বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি, ধর্মের ইতিহাস ও অন্যান্য

মোট প্রশ্ন১,৩৪৯এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি, ধর্মের ইতিহাস ও অন্যান্য

PrepBank · পাতা / ১৪ · ২০১৩০০ / ১,৩৪৯

২০১.
বাইজান্টাইন সাম্রাজ্যের রাজধানী ছিলো কোথায়?
  1. ক) আলেক্সান্দ্রিয়া
  2. খ) কনস্টান্টিনোপল
  3. গ) স্পার্টা
  4. ঘ) টায়ার
ব্যাখ্যা
- রোম নগরীকে কেন্দ্র করে খ্রিস্টপূর্ব সপ্তম শতকে রোমান সাম্রাজ্যের সূচনা হয়।
- ৩৩০ খ্রিস্টাব্দে কৃষ্ণসাগরের তীরে রোমান সাম্রাজ্যের পূর্বাঞ্চলের রাজধানী হিসেবে সম্রাট কনস্টানটাইনের নামানুসারে কনস্ট্যান্টিনোপল নগরের পত্তন করা হয়।
- ৪৭৬ খ্রিস্টাব্দে জার্মানদের নিকট রোমান সাম্রাজ্যের পতন ঘটলেও এর পূর্বাঞ্চল বাইজান্টাইন নামে অক্ষত থেকে যায়।
- কনস্টান্টিনোপলকে কেন্দ্র করে ১৪৫৩ সাল পর্যন্ত বাইজান্টাইন সাম্রাজ্য বজায় ছিলো।
- ১৪৫৩ সালে তুর্কি সুলতান দ্বিতীয় মেহমুদের নিকট কনস্ট্যান্টিনোপলের পতন ঘটে।
(সূত্রঃ ব্রিটানিকা এবং স্নাতক ইতিহাস)
২০২.
'ম্যাডোনা-৪৩' চিত্রকর্মের শিল্পী কে?
  1. ক) এস এম সুলতান
  2. খ) শাহাবুদ্দিন আহমেদ
  3. গ) কামরুল হাসান
  4. ঘ) জয়নুল আবদিন
ব্যাখ্যা
বাংলার ১৯৪৩ সালের দুর্ভিক্ষের উপর ম্যাডোনা-৪৩ ছবি এঁকে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন বিখ্যাত হন। তাঁর আঁকা আরো কিছু বিখ্যাত চিত্রকর্ম- মনপুরা ৭০, সংগ্রাম, পাইন্যার মা, গায়ের বধূ, নবান্ন, মইটানা ইত্যাদি।
২০৩.
মিশরকে 'নীলনদের উপহার' নামে কে সম্মানিত করেছেন?
  1. থুসিডাইডিস
  2. সক্রেটিস
  3. অ্যারিস্টটল
  4. হেরোডোটাস
ব্যাখ্যা
হেরোডোটাস:
- ইতিহাসের জনক হিসেবে খ্যাত হেরোডোটাস।
- তিনি পারস্য সাম্রাজ্যে (বর্তমান তুরস্ক) জন্মগ্রহণ করেছিলেন।
- তিনি ছিলেন থুসিডাইডিস, সক্রেটিস ও ইউরিপিডিসের সমসাময়িক।

⇒ হেরোডোটাস সর্বপ্রথম গ্রিক হিস্টরিয়া (Historia) শব্দটি ব্যবহার করেন।
- তার মতে ইতিহাস হলো যা সত্যিকার অর্থে ছিলো বা সংঘটিত হয়েছিলো তা অনুসন্ধান করা ও লেখা।
- হেরোডোটাস রচিত ইতিহাস-সংক্রান্ত প্রথম বইটি ছিল গ্রিস ও পারস্যের মধ্যে যুদ্ধ নিয়ে।

⇒ মিশরকে "নীলনদের দান" বা "নীলনদের উপহার" হিসেবে সম্মানিত করেছেন গ্রীক ইতিহাসবিদ হেরোডোটাস। 
- তিনি তার লেখায় (Histories) উল্লেখ করেন যে নীলনদের পলিমাটি ও জলসম্পদ মিশরের কৃষি, সভ্যতা ও সমৃদ্ধির মূল ভিত্তি।

উল্লেখ্য,
- বিশ্বের দীর্ঘতম নদ নীলনদকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছিল মিসরীয় সভ্যতা। 
- গ্রিক কবি হোমার তাঁর লেখা মহাকাব্য ‘ওডিসি’তে নিল নদকে ইজিপ্টাস নামে অভিহিত করেছেন।
- মিসরের সভ্যতা প্রাচীনকাল থেকেই নিলের ওপর নির্ভরশীল।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি। 
ii) Britannica.
২০৪.
অন্ধদের জন্য লিখনরীতি উদ্ভাবন করেন কে? 
  1. ক) হেলেন কিলার
  2. খ) লুইস ব্রেইল
  3. গ) এডিসন
  4. ঘ) ডেবিট বোর
ব্যাখ্যা
-  অন্ধ ও দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের জন্য পড়া ও লেখার বিশেষ পদ্ধতির নাম ব্রেইল।
-  এর আবিষ্কারক লুইস ব্রেইল। 
- ব্রেইল ১৮০৯ সালের ৪ জানুয়ারী প্যারিসের নিকটবর্তী কুপভেরি নামক একটি ছোট শহরে জন্মগ্রহণ করেন। 
- তাকে সম্মান জানাতেই তার জন্মদিনে ব্রেইল দিবস পালন করা হয়।

- ব্রেইল তিন বছর বয়সে অন্ধ হয়ে যাবার পর বিশ বছর বয়সে অন্যান্য অন্ধ ব্যক্তিদেরকে শিক্ষা দিতে অগ্রসর হন।
- ১৮২৭ সালে তিনি প্রথম ব্রেইল পদ্ধতির বই প্রকাশ করেন । 
- তবে সে সময়ের দৃষ্টি প্রতিবন্ধীরা প্রথমদিকে এই মোটা কাগজে ডটের সাহায্যে লেখা পড়ার পদ্ধতিটি অনুধাবন করতে পারেনি।

- ব্রেইলের নিরলস অধ্যাবসায়ে আজ অন্ধদের পৃথিবী দেখাচ্ছে এ পদ্ধতিটি। 
- বর্তমানে বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন ভাষায় ব্রেইল পদ্ধতিটিকে নিজস্ব ভাষায় উপযোগী করে তৈরী করেছে।
 
উৎস : প্রথম আলো 
২০৫.
দারিদ্র এবং দুর্ভিক্ষ বিষয়ে মৌলিক অবদানের জন্য নিম্নের কোন ব্যক্তি খ্যাতি অর্জন করে?
  1. ইয়েন টিনবারগেন
  2. অমর্ত্য সেন
  3. রাগনার ফ্রিশ
  4. অভিজিৎ ব্যানার্জী
ব্যাখ্যা
অমর্ত্য সেন:
- অমর্ত্য সেন একজন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ভারতীয় বাঙালী অর্থনীতিবিদ ও দার্শনিক।
- ১৯৯৮ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেছিলেন অমর্ত্য সেন।
- দারিদ্র এবং দুর্ভিক্ষ নিয়ে গবেষণার জন্য পৃথিবী জুড়েই তিনি শ্রদ্ধা অর্জন করেছেন।
- তিনি হার্ভার্ড সোসাইটি অফ ফেলোস, ট্রিনিট্রি কলেজ, অক্সব্রিজ এবং ক্যামব্রিজের একজন সিনিয়র ফেলো।
- এছাড়াও তিনি ১৯৯৮ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত ক্যামব্রিজের ট্রিনিটি কলেজের মাস্টার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
- তিনি ইকোনমিস্ট ফর পিস অ্যান্ড সিকিউরিটির একজন ট্রাষ্টি।
- তিনিই প্রথম ভারতীয় শিক্ষাবিদ যিনি একটি অক্সব্রিজ কলেজের প্রধান হন।
- এছাড়াও তিনি প্রস্তাবিত নালন্দা আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসাবেও কাজ করেছেন।
- ২০০৬ সালে টাইম ম্যাগাজিন তাকে অনূর্ধ্ব ষাট বছর বয়সী ভারতীয় বীর হিসেবে চিহ্নিত করেছে।
- ২০১০ সালে তাকে বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় স্থান দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য,
- অমর্ত্য সেনের লেখা গ্রন্থাবলি ৩০টিরও বেশি ভাষায় অনূদিত হয়েছে।
- The Idea Of Justice-গ্রন্থটির রচয়িতা অমর্ত্য সেন।
- বইটি মূলত জন রলসের 'A Theory of Justice' (1971)-এর মৌলিক ধারণাগুলির একটি সমালোচনা এবং সংশোধন।

⇒ উল্লিখিত অপশনের সকল ব্যক্তি বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন বিষয়ে অবদানের জন্য নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

উৎস: Britannica.
২০৬.
Who was the first person to land on the moon?
  1. Yuri Gagarin, Russia
  2. Yuri Gagarin, USA
  3. Neil Armstrong, UK
  4. Neil Armstrong, USA
ব্যাখ্যা

চাঁদের বুকে প্রথম পা রাখেন যুক্তরাষ্ট্রের অধিবাসী নীল আর্মস্ট্রং।

নীল আর্মস্ট্রং:

- চাঁদের বুকে প্রথম পা রাখেন নীল আর্মস্ট্রং।
- তিনি যুক্তরাষ্ট্রের অধিবাসী।
- ১৯৬৯ সালের ২০ শে জুলাই চাঁদের মাটিতে পা রাখেন আর্মস্ট্রং।
- দ্বিতীয় নভোচারী হিসেবে চাঁদে নামেন বাজ অলড্রিন।
- তাঁরা দুজনই মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসার অ্যাপোলো-১১ চন্দ্রযানে করে চাঁদের বুকে অবতরণ করেছিলেন।
- সেই ঐতিহাসিক অভিযাত্রায় তাঁদের সঙ্গী ছিলেন মাইকেল কলিন্স।
- অ্যাপোলো ১১ মিশনের তিন দুঃসাহসী নভোচারীর তৃতীয়জন মাইকেল কলিন্স চাঁদে নামেননি।
- তিনি অ্যাপোলো ১১ নভোযান নিয়ে রয়ে যান চাঁদের কক্ষপথে।

উল্লেখ্য,
- নীল আর্মস্ট্রং একজন মার্কিন নভোচারী ও বৈমানিক।
- ১৯৩০ সালে আমেরিকার ওহায়োতে জন্ম নেয়া মি: আর্মস্ট্রং ছয় বছর বয়সে তার বাবার সাথে প্রথম আকাশে উড়েন।
- ১৯৫০’র দশকে কোরিয়া যুদ্ধের সময় তিনি যুদ্ধ বিমান চালান। 
- এপোলো ইলেভেন ছিল তার সর্বশেষ মহাকাশ মিশন।
- ১৯৭১ সালে নাসা ছেড়ে দিয়ে মি: আর্মস্ট্রং এরোস্পেস ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ানোর জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদান করেন।

উৎস: i) NASA.
         ii) Britannica.

২০৭.
মাহাথির মোহাম্মদ টানা কত বছর মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন?
  1. ২০ বছর
  2. ২১ বছর
  3. ২২ বছর
  4. ২৩ বছর
ব্যাখ্যা
মাহাথির মোহাম্মদ:
- একুশ বছর বয়সে ইউনাইটেড মালয়স ন্যাশনাল অর্গানাইজেশন নামে একটি রাজনৈতিক দলে যোগ দেন, যেটির সংক্ষিপ্ত রূপ ইউএমএনও। দলটি আমনো নামে বেশি পরিচিত।
- সে সময় ডাক্তারি পেশায় ছিলেন তিনি। রাজনীতির পাশাপাশি নিজের এলাকায় সাত বছর ধরে ডাক্তারি পেশার চর্চ্চা করেন তিনি।
- ১৯৬৪ সালে তিনি পার্লামেন্ট সদস্য হন।
- ১৯৬৯ সালে তিনি তার আসন হারান এবং তাকে দল থেকে বরখাস্ত করা হয়।
- মাহাথির মোহাম্মদ ১৯৮১ সাল থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত টানা ২২ বছর মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন।
- ১৯৮০ এর দশকে মালয়েশিয়ার ব্যাপক অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং রূপান্তরের জন্য তাকেই কৃতিত্ব দেয়া হয়।
পরবর্তীতে দীর্ঘ বিরতির পর তিনি ২০১৮ সালে পুনরায় নির্বাচনে অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন।
- ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে তিনি প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেন।
- তিনি ২ দফায় মোট ২৪ বছর মালয়শিয়ার প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।
- তিনি মালয়েশিয়ার রাজনীতির 'টাইটানিক' নামে পরিচিত।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা ও ওয়ার্ল্ড এটলাস।
২০৮.
Which element did Alfred Nobel invent?
  1. Polio vaccine
  2. Dynamite
  3. Electricity
  4. Computer
  5. Penicillin
ব্যাখ্যা
আলফ্রেড নোবেল:
- আলফ্রেড নোবেল সুইডিশ শিল্পপতি।
- আলফ্রেড নোবেলের জন্ম ১৮৩৩ সালের ২১ অক্টোবর সুইডেনের স্টকহোমে।
- বাবা ইমানুয়েল নোবেল ছিলেন প্রকৌশলী।
- যুদ্ধাস্ত্র তৈরির পাশাপাশি নতুন নতুন বিস্ফোরক উদ্ভাবন করতেন তিনি। 
- তার বাবার কারখানায় কাজ শিখে আলফ্রেড নোবেল।
- তিনি প্রথমে স্টকহোমে এবং পরে জার্মানিতে রাসায়নিক গবেষণাগার স্থাপন করেন।
- ১৮৬৬ সালে জার্মানির গবেষণাগারে আবিষ্কার করেন ডিনামাইট।

উল্লেখ্য,
- আলফ্রেড নোবেলের মৃত্যুর পর ১৮৯৭ সালে গঠিত হয় নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটি।
- ১৯০০ সালে গঠিত হয় নোবেল ফাউন্ডেশন।
- ১৯০১ সালে প্রথম নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়।
- তাঁর ইচ্ছা অনুযায়ী বিশ্বমানবতার কল্যাণে কাজ করে যাঁরা পদার্থ, রসায়ন, চিকিৎসা, শান্তি ও সাহিত্যে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন, তাঁদেরকে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়।

উৎস: Britannica.
২০৯.
‘ব্রায়ান লারা’ কোন দেশের খেলোয়ার?
  1. অস্ট্রেলিয়া
  2. দক্ষিণ আফ্রিকা
  3. জিম্বাবুয়ে
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
ব্রায়ান লারা:
- ব্রায়ান লারা একজন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার।
- তিনি শ্রেষ্ঠ ব্যাটসম্যানদের একজন হিসেবে ব্যাপকভাবে স্বীকৃত।
- তিনি ওয়েস্ট ইন্ডিজের একজন ব্যাটার।

উল্লেখ্য,
- ১৯৮৭–৮৮ সেশনে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে অভিষেক হয় ব্রায়ান চার্লস লারার।

উৎস: Britannica.
২১০.
'I Have a Dream' ভাষণটি কে প্রদান করেছিলেন?
  1. জর্জ ওয়াশিংটন
  2. নেলসন ম্যান্ডেলা
  3. মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র
  4. অ্যাডলফ হিটলার
ব্যাখ্যা

মার্টিন লুথার কিং:
- তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একজন সমাজকর্মী ও বর্ণবাদবিরোধী নেতা।
- তার জন্ম: ১৫ জানুয়ারী ১৯২৯, জর্জিয়া, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
- গুরুত্বপূর্ণ অবদান: বর্ণবাদ ও নিপীড়িত মানুষের অধিকার আদায়ের সংগ্রাম।
- বিখ্যাত ভাষণ: ‘I Have a Dream’- ২৮ আগস্ট, ১৯৬৩।
- ভাষণের বিষয়বস্তু: বিচ্ছিন্নতা এবং বর্ণবাদ মুক্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্বপ্ন।
- পুরস্কার: নোবেল শান্তি পুরস্কার ১৯৬৪।
- মৃত্যু: ৪ এপ্রিল, ১৯৬৮, মেম্ফিস, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (আততায়ীর গুলিতে)।

উৎস: ব্রিটানিকা।

২১১.
"The Idea of Justice" গ্রন্থের রচয়িতা কে?
  1. খালেদ রশিদ
  2. এইচ জি খোরানা
  3. অমর্ত্য সেন
  4. মালালা ইউসুফজাই
ব্যাখ্যা

অমর্ত্য সেন:
- অমর্ত্য সেন একজন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ভারতীয় বাঙালী অর্থনীতিবিদ ও দার্শনিক।
- ১৯৯৮ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেছিলেন অমর্ত্য সেন।
- দারিদ্র এবং দুর্ভিক্ষ নিয়ে গবেষণার জন্য পৃথিবী জুড়েই তিনি শ্রদ্ধা অর্জন করেছেন।
- তিনি হার্ভার্ড সোসাইটি অফ ফেলোস, ট্রিনিট্রি কলেজ, অক্সব্রিজ এবং ক্যামব্রিজের একজন সিনিয়র ফেলো।
- এছাড়াও তিনি ১৯৯৮ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত ক্যামব্রিজের ট্রিনিটি কলেজের মাস্টার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
- তিনি ইকোনমিস্ট ফর পিস অ্যান্ড সিকিউরিটির একজন ট্রাষ্টি।
- তিনিই প্রথম ভারতীয় শিক্ষাবিদ যিনি একটি অক্সব্রিজ কলেজের প্রধান হন।
- এছাড়াও তিনি প্রস্তাবিত নালন্দা আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসাবেও কাজ করেছেন।
- ২০০৬ সালে টাইম ম্যাগাজিন তাকে অনূর্ধ্ব ষাট বছর বয়সী ভারতীয় বীর হিসেবে চিহ্নিত করেছে।
- ২০১০ সালে তাকে বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় স্থান দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য,
- অমর্ত্য সেনের লেখা গ্রন্থাবলি ৩০টিরও বেশি ভাষায় অনূদিত হয়েছে।
- The Idea Of Justice-গ্রন্থটির রচয়িতা অমর্ত্য সেন।
- বইটি মূলত জন রলসের 'A Theory of Justice' (1971)-এর মৌলিক ধারণাগুলির একটি সমালোচনা এবং সংশোধন।

অন্যদিকে,
- Nuclear Weapons and Foreign Policy গ্রন্থটির রচয়িতা হেনরি কিসিঞ্জার।
- Long Walk to Freedom গ্রন্থটির রচয়িতা নেলসন ম্যান্ডেলা।
- Wings of Fire গ্রন্থটির রচয়িতা এপিজে আবদুল কালাম।

উৎস: Britannica.

২১২.
Who is the current mayor of London?
  1. Rajesh Agarwal
  2. Boris Johnson
  3. Sadiq Khan
  4. Ken Livingstone
ব্যাখ্যা
লন্ডনের বর্তমান মেয়র:
- লন্ডনের বর্তমান মেয়র সাদিক খান। (অক্টোবর, ২০২৪)
- তিনি পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত সাদিক খান।
- তৃতীয়বারের মতো লন্ডনের মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন তিনি।
- ২০০৫ সালে তিনি দক্ষিণ লন্ডনের টুটিং এলাকা থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
- তিনিই লন্ডনের প্রথম নেতা, যিনি টানা তিনবার এই পদে জয়ী হয়েছেন।
- লেবার পার্টির প্রার্থী সাদিক খান ২ লাখ ৭৬ হাজারের বেশি ভোটের ব্যবধানে কনজারভেটিভ পার্টির প্রার্থী সোসান হলকে হারিয়েছেন।
- ২০১৬ সালে প্রথম লন্ডনের মেয়র হন পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ নাগরিক সাদিক খান।
- এরপর ২০২০ সালে দ্বিতীয় দফায় নির্বাচিত হন তিনি।
- ২০২৪ সালের নির্বাচনেও পুনরায় নির্বাচিত হয়েছেন সাদিক খান।

যুক্তরাজ্য:
- সরকার ব্যবস্থা: সাংবিধানিক রাজতন্ত্র।
- সংবিধান: অলিখিত।
- সরকার প্রধান: প্রধানমন্ত্রী।
- বর্তমান প্রধানমন্ত্রী: কিয়ার স্টারমার। (অক্টোবর, ২০২৪)
- প্রথম প্রধানমন্ত্রী: রবার্ট ওয়ালপল।
- প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী: মার্গারেট থ্যাচার।
- যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী উইনস্টোন চার্চিল রাজনীতিবিদ হয়েও সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর সরকারী বাসভবন: ১০ নং ডাইনিং স্ট্রিট।
- রাষ্ট্র প্রধান: রানি বা রাজা।
- বর্তমান রাষ্ট্রপ্রধান: রাজা তৃতীয় চার্লস।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা ও সাদিক খানের ওয়েবসাইট।
২১৩.
নিম্নের কোন ব্যক্তি বর্ণবাদ বিরোধী আন্দোলনের সাথে জড়িত ছিলেন?
  1. এফ. ডব্লিউ ক্লার্ক
  2. নেলসন মেন্ডেলা
  3. মার্টিন লুথার কিং
  4. বর্ণিত সবাই
ব্যাখ্যা
• এফ. ডব্লিউ ক্লার্ক:
- দক্ষিণ আফ্রিকার শেষ শ্বেতাঙ্গ প্রেসিডেন্ট ছিলেন এফ. ডব্লিউ ক্লার্ক।
- ১৯৮৯-৯৪ সাল পর্যন্ত তিনি দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট ছিলেন।
- ১৯৯৩ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ প্রেসিডেন্ট নেলসন ম্যান্ডেলার সঙ্গে ডি ক্লার্ক যৌথভাবে নোবেল পুরস্কার পান।
- ক্লার্ক বর্ণবাদের অবসান এবং ক্ষমতা হস্তান্তরে সহায়তা করার জন্য ম্যান্ডেলার সঙ্গে যৌথভাবে নোবেল শান্তি পুরস্কার পান।

• নেলসন মেন্ডেলা:
- নেলসন ম্যান্ডেলা ১৮ জুলাই ১৯১৮ সালে পূর্ব কেপের এমভেজো গ্রামে মাদিবা বংশে জন্মগ্রহণ করেন।
- নেলসন মেন্ডেলার রাজনৈতিক দল - আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেস।
- ১৯৪২ সাল থেকে ক্রমবর্ধমান রাজনৈতিকভাবে জড়িত থাকাকালীন, ১৯৪৪ সালে আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেসে যোগদান করেন।
- তখন তিনি ANC যুব লীগ (ANCYL) গঠনে সহায়তা করেন।
- তিনি ছিলেন প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ প্রেসিডেন্ট।
- এফ ডব্লিউ ডি ক্লার্ক দেশের বর্ণবাদী ব্যবস্থার অবসান ঘটাতে সাহায্য করেছিলেন এবং সংখ্যাগরিষ্ঠ শাসনে শান্তিপূর্ণ পরিবর্তনের সূচনা করেছিলেন।
- ম্যান্ডেলা এবং ডি ক্লার্ক যৌথভাবে তাদের প্রচেষ্টার জন্য ১৯৯৩ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- তার মৃত্যু ৫ ডিসেম্বর ২০১৩, জোহানেসবার্গ- এ।

• মার্টিন লুথার কিং:
- মার্টিন লুথার কিং ছিলেন আফ্রিকান-আমেরিকান কৃষ্ণাঙ্গ মানবাধিকার কর্মী।
- যুক্তরাষ্ট্রের নিগ্রোদের অধিকার আদায়ে আন্দোলনের অহিংসবাদী নেতা ছিলেন মার্টিন লুথার কিং।
- মার্টিন লুথার কিং আমেরিকায় বর্ণবৈষম্য দূর করার পেছনে একজন অগ্রদূত হিসেবে কাজ করেছেন।
- ১৯৬৩ সালের ২৮ আগস্ট ওয়াশিংটনের লিঙ্কন মেমোরিয়ালের সিঁড়িতে দাঁড়িয়ে তিনি একটি ঐতিহাসিক ভাষণ দেন।
- ভাষণটি সবাই এখন 'I have a dream' শিরোনামে জানে।
- এই ভাষণে উঠে এসেছে নিগ্রোদের প্রতি অত্যাচারের কথা, তাদের বৈষম্যের শিকার হওয়ার কথা।

উৎস: Britannica.

২১৪.
কারাগারের রোজনামচা বইয়ের প্রকাশক কে?
  1. ক) দি ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড
  2. খ) বাংলা একাডেমি
  3. গ) বাংলাদেশ সরকারি মুদ্রণালয়
  4. ঘ) আনন্দ পাবলিশার্স
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রচিত দ্বিতীয় আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ হলো কারাগারের রোজনামচা। এটি ২০১৭ সালে বঙ্গবন্ধুর ৯৭তম জন্মবার্ষিকীতে বাংলা একাডেমি প্রকাশ করে। এই গ্রন্থটি মূলত একটি ডায়রি যা বঙ্গবন্ধু ১৯৬৬-১৯৬৮ সময়ে কারাগারে বন্দিবস্থায় লিখেছিলেন।
এর ভূমিকা লিখেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। নামকরণ করেন শেখ রেহেনা। প্রচ্ছদ ও নকশা করেন তারিক সুজাত। তবে প্রচ্ছদে ব্যবহৃত বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি অঙ্কন করেন শিল্পী রাসেল কান্তি দাশ।
(সূত্র: কারাগারের রোচনামচা)
২১৫.
জৈন ধর্মের প্রধান প্রচারক কে ছিলেন?
  1. গুরু নানক
  2. শঙ্করাচার্য
  3. মহাবীর
  4. ঋষভদেব
ব্যাখ্যা
জৈনধর্ম:
- জৈনধর্ম হলো ভারতীয় উপমহাদেশের একটি প্রাচীন ধর্ম।
- এই ধর্ম বিশ্বের প্রাচীনতম ধর্মমতগুলোর অন্যতম।
- জৈন শব্দটি এসেছে সংস্কৃত জিন শব্দ থেকে। সংস্কৃতিতে জিন অর্থ জয়ী।
- - জৈনদের প্রধান ধর্মগ্রন্থের নাম দ্ব্বাদশ অঙ্গ। জৈনদের দুটি প্রধান সমপ্রদায়ের নাম শ্বেতাম্বর ও দিগম্বর।

⇒ যে মানুষ আসক্তি, আকাঙ্ক্ষা, ক্রোধ, অহংকার, লোভ ইত্যাদি জয়ের মাধ্যমে পবিত্র অনন্ত জ্ঞান লাভ করেছে, তাকে জিন বলা হয়।
- জিনদের আচরিত ও প্রচারিত পথের অনুগামীদের বলে জৈন।
- এরা তাদের প্রধান ধর্মগুরুকে বলতেন তীর্থঙ্কর।
- জৈনরা তাদের ইতিহাসে চব্বিশজন তীর্থঙ্করের কথা উল্লেখ করেছেন।
- এঁদের শিক্ষাই জৈনধর্মের মূল ভিত্তি।
- প্রথম তীর্থঙ্করের নাম ঋষভনাথ এবং সর্বশেষ তীর্থঙ্করের নাম মহাবীর।

⇒ খ্রিস্টপূর্ব ৬ষ্ঠ শতাব্দীতে জৈনধর্মের সর্বাধিক প্রভাবশালী প্রচারক ছিলেন মহাবীর। তিনি জৈনধর্মের ২৪তম তীর্থঙ্কর। মহাবীরকে অনেক সময় ভুলবশত জৈনধর্মের প্রবর্তক মনে করা হয়। প্রকৃতপক্ষে জৈনধর্ম তাঁর আগে থেকে প্রচলিত ছিল এবং তিনি গোড়া থেকেই এই ধর্মের অনুগামী ছিলেন।
- মহাবীরের পূর্বসূরি ২৩তম তীর্থঙ্কর ছিলেন পার্শ্বনাথ।
- ২২তম তীর্থঙ্কর নেমিনাথ ছিলেন পার্শ্বনাথের পূর্বসূরি। 

উৎস: i) Britannica.
ii) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, ষষ্ঠ শ্রেণি।
২১৬.
লিপজিগের যুদ্ধে ইউরোপের ষষ্ঠ কোয়ালিশিন নেপোলিয়ানকে পরাজিত করে নির্বাসনে পাঠায়-
  1. ক) হনশু দ্বীপে
  2. খ) এলবা দ্বীপে
  3. গ) সেন্ট হেলেনা দ্বীপে
  4. ঘ) সেনকাকু দ্বীপে
ব্যাখ্যা
১৮১৩ সালে লিপজিগের যুদ্ধে ইউরোপের ষষ্ঠ কোয়ালিশিনের কাছে পরাজিত হন নেপোলিয়ান। একই বছর তাকে ক্ষমতাচ্যুত করে ফ্রান্স দখল করে নেয় কোয়ালিশন। ১৮১৪ সালে নেপোলিয়ানকে এলবা দ্বীপে নির্বাসনে পাঠানো হয়। কিছুদিন পরই নেপোলিয়ান সেখান থেকে পালিয়ে যান। তাকে গ্রেফতার করতে অষ্টদশ লুইয়ের নেতৃত্বে একদল সেনাবাহিনী পাঠানো হয়। কিন্তু নাটকীয়ভাবে সৈন্যদলটি নেপোলিয়ানের সঙ্গে হাত মিলায়। তারা ফিরে এসে ফ্রান্স দখল করেন এবং নেপোলিয়ান আবার ফ্রান্সের ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হন। ১৮১৫ সালের ওয়াটার লু যুদ্ধে নেপোলিয়নের পরাজয় হয় ও তাকে সেন্ট হেলেনা দ্বীপে নির্বাসন দেওয়া হয়।
সূত্র- বাংলাদেশ টাইমস পত্রিকা এবং worldatlas ওয়েবসাইট।
২১৭.
মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন রচিত আত্মজীবনী কোনটি?
  1. My Autobiography
  2. Wings of Fire
  3. My Life: A Spoken Autobiography
  4. My Life
ব্যাখ্যা
বিল ক্লিনটন:
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৪২তম প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন।
- তিনি ১৯ আগস্ট, ১৯৪৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের আরকানসাসে জন্ম গ্রহন করেন।
- তিনি দুই মেয়াদে (১৯৯৩-২০০১) আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ছিলেন।
- তাঁর রাজনৈতিক দল ডেমোক্রেটিক পার্টি।
- তিনি নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের সিনেটর হিলারি ক্লিনটনের স্বামী।

⇒ তাঁর আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ:
- My Life (2004).

উল্লেখ্য,
- তার লিখা আরও কিছু বইসমূহ,
• Giving: How Each of Us Can Change the World (2007).
• Back to Work: Why We Need Smart Government for a Strong Economy (2011).
• The President's Daughter (2021).
• The President is Missing (Novel).

অন্যদিকে,
- Wings of Fire ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতি এপিজে আবুল কালামের আত্মজীবনীমূলক বই।
- My Life: A Spoken Autobiography: ফিদেল ক্যাস্ট্রোর আত্মজীবনীমূলক বই।

উৎস: Britannica.
২১৮.
জৈনদের প্রথম তীর্থঙ্কর কে ছিলেন?
  1. ঋষভনাথ
  2. মহাবীর
  3. পার্শ্বনাথ
  4. গোপীনাথ
ব্যাখ্যা

জৈনধর্ম:
- জৈনধর্ম হলো ভারতীয় উপমহাদেশের একটি প্রাচীন ধর্ম। এই ধর্ম বিশ্বের প্রাচীনতম ধর্মমতগুলোর অন্যতম।
- জৈনদের প্রধান ধর্মগ্রন্থের নাম দ্বাদশ অঙ্গ। জৈনদের দুটি প্রধান সমপ্রদায়ের নাম শ্বেতাম্বর ও দিগম্বর।

⇒ জৈন শব্দটি এসেছে সংস্কৃত জিন শব্দ থেকে। সংস্কৃতিতে জিন অর্থ জয়ী। যে মানুষ আসক্তি, আকাঙ্ক্ষা, ক্রোধ, অহংকার, লোভ ইত্যাদি জয়ের মাধ্যমে পবিত্র অনন্ত জ্ঞান লাভ করেছে, তাকে জিন বলা হয়। জিনদের আচরিত ও প্রচারিত পথের অনুগামীদের বলে জৈন।
- এরা তাদের প্রধান ধর্মগুরুকে বলতেন তীর্থঙ্কর।
- জৈনরা তাদের ইতিহাসে চব্বিশজন তীর্থঙ্করের কথা উল্লেখ করেছেন।
- এঁদের শিক্ষাই জৈনধর্মের মূল ভিত্তি।
- জৈনদের প্রথম তীর্থঙ্করের নাম ঋষভনাথ এবং সর্বশেষ তীর্থঙ্করের নাম মহাবীর।

⇒ খ্রিস্টপূর্ব ৬ষ্ঠ শতাব্দীতে জৈনধর্মের সর্বাধিক প্রভাবশালী প্রচারক ছিলেন মহাবীর। তিনি জৈনধর্মের ২৪তম তীর্থঙ্কর। মহাবীরকে অনেক সময় ভুলবশত জৈনধর্মের প্রবর্তক মনে করা হয়। প্রকৃতপক্ষে জৈনধর্ম তাঁর আগে থেকে প্রচলিত ছিল এবং তিনি গোড়া থেকেই এই ধর্মের অনুগামী ছিলেন।
- মহাবীরের পূর্বসূরি ২৩তম তীর্থঙ্কর ছিলেন পার্শ্বনাথ।
- ২২তম তীর্থঙ্কর নেমিনাথ ছিলেন পার্শ্বনাথের পূর্বসূরি। 

উৎস: i) Britannica.
ii) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, ষষ্ঠ শ্রেণি। 

২১৯.
স্টিফেন হকিং কে?
  1. একজন পদার্থবিজ্ঞানী
  2. একজন চিকিৎসাবিজ্ঞানী
  3. একজন জীববিজ্ঞানী
  4. একজন প্রকৌশলী
ব্যাখ্যা

স্টিফেন হকিং: 
- স্টিফেন হকিং ছিলেন একজন বিখ্যাত ব্রিটিশ তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী।
- তিনি মূলত ব্ল্যাক হোল বা কৃষ্ণগহ্বর সম্পর্কিত গবেষণার জন্য পরিচিত।
- তার গবেষণায় তিনি আপেক্ষিক তত্ত্ব (relativity theory) এবং কোয়ান্টাম মেকানিক্স (quantum mechanics) – এই দুই জটিল তত্ত্বকে একত্রে প্রয়োগ করেন।

তার রচনাসমূহ:
- The Large Scale Structure of Space-Time (1973; coauthored with G.F.R. Ellis), 
- Superspace and Supergravity (1981), 
- The Very Early Universe (1983), 
- A Brief History of Time: From the Big Bang to Black Holes (1988), 
- The Universe in a Nutshell (2001), 
- A Briefer History of Time (2005), and 
- The Grand Design (2010; coauthored with Leonard Mlodinow).

উৎস: Britannica.

২২০.
চীনা পরিব্রাজক হিউয়েন সাঙ এর দীক্ষাগুরু কে ছিলেন?
  1. অতীশ দীপঙ্কর
  2. মাহয়ান
  3. শিলভদ্র
  4. মেগাস্থিনিস
ব্যাখ্যা
হিউয়েন সাঙ:
- একজন বিখ্যাত চীনা বৌদ্ধ তীর্থযাত্রী।
- তিনি ৬২৯ খ্রিস্টাব্দে ভারতের উদ্দেশ্যে চীন থেকে যাত্রা শুরু করেন।
- ভারতে তিনি প্রায় পনের বছর অতিবাহিত করেন।
- এর অনেকটা সময় তিনি বিহারে অবস্থিত প্রাচীন ভারতের বিখ্যাত বৌদ্ধ শিক্ষাকেন্দ্র নালন্দা মহাবিহারে অতিবাহিত করেন।
- হিউয়েন সাঙ এর দীক্ষাগুরু ছিলেন শিলভদ্র।
- তখন নালন্দা বিহারের অধ্যক্ষ ছিলেন বাঙালি বৌদ্ধ পন্ডিত শীলভদ্র।
- হিউয়েন সাও শীলভদ্রের নিকট শিক্ষা গ্রহণ করেন।
- ৬৪৫ খ্রিস্টাব্দে হিউয়েন সাঙ চীনে ফিরে যান


তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
২২১.
Who abolished slavery in the United States?
  1. Abraham Lincoln
  2. George H. W. Bush
  3. Ronald Reagan
  4. James Carter
  5. Gerald R. Ford
ব্যাখ্যা
যুক্তরাষ্ট্রে দাসপ্রথা বিলুপ্ত:
- ১৮৬৫ সালের ১৮ ডিসেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী গৃহীত হয়।
- এই ত্রয়োদশ সংশোধনী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে দাসপ্রথা বিলুপ্ত করে

উল্লেখ্য,
- ১৮৬০ সালে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপাবলিকান প্রার্থী হিসাবে আব্রাহাম লিংকন ইউনাইটেড স্টেটের ১৬তম প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।
- ১৮৬০ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগেই লিংকন দাস প্রথা বিলুপ্তির পক্ষে স্পষ্ট অবস্থান নেন।
- ১৮৬৩ সালের ১৯ নভেম্বর লিংকন পেনসালভেনিয়ার গেটিসবার্গের যুদ্ধক্ষেত্রে দাঁড়িয়ে এক হৃদয়স্পর্শী ভাষণে বলেন, ‘গণতন্ত্র হলো জনগণের সরকার, জনগণের দ্বারা সরকার, জনগণের জন্য সরকার।’
- তার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে দাসপ্রথা বিলুপ্ত হয়।

উৎস: History Channel.
২২২.
এলন মাস্ক কীসের জন্য বিখ্যাত?
  1. ক) ইলেক্ট্রিক গাড়ি
  2. খ) সুপার কম্পিউটার
  3. গ) মোবাইল ফোন
  4. ঘ) রোবটিক্স
ব্যাখ্যা
এলন মাস্ক মহাকাশযান, ইলেকট্রিক গাড়ি ও অনলাইন ট্রানসেকশন এই তিন ইন্ডাস্ট্রিকে আমূল বদলে দিয়েছেন। তিনি পে-প্যাল, টেসলা মটরস সহ স্পেস এক্সপ্লোরেশন টেকনোলজি(SpaceX), জিপ২(zip2) এবং সোলার সিটির(SolarCity) সহপ্রতিষ্ঠাতা। একই সাথে ওপেন এ.আই(OpenAI) এর কো-চেয়ারম্যান।
২২৩.
ফা-হিয়েন যখন বাংলা ভ্রমণ করেন তখন বাংলার শাসক কে ছিলেন?
  1. গিয়াস উদ্দীন আজম শাহ 
  2. দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্ত
  3. ফখরুদ্দীন মুবারক শাহ
  4. আলাউদ্দীন হুসেন শাহ
ব্যাখ্যা
- দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্তের রাজত্বকালে চীনা পরিব্রাজক ফা-হিয়েন ভারতবর্ষে আসেন।
- বাংলায় ভ্রমণকারী প্রথম চীনা পরিব্রাজক। 
-  গুপ্ত শাসনামলে ৩৯৯ খ্রিস্টাব্দে তিনি ভারতের উদ্দেশ্যে চীন থেকে যাত্রা শুরু করেন এবং ১৪ বছর পর চীনে ফিরে যান।
- ফা-হিয়েনের ভ্রমন বৃত্তান্ত ‘ফো-কুয়ো-কিং’ নামে পরিচিত। এটি ভারতের ইতিহাসের একটি বিশিষ্ট ও
প্রামাণ্য দলিল।

তথ্যসূত্র -ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি(উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়) এবং বাংলাপিডিয়া।
২২৪.
মহাকাশে ভ্রমণকারী প্রথম নভোচারী কে ছিলেন?
  1. ভ্যালেন্টিনা তেরেসকোভা
  2. নীল আর্মস্ট্রং
  3. মাইকেল কলিন্স
  4. ইউরি গ্যাগারিন
ব্যাখ্যা
ইউরি গ্যাগারিন:
- মহাকাশে প্রথম ভ্রমণকারী ইউরি গ্যাগারিন।
- সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের মহাকাশ অভিযাত্রী ইউরি গ্যাগারিন। 
- মহাকাশে তিনিই হলেন প্রথম মানব অভিযাত্রী।
- ১৯৬১ সালের ১৯ এপ্রিল তিনি মহাকাশে পৃথিবীর কক্ষপথ পরিভ্রমণ করেন। 
- ভস্তোক–১ নভোযানে তিনি মহাকাশে যান।
- গ্যাগারিন মহাকাশে ছিলেন ১০৮ মিনিট।
- মাত্র দেড় ঘণ্টার মতো সময়ে তিনি পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করেন।
- পরে সুস্থ ও সুন্দরভাবে পৃথিবীতে ফিরে আসেন। 

উৎস: Britannica.
২২৫.
সানশাইন পলিসি এর প্রবক্তা কে?
  1. ইউন সুক ইওল
  2. কিম ইয়ং-স্যাম
  3. কিম দায়ে জং
  4. কোয়াক সাং-হুন
ব্যাখ্যা
• Sunshine Policy:
- Sunshine Policy- এর সাথে জড়িত- উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়া।
- দুই কোরিয়ার সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য ১৯৯০-এর দশকে দক্ষিণ কোরিয়া এক নীতি গ্রহন করে যা ‘সানসাইন পলিসি’ (Sunshine Policy) নামে পরিচিত।
- এই পলিসির আওতায় দুই কোরীয়ার শীর্ষ নেতাদের মধ্যে কয়েকটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় এবং সম্পর্ক স্বাভাবিক করার চেষ্টা চালানো হয়।
- Sunshine Policy-র প্রবক্তা দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট কিম দায়ে জং।
- Sunshine Policy বাস্তবায়নের কারনে ২০০০ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পান- কিং দায়ে জং।

উৎস: ব্রিটানিকা।
২২৬.
অ্যাডলফ হিটলার জার্মানির চ্যান্সেলর নির্বাচিত হয় কত সালে?
  1. ১৯৩০ সালে
  2. ১৯৪৪ সালে
  3. ১৯৩৩ সালে
  4. ১৯২০ সালে
ব্যাখ্যা

অ্যাডলফ হিটলার:
- ১৮৮৯ সালের এপ্রিল মাসে অস্ট্রিয়ার ব্রাউনাউ গ্রামে অ্যাডলফ হিটলার জন্মগ্রহণ করেন।
- অ্যাডলফ হিটলার ১৯৩৩ সালে জার্মানির চ্যান্সেলর নির্বাচিত হন।
-১৯৪৫ সালের এপ্রিলে আত্মহত্যার পূর্ব পর্যন্ত তিনি জার্মানির চ্যান্সেলর ছিলেন।
- তার রাজনৈতিক দলের নাম নাৎসী (Nazi) পার্টি।
- হিটলারের গোপন পুলিশ বাহিনী গেস্টাপো নামে পরিচিত।
- যুদ্ধই জীবন, যুদ্ধই সর্বজনীন বলেছেন- হিটলার।
- হিটলার মৃত্যু বরণ করেন- ৩০ এপ্রিল, ১৯৪৫ সালে।

উৎস: Britannica.com.

২২৭.
কলম্বিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট জুয়ান ম্যানুয়েল সান্তোস কোন গেরিলা সংগঠনের সাথে শান্তিচুক্তির জন্য নোবেল পুরস্কার লাভ করেন?
  1. ফার্ক
  2. টুপাক আমরু
  3. কন্ট্রা
  4. এলটিটিই
ব্যাখ্যা
জুয়ান ম্যানুয়েল সান্তোস:
- জুয়ান ম্যানুয়েল সান্তোস কলম্বিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট।
- তিনি ২০১০ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত কলম্বিয়ার রাষ্ট্রপতি ছিলেন।

উল্লেখ্য,
- কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট জুয়ান ম্যানুয়েল সান্তোস মার্কসবাদী গেরিলা সংগঠন 'ফার্ক'-এর সাথে ২০১৬ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর একটি শান্তিচুক্তি স্বাক্ষর করেছেন।
- দীর্ঘ ৪ বছর ধরে আলোচনার পর তিনি শান্তি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
- কলম্বিয়ার পার্লামেন্ট ২০১৬ সালের ৩০ নভেম্বর এই শান্তি চুক্তিটি অনুমোদন করেছে।
- তিনি বামপন্থি ফার্ক বিদ্রোহীদের সঙ্গে ৫২ বছরের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের অবসানের প্রচেষ্টা চালানোর জন্য ২০১৬ দালে শান্তিতে নোবেল পেয়েছেন।

উৎস: Britannica.
২২৮.
'গেটিসবার্গ ভাষণ' দিয়েছিলেন কে?
  1. নেলসন ম্যান্ডেলা
  2. জর্জ ওয়াশিংটন
  3. আব্রাহাম লিংকন
  4. ফ্র্যাঙ্কলিন রুজভেল্ট
ব্যাখ্যা

আব্রাহাম লিংকন:
- আব্রাহাম লিংকন আমেরিকার ১৬তম প্রেসিডেন্ট ছিলেন।
- ১৮৬১ সাল- ১৮৬৫ সাল পর্যন্ত তিনি আমেরিকার প্রেসিডেন্ট পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন।
- যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় গৃহযুদ্ধ (১৮৬১–১৮৬৫) সংঘটিত হয় তাঁর প্রেসিডেন্সির সময়।
- ১৮৬৩ সালে তিনি Emancipation Proclamation ঘোষণা করেন, যার মাধ্যমে দক্ষিণের বিদ্রোহী রাজ্যগুলোর দাসদের মুক্ত ঘোষণা করা হয়।

উল্লেখ্য,
- গেটিসবার্গের ভাষণ (Gettysburg Address) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকনের একটি বিখ্যাত ভাষণ।
- ১৮৬৩ সালের  ১৯ নভেম্বর পেনসিলভানিয়ার গেটিসবার্গে শহীদের স্মরণে সংক্ষিপ্ত ভাষণ দেন লিংকন।
- মাত্র তিন মিনিটে ২৭২ শব্দের বক্তৃতা শেষ করেন লিংকন।
- তিনি তাঁর ভাষণে বলেন, Government of the People , by the People, for the People.  অর্থাৎ, ‘গণতন্ত্র হচ্ছে জনগণের সরকার, জনগণের দ্বারা এবং জনগণের জন্য’।
- যা গণতন্ত্রের সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ সংজ্ঞা হিসেবে আজও বিবেচিত।
- তিনি ১৫ এপ্রিল ১৮৬৫ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে মৃত্যুবরণ করেন।

তথ্যসূত্র - Britannica.

২২৯.
কোন যুদ্ধে আহতদের সেবা করে ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল 'লেডি উইথ দ্যা ল্যাম্প' খেতাব পান?
  1. ওয়াটার লু
  2. ক্রিমিয়ার যুদ্ধ
  3. ফরাসি বিপ্লব
  4. আমেরিকার গৃহযুদ্ধ
ব্যাখ্যা

ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল:
- তিনি ১২ মে ১৮২০ সালে ইতালিতে জন্মগ্রহন করেন।
- একজন স্বেচ্ছাসেবক নার্স হিসাবে, তাকে ক্রিমিয়ান যুদ্ধের সময় তুরস্কের সামরিক বাহিনীতে নার্সিংয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল।
- 'ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল' নামটি ক্রিমিয়ার যুদ্ধের সাথে জড়িত।
- ক্রিমিয়ার যুদ্ধে আহতদের সেবা করে ফ্লোরেন্স নাইটেঙ্গেল 'লেডি উইথ দ্যা ল্যাম্প' খেতাব পান।
- ক্রিমিয়ার যুদ্ধে নার্সিং ইতিহাসের বৈপ্লবিক উন্নয়ন ও পরিবর্তন ঘটেছিল অপ্রতুল চিকিৎসা সেবার আলো হাতে নিয়ে পাশে এসে দাঁড়ান ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল।
- ফ্লোরেন্স নাইটিংগেল কে লেডি উইথ দ্য ল্যাম্প বলা হয়।
- তাকে আধুনিক নার্সিংয়ের অগ্রদূতও বলা হয়।
- তিনি ১৩ আগস্ট ১৯১০ সালে লন্ডনে মৃত্যুবরণ করেন।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

২৩০.
জো বাইডেন কততম মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসাবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন?
  1. ৪৬তম
  2. ৪৪তম
  3. ৪৭তম
  4. ৪৮তম
ব্যাখ্যা
জো বাইডেন:
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।
- তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হয়।
- ৩ নভেম্বর, ২০২০ সালে অনুষ্ঠিত নির্বাচনের মধ্য দিয়ে তিনি জয়লাভ করেন।
- ২০ জানুয়ারি, ২০২১ সাল থেকে তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

উল্লেখ্য,
- জো বাইডেনের রাজনৈতিক দলের নাম ডেমোক্রেটিক পার্টি।
- ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রতীক ছিল - গাধা ।

উৎস: ২০ জানুয়ারি, ২০২১, আল জাজিরা।
২৩১.
সীমান্ত গান্ধী নামে পরিচিত-
  1. রাজীব গান্ধী
  2. ইন্দিরা গান্ধী
  3. মহাত্মা গান্ধী
  4. আব্দুল গাফফার খান
ব্যাখ্যা
আব্দুল গাফফার খান:
- আব্দুল গাফফার খান ভারতে ব্রিটিশ শাসনে তার অহিংস জন্য একজন পশতুন বংশোদ্ভূত ভারতীয় রাজনৈতিক ব্যক্তি ছিলেন।
- তৎকালীন ভারতের উত্তর ও পশ্চিম সীমান্তে বিশৃঙ্খলা ও সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা রোধে মহাত্মা গান্ধীর অহিংস নীতি প্রচার ও ধারণ করেন তিনি।
- তিনি এবং তার অনুসারীরা ১৯২৯ সালে  শুরু করেন এক অহিংস আন্দোলন।
- এজন্য তাকে সীমান্ত গান্ধী  উপাধি দেওয়া হয় ধারণা করা হয়।
- এছাড়াও তিনি সর্বদা মহত্মা গান্ধী অহিংসা নীতির একজন  একনিষ্ঠ  সমর্থক ছিলেন। 
- ১৯৬৭ সালে নেহেরু পুরস্কার পান। 
- ১৯৮৭ সালে ভারত রত্ন পুরস্কার পান।

উল্লেখ্য, 
- তিনি প্রথম ভারত রত্ন পুরস্কার প্রাপক অ-ভারতীয় ব্যক্তি।

উৎস: Britannica.
২৩২.
বর্তমানে পৃথিবীতে কোন ধর্মাবলম্বী লোকের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি?
  1. মুসলমান
  2. খ্রিস্টান
  3. বৌদ্ধ
  4. হিন্দু
ব্যাখ্যা
পৃথিবীতে ধর্মীয় জনসংখ্যা:
- বিশ্বের প্রাথমিক ধর্ম দুটি ভাগে বিভক্ত। 
- যথা: আব্রাহামিক ধর্ম যেমন: খ্রিস্টান, ইহুদি ধর্ম এবং ইসলাম;
- এবং ভারতীয় ধর্ম যেমন: হিন্দুধর্ম, বৌদ্ধধর্ম, শিখ ধর্ম এবং অন্যান্য অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
- বিশ্বের প্রধান ধর্মগুলির মধ্যে, খ্রিস্টান ধর্ম সবচেয়ে বড়, যার অনুসারী দুই বিলিয়নেরও বেশি।
- খ্রিস্টধর্ম যীশু খ্রিস্টের জীবন এবং শিক্ষার উপর ভিত্তি করে এবং প্রায় ২০০০ বছরের পুরানো। 

অন্যদিকে -
- বিশ্বব্যাপী আনুমানিক ১.৮ বিলিয়ন অনুসারীসহ দ্বিতীয় সর্বাধিক প্রচলিত ধর্ম হল ইসলাম।
- আনুমানিক ১.১ বিলিয়ন অনুসারীসহ হিন্দুধর্ম হল বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম ধর্ম এবং সেইসঙ্গে প্রাচীনতম ধর্মগুলির মধ্যে একটি। 
- বিশ্বব্যাপী প্রায় ৫০০ মিলিয়ন অনুসারীসহ চতুর্থ বহুল প্রচলিত ধর্ম হল বৌদ্ধধর্ম।

উৎস: Britannica.
২৩৩.
The book 'How to Avoid a Climate Disaster' is written by
  1. ক) Jeff Bezos
  2. খ) Larry Page
  3. গ) Mark Zuckerberg
  4. ঘ) Bill Gates
ব্যাখ্যা
- 'How to Avoid a Climate Disaster'-এর রচয়িতা- বিল গেটস।
- বইটি হচ্ছে -জলবায়ু বিপর্যয় এড়ানোর উপায় সম্পর্কে। 
- বইটিতে বিল গেটস জলবায়ু বিপর্যয় এড়াতে কীভাবে পৃথিবী শূন্য গ্রীনহাউস গ্যাস নির্গমনে যেতে পারে তার জন্য একটি বিস্তৃত, ব্যবহারিক-এবং অ্যাক্সেসযোগ্য-পরিকল্পনা নির্ধারণ করেছেন৷
- তিনি তার বইতে বলেন আমাদের প্রয়োজন প্রতি বছর বায়ুমণ্ডল থেকে ৫১ বিলিয়ন টন গ্রিনহাউস গ্যাস অপসারণ করতে হবে।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
২৩৪.
“On Liberty” গ্রন্থটির রচয়িতা কে?
  1. প্লেটো
  2. জন স্টুয়ার্ট মিল
  3. জন লক
  4. এরিস্টটল
ব্যাখ্যা

জন স্টুয়ার্ট মিল:
- জন স্টুয়ার্ট মিল একজন ইংরেজ দার্শনিক, অর্থনীতিবিদ এবং উপযোগবাদের প্রবক্তা।
- জন স্টুয়ার্ট মিল (John Stuart Mill) তার বিখ্যাত 'On Liberty'.
- এ গ্রন্থে বলেন, 'মানুষের মৌলিক শক্তির বলিষ্ঠ, অব্যাহত ও বিভিন্নমুখী প্রকাশই স্বাধীনতা।'

• তার রচিত গ্রন্থসমূহ:
- Considerations on Representative Government,
- Examination of Sir William Hamilton's Philosophy,
- On Liberty,
- Principles of Political Economy,
- The Subjection of Women,
- Utilitarianism.

অন্যদিকে, 
- প্লেটোর বিখ্যাত বই: The Republic.
• জন লক বিখ্যাত বই: 
- An Essay Concerning Human Understanding.
- Two Treatises of Government.

উৎস: ব্রিটানিকা ।

২৩৫.
কিউবার নেতা ফিদেল ক্যাস্ত্রো কত তারিখ মারা যান?
  1. ক) ২৫ নভেম্বর ২০১৬
  2. খ) ২৬ ডিসেম্বর ২০১৬
  3. গ) ২৯ নভেম্বর ২০১৬
  4. ঘ) ৩০ ডিসেম্বর ২০১৬
ব্যাখ্যা
কিউবার বিপ্লবী মহানায়ক ফিদেল কাস্ত্রো। কিউবার তৎকালীন প্রেসিডেন্ট বাতিস্তা ও কিউবার ওপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে বিপ্লবের ময়দানে সক্রিয় হন কাস্ত্রো। ১৯৫৩ সালে বাতিস্তা সরকার উৎখাতের আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন তিনি। এ জন্য তাকে কারাবরণ করতে হয়। ১৯৫৬ সালে চে গুয়েভারাকে সঙ্গে নিয়ে বাতিস্তা সরকারের বিরুদ্ধে শুরু করেন গেরিলা যুদ্ধ। ১৯৫৯ সালে কিউবান বিপ্লবের মাধ্যমে পূর্বতন একনায়ক রাষ্ট্রপতি ফুলগেনসিও বাতিস্তাকে অপসারণ করেন এবং একদলীয় কমিউনিস্ট শাসন প্রতিষ্ঠা করেন। চে গুয়েভারা ছিলেন এই আন্দোলনের অন্যতম নেতা। বিখ্যাত টাইম ম্যাগাজিন চে গুয়েভারাকে ‘কাস্ত্রোর মস্তিষ্ক’ বলে আখ্যায়িত করেছিল। তিনি ২৫ নভেম্বর, ২০১৬ সালে মৃত্যুবরণ করেন।
সূত্র- বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকা ও ব্রিটানিকা।
২৩৬.
ইউরোমানি জার্নাল কোন শহর থেকে বের হয়?
  1. ক) প্যারিস
  2. খ) বার্লিন
  3. গ) লন্ডন
  4. ঘ) ব্রাসেলস
  5. ঙ) লুক্সেমবার্গ সিটি
ব্যাখ্যা
ইউরোমানি হলো লন্ডন থেকে ইংরেজি ভাষায় প্রকাশিত একটা মাসিক ম্যাগাজিন। এটি ১৯৬৯ সাল থেকে প্রকাশ হয়ে আসছে। এটি ব্যবসা ও আর্থিক বিষয়াদি সম্পর্কিত একটি ম্যাগাজিন। এর সম্পাদক ক্লিভ হোরওরড। (সূত্রঃ ইউরোমানি ডটকম)
২৩৭.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ‘ফেডারেল রিজার্ভ সিস্টেম’-এর প্রথম নারী চেয়ারম্যান কে?
  1. জ্যানেট ইয়েলেন
  2. তেরেসকোভা ইলিয়েন
  3. ক্যারোলিনা ভার্জিনিয়া
  4. জর্ডান ফারার
ব্যাখ্যা

ফেডারেল রিজার্ভ সিস্টেম:
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংকিং কর্তৃপক্ষ।
- এটি মার্কিন সরকারের জন্য একটি আর্থিক এজেন্ট হিসেবে কাজ করে, বাণিজ্যিক ব্যাংকের রিজার্ভ অ্যাকাউন্টের তত্ত্বাবধায়কমার্কিন মিন্টের সাথে সমন্বয় করে মুদ্রাসহ মুদ্রা সরবরাহের তত্ত্বাবধান করে।
- সিস্টেমটি ফেডারেল রিজার্ভ আইন দ্বারা তৈরি করা হয়েছিল, যা রাষ্ট্রপতি উড্রো উইলসন ২৩ ডিসেম্বর, ১৯১৩ সালে আইনে স্বাক্ষর করেছিলেন।
- বোর্ড অফ গভর্নরসের চেয়ারম্যান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি দ্বারা চার বছরের মেয়াদে নিযুক্ত হন।

উল্লেখ্য,
- ২০১৪ সালে ফেডারেল রিজার্ভ সিস্টেম-এর প্রথম নারী চেয়ারম্যান হিসেবে নিযুক্ত হন জ্যানেট ইয়েলেন।
- তিনি ২০১৮ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন।
- যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম নারী অর্থমন্ত্রী তিনি। 

 উৎস: Britannica.

২৩৮.
"Citizenship in a Republic" - কার লেখা বই?
  1. ক) আব্রাহাম লিঙ্কন
  2. খ) প্লেটো
  3. গ) থিওডর রুজভেল্ট
  4. ঘ) জিমি কার্টার
ব্যাখ্যা
থিওডর রুজভেল্ট:
- যুক্তরাষ্ট্রের ২৬তম প্রেসিডেন্ট। তিনি - ১৯০১ থেকে ১৯০৯ পর্যন্ত প্রেসিডেন্ট ছিলেন।
- ইতিহাসবিদ ও লেখক। তার বিখ্যাত বই - Citizenship in a Republic (বক্তৃতা), The Rough Riders, The Naval War of 1812, The Strenuous Life (বক্তৃতা) ইত্যাদি।
মূলত এগুলো তার বিভিন্ন সময়ে প্রদত্ত বকৃতা।
- তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম নোবেল বিজয়ী প্রেসিডেন্ট।

উৎস: Whitehouse ওয়েবসাইট ও ব্রিটানিকা।
২৩৯.
শান্তিতে নোবেল পুরস্কার প্রত্যাখানকারী একমাত্র ব্যক্তি কে?
  1. লি ডাক থো
  2. সল বে লো
  3. স্যার সামুয়েলসন
  4. হরগোবিন্দ খোরানা
ব্যাখ্যা
⇒ শান্তিতে নোবেল পুরস্কার প্রত্যাখানকারী একমাত্র ব্যক্তি লি ডাক থো।

লি ডাক থো:
- তিনি ১৯১১ সালের ১৪ অক্টোবর ভিয়েতনামে জন্ম গ্রহণ করেন।
- তিনি ভিয়েতনামের রাজনীতিবিদ।
- ১৯৭৩ সালে তাঁকে শান্তির জন্য নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু থো তা প্রত্যাখ্যান করেছিলেন।
- লি ডাক থো ছিলেন ১৯৩০ সালে ইন্দোচাইনিজ কমিউনিস্ট পার্টির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা।
- তিনি ১৯৯০ সালের ১৩ অক্টোবর ভিয়েতনামে মৃত্যুবরণ করেন।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
২৪০.
গ্রিসের কোন নাট্যকার একশটিরও বেশি নাটক রচনা করেন?
  1. ক) এসকাইলাস
  2. খ) সোফোক্লিস
  3. গ) ইউরিপিদিস
  4. ঘ) এরিস্টোফেনেস
ব্যাখ্যা
‘এসকাইলাস’কে বিয়োগান্তক নাটকের জনক বলা হয়। তার রচিত বিখ্যাত দুটি নাটকের নাম ‘প্রমিথিউস বাউন্ড’ ও ‘আগামেমন’। গ্রিসের শ্রেষ্ঠ নাট্যকার ছিলেন সোফোক্লিস। তিনি একশটিরও বেশি নাটক রচনা করেন। তার বিখ্যাত নাটকের মধ্যে রাজা ‘অয়দিপাউস’, ‘আন্তিগোনে’ ও ‘ইলেকট্রা’ অন্যতম। আর এক বিখ্যাত নাট্যকারের নাম ইউরিপিদিস। এরিস্টোফেনেসের মিলনান্তক ও ব্যঙ্গ রচনায় বিশেষ খ্যাতি ছিল।
সূত্র- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা ৯ম-১০ম শ্রেণি(উন্মুক্ত)।
২৪১.
অক্সফোর্ড ব্লু নামে পরিচিত কে?
  1. ইমরান খান
  2. রিকি পন্টিং
  3. শচীন টেন্ডুলকার
  4. জ্যাক ক্যালিস
ব্যাখ্যা
অক্সফোর্ড ব্লু:
- পাকিস্তানের সাবেক ক্রিকেটার ও ১৯৯২ সালের বিশ্বকাপ জয়ী অধিনায়ক ইমরান খানকে 'অক্সফোর্ড ব্লু' নামে ডাকা হয়।
- মাত্র ১৬ বছর বয়সে লাহোরে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে ইমরানের।
- ঘরোয়া ক্রিকেটে লাহোর এ, লাহোর বি ও লাহোর গ্রিনসের পক্ষে খেলেছেন।
- পাকিস্তানের হয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলার পূর্বে তিনি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্লুজ ক্রিকেট দল, ওরচেস্টারশায়ার, দাউদ ইন্ডাস্ট্রিজ, পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইন্স এবং সাসেক্সের হয়েও খেলেছেন।
- এখানে রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের সঙ্গে তার পরিচয় হয়।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা।
২৪২.
বিগ ব্যাং তত্ত্বের প্রবর্তক কে ছিলেন?
  1. স্টিফেন হকিং
  2. জর্জ ল্যামেটার
  3. আইনস্টাইন
  4. নিউটন
ব্যাখ্যা
জর্জ ল্যামেটার: 
- জর্জ ল্যামেটার ছিলেন বিগ ব্যাং তত্ত্বের প্রবর্তক। 
- জন্ম: ১৭ জুলাই ১৮৯৪, শার্লেরোই, বেলজিয়াম। 
- মৃত্যু: ২০ জুন ১৯৬৬, লুভেন, বেলজিয়াম। 
- পেশা: জ্যোতির্বিজ্ঞানী ও মহাজাগতিকবিদ। 
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধে বেলজিয়ান সেনাবাহিনীর তোপখানা অফিসার হিসেবে কাজ করেন।
- যুদ্ধের পর ধর্মযাজকতা গ্রহণ করে ১৯২৩ সালে পুরোহিত নিযুক্ত হন।
- পরবর্তীতে ক্যামব্রিজ ইউনিভার্সিটি ও MIT-তে গবেষণা করেন।
- ১৯২৭ সালে ক্যাথলিক ইউনিভার্সিটি অব লুভেনে অধ্যাপক নিযুক্ত হন।
- গ্যালাক্সির সরে যাওয়া ও আইনস্টাইনের আপেক্ষিকতাবাদ ব্যবহার করে বিগ ব্যাং তত্ত্ব প্রকাশ করেন।
- জর্জ গ্যামোভের সংশোধনী সহ, এটি আধুনিক মহাজাগতিক তত্ত্বের ভিত্তি হয়ে ওঠে।
- জর্জ ল্যামেটার বিজ্ঞান ও দর্শনের সংযোগ ঘটিয়ে মহাবিশ্বের উৎপত্তির ব্যাখ্যা প্রদানকারী একজন পথিকৃৎ ছিলেন।

উৎস: Britannica.
২৪৩.
ফিদেল কাস্ত্রো কোন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান ছিলেন?
  1. মেক্সিকো
  2. ভেনিজুয়েলা
  3. কিউবা
  4. পানামা
ব্যাখ্যা
ফিদেল কাস্ত্রো:
- ফিদেল কাস্ত্রো কিউবার রাষ্ট্রপ্রধান ছিলেন। 
- জন্ম: ১৩ আগস্ট, ১৯২৬ – বিরান, কিউবা
- মৃত্যু: ২৫ নভেম্বর, ২০১৬ – কিউবা
- পদবি: কিউবার শাসক (১৯৫৯–২০০৮), প্রধানমন্ত্রী ও পরবর্তীতে রাষ্ট্রপতি
- তিনি পশ্চিম গোলার্ধে প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেন।
- লাতিন আমেরিকায় কমিউনিস্ট বিপ্লবের প্রতীক হিসেবে পরিচিত হন।
- ১৯৫৯ সালে কিউবার রাজনৈতিক নেতৃত্বে আসেন।
- ১৯৭৬ পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী, এরপর রাষ্ট্রপতি ও মন্ত্রী পরিষদের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- ২০০৬ সালে স্বাস্থ্যগত কারণে ক্ষমতা অস্থায়ীভাবে হস্তান্তর করেন এবং ২০০৮ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে সরে দাঁড়ান।
- ফিদেল কাস্ত্রো কিউবাকে সমাজতান্ত্রিক পথে পরিচালিত করে মার্কিনবিরোধী অবস্থানের জন্য বিশ্বব্যাপী আলোচিত এবং বিতর্কিত নেতা হিসেবে ইতিহাসে জায়গা করে নিয়েছেন।

উৎস: Britannica.
২৪৪.
আইফেল টাওয়ারের স্থপতি কে?
  1. এফ আর খান
  2. টাওয়ার হ্যামলেট
  3. গুস্তাভ আইফেল
  4. রক ডি ফেলার
ব্যাখ্যা
- ফরাসি বিপ্লবের একশ বছরের মাথায় ১৮৮৯ সালের ৩১ মার্চ পৃথিবীর অন্যতম আকর্ষণীয় স্থাপত্য আইফেল টাওয়ার উদ্বোধন করা হয়।
- এর নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছিলো ২৮ জানুয়ারি ১৮৮৭ সালে।
- এর স্থপতি হলেন ফরাসি স্থপতি গুস্তাভ আইফেল।
- আইফেল টাওয়ার প্যারিসে অবস্থিত।
- সম্পূর্ণ মেটাল দিয়ে তৈরি আইফেল টাওয়ারের উচ্চতা ৯৮৪ ফুট।
(তথ্যসূত্রঃ হিস্টোরি ডটকম)
২৪৫.
যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা সংগ্রামের নায়ক-
  1. জর্জ ওয়াশিংটন
  2. আব্রাহাম লিঙ্কন
  3. রুজভেল্ট
  4. কলম্বাস
ব্যাখ্যা
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র:

- স্বাধীনতা লাভ করে - ৪ জুলাই, ১৭৭৬ সালে যুক্তরাজ্য থেকে।
- যুক্তরাষ্ট্রে জাতীয় দিবস - ৪ জুলাই।
- অঙ্গরাজ্য - ৫০ টি।
- সর্বশেষ অঙ্গরাজ্য -  হাওয়াই।
- পতাকায় তারকা সংখ্যা - ৫০ টি।
- আইনসভা - কংগ্রেস (দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট)।
- কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ এবং উচ্চকক্ষ সিনেট পরিষদ।
- যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান প্রেসিডেন্ট- জো বাইডেন (৪৬ তম)।
- যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা সংগ্রামের নায়ক জর্জ ওয়াশিংটন।
- প্রথম প্রেসিডেন্ট - জর্জ ওয়াশিংটন।
- যুক্তরাষ্ট্রকে স্ট্যাচু অব লিবার্টি উপহার দেয় কোন দেশ - ফ্রান্স।
- যুক্তরাষ্ট্রে ক্রীতদাস প্রথা বিলোপকারী প্রেসিডেন্টের নাম  - আব্রাহাম লিংকন।
- আব্রাহাম লিংকন ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের - ১৬ তম প্রেসিডেন্ট।
- যুক্তরাষ্ট্র থেকে ক্রীতদাস প্রথা বিলোপ হয় - ১৮৬৩ সালে।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যে প্রেসিডেন্ট কখনো হোয়াইট হাউজে বসবাস করেননি - জর্জ ওয়াশিংটন।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
২৪৬.
নেলসন ম্যান্ডেলা কোন দেশের রাষ্ট্রপতি ছিলেন?
  1. ঘানা
  2. কেনিয়া
  3. নাইজেরিয়া
  4. দক্ষিণ আফ্রিকা
ব্যাখ্যা
নেলসন ম্যান্ডেলা: 
- নেলসন ম্যান্ডেলা ছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদবিরোধী অবিসংবাদিত নেতা এবং প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ রাষ্ট্রপতি (১৯৯৪-৯৯)।
- দশকের পর দশক বর্ণবাদ আইনের বিরুদ্ধে লড়াই–সংগ্রামে সোচ্চার ছিল ম্যান্ডেলার দল আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেস (এএনসি)।
- দলটির সংগ্রামের মূল আদর্শ ছিল ‘সাদা-কালো ভেদাভেদ নেই, সব মানুষের সমান অধিকার’।
- ১৯৯৪ সালের ২৭ এপ্রিলের সাধারণ নির্বাচনে এএনসি দুর্দান্তভাবে বিজয়ী হয়।
- এটা ছিল দক্ষিণ আফ্রিকার ইতিহাসে প্রথম গণতান্ত্রিক নির্বাচন। 
- পার্লামেন্টের ৪০০ আসনের মধ্যে এএনসি জয় পায় ২৫২টি আসনে।
- ১৯৯৪ সালের ১০ মে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেন ম্যান্ডেলা।

উল্লেখ্য,
- ১৯১৮ সালের ১৮ জুলাই দক্ষিণ আফ্রিকার কেপটাউনের কুনু গ্রামে নেলসন ম্যান্ডেলার জন্ম। 
- দেশবাসী তাঁকে ভালোবেসে ‘মাদিবা’ নামে ডাকে। এর অর্থ ‘জাতির জনক’।
- দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন লড়াই ও সংগ্রাম করেছেন তিনি।
- নাশকতার অভিযোগে মামলায় ১৯৬৪ সালের ১ জুন ম্যান্ডেলাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
- নিপীড়িত মানুষের পক্ষ নেওয়ায় রোবেন দ্বীপে  কারাগারে থেকেছেন টানা ২৭ বছর।
- অবশেষে ১৯৯০ সালের ২ ফেব্রুয়ারি প্রেসিডেন্ট এফ ডব্লিউ ডি ক্লার্ক দক্ষিণ আফ্রিকার পার্লামেন্টে দাঁড়িয়ে বর্ণবাদী শাসন অবসানের কথা ঘোষণা করেন।
- এরপর ১১ ফেব্রুয়ারি নিঃশর্ত মুক্তি দেওয়া হয় ম্যান্ডেলাকে।
- ১৯৯৩ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার পান এবং ১৯৯৪ সালে প্রকাশিত হয় ম্যান্ডেলার আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ ‘লং ওয়াক টু ফ্রিডম’।

তথ্যসূত্র: পত্রিকা রিপোর্ট। [Link]
২৪৭.
IAEA এর বর্তমান মহাপরিচালক কে?
  1. ইউকিয়ো আমানো
  2. হাওলিন ঝাও
  3. রাফায়েল মারিয়ানো গ্রসি
  4. ট্রিস্তান বাসেইন
ব্যাখ্যা
- আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থার (IAEA-International Atomic Energy Agency) বর্তমান মহাপরিচালক হলেন আর্জেন্টিনার নাগরিক রাফায়েল মারিয়ানো গ্রসি।
- ২০১৯ সালের ৩ ডিসেম্বর তিনি সংস্থাটির ৭ম মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
- IAEA এর সদরদপ্তর অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায় অবস্থিত।
- IAEA ১৯৫৭ সালের ২৯ জুলাই প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৭৩টি।
- IAEA ২০০৫ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করে।
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালে IAEA এর সদস্যপদ লাভ করে।
(তথ্যসূত্রঃ IAEA ওয়েবসাইট)
২৪৮.
‘The Idea of Justice’ বইটি কোন বিশিষ্ট  লেখকের রচিত ?
  1. বার্ট্রান্ড রাসেল 
  2. এডাম স্মিথ
  3. অমর্ত্য সেন
  4. জন লক
ব্যাখ্যা

•The idea of Justice:
- ​অমর্ত্য সেনের "দ্য আইডিয়া অফ জাস্টিস" ২০০৯ সালে প্রকাশিত হয়।
- সামাজিক ন্যায়বিচারের ধারণা নিয়ে গভীর বিশ্লেষণ করা হয়েছে।

• অমর্ত্য সেন:
- জন্ম:  ১৯৩৩ খ্রিস্টাব্দের ৩ নভেম্বর।
- জন্ম স্থান: মানিকগঞ্জ জেলায়।
- তার পিতা আশুতোষ মুখোপাধ্যায় ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়নের অধ্যাপক।
- ১৯৯৮ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

⇒ তার কয়েকটি বিখ্যাত বই:
• On Economic Inequality.
• Poverty and Famines : An Essay on Entitlements and Deprivation.
• Choice, Welfare and Measurement.
• Food Economics and Entitlements.
• On Ethics and Economics.
• Hunger and Public Action.
• The Quality of Life.

তথ্যসূত্র: Britannica.

২৪৯.
মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র ছিলেন-
  1. বর্ণবৈষম্যের বিরোধী নেতা
  2. রাষ্ট্রপ্রধান
  3. পরিবেশবাদী নেতা
  4. সাংবাদিক
ব্যাখ্যা
• মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র (Martin Luther King Jr.)
- মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র ছিলেন একজন আমেরিকান বাপ্তিস্ট ধর্মযাজক, সামাজিক অধিকারকর্মী ও নাগরিক অধিকার আন্দোলনের নেতা।
- তিনি আফ্রিকান-আমেরিকানদের প্রতি বর্ণবৈষম্যের বিরুদ্ধে শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে পরিচিতি লাভ করেন।
- জন্ম: ১৫ জানুয়ারি, ১৯২৯।
- জন্মস্থান: আটলান্টা, জর্জিয়া, যুক্তরাষ্ট্র।
- “I Have a Dream” ভাষণ (১৯৬৩)।
- ওয়াশিংটনে মার্চ ফর জবস অ্যান্ড ফ্রিডম (March on Washington) নামক বিশাল সমাবেশে কিং তাঁর বিখ্যাত ভাষণ দেন।
- এই ভাষণে তিনি জাতিগত ঐক্য ও সমতার স্বপ্ন ব্যক্ত করেন:
- “I have a dream that one day this nation will rise up and live out the true meaning of its creed...”
-  নোবেল শান্তি পুরস্কার (১৯৬৪)।
- বর্ণবৈষম্য বিলুপ্তিতে অহিংস ভূমিকার জন্য মাত্র ৩৫ বছর বয়সে তিনি এই পুরস্কারে ভূষিত হন।
- মৃত্যু: ৪ এপ্রিল, ১৯৬৮
- স্থান: মেমফিস, টেনেসি, যুক্তরাষ্ট্র
- ঘটনা: এক বর্ণবাদী আততায়ীর গুলিতে নিহত হন।
- যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি বছর জানুয়ারির তৃতীয় সোমবার “Martin Luther King Jr. Day” হিসেবে পালিত হয়।

উৎস: Britannica.
২৫০.
‘যুদ্ধই জীবন, যুদ্ধই সার্বজনীন’- উক্তিটি কার?
  1. বেনিতো মুসোলিনী
  2. অ্যাডলফ হিটলার
  3. ভ্লাদিমির লেনিন
  4. কার্ল মার্ক্স
ব্যাখ্যা
যুদ্ধই জীবন, যুদ্ধই সর্বজনীন বলেছেন- হিটলার। 
'War is eternal, war is universal. There is no beginning and there is no peace. War is life. Any struggle is war. War is the origin of all things.'-Adolf Hitler, 1932

অ্যাডলফ হিটলার:
- অ্যাডলফ হিটলার ছিলেন নাৎসি পার্টির প্রধান নেতা।
- অ্যাডলফ হিটলার অস্ট্রীয় বংশোদ্ভূত জার্মান রাজনীতিবিদ।
- এডলফ হিটলারের জন্ম অস্ট্রিয়াতে।
- তিনি ন্যাশনাল সোশ্যালিস্ট জার্মান ওয়ার্কার্স পার্টির নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।
- অ্যাডলফ হিটলার ১৯৩৩ সালে জার্মানির চ্যান্সেলর নির্বাচিত হন।
- ১৯৪৫ সালের এপ্রিলে আত্মহত্যার পূর্ব পর্যন্ত তিনি জার্মানির চ্যান্সেলর ছিলেন।
- হিটলারের গোপন পুলিশ বাহিনী গেস্টাপো নামে পরিচিত।
- হিটলারের আত্মজীবনীর নাম Mein Kamph.
- ফুয়েরার বা নেতা/পথ প্রদর্শক হলো হিটলারের উপাধি ।
- হিটলার আত্মহত্যা করেন- ৩০ এপ্রিল, ১৯৪৫ সালে।

উৎস: Britannica.
২৫১.
নিচের কোনটি লিওনার্দো দা ভিঞ্চি এর শিল্পকর্ম নয়?
  1. The Last Supper
  2. The Virgin of the Rocks
  3. The Last Judgment
  4. The Vitruvian Man
ব্যাখ্যা
The Last Judgment লিওনার্দো দা ভিঞ্চি এর শিল্পকর্ম নয়। এটি মাইকেল এঞ্জেলো-এর শিল্পকর্ম। 

লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি:
- লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি একজন ইতালীয় রেনেসাঁ পলিমাথ, চিত্রশিল্পী, ভাস্কর, স্থপতি, সংগীতশিল্পী, বিজ্ঞানী, গণিতবিদ, প্রকৌশলী, উদ্ভাবক, অ্যান্টোনিস্ট, ভূতত্ত্ববিদ, ম্যাগাজিনর, উদ্ভিদবিদ এবং লেখক।
- তিনি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মানবতার একজন।
- লিওনার্দো ফ্লোরেন্স কাছাকাছি Tuscany, ছোট শহরে ভ্যানি মধ্যে জন্মগ্রহণ করেন।

⇒ তাঁর বিখ্যাত শিল্পকর্ম:
- The Last Supper, Mona Lisa, The Vitruvian Man, The Portrait of a Lady with an Ermine, The Virgin of the Rocks, The Baptism of Christ, The Adoration of the Magi (1481), The Virgin and Child with St Anne (1510), The Madonna and Child with St. Anne, The Madonna and Child with a Cat, Portrait of Ginevra de' Benci (1474-1476)।

উৎস: Britannica.
২৫২.
'দ্য গোল্ডেন নোটবুক' এর লেখক কে?
  1. মার্গারেট অ্যাটউড
  2. সিলভিয়া প্লাথ
  3. ভার্জিনিয়া উলফ
  4. ডরিস লেসিং
ব্যাখ্যা
• ডরিস লেসিং:
- জন্ম: ২২ অক্টোবর, ১৯১৯ সালে।
- ২০০৭ সালে নোবেল পুরস্কার  লাভ করেন।
- 'দ্য গোল্ডেন নোটবুক' ১৯৬২ সালে প্রকাশিত হয়েছে।
- উপন্যাসটিতে নারী ঔপন্যাসিক আনা উলফের সঙ্কট উপস্থাপন করা হয়েছে।
- মৃত্যু:  ১৭ নভেম্বর ২০১৩ সালে।

উল্লেখযোগ্য কাজ:
- Children of Violence,
- The Cleft,
- The Golden Notebook,
- The Grass Is Singing, 
- The Memoirs of a Survivor, 
- The Sweetest Dream,
- Time Bites.

উৎস:ব্রিটানিকা.কম।[লিঙ্ক]
২৫৩.
Nobel Laureate in peace in 2009 was awarded to
  1. ক) Bill Clinton
  2. খ) Dr. Yunus
  3. গ) Nelson Mandela
  4. ঘ) Barak Obama
  5. ঙ) Desmond Tutu
ব্যাখ্যা
নোবেল প্রাপ্ত মার্কিন প্রেসিডেন্ট:

- এ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক ৪ জন প্রেসিডেন্ট শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন।
- থিওডোর রুজভেল্ট ১৯০৬ সালে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন।
- উড্রো উইলসন ১৯১৮ সালে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন।
- জিমি কার্টার ২০০২ সালে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন। 
- বারাক ওবামা ২০০৯ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন।

তথ্যসূত্র - যুক্তরাষ্ট্রের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
২৫৪.
'অহিংসা পরম ধর্ম'- এটি কোন ধর্মাবলম্বীদের মূলমন্ত্র?
  1. হিন্দু
  2. খ্রিস্টান
  3. বৌদ্ধ
  4. ইহুদি
ব্যাখ্যা
• বৌদ্ধ ধর্ম: 
- বৌদ্ধ ধর্মের আবির্ভাব ঘটে হিন্দু ধর্মের কঠোর বর্ণবাদ ও ব্রাহ্মাণ্যবাদের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক প্রতিবাদ হিসেবে।
- সমাজে মানুষের সমানাধিকার, সার্বিক কল্যাণ ও সেবার নীতি নিয়েই বৌদ্ধ ধর্মের আবির্ভাব লক্ষ্য করা যায়।
- বৌদ্ধ ধর্মের প্রবর্তক মহান গৌতমবুদ্ধ।
- তিনি বর্ণবাদ ও ব্রাহ্মাণ্যবাদকে চরমভাবে ঘৃণা করতেন।
- বৌদ্ধ ধর্মের মূলমন্ত্র হচ্ছে 'অহিংসা পরম ধর্ম'।

• গৌতমবুদ্ধ বাস্তব দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে জগত ও জীবন অবলোকন করে চারটি সত্যে উপনীত হন। যথা:-
১) পৃথিবীর সবকিছুই দুঃখময়।
২) দুঃখের অবশ্যই কোন না কোন কারণ রয়েছে।
৩) দুঃখ নিরোধের কোন না কোন উপায় অবশ্যই আছে।
৪) দুঃখের নিরোধ সম্ভব এবং অবশ্যই সম্ভব।

এছাড়াও,
- তিনি দুঃখ নিরোধের পন্থা হিসেবে আটটি উপায়ের কথা বলেন। যেমন-
 ১। সৎজীবন ) সৎকর্ম ৩) সৎবাক্য ৪) সৎচিন্তা ৫) সৎ ইচ্ছা ৬) সৎচেষ্টা ৭) সৎ দৃষ্টি ও ৮) সৎ লোভ।

উৎস: সমাজকল্যাণ ১ম পত্র, এইচ এসসি, প্রোগ্রাম, উন্মক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৫৫.
‘মেগাস্থিনিস’ ছিলেন−
  1. ক) আলেকজান্ডারের প্রেরিত দূত
  2. খ) আলেকজান্ডারের প্রধান সেনাপতি
  3. গ) সেলুকাসের প্রেরিত দূত
  4. ঘ) সেলুকাসের প্রধান সেনাপতি
ব্যাখ্যা
- ‘মেগাস্থিনিস’ ছিলেন সেলুকাসের প্রেরিত দূত। 
- সিরিয়ার গ্রিক রাজা ছিলেন সেলুকাস। 
- ‘ইন্ডিকা’ গ্রন্থের রচয়িতা মেগাস্থিনিস। 
- এই গ্রন্থে চন্দ্রগুপ্তের ব্যক্তিগত জীবন ও শাসন ব্যবস্থার বিস্তৃত বর্ণনা আছে।
 
উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৫৬.
জনপ্রিয় ‘Harry Potter’ সিরিজের লেখক কে?
  1. জে কে রাউলিং
  2. রোল্ড ডাহল
  3. রোনাল্ড জ্যাকস
  4. জ্যাকলিন উইলসন
ব্যাখ্যা
Harry Potter:
- হ্যারি পটার হলো সাত খন্ডের কাল্পনিক উপন্যাসের একটি সিরিজ।
- জনপ্রিয় ‘হ্যারি পটার’ সিরিজের লেখক হলেন জে কে রাউলিং।
- এই সিরিজের মোট উপন্যাস ৭টি।
- সাতটি উপন্যাস ১৯৯৭ সাল থেকে ২০০৭ সালেরে মধ্যে প্রকাশিত হয়।
- এই সিরিজের প্রথম উপন্যাস ‘হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্যা ফিলসফরাস স্টোন’।
- ‘হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্যা ডেডলি হ্যালোস’ হলো এই সিরিজের সপ্তম উপন্যাস।
- ২০০১ সালের ১৬ নভেম্বর মুক্তি পায় হ্যারি পটার সিরিজের প্রথম সিনেমা ‘হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্যা ফিলসফরাস স্টোন’।
- এই সিরিজের প্রতিটি সিনেমায় হ্যারি পটার, রন উইজলি ও হারমায়োনি গ্রেঞ্জারের ভূমিকায় অভিনয় করের যথাক্রমে ড্যানিয়েল র‍্যাডক্লিফ, রুপার্ট গ্রিন্ট ও এমা ওয়াটসন।
- জে কে রাউলিং মূল চরিত্রে অভিনয় করার জন্য নিজেই ড্যানিয়েল র‍্যাডক্লিফকে বেছে নিয়েছিলেন।
 
উল্লেখ্য,
- ইংল্যান্ডে জে কে রাউলিং-এর জন্ম ১৯৬৫ সালে।
- ১৯৯০ সালে ট্রেনে ম্যানচেস্টার থেকে লন্ডন যাওয়ার সময় হ্যারি পটার চরিত্রটির ভাবনা মাথায় আসে।
- ট্রেনে বসেই শুরু করেন লিখতে।
- তাঁর লেখা বইগুলো ৪০ কোটির বেশি কপি বিক্রি হয়, অনূদিত হয় প্রায় ৬৫টি ভাষায়। 
 
উৎস: Britannica.
২৫৭.
জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের বর্তমান চেয়ারম্যান-
  1. ক) মিজানুর রহমান
  2. খ) নাসিমা বেগম
  3. গ) ইকবাল মাহমুদ
  4. ঘ) রানি হামিদ
ব্যাখ্যা
জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের বর্তমান চেয়ারম্যান - নাসিমা বেগম।
তাঁর পূর্বে চেয়েরম্যান ছিলেন অধ্যাপক মিজানুর রহমান।
দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ।
রানী হামিদ দেশের বিখ্যাত মহিলা দাবাড়ু।
উৎসঃ জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের ওয়েবসাইট।
২৫৮.
ওয়েস্টফেলিয়া চুক্তির ফলাফল কোনটি?
  1. ইউরোপের সাম্রাজ্যবাদ বন্ধ
  2. এশিয়ার সাম্রাজ্যবাদ বন্ধ
  3. এশিয়ার ধর্ম যুদ্ধের অবসান
  4. ইউরোপের ধর্ম যুদ্ধের অবসান
ব্যাখ্যা
• ওয়েস্টফেলিয়ার চুক্তি: 
- ওয়েস্টফেলিয়া চুক্তি জার্মানি তথা সমগ্র ইউরোপের ইতিহাসে একটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা।
- এটি একাধিক চুক্তির সমন্বয়ে গঠিত হয় এবং ১৬৪৮ সালে জার্মান শহর ওসনাব্রুক ও মুনস্টারে সাক্ষরিত হয়।
- এই চুক্তি আধুনিক ইতিহাসের অন্যতম বিভৎস ইউরোপের ধর্মযুদ্ধের অবসান ঘটিয়ে এক নতুন যুগের সূচনা করে।  

উল্লেখ্য, 
- ওয়েস্টফেলিয়া চুক্তির মাধ্যমে ক্যাথলিক এবং প্রোটেস্ট্যান্ট সম্প্রদায়ের মধ্যে সুদীর্ঘকালের ধর্মবিরোধের অবসান ঘটে এবং জার্মান রাষ্ট্রের পুনর্গঠন সম্ভব হয়।
- চুক্তির শর্তসমূহ ধর্মীয় এবং রাজনৈতিক, এই দুই দৃষ্টিভঙ্গি থেকে মূল্যায়ন করা যেতে পারে। ধর্মীয় দিক থেকে, ত্রিশবছরের যুদ্ধ অমিমাংসিতভাবে শেষ হয় এবং পশ্চিম জার্মানি প্রোটেস্ট্যান্টদের অধীনে থাকে। এই চুক্তি ইউরোপের ইতিহাসে নতুন এক যুগের সূচনা করেছে। 

সুত্র: আন্তর্জাতিক রাজনীতিকোষ - তারেক শামসুর রেহমান।
২৫৯.
'The Audacity of Hope' বইটি কার লেখা?
  1. ক) বারাক ওবামা
  2. খ) জর্জ ওয়াশিংটন
  3. গ) হেনরী কিসিঞ্জার
  4. ঘ) বিল ক্লিনটন
ব্যাখ্যা
'The Audacity of Hope' বইটি সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার লেখা। বিল ক্লিনটনের লেখা বইয়ের নাম My Life। Source: nytimes.com
২৬০.
ডিনামাইট আবিষ্কার করেন কে?
  1. উইলিয়াম রন্টজেন
  2. রবার্ট ওপেনহাইমার
  3. হেনরি বেকেরেল
  4. আলফ্রেড নোবেল
ব্যাখ্যা
আলফ্রেড নোবেল:
- জন্ম: ২১ অক্টোবর, ১৮৩৩ (স্টকহোম, সুইডেন)
- মৃত্যু: ১০ ডিসেম্বর, ১৮৯৬ (সান রেমো, ইতালি)
- তিনি ছিলেন একজন সুইডিশ রসায়নবিদ, প্রকৌশলী ও শিল্পপতি।
- তিনি ডিনামাইট ও আরও শক্তিশালী বিস্ফোরক আবিষ্কার করেন।
- তার বিপ্লবী আবিষ্কার বিশ্বব্যাপী নির্মাণ ও খনিশিল্পে প্রভাব ফেলে।
- আলফ্রেড নোবেল তার উপার্জিত অর্থের বড় অংশ একটি তহবিলে রেখে যান, যার ভিত্তিতে শুরু হয় নোবেল পুরস্কার প্রদান।
- এই পুরস্কার বিশ্বব্যাপী শান্তি, সাহিত্য, বিজ্ঞান ইত্যাদি ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য প্রদান করা হয়।

উৎস: Britannica.
২৬১.
মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা কত সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন?
  1. ২০০৮ সালে
  2. ২০০৯ সালে
  3. ২০১০ সালে
  4. ২০১১ সালে
ব্যাখ্যা
বারাক ওবামা:
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা।
- ২০০৮ সালে মাত্র ৪৭ বছর বয়সে যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ প্রেসিডেন্ট হিসেবে হোয়াইট হাউসে প্রবেশ করেন।
- ২০০৯ সালের ২০ জানুয়ারি শপথ নেন তিনি।
- তিনি ছিলেন ডেমোক্র্যাটিক পার্টির সদস্য।
- দেশটির ৪৪তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেন বারাক ওবামা।
- এর আগে আইনজীবী ও সামাজিক সংগঠক হিসেবে কাজ করেন তিনি।
- দুই মেয়াদে টানা আট বছর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ছিলেন ওবামা।

উল্লেখ্য,
- বারাক ওবামা যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হওয়ার আগে বলেছিলেন, ‘ইয়েস উই ক্যান’ (হ্যাঁ, আমরা পারি)।
- আর ক্ষমতা ছাড়ার আগে দেওয়া শেষ ভাষণে তাঁর দাবি ছিল, ‘ইয়েস উই ডিড’ (হ্যাঁ, আমরা পেরেছি)। 
- ২০০৯ সালে শান্তিতে নোবেল পান মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা।

উৎস:  Britannica.
২৬২.
ওপেনহাইমের মতে আইনের উৎস কয়টি?
  1. ১টি
  2. ৪টি
  3. ৬টি
  4. ৭টি
ব্যাখ্যা
আইন:
- অর্থাৎ মানবজাতির বৃহত্তর কল্যাণে মানুষের আচার-আচরণ নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে রাষ্ট্র যে সকল বিধি নিষেধ প্রণয়ন করে সাধারণভাবে সেগুলোকেই আইন বলা হয়।
- রাষ্ট্র সঠিকভাবে পরিচালনা করার জন্য আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা অপরিহার্য।
- আইনের শাসনের অর্থ হচ্ছে আইনের দৃষ্টিতে সকল নাগরিকের সমতা।
- আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হলে সমাজ থেকে অন্যায়, বিশৃঙ্খলা, নৈরাজ্য দূর হয়।
- ফলে সমাজে স্থিলিশীলতা আসে এবং শান্তি বিরাজ করে।
- আইনের শাসন না থাকলে সবল-দুর্বল, ধনী-দরিদ্রের ব্যবধান প্রকট হতে থাকে

⇒ জন অস্টিনের মতে আইনের উৎস ১টি। যথা:
১. সার্বভৌমের আদেশ।

⇒ অধ্যাপক হল্যান্ডের মতে আইনের উৎস ৬টি। যথা:
১. প্ৰথা,
২. ধর্ম,
৩. বিচারকের রায়,
৪. ন্যায়বিচার,
৫. বিজ্ঞানসম্মত আলোচনা,
৬. আইনসভা।

⇒ ওপেনহাইমের মতে আইনের উৎস ৭টি। যথা:
১. প্ৰথা,
২. ধর্ম,
৩. বিচারকের রায়,
৪. ন্যায়বিচার,
৫. বিজ্ঞানসম্মত আলোচনা,
৬. আইনসভা,
৭. জনমত।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
২৬৩.
আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি কত সালে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা (Supreme Leader) নির্বাচিত হন? 
  1. ১৯৭৯ সালে
  2. ১৯৮১ সালে
  3. ১৯৮৯ সালে
  4. ১৯৯৭ সালে
ব্যাখ্যা

আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি:
- আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা।
- আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির মৃত্যুর পর ১৯৮৯ সালে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা (Supreme Leader) নির্বাচিত হন  এবং তিনি তখন থেকে এই পদে রয়েছেন। 

উল্লেখ্য,
- সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি এখন দেশটির সামরিক বাহিনীর কমান্ডার-ইন-চীফ।
- দেশের সব বড় বা গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে তার সম্মতি দরকার হয়।

⇒ ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতার শাসনের এই ব্যবস্থা চালু হয় ১৯৭৯ সালে ইসলামি বিপ্লবের পর থেকে। ইসলামি বিপ্লবের মাধ্যমে ইরানে রেজা শাহ পাহলভীর রাজতন্ত্রকে উৎখাত করা হয়। তাকে উৎখাতের পর ইরানে ধর্মীয় প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এরপর দেশটি দুজন সুপ্রিম লিডার বা সর্বোচ্চ নেতা পেয়েছে। তাদের পদবী হিসেবে আয়াতুল্লাহ ব্যবহার করা হয়, শিয়া ধর্মাবলম্বীদের কাছে যার অর্থ সিনিয়র ধর্মীয় নেতা।
- ১৯৬২ সালে আলী খামেনি শাহ মোহাম্মদ রেজা পাহলভির বিরুদ্ধাচরণকারী আয়াতুল্লাহ খোমেনির ধর্মীয় আন্দোলনে যোগ দেন।
- ১৯৭৯ সালে ইরানে ইসলামি বিপ্লবের পর আলী খামেনি বিপ্লবী পরিষদে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে তিনি উপ-প্রতিরক্ষামন্ত্রী হন এবং ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড কোরকে সংগঠিত করতে সহায়তাও করেন। এই বিপ্লবী গার্ড ইরানের অন্যতম শক্তিশালী প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়।
- ১৯৮১ সালে দেশটির বামপন্থী বিদ্রোহী গোষ্ঠীর ইরানের রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ-আলী রাজাইকে হত্যা করে।
- রাজাইয়ের মৃত্যুর পর তার উত্তরসূরি হিসেবে আলী খামেনি ইরানের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। আট বছর ধরে আনুষ্ঠানিক এই পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন তিনি।
- ১৯৮৯ সালের জুনে খোমেনির মৃত্যুর পর বিশেষজ্ঞ পরিষদ (ধর্মীয় আলেমদের একটি পরিষদ) আলী খামেনিকে নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নির্বাচিত করে।

উৎস: i) BBC.
ii) Britannica.

২৬৪.
কাকে 'Grand Old Man of India' বলা হয়?
  1. মহাত্মা গান্ধী
  2. জওহরলাল নেহেরু
  3. বল্লভভাই পটেল
  4. দাদাভাই নওরোজি
ব্যাখ্যা

দাদাভাই নওরোজী:
- 'The Grand Old Man of India' হিসাবে পরিচিত ছিলেন দাদাভাই নওরোজি।

⇒ তিনি একাধারে একজন বুদ্ধিজীবী, শিক্ষাবিদ, ব্যবসায়ী ও সামাজিক নেতা। এশীয়দের মধ্যে তিনিই প্রথম ব্রিটিশ পার্লামেন্টের সদস্য। 
- ভারতীয়দের মধ্যে তিনিই প্রথম ব্রিটিশ পার্লামেন্টের সদস্য।
- তিনি ছিলেন ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস-এর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা।
- ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসে ১৮৮৬, ১৮৯৩ এবং ১৯০৬ সালে তিনি সভাপতি ছিলেন।
- ১৮৫৫ সালে দাদাভাই নওরেজি প্রথম বারের মতো ব্রিটেন সফরে আসেন।

উল্লেখ্য,
-  তার লেখা বই ‘পভার্টি এন্ড আন-ব্রিটিশ রুল ইন ইন্ডিয়া’ সর্বপ্রথম ভারতের সম্পদ ব্রিটেনে স্থানান্তর করার বিষয়টি সবার নজরে নিয়ে আসে।
- তার স্মৃতির সম্মানে ২০১৪ সালে ব্রিটেনের উপ-প্রধানমন্ত্রী নিক ক্লেগ ব্রিটেন ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের লক্ষে ‘দাদাভাই নওরোজি পুরষ্কার’ চালু করেন।

উৎস: Britannica.

২৬৫.
“যুদ্ধই জীবন, যুদ্ধই সর্বজনীন” —উক্তিটি কার?
  1. নেপোলিয়ন বোনাপার্ট 
  2. মার্টিন লুথার কিং
  3. অ্যাডলফ হিটলার 
  4. জর্জ ওয়াশিংটন 
ব্যাখ্যা

• অ্যাডলফ হিটলার: 
- ১৮৮৯ সালের ২০ এপ্রিল অস্ট্রিয়ার ব্রাউনাউ গ্রামে অ্যাডলফ হিটলার জন্মগ্রহণ করেন।
- তার রাজনৈতিক দলের নাম নাৎসী (Nazi)পার্টি।
- ১৯৩৩ সালে তিনি জার্মানির চ্যান্সেলর নির্বাচিত হন।
- ১৯৪৫ সালের এপ্রিলে আত্মহত্যার পূর্ব পর্যন্ত তিনি জার্মানির চ্যান্সেলর ছিলেন।
- হিটলারের গোপন পুলিশ বাহিনী ছিল গেস্টাপো (Gestapo)।
- “যুদ্ধই জীবন, যুদ্ধই সর্বজনীন” — উক্তিটি হিটলারের।
- মৃত্যু: ৩০ এপ্রিল, ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দ।

উল্লেখ্য, 
'I Have a Dream' বিখ্যাত ভাষণটি প্রদান করেন মার্টিন লুথার কিং। 

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।

২৬৬.
ফিদেল কাস্ত্রো কত সালে মৃত্যু বরণ করেন?
  1. ২০১৪ সালে
  2. ২০১৫ সালে
  3. ২০১৬ সালে
  4. ২০১৭ সালে
ব্যাখ্যা
ফিদেল কাস্ত্রো:

- তিনি ১৩ আগস্ট ১৯২৬ সালে কিউবায় জন্মগ্রহন করেন।
- তিনি কিউবার রাজনৈতিক নেতা যিনি তার দেশকে প্রথম কমিউনিস্ট রাষ্ট্রে রূপান্তর করেছিলেন।
- ক্যাস্ট্রো লাতিন আমেরিকায় কমিউনিস্ট বিপ্লবের প্রতীক হয়ে ওঠেন।
- তিনি ১৯৭৬ সাল পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন।
- ফেব্রুয়ারি ২০০৮ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে রাষ্ট্রপতির পদ ত্যাগ করেন।
- তিনি ২৫ নভেম্বর ২০১৬ সালে মৃত্যু বরণ করেন।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
২৬৭.
চাঁদের উপর সর্বপ্রথম পা রাখেন-
  1. ক) ইউরি গ্যাগরিন
  2. খ) মাইকেল কলিন্‌স
  3. গ) নীল আর্মস্ট্রং
  4. ঘ) ক্যাপ্টেন এনড্রুন
ব্যাখ্যা

- নাসা প্রেরিত অ্যাপোলো-১১ মহাকাশযানে করে ১৯৬৯ সালের ২০ জুলাই মানুষ প্রথম চাঁদে পা রাখে।
- এদিন মার্কিন নভোচারী ‘নীল আর্মস্ট্রং’ প্রথম মানব হিসেবে চাঁদের বুকে পা রাখেন। তার কিছুক্ষণ পর দ্বিতীয় ব্যক্তি হিসেবে ‘বাজ অলড্রিন’ চাঁদের বুকে পা রাখেন।
- তাদের অপর সঙ্গী ‘মাইকেল কলিন্স’ চাঁদের কক্ষপথে কমান্ড মডিউলে অবস্থান করছিলেন।
সোর্স নাসা ওয়েবসাইট।

২৬৮.
“Man of blood and iron” - বলা হয় কাকে?
  1. ক) এডলফ হিটলার
  2. খ) জোসেফ স্টালিন
  3. গ) নেপোলিয়ান
  4. ঘ) অটো ভন বিসমার্ক
ব্যাখ্যা
Otto von Bismarck (Prince Bismarck), called “man of blood” from his great war policy, and “iron” from his indomitable will. Many years Chancellor of Prussia and Germany. (Born September 1st, 1815.). Blood and Iron (German: Blut und Eisen) is the name given to a speech made by Otto von Bismarck given on 30 September 1862, at the time when he was Minister President of Prussia, about the unification of the German territories. It is also a transposed phrase that Bismarck uttered near the end of the speech that has become one of his most widely known quotations.
২৬৯.
‘Emancipation Proclamation’ ঘোষণা করেছিলেন কে?
  1. জেফারসন ডেভিস
  2. আব্রাহাম লিংকন
  3. রবার্ট ই. লি
  4. ইউলিসেস এস. গ্র্যান্ট
ব্যাখ্যা

আব্রাহাম লিংকন:
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ১৬তম প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকন।
- তার রাজনৈতিক দল ছিল রিপাবলিকান পার্টি।
- তাঁকে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে সফল ও জনপ্রিয় প্রেসিডেন্ট হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

​⇒ আব্রাহাম লিংকন 'Emancipation Proclamation (মুক্তির ঘোষণা)' ঘোষণা করেছিলেন।
- আব্রাহাম লিঙ্কনের “Emancipation Proclamation” বা মুক্তির ঘোষণা ছিল একটি ঐতিহাসিক আদেশ যা ১৮৬৩ সালের ১ জানুয়ারি কার্যকর হয়।
- এটি কনফেডারেট রাজ্যগুলোর অধীনে থাকা দাসদের আইনগতভাবে মুক্ত ঘোষণা করে।
- এটি মার্কিন গৃহযুদ্ধের মোড় ঘুরিয়ে দাসপ্রথা বিরোধী যুদ্ধ হিসেবে একে চিহ্নিত করে।
- তবে এই ঘোষণাটি তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হয়নি।

উল্লেখ্য,
- ১৮৬৩ সালের ১৯ নভেম্বর লিংকন পেনসালভেনিয়ার গেটিসবার্গের যুদ্ধক্ষেত্রে দাঁড়িয়ে এক হৃদয়স্পর্শী ভাষণে বলেন, ‘গণতন্ত্র হলো জনগণের সরকার, জনগণের দ্বারা সরকার, জনগণের জন্য সরকার।’  প্রজাতন্ত্রবাদ, সমঅধিকার, স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের প্রবক্তা, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ১৬তম প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকন গণতন্ত্রের সবচেয়ে জনপ্রিয় এই সংজ্ঞাটা দিয়েছিলেন গেটিসবার্গ ভাষণে। তিন মিনিটের কম সময়ের সেই ভাষণকে বলা হয় পৃথিবীর শ্রেষ্ঠতম ভাষণের একটি। তার বিখ্যাত উক্তি - '‘Government by the people, for the people, of the people’।

⇒ আব্রাহাম লিংকন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বহু বছরের দাসপ্রথা বিলুপ্ত করেন।  মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতির আধুনিকীকরণে তিনি অসামান্য ভূমিকা পালন করেন। তিনি ১৮৬৩ সালে দাসপ্রথার বিলুপ্তি ঘোষণা করেন। এটি ছিল দাসপ্রথার বিরুদ্ধে নেওয়া পৃথিবীর ইতিহাসের সবচেয়ে বড় পদক্ষেপ।

উৎস: History Channel.

২৭০.
‘The Persistence of Memory’ চিত্রকর্মের শিল্পী-
  1. ক) সালভাদোর ডালি
  2. খ) পাবলো পিকাসো
  3. গ) মাইকেল অ্যাঞ্জেলো
  4. ঘ) ভিনসেন্ট ভ্যানগগ
ব্যাখ্যা
সালভাদোর ডালি(মে ১১, ১৯০৪-জানুয়ারি ২৩, ১৯৮৯) ছিলেন একজন খ্যাতিমান স্পেনীয় পরাবাস্তববাদী (Surrealist) চিত্রকর। তিনি স্পেনের কাতালোনিয়া অঞ্চলের ফিগুয়েরেসে জন্মেছিলেন। উল্লেখযোগ্য চিত্রকর্ম- The Persistence of Memory (1931)। সূত্র- ব্রিটানিকা।
২৭১.
ডেসমন্ড মপিলো টুটু কোন দেশের বর্ণবাদ বিরোধী আন্দোলন নেতা ছিলেন?
  1. জিম্বাবুয়ে
  2. নাইজেরিয়া
  3. দক্ষিণ আাফ্রিকা
  4. কেনিয়া
ব্যাখ্যা

ডেসমন্ড টুটু: 
- পূর্ণ নাম: ডেসমন্ড মপিলো টুটু। 
- জন্ম: ৭ অক্টোবর, ১৯৩১, ক্লার্কসডর্প, ট্রান্সভাল, দক্ষিণ আফ্রিকা্
- মৃত্যু: ২৬ ডিসেম্বর, ২০২১, কেপ টাউন, দক্ষিণ আফ্রিকা। 
- জাতীয়তা: দক্ষিণ আফ্রিকান।
- পেশা: অ্যাঙ্গলিকান পুরোহিত, সমাজকর্মী, মানবাধিকার কর্মী। 
- প্রসিদ্ধি: বর্ণবাদ বিরোধী আন্দোলন, নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী, সত্য ও পুনর্মিলন কমিশনের চেয়ারম্যান।
- নোবেল শান্তি পুরস্কার: ১৯৮৪ সালে।
- কারণ: বর্ণবাদ সমস্যা সমাধানে একত্রিত নেতৃত্ব এবং অহিংস পন্থার জন্য।
- ন্যায়বিচার ও পুনর্মিলনের আহ্বান জোরদার।

উৎস: ব্রিটানিকা। 

২৭২.
ইতিহাসের একমাত্র নারী হিসেবে পদার্থবিজ্ঞান এবং রসায়নে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন কে?
  1. এডা ইয়োনাথ
  2. লিসা মেইটনার
  3. মারি ক্যুরি
  4. রোজালিন্ড ফ্রাঙ্কলিন
ব্যাখ্যা
মারি ক্যুরি (Marie Curie):
- নোবেল পুরস্কার বিজয়ী প্রথম নারী মারি ক্যুরি।
- তিনিই বিশ্বের একমাত্র ব্যক্তি যিনি বিজ্ঞানের দুইটি শাখায় (পদার্থবিজ্ঞান ও রসায়ন) নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন।
- তেজস্ক্রিয়া গবেষণার পথিকৃৎ মেরি কুরি ১৯০৩ সালে পদার্থবিজ্ঞানে এবং ১৯১১ সালে রসায়নে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- পদার্থবিজ্ঞানে তিনি নোবেল পান তেজস্ক্রিয়তা নিয়ে কাজ করার জন্য আর রসায়নে নোবেল পান পিচবেস্নন্ড থেকে রেডিয়াম পৃথক করার জন্য।

⇒ মারি ক্যুরি ৭ নভেম্বর, ১৮৬৭ সালে পোল্যান্ডের ওয়ারশ শহরে জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৮৯১ এর শেষের দিকে তিনি পোল্যান্ড থেকে ফ্রান্সের উদ্দেশে পাড়ি জমান।
- তিনি প্যারিস বিশ্ববিদ্যালয়েরও প্রথম মহিলা অধ্যাপক ছিলেন।
- তিনিই ছিলেন প্রথম মহিলা- যার অসামান্য মেধার কারণে ১৯৯৫ সালে তাকে প্যান্থিয়নে সমাহিত করা হয়।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় নিজের তৈরি ভ্রাম্যমাণ এক্স-রশ্মি ইউনিটে কাজ করার মাধ্যমে তেজস্ক্রিয়তার কাছাকাছি আসায় অ্যাপস্নাস্টিক অ্যানেমিয়ায় মারি ক্যুরি ১৯৩৪ সালে ৪ জুলাই ফ্রান্সে (হাউতে-সাভইয়ের) একটি স্বাস্থ্যনিবাসে মৃতু্যবরণ করেন।

উৎস: Nobel Prize ওয়েবসাইট।
২৭৩.
বাংলাদেশের রাজনীতিতে “গণতন্ত্রের মানসপুত্র” বলা হয় কোন রাজনীতিবিদকে?
  1. জিয়াউর রহমান
  2. শেরে বাংলা এ.কে ফজলুল হক
  3. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
  4. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
ব্যাখ্যা

হোসেন শহীদ সোহ্‌রাওয়ার্দী (জন্ম: সেপ্টেম্বর ৮, ১৮৯২ - মৃত্যু: ডিসেম্বর ৫, ১৯৬৩) বিখ্যাত বাঙ্গালী রাজনীতিবিদ ও আইনজীবী ছিলেন।
তিনি ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট গঠনের মূলনেতাদের মধ্যে অন্যতম।
গণতান্ত্রিক রীতি ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ছিলেন, তাই সুধী সমাজ কর্তৃক 'গণতন্ত্রের মানসপুত্র' বলে আখ্যায়িত হন।

২৭৪.
'The Elements of Ethics' বইটি কার?
  1. থমাস হবস
  2. বার্ট্রান্ড রাসেল
  3. নিকোলা ম্যাকিয়াভেলী
  4. জেরেমি বেন্থাম
ব্যাখ্যা

- 'The Elements of Ethics' বইটি বার্ট্রান্ড রাসেল লেখেন।
- এটি নীতি বিষয়ক তার কতগুলো রচনার বা প্রবন্ধের সমাহার। এটি ১৯১০ সালে প্রকাশিত হয়।
(তথ্যসূত্রঃ এনসাইক্লোপিডিয়া অব ফিলোসফি)

২৭৫.
ইতিহাসে প্রথম আমেরিকান পোপ হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন কে?
  1. রবার্ট প্রেট্রিক
  2. রবার্ট লুইস
  3. রবার্ট প্রেভোস্ট
  4. রবার্ট জন পল
ব্যাখ্যা
প্রথম আমেরিকান পোপ:
- রোমান ক্যাথলিকদের নতুন ধর্মগুরু নির্বাচিত হয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের কার্ডিনাল রবার্ট ফ্রান্সিস প্রেভোস্ট।
- তিনি পরিচিত হবেন পোপ চতুর্দশ লিও নামে।
- রবার্ট প্রথম কার্ডিনাল, যিনি যুক্তরাষ্ট্র থেকে পোপ নির্বাচিত হলেন।
- ৮ মে, ২০২৫ ভ্যাটিকানে দ্বিতীয় দিনের ভোটাভুটিতে নতুন পোপ নির্বাচিত হন ৬৯ বছর বয়সি রবার্ট ফ্রান্সিস প্রেভোস্ট।
- বিশ্বের ৭০টি দেশ থেকে ভ্যাটিকানে জড়ো হওয়া ১৩৩ কার্ডিনাল এই ভোটাভুটিতে অংশ নেন।
- রবার্ট প্রেভোস্ট এখন সেন্ট পিটার্সের রাজত্বের ২৬৭তম উত্তরসূরি।

উল্লেখ্য,
- গত ২১ এপ্রিল, ২০২৫ ৮৮ বছর বয়সে পোপ ফ্রান্সিসের মৃত্যু হয়। তারই পরিপ্রেক্ষিতে নতুন পোপ বেছে নেয়ার বিষয়টি সামনে আসে
- পোপের মৃত্যুতে শুরু হয় 'সেদে ভাকান্তে' বা 'পবিত্র আসন শূন্য' পর্ব।
- এরপরই আহ্বান করা হয় গোপন কনক্লেভ—যেখানে ৮০ বছরের নিচের বয়সী ১৩৩ জন কার্ডিনাল সিস্টিন চ্যাপেলে মিলিত হন পোপ নির্বাচনের জন্য।]

তথ্যসূত্র- বিবিসি।
২৭৬.
ইসলামের পঞ্চম খলিফা নামে পরিচিত ছিলেন কে?
  1. আব্দুল মালেক
  2. উমর ইবনে আব্দুল আজীজ
  3. প্রথম মুয়াবিয়া
  4. প্রথম ওয়ালীদ
ব্যাখ্যা
উমর ইবনে আব্দুল আজীজ:
– ইতিহাসে ২য় উমর হিসেবে সর্বাধিক পরিচিত।
– ৭১৭ খ্রিস্টাব্দে দামেস্কের সিংহাসনে আরোহণ করেন।
– তিনি প্রজাবৎসল শাসক ছিলেন।
– তার সকল সম্পত্তি রাজকোষে জমা করেন।
– খোলাফায়ে রাশেদীনের নীতি অনুসরণ করতেন বলে তাকে ইসলামের পঞ্চম খলিফা বলা হয়।
– তিনি ‘উমাইয়া সাধু খলিফা’ নামেও পরিচিত ছিলেন।
– তিনি বায়তুল মাল পুন:প্রতিষ্ঠা করেন। 


উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি প্রথম পত্র, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৭৭.
নেলসন ম্যান্ডেলার কয়েদি নম্বর ৪৬৬৬৪ পরবর্তীতে ব্যবহৃত হয়- 
  1. ANC পরিচালিত আন্তর্জাতিক মানবাধিকার প্রচারণার সাংকেতিক নামে
  2. দক্ষিণ আফ্রিকার কারাবন্দি সংস্কার কর্মসূচির প্রতীকী নম্বর হিসেবে
  3. কৃষ্ণাঙ্গ শিক্ষার উন্নয়ন উদ্যোগের কোড হিসেবে
  4. এইডস বিরোধী আন্তর্জাতিক সচেতনতামূলক প্রচারণার নাম হিসেবে 
ব্যাখ্যা

নেলসন ম্যান্ডেলা: 
- নেলসন ম্যান্ডেলা দক্ষিণ আফ্রিকার ইতিহাসে বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনের সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ নেতা ও রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে পরিচিত।
- নেলসন ম্যান্ডেলা ১৮ জুলাই ১৯১৮ সালে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর জন্মদিনটি বিশ্বজুড়ে ম্যান্ডেলা দিবস হিসেবে পালিত হয়, যা মানবতা, শান্তি ও ন্যায়বিচারের প্রতীক।
- তিনি জন্মগ্রহণ করেন দক্ষিণ আফ্রিকার ইস্টার্ন কেপ প্রদেশের কুনু গ্রামে, এবং পরবর্তীতে তাঁর সমাধিও সেখানে অবস্থিত।

- রাজনৈতিক জীবনের সূচনা হিসেবে তিনি ১৯৪৩ সালে African National Congress (ANC)-এ যোগ দেন।
- এই সংগঠনের মাধ্যমে তিনি বর্ণবাদ বা আপার্টহাইট নীতির বিরুদ্ধে সক্রিয়ভাবে আন্দোলনে অংশ নেন।
- শ্বেতাঙ্গ সরকারের বিরুদ্ধে তাঁর সংগ্রামের কারণে ১৯৬২ সালে নাশকতার অভিযোগে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।
- ১৯৬৪ সালে তাঁকে দীর্ঘমেয়াদি কারাদণ্ড দিয়ে রোবেন দ্বীপে নির্বাসনে পাঠানো হয়।
- পরবর্তীতে ১৯৮২ সালে তাঁকে পোলসমুল কারাগারে স্থানান্তর করা হয়।
- এভাবে তিনি ১৯৬৪ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত প্রায় ২৭ বছর কারাবন্দি অবস্থায় কাটান।
- তাঁর কয়েদি নম্বর ছিল ৪৬৬৬৪, যা পরে এইডস বিরোধী আন্তর্জাতিক প্রচারণার প্রতীকী নাম হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

- দীর্ঘ সংগ্রামের পর ১৯৯০ সালে নেলসন ম্যান্ডেলা মুক্তি লাভ করেন।
- বর্ণবাদ অবসানে তাঁর অবদান ও শান্তিপূর্ণ ক্ষমতা হস্তান্তরের জন্য তিনি ১৯৯৩ সালে এফ. ডব্লিউ. ডি. ক্লার্কের সঙ্গে যৌথভাবে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- এরপর ১৯৯৪ সালের ঐতিহাসিক নির্বাচনে তিনি বিজয়ী হয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
- তিনি ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন। 
- একই বছরে রাজনীতি থেকে তিনি অবসর গ্রহণ করেন। 

- নেলসন ম্যান্ডেলার আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ Long Walk to Freedom.
- এখানে তাঁর দীর্ঘ সংগ্রাম, কারাজীবন ও আদর্শের প্রতিফলন ঘটেছে।
- তাঁর বিখ্যাত উক্তি—
“Education is the most powerful weapon which you can use to change the world”—এর মাধ্যমে তিনি শিক্ষা ও মানবমুক্তির গুরুত্ব গভীরভাবে তুলে ধরেছেন।

উৎস: Britannica ও Global Governance Forum. 

২৭৮.
গৌতম বুদ্ধ কোথায় নির্বাণ লাভ করেন?
  1. লুম্বিনী
  2. কুশিনারা
  3. বুদ্ধগয়া
  4. সারনাথ
ব্যাখ্যা

গৌতম বুদ্ধ:
- গৌতম বুদ্ধ বৌদ্ধ ধর্মের প্রতিষ্ঠাতা।
​- তাঁর ব্যক্তিগত নাম সিদ্ধার্থ।
- তাঁর জন্ম খ্রিস্টপূর্ব ৬ষ্ঠ-৪র্থ শতাব্দীতে নেপালের কপিলাবস্তুর কাছে লুম্বিনীতে।
​- গৌতম বুদ্ধ বুদ্ধগয়াতে (ভারতের বিহার রাজ্যে) অশ্বত্থ গাছের নীচে নির্বাণ লাভ করেন। 
- গৌতম বুদ্ধ মহাপরিনির্বাণ লাভ করেন কুশিনারা, মাল্লা প্রজাতন্ত্র, মগধ রাজ্যে।

​⇒ বুদ্ধ উপাধিটির অর্থ হল একজন আলোকিত সত্তা, যিনি অজ্ঞতার ঘুম থেকে জেগে উঠেছেন এবং যন্ত্রণা থেকে মুক্তি লাভ করেন।
- বৌদ্ধধর্মের সব রূপই গৌতম বুদ্ধের জীবনের বিভিন্ন ঘটনা উদযাপন করে, যার মধ্যে রয়েছে তাঁর জন্ম, জ্ঞানার্জন এবং নির্বাণে উত্তরণ।
​- বুদ্ধ বিশ্ব-মানবতার কল্যাণে যে ধর্ম প্রচার করেছেন তার মূল লক্ষ্য হল নির্বাণ। নির্বাণপ্রাপ্ত ব্যক্তির পুনর্জন্ম হয় না। নির্বাণের মাধ্যমে বিমুক্তি আসে। বুদ্ধ নির্বাণ লাভের উপায় ও পথ প্রদর্শন করেছেন। দুঃখ থেকে মুক্তির একমাত্র উপায় নির্বাণ। সকল প্রকার তৃষ্ণা এবং জন্ম মৃত্যুর বিনাশ সাধনই হলো হলো নির্বাণ।

উল্লেখ্য,
- পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের রাওয়ালপিন্ডি জেলায় বৌদ্ধধর্মের স্মৃতিবিজড়িত স্থান তক্ষশীলা।
- গৌতম বুদ্ধের দিব্যজ্ঞান লাভের স্থান বুদ্ধগয়া।
- সারনাথ একটি উদ্যান যেখানে গৌতম বুদ্ধ সর্বপ্রথম ধর্ম নিয়ে ভেবেছিলেন। এই স্থানটি ভারতের উত্তর প্রদেশের বারানাশী শহর থেকে ১৩ কিলোমিটার উত্তর-পূর্ব দিকে অবস্থিত।

উৎস: i) Britannica.
ii) বৌদ্ধধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৭৯.
নিগ্রোদের অধিকার আন্দোলনের অহিংসবাদী নেতা কে?
  1. মোস্তফা কামাল পাশা
  2. আব্রাহাম লিংকন
  3. উইনস্টন চার্চিল
  4. মার্টিন লুথার কিং
ব্যাখ্যা
- নাগরিক অধিকার আন্দোলনের অন্যতম প্রধান নেতা ডঃ মার্টিন লুথার কিং।
- ১৯৬৪ সালে বর্ণবাদ বিরোধী অহিংস আন্দোলনের জন্য তাঁকে নোবেল শান্তি পুরস্কারে ভূষিত করা হয়।
- তিনি একজন সফল বক্তা ও সফল এই রাজনীতিবিদ। তার মন্ত্রীমুদ্ধকর বক্তৃতা দ্বারা জনমনে স্থায়ী আসন করে নিয়েছেন।
- “আই হ্যাভ এ ড্রিম” খ্যাত তাঁর বক্তৃতাটি ছিলো আমেরিকান নাগরিক অধিকার আন্দোলনের যুগসন্ধিক্ষণ। 
- ডঃ মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র অনেক উক্তি মানুষ অনুপ্রেরনা হিসাবে নেয়া তার মধ্যে একটি হচ্ছে- 'উড়তে না পারলে দৌড়াও। দৌড়াতে না পারলে হাঁটো। হাঁটতে না পারলে হামাগুড়ি দাও, কিন্তু যাই করো না কেন তোমাকে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে।'
- কর্মজীবনের শুরুতে মার্টিন লুথার কিং, জুনিয়র মানবাধিকার কর্মী ছিলেন, নাগরিক অধিকার রক্ষাই তার উদ্দেশ্য ছিল।
- ১৯৬৩ সালে তিনি ওয়াশিংটন মাচ সুসংগঠিত করেন।
- খ্রীষ্টীয়মতানুসারে অহিংস উপায় নাগরিক অধিকার রক্ষায় অবদানের জন্য অধিক জনপ্রিয়তা লাভ করেছেন। 
- ৩রা এপ্রিল ১৯৬৮ খ্রিষ্টাব্দে তাকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়।
- পরদিন ৪ এপ্রিল লরেইন হোটেলের বারান্দায় দাঁড়িয়ে থাকাবস্থায় শ্বেতাঙ্গ উগ্রপন্থী যুবক জেমস আর্ল রে নামক আততায়ীর হাতে গুলিবিদ্ধ হয়ে মার্টিন মৃত্যুবরণ করেন। তখন তার বয়স মাত্র ৩৯ বছর।

অপরদিকে, 
• মোস্তফা কামাল পাশা আধুনিক তুরস্কের জনক।
• আব্রাহাম লিংকন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ও তিনি ক্রীতদাস প্রথা বিলুপ্ত করেন।
• উইনস্টন চার্চিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। 

উৎস: ব্রিটানিকা। 
২৮০.
আদমসুরত বলা হয়-
  1. ক) সপ্তর্ষিমণ্ডলকে
  2. খ) ক্যাসিওপিয়াকে
  3. গ) অরিয়নকে
  4. ঘ) সুরনদীকে
ব্যাখ্যা

কালপুরুষ বা অরিয়ন কে আদমসুরত বলা হয়।
এটা আসলে আকাশের কিছু তারার মানুষ আকৃতির বিন্যাস।
তারাগুলো মহাকাশের বিষুবীয় অঞ্চলে অবস্থান করায় পৃথিবীর সব অঞ্চল থেকে একে দেখা যায়।
উত্তর গোলার্ধে শরতের শেষ সময় হতে বসন্তের প্রাথমিক সময় পর্যন্ত এটি দেখা যায়।

২৮১.
‘House of Wisdom’ বা ‘বায়তুল হিকমা’ কে প্রতিষ্ঠা করেন?
  1. ক) আবু আল আব্বাস
  2. খ) ইবনে আবু সুফিয়ান
  3. গ) হযরত আবু বকর(রা.)
  4. ঘ) হারুন-অর-রশিদ
ব্যাখ্যা
বাইতুল হিকমাহ ছিল আব্বাসীয় আমলে ইরাকের বাগদাদে প্রতিষ্ঠিত একটি গ্রন্থাগার, অনুবাদকেন্দ্র ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এটিকে ইসলামি স্বর্ণযুগের একটি প্রধান বুদ্ধিবৃত্তিক কেন্দ্র হিসেবে বিবেচনা করা হয়। বাইতুল হিকমাহ খলিফা হারুনুর রশিদ প্রতিষ্ঠা করেন এবং তার পুত্র আল মামুন এর সময় তা সর্বোচ্চ চূড়ায় পৌছায়।
২৮২.
“রাষ্ট্রই হচ্ছে সর্বোচ্চ ক্ষমতা এবং তার ওপর উচ্চতর কোন ক্ষমতা থাকতে পারেনা”- উক্তিটি কার?
  1. আর. এম. ম্যাকাইভার
  2. অধ্যাপক গার্নার
  3. অ্যারিস্টটল
  4. নিকোলা ম্যাকিয়াভেলি
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রঃ
প্রত্যেক মানুষ কোনো না কোনো রাষ্ট্রে বসবাস করে। হঠাৎ করে কোন রাষ্ট্রের উৎপত্তি হয় নি।
- আদিম মানুষ প্রথমে গোত্রভিত্তিক বসবাস করতো। সময়ের বিবর্তনে একসময় রাষ্ট্রের উৎপত্তি হয়।
- রাষ্ট্রের সৃষ্টিকারী মূলত মানুষই।
- রাষ্ট্রে বসবাসকারী জনগণকে রাষ্ট্রের নাগরিক বলা হয়। প্রত্যেক নাগরিককে রাষ্ট্রের সমস্ত নিয়ম-কানুন মেনে চলতে হয়ে।

রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ও রাজনৈতিক তত্ত্ববিদরা রাষ্ট্রকে বিভিন্নভাবে সংজ্ঞায়িত করেছেন।
- অ্যারিস্টটলের মতে, 'স্বয়ংসম্পূর্ণ জীবনের জন্য কতিপয় পরিবার ও গ্রামের সমন্বয়ে গঠিত সংগঠনই রাষ্ট্র।'
- আর. এম. ম্যাকাইভার - এর মতে, 'রাষ্ট্র হচ্ছে সরকার কর্তৃক প্রণীত আইন দ্বারা পরিচালিত একটি সংগঠন, যার কর্তৃত্বমূলক ক্ষমতা রয়েছে এবং যা নির্দিষ্ট ভূখন্ডে বসবাসরত অধিবাসীদের উপর বলবৎ হয়।'
- নিকোলা ম্যাকিয়াভেলির মতে, 'রাষ্ট্রই হচ্ছে সর্বোচ্চ ক্ষমতা এবং তার ওপর উচ্চতর কোন ক্ষমতা থাকতে পারেনা'।
- অধ্যাপক গার্নার রাষ্ট্রের সবচেয়ে সুস্পষ্ট ও পূর্ণাঙ্গ সংজ্ঞা প্রদান করেছেন। তিনি বলেন -
'রাষ্ট্র হলো বহুসংখ্যক ব্যক্তি নিয়ে গঠিত এমন এক সমাজ, যারা নির্দিষ্ট ভূখন্ডে স্থায়ীভাবে বসবাস করে, যা বহির্শক্তির নিয়ন্ত্রণ হতে মুক্ত এবং যাঁদের একটি সুসংগঠিত সরকার আছে, যে সরকারের প্রতি ঐ জনসমাজ স্বভাবতই অনুগত।'

রাষ্ট্রের উপাদানঃ
রাষ্ট্রের সংজ্ঞা বিশ্লেষণ করলে রাষ্ট্রের ৪টি উপাদান পাওয়া যায়। যথাঃ
(ক) জনসমষ্টি
(খ) নির্দিষ্ট ভূখণ্ড
(গ) সরকার
(ঘ) সার্বভৌমত্ব।
- সার্বভৌমত্ব রাষ্ট্র গঠনের সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ণ ও অত্যাবশ্যকীয় উপাদান। এটি রাষ্ট্রের চরম, পরম ও সর্বোচ্চ ক্ষমতা।

উৎসঃ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বোর্ড বই ও পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৮৩.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম রাষ্ট্রপতি কে ছিলেন?
  1. জেমস ম্যাডিসন
  2. থমাস জেফারসন
  3. জর্জ ওয়াশিংটন
  4. জন অ্যাডামস
ব্যাখ্যা

জর্জ ওয়াশিংটন:
- তিনি ২২ ফেব্রুয়ারী ১৭৩২ সালে ওয়েস্টমোরল্যান্ডে জন্মগ্রহন করেন।
- জর্জ ওয়াশিংটন কোনো রাজনৈতিক দলের সদস্য ছিলেন না।
- তিনি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে একজন নির্দলীয় প্রার্থী হিসাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন।
- জর্জ ওয়াশিংটন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম রাষ্ট্রপতি ছিলেন।
- তিনি আমেরিকান বিপ্লবের সময় মহাদেশীয় সেনাবাহিনীকেও কমান্ড করেছিলেন এবং মার্কিন সংবিধানের খসড়া প্রণয়নকারী কনভেনশনের সভাপতিত্ব করেছিলেন।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানীর নামকরণ করা হয়েছে ওয়াশিংটনের নামানুসারে।
- রাষ্ট্রপতি হিসাবে দুই মেয়াদে দায়িত্ব পালন করার পর, জর্জ ওয়াশিংটন ১৭৯৭ সালে মাউন্ট ভার্ননে তার এস্টেটে অবসর গ্রহণ করেন।
- ১৭৯৯ সালের ১৪ ডিসেম্বর রাতে ওয়াশিংটন মারা যান।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

২৮৪.
The Diary of a Young Girl এর রচয়িতা কে?
  1. শার্লট ব্রন্টে
  2. আনা ফ্রাঙ্ক
  3. হেলেন কেলার
  4. বার্ট্রান্ড রাসেল 
ব্যাখ্যা
The Diary of a Young Girl:
- এটি একটি বিখ্যাত ডায়েরি, যা আনা ফ্রাঙ্ক নামক এক ইহুদি কিশোরী লিখেছিলেন।
- তিনি ও তাঁর পরিবার দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়, নেদারল্যান্ডসে নাৎসি জার্মান দখলের সময় প্রায় দুই বছর (১৯৪২–১৯৪৪) গোপনে লুকিয়ে ছিলেন।
- এটি একটি ব্যক্তিগত ডায়েরি, যেখানে অ্যানে তাঁর ভয়, আশা, কষ্ট, প্রেম এবং এক কিশোরীর দৃষ্টিতে যুদ্ধকালীন সময়ের বর্ণনা করেছেন।
- লেখাগুলো অ্যামের্স্টারডামের একটি গোপন আশ্রয়স্থল থেকে লেখা, যেখানে তাঁর পরিবার ও আরও কয়েকজন মিলে নাৎসিদের হাত থেকে বাঁচার চেষ্টা করছিলেন।
- ডায়েরিটি প্রথম ১৯৪৭ সালে প্রকাশিত হয় — আনার মৃত্যুর দুই বছর পরে, যা তাঁকে বিশ্বজুড়ে পরিচিত করে তোলে।
- আনা ফ্রাঙ্ক ১৯৪৫ সালে বার্গেন-বেলসেন কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্পে মৃত্যুবরণ করেন।
- বইটি পরবর্তীকালে বিশ্বজুড়ে অনূদিত হয় এবং যুদ্ধ সাহিত্যের এক গুরুত্বপূর্ণ ক্লাসিক হিসেবে বিবেচিত হয়।

উৎস: Britannica.
২৮৫.
জওহরলাল নেহেরু রচিত গ্রন্থ কোনটি?
  1. দ্য ডিসকভারি অব ইন্ডিয়া
  2. দি ইন্ডিয়ান  মুসলিম
  3. ইন্ডিয়া উইনস ফ্রিডম
  4. ইন্ডিয়া অফ মাই ড্রিমস
ব্যাখ্যা
জওহরলাল নেহেরু: 
- দি ডিসকভারি অফ ইন্ডিয়া' (The Discovery of India) লেখক জওহরলাল নেহরু।
- যা তিনি ১৯৪২ থেকে ১৯৪৬ সাল পর্যন্ত কারাবাসের সময় লিখেছিলেন।
- এই বইয়ে নেহরু ভারতের ইতিহাস, সংস্কৃতি, সমাজ ও দর্শন সম্পর্কে গভীর বিশ্লেষণ করেছেন।
- ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রেক্ষাপটে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ হিসেবে বিবেচিত হয়।
- বইটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৪৬ সালে। 

⇒ অপরদিকে, 
- দি ইন্ডিয়ান মুসলিম: সিরাজুল ইসলাম। 
- ইন্ডিয়া উইনস ফ্রিডম: আবুল কালাম আজাদ। 
- ইন্ডিয়া অফ মাই ড্রিমস: কিরণ সিং।

উৎস: Britannica.
২৮৬.
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কত সালে নোবেল পুরস্কার পান?
  1. ১৯১৭
  2. ১৯২১
  3. ১৯১৩
  4. ১৯৩৩
ব্যাখ্যা
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর একাধারে একজন কবি, সঙ্গীতজ্ঞ, কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চিত্রশিল্পী, প্রাবন্ধিক, দার্শনিক, শিক্ষাবিদ ও সমাজ-সংস্কারক।
- তাঁর ছদ্মনাম: ভানুসিংহ ঠাকুর।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম ১৮৬১ সালের ৭ মে (১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫ বৈশাখ) কলকাতার জোড়াসাঁকোর অভিজাত ঠাকুর পরিবারে।
- তাঁর পিতা মহর্ষি  দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং পিতামহ প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুর।
- রবীন্দ্রনাথ ছিলেন দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের চতুর্দশ সন্তান।
- তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস: চোখের বালি, গোরা, ঘরে বাইরে, চতুরঙ্গ, শেষের কবিতা, যোগাযোগ, চার অধ্যায় ইত্যাদি।
- ব্রিটিশরা তাঁকে 'নাইট' উপাধিতে ভূষিত করে ১৯১৫ সালে।
- তাঁর মৃত্যু: ৭ আগস্ট ১৯৪১ (বয়স ৮০), কলকাতার জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়িতে। 

উল্লেখ্য,
- ১৯১৩ সালে তাঁকে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত করা হয়।
- বিশ্বভারতীর সেফ্টি ভল্টে রাখা ছিল সেই অনন্য সম্মান।
- কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয় এটাই, যে ২০০৪ সালে রবীন্দ্রনাথের নোবেল চুরি হয়ে যায়।
- পরবর্তীকালে সুইডিশ অ্যাকাডেমি নোবেলের দুটি রেপ্লিকা দিয়েছিল বিশ্বভারতীকে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
২৮৭.
United States Bill of Rights এর প্রণেতা কে?
  1. আব্রাহাম লিংকন
  2. জর্জ ওয়াশিংটন
  3. ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট
  4. জেমস ম্যাডিসন
ব্যাখ্যা
United States Bill of Rights:
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের প্রথম ১০ টি সংশোধনীকে 'Bill of Rights' বা অধিকারের বিল বলে অভিহিত করা হয়।
- ১৭৮৭ সালে প্রণীত সংবিধানের সমালোচনার পরিপ্রেক্ষিতে জেমস ম্যাডিসন প্রস্তাবিত প্রথম ১০টি সংশোধনীই 'Bill of Rights' নামে পরিচিত।
- এই সংশোধনীগুলি ১৭৯১ সালের ১৫ ডিসেম্বর কার্যকর হয় ।
- এটি নাগরিকদের মৌলিক অধিকার ও স্বাধীনতা সুরক্ষার জন্য গৃহীত হয়েছিল এবং আমেরিকার স্বাধীনতা আন্দোলনের পর সংবিধানের গ্রহণযোগ্যতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

উল্লেখ্য,
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার পর ১৭৮৭ সালে ফিলাডেলফিয়ায় একটি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- সেই সম্মেলনে মার্কিন সংবিধান রচিত হয়।
- কিন্তু এই সংবিধানে নাগরিকদের অধিকারগুলোর কোন নির্দিষ্ট উল্লেখ ছিল না।
- মার্কিন রাজনৈতিক নেতা জেমস মেডিসন ১৭৮৯ সালে মার্কিন কংগ্রেসে ১২টি সংশোধনী প্রস্তাব করেন, যা নাগরিকদের মৌলিক অধিকার সংরক্ষণ করতে চেয়েছিল।
- তিনি পরবর্তীতে একে বিল অব রাইটস নামে পরিচিত করেন।
- মাদিসনের প্রস্তাবিত কিছু সংশোধনী সরাসরি অনুমোদিত হয়েছিল, এবং কিছু সংশোধনী পরিবর্তন ও সংযোজন করা হয়।
- সর্বশেষ, ১৭৯১ সালে ১০টি সংশোধনী মার্কিন সংবিধানে সংযুক্ত করা হয় এবং এগুলি বিল অব রাইটস হিসেবে পরিচিত হয়।

উৎস: Britannica.
২৮৮.
পোলিও ভাইরাস শনাক্ত করেন কে?
  1. জ্যাকব হেইন
  2. জোনাস এডওয়ার্ড সাক
  3. কার্ল ল্যান্ডস্টেইনার
  4. আলেকজান্ডার ফ্লেমিং
ব্যাখ্যা
- ‘পোলিওমাইটিলিজ’ এক ধরনের ভাইরাসজনিত সংক্রামক রোগ যা ‘পোলিও’ নামে অধিক পরিচিত।
- ১৮৪০ সালে জ্যাকব হেইনার প্রথম এই রোগ শনাক্ত করেন এবং ১৯০৯ সালে কার্ল ল্যান্ডস্টেইনার পোলিও ভাইরাস শনাক্ত করেন।
- ১৯৫২ সালে জোনাস এডওয়ার্ড সাক পোলিওর টিকা উদ্ভাবন করেন। ১৯৫৭ সালে আলবার্ট সাবিন মুখে খাওয়ার পোলিও টিকা আবিষ্কার করেন।
- বাংলাদেশে ১৯৫৫ সালে পোলিও টিকাদান কর্মসূচি গ্রহণ করা হয় এবং ২০১৪ সালের ২৭ মার্চ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বাংলাদেশসহ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ১১টি দেশকে পোলিও ‍মুক্ত ঘোষণা করে।
(তথ্যসূত্র: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার)
২৮৯.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট কে ছিলেন?
  1. হ্যারি এস. ট্রুম্যান
  2. থিওডোর রুজভেল্ট
  3. ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার
  4. ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ:
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয় ১৯৩৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর।
- জার্মানি কর্তৃক পোল্যান্ড আক্রমণের মাধ্যমে এই যুদ্ধ শুরু হয়।

• অক্ষশক্তি: জার্মানি, জাপান ও ইতালি।
• মিত্রশক্তি: ব্রিটেন, ফ্রান্স, যুক্তরাষ্ট্র, সোভিয়েত ইউনিয়ন, চীন, পোল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস প্রভৃতি দেশ।

উল্লেখ্য,
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয় ১৯৩৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর।
- সেই সময় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট, যিনি ১৯৩৩ থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত প্রেসিডেন্ট ছিলেন।

অন্যদিকে,
- হ্যারি এস. ট্রুম্যান ১৯৪৫ সালে প্রেসিডেন্ট হন, ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার ১৯৫৩ সালে, উড্রো উইলসন প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় (১৯১৩-১৯২১), জন এফ. কেনেডি ১৯৬১ সালে এবং থিওডোর রুজভেল্ট ১৯০১-১৯০৯ সালে প্রেসিডেন্ট ছিলেন।

উৎস: History.com
২৯০.
The Art of the Deal কার আত্মজীবনীমূলক বই?
  1. বিল গেটস
  2. ডোনাল্ড ট্রাম্প
  3. বারাক ওবামা
  4. স্টিভ জবস
ব্যাখ্যা

ডোনাল্ড ট্রাম্প:
- ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের ৪৫তম এবং বর্তমান ৪৭তম প্রেসিডেন্ট।
- ৪৭তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে ২০ জানুয়ারি, ২০২৫ তারিখে তিনি শপথ গ্রহণ করেন।
- শপথ গ্রহণের দিনটিকে, ২০শে জানুয়ারি ২০২৫-কে তিনি 'মুক্তির দিন' বলে বর্ণনা করেন।
- তিনি ২০২৪ সালের যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপাবলিকান দলের হয়ে নির্বাচনে অংশ নেন এবং প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।

উল্লেখ্য,
- তিনি একজন ধনাঢ্য ব্যবসায়ী, বিনিয়োগকারী, বিশিষ্ট সামাজিক ব্যক্তিত্ব, লেখক হিসেবে আলোচিত।
- তিনি দ্য ট্রাম্প অর্গানাইজেশ্যানের পরিচালক এবং ট্রাম্প এন্টারটেইনম্যান্ট রিসোর্টের প্রতিষ্ঠাতা।

⇒ The Art of the Deal:
- The Art of the Deal বইটি ডোনাল্ড জে. ট্রাম্প-এর আত্মজীবনীমূলক বই।
- এটি সাংবাদিক টনি শোয়ার্জ (Tony Schwartz)-এর সহায়তায় লেখা হয়েছিল।
- যদিও এর কৃতিত্ব মূলত ট্রাম্পকেই দেওয়া হয় এবং এটি তার ব্যবসায়িক জীবনের গল্প বলে।
- বইটি ১৯৮৭ সালে প্রকাশিত হয়।
- এটি ট্রাম্পের রিয়েল এস্টেট সাম্রাজ্য এবং চুক্তি করার পদ্ধতি নিয়ে লেখা, যা তাকে একজন বিখ্যাত ব্যবসায়ীতে পরিণত করতে সাহায্য করে।

উৎস: i) Britannica.
ii) Amazon.com

২৯১.
মাদার তেরেসা কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত সেবা প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. ক) হৃদয়ে মানবিকতা
  2. খ) নির্মল হৃদয়
  3. গ) শুদ্ধতা
  4. ঘ) জয়িতা
ব্যাখ্যা
মাদার তেরেসা কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত সেবা প্রতিষ্ঠান হলো - নির্মল হৃদয়। 
- মাদার তেরেসা ১৯১০ সালের ২৬ আগস্ট বর্তমান উত্তর মেসিডোনিয়ার স্কোপজি শহরে জন্মগ্রহণ করেন।
- ২৭ আগস্ট তাকে ব্যাপ্টাইজ করা হয়। তার পরিবার ছিলো আলবেনিয়ান বংশোদ্ভত। তার আসল নাম অ্যাগনেজ গঞ্জে বয়াজিও।
- তিনি নিজেকে মানব সেবায় আত্মনিয়োগ করে কলকাতায় ‘মিশনারিজ অব চ্যারিটিজ’ প্রতিষ্ঠা করেন।
- মানবসেবায় অবদানের জন্যে ১৯৭৯ সালে তিনি নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন। মাদার তেরেসা ১৯৯৭ সালের ৫ সেপ্টেম্বর কলকাতায় মারা যান।

(সূত্র: ব্রিটানিকা, নোবেলপ্রাইজ ও বায়োগ্রাফি ওয়েবসাইট)
২৯২.
'Six Machine: I Don't Like Cricket... I Love It' নিম্নের কোন খেলোয়াড়ের আত্মজীবনী?
  1. শাহিদ আফ্রিদি
  2. সৌরভ গাঙ্গুলী
  3. ক্রিস গেইল
  4. শচীন টেন্ডুলকার
ব্যাখ্যা
ক্রিস গেইল:
- ওয়েস্ট ইন্ডিজের ক্রিকেটার ক্রিস গেইল।
- আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হয় ১১ সেপ্টেম্বর ১৯৯৯ সালে, ভারতের বিপক্ষে ওয়ানডে ম্যাচের মধ্য দিয়ে।
- ক্রিস গেইল এর টেস্ট অভিষেক জিম্বাবুয়ে এর বিরুদ্ধে।
- জাতীয় দলের হয়ে সবশেষ ম্যাচ খেলেছেন ৬ নভেম্বর ২০২১ সালে।

⇒ 'Six Machine: I Don't Like Cricket... I Love It' ক্রিস গেইল-এর আত্মজীবনী।

অন্যদিকে
- শচীন তেন্ডুলকার-এর আত্মজীবনী Playing it My Way.
- সৌরভ গাঙ্গুলী- এর আত্মজীবনী A Century Is Not Enough
- শাহিদ আফ্রিদি-এর আত্মজীবনী Game Changer.

উৎস: ESPNcricinfo. [link]
২৯৩.
আমেরিকান কোন প্রেসিডেন্ট দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায় ডমিনো তত্ত্বের প্রবর্তক?
  1. ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার
  2. হ্যারি এস. ট্রুম্যান
  3. ফ্রাংক্‌লিন ডি. রুজভেল্ট
  4. জন এফ কেনেডি
ব্যাখ্যা
ডমিনো তত্ত্ব:
- ডমিনো তত্ত্বে বলা হয়েছে, কোনো একটি রাষ্ট্রে যদি সমাজতন্ত্রীরা ক্ষমতাসীন হয়, তাহলে পাশের রাষ্ট্রটিও সমাজতন্ত্রীদের দখলে চলে যাবে।
- স্নায়ুযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে যুক্তরাষ্ট্র যে কয়েকটি পররাষ্ট্র নীতি গ্রহন করেছিল, তার মধ্যে 'ডমিনো তত্ত্ব' অন্যতম।
- দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার জন্য 'ডমিনো তত্ত্বটি' প্রযোজ্য ছিল।

⇒ সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট হ্যারি এস. ট্রুম্যান এই তত্ত্বের উদ্যোক্তা হলেও তার পরবর্তী প্রেসিডেন্ট ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার প্রথম এই অঞ্চলে প্রয়োগ করেন।
- ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার ১৯৫৪ সালের ৭ এপ্রিল এক সংবাদ সম্মেলনে ইন্দোচিনে কমিউনিজমের কথা উল্লেখ করার সময় তত্ত্বটি বর্ণনা করেছিলেন।
- দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায় 'ভিয়েতনাম যুদ্ধ' ও স্নায়ুযুদ্ধের সময়ও যুক্তরাষ্ট্র এই ডমিনো তত্ত্ব প্রয়োগ করা হয়েছিল।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিংশ শতাব্দীর সত্তরের দশকে দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায় বিশেষ করে ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া ও লাওসে এই তত্ত্ব প্রয়োগ করে সেখানে সমাজতন্ত্রের উত্থান ঠেকাতে সামরিক হস্তক্ষেপ করেছিল।
- তিনি এন্টি-কমিউনিস্ট দক্ষিণ ভিয়েতনাম সরকারকে সহায়তা করেন।
- ডমিনো তত্ত্বটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার জন্য প্রযোজ্য ছিল।
- ১৯৫০-৮৯ সাল পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র তত্ত্বটি প্রচার করেছিল।

উৎস: History.com
২৯৪.
ওয়াটারলু যুদ্ধে পরাজয়ের পর নেপোলিয়ানকে কোন দ্বীপে নির্বাসন দেওয়া হয়?
  1. সেন্ট হেলেনা
  2. ক্যানারি দ্বীপ
  3. সেন্ট এলবা
  4. কর্সিকা দ্বীপ
ব্যাখ্যা
ওয়াটারলু যুদ্ধ:
- বিখ্যাত ওয়াটার লু যুদ্ধক্ষেত্র বেলজিয়ামে অবস্থিত।
- বিখ্যাত 'ওয়াটার লু' যুদ্ধ সংঘটিত হয় ১৮১৫ সালে।
- এই যুদ্ধে পরাজিত হন ফরাসি বীর নেপোলিয়ন বোনাপার্ট।
- পরাজয়ের ফলে তাঁকে সেন্ট হেলেনা দ্বীপে নির্বাসন দেওয়া হয়েছে।
- তিনি ১৮২১ সালে মৃত্যুবরণ করেন।
- ওয়াটার লুর যুদ্ধে বিজয়ী সেনাপতির নাম আর্থার ওয়েলেসলি (ডিউক অব ওয়েলিংটন)।

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া অব ব্রিটানিকা।
২৯৫.
‘লৌহ মানবী’ নামে পরিচিত কে?
  1. বেগম খালেদা জিয়া
  2. মার্গারেট থ্যাচার
  3. ইন্দিরা গান্ধী
  4. অং সান সুচি
ব্যাখ্যা

মার্গারেট থ্যাচার:
- জন্ম: ১৩ অক্টোবর, ১৯২৫। 
- জন্মস্থান: ইংল্যান্ড।
- শিক্ষা: অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিগ্রী।
- রাজনৈতিক কৃতিত্ব: অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি কনজারভেটিভ অ্যাসোসিয়েশনের প্রথম মহিলা প্রেসিডেন্টদের একজন।
- প্রধানমন্ত্রীর পদ: ব্রিটেনের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী, ১৯৭৯।
- ডাকনাম: ‘লৌহ মানবী’ (Iron Lady)।
- মৃত্যু: ৮ এপ্রিল, ২০১৩, লন্ডন।

উৎস: ব্রিটানিকা।

২৯৬.
আলেকজান্ডার দ্য গ্রেট ছিলেন একজন -
  1. মিশরীয় শাসক
  2. মেসিডোনিয়ান শাসক
  3. রোমান শাসক
  4. ফিনীশিয় শাসক
ব্যাখ্যা
আলেকজান্ডার দ্য গ্রেট:
- আলেকজান্ডার দ্য গ্রেট ছিলেন একজন প্রাচীন মেসিডোনিয়ান শাসক।
- তিনি ম্যাসিডোনিয়া এবং পারস্যের রাজা হিসেবে প্রাচীন বিশ্বের দেখা সবচেয়ে বড় সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।
- মাত্র ২০ বছর বয়সে পিতা দ্বিতীয় ফিলিপের স্থলাভিষিক্ত হন তৃতীয় আলেকজান্ডার।
- গ্রিক দার্শনিক অ্যারিস্টটলের ছাত্র আলেকজান্ডারকে বলা হতো ‘অর্ধেক পৃথিবীর রাজা’।
- কারণ গ্রিসের ছোট্ট রাজ্য ম্যাসিডন ছাপিয়ে প্রায় অর্ধেক পৃথিবী জয় করেছিলেন তিনি।
- মাত্র ৩০ বছর বয়সের মধ্যেই তিনি মিসর থেকে শুরু করে উত্তর-পশ্চিম ভারত পর্যন্ত ইতিহাসের অন্যতম বৃহত্তম সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন।
- আলেকজান্ডার মারা যান খ্রিস্টপূর্ব ৩২৩ অব্দে।

উৎস: History.com.
২৯৭.
নিচের কোন ব্যক্তি বর্ণবাদ বিরোধী কৃষ্ণাঙ্গ নেতা ছিলেন না?
  1. নেলসন ম্যান্ডেলা
  2. আর্চবিশপ ডেসমন্ড টুটু
  3. এফ ডব্লিউ ডি ক্লার্ক
  4. মার্টিন লুথার কিং
ব্যাখ্যা
- এফ ডব্লিউ ডি ক্লার্ক বর্ণবাদ বিরোধী কৃষ্ণাঙ্গ নেতা ছিলেন না 

এফ ডব্লিউ ডি ক্লার্ক:
- এফ ডব্লিউ ডি ক্লার্ক ছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার সর্বশেষ শ্বেতাঙ্গ প্রেসিডেন্ট।
- এফ ডব্লিউ ডি ক্লার্ক দেশের বর্ণবাদী ব্যবস্থার অবসান ঘটাতে সাহায্য করেছিলেন এবং সংখ্যাগরিষ্ঠ শাসনে শান্তিপূর্ণ পরিবর্তনের সূচনা করেছিলেন।
- দক্ষিণ আফ্রিকায় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় তাঁর অবদান অনস্বীকার্য।
- ১৯৮৯ থেকে ১৯৯৪ সাল পর্যন্ত শ্বেতাঙ্গ সংখ্যালঘু সরকারের প্রশাসনিক প্রধান ছিলেন এফ ডব্লিউ ডি ক্লার্ক।
- ১৯৯০ সালে প্রেসিডেন্ট হিসেবে বর্ণবৈষম্যের বিরুদ্ধে লড়াই করে নেলসন ম্যান্ডেলাকে মুক্তি দেওয়ার কথা ঘোষণা করেন তিনি।
- ১৯৯৩ সালে ম্যান্ডেলার সঙ্গে যৌথভাবে নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছিলেন তিনি।
- দক্ষিণ আফ্রিকায় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ও নতুন যুগের সূচনার কৃতিত্ব নেলসন ম্যান্ডেলার সঙ্গে তাঁকেও দেয় ইতিহাস।

অন্যদিকে: 
আর্চবিশপ ডেসমন্ড টুটু:
- আর্চবিশপ ডেসমন্ড টুটু দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদী শাসনবিরোধী আন্দোলনের নেতা ছিলেন।
- দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক প্রেসিডেন্ট নেলসন ম্যান্ডেলার সমসাময়িক ছিলেন তিনি।
- ১৯৪৮ থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত দেশটিতে যে বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলন চলেছে, তাতে অন্যতম চালকের আসনে ছিলেন তিনি।
- বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনে বিশেষ অবদানের জন্য ১৯৮৪ সালে শান্তির নোবেল পুরস্কারও পান এই ধর্মযাজক।
- ১৯৬০ সালে ধর্মযাজক হিসেবে স্বীকৃতি পান ডেসমন্ড টুটু।
- ১৯৭৬ থেকে ১৯৭৮ সাল পর্যন্ত দক্ষিণ আফ্রিকার প্রতিবেশী দেশ লেসোথোর যাজক (বিশপ) হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
- তারপর জোহানেসবার্গে ফিরে আসেন তিনি।
- ১৯৮৫ সালে উচ্চতর যাজক (আর্চবিশপ) পদ লাভ করেন ডেসমন্ড টুটু।
- তিনি ছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ আর্চবিশপ।
- ১৯৯৪ সালে নেলসন ম্যান্ডেলা দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর দেশটিতে শেতাঙ্গ ও কৃষ্ণাঙ্গদের মধ্যে সুসম্পর্ক জোরদার করতে যে ট্রুথ অ্যান্ড রিকনসিলিয়েশন কমিশন গঠন করেছিলেন, তার প্রধান ছিলেন ডেসমন্ড টুটু।

মার্টিন লুথার কিং:
- মার্টিন লুথার কিং ছিলেন আফ্রিকান-আমেরিকান কৃষ্ণাঙ্গ মানবাধিকার কর্মী।
- যুক্তরাষ্ট্রের নিগ্রোদের অধিকার আদায়ে আন্দোলনের অহিংসবাদী নেতা ছিলেন মার্টিন লুথার কিং।
- মার্টিন লুথার কিং আমেরিকায় বর্ণবৈষম্য দূর করার পেছনে একজন অগ্রদূত হিসেবে কাজ করেছেন।
- ১৯৬৩ সালের ২৮ আগস্ট ওয়াশিংটনের লিঙ্কন মেমোরিয়ালের সিঁড়িতে দাঁড়িয়ে তিনি একটি ঐতিহাসিক ভাষণ দেন।
- ভাষণটি সবাই এখন 'I have a dream' শিরোনামে জানে।
- এই ভাষণে উঠে এসেছে নিগ্রোদের প্রতি অত্যাচারের কথা, তাদের বৈষম্যের শিকার হওয়ার কথা।

নেলসন মেন্ডেলা:
- তিনি ছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ প্রেসিডেন্ট।
- দক্ষিণ আফ্রিকায় কৃষ্ণাঙ্গ অধিকার প্রতিষ্ঠায় অবিসংবাদিত নেতা নেলসন ম্যান্ডেলা
- ১৯৪২ সালে তিনি রাজনীতিতে যোগ দেন।।
- তিনি ২৭ বছর কারাবাসে কাটান।
- কারাগারে থাকার সময় তার কয়েদী নম্বর ছিলো ৪৬৬।
- কারাদন্ডের সাল মিলিয়ে ‘৪৬৬৬৪’ গঠন করা হয় যা মেন্ডেলার এইডস বিরোধী প্রচারণার নাম।
- কারা মুক্তির পর ম্যান্ডেলা আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেসের নেতৃত্ব গ্রহণ করেন।
- তিনি ১৯৯৪ থেকে ১৯৯৯ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত দক্ষিণ আফ্রিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন।

উৎস: Britannica.
২৯৮.
“আইন হচ্ছে সার্বভৌম কর্তৃপক্ষের আদেশ” –এটি কার অভিমত?
  1. জন অস্টিন
  2. অধ্যাপক হল্যান্ড
  3. উড্রো উইলসন
  4. অধ্যাপক গেটেল
ব্যাখ্যা
ইংরেজ আইনবিদ জন অস্টিন এর মতে, “আইন হচ্ছে সার্বভৌম কর্তৃপক্ষের আদেশ”। অর্থাৎ আইনের উৎস হিসেবে তিনি সার্বভৌম শক্তির উল্লেখ করেন।
অন্যদিকে, রাষ্ট্রবিজ্ঞানী অধ্যাপক হল্যান্ডের মতে আইনের উৎস ৬টি। যথা:
প্রথা, ধর্ম, বিচার সংক্রান্ত রায়, বিজ্ঞানসম্মত আলোচনা, ন্যায়বোধ এবং আইনসভা।
(সূত্র: রাষ্ট্রবিজ্ঞান : স্নাতক শ্রেণী)
২৯৯.
'জুলিয়াস সীজার' কেন বিখ্যাত?
  1. রোমান সম্রাট হিসেবে
  2. বর্ণবাদ বিরোধী হিসেবে
  3. ব্রিটেনের রাজা হিসেবে
  4. আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হিসেবে
ব্যাখ্যা
জুলিয়াস সিজার:
- জুলিয়াস সিজার একজন রোমান সম্রাট।
- তিনি একজন বিখ্যাত রোমান রাজনীতিবিদ, সেনাপতি ও জনপ্রিয় রোমান সম্রাট।
- তিনি ১০০ খ্রিস্টপূর্বে ইতালির রোমে জন্মগ্রহণ করেছিলেন।
- তিনি ছিলেন একজন রোমান জেনারেল এবং রাজনীতিবিদ।
- তিনি নিজেকে রোমান সাম্রাজ্যের স্বৈরশাসক নামে অভিহিত করেছিলেন।
- রোমের নাগরিকরা গল, ব্রিটেন, মিশর এবং আফ্রিকায় সিজারের অভিযানগুলোর জন্য তাকে পছন্দ করেছিল।
- ৪৪ খ্রিস্টপূর্বে রোমীয় সিনেটে জুলিয়াস সিজারকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেছিল।
- এর ফলে রোমীয় প্রজাতন্ত্রের পতনের সূত্রপাত হয়।

উল্লেখ্য,
- জুলিয়াসের বিখ্যাত বানী: 'এলাম, দেখলাম, জয় করলাম'।

উৎস: Britannica.
৩০০.
ইসলামিক স্টেটের স্বঘোষিত খলিফা ছিলেন কে?
  1. ক) আবু মাহদী আল মুহানদিস
  2. খ) আবু বকর আল বাগদাদি
  3. গ) ওসামা বিন লাদেন
  4. ঘ) আয়াতুল্লা রুহুলুল্লাহ খোমেনী
ব্যাখ্যা
ইসলামিক স্টেট (আইএস) মধ্যপ্রাচ্যের একটি জঙ্গি সংগঠন। ২০১৪ সালে আইএস সিরিয়া, ইরাক ও লিবিয়ার বিস্তৃর্ণ অঞ্চল দখল করে নিজেদের খিলাফত ঘোষণা করে। এর খলিফা ছিলেন আবু বকর আল বাগদাদি। তিনি ২৬ অক্টোবর ২০১৯ সিরিয়ার ইদলিব শহরে মার্কিন অভিযানে নিহত হন। তার মৃত্যুর পর আবু ইব্রাহিম আল হাশেমি আল কুরাইশি আইএস এর খলিফা নিযুক্ত হন।
(সূত্র: আল জাজিরা)