• মৈমনসিংহ গীতিকা বিশ্বের — ২৩টি ভাষায় মুদ্রিত হয়।
-----------------------
• বাংলা সাহিত্যে তিন ধরনের গীতিকা রয়েছে।
যথা :
১. নাথ গীতিকা,
২. মৈমনসিংহ-গীতিকা এবং
৩. পূর্ববঙ্গ গীতিকা।
"মৈমনসিংহ গীতিকা" সম্পর্কিত গুরুতপূর্ণ তথ্য:
• ময়মনসিংহ অঞ্চলের প্রচলিত গানগুলোকে একত্রে মৈমনসিংহ গীতিকা বলা হয়।
• কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. দীনেশচন্দ্র সেনের আগ্রহে মৈমনসিংহ গীতিকা সংগ্রহ করেন চন্দ্রকুমার দে। চন্দ্রকুমার দে ছিলেন ময়মনসিংহ নিবাসী।
• দীনেশচন্দ্র সেনের সম্পাদনায় ১৯২৩ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মৈমনসিংহ গীতিকা প্রকাশিত হয়।
• মৈমনসিংহ গীতিকা বিশ্বের ২৩টি ভাষায় মুদ্রিত হয়।
মৈমনসিংহ গীতিকা ইংরেজী ভাষায় অনূদীত হয়ে প্রকাশের পর বিদেশের সুধীবৃন্দকে প্রবল ভাবে আকৃষ্ট করে। বিশেষ করে মনীষী রোমা রোলাঁ, ড. সিলভা লেভি, স্যার জর্জ গ্রীয়ারসন, উইলিয়াম রদেনস্টাইন, ফ্রান্সিস. এইচ. স্ক্রাইন, ই.এফ. ওটেন গীতিকা সম্পর্কে উচ্চসিত প্রশংসা করেন। ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ তার ‘বাংলা সাহিত্যের কথা’ গ্রন্থে বলেন-‘গীতিকা গুলোর সাহিত্যিক মূল্য বিদেশী সাহিত্য রসিকেরা কি দিয়াছেন, তাহা জানিলে বোধ হয় আমরা আমাদের ঘরের জিনিসকে একটু বেশি আদর করিব।’
ইংরাজি ও বাংলায় প্রকাশিত মৈমনসিংহ গীতিকায় দীর্ঘ ভূমিকা লিখেছিলেন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বাঙালি দীনেশচন্দ্র সেন। দশটি পালাগান নিয়ে মৈমনসিংহ গীতিকা ১৯২৩ সালের মার্চে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে (university of Calcutta) বই হয়ে ‘Eastern Bengal Ballads- mymensing (vol-1, part-1)’ নামে প্রথম প্রকাশিত হয় তাঁর সম্পাদনায়।
• মৈমনসিংহ গীতিকায় ১০টি গীতিকা স্থান পেয়েছে।
যথা :
- মহুয়া,
- মলুয়া,
- চন্দ্রাবতী,
- কমলা,
- দেওয়ান ভাবনা,
- দস্যু কেনারামের পালা,
- রূপবতী,
- কঙ্ক ও লীলা,
- কাজলরেখা ও
- দেওয়ান মদিনা।
উৎস : বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, বাংলাপিডিয়া; দৈনিক ইনকিলাব পত্রিকা।