বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি, ধর্মের ইতিহাস ও অন্যান্য

মোট প্রশ্ন১,৩৪৯এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি, ধর্মের ইতিহাস ও অন্যান্য

PrepBank · পাতা / ১৪ · ৪০১৫০০ / ১,৩৪৯

৪০১.
কোনটি সঠিক?
  1. ক) সক্রেটিস→প্লেটো→এটিস্টটল→আলেকজান্ডার
  2. খ) সক্রেটিস→এরিস্টটল→প্লেটো→আলেকজান্ডার
  3. গ) প্লেটো→সক্রেটিস→এরিস্টটল→আলেকজান্ডার
  4. ঘ) সক্রেটিস→প্লেটো→আলেকজান্ডার→এরিস্টটল
ব্যাখ্যা
সক্রেটিস প্রাচীন গ্রিসের একজন দার্শনিক। তার শিষ্য ছিলেন প্লেটো। প্লেটোর শিষ্য ছিলেন এরিস্টটল এবং এরিস্টটলের শিষ্য ছিলেন আলেকজান্ডার।
(সূত্রঃ এনসাক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা)
৪০২.
ইতালিতে ফ্যাসিবাদী শাসনের সূচনা কত সালে মুসোলিনির নেতৃত্বে ঘটে?
  1. ১৯২০ সালে
  2. ১৯২২ সালে
  3. ১৯২৪ সালে
  4. ১৯২৬ সালে
ব্যাখ্যা

• ফ্যাসিবাদ:
- ইতালিয় শব্দ 'ফ্যাসিমো' এসেছে 'ফ্যাসিও' থেকে, অন্যদিকে 'ফ্যাসিও' শব্দটি এসছে ল্যাটিন শব্দ 'ফ্যাসেস' থেকে।
- এর অর্থ হচ্ছে, লাঠি, কাঠ বা রডের আটি, যেটি একত্রে বেধে রাখা হয়।
- ‘ফ্যাসিজম’ হচ্ছে একটি রাজনৈতিক মতাদর্শ এবং গণআন্দোলন, যেটি ১৯১৯ সাল থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত ইউরোপের বিভিন্ন দেশে সংঘটিত হয়েছিল।
- ‘ফ্যাসিজম’ বা ‘ফ্যাসিবাদ’ আন্দোলনের মধ্য দিয়ে উগ্র-ডানপন্থী জাতীয়তাবাদের আবির্ভাব ঘটে ইউরোপে। 
- এই মতাদর্শে বিরোধীদের কোন জায়গা ছিল না।
- ফ্যাসিবাদের মূলমন্ত্র: ক্ষমতার কেন্দ্রীকরণ, ব্যক্তি স্বাধীনতার অবমূল্যায়ন, উগ্র জাতীয়তাবাদ।
- ১৯২২ সালে, মুসোলিনি ইতালিতে ফ্যাসিবাদী শাসন প্রতিষ্ঠা করেন এবং তার শাসনব্যবস্থা দ্রুত অন্যান্য দেশে প্রভাব বিস্তার করে।

অন্যদিকে,
⇒ জার্মানিতে হিটলারের নেতৃত্বে ‘নাৎসিজম’ বা ‘নাৎসিবাদ’– এর উত্থান হয়। এটি ছিল ‘ফ্যাসিজম’ এর একটি রূপ।
- ‘ফ্যাসিবাদ’ উত্থানের মধ্য দিয়ে ইউরোপে হিটলার ও মুসোলিনির মতো বিতর্কিত নেতার উদ্ভব হয়।
- ফ্যাসিস্টরা মার্ক্সবাদীদের বিরোধী ছিল।

উৎস: History.com

৪০৩.
কোন ইউরোপীয় নাবিক প্রথম আমেরিকায় পৌছান?
  1. ক) ক্রিস্টোফার কলম্বাস
  2. খ) লুই বার্থেমেলু
  3. গ) ভাস্কো দা গামা
  4. ঘ) আল বুকার্ক
ব্যাখ্যা
বিখ্যাত ইতালিয়ান নাবিক ক্রিস্টোফার কলম্বাস ১৪৯২ সালে ভারতের উদ্দেশ্যে আটলান্টিক মহাসাগরের পশ্চিম উপকূলের বরাবর যাত্রা শুরু করেন। একই বছরের ১২ অক্টোবর তিনি বাহামা দ্বীপে প্রথম পা রাখেন।
স্পেনের রাজা ফার্ডিনান্ড এবং রাণী ইসাবেলা তার এ অভিযানে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন।
তার এই পদার্পণের সূত্র ধরেই আমেরিকা মহাদেশে ইউরোপীয়দের উপস্থিতি ঘটে।
আমেরিকা মহাদেশের নামকরণ করা হয় আমেরিগো ভেসপুচির নামানুসারে।
(সূত্রঃ হিস্টোরি ডটকম)
৪০৪.
ট্রাফালগার স্কয়ারের সাথে সম্পর্কযুক্ত কে?
  1. নেপোলিয়ন
  2. অ্যাডমিরাল নেলসন
  3. ওয়েলেসলি
  4. অ্যাডমিরাল ফার্নান্দেস
ব্যাখ্যা

ট্রাফালগার স্কয়ারের সাথে সবচেয়ে বেশি সম্পর্কযুক্ত ব্যক্তি হলেন ভাইস-অ্যাডমিরাল নেলসন। তিনি ট্রাফালগারের যুদ্ধে ব্রিটিশ নৌবাহিনীর বিজয়ের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন এবং স্কোয়ারের কেন্দ্রে অবস্থিত নেলসনের কলামটি তার স্মরণে নির্মিত হয়েছে। 

ট্রাফালগার স্কয়ার:
- ট্রাফালগার স্কয়ার লন্ডনের একটি বিখ্যাত স্থান।
- এটি প্রধানত অ্যাডমিরাল হোরেশিও নেলসন-এর সাথে সম্পর্কযুক্ত।
- লন্ডনের ট্রাফালগার স্কয়ারে ৫২ মিটার উঁচু 'নেলসনের কলাম (Nelson's Column)' স্থাপিত হয়।
- শীর্ষে নেলসনের মূর্তি এবং চারপাশে ব্রোঞ্জের সিংহ স্থাপন করা হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- ১৮০৫ সালে অ্যাডমিরাল নেলসন ফরাসি ও স্প্যানিশ নৌবাহিনীর বিরুদ্ধে ব্রিটিশ নৌবাহিনীর নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।
- অ্যাডমিরাল নেলসন ট্রাফালগারের যুদ্ধে ফ্রান্স-স্পেনের নৌবাহিনীকে পরাজিত করেছিলেন যা ব্রিটিশ নৌশক্তির শ্রেষ্ঠত্ব প্রতিষ্ঠা করেছিল। 
- অ্যাডমিরাল নেলসন এই যুদ্ধে মৃত্যুবরণ করেন।

⇒ ট্রাফালগারের যুদ্ধ (১৮০৫): নেলসন ব্রিটিশ নৌবাহিনীর কমান্ডার হিসেবে এই যুদ্ধে ফ্রান্স-স্পেনের যৌথ নৌবহরকে পরাজিত করেন। এটি নেপোলিয়নের ব্রিটিশ আক্রমণের পরিকল্পনা ব্যর্থ করে।

উৎস: Britannica.

৪০৫.
মাদার তেরেসার জন্মস্থান কোথায়?
  1. সার্বিয়া
  2. ইতালি
  3. মেসিডোনিয়া
  4. আলবেনিয়া
ব্যাখ্যা

মাদার তেরেসা:
- মাদার তেরেসার আসল নাম Agnes Gonxha Bojaxhiu.
- উত্তর মেসিডোনিয়ায় ১৯১০ সালের ২৭ আগস্ট জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ১৯২৮ সালে কলকাতায় আসেন।
- তিনি কলকাতায় অর্ডার স্কুলে ১৭ বছর শিক্ষকতা করেছেন।
- ১৯৬২ সালে ভারত সরকার মাদার তেরেসাকে ভারতের জনগণের সেবার জন্য তার সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মানের একটি পদ্মশ্রী প্রদান করে।
- মাদার তেরেসা ১৯৭৯ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- মাদার তেরেসা ৫ সেপ্টেম্বর ১৯৯৭ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

তথ্যসূত্র- Britannica.com

৪০৬.
চীনের সাংস্কৃতিক বিপ্লবের প্রধান নেতা কে ছিলেন?
  1. ডেং জিয়াওপিং
  2. সুন ইয়াতসেন
  3. চিয়াং কাই-শেক
  4. মাও সেতুং
ব্যাখ্যা

চীনের সাংস্কৃতিক বিপ্লব (১৯৬৬-১৯৭৬):
- চীনের সাংস্কৃতিক বিপ্লবের প্রধান নেতা ছিলেন মাও সেতুং।
- তিনি গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের কমিউনিস্ট পার্টির চেয়ারম্যান হিসেবে তার ক্ষমতা সুসংহত করতে এবং বিপ্লবী চেতনা পুনরুজ্জীবিত করার লক্ষ্যে এই সামাজিক-রাজনৈতিক আন্দোলন শুরু করেছিলেন। 

• এই বিপ্লব প্রায় ১০ বছর স্থায়ী হয়।
- সমগ্র চীনকে কমিউনিস্ট শাসনের আওতায় আনা, অর্থনৈতিক পুনর্গঠন, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য পুনরুদ্ধার ও কমিউনিস্ট বিরোধী ভাবধারা প্রতিহত করার জন্য এই বিপ্লব শুরু হয়। 
- চীনের সাংস্কৃতিক বিপ্লবের ফলে সমগ্র চীন ঐক্যবদ্ধ হয় এবং কমিউনিস্ট পার্টির অবস্থান দৃঢ় হয়।

উৎস: Britannica.

৪০৭.
‘পোপ’ কোন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মগুরু?
  1. ইসলাম
  2. খ্রিস্টান
  3. হিন্দু
  4. বৌদ্ধ
ব্যাখ্যা

• পোপ:
- ‘পোপ’ হলেন ক্যাথলিক খ্রিস্টানদের প্রধান ধর্মগুরু।

- তিনি রোমান ক্যাথলিক গির্জার সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক প্রধান।
- তাকে খ্রিস্টান ধর্মের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- পোপ হিসাবে যিনি নির্বাচিত হন, তিনি ভ্যাটিকানের রাষ্ট্রপ্রধানও হন।

উল্লেখ্য,
- বর্তমান পোপ রবার্ট ফ্রান্সিস প্রেভোস্ট মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে নির্বাচিত প্রথম পোপ। [আগস্ট, ২০২৫]
- তিনি পরিচিত পোপ চতুর্দশ লিও নামে।
- ৮ মে, ২০২৫ ভোটে নতুন পোপ নির্বাচিত হন রবার্ট ফ্রান্সিস প্রেভোস্ট।
- বিশ্বের ৭০টি দেশ থেকে ভ্যাটিকানে জড়ো হওয়া ১৩৩ কার্ডিনাল এই নির্বাচন প্রক্রিয়ায় অংশ নেন।

তথ্যসূত্র: বিবিসি।

৪০৮.
ইসরাইল রাষ্ট্রের স্বপ্নদ্রষ্টা কে?
  1. ব্যারন রথচাইল্ড
  2. থিয়োডোর হার্জেল
  3. আর্থার বেলফোর
  4. মেনোটেম বেগিন
ব্যাখ্যা
• ইসরাইল:
- ১৯৪৮ সালের ১৪ই মে ফিলিস্তিন ছেড়ে যায় ব্রিটেন, আর ইহুদিরা ঘোষণা করে নিজস্ব রাষ্ট্র ইসরাইলের।
- তারাই একমাত্র দেশ যারা শুধুমাত্র ধর্মের ভিত্তিতে সরাসরি নাগরিকত্ব দেয়, সেটা পৃথিবীর যে প্রান্তেরই ইহুদি হোক না কেন।
- ইতিহাসে ইসরায়েল বলে কোনো রাষ্ট্র ছিল না।
- ইসরাইলের স্বপ্নদ্রষ্টা অস্ট্রিয়ান সাংবাদিক থিয়োডোর হার্জেল।
- ‘জুডেনস্টাট’ বা ‘ইহুদি রাষ্ট্র’ নামে ১৮৯৬ সালে তিনি যে বই লেখেন, তা হিটলারের ‘মেইন ক্যাম্ফে’র মতোই বিপজ্জনক।
- হার্জেল লেখেন, ‘আমরা সেখানে (ফিলিস্তিনে) এশিয়ার বিরুদ্ধে ইউরোপের দুর্গপ্রাচীর বানাব।’
- যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলকে প্রথম স্বীকৃতি দেয় আমেরিকা।

উৎস: ব্রিটানিকা। 
৪০৯.
ফালুন গং আন্দোলনের নেতা কে ছিলেন?
  1. ফুসিসি
  2. সম্রাট লুই
  3. লি হংঝি
  4. সান ইয়াৎ সেন
ব্যাখ্যা
ফালুন গং আন্দোলনের নেতা ছিলেন লি হংঝি।

ফালুন গং:

- ফালুন গং চীনের একটি আধ্যাত্মিক আন্দোলন।
- মূলত ফালুন গং হলো শ্বাস-প্রশ্বাস নিয়ন্ত্রণ এর সাথে সাথে বিশেষ ভাবে হাত পা চালিয়ে এক শরীর চর্চা।
- এটি সনাতনি যোগ সাধনা পদ্ধতির একটি ফর্ম ছিল।
- এর ফলে শরীর স্বাস্থ্য ভালো হয় সেইসঙ্গে বুদ্ধিবৃত্তি মনোবৃত্তি ও আধ্যাত্মিক চেতনার উন্নতি।
- ফালুন গং এর মধ্যে মূল তত্ত্ব হলো হিন্দু ধর্ম শাস্ত্রের কুলকুণ্ডলিনী তত্ত্ব।

⇒ এই আন্দোলনের নেতা বা এই শরীর চর্চা উদ্ভাবকের নাম লি হংঝি।
- চীনের কমিউনিস্ট নেতারা যোগ বিদ্যাকে ডাইনীবিদ্যা বলে এবং সমাজের পক্ষে ক্ষতিকর বলে নিষিদ্ধ ঘোষনা করেছিল।
- তাই চীনের মূল ভূখণ্ডে নিষিদ্ধ হয়েছিল এই ফালুন গং।

উল্লেখ্য,
- ১৯৯২ সালে ফালুন গং এর উত্থান ঘটে।
- চীনে ফালুন গং আন্দোলন বেশ জনপ্রিয়তা লাভ করেছিল।
- চীনের সরকার ১৯৯৯ সালের ২২ জুলাই ফালুন গং আন্দোলন নিষিদ্ধ ঘোষণা করে।
- ফলে আন্দোলনের অনুসারীদের বিরুদ্ধে কঠোর দমন-পীড়ন চালায়।
- এর ফলে, ফালুন গং-এর অনুসারীরা অনেক দেশে রাজনৈতিক আশ্রয় লাভের চেষ্টা করেন এবং ফালুন গং-এর মানবাধিকার লঙ্ঘন নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়।

অন্যদিকে,
- চীনের প্রথম রাজা ফুসিসি ।
- চীনের সর্বশেষ সম্রাটের নাম সম্রাট লুই।
- চীন প্রজাতন্ত্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট সান ইয়াৎ সেন।

উৎস: Britannica.
৪১০.
নিচের কোন দেশটি বাংলাকে দ্বিতীয় সরকারি ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে?
  1. ক) আইভরি কোস্ট
  2. খ) পূর্ব তীমুর
  3. গ) সিয়েরা লিওন
  4. ঘ) সুরিনাম
ব্যাখ্যা
পশ্চিম আফ্রিকার দেশ সিয়েরা লিওন বাংলা ভাষাকে তাদের সরকারি ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করেছে। দেশটিতে নিয়োজিত জাতিসংঘের বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের ভূমিকার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে সিয়েরা লিওনের প্রেসিডেন্ট আহমাদ তেজান কাব্বাহ ২০০২ সালে বাংলা ভাষাকে তার দেশের দ্বিতীয় সরকারি ভাষা হিসেবে ঘোষণা করেন।
(সূত্র: কালেরকণ্ঠ)
৪১১.
Robert Oppenheimer, the father of the atomic bomb, was born in -
  1. USA
  2. UK
  3. Russia
  4. Germany
  5. Japan
ব্যাখ্যা
ওপেনহাইমার:
- ওপেনহাইমার ছিলেন ম্যানহাটান প্রজেক্টের কেন্দ্রীয় ব্যক্তি। 
- ওপেনহাইমারের জন্ম নিউইয়র্কে ১৯০৪ সালে এক ইহুদি পরিবারে।
- তার পরিবার জার্মানি থেকে অভিবাসী হয়ে আমেরিকায় আসে। 
- ওপেনহাইমার হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে রসায়ন পড়েন।
- স্নাতকোত্তর পড়াশোনা করেন ইংল্যান্ডের কেমব্রিজে।

উল্লেখ্য,
- পারমাণবিক বোমা তৈরি করতে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্র একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছিল।
- এই প্রকল্পের নাম ছিল 'ম্যানহাটান প্রজেক্ট'।
- সেই বোমা তৈরির প্রধান বিজ্ঞানী ছিলেন রবার্ট ওপেনহাইমার।
- জাপানের দুটি শহরে এই বোমা ফেলার পর বিপুল প্রাণহানি আর ধ্বংসলীলা ঘটেছিল।

উৎস: Britannica.
৪১২.
দার্শনিক প্লেটো রচিত বিখ্যাত গ্রন্থের নাম -
  1. দি রিপাবলিক
  2. দি গড ফাদার
  3. দি পলিটিক্স
  4. দি প্রিন্স
ব্যাখ্যা
The Republic:
- The Republic গ্রন্থটির লেখক প্লেটো। 
- সুশাসনের ধারণা প্রথম পাওয়া যায় 'The Republic' গ্রন্থে।

উৎস: Britannica.
৪১৩.
মাস্টারদা সূর্যসেনের ফাঁসি কার্যকর হয় কত তারিখে?
  1. ১২ জানুয়ারি, ১৯৩২ সালে
  2. ১০ জানুয়ারি, ১৯৩৪ সালে
  3. ১২ জানুয়ারি, ১৯৩৪ সালে
  4. ১০ জানুয়ারি, ১৯৩০ সালে
ব্যাখ্যা
মাস্টারদা সূর্য সেন:
- তার পুরো নাম সূর্যকুমার সেন।
- ১৮৯৪ সালে চট্টগ্রামের রাউজান থানার নোয়াপাড়া গ্রামে।
- বিএ পড়ার সময় তিনি তার শিক্ষক সতীশ চন্দ্র চক্রবর্তী কর্তৃক বৈপ্লবিক আদর্শে দীক্ষিত হন।
- অধ্যাপক সতীশ চন্দ্র চক্রবর্তী যুগান্তর নামে বিপ্লবী দলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
- ১৯১৮ সালে চট্টগ্রামে ফিরে তিনি বিপ্লবী যুগান্তর দল পুনরুজ্জীবিত করেন।
- শিক্ষকতা করার কারণে তিনি পরিচিত হন 'মাস্টারদা' নামে। 
- ১৯৩০ সালে চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার লুণ্ঠনের প্রধান সংগঠক ছিলেন মাস্টারদা সূর্যসেন।
- ১৯৩০ সালের ১৮ এপ্রিলের সশস্ত্র বিদ্রোহ ছিল সূর্যসেনের নেতৃত্বে বিপ্লবীদের দীর্ঘ সময়ের প্রস্তুতি ও সুষ্ঠু পরিকল্পনার ফসল।
- ১৯৩৪ সালের ১২ জানুয়ারি চট্টগ্রাম কারাগারে তার ফাঁসি কার্যকর হয়।

উল্লেখ্য, ২০২৫ সালে তার ফাঁসি কার্যকরের প্রায় ৯১ বছর হয়েছে। 

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া এবং পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪১৪.
কত সালে এডলফ হিটলার জার্মানির চ্যান্সেলর নিযুক্ত হন?
  1. ১৯৩৫ সালে
  2. ১৯৪৫ সালে
  3. ১৯৩৩ সালে
  4. ১৯৩৮ সালে
ব্যাখ্যা
এডলফ হিটলার:
- ১৮৯৯ সালের এপ্রিল মাসে অস্ট্রিয়ার ব্রাউনাউ গ্রামে অ্যাড্লফ হিটলার জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ছিলেন অস্ট্রীয় বংশোদ্ভূত জার্মান রাজনীতিবিদ।
- এডলফ হিটলার ছিলেন নাৎসি পার্টির প্রধান নেতা।
- তিনি ন্যাশনাল সোশ্যালিস্ট জার্মান ওয়ার্কার্স পার্টির নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।
- এডলফ হিটলার ১৯৩৩ সালে জার্মানির চ্যান্সেলর নির্বাচিত হন।
- হিটলার ১৯৩৩ থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত জার্মানির চ্যান্সেলর ছিলেন।
- হিটলার আত্মহত্যা করেন- ৩০ এপ্রিল, ১৯৪৫ সালে।
- হিটলারের গোপন পুলিশ বাহিনী গেস্টাপো নামে পরিচিত।
- তাঁর আত্মজীবনীর নাম Mein Kamph.
- 'অপছন্দের চেয়ে ঘৃণার স্থায়িত্ব বেশি' -উক্তিটি এডলফ হিটলার-এর।
- যুদ্ধই জীবন, যুদ্ধই সর্বজনীন বলেছেন হিটলার।

উৎস: Britannica.
৪১৫.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ফিল্ড মার্শাল রোমেল কোন নামে পরিচিত ছিলেন?
  1. ব্ল্যাক প্যান্থার
  2. ডেজার্ট ফক্স
  3. দ্য গ্রেট জেনারেল
  4. আয়রন ম্যান
ব্যাখ্যা

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ফিল্ড মার্শাল এরউইন রোমেল 'ডেজার্ট ফক্স' (Desert Fox) বা "মরু শিয়াল" নামে পরিচিত ছিলেন। 

ফিল্ড মার্শাল রোমেল
:
- ফিল্ড মার্শাল এরউইন রোমেল (Erwin Rommel) ছিলেন নাজি জার্মানির একজন বিখ্যাত সেনা কমান্ডার।

⇒ তার বিশেষ খ্যাতি ছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় আফ্রিকায়, বিশেষত উত্তর আফ্রিকায়, জার্মান আফ্রিকা কর্পসের (German Afrika Korps) নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য।
- রোমেল ১৯১০ সালে জার্মানির সেনাবাহিনীতে যোগ দেন এবং দ্রুতই তার কৌশলগত দক্ষতা এবং নেতৃত্বের জন্য পরিচিতি লাভ করেন।
- এই কারণেই তিনি 'ডেজার্ট ফক্স' নামে পরিচিত হয়ে উঠেন।

উল্লেখ্য,
- রোমেল যুদ্ধের শেষের দিকে হিটলারের নীতির বিরোধিতা করতে শুরু করেন এবং ১৯৪৪ সালে তাকে সামরিক ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকার অভিযোগে আত্মহত্যার জন্য চাপ দেওয়া হয়।
- তার মৃত্যু আত্মহত্যা হিসেবে ঘোষণা করা হয়, যদিও এটি এক ধরনের চাপ বা ষড়যন্ত্র ছিল।
- ১৪ অক্টোবর, ১৯৪৪-এ বিষ খেয়ে আত্মহত্যা করার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল।
- রোমেলকে তার দক্ষতা, সাহসিকতা এবং কৌশলগত চিন্তাভাবনার জন্য স্মরণ করা হয়।

উৎস: Britannica.

৪১৬.
Who killed Mahatma Gandhi?
  1. Nathuram Godse
  2. Dhanu
  3. Kunder Mehta
  4. Such Singh Bassi
  5. None of them
ব্যাখ্যা
মহাত্মা গান্ধী:
- ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের অবিসংবাদিত নেতা মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী।
- ১৮৬৯ সালের ২ অক্টোবর ভারতে জন্ম নেন তিনি।
- ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে অহিংস আন্দোলন করা এবং ভারতীয় উপমহাদেশ থেকে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদী শক্তিকে বিদায় করতে তাঁর ভূমিকা অগ্রগণ্য।
- তাঁর অহিংস নীতি, নৈতিক ভিত্তি, আশ্চর্যজনক নেতৃত্বের ক্ষমতা আরও বেশি মানুষকে স্বাধীনতা আন্দোলনের সঙ্গে সংযুক্ত করেছিল।
- তিনি ছিলেন সত্যাগ্রহ আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা।
- মহাত্মা গান্ধীকে ১৯৪৮ সালের ৩০শে জানুয়ারি নতুন দিল্লির একটি সুবৃহৎ প্রাসাদ বিড়লা হাউসের প্রাঙ্গনে হত্যা করা হয়েছিল।
- তাঁর ঘাতক ছিলেন নাথুরাম গডসে।

এছাড়াও,
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর গান্ধীজিকে ‘মহাত্মা’ উপাধি দিয়েছিলেন।
- তিনি ৫ বার নোবেল পুরস্কারের জন্য মনোনীত হন, পুরস্কার পাওয়ার আগে ১৯৪৮ সালে তাঁকে হত্যা করা হয়।
- ১৯৩০ সালে, তিনি আমেরিকার টাইম ম্যাগাজিন দ্বারা ‘ম্যান অব দ্য ইয়ার’ উপাধিতে ভূষিত হন।
- নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুই সর্বপ্রথম মহাত্মা গান্ধীকে “জাতির জনক” বলে অভিহিত করেন।
- সুভাষচন্দ্র বসু গান্ধীজিকে “জাতির জনক” বলে সম্মান করেছিলেন কারণ তিনি ভারতীয় স্বাধীনতা সংগ্রামে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিলেন এবং ভারতীয় স্বাধীনতা সংগ্রামের একজন বিশিষ্ট নেতা ছিলেন।

উল্লেখ্য,
- মহাত্মা গান্ধীর অসহযোগ আন্দোলন সংঘটিত হয় ১৯২০ সালে।

অন্যদিকে,
- মোস্তফা কামাল আতাতুর্ক তুরস্কের জনক।
- অটো ভন বিসমার্ক আধুনিক জার্মানির জনক।
- সান ইয়েৎ সেন ছিলেন চীন প্রজাতন্ত্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট।

উৎস: i) Hindustan Times.
ii) Britannica.
৪১৭.
‘Lady with the Lamp’ নামে পরিচিত কে?
  1. মাদার তেরেসা
  2. ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল
  3. মারি ক্যুরি
  4. অ্যানি বেসান্ত
ব্যাখ্যা
ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল:
- ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল ছিলেন আধুনিক নার্সিং সেবার অগ্রদূত।
- তিনি ছিলেন ইতালিয়ান নাগরিক।
- ১৮২০ সালের ১২ মে ইতালির ফ্লোরেন্সে জন্মগ্রহণ করেন ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল।
- তিনি Lady with the Lamp নামে পরিচিত।
- ১৯১০ সালের ১৩ আগস্ট লন্ডনে মৃত্যুবরণ করেন ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল।
- ইংল্যান্ডের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা উন্নয়নেও তিনি বিশেষ ভূমিকা পালন করেছেন।
- লন্ডনের সেন্ট থমাস হাসপাতালে নার্সিংকে সম্পূর্ণ পেশারূপে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য ১৮৬০ সালে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন ‘নাইটিঙ্গেল ট্রেনিং স্কুল’ যার বর্তমান নাম ‘ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল স্কুল অব নার্সিং।

উল্লেখ্য,
- তিনি ক্রিমিয়ার যুদ্ধে যুদ্ধরত সৈন্যদের চিকিৎসা সেবায় এগিয়ে আসেন।
- যুদ্ধটি ১৮৫৩-১৮৫৬ সময়কালে সংঘটিত হয়।
- তিনি দিনের বেলায় কাজ করে রাতের বেলায় আহত সৈন্যদের চিকিৎসা সেবা প্রদান করতেন।
- এ যুদ্ধে চিকিৎসা সেবায় অসামান্য অবদানের জন্য তাকে বলা হয় ‘লেডি উইথ দ্য ল্যাম্প‘।
- ১৮৮৩ সালে রানি ভিক্টোরিয়া তাকে ‘রয়েল রেডক্রস’ পদক প্রদান করেন।
- প্রথম নারী হিসেবে ‘অর্ডার অব মেরিট’ খেতাব লাভ করেন ১৯০৭ সালে।
- ১৯০৮ সালে লাভ করেন লন্ডন নগরীর ‘অনারারি ফ্রিডম’ উপাধি।

সূত্র: Britannica.
৪১৮.
বাংলাদেশের গৌরব জনাব এফ, আর, খান (ফজলুর রহমান খান) পেশায় কী ছিলেন?
  1. চিকিৎসক
  2. কম্পিউটার বিজ্ঞানী
  3. স্থপতি
  4. কৃষি বিজ্ঞানী
ব্যাখ্যা
এফ, আর, খান:

- ফজলুর রহমান খান পেশায় স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার এবং স্থপতি।
- তিনি ১৯২৯ সালে মাদারীপুর জেলার শিবচর উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৯৪৪ সালে কলকাতার বালিগঞ্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ম্যাট্রিক পাস করার পর তিনি প্রেসিডেন্সি কলেজ-এ ভর্তি হন।
- ১৯৫০ সালে তিনি কলকাতার শিবপুর ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ থেকে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান অধিকার করে ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি লাভ করেন।
- ১৯৫৫ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত স্থাপত্য প্রতিষ্ঠান স্কিডমুর-এ যোগদানের মাধ্যমে তাঁর কর্মজীবন শুরু হয়।
- ফজলুর রহমান খান শিকাগোর একশ তলা উঁচু জন হ্যানকক সেন্টার এবং একশ দশ তলা উঁচু সিয়ার্স টাওয়ার-এর নকশা তৈরি করেন।
- ইঞ্জিনিয়ারিং নিউজ রেকর্ডস কর্তৃক ‘কন্সট্রাকশনস ম্যান অব দি ইয়ার’ মনোনীত হওয়ার পর ১৯৭১ সালে শিকাগোর ওন্টারিও সেন্টারে  একটি ফলকে তাঁর সম্বন্ধে মন্তব্য লেখা হয় ‘ইনোভেশন ফলোজ প্রোগ্রাম’।
- ১৯৮২ সালের ২৬ মার্চ তিনি হূদরোগে মারা যান।
- বাংলাদেশ সরকার ১৯৯৯ সালে তাঁকে মরণোত্তর ‘স্বাধীনতা পদকে’ ভূষিত করে এবং তাঁর স্মরণে স্মারক একটি ডাকটিকিট প্রকাশ করে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৪১৯.
ক্লাসিকাল অর্থনীতির প্রবক্তা কে?
  1. ডেভিড রিকার্ডো
  2. অ্যাডাম স্মিথ
  3. সক্রেটিস
  4. এরিস্টটল
ব্যাখ্যা
অ্যাডাম স্মিথ:
- আধুনিক অর্থশাস্ত্রের জনক অ্যাডাম স্মিথ অর্থনীতিকে 'সম্পদের বিজ্ঞান' বলেছেন।
- অ্যাডাম স্মিথের বিখ্যাত গ্রন্থ- 'The Wealth of Nations'.
- তিনি ক্লাসিকাল অর্থনীতির প্রবক্তা।

অপরদিকে,
-অধ্যাপক মার্শাল অর্থনীতিকে 'কল্যাণের বিজ্ঞান' বলে অভিহিত করেছেন।
- তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ ÖPrinciple of Economics |
- তিনি নিও-ক্লাসিকাল অর্থনীতির প্রবক্তা।
- অর্থনীতির আধুনিক মতবাদের প্রবক্তা লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক লায়নেল রবিন্স।

তথ্যসূত্র - অর্থনীতি- একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি।
৪২০.
“Sunflowers” নামক বিখ্যাত চিত্রকর্মটি কোন শিল্পীর?
  1. পাবলো পিকাসো
  2. ক্লড মনেট
  3. লিওনার্দো দা ভিঞ্চি
  4. ভিনসেন্ট ভ্যান গঘ
ব্যাখ্যা

- ভিনসেন্ট ভ্যান গঘ—চিত্রকলার ইতিহাসে অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও প্রভাবশালী শিল্পী।
- আর তাঁর সবচেয়ে বিখ্যাত চিত্রশিল্পগুলোর একটি হল ‘Sunflowers’ বা সূর্যমুখী ফুল। 
- ১৮৮৭ থেকে ১৮৮৯ সালের মধ্যে তিনি এই সূর্যমুখী নিয়ে মোট ১১টি ছবি এঁকেছিলেন। 
- তিনি এই চিত্রগুলো তিন ধাপে আঁকেন—প্রথমে প্যারিসে, পরে দক্ষিণ ফ্রান্সের আর্ল শহরে এবং এরপর আগের কিছু ছবির কপি তৈরি করেন।
- ভ্যান গঘের সূর্যমুখী শুধুই একটি ফুলের ছবি নয়। এটি প্রেম, বিশ্বাস, ক্ষয় মিলিয়ে সবকিছুর এক বিস্ময়কর প্রতীক।

উৎস: ব্রিটানিকা এবং দৈনিক জনকণ্ঠ।

৪২১.
গেটিসবার্গ ভাষণের জন্য বিখ্যাত কে?
  1. জন এফ কেনেডি
  2. থমাস জেফারসন
  3. আব্রাহাম লিংকন
  4. রিচার্ড নিক্সন
ব্যাখ্যা

আব্রাহাম লিংকন:
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ১৬তম প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকন।
- তার রাজনৈতিক দল ছিল রিপাবলিকান পার্টি।
- তাঁকে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে সফল ও জনপ্রিয় প্রেসিডেন্ট হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- 'The ballot is stronger than bullet'- বিখ্যাত উক্তিটি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকন।

উল্লেখ্য,
১৮৬৩ সালের ১৯ নভেম্বর লিংকন পেনসালভেনিয়ার গেটিসবার্গের যুদ্ধক্ষেত্রে দাঁড়িয়ে এক হৃদয়স্পর্শী ভাষণে বলেন, ‘গণতন্ত্র হলো জনগণের সরকার, জনগণের দ্বারা সরকার, জনগণের জন্য সরকার।’  প্রজাতন্ত্রবাদ, সমঅধিকার, স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের প্রবক্তা, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ১৬তম প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকন গণতন্ত্রের সবচেয়ে জনপ্রিয় এই সংজ্ঞাটা দিয়েছিলেন গেটিসবার্গ ভাষণে। তিন মিনিটের কম সময়ের সেই ভাষণকে বলা হয় পৃথিবীর শ্রেষ্ঠতম ভাষণের একটি। তার বিখ্যাত উক্তি - '‘Government by the people, for the people, of the people’।

⇒ আব্রাহাম লিংকন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বহু বছরের দাসপ্রথা বিলুপ্ত করেন।  মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতির আধুনিকীকরণে তিনি অসামান্য ভূমিকা পালন করেন। তিনি ১৮৬৩ সালে দাসপ্রথার বিলুপ্তি ঘোষণা করেন। এটি ছিল দাসপ্রথার বিরুদ্ধে নেওয়া পৃথিবীর ইতিহাসের সবচেয়ে বড় পদক্ষেপ।

⇒ ১৮৩২ সালে যুক্তরাষ্ট্র ও নেটিভ আমেরিকাদের মধ্যে ‘ব্ল্যাক হক’ যুদ্ধ শুরু হলে এলাকার স্বেচ্ছাসেবীরা লিংকনকে তাদের অধিনায়ক মনোনীত করেন। এই যুদ্ধে আব্রাহাম লিংকন তাঁর কৃতিত্বের জন্য প্রশংসিত হন। এরপর লিংকন হুইগ দলের সমর্থক হিসেবে স্থানীয় রাজনীতি যোগ দেন। 

⇒ আব্রাহাম লিংকন ১৮৪৬ সালে ইলিনয়ের হাউস অব রিপ্রেজেনটেটিভ নির্বাচনে জয়ী হন। ১৮৫৪ সালে ডেমোক্রেটিক দল প্রেইরি ল্যান্ডে দাসপ্রথা চালু করলে আব্রাহাম লিংকন এর বিরোধিতা করেন এবং পুনরায় রাজনীতিতে ফিরে আসেন। ১৮৫৬ সালে তিনি রিপাবলিকান দলে যোগ দেন। ১৮৬০ সালে বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী প্রতিযোগীদের পেছনে ফেলে রিপাবলিকান দলের প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হন এবং ৬ নভেম্বর নির্বাচিত হন যুক্তরাষ্ট্রের ১৬তম প্রেসিডেন্ট।

উৎস: History Channel.

৪২২.
'গোয়ের্নিকা' কার অঙ্কিত বিখ্যাত চিত্রকর্ম?
  1. ক) সালভেদর ডালি
  2. খ) পাবলো এস্কোবার
  3. গ) মাইকেল অ্যাঞ্জেলো
  4. ঘ) পাবলো পিকাসো
ব্যাখ্যা
পাবলো পিকাসো:
- পাবলো পিকাসো একজন স্পেনিশ চিত্রকর ও ভাস্কর।
- চিত্রকর্মে কিউবিজম অধ্যায়ের প্রবর্তক তিনি।
- তার ২ হাজারেরও বেশি চিত্রকর্ম বিভিন্ন দেশের জাদুঘরে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে।
- পিকাসোর আঁকা অসংখ্য বিখ্যাত ছবির একটি হলো ‘গোয়ের্নিকা’।
- ১৯৩৭ সালে স্পেনের স্বৈরশাসক ফ্রান্সিসকো ফ্রাঙ্কোর অনুরোধে জার্মানি ও ইতালি যৌথভাবে আক্রমণ চালায় স্পেনের প্রত্যন্ত গোয়ের্নিকা গ্রামে।
- এ ঘটনায় মর্মাহত পাবলো পিকাসো এঁকেছিলেন তাঁর জগদ্বিখ্যাত ছবি ‘গোয়ের্নিকা’।
- গোয়ের্নিকাকে বলা হয় পৃথিবীর সর্বকালের সেরা যুদ্ধবিরোধী চিত্রকর্ম।
- তাঁর আরও কয়েকটি উল্লেখযোগ্য সৃষ্টি হলো ‘দ্য ওল্ড গিটারিস্ট’, ‘গার্ল বিফোর আ মিরর’, ‘দ্য উইপিং ওমেন’, ‘উইমেন অব আলজিয়ার্স’, ‘সেলফ পোর্ট্রেট’, ‘থ্রি মিউজিশিয়ানস’, ‘সিটেড বাথার’ প্রভৃতি।

অন্যদিকে -
- ডেভিট, পাইয়েটা প্রভৃতি অ্যাঞ্জেলোর চিত্রকর্ম। 
- সালভাদর ডালির সবচেয়ে বিখ্যাত পেইন্টিং হল দ্য পারসিস্টেন্স অফ মেমোরি (১৯৩১)।

উৎস: Britannica.
৪২৩.
নেলসন ম্যান্ডেলা কত সালে দক্ষিণ আফ্রিকার রাষ্ট্রপতি হন?
  1. ১৯৯০ সালে
  2. ১৯৯২ সালে
  3. ১৯৯৩ সালে
  4. ১৯৯৪ সালে
ব্যাখ্যা
নেলসন ম্যান্ডেলা: 
- নেলসন ম্যান্ডেলা ছিলেন বর্ণবৈষম্যের বিরুদ্ধে সংগ্রামের অগ্রদূত।
- তিনি আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেস (ANC) দলের গুরুত্বপূর্ণ নেতা ছিলেন।
- ১৯৬৪ সালে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে তাঁকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয় এবং তিনি ২৭ বছর কারাগারে কাটান।
- ১৯৯০ সালে মুক্তি পাওয়ার পর ম্যান্ডেলা দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদী শাসনের অবসানের জন্য শান্তিপূর্ণ আলোচনা চালিয়ে যান।
- ১৯৯৪ সালের দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম গণতান্ত্রিক নির্বাচনে জয়ী হয়ে তিনি দেশটির প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ রাষ্ট্রপতি হন।
- তাঁর নেতৃত্বে দক্ষিণ আফ্রিকা গণতন্ত্র ও সামাজিক ন্যায়বিচারের পথে এগিয়ে যায়।
- ১৯৯৩ সালে এফ. ডব্লিউ. ডি ক্লার্কের সঙ্গে যৌথভাবে তিনি নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- পুরস্কারটি দেওয়া হয় দক্ষিণ আফ্রিকায় শান্তিপূর্ণ গণতান্ত্রিক পরিবর্তন আনার জন্য।
- "লং ওয়াক টু ফ্রিডম" - তাঁর আত্মজীবনী বিশ্বজুড়ে অনুপ্রেরণার উৎস।

উৎস: Britannica.
৪২৪.
বিখ্যাত অর্থনীতিবিদ 'অ্যাডাম স্মিথ' কোন দেশে জন্মগ্রহন করেছিলেন?
  1. স্কটল্যান্ড
  2. ফ্রান্স
  3. জার্মানী
  4. ইতালী
ব্যাখ্যা

→ বিখ্যাত অর্থনীতিবিদ 'অ্যাডাম স্মিথ' স্কটল্যান্ডে জন্মগ্রহন করেছিলেন।

অ্যাডাম স্মিথ:
- আধুনিক অর্থশাস্ত্রের জনক অ্যাডাম স্মিথ ।
- এডাম স্মিথ গ্লাসকো বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ছিলেন।
- গ্লাসগো বিশ্ববিদ্যালয়েই অধ্যাপনা করার সময়ে তিনি দ্য থিওরি অব মোরাল সেন্টিমেন্টস নামের বইটি লেখেন।
- ক্ল্যাসিকাল অর্থনীতি, মুক্তবাজার অর্থনীতি ও অর্থনৈতিক উদারতার প্রবর্তক এডাম স্মিথ ।
- সর্বপ্রথম তিনি অদৃশ্য হস্ত কথাটি ব্যবহার করেন।
- এডাম স্মিথ ১৭৭৬ সালে তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ 'An enquiry into the nature and causes of the wealth of Nations' রচনা করেন।
- এই বইয়ে তিনি অর্থনীতির মূল বিষয়গুলো সম্পর্কে ধারণা দেন।
- এই বইকে ‘বাইবেল অব ইকোনমিকস'ও বলা হয়৷

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা ও প্রথম আলো।

৪২৫.
'এলাম, দেখলাম, জয় করলাম'-কার বিখ্যাত উক্তি?
  1. ক্লিওপেট্রা
  2. দ্বাদশ টলেমি
  3. জুলিয়াস সিজার
  4. মার্ক অ্যান্টনি
ব্যাখ্যা
জুলিয়াস সিজার:
- জুলিয়াস সিজার একজন রোমান সম্রাট।
- তিনি একজন বিখ্যাত রোমান রাজনীতিবিদ, সেনাপতি ও জনপ্রিয় রোমান সম্রাট।
- তিনি ১০০ খ্রিস্টপূর্বে ইতালির রোমে জন্মগ্রহণ করেছিলেন।
- তিনি ছিলেন একজন রোমান জেনারেল এবং রাজনীতিবিদ।
- তিনি নিজেকে রোমান সাম্রাজ্যের স্বৈরশাসক নামে অভিহিত করেছিলেন।
- রোমের নাগরিকরা গল, ব্রিটেন, মিশর এবং আফ্রিকায় সিজারের অভিযানগুলোর জন্য তাকে পছন্দ করেছিল।
- ৪৪ খ্রিস্টপূর্বে রোমীয় সিনেটে জুলিয়াস সিজারকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেছিল।
- এর ফলে রোমীয় প্রজাতন্ত্রের পতনের সূত্রপাত হয়।

উল্লেখ্য,
- জুলিয়াসের বিখ্যাত বানী: 'এলাম, দেখলাম, জয় করলাম'।

উৎস: Britannica.
৪২৬.
আধুনিক ইতিহাসের জনক বলা হয় কাকে?
  1. টয়েনবি
  2. হেরোডোটাস
  3. ই. এইচ. কার
  4. লিওপোল্ড ফন্ র‍্যাংকে
ব্যাখ্যা
ইতিহাস: 
- গ্রিক শব্দ 'হিস্টরিয়া' (Historia) থেকে ইংরেজি হিস্টরি (History) শব্দটির উৎপত্তি, যার বাংলা প্রতিশব্দ হচ্ছে ইতিহাস।
- 'হিস্টরিয়া' শব্দটির প্রথম ব্যবহার করেন গ্রিক ঐতিহাসিক হেরোডোটাস (খ্রিষ্টপূর্ব পঞ্চম শতক)।
- তিনিই সর্বপ্রথম তাঁর গবেষণাকর্মের নামকরণে এ শব্দটি ব্যবহার করেন, যার আভিধানিক অর্থ হলো সত্যানুসন্ধান বা গবেষণা।
- তিনি বিশ্বাস করতেন, ইতিহাস হলো-যা সত্যিকার অর্থে ছিল বা সংঘটিত হয়েছিল তা অনুসন্ধান করা ও লেখা।
- তিনি তাঁর গবেষণায় গ্রিস ও পারস্যের মধ্যে সংঘটিত যুদ্ধের বিভিন্ন বিষয় অনুসন্ধান করেছেন।
- এতে তিনি প্রাপ্ত তথ্য, গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা এবং গ্রিসের বিজয়গাথা লিপিবদ্ধ করেছেন।
- আধুনিক ইতিহাসের জনক জার্মান ঐতিহাসিক লিওপোল্ড ফন্ র‍্যাংকে। 
- তিনি মনে করেন, প্রকৃতপক্ষে যা ঘটেছিল তার অনুসন্ধান ও তার সত্য বিবরণই ইতিহাস।

উল্লেখ্য, হেরোডোটাসকে ইতিহাসের জনক বলা হয়। 

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৪২৭.
কে প্রোটেস্ট্যান্ট সংস্কার আন্দোলনের সাথে জড়িত ছিলেন?
  1. পোপ নবম লিও 
  2. মার্টিন লুথার
  3. মাইকেল সেরুলারিয়াস
  4. মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র
ব্যাখ্যা
মার্টিন লুথার: 
- মার্টিন লুথার ছিলেন একজন জার্মান ধর্মতাত্ত্বিক ও ধর্মীয় সংস্কারক। 
- তিনি ১৬শ শতাব্দীর প্রোটেস্ট্যান্ট সংস্কার আন্দোলনের (Protestant Reformation) সূচনা ঘটান।
- মার্টিন লুথার ছিলেন সেই ব্যক্তি যিনি খ্রিস্টধর্মের রোমান ক্যাথলিক শাখার বিরুদ্ধে সংস্কারের ডাক দেন।
- তার কথা ও কাজের মাধ্যমে, লুথার এমন একটি আন্দোলনের সূত্রপাত করেছিলেন যা খ্রিস্টীয় বিশ্বাসের কিছু মৌলিক নীতি সংস্কার করেছিল। 
- এর ফলে পশ্চিমা খ্রিস্টীয়জগৎ রোমান ক্যাথলিক ধর্ম এবং নতুন প্রোটেস্ট্যান্ট ঐতিহ্য প্রধানত লুথারানিজম, ক্যালভিনিজম, অ্যাংলিকানিজম, অ্যানাব্যাপ্টিস্ট এবং ত্রিত্ব-বিরোধীদের মধ্যে বিভক্ত হয়ে পড়ে।
- তিনি খ্রিস্টধর্মের ইতিহাসের সবচেয়ে প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বদের একজন।

উৎস: Britannica.
৪২৮.
স্টিফেন হকিং বিশ্বের একজন খুব বিখ্যাত -
  1. দার্শনিক
  2. পদার্থবিদ
  3. রসায়নবিদ
  4. কবি
ব্যাখ্যা
স্টিফেন হকিং:
- স্টিফেন হকিং একজন পদার্থবিদ।

⇒ তিনি ১৯৪২ সালের ৮ জানুয়ারি তিনি ইংল্যান্ডের অক্সফোর্ডে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি অক্সফোর্ডে পদার্থবিদ্যার ওপর প্রথম শ্রেণীর ডিগ্রী অর্জন করে ক্যামব্রিজে কসমোলজির উপর স্নাতকোত্তর গবেষণা করেন।
- ১৯৬২ সালে ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে ফলিত গণিত এবং তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানে পিএইচডি গবেষণার কাজ শুরু করেন।
- তাঁর গবেষণার বিষয়বস্তু ছিলো কসমোলজি এবং জেনারেল থিওরি অব রিলেটিভিটি।
- কেমব্রিজে গবেষণা করার সময় তাঁর মোটর নিউরন রোগ ধরা পরে যেটা তাকে প্রায় সম্পূর্ণভাবে অচল করে দেয়।
- আশির দশকের মাঝামাঝি সময়ে স্টিফেন হকিং গুরুতর নিউমোনিয়া রোগে আক্রান্ত হয়ে স্বাভাবিকভাবে কথা বলার ক্ষমতাও হারিয়ে ফেলেন।
- কম্পিউটারের মাধ্যমে বিশেষ যন্ত্রের সাহায্যে কথা বলা রপ্ত করেন।
- ১৯৮৮ সালে তিনি তার বই 'A Brief History of Time: From the Big Bang to Black Holes' প্রকাশ করেন।
- মহাবিশ্বের উৎপত্তি, বিকাশ এবং সম্ভাব্য পরিণতি নিয়ে খুব সহজবোধ্য ভাষায় সময়ের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস তিনি লিখেছিলেন।
- ২০১৮ সালের ১৪ মার্চ ছিয়াত্তর বছর বয়সে এই বিজ্ঞানীর জীবনাবসান হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭৪ সালে তিনি তাঁর জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কারটি করেন।
- ব্ল্যাকহোল নিয়ে ব্যাপক গবেষণা করে তিনি তাত্ত্বিকভাবে দেখিয়েছিলেন, ইভেন্ট হরাইজনের সীমানায় এক ধরনের বিকিরণ হয়।
- কোয়ান্টাম শূন্যতার মাঝে যেসব ভার্চুয়াল কণা এবং প্রতিকণার উদ্ভব হয় তারই কিছুটা ইভেন্ট হরাইজনের বাইরে বেরিয়ে আসতে পারে।
- এই কোয়ান্টাম ফ্ল্যাকচুয়েশনের ফলে ব্ল্যাকহোল ধীরে ধীরে তার ভর হারায়।
- অত্যন্ত কম তাপমাত্রার এই বিকিরণকে বলা হয়, হকিং রেডিয়েশন।

উৎস: Britannica.
৪২৯.
বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট হবেন ভারতীয় মার্কিন নাগরিক-
  1. ক) কৌশিক বসু
  2. খ) অজয় বাঙ্গা
  3. গ) দেবরাজ ইন্দ্র
  4. ঘ) অমর্ত্য সেন
ব্যাখ্যা
- বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট ভারতীয় মার্কিন নাগরিক অজয় বাঙ্গা। তিনি মে মাসে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।
- তিনি মাস্টারকার্ডের সিইও ছিলেন।
- বিশ্বব্যাংকের বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডেভিড রবার্ট ম্যালপাস।
- তিনি যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক।
- তিনি বিশ্বব্যাংকের ১৩তম প্রেসিডেন্ট। 
- সাধারণত যুক্তরাষ্ট্র থেকেই বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। 

উৎসঃ বিশ্বব্যাংকের ওয়েবসাইট। 
৪৩০.
জাগ্রত চৌরঙ্গী কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) ঢাকা সেনাবাহিনী
  2. খ) গাজীপুর চৌরাস্তা
  3. গ) রায়েরবাজার
  4. ঘ) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম ভাস্কর্য জাগ্রত চৌরঙ্গী গাজীপুর জেলার চান্দনা চৌরাস্তায় অবস্থিত। এটি ১৯৭৩ সালে নির্মাণ করা হয়। এটির ভাস্কর আবদুর রাজ্জাক। এটির উচ্চতা ৪২ ফুট ২ ইঞ্চি। এটির দেয়ালে ২০৭ জন শহিদ সৈনিক ও মুক্তিযোদ্ধার নাম খোদিত রয়েছে।
(সূত্র: প্রথম আলো)
৪৩১.
'Mein Kampf’  নামক আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থটির লেখক কে?
  1. এডলফ হিটলার
  2. হুসেইন সাদ্দাম
  3. নেলসন ম্যান্ডেলা
  4. মুসোলিনি
ব্যাখ্যা

• Mein Kampf:
- 'মাইন কাম্ফ' (Mein Kampf) বইটি এডলফ হিটলার রচনা করেছেন।
- এই বইটি তাঁর আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ।
- এই গ্রন্থে তিনি তাঁর রাজনৈতিক মতামত ও বিশ্ব দৃষ্টিকোণ প্রকাশ করেছেন।
- বইটি লেখার সময় হিটলার জেলে বন্দী ছিলেন।
- এবং তাঁর রাজনৈতিক দর্শন ও ইহুদি বিদ্বেষের ধারণা এই গ্রন্থে স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।

অন্যদিকে,
- নেলসন ম্যান্ডেলার আত্মজীবনীমূলক বই  A Long Walk to Freedom ।
- এটি  ১৯৯৪ সালে প্রকাশিত হয়।
- এই বইতে মেন্ডেলা তাঁর শৈশব, কৈশোর, শিক্ষা, এবং দক্ষিণ আফ্রিকায় বর্ণবাদ বিরোধী সংগ্রামে তাঁর ভূমিকা ও ২৭ বছরের কারাবাসের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেছেন।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।

৪৩২.
‘ইন্দোচীন কমিউনিস্ট পার্টি‘- এর প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন -
  1. হো চি মিন
  2. মুসোলিনি
  3. মাও সেতুং
  4. চে গুয়েভারা
ব্যাখ্যা
• হো চি মিন:
- হো চি মিন, আসল নাম নগুয়েন সিন কুং। 
- (জন্ম ১৯ মে, ১৮৯০-মৃত্যু ২ সেপ্টেম্বর, ১৯৬৯), হ্যানয়, উত্তর ভিয়েতনাম)।
- ইন্দোচীন কমিউনিস্ট পার্টি (১৯৩০) এর প্রতিষ্ঠাতা।
- তিনি ছিলেন ভিয়েত-মিন (১৯৪১) এর উত্তরসূরি।
- ভিয়েতনাম গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র এর রাষ্ট্রপতি ছিলেন -১৯৪৫ থেকে ১৯৬৯ সাল পর্যন্ত।
- প্রায় তিন দশক ধরে ভিয়েতনামী জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের নেতা ছিলেন।
- তিনি ছিলেন বিংশ শতাব্দীর অন্যতম প্রভাবশালী কমিউনিস্ট নেতাদের একজন।

উৎস: ব্রিটানিকা।[link]
৪৩৩.
‘পাইন্যার মা’ কোন চিত্র শিল্পীর চিত্রকর্ম?
  1. হাশেম খান
  2. জয়নুল আবেদিন
  3. মুস্তফা মনোয়ার
  4. এস এম সুলতান
ব্যাখ্যা
জয়নুল আবেদিন:

- জয়নুল আবেদিন ১৯১৪ সালে ময়মনসিংহে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি বেড়ে উঠেছেন ব্রহ্মপুত্রের লালিত্যে গড়ে ওঠা সবুজ শ্যামলিমায়।
- জয়নুল তাঁর প্রথম জীবনেই নদী ও অবারিত প্রকৃতির মাঝে রোমান্টিকতার অনুপ্রেরণা পান।
- তিনি ১৯৩৩ সালে কলকাতা সরকারি আর্ট স্কুলে ভর্তি হন এবং পাঁচ বছর সেখানে ব্রিটিশ / ইউরোপীয় স্টাইলের ওপর পড়াশুনা করেন। 
- জয়নুল আবেদিন ও তাঁর কয়েকজন সহযোগী, যারা দেশ ভাগের পর ঢাকায় অভিবাসী হয়েছিলেন, আর্ট ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করেন।
- ‘দুই মহিলা’ (গোয়াশ, ১৯৫৩), ‘পাইন্যার মা’ (গোয়াশ, ১৯৫৩) ও ‘মহিলা’ (জলরং, ১৯৫৩), 'ফসল মাড়াই', জলরং (১৯৬৩) হলো এ আমলের উল্লেখযোগ্য চিত্রকর্ম।
- ১৯৭৬ সালের ২৮ মে ঢাকায় তাঁর মৃত্যু হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৪৩৪.
'লং ওয়াক টু ফ্রিডম' বইটি কে লিখেছেন?
  1. থাবো এমবেকি
  2. কফি আনান
  3. নেলসন ম্যান্ডেলা
  4. বারাক ওবামা
ব্যাখ্যা

→ 'লং ওয়াক টু ফ্রিডম' বইটি লিখেছেন নেলসন ম্যান্ডেলা।

নেলসন ম্যান্ডেলা:

- ১৮ জুলাই ১৯১৮ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার এমভেজোতে জন্মগ্রহণ করেছিলেন।
- তিনি ছিলেন একজন কালো জাতীয়তাবাদী নেতা।
- দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ রাষ্ট্রপতি নেলসন ম্যান্ডেলা।
- ১৯৪৪ সালে তিনি আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেসে (ANC) যোগদান করেন।
- এফ ডব্লিউ ডি ক্লার্ক দেশের বর্ণবাদী বিচ্ছিন্নতার বর্ণবাদী ব্যবস্থার অবসান ঘটাতে সাহায্য করেছিলেন এবং সংখ্যাগরিষ্ঠ শাসনে শান্তিপূর্ণ পরিবর্তনের সূচনা করেছিলেন।
- ম্যান্ডেলা এবং ডি ক্লার্ক যৌথভাবে তাদের প্রচেষ্টার জন্য ১৯৯৩ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- 'লং ওয়াক টু ফ্রিডম' যা তার প্রথম জীবন এবং কারাগারে থাকা বছরগুলির বিবরণ দেয়, ১৯৯৪ সালে প্রকাশিত হয়েছিল।
- নেলসন ম্যান্ডেলা ৫ ডিসেম্বর ২০১৩ সালে মারা যান।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

৪৩৫.
‘গ্রিনহাউজ’ শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেন কে?
  1. ক) লেস্টার ব্রাউন
  2. খ) গান্টার পাউলি
  3. গ) সুভনটে আরহেনিয়াস
  4. ঘ) নরম্যান বোরলগ
ব্যাখ্যা
- সুইডেনের বিজ্ঞানী সুভনটে আরহেনিয়াস ১৮৯৬ সালে সর্বপ্রথম ‘গ্রিনহাউজ’ শব্দটি ব্যবহার করেন।
অন্যদিকে,
- নরম্যান বোরলগকে সবুজ বিপ্লবের জনক বলা হয়।
- লেস্টার ব্রাউন প্রথম ‘জলবায়ু শরনার্থী’ সম্পর্কে ধারণা দেন।
- গান্টার পাউলি সর্বপ্রথম ব্লু ইকোনমিক প্রত্যয়টি ব্যবহার করেন।
(তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা এবং অ্যাকাডেমিয়া)
৪৩৬.
মুহাম্মদ বিন কাশিম সিন্ধু অভিযান পরিচালনা করেন কখন?
  1. ক) ৭০১ খ্রিস্টাব্দে
  2. খ) ৭১২ খ্রিস্টাব্দে
  3. গ) ৭২০ খ্রিস্টাব্দে
  4. ঘ) ৭৩৬ খ্রিস্টাব্দে
ব্যাখ্যা
- ৭১২ সালে মুসলিম সাম্রাজ্যের পূর্বাঞ্চলের শাসনকর্তা হাজ্জাজ বিন ইউসুফের জামাতা ও ভ্রাতুষ্পুত্র মুহাম্মদ বিন কাশিমের নেতৃত্বে মুসলিম বাহিনী সিন্ধু অভিযান পরিচালনা করে।
- এই অভিযানে মুসলমানরা সিন্ধু ও মুলতানের হিন্দু রাজা দাহিরকে পরাজিত করে সিন্ধু ও মুলতান মুসলিম সাম্রাজ্যভুক্ত করে।
- মুহাম্মদ বিন কাশিম ৭১৫ সাল পর্যন্ত সিন্ধু ও মুলতান শাসন করেন।
(তথ্যসূত্রঃ ইসলামের ইতিহাস : দ্বিতীয় পত্র : একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী)
৪৩৭.
মার্ক জুকারবার্গ কোথায় জন্মগ্রহণ করেছিলে?
  1. মেক্সিকো
  2. চিলি
  3. কানাডা
  4. আমেরিকা
ব্যাখ্যা
মার্ক জুকারবার্গ:
- মার্ক জুকারবার্গ একজন আমেরিকান উদ্যোক্তা, সফটওয়্যার ডেভেলপার এবং সমাজসেবী।
- তিনি বিশ্বের বৃহত্তম সামাজিক নেটওয়ার্কিং প্ল্যাটফর্ম ফেসবুকের সহ-প্রতিষ্ঠাতা এবং সিইও।
- তার পুরো নাম মার্ক এলিয়ট জাকারবার্গ।

⇒ জাকারবার্গের জন্ম আমেরিকার নিউ ইয়র্কের হোয়াইট প্লেইনসে।
- মার্ক জুকারবার্গ অধ্যয়ন করেছেন হার্ভাড বিশ্ববিদ্যালয়ে।

উল্লেখ্য,
- ফেসবুক প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে তিনি বেশি পরিচিত।
- ২০০৪ সালের ৪ ঠা ফেব্রুয়ারি মার্ক জাকারবার্গ তার বন্ধুদের নিয়ে ফেসবুক প্রতিষ্ঠা করেন।
- ফেসবুক সামাজিক যোগাযোগ ব্যবস্থার একটি ওয়েবসাইট।
- বিনামূল্যে যে কেউ ফেসবুকের সদস্য হতে পারে।
- ফেসবুকের বর্তমান নাম ‘মেটা’।

উৎস: Britannica.
৪৩৮.
রোমান সাম্রাজ্যের প্রথম সম্রাট কে?
  1. জুপিটার
  2. অগাস্টাস জুপিটার
  3. রাজা রোমিউলাস
  4. অগাস্টাস সিজার
ব্যাখ্যা
রোমান সাম্রাজ্য:
- রোমান সাম্রাজ্য এর সময়কাল: ২৭ খ্রিস্টপূর্বাব্দ - ৪৭৬ খ্রিষ্টাব্দ
- প্রাচীন রোম নগরকে কেন্দ্র করে রোমান সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রথম রোমান সম্রাট ছিলেন - অগাস্টাস সিজার।
- অগাস্টাস সিজারের রাজত্বকালের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ঘটনা হল খ্রিস্টধর্মের প্রবর্তক যীশুখ্রিস্টের জন্ম।

উৎস: ব্রিটানিকা & বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ম শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৩৯.
নেপালের সর্বশেষ রাজা কে ছিলেন?
  1. বীরেন্দ্র বীর বিক্রম শাহ দেব
  2. জ্ঞানেন্দ্র বীর বিক্রম শাহ দেব
  3. দীপেন্দ্র বীর বিক্রম শাহ দেব
  4. ধীরেন্দ্র বীর বিক্রম শাহ দেব
ব্যাখ্যা
নেপালের সর্বশেষ রাজা:
- নেপালের সর্বশেষ রাজা ছিলেন জ্ঞানেন্দ্র বীর বিক্রম শাহ দেব।
- তিনি ২০০১ সাল থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত রাজতন্ত্র বিলুপ্ত না হওয়া পর্যন্ত শাসন করেন। 

উল্লেখ্য,
⇒ নেপাল:
- নেপাল দক্ষিণ এশিয়ার একটি দেশ।
- রাজধানী: কাঠমান্ডু।
- মুদ্রা: নেপালি রুপি।
- ১৭৬৮ সালে পৃথ্বী নারায়ণ শাহ কাঠমান্ডু জয় করেন ও ঐক্যবদ্ধ একটি রাজ্যের ভিত্তি স্থাপন করেন। ১৭৬৯ সালে নেপালে রাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়।
- নেপালের ১ম রাজা ছিলেন পৃথ্বী নারায়ণ শাহ।
- ২৮ মে, ২০০৮-এ, নবনির্বাচিত গণপরিষদ নেপালকে একটি ফেডারেল ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক ঘোষণা করে।
- এভাবে ২৪০ বছরের পুরোনো রাজতন্ত্র বিলুপ্ত করে।

উৎস: Britannica.
৪৪০.
আব্রাহাম লিংকন যুক্তরাষ্ট্রের কততম প্রেসিডেন্ট ছিলেন?
  1. ১০তম
  2. ১৩তম
  3. ১৬তম
  4. ১৯তম
ব্যাখ্যা
আব্রাহাম লিংকন:
- তিনি ১২ ফেব্রুয়ারী ১৮০৯ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হজেনভিলে জন্মগ্রহন করেন।
- আব্রাহাম লিংকন ছিলেন আমেরিকার ১৬তম প্রেসিডেন্ট।
- ১৮৬১ সালের ৪ মার্চ থেকে ১৮৬৫ সালের ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত তিনি আমেরিকার প্রেসিডেন্ট পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন।
- গেটিসবার্গের ভাষণ (Gettysburg Address) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকনের একটি বিখ্যাত ভাষণ।
- তিনি যুক্তরাষ্ট্রে দাস প্রথা বিলুপ্তির ঘোষণা দেন।
- ২২শে সেপ্টেম্বর, ১৮৬২ সালে লিংকন দাস প্রথা প্রাথমিক ভাবে মুক্তির ঘোষণা জারি করেন।
- ১ জানুয়ারী, ১৮৬৩ সালে তিনি এটিকে সরকারী করেন এবং দাস প্রথা চুড়ান্ত ভাবে বিলুপ্ত হয়।
- এ লক্ষে ১৮৬৩ সালে তিনি Emancipation Proclamation এ স্বাক্ষর করেন।
- ১৮৬১ সাল থেকে ১৮৬৫ সাল পর্যন্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কনফেডারেট ও ইউনিয়নিস্টদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ সংঘটিত হয় যা মার্কিন গৃহযুদ্ধ নামে পরিচিত। তখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন। আব্রাহাম লিংকন।
- তিনি ১৫ এপ্রিল ১৮৬৫ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে মৃত্যুবরণ করেন।

তথ্যসূত্র - Britannica.com & History.com
৪৪১.
মুসলিম বিশ্বের প্রথম মহিলা রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন কোন দেশ থেকে?
  1. মালয়েশিয়া
  2. ইন্দোনেশিয়া
  3. সিঙ্গাপুর
  4. পাকিস্তান
ব্যাখ্যা
ইন্দোনেশিয়া:
- ইন্দোনেশিয়ার দেশটি অস্ট্রেলিয়ার ঠিক উত্তরে এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মূল ভূখণ্ড থেকে প্রশান্ত মহাসাগর ও ভারত মহাসাগরের মধ্যে অবস্থিত।
- এটি নিরক্ষরেখা জুড়ে অবস্থিত।
- বিশ্বের বৃহত্তম মুসলিম জনসংখ্যার দেশ ইন্দোনেশিয়া।
- রাষ্ট্রীয় নাম: রিপাবলিক অব ইন্দোনেশিয়া।
- রাজধানী: জাকার্তা।
- মুদ্রা: ইন্দোনেশীয় রুপিয়া।
- প্রধান ভাষা: বাহাসা ইন্দোনেশিয়া।
- সরকার ব্যবস্থা রাষ্ট্রপতি শাসিত।

উল্লেখ্য,
- ইন্দোনেশিয়া পৃথিবীর বৃহত্তম দ্বীপরাষ্ট্র।
- ইন্দোনেশিয়াতে সর্বমোট ১৭,৫০৪ দ্বীপ রয়েছে।
- ইন্দোনেশিয়ার প্রধান দ্বীপগুলো হচ্ছে-সুমাত্রা, জাভা, বালি ইত্যাদি।
- বৃহত্তম দ্বীপ সুমাত্রা।
- আচেহ প্রদেশ অবস্থিত ইন্দোনেশিয়ায়।
- জনবহুল দ্বীপ জাভা (রাজধানী জাকার্তা অবস্থিত)।

⇒ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ ইন্দোনেশিয়া নেদারল্যান্ডসের উপনিবেশ ছিল।
- নেদারল্যান্ডের কাছ থেকে দেশটি আন্দোলনের মাধ্যমে ১৯৪৯ সালে স্বাধীন হয়।

⇒ ইন্দোনেশিয়ার প্রথম রাষ্ট্রপতি (স্বাধীনতার নেতৃত্ব প্রদান) মেঘবতী সুকর্ণপুত্রী।
- মেঘবতী সুকর্ণপুত্রী (২০০১ সালে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত)।
- তিনি মুসলিম বিশ্বের প্রথম নির্বাচিত মহিলা প্রধান।

অন্যদিকে,
- বিশ্বের প্রথম মুসলিম মহিলা প্রধানমন্ত্রী : বেনজীর ভুট্টো (পাকিস্তান)।

উৎস: Worldatlas.
৪৪২.
শিখদের ধর্মগ্রন্থের নাম কী?
  1. ত্রিপিটিক
  2. বেদ
  3. গুরু গ্রন্থসাহেব
  4. পুরাণ
ব্যাখ্যা
• শিখ ধর্ম:
- শিখ শব্দটির উৎপত্তি পাঞ্জাবি ভাষায় শিখনা থেকে।
- পনের শতকের শেষের দিকে ভারতীয় উপমহাদেশের পাঞ্জাব অঞ্চলে শিখ ধর্ম প্রতিষ্ঠিত হয়।
- তার সদস্যরা শিখ নামে পরিচিত।
- শিখদের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ 'গুরু গ্রন্থসাহেব'।
- এটি শিখ গুরুদের রচনার সংকলন।
- শিখদের প্রধান মন্দির পাঞ্জাবের অমৃতসরের স্বর্ণমন্দির। 
- এ ধর্মের মূলকথা নিরাকার এক ঈশ্বরের উপাসনা করা।
- শিখরা তাদের বিশ্বাসকে বলে গুরমত যার অর্থ গুরুর পথ।
- শিখ ঐতিহ্য অনুসারে, শিখ ধর্ম গুরু নানক দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- পরবর্তীতে আরও নয়জন গুরুর উত্তরাধিকার দ্বারা পরিচালিত হয়েছিল।

অপরদিকে,
- হিন্দুদের ধর্মগ্রন্থ নাম: বেদ।
- ইহুদীদের ধর্মগ্রন্থ: হিব্রু বাইবেল (তাওরাত)।
- বৌদ্ধধর্মের ধর্মগ্রন্থ:  ত্রিপিটক।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও ইসলামের প্রথম পত্র, বিএসএস, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৪৩.
ভারতীয় উপমহাদেশে প্রথম আদমশুমারি হয় কত সালে?
  1. ১৮৬২
  2. ১৮৬৭
  3. ১৮৭২
  4. ১৮৭৬
ব্যাখ্যা
আদমশুমারি:
- ভারতীয় উপমহাদেশে প্রথম আদমশুমারি হয় ব্রিটিশ আমলে ১৮৭২ সালে। 
- পরের আদমশুমারি হয় ১৮৮১ সালে। এরপর থেকে এই উপমহাদেশে প্রতি ১০ বছর পরপর আদমশুমারি হয়েছে।
- বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি ও গৃহগণনা হয় ১৯৭৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে।
- পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, সেই সময় বাংলাদেশের জনসংখ্যা ছিল ৭ কোটি ৬৩ লাখ। 
- -প্রতি ১০ বছর পরপর ১৯৮১, ১৯৯১, ২০০১ ও ২০১১ সালে আদমশুমারি ও গৃহগণনা হয়েছে।
- কিন্তু করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কারণে ২০২১ সালে না হয়ে এক বছর পিছিয়ে যায়।
- ২০২২ সালে এটিকে জনশুমারি নাম দেয়া হয়।
- ২০২২ সালের জনশুমারি ও গৃহগণনা অনুযায়ী বাংলাদেশের বর্তমান জনসংখ্যা ১৬ কোটি ৫১ লাখ ৫৮ হাজার ৫১৬ জন। 
- ২০১১ সালে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ ও ভারত নিজেদের সীমান্ত এলাকায় আদমশুমারি করে।

উৎস: বিবিসি নিউজ বাংলা। [লিঙ্ক]
৪৪৪.
কাকে ‘তুরস্কের গান্ধী’ নামে অভিহিত করা হতো?
  1. নেলসন ম্যান্ডেলা
  2. কেনেথ কাউন্ডা
  3. কামাল কিলিচদারোগ্লু
  4. উপরের কেউই নয়
ব্যাখ্যা
কামাল কিলিচদারোগ্লু:
- কামাল কিলিচদারোগ্লু তুরস্কের রিপাবলিকান পিপলস পার্টির (সিএইচপি) চেয়ারম্যান।
- সিএইচপি একটি মধ্য-বামপন্থী দল।
- এটি তুরস্কের প্রধান ধর্মনিরপেক্ষ বিরোধী দল।
- সিএইচপি প্রতিষ্ঠা করেন আধুনিক তুরস্কের রূপকার মোস্তফা কামাল আতাতুর্ক।
- মৃদুভাষী আচরণের জন্য অনেকে তাঁকে ‘তুরস্কের গান্ধী’ বলে অভিহিত করেন।
- ‘নীরব শক্তি’ হিসেবে পরিচিত হতেই পছন্দ করেন কিলিচদারোগ্লু।

অন্যদিকে,
- জাম্বিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট কেনেথ কাউন্ডা'কে আফ্রিকার গান্ধী বলা হয়।
- নেলসন ম্যান্ডেলাকে দক্ষিণ আফ্রিকার গান্ধী বলা হয়।

উৎস: Britannica.
৪৪৫.
ফ্রান্সের প্রথম কনসাল কে ছিলেন?
  1. এডলফ হিটলার
  2. বেনিটো মুসোলিনি
  3. নেপোলিয়ন বোনাপার্ট
  4. ম্যাক্সিমিলান রোবস্পীয়র
ব্যাখ্যা
নেপোলিয়ন বোনাপার্ট :
- নেপোলিয়ন বোনাপার্ট একজন ফরাসি সামরিক জেনারেল এবং রাষ্ট্রনায়ক ছিলেন।
- নেপোলিয়ন বোনাপার্ট ১৭৬৯ সালের ১৫ আগস্ট ফ্রান্সের কর্সিকা দ্বীপে জন্মগ্রহণ করেন।
- নেপোলিয়ন ফরাসি বিপ্লবে (১৭৮৯ থেকে ১৭৯৯) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন।
- ফরাসি বিপ্লবের শিশু বলা হয় নেপোলিয়ান বোনাপোর্টকে।
- তার একটি উপাধি ছিলো লিটল করপোরাল।
- ফ্রান্সের প্রথম কনসাল (১৭৯৯ থেকে ১৮০৪) হিসাবে কাজ করেছিলেন এবং ফ্রান্সের প্রথম সম্রাট ছিলেন। 
- নেপোলিয়নকে ইতিহাসের সর্বশ্রেষ্ঠ সামরিক জেনারেল হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- ওয়াটারলু যুদ্ধে এক চরম পরাজয়ের পর, তিনি আবারও পদত্যাগ করেন এবং প্রত্যন্ত দ্বীপ সেন্ট হেলেনায় নির্বাসিত হন।
- সেখানে থাকা অবস্থায় নেপোলিয়ন বোনাপার্ট ১৮২১ সালের ৫ মে মৃত্যুবরণ করেন।

তার বিখ্যাত কিছু উক্তি:
- I am the Revolution.
- Give me a Good Mother, I will give you a good nation.
- Impossible is a word only found in a fool's dictionary.

উৎস: Worldatlas.com
৪৪৬.
কার সময়কালকে গ্রিক সভ্যতার স্বর্ণযুগ বলা হয়?
  1. ক) পিসিসট্রাস
  2. খ) পেরিক্লিস
  3. গ) সোলন
  4. ঘ) ইখনাটন
ব্যাখ্যা
- গ্রিক সভ্যতার স্বর্ণযুগ হিসেবে ধরা হয় পেরিক্লিসের সময়কে।
- তিনি খ্রিস্টপূর্ব ৪৬০ অব্দ থেকে প্রায় ৩০ বছর গ্রিকদের নেতৃত্ব দেন।
- পেরিক্লিস নাগরিকদের সকল রাজনৈতিক অধিকারের দাবী মেনে নিয়ে সরকার ব্যবস্থায় নাগরিকদের অবাধ অংশ্রগ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি করেন।
- খ্রিস্টপূর্ব ৪৩০ অব্দে পেরিক্লিস মারা যান।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
৪৪৭.
নেলসন ম্যান্ডেলাকে কোন দ্বীপে বন্দি রাখা হয়?
  1. সেন্ট হেলেনা দ্বীপ
  2. সেনকাকু দ্বীপ
  3. রোবেন দ্বীপ
  4. ফকল্যান্ড দ্বীপ
ব্যাখ্যা
নেলসন ম্যান্ডেলা (Nelson Mandela):
- দক্ষিণ আফ্রিকায় কৃষ্ণাঙ্গ অধিকার প্রতিষ্ঠায় অবিসংবাদিত নেতা নেলসন ম্যান্ডেলা।
- নেলসন ম্যান্ডেলা দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ প্রেসিডেন্ট।
- তার ডাকনাম মাদিবা, তাতা, রোলিহ্লাহ্লা, ডালিভুঙ্গা ইত্যাদি।
- ১৯৪২ সালে তিনি রাজনীতিতে যোগ দেন।

⇒ ম্যান্ডেলাকে 'রোবেন দ্বীপ' এর কারাগারে ১৯৬৪ সাল থেকে ১৯৮২ সাল পর্যন্ত অন্তরীণ রাখা হয়।
- এখানে তিনি তাঁর ২৭ বছরের কারাবাসের প্রথম ১৮ বছর কাটান।
- ১৯৮২ সালের মার্চ মাসে ম্যান্ডেলাকে রবেন দ্বীপের কারাগার থেকে পোলসমুর কারাগারে স্থানান্তর করা হয়।
- ১৯৮৮ সালে ম্যান্ডেলাকে ভিক্টর ভার্সটার কারাগারে সরিয়ে নেয়া হয়।
- ভিক্টর ভার্সটার কারাগার থেকে ম্যান্ডেলাকে ১৯৯০ সালের ১১ই ফেব্রুয়ারি মুক্তি দেয়া হয়।
- তিনি কারাগারে থাকার সময় তার কয়েদী নম্বর ছিলো ৪৬৬।
- কারাদন্ডের সাল মিলিয়ে ‘৪৬৬৬৪’ গঠন করা হয় যা মেন্ডেলার এইডস বিরোধী প্রচারণার নাম।

উৎস: i) Britannica.
ii) BBC.
৪৪৮.
গ্রীকদের কৃষি বিষয়ক দেবীর নাম কি?
  1. এরিস
  2. ডিমিটার
  3. জিউস
  4. হারমেস
ব্যাখ্যা

• গ্রীকদের 'ভালোবাসা ও সৌন্দর্যের দেবতা' আফ্রোডাইট।
• গ্রীকদের কৃষি বিষয়ক দেবী ডিমিটার,
• ব্যবসা বিষয়ক দেবতা- হারমেস,
• দেবতাদের রাজা- জিউস,
• যুদ্ধ দেবতা- এরিস।
উৎসঃ এনসাইক্লোপিডিয়া অব ব্রিটানিকা।

৪৪৯.
Leonardo da Vinci, famous for his master pieces painting 'Mona Lisa' was a/an-
  1. French artist
  2. German painter
  3. Italian artist
  4. None
ব্যাখ্যা
Mona Lisa:
- বিশ্ববিখ্যাত 'মোনালিসা' চিত্রটির চিত্রকর লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি।

উল্লেখ্য, 
- ধারণা করা হয় ১৫০৩ থেকে ১৫০৬ সালের মধ্যে তিনি এ ছবিটি এঁকেছিলেন।
- শিল্পকর্মটি ফ্রান্সের ল্যুভর জাদুঘরে সংরক্ষিত আছে।
- ল্যুভর জাদুঘরের তথ্যমতে প্রায় ৮০% পর্যটক শুধু মোনালিসার চিত্র টি দেখার জন্য আসে।
- ছবিটি আঁকতে তার প্রায় চারবছর সময় লাগে।
- মোনালিসার এই ছবিটির মূল্য নির্ধারণ করা হয় প্রায় ৮৩০ মিলিয়ন ডলার।
- অনেক শিল্প গবেষক পোর্ট্রেটের এই বিখ্যাত নারীকে ফ্লোরেন্টাইনের বণিক ফ্রান্সিসকো দ্য গিওকন্ডোর (Gioconda) স্ত্রী লিসা গেরাদিনি বলে সনাক্ত করেছেন।
- আবার অনেকে প্রায় লোমহীন মুখটায় অনেকে দাড়ি লাগিয়ে স্বয়ং লিওনার্দোকেই আবিষ্কার করে ফেলেন, অর্থাৎ তারা দাবি করেন, মোনা লিসা চরিত্রটি লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চির নারীসত্ত্বা (এক্ষেত্রে ড্যান ব্রাউন এর দ্য ভিঞ্চি কোড বইটিতেও কিছুটা বলা হয়েছে)।

অন্যদিকে -
- লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি কে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ এবং সবচেয়ে প্রভাবশালী শিল্পীদের একজন বলে বিবেচনা করা হয়।
- লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি একজন ইতালীয় রেনেসাঁ পলিমাথ, চিত্রশিল্পী, ভাস্কর, স্থপতি, সংগীতশিল্পী, বিজ্ঞানী, গণিতবিদ, প্রকৌশলী, উদ্ভাবক, অ্যান্টোনিস্ট, ভূতত্ত্ববিদ, ম্যাগাজিনর, উদ্ভিদবিদ এবং লেখক।
- তিনি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মানবতার একজন। লিওনার্দো ফ্লোরেন্স কাছাকাছি Tuscany, ছোট শহরে ভ্যানি মধ্যে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর বিখ্যাত চিত্রকলার মধ্যে রয়েছে দ্য লাস্ট সাপার, ভিট্রুভিয়ান ম্যান, লেডি উইথ অ্যান আরমিন, ভার্জিন অফ দ্যা রক্স, সেন্ট জন ব্যাপটিস্ট, The Adoration of the Magi (1481), The Virgin and Child with St Anne (1510), Portrait of Ginevra de' Benci (1474-1476)।

উৎস: Brittanica.
৪৫০.
নিচের কোন জোড়াটি ভুল?
  1. ক) কলোসিয়াম - ইতালি
  2. খ) মাচু পিচু - পেরু
  3. গ) চিচেন ইৎজা - ব্রাজিল
  4. ঘ) পেট্রা - জর্ডান
ব্যাখ্যা
- কলোসিয়াম ইতালিতে অবস্থিত। 
- মাচু পিচু পেরুতে অবস্থিত। 
- চিচেন ইৎজা মেক্সিকোতে অবস্থিত। 
- পেট্রা জর্দানে অবস্থিত। 
৪৫১.
'মহাবীর' কোন ধর্মের প্রচারক ছিলেন?
  1. বৈদিক 
  2. সনাতন 
  3. শিখ 
  4. জৈন
ব্যাখ্যা

জৈন ধর্ম:
- জৈন শব্দটি এসেছে সংস্কৃত জিন শব্দ থেকে। সংস্কৃতিতে জিন অর্থ জয়ী।
- জৈনরা তাদের ইতিহাসে চব্বিশজন তীর্থঙ্করের কথা উল্লেখ করেছেন।
-  প্রথম তীর্থঙ্করের নাম ঋষভনাথ এবং সর্বশেষ তীর্থঙ্করের নাম মহাবীর (২৪তম)।
- খ্রিস্টপূর্ব ৬ষ্ঠ শতাব্দীতে জৈনধর্মের সর্বাধিক প্রভাবশালী প্রচারক ছিলেন মহাবীর।

তথ্যসূত্র:  বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, ৬ষ্ঠ শ্রেণি এবং উচ্চ মাধ্যমিক ইতিহাস ১মপত্র, এইচএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৫২.
প্লেটোর যে গ্রন্থে সুশাসনের ধারণা প্রথম পাওয়া যায়-
  1. ক) Symposium
  2. খ) Protagoras
  3. গ) The Republic
  4. ঘ) Euthydemus
ব্যাখ্যা

- সুশাসনের ধারণাটি বহুমাত্রিক।
- সুশাসন অর্থ হচ্ছে নির্ভুল, দক্ষ ও কার্যকরী শাসন।
- সুশাসনের ধারণা প্রথম পাওয়া যায় প্লেটোর 'The Republic' গ্রন্থে।

৪৫৩.
'The Republic' গ্রন্থের লেখক কে?
  1. ক) এরিস্টটল
  2. খ) সক্রেটিস
  3. গ) আলেকজেন্ডার
  4. ঘ) প্লেটো
ব্যাখ্যা
প্লেটো (খ্রিস্টপূর্ব ৪২৭-খ্রিস্টপূর্ব ৩৪৭)
- প্রাচীন গ্রীক দার্শনিক
- তার শিক্ষক ছিলেন- সক্রেটিস
- প্লেটোর গ্রন্থ 'The Republic' 

তাঁর লেখা অন্যান্য উল্লেখযোগ্য বইসমূহ-
- Symposium
- Apologia Socrates
- Allegory of the Cave
- The Laws (348 BCE)
- Plato: Complete Works ইত্যাদি।

তার বিখ্যাত উক্তি--
“মূর্খতার চেয়ে বড় পাপ আর নাই”
“জ্ঞানীরা কিছু বলার থাকলে কথা বলে আর নির্বোধরা কিছু বলার জন্য বলে”
“মানুষ হচ্ছে তিন শ্রেনীর- জ্ঞানের অনুরাগী, সম্মানের অনুরাগী এবং লাভবান
হওয়ার অনুরাগী”
‘মন যখন চিন্তা করে তখন নিজের সাথে কথা বলে।’
“অজ্ঞ থাকার চেয়ে না জন্মানোই ভালো কারণ অজ্ঞতা সব দূর্ভাগ্যের প্রধান
কারণ”

তথ্যসূত্র: Britannica & History.com
৪৫৪.
The Asian Drama' গ্রন্থটির রচয়িতা কে?
  1. অমর্ত্য সেন
  2. গুনার মিরডাল
  3. মাইকেল লিফটন
  4. উইলয়াম রস্টো
ব্যাখ্যা

The Asian Drama' গ্রন্থটির রচয়িতা গুনার মিরডাল।

গুনার মিরডাল:
- গুনার মিরডাল (Gunnar Myrdal) ছিলেন একজন সুইডিশ অর্থনীতিবিদ, রাজনীতিবিদ.
- উন্নয়নমূলক অর্থনীতিতে তার অবদান যথেষ্ট।
- তৃতীয় বিশ্বের অর্থনৈতিক উন্নয়নে তার চিন্তাভাবনা উল্লেখযোগ্যভাবে প্রতিফলিত হয় তার বেশ কিছু লেখা ও প্রকাশিত পুস্তকে।
- 'Economic Theory and Underdeveloped Regions' মিরডাল লিখিত এরূপ একটি প্রামাণ্য গ্রন্থ।
- উন্নয়নের হাত ধরে যে চক্রাকার ও ক্রমযৌগিক (Circular and cumulative) কার্যকারণ সম্পর্ক রচিত হয় তা প্রতিফলিত হয়েছে তার বর্তমান তত্ত্বে।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭৪ সালে তিনি "অর্থনৈতিক ও সামাজিক ও প্রাতিষ্ঠানিক ঘটনাগুলির পারস্পরিক নির্ভরতার তাত্পর্যপূর্ণ বিশ্লেষণের জন্য অর্থ ও অর্থনৈতিক বৈষম্যের তত্ত্ব এবং তাদের তাত্পর্যপূর্ণ বিশ্লেষণের জন্য" ফ্রেডরিখ হায়েকের সাথে যৌথভাবে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পান।

অন্যদিকে,
- The Idea Of Justice-গ্রন্থটির রচয়িতা অমর্ত্য সেন।

উৎস: Britannica.

৪৫৫.
"কেবল আয়ের অভাব নয়, বরং সামর্থ্যের অভাবই দারিদ্র্যের মূল কারন"-অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন কোন গ্রন্থে এই যুক্তি তুলে ধরেন?
  1. Development as Freedom
  2. Women and Human Development
  3. Development through Disposition 
  4. Development, Environment and Power
ব্যাখ্যা

♦ "কেবল আয়ের অভাব নয়, বরং সামর্থ্যের অভাবই দারিদ্র্যের মূল কারন"- অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন 'Development as Freedom' গ্রন্থে এই যুক্তি তুলে ধরেন।

অমর্ত্য সেন:
- অমর্ত্য সেন একজন ভারতীয় বাঙালী অর্থনীতিবিদ ও দার্শনিক।
- ১৯৯৮ সালে তিনি অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেছিলেন।
- দারিদ্র এবং দুর্ভিক্ষ নিয়ে গবেষণার জন্য ১৯৯৮ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পান অমর্ত্য সেন।

⇒ ১৯৫১ সালে আইএসসি পরীক্ষায় প্রথম হয়ে তিনি ভর্তি হন কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজে এবং তারপর অর্থনীতি নিয়ে উচ্চতর শিক্ষা গ্রহণ করেন ইংল্যাণ্ডে কেম্ব্রিজের ট্রিনিটি কলেজে। এছাড়াও তিনি ১৯৯৮ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত ক্যামব্রিজের ট্রিনিটি কলেজের মাস্টার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
- তিনি ইকোনমিস্ট ফর পিস অ্যান্ড সিকিউরিটির একজন ট্রাষ্টি।
- তিনিই প্রথম ভারতীয় শিক্ষাবিদ যিনি একটি অক্সব্রিজ কলেজের প্রধান হন। এছাড়াও তিনি প্রস্তাবিত নালন্দা আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসাবেও কাজ করেছেন।
- ২০০৬ সালে টাইম ম্যাগাজিন তাকে অনূর্ধ্ব ষাট বছর বয়সী ভারতীয় বীর হিসেবে চিহ্নিত করেছে। ২০১০ সালে তাকে বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় স্থান দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য,
- "কেবল আয়ের অভাব নয়, বরং সামর্থ্যের অভাবই দারিদ্র্যের মূল কারণ" - এই উক্তিটি অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন-এর। তিনি তার "Development as Freedom" গ্রন্থে এই যুক্তি তুলে ধরেন। এখানে 'সামর্থ্যের অভাব' বলতে শুধু আর্থিক সংগতিই নয়, বরং মানুষের সক্ষমতার অভাবকেও বোঝানো হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সুযোগ এবং স্বাধীনতা লাভের অভাব। 
 
এছাড়াও,
- অমর্ত্য সেনের লেখা গ্রন্থাবলি ৩০টিরও বেশি ভাষায় অনূদিত হয়েছে।
- The Idea Of Justice-গ্রন্থটির রচয়িতা অমর্ত্য সেন। বইটি মূলত জন রলসের 'A Theory of Justice' (1971)-এর মৌলিক ধারণাগুলির একটি সমালোচনা এবং সংশোধন।
 
উৎস: i) Britannica.
ii) Development as Freedom- Amartya Sen.

৪৫৬.
দ্য ব্লাড টেলিগ্রাম (The Blood Telegram) গ্রন্থটির লেখক- 
  1. গ্যারি জে ব্যাস
  2. রিচার্ড সেশন
  3. মার্কাস গ্রান্ডা
  4. টনি ব্লেয়ার 
ব্যাখ্যা

গ্যারি জে ব্যাস:
- দ্য ব্লাড টেলিগ্রাম (The Blood Telegram) গ্রন্থটির লেখক গ্যারি জে ব্যাস।

- দ্য ব্লাড টেলিগ্রাম (The Blood Telegram) গ্রন্থ:
- বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা নিয়ে আমেরিকান অধ্যাপক গ্যারি জে বাসের রচিত বইটির মূল নাম 'দ্য ব্লাড টেলিগ্রাম: নিক্সন, নিসিঞ্জার অ্যান্ড আ ফরগটেন জেনোসাইড'।
- তবে 'ব্লাড টেলিগ্রাম' হলো আর্চার কেন্ট ব্লাডের একটি তারবার্তা।
-১৯৭১ সালে তিনি পূর্ব পাকিস্তানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কনসাল জেনারেল ছিলেন।
- মুক্তিযুদ্ধের সময় কেন্ট ব্লাড যুক্তরাষ্ট্র সরকারকে তৎকালীন চলমান নৃশংসতা বন্ধে ব্যর্থ হওয়ায় কঠোর ভাষায় একটি টেলিগ্রাম করেন, যা ইতিহাসে 'ব্লাড টেলিগ্রাম' নামে পরিচিতি পায়।
- এটি ২০১৩ সালে প্রকাশিত হয়।

 উৎস: i) Amazon.com
ii) মার্চ ২৬, ২০২২, বণিক বার্তা।

৪৫৭.
যুক্তরাষ্ট্রে ক্রীতদাস প্রথা বিলোপকারী প্রেসিডেন্টের নাম কী?
  1. মার্টিন লুথার কিং
  2. ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট
  3. জর্জ ওয়াশিংটন
  4. আব্রাহাম লিংকন
ব্যাখ্যা

• যুক্তরাষ্ট্রে ক্রীতদাস প্রথা বিলোপকারী প্রেসিডেন্টের নাম হলো- আব্রাহাম লিংকন।

• আব্রাহাম লিংকন:
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ১৬তম প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকন।
- তার রাজনৈতিক দল ছিল রিপাবলিকান পার্টি।
- তাঁকে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে সফল ও জনপ্রিয় প্রেসিডেন্ট হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

⇒ আব্রাহাম লিংকন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বহু বছরের দাসপ্রথা বিলুপ্ত করেন।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতির আধুনিকীকরণে তিনি অসামান্য ভূমিকা পালন করেন।
- তিনি ১৮৬৩ সালে দাসপ্রথার বিলুপ্তি ঘোষণা করেন।
- এটি ছিল দাসপ্রথার বিরুদ্ধে নেওয়া পৃথিবীর ইতিহাসের সবচেয়ে বড় পদক্ষেপ।

উল্লেখ্য,
⇒ ১৮৬৩ সালের ১৯ নভেম্বর লিংকন পেনসালভেনিয়ার গেটিসবার্গের যুদ্ধক্ষেত্রে দাঁড়িয়ে এক হৃদয়স্পর্শী ভাষণে বলেন, ‘গণতন্ত্র হলো জনগণের সরকার, জনগণের দ্বারা সরকার, জনগণের জন্য সরকার।’ প্রজাতন্ত্রবাদ, সমঅধিকার, স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের প্রবক্তা, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ১৬তম প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকন গণতন্ত্রের সবচেয়ে জনপ্রিয় এই সংজ্ঞাটা দিয়েছিলেন গেটিসবার্গ ভাষণে। তিন মিনিটের কম সময়ের সেই ভাষণকে বলা হয় পৃথিবীর শ্রেষ্ঠতম ভাষণের একটি। তার বিখ্যাত উক্তি - '‘Government by the people, for the people, of the people’।

উৎস: History Channel.

৪৫৮.
লালবাহাদুর শাস্ত্রী ভারতের কততম প্রধানমন্ত্রী ছিলেন?
  1. ক) ৩য়
  2. খ) ৪র্থ
  3. গ) ৫ম
  4. ঘ) ৬ষ্ঠ
ব্যাখ্যা
ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহেরু, দ্বিতীয় প্রধানমন্ত্রী (ভারপ্রাপ্ত) গুলজারি লাল নন্দ, তৃতীয় প্রধানমন্ত্রী লাল বাহাদুর শাস্ত্রী, চতুর্থ প্রধানমন্ত্রী (ভারপ্রাপ্ত) গুলজারি লাল নন্দ এবং পঞ্চম প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী।
উৎসঃ ভারত সরকারের ওয়েবসাইট (https://knowindia.gov.in/)।
৪৫৯.
'Economics is the science of wealth'- উক্তিটি কার?
  1. অগাস্ট ক্যোঁৎ
  2. অ্যাডাম স্মিথ
  3. সিগমুড ফ্রয়েড
  4. থেলিস
ব্যাখ্যা
Economics is the science of wealth:
- অ্যাডাম স্মিথ অর্থনীতির জনক হিসাবে পরিচিত।
- তাঁর লেখা 'Wealth of nations' বইটি তাঁকে আধুনিক অর্থশাস্ত্রের জনক হিসেবে পরিচিত করেছে।
- এই বইয়ে তিনি অর্থনীতির মূল বিষয়গুলো সম্পর্কে ধারণা দেন।
- ‘অর্থনীতি এমন একটি বিজ্ঞান, যা জাতিসমূহের সম্পদের ধরন ও কারণ অনুসন্ধান করে’ উক্তিটি অর্থনীতিবিদ অ্যাডাম স্মিথের।
- 'Economics is the science of wealth'- উক্তিটি অ্যাডাম স্মিথের।

উৎস: i) Investopedia ওয়েবসাইট।
ii) Britannica.
৪৬০.
চট্টগ্রাম ও স্বন্দীপ থেকে পর্তুগীজদের উচ্ছেদ করেন বাংলার কোন শাসক?
  1. ক) ইসলাম খান
  2. খ) শাহ সুজা
  3. গ) কাসেম খান জুয়েনী
  4. ঘ) শায়েস্তা খান
  5. ঙ) মীর জুমলা
ব্যাখ্যা
পর্তুগীজরা আরও নানা প্রকার অপরাধমূলক কাজ করত। তাঁরা জোর করে এদেশেরই অসহায় বালক-বালিকাদের খ্রিস্টান বানাত। এদেশের মানুষকে ধরে নিয়ে দাস দাসীরূপে বিক্রি করতো বিদেশের বাজারে। পর্তুগীজ সৈন্যরা জোর করে এদেশের মেয়ে বিয়ে করত। তাদের এ অপরাধের মাত্রা বেড়ে গেলে সম্রাট শাহজাহান পর্তুগীজদের এদেশ থেকে বিতাড়িত করেন। সম্রাটের নির্দেশে কাসিম খান তাদের হুগলী কুঠি থেকে বিতাড়িত করেন। সর্বশেষ বাংলার সুবেদার শায়েস্তা খান তাদের চট্টগ্রাম ও স›দ্বীপ ঘাঁটি দখল করে চিরতরে এ দেশ থেকে উচ্ছেদ করেন।
উৎসঃ একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণির ইতিহাস -২য় পত্র বই (উন্মুক্ত)।
৪৬১.
ঐতিহাসিক 'গেটিসবার্গ' ভাষণ কে দিয়েছিলেন?
  1. মার্টিন লুথার কিং
  2. আব্রাহাম লিংকন
  3. জর্জ ওয়াশিংটন
  4. রুজভেল্ট
ব্যাখ্যা

আব্রাহাম লিংকন (Abraham Lincoln):
- আব্রাহাম লিংকন (Abraham Lincoln) ছিলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ১৬তম রাষ্ট্রপতি 
- একজন বিশিষ্ট রাজনৈতিক নেতা, যিনি মূলত দাসপ্রথা বিলোপ এবং দেশের ঐক্য রক্ষায় পরিচিত।
- মার্কিন গৃহযুদ্ধ (American Civil War) চলাকালীন রাষ্ট্রপতি ছিলেন।
- ১৮৬৩ সালে Emancipation Proclamation জারি করে দাসপ্রথা শেষের পথে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেন।
- আব্রাহাম লিংকন গেটিসবার্গ ভাষণের জন্যে বিখ্যাত।
- আব্রাহাম লিংকন আমেরিকার গৃহযুদ্ধের সময় পেনসিলভানিয়ার গেটিসবার্গে এই ভাষণ দেন।
 
উৎস: হিস্টোরি ডটকম এবং নিউইয়র্ক টাইমস।

৪৬২.
'বুলেটের চাইতেও ব্যালট শক্তিশালী’ এটি কার বিখ্যাত উক্তি?
  1. উড্রো উইলসন
  2. আব্রাহাম লিংকন
  3. উইনস্টন চার্চিল
  4. রিচার্ড নিক্সন
ব্যাখ্যা
আব্রাহাম লিংকন:
- আব্রাহাম লিংকন ছিলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ১৬তম রাষ্ট্রপতি এবং প্রথম রিপাবলিক দলের প্রেসিডেন্ট।
- তিনি যুক্তরাষ্ট্র থেকে দাস প্রথা বিলুপ্ত করেন এবং ক্রীতদাসদের স্বাধীন নাগরিকের মর্যাদা দেন।
- ১৯ নভেম্বর ১৮৬৩ তারিখে গেটিসবার্গের ভাষণ আব্রাহাম লিংকনের একটি বিখ্যাত ভাষণ।
- আব্রাহাম লিংকন আমেরিকার গৃহযুদ্ধের সময় পেনসিলভানিয়ার গেটিসবার্গে এই ভাষণ দেন।
- ভাষণটি দিতে তাঁর লেগেছিল তিন মিনিটেরও কম সময়।
- শব্দ ছিল মাত্র ২৭২টি।
- কিন্তু তার শিহরণ লেগেছিল গোটা বিশ্বে।

উল্লেখ্য,
- তার বিখ্যাত উক্তি: ‘বুলেটের চাইতেও ব্যালট শক্তিশালী’ ও ‘Democracy is a government of the people, by the people and for the people’

অন্যদিকে -
- রিচার্ড নিক্সন ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭তম প্রেসিডেন্ট। তিনি ‘ওয়াটার গেট’ কেলেঙ্কারীর সাথে জড়িত ছিলেন।

উৎস: History Channel.
৪৬৩.
বিশ্ববিখ্যাত ‘ভার্জিন অফ দ্য রকস’ চিত্রটির চিত্রকর কে?
  1. পাবলো পিকাসো
  2. লিওনার্দো দ্যা ভিঞ্চি
  3. ভ্যান গগ
  4. মাইকেল অ্যাঞ্জেলা
ব্যাখ্যা
লিওনার্দো দ্যা ভিঞ্চি:
- লিওনার্দো দ্যা ভিঞ্চি ইতালির চিত্রশিল্পী।
- লিওনার্দো দ্যা ভিঞ্চি ১৪৫২ সালে জন্ম গ্রহন করেন।
- তাঁর সবচেয়ে বিখ্যাত পেইন্টিং গুলি হল - মোনা লিসা, দ্য লাস্ট সাপার, ভার্জিন অফ দ্য রকস এবং ক্রাইস্টের ব্যাপটিজম।
- অন্যান্য পেইন্টিংগুলির মধ্যে রয়েছে ভার্জিন মেরি, ভার্জিন অ্যান্ড চাইল্ড উইথ সেন্ট অ্যান, দ্য অ্যানানসিয়েশন, ম্যাডোনা অফ দ্য কার্নেশন, জিনেভরা দে' বেঞ্চি, দ্য অ্যাডোরেশন অফ দ্য ম্যাগি (অসমাপ্ত), সেন্ট জেরোম ইন দ্য ওয়াইল্ডারনেস (অসমাপ্ত), একটি প্রতিকৃতি। মিউজিশিয়ান (অসমাপ্ত), লেডি উইথ অ্যান এর্মাইন।
- ২০১১ সালে আন্তর্জাতিক খনিজ সমিতি তার সম্মানে Davinciite খনিজ নামকরণ করে।
- ১৫১৯ সালে ৬৭ বছর বয়সে, লিওনার্দো দা ভিঞ্চি মারা যান।

তথ্যসূত্র - Worldatlas.com
৪৬৪.
নেলসন মেন্ডেলা কত সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন?
  1. ১৯৮৯ সালে
  2. ১৯৯১ সালে
  3. ১৯৯৩ সালে
  4. ১৯৯৫ সালে
ব্যাখ্যা
বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনের পথিকৃৎ ব্যক্তিত্ব:
বিশ শতকের দিকে বর্ণবাদ বিরোধী আন্দোলন ব্যাপকতা পায়।
তখন বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে জোরদার হয়ে ওঠে বর্ণবাদ বিরোধী আন্দোলন।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বর্ণবাদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছিলেন বেশ কয়েকজন নেতা।
তাঁরা জীবনের বেশিরভাগ সময় ব্যয় করেছেন মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে।
এক্ষেত্রে ভারতের মহাত্মা গান্ধী, দক্ষিণ আফ্রিকার নেলসন ম্যান্ডেলা, ডেসমন্ড টুটু, আমেরিকার মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র প্রমুখের নাম বলা যেতে পারে। 

নেলসন ম্যান্ডেলা:
কিংবদন্তী রাষ্ট্রনায়ক নেলসন ম্যান্ডেলা ছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি, যিনি বর্ণবাদের অবসান ঘটিয়ে বহু বর্ণভিত্তিক গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।
তাঁর আকর্ষণীয় ব্যাক্তিত্ব, প্রখর রসবোধ এবং প্রতিপক্ষের দিকে বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে দেয়ার মত বিশাল মন বর্ণবাদ বিরোধী আন্দোলনকে পথ দেখায়।
তিনি তাঁর এসব গুনের জোরেই বিশ্বের জনপ্রিয় এবং আকর্ষণীয় নেতা হিসেবে খ্যাতি লাভ করেন।
বর্ণবাদের অবসানের পর ১৯৯৪ সালের ১০ই মে নতুন দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন নেলসন ম্যান্ডেলা।
এর মাত্র এক দশক আগেও সংখ্যালঘু শ্বেতাঙ্গ শাসিত দক্ষিণ আফ্রিকায় এই রাজনৈতিক পট পরিবর্তন ছিল এক অকল্পনীয় ঘটনা। এই পরিবর্তনের পেছনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছিলেন নেলসন ম্যান্ডেলা।
শুধু দক্ষিণ আফ্রিকায় নয়, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠায়ও তিনি ভূমিকা রাখেন।
বিশ্বের নানা দেশের শান্তি প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখার পাশাপাশি দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলন সফল করার স্বীকৃতি হিসেবে ১৯৯৩ সালে তিনি শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন
১৯১৮ সালে নেলসন ম্যান্ডেলার জন্ম।
তাঁর বাবা ছিলেন ইস্টার্ন কেপ প্রদেশের থেম্বো রাজকীয় পরিবারের কাউন্সিলর।
দক্ষিণ আফ্রিকায় ম্যান্ডেলা তার গোত্রের দেয়া 'মাদিবা' নামে বিশ্বব্যাপী বেশি পরিচিত।

উৎস: ইতিহাস দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৬৫.
জাতিসংঘের কোন মহাসচিবের নামে শান্তি রক্ষায় সর্বোচ্চ পদক প্রদান করা হয়?
  1. ক) গ্লাডউইন জেব
  2. খ) কফি আনান
  3. গ) কুর্ট ওয়ার্ল্ডহেইম
  4. ঘ) দ্যাগ হ্যামারশোল্ড
ব্যাখ্যা
- শান্তি রক্ষায় সর্বোচ্চ ত্যাগের জন্য জাতিসংঘ যে পদক প্রদান করে - দ্যাগ হ্যামারশোল্ড পদক।
- ২০২২ সালে দ্যাগ হ্যামারশোল্ড পদক লাভ করেন - ৪২টি দেশের ১১৭ জন শান্তিরক্ষী।
- ২০২২ সালে দ্যাগ হ্যামারশোল্ড পদকপ্রাপ্ত দুইজন বাংলাদেশী হলেন - লেফটেন্যান্ট কর্নেল এ কে এম মাহমুদুল হাসান এবং ল্যান্স কর্পোরাল মো. রবিউল মোল্লা।


The Secretary-General established the Dag Hammarskjöld medal for posthumous award to members of peacekeeping operations who lost their lives during service with a peacekpeeping operation under the operational control and author- ity of the United Nations.

সূত্র: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, জুলাই ২০২২, জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
৪৬৬.
Queen Sofia belongs to -
  1. Britain
  2. Egypt
  3. Spain
  4. France
ব্যাখ্যা
সোফিয়া:

- স্পেনের মহারাণী সোফিয়া।
- ১৯৩৮ সালের নভেম্বরে গ্রীস এবং ডেনমার্কের রাজকুমারী সোফিয়া জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৯৬২ সালে তৎকালীন রাজা হুয়ান কার্লোসকে তিনি বিয়ে করেন।
- ১৯৭৫ সাল থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত স্পেনের রানী ছিলেন।

তথ্যসূত্র - The New York Times, Nov. 17, 2008.
৪৬৭.
A Long Walk to Freedom বইটির লেখক কে?
  1. হোসে গুসামাও
  2. রবার্ট মুগাবে
  3. নেলসন ম্যান্ডেলা
  4. অং সান সুচি
ব্যাখ্যা
A Long Walk to Freedom বইটির লেখক নেলসন ম্যান্ডেলা।

নেলসন ম্যান্ডেলা (Nelson Mandela):
- দক্ষিণ আফ্রিকায় কৃষ্ণাঙ্গ অধিকার প্রতিষ্ঠায় অবিসংবাদিত নেতা নেলসন ম্যান্ডেলা।
- নেলসন ম্যান্ডেলা দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ প্রেসিডেন্ট।
- নেলসন ম্যান্ডেলার জন্ম ১৯১৮ সালের ১৮ জুলাই দক্ষিণ আফ্রিকার মভেজোতে।
- তার ডাকনাম মাদিবা, তাতা, রোলিহ্লাহ্লা, ডালিভুঙ্গা ইত্যাদি।
- ১৯৪২ সালে তিনি রাজনীতিতে যোগ দেন।
- ম্যান্ডেলাকে 'রোবেন দ্বীপ' এর কারাগারে ১৯৬৪ সাল থেকে ১৯৮২ সাল পর্যন্ত অন্তরীণ রাখা হয়।
- এখানে তিনি তাঁর ২৭ বছরের কারাবাসের প্রথম ১৮ বছর কাটান।
- ১৯৮২ সালের মার্চ মাসে ম্যান্ডেলাকে রবেন দ্বীপের কারাগার থেকে পোলসমুর কারাগারে স্থানান্তর করা হয়।
- ১৯৮৮ সালে ম্যান্ডেলাকে ভিক্টর ভার্সটার কারাগারে সরিয়ে নেয়া হয়।
- ভিক্টর ভার্সটার কারাগার থেকে ম্যান্ডেলাকে ১৯৯০ সালের ১১ই ফেব্রুয়ারি মুক্তি দেয়া হয়।
- তিনি কারাগারে থাকার সময় তার কয়েদী নম্বর ছিলো ৪৬৬।
- কারাদন্ডের সাল মিলিয়ে ‘৪৬৬৬৪’ গঠন করা হয় যা মেন্ডেলার এইডস বিরোধী প্রচারণার নাম।
- কারা মুক্তির পর ম্যান্ডেলা আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেসের নেতৃত্ব গ্রহণ করেন।
- ১৯৯০ হতে ১৯৯৪ পর্যন্ত তিনি এই দলের নেতা ছিলেন।
- তিনি ১৯৯৪ থেকে ১৯৯৯ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত দক্ষিণ আফ্রিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন।
- তিনি ২০১৩ সালের ৫ ডিসেম্বর জোহানেসবার্গে মৃত্যুবরণ করেন।

উল্লেখ্য,
- Long Walk to Freedom গ্রন্থটির রচয়িতা নেলসন ম্যান্ডেলা।

উৎস: i) Britannica.
         ii) History.com.
৪৬৮.
'নারীর কাছে মাতৃত্ব যেমন অপরিহার্য, পুরুষের কাছে যুদ্ধও তেমনি অপরিহার্য'- উক্তিটি করেছেন -
  1. নেপোলিয়ন বোনাপার্ট
  2. বেনিতো মুসোলিনি
  3. এডলফ হিটলার 
  4. কোয়ামে নক্রুমা
ব্যাখ্যা

বেনিতো মুসোলিনি:
- ফ্যাসিবাদের প্রবর্তক বেনিতো মুসোলিনি।

⇒ বেনিতো মুসোলিনি ছিলেন দ্বিতীয় মহাযুদ্ধ কালে ইতালির সর্বাধিনায়ক।
- তিনি ছিলেন একজন বিপ্লবী সমাজতান্ত্রিক নেতা।
- বেনিতো মুসোলিনির জন্ম ১৮৮৩ সালের ২৯ জুলাই।
- ১৯২২ সালে বেনিতো মুসোলিনি নিজেকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ঘোষনা করেন।
- বেনিতো মুসোলিনি বিশ শতকের ইউরোপে প্রথম ফ্যাসিবাদী একনায়কতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেন।
- ১৯২২ থেকে ১৯৪৩ পর্যন্ত তিনি ইতালির প্রধানমন্ত্রীর পদে বহাল থাকেন।
- একনায়কতন্ত্র ও স্বৈরশাসনকে সাংবিধানিক মর্যাদায় উন্নীত করা মুসোলিনি একজন রাজনৈতিক সাংবাদিকও ছিলেন।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে হিটলারের সঙ্গে বন্ধুত্ব করেন তিনি।
- মুসোলিনি ১৯৪০ সালে অক্ষশক্তির পক্ষে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে যোগদান করেন।
- ১৯৪৩ সালে সিসিলিতে ক্ষমতাচ্যুত হলে তাকে বন্দী করা হয়।
- বেনিতো মুসোলিনি ১৯৪৫ সালের ২৮ এপ্রিল মৃত্যুবরণ করেন।

উল্লেখ্য,
- 'নারীর কাছে মাতৃত্ব যেমন অপরিহার্য, পুরুষের কাছে যুদ্ধও তেমনি অপরিহার্য'- উক্তিটি করেছেন বেনিতো মুসোলিনি।

উৎস: i) History.com
ii) BBC.

৪৬৯.
কৌটিল্য প্রাচীন ভারতের কার মন্ত্রিসভার সদস্য ছিলেন?
  1. ক) প্রথম চন্দ্রগুপ্ত
  2. খ) চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য
  3. গ) সম্রাট অশোক
  4. ঘ) সম্রাট সমুদ্রগুপ্ত
ব্যাখ্যা
- প্রাচীন ভারতের শ্রেষ্ঠ দার্শনিক, অর্থনীতিবিদ, সমরবিদ কৌটিল্য মৌর্য সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য এর পরামর্শদাতা বা উপদেষ্টা বা মন্ত্রিসভার সভ্য ছিলেন।
- তিনি চাণক্য ও বিষ্ণুগুপ্ত নামেও পরিচিত।
- চাণক্য রচিত গ্রন্থ হলো অর্থশাস্ত্র।
(সূত্রঃ ব্রিটানিকা)
৪৭০.
'A Long Walk to Freedom' গ্রন্থের রচয়িতা কে?
  1. নেলসন মেন্ডেলা
  2. ইন্দিরা গান্ধী
  3. মার্টিন লুথার কিং
  4. ফিদেল কাস্ত্রো
ব্যাখ্যা

• A Long Walk to Freedom:
- A Long Walk to Freedom নেলসন ম্যান্ডেলার আত্মজীবনী।
- এটি  ১৯৯৪ সালে প্রকাশিত হয়।
- এই বইতে মেন্ডেলা তাঁর শৈশব, কৈশোর, শিক্ষা, এবং দক্ষিণ আফ্রিকায় বর্ণবাদ বিরোধী সংগ্রামে তাঁর ভূমিকা ও ২৭ বছরের কারাবাসের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেছেন।
- এটি তাঁর রাজনৈতিক জীবনের উত্থান প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ প্রেসিডেন্ট হিসেবে তাঁর অভিষেকের গল্প তুলে ধরেছেন।
- Mandela: Long Walk to Freedom' নামে একটি চলচ্চিত্রও নির্মিত হয়েছে।

উৎস: Britannica.

৪৭১.
হ্যারি পটার (Harry Potter) সিরিজের লেখক কে?
  1. আগাথা ক্রিস্টি
  2. জে কে রাউলিং
  3. জুল ভার্ন
  4. এনিড ব্লাইটন
ব্যাখ্যা
হ্যারি পটার (Harry Potter):
- হ্যারি পটার (Harry Potter) সিরিজের লেখক জে কে রাউলিং।

⇒ হ্যারি পটার হলো সাত খন্ডের কাল্পনিক উপন্যাসের একটি সিরিজ।
- সাতটি উপন্যাস ১৯৯৭ সাল থেকে ২০০৭ সালেরে মধ্যে প্রকাশিত হয়।
- এই সিরিজের প্রথম উপন্যাস ‘হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্যা ফিলসফরাস স্টোন’।
- ‘হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্যা ডেডলি হ্যালোস’ হলো এই সিরিজের সপ্তম উপন্যাস।

⇒ ২০০১ সালের ১৬ নভেম্বর মুক্তি পায় হ্যারি পটার সিরিজের প্রথম সিনেমা ‘হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্যা ফিলসফরাস স্টোন’।
- এই সিরিজের প্রতিটি সিনেমায় হ্যারি পটার, রন উইজলি ও হারমায়োনি গ্রেঞ্জারের ভূমিকায় অভিনয় করের যথাক্রমে ড্যানিয়েল র‍্যাডক্লিফ, রুপার্ট গ্রিন্ট ও এমা ওয়াটসন।
- জে কে রাউলিং মূল চরিত্রে অভিনয় করার জন্য নিজেই ড্যানিয়েল র‍্যাডক্লিফকে বেছে নিয়েছিলেন।

উৎস: Britannica.
৪৭২.
কোন যুদ্ধে আহতদের সেবা করে ফ্লোরেন্স নাইটেঙ্গেল 'লেডি উইথ দ্যা ল্যাম্প' খেতাব পেয়েছিলেন?
  1. ক্রিমিয়ার যুদ্ধ
  2. গোল্ডেন স্টুল যুদ্ধ
  3. প্রথম বিশ্বযুদ্ধ
  4. আমেরিকার গৃহযুদ্ধ
ব্যাখ্যা
ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল:
- 'ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল' নামটি ক্রিমিয়ার যুদ্ধের সাথে জড়িত।
- তিনি ইতালিতে ১৮২০ সালের ১২ মে জন্মগ্রহণ করেন।
- একজন স্বেচ্ছাসেবক নার্স হিসাবে, তাকে ক্রিমিয়ান যুদ্ধের সময় তুরস্কের সামরিক বাহিনীতে নার্সিংয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল।
- ক্রিমিয়ার যুদ্ধে নার্সিং ইতিহাসের বৈপ্লবিক উন্নয়ন ও পরিবর্তন ঘটেছিল অপ্রতুল চিকিৎসা সেবার আলো হাতে নিয়ে পাশে এসে দাঁড়ান ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল।
- ক্রিমিয়ার যুদ্ধে আহতদের সেবা করে ফ্লোরেন্স নাইটেঙ্গেল 'লেডি উইথ দ্যা ল্যাম্প' খেতাব পেয়েছিলেন।
- তাকে আধুনিক নার্সিংয়ের অগ্রদূতও বলা হয়।
- তিনি ১৩ আগস্ট ১৯১০ সালে লন্ডনে মৃত্যুবরণ করেন।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৪৭৩.
ভারতের ১৪তম প্রধানমন্ত্রী কে?
  1. ড. মনমোহন সিং
  2. মমতা ব্যানার্জী
  3. নরেন্দ্র মোদি
  4. রাহুল গান্ধী
ব্যাখ্যা
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ২০১৪ সালে প্রথমবার ক্ষমতায় আসেন।
- ২০১৯ সালের নির্বাচনে জয়লাভ করে তিনি দ্বিতীয় দফায় ক্ষমতায় আসেন।
- উল্লেখ্য, তিনি ভারতীয় জনতা পার্টি থেকে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন।
- তিনি ভারতের ১৪তম প্রধানমন্ত্রী।

উৎসঃ টাইমস্‌ অব ইন্ডিয়া রিপোর্ট ও নরেন্দ্র মোদী ওয়েবসাইট।
৪৭৪.
ওয়াটার গ্রেট কেলেঙ্কারি সাথে জড়িত মার্কিন প্রেসিডেন্ট কে?
  1. জন এফ কেনেডি
  2. আব্রাহাম লিঙ্কন
  3. রিচার্ড নিক্সন
  4. হ্যারি এস ট্রুম্যান
ব্যাখ্যা
রিচার্ড নিক্সন: 
- রিচার্ড নিক্সন ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭তম প্রেসিডেন্ট এবং রিপাবলিকান দলের প্রার্থী।
- ১৯৭২ সালের ১৭ জুন নির্বাচনী প্রচারাভিযান চলাকালে, যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষমতাসীন রিপাবলিকান দল ও প্রশাসনের পাঁচ সদস্য ওয়াটারগেট নামক ভবনে বিরোধী ডেমোক্র্যাটিক পার্টির সদর দপ্তরে আড়িপাতার যন্ত্র বসায়। এই খবরটি ওয়াশিংটন পোস্টে প্রকাশিত হলে তা দেশব্যাপী আলোড়ন সৃষ্টি করে। এর পরিপ্রেক্ষিতে, ১৯৭৪ সালের ৯ আগস্ট রিচার্ড নিক্সন প্রেসিডেন্টের পদ থেকে পদত্যাগ করতে বাধ্য হন। ইতিহাসে এই ঘটনা ওয়াটারগেট কেলেঙ্কারি হিসেবে পরিচিত।

এছাড়াও,
- আব্রাহাম লিঙ্কন ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের ১৬তম রাষ্ট্রপতি, তিনি ১৮৬৩ সালে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ক্রীতদাস প্রথা বিলুপ্ত করেন।
- জর্জ ওয়াশিংটন ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের ১ম প্রেসিডেন্ট এবং স্বাধীনতা যুদ্ধের সর্বাধিনায়ক। 

সূত্র: ব্রিটানিকা ও হিস্টোরি ডট কম। 
৪৭৫.
‘আর্ট অফ ওয়ার’ গ্রন্থের রচয়িতা কে ?
  1. আলফ্রেড মাহান
  2. ক্লোজ উইজ
  3. কৌটিল্য
  4. সুন জু
ব্যাখ্যা

আর্ট অফ ওয়ার (The Art of War) গ্রন্থটির রচয়িতা সুন জু (Sun Tzu)

- সুন জু ছিলেন পুর্ব চাউ এর শাসনামলে প্রাচীন চীনের একজন সেনানায়ক, যুদ্ধকৌশলী, লেখক এবং দার্শনিক।
- তাকে দ্য আর্ট অফ ওয়ার নামক যুদ্ধবিদ্যার প্রাচীন চৈনিক বইটির লেখক হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- আর্ট অব ওয়ার ছিল একটি প্রভাবশালী কীর্তি, যা উভয় প্রাচ্য ও পশ্চিমা দর্শন এবং সামরিক চিন্তাধারায় প্রভাব ফেলে।

সূত্র: Britannica.com

৪৭৬.
নিচের কোন ব্যক্তি 'ফোর্থ ইন্ডাস্ট্রিয়াল রেভ্যুলেশন’ গ্রন্থটি রচনা করেন?
  1. ক) টলস্টয়
  2. খ) বারাক ওবামা
  3. গ) ক্লাউস শোয়েব
  4. ঘ) হিলারি ক্লিনটন
ব্যাখ্যা
- বিশ্ব অর্থনীতি ফোরামের চেয়ারম্যান ক্লাউস শোয়েব তার ‘দ্য ফোর্থ ইন্ডাস্ট্রিয়াল রেভ্যুলেশন’ বইতে চতুর্থ শিল্প বিপ্লব নিয়ে আলোচনা করেছেন।
- ওয়ালি-উল-মারূফ মতিন কর্তৃক বাংলাভাষায় একমাত্র অনুমোদিত অনুবাদ গ্রন্থ।
- ফোর্থ ইন্ডাস্ট্রিয়াল রেভল্যুশনে মূল নিয়ামকরূপে কাজ করছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, দক্ষতা, সর্বেোপরি ডিজিটাল, ফিজিক্যাল ও বায়োলজিক্যাল সিস্টেমের এক অপূর্ব সমন্বয়।
- পূর্বের শিল্প বিপ্লবগুলো ছিল বেশিরভাগ ফিজিক্যাল সিস্টেমনির্ভর, অথচ ইতিহাসে এই প্রথম মানসিক দক্ষতা ও ডিজিটাল সিস্টেমকে প্রাধান্য দিয়ে একটি শিল্প বিপ্লবের সূচনা হয়েছে।

উৎস: বিশ্ব অর্থনীতি ফোরামের ওয়েবসাইট।[লিঙ্ক]
৪৭৭.
'পাবলো পিকাসো' কে ছিলেন?
  1. চিত্রশিল্পী
  2. সঙ্গীতশিল্পী
  3. দার্শনিক
  4. সাহিত্যিক
ব্যাখ্যা
পাবলো পিকাসো:
- বিশ্বখ্যাত চিত্রশিল্পী পাবলো পিকাসো ২৫ অক্টোবর, ১৮৮১ সালে স্পেনের মালাগায় জন্মগ্রহন করেন। 
- নন্দিত শিল্পী পাবলো পিকাসো তার বিখ্যাত "Guernica" চিত্রকর্মটি অঙ্কন করেন ১৯৩৭ সালের দিকে। এখানে নাৎসি বাহিনীর নানা আক্রমণের দৃশ্য তুলির আঁচড়ে তুলে আনার একটি প্রচেষ্টা ছিল। 
- পিকাসোর অন্যান্য বিখ্যাত চিত্রকর্ম - Guernica, Les Demoiselles d'Avignon, The Weeping Woman, The Old Guitarist, Self- Portrait, Le Réve ইত্যাদি।
- ৮ এপ্রিল, ১৯৭৩ সালে ফ্রান্সের মৌগিন্সে মৃত্যুবরণ করেন।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস ২য় পত্র, একাদশ -দ্বাদশ শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৪৭৮.
Founder of Nazi party -
  1. Bismarck
  2. Mussolini
  3. Churchill
  4. Hitler
  5. None of them
ব্যাখ্যা
নাৎসি পার্টির প্রতিষ্ঠাটা ছিলেন হিটলার।

নাৎসি পার্টি:
- জাতীয় সমাজতান্ত্রিক জার্মান লেবার পার্টি নাৎসি পার্টি।
- দলটির প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন অ্যান্টন ড্রেক্সলার।
- তিনি ১৯১৯ সালে দলটি প্রতিষ্ঠা করেন।
- অ্যান্টন ড্রেক্সলার ১৯২০ সালে নেতা হিসেবে পদত্যাগ করেন।
- এডলফ হিটলার সেই পার্টির সদস্য হলেন।
- অল্পদিনেই পাকাপাকিভাবে পার্টিতে নিজের স্থান করে নিতে সক্ষম হয় হিটলার।
- এক বছরের মধ্যেই এডলফ হিটলার হন নাৎসি পার্টির প্রধান নেতা।
- দলের নতুন নাম রাখা হয় ন্যাশনাল ওয়ার্কার্স পার্টি।
- পরবর্তীকালে এই দলকেই বলা হতো নাৎসি পার্টি।
- ১৯২০ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি প্রথম নাৎসি দলের সভা ডাকা হয়।
- এতেই হিটলার প্রকাশ করলেন তার পঁচিশ দফা দাবি।
- এরপর হিটলার প্রকাশ করলেন স্বস্তিকা চিহ্নযুক্ত দলের পতাকা।
- ক্রমশই নাৎসি দলের জনপ্রিয়তা বাড়তে থাকে।

উৎস: Britannica.
৪৭৯.
'মোনালিসা' বিশ্বের কোন জাদুঘরে প্রদর্শিত আছে?
  1. ক) ভ্যাটিকান, ইতালি
  2. খ) ল্যুভর, ফ্রান্স
  3. গ) কায়রো, মিশর
  4. ঘ) লন্ডন, ইংল্যান্ড
ব্যাখ্যা
- লুভর জাদুঘরে 'মোনালিসা' প্রদর্শিত ও সংরক্ষিত রয়েছে। 

• মোনালিসা:

-  বিশ্বখ্যাত ' মোনালিসা' চিত্রটির চিত্রকর লিওনার্দো দা ভিঞ্চি।
- অনেক গবেষকদের মতে, ১৫০৩ থেকে ১৫০৬ সালের মধ্যে তিনি এ ছবিটি এঁকেছিলেন।
- ১৮২১ সালে নেপোলিয়নের মৃত্যুর পর ছবিটি উপহার দেওয়া হয় ল্যুভর জাদুঘরকে।
• সেই থেকে শিল্পকর্মটি ফ্রান্সের ল্যুভর জাদুঘরে সংরক্ষিত আছে।
• ল্যুভর জাদুঘরের তথ্যমতে প্রায় ৮০% পর্যটক শুধু মোনালিসার চিত্রটি দেখার জন্য আসে।
• ছবিটি আঁকতে তার প্রায় চারবছর সময় লাগে।
• মোনালিসার এই ছবিটির মূল্য নির্ধারণ করা হয় প্রায় ৮৩০ মিলিয়ন ডলার। যা প্রায় ৫ হাজার ৭১২ কোটি টাকার সমান।

উৎস: ব্রিটানিকা এবং প্রথম আলো পত্রিকা নিউজ।
৪৮০.
‘আমি হিমালয় দেখিনি। তবে শেখ মুজিবকে দেখেছি। ব্যক্তিত্ব ও সাহসে এই মানুষটি হিমালয়ের সমান। এভাবে আমি হিমালয় দেখার অভিজ্ঞতাই লাভ করলাম।’ বিখ্যাত উক্তিটি কার?
  1. ক) ফিদেল কাস্ত্রো
  2. খ) ইয়াসির আরাফাত
  3. গ) ইন্দিরা গান্ধী
  4. ঘ) পিয়েরে ট্রুডো
ব্যাখ্যা
১৯৭৩ সালে আলজেরিয়ায় অনুষ্ঠিত জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের (ন্যাম) চতুর্থ সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ ও কিউবা ছিল।
- সেই সময়ে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে কিউবার বিপ্লবী নেতা ফিদেল কাস্ত্রোর সাক্ষাৎ হয়।
- সে সময় তিনি বঙ্গবন্ধুকে আলিঙ্গন করে বলেছিলেন-
‘আই হ্যাভ নট সিন দ্য হিমালয়েজ। বাট আই হ্যাভ সিন শেখ মুজিব। ইন পারসোনালিটি অ্যান্ড ইন কারেজ, দিস ম্যান ইজ দ্য হিমালয়েজ। আই হ্যাভ দাজ হ্যাড দ্য এক্সপিরিয়েন্স অব উইটনেসিং দ্য হিমালয়েজ।’

অর্থাৎ, ‘আমি হিমালয় দেখিনি। তবে শেখ মুজিবকে দেখেছি। ব্যক্তিত্ব ও সাহসে এই মানুষটি হিমালয়ের সমান। এভাবে আমি হিমালয় দেখার অভিজ্ঞতাই লাভ করলাম।’

- ফিদেল কাস্ত্রো কিউবার হাভানায় মারা যান। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯০ বছর।

উৎস: দৈনিক পত্রিকা।
৪৮১.
নিচের কোনটি মূল্যবোধের উপাদান নয়?
  1. ক) নাগরিক সচেতনতা
  2. খ) সামাজিক ন্যায়বিচার
  3. গ) কৌশলগত দৃষ্টি
  4. ঘ) নীতি ও ঔচিত্যবোধ
ব্যাখ্যা

• গণতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থায় যে উপাদানগুলো মূল্যবোধের ভিত্তি বা উপাদান বলে স্বীকার করা হয় সেগুলো হলোঃ
- নীতি ও ঔচিত্যবোধ,
- সামাজিক ন্যায়বিচার,
- শৃঙ্খলাবোধ,
- সহনশীলতা,
- সহমর্মিতা,
- শ্রমের মর্যাদা,
- আইনের শাসন,
- নাগরিক সচেতনতা ও কর্তব্যবোধ,
- সরকার ও রাষ্ট্রের জনকল্যাণমুখিতা,
- সরকার ও রাষ্ট্রের দায়দায়িত্ব ও
- জবাবদিহিতা ইত্যাদি।
• কৌশলগত দৃষ্টি হচ্ছে ইউএনডিপি কর্তৃক সুশাসনের একটি উপাদান।
উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

৪৮২.
বাংলাদেশের সংবিধানে ন্যায়পাল পদ প্রতিষ্ঠার কথা উল্লেখ আছে?
  1. ক) ৭৫ নং অনুচ্ছেদে
  2. খ) ৭৬ নং অনুচ্ছেদে
  3. গ) ৭৭ নং অনুচ্ছেদে
  4. ঘ) ৭৮ নং অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের সংবিধানের,
- অনুচ্ছেদ নং ৭৭ (১) অনুযায়ী সংসদ আইনের দ্বারা ন্যায়পালের পদ প্রতিষ্ঠার জন্য বিধান করিতে পারিবেন।
- ৭৫ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে কার্যপ্রণালী-বিধি, কোরাম প্রভৃতি।
- ৭৬ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে সংসদের স্থায়ী কমিটি সমূহ।
- ৭৮ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে সংসদ ও সদস্যদের বিশেষ অধিকার ও দায়মুক্তি।
উৎসঃ বাংলাদেশের সংবিধান।

৪৮৩.
তেভাগা আন্দোলনের নেত্রী কে ছিলেন?
  1. ক) সুমিত্রা দেবী
  2. খ) তারামন বিবি
  3. গ) ইলা মিত্র
  4. ঘ) মহাশ্বেতা দেবী
ব্যাখ্যা
বিশ শতকের মধ্যভাগে বাংলায় সংঘটিত তেভাগা আন্দোলন একটি কৃষক আন্দোলন। নাচোলের রানী ইলা মিত্র তেভাগা আন্দোলন একজন নেত্রী। এই আন্দোলন যখন স্তিমিত হয়ে যেতে থাকে তখন ইলা মিত্র এই আন্দোলনকে পুনরুজ্জীবিত করেন। কৃষকদের নিকট তিনি রানী মা হিসেবে পরিচিতি পান। ১৯৪৬-৪৭ এবং ১৯৪৮-৫০ দুই দফায় রংপুর, দিনাজপুর, যশোর, চব্বিশ পরগণা প্রভৃতি জেলায় তেভাগা আন্দোলন সংঘটিত হয়। তেভাগা আন্দোলনে দাবী ছিলো বর্গাচাষীরা তাদের উৎপন্ন ফসলের এক ভাগ দিবে মালিকপক্ষকে এবং দুই ভাগ পাবে তারা নিজেরা।
(সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া)
৪৮৪.
‘দ্য ভেজেটারিয়ান’ বইয়ের জন্য কে ম্যান বুকার পুরস্কার লাভ করেছিলেন?
  1. অ্যানি আর্নো
  2. হান কাং
  3. লুইস গ্লুক
  4. ওলগা তোকারচুক
  5. এলিস মুনরো
ব্যাখ্যা
২০২৪ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার:
- ২০২৪ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন দক্ষিণ কোরিয়ার লেখক হান কাং। 
- অবদান: নিজের সাহিত্যকর্মে ‘ইতিহাসের ট্রমা ও মানবজীবনের ভঙ্গুরতা’কে তীব্র কবিতাময় গদ্যের মাধ্যমে উন্মোচিত করার স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে এই সম্মাননা দেওয়া হয়েছে।

⇒ নোবেল পুরস্কার কমিটি ১৯০১ সাল থেকে সাহিত্যে পুরস্কার দিয়ে আসছে।
- হান কাংকে নিয়ে ১৮তম বারের মতো একজন নারী পুরস্কারটি পেলেন।
- প্রথম দক্ষিণ কোরিয়ান হিসেবেও সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পেলেন হান কাং। 

উল্লেখ্য,
- ‘দ্য ভেজেটারিয়ান’ হান কাং-এর সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বইয়ের একটি। 
- ২০০৭ সালে প্রকাশিত এই উপন্যাসের জন্য ২০১৬ সালে ম্যান বুকার পুরস্কার পেয়েছিলেন হান কাং।
- এ উপন্যাসে হান কাং মানুষের নিষ্ঠুরতায় আতঙ্কিত এক তরুণীর ‘বৃক্ষের মতো’ বেঁচে থাকার লড়াইয়ের কথা তুলে ধরেন।
- হান কাংয়ের উপন্যাস ‘দ্য ভেজেটারিয়ান’ ২০১৫ সালে ইংরেজিতে অনুবাদ করেন ডেবোরাহ স্মিথ। 

⇒ তাঁর অন্যান্য বইয়ের মধ্যে রয়েছে 'দ্য হোয়াইট বুক', 'হিউম্যান অ্যাক্টস' ও 'গ্রিক লেসনস'।
- হান কাংয়ের উল্লেখযোগ্য আরেকটি উপন্যাস ‘ইউর কোল্ড হ্যান্ডস’।

উৎস: i) Nobel Prize ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো। 
৪৮৫.
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বর্তমান মহাপরিচালক কোন দেশের নাগরিক?
  1. ক) যুক্তরাষ্ট্র
  2. খ) দক্ষিণ আফ্রিকা
  3. গ) ইথিওপিয়া
  4. ঘ) নাইজেরিয়া
ব্যাখ্যা
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বর্তমান মহাপরিচালক হলেন তেদ্রোস আধানম গেব্রিয়েসাস। তিনি ইথিওপিয়ার নাগরিক।
২০১৭ সালের ১ জুলাই তিনি পাঁচ বছরের জন্যে মহাপরিচালক পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ১৯৪৮ সালের ৭ এপ্রিল প্রতিষ্ঠিত হয়।
এর সদরদপ্তর জেনেভায় অবস্থিত। বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৯৪টি।
(সূত্রঃ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা)
৪৮৬.
বাংলাদেশের কোন নেতা কলকাতা করপোরেশনের মেয়র ছিলেন?
  1. ক) মাওলানা আব্দুল হামিন খান ভাসানী
  2. খ) শেরে-এ-বাংলা এ.কে ফজলুল হক
  3. গ) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  4. ঘ) উনাদের কেউ না
ব্যাখ্যা
শেরে এ-বাংলা এ.কে ফজলুল হক:

- শেরে এ-বাংলা এ.কে ফজলুল হক কলকাতা করপোরেশনের মেয়র ছিলেন
- ফজলুল হক বাকেরগঞ্জ জেলার দক্ষিণাঞ্চলের বর্ধিষ্ণু গ্রাম সাটুরিয়ায় ১৮৭৩ সালের ২৬ অক্টোবর জন্মগ্রহণ করেন।
- ইসলামি শিক্ষা গ্রহণ শেষে ১৮৯০ সালে ফজলুল হক বরিশাল জিলা স্কুল থেকে এন্ট্রান্স, ১৮৯২ সালে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে এফ.এ এবং ১৮৯৪ সালে বি.এ পরীক্ষায় (রসায়ন, গণিত ও পদার্থবিদ্যা তিনটি বিষয়ে অনার্সসহ) উত্তীর্ণ হন। 
- ১৮৯৬ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি গণিত শাস্ত্রে এম.এ ডিগ্রি লাভ করেন
- ১৯১৩ সালে তিনি তাঁর শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী রায়বাহাদুর কুমার মহেন্দ্রনাথ মিত্রকে পরাজিত করে ঢাকা বিভাগ থেকে বঙ্গীয় আইন পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন
- ১৯১৬ থেকে ১৯২১ সাল পর্যন্ত হক ছিলেন সর্বভারতীয় মুসলিম লীগের সভাপতি। 
- ১৯১৯ সালে হক খিলাফত আন্দোলনে যোগদান করেন।
- বাংলায় দ্বৈতশাসনামলে ১৯২৪ সালে প্রায় ছয়মাসের জন্য হক শিক্ষামন্ত্রী হয়েছিলেন।
- ১৯৬২ সালের ২৭ এপ্রিল ঢাকায় তাঁর মৃত্যু হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৪৮৭.
পিথাগোরাস একজন
  1. ক) দার্শনিক ও গণিতবিদ
  2. খ) পদার্থবিদ
  3. গ) রসায়নবিদ
  4. ঘ) অর্থনীতিবিদ
ব্যাখ্যা
- বিখ্যাত দার্শনিক ও অঙ্কশাস্ত্রবিদ পিথাগোরাস খ্রিস্টপূর্ব ৫৭০ অব্দে পূর্ব এজিয়ান সাগরে গ্রিক দ্বীপ সামোসে জন্মগ্রহণ করেন।
- বর্তমান গ্রিস রাষ্ট্রেই তাঁর জন্ম হয়েছিল।

উৎস: ব্রিটানিকা। 
৪৮৮.
Who was the proponent of the 'Honest Neighborhood Policy'?
  1. ক) Bill Clinton
  2. খ) Theodore Roosevelt
  3. গ) John F. Kennedy
  4. ঘ) Franklin D. Roosevelt
ব্যাখ্যা
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট ‘সৎ প্রতিবেশি নীতির প্রবক্তা।

• ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট (১৮৮২-১৯৪৫):
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৩২তম প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট ১২ বছর (১৯৩৩ - ১৯৪৫) ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত ছিলেন।
- তিনি একমাত্র প্রেসিডেন্ট যিনি ৪ মেয়াদে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন।
- ১৯৩২ সালের নভেম্বরে তিনি প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন এবং ১৯৩৩ সালের জানুয়ারিতে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
- যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেট তার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির অংশ হিসাবে ‘নিউ ডিল' (New Deal) ব্যবস্থার প্রবর্তন করেন।

- নিউ ডিল (New Deal) ১৯৩৩ থেকে ১৯৩৯ সাল পর্যন্ত চলমান ছিল।
- তার সময় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয় এবং জাপান কর্তৃক পার্ল হারবার আক্রমনের (৭ ডিসেম্বর ১৯৪১) প্রেক্ষিতে যুক্তরাষ্ট্র দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অংশ নেয়।
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট ‘সৎ প্রতিবেশি নীতির প্রবক্তা।
- ১৯৩০-৪০ এর সময়ে লাতিন আমেরিকান দেশগুলোর সাথে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক নির্ধারণে রুজভেল্ট পূর্বেকার হস্তক্ষেপ নীতির বিপরীতে এই নীতি প্রবর্তন করেন।
১৯৪২ সালের ১ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে এক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এই সম্মেলনেই হবু সংগঠনের নাম প্রথমবারের মতো “জাতিসংঘ (United Nations)” এই নামটি ব্যবহার করা হয় এবং ফ্রাঙ্কলিন ডি - রুজভেল্ট এই নামকরণ করেন।

তথ্যসূত্র: Britannica & History.com
৪৮৯.
পবিত্রভূমি বলা হয় কোনটিকে?
  1. মক্কা
  2. জেরুজালেম
  3. জেদ্দা
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
জেরুজালেম:
- ফিলিস্তিনের জেরুজালেম মধ্যপ্রাচ্যের একটি ঐতিহাসিক শহর।
- এটি মুসলমান, ইহুদি ও খ্রিস্টান এই তিন ধর্মাবলম্বীদের কাছে পবিত্রভূমি।
- এখানেই আছে তিন ধর্মের পবিত্র স্থাপনা, যেমন: ওয়েস্টার্ন ওয়াল, চার্চ অব দি হলি সেপালচার, দি ডোম অব দি রক, আল আকসা মসজিদ।
- ইসরায়েল এবং ফিলিস্তিন উভয়ই জেরুজালেমকে তাদের রাজধানী হিসেবে দাবি করে।
- ফলে জেরুজালেম এখন দুই রাষ্ট্র তথা মধ্যপ্রাচ্য সংকটের অন্যতম কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।

⇒ হযরত ঈসা (আ) এর জন্মভূমি: জেরুজালেমের বেথেলহামে হযরত ঈসা (আ) জন্মগ্রহণ করেন। যার জন্য জেরুজালেম খ্রিষ্টানদের নিকট অধিক পছন্দনীয়। আর এজন্যই জেরুজালেম নগরী খ্রিষ্টানদের নিকট পবিত্র হিসেবে গণ্য হয়।

⇒ জেরুজালেম বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (স.) এর স্মৃতি বিজড়িত স্থান ছিল। মহানবী (স) মিরাজের রাতে মসজিদুল হারাম থেকে আল আকসা মসজিদে এসেছিলেন এবং এখান থেকে তিনি মিরাজে গমন করেন। এজন্য মুসলমানদের নিকট জেরুজালেম এত পবিত্র। জেরুজালেমে মুসলমানদের পবিত্র আল আকসা মসজিদ অবস্থিত যা মুসলমানদের স্মৃতি বিজড়িত স্থান। মসজিদুল আকসা (আল আকসা মসজিদ) বা বাইতুল মুকাদ্দাস ইসলামের তৃতীয় পবিত্রতম মসজিদ। এই মসজিদুল আকসা বা বায়তুল মুকাদ্দাস মুসলমানদের প্রথম কিবলা ছিল। 

⇒ জেরুজালেম ইহুদিদের মুসা (আ) ও দাউদ (আ) এর স্মৃতি বিজড়িত স্থান। এখানে ইহুদিদের পবিত্র স্থান টেম্পল মাউন্ট অবস্থিত। মূলত ইহুদিদের কাছে হারাম আল শরিফ এলাকাটির নাম টেম্পল মাউন্ট এবং এটিই তাদের ধর্মে সবচাইতে পবিত্র স্থান। এখানেই ইহুদিদের প্রথম ও দ্বিতীয় পবিত্র মন্দির অবস্থিত ছিল বলে বিশ্বাস করা হয় যা ৭০ খ্রিষ্টাব্দে রোমানদের জেরুজালেম অবরোধের সময় ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছিল।

তাই জেরুজালেমকে পবিত্র ভূমি বলা হয়।

উৎস: Britannica.
৪৯০.
'মুয়াল্লিম আল সানী’ নামে কে পরিচিত?
  1. ইবনে সিনা
  2. ইবনে রুশদ
  3. আল গাজ্জালি
  4. আল ফারাবী
ব্যাখ্যা

• আল-ফারাবী:
- আল-ফারাবী মধ্যযুগীয় ইসলামি জগতে একজন প্রখ্যাত দার্শনিক হিসেবে বিশেষ মর্যাদা লাভ করেন। 
- যুক্তিবিদ্যা, দর্শন ও বিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখায় তিনি অসাধারণ অবদান রাখেন।
- তিনি মুয়াল্লিম আল সানী বা দ্বিতীয় শিক্ষক নামে পরিচিত, কারণ অ্যারিস্টটলের পর তাকেই সর্বশ্রেষ্ঠ দার্শনিক হিসেবে গণ্য করা হতো।
 - ‘মুয়াল্লিম আল সানী’ উপাধি পাওয়ার আরেকটি কারণ হলো - অ্যারিস্টটলের দর্শন নিয়ে তার বিস্তৃত কাজ ও যুক্তিবিদ্যায় বিশেষ অবদান।

উল্লেখ্য,
- অ্যারিস্টটলের দর্শন ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ করে মুসলিম বিশ্বে তা সহজভাবে উপস্থাপন করার জন্যই তাকে "দ্বিতীয় অ্যারিস্টটল" বলা হয়।
- তিনি এরিস্টটলের ওপর প্রায় অর্ধ-শত গ্রন্থ রচনা করেছেন এবং 
- দর্শনের ওপর প্রায় শতাধিক মূল্যবান গ্রন্থ লিখেছেন।
- তিনি এরিস্টটলের দর্শনের সাথে প্লেটোর দর্শনের সমন্বয় করে একটি সহজ ও স্পষ্ট দর্শনধারা তৈরি করেছিলেন
যা ইসলামি দর্শনচর্চাকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছে।

উৎস: Britannica.

৪৯১.
Stephen Hawking is best known for the study of?
  1. Comet
  2. Galaxy
  3. Quasars
  4. Black Holes
ব্যাখ্যা
• স্টিফেন হকিং ব্ল্যাক হোলের গবেষণার জন্য সবচেয়ে বেশি পরিচিত।

স্টিফেন হকিং:
- তিনি ৮ জানুয়ারী, ১৯৪২ সালে ইংল্যান্ডের অক্সফোর্ডে জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৭ বছর বয়সে তিনি অক্সফোর্ডের ইউনিভার্সিটি কলেজে ভর্তি হন। তিনি গণিত অধ্যয়ন করতে চেয়েছিলেন, কিন্তু পদার্থবিদ্যা অধ্যয়ন অবলম্বন. তিনি পিএইচডি করেছেন।
- তিনি ইংল্যান্ডের কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিতের লুকাসিয়ান অধ্যাপক হিসাবে অধিষ্ঠিত ছিলেন।
- ১৯৭০ সালে, ডক্টর হকিং ব্ল্যাক হোলের বৈশিষ্ট্য নিয়ে কাজ শুরু করেন।
- তার গবেষণার ফলস্বরূপ, এটি ভবিষ্যদ্বাণী করা হয়েছিল যে ব্ল্যাক হোল স্পেকট্রামের এক্স-রে থেকে গামা-রে পরিসরে বিকিরণ নির্গত করে।
- তিনি এ ব্রিফ হিস্ট্রি অফ টাইম অ্যান্ড ব্ল্যাক হোলস এবং বেবি ইউনিভার্স এবং অন্যান্য প্রবন্ধের মতো বইও লিখেছেন।

তথ্যসূত্র - নাসা অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৪৯২.
বলশেভিক বিপ্লব কার নেতৃত্বে হয়েছিল?
  1. আলেক্সান্দ্রো এফ. ক্যারেনস্কি
  2. কার্ল মার্কস
  3. ভ্লাদিমির লেনিন
  4. মিখাইল গর্ভাচেভ
ব্যাখ্যা
• বলশেভিক বিপ্লব/অক্টোবর বিপ্লব:
- রুশ বিপ্লবের দ্বিতীয় পর্যায়কে বলশেভিক বা অক্টোবর বিপ্লব বলে।
- বলশেভিক বিপ্লবের ফলে - রাশিয়ায় লেনিনের নেতৃত্বে বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- বলশেভিক বিপ্লবের নেতা ছিলেন - ভ্লাদিমির লেনিন ও লিওন ট্রটস্কি।

উল্লেখ্য,
• ফেব্রুয়ারি বিপ্লব:
- রুশ বিপ্লবের প্রথম পর্যায়কে ফেব্রুয়ারি বিপ্লব বলা হয়।
- ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের ফলে - রাজতন্ত্রের অবসান ঘটে এবং জার দ্বিতীয় নিকোলাসকে ক্ষমতা থেকে উচ্ছেদ ও বন্দি করা হয়।
- ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের নেতৃত্ব ছিলেন - আলেক্সান্দ্রো এফ. ক্যারেনস্কি (Aleksandr F. Kerensky)।

উৎস: হিস্টোরি ও ব্রিটানিকা.কম।
৪৯৩.
লিটল কর্পোরেল কার উপাধি?
  1. আব্রাহাম লিংকন
  2. অ্যাডলফ হিটলার
  3. মার্টিন লুথার কিং
  4. নেপোলিয়ন বোনাপার্ট
ব্যাখ্যা

নেপোলিয়ন বোনাপার্ট:
- নেপোলিয়ন বোনাপার্ট ছিলেন খ্যাতনামা সামরিক নেতা।
- নেপোলিয়ন বোনাপার্টের উপাধি: 'লিটল করপোরাল'।
- তিনি ফরাসি বিপ্লবের ক্রান্তিলগ্নে ফ্রান্সের হাল ধরেছিলেন এবং ফ্রান্সকে শক্তিধর রাষ্ট্রে পরিণত করেন। 
- ফরাসি বিপ্লবের শিশু বলা হয় নেপোলিয়ন বোনাপার্টকে।
- বিখ্যাত 'ওয়াটার লু' যুদ্ধ সংঘটিত হয় ১৮১৫ সালে। 
- এই যুদ্ধে নেপোলিয়ন ডিউক অফ ওয়েলিংটনের কাছে পরাজিত হন।
- পরাজয়ের ফলে তাঁকে দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরের সেন্ট হেলেনা দ্বীপে নির্বাসন দেওয়া হয়। 
- যেখানে ১৮২১ সালে আর্সেনিকের বিষক্রিয়ায় নেপোলিয়ন মৃত্যুবরণ করেন।

উৎস:  ব্রিটানিকা ও হিস্টরি.কম ওয়েবসাইট।  

৪৯৪.
'তেনজিন গিয়াতসো' নামে পরিচিত -
  1. ক) বুদ্ধদেব বসু 
  2. খ) অতীশ দীপঙ্কর
  3. গ) দালাই লামা
  4. ঘ) নেলসন ম্যান্ডেলা
ব্যাখ্যা
• দালাই লামা:
- তিব্বতের (১৪ তম ধর্মগুরু দালাই লামা) ১৯৩৫ সালে উত্তর-পূর্ব তিব্বতের একটি গ্রামে  জন্মগ্রহন করেন।
- তিনি তেনজিন গিয়াতসো নামে বেশি পরিচিত।
- তিব্বতের ধর্মীয় গুরুকেই বলা হয় দালাই লামা।
- দালাই লামা ১৯৮৯ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন

সূত্র: Worldatlas.com & history.com
৪৯৫.
যুক্তরাষ্ট্রের কোন প্রেসিডেন্ট দক্ষিন-পূর্ব এশিয়ায় “ডমিনো তত্ব” প্রয়োগ করেছিলেন?
  1. হ্যারি এস. ট্রুম্যান
  2. লিন্ডল বি জনসন
  3. ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার
  4. জন এফ. কেনেডি
ব্যাখ্যা

দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার দেশ ভিয়েতনামে যুক্তরাষ্ট্র ''ডমিনো তত্ত্ব'' প্রয়োগ করেছিল। ১৯৪৬ সাল থেকে ১৯৫৪ সাল পর্যন্ত সময়ে ‘প্রথম ইন্দোচীন যুদ্ধ’ (First Indochina War) - এ হো চি মিনের নেতৃত্বে Viet Minh বাহিনী ফ্রান্স বাহিনীর সাথে জয়লাভ করে।
পরবর্তীতে, ভিয়েতনামকে ১৭ ডিগ্রী অক্ষরেখা বরাবর ‘উত্তর ভিয়েতনাম’ ও ‘দক্ষিণ ভিয়েতনাম’ দুটি রাষ্ট্রে বিভক্ত করে স্বাধীনতা প্রদান করা হয়। উত্তর ভিয়েতনামে হো চি মিনের নেতৃত্ব কমিউনিস্ট সরকার ও যুক্তরাষ্ট্রের মদদে দক্ষিণ ভিয়েতনামে গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৫৫ সালে দুই ভিয়েতনাম স্বাধীন হওয়ার পর থেকেই যুদ্ধাবস্থা বিরাজমান থাকে।
⤇ যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার ভিয়েতনাম যুদ্ধে “ডমিনো তত্ত্ব” প্রয়োগ করেন। তিনি এন্টি-কমিউনিস্ট দক্ষিণ ভিয়েতনাম সরকারকে সহায়তা করেন।
উৎসঃ Live MCQ content (Upcoming) ও ব্রিটানিকা.কম

৪৯৬.
আলবার্ট আইনস্টাইন কত সালে নোবেল পুরস্কার পান?
  1. ক) ১৯২০
  2. খ) ১৯২১
  3. গ) ১৯১৫
  4. ঘ) ১৯০৫
ব্যাখ্যা
আলবার্ট আইনস্টাইন ১৪ মার্চ ১৮৭৯ সালে জার্মানির উলম শহরে জন্মগ্রহন করেন।
আপেক্ষিকতার সূত্র বা Theory of Relativity আবিষ্কার করেন।
ভর শক্তি সম্পর্ক (E=mc2) স্থাপন করেন তিনি।
তিনি ১৯২১ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরষ্কার পান।

তথ্যসূত্র: www.britannica.com
৪৯৭.
"আয়রন কার্টেন (Iron Curtain)" শব্দগুচ্ছ প্রথম ব্যবহার করেন কে?
  1. চার্চিল
  2. হিটলার
  3. স্টালিন
  4. রুজভেল্ট
ব্যাখ্যা
আয়রন কার্টেন (Iron Curtain):
- "আয়রন কার্টেন" (Iron Curtain) শব্দটি সর্বপ্রথম জনপ্রিয়ভাবে ব্যবহার করেন উইনস্টন চার্চিল।
- 'আয়রন কার্টেন' শব্দটি মূলত সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং তার প্রভাবাধীন রাষ্ট্রগুলোকে পশ্চিমা বিশ্ব ও অ-সোভিয়েত নিয়ন্ত্রিত অঞ্চল থেকে বিচ্ছিন্ন রাখার প্রতীক ছিল।
- এই সীমানার পূর্ব পাশে ছিল সোভিয়েত-প্রভাবিত দেশসমূহ, আর পশ্চিম পাশে ছিল যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্র রাষ্ট্রগুলো।
- ঊনবিংশ শতাব্দী থেকে "আয়রন কার্টেন" শব্দটি বিভিন্নভাবে রূপক হিসাবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে, কিন্তু প্রাক্তন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী এটি ব্যবহার করার পরেই এটি জনপ্রিয়তা লাভ করে।
- উইনস্টন চার্চিল ১৯৪৬ সালের ৫ মার্চ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মিসৌরির ফুলটনে দেওয়া ভাষণে বলেন, "বাল্টিকের স্টেটিন থেকে অ্যাড্রিয়াটিকের ট্রিয়েস্ট পর্যন্ত , মহাদেশ জুড়ে একটি লোহার পর্দা নেমে এসেছে । "
- ১৯৫৩ সালে জোসেফ স্ট্যালিনের মৃত্যুর পরের বছরগুলিতে লৌহ পর্দার বিধিনিষেধ এবং অনমনীয়তা কিছুটা হ্রাস পেয়েছিল।
- ১৯৮৯-৯০ সালে পূর্ব ইউরোপে কমিউনিস্টদের একদলীয় শাসন ত্যাগের সাথে সাথে লৌহ পর্দার অস্তিত্ব মূলত বন্ধ হয়ে যায়।

তথ্যসূত্র - Britannica.
৪৯৮.
মার্কিন প্রেসিডেন্ট-এর বার্ষিক ভাষণ কী নামে পরিচিত?
  1. দ্য স্টেট স্পিস
  2. দ্য ক্যাপিটল স্পিস
  3. দ্য স্পিস অব দ্য বেস্ট
  4. দ্য স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন
ব্যাখ্যা

দ্য স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন:
- 'স্টেট অব দি ইউনিয়ন' (State of the Union) হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতির বার্ষিক ভাষণ।
- মার্কিন রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রতি বছর কংগ্রেসের (সিনেট ও প্রতিনিধি পরিষদ) যৌথ অধিবেশনে এই বার্ষিক ভাষণ প্রদান করা হয়।
- এতে দেশের বর্তমান অবস্থা, অর্জিত সাফল্য, অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এবং সরকারের ভবিষ্যৎ কাজের পরিকল্পনা ও আইন প্রণয়নের প্রস্তাব তুলে ধরা হয়।
- এটি সাংবিধানিকভাবে বাধ্যতামূলক এবং সাধারণত বছরের শুরুতে (জানুয়ারি/ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত হয়। 

• ১৯৪৭ সালে হ্যারি এস. ট্রুম্যানের ভাষণটিই ছিল টেলিভিশনে সম্প্রচারিত প্রথম ভাষণ। সেই বছরই ভাষণটির নাম "স্টেট অফ দ্য ইউনিয়ন" রাখা হয়েছিল, যা পূর্বে "কংগ্রেসের প্রতি রাষ্ট্রপতির বার্ষিক বার্তা" নামে পরিচিত ছিল।

উল্লেখ্য,
- ২০২৬ সালের ২৪শে ফেব্রুয়ারি স্টেট অফ দ্য ইউনিয়ন ভাষণটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

উৎস: Britannica.

৪৯৯.
Climate Refugee সম্পর্কে প্রথম ধারণা দেন কে?
  1. সুভনটে আরহেনিয়াস
  2. লেস্টার ব্রাউন
  3. আর্নেস্ট হেকেল
  4. হিপোক্রেটিস
ব্যাখ্যা
Climate Refugee বা Environmental Refugee সম্পর্কে প্রথম ধারণা দেন মার্কিন পরিবেশবাদী বিজ্ঞানী লেস্টার ব্রাউন। তিনি ১৯৭৬ সালে প্রথম এটি ব্যবহার করেন।
(উৎসঃ অ্যাকাডেমিয়া)
৫০০.
'তিনকন্যা' চিত্রকর্মের শিল্পী কে?
  1. ক) কামরুল হাসান
  2. খ) এস এম সুলতান
  3. গ) আবদুল আলীম
  4. ঘ) জয়নুল আবেদিন
ব্যাখ্যা
তিন কন্যা পটুয়া কামরুল হাসানের একটি বিখ্যাত চিত্রকর্ম। এটি ১৯৮৩ সালে আঁকা হয়। কামরুল হাসানের অন্যান্য কর্মের মধ্যে ‘এই জানোয়ারদের হত্যা করতে হবে’ শিরোনামের ইয়াহিয়া খানের পোস্টার এবং ‘দেশ আজ বিশ্ববেহায়ার খপ্পরে’ শিরোনামে এরশাদের পোস্টার সর্বাধিক আলোচিত। এছাড়া তিনি বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা ও প্রতীকেরও ডিজাইনার।
(সূত্র: বাংলাপিডিয়া)