বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

দৈনন্দিন জীবনে তথ্য-প্রযুক্তি (ইমেইল, স্মার্টফোন ইত্যাদি)

মোট প্রশ্ন৯৭৪এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

দৈনন্দিন জীবনে তথ্য-প্রযুক্তি (ইমেইল, স্মার্টফোন ইত্যাদি)

PrepBank · পাতা / ১০ · ৩০১৪০০ / ৯৭৪

৩০১.
QR কোডে থাকা তথ্য পড়ার জন্য কোন প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়?
  1. অপটিক্যাল রিডিং
  2. তড়িৎ চৌম্বকত্ব
  3. কোয়ান্টাম কম্পিউটিং
  4. রেডিও ফ্রিকুয়েন্সি
ব্যাখ্যা

- QR কোডে ব্যবহৃত হয়- অপটিক্যাল রিডিং।

• QR কোড: 
- QR কোড হলো এক ধরনের বারকোড, যা ছোট কালো ও সাদা বর্গক্ষেত্র দিয়ে তৈরি। 
- এই বর্গক্ষেত্রগুলিতে তথ্য সংরক্ষিত থাকে, যা সহজে কম্পিউটার বা স্মার্টফোন স্ক্যানার দিয়ে পড়া যায়। 
- কালো-সাদা স্কোয়ারগুলোতে সংখ্যা, ইংরেজি অক্ষর বা এমনকি জাপানি কানজি ও অন্যান্য অ-ল্যাটিন অক্ষরও রাখা যেতে পারে। 

»  QR কোডের ব্যবহার: 
- মূলত QR কোড তৈরি করা হয়েছিল অটোমোবাইল যন্ত্রাংশ ট্র্যাক করার জন্য।
- এখন এটি বিজ্ঞাপন, টিকিট, পণ্য ট্র্যাকিং এবং আরও নানা কাজে ব্যবহার করা হয়।

» QR কোড স্ক্যান ও বৈশিষ্ট্য: 
- QR কোড স্ক্যান করতে ব্যবহারকারীদের ফোন বা লেজার স্ক্যানার প্রয়োজন হয়।
- বিশেষ সফটওয়্যার তথ্যটি ডিকোড করে দেখায়।
- সবচেয়ে বড় QR কোড (Version 40) 177 × 177 পিক্সেলের হয় এবং সবচেয়ে ছোট (Version 1) 21 × 21 পিক্সেলের হয়।
- Version 40 QR কোডে প্রায় 7,089টি সংখ্যা বা 4,296টি আলফানিউমেরিক অক্ষর সংরক্ষণ করা যায়।
- অনেক স্মার্টফোনে বিল্ট-ইন QR রিডার থাকায় এগুলি বিজ্ঞাপন ও প্রচারণায় সহজেই ব্যবহার করা যায়।

তথ্যসূত্র:
1. Kaspersky. 
2. Britannica.

৩০২.
আধুনিক ট্যাবলেটে প্রধানত কোন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়?
  1. কীবোর্ড
  2. রেডিও ওয়েভ
  3. পেন ড্রাইভ
  4. টাচ স্ক্রিন
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ঘ) টাচ স্ক্রিন

ট্যাবলেট কম্পিউটার
- ট্যাবলেট কম্পিউটার হল ল্যাপটপ ও স্মার্টফোনের আকারের মধ্যে একটি ডিভাইস।
- প্রাথমিক সময়ে এতে কীবোর্ড বা স্টাইলাস ব্যবহার করা হতো, কিন্তু আধুনিক ট্যাবলেটে টাচ স্ক্রিন ব্যবহার হয়।
- ১৯৬৮ সালে অ্যালান কেই Dynabook-এর ধারণা করেছিলেন, কিন্তু তা তৈরি করা হয়নি। প্রথম প্রকৃত ট্যাবলেট কম্পিউটার ছিল Cambridge Z88 এবং Linus Write-Top (1987)।
- ২০১০ সালে অ্যাপল iPad চালু করে টাচ-স্ক্রিন ডিভাইসকে জনপ্রিয় করে তোলে, এরপর Samsung Galaxy Tab-এর মতো অন্যান্য ট্যাবলেট আসে।
- ট্যাবলেট ব্যবহারকারীদের টেক্সট হাইলাইট ও এডিট, নোট লেখা, শব্দ অনুসন্ধান, ব্যাকলাইট সামঞ্জস্য এবং অন্তর্নির্মিত অভিধান ব্যবহারে সাহায্য করে।
- এছাড়া ইন্টারেক্টিভ ডায়াগ্রাম ও ভিডিও শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা, মনোযোগ এবং সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি করে।

সোর্স: ব্রিটানিকা। 

৩০৩.
শরীরবৃত্তীয় বায়োমেট্রিক পদ্ধতির উদাহরণ কোনটি?
  1. আইরিশ শনাক্তকরণ
  2. কণ্ঠস্বর যাচাইকরণ
  3. হাতে করা স্বাক্ষর যাচাইকরণ
  4. কিবোর্ডে টাইপিং গতি যাচাইকরণ
ব্যাখ্যা
বায়োমেট্রিক (Biometric): 
- মানুষের দৈহিক গঠন বা আচরণগত বৈশিষ্ট্য পরিমাপের ভিত্তিতে কোনো ব্যক্তিকে অদ্বিতীয়ভাবে শনাক্ত করার জন্য ব্যবহৃত প্রযুক্তিকে বায়োমেট্রিক বলে। 
- একজন মানুষের সাথে অন্য মানুষের আচরণ বা গাঠনিক বৈশিষ্ট্য কখনোই একরকম হবে না। 
- বৈশিষ্ট্যের ভিন্নতায় বায়োমেট্রিকের প্রকারভেদ দুইরকম। 
যথা- 
ক) শরীরবৃত্তীয় (Physiological) বায়োমেট্রিক পদ্ধতি: 
১। আইরিশ শনাক্তকরণ (Irish scanning): 
- এ পদ্ধতিতে চোখের মণির চারপাশে বেষ্টিত রঙিন বলয় বা আইরিশ বিশ্লেষণ করে শনাক্তকরণের কাজ সম্পন্ন করা হয়। শনাক্তকরণের জন্য সময়ও তুলনামূলকভাবে কম লাগে এবং সূক্ষ্মতাও গ্রহণযোগ্য মাত্রায় হয়ে থাকে। তবে কন্টাক্ট লেন্স পরা থাকলে এ পদ্ধতি সবসময় কার্যকরী নাও হতে পারে। 

২। আঙুলের ছাপ শনাক্তকরণ (Finger print): 
- এ পৃথিবীতে প্রকৃতিগতভাবে প্রতিটি মানুষের আঙুলের ছাপ ভিন্ন অর্থাৎ একজনের সাথে অন্য আরেকজনের আঙুলের ছাপের মিল নেই। একজনের টিপসই কখনোই অন্যজনের সাথে খাপ খাবে না। 
- ফিংগার প্রিন্ট রিডারে কারো আঙুলের ছাপ দেয়ার পর ছাপটির ছবি কম্পিউটার ডেটাবেজে সংরক্ষিত হয়ে যায়। 
- ফিংগার প্রিন্ট মেশিনটি আঙুলের রেখার বিন্যাস, ত্বকের টিস্যু এবং ত্বকের নিচের রক্ত সঞ্চালনের উপর ভিত্তি করে ইলেকট্রোম্যাগনেটিক পদ্ধতিতে আঙুলের ছাপচিত্র তৈরি করে ও আঙুলের দৈর্ঘ্য বিশ্লেষণ করে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়।

৩। মুখমণ্ডলের অবয়ব শনাক্তকরণ (Face recognition): 
- এই পদ্ধতিতে পুরো মুখমন্ডলের ছবি তুলে শনাক্ত করা হয়। আগে থেকে রক্ষিত স্যাম্পল মানের সাথে যার মুখমণ্ডলের আকৃতি তুলনা করা হবে তার ছবি ক্যামেরার মাধ্যমে ধারণ করে সেটি তুলনা করা হয়। 

৪। ডিএনএ পর্যবেক্ষণ (DNA test): 
- ডিএনএ (DNA: Deoxyribo Nucleic Acid) টেস্টের মাধ্যমে যে কোনো ব্যক্তিকে অত্যন্ত নিখুঁত ও প্রশ্নাতীতভাবে শনাক্ত করা যায়। 
- মানব শরীরের যে কোনো উপাদান যেমন- রক্ত, চুল, আঙুলের নখ, মুখের লালা হতে ডিএনএ'র নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরবর্তীকালে নমুনা নিয়ে পূর্ববর্তী ডেটার সাথে মিলিয়ে কোনো ব্যক্তিকে অদ্বিতীয়ভাবে শনাক্ত করা যায়। 

(খ) আচরণগত (Behavioral) বায়োমেট্রিক পদ্ধতি: 
১। হাতে করা স্বাক্ষর যাচাইকরণ (Signature verification): 
- এটি একটি বহুল ব্যবহৃত ও দীর্ঘদিনের প্রচলিত পদ্ধতি। এ পদ্ধতিতে কোনো ব্যক্তিকে শনাক্তকরণের ক্ষেত্রে স্বাক্ষরের আকার, ধরন, লেখার গতি, সময়, লেখার মাধ্যমের (যেমন- কলম, পেনসিল ইত্যাদি) চাপকে যাচাই করে শনাক্তকরণ করা হয়। 

২। কিবোর্ডে টাইপিং গতি যাচাইকরণ (Typing keystroke verification): 
- কিবোর্ড কিংবা এ জাতীয় কোনো ইনপুট ডিভাইসে তার গোপনীয় কোড কত দ্রুত টাইপ করে দিতে পারে তার সময় পূর্বের সময়ের সাথে মিলিয়ে কোনো ব্যক্তিকে শনাক্তকরণের কাজ সম্পন্ন করা হয়। 

৩। কণ্ঠস্বর যাচাইকরণ (Voice recognition): 
- এই পদ্ধতিতে ব্যবহারকারীর কন্ঠস্বরকে মাইক্রোফোনের মাধ্যমে ধারণপূর্বক কম্পিউটার প্রোগ্রামিং-এর সাহায্যে ইলেকট্রিক সিগন্যালে রূপান্তর করে ডেটাবেজে সংরক্ষণ করা হয়। পরবর্তীকালে ভয়েস রেকর্ডারের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কন্ঠস্বর রেকর্ড করা হয় এবং পূর্বের ধারণকৃত কণ্ঠস্বরের সাথে তুলনা করে শনাক্তের কাজ সম্পন্ন করা হয়। এ পদ্ধতিতে ব্যক্তির সর্দি, কাশি হলে শনাক্তকরণে বিঘ্নের সৃষ্টি হয়। 
- এছাড়াও মৃতদেহ শনাক্তকরণ, অপরাধী শনাক্তকরণ, পিতৃত্ব বা মাতৃত্ব শনাক্তকরণ, জাতীয় পরিচয়পত্র, বায়োমেট্রিক পাসপোর্ট, ড্রাইভিং লাইসেন্স, ভোটার নিবন্ধন, এটিএম ও অনলাইন ব্যাংকিং, প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ ও উপস্থিতি নির্ণয়, কম্পিউটার বা মোবাইল ফোন লগইন, ই-কমার্স ও স্মার্ট কার্ড ইত্যাদিতে বায়োমেট্রিক প্রযুক্তির ব্যবহার হয়ে থাকে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
৩০৪.
IRC-এর সম্পূর্ণ রূপ কী?
  1. Interconnected Real-time Chat
  2. Integrated Remote Connection
  3. Internet Relay Chart
  4. Internet Relay Chat
ব্যাখ্যা

• IRC-এর সম্পূর্ণ রূপ হলো Internet Relay Chat. এটি একটি প্রটোকল যা ব্যবহারকারীদের ইন্টারনেটের মাধ্যমে রিয়েল-টাইমে বার্তা আদান-প্রদান করতে দেয়। IRC মূলত চ্যাট রুম বা চ্যানেলের মাধ্যমে বহু ব্যবহারকারীকে একই সাথে যোগাযোগের সুযোগ দেয়। এটি ১৯৮০-এর দশকে তৈরি হয়েছিল এবং তখন থেকেই এটি অনলাইন কমিউনিটি, গ্রুপ আলোচনা এবং প্রযুক্তিগত সহযোগিতায় ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। ব্যবহারকারীরা IRC সার্ভারের সাথে সংযোগ স্থাপন করে চ্যাটে অংশ নিতে পারে এবং প্রাইভেট মেসেজও পাঠাতে পারে। এটি সরল অথচ কার্যকর একটি যোগাযোগ ব্যবস্থা হিসেবে পরিচিত।
- সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো ঘ) Internet Relay Chat.


• ইন্টারনেট রিলে চ্যার্ট:
- IRC এর পূর্ণরূপ Internet Relay Chat.
- ইন্টারনেট রিলে চ্যার্ট হচ্ছে রিয়েল টাইমে, অর্থাৎ প্রকৃত সময়ে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের মধ্যে যোগাযোগের একটি জনপ্রিয় মাধ্যম বা পদ্ধতি।
- রিয়েল টাইম যোগাযোগ বলতে বোঝায় ঘটমান বর্তমানে অন্য ব্যবহারকারীর সাথে যোগাযোগ।
- ই-মেইলের মতো চ্যাটে অপেক্ষা করতে হয় না।
- ই-মেইলের ক্ষেত্রে ম্যসেজ পাঠানো এবং সেই ম্যসেজটি অন্য কেউ পাওয়া এবং তার উত্তর দেওয়ার মধ্যে বেশ কিছু সময় অপেক্ষা করতে হয়।
- IRC কে প্রায়ই ইন্টারনেটের 'CB রেডিও' হিসেবে অ্যাখায়িত করা হয়, কারণ এটা কয়েকজন বা অনেককে কোনো আলোচনায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেয়।
- IRC একটি মাল্টি-ইউজার সিস্টেম, যেখানে চ্যানেলে অংশগ্রহণ করে প্রকাশ্য বা গোপনে কথা বলতে পারে, চ্যানেল হচ্ছে একটি আলোচনার গ্রুপ, যেখানে চ্যাট ব্যবহারকারীরা কোনো বিষয়ে আলোচনা বা অংশগ্রহণ আহ্বান করতে পারে।
- এ ধরনের সিস্টেমে একজন ব্যবহারকারী ম্যসেজ টাইপ করে IRC চ্যানেলে পাঠিয়ে দেয়, ফলে চ্যানেলে অংশগ্রহণকারীরা ঐ ম্যসেজটি পড়তে বা উত্তর দিতে বা এগিয়ে যেতে পারে অথবা তাদের নিজেদের ম্যসেজ লিখতে পারে।
- অন্যদিকে চ্যাটরুম ওয়েবসাইটের আরেকটি জনপ্রিয় সংযোজন।
- ব্যবহারকারীরা বিশেষ কোনো চ্যাট সফটওয়্যার ইনস্টল না করে বা না চালিয়ে ওয়েব ব্রাউজারের মাধ্যমে সরাসরি কোনো চ্যাট সেশনে অংশগ্রহন করতে পারে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩০৫.
স্টারলিংকের সুবিধা প্রচলিত ইন্টারনেটের সঙ্গে কীভাবে আলাদা?
  1. শুধুমাত্র শহরে কাজ করে
  2. দূরবর্তী এলাকাতেও কাজ করে
  3. ধীরগতির
  4. ফাইবার অপটিক ক্যাবল প্রয়োজন
ব্যাখ্যা

• স্টারলিংক হলো এলন মাস্কের স্পেসএক্সের স্যাটেলাইট-ভিত্তিক ইন্টারনেট সেবা, যা প্রচলিত ইন্টারনেটের সঙ্গে বেশ ভিন্ন। প্রচলিত ইন্টারনেট সাধারণত ফাইবার অপটিক বা ব্রডব্যান্ড লাইনের ওপর নির্ভর করে এবং শহর বা শহরের কাছাকাছি এলাকায় দ্রুত কাজ করে, কিন্তু দূরবর্তী গ্রামাঞ্চল বা দুর্গম এলাকায় অনেক সময় সেবা পাওয়া যায় না। স্টারলিংক এর সুবিধা হলো এটি স্যাটেলাইটের মাধ্যমে সারা পৃথিবীকে কভার করতে পারে, তাই এমন অঞ্চলেও উচ্চগতির ইন্টারনেট প্রদান সম্ভব। এটি ফাইবার ক্যাবল বা স্থলভিত্তিক নেটওয়ার্কের প্রয়োজন নেই এবং তুলনামূলকভাবে দ্রুত ইন্টারনেট পৌঁছে দেয়। অর্থাৎ, স্টারলিংক দূরবর্তী এলাকা পর্যন্ত ইন্টারনেট পৌঁছাতে সক্ষম।

সঠিক উত্তর: খ) দূরবর্তী এলাকাতেও কাজ করে।

স্টারলিংক ইন্টারনেট:
- স্টারলিংক স্যাটেলাইটের মাধ্যমে ইন্টারনেট পরিষেবা দেয়।
- স্টারলিংক মূলত অরবিটাল স্যাটেলাইটের নেটওয়ার্ক।
- এটি ইলন মাস্কের স্পেস এক্সের অধীন।
- যা ২০১৫ সালে তৈরি করা হয়েছিল।
- এই প্রকল্পের জন্য প্রাথমিক প্রোটোটাইপ স্যাটেলাইটগুলো কক্ষপথে ২০১৮ সালে চালু করা হয়েছিল।
- মার্কিন নভোচারী প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্সকেও ইন্টারনেট সরবরাহ করে স্টারলিংক।

উৎস: Starlink ওয়েবসাইট।

৩০৬.
কেবলমাত্র ই-মেইল প্রেরণ বা গ্রহণের জন্য ব্যবহৃত সফটওয়্যার কোনটি?
  1. নেটস্কেপ
  2. ইউডোরা প্রো
  3. ফায়ারফক্স
  4. উইন্ডোজ এনটি
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটার নেটওয়ার্কিং কার্যাবলি সম্পাদনের জন্য হার্ডওয়‍্যার সামগ্রীর পাশাপাশি সফটওয়‍্যারের গুরুত্ব অপরিসীম।
- কম্পিউটার নেটওয়ার্কিংয়ের ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের সফটওয়‍্যার ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
- নেটওয়ার্ক ম্যানেজমেন্টের জন্য সিস্টেম সফটওয়‍্যার হিসেবে Microsoft Windows NT, XP ইত্যাদি।
- কেবলমাত্র ই-মেইল প্রেরণ বা গ্রহণের জন্য ব্যবহৃত সফটওয়্যার হচ্ছে gmail, আউটলুক এক্সপ্রেস, ইউডোরা প্রো ইত্যাদি।
- Web pages ব্রাউজ করার সফটওয়‍্যার হচ্ছে Internet Explorer, Netscape, Google Chrome, Firefox ইত্যাদি। এছাড়া FTP, Ghoper, Telnet ইত্যাদি সফটওয়‍্যারও ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩০৭.
Amazon's cloud computing platform is known as:
  1. IBM Cloud
  2. Google Cloud Platform
  3. Azure
  4. AWS
ব্যাখ্যা
Cloud Computing:
ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে এমন একটি পদ্ধতি যার মাধ্যমে কেন্দ্রীয় কম্পিউটার সিস্টেমের স্টোরেজে ডেটা সংরক্ষণ করা এবং ইন্টারনেটের মাধ্যমে গ্রাহক বা অন্যান্য ব্যবহারকারীদের সিস্টেম এবং স্টোরেজে অ্যাক্সেস প্রদান করা।

IBM Cloud দুই ধরনের সেবা প্রদান করে:
- Platform as a Service (Paas) এবং
- Infrastructure as a Service (IaaS).

আইবিএম ক্লাউড (Iaas) ও (PaaS) প্ল্যাটফর্মকে একত্র করে ব্যবহারকারীকে সমন্বিত অভিজ্ঞতা প্রদান করে থাকে।

Infrastructure as a Service (IaaS) :
-Iaas এর অধীনে ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং সিস্টেম ভাড়া দেয়।

Platform as a Service (Paas):
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ ইত্যাদি থাকে।
- অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফটওয়্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন।

অপশন আলোচনা:
- AWS (Amazon Web Services) হচ্ছে Amazon- এর ক্লাউড প্ল্যাটফর্ম
- IBM Cloud হচ্ছে IBM- এর ক্লাউড প্ল্যাটফর্ম।
- Google Cloud Platform হচ্ছে Google- এর ক্লাউড প্ল্যাটফর্ম।
- Azure হচ্ছে Microsoft- এর ক্লাউড প্ল্যাটফর্ম।

উৎস :
১) আইবিএম ওয়েবসাইট।
২) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি( মাহবুবুর রহমান) একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৩) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৪) সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
৩০৮.
বাংলাদেশে প্রথম ই-বুক কোনটি?
  1. একুশ ই-বুক
  2. বায়ান্ন ই-বুক
  3. একাত্তর ই-বুক
  4. চব্বিশ ই-বুক
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের প্রথম ই-বুক হলো 'একুশ ই-বুক'। এটি মূলত ইন্টারনেটে বাংলা বই পড়ার সুযোগ তৈরি করে দেওয়ার জন্য একটি অগ্রগামী পদক্ষেপ ছিল। 
- এটি ৩০ জানুয়ারি ২০১৬ সালে প্রকাশিত হয়। 

• বাংলাদেশের ই-বুক ও ডিজিটাল শিক্ষার বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- একুশ ই-বুক: এটি মূলত আমাদের ভাষা আন্দোলনের মাস ফেব্রুয়ারির (একুশে ফেব্রুয়ারি) স্মৃতি রক্ষার্থে নামকরণ করা হয়েছে।
- জাতীয় ই-বুক প্ল্যাটফর্ম: বর্তমানে সরকারিভাবে www.ebook.gov.bd নামে একটি বিশাল ই-বুক প্ল্যাটফর্ম রয়েছে যেখানে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের সকল পাঠ্যবই পাওয়া যায়।
- মাল্টিমিডিয়া কন্টেন্ট: আধুনিক ই-বুকগুলোতে শুধু টেক্সট নয়, বরং অডিও, ভিডিও এবং ইন্টারঅ্যাক্টিভ অ্যানিমেশন যুক্ত থাকে।
- সহজলভ্যতা: ই-বুকগুলো স্মার্টফোন, ট্যাবলেট বা ল্যাপটপে যেকোনো স্থান থেকে পড়া সম্ভব।
- পরিবেশবান্ধব: ডিজিটাল ফরম্যাটে হওয়ায় এতে কাগজের প্রয়োজন হয় না, ফলে এটি পরিবেশ রক্ষায় সহায়ক।

উৎস: প্রথম আলো [link]

৩০৯.
নিচের কোনটি ইমেইল সেবা প্রদান করে না?
  1. SyIpheed
  2. Portbox
  3. Mulberry
  4. Maxthon
ব্যাখ্যা
• "Maxthon"এক ধরনের ওয়েব ব্রাউজার।

• ইমেইল:

- ১৯৭১ সালে আরপানেট ইলেকট্রনিক মাধ্যমে পত্রালাপের সূচনার মাধ্যমে প্রথম ইমেইল সিস্টেম চালু করেন রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিসন।
- ইলেকট্রনিক মেইল বা ই-মেইল হলো একজন বার্তা লেখকের কাছ থেকে এক বা একাধিক প্রাপকের কাছে কোন বার্তা বা ডিজিটাল মেসেজ বিনিময় করার নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি।
- ই-মেইল ঠিকানায় @ চিহ্নটি অবশ্যই থাকতে হয়৷
- একটি ইমেইল ঠিকানা ইউজার আইডি ও ডোমেইন নেম নিয়ে গঠিত।
- abc@def.com এ @ অংশের পূর্বে থাকে ইউজার আইডি এবং @ অংশের পরে থাকে ডোমেইন নেম।
- ইমেইল সার্ভারে POP বা IMAP এবং SMTP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।

• ই-মেইল ক্লায়েন্টগুলো:
- জিমেইল (Gmail)
- ইয়াহু মেইল (Yahoo Mail)
- মোজিলা থান্ডারবার্ড (Mozilla Thunderbird)
- ক্লজ মেইল (Claws Mail)
- ফক্সমেইল (Foxmail)
- পেগাসাস মেইল (Pegasus Mail)
- ইনক্রেডিমেইল (Incredimail)
- মালবেরি (Mulberry)
- ড্রিম মেইল (Dream Mail)
- সিলফিড (SyIpheed)
- আউটলুক (Outlook)
- জিমব্রা (Zimbra)
- পোস্টবক্স (Portbox) ইত্যাদি।

• ইমেইল ঠিকানায় ব্যবহৃত:
- CC এর পূর্ণ রূপ Carbon Copy;
- BCC এর পূর্ণ রূপ Blind Carbon Copy

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
৩১০.
স্মার্টফোনে সাধারণত কোন ধরণের স্ক্রিন ব্যবহৃত হয়?
  1. CRT
  2. OCD
  3. LCD
  4. OLD
ব্যাখ্যা

স্মার্টফোনে সাধারণত লিকুইড ক্রিস্টাল ডিসপ্লে বা LCD স্ক্রিন ব্যবহৃত হয়।

• স্মার্টফোন:
- স্মার্টফোন হলো বিশেষ ধরনের মোবাইল ফোন যা মোবাইল কম্পিউটিং প্লাটফর্মের ওপর প্রতিষ্ঠিত।
- এতে একটি ডিসপ্লে স্ক্রিন (সাধারণত লিকুইড ক্রিস্টাল ডিসপ্লে বা LCD), বিল্ট-ইন ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবস্থাপনার প্রোগ্রাম (যেমন একটি ইলেকট্রনিক ক্যালেন্ডার এবং ঠিকানা বই) এবং একটি অপারেটিং সিস্টেম (OS) থাকে।
- স্মার্টফোনকে মোবাইল ফোনের মধ্যে একত্রিত একটি হ্যান্ডহেল্ড কম্পিউটার হিসেবেও ধরা যেতে পারে।
- সর্বপ্রথম স্মার্টফোন ডিজাইন করে IBM প্রতিষ্ঠান।
- বেলসাউথ প্রতিষ্ঠান ১৯৯৩ সালে স্মার্টফোন বাজারে আনেন।
- ১৯৯৩ সালে আইবিএম "Simon" নামে প্রথম স্মার্টফোন তৈরি করে, যা টাচস্ক্রিন এবং বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন সমর্থন করত।
- এই স্মার্টফোনে ক্যালেন্ডার, ঠিকানা বই, ক্যালকুলেটর এবং অন্যান্য ফাংশন অ্যাক্সেস করার জন্য একটি টাচস্ক্রিন ইন্টারফেস অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল।
- স্মার্টফোন ডেটা রূপান্তরের জন্য প্যাকেট সুইচিং পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
- স্মার্টফোনে ডাটা স্থানান্তর উচ্চ গতিসম্পন্ন।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৩১১.
কাজের প্রয়োজনে রোবটকে কত ডিগ্রি কোণ পর্যন্ত ঘুরানো যায়?
  1. ক) ৯০
  2. খ) ১৮০
  3. গ) ২৭০
  4. ঘ) ৩৬০
ব্যাখ্যা
রোবট হচ্ছে কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত এক ধরণের ইলেক্ট্রো-মেকানিক্যাল যন্ত্র যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বা কোন ব্যক্তির নির্দেশে কাজ করতে পারে। এটি তৈরী হয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নীতিতে যা Computer program দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। রোবট মানুষ কিংবা বিভিন্ন বুদ্ধিমান প্রাণীর মতো কাজ করতে পারে। এটি মানুষ ও মেশিন উভয় কর্তৃক পরিচালিত কিংবা দূর নিয়ন্ত্রিত হতে পারে। রোবটের আকৃতি বিভিন্ন ধরণের হতে পারে। যে রোবট দেখতে মানুষের মত তাকে বলা হয় হিউমেনওয়েড।
৩১২.
ই-কমার্সে নিরাপদ অনলাইন লেনদেন নিশ্চিত করতে প্রধানত কোন প্রটোকল ব্যবহৃত হয়?
  1. DHCP
  2. SMTP
  3. HTTPS
  4. FTP
ব্যাখ্যা

◉ HTTPS (HyperText Transfer Protocol Secure) মূলত ডেটা এনক্রিপশন নিশ্চিত করে, যা ব্যবহারকারী এবং ওয়েবসাইটের মধ্যে আদান-প্রদানকৃত তথ্য (যেমন- লগইন ক্রেডেনশিয়াল, ব্যক্তিগত ডেটা, পেমেন্ট তথ্য) নিরাপদে রাখে।

- ই-কমার্সে যখন গ্রাহক অনলাইনে টাকা পরিশোধ করেন বা ব্যক্তিগত তথ্য (পাসওয়ার্ড, কার্ড নম্বর ইত্যাদি) দেন, তখন সেই ডেটাকে সুরক্ষিত রাখা অত্যন্ত জরুরি। এজন্য ব্যবহৃত হয় HTTPS (Hyper Text Transfer Protocol Secure).

• HTTPS:

- https এর পূর্ণরূপ হচ্ছে- Hypertext Transfer Protocol Secure.
- HTTPS হলো একটি প্রোটোকল যা ব্যবহারকারীর ওয়েব ব্রাউজার এবং একটি ওয়েবসাইটের মধ্যে যোগাযোগ এবং ডেটা স্থানান্তর সুরক্ষিত করে।
- কোন ওয়েবসাইটের ঠিকানায় ব্যবহৃত https এর 'S' দিয়ে Secured (সুরক্ষিত) বোঝায়।
- HTTPS Protocol-টি ইন্টারনেটে তথ্য আদান-প্রদানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে থাকে।
- https, http-এর চেয়ে অধিকতর নিরাপদ। 
- সাধারণত প্রায় সব ওয়েব অ্যাড্রেসই শুরু হয় http:// দিয়ে।
- তাই ওয়েব অ্যাড্রেসে এ অংশটি লিখা হয় না। www অংশ দিয়েই শুরু করা হয়।


অন্যান্য অপশনসমূহ: 
DHCP: IP address assignment এর জন্য ব্যবহৃত হয়। 
SMTP: ইমেইল পাঠানোর জন্য ব্যবহৃত হয়। 
FTP:  এটি একটি TCP/IP প্রোটোকল যা দুটো কম্পিউটার সিস্টেমের মধ্যে ডেটা স্থানান্তরের সুযোগ করে দেয়। 


তথ্যসূত্র:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২। Bigcommerce Essentials ওয়েবসাইট। 

৩১৩.
অনলাইন পেমেন্ট সিস্টেমে SSL ব্যবহার করার কারণ কী?
  1. অর্ডার ম্যানেজমেন্ট
  2. পণ্য প্রদর্শন
  3. ডেটা এনক্রিপশন
  4. পেমেন্ট প্রসেসিং
ব্যাখ্যা

• অনলাইন পেমেন্ট সিস্টেমে SSL (Secure Sockets Layer) ব্যবহার করার প্রধান কারণ হলো ডেটা এনক্রিপশন। যখন ব্যবহারকারী তাদের ক্রেডিট কার্ড বা ব্যাংক তথ্য দিয়ে লেনদেন করে, তখন এই সংবেদনশীল তথ্য ইন্টারনেটের মাধ্যমে সার্ভারে পাঠানো হয়। যদি তথ্য এনক্রিপ্ট করা না থাকে, তবে হ্যাকার বা তৃতীয় পক্ষ সহজেই তা চুরি করতে পারে। SSL ব্যবহার করে ডেটা নিরাপদভাবে এনক্রিপ্ট করা হয়, অর্থাৎ তথ্য কোড আকারে রূপান্তরিত হয় যা শুধুমাত্র প্রাপকের সার্ভারই পড়তে পারে। এতে ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত এবং আর্থিক তথ্য সুরক্ষিত থাকে, অনলাইন লেনদেন নিরাপদ হয় এবং ওয়েবসাইটের প্রতি ব্যবহারকারীর আস্থা বাড়ে। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো গ) ডেটা এনক্রিপশন।

SSL Certificate:
- SSL এর পূর্ণরূপ Secure Sockets Layer.
- SSL Certificate হলো একটি ডিজিটাল সার্টিফিকেট যা একটি ওয়েবসাইটের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে।
- SSL একটি নিরাপত্তা প্রোটোকল যা একটি ওয়েব সার্ভার এবং একটি ওয়েব ব্রাউজারের মধ্যে একটি এনক্রিপ্ট করা লিংক তৈরি করে।
- এটি অনলাইন লেনদেন সুরক্ষিত করার ক্ষেত্রে এবং গ্রাহকের তথ্য গোপন ও সুরক্ষিত রাখতে কোম্পানি এবং সংস্থাগুলোর ওয়েবসাইটে ব্যবহৃত হয়।

ই-কমার্সে SSL এর ভূমিকা:
- ক্রেডিট কার্ড তথ্য, পাসওয়ার্ড এবং পার্সোনাল ডাটা এনক্রিপ্ট করে।
- অনলাইন পেমেন্ট ট্রান্সাকশন সুরক্ষিত রাখে।
- গ্রাহকদের বিশ্বাস অর্জনের জন্য SSL সার্টিফিকেট থাকা গুরুত্বপূর্ণ।
- SSL সাইটগুলিকে Google বেশি অগ্রাধিকার দেয়, ফলে SEO উন্নত হয়।

উৎস: Kaspersky website.

৩১৪.
বাংলাদেশে কত সালে প্রথম জিআইএস প্রযুক্তি চালু হয়?
  1. ক) ১৯৯১
  2. খ) ১৯৯৫
  3. গ) ১৯৯৭
  4. ঘ) ২০০১
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে ১৯৯১ সালে প্রথম জিআইএস এর ব্যবহার চালু হয়।

• GIS:
- এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Geographic information systems.
- সাধারণ অর্থে জিআইএস বলতে স্থানিক ও অস্থানিক উপাত্ত সংগ্রহ করে কম্পিউটার প্রযুক্তির মাধ্যমে সমন্বয় করে তা মানচিত্রে উপস্থাপন করাকে বুঝায়।
- অর্থাৎ জিআইএস হলো কম্পিউটারের মাধ্যমে কোনো তথ্য ধারণ করে ভূ‚-পৃষ্ঠের কোনো অবস্থানের চিত্র বর্ণনা করা।
- সুতরাং বলা যায় যে, কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার এবং সফর্টওয়্যারের মাধ্যমে ভৌগোলিক তথ্য সংগ্রহ, সংরক্ষণ, পরিবর্তন, বিশ্লেষণ ও প্রদর্শন করাই জিআইএস।

• ১৯৬৪ সালে কানাডায় সর্বপ্রথম জিআইএস এর ব্যবহার শুরু হয়।
- ১৯৮০ সালের পর থেকে জিআইএস এর ব্যাপক প্রসার ঘটে।
- ১৯৮০ এবং ১৯৯০ সালের মধ্যে জিআইএস উন্নত প্রযুক্তির পূর্ণাঙ্গরূপ লাভ করে।
- বাংলাদেশে ১৯৯১ সালে প্রথম জিআইএস এর ব্যবহার চালু হয়।
- ২০০০ সালের পর থেকে আমাদের দেশে জিআইএস প্রযুক্তি প্রসার লাভ করতে থাকে এবং বর্তমানে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জিআইএসের ওপর শিক্ষাদান করা হচ্ছে। অর্থাৎ জিআইএসকে বহুমুখী কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩১৫.
স্মার্ট হোম প্রযুক্তিতে কোন ডিভাইসটি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যবহৃত হয়?
  1. ডিজিটাল লক
  2. আইপি ক্যামেরা
  3. স্মার্ট লাইট
  4. স্মার্ট রিমোট
ব্যাখ্যা
• স্মার্ট হোম প্রযুক্তি:
- স্মার্ট হোম হলো এমন একটি বাসস্থান, যেখানে রিমোট কন্ট্রোলিং বা প্রোগ্রামিং ডিভাইসের সাহায্যে বাড়ির হিটিং সিস্টেম, কুলিং সিস্টেম, লাইটিং সিস্টেম, সিকিউরিটি কন্ট্রোল সিস্টেম ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
- স্মার্ট হোম প্রযুক্তিতে ডিজিটাল পদ্ধতি ব্যবহার করে হোম অটোমেশন চালু করা হয়।
- স্মার্ট হোমের পদ্ধতিকে হোম অটোমেশন সিস্টেম (Home Automation System) বলা হয়।
- একটি স্মার্ট হোমে ব্যবহৃত বিভিন্ন ডিভাইস যেমন- টেলিভিশন, এসি, লাইটিং, ফ্যান, সিকিউরিটি ক্যামেরা ইত্যাদি পরিচালনার জন্য আধুনিক প্রযুক্তির মোবাইল বা রিমোট কন্ট্রোলিং ডিভাইস ব্যবহার করে সেগুলোকে কোনো কেন্দ্রীয় অবস্থানে থেকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
- বর্তমানে বিভিন্ন শিল্পোন্নত দেশ যেমন-চীন, সিঙ্গাপুর, কোরিয়া ইত্যাদি দেশে গ্লোবাল রেসিডেন্স বা বৈশ্বিক বাসস্থান তৈরি করা হচ্ছে।
- বাসস্থানের নিরাপত্তার জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে আইপি ক্যামেরা।
- রিমোট কন্ট্রোল বা ভয়েস কমান্ডের সাহায্যে গাড়ির গ্যারেজ, ঘরের দরজা-জানালা খোলা বা বন্ধ করা, লাইট, ফ্যান, কম্পিউটার ও টেলিফোন চালু কিংবা বন্ধ করা যায়।
- বাইরে থাকাকালে কোনো মেহমান বাসায় আসলে সিকিউরিটি এলার্মের সাহায্যে মোবাইল ফোনে তা জানা যায় ।
- কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত রোবোটের সাহায্যে চা বানানো, কাপড় ধোয়া, ঘরবাড়ি পরিষ্কার ও ময়লা নিষ্কাশন করা সম্ভব হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান
৩১৬.
ই-কমার্সে পেমেন্ট করার জন্য নিচের কোনটি ব্যবহার করা হয়?
  1. ক্রেডিট কার্ড
  2. পোস্টাল অর্ডার
  3. চেক
  4. উপরের সবগুলোই
ব্যাখ্যা

◉ ই-কমার্স (E-commerce) হলো অনলাইন মাধ্যমে পণ্য বা সেবা ক্রয়-বিক্রয়ের প্রক্রিয়া। এখানে পেমেন্ট করার জন্য ডিজিটাল পদ্ধতিগুলো বেশি ব্যবহৃত হয়।
ক্রেডিট কার্ড (Credit Card), ডেবিট কার্ড (Debit Card), মোবাইল ব্যাংকিং (Bkash, Nagad, PayPal, etc.), এবং অনলাইন ব্যাংক ট্রান্সফার ই-কমার্স পেমেন্টের প্রধান মাধ্যম।
অন্যদিকে, পোস্টাল অর্ডার এবং চেক ডিজিটাল পেমেন্টের জন্য ব্যবহার করা হয় না, কারণ এগুলো দ্রুত ও নিরাপদ নয়।

ই-কমার্স:
- ই-কমার্সের পূর্ণ অর্থ হলো ইলেকট্রনিক কমার্স।
- যে পদ্ধতিতে কোন পণ্য ক্রয় বিক্রয়, অর্ডার নেয়া ও তার মূল্য পরিশোধ থেকে যাবতীয় বাণিজ্যিক কার্যক্রম অনলাইনে সম্পন্ন করা হয় তাকে ই- কমার্স বলে।
- বর্তমানে ই-কমার্স ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে যে সকল পেমেন্ট সিস্টেম প্রচলিত আছে তার মধ্যে অন্যতম হলো ই-পেমেন্ট সিস্টেম অর্থাৎ ব্যাংক লেনদেন, ক্রেডিট কার্ড বা ভিসা কার্ড বা মাস্টার কার্ড, ডেবিট কার্ড, স্মার্ট কার্ড, ই-মানি, ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার, মানিগ্রাম ইত্যাদি।
- তবে আন্তজার্তিকভাবে ই-পেমেন্ট সিস্টেম জনপ্রিয় হলেও আমাদের দেশিয় বা স্থানীয়ভাবে ই-পেমেন্ট সিস্টেমের পাশাপাশি কল-টু-পে, ক্যাশ অন ডেলিভেরি, কুরিয়ার সার্ভিস ডেলিভেরি, নগদ, বিকাশ, শিওর ক্যাশ, রকেট, ডি-ম্যানি ইত্যাদি বেশি প্রচলিত।

উৎস: ই-কমার্স, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৩১৭.
What is the main characteristic of a blockchain?
  1. ক) Centralized
  2. খ) Decentralized
  3. গ) Private
  4. ঘ) Public
ব্যাখ্যা
- The main characteristic of a blockchain is that it is decentralized.
- This means that there is no central authority or intermediary controlling the network. Instead, transactions are recorded and verified by a network of users, making it a secure and transparent system for recording and verifying transactions.

Reference: www.investopedia.com/terms/b/blockchain.asp
৩১৮.
Which protocol is used to receive an E-mail?
  1. SMTP
  2. POP3
  3. IMAP
  4. Both B and C
ব্যাখ্যা
• E-mail: 
- E-mail এর পূর্ণরূপ হলো Electronic Mail.
- ইন্টারনেট ব্যবহার করে ই-মেইল এর মাধ্যমে ডকুমেন্ট বা যেকোনো প্রকার তথ্য পাঠানো যায় মূহুর্তেই। 
- ১৯৭১ সালে Ray Tomlinson সর্বপ্রথম ইন্টারনেটের মাধ্যমে অন্য কম্পিউটারে ই-মেইল পাঠাতে সক্ষম হন।
- রে টমলিনসনকে ই-মেইলের জনক বলা হয়। 
- ই-মেইল সমূহ মেইল সার্ভারে জমা থাকে। 
- ই-মেইল এর ক্ষেত্রে প্রাপকের ঠিকানায় @ চিহ্নটি ব্যবহার করা হয়। ই-মেইল এড্রেসের @ এর আগের অংশটিকে ইউজার নেইম এবং পরের অংশটিকে ডোমেইন নেইম বলে। 
- মেইল পাঠানোর জন্য SMTP (Simple Mail Transfer Protocol) প্রোটোকল এবং গ্রহণের জন্য POP3 (Post Office Protocol), IMAP (Internet Message Access Protocol) প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়। 

ই-মেইলের কিছু গুরুত্বপূর্ণ অংশ:
To
- এখানে যার কাছে মেইল পাঠানো হবে তার মেইল এড্রেস লিখতে হয়। 
- একাধিক এড্রেসে মেইল পাঠাতে হলে কমা(,) দিয়ে একাধিক এড্রেস লিখতে হয়।

Cc (Carbon Copy)
- একাধিক এড্রেসে মেইল পাঠাতে হলে কমা(,) দিয়ে একাধিক এড্রেস লিখতে হয়, এইক্ষেত্রে মেইলটি কাদেরকে পাঠানো হয়েছে তা সকল গ্রাহক দেখতে পারে। 

Bcc(Blind carbon copy)
- একাধিক এড্রেসে মেইল পাঠাতে হলে কমা(,) দিয়ে একাধিক এড্রেস লিখতে হয়, তবে এক্ষেত্রে মেইলটি কাদেরকে পাঠানো হয়েছে তা গ্রাহকের কাছে প্রদর্শিত হয় না।  

Attachment
- ই-মেইলে টেক্সট এর পাশাপাশি বিভিন্ন ফাইল পাঠানোর জন্য Attachment অংশে অ্যাটাচ করে দিতে হয়।  

 উৎস : মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩১৯.
স্মার্ট হোম ডিভাইসগুলোকে স্বয়ংক্রিয় করতে কোন প্ল্যাটফর্মটি বেশি ব্যবহৃত হয়?
  1. Arduino
  2. Adobe Photoshop
  3. Excel
  4. iMovie
ব্যাখ্যা

• স্মার্ট হোম ডিভাইস অটোমেশন বলতে বোঝায় ঘরের বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ডিভাইস যেমন লাইট, ফ্যান, এসি, সিকিউরিটি ক্যামেরা ইত্যাদি স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিয়ন্ত্রণ করার প্রক্রিয়া। এই কাজের জন্য সাধারণত যে প্ল্যাটফর্মটি ব্যবহৃত হয়, তা হলো Arduino. এটি একটি ওপেন-সোর্স ইলেকট্রনিক্স প্ল্যাটফর্ম, যা সেন্সর, রিলে, এবং অন্যান্য ডিভাইসের সাথে সংযুক্ত হয়ে স্বয়ংক্রিয় নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা করে। 

• স্মার্ট হোম প্রযুক্তি:
- স্মার্ট হোম হলো এমন একটি বাসস্থান, যেখানে রিমোট কন্ট্রোলিং বা প্রোগ্রামিং ডিভাইসের সাহায্যে বাড়ির হিটিং সিস্টেম, কুলিং সিস্টেম, লাইটিং সিস্টেম, সিকিউরিটি কন্ট্রোল সিস্টেম ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
- স্মার্ট হোমের পদ্ধতিকে হোম অটোমেশন সিস্টেম (Home Automation System) বলা হয়।
- একটি স্মার্ট হোমে ব্যবহৃত বিভিন্ন ডিভাইস যেমন- টেলিভিশন, এসি, লাইটিং, ফ্যান, সিকিউরিটি ক্যামেরা ইত্যাদি পরিচালনার জন্য আধুনিক প্রযুক্তির মোবাইল বা রিমোট কন্ট্রোলিং ডিভাইস ব্যবহার করে সেগুলোকে কোনো কেন্দ্রীয় অবস্থানে থেকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
- বর্তমানে বিভিন্ন শিল্পোন্নত দেশ যেমন-চীন, সিঙ্গাপুর, কোরিয়া ইত্যাদি দেশে গ্লোবাল রেসিডেন্স বা বৈশ্বিক বাসস্থান তৈরি করা হচ্ছে।
- বাসস্থানের নিরাপত্তার জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে আইপি ক্যামেরা।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

৩২০.
DNS এর পূর্ণরূপ কী?
  1. ক) Domain Name System
  2. খ) Domestic Network System
  3. গ) Domestic Network Synchronizer
  4. ঘ) Domain Network Software
ব্যাখ্যা
DNS stands for Domain Name System.
A DNS is an internet service that translates a domain name into a corresponding IP address.
The domain name used here is alphabetic and can be easily remembered.
For example, www.example.com is a domain name of a site.
Source: Britannica.com
৩২১.
ইন্টারনেটে চিঠি পাঠানোর জন্য নিম্নের কোন প্রোগ্রাম ব্যবহার করতে হয়?
  1. জি-মেইল
  2. ইয়াহু মেসেঞ্জার
  3. ইউটিউব
  4. এক্সেল
ব্যাখ্যা
ই-মেইল (E-mail): 
- ইলেকট্রনিক মেইল (Electronic mail)-এর সংক্ষিপ্ত রূপ হচ্ছে ই-মেইল (E-mail)। 
অর্থাৎ, ইন্টারনেটে চিঠি পাঠানোর জন্য জি-মেইল প্রোগ্রাম ব্যবহার করা হয়। 
- ই-মেইল বলতে বুঝায় কম্পিউটার, ট্যাবলেট, স্মার্টফোন ইত্যাদি ডিজিটাল ডিভাইস দিয়ে নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে একজন বা অনেক জনের সাথে ডিজিটাল তথ্য বিনিময় করা। 
- ১৯৭১ সালে প্রথম ই-মেইল পাঠানো শুরু হয় এবং মাত্র ২৫ বছরের ভেতরে পোস্ট অফিস ব্যবহার করে পাঠানো চিঠি থেকে ই-মেইলের সংখ্যা বেশি হয়ে গিয়েছে। 
- ই-মেইল পাঠানোর জন্য প্রথমেই যিনি পাঠাবেন এবং যিনি পাবেন দুজনেরই ই-মেইলের ঠিকানার দরকার হয়।  
- ই-মেইল ঠিকানাটি @ বর্ণটি দিয়ে ভাগ করা হয়েছে। 
- যদি abc@def.com একটি ই-মেইল ঠিকানা হয়ে থাকে তাহলে @ এর পরের অংশটুকু হচ্ছে ডোমেইন নেইম, যেটি দিয়ে বুঝানো হয় ব্যবহারকারী কোন প্রতিষ্ঠানের সাথে জড়িত। 
- প্রথম অংশটুকু হচ্ছে ব্যবহারকারীর কোনো ধরনের পরিচয়। 

- বর্তমানে ই-মেইল বিনিময় করার অনেক জনপ্রিয় উপায় হচ্ছে ইন্টারনেটের দেওয়া ই-মেইল সার্ভিস। 
যেমন- Gmail, Yahoo, Hotmail ইত্যাদি ই-মেইলের সেবা শুধু যে বিনামূল্যে দেওয়া হয় তা নয়, ব্যবহারকারীর ই-মেইল সংরক্ষণ করার দায়িত্বও গ্রহণ করে থাকে। 
- একটি ই-মেইল একাধিক গ্রাহকের কাছে পাঠানো যায়, প্রয়োজনে ই-মেইলকে অন্য একজনকে ‘কার্বন কপি’ (CC) হিসেবে পাঠানো যায়। 
- ই-মেইলের শুরুতে বিষয় হিসেবে ই-মেইলের বক্তব্যটি একটি শিরোনাম লিখা যায়। 
- শুধু তা-ই নয় ই-মেইলের বিষয়বস্তু লেখার পাশাপাশি তার সাথে অন্য কোনো ডকুমেন্ট, ছবি সংযুক্ত করে পাঠিয়ে দেওয়া যায়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 
৩২২.
Wi-fi এর পূর্ণরূপ কি?
  1. ক) Wireless Fidelity
  2. খ) Worldwide Fare
  3. গ) Worldwide Fidelity
  4. ঘ) None of these
ব্যাখ্যা
'Wi-Fi' এর পূর্ণরূপ-- Wireless Fidelity। ওয়াই-ফাই হচ্ছে একটি জনপ্রিয় তারবিহীন প্রযুক্তি যা ব্যবহার করে কোনো ইলেকট্রনিক ডিভাইসকে উচ্চ গতিসম্পন্ন ইন্টারনেট সংযোগ কিংবা কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ডেটা আদান প্রদান করতে পারে। এটি প্রযুক্তিগতভাবে আইইইই ৮০২.১১বি নামে পরিচিত। উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩২৩.
ভার্চুয়াল রিয়েলিটি কোন ভিত্তির উপর তৈরি?
  1. ডেটা প্রসেসিং ও অটোমেশন
  2. কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্ব
  3. কম্পিউটার প্রযুক্তি ও ক্লাউড স্টোরেজ
  4. অ্যানিমেশন ও মেকানিক্স
ব্যাখ্যা

• কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্ব হলো ভার্চুয়াল রিয়েলিটির (VR) মূল ভিত্তি, কারণ শক্তিশালী কম্পিউটারের মাধ্যমে কৃত্রিম পরিবেশ তৈরি এবং সিমুলেশনের মাধ্যমে সেটিকে বাস্তব মনে করানো হয়।

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR):
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR) হলো কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের ওপর ভিত্তি করে নির্মিত একটি কল্পনাপ্রসূত পরিবেশ, যা ব্যবহারকারীর কাছে বাস্তব মনে হয়।
- প্রযুক্তির ব্যবহার:
- ত্রিমাত্রিক (3D) ইমেজ তৈরি করে।
- ব্যবহারকারী যেন সেই পরিবেশে আছেন এমন অনুভূতি দেয়।

• ব্যবহৃত সফটওয়্যার:
- Vizard,
- VRToolKit,
- 3D Studio Max,
- Maya.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।ো

৩২৪.
Bitcoin উদ্ভাবনের জন্য কে পরিচিত?
  1. Elon Musk
  2. Charles Hoskinson
  3. Vitalik Buterin
  4. Satoshi Nakamoto
ব্যাখ্যা
• বিটকয়েন:
- বিটকয়েন হল সাংকেতিক মুদ্রা বা ডিজিটাল কারেন্সি।
- ওপেন সোর্স ক্রিপ্টোগ্রাফিক প্রোটোকলের মাধ্যমে লেনদেন হয়।
- এই লেনদেনের জন্য কোন নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজন হয় না।
- সাতোশি নাকামোতো নামের এক অজ্ঞাত ব্যক্তি বা দল ২০০৮ সালে এটি তৈরি করেন।

- ২০০৯ সালে বিটকয়েনের প্রচলন হয়।
- এটি বিশ্বের প্রথম ভার্চুয়াল কারেন্সি।
- বিটকয়েনে পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে লেনদেন ওয়ালেট টু ওয়ালেটে সম্পন্ন হয়।
- এই লেনদেনের সকল তথ্য ব্লকচেইন প্রযুক্তির মাধ্যমে সুরক্ষিত থাকে।
- লাতিন আমেরিকার দেশ এল সালভাদর প্রথম দেশ হিসাবে বিটকয়েনকে বৈধ মুদ্রা হিসেবে স্বীকৃতি দেয় এবং বিটকয়েন সিটি নির্মাণের পরিকল্পনা করে।

সূত্র: ব্রিটানিকা।
৩২৫.
কোনটি OpenAI-এর জনপ্রিয় LLM?
  1. YOLO
  2. BERT
  3. GPT
  4. ResNet
ব্যাখ্যা

• OpenAI-এর জনপ্রিয় LLM হলো GPT। GPT এর পুরো নাম হলো Generative Pre-trained Transformer, যা একটি অত্যাধুনিক ভাষা মডেল। এটি বড় পরিমাণে টেক্সট ডেটা থেকে শিখে মানুষের মতো লেখা, প্রশ্নের উত্তর দেওয়া, সংলাপ চালানো এবং জটিল ভাষাগত কাজ সম্পাদন করতে সক্ষম। অন্য অপশনগুলো ভিন্ন উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়। যেমন, YOLO হলো অবজেক্ট ডিটেকশন মডেল, BERT হলো প্রাক-প্রশিক্ষিত ভাষা মডেল কিন্তু OpenAI নয়, এবং ResNet হলো ইমেজ প্রসেসিংয়ের জন্য কনভলিউশনাল নিউরাল নেটওয়ার্ক। তাই, OpenAI-এর তৈরি এবং জনপ্রিয় LLM হল স্পষ্টভাবে GPT.

• LLM মডেল প্রশিক্ষণে GPU ব্র্যান্ড:
- LLM মডেল ট্রেনিংয়ে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত GPU ব্র্যান্ড হলো NVIDIA.
- NVIDIA এর CUDA এবং Tensor Core প্রযুক্তি deep learning কাজের জন্য অত্যন্ত অপ্টিমাইজড।  
- এই প্রযুক্তি মডেল ট্রেনিংয়ের সময় দ্রুত ম্যাট্রিক্স ও টেনসর অপারেশন সম্পাদন করতে সাহায্য করে।  
- AMD ও Intel GPU কিছু ক্ষেত্রে ব্যবহারযোগ্য হলেও NVIDIA এর ecosystem এবং সফটওয়্যার সাপোর্ট সবচেয়ে বড়।  
- Apple এর GPU মূলত মোবাইল বা ডেস্কটপ গ্রাফিক্সের জন্য, বড় LLM ট্রেনিংয়ে ব্যবহার সীমিত।  
- তাই LLM মডেল প্রশিক্ষণে NVIDIA GPU এর ব্যবহার সর্বাধিক।  
- সঠিক উত্তর: ক) NVIDIA.

সূত্র: 
-  OpenAI website.
- IBM. [link]

৩২৬.
".com" ডোমেইন সাধারণত কোন প্রতিষ্ঠান নির্দেশ করে?
  1. সরকারি প্রতিষ্ঠান
  2. অ-লাভজনক প্রতিষ্ঠান
  3. ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান
  4. সামরিক প্রতিষ্ঠান
ব্যাখ্যা
".com" ডোমেইন সাধারণত ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান নির্দেশ করে।

• ই-মেইল এ্যাড্রেস:
- ই-মেইল এ্যাড্রেস হলো প্রতিটি ই-মেইল ব্যবহারকারীর স্বতন্ত্র (Unique) পরিচয়।
- এটি User ID@Domain Name গঠন দ্বারা তৈরি হয়।
উদাহরণ: anik@bdonline.com.bd
- User ID হলো ই-মেইল ব্যবহারকারীর নিজস্ব নাম যা @ চিহ্নের আগে থাকে।
- User ID-তে ইংরেজি অক্ষর, সংখ্যা, চিহ্ন ব্যবহার করা যায়
- @ চিহ্ন ইউজার আইডি ও ডোমেইন নেমকে পৃথক করে।
- Domain Name হলো ই-মেইল প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের পরিচয়।
যেমন: bdonline.com.bd
- Domain Name আবার কয়েকটি অংশে বিভক্ত হয়, যা ডট (.) চিহ্ন দিয়ে আলাদা করা হয়।

• ডোমেইন নামের বিভিন্ন রকম পরিচয়:
.com - ব্যবসায়িক (Commercial) প্রতিষ্ঠান,
.org - অ-লাভজনক (Organization),
.gov - সরকারি (Government) প্রতিষ্ঠান
.mil - সামরিক (Military),
.edu - শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (Educational),
.net - সাধারণ নেটওয়ার্ক/আইএসপি (Network provider).

উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩২৭.
'Hotmail' বর্তমানে কী নামে পরিচিত?
  1. ক) Windows Live Hotmail
  2. খ) MSN Hotmail
  3. গ) Gmail
  4. ঘ) Outlook.com
ব্যাখ্যা
- Outlook.com is the official name of Microsoft's email service, which was formerly known as Hotmail and Windows Live Hotmail.
- Hotmail was initially bought by Microsoft back in 1997.
- One of many small parts of Microsoft’s communication subdivision, both Outlook and Hotmail are essentially one and the same thing.
৩২৮.
আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স এর জনক কে?
  1. জর্জ উইলহেল্ম
  2. জন ম্যাকার্থি
  3. ইলন মাস্ক 
  4. অল্টম্যান
ব্যাখ্যা

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence - Al):
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence (AI) হলো বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তির সমন্বয়।
- মানুষ যেভাবে চিন্তা করে তেমনি কৃত্রিম উপায়ে কম্পিউটারে সেভাবে চিন্তা ভাবনার রূপদান করাকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence (AI) বলে।

⇒ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI)-এর প্রবর্তক John McCarthy।
- ১৯৫৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের MIT এর John McCarthy সর্বপ্রথম আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স শব্দটি উল্লেখ করেন।
- তবে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের জনক হিসেবে কম্পিউটার বিজ্ঞানী অ্যালান টুরিং-কেও ধরে নেয়া হয়।
- কারন ১৯৫০ সালে তাঁর করা টুরিং টেস্ট আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের ভিত্তি স্থাপন করে।
- তবে অনন্য প্রতিভাবান অ্যালান টুরিং পদার্থবিজ্ঞানের জনক হিসেবেই বেশি সমাদৃত।
- আর কম্পিউটার বিজ্ঞানী জন ম্যাকার্থীকেই অধিকাংশের মতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জনক হিসেবে ধরে নেয়া হয়।

⇒ AI এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো কম্পিউটারকে উন্নত করা যাতে কম্পিউটার চিন্তা করার ক্ষমতা, পাশাপাশি দেখতে পারা, শুনতে পারা, হাঁটা এবং অনুভব করার ক্ষমতা পায়।

উৎস: i) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) Britannica.

৩২৯.
ই-পর্চা সেবা বলতে কী বোঝায়?
  1. জমি বা ভূমি সংক্রান্ত তথ্য অনলাইনে সংগ্রহের সেবা
  2. জমি ক্রয়-বিক্রয়ের অনলাইন ব্যবস্থা
  3. ভূমি উন্নয়ন কর আদায়ের পদ্ধতি
  4. ভূমি জরিপ পরিচালনার ডিজিটাল পদ্ধতি
ব্যাখ্যা

• ই-পর্চা সেবা বলতে জমি বা ভূমি সংক্রান্ত তথ্য অনলাইনে সংগ্রহের সেবা।

• ই-পর্চা সেবা:

- ই-পর্চা সেবা হলো জমি বা ভূমি সংক্রান্ত যেকোনো তথ্য দ্রুত ও সহজে অনলাইনের মাধ্যমে সংগ্রহ করার একটি ডিজিটাল ব্যবস্থা।
- পূর্বে জমির রেকর্ড সংগ্রহ করতে সরাসরি ভূমি বা জমি রেজিস্ট্রি অফিসে যেতে হতো, যা ছিল সময়সাপেক্ষ, ব্যয়বহুল এবং ঝামেলাপূর্ণ।
- এই জটিলতা ও ভোগান্তি কমানোর জন্য বর্তমানে চালু করা হয়েছে ই-পর্চা সেবা।
- ই-পর্চা সেবার মাধ্যমে দেশের সকল জমির রেকর্ড অনলাইনে সংরক্ষণ করা হচ্ছে।
- এর ফলে নাগরিকরা অনলাইনের মাধ্যমে সহজেই জমির রেকর্ডের কপি বা পর্চা সংগ্রহ করতে পারছেন।
- বর্তমানে ই-পর্চা সেবার আওতায় আবেদনকারীরা জেলা ও উপজেলা ভূমি অফিস, ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার অথবা ই-সেবা কেন্দ্রের মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন করতে পারেন।
- নির্দিষ্ট ফি প্রদান করে দেশ-বিদেশের যেকোনো স্থান থেকে অনলাইনের মাধ্যমে ই-পর্চা সংগ্রহ করা সম্ভব।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৩০.
ফ্যাক্স কত সালে আবিষ্কৃত হয়?
  1. ১৮৪২ সাল
  2. ১৮৫৬ সাল
  3. ১৮৭৮ সাল
  4. ১৮৮৪ সাল
ব্যাখ্যা
• ফ্যাক্স (Fax):
- বিজ্ঞানী আলেকজান্ডার বেইন ১৮৪২ সালে ফ্যাক্স মেশিন আবিস্কার করেন।
- ফ্যাক্সের পুরো নাম হলো ফ্যাক্সিমিল (Facsimile)।
- কোনো ডকুমেন্টকে হুবহু কপি করে ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে প্রাপকের কাছে পাঠাতে ফ্যাক্স ব্যবহার করা হয়।
- প্রেরক যে ডকুমেন্ট যেমন দলিল, সার্টিফিকেট, ছবি, ডায়াগ্রাম ইত্যাদি প্রাপকের কাছে পাঠাতে চান সে ডকুমেন্ট তার ফ্যাক্স মেশিনের সাহায্যে হুবহু কপি তৎক্ষণাৎ প্রাপকের ফ্যাক্স মেশিনে পাঠাতে পারেন এবং প্রাপক তার মেশিন থেকে সেই ডকুমেন্টের প্রিন্ট কপি পেয়ে যান।

উৎস:
১. পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
৩৩১.
ই-কমার্সে পণ্য প্রাপ্তির পর মূল্য পরিশোধ করার পদ্ধতিকে কী বলে?
  1. COD
  2. COC
  3. DOP
  4. POD
ব্যাখ্যা
- ই-কমার্সে পন্য প্রাপ্তির পর মূল্য পরিশোধ করার পদ্ধতিকে COD (Cash on Delivery) বলে।

• ই-কমার্স:
- ই-কমার্সের পূর্ণ অর্থ হলো ইলেকট্রনিক কমার্স।
- যে পদ্ধতিতে কোন পণ্য ক্রয় বিক্রয়, অর্ডার নেয়া ও তার মূল্য পরিশোধ থেকে যাবতীয় বাণিজ্যিক কার্যক্রম অনলাইনে সম্পন্ন করা হয় তাকে ই- কমার্স বলে।

• ই-কমার্স এর বৈশিষ্ট্যসমূহ-
১. ই-কমার্সের মাধ্যমে ব্যবসায়িক ফলাফল যেকোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানই ভোগ করতে পারে।
২. ই-কমার্স পণ্য ক্রয়-বিক্রয়ের ক্ষেত্র সর্বজনীন।
৩. ই-কমার্সের মাধ্যমে ব্যবসায় শুরু করার জন্য কোনো আইনগত জটিলতা নেই।
৪. আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন, সঠিক মূল্য এবং সময়ের সাথে মানানসই।
৫. মূলত ই কমার্স ইন্টারনেটের মাধ্যমে তার কার্যক্রম পরিচালনা করে।
৬. ই-কমার্সে যে প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয় তার খরচ অনেক কম। ফলে সুবিধা গ্রহণ করতে পারছে।
৭. ই-কমার্স বিভিন্ন ধরনের ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ড পরিচালনাতেও জটিলতা অনেকাংশে কমায়। যেমন দ্রব্য ও সেবা বিজ্ঞ ভাড়া ও সরবরাহসংক্রান্ত ব্যবসায় ই-কমার্স বিশেষ সুবিধা ও সুযোগ সৃষ্টি করছে।
৮. ই-কমার্সের মাধ্যমে সারা বিশ্বে ব্যবসায় পরিচালনা করা সম্ভব।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
৩৩২.
স্মার্ট হোমে ডিভাইস নিয়ন্ত্রণের জন্য কোন পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়?
  1. Home Automation System
  2. Digital Assistance System
  3. Communication Control System
  4. Security Control System
ব্যাখ্যা
⚪ সঠিক উত্তর হবে:

ক) Home Automation System

স্মার্ট হোমে বিভিন্ন ডিভাইস নিয়ন্ত্রণের জন্য Home Automation System ব্যবহার করা হয়। এই সিস্টেমের মাধ্যমে ঘরের আলো, তাপমাত্রা, সুরক্ষা ব্যবস্থা, গৃহস্থালী যন্ত্রপাতি ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণ করা হয়, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বা রিমোটের মাধ্যমে পরিচালিত হতে পারে।

⚪ স্মার্ট হোম প্রযুক্তি:

- স্মার্ট হোম হলো এমন একটি বাসস্থান, যেখানে রিমোট কন্ট্রোলিং বা প্রোগ্রামিং ডিভাইসের সাহায্যে বাড়ির হিটিং সিস্টেম, কুলিং সিস্টেম, লাইটিং সিস্টেম, সিকিউরিটি কন্ট্রোল সিস্টেম ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
- স্মার্ট হোম প্রযুক্তিতে ডিজিটাল পদ্ধতি ব্যবহার করে হোম অটোমেশন চালু করা হয়।
- স্মার্ট হোমের পদ্ধতিকে হোম অটোমেশন সিস্টেম (Home Automation System) বলা হয়।
- একটি স্মার্ট হোমে ব্যবহৃত বিভিন্ন ডিভাইস যেমন- টেলিভিশন, এসি, লাইটিং, ফ্যান, সিকিউরিটি ক্যামেরা ইত্যাদি পরিচালনার জন্য আধুনিক প্রযুক্তির মোবাইল বা রিমোট কন্ট্রোলিং ডিভাইস ব্যবহার করে সেগুলোকে কোনো কেন্দ্রীয় অবস্থানে থেকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
- বর্তমানে বিভিন্ন শিল্পোন্নত দেশ যেমন-চীন, সিঙ্গাপুর, কোরিয়া ইত্যাদি দেশে গ্লোবাল রেসিডেন্স বা বৈশ্বিক বাসস্থান তৈরি করা হচ্ছে।
- বাসস্থানের নিরাপত্তার জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে আইপি ক্যামেরা।
- রিমোট কন্ট্রোল বা ভয়েস কমান্ডের সাহায্যে গাড়ির গ্যারেজ, ঘরের দরজা-জানালা খোলা বা বন্ধ করা, লাইট, ফ্যান, কম্পিউটার ও টেলিফোন চালু কিংবা বন্ধ করা যায়।
- বাইরে থাকাকালে কোনো মেহমান বাসায় আসলে সিকিউরিটি এলার্মের সাহায্যে মোবাইল ফোনে তা জানা যায় ।
- কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত রোবোটের সাহায্যে চা বানানো, কাপড় ধোয়া, ঘরবাড়ি পরিষ্কার ও ময়লা নিষ্কাশন করা সম্ভব হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৩৩৩.
Advanced medical treatment through internet is called-
  1. E-treatment
  2. e-services
  3. Telemedicine
  4. Electromedicine
ব্যাখ্যা
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে উন্নত চিকিৎসা পদ্ধতিকে টেলিমেডিসিন বলা হয়। 
- তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে দূরবর্তী স্থান থেকে কিংবা রোগী কে চাক্ষুষ না দেখেও চিকিৎসা সেবা প্রদানের পদ্ধতি কে টেলিমেডিসিন বলে।
- এ পদ্ধতিতে চিকিৎসকরা স্বাস্থ্য সেবা সম্পর্কিত পরামর্শ প্রদানের পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের সার্জারিতেও অংশ নিয়ে থাকে।
- ইন্টারনেটের ব্যাপক প্রসারের ফলে দূরবর্তী স্থানেও টেলিডিসিন সেবার মাধ্যমে উন্নত চিকিৎসা সেবা প্রদান করা সম্ভব হচ্ছে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (মাহবুবুর রহমান)।
৩৩৪.
গুগল কোন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছে?
  1. DeepSeek
  2. Alexa
  3. Siri
  4. Gemini
ব্যাখ্যা

• গুগলের তৈরি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নাম Gemini. এটি একটি আধুনিক AI প্ল্যাটফর্ম যা বিভিন্ন ধরনের কাজ সম্পাদন করতে সক্ষম, যেমন ভাষা বোঝা, তথ্য বিশ্লেষণ, ছবি চিনতে পারা এবং স্বয়ংক্রিয়ভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া। 
 
• কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা:
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা হচ্ছে বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তির সমন্বয়।
- মানুষ যেভাবে চিন্তা করে তেমনি কৃত্রিম উপায়ে কম্পিউটারে সেভাবে চিন্তা ভাবনার রূপদান করাকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বলে।
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রধান উদ্দেশ্য হলো কম্পিউটারকে উন্নত করা যাতে কম্পিউটার চিন্তা করার ক্ষমতা, পাশাপাশি দেখতে পারা, শুনতে পারা, হাঁটা এবং অনুভব করার ক্ষমতা পায়।

• কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় যেসব স্বতন্ত্র্য বৈশিষ্ট্য পরিলক্ষিত হয় তা নিম্নরূপ:
১। কোন বিষয় সম্পর্কে ধারণা গ্রহণ।
২। সমস্যার কারণ নির্ণয়পূর্বক সমাধানের পথ নির্দেশ।
৩। সিদ্ধান্ত গ্রহণ ক্ষমতা।
৪। সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা।
৫।নতুন নতুন জ্ঞান অর্জন।
৬। ভাষা বুঝার ক্ষমতা।
৭। অর্জিত জ্ঞান কাজে লাগাবার মত সক্ষমতা।
৮। মানুষের মত অভিজ্ঞতা কাজে লাগানো।
৯। পরস্পর সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয় অনুধাবন এবং সাড়া দেয়ার ক্ষমতা।
১। ভুল, অপ্রাসঙ্গিক এবং অসম্পূর্ণ তথ্য-উপাত্ত পরিচালনা।
১১। জটিল অবস্থা অনুধাবন ও পরিচালনার ক্ষমতা।
১২। নতুন পরিস্থিতিতে খাপ খাইয়ে নেয়ার ক্ষমতা; ইত্যাদি।

- গুগলের তৈরিকৃত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নাম জেমিনি।
- জেমিনি নামের এই এআই একই সঙ্গে ছবি, ভিডিও, অডিও ও টেক্সটের মতো বিভিন্ন ধরনের মাল্টিমিডিয়া বুঝতে পারে এবং সে অনুযায়ী উত্তর দিতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৩৫.
ই-মেইল সার্ভার থেকে মেইল ডাউনলোড করার জন্য কী ধরনের প্রটোকল প্রয়োগ করা হয়?
  1. POP
  2. SMTP
  3. HTTP
  4. FTP
ব্যাখ্যা
• ইমেইল সংক্রান্ত প্রোটোকলসমূহ:
- ইমেইল সার্ভারে POP, IMAP এবং SMTP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।

- POP:
- POP এর পূর্ণরূপ হল Post Office Protocol.
- ব্যবহারকারী যে সকল মেইল গ্রহণ করে বা তার কাছে আসে সেগুলোকে অন্তর্মুখী বা ইনকামিং মেইল বলা হয়।
- ই-মেইল সার্ভার থেকে কোনো ইমেইল ডাউনলোড করার ক্ষেত্রে POP প্রটোকল ব্যবহার করা হয়
- মেইল সার্ভার থেকে ইনকামিং মেইল গ্রহণ করার জন্য সর্বাধিক জনপ্রিয় প্রোটোকল POP3.

- SMTP:
- SMTP এর পূর্ণরূপ হল Simple Mail Transfer Protocol.
- মেল সার্ভার এবং অন্যান্য বার্তা স্থানান্তর এজেন্ট মেল বার্তা পাঠাতে এবং গ্রহণ করতে SMTP ব্যবহার করে।

- IMAP:
- IMAP এর পূর্ণরূপ হল Internet Message Access Protocol.
- IMAP প্রটোকল ব্যবহার করে মেইল বক্সে শুধু প্রবেশ করা যায়।

উৎস: মাইক্রোসফট।
৩৩৬.
বঙ্গবন্ধু-২ স্যাটেলাইট নির্মাণে সহায়তাকারী দেশ কোনটি?
  1. রাশিয়া
  2. ফ্রান্স
  3. ভারত
  4. জার্মানি
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-২:
- দেশের দ্বিতীয় স্যাটেলাইট ‘বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-২’।
- এর ধরন নির্ধারণের জন্য ফ্রান্সের প্রাইস ওয়াটার হাউস কুপার্সকে (পিডব্লিউসি) নিয়োগ দিয়েছে বিএসসিএল। 
- এটি একটি আর্থ অবজারভেশন স্যাটেলাইট।
- এই স্যাটেলাইটটি আবহাওয়া, নজরদারি বা নিরাপত্তাসংক্রান্ত কাজে ব্যবহৃত হবে।
- ২০২৩ সালে মহাকাশে যাচ্ছে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-২। 

উল্লেখ্য,
- ২০১৮ সালের ১২ মে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ মহাকাশে উৎক্ষেপণের মাধ্যমে বিশ্বের ৫৭তম দেশ হিসেবে স্যাটেলাইটের অভিজাত ক্লাবে প্রবেশ করে বাংলাদেশ।

উৎস: ৬ মার্চ, ২০২৩, দৈনিক ইত্তেফাক।
৩৩৭.
ইমেইল প্রোটোকল 'IMAP' এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Internal Message Access Protocol
  2. Internet Message Access Protocol
  3. Internet Message Advanced Protocol
  4. Internet Multiple Access Protocol
ব্যাখ্যা

• Internet Message Access Protocol (IMAP) হলো একটি স্ট্যান্ডার্ড প্রোটোকল যা ইমেইল সার্ভার থেকে ইমেইল বার্তাগুলো গ্রহণ এবং পরিচালনা করতে ব্যবহৃত হয়।

• ইমেইল সংক্রান্ত প্রোটোকলসমূহ:
- ইমেইল সার্ভারে POP, IMAP এবং SMTP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।

• POP: 
- POP এর পূর্ণরূপ হল Post Office Protocol.
- ব্যবহারকারী যে সকল মেইল গ্রহণ করে বা তার কাছে আসে সেগুলোকে অন্তর্মুখী বা ইনকামিং মেইল বলা হয়।
- মেইল সার্ভার থেকে ইনকামিং মেইল গ্রহণ করার জন্য সর্বাধিক জনপ্রিয় প্রোটোকল POP3.

• SMTP:
- SMTP এর পূর্ণরূপ হল Simple Mail Transfer Protocol.
- মেল সার্ভার এবং অন্যান্য বার্তা স্থানান্তর এজেন্ট মেল বার্তা পাঠাতে এবং গ্রহণ করতে SMTP ব্যবহার করে।

 • IMAP:
- IMAP এর পূর্ণরূপ হল Internet Message Access Protocol.
- IMAP প্রটোকল ব্যবহার করে মেইল বক্সে শুধু প্রবেশ করা যায়।

উৎস: মাইক্রোসফট ও ব্রিটানিকা।

৩৩৮.
নিম্নলিখিত কোনটি IIoT-এর কার্যকর উদাহরণ?
  1. কারখানার সেন্সর যা যন্ত্রের ব্যর্থতা পূর্বাভাস দেয়
  2. বাড়ির স্মার্ট থার্মোস্ট্যাট
  3. স্মার্টফোন যা আপনার পদক্ষেপ ট্র্যাক করে
  4. একটি ফিটনেস অ্যাপ যা ক্যালোরি বার্ন দেখায়
ব্যাখ্যা

• “কারখানার সেন্সর যা যন্ত্রের ব্যর্থতা পূর্বাভাস দেয়” (ক) হলো IIoT-এর কার্যকর উদাহরণ। IIoT বা Industrial Internet of Things মূলত শিল্প ও উৎপাদন ক্ষেত্রে সংযুক্ত সেন্সর, যন্ত্র ও ডিভাইসের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ এবং বিশ্লেষণকে বোঝায়। এই সেন্সরগুলি যন্ত্রপাতির অবস্থা পর্যবেক্ষণ করে, সমস্যা বা ব্যর্থতার আগাম সতর্কবার্তা দেয় এবং উৎপাদন প্রক্রিয়ার দক্ষতা বাড়ায়। অন্যদিকে, বাড়ির স্মার্ট থার্মোস্ট্যাট, স্মার্টফোন বা ফিটনেস অ্যাপ ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য এবং শিল্প উৎপাদনের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। সুতরাং, ক) অপশনটি IIoT-এর প্রকৃত উদাহরণ।

• ইন্টারনেট অফ থিংস (Internal of things - IoT):
- ইন্টারনেট অফ থিংস (IOT) হলো পারস্পরিক সম্পর্কযুক্ত এমন একটি সনাক্তকারী কম্পিউটিং ডিভাইস, যা একটি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে মানুষের সাথে মানুষের বা মানুষের সাথে কম্পিউটারের মধ্যে ডেটা স্থানান্তর করতে সাহায্য করে।
- এটি ইন্টারনেটের সাথে শারীরিক ডিভাইস এবং দৈনন্দিন বস্তুকে সংযুক্ত করার ধারণাকে বোঝায়, তাদের ডেটা সংগ্রহ এবং বিনিময় করার অনুমতি দেয়।
- এই সংযুক্ত ডিভাইসগুলি স্মার্ট থার্মোস্ট্যাট এবং রেফ্রিজারেটরের মতো গৃহস্থালীর যন্ত্রপাতি থেকে শুরু করে শিল্প মেশিন, পরিধানযোগ্য এবং যানবাহন পর্যন্ত হতে পারে।
- IoT-এর প্রাথমিক লক্ষ্য হল এই ডিভাইসগুলিকে একে অপরের সাথে এবং কেন্দ্রীভূত সিস্টেম বা ক্লাউড প্ল্যাটফর্মের সাথে যোগাযোগ করতে সক্ষম করা।

• IoT এর উদাহরণ:
- স্মার্ট হোম ডিভাইস (যেমন স্মার্ট লাইট, স্মার্ট থার্মোস্ট্যাট)।
- ওয়্যারেবল ডিভাইস (যেমন ফিটনেস ট্র্যাকার)।
- শিল্পক্ষেত্রে স্বয়ংক্রিয় যন্ত্রপাতি (Industrial IoT)।

• IIoT-এর কার্যকর উদাহরণ (Industrial Internet of Things):
- IIoT হলো ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিস্টেমে সংযুক্ত সেন্সর, যন্ত্রপাতি ও ডিভাইস ব্যবহার করে ডেটা সংগ্রহ এবং বিশ্লেষণ করার প্রক্রিয়া।  
- এর মাধ্যমে উৎপাদন প্রক্রিয়া উন্নত করা, যন্ত্রের ব্যর্থতা পূর্বাভাস দেওয়া, এবং অপারেশনাল কার্যকারিতা বৃদ্ধি করা যায়।  
- এটি মূলত শিল্প ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, যেমন- ফ্যাক্টরি, উৎপাদন ইউনিট, বা বড় যন্ত্রপাতি পরিচালনার জন্য।  
- উদাহরণস্বরূপ, একটি কারখানার সেন্সর যা যন্ত্রের ব্যর্থতা পূর্বাভাস দেয়, এটি IIoT-এর সঠিক উদাহরণ।  
- অন্যদিকে, বাড়ির স্মার্ট থার্মোস্ট্যাট, স্মার্টফোনের স্টেপ কাউন্টার, বা ফিটনেস অ্যাপ সাধারণ IoT বা পার্সোনাল ডিভাইসের উদাহরণ, IIoT নয়।  

উৎস: ব্রিটানিকা

৩৩৯.
নিচের কোনটি সামাজিক যোগাযোগের সাইট নয়?
  1. লিংকড-ইন
  2. ফেসবুক
  3. ইউটিউব
  4. টুইটার
ব্যাখ্যা
সামাজিক যোগাযোগের সাইট :
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আমাদের সামাজিক যোগাযোগকে দ্রুত, আকর্ষণীয়, এবং কার্যকরী করে তুলেছে।
- ইন্টারনেটে গড়ে উঠেছে বেশকিছু সামাজিক যোগাযোগের সম্পূর্ণ সাইট।
- নিজের ভালো-লাগা মন্দলাগা, অনুষ্ঠানাদি, চাকরিতে প্রমোশন, সন্তানাদির বিয়ে ইত্যাদি নানা বিষয়ের তথ্য, ছবি কিংবা ভিডিও বিনিময় করা যায় এগুলোর যে কোনো একটি থেকে।
- বর্তমানে প্রায় শতাধিক এরকম ওয়েবসাইট রয়েছে।
- এগুলোর মধ্যে ফেসবুক (www.facebook.com), লিংকড-ইন (Linked in.com) গুগল প্লাস (plus.google.com), টুইটার (www.twitter.com) অন্যতম। 
- ইউটিউব হচ্ছে ভিডিও শেয়ারিং সাইট।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণী।
৩৪০.
নিম্নোক্ত কোন ফাইল এক্সটেনশনটি ইমেইল ফাইলের জন্য ব্যবহৃত হয় না?
  1. .msg
  2. .pst
  3. .ost
  4. .txt
ব্যাখ্যা
• ইমেইল ফাইল সংরক্ষণের জন্য সাধারণত .msg, .pst, এবং .ost ফাইল এক্সটেনশনগুলি ব্যবহার করা হয়। .msg ফাইল এক্সটেনশনটি একটি পৃথক ইমেইল মেসেজ সংরক্ষণ করে, যা মাইক্রোসফট আউটলুকে ব্যবহৃত হয়। .pst (Personal Storage Table) এবং .ost (Offline Storage Table) ফাইল দুটি মাইক্রোসফট আউটলুকে ইমেইল, ক্যালেন্ডার, কন্টাক্টস ইত্যাদি তথ্য সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- অন্যদিকে, .txt ফাইল এক্সটেনশন সাধারণত সাধারণ টেক্সট ডকুমেন্ট সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়, যা ইমেইল ফাইল হিসেবে নয়। তাই, .txt ফাইল এক্সটেনশনটি ইমেইল ফাইল হিসেবে ব্যবহৃত হয় না।


• ই-মেইল: 
- ইন্টারনেট ব্যবহার করে ই-মেইল এর মাধ্যমে ডকুমেন্ট বা যেকোনো প্রকার তথ্য পাঠানো যায় মূহুর্তেই। 
- ই-মেইল সমূহ মেইল সার্ভারে জমা থাকে। 
- ই-মেইল এর ক্ষেত্রে প্রাপকের ঠিকানায় @ চিহ্নটি ব্যবহার করা হয়। ই-মেইল এড্রেসের @ এর আগের অংশটিকে ইউজার নেইম এবং পরের অংশটিকে ডোমেইন নেইম বলে। 
- মেইল পাঠানোর জন্য SMTP প্রোটোকল এবং গ্রহণের জন্য POP3 ও IMAP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়। 

• ইমেইল ফাইল এক্সটেনশনমূহ:
.email - Outlook Express e-mail message file.
.eml - E-mail message file from multiple e-mail clients, including Gmail.
.emlx - Apple Mail e-mail file.
.msg - Microsoft Outlook e-mail message file.
.oft - Microsoft Outlook e-mail template file.
.ost - Microsoft Outlook offline e-mail storage file.
.pst - Microsoft Outlook e-mail storage file.
.vcf - E-mail contact file.

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৪১.
ই-মেইলের সাথে অন্য প্রোগ্রামে তৈরি ফাইল যুক্ত করে পাঠানোর প্রক্রিয়াকে কী বলা হয়?
  1. Upload
  2. Download
  3. Attachment
  4. Backup 
ব্যাখ্যা

 ই-মেইলের সাথে অন্য প্রোগ্রামে তৈরি ফাইল যুক্ত করে পাঠানোর প্রক্রিয়াকে Attachment বলা হয়।

• ই-মেইল (E-mail):
- ই-মেইল হলো কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে তথ্য আদান–প্রদানের ব্যবস্থা।
- লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (LAN) ব্যবহার করে সীমিত এলাকার মধ্যে এবং ইন্টারনেটের মাধ্যমে সারা বিশ্বের যেকোনো স্থানে ই-মেইল পাঠানো যায়।
 
• ই-মেইল প্রেরণ ও গ্রহণের প্রক্রিয়া:
- বিভিন্ন ই-মেইল প্রোগ্রাম ব্যবহার করে ই-মেইল পাঠানো হয়।
- ই-মেইল প্রোগ্রামে বার্তা টাইপ করে প্রাপকের ঠিকানা নির্ধারণ করে Send নির্দেশ দিলে,
- মেইলটি সরাসরি প্রাপকের কম্পিউটারে না গিয়ে,
- তার টার্মিনাল, ওয়ার্কস্টেশন অথবা সার্ভারে সংরক্ষিত হয়।
- প্রাপক মেইল চেক করার নির্দেশ দিলে, সার্ভার থেকে মেইলটি প্রাপকের কম্পিউটারে পৌঁছে যায়।
 
• ই-মেইলের বৈশিষ্ট্য:
- একটি ই-মেইল একই সঙ্গে একাধিক প্রাপকের কাছে পাঠানো যায়।
- অন্য কোনো প্রোগ্রামে তৈরি ফাইল, যেমন— MS Word ফাইল, ই-মেইলের সাথে যুক্ত করে পাঠানো যায়।
- ই-মেইলের সাথে ফাইল যুক্ত করার প্রক্রিয়াকে ফাইল অ্যাটাচমেন্ট (Attachment) বলা হয়।
- অ্যাটাচমেন্টের মাধ্যমে ডকুমেন্ট, ছবি, অডিও ও ভিডিও ফাইল পাঠানো সম্ভব।

• Other Options:
ক) Upload
→ এটি সার্ভারে ফাইল তোলার প্রক্রিয়া।

খ) Download
→ এটি সার্ভার থেকে ফাইল গ্রহণ করার প্রক্রিয়া।

ঘ) Backup
→ এটি ডাটার নিরাপত্তার জন্য সংরক্ষণ প্রক্রিয়া।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৪২.
বিশ্বগ্রাম প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজনীয় উপাদানগুলির মধ্যে কোনটি অন্তর্ভুক্ত নয়? 
  1. হার্ডওয়্যার
  2. সক্ষমতা
  3. ভৌগোলিক সীমাবদ্ধতা
  4. কানেকটিভিটি
ব্যাখ্যা
- বিশ্বগ্রাম প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজনীয় উপাদানগুলির মধ্যে অন্তর্ভুক্ত নয়- ভৌগোলিক সীমাবদ্ধতা। 

বিশ্বগ্রাম: 

- বর্তমানে Global শব্দটির সাথে Village শব্দটি ব্যবহৃত হয়ে Global Village নামক একটি নতুন ধারণা প্রচলিত হয়েছে যার অর্থ হলো বৈশ্বিক গ্রাম বা বিশ্বায়ন। 
- বিভিন্ন ধরনের মিডিয়া বিশেষ করে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব এর ব্যাপক ব্যবহার ও প্রভাবে আজ বিশ্বের যে কোন দেশের মানুষ অন্য দেশের মানুষের সাথে খুব সহজেই যোগাযোগ করতে পারাই হচ্ছে মূলত বিশ্বগ্রামের ধারণা। 
- কানাডার টরেন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ও বিখ্যাত দার্শনিক মারশেল ম্যাকলুহান সর্বপ্রথম গ্লোবাল ভিলেজ বা বৈশ্বিক গ্রাম কথাটি ব্যবহার করেন। 
- তাঁর মতে, ' ইলেকট্রনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে সারা বিশ্বকে একটি গ্রামে পরিণত করাই হলো বিশ্বগ্রাম'। 

বিশ্বগ্রাম প্রতিষ্ঠার উপাদানসমূহ: 
- বিশ্বগ্রাম প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজনীয় উপাদানসমূহ হলো- 
১। হার্ডওয়্যার (Hardware): 
- বিশ্বগ্রামে যে কোন ধরনের তথ্য আদান-প্রদানের জন্য প্রয়োজন উপযুক্ত হার্ডওয়্যার সামগ্রীর। 
- হার্ডওয়্যারের মধ্যে রয়েছে কম্পিউটার এবং এর সাথে যুক্ত পেরিফেরাল যন্ত্রপাতি, মোবাইল ফোন, স্যাটেলাইট, অডিও-ভিডিও রেকর্ডার, রেডিও, টেলিভিশন ইত্যাদি। 

২। সফটওয়্যার (Software): 
- বিশ্বগ্রাম প্রতিষ্ঠার জন্য হার্ডওয়‍্যারের পাশাপাশি প্রয়োজন সফটওয়্যার। 
- সফটওয়‍্যারের মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন সিস্টেম সফটওয়‍্যার, এ্যাপ্লিকেশন সফটওয়‍্যার, ব্রাউজিং সফটওয়্যার, কমিউনিকেটিং সফটওয়্যার, প্রোগ্রামিং ভাষা ইত্যাদি। 

৩। কানেকটিভিটি (Connectivity): 
- বিশ্বগ্রামের প্রতিটি মানুষ যাতে নিরাপদে তথ্য ও উপাত্ত আদান-প্রদান করতে পারে এবং পরস্পরের সাথে যোগাযোগ করতে পারে সেজন্য প্রয়োজন নেটওয়‍্যার্ক বা কানেকটিভিটি। 
- বিশ্বের তথ্য ভান্ডারের সাথে সার্বক্ষণিকভাবে বা প্রয়োজনে যুক্ত থেকে তথ্য প্রাপ্তি নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে কানেকটিভিটি মূল ভূমিকা পালন করে। 

৪। উপাত্ত ও তথ্য (Data and Information): 
- উপাত্তকে প্রসেসিং বা প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমেই ব্যবহারযোগ্য তথ্যে পরিণত করা হয়। 
- বিশ্বগ্রামে উপাত্ত ও তথ্যকে মানুষের প্রয়োজনে একে অপরের সাথে বিনামূল্যে বা অর্থের বিনিময়ে শেয়ার করতে হয়। 

৫। সক্ষমতা (Capacity): 
- বিশ্বগ্রামের উপাদানগুলোর মধ্যে মানুষের সক্ষমতা অন্যতম। 
- যেহেতু বিশ্বগ্রাম মূলত তথ্য প্রযুক্তি নির্ভর তাই এ বিষয়ে মানুষের সচেতনতা, স্বাক্ষরতা ও সক্ষমতা ইত্যাদির উপর এর প্রয়োগ অনেকাংশে নির্ভর করছে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৪৩.
নিচের বিকল্পগুলোর মধ্যে কোনটি আচরণগত বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতির আওতায় পড়ে না?
  1. আঙ্গুলের ছাপ যাচাইকরণ
  2. কিবোর্ড টাইপিং গতি যাচাইকরণ
  3. হাতে করা স্বাক্ষর যাচাইকরণ
  4. কণ্ঠস্বর যাচাইকরণ
ব্যাখ্যা
⚪ আঙ্গুলের ছাপ যাচাইকরণ একটি শারীরিক (physiological) বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি, যেখানে মানুষের শারীরিক বৈশিষ্ট্যের ওপর ভিত্তি করে পরিচয় নির্ধারণ করা হয়।

⚪ বায়োমেট্রিক্স (Biometrics):
- মানুষের দৈহিক গঠন বা আচরণগত বৈশিষ্ট্য পরিমাপের ভিত্তিতে কোনো ব্যক্তিকে অদ্বিতীয়ভাবে শনাক্ত করার জন্য ব্যবহৃত প্রযুক্তিকে বায়োমেট্রিক্স বলে। 
- একজন মানুষের সাথে অন্য মানুষের আচরণ বা গাঠনিক বৈশিষ্ট্য কখনোই একরকম হবে না। 

- বৈশিষ্ট্যের ভিন্নতার বায়োমেট্রিক্সের প্রকারভেদ দুই রকম। যথা- 
১। শারীরবৃত্তীয় বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
• আঙ্গুলের ছাপ শনাক্তকরণ,
• হাতের রেখা শনাক্তকরণ,
• আইরিশ শনাক্তকরণ,
• মুখমন্ডলের অবয়ব শনাক্তকরণ, 
• ডিএনএ পর্যবেক্ষণ।

২। আচরণগত বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
• কিবোর্ড টাইপিং গতি যাচাইকরণ,
• হাতে করা স্বাক্ষর যাচাইকরণ,
• কণ্ঠস্বর যাচাইকরণ।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৩৪৪.
ই-কমার্সের অন্তর্ভূক্ত নয় কোনটি?
  1. ক) বিপণন
  2. খ) কুরিয়ার
  3. গ) লেনদেন
  4. ঘ) ই-মেইল
ব্যাখ্যা
কুরিয়ার সার্ভিস ই-কমার্সের অন্তর্ভূক্ত নয়।
ই-কমার্সে ই-মেইল, বিপণন ও লেনদেন সব কিছুই সম্পন্ন হয়।

উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী)--প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩৪৫.
নিচের কোনটি ই-মেইল ডোমেইন নামের অংশ নয়?
  1. .zip
  2. .org
  3. .net
  4. .mil
ব্যাখ্যা

• .zip হলো কম্প্রেসড ফাইলের এক্সটেনশন, এটি কখনো ই-মেইল বা ওয়েব ডোমেইন নামের অংশ হয় না।

• ই-মেইল এ্যাড্রেস:
- ই-মেইল এ্যাড্রেস হলো প্রতিটি ই-মেইল ব্যবহারকারীর স্বতন্ত্র (Unique) পরিচয়।
- এটি User ID@Domain Name গঠন দ্বারা তৈরি হয়।
- উদাহরণ: anik@bdonline.com.bd
- User ID হলো ই-মেইল ব্যবহারকারীর নিজস্ব নাম যা @ চিহ্নের আগে থাকে।
- User ID-তে ইংরেজি অক্ষর, সংখ্যা, চিহ্ন ব্যবহার করা যায়
- @ চিহ্ন ইউজার আইডি ও ডোমেইন নেমকে পৃথক করে।
- Domain Name হলো ই-মেইল প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের পরিচয়। যেমন: bdonline.com.bd।
- Domain Name আবার কয়েকটি অংশে বিভক্ত হয়, যা ডট (.) চিহ্ন দিয়ে আলাদা করা হয়।

• ডোমেইন নামের বিভিন্ন রকম পরিচয়:
.com - ব্যবসায়িক (Commercial) প্রতিষ্ঠান,
.org - অ-লাভজনক (Organization),
.gov - সরকারি (Government) প্রতিষ্ঠান,
.mil - সামরিক (Military),
.edu - শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (Educational),
.net - সাধারণ নেটওয়ার্ক/আইএসপি (Network provider).

উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৪৬.
এক বা একাধিক ক্রেতা ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের মধ্য খুচরা বা পাইকারি লেনদেনসমূহ কোন ধরণের ই-কমার্সের অন্তর্গত?
  1. B2C
  2. B2B
  3. C2B
  4. C2C
ব্যাখ্যা
• ই-কমার্সের প্রকারভেদ:
- ডিজিটাল উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণ এবং সঞ্চারণের মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায় সংক্রান্ত আদান-প্রদানকে ই-কমার্স বলে।
- ই-কমার্স সিস্টেমে ইন্টারনেট, এক্সট্রানেট এবং ইন্ট্রানেট প্রযুক্তি ব্যবহার করে ব্যবসা, ভোক্তা এবং অন্যান্য সহযোগী সংস্থার মধ্যে সংযোগ সাধন করা হয়।
- সেবা ও পণ্য লেনদেনের ভিত্তিতে ই-কমার্সকে সাধারণত চারটি ক্যাটাগরিতে বিভক্ত করা যায়।
যথা-
১। ব্যবসা থেকে ব্যবসা (Business to Business- B2B):
- দুটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে পাইকারি কেনাবেচাকে বিজনেস টু বিজনেস (B2B) বলা হয়।
- B2B ই-কমার্সের উদাহরণ: alibaba.com, sindabad.com ইত্যাদি।

২। ব্যবসা থেকে ভোক্তা (Business to Consumer- B2C):
- এক বা একাধিক ক্রেতা ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের মধ্য খুচরা বা পাইকারি লেনদেনসমূহ বিজনেস টু কনজিউমার (B2C)-এর অন্তর্গত
- B2C ই-কমার্সের উদাহরণ: amazon.com, rokomari.com, othoba.com ইত্যাদি।

৩। ভোক্তা থেকে ব্যবসা (Consumer to Business- C2B):
- যখন কোনো ভোক্তা এককভাবে অন্য কোনো ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের সাথে সরাসরি লেনদেন করে তখন তাকে ভোক্তা থেকে ব্যবসায় বা কনজিউমার টু বিজনেস বলা হয়।
- এ ধরনের সিস্টেমে ভোক্তারা বা গ্রাহকরা সাধারণত কোনো বিজনেস সাইট থেকে পণ্য ক্রয়ের পরিবর্তে পণ্য ও সেবা বিক্রয় করে থাকে।
- C2B ই-কমার্সের উদাহরণ: monster.com, ajkerdeal.com, daraz.com ইত্যাদি।

৪। ভোক্তা থেকে ভোক্তা (Consumer to Consumer- C2C):
- অন্য কোনো ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের যোগাযোগ ছাড়াই ভোক্তা থেকে ভোক্তার লেনদেনকে ভোক্তা থেকে ভোক্তা বা কনজিউমার টু কনজিউমার (C2C) বলা হয়।
- এ জাতীয় ব্যবসা কোনো বিজনেস মিডলম্যান থাকে না।
- C2C ই-কমার্সের উদাহরণ: ebay.com, taobao.com ইত্যাদি।

উৎস: ই-কমার্স, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৪৭.
নিচের কোনটি একটি AI মডেলের উদাহরণ?
  1. রাউটার
  2. ব্রাউজার
  3. স্প্রেডশীট
  4. ডিসিশন ট্রি
ব্যাখ্যা

• AI বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মডেল হলো এমন একটি প্রোগ্রাম বা অ্যালগরিদম যা ডেটা বিশ্লেষণ করে এবং সিদ্ধান্ত নেওয়ার সক্ষমতা রাখে। ডিসিশন ট্রি হল একটি জনপ্রিয় AI মডেল, যা ডেটা থেকে শিখে বিভিন্ন সিদ্ধান্তমূলক পাথ তৈরি করে। এটি শাখা-প্রশাখা আকারে ডেটাকে বিভাজন করে এবং নির্দিষ্ট শর্ত পূরণের মাধ্যমে ফলাফল নির্ধারণ করে। অন্যদিকে, রাউটার, ব্রাউজার বা স্প্রেডশীট মূলত সফটওয়্যার বা হার্ডওয়্যার টুল, যা ডেটা প্রক্রিয়াকরণ বা নেটওয়ার্কিংয়ের কাজ করে, কিন্তু নিজে সিদ্ধান্ত নেয় না। তাই ডিসিশন ট্রি একটি AI মডেলের উদাহরণ।

• Artificial intelligence (AI):
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) হলো কম্পিউটারের এমন দক্ষতা, যা সাধারণত মানুষের বুদ্ধির সঙ্গে সম্পর্কিত কাজ করতে ব্যবহৃত হয়।
- AI যুক্তিসঙ্গত সিদ্ধান্ত নিতে পারে, অর্থ আবিষ্কার করতে পারে, সাধারণীকরণ করতে পারে এবং অতীত অভিজ্ঞতা থেকে শিখতে পারে।
- ১৯৪০-এর দশকে ব্রিটিশ গণিতবিদ অ্যালান টিউরিং প্রথম AI-এর তাত্ত্বিক কাজ করেন; ১৯৫০-এর দশকে প্রথম AI প্রোগ্রাম তৈরি হয়।
- আজকের দিনে AI চিত্র শ্রেণিবিন্যাস করতে (যেমন: PReLU-net), গেমে পারদর্শিতা দেখাতে (যেমন: AlphaZero), কথা বলতে (যেমন: ChatGPT) এবং টেক্সট থেকে ছবি তৈরি করতে (যেমন: DALL-E) সক্ষম।
- চিকিৎসা নির্ণয়, সার্চ ইঞ্জিন, কণ্ঠস্বর বা হাতের লেখার স্বীকৃতি, এবং চ্যাটবটের মতো ক্ষেত্রে AI মানুষের দক্ষতার সমতুল্য হয়ে উঠেছে।
এখনো কোনো AI প্রোগ্রাম মানুষের মতো সর্বাঙ্গীন নমনীয়তা বা দৈনন্দিন জ্ঞানের বিস্তৃত ক্ষেত্র অর্জন করতে পারেনি; একে বলা হয় কৃত্রিম সাধারণ বুদ্ধিমত্তা (AGI)।

Source: Britannica.

৩৪৮.
ইন্টারনেট অফ থিংস (IoT)-এর একটি বড় চ্যালেঞ্জ কী?
  1. নিম্ন-গতির প্রক্রিয়াকরণ
  2. হার্ড ডিস্ক স্টোরেজ
  3. নিরাপত্তা এবং গোপনীয়তা 
  4. উচ্চ-গতির প্রক্রিয়াকরণ
ব্যাখ্যা

• ইন্টারনেট অফ থিংস (IoT)-এর একটি বড় চ্যালেঞ্জ হলো নিরাপত্তা এবং গোপনীয়তা (গ)। IoT ব্যবস্থায় অসংখ্য ডিভাইস ইন্টারনেটের মাধ্যমে একে অপরের সাথে সংযুক্ত থাকে এবং নিয়মিত তথ্য আদান-প্রদান করে। এসব ডিভাইস ব্যক্তিগত, আর্থিক ও সংবেদনশীল তথ্য সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করে, যা সাইবার আক্রমণের ঝুঁকি বাড়ায়। হ্যাকাররা যদি এই ডিভাইসগুলোতে অনুপ্রবেশ করতে পারে, তবে তথ্য চুরি, সিস্টেম নিয়ন্ত্রণ বা বড় ক্ষতি ঘটতে পারে। তাই শক্তিশালী নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও গোপনীয়তা রক্ষা IoT-এর ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
 
 ইন্টারনেট অফ থিংস (Internal of things - IoT):
- ইন্টারনেট অফ থিংস (IoT) হলো পারস্পরিক সম্পর্কযুক্ত এমন একটি সনাক্তকারী কম্পিউটিং ডিভাইস, যা একটি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে মানুষের সাথে মানুষের বা মানুষের সাথে কম্পিউটারের মধ্যে ডেটা স্থানান্তর করতে সাহায্য করে।
- একাধিক প্রযুক্তি যেমন মেশিন লার্নিং, কমোডিটি সেন্সর, এমবেডেড সিস্টেম এবং রিয়েল-টাইম অ্যানালিটিকস, একত্রিত করার কারণে ইন্টারনেট অফ থিংস বাস্তবায়িত হয়েছে।

IoT ডিভাইসের বৈশিষ্ট্য:
- কম শক্তি ব্যবহার করে কাজ করে, 
- ছোট আকারের কম্পিউটার চিপ ব্যবহার করে, 
- নির্দিষ্ট কাজের জন্য প্রোগ্রাম করা হয়, 
- সেন্সর, একচুয়েটর এবং ওয়্যারলেস কমিউনিকেশন প্রযুক্তি অন্তর্ভুক্ত থাকে। 

উৎস:
১। Computer Applications in Business, নেতাজি সুভাষ মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। আইবিএম ওয়েবসাইট।

৩৪৯.
নিচের কোনটি ইন্টারনেট ব্রাউজার নয়?
  1. Mozilla Firefox
  2. Opera
  3. Bing
  4. Internet Explorer
ব্যাখ্যা
• Bing একটি সার্চ ইঞ্জিন। 

 • WWW:
- WWW এর পূর্ণরূপ হলো World Wide Web. 
- ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব(WWW) হলো সুইজারল্যান্ডের গবেষকদের দ্বারা উদ্ভাবিত একটি হাইপারটেক্সট ভিত্তিক ডিস্ট্রিবিউটেড ইনফরমেশন সিস্টেম। 
- এটি একটি বৃহৎ সিস্টেম যা অনেকগুলো সার্ভার সংযুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়। 
- টিম বার্নাস লিকে WWW এর জনক বলা হয়।  
- ECRN (The European Center for Nuclear Research) -এ ১৯৮৯ সালে WWW এর সূচনা হয়। 
-  WWW এর বহুল প্রচলন শুরু হয় ১৯৯৩ সালে
- বর্তমানে বহুল ব্যবহৃত ওয়েব ব্রাউজার হলো ইন্টারনেট এক্সপ্লোয়ার, মজিলা ফায়ারফক্স, নেটস্কেপ নেভিগেটর ইত্যাদি।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং WWW Foundation.
৩৫০.
রেডিও কমিউনিকেশন সিস্টেমে সাধারণত কত ধরনের ব্রডকাস্টিং করা হয়? 
  1. ৩ ধরনের 
  2. ২ ধরনের 
  3. ৫ ধরনের 
  4. ৪ ধরনের
ব্যাখ্যা
রেডিও ব্রডকাস্টিং: 
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির একটি শক্তিশালী মাধ্যম হলো রেডিও। 
- মূলতঃ রেডিও কমিউনিকেশন সিস্টেম দ্বারা শব্দকে তড়িৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গে রূপান্তরিত করে তথ্য বা শব্দ একস্থান হতে অন্য স্থানে পাঠানো হয়। 
- রেডিও কমিউনিকেশন সিস্টেমে প্রধানত এএম ব্রডকাস্ট, এফএম ব্রডকাস্ট ও মাইক্রোওয়েভ ব্রডকাস্ট নামক পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। 
- বর্তমানে বহুল জনপ্রিয় হলো এফএম রেডিও। 
- এফএম শব্দের অর্থ ফ্রিকোয়েন্সি মডুলেশন। 
- ১৯৪৬ সালে মনো এফএম ব্যান্ডের আবিষ্কার হয়। 
- রেডিও কমিউনিকেশন সিস্টেম ব্যবহার করে সাধারণত তিন ধরনের ব্রডকাস্টিং করা হয়। 
যথা- 
১। পাবলিক রেডিও ব্রডকাস্টিং: বাংলাদেশ বেতার। 
২। বাণিজ্যিক রেডিও ব্রডকাস্টিং: রেডিও টুডে, রেডিও আমার, রেডিও ফূর্তি ইত্যাদি। 
৩। কমিউনিটি রেডিও ব্রডকাস্টিং: সীতাকুন্ডুর Young Power in Action (YPSA), ঝিনাইদহের সৃজনী, সাতক্ষীরার নলতা কমিউনিটি হাসপাতাল ইত্যাদি। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
৩৫১.
স্মার্ট হোমে সেন্সর ব্যবহারের প্রধান উদ্দেশ্য কী?
  1. প্রয়োজন অনুযায়ী স্বয়ংক্রিয়ভাবে বৈদ্যুতিক যন্ত্র নিয়ন্ত্রণ
  2. মানবশ্রম সম্পূর্ণ বিলুপ্ত করা
  3. ডেটা স্থানান্তর সম্পূর্ণ বন্ধ করা
  4. শুধুমাত্র বিনোদনমূলক কার্যক্রম বৃদ্ধি
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর: প্রয়োজন অনুযায়ী স্বয়ংক্রিয়ভাবে বৈদ্যুতিক যন্ত্র নিয়ন্ত্রণ।
- স্মার্ট হোমে সেন্সর ব্যবহারের মাধ্যমে উপস্থিতি অনুযায়ী লাইট, ফ্যান, এসি ইত্যাদি স্বয়ংক্রিয়ভাবে চালু বা বন্ধ করা যায়।

• বসবাসে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহার:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহারে বসবাসের পরিবেশ আরও নিরাপদ ও আধুনিক হয়েছে।
- ঘরের বাইরের অংশ CCTV (Closed Circuit Camera) দ্বারা নিয়ন্ত্রণ ও পর্যবেক্ষণ করা যায়।
- সন্দেহজনক ব্যক্তি বা ঘটনার গতিবিধি মনিটর করা সম্ভব।
- প্রয়োজন হলে ভিডিও রেকর্ড সংরক্ষণ করা যায়।
- পরবর্তীতে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে রেকর্ডকৃত তথ্য থেকে অপরাধী শনাক্ত বা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা যায়।

• সেন্সর ও বায়োমেট্রিক ডিভাইসের ব্যবহার:
- বিভিন্ন ইলেকট্রনিক যন্ত্রে সেন্সর ব্যবহারের ফলে প্রয়োজন অনুযায়ী সেবা প্রদান করা সম্ভব।
- যেমন—ঘরে কেউ উপস্থিত থাকলে লাইট, ফ্যান, এসি ইত্যাদি চালু থাকে।
- ঘরে কেউ না থাকলে এসব যন্ত্র স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হয়ে যায়।
- দরজায় বিভিন্ন ধরনের সেন্সর ও বায়োমেট্রিক ডিভাইস ব্যবহার করা হয়।
 
• অন্যান্য অপশন:
- মানবশ্রম সম্পূর্ণ বিলুপ্ত করা → ICT মানবশ্রম কমায়, তবে সম্পূর্ণ বিলুপ্ত করে না।
- ডেটা স্থানান্তর সম্পূর্ণ বন্ধ করা → ICT ডেটা স্থানান্তর সহজ করে, বন্ধ করে না।
- শুধুমাত্র বিনোদনমূলক কার্যক্রম বৃদ্ধি → ICT নিরাপত্তা, নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, গোবিন্দ চন্দ্র রায় এবং সামসুজ্জামান।

৩৫২.
The ________ is a brief description of what the email is about.
  1. ক) forward
  2. খ) recipient
  3. গ) attachment
  4. ঘ) subject
ব্যাখ্যা
- The subject is a brief description of what the email is about.
- The subject of your email is perhaps the most important few words in the entire email. 
- It is the first impression, it is your tagline, it is the reason the recipient will, or will not open it.
 
৩৫৩.
ইন্টারনেট ব্যাংকিং এর মাধ্যমে কোন কাজ করা যায় না?
  1. টাকা ট্রান্সফার
  2. ব্যালেন্স চেক
  3. বিল পেমেন্ট
  4. নগদ টাকা তোলা
ব্যাখ্যা

◉ ইন্টারনেট ব্যাংকিং (Online Banking বা Net Banking) হলো একটি ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবা, যার মাধ্যমে গ্রাহক অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে বিভিন্ন আর্থিক লেনদেন সম্পন্ন করতে পারেন।
তবে, নগদ টাকা (cash) উত্তোলন করা সম্ভব নয়, কারণ এটি একটি ডিজিটাল পরিষেবা এবং কোনো শারীরিক নগদ অর্থ বিতরণ করতে পারে না। নগদ টাকা তোলার জন্য ATM বা ব্যাংকের শাখা থেকে লেনদেন করতে হয়।

ই-ব্যাংকিং:
- বর্তমানে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে ব্যাংকিং এর যে কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে তাকে ই-ব্যাংকিং বা ইন্টারনেট ব্যাংকিং বলে।
- ১৯৬১ সালে সর্বপ্রথম যুক্তরাষ্ট্রের ‘The National City Bank of New York’ ই-ব্যাংকিং ব্যবস্থার প্রবর্তন করে EFTS (Electronic Fund Transfer System) নামে।
- ১৯৬৭ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ‘Barclays bank’ প্রথম Cash Dispenser (CD) স্থাপন করে।
- সুইডেন, ফ্রান্স ও সুইজারল্যান্ড প্রথম 'National Cash Dispenser Network' ব্যবহার শুরু করে।
- জাপান ও আমেরিকা ১৯৬৯ সালে CD মেশিন ব্যবহার করা শুরু করে।
- Loyd’s Bank ১৯৭২ সালে প্রথম Cashpoint বসিয়ে আধুনিক অনলাইন ব্যাংকিং কার্যক্রম শুরু করে।
- ই-ব্যাংকিং ব্যবস্থায় গ্রাহকগণ সাধারণ ব্যাংকিং এর পাশাপাশি ATM কার্ড, ডেভিড কার্ড, ক্রেডিট কার্ড, Online Banking, SMS ব্যাংকিং, Home ব্যাংকিং ইত্যাদি সেবা গ্রহণ করে থাকে।
- ব্যাংকের সার্ভারে নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থার জন্য Firewall ব্যবহার করা হয়।
- ইলেকট্রনিক ব্যাংকিং সমগ্র ব্যাকিং ব্যবস্থার সম্পূর্ণ পরিবর্তন করে দিয়েছে। বাণিজ্যিক ব্যাংকসমূহ গ্রাহকদের দ্রুততর ও উন্নতর সেবা প্রদান করার জন্য তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করছে।

উৎস: ফিনান্স, ব্যাংকিং ও বিমা, ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৫৪.
কোন ইনপুট ডিভাইসটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ও ভাষা প্রক্রিয়াকরণের সহায়তায় কাজ করে?
  1. কীবোর্ড
  2. অ্যামাজন ইকো
  3. টাচস্ক্রিন
  4. মাউস
ব্যাখ্যা
ভয়েস রিকগনিশন সিস্টেম:
- ভয়েস রিকগনিশন সিস্টেম হল একটি বিশেষধরনের ইনপুট প্রযুক্তি যা মানব কণ্ঠস্বরকে শনাক্ত, বিশ্লেষণ এবং অনুবাদ করে লিখিত টেক্সট বা কমান্ডে রূপান্তর করে।
- এই প্রযুক্তি মানুষের কণ্ঠের স্বরলিপি, উচ্চারণ, শব্দচয়ন ও ভাষা বোঝার জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) এবং প্রাকৃতিক ভাষা প্রক্রিয়াকরণ (Natural Language Processing - NLP) ব্যবহার করে।
অ্যামাজন ইকো(Amazon Echo) (Alexa)  হলো এমন একটি ইনপুট ডিভাইস যেটি ভয়েস ইনপুট নিয়ে ভয়েস রিকগনিশন সিস্টেম এর মাধ্যমে নির্দেশনা প্রক্রিয়াকরন করে। 

এটি যেভাবে কাজ করে:
শব্দ সনাক্তকরণ (Speech Detection): AI মডেলগুলো কণ্ঠস্বর থেকে শব্দ শনাক্ত করে।

ভাষা বিশ্লেষণ (Language Processing): NLP ব্যবহার করে শব্দগুলোর অর্থ বুঝে নেয়, যেমন কন্ঠের মাধ্যমে কমান্ড দেওয়া হয়েছে নাকি প্রশ্ন করা হয়েছে সেটি বোঝানো হয়। 

বিষয় অনুসন্ধান (Context Understanding): AI পূর্ববর্তী কথোপকথনের প্রসঙ্গ অনুযায়ী উত্তর দিতে পারে। 

মেশিন লার্নিং (Machine Learning): বারবার ব্যবহার ও ডেটা বিশ্লেষণের মাধ্যমে সিস্টেমটি আরও স্মার্ট হয়ে ওঠে।

ভয়েস রিকগনিশন সিস্টেম যুক্ত কয়েকটি প্রযুক্তি হলো- 
Siri (Apple) – ভয়েস দিয়ে প্রশ্ন করলে তা বোঝে এবং উত্তর দেয়।
Alexa (Amazon Echo ) – ভয়েস কমান্ডে ডিভাইস নিয়ন্ত্রণ করে।
Google Assistant – ভয়েস ব্যবহার করে ফোন কল, মেসেজ প্রেরণ, বা সার্চ করে।

অন্যদিকে,
 কিবোর্ড, টাচস্ক্রিন ও মাউস হলো সাধারণ ইনপুট ডিভাইস। 

তথ্যসূত্র:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি,একাদশ-দ্বাদশ ও আলীম শ্রেনী।
- IBM - what is voice recognition.
- Microsoft - Ai and Speech recognition.
৩৫৫.
নিচের কোনটি বায়োইনফরমেটিক্স সফটওয়্যার?
  1. BioPerl
  2. BioJava
  3. EMBOSS
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
বায়োইনফরমেটিক্স
• বায়োইনফরমেটিক্স একটি আন্তঃশাস্ত্রীয় ক্ষেত্র যা জীববিজ্ঞান সংক্রান্ত কাজে ব্যবহৃত ডেটার সংরক্ষণ, আহরণ, সাজানো এবং বিশ্লেষণ ইত্যাদি কাজের জন্য বিভিন্ন পদ্ধতির আবিষ্কার এবং উন্নয়ন করে।
• তথ্য প্রেরণ, আহরণ এবং জৈব সিস্টেম প্রক্রিয়াকরণের গুরুত্বের স্বীকৃতি স্বরূপ ১৯৭৮ সালে “Paulien Hogeweg" নামের একজন  গবেষক তথ্য প্রক্রিয়াকরণে জীবন সম্পর্কিত সিস্টেম গবেষণায় বায়োইনফরমেটিক্স শব্দটি ব্যবহার করেন।
• ইহা প্রাণপদার্থ বিদ্যা (Biophysics) এবং প্রাণরসায়ন (Biochemistry) এর সাথে সমান্তরাল ক্ষেত্র হিসাবে স্থাপিত হয়।
• বায়োইনফরমেটিক্স এর গোড়ার দিকের “Elvin A. Kabat" নামের একজন গবেষক ১৯৮০ থেকে ১৯৯১ এর মধ্যে তার অ্যান্টিবডি সম্পর্কিত ধারাবাহিক প্রকাশনায় জৈব অনুক্রম বিশ্লেষণের প্রবর্তন করেন।
 • “ন্যাশনাল সেন্টার ফর বায়োটেকনোলজি ইনফরমেশন” এর পরিচালক “David Lipman” এই ক্ষেত্রের আরেকজন গুরুত্বপূর্ণ অগ্রদূত “Margaret Oakley Dayhaff" কে তার অবদানের জন্য বায়োইনফরমেটিক্স এর পিতা-মাতা হিসাবে অভিহিত করেছিলেন।
 • জৈবিক তথ্য যেমন নিউক্লিওটাইড ক্রম এবং অ্যামিনো এসিড ক্রম সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে ডেটাবেজ তৈরি এবং রক্ষণাবেক্ষণের জন্য “ genomic revolution” এর শুরুর দিকে বায়োইনফরমেটিক্স শব্দটিকে পুনরায় ব্যবহার করা হয়। 
• ওপেনসোর্স বায়োইনফরমেটিক্স সফটওয়্যার হিসাবে Bioconductor, BioPerl, Biopython, BioJava, BioRuby, Biclipse, EMBOSS, Taverna Workbench, UGENE ইত্যাদি এবং বিভিন্ন প্রকার ওয়েবভিত্তিক সফটওয়্যার ব্যবহার হয়।
• ওপেনসোর্স এর রক্ষণাবেক্ষণ এবং এর আরও সুযোগ সুবিধা বৃদ্ধির লক্ষ্যে একটি অ-লাভজনক প্রতিষ্ঠান ওপেন বায়োইনফরমেটিক্স ফাউন্ডেশন ২০০০ সাল থেকে বায়োইনফরমেটিক্স ওপেন সোর্স কনফারেন্স (BOSC) এর পৃষ্ঠপোষকতা করে আসছে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৩৫৬.
স্টারলিঙ্ক ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য সাধারণত একজন ব্যবহারকারীর কী ধরনের হার্ডওয়্যার দরকার হয়?
  1. শুধু স্মার্টফোন
  2. অপটিক্যাল কেবল বক্স
  3. ডিএসএল মডেম
  4. স্যাটেলাইট ডিশ এবং মডেম/রাউটার
ব্যাখ্যা
• স্টারলিঙ্ক ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য সাধারণত একজন ব্যবহারকারীর স্যাটেলাইট ডিশ এবং মডেম/রাউটার হার্ডওয়্যার দরকার হয়। স্টারলিঙ্ক একটি স্যাটেলাইট ভিত্তিক ইন্টারনেট পরিষেবা, যেখানে ডেটা পৃথিবীর কক্ষপথে থাকা স্যাটেলাইট থেকে সরাসরি ব্যবহারকারীর ডিভাইসে প্রেরণ করা হয়। তাই ব্যবহারকারীর বাড়িতে একটি বিশেষ স্যাটেলাইট ডিশ লাগাতে হয়, যা সিগন্যাল গ্রহণ ও প্রেরণ করে। পাশাপাশি, ডেটা ব্যবস্থাপনার জন্য একটি মডেম বা রাউটার দরকার, যা ইন্টারনেট সংযোগকে Wi-Fi বা তারযুক্ত সংযোগের মাধ্যমে বিভিন্ন ডিভাইসে ছড়িয়ে দেয়। অন্য কোনো কেবল বা ডিএসএল মডেমের প্রয়োজন হয় না। তাই সঠিক উত্তর হলো (ঘ)।

• স্টারলিংক ইন্টারনেট:
- স্টারলিংক স্যাটেলাইটের মাধ্যমে ইন্টারনেট পরিষেবা দেয়।
- স্টারলিংক মূলত অরবিটাল স্যাটেলাইটের নেটওয়ার্ক।
- এটি ইলন মাস্কের স্পেস এক্সের অধীন।
- যা ২০১৫ সালে তৈরি করা হয়েছিল।
- এই প্রকল্পের জন্য প্রাথমিক প্রোটোটাইপ স্যাটেলাইটগুলো কক্ষপথে ২০১৮ সালে চালু করা হয়েছিল।
- মার্কিন নভোচারী প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্সকেও ইন্টারনেট সরবরাহ করে স্টারলিংক।

উৎস: Starlink ওয়েবসাইট।
৩৫৭.
কোন ওয়্যারলেস প্রযুক্তি স্মার্ট হোম ডিভাইসগুলোর মধ্যে যোগাযোগের মেশ নেটওয়ার্ক তৈরিতে ব্যবহৃত হয়?
  1. Zigbee
  2. LTE
  3. Ethernet
  4. USB
ব্যাখ্যা

•স্মার্ট হোম ডিভাইসগুলোর মধ্যে তথ্য বিনিময় এবং যোগাযোগের জন্য সাধারণত Zigbee ওয়্যারলেস প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। এটি একটি কম শক্তি খরচকারী, স্বল্প ব্যান্ডউইথের এবং ছোট দূরত্বের জন্য উপযুক্ত প্রযুক্তি। Zigbee ডিভাইসগুলো একে অপরের সাথে সংযুক্ত হয়ে একটি মেশ নেটওয়ার্ক তৈরি করে, যেখানে প্রতিটি ডিভাইস নেটওয়ার্কের অন্য ডিভাইসের মাধ্যমে তথ্য পাঠাতে পারে। ফলে একটি ডিভাইস সরাসরি রাউটারের সঙ্গে সংযুক্ত না থাকলেও, নেটওয়ার্কের মাধ্যমে তথ্য পৌঁছানো সম্ভব হয়। অন্যদিকে LTE, Ethernet বা USB এই ধরনের মেশ নেটওয়ার্কের জন্য সাধারণত ব্যবহার হয় না, কারণ এগুলো বা শক্তি বেশি খরচ করে, বা তারযুক্ত সংযোগের ওপর নির্ভরশীল। Zigbee এর মেশ নেটওয়ার্ক সুবিধা স্মার্ট হোমে ডিভাইসগুলোকে আরও স্থিতিশীল এবং দক্ষভাবে পরিচালনা করতে সাহায্য করে।
- তাই সঠিক উত্তর: গ) Zigbee.

• স্মার্ট হোম প্রযুক্তি:
- স্মার্ট হোম হলো এমন একটি বাসস্থান, যেখানে রিমোট কন্ট্রোলিং বা প্রোগ্রামিং ডিভাইসের সাহায্যে বাড়ির হিটিং সিস্টেম, কুলিং সিস্টেম, লাইটিং সিস্টেম, সিকিউরিটি কন্ট্রোল সিস্টেম ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
- স্মার্ট হোম প্রযুক্তিতে ডিজিটাল পদ্ধতি ব্যবহার করে হোম অটোমেশন চালু করা হয়।
- স্মার্ট হোমের পদ্ধতিকে হোম অটোমেশন সিস্টেম (Home Automation System) বলা হয়।
- একটি স্মার্ট হোমে ব্যবহৃত বিভিন্ন ডিভাইস যেমন- টেলিভিশন, এসি, লাইটিং, ফ্যান, সিকিউরিটি ক্যামেরা ইত্যাদি পরিচালনার জন্য আধুনিক প্রযুক্তির মোবাইল বা রিমোট কন্ট্রোলিং ডিভাইস ব্যবহার করে সেগুলোকে কোনো কেন্দ্রীয় অবস্থানে থেকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
- বর্তমানে বিভিন্ন শিল্পোন্নত দেশ যেমন-চীন, সিঙ্গাপুর, কোরিয়া ইত্যাদি দেশে গ্লোবাল রেসিডেন্স বা বৈশ্বিক বাসস্থান তৈরি করা হচ্ছে।
- বাসস্থানের নিরাপত্তার জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে আইপি ক্যামেরা।
- রিমোট কন্ট্রোল বা ভয়েস কমান্ডের সাহায্যে গাড়ির গ্যারেজ, ঘরের দরজা-জানালা খোলা বা বন্ধ করা, লাইট, ফ্যান, কম্পিউটার ও টেলিফোন চালু কিংবা বন্ধ করা যায়।
- বাইরে থাকাকালে কোনো মেহমান বাসায় আসলে সিকিউরিটি এলার্মের সাহায্যে মোবাইল ফোনে তা জানা যায় ।
- কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত রোবোটের সাহায্যে চা বানানো, কাপড় ধোয়া, ঘরবাড়ি পরিষ্কার ও ময়লা নিষ্কাশন করা সম্ভব হয়।

উৎস:
১) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২) IEEE.

৩৫৮.
ই-মেইল সম্পর্কিত কোন তথ্যটি সঠিক?
  1. @ এর আগের অংশ - ডোমেইন নেইম
  2. জনক - ক্লাউডি শ্যানন
  3. @ এর পরের অংশ - ইউজার নেইম
  4. প্রথম ই-মেইল পাঠানো হয় - ১৯৭১ সালে
ব্যাখ্যা
• E-mail:
- E-mail এর পূর্ণরূপ হলো Electronic Mail.
- ইন্টারনেট ব্যবহার করে ই-মেইল এর মাধ্যমে ডকুমেন্ট বা যেকোনো প্রকার তথ্য পাঠানো যায় মূহুর্তেই।
- ১৯৭১ সালে Ray Tomlinson সর্বপ্রথম ইন্টারনেটের মাধ্যমে অন্য কম্পিউটারে ই-মেইল পাঠাতে সক্ষম হন।
- রে টমলিনসনকে ই-মেইলের জনক বলা হয়।
- ই-মেইল সমূহ মেইল সার্ভারে জমা থাকে।
- ই-মেইল এর ক্ষেত্রে প্রাপকের ঠিকানায় @ চিহ্নটি ব্যবহার করা হয়। ই-মেইল এড্রেসের @ এর আগের অংশটিকে ইউজার নেইম এবং পরের অংশটিকে ডোমেইন নেইম বলে।
- মেইল পাঠানোর জন্য SMTP (Simple Mail Transfer Protocol) প্রোটোকল এবং গ্রহণের জন্য POP3 (Post Office Protocol), IMAP (Internet Message Access Protocol) প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৫৯.
"Draft" ফোল্ডারে থাকা ই-মেইলগুলি কী নির্দেশ করে?
  1. প্রাপ্ত ই-মেইল
  2. প্রেরিত ই-মেইল
  3. অসম্পূর্ণ ই-মেইল
  4. ডিলিট করা ই-মেইল
ব্যাখ্যা
"Draft" ফোল্ডারে থাকা ই-মেইলগুলি সাধারণত অসম্পূর্ণ বা প্রেরণের জন্য প্রস্তুত নয় এমন ই-মেইল নির্দেশ করে।

• E-mail:

- E-mail এর পূর্ণরূপ হলো Electronic Mail.
- ইন্টারনেট ব্যবহার করে ই-মেইল এর মাধ্যমে ডকুমেন্ট বা যেকোনো প্রকার তথ্য পাঠানো যায় মূহুর্তেই।
- ১৯৭১ সালে Ray Tomlinson সর্বপ্রথম ইন্টারনেটের মাধ্যমে অন্য কম্পিউটারে ই-মেইল পাঠাতে সক্ষম হন।
- রে টমলিনসনকে ই-মেইলের জনক বলা হয়।
- ই-মেইল সমূহ মেইল সার্ভারে জমা থাকে।
- ই-মেইল এর ক্ষেত্রে প্রাপকের ঠিকানায় @ চিহ্নটি ব্যবহার করা হয়। ই-মেইল এড্রেসের @ এর আগের অংশটিকে ইউজার নেইম এবং পরের অংশটিকে ডোমেইন নেইম বলে।
- মেইল পাঠানোর জন্য SMTP (Simple Mail Transfer Protocol) প্রোটোকল এবং গ্রহণের জন্য POP3 (Post Office Protocol), IMAP (Internet Message Access Protocol) প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।

উৎস : মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৬০.
ড্রোন যাত্রাস্থান থেকে সর্বোচ্চ কত কিলোমিটার দূর পর্যন্ত উড়তে সক্ষম?
  1. প্রায় ৫০ কিলোমিটার
  2. প্রায় ১০০ কিলোমিটার
  3. প্রায় ২০০ কিলোমিটার
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

• ড্রোন:
- প্রােগ্রাম নিয়ন্ত্রিত চালকবিহীন ছােট আকাশযান বা বিমানকে ড্রোন বলে।
- ড্রোন যাত্রাস্থান থেকে প্রায় ২০০ কিলোমিটার দূর পর্যন্ত উড়তে সক্ষম।
- সাধারণত স্বয়ংক্রিয়ভাবে চললেও Communication Satellite দ্বারাও ড্রোন নিয়ন্ত্রণ করা হয়।
- ড্রোন সেন্সর, অ্যাকচুয়েটর, প্রপেলার, ডিজিটাল ইলেকট্রনিক স্পীড কন্ট্রোলার, সার্ভো মটর, পেলোড অ্যাকচুয়েটর, স্পিকার, রিমোট কন্ট্রোল সিস্টেম ইত্যাদির সমন্বয়ে তৈরি এবং কম্পিউটার সফটওয়্যারের মাধ্যমে পরিচালিত হয়।

আবার, বিভিন্ন সোর্স মতে ২০০ কিলোমিটারের বেশি দূরত্বও যেতে পারে। [লিঙ্ক] 

উৎস:
১. এনসাইক্লোপিডিয়া অব ব্রিটানিয়া।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৩৬১.
"ইমেইল মেসেজ রিট্রিভাল"- কোন প্রোটোকলের মাধ্যমে হয়?
  1. POP3
  2. FTP
  3. TCP
  4. SMTP
ব্যাখ্যা

• ইমেইল মেসেজ রিট্রিভাল মূলত POP3 (Post Office Protocol version 3) প্রোটোকলের মাধ্যমে হয়। POP3 ব্যবহার করে ব্যবহারকারী সার্ভার থেকে তার ইনবক্সের ইমেইল ডাউনলোড করতে পারে এবং স্থানীয়ভাবে সংরক্ষণ করতে পারে। এটি মূলত অফলাইন রিডিংয়ের সুবিধা দেয়, কারণ একবার মেসেজ ডাউনলোড হলে ব্যবহারকারী ইন্টারনেট সংযোগ ছাড়াও মেসেজ পড়তে পারে। অন্যদিকে, SMTP (Simple Mail Transfer Protocol) শুধুমাত্র ইমেইল পাঠানোর জন্য ব্যবহৃত হয়। FTP ফাইল ট্রান্সফারের জন্য এবং TCP একটি যোগাযোগ প্রোটোকল হিসেবে কাজ করে, কিন্তু সরাসরি মেসেজ রিট্রিভালের জন্য ব্যবহৃত হয় না।
- তাই ইমেইল রিট্রিভালের ক্ষেত্রে সঠিক উত্তর হলো POP3.

ই-মেইল:
- ১৯৭১ সালে আরপানেট ইলেকট্রনিক মাধ্যমে পত্রালাপের সূচনার মাধ্যমে প্রথম ইমেইল সিস্টেম চালু করেন রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিসন।
- ইলেকট্রনিক মেইল বা ই-মেইল হলো একজন বার্তা লেখকের কাছ থেকে এক বা একাধিক প্রাপকের কাছে কোন বার্তা বা ডিজিটাল মেসেজ বিনিময় করার নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি।
- ই-মেইল ঠিকানায় @ চিহ্নটি অবশ্যই থাকতে হয়।
- একটি ইমেইল ঠিকানা ইউজার আইডি ও ডোমেইন নেম নিয়ে গঠিত।
- abc@def.com এ @ অংশের পূর্বে থাকে ইউজার আইডি এবং @ অংশের পরে থাকে ডোমেইন নেম।
- ই-মেইল সার্ভারে POP, IMAP এবং SMTP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।

• POP:
- POP এর পূর্ণরূপ হল Post Office Protocol.
- ব্যবহারকারী যে সকল মেইল গ্রহণ করে বা তার কাছে আসে সেগুলোকে অন্তর্মুখী বা ইনকামিং মেইল বলা হয়।
- মেইল সার্ভার থেকে ইনকামিং মেইল গ্রহণ করার জন্য সর্বাধিক জনপ্রিয় প্রোটোকল POP3.

• SMTP:
- SMTP এর পূর্ণরূপ হল Simple Mail Transfer Protocol.
- মেল সার্ভার এবং অন্যান্য বার্তা স্থানান্তর এজেন্ট মেল বার্তা পাঠাতে এবং গ্রহণ করতে SMTP ব্যবহার করে।

• IMAP:
- IMAP এর পূর্ণরূপ হল Internet Message Access Protocol.
- IMAP প্রটোকল ব্যবহার করে মেইল বক্সে শুধু প্রবেশ করা যায়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণি।
২. মাইক্রোসফট।

৩৬২.
নিচের কোনটি VLE সফটওয়‍্যার?
  1. Blackboard
  2. Rukuku
  3. Moodle
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• ভার্চুয়াল লার্নিং এনভায়রনমেন্ট:
- ভার্চুয়াল লার্নিং এনভায়রনমেন্ট (VLE) হলো এমন এক শিক্ষাসহায়ক প্রযুক্তি যা একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ওয়েবভিত্তিক প্লাটফরম ব্যবহার করে ডিজিটাল মাধ্যমে- শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন দল বা উপদলে সংগঠিত, কোর্সের রিসোর্স, কর্মকাণ্ড ও মিথস্ক্রিয়াসমূহ কোর্সের কাঠামোর মধ্যে উপস্থাপন, বিভিন্ন ধরনের মূল্যায়ন, শিক্ষার্থীদের তথ্য এবং অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাথে সম্পর্ক রক্ষা করা হয়।
- সাধারণত ভার্চুয়াল লার্নিং এনভায়রনমেন্ট (ভিএলই) উচ্চ শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানে ব্যবহার করা হয়। এখানে সনাতনী শিখন-শেখানো ধারণার সাথে ভার্চুয়াল সুযোগ সুবিধাগুলোকে সমন্বিত করা হয়।
-ভার্চুয়াল লার্নিং এনভায়রনমেন্ট তৈরির জন্য সফটওয়‍্যার প্রয়োজন হয়।
- অন্যান্য সফটওয়‍্যারের মতো কিছু VLE সফটওয়‍্যার বিনামূল্যে পাওয়া যায়। এসবকে open source VLE সফটওয়‍্যার বলে।
- কিছু সফটওয়্যারের জন্য অর্থ দিতে হয়। তাকে proprietary VLE সফটওয়‍্যার বলে।
- তবে proprietary সফটওয়‍্যারও ১ সপ্তাহ থেকে ৩ মাস পর্যন্ত বিনামূল্যে ব্যবহার করা যায়। একে ট্রায়েল ভার্সন বলে।
- VLE সফটওয়‍্যারের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় Moodle.
- কিছু জনপ্রিয় VLE সফটওয়ারের নাম হলো: Blackboard, Rukuku, Lotus Workplace, COSE, eFront, OLAT, Sakai, ILIAS, ATutor, Fedena, openelms, Claroline, Dokeos ইত্যাদি।

উৎস: শিক্ষায় আইসিটি, বিএড প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৬৩.
নিচের কোন সাইটটি কেনা-বেচার জন্য?
  1. ক) google.com
  2. খ) yahoo.com
  3. গ) amazon.com
  4. ঘ) উপরের সবগুলোই
ব্যাখ্যা
জনপ্রিয় কেনাবেচার সাইট: bikroy.com, ekhanei.com, amazon.com, olx.com ইত্যাদি।
৩৬৪.
ই-মেইল ঠিকানায় @ চিহ্নের পূর্ববর্তী অংশ কোন তথ্য নির্দেশ করে?
  1. ডোমেইন নেম
  2. ইউজার আইডি
  3. আইএসপি
  4. ইউআরএল
ব্যাখ্যা

ই-মেইল ঠিকানায় @ চিহ্নের পূর্ববর্তী অংশকে ইউজার আইডি বা ব্যবহারকারীর পরিচয় বলা হয়।
- এটি নির্দিষ্ট একজন ব্যবহারকারীকে চিহ্নিত করতে ব্যবহৃত হয়, যাতে ই-মেইল সঠিক ব্যক্তির মেইলবক্সে পৌঁছায়।
- উদাহরণস্বরূপ, ঠিকানা যদি হয় fahim123@gmail.com, তবে এখানে “fahim123” হলো ইউজার আইডি এবং এটি ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত নাম বা পছন্দমতো নির্ধারিত পরিচয়। অন্যদিকে, @ চিহ্নের পরবর্তী অংশ “gmail.com” ডোমেইন নেম নির্দেশ করে, যা ই-মেইল সার্ভারের অবস্থান বোঝায়।
- তাই বলা যায়, ই-মেইল ঠিকানার @ চিহ্নের পূর্ববর্তী অংশ ব্যবহারকারীর নাম বা ইউজার আইডি নির্দেশ করে।

• ইমেইল:
- ১৯৭১ সালে রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিসন ARPANET-এর মাধ্যমে ইলেকট্রনিক পত্রালাপ চালু করেন, যা ছিল প্রথম ইমেইল সিস্টেম।
- ইলেকট্রনিক মেইল (ই-মেইল) হলো এক ধরনের ডিজিটাল বার্তা বিনিময়ের পদ্ধতি, যেখানে একজন প্রেরক এক বা একাধিক প্রাপকের কাছে নির্ভরযোগ্যভাবে বার্তা পাঠাতে পারেন।
- ইমেইল ঠিকানায় @ চিহ্ন থাকা আবশ্যক।
- একটি ইমেইল ঠিকানা মূলত ইউজার আইডি এবং ডোমেইন নেম দ্বারা গঠিত।
- উদাহরণ: abc@def.com। এখানে @ চিহ্নের পূর্বের অংশটি ইউজার আইডি ও @ চিহ্নের পরের অংশটি ডোমেইন নেম নির্দেশ করে।
- ইমেইল আদান-প্রদানে POP, IMAP এবং SMTP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।


• ইমেইলে ব্যবহৃত কিছু গুরুত্বপূর্ণ অংশ:
- CC (Carbon Copy): একই ইমেইল একাধিক প্রাপকের কাছে পাঠানোর জন্য ব্যবহৃত হয়, যেখানে অন্য প্রাপকেরা দেখতে পান কে কে বার্তাটি পেয়েছেন।
- BCC (Blind Carbon Copy): একই ইমেইল একাধিক প্রাপকের কাছে পাঠানো হলেও, এক প্রাপক অন্যদের ইমেইল ঠিকানা দেখতে পান না।


উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৩৬৫.
স্মার্ট ওয়াচ সাধারণত কোন ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়? 
  1. রক্তচাপ ও তাপমাত্রা পর্যবেক্ষণ
  2. মেসেজিং এবং কলিং ফিচার
  3. ওয়ালেট অ্যাপ্লিকেশন সুবিধা
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
স্মার্ট ওয়াচ: 
- স্মার্ট ওয়াচ সাধারণ হাত ঘড়ির মত হাতে পরিধান করার উপযোগী এক ধরণের কম্পিউটিং ডিভাইস। 
- বর্তমানের স্মার্ট ওয়াচগুলো ব্লুটুথ ক্ষমতা সম্পন্ন হয়ে থাকে। 
- প্রতিটি স্মার্ট ওয়াচ ব্লুটুথ অ্যাডাপ্টার হিসেবে কাজ করে যার মাধ্যমে ইউজার তার স্মার্টফোনের বিভিন্ন কার্য সম্পাদন ও নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। 
যেমন- ব্যবহারকারী স্মার্ট ওয়াচ ব্যবহার করে ফোনের কল রিসিভ করতে পারে এবং কল দিতে পারে।এছাড়াও ইমেইল পড়তে, আবহাওয়ার প্রতিবেদন পেতে, সঙ্গীত শুনতে, ডিজিটাল এসিস্ট্যান্টকে প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করতে ঘড়ির ইন্টারফেস ব্যবহার করতে পারেন। 
- স্মার্ট ওয়াচগুলি ১৯৭০ এর দশকের গোড়ার দিকে আবিষ্কৃত হতে থাকে। 
- প্রথম ডিজিটাল ঘড়িগুলির মধ্যে 'হ্যামিল্টন পালসার' ছিল একটি, যা ১৯৭২ সালে প্রকাশিত হয়েছিল। 

স্মার্ট ওয়াচের ব্যবহার: 
- বিভিন্ন স্বাস্থ্য তথ্য যেমন- রক্তের অক্সিজেনের মাত্রা, রক্তচাপ এবং তাপমাত্রা পর্যবেক্ষণ, হৃদস্পন্দন করতে পারে। 
- ডিজিটাল ওয়ালেট অ্যাপ্লিকেশন সুবিধা প্রদান করে। 
- স্মার্টফোনের মতোই মেসেজিং এবং কলিং ফিচার করতে পারে। 
- ব্যবহারকারী কোন বিপদে পড়লে জরুরি বার্তা প্রদান করতে পারে। 
- মানচিত্র, কম্পাস, altimeter এবং জিপিএস ট্র্যাকিং এর সুবিধা প্রদান করার মাধ্যমে অবস্থান শনাক্তকরনে ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: Techtarget website.
৩৬৬.
ইন্টারনেট সংযোগ নিতে হলে কোনটির দরকার হয়?
  1. কম্পিউটার
  2. মডেম
  3. আইএসপি
  4. সবোগুলোই
ব্যাখ্যা
ইন্টারনেট সংযোগ:
ইন্টারনেটের সংযোগ নিতে হলে অনেক জিনিসের দরকার হয়। যথা-
কম্পিউটার,
মডেম,
• টেলিফোন বা অন্য কোন লাইন,
• সফ্টওয়্যার,
আইএসপি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৬৭.
কোনটি বাংলাদেশী ই-কমার্স সাইট নয়?
  1. ক) এখানেই ডট কম
  2. খ) ই-ভ্যালি
  3. গ) বিক্রয় ডট কম
  4. ঘ) ফ্লিপকার্ট
ব্যাখ্যা

- 'ই-ভ্যালি' (Evaly) একটি বাংলাদেশী ই-কমার্স সাইট।
- এর প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ রাসেল।
- এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ডিসেম্বের, ২০১৮ সালে।
- এর সদরদপ্তর ঢাকায় অবস্থিত।
- এছাড়াও বিক্রয় ডট কম, এখানেই ডট কম ইত্যাদি বাংলাদেশের ই-কমার্স সাইট।
- Flipkart, Olx ভারতের জনপ্রিয় ই-কমার্স সাইট।
- আরও কিছু জনপ্রিয় কেনাবেচার সাইট হলোঃ bikroy.com, ekhanei.com, amazon.com, olx.com ইত্যাদি।

৩৬৮.
ChatGPT-এর মতো লার্জ ল্যাঙ্গুয়েজ মডেলগুলো মূলত কোন প্রযুক্তিগত কাঠামোর উপর নির্মিত?
  1. Recurrent Neural Network
  2. Generative Pre-trained Transformer
  3. Decision Tree Learning
  4. Convolutional Neural Network (CNN)
ব্যাখ্যা

• চ্যাটজিপিটি (ChatGPT) মূলত Generative Pre-trained Transformer (GPT) নামক একটি আধুনিক নিউরাল নেটওয়ার্ক কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে তৈরি।
- এটি 'ট্রান্সফরমার' আর্কিটেকচার ব্যবহার করে যা বিশাল তথ্যভাণ্ডার থেকে আগে থেকেই প্রশিক্ষিত (Pre-trained) থাকে এবং মানুষের মতো নতুন তথ্য বা বাক্য তৈরি (Generative) করতে সক্ষম। 

• ChatGPT:
- এটি OpenAI নামে আমেরিকান প্রতিষ্ঠান ৩০ নভেম্বর ২০২২ সালে চালু করে।
- ChatGPT হচ্ছে GPT (Generative Pre-trained Transformer) আর্কিটেকচারে তৈরি একটি নিউরাল নেটওয়ার্ক।
- এর কাজ হলো মানুষের মতো স্বাভাবিক লেখা তৈরি করা, যেমন চ্যাটবট, কন্টেন্ট তৈরি, ভাষা অনুবাদে।
- ChatGPT শব্দের সম্ভাবনা হিসাব করে টেক্সট তৈরি করে, পূর্ববর্তী শব্দগুলোর ওপর নির্ভর করে।
- ChatGPT-র কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে, যেমন ভুল বা বিভ্রান্তিকর তথ্য তৈরি করা ("হ্যালুসিনেশন")।

• GPT আর্কিটেকচার:
- GPT-এর পূর্ণরূপ হলো Generative Pre-trained Transformer। এটি এক ধরণের বৃহৎ নিউরাল নেটওয়ার্ক যা বিপুল পরিমাণ টেক্সচুয়াল ডেটার উপর প্রশিক্ষণ লাভ করে এবং মানুষের মতো বোধগম্য ভাষা তৈরি করতে সক্ষম।
- এই কাঠামোটি গুগল কর্তৃক উদ্ভাবিত ট্রান্সফরমার (Transformer) নামক বিশেষ নিউরাল নেটওয়ার্ক আর্কিটেকচারের ওপর ভিত্তি করে নির্মিত, যা ডেটার মধ্যে জটিল সম্পর্ক বুঝতে সাহায্য করে।
- ChatGPT-এর নামটিও এই মডেলের নাম থেকেই এসেছে (Chat + GPT)।

অন্যান্য অপশন:
- Recurrent Neural Network: এটি ভাষা প্রক্রিয়াকরণের (NLP) একটি পুরোনো কাঠামো। GPT মডেলে এর পরিবর্তে উন্নত ট্রান্সফরমার আর্কিটেকচার ব্যবহার করা হয়েছে।
- Decision Tree Learning: এটি ক্লাসিফিকেশন (Classification) ও রিগ্রেশনের (Regression) জন্য ব্যবহৃত একটি ঐতিহ্যবাহী মেশিন লার্নিং অ্যালগরিদম, যা বৃহৎ ভাষা মডেলিং-এর জন্য ব্যবহৃত হয় না।
- Convolutional Neural Network (CNN): এটি মূলত ছবি বা ভিডিও শনাক্তকরণের (Computer Vision) জন্য ব্যবহৃত হয়, বৃহৎ ভাষা মডেলিং বা টেক্সট তৈরির জন্য উপযুক্ত নয়।

উৎস: ব্রিটানিকা, IBM website (link)

৩৬৯.
নিচের কোনটি কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের ওপর প্রতিষ্ঠিত?
  1. আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স
  2. ক্রায়োসার্জারি
  3. ভার্চুয়াল রিয়েলিটি
  4. রোবটিক্স
ব্যাখ্যা
• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি:
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি শব্দের আক্ষরিক অর্থ হচ্ছে কৃত্রিম বাস্তবতা।
- প্রকৃত অর্থে বাস্তব নয়, কিন্তু বাস্তবের চেতনা উদ্রেককারী বিজ্ঞাননির্ভর কল্পনাকে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বা কৃত্রিম বাস্তবতা কিংবা কল্পবাস্তবতা বলে।
- একে সংক্ষেপে VR বলা হয়ে থাকে।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি মূলত কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের ওপর প্রতিষ্ঠিত।
- এতে ব্যবহৃত সফটওয়্যারের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- Vizard, VRToolkit, 3d Studio Max, Maya ইত্যাদি।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে ত্রিমাত্রিক ইমেজ তৈরির মাধ্যমে অতি অসম্ভব কাজও করা সম্ভব হয়।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হলো হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মাধ্যমে তৈরিকৃত এমন একটি কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ, যা উপস্থাপন করা হলে ব্যবহারকারীদের কাছে এটিকে বাস্তব পরিবেশ মনে হয়।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হলো হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মাধ্যমে তৈরিকৃত এমন একটি কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ, যা উপস্থাপন করা হলে ব্যবহারকারীদের কাছে এটিকে বাস্তব পরিবেশ মনে হয়।
 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৩৭০.
বিশ্বের প্রথম স্মার্টফোনের নাম কী?
  1. সাইমন
  2. ব্ল্যাকবেরি
  3. অ্যাঙ্গলার
  4. আইফোন
ব্যাখ্যা
বিশ্বের প্রথম স্মার্টফোনের নাম হচ্ছে সাইমন।

স্মার্টফোন:
- স্মার্টফোন হলো বিশেষ ধরনের মোবাইল ফোন যা মোবাইল কম্পিউটিং প্লাটফর্মের ওপর প্রতিষ্ঠিত।
- সর্বপ্রথম স্মার্টফোন ডিজাইন করে IBM প্রতিষ্ঠান।
- বেলসাউথ প্রতিষ্ঠান ১৯৯৩ সালে স্মার্টফোন বাজারে আনেন।
- ১৯৯৩ সালে আইবিএম "Simon" নামে প্রথম স্মার্টফোন তৈরি করে, যা টাচস্ক্রিন এবং বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন সমর্থন করত।
- এই স্মার্টফোনে ক্যালেন্ডার, ঠিকানা বই, ক্যালকুলেটর এবং অন্যান্য ফাংশন অ্যাক্সেস করার জন্য একটি টাচস্ক্রিন ইন্টারফেস অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল।
- স্মার্টফোন ডেটা রূপান্তরের জন্য প্যাকেট সুইচিং পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
- স্মার্টফোনে ডাটা স্থানান্তর উচ্চ গতিসম্পন্ন।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৩৭১.
'Natural Language Processing' নিচের কোনটির সাথে সম্পর্কিত?
  1. ডেটাবেস ব্যবস্থাপনা
  2. কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও মেশিন লার্নিং
  3. নেটওয়ার্ক সিকিউরিটি
  4. কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ডিজাইন
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর : খ) কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও মেশিন লার্নিং 

• কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence):

- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence হচ্ছে বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তির সমন্বয়।
- মানুষ যেভাবে চিন্তা করে তেমনি কৃত্রিম উপায়ে কম্পিউটারে সেভাবে চিন্তা ভাবনার রূপদান করাকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বলে।
- AI-এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো কম্পিউটারকে উন্নত করা যাতে কম্পিউটার চিন্তা করার ক্ষমতা, পাশাপাশি দেখতে পারা, শুনতে পারা, হাঁটা এবং অনুভব করার ক্ষমতা পায়।
- কম্পিউটার কীভাবে মানুষের মতো চিন্তা করবে, কিভাবে অসম্পূর্ণ তথ্য দিয়ে পূর্ণাঙ্গ সিদ্ধান্তে পৌঁছবে, কিভাবে সমস্যা সমাধান করবে, কীভাবে পরিকল্পনা প্রণয়ন করবে ইত্যাদি বিষয়গুলোর জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উপর আরো গবেষণা করা হচ্ছে।


• Artificial Intelligence-এর ব্যবহার:
- Face Recognition System,
- Speech Recognition System,
- Natural Language Processing ইত্যাদি।

Natural Language Processing (NLP):
- Natural Language Processing হলো এমন একটি প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে কম্পিউটার মানুষের ভাষা বুঝতে, বিশ্লেষণ করতে ও প্রতিক্রিয়া দিতে পারে।
- এটি Artificial Intelligence–এর একটি গুরুত্বপূর্ণ শাখা
- এর মাধ্যমে চ্যাটবট, ভয়েস অ্যাসিস্ট্যান্ট (যেমন Siri বা Alexa) এবং গুগল ট্রান্সলেটের মতো প্রযুক্তিগুলো ব্যবহার করা সম্ভব হচ্ছে। 


উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৭২.
মেটা (Meta) কর্তৃক উদ্ভাবিত আধুনিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মডেল কোনটি?
  1. GPT-4
  2. Gemini
  3. Claude
  4. Llama
ব্যাখ্যা

• মেটা (Meta) তাদের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গবেষণার অংশ হিসেবে 'Llama' (Large Language Model Meta AI) তৈরি করেছে। এটি একটি ওপেন-সোর্স লার্জ ল্যাঙ্গুয়েজ মডেল ,যা বর্তমানে AI জগতে অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং শক্তিশালী

• LLM চালানোর জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশ:
- LLM (Large Language Model) চালানোর ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হল Graphics Card (GPU). 

• LLama (Large Language Model Meta AI):
- LLama হলো একটি বড় ভাষা মডেল যা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (AI) ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।
- এটি মূলত ভাষার বোঝাপড়া, টেক্সট জেনারেশন এবং ভাষা সম্পর্কিত বিভিন্ন কাজের জন্য তৈরি করা হয়েছে।
- LLama মডেলটি Meta কোম্পানি দ্বারা ডেভেলপ করা হয়েছে।
- Meta তাদের এই মডেলে "Responsible AI" ফ্রেমওয়ার্ক যুক্ত করেছে যা ক্ষতিকর উত্তর প্রদান প্রতিরোধে সাহায্য করে।
- LLama বিভিন্ন NLP (Natural Language Processing) কাজের জন্য গবেষণা এবং শিল্পক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।

সূত্র: 
- LLama [link]

৩৭৩.
WWW এর জনক কে?
  1. ক) বিল গেটস
  2. খ) অ্যান্ডি গ্রোভ
  3. গ) স্টিভস জবস
  4. ঘ) টিম বার্নাস লি
ব্যাখ্যা
কোন ব্যাখ্যা যোগ করা হয়নি।
৩৭৪.
জেনেসিস ব্লকে কোনটি থাকেনা?
  1. A hash pointer to the previous block
  2. Timestamp
  3. List of transactions
  4. সবগুলোই থাকে
ব্যাখ্যা
• ব্লকচেইন:
- এই সিস্টেমে প্রতিটি ব্লক এক একটি একাউন্ট যার প্রতিটি লেনদেন ব্যবস্থাপনা চেইন আকারে পরিচালিত হয়।
- প্রত্যেকটি ব্লক হ্যাশিং (Hashing) এর মাধ্যমে উচ্চ মানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে যার ফলে কেউই এখানে হস্তক্ষেপ করতে পারে না।
- ব্লকচেইন প্রযুক্তির উদ্ভাবক Satoshi Nakamoto.
- এটি তথ্য সংরক্ষণ করার একটি নিরাপদ এবং উন্মুক্ত পদ্ধতি।
- এ পদ্ধতিতে তথ্য বিভিন্ন ব্লকে একটির পর একটি চেইন আকারে সংরক্ষণ করা হয়।
- একটি সাধারণ Block এ ৩টি অংশ থাকে। যথা-
১. A hash pointer to the previous block,
২. Timestamp এবং
৩. List of transactions.
- একমাত্র জেনেসিস ব্লক ছাড়া সব ব্লকেই A hash pointer to the previous block থাকে।

ব্লকচেইনের প্রথম ব্লকটিকে জেনেসিস ব্লক বলা হয় এবং এটি 2009 সালে তৈরি করা হয়েছিল।

উৎস:
১. [www.oreilly.com]
২. [tradefinanceglobal.com]
৩৭৫.
দীর্ঘ রেঞ্জে কম পাওয়ার ডিভাইসের জন্য কোন IoT প্রযুক্তি সবচেয়ে কার্যকর?
  1. Ethernet
  2. Bluetooth
  3. Wi-Fi
  4. LoRaWAN
ব্যাখ্যা

• দীর্ঘ রেঞ্জে কম পাওয়ার ডিভাইসের জন্য সবচেয়ে কার্যকর IoT প্রযুক্তি হলো LoRaWAN. LoRaWAN দীর্ঘ দূরত্বে ডেটা ট্রান্সমিশন করতে সক্ষম, যেখানে শক্তি ব্যবহার খুবই কম। এটি সেন্সর, মিটার, বা রিমোট ডিভাইসের মতো ব্যাটারি চালিত IoT ডিভাইসের জন্য উপযুক্ত, কারণ একবার চার্জ দিলে মাস পর্যন্ত চলতে পারে। অন্য প্রযুক্তিগুলো যেমন Wi-Fi বা Ethernet উচ্চ ব্যান্ডউইথ দিতে সক্ষম হলেও শক্তি ব্যবহার বেশি এবং রেঞ্জ সীমিত। Bluetooth ছোট রেঞ্জের জন্য ভালো হলেও দীর্ঘ দূরত্বের জন্য কার্যকর নয়। LoRaWAN কম পাওয়ার এবং বড় পরিসরে নেটওয়ার্কিং-এর জন্য আদর্শ সমাধান হিসেবে বিবেচিত হয়।
 
• ইন্টারনেট অফ থিংস (Internal of things - IoT):
- ইন্টারনেট অফ থিংস (IOT) হলো পারস্পরিক সম্পর্কযুক্ত এমন একটি সনাক্তকারী কম্পিউটিং ডিভাইস, যা একটি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে মানুষের সাথে মানুষের বা মানুষের সাথে কম্পিউটারের মধ্যে ডেটা স্থানান্তর করতে সাহায্য করে।
- এটি ইন্টারনেটের সাথে শারীরিক ডিভাইস এবং দৈনন্দিন বস্তুকে সংযুক্ত করার ধারণাকে বোঝায়, তাদের ডেটা সংগ্রহ এবং বিনিময় করার অনুমতি দেয়।
- এই সংযুক্ত ডিভাইসগুলি স্মার্ট থার্মোস্ট্যাট এবং রেফ্রিজারেটরের মতো গৃহস্থালীর যন্ত্রপাতি থেকে শুরু করে শিল্প মেশিন, পরিধানযোগ্য এবং যানবাহন পর্যন্ত হতে পারে।
- IoT-এর প্রাথমিক লক্ষ্য হল এই ডিভাইসগুলিকে একে অপরের সাথে এবং কেন্দ্রীভূত সিস্টেম বা ক্লাউড প্ল্যাটফর্মের সাথে যোগাযোগ করতে সক্ষম করা।

• IoT এর উদাহরণ:
- স্মার্ট হোম ডিভাইস (যেমন স্মার্ট লাইট, স্মার্ট থার্মোস্ট্যাট)।
- ওয়্যারেবল ডিভাইস (যেমন ফিটনেস ট্র্যাকার)।
- শিল্পক্ষেত্রে স্বয়ংক্রিয় যন্ত্রপাতি (Industrial IoT)।

উৎস:
- IBM [link]
- sciencedirect [link]

৩৭৬.
E- Retailing কোন ধরনের ই-কমার্স বিজনেস মডেলের উদাহরণ?
  1. B2B
  2. B2C
  3. C2C
  4. C2B
ব্যাখ্যা

◉ E-Retailing (Electronic Retailing) হলো অনলাইনে পণ্য বা পরিষেবা বিক্রির একটি প্রক্রিয়া, যেখানে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান (Business) সরাসরি ভোক্তাদের (Consumer) কাছে পণ্য বিক্রি করে। এটি B2C (Business-to-Consumer) ই-কমার্স মডেলের অধীনে পড়ে।
- মধ্যস্থ ব্যবসায়ীদের সহযোগিতা ছাড়াই সরাসরি ইন্টারনেটের মাধ্যমে খুচরা ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান থেকে গ্রাহক বা ক্রেতাদের পণ্য বা সেবা ক্রয়ের সুযোগ প্রদানকে ই-রিটেইলিং (E- Retailing) বা Electronic Retailing বলা হয়।

Business to Consumer Model-B2C: 
- B2C মডেল এমন একটি বিজনেস মডেলের ওয়েবসাইট যা ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের বা উৎপাদনকারীর পণ্যসমূহ গ্রাহকের কাছে সরাসরি বিক্রয় করে।
- এ ধরনের ওয়েবসাইটে পণ্যের বিস্তারিত বিবরণের পাশাপাশি অর্ডার প্রদানের সিস্টেম ও লেনদেন প্রক্রিয়াসহ ক্রেতাদের বিভিন্ন রকম প্রশ্ন ও উত্তরের ব্যবস্থা থাকে। ফলে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এ ধরনের মডেল বেশি জনপ্রিয়তা লাভ করছে।
- ঘরে বসে দেশীয় পণ্যের পাশাপাশি বিদেশি পণ্য পছন্দ করা, অর্ডার প্রদান, মূল্য পরিশোধ এবং পণ্য সময়মত প্রাপ্তির সুবিধা বিদ্যমান থাকায় ভোক্তার সংখ্যা বৃদ্ধিও সাথে সাথে বাড়ছে ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান।
- তবে B2B মডেলের বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে। তাদের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণগুলো হলো-
১। ই-রিটেইলিং (E-Retailing) বা ই-টেইলিং (E-tailer)
২। পোর্টাল (Portal)
৩। কমিউনিটি প্রোভাইডার (Community Provider)
৪। কনটেন্ট প্রোভাইডার (Content Provider)
৫। ট্রানজেকশন ব্রোকার (Transaction Broker)
৬। মার্কেট ক্রিয়েটর (Market Creator)
৭। সার্ভিস প্রোভাউডার (Service Provider). 

উৎস: ই-কমার্স, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৩৭৭.
নিচের কোন সেবাটি ই-সার্ভিসের অর্ন্তভুক্ত?
  1. কুইক-উইন
  2. ই-পর্চা
  3. এমটিএস
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• ই-সার্ভিস: 
- ই-সার্ভিস এর পূর্ণরূপ হলো ইলেকট্রনিক সার্ভিস।
- বর্তমানে ই-সার্ভিস বাংলাদেশের বিভিন্ন সরকারি এবং বেসরকারি সেবামূলক সংস্থা সার্বক্ষণিকভাবে অথবা স্বল্প সময়ে দেশের জনগণকে বিভিন্ন সেবা প্রদান করছে।
- কুইক-উইন, ই-পর্চা, ইএমটিএস, ই-পুর্জি, ই-স্বাস্থ্যসেবা, ই-টিকেটিং এই সেবার অর্ন্তভুক্ত।
- ডিজিটাল পদ্ধতিতে সেবা গ্রহণকারীরা যে কোন স্থানে বসেই মোবাইল ফোন বা ইন্টারনেট ব্যবহার করে বিভিন্ন ধরনের ই-সেবা গ্রহণ করতে পারছেন।
- প্রথমে 'কুইক-উইন' বা সহজে বাস্তবায়নযোগ্য উদ্যোগের মাধ্যমে যাত্রা শুরু করলেও বর্তমানে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও অধিদপ্তর নিজস্ব উদ্যোগে বৃহৎ পরিসরে ই-সেবা প্রদান কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
- বর্তমানে বাংলাদেশের বেশিরভাগ নাগরিক কোন না কোন ই-সেবা উপভোগ করছে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৭৮.
Bluetooth এর মাধ্যমে কোন ধরণের নেটওয়ার্ক তৈরি করা যায়?
  1. ক) PAN
  2. খ) LAN
  3. গ) MAN
  4. ঘ) WAN
ব্যাখ্যা
• PAN (Personal Area Network)
ব্যক্তিগত পর্যায়ে এই নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয়।
যেমন: ব্লু-টুথ

• LAN (Local Area Network)
স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় বা বিভিন্ন প্রতষ্ঠানে এই নেটওয়ার্ক ব্যাবহার করা হয়।

• MAN (Metropolitan Area Network)
সাধারণত একটি শহরের মধ্যে এই নেটওয়ার্ক ব্যাবহার করা হয়।

• WAN (Wide Area Network)
দেশ জুড়ে বা পৃথিবী জুড়ে এই নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (৮ম শ্রেণি)
৩৭৯.
উচ্চ ফলনশীল শস্য উৎপাদনে কোন প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়?
  1. বায়োমেট্রিক্স
  2. ভার্চুয়াল রিয়ালিটি
  3. ন্যানোটেকনোলজি
  4. জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং
ব্যাখ্যা
জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং (Genetic Engineering)

- টেকনোলজির মাধ্যমে কোন জীবের জিনোমকে (genome) নিজের সুবিধানুযায়ী সাজিয়ে নেয়াকেই জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বা জেনেটিক মডিফিকেশন বলে।
- জিনোম হলো কোন জীবের বংশগত বৈশিষ্ট্যের তথ্য।
- জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং পদ্ধতিতে কখনও কখনও প্রাণীর বংশ পরম্পরায় প্রাপ্ত ডিএনএ সরিয়ে ফেলার মাধ্যমে অথবা প্রাণীদেহের বাইরে প্রস্তুতকৃত ডিএনএ প্রাণীদেহে প্রবেশ করানোর মাধ্যমে প্রাণীর জেনেটিক গঠনের পরিবর্তন ঘটানো হয়।

- জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে প্রজনন ছাড়া ডিএনএ এর নতুন সিকুয়েন্স বা পর্যায়ক্রম তৈরির প্রক্রিয়া ১৯৭০ সাল থেকে শুরু হয়।
- এই বছরই “আণবিক কাঁচি” নামে খ্যাত রেস্ট্রিকশন এনজাইম (Restriction enzyme) দিয়ে ডিএনএ কাটার প্রক্রিয়া আবিষ্কৃত হয়।
- Jack Williamson তার সায়েন্স ফিকশন নোভেল Dragon's Island-এ জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেন।
- ১৯৭২ সালে Paul Berg বানরের ভাইরাস SV40 ও lambda virus-এর ডিএনএ এর সংযোগ ঘটিয়ে বিশ্বের প্রথম recombinant ডিএনএ অণু তৈরি করেন।
- এজন্য Paul Berg-কে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের জনক বলা হয়।

উচ্চ ফলনশীল শস্য উৎপাদনে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়। 
কাঙ্খিত নতুন বৈশিষ্ট্যের সৃষ্টির জন্য কোন জীবের DNA-এর পরিবর্তন ঘটানোকে জিন প্রকৌশল বা জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বলে।


তথ্যসূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, উচ্চ মাধ্যমিক উদ্ভিদ বিজ্ঞান, গাজী আজমল।
৩৮০.
Which method is used for data transfer in smartphones?
  1. Circuit switching
  2. Packet switching
  3. Virtual Circuit Switching
  4. Bluetooth connection
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) Packet switching

স্মার্টফোন (Smartphone)
- স্মার্টফোন হলো এমন এক ধরনের মোবাইল ফোন যা মোবাইল কম্পিউটিং প্ল্যাটফর্মের ওপর ভিত্তি করে তৈরি।
- প্রথম স্মার্টফোন ডিজাইন করে IBM।
- BellSouth প্রতিষ্ঠান ১৯৯৩ সালে এটি বাজারে আনে।
- একই বছরে IBM তৈরি করে প্রথম স্মার্টফোন "Simon", যেখানে টাচস্ক্রিন ও বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহারের সুবিধা ছিল।
- এতে ক্যালেন্ডার, ঠিকানা বই, ক্যালকুলেটরসহ অন্যান্য ফাংশন ব্যবহারের জন্য টাচস্ক্রিন ইন্টারফেস যুক্ত করা হয়েছিল।
- স্মার্টফোনে ডেটা স্থানান্তরের জন্য Packet Switching প্রযুক্তি ব্যবহার হয়।
- এতে ডেটা স্থানান্তর হয় উচ্চ গতিতে।

সূত্র: ব্রিটানিকা।

৩৮১.
বিশ্বে প্রথম মোবাইল ব্যাংকিং চালু হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯৯৬
  2. খ) ১৯৯৭
  3. গ) ১৯৯৯
  4. ঘ) ২০০০
ব্যাখ্যা
১৯৯৯ সালে মোবাইল ওয়াপ পদ্ধতির মাধ্যমে স্মার্ট ফোন নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে ইউরোপীয়ান ব্যাংকে চালু করা হয় মোবাইল ব্যাংকিং ব্যবস্থা।
৩৮২.
MICR consists of ____ groups of numbers.
  1. ক) two
  2. খ) three
  3. গ) four
  4. ঘ) five
ব্যাখ্যা
MICR stands for Magnetic Ink Character Recognition
Magnetic ink character recognition (MICR) is a technology used primarily to identify and process checks.
The MICR on a check is the string of characters that appears at the bottom left of the check.
It consists of three groups of numbers, including the bank routing number, the account number, and the check number.

Source: investopedia.com
৩৮৩.
Email এর কোন প্রোটোকল Message Retrieval এর জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. SMTP
  2. POP3
  3. TCP
  4. FTP
ব্যাখ্যা
◉ POP3 (Post Office Protocol version 3) ই-মেইল সার্ভার থেকে মেইল ডাউনলোড/রিট্রিভ করার (Retrieval) জন্য ব্যবহৃত হয়।

ই-মেইল:
- ১৯৭১ সালে আরপানেট ইলেকট্রনিক মাধ্যমে পত্রালাপের সূচনার মাধ্যমে প্রথম ইমেইল সিস্টেম চালু করেন রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিসন।
- ইলেকট্রনিক মেইল বা ই-মেইল হলো একজন বার্তা লেখকের কাছ থেকে এক বা একাধিক প্রাপকের কাছে কোন বার্তা বা ডিজিটাল মেসেজ বিনিময় করার নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি।
- ই-মেইল ঠিকানায় @ চিহ্নটি অবশ্যই থাকতে হয়।
- একটি ইমেইল ঠিকানা ইউজার আইডি ও ডোমেইন নেম নিয়ে গঠিত।
- abc@def.com এ @ অংশের পূর্বে থাকে ইউজার আইডি এবং @ অংশের পরে থাকে ডোমেইন নেম।
- ই-মেইল সার্ভারে POP, IMAP এবং SMTP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।

• POP:
- POP এর পূর্ণরূপ হল Post Office Protocol.
- ব্যবহারকারী যে সকল মেইল গ্রহণ করে বা তার কাছে আসে সেগুলোকে অন্তর্মুখী বা ইনকামিং মেইল বলা হয়।
- মেইল সার্ভার থেকে ইনকামিং মেইল গ্রহণ করার জন্য সর্বাধিক জনপ্রিয় প্রোটোকল POP3.

• SMTP:
- SMTP এর পূর্ণরূপ হল Simple Mail Transfer Protocol.
- মেল সার্ভার এবং অন্যান্য বার্তা স্থানান্তর এজেন্ট মেল বার্তা পাঠাতে এবং গ্রহণ করতে SMTP ব্যবহার করে।

• IMAP:
- IMAP এর পূর্ণরূপ হল Internet Message Access Protocol.
- IMAP প্রটোকল ব্যবহার করে মেইল বক্সে শুধু প্রবেশ করা যায়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণি।
২. মাইক্রোসফট।
৩৮৪.
একটি মেইলকে একবারে একাধিক ঠিকানায় পাঠানোর প্রক্রিয়া কোনটি?
  1. মেইল সেন্ডার
  2. মেইল ট্রেকার
  3. মেইল মার্জ
  4. মেইল টেবিল
ব্যাখ্যা
একই চিঠিকে চাহিদামতো কয়েকটি ঠিকানায় একসাথে পাঠানোর উপযোগী করাকে মেইল মার্জ বলে। MS Word দিয়ে Mail merge করা যায়।

• মেইল মার্জ করতে বা একই চিঠি বিভিন্ন ঠিকানায় কপি সংযুক্ত করে পাঠাতে এই Mail Merge  মেনু  ব্যবহার করা হয়ে থাকে।  
- মেইল মার্জ হলো এমএস ওয়ার্ডের একটি কমান্ড। 
- এর কাজ হল দুটি ডকুমেন্টকে এক করা। 
- মেইল মার্জ কমান্ড প্রয়োগ করার জন্য কমপক্ষে দুইটি ডাটা ফাইল তৈরি করতে হয়। 
- MS-Word-এর Tools মেনুতে মেইল মার্জ কমান্ড থাকে। 

সাধারণত মেইল মার্জ করতে চারটি পদ্ধতি অবলম্বন করতে হয়। 
(১) মূল ডকুমেন্ট তৈরী করতে হবে।
(২) ডেটা ডকুমেন্ট তৈরী করতে হবে।
(৩) মূল ডকুমেন্টের প্রয়োজনীয় স্থানে মার্জ ফিল্ড সন্নিবেশিত করতে হবে।
(৪) মূল ডকুমেন্ট ও ডেটা ডকুমেন্ট দুটি মার্জ বা সংযুক্ত করতে হবে।

সূত্র- Microsoft Website.
৩৮৫.
নিচের কোনটি আইওটি (IoT) ব্যবহারের ক্ষেত্র হিসেবে বিবেচিত হয় না?
  1. Smart Pulse Oximeter
  2. Precision Agriculture
  3. Smart Waste Management
  4. Static Library Cataloging
ব্যাখ্যা

• আইওটি (Internet of Things) হতে হলে ডিভাইসটিকে সেন্সরের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করতে হয় এবং সেই তথ্য ইন্টারনেটের মাধ্যমে আদান-প্রদান করতে হয়। Static Library Cataloging হলো লাইব্রেরির বইপত্রের একটি স্থির তালিকা বা ডাটাবেস। এখানে কোনো সেন্সর ব্যবহার করে রিয়েল-টাইম তথ্য (যেমন- বইটির বর্তমান অবস্থান বা শেলফের তাপমাত্রা) স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপডেট হয় না, তাই এটি আইওটি-র (IoT) অন্তর্ভুক্ত নয়।

• IOT (Internet of Things):
- IOT (Internet of Things) এমন একটি প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে নানা ধরণের বস্তু (যন্ত্র, সেন্সর, ডিভাইস) ইন্টারনেটের মাধ্যমে একে অপরের সাথে সংযুক্ত থাকে এবং তথ্য আদান-প্রদান করে তাকে ইন্টানেট অব থিংস বা আইওটি (Internet of Things-IOT) বলে।
- আমাদের চারপাশে প্রতিদিনকার জীবনে আমরা যেসব যন্ত্রপাতির ব্যবহার যেমন গাড়ির গ্যারেজের দরজা, গাড়ি, কন্ট্রোল, ফ্যান, টিভি, দরজার ইলেট্রিক লক ইত্যাদি বিভিন্ন প্রয়োজনে যন্ত্র বা জিনিসপত্রকে অটোমেটিক করার জন্য এসবের সাথে কম্পিউটার সিস্টেম সংযুক্ত থাকে।
- এই প্রযুক্তিতে আমাদের ঘরের বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক যন্ত্রপাতি যেমন: টিভি, ফ্রিজ, লাইট প্রভৃতি ইন্টারনেট-এর সাথে সংযুক্ত করে এগুলোকে দুর থেকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
- IoT (Internet of Things) ডিভাইসগুলোর মধ্যে তথ্য আদান-প্রদানের জন্য বিভিন্ন প্রটোকল ব্যবহার করা হয়। এর মধ্যে MQTT (Message Queuing Telemetry Transport) সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়। 

অন্যান্য অপশন:
-Smart Pulse Oximeter: এটি রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা মেপে সরাসরি ইন্টারনেটের মাধ্যমে ডাক্তার বা স্মার্টফোনে তথ্য পাঠাতে পারে।
- Precision Agriculture: এটি সেন্সর ব্যবহার করে মাটির আর্দ্রতা ও তাপমাত্রা মেপে স্বয়ংক্রিয় সেচ ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণ করে।
- Smart Waste Management: এতে ডাস্টবিনে আল্ট্রাসনিক সেন্সর ব্যবহার করে ময়লার পরিমাণ মাপা হয় এবং পূর্ণ হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নোটিফিকেশন পাঠায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মাহবুবুর রহমান। ব্রিটানিকা।

৩৮৬.
কোন উপাদানটি LLM-এর প্রশিক্ষণে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে?
  1. Network Interface Card (NIC)
  2. Central Processing Unit (CPU)
  3. Hard Disk Drive (HDD)
  4. Graphics Processing Unit (GPU) 
ব্যাখ্যা

•  LLM (Large Language Model)-এর প্রশিক্ষণে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো ঘ) Graphics Processing Unit (GPU)। GPU বিশেষভাবে সমান্তরাল গণনার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে, যা একটি বড় নিউরাল নেটওয়ার্কের অসংখ্য ম্যাট্রিক্স ও ভেক্টর অপারেশনকে দ্রুত প্রক্রিয়াকরণে সক্ষম। LLM প্রশিক্ষণের সময় কোটি কোটি প্যারামিটার আপডেট করতে হয়, যা CPU এর চেয়ে GPU দ্বারা অনেক দ্রুত করা যায়। HDD বা NIC এর ভূমিকা তুলনামূলকভাবে কম; HDD শুধু ডেটা সংরক্ষণ করে এবং NIC ডেটা ট্রান্সফারে সাহায্য করে, কিন্তু মডেলের গণনায় সরাসরি প্রভাব ফেলে না। সুতরাং, উচ্চ ক্ষমতার GPU ছাড়া LLM-এর কার্যকর প্রশিক্ষণ প্রায় অসম্ভব।
 
• LLM:
- LLM চালানোর জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশ:
- LLM (Large Language Model) চালানোর ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হল Graphics Card (GPU). 

• Graphics Card (GPU):
- GPU বিশাল পরিমাণ ডেটা সমান্তরালভাবে প্রসেস করতে পারে।  
- LLM মডেলগুলোর প্রশিক্ষণ ও কার্যকরভাবে চালানোর জন্য হাজার হাজার কোর বিশিষ্ট GPU ব্যবহৃত হয়।  
- CPU এর তুলনায় GPU অনেক দ্রুতগতিতে ম্যাট্রিক্স ও টেনসর অপারেশন করতে সক্ষম।  
- LLM ট্রেনিং ও ইনফারেন্স—দুটোর ক্ষেত্রেই GPU অপরিহার্য ভূমিকা পালন করে।  
- বর্তমান সময়ে NVIDIA A100, H100 এর মতো GPU LLM এর জন্য সবচেয়ে ব্যবহৃত।  
- GPU এর ক্ষমতা যত বেশি হবে, তত দ্রুত ও কার্যকরভাবে LLM চালানো সম্ভব হবে।  

সূত্র: 
- NVIDIA [link]

৩৮৭.
ফেইস রিকোগনিশন এ নিম্নের কোন প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়?
  1. বায়োজেনিক
  2. বায়োমেট্রিক্স
  3. বায়োনোমিক
  4. বায়োজেনেসিস
ব্যাখ্যা
গ্রিক শব্দ 'metron' অর্থ পরিমাপ এবং 'bio' অর্থ জীবন, এ দু’টি শব্দ থেকে Biometrics শব্দের উৎপত্তি।
বায়োমেট্রিক্স হলো এমন একটি পদ্ধতি যেখানে কোন ব্যক্তির দেহের গঠন এবং আচরণগত বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে তাকে অদ্বিতীয়ভাবে চিহ্নিত বা সনাক্ত করা যায়। কম্পিউটার বিজ্ঞানে বায়োমেট্রিক পদ্ধতিকে ব্যক্তি সনাক্তকরণ এবং কোন সিস্টেমে প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণের কৌশল হিসেবে ব্যবহার করা হয়। দেহের গঠন এবং আচরণগহত বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে বায়োমেট্রিক পদ্ধতি বিভিন্ন প্রকার হতে পারে। যথাঃ
ক. দেহের গঠন ও শারীরবৃত্তীয় বৈশিষ্ট্যের বায়োমেট্রিক পদ্ধতি
১. ফিংগার প্রিন্ট (Fingerprint)
২. হ্যান্ড জিওমিট্রি (Hand geometry)
৩. আইরিস এবং রেটিনা স্ক্যান (Iris and retina scan)
৪. ফেইস রিকোগনিশন (Face recognition)
৫. ডিএনএ টেস্ট (DNA Test)

খ. আচরণগত বৈশিষ্ট্যের বায়োমেট্রিক পদ্ধতি
১. ভয়েস রিকগনিশন (Voice recognition)
২. সিগনেচার ভেরিফিকেশন (Signature verification)
৩. টাইপিং কীস্ট্রোক (Keystroke verification)
উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (উন্মুক্ত)
৩৮৮.
স্মার্ট হোম ডিভাইসগুলোতে মেশ নেটওয়ার্ক তৈরিতে কোন প্রযুক্তিটি ব্যবহৃত হয়?
  1. Zigbee
  2. NFC
  3. Infrared
  4. USB
ব্যাখ্যা

• স্মার্ট হোম প্রযুক্তিতে Zigbee হলো একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ওয়্যারলেস কমিউনিকেশন প্রটোকল।
- এটি মূলত মেশ নেটওয়ার্কিং টপোলজি ব্যবহার করে, যেখানে প্রতিটি স্মার্ট ডিভাইস একে অপরের সাথে সংযুক্ত থেকে সিগন্যাল আদান-প্রদান করতে পারে। এর ফলে নেটওয়ার্কের পরিধি বৃদ্ধি পায় এবং বিদ্যুত খরচও অনেক কম হয়।

• স্মার্ট হোম প্রযুক্তি:
- স্মার্ট হোম হলো এমন একটি বাসস্থান, যেখানে রিমোট কন্ট্রোলিং বা প্রোগ্রামিং ডিভাইসের সাহায্যে বাড়ির হিটিং সিস্টেম, কুলিং সিস্টেম, লাইটিং সিস্টেম, সিকিউরিটি কন্ট্রোল সিস্টেম ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
- স্মার্ট হোম প্রযুক্তিতে ডিজিটাল পদ্ধতি ব্যবহার করে হোম অটোমেশন চালু করা হয়।
- স্মার্ট হোমের পদ্ধতিকে হোম অটোমেশন সিস্টেম (Home Automation System) বলা হয়।
- একটি স্মার্ট হোমে ব্যবহৃত বিভিন্ন ডিভাইস যেমন- টেলিভিশন, এসি, লাইটিং, ফ্যান, সিকিউরিটি ক্যামেরা ইত্যাদি পরিচালনার জন্য আধুনিক প্রযুক্তির মোবাইল বা রিমোট কন্ট্রোলিং ডিভাইস ব্যবহার করে সেগুলোকে কোনো কেন্দ্রীয় অবস্থানে থেকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
- বর্তমানে বিভিন্ন শিল্পোন্নত দেশ যেমন-চীন, সিঙ্গাপুর, কোরিয়া ইত্যাদি দেশে গ্লোবাল রেসিডেন্স বা বৈশ্বিক বাসস্থান তৈরি করা হচ্ছে।
- বাসস্থানের নিরাপত্তার জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে আইপি ক্যামেরা।
- রিমোট কন্ট্রোল বা ভয়েস কমান্ডের সাহায্যে গাড়ির গ্যারেজ, ঘরের দরজা-জানালা খোলা বা বন্ধ করা, লাইট, ফ্যান, কম্পিউটার ও টেলিফোন চালু কিংবা বন্ধ করা যায়।
- বাইরে থাকাকালে কোনো মেহমান বাসায় আসলে সিকিউরিটি এলার্মের সাহায্যে মোবাইল ফোনে তা জানা যায় ।
- কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত রোবোটের সাহায্যে চা বানানো, কাপড় ধোয়া, ঘরবাড়ি পরিষ্কার ও ময়লা নিষ্কাশন করা সম্ভব হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান। ব্রিটানিকা।

৩৮৯.
ফোনের IMEI নম্বর জানতে কোন কোড ডায়াল করতে হবে?
  1. *#123#
  2. *#IMEI#
  3. *#911#
  4. *#06#
ব্যাখ্যা

• ফোনের IMEI (International Mobile Equipment Identity) নাম্বার দেখতে হলে সঠিক কোড হলো *#06#

• IMEI:
- প্রতিটি স্বতন্ত্র ফোনের জন্য একটি করে স্বতন্ত্র IMEI নাম্বার থাকে যার সাহায্যে ওই ফোনটি সনাক্ত করা যায়।
- IMEI: IMEI-এর পূর্ণরূপ International Mobile Equipment Identity.
- এটি একটি নাম্বার যা নির্দিষ্ট ধরনের মোবাইল এবং স্যাটেলাইট ফোন সনাক্ত করতে ব্যবহৃত হয়।
- এটি সাধারণত ব্যাটারি কম্পার্টমেন্টের ভিতরে প্রিন্ট করা হয় বা *#06# ডায়াল করে ফোনটি চালু হলে অ্যাক্সেস করা হয়।
- স্মার্টফোনে এটি বেশিরভাগ অপারেটিং সিস্টেমের সেটিংস মেনুতে পাওয়া যায়।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৩৯০.
কোন GPU ব্র্যান্ডটি LLM (Large Language Model) মডেল ট্রেনিংয়ে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়?
  1. Intel
  2. NVIDIA
  3. ARM
  4. Apple 
ব্যাখ্যা

• বর্তমানে LLM (Large Language Model) যেমন: GPT-4 বা Llama প্রশিক্ষণের জন্য NVIDIA ব্র্যান্ডের GPU সর্বাধিক ব্যবহৃত হয়।
-এর প্রধান কারণ হলো NVIDIA-এর উন্নত CUDA (Compute Unified Device Architecture) প্ল্যাটফর্ম এবং Tensor Cores, যা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জটিল গাণিতিক হিসাবগুলো অত্যন্ত দ্রুত সম্পন্ন করতে পারে।
- বর্তমানে এআই হার্ডওয়্যার বাজারের প্রায় ৮০% এর বেশি NVIDIA-এর দখলে।

• LLM মডেল প্রশিক্ষণে GPU ব্র্যান্ড:
- LLM মডেল ট্রেনিংয়ে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত GPU ব্র্যান্ড হলো NVIDIA.
- NVIDIA এর CUDA এবং Tensor Core প্রযুক্তি deep learning কাজের জন্য অত্যন্ত অপ্টিমাইজড।  
- এই প্রযুক্তি মডেল ট্রেনিংয়ের সময় দ্রুত ম্যাট্রিক্স ও টেনসর অপারেশন সম্পাদন করতে সাহায্য করে।  
- AMD ও Intel GPU কিছু ক্ষেত্রে ব্যবহারযোগ্য হলেও NVIDIA এর ecosystem এবং সফটওয়্যার সাপোর্ট সবচেয়ে বড়।  
- Apple এর GPU মূলত মোবাইল বা ডেস্কটপ গ্রাফিক্সের জন্য, বড় LLM ট্রেনিংয়ে ব্যবহার সীমিত।  
- তাই LLM মডেল প্রশিক্ষণে NVIDIA GPU এর ব্যবহার সর্বাধিক।  

সূত্র: 
- IBM [link]
- OpenAI [link]
- Reuters [link]

৩৯১.
নিচের কোনটি আচরণগত বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি উদাহরণ?
  1. আঙ্গুলের ছাপ শনাক্তকরণ
  2. ডিএনএ পর্যবেক্ষণ
  3. আইরিশ শনাক্তকরণ 
  4. কিবোর্ড টাইপিং গতি যাচাইকরণ  
ব্যাখ্যা
বারোমেট্রিক্স (Biometrics):
- মানুষের দৈহিক গঠন বা আচরণগত বৈশিষ্ট্য পরিমাপের ভিত্তিতে কোনো ব্যক্তিকে অদ্বিতীয়ভাবে শনাক্ত করার জন্য ব্যবহৃত প্রযুক্তিকে বায়োমেট্রিক্স বলে। 
- একজন মানুষের সাথে অন্য মানুষের আচরণ বা গাঠনিক বৈশিষ্ট্য কখনোই একরকম হবে না। 
- বৈশিষ্ট্যের ভিন্নতার বায়োমেট্রিক্সের প্রকারভেদ দুই রকম। যথা- 

১। শারীরবৃত্তীয় বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
• আঙ্গুলের ছাপ শনাক্তকরণ 
• হাতের রেখা শনাক্তকরণ 
• আইরিশ শনাক্তকরণ 
• মুখমন্ডলের অবয়ব শনাক্তকরণ 
• ডিএনএ পর্যবেক্ষণ (DNA test) ।

২। আচরণগত বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
কিবোর্ড টাইপিং গতি যাচাইকরণ  
• হাতে করা স্বাক্ষর যাচাইকরণ 
• কণ্ঠস্বর যাচাইকরণ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
৩৯২.
শক্তিশালী পাসওয়ার্ড তৈরি করার জন্য কোনটি সঠিক? 
  1. কেবল সংখ্যা ব্যবহার করা
  2. শব্দ, বাক্য, সংখ্যা এবং বিশেষ চিহ্নের সমন্বয় করা
  3. শুধু ছোট হাতের অক্ষর ব্যবহার করা
  4. শুধু বড় হাতের অক্ষর ব্যবহার করা
ব্যাখ্যা
অনলাইন পরিচিতি ও নিরাপত্তা: 
- একজন ব্যক্তির অনলাইন পরিচিতি নিম্নোক্ত পরিচয় জ্ঞাপকের যেকোনো একটি বা তাদের সমন্বিত হতে পারে। 
(ক) ই-মেইল ঠিকানা এবং 
(খ) সামাজিক যোগাযোগের সাইটে তার প্রোফাইলের নাম। 
- ই-মেইল কিংবা ফেসবুকে নিজের একাউন্ট যেন অন্যে ব্যবহার করতে না পারে সেজন্য সতর্ক থাকা প্রয়োজন। 
- এক্ষেত্রে প্রত্যেক সাইটে ঢোকার ক্ষেত্রে যে পাসওয়ার্ডটি ব্যবহার করা হয়, সেটির গোপনীয়তা রক্ষা করাও জরুরি। 
- পাসওয়ার্ডের গোপনীয়তা রক্ষা করার জন্য কয়েকটি টিপস বা কৌশল দেওয়া হলো- 
১। দীর্ঘ পাসওয়ার্ড ব্যবহার: সংক্ষিপ্ত পাসওয়ার্ডের পরিবর্তে দীর্ঘ পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা অধিক নিরাপদ। প্রয়োজনে প্রিয় বাক্য বা বাক্যাংশও পাসওয়ার্ড হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে, সহজ পাসওয়ার্ড যেমন- 123456, abcdef, qwerty, asdfghjkl, password ইত্যাদি ব্যবহার করা উচিত নয়।
২। বিভিন্ন ধরনের অক্ষর ব্যবহার: কেবল ছোট হাতের অক্ষর নয়, বড় হাতের এবং ছোট হাতের অক্ষরের পাশাপাশি সংখ্যা এবং প্রতীকও ব্যবহার করা উচিত। এটি পাসওয়ার্ডের শক্তিমত্তা বাড়ায়।
৩। শক্তিশালী পাসওয়ার্ড তৈরি করা: শক্তিশালী পাসওয়ার্ডের মধ্যে শব্দ, বাক্য, সংখ্যা এবং বিশেষ চিহ্নের সমন্বয় করা উচিত। যেমন: Z26a1$alr18a1@gmail.com।
৪। পাসওয়ার্ডের শক্তিমত্তা যাচাই করা: বেশিরভাগ অনলাইন সাইটে পাসওয়ার্ডের শক্তিমত্তা যাচাই করার একটি সুযোগ থাকে। নিয়মিতভাবে এই সুযোগ ব্যবহার করে পাসওয়ার্ডের শক্তিমত্তা পরীক্ষা করা এবং যদি প্রয়োজন হয়, সেটি আরও শক্তিশালী করে তোলা উচিত।
৫। সামাজিক জায়গায় ব্যবহারের ক্ষেত্রে সাবধানতা অবলম্বন: সাইবার ক্যাফে বা ইউনিয়ন তথ্য ও সেবা কেন্দ্রের মতো পাবলিক কম্পিউটারে অনলাইন ব্যবহারের সময়, ব্যবহার শেষে সংশ্লিষ্ট সাইট থেকে লগ আউট করা অত্যন্ত জরুরি।
৬। পাসওয়ার্ড ম্যানেজার ব্যবহার: অনেক ব্যবহারকারী পাসওয়ার্ড ম্যানেজার ব্যবহার করেন যেমন- LastPass, KeePass ইত্যাদি। এইসব টুলস ব্যবহারের মাধ্যমে আপনি আপনার পাসওয়ার্ডগুলো নিরাপদে রাখতে পারেন।
৭। পাসওয়ার্ড নিয়মিত পরিবর্তন: একটি নিরাপদ অভ্যাস হিসেবে নিয়মিত পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করুন, যেন আপনার অ্যাকাউন্টগুলি সর্বদা সুরক্ষিত থাকে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ  প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণি।
৩৯৩.
কোন ই-মেইল সার্ভিসটি মাইক্রোসফটের অধীনে পরিচালিত হয়?
  1. আউটলুক
  2. ইএম ক্লায়েন্ট
  3. মালবেরি
  4. ফক্সমেইল
ব্যাখ্যা

• মাইক্রোসফটের অধীনে পরিচালিত ই-মেইল সার্ভিস হল আউটলুক (Outlook)। আউটলুক একটি জনপ্রিয় ই-মেইল ক্লায়েন্ট এবং ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবস্থাপনা সফটওয়্যার, যা মাইক্রোসফট কর্পোরেশন দ্বারা তৈরি ও পরিচালিত হয়। এটি কেবল ই-মেইল পাঠানো এবং গ্রহণ করার সুবিধা দেয় না, বরং এতে ক্যালেন্ডার, কন্টাক্ট, টাস্ক ম্যানেজমেন্ট এবং নোট ফিচারও রয়েছে। আউটলুক ব্যবহারকারীদের পেশাদার ও ব্যক্তিগত জীবন সহজভাবে পরিচালনা করতে সাহায্য করে। অন্যদিকে, ইএম ক্লায়েন্ট, মালবেরি, এবং ফক্সমেইল মাইক্রোসফটের প্রোডাক্ট নয়; এগুলি অন্য কোম্পানি বা ডেভেলপারদের তৈরি বিভিন্ন ই-মেইল ক্লায়েন্ট। তাই মাইক্রোসফটের অধীনে পরিচালিত একমাত্র ই-মেইল সার্ভিস আউটলুক।
 
 • ই-মেইল (E-mail):
- ইলেকট্রনিক মেইল (Electronic mail)-এর সংক্ষিপ্ত রূপ হচ্ছে ই-মেইল (E-mail)।
- ই-মেইল বলতে কম্পিউটার, ট্যাবলেট, স্মার্টফোন ইত্যাদি ডিজিটাল ডিভাইস দিয়ে নেটওয়ার্ক ব্যবহারের মাধ্যমে ডিজিটাল তথ্য বিনিময় করাকে বোঝায়।
- ১৯৭১ সালে Ray Tomlinson সর্বপ্রথম ইন্টারনেটের মাধ্যমে অন্য কম্পিউটারে ই-মেইল পাঠাতে সক্ষম হন। তাই তাকে ই-মেইলের জনক বলা হয়।

• ই-মেইল এর জন্য ব্যবহৃত সাধারণ সফটওয়্যারসমূহ:
- ওয়েব ভিত্তিক ই-মেইল এর বাইরে ই-মেইলের জন্য নির্দিষ্ট কিছু প্রোগ্রামও ব্যবহার করা যায়।
- এদের কিছু বিনামূল্যে পাওয়া যায় আবার কিছু কিনে ব্যবহার করতে হয়।
- মাইক্রোসফটের মালিকানাধীন ইমেইল সেবা হলো - আউটলুক (Outlook)।

• ই-মেইল ক্লায়েন্টগুলোর মধ্যে রয়েছে-
- জি-মেইল (Gmail),
- ইয়াহু মেইল (Yahoo Mail),
- মোজিলা থান্ডারবার্ড (Mozilla Thunderbird),
- ইএম ক্লায়েন্ট (eM Clent),
- ক্লজ মেইল (Claws Mail),
- ফক্সমেইল (Foxmail),
- অপেরা এমটু মেইল ক্লায়েন্ট (Opera M2 Mail Client),
- পেগাসাস মেইল (Pegasus Mail),
- ইনক্রেডিমেইল (Incredimail),
- মালবেরি (Mulberry),
- ড্রিম মেইল (Dream Mail),
- সিলফিড (SyIpheed),
- আউটলুক (Outlook),
- জিমব্রা (Zimbra),
- পোস্টবক্স (Portbox), ইত্যাদি।

উৎস:
১. কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
২. বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৩৯৪.
কোন ব্যাংক সর্বপ্রথম Cash Dispenser (CD) স্থাপন করে?
  1. Barclays bank
  2. Bangladesh bank
  3. Lloyds Bank
  4. State bank
ব্যাখ্যা
• ই-ব্যাংকিং:
- বর্তমানে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে ব্যাংকিং এর যে কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে তাকে ই-ব্যাংকিং বা ইলেকট্রনিক ব্যাংকিং বলে।
- ১৯৬১ সালে সর্বপ্রথম যুক্তরাষ্ট্রের ‘The National City Bank of New York’ ই-ব্যাংকিং ব্যবস্থার প্রবর্তন করে EFTS (Electronic Fund Transfer System) নামে।
- ১৯৬৭ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ‘Barclays bank’ প্রথম Cash Dispenser (CD) স্থাপন করে।
- সুইডেন, ফ্রান্স ও সুইজারল্যান্ড প্রথম “National Cash Dispenser Network” ব্যবহার শুরু করে।
- জাপান ও আমেরিকা ১৯৬৯ সালে CD মেশিন ব্যবহার করা শুরু করে।
- Lloyds Bank ১৯৭২ সালে প্রথম Cashpoint বসিয়ে আধুনিক অনলাইন ব্যাংকিং কার্যক্রম শুরু করে।
- ই-ব্যাংকিং ব্যবস্থায় গ্রাহকগণ সাধারণ ব্যাংকিং এর পাশাপাশি ATM কার্ড, ডেভিড কার্ড, ক্রেডিট কার্ড, Online Banking, SMS ব্যাংকিং, Home ব্যাংকিং ইত্যাদি সেবা গ্রহণ করে থাকে।
- ব্যাংকের সার্ভারে নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থার জন্য Firewall ব্যবহার করা হয়।

উৎস: ফিনান্স, ব্যাংকিং ও বিমা, ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৯৫.
কোনটি বায়োমেট্রিক্সের দেহের গঠন ও শারীরবৃত্তীয় বৈশিষ্ট্যের পদ্ধতি?
  1. ভয়েস রিকগনিশন
  2. হ্যান্ড জিওমিট্রি
  3. টাইপিং কীস্ট্রোক
  4. সিগনেচার ভেরিফিকেশন
ব্যাখ্যা

• বায়োমেট্রিক্স: 
- গ্রীক শব্দ metron অর্থ পরিমাপ এবং "bio" অর্থ জীবন, এ দু'টি শব্দ থেকে Biometrics শব্দের উৎপত্তি। 
- বায়োমেট্রিক্স হলো এমন একটি পদ্ধতি যেখানে কোন ব্যক্তির দেহের গঠন এবং আচরণগত বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে তাকে অদ্বিতীয়ভাবে চিহ্নিত বা সনাক্ত করা যায়। 
- কম্পিউটার বিজ্ঞানে বায়োমেট্রিক পদ্ধতিকে ব্যক্তি সনাক্তকরণ এবং কোন সিস্টেমে প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণের কৌশল হিসেবে ব্যবহার করা হয়। 
- দেহের গঠন এবং আচরণগহত বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে বায়োমেট্রিক পদ্ধতি বিভিন্ন প্রকার হতে পারে। 
যথা- 
ক. দেহের গঠন ও শারীরবৃত্তীয় বৈশিষ্ট্যের বায়োমেট্রিক পদ্ধতি:
১. ফিংগার প্রিন্ট (Fingerprint), 
২. হ্যান্ড জিওমিট্রি (Hand geometry), 
৩. আইরিস এবং রেটিনা স্ক্যান (Iris and retina scan), 
৪. ফেইস রিকোগনিশন (Face recognition) এবং 
৫. ডিএনএ টেস্ট (DNA test) । 

খ. আচরণগত বৈশিষ্ট্যের বায়োমেট্রিক পদ্ধতি: 
১. ভয়েস রিকগনিশন (Voice recognition), 
২. সিগনেচার ভেরিফিকেশন (Signature verification) এবং 
৩. টাইপিং কীস্ট্রোক (Keystroke verification) । 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৯৬.
Which Generative AI is used for creating images from text prompts?
  1. DALL-E
  2. AlphaGo
  3. Dropbox
  4. ElevenLabs
ব্যাখ্যা

• DALL-E হলো একটি বিশেষায়িত জেনারেটিভ এআই মডেল যা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে মানুষের দেওয়া লিখিত প্রম্পট বা বর্ণনা থেকে সম্পূর্ণ নতুন ছবি তৈরি করতে পারে। এটি কয়েক বিলিয়ন প্যারামিটার সমৃদ্ধ একটি নিউরাল নেটওয়ার্ক যা ভাষার গভীর অর্থ বুঝতে পারে এবং সেই অনুযায়ী শৈল্পিক বা বাস্তবসম্মত দৃশ্য ফুটিয়ে তোলে। 
- টেক্সট-টু-ইমেজ জেনারেট করার আরও কিছু জনপ্রিয় এআই মডেল: Midjourney, Stable Diffusion, Google Imagen, Nano Banana ইত্যাদি।

• Generative Al:
- Generative AI এমন এক ধরনের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, যা নতুন কনটেন্ট (যেমন লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও) তৈরি করতে পারে।
- এটি মানুষের মতো উত্তর তৈরি করে, কারণ এটি ডেটা থেকে ভাষার ধরন ও প্যাটার্ন শেখে। উদাহরণ: ChatGPT, DALL-E, Gemini, Claude ইত্যাদি।
- এটি large language model (LLM) বা deep neural network ব্যবহার করে।
- এই মডেলগুলো বিশাল এবং বহুমুখী ডেটাসেটের উপর প্রশিক্ষিত।
- LLM মূলগতভাবে একটি পরবর্তী-শব্দ পূর্বাভাসকারী (Next-Word Predictor) হিসাবে কাজ করে।

• DALL-E এর বৈশিষ্ট্য:
- এটি ওপেনএআই (OpenAI) দ্বারা তৈরি একটি টেক্সট-টু-ইমেজ (Text-to-image) মডেল।
- এর সর্বশেষ সংস্করণ DALL-E 3 অত্যন্ত নিখুঁতভাবে প্রম্পট অনুসরণ করতে পারে।
- জিরো-শট লার্নিং (Zero-shot learning) ব্যবহার করে এমন সব ছবি তৈরি করতে পারে যা আগে কখনো দেখেনি।
- এটি জেনারেটিভ অ্যাডভারসারিয়াল নেটওয়ার্ক এবং ডিফিউশন মডেলের উন্নত প্রযুক্তির সংমিশ্রণ।

• অন্যান্য অপশন:
- AlphaGo: গুগল ডিপমাইন্ডের একটি বিশেষ এআই যা শুধুমাত্র বোর্ড গেম খেলার কৌশল নিয়ে কাজ করে।
- Dropbox: ফাইল সংরক্ষণের ক্লাউড স্টোরেজ সার্ভিস।
- ElevenLabs: এআই ভয়েস জেনারেটর যা শুধুমাত্র টেক্সটকে অডিওতে রূপান্তর রূপান্তর করে, ছবি নয়।

উৎস: ব্রিটানিকা। [link]

৩৯৭.
ভার্চুয়াল রিয়েলিটি মূলত কোন তত্ত্বের ওপর ভিত্তি করে কাজ করে?
  1. ডেটাবেজ তত্ত্ব
  2. কম্পাইলার তত্ত্ব
  3. নেটওয়ার্ক তত্ত্ব
  4. সিমুলেশন তত্ত্ব
ব্যাখ্যা

• Simulation Theory: কৃত্রিম পরিবেশ ও বাস্তবসম্মত অভিজ্ঞতা সৃষ্টির ভিত্তি।

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি(Virtual Reality):
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হলো এমন একটি প্রযুক্তি, যেখানে হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের সমন্বয়ে কম্পিউটার সিস্টেমের মাধ্যমে কোনো বস্তু, ঘটনা বা পরিবেশের বাস্তবসম্মত ত্রিমাত্রিক ছবি তৈরি করা হয়।
- এটি বাস্তব নয়, বরং বিজ্ঞানের কল্পনা ও পরিকল্পনার মাধ্যমে সৃষ্ট একটি কৃত্রিম বাস্তবতা।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি মূলত কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের ওপর ভিত্তি করে কাজ করে।
- এই প্রযুক্তির মাধ্যমে এমন একটি কৃত্রিম পরিবেশ সৃষ্টি করা হয়, যা ব্যবহারকারীর কাছে বাস্তব বলে মনে হয়।
- ত্রিমাত্রিক চিত্র ব্যবহারের ফলে বাস্তবে করা কঠিন বা ঝুঁকিপূর্ণ কাজ ভার্চুয়াল পরিবেশে সহজে সম্পন্ন করা সম্ভব।

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটির উপাদানসমূহ:
- হেড-মাউন্টেড ডিসপ্লে(HMD),
- ডেটা গ্লাভস,
- বিশেষ বডি স্যুট।
- এসব উপাদানের মাধ্যমে ব্যবহারকারী শারীরিক ঝুঁকি ছাড়াই বাস্তবের মতো অভিজ্ঞতা লাভ করে।

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটির প্রয়োগ ক্ষেত্র:
- চিকিৎসাক্ষেত্রে,
- ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায়,
- ফ্লাইট সিমুলেশনে,
- খেলাধুলা ও বিনোদনে।

• অন্যান্য অপশন:
- Database Theory: ডেটা সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনার সাথে সম্পর্কিত।
- Compiler Theory: প্রোগ্রাম অনুবাদ ও কম্পাইলিংয়ের সাথে সম্পর্কিত।
- Network Theory: নেটওয়ার্ক যোগাযোগ ও ডেটা আদান-প্রদানের তত্ত্ব।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৯৮.
বিশ্বগ্রাম (Global Village)- প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজনীয় উপাদান কোনটি?
  1. ক) সফটওয়্যার
  2. খ) মানুষের সক্ষমতা
  3. গ) কানেকটিভিটি
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
বিশ্বগ্রাম প্রতিষ্ঠার জন্য প্রধান উপাদান গুলো হলও - হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার, কানেকটিভিটি, ডাটা, মানুষের সক্ষমতা।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী)--প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩৯৯.
ই-পুর্জি কীসের সাথে সম্পর্কিত? 
  1. স্বাস্থ্যসেবা প্রদান
  2. জমি ক্রয়-বিক্রয়
  3. কৃষি উপকরণ বিক্রয়
  4. চিনিকলের ইক্ষু সরবরাহ ব্যবস্থাপনা
ব্যাখ্যা
- বর্তমানে দেশে অনেক নাগরিক সেবা খুব সহজে পাওয়া যায়। 
- এই গুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হলো- 
১। ই-পর্চা: 
- জমি-জমার বিভিন্ন রেকর্ড সংগ্রহের জন্য পূর্বে অনেক হয়রানি হতো, বর্তমানে দেশের ৬৪টি জেলায় ই-সেবা কেন্দ্র থেকে তা সহজে সংগ্রহ করা যায়। 
- এজন্য অনলাইনে আবেদন করে আবেদনকারী জমি-জমা সংক্রান্ত বিভিন্ন দলিল এর সত্যায়িত অনুলিপি সংগ্রহ করতে পারে, এর ফলে জনগণ খুব সহজে সেবা পাচ্ছেন। 
- অন্যদিকে সেবা প্রদানের সময় তথ্যাদি ডিজিটালকৃত হয়ে যাচ্ছে ফলে ভবিষ্যতে তথ্য প্রাপ্তির পথ সহজ হচ্ছে। 

২। ই-বুক: 
- সকল পাঠ্যপুস্তক অনলাইনে সহজে প্রাপ্তির জন্য সরকারিভাবে একটি ই-বুক প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা হয়েছে (www.ebook.gov.bd)। 
- এতে বিভিন্ন শ্রেণির পাঠ্যপুস্তক ও সহায়ক পুস্তক রয়েছে। 

৩। ই-পুর্জি: 
- চিনিকলের পুর্জি (ইক্ষু সরবরাহের অনুমতিপত্র) স্বয়ংক্রিয়করণ করা হয়েছে এবং বর্তমানে মোবাইল ফোনে কৃষকরা তাদের পুর্জি পাচ্ছে। 
- ফলে এ সংক্রান্ত হয়রানির অবসান হওয়ার পাশাপাশি কৃষকও তাদের ইক্ষু সরবরাহ উন্নত করতে পেরেছেন। 

৪। ই-স্বাস্থ্যসেবা: 
- জনগণের কাছে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার জন্য দেশের অনেক স্থানে টেলিমিডিসিন সেবা কেন্দ্র গড়ে তোলা হয়েছে। 
- এ ছাড়া সরকারি হাসপাতালসমূহের ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে মোবাইল ফোনে বা এসএমএসে অভিযোগ পাঠানোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, এর ফলে স্বাস্থ্যখাতে ইতিবাচক পরিবর্তন লক্ষ করা যাচ্ছে। 

৫। পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ: 
- বর্তমানে দেশের সকল পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল অনলাইনে এবং মোবাইল ফোনের মাধ্যমে প্রকাশ করা হচ্ছে। 

৬। অনলাইনে আয়কর রিটার্ন প্রস্তুতকরণ: 
- ঘরে বসেই এখন আয়করদাতারা তাদের আয়করের হিসাব করতে পারেন এবং রিটার্ন তৈরি ও দাখিল করতে পারেন। 

৭। টাকা স্থানান্তর: 
- পোস্টাল ক্যাশ কার্ড, মোবাইল ব্যাংকিং, ইলেক্ট্রনিক মানি ট্রান্সফার সিস্টেম ইত্যাদির মাধ্যমে বর্তমানে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে অর্থ প্রেরণ সহজ ও দ্রুত হয়েছে। 
- এছাড়া ইন্টারনেট ও অনলাইন ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে সহজে টাকা স্থানান্তরিত করা যায়। 

৮। পরিসেবার বিল পরিশোধ: 
- নাগরিক সুবিধার একটি বড়ো অংশ হলো বিদ্যুৎ, পানি কিংবা গ্যাস সরবরাহ। 
- এ সকল পরিসেবার বিল পরিশোধ করতে পূর্বে গ্রাহকের অনেক ভোগান্তি হতো। 
- বর্তমানে অনলাইনে বা মোবাইল ফোনের মাধ্যমে এ সকল বিল পরিশোধ করা যায়। 

৯। পরিবহন: 
- বর্তমান অনলাইনে বা মোবাইল ফোনে ট্রেন, বাস বা বিমানের টিকেট সংগ্রহ করা যায়। 

১০। অনলাইন রেজিস্ট্রেশন: 
- সরকারি কর্মকাণ্ডে আইসিটি প্রয়োগের মাধ্যমে সরকারি সেবার মান উন্নয়নের উদাহরণ হিসেবে বাংলাদেশ রেজিস্ট্রার অব জয়েন্ট স্টক কোম্পানির স্বয়ংক্রিয়করণের একটি উদাহরণ দেওয়া হলো। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ  প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণি।
৪০০.
শারীরবৃত্তীয় বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতির উদাহরণ হচ্ছে - 
  1. স্বাক্ষর শনাক্তকরণ 
  2. টাইপিং গতি যাচাইকরণ
  3. কণ্ঠস্বর যাচাইকরণ
  4. হাতের রেখা শনাক্তকরণ
ব্যাখ্যা

• শারীরবৃত্তীয় বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতির উদাহরণ হচ্ছে - হাতের রেখা শনাক্তকরণ। 

• বায়োমেট্রিক্স:
- মানুষের দৈহিক গঠন বা আচরণগত বৈশিষ্ট্য পরিমাপের ভিত্তিতে কোনো ব্যক্তিকে অদ্বিতীয়ভাবে শনাক্ত করার জন্য ব্যবহৃত প্রযুক্তিকে বায়োমেট্রিক্স বলে।
- একজন মানুষের সাথে অন্য মানুষের আচরণ বা গাঠনিক বৈশিষ্ট্য একরকম হয়না।
- বৈশিষ্ট্যের ভিন্নতার বায়োমেট্রিক্সের প্রকারভেদ দুই রকম। যথা:

১। শারীরবৃত্তীয় বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
-  আঙ্গুলের ছাপ শনাক্তকরণ,
- হাতের রেখা শনাক্তকরণ,
- আইরিশ শনাক্তকরণ,
- মুখমন্ডলের অবয়ব শনাক্তকরণ,
- ডিএনএ পর্যবেক্ষণ (DNA test)।

২। আচরণগত বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
- কিবোর্ড টাইপিং গতি যাচাইকরণ, 
- হাতে করা স্বাক্ষর যাচাইকরণ, 
- কণ্ঠস্বর যাচাইকরণ।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।