বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

পরিবেশগত বিভিন্ন ইস্যু

মোট প্রশ্ন৩৪০এই পাতা৪০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

পরিবেশগত বিভিন্ন ইস্যু

PrepBank · পাতা / · ৩০১৩৪০ / ৩৪০

৩০১.
কার্টাগেনা প্রটোকল কবে কার্যকর হয়?
  1. ১৯৯২
  2. ২০০০
  3. ২০০৩
  4. ২০০৫
ব্যাখ্যা

কার্টাগেনা প্রটোকল কার্যকর হয় ১১ সেপ্টেম্বর, ২০০৩ সালে।

কার্টাগেনা প্রটোকল:
- কার্টাগেনা প্রটোকল ১১ সেপ্টেম্বর, ২০০৩ সালে কার্যকর হয়।
- এটি The Cartagena Protocol on Biosafety to the Convention on Biological Diversity নামে পরিচিত একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যা জৈব-নিরাপত্তা সম্পর্কিত।
- এই চুক্তিটি কলম্বিয়ার কার্টাগেনা শহরে আলোচিত হয় এবং ২৯ জানুয়ারি, ২০০০ সালে স্বাক্ষরিত হয়।
- বাংলাদেশ ২০০০ সালের ২৪ মে এই প্রটোকলে স্বাক্ষর করে এবং ২০০৪ সালের ৫ মে এটি অনুমোদন করে।  
 
সূত্র: কনভেনশন অন বায়ো-ডাইভার্সিটি (CBD) ওয়েবসাইট।

৩০২.
তৃতীয় ধরিত্রী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়-
  1. ক) নিউইয়র্কে
  2. খ) জোহানেসবার্গ
  3. গ) ব্রাসিলিয়া
  4. ঘ) রিওডিজেনেরিও
ব্যাখ্যা
প্রথম ধরিত্রী সম্মেলন ১৯৯২ সালের ৩-১৪ জুন ব্রাজিলের রিওডিজেনেরিওতে অনুষ্ঠিত হয়। দ্বিতীয় ধরিত্রী সম্মেলন ২০০২ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গ অনুষ্ঠিত হয়। তৃতীয় ধরিত্রী সম্মেলন ২০১২ সালে ব্রাজিলের রিওডিজেনেরিওতে অনুষ্ঠিত হয় এবং বিশেষ ধরিত্রী সম্মেলন ১৯৯৭ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত হয়।
৩০৩.
'গ্রিনপিস' কোন দেশভিত্তিক একটি বৈশ্বিক পরিবেশবাদী সংগঠন?
  1. ক) ডেনমার্ক
  2. খ) নেদারল্যান্ডস্‌
  3. গ) আয়ারল্যান্ড
  4. ঘ) ফিনল্যান্ড
ব্যাখ্যা
গ্রিনপিস (Greenpeace)
• গ্রিনপিস (Greenpeace) নেদারল্যান্ডস্‌ এর আমস্টারডাম ভিত্তিক একটি বৈশ্বিক পরিবেশবাদী সংগঠন।
• ১৯৭১ সালে আলাস্কার আমচিটকা (Amchitka) দ্বীপে আমেরিকার ভূগর্ভস্থ পারমানবিক বোমার পরীক্ষামূলক বিস্ফোরণের বিরুদ্ধে প্রচারণা ও লং-মার্চ পরিচালনার মাধ্যমে এর যাত্রা শুরু।
• বর্তমানে এটি বৈশ্বিক পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষার জন্য প্রচারনা সহ বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির বিরুদ্ধে প্রচারনা ও সামুদ্রিক পরিবেশ রক্ষার জন্য কাজ কর যাচ্ছে।
• ১৯৭১ সালে গ্রীণপিস নামে আত্মপ্রকাশের আগে এটি ১৯৬৯ সাল থেকে "Don't Make A Wave: It's Your Fault If Our Fault Goes" ব্যানারে কার্যক্রম পরিচালনা করেছে।
• গ্রিনপিস পরিবেশ বিপর্যযের বিপক্ষে গবেষণা, সচেতনতা, প্রচারণা এবং ক্ষেত্রবিশেষে সরাসরি কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। 

➧ এক নজরে গ্রিনপিস 
• প্রতিষ্ঠাকাল : ১৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৭১ সাল।
• প্রতিষ্ঠার স্থান : ভ্যাঙ্কুভার, ব্রিটিশ কলম্বিয়া, কানাডা।
• সদস্য : ২৭টি দেশ ও আঞ্চলিক সংগঠন।
• সদরদপ্তর :  আমস্টারডাম, নেদারল্যান্ড।
• ১৯৭১ সালে যুদ্ধবিধবস্ত বাংলাদেশে যাতায়াত ও পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়নকল্পে এই সংস্থা কাজ করেছে । যুদ্ধোত্তর যোগাযোগ ব্যবস্থা পূনর্গঠনে এর ভূমিকা উল্লেখ্যযোগ্য।

তথ্যসূত্র:- UNWTO ওয়েবসাইট।
৩০৪.
পৃথিবীর উষ্ণতা বৃদ্ধি রোধের জন্যে কোন চুক্তিটি গৃহিত হয়?
  1. ক) মন্ট্রিয়াল প্রটোকল
  2. খ) কিয়োটো প্রটোকল
  3. গ) বাসেল কনভেনশন
  4. ঘ) অটোয়া চুক্তি
ব্যাখ্যা
বৈশ্বিক উষ্ণায়নের জন্যে দায়ী গ্রিনহাউজ গ্যাস নিঃসরণ কমানোর উদ্দেশ্যে ১৯৯৭ সালের ১১ ডিসেম্বর জাপানের কিয়োটো শহরে ‘কিয়োটো প্রটোকল’ গৃহিত হয়।
এটির অংশীদার ১৯২টি দেশ ও সংস্থা। ২০০৫ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি এটি কার্যকর হয়।
২০১২ সালে এর মেয়াদ শেষ হলে দোহা এমেন্ডমেন্টের মাধ্যমে এর মেয়াদ ২০২০ সাল পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হলেও এখনো কার্যকর হয়নি।
অন্যদিকে,
- মন্ট্রিয়াল প্রটোকল : ওজোনস্তরের ক্ষয়সাধনকারী পদার্থের নিঃসরণ হ্রাস
- বাসেল কনভেনশন : ক্ষতিকর বর্জ্যের আন্তঃরাষ্ট্রীয় চলাচল নিয়ন্ত্রণ
- অটোয়া চুক্তি : স্থলাইন নিষিদ্ধকরণ।
(সূত্রঃ UNFCCC ওয়েবসাইট)
৩০৫.
নিচের কোনটি গ্রিনহাউজ গ্যাস নয়?
  1. নাইট্রাস অক্সাইড
  2. সিএফসি
  3. মিথেন
  4. সালফার ডাই অক্সাইড
ব্যাখ্যা
• সালফার ডাই অক্সাইড গ্রিনহাউজ গ্যাস নয়।

গ্রিনহাউজ গ্যাস:
- যেসব গ্যাস পৃথিবী থেকে বিকিরিত তাপ আটকে রেখে পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি করে তাদের গ্রিনহাউজ গ্যাস বলা হয়।

• গ্রিনহাউজ গ্যাসসমূহের মধ্যে রয়েছে:
- সিএফসি (ক্লোরোফ্লুরো কার্বন)
- কার্বন ডাই অক্সাইড
- মিথেন
- নাইট্রাস অক্সাইড
- হাউড্রোফ্লুরোকার্বনস
- পারফ্লুরোকার্বনস
- সালফার হেক্সাফ্লুরাইড প্রভৃতি।
- এদের মধ্যে প্রধান গ্রিনহাউজ গ্যাস হলো কার্বন ডাই অক্সাইড।

(সূত্র: UNFCCC ওয়েবসাইট)
৩০৬.
ICAN নিম্নের কোন বিষয়টি নিয়ে কাজ করে?
  1. ক) পারমাণবিক অস্ত্র নিষিদ্ধ ও বিলুপ্তির প্রচারণা
  2. খ) প্রকৃতি ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ
  3. গ) জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে বৈজ্ঞানিক গবেষণা
  4. ঘ) বণ্যপ্রাণী ও উদ্ভিদ সংরক্ষণ
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক পারমাণবিক অস্ত্র বিলুপ্তি প্রচারণা (ICAN)
▪ ICAN - এর পূর্ণরূপ - International Campaign to Abolish Nuclear Weapons.
▪ এটি পারমাণবিক অস্ত্র নিষিদ্ধ ও বিলুপ্তির জন্য পরিচালিত একটি প্রচারণা/অভিযান।
▪ বিশ্বের নানা প্রান্তের কয়েকটি বেসরকারি সংগঠন ও বেসামরিক নাগরিকদের সমন্বয়ে এই প্রচারণা বা অভিযান পরিচালনা করা হয়ে থাকে। 
▪ ভূমি মাইন স্থাপন বন্ধের প্রচারনা থেকে উৎসাহিত হয়ে International Physicians for the Prevention of Nuclear War (IPPNW) উদ্যোগী হয়ে ICAN প্রতিষ্ঠা করে।
• প্রতিষ্ঠাকাল:- ফান্ড সংগ্রহ - ২৩ এপ্রিল, ২০০৭ সাল এবং মূল প্রচারনা শুরু - ৩০ এপ্রিল, ২০০৭ সাল।
• প্রতিষ্ঠার স্থান - মেলবোর্ন, অস্ট্রেলিয়া (ফান্ড সংগ্রহ) এবং ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া (মূল কার্যক্রম শুরু)। 
• সদরদপ্তর - জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
• নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে ২০১৭ সালে।

অন্যদিকে,
• প্রকৃতি ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ সংস্থা (IUCN) ১৯৪৮ সালের ৫ অক্টোবর ফ্রান্সের ফন্টেনব্লিউতে প্রতিষ্ঠিত হয়।
• জলবায়ু পরিবর্তন এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব বিষয়ে বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও তথ্য-উপাত্ত সরবরাহের উদ্দেশ্যে ১৯৮৮ সালে IPCC (Intergovernmental Panel on Climate Change) প্রতিষ্ঠিত হয়।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা এবং হিস্টোরি ডট কম।
৩০৭.
চীনের যে প্রদেশে নাগরিকরা ইচ্ছেমতো সন্তান নিতে পারেন-
  1. ক) সিচুয়ান প্রদেশ
  2. খ) ইউয়ান প্রদেশ
  3. গ) নারিকেল প্রদেশ
  4. ঘ) ওহান প্রদেশ
ব্যাখ্যা
• জনসংখ্যা কমেছে চীনে:
- ’বিগত ছয় দশকের মধ্যে প্রথমবারে মতো জনসংখ্যা কমেছে চীনে।
- ২০২২ সালে দেশটির জনসংখ্যা অন্তত ৮ লাখ ৫০ হাজার কমেছে।
- চীনের ন্যাশনাল ব্যুরো অব স্ট্যাটিস্টিকস এ তথ্য জানিয়েছে।
- ১৯৬১ সালে চীনে কয়েক বছরব্যাপী মহাদুর্ভিক্ষের শেষ বছরে চীনে শেষবারের মতো জনসংখ্যা কমেছিল।
- এরপর ৬১ বছর পেরিয়ে ২০২২ সালে এসে দেশটির জনসংখ্যা প্রায় ৮ লাখ ৫০ হাজার কমলো।
- জনসংখ্যা কমে যাওয়ার হার ঠেকাতে চীনের সিচুয়ান প্রদেশে নাগরিকেরা এখন থেকে ইচ্ছা মতো সন্তান নিতে পারবেন।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো নিউজ।
৩০৮.
'গ্রীনহাউস' শব্দটি প্রথম ব্যবহৃত হয়-
  1. ক) ১৮৬৯ সালে
  2. খ) ১৮৭৩ সালে
  3. গ) ১৮৯৬ সালে
  4. ঘ) ১৯৬৯ সালে
ব্যাখ্যা
- ১৮৯৬ সালে 'গ্রীনহাউস' শব্দটি সর্বপ্রথম ব্যবহার করেন সুইডিশ বিজ্ঞানী সোভনর্টে আরহেনিয়াস। 
- 'ইকোলজি' শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেন আর্নেস্ট হেইকেল। 
- সবুজ বিপ্লবের জনক নরম্যান বোরল্যাগ। 

উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
৩০৯.
কোন সম্মেলনকে ‘দোহা সংশোধনী’ বলা হয়?
  1. কপ - ১৫
  2. কপ - ১৬
  3. কপ - ১৭
  4. কপ - ১৮
ব্যাখ্যা
দোহা সংশোধনী:
- ২০১২ সালে কাতারের রাজধানী দোহাতে অনুষ্ঠিত হয় কপ - ১৮ সম্মেলন।
- এই সংশোধনীর মূল লক্ষ্য ছিল কিয়োটো প্রটোকলের দ্বিতীয় পর্ব (২০১৩-২০২০) এবং কিছু নতুন পদক্ষেপ নেওয়া যা জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা করার জন্য গৃহীত হয়েছিল।
- একে বলা হয় দোহা সংশোধনী।

উল্লেখ্য,
- কিয়োটো প্রটোকল হল United Nations Framworks Convention on Climate Change (UNFCCC) একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যার আওতায় পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ তাদের গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন কমানোর প্রতিশ্রুতি দেয়। কার্বনের মাত্রা ভয়াবহভাবে বেড়ে গিয়ে পৃথিবীকে বিপর্যয়ের মধ্যে ফেলে দেওয়া থেকে উদ্ধার করার জন্যেই মূলত এই চুক্তি স্বাক্ষর করা হয়।‍
- প্রথম পর্বের পর কিয়োটো প্রটোকলের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার জন্য দ্বিতীয় পর্বের জন্য নতুন কিছু পদক্ষেপ প্রয়োজন ছিল, এবং সেগুলোই দোহা সংশোধনীর মাধ্যমে প্রবর্তিত হয়।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।
৩১০.
কার্বন ক্রেডিট’ ধারণাটি কোন আন্তর্জাতিক প্রোটোকলের অন্তর্গত?
  1. কিয়োটো
  2. নাগোয়া
  3. জেনেভা
  4. মন্ট্রিল
ব্যাখ্যা

- 'কার্বন ক্রেডিট' প্রোটোকলের সাথে জড়িত কিয়োটো প্রটোকল।

কিয়োটো প্রটোকল:
- কিয়োটো প্রটোকল স্বাক্ষরিত হয় জাপানের কিয়োটোতে।
- কিয়োটো প্রটোকল ১৯৯৭ সালে জাতিসংঘের উদ্যোগে স্বাক্ষরিত হয়,
- কিয়োটো প্রটোকল কার্যকর হয় ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০০৫ সালে।
- কার্বন ক্রেডিট বা কার্বন বাণিজ্য কিয়োটো প্রটোকলের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

অন্যদিকে:
- নাগোয়া প্রোটোকল কী উদ্দেশ্য জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও টেকসই ব্যবহার।
​- মন্ট্রিল প্রোটোকল ওজোনস্তর সংরক্ষণ বিষয়ক একটি বৈশ্বিক চুক্তি। 

সূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

৩১১.
পরিবেশ রক্ষা আন্দোলনে ভুমিকা রাখার জন্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন কে?
  1. ক) নাদিয়া মুরাদ
  2. খ) আবি আহমেদ
  3. গ) ওয়াঙ্গিরি মাথাই
  4. ঘ) হুয়ান ম্যানুয়েল সান্তোষ
ব্যাখ্যা
পরিবেশ রক্ষা এবং টেকসই উন্নয়ন আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ন অবদানের জন্যে ২০০৪ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন কেনিয়ার পরিবেশ আন্দোলন কর্মী ওয়াঙ্গিরি মাথাই। তিনি ১৯৭৭ সালে কেনিয়ায় গ্রিনবেল্ট ‍মুভমেন্ট সংস্থা প্রতিষ্ঠা করেন এবং আফ্রিকার নারীদের এতে সম্পৃক্ত করে এর বিস্তৃতি ঘটান। তিনি ১ এপ্রিল ১৯৪০ জন্মগ্রহণ করেন এবং ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১১ মারা যান। তিনি প্রথম আফ্রিকান নারী হিসেবে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। (সূত্র: নোবেল পুরস্কার এবং গ্রিনবেল্ট মুভমেন্ট ওয়েবসাইট)
৩১২.
WWF এর পূর্ণরূপ কোনটি?
  1. World Wide Fund for Forest
  2. World Wide Fund for Nature
  3. World Wildlife Fund
  4. World Wide Fund for Future
ব্যাখ্যা
WWF এর পূর্ণরুপ হলো World Wide Fund for Nature. এটি ১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠিত প্রকৃতি ও পরিবেশ সংরক্ষণ বিষয়ক একটি আন্তর্জাতিক বেসরকারি সংগঠন।
শুরুতে এর নাম ছিলো World Wildlife Fund. ১৯৮৫ সালের এর নামকরণ করা হয় World Wide Fund for Nature। সুইজারল্যান্ডের গ্লান্ড শহরে WWF এর সদরদপ্তর অবস্থিত।
(সূত্রঃ WWF ওয়েবসাইট)
৩১৩.
কত সালে চেরনোবিল পারমাণবিক বিপর্যয় ঘটে?
  1. ক) ১৯৭৫ সালে
  2. খ) ১৯৮৬ সালে
  3. গ) ১৯৯০ সালে
  4. ঘ) ১৯৯২ সালে
ব্যাখ্যা
১৯৮৬ সালের এপ্রিল মাসে বর্তমান ইউক্রেনের (সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের অংশ) চেরনোবিল শহরের পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ পারমাণবিক দুর্ঘটনা ঘটে। এতে তাৎক্ষণিক ৩১ জন মারা যায়। এছাড়া তেজস্ক্রিয়তার প্রভাবে বিভিন্ন রোগে ভোগে পরবর্তীতে হাজারের উপর লোক মারা যায়। বিদ্যুৎ কেন্দ্রের চারদিকে ৩০ মাইল করে এলাকা পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয় যা এখনো বলবৎ রয়েছে। (সূত্রঃ বিবিসি বাংলা)
৩১৪.
কোন সংস্থা থেকে পরিবেশ বিষয়ক সর্বোচ্চ পদক 'Champion of the Earth' প্রদান করা হয়?
  1. ক) IPCC
  2. খ) UNFCCC
  3. গ) UNEP
  4. ঘ) UNESCO
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচী (UNEP):
UNEP - এর পূর্ণরূপ United Nations Environment Programme বা জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি ।
- প্রতিষ্ঠার পর থেকেই ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ ও সুন্দর পৃথিবী নির্মাণের উদ্দেশ্যে পরিবেশগত এজেন্ডা নির্ধারণ ও বাস্তবায়নে UNEP নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছে।
- প্রতিষ্ঠা -- ৫ জুন, ১৯৭২ সাল
- সদরদপ্তর -- নাইরোবি, কেনিয়া
- পরিবেশ বিষয়ক সর্বোচ্চ পদক - Champion of the Earth প্রদান করা হয় এই সংস্থা থেকে।

উৎসঃ জাতিসংঘ ও UNEP ওয়েবসাইট।
৩১৫.
বায়ু দূষণের জন্য প্রধানত দায়ী-
  1. ক) অক্সিজেন
  2. খ) নাইট্রোজেন
  3. গ) কার্বন মনোক্সাইড
  4. ঘ) কার্বন ডাইঅক্সাইড
ব্যাখ্যা
World Health Organization (WHO) বা বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার মতে, “পৃথিবীর বায়ুমন্ডলের মধ্যে অনিষ্টকর পদার্থের সমাবেশ যখন মানুষ ও তার পরিবেশের ক্ষতি করে সেই অবস্থাকে বায়ু দূষণ বলে”। 
অন্যান্য দূষণের চেয়ে বায়ু দূষণের পরিধি এবং ব্যাপকতা সবচেয়ে বেশি। কারণ বাতাস স্বল্প সময়ে দূষিত পদার্থকে চতুর্দিকে ছড়িয়ে দিতে পারে ।
 
বায়ুর প্রধান দূষকসমহ নিম্নরূপ :
- কার্বন মনোক্সাইড
-  ওজোন
- নাইট্রোজেন ডাই-অক্সাইড
- সালফার ডাই-অক্সাইড
- সীসা 
 
উৎস : বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ওয়েবসাইট 
 
৩১৬.
দেশের সর্বাধিক আর্সেনিক দূষণপ্রবণ জেলা কোনটি?
  1. গোপালগঞ্জ
  2. চাঁদপুর
  3. চাপাইনবাবগঞ্জ
  4. ফরিদপুর
ব্যাখ্যা
সর্বাধিক আর্সেনিক দূষণপ্রবণ জেলাসমূহ
- চাঁদপুর : ৯০ শতাংশ
- মুন্সিগঞ্জ : ৮৩ শতাংশ
- গোপালগঞ্জ : ৭৯ শতাংশ
- ফরিদপুর : ৬৫ শতাংশ
- কুমিল্লা : ৬৫ শতাংশ।
(দুর্যোগকোষ : ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়)
৩১৭.
The word 'Magna Carta' is derived from-
  1. ক) Latin
  2. খ) Greek
  3. গ) Spanish
  4. ঘ) Portuguese
ব্যাখ্যা
"Magna Carta" is a word which orginated from Medival Latin and it means - ‘great charter’.
Source: Oxford Dictionary.
৩১৮.
কোন সম্মেলনে 'গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড' গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হয়?
  1. কানকুন সম্মেলন
  2. ডাবলিন সম্মেলন
  3. প্যারিস সম্মেলন
  4. কোপেনগেন সম্মেলন
ব্যাখ্যা
• গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড (Green Climate Fund) গঠনের প্রেক্ষাপট ও সম্মেলন:
• কোপেনহেগেন সম্মেলন (COP-15), ২০০৯:
- এই সম্মেলনে উন্নত এবং উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যে জলবায়ু তহবিল নিয়ে বড় ধরনের আলোচনা হয়।
- উন্নয়নশীল দেশগুলো দাবী তোলে যে, জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য দায়ী মূলত উন্নত দেশগুলো, তাই ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোকে আর্থিক সহায়তা দিতে হবে।
- এরই প্রেক্ষিতে, "Copenhagen Accord"-এ Green Climate Fund (GCF) গঠনের প্রাথমিক ধারণা ও প্রস্তাব উঠে আসে
- লক্ষ্য ছিল উন্নয়নশীল দেশগুলোকে জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবেলায় অর্থায়ন করা।

অন্যদিকে,
• কানকুন সম্মেলন (COP-16), ২০১০:
- কোপেনহেগেনে তহবিলের ধারণা দেওয়ার পর, পরবর্তী বছর মেক্সিকোর কানকুনে এই তহবিল গঠনের আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
- এই সম্মেলনে GCF-এর কাঠামো, পরিচালনা এবং অর্থায়নের রূপরেখা চূড়ান্ত হয়। 

উৎস: Green Climate Fund ওয়েবসাইট।
৩১৯.
মরুভূমিতে বাৎসরিক বৃষ্টিপাতের পরিমাণ হলো -
  1. ক) ২৫ সে.মি. এর বেশি
  2. খ) ২৫ সে.মি. এর কম
  3. গ) ৩০ সে.মি. এর বেশি
  4. ঘ) ৪০ সে.মি.
ব্যাখ্যা
মরুভূমি:
- মরুভূমি হলো এমন ভৌগোলিক অঞ্চল যেখানে বাৎসরিক বৃষ্টিপাত ২৫ সে.মি. এর কম
- এখানে বাষ্পায়নের হার অনেক বেশি কিন্তু জলীয় বাষ্প এখানে থাকে না।
- এ ধরনের মরুভূমি উত্তর ও দক্ষিণ গোলার্ধের ৩০° ল্যাটিচুডে অবস্থিত।
- সব থেকে বড় মরুভূমি সাহারা, যা আফ্রিকা মহাদেশের প্রায় অর্ধেক স্থান জুড়ে অবস্থিত।
- অস্ট্রেলিয়া, এশিয়া, উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকায় মরুভূমি রয়েছে।
- মরু পরিবেশে দিন ও রাত্রির তাপমাত্রার পার্থক্য ৩০° সে. পর্যন্ত হয়।

- যে সকল উদ্ভিদ অভিযোজিত অবস্থায় আছে তাদেরকে জেরোফাইট (Xerophyte) বলে। এখানে বর্ষজীবী ও বহুবর্ষজীবী উভয় প্রকার উদ্ভিদ জন্মায়।
- সাধারণত মরুভূমিতে বছরে একবারই বৃষ্টি হয়। 
- বৃষ্টির সাথে সাথেই আগের বছরের বীজ অঙ্কুরিত হয় এবং খুব অল্প দিনেই বিকশিত হয়ে ফুল-ফলে ভরে যায়।
- মরুভূমির উদ্ভিদের পত্ররন্ধ্র সাধারণত রাত্রিতে খোলে, ফলে পানির অপচয় কম হয়।
- এদের বেশিরভাগই CAM উদ্ভিদ।
- ক্যাকটাস, বাবলা, খেজুর, কিছু ইউফরবিয়া, কিছু লিগিউম এবং কিছু অ্যাস্টারেসির উদ্ভিদ মরুভূমিতে জন্মে।

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩২০.
নিচের কোনটি নবায়নযোগ্য জ্বালানি?
  1. ক) খনিজ তেল
  2. খ) কয়লা
  3. গ) জলবিদ্যুৎ
  4. ঘ) এলএনজি
ব্যাখ্যা
যেসব শক্তি বা জ্বালানি পুনরায় ব্যবহার করা যায় কিংবা যে সব শক্তি বা জ্বালানির উৎস ব্যবহারে নিঃশেষ হয়ে যায় না তাদের নবায়নযোগ্য জ্বালানি বলে।
নবায়নযোগ্য জ্বালানির মধ্যে রয়েছে:
- সৌরতাপ
- জিওথার্মাল বা ভূ-তাপ শক্তি
- বায়ু
- জলবিদ্যুৎ
- বায়োগ্যাস ইত্যাদি।
অন্যদিকে,
- খনিজ তেল, কয়লা ও প্রাকৃতিক গ্যাস/এলএনজি (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) হলো অনবায়নযোগ্য জ্বালানি।

(তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা)
৩২১.
কোন দু'টি সংস্থার সমন্বয়ে 'The Intergovernmental Panel on Climate Change' গঠিত হয়?
  1. ক) UNDP ও UNESCO
  2. খ) UNEP ও WMO
  3. গ) UNDP ও UNEP
  4. ঘ) WMO ও UNDP
ব্যাখ্যা
IPCC:
- IPCC এর পূর্ণরূপ হলো- The Intergovernmental Panel on Climate Change.
- এই সংস্থা জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও তথ্য-উপাত্ত সরবরাহ করে থাকে। 
- জাতিসংঘের দুটি সংস্থা নিয়ে IPCC গঠিত হয়।
- বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (WMO) এবং জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচী (UNEP) এর সম্মিলিত উদ্যোগে ১৯৮৮ সালে IPCC গঠিত হয়
- IPCC এর বর্তমান সদস্য দেশের সংখ্যা ১৯৫টি।
- IPCC ২০০৭ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করে। 

উৎস: IPCC ওয়েবসাইট।
৩২২.
'মিস আর্থ' প্রতিযোগিতার উদ্দেশ্য কি?
  1. ক) নারী সচেতনতা বৃদ্ধি
  2. খ) পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধি
  3. গ) সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি
  4. ঘ) স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি
ব্যাখ্যা
Miss Earth is an annual international environmental-themed beauty pageant competition promoting environmental awareness, conservation and social responsibility affiliated and supported by the United Nations Environment Programme. The contest is the third largest beauty pageant in the world in terms of the number of national-level competitions to participate in the world finals.
৩২৩.
জাতিসংঘ সমুদ্র আইন স্বাক্ষরিত হয়-
  1. ক) ১৯৭০ সালে
  2. খ) ১৯৮২ সালে
  3. গ) ১৯৭৩ সালে
  4. ঘ) ১৯৮৮ সালে
ব্যাখ্যা
- জাতিসংঘের সমুদ্রবিষয়ক আইন বা United Nations Convention on the Law of the Sea ১৯৮২ সালে সমুদ্রবিষয়ক তৃতীয় জাতিসংঘ সম্মেলনে স্বাক্ষরিত একটি চুক্তির নাম। 
- সম্মেলনটি ১৯৭৩ থেকে ১৯৮২ সাল পর্যন্ত চলেছিল।
- এ আইনটি UNCLOS-III নামেও পরিচিত। 
- মৎস্য শিকার, নৌচলাচল, মহীসােপান, গভীর সমুদ্রতল, বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও সমুদ্র দূষণের মত বিষয়গুলাে এ চুক্তির মূল বিষয়। 
- ১৯৭৯ সালে জাতিসংঘ নারীর প্রতি সকল প্রকার বৈষম্য বিলােপ সম্পর্কিত CEDAW কনভেনশন অনুমােদন করে।

উৎসঃ জাতিসংঘের ওয়েবসাইট।
৩২৪.
নিচের কোনটি নবায়নযোগ্য শক্তি?
  1. ক) সৌরশক্তি
  2. খ) জলবিদ্যুৎ
  3. গ) সমুদ্রের ঢেউ
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস:- সৌরশক্তি, জলবিদ্যুৎ, বায়ু শক্তি, ভূতাপীয় শক্তি, সমুদ্রের ঢেউ ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র:- পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম,উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৩২৫.
বিশ্বে সবচেয়ে বেশি বনভূমি রয়েছে কোন দেশে?
  1. ক) ব্রাজিল
  2. খ) কানাডা
  3. গ) অস্ট্রেলিয়া
  4. ঘ) রাশিয়া
ব্যাখ্যা
বিশ্বে মোট বনভূমির পরিমাণ ৪.০৬ বিলিয়ন হেক্টর যা পৃথিবীর মোট আয়তনের শতকরা প্রায় ৩১ ভাগ। দেশ অনুসারে বনভূমির পরিমাণ:
রাশিয়া – ৮১.৫ লক্ষ হেক্টর (২০.১%)
ব্রাজিল – ৪৯.৭ লক্ষ হেক্টর (১২.২%)
কানাডা – ৩৪.৭ লক্ষ হেক্টর (৮.৫%)
যুক্তরাষ্ট্র – ৩১ লক্ষ হেক্টর (৭.৬%)
চীন – ২২ লক্ষ হেক্টর (৫.৪%)।
(সূত্র: FAO ওয়েবসাইট)
৩২৬.
'বিশ্ব বাঘ দিবস' কবে পালিত হয়?
  1. ২৯ জুলাই
  2. ১১ ডিসেম্বর
  3. ৪ অক্টোবর
  4. ২১ মার্চ
ব্যাখ্যা
বিশ্ব বাঘ দিবস:
- প্রতিবছর ২৯ জুলাই 'বিশ্ব বাঘ দিবস' পালন করা হয়। 
- বাঘের প্রাকৃতিক আবাস রক্ষা করা এবং বাঘ সংরক্ষণের জন্য সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে প্রতি বছরের ২৯ জুলাই বিশ্ব বাঘ দিবস পালন করা হয়।
- ২০১০ সালে সেন্ট পিটার্সবার্গে অনুষ্ঠিত বাঘ অভিবর্তনে এ দিবসটির সূচনা হয়।

⇒ ২০১০ সালে রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গে অনুষ্ঠিত বাঘ সমৃদ্ধ ১৩টি দেশের রাষ্ট্র প্রধানদের সম্মেলনে বাঘ সংরক্ষণকে বেগবান করার জন্য এক ঘোষণা পত্র তৈরি হয়।
- সেই ঘোষনা পত্রের আলোকে প্রতিবছর ২৯ জুলাই বিশ্ব বাঘ দিবস পালিত হচ্ছে।
- বাঘ রয়েছে বিশ্বের এমন ১৩টি দেশ হচ্ছে- বাংলাদেশ, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, চীন, ভুটান, নেপাল, মিয়ানমার, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, কম্বোডিয়া, লাওস, ভিয়েতনাম ও রাশিয়া।

অন্যদিকে -
- বিশ্ব বন দিবস ২১ মার্চ।
- বিশ্ব প্রাণী দিবস ৪ অক্টোবর।
- বিশ্ব পর্বত দিবস ১১ ডিসেম্বর।

উৎস: Earth Reminder ওয়েবসাইট।
৩২৭.
জাতিসংঘ টেকসই উন্নয়ন সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় কবে?
  1. ক) ২০০২ সালে
  2. খ) ২০১২ সালে
  3. গ) ২০১৫ সালে
  4. ঘ) ২০০৪ সালে
ব্যাখ্যা
২০১২ সালের ২০-২২ জুন ব্রাজিলের রিও ডি জেনেরিও শহরে অনুষ্ঠিত হয় জাতিসংঘ টেকসই উন্নয়ন সম্মেলন বা রিও+২০ সম্মেলন। এই সম্মেলনে পৃথিবীবাসীর জন্যে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়। এতে জাতিসংঘভুক্ত ১৯৩ টি দেশের প্রতিনিধিরা অংশ গ্রহণ করে। (সূত্রঃ জাতিসংঘ ওয়েবসাইট)
৩২৮.
নাগোয়া প্রোটোকল কিসের সাথে সম্পর্কীত? 
  1. বানিজ্য চুক্তি
  2. জীব বৈচিত্র্য
  3. জলাভূমি রক্ষা
  4. পানি দুষণ রোধ
ব্যাখ্যা

নাগোয়া প্রটোকল:
- পূর্ণ নাম: The Nagoya Protocol on Access and Benefit-sharing.
- নাগোয়া প্রোটোকল হল জৈবিক বৈচিত্র্য কনভেনশনের একটি পরিপূরক চুক্তি।
- গৃহীত হয়: ২৯ অক্টোবর, ২০১০ সাল।
- কার্যকর: ১২ অক্টোবর, ২০১৪ সাল।
- স্বাক্ষরের স্থান: নাগোয়া, জাপান।
- এর উদ্দেশ্য হল জিনগত সম্পদের ব্যবহার থেকে উদ্ভূত সুবিধাগুলির ন্যায্য এবং ন্যায়সঙ্গত বন্টন, যার ফলে জীববৈচিত্র্যের  সংরক্ষণ এবং টেকসই ব্যবহারে অবদান রাখা যায়।

উৎস: Convention on Biological Diversity ওয়েবসাইট। 

৩২৯.
গ্রিনবেল্ট মুভমেন্ট আন্দোলনের প্রবর্তন করেন কে?
  1. ‌গ্রেটা থুনবার্গ
  2. আল গোর
  3. ওয়াঙ্গিরি মাথাই
  4. কৈলাস সিদ্ধার্থ
ব্যাখ্যা
- গ্রিনবেল্ট মুভমেন্ট এর প্রবর্তক হলেন কেনিয়ান পরিবেশ আন্দোলন কর্মী ওয়াঙ্গিরি মাথাই। তিনি ১৯৭৭ সালে গ্রিনবেল্ট মুভমেন্টের সূচনা করেন।
- পরিবেশ রক্ষায় অবদানের জন্যে ওয়াঙ্গিরি মাথাই ২০০৪ সালে প্রথম আফ্রিকান নারী হিসেবে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
(তথ্যসূত্র: নোবেল পুরস্কার এবং গ্রিনবেল্ট মুভমেন্ট ওয়েবসাইট)
৩৩০.
"গ্রীন হাউজ" ইফেক্ট কি?
  1. সবুজ বৃক্ষ ধ্বংস হওয়া
  2. নিম্ন ভূমি নিমজ্জিত হওয়া
  3. সমুদ্রতলের উচ্চতা বেড়ে যাওয়া
  4. তাপ আটকে পড়ে সার্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি
ব্যাখ্যা
গ্রীন হাউজ ইফেক্ট: 

- পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধির মাধ্যমে পরিবর্তনশীল আবহাওয়ার প্রক্রিয়াকে গ্রীন হাউজ ইফেক্ট বলে। 
- বায়ুমণ্ডলে উপস্থিত যেসব গ্যাসীয় CO2, CFC, N2O2, CO, O3 ইত্যাদি পদার্থের আবরণ পৃথিবীকে আচ্ছাদন রূপে ঢেকে রেখে পৃথিবী পৃষ্ঠ হতে বিকিরিত তাপকে মহাশূন্যে ফিরে যেতে বাঁধা দেয় এবং বায়ুমণ্ডলকে উত্তপ্ত রাখে তাদেরকে গ্রীন হাউজ গ্যাস বলে। 
- পরিবেশ দূষণ এবং গাছপালা কেটে ফেলার ফলে গ্রীন হাউস গ্যাসের পরিমাণ বাড়ছে, ফলে সূর্য থেকে তাপ বিকিরিত হয়ে পৃথিবীতে ঢোকার পর যতটা আবার পৃথিবীর বাইরে বিকিরিত হওয়া উচিত তা হচ্ছে না, ফলে পৃথিবীর তাপমাত্রা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। 
- গ্রিন-হাউজ ইফেক্ট এর ফলে তাপ আটকে পড়ে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের সার্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়। 

উৎস: ভূগোল, নবম-দশম শ্রেণি।
৩৩১.
বর্তমানে বিশ্বের সর্বোচ্চ কার্বন নিঃসরণকারী দেশ কোনটি?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. ভারত 
  3. চীন 
  4. রাশিয়া
ব্যাখ্যা

সর্বোচ্চ পরিমাণ কার্বন নিঃসরণকারী দেশ:
- জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য প্রধানত দায়ী কার্বন ডাই–অক্সাইড নিঃসরণ। বিশ্বের শিল্পোন্নত দেশগুলো সবচেয়ে বেশি কার্বন নিঃসরণ করে। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গবেষণাপ্রতিষ্ঠান ‘ওয়ার্ল্ড পপুলেশন রিভিউ’ ২০২৩ সালের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেশভিত্তিক কার্বন নিঃসরণের একটি তালিকা তৈরি করেছে।
- সর্বশেষ প্রকাশ: জুলাই, ২০২৫। 
- প্রতিবেদন অনুযায়ী কার্বন নিঃসরণে শীর্ষ দেশ চীন।

⇒ তালিকা অনুযায়ী সবচেয়ে বেশি কার্বন নিঃসরণকারী দেশ:
১. চীন, 
২. যুক্তরাষ্ট্র, 
৩. ভারত, 
৪. রাশিয়া, 
৫. জাপান।

উৎস: i) World Population Review.
ii) IEA - International Energy Agency. 

৩৩২.
'কপ-২৫' সম্মেলন কোথায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল?
  1. ক) ফ্রান্স
  2. খ) রোম
  3. গ) স্পেন
  4. ঘ) চিলি
ব্যাখ্যা
২০১৯ সালে স্পেনের মাদ্রিদে 'কপ-২৫' সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
প্রথমে এই সম্মেলনটি চিলির সান্তিয়াগোতে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। পরবর্তীতে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার কারণে চিলি অপরাগতা প্রকাশ করলে স্পেনের মাদ্রিদে অনুষ্ঠিত হয়।
কপ-২৬ সম্মেলন ২০২০ সালে স্কটল্যান্ডে হওয়ার কথা থাকলেও করোনা মহামারীর কারণে ২০২১ সালের ১-১২ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে।
উৎসঃ UNFCCC এর ওয়েবসাইট।
৩৩৩.
বিশ্বে কার্বন নিঃসরণের দিক থেকে শীর্ষে কোন দেশ রয়েছে? 
  1. জাপান
  2. রাশিয়া
  3. চীন
  4. যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

• সর্বোচ্চ পরিমাণ কার্বন নিঃসরণকারী দেশ:
- জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য প্রধানত দায়ী কার্বন ডাই–অক্সাইড নিঃসরণ।
- বিশ্বের শিল্পোন্নত দেশগুলো সবচেয়ে বেশি কার্বন নিঃসরণ করে।
- যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গবেষণাপ্রতিষ্ঠান ‘ওয়ার্ল্ড পপুলেশন রিভিউ’ ২০২৩ সালের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেশভিত্তিক কার্বন নিঃসরণের একটি তালিকা তৈরি করেছে।
- সর্বশেষ প্রকাশ: জুলাই, ২০২৫। 
- প্রতিবেদন অনুযায়ী কার্বন নিঃসরণে শীর্ষ দেশ চীন।

» তালিকা অনুযায়ী সবচেয়ে বেশি কার্বন নিঃসরণকারী দেশ:
১. চীন, 
২. যুক্তরাষ্ট্র, 
৩. ভারত, 
৪. রাশিয়া, 
৫. জাপান।

তথ্যসূত্র: i) World Population Review.
ii) IEA - International Energy Agency. 

৩৩৪.
গ্রিনহাউজ প্রতিক্রিয়ার ফলে-
  1. বৃষ্টিপাত বৃদ্ধি পাবে
  2. সমুদ্র স্তরের উচ্চতা হ্রাস পাবে
  3. মেরু অঞ্চলের বরফ গলে যাবে
  4. নদীর নাব্যতা হ্রাস পাবে
ব্যাখ্যা
গ্রিনহাউজ প্রতিক্রিয়ার ফলে পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাবে। এতে করে মেরু অঞ্চলসহ অন্যান্য স্থানে সঞ্চিত থাকা বরফ গলতে শুরু করবে। যার কারণে সমুদ্রের পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পাবে।
ফলশ্রুতিতে বাংলাদেশসহ পৃথিবীর স্থলভাগের অনেক নিম্নভূমি সমুদ্রের পানিতে নিমজ্জিত হবে।
(সূত্র: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা)
৩৩৫.
কোন দেশে ‘Fridays for Future’ আন্দোলনের সূত্রপাত হয়?
  1. নরওয়ে
  2. সুইডেন
  3. ডেনমার্ক
  4. জার্মানি
ব্যাখ্যা

- ‘Fridays for Future’ আন্দোলনের সূত্রপাত হয় সুইডেনে।

Fridays for future:
- ‘Fridays for Future’ আন্দোলনের সূত্রপাত করেন সুইডেনের গ্রেটা থুনবার্গ।
- তিনি মাত্র ১৫ বছর বয়সে ২০১৮ সালে স্কুলে না গিয়ে সুইডিশ পার্লামেন্ট ভবনের সামনে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে সচেতনতামূলক অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন।
- তার এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগ বিশ্বজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন তোলে এবং অন্যান্য শিক্ষার্থীরাও এতে অনুপ্রাণিত হয়ে অংশ নেয়।
- ফলে এটি একটি বৈশ্বিক পরিবেশবাদী আন্দোলনে রূপ নেয়।
- আন্দোলনের মূল উদ্দেশ্য ছিল সরকারগুলোকে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় কার্যকর পদক্ষেপ নিতে বাধ্য করা।
- এভাবেই ‘Fridays for Future’ আন্দোলনের সূচনা ঘটে এবং এটি বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে।

সূত্র: Fridays For Future ওয়েবসাইট ও দৈনিক প্রথম আলো।

৩৩৬.
সবুজ বিপ্লবের জনক বলা হয় কাকে?
  1. ক) পল ক্রুজেন
  2. খ) আর্নেস্ট হেকেল
  3. গ) নোরম্যান বোরলগ
  4. ঘ) গ্রাউন্ট পাউলি
ব্যাখ্যা
মার্কিন কৃষিবিদ অধ্যাপক নরম্যান আর্নেস্ট বোরলগকে সবুজ বিপ্লবের জনক বলা হয়।
তিনি ১৯৭০ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
বিংশ শতাব্দীতে নরম্যান বোরলগ কর্তৃক উদ্ভাবিত উন্নত জাতের গমের ব্যাপক ফলনের মাধ্যমে এ বিপ্লবের সূচনা হয়। পরবর্তীতে এতে আরও নানা অনুষঙ্গ যুক্ত হয় যার ফলে কয়েক দশকের মধ্যেই বিশ্বে খাদ্য উৎপাদন প্রায় দ্বিগুণ হয়।
অন্যদিকে, পল ক্রুজেন প্রথম ওজনস্তরের ক্ষয়সাধন সম্পর্কে ধারণা দেন।
আর্নেস্ট হেকেল প্রথম ‘ইকোলজি’ শব্দ ব্যবহার করেন।
(সূত্রঃ ব্রিটানিকা)
৩৩৭.
সর্বপ্রথম কোন দেশে আর্থ আওয়ার পালিত হয়?
  1. জাপান
  2. অস্ট্রেলিয়া
  3. কেনিয়া
  4. সুইডেন
ব্যাখ্যা
আর্থ আওয়ার:
- পরিবেশ দূষণ রোধে উৎসাহ সৃষ্টির লক্ষ্যে বছরে ১ ঘন্টা বৈদ্যুতিক বাতি বন্ধ করে রাখার কার্যক্রম।
- WWF (World Wide Fund for Nature) এর আয়োজক।
- ২০০৭ সালের ৩১ মার্চ অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে প্রথম আর্থ আওয়ার পালিত হয়।
- ২০০৭ সালে অস্ট্রেলিয়ার সিডনি অপেরা হাউসে এক ঘণ্টার জন্য বাতি নিভিয়ে শুরু করা এই আর্থ আওয়ার এখন দুনিয়ার বৃহত্তম পরিবেশ সচেতনতামূলক বার্ষিক আয়োজনে পরিণত হয়েছে বলে দাবি করেছেন এর উদ্যোক্তারা।
- রাত ৮.৩০ থেকে ৯.৩০ পর্যন্ত ১ ঘন্টা বৈদ্যুতিক বাতি বন্ধ করে রাখা হয়।
- প্রতি বছর মার্চ মাসের শেষ শনিবার আর্থ আওয়ার পালিত হয়।

উল্লেখ্য,
- ২০২৪ সালের মার্চ মাসের ২৩ তারিখ আর্থ আওয়ার পালন করা হয়।
- এই সালে আর্থ আওয়ার পালন অষ্টম বছরে পা দিয়েছে।

উৎস: Earth Hou ওয়েবসাইট।
৩৩৮.
আজারবাইজানের বাকুতে অনুষ্ঠিত COP-29 জলবায়ু সম্মেলনের সভাপতিত্ব করেছেন কে?
  1. জন ফ্রান্সিস
  2. মুখতার বাবায়েভ
  3. সিমন স্টিয়েল
  4. আন্দ্রিয়া বোসেক
ব্যাখ্যা
• কপ সম্মেলন (Cop Conference):
- COP -এর পূর্ণরূপ Conferences of the Parties.
- জলবায়ু সংক্রান্ত জাতিসংঘ রূপরেখা সম্মেলন কার্যকর হয় ১৯৯৪ সালে।
- প্রথম কপ-১ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়- জার্মানির বার্লিন শহরে ১৯৯৫ সালে।
- UNFCC ভুক্ত সদস্য দেসসমূহ জলবায়ু সম্মেলনে অংশগ্রহণ করে।

উল্লেখ্য,
- ২০২৪ সালে ১১ থেকে ২২ নভেম্বর আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে অনুষ্ঠিত হয় জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত জাতিসংঘ ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশনের (কপ২৯) ২৯তম আসর।
- COP-29 জলবায়ু সম্মেলনের সভাপতিত্ব করেছেন মুখতার বাবায়েভ। 

এছাড়াও,
- কপ- ৩০, ২০২৫ সালে ব্রাজিলে অনুষ্ঠিত হবে।
- আমাজনিয়ান শহর বেলেম ডো প্যারাকে কপ-৩০ সম্মেলনের জন্য নির্বাচন করেছে জাতিসংঘ।

সূত্র: UNFCCC ওয়েবসাইট এবং ইউএনবি।
৩৩৯.
ভুটানের নেতৃত্বে কার্বন নিঃসরণ কমাতে গঠিত ফোরাম কোনটি?
  1. এম-জিরো
  2. এন-জিরো
  3. জি-জিরো
  4. এল-জিরো
ব্যাখ্যা
‘জি-জিরো’ ফোরাম:
- ভুটানের নেতৃত্বে কার্বন নিঃসরণ কমাতে গঠিত ফোরাম 'জি জিরো'।
- চারটি ছোট কার্বন-নেতিবাচক দেশ এক হয়ে এই ফোরাম গঠন করে।
- চারটি দেশ হলো: ভুটান, মাদাগাস্কার, পানামা এবং সুরিনাম।
- ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে, সুরিনামের প্রেসিডেন্ট চান সানতোখি, মাদাগাস্কারের প্রধানমন্ত্রী ও পানামার বিশেষ দূত এই যৌথ ঘোষণায় সই করেন।
- ঐতিহাসিক এই ঘোষণা সাক্ষরকালে সেখানে উপস্থিত ছিলেন সাউথ এশিয়ান ক্লাইমেট চেঞ্জ জার্নালিষ্ট ফোরামের প্রেসিডেন্ট আশিস গুপ্ত, এক্সিকিউটিভ প্রেসিডেন্ট কেরামত উল্লাহ বিপ্লব, কোষাধ্যক্ষ মাসুম বিল্লাহসহ সাংবাদিক সংগঠনটির ৬ সদস্য।

উল্লেখ্য,
- আজারবাইজানের বাকুতে অনুষ্ঠিত হয়েছে বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলন কপ-২৯।
- এ সম্মেলনে ভুটানের উদ্যোগে গঠিত হয়েছে 'জি জিরো' ফোরাম।
- এই ফোরামের দেশগুলো জলবায়ু সুরক্ষার যুদ্ধকে এগিয়ে নিতে একসাথে কাজ করতে যৌথ ঘোষণাও দিয়েছে।
- এই গোষ্ঠী গঠনে বিশেষ ভূমিকা নিয়েছে পৃথিবীর সবচেয়ে সুখী দেশ ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে।

উৎস: Carbon Pulse.
৩৪০.
The World Meteorological Organization (WMO) - কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ক) 1873
  2. খ) 1923
  3. গ) 1950
  4. ঘ) 1954
ব্যাখ্যা
The World Meteorological Organization (WMO) is an intergovernmental organization with a membership of 193 Member States and Territories. It originated from the International Meteorological Organization (IMO), the roots of which were planted at the 1873 Vienna International Meteorological Congress. Established by the ratification of the WMO Convention on 23 March 1950, WMO became the specialised agency of the United Nations for meteorology (weather and climate), operational hydrology and related geophysical sciences a year later. The Secretariat, headquartered in Geneva, is headed by the Secretary-General. Its supreme body is the World Meteorological Congress. Source: public.wmo.int/