বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি, ধর্মের ইতিহাস ও অন্যান্য

মোট প্রশ্ন১,৩৪৯এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি, ধর্মের ইতিহাস ও অন্যান্য

PrepBank · পাতা ১২ / ১৪ · ১,১০১১,২০০ / ১,৩৪৯

১,১০১.
মাস্টারদা সূর্যসেনকে বৈপ্লবিক আদর্শে উদ্বুদ্ধ করেছিলেন কে?
  1. সতীশ চন্দ্র চক্রবর্তী
  2. দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ
  3. সুভাষচন্দ্র বসু
  4. মহাত্না গান্ধী
ব্যাখ্যা
মাস্টারদা সূর্যসেন:

- মাস্টারদা সূর্যসেন ১৮৯৪ সালে চট্টগ্রামের রাউজান থানার নোয়াপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পুরো নাম সূর্যকুমার সেন।
- সূর্যসেন স্থানীয় দয়াময়ী বিদ্যালয়ে প্রাথমিক শিক্ষার পর নোয়াপাড়া উচ্চ ইংরেজি বিদ্যালয়ে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করেন।
- ১৯১২ সালে চট্টগ্রাম ন্যাশনাল হাইস্কুল থেকে প্রবেশিকা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে চট্টগ্রাম কলেজে ভর্তি হন।
- সূর্যসেন যখন নোয়াপাড়া উচ্চ ইংরেজি বিদ্যালয়ের ছাত্র তখন বঙ্গভঙ্গকে (১৯০৫) কেন্দ্র করে বাংলায় স্বদেশী আন্দোলন শুরু হয় ।
- ক্রমে এই আন্দোলন বিশেষ করে চট্টগ্রাম এলাকায় বিপ্লবী আন্দোলনে রূপ নেয়।
- ১৯১৬ সালে মুর্শিদাবাদের বহরমপুর কৃষ্ণনাথ কলেজে বি.এ পড়ার শিক্ষক সতীশ চন্দ্র চক্রবর্তী কর্তৃক বৈপ্লবিক আদর্শে দীক্ষিত হন সূর্যসেন।
- সূর্যসেন চট্টগ্রামে ফিরে গিয়ে ব্রিটিশ বিরোধী একটি বিপ্লবী দল গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নেন।
- ১৯২৯ সালে চট্টগ্রামের জেলা কংগ্রেসের সম্মেলনে সূর্যসেন সম্পাদক পদে নির্বাচিত হন।
- ১৯৩০ সালের ২২ এপ্রিলের সশস্ত্র বিদ্রোহ এবং অস্ত্রাগার লুটের ঘটনা ছিল সূর্যসেনের নেতৃত্বে বিপ্লবীদের দীর্ঘদিনের পরিকল্পনার ফসল।
- ১৯৩৩ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি মাস্টারদা গ্রেফতার হন। পরের বছর ১২ ফেব্রুয়ারি তাঁর ফাঁসি হয়।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১০২.
‘দি পারসিসটেন্স অব মেমোরি' চিত্রকর্মটি কোন শিল্পীর?
  1. ক) সালভেদর দালি
  2. খ) ফ্রিদা কাহলো
  3. গ) পাবলো পিকাসো
  4. ঘ) ভিনসেন্ট ভ্যানগগ
ব্যাখ্যা
• সালভেদর দালি:
- সালভেদর দালি হলেন স্প্যানিশ পরাবাস্তববাদী চিত্রশিল্পী এবং মুদ্রণকারক। 
- তিনি বিশ শতকের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চিত্রশিল্পী। 
- 'দি পারসিসটেন্স অব মেমোরি' চিত্রকর্মটি ১৯৩১ সালে অঙ্কন করেন। 
-  তিনি তার পরাবাস্তববাদী কাজের জন্য সর্বাধিক পরিচিত। 

সূত্র: ব্রিটানিকা। 
১,১০৩.
"লেডি উইথ দ্য ল্যাম্প" নামে কে পরিচিত?
  1. হেলেন কিলার
  2. সরোজিনী নাইডু
  3. ম্যাডাম তেরেসা
  4. ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল
ব্যাখ্যা

• "লেডি উইথ দ্য ল্যাম্প" নামে পরিচিত ছিলেন ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল।

• ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল:
- ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল ছিলেন আধুনিক নার্সিং সেবার অগ্রদূত।
- তিনি ছিলেন ইতালিয়ান নাগরিক।
- ১৮২০ সালের ১২ মে ইতালির ফ্লোরেন্সে জন্মগ্রহণ করেন ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল।
- তিনি Lady with the Lamp নামে পরিচিত।
- ১৯১০ সালের ১৩ আগস্ট লন্ডনে মৃত্যুবরণ করেন ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল।

⇒ ইংল্যান্ডের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা উন্নয়নেও তিনি বিশেষ ভূমিকা পালন করেছেন।
- লন্ডনের সেন্ট থমাস হাসপাতালে নার্সিংকে সম্পূর্ণ পেশারূপে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য ১৮৬০ সালে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন ‘নাইটিঙ্গেল ট্রেনিং স্কুল’ যার বর্তমান নাম ‘ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল স্কুল অব নার্সিং।

উল্লেখ্য,
- তিনি ক্রিমিয়ার যুদ্ধে যুদ্ধরত সৈন্যদের চিকিৎসা সেবায় এগিয়ে আসেন।
- যুদ্ধটি ১৮৫৩-১৮৫৬ সময়কালে সংঘটিত হয়।
- তিনি দিনের বেলায় কাজ করে রাতের বেলায় আহত সৈন্যদের চিকিৎসা সেবা প্রদান করতেন।
- এ যুদ্ধে চিকিৎসা সেবায় অসামান্য অবদানের জন্য তাকে বলা হয় ‘লেডি উইথ দ্য ল্যাম্প‘।

⇒ ১৮৮৩ সালে রানি ভিক্টোরিয়া তাকে ‘রয়েল রেডক্রস’ পদক প্রদান করেন।
- প্রথম নারী হিসেবে ‘অর্ডার অব মেরিট’ খেতাব লাভ করেন ১৯০৭ সালে।
- ১৯০৮ সালে লাভ করেন লন্ডন নগরীর ‘অনারারি ফ্রিডম’ উপাধি।

উৎস: Britannica.

১,১০৪.
চীনে ‘শতফুল ফুটতে দাও’ নীতি গৃহীত হয় -
  1. ক) ১৯৫৪ সালে
  2. খ) ১৯৫৬ সালে
  3. গ) ১৯৫৮ সালে
  4. ঘ) ১৯৬০ সালে
ব্যাখ্যা
মাও সেতুং:
- চীনা কমিউনিষ্ট আন্দোলনের অন্যতম নেতা মাও সেতুং (বর্তমান সংস্করণ মাও জে ডং) ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের প্রধান স্থপতি।
- ১৯৪৯ সালের ১ অক্টোবর, এক রক্তক্ষয়ী বিপ্লবের মাধ্যমে কমিউনিস্ট বিপ্লবী মাও-সেতুং এর নেতৃত্বে গণপ্রজাতন্ত্রী চীন (People's Republic of China) বা গণচীন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- মাও-সেতুং কে গণচীনের জনক বলা হয়।
- তিনি চীনে এক দলের শাসন শুরু করেন যা বর্তমানে চলমান রয়েছে।
- চীন বর্তমানে পৃথিবীর দ্বিতীয় প্রধান অর্থনীতির দেশ।
- ১৯৫৬ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নে স্ট্যালিনের প্রতি অবজ্ঞা প্রদর্শনের নীতি অনুসৃত হলে এর প্রতিক্রিয়া হিসেবে মাও-সেতুং চীনে ‘শত ফুল ফুটতে দাও’ নীতির আওতায় বুদ্ধিজীবীদের কাছ থেকে আমলাতন্ত্র ও প্রশাসনের সমালোচনা আহবান করেন। 
- ১৯৫৮ সালে তিনি ‘বৃহৎ উল্লম্ফন কর্মসূচী’ নীতিমালার মাধ্যমে আমলাতান্ত্রিক রাষ্ট্রকে স্থানীয় স্বায়ত্বশাসিত কমিউনের মাধ্যমে প্রতিস্থাপিত করার উদ্যোগ গ্রহণ করেন।

উৎস: Britannica & history.com এবং প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
১,১০৫.
উপমহাদেশের প্রথম মুসলিম মহিলা চিকিৎসা বিজ্ঞানী কে ছিলেন?
  1. ক) ডা. জোহরা বেগম কাজী
  2. খ) মনজুলা ময়মুন
  3. গ) ডা. মমতাজ বেগম
  4. ঘ) ডা. ফিরোজা বেগম
ব্যাখ্যা

অবিভক্ত বাংলার প্রথম নারী চিকিৎসক অধ্যাপক জোহরা বেগম কাজী।

তিনি ১৯১২ সালের ১৫ অক্টোবর অবিভক্ত ভারতের মধ্য প্রদেশের রাজনান গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
২৩ বছর বয়সেই তিনি দিল্লির 'লেডি হাডিং মেডিকেল কলেজ' থেকে ১৯৩৫ সালে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান অধিকার করে এমবিবিএস পাস করেন। এজন্য পুরস্কার হিসেবে পান ভাইসরয় পদক।
১৯৪৮ সালে তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যোগ দেন।
১৯৭৩ সালে চাকরি থেকে অবসর নেবার পর বেশকিছু বছর হলিফ্যামিলি রেডক্রিসেন্ট হাসপাতালে কনসালটেন্ট হিসাবে চিকিৎ‍সা সেবা প্রদান করেন। পরবর্তীকালে তিনি বাংলাদেশ মেডিকেলে অনারারী অধ্যাপক হিসেবে কাজ করেন।
তার কারণে চিকিৎসা শাস্ত্রে এদেশে মেয়ে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি বৃদ্ধি পায়। দীর্ঘ কর্মময় জীবনের স্বীকৃতি হিসেবে পান একুশে পদক, রোকেয়া পদক ও বিএমএ স্বর্ণপদক।
তিনি ২০০৭ সালের ৭ নভেম্বর মৃত্যুবরণ করেন।
উৎসঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন।

১,১০৬.
জাতিরাষ্ট্রের স্বপ্নদ্রষ্টা-
  1. ক) বিসমার্ক
  2. খ) ম্যাকিয়াভেলি
  3. গ) প্লেটো
  4. ঘ) এরিস্টটল
ব্যাখ্যা
- জাতীয়তা একটি চেতনা, কিন্তু জাতি একটি রাজনৈতিক সংগঠন।
- ইতালীয় রাষ্ট্রদার্শনিক নিকোলো ম্যাকিয়াভেলিকে 'জাতীয় রাষ্ট্রের' প্রবক্তা বা স্বপ্নদ্রষ্টা বলা হয়। 
- তাঁর লেখা বিখ্যাত বইঃ The Prince 

উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
১,১০৭.
মাইকেল এঞ্জেলো কোন দেশের অধিবাসী?
  1. ইতালি
  2. গ্রিস
  3. স্পেন
  4. জার্মান
ব্যাখ্যা
মাইকেল এঞ্জেলো  :
- মাইকেল এঞ্জেলো রেনেসাঁস যুগের ইতালির একজন বিখ্যাত চিত্রকর, ভাস্কর, স্থপতি এবং কবি।
- তার শ্রেষ্ঠ ভাস্কর:  মা মেরীর কোলে যীশুর মূর্তি।
- তার প্রথম কীর্তি: ম্যাডোনা অব দা স্টেপস।
-  জন্ম গ্রহণ: ৬ মার্চ ১৪৭৫সাল।
- জন্ম স্থান: তুস্কান, ইতালি।
- বিখ্যাত ভাস্কর্য: মোজেস , ডেভিড, ম্যাডোনা অ্যান্ড চাইল্ড, হোলি ফ্যামিলি, লাস্ট জার্জমেন্ট, পিয়েতা, পোপ দ্বিতীয় জুলিয়াসের সমাধিসৌধের ভাস্কর্য।
- মৃত্যু: ১৮ ফেব্রুয়ারি ১৫৬৪ সাল এই বিশ্ব বিখ্যাত মহান শিল্পী পরলোক গমন করেন।

উৎস: Britannica.
১,১০৮.
হো চি মিন কোন দেশের বিপ্লবী নেতা ছিলেন?
  1. ভিয়েতনাম
  2. জাপান
  3. চীন
  4. কম্বোডিয়া
ব্যাখ্যা

হো চি মিন:
- হো চি মিন ভিয়েতনামের কমিউনিস্ট বিপ্লবী নেতা।
- তিনি ভিয়েতনামের গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রের প্রধানমন্ত্রী এবং রাষ্ট্রপতির পদে আসীন ছিলেন।
- ভিয়েতনাম যুদ্ধের সময় তিনি আমৃত্যু ভিয়েত কং-এর নেতৃত্ব দান করেন।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় এ বাহিনী জাপান ও ফরাসী সেনাদলের বিরুদ্ধে লড়াই করে।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপানের পরাজয়ের পর হো চি মিন ভিয়েতমানকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা করেন।
- তিনি নিজে প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
- ১৯৪১ সালের পরবর্তী সময়ে তার নেতৃত্বেই স্বাধীনতা সংগ্রাম বজায় থাকে।
- ১৯৪৫ সালে কমিউনিস্ট শাসিত ভিয়েতনামের গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র সরকার প্রতিষ্ঠা হয়।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা।

১,১০৯.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট কে?
  1. টমাস জেফারসন 
  2. জর্জ ওয়াশিংটন 
  3. জন এডামস
  4. জেমস মনরো
ব্যাখ্যা

জর্জ ওয়াশিংটন:
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট জর্জ ওয়াশিংটন।

⇒ জর্জ ওয়াশিংটন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম রাষ্ট্রপতি হিসেবে ১৭৮৯ সালের ৩০ এপ্রিল দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং ১৭৯৭ সালের ৪ মার্চ পর্যন্ত এই পদে ছিলেন।
- আমেরিকার স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালীন তিনি কন্টিনেন্টাল আর্মির সর্বাধিনায়ক হিসেবে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে আমেরিকানদের নেতৃত্ব দেন।
- তিনি আমেরিকান উপনিবেশগুলোয় (১৩টি) ব্রিটিশদের নানান অন্যায্য, নিপীড়নমূলক পদক্ষেপের তীব্র বিরোধিতা শুরু করেন। এসব পদক্ষেপের মধ্যে অন্যতম ছিল রয়্যাল প্রোক্লেমেশন (১৭৬৩), স্ট্যাম্প অ্যাক্ট (১৭৬৫), টাউনশেন্ড অ্যাক্টস (১৭৬৬-৬৭), বোস্টন গণহত্যা (১৭৭০), ইনটলারেবল অ্যাক্টস (১৭৭৪)।
- জর্জ ওয়াশিংটনের নেতৃত্বাধীন কনটিনেন্টাল আর্মি ১৭৮৩ সালে ব্রিটিশ আর্মিকে পরাজিত করে।
- ১৭৮৩ সালের ৩ সেপ্টেম্বর প্যারিস চুক্তি (ট্রিটি অব প্যারিস) সই হয়। এই চুক্তির মধ্য দিয়ে আমেরিকান বিপ্লবী যুদ্ধ শেষ হয়। আমেরিকার স্বাধীনতাকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেয় ব্রিটেন। স্বাধীন দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয় যুক্তরাষ্ট্র।

উল্লেখ্য,
- কংগ্রেস ১৭৮৭ সালে ফিলাডেলফিয়ায় একটি সাংবিধানিক সম্মেলন (কনস্টিটিউশনাল কনভেনশন) করতে সম্মত হয়। এই সম্মেলনের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন জর্জ ওয়াশিংটন। সম্মেলনের মধ্য দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান তৈরি হয়।
- ১৭৮৭ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান স্বাক্ষরিত হয়। অনুমোদিত হয় ১৭৮৮ সালে। আর ১৭৮৯ সালে কার্যকর হয়।
- নতুন সংবিধানের অধীন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ১৭৮৯ সালে নির্বাচিত হন জর্জ ওয়াশিংটন।
- ১৭৮৯ সালের ৩০ এপ্রিল তিনি শপথ নেন।
- ১৭৯২ সালের শেষ দিকে অনুষ্ঠিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জর্জ ওয়াশিংটন সর্বসম্মতভাবে পুনর্নির্বাচিত হন। ১৭৯৩ সালের ৪ মার্চ তিনি দ্বিতীয় দফায় প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেন। ১৭৯৭ সালের ৪ মার্চ পর্যন্ত তিনি দায়িত্বে ছিলেন।
- রাষ্ট্রপ্রধানকে সম্বোধনের ক্ষেত্রে ‘মিস্টার প্রেসিডেন্ট’ ডাকার ধারা তিনি চালু করেন। এক ব্যক্তির সর্বোচ্চ দুই মেয়াদে মার্কিন প্রেসিডেন্ট হওয়ার রীতির প্রচলন তাঁর হাত ধরেই হয়।

উৎস: Britannica.

১,১১০.
মুজিবনগর সরকার স্বাধীন বাংলাদেশের পক্ষে জনমত গঠনের উদ্দেশ্যে ‘বহির্বিশ্বে বিশেষ দূত’ হিসাবে কাকে নিয়োগ দিয়েছিলেন?
  1. ক) ড. ফারুক আজিজ খান
  2. খ) খন্দকার মুশতাক আহমদ
  3. গ) হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী
  4. ঘ) বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী
  5. ঙ) ড. মুজাফফর আহমেদ চৌধুরী
ব্যাখ্যা
উৎসঃ একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণির ইতিহাস -১ম পত্র বই।
১,১১১.
প্রধান আসমানী কিতাব কতটি?
  1. ৪টি
  2. ৮টি
  3. ১২টি
  4. ১০৮টি
ব্যাখ্যা

আসমানী কিতাব:
- আসমানী কিতাব হচ্ছে ঐ কিতাব যা যুগে যুগে মানবতার হিদায়াতের জন্য আল্লাহ তাঁর বাছাইকৃত নবী- রাসূলগণের ওপর নাযিল করেছেন।
- আসমানী কিতাবই হচ্ছে একমাত্র নির্ভরযোগ্য গ্রন্থ, যা বিভ্রান্ত মানবতাকে সত্য, সুন্দর ও সৎ পথের সন্ধান দিয়ে থাকে।
- আসমানী কিতাবের সর্বমোট সংখ্যা ১০৪ খানা।

​⇒ প্রধান আসমানী কিতাব ৪টি।
- এগুলো হলো: তাওরাত, জাবুর, ইনজিল, এবং কোরআন। 

উৎস: i) আসমানী কিতাব ও মালাইকা, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
​ii) প্রথম আলো।

১,১১২.
'ধনতন্ত্রের সর্বোচ্চ পর্যায় হলো সাম্রাজ্যবাদ' কথাটি কে বলেছেন?
  1. ক) হিটলার
  2. খ) চেম্বারলিন
  3. গ) স্টালিন
  4. ঘ) লেনিন
ব্যাখ্যা
- প্রথম মহাযুদ্ধের কয়েক দশক পূর্ব থেকে ইউরোপীয় শক্তিগুলির মধ্যে বাণিজ্যের প্রসার এবং এ জন্য ঔপনিবেশ বিস্তার নিয়ে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার সূচনা হয়।
- ইউরোপের শিল্পায়িত বৃহৎ ও ক্ষুদ্র রাষ্ট্রগুলির উৎপাদন এ সময় বহুলাংশে বৃদ্ধি পায়। 
- ফলে উদ্বৃত্ত পণ্য রফতানির জন্য নতুন বাজারের প্রয়োজন দেখা দেয়। 
- তাই দেখা যায় ইউরোপের সাম্রাজ্যবাদী দেশগুলো শিল্পপণ্য রফতানি এবং অতিরিক্ত বিনিয়োগের জন্য পুরনো উপনিবেশের সম্প্রসারণ এবং নতুন ঔপনিবেশ স্থাপনের চেষ্টায় মরিয়া হয়ে ওঠে।
- ইতিহাসে এই বিষয়টাকে সাম্রাজ্যবাদ (Imperialism) বলা হয়। 
- মার্কস থেকে লেনিন পুঁজিবাদী অর্থনীতির ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ করে দেখিয়েছেন কীভাবে উদ্বৃত্ত পণ্য সংকট সৃষ্টি করে। 
- লেনিন সাম্রাজ্যবাদকে ধনতন্ত্রের আধুনিক সর্বোচ্চ পর্যায় (Highest stage of Capitalism) বলে অভিহিত করেছেন। 
 
উৎস: আধুনিক ইউরোপের ইতিহাস -২, এসএসইএইচএল, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১১৩.
গাজা শান্তি পরিকল্পনায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কতটি দফা প্রস্তাব করেন?
  1. ১৫
  2. ২০
  3. ১৮
  4. ১৩
ব্যাখ্যা

ট্রাম্পের গাজা শান্তি পরিকল্পনার ২০ দফা:
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গাজা সংকট নিরসনে একটি ২০ দফা শান্তি পরিকল্পনা প্রস্তাব করেন।
- এই পরিকল্পনার প্রথম ধাপে ইসরায়েল ও হামাস উভয় পক্ষই নীতিগতভাবে সম্মতি দিয়েছে বলে ট্রাম্প ঘোষণা করেন।
- পরিকল্পনাটির লক্ষ্য হলো যুদ্ধবিরতি কার্যকর করা, জিম্মি ও বন্দি বিনিময়, গাজার শাসনব্যবস্থায় পরিবর্তন এবং দীর্ঘমেয়াদে একটি স্থায়ী ও টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠা করা।

উল্লেখ্য,
এই ২০ দফা পরিকল্পনার বাস্তবায়ন নিশ্চিত করার জন্যই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে “Board of Peace (বোর্ড অব পিস)” গঠনের প্রস্তাব করা হয়।
Board of Peace হলো ট্রাম্পের গাজা শান্তি পরিকল্পনায় প্রস্তাবিত একটি আন্তর্জাতিক তদারকি ও সমন্বয়মূলক কাঠামো।
এর মূল লক্ষ্য হলো—
- যুদ্ধবিরতি কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন হচ্ছে কি না তা নজরদারি করা।
- ইসরায়েল ও হামাস—উভয় পক্ষের চুক্তি পালনের বিষয়টি নিশ্চিত করা।
- জিম্মি ও বন্দি বিনিময়, মানবিক সহায়তা প্রবাহ এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনায় সমন্বয় সাধন।
- ভবিষ্যতে গাজার প্রশাসন টেকনোক্র্যাটদের হাতে হস্তান্তরের প্রক্রিয়াকে সহজ ও বিশ্বাসযোগ্য করা।

উৎস: বিবিসি ও রয়টার্স।

১,১১৪.
রোম নগরী প্রতিষ্ঠা করেন কে?
  1. ক) অগাস্টাস সিজার
  2. খ) লেপিডাস
  3. গ) রোমিউলাস
  4. ঘ) কনস্টানটাইন
ব্যাখ্যা
- রোমান সম্রাট রোমিউলাস রোম নগরীর পত্তন করেন। তার নাম অনুসারেই এই নগরীর নামকরণ করা হয় রোম।
- ৭৫৩ খ্রিস্টপূর্বাব্দে রোম নগরী প্রতিষ্ঠিত হয়।
- টাইবার নদীর তীরে রোম নগরী সাতটি পর্বতের উপর অবস্থিত হওয়ায় একে সাত পাহাড়ের শহরও বলা হয়।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
১,১১৫.
বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট ছিলেন-
  1. ক) Nikolai Podgorny
  2. খ) Leonid Brezhnev
  3. গ) Mikhail Gorbachev
  4. ঘ) Nikita Khrushchev
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট ছিলেন নিকোলাই পোদগর্নি।
সোভিয়েত ইউনিয়নের সর্বশেষ প্রেসিডেন্ট ছিলেন মিখাইল গর্বাচেভ। উল্লেখ্য যে, ১৯৭১ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ছিলেন রিচার্ড নিক্সন।
উৎসঃ রাশিয়া ও ইউএস সরকারি ওয়েবসাইট
১,১১৬.
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় কে অবদান রেখেছিলেন?
  1. নবাব সলিমুল্লাহ
  2. নবাব খাজা আলীমুল্লাহ
  3. নবার সিরাজউদ্দৌলা
  4. নবাব আলীবর্দী খান
ব্যাখ্যা
নবাব স্যার সলিমুল্লাহ:

- ১৮৭১ সালের ৭ জুন ঢাকার বিখ্যাত নবাব পরিবারে খাজা সলিমুল্লাহ জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতার নাম নবাব খাজা আহসানউল্লাহ।
- নবাব পরিবারের মধ্যে সলিমুল্লাহ ছিলেন সবচেয়ে আলোচিত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব।
- যৌবনকালে তিনি কিছুকাল ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে সরকারি চাকুরি করলেও পরে চাকুরিতে ইস্তফা দিয়ে সমাজকল্যাণমূলক কাজে আত্মনিয়োগ করেন।
- ১৯০১ সালে তাঁর পিতার মৃত্যু হলে জ্যেষ্ঠ পুত্র হিসেবে তিনি নবাবের পদসহ পারিবারিক কর্তত্ব লাভ করেন।
- ব্যক্তিগত জীবনে তিনি সৎ, সাহসী ও ধার্মিক ছিলেন।
- ১৯০৬ সালে ডিসেম্বর ঢাকায় নিখিল ভারত মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে নবাব সলিমুল্লাহ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রেও নবাব সলিমুল্লাহ নানামুখী অবদান রাখেন।
- নবাব সলিমুল্লাহ ১৯১৫ সালের ১৬ জানুয়ারি কলকাতায় মারা যান।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১১৭.
প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ম্যাগসেসে পুরস্কার পান কে?
  1. করভী রাখসান্দ
  2. তহরুন্নেসা আবদুল্লাহ
  3. স্যার ফজলে হাসান আবেদ
  4. ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশিদের মধ্যে প্রথম ম্যাগসেসে পুরস্কার পান সমাজসেবী তহরুন্নেসা আবদুল্লাহ। তিনি ম্যাগসাইসাই পান ১৯৭৮ সালে। তিনি প্রধানত নারী সমবায় সমিতি গঠন ও পরিবার পরিকল্পনা বিষয়ে কাজ করেন।

বাংলাদেশ থেকে এখন পর্যন্ত ১৩ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি মর্যাদাপূর্ণ ম্যাগসেসে পুরস্কার পেয়েছেন। এ তালিকায় রয়েছেন:
- তহরুন্নেসা আবদুল্লাহ (১৯৭৮)।
- স্যার ফজলে হাসান আবেদ (১৯৮০)।
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস (১৯৮৪)।
- ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী (১৯৮৫)।
- রিচার্ড উইলিয়াম টিম (১৯৮৭)।
- মোহাম্মদ ইয়াসিন (১৯৮৮)।
- অ্যাঞ্জেলা গোমেজ এ পুরস্কার পান ১৯৯৯ সালে। 
- অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ ২০০৪ সালে।
- মতিউর রহমান ২০০৫ সালে
- এম নোমান খান ২০১০ সালে।
- সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান ২০১২ সালে।
- বিজ্ঞানী ফেরদৌসী কাদরী ম্যাগসেসে পুরস্কার ২০২১ সালে।
- জাগো ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা করভী রাখসান্দ র‌্যামন ম্যাগসেসে পুরস্কার পেয়েছেন ২০২৩ সালে।

উৎস: র‌্যামন ম্যাগসেসে ফাউন্ডেশন ওয়েবসাইট।
১,১১৮.
ইতিহাস বিখ্যাত ট্রয় নগরী কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) ইতালি
  2. খ) গ্রিস
  3. গ) তুরস্ক
  4. ঘ) মিশর
ব্যাখ্যা
হোমারের মহাকাব্যে বর্ণিত ইতিহাস বিখ্যাত ট্রয় নগরী বর্তমান তুরস্কের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের হেসারলিক নামক স্থানে অবস্থিত।
উনিশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে ব্রিটিশ প্রত্নতাত্ত্বিক ফ্র্যাঙ্ক কালভার্ট এবং জার্মান প্রত্নতাত্ত্বিক হেনরিক শ্লিম্যানের প্রচেষ্টায় ট্রয় নগরীর সন্ধান লাভ সম্ভব হয়। গ্রিকদের দ্বারা ট্রয় নগরী ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়।
(সূত্রঃ হিস্টোরি ডটকম এবং ন্যাশনাল জিওগ্রাফি)
১,১১৯.
জৈন ধর্মের  প্রথম তীর্থঙ্করের নাম কী?
  1. ঋষভনাথ
  2. মহাবীর
  3. চন্দ্রনাথ
  4. কার্তিক
ব্যাখ্যা
জৈন ধর্ম:
- জৈন শব্দটি এসেছে সংস্কৃত জিন শব্দ থেকে। সংস্কৃতিতে জিন অর্থ জয়ী।
- জৈনরা তাদের ইতিহাসে চব্বিশজন তীর্থঙ্করের কথা উল্লেখ করেছেন।
-  প্রথম তীর্থঙ্করের নাম ঋষভনাথ এবং সর্বশেষ তীর্থঙ্করের নাম মহাবীর (২৪তম)।
- খ্রিস্টপূর্ব ৬ষ্ঠ শতাব্দীতে জৈনধর্মের সর্বাধিক প্রভাবশালী প্রচারক ছিলেন মহাবীর।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, ৬ষ্ঠ শ্রেণি এবং উচ্চ মাধ্যমিক ইতিহাস ১মপত্র, এইচএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১২০.
কোয়ান্টাম তত্ত্বের ব্যাখ্যা প্রদানের কারণে বিজ্ঞানী আইনস্টাইন কত সালে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন?
  1. ১৯১৯ সালে
  2. ১৯২০ সালে
  3. ১৯২১ সালে
  4. ১৯২২ সালে
ব্যাখ্যা
ফটো-তড়িৎ ক্রিয়া:
- কোন কোন ধাতুর উপর আলো পড়লে তাৎক্ষণিক ইলেকট্রন নির্গত হয় একে ফটো-তড়িৎ ক্রিয়া বলে।

⇒ বিজ্ঞানী আইনস্টাইন:
- ১৯০৫ সালে বিজ্ঞানী আইনস্টাইন কোয়ান্টাম তত্ত্বের সাহায্যে ফটো তড়িৎ ক্রিয়া ব্যাখ্যা করেন।
- এই জন্য তিনি ১৯২১ সালে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন।
- তিনি ভর শক্তি সম্পর্ক E = mc2 স্থাপন করেন তিনি।

⇒ আলোর কোয়ান্টা বা ফোটনের ধারণার ওপর ভিত্তি করে আইনস্টাইন দেখান যে কোনো বস্তুর ওপর আলো প্রতিফলিত হওয়ার পর সে বস্তু থেকে কিছু ইলেকট্রন নির্গত নয়।
- অবশ্য এ ইলেকট্রন বেরিয়ে আসার জন্য কমপক্ষে একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ শক্তির দরকার হয়।
- আলো যেহেতু বিদ্যুৎ–চুম্বকীয় তরঙ্গ, বস্তুর ওপর আলোকপাতের ফলে বস্তু থেকে ইলেকট্রন নির্গত হওয়ার ঘটনাকে বলা যায় একধরনের বিদ্যুৎ–চুম্বকীয় বিকিরণ।
- এই বিশেষ ধরনের বিকিরণের নাম ফটোইলেকট্রিক ইফেক্ট। 

⇒ পদার্থ থেকে ইলেকট্রন বের করতে আনতে হলে এই আকর্ষণ বলের চেয়ে বেশি বল প্রয়োগ করতে হবে।
- আইনস্টাইন হিসাব করে দেখান যে এই শক্তির পরিমাণ আলোর কম্পাঙ্কের সমানুপাতিক।
- আরও সুনির্দিষ্টভাবে বললে বলা যায়, শক্তি = প্ল্যাঙ্কের ধ্রুবক x কম্পাঙ্ক।
- এই আবিষ্কারের জন্য আইনস্টাইনকে ১৯২১ সালের পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়।
- অবশ্য এই পুরস্কার ঘোষিত হয়েছিল ১৯২২ সালে।

⇒ ১৯০৫ সালে প্রকাশিত আইনস্টাইনের প্রথম গবেষণাপত্রটি ছিল: On a Heuristic Point of View Concerning the Production and Transformation of Light. Annalen der Physik, সংখ্যা ১৭ (১৯০৫), পৃষ্ঠা ১৩২-১৪৮।
- এ প্রবন্ধে আইনস্টাইন আলোর কণা ফোটনের ধারণা প্রতিষ্ঠা করেন।
- আলো তরঙ্গের আকারে যেমন থাকতে পারে, তেমনি থাকতে পারে গুচ্ছ গুচ্ছ কণার শক্তির আকারে। 

উৎস: i) Britannica.
ii) উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১,১২১.
ওয়াটারলু যুদ্ধে পরাজয়ের পর নেপোলিয়ন বোনাপার্টকে কোন দ্বীপে নির্বাসন দেওয়া হয়েছিল?
  1. সেন্ট হেলেনা
  2. সেন্ট এলবা
  3. কর্সিকা দ্বীপ
  4. মাদাগাস্কার
ব্যাখ্যা
নেপোলিয়ন বোনাপার্ট:
- ওয়াটারলু যুদ্ধ ১৮১৫ সালে বেলজিয়ামের ওয়াটারলুতে সংঘটিত হয়,
- এতে ফরাসি সম্রাট নেপোলিয়ন বোনাপার্ট ব্রিটিশ সেনাপতি আর্থার ওয়েলেসলি (ডিউক অব ওয়েলিংটন) ও প্রুশিয়ান জেনারেল ব্লুচারের সম্মিলিত বাহিনীর কাছে পরাজিত হন।
- এই যুদ্ধ নেপোলিয়নের সামরিক জীবনের চূড়ান্ত পরিণতি ছিল।
- পরাজয়ের পর তাঁকে আটলান্টিক মহাসাগরের প্রত্যন্ত সেন্ট হেলেনা দ্বীপে নির্বাসন দেওয়া হয়, সেখানে তিনি বাকিজীবন কাটান।
- সেন্ট হেলেনা দ্বীপেই ১৮২১ সালে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। 
 
 সূত্র: হিস্টোরি ডট. কম ও ব্রিটানিকা।
১,১২২.
এলিসি প্রাসাদ কার বাসভবন?
  1. ক) ফরাসী প্রেসিডেন্ট
  2. খ) স্পেনের রানীর
  3. গ) ভারতের রাষ্ট্রপতির
  4. ঘ) বৃটেনের রানীর
ব্যাখ্যা
ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট হলেন রাষ্ট্রপ্রধান। প্রেসিডেন্টের মেয়াদকাল পাঁচ বছর। প্যারিসে অবস্থিত প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবনের নাম এলিসি প্রাসাদ। সূত্রঃ লাইভ এমসিকিউ আর্কাইভ।
১,১২৩.
স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম 'নাইট' পদকে সম্মানিত হন -
  1. ক) ডা. জাফরুল্লাহ
  2. খ) ড. মোহাম্মদ ইউনুস
  3. গ) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  4. ঘ) ফজলে হাসান আবেদ
ব্যাখ্যা
ফজলে হাসান আবেদ:
- স্যার ফজলে হাসান আবেদ ১৯৩৬ সালের ২৭শে এপ্রিল হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন৷
- তাঁর বাবার নাম মরহুম সিদ্দিক হাসান এবং মায়ের নাম - মরহুমা সৈয়দা সুফিয়া খাতুন।
- সিদ্দিক হাসান ছিলেন হবিগঞ্জের সাবরেজিস্ট্রার।
- ফজলে হাসান আবেদ ব্রাক এর প্রতিষ্ঠাতা।
- যুক্তরাজ্যের সর্বোচ্চ সম্মানসূচক উপাধি 'নাইট'।
- স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম নাগরিক হিসেবে এই সম্মানে সম্মানিত হন বেসরকারী সংগঠন ব্রাকের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান ফজলে হাসান আবেদ
- ব্রাক বিশ্বের সর্ববৃহৎ বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা।

উৎস: ব্রাক এর ওয়েবসাইট।
১,১২৪.
'সংবাদপত্রের স্বাধীনতা' কোন ধরনের অধিকার?
  1. ক) অর্থনৈতিক
  2. খ) সামাজিক
  3. গ) রাজনৈতিক
  4. ঘ) সাংস্কৃতিক
ব্যাখ্যা

• যে সকল অধিকার নাগরিকের সভ্য জীবনযাপনের জন্য অপরিহার্য তাকেই সামাজিক অধিকার বলে।
• সভ্য জীবনযাপনের জন্য সামাজিক অধিকার অপরিহার্য।
• কেননা সামাজিক অধিকার সমাজজীবনকে বিকশিত করে। সামাজিক অধিকারসমূহ হলোঃ
১. জীবনের অধিকার
২. ব্যক্তি স্বাধীনতার অধিকার
৩. চিন্তা ও মতপ্রকাশের অধিকার
৪. সভা-সমিতির অধিকার
৫. চলাফেরার অধিকার
৬. সংবাদপত্রের স্বাধীনতা
৭. চুক্তি সম্পাদনের অধিকার
৮. আইনের চোখে সমানাধিকার
৯. সম্পত্তির অধিকার
১০. ধর্মের অধিকার
১১. পরিবার গঠনের অধিকার
১২. খ্যাতি বা সম্মান লাভের অধিকার
১৩. শিক্ষার অধিকার
১৪. নিজস্ব সংস্কৃতি ও ভাষার অধিকার ও
১৫. অর্থনৈতিক ও সামাজিক সুবিচার লাভের অধিকার।
উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

১,১২৫.
মোহাম্মদ সোহরাব হোসাইন সরকারি কর্ম কমিশনের কততম চেয়ারম্যান?
  1. ক) ১১ তম
  2. খ) ১২ তম
  3. গ) ১৩ তম
  4. ঘ) ১৪ তম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে শপথ নিয়েছেন মোহাম্মদ সোহরাব হোসাইন। এর মধ্যে দিয়ে তিনি কমিশনের ১৪তম চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করলেন। তিনি ১৩ তম চেয়ারম্যান ড. সাদিকের স্থলাভিষিক্ত হন।
উৎসঃ পিএসসির ওয়েবসাইট।
১,১২৬.
'War and Peace' উপন্যাসের রচয়িতা -
  1. লিও টলস্টয়
  2. ডেভিড রিকার্ডো
  3. কার্ল মার্কস
  4. জেন অস্টিন
ব্যাখ্যা
'War and Peace' উপন্যাসের রচয়িতা লিও টলস্টয়।

লিও টলস্টয়:
- লিও টলস্টয় ছিলেন একজন রাশিয়ান লেখক।
- একটি অভিজাত রাশিয়ান পরিবারে জন্মগ্রহণকারী, টলস্টয় আরও নৈতিক ও আধ্যাত্মিক কাজে স্থানান্তরিত হওয়ার আগে বাস্তববাদী কথাসাহিত্য এবং আধা-আত্মজীবনীমূলক উপন্যাস লিখেছেন।

উল্লেখ্য,
- 'War and Peace' উপন্যাসের রচয়িতা লিও টলস্টয়।
- স্ত্রী এবং ছেলেমেয়েদের সাথে ‘ইয়াসনায়া পলিয়ানাতে’ (Yasnaya Polyana) বসবাস করার সময়, টলস্টয় তাঁর প্রথম দুর্দান্ত উপন্যাস, War and Peace নিয়ে ১৮৬০ এর সেরা সময়টি ব্যয় করেছিলেন।
- উপন্যাসটির একটি অংশ প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল ১৮৬৫ সালে, "দ্য ইয়ার 1805" শিরোনামের অধীনে।
- ১৮৬৮ এর মধ্যে, তিনি আরও তিনটি অংশ প্রকাশ করেছিলেন এবং তার এক বছর পরে, উপন্যাসটি সম্পূর্ণ হয়েছিল।
- War and Peace' -এ টলস্টয় যে বিশ্বাস বা ধারণাগুলো উৎসাহিত করেছেন, সেগুলোর মধ্যে একটি হল যে, কারও জীবনের উদ্দেশ্য এবং গুণগত মান মূলত তার প্রতিদিনের কাজকর্ম থেকে প্রাপ্ত।”

তার কিছু  বিখ্যাত কাজ:
- War and Peace (1869), Anna Karenina (1878), A Confession (1880), The Death of Ivan Ilyich (1886), Resurrection (1899)

উৎস: Britannica.
১,১২৭.
২০২১ সালের বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে কোন বিদেশী রাষ্ট্রপ্রধান উপস্থিত ছিলেন?
  1. ড. ইব্রাহিম মোহাম্মদ সলিহ
  2. আলেক্সান্দ্রো লুকাশেঙ্কো
  3. রামনাথ কোবিন্দ
  4. গোতাবায়ে রাজাপাক্ষে
ব্যাখ্যা
- ২০২১ সালে বাংলাদেশের ৫০তম বিজয় দিবস উদযাপন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভারতের রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ। বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তী অনুষ্ঠানে অংশ নিতে তিনদিনের সফরে রামনাথ কোবিন্দ ১৫ ডিসেম্বর ২০২১ ঢাকা আসেন।
- জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে বিজয় দিবসের কুচকাওয়াজে বাংলাদেশ সশ্বস্ত্র বাহিনীর পাশাপাশি ভুটান, ভারত ও রাশিয়ার ৩টি কন্টিনজেন্ট এবং যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকোর পর্যবেক্ষক দল অংশগ্রহণ করে।
(তথ্যসূত্র: প্রথম আলো)
১,১২৮.
Fire and Fury বইটির রচয়িতা কে?
  1. ক) Hillary Cinton
  2. খ) Micheal Wolf
  3. গ) Donald Trump
  4. ঘ) Barack Obama
ব্যাখ্যা
Fire and Fury: Inside the Trump White House (work by Micheal Wolf).
Source: Encyclopaedia Britannica
১,১২৯.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম রাষ্ট্রপতি ছিলেন কে?
  1. আব্রাহাম লিংকন
  2. থমাস জেফারসন
  3. জন অ্যাডামস
  4. জর্জ ওয়াশিংটন
ব্যাখ্যা
জর্জ ওয়াশিংটন:
- তিনি ২২ ফেব্রুয়ারী ১৭৩২ সালে ওয়েস্টমোরল্যান্ডে জন্মগ্রহন করেন।
- জর্জ ওয়াশিংটন কোনো রাজনৈতিক দলের সদস্য ছিলেন না।
- তিনি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে একজন নির্দলীয় প্রার্থী হিসাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন।
- জর্জ ওয়াশিংটন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম রাষ্ট্রপতি ছিলেন।
- তিনি আমেরিকান বিপ্লবের সময় মহাদেশীয় সেনাবাহিনীকেও কমান্ড করেছিলেন এবং মার্কিন সংবিধানের খসড়া প্রণয়নকারী কনভেনশনের সভাপতিত্ব করেছিলেন।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানীর নামকরণ করা হয়েছে ওয়াশিংটনের নামানুসারে।
- রাষ্ট্রপতি হিসাবে দুই মেয়াদে দায়িত্ব পালন করার পর, জর্জ ওয়াশিংটন ১৭৯৭ সালে মাউন্ট ভার্ননে তার এস্টেটে অবসর গ্রহণ করেন।
- ১৭৯৯ সালের ১৪ ডিসেম্বর রাতে ওয়াশিংটন মারা যান।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
১,১৩০.
'America’s Labor Leaders' নামক গ্রন্থের রচয়িতা কে?
  1. ক) টমাস হবস
  2. খ) বার্ট্রান্ড রাসেল
  3. গ) চার্লেস রাইট মিলস
  4. ঘ) মন্টেস্কু
ব্যাখ্যা
- 'America’s Labor Leaders' নামক গ্রন্থের রচয়িতা হচ্ছে চার্লেস রাইট মিলস

• তাঁর রচিত বিখ্যাত গ্রন্থ:
- দ্য নিউ মেন অফ পাওয়ার,
- আমেরিকার লেবার লিডারস,
- হোয়াইট কলার এবং
- দ্য পাওয়ার এলিট।
তবে 'দ্য পাওয়ার এলিট' গ্রন্থে আমেরিকান সমাজের প্রধান শ্রেণী সম্পর্কে তার বিশ্লেষণ প্রকাশিত হয়েছিল।
- এই শেষ বইটিতে, মিলস "অভিজাত" বা শাসক শ্রেণীকে চিহ্নিত করেছেন, সেইসব ব্যবসায়িক, সরকার এবং সামরিক নেতাদের মধ্যে যাদের সিদ্ধান্ত এবং কর্মের উল্লেখযোগ্য পরিণতি রয়েছে।

অন্যদিকে, 
• সপ্তদশ শতাব্দীতে টমাস হবস তার বিখ্যাত ‘The Leviathan’ গ্রন্থে সামাজিক চুক্তি মতবাদ বিষয়ে আলোচনা করেন।
• বার্ট্রান্ড রাসেলের বিখ্যাত গ্রন্থের নাম- Power: A New Social Analysis.
• 'The Spirit of Laws'- গ্রন্থের রচয়িতা ফরাসি দার্শনিক মন্টেস্কু।

Source: Britannica.
১,১৩১.
বিশ্বের প্রথম নির্বাচিত মহিলা প্রধানমন্ত্রী কে?
  1. ক) ইন্দিরা গান্ধী
  2. খ) চন্দ্রিকা কুমারাতুঙ্গা
  3. গ) শ্রীমাভো বন্দরনায়েক
  4. ঘ) বেনজির ভুট্টো
ব্যাখ্যা

- বিশ্বের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী : শ্রীমাভো বন্দরনায়েক (শ্রীলংকা)
- বিশ্বের প্রথম মহিলা প্রেসিডেন্ট : ইসাবেল পেরন (আর্জেন্টিনা)
- বিশ্বের প্রথম মুসলিম মহিলা প্রধানমন্ত্রী : বেনজীর ভুট্টো (পাকিস্তান)
- বিশ্বের দ্বিতীয় মুসলিম মহিলা প্রধানমন্ত্রী : বেগম খালেদা জিয়া (বাংলাদেশ)
- হেলেন ক্লার্ক : নিউজিল্যান্ডের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী
- গোল্ডা মায়ার : ইসরাইলের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী।

(সূত্র: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা)

১,১৩২.
বেগম রোকেয়া কখন এবং কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?
  1. ক) ১৮৭০ সালে গাইবান্ধা জেলায়
  2. খ) ১৮৮১ সালে রংপুর জেলায়
  3. গ) ১৮৮০ সালে রংপুর জেলায়
  4. ঘ) ১৮৭৯ সালে রংপুর জেলায়
ব্যাখ্যা

বেগম রোকেয়াকে বাংলার নারী জাগরণের অগ্রদূত বলা হয়।
বিশ শতকের প্রথমার্ধে তিনি নারীশিক্ষা বিশেষত মুসলিম নারীদের মধ্যে শিক্ষার প্রসারে অক্লান্ত পরিশ্রম করেন।
এছাড়া তিনি নিজ উদ্যোগে বিভিন্ন স্থানে বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন এবং সরকারের নিকট নারীদের উন্নয়নে বিভিন্ন দাবী দাওয়া পেশ করেন।
বেগম রোকেয়া ১৮৮০ সালে রংপুর জেলার পায়রাবন্দ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৩২ সালে কলকাতায় মারা যান।
তার জন্ম ও মৃত্যু তারিখ ৯ ডিসেম্বর।
সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া।

১,১৩৩.
মিশরীয়দের নীলনদের দেবতা কে?
  1. ক) পোসিডন
  2. খ) আমন রে
  3. গ) ওসিরিস
  4. ঘ) অ্যাথেনা
ব্যাখ্যা
- ওসিরিস : মিশরীয়দের নীলনদ ও শস্য দেবতা
- আমর রে : মিশরীয়দের সূর্য দেবতা
- পোসিডন : গ্রিক সাগরের দেবতা
- অ্যাথেনা : গ্রিক জ্ঞানের দেবী।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং মাধ্যমিক ইতিহাস : উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
১,১৩৪.
'হ্যারিপটার' কি?
  1. ক) এক জাতীয় ধাতব পাত্র
  2. খ) সাম্প্রতিককালে সর্বাধিক বিক্রীত একটি শিশুতোষ বই
  3. গ) একজাতীয় গুচ্ছবোমা
  4. ঘ) এক ধরনের খেলনা
ব্যাখ্যা
বিখ্যাত শিশুতোষ সিরিজ Harry Potter এর রচয়িতা J. K. Rawling.
এই সিরিজে সাতটি উপন্যাস রয়েছে।

সূত্রঃ ব্রিটানিকা
১,১৩৫.
আধুনিক রাষ্ট্রবিজ্ঞানের জনক বলা হয় কাকে?
  1. এরিস্টটল
  2. ভলতেয়ার
  3. নিকোলা মেকিয়াভেলী
  4. রুশো
ব্যাখ্যা
• নিকোলা মেকিয়াভেলী:
- রেনেসাঁর বরপুত্র।
- বিখ্যাত গ্রন্থ - The Prince.
- আধুনিক রাষ্ট্রবিজ্ঞানের জনক - নিকোলা মেকিয়াভেলী।

উল্লেখ্য,
- রাষ্ট্রবিজ্ঞানের জনক - এরিস্টটল।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১,১৩৬.
কোন ক্রমটি সঠিক?
  1. ক) প্লেটো-সক্রেটিস-এরিস্টটল
  2. খ) সক্রেটিস-এরিস্টটল-প্লেটো
  3. গ) এরিস্টটল-প্লেটো-সক্রেটিস
  4. ঘ) সক্রেটিস-প্লেটো-এরিস্টটল
ব্যাখ্যা
প্রাচীন গ্রিসের দার্শনিক সক্রেটিসের শিষ্য ছিলেন প্লেটো। প্লেটোর শিষ্য ছিলেন এরিস্টটল এবং এরিস্টটলের শিষ্য ছিলেন আলেকজান্ডার।
(সূত্রঃ এনসাক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা)
১,১৩৭.
জৈন ধর্মের প্রথম তীর্থঙ্কর কে ছিলেন?
  1. মহাবীর
  2. নেমিনাথ
  3. ঋষভনাথ
  4. পার্শ্বনাথ
ব্যাখ্যা
জৈনধর্ম:
- জৈনধর্ম হলো ভারতীয় উপমহাদেশের একটি প্রাচীন ধর্ম।
- এই ধর্ম বিশ্বের প্রাচীনতম ধর্মমতগুলোর অন্যতম।
- জৈন শব্দটি এসেছে সংস্কৃত জিন শব্দ থেকে। সংস্কৃতিতে জিন অর্থ জয়ী।
-  জৈনদের প্রধান ধর্মগ্রন্থের নাম দ্ব্বাদশ অঙ্গ। জৈনদের দুটি প্রধান সমপ্রদায়ের নাম শ্বেতাম্বর ও দিগম্বর।

⇒ যে মানুষ আসক্তি, আকাঙ্ক্ষা, ক্রোধ, অহংকার, লোভ ইত্যাদি জয়ের মাধ্যমে পবিত্র অনন্ত জ্ঞান লাভ করেছে, তাকে জিন বলা হয়।
- জিনদের আচরিত ও প্রচারিত পথের অনুগামীদের বলে জৈন।
- এরা তাদের প্রধান ধর্মগুরুকে বলতেন তীর্থঙ্কর।
- জৈনরা তাদের ইতিহাসে চব্বিশজন তীর্থঙ্করের কথা উল্লেখ করেছেন।
- এঁদের শিক্ষাই জৈনধর্মের মূল ভিত্তি।
- প্রথম তীর্থঙ্করের নাম ঋষভনাথ এবং সর্বশেষ তীর্থঙ্করের নাম মহাবীর।

⇒ খ্রিস্টপূর্ব ৬ষ্ঠ শতাব্দীতে জৈনধর্মের সর্বাধিক প্রভাবশালী প্রচারক ছিলেন মহাবীর। তিনি জৈনধর্মের ২৪তম তীর্থঙ্কর। মহাবীরকে অনেক সময় ভুলবশত জৈনধর্মের প্রবর্তক মনে করা হয়। প্রকৃতপক্ষে জৈনধর্ম তাঁর আগে থেকে প্রচলিত ছিল এবং তিনি গোড়া থেকেই এই ধর্মের অনুগামী ছিলেন।
- মহাবীরের পূর্বসূরি ২৩তম তীর্থঙ্কর ছিলেন পার্শ্বনাথ।
- ২২তম তীর্থঙ্কর নেমিনাথ ছিলেন পার্শ্বনাথের পূর্বসূরি। 

উৎস: i) Britannica.
ii) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, ষষ্ঠ শ্রেণি। 
১,১৩৮.
হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী কত সালে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়েছিলেন?
  1. ১৯৫৩ সালে
  2. ১৯৫৪ সালে
  3. ১৯৫৫ সালে
  4. ১৯৫৬ সালে
ব্যাখ্যা
হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী:

- ১৮৯২ সালের ৮ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুরে সম্ভ্রান্ত এক পরিবারে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৯১৮ সালে তিনি বিলেত থেকে বার-এট-ল পরীক্ষা পাশ করে স্বদেশে ফিরে আসেন।
- দেশে ফিরে তিনি স্বল্প সময়ের মধ্যেই কলিকাতার একজন নামকরা আইনজীবি এবং বিজ্ঞ রাজনীতিবিদ হিসেবে প্রতিষ্ঠা পান। 
- ১৯২১ সনে বঙ্গীয় ব্যবস্থাপক পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হবার পর দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাসের অসাম্প্রদায়িক মানসিকতা, উদার দৃষ্টিভঙ্গি ও গভীর স্বদেশপ্রেম দ্বারা হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী দারুণভাবে অনুপ্রাণিত হন। 
- ১৯২১ সালে শহীদ সোহরাওয়ার্দী বঙ্গীয় আইন পরিষদে সর্বকনিষ্ঠ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন।
- তিনি ব্রিটিশ শাসন অবসানের লক্ষ্যে হিন্দু-মুসলিম ঐক্য প্রতিষ্ঠার জন্য ১৯২৩ সালে দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ এর নেতৃত্বে 'বেঙ্গল প্যাক্ট' চুক্তি সম্পাদনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
- ১৯৩৭ সালে তিনি মুসলিম লীগে যোগ দেন।
- ১৯৪৯ সালের আওয়ামী মুসলিম লীগ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
- পাকিস্তানে ১৯৫৬ সালে যে সংবিধান প্রণয়ন হয় তার পিছনেও শহীদ সোহরাওয়ার্দীর যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আছে।
- ১৯৫৬-১৯৫৭ সালে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।
- ১৯৬৩ সালে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী মৃত্যুবরণ করেন।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১৩৯.
শিখ ধর্মের প্রবর্তক কে?
  1. গুরু স্পেন্সার
  2. মহাবীর
  3. গুরু নানক
  4. ডেভিড পোপেনো
ব্যাখ্যা
শিখ ধর্ম:
- ১৫ শতকের শেষের দিকে ভারতীয় উপমহাদেশের পাঞ্জাব অঞ্চলে শিখ ধর্ম প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এ ধর্মের সদস্যরা শিখ নামে পরিচিত।
- শিখ ধর্মের প্রবর্তক- গুরু নানক।
- ধর্মগ্রন্থ- গ্রন্থ সাহেব (আদি গ্রন্থ)
- উপাসনালয়- গুরু দুয়ারা।
- পবিত্র স্থান- শিখদের পবিত্র ধর্মীয় স্থান পাঞ্জাবের অমৃতসরে অবস্থিত ‘স্বর্ণমন্দির'।

উৎস: Britannica & history.com
১,১৪০.
চে গুয়েভেরা কোন দেশে মৃত্যুবরণ করেন?
  1. কিউবা
  2. বলিভিয়া
  3. আর্জেন্টিনা
  4. গুয়েতেমালা
ব্যাখ্যা
চে গুয়েভেরা:

- তাঁর পুরো নাম আর্নেস্তো গুয়েভারা দে লা সেরনা।
- তিনি ১৪ জুন ১৯২৮ সালে আর্জেন্টিনার রোজারিওতে জন্মগ্রহন করেন।
- চে গুয়েভারা ছিলেন কিউবান বিপ্লবের একজন বিশিষ্ট কমিউনিস্ট ব্যক্তিত্ব।
- দক্ষিণ আমেরিকার একজন গেরিলা নেতা যিনি বিপ্লবী কর্মের জন্য একটি শক্তিশালী প্রতীক হয়ে উঠেছিলেন।
- চে গুয়েভারা ছিলেন কিউবার সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবের অন্যতম নায়ক।
- কিউবায় কমিউনিষ্ট বিপ্লবের পর তিনি কঙ্গো ও বলিভিয়ায় সমাজতন্ত্র কায়েমের জন্যে গেরিলা তৎপরতায় লিপ্ত হন।
- তিনি ১৯৬৭ সালের অক্টোবরে বলিভিয়ায় মৃত্যুবরণ করেন।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
১,১৪১.
নেপোলিয়ন কোন যুদ্ধে চূড়ান্তভাবে পরাজিত হন?
  1. ট্রাফালগারের যুদ্ধ
  2. লিগনির যুদ্ধ
  3. ওয়াটারলুর যুদ্ধ
  4. ২য় বিশ্বযুদ্ধ
ব্যাখ্যা

নেপোলিয়ন বোনাপার্ট:
- নেপোলিয়ন বোনাপার্ট ছিলেন ফরাসি সম্রাট ও সেনানায়ক।
- তাঁর নেতৃত্বে ইউরোপের সুবিশাল ভূখণ্ডে ফরাসি সাম্রাজ্যের সীমানা ছড়িয়েছিল।
- ইউরোপ জয়ের পর ১৮০৪ সালে নেপোলিয়ন নিজেকে ফ্রান্সের সম্রাট হিসেবে ঘোষণা করেছিলেন।
- তাঁর অধীনে ফ্রান্স ছিল খুবই শক্তিশালী।
- ১৮১২ সালে তিনি রাশিয়া আক্রমণ করেন এবং খুব বাজেভাবে পরাজিত হন।
- পরের বছর অস্ট্রিয়া, প্রুশিয়া, রাশিয়া, ব্রিটেন, পর্তুগাল, সুইডেন, স্পেন ও জার্মান রাজ্যগুলো মিলে একসঙ্গে ফ্রান্স আক্রমণ করে। এতে ফ্রান্স পরাজিত হয়।
- পরে ইতালির এলবা দ্বীপে নেপোলিয়নকে নির্বাসনে দেওয়া হয়।
- ১০ মাস পর পালিয়ে গিয়ে আবার ক্ষমতা দখল করেন, কিন্তু ১৮১৫ সালের ওয়াটারলু যুদ্ধে তিনি পরাজিত হন এবং তাঁকে দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরের সেন্ট হেলেনা দ্বীপে নির্বাসন দেওয়া হয়৷
- ১৮২১ সালে ওখানেই মৃত্যু হয় নেপোলিয়নের।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

১,১৪২.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট কে?
  1. আব্রাহাম লিংকন
  2. থমাস জেফারসন
  3. জন অ্যাডামস
  4. জর্জ ওয়াশিংটন
ব্যাখ্যা
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র:
- স্বাধীনতা লাভ করে - ৪ জুলাই, ১৭৭৬ সালে যুক্তরাজ্য থেকে।
- যুক্তরাষ্ট্রে জাতীয় দিবস - ৪ জুলাই।
- অঙ্গরাজ্য - ৫০ টি।
- সর্বশেষ অঙ্গরাজ্য - হাওয়াই।
- পতাকায় তারকা সংখ্যা - ৫০ টি।
- আইনসভা - কংগ্রেস (দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট)।
- কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ এবং উচ্চকক্ষ সিনেট পরিষদ।
- যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান প্রেসিডেন্ট- ডোনাল্ড ট্রাম্প (৪৭ তম)। (আগস্ট, ২০২৫)
- প্রথম প্রেসিডেন্ট - জর্জ ওয়াশিংটন।
- যুক্তরাষ্ট্রকে স্ট্যাচু অব লিবার্টি উপহার দেয় কোন দেশ - ফ্রান্স।
- যুক্তরাষ্ট্রে ক্রীতদাস প্রথা বিলোপকারী প্রেসিডেন্টের নাম - আব্রাহাম লিংকন।
- আব্রাহাম লিংকন ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের - ১৬ তম প্রেসিডেন্ট।
- যুক্তরাষ্ট্র থেকে ক্রীতদাস প্রথা বিলোপ হয় - ১৮৬৩ সালে।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যে প্রেসিডেন্ট কখনো হোয়াইট হাউজে বসবাস করেননি - জর্জ ওয়াশিংটন।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
১,১৪৩.
স্বাধীন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. মহাত্মা গান্ধী
  2. সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল
  3. জওহরলাল নেহেরু
  4. আবুল কালাম
ব্যাখ্যা

জওহরলাল নেহরু:
- স্বাধীন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী ছিলেন পণ্ডিত জওহরলাল নেহরু।
- তিনি ১৯৪৭ সালে ভারতের স্বাধীনতা লাভের পর থেকে ১৯৬৪ সালে তাঁর মৃত্যু পর্যন্ত এই পদে ছিলেন এবং ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। 
- তিনি ছিলেন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী এবং ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের একজন প্রধান নেতা।
- ১৯৪৭ সালের ১৫ই আগস্ট, ভারত স্বাধীনতা লাভের পর তিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন।

⇒ জওহরলাল নেহরুর জন্ম ১৮৮৯ সালের ১৪ নভেম্বর, ব্রিটিশ ভারতের এলাহাবাদে এক কাশ্মীরি ব্রাহ্মণ পরিবারে। কাশ্মীরি পণ্ডিত সম্প্রদায়ের সঙ্গে তাঁর সংযোগের কারণে ‘পণ্ডিত নেহরু’ নামেও পরিচিত ছিলেন। ভারতীয় শিশুরা জওহরলাল নেহরুকে চেনে ‘চাচা নেহরু’ হিসেবে। এ কারণে নেহরুর জন্মদিন ভারতে পালিত হয় শিশু দিবস হিসেবে।
- ১৯৬৪ সালের ২৭ মে তিনি পরলোক গমন করেন।

উল্লেখ্য,
- মহাত্মা গান্ধীর সঙ্গে জওহরলাল নেহরুর প্রথম পরিচয় ১৯১৬ সালে। গান্ধীজির আদর্শ তাঁকে বিশেষভাবে অনুপ্রাণিত করে। ১৯২০ সালে উত্তর প্রদেশের প্রতাপগড় জেলায় কিষাণ মার্চ সংগঠিত করেন তিনিই। ১৯২০-২২-এর অসহযোগ আন্দোলনের দিনগুলিতে তিনি দু’বার কারাবরণ করেন।
- পণ্ডিত নেহরু নিখিল ভারত কংগ্রেস কমিটির সাধারণ সম্পাদক নিযুক্ত হন ১৯২৩-এর সেপ্টেম্বরে। 

এছাড়াও,
-  পণ্ডিত জওহরলাল নেহেরু বলেছিলেন, একটি দেশ ভালো হয়, যদি সে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ভালো হয়।

উৎস: i) Britannica.
ii) PM India.

১,১৪৪.
নেলসন ম্যান্ডেলার রাজনৈতিক দলের নাম কি?
  1. আফ্রিকান সোস্যালিস্ট পার্টি
  2. ন্যাশনালিস্ট পার্টি
  3. আফ্রিকান কংগ্রেস
  4. আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেস
ব্যাখ্যা

নেলসন ম্যান্ডেলা:
- তার জন্ম: ১৮ জুলাই, ১৯১৮।
- ডাক নাম: মাদিবা।
- দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ প্রেসিডেন্ট।
- নেলসন ম্যান্ডেলা বন্দি ছিলেন রোবেন দ্বীপে।
- ম্যান্ডেলার কয়েদি নম্বর ৪৬৬৬৪।
- নোবেল শান্তি পুরস্কার পান ১৯৯৩ সালে।
- ৪৬৬৬৪ ক্যাম্পেইন: এইডস বিরোধী প্রচার অভিযানের প্রতীক।
- রাজনৈতিক দল: আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেস (ANC)
- তার রচিত বই: A long walk to freedom, Conversations myself
- বাংলাদেশ সফরে আসেন- ২৫ মার্চ, ১৯৯৭
- মৃত্যু: ৫ ডিসেম্বর ২০১৬ সালে

সূত্র: ব্রিটানিকা ও হিস্টোরি ডটকম।

১,১৪৫.
‘সেপ্টেম্বর অন যশোর রোড’ কবিতাটি রচনা করেন-
  1. ক) বব ডিলান
  2. খ) রবি শংকর
  3. গ) এলেন গিন্সবার্গ
  4. ঘ) ক্রিপটন
ব্যাখ্যা
সেপ্টেম্বর অন যশোর রোড
- সেপ্টেম্বর অন যশোর রোড - বিখ্যাত মার্কিন কবি এলেন গিন্সবার্গ রচিত একটি কবিতা যা থেকে পরে গান করা হয়েছিল।
- মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের সাথে যশোর রোডে সীমান্তের ওপারে শরণার্থী শিবির ঘুরে যে অভিজ্ঞতা অর্জন করেন তা নিয়ে তিনি লিখেন বিখ্যাত কবিতা ‘সেপ্টেম্বর অন যশোর রোড’।

- এই কবিতার লাইন সংখ্যা ১৫২ টি। এই দীর্ঘ কবিতার সাথে সুর দিয়ে এটিকে গানে রূপ দিয়েছিলেন তিনি।
- আমেরিকায় ফিরে গিয়ে তার বন্ধু বব ডিলান ও অন্যান্য বিখ্যাত গায়কদের সহায়তায় এই গান গেয়ে কনসার্ট করেছিলেন। এভাবেই বাংলাদেশী শরণার্থীদের জন্য অর্থ সংগ্রহ করেন গিন্সবার্গ।
- এই কবিতার বাংলা ভাষান্তর করেন খান মোহাম্মদ ফারাবি।     

তথ্যসূত্র:- দৈনিক প্রথম আলো।
১,১৪৬.
আলেকজান্ডার ফ্লেমিং পেনিসিলিন নামক অ্যান্টিবায়োটিক আবিষ্কার করেন -
  1. ১৯২০ সালে
  2. ১৯২২ সালে
  3. ১৯২৫ সালে
  4. ১৯২৮ সালে
ব্যাখ্যা

আলেকজান্ডার ফ্লেমিং:
- জন্ম ৬ আগস্ট, ১৮৮১ সালে স্কটল্যান্ডের আইরশায়ার অঞ্চলে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি পেশায় একজন ব্যাকটেরিওলজিস্ট ও চিকিৎসাবিজ্ঞানী ছিলেন।
- আলেকজান্ডার ফ্লেমিং ১৯২৮ সালে পেনিসিলিন নামক অ্যান্টিবায়োটিক আবিষ্কার করেন — যা মানব ইতিহাসে চিকিৎসা বিজ্ঞানে এক বিপ্লব ঘটায়।
- ১৯৪৫ সালে পেনিসিলিন আবিষ্কারের জন্য নোবেল পুরস্কার লাভ করেন (Howard Florey ও Ernst Chain-এর সঙ্গে যৌথভাবে)।
- ১১ মার্চ, ১৯৫৫ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

উৎস:  ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।  

১,১৪৭.
'দি ম্যাডোনা অ্যান্ড চাইল্ড'- কার চিত্রকর্ম?
  1. পাবলো পিকাসো
  2. মাইকেল অ্যাঞ্জেলো
  3. লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি
  4. ভ্যানগগ
ব্যাখ্যা
মাইকেল অ্যাঞ্জেলো:
- মাইকেল এঞ্জেলাে (Michelangelo) ছিলেন রেনেসাঁস যুগের একজন ইতালীয় ভাস্কর, চিত্রকর,স্থপতি এবং কবি।
- জন্ম ১৪৭৫ খ্রীষ্টাব্দের ৬ই মার্চ ইতালিতে।
- মাইকেল এঞ্জেলো এর শ্রেষ্ঠ মূর্তি মা মেরীর কোলে যীশুর মূর্তি।
- ম্যাডোনা অফ দ্য স্টেপস মাইকেল এঞ্জেলোর প্রথম উল্লেখযোগ্য কীর্তি।
- মাইকেল অ্যাঞ্জেলার উল্লেখযোগ্য ভাষ্কর্য গুলো হলো ম্যাডোনা এন্ড চাইল্ড, নাইট, মোজেস, পিয়েটা, স্লেইভ ইত্যাদি।
- মাইকেলেঞ্জেলোর আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো পোপ দ্বিতীয় জুলিয়াসের সমাধিসৌধের ভাস্কর্য। 
- ১৫৬৪ সালের ১৮ ই ফেব্রুয়ারি এই বিশ্ববিখ্যাত মহান শিল্পী পরলােকগমন করেন।

উৎস: Britannica.
১,১৪৮.
আধুনিক তুরস্ক প্রজাতন্ত্রের প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. সুলতান সুলাইমান
  2. রেজা শাহ পাহলভি
  3. কামাল আতাতুর্ক
  4. সুলতান সালাহউদ্দিন আইয়ুবী
ব্যাখ্যা
কামাল আতাতুর্ক:
- কামাল আতাতুর্ক ছিলেন একজন সেনানায়ক, রাষ্ট্রনায়ক ও সংস্কারক। 
- তিনি আধুনিক তুরস্ক প্রজাতন্ত্রের প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রথম রাষ্ট্রপতি (১৯২৩–১৯৩৮) ছিলেন।
- তিনি তুরস্কের আইনি ও শিক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ করেন এবং ইউরোপীয় জীবনধারার অনুসরণকে উৎসাহিত করেন।
- এর অংশ হিসেবে তুর্কি ভাষার জন্য লাতিন বর্ণমালা গ্রহণ করা হয় এবং নাগরিকরা ইউরোপীয় ধাঁচের নাম গ্রহণ করেন।
- বিশ্ব ইতিহাসের অন্যতম প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব আতাতুর্ক, প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর পরাজিত অটোমান সাম্রাজ্যের অবশিষ্ট তুর্কি অংশকে রক্ষা করে একটি আধুনিক, ধর্মনিরপেক্ষ ও প্রগতিশীল জাতি প্রতিষ্ঠা করেন।

উৎস: Britannica. 
১,১৪৯.
হালিমা ইয়াকুব কোন দেশের রাষ্ট্রপতি ছিলেন?
  1. ব্রুনেই
  2. মালয়েশিয়া
  3. সিংগাপুর
  4. তানজানিয়া
ব্যাখ্যা

♦ হালিমা ইয়াকুব সিঙ্গাপুরের রাষ্ট্রপতি ছিলেন। 

হালিমা ইয়াকুব:
- হালিমা ইয়াকুব সিঙ্গাপুরের অষ্টম ও প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট।
- ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বরে হালিমা ইয়াকুব ক্ষমতায় এসেছিলেন। 
- ২০২৩ সালে ভারতীয় বংশোদ্ভূত অর্থনীতিবিদ থারমান শানমুগারাতনাম হালিমা ইয়াকুবের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন।

উল্লেখ্য,
- সিঙ্গাপুরে প্রেসিডেন্ট পদ অনেকটা আলংকারিক। প্রেসিডেন্ট আনুষ্ঠানিকভাবে নগররাষ্ট্রটির পুঞ্জীভূত আর্থিক রিজার্ভ দেখভাল করেন, সুনির্দিষ্ট কিছু বিষয়ে ভেটো দেওয়ার ক্ষমতা রাখেন এবং দুর্নীতিবিরোধী তদন্ত অনুমোদন করেন। তবে এই পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য বেশ কঠিন কিছু শর্ত রয়েছে। সংবিধান মতে, প্রেসিডেন্ট হচ্ছে নির্দলীয় একটি পদ।

⇒ সিঙ্গাপুর:
- দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ধনী নগররাষ্ট্র সিঙ্গাপুর। 
- রাজধানী: সিঙ্গাপুর সিটি।
- মুদ্রা: সিঙ্গাপুরীয় ডলার।
- দেশটির বর্তমান প্রধানমন্ত্রী: লরেন্স ওং (Lawrence Wong)।
- দেশটির বর্তমান প্রেসিডেন্ট: থারমান শানমুগারাতনাম (Mr Tharman Shanmugaratnam)।
- সিঙ্গাপুর ব্রিটিশ উপনিবেশ ছিল। ১৯৫৯ সালে সিঙ্গাপুর স্ব-শাসিত হয়ে ওঠে।

এছাড়াও,
- আধুনিক সিঙ্গাপুরের জনক হলেন লি কুয়ান ইউ। লি কুয়ান ইউ ১৯৫৯ সালের জুন মাসে সিঙ্গাপুরের প্রধানমন্ত্রী হন। তিনি ১৯৫৯ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত সিঙ্গাপুরের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।
- তাঁর দীর্ঘ শাসনামলে , সিঙ্গাপুর দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সবচেয়ে সমৃদ্ধ দেশ হয়ে ওঠে।

উৎস: Britannica.

১,১৫০.
খ্রিস্টধর্মের অনুসারীদের ধর্মগ্রন্থ -
  1. ক) ত্রিপিটক
  2. খ) বাইবেল
  3. গ) গ্রন্থ সাহেব
  4. ঘ) বেদ
ব্যাখ্যা
• খ্রিস্টধর্ম: 
- এটি যীশু খ্রিস্টের জীবন ও শিক্ষার উপর ভিত্তি করে একটি বিশ্বাস।
- যীশুর জীবন ও শিক্ষাকে কেন্দ্র করে এই ধর্ম বিকশিত হয়েছে।
- প্রচারক-  যিশু খ্রিস্ট।
- জেরুজালেমের বেথেলহামে যীশু জন্মগ্রহণ করেন।
- খ্রিস্টধর্মের অনুসারীদের ধর্মগ্রন্থ - বাইবেল। এটি দুটি প্রধান ভাগে বিভক্ত: ওল্ড টেস্টামেন্ট ও নিউ টেস্টামেন্ট ।
- খ্রিস্টানরা একেশ্বরবাদী। এই ঐশ্বরিক ঈশ্বরত্ব তিনটি অংশ নিয়ে গঠিত: পিতা (স্বয়ং ঈশ্বর), পুত্র (যীশু খ্রীষ্ট) এবং পবিত্র আত্মা।
- খ্রিস্টানরা দাবি করে যে যীশু আবার পৃথিবীতে ফিরে আসবেন যা দ্বিতীয় আগমন নামে পরিচিত।
- উপাসনালয়- গির্জা
- পবিত্র স্থান - জেরুজালেম

তথ্যসূত্র: Britannica & History.com
১,১৫১.
'I Have a Dream' শীর্ষক ভাষণটি প্রদান করেন কে?
  1. বারাক ওবামা
  2. মার্টিন লুথার কিং
  3. নেলসন ম্যান্ডেলা
  4. আব্রাহাম লিংকন
ব্যাখ্যা
• মার্টিন লুথার কিং:
- মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একজন সমাজকর্মী ও বর্ণবাদবিরোধী নেতা।
- তিনি আজীবন বর্ণবাদ ও আমেরিকার নিপীড়িত মানুষের অধিকার আদায়ের জন্যে সংগ্রাম করে গেছেন।
- তিনি ১৫ জানুয়ারী ১৯২৯ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়ায় জন্মগ্রহন করেন।
- ১৯৬৩ সালের ২৮ আগস্ট মার্টিন লুথার কিং তার বিখ্যাত 'I Have a Dream' ভাষণটি প্রদান করেন।
- সেখানে তিনি এমন একটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্বপ্নের কথা বলেছিলেন যা বিচ্ছিন্নতা এবং বর্ণবাদ মুক্ত ।
- ১৯৬৪ সালে তিনি নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- ১৯৬৮ সালের ৪ এপ্রিল তিনি যুক্তরাষ্ট্রের মেম্ফিস শহরে আততায়ীর গুলিতে তিনি মারা যান।

উৎস: ব্রিটানিকা। 
১,১৫২.
মার্কিন কোন প্রেসিডেন্ট 'The President is Missing' গ্রন্থটির রচয়িত?
  1. রিচার্ড নিক্সন
  2. জন এফ কেনেডি
  3. বিল ক্লিনটন
  4. বারাক ওবামা
ব্যাখ্যা
বিল ক্লিনটন:
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৪২তম প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন।
- তিনি ১৯ আগস্ট, ১৯৪৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের আরকানসাসে জন্ম গ্রহন করেন।
- তিনি দুই মেয়াদে (১৯৯৩-২০০১) আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ছিলেন।
- তাঁর রাজনৈতিক দল ডেমোক্রেটিক পার্টি।
- তিনি নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের সিনেটর হিলারি ক্লিনটনের স্বামী।

⇒ তাঁর আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ:
- My Life (2004).

উল্লেখ্য,
- তার লিখা আরও কিছু বইসমূহ,
• Giving: How Each of Us Can Change the World (2007).
• Back to Work: Why We Need Smart Government for a Strong Economy (2011).
• The President's Daughter (2021).
• The President is Missing (Novel).

উৎস: Britannica.
১,১৫৩.
রাজনৈতিক দর্শন সমন্ধীয় বই “Two Tracts on Government” এর লেখক কে?
  1. থমাস হবস
  2. মন্টেস্কু
  3. জন লক
  4. এরিস্টটল
ব্যাখ্যা
রাজনৈতিক দার্শনিক জন লকের লেখা কয়েকটি বইঃ
- An Essay Concerning the True Original, Extent and End of Civil Government
- An Essay Concerning Human Understanding
- A Letter Concerning Toleration
- Some Thoughts Concerning Education
- Two Tracts on Government
- Second Treatises of Governement ইত্যাদি।
১,১৫৪.
'I have a dream' ভাষণটি কে প্রদান করেন?
  1. উড্রো উইলসন 
  2. জর্জ ওয়াশিংটন
  3. বিল ক্লিনটন
  4. মার্টিন লুথার কিং
ব্যাখ্যা

মার্টিন লুথার কিং:
- মার্টিন লুথার কিং ছিলেন আফ্রিকান-আমেরিকান কৃষ্ণাঙ্গ মানবাধিকার কর্মী।
- যুক্তরাষ্ট্রের নিগ্রোদের অধিকার আদায়ে আন্দোলনের অহিংসবাদী নেতা ছিলেন মার্টিন লুথার কিং।
- তিনি বর্ণবৈষম্য বিলোপ, শান্তি ও নাগরিক অধিকারের জন্য নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলন করেছিলেন।

উল্লেখ্য,
- যুক্তরাষ্ট্রে আফ্রিকান-আমেরিকানদের মৌলিক ও অর্থনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে ১৯৬৩ সালের ২৮ আগস্ট এক বিরাট মিছিলের নেতৃত্ব দেন, যা ‘1963 March on Washington’ নামে পরিচিত।
- মিছিল শেষে ওয়াশিংটনের লিংকন মেমোরিয়াল মঞ্চে তিনি এ ভাষণটি দেন তা ছিল বর্ণবৈষম্যের বিরুদ্ধে।
- তিনি বলেছিলেন, ‘I have a dream that my four little children will one day live in a nation where they will not be judged by the color of their skin but by the content of their character.’
- ভাষণটি সবাই এখন 'I have a dream' শিরোনামে জানে।
- এই ভাষণে উঠে এসেছে নিগ্রোদের প্রতি অত্যাচারের কথা, তাদের বৈষম্যের শিকার হওয়ার কথা।
- মার্টিন লুথারের ওই ভাষণের পর আমেরিকায় বর্ণবৈষম্যের বিরুদ্ধে এবং নাগরিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় অনেক আইন তৈরি হয়।

উৎস: i) Britannica.
ii) BBC.

১,১৫৫.
নিচের কোনজন অ্যাপোলো-১১ মিশনে অংশ নিয়েছিলেন?
  1. ডেভিড স্কট
  2. চার্লস ডিউক
  3. হ্যারিসন স্মিট
  4. মাইকেল কলিন্স
ব্যাখ্যা
- ১৯৬৯ সালের ১৬ জুলাই মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসা চাঁদের উদ্দেশ্যে অ্যাপোলো-১১ মিশন প্রেরণ করে। এই মিশনে নভোচারী ছিলো তিনজন।
এরা হলেন:
- নীল আর্মস্ট্রং
- বাজ অলড্রিন এবং
- মাইকেল কলিন্স।
- ২০ জুলাই নীল আর্মস্ট্রং ও বাজ অলড্রিন চন্দ্রপৃষ্ঠে অবতরণ করেন।
- মাইকেল কলিন্স কমান্ড মডিউল কলম্বিয়ায় অবস্থান করছিলেন।
- ২৪ জুলাই এরা পৃথিবীতে ফিরে আসেন।
- মাইকেল কলিন্স গত ২৮ এপ্রিল ২০২১ মারা যান।
(তথ্যসূত্র: প্রথম আলো)
১,১৫৬.
ভারতের অর্থনীতিতে উদারনৈতিক সংস্কারের ‘স্থপতি’ বলা হয় কাকে?
  1. ড. মনমোহন সিং
  2. রাজীব গান্ধী
  3. জওহরলাল নেহেরু
  4. এপিজে আবদুল কালাম
ব্যাখ্যা
প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং:
- ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং গত ২৬ ডিসেম্বর ২০২৪ রাতে দিল্লির অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল সায়েন্সেস (এইমস) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
- তাঁর বয়স হয়েছিল ৯২ বছর এবং তিনি বার্ধক্যজনিত অসুস্থতায় ভুগছিলেন।
- মনমোহন সিং ২০০৪ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত ভারতের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।
- তিনি ভারতের প্রথম এবং একমাত্র প্রধানমন্ত্রী, যিনি হিন্দুধর্মাবলম্বী নন।
- তিনি অর্থমন্ত্রী থাকাকালীন ভারতের অর্থনীতিতে উদারনৈতিক সংস্কারের ‘স্থপতি’ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন।
- এছাড়া, মনমোহন সিং ভারতের কেন্দ্রীয় ব্যাংক- রিজার্ভ ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার (আরবিআই) গভর্নর ছিলেন।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো নিউজ।[লিঙ্ক]
১,১৫৭.
ভারতের সুপ্রিমকোর্ট বাবরি মসজিদ স্থানে রামমন্দির নির্মাণের রায় দেন -
  1. ক) ৮ নভেম্বর, ২০১৯
  2. খ) ৯ নভেম্বর, ২০১৯
  3. গ) ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  4. ঘ) ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২০
ব্যাখ্যা
- ভারতের অযোধ্যাতে বাবরি মসজিদ স্থানে রাম মন্দির বানানোর পক্ষে ৯ নভেম্বর ২০১৯ সালে রায় দেন ভারতের সুপ্রিম কোর্ট।
- এর পাশাপাশি মুসলিমদের মসজিদ বানানোর জন্য অযোধ্যাতেই 'বিকল্প' স্থান বরাদ্দ করা হয়।
- মসজিদ বানানোর জন্য সুন্নি ওয়াকফ বোর্ডকে পাঁচ একর জমি দেওয়া হয়।
- অযোধ্যার বিরোধের মূল কেন্দ্র ২.৭৭ একর জমির মালিকানা দেওয়া হয় 'রামলালা বিরাজমান' বা হিন্দুদের ভগবান শ্রীরামচন্দ্রের শিশুরূপের বিগ্রহকে। 
- যার অর্থ ছিল সেখানেই রামমন্দিরই তৈরি হবে।

উল্লেখ্য,
- ১৯৯২ সালের ৬ ডিসেম্বর ভারতে বিজেপির শীর্ষ নেতাদের উপস্থিতিতেই উগ্র কট্টরপন্থী বিভিন্ন হিন্দু সংগঠনের সদস্যরা অযোধ্যার বাবরি মসজিদের স্থাপনাটি ভেঙে গুঁড়িয়ে দেয়।
- বাবরি মসজিদ ভাঙার পর ভারতের নানা প্রান্তে যে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা হয়েছিল তাতে তিন হাজারেরও বেশি মানুষ মারা গিয়েছিলেন বলে ধারণা করা হয়।

অন্যদিকে -
- ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ভারতের একটি নিম্ন আদালত বাবরি মসজিদ ভাঙার রায় প্রদান করে; সেখানে সবাইকে খালাস দেওয়া হয়।

উৎস: BBC বাংলা নিউজ।
১,১৫৮.
ভারতের প্রথম নারী রাষ্ট্রপতি কে?
  1. ইন্দিরা গান্ধী
  2. সোনিয়া গান্ধী
  3. দ্রৌপদি মর্মু
  4. প্রতিভা পাতিল
ব্যাখ্যা
ভারত:
- দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম দেশ ভারত।
- ভারত স্বাধীনতা লাভ করে: ১৫ আগস্ট, ১৯৪৭ সালে।
- সংবিধান কার্যকর হয়: ২৬ জানুয়ারি, ১৯৫০ সালে।
- প্রজাতন্ত্র ঘোষণা দেয়: ২৬ জানুয়ারি, ১৯৫০ সালে।
- ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী: জওহরলার নেহরু।
- প্রথম রাষ্ট্রপতি: ড. রাজেন্দ্র প্রসাদ।
- প্রথম মুসলমান রাষ্ট্রপতি: জাকির হোসেন।
- প্রথম নারী রাষ্ট্রপতি: প্রতিভা পাতিল।
- বর্তমান প্রধানমন্ত্রী: নরেন্দ্র মোদী।
- বর্তমান রাষ্ট্রপতি: দ্রৌপদী মুর্মু (প্রথম সাওতাল উপজাতি রাষ্ট্রপতি)।

উৎস: Britannica.
১,১৫৯.
’মানুষ স্বভাবতই স্বার্থপর ও আত্মকেন্দ্রিক’ উক্তিটি কার? 
  1. প্লেটো
  2. টমাস হবস
  3. সক্রেটিস
  4. এরিস্টটল
ব্যাখ্যা

টমাস হবস: 
- জন্ম: ৫ এপ্রিল ১৫৮৮, ওয়েস্টপোর্ট, ইংল্যান্ড।
- মৃত্যু: ৪ ডিসেম্বর ১৬৭৯, লন্ডন, ইংল্যান্ড।
- তিনি একজন বিখ্যাত ইংরেজ দার্শনিক, রাজনীতিবিদ এবং তত্ত্ববিদ।
- যিনি আধুনিক রাজনৈতিক দর্শনের পিতৃপুরুষ হিসেবে পরিচিত।
- তাঁর চিন্তাধারা বিশেষ করে রাজ্যতত্ত্ব এবং মানব প্রকৃতি নিয়ে বিশ্লেষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
- তার বিখ্যাত বই:  Leviathan (১৬৫১)। লেভিয়াথন (সামাজিক চুক্তি তত্ত্ব প্রতিষ্ঠা)।
- এটি হবসের অন্যতম প্রধান কাজ, যেখানে তিনি আধুনিক রাজনৈতিক দর্শনের ভিত্তি স্থাপন করেন।
- বিখ্যাত উক্তি: মানুষ স্বভাবতই স্বার্থপর ও আত্মকেন্দ্রিক’।

অন্যদিকে, 
- সক্রেটিস বিখ্যাত উক্তি: 
- নিজেকে জানো" (Know thyself) .
- "জ্ঞানই পূণ্য" (Virtue is knowledge) .

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।

১,১৬০.
'লিটল কর্পোরাল' নামে কে পরিচিত ছিলেন?
  1. নেপোলিয়ন বোনাপার্ট
  2. অ্যাডলফ হিটলার
  3. বেনিতো মুসোলিনি
  4. উইনস্টন চার্চিল
ব্যাখ্যা

লিটল কর্পোরাল:
- ফরাসি সম্রাট ও সামরিক নেতা নেপোলিয়ন বোনাপার্ট 'লিটল কর্পোরাল' (The Little Corporal বা Le Petit Caporal) নামে পরিচিত ছিলেন।
- ১৭৯৬ সালে লোদির যুদ্ধের সময় তরুণ নেপোলিয়ন সৈন্যদের সাথে কাঁধ মিলিয়ে সাহসিকতার সাথে লড়াই করেছিলেন। তার এই অদম্য সাহস এবং সৈন্যদের প্রতি স্নেহের কারণে তারা তাকে ভালোবেসে এই নামে ডাকত ।

উল্লেখ্য,
- নেপোলিয়ন বোনাপার্ট ছিলেন ফ্রান্সের এক মহান সম্রাট এবং দিগ্বিজয়ী বীর। তিনি ১৭৬৯ সালের ১৫ আগস্ট ইতালির কর্সিকা দ্বীপের অন্তর্গত আজাকসিও নামক শহরে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ছিলেন ফ্রান্সের প্রথম নেপোলিয়ন। 
- তিনি ১৮০৪ থেকে ১৮১৫ সাল পর্যন্ত ফ্রান্সের প্রথম সম্রাট ছিলেন।
- তিনি ফরাসি আইনের সংকলন বা নেপোলিয়ান কোড তৈরি করেন, যা এখনও অনেক দেশের আইন ব্যবস্থা প্রভাবিত করে।
- ১৮১২ সালে রাশিয়া অভিযানে ব্যর্থতা তার পতনের সূচনা করে। রাশিয়ার তীব্র শীত এবং দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধের ফলে নেপোলিয়ন তার বাহিনী হারান। ১৮১৪ সালে ফ্রান্সের শাসনক্ষমতা থেকে তাকে উৎখাত করা হয় এবং তিনি এলবা দ্বীপে নির্বাসিত হন।
- ১৮১৫ সালের ১৮ জুন ওয়াটারলু যুদ্ধে ফরাসিদের পরাজয়ের পর তিনি অবশেষে ব্রিটিশদের কাছে আত্মসমর্পণ করেন। এরপর তাকে ইউরোপ থেকে ৫০০০ মাইল দূরে সেন্ট হেলেনা দ্বীপে নির্বাসিত করা হয়েছিল, যেখানে তিনি ১৮২১ সালের ৫ মে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত বসবাস করেছিলেন।

উৎস: Britannica.

১,১৬১.
মুসলিম ব্রাদারহুডের প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. ক) শেখ আহমেদ ইয়াছিন
  2. খ) হাসান আল বান্না
  3. গ) হাসান নাসরুল্লাহ
  4. ঘ) আব্দুল্লাহ ওচালান
ব্যাখ্যা
- মুসলিম ব্রাদারহুড বা আল ইখয়ান আল মুসলিমিন হলো মধ্যপ্রাচ্যের একটি ইসলামপন্থি রাজনৈতিক সংগঠন।
- ১৯২৮ সালে হাসান আল বান্না মিশরে এটি প্রতিষ্ঠা করেন।
- প্রতিষ্ঠার পর মিশর, ফিলিস্তিন, সিরিয়া, লেবানন, সুদান ও উত্তর আফ্রিকার দেশগুলোতে এটি দ্রুত জনপ্রিয়তা অর্জন করে।
- মিশরের ফ্রিডম এন্ড জাস্টিস পার্টি ব্রাদারহুডের রাজনৈতিক দল। এছাড়া তুরস্কের এ কে পার্টি, ফিলিস্তিনের হামাসও ব্রাদারহুডের মতাদর্শী।
- আরববিশ্বের রাজতান্ত্রিক দেশগুলোর শাসকরা ব্রাদারহুডকে তাদের জন্যে বড় ধরনের হুমকি হিসেবে দেখে। তবে কাতার ব্রাদারহুডকে সমর্থন দিয়ে থাকে।
(তথ্যসূত্রঃ ব্রিটানিকা)
১,১৬২.
নেলসন ম্যাডেলার ডাক নাম কী?
  1. ওরিস
  2. পিরু
  3. আদিবা
  4. মাদিবা
ব্যাখ্যা
নেলসন ম্যান্ডেলা:
- নেলসন ম্যান্ডেলার রাজনৈতিক দলের নাম আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেস।
- নেলসন ম্যান্ডেলা দক্ষিণ আফ্রিকার অবিসংবাদিত কৃষ্ণাঙ্গনেতা ও সাবেক প্রেসিডেন্ট।
- নেলসন ম্যান্ডেলা আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেস (ANC) পার্টির নেতা ছিলেন। ১৯৪৪ সালে তিনি ANC তে যোগ দেন।
- ১৯৯১-১৯৯৭ সময়ে তিনি ANC এর সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।
- বর্ণবাদী শাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের কারণে তিনি ১৯৬৩-১৯৯০ পর্যন্ত দীর্ঘ প্রায় ২৭ বছর রোবেন দ্বীপে কারান্তরীণ ছিলেন।
- ১৯৯৪ সালের ১০ মে ম্যান্ডেলা দক্ষিণ আফ্রিকার গণতান্ত্রিক ভাবে প্রথম প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।
- ১৯৯৩ সালে ম্যান্ডেলা শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- ২০১৩ সালের ৫ ডিসেম্বর ম্যান্ডেলা মারা যান।
- তার ডাকনাম ছিলো মাদিবা।

উৎস: নেলসন ম্যান্ডেলা ফাউন্ডেশন ওয়েবসাইট।
১,১৬৩.
কঙ্গোকে বিদেশি শাসন থেকে মুক্ত করার লড়াইয়ে চিরস্থায়ী নাম-
  1. কাশাভুবু
  2. প্যাট্রিক লুমুম্বা
  3. শোম্বে
  4. মবুতু
ব্যাখ্যা
• কঙ্গোকে বিদেশী শাসন থেকে মুক্ত করার লড়াইয়ের চিরস্থায়ী নাম — প্যাট্রিক লুমুম্বা।

• গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র:
- গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র আফ্রিকা মহাদেশের একটি রাষ্ট্র।
- পূর্বে এটি জায়ারে নামে পরিচিত ছিল।
- কঙ্গোর রাজধানী কিনসাসা এবং সরকারী ভাষা ফরাসি।
- বেলজিয়াম থেকে ১৯৬০ সালে স্বাধীনতা লাভ করে।

• প্যাট্রিস লুমুম্বা (1925-1961):
- কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের — প্রথম প্রধানমন্ত্রী ছিলেন ।
- একজন আফ্রিকান জাতীয়তাবাদী নেতা।
- মাত্র ৩৫ বছরের একটি জীবন পেয়েছিলেন প্যাট্রিস লুমুম্বা।
- ক্ষণস্থায়ী সে জীবন উৎসর্গিত হয়েছিল জন্মভূমির স্বাধীনতার লড়াইয়ে।

উৎসঃ www.history.com, Britannica.com.
১,১৬৪.
আলেকজান্ডারের শিক্ষক ছিলেন কে?
  1. ক) প্লেটো
  2. খ) এরিস্টটল
  3. গ) টলেমি
  4. ঘ) সক্রেটিস
ব্যাখ্যা
- গ্রিকবীর আলেকজান্ডারের শিক্ষক ছিলেন এরিস্টটল।
- এরিস্টটলের শিক্ষক ছিলেন প্লেটো।
- প্লেটোর শিক্ষক ছিলেন সক্রেটিস।
(তথ্যসূত্রঃ ব্রিটানিকা)
১,১৬৫.
নেলসন ম্যান্ডেলা মোট কত বছর কারাগারে ছিলেন?
  1. ৩০ বছর
  2. ২৭ বছর
  3. ৩২ বছর
  4. ১৮ বছর
ব্যাখ্যা
নেলসন ম্যান্ডেলা (Nelson Mandela):
- দক্ষিণ আফ্রিকায় কৃষ্ণাঙ্গ অধিকার প্রতিষ্ঠায় অবিসংবাদিত নেতা নেলসন ম্যান্ডেলা।
- নেলসন ম্যান্ডেলা দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ প্রেসিডেন্ট। 
- নেলসন ম্যান্ডেলার জন্ম ১৯১৮ সালের ১৮ জুলাই দক্ষিণ আফ্রিকার মভেজোতে।
- তার ডাকনাম মাদিবা, তাতা, রোলিহ্লাহ্লা, ডালিভুঙ্গা ইত্যাদি।
- ১৯৪২ সালে তিনি রাজনীতিতে যোগ দেন। 
- তিনি মোট ২৭ বছর কারাগারে ছিলেন।
- ম্যান্ডেলাকে 'রোবেন দ্বীপ' এর কারাগারে ১৯৬৪ সাল থেকে ১৯৮২ সাল পর্যন্ত অন্তরীণ রাখা হয়।
- এখানে তিনি তাঁর ২৭ বছরের কারাবাসের প্রথম ১৮ বছর কাটান। 
- ১৯৮২ সালের মার্চ মাসে ম্যান্ডেলাকে রবেন দ্বীপের কারাগার থেকে পোলসমুর কারাগারে স্থানান্তর করা হয়।
- ১৯৮৮ সালে ম্যান্ডেলাকে ভিক্টর ভার্সটার কারাগারে সরিয়ে নেয়া হয়।
- ভিক্টর ভার্সটার কারাগার থেকে ম্যান্ডেলাকে ১৯৯০ সালের ১১ই ফেব্রুয়ারি মুক্তি দেয়া হয়।
- তিনি কারাগারে থাকার সময় তার কয়েদী নম্বর ছিলো ৪৬৬।
- কারাদন্ডের সাল মিলিয়ে ‘৪৬৬৬৪’ গঠন করা হয় যা মেন্ডেলার এইডস বিরোধী প্রচারণার নাম।
- কারা মুক্তির পর ম্যান্ডেলা আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেসের নেতৃত্ব গ্রহণ করেন।
- ১৯৯০ হতে ১৯৯৪ পর্যন্ত তিনি এই দলের নেতা ছিলেন।
- তিনি ১৯৯৪ থেকে ১৯৯৯ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত দক্ষিণ আফ্রিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন।
- তিনি ২০১৩ সালের ৫ ডিসেম্বর জোহানেসবার্গে মৃত্যুবরণ করেন।
 
উৎস: i) Britannica.
         ii) History.com.
১,১৬৬.
কোন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডলার ডিপ্লোমেসি গ্রহণ করেন?
  1. উড্রো উইলসন
  2. উইলিয়াম হাওয়ার্ড টাফট
  3. আব্রাহাম লিংকন
  4. জর্জ ওয়াশিংটন
ব্যাখ্যা
ডলার ডিপ্লোমেসি:

• কোন দেশের ব্যবসায়িক ও অর্থনৈতিক স্বার্থকে আধিপত্য দিয়ে অন্য দেশের উপর প্রভাব বিস্তার এবং নিজ উদ্দেশ্য হাসিলের অন্যতম কূটনৈতিক পদ্ধতি 'ডলার ডিপ্লোমেসি'।
• এই নীতিমালাটির প্রথম ব্যবহারিক প্রচলন করেন ২৭ তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট উইলিয়াম টাফট এবং তার প্রশাসন।
• ডলার কূটনীতি ১৯১২ সালে রাষ্ট্রপতি উইলিয়াম হাওয়ার্ড টাফ্ট এবং সেক্রেটারি অফ স্টেট ফিল্যান্ডার সি নক্স দ্বারা তৈরি। 
• পরবর্তীতে ২৮ তম প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন আগ্রাসী এই নীতি থেকে সরে আসেন।

- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র:
• স্বাধীনতা লাভ করে ৪ জুলাই, ১৭৭৬ সালে যুক্তরাজ্য থেকে।
• যুক্তরাষ্ট্রে জাতীয় দিবস - ৪ জুলাই।
• অঙ্গরাজ্য - ৫০টি।
• সর্বশেষ অঙ্গরাজ্য হাওয়াই।
• আইনসভা কংগ্রেস (দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট)।
• কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ এবং উচ্চকক্ষ সিনেট পরিষদ।
• যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান প্রেসিডেন্ট- জো বাইডেন (৪৬ তম)।
• প্রথম প্রেসিডেন্ট জর্জ ওয়াশিংটন।
• যুক্তরাষ্ট্রকে স্ট্যাচু অব লিবার্টি উপহার দেয় কোন দেশ- ফ্রান্স।
• যুক্তরাষ্ট্রে ক্রীতদাস প্রথা বিলোপকারী প্রেসিডেন্টের নাম আব্রাহাম লিংকন।
• আব্রাহাম লিংকন ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের ১৬তম প্রেসিডেন্ট।
• যুক্তরাষ্ট্র থেকে ক্রীতদাস প্রথা বিলোপ হয় ১৮৬৩ সালে।
• মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যে প্রেসিডেন্ট কখনো হোয়াইট হাউজে বসবাস করেননি জর্জ ওয়াশিংটন।

উৎস: Office of the Historian(.gov) এবং Britannica.com
১,১৬৭.
শিল্পাচার্য জয়নুল লোক ও কারুশিল্প জাদুঘর কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) সোনারগাঁও
  2. খ) মিরপুর
  3. গ) নেত্রকোনা
  4. ঘ) ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
শিল্পাচার্য জয়নুল লোক ও কারুশিল্প জাদুঘর নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁওয়ে অবস্থিত। এটি ১৯৯৬ সালের ১৯ অক্টোবর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উদ্বোধন করেন। এই জাদুঘরে বাংলাদেশের লোক ও কারুশিল্পের ৫,৪৭৮টি নিদর্শন রযেছে।
এছাড়া বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনও নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে অবস্থিত। শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন সংগ্রহশালা ময়মনসিংহ জেলায় অবস্থিত।
(সূত্র: বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া)
১,১৬৮.
“Power tends to corrupt and absolute power corrupts absolutely” -উক্তিটি কার?
  1. ম্যাকিয়াভেলী
  2. উড্রো উইলসন
  3. লর্ড অ্যাক্টন
  4. মন্টেস্কু
ব্যাখ্যা
- “Power tends to corrupt and absolute power corrupts absolutely” –উক্তিটি লর্ড জন অ্যাক্টনের।
(তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা)
১,১৬৯.
সুর স্ম্রাট ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ - এর বাড়ি কোন জেলায়?
  1. পাবনা
  2. নোয়াখালী
  3. ব্রাহ্মণবাড়িয়া
  4. গাজিপুর
ব্যাখ্যা
সুর সম্রাট আলউদ্দিন খাঁ প্রথম বাঙালী যিনি সর্বপ্রথম পাশ্চাত্যে এই উপমহাদেশের রাগসঙ্গীতকে পরিচিত ও প্রচার করেন।
- অতি উচ্চমাত্রার সঙ্গীতকলাকার ছিলেন ওস্তাদ আলাউদ্দিন।

- বাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেলার শিবপুর গ্রামে বিখ্যাত এক সঙ্গীতশিল্পী পরিবারে ১৮৬২ সালের ৮ অক্টোবর তাঁর জন্ম।
- তাঁর পিতা সবদর হোসেন খাঁ ওরফে সদু খাঁ ছিলেন বিশিষ্ট সঙ্গীতজ্ঞ। তাঁর মাতাঁর নাম ছিল সুন্দরী খানম। আলাউদ্দিনের ডাক নাম ছিল ‘আলম’।

- তিনি দেশীয় বাদ্যযন্ত্রের সমন্বয়ে অর্কেস্টার স্টাইলে একটি যন্ত্রি দল গঠন করে নাম দেন ‘রামপুর স্ট্রিং ব্যান্ড’।
- ব্রিটিশ সরকার তাকে ‘খাঁ সাহেব’ উপাধিতে ভূষিত করে।
- অতঃপর ভারত সরকার তাঁকে একে একে ‘সঙ্গীত নাটক আকাদেমী সম্মান (১৯৫২ খ্রিঃ)’, ‘পদ্ম ভূষণ (১৯৫৮ খ্রিঃ), ‘পদ্ম বিভূষণ (১৯৭১ খ্রিঃ)’, বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় ‘দেশী কোত্তম (১৯৬১ খ্রিঃ)’, এবং দিল্লী বিশ্ববিদ্যালয় ‘ডক্টর অব ল’ উপাধিতে ভূষিত করে।

- ১৯৫৪ সালে তিনি ভারত সরকার কর্তৃক প্রথম সঙ্গীত নাটক একাডেমির ফেলো নির্বাচিত হন।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সলিমুল্লাহ মুসলিম হল তাঁকে আজীবন সদস্য পদ দান করেন। এসব দুর্লভ সম্মান ও খেতাব সঙ্গীত বিদ্যায় আলাউদ্দিন খাঁর অসাধারণ কীর্তি ও সাফল্যকেই প্রমাণ করে।
- সুর সম্রাট ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ ১৯৭২ সালের ৬ সেপ্টেম্বর মৃত্যুবরণ করেন।

উৎস: দৈনিক জনকণ্ঠ পত্রিকা রিপোর্ট।
১,১৭০.
ফ্যাসিবাদের প্রবর্তক কে?
  1. বেনিতো মুসোলিনি
  2. গর্বাচেভ
  3. হিটলার
  4. অটো ফন বিসমার্ক
ব্যাখ্যা
ফ্যাসিবাদ:
- ইতালিয় শব্দ 'ফ্যাসিমো' এসেছে 'ফ্যাসিও' থেকে, অন্যদিকে 'ফ্যাসিও' শব্দটি এসছে ল্যাটিন শব্দ 'ফ্যাসেস' থেকে। এর অর্থ হচ্ছে, লাঠি, কাঠ বা রডের আটি, যেটি একত্রে বেধে রাখা হয়।
- ‘ফ্যাসিজম’ হচ্ছে একটি রাজনৈতিক মতাদর্শ এবং গণআন্দোলন, যেটি ১৯১৯ সাল থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত ইউরোপের বিভিন্ন দেশে সদর্প উপস্থিতি ছিল।
- ‘ফ্যাসিজম’ বা ‘ফ্যাসিবাদ’ আন্দোলনের মধ্য দিয়ে উগ্র-ডানপন্থী জাতীয়তাবাদের আবির্ভাব ঘটে ইউরোপে।
- এই মতাদর্শে বিরোধীদের কোন জায়গা ছিল না।
- ফ্যাসিবাদের মূলমন্ত্র: ক্ষমতার কেন্দ্রীকরণ, ব্যক্তি স্বাধীনতার অবমূল্যায়ন, উগ্র জাতীয়তাবাদ।
- বেনিতো মুসোলিনি ফ্যাসিবাদের প্রবর্তক হিসেবে পরিচিত।
- ১৯২২ সালে, মুসোলিনি ইতালিতে ফ্যাসিবাদী শাসন প্রতিষ্ঠা করেন এবং তার শাসনব্যবস্থা দ্রুত অন্যান্য দেশে প্রভাব বিস্তার করে।

⇒ জার্মানিতে হিটলারের নেতৃত্বে ‘নাৎসিজম’ বা ‘নাৎসিবাদ’– এর উত্থান হয়। এটি ছিল ‘ফ্যাসিজম’ এর একটি রূপ।
- ‘ফ্যাসিবাদ’ উত্থানের মধ্য দিয়ে ইউরোপে হিটলার ও মুসোলিনির মতো বিতর্কিত নেতার উদ্ভব হয়।
- ফ্যাসিস্টরা মার্ক্সবাদীদের বিরোধী ছিল।

উল্লেখ্য,
• বেনিতো মুসোলিনি:
- বেনিতো মুসোলিনির জন্ম ১৮৮৩ সালের ২৯ জুলাই।
- বেনিতো মুসোলিনি ছিলেন একজন ইতালীয় রাজনৈতিক নেতা যিনি ১৯২৫ থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত স্বৈরশাসক হয়েছিলেন।
- ফ্যাসিজমের প্রবর্তক বেনিতো মুসোলিনি।
- বেনিতো মুসোলিনি একজন বিপ্লবী সমাজতান্ত্রিক নেতা ছিলেন।
- তিনি ছিলেন এক স্কুল শিক্ষক, একজন প্রথাবিরোধী লেখক, সমাজতন্ত্রের পক্ষে একজন বক্তা এবং পত্রিকার সম্পাদক।
- ১৯২২ সালে বেনিতো মুসোলিনি নিজেকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ঘোষনা করেন।
- বেনিতো মুসোলিনি ১৯৪৫ সালের ২৮ এপ্রিল মৃত্যুবরণ করেন।

উৎস: i) History.com
ii) BBC.
১,১৭১.
Who is known as 'Frontier Gandhi'?
  1. Jawaharlal Nehru
  2. Mahatma Gandhi
  3. Abdul Ghaffar Khan
  4. Malala Yousafzai
  5. None of these
ব্যাখ্যা
সীমান্ত গান্ধী:
- খান আবদুল গফফর খান সীমান্ত গান্ধী নামেও পরিচিত।
- তিনি গান্ধীজীর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে অহিংসার প্রবল সমর্থক ছিলেন বলে তাঁকে এই নামে ডাকা হয়।

উল্লেখ্য,
- খান আব্দুল গাফফার খান ছিলেন উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশের পশতুন নেতা।
- গাফফার খান ১৯১৯ সালে রাউল্যাট আইন নিয়ে আন্দোলনের সময় রাজনীতিতে প্রবেশ করেন।
- পরের বছর তিনি যোগদান করেনখিলাফত আন্দোলনে।
- ইসলাম ধর্মের একনিষ্ঠ অনুসারী খান চেতনার দিক থেকে ছিলেন অসাম্প্রদায়িক।
- স্বপ্ন দেখেছেন ধর্মনিরপেক্ষ অখ- ভারতের।
- এই লক্ষ্যে ১৯২০-এর দশকে খুদাই খিদমতগার নামে একটি সংগঠন গড়ে তোলেন।
- ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে তার এই সংগঠন ব্যাপক সক্রিয় ছিল।
- সীমান্ত অঞ্চলে আন্দোলন সংগঠিত করার সময় গান্ধীর অহিংস নীতি অনুসরণ করেন তিনি।
- এ কারণে তাকে সীমান্ত গান্ধী নামে ডাকা হতো।
- পরিচিত ছিলেন বাদশা খান নামেও।

উৎস: Britannica.
১,১৭২.
'Dreams From My Father' বইটির লেখক কে?
  1. বারাক ওবামা
  2. ইন্দিরা গান্ধী
  3. জন কেনেডি
  4. বেনজির ভুট্টো
ব্যাখ্যা

- "Dreams from My Father: বারাক ওবামার এই আত্মজীবনীমূলক বই।

বারাক ওবামা:

- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা।
- ২০০৯ সালের ২০ জানুয়ারি শপথ নেন তিনি।
- তিনি ছিলেন ডেমোক্র্যাটিক পার্টির সদস্য।
- বারাক ওবামা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৪৪তম প্রেসিডেন্ট।
- এর আগে আইনজীবী ও সামাজিক সংগঠক হিসেবে কাজ করেন তিনি।
- দুই মেয়াদে টানা আট বছর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ছিলেন ওবামা।
- ২০০৯ সালে শান্তিতে নোবেল পান মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা।

• তার লেখা বিখ্যাত বই: 
- "A Promised Land":  এটি তার একটি স্মৃতিকথা, যা হোয়াইট হাউসের দিনগুলোর উপর ভিত্তি করে লেখা। এটি ২০২০ সালে প্রকাশিত হয়। 
- "The Audacity of Hope": 
- "Dreams from My Father: A Story of Race and Inheritance":  এই আত্মজীবনীমূলক বইটি তার ব্যক্তিগত জীবন এবং তার পরিবার, বিশেষ করে তার বাবার গল্প নিয়ে লেখা। 

উৎস: ব্রিটানিকা।

১,১৭৩.
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় জার্মানির চ্যান্সেলর ছিলেন কে?
  1. অটো ভন বিসমার্ক
  2. দ্বিতীয় উইলিয়াম
  3. থিওবাল্ড ভন বেথমান হলওয়েগ
  4. লিও ভন ক্যাপ্রিভিও
ব্যাখ্যা
- ১৯১৪ সালের ২৮ জুলাই অস্ট্রিয়া ও হাঙ্গেরি কর্তৃক সার্বিয়া আক্রমণের মাধ্যমে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সূত্রপাত হয়। এই ‍যুদ্ধে পরবর্তীতে বিশ্বশক্তিগুলো অক্ষশক্তি ও মিত্রশক্তিতে বিভক্ত হয়ে পড়ে।
- অক্ষশক্তিতে ছিলো জার্মানি, অস্ট্রিয়া, হাঙ্গেরি, অটোমান সাম্রাজ্য ও বুলগেরিয়া।
- মিত্রশক্তিতে ছিলো সার্বিয়া, রাশিয়া, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, ইতালি, জাপান প্রভৃতি দেশ।
- যুদ্ধে অক্ষশক্তি পরাজিত হয়। ১৯১৮ সালের ১১ নভেম্বর জার্মানি ‍যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে বাধ্য হওয়ার মধ্যদিয়ে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সমাপ্তি ঘটে।
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময়কালীন বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র/সরকার প্রধান:
- জার্মান চ্যান্সেলর : থিওবাল্ড ভন বেথমান হলওয়েগ, জর্জ মিখাইল, জর্জ ভন হার্টলিং, ফ্রেডেরিখ অ্যাবেট
- জার্মান কাইজার : দ্বিতীয় উইলিয়ম
- ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী : জর্জ লয়েড
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট : উড্রো উইলসন
- রাশিয়ার জার : দ্বিতীয় নিকোলাস
- জাপানের সম্রাট : যুসোহিতো
- ইতালির প্রধানমন্ত্রী : ভিট্টোরিও অরল্যান্ডো
- অটোমান সুলতান : ষষ্ঠ মেহমুদ।
(তথ্যসূত্র: হিস্টোরি ডটকম)
১,১৭৪.
উইনস্টন চার্চিল কোন দেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন?
  1. জার্মানি
  2. রাশিয়া
  3. যুক্তরাজ্য
  4. যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
উইনস্টন চার্চিল:
- উইনস্টন চার্চিল যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।

⇒ উইনস্টন চার্চিল একজন রাজনীতিবিদ ও লেখক।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় তিনি ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।
- ১৯৫৩ সালে তিনি সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় প্রধানমন্ত্রী হিসাবে তাঁর অবদানের জন্য চিরকাল স্মরণীয়।

উল্লেখ্য,
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ফ্রাংকলিন ডি রুজভেল্ট ও ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিল আটলান্টিক সনদে স্বাক্ষর করেন।
- উইনস্টন চার্চিল উগান্ডার সৌন্দর্য, প্রচুর বন্যপ্রাণী এবং বৈচিত্র্যের জন্য উগান্ডাকে 'আফ্রিকার মুক্তা' বলে অভিহিত করেছেন।

উৎস: Britannica.
১,১৭৫.
বিখ্যাত সাধক শাহ সুলতান বলখির মাজার অবস্থিত-
  1. কুমিল্লা
  2. বগুড়া
  3. চট্রগ্রাম
  4. সিলেট
ব্যাখ্যা
শাহ সুলতান মাহিসওয়ার (রঃ) একজন দরবেশ।
তিনি বগুড়া জেলার মহাস্থানে সমাহিত।
শাহ সুলতান মাহিসওয়ারের ইতিহাস অস্পষ্ট।
কথিত আছে যে, তিনি বলখ রাজ্যের রাজার পুত্র ছিলেন এবং এজন্য তিনি বলখী নামেও পরিচিত।

উৎসঃ বাংলাপিডিয়া
১,১৭৬.
United States Bill of Rights এর প্রস্তাবক কে?
  1. ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট
  2. আব্রাহাম লিংকন
  3. জেমস মেডিসন
  4. জর্জ ওয়াশিংটন
ব্যাখ্যা

United States Bill of Rights:
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের প্রথম ১০ টি সংশোধনীকে 'Bill of Rights' বা অধিকারের বিল বলে অভিহিত করা হয়।
- ১৭৮৭ সালে প্রণীত সংবিধানের সমালোচনার পরিপ্রেক্ষিতে জেমস ম্যাডিসন প্রস্তাবিত প্রথম ১০টি সংশোধনীই 'Bill of Rights' নামে পরিচিত।
- এই সংশোধনীগুলি ১৭৯১ সালের ১৫ ডিসেম্বর কার্যকর হয় ।
- এটি নাগরিকদের মৌলিক অধিকার ও স্বাধীনতা সুরক্ষার জন্য গৃহীত হয়েছিল এবং আমেরিকার স্বাধীনতা আন্দোলনের পর সংবিধানের গ্রহণযোগ্যতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

⇒ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার পর ১৭৮৭ সালে ফিলাডেলফিয়ায় একটি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- সেই সম্মেলনে মার্কিন সংবিধান রচিত হয়।
- কিন্তু এই সংবিধানে নাগরিকদের অধিকারগুলোর কোন নির্দিষ্ট উল্লেখ ছিল না।
- মার্কিন রাজনৈতিক নেতা জেমস মেডিসন ১৭৮৯ সালে মার্কিন কংগ্রেসে ১২টি সংশোধনী প্রস্তাব করেন, যা নাগরিকদের মৌলিক অধিকার সংরক্ষণ করতে চেয়েছিল।
- তিনি পরবর্তীতে একে বিল অব রাইটস নামে পরিচিত করেন।
- মাদিসনের প্রস্তাবিত কিছু সংশোধনী সরাসরি অনুমোদিত হয়েছিল, এবং কিছু সংশোধনী পরিবর্তন ও সংযোজন করা হয়।
- সর্বশেষ, ১৭৯১ সালে ১০টি সংশোধনী মার্কিন সংবিধানে সংযুক্ত করা হয় এবং এগুলি বিল অব রাইটস হিসেবে পরিচিত হয়।

উৎস: Britannica.

১,১৭৭.
সম্রাট অক্টাভিয়ান অগাস্টাস কোন সভ্যতার বিখ্যাত শাসক ছিলেন?
  1. রোমান 
  2. গ্রিক 
  3. মিশরীয় 
  4. পারস্য
ব্যাখ্যা

অগাস্টান যুগ:
- জুলিয়াস সিজারসহ (সিজার রোমান সম্রাটদের উপাধি) অনেক বিখ্যাত শাসক রোমীয় সাম্রাজ্যের শাসক ছিলেন। 
- কিন্তু সম্রাট অক্টাভিয়ান অগাস্টাস (খ্রিস্টপূর্ব ৩১-১৪ খ্রিস্টাব্দ) রোমের ইতিহাসে সর্বাপেক্ষা বিখ্যাত শাসক ছিলেন। 
- তাঁর শাসনামলে রোমীয় সভ্যতায় স্বর্ণযুগের সূচনা হয়।
-  তিনি একজন বিচক্ষণ রাজনীতিক ও দূরদৃষ্টিসম্পন্ন শাসক ছিলেন। 
- তাঁর সময়ে রোমীয় ইতিহাস, সাহিত্য-সংস্কৃতি, শিল্পকলা, বিজ্ঞানচর্চা চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছে।
-  এই জন্য ইতিহাসে তাঁর সময়কালকে 'অগাস্টান যুগ' (Augustan Age) বলা হয়।

উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,১৭৮.
অ্যাডলফ হিটলারের গোপন পুলিশ বাহিনী কী নামে পরিচিত?
  1. নাৎসী
  2. ব্ল্যাক কমান্ডো
  3. রেড ক্যাট
  4. গেস্টাপো
ব্যাখ্যা
অ্যাডলফ হিটলার:
- ১৮৮৯ সালের এপ্রিল মাসে অস্ট্রিয়ার ব্রাউনাউ গ্রামে অ্যাডলফ হিটলার জন্মগ্রহণ করেন।
- অ্যাডলফ হিটলার ১৯৩৩ সালে জার্মানির চ্যান্সেলর নির্বাচিত হন।
- ১৯৪৫ সালের এপ্রিলে আত্মহত্যার পূর্ব পর্যন্ত তিনি জার্মানির চ্যান্সেলর ছিলেন।
- তার রাজনৈতিক দলের নাম নাৎসী (Nazi) পার্টি।
- হিটলারের গোপন পুলিশ বাহিনী গেস্টাপো নামে পরিচিত।
- যুদ্ধই জীবন, যুদ্ধই সর্বজনীন বলেছেন- হিটলার।
- হিটলার মৃত্যু বরণ করেন- ৩০ এপ্রিল, ১৯৪৫ সালে।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
১,১৭৯.
মুসলিম শাসকদের মধ্যে কে প্রথম মুদ্রার  প্রচলন  করেন?
  1. কুতুবউদ্দিন আইবেক
  2. ইলতুৎমিশ
  3. বাবর
  4. আলাউদ্দিন খলজি 
ব্যাখ্যা

• ইলতুৎমিশ:
- ইলতুৎমিশ দিল্লি সালতানাতের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে পরিচিত।
- ১২১০ খ্রিস্টাব্দে ইলতুৎমিশ তাঁর শ্বশুর কুতুবউদ্দিন আইবেকের মৃত্যুর পর দিল্লির সুলতান হিসেবে ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হন।
-  তিনি কুতুব মিনারের নির্মাণকাজ সম্পন্ন করেন।
- মুসলিম শাসকদের মধ্যে প্রথম মুদ্রার প্রচলন করেন ইলতুৎমিশ।
- তাঁর মৃত্যুর পর তাঁর কন্যা রজিয়া সুলতানা সিংহাসনে আরোহণ করেন - যিনি ভারতীয় ইতিহাসের প্রথম নারী শাসক।

উল্লেখ্য,
- ইলতুৎমিশ তুর্কিস্তানের ইলবারি গোত্রের সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। 
- বাল্যকালে তাঁর বুদ্ধিমত্তা ও সৌন্দর্যের কারণে ভাইদের ঈর্ষার শিকার হয়ে ক্রীতদাস হিসেবে বিক্রি করা হয়, তবে এটি তার গুণাবলিকে বিনষ্ট করতে পারেনি। 
- দিল্লির সুলতান কুতুবউদ্দীন তাঁকে ক্রয় করে উচ্চ পদে নিযুক্ত করেন এবং বদায়ুনের শাসনকর্তা বানান। 
- পরে তিনি সুলতানের কন্যার সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। 

উৎস: ইতিহাস প্রথম পত্র, উচ্চমাধ্যমিক (HSC) প্রোগ্রাম, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (NCTB).

১,১৮০.
'দুঃস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানো' কোন ধরনের মূল্যবোধ?
  1. ক) সামাজিক মূল্যবোধ
  2. খ) রাজনৈতিক মূল্যবোধ
  3. গ) নৈতিক মূল্যবোধ
  4. ঘ) অর্থনৈতিক মূল্যবোধ
ব্যাখ্যা

• নীতি ও উচিত অনুচিত বোধ হলো নৈতিক মূল্যবোধের উৎস।
• নৈতিক মূল্যবোধ হচ্ছে সেসব মনোভাব এবং আচারণ যা মানুষ সবসময় ভালো, কল্যাণকর ও অপরিহার্য বিবেচনা করে মানসিকভাবে তৃপ্তিবোধ করে।
• সত্যকে সত্য বলা, মিথ্যাকে মিথ্যা বলা, অন্যায়কে অন্যায় বলা, অন্যায় কাজ থেকে নিজেকে বিরত রাখা এবং অন্যকে বিরত রাখতে পরামর্শ প্রদান করা, দুঃস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানো, বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো ও বিপদ থেকে উদ্ধারে তাকে সাহায্য করা, অসহায় ও ঋণগ্রস্ত মানুষকে ঋণ মুক্ত হতে সাহায্য করাকে নৈতিক মূল্যবোধ বলা যেতে পারে।
• শিশুরা তার পরিবারেই সর্বপ্রথম নৈতিক মূল্যবোধ শিক্ষা পায়।
উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

১,১৮১.
নিম্নের কে অস্তিত্ববাদী দার্শনিক ছিলেন না?
  1. সোরেন কিয়ের্কেগার্ড
  2. জাঁ পল সার্ত
  3. টমাস হবস
  4. মাটিন হাইডেগার
ব্যাখ্যা
টমাস হবস:
- তিনি প্রাথমিকভাবে রাজনৈতিক দর্শনে তার অবদানের জন্য পরিচিত ছিলেন।
- বিশেষ করে তার কাজ "লেভিয়াথান"-এ, যেখানে তিনি সমাজের কাঠামো এবং বৈধ সরকার নিয়ে আলোচনা করেন।
- টমাস হবস অস্তিত্ববাদী দার্শনিক ছিলেন না।

অস্তিত্ববাদ (Existentialism):
- অস্তিত্ববাদ বিংশ শতাব্দীর সমকালীন পাশ্চাত্য দর্শনের ইতিহাসে অস্তিত্ববাদ একটি বৈপ্লবিক দার্শনিক আন্দোলন। প্রচলিত দার্শনিক মতবাদ ও আধুনিক সমাজ ব্যবস্থার বিরুদ্ধে অস্তিত্ববাদ এক বিপ্লবী মতবাদ।
- এ দর্শনের মূল কথা হল- অস্তিত্ব সারসত্তার পূর্বগামী।
- অস্তিত্ববাদ ব্যক্তি মানুষের জীবনের উদ্দেশ্য ও মূল্যায়নকে সমগ্র মানব জাতির উদ্দেশ্য ও মূল্যায়নের উপর স্থান দিয়েছে।
- অস্তিত্ববাদের জনক ডেনমার্কের দার্শনিক সোরেন কিয়ের্কেগার্ড।
- ফ্রিডরিখ নিৎশে, জঁ-পল সার্ত্র্, মার্টিন হাইডেগার, আলবেয়ার কামু অস্তিত্ববাদী দার্শনিকদের মধ্যে অন্যতম।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা।
১,১৮২.
নিল আর্মস্ট্রং কোন মহাকাশ মিশনের মাধ্যমে চাঁদে অবতরণ করেন?
  1. Apollo 10
  2. Apollo 11
  3. Apollo 13
  4. Orion 5
  5. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
নীল আর্মস্ট্রং:
- চাঁদের বুকে প্রথম পা রাখেন নীল আর্মস্ট্রং।
- তিনি যুক্তরাষ্ট্রের অধিবাসী।
- ১৯৬৯ সালের ২০ শে জুলাই চাঁদের মাটিতে পা রাখেন আর্মস্ট্রং।
- দ্বিতীয় নভোচারী হিসেবে চাঁদে নামেন বাজ অলড্রিন।
- তাঁরা দুজনই মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসার অ্যাপোলো-১১ চন্দ্রযানে করে চাঁদের বুকে অবতরণ করেছিলেন।
- সেই ঐতিহাসিক অভিযাত্রায় তাঁদের সঙ্গী ছিলেন মাইকেল কলিন্স।
- অ্যাপোলো-১১ মিশনের তিন দুঃসাহসী নভোচারীর তৃতীয়জন মাইকেল কলিন্স চাঁদে নামেননি।
- তিনি অ্যাপোলো ১১ নভোযান নিয়ে রয়ে যান চাঁদের কক্ষপথে।

উল্লেখ্য,
- অ্যাপোলো-১১ মহাকাশ অভিযানের এক মাইলফলক।
- ১৯৬৯ সালের ২১শে জুলাই নেইল আর্মস্ট্রং প্রথম মানব হিসেবে চাঁদে পদার্পণ করেন, তার প্রায় ২০ মিনিট পর বাজ অল্ড্রি চাঁদের পৃষ্ঠে অবতরণ করেন।
- তাদের আরেক সঙ্গী মাইকেল কলিন্স তখন চাঁদের কক্ষপথে সার্ভিস মডিল (Service Module) 'কলাম্বিয়া' পরিচালনা করছিলেন।
- নভোচারীরা চাঁদের মাটিতে প্রায় ২১ ঘণ্টা ছিলেন।
- অতঃপর অভিযান শেষে সকল নভিচারিরা ২৪শে জুলাই নিরাপদে পৃথিবীতে ফিরে আসেন।

উৎস: i) NASA ওয়েবসাইট।
ii) Britannica.
১,১৮৩.
বিশ্বের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী ছিলেন-
  1. বেনজির ভুট্টো
  2. মেগাওয়াতি সুকর্ণপুত্রী
  3. ইসাবেলা পেরন
  4. শ্রীমাভো বন্দরনায়েকে
ব্যাখ্যা
• শ্রীমাভো বন্দরনায়েকে বিশ্বের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন। 
- বিশ্বের প্রথম মহিলা রাষ্ট্রপতি ইসাবেলা পেরন। 
- মেগাওয়াতি সুকর্ণপুত্রী: তিনি ইন্দোনেশিয়ার প্রথম মহিলা রাষ্ট্রপতি।
- এবং দেশটির প্রতিষ্ঠাতা সুকর্ণের কন্যা। 

উল্লেখ্য,
- মুসলিম বিশ্বের প্রথম নির্বাচিত নারী প্রধানমন্ত্রী বেনজির ভুট্টো।
- বেনজির ভুট্টোর জন্ম ১৯৫৩ সালের ২১ জুন, করাচিতে।
- বেনজির ভুট্টো ছিলেন জুলফিকার আলি ভুট্টোর কন্যা।

উৎস: Britannica. 
১,১৮৪.
ভলতেয়ার কোন দেশের নাগরিক ছিলেন?
  1. ফ্রান্স
  2. রাশিয়া
  3. ইতালি 
  4. জার্মানি
ব্যাখ্যা

ভলতেয়ার:
- ভলতেয়ার ছিলেন ফরাসি  ইতিহাসবিদ ও দার্শনিক।
- ফ্রঁসোয়া-মারি আরুয়ে  যিনি ছদ্মনাম ভলতেয়ার নামেই বেশি পরিচিত,
- ফরাসি আলোকময় যুগের একজন লেখক, প্রাবন্ধিক,ইতিহাসবিদ ও দার্শনিক।
- তার বাকচাতুর্য ও দার্শনিক ছলাকলা সুবিদিত।
- তিনি নাগরিক স্বাধীনতার স্বপক্ষে, বিশেষত ধর্মের স্বাধীনতা ও ন্যায়বিচারের অধিকারের পক্ষে অবস্থান নেয়ার জন্য বিখ্যাত ছিলেন।
- তিনি ফ্রান্সের কঠোর সেন্সর আইন উপেক্ষা করে সামাজিক সংস্কারের অন্যতম প্রবক্তা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন।
- খ্রিস্টান গির্জা ও তৎকালীন ফরাসি সামাজিক আচার ছিল তার ব্যঙ্গবিদ্রুপের লক্ষ্য।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১,১৮৫.
সম্প্রতি (মে, ২০২৪) হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় নিহত ইব্রাহিম রাইসি কোন দেশের প্রেসিডেন্ট ছিলেন?
  1. ইরাক
  2. ইরান
  3. ইয়েমেন
  4. আজারবাইজান
ব্যাখ্যা
ইব্রাহিম রাইসি:

- ইব্রাহিম রাইসি ইরানের ৮ম প্রেসিডেন্ট ছিলেন।
- ইব্রাহিম রাইসির জন্ম ১৯৬০ সালে উত্তর-পূর্ব ইরানের শহর মাশহাদে।
- মাত্র ২০ বছর বয়সে তিনি তেহরানের পার্শ্ববর্তী শহর কারাজের প্রসিকিউটর-জেনারেল নিযুক্ত হন।
- ১৯৮৯ থাকে ১৯৯৪ সাল পর্যন্ত রাইসি তেহরানের প্রসিকিউটর-জেনারেলের দায়িত্ব পালন করেন।
- ২০০৪ সাল থেকে তিনি এক দশক জুডিশিয়াল অথোরিটির উপপ্রধানের দায়িত্ব পালন করেন।
- ২০১৯ সালে তাকে বিচার বিভাগের প্রধান নিযুক্ত করেন দেশটির সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনি।
- কট্টরপন্থী হিসেবে পরিচিত রাইসি পরবর্তীতে ৮৮ সদস্যের বিশেষজ্ঞ সভার উপচেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।
- সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা নির্বাচনসহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে এ সভা।
- তাকে দীর্ঘদিন ধরেই ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির স্বাভাবিক উত্তরসূরি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- ২০২১ সালে দ্বিতীয় দফায় নির্বাচন করে ইরানের অষ্টম প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন ইব্রাহিম রাইসি।
- ১৯ মে হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি।

তথ্যসূত্র: বিবিসি পত্রিকা রিপোর্ট।
১,১৮৬.
চট্টগ্রামের অস্ত্রাগার লুণ্ঠিত হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯১১ সালে
  2. খ) ১৯১৫ সালে
  3. গ) ১৯২১ সালে
  4. ঘ) ১৯৩০ সালে
ব্যাখ্যা
মাস্টারদা সূর্যসেন:

- চট্টগ্রামের অস্ত্রাগার লুণ্ঠিত হয় ১৯৩০ সালে
- ১৯৩০ সালের চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার লুণ্ঠনের প্রধান সংগঠক মাস্টারদা সূর্যসেন
- মাস্টারদা সূর্যসেনের জন্ম ১৮৯৪ সালে চট্টগ্রামের রাউজান থানার নোয়াপাড়া গ্রামে।
- পুরো নাম সূর্যকুমার সেন। ডাক নাম কালু। 
- শিক্ষকতা করার কারণে তিনি পরিচিত মহলে ‘মাস্টারদা’ আখ্যা পান।
- ১৯৩০ সালের ১৮ এপ্রিলের সশস্ত্র বিদ্রোহ ছিল সূর্যসেনের নেতৃত্বে বিপ্লবীদের দীর্ঘ সময়ের প্রস্ত্ততি ও সুষ্ঠু পরিকল্পনার ফসল।
- ১৯৩৪ সালের ১২ জানুয়ারি চট্টগ্রাম কারাগারে তাঁর ফাঁসি কার্যকর হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১,১৮৭.
'অর্থশাস্ত্র' গ্রন্থটি কার রচনা?
  1. ক) আবুল ফজল
  2. খ) কৌটিল্য
  3. গ) ইবনে খালদুন
  4. ঘ) দীনেশ চন্দ্ৰ সেন
ব্যাখ্যা
- প্রাচীন ভারতের শ্রেষ্ঠ দার্শনিক, অর্থনীতিবিদ, সমরবিদ কৌটিল্য কর্তৃক রচিত গ্রন্থ হলো অর্থশাস্ত্র।
- এই বইয়ে রাজনীতি, অর্থনীতি, সমরনীতি, কৃষি, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক প্রভৃতি বিষয় সম্পর্কে বর্ণনা করা হয়েছে।
- কৌটিল্য চাণক্য ও বিষ্ণুগুপ্ত নামেও পরিচিত। তিনি চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের মন্ত্রী ছিলেন।

(সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া)
১,১৮৮.
‘সীমান্ত গান্ধী’ নামে পরিচিত-
  1. রাজীব গান্ধী
  2. ইন্দিরা গান্ধী
  3. মহাত্মা গান্ধী
  4. খান আবদুল গাফফার খান
ব্যাখ্যা
আব্দুল গাফ্ফার খান:

- আব্দুল গাফ্ফার খান ভারতে ব্রিটিশ শাসনে তার অহিংসের জন্য একজন পশতুন বংশোদ্ভূত ভারতীয় রাজনৈতিক ছিলেন।
- তৎকালীন ভারতের উত্তর-পশ্চিম সীমান্তে বিশৃঙ্খলা ও সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা রোধে মহাত্মা গান্ধীর অহিংস নীতি প্রচার ও ধারণ করেন তিনি।
- তিনি এবং তার অনুসারীরা ১৯২৯ সালে শুরু করেন অহিংস এক আন্দোলন।
- এজন্য তাকে 'সীমান্ত গান্ধী' উপাধী দেয়া হয় বলে ধারণা করা হয়।
- এছাড়াও তিনি সর্বদাই মহাত্মা গান্ধীর অহিংস নীতির একজন একনিষ্ঠ সমর্থক ছিলেন।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
১,১৮৯.
'হিস্টরিয়া' শব্দটির প্রথম ব্যবহার করেন কে?
  1. অ্যারিস্টটল
  2. থুসিডাইডিস
  3. হেরোডোটাস
  4. টয়েনবি
  5. প্লেটো
ব্যাখ্যা
- গ্রিক শব্দ 'হিস্টরিয়া' (Historia) থেকে ইংরেজি হিস্টরি (History) শব্দটির উৎপত্তি, যার বাংলা প্রতিশব্দ হচ্ছে ইতিহাস।
- 'হিস্টরিয়া' শব্দটির প্রথম ব্যবহার করেন গ্রিক ঐতিহাসিক হেরোডোটাস (খ্রিষ্টপূর্ব পঞ্চম শতক)।
- তিনিই সর্বপ্রথম তাঁর গবেষণাকর্মের নামকরণে এ শব্দটি ব্যবহার করেন, যার আভিধানিক অর্থ হলো সত্যানুসন্ধান বা গবেষণা।
- তিনি বিশ্বাস করতেন, ইতিহাস হলো-যা সত্যিকার অর্থে ছিল বা সংঘটিত হয়েছিল তা অনুসন্ধান করা ও লেখা।
- তিনি তাঁর গবেষণায় গ্রিস ও পারস্যের মধ্যে সংঘটিত যুদ্ধের বিভিন্ন বিষয় অনুসন্ধান করেছেন।
- এতে তিনি প্রাপ্ত তথ্য, গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা এবং গ্রিসের বিজয়গাথা লিপিবদ্ধ করেছেন।
- হেরোডোটাসই প্রথম ইতিহাস এবং অনুসন্ধান-এ দুটি ধারণাকে সংযুক্ত করেন।
- ফলে ইতিহাস পরিণত হয় বিজ্ঞানে, পরিপূর্ণভাবে হয়ে ওঠে তথ্যনির্ভর এবং গবেষণার বিষয়ে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই। 
১,১৯০.
চীনের ইতিহাসে সবচেয়ে প্রভাবশালী দার্শনিক কে ছিলেন?
  1. ক) কনফুসিয়াস
  2. খ) ওয়াং ফু
  3. গ) মেনসিয়াস
  4. ঘ) ফা হিয়েন
ব্যাখ্যা
চীনের ইতিহাসে সবচেয়ে প্রভাবশালী দার্শনিক কনফুসিয়াস। তিনি একাধারে একজন দার্শনিক, শিক্ষক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব।
কনফুসিয়াস খ্রিস্টপূর্ব ৫৫১ অব্দে জন্মগ্রহণ এবং খ্রিস্টপূর্ব ৪৭৯ অব্দে মারা যান।
(সূত্র: ব্রিটানিকা)
১,১৯১.
'মহাবীর' কোন ধর্মের প্রচারক ছিলেন?
  1. বৈদিক
  2. সনাতন
  3. শিখ
  4. জৈন
ব্যাখ্যা
জৈন ধর্ম:
- জৈন শব্দটি এসেছে সংস্কৃত জিন শব্দ থেকে। সংস্কৃতিতে জিন অর্থ জয়ী।
- জৈনরা তাদের ইতিহাসে চব্বিশজন তীর্থঙ্করের কথা উল্লেখ করেছেন।
-  প্রথম তীর্থঙ্করের নাম ঋষভনাথ এবং সর্বশেষ তীর্থঙ্করের নাম মহাবীর (২৪তম)।
- খ্রিস্টপূর্ব ৬ষ্ঠ শতাব্দীতে জৈনধর্মের সর্বাধিক প্রভাবশালী প্রচারক ছিলেন মহাবীর।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, ৬ষ্ঠ শ্রেণি এবং উচ্চ মাধ্যমিক ইতিহাস ১মপত্র, এইচএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১৯২.
Where did Leonardo da Vinci draw his famous fresco "The Last Supper"?
  1. ক) Rome
  2. খ) Milan
  3. গ) Venice
  4. ঘ) Florence
ব্যাখ্যা
লিওনার্দো দা ভিঞ্চি:

- ইতালীর মিলান শহরে লিওনার্দো দা ভিঞ্চি দ্যা লাস্ট সাপার চিত্রটি অংকন করেছেন।
- লিওনার্দো দা ভিঞ্চি ১৪৫২ সালে জন্ম গ্রহন করেন।
- তাঁর সবচেয়ে বিখ্যাত পেইন্টিংগুলি হল - মোনা লিসা, দ্য লাস্ট সাপার, এবং ভার্জিন অফ দ্য রকস এবং ক্রাইস্টের ব্যাপটিজম।
- অন্যান্য পেইন্টিংগুলির মধ্যে রয়েছে ভার্জিন মেরি, ভার্জিন অ্যান্ড চাইল্ড উইথ সেন্ট অ্যান, দ্য অ্যানানসিয়েশন, ম্যাডোনা অফ দ্য কার্নেশন, জিনেভরা দে' বেঞ্চি, দ্য অ্যাডোরেশন অফ দ্য ম্যাগি (অসমাপ্ত), সেন্ট জেরোম ইন দ্য ওয়াইল্ডারনেস (অসমাপ্ত), একটি প্রতিকৃতি। মিউজিশিয়ান (অসমাপ্ত), লেডি উইথ অ্যান এর্মাইন।
- ২০১১ সালে আন্তর্জাতিক খনিজ সমিতি তার সম্মানে Davinciite খনিজ নামকরণ করে।
- ১৫১৯ সালে ৬৭ বছর বয়সে, লিওনার্দো দা ভিঞ্চি মারা যান।

তথ্যসূত্র - Worldatlas.com
১,১৯৩.
উইনস্টন চার্চিল কত সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন?
  1. ১৯৪৫ সালে
  2. ১৯৫৩ সালে
  3. ১৯৫৮ সালে
  4. ১৯৬১ সালে
ব্যাখ্যা

উইনস্টন চার্চিল:
- উইনস্টন চার্চিল একজন রাজনীতিবিদ ও লেখক।
- উইনস্টন চার্চিল ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় তিনি ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।
- ১৯৫৩ সালে তিনি সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। 
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় প্রধানমন্ত্রী হিসাবে তাঁর অবদানের জন্য চিরকাল স্মরণীয়।

উল্লেখ্য,
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ফ্রাংকলিন ডি রুজভেল্ট ও ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিল আটলান্টিক সনদে স্বাক্ষর করেন।
- উইনস্টন চার্চিল উগান্ডার সৌন্দর্য, প্রচুর বন্যপ্রাণী এবং বৈচিত্র্যের জন্য উগান্ডাকে 'আফ্রিকার মুক্তা' বলে অভিহিত করেছেন।

উৎস: Britannica.

১,১৯৪.
মিস ইউনিভার্স ২০১৯ কে হন?
  1. ক) ওলগা টোকারচুক
  2. খ) জোজিবিনি তুনজি
  3. গ) সিসির্থন লেমারমাওয়াত
  4. ঘ) নেলিস পিমেনটেল
  5. ঙ) চাইয়েন্নে হুইসম্যান
ব্যাখ্যা
৮ ডিসেম্বর ২০১৯ যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়ায় অনুষ্ঠিত হয় মিস ইউনিভার্স এর ৬৮ তম আসর। এতে মিস ইউনিভার্স নির্বাচিত হন দক্ষিণ আফ্রিকার কৃষ্ণাঙ্গ তরুণী জোজিবিনি তুনজি। এতে বাংলাদেশ থেকে অংশ নেন ঠাকুরগাওয়ের শিরিন আক্তার শিলা। (সূত্রঃ মিসইউনিভার্স ডটকম)
১,১৯৫.
অ্যারিস্টটলের মতে সততা হলো-
  1. সাহসিকতা
  2. উদারতা
  3. মধ্যপন্থা নির্বাচনের অভ্যাস
  4. জ্ঞান
ব্যাখ্যা
- অ্যারিস্টটলের মতে সততা হলো মধ্যপন্থা নির্বাচন করার অভ্যাস, যে মধ্যপন্থা নিয়ন্ত্রিত বিচারবুদ্ধি ও ব্যবহারিক জ্ঞানসম্পন্ন ব্যক্তি দ্বারা নির্ধারিত।
- তার মতে সততা এক ধরনের পরিমিতিবোধ যা দুটি অসদাচারের মধ্যবর্তিকা।
- অন্যদিকে, সক্রেটিস সততাকে জ্ঞানের সাথে তুলনা করেছেন।
(তথ্যসূত্র: সিভিক এডুকেশন-১ : স্নাতক শ্রেণী : উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
১,১৯৬.
কারা ফারাও নামে পরিচিত ছিলো?
  1. ক) রোমান সম্রাটগণ
  2. খ) পারস্যের নৃপতিগণ
  3. গ) জার্মান সম্রাটগণ
  4. ঘ) মিশরীয় সম্রাটগণ
ব্যাখ্যা
- প্রাচীন মিশরীয় সম্রাট বা রাজাদের উপাধি ছিলো ফারাও।
- ফারাও শব্দের অর্থ বড়বাড়ি। বিশাল প্রাসাদে বসবাসকারী ফারাওদের মনে করা হতো ঈশ্বরের সন্তান।
- ফারাওরা একইসাথে ছিলেন নরপতি ও পুরোহিত। ফারাও পদটি ছিলো বংশানুক্রমিক।
- নারমার বা মেনেস ছিলেন মিশরের প্রথম ফারাও। তিনি খ্রিস্টপূর্ব ৩২০০ অব্দে মিশরে প্রথম রাজবংশ গড়ে তোলেন।
অন্যদিকে,
- রোমান সম্রাটদের উপাধি ছিলো সিজার
- জার্মান সম্রাটগণ কাইজার নামে পরিচিত ছিলো।
(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং হিস্টোর ডটকম)
১,১৯৭.
কিউবার বিপ্লবী মহানায়ক ছিলেন-
  1. ক) হো চি মিন
  2. খ) ফিদেল কাস্ত্রো
  3. গ) ফুলগেনসিও বাতিস্তা
  4. ঘ) চে-গুয়েভারা
ব্যাখ্যা
কিউবার বিপ্লবী মহানায়ক ফিদেল কাস্ত্রো। কিউবার তৎকালীন প্রেসিডেন্ট বাতিস্তা ও কিউবার ওপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে বিপ্লবের ময়দানে সক্রিয় হন কাস্ত্রো। ১৯৫৩ সালে বাতিস্তা সরকার উৎখাতের আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন তিনি। এ জন্য তাকে কারাবরণ করতে হয়। ১৯৫৬ সালে চে গুয়েভারাকে সঙ্গে নিয়ে বাতিস্তা সরকারের বিরুদ্ধে শুরু করেন গেরিলা যুদ্ধ। ১৯৫৯ সালে কিউবান বিপ্লবের মাধ্যমে পূর্বতন একনায়ক রাষ্ট্রপতি ফুলগেনসিও বাতিস্তাকে অপসারণ করেন এবং একদলীয় কমিউনিস্ট শাসন প্রতিষ্ঠা করেন। চে গুয়েভারা ছিলেন এই আন্দোলনের অন্যতম নেতা। বিখ্যাত টাইম ম্যাগাজিন চে গুয়েভারাকে ‘কাস্ত্রোর মস্তিষ্ক’ বলে আখ্যায়িত করেছিল। সূত্র- বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকা ও ব্রিটানিকা।
১,১৯৮.
‘The Modern State’ গ্রন্থটির রচয়িতা কে?
  1. ক) Aristotle
  2. খ) Abraham Lincoln
  3. গ) R.M Maciver
  4. ঘ) John F. Fennedy
ব্যাখ্যা
“The modern state” Book (Originally published: 1926) by Robert Morrison MacIver.
১,১৯৯.
গৌতম বুদ্ধ কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?
  1. বুদ্ধগয়া
  2. তক্ষশীলা
  3. লুম্বিনী
  4. সারনাথ
ব্যাখ্যা
গৌতম বুদ্ধ:
- গৌতম বুদ্ধ (ব্যক্তিগত নাম সিদ্ধার্থ) এর জন্ম খ্রিস্টপূর্ব ৬ষ্ঠ-৪র্থ শতাব্দীতে নেপালের কপিলাবস্তুর কাছে লুম্বিনীতে।
- তিনি বৌদ্ধ ধর্মের প্রতিষ্ঠাতা।
- বুদ্ধ উপাধিটির অর্থ হল একজন আলোকিত সত্তা, যিনি অজ্ঞতার ঘুম থেকে জেগে উঠেছেন এবং যন্ত্রণা থেকে মুক্তি লাভ করেন।
- বৌদ্ধধর্মের সব রূপই গৌতম বুদ্ধের জীবনের বিভিন্ন ঘটনা উদযাপন করে, যার মধ্যে রয়েছে তাঁর জন্ম, জ্ঞানার্জন এবং নির্বাণে উত্তরণ।
- পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের রাওয়ালপিন্ডি জেলায় বৌদ্ধধর্মের স্মৃতিবিজড়িত স্থান তক্ষশীলা।
- গৌতম বুদ্ধের দিব্যজ্ঞান লাভের স্থান বুদ্ধগয়া।

উৎস: Encyclopedia Britannica ও প্রথম আলো।
১,২০০.
যিশু খ্রিস্টের জন্ম হয়েছিল কোথায়?
  1. বাগদাদ
  2. গালীল প্রদেশে
  3. বসরা
  4. বেথলেহেম
ব্যাখ্যা
যিশু খ্রিস্টের জন্ম হয়েছিল জেরুজালেমের বেথলেহেম শহরে।

যিশু খ্রিস্ট:
- যিশু ছিলেন একজন ইহুদি ধর্মপ্রচারক।
- যিনি খ্রিস্টধর্মের কেন্দ্রীয় ব্যক্তিত্ব হিসেবে গণ্য হন।
- যিশুকে প্রদত্ত উপাধি ‘খ্রিস্ট’ থেকে খ্রিস্টধর্মের নামকরণ করা হয়েছে।
- আদি বাইবেল অনুযায়ী ২৫ ডিসেম্বর যিশু খ্রিস্টের জন্ম হয়।
- যিশুর জন্মস্থান জেরুজালেমের বেথলেহেম শহরে।
- যিশু খ্রিস্টের জন্মদিনকেই বড় দিন হিসেবে পালন করা হয়।
- যিশুর মাতার নাম মারিয়াম, তাকে মেরি নামে ডাকা হতো।

উল্লেখ্য,
- যিশু খ্রিস্টের ক্রুশবিদ্ধ ও মৃত্যুর দিন হিসাবে গুড ফ্রাইডে স্মরণ করা হয়।

উৎস: Britannica.