বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

দৈনন্দিন জীবনে তথ্য-প্রযুক্তি (ইমেইল, স্মার্টফোন ইত্যাদি)

মোট প্রশ্ন৯৭৪এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

দৈনন্দিন জীবনে তথ্য-প্রযুক্তি (ইমেইল, স্মার্টফোন ইত্যাদি)

PrepBank · পাতা / ১০ · ১০১২০০ / ৯৭৪

১০১.
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশব্যাপী ইলেকট্রনিক মানি ট্রন্সফার সার্ভিস এর উদ্বোধন করেন কত সালে?
  1. ২০১০
  2. ২০১৪
  3. ২০১৮
  4. ২০১৯
ব্যাখ্যা
• ইএমটিএস: 
- ইএমটিএস বাংলাদেশ ডাক বিভাগের অন্তর্ভুক্ত একটি সেবা।  
- ২৬ মার্চ ২০১০ তারিখে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশব্যাপী ইলেকট্রনিক মানি ট্রন্সফার সার্ভিস (ইএমটিএস) এর উদ্বোধন করেন।
- বর্তমানে এ সার্ভিসের মাধ্যমে খুবই স্বল্প কমিশনের (০.৫০%) বিনিময়ে লেনদেন করা যায়।
- বাংলাদেশ ডাক বিভাগে ২৮১১ টি পোস্ট অফিসে এ সার্ভিস চালু রয়েছে।
- ইলেকট্রনিক মানি ট্রান্সফার সার্ভিস (ইএমটিএস) National Digital Innovation Award  ২০১১ তে অংশগ্রহণ করে বাংলাদেশ ডাক বিভাগের ইএমটিএস e-Finance ক্যাটাগরীতে Champion হয়।
- বাংলাদেশ ডাক বিভাগের ইএমটিএস সেবাটি  ভারতে অনুষ্ঠিত দক্ষিণ এশিয়ার mBillionth Award ২০১২ অ্যাওয়ার্ড প্রাপ্ত হয়। 
- দেশের অভ্যন্তরে কম খরচে ও দ্রুত সময়ে টাকা পাঠানোর একটি মাধ্যম হলো ইএমটিএস (ইলেকট্রনিক মানি ট্রান্সফার সিস্টেম)।
- এই ই-সেবটির মাধ্যমে ১ মিনিটে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা পাঠানো যায়। 
- এক হাজার টাকা পাঠানোর খরচ ১০ টাকা। পরবর্তী ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত প্রতি হাজারে খরচ ৫ টাকা।

 উৎস:
১. ডাক অধিদপ্তর।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০২.
নিম্নের কোনটি আচরণগত বৈশিষ্ট্যের বায়োমেট্রিক পদ্ধতি?
  1. ফিঙ্গারপ্রিন্ট
  2. আইরিস স্ক্যান
  3. ভয়েস রিকগনিশন
  4. ডিএনএ টেস্ট
ব্যাখ্যা

• ভয়েস রিকগনিশন — এটি আচরণগত বৈশিষ্ট্যভিত্তিক বায়োমেট্রিক পদ্ধতি, যেখানে ব্যক্তির কণ্ঠস্বর বিশ্লেষণের মাধ্যমে পরিচয় শনাক্ত করা হয়।
 
• বায়োমেট্রিকস:
- ‘Metron’ অর্থ পরিমাপ এবং ‘Bio’ অর্থ জীবন; এ দুটি শব্দ থেকে Biometrics শব্দের উৎপত্তি।
- বায়োমেট্রিকস হলো এমন একটি প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে ব্যক্তির শারীরিক ও আচরণগত বৈশিষ্ট্য শনাক্ত করে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচয় নির্ধারণ করা যায়।
- কম্পিউটার বিজ্ঞান অনুযায়ী এটি ব্যক্তির সনাক্তকরণ ও নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রণের কৌশল।
- দেহের গঠন ও আচরণগত বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে বিভিন্ন পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়।

• শারীরিক বৈশিষ্ট্যভিত্তিক বায়োমেট্রিক পদ্ধতি:
- ফিঙ্গারপ্রিন্ট (Fingerprint),
- হ্যান্ড জিওমেট্রি (Hand geometry),
- আইরিস ও রেটিনা স্ক্যান (Iris and retina scan),
- ফেস রিকগনিশন (Face recognition),
- ডিএনএ টেস্ট (DNA test)।

• আচরণগত বৈশিষ্ট্যভিত্তিক বায়োমেট্রিক পদ্ধতি:
- ভয়েস রিকগনিশন (Voice recognition),
- সিগনেচার ভেরিফিকেশন (Signature verification),
- কীস্ট্রোক ভেরিফিকেশন (Keystroke verification)।

• বায়োমেট্রিক ডিভাইসের কার্যপ্রণালি:
- ডিভাইস ব্যক্তির বৈশিষ্ট্য ডিজিটাল কোডে রূপান্তর করে কম্পিউটারে সংরক্ষিত কোডের সাথে তুলনা করে।
- মিল পেলে ব্যবহারকারীকে প্রবেশের অনুমতি দেয়, না মিললে সনাক্ত করতে সক্ষম হয়।

• ব্যবহারক্ষেত্র:
- অফিস, আদালত, গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানসহ নিরাপত্তা ব্যবস্থায় ব্যবহৃত হয়।
- গাড়ি, কম্পিউটারসহ বিভিন্ন যন্ত্রে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যবহৃত হয়।
- বাংলাদেশে জাতীয় পরিচয়পত্র, সিম নিবন্ধন, উপস্থিতি নির্ধারণে বায়োমেট্রিক পদ্ধতি ব্যবহৃত হচ্ছে।

• অন্যান্য অপশন:
- ফিঙ্গারপ্রিন্ট → আঙুলের ছাপভিত্তিক শারীরিক শনাক্তকরণ পদ্ধতি।
- আইরিস স্ক্যান → চোখের আইরিসের নকশা বিশ্লেষণভিত্তিক পদ্ধতি।
- ডিএনএ টেস্ট → জিনগত বৈশিষ্ট্যভিত্তিক শনাক্তকরণ পদ্ধতি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০৩.
নিচের কোনটি ই-কমার্সের ধরন হিসেবে গণ্য হয় না?
  1. M2B
  2. B2C
  3. C2C
  4. B2B
ব্যাখ্যা

• ই-কমার্স বা ইলেকট্রনিক কমার্স হলো পণ্য ও সেবা অনলাইনে কেনাবেচার প্রক্রিয়া। এর প্রধান ধরনগুলো হলো B2C (Business to Consumer), যেখানে ব্যবসা সরাসরি গ্রাহকের কাছে পণ্য বিক্রি করে; C2C (Consumer to Consumer), যেখানে সাধারণ মানুষ একে অপরের সঙ্গে পণ্য বা সেবা লেনদেন করে; এবং B2B (Business to Business), যেখানে ব্যবসাগুলো একে অপরের সঙ্গে বাণিজ্য করে। কিন্তু M2B (Manufacturer to Business) সাধারণত ই-কমার্সের পরিচিত কোনো ধরন হিসেবে স্বীকৃত নয়। এটি প্রথাগত বা বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হতে পারে, তবে ই-কমার্সের মূল ধরনগুলোর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত নয়।
- সুতরাং, প্রদত্ত অপশন গুলোর মধ্যে M2B ই-কমার্সের ধরন হিসেবে গণ্য হয় না।


• ই-কমার্স:
- ইলেকট্রনিক কমার্সকে সংক্ষেপে ই-কমার্স বলা হয়।
- ই-বাণিজ্য একটি বাণিজ্য ক্ষেত্র যেখানে কোনো ইলেকট্রনিক সিস্টেম এর মাধ্যমে পণ্য বা সেবা ক্রয়-বিক্রয় হয়ে থাকে।
- আধুনিক ইলেকট্রনিক কমার্স সাধারণত ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব এর মাধ্যমে বাণিজ্য কাজ পরিচালনা করে।
- ই-কমার্সের কল্যাণে ঘরে বসেই কম্পিউটারের সাহায্যে ক্রেতারা সারা বিশ্বের বাজারজাতকারীদের পণ্য ও সেবা সার্চ করতে পারে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী অর্ডার দিতে পারে।
- অর্ডার প্রদান ও পণ্য ডেলিভারী গ্রহণে স্বল্পতম সময় ব্যয় হয়।
- ইলেকট্রনিক কমার্স হচ্ছে ডিজিটাল ডাটা প্রসেসিং।

- সেবা ও পণ্য লেনদেনের ভিত্তিতে ই-কমার্সকে সাধারণত চারটি ক্যাটাগরিতে বিভক্ত করা যায়। যথা-
১। ব্যবসা থেকে ব্যবসা (Business to Business B2B),
২। ব্যবসা থেকে ভোক্তা (Business to Consumer B2C),
৩। ভোক্তা থেকে ব্যবসা (Consumer to Business C2B) ও
৪। ভোক্তা থেকে ভোক্তা (Consumer to Consumer C2C)।

উৎস: ইলেকট্রনিক কমার্স, এমবিএ প্রোগ্রাম।

১০৪.
যোগাযোগ ব্যবস্থার অবর্ণনীয় পরিবর্তনের একটি মাইল ফলক হচ্ছে-
  1. ক) বাস
  2. খ) ট্রেন
  3. গ) বিশ্বগ্রাম
  4. ঘ) ফোন
ব্যাখ্যা
বিশ্বগ্রাম হচ্ছে এমন একটি ধারণা যেখানে পৃথিবীর সকল মানুষ একটি একক সমাজের ন্যায় বসবাস করবে এবং  তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে একে অপরের সাথে যোগাযোগ ও সেবা প্রদান করবে। অর্থাৎ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি নির্ভর বিশ্বকে বিশ্বগ্রাম বলা হয়।
১০৫.
বাংলাদেশের দ্বিতীয় সাবমেরিন ল্যান্ডিং স্টেশন স্থাপন করা হয়-
  1. ক) সেন্টমার্টিনে
  2. খ) বরিশালে
  3. গ) পটুয়াখালীতে
  4. ঘ) কক্সবাজারে
ব্যাখ্যা

- সাবমেরিন কেবল হলো সাগরের তলদেশের স্থাপিত এক ধরনের ফাইবার অপটিক ক্যাবল।
- এটি টেলিকমিউনিকেশনে ব্যবহৃত হয়।
- বাংলাদেশে সর্বপ্রথম ২০০৬ সালে সাবমেরিন ক্যাবলে যোগ দেয়।
- বাংলাদেশের প্রথম সাবমেরিন ল্যান্ডিং স্টেশন স্থাপন করা হয় কক্সবাজারে।
- দ্বিতীয়টি স্থাপন করা হয় পটুয়াখালীতে।
- SE-ME-WE ১৩ টি দেশের ১৯ ল্যান্ডিং স্টেশন এর সাথে যুক্ত থাকবে।
- বাংলাদেশের স্টেশন হবে কালাপাড়া, কুয়াকাটা, পটুয়াখালী।
- এর দৈর্ঘ্য ২০ হাজার কিলোমিটার।

১০৬.
ই-কমার্সে পেমেন্ট করার জন্য নিচের কোন মাধ্যমগুলো সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়?
  1. ক্রেডিট কার্ড ও ডেবিট কার্ড
  2. মোবাইল ব্যাংকিং
  3. অনলাইন ব্যাংক ট্রান্সফার
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

◉ ই-কমার্স (E-commerce) হলো অনলাইন মাধ্যমে পণ্য বা সেবা ক্রয়-বিক্রয়ের প্রক্রিয়া। এখানে পেমেন্ট করার জন্য ডিজিটাল পদ্ধতিগুলো বেশি ব্যবহৃত হয়।
ক্রেডিট কার্ড (Credit Card), ডেবিট কার্ড (Debit Card), মোবাইল ব্যাংকিং (Bkash, Nagad, PayPal, etc.), এবং অনলাইন ব্যাংক ট্রান্সফার ই-কমার্স পেমেন্টের প্রধান মাধ্যম।

ই-কমার্স:
- ই-কমার্সের পূর্ণ অর্থ হলো ইলেকট্রনিক কমার্স।
- যে পদ্ধতিতে কোন পণ্য ক্রয় বিক্রয়, অর্ডার নেয়া ও তার মূল্য পরিশোধ থেকে যাবতীয় বাণিজ্যিক কার্যক্রম অনলাইনে সম্পন্ন করা হয় তাকে ই- কমার্স বলে।
- বর্তমানে ই-কমার্স ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে যে সকল পেমেন্ট সিস্টেম প্রচলিত আছে তার মধ্যে অন্যতম হলো ই-পেমেন্ট সিস্টেম অর্থাৎ ব্যাংক লেনদেন, ক্রেডিট কার্ড বা ভিসা কার্ড বা মাস্টার কার্ড, ডেবিট কার্ড, স্মার্ট কার্ড, ই-মানি, ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার, মানিগ্রাম ইত্যাদি।
- তবে আন্তজার্তিকভাবে ই-পেমেন্ট সিস্টেম জনপ্রিয় হলেও আমাদের দেশিয় বা স্থানীয়ভাবে ই-পেমেন্ট সিস্টেমের পাশাপাশি কল-টু-পে, ক্যাশ অন ডেলিভেরি, কুরিয়ার সার্ভিস ডেলিভেরি, নগদ, বিকাশ, শিওর ক্যাশ, রকেট, ডি-ম্যানি ইত্যাদি বেশি প্রচলিত।

উৎস: ই-কমার্স, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

১০৭.
ই-মেইল ঠিকানায় '@' চিহ্নের পূর্ববর্তী অংশকে কী বলা হয়?
  1. ডোমেইন নেম
  2. সার্ভার নেম
  3. প্রোটোকল নেম
  4. ইউজারনেম
ব্যাখ্যা

◉ ই-মেইল ঠিকানা দুই অংশে বিভক্ত — ইউজারনেম এবং ডোমেইন নেম, যা '@' চিহ্ন দ্বারা আলাদা হয়।
- '@' এর আগে থাকা অংশটি হলো ইউজারনেম, যা ই-মেইল অ্যাকাউন্টের মালিককে চিহ্নিত করে।
- '@' এর পরে থাকা অংশটি হলো ডোমেইন নেম, যা ই-মেইল সার্ভারের ঠিকানা নির্দেশ করে।

ইমেইল:
- ১৯৭১ সালে রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিসন ARPANET-এর মাধ্যমে ইলেকট্রনিক পত্রালাপ চালু করেন, যা ছিল প্রথম ইমেইল সিস্টেম।
- ইলেকট্রনিক মেইল (ই-মেইল) হলো এক ধরনের ডিজিটাল বার্তা বিনিময়ের পদ্ধতি, যেখানে একজন প্রেরক এক বা একাধিক প্রাপকের কাছে নির্ভরযোগ্যভাবে বার্তা পাঠাতে পারেন।
- ইমেইল ঠিকানায় @ চিহ্ন থাকা আবশ্যক।
- একটি ইমেইল ঠিকানা মূলত ইউজার আইডি এবং ডোমেইন নেম দ্বারা গঠিত।
- উদাহরণ: abc@def.com। এখানে @ চিহ্নের পূর্বের অংশটি ইউজার আইডি ও @ চিহ্নের পরের অংশটি ডোমেইন নেম নির্দেশ করে।
- ইমেইল আদান-প্রদানে POP, IMAP এবং SMTP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।
ইমেইলে ব্যবহৃত কিছু গুরুত্বপূর্ণ অংশ:
- CC (Carbon Copy): একই ইমেইল একাধিক প্রাপকের কাছে পাঠানোর জন্য ব্যবহৃত হয়, যেখানে অন্য প্রাপকেরা দেখতে পান কে কে বার্তাটি পেয়েছেন।
- BCC (Blind Carbon Copy): একই ইমেইল একাধিক প্রাপকের কাছে পাঠানো হলেও, এক প্রাপক অন্যদের ইমেইল ঠিকানা দেখতে পান না।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

১০৮.
ই-মেইল ঠিকানায় কোন চিহ্নটি অবশ্যই থাকতে হবে?
  1. &
  2. @
  3. #
  4. $
ব্যাখ্যা
ই-মেইল: 
- ১৯৭১ সালে রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিসন আরপানেট ইলেকট্রনিক মাধ্যমে পত্রালাপের সূচনার মাধ্যমে প্রথম ই-মেইল সিস্টেম চালু করেন। 
- ইলেকট্রনিক মেইল বা ই-মেইল হলো একজন বার্তা লেখকের কাছ থেকে এক বা একাধিক প্রাপকের কাছে কোন বার্তা বা ডিজিটাল মেসেজ বিনিময় করার নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি। 
- ই-মেইল ঠিকানায় @ চিহ্নটি অবশ্যই থাকতে হয়। 
- একটি ইমেইল ঠিকানা ইউজার আইডি ও ডোমেইন নেম নিয়ে গঠিত। 
- abc@def.com এ @ অংশের পূর্বে থাকে ইউজার আইডি এবং @ অংশের পরে থাকে ডোমেইন নেম। 
- ই-মেইল সার্ভারে POP বা IMAP এবং SMTP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণি।
১০৯.
আধুনিক মুদ্রণ ব্যবস্থায় ধাতু নির্মিত অক্ষরের প্রয়োজন ফুরাবার বড় কারণ হোল-
  1. ক) কম্পিউটার
  2. খ) অফসেট পদ্ধতি
  3. গ) ফটো লিথোগ্রাফী
  4. ঘ) প্রসেস ক্যামেরা
ব্যাখ্যা
- Lithography/Lithographic and offset printing, or litho printing for short, is where the image of the content you want to produce is placed on a plate which is then covered in ink and used for printing.
- This process can be used to print on paper, cardboard, and many other materials.
- The material receiving the image or words you want to print is placed against the plate and the inks are absorbed accordingly. It takes great skill to make sure the inks are mixed correctly and placed in the right order.

Source: sciencedirect.com
১১০.
বর্তমানে কোনটি ব্যবহার করে অল্প সময়ে পণ্যের চমৎকার সব ডিজাইন তৈরি করা যায়?
  1. ক) CSS
  2. খ) CAD
  3. গ) SED
  4. ঘ) TQM
ব্যাখ্যা
কর্মসংস্থান
- বিশ্বব্যাপী কর্মসংস্থানের বাজার উন্মুক্ত করেছে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি।
- পণ্য ডিজাইন থেকে শুরু করে ঝুঁকিপূর্ণ কার্যাদি সম্পাদনের জন্য কল-কারখানায় দক্ষতা ও সফলতার সাথে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহৃত হচ্ছে।
- আজকের পৃথিবীতে শিল্পোৎপাদনে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ।
- লাভজনক কারখানার পূর্বশর্ত উৎপাদিত পণ্যের বিক্রয়যোগ্যতা।
- বিক্রয়যোগ্যতার শর্ত ভাল ডিজাইন।
- বর্তমানকালে CAD (Computer Aided Design) ব্যবহার করে অল্প সময়ে পণ্যের চমৎকার সব ডিজাইন তৈরি করা যায়
- আধুনিক উৎপাদন ব্যবস্থায় প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা এবং বাজার ঠিক রাখা ও বাজার বৃদ্ধির জন্য ব্যবস্থাপনা উৎপাদন ক্ষেত্রে Total Quality Management (TQM) প্রয়োগ করছে।
- TQM প্রয়োগের বড় সহায়ক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি।
- যন্ত্রপাতির সঠিক কার্যক্রম ও প্রয়োগেই কেবল মানসম্পন্ন পণ্য উৎপাদন করতে সক্ষম।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১১.
Which protocol is used to receive E-mail?
  1. SMTP
  2. FTP
  3. HTTP
  4. POP3
ব্যাখ্যা

• POP3 (Post Office Protocol) ই-মেইল গ্রহণ করার জন্য ব্যবহৃত হয়।

• E-mail (Electronic Mail):
- E-mail–এর পূর্ণরূপ হলো Electronic Mail।
- ইন্টারনেট ব্যবহার করে ই-মেইলের মাধ্যমে ডকুমেন্ট ও বিভিন্ন ধরনের তথ্য দ্রুত আদান–প্রদান করা যায়।
- ১৯৭১ সালে Ray Tomlinson প্রথম ইন্টারনেটের মাধ্যমে এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে ই-মেইল পাঠাতে সক্ষম হন।
- এই কারণে Ray Tomlinson–কে ই-মেইলের জনক বলা হয়।
- প্রেরিত ও প্রাপ্ত ই-মেইল সাধারণত Mail Server–এ সংরক্ষিত থাকে।
 
• E-mail Address (ই-মেইল ঠিকানা):
- একটি ই-মেইল ঠিকানায় অবশ্যই @ (at) চিহ্ন থাকে।
- @ চিহ্নের আগের অংশকে User Name বলা হয়।
- @ চিহ্নের পরের অংশকে Domain Name বলা হয়।
- ই-মেইল ঠিকানা ব্যবহার করে প্রেরক ও প্রাপকের পরিচয় নির্ধারণ করা হয়।

• E-mail–এ ব্যবহৃত প্রোটোকল:
- SMTP (Simple Mail Transfer Protocol):
- ই-মেইল পাঠানোর জন্য ব্যবহৃত হয়।
- POP3 (Post Office Protocol):
- মেইল সার্ভার থেকে ই-মেইল গ্রহণ করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- IMAP (Internet Message Access Protocol):
- সার্ভারে থাকা ই-মেইল অ্যাকসেস ও ব্যবস্থাপনার জন্য ব্যবহৃত হয়।

• অন্যান্য অপশন:
- FTP ফাইল আদান–প্রদানের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- HTTP ওয়েব পেজ আদান–প্রদানের জন্য ব্যবহৃত হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১২.
কোন প্রোটোকল ই-মেইল ট্রান্সমিশনের জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. SMTP
  2. IMAP
  3. TCP/IP
  4. POP3
ব্যাখ্যা

• ই-মেইল ট্রান্সমিশনের জন্য SMTP (Simple Mail Transfer Protocol) ব্যবহৃত হয়। এটি একটি নেটওয়ার্ক প্রোটোকল যা ই-মেইল সার্ভারগুলোর মধ্যে ই-মেইল পাঠানোর কাজ করে। যখন একজন ব্যবহারকারী ই-মেইল লিখে পাঠান, তখন SMTP সার্ভার ই-মেইলটিকে প্রাপকের সার্ভারের কাছে ট্রান্সমিট করে। অন্যদিকে, IMAP এবং POP3 মূলত ই-মেইল গ্রহণের জন্য ব্যবহৃত হয়। IMAP ব্যবহারকারীর মেইলবক্স সার্ভারে রেখে ই-মেইল অ্যাক্সেস করতে দেয়, আর POP3 ই-মেইলগুলো লোকাল ডিভাইসে ডাউনলোড করে সংরক্ষণ করে। TCP/IP হলো ইন্টারনেটের মূল কমিউনিকেশন প্রোটোকল, যা ই-মেইলসহ সব ধরনের ডেটা আদান-প্রদানের জন্য ব্যবহৃত হয়, কিন্তু এটি সরাসরি ই-মেইল ট্রান্সমিশনের জন্য প্রোটোকল নয়। সুতরাং, ই-মেইল পাঠানোর জন্য সঠিক উত্তর হলো SMTP.
 
 • SMTP:
- SMTP এর পূর্ণরূপ হলো Simple Mail Transfer Protocol.
- যে সকল মেইল বাইরে পাঠানো হয় সেগুলো কেউ বহির্মুখী বা আউটগোয়িং মেইল বলা হয়।
- আউটগোয়িং মেইল পাঠানোর জন্য এই প্রটোকল ব্যবহার করা হয়।
- SMTP প্রোটোকল ব্যবহার করে ই-মেইল ক্লায়েন্ট থেকে আউটগোয়িং সার্ভারে এবং পরবর্তীতে সেই সার্ভার থেকে প্রাপকের সার্ভারে ই-মেইল পাঠানো হয়।
- SMTP প্রোটোকল পোর্ট 25 এর মাধ্যমে সংযোগ করা হয়।

• অন্যান্য অপশনসমূহ:
- IMAP:
- এটি এমন একটি প্রোটোকল যা ই-মেইল সার্ভারে থাকা অবস্থাতেই ই-মেইল দেখতে ও পরিচালনা করতে সহায়তা করে। এটি একই অ্যাকাউন্ট একাধিক ডিভাইসে ব্যবহারের জন্য সুবিধাজনক।

- TCP/IP:
- কোনো একক প্রোটোকল নয়, বরং প্রোটোকলের একটি সেট যা ইন্টারনেটের মূল কাঠামো তৈরি করে। এটি ডেটা আদান-প্রদানকে সহজ করে, তবে এটি সরাসরি ই-মেইল পাঠানোর জন্য ব্যবহৃত হয় না।

- POP3:
- একটি প্রোটোকল যা ই-মেইল সার্ভার থেকে বার্তা ডাউনলোড করে ডিভাইসে সংরক্ষণ করে। একবার ডাউনলোড হয়ে গেলে এটি সাধারণত সার্ভার থেকে বার্তাটি মুছে ফেলে।

উৎস:
১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। ব্রিটানিকা।

১১৩.
ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (Virtual Reality) - তে কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. কম্পিউটার-সৃষ্ট ত্রিমাত্রিক (3D) পরিবেশ
  2. কম্পিউটার-সৃষ্ট দ্বিমাত্রিক (2D) পরিবেশ
  3. হ্যান্ড জিওমেট্রি
  4. ইঞ্জিনিয়ারিং ডাটা
ব্যাখ্যা

ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (Virtual Reality) - তে কম্পিউটার-সৃষ্ট ত্রিমাত্রিক (3D) পরিবেশ ব্যবহৃত হয়। 

ভার্চুয়াল রিয়েলিটি:
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হলো কম্পিউটার সিস্টেমের মাধ্যমে কোনো বস্তু, ঘটনা বা পরিবেশের বাস্তবভিত্তিক বা ত্রিমাত্রিক চিত্রভিত্তিক রূপায়ণ।
- এটি বাস্তব নয়, তবে কৃত্রিমভাবে বাস্তব জগৎ অনুভূতি প্রদান করে।
মূল ভিত্তি: ভার্চুয়াল রিয়েলিটি মূলত কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের উপর প্রতিষ্ঠিত।

প্রধান উপাদানসমূহ:
- হেড মাউন্টেড ডিসপ্লে (HMD): ব্যবহারকারীর চোখের সামনে পরিধানযোগ্য ডিসপ্লে যা ত্রিমাত্রিক দৃশ্য উপস্থাপন করে।
- ডেটা গ্লোভ (Data Glove): হাতের গ্লোভস যা ব্যবহারকারীর হাতের গতিবিধি শনাক্ত করে এবং ভার্চুয়াল পরিবেশে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে।
- বডি স্যুইট (Body Suit): পূর্ণাঙ্গ পোশাক যা শরীরের বিভিন্ন অংশে সেন্সরযুক্ত, যা স্পর্শ ও গতির অনুভূতি প্রদান করে।

ভার্চুয়াল রিয়েলিটির প্রভাব:
- শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ: চিকিৎসা, সামরিক প্রশিক্ষণ, বিমানচালনা ইত্যাদিতে বাস্তব অভিজ্ঞতা ছাড়াই প্রশিক্ষণ প্রদান।
- বিনোদন: গেমিং ও সিনেমায় বাস্তবসম্মত অভিজ্ঞতা।
- গবেষণা ও উন্নয়ন: নতুন প্রযুক্তি ও ধারণার পরীক্ষা-নিরীক্ষা।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১৪.
Which type of e-commerce model involves transactions directly between businesses?
  1. Business to Consumer (B2C)
  2. Consumer to Consumer (C2C)
  3. Business to Business (B2B)
  4. Consumer to Business (C2B)
ব্যাখ্যা

• Business to Business (B2B) হলো এমন ই-কমার্স মডেল যেখানে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান অন্য একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সাথে অনলাইনের মাধ্যমে পণ্য বা সেবার লেনদেন করে।

• ই-কমার্স (E-commerce):
- Electronic commerce বা E-commerce হলো ইন্টারনেট বা ইলেকট্রনিক নেটওয়ার্কের মাধ্যমে পণ্য ও সেবার ক্রয়-বিক্রয় এবং আর্থিক লেনদেন পরিচালনার প্রক্রিয়া।
- এতে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক, ইন্টারনেট এবং ইলেকট্রনিক পেমেন্ট সিস্টেম ব্যবহার করা হয়।
- ই-কমার্সের মাধ্যমে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও গ্রাহক উভয়েই অনলাইনে পণ্য বা সেবা ক্রয়-বিক্রয় করতে পারে।
- আধুনিক ডিজিটাল অর্থনীতিতে ই-কমার্স একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসায়িক ব্যবস্থা।

• ই-কমার্সের প্রধান ধরন:
- ই-কমার্স সাধারণত বিভিন্ন মডেলে বিভক্ত।

• Business to Business (B2B):
- এক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সাথে অন্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের পণ্য বা সেবার অনলাইন লেনদেনকে B2B বলা হয়।
- উদাহরণ: পাইকারি ব্যবসা বা কোম্পানিগুলোর মধ্যে অনলাইন লেনদেন।

• Business to Consumer (B2C):
- ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সরাসরি ভোক্তার কাছে অনলাইনের মাধ্যমে পণ্য বা সেবা বিক্রি করে।

• Consumer to Consumer (C2C):
- একজন ভোক্তা অন্য ভোক্তার কাছে অনলাইনে পণ্য বিক্রি করে, সাধারণত কোনো অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে।

• Consumer to Business (C2B):
- এই মডেলে ভোক্তা কোনো ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কাছে পণ্য বা সেবা প্রদান করে।

• অন্যান্য অপশন:
- Business to Consumer (B2C) → ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সরাসরি গ্রাহকের কাছে অনলাইনে পণ্য বা সেবা বিক্রি করে।
- Consumer to Consumer (C2C) → একজন ভোক্তা অন্য ভোক্তার কাছে অনলাইনে পণ্য বিক্রি করে।
- Consumer to Business (C2B) → ভোক্তা কোনো ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কাছে পণ্য বা সেবা প্রদান করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা।

১১৫.
সৌরকোষের বিদ্যুৎ রাতেও ব্যবহার করা সম্ভব যদি এর সঙ্গে থাকে-
  1. ক) ট্রান্সফরমার
  2. খ) জেনারেটর
  3. গ) স্টোরেজ ব্যাটারি
  4. ঘ) ক্যাপাসিটার
ব্যাখ্যা
Solar panels work hard all day producing electricity from the sun. You can continue benefiting from their energy production after sunset through net metering and solar battery storage.
অর্থাৎ, স্টোরেজ ব্যাটারি সংযুক্ত থাকলে সৌরকোষের বিদ্যুৎ রাতেও ব্যবহার করা সম্ভব।
১১৬.
Which of the following is used in e-commerce?
  1. Mobile commerce (M-commerce)
  2. Electronic Fund Transfer (EFT)
  3. Digital transaction systems
  4. All of the above
ব্যাখ্যা

• E-commerce পরিচালনার জন্য একাধিক ইলেকট্রনিক মাধ্যম ব্যবহার করা হয়, যেমন M-commerce, EFT ও অন্যান্য ডিজিটাল সিস্টেম।

• E-commerce পরিচালনার প্রধান মাধ্যম:
- আধুনিক ই-কমার্স মূলত World Wide Web (WWW)–এর মাধ্যমে পরিচালিত হয়।
- ইন্টারনেটভিত্তিক ওয়েবসাইট ও অ্যাপের মাধ্যমে পণ্য ও সেবার লেনদেন সম্পন্ন হয়।

• M-commerce (Mobile Commerce):
- M-commerce হলো মোবাইল ফোন বা ট্যাবলেট ব্যবহার করে ই-কমার্স কার্যক্রম পরিচালনা করা।
- স্মার্টফোন অ্যাপ ও মোবাইল ইন্টারনেটের মাধ্যমে এটি দ্রুত জনপ্রিয় হয়েছে।

• Electronic Fund Transfer (EFT):
- EFT হলো ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে এক অ্যাকাউন্ট থেকে অন্য অ্যাকাউন্টে অর্থ স্থানান্তর।
- অনলাইন পেমেন্ট ও ব্যাংকিং লেনদেনে EFT গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

• অন্যান্য ডিজিটাল লেনদেন ব্যবস্থা:
- বিভিন্ন ডিজিটাল পেমেন্ট গেটওয়ে ও অনলাইন ট্রান্স্যাকশন সিস্টেম ই-কমার্সকে সহজ করেছে।
- এসব ব্যবস্থার মাধ্যমে নিরাপদ ও দ্রুত লেনদেন সম্ভব হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১৭.
IOT (Internet of Things) কী?
  1. একটি মোবাইল অ্যাপ
  2. একটি প্রযুক্তি
  3. একটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
  4. একটি ওয়েবসাইট
ব্যাখ্যা
IOT (Internet of Things) একটি প্রযুক্তি, যা ইন্টারনেটের মাধ্যমে যন্ত্রগুলিকে সংযুক্ত করে।
 
• IOT (Internet of Things):
- IOT (Internet of Things) এমন একটি প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে নানা ধরণের বস্তু (যন্ত্র, সেন্সর, ডিভাইস) ইন্টারনেটের মাধ্যমে একে অপরের সাথে সংযুক্ত থাকে এবং তথ্য আদান-প্রদান করে তাকে ইন্টানেট অব থিংস বা আইওটি (Internet of Things-IOT) বলে।
- আমাদের চারপাশে প্রতিদিনকার জীবনে আমরা যেসব যন্ত্রপাতির ব্যবহার যেমন গাড়ির গ্যারেজের দরজা, গাড়ি, কন্ট্রোল, ফ্যান, টিভি, দরজার ইলেট্রিক লক ইত্যাদি বিভিন্ন প্রয়োজনে যন্ত্র বা জিনিসপত্রকে অটোমেটিক করার জন্য এসবের সাথে কম্পিউটার সিস্টেম সংযুক্ত থাকে।
- এই প্রযুক্তিতে আমাদের ঘরের বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক যন্ত্রপাতি যেমন: টিভি, ফ্রিজ, লাইট প্রভৃতি ইন্টারনেট-এর সাথে সংযুক্ত করে এগুলোকে দুর থেকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মাহবুবুর রহমান।
১১৮.
স্মার্ট হোমে বিভিন্ন ডিভাইস নিয়ন্ত্রণ করার জন্য ব্যবহৃত পদ্ধতির নাম কী?
  1. সিকিউরিটি কন্ট্রোল সিস্টেম
  2. কমিউনিকেশন কন্ট্রোল সিস্টেম
  3. হোম অটোমেশন সিস্টেম
  4. ডিজিটাল অ্যাসিস্ট্যান্স সিস্টেম
ব্যাখ্যা
• স্মার্ট হোম প্রযুক্তি:
- স্মার্ট হোম হলো এমন একটি বাসস্থান, যেখানে রিমোট কন্ট্রোলিং বা প্রোগ্রামিং ডিভাইসের সাহায্যে বাড়ির হিটিং সিস্টেম, কুলিং সিস্টেম, লাইটিং সিস্টেম, সিকিউরিটি কন্ট্রোল সিস্টেম ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
- স্মার্ট হোম প্রযুক্তিতে ডিজিটাল পদ্ধতি ব্যবহার করে হোম অটোমেশন চালু করা হয়।
- স্মার্ট হোমের পদ্ধতিকে হোম অটোমেশন সিস্টেম (Home Automation System) বলা হয়।
- একটি স্মার্ট হোমে ব্যবহৃত বিভিন্ন ডিভাইস যেমন- টেলিভিশন, এসি, লাইটিং, ফ্যান, সিকিউরিটি ক্যামেরা ইত্যাদি পরিচালনার জন্য আধুনিক প্রযুক্তির মোবাইল বা রিমোট কন্ট্রোলিং ডিভাইস ব্যবহার করে সেগুলোকে কোনো কেন্দ্রীয় অবস্থানে থেকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
- বর্তমানে বিভিন্ন শিল্পোন্নত দেশ যেমন-চীন, সিঙ্গাপুর, কোরিয়া ইত্যাদি দেশে গ্লোবাল রেসিডেন্স বা বৈশ্বিক বাসস্থান তৈরি করা হচ্ছে।
- বাসস্থানের নিরাপত্তার জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে আইপি ক্যামেরা।
- রিমোট কন্ট্রোল বা ভয়েস কমান্ডের সাহায্যে গাড়ির গ্যারেজ, ঘরের দরজা-জানালা খোলা বা বন্ধ করা, লাইট, ফ্যান, কম্পিউটার ও টেলিফোন চালু কিংবা বন্ধ করা যায়।
- বাইরে থাকাকালে কোনো মেহমান বাসায় আসলে সিকিউরিটি এলার্মের সাহায্যে মোবাইল ফোনে তা জানা যায় ।
- কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত রোবোটের সাহায্যে চা বানানো, কাপড় ধোয়া, ঘরবাড়ি পরিষ্কার ও ময়লা নিষ্কাশন করা সম্ভব হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান
১১৯.
বাংলাদেশকে প্রথম VOLTE প্রযুক্তি চালু করতে?
  1. ক) রবি
  2. খ) গ্রামীণফোন
  3. গ) বাংলালিংক
  4. ঘ) টেলিটক
ব্যাখ্যা

১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২০ সালে রবি প্রথম 4G প্রযুক্তি ভিত্তিক সেবা Voice Over LTE বা VOLTE চালু করে। এর মাধ্যমে কল কানেক্ট হতে আগের চেয়ে কম সময় লাগবে এবং ভয়েস কোয়ালিটি উন্নত হবে। গ্রামীণফোন VOLTE চালু করে ২০ জুন ২০২০ সালে। সুত্রঃ রবি ও গ্রামীণফোনের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১২০.
ডিলেটেড ইমেইল সংরক্ষণ করতে নিচের কোন ফোল্ডারটি ব্যবহৃত হয়?
  1. trash
  2. Junk
  3. Draft
  4. Sent
ব্যাখ্যা
- Gmail এর ইনবক্স হতে কোনো মেইল ডিলিট করলে Trash এ খুঁজে পাওয়ার যায়।
- ইনবক্স থেকে মুছে ফেলা যেকোন ইমেইল Trash নামের ফোল্ডারে পাওয়ার যায়।
- তবে সেটা অবশ্যই একটা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য।
- এরপর Automatically সেই মুছে দেয়া মেইলগুলো স্থায়ীভাবে মুছে যায় যা আর ফিরে পাওয়া যায় না।
 
উৎস: Computerhope Website.
১২১.
আধুনিক ই-মেইলের জনক বা উদ্ভাবক কে?
  1. ক) নোরিও ওহগা (জাপান)
  2. খ) থমসন (ইংল্যান্ড)
  3. গ) রে টমলিনসন (যুক্তরাষ্ট্র)
  4. ঘ) জি. মার্কনি (ইতালি)
ব্যাখ্যা
Ray Tomlinson, (Raymond Samuel Tomlinson), American computer engineer (born April 23, 1941, Amsterdam, N.Y.—died March 5, 2016, Lincoln, Mass.), devised (1971) a way to send electronic messages from one computer to another (rather than only between different users of a single machine) and chose the symbol @ to separate the name of the recipient from the destination address because the emblem was used neither in names nor in the programming language used for time-sharing computers. [source: britannica]
১২২.
IoT অ্যাপগুলিতে লাইটওয়েট মেসেজিংয়ের জন্য সবচেয়ে প্রচলিত কমিউনিকেশন প্রোটোকল কোনটি?
  1. MQTT 
  2. HTTP
  3. SMTP
  4. FTP
ব্যাখ্যা

• IoT অ্যাপ্লিকেশনগুলিতে লাইটওয়েট মেসেজিংয়ের জন্য সবচেয়ে প্রচলিত কমিউনিকেশন প্রোটোকল হলো MQTT। এটি “Message Queuing Telemetry Transport” নামে পরিচিত এবং কম ব্যান্ডউইথ ও কম পাওয়ার খরচে ডিভাইসগুলির মধ্যে ডেটা আদান-প্রদান সহজ করে। MQTT হালকা ও দ্রুত, তাই সেন্সর বা স্মার্ট ডিভাইসের মতো রিসোর্স সীমিত ডিভাইসের জন্য আদর্শ। অন্যদিকে, HTTP তুলনামূলকভাবে ভারী এবং স্থায়ী সংযোগের জন্য বেশি উপযুক্ত, SMTP ইমেইল প্রেরণের জন্য ব্যবহৃত হয় এবং FTP ফাইল ট্রান্সফারের জন্য। তাই IoT-এর ক্ষেত্রে রিয়েল-টাইম ও লাইটওয়েট মেসেজিংয়ের জন্য MQTT সবচেয়ে উপযুক্ত।

সঠিক উত্তর: ক) MQTT.

• ইন্টারনেট অফ থিংস (Internal of things - IoT):
- ইন্টারনেট অফ থিংস (IoT) হলো পারস্পরিক সম্পর্কযুক্ত এমন একটি সনাক্তকারী কম্পিউটিং ডিভাইস, যা একটি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে মানুষের সাথে মানুষের বা মানুষের সাথে কম্পিউটারের মধ্যে ডেটা স্থানান্তর করতে সাহায্য করে।
- এটি ইন্টারনেটের সাথে শারীরিক ডিভাইস এবং দৈনন্দিন বস্তুকে সংযুক্ত করার ধারণাকে বোঝায়, তাদের ডেটা সংগ্রহ এবং বিনিময় করার অনুমতি দেয়।
- এই সংযুক্ত ডিভাইসগুলি স্মার্ট থার্মোস্ট্যাট এবং রেফ্রিজারেটরের মতো গৃহস্থালীর যন্ত্রপাতি থেকে শুরু করে শিল্প মেশিন, পরিধানযোগ্য এবং যানবাহন পর্যন্ত হতে পারে।
- IoT-এর প্রাথমিক লক্ষ্য হল এই ডিভাইসগুলিকে একে অপরের সাথে এবং কেন্দ্রীভূত সিস্টেম বা ক্লাউড প্ল্যাটফর্মের সাথে যোগাযোগ করতে সক্ষম করা।

• IoT এর উদাহরণ:
- স্মার্ট হোম ডিভাইস (যেমন স্মার্ট লাইট, স্মার্ট থার্মোস্ট্যাট)।
- ওয়্যারেবল ডিভাইস (যেমন ফিটনেস ট্র্যাকার)।
- শিল্পক্ষেত্রে স্বয়ংক্রিয় যন্ত্রপাতি (Industrial IoT)।

উৎস:
- aws.amazon [link]
- Britannica.

১২৩.
কম্পিউটার নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত ‘SMTP’ এর অর্থ কী?
  1. Simple Mail Transfer Protocol
  2. Standard Message Transmission Path
  3. Secure Mail Transport Program
  4. Service Message Transfer Protocol
ব্যাখ্যা

• SMTP:
- STMP এর পূর্ণরূপ হলো Simple Mail Transfer Protocol.
- যে সকল মেইল বাইরে পাঠানো হয় সেগুলো কেউ বহির্মুখী বা আউটগোয়িং মেইল বলা হয়।
- আউটগোয়িং মেইল পাঠানোর জন্য এই প্রটোকল ব্যবহার করা হয়।
- SMTP প্রোটোকল পোর্ট 25 এর মাধ্যমে সংযোগ করা হয়।

উল্লেখ্য, 
- ইমেইল প্রেরণের অন্যান্য প্রোটোকলসমূহ: POP, IMAP এবং SMTP

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।

১২৪.
ইএমটিএস পদ্ধতিতে ১ মিনিটে সর্বোচ্চ কত টাকা পর্যন্ত পাঠানো যায়?
  1. ৪০ হাজার
  2. ৫০ হাজার
  3. ৬০ হাজার
  4. ৭০ হাজার
ব্যাখ্যা
♦ ইএমটিএস: 
- ইএমটিএস বাংলাদেশ ডাক বিভাগের অন্তর্ভুক্ত একটি সেবা।  
- বাংলাদেশ ডাক বিভাগে ২৮১১ টি পোস্ট অফিসে এ সার্ভিস চালু রয়েছে।
- দেশের অভ্যন্তরে কম খরচে ও দ্রুত সময়ে টাকা পাঠানোর একটি মাধ্যম হলো ইএমটিএস (ইলেকট্রনিক মানি ট্রান্সফার সার্ভিস/সিস্টেম)।
- এই ই-সেবটির মাধ্যমে ১ মিনিটে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা পাঠানো যায়। 
- এক হাজার টাকা পাঠানোর খরচ ১০ টাকা। পরবর্তী ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত প্রতি হাজারে খরচ ৫ টাকা।

 উৎস:
১. ডাক অধিদপ্তর।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২৫.
ই-মেইল ঠিকানায় '@' চিহ্নের পরবর্তী অংশকে কী বলা হয়?
  1. ডোমেইন নেম
  2. প্রোটোকল নেম
  3. সার্ভার নেম
  4. ইউজারনেম
ব্যাখ্যা

- ই-মেইল ঠিকানা দুই অংশে বিভক্ত- ইউজারনেম এবং ডোমেইন নেম, যা '@' চিহ্ন দ্বারা আলাদা হয়।
- '@' এর আগে থাকা অংশটি হলো ইউজারনেম, যা ই-মেইল অ্যাকাউন্টের মালিককে চিহ্নিত করে।
- '@' এর পরে থাকা অংশটি হলো ডোমেইন নেম, যা ই-মেইল সার্ভারের ঠিকানা নির্দেশ করে।

• ইমেইল:
- ইমেইল ঠিকানায় @ চিহ্ন থাকা আবশ্যক।
- একটি ইমেইল ঠিকানা মূলত ইউজার আইডি এবং ডোমেইন নেম দ্বারা গঠিত।
- উদাহরণ: abc@def.com। এখানে @ চিহ্নের পূর্বের অংশটি ইউজার আইডি ও @ চিহ্নের পরের অংশটি ডোমেইন নেম নির্দেশ করে।
- ইমেইল আদান-প্রদানে POP, IMAP এবং SMTP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।
ইমেইলে ব্যবহৃত কিছু গুরুত্বপূর্ণ অংশ:
- CC (Carbon Copy): একই ইমেইল একাধিক প্রাপকের কাছে পাঠানোর জন্য ব্যবহৃত হয়, যেখানে অন্য প্রাপকেরা - দেখতে পান কে কে বার্তাটি পেয়েছেন।
- BCC (Blind Carbon Copy): একই ইমেইল একাধিক প্রাপকের কাছে পাঠানো হলেও, এক প্রাপক অন্যদের ইমেইল ঠিকানা দেখতে পান না।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

১২৬.
SWIFT code is usually paired with an -
  1. ক) ESBIC
  2. খ) ISBN
  3. গ) IBIC
  4. ঘ) IBAN
ব্যাখ্যা
- An IBAN, or international bank account number, is a standard international numbering system developed to identify an overseas bank account. - The number starts with a two-digit country code, then two numbers, followed by several more alphanumeric characters.
- SWIFT code is usually paired with an IBAN (International Bank Account Number).
- Once the transfer is completed, the bank that receives the money issues a ‘SWIFT message’, a confirmation that funds were received that contains the full information about the transfer.

Source: investopedia.com
১২৭.
সর্বপ্রথম ইন্টারনেটের মাধ্যমে অন্য কম্পিউটারে ই-মেইল পাঠাতে সক্ষম হন কে?
  1. মার্শাল ম্যাকলুহান
  2. পল বছিট
  3. টিম বার্নাস লি
  4. রে টমলিনসন
ব্যাখ্যা
• E-mail: 
- E-mail এর পূর্ণরূপ হলো Electronic Mail.
- ইন্টারনেট ব্যবহার করে ই-মেইল এর মাধ্যমে ডকুমেন্ট বা যেকোনো প্রকার তথ্য পাঠানো যায় মূহুর্তেই। 
- ১৯৭১ সালে Ray Tomlinson সর্বপ্রথম ইন্টারনেটের মাধ্যমে অন্য কম্পিউটারে ই-মেইল পাঠাতে সক্ষম হন
- রে টমলিনসনকে ই-মেইলের জনক বলা হয়। 
- ই-মেইল সমূহ মেইল সার্ভারে জমা থাকে। 
- ই-মেইল এর ক্ষেত্রে প্রাপকের ঠিকানায় @ চিহ্নটি ব্যবহার করা হয়। ই-মেইল এড্রেসের @ এর আগের অংশটিকে ইউজার নেইম এবং পরের অংশটিকে ডোমেইন নেইম বলে। 
- মেইল পাঠানোর জন্য SMTP (Simple Mail Transfer Protocol) প্রোটোকল এবং গ্রহণের জন্য POP3 (Post Office Protocol), IMAP (Internet Message Access Protocol) প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়। 

 উৎস : মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২৮.
ই-কমার্স সাইট amazon.com কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ক) ১৯৯০ সালে
  2. খ) ১৯৮৮ সালে
  3. গ) ১৯৯৪ সালে
  4. ঘ) ১৯৯৮ সালে
ব্যাখ্যা
জনপ্রিয় ই-কমার্স সাইট আমাজন প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৯৪ সালে।
- আমাজনের প্রতিষ্ঠাতা হচ্ছে জেফ বেজোস।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত অ্যামাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।
১২৯.
ফ্যাক্স এর মাধ্যমে ডেটা ট্রান্সমিশনে কোন ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়?
  1. PSTN
  2. PSTNN
  3. PIST
  4. FAXTN
ব্যাখ্যা
ফ্যাক্স (Fax):
- বিজ্ঞানী আলেকজান্ডার বেইন ১৮৪৩ সালে ফ্যাক্স মেশিন আবিস্কার করেন।
- ফ্যাক্সের পুরো নাম হলো ফ্যাক্সিমিল (Facsimile)।
- ফ্যাক্স হাফ ডুপ্লেক্স মোডে ডেটা ট্রান্সফার করে।
- কোনো ডকুমেন্টকে হুবহু কপি করে ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে প্রাপকের কাছে পাঠাতে ফ্যাক্স ব্যবহার করা হয়।
- প্রেরক যে ডকুমেন্ট যেমন দলিল, সার্টিফিকেট, ছবি, ডায়াগ্রাম ইত্যাদি প্রাপকের কাছে পাঠাতে চান সে ডকুমেন্ট তার ফ্যাক্স মেশিনের সাহায্যে হুবহু কপি তৎক্ষণাৎ প্রাপকের ফ্যাক্স মেশিনে পাঠাতে পারেন এবং প্রাপক তার মেশিন থেকে সেই ডকুমেন্টের প্রিন্ট কপি পেয়ে যান।
- PSTN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Public Switched Telephone Networks.- ফ্যাক্স ট্রান্সমিশনে সাধারণত PSTN প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা
১৩০.
গুগল অ্যাডসেন্স কী ধরণের সেবা দিয়ে থাকে?
  1. ক) সোশাল নেটওয়ার্কিং
  2. খ) বিজ্ঞাপন সেবা
  3. গ) ক্লাউড সেবা
  4. ঘ) সফটওয়্যার নিরাপত্তা
ব্যাখ্যা
গুগল অ্যাডসেন্স (Google AdSense)
- গুগল অ্যাডসেন্স হচ্ছে ওয়েব পাবলিশারগণের জন্য একটি দ্রুত ও সহজ প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে তারা যেকোনো সাইজের বিজ্ঞাপন তাদের কনটেন্ট পেইজসমূহে প্রদর্শন করতে পারেন এবং এর বিনিময়ে অর্থ উপার্জন করতে পারেন।
- প্রতিটি ক্লিক বা নির্দিষ্টসংখ্যক ইউজার কর্তৃক ঐ অ্যাডগুলো নির্দিষ্টসংখ্যক বার প্রদর্শিত হওয়ার বিনিময়ে গুগল উক্ত ওয়েব পাবলিশারকে অর্থ প্রদান করে; যার পরিমাণ কয়েক সেন্ট হতে কয়েক ডলার পর্যন্ত হতে পারে ।
- ইন্টারনেটে অর্থ উপার্জনে বর্তমানে সবচেয়ে বেশ জনপ্রিয় এবং কার্যকর প্রক্রিয়া হলো 'গুগল অ্যাডসেন্স'।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি), মাহবুবুর রহমান
১৩১.
পৃথিবীর প্রথম ভি-স্যাট তৈরি করেন-
  1. ক) শ্লুমবার্গার
  2. খ) চ্যাড হারলি
  3. গ) স্টিভ চ্যান
  4. ঘ) উপরের সবগুলোই
ব্যাখ্যা
১৯৮৫ সালে শ্লুমবার্গার তৈল গবেষণা কেন্দ্র এবং হিউস অ্যারোস্পেস একসাথে পৃথিবীর প্রথম ভি-স্যাট তৈরি করেন। বর্তমানে ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক এবং ইন্টারনেট সেবায় ভি-স্যাট ব্যবহৃত হচ্ছে।
১৩২.
ওয়েবসাইটকে সার্চ ইঞ্জিনের সাথে যুক্ত করার প্রক্রিয়াকে কী বলে?
  1. Search Engine Optimization
  2. Website Search Engine Connector
  3. Website to Search Engine Converter
  4. Website Optimization
ব্যাখ্যা
SEO:
- SEO এর পূর্ণরূপ হলো Search Engine Optimization.
- হোস্টিংকৃত ওয়েবসাইটটি আরো বেশি প্রচারমুখী করার জন্য ওয়েবসাইটটিকে সার্চ ইঞ্জিনের সাথে সংযুক্ত করতে হয়।
- একটি ওয়েবসাইটকে সার্চ ইঞ্জিনের সাথে যুক্ত করার প্রক্রিয়াকে SEO বলা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১৩৩.
অধিকাংশ ফটোকপি মেশিন কাজ করে-
  1. অফসেট মুদ্রণ পদ্ধতিতে
  2. পোলারয়েড ফটোগ্রাফি পদ্ধতিতে
  3. ডিজিট্যাল ইমেজিং পদ্ধতিতে
  4. স্থির বৈদ্যুতিক ইমেজিং পদ্ধতিতে
ব্যাখ্যা
ফটোকপি মেশিন কাজ করে বিপরীত আকর্ষণ নীতিতে। যা তৈরি হয় স্ট্যাটিক ইলেক্ট্রিসিটি অর্থাৎ স্থির বৈদ্যুতিক ইমেজিং পদ্ধতিতে। 
১৩৪.
কোন নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে সীমিত স্থানের মধ্যে ই-মেইল পাঠানো যায়?
  1. লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক
  2. মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক
  3. পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক
  4. ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক
ব্যাখ্যা
ই-মেইল: 
- ই-মেইল হলো কম্পিউটর নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে তথ্য আদান-প্রদান ব্যবস্থা। 
- 'লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক' ব্যবহার করে সীমিত স্থানের মধ্যে এবং ইন্টারনেটের মাধ্যমে সারা বিশ্বের যে কোন স্থানে ই-মেইল পাঠানো যায়। 
- বিভিন্ন ই-মেইল প্রোগ্রাম ব্যবহার করে মেইল পাঠানো যায়। 
- ই-মেইল প্রোগ্রামে ঢুকে বার্তা টাইপ করে প্রাপকের ঠিকানা নির্দিষ্ট করে পাঠানো (Send) নির্দেশ দিলে ই-মেইল তথ্য সরাসরি প্রাপকের কম্পিউটারে না গিয়ে তার টার্মিনাল বা ওয়ার্কস্টেশন বা সার্ভারে গিয়ে জমা হয়। 
- প্রাপক তার নামে কোন মেইল এসেছে কিনা তা অনুসন্ধানের নির্দেশ দিলে টার্মিনাল থেকে প্রাপকের কম্পিউটারে মেইলটি চলে আসে। 
- একটি মেইল একই সঙ্গে অনেকের নিকট পাঠানো যায়। 
- অন্য প্রোগ্রামে করা (যেমন- এমএস-ওয়ার্ড) ফাইলকে ই-মেইলের সাথে যুক্ত করে পাঠানো যায়। একে ফাইল এটাচমেন্ট (Attachment) বলা হয়। 
- এটাচমেন্ট করে ভিডিও এবং অডিও ফাইলও পাঠানো যায়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩৫.
ড্রোন কি?
  1. যাত্রীবাহী দ্রুতগামী বিমান
  2. চালকবিহীন বিমান
  3. যাত্রীবাহী বিমান
  4. চালকসহ বিমান
ব্যাখ্যা
ড্রোন: 
- প্রোগ্রাম নিয়ন্ত্রিত চালকবিহীন ছোট আকাশযান বা বিমানকে ড্রোন বলে। 
- ড্রোন যাত্রাস্থান থেকে প্রায় ২০০ কিলোমিটার দূর পর্যন্ত উড়তে সক্ষম। 
- সাধারণত স্বয়ংক্রিয়ভাবে চললেও Communication Satellite দ্বারাও ড্রোন নিয়ন্ত্রণ করা হয়। 
- ড্রোন সেন্সর, অ্যাকচুয়েটর, প্রপেলার, ডিজিটাল ইলেকট্রনিক স্পীড কন্ট্রোলার, সার্ভো মটর, পেলোড অ্যাকচুয়েটর, স্পিকার, রিমোট কন্ট্রোল সিস্টেম ইত্যাদির সমন্বয়ে তৈরি এবং কম্পিউটার সফটওয়্যারের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান এবং ব্রিটানিকা।
১৩৬.
Which E-commerce model involves selling goods or services directly to consumers over the Internet?
  1. B2B
  2. B2C
  3. C2B
  4. P2P
ব্যাখ্যা
ই-কমার্স:
- ই- কমার্স হল ইলেকট্রনিক কমার্স যা এমন একটি মাধ্যম যেখানে কোনো ইলেকট্রনিক সিস্টেম (ইন্টারনেট বা অন্য কোনো কম্পিউটার নেটওয়ার্ক) এর মাধ্যমে পণ্য বা সেবা ক্রয়/বিক্রয় হয়ে থাকে। অর্থাৎ, ইন্টারনেটের মাধ্যমে পণ্য ক্রয়-বিক্রয়কে, ই-কমার্স বলে।

- সেবা ও পণ্য লেনদেনের ভিত্তিতে ই-কমার্সকে সাধারণত চারটি ক্যাটাগরিতে বিভক্ত করা যায়। যথা-
(i) ব্যবসা থেকে ব্যবসা (Business to Business B2B),
(ii) ব্যবসা থেকে ভোক্তা (Business to Consumer B2C),
(iii) ভোক্তা থেকে ব্যবসা (Consumer to Business C2B),
(iv) ভোক্তা থেকে ভোক্তা (Consumer to Consumer C2C).

ই-কমার্সের সুবিধাসমূহ:
১. ব্যবসার মান বিশেষভাবে উন্নয়ন করা যায়৷
২. ই-কমার্সের সাহায্যে যেকোনো প্রতিষ্ঠানের ব্যবসাকে জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক বাজারে করানো যায়৷
৩. তথ্যের বিনিময় ও ব্যবসায়িক কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্ন করা যায়৷
৪. ব্যবসায়িক কার্যক্রমের খরচ ব্যাপকভাবে কমায়।
৫. ক্রেতা বিক্রেতার মধ্যে সহজে সুসম্পর্ক তৈরি করে।

- ব্যবসা থেকে ব্যবসা (Business to Business B2B) - alibaba.com
- ব্যবসা থেকে ভোক্তা (Business to Consumer B2C) - amazon.com, Shopify.
- ভোক্তা থেকে ব্যবসা (Consumer to Business C2B) - monster.com
- ভোক্তা থেকে ভোক্তা (Consumer to Consumer C2C) - ebay.com

উৎস:
১) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
২) মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩৭.
নিচের কোনটিতে সাধারণত ইনফ্রারেড ডিভাইস ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) WAN
  2. খ) Satellite Communication
  3. গ) MAN
  4. ঘ) TV রিমোট কন্ট্রোলে
ব্যাখ্যা
• TV রিমোট কন্ট্রোলে সাধারণত ইনফ্রারেড ডিভাইস ব্যবহার করা হয়।
• ইনফ্রারেড: এটি এক ধরনের ওয়েভ যার ফ্রিকুয়েন্সী সীমা 300GHz থেকে 400THz হয়ে থাকে।
- খুব কাছাকাছি অবস্থিত দুইটি ডিভাইসের মধ্যে যোগাযোগের ক্ষেত্রে ইন্ফ্রারেড ব্যবহার করা হয়।
- এ ধরনের যোগাযোগে দুই প্রান্তে ট্রান্সমিটার ও রিসিভার থাকে।
- টেলিভিশন, ভিসিআর এ ব্যবহৃত রিমোট কন্ট্রোলে, বিভিন্ন ডিভাইস যেমন- কী-বোর্ড, মাউস, প্রিন্টার ইত্যাদি ওয়্যারলেস কমিউনিকেশনে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩৮.
দৈনন্দিন কাজের ফাইলসমুহ নিরাপত্তার সাথে কোথায় সংরক্ষণ করা যায়?
  1. Google drive
  2. Google docs
  3. Office 365
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
আজকের বিশ্বায়ন ব্যবস্থায় তথ্য ও যােগাযােগ প্রযুক্তির কল্যাণে গতানুগতিক অফিস-ব্যবস্থা একটি বড় পরিবর্তনের পথে রয়েছে।
অনেকেই নিজ দেশে কিংবা অন্য দেশে থেকে বাসায় বসে কাজ করেন, অনেককেই নির্দিষ্ট কর্মঘণ্টা বজায় রাখতে হয় না।
উত্তর আমেরিকার সাথে আমাদের প্রায় বারাে ঘণ্টা |
সময়ের পার্থক্য থাকার কারণে দুই মহাদেশে দুইটি অফিস রেখে, কয়েক শিফটে সেটি দিন-রাত্রি মিলে চব্বিশ ঘণ্টা কাজ করতে পারে।
গুগল’ সম্পর্কে আমরা অনেকেই অবহিত আছি, ড্রপবক্স | (www.dropbox.com), গুগল ড্রাইভ, Office 365, Google docs ইত্যাদি গুগলের সার্ভিসে আমরা |
আমাদের যাবতীয় ফাইল তৈরিসহ নিরাপত্তার সাথে সংরক্ষণ করতে পারি এবং বিশ্বের যে কোনাে প্রান্ত থেকে সেখানে কাজ করতে পারি।
অফিসের সবধরনের মিটিংয়ের ক্ষেত্রে ভিডিও কনফারেন্সিং করে | প্রয়ােজনীয় নির্দেশনা দিতে পারি।
১৩৯.
আধুনিক 'ফেস রিকগনিশন' সিস্টেমের উচ্চতর নির্ভুলতার পেছনে কোন প্রযুক্তিটি কাজ করে?
  1. Recurrent Neural Network
  2. Generative Adversarial Network
  3. Convolutional Neural Network
  4. Blockchain Technology
ব্যাখ্যা

• Convolutional Neural Network (CNN)। এটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (AI) একটি বিশেষায়িত শাখা যা মূলত ডিজিটাল ইমেজ বা ছবি বিশ্লেষণের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। সিএনএন ছবির পিক্সেলগুলো থেকে মানুষের চেহারার সূক্ষ্ম জ্যামিতিক বৈশিষ্ট্য এবং প্যাটার্নগুলো ধাপে ধাপে শনাক্ত করতে পারে, যা ফেস রিকগনিশনকে অত্যন্ত নিখুঁত করে তোলে।

• কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence):
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence হচ্ছে বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তির সমন্বয়।
- মানুষ যেভাবে চিন্তা করে তেমনি কৃত্রিম উপায়ে কম্পিউটারে সেভাবে চিন্তা ভাবনার রূপদান করাকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বলে।
- AI-এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো কম্পিউটারকে উন্নত করা যাতে কম্পিউটার চিন্তা করার ক্ষমতা, পাশাপাশি দেখতে পারা, শুনতে পারা, হাঁটা এবং অনুভব করার ক্ষমতা পায়।
- কম্পিউটার কীভাবে মানুষের মতো চিন্তা করবে, কিভাবে অসম্পূর্ণ তথ্য দিয়ে পূর্ণাঙ্গ সিদ্ধান্তে পৌঁছবে, কিভাবে সমস্যা সমাধান করবে, কীভাবে পরিকল্পনা প্রণয়ন করবে ইত্যাদি বিষয়গুলোর জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উপর আরো গবেষণা করা হচ্ছে।

AI মডেলগুলোর বৈশিষ্ট্য:
- CNN ((Convolutional Neural Network): এটি গ্রিড ডেটা বা ছবির পিক্সেল বিশ্লেষণে পারদর্শী এবং চেহারার সূক্ষ্ম বৈশিষ্ট্য শনাক্ত করে।
- RNN (Recurrent Neural Network): এটি টেক্সট অনুবাদ (Google Translate) বা কথা থেকে লেখা (Speech-to-Text) তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
- GAN (Generative Adversarial Network): এটি নতুন কৃত্রিম ছবি বা ডেটা তৈরি (যেমন ডিপফেক) করতে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু মূল কাজ চেহারা শনাক্তকরণ নয়।
- ANN (Artificial Neural Network): এটি মানুষের মস্তিষ্কের সাধারণ কাজের অনুকরণে ডেটা ক্লাসিফিকেশন বা প্রিডিকশন করে।

Artificial Intelligence-এর ব্যবহার:
- Face Recognition System,
- Speech Recognition System,
- Natural Language Processing ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। ব্রিটানিকা।

১৪০.
Which generation of mobile networks is GSM considered to be a part of?
  1. 1G
  2. 2G
  3. 3G
  4. 4G
ব্যাখ্যা
GSM:
• GSM হচ্ছে একটি সেলুলার টেলিকমিউনিকেশন সিস্টেম যা 900 MHz এবং 1800 MHz ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ডে কাজ করে।
• GSM এর পূর্ণ রূপ হচ্ছে - Global System for Mobile Communications. 
দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইলগুলোতে GSM প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে
• ১৯৯০ সালে ইউরোপে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন সর্বপ্রথম ব্যবহৃত হয়।
• ট্রান্সমিশন কোয়ালিটি, সিস্টেম ক্যাপাসিটি এবং বিশাল এলাকা জুড়ে নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার লক্ষ্যে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেম চালু করা হয়।

দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেমের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো-
- GSM প্রযুক্তিতে ভয়েস ও ডেটা প্রেরণ করা সম্ভব।
- সিগন্যাল উন্নয়নের জন্য ডিজিটাল সিস্টেম ব্যবহার করা হয়৷
- SMS (Short Message Service ) ও MMS (Multimedia Message Service) সার্ভিস শুরু হয়।
- মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ইন্টারনেট সার্ভিস চালু হয়।

উদাহরণ:
- GSM-900,
- GSM-1800 ইত্যাদি দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনের উদাহরণ।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪১.
AI-based applications for visually impaired users mainly use—
  1. Image recognition
  2. Data mining
  3. Cloud storage
  4. Encryption
ব্যাখ্যা

• দৃষ্টিহীন ব্যবহারকারীদের জন্য তৈরি AI-based অ্যাপ্লিকেশনগুলো মূলত Image Recognition প্রযুক্তি ব্যবহার করে, যার মাধ্যমে ছবি বা পরিবেশ শনাক্ত করে তথ্য দেওয়া যায়।

• Artificial Intelligence (AI) ও Assistive Technology:
- Artificial Intelligence (AI) এমন একটি প্রযুক্তি, যা কম্পিউটারকে মানুষের মতো চিন্তা ও সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম করে।
- AI-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রয়োগক্ষেত্র হলো Assistive Technology, যা প্রতিবন্ধী বা বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের সহায়তা করে।
 
• AI-based Assistive Application-এর ব্যবহার:
- AI ব্যবহার করে ছবি বা পরিবেশ বর্ণনা করা যায়।
- এতে দৃষ্টিহীন ব্যক্তিরা চারপাশের অবস্থা সম্পর্কে ধারণা পায়।
- এই ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহারকারীর দৈনন্দিন জীবনকে সহজ করে তোলে।

• উদাহরণ:
- Seeing AI (Microsoft) → ছবি, টেক্সট, মুখ, বস্তু, দৃশ্য, কারেন্সি, বারকোড শনাক্ত করে ভয়েসে বলে দেয়।
- Be My Eyes → AI দিয়ে রিয়েল-টাইম ইমেজ রেকগনিশন (Virtual Volunteer + AI)।
- Google Lookout → অ্যান্ড্রয়েডে ছবি/ভিডিও অ্যানালাইজ করে বর্ণনা দেয়।
- Envision AI → টেক্সট রিডিং, অবজেক্ট রেকগনিশন, দৃশ্য বর্ণনা।
- Aira → AI + হিউম্যান সাপোর্ট, কিন্তু AI অংশে image recognition ব্যবহার করে।
 
• অন্যান্য অপশন:
- Data mining → এটি বড় ডেটা থেকে তথ্য বিশ্লেষণের পদ্ধতি।
- Cloud storage → এটি ডেটা সংরক্ষণের প্রযুক্তি।
- Encryption → এটি ডেটা নিরাপত্তার জন্য ব্যবহৃত হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা এবং প্রথম আলো।

১৪২.
পেমেন্ট গেটওয়ে-তে SSL কী হিসেবে ভূমিকা রাখে?
  1. অর্ডার ম্যানেজমেন্ট
  2. পণ্য প্রদর্শন
  3. পেমেন্ট প্রসেসিং
  4. ডেটা এনক্রিপশন
ব্যাখ্যা

• পেমেন্ট গেটওয়ে-তে SSL-এর মূল ভূমিকা ডেটা এনক্রিপশন নিশ্চিত করা। যখন একজন ব্যবহারকারী অনলাইনে ক্রেডিট কার্ড বা ব্যাঙ্ক তথ্য প্রদান করে, তখন সেই সংবেদনশীল তথ্য ইন্টারনেটে পাঠানো হয়। SSL (Secure Sockets Layer) প্রযুক্তি এই তথ্যকে এনক্রিপ্ট করে অর্থাৎ তা এমনভাবে রূপান্তরিত করে যে কোনো তৃতীয় পক্ষ সহজে তা পড়তে বা চুরি করতে পারে না। এটি ব্যবহারকারীর এবং পেমেন্ট গেটওয়ের মধ্যে নিরাপদ সংযোগ গড়ে তোলে, অনলাইনে লেনদেনকে সুরক্ষিত করে। তাই পেমেন্ট গেটওয়ে-তে SSL সরাসরি ডেটা এনক্রিপশন-এর কাজে ব্যবহৃত হয়, অর্ডার ম্যানেজমেন্ট, পণ্য প্রদর্শন বা পেমেন্ট প্রসেসিং-এর সাথে নয়।

সঠিক উত্তর: ঘ) ডেটা এনক্রিপশন।

SSL Certificate:
- SSL এর পূর্ণরূপ Secure Sockets Layer.
- SSL Certificate হলো একটি ডিজিটাল সার্টিফিকেট যা একটি ওয়েবসাইটের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে।
- SSL একটি নিরাপত্তা প্রোটোকল যা একটি ওয়েব সার্ভার এবং একটি ওয়েব ব্রাউজারের মধ্যে একটি এনক্রিপ্ট করা লিংক তৈরি করে।
- এটি অনলাইন লেনদেন সুরক্ষিত করার ক্ষেত্রে এবং গ্রাহকের তথ্য গোপন ও সুরক্ষিত রাখতে কোম্পানি এবং সংস্থাগুলোর ওয়েবসাইটে ব্যবহৃত হয়।

ই-কমার্সে SSL এর ভূমিকা:
- ক্রেডিট কার্ড তথ্য, পাসওয়ার্ড এবং পার্সোনাল ডাটা এনক্রিপ্ট করে।
- অনলাইন পেমেন্ট ট্রান্সাকশন সুরক্ষিত রাখে।
- গ্রাহকদের বিশ্বাস অর্জনের জন্য SSL সার্টিফিকেট থাকা গুরুত্বপূর্ণ।
- SSL সাইটগুলিকে Google বেশি অগ্রাধিকার দেয়, ফলে SEO উন্নত হয়।

উৎস: Kaspersky website.

১৪৩.
ইমেইলে “BCC” ক্ষেত্রের প্রধান উদ্দেশ্য কী?
  1. প্রাপকদের একে অপরের কাছ থেকে লুকানো
  2. ফাইল সংযুক্ত করা
  3. ইমেইলকে জরুরি হিসেবে চিহ্নিত করা
  4. ইমেইল পড়ার রসিদ চাওয়া
ব্যাখ্যা

• ইমেইলে “BCC” (Blind Carbon Copy) ক্ষেত্র ব্যবহার করার প্রধান উদ্দেশ্য হলো প্রাপকদের একে অপরের কাছ থেকে লুকানো রাখা। যখন আমরা কাউকে BCC-তে যুক্ত করি, তখন সেই প্রাপকের ঠিকানা অন্যান্য প্রাপকদের জন্য দৃশ্যমান থাকে না। এটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ যখন একাধিক প্রাপকের কাছে একই ইমেইল পাঠাতে হয় কিন্তু তাদের ইমেইল ঠিকানা একে অপরের সাথে ভাগ করতে চাই না। এছাড়া, BCC ব্যবহার করলে প্রাপকদের গোপনীয়তা বজায় থাকে এবং অনিচ্ছাকৃত ‘Reply All’ সমস্যা কমে। এটি বিশেষভাবে ব্যবসায়িক বা পাবলিক ইমেইল পাঠানোর ক্ষেত্রে খুবই কার্যকর এবং প্রয়োজনীয়। তাই সঠিক উত্তর হলো: ক) প্রাপকদের একে অপরের কাছ থেকে লুকানো।

• ইমেইল:
- ১৯৭১ সালে রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিসন ARPANET-এর মাধ্যমে ইলেকট্রনিক পত্রালাপ চালু করেন, যা ছিল প্রথম ইমেইল সিস্টেম।
- ইলেকট্রনিক মেইল (ই-মেইল) হলো এক ধরনের ডিজিটাল বার্তা বিনিময়ের পদ্ধতি, যেখানে একজন প্রেরক এক বা একাধিক প্রাপকের কাছে নির্ভরযোগ্যভাবে বার্তা পাঠাতে পারেন।
- ইমেইল ঠিকানায় @ চিহ্ন থাকা আবশ্যক।
- একটি ইমেইল ঠিকানা মূলত ইউজার আইডি এবং ডোমেইন নেম দ্বারা গঠিত।
- উদাহরণ: abc@def.com। এখানে @ চিহ্নের পূর্বের অংশটি ইউজার আইডি ও @ চিহ্নের পরের অংশটি ডোমেইন নেম নির্দেশ করে।
- ইমেইল আদান-প্রদানে POP, IMAP এবং SMTP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।

• ইমেইলে ব্যবহৃত কিছু গুরুত্বপূর্ণ অংশ:
- CC (Carbon Copy): একই ইমেইল একাধিক প্রাপকের কাছে পাঠানোর জন্য ব্যবহৃত হয়, যেখানে অন্য প্রাপকেরা দেখতে পান কে কে বার্তাটি পেয়েছেন।
- BCC (Blind Carbon Copy): একই ইমেইল একাধিক প্রাপকের কাছে পাঠানো হলেও, এক প্রাপক অন্যদের ইমেইল ঠিকানা দেখতে পান না।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

১৪৪.
ভার্চুয়াল রিয়েলিটির জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান কোনটি?
  1. হেড-মাউন্টেড ডিসপ্লে (HMD)
  2. অপটিক্যাল ফ্লো ম্যাপার
  3. সিআরটি মনিটর
  4. কোয়ান্টাম সেন্সর
ব্যাখ্যা

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটির (VR) জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো হেড-মাউন্টেড ডিসপ্লে (HMD)। এটি ব্যবহারকারীর মাথায় পরিধান করা হয় এবং সরাসরি চোখের সামনে ভিজ্যুয়াল কন্টেন্ট প্রদর্শন করে, যা একটি সম্পূর্ণ ইমার্সিভ বা ডুবন্ত অভিজ্ঞতা তৈরি করে। HMD-এর মাধ্যমে ব্যবহারকারী ভার্চুয়াল পরিবেশ দেখতে পান এবং তার সঙ্গে ইন্টার‍্যাক্ট করতে পারেন। এর মধ্যে সাধারণত দুইটি ছোট স্ক্রিন বা লেন্স থাকে, যা চোখের জন্য পৃথক ছবি দেখায়, ফলে তিন-মাত্রিক গভীরতার অনুভূতি জন্মায়। এছাড়াও HMD-তে হেড ট্র্যাকিং প্রযুক্তি থাকে, যা মাথার গতি অনুযায়ী দৃশ্য পরিবর্তন করে। অন্য যন্ত্রপাতি যেমন অপটিক্যাল ফ্লো ম্যাপার, CRT মনিটর বা কোয়ান্টাম সেন্সর সরাসরি VR-এর ইমার্সিভ অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করতে পারে না, তাই HMD হল মূল উপাদান।

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি:
- এমন একটি প্রযুক্তি, যেখানে হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যারের সমন্বয়ে কম্পিউটার সিস্টেমের মাধ্যমে কোনো বস্তু, ঘটনা বা পরিবেশের বাস্তব বা ত্রিমাত্রিক ছবি তৈরি করা হয়।
- এটি আসলে বাস্তব নয়, কিন্তু বিজ্ঞানের কল্পনা ও পরিকল্পনার মাধ্যমে তৈরি একটি কৃত্রিম বাস্তবতা।
- এটি মূলত কম্পিউটার প্রযুক্তি এবং সিমুলেশন তত্ত্বের ওপর ভিত্তি করে কাজ করে।
- কম্পিউটার প্রযুক্তির সাহায্যে এমন একটি কৃত্রিম পরিবেশ তৈরি করা হয়, যা ব্যবহারকারীর কাছে সত্যি এবং বাস্তব বলে মনে হয়।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে ত্রিমাত্রিক ছবি তৈরির মাধ্যমে এমন কঠিন কাজও সম্পন্ন করা সম্ভব, যা বাস্তবে করা খুব কঠিন হতো।

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটির উপাদানসমূহ:
- হেড-মাউন্টেড ডিসপ্লে (HMD),
- ডেটা গ্লাভস,
- বিশেষ বডি স্যুট।

- এই সরঞ্জামগুলো ভার্চুয়াল রিয়েলিটির মাধ্যমে ব্যবহারকারীকে শারীরিক ঝুঁকি বা বিপদ ছাড়াই বাস্তবের মতো অভিজ্ঞতা দেয়।

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটির প্রয়োগ:
- চিকিৎসাক্ষেত্রে,
- ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায়,
- ফ্লাইট সিমুলেশনে,
- খেলাধূলা ও বিনোদন ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৪৫.
ই-লার্নিং কার্যক্রমের উদাহরণ কোনটি?
  1. মুক্তপাঠ
  2. জাগো অনলাইন স্কুল
  3. শিক্ষক ডট কম
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
♦ ই-লার্নিং:
- ই-লার্নিং শব্দটি ইলেকট্রনিক লার্নিং কথাটির সংক্ষিপ্ত রূপ।
- প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থার বাইরে ইন্টারনেটের মাধ্যমে সরাসরি ক্লাস করা কিংবা কোন বিষয়ের উপর জ্ঞানার্জন করার পদ্ধতিই ই-লার্নিং নামে পরিচিত।
- এ পদ্ধতিতে ঘরে বসে সুবিধাজনক সময়ে পছন্দ মতো বিষয়ে নিজেকে দক্ষ করে গড়ে তোলা সম্ভব।
- যেহেতু এখানে ধারাবাঁধা ক্লাসের ব্যাপারটি থাকে না, তাই সুবিধামতো সময়ে শেখার কাজটি চালিয়ে নেওয়ার সুযোগ থাকে।
- বর্তমানে আমাদের দেশেও রয়েছে একাধিক ই-লার্নিং কার্যক্রম।
- বাংলাদেশের তথ্য প্রযুক্তিবিদরা বাংলায় কোর্স দেবার জন্য বেশ কিছু ওয়েবসাইট পোর্টাল তৈরি করেছেন এবং সারা পৃথিবী থেকে যে কেউ বাংলা ভাষায় সেই কোর্সগুলো গ্রহণ করতে পারেন।
- এগুলোর মধ্যে রয়েছে মুক্তপাঠ, শিক্ষক ডট কম, জাগো অনলাইন স্কুল, প্রভৃতি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪৬.
কোনটি ‘Cryo’ শব্দের অর্থ প্রকাশ করে?
  1. ক) খুবই গরম
  2. খ) চিকিৎসা
  3. গ) অসুস্থতা
  4. ঘ) বরফের মতো ঠান্ডা
ব্যাখ্যা
গ্রীক শব্দ ক্রাউস (kruos) থেকে ক্রায়ো (Cryo) শব্দটি এসেছে যার অর্থ বরফের মতো ঠাণ্ডা এবং ‘সার্জারি’ অর্থ শৈল্য চিকিৎসা। অর্থাৎ ক্রায়োসার্জারি হলো এক ধরণের চিকিৎসা পদ্ধতি যাতে অত্যধিক শীতল তাপমাত্রা প্রয়োগ করে শরীরের অস্বাভাবিক বা রোগাক্রান্ত কোষগুলোকে ধ্বংস করা হয়। 
১৪৭.
.org ডোমেইন কোন প্রতিষ্ঠানের জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান
  2. অ-লাভজনক প্রতিষ্ঠান
  3. সরকারি প্রতিষ্ঠান
  4. শিক্ষা প্রতিষ্ঠান
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) অ-লাভজনক প্রতিষ্ঠান। 

• ই-মেইল এ্যাড্রেস:
- ই-মেইল এ্যাড্রেস হলো প্রতিটি ই-মেইল ব্যবহারকারীর স্বতন্ত্র (Unique) পরিচয়।
- এটি User ID@Domain Name গঠন দ্বারা তৈরি হয়।
উদাহরণ: anik@bdonline.com.bd
- User ID হলো ই-মেইল ব্যবহারকারীর নিজস্ব নাম যা @ চিহ্নের আগে থাকে।
- User ID-তে ইংরেজি অক্ষর, সংখ্যা, চিহ্ন ব্যবহার করা যায়
- @ চিহ্ন ইউজার আইডি ও ডোমেইন নেমকে পৃথক করে।
- Domain Name হলো ই-মেইল প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের পরিচয়।
যেমন: bdonline.com.bd
- Domain Name আবার কয়েকটি অংশে বিভক্ত হয়, যা ডট (.) চিহ্ন দিয়ে আলাদা করা হয়।

• ডোমেইন নামের বিভিন্ন রকম পরিচয়:
.com - ব্যবসায়িক (Commercial) প্রতিষ্ঠান,
.org - অ-লাভজনক (Organization),
.gov - সরকারি (Government) প্রতিষ্ঠান
.mil - সামরিক (Military),
.edu - শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (Educational),
.net - সাধারণ নেটওয়ার্ক/আইএসপি (Network provider).

উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৪৮.
'M-Commerce' কী?
  1. ক) Microcredit Commerce
  2. খ) Mobile Commerce
  3. গ) Mail Commerce
  4. ঘ) Micro Commerce
ব্যাখ্যা
এম-কমার্স (M-Commerce)
- 'M-Commerce' শব্দটিতে দ্বারা 'M' বুঝায় Mobile.
- মোবাইল ফোন বা সেলফোনের মাধ্যমে ওয়্যারলেস নেটওয়ার্কে প্রবেশ করে ই-বিজনেস করাকে মোবাইল কমার্স বা এম-কমার্স বলা হয়।
১৪৯.
ইউডোরা প্রো কী ধরনের সফটওয়্যার?
  1. ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার
  2. ই-মেইল ক্লায়েন্ট সফটওয়্যার
  3. ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার
  4. অ্যান্টিভাইরাস
ব্যাখ্যা
ইউডোরা প্রো এক ধরনের সফটওয়্যার ইউডোরা প্রো।

• E-mail:
- ই-মেইলের পূর্ণরূপ হলো Electronic Mail.
- E-mail বা Electronic Mail হল ইন্টারনেটের মাধ্যমে ডিজিটাল বার্তা পাঠানোর একটি মাধ্যম।
- এটি ব্যবহার করে টেক্সট, ছবি, ফাইল, ভিডিও ইত্যাদি দ্রুত ও সহজে এক ব্যক্তি থেকে আরেক ব্যক্তির কাছে পাঠানো যায়।
- নিরাপত্তার জন্য গোপন পাসওয়ার্ড দ্বারা প্রত্যেকের ই-মেইল অ্যাকাউন্টকে সুরক্ষিত রাখা হয়।

• ই-মেইল ব্যবহারের জন্য প্রয়োজনীয় সফট্ওয়্যার:
- আউটলুক এক্সপ্রেস,
- ইউডোরা প্রো,
- নেটস্কেপ কমিউনিকেটর,
- ইন্টারনেট মেইল ইত্যাদি।

উৎস: ১। এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
১৫০.
ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের জনক কে?
  1. ল্যারি পেজ
  2. স্টিভ জবস
  3. চার্লস ব্যাবেজ
  4. টিম বার্নার্স-লি
ব্যাখ্যা

ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের জনক হচ্ছে টিম বার্নার্স-লি।

• ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (World Wide Web: WWW)
- এটি একটি বৃহৎ সিস্টেম যা অনেকগুলো সার্ভার (যা ওয়েব সার্ভার হিসেবে বিবেচিত হয়) সংযুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়।
- ইন্টারনেট ইউজারদের যেকোনো ধরনের তথ্য সরবরাহ করতে সক্ষম।
- টিম বার্নার্স-লি (Tim Berners-Lee) কে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের জনক বলা হয়।
- তিনি ১৯৮৯ সালে এই ওয়েব ব্যবস্থাটি উদ্ভাবন করেন।
- এটি সুইজারল্যান্ডের গবেষকদের দ্বারা উদ্ভাবিত একটি হাইপারটেক্সট ভিত্তিক ডিস্ট্রিবিউটেড ইনফরমেশন সিস্টেম।
- এটি অনেকগুলো ওয়েব সার্ভার ও ওয়েব পেজ নিয়ে গঠিত একটি বিস্তৃত তথ্য ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা।
- ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের বৈশিষ্ট্য হলো বিশেষ ধরনের ভাষা বা যোগাযোগ মাধ্যম, যাকে বলে http বা Hyper Text Transfer Protocol.
- http হলো ইন্টারনেটে টিসিপি/আইপি প্রটোকলের মাধ্যমে ওয়েব সার্ভার ও ওয়েব ক্লায়েন্টের যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য ব্যবহৃত প্রটোকল।

উৎস: ১। মৌলিক কম্পিউটার দক্ষতা, মাধ্যমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ বিএড।
২। এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৫১.
কোন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারকারীরা এক অ্যাপের মাধ্যমে একাধিক স্মার্ট হোম ডিভাইস নিয়ন্ত্রণ করার সুযোগ পায়?
  1. Microsoft Word
  2. Adobe Photoshop
  3. SmartThings
  4. VLC Media Player
ব্যাখ্যা
• স্মার্ট হোম ডিভাইসগুলি নিয়ন্ত্রণের জন্য একটি বিশেষ প্ল্যাটফর্ম প্রয়োজন, যা ব্যবহারকারীদের একক অ্যাপের মাধ্যমে বিভিন্ন ডিভাইস পরিচালনা করতে দেয়। এই প্রসঙ্গে, Microsoft Word এবং Adobe Photoshop হলো সফটওয়্যার যা মূলত ডকুমেন্ট তৈরি এবং ছবি সম্পাদনার জন্য ব্যবহৃত হয়, সুতরাং স্মার্ট হোম ডিভাইস নিয়ন্ত্রণের জন্য উপযুক্ত নয়। VLC Media Player একটি মিডিয়া প্লেয়ার সফটওয়্যার, যা ভিডিও ও অডিও প্লে করার কাজ করে। অন্যদিকে, SmartThings একটি স্মার্ট হোম প্ল্যাটফর্ম যা ব্যবহারকারীদের এক জায়গা থেকে বিভিন্ন স্মার্ট ডিভাইস যেমন লাইট, ক্যামেরা, থার্মোস্ট্যাট ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণ করার সুবিধা দেয়। তাই, স্মার্ট হোম ডিভাইস নিয়ন্ত্রণের জন্য সঠিক উত্তর হলো গ) SmartThings.

• স্মার্ট হোম প্রযুক্তি:
- স্মার্ট হোম হলো এমন একটি বাসস্থান, যেখানে রিমোট কন্ট্রোলিং বা প্রোগ্রামিং ডিভাইসের সাহায্যে বাড়ির হিটিং সিস্টেম, কুলিং সিস্টেম, লাইটিং সিস্টেম, সিকিউরিটি কন্ট্রোল সিস্টেম ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
- স্মার্ট হোম প্রযুক্তিতে ডিজিটাল পদ্ধতি ব্যবহার করে হোম অটোমেশন চালু করা হয়।
- স্মার্ট হোমের পদ্ধতিকে হোম অটোমেশন সিস্টেম (Home Automation System) বলা হয়।
- একটি স্মার্ট হোমে ব্যবহৃত বিভিন্ন ডিভাইস যেমন- টেলিভিশন, এসি, লাইটিং, ফ্যান, সিকিউরিটি ক্যামেরা ইত্যাদি পরিচালনার জন্য আধুনিক প্রযুক্তির মোবাইল বা রিমোট কন্ট্রোলিং ডিভাইস ব্যবহার করে সেগুলোকে কোনো কেন্দ্রীয় অবস্থানে থেকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
- বর্তমানে বিভিন্ন শিল্পোন্নত দেশ যেমন-চীন, সিঙ্গাপুর, কোরিয়া ইত্যাদি দেশে গ্লোবাল রেসিডেন্স বা বৈশ্বিক বাসস্থান তৈরি করা হচ্ছে।
- বাসস্থানের নিরাপত্তার জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে আইপি ক্যামেরা।
- রিমোট কন্ট্রোল বা ভয়েস কমান্ডের সাহায্যে গাড়ির গ্যারেজ, ঘরের দরজা-জানালা খোলা বা বন্ধ করা, লাইট, ফ্যান, কম্পিউটার ও টেলিফোন চালু কিংবা বন্ধ করা যায়।
- বাইরে থাকাকালে কোনো মেহমান বাসায় আসলে সিকিউরিটি এলার্মের সাহায্যে মোবাইল ফোনে তা জানা যায় ।
- কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত রোবোটের সাহায্যে চা বানানো, কাপড় ধোয়া, ঘরবাড়ি পরিষ্কার ও ময়লা নিষ্কাশন করা সম্ভব হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
১৫২.
ফ্যাক্স ব্যবস্থার মূল সুবিধা কী? 
  1. এটি কেবল কল গ্রহণের জন্য ব্যবহৃত হয়
  2. এটি কেবল অডিও বার্তা পাঠায়
  3. এটি কেবল অফিসের অভ্যন্তরীণ যোগাযোগের জন্য ব্যবহৃত হয়
  4. এটি স্বাক্ষরিত জরুরি নথি ও ছবি দ্রুত পাঠাতে সাহায্য করে
ব্যাখ্যা
উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা: 
- মোবাইল ফোন, ইন্টারনেট, স্যাটেলাইটসহ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির প্রধান প্রধান উপকরণ যোগাযোগ ব্যবস্থাকে দ্রুত কার্যকরী করে তুলেছে। 
যেমন- 
১। মোবাইল ফোন: 
- মোবাইল ফোনের মাধ্যমে যেকোনো স্থান থেকে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়, ফলে চলতে ফিরতে কিংবা ঘরে বসেও ব্যবসা যোগাযোগ রক্ষা করা যায়। 
- মোবাইল ফোনের কনফারেন্স সুবিধার মাধ্যমে একই সময়ে একাধিক ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলা যায় এমনকি ছবিও দেখা যায়। ফলে দ্রুত কাজ সম্পন্ন করা যায়। 

২। ফ্যাক্স: 
- ফ্যাক্সের মাধ্যমে জরুরি লিখিত তথ্য ও ছবি তাৎক্ষণিকভাবে প্রেরণ করা যায়। 
- যে সব দেশে ব্যবসার লেনদেনের ক্ষেত্রে ক্রেতা বা বিক্রেতার স্বাক্ষরের প্রয়োজন, সেখানে ফ্যাক্স গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। 

৩। ইমেইল: 
- ই-মেইল ব্যবসার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এর মাধ্যমে দ্রুততার সঙ্গে লিখিত যোগাযোগ করা যায়। 
- এমনকি পণ্যের ছবি ক্রেতার কাছে পাঠানো যায়। 
- পণ্য সম্পর্কে অন্য কোনো ক্রেতার মূল্যায়ন যদি ইন্টারনেটে প্রকাশিত হয়ে থাকে, তাহলে সেটির লিংকও পাঠানো যায়। 

৪। ইন্টারনেট: 
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে পণ্যসেবার খবর সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে দেওয়া যায়। 

৫। ইন্ট্রানেট: 
- অনেক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন দপ্তর ভৌগোলিকভাবে বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকে। 
- এসব ক্ষেত্রে নিজেদের মধ্যে সংস্থাপিত ইন্টারনেট ব্যবসা পরিচালনার ক্ষেত্রে প্রভূত উন্নতি সাধন করছে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ  প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণি।
১৫৩.
শিক্ষাক্ষেত্রে আইসিটিতে কোন সফটওয়্যার ব্যবহৃত হয়?
  1. Blackboard
  2. ATutor
  3. Rukuku
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

◉ শিক্ষাক্ষেত্রে আইসিটি (ICT in Education) ব্যবহারের অন্যতম প্রধান দিক হলো E-learning, Online Course Management, এবং Virtual Classroom পরিচালনা করা। এসব কাজের জন্য বিভিন্ন LMS (Learning Management System) এবং E-learning সফটওয়্যার ব্যবহৃত হয়।

ভার্চুয়াল লার্নিং এনভায়রনমেন্ট:
- ভার্চুয়াল লার্নিং এনভায়রনমেন্ট (VLE) হলো এমন এক শিক্ষাসহায়ক প্রযুক্তি যা একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ওয়েবভিত্তিক প্লাটফরম ব্যবহার করে ডিজিটাল মাধ্যমে- শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন দল বা উপদলে সংগঠিত, কোর্সের রিসোর্স, কর্মকাণ্ড ও মিথস্ক্রিয়াসমূহ কোর্সের কাঠামোর মধ্যে উপস্থাপন, বিভিন্ন ধরনের মূল্যায়ন, শিক্ষার্থীদের তথ্য এবং অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাথে সম্পর্ক রক্ষা করা হয়।
- সাধারণত ভার্চুয়াল লার্নিং এনভায়রনমেন্ট (ভিএলই) উচ্চ শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানে ব্যবহার করা হয়। এখানে সনাতনী শিখন-শেখানো ধারণার সাথে ভার্চুয়াল সুযোগ সুবিধাগুলোকে সমন্বিত করা হয়।
-ভার্চুয়াল লার্নিং এনভায়রনমেন্ট তৈরির জন্য সফটওয়‍্যার প্রয়োজন হয়।
- অন্যান্য সফটওয়‍্যারের মতো কিছু VLE সফটওয়‍্যার বিনামূল্যে পাওয়া যায়। এসবকে open source VLE সফটওয়‍্যার বলে।
- কিছু সফটওয়্যারের জন্য অর্থ দিতে হয়। তাকে proprietary VLE সফটওয়‍্যার বলে।
- তবে proprietary সফটওয়‍্যারও ১ সপ্তাহ থেকে ৩ মাস পর্যন্ত বিনামূল্যে ব্যবহার করা যায়। একে ট্রায়েল ভার্সন বলে।
- VLE সফটওয়‍্যারের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় Moodle.
- কিছু জনপ্রিয় VLE সফটওয়ারের নাম হলো: Blackboard, Rukuku, Lotus Workplace, COSE, eFront, OLAT, Sakai, ILIAS, ATutor, Fedena, openelms, Claroline, Dokeos ইত্যাদি।

উৎস: শিক্ষায় আইসিটি, বিএড প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৫৪.
সর্বপ্রথম কোন প্রতিষ্ঠান স্মার্টফোন ডিজাইন করে?
  1. অ্যাপল
  2. গুগল
  3. আইবিএম
  4. মাইক্রোসফট
ব্যাখ্যা
সর্বপ্রথম আইবিএম স্মার্টফোন ডিজাইন করে।

• স্মার্টফোন:
- স্মার্টফোন হলো বিশেষ ধরনের মোবাইল ফোন যা মোবাইল কম্পিউটিং প্লাটফর্মের ওপর প্রতিষ্ঠিত।
- সর্বপ্রথম স্মার্টফোন ডিজাইন করে IBM প্রতিষ্ঠান।
- বেলসাউথ প্রতিষ্ঠান ১৯৯৩ সালে স্মার্টফোন বাজারে আনেন।
- ১৯৯৩ সালে আইবিএম "Simon" নামে প্রথম স্মার্টফোন তৈরি করে, যা টাচস্ক্রিন এবং বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন সমর্থন করত।
- এই স্মার্টফোনে ক্যালেন্ডার, ঠিকানা বই, ক্যালকুলেটর এবং অন্যান্য ফাংশন অ্যাক্সেস করার জন্য একটি টাচস্ক্রিন ইন্টারফেস অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল।
- স্মার্টফোন ডেটা রূপান্তরের জন্য প্যাকেট সুইচিং পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
- স্মার্টফোনে ডাটা স্থানান্তর উচ্চ গতিসম্পন্ন।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১৫৫.
'মেটা' এর অধীন নয় কোনটি?
  1. Facebook
  2. Workplace
  3. LinkedIn
  4. Instagram
ব্যাখ্যা
- ফেসবুক ২০০৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। 
- এর প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গ।
- ফেসবুক কোম্পানির নতুন নাম মেটা (Meta)
- মেটা নামকরণ হয় ২০২১ সালের ২৮ অক্টোবর।
- মেটা এর অধীন সার্ভিসগুলো হলো - Facebook, Messenger, Instagram, WhatsApp, Workplace.

উৎস - মেটা ওয়েবসাইট।
১৫৬.
Which statement about email is not true?
  1. Can be sent simultaneously to multiple users
  2. Recipients can view, print, save, and edit messages
  3. Electronic mailboxes that store messages
  4. Messages are limited to plain text only
ব্যাখ্যা

ই-মেইল সাধারণ টেক্সক্টের পাশাপাশি অন্যান্য ধরনের ডেটা যেমন, গ্রাফিক্স, সাউন্ড, এনিমেটেড ছবি ইত্যাদিও বহন করতে পারে।

ইমেইল:
- ১৯৭১ সালে আরপানেট ইলেকট্রনিক মাধ্যমে পত্রালাপের সূচনার মাধ্যমে প্রথম ইমেইল সিস্টেম চালু করেন রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিসন।
- ইলেকট্রনিক মেইল বা ই-মেইল হলো একজন বার্তা লেখকের কাছ থেকে এক বা একাধিক প্রাপকের কাছে কোন বার্তা বা ডিজিটাল মেসেজ বিনিময় করার নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি।
- ই-মেইল ঠিকানায় @ চিহ্নটি অবশ্যই থাকতে হয়।
- একটি ইমেইল ঠিকানা ইউজার আইডি ও ডোমেইন নেম নিয়ে গঠিত।- abc@def.com এ অংশের পূর্বে থাকে ইউজার আইডি এবং @ অংশের পরে থাকে ডোমেইন নেম।
- ইমেইল সার্ভারে POP বা IMAP এবং SMTP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।
- ব্যবহারকারীরা তাদের বার্তায় বিভিন্ন ধরনের ফাইল যেমন ডকুমেন্ট, ছবি, অডিও, এবং ভিডিও সংযুক্ত করতে পারে।
- ই-মেইল একসাথে একজন ব্যবহারকারী বা একাধিক ব্যবহারকারীর কাছে পাঠানো যায়। 
- প্রতিটি ব্যবহারকারীর একটি নিজস্ব ইলেকট্রনিক মেইলবক্স থাকে যেখানে ইনকামিং বার্তাগুলো জমা হয়।
- প্রাপকরা তাদের প্রাপ্ত ই-মেইলগুলো দেখতে, প্রিন্ট করতে, সংরক্ষণ করতে, প্রয়োজনে সম্পাদনা করতে, এবং উত্তর বা ফরওয়ার্ড করতে পারেন।

• ইমেইল ঠিকানায় ব্যবহৃত-
- CC এর পূর্ণ রূপ Carbon Copy;
- BCC এর পূর্ণ রূপ Blind Carbon Copy.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি।

১৫৭.
বাংলাদেশে প্রথম টেলি ব্যাংকিং চালু করে কোন ব্যাংক?
  1. ডাচ-বাংলা ব্যাংক
  2. বাংলাদেশ ব্যাংক
  3. ব্র্যাক ব্যাংক
  4. স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক
ব্যাখ্যা
- টেলি ব্যাংকিং কথাটির অর্থ হলো টেলিফোন ব্যাংকিং।
- টেলিফোনের মাধ্যমে যে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করা হয় তাকে টেলিফোন ব্যাংকিং বা টেলি ব্যাংকিং বলা হয়।
- এর মাধ্যমে একজন গ্রাহক তার ব্যাংক সীমিত পরিসরে একাউন্ট ব্যালেন্স ট্রানজেকশন, ইলেকট্রনিক বিল পেমেন্ট, ফান্ড ট্রান্সফার ইত্যাদি কাজ করার সুবিধা গ্রহণ করতে পারে।
- এটি এমন একটি সেবা যেখানে গ্রাহকরা সশরীরে ব্যাংকে না গিয়ে টেলিফোনের মাধ্যমে কল করে লেনদেন করতে পারতেন।
- টেলিফোন ব্যংকিং বিশ্বব্যাপী বাণিজ্যিকভাবে যাত্রা শুরু করে ১৯৮০-এর দশকে।
- প্রথম টেলিফোন ব্যাংকিংয়ের যাত্রা শুরু হয় ১৯৮৪ সালে, যুক্তরাজ্যের গিরোব্যাংক-এর হাত ধরে।
- ১৯৮০ এবং ৯০ এর দশকের শুরুতে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হলেও, ২০১০ সালের দিকে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের আবির্ভাব টেলিফোন ব্যাংকিংয়ের ব্যবহার কমিয়ে দেয়।
- বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এই সেবা চালু থাকলেও, বাংলাদেশে স্ট্যান্ডার্ড চাটার্ড ব্যাংক প্রথম এই সেবা চালু করে ১৯৯৭ সালের পহেলা মার্চ।

উৎস: সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের ওয়েবসাইট এবং সময় নিউজ রিপোর্ট। [Link]
১৫৮.
Spam ইমেইল বলতে কী বোঝায়?
  1. গুরুত্বপূর্ণ ইমেইল
  2. বিজ্ঞাপনমূলক ইমেইল
  3. ভাইরাসমুক্ত ইমেইল
  4. অফিসিয়াল ইমেইল
ব্যাখ্যা

◉ Spam Email হলো এমন ই-মেইল, যা সাধারণত অননুমোদিতভাবে (bulk) পাঠানো হয়। এগুলোর মধ্যে থাকে—
• অবাঞ্ছিত বিজ্ঞাপন,
• প্রতারণামূলক অফার (phishing),
• কখনও কখনও ক্ষতিকর লিংক বা ম্যালওয়্যার। 

ইমেইল:
- ১৯৭১ সালে আরপানেট ইলেকট্রনিক মাধ্যমে পত্রালাপের সূচনার মাধ্যমে প্রথম ইমেইল সিস্টেম চালু করেন রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিসন।
- ইলেকট্রনিক মেইল বা ই-মেইল হলো একজন বার্তা লেখকের কাছ থেকে এক বা একাধিক প্রাপকের কাছে কোন বার্তা বা ডিজিটাল মেসেজ বিনিময় করার নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি।
- ই-মেইল ঠিকানায় @ চিহ্নটি অবশ্যই থাকতে হয়৷
- একটি ইমেইল ঠিকানা ইউজার আইডি ও ডোমেইন নেম নিয়ে গঠিত।
- abc@def.com এ @ অংশের পূর্বে থাকে ইউজার আইডি এবং @ অংশের পরে থাকে ডোমেইন নেম।
- মেইল পাঠানোর জন্য SMTP( Simple Mail Transfer Protocol) প্রোটোকল এবং গ্রহণের জন্য POP3(Post Office Protocol), IMAP(Internet Message Access Protocol) প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়। 

ইমেইল ঠিকানায় ব্যবহৃত-
- CC এর পূর্ণ রূপ Carbon Copy;
- BCC এর পূর্ণ রূপ Blind Carbon Copy

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণি।

১৫৯.
টেলিটক কত সালে কার্যক্রম শুরু করে?
  1. ক) ২০০২
  2. খ) ২০০৪
  3. গ) ২০০৬
  4. ঘ) ২০০৮
ব্যাখ্যা
টেলিটক একটি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি। জয়েন্ট স্টক কোম্পানিতে নিবন্ধনকৃত টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড দেশের একমাত্র রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন মোবাইল অপারেটর হিসেবে যাত্রা শুরু করে ২০০৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর।
সূত্রঃ টেলিটক ওয়েবসাইট।
১৬০.
ইলেকট্রনিক বিনিময় প্রথার মাধ্যমে বাণিজ্য করাকে কি বলে?
  1. ই-সার্ভিস
  2. ই-গভর্ন্যান্স
  3. ই-লার্নিং
  4. ই-কমার্স
ব্যাখ্যা
ই-কমার্স এর পূর্ণ অর্থ হচ্ছে ইলেকট্রনিক কমার্স। ইন্টারনেট প্রযুক্তিতে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ও অন্যান্য ইলেকট্রনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে পণ্য, সেবা ও তথ্য ক্রয়-বিক্রয়, হস্তান্তর বা বিনিময় কার্যকেই বলা হয় ই-কমার্স (E-commerce)। ই-কমার্স একটি বাণিজ্য ক্ষেত্র যেখানে কোন ইলেকট্রনিক সিস্টেমের মাধ্যমে পণ্য বা সেবার লেনদেন সম্পূর্ণ হয়ে থাকে। আধুনিক ই-কমার্স সাধারণত ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব এর মাধ্যমে বাণিজ্যিক কাজ পরিচালনা করে। এছাড়াও মোবাইল কমার্স, ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার ও অন্যান্য আরো কিছু মাধ্যম ব্যবহৃত হয়। 

ই-লার্নিং এক ধরণের শিক্ষা ব্যবস্থা যেখানে ছাত্রছাত্রীরা অনলাইনে ক্লাসে অংশগ্রহণ করে। 

ই-সার্ভিস হচ্ছে অনলাইনে বিভিন্ন সার্ভিস প্রদান

ই-সরকারের ধারণার একটি জনপ্রিয় উপায় হল প্রযুক্তিগতভাবে মধ্যস্থতামূলক মিথস্ক্রিয়াগুলির তিনটি ক্ষেত্রের মধ্যে পার্থক্য করা। সরকার-থেকে-সরকার মিথস্ক্রিয়া সরকারী আমলাতন্ত্রের অভ্যন্তরীণ দক্ষতা বাড়ানোর জন্য প্রযুক্তি ব্যবহারের সাথে সম্পর্কিত, উদাহরণস্বরূপ, রুটিন কাজগুলির স্বয়ংক্রিয়করণ এবং বিভাগ এবং সংস্থাগুলির মধ্যে তথ্য দ্রুত ভাগ করে নেওয়ার মাধ্যমে। সরকার-থেকে-ব্যবসায়িক মিথস্ক্রিয়া সাধারণত ফার্মগুলি থেকে পণ্য এবং পরিষেবাগুলি কেনা এবং বিক্রি করার জন্য সরকারের খরচ কমাতে ইন্টারনেট ব্যবহারকে জড়িত করে। সরকার-থেকে-নাগরিক মিথস্ক্রিয়ায় ইন্টারনেট ব্যবহার করে পাবলিক পরিষেবা এবং অনলাইনে লেনদেন এবং দ্রুত ইলেকট্রনিক ফিডব্যাক মেকানিজম, যেমন তাত্ক্ষণিক ভোট, ওয়েব সমীক্ষা এবং ই-মেইল অন্তর্ভুক্ত করে পরিষেবাগুলির নকশা এবং বিতরণ উন্নত করা জড়িত।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রস্তুতি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা। 
১৬১.
কোন প্রতিষ্ঠান স্টারলিংক স্যাটেলাইট ইন্টারনেট পরিষেবা দেয়?
  1. Space
  2. Blue Origin
  3. SpaceX
  4. NASA
ব্যাখ্যা
• স্টারলিংক স্যাটেলাইট ইন্টারনেট পরিষেবা প্রদান করে প্রতিষ্ঠান হলো SpaceX. SpaceX একটি আমেরিকান মহাকাশ প্রযুক্তি কোম্পানি, যা এলন মাস্ক প্রতিষ্ঠা করেছেন। এই কোম্পানি বিশ্বব্যাপী দ্রুতগতির ইন্টারনেট সেবা দেওয়ার উদ্দেশ্যে স্টারলিংক প্রকল্প শুরু করে। স্টারলিংক একটি উপগ্রহ নেটওয়ার্ক যা হাজার হাজার ছোট স্যাটেলাইটকে পৃথিবীর কক্ষপথে স্থাপন করে, যাদের মাধ্যমে বিশ্বের দূরবর্তী এবং কম পরিষেবা প্রাপ্ত এলাকায় দ্রুত এবং নির্ভরযোগ্য ইন্টারনেট পৌঁছে দেওয়া হয়। এই স্যাটেলাইট ইন্টারনেট পরিষেবা গ্রাহকদের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি করেছে, বিশেষ করে যেখানে প্রচলিত ব্রডব্যান্ড সহজলভ্য নয়। তাই স্টারলিংক স্যাটেলাইট ইন্টারনেট পরিষেবার মূল প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান হল SpaceX.

• স্টারলিংক ইন্টারনেট পরিষেবা:
- প্রথম উপগ্রহটি ২০১৯ সালে উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল।
- ২০২০ সালে পরীক্ষামূলকভাবে চালু হয়েছিল।
- এবং এরপর থেকে এটি ধীরে ধীরে বিশ্বব্যাপী ইন্টারনেট পরিষেবা প্রদান করে আসছে।
- স্টারলিংক একটি উপগ্রহ-ভিত্তিক ইন্টারনেট পরিষেবা যা স্পেসএক্স দ্বারা পরিচালিত হয়।
- স্টারলিংক সাধারণত প্রতি সেকেন্ডে ৫০ থেকে ১৫০ মেগাবিট পর্যন্ত ডাউনলোড গতি।

উৎস: Britannica.
১৬২.
LLM-এর কনটেক্সট উইন্ডো (Context Window) কী নির্দেশ করে?
  1. গ্রাফিক্স কার্ডের মেমরি সাইজ
  2. মডেলের মোট প্যারামিটার সংখ্যা
  3. মডেলের প্রশিক্ষণের জন্য ব্যবহৃত GPU-এর সংখ্যা
  4. মডেলটি একসঙ্গে কতগুলো টোকেন মনে রাখতে পারে
ব্যাখ্যা

• LLM বা Large Language Model-এর কনটেক্সট উইন্ডো বলতে বোঝায় মডেলটি একটি নির্দিষ্ট সময়ে ইনপুট হিসেবে সর্বোচ্চ কতটুকু ডেটা বা টোকেন একসঙ্গে গ্রহণ এবং মনে রাখতে পারে।
- এটি মূলত মডেলের কার্যকর মেমরি সীমা বা টোকেন ধারণক্ষমতা। যখন কোনো ইনপুট এই সীমা অতিক্রম করে, তখন মডেলটি আলোচনার শুরুর অংশগুলো ভুলে যেতে থাকে।

• LLM-এর সাধারণ বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- বিশাল জ্ঞানভাণ্ডার: এটি কোটি কোটি বই, আর্টিকেল এবং ওয়েবসাইট থেকে তথ্য সংগ্রহ করে মানুষের মতো জ্ঞান আহরণ করে।
- বহুমুখী ব্যবহার: এটি শুধুমাত্র চ্যাট করার জন্য নয়, বরং অনুবাদ করা, সারাংশ তৈরি করা (Summarization), এবং প্রোগ্রামিং কোড লেখার কাজেও ব্যবহৃত হয়।
- টেক্সট জেনারেশন: এটি একটি শব্দের পর পরবর্তী শব্দটি কী হতে পারে তার গাণিতিক সম্ভাবনা (Probability) হিসাব করে নতুন বাক্য তৈরি করতে পারে।
- নির্ভরযোগ্যতা ও সীমাবদ্ধতা: এটি অত্যন্ত বুদ্ধিমান হলেও মাঝে মাঝে ভুল বা বানোয়াট তথ্য দিতে পারে, যাকে এআই-এর ভাষায় 'হ্যালুসিনেশন' বলা হয়।

• কনটেক্সট উইন্ডো-র বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- এটি মডেলের শর্ট-টার্ম মেমরির মতো কাজ করে যা দীর্ঘ কথোপকথন মনে রাখতে সাহায্য করে।
- এর পরিমাপ সাধারণত টোকেন (Tokens) সংখ্যায় করা হয় (যেমন: ৮কে, ৩২কে বা ১২৮কে টোকেন)।
- কনটেক্সট উইন্ডো যত বড় হয়, মডেলটি তত বড় বই বা কোড ফাইল একবারে বিশ্লেষণ করতে পারে।
- এটি ট্রান্সফর্মার আর্কিটেকচারের সেলফ-অ্যাটেনশন মেকানিজমের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত।

উৎস: IBM website [link].

১৬৩.
কোনটি তারবিহীন দ্রুতগতির ইন্টারনেট সংযোগের জন্য উপযোগী?
  1. ক) ওয়াইম্যাক্স
  2. খ) সি-মস
  3. গ) ব্লু-টুথ
  4. ঘ) ব্রডব্যান্ড
ব্যাখ্যা
WiMax is a communication technology for wirelessly delivering high-speed Internet service to large geographical areas.
Source: britannica.com
১৬৪.
ফ্যাক্স মেশিন কে আবিষ্কার করেছিলেন?
  1. আলেকজান্ডার বেইন
  2. আলবার্ট আইনস্টাইন
  3. গ্রাহাম বেল
  4. টমাস এডিসন
ব্যাখ্যা
• ফ্যাক্স:
- ফ্যাক্স মেশিন ১৮৪৩ সালে বিজ্ঞানী আলেকজান্ডার বেইন আবিষ্কার করেন।
- ফ্যাক্সের পূর্ণরূপ হলো ফ্যাক্সিমিল।
- ফ্যাক্স হাফ ডুপ্লেক্স মোডে ডেটা ট্রান্সফার করে।
- PSTN (Public Switched Telephone Network) হলো ফ্যাক্স ট্রান্সমিশনে সাধারণত ব্যবহৃত প্রযুক্তি।
- ফ্যাক্স ব্যবহার করা হয় কোনো ডকুমেন্টের হুবহু কপি করে ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে প্রাপকের কাছে পাঠানোর জন্য।
- প্রেরক যেকোনো ডকুমেন্ট যেমন দলিল, সার্টিফিকেট, ছবি, ডায়াগ্রাম ইত্যাদি প্রাপকের কাছে পাঠাতে চান, তিনি ফ্যাক্স মেশিনের মাধ্যমে তৎক্ষণাৎ সেই ডকুমেন্টের হুবহু কপি প্রাপকের ফ্যাক্স মেশিনে পাঠাতে পারেন এবং প্রাপক তার মেশিন থেকে ডকুমেন্টের প্রিন্ট কপি পেয়ে যান।

উৎস:
১. পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
১৬৫.
ই-কমার্স হল _________
  1. ক) অনলাইনে বই পড়া
  2. খ) ওয়েব ব্রাইজ করা
  3. গ) মোবাইলে কথা বলা
  4. ঘ) ইন্টারনেটের মাধ্যমে আর্থিক লেনদেন করা
ব্যাখ্যা

ইন্টারনেটের মাধ্যমে পণ্য অথবা, সেবা ক্রয়-বিক্রয়ের উপর ভিত্তি করে আর্থিক লেনদেন করবার পদ্ধতিকে ই-কমার্স বলে। 

- সেবা ও পণ্য লেনদেনের ভিত্তিতে ই-কমার্সকে সাধারণত চারটি ক্যাটাগরিতে বিভক্ত করা যায়। যথা-
১। ব্যবসা থেকে ব্যবসা (Business to Business B2B)
২। ব্যবসা থেকে ভোক্তা (Business to Consumer B2C)
৩। ভোক্তা থেকে ব্যবসা (Consumer to Business C2B)
৪। ভোক্তা থেকে ভোক্তা (Consumer to Consumer C2C)

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান। 
১৬৬.
মোবাইল ফোনে কোন নম্বরে ডায়াল করে সার্বক্ষণিক চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করা যায়?
  1. ৯৯৯
  2. ১৬২৬৩
  3. ৩৩৩
  4. ২৪৭
ব্যাখ্যা
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির মাধ্যমে দূরবর্তী স্থানের রোগীদেরকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দ্বারা চিকিৎসাসেবা দেওয়াকে টেলিমেডিসিন বলে।
- মোবাইল ফোন ও ইন্টারনেটের ব্যাপক প্রচলনের ফলে এ প্রযুক্তি ব্যবহার করে চিকিৎসাসেবা প্রদান করা হচ্ছে।
- এ সেবার মাধ্যমে বিভিন্ন অঞ্চলে অবস্থানরত ডাক্তারদের মধ্যে মতবিনিময়, চিকিৎসা শিক্ষা আদান-প্রদান, রোগীর চিকিৎসাসেবার তথ্য সংরক্ষণ ও বিশ্লেষণ করা যায়।
- টেলিমেডিসিনের সাহায্যে ডাক্তার রোগীকে চাক্ষুষভাবে দেখার জন্য তাকে সশরীরে উপস্থিত করার পরিবর্তে ভিডিও কনফারেন্সিং প্রযুক্তির সহায়তা পরামর্শপত্রগুলো ই-মেইলের মাধ্যমে আদান-প্রদান করা হয়ে থাকে এবং রোগীর বিভিন্ন রিপোর্ট বা ডাক্তারের পরামর্শপত্রগুলো ই-মেইলের মাধ্যমে আদান-প্রদান করা হয়ে থাকে।
- স্বাস্থ্য বাতায়ন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রনালয়ের আওতাধীন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এমআইএস বিভাগ কর্তৃক পরিচালিত একটি সেবা।
- সিনেসিস আইটি লিমিটেড নামে একটি মোবাইল স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান স্বাস্থ্য বাতায়ন সেবাটির ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে।
- এই স্বাস্থ্য বাতায়নের হেল্পলাইন নম্বর 16263 (এক বাষট্টি তেষট্টি)-তে কল করে স্বাস্থ্য সংক্রান্ত যেকোন বিষয়ে সরাসরি ডাক্তারের পরামর্শ পাওয়া যায়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. স্বাস্থ্য বাতায়ন। [Link]
১৬৭.
Bitcoin relies on which cryptography?
  1. Public key
  2. Private key
  3. Symmetric key
  4. Caesar cipher
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - ক) Public key

বিটকয়েন (Bitcoin)
- বিটকয়েন হলো প্রথম এবং সবচেয়ে পরিচিত ক্রিপ্টোকারেন্সি, যেখানে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়।
- এটি একটি ডিজিটাল মুদ্রা, যা ২০০৯ সালে একজন নামহীন প্রোগ্রামার বা প্রোগ্রামারদের একটি দল তৈরি করেন।
- বিটকয়েনের মালিকরা বিভিন্ন ওয়েবসাইট ব্যবহার করে এটিকে অন্যান্য ক্রিপ্টোকারেন্সি বা বাস্তব মুদ্রায় (যেমন মার্কিন ডলার বা ইউরো) রূপান্তর করতে পারেন।
- বিটকয়েন ব্যবহার করে বিভিন্ন বিক্রেতার কাছ থেকে পণ্য ও সেবা কেনা সম্ভব।
- বিটকয়েন পাবলিক-কী ক্রিপ্টোগ্রাফি-র ওপর নির্ভরশীল, যেখানে ব্যবহারকারীদের একটি পাবলিক কী থাকে যা সবাই দেখতে পারে এবং একটি প্রাইভেট কী থাকে যা শুধুমাত্র তাদের নিজের কম্পিউটারে থাকে।
- বিটকয়েন লেনদেনে, গ্রাহকরা তাদের পাবলিক কী প্রেরণ করে প্রেরণকারীর কাছে।
- প্রেরণকারীরা তাদের প্রাইভেট কী দিয়ে লেনদেনে সাইন করে এবং লেনদেনটি বিটকয়েন নেটওয়ার্কে পাঠানো হয়।
- একই বিটকয়েন একাধিকবার খরচ না করতে, প্রতিটি লেনদেনের সময় ও পরিমাণ একটি লেজার ফাইলে সংরক্ষিত থাকে, যা নেটওয়ার্কের প্রতিটি নোডে থাকে।
- ব্যবহারকারীদের পরিচয় আপেক্ষিকভাবে গোপন থাকে, তবে সবাই দেখতে পারে কোন বিটকয়েন কোথায় স্থানান্তরিত হয়েছে।

উৎস: ব্রিটানিকা

১৬৮.
স্মার্ট হোমে যন্ত্রপাতি ইন্টারনেট দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষেত্রে যে আরডুইনো ব্যবহৃত হয় তা- কোন ধরনের উদাহরণ?
  1. Data mining
  2. Artificial Intelligence
  3. Cloud computing
  4. Internet of Things (IoT)
ব্যাখ্যা

• স্মার্ট হোমে যন্ত্রপাতি ইন্টারনেটের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষেত্রে আরডুইনো ব্যবহার করা হয় মূলত Internet of Things (IoT) এর উদাহরণ হিসেবে। IoT হলো এমন একটি প্রযুক্তি যেখানে দৈনন্দিন যন্ত্রপাতি ও ডিভাইসগুলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে একে অপরের সাথে সংযুক্ত থাকে এবং দূর থেকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। আরডুইনো মাইক্রোকন্ট্রোলার ব্যবহার করে লাইট, ফ্যান, দরজা, বা সেন্সর যুক্ত যন্ত্রপাতি ইন্টারনেটের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা করা যায়। ব্যবহারকারী মোবাইল বা কম্পিউটারের অ্যাপের মাধ্যমে এসব যন্ত্র নিয়ন্ত্রণ করতে পারে এবং ডেটা সংগ্রহ করে পর্যবেক্ষণ করতে পারে। তাই স্মার্ট হোমে আরডুইনো ব্যবহারের উদাহরণ স্পষ্টভাবে IoT-র আওতায় পড়ে।

- সঠিক উত্তর: ঘ) Internet of Things (IoT).

• স্মার্ট হোম প্রযুক্তি:
- স্মার্ট হোম হলো এমন একটি বাসস্থান, যেখানে রিমোট কন্ট্রোলিং বা প্রোগ্রামিং ডিভাইসের সাহায্যে বাড়ির হিটিং সিস্টেম, কুলিং সিস্টেম, লাইটিং সিস্টেম, সিকিউরিটি কন্ট্রোল সিস্টেম ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
- স্মার্ট হোমের পদ্ধতিকে হোম অটোমেশন সিস্টেম (Home Automation System) বলা হয়।
- একটি স্মার্ট হোমে ব্যবহৃত বিভিন্ন ডিভাইস যেমন- টেলিভিশন, এসি, লাইটিং, ফ্যান, সিকিউরিটি ক্যামেরা ইত্যাদি পরিচালনার জন্য আধুনিক প্রযুক্তির মোবাইল বা রিমোট কন্ট্রোলিং ডিভাইস ব্যবহার করে সেগুলোকে কোনো কেন্দ্রীয় অবস্থানে থেকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
- বর্তমানে বিভিন্ন শিল্পোন্নত দেশ যেমন-চীন, সিঙ্গাপুর, কোরিয়া ইত্যাদি দেশে গ্লোবাল রেসিডেন্স বা বৈশ্বিক বাসস্থান তৈরি করা হচ্ছে।
- বাসস্থানের নিরাপত্তার জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে আইপি ক্যামেরা।

উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
- geeksforgeeks.

১৬৯.
Digital Wallet এর উদাহরণ কোনটি?
  1. Credit card
  2. Google Pay
  3. Cash on delivery
  4. Bank transfer
ব্যাখ্যা

◉ Digital Wallet (ই-ওয়ালেট) হলো একটি সফটওয়্যারভিত্তিক সিস্টেম, যেখানে ব্যবহারকারী তার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট, ডেবিট/ক্রেডিট কার্ড বা মোবাইল পেমেন্ট তথ্য সংরক্ষণ করে সহজে অনলাইন বা অফলাইন লেনদেন করতে পারে। উদাহরণ: Google Pay, Apple Pay, PayPal, bKash, Nagad ইত্যাদি।

ডিজিটাল ওয়ালেট: 
- ডিজিটাল ওয়ালেট (E-wallet) হলো একটি সফটওয়্যার বা অনলাইন সেবা, যা ব্যক্তি বা ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানকে ইলেকট্রনিক লেনদেন করার সুযোগ দেয়।
- সাধারণত স্মার্টফোন অ্যাপ হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তবে ডেস্কটপ সংস্করণও থাকতে পারে।
- বিভিন্ন ওয়েবসাইটে লেনদেনের জন্য ব্যবহারকারীর পেমেন্ট তথ্য সংরক্ষণ করে। 
- কিছু ক্ষেত্রে এটি প্রচলিত ওয়ালেটের চেয়ে নিরাপদ, কারণ এতে ডেটা এনক্রিপশন ও পাসওয়ার্ড/বায়োমেট্রিক সিকিউরিটি থাকে।
- উদাহরণ: PayPal, Google Pay, বিকাশ ইত্যাদি। 

উৎস: কর্পোরেট ফিন্যান্স ইন্সটিটিউশন। 

১৭০.
ইমেইল ক্লায়েন্টে মেইল সার্ভার থেকে ইমেইল গ্রহণ করতে কোন প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়?
  1. SFTP
  2. HTTP
  3. SMTP
  4. POP3
ব্যাখ্যা

• POP3 প্রোটোকল ইমেইল ক্লায়েন্টে মেইল সার্ভার থেকে ইমেইল গ্রহণ করতে ব্যবহৃত হয়।

• ই-মেইল:
- ১৯৭১ সালে আরপানেট ইলেকট্রনিক মাধ্যমে পত্রালাপের সূচনার মাধ্যমে প্রথম ইমেইল সিস্টেম চালু করেন রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিসন।
- ইলেকট্রনিক মেইল বা ই-মেইল হলো একজন বার্তা লেখকের কাছ থেকে এক বা একাধিক প্রাপকের কাছে কোন বার্তা বা ডিজিটাল মেসেজ বিনিময় করার নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি।
- ই-মেইল ঠিকানায় @ চিহ্নটি অবশ্যই থাকতে হয়।
- একটি ইমেইল ঠিকানা ইউজার আইডি ও ডোমেইন নেম নিয়ে গঠিত।
- abc@gmail.com এ @ অংশের পূর্বে থাকে ইউজার আইডি এবং @ অংশের পরে থাকে ডোমেইন নেম।
- ই-মেইল সার্ভারে POP, IMAP এবং SMTP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।
 
• POP:
- POP এর পূর্ণরূপ হলো Post Office Protocol.
- ব্যবহারকারী যে সকল মেইল গ্রহণ করে বা তার কাছে আসে সেগুলোকে অন্তর্মুখী বা ইনকামিং মেইল বলা হয়।
- ব্যবহারকারীর মেইল ক্লায়েন্ট ও সার্ভারের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে।
- মেইল সার্ভার থেকে ইনকামিং মেইল গ্রহণ করার জন্য সর্বাধিক জনপ্রিয় প্রোটোকল POP3.
- POP3 প্রোটোকলের মূল কাজ হলো সার্ভার থেকে ইমেইলগুলো ডিভাইসে ডাউনলোড করে নেওয়া এবং সাধারণত ডাউনলোড করার পর সার্ভার থেকে সেগুলোকে মুছে ফেলা।
- এই প্রোটোকলের একটি বড় সুবিধা হলো, একবার ইমেইল ডাউনলোড হয়ে গেলে অফলাইনেও তা পড়া যায়।

• SMTP:
- SMTP এর পূর্ণরূপ হলো Simple Mail Transfer Protocol.
- SMTP হলো ইমেইল প্রেরণের জন্য ব্যবহৃত প্রোটোকল।
- এটি মেইল সার্ভার থেকে অন্য সার্ভারে বা ক্লায়েন্ট থেকে সার্ভারে ইমেইল পাঠানোর কাজ করে।

• HTTP:
- HTTP এর পূর্ণরূপ হলো HyperText Transfer Protocol.
- HTTP হলো ওয়েব ব্রাউজারে ওয়েব পেজ দেখার জন্য ব্যবহৃত প্রোটোকল।
- এটি ওয়েব সার্ভার থেকে ডেটা (যেমন- HTML, ছবি, ভিডিও) পুনরুদ্ধার করতে ব্যবহৃত হয়।

• SFTP:
- SFTP (SSH File Transfer Protocol) হলো একটি নিরাপদ ফাইল ট্রান্সফার প্রোটোকল।
- এটি SSH (Secure Shell) প্রোটোকলের উপর ভিত্তি করে তৈরি এবং এটি ফাইল স্থানান্তরের জন্য ব্যবহৃত হয়, ইমেইলের জন্য নয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. ব্রিটানিকা।

১৭১.
কোন প্রযুক্তি Speech Recognition System-এর সহায়ক ভূমিকা পালন করে?
  1. ভার্চুয়াল রিয়্যালিটি
  2. ইন্টারনেট অফ থিংস (IOT)
  3. কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
  4. প্লেজিয়ারিজম
ব্যাখ্যা
♦ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence):
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence হচ্ছে বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তির সমন্বয়।
- মানুষ যেভাবে চিন্তা করে তেমনি কৃত্রিম উপায়ে কম্পিউটারে সেভাবে চিন্তা ভাবনার রূপদান করাকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence বলে।
- এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো কম্পিউটারকে উন্নত করা যাতে কম্পিউটার চিন্তা করার ক্ষমতা, পাশাপাশি দেখতে পারা, শুনতে পারা, হাঁটা এবং অনুভব করার ক্ষমতা পায়।
- কম্পিউটার কীভাবে মানুষের মতো চিন্তা করবে, কিভাবে অসম্পূর্ণ তথ্য দিয়ে পূর্ণাঙ্গ সিদ্ধান্তে পৌঁছবে, কিভাবে সমস্যা সমাধান করবে, কীভাবে পরিকল্পনা প্রণয়ন করবে ইত্যাদি বিষয়গুলোর জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উপর আরো গবেষণা করা হচ্ছে।

• Artificial Intelligence-এর ব্যবহার:
- Face Recognition System,
- Speech Recognition System,
- Natural Language Processing ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৭২.
তথ্য প্রযুক্তির অন্যতম প্রতিষ্ঠান 'ইয়াহু' (Yahoo) - এর প্রতিষ্ঠাতা কে ?
  1. ডেনিস রিচি ও কেন থম্পসন
  2. ডেবিড ফিলো এবং জেরি ইয়ং
  3. ভিন্ট কার্ফ ও জেফ বেজোস
  4. স্টিভ কেস ও রবার্টস
ব্যাখ্যা
- ইয়াহু একটি বৃহৎ ইন্টারনেটভিত্তিক বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান । 
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের সানিভেল শহরে প্রধান কার্যালয় ।
- ১৯৯৪ সালে ডেবিড ফিলো এবং জেরি ইয়ং ইয়াহু প্রতিষ্ঠা করেন ।
 - ইয়াহু ওয়েবসাইট ছাড়াও বিভিন্ন ধরনের কার্যক্রম যেমন সার্চ ইঞ্জিন,  ইয়াহু মেইল,  ইয়াহু ভিডিও ইত্যাদি রয়েছে ।

সূত্র: Yahoo.com
১৭৩.
ভার্চুয়াল রিয়েলিটি সফটওয়্যারের মধ্যে কোনটি উল্লেখযোগ্য নয়?
  1. Vizard
  2. VRToolkit
  3. Maya
  4. Adobe Illustrator
ব্যাখ্যা
• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি:
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি শব্দের আক্ষরিক অর্থ হচ্ছে কৃত্রিম বাস্তবতা।
- প্রকৃত অর্থে বাস্তব নয়, কিন্তু বাস্তবের চেতনা উদ্রেককারী বিজ্ঞাননির্ভর কল্পনাকে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বা কৃত্রিম বাস্তবতা কিংবা কল্পবাস্তবতা বলে।
- একে সংক্ষেপে VR বলা হয়ে থাকে।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি মূলত কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের ওপর প্রতিষ্ঠিত।
- এতে ব্যবহৃত সফটওয়্যারের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- Vizard, VRToolkit, 3d Studio Max, Maya ইত্যাদি।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে ত্রিমাত্রিক ইমেজ তৈরির মাধ্যমে অতি অসম্ভব কাজও করা সম্ভব হয়।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হলো হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মাধ্যমে তৈরিকৃত এমন একটি কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ, যা উপস্থাপন করা হলে ব্যবহারকারীদের কাছে এটিকে বাস্তব পরিবেশ মনে হয়।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হলো হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মাধ্যমে তৈরিকৃত এমন একটি কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ, যা উপস্থাপন করা হলে ব্যবহারকারীদের কাছে এটিকে বাস্তব পরিবেশ মনে হয়।
- Adobe Illustrator হলো একটি পেশাদার গ্রাফিক্স ডিজাইন সফটওয়্যার, যা ভেক্টর গ্রাফিক্স ডিজাইন তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
১৭৪.
নিচের কোনটি স্মার্ট ওয়াচে ব্যবহৃত অপারেটিং সিস্টেম ?
  1. Linux Mint
  2. macOS
  3. Wear OS
  4. DOS
ব্যাখ্যা

Wear OS by Google স্মার্ট ওয়াচে ব্যবহৃত একটি অপারেটিং সিস্টেম।

• স্মার্টফোন:
-স্মার্ট ওয়াচ হলো বিশেষ এক ধরনের ঘড়ি, যা মোবাইল ফোন বা কম্পিউটারের মত নানা স্মার্ট ফিচার সাপোর্ট করে।
- এটি ইন্টারনেট সংযোগ, সেন্সর, অ্যাপ এবং স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণ এর মতো সুবিধা প্রদান করে।
- Android Wear ছিল গুগল-এর স্মার্ট ওয়াচ অপারেটিং সিস্টেম, যা পরে Wear OS by Google নামে পরিচিত হয়।
- এটি স্মার্ট ওয়াচের জন্য বিশেষভাবে তৈরি একটি অপারেটিং সিস্টেম, যা Android ফোনের সাথে যুক্ত হয়ে কাজ করে।
- এর মাধ্যমে ব্যবহারকারী নোটিফিকেশন, হেলথ ট্র্যাকিং, ভয়েস কমান্ড (Google Assistant) ইত্যাদি সুবিধা পান।

উৎস: গুগল অফিসিয়াল ওয়েবসাইট। [লিংক]

১৭৫.
নিচের কোনটি স্মার্টফোনের অপারেটিং সিস্টেম?
  1. iOS
  2. DOS
  3. UNIX
  4. Solaris
ব্যাখ্যা

• iOS → অ্যাপলের স্মার্টফোন (iPhone) এবং ট্যাবলেট (iPad)-এর জন্য তৈরি মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম।

• Smartphone:

- স্মার্টফোন হলো একটি উন্নত মোবাইল ফোন, যা মোবাইল ফোনের সাথে কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্য একত্রে ধারণ করে।
- স্মার্টফোনে সাধারণত টাচস্ক্রিন, ইন্টারনেট ব্রাউজিং, অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহারের সুবিধা এবং মাল্টিমিডিয়া সাপোর্ট থাকে।
- এটি ভয়েস কল ও এসএমএসের পাশাপাশি ই-মেইল, ভিডিও কল, সামাজিক যোগাযোগ, অনলাইন সেবা ইত্যাদি ব্যবহারে সক্ষম।
 
• Smartphone-এর প্রধান বৈশিষ্ট্য:
- শক্তিশালী অপারেটিং সিস্টেম দ্বারা পরিচালিত হয়।
- বিভিন্ন ধরনের অ্যাপ (Applications) ইনস্টল ও ব্যবহার করা যায়।
- উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন ক্যামেরা, GPS, Bluetooth, Wi-Fi সুবিধা থাকে।
- ইন্টারনেট ব্যবহার করে তথ্য আদান-প্রদান ও অনলাইন সেবা গ্রহণ করা যায়।
 
• Smartphone-এ ব্যবহৃত অপারেটিং সিস্টেম:
- Android,
- iOS,
- (পূর্বে ব্যবহৃত) Windows Phone, BlackBerry OS, ইত্যাদি।
 
• Smartphone-এর ব্যবহারক্ষেত্র:
- যোগাযোগ (ভয়েস কল, ভিডিও কল, মেসেজিং)।
- ইন্টারনেট ব্রাউজিং ও ই-মেইল।
- সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার।
- শিক্ষা, ব্যবসা, ব্যাংকিং ও অনলাইন সেবা।
- বিনোদন (গান, ভিডিও, গেম)।
 
• Smartphone ও সাধারণ মোবাইল ফোনের পার্থক্য:
- সাধারণ মোবাইল ফোনে সীমিত সুবিধা থাকে।
- স্মার্টফোনে পূর্ণাঙ্গ অপারেটিং সিস্টেম ও অ্যাপ ব্যবহারের সুযোগ থাকে।
- স্মার্টফোনকে একটি হ্যান্ডহেল্ড কম্পিউটার হিসেবেও বিবেচনা করা হয়।
 
উৎস: Britannica [Link].

১৭৬.
ইন্টারনেটের মাধ্যমে উন্নত চিকিৎসা পদ্ধতিকে কী বলা হয়? 
  1. ই-হেলথ 
  2. ই-মেডিসিন 
  3. মেডিক্যাল সার্ভিস 
  4. টেলিমেডিসিন 
ব্যাখ্যা

• টেলিমেডিসিন:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির মাধ্যমে দূরবর্তী স্থানের রোগীদেরকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দ্বারা চিকিৎসাসেবা দেওয়াকে টেলিমেডিসিন বলে
- মোবাইল ফোন ও ইন্টারনেটের ব্যাপক প্রচলনের ফলে এ প্রযুক্তি ব্যবহার করে চিকিৎসাসেবা প্রদান করা হচ্ছে।
- এ সেবার মাধ্যমে বিভিন্ন অঞ্চলে অবস্থানরত ডাক্তারদের মধ্যে মতবিনিময়, চিকিৎসা শিক্ষা আদান-প্রদান, রোগীর চিকিৎসাসেবার তথ্য সংরক্ষণ ও বিশ্লেষণ করা যায়।
- টেলিমেডিসিনের সাহায্যে ডাক্তার রোগীকে চাক্ষুষভাবে দেখার জন্য তাকে সশরীরে উপস্থিত করার পরিবর্তে ভিডিও কনফারেন্সিং প্রযুক্তির সহায়তা পরামর্শপত্রগুলো ই-মেইলের মাধ্যমে আদান-প্রদান করা হয়ে থাকে এবং রোগীর বিভিন্ন রিপোর্ট বা ডাক্তারের পরামর্শপত্রগুলো ই-মেইলের মাধ্যমে আদান-প্রদান করা হয়ে থাকে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

১৭৭.
ডিএনএ-এর নতুন সিকোয়েন্স তৈরিতে কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং
  2. ন্যানো টেকনোলজি
  3. বায়ো ইনফরমেটিক্স
  4. বায়োমেট্রিক্স
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর হলো — ক) জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং

- জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং হলো এমন একটি প্রযুক্তি যার মাধ্যমে ডিএনএ (DNA) পরিবর্তন, সংশোধন বা নতুন সিকোয়েন্স তৈরি করা যায়।
- এই প্রক্রিয়ায় জীবের জিন (gene) কেটে, জোড়া লাগিয়ে বা পরিবর্তন করে নতুন বৈশিষ্ট্য তৈরি করা হয়।
- উদাহরণ: জিন ক্লোনিং, রিকম্বিন্যান্ট ডিএনএ প্রযুক্তি ইত্যাদি।

অপশন আলোচনা:
- ন্যানো টেকনোলজি: অণু বা পরমাণু স্তরে পদার্থ নিয়ন্ত্রণের প্রযুক্তি।
- বায়ো ইনফরমেটিক্স: জীববৈজ্ঞানিক তথ্য (বিশেষত জেনোম ডেটা) বিশ্লেষণের জন্য কম্পিউটার ব্যবহারের পদ্ধতি।
- বায়োমেট্রিক্স: মানুষের শারীরিক বা আচরণগত বৈশিষ্ট্য দিয়ে পরিচয় নির্ধারণের পদ্ধতি (যেমন ফিঙ্গারপ্রিন্ট, ফেস রিকগনিশন)।
- তাই ডিএনএ-এর নতুন সিকোয়েন্স তৈরিতে ব্যবহৃত প্রযুক্তি হলো জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং।

• জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং:
- কোনো জীব থেকে একটি নির্দিষ্ট জিন বহনকারী DNA পৃথক করে ভিন্ন একটি জীবে স্থানান্তরের কৌশলকে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বলে।
- জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং-এ গবেষণার মাধ্যমে যখন একটি জিন পরিবর্তন করে সেখানে অন্য জিন লাগানো হয়, তখন তাদেরকে একত্রে রিকম্বিনেন্ট ডিএনএ বা RDNA প্রযুক্তি বলে।
- এ প্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে DNA সূত্রের কাঙ্ক্ষিত খণ্ড বা অংশ ক্ষুদ্র এককোষী আবাদি জীব তথা ব্যাকটেরিয়া থেকে মানবদেহে, উদ্ভিদকোষ থেকে প্রাণীদেহে এবং প্রাণীকোষ থেকে উদ্ভিদদেহে স্থানান্তর করা সম্ভব হয়েছে।
- ১৯৭২ সালে Paul Berg বানরের ভাইরাস SV40 ও lambda virus-এর ডিএনএ-এর সংযোগ ঘটিয়ে বিশ্বের প্রথম রিকম্বিনেন্ট ডিএনএ অণু তৈরি করেন।
- ১৯৭৩ সালে Ecoli ব্যাকটেরিয়ার প্লাসমিডের মধ্যে এন্টিবায়োটিক রেজিস্টেন্ট জিন প্রবেশ করানোর মাধ্যমে Herbert Boyer এবং Stanley Cohen সর্বপ্রথম ট্রান্সজেনিক জীব তৈরী করেন।
- RDNA সমৃদ্ধ জীবকোষকে বলা হয় Genetically Modified Organism (GMO)।
- উন্নত বিশ্বের অনেক দেশেই অসংখ্য বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান ও ঔষধ কোম্পানি রিকম্বিনেন্ট DNA প্রযুক্তি সফলভাবে প্রয়োগ করে বাণিজ্যিক সুবিধাদি গ্রহণ করছে।
- উদাহরণস্বরূপ মানবদেহের ইনসুলিন তৈরির জিনকে ব্যাকটেরিয়া কোষে প্রবিষ্ট করে বাণিজ্যিকভাবে ইনসুলিন তৈরি করা হচ্ছে।
- তাছাড়া রিকম্বিনেন্ট DNA প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে কৃষিজাত ফসল এবং উদ্ভিদের নতুন নতুন জাত উদ্ভাবন করা হচ্ছে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১৭৮.
যে বইগুলো অনলাইন পড়া যায় সেগুলো কোন ফরম্যাটে থাকে?
  1. pdf
  2. html
  3. jpg
  4. doc
ব্যাখ্যা
• ই-বুক:
- ই-বুক বা ইলেকট্রনিক বুক বা ই-বই হলো মুদ্রিত বইয়ের ইলেকট্রনিক রূপ।
- যেহেতু, এটি ইলেকট্রনিক মাধ্যমে প্রকাশিত হয় সে কারণে এতে শব্দ, অ্যানিমেশন ইত্যাদিও জুড়ে দেওয়া যায়।
- ই-বুক কম্পিউটার, স্মার্টফোন বা বিশেষ ধরনের রিডার (ই-বুক রিডার) ব্যবহার করে পড়া যায়। প্রচলিত রিডারের মধ্যে অ্যামাজন ডটকমের (amazon.com) কিন্ডল (kindle) সবচেয়ে জনপ্রিয়।
- মুদ্রিত বইয়ের হুবহু প্রতিলিপি ই-বুকগুলো মূলত মুদ্রিত বইয়ের মতই হয়ে থাকে। সচরাচর এগুলো পিডিএফ (পোর্টেবল ডকুমেন্ট ফরম্যাট) ফরম্যাটে প্রকাশিত হয়ে থাকে।
- যে ই-বুকগুলো কেবল অনলাইনে তথা ইন্টারনেটে পড়া যায়, এগুলো সচরাচর এইচটিএমএল-এ প্রকাশিত হয়। এগুলোকে বই-এর ওয়েবসাইট বলা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি (বোর্ড বই)। 
১৭৯.
দৃষ্টিহীনদের জন্য আবিস্কৃত বাংলায় প্রথম সফটওয়্যার এর নাম কী?
  1. ক) আইলিপ
  2. খ) আইসাইট
  3. গ) আইডট
  4. ঘ) আইলাইট
ব্যাখ্যা
• বাংলা বিজয় কী-বোর্ডের উদ্ভাবক হলেন- মোস্তফা জব্বার।
• দৃষ্টিহীনদের জন্য আবিষ্কৃত বাংলা প্রথম সফটওয়্যার হল- আই সাইট।

তথ্যসূত্র: দৈনিক যুগান্তর
১৮০.
কম্পিউটারে বুদ্ধির প্রচলন করতে কোন পদ্ধতি অবলম্বন করা হয়?
  1. বায়োমেট্রিক্স
  2. আর্টিফিসিয়াল ইন্টিলিজেন্স
  3. রোবটিক্স
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা:
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence (AI) হচ্ছে বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তির সমন্বয়।
- মানুষ যেভাবে চিন্তা করে তেমনি কৃত্রিম উপায়ে কম্পিউটারে সেভাবে চিন্তা ভাবনার রূপদান করাকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence (AI) বলে।
- AI এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো কম্পিউটারকে উন্নত করা যাতে কম্পিউটার চিন্তা করার ক্ষমতা, পাশাপাশি দেখতে পারা, শুনতে পারা, হাঁটা এবং অনুভব করার ক্ষমতা পায়।
- কম্পিউটার কীভাবে মানুষের মতো চিন্তা করবে, কিভাবে অসম্পূর্ণ তথ্য দিয়ে পূর্ণাঙ্গ সিদ্ধান্তে পৌঁছবে, কিভাবে সমস্যা সমাধান করবে, কিভাবে পরিকল্পনা প্রণয়ন করবে ইত্যাদি বিষয়গুলোর জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উপর আরো গবেষণা করা হচ্ছে।
- তবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় যেসব স্বতন্ত্র্য বৈশিষ্ট্য পরিলক্ষিত হয় তা নিম্নরূপ:

১। কোন বিষয় সম্পর্কে ধারণা গ্রহণ।
২। সমস্যার কারণ নির্ণয়পূর্বক সমাধানের পথ নির্দেশ।
৩। সিদ্ধান্ত গ্রহণ ক্ষমতা।
৪। সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা।
৫। নতুন নতুন জ্ঞান অর্জন।
৬। ভাষা বুঝার ক্ষমতা।
৭। অর্জিত জ্ঞান কাজে লাগাবার মত সক্ষমতা।
৮। মানুষের মত অভিজ্ঞতা কাজে লাগানো।
৯। পরস্পর সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয় অনুধাবন এবং সাড়া দেয়ার ক্ষমতা।
১০। ভুল, অপ্রাসঙ্গিক এবং অসম্পূর্ণ তথ্য-উপাত্ত পরিচালনা।
১১। জটিল অবস্থা অনুধাবন ও পরিচালনার ক্ষমতা।
১২। নতুন পরিস্থিতিতে খাপ খাইয়ে নেয়ার ক্ষমতা; ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৮১.
মানুষের শারীরিক বৈশিষ্ট্যের ওপর নির্ভরশীল বায়োমেট্রিক পদ্ধতি কোনটি?
  1. ফেইস রিকোগনিশন
  2. সিগনেচার ভেরিফিকেশন
  3. টাইপিং কীস্ট্রোক
  4. ভয়েস রিকোগনিশন
ব্যাখ্যা

• মানুষের শারীরিক বৈশিষ্ট্যের ওপর নির্ভরশীল বায়োমেট্রিক পদ্ধতি হলো ফেইস রিকোগনিশন। এটি মানুষের মুখের আকার, চোখ, নাক, ঠোঁট এবং মুখের অন্যান্য ভৌত বৈশিষ্ট্য শনাক্ত করে পরিচয় নির্ধারণ করে। ফেইস রিকোগনিশন প্রযুক্তি ব্যবহার করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ফোন আনলক করা, ব্যাংক লেনদেন যাচাই ইত্যাদি কাজ করা সম্ভব। অন্যদিকে সিগনেচার ভেরিফিকেশন, টাইপিং কীস্ট্রোক এবং ভয়েস রিকোগনিশন মূলত মানুষের আচরণ বা ক্রিয়াকলাপের ওপর নির্ভরশীল, যা শারীরিক বৈশিষ্ট্য নয়। তাই শারীরিক বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে কাজ করা একমাত্র পদ্ধতি ফেইস রিকোগনিশন।

- উত্তর: ক) ফেইস রিকোগনিশন।

• বায়োমেট্রিক্স (Biometrics):
- মানুষের দৈহিক গঠন বা আচরণগত বৈশিষ্ট্য পরিমাপের ভিত্তিতে কোনো ব্যক্তিকে অদ্বিতীয়ভাবে শনাক্ত করার জন্য ব্যবহৃত প্রযুক্তিকে বায়োমেট্রিক্স বলে।

• বৈশিষ্ট্যের ভিন্নতায় বায়োমেট্রিক্সের প্রকারভেদ দুই ধরনের। যথা-

১। শারীরবৃত্তীয় বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
- আঙ্গুলের ছাপ শনাক্তকরণ (ফিঙ্গার প্রিন্ট),
- হাতের রেখা শনাক্তকরণ (হ্যান্ড জিওমিট্রি), 
- আইরিশ এবং রেটিনা শনাক্তকরণ, 
- মুখমন্ডলের অবয়ব শনাক্তকরণ (ফেইস রিকোগনিশন), 
- ডিএনএ পর্যবেক্ষণ।

২। আচরণগত বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
- কিবোর্ড টাইপিং গতি যাচাইকরণ,
- হাতে করা স্বাক্ষর যাচাইকরণ (সিগনেচার ভেরিফিকেশন),
- কণ্ঠস্বর যাচাইকরণ (ভয়েস রিকোগনিশন)।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

১৮২.
অনলাইন পেমেন্ট সিস্টেমে SSL এর ভূমিকা কী?
  1. ডেটা এনক্রিপশন
  2. পেমেন্ট প্রসেসিং
  3. পণ্য প্রদর্শন
  4. অর্ডার ম্যানেজমেন্ট
ব্যাখ্যা

SSL (Secure Sockets Layer) অনলাইন পেমেন্ট সিস্টেমে মূলত ডেটা এনক্রিপ্ট করে, যাতে ব্যবহারকারীর সংবেদনশীল তথ্য (যেমন কার্ড নম্বর, পাসওয়ার্ড, ব্যাংক ডেটা) নিরাপদে ব্রাউজার থেকে সার্ভারে পৌঁছায়।

SSL Certificate:
- SSL এর পূর্ণরূপ Secure Sockets Layer.
- SSL Certificate হলো একটি ডিজিটাল সার্টিফিকেট যা একটি ওয়েবসাইটের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে।
- SSL একটি নিরাপত্তা প্রোটোকল যা একটি ওয়েব সার্ভার এবং একটি ওয়েব ব্রাউজারের মধ্যে একটি এনক্রিপ্ট করা লিংক তৈরি করে।
- এটি অনলাইন লেনদেন সুরক্ষিত করার ক্ষেত্রে এবং গ্রাহকের তথ্য গোপন ও সুরক্ষিত রাখতে কোম্পানি এবং সংস্থাগুলোর ওয়েবসাইটে ব্যবহৃত হয়।

ই-কমার্সে SSL এর ভূমিকা:
- ক্রেডিট কার্ড তথ্য, পাসওয়ার্ড এবং পার্সোনাল ডাটা এনক্রিপ্ট করে।
- অনলাইন পেমেন্ট ট্রান্সাকশন সুরক্ষিত রাখে।
- গ্রাহকদের বিশ্বাস অর্জনের জন্য SSL সার্টিফিকেট থাকা গুরুত্বপূর্ণ।
- SSL সাইটগুলিকে Google বেশি অগ্রাধিকার দেয়, ফলে SEO উন্নত হয়।

উৎস: Kaspersky website.

১৮৩.
সেবা ও পণ্য লেনদেনের ভিত্তিতে ই-কমার্সকে সাধারণত কয়ভাগে ভাগ করা যায়?
  1. দুই ভাগে
  2. তিন ভাগে
  3. চার ভাগে
  4. পাঁচ ভাগে
ব্যাখ্যা
• ই-কমার্স:
- ডিজিটাল উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণ ও সঞ্চারণের মাধ্যমে কোনো ব্যাক্তি বা প্রতিষ্টানের ব্যবসায় সংক্রান্ত আদান-প্রদানকে ই-কমার্স বা ইলেকট্রনিক কমার্স বলে। 
- ই-কমার্সের মাধ্যমে ইন্টারনেট, এক্সট্রানেট ও ইন্ট্রানেট প্রযুক্তি ব্যবহার করে ব্যবসায়, ভোক্তা ও অন্যান্য সহযোগী সংস্থার মধ্যে সংযোগ সাধন করা হয়।  
- সেবা ও পণ্য লেনদেনের ভিত্তিতে ই-কমার্সকে ৪ ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা-
১. ব্যবসা থেকে ব্যবসা (Business to Business: B2B), 
২. ব্যবসা থেকে ভোক্তা (Business to Consumer: B2C), 
৩. ভোক্তা থেকে ব্যবসা (Consumer to Business: C2B), 
৪. ভোক্তা থেকে ভোক্তা (Consumer to Consumer: C2C)। 

- বাংলাদেশের কয়েকটি উল্লেখযোগ্য ই-কমার্স সাইট:
www.bikroy.com, www.cellbazar.com, www.boimela.com, www.rokomary.com, www.akhoni.com, www.ajkerdeal.com, www.gifthaat.com ইত্যাদি। 

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৮৪.
রাসায়নিক শিল্পে ন্যানো প্রযুক্তির প্রয়োগক্ষেত্র নিচের কোনটি?
  1. টাইটানিয়াম ডাই-অক্সাইড তৈরির কাজে
  2. প্রলেপ তৈরির কাজে
  3. পানি বিশুদ্ধকরণের কাজে
  4. বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
→ বর্ণিত সবগুলো

• ন্যানোটেকনোলজি:
- ন্যানোপ্রযুক্তি হচ্ছে পারমাণবিক বা আণবিকমাত্রার কার্যক্ষম প্রকৌশল শাস্ত্র ।
- যা কোন ডিভাইস বা সিস্টেমের কাজ এবং এর আরও উন্নয়নের সাথে সম্পৃক্ত।
- ন্যানোমিটার হচ্ছে দের্ঘ্য পরিমাপের একটি একক।
- এক ন্যানোমিটার হচ্ছে এক মিটারের একশত কোটি ভাগের এক ভাগ
- অর্থাৎ ১ ন্যানোমিটার (1nm) = 10 -9 মিটার (m)।
- ন্যানো প্রযুক্তির প্রয়োগক্ষেত্র:-

• রাসায়নিক শিল্প:
- সানস্ক্রিন এ ব্যবহৃত টাইটানিয়াম ডাই-অক্সাইড তৈরির কাজে,
- বিভিন্ন জিনিসের প্রলেপ তৈরির কাজে,
- পানি বিশুদ্ধকরণের কাজে।

এছাড়াও,
- খাদ্যজাত দ্রব্য প্যাকেজিং এর সিলভার তৈরির কাজে,
- খাদ্যে স্বাদ তৈরিতে ব্যবহৃত বিভিন্ন ধরনের ন্যানোম্যাটেরিয়াল তৈরিতে।
- ঔষধ তৈরির আণবিক গঠনে যাতে রোগাক্রান্ত সেলে সরাসরি ঔষধ প্রয়োগ করা যায়।
- ইলেক্ট্রনিক্স যন্ত্রপাতিতে বিদ্যুৎ খরচ,
- ওজন এবং আকৃতি কমিয়ে কার্যক্ষমতা ও দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে
- হাইড্রোজেন আয়ন এর জন্য ফুয়েল সেল তৈরিতে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১৮৫.
ই-মেইলে ঠিকানার প্রথম অংশটিকে সাধারণত কী বলা হয়?
  1. File name
  2. Website name
  3. User name
  4. Domain name
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর - গ) User name.

• E-mail:
- ই-মেইলের পূর্ণরূপ হলো Electronic Mail.
- E-mail বা Electronic Mail হল ইন্টারনেটের মাধ্যমে ডিজিটাল বার্তা পাঠানোর একটি মাধ্যম।
- এটি ব্যবহার করে টেক্সট, ছবি, ফাইল, ভিডিও ইত্যাদি দ্রুত ও সহজে এক ব্যক্তি থেকে আরেক ব্যক্তির কাছে পাঠানো যায়।
- নিরাপত্তার জন্য গোপন পাসওয়ার্ড দ্বারা প্রত্যেকের ই-মেইল অ্যাকাউন্টকে সুরক্ষিত রাখা হয়।

• একটি ই-মেইল অ্যাড্রেসের দুটি অংশ থাকে:
- যার প্রথম অংশটি ব্যবহারকারীর পরিচিত এবং
- শেষ অংশটি ডোমেইন নেম হিসেবে পরিচিত।
- ই-মেইল অ্যাড্রেসের এ দুই অংশকে @ চিহ্ন দ্বারা পৃথক করা হয়ে থাকে।
- যেমন: faria123@gmail.com একটি ই-মেইল অ্যাড্রেস; যার faria123 অংশটি ব্যবহারকারীর পরিচিতি এবং এর পরে gmail.com অংশটি ডোমেইন নেম হিসেবে চিহ্নিত হবে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
১৮৬.
ফ্যাক্সের পুরো নাম কী?
  1. Facility Transmission
  2. Facsimile
  3. Fast Service
  4. Faximile
ব্যাখ্যা
• ফ্যাক্স (Fax):
- বিজ্ঞানী আলেকজান্ডার বেইন ১৮৪২ সালে ফ্যাক্স মেশিন আবিস্কার করেন।
- ফ্যাক্সের পুরো নাম হলো ফ্যাক্সিমিল (Facsimile)।
- কোনো ডকুমেন্টকে হুবহু কপি করে ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে প্রাপকের কাছে পাঠাতে ফ্যাক্স ব্যবহার করা হয়।
- প্রেরক যে ডকুমেন্ট যেমন দলিল, সার্টিফিকেট, ছবি, ডায়াগ্রাম ইত্যাদি প্রাপকের কাছে পাঠাতে চান সে ডকুমেন্ট তার ফ্যাক্স মেশিনের সাহায্যে হুবহু কপি তৎক্ষণাৎ প্রাপকের ফ্যাক্স মেশিনে পাঠাতে পারেন এবং প্রাপক তার মেশিন থেকে সেই ডকুমেন্টের প্রিন্ট কপি পেয়ে যান।

উৎস:
১. পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
১৮৭.
টেলিকনফারেন্সিং কী?
  1. একাধিক ব্যক্তির মধ্যে দূরবর্তী যোগাযোগের পদ্ধতি
  2. ডেটা সংরক্ষণ পদ্ধতি
  3. ভিডিও গেম খেলার পদ্ধতি
  4. কম্পিউটার প্রোগ্রামিং এর একটি ধরন
ব্যাখ্যা
• টেলিকনফারেন্সিং হলো একাধিক ব্যক্তির মধ্যে দূরবর্তী যোগাযোগের পদ্ধতি।

• টেলিকনফারেন্সিং:
- টেলিকনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে বিভিন্ন সভা, সেমিনার, বা দলগত যোগাযোগ করা সম্ভব।
- এটি টেলিযোগাযোগের মাধ্যমে দূরবর্তী অবস্থান থেকে সভা পরিচালনার একটি প্রক্রিয়া।
- বিশ্বের যেকোনো স্থান থেকে যে কেউ টেলিফোনের মাধ্যমে টেলিকনফারেন্সিংয়ে অংশ নিতে পারে।
- এই প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণকারীরা কী-বোর্ডের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় কম্পিউটারে তাদের বক্তব্য বা প্রতিক্রিয়া পাঠিয়ে থাকেন।
- টেলিকনফারেন্সিংয়ের বিভিন্ন ধরনের ব্যবস্থা রয়েছে, যেমন পাবলিক কনফারেন্স, ক্লোজড কনফারেন্স, রিড-অনলি কনফারেন্স ইত্যাদি।
- পাবলিক কনফারেন্স সবার জন্য উন্মুক্ত, যেখানে যে কেউ অংশগ্রহণ করতে পারে।
- ক্লোজড কনফারেন্স সবার জন্য উন্মুক্ত নয় এবং পাসওয়ার্ড সুরক্ষিত। শুধুমাত্র নির্দিষ্ট পাসওয়ার্ড দিয়ে এই ধরনের কনফারেন্সে অংশ নেওয়া যায়।
- টেলিকনফারেন্সিং সফটওয়্যারের মাধ্যমে এই প্রক্রিয়াগুলো নিয়ন্ত্রণ করা হয়।
- ভিডিও ও অডিও ব্যবহার করে পরিচালিত সভাকে ভিডিও কনফারেন্সিং বলা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১৮৮.
চিকিৎসা ক্ষেত্রে কম্পিউটার-এর কাজ কোনটি? 
  1. তথ্য সংরক্ষণ
  2. ইমেজ বিশ্লেষণ
  3. রোগী পর্যবেক্ষণ
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
চিকিৎসা ক্ষেত্রে কম্পিউটার: 
- বর্তমানে প্রায় সকল দেশে রোগ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিনির্ভর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং কম্পিউটার প্রযুক্তি যথাযথ প্রয়োগ দ্বারা সূক্ষ্মভাবে রোগ নির্ণয় করা সম্ভব হচ্ছে। 
- EHR (Electronic Health Record) এর মাধ্যমে ডেটাবেজে রোগীর সকল তথ্য সংরক্ষিত থাকে এবং রোগী তার EHR ব্যবহার করে যে কোন স্থান হতে তার রোগ সম্পর্কিত তথ্য, রিপোর্ট, চিকিৎসা ব্যবস্থাপত্র ইত্যাদি যেকোন স্থানে বসে পেতে পারেন। 
- সিটিস্ক্যান এর অর্থ (Computed Tomography Scan), চিকিৎসা বিজ্ঞানে এটি প্রতিবিম্ব তৈরির একটি প্রক্রিয়া। আলোর প্রতিসরণের সাথে জ্যামিতিক হিসেবের মাধ্যমে দ্বিমাত্রিক ছবিগুলোকে ত্রিমাত্রিক করা হয়, এতে কোনো বস্তুর অবস্থান নিঁখুতভাবে নির্ণয় করা যায়। 
- রোগীর অস্বাভাবিক লক্ষণগুলো পরীক্ষা এবং পর্যবেক্ষণ করার জন্য কম্পিউটার (যেমন: ইসিজি, ইকোকার্ডিওগ্রাম) ব্যবহার করা হয়  ইত্যাদি। 
অর্থাৎ, চিকিৎসাক্ষেত্রে তথ্য সংরক্ষণ, ইমেজ বিশ্লেষণ এবং রোগী পর্যবেক্ষণ প্রভৃতি সকল ক্ষেত্রেই কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্ত, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
১৮৯.
আরপানেট (ARPANET) সিস্টেম ব্যবহার করে প্রথম ই-মেইল সিস্টেম চালু করেন-
  1. টিম বার্নার্স-লি
  2. রে টমলিনসন
  3. রেইড হফম্যান
  4. ফ্রেডরিক কোহেন
ব্যাখ্যা

ষাট-সত্তরের দশকে ইন্টারনেট প্রটোকল ব্যবহার করে আরপানেটের (ARPANET) জন্ম হয়। তখন থেকে নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কম্পিউটারসমূহের মধ্যে আন্ত:সংযােগ বিকশিত হতে শুরু করে। এর ফলেই পরবর্তীতে তৈরি হয় ইন্টারনেট।
১৯৭১ সালে আমেরিকান প্রােগ্রামার রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিনসন আরপানেট (ARPANET) সিস্টেম ব্যবহার করে প্রথম ই-মেইল সিস্টেম চালু করেন। এজন্য তিনি @ চিহ্ন ব্যবহার করেন যা এখন পর্যন্ত ই-মেইল অ্যাড্রেসে ব্যবহার হয়ে আসছে।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর (উন্মুক্ত বিশ্বঃ) কম্পিউটার ও আইসিটি বই।

১৯০.
কোনটি ফেসবুকের ই-মেইল হতে পারে?
  1. ক) info@facebook.com
  2. খ) info@faceboo.com
  3. গ) info@faccebook.com
  4. ঘ) info@facebook.cam
ব্যাখ্যা
ইন্টারনেটের মাধ্যমে মেসেজসমূহ তৈরি, প্রেরণ ও গ্রহণ করার একটি বিশেষ ধরনের সুবিধা হলো ওয়েব মেইল। Gmail, yahoo, Outlook ইমেইল সার্ভিস প্রোভাইডার (ফ্রি) হলেও কোন কোন প্রতিষ্ঠান নিজেদের জন্য পেইড মেইল সার্ভিস ব্যবহার করে। এক্ষেত্রে ইমেইল এড্রেসের শেষে সংশ্লিষ্ট অফিসের নাম থাকবে। 

ফেসবুকের ইমেইল মানে অবশ্যই username@facebook.com এই রকম হবে।
১৯১.
রোবট সোফিয়াকে Non-Human Innovation Champion স্বীকৃতি দিয়েছিল কোন সংগঠন?
  1. UNDP
  2. UNESCO
  3. UNICEF
  4. HANSON ROBOTICS
ব্যাখ্যা
• রোবট সোফিয়া:
- রোবট সোফিয়া তৈরি করেছে হংকং ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান হ্যানসন রোবটিকস।
- এর মূল নির্মাতা ডেভিড হ্যানসন (David Hanson)।
- রোবট সোফিয়াকে নকশা করা হয় হলিউডের ব্রিটিশ অভিনয় শিল্পী অড্রে হেপবার্ন এর মত করে।
- রোবট সোফিয়াকে ২০১৫ সালের ১৯ এপ্রিল থেকে সক্রিয় করা হয়।
- ২০১৭ সালের অক্টোবরে সৌদি আরবের নাগরিকত্ব দেয়া হয় এই রোবটকে এবং এটিই প্রথম রোবট যে কোন দেশের নাগরিকত্ব লাভ করে।
- ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বড় প্রযুক্তি উৎসব ডিজিটাল ওয়ার্ল্ডে অংশ নিয়েছে সিঙ্গাপুরের তৈরি ও সৌদি আরবের নাগরিকত্ব পাওয়া এই রোবট সোফিয়া। এটি প্রায় ৫০ ধরনের ভাবভঙ্গি দেখাতে পারে।
- ইউএনডিপি সোফিয়াকে বিশ্বের প্রথম নন-হিউম্যান ইনোভেশন চ্যাম্পিয়ন হিসেবে ঘোষণা করে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. যমুনা নিউজ রিপোর্ট। [লিঙ্ক]
১৯২.
ইমেইলে ডকুমেন্ট পাঠাতে হলে কোন অপশনটি ব্যবহার করতে হয়?
  1. ক) এটাচমেন্ট
  2. খ) ফোল্ডার
  3. গ) ইমেজ
  4. ঘ) স্প্যাম
ব্যাখ্যা
ইমেইলের মাধ্যমে যেকোনো ডকুমেন্ট, ফাইল (ছবি বা অন্যান্য) পাঠাতে সাধারণত Attachment অপশনটি ব্যবহার করতে হয়।
১৯৩.
বাংলাদেশে সর্বপ্রথম ইন্টারনেট সিস্টেম চালু হয় কোন সালে?
  1. ১৯৯৫
  2. ১৯৯৬
  3. ১৯৯৭
  4. ১৯৯৮
ব্যাখ্যা
- ১৯৯০ সাল থেকেই বিশ্বব্যাপী ইন্টারনেটের ব্যবহার দ্রুত ছড়িয়ে পড়লেও বাংলাদেশ অনেক পরে এ মহাযাত্রায় যোগ দেয়।
- ১৯৯৫ সালে অফলাইন ই-মেইল (offline e-mail)-এর মাধ্যমে প্রথম এদেশে সীমিত আকারে ইন্টারনেটের ব্যবহার শুরু হয়।
- ১৯৯৬ সালে দেশে প্রথম ইন্টারনেটের জন্য ভিস্যাট (Very Small Aperture Terminal - VSAT) স্থাপন করা হয় এবং আই.এস.এন নামক একটি ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার বা আই.এস.পি (Internet Service Provider - ISP)-এর মাধ্যমে অনলাইন ইন্টারনেট সংযোগের বিস্তৃতি ঘটতে শুরু করে।

অর্থ্যাৎ, ইন্টারনেট ব্যবহার শুরু হয় ১৯৯৫ সালে। তবে সবার জন্য উন্মুক্ত করা হয় ১৯৯৬ সালে। অপশনে ১৯৯৫ না থাকলে ১৯৯৬ উত্তর হবে।

[সূত্র: বাংলাপিডিয়া]
১৯৪.
ডেবিট কার্ড প্রদান করে-
  1. ক) এনবিআর
  2. খ) ব্যাংক
  3. গ) কাস্টমস
  4. ঘ) এনজিও
ব্যাখ্যা

- ডেবিট কার্ড এমন একধরনের কার্ড যার দ্বারা ইলেকট্রনিক ব্যাংকিং এর মাধ্যমে গ্রাহক তার ব্যাংকে সঞ্চিত অর্থ যেকোনো সময় এটিএম বুথ হতে ওঠাতে পারেন।
- বাংলাদেশের প্রচলিত এটিএম কার্ড গুলো মূলত ডেবিট কার্ড।
- ডেবিট কার্ড প্রদান করে ব্যাংক।

১৯৫.
IoT বাস্তবায়নে প্রধান চ্যালেঞ্জ কোনটি?
  1. কীবোর্ড লেআউট
  2. ডিসপ্লে রেজোলিউশন
  3. উচ্চ-স্পিড কম্পিউটেশন
  4. ডেটা সিকিউরিটি এবং প্রাইভেসি
ব্যাখ্যা

• IoT (Internet of Things) বাস্তবায়নে প্রধান চ্যালেঞ্জ হলো ডেটা সিকিউরিটি এবং প্রাইভেসি। যেহেতু IoT ডিভাইসগুলি সংযুক্ত থাকে এবং প্রতিনিয়ত ব্যবহারকারীর তথ্য সংগ্রহ ও আদানপ্রদান করে, তাই ডেটা লিক, হ্যাকিং বা অননুমোদিত অ্যাক্সেসের ঝুঁকি খুব বেশি থাকে। এছাড়াও, ব্যক্তিগত তথ্য যেমন স্বাস্থ্য, অবস্থান বা আর্থিক ডেটা সুরক্ষার অভাব ব্যবহারকারীর বিশ্বাস ক্ষুণ্ন করতে পারে। অন্যান্য অপশন যেমন কীবোর্ড লেআউট, ডিসপ্লে রেজোলিউশন বা উচ্চ-স্পিড কম্পিউটেশন প্রযুক্তিগত সমস্যা হলেও IoT বাস্তবায়নের সুরক্ষা ও প্রাইভেসি সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জের তুলনায় এদের গুরুত্ব কম। তাই নিরাপদ এবং বিশ্বাসযোগ্য IoT ব্যবস্থার জন্য ডেটা সিকিউরিটি ও প্রাইভেসি নিশ্চিত করা অপরিহার্য।

ইন্টারনেট অফ থিংস (Internal of things - IoT):
- ইন্টারনেট অফ থিংস (IOT) হলো পারস্পরিক সম্পর্কযুক্ত এমন একটি সনাক্তকারী কম্পিউটিং ডিভাইস, যা একটি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে মানুষের সাথে মানুষের বা মানুষের সাথে কম্পিউটারের মধ্যে ডেটা স্থানান্তর করতে সাহায্য করে।
- এটি ইন্টারনেটের সাথে শারীরিক ডিভাইস এবং দৈনন্দিন বস্তুকে সংযুক্ত করার ধারণাকে বোঝায়, তাদের ডেটা সংগ্রহ এবং বিনিময় করার অনুমতি দেয়।
- এই সংযুক্ত ডিভাইসগুলি স্মার্ট থার্মোস্ট্যাট এবং রেফ্রিজারেটরের মতো গৃহস্থালীর যন্ত্রপাতি থেকে শুরু করে শিল্প মেশিন, পরিধানযোগ্য এবং যানবাহন পর্যন্ত হতে পারে।
- IoT-এর প্রাথমিক লক্ষ্য হল এই ডিভাইসগুলিকে একে অপরের সাথে এবং কেন্দ্রীভূত সিস্টেম বা ক্লাউড প্ল্যাটফর্মের সাথে যোগাযোগ করতে সক্ষম করা।

IoT এর উদাহরণ:
- স্মার্ট হোম ডিভাইস (যেমন স্মার্ট লাইট, স্মার্ট থার্মোস্ট্যাট)।
- ওয়্যারেবল ডিভাইস (যেমন ফিটনেস ট্র্যাকার)।
- শিল্পক্ষেত্রে স্বয়ংক্রিয় যন্ত্রপাতি (Industrial IoT)।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১৯৬.
টুইটারের বর্তমান প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) কে?
  1. জ্যাক ডরসি
  2. সুন্দর পিচাই
  3. লিন্ডা ইয়াকারিনো
  4. ইলন মাস্ক
ব্যাখ্যা
টুইটার: 
- টুইটার হচ্ছে সামাজিক আন্ত:যোগাযোগ ব্যবস্থা ও মাইক্রোব্লগিংয়ের ওয়েবসাইট। 
- টুইটারের বর্তমান মালিক ইলন মাস্ক। 
- টুইটারের নতুন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) হয়েছেন এনবিসি ইউনিভার্সালের বিজ্ঞাপন বিভাগের সাবেক প্রধান লিন্ডা ইয়াকারিনো। 
- টুইটারের অপর নাম ইন্টারনেটের এসএমএস। 
- টুইটার চালু হয় ১৫ জুলাই, ২০০৬ সালে (তবে প্রতিষ্ঠিত হয় ২১ মার্চ, ২০০৬ সালে)। 
- টুইটারের সদর দপ্তর সানফ্রান্সিসকো, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র। 
- জ্যাক ডরসি, নোয়ান গ্লাস, বিজ স্টোন, ইভান উইলিয়ামস টুইটার প্রতিষ্ঠা করেন। 
- টুইটারে ফেসবুকের মতো পোস্টকে টুইট (Tweet) বলা হয়। 
- টুইটারে ব্যবহারকারীর টুইটের সীমাবদ্ধতা ২৮০ অক্ষর (পূর্বে ১৪০ অক্ষর ছিল)। 

উৎস: টুইটারের ওয়েবসাইট এবং প্রথম আলো পত্রিকা।
১৯৭.
বিটকয়েন কোন ধরনের মুদ্রা?
  1. ক্রিপ্টোকারেন্সি
  2. অনলাইন পয়েন্ট
  3. ই-কারেন্সি
  4. প্রিপেইড কারেন্সি
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর -  ক্রিপ্টোকারেন্সি

• ক্রিপ্টোকারেন্সি:
- ক্রিপ্টোকারেন্সি হলো একটি ডিজিটাল মুদ্রা, যা কোনো কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষের (যেমন সরকার বা ব্যাংক) তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয় না।
- প্রথম ক্রিপ্টোকারেন্সি ছিল বিটকয়েন, যেটি ২০০৯ সালে সাতোশি নাকামোতো (Satoshi Nakamoto) নামে পরিচিত একজন বা একদল অজ্ঞাতনামা কম্পিউটার প্রোগ্রামার তৈরি করেন।

• বিটকয়েন (Bitcoin):
- বিটকয়েন হলো প্রথম, সবচেয়ে বেশি লেনদেন হওয়া এবং সবচেয়ে পরিচিত ক্রিপ্টোকারেন্সি।
- বিটকয়েনের মালিকরা বিভিন্ন ওয়েবসাইট ব্যবহার করে এটি অন্য ক্রিপ্টোকারেন্সিতে, অথবা বাস্তব মুদ্রায় যেমন মার্কিন ডলার বা ইউরোতে বিনিময় করতে পারেন।
- এছাড়া বিভিন্ন বিক্রেতার কাছ থেকে পণ্য ও সেবা কেনাও সম্ভব।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১৯৮.
গুগল কর্তৃক উদ্ভাবিত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কোনটি?
  1. Gemini
  2. Alexa
  3. Siri
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

• গুগল কর্তৃক উদ্ভাবিত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা হলো Gemini. এটি গুগলের উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে মানুষের ভাষা বোঝার এবং প্রাসঙ্গিক উত্তর প্রদানের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে।
অন্যদিকে, Alexa হলো অ্যামাজনের কণ্ঠভিত্তিক সহকারী এবং Siri হলো অ্যাপলের কণ্ঠভিত্তিক সহকারী। তাই এই তিনটির মধ্যে শুধুমাত্র Gemini গুগলের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। এটি বিভিন্ন কাজে ব্যবহারযোগ্য, যেমন তথ্য অনুসন্ধান, স্বয়ংক্রিয় উত্তর প্রদান এবং ব্যবহারকারীর সাথে স্বাভাবিক কথোপকথন চালানো।

• কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা:
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা হচ্ছে বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তির সমন্বয়।
- মানুষ যেভাবে চিন্তা করে তেমনি কৃত্রিম উপায়ে কম্পিউটারে সেভাবে চিন্তা ভাবনার রূপদান করাকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বলে।
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রধান উদ্দেশ্য হলো কম্পিউটারকে উন্নত করা যাতে কম্পিউটার চিন্তা করার ক্ষমতা, পাশাপাশি দেখতে পারা, শুনতে পারা, হাঁটা এবং অনুভব করার ক্ষমতা পায়।

• কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় যেসব স্বতন্ত্র্য বৈশিষ্ট্য পরিলক্ষিত হয় তা নিম্নরূপ:
১। কোন বিষয় সম্পর্কে ধারণা গ্রহণ।
২। সমস্যার কারণ নির্ণয়পূর্বক সমাধানের পথ নির্দেশ।
৩। সিদ্ধান্ত গ্রহণ ক্ষমতা।
৪। সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা।

৫।নতুন নতুন জ্ঞান অর্জন।
৬। ভাষা বুঝার ক্ষমতা।
৭। অর্জিত জ্ঞান কাজে লাগাবার মত সক্ষমতা।
৮। মানুষের মত অভিজ্ঞতা কাজে লাগানো।

৯। পরস্পর সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয় অনুধাবন এবং সাড়া দেয়ার ক্ষমতা।
১। ভুল, অপ্রাসঙ্গিক এবং অসম্পূর্ণ তথ্য-উপাত্ত পরিচালনা।
১১। জটিল অবস্থা অনুধাবন ও পরিচালনার ক্ষমতা।
১২। নতুন পরিস্থিতিতে খাপ খাইয়ে নেয়ার ক্ষমতা; ইত্যাদি।

- গুগলের তৈরিকৃত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নাম জেমিনি।
- জেমিনি নামের এই এআই একই সঙ্গে ছবি, ভিডিও, অডিও ও টেক্সটের মতো বিভিন্ন ধরনের মাল্টিমিডিয়া বুঝতে পারে এবং সে অনুযায়ী উত্তর দিতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৯৯.
ইলেক্ট্রনিক প্রতিচিত্র তৈরিতে কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) টেলিকনফারেন্সিং
  2. খ) ফাক্স
  3. গ) টীম ভিউয়ার
  4. ঘ) ইমেইল 
ব্যাখ্যা

ইলেক্ট্রনিক প্রতিচিত্র তৈরিতে আমরা ফাক্স ব্যবহার করে থাকি।

- ফ্যাক্স একটি অত্যাধুনিক যোগাযোগ মাধ্যম।
- FAX এর পূর্ণ রূপ হলো Faxcimile।
- এর মাধ্যমে লিখিত বক্তব্য, ম্যাপ, ছবি, নক্সা প্রভৃতি এক স্থান থেকে অন্য স্থানে বা দূরবর্তী স্থানে পাঠানো যায়।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান

২০০.
মোবাইল প্রযুক্তির ক্ষেত্রে NEIR এর পূর্ণরূপ হলো:
  1. New Equipment Identification Report
  2. Network Equipment Information Repository
  3. National Electronics Inspection Record
  4. National Equipment Identity Register
ব্যাখ্যা

• NEIR এর পূর্ণরূপ হলো National Equipment Identity Register. NEIR হলো বাংলাদেশে এমন একটি কেন্দ্রীয় রেজিস্ট্রি, যেখানে প্রতিটি মোবাইল ফোনের ১৫ ডিজিটের IMEI নম্বর, ব্যবহারকারীর জাতীয় পরিচয় (NID) এবং ব্যবহৃত সিম‑কার্ড নম্বর (MSISDN) সংযুক্তভাবে নিবন্ধন করা হয়। এই ব্যবস্থার উদ্দেশ্য - অবৈধ বা নকল ফোন চিহ্নিত ও ব্লক করা, মোবাইল‑চুরি, সিম‑ক্লোনিং, ও ডিজিটাল প্রতারণা রোধ করা এবং সরকারের রাজস্ব ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

• NEIR (National Equipment Identity Register):
- NEIR হলো একটি আন্তর্জাতিক মোবাইল ডিভাইস পরিচয় নিবন্ধন ব্যবস্থা, যেখানে চুরি, হারানো বা ব্লক করা মোবাইল ফোনের IMEI নম্বর সংরক্ষিত থাকে।  
- এটি মূলত মোবাইল নেটওয়ার্কে অবৈধ, ক্লোন বা ব্ল্যাকলিস্টেড ডিভাইস প্রবেশ ঠেকাতে ব্যবহৃত হয়।  
- কোনো মোবাইল ডিভাইস চুরি হলে বা হারিয়ে গেলে তার IMEI এই রেজিস্ট্রিতে ব্লক করা যায়।  
- একবার ব্লক করা হলে সেই ফোন বিশ্বের যেকোনো মোবাইল নেটওয়ার্কে ব্যবহার করা যায় না।  
- বিভিন্ন দেশের টেলিকম রেগুলেটরি কর্তৃপক্ষ NEIR ব্যবহার করে মোবাইল নিরাপত্তা ও প্রতারণা প্রতিরোধ করে।  
- এটি মোবাইল ব্যবহারকারীর নিরাপত্তা, ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও চুরি প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

• NEIR কেন গুরুত্বপূর্ণ:
- চুরি হওয়া মোবাইল পুনরায় বিক্রি বা সক্রিয় করা বন্ধ করে।  
- নেটওয়ার্কে ক্লোন বা জাল IMEI যুক্ত ডিভাইস শনাক্ত করা যায়।  
- ব্যবহারকারীর ডেটা ও নিরাপত্তা সুরক্ষিত রাখে।  
- মোবাইল চুরি-সংক্রান্ত অপরাধ কমাতে সহায়তা করে।

সূত্র - prothom-alo. [link]