বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

আমদানি-রপ্তানি

মোট প্রশ্ন২৬২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

আমদানি-রপ্তানি

PrepBank · পাতা / · ১০১২০০ / ২৬২

১০১.
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী দেশে আমদানির ক্ষেত্রে দ্বিতীয় অবস্থানে আছে -
  1. চীন
  2. ভারত
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা
দেশভিত্তিক আমদানি:
- ২০২৩-২৪ (জুলাই - ফেব্রুয়ারি সময়ে) অর্থবছরে মোট আমদানি ব্যয়ের পরিমাণ ছিল ৪৪,১০৮.০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- যা পূর্ববর্তী অর্থবছরের একই সময়ের মোট আমদানি ব্যয়ের (৫২,১১৯.০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) তুলনায় ১৫.৫ শতাংশ কম।
- ২০১২-১৩ অর্থবছর থেকে ২০২৩-২৪ অর্থবছর (জুলাই-ফেব্রুয়ারি) পর্যন্ত দেশে আমদানি ক্ষেত্রে চীন শীর্ষে রয়েছে।
- শতকরা ২৮.৪৬ ভাগ আমদানি হয়েছে চীন থেকে।
- দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ভারত (১৩.৪২%)।
- তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র (৪.৫১%)।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১০২.
বাংলাদেশের সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী শিল্প কোনটি?
  1. পাট
  2. চা
  3. তৈরি পোশাক
  4. চামড়া
ব্যাখ্যা
রপ্তানি আয়:
- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে, বাংলাদেশের সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী শিল্প তৈরি পোশাক।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে পণ্যভিত্তিক রপ্তানি আয়: ৩৮,৪৫২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে শীর্ষ রপ্তানি খাত তৈরি পোশাক।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে তৈরি পোশাক ও নীটওয়্যার পণ্যের রপ্তানি আয়: ৩২,৮৫৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। এটি মোট রপ্তানি আয়ের ৮৫.৪৫%।

উল্লেখ্য,
- নীটওয়্যার: ১৮,৫৯২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৪৮.৩৫%)।
- তৈরি পোশাক: ১৪,২৬৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৩৭.১০%)।

অন্যদিকে,
- ২য় সর্বোচ্চ রপ্তানি আয়: পাটজাত পণ্য - ৪৮২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (১.২৫%)।
- ৩য় সর্বোচ্চ রপ্তানি আয়: ইঞ্জিনিয়ারিং (প্রকৌশল) দ্রব্য - ৩৩৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (০.৮৮%)।

এছাড়াও,
⇒ সার্বিক রপ্তানি পরিস্থিতি:
১. কৃষিজাত পণ্য: ৫৩৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (১.৩৯%)।
২. হিমায়িত খাদ্য: ২৭৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (০.৭১%)।
৩. কাঁচাপাট: ১০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (০.২৬%)।
৪. চা: ৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (০.০০%)।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১০৩.
বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সমুদ্রগামি জাহাজ ‘এমভি আনসু’ কোন দেশে রপ্তানি হয়েছে?
  1. জার্মানি
  2. ডেনমার্ক
  3. ফ্রান্স
  4. নরওয়ে
ব্যাখ্যা
এমভি আনসু:
- বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সমুদ্রগামি জাহাজ ‘এমভি আনসু’ জার্মানিতে রপ্তানি হয়েছে। 
- জাহাজটি কিনেছে জার্মান কোম্পানি এইচএস সিফার্টস জিএমবিএইচ অ্যান্ড কোং কেজিএমএস।

উল্লেখ্য,
- আনসু ৫৫০০ ডিডব্লিউটিএ ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন একটি মাল্টি পারপাস মালবাহী জাহাজ।
- জাহাজটির দৈর্ঘ্য ৩৪২ ফুট, প্রস্থ ৫০ ফুট, গভীরতা ২৪ দশমিক ২৭ ফুট, ইঞ্জিনের ক্ষমতা ২৭৫০ হর্সপাওয়ার এবং ঘন্টায় গতিবেগ ১২ নটিক্যাল মাইল।
- ২০০৮ সালে ডেনমার্কে অত্যাধুনিক কন্টেইনার জাহাজ ‘স্টেলা মারিস’ রপ্তানির মাধ্যমে বাংলাদেশের জন্য জাহাজ রপ্তানির স্বর্ণদ্বার উন্মোচন করে আনন্দ শিপইয়ার্ড অ্যান্ড শিপওয়েজ লিমিটেড। 
- এর মাধ্যমে বাংলাদেশ জাহাজ রপ্তানিকারক দেশ হিসাবে পরিচিতি পায়।

উৎস: দৈনিক ইত্তেফাক।
১০৪.
বাংলাদেশের আমদানি বাণিজ্যে শীর্ষ দেশ কোনটি? [অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪]
  1. জাপান
  2. ভারত
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. চীন
ব্যাখ্যা
দেশভিত্তিক আমদানি:
- বাংলাদেশের আমদানি বাণিজ্যে শীর্ষ দেশ চীন।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান বিভাগের তথ্য মতে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরের (জুলাই-ফেব্রুয়ারি) পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি আমদানি করেছে চীন থেকে।

⇒ আমদানি রিপোর্ট:
- চীন: ১২,৫৫৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (২৮.৪৬%)।
- ভারত: ৫,৯১৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (১৩.৪২%)।
- যুক্তরাষ্ট্র: ১,৯৯০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৪.৫১%)।
- মালয়েশিয়া: ১,৪৮২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৩.৩৬%)।
- সিঙ্গাপুর: ১,৩৮৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৩.১৫%)।
- জাপান: ১,৩৪৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৩.০৫%)।
- দক্ষিণ কোরিয়া: ৭৫২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (১.৭০%)।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১০৫.
ইউরোপের কোন দেশে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে?
  1. বেলজিয়াম
  2. বেলারুশ
  3. জার্মানি
  4. পোল্যান্ড
ব্যাখ্যা
রপ্তানি আয়:
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ - যুক্তরাষ্ট্র।
- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।
- যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হার ১৫.৮৭%।
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের দ্বিতীয় অবস্থানে আছে জার্মানি।
- জার্মানিতে রপ্তানি হার ১১.২১%।
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের তৃতীয় অবস্থানে আছে যুক্তরাজ্য।
- যুক্তরাজ্যে রপ্তানি হার ১০.৫২%।

• এশিয়া,
- এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে – জাপানে।
- জাপানে রপ্তানি হার ৩.৪০%।

• অঞ্চল,
- অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে - ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহে।
- ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রাষ্ট্র - জার্মানি।
- ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১০৬.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫ অনুসারে, কোন পণ্যটি সবচেয়ে বেশি পরিমাণে রপ্তানি হয়?
  1. কৃষিজাত পণ্য
  2. পাটজাত পণ্য
  3. নিটওয়্যার
  4. হিমায়িত খাদ্য
ব্যাখ্যা

রপ্তানি পরিস্থিতি:
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে মোট ৪৮,৩০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার রপ্তানি আয় অর্জিত হয় যা পূর্ববর্তী অর্থবছর ২০২৩-২৪ এর তুলনায় ৮.৬০ শতাংশ বেশি।
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশের মোট রপ্তানি আয় বৃদ্ধিতে নিটওয়্যার, হস্ত শিল্পজাত দ্রব্য এবং রাসায়নিক দ্রব্যাদির উল্লেখযোগ্য অবদান রয়েছে।

⇒ প্রধান প্রাথমিক পণ্য:
১। কৃষিজাত পণ্য: ৮৬৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। 
২। হিমায়িত খাদ্য: ৪৪২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৩। কাঁচাপাট: ১৪৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৪। চা: ৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

⇒ প্রধান শিল্পজাত পণ্য:
১। নিটওয়্যার: ২১,১৬২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
২। তৈরি পোশাক (ওভেন): ১৮,১৮৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। 
৩। পাটজাত পণ্য: ৭৬১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। 
৪। প্রকৌশল দ্রব্য: ৫৪৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৫। জুতা: ৬২৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৬। রাসায়নিক দ্রব্য: ২২৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৭। চামড়া: ৮৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৮। হস্ত শিল্পজাত দ্রব্য: ৩৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

⇒ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- একক পণ্য হিসাবে নীটওয়্যার সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয়। 
- রপ্তানিতে ‘প্রাথমিক পণ্য’-এর অবদান/রপ্তানির হার ৩.২৭% এবং ‘শিল্পজাত পণ্য’-এর অবদান/রপ্তানির হার – ৯৬.৭৩%।
- প্রাথমিক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয়েছে  ‘কৃষিজাত পণ্য’। 

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫। 

১০৭.
২০২৪ সালে দেশে কোন খাতে সর্বাধিক বৈদেশিক বিনিয়োগ এসেছে?
  1. ব্যাংকিং খাত
  2. কৃষি ও মৎস্য খাত
  3. পোশাক খাত
  4. টেলিকমিউনিকেশন খাত
ব্যাখ্যা

বৈদেশিক বিনিয়োগ:
- মূলত বিদেশ থেকে যত বিনিয়োগ আসে এবং সেই সময়ে আগের বিনিয়োগের অর্থ পরিশোধ করার পর বিয়োজন করলে যা অবশিষ্ট থাকে সেটাই নিট বিনিয়োগ।
- ২০২৪ সালে দেশে মোট নেট এফডিআই এসেছে ১.২৭ বিলিয়ন ডলার বা ১২৭ কোটি ডলার।
- এটি ২০২৩ সালের তুলনায় ১৩.২৫ শতাংশ কম।

⇒ ২০২৪ সালে আসা মোট এফডিআইয়ের মধ্যে ৬২২ মিলিয়ন ডলার ছিল রিইনভেস্টেড আর্নিংস।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ এসেছে ব্যাংকিং খাতে—৪১৬ মিলিয়ন ডলার। 
- এরপর পোশাক খাতে এসেছে ৪০৭ মিলিয়ন ডলার।
- এ ছাড়া চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যে ১৩ কোটি ৬০ লাখ, কৃষি ও মৎস্য খাতে ৭ কোটি ৫ লাখ এবং ট্রেডিং খাতে ৫ কোটি ৬৩ লাখ ডলার এফডিআই এসেছে। 
- এর মধ্যে বিদেশি বিনিয়োগ বেড়েছে চামড়া, কৃষি, মৎস্য ও ট্রেডিং খাতে; কমেছে তৈরি পোশাক ও বস্ত্র খাতে। এ ছাড়া বিদ্যুৎ, ফার্মাসিউটিক্যালস ও টেলিকমিউনিকেশন খাতেও গত বছর এফডিআই কমেছে।

উৎস: i) প্রথম আলো। [link] 
ii) The Business Standard. [link]

১০৮.
২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা কত নির্ধারণ করা হয়েছে? [আগস্ট, ২০২৫]
  1. ৪৩.৫ বিলিয়ন ডলার
  2. ৫৩.৫ বিলিয়ন ডলার
  3. ৬৩.৫ বিলিয়ন ডলার
  4. ৭৩.৫ বিলিয়ন ডলার
ব্যাখ্যা

রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা:
- ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বিশ্ববাজারে পণ্য ও সেবা রপ্তানি করে ৬৩.৫ বিলিয়ন ডলার আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। 
- এর মধ্যে পণ্যের রপ্তানি থেকে ৫৫ বিলিয়ন ডলার এবং সেবা খাত থেকে ৮.৫ বিলিয়ন ডলার আয়ের পরিকল্পনা রয়েছে। 
- গত অর্থবছরে ২০২৪-২৫ এ লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৫ হাজার ৭৫০ কোটি মার্কিন ডলার।
- চলতি অর্থবছরের এই লক্ষ্য ২০২৪-২৫ অর্থবছরের তুলনায় ১৬.৫ শতাংশ বেশি। 

উল্লেখ্য,
- সমাপ্ত অর্থবছর ২০২৪-২৫-এ বাংলাদেশ পণ্য খাতে ৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ৪৮ দশমিক ২৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় করেছে, যা লক্ষ্যমাত্রার প্রায় ৯৭ শতাংশ এবং পূর্ববর্তী ২০২৩-২৪ অর্থবছরের তুলনায় ৮.৫৮ শতাংশ বেশি। 
- সেবা খাতের লক্ষ্যমাত্রা ৭ দশমিক ৫০ বিলিয়নের বিপরীতে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে জুলাই-এপ্রিল পর্যন্ত রপ্তানি হয়েছে ৫ দশমিক ৭৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৫ দশমিক ১৩ শতাংশ বেশি।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [Link]

১০৯.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুয়ায়ী, টাকার অঙ্কে কোন দেশ থেকে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি আমদানি করে?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. জাপান
  3. চীন
  4. ভারত
ব্যাখ্যা
দেশভিত্তিক আমদানি:
- অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুয়ায়ী, টাকার অঙ্কে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি আমদানি করে চীন থেকে। 

⇒ আমদানি রিপোর্ট:
- চীন: ১২,৫৫৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (২৮.৪৬%)।
- ভারত: ৫,৯১৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (১৩.৪২%)।
- যুক্তরাষ্ট্র: ১,৯৯০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৪.৫১%)।
- মালয়েশিয়া: ১,৪৮২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৩.৩৬%)।
- সিঙ্গাপুর: ১,৩৮৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৩.১৫%)।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- টাকার অঙ্কে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় – চীন থেকে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ –ভারত থেকে।
- আমদানির ক্ষেত্রে ট্যারিফ অপারেটিভ – এর সংখ্যা/ধাপ – ৬টি; সর্বোচ্চ শুল্কহার – ২৫%।
- EU-ভুক্ত দেশগুলো বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হওয়ার পরবর্তী ৩ বছর শুল্কমুক্ত সুবিধা প্রদান অব্যাহত রাখবে।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১১০.
ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাজারে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশের অবস্থান কততম? [সেপ্টেম্বর, ২০২৫]
  1. ১ম 
  2. ২য়
  3. ৩য় 
  4. ৪র্থ
ব্যাখ্যা

ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি:
- বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের সবচেয়ে বড় বাজার ইইউ। বাংলাদেশের মোট পোশাক রপ্তানির অর্ধেকের গন্তব্য হচ্ছে ইইউভুক্ত দেশগুলো। এই বাজারে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে শীর্ষ দুই অবস্থানে রয়েছে চীন ও বাংলাদেশ।
- ১ম স্থানে রয়েছে চীন এবং ২য় স্থানে রয়েছে বাংলাদেশ।
- ইইউর বাজারে তৃতীয় শীর্ষ তৈরি পোশাক রপ্তানিকারক দেশ তুরস্ক।

⇒ বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) প্রকাশিত ২০২৪-২৫ অর্থবছরের রপ্তানির রিপোর্ট অনুযায়ী, ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) এ খাতের সবচেয়ে বড় বাজার হিসেবে অবস্থান করছে। ইউরোপীয় বাজারে বাংলাদেশের আরএমজি রপ্তানি হয়েছে ১৯.৭১ বিলিয়ন ডলার যা দেশে মোট আরএমজি রপ্তানির ৫০.১০ শতাংশ।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হয়েছে ৭.৫৪ বিলিয়ন ডলার (১৯.১৮ শতাংশ)।
- কানাডা ও যুক্তরাজ্যে রপ্তানি হয়েছে যথাক্রমে ১.৩০ বিলিয়ন ডলার (৩.৩১ শতাংশ) এবং ৪.৩৫ বিলিয়ন ডলার (১১.০৫ শতাংশ)।
- ইউরোপের মধ্যে জার্মানি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাজার, যেখানে রপ্তানি হয়েছে ৪.৯৫ বিলিয়ন ডলার। এরপর রয়েছে স্পেন (৩.৪০ বিলিয়ন ডলার), ফ্রান্স (২.১৬ বিলিয়ন ডলার), নেদারল্যান্ডস (২.০৯ বিলিয়ন ডলার), পোল্যান্ড (১.৭০ বিলিয়ন ডলার), ইতালি (১.৫৪ বিলিয়ন ডলার) এবং ডেনমার্ক (১.০৪ বিলিয়ন ডলার)।

উৎস: i) BIDA ওয়েবসাইট।
ii) রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো ওয়েবসাইট।
iii) প্রথম আলো। [link]

১১১.
পোশাক রপ্তানির ক্ষেত্রে বাংলাদেশের বৃহত্তম অপ্রচলিত বাজার কোনটি? [মে, ২০২৫]
  1. চীন
  2. জাপান
  3. রাশিয়া
  4. সংযুক্ত আরব আমিরাত
ব্যাখ্যা
পোশাক রপ্তানি ২০২৪-২৫:
- চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে (জুলাই-মার্চ) অপ্রচলিত বা নতুন বাজারে ৫১২ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়েছে।
- বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানির ক্ষেত্রে অপ্রচলিত সবচেয়ে বড় বাজার জাপান।
- জাপানে রপ্তানি হয়েছে ৯৬ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক। এ রপ্তানি তার আগের বছরের তুলনায় ১০ শতাংশ বেশি।
- দ্বিতীয় বড় বাজার অস্ট্রেলিয়ায় চলতি অর্থবছরের জুলাই-মার্চ সময়ে ৬৫ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়েছে।
- ভারত বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের তৃতীয় শীর্ষ নতুন বাজার।
- নতুন বাজারের মধ্যে রাশিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, মালয়েশিয়া ও সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) তৈরি পোশাক রপ্তানি কমেছে।

উল্লেখ্য,
- অপ্রচলিত বা নতুন বাজার বলতে এমন দেশ বা অঞ্চলকে বোঝানো হয়, যেগুলো প্রচলিতভাবে কোনো দেশের পণ্য বা সেবার প্রধান ক্রেতা ছিল না, কিন্তু বর্তমানে যেসব দেশে রপ্তানি বাড়ছে বা রপ্তানির নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
- প্রচলিত বাজার হিসেবে ২৭ জাতির জোট ইইউ, যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডাকে গণ্য করা হয়।
- এর বাইরে সব দেশকে অপ্রচলিত বাজার হিসেবে গণ্য করা হয়। জাপান, অস্ট্রেলিয়া, চীন, ভারত ও তুরস্ক অপ্রচলিত শ্রেণিতে উল্লেখযোগ্য নাম।

তথ্যসূত্র: পত্রিকা রিপোর্ট। [Link]
১১২.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে, দেশে আমদানি বাণিজ্যে শীর্ষ দেশ কোনটি? 
  1. চীন
  2. ভারত
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা
দেশভিত্তিক আমদানি:
- ২০২৩-২৪ (জুলাই - ফেব্রুয়ারি সময়ে) অর্থবছরে মোট আমদানি ব্যয়ের পরিমাণ ছিল ৪৪,১০৮.০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

⇒ দেশে আমদানি বাণিজ্যে শীর্ষ দেশ: চীন।
- আমদানির পরিমাণ: ২৮.৪৬%।

⇒ দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে: ভারত।
- আমদানির পরিমাণ: ১৩.৪২%

⇒ তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে: যুক্তরাষ্ট্র।
- আমদানির পরিমাণা: ৪.৫১%।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১১৩.
২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট আমদানির পরিমান কত?
  1. ৬২ বিলিয়ন
  2. ৬১ বিলিয়ন
  3. ৫০ বিলিয়ন
  4. ৫৫ বিলিয়ন
ব্যাখ্যা

- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশে মোট ৬১ বিলিয়ন বা ৬ হাজার ১০০ কোটি মার্কিন ডলারের পণ্য আমদানি হয়েছে, 
- যা এর আগের ২০২৩-২৪ অর্থবছরের চেয়ে ৭ শতাংশ কম। 
- আগের অর্থবছরে আমদানি হয়েছিল ৬ হাজার ৫১৪ কোটি ডলারের পণ্য।
- পরিমাণের দিক থেকে ২০২৪–২৫ অর্থবছরে আমদানি বেড়েছে।
- সব মিলিয়ে সোয়া ১৪ কোটি টন পণ্য আমদানি হয়েছে, 
- যা এর আগের ২০২৩-২৪ অর্থবছরের ১৩ কোটি ৭৬ লাখ টনের চেয়ে ৪ শতাংশ বেশি।

- জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) আওতাধীন ৫০টি শুল্ক স্টেশনে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে খালাস হওয়া পণ্যের তথ্য পর্যালোচনা করে আমদানির এই চিত্র পাওয়া গেছে।

উৎস: প্রথম আলো

১১৪.
ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রাষ্ট্র কোনটি?
  1. ফ্রান্স
  2. যুক্তরাজ্য
  3. জার্মানি
  4. স্পেন
ব্যাখ্যা

রপ্তানি আয়:
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ - যুক্তরাষ্ট্র।
- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।
- যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হার ১৮.০০%।
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের দ্বিতীয় অবস্থানে আছে জার্মানি।
- জার্মানিতে রপ্তানি হার ১০.৯৬%।
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের তৃতীয় অবস্থানে আছে যুক্তরাজ্য।
- যুক্তরাজ্যে রপ্তানি হার ৯.৫৭%।

→ এশিয়া,
- এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে – জাপানে।
- জাপানে রপ্তানি হার ২.৯২%।

→ অঞ্চল,
- অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে - ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহে।
- ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রাষ্ট্র - জার্মানি।
- ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।

১১৫.
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ এর রিপোর্ট অনুসারে, চীন থেকে আমদানির পরিমাণ কত শতাংশ?
  1. ২৮.৪৬%
  2. ২৯.৩৭%
  3. ৩০.৮১%
  4. ৩১.২৫%
ব্যাখ্যা
দেশভিত্তিক আমদানি:
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে মোট আমদানি ব্যয়ের পরিমাণ: ৪৪,১০৮.০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- যা পূর্ববর্তী অর্থবছরের একই সময়ের মোট আমদানি ব্যয়ের তুলনায় ১৫.৫ শতাংশ কম।
⇒ বাংলাদেশের আমদানি ক্ষেত্রে শীর্ষ দেশ: চীন।
- আমদানির পরিমাণ: ২৮.৪৬%।

⇒ দ্বিতীয় অবস্থানে আছে: ভারত।
- আমদানির পরিমাণ: ১৩.৪২%।

⇒ তৃতীয় অবস্থানে আছে: যুক্তরাষ্ট্র।
- আমদানির পরিমাণ: ৪.৫১%।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১১৬.
বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি রপ্তানি আয় আসে কোন খাত থেকে?
  1. পাট
  2. তৈরি পোশাক
  3. ওষুধ
  4. চা
  5. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
রপ্তানি আয়:
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে শীর্ষ রপ্তানি খাত নীটওয়্যার।
- এর মধ্যে নীটওয়্যার: ৪৮.৩৫% বা ১৮,৫৯২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ তৈরি পোশাক: ৩৭.১০%।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে নীটওয়‍্যার ও তৈরি পোশাক পণ্যের রপ্তানি আয় ৩২,৮৫৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার যা মোট রপ্তানি আয়ের ৮৫.৪৫%।

অন্যদিকে,
- তৃতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি আয়: পাট ও পাটজাত পণ্য থেকে (১.২৫%)।
- পাটজাত পণ্য থেকে আয় আসে ৪৮২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

উল্লেখ্য,
- 'শিল্পজাত পণ্য'- এর অবদান/রপ্তানির হার; ৯৭.৩৭%।
- প্রাথমিক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয়েছে: 'কৃষিজাত পণ্য' (১.৩৯%)।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি হয়েছে: হিমায়িত খাদ্য' (০.৭১%)।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১১৭.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে, বাংলাদেশি তৈরি পোশাকের সবচেয়ে বড় বাজার কোন দেশ?
  1. চীন
  2. যুক্তরাজ্য 
  3. জার্মানি
  4. যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
রপ্তানি আয়:
- অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে শীর্ষ রপ্তানি খাত তৈরি পোশাক। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে তৈরি পোশাক ও নীটওয়্যার পণ্যের রপ্তানি আয়: ৩২,৮৫৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। এটি মোট রপ্তানি আয়ের ৮৫.৪৫%।

উল্লেখ্য,
- নীটওয়্যার: ১৮,৫৯২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৪৮.৩৫%)।
- তৈরি পোশাক: ১৪,২৬৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৩৭.১০%)।

⇔ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- দেশ হিসেবে তৈরি পোশাকের সবচেয়ে বড় বাজার যুক্তরাষ্ট্র। যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।
- ২০২৪ সালে বাংলাদেশ থেকে ৭৩৪ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়েছে। 
- এই রপ্তানি ২০২৩ সালের তুলনায় শূন্য দশমিক ৭৫ শতাংশ বেশি।

উৎস: i) বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
ii) ১১ মার্চ, ২০২৫, প্রথম আলো।
১১৮.
তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশের অপ্রচলিত বাজারগুলোর মধ্যে শীর্ষে আছে- [জুলাই, ২০২৫]
  1. ভারত
  2. জাপান
  3. রাশিয়া
  4. অস্ট্রেলিয়া
ব্যাখ্যা
পোশাক রপ্তানির অপ্রচলিত বাজার:
- চলতি ২০২৪–২৫ অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে (জুলাই-মে) নতুন বাজারগুলোতে মোট ৬০৪ কোটি মার্কিন ডলারের পোশাক রপ্তানি হয়েছে।
- এ রপ্তানি গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৬ দশমিক ৭৯ শতাংশ বেশি।
- বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানির ক্ষেত্রে অপ্রচলিত সবচেয়ে বড় বাজার জাপান।
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরের মে পর্যন্ত ১১ মাসে দেশটিতে ১১২ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়।
- যা গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে ১০ দশমিক ৩২ শতাংশ বেশি।
- অপ্রচলিত বাজারগুলোর মধ্যে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে অস্ট্রেলিয়া।

উল্লেখ্য,
- অপ্রচলিত বা নতুন বাজার বলতে এমন দেশ বা অঞ্চলকে বোঝানো হয়, যেগুলো প্রচলিতভাবে কোনো দেশের পণ্য বা সেবার প্রধান ক্রেতা ছিল না, কিন্তু বর্তমানে যেসব দেশে রপ্তানি বাড়ছে বা রপ্তানির নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
- প্রচলিত বাজার হিসেবে ২৭ জাতির জোট ইইউ, যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডাকে গণ্য করা হয়।
- এর বাইরে সব দেশকে অপ্রচলিত বাজার হিসেবে গণ্য করা হয়। জাপান, অস্ট্রেলিয়া, চীন, ভারত ও তুরস্ক অপ্রচলিত শ্রেণিতে উল্লেখযোগ্য নাম।

তথ্যসূত্র: পত্রিকা রিপোর্ট। [Link]
১১৯.
বাংলাদেশ বর্তমানে বিশ্বের কতটি দেশে আম রপ্তানি করে? [জুন, ২০২৫]
  1. ৩৮টি
  2. ২৭টি
  3. ৩২টি
  4. ৪৪টি
ব্যাখ্যা
আম উৎপাদনে বাংলাদেশ:
- কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যানুসারে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে দেশে আম উৎপাদিত হয়েছে ২৪ লাখ টন। এর মধ্যে রপ্তানি হয়েছে মাত্র ১ হাজার ৩২১ টন।
- দেশে মোট ৭২ ধরনের আমের উৎপাদন হয়।
- তবে রপ্তানি হয় সাত থেকে আট জাতের আম।
- ৩৮টি দেশে আম রপ্তানির অভিজ্ঞতা রয়েছে বাংলাদেশের।
- গত বছর অবশ্য রপ্তানি করা হয় ২১টি দেশে।
- বর্তমানে আম উৎপাদনে বাংলাদেশের অবস্থান সপ্তম।

⇒ রাজশাহী, নওগাঁ, সাতক্ষীরা, চাঁপাইনবাবগঞ্জসহ দেশের ১৫টি জেলায় সবচেয়ে বেশি আম উৎপাদন হয়।
- বাংলাদেশের সুস্বাদু আম বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রপ্তানি হয়। প্রধানত ভারত, নেপাল, শ্রীলঙ্কা, ফিলিপাইন, সৌদি আরব, কুয়েত, কাতার, যুক্তরাজ্য, ইতালি, জার্মানি, ফ্রান্স, সুইডেন এবং কানাডার মতো দেশগুলোতে বাংলাদেশের আম রপ্তানি করা হয়।

উৎস: i) রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো। 
ii) প্রথম আলো।
১২০.
বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি পোশাক রপ্তানি করে- (নভেম্বর-২০২৫)
  1. ফ্রান্স
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. জার্মানি
  4. কানাডা
ব্যাখ্যা

• মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র :
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র  বাংলাদেশী রপ্তানি পণ্যের বৃহত্তম বাজার।
- আমদানীকারক দেশ সমূহের তালিকায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র শীর্ষে অবস্থান করছে।
- ২০২৪-২৫ অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ের যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হয়েছে ৮৬৯২.৩৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের পণ্য

• জার্মানীঃ
২০২৪-২৫ অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ের জার্মানীতে মোট  ৫২৯২.৯০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের পণ্য রপ্তানি হয়েছে যা মোট রপ্তানি আয়ের 10.96% এবং বর্তমানে দ্বিতীয় বৃহত্তম আমদানীকারক দেশে পরিণত হয়েছে। 

উৎস: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো।

১২১.
রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর তথ্যানুযায়ী, বাংলাদেশ থেকে ভারতে কোন পণ্য সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয়? [মে, ২০২৫]
  1. প্রক্রিয়াজাত খাদ্য
  2. তৈরি পোশাক
  3. আসবাব পণ্য
  4. কৃষি প্রক্রিয়াজাত পণ্য
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ- ভারত দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য:
- বাংলাদেশ–ভারত দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্পর্ক অত্যন্ত গুরত্বপূর্ণ। 
- সর্বশেষ গত ২০২৩–২৪ অর্থবছরে ভারত থেকে বাংলাদেশ ৯০০ কোটি মার্কিন ডলারের পণ্য আমদানি করেছে।
- তার বিপরীতে বাংলাদেশ থেকে ভারতে পণ্য রপ্তানি হয়েছে মাত্র ১৫৭ কোটি ডলারের।
- ইপিবির তথ্যানুযায়ী, বাংলাদেশ থেকে ভারতে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয় তৈরি পোশাক।
- গত ২০২৩–২৪ অর্থবছরে ভারতে ৫৪ কোটি ৮৮ লাখ ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি করেছেন বাংলাদেশের উদ্যোক্তারা।

উল্লেখ্য,
- গত ১৭ মে, ২০২৫ নতুন করে স্থলপথে বাংলাদেশ থেকে তৈরি পোশাকসহ বেশ কিছু পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ আরোপ করেছে ভারত সরকার।
- ওই আদেশে বলা হয়, এখন থেকে শুধু ভারতের নব সেবা ও কলকাতা সমুদ্রবন্দর ব্যবহার করে দেশটির আমদানিকারকেরা বাংলাদেশ থেকে তৈরি পোশাক আমদানি করতে পারবেন।
- এর আগে গত এপ্রিলে ট্রান্সশিপমেন্টের মাধ্যমে নিজ দেশের বন্দর ব্যবহার করে তৃতীয় দেশে বাংলাদেশের পণ্য যাওয়ার ব্যবস্থাও প্রত্যাহার করে ভারত।

তথ্যসূত্র: পত্রিকা রিপোর্ট। [link]
১২২.
ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রাষ্ট্র কোনটি? [জানুয়ারি, ২০২৫]
  1. জার্মানি
  2. ফ্রান্স
  3. লুক্সেমবার্গ
  4. ইতালি
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

দেশ হিসেবে রপ্তানি:

- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ: যুক্তরাষ্ট্র।
- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য: তৈরি পোশাক।
- যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সবচেয়ে বেশি বাণিজ্যিক উদ্ধৃত্ত রয়েছে/বাণিজ্য ঘাটতি নেই।

অন্যদিকে,
- অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে: ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহে।
- ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রাষ্ট্র: জার্মানি।
- ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য: তৈরি পোশাক।
- এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে: জাপানে।

⇒ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- ২০২৩-২৪ অর্থবছর এর জুলাই-ফেব্রুয়ারি সময়কালে বাংলাদেশি পণ্যের প্রধান আমদানিকারক দেশ হিসেবে শীর্ষে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানি।
- যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানিতে যথাক্রমে ৬,১০৩.১৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং ৪,৩১২.১১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের পণ্য রপ্তানি হয়েছে, যা দেশের মোট রপ্তানির যথাক্রমে ১৫.৮৭ শতাংশ এবং ১১.২১ শতাংশ।
- যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানিতে রপ্তানীকৃত প্রধান প্রধান পণ্যসমূহ হলো- তৈরি পোশাক (ওভেন), নিটওয়্যার, হিমায়িত চিংড়ি, কাঁকড়া, গৃহস্থালি বস্ত্র ইত্যাদি।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১২৩.
কোন্ ফসলটি রপ্তানী বহুমুখীকরনে সম্ভাবনাময়?
  1. আউশ ধান
  2. তেলবীজ
  3. পাট
  4. আলু
ব্যাখ্যা

→ আলু রপ্তানী বহুমুখীকরনে সবচেয়ে সম্ভাবনাময় ফসল।

♦ ফসল রপ্তানী বহুমুখীকরণ:
- একটি দেশের রপ্তানি খাতে শুধুমাত্র এক বা কয়েকটি প্রধান ফসল এর ওপর অত্যধিক নির্ভরতা কমিয়ে নতুন, বৈচিত্র্যপূর্ণ ও উচ্চমূল্যের ফসল রপ্তানি বাড়ানোর প্রক্রিয়াকে ফসল রপ্তানী বহুমুখীকরণ বলে।
- কৃষি পণ্যের মধ্যে বর্তমানে আলু সবচেয়ে বেশি সম্ভাবনাময় ফসল হিসেবে বিবেচিত হয়।
- বর্তমানে দেশে প্রায় ১ কোটি ১২ লাখ টন আলু উৎপাদন হয়েছে।
- যা চাহিদার তুলনায় প্রায় ২২ লাখ টন বেশি।
- কৃষি মন্ত্রণালয়, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ও রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (EPB) আলুকে রপ্তানিমুখী ফসল হিসেবে প্রাধান্য দিয়ে বিশেষ রোডম্যাপ, প্রশিক্ষণ, গুণগত মান নিশ্চিতকরণ (GAP, Phytosanitary certificate) এবং আলু উৎসবের মতো কর্মসূচি চালাচ্ছে।
- বাংলাদেশ বিশ্বের ৭ম বৃহত্তম আলু উৎপাদনকারী দেশ এবং এশিয়া মহাদেশে বাংলাদেশের অবস্থান ৩য়।
- জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) তথ্য অনুসারে, বাংলাদেশ থেকে আলু রপ্তানি শুরু হয় ১৯৯৯ সালে।
- বাংলাদেশ থেকে ১৪টি দেশে আলু রপ্তানি করা হয়।
- সৌদি আরব, বাহরাইন ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইসহ মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশ ছাড়াও সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া ও নেপালে আলু রপ্তানি করা হচ্ছে।
- মোট রপ্তানিকৃত আলুর ৮০ শতাংশ রপ্তানি করা হয় মালয়েশিয়াতে।
- ২০২৪ অর্থ বছরে সবোর্চ্চ ৬২ হাজার ১৩৫ টন আলু রপ্তানি হয়েছে।


Img Source: The Financial Express

পাট কেন নয়?
→ কারণ পাট রপ্তানিযোগ্য হলেও, এই প্রশ্নে মূলকথা হচ্ছে “রপ্তানি বহুমুখীকরণে (নতুন/উদীয়মান) সম্ভাবনাময় ফসল”—সেই দৃষ্টিতে আলু বেশি প্রাসঙ্গিক।
→ পাট বাংলাদেশের ঐতিহ্যগত/প্রচলিত রপ্তানি খাত। এটা বহুমুখীকরনের নতুন পণ্য নয়; বরং পুরনো প্রতিষ্ঠিত পণ্য।
→ পাট রপ্তানি আয় ক্রমহ্রাসমান। 

Img Source: The Daily Star 

♦ উল্লেখ্য:

- আউশ ধান: খাদ্য নিরাপত্তার ফসল। রপ্তানি প্রায় নেই।
- তেলবীজ: এখনো আমদানি নির্ভরতা বেশি। রপ্তানির জন্য প্রস্তুত নয়।
- পাট: ইতোমধ্যে রপ্তানি হয় (পাট ও পাটজাত পণ্য), নতুন বহুমুখীকরণের জন্য 'সম্ভাবনাময়' নয়।

তথ্যসূত্র - কৃষি মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট, কৃষি তথ্য সার্ভিস ওয়েবসাইট ও বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড পত্রিকার রিপোর্ট।

১২৪.
বাংলাদেশের EPZ গুলোতে সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ করে কোন দেশ? [আগস্ট, ২০২৫]
  1. চীন 
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. জাপান
  4. শ্রীলঙ্কা 
ব্যাখ্যা

সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ:
- বর্তমানে দেশে বেপজার অধীনে মোট আটটি ইপিজেড ও একটি অর্থনৈতিক অঞ্চল রয়েছে। 
- এগুলো হচ্ছে চট্টগ্রাম, ঢাকা, মোংলা, কুমিল্লা, উত্তরা, ঈশ্বরদী, কর্ণফুলী ও আদমজী ইপিজেড এবং চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ে অবস্থিত বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চল।

⇒ এ পর্যন্ত বেপজার ইপিজেডগুলোতে ৩৮টি দেশ থেকে বিনিয়োগ এসেছে।
- সবচেয়ে বেশি এসেছে চীন থেকে। চীনের মোট ১০৮টি প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগ রয়েছে ইপিজেডে। 
- এরপর বিনিয়োগ করেছে দক্ষিণ কোরিয়ার ৬১টি, জাপানের ২৯টি, ভারতের ১৯টি, যুক্তরাজ্যের ১৯টি, যুক্তরাষ্ট্রের ১৭টি ও শ্রীলঙ্কার ৭টি প্রতিষ্ঠান। বাকিগুলো অন্যান্য দেশের।

উৎস: i) বেপজা ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো। [link]

১২৫.
সম্প্রতি, বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের তালিকায় কোনটি যুক্ত হয়েছে? [জানুয়ারি, ২০২৫]
  1. সয়াবিন তেল
  2. রাইস ব্র্যান অয়েল
  3. পাম অয়েল
  4. সানফ্লাউয়ার অয়েল
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

রপ্তানি পণ্য:

- দেশে ভোজ্যতেলের বার্ষিক চাহিদা প্রায় ২২ থেকে ২৩ লাখ টন।
- এই চাহিদার বিপরীতে অপরিশোধিত সয়াবিন ও পাম তেল আমদানি করে স্থানীয়ভাবে পরিশোধনের মাধ্যমে চাহিদার প্রায় ৯০ শতাংশ পূরণ করা হয়।
- রপ্তানি নীতি ২০২৪-২৭ এর আওতায় রপ্তানি পণ্যের তালিকায় রাইস ব্র্যান, পরিশোধিত রাইস ব্র্যান অয়েল ও অপরিশোধিত রাইস ব্র্যান অয়েল অন্তর্ভুক্ত করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।
- এরই অংশ হিসেবে সম্প্রতি বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কাছে অপরিশোধিত রাইস ব্রান তেলের রপ্তানি নিরুৎসাহিত করতে ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের প্রস্তাব রাখে।
 
উল্লেখ্য,
- পাবনার ঈশ্বরদীতে ২০১১ সালে রশিদ অয়েল মিলস লিমিটেড হোয়াইট গোল্ড ব্র্যান্ড নামে প্রথম ধানের কুঁড়ার এই তেল উৎপাদন শুরু করে।
- বাংলাদেশ রাইস ব্র্যান অয়েল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের তথ্য অনুসারে, দেশে মোট ২০টি রাইস ব্র্যান অয়েল মিল রয়েছে।
- এসব মিলের বার্ষিক উৎপাদনক্ষমতা ৪ লাখ ৫৩ হাজার টন।

তথ্যসূত্র: রপ্তানি নীতি ২০২৪-২৭।
১২৬.
ইপিজেডগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ বিনিয়োগ হয় কোন ইপিজেডে? [মার্চ, ২০২৫]
  1. আদমজী
  2. চট্টগ্রাম
  3. ঈশ্বরদী
  4. কর্ণফুলি
ব্যাখ্যা
সর্বোচ্চ বিনিয়োগ:
- ইপিজেডগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ বিনিয়োগ হয় চট্টগ্রাম ইপিজেডে।

উল্লেখ্য,
- ইপিজেডসমূহে উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা: ৪৫০ টি এবং বাস্তবায়নাধীন রয়েছে: ১০৩টি।
- সবচেয়ে বেশি উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠান রয়েছে চট্টগ্রাম ইপিজেডে; উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা: ১৪৫টি।
- সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ হয় ও রপ্তানি আয় আসে চট্টগ্রাম ইপিজেড।
- দ্বিতীয়: ঢাকা ইপিজেড; উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা: ৮৮টি।
- সবচেয়ে কম উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠান রয়েছে ঈশ্বরদী ইপিজেডের; উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা: ২২টি।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১২৭.
রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর তথ্য মতে, ২০২৪-২০২৫ অর্থ বছরের সময়ের পণ্য খাতের অর্জিত রপ্তানি আয়ের পরিমান কত?
  1. ৫২,২৮৩.৯৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
  2. ৪৮,২৮৩.৯৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
  3. ৪৯,২৮৩.৯৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
  4. ৭১,২৪৪.৯৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
ব্যাখ্যা

• ২০২৪-২০২৫ অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ের রপ্তানি কার্যক্রমঃ
- বিগত ২০২৩-২০২৪ অর্থ বছরে আমাদের রপ্তানি আয় হয়েছিল ৪৪,৪৬৯.৭৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। 
- চলতি ২০২৪-২০২৫ অর্থ বছরের নির্ধারিত রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা  ৫০,০০০.০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- ২০২৪-২০২৫ অর্থ বছরের জুলাই-জুন সময়ের পণ্য খাতের অর্জিত রপ্তানি আয় ৪৮,২৮৩.৯৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- যা বিগত ২০২৩ -২০২৪ অর্থ বছরের জুলাই-জুন সময়ের রপ্তানি আয় ৪৪,৪৬৯.৭৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের তুলনায় ৮.৫৮% বেশী এবং নির্ধারিত রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা ৫০,০০০.০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের ৯৬.৫৭% ।

উৎস: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো।

১২৮.
রপ্তানি আয়ের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের দ্বিতীয় প্রধান পণ্য হিসেবে কোনটি বিবেচিত হয়? [নভেম্বর, ২০২৫]
  1. পাট ও পাটবস্ত্র
  2. খাদ্যশস্য
  3. চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য
  4. কফি ও চা
ব্যাখ্যা

• চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য:
- দেশে নিজস্ব কাঁচামালনির্ভর রপ্তানিপণ্যের মধ্যে চামড়া অন্যতম। 
- এটি দেশের দ্বিতীয় প্রধান রপ্তানিপণ্য।
- রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য অনুযায়ী, সদ্যোবিদায়ি অর্থবছরে (২০২৪-২৫) চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি হয়েছে চার হাজার ৮২৮ কোটি মার্কিন ডলারের, যা ২০২৩-২৪ অর্থবছরের তিন হাজার ৯৩৪ কোটি ডলারের তুলনায় ১০ শতাংশ বেশি। 

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো। (Link1)

১২৯.
২০২৩-২৪ সালের হিসাব মতে, তৈরি পোশাক ও নীটওয়্যার থেকে বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের শতকরা কত ভাগ আসে?
  1. প্রায় ৭৮.৭৫ ভাগ
  2. প্রায় ৮১.২৪ ভাগ
  3. প্রায় ৮৫.৪৫ ভাগ
  4. প্রায় ৮৭.২৩ ভাগ
ব্যাখ্যা
রপ্তানি আয়:
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে শীর্ষ রপ্তানি খাত তৈরি পোশাক।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে তৈরি পোশাক ও নীটওয়্যার পণ্যের রপ্তানি আয়: ৩২,৮৫৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- এটি মোট রপ্তানি আয়ের ৮৫.৪৫%।

উল্লেখ্য,
- নীটওয়্যার: ১৮,৫৯২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৪৮.৩৫%)।
- তৈরি পোশাক: ১৪,২৬৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৩৭.১০%)।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১৩০.
বাংলাদেশ প্রথম কোন দেশে জাহাজ রপ্তানি করে?
  1. ডেনমার্ক
  2. সুইডেন
  3. সংযুক্ত আরব আমিরাত
  4. মালদ্বীপ
ব্যাখ্যা

জাহাজ রপ্তানি: 
- বাংলাদেশ থেকে প্রথম জাহাজ রপ্তানি করে আনন্দ শিপইয়ার্ড অ্যান্ড স্লিপওয়েজ।
- সময়: ২০০৮ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর।
- ডেনমার্কে জাহাজ রপ্তানির মাধ্যমে এই অভিযাত্রা শুরু হয়।
- প্রথম রপ্তানি হওয়া জাহাজটির নাম ছিল এমভি স্টেলা ম্যারিস।
- কনটেইনার পরিবহনের উপযোগী করে তৈরি জাহাজটির রপ্তানিমূল্য ছিল বাংলাদেশি মুদ্রায় ৬৭ কোটি ৪৯ লাখ টাকা।
- জাহাজ রপ্তানির দুই বছর আগে ২০০৬ সালে প্রতিষ্ঠানটি মোজাম্বিকে ফেরি রপ্তানি করেছিল।
- এরপর ২০১০ সালে জাহাজ রপ্তানিতে যুক্ত হয় চট্টগ্রামের ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ডের নাম।
- ওই বছরের ৩০ নভেম্বর প্রতিষ্ঠানটি জার্মানিতে একটি সমুদ্রগামী জাহাজ রপ্তানি করে।
- জাহাজটির রপ্তানিমূল্য ছিল ১২৩ কোটি টাকা।

উৎস: প্রথম আলো রিপোর্ট।

১৩১.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ এর রিপোর্ট অনুসারে দেশে একক পণ্য হিসেবে সর্বোচ্চ আমদানি হয় -
  1. সার
  2. তুলা
  3. গম
  4. তৈলবীজ
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

একক পণ্য আমদানি:

- একক পণ্য হিসেবে সর্বোচ্চ আমদানি - তুলা।

শিল্পজাত পণ্য আমদানি:
- শিল্পজাত পণ্যগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ আমদানি - পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী।
- শিল্পজাত পণ্য হিসেবে ২য় সর্বোচ্চ আমদানি - সার।
- শিল্পজাত পণ্য হিসেবে ৩য় সর্বোচ্চ আমদানি - সুতা।

প্রাথমিক পণ্য আমদানি:
- প্রাথমিক পণ্যগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ আমদানি - তুলা।
- প্রাথমিক পণ্য হিসেবে ২য় সর্বোচ্চ আমদানি - গম।
- প্রাথমিক পণ্য হিসেবে ৩য় সর্বোচ্চ আমদানি - তৈলবীজ।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১৩২.
ইউরোপীয় ইউনিয়নে পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশের প্রধান প্রতিযোগী কোন দেশ? [ডিসেম্বর, ২০২৪]
  1. ভিয়েতনাম
  2. চীন
  3. ভারত
  4. মেক্সিকো
ব্যাখ্যা

ইউরোপীয় ইউনিয়নে পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশের প্রধান প্রতিযোগী ভিয়েতনাম।

দেশভিত্তিক রপ্তানি আয়:

- অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোতে।
- একক দেশ হিসাবে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে যুক্তরাষ্ট্রে।
- এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে জাপানে।
- জুলাই- ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ পর্যন্ত বাংলাদেশ জাপানে রপ্তানি করে ১৩০৮.৮৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

⇒ ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) জোট হিসেবে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি বাজার।
- মোট রপ্তানি আয়ের ৫০ শতাংশের বেশি আসে ইইউ অঞ্চল থেকে। 
- বাংলাদেশের মোট রপ্তানির প্রায় ৮৫ শতাংশ তৈরি পোশাক।
- ইউরোপীয় ইউনিয়নে পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশের প্রধান প্রতিযোগী দেশ ভিয়েতনাম।
- ২০২৩ সালে যেখানে ইইউতে ভিয়েতনামের রপ্তানি ছিল ৫ হাজার ৭০ কোটি মার্কিন ডলার, সেখানে বাংলাদেশের রপ্তানি ছিল ২ হাজার কোটি ডলার। 

উল্লেখ্য,
⇒ ইউরোপীয় ইউনিয়নে পোশাক রপ্তানিতে শীর্ষ স্থানে রয়েছে চীন। 
- ২য় শীর্ষ স্থানে রয়েছে ভিয়েতনাম।
- বাংলাদেশের অবস্থান ৩য়।

উৎস: i) প্রথম আলো। [link]
ii) অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।

১৩৩.
২০২৪–২৫ অর্থবছরে দেশে মোট রপ্তানির পরিমাণ ছিল কত? (বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা, ২০২৫)
  1. ৩৮,৩০০ মিলিয়ন ডলার
  2. ৪৮,৩০০ মিলিয়ন ডলার
  3. ৫৮,৩০০ মিলিয়ন ডলার
  4. ৬৮,৩০০ মিলিয়ন ডলার
ব্যাখ্যা

২০২৪-২৫ অর্থবছরে আমদানি-রপ্তানি চিত্র:
- ২০২৪–২৫ অর্থবছরে মোট আমদানির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৬৮,৩৫৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- অন্যদিকে একই সময়ে মোট রপ্তানির পরিমাণ ছিল ৪৮,৩০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- রপ্তানি আয়ের তুলনায় আমদানি ব্যয় বেশি হওয়ায় দেশে ২০,৩৮৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বাণিজ্য ভারসাম্য ঘাটতি সৃষ্টি হয়েছে।
- এই ঘাটতি নির্দেশ করে যে দেশের বৈদেশিক লেনদেনে আমদানির চাপ রপ্তানির তুলনায় বেশি, যা সামষ্টিক অর্থনীতি, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ও মুদ্রাবাজারে প্রভাব ফেলতে পারে।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা, ২০২৫।

১৩৪.
২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশি পণ্যের প্রধান আমদানিকারক দেশ কোনটি?
  1. যুক্তরাজ্য
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. জার্মানি
  4. ভারত
ব্যাখ্যা

দেশভিত্তিক রপ্তানি:
- দেশভিত্তিক রপ্তানি উপাত্তে দেখা যায় যে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশি পণ্যের প্রধান আমদানিকারক দেশ হিসেবে শীর্ষে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানি।
- আলোচ্য সময়ে যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানিতে যথাক্রমে ৮,৬৯২.৮০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং ৫,২৯৪.৪৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের পণ্য রপ্তানি হয়েছে।
- যা দেশের মোট রপ্তানির যথাক্রমে ১৮.০০ শতাংশ এবং ১০.৯৬ শতাংশ।
- যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানিতে রপ্তানিকৃত প্রধান প্রধান পণ্যসমূহ হলোঃ তৈরি পোশাক, নীটওয়্যার, হিমায়িত চিংড়ি, কাঁকড়া, গৃহস্থালী বস্ত্র ইত্যাদি।
- দেশভিত্তিক পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে পরবর্তী অবস্থানে রয়েছে যুক্তরাজ্য (৯.৫৭%), ফ্রান্স (৫.০০%) ও নেদারল্যান্ড (৪.৮৭%)।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।

১৩৫.
বাংলাদেশের রপ্তানী পণ্যর সর্ব বৃহৎ বাজার- [নভেম্বর,২০২৫]
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. জার্মানি
  3. সংযুক্ত আরব আমিরাত
  4. সৌদি আরব
ব্যাখ্যা

রপ্তানি (২০২৪-২৫):
- বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে যুক্তরাষ্ট্রে।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ জার্মানি
- তৃতীয় সর্বোচ্চ- যুক্তরাজ্য।
- চতুর্থ সর্বোচ্চ - স্পেন।

এছাড়াও,
- দেশ হিসেবে/একক দেশ হিসেবে/রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ যুক্তরাষ্ট্র।
- যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সবচেয়ে বেশি বাণিজ্যিক উদ্ধৃত্ত রয়েছে/বাণিজ্য ঘাটতি নেই।
- এছাড়াও জার্মানি, ফ্রান্সসহ ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য উদ্ধৃত্ত রয়েছে।
- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।

উৎস: বানিজ্য মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।

১৩৬.
২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশে মোট আমদানির পরিমান কত?
  1.  ৭৯ বিলিয়ন
  2. ৬১ বিলিয়ন
  3. ৮২ বিলিয়ন
  4. ৫৬ বিলিয়ন
ব্যাখ্যা

- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশে মোট ৬১ বিলিয়ন বা ৬ হাজার ১০০ কোটি মার্কিন ডলারের পণ্য আমদানি হয়েছে, 
- যা এর আগের ২০২৩-২৪ অর্থবছরের চেয়ে ৭ শতাংশ কম। 
- আগের অর্থবছরে আমদানি হয়েছিল ৬ হাজার ৫১৪ কোটি ডলারের পণ্য।
- পরিমাণের দিক থেকে ২০২৪–২৫ অর্থবছরে আমদানি বেড়েছে।
- সব মিলিয়ে সোয়া ১৪ কোটি টন পণ্য আমদানি হয়েছে, 
- যা এর আগের ২০২৩-২৪ অর্থবছরের ১৩ কোটি ৭৬ লাখ টনের চেয়ে ৪ শতাংশ বেশি।

- জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) আওতাধীন ৫০টি শুল্ক স্টেশনে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে খালাস হওয়া পণ্যের তথ্য পর্যালোচনা করে আমদানির এই চিত্র পাওয়া গেছে।

উৎস: প্রথম আলো [লিংক]

১৩৭.
মোট পণ্য আমদানি মূল্যের ভিত্তিতে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে কোন দেশ থেকে সর্বোচ্চ আমদানি করা হয়?
  1. চীন
  2. ভারত
  3. জাপান
  4. যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

২০২৪-২৫ অর্থবছরের আমদানি:
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে মোট আমদানি ব্যয়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৬৮,৩৫৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- যা পূর্ববর্তী অর্থবছরের মোট আমদানি ব্যয়ের পরিমাণ ৬৬,৭২৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের তুলনায় ২.৪ শতাংশ বেশি।
- মোট পণ্য আমদানি মূল্যের ভিত্তিতে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে চীন থেকে সর্বোচ্চ আমদানি করা হয়।
- যা দেশের মোট আমদানির ৩০.০২ শতাংশ।
- আলোচ্য সময়ে দ্বিতীয় ও তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে যথাক্রমে ভারত (১৪.১৮%) ও যুক্তরাষ্ট্র (৩.৬৭%)।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা, ২০২৫।

১৩৮.
ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য কোনটি?
  1. পাটজাত পণ্য
  2. চা
  3. তৈরি পোশাক
  4. হিমায়িত খাদ্য
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

দেশ হিসেবে রপ্তানি:

- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ: যুক্তরাষ্ট্র।
- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য: তৈরি পোশাক।
- যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সবচেয়ে বেশি বাণিজ্যিক উদ্ধৃত্ত রয়েছে/বাণিজ্য ঘাটতি নেই।

অন্যদিকে,
- অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে: ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহে।
- ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রাষ্ট্র: জার্মানি।
- ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য: তৈরি পোশাক।
- এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে: জাপানে।

⇒ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- ২০২৩-২৪ অর্থবছর এর জুলাই-ফেব্রুয়ারি সময়কালে বাংলাদেশি পণ্যের প্রধান আমদানিকারক দেশ হিসেবে শীর্ষে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানি।
- যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানিতে যথাক্রমে ৬,১০৩.১৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং ৪,৩১২.১১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের পণ্য রপ্তানি হয়েছে, যা দেশের মোট রপ্তানির যথাক্রমে ১৫.৮৭ শতাংশ এবং ১১.২১ শতাংশ।
- যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানিতে রপ্তানীকৃত প্রধান প্রধান পণ্যসমূহ হলো- তৈরি পোশাক (ওভেন), নিটওয়্যার, হিমায়িত চিংড়ি, কাঁকড়া, গৃহস্থালি বস্ত্র ইত্যাদি।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১৩৯.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী, দেশে আমদানি ক্ষেত্রে শীর্ষ দেশ কোনটি?
  1. চীন
  2. ভারত
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা
দেশভিত্তিক আমদানি:
- ২০২৩-২৪ (জুলাই - ফেব্রুয়ারি সময়ে) অর্থবছরে মোট আমদানি ব্যয়ের পরিমাণ ছিল ৪৪,১০৮.০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- যা পূর্ববর্তী অর্থবছরের একই সময়ের মোট আমদানি ব্যয়ের (৫২,১১৯.০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) তুলনায় ১৫.৫ শতাংশ কম।
- ২০১২-১৩ অর্থবছর থেকে ২০২৩-২৪ অর্থবছর (জুলাই-ফেব্রুয়ারি) পর্যন্ত দেশে আমদানি ক্ষেত্রে চীন শীর্ষে রয়েছে।
- শতকরা ২৮.৪৬ ভাগ আমদানি হয়েছে চীন থেকে।
- দ্বিতীয় ও তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে যথাক্রমে ভারত (১৩.৪২%) ও যুক্তরাষ্ট্র (৪.৫১%)।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১৪০.
২০২৫-২৬ অর্থ বছরের প্রধান রপ্তানি পণ্য কোনটি?
  1. কৃষিজাত পণ্য
  2. হিমায়িত খাদ্য
  3. চামড়া-চামড়াজাত পণ্য
  4. নীট পোশাক
ব্যাখ্যা

২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরের প্রধান রপ্তানি পণ্য-  নীট পোশাক।

• নীট পোশাক :

- ২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরের জুলাই-ডিসেম্বর সময়ের রপ্তানি আয়: ১০,৪৮৮.০৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মোট রপ্তানিতে খাতটির অবদান: ৪৩.৭১%।

• কৃষিজাত পণ্য:
২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরের জুলাই-ডিসেম্বর সময়ের রপ্তানি আয়: ৫৪৫.৪৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
মোট রপ্তানিতে খাতটির অবদান: ২.২৭%

• চামড়া-চামড়াজাত পণ্য ও পাদুকা:
২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরের জুলাই-ডিসেম্বর সময়ের রপ্তানি আয়: ৬০৯.৬৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
মোট রপ্তানিতে খাতটির অবদান: ২.৫৪%

• হিমায়িত ও জীবন্ত মাছ :
২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরের জুলাই-ডিসেম্বর সময়ের রপ্তানি আয়: ২৫৪.৮৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
মোট রপ্তানিতে খাতটির অবদান: ১.০৬%

⇒ ২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরে জুলাই-ডিসেম্বর সময়ের মোট ৮টি পণ্য খাত থেকে রপ্তানি আয়:

- ওভেন পোশাক;
- নীটওয়্যার;
- হোম টেক্সটাইল;
- হিমায়িত ও জীবন্ত মাছ ;
- কৃষিজাত পণ্য ;
- পাট ও পাটজাত দ্রব্য ;
- চামড়া-চামড়াজাত পণ্য ও পাদুকা ;
- প্রকৌশল দ্রব্যাদি ;
→ এই ৮টি খাত থেকে রপ্তানি আয় হয়েছে ২১,৯৩২.৪৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা মোট রপ্তানি আয়ের ৯১.৪০%।

উৎস: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো।

১৪১.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী, একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ -
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. ভারত
  3. চীন
  4. জাপান
ব্যাখ্যা
রপ্তানি আয়:
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ - যুক্তরাষ্ট্র।
- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।
- যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হার ১৫.৮৭%।
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের দ্বিতীয় অবস্থানে আছে জার্মানি।
- জার্মানিতে রপ্তানি হার ১১.২১%।
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের তৃতীয় অবস্থানে আছে যুক্তরাজ্য।
- যুক্তরাজ্যে রপ্তানি হার ১০.৫২%।

• এশিয়া,
- এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে – জাপানে।
- জাপানে রপ্তানি হার ৩.৪০%।

• অঞ্চল,
- অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে - ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহে।
- ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রাষ্ট্র - জার্মানি।
- ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১৪২.
২০২৩–২৪ অর্থবছরে, বাংলাদেশের শেয়ারবাজারে সর্বোচ্চ বিনিয়োগকারী দেশ কোনটি?
  1. যুক্তরাজ্য
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. চীন
  4. জাপান
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

বাংলাদেশের শেয়ারবাজারের বিদেশি বিনিয়োগ:

- বাংলাদেশের শেয়ারবাজারের বিদেশি বিনিয়োগ ১০ দেশনির্ভর।
- এসব দেশের মধ্যে বিনিয়োগের দিক থেকে শীর্ষে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

⇒ বিনিয়োগের দিক থেকে শীর্ষে রয়েছে যথাক্রমে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, সিঙ্গাপুর, লুক্সেমবার্গ, সংযুক্ত আরব আমিরাত বা ইউএই, কানাডা, ব্রিটিশ ভার্জিন আইল্যান্ড, কেম্যান আইল্যান্ডস, মরিশাস ও কুয়েত। যুক্তরাজ্য, সিঙ্গাপুর, লুক্সেমবার্গ, সংযুক্ত আরব আমিরাত বা ইউএই, কানাডা, ব্রিটিশ ভার্জিন আইল্যান্ড, কেম্যান আইল্যান্ডস, মরিশাস ও কুয়েত। 
- ২০২৩–২৪ অর্থবছরে বিভিন্ন কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডে এই ১০ দেশের বিনিয়োগের পরিমাণ ছিল ৮০ কোটি মার্কিন ডলার।
- প্রতি ডলারের বিনিময় মূল্য ১২০ টাকা হিসাবে বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ ৯ হাজার ৬০০ কোটি টাকা।
- বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগ–সংক্রান্ত বাংলাদেশ ব্যাংকের এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

⇒ বিদেশি বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশে দুই ধরনের পোর্টফোলিও বা পত্রকোষ বিনিয়োগ করেন।
- তার একটি শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত বিভিন্ন কোম্পানির শেয়ারে, যা ইকুইটি সিকিউরিটিজ হিসেবে পরিচিত, অন্যটি ডেবট সিকিউরিটিজে। 

উৎস: প্রথম আলো। [link]

১৪৩.
বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি কোন দেশের সাথে?
  1. যুক্তরাজ্য
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. চীন
  4. জার্মানি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি চীনের সাথে।

বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ আগের অর্থবছরের তুলনায় ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ২০ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৭৩৫ কোটি মার্কিন ডলার। এর মধ্যে চীন থেকে বাংলাদেশের আমদানির পরিমাণ ছিল ১ হাজার ৬৬৪ কোটি মার্কিন ডলার এবং রপ্তানি আয় ছিল প্রায় ৭১ কোটি ৫৩ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে দেশটির সঙ্গে সঙ্গে বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল ২১৮০ কোটি ডলার। 

অন্যদিকে,
- যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি দপ্তর (ইউএসটিআর) এর প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, ২০২৪ সালে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক পণ্য বাণিজ্যের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে আনুমানিক ১০.৬ বিলিয়ন ডলার বা ১০৬০ কোটি মার্কিন ডলার।

- এই বাণিজ্যের মধ্যে, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশে রপ্তানি করেছে ২.২ বিলিয়ন ডলারের পণ্য — যা ২০২৩ সালের তুলনায় ১.৫ শতাংশ  কম, অর্থাৎ প্রায় ৩৪ মিলিয়ন ডলার হ্রাস পেয়েছে। বিপরীতে, বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি করেছে ৮.৪ বিলিয়ন ডলারের পণ্য, যা  বছরের তুলনায় ১.১ শতাংশ বা প্রায় ৮৯.৩ মিলিয়ন ডলার বেড়েছে। 

উৎস: The Business Standard[লিংক]। এবং বাংলাদেশ প্রতিদিন [লিংক]

১৪৪.
২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি চা কোন দেশে রপ্তানি করে?
  1. সংযুক্ত আরব আমিরাত
  2. সৌদি আরব
  3. পাকিস্তান 
  4. ওমান
ব্যাখ্যা

চা:
- চা বাংলাদেশের ২য় অর্থকরী ফসল।
- বাংলাদেশের অর্থনীতিতে চা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- বাংলাদেশের মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জে সবচেয়ে বেশি চা উৎপন্ন হয়।
- বাংলাদেশের চায়ের বিশেষ সুনাম থাকায় বিদেশে এর চাহিদা রয়েছে। চা রপ্তানি করে বাংলাদেশ অনেক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে।

⇒ ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি চা রপ্তানি করে সংযুক্ত আরব আমিরাতে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশে প্রথম চা চাষ শুরু হয়েছিল ১৮৪০ সালে চট্টগ্রামের পাইওনিয়ার বাগানে। চট্টগ্রামের পাইওনিয়ার বাগানে প্রথম চা উৎপাদিত হয় ১৮৪৩ সালে। কিন্তু বিভিন্ন কারণে সেখানে চা চাষ বিলম্বিত হয়।
- মালনীছড়া বাংলাদেশের প্রথম বাণিজ্যিক চা বাগান।



উৎস: i) বাংলাদেশ চা বোর্ড ওয়েবসাইট।
ii) কৃষি তথ্য সার্ভিস।

১৪৫.
২০২৩-২৪ অর্থবছরে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে কোন প্রতিষ্ঠান শীর্ষে রয়েছে?
  1. হা-মীম গ্রুপ
  2. মণ্ডল গ্রুপ
  3. অনন্ত গ্রুপ
  4. ইয়াংওয়ান
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

তৈরি পোশাক রপ্তানির শীর্ষ প্রতিষ্ঠান:

- দক্ষিণ কোরিয়ার কোম্পানি ইয়াংওয়ান।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে শীর্ষ গার্মেন্টস প্রতিষ্ঠান ইয়াংওয়ান।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ইয়াংওয়ান ৮০ কোটি ৬৪ লাখ ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি করেছে।
- তৈরি পোশাকের বাইরে ব্যাগ, জুতা ও পোশাকশিল্পের কাঁচামালসহ নানা পণ্য রপ্তানি করে ইয়াংওয়ান।

উল্লেখ্য,
⇒ ২০২৩-২৪ অর্থবছরে তৈরি পোশাক রপ্তানি আয় ৩ হাজার ৬৮৮ কোটি ডলার।
- বাংলাদেশ থেকে তৈরি পোশাক রপ্তানির শীর্ষ স্থানটি বিদেশি উদ্যোক্তার দখলেই আছে।

⇒ পোশাক রপ্তানিতে বর্তমানে শীর্ষ প্রতিষ্ঠান:
- ১ম: ইয়াংওয়ান।
- ২য়: হা-মীম গ্রুপ।
- ৩য়: মণ্ডল গ্রুপ।
- ৪র্থ: অনন্ত গ্রুপ।
- ৫ম: ডিবিএল গ্রুপ।

উৎস: ২ সেপ্টেম্বর ২০২৪, প্রথম আলো।
১৪৬.
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্থলবন্দর কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. যশোর 
  2. ব্রাহ্মণবাড়িয়া 
  3. সিলেট 
  4. লালমনিরহাট
ব্যাখ্যা

বেনাপোল স্থল বন্দর:
- বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্থল বন্দর বেনাপোল স্থল বন্দর।
- বেনাপোল স্থল বন্দর যশোর জেলার শার্শা উপজেলার বেনাপোল সীমান্তে অবস্থিত।
- মোট ৮৬.৬৮ একর এলাকা জুড়ে বিস্তৃত।
- স্থলবন্দরটি ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে পণ্য আমদানি/রপ্তানির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বন্দর হিসেবে কাজ করে।।
- বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যকার গুরুত্বপূর্ণ তল্লাশী ঘাঁটি ও আন্তর্জাতিক স্থলবন্দর হিসেবে পরিচিত।
- দেশের স্থল বাণিজ্যের প্রায় ৯০% এ বন্দরের মাধ্যমে হয়ে থাকে।

⇒ বিভিন্ন স্থলবন্দরের নাম ও অবস্থান:
- বুড়িমারী স্থলবন্দর: পাটগ্রাম, লালমনিরহাট।
- আখাউড়া স্থলবন্দর: আখাউড়া, বাহ্মনবাড়িয়া।
- নাকুগাঁও স্থলবন্দর: নালিতাবাড়ী, শেরপুর।
- তামাবিল স্থলবন্দর: গোয়াইনঘাট সিলেট।
- সোনাহাট স্থলবন্দর: ভুরুঙ্গামারী, কুড়িগ্রাম।
- দর্শনা স্থলবন্দর: দামুরহুদা, চুয়াডাঙ্গা।
- বিলোনিয়া স্থলবন্দর: বিলোনিয়া, ফেনী।
- বিবিরবাজার স্থলবন্দর: কুমিল্লা।

উৎস: বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ।

১৪৭.
বাংলাদেশের সর্বাধিক রফতানিকৃত পণ্য - (অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪)
  1. পাট ও পাটের পণ্য
  2. ঔষধ
  3. সফটওয়্যার
  4. তৈরি পোশাক
ব্যাখ্যা
রপ্তানি আয়:
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে শীর্ষ রপ্তানি খাত নীটওয়্যার।
- এর মধ্যে নীটওয়্যার: ৪৮.৩৫% বা ১৮,৫৯২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ তৈরি পোশাক: ৩৭.১০%।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে নীটওয়‍্যার ও তৈরি পোশাক পণ্যের রপ্তানি আয় ৩২,৮৫৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার যা মোট রপ্তানি আয়ের ৮৫.৪৫%।

অন্যদিকে,
- তৃতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি আয়: পাট ও পাটজাত পণ্য থেকে (১.২৫%)।
- পাটজাত পণ্য থেকে আয় আসে ৪৮২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

উল্লেখ্য,
- 'শিল্পজাত পণ্য'- এর অবদান/রপ্তানির হার; ৯৭.৩৭%।
- প্রাথমিক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয়েছে: 'কৃষিজাত পণ্য' (১.৩৯%)।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি হয়েছে: হিমায়িত খাদ্য' (০.৭১%)।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১৪৮.
বাংলাদেশে প্রাথমিক পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় -
  1. গম
  2. তৈলবীজ
  3. তুলা
  4. চাল
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

আমদানি পরিস্থিতি:

- ২০২৩-২৪ (জুলাই – ফেব্রুয়ারি সময়ে) অর্থবছরে মোট আমদানি ব্যয়ের পরিমাণ ছিল ৪৪,১০৮.০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- এটি পূর্ববর্তী অর্থবছরের একই সময়ের মোট আমদানি ব্যয়ের (৫২,১১৯.০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) তুলনায় ১৫.৫ শতাংশ কম।

⇒ সার্বিক আমদানি পরিস্থিতি (সাময়িক):
ক) প্রধান প্রাথমিক পণ্য
১. তুলা: ২,২৩৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
২. গম: ১,১৪২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৩. তৈলবীজ: ৭২২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৪. অপরিশোধিত পেট্রোলিয়াম: ৬৮১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৫. চাল: ১৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

খ) প্রধান শিল্পজাত পণ্যসমূহ
১. পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী: ৩,২৭১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
২. সার: ২,০৯৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৩. সুতা: ২,০৬৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৪. ভোজ্যতৈল: ১,৪১০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৫. স্টেপল ফাইবার: ৯৫৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৬. ক্লিংকার: ৬২০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

⇒ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- একক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয়: তুলা।
- শিল্পজাত পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয়: পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী।
- প্রাথমিক পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয়: তুলা।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১৪৯.
২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের রেমিট্যান্স প্রাপ্তি পূর্ববর্তী অর্থবছরের তুলনায় কত শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে?
  1. প্রায় ১৫%
  2. প্রায় ২৭%
  3. প্রায় ৩৭%
  4. প্রায় ৪৪%
ব্যাখ্যা

রেমিট্যান্স প্রাপ্তি:
- বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে প্রবাসী বাংলাদেশিরা রেমিট্যান্স হিসেবে ৩০.৩৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার পাঠিয়েছেন, যা দেশের ইতিহাসে এক অর্থবছরে সর্বোচ্চ পরিমাণ রেমিট্যান্স।
- এটি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের ২৩.৯১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের তুলনায় ২৬.৮০ শতাংশ বা প্রায় ২৭ শতাংশ বেশি।
- এছাড়া এটি পূর্ববর্তী রেকর্ড  ২০২০-২১ অর্থবছরের ২৪.৭৭ বিলিয়ন ডলারকেও ছাড়িয়ে গেছে।

উৎস: বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা।

১৫০.
বাংলাদেশ সর্বাধিক পরিমাণ অর্থের পণ্য আমদানি করে কোন দেশ থেকে? [জানুয়ারি,২০২৬]
  1. জাপান
  2. ভুটান
  3. চীন
  4. ভারত
ব্যাখ্যা

দেশভিত্তিক আমদানির চিত্র:
- বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান বিভাগের তথ্য মতে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশের আমদানির ৫টি দেশভিত্তিক চিত্র নিম্নরূপ:
- চীন: ২০৫২২(৩০.০২%);
- ভারত ৯৬৯৩( ১৪.১৮%);
- যুক্তরাষ্ট্র: ২৫০৬ (৩.৬৭%);
- সিঙ্গাপুর: ২২৬৮( ৩.৩২%) ;
- জাপান ১৯৬৮ (২.৮৮%) ;

উল্লেখ্য
- একক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় – তুলা।
- শিল্পজাত পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় – পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী।
- প্রাথমিক পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় – তুলা, দ্বিতীয় সর্বোচ্চ – গম।
 
উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ড।

১৫১.
বাংলাদেশের অভিবাসী নারী শ্রমিকদের সর্বাধিক গন্তব্যস্থল -
  1. সৌদি আরব
  2. কুয়েত
  3. ওমান
  4. জর্দান
ব্যাখ্যা
[এটি পরিবর্তনশীল তথ্য। পরিবর্তনশীল তথ্যগুলো অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য থেকে দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

বাংলাদেশের অভিবাসী নারী শ্রমিকদের সর্বাধিক গন্তব্যস্থল:

- বাংলাদেশ জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) তথ্য মতে, বাংলাদেশের অভিবাসী নারী শ্রমিকদের সবচেয়ে বড় গন্তব্যস্থল মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো।
- এর মধ্যে অভিবাসী নারী শ্রমিকরা সবচেয়ে বেশি যান সৌদি আরবে।
- মোট নারী অভিবাসীর ৬৬ শতাংশের গন্তব্য হলো সৌদি আরব।

এছাড়াও,
- বাংলাদেশ থেকে ২০২৪ সালে মোট ১০ লাখ ১১ হাজার ৮৫৬ জন কর্মী বিদেশে গেছেন, যা বার্ষিক হিসাবে দেশের ইতিহাসে তৃতীয় সর্বোচ্চ।
- ২০২৪ সালে দেশে আসা রেমিট্যান্সের পরিমাণও রেকর্ড ২৬ দশমিক ৮৮ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।
- বাংলাদেশ জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) তথ্য থেকে এসব জানা গেছে।
- তথ্য মতে, টানা তিন বছর ১০ লাখের বেশি করে কর্মী বিদেশে পাঠিয়ে রেকর্ড অর্জন করেছে বাংলাদেশের বৈদেশিক কর্মসংস্থান খাত।
- ২০২৪ সালে সৌদি আরব সর্বোচ্চ ৬ লাখ ২৮ হাজার বাংলাদেশি কর্মী নিয়েছে, যা একক বছরে কোনো দেশের জন্য সর্বোচ্চ সংখ্যা।
 ২০২৪ সালে ৯০ শতাংশ কর্মী গেছেন মাত্র ছয়টি দেশে।
- এগুলো হচ্ছে- সৌদি আরব, মালয়েশিয়া, কাতার, সিঙ্গাপুর, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও জর্ডান।



উৎস: BMET ওয়েবসাইট। [link]
১৫২.
একক দেশ হিসেবে বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের বৃহত্তম বাজার কোনটি?
  1. জার্মানি
  2. চীন
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. জাপান
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের বৃহত্তম বাজার:
- একক দেশ হিসেবে বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের বৃহত্তম বাজার যুক্তরাষ্ট্র।

⇒ বিশ্বের বৃহৎ ভোক্তার বাজার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে সুবিধাজনক অবস্থায় রয়েছে।
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশটিতে ৮৭৬ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে বাংলাদেশ। তার বিপরীতে আমদানি করেছে ২৫০ কোটি ডলারের পণ্য।
- সেই হিসাবে দেশটির সঙ্গে বাংলাদেশের উদ্বৃত্ত বাণিজ্য ৬২৬ কোটি ডলার।

⇒ জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের হিসাবে, ২০২৪–২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে ২০১টি দেশ ও অঞ্চলে মোট ৪ হাজার ৬৫৭ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে।
- এই রপ্তানির প্রায় ১৯ শতাংশের গন্তব্য ছিল যুক্তরাষ্ট্র। এর মধ্যে তৈরি পোশাক রপ্তানি হয় ৭৫৮ কোটি ৫০ লাখ ডলারের। তৈরি পোশাক ছাড়া অন্যান্য পণ্য রপ্তানি হয়েছে ১১৭ কোটি ৪৭ লাখ ডলারের। 

উল্লেখ্য,
- যুক্তরাষ্ট্রের পর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি বেড়েছে জার্মানিতে। জার্মানিতে ২০২৪–২৫ অর্থবছরে রপ্তানি আয় ৫৩২ কোটি ডলার।
- তৃতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি নেদারল্যান্ডসে। রপ্তানি আয় ২৩৬ কোটি ডলার।
- যুক্তরাষ্ট্র ছাড়াও বাকি ১১টি দেশ হলো জার্মানি, যুক্তরাজ্য, স্পেন, ফ্রান্স, নেদারল্যান্ডস, হলান্ড, ভারত, ইতালি, কানাডা, জাপান ও ডেনমার্ক।





উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ওয়েবসাইট।

১৫৩.
বিশ্বের কয়টি দেশে বাংলাদেশ মাছ রপ্তানি করে? [ডিসেম্বর, ২০২৪]
  1. ৪৪টি
  2. ৫২টি
  3. ৬১টি
  4. ৬৭টি
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

বিশ্বের মাছ রপ্তানী:

- পৃথিবীর ৫২টি দেশে বাংলাদেশ মাছ রপ্তানি করে।

⇒ ২০২২-'২৩ অর্থবছরে মৎস্য উৎপাদন হয়েছে ৪৯.১৫ লাখ মে. টন।
- বর্তমানে মৎস্য সেক্টরে ১৪ লক্ষ নারীসহ প্রায় ১ কোটি ৯৫ লক্ষ মানুষ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জীবিকা নির্বাহ করছে।
- ২০২২-'২৩ অর্থবছরে জিডিপিতে মৎস্য খাতের অবদান ২.৫৩%, কৃষিজ জিডিপিতে মৎস্য খাতের অবদান ২২.২৬% এবং জিডিপির প্রবৃদ্ধির হার ২.৮১%।
- মাছ ইলিশের উৎপাদন একক প্রজাতি হিসেবে মোট মৎস্য উৎপাদনের প্রায় ১২%।
- এছাড়া বিশ্বে ইলিশ উৎপাদনকারী ১১টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ প্রথম।
- জিডিপিতে ইলিশের অবদান শতকরা ১% এর বেশি।
- বর্তমানে দেশের চাহিদা মিটিয়ে মৎস্য ও মৎস্যজাত পণ্য পৃথিবীর ৫২টি'র অধিক দেশে রপ্তানি করছে।
- সম্প্রতি জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) দ্য স্টেট অব ওয়ার্ল্ড ফিশারিজ অ্যান্ড অ্যাকোয়াকালচার-২০২৪ এর প্রতিবেদন অনুযায়ী মিঠা পানির মাছ আহরণে বাংলাদেশ চীনকে টপকে বিশ্বে ২য় অবস্থানে উঠে এসেছে।

উৎস: i) মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়। [link]
ii) প্রথম আলো।
১৫৪.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ এর রিপোর্ট অনুযায়ী ইউরোপের কোন দেশে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে?
  1. অষ্ট্রিয়া
  2. ক্রোয়েশিয়া
  3. জার্মানি
  4. বেলারুশ
ব্যাখ্যা
রপ্তানি আয়:

⇒ একক দেশ হিসেবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে: যুক্তরাষ্ট্রে।
- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য: তৈরি পোশাক।
- রপ্তানি হার ১৫.৮৭%।

⇒ একক দেশ হিসেবে বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্যের দ্বিতীয় অবস্থানে আছে: জার্মানি।
- রপ্তানি হার: ১১.২১%।

⇒ একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের তৃতীয় অবস্থানে আছে: যুক্তরাজ্য।
- রপ্তানি হার: ১০.৫২%।

• এশিয়া,
- এশিয়ার দেশ হিসেবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে: জাপানে।
- রপ্তানি হার: ৩.৪০%।

• অঞ্চল,
- অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে: ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহে।
- ইউরোপে বাংলাদেশের শীর্ষ ক্রেতা রাষ্ট্র: জার্মানি।
- প্রধান রপ্তানি পণ্য: তৈরি পোশাক।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১৫৫.
বাংলাদেশে আমদানিকৃত প্রাথমিক পণ্য কোনটি?
  1. ভোজ্যতৈল
  2. ক্লিংকার
  3. সার
  4. তৈলবীজ
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশে আমদানিকৃত প্রধান প্রাথমিক পণ্য:
১. তুলা: ২,২৩৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
২. গম: ১,১৪২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৩. তৈলবীজ: ৭২২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৪. অপরিশোধিত পেট্রোলিয়াম: ৬৮১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৫. চাল: ১৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

• বাংলাদেশে আমদানিকৃত প্রধান শিল্পজাত পণ্যসমূহ:
১. পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী: ৩,২৭১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
২. সার: ২,০৯৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৩. সুতা: ২,০৬৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৪. ভোজ্যতৈল: ১,৪১০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৫. স্টেপল ফাইবার: ৯৫৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৬. ক্লিংকার: ৬২০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১৫৬.
বাংলাদেশের প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্য বেশি রপ্তানি হয় কোন দেশে? [জানুয়ারি, ২০২৬]
  1. সংযুক্ত আরব আমিরাত
  2. সৌদি আরব
  3. ওমান
  4. বাহরাইন
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্য বেশি রপ্তানি হয় সংযুক্ত আরব আমিরাত।
• বাংলাদেশ বর্তমানে বিশ্বের ১৪৫টি দেশে ১৭২ ধরনের কৃষি ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্য রপ্তানি করে।
- এর মধ্যে ১০৬টি দেশে প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্য রপ্তানি হয়।
- এ খাতের প্রধান পাঁচ রপ্তানি পণ্যের বাজার হলো সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই), সৌদি আরব, ভারত, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র।
- এই পাঁচ দেশেই মোট রপ্তানির প্রায় ৬০ শতাংশ যায়।
- সর্বোচ্চ প্রায় ৯৩ মিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয় ইউএইতে।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা।

১৫৭.
আমদানি-রপ্তানির পরিমাণ অনুযায়ী, এশিয়ার কোন দেশের সাথে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বাণিজ্য ঘাটতি রয়েছে? [ডিসেম্বর, ২০২৫]
  1. ভারত
  2. জাপান
  3. চীন
  4. পাকিস্তান
ব্যাখ্যা

বাণিজ্য ঘাটতি:
- এশিয়া মহাদেশে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে চীনের সাথে বাংলাদেশের সর্বাধিক ঘাটতি রয়েছে।
- চীন থেকে গত অর্থবছরে (২০২৪-২৫) পণ্য আমদানি হয়েছে ২ হাজার ৬১ কোটি ডলারের। 
- এর বিপরীতে বাংলাদেশ রপ্তানি করেছে ৭৪ কোটি ডলারের পণ্য।
- তাতে দেশটির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে বাংলাদেশের ঘাটতি ১ হাজার ৯৮৭ কোটি ডলারের।
- চীনের পরেই বড় ঘাটতি ভারতের সঙ্গে।
- গত অর্থবছরে দেশটি থেকে আমদানি হয়েছে ৯৬৮ কোটি ডলার পণ্য।
- রপ্তানি হয়েছে ১৮২ কোটি ডলারের পণ্য। তাতে বছর শেষে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে বাংলাদেশের ঘাটতি ৭৮৬ কোটি ডলারের।

তথ্যসূত্র- প্রথম আলো। [link]

১৫৮.
বাংলাদেশ প্রথম পোশাক রপ্তানি করে কোন দেশে?
  1. জার্মানি
  2. ফ্রান্স
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশ প্রথম পোশাক রপ্তানি করে ফ্রান্সে।

বাংলাদেশের প্রথম তৈরি পোশাক রপ্তানিকারক:

- বাংলাদেশের সবচেয়ে সফল শিল্প খাত হচ্ছে তৈরি পোশাক।
- বর্তমানে মোট রপ্তানির ৮০ শতাংশের বেশি এই খাতটি থেকেই আসে।
- ১৯৭৮ সালের ২৮ জুলাই রিয়াজউদ্দিন ফরাসি ক্রেতা হল্যান্ডার ফ্রঁসের কাছে দশ হাজার শার্ট রপ্তানি করেন।
- স্বাধীনতার পর রিয়াজউদ্দিন ব্যবসা শুরু করেন, ১৯৭৩ সালে তিনি এর নাম দেন রিয়াজ গার্মেন্টস লিমিটেড এবং স্বাধীন বাংলার প্রথম তৈরি পোশাক কারখানা হিসেবে স্বীকৃতি পান।
- ২৮ জুলাই, ১৯৭৮ সালে রিয়াজউদ্দিন ১০ হাজার রিয়াজ শার্ট ফরাসি ক্রেতা হলান্ডার ফ্রঁসের কাছে রপ্তানী করেন।
- শার্টের ওই চালানের ফরাসী মুদ্রায় দাম ছিল ১৩ মিলিয়ন ফ্রা, বাংলাদেশী টাকায় যা ছিল ৪ লাখ ২৭হাজার টাকা।
- সেটিই ছিল বাংলাদেশ থেকে প্রথম পোশাক রপ্তানি।
- ১৯৯৮ সালে গাজীপুরের বোর্ডবাজারে তৈরি হয় পাঁচ হাজার শার্ট তৈরির ক্ষমতাসম্পন্ন রিয়াজ এক্সপোর্ট অ্যাপারেল।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো ও বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।

১৫৯.
২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশে কোন দেশ থেকে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স আসে?
  1. সৌদি আরব
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. সংযুক্ত আরব আমিরাত
  4. বাহরাইন 
ব্যাখ্যা

২০২৪-২৫ অর্থবছরে রেমিট্যান্স প্রাপ্তি:
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশে সব মিলিয়ে প্রায় ৩০.৩৩ বিলিয়ন ডলারের প্রবাসী আয় এসেছে।
- এই আয় ২০২৩-২৪ অর্থবছরের ২৩.৯১ বিলিয়ন ডলারের চেয়ে ৬.৪২ বিলিয়ন ডলার বা ২৬.৮ শতাংশ বেশি।
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স আসে।

⇒  রেমিট্যান্স প্রেরণে শীর্ষ দেশ:
১. যুক্তরাষ্ট্র, 
২. সৌদি আরব, 
৩. সংযুক্ত আরব আমিরাত, 
৪. যুক্তরাজ্য, 
৫. মালয়েশিয়া। 

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট। [link]

১৬০.
বাংলাদেশের প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্য সর্বাধিক কোন দেশে রপ্তানি করা হয়? (মার্চ-২০২৬)
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. যুক্তরাজ্য 
  3. সংযুক্ত আরব আমিরাত
  4. সৌদি আরব
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্য সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয় সংযুক্ত আরব আমিরাতে। 

• কৃষিপণ্য রপ্তানি বাজার: 
- বর্তমানে বাংলাদেশে প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্যের স্থানীয় বাজারের আকার প্রায় ৪.৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। 
- সর্বশেষ ২০২৪–২৫ অর্থবছরে দেশ থেকে ১ বিলিয়ন বা ১০০ কোাটি মার্কিন ডলারের কৃষিজাত পণ্য রপ্তানি হয়েছে।
 - বর্তমানে ১৪৫টি দেশে সুগন্ধি চাল, ফল, সবজি, মাছ, মাংসের পাশাপাশি বিস্কুট, চানাচুর, নুডলস, জুস, মসলাসহ প্রায় ১৭২ ধরনের কৃষি ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্য রপ্তানি হচ্ছে।
- বাংলাদেশ বর্তমানে বিশ্বের ১৪৫টি দেশে ১৭২ ধরনের কৃষি ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্য রপ্তানি করে। 
- এর মধ্যে ১০৬টি দেশে প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্য রপ্তানি হয়। 
- এ খাতের প্রধান পাঁচ রপ্তানি পণ্যের বাজার হলো: 
১. সংযুক্ত আরব আমিরাত (UAE)
২. সৌদি আরব
৩. ভারত
৪. যুক্তরাজ্য
৫. যুক্তরাষ্ট্র

- এই পাঁচ দেশেই মোট রপ্তানির প্রায় ৬০ শতাংশ যায়। সর্বোচ্চ প্রায় ৯৩ মিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয় ইউএইতে।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো ও ফিনানশিয়াল এক্সপ্রেস।

১৬১.
কোন দেশের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতি সবচেয়ে বেশি?
  1. ভারত
  2. চীন
  3. যুক্তরাজ্য
  4. যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি চীনের সাথে।

⇒ বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ (২০২৪-২৫ অর্থবছর) ২
- চীন থেকে বাংলাদেশের আমদানির পরিমাণ ছিল ১ হাজার ৬৬৪ কোটি মার্কিন ডলার এবং রপ্তানি আয় ছিল প্রায় ৭১ কোটি ৫৩ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার। 

• চীন থেকে আমদানি ও রপ্তানির ভিত্তিতে বাণিজ্য ঘাটতি = (আমদানি – রপ্তানি)

আমদানি: ১,৬৬৪ কোটি মার্কিন ডলার।
রপ্তানি: ৭১ কোটি ৫৩ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার (অর্থাৎ ৭১.৫৩৮ কোটি ডলার)
গণনা:
১,৬৬৪ − ৭১.৫৩৮ = ১,৫৯২.৪৬২ কোটি মার্কিন ডলার (প্রায়)

• বাংলাদেশের চীনের সাথে বাণিজ্য ঘাটতি = ১,৫৯২.৪৬ কোটি মার্কিন ডলার।

অন্যদিকে,
- যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি দপ্তর (ইউএসটিআর) এর প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, ২০২৪ সালে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক পণ্য বাণিজ্যের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে আনুমানিক ১০.৬ বিলিয়ন ডলার বা ১০৬০ কোটি মার্কিন ডলার।

- এই বাণিজ্যের মধ্যে, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশে রপ্তানি করেছে ২.২ বিলিয়ন ডলারের পণ্য — যা ২০২৩ সালের তুলনায় ১.৫ শতাংশ  কম, অর্থাৎ প্রায় ৩৪ মিলিয়ন ডলার হ্রাস পেয়েছে। বিপরীতে, বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি করেছে ৮.৪ বিলিয়ন ডলারের পণ্য, যা  বছরের তুলনায় ১.১ শতাংশ বা প্রায় ৮৯.৩ মিলিয়ন ডলার বেড়েছে। 

উৎস: The Business Standard[লিংক]। এবং বাংলাদেশ প্রতিদিন [লিংক]

১৬২.
বাংলাদেশের চামড়াজাত পণ্যের বড় বাজার- [আগস্ট,২০২৫]
  1. চীন
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. ভারত
  4. জার্মানি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্য:
​- দেশের প্রধান রপ্তানি খাত পোশাক শিল্প।
​- দ্বিতীয় প্রধান রপ্তানি খাত চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য খাত।
​- গত জুলাই মাসে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য থেকে ১২ কোটি ৭৪ লাখ ডলার রপ্তানি আয় এসেছে।
​- গত বছরের একই মাসে যা ছিল ৯ কোটি ৮২ লাখ ডলারের।
​- এ খাতের রপ্তানি আয়ে প্রবৃদ্ধি হয়েছে সাড়ে ২৯ শতাংশ।
​- বাংলাদেশের চামড়াজাত পণ্যের বড় বাজার যুক্তরাষ্ট্র।

​উৎস: প্রথম আলো।

১৬৩.
ভ্যাট (VAT) প্রথম কোন দেশে চালু হয়েছিল? 
  1. ফ্রান্স
  2. জার্মানি
  3. আর্জেন্টিনা
  4. জাপান
ব্যাখ্যা

• মূল্য সংযোজন কর:
- মূল্য সংযোজন কর (Value Added Tax) সংক্ষেপে ভ্যাট (VAT) নামে পরিচিত।
- এতে ব্যবসায়ীরা নিট অংশটুকু কর কর্তৃপক্ষের নিকট প্রদান করে।
- বর্তমানে ভ্যাট হলো বাংলাদেশ সরকারের সবচেয়ে বড় রাজস্ব উৎস।
- ভ্যাট (Value Added Tax বা VAT) প্রথম চালু হয়েছিল ফ্রান্সে। এটি ১৯৫৪ সালে ফ্রান্সে প্রবর্তিত হয়।আধুনিক ভ্যাট সিস্টেমের উদ্ভাবক ফরাসি কর কর্মকর্তা মরিস লরে (Maurice Lauré)।
উল্লেখ্য, VAT ধারণাটি প্রথম প্রস্তাব করেন জার্মান শিল্পপতি উইলহেল্ম ফন সিমেন্স ১৯১৮ সালে।
- বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো VAT ব্যবস্থা প্রবর্তিত হয় ১৯৯১ সালের ১ জুলাই। 

উৎস: National Board of Revenue (NBR) Official Website.

১৬৪.
২০২২-২৩ অর্থবছরে বাংলাদেশ কোন দেশ থেকে পণ্য রপ্তানি বাবদ সবচেয়ে বেশি আয় করেছে?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. যুক্তরাজ্য
  3. জার্মানী
  4. স্পেন
ব্যাখ্যা
➝ ২০২২-২৩ অর্থবছরে বাংলাদেশ পণ্য রপ্তানি বাবদ সবচেয়ে বেশি আয় করেছে ⎯ যুক্তরাষ্ট্র থেকে।
➝ যুক্তরাষ্ট্র থেকে রপ্তানি আয়ের পরিমাণ ছিলো ⎯ ৬৪৩৯.৭৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

◉ বাংলাদেশের রপ্তানি পরিস্থিতি [২০২২-২৩ অর্থবছর]:
➝ মোট পণ্য রপ্তানির পরিমাণ (FOB) ⎯ ৩৭,০৭৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। [প্রবৃদ্ধি ⎯ ৯.৫৬%]
➝ তৈরি পোশাক [নীট ওয়্যার ও তৈরি পোশাক (ওভেন)] থেকে আয় ⎯ ৩১,৩৬২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
➝ ২০২২-২৩ অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয়ের মোট ⎯ ৮৪.৫৮% এসেছে 'তৈরি পোশাক খাত' থেকে।
➝ একক পণ্য হিসাবে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করা হয় ⎯ নীট ওয়্যার; পরিমাণ ⎯ ১৭,০৬০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার; রপ্তানি আয়ের ⎯ ৪৬.০১%।

◉ দেশভিত্তিক রপ্তানি আয়:
➝ অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে ⎯ ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোতে।
➝ একক দেশ হিসাবে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে ⎯ যুক্তরাষ্ট্রে এবং এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে ⎯ জাপানে।

নিম্নে দেশভিত্তিক রপ্তানি আয়ের পরিমাণ দেওয়া হলো ⎯
১. শীর্ষ দেশ ⎯ যুক্তরাষ্ট্র,
- রপ্তানির পরিমাণ ⎯ ৬৪৩৯.৭৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার,
- রপ্তানির হার ⎯ ১৭.৩৭%।
২. দ্বিতীয় দেশ ⎯ জার্মানি,
- রপ্তানির পরিমাণ ⎯ ৪৯০৬.১৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার,
- রপ্তানির হার ⎯ ১৩.২৩%।
৩. তৃতীয় দেশ ⎯ যুক্তরাজ্য,
- রপ্তানির পরিমাণ ⎯ ৩৫৪৭.৫৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার,
- রপ্তানির হার ⎯ ৯.৫৭%।
৪. বিশ্বে সপ্তম ও এশিয়ার মধ্যে শীর্ষ দেশ ⎯ জাপান,
- রপ্তানির পরিমাণ ⎯ ১২৮৫.৭১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার,
- রপ্তানির হার ⎯ ৩.৪৭%।
 
উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ⎯ ২০২৩ ও রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো।
১৬৫.
তৈরি পোষাক রপ্তানিতে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান কত?
  1. প্রথম
  2. দ্বিতীয়
  3. তৃতীয়
  4. চতুর্থ
ব্যাখ্যা
বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডাব্লিউটিও) ‘ওয়ার্ল্ড ট্রেড স্ট্যাটিসটিকস ২০২৩ : কি ইনসাইটস অ্যান্ড ট্রেন্ডস’ শীর্ষক প্রতিবেদন:
- বরাবরের মতোই শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে চীন। বর্তমানে তাদের বাজার হিস্যা ৩১.৬৪ শতাংশ।
- একক দেশ হিসেবে গত বছরও তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বিশ্বে দ্বিতীয় শীর্ষ অবস্থান ধরে রেখেছে বাংলাদেশ।
- গত বছর বাংলাদেশ তিন হাজার ৮০০ কোটি বা ৩৮ বিলিয়ন ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি করেছে।
- বিশ্বের তৈরি পোশাকের বাজারে বাংলাদেশের হিস্যা ছিল ৭.৩৮ শতাংশ।
- ২০২২ সালে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানির পরিমাণ ছিল ৪৫ বিলিয়ন বা সাড়ে চার হাজার কোটি ডলার।
- ভিয়েতনাম বাংলাদেশের চেয়ে ৭০০ কোটি ডলার কম মূল্যের তৈরি পোশাক রপ্তানি করে তৃতীয় স্থানে রয়েছে।

উৎস: বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার ওয়েবসাইট।
১৬৬.
বর্তমানে বিশ্বের কয়টি দেশে কৃষি ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্য রপ্তানি হচ্ছে? [মার্চ, ২০২৬]
  1. ১৩৩টি
  2. ১৪৫টি
  3. ১৪৯টি
  4. ১৫২টি
ব্যাখ্যা

কৃষি ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্য রপ্তানি:
- প্রবাসী আয় ও তৈরি পোশাকের পর কৃষি ও কৃষিজাত পণ্য বৈদেশিক মুদ্রা আয়ে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখে। 
- ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে অকৃষি খাতে রপ্তানি কমেছে ১০.৩০ শতাংশ।
- রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথমার্ধে কৃষিপণ্য রফতানি করে বাংলাদেশ আয় করেছে ৫৩ কোটি ৪১ লাখ ডলার। এর আগের অর্থবছরের একই সময়ে এ আয় ছিল ৫৯ কোটি ৫৫ লাখ ডলার। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে কৃষি খাতে রফতানি আয় কমেছে ৬ কোটি ডলারের বেশি। এ সময়ে দেশের সার্বিক রফতানি আয় ২ দশমিক ১৯ শতাংশ কমলেও কৃষিতে এর হার ১০ দশমিক ৩০ শতাংশ।

• বাংলাদেশ বর্তমানে বিশ্বের ১৪৫টি দেশে ১৭২ ধরনের কৃষি ও কৃষিজাত পণ্য রফতানি করে। এর মধ্যে ১০৬টি দেশে প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্য পাঠানো হয়।
- এ খাতের প্রধান পাঁচ রফতানি পণ্যের গন্তব্য হলো সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই), সৌদি আরব, ভারত, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র। এই পাঁচ দেশেই মোট রপ্তানির প্রায় ৬০ শতাংশ যায়।
- বর্তমানে ১৪৫টি দেশে সুগন্ধি চাল, ফল, সবজি, মাছ, মাংসের পাশাপাশি বিস্কুট, চানাচুর, নুডলস, জুস, মসলাসহ প্রায় ১৭২ ধরনের কৃষি ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্য রপ্তানি হচ্ছে।

উৎস: i) প্রথম আলো। [link]
ii) বণিক বার্তা।

১৬৭.
নিচের কোনটিকে বাংলাদেশের 'হোয়াইট গোল্ড' বলা হয়?
  1. চিংড়ি
  2. চা
  3. তামাক
  4. ইলিশ
ব্যাখ্যা
হোয়াইট গোল্ড:
- বাংলাদেশ বিদেশে চিংড়ি রপ্তানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে।
- তাই চিংড়িকে 'সাদা সোনা' বা 'হোয়াইট গোল্ড' বলা হয়।
- বাংলাদেশে বর্তমানে বিশ্বের মোট চিংড়ির একটা উল্লেখযোগ্য অংশ উত্পাদিত হচ্ছে, তবে বছরভেদে এর পরিমান ওঠানামা করে।
- ২০২১-২২ অর্থবছরে ৪১ কোটি ডলারের চিংড়ি রপ্তানি হয়।
- প্রবৃদ্ধি দাড়ায় ২৩.৮৪ শতাংশ।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া, দৈনিক প্রথম আলো, ১৬ আগস্ট ২০২৩ ও ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৩।
১৬৮.
বাংলাদেশের 'হোয়াইট গোল্ড' হিসেবে পরিচিত কোনটি?
  1. চিংড়ি
  2. কৃত্রিম মুক্তা
  3. রাবার
  4. ইলিশ
ব্যাখ্যা
হোয়াইট গোল্ড:
- বাংলাদেশ বিদেশে চিংড়ি রপ্তানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে।
- তাই চিংড়িকে 'সাদা সোনা' বা 'হোয়াইট গোল্ড' বলা হয়।
- বাংলাদেশে বর্তমানে বিশ্বের মোট চিংড়ির একটা উল্লেখযোগ্য অংশ উত্পাদিত হচ্ছে, তবে বছরভেদে এর পরিমান ওঠানামা করে।
- ২০২১-২২ অর্থবছরে ৪১ কোটি ডলারের চিংড়ি রপ্তানি হয়।
- প্রবৃদ্ধি দাড়ায় ২৩.৮৪ শতাংশ।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া, দৈনিক প্রথম আলো, ১৬ আগস্ট ২০২৩ ও ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৩।
১৬৯.
বাংলাদেশের পোশাক সর্বাধিক কোন দেশে রপ্তানী করা হয়?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. যুক্তরাজ্য
  3. ফ্রান্স
  4. জার্মানি
ব্যাখ্যা
❐ বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের প্রধান রপ্তানি গন্তব্য হলো যুক্তরাষ্ট্র।

বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি:
- দেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাকের সবচেয়ে বড় বাজার যুক্তরাষ্ট্র।
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের হিসাবে, ২০২৪–২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে ২০১টি দেশ ও অঞ্চলে মোট ৪ হাজার ৬৫৭ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে। এই রপ্তানির প্রায় ১৯ শতাংশের গন্তব্য ছিল যুক্তরাষ্ট্র। এর মধ্যে তৈরি পোশাক রপ্তানি হয় ৭৫৮ কোটি ৫০ লাখ ডলারের। 

উল্লেখ্য,
⇒ ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ তৈরি পোশাক (আরএমজি) রপ্তানি খাতে ৮.৮৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। এ সময়ে রপ্তানি আয় হয়েছে ৩৯.৩৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার

⇒ বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) প্রকাশিত দেশের তৈরি পোশাকের দেশ ভিত্তিক রপ্তানি হিসাব অনুযায়ী, ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) এ খাতের সবচেয়ে বড় বাজার হিসেবে অবস্থান করছে। ইউরোপীয় বাজারে বাংলাদেশের আরএমজি রপ্তানি হয়েছে ১৯.৭১ বিলিয়ন ডলার যা দেশে মোট আরএমজি রপ্তানির ৫০.১০ শতাংশ।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হয়েছে ৭.৫৪ বিলিয়ন ডলার (১৯.১৮ শতাংশ)।
- কানাডা ও যুক্তরাজ্যে রপ্তানি হয়েছে যথাক্রমে ১.৩০ বিলিয়ন ডলার (৩.৩১ শতাংশ) এবং ৪.৩৫ বিলিয়ন ডলার (১১.০৫ শতাংশ)।

⇒ ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ইউরোপীয় ইউনিয়নে ৯.১০ শতাংশ, যুক্তরাষ্ট্রে ১৩.৭৯ শতাংশ এবং কানাডায় ১২.০৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। যুক্তরাজ্যে রপ্তানিতে ৩.৬৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে।
- ইউরোপের মধ্যে জার্মানি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাজার, যেখানে রপ্তানি হয়েছে ৪.৯৫ বিলিয়ন ডলার। এরপর রয়েছে স্পেন (৩.৪০ বিলিয়ন ডলার), ফ্রান্স (২.১৬ বিলিয়ন ডলার), নেদারল্যান্ডস (২.০৯ বিলিয়ন ডলার), পোল্যান্ড (১.৭০ বিলিয়ন ডলার), ইতালি (১.৫৪ বিলিয়ন ডলার) এবং ডেনমার্ক (১.০৪ বিলিয়ন ডলার)।

এছাড়াও,
- বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) ‘ওয়ার্ল্ড ট্রেড স্ট্যাটিসটিকস: কি ইনসাইটস অ্যান্ড ট্রেন্ডস ইন ২০২৪’ শীর্ষক প্রতিবেদন অনুসারে, চীনের পর বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম পোশাক রপ্তানিকারক দেশ হিসেবে নিজের অবস্থান ধরে রেখেছে বাংলাদেশ।

উৎস: i) বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)।
ii) রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো ওয়েবসাইট।
iii) প্রথম আলো।
১৭০.
একক দেশ হিসেবে বিশ্ববাজারে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশের অবস্থান-  [নভেম্বর,২০২৫]
  1. চতুর্থ
  2. প্রথম 
  3. তৃতীয়
  4. দ্বিতীয়
ব্যাখ্যা

পোশাক রপ্তানি:
- একক দেশ হিসেবে বিশ্ববাজারে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে দ্বিতীয় বাংলাদেশ।
- বাজার হিস্যা দশমিক ৪৮ শতাংশীয় পয়েন্ট কমে গেছে।
- বাংলাদেশের পর তৃতীয় অবস্থানে আছে ভিয়েতনাম।
- আর শীর্ষ অবস্থানে আছে বরাবরের মতো চীন।
- তাদের বাজার হিস্যা ২ শতাংশীয় পয়েন্ট কমে গেছে।

উৎস: আমদানি রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো এবং প্রথম আলো।

১৭১.
২০২৪-২৫ অর্থ-বছরে বাংলাদেশ কোন পণ্য রপ্তানি করে সবচেয়ে বেশি আয় করেছে?
  1. হোম টেক্সটাইল 
  2. নীট পোষাক
  3. ওভেন পোষাক
  4. চামড়া-চামড়াজাত পণ্য ও পাদুকা
ব্যাখ্যা

(ক) নীট পোশাক:
- ২০২৪–২০২৫ অর্থবছরের জুলাই–জুন সময়ে নীট পোশাক খাত থেকে রপ্তানি আয় হয়েছে ২১,১৫৯.০৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। যা বিগত অর্থবছরের একই সময়ের ১৯,২৮২.১৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার আয়ের তুলনায় ৯.৭৩ শতাংশ বেশি। উক্ত সময়ে দেশের মোট রপ্তানি আয়ে এ খাতের অবদান ছিল ৪৩.৮২ শতাংশ।

(খ) ওভেন পোশাক:
- ২০২৪–২০২৫ অর্থবছরের জুলাই–জুন সময়ে ওভেন পোশাক খাতে রপ্তানি আয় দাঁড়িয়েছে ১৮,১৮৭.৮৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের ১৬,৮৬৯.১৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার আয়ের তুলনায় ৭.৮২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। উক্ত সময়ে মোট রপ্তানিতে এ খাতের অবদান ছিল ৩৭.৬৭ শতাংশ।

(গ) হোম টেক্সটাইল:
- ২০২৪–২০২৫ অর্থবছরের জুলাই–জুন সময়ে হোম টেক্সটাইল খাত থেকে রপ্তানি আয় হয়েছে ৮৭১.৫৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। যা পূর্ববর্তী অর্থবছরের একই সময়ের ৮৫১.০১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার আয়ের তুলনায় ২.৪২ শতাংশ বেশি। উক্ত সময়ে মোট রপ্তানি আয়ে এ খাতের অবদান ছিল ১.৮১ শতাংশ।

(ঘ) চামড়া, চামড়াজাত পণ্য ও পাদুকা :
- ২০২৪–২০২৫ অর্থবছরের জুলাই–জুন সময়ে চামড়া, চামড়াজাত পণ্য ও পাদুকা খাতে রপ্তানি আয় হয়েছে ১,১৪৫.০৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। যা বিগত অর্থবছরের একই সময়ের ১,০৩৯.১৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার আয়ের তুলনায় ১০.১৯ শতাংশ বেশি। উক্ত সময়ে দেশের মোট রপ্তানি আয়ে এ খাতের অবদান ছিল ২.৩৭ শতাংশ।

উৎস: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো।

১৭২.
বিশ্বে পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশের অবস্থান কত? [মার্চ, ২০২৫]
  1. প্রথম
  2. দ্বিতীয়
  3. তৃতীয়
  4. চতুর্থ
ব্যাখ্যা
বিশ্ব বাণিজ্য পরিসংখ্যান ২০২৩:
- বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (WTO) কর্তৃক 'বিশ্ব বাণিজ্য পরিসংখ্যান ২০২৩' প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।
- শিরোনাম: ‘ওয়ার্ল্ড ট্রেড স্ট্যাটিসটিকস ২০২৩: কি ইনসাইটস অ্যান্ড ট্রেন্ডস’।
- সর্বশেষ প্রকাশিত হয়: আগস্ট, ২০২৪।
- বিশ্বে পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশের অবস্থান ২য়।

⇒ প্রতিবেদন অনুযায়ী, পোশাক রপ্তানিতে শীর্ষ দেশ:
১. চীন,
২. বাংলাদেশ,
৩. ভিয়েতনাম,
৪. তুরস্ক,
৫. ভারত।

উৎস: i) WTO ওয়েবসাইট।
ii) Textile Today.
১৭৩.
বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম রপ্তানি খাত হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে কোনটি?
  1. কৃষিজাত পণ্য
  2. পাট ও পাটজাত পণ্য
  3. চামড়াবিহীন জুতা ও প্রকৌশল পণ্য
  4. চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম রপ্তানি খাত হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য।

দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম রপ্তানি খাত:
- তৈরি পোশাকের পর দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম রপ্তানি খাত চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য। 
- রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি হয়েছে ৩৪ কোটি মার্কিন ডলার।

উল্লেখ্য,
- ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাসে (জুলাই-নভেম্বর) মোট রপ্তানি আয় হয়েছে ২০,০২৮.৫৯ মিলিয়ন ডলার।
- নিটওয়্যার ও ওভেন পোশাকের পাশাপাশি চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, কৃষিপণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, ওষুধ, জাহাজ, চিংড়ি এবং লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং পণ্য রপ্তানি আয় বৃদ্ধিতে ভূমিকা রেখেছে।
- বিদায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ৩৪ কোটি ডলারের চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি হয়েছে। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে ৯ কোটি ডলারের চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি হয়েছে। তার বাইরে ভারতে ৭ কোটি ১৯ লাখ, জাপানে ৫ কোটি ৬৩ লাখ ও বেলজিয়ামে ২ কোটি ৮২ লাখ ডলারের চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি হয়।

উৎস: i) রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো। 

১৭৪.
সম্প্রতি, বাংলাদেশ নেপাল থেকে কত মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি শুরু করেছে? [জুন, ২০২৫]
  1. ২০ মেগাওয়াট
  2. ৪০ মেগাওয়াট
  3. ৬০ মেগাওয়াট
  4. ৮০ মেগাওয়াট
ব্যাখ্যা
বিদ্যুৎ আমদানি:
- ১৫ জুন, ২০২৫ থেকে বাংলাদেশে ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ রপ্তানি শুরু করেছে নেপাল।
- ২০২৪ সালের ৩ অক্টোবর নেপাল, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে হওয়া ত্রিপক্ষীক চুক্তি অনুযায়ী বিদ্যুৎ রপ্তানি শুরু করেছে নেপাল।
- চুক্তি অনুসারে, ১৫ জুন থেকে ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত পাঁচ মাসের জন্য ভারতের ৪০০-কেভি ট্রান্সমিশন গ্রিড ব্যবহার করে ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ রপ্তানি করবে নেপাল।
- ভারতের মুজাফফরপুর-বাহারামপুর লাইন হয়ে বাংলাদেশের কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে।
- ভারতীয় ট্রান্সমিশন চার্জসহ নেপাল থেকে দেশে আসা প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম পড়বে প্রায় ৭ টাকা।

তথ্যসূত্র: পত্রিকা রিপোর্ট। [LINK]
১৭৫.
২০২৩-২৪ অর্থবছরে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি চা রপ্তানি করে কোন দেশে?
  1. মালয়েশিয়া
  2. ভারত
  3. পাকিস্তান
  4. সংযুক্ত আরব আমিরাত
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

বাংলাদেশ চা বোর্ড ওয়েবসাইট-এর তথ্য অনুসারে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি চা রপ্তানি করে সংযুক্ত আরব আমিরাতে।

চা:

- চা বাংলাদেশের ২য় অর্থকরী ফসল।
- বাংলাদেশের অর্থনীতিতে চা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- বাংলাদেশের মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জে সবচেয়ে বেশি চা উৎপন্ন হয়।
- বাংলাদেশের চায়ের বিশেষ সুনাম থাকায় বিদেশে এর চাহিদা রয়েছে।
- চা রপ্তানি করে বাংলাদেশ অনেক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে।

উল্লেখ্য,
⇒ ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি চা রপ্তানি করে সংযুক্ত আরব আমিরাতে।

এছাড়াও,
⇒ বাংলাদেশে প্রথম চা চাষ শুরু হয়েছিল ১৮৪০ সালে চট্টগ্রামের পাইওনিয়ার বাগানে।
- চট্টগ্রামের পাইওনিয়ার বাগানে প্রথম চা উৎপাদিত হয় ১৮৪৩ সালে।
- কিন্তু বিভিন্ন কারণে সেখানে চা চাষ বিলম্বিত হয়।
- মালনীছড়া বাংলাদেশের প্রথম বাণিজ্যিক চা বাগান।
- ২০২১ সাল থেকে ৪ জুন জাতীয় চা দিবস হিসেবে উদযাপন করা হচ্ছে।

উৎস: i) বাংলাদেশ চা বোর্ড ওয়েবসাইট। [link]
ii) উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
১৭৬.
বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি পণ্য রপ্তানি করে -
  1. যুক্তরাজ্যে
  2. চীনে
  3. কানাডায়
  4. যুক্তরাষ্ট্রে
ব্যাখ্যা

• মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি পরিস্থিতি (২০২৪-২৫ অর্থবছর, জুলাই-জুন):
- বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি পণ্য রপ্তানি করে - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশী রপ্তানি পণ্যের বৃহত্তম বাজার হিসেবে বরাবরের মতো ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জুলাই-জুন সময়ে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে।
- উক্ত সময়ে যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হয়েছে মোট ৮,৬৯২.৩৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের পণ্য, যা মোট রপ্তানির ১৮.০০%।
• বাংলাদেশের মোট রপ্তানি পণ্যের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে গেছে:
- ওভেন পোশাকের : ২৭.২১%।
- নিটওয়্যার : ১২.২৭%।
- হোম টেক্সটাইল : ১৪.৯৯%।

উৎস: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো।

১৭৭.
প্রথমবারের মতো ‘মেইড ইন বাংলাদেশ’ সোলার প্যানেল কোন দেশে রপ্তানি হয়েছে?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. জাপান
  3. জার্মানি
  4. ফ্রান্স 
ব্যাখ্যা
‘মেইড ইন বাংলাদেশ’ সোলার প্যানেল:
- প্রথমবারের মতো ‘মেইড ইন বাংলাদেশ’ সোলার প্যানেল যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হয়েছে। 

⇒ ২০২৫ সালের ১৯ জুন যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ক্লিনগ্রিড ইনকরপোরেশনের কাছে প্রথম চালানটি পাঠানো হয়।
- দেশীয় শিল্পগোষ্ঠী ইস্ট কোস্ট গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান রেডিয়েন্ট অ্যালায়েন্স যুক্তরাষ্ট্রে প্রথমবারের মতো সোলার (সৌর) পিভি মডিউল রপ্তানির মধ্য দিয়ে বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক নবায়নযোগ্য জ্বালানি সরবরাহ চেইনে যুক্ত করল।
- ২১৫ কোটি টাকারও বেশি মূল্যের চার বছর মেয়াদি এ রপ্তানি চুক্তির আওতায় প্রতিষ্ঠানটি ২০২৮ সাল পর্যন্ত মোট ৬৪ দশমিক ৬০ মেগাওয়াট সোলার মডিউল সরবরাহ করবে। এর মধ্যে ২০২৫ সালেই ১২ দশমিক ৪০ মেগাওয়াট পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
- আশুলিয়ার সাভারে অবস্থিত রেডিয়েন্ট অ্যালায়েন্সের সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় কারখানায় ১০০ ও ২০০ ওয়াট ক্ষমতার সোলার মডিউল উৎপাদিত হচ্ছে। বছরে ৬০০ মেগাওয়াট উৎপাদন সক্ষমতার এ কারখানাটি দেশের অন্যতম আধুনিক উৎপাদন প্ল্যান্ট।

উৎস: The Business Standard.
১৭৮.
নিচের কোনটি 'হোয়াইট গোল্ড' নামে পরিচিত?
  1. চিংড়ি
  2. পাট
  3. রূপচাঁদা
  4. ইলিশ
ব্যাখ্যা

হোয়াইট গোল্ড:
- বাংলাদেশ বিদেশে চিংড়ি রপ্তানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে।
- তাই চিংড়িকে 'সাদা সোনা' বা 'হোয়াইট গোল্ড' বলা হয়।
- বাংলাদেশে বর্তমানে বিশ্বের মোট চিংড়ির একটা উল্লেখযোগ্য অংশ উত্পাদিত হচ্ছে, তবে বছরভেদে এর পরিমান ওঠানামা করে।
- ২০২১-২২ অর্থবছরে ৪১ কোটি ডলারের চিংড়ি রপ্তানি হয়।
- প্রবৃদ্ধি দাড়ায় ২৩.৮৪ শতাংশ।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া, দৈনিক প্রথম আলো, ১৬ আগস্ট ২০২৩ ও ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৩।

১৭৯.
বাংলাদেশে সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী খাত কোনটি? [মে, ২০২৫]
  1. তৈরি পোশাক
  2. চা
  3. পাট
  4. সার
ব্যাখ্যা
শীর্ষ রপ্তানি খাত তৈরি পোশাক:
- অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে, বাংলাদেশের শীর্ষ রপ্তানি খাত তৈরি পোশাক।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে তৈরি পোশাক ও নীটওয়্যার পণ্যের রপ্তানি আয়: ৩২,৮৫৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। এটি মোট রপ্তানি আয়ের ৮৫.৪৫%।
- তৈরি পোশাক বাংলাদেশে সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী খাত।

এছাড়াও,
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথমার্ধে (জুলাই-ডিসেম্বর) বাংলাদেশ থেকে ১৯ বিলিয়ন ডলারের পোশাক রপ্তানি হয়েছে।

⇒ বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো -ইপিবি’র বৃহস্পতিবার প্রকাশিত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, অর্থবছরের প্রথমার্ধে দেশের তৈরি পোশাক খাতের রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৩ দশমিক ২৮ শতাংশ।
- ইপিবির পরিসংখ্যান অনুযায়ী, অর্থমূল্য বিবেচনায় চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে বাংলাদেশ থেকে রপ্তানি হওয়া শীর্ষ পণ্যগুলো হলো পোশাক, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, কৃষিপণ্য, হোম টেক্সটাইল এবং পাট ও পাটজাত পণ্য।
- মোট রপ্তানিতে সবচেয়ে বড় অবদান রাখা পণ্য পোশাকের অংশ ছিল ৮১ শতাংশ।

উৎস: i) বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
ii) রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো ওয়েবসাইট।
১৮০.
সম্প্রতি বাংলাদেশ থেকে প্রথমবারের মতো কোন দেশে আম রপ্তানি শুরু হয়েছে? [জুন, ২০২৫]
  1. চীন
  2. ভারত
  3. পাকিস্তান
  4. যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা
আম রপ্তানি:
- বাংলাদেশ থেকে প্রথমবারের মতো চীনে আম রপ্তানি শুরু হয়েছে।
- প্রথম দফায় ২৮ মে, ২০২৫ তারিখে ১০ টনের  আমের চালান চীনে যায়।
- প্রথম চালানে সাতক্ষীরা, যশোর অঞ্চলের আম রপ্তানি করা হয়।
- এ মৌসুমে সব মিলিয়ে ১০০ টন আম রপ্তানি হবে।

উল্লেখ্য,
- কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যানুসারে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে দেশে আম উৎপাদিত হয়েছে ২৪ লাখ টন।
- এর মধ্যে রপ্তানি হয়েছে মাত্র ১ হাজার ৩২১ টন।
- বাংলাদেশ থেকে গত বছর ২১টি দেশে আম রপ্তানি করা হয়েছে।
- এর মধ্যে যুক্তরাজ্য, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত, ইতালি ও সিঙ্গাপুরের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপের আরও কয়েকটি দেশ রয়েছে।

উৎস: প্রথম আলো।
১৮১.
বর্তমানে বাংলাদেশে শীর্ষ তুলা সরবরাহকারী দেশ কোনটি? [ডিসেম্বর, ২০২৫]
  1. ভারত
  2. ব্রাজিল
  3. ক্যামেরুন
  4. যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

শীর্ষ তুলা সরবরাহকারী দেশ:
- বিশ্বের শীর্ষ তুলা আমদানিকারক এবং দ্বিতীয় বৃহত্তম পোশাক রপ্তানিকারক দেশ বাংলাদেশ।
- এই দেশে তুলা সরবরাহে প্রতিবেশী ভারতকে পেছনে ফেলে শীর্ষে অবস্থান করছে ব্রাজিল।
- মার্কিন কৃষি বিভাগের (ইউএসডিএ) প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ বিপণনবর্ষে বাংলাদেশ ৮ দশমিক ২৮ মিলিয়ন বেল কাঁচা তুলা আমদানি করেছে।
- এর মধ্যে ব্রাজিল প্রায় ১ দশমিক ৯ মিলিয়ন বেল তুলা সরবরাহ করেছে, যা মোট আমদানির ২৩ শতাংশ।
- ১ দশমিক ৪ মিলিয়ন বেল নিয়ে সরবরাহকারী দেশের তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে ভারত।
- এরপর যথাক্রমে বেনিন, ক্যামেরুন ও যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [link]

১৮২.
২০২৩–২৪ অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয় কত ছিল? [জানুয়ারি, ২০২৫]
  1. ৪৮৪৯ কোটি ডলার
  2. ৪৪৪৬ কোটি ডলার
  3. ৪৬৫১ কোটি ডলার
  4. ২৪৫৩ কোটি ডলার
ব্যাখ্যা
রপ্তানি আয়: 
- ২০২৪–২৫ অর্থবছরের (জুলাই-ডিসেম্বর) প্রথম ছয় মাসে বাংলাদেশ পণ্য রপ্তানিতে প্রায় ১২.৮৪% প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে।
- ২০২৪–২৫ অর্থবছর (জুলাই-ডিসেম্বর): ২৪৫৩ কোটি ডলার।
- ২০২৩–২৪ অর্থবছর (জুলাই-ডিসেম্বর): ২১৭৪ কোটি ডলার।
- ২০২৩–২৪ অর্থবছর ৪৪৪৬ কোটি ডলার। 
- তৈরি পোশাক রপ্তানি আয়: ১৯৮৯ কোটি ডলার।
- তৈরি পোশাক প্রবৃদ্ধি: ১৩.২৮%।

উৎস: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো রিপোর্ট।
১৮৩.
রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর রিপোর্ট অনুসারে, ২০২৩-২৪ সালে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের রপ্তানি কত? [মার্চ, ২০২৫]
  1. ৫৬ বিলিয়ন ডলার
  2. ৪৬ বিলিয়ন ডলার
  3. ৩৬ বিলিয়ন ডলার
  4. ২৬ বিলিয়ন ডলার
ব্যাখ্যা
রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর রিপোর্ট অনুসারে,
- ২০২৩-২৪ সালে তৈরি পোশাক রপ্তানি ৩৬.১৫১ বিলিয়ন ডলার।
- এর মধ্যে নিটওয়্যার ১৯.২৮২ বিলিয়ন ডলার।
- উভেন ওয়্যার ১৬.৮৬৯ বিলিয়ন ডলার।

উৎস: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর রিপোর্ট।
১৮৪.
সর্বশেষ অর্থবছরে বাংলাদেশ কোন দেশে সবচেয়ে বেশি চা রপ্তানি করেছে? [নভেম্বর, ২০২৫]
  1. পোল্যান্ড
  2. সৌদি আরব
  3. পাকিস্তান
  4. সংযুক্ত আরব আমিরাত
ব্যাখ্যা

চা:
- চা বাংলাদেশের ২য় অর্থকরী ফসল।
- বাংলাদেশের অর্থনীতিতে চা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- বাংলাদেশের মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জে সবচেয়ে বেশি চা উৎপন্ন হয়।
- বাংলাদেশের চায়ের বিশেষ সুনাম থাকায় বিদেশে এর চাহিদা রয়েছে। চা রপ্তানি করে বাংলাদেশ অনেক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে।

⇒ ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি চা রপ্তানি করে সংযুক্ত আরব আমিরাতে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশে প্রথম চা চাষ শুরু হয়েছিল ১৮৪০ সালে চট্টগ্রামের পাইওনিয়ার বাগানে। চট্টগ্রামের পাইওনিয়ার বাগানে প্রথম চা উৎপাদিত হয় ১৮৪৩ সালে। কিন্তু বিভিন্ন কারণে সেখানে চা চাষ বিলম্বিত হয়।
- মালনীছড়া বাংলাদেশের প্রথম বাণিজ্যিক চা বাগান।

উৎস: i) বাংলাদেশ চা বোর্ড ওয়েবসাইট।
ii) কৃষি তথ্য সার্ভিস।

১৮৫.
এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে-
  1. শ্রীলঙ্কায়
  2. জাপানে
  3. চীনে
  4. ভারতে
ব্যাখ্যা

⇒ ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশী পণ্যের প্রধান আমদানিকারক দেশ হিসেবে শীর্ষে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানি।
আলোচ্য সময়ে যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানিতে যথাক্রমে ৮,৬৯২.৮০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং ৫,২৯৪.৪৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের পণ্য রপ্তানি হয়েছে, যা দেশের মোট রপ্তানির যথাক্রমে ১৮.০০ শতাংশ এবং ১০.৯৬ শতাংশ।

⇒ যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানিতে রপ্তানিকৃত প্রধান প্রধান পণ্যসমূহ হলোঃ তৈরি পোশাক, নীটওয়্যার, হিমায়িত চিংড়ি, কাঁকড়া, গৃহস্থালী বস্ত্র ইত্যাদি।

- দেশভিত্তিক পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে পরবর্তী অবস্থানে রয়েছে যুক্তরাজ্য (৯.৫৭%), ফ্রান্স (৫.০০%) ও নেদারল্যান্ড (৪.৮৭%)।
- এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে জাপানে; রপ্তানির পরিমাণ ১৪১২.২৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার যা মোট
রপ্তানির ২.৯২%।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা, ২০২৫।

১৮৬.
২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করেছে কোন দেশে?
  1. ফ্রান্স
  2. জার্মানি
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা

• মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র :
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র  বাংলাদেশী রপ্তানি পণ্যের বৃহত্তম বাজার।
- আমদানীকারক দেশ সমূহের তালিকায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র শীর্ষে অবস্থান করছে।
- ২০২৪-২৫ অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ের যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হয়েছে ৮৬৯২.৩৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের পণ্য

• জার্মানী:
২০২৪-২৫ অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ের জার্মানীতে মোট  ৫২৯২.৯০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের পণ্য রপ্তানি হয়েছে যা মোট রপ্তানি আয়ের ১০.৯৬% এবং বর্তমানে দ্বিতীয় বৃহত্তম আমদানীকারক দেশে পরিণত হয়েছে। 

উৎস: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো।

১৮৭.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী, এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে -
  1. চীনে
  2. ভারতে
  3. নেপালে
  4. জাপানে
ব্যাখ্যা
রপ্তানি আয়:
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ - যুক্তরাষ্ট্র।
- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।
- যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হার ১৫.৮৭%।
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের দ্বিতীয় অবস্থানে আছে জার্মানি।
- জার্মানিতে রপ্তানি হার ১১.২১%।
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের তৃতীয় অবস্থানে আছে যুক্তরাজ্য।
- যুক্তরাজ্যে রপ্তানি হার ১০.৫২%।

• এশিয়া,
- এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে – জাপানে।
- জাপানে রপ্তানি হার ৩.৪০%।

• অঞ্চল,
- অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে - ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহে।
- ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রাষ্ট্র - জার্মানি।
- ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১৮৮.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী, রপ্তানি বাণিজ্যে তৈরি পোশাকের অবদান কত?
  1. ৩৭.১০%
  2. ৪১.২৮%
  3. ৪৫.৭৬%
  4. ৪৮.৪৩%
ব্যাখ্যা
রপ্তানি আয়:
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে শীর্ষ রপ্তানি খাত নীটওয়্যার।
- এর মধ্যে নীটওয়্যার: ৪৮.৩৫% বা ১৮,৫৯২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ তৈরি পোশাক: ৩৭.১০%।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে নীটওয়‍্যার ও তৈরি পোশাক পণ্যের রপ্তানি আয় ৩২,৮৫৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার যা মোট রপ্তানি আয়ের ৮৫.৪৫%।

অন্যদিকে,
- তৃতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি আয়: পাট ও পাটজাত পণ্য থেকে (১.২৫%)।
- পাটজাত পণ্য থেকে আয় আসে ৪৮২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

উল্লেখ্য,
- প্রাথমিক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয়েছে: 'কৃষিজাত পণ্য' (১.৩৯%)।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি হয়েছে: হিমায়িত খাদ্য' (০.৭১%)।
- তৃতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি হয়েছে: কাচাপাট (০.২৬)।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১৮৯.
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ এর রিপোর্ট অনুযায়ী রপ্তানি খাতে নীটওয়্যারের পরিমাণ কত?
  1. ৪১.৭৪%
  2. ৪৫.২৮%
  3. ৪৮.৩৫%
  4. ৫১.৪৯%
ব্যাখ্যা
রপ্তানি আয়:
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে শীর্ষ রপ্তানি খাত নীটওয়্যার।
- পরিমাণ: ৪৮.৩৫% বা ১৮,৫৯২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ তৈরি পোশাক।
- পরিমাণ: ৩৭.১০%।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে নীটওয়‍্যার ও তৈরি পোশাক পণ্যের রপ্তানি আয় ৩২,৮৫৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার যা মোট রপ্তানি আয়ের ৮৫.৪৫%।
- তৃতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি আয়: পাট ও পাটজাত পণ্য।
- পরিমাণ: ১.২৫% বা ৪৮২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১৯০.
মুদ্রার অবমূল্যায়ন হলে নিচের কোনটি ঘটে?
  1. রপ্তানি কমে
  2. আমদানি হ্রাস পায়
  3. আমদানি বৃদ্ধি পায়
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
মুদ্রার অবমূল্যায়ন:
- মুদ্রার অবমূল্যায়ন হলো ডলারের বিপরীতে কোন দেশের মুদ্রার মান কমিয়ে দেওয়া।
- মুদ্রা ইস্যুকারী সরকার একটি মুদ্রার অবমূল্যায়ন করার সিদ্ধান্ত নেয়।
- মুদ্রার অবমূল্যায়নের ফলে বিদেশী ক্রেতারা সমপরিমাণ ডলার দিয়ে পূর্বাপেক্ষা কম দামে অধিক পণ্য ক্রয় করতে পারে।
- এতে করে রপ্তানি বৃদ্ধি পায় এবং আমদানি হ্রাস পায়।
- ফলশ্রুতিতে বাণিজ্য ঘাটতি হ্রাস পায়।

তথ্যসূত্র - অর্থনীতি, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৯১.
বাংলাদেশ থেকে রপ্তানিকৃত প্রথম জাহাজ কোনটি?
  1. ফ্রিডজফ ন্যানসন
  2. স্টেলা মরিস
  3. এমভি আনসু
  4. বে ওয়ান
ব্যাখ্যা
জাহাজ রপ্তানি:
- বাংলাদেশ থেকে জাহাজ রপ্তানি শুরু হয় ২০০৮ সালে।
- ঢাকার আনন্দ শিপইয়ার্ড ডেনমার্কে 'স্টেলা মেরিস‘ নামের ছোট আকারের জাহাজ রপ্তানি করে।
- প্রতিষ্ঠানটি ২০০৮ সালে ডেনমার্কে অত্যাধুনিক কন্টেইনার জাহাজ 'স্টেলা মেরিস‘ রপ্তানির মধ্য দিয়ে বংলাদেশের জন্য জাহাজ রপ্তানির স্বর্ণদ্বার উন্মোচন করে ও বাংলাদেশ জাহাজ রপ্তানিকারক দেশ হিসাবে পরিচিতি পায়।
- জাহাজ নির্মাণশিল্প বাংলাদেশের একটি সম্ভাবনাময় রপ্তানি খাত।
- এর পরেই যুক্ত হয় চট্টগ্রামের ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ড।
- তারা জার্মানির গ্রোনা শিপিং কোম্পানির কাছ থেকে ৮৫ মিলিয়ন ডলারের আটটি জাহাজ নির্মাণের কার্যাদেশ পায়।

তথ্যসূত্র - আনন্দ শিপইয়ার্ড ওয়েবসাইট এবং বাংলাপিডিয়া, দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
১৯২.
বাংলাদেশ বিশ্বের কতটি দেশে ওষুধ রপ্তানি করে? [মে, ২০২৫]
  1. ১৫৭টি
  2. ১৫৮টি
  3. ১৫৯টি
  4. ১৬০টি
ব্যাখ্যা
ঔষধ শিল্প:
- স্বাধীনতা অর্জনের পর বাংলাদেশে ঔষধ প্রাপ্তি মূলত আমদানির ওপর নির্ভরশীল ছিল।
- ফলে অনেক উচ্চ মূল্যে জনগণকে ঔষধ ক্রয় করতে হতো।
- বর্তমানে দেশের চাহিদার প্রায় ৯৮% ঔষধ দেশে উৎপাদিত হয়।
- বাংলাদেশ ইতোমধ্যে ঔষধ আমদানিকারক দেশ হতে রপ্তানিকারক দেশে পরিণত হয়েছে।
- বর্তমানে বাংলাদেশের ৫৪টি ঔষধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
- এরা বিভিন্ন প্রকারের ঔষধ ও ঔষধের কাঁচামাল উন্নত বিশ্বের ইউরোপ ও আমেরিকাসহ রপ্তানি করছে ১৫৭টি দেশে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ থেকে ওষুধ রপ্তানি শুরু হয় ১৯৮৫ সালে।
- এরপর গত কয়েক দশকে স্বল্পোন্নত দেশগুলোয় ওষুধের বৃহত্তম উৎস হয়ে উঠেছে বাংলাদেশ।

উৎস: i) বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪। 
ii) বণিক বার্তা।
১৯৩.
২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানির দ্বিতীয় শীর্ষ গন্তব্য কোন দেশ?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. যুক্তরাজ্য
  3. জার্মানি 
  4. ফ্রান্স
ব্যাখ্যা

• রপ্তানি (২০২৪-২৫):
- বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে যুক্তরাষ্ট্রে।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ - জার্মানি
- তৃতীয় সর্বোচ্চ - যুক্তরাজ্য।
- চতুর্থ সর্বোচ্চ - স্পেন।

​এছাড়াও,
- দেশ হিসেবে/একক দেশ হিসেবে/রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ – যুক্তরাষ্ট্র।
- যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সবচেয়ে বেশি বাণিজ্যিক উদ্ধৃত্ত রয়েছে/বাণিজ্য ঘাটতি নেই।
- এছাড়াও জার্মানি, ফ্রান্সসহ ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য উদ্ধৃত্ত রয়েছে।
- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য – তৈরি পোশাক।

তথ্যসূত্র: বানিজ্য মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।

১৯৪.
ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে কোন দেশটিতে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি তৈরি পোশাক রপ্তানি করে? [আগস্ট, ২০২৫]
  1. নেদারল্যান্ডস
  2. ফ্রান্স
  3. জার্মানি
  4. স্পেন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি:
- আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের বিশাল অংশজুড়ে রয়েছে তৈরি পোশাক শিল্প। প্রতি বছর এই খাত থেকে শত শত কোটি ডলারের ব্যবসা হয় এবং পোশাক রপ্তানিকারকরা যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্যসহ সারা বিশ্বে পোশাক রপ্তানি করে।
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ তৈরি পোশাক (আরএমজি) রপ্তানি খাতে ৮.৮৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। এ সময়ে রপ্তানি আয় হয়েছে ৩৯.৩৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। 
- বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) এখনও বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের সবচেয়ে বড় রপ্তানি গন্তব্য হিসেবে রয়েছে। এই বাজারে রপ্তানি আয় হয়েছে ১৯.৭১ বিলিয়ন ডলার, যা দেশের মোট আরএমজি রপ্তানির ৫০.১০ শতাংশ।
- একক দেশ হিসেবে তৈরি পোশাকের সবচেয়ে বড় বাজার যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হয়েছে ৭.৫৪ বিলিয়ন ডলার, যা মোট রপ্তানির ১৯.১৮ শতাংশ। 
- কানাডা ও যুক্তরাজ্যে রপ্তানি হয়েছে যথাক্রমে ১.৩০ বিলিয়ন ডলার (৩.৩১ শতাংশ) এবং ৪.৩৫ বিলিয়ন ডলার (১১.০৫ শতাংশ)।

উল্লেখ্য,
- ইউরোপের মধ্যে জার্মানি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাজার, যেখানে রপ্তানি হয়েছে ৪.৯৫ বিলিয়ন ডলার। এরপর রয়েছে স্পেন (৩.৪০ বিলিয়ন ডলার), ফ্রান্স (২.১৬ বিলিয়ন ডলার), নেদারল্যান্ডস (২.০৯ বিলিয়ন ডলার), পোল্যান্ড (১.৭০ বিলিয়ন ডলার), ইতালি (১.৫৪ বিলিয়ন ডলার) এবং ডেনমার্ক (১.০৪ বিলিয়ন ডলার)।

উৎস: i) বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)। [link]
ii) রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো ওয়েবসাইট।
iii) প্রথম আলো।
১৯৫.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রাষ্ট্র কোনটি?
  1. জার্মানি
  2. পোল্যান্ড
  3. ডেনমার্ক
  4. বেলজিয়াম
ব্যাখ্যা
রপ্তানি আয়:
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ - যুক্তরাষ্ট্র।
- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।
- যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হার ১৫.৮৭%।
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের দ্বিতীয় অবস্থানে আছে জার্মানি।
- জার্মানিতে রপ্তানি হার ১১.২১%।
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের তৃতীয় অবস্থানে আছে যুক্তরাজ্য।
- যুক্তরাজ্যে রপ্তানি হার ১০.৫২%।

• এশিয়া,
- এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে – জাপানে।
- জাপানে রপ্তানি হার ৩.৪০%।

• অঞ্চল,
- অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে - ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহে।
- ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রাষ্ট্র - জার্মানি।
- ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১৯৬.
২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা কত নির্ধারণ করা হয়েছে? [সেপ্টেম্বর, ২০২৫]
  1. ৫৩.৫ বিলিয়ন ডলার
  2. ৬৩.৫ বিলিয়ন ডলার
  3. ৭৩.৫ বিলিয়ন ডলার
  4. ৮৩.৫ বিলিয়ন ডলার
ব্যাখ্যা

রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা:
- ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বিশ্ববাজারে পণ্য ও সেবা রপ্তানি করে ৬৩.৫ বিলিয়ন ডলার আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। 
- এর মধ্যে পণ্যের রপ্তানি থেকে ৫৫ বিলিয়ন ডলার এবং সেবা খাত থেকে ৮.৫ বিলিয়ন ডলার আয়ের পরিকল্পনা রয়েছে। 
- গত অর্থবছরে ২০২৪-২৫ এ লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৫ হাজার ৭৫০ কোটি মার্কিন ডলার।
- চলতি অর্থবছরের এই লক্ষ্য ২০২৪-২৫ অর্থবছরের তুলনায় ১৬.৫ শতাংশ বেশি। 

উল্লেখ্য,
- সমাপ্ত অর্থবছর ২০২৪-২৫-এ বাংলাদেশ পণ্য খাতে ৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ৪৮ দশমিক ২৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় করেছে, যা লক্ষ্যমাত্রার প্রায় ৯৭ শতাংশ এবং পূর্ববর্তী ২০২৩-২৪ অর্থবছরের তুলনায় ৮.৫৮ শতাংশ বেশি। 
- সেবা খাতের লক্ষ্যমাত্রা ৭ দশমিক ৫০ বিলিয়নের বিপরীতে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে জুলাই-এপ্রিল পর্যন্ত রপ্তানি হয়েছে ৫ দশমিক ৭৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৫ দশমিক ১৩ শতাংশ বেশি।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [Link]

১৯৭.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২৫ অনুসারে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের আমদানি ব্যয়ের পরিমাণ পরিমাণ কত?
  1. ৬৩ বিলিয়ন
  2. ৬৮ বিলিয়ন
  3. ৬৬ বিলিয়ন
  4. ৬৫ বিলিয়ন
ব্যাখ্যা

• আমদানি পরিস্থিতি
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে মোট আমদানি ব্যয়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৬৮,৩৫৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার =৬৮.৩৫৪ বিলিয়ন।
- যা পূর্ববর্তী অর্থবছরের মোট আমদানি ব্যয়ের পরিমাণ ৬৬,৭২৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের তুলনায় ২.৪ শতাংশ বেশি।
- মোট পণ্য আমদানি মূল্যের ভিত্তিতে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে চীন থেকে সর্বোচ্চ আমদানি করা হয়।
- যা দেশের মোট আমদানির ৩০.০২ শতাংশ।
- আলোচ্য সময়ে দ্বিতীয় ও তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে যথাক্রমে ভারত (১৪.১৮%) ও যুক্তরাষ্ট্র (৩.৬৭%)।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা, ২০২৫।

১৯৮.
বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে কোন কোন দেশে? [জুন, ২০২৫]
  1. যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, জার্মানি
  2. জার্মানি, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য
  3. যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি, যুক্তরাজ্য
  4. যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, জাপান
ব্যাখ্যা
দেশভিত্তিক রপ্তানি আয়:
- অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে, বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি, যুক্তরাজ্য থেকে পণ্য রপ্তানি বাবদ সবচেয়ে বেশি আয় করেছে।

⇒ দেশভিত্তিক রপ্তানি আয়ের পরিমাণ ⎯
১. শীর্ষ দেশ: যুক্তরাষ্ট্র,
- রপ্তানির পরিমাণ: ৬,১০৩.১৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার,
- রপ্তানির হার: ১৫.৮৭%।

২. দ্বিতীয় দেশ: জার্মানি,
- রপ্তানির পরিমাণ: ৪,৩১২.১১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার,
- রপ্তানির হার: ১১.২১%।

৩. তৃতীয় দেশ: যুক্তরাজ্য,
- রপ্তানির পরিমাণ: ৪,০৪৫.৭৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার,
- রপ্তানির হার: ১০.৫২%।

৪. চতুর্থ দেশ: ফ্রান্স,
- রপ্তানির পরিমাণ: ২,১৯২.৮২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার,
- রপ্তানির হার: ৫.৭০%।

৫. পঞ্চম দেশ: ইতালি,
- রপ্তানির পরিমাণ: ১,৬২৭.৫৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার,
- রপ্তানির হার: ৪.২৩%।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১৯৯.
বাংলাদেশের সবচেয়ে বৃহৎ রপ্তানি বাজার-
  1. ভারত
  2. যুক্তরাজ্য
  3. জাপান
  4. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

রপ্তানি (২০২৪-২৫):
- বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে যুক্তরাষ্ট্রে।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ জার্মানি
- তৃতীয় সর্বোচ্চ- যুক্তরাজ্য।
- চতুর্থ সর্বোচ্চ - স্পেন।

এছাড়াও,
- দেশ হিসেবে/একক দেশ হিসেবে/রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ যুক্তরাষ্ট্র।
- যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সবচেয়ে বেশি বাণিজ্যিক উদ্ধৃত্ত রয়েছে/বাণিজ্য ঘাটতি নেই।
- এছাড়াও জার্মানি, ফ্রান্সসহ ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য উদ্ধৃত্ত রয়েছে।
- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।

উৎস: বানিজ্য মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।

২০০.
কোন দেশ থেকে ২০২৩-২৪ অর্থবছরের (জুলাই-ফেব্রুয়ারি) পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয়?
  1. চীন
  2. ভারত
  3. জাপান
  4. রাশিয়া
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান বিভাগের তথ্য মতে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরের (জুলাই-ফেব্রুয়ারি) পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি আমদানি করেছে চীন থেকে।
- দেশের আমদানির ৭টি দেশভিত্তিক চিত্র নিম্নরূপ:



উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, জুলাই-ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ পর্যন্ত।