ট ব্লাড যুক্তরাষ্ট্র সরকারকে তৎকালীন চলমান নৃশংসতা বন্ধে ব্যর্থ হওয়ায় কঠোর ভাষায় একটি টেলিগ্রাম করেন, যা ইতিহাসে 'ব্লাড টেলিগ্রাম' নামে পরিচিতি পায়।
- এটি ২০১৩ সালে প্রকাশিত হয়।
উৎস: i) Amazon.com
ii) মার্চ ২৬, ২০২২, বণিক বার্তা।
• যুক্তরাষ্ট্রে ক্রীতদাস প্রথা বিলোপকারী প্রেসিডেন্টের নাম হলো- আব্রাহাম লিংকন।
• আব্রাহাম লিংকন:
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ১৬তম প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকন।
- তার রাজনৈতিক দল ছিল রিপাবলিকান পার্টি।
- তাঁকে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে সফল ও জনপ্রিয় প্রেসিডেন্ট হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
⇒ আব্রাহাম লিংকন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বহু বছরের দাসপ্রথা বিলুপ্ত করেন।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতির আধুনিকীকরণে তিনি অসামান্য ভূমিকা পালন করেন।
- তিনি ১৮৬৩ সালে দাসপ্রথার বিলুপ্তি ঘোষণা করেন।
- এটি ছিল দাসপ্রথার বিরুদ্ধে নেওয়া পৃথিবীর ইতিহাসের সবচেয়ে বড় পদক্ষেপ।
উল্লেখ্য,
⇒ ১৮৬৩ সালের ১৯ নভেম্বর লিংকন পেনসালভেনিয়ার গেটিসবার্গের যুদ্ধক্ষেত্রে দাঁড়িয়ে এক হৃদয়স্পর্শী ভাষণে বলেন, ‘গণতন্ত্র হলো জনগণের সরকার, জনগণের দ্বারা সরকার, জনগণের জন্য সরকার।’ প্রজাতন্ত্রবাদ, সমঅধিকার, স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের প্রবক্তা, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ১৬তম প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকন গণতন্ত্রের সবচেয়ে জনপ্রিয় এই সংজ্ঞাটা দিয়েছিলেন গেটিসবার্গ ভাষণে। তিন মিনিটের কম সময়ের সেই ভাষণকে বলা হয় পৃথিবীর শ্রেষ্ঠতম ভাষণের একটি। তার বিখ্যাত উক্তি - '‘Government by the people, for the people, of the people’।
উৎস: History Channel.
আব্রাহাম লিংকন (Abraham Lincoln):
- আব্রাহাম লিংকন (Abraham Lincoln) ছিলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ১৬তম রাষ্ট্রপতি
- একজন বিশিষ্ট রাজনৈতিক নেতা, যিনি মূলত দাসপ্রথা বিলোপ এবং দেশের ঐক্য রক্ষায় পরিচিত।
- মার্কিন গৃহযুদ্ধ (American Civil War) চলাকালীন রাষ্ট্রপতি ছিলেন।
- ১৮৬৩ সালে Emancipation Proclamation জারি করে দাসপ্রথা শেষের পথে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেন।
- আব্রাহাম লিংকন গেটিসবার্গ ভাষণের জন্যে বিখ্যাত।
- আব্রাহাম লিংকন আমেরিকার গৃহযুদ্ধের সময় পেনসিলভানিয়ার গেটিসবার্গে এই ভাষণ দেন।
উৎস: হিস্টোরি ডটকম এবং নিউইয়র্ক টাইমস।
বেনিতো মুসোলিনি:
- ফ্যাসিবাদের প্রবর্তক বেনিতো মুসোলিনি।
⇒ বেনিতো মুসোলিনি ছিলেন দ্বিতীয় মহাযুদ্ধ কালে ইতালির সর্বাধিনায়ক।
- তিনি ছিলেন একজন বিপ্লবী সমাজতান্ত্রিক নেতা।
- বেনিতো মুসোলিনির জন্ম ১৮৮৩ সালের ২৯ জুলাই।
- ১৯২২ সালে বেনিতো মুসোলিনি নিজেকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ঘোষনা করেন।
- বেনিতো মুসোলিনি বিশ শতকের ইউরোপে প্রথম ফ্যাসিবাদী একনায়কতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেন।
- ১৯২২ থেকে ১৯৪৩ পর্যন্ত তিনি ইতালির প্রধানমন্ত্রীর পদে বহাল থাকেন।
- একনায়কতন্ত্র ও স্বৈরশাসনকে সাংবিধানিক মর্যাদায় উন্নীত করা মুসোলিনি একজন রাজনৈতিক সাংবাদিকও ছিলেন।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে হিটলারের সঙ্গে বন্ধুত্ব করেন তিনি।
- মুসোলিনি ১৯৪০ সালে অক্ষশক্তির পক্ষে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে যোগদান করেন।
- ১৯৪৩ সালে সিসিলিতে ক্ষমতাচ্যুত হলে তাকে বন্দী করা হয়।
- বেনিতো মুসোলিনি ১৯৪৫ সালের ২৮ এপ্রিল মৃত্যুবরণ করেন।
উল্লেখ্য,
- 'নারীর কাছে মাতৃত্ব যেমন অপরিহার্য, পুরুষের কাছে যুদ্ধও তেমনি অপরিহার্য'- উক্তিটি করেছেন বেনিতো মুসোলিনি।
উৎস: i) History.com
ii) BBC.
• A Long Walk to Freedom:
- A Long Walk to Freedom নেলসন ম্যান্ডেলার আত্মজীবনী।
- এটি ১৯৯৪ সালে প্রকাশিত হয়।
- এই বইতে মেন্ডেলা তাঁর শৈশব, কৈশোর, শিক্ষা, এবং দক্ষিণ আফ্রিকায় বর্ণবাদ বিরোধী সংগ্রামে তাঁর ভূমিকা ও ২৭ বছরের কারাবাসের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেছেন।
- এটি তাঁর রাজনৈতিক জীবনের উত্থান প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ প্রেসিডেন্ট হিসেবে তাঁর অভিষেকের গল্প তুলে ধরেছেন।
- Mandela: Long Walk to Freedom' নামে একটি চলচ্চিত্রও নির্মিত হয়েছে।
উৎস: Britannica.
আর্ট অফ ওয়ার (The Art of War) গ্রন্থটির রচয়িতা সুন জু (Sun Tzu)।
- সুন জু ছিলেন পুর্ব চাউ এর শাসনামলে প্রাচীন চীনের একজন সেনানায়ক, যুদ্ধকৌশলী, লেখক এবং দার্শনিক।
- তাকে দ্য আর্ট অফ ওয়ার নামক যুদ্ধবিদ্যার প্রাচীন চৈনিক বইটির লেখক হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- আর্ট অব ওয়ার ছিল একটি প্রভাবশালী কীর্তি, যা উভয় প্রাচ্য ও পশ্চিমা দর্শন এবং সামরিক চিন্তাধারায় প্রভাব ফেলে।
সূত্র: Britannica.com
• গণতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থায় যে উপাদানগুলো মূল্যবোধের ভিত্তি বা উপাদান বলে স্বীকার করা হয় সেগুলো হলোঃ
- নীতি ও ঔচিত্যবোধ,
- সামাজিক ন্যায়বিচার,
- শৃঙ্খলাবোধ,
- সহনশীলতা,
- সহমর্মিতা,
- শ্রমের মর্যাদা,
- আইনের শাসন,
- নাগরিক সচেতনতা ও কর্তব্যবোধ,
- সরকার ও রাষ্ট্রের জনকল্যাণমুখিতা,
- সরকার ও রাষ্ট্রের দায়দায়িত্ব ও
- জবাবদিহিতা ইত্যাদি।
• কৌশলগত দৃষ্টি হচ্ছে ইউএনডিপি কর্তৃক সুশাসনের একটি উপাদান।
উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
• বাংলাদেশের সংবিধানের,
- অনুচ্ছেদ নং ৭৭ (১) অনুযায়ী সংসদ আইনের দ্বারা ন্যায়পালের পদ প্রতিষ্ঠার জন্য বিধান করিতে পারিবেন।
- ৭৫ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে কার্যপ্রণালী-বিধি, কোরাম প্রভৃতি।
- ৭৬ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে সংসদের স্থায়ী কমিটি সমূহ।
- ৭৮ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে সংসদ ও সদস্যদের বিশেষ অধিকার ও দায়মুক্তি।
উৎসঃ বাংলাদেশের সংবিধান।
• আল-ফারাবী:
- আল-ফারাবী মধ্যযুগীয় ইসলামি জগতে একজন প্রখ্যাত দার্শনিক হিসেবে বিশেষ মর্যাদা লাভ করেন।
- যুক্তিবিদ্যা, দর্শন ও বিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখায় তিনি অসাধারণ অবদান রাখেন।
- তিনি মুয়াল্লিম আল সানী বা দ্বিতীয় শিক্ষক নামে পরিচিত, কারণ অ্যারিস্টটলের পর তাকেই সর্বশ্রেষ্ঠ দার্শনিক হিসেবে গণ্য করা হতো।
- ‘মুয়াল্লিম আল সানী’ উপাধি পাওয়ার আরেকটি কারণ হলো - অ্যারিস্টটলের দর্শন নিয়ে তার বিস্তৃত কাজ ও যুক্তিবিদ্যায় বিশেষ অবদান।
উল্লেখ্য,
- অ্যারিস্টটলের দর্শন ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ করে মুসলিম বিশ্বে তা সহজভাবে উপস্থাপন করার জন্যই তাকে "দ্বিতীয় অ্যারিস্টটল" বলা হয়।
- তিনি এরিস্টটলের ওপর প্রায় অর্ধ-শত গ্রন্থ রচনা করেছেন এবং
- দর্শনের ওপর প্রায় শতাধিক মূল্যবান গ্রন্থ লিখেছেন।
- তিনি এরিস্টটলের দর্শনের সাথে প্লেটোর দর্শনের সমন্বয় করে একটি সহজ ও স্পষ্ট দর্শনধারা তৈরি করেছিলেন
যা ইসলামি দর্শনচর্চাকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছে।
উৎস: Britannica.
নেপোলিয়ন বোনাপার্ট:
- নেপোলিয়ন বোনাপার্ট ছিলেন খ্যাতনামা সামরিক নেতা।
- নেপোলিয়ন বোনাপার্টের উপাধি: 'লিটল করপোরাল'।
- তিনি ফরাসি বিপ্লবের ক্রান্তিলগ্নে ফ্রান্সের হাল ধরেছিলেন এবং ফ্রান্সকে শক্তিধর রাষ্ট্রে পরিণত করেন।
- ফরাসি বিপ্লবের শিশু বলা হয় নেপোলিয়ন বোনাপার্টকে।
- বিখ্যাত 'ওয়াটার লু' যুদ্ধ সংঘটিত হয় ১৮১৫ সালে।
- এই যুদ্ধে নেপোলিয়ন ডিউক অফ ওয়েলিংটনের কাছে পরাজিত হন।
- পরাজয়ের ফলে তাঁকে দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরের সেন্ট হেলেনা দ্বীপে নির্বাসন দেওয়া হয়।
- যেখানে ১৮২১ সালে আর্সেনিকের বিষক্রিয়ায় নেপোলিয়ন মৃত্যুবরণ করেন।
উৎস: ব্রিটানিকা ও হিস্টরি.কম ওয়েবসাইট।
দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার দেশ ভিয়েতনামে যুক্তরাষ্ট্র ''ডমিনো তত্ত্ব'' প্রয়োগ করেছিল। ১৯৪৬ সাল থেকে ১৯৫৪ সাল পর্যন্ত সময়ে ‘প্রথম ইন্দোচীন যুদ্ধ’ (First Indochina War) - এ হো চি মিনের নেতৃত্বে Viet Minh বাহিনী ফ্রান্স বাহিনীর সাথে জয়লাভ করে।
পরবর্তীতে, ভিয়েতনামকে ১৭ ডিগ্রী অক্ষরেখা বরাবর ‘উত্তর ভিয়েতনাম’ ও ‘দক্ষিণ ভিয়েতনাম’ দুটি রাষ্ট্রে বিভক্ত করে স্বাধীনতা প্রদান করা হয়। উত্তর ভিয়েতনামে হো চি মিনের নেতৃত্ব কমিউনিস্ট সরকার ও যুক্তরাষ্ট্রের মদদে দক্ষিণ ভিয়েতনামে গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৫৫ সালে দুই ভিয়েতনাম স্বাধীন হওয়ার পর থেকেই যুদ্ধাবস্থা বিরাজমান থাকে।
⤇ যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার ভিয়েতনাম যুদ্ধে “ডমিনো তত্ত্ব” প্রয়োগ করেন। তিনি এন্টি-কমিউনিস্ট দক্ষিণ ভিয়েতনাম সরকারকে সহায়তা করেন।
উৎসঃ Live MCQ content (Upcoming) ও ব্রিটানিকা.কম
দ্য স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন:
- 'স্টেট অব দি ইউনিয়ন' (State of the Union) হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতির বার্ষিক ভাষণ।
- মার্কিন রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রতি বছর কংগ্রেসের (সিনেট ও প্রতিনিধি পরিষদ) যৌথ অধিবেশনে এই বার্ষিক ভাষণ প্রদান করা হয়।
- এতে দেশের বর্তমান অবস্থা, অর্জিত সাফল্য, অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এবং সরকারের ভবিষ্যৎ কাজের পরিকল্পনা ও আইন প্রণয়নের প্রস্তাব তুলে ধরা হয়।
- এটি সাংবিধানিকভাবে বাধ্যতামূলক এবং সাধারণত বছরের শুরুতে (জানুয়ারি/ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত হয়।
• ১৯৪৭ সালে হ্যারি এস. ট্রুম্যানের ভাষণটিই ছিল টেলিভিশনে সম্প্রচারিত প্রথম ভাষণ। সেই বছরই ভাষণটির নাম "স্টেট অফ দ্য ইউনিয়ন" রাখা হয়েছিল, যা পূর্বে "কংগ্রেসের প্রতি রাষ্ট্রপতির বার্ষিক বার্তা" নামে পরিচিত ছিল।
উল্লেখ্য,
- ২০২৬ সালের ২৪শে ফেব্রুয়ারি স্টেট অফ দ্য ইউনিয়ন ভাষণটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
উৎস: Britannica.