PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি, ধর্মের ইতিহাস ও অন্যান্য
ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি, ধর্মের ইতিহাস ও অন্যান্য
PrepBank · পাতা ৪ / ১৪ · ৩০১–৪০০ / ১,৩৪৯
ব্যাখ্যা
- ইবনে সিনার জন্মস্থান ইরানের বুখারাতে।
- তার এর পুরো নাম আবু আলী আল-হুসাইন ইবনে আবদ আল্লাহ ইবনে সিনা।
- ইবনে সিনার জন্ম ৯৮০ খ্রিস্টাব্দে ইরানের বুখারার কাছে।
- তিনি মৃত্যুবরণ করেন ১০৩৭ খ্রিস্টাব্দ ইরানের হামাদানে।
- তিনি মুসলিম প্রভাবশালী চিকিত্সকদের মধ্যে সবচেয়ে বিখ্যাত।
- তিনি মধ্যযুগীয় ইসলামী বিশ্বের দার্শনিক-বিজ্ঞানী। তিনি অ্যারিস্টটলীয় দর্শন এবং চিকিৎসা ক্ষেত্রে তাঁর অবদানের জন্য বিশেষভাবে বিখ্যাত ছিলেন।
- তিনি কিতাব আল-শিফা (বুক অফ দ্য কিউর), একটি বিশাল দার্শনিক এবং বৈজ্ঞানিক বিশ্বকোষ এবং আল-কানুন ফি আল-টিব (দ্য ক্যানন অফ মেডিসিন) রচনা করেন, যা চিকিৎসার ইতিহাসে সবচেয়ে বিখ্যাত বইগুলির মধ্যে একটি।
তথ্যসূত্র - Britannica.com
ব্যাখ্যা
- আবুল কাশেম ফজলুল হক বাকেরগঞ্জ জেলার দক্ষিণাঞ্চলের বর্ধিষ্ণু গ্রাম সাটুরিয়ায় ১৮৭৩ সালের ২৬ অক্টোবর জন্মগ্রহণ করেন।
- অবিভক্ত বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন এ.কে. ফজলুল হক।
- শেরে বাংলা এ.কে. ফজলুল হক ছিলেন একজন রাজনীতিবিদ ও জননেতা।
- তিনি কলকাতার মেয়র হোন ১৯৩৫ সালে।
- অবিভক্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী (১৯৩৭-১৯৪৩) এবং পূর্ব বাংলার মুখ্যমন্ত্রী (১৯৫৪) ছিলেন।
- তিনি পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী (১৯৫৫) এবং পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নরের পদ (১৯৫৬-১৯৫৮) সহ বহু উঁচু রাজনৈতিক পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন।
- ১৯৬২ সালের ২৭ এপ্রিল ঢাকায় তাঁর মৃত্যু হয়।
তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
ব্যাখ্যা
- তার রচিত গ্রন্থের মধ্যে দ্য কমিউনিস্ট মেনিফ্যাস্টো, দাস ক্যাপিটাল সর্বাধিক প্রসিদ্ধ।
- মার্ক্স তার লেখনির মাধ্যমে যে মতবাদকে তুলে ধরেন তা মার্ক্সবাদ নামে পরিচিত।
- ১৮৮৩ সালের ১৪ই মার্চ তিনি লন্ডনে মারা যান।
(সূত্রঃ এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা)
ব্যাখ্যা
পোর্ট্রেট অব এলিজাবেথ লেডেরার:
- ‘পোর্ট্রেট অব এলিজাবেথ লেডেরার’ চিত্রকর্মটি গুস্তাফ ক্লিমট-এর আঁকা।
⇒ পোর্ট্রেট অব এলিজাবেথ লেডেরার আঁকা হয় ১৯১৪ থেকে ১৯১৬ সালের মধ্যে।
- অস্ট্রিয়ার প্রভাবশালী ইহুদি পরিবারের মেয়ে এলিজাবেথ লেডেরারের বাবা অগাস্ট লেডেরার ছিলেন ক্লিমটের বড় পৃষ্ঠপোষক।
- ১৯৩৮ সালে অস্ট্রিয়া দখলের সময় চিত্রকর্মটি জব্দ করে নাৎসি বাহিনী।
- আশির দশকে সেটি আবার চিত্রকর্মের বাজারে আসে। তখন থেকেই এটি ব্যক্তিগত সংগ্রহশালায় ছিল।
⇒ দীর্ঘদিন চোখের আড়ালে থাকায় চিত্রকর্মটি নিয়ে বড় আগ্রহ ছিল। এ ছাড়া ক্লিমটের জীবনের শেষ দিকের আঁকা এ চিত্রকর্ম তাঁর ‘স্বর্ণযুগে’ আঁকা চিত্রকর্মগুলোর চেয়ে আলাদা। ওই যুগে তাঁর ‘পোর্ট্রেট অব আডেল ব্লক-বাউয়ার ১’ এবং ‘দ্য কিস’-এর মতো চিত্রকর্মগুলোয় সোনালি রঙের কাজ থাকলেও পোর্ট্রেট অব এলিজাবেথ লেডেরারে নেই।
উৎস: i) Britannica.
ii) প্রথম আলো।
ব্যাখ্যা
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার।
ব্যাখ্যা
- শিক্ষা শব্দটি অত্যন্ত ব্যাপক ও জটিল।
- বিভিন্ন যুগে, বিভিন্ন দেশে শিক্ষাবিদ ও দার্শনিকরা আপন আপন দৃষ্টিভঙ্গি অনুযায়ী শিক্ষার ব্যাখ্যা প্রদান করেছেন।
সক্রেটিসের মতে,
- "শিক্ষা হলো মিথ্যার অপনোদন ও সত্যের আবিষ্কার।"
দার্শনিক প্লেটোর (Plato) মতে,
- শিক্ষা হচ্ছে সেই শক্তি, যার দ্বারা সঠিক সময়ে আনন্দ ও বেদনা অনুভূতিবোধ জন্মায়।
- এটি শিক্ষার্থীর দেহে-মনে সকল সুন্দর ও অন্তর্নিহিত শক্তিকে বিকশিত করে তোলে।
দার্শনিক এরিস্টটলের (Aristotle) মতে,
- সুস্থ দেহে সুস্থ মন তৈরি করাই হচ্ছে শিক্ষা।
- শিক্ষা দেহ-মনের সুষম এবং পরিপূর্ণ বিকাশের মাধ্যমে ব্যক্তির জীবনের প্রকৃত মাধুর্য ও পরম সত্য উপলব্ধিতে সহায়তা করে।
হেনরিক পেস্টালৎসীর মতে,
- "শিক্ষা হচ্ছে মানুষের শক্তি ও সামর্থ্যের স্বাভাবিক, প্রগতিশীল ও নিয়মানুগ বর্ধন ও সামঞ্জস্যপূর্ণ বিকাশ।
মহাত্মা গান্ধী বলেন,
- "শিক্ষা হলো শিশু ও মানুষের দেহ, মন ও আত্মার সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ গুণগুলোর সুসামঞ্জস্যপূর্ণ বিকাশ।
রুশো মন্তব্য করেন,
- "আমরা অভাবের মধ্যে অসহায় অবস্থায় জন্মগ্রহণ করি।
- শিক্ষা দ্বারা আমাদের অভাব পূরণ হয়।
- প্রকৃতি, বস্তু ও মানুষের নিকট হতে আমরা শিক্ষা লাভ করি।"
উৎস: মাধ্যমিক শিক্ষা, ব্যাচেলর অব এডুকেশন, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
শ্রীমাভো বন্দরনায়েক
- বিশ্বের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রীর নাম শ্রীমাভো বন্দরনায়েক।
- ১৯৬০ সালে নির্বাচনে জিতে শ্রিলংকার প্রধানমন্ত্রী হন তিনি।
- ১৯৬৫ সালে ক্ষমতা ত্যাগ করার পরে ১৯৭০ থেকে ১৯৭৭ সাল এবং ১৯৯৪ থেকে ২০০০ সাল মেয়াদে আরো দুইবার প্রধানমন্ত্রীর দ্বায়িত্ব পালন করেন।
অন্যদিকে -
- বেনাজীর ভুট্টো ছিলেন বিশ্বের প্রথম মুসলিম মহিলা প্রধানমন্ত্রী।
- বিশ্বের প্রথম মহিলা প্রেসিডেন্ট ইসাবেলা পেরন।
- মুসলিম বিশ্বের প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট মেঘবর্তী সুকর্নপুত্রী।
উৎস:
i) Britannica.com.
ii) Ministry of Foreign Affairs, Sri Lanka.
ব্যাখ্যা
- নেপোলিয়ন বোনাপার্ট জন্মগ্রহণ করেন কর্সিকা দ্বীপে। এটি ভূমধ্যসাগরে অবস্থিত একটি ফরাসি ভূখণ্ড।
- নেপোলিয়ন বোনাপার্ট ফরাসি বিপ্লবের ক্রান্তিলগ্নে ফ্রান্সের হাল ধরেছিলেন।
- ফ্রান্সকে ইউরোপের শক্তিধর রাষ্ট্রে পরিণত করতে নেপোলিয়ন সক্ষম হয়েছিলেন।
- তাকে ফরাসি বিপ্লবের শিশু বলা হয়।
উল্লেখ্য,
- বিখ্যাত 'ওয়াটার লু' যুদ্ধ সংঘটিত হয় ১৮১৫ সালে।
- 'ওয়াটার লু' যুদ্ধে পরাজিত হন ফরাসি বীর নেপোলিয়ন বোনাপার্ট।
- পরাজয়ের ফলে তাঁকে দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরের সেন্ট হেলেনা দ্বীপে নির্বাসন দেওয়া হয়।
- যেখানে ১৮২১ সালে আর্সেনিকের বিষক্রিয়ায় নেপোলিয়ন মৃত্যুবরণ করেন।
উৎস: Britannica.
ব্যাখ্যা
- দ্রৌপদী মুর্মু ভারতের পঞ্চদশ রাষ্ট্রপতি।
- রাষ্ট্রপতি হিসেবে ২৫ জুলাই ২০২২ তারিখে শপথ গ্রহণ করেন দ্রৌপদী মুর্মু।
- সাঁওতাল নারী হিসেবে, সবচেয়ে কম বয়সে ভারতের রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন দ্রৌপদী মুর্মু।
- ৬৪ বছর বয়সী দ্রৌপদী মুর্মু দেশটির সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে আসীন হওয়া প্রথম আদিবাসী নারী এবং দেশটির সর্বকনিষ্ঠ রাষ্ট্রপতি।
- দ্রৌপদীর পারিবারিক পদবি ছিল টুডু। স্কুল-কলেজেও তিনি এই পদবি ব্যবহার করতেন। বিয়ের পর পদবি বদলে রাখেন মুর্মু।
- দ্রৌপদী মুর্মুই ভারতের প্রথম রাষ্ট্রপতি, যাঁর জন্ম ভারতের স্বাধীনতার পর।
- ভারতের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ৬৪ শতাংশ ভোট পেয়েছেন দ্রৌপদী। উত্তর প্রদেশ ও মহারাষ্ট্র থেকে সবচেয়ে বেশিসংখ্যক ভোট পেয়েছেন দ্রৌপদী। আশ্চর্যজনকভাবে বিরোধী দলের ১৭ জন এমপি এবং ১২৫ জন এমএলএ বা বিধায়কের ভোট পেয়েছেন তিনি।
- ১৯৫৮ সালের ২০ জুন ভারতের ওডিশার ময়ুরভঞ্জ জেলার উপারবেদা গ্রামে জন্ম নেন দ্রৌপদী মুর্মু। স্থানীয় স্কুলেই প্রাথমিক এবং মাধ্যমিক পড়ালেখা করেন। পরে রাম দেবী মহিলা কলেজ থেকে লেখাপড়ার পাট চুকান। ওডিশার সচিবালয়ে কেরানি হিসেবে তাঁর কর্মজীবন শুরু করেন। তার কিছুদিন পরই বিয়ে করেন ব্যাংক কর্মকর্তা শ্যামচরণ মুর্মুকে।
[ভারতের ১৬তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে পঞ্চদশ রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। ভারতের প্রথম রাষ্ট্রপতি রাজেন্দ্র প্রসাদ পর পর দু’বার (১৯৫২ ও ১৯৫৭ সালে) প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয়ী হয়েছিলেন। সেকারণে ১৬তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হলেও দ্রৌপদী মুর্মু দেশটির ১৫তম রাষ্ট্রপতি।]
তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো, ২৯ জুলাই ২০২২।
ব্যাখ্যা
- জাম্বিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট কেনেথ কাউন্ডা'কে আফ্রিকার গান্ধী বলা হয়। তিনি আফ্রিকার এই দেশটিকে ২৭ বছর শাসন করেছেন।
- নেলসন ম্যান্ডেলাকে দক্ষিণ আফ্রিকার গান্ধী বলা হয়।
উৎস: টাইমস অব ইন্ডিয়া এবং ডয়েচ-ভেলে
ব্যাখ্যা
- তিনি জন্ম গ্রহণ করেন ১৯১০ সালে।
- তিনি ছিলেন একজন আলবেনীয়-বংশোদ্ভুত ভারতীয় ক্যাথলিক সন্ন্যাসিনী এবং ধর্মপ্রচারক।
- মাদার তেরেসা নামে অধিক পরিচিত হলেও তার আসল নাম মেরি টেরিজা বোজাঝিউ।
- ১৯৫০ সালে কলকাতায় ‘দ্য মিশনারিজ অফ চ্যারিটি’ (দাতব্য ধর্মপ্রচারক সংঘ) নামে একটি খ্রিস্ট ধর্মপ্রচারণাসংঘ প্রতিষ্ঠা করেন।
- প্রথমে ভারতে ও পরে সমগ্র বিশ্বে তার এই ধর্মপ্রচারণা কার্যক্রম ছড়িয়ে পড়ে।
- ২০১৬ সালে পোপ ফ্রান্সিস তাকে 'সন্ত' হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করেন এবং ক্যাথলিক গির্জায় মাদার তেরেসায় ‘কলকাতার সন্ত টেরিজা’ হিসেবে আখ্যায়িত হন।
- ১৯৭৯ সালে মাদার তেরেসা শান্তিতে নোবেল পুরষ্কার পান।
- ১৯৮০ সালে ভারতের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান ভারতরত্ন লাভ করেন।
উৎস: ব্রিটানিকা।
ব্যাখ্যা
- দালাইলামা তিব্বতের ধর্মীয় নেতা।
- তিনি তিব্বতি বৌদ্ধধর্মের সর্বোচ্চ আধ্যাত্মিক নেতা।
- বর্তমান দালাই লামার নাম তেনজিন গিয়াৎসো। তিব্বতীয় বৌদ্ধ বিশ্বাস অনুযায়ী, তিনি দালাই লামার চতুর্দশ পুনর্জন্ম।
উল্লেখ্য,
- ১৯৫৯ সালে তিব্বতের রাজধানী লাসায় চীনা সেনারা এক বিদ্রোহ দমন করার পর দালাই লামা এবং হাজার হাজার তিব্বতি ভারতে চলে যান। সেখানেই তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে নির্বাসিত জীবন কাটাচ্ছেন।
- চীন দালাই লামাকে একজন ‘বিদ্রোহী ও বিচ্ছিন্নতাবাদী’ বলে বিবেচনা করে থাকে। তবে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত এই ধর্মীয় নেতা নিজেকে একজন ‘সাধারণ বৌদ্ধভিক্ষু’ হিসেবে পরিচয় দেন।
- নির্বাসিত অনেক তিব্বতির আশঙ্কা, দালাই লামার মৃত্যুর পর চীন নিজেই একজন উত্তরসূরি নিয়োগ দিতে পারে। আর এর মধ্য দিয়ে ১৯৫০ সালে সেনা পাঠিয়ে দখলে নেওয়া তিব্বতের ওপর নিজেদের নিয়ন্ত্রণ আরও জোরদার করতে পারে চীন।
- ২ মে, ২০২৫ তারিখে দালাই লামা স্পষ্ট করে বলে দিয়েছেন, পঞ্চদশ দালাই লামাকে শনাক্ত করার দায়িত্ব শুধু ভারতভিত্তিক গাদেন ফোদরাং ট্রাস্টের হাতে থাকবে। এটি দালাই লামার দপ্তর।
- ২০১১ সালে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে থাকা ১ লাখ ৩০ হাজার তিব্বতির ভোটে নির্বাচিত একটি নির্বাসিত সরকারের হাতে দালাই লামা রাজনৈতিক কর্তৃত্ব হস্তান্তর করেন।
উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) Britannica.
ব্যাখ্যা
- হিজরি সন (ইসলামিক বর্ষপঞ্জি) গণনা করা হয় চন্দ্র মাস অনুসারে।
- এটি শুরু হয়েছে ৬২২ খ্রিস্টাব্দে।
- যেদিন হজরত মুহাম্মদ (সা.) মক্কা থেকে মদিনায় হিজরত করেন।
- এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইসলামিক ক্যালেন্ডারের সূচনা হয়, যাকে বলা হয় "হিজরি সন"।
- এক বছর = ১২টি চন্দ্র মাস
- প্রতি মাসে থাকে ২৯ বা ৩০ দিন, কারণ চাঁদের একটিমাত্র আবর্তন চক্র।
- এক হিজরি বছর = প্রায় ৩৫৪ বা ৩৫৫ দিন
- তাই এটি গ্রেগোরিয়ান বর্ষপঞ্জির (৩৬৫/৩৬৬ দিন) চেয়ে প্রায় ১০-১১ দিন কম।
উৎস: ব্রিটানিকা।
ব্যাখ্যা
হার্টল্যান্ড তত্ত্ব (Heartland Theory):
- হার্টল্যান্ড তত্ত্বের প্রবক্তা ব্রিটিশ ভূগোলবিদ ও ভূ-রাজনীতিবিদ স্যার হ্যালফোর্ড জন ম্যাকিন্ডার।
- তিনি ১৯০৪ সালে রয়েল জিওগ্রাফিক্যাল সোসাইটিতে 'The Geographical Pivot of History' নামক গবেষণাপত্রে এই বিখ্যাত ভূ-রাজনৈতিক মতবাদটি উপস্থাপন করেছিলেন।
- তিনি ইউরেশিয়ার কেন্দ্রভাগকে যা মূলত রাশিয়া ও মধ্য এশিয়ার অংশ 'হার্টল্যান্ড' বা 'পিভট এরিয়া' (Pivot Area) হিসেবে চিহ্নিত করেন।
- তাঁর মতে, "যে পূর্ব ইউরোপকে শাসন করবে, সে হার্টল্যান্ডকে নিয়ন্ত্রণ করবে; যে হার্টল্যান্ডকে নিয়ন্ত্রণ করবে, সে বিশ্ব-দ্বীপকে (ইউরেশিয়া ও আফ্রিকা) শাসন করবে; এবং যে বিশ্ব-দ্বীপ শাসন করবে, সে বিশ্বকে শাসন করবে"।
- এই তত্ত্বটি স্থল শক্তিকে সমুদ্র শক্তির চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে তুলে ধরে।
উৎস: Britannica.
ব্যাখ্যা
টমাস আলভা এডিসন (ফেব্রুয়ারি ১১, ১৮৪৭ - অক্টোবর ১৮, ১৯৩১) ছিলেন মার্কিন উদ্ভাবক এবং ব্যবসায়ী। তিনি গ্রামোফোন, ফনোগ্রাফ, সিনেমা প্রজেক্টর, ভিডিও ক্যামেরা এবং দীর্ঘস্থায়ী বৈদ্যুতিক বাতি (বাল্ব) সহ বহু যন্ত্র তৈরি করেছিলেন যা বিংশ শতাব্দীর জীবনযাত্রায় ব্যাপক প্রভাব ফেলেছিল।
Verified From: Encyclopaedia Britannica.
ব্যাখ্যা
- এই নির্বাচনে জো বাইডেন ৩০৬টি ইলেক্টোরাল ভোট পেয়ে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন।
- তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬ তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে ২০ জানুয়ারি, ২০২১ সালে শপথ গ্রহণ করেন।
উৎসঃ ফক্স নিউজ।
ব্যাখ্যা
- ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেলকে 'লেডি উইথ দ্য ল্যাম্প' বলা হয়।
- ক্রিমিয়ার যুদ্ধের সাথে 'ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল' নামটি জড়িত।
- যুদ্ধটি ১৮৫৩ সালের অক্টোবর মাসে থেকে ১৮৫৬ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সংঘটিত হয়।
- ক্রিমিয়ার যুদ্ধে নার্সিং ইতিহাসের বৈপ্লবিক উন্নয়ন ও পরিবর্তন ঘটেছিল অপ্রতুল চিকিৎসা সেবার আলো হাতে নিয়ে পাশে এসে দাঁড়ান ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল।
- তাকে আধুনিক নার্সিংয়ের অগ্রদূতও বলা হয়।
অন্যদিকে,
- ইন্দিরা গান্ধীই হলেন একমাত্র মহিলা যিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন।
- মেরি কুরি প্রথম মহিলা বিজ্ঞানী যিনি নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- সরোজিনী নাইডু ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম (ভারতীয়) মহিলা সভাপতি নির্বাচিত হন।
উৎস: ব্রিটানিকা।
ব্যাখ্যা
মদিনা সনদ:
- মদিনা সনদ পৃথিবীর ইতিহাসে প্রথম লিখিত সংবিধান বা সনদ।
- মহানবী (সা.) প্রিয় জন্মভূমি মক্কা ছেড়ে মদিনায় হিজরত করার পর সেখানে একটি ইসলামী প্রজাতন্ত্র স্থাপন করার পরিকল্পনা করেন।
- মহানবী (সা.) মদিনার সংহতির চিন্তা করে সেখানকার অধিবাসীদের নিয়ে তথা পৌত্তলিক, ইহুদি, খ্রিস্টান এবং মুসলিমদের মধ্যে এক লিখিত সনদ বা চুক্তি স্বাক্ষর করেন।
- এ সনদের মাধ্যমে তিনি রাষ্ট্র পরিচালনার ঘোষণা দেন।
- এ সনদকেই ‘মদিনা সনদ' বলা হয়।
- ৬২২ খ্রিস্টাব্দে এ সনদ প্রণীত হয়।
- এর ধারা ছিল ৪৭টি।
উৎস: i) Britannica.
ii) ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ১ম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
- তিনি ছিলেন বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী (১০ এপ্রিল, ১৯৭১ - ১২ জানুয়ারি, ১৯৭২)।
- ১৯৭৫ সালের ৩রা নভেম্বর কারাগারে তাঁকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।
- এই দিনটি “জেলহত্যা দিবস” নামে পরিচিত।
উৎস: Live MCQ লেকচার।
ব্যাখ্যা
- ষোড়শ শতকের শুরুর দিকে মার্টিন লুথার জার্মানিতে প্রচলিত পোপ নিয়ন্ত্রিত চার্চতন্ত্রের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী হয়ে উঠে প্রতিবাদী খ্রিস্টধর্ম বা প্রোটেস্টানিজম আন্দোলনের সূচনা করেন। এর ফলশ্রুতিতে খ্রিস্টান প্রোটেস্টেন্ট সম্প্রদায়ের উদ্ভব ঘটে।
অন্যদিকে,
- মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র হলেন বিখ্যাত মার্কিন কৃষ্ণাঙ্গ নেতা।
(তথ্যসূত্রঃ ব্রিটানিকা)
ব্যাখ্যা
- এর মধ্যে গ্লাস্তনস্ত ছিলো রাজনৈতিক সংস্কার কর্মসূচি এবং পেরেস্ত্রইকা ছিলো অর্থনৈতিক সংস্কার কর্মসূচি বিষয়ক নীতি।
(তথ্যসূত্র: হিস্টোরি ডটকম)
ব্যাখ্যা
- আমলাতন্ত্র হচ্ছে স্থায়ী, বেতনভুক্ত, নিরপেক্ষ, দক্ষ ও পেশাদারী সংগঠন যার দ্বারা সরকারের নীতি ও সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হয়।
- আমলাতন্ত্রের ইংরেজি প্রতিশব্দ 'Bureaucracy'।
- আমলাতন্ত্রের শাব্দিক অর্থ হচ্ছে `Desk government' বা 'দাপ্তরিক সরকার'।
- আমলাতন্ত্র বলতে বুঝায় আমলা বা প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের শাসন।
- বাস্তবে আমলারা পরস্পর সুশৃঙ্খলভাবে সংযুক্ত এবং রাজনৈতিকভাবে নিরপেক্ষ থেকে দায়িত্ব পালন করেন।
- জার্মান সমাজবিজ্ঞানী ম্যাক্সওয়েবার সর্বপ্রথম 'Legal and rational Model' এর মাধ্যমে আমলাতন্ত্রকে উপস্থাপন করেন।
⇒ জন ফিফনার ও রবার্ট প্রেসথাস বলেন, "আমলাতন্ত্র হচ্ছে বিভিন্ন ব্যক্তি ও তাদের কর্মকান্ডকে এমন এক পদ্ধতিতে সংগঠিত করা যা সুসংহতভাবে গোষ্ঠীর উদ্দেশ্য অর্জনে সক্ষম হয়।"
- অধ্যাপক এস ই ফাইনার বলেন, "আমলাতন্ত্র একটি স্থায়ী, বেতনভুক্ত এবং দক্ষ চাকরিজীবী শ্রেণি।"
- গ্যাব্রিয়েল অ্যালমন্ড ও জি পাওয়েল এর মতে, "আমলাতন্ত্র বলতে একটি ব্যাপক সংগঠনকে বুঝায়, যার মাধ্যমে শাসকবর্গ নিজেদের সিদ্ধান্তকে কার্যকর করার চেষ্টা করেন।"
⇒ আমলাতান্ত্রিক সংগঠন বহুমুখী বৈশিষ্ট্যের অধিকারী।
- সরকারের নীতি ও কর্মসূচি দল নিরপেক্ষভাবে বাস্তবায়ন করাই আমলাদের মূল দায়িত্ব।
- প্রশাসনের ধারাবাহিকতা রক্ষা করে আমলারা জনগণের সার্বিক কল্যাণ সাধন করে থাকেন।
- আমলাগণ পেশাগত ও নৈতিক মূল্যবোধের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করে।
- একজন আমলার সিদ্ধান্ত যেমন ব্যক্তিগত মূল্যবোধ ধারা প্রভাবিত হয় তেমনি পেশাগত মূল্যবোধ দ্বারা ও প্রভাবিত হয়।
- এই উভয় প্রকার মূল্যবোধের ভারসাম্য কেবলমাত্র আমলাতন্ত্রের মধ্যেই পরিলক্ষিত হয়।
উল্লেখ্য,
- জার্মান দার্শনিক ম্যাক্স ওয়েভারকে আমলাতন্ত্রের জনক বলা হয়।
উৎস: i) পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।
ii) Britannica.
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
- লিওনার্দো দা ভিঞ্চি ইতালির চিত্রশিল্পী।
- তিনি ১৪৫২ সালে জন্ম গ্রহন করেন।
- তাঁর সবচেয়ে বিখ্যাত পেইন্টিংগুলি হল - মোনা লিসা, দ্য লাস্ট সাপার, এবং ভার্জিন অফ দ্য রকস এবং ক্রাইস্টের ব্যাপটিজম।
- অন্যান্য পেইন্টিংগুলির মধ্যে রয়েছে - ভার্জিন মেরি, ভার্জিন অ্যান্ড চাইল্ড উইথ সেন্ট অ্যান, দ্য অ্যানানসিয়েশন, ম্যাডোনা অফ দ্য কার্নেশন, জিনেভরা দে' বেঞ্চি, দ্য অ্যাডোরেশন অফ দ্য ম্যাগি (অসমাপ্ত), সেন্ট জেরোম ইন দ্য ওয়াইল্ডারনেস (অসমাপ্ত), একটি প্রতিকৃতি, মিউজিশিয়ান (অসমাপ্ত), লেডি উইথ অ্যান এর্মাইন ইত্যাদি।
- ১৫১৯ সালে ৬৭ বছর বয়সে, লিওনার্দো দা ভিঞ্চি মারা যান।
উৎস: Worldatlas.
ব্যাখ্যা
- প্রেসিডেন্ট : জো বাইডেন (৪৬তম)
- ভাইস প্রেসিডেন্ট : কমলা হ্যারিস (৪৯তম)
- পররাষ্ট্রমন্ত্রী/সেক্রেটারি অব স্টেটস্ : অ্যান্থনি জে. ব্লিংকেন (৭১তম)
- প্রতিরক্ষামন্ত্রী : লয়েড জে. অস্টিন
- জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা : জ্যাক সুলিভান।
যুক্তরাষ্ট্রের নতুন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের মন্ত্রিসভায় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন লয়েড অস্টিন।
যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো কোনো কৃষ্ণাঙ্গ এই দায়িত্ব পেলেন।
১০০ সদস্যের মার্কিন সিনেট চেম্বারে তিনি ৯৩-২ ভোটে প্রতিরক্ষামন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন।
(সূত্র: মার্কিন সরকারি ওয়েবসাইট)
ব্যাখ্যা
- কার্ল মার্কস ছিলেন একজন বিপ্লবী, সমাজবিজ্ঞানী, ইতিহাসবিদ এবং অর্থনীতিবিদ।
- তিনি ১৮১৮ সালের ৫ মে জার্মানির রাইন প্রদেশের ট্রায়ারে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি সমাজতন্ত্র ও আধুনিক কমিউনিজমের জনক।
- তিনি লন্ডনে ১৮৮৩ সালের ১৪ মার্চ মৃত্যুবরণ করেন।
⇒ তার উল্লেখযোগ্য বই -
- The Communist Manifesto যা ১৮৪৮ সালে প্রকাশিত হয়।
- তিনি আন্দোলনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বই Das Kapital-এর লেখকও ছিলেন।
- মার্কস ও এঙ্গেলস-এর লেখাগুলো মার্কসবাদ নামে পরিচিত।
- কার্ল মার্ক্স এবং ফ্রেডরিখ এঙ্গেলস-এর বিখ্যাত একটি বই 'The German Ideology'।
⇒ দ্বন্দ্বমূলক বস্তুবাদ:
- কার্ল মার্কস হলেন দ্বন্দ্বমূলক বস্তুবাদের জনক।
- কার্ল মার্কস মনে করেন বস্তু সত্য।
- মার্কসবাদের মৌলিক উপাদানগুলির মধ্যে সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হল দ্বন্দ্বমূলক বস্তুবাদ।
- দুটি পরস্পরবিরােধী শক্তির সংঘাতজনিত প্রক্রিয়াকে দ্বন্দ্ববাদ (Dialectics) বলা হয়।
- হেগেল প্রথম দ্বান্দ্বিক প্রক্রিয়ার কথা উল্লেখ করেন।
- হেগেলের দ্বন্দ্ববাদ কার্ল মার্কস স্বীকার করে নিলেও সমাজ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে মার্কস হেগেল কে অনুসরণ করেননি।
- তিনি নিজেই তার 'দাস ক্যাপিটাল' (Das Kapital) গ্রন্থে লিখেছেন যে, "My dialectics is opposite to Hegel's"!
অন্যদিকে,
- উইনস্টন চার্চিল-এর উল্লেখযোগ্য বই: 'My African Journey'।
- 'Nuclear Weapons and Foreign Policy গ্রন্থটির রচয়িতা হেনরি কিসিঞ্জার।
⇒ হ্যান্স ব্লিক্স-এর রচিত গ্রন্থ: ডিজআর্মিং ইরাক (Disarming Iraq)।
উৎস: Britannica.
ব্যাখ্যা
- ১৯৮৭ সালের ২৪ জুনে আর্জেন্টিনার রোজারিওতে জন্মগ্রহণ করেন লিওনেল মেসি।
- উচ্চতা- ৫ফুট ৭ ইঞ্চি।
- তাঁর দেশের জার্সিতে পথ চলা শুরু হয়েছিল ২০০৫ সালে।
- হাঙ্গেরির বিরুদ্ধে প্রীতি ম্যাচে সিনিয়র দলে সুযোগ পান মেসি (১৭অগস্ট)।
- বদলি ফুটবলার হিসেবে মাঠে নেমে এক মিনিটের মধ্যেই লাল-কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন লিও।
- এর আগে ২০০৫ ওয়ার্ল্ড ইউথ চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে নাইজেরিয়ার বিরুদ্ধে জোড়া গোল করে ট্রফি জিতিয়েছেন খুদে মেসি।
- লিওনেল মেসি তার ক্যারিয়ারে ৪৪টি শিরোপা জিতেছেন।
- ১৮ বছর বয়সে বিশ্বকাপে অভিষেক হয়েছিল মেসির। গ্রুপ ম্যাচে সার্বিয়া ও মন্টেনেগ্রোর বিরুদ্ধে গোল করেন মেসি।
তথ্যসূত্র - ডেইলী স্টার, ২০ আগস্ট ২০২৩।
ব্যাখ্যা
নেপালের ইতিহাস:
- নেপালের সর্বশেষ রাজা ছিলেন রাজা বীর বিক্রম শাহ দেব।
- তাঁর পুরো নাম - জ্ঞানেন্দ্র বীর বিক্রম শাহ দেব।
- তিনি রাজা বীরেন্দ্রের হত্যার পর সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- তিনি সর্বশেষ হিন্দু রাজাও ছিলেন।
- ২০০৮ সালের ২৮ মে নেপালে সাধারণ নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত পার্লামেন্টের প্রথম অধিবেশন বসে।
- এ অধিবেশনে নেপালকে একটি ফেডারেল ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক হিসেবে ঘোষণা করে এবং রাজতন্ত্রের বিলুপ্তি ঘোষণা করে।
- এর মাধ্যমে নেপালে ১৭৬৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়া ২৩৯ বছরের রাজতন্ত্রের পতন ঘটে।
উৎস: নেপাল পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
ব্যাখ্যা
- নেপোলিয়ন বোনাপার্ট ছিলেন ফরাসি সম্রাট ও সেনানায়ক।
- তাঁর নেতৃত্বে ইউরোপের সুবিশাল ভূখণ্ডে ফরাসি সাম্রাজ্যের সীমানা ছড়িয়েছিল।
- ইউরোপ জয়ের পর ১৮০৪ সালে নেপোলিয়ন নিজেকে ফ্রান্সের সম্রাট হিসেবে ঘোষণা করেছিলেন।
- তাঁর অধীনে ফ্রান্স ছিল খুবই শক্তিশালী।
- ১৮১২ সালে তিনি রাশিয়া আক্রমণ করেন এবং খুব বাজেভাবে পরাজিত হন।
- পরের বছর অস্ট্রিয়া, প্রুশিয়া, রাশিয়া, ব্রিটেন, পর্তুগাল, সুইডেন, স্পেন ও জার্মান রাজ্যগুলো মিলে একসঙ্গে ফ্রান্স আক্রমণ করে। এতে ফ্রান্স পরাজিত হয়।
- পরে ইতালির এলবা দ্বীপে নেপোলিয়নকে নির্বাসনে দেওয়া হয়।
- ১০ মাস পর পালিয়ে গিয়ে আবার ক্ষমতা দখল করেন; কিন্তু ১৮১৫ সালের ওয়াটারলু যুদ্ধে তিনি পরাজিত হন এবং তাঁকে দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরের সেন্ট হেলেনা দ্বীপে নির্বাসন দেওয়া হয়।
- ১৮২১ সালে ওখানেই মৃত্যু হয় নেপোলিয়নের।
সূত্র: Britannica.
ব্যাখ্যা
- অটোভন বিসমার্ক আধুনিক জার্মানির জনক।
- জার্মানিতে ১৮৭১ সালে ক্ষমতায় বসেন অটোভন বিসমার্ক।
- তিনি জার্মান সাম্রাজ্যের প্রথম চ্যান্সেলর।
- তাঁর হাত ধরে জার্মান রাজ্যগুলো একক রাষ্ট্রের পতাকাতলে জড়ো হয়।
- ইউরোপে অন্যতম শক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে জার্মানি।
- Blood and Iron Policy-এর প্রবক্তা অটো ভন বিসমার্ক।
উৎস: i) Britannica.
ii) History Flame.
ব্যাখ্যা
- পৃথিবী ব্যাপী সভ্যতার ইতিহাসে গ্রীক দর্শন গোটা বিশ্বের দর্শন ও সভ্যতাকে প্রভাবিত করেছে।
- অদ্যাবধি জ্ঞানের জগতে যে সকল গ্রিক কবি দার্শনিক জ্ঞানের আলোক বর্তিকা বিতরণ করেছেন তাদের মধ্যে বিশ্ব বিখ্যাত শিক্ষাগুরু সক্রেটিস।
- সক্রেটিস এর ছাত্র ছিলেন প্লেটো ও প্লেটো এর ছাত্র অ্যারিস্টটল বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
- গ্রিক দার্শনিকদের যুক্তি, ব্যাখ্যা ও দর্শন জগতকে সমৃদ্ধিশালী করে।
- এই সকল যুক্তিবাদী দার্শনিককে সফিস্ট বলা হয়।
- প্লেটোর বিখ্যাত গ্রন্থ সিম্পোজিয়াম, রিপাবলিক এবং লজ প্রভৃতি।
- অ্যারিস্টটলের বিখ্যাত গ্রন্থ লজিক, ফিজিক্স এবং পলিটিক্স প্রভৃতি।
- অ্যারিস্টটলের পলিটিক্স' (Politics) গ্রন্থে রাজনীতি, গণতন্ত্র ইত্যাদি বিষয়ে মতামত তুলে ধরা হয়েছে।
- আর বিশ্ববিজেতা আলেকজান্ডার নিজেও একজন দার্শনিক ও জ্ঞানী ব্যক্তি ছিলেন।
- তাঁর শিক্ষক ছিলেন দার্শনিক প্লেটো।
উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
• সামাজিক মূল্যবোধ হচ্ছে শিষ্টাচার, ন্যায়পরায়ণতা, সততা, সহনশীলতা, সহমর্মিতা, শৃঙ্খলাবোধ, সৌজন্যবোধ প্রভৃতি মানবীয় গুণাবলির সমষ্টি।
• মূল্যবোধ সমাজের বৃহৎ অংশ দ্বারা অনুমোদিত।
উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
ব্যাখ্যা
কমলা হ্যারিস:
- কমলা হ্যারিস যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম ভারতীয়-আমেরিকান সেনেটর।
- ক্যালিফোর্নিয়ার প্রথম নারী ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নি এবং প্রথম দক্ষিণ এশীয় নারী অ্যাটর্নি জেনারেল।
- তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম নারী ভাইস প্রেসিডেন্ট; একইসঙ্গে তিনি প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ এবং এশীয় আমেরিকান ভাইস প্রেসিডেন্টও।
⇒ ক্যালিফোর্নিয়ার ওকল্যান্ডে ১৯৬৪ সালের ২০ অক্টোবর কমলা হ্যারিসের জন্ম।
- তার মা ভারতীয় বংশোদ্ভূত, বাবা জ্যামাইকান আমেরিকান।
- ১৯৯০ সালে হ্যারিস ক্যালিফোর্নিয়ার অ্যালামেডা কাউন্টির ডেপুটি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির দায়িত্ব পান।
- এরপর ২০১০ সালে ক্যালিফর্নিয়ার অ্যাটর্নি জেনারেল হন।
- সাত বছর সান ফ্রান্সিসকোর ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নি এবং তারপরে ছয় বছর ক্যালিফর্নিয়ার অ্যাটর্নি জেনারেল থাকার পর ২০১৬ সালে প্রথম অ-শ্বেতাঙ্গ নারী সেনেটর হিসেবে ক্যালিফর্নিয়া থেকে নির্বাচিত হন হ্যারিস।
- ২০২১ সালের ২০ জানুয়ারি ভাইস-প্রেসিডেন্ট হিসাবে শপথ নেন হ্যারিস।
⇒ '107 Days' বইটির রচয়িতা কমলা হ্যারিস।
- এটি ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে প্রকাশিত।
- এটি একটি রাজনৈতিক স্মৃতিকথা যা জো বাইডেনের পুনর্নির্বাচনী প্রচার থেকে তার সংক্ষিপ্ত রাষ্ট্রপতি প্রার্থীতার (জুলাই - নভেম্বর, ২০২৪ পর্যন্ত ১০৭ দিনের) অভিজ্ঞতা বর্ণনা করে।
- বইটিতে তিনি তার সম্পর্ক, চ্যালেঞ্জ এবং ঐতিহাসিক মুহূর্তের কথা উল্লেখ করেছেন।
উৎস: Britannica.
ব্যাখ্যা
- বলিউডের কিংবদন্তি অভিনেতা দিলীপ কুমার।
- হিন্দি সিনেমার জগতে এই অভিনেতা দিলীপ কুমার নামে পরিচিত হলেও তার প্রকৃত নাম মুহাম্মদ ইউসুফ খান।
উল্লেখ্য,
- ১৯২২ সালের ১১ ডিসেম্বর ব্রিটিশ ভারতের পেশোয়ারে সম্ভ্রান্ত এক মুসলিম পরিবারে জন্ম হয়েছিল দিলীপ কুমারের।
- তখন তার নাম রাখা হয় মুহাম্মদ ইউসুফ খান।
- অভিনেতার বাবা লালা গোলাম সারওয়ার একজন ফল ব্যবসায়ী ছিলেন, যিনি পেশোয়ার ও দেওলালীর মধ্যে ফলের বাগানের মালিক ছিলেন।
- তার মায়ের নাম আয়েশা বেগম।
⇒ ১৯৩০ সালে পরিবার নিয়ে মুম্বাইয়ে পাড়ি জমান দিলীপ কুমার।
- ১৯৪০ সালে অভিনেতা তাদের পুনের বাড়ি ছাড়েন, যেখানে তিনি একজন ক্যান্টিন মালিক এবং একজন শুষ্ক ফল সরবরাহকারী হিসাবে তার কর্মজীবন শুরু করেন।
- ১৯৪৩ সালে ‘বম্বে টকিজ’-এর মালিকানাধীন অভিনেত্রী দেবিকা রানী ও তার স্বামী হিমাংশু রাই পুনের অন্ধ সামরিক ক্যান্টিনে দিলীপ কুমারকে অভিনয়ের প্রস্তাব দেন।
- পরের বছর ১৯৪৪ সালে ‘জোয়ার ভাটা’ চলচ্চিত্রটির জন্য দিলীপকে প্রধান চরিত্রে অন্তর্ভুক্ত করেন দেবিকা রানী ও হিমাংশু রাই।
- এই চলচ্চিত্রটিতে অভিনয়ের মাধ্যমে বলিউড শিল্পে প্রবেশ করেন দিলীপ কুমার।
- তার প্রকৃত নাম মুহাম্মদ ইউসুফ খান হলেও হিন্দি লেখক ভগবতি চরণ বর্মা পরবর্তীতে তার রুপালি পর্দার নাম দেন দিলীপ কুমার।
- সেই থেকে তিনি মৃত্যু পর্যন্ত এই নামেই ভারতসহ বিভিন্ন দেশে পরিচিত ছিলেন।
- ২০২১ সালের ৭ জুলাই তিনি না ফেরার দেশে চলে গেছেন।
উৎস: Britannica.
ব্যাখ্যা
এই বিপ্লবের মাধ্যমে রাজা ষোড়শ লুই ক্ষমতাচ্যুত হন এবং এতে করে ফ্রান্সের বিদ্যমান রাজতন্ত্র ও সামন্তবাদের পতন ঘটে। ফ্রান্সকে প্রজাতন্ত্র হিসেবে ঘোষণা দেওয়া হয়।
(সূত্রঃ হিস্টোরি ডটকম)
ব্যাখ্যা
- ইব্রাহিম রাইসি ইরানের ৮ম প্রেসিডেন্ট ছিলেন।
- ১৯৮৯ থাকে ১৯৯৪ সাল পর্যন্ত রাইসি তেহরানের প্রসিকিউটর-জেনারেলের দায়িত্ব পালন করেন।
- তিনি ২০০৪ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত উপ প্রধান বিচারপতি এবং ২০১৯ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত প্রধান বিচারপতি ছিলেন।
- ২০২১ সালে দ্বিতীয় দফায় নির্বাচন করে ইরানের অষ্টম প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন ইব্রাহিম রাইসি।
উল্লেখ্য,
- প্রেসিডেন্ট প্রসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি ১৯ মে, ২০২৪ তারিখে আজারবাইজানের সীমান্তবর্তী এলাকায় হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে নিহত হন।
- হেলিকপ্টারে তাঁর সঙ্গে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হোসেইন আমির আবদুল্লাহিয়ানসহ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাও ছিলেন।
- বহন করা হেলিকপ্টারটি ছিল যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি একটি বেল-২১২ মডেলের হেলিকপ্টার।
তথ্যসূত্র: পত্রিকা রিপোর্ট। [Link]
ব্যাখ্যা
- সামুরাই জাপানের প্রাক-শিল্পাঞ্চল যুগের সামরিক বাহিনীর সদস্য বা জাপানী যোদ্ধা হিসেবে পরিচিত।
- এর অন্য নাম বুশি।
- জাপানী ক্রিয়াবাচক শব্দ সাবুরাই থেকে সামুরাই শব্দটির উৎপত্তি ঘটেছে।
- এর অর্থ হচ্ছে কাউকে সেবা করা।
- ইদো শাসনামলে সামুরাই শব্দটির সর্বশেষ প্রয়োগ হয়েছিল।
- বিখ্যাত অনুবাদক উইলিয়াম স্কট উইলসনের মতে, ১০ম শতকে জাপানী কবিতার প্রাথমিক সংকলন গ্রন্থ কোকিন ওয়াকাশু (৯০৫-৯১৪)-তে প্রাচীন ও আধুনিককালের সংমিশ্রণের গড়া জাপানী কবিতায় এর প্রথম উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।
তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা।
ব্যাখ্যা
- কার্ল মার্কস ছিলেন একজন বিপ্লবী, সমাজবিজ্ঞানী, ইতিহাসবিদ এবং অর্থনীতিবিদ।
- তিনি ১৮১৮ সালের ৫ মে জার্মানির রাইন প্রদেশের ট্রায়ারে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি সমাজতন্ত্র ও আধুনিক কমিউনিজমের জনক।
- তিনি যুক্তরাজ্যের লন্ডনে ১৮৮৩ সালের ১৪ মার্চ মৃত্যুবরণ করেন।
তার উল্লেখযোগ্য বই -
- The Communist Manifesto যা ১৮৪৮ সালে প্রকাশিত হয়।
- তিনি আন্দোলনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বই Das Kapital-এর লেখকও ছিলেন।
- মার্কস ও এঙ্গেলস-এর লেখাগুলো মার্কসবাদ নামে পরিচিত।
- কার্ল মার্ক্স এবং ফ্রেডরিখ এঙ্গেলস-এর বিখ্যাত একটি বই 'The German Ideology'।
উৎস: Britannica.
ব্যাখ্যা
- শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে একটি চুক্তিতে পৌঁছায় ইসরায়েল ও ফিলিস্তিন।
- এটি অসলো চুক্তি নামে পরিচিত।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৩ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৩ সাল।
- স্বাক্ষরের স্থান: হোয়াইট হাউস, যুক্তরাষ্ট্র।
- স্বাক্ষরকারী: ফিলিস্তিনি নেতা ইয়াসির আরাফাত ও ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী আইজাক রবিন।
- উদ্দেশ্য: রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধ।
- মধ্যস্থতাকারী: যুক্তরাষ্ট্রেরর প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন।
⇒ নরওয়ের রাজধানী অসলোতে শুরু হওয়া আলোচনার পথ ধরে ফিলিস্তিন মুক্তি সংস্থার (পিএলও) প্রধান ইয়াসির আরাফাত ফিলিস্তিনিদের পক্ষ হয়ে ওই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিলেন।
- এই চুক্তির জন্য ইয়াসের আরাফাত এবং তৎকালীন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী ইতজাক রাবিন নোবেল শান্তি পুরষ্কারও পেয়েছিলেন।
উল্লেখ্য,
- চুক্তিটি নিয়ে সবচেয়ে বেশি হতাশ গাজা উপত্যকার মানুষ।
- শান্তি চুক্তিতে ফিলিস্তিনের প্রতিনিধিত্ব করেছিলো প্রয়াত ইয়াসির আরাফাতের নেতৃত্বাধীন পিএলও পার্টি।
- কিন্তু ২০০৭ সাল থেকে গাজা শাসন করে আসছে কট্টরপন্থী ফিলিস্তিনি দল হামাস।
- ইসরায়েলের সঙ্গে তাদের অনেকবার যুদ্ধ হয়েছে।
- আবার গাজার সীমান্ত কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করে ইসরায়েল এবং মিশর, যাতে হামাসের কাছে কোন অস্ত্র পৌঁছাতে না পারে।
উৎস: i) BBC।
ii) U.S. Department of State (.gov) ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- বিশ্বে প্রথম পারমাণবিক বোমার পরীক্ষার প্রকল্পের নাম ছিল "ম্যানহাটন প্রজেক্ট" (Manhattan Project)।
- এটি একটি গোপন মার্কিন সামরিক গবেষণা প্রকল্প ছিল, যার মাধ্যমে ১৯৪৫ সালে প্রথম পারমাণবিক বোমার সফল পরীক্ষা করা হয়।
- এই প্রকল্পটি ১৯৪২ থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত পরিচালিত হয়।
- এর উদ্দেশ্য ছিল প্রথম পারমাণবিক বোমা তৈরি করা।
- ১৯৩৯ সালে ইউরোপে ফ্যাসিস্ট শাসন থেকে পালিয়ে আসা বিজ্ঞানীরা এই প্রকল্পের জন্য কাজ শুরু করেন।
- প্রথমে কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানী জি.বি. পেগ্রাম আমেরিকান সরকারকে জানিয়ে প্রকল্পের জন্য উদ্যোগ নেন।
- আলবার্ট আইনস্টাইন তার সহকর্মীদের পরামর্শে প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট-কে এই ধারণা তুলে ধরেন।
- ১৯৪০ সালে আমেরিকা গবেষণা শুরু করার জন্য ৬,০০০ ডলার বরাদ্দ করে।
- ১৯৪২ সালে প্রকল্পটি অফিস অফ সায়েন্টিফিক রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট এর অধীনে চলে আসে।
- ১৯৪৫ সালে প্রথম পারমাণবিক বোমাটি নিউমেক্সিকো মরুভূমিতে সফলভাবে পরীক্ষা করা হয়।
উল্লেখ্য,
- অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ সংস্থার মতে, সোভিয়েত ইউনিয়ন ১৯৯০ সালে, ১৯৯২ সালে যুক্তরাষ্ট্র, ১৯৯৬ সালে চীন ও ফ্রান্স, ১৯৯৮ সালে ভারত ও পাকিস্তান এবং ২০১৭ সালে উত্তর কোরিয়া পারমাণবিক অস্ত্রের পরীক্ষা করেছিল।
- সম্প্রতি, (ডিসেম্বর ২০২৪) সম্ভাব্য পারমাণবিক পরীক্ষা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে হুঁশিয়ার করেছে রাশিয়া।
তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট ওয়েবসাইট ও হিস্টোরি ডটকম এবং দৈনিক ইত্তেফাক নিউজ। [লিঙ্ক]
ব্যাখ্যা
- গ্রন্থ সাহেব শিখদের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ।
- এর অপর নাম আদিগ্রন্থ (First Book)। দশম গুরু গোবিন্দ সিং (১৬৬৬-১৭০৮) রচিত দশম পাদশাহী দা গ্রন্থ থেকে স্বতন্ত্রীকরণের জন্য এটি আদিগ্রন্থ নামে অভিহিত হয়।
- ভাই গুরুদাস গুরুমুখী লিপিতে এ গ্রন্থ প্রথম লিপিবদ্ধ করেন এবং এতে ‘জয়জয়ন্তী’ রাগ সংযোজন করেন তেগ বাহাদুর সিং।
- গ্রন্থটি আদ্যন্ত প্রাকৃত মাত্রাছন্দে ও মিত্রাক্ষরে রচিত। পঞ্চম গুরু অর্জুন সিং (১৫৬৩-১৬০৬) ১৬০১/৪ সালে গ্রন্থসাহেব সংকলন ও সম্পাদনা করেন।
- শিখরা দশজন গুরুর আদর্শ ও শিক্ষাকে অনুসরণ করে, যাঁদের মধ্যে শিখধর্মের প্রবর্তক নানক প্রথম গুরু।
- প্রথম পঞ্চগুরুর শিক্ষা, চিন্তাচেতনা ও ধর্মীয় মতাদর্শ নিয়ে গ্রন্থসাহেব রচিত। গোবিন্দ সিং তাঁর পিতা নবম গুরু তেগ বাহাদুর সিং-এর (১৬২১-১৬৭৫) রচনাও এর সঙ্গে যুক্ত করেন।
উৎস: বাংলাপিডিয়া।
ব্যাখ্যা
- ভারতের বর্তমান রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু।
- সাঁওতাল নারী হিসেবে, সবচেয়ে কম বয়সে ভারতের রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন দ্রৌপদী মুর্মু।
- ৬৪ বছর বয়সী দ্রৌপদী মুর্মু দেশটির সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে আসীন হওয়া প্রথম আদিবাসী নারী এবং দেশটির সর্বকনিষ্ঠ রাষ্ট্রপতি।
- দ্রৌপদীর পারিবারিক পদবি ছিল টুডু। স্কুল-কলেজেও তিনি এই পদবি ব্যবহার করতেন। বিয়ের পর পদবি বদলে রাখেন মুর্মু।
- দ্রৌপদী মুর্মুই ভারতের প্রথম রাষ্ট্রপতি, যাঁর জন্ম ভারতের স্বাধীনতার পর।
- ভারতের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ৬৪ শতাংশ ভোট পেয়েছেন দ্রৌপদী। উত্তর প্রদেশ ও মহারাষ্ট্র থেকে সবচেয়ে বেশিসংখ্যক ভোট পেয়েছেন দ্রৌপদী। আশ্চর্যজনকভাবে বিরোধী দলের ১৭ জন এমপি এবং ১২৫ জন এমএলএ বা বিধায়কের ভোট পেয়েছেন তিনি।
- ১৯৫৮ সালের ২০ জুন ভারতের ওডিশার ময়ুরভঞ্জ জেলার উপারবেদা গ্রামে জন্ম নেন দ্রৌপদী মুর্মু। স্থানীয় স্কুলেই প্রাথমিক এবং মাধ্যমিক পড়ালেখা করেন। পরে রাম দেবী মহিলা কলেজ থেকে লেখাপড়ার পাট চুকান। ওডিশার সচিবালয়ে কেরানি হিসেবে তাঁর কর্মজীবন শুরু করেন। তার কিছুদিন পরই বিয়ে করেন ব্যাংক কর্মকর্তা শ্যামচরণ মুর্মুকে।
[ভারতের ১৬তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে পঞ্চদশ রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুমু। ভারতের প্রথম রাষ্ট্রপতি রাজেন্দ্র প্রসাদ পর পর দু'বার (১৯৫২ ও ১৯৫৭ সালে) প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয়ী হয়েছিলেন। সেকারণে ১৬তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হলেও দ্রৌপদী মুর্মু দেশটির ১৫তম রাষ্ট্রপতি।]
তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো, ২৯ জুলাই ২০২২।
ব্যাখ্যা
- তার পিতার নাম দ্বিতীয় ফিলিপস এবং মাতার নাম অলিম্পিয়াস।
- খ্রিস্টপূর্ব ৩৩৬ অব্দে আলেকজান্ডার ম্যাসিডোনের সিংহাসনে বসেন।
- উত্তর আফ্রিকা, পশ্চিম এশিয়া ও পারস্য জয়ের পর খ্রিস্টপূর্ব ৩২৭-২৬ অব্দে আলেকজান্ডার ভারতবর্ষ আক্রমণ করেন।
- ভারতবর্ষ অভিযান শেষে ফেরার পথে খ্রিস্টপূর্ব ৩২৩ অব্দের ১৩ জুন মাত্র ৩৩ বছর বয়সে আলেকজান্ডার ব্যাবিলনে মারা যান।
(তথ্যসূত্র: হিস্টোরি ওয়েবসাইট)
ব্যাখ্যা
- ১৭৭৫ থেকে ১৭৮৩ সাল পর্যন্ত আমেরিকার স্বাধীনতা আন্দোলন সংঘটিত হয়েছিল।
- এই আন্দোলনের নায়ক ছিলেন জর্জ ওয়াশিংটন।
- এই আন্দোলনের মাধ্যমে তেরোটি আমেরিকান উপনিবেশ ব্রিটিশ শাসন থেকে স্বাধীনতা অর্জন করে।
⇒ প্রচলিত তথ্য মতে ১৪৯৩ সালের ১৫ মার্চ কলম্বাস আমেরিকা মহাদেশ আবিষ্কার করেন।
- কলম্বাসের হাত ধরেই আমেরিকা মহাদেশে ইউরোপিয়ান সাম্রাজ্যবাদীদের বাণিজ্যিক ও সামরিক সম্পর্কের সূত্রপাত ঘটে।
- ১৬০৭ সালে ব্রিটেন জেমসটাউনে সর্ব প্রথম কলোনি স্থাপন করতে সক্ষম হয়।
⇒ ব্রিটিশ সরকার আমেরিকান উপনিবেশগুলোতে স্ট্যাম্প অ্যাক্ট (১৭৬৫), টাউনশেন্ড অ্যাক্ট (১৭৬৭) এবং টি অ্যাক্ট (১৭৭৩) এর মাধ্যমে কর আরোপ করে, যা উপনিবেশবাসীদের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি করে।
- ব্রিটিশ সৈন্যদের উপস্থিতি এবং ঘটনা যেমন বোস্টন গণহত্যা (১৭৭০) ও বোস্টন টি পার্টি (১৭৭৩) উপনিবেশবাসীদের মধ্যে বিদ্রোহের মনোভাব জাগায়।
⇒ ১৭৭৫ সালের এপ্রিলে লেক্সিংটন ও কনকর্ডের যুদ্ধের মাধ্যমে সশস্ত্র সংঘর্ষ শুরু হয়।
- ১৭৭৪ সালে ফিলাডেলফিয়ায় এক সম্মেলনে ঔপনিবেশিক তেরোটি রাজ্যের মধ্যে জর্জিয়া বাদে বারোটা রাজ্য একত্রিত হয়ে ব্রিটিশদের নিজেদের দাবি ও অধিকার আদায়ের আবেদন করেন। কিন্তু আবেদন ফলপ্রসূ না হওয়ায় ১৭৭৫ সালে তেরোটি উপনিবেশ মিলে ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অবতীর্ণ হয়। জর্জ ওয়াশিংটনকে করা হয় প্রধান সেনাপতি এবং ওই বছরই ল্যাকজিন্টনে আমেরিকানরা ব্রিটিশদের সঙ্গে সম্মুখ যুদ্ধে অবতীর্ণ হয়।
- ১৭৭৬ সালের ৪ জুলাই ফিলাডেলফিয়ায় কন্টিনেন্টাল কংগ্রেসে থমাস জেফারসনের নেতৃত্বে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র গৃহীত হয়, যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্ম দেয়।
- ১৭৭৬ সালে জর্জ ওয়াশিংটন বিরাট বাহিনী নিয়ে প্রচুর শক্তি সঞ্চয় করে ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অবতীর্ণ হন এবং অতি সহজেই বোস্টন থেকে ব্রিটিশ বাহিনীকে সম্পূর্ণ ভাবে তাড়িয়ে ৪ জুলাই আমেরিকার স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।
উল্লেখ্য,
- ১৭৮৩ সালে প্যারিস চুক্তির মাধ্যমে ব্রিটেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা স্বীকার করে।
- তেরোটি উপনিবেশ স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে একত্রিত হয়, পরবর্তীতে ১৭৮৭ সালে মার্কিন সংবিধান গৃহীত হয়।
উৎস: i) Britannica.
ii) History.com
ব্যাখ্যা
এগুলো হলো:
- জ্ঞান
- সাহসিকতা
- আত্মসংযম ও
- ন্যায়পরায়ণতা।
(তথ্যসূত্র: সিভিক এডুকেশন-১ : স্নাতক শ্রেণী : উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
ব্যাখ্যা
- Economics শব্দটি গ্রিক শব্দ ' ওইকোনোমিয়া (oikonomia)' থেকে উদ্ভূত হয়েছে।
- oikonomia এর অর্থ হছে গৃহ পরিচালনা।
- গ্রিক দার্শনিক অ্যারিস্টটল অর্থনীতিকে 'গৃহ পরিচালনার' বিজ্ঞান বলে অভিহিত করেছে।
অর্থনীতিকে বর্তমানে তিন শ্রেণীতে সংজ্ঞাইত করা যায়।
১। সম্পদের বিজ্ঞান
২। কল্যাণের বিজ্ঞান
৩। অপ্রাচুর্যের বিজ্ঞান
- অ্যাডাম স্মিথ অর্থনীতিকে 'সম্পদের বিজ্ঞান' বলেছেন। তিনি ক্লাসিকাল অর্থনীতির প্রবক্তা।
- অধ্যাপক মার্শাল অর্থনীতিকে 'কল্যাণের বিজ্ঞান' বলে অভিহিত করেছেন। তিনি নিও-ক্লাসিকাল অর্থনীতির প্রবক্তা।
- এল রবিন্স অর্থনীতিকে অপ্রাচুর্যের বিজ্ঞান বলে অভিহিত করেছে।
উৎস: অর্থনীতি- একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি।
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
- ১৯৬৩ সালের ২৮ আগস্ট ওয়াশিংটন ডিসির লিঙ্কন মেমোরিয়ালের সম্মুখে তিনি তার বিখ্যাত ''আই হ্যাভ এ ড্রিম'' ভাষণটি প্রদান করেন।
- ১৯৬৪ সালে তিনি নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- ১৯৬৮ সালের ৪ এপ্রিল তিনি যুক্তরাষ্ট্রের মেম্ফিস শহরে আততায়ীর গুলিতে তিনি মারা যান।
অন্যদিকে,
- মার্টিন লুথার হলেন জার্মানির খ্রিস্টান প্রোটেস্টেন্ট সম্প্রদায় ধর্মীয় নেতা।
উৎস: Britannica এবং History.com
ব্যাখ্যা
বেনজির ভুট্টো (১৯৫৩–২০০৭):
- মুসলিম বিশ্বের প্রথম নির্বাচিত নারী প্রধানমন্ত্রী বেনজির ভুট্টো।
- তিনি পাকিস্তানের পুরুষশাসিত রাজনীতিতে নিজেকে সফল নারী নেত্রী হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।
- তাঁর বাবা জুলফিকার আলী ভুট্টো ১৯৭১ সাল থেকে ১৯৭৭ সাল পর্যন্ত পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- ১৯৭৯ সালে বেনজির ভুট্টো মাত্র ২৬ বছর বয়সে পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
- ১৯৮৮ সালে অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনে বেনজির ভুট্টোর নেতৃত্বাধীন পিপিপি জয়ী হলে তিনি মাত্র ৩৫ বছর বয়সে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন।
- কিন্তু প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার মাত্র ২০ মাস পর সংবিধান লঙ্ঘন ও দুর্নীতির অভিযোগে রাষ্ট্রপতি তাঁকে বরখাস্ত করেন।
- ১৯৯৩ সালের নির্বাচনে বেনজির জয়লাভ করেন এবং দ্বিতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন।
- ক্রমবর্ধমান সমস্যার মধ্যে জনসাধারণের আস্থা হারালে ১৯৯৬ সালে তাঁকে পুনরায় বরখাস্ত করা হয়।
- ২০০৭ সালের ২৭ ডিসেম্বর এক আত্মঘাতী বোমা হামলায় বেনজির ভুট্টো নিহত হন।
অন্যদিকে,
খ) ফাহমিদা মির্জা পাকিস্তানের নারী রাজনীতিবিদ, যিনি পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের প্রথম নারী স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
গ) মেঘবতী সুকর্নপুত্রী- ইন্দোনেশিয়ার প্রথম নারী রাষ্ট্রপতি হিসেবে ২০০১ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন।
ঘ) শ্রীমাভো বন্দরনায়েকে- শ্রীমাভো বন্দরনায়েকে বিশ্বের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ইতিহাসে স্থান পেয়েছেন।
তথ্যসূত্র - পত্রিকা প্রতিবেদন। [link]
ব্যাখ্যা
- 'I am the Revolution' উক্তিটি নেপোলিয়নের।
- নেপোলিয়ন বোনাপার্ট একজন ফরাসি সামরিক জেনারেল এবং রাষ্ট্রনায়ক ছিলেন।
- নেপোলিয়ন বোনাপার্ট ১৭৬৯ সালের ১৫ আগস্ট জন্মগ্রহণ করেন।
- জন্মস্থান - ফ্রান্সের কর্সিকা দ্বীপে নেপোলিয়ান জন্মগ্রহণ করেন।
- নেপোলিয়ন ফরাসি বিপ্লবে (১৭৮৯ থেকে ১৭৯৯) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন।
- ফ্রান্সের প্রথম কনসাল (১৭৯৯ থেকে ১৮০৪) হিসাবে কাজ করেছিলেন এবং ফ্রান্সের প্রথম সম্রাট ছিলেন।
- নেপোলিয়নকে ইতিহাসের সর্বশ্রেষ্ঠ সামরিক জেনারেল হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- নেপোলিয়ন বোনাপার্ট ১৮২১ সালের ৫ মে মৃত্যুবরণ করেন।
অন্যদিকে -
- ‘আমি হিমালয় দেখিনি কিন্তু শেখ মুজিবকে দেখেছি। ব্যক্তিত্ব ও সাহসিকতায় এই মানুষটি হিমালয়’ - উক্তিটি বলেছেন ফিদেল কাস্ত্রো।
উৎস: Worldatlas.com.
ব্যাখ্যা
ডোনাল্ড ট্রাম্প:
- ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের ৪৫তম এবং ৪৭তম প্রেসিডেন্ট।
- তিনি একজন ধনাঢ্য ব্যবসায়ী, বিনিয়োগকারী, বিশিষ্ট সামাজিক ব্যক্তিত্ব, লেখক হিসেবে আলোচিত।
- তিনি দ্য ট্রাম্প অর্গানাইজেশ্যানের পরিচালক এবং ট্রাম্প এন্টারটেইনম্যান্ট রিসোর্টের প্রতিষ্ঠাতা।
⇒ The Art of the Deal:
- The Art of the Deal বইটি ডোনাল্ড জে. ট্রাম্প-এর আত্মজীবনীমূলক বই।
- এটি সাংবাদিক টনি শোয়ার্জ (Tony Schwartz)-এর সহায়তায় লেখা হয়েছিল। যদিও এর কৃতিত্ব মূলত ট্রাম্পকেই দেওয়া হয় এবং এটি তার ব্যবসায়িক জীবনের গল্প বলে।
- বইটি ১৯৮৭ সালে প্রকাশিত হয়।
- এটি ট্রাম্পের রিয়েল এস্টেট সাম্রাজ্য এবং চুক্তি করার পদ্ধতি নিয়ে লেখা, যা তাকে একজন বিখ্যাত ব্যবসায়ীতে পরিণত করতে সাহায্য করে।
উৎস: i) Britannica.
ii) Amazon.com
ব্যাখ্যা
• সামাজিক চুক্তি মতবাদ:
- এ মতবাদের মূলকথা হলো- সমাজে বসবাসকারী জনগণের পারস্পরিক চুক্তির ফলে রাষ্ট্রের জন্য হয়েছে।
- ব্রিটিশ রাষ্ট্র দার্শনিক টমাস হবস্ ও জন লক এবং ফরাসি দার্শনিক জ্যাঁ জ্যাক রুশো সামাজিক চুক্তি মতবাদের প্রবর্তক ছিলেন।
- এ মতবাদ অনুযায়ী, রাষ্ট্র সৃষ্টির পূর্বে মানুষ প্রকৃতির রাজ্যে বসবাস করত। তারা প্রকৃতির নিয়ম মেনে চলত এবং প্রাকৃতিক সুযোগ-সুবিধা ভোগ করত।
- কিন্তু প্রকৃতির রাজ্যে আইন অমান্য করলে শাস্তি দেওয়ার কোনো কর্তৃপক্ষ ছিল না।
- ফলে সামাজিক জীবনে অরাজকতা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়।
- এ অরাজকতাপূর্ণ অবস্থা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য মানুষ নিজেদের মধ্যে চুক্তির মাধ্যমে রাষ্ট্র সৃষ্টি করে এবং নিরাপত্তার বিনিময়ে নিজেদের উপর শাসন করার জন্য স্থায়ীভাবে শাসকের হাতে ক্ষমতা অর্পণ করে।
উল্লেখ্য,
রাষ্ট্রের উৎপত্তি:
- রাষ্ট্র একটি রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান।
- রাষ্ট্রবিজ্ঞানীরা অতীত ইতিহাস ও রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহ পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে রাষ্ট্রের উৎপত্তি সম্পর্কে কতগুলো মতবাদ প্রদান করেছেন।
- তন্মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো-
১। ঐশী মতবাদ,
২। বল বা শক্তি প্রয়োগ মতবাদ,
৩। সামাজিক চুক্তি মতবাদ ও
৪। ঐতিহাসিক বা বিবর্তনমূলক মতবাদ।
উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি এবং ব্রিটানিকা।
ব্যাখ্যা
- ক্লিওপেট্রা ছিলেন ইতিহাসের বিখ্যাত মিশরীয় রানী।
- খ্রিস্টপূর্ব ৬৯ সালে আলেকজান্দ্রিয়ায় তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ছিলেন জুলিয়াস সিজারের প্রেমিকা এবং পরে মার্ক অ্যান্টনির স্ত্রী।
- ৫১ খ্রিস্টপূর্বাব্দে তার পিতা টলেমি XII এর মৃত্যুতে রানী হয়েছিলেন।
- ক্লিওপেট্রা সক্রিয়ভাবে রোমান রাজনীতিকে প্রভাবিত - করেছিলেন।
- অক্টাভিয়ানের রোমান বাহিনী তাদের সম্মিলিত বাহিনীকে পরাজিত করার পর, অ্যান্টনি এবং ক্লিওপেট্রা আত্মহত্যা করেন।
- মিশর তখন রোমান আধিপত্যের অন্তর্ভুক্ত হয়।
উৎস: Britannica.
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
- ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহের একক মুদ্রার নাম ইউরো।
- ইউরো মুদ্রার জনক হলেন রবার্ট মুন্ডেল।
- ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক ১ জানুয়ারি, ১৯৯৯ সালে EU অঞ্চলে একক মুদ্রা 'ইউরো' চালু করে।
- ইউরো মুদ্রা € প্রতীক দ্বারা উপস্থাপিত হয়।
উল্লেখ্য,
- ১৯৯৯ সালে ইউরোপের ১৪টি দেশ (অস্ট্রিয়া, বেলজিয়াম, জার্মানি, ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, আয়ারল্যান্ড, ইতালি, লুক্সেমবুর্গ, মোনাকো, নেদারল্যান্ডস, পর্তুগাল, স্পেন, সান মারিনো এবং ভ্যাটিকান সিটি) ইউরো প্রথম ব্যবহার করে।
- পরে ইউরোপের অন্যান্য দেশ ইউরো গ্রহণ করে।
- ২০০৮ সালে সাইপ্রাস ও মাল্টা এবং ২০১৫ সালে লিথুয়ানিয়া ইউরো গ্রহণ করে।
- সর্বশেষ ক্রোয়েশিয়া ২০১৩ সালে ইউরোপীয় ইউনিয়নে যোগদান করে এবং ১ জানুয়ারী ২০২৩ তারিখে ইউরো গ্রহণ করে।
- ক্রোয়েশিয়া ২০তম দেশ হিসেবে ইউরো মুদ্রা গ্রহণ করে।
⇒ এখন পর্যন্ত ২০টি দেশ একক মুদ্রা হিসেবে ইউরো মুদ্রা গ্রহণ করেছে।
- দেশগুলো হল: অস্ট্রিয়া, গ্রিস, জার্মানি, ফ্রান্স, স্পেন, পর্তুগাল, নেদারল্যান্ড, বেলজিয়াম, লুক্সেমবার্গ, আয়ারল্যান্ড, মাল্টা, সাইপ্রাস, লিথুনিয়া, লাটভিয়া, এস্তোনিয়া, স্লোভেনিয়া, স্লোভাকিয়া, ইতালি, ফিনল্যান্ড ও ক্রোয়েশিয়া।
উৎস: EU ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- নেপালের সর্বশেষ রাজা ছিলেন জ্ঞানেন্দ্র বীর বিক্রম শাহ দেব।
- তিনি ২০০১ সাল থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত রাজতন্ত্র বিলুপ্ত না হওয়া পর্যন্ত শাসন করেন।
- নেপাল দক্ষিণ এশিয়ার একটি দেশ।
- রাজধানী: কাঠমান্ডু।
- মুদ্রা: নেপালি রুপি।
- ১৭৬৮ সালে পৃথ্বী নারায়ণ শাহ কাঠমান্ডু জয় করেন ও ঐক্যবদ্ধ একটি রাজ্যের ভিত্তি স্থাপন করেন।
- ১৭৬৯ সালে নেপালে রাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়।
- নেপালের ১ম রাজা ছিলেন পৃথ্বী নারায়ণ শাহ।
উৎস: Britannica.com.
ব্যাখ্যা
(সূত্রঃ বিবিসি বাংলা)
ব্যাখ্যা
- সদ্গুণ হলো জ্ঞান (প্রজ্ঞা)।
- ন্যায়নীতি, সংযম (আত্মনিয়ন্ত্রণ) এবং সাহস - সবকিছুই জ্ঞান।
অর্থ্যাৎ, সদ্গুণ হলো - জ্ঞান (প্রজ্ঞা), ন্যায়নীতি, সংযম (আত্মনিয়ন্ত্রণ) ও সাহসের সমষ্টি।
ব্যাখ্যা
• এরিস্টটল (খ্রিস্টপূর্ব ৩৮৪- খ্রিস্টপূর্ব ৩২২):
- এরিস্টটল গ্রীসে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ১৮ বৎসর বয়সে এথেন্সে আসেন এবং প্লেটোর একাডেমিতে ভর্তি হন।
- তিনি দীর্ঘকাল গুরু প্লেটোর সাহচর্যে জ্ঞানচর্চা করেন এবং দর্শন শাস্ত্রে প্রভূত জ্ঞান লাভ করেন।
- খ্রিস্টপূর্ব ৩৪৩ থেকে ৩৪০ অব্দ পর্যন্ত তিনি মহাবীর আলেকজেন্ডারের শিক্ষকতা করান।
এরিস্টটলের প্রতিষ্ঠান:
খ্রিস্টপূর্ব ৩৩৪ অব্দে তিনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান 'লাইসিয়াম' (Lyceum) গড়ে তুলেন।
এছাড়া তাঁর রচিত গ্রন্থসমূহ হল-
- Eudemian
- Ethics,
- Politics,
- Poetics,
- On the Soul,
- Metaphysics,
উৎস: ব্রিটানিকা।
ব্যাখ্যা
- মরক্কোর পর্যটক ইবনে বতুতা ১৩৪৬ খ্রিস্টাব্দে বাংলায় সফর করেন।
- তাঁর পুরো নাম শেখ আবু আবদুল্লাহ মুহম্মদ।
- বাংলায় সফরের উদ্দেশ্য তিনি নিজেই তাঁর ভ্রমন কাহিনীতে উল্লেখ করেছেন এবং তা ছিল কামরূপের পার্বত্য অঞ্চলে বিখ্যাত সুফিসাধক শেখ জালালউদ্দিনের (হযরত শাহজালাল মুজার্রদ-ই-ইয়েমেনী) দর্শন লাভ।
- ইবনে বতুতা ১৩২৫ খ্রিস্টাব্দে একুশ বছর বয়সে বিশ্ব সফরে বের হন এবং আট বছরের মধ্যে সমগ্র উত্তর আফ্রিকা, আরব, পারস্য, ভূমধ্যসাগরের পূর্ব তীরবর্তী অঞ্চল ও কনস্টান্টিনোপল পরিভ্রমণ করেন।
- এরপর তিনি ভারতে আসেন। ১৩৩৪ খ্রিস্টাব্দে তিনি দিল্লিতে পৌঁছেন।
- সুলতান মুহাম্মদ বিন তুঘলক তাঁকে দিল্লির কাজী নিযুক্ত করেন।
তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
ব্যাখ্যা
- তিনি ১৩৩৪ সালে ভারতে ও ১৩৪৬ সালে বাংলায় ভ্রমণ করেন।
- তাঁর লিখিত গ্রন্থ কিতাবুল রেহালা বা সফরনামা।
- তিনি বাংলার চাটগাঁও ও সোনারগাঁও সফর করেন।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।
ব্যাখ্যা
১৪৫৩ সালে অটোমান সুলতান দ্বিতীয় মুহাম্মদ ইস্তাম্বুল অধিকার করে হায়া সোফিয়াকে মসজিদে রূপান্তর করেন।
১৯৩৫ সালে তুরস্কের কামাল আতাতুর্ক সরকার হায়া সোফিয়াকে মিউজিয়ামে রূপান্তর করে। সম্প্রতি তুরস্ক সরকার হায়া সোফিয়াকে পুনরায় মসজিদে রূপান্তর করেছে।
(সূত্র: হিস্টোরি ডটকম)
ব্যাখ্যা
- বাংলার নবজাগরণের স্রষ্টা, ভারতের প্রথম আধুনিক পুরুষ ছিলেন রাজা রামমোহন রায়।
- ১৭৭৪ খ্রিস্টাব্দে হুগলী জেলার রাধানগর গ্রামে তিনি জন্মগ্রহন করেন।
- অসাধারণ পাণ্ডিত্যের অধিকারী রামমোহন, বিশেষ করে আরবি, ফারসি, উর্দু, ল্যাটিন ও গ্রিক ভাষায় অসামান্য দক্ষতা অর্জন করেন।
- তিনি 'সম্বাদ কৌমুদী', ‘মিরাত-উল-আখবার' ও 'ব্রাহ্মনিকাল ম্যাগাজিন' নামে তিনটি পত্রিকার প্রকাশক ছিলেন।
- তিনি হিন্দু সমাজের সতীদাহ, বাল্যবিবাহ, কৌলিন্য প্রথা, মূর্তিপূজা ও অন্যান্য কুসংস্কার দূর করে আদি একেশ্বরবাদের ভিত্তিতে হিন্দুধর্ম পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে সচেষ্ট হন।
- রাজা রামমোহন ১৮২২ খ্রিস্টাব্দে কলকাতায় ‘এ্যাংলো হিন্দু কলেজ' প্রতিষ্ঠা করেন।
- ১৮৩৩ খ্রিস্টাব্দে এই মহাপুরুষ, ভারতীয় নবজাগরণের স্রষ্টা, রাজা রামমোহন রায়ের মৃত্যু হয়।
তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
• মাদার তেরেসা:
- মাদার তেরেসার জন্ম ১৯১০ সালের ২৬ আগস্ট।
- মাদার তেরেসা নামে অধিক পরিচিত হলেও তার আসল নাম মেরি টেরিজা বোজাঝিউ।
- তিনি ছিলেন একজন আলবেনীয়-বংশোদ্ভুত ভারতীয় ক্যাথলিক সন্ন্যাসিনী এবং ধর্মপ্রচারক।
- ১৯৫০ সালে কলকাতায় ‘দ্য মিশনারিজ অফ চ্যারিটি’ (দাতব্য ধর্মপ্রচারক সংঘ) নামে একটি খ্রিস্ট ধর্মপ্রচারণাসংঘ প্রতিষ্ঠা করেন।
- প্রথমে ভারতে ও পরে সমগ্র বিশ্বে তার এই ধর্মপ্রচারণা কার্যক্রম ছড়িয়ে পড়ে।
- ২০১৬ সালে পোপ ফ্রান্সিস তাকে 'সন্ত' হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করেন এবং ক্যাথলিক গির্জায় মাদার তেরেসায় ‘কলকাতার সন্ত টেরিজা’ হিসেবে আখ্যায়িত হন।
- ১৯৮০ সালে ভারতের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান ভারতরত্ন লাভ করেন।
- ১৯৭৯ সালে মাদার তেরেসা শান্তিতে নোবেল পুরষ্কার পান।
উৎস: দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
- ৬২২ সালে মহানবী (সা.) মক্কা ছেড়ে মদিনায় যান।
- ইসলামে একে বলা হয় ‘হিজরত’।
- হিজরি সনের সূচনা হয় মহানবীর (সা.) হিজরতের সময়কে কেন্দ্র করেই।
- তাই ৬২২ সাল থেকেই হিজরি সন গণনা শুরু হয়।
- ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা হজরত ওমর (রা.)-এর আমলে আনুষ্ঠানিকভাবে হিজরি সন গণনা শুরু হয়।
- আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন, ‘ওমর (রা.) হিজরি সন প্রবর্তনের সিদ্ধান্ত নেন।
- তিনি তখন একটি পরামর্শ সভার আহ্বান করেন।
- সভায় নবীজি (সা.)-এর জন্ম, মৃত্যু, নবুওয়াত ও হিজরত- বিশেষত এই চারটি সময় থেকে বর্ষ গণনার প্রস্তাব আসে।
উৎস: বাংলাপিডিয়া ও প্রথম আলো।
ব্যাখ্যা
এলন মাস্ক মহাকাশযান, ইলেকট্রিক গাড়ি ও অনলাইন ট্রানসেকশন এই তিন ইন্ডাস্ট্রিকে আমূল বদলে দিয়েছেন।
তিনি পে-প্যাল, টেসলা মটরস সহ স্পেস এক্সপ্লোরেশন টেকনোলজি (SpaceX), জিপ২(zip2) এবং সোলার সিটির (SolarCity) সহপ্রতিষ্ঠাতা। একই সাথে ওপেন এ.আই(OpenAI) এর কো-চেয়ারম্যান।
ব্যাখ্যা
- Glimpses of World History বইটি জওহরলাল নেহেরুর লেখা।
- এটি প্রকাশিত হয় ১৯৩৪ সালে।
- এটি মূলত ১৯৬টি চিঠির সমাহার।
- চিঠিগুলো নেহেরু তার মেয়ে ইন্দিরা গান্ধীকে ১৯৩০-১৯৩৩ সময়ে বিশ্ব ইতিহাস সম্পর্কে লিখেছিলেন।
উৎস: i) Amazon.in.
ii) Indian Culture.
ব্যাখ্যা
- তিনি সুবর্ণ মধ্যক ধারণাটি ব্যবহার করেন দুটি চরমপন্থার বা মতবাদের মধ্যবর্তী অবস্থান বুঝাতে।
- অর্থাৎ সুবর্ণ মধ্যক হলো দুটি চরমপন্থার মধ্যবর্তী অবস্থা। যেমন- একদিকে সম্পদের প্রাচুর্য এবং অন্য দিকে খুবই অভাব, এ দুটি অবস্থার মাঝামাঝি অবস্থাই হলো সুবর্ণ মধ্যক।
- এটি নীতিবিদ্যার সাথে জড়িত।
ব্যাখ্যা
১৯৪৯ সালে মাও সেতুং চীনে সমাজতন্ত্র চালু করেন যা আজও বিরাজমান।
চিয়াং কাই শেক তাইওয়ানে আশ্রয় গ্রহণকারী গণতন্ত্রপন্থি নেতা ছিলেন। হো চিন মিন ভিয়েতনামের অবিসংবাদিত নেতা।
(সূত্রঃ এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা)
ব্যাখ্যা
আসমানী কিতাব:
- আসমানী কিতাব হচ্ছে ঐ কিতাব যা যুগে যুগে মানবতার হিদায়াতের জন্য আল্লাহ তাঁর বাছাইকৃত নবী- রাসূলগণের ওপর নাযিল করেছেন।
- আসমানী কিতাবই হচ্ছে একমাত্র নির্ভরযোগ্য গ্রন্থ, যা বিভ্রান্ত মানবতাকে সত্য, সুন্দর ও সৎ পথের সন্ধান দিয়ে থাকে।
- আসমানী কিতাবের সর্বমোট সংখ্যা ১০৪ খানা।
অন্যদিকে-
- প্রধান আসমানী কিতাব ৪টি।
- মদীনা সনদে মোট শর্ত ছিল ৪৭টি।
- ‘বিসমিল্লাহির রাহমানীর রাহিম’ এতে বর্ণ আছে ১৯ টি।
উৎস: আসমানী কিতাব ও মালাইকা, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- খ্রিস্টান ধর্মালম্বীদের দুটি ধারায় বিভক্ত।
- যথা:
• ক্যাথলিক:
- পোপের অনুসারীরা সাধারণত ক্যাথলিক নামে পরিচিত।
• প্রটেস্ট্যান্ট ধর্ম:
- প্রোটেস্ট্যান্ট আন্দোলন প্রথম শুরু হয় জার্মানিতে।
- প্রটেস্ট্যান্ট ধর্ম মতের প্রবক্তা মার্টিন লুথার।
- ১৫২৭ সালে মার্টিন লুথার প্রনিত গ্রন্থ 'দ্য নাইন্টি ফাইভ থিসিস' গ্রন্থে তিনি রোমন যাজকীয় নীতি, তাদের প্রচলিত খ্রীস্ট বিশ্বাস নিয়ে অনেক ভিন্ন মতামত প্রকাশ করেন।
- ষোড়শ শতকে তার অনুসারীরা জার্মান স্ক্যান্ডিনেভিয়ার প্রতিষ্ঠা করে লুথিয়ান চার্চ।
- হাঙ্গেরী, স্কটল্যান্ড, ফ্রান্স, সুইজারল্যান্ড প্রভৃতি দেশেও একই আদলে চার্চের সংস্কার করা হয়।
উৎস: Britannica.
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
আব্রাহাম লিংকন:
- আব্রাহাম লিংকন ছিলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ১৬তম প্রেসিডেন্ট।
- ১৮৬২ সালের ২২ সেপ্টেম্বর আব্রাহাম লিংকন দাস প্রথা বিলুপ্তির ঘোষণা দেন।
- সংবিধানের ১৩তম সংশোধনী কার্যকরের মাধ্যমে ১৮৬৫ সালের ১৮ ডিসেম্বর সাংবিধানিকভাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে দাস প্রথা নিষিদ্ধ হয়।
- আব্রাহাম লিংকনের সময় আমেরিকায় গৃহযুদ্ধ চলছিলো।
- আব্রাহাম লিংকন গেটিসবার্গ ভাষনের জন্যে বিখ্যাত।
- আব্রাহাম লিংকন আমেরিকার গৃহযুদ্ধের সময় পেনসিলভানিয়ার গেটিসবার্গে এই ভাষণ দেন।
- তার একটি বিখ্যাত উক্তি হলো "Democracy is a government of the people, by the people and for the people"
উৎস: হিস্টোরি ডটকম এবং নিউইয়র্ক টাইমস
ব্যাখ্যা
• আর্য জাতি ও তাদের ইতিহাস:
- সিন্ধু সভ্যতার পতনের পর একটি জাতি ভারতে প্রবেশ করতে থাকে।
- ইতিহাসে এরা আর্য নামে পরিচিত।
- আর্যদের প্রধান ধর্মগ্রন্থের নাম — বেদ।
- বেদের ধর্ম খুব নিষ্ঠার সাথে পালন করতো আর্যরা।
- বেদের অনুসারী এই আর্যরা ভারতে গড়ে তোলে এক সভ্যতা।
- ইতিহাসে তা আর্য সভ্যতা বা বৈদিক সভ্যতা নামে পরিচিত।
- বেদ শুধু ধর্ম গ্রন্থই ছিল না। এতে সাহিত্যের গুণও ছিল।
- এভাবে আর্য সভ্যতা ভারতবর্ষে এক উন্নত সাহিত্যের জন্ম দেয় যা বৈদিক সাহিত্য নামে পরিচিত। আর্য সভ্যতা সামাজিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও ধর্মীয় জীবনে একটি নতুন ধারণার জন্ম দিয়েছিল।
- এই সভ্যতাই ধাতু যুগের সাথে পরিচয় করিয়ে দেয় ভারতকে।
- বেদের এর অপরনাম শ্রুতি। এর কারণ, লিপিবদ্ধ হওয়ার আগে দীর্ঘকাল বেদ ছিল মানুষের স্মৃতিতে বিধৃত।
উৎস: ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- শরীয়াহ (ইসলামী আইন) এর উৎস নয় - ফতোয়া।
- ফতোয়া হলো একজন বিচারিক পণ্ডিত কর্তৃক জারি করা একটি সিদ্ধান্ত।
⇒ ইসলামি আইনবিদদের মতে, শরিয়তের প্রধান উৎস চারটি, যার ওপর উম্মাহর অধিকাংশ আলেম একমত। এগুলো হলো, কোরআন, সুন্নাহ, ইজমা (ঐকমত্য) ও কিয়াস (যৌক্তিক তুলনা)।
- এর বাইরে আরও সাতটি উৎস রয়েছে যেগুলোর গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে ফকিহদের মধ্যে মতভিন্নতা আছে।
- সেগুলো হলো, ইস্তিহসান, মাসলাহা মুরসালাহ, ইস্তিসহাব, উরফ (প্রথা), সাহাবিদের মত, পূর্ববর্তী শরিয়ত এবং সাদ্দে যারায়ি (মন্দের পথ রোধ)।
উৎস: প্রথম আলো এবং ব্রিটানিকা।
ব্যাখ্যা
- পারমানবিক বোমা ওপেন হেইমার আবিষ্কার করেন।
- তিনি মার্কিন তাত্ত্বিক পদার্থবিদ।
- তিনি হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক হন, কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা করেন এবং গটিংজেন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডক্টরেট অর্জন করেন।
- ম্যানহাটন প্রকল্প মার্কিন সরকারের গবেষণা প্রকল্প যা প্রথম পারমাণবিক বোমা তৈরি করেছিল।
- ম্যানহাটন প্রকল্পের বিজ্ঞানীরা দক্ষিণ নিউ মেক্সিকোতে আলামোগোর্ডোর কাছে একটি পরীক্ষায় প্রথম পারমাণবিক বোমার বিস্ফোরণ ঘটান।
উৎস: ব্রিটানিকা।
ব্যাখ্যা
- তিনি একজন ইতালীয় চিত্রশিল্পী।
ব্যাখ্যা
The last Supper:
- লিওনার্দো দা ভিঞ্চির 'The last Supper' বিখ্যাত দেয়াল চিত্র।
- এটি ইটালির মিলানে "সান্তা মারিয়া দেলে গ্রাজি” গির্জায় সংরক্ষিত আছে।
- দেয়াল চিত্রটি তৈরি করতে ৩ বছর লেগেছিল।
লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি:
- ইতালিয় চিত্র শিল্পী।
- তিনি সর্বপ্রথম এরিয়াল পরিপ্রেক্ষিতের ব্যবহার করেন।
- বিখ্যাত চিত্রকর্ম: মোনালিসা।
- ইটালিয় নাম-La Gioconda.
- পপলার প্যানেলের উপর তেলরঙে আঁকা।
- ফ্রান্সের লুভ্যর মিউজিয়ামে সংরক্ষিত রয়েছে।
- ভার্জিন অব দ্য রকস।
উৎস: ব্রিটানিকা।
ব্যাখ্যা
সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া।
ব্যাখ্যা
- ১৯১৭ সালে রাশিয়ায় মূলত দুটি বিপ্লব সংঘটিত হয়।
- এই দুটি বিপ্লব হলো ফেব্রুয়ারি বিপ্লব ও বলশেভিক বিপ্লব। এই দুটি বিপ্লবকে একত্রে '১৯১৭ সালের রুশ বিপ্লব' বলা হয়।
⇒ ফেব্রুয়ারি বিপ্লব:
- রুশ বিপ্লবের প্রথম পর্যায়কে ফেব্রুয়ারি বিপ্লব বলা হয়। ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের ফলে রাজতন্ত্রের অবসান ঘটে এবং জার দ্বিতীয় নিকোলাসকে ক্ষমতা থেকে উচ্ছেদ ও বন্দি করা হয়। ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের নেতৃত্ব ছিলেন আলেক্সান্দ্রো এফ. ক্যারেনস্কি (Aleksandr F. Kerensky)।
⇒ বলশেভিক বিপ্লব/অক্টোবর বিপ্লব:
- রুশ বিপ্লবের দ্বিতীয় পর্যায়কে বলশেভিক বা অক্টোবর বিপ্লব বলে। বলশেভিক বিপ্লবের ফলে রাশিয়ায় লেনিনের নেতৃত্বে বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- বলশেভিক বিপ্লবের নেতা ছিলেন ভ্লাদিমির লেনিন।
উৎস: i) ইতিহাস ২য় পত্র, একাদশ -দ্বাদশ শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) Britannica.
ব্যাখ্যা
- আর্চবিশপ ডেসমন্ড টুটু দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনের একজন নেতা ছিলেন।
- তিনি দেশের সাবেক প্রেসিডেন্ট নেলসন ম্যান্ডেলার সমসাময়িক ছিলেন।
- ১৯৪৮ থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত দক্ষিণ আফ্রিকায় চলা বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় ছিলেন।
উল্লেখ্য,
- ডেসমন্ড টুটু ১৯৬০ সালে ধর্মযাজক হিসেবে স্বীকৃতি পান।
- ১৯৭৬ থেকে ১৯৭৮ সাল পর্যন্ত তিনি দক্ষিণ আফ্রিকার প্রতিবেশী দেশ লেসোথোর যাজক (বিশপ) হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এরপর জোহানেসবার্গে ফিরে আসেন।
- ১৯৮৫ সালে তিনি দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ আর্চবিশপ পদ লাভ করেন।
- বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনে বিশেষ অবদানের জন্য ১৯৮৪ সালে তিনি শান্তির নোবেল পুরস্কারও লাভ করেন।
এছাড়াও,
- ১৯৯৪ সালে নেলসন ম্যান্ডেলা যখন দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট হন, তখন দেশের শ্বেতাঙ্গ ও কৃষ্ণাঙ্গদের মধ্যে সুসম্পর্ক জোরদার করার জন্য যে ট্রুথ অ্যান্ড রিকনসিলিয়েশন কমিশন গঠন করা হয়, তার প্রধান ছিলেন ডেসমন্ড টুটু।
সূত্র: Britannica ও বিবিসি বাংলা।
ব্যাখ্যা
- চীনের ই-কমার্স সাম্রাজ্য আলিবাবার প্রতিষ্ঠাতা জ্যাক মা।
⇒ তিনি চীনের পূর্বাংশে হাংঝৌ শহরে ১৯৬৪ সালের ১০ সেপ্টেম্বর জন্মগ্রহণ করেছিলেন।
- তিনি চীনের শীর্ষ ধনীদের একজন।
- আলিবাবা একটি চাইনিজ মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানি।
- এটি খুচরা বিক্রেতাদের জন্য বড় প্লাটফর্ম।
- এই কোম্পানী ক্রেতা-বিক্রেতা, ক্রেতা-ক্রেতা, ব্যবসায়ি- ব্যবসায়িদের ওয়েব পোর্টাল এর মাধ্যমে সেবা প্রদান করে থাকে।
- আলিবাবার প্রতিষ্ঠাতা জ্যাক মা।
- এটি ১৯৯৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি বিশ্বের শীর্ষ ১০টি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে একটি।
উল্লেখ্য,
- জ্যাক মা-এর বিখ্যাত উক্তি -আজকের দিনটি কঠিন, কাল হবে অন্ধকার; তারপর সূর্যকে উঠতেই হবে।
অন্যদিকে,
- “অনুকরণ করে কোনো মানুষ কখনোই বড় হতে পারে না”- স্যামুয়েল জনসন।
- ”ভাগ্য বলে কিছুই নেই, প্রত্যেকের চেষ্টা ও যত্নের উপর তা গড়ে উঠে” - স্কট।
- ”যথাস্থানে পা রেখেছ কিনা তা আগে নিশ্চিত হও, এরপর দৃঢ়ভাবে দাঁড়াও” - আব্রাহাম লিঙ্কন।
- ”কখনো কখনো জীবন আপনার মাথায় ইট দিয়ে আঘাত করবে। তখন বিশ্বাস হারাবেন না” - স্টিভ জবস।
উৎস: i) Britannica.
ii) Anand Damani।
ব্যাখ্যা
Source: britannica.com
ব্যাখ্যা
- ‘At Night All Blood Is Black’ উপন্যাসটির লেখক ডেভিড দিওপ।
উল্লেখ্য,
- ডেভিড ডিওপ একজন ফরাসি লেখক।
- তিনি তার দ্বিতীয় উপন্যাস 'At Night All Blood Is Black'-এর জন্য বুকার পুরস্কার পেয়েছিলেন।
- তিনিই প্রথম ফরাসি লেখক যিনি এই পুরস্কার পেলেন।
- তার প্রপিতামহের প্রথম বিশ্বযুদ্ধের অভিজ্ঞতাই হলো এই উপন্যাসের ভিত্তি।
অন্যদিকে,
- Time Shelter উপন্যাসের লেখক জর্জি গোসপোদিনভ।
- ‘হ্যারি পটার’ সিরিজের লেখক হলেন জে কে রাউলিং।
- কার্ল মার্কস-এর উল্লেখযোগ্য বই: The Communist Manifesto, Das Kapital.
উৎস: জুন ২০, ২০২১, The Guardian.
ব্যাখ্যা
- শিপ্ল বিপ্লবের ফলে গ্রামীণ কৃষিভিত্তিক সমাজ শহুরে কলকারখানা নির্ভর সমাজে পরিবর্তিত হতে থাকে। এই পরিবর্তন মানবজীবনের অন্যান্য ক্ষেত্রেও প্রভাব ফেলে।
- আঠারো শতকের দ্বিতীয়ার্ধের ইংল্যান্ডের সমাজের এরূপ পরিবর্তনকে আর্নল্ড টয়েনবি ‘ইন্ডাস্ট্রিয়াল রেভ্যুলেশন’ হিসেবে অভিহিত করেন।
(তথ্যসূত্রঃ ব্রিটানিকা)
ব্যাখ্যা
(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
ব্যাখ্যা
- আলবেনিয়া হলো ইউরোপের একটি ছোট দেশ।
- এটি ভূমধ্যসাগরের অন্তর্গত অ্যাড্রিয়াটিক সাগর এবং আয়োনীয় সাগরের মধ্যে অবস্থিত।
- এর রাজধানী তিরানা।
- আলবেনিয়া একটি প্রধানত মুসলিম দেশ।
- দেশটির ৫৬.৭% জনসংখ্যা মুসলিম ধর্মাবলম্বী।
- এটি ইউরোপের একমাত্র মুসলিম অধ্যুষিত দেশ।
উৎস: Britannica.
ব্যাখ্যা
উৎসঃ ব্রিটানিকা
ব্যাখ্যা
- বিশ্বের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী সিরিমাভো বন্দরনায়েকে।
- তিনি শ্রীলঙ্কার নাগরিক।
- ১৯৫৯ সালে নিহত প্রধানমন্ত্রী সলোমন বন্দরনায়েকের স্ত্রী ছিলেন সিরিমাভো বন্দরনায়েকে।
- ১৯৬০ সালের জুলাই নির্বাচনে দলকে নেতৃত্ব দিয়ে জয়লাভ করান।
- ২১ জুলাই ১৯৬০ সিনেটর থেকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন সিরিমাভো।
- এর ফলে তিনি বিশ্বের প্রথম নির্বাচিত মহিলা প্রধানমন্ত্রী হন।
অন্যদিকে,
- মার্গারেট থ্যাচার ছিলেন বৃটেনের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী।
- ইন্দিরা গান্ধীই হলেন একমাত্র মহিলা যিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন।
- বেনজির ভুট্টোর মুসলিম বিশ্বের প্রথম নির্বাচিত নারী প্রধানমন্ত্রী।
উৎস: Britannica.com.
ব্যাখ্যা
৪৪তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা রচিত নতুন আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ - A promised Land
অন্যদিকে নবনির্বাচিত ৪৬ তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন রচিত আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থের নাম - Promises to keep.
উৎসঃ সাম্প্রতিক সমাচার, লাইভ এমসিকিউ।
ব্যাখ্যা
১. ইন্দোনেশিয়া : মুসলমানের সংখ্যা ২৩১ মিলিয়ন।
২. পাকিস্তান : মুসলমানের সংখ্যা ২১২ মিলিয়ন।
৩. ভারত : মুসলমানের সংখ্যা ২০০ মিলিয়ন।
৪. বাংলাদেশ : মুসলমানের সংখ্যা ১৫৩ মিলিয়ন।
৫. নাইজেরিয়া : মুসলমানের সংখ্যা ৯৫ থেকে ১০৩ মিলিয়ন।
৬. মিসর : মুসলমানের সংখ্যা ৮৫ থেকে ৯০ মিলিয়ন।
৭. ইরান : মুসলমানের সংখ্যা ৮২.৫ মিলিয়ন।
৮. তুরস্ক : মুসলমানের সংখ্যা ৭৪.৪ মিলিয়ন।
৯. আলজেরিয়া : মুসলমানের সংখ্যা ৪১.২ মিলিয়ন।
১০. সুদান : মুসলমানের সংখ্যা ৩৯.৫ মিলিয়ন।
উৎস: দৈনিক পত্রিকা।
ব্যাখ্যা
Source: Britannica
ব্যাখ্যা
- কিউবার বিপ্লবী মহানায়ক ফিদেল কাস্ত্রো।
- তিনি একজন কিউবান রাজনৈতিক নেতা ও সমাজতন্ত্রী বিপ্লবী।
- ১৯৫৯ সালে কমিউনিস্ট বিপ্লবের মাধ্যমে ফিদেল কাস্ত্রো তৎকালীন সরকারের পতন ঘটিয়ে নিজেকে প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করেন।
- ১৯৭৬ সালে পদটি বিলুপ্ত করার পর তিনি পার্টি প্রধান ও দেশটির প্রেসিডেন্ট হন।
- 'The Strategic Victory' গ্রন্থের লেখক - ফিদেল কাস্ত্রো।
- My Life: A Spoken Autobiography - ফিদেল কাস্ত্রোর আত্মজীবনীমূলক বই।
অন্যদিকে -
- My Story of Experiments with Truth মহাত্মা গান্ধীর আত্মজীবনীমূলক বই।
- The Audacity of Hope বারাক ওবামার আত্মজীবনীমূলক বই।
উৎস: বিবিসি বাংলা ও ব্রিটানিকা।
ব্যাখ্যা
- জুলিয়াস সিজার একজন রোমান সম্রাট।
- তিনি একজন বিখ্যাত রোমান রাজনীতিবিদ, সেনাপতি ও জনপ্রিয় রোমান সম্রাট।
- তিনি ১০০ খ্রিস্টপূর্বে ইতালির রোমে জন্মগ্রহণ করেছিলেন।
- তিনি ছিলেন একজন রোমান জেনারেল এবং রাজনীতিবিদ।
- তিনি নিজেকে রোমান সাম্রাজ্যের স্বৈরশাসক নামে অভিহিত করেছিলেন।
- রোমের নাগরিকরা গল, ব্রিটেন, মিশর এবং আফ্রিকায় সিজারের অভিযানগুলোর জন্য তাকে পছন্দ করেছিল।
- ৪৪ খ্রিস্টপূর্বে রোমীয় সিনেটে জুলিয়াস সিজারকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেছিল।
- এর ফলে রোমীয় প্রজাতন্ত্রের পতনের সূত্রপাত হয়।
উল্লেখ্য,
- জুলিয়াসের বিখ্যাত বানী: 'এলাম, দেখলাম, জয় করলাম'।
⇒ ২০০০ বছর আগে জুলিয়াস সিজার রোমের শাসক ছিলেন।
উৎস: Britannica.
ব্যাখ্যা
- চে গুয়েভারার পুরো নাম- এর্নেস্তো গেভারা দে লা সের্না।
- ১৯২৮ সালের ১৪ই জুন তিনি আর্জেন্টিনার রোসারিও শহরের একটি মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।
- চে গুয়েভারা ছিলেন এক বরেণ্য আর্জেন্টিনীয় মার্কসবাদী, বিপ্লবী, চিকিৎসক, লেখক, বুদ্ধিজীবী, গেরিলা নেতা, কূটনীতিবিদ, সামরিক তত্ত্ববিদ এবং কিউবা বিপ্লবের প্রধান ব্যক্তিত্ব।
- তিনি ছিলেন কিউবার বিপ্লবী নেতা ফিদেল কাস্ত্রোর বন্ধু ও সহযোদ্ধা।
- তিনি কিউবা বিপ্লবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন।
- ফিদেল কাস্ত্রোর সঙ্গে কিউবায় বিপ্লব সফল করার পর চে বেরিয়ে পড়েছিলেন মূলত বিপ্লবের নেশায়।
- ১৯৬৭ সালের ৯ অক্টোবর বলিভিয়ার সেনাবাহিনীর নিহত হন চে।
- ১৯৯৭ সালের অক্টোবরে ফিদেল কাস্ত্রো তাঁকে বিপ্লবীদের দৃষ্টান্ত হিসেবে অভিহিত করেন।
উল্লেখ্য,
- 'Guerrilla Warfare' গ্রন্থটি চে গুয়েভারা (Che Guevara) রচনা করেছেন।
- এই বইটি ১৯৬০ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি গেরিলা যুদ্ধের কৌশল ও কৌশলগত দৃষ্টিকোণ নিয়ে আলোচনা করে।
উৎস: i) Britannica.
ii) BBC.
ব্যাখ্যা
- এটির দৈর্ঘ্য প্রায় ৩০০০ কিলােমিটার এবং সর্বাধিক প্রস্থ ৬৫ কিলােমিটার।
- এটি পৃথিবীর প্রাকৃতিক সপ্তাশ্চর্যের একটি এবং ইউনেস্কো ঘােষিত বিশ্ব ঐহিত্য।
[সূত্র: গ্রেট বেরিয়ার রিফ অর্গানাইজেশন ওয়েবসাইট ও ব্রিটানিকা]