বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি, ধর্মের ইতিহাস ও অন্যান্য

মোট প্রশ্ন১,৩৪৯এই পাতা৪৪প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি, ধর্মের ইতিহাস ও অন্যান্য

PrepBank · পাতা ১৪ / ১৪ · ১,৩০১১,৩৪৪ / ১,৩৪৯

১,৩০১.
পাণিনি কে ছিলেন?
  1. ক) ভাষাবিদ
  2. খ) ঋকবেদবিদ
  3. গ) বৈয়াকরণিক
  4. ঘ) উত্তরাভবন
ব্যাখ্যা
বিখ্যাত বৈয়াকরণিক পাণিনি ছিলেন উপমহাদেশের শ্রেষ্ঠ ব্যাকরণবিদ।
Source: বাংলাপিডিয়া
১,৩০২.
সোভিয়েত ইউনিয়নের সর্বশেষ নেতা কে ছিলেন?
  1. ক) বরিস ইয়েলেৎসেন
  2. খ) স্ট্যালিন
  3. গ) লেলিন
  4. ঘ) মিখাইল গর্ভাচেভ
ব্যাখ্যা
মিখাইল গর্ভাচেভ
• পুরো নাম:- মিখাইল সের্গেইভিচ গর্ভাচেভ।
• জন্ম:- ২ মার্চ, ১৯৩১
• মৃত্যু:- ৩০ আগস্ট, ২০২২ 
• সুপ্রিম সোভিয়েতের চেয়ারম্যান:- ২৫ মে, ১৯৮৯ – ১৫ মার্চ, ১৯৯০
• সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট:- ১৫ মার্চ, ১৯৯০ – ২৫, ডিসেম্বর ১৯৯১
• প্রবর্তক:- গ্লাসনস্ত ও পেরেস্ত্রোইকা নীতির। 
• সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রথম ও একমাত্র প্রেসিডেন্ট। 
সোভিয়েত ইউনিয়নের সর্বশেষ নেতা।     

তথ্যসূত্র:- লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতি সমাচার, অক্টোবর ২০২২।
১,৩০৩.
"Justice delayed is justice denied” কার উক্তি?
  1. জর্জ ওয়াশিংটন
  2. মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র
  3. উইলিয়াম গ্লাডস্টোন
  4. নেলসন মেন্ডেলা
ব্যাখ্যা

উইলিয়াম গ্লাডস্টোন:
– “Justice delayed is justice denied” উইলিয়াম গ্লাডস্টোন এর বিখ্যাত উক্তি।
– তিনি ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ছিলেন (সর্বোচ্চ ৪ বার)।
– গ্ল্যাডস্টোন .১৯মে ১৯৮৮ সালে ক্যান্সারে মারা যান।
– তাকে ওয়েস্টমিনস্টার অ্যাবেতে সমাহিত করা হয়।

উৎস: i) Forbes
ii) Gov.uk

১,৩০৪.
Who is the first woman president in the world?
  1. ক) Imelda Marcos
  2. খ) Srimavo Bandaranayke
  3. গ) Pratibha Patil
  4. ঘ) Isabel Peron
ব্যাখ্যা
ইসাবেলা পেরন:

- পৃথিবীর প্রথম মহিলা প্রেসিডেন্ট ইসাবেলা পেরন।
- ১৯৭৪ থেকে ১৯৭৬ সাল পর্যন্ত তিনি আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রপতি ছিলেন।
- তিনি আর্জেন্টিনার সাবেক রাষ্ট্রপতি হুয়ান পেরোনের তৃতীয় স্ত্রী ছিলেন।
- প্রেসিডেন্ট স্বামীর অসুস্থতার কারণে ১৯৭৪ থেকে ১৯৭৬ পর্যন্ত আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট ছিলেন ইসাবেলা পেরন।

অন্যদিকে,
- কাতেরিনা সাকেলারোপুলু ছিলেন গ্রিসের নারী প্রেসিডেন্ট।
- ডেম স্যান্ড্রা মেসন ছিলেন বারবাডোজের নারী প্রেসিডেন্ট।
- সাহলে ওয়ার্ক জিউড ছিলেন ইথিওপিয়ার নারী প্রেসিডেন্ট।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
১,৩০৫.
Blue Economy সম্পর্কে সর্বপ্রথম ধারনা দেয় কে?
  1. রবার্ট নিক্সন
  2. গুন্টার পাউলি
  3. আন্দ্রে ইস্তেমা
  4. ওয়াংগ্রু হিমাস
ব্যাখ্যা
Blue Economy:
- Blue Economy হলো সমুদ্রনির্ভর অর্থনীতি।
- ব্লু ইকোনমি সম্পর্কে প্রথম ধারণা দেন বেলজিয়ামের অর্থনীতিবিদ গুন্টার পাউলি।
- ১৯৯৪ সালে তিনি প্রথম এই প্রত্যয়টি ব্যবহার করেন।
- পরবর্তীতে ২০১০ সালে তার ব্লু ইকোনমি বইয়ে তিনি বিষয়টি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
- তবে বৈশ্বিকভাবে ২০১২ সালের ২০-২২ জুন রিও ডি জেনেরিও শহরে অনুষ্ঠিত রিও+২০ সম্মেলনে ব্লু ইকোনমি ধারণাটি গুরুত্ব লাভ করে।
- বিশ্বব্যাংকের মতে, সুনীল অর্থনীতি হল ‘অর্থনৈতিক বৃদ্ধি, উন্নত জীবিকা, এবং সমুদ্রের বাস্তুতন্ত্রের স্বাস্থ্য সংরক্ষণের জন্য সমুদ্র সম্পদের টেকসই ব্যবহার।

উৎস: UN website. Blue Economy- Gunter Pauli.
১,৩০৬.
 Great Leap Forward নীতি কে প্রবর্তন করেন?
  1. চিয়াং কাইশেক
  2. লি কুয়ান ইউ
  3. দেং শিয়াওপিং
  4. মাও সেতুং
ব্যাখ্যা

Great Leap Forward:
- ১৯৫৮ সালে চীনে দ্বিতীয় পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা শুরু করার প্রাক-মুহূর্তে গণচীনের জনক মাও সেতুং একটি নতুন নীতি ঘোষণা করেন।
- এই নীতি 'গ্রেড লিপ ফরোয়ার্ড' নামে পরিচিত।
- এই নীতির মূল লক্ষ্য ছিল চীনকে একটি কৃষিপ্রধান দেশ থেকে দ্রুত শিল্পায়িত ও আধুনিক অর্থনীতির দেশে রূপান্তর করা।
- মাও সেতুং বিশ্বাস করতেন যে দ্রুত শিল্পায়নের মাধ্যমে চীন যুক্তরাজ্য এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতো শিল্পোন্নত দেশগুলোর সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে পারবে।

⇒ মাও সেতুং:
- চীনা কমিউনিষ্ট আন্দোলনের অন্যতম নেতা মাও সেতুং ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের প্রধান স্থপতি।
- ১৯৪৯ সালের ১ অক্টোবর, এক বিপ্লবের মাধ্যমে কমিউনিস্ট বিপ্লবী মাও-সেতুং এর নেতৃত্বে গণপ্রজাতন্ত্রী চীন গণচীন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- মাও-সেতুং কে গণচীনের জনক বলা হয়।
- চীন বর্তমানে পৃথিবীর দ্বিতীয় প্রধান অর্থনীতির দেশ।

উৎস: i) Britannica.
ii) History.com

১,৩০৭.
রাশিয়ার বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর নাম কী?(সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
  1. ভ্লাদিমির পুতিন
  2. নিকোলাই সেরগেভ
  3. মিখাইল মিশুস্তিন
  4. অ্যালেক্সি কেসিগিনি
ব্যাখ্যা

• মিখাইল মিশুস্তিন:
- রাশিয়ার বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর নাম হল মিখাইল মিশুস্তিন।
- তিনি ১৬ জানুয়ারি ২০২০ সালে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
- পরে তিনি ২০২৪ সালের ৭ মে পদত্যাগ করেন এবং ১০–১১ মে আবার রাষ্ট্রপতি ভ্লাদিমির পুতিনের প্রস্তাব ও সংসদের স্বীকৃতি অনুযায়ী পুনরায় প্রধানমন্ত্ৰী হিসেবে নিয়োগ পান।

কয়েকটি দেশের প্রধানমন্ত্রীর নাম:
- ভারত – নরেন্দ্র মোদি;
- যুক্তরাজ্য – কীয়ার স্টারমার;
- কানাডা – মার্ক কারনি;
- অস্ট্রেলিয়া – অ্যান্থনি আলবেনিজ;

উৎস: ব্রিটানিকা ও AP News.

১,৩০৮.
ফ্যাসিবাদের জনক বলা হয় কাকে?
  1. এডলফ হিটলার
  2. বেনিতো মুসোলিনি
  3. জোসেফ স্টালিন
  4. ফ্রান্সিসকো ফ্রাঙ্কো
ব্যাখ্যা

বেনিতো মুসোলিনি:
- ফ্যাসিবাদের প্রবর্তক বেনিতো মুসোলিনি।

⇒ বেনিতো মুসোলিনি ছিলেন দ্বিতীয় মহাযুদ্ধ কালে ইতালির সর্বাধিনায়ক।
- তিনি ছিলেন একজন বিপ্লবী সমাজতান্ত্রিক নেতা।
- বেনিতো মুসোলিনির জন্ম ১৮৮৩ সালের ২৯ জুলাই।
- ১৯২২ সালে বেনিতো মুসোলিনি নিজেকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ঘোষনা করেন।
- বেনিতো মুসোলিনি বিশ শতকের ইউরোপে প্রথম ফ্যাসিবাদী একনায়কতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেন।
- ১৯২২ থেকে ১৯৪৩ পর্যন্ত তিনি ইতালির প্রধানমন্ত্রীর পদে বহাল থাকেন।
- একনায়কতন্ত্র ও স্বৈরশাসনকে সাংবিধানিক মর্যাদায় উন্নীত করা মুসোলিনি একজন রাজনৈতিক সাংবাদিকও ছিলেন।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে হিটলারের সঙ্গে বন্ধুত্ব করেন তিনি।
- মুসোলিনি ১৯৪০ সালে অক্ষশক্তির পক্ষে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে যোগদান করেন।
- ১৯৪৩ সালে সিসিলিতে ক্ষমতাচ্যুত হলে তাকে বন্দী করা হয়।
- বেনিতো মুসোলিনি ১৯৪৫ সালের ২৮ এপ্রিল মৃত্যুবরণ করেন।

উল্লেখ্য,
- 'নারীর কাছে মাতৃত্ব যেমন অপরিহার্য, পুরুষের কাছে যুদ্ধও তেমনি অপরিহার্য'- উক্তিটি করেছেন বেনিতো মুসোলিনি।

উৎস: i) History.com
ii) BBC.

১,৩০৯.
'দ্য নাইট ওয়াচ' শিল্পকর্মের শিল্পী কে?
  1. লিওনার্দো দ্যা ভিঞ্চি
  2. তিশিয়ান পিউ
  3. রেমব্রান্ট ভ্যান রিজন
  4. ম্যাসাচ্চিও বোন্ডি
ব্যাখ্যা
রেমব্রান্ট ভ্যান রিজন:
- নাইট ওয়াচ দ্বারা পেইন্টিং রেমব্রান্ট ভ্যান রিজন ১৬৪২ সালে সম্পন্ন তৈরী করেছিল।
- এটি আনুষ্ঠানিকভাবে ক্যাপ্টেন ফ্রান্স ব্যানিঙ্ক কক-এর অধীনে ডিস্ট্রিক্ট II-এর মিলিশিয়া কোম্পানি নামে পরিচিত.
- রেমব্রান্টের কর্মজীবনের উচ্চতায়, ১২.৪ × ১৪.৯ ফুট (৩৭৯.৫ × ৪৫৩.৫ সেমি)।
- এটি মিলিশিয়া কোম্পানির একটি কমিশনড গ্রুপ প্রতিকৃতি।

উৎস: ব্রিটানিকা.কম।[লিঙ্ক]
১,৩১০.
আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতার দায়িত্ব গ্রহণ করেন -
  1. ১৯৭১ সালে
  2. ১৯৭৯ সালে
  3. ১৯৮১ সালে
  4. ১৯৮৯ সালে
ব্যাখ্যা

আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি:
- আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা।
- সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি এখন দেশটির সামরিক বাহিনীর কমান্ডার-ইন-চীফ।
- দেশের সব বড় বা গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে তার সম্মতি দরকার হয়। এমনকি ইরান পারমাণবিক ক্ষমতার অধিকারী হবে কিনা অথবা জাতিসংঘের আণবিক শক্তি সংস্থাকে সহযোগিতা করবে কিনা, এসবের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত তিনি দেন।
- আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি ১৯৮৯ সালে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতার দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

⇒ ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতার শাসনের এই ব্যবস্থা চালু হয় ১৯৭৯ সালে ইসলামি বিপ্লবের পর থেকে। ইসলামি বিপ্লবের মাধ্যমে ইরানে রেজা শাহ পাহলভীর রাজতন্ত্রকে উৎখাত করা হয়। তাকে উৎখাতের পর ইরানে ধর্মীয় প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এরপর দেশটি দুজন সুপ্রিম লিডার বা সর্বোচ্চ নেতা পেয়েছে। তাদের পদবী হিসেবে আয়াতুল্লাহ ব্যবহার করা হয়, শিয়া ধর্মাবলম্বীদের কাছে যার অর্থ সিনিয়র ধর্মীয় নেতা।
- ১৯৬২ সালে আলী খামেনি শাহ মোহাম্মদ রেজা পাহলভির বিরুদ্ধাচরণকারী আয়াতুল্লাহ খোমেনির ধর্মীয় আন্দোলনে যোগ দেন।
- ১৯৭৯ সালে ইরানে ইসলামি বিপ্লবের পর আলী খামেনি বিপ্লবী পরিষদে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে তিনি উপ-প্রতিরক্ষামন্ত্রী হন এবং ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড কোরকে সংগঠিত করতে সহায়তাও করেন। এই বিপ্লবী গার্ড ইরানের অন্যতম শক্তিশালী প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়।
- ১৯৮১ সালে দেশটির বামপন্থী বিদ্রোহী গোষ্ঠীর ইরানের রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ-আলী রাজাইকে হত্যা করে।
- রাজাইয়ের মৃত্যুর পর তার উত্তরসূরি হিসেবে আলী খামেনি ইরানের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। আট বছর ধরে আনুষ্ঠানিক এই পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন তিনি।
- ১৯৮৯ সালের জুনে খোমেনির মৃত্যুর পর বিশেষজ্ঞ পরিষদ (ধর্মীয় আলেমদের একটি পরিষদ) আলী খামেনিকে নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নির্বাচিত করে।
- আয়াতুল্লাহ খামেনি শাসনামলে বর্তমান প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানসহ ছয়জন প্রেসিডেন্ট দায়িত্ব পালন করেন। 

উৎস: i) BBC.
ii) Middle East Eye.

১,৩১১.
জর্জ ডাব্লিউ বুশ আমেরিকার কততম প্রেসিডেন্ট?
  1. ৪১তম
  2. ৪২তম
  3. ৪৩তম
  4. ৪৪তম
ব্যাখ্যা
জর্জ ডব্লিউ বুশ:
- জর্জ ডব্লিউ বুশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৪৩তম রাষ্ট্রপতি।
- তিনি ২০০১-০৯ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন।
- রাজনৈতিক দল: রিপাবলিকান পার্টি।

উল্লেখ্য,
- ২০০১ সালের সেপ্টেম্বর ১১ তারিখে নাইন-ইলেভেন হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার বিধ্বস্ত হওয়ার পর তিনি বিশ্বব্যাপী সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধ ঘোষণা করেন।
- এই হামলার পর তিনি অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার জন্য Department of Homeland Security বিভাগ প্রতিষ্ঠা করেন। 
- এরই ধারাবাহিকতায় আফগানিস্তারের তালেবান সরকারকে উৎখাত করার জন্য সেদেশে আগ্রাসন চালান।
- এই আগ্রাসনের মূল উদ্দেশ্য ছিল আল কায়েদা ধ্বংস করে ওসামা বিন লাদেনকে আটক করা।

উৎস: Britannica.
১,৩১২.
নিম্নের কোন রাজনীতিবিদ 'গ্লাসনস্ত নীতি' গ্রহণ করেছিলেন?
  1. উইনস্টোন চার্চিল
  2. মিখাইল গর্বাচেভ
  3. এডলফ হিটলার
  4. ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট
ব্যাখ্যা
মিখাইল গর্বাচেভ:
- মিখাইল গর্বাচেভ ছিলেন একজন সোভিয়েত রাজনীতিবিদ এবং সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের সর্বশেষ প্রেসিডেন্ট।
- তিনি ১৯৮৫ সালে ক্ষমতাসীন হওয়ার পর গ্লাসনস্ত এবং পেরেস্ত্রইকা নামে দুটির সংস্কারমূলক নীতি গ্রহণ করেন।
- স্নায়ুযুদ্ধের অবসান এবং যুক্তরাষ্ট্র-সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যকার দীর্ঘ শীতল সম্পর্ক উষ্ণ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন মিখাইল গর্বাচেভ।

⇒ গ্লাসনস্ত নীতি:
- গ্লাসনস্ত শব্দের অর্থ হচ্ছে মুক্তবস্থা বা খোলা হাওয়া।
- ১৯৯০ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট মিখাইল গর্বাচেভ মানবধিকার ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে ব্যক্তি স্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের অধিকারকে স্বীকৃতি দেয়ার জন্য যে নীতি গ্রহণ করেছিলেন তাই হচ্ছে গ্লাসনস্ত।

⇒ পেরেস্ত্রইকা নীতি:
- পেরেস্ত্রইকা শব্দের অর্থ হচ্ছে পুনর্গঠন।
- আর্থিক ও সামাজিক সংস্কার করতে ১৯৯০ সালে এই নীতি প্রবর্তন করেন প্রেসিডেন্ট মিখাইল গর্বাচেভ।
- ওই সময় দেশকে নতুন দিশায় নিয়ে যেতে যে পুনর্গঠন প্রকৃত শুরু করেছিলেন তিনি, সেটাই পেরেস্ত্রইকা।
- এই নীতির মূল উদ্দেশ্য ছিল সমাজতন্ত্রের আধারে এমন এক ব্যবস্থা গড়ে তোলা, যেখানে থাকবে একটি দক্ষ অর্থনীতি এবং সর্বোপরি একটি উন্নত বিজ্ঞান প্রযুক্তি নির্ভর ও গণতান্ত্রিক সমাজ কাঠামো।
- শীতলযুদ্ধের প্রয়োজনে সোভিয়েত ইউনিয়ন মূলত ভারী শিল্প বিশেষত সামরিক শিল্পের ওপর বেশি গুরুত্ব দিয়েছিল।
- ফলে তথ্যপ্রযুক্তি, ইলেকট্রনিক বা এই ধরনের বিলাস দ্রব্যের উৎপাদন পরিকাঠামো গড়ে ওঠেনি।
- একই সাথে বিশ্ববাণিজ্যে সোভিয়েত ইউনিয়ন পিছিয়ে পড়েছিল।
- বাণিজ্য কেবল পূর্ব ইউরোপ এবং সমাজতান্ত্রিক শিবিরের অন্তর্ভুক্ত দেশগুলির সঙ্গেই সীমাবদ্ধ ছিল।
- এই অবস্থার পরিবর্তন ঘটানোর উদ্দেশ্যে অর্থনৈতিক উদারীকরণ এর নীতি গৃহীত হয়।

উৎস: Britannica.
১,৩১৩.
কার্ল মার্কস কোন দেশে জন্মগ্রহণ করেছিলেন?
  1. জার্মানি 
  2. যুক্তরাজ্য
  3. ফ্রান্স
  4. ইতালি
ব্যাখ্যা

কার্ল মার্কস:
- কার্ল মার্কস ছিলেন একজন বিপ্লবী, সমাজবিজ্ঞানী, ইতিহাসবিদ এবং অর্থনীতিবিদ।
- তিনি ১৮১৮ সালের ৫ মে জার্মানির রাইন প্রদেশের ট্রায়ারে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি সমাজতন্ত্র ও আধুনিক কমিউনিজমের জনক।
- তিনি যুক্তরাজ্যের লন্ডনে ১৮৮৩ সালের ১৪ মার্চ মৃত্যুবরণ করেন।

তার উল্লেখযোগ্য বই -
- The Communist Manifesto যা ১৮৪৮ সালে প্রকাশিত হয়।
- তিনি আন্দোলনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বই Das Kapital-এর লেখকও ছিলেন।
- মার্কস ও এঙ্গেলস-এর লেখাগুলো মার্কসবাদ নামে পরিচিত।
- কার্ল মার্ক্স এবং ফ্রেডরিখ এঙ্গেলস-এর বিখ্যাত একটি বই 'The German Ideology'।

উৎস: Britannica.

১,৩১৪.
Which of the following antibiotic was discovered by Alexander Fleming?
  1. X-ray
  2. Streptomycin
  3. Telephone
  4. Tetracycline
  5. None of these
ব্যাখ্যা
আলেকজান্ডার ফ্লেমিং:
- স্যার আলেকজান্ডার ফ্লেমিং ছিলেন একজন স্কটিশ ডাক্তার, জীববিজ্ঞানী, ফার্মাকোলজিস্ট এবং উদ্ভিদবিজ্ঞানী।
- তিনি ১৯২১ সালে আবিষ্কার করেন লাইসোজাইম, যেটি প্রাকৃতিকভাবেই জীবাণুনাশক হিসেবে কাজ করে। 
- ১৯২৮-এর সেপ্টেম্বরে ফ্লেমিং টাইফয়েড রোগের জীবাণুর কোনো সম্ভাব্য প্রতিষেধক পাওয়া যায় কিনা তাই নিয়ে কাজ করছিলেন।
- তিনি তার ল্যাবরেটরিতে স্ট্যাফাইলোকক্কাস নামক এক ব্যাক্টেরিয়া নিয়ে কাজ করেছিলেন।
- তিনি ১৯৪৫ সালে বিশ্বের প্রথম এন্টিবায়োটিক পেনিসিলিন আবিষ্কার করেন।
- এর জন্য তিনিসহ হাওয়ার্ড ফ্লোরি ও আর্নেস্ট বরিস চেইন মেডিসিনে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

উল্লেখ্য,
- তিনি চিকিৎসা, রোগের অনাক্রম্যতা, এবং কেমোথেরাপিসহ অনেক নিবন্ধ লিখেছেন।
- ১৯৪৪ সালে রাজা ষষ্ঠ জর্জ তাকে নাইট উপাধি প্রদান করেন।
- ফ্লেমিং ১১ মার্চ ১৯৫৫ সালে ৭৩ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

উৎস: Britannica.
১,৩১৫.
কে সর্বপ্রথম শিশুদের মধ্যে ইসলাম গ্রহণ করেন?
  1. ক) হযরত আলী (রা)
  2. খ) যায়েদ ইবনে হারেসা (রা)
  3. গ) হযরত আবু বকর (রা)
  4. ঘ) হযরত সাদ (রা)
ব্যাখ্যা
- সর্বপ্রথম শিশুদের মধ্যে ইসলাম গ্রহণ করেন হযরত আলী (রা)।
- তিনি যখন ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন তখন তার বয়স ছিল দশর বছর।

অন্যদিকে-
- যায়েদ ইবনে হারেসা (রা) যুবকদের মধ্যে সর্বপ্রথম ইসলাম গ্রহণ করেন।
- হযরত আবু বকর (রা) বয়স্কদের মধ্যে সর্বপ্রথম ইসলাম গ্রহণ করেন।
- এবং সর্বপ্রথম ইসলাম গ্রহণ করেন রাসূল (স)- এর সহধর্মিণী হযরত খাদিজা (রা)।

উল্লেখ্য,
-  ইসলামের ইতিহাসের প্রথম তিন থেকে চার বছর পর্যন্ত উপরিউক্ত মনীষীদের মধ্যেই ইসলাম সীমাবদ্ধ ছিল।
- তাঁরাই ছিলেন রাসূলের প্রাথমিক সহচর। 
- রাসূলের সুখে-দুঃখে তাঁরাই ছিলেন নিত্যসঙ্গী, সমব্যথী।

উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ১ম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৩১৬.
'বায়তুল হিকমাহ' কোথায় অবস্থিত?
  1. তেহরান
  2. কায়রো
  3. বাগদাদ
  4. আলেকজান্দ্রিয়া
ব্যাখ্যা
বায়তুল হিকমা:
- বায়তুল হিকমা একটি জ্ঞানচর্চাকেন্দ্র।
- মধ্যযুগে বিশ্বের সবচেয়ে বড় বইয়ের ভাণ্ডার ছিল ইরাকের বাগদাদে।
- নাম ছিল বায়তুল হিকমা বা হাউস অব উইজডম।
- বায়তুল হিকমা (House of Wisdom) প্রতিষ্ঠা করেছিলেন আব্বাসীয় খলিফা হরুন আল-রশিদ (৭৮৬–৮০৯ খ্রি.)।
- তবে এর মূল প্রতিষ্ঠা ও বিকাশ ঘটেছিল তার পুত্র খলিফা আল-মামুনের শাসনামলে (৮১৩–৮৩৩ খ্রি.)।
- খলিফা আল-মামুন ৮৩০ খ্রিষ্টাব্দে সেটির পূর্ণতা দান করেন।

⇒ গণিত, জ্যোতির্বিদ্যা, চিকিৎসাবিজ্ঞান, রসায়ন, প্রাণিবিদ্যা, ভূগোল ও মানচিত্র অঙ্কনবিদ্যা বেশি চর্চা হতো এখানে।
- ভারতীয়, গ্রিক ও পারস্যের অমূল্য গ্রন্থ সংগ্রহের ওপর জোর দেওয়া হতো।
- সংগ্রহের পর সেগুলো অধ্যয়ন ও আলোচনা চলত দিনের পর দিন।
- অনুবাদ করার কাজও চলত সমানতালে।

⇒ এটি অষ্টম শতাব্দীতে নির্মিত।
- বর্তমান ইরাকের বাগদাদে বায়তুল-হিকমা অবস্থিত।
- অনুবাদকেন্দ্র হিসেবে যাত্রাপথ শুরু হলেও ক্রমেই তা গবেষণাকেন্দ্র, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও মানমন্দিরে পরিণত হয়েছিল।
- এটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল আব্বাসীয় শাসনামলে।

উৎস: Britannica.
১,৩১৭.
আলফ্রেড নোবেল কী আবিস্কার করেন?
  1. পেনিসিলিন
  2. ডিনামাইট
  3. পারমানবিক বোমা
  4. রেডিও
ব্যাখ্যা
• আলফ্রেড নোবেল:
- আলফ্রেড নোবেল সুইডিশ শিল্পপতি।
- তার বাবার কারখানায় কাজ শিখে আলফ্রেড নোবেল।
- তিনি প্রথমে স্টকহোমে এবং পরে জার্মানিতে রাসায়নিক গবেষণাগার স্থাপন করেন।
- ১৮৬৬ সালে জার্মানির গবেষণাগারে আবিষ্কার করেন ডিনামাইট।

উল্লেখ্য,
- আলফ্রেড নোবেলের মৃত্যুর পর ১৮৯৭ সালে গঠিত হয় নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটি।
- ১৯০০ সালে গঠিত হয় নোবেল ফাউন্ডেশন।
- ১৯০১ সালে প্রথম নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়।
- তাঁর ইচ্ছা অনুযায়ী বিশ্বমানবতার কল্যাণে কাজ করে যাঁরা পদার্থ, রসায়ন, চিকিৎসা, শান্তি ও সাহিত্যে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন, তাঁদেরকে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা। 
১,৩১৮.
'ডেজার্ট ফক্স' নামে পরিচিত কে?
  1. জোসেফ স্ট্যালিন
  2. ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট
  3. ফিল্ড মার্শাল রোমেল
  4. প্রিন্স বিসমার্ক
ব্যাখ্যা
ফিল্ড মার্শাল রোমেল:
- ফিল্ড মার্শাল এরউইন রোমেল (Erwin Rommel) ছিলেন নাজি জার্মানির একজন বিখ্যাত সেনা কমান্ডার।
- তিনি ইতিহাসে ‘ডেজার্ট ফক্স’ বা ‘মরুভূমির শিয়াল’ নামে খ্যাত।

উল্লেখ্য,
- তার বিশেষ খ্যাতি ছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় আফ্রিকায়, বিশেষত উত্তর আফ্রিকায়, জার্মান আফ্রিকা কর্পসের (German Afrika Korps) নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য।
- রোমেল ১৯১০ সালে জার্মানির সেনাবাহিনীতে যোগ দেন এবং দ্রুতই তার কৌশলগত দক্ষতা এবং নেতৃত্বের জন্য পরিচিতি লাভ করেন।
- এই কারণেই তিনি 'ডেজার্ট ফক্স' নামে পরিচিত হয়ে উঠেন।

এছাড়াও,
- রোমেল যুদ্ধের শেষের দিকে হিটলারের নীতির বিরোধিতা করতে শুরু করেন এবং ১৯৪৪ সালে তাকে সামরিক ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকার অভিযোগে আত্মহত্যার জন্য চাপ দেওয়া হয়।
- তার মৃত্যু আত্মহত্যা হিসেবে ঘোষণা করা হয়, যদিও এটি এক ধরনের চাপ বা ষড়যন্ত্র ছিল।
- ১৪ অক্টোবর, ১৯৪৪-এ বিষ খেয়ে আত্মহত্যা করার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল।
- রোমেলকে তার দক্ষতা, সাহসিকতা এবং কৌশলগত চিন্তাভাবনার জন্য স্মরণ করা হয়।

উৎস: Britannica.
১,৩১৯.
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কোন জেলায় জন্ম গ্রহন করেন?
  1. ক) গুগলী
  2. খ) কলকাতা
  3. গ) পুরুলিয়া
  4. ঘ) মেদিনীপুর
ব্যাখ্যা
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:

- তিনি ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতার নাম ঠাকুরদাস বন্দ্যোপাধ্যায়।
- ১৮২৮ সালের ডিসেম্বর মাসে তাঁকে কলকাতার একটি পাঠশালায় এবং ১৮২৯ সালের জুন মাসে সংস্কৃত কলেজে ভর্তি করানো হয়।
- তিনি দু-বছর ওই কলেজে ব্যাকরণ, সাহিত্য, অলঙ্কার, বেদান্ত, ন্যায়, তর্ক, জ্যোতির্বিজ্ঞান, হিন্দু আইন এবং ইংরেজি বিষয়ে অধ্যয়ন করেন। তাছাড়া প্রতি বছরই তিনি বৃত্তি এবং গ্রন্থ ও আর্থিক পুরস্কার পান।
- ১৮৩৯ সালের মধ্যেই বিদ্যাসাগর উপাধি লাভ করেন।
- ১৮৫০ সালের ডিসেম্বর মাসে তিনি সংস্কৃত কলেজের সাহিত্যের অধ্যাপক পদ লাভ করেন এবং পরের মাসে ওই কলেজের অধ্যক্ষ নিযুক্ত হন।
- ১৮৫৬ সালের জুলাই মাসে বিধবাবিবাহ আইন প্রণীত হয়
- বিদ্যাসাগর এবং তাঁর বন্ধুরা মিলে ১৮৫৬ সালের ডিসেম্বর মাসে রক্ষণশীল সমাজের বিক্ষোভ এবং প্রচন্ড বাধার মুখে ঘটা করে এক বিধবার বিবাহ দেন।
- ২৯ জুলাই, ১৮৯১ সালে তিনি মৃত্যু বরণে করেন

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১,৩২০.
BARD এর প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. ক) এস এম সুলতান
  2. খ) স্যার ফজলে হাসান আবেদ
  3. গ) ড. নুরুল ইসলাম
  4. ঘ) ড. আখতার হামিদ খান
ব্যাখ্যা
BARD (Bangladesh Academy for Rural Development) বা বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা ড. আখতার হামিদ খান। এটির অবস্থান কুমিল্লা জেলার কোটবাড়ীতে যা ১৯৫৯ সালের ২৭ মে প্রতিষ্ঠিত হয়।
বার্ড বর্তমানে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান। এটির প্রতিষ্ঠার মূল উদ্দেশ্য হলো পল্লী উন্নয়নের ক্ষেত্রে গবেষণা ও প্রশিক্ষণ প্রদান।
(সূত্রঃ বার্ড ওয়েবসাইট)
১,৩২১.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. মার্গারেট থ্যাচার
  2. উইনস্টন চার্চিল
  3. রবার্ট ওয়ালপোল
  4. উইলিয়াম ই গ্লাডস্টোন
ব্যাখ্যা
• উইনস্টন চার্চিল: 
- উইনস্টন চার্চিল ছিলেন একজন ব্রিটিশ রাজনীতিবিদ।
- তিনি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
- সাহিত্যে অসাধারণ অবদানের জন্য তিনি ১৯৫৩ সালে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রেক্ষাপট ও চার্চিলের উত্থান:
- ১৯৪০ সাল:
- যুদ্ধের শুরুতে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন নেভিল চেম্বারলেন।
- এপ্রিল ১৯৪০:
- চার্চিল সামরিক সমন্বয় কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পান।
- মে ১৯৪০: নরওয়েজিয় সংকটের জেরে চেম্বারলেইনের ওপর জাতীয় সংসদে আস্থা হারিয়ে যায়।
- ১০ মে ১৯৪০:
- রাজা ষষ্ঠ জর্জ, উইনস্টন চার্চিলকে প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেন।
→ আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও ‘আটলান্টিক সনদ’:
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ফ্রাংকলিন ডি. রুজভেল্ট,
- ও ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিল মিলে স্বাক্ষর করেন।
- ঐতিহাসিক আটলান্টিক সনদ—যা যুদ্ধ-পরবর্তী বিশ্বের নীতিমালার ভিত্তি গড়ে তোলে।

অপরদিকে,
- মার্গারেট থ্যাচার: ব্রিটেনের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী।
- উইলিয়াম ই গ্লাডস্টোন: বিখ্যাত উক্তি- Justice Delayed is Justice Denied.

উৎস: Britannica.
১,৩২২.
Who is the first female vice president of the United States of America?
  1. Snna Marin
  2. Judith Kutit
  3. Kamala Harris
  4. Jacinda Arden
  5. None of these
ব্যাখ্যা
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম নারী ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন কমলা হ্যারিস।
- ৫৫ বছর বয়সী এ রাজনীতিকই দেশটির প্রধান দুই দলের মধ্যে প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ নারী ও প্রথম এশীয় বংশোদ্ভূত হিসেবে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট।
- কমলা হ্যারিসের জন্ম ১৯৬৪ সালের ২০ অক্টোবর ক্যালিফোর্নিয়া রাজ্যের ওকল্যান্ডে।
- তাঁর পিতা ডোনাল্ড জে হ্যারিস জ্যামাইকান বংশোদ্ভূত আর মা ভারতীয় বংশোদ্ভূত আমেরিকান।
- কমলা প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ নারী এবং দক্ষিণ এশীয় বংশোদ্ভূত হিসেবে ক্যালিফোর্নিয়ার অ্যাটর্নি জেনারেল নির্বাচিত হন (২০১০) এবং দুই বছর দায়িত্ব পালন করেন।

তথ্যসূত্র - যুগান্তর, ০৭ নভেম্বর ২০২০।
১,৩২৩.
'আমার দেখা নয়াচীন' গ্রন্থের রচয়িতা-
  1. ক) শেখ হাসিনা
  2. খ) এ কে খন্দকার
  3. গ) শেখ রেহানা
  4. ঘ) শেখ মুজিবুর রহমান
ব্যাখ্যা
অসমাপ্ত আত্মজীবনী, কারাগারের রোজনামচা ও আমার দেখা নয়াচীন গ্রন্থগুলোর রচয়িতা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
১,৩২৪.
২০১০ সালে সাহিত্যে নোবেলজয়ী মারিও বার্গাস লোসা কোন দেশে জন্মগ্রহণ করেন?
  1. ক) আর্জেন্টিনা
  2. খ) মেক্সিকো
  3. গ) পেরু
  4. ঘ) কলম্বিয়া
ব্যাখ্যা
মারিও বার্গাস লোসা:

- তিনি ২৮ মার্চ ১৯৩৬ সালে পেরুতে জন্মগ্রহন করেন।
- ভার্গাস লোসা বলিভিয়ার কোচাবাম্বাতে প্রাথমিক শিক্ষা লাভ করেন।
- ১৯৫০ সালে লিমায় একটি সামরিক স্কুল, লিওনসিও প্রাডোতে প্রবেশ করার আগে তিনি পেরুর কয়েকটি স্কুলে পড়াশোনা করেছিলেন।
- তার প্রথম প্রকাশিত কাজ ছিল "দ্য এস্কেপ অফ দ্য ইনকা"।
- তারপরে তার গল্পগুলি পেরুভিয়ান সাহিত্য পর্যালোচনাগুলিতে প্রকাশিত হতে শুরু করে।
- ১৯৯০ সালে তিনি পেরুর রাষ্ট্রপতি প্রার্থী ছিলেন।
- ভার্গাস লোসাকে ২০১০ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরষ্কার দেওয়া হয়।

তথ্যসুত্র - Britannica.com
১,৩২৫.
যুক্তরাষ্ট্রে দাস প্রথা বিলুপ্তির ঘোষণা দেন কে?
  1. মার্টিন লুথার কিং
  2. জর্জ ওয়াশিংটন
  3. আব্রাহাম লিংকন
  4. জন এফ কেনেডি
ব্যাখ্যা
আব্রাহাম লিংকন:
- আব্রাহাম লিংকন ১২ ফেব্রুয়ারি ১৮০৯ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হজেনভিলে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি আমেরিকার ১৬তম প্রেসিডেন্ট ছিলেন।
- ১৮৬১ সালের ৪ মার্চ থেকে ১৮৬৫ সালের ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত তিনি প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করেন।
- লিংকনের গেটিসবার্গ ভাষণ (Gettysburg Address) ইতিহাসে অন্যতম বিখ্যাত ভাষণ।
- তিনি দাসপ্রথা বিলুপ্তির জন্য গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেন।
- ২২ সেপ্টেম্বর ১৮৬২ সালে লিংকন দাস প্রথা মুক্তির প্রাথমিক ঘোষণা দেন।
- ১ জানুয়ারি ১৮৬৩ সালে তিনি এই ঘোষণাকে সরকারিভাবে কার্যকর করেন, যা Emancipation Proclamation নামে পরিচিত।
- তাঁর শাসনামলে ১৮৬১-১৮৬৫ সাল পর্যন্ত মার্কিন গৃহযুদ্ধ সংঘটিত হয়।
- গৃহযুদ্ধের সময় লিংকন ইউনিয়নিস্টদের নেতৃত্ব দেন এবং কনফেডারেটদের বিরুদ্ধে বিজয় অর্জন করেন।
- তিনি ১৫ এপ্রিল ১৮৬৫ সালে ওয়াশিংটন ডিসিতে মৃত্যুবরণ করেন।

উল্লেখ্য, 
- দাসপ্রথা বিলুপ্তি এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সমতা প্রতিষ্ঠার জন্য তাঁর অবদান আজও স্মরণীয়।

তথ্যসূত্র: ব্রিটেনিকা ওয়েবসাইট।
১,৩২৬.
ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি স্বাক্ষরে মধ্যস্থতা করেন কে?
  1. জন এফ কেনেডী
  2. জিমি কার্টার
  3. হেনরী কিসিঞ্জার
  4. বিল ক্লিনটন
ব্যাখ্যা
- ১৯৭৮ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর ইসরাইল ও মিশর নিজেদের মধ্যে শান্তি স্থাপনে ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি স্বাক্ষর করে।
- যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ডে অবস্থিত অবকাশ যাপন কেন্দ্র ক্যাম্প ডেভিডে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তিটি স্বাক্ষরে মধ্যস্থতা করেন তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার মধ্যস্থতা করেন।
- এই চুক্তির ফলে মিশরকে ওআইসি ও আরবলীগ থেকে বহিস্কার করা হয়েছিলো।
(তথ্যসূত্রঃ হিস্টোরি ডটকম)
১,৩২৭.
বিখ্যাত সমাজ বিজ্ঞানী কাল মার্কস কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?
  1. রাশিয়া
  2. জার্মানি
  3. ফ্রান্স
  4. ইতালি
ব্যাখ্যা

কার্ল মার্কস:
- কার্ল মার্কস ছিলেন একজন সমাজ বিজ্ঞানী, বিপ্লবী, ইতিহাসবিদ এবং অর্থনীতিবিদ।
- ১৮১৮ সালের ৫ মে জার্মানির রাইন প্রদেশের ট্রায়ারে জন্মগ্রহণ করেন।
- সমাজতন্ত্র ও আধুনিক কমিউনিজমের জনক হিসেবে তিনি বিশ্বব্যাপি পরিচিত।
- মার্কসবাদ, সমাজ ও অর্থনীতির নানা দিক বিশ্লেষণ করেন।
- তিনি ১৮৮৩ সালের ১৪ মার্চ যুক্তরাজ্যের লন্ডনের মৃত্যুবরণ করেন।

তার বিখ্যাত কয়েকটি বই:
- Das Capital.
- The Communist Manifesto.
- The German Ideology.

উৎস: Britannica.

১,৩২৮.
কনফুসীয় ধর্মের উৎপত্তি কোন দেশে?
  1. ক) নেপাল
  2. খ) তিব্বত
  3. গ) চীন
  4. ঘ) ভারত
ব্যাখ্যা
কনফুসীয় ধর্ম
- কনফুসীয় ধর্মের উৎপত্তি চীন দেশে।
- কনফুসিয়াস ধর্মেরে প্রবর্তক - চীনের দার্শনিক কনফুসিয়াস।
- কনফুসিয়াসের জীবনকাল - ৫৫১-৪৭৯ খিস্ট্রপূর্বাব্দ।
- কনফুসিয়াসের প্রধান উপদেশ বাণী- ‘তুমি যা পছন্দ করো না, অন্যকে তা করতে দিও না’।
- কনফুসিয়ানিজম চীনা জনগণ দুই সহস্রাব্দেরও বেশি সময় ধরে অনুসরণ করেছিল। 
- সময়ের সাথে পরিবর্তিত হলেও, এটি এখনও শিক্ষার উপাদান, মূল্যবোধের উৎস এবং চীনাদের সামাজিক কোড। 
- এর প্রভাব অন্যান্য দেশেও বিস্তৃত হয়েছে, বিশেষ করে কোরিয়া, জাপান এবং ভিয়েতনামে।

উৎস: Encyclopedia Britannica.
১,৩২৯.
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ছিলেন -
  1. উড্রো উইলসন
  2. জর্জ লয়েড
  3. উইলিয়াম হাওয়ার্ড ট্যাফট
  4. ভিট্টোরিও অরল্যান্ডো
ব্যাখ্যা
প্রথম বিশ্বযুদ্ধ:
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময়কাল ১৯১৪-১৯১৮ সাল।
- যুদ্ধ শুরু হয়: ২৮ জুলাই, ১৯১৪ সালে।
- শেষ হয়: ১১ নভেম্বর, ১৯১৮ সালে।
- যুদ্ধের ফলাফল: মিত্র শক্তির বিজয়।
- অক্ষশক্তি: জার্মানি, অস্ট্রিয়া, হাঙ্গেরি, অটোমান সাম্রাজ্য ও বুলগেরিয়া।
- মিত্রশক্তি: সার্বিয়া, রাশিয়া, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, ইতালি, জাপান প্রভৃতি দেশ।

উল্লেখ্য,
⇒ প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময়কালীন বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র/সরকার প্রধান:
- জার্মান চ্যান্সেলর: থিওবাল্ড ভন বেথমান হলওয়েগ, জর্জ মিখাইল, জর্জ ভন হার্টলিং, ফ্রেডেরিখ অ্যাবেট।
- জার্মান কাইজার: দ্বিতীয় উইলিয়ম।
- ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী: জর্জ লয়েড।
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট: উড্রো উইলসন।
- রাশিয়ার জার: দ্বিতীয় নিকোলাস।
- জাপানের সম্রাট: যুসোহিতো।
- ইতালির প্রধানমন্ত্রী: ভিট্টোরিও অরল্যান্ডো।
- অটোমান সুলতান: ষষ্ঠ মেহমুদ।

⇒ উড্রো উইলসন:
- যুক্তরাষ্ট্রের ২৮ তম প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন।
- ১৯১৮ সালের ৮ জানুয়ারি মার্কিন কংগ্রেসে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে শান্তি প্রতিষ্ঠায় একটি বক্তব্য প্রদান করেন।
- তাতে ছিল ইউরোপে শান্তি প্রতিষ্ঠার ও জাতিপুঞ্জ গঠনের আহ্বান।
- এ বক্তব্যটি ছিল ১৪ দফা বিশিষ্ট।
- এই প্রস্তাবনার ১৪ নং পয়েন্টে জাতিপুঞ্জ প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়।

উৎস: History.com
১,৩৩০.
প্লেটোর শিষ্য কে ছিলেন?
  1. সক্রেটিস
  2. এরিস্টটল
  3. আলেকজান্ডার
  4. উপরের সবাই
ব্যাখ্যা
• গ্রিক দার্শনিক:
- সক্রেটিস ছিলেন একজন গ্রিক দার্শনিক।
-তার শিষ্য ছিলেন প্লেটো।
-প্লেটোর শিষ্য ছিলেন এরিস্টটল।
-এরিস্টটলের শিষ্য ছিলেন আলেকজান্ডার।
-তারা প্রত্যেকেই বিখ্যাত গ্রিক দার্শনিক ছিলেন।

উৎস: Britannica.
১,৩৩১.
ইউরোপ থেকে ভারতে আসার জলপথ আবিষ্কার করেন কে?
  1. ক) ব্রাসি হেলহেড
  2. খ) ক্রিস্টোফার কলম্বাস
  3. গ) ভাস্কো দা গামা
  4. ঘ) আল বুকার্ক
ব্যাখ্যা
- পর্তুগালের রাজা প্রথম ম্যানুয়েলের পৃষ্ঠপোষকতায় পর্তুগিজ নাবিক ভাস্কো দা গামা ১৪৯৭ সালে ভারতের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেন। ১৪৯৮ সালের মে মাসে উত্তমাশা অন্তরীপ হয়ে তিনি ভারতের কালিকট বন্দরে পৌছান।
- এরপর থেকে ভারতীয় উপমহাদেশে ইউরোপীয়দের আগমন শুরু হয়।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
১,৩৩২.
রাষ্ট্র সম্পর্কে 'ঐশ্বরিক চুক্তি' মতবাদের প্রবক্তা কে?
  1. ডেভিড হিউম
  2. জ্যাক রুশো
  3. সেন্ট অগাস্টিন
  4. থমাস হবস
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রের উৎপত্তি:
- রাষ্ট্র একটি সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠন।
- সমাজ জীবনের এক পর্যায়ে মানুষ শান্তি- শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা এবং ব্যক্তিগত নিরাপত্তার জন্য রাষ্ট্র গঠন করে।
- রাষ্ট্রের উৎপত্তি সংক্রান্ত বিভিন্ন মতবাদ চালু আছে, তার মধ্যে ঐশ্বরিক মতবাদ, বল প্রয়োগ মতবাদ, পিতৃতান্ত্রিক মতবাদ, সামাজিক চুক্তি মতবাদ, ঐতিহাসিক মতবাদ প্রভৃতি প্রধান।

⇒ রাষ্ট্রের উৎপত্তি সংক্রান্ত কয়েকটি মতবাদ ও প্রবক্তা:
১. ঐশ্বরিক মতবাদ:
- প্রবক্তা: সেন্ট অগাস্টিন
- রাষ্ট্রের উৎপত্তি সংক্রান্ত মতবাদগুলোর মধ্যে সবচেয়ে প্রাচীন বা পুরনো মতবাদ হলো ঐশ্বরিক মতবাদ।
- এ মতবাদের মূল কথা হলো- বিধাতাই রাষ্ট্রের সৃষ্টিকর্তা।
- রাজা বা শাসক, সৃষ্টি কর্তার প্রতিনিধি হিসেবে রাষ্ট্র পরিচালনা করেন।
- শাসক রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে জনগণের কাছে দায়বদ্ধ নয়।
- শাসকের মনোনয়ন কিংবা বিনাশ জনগণের ইচ্ছা-অনিচ্ছার ওপর নির্ভরশীল নয়।
- তবে শাসক ঈশ্বরের কাছে দায়বদ্ধ।

২. বল প্রয়োগ মতবাদ;
- তাত্ত্বিক: ডেভিড হিউম, জেংকস, জেলীনক।
- বল প্রয়োগ মতবাদের মূল কথা হলো, শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমেই রাষ্ট্রের সৃষ্টি হয়েছে।
- অধিক শক্তিশালী গোত্র যুদ্ধের মাধ্যমে অপেক্ষাকৃত দুর্বল গোত্রকে পরাজিত করে।
- পরবর্তীতে পরাজিত গোত্রের ওপর আইন কানুন চাপিয়ে আনুগত্য আদায়ের মাধ্যমে রাষ্ট্র গঠন করা হয়।
- এই মতবাদ অনুযায়ী শক্তিই হলো রাষ্ট্রের মূল ভিত্তি।

৩. সামাজিক চুক্তি মতবাদ;
- তাত্ত্বিক: থমাস হবস, জন লক, জ্যাঁ জ্যাক রুশো।
- সামাজিক চুক্তি মতবাদ একটি কাল্পনিক মতবাদ।
- এ মতবাদের মূলকথা হলো- প্রকৃতির রাজ্যে মানুষ পরম শান্তিতে বসবাস করত।
- তারা প্রাকৃতিক আইন মেনে চলত।
- কিন্তু কালক্রমে সমাজে সম্মত্তির ধারণা বিস্তার লাভ করায় প্রাকৃতিক আইন নিয়ে মতভেদের কারণে সমাজ জীবনে বিশৃঙ্খলা ও যুদ্ধাবস্থা দেখা দেয়।
- এ অবস্থা থেকে পরিত্রাণের জন্য মানুষ সামাজিক চুক্তির মাধ্যমে রাষ্ট্র ও শাসক কর্তৃপক্ষ সৃষ্টি করে।

৪. ঐতিহাসিক বা বিবর্তনমূলক মতবাদ;
- আধুনিক, যক্তিযুক্ত ও গ্রহণযোগ্য।
- রাষ্ট্রের উৎপত্তি কোন আকস্মিক ঘটনা নয়।
- ঐতিহাসিক বিবর্তনের পথে নানা উপাদানের প্রভাবে রাষ্ট্রের উৎপত্তি ঘটেছে।
- বিবর্তনবাদকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানীগণ রাষ্ট্রের উৎপত্তি সংক্রান্ত মতবাদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ, যুক্তিযুক্ত ও সর্বজন গ্রাহ্য বলে বর্ণনা করেছেন।
- সুতরাং রাষ্ট্রের উৎপত্তি সংক্রান্ত মতবাদগুলোর মধ্যে ঐতিহাসিক বা বিবর্তনমূলক মতবাদই বৈজ্ঞানিক ও যৌক্তিক মতবাদ।

উৎস: পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৩৩৩.
কত সালে প্রাচীন মিসরের ফারাও রাজা তুতেনখামেনের সমাধি আবিষ্কৃত হয়?
  1. ১৮১২ সালে
  2. ১৮২২ সালে
  3. ১৯১২ সালে
  4. ১৯২২ সালে
ব্যাখ্যা
প্রাচীন মিসরের বিখ্যাত রাজা তুতেনখামেনের সমাধি আবিষ্কার:
- প্রাচীন মিসরের সবচেয়ে বিখ্যাত রাজা তুতেনখামেন।
- মিসরের হাজার বছরের মমি, পিরামিড ও রাজাদের বিচিত্র ইতিহাসের কেন্দ্রবিন্দুতে আছেন তিনি।
- এই তরুণ রাজা মাত্র ৯ বছর বয়সে ‘ফারাও’ হন এবং ১০ বছর রাজত্ব করার পর মাত্র ১৯ বছর বয়সে মারা যান।
- ইতিহাসবেত্তাদের মতে, তুতেনখামেনের জন্ম ১৩৪১ খ্রিষ্টপূর্ব।
- রাজা তুতেনখামেন ছিলেন প্রভাবশালী ফারাও তৃতীয় আমেনহোটেপের নাতি এবং আখেনাতেনের পুত্র।
- তুতেনখামেন মারা যাওয়ার পর মিসরের ধর্মীয় ঐতিহ্য অনুসারে তাঁকে মমি করা হয়।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর কার্টার তুতেনখামেনের সমাধির খোঁজে পুনরায় নিবিড় অনুসন্ধান শুরু করেন।
- এই খননকার্যের অর্থায়ন করেন ব্রিটিশ ধনকুবের লর্ড কার্নারভন।
- দীর্ঘ অনুসন্ধান শেষে ১৯২২ সালের ৪ নভেম্বর তিনি ‘ভ্যালি অব কিংস’ নামক স্থানে রাজা ষষ্ঠ রামসেসের সমাধির প্রবেশদ্বারের কাছে পাথরের টুকরার তলায় চাপা পড়ে থাকা ফারাও রাজা তুতেনখামেনের সমাধি আবিষ্কৃত হয়।

উৎস: i) Britannica.
         ii) ৪ নভেম্বর ২০২২, প্রথম আলো।
১,৩৩৪.
কোন প্রতিষ্ঠান স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২০ লাভ করে?
  1. ক) বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট
  2. খ) বাংলাদেশ বিমান বাহিনী
  3. গ) বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি
  4. ঘ) ভারতেশ্বরী হোমস
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২০ লাভ করেন ৮ জন ব্যক্তি ও একটি প্রতিষ্ঠান। শিক্ষা ক্ষেত্রে অবদানের জন্য ভারতেশ্বরী হোমস প্রতিষ্ঠানটিকে এই পুরস্কার প্রদান করা হয়। অপরদিকে গবেষণায় বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট একুশে পদক-২০২০ লাভ করে।
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার।
১,৩৩৫.
নামিবিয়ার প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট কে?
  1. সামিয়া সুলুহু হাসান
  2. নেতুম্বো নন্দি নাদাইতওয়া
  3. এলেন জনসন সারলিফ
  4. জয়স বান্দা
ব্যাখ্যা
নামিবিয়ার প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট:
- আফ্রিকার দক্ষিণাঞ্চলীয় মরুভূমির দেশ নামিবিয়ার প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট নেতুম্বো নন্দি নাদাইতওয়া।
- দেশটির ক্ষমতাসীন দল সোয়াপো’র এই নেত্রী ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে প্রেসিডেন্ট হিসেবে জয়লাভ করেন। 
- নামের আদ্যক্ষর এনএনএন দ্বারা পরিচিত নেতুম্বো নন্দি নাদাইতওয়া প্রেসিডেন্ট হওয়ার আগে নামিবিয়ার ভাইস-প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
- তিনি দক্ষিণ-পশ্চিম আফ্রিকা পিপলস অর্গানাইজেশন (সোয়াপো)-এর একজন অদম্য নেত্রী।
- ১৯৯০ সালে দলটি বর্ণবাদী দক্ষিণ আফ্রিকার কাছ থেকে নামিবিয়ার স্বাধীনতা অর্জনে নেতৃত্ব দেয়।
- ২০২৪ সালের নভেম্বরের শেষের দিকে বিশৃঙ্খলার মধ্য দিয়ে নামিবিয়ায় সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- ডিসেম্বরের শুরুতে ফল প্রকাশ করা হয়।
- এতে নেতুম্বো নন্দি নাদাইতওয়া ৫৮ শতাংশ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেন।

উৎস: বাসস (২১ মার্চ, ২০২৫)
১,৩৩৬.
আধুনিক তুরস্কের জনক বলা হয় কাকে?
  1. রিসেপ তাইয়িপ এরদোয়ান 
  2. কামাল আতাতুর্ক 
  3. মাকবুলে আতাদান 
  4. আহমেত নেজদেত  
ব্যাখ্যা

• কামাল আতাতুর্ক: 
- কামাল আতাতুর্ক ছিলেন তুরস্কের রাষ্ট্রনায়ক, সামরিক নেতা ও সংস্কারক।
- তিনি ১৮৮১ সালে তুরস্কের থেসালোনিকি শহরে জন্মগ্রহণ করেন।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর তিনি ওসমানীয় সাম্রাজ্যের পতনের পর তুরস্ককে স্বাধীন জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেন।
- ১৯২৩ সালে তিনি তুরস্কের প্রথম প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
- আতাতুর্ক ধর্ম ও রাজনীতির বিচ্ছিন্নতা, আধুনিক শিক্ষা, নারী অধিকারের সম্প্রসারণ, আইনি ও সাংস্কৃতিক সংস্কার প্রবর্তন করেন।
- তিনি তুরস্ককে আধুনিক, ধর্মনিরপেক্ষ ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে রূপান্তর করেন।
- কামাল আতাতুর্ককে আধুনিক তুরস্কের জনক বলা হয়।
- কামাল আতাতুর্ক ১৯৩৮ সালে আনকারা, তুরস্কে মৃত্যু বরণ করেন।
উল্লেখ্য,
- রিসেপ তাইয়িপ এরদোয়ান বর্তমানে তুরস্কের রাষ্ট্রপতি, যিনি ২০১৪ সাল থেকে এই পদে আছেন। (অক্টোবর, ২০২৫) 

উৎস:  ব্রিটানিকা ও হিস্টরি.কম ওয়েবসাইট। 

১,৩৩৭.
বার্ট্রান্ড রাসেল সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করে কত সালে?
  1. ১৯৫০ সালে
  2. ১৯৬৪ সালে
  3. ১৯৫৬ সালে
  4. ১৯৫২ সালে
ব্যাখ্যা

বার্ট্রান্ড রাসেল :
- তার প্রকৃত নাম: Bertrand Arthur William Russell,
-  বাট্রান্ড রাসেল ছিলেন একজন ব্রিটিশ দার্শনিক, যুক্তিবিদ, গণিতবিদ, ইতিহাসবেত্তা, সমাজকর্মী, অহিংসাবাদী, এবং সমাজ সমালোচক।
- তিনি ছিলেন একজন প্রখ্যাত যুদ্ধবিরোধী ও সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী ব্যক্তিত্ব।
- ১৯৫০ সালে রাসেল সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার অর্জন করেন।
- তিনি Political Ideals গ্রন্থটি লিখেছেন।

• তার বিখ্যাত বই সমূহ: 
- The Elements of Ethics,
- Human Society in Ethics and Politics,
- Moral and others,
- Power: A New Social Analysis,
- Political Ideals,
- Introduction to Mathematical Philosophy etc.

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট

১,৩৩৮.
কত শতকে শিখ ধর্ম প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ক) ১৪শ শতকের শেষের দিকে
  2. খ) ১৫ শতকের শেষের দিকে
  3. গ) ১৬শ শতকের শেষের দিকে
  4. ঘ) ১৭শ শতকের শেষের দিকে
ব্যাখ্যা
শিখ ধর্ম
- ১৫ শতকের শেষের দিকে ভারতীয় উপমহাদেশের পাঞ্জাব অঞ্চলে শিখ ধর্ম প্রতিষ্ঠিত হয়। 
- এর সদস্যরা শিখ নামে পরিচিত। 
- এ ধর্মের মূলকথা নিরাকার এক ঈশ্বরের উপাসনা করা।
- শিখরা তাদের বিশ্বাসকে বলে গুরমত (গুরুর পথ)। 
- শিখ ঐতিহ্য অনুসারে, শিখ ধর্ম গুরু নানক (১৪৬৯-১৫৩৯) দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- পরবর্তীতে আরও নয়জন গুরুর উত্তরাধিকার দ্বারা পরিচালিত হয়েছিল।
- শিখদের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ ‘গুরু গ্রন্থ সাহিব’ যা শিখ গুরুদের রচনার সংকলন ।
- ২১ শতকের গোড়ার দিকে বিশ্বব্যাপী প্রায় ২৫ মিলিয়ন শিখ ছিল, তাদের অধিকাংশই ভারতের পাঞ্জাব রাজ্যে বাস করত।
- শিখদের প্রধান মন্দির পাঞ্জাবের অমৃতসরের স্বর্ণমন্দির।
- বাংলাদেশে শিখ সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় উপাসনালয়  গুরুদুয়ারা নানক শাহী। এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবন প্রাঙ্গণে অবস্থিত।

উৎস: Encyclopedia Britannica, বাংলাপিডিয়া।
১,৩৩৯.
নিম্নের কোন গ্রন্থটির রচয়িতা Niccolo Machiavelli?
  1. ক) Why Nations Fail The Origins of Power, Prosperity, and Poverty
  2. খ) On the Social Contract
  3. গ) The Anarchy
  4. ঘ) The Prince
ব্যাখ্যা
- দ্য প্রিন্স, নিকোলো ম্যাকিয়াভেলির রাজনৈতিক গ্রন্থ যা 1513 সালে লেখা।
- কীভাবে ক্ষমতা অর্জন করা যায়, একটি রাষ্ট্র তৈরি করা যায় এবং এটি বজায় রাখা যায় তার একটি সংক্ষিপ্ত গ্রন্থ এটি।
- দ্য প্রিন্স ইতিহাসের পাঠ এবং ফ্লোরেন্সে পররাষ্ট্র সচিব হিসাবে তার নিজের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে রাজনৈতিক পদক্ষেপের জন্য একটি নির্দেশিকা প্রদানের জন্য ম্যাকিয়াভেলির প্রচেষ্টার প্রতিনিধিত্ব করে।
- তার বিশ্বাস যে রাজনীতির নিজস্ব নিয়ম রয়েছে তা তার পাঠকদের হতবাক করেছিল।
- ম্যাকিয়াভেলি তার গ্রন্থটিকে লেখার সময় ডি প্রিন্সিপাটিবাস হিসাবে উল্লেখ করেছিলেন।
- এটি 1510- এর দশকে পাণ্ডুলিপি আকারে প্রচারিত হয়েছিল।
- ম্যাকিয়াভেলি মারা যাওয়ার পাঁচ বছর পর 1532 সালে যখন এটি প্রথম প্রকাশিত হয়।

উৎস: Britannica.
১,৩৪০.
মুসলিম বিশ্বের প্রথম নির্বাচিত নারী প্রধানমন্ত্রী কে?
  1. ইসাবেলা পেরন
  2. বেনজির ভুট্টো
  3. মেঘবর্তী সুকর্নপুত্রী
  4. শ্রীমাভো বন্দরানায়েক
ব্যাখ্যা
বেনজির ভুট্টো:
- মুসলিম বিশ্বের প্রথম নির্বাচিত নারী প্রধানমন্ত্রী বেনজির ভুট্টো।
- তিনি পাকিস্তানের পুরুষশাসিত রাজনীতিতে নিজেকে সফল নারী নেত্রী হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।
- বেনজির ভুট্টোর জন্ম ১৯৫৩ সালের ২১ জুন, করাচিতে।
- তাঁর বাবা জুলফিকার আলী ভুট্টো ১৯৭১ সাল থেকে ১৯৭৭ সাল পর্যন্ত পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- প্রতিপক্ষের এক নেতাকে খুনের অভিযোগে ১৯৭৯ সালে জুলফিকার আলী ভুট্টোর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হলে বেনজির ভুট্টো মাত্র ২৬ বছর বয়সে পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
- ১৯৮৮ সালে অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনে বেনজির ভুট্টোর নেতৃত্বাধীন পিপিপি জয়ী হলে তিনি মাত্র ৩৫ বছর বয়সে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন।
- ২০০৭ সালের ২৭ ডিসেম্বর এক আত্মঘাতী বোমা হামলায় বেনজির ভুট্টো নিহত হন।

অন্যদিকে -
- বিশ্বের প্রথম মহিলা প্রেসিডেন্ট ইসাবেলা পেরন।
- মুসলিম বিশ্বের প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট মেঘবর্তী সুকর্নপুত্রী।
- বিশ্বের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী শ্রীমাভো বন্দরানায়েক।

উৎস: ২৭ ডিসেম্বর ২০২২, প্রথম আলো।
১,৩৪১.
Principia Ethica গ্রন্থের রচয়িতা কে?
  1. জন স্টুয়ার্ট মিল
  2. বার্ট্রান্ড রাসেল
  3. জর্জ এডওয়ার্ড মুর
  4. নিকোলা মেকিয়াভেলী
ব্যাখ্যা
- Principia Ethica গ্রন্থটি রচনা করেন ব্রিটিশ অ্যানালিটিক্যাল ফিলোসফার জর্জ এডওয়ার্ড মুর।
- এটি ১৯০৩ সালে প্রকাশিত হয়।
- এই বইয়ে নীতিবিদ্যা'র বিভিন্ন জটিলতা সম্পর্কে জি.ই. মুর এর বক্তব্য তুলে ধরা হয়েছে। এ গ্রন্থেই জি ই মুর প্রথম পরানীতিবিদ্যা বা Metaethics এর সূত্রপাত করেন।
(তথ্যসূত্রঃ ব্রিটানিকা)
১,৩৪২.
এডলফ হিটলারের আত্মজীবনীমুলক বই- 
  1. A Long Walk to Freedom
  2. Mein Kampf
  3. MY Life
  4. Guerrilla War Fare
ব্যাখ্যা

• Mein Kampf:
- 'মাইন কাম্ফ' (Mein Kampf) বইটি এডলফ হিটলার রচনা করেছেন।
- এই বইটি তাঁর আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ।
- তাঁর রাজনৈতিক মতামত ও বিশ্ব দৃষ্টিকোণ প্রকাশ করেছেন।
- বইটি লেখার সময় হিটলার জেলে বন্দী ছিলেন।
- এবং তাঁর রাজনৈতিক দর্শন ও ইহুদি বিদ্বেষের ধারণা এই গ্রন্থে স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।

অপরদিকে,
• A Long Walk to Freedom নেলসন ম্যান্ডেলার আত্মজীবনী।
•  'Guerrilla Warfare' গ্রন্থটি চে গুয়েভারা (Che Guevara) রচনা করেছেন
• 'My Life' বিল ক্লিনটনের আত্মজীবনী মুলক বই।

উৎস: Britannica.

১,৩৪৩.
পাটের জিনোম সিকোয়েন্স উন্মোচন করেন কোন বিজ্ঞানী?
  1. ক) কুদরত ই খুদা
  2. খ) জগদীশ চন্দ্র বসু
  3. গ) মাকসুদুল আলম
  4. ঘ) প্রফুল্ল চন্দ্র রায়
ব্যাখ্যা
মাকসুদুল আলম:

- পাটের জিনোম সিকোয়েন্স উন্মোচন করেন মাকসুদুল আলম।
- ১৯৫৪ সালের ১৪ ডিসেম্বর ফরিদপুরে জন্ম গ্রহন করেন মাকসুদুল আলম।
- ঢাকা কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাস করে মাকসুদুল রাশিয়ায় চলে যান।
- ১৯৭৯ সালে মস্কো স্টেট ইউনিভার্সিটি থেকে তিনি অণুপ্রাণবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পান।
- ১৯৮২ সালে একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অণুপ্রাণবিজ্ঞানে পিএইচডি করেন মাকসুদুল। এর পাঁচ বছর পর জার্মানির ম্যাক্স প্লাঙ্ক ইনস্টিটিউট অব বায়োকেমিস্ট্রি থেকে প্রাণরসায়নেও তিনি পিএইচডি করেন।
- বাংলাদেশের কৃষি মন্ত্রণালয়ের আর্থিক সহায়তায় ২০১০ সালে তরুণ একদল বিজ্ঞানীকে নিয়ে তোষা পাটের জিন-নকশা উন্মোচন করে আলোচনায় আসেন মাকসুদুল আলম।
- ২০০৮ সালে হাওয়াই বিশ্ববিদ্যালয়ের হয়ে পেঁপে এবং মালয়েশিয়া সরকারের হয়ে রাবার গাছের জীবনরহস্য উন্মোচনেও নেতৃত্ব দেন বাংলাদেশের এই গবেষক
- ২০১৪ সালের ২১ ডিসেম্বর ভোরে যুক্তরাষ্ট্রের  হাওয়াইয়ের কুইন্স হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেছেন।

তথ্যসূত্র - কৃষি তথ্য সার্ভিস অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১,৩৪৪.
রেডক্রসের প্রতিষ্ঠাতা হেনরি ডুনান্ট কোন দেশের নাগরিক?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. যুক্তরাজ্য
  3. সুইজারল্যান্ড
  4. ফ্রান্স
ব্যাখ্যা
- সুইজারল্যান্ডের নাগরিক হেনরি ডুনান্ট ১৮৬৩ সালে রেডক্রস প্রতিষ্ঠা করেন।
- রেডক্রস মুসলিম বিশ্বে রেডক্রিসেন্ট নামে পরিচিত।

- এটির সদরদপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অবস্থিত।
- হেনরি ডুনান্টের জন্ম তারিখ ৮ মে বিশ্ব রেডক্রস ও রেডক্রিসেন্ট দিবস হিসেবে পালন করা হয়।
- আন্তর্জাতিক রেডক্রস কমিটি মোট তিনবার (১৯১৭, ১৯৪৪ ও ১৯৬৩ সালে) শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করে।

অন্যদিকে,
- মেলভিন জোন্স লায়ন্স ক্লাব ইন্টারন্যাশনালের প্রতিষ্ঠাতা।
- পল হ্যারিস রোটারি ইন্টারন্যাশনালের প্রতিষ্ঠাতা।
- ব্যাডেন পাওয়েল বিশ্ব স্কাউটস আন্দোলনের সূচনাকারী।

(তথ্যসূত্র: রেডক্রস ও রেডক্রিসেন্ট ওয়েবসাইট)