বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

পরিবেশগত বিভিন্ন ইস্যু

মোট প্রশ্ন৩৪০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

পরিবেশগত বিভিন্ন ইস্যু

PrepBank · পাতা / · ২০১৩০০ / ৩৪০

২০১.
সর্বশেষ YCELP প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুসারে, পরিবেশ সূচকে শীর্ষ দেশ কোনটি?
  1. ক) আইসল্যান্ড
  2. খ) ডেনমার্ক
  3. গ) নরওয়ে
  4. ঘ) ফিনল্যান্ড
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক পরিবেশবিষয়ক সূচক: 
জুন ২০২২-এ যুক্তরাষ্ট্রের ইয়েল সেন্টার ফর এনভায়রনমেন্টাল ল অ্যান্ড পলিসি এবং কলাম্বিয়া ইউনিভার্সিটির সেন্টার ফর ইন্টারন্যাশনাল আর্থ সায়েন্স ইনফরমেশন নেটওয়ার্ক ১৮০টি দেশকে অন্তর্ভুক্ত অন্তর্ভুক্ত করে প্রকাশ করে এ সূচক।
সূচক অনুসারে -
শীর্ষ দেশ: ডেনমার্ক এবং সর্বনিম্ন দেশ ভারত।
সার্কভুক্ত দেশের অবস্থান: 
- ৮১. আফগানিস্তান, 
- ৮৫. ভুটান, 
- ১১৩. মালদ্বীপ, 
- ১৩২. শ্রীলংকা, 
- ১৬২. নেপাল, 
- ১৭৬. পাকিস্তান, 
- ১৭৭. বাংলাদেশ ও 
- ১৮০. ভারত।
 
সূত্র: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, জুলাই ২০২২
২০২.
'Climate and Clean Air Coalition' এর সদস্য দেশ-
  1. ক) অস্ট্রেলিয়া
  2. খ) পাকিস্তান
  3. গ) আফগানিস্তান
  4. ঘ) বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন রোধে গঠিত নতুন একটি জোট 'Climate and Clean Air Coalition'। ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১২ সালে হিলারি ক্লিনটন এই পরিবেশবাদী জোট গঠনের ঘোষণা দেন। এর সদস্য সংখ্যা ৬টি। যথা- বাংলাদেশ, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, ঘানা, মেক্সিকো ও সুইডেন। উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া অব ব্রিটানিয়া।
২০৩.
তাসখন্দ চুক্তি কোথায় স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ক) আফগানিস্তানে
  2. খ) কাজাকিস্তানে
  3. গ) উজবেকিস্তানে
  4. ঘ) তুর্কমেনিস্তানে
ব্যাখ্যা
১০ই জানুয়ারি ১৯৬৬ সালে স্বাক্ষরিত হয় তাসখন্দ চুক্তি। উজবেকিস্তানের তাসখন্দে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট কেসিগানের মধ্যস্থতায় ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে তাসখন্দ চুক্তির মাধ্যমে পাক-ভারত যুদ্ধ বন্ধ হয়।
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
২০৪.
গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড (Green Climate Fund) গঠন করে -
  1. ক) UNFCCC
  2. খ) UNEP
  3. গ) IMO
  4. ঘ) WMO
ব্যাখ্যা
গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড
• গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড (Green Climate Fund) জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন কনভেনশন ফ্রেমওয়ার্ক (UNFCCC) - কর্তৃক গঠিত একটি তহবিল। শিল্পোন্নত দেশ সমূহের প্রদত্ত চাঁদা থেকে এই তহবিল গঠিত হবে।

এক নজরে গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড
• প্রতিষ্ঠাকাল : ২০১০ সাল।
• প্রতিষ্ঠার স্থান : কানকুন, মেক্সিকো।
• প্রতিষ্ঠাকালীন সম্মেলন : COP-16
• সদরদপ্তর : ইয়েনচিয়ন, দক্ষিণ কোরিয়া (২০১৩ সালে এর স্থায়ী দপ্তর স্থাপিত হয়)।
• তহবিলের পরিমাণ : ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

• ২০০৯ সালে ডেনমার্কের কোপেনহেগেন - এ অনুষ্ঠিত COP - এর ১৫-তম সম্মেলনে (COP-15) গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড তৈরীর অঙ্গীকার করে UNFCCC স্বাক্ষর করা ১৯৭টি পক্ষ।
• ২০১০ সালে মেক্সিকোর কানকুনে COP - এর ১৬-তম সম্মেলনে (COP-16) জলবায়ুর পরিবর্তন - এর প্রভাব মোকাবেলায় এই তহবিল গঠিত হয়।
• ২০১১ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার ডারবানে অনুষ্ঠিত COP-17 - এ এই তহবিল পরিচালনা সংক্রান্ত নীতি প্রণয়ন ও গ্রহন করা হয়।

তথ্যসূত্র:- গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড ওয়েবসাইট।
২০৫.
রামসার কনভেনশন কী উদ্দেশ্যে গৃহীত হয়?
  1. ক) জলাভূমির সংরক্ষণ
  2. খ) ক্ষতিকর বর্জ্যের আন্তঃরাষ্ট্রীয় চলাচল নিয়ন্ত্রণ
  3. গ) কার্বন নিঃসরণ হ্রাস করা
  4. ঘ) জীবাণুঘটিত অস্ত্রের ব্যবহার নিষিদ্ধকরণ
ব্যাখ্যা
রামসার কনভেনশনের বিষয়বস্তু হলো জলাভূমি ও তার সম্পদের সংরক্ষণ ও যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করা।
এই কনভেনশন ১৯৭১ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইরানের রামসার শহরে অনুষ্ঠিত হয়। কার্যকর হয় ১৯৭৫ সালের ২১ ডিসেম্বর।
১৭১টি দেশ এটির অংশীদার। বাংলাদেশ ১৯৯২ সালের ২১ সেপ্টেম্বর রামসার সনদ কার্যকর করে।
বাংলাদেশের টাঙ্গুয়ার হাওর ও সুন্দরবন রামসার সাইট।
(সূত্রঃ রামসার কনভেনশন ওয়েবসাইট)
২০৬.
সর্বপ্রথম ‘কার্বন ট্যাক্স’ চালু করে কোন দেশ?
  1. ডেনমার্ক
  2. ফিনল্যান্ড
  3. নিউজিল্যান্ড
  4. নরওয়ে
ব্যাখ্যা

প্রথম কার্বন কর: 
- ১৯৯০ সালে ফিনল্যান্ড ছিল প্রথম কার্বন কর চালুকারী দেশ।
- দূষণ কমাতে এবং কার্বন ডাই অক্সাইড নির্গমনের উপর কর আরোপের মাধ্যমে পরিবেশবান্ধব অনুশীলনকে উৎসাহিত করার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে এই কর চালু করা হয়েছিল।
- পরবর্তীতে সুইডেন, আয়ারল্যান্ড, ব্রিটেন, নিউজিল্যান্ড সহ বিশ্বের অনেক দেশ কার্বন কর চালু করে৷
- এর আওতায় কার্বন নিঃসরণকারী জ্বালানি ব্যবহারের ক্ষেত্রে নির্ধারিত হারে ট্যাক্স প্রদান করতে হয়।

সূত্র: প্রথম আলো ও ব্রিটানিকা।

২০৭.
কার্বন ডাই অক্সাইডের "Net Zero Emissions"-এর লক্ষ্যমাত্রা কোন সালের মধ্যে নির্ধারণ করা হয়েছে?
  1. ২০৩৫ সাল
  2. ২০৪০ সাল
  3. ২০৪৫ সাল
  4. ২০৫০ সাল
ব্যাখ্যা
Net Zero Emissions:
- গ্রিন হাউস গ্যাসের উৎপাদন এবং পরিবেশ থেকে তা সরানোর সামঞ্জস্য রক্ষাকে 'নেট জিরো' বলেন বিজ্ঞানীরা।
- উৎপাদিত গ্রিন হাউস গ্যাস কোনওমতেই অপসারিতের চেয়ে বেশি না হয়, তা রক্ষা করার জন্যই এই সূচক।
- প্রত্যেকটি দেশের দায়িত্ব, যাতে তারা কৃত্রিম গ্রিন হাউস গ্যাসের উৎপাদন কমায়।
- এর জন্য দেশগুলি কৃত্রিম কার্বন সিঙ্ক তৈরি করে, নিয়ন্ত্রণে থাকে পরিবেশের গড় তাপমাত্রা।

⇒ বিশ্বব্যাপী কার্বন ডাই অক্সাইডের "Net Zero Emissions" (শূন্য নিঃসরণ) লক্ষ্যমাত্রা ২০৫০ সালের মধ্যে অর্জন করার উদ্দেশ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
- এই লক্ষ্যটি বিশেষভাবে প্যারিস জলবায়ু চুক্তির অংশ হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে।
- সেখানে বিভিন্ন দেশ তাদের নিঃসরণ কমানোর লক্ষ্য স্থির করেছে এবং পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়েছে।

⇒ এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য বিভিন্ন দেশ এবং কোম্পানি বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করছে, যেমন নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি, জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার কমানো, এবং প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনের মাধ্যমে নিঃসরণ শূন্যে আনা।

⇒ শীর্ষ পাঁচ কার্বন নির্গমনকারী দেশ হলো চীন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, রাশিয়ান ফেডারেশন।
- এই দেশ গুলো গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনের প্রায় ৬০ শতাংশের জন্য দায়ী।
- গ্রুপ-২০ দেশগুলো যেমন (আর্জেন্টিনা, অস্ট্রেলিয়া, ব্রাজিল, কানাডা, চীন, ফ্রান্স, জার্মানি, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, ইতালি, জাপান, কোরিয়া প্রজাতন্ত্র, মেক্সিকো, রাশিয়া, সৌদি আরব, দক্ষিণ আফ্রিকা, তুরস্ক, যুক্তরাজ্য, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, আফ্রিকান ইউনিয়ন এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন) বিশ্বব্যাপী গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনের প্রায় ৭৬ শতাংশের জন্য দায়ী।
- অন্যদিকে, স্বল্পোন্নত দেশগুলি বৈশ্বিক নির্গমনের প্রায় ৩.৮ শতাংশের জন্য দায়ী, যেখানে ছোট দ্বীপ উন্নয়নশীল রাষ্ট্রগুলির অবদান ১ শতাংশেরও কম।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
২০৮.
অটোয়া চুক্তির বিষয়বস্তু কী?
  1. ক) পারমাণবিক অস্ত্র বিলোপসাধন
  2. খ) স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ
  3. গ) প্রকৃতি ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ
  4. ঘ) বণ্যপ্রাণী ও উদ্ভিদ সংরক্ষণ
ব্যাখ্যা
স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ চুক্তি: 
- এর অন্য নাম অটোয়া চুক্তি। 
- কানাডার অটোয়া তে ১৯৯৭ সালের ৩রা জুন চুক্তি টি স্বাক্ষরিত হয়। 
- ১ লা মার্চ ১৯৯৯ সালে কার্যকর হয়। 
- চীন, যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, পাকিস্তান, ভারত, উত্তর কোরিয়া, ইরান, ইসরায়েল, দক্ষিণ কোরিয়া ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ দেশ চুক্তি টি স্বাক্ষর করেনি। 
- সব ধরনের স্থলমাইন ব্যবহার, উৎপাদন, মজুদ, নিষিদ্ধকরণ এবং ধ্বংস করা হল এই চুক্তির উদ্দেশ্য। 

উৎস: লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
২০৯.
‘কিয়োটো প্রোটোকল’ কোন পরিবেশ বিষয়ক সমস্যার সাথে সম্পর্কিত?
  1. জলবায়ু পরিবর্তন
  2. সমুদ্র দূষণ
  3. বন উজাড়
  4. ওজোন স্তরের ক্ষয়
ব্যাখ্যা
- ‘কিয়োটো প্রোটোকল’ জলবায়ু পরিবর্তন এর সাথে সম্পর্কিত। 

কিয়োটো প্রটোকল:

- কিয়োটো প্রটোকল একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক চুক্তি এটা বৈশ্বিক উষ্ণতা ও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলার লক্ষ্যে গৃহীত হয়।
- ১৯৯৭ সালের ডিসেম্বরে জাপানের কিয়োটো শহরে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের তৃতীয় জলবায়ু সম্মেলন বা Conference of Parties (COP)-3 এ এই প্রটোকল গৃহীত হয়।
- এটি ২০০৫ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর হয়।

উল্লেখ্য, 
- বাংলাদেশ ২০০১ সালের ২২ অক্টোবর প্রটোকলে স্বাক্ষর করে এবং ২০১৬ সালের ২১ সেপ্টেম্বর এটি আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন দেয়।
- প্রটোকল থেকে সরে যাওয়া প্রথম দেশ ছিল কানাডা। 

সূত্র - UNFCCC ওয়েবসাইট এবং রয়টার্স।
২১০.
আন্তর্জাতিক জীববৈচিত্র্য কনভেনশন কবে কার্যকর হয়?
  1. ১৯৯৬ সালে
  2. ১৯৯৫ সালে
  3. ১৯৯৩ সালে
  4. ১৯৯২ সালে
ব্যাখ্যা
- জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচির উদ্যোগে ১৯৯২ সালের ২২শে মে কেনিয়ার নাইরোবি শহরে আন্তর্জাতিক জীববৈচিত্র্য কনভেনশন গৃহীত হয়।
- এটি স্বাক্ষরের জন্যে একই বছরের ৫ জুন রিও ধরিত্রী সম্মেলনে উন্মুক্ত করা হয়।
- স্বাক্ষরকারী ৩০টি দেশ এটি অনুমোদন করলে ১৯৯৩ সালের ২৯ ডিসেম্বর এই কনভেনশন কার্যকর হয়।
- এটির অংশীদার ১৯৬টি দেশ/অঞ্চল এবং স্বাক্ষকারীরর সংখ্যা ১৬৮টি।
- ২২ মে কনভেনশন গৃহীত হওয়ার দিনটিকে প্রতিবছর ‘বিশ্ব জীববৈচিত্র্য দিবস’ হিসেবে পালন করা হয়।
(তথ্যসূত্রঃ Convention on Biological Diversity ওয়েবসাইট)
২১১.
Climate Refugee সম্পর্কে প্রথম ধারণা দেন কে?
  1. ক) সুভনটে আরহেনিয়াস
  2. খ) লেস্টার ব্রাউন
  3. গ) আর্নেস্ট হেকেল
  4. ঘ) হিপোক্রেটিস
ব্যাখ্যা
Climate Refugee বা Environmental Refugee সম্পর্কে প্রথম ধারণা দেন মার্কিন পরিবেশবাদী বিজ্ঞানী লেস্টার ব্রাউন। তিনি ১৯৭৬ সালে প্রথম এটি ব্যবহার করেন। (সূত্রঃ অ্যাকাডেমিয়া)
২১২.
গ্রিনহাউজ প্রতিক্রিয়ার সম্ভাব্য ফলাফল-
  1. ক) বৃষ্টিপাতের পরিমাণ বৃদ্ধি
  2. খ) উপকূলবর্তী নিম্নভূমি নিমজ্জিত হওয়া
  3. গ) সমুদ্র স্তরের উচ্চতা হ্রাস
  4. ঘ) মেরু অঞ্চলে বরফের সঞ্চিতি বৃদ্ধি
ব্যাখ্যা
গ্রিনহাউজ প্রতিক্রিয়ার ফলে পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাবে। এতে করে মেরু অঞ্চলসহ পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে সঞ্চিত থাকা বরফ গলতে শুরু করবে। যার কারণে সমুদ্রের পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পাবে। ফলশ্রুতিতে বাংলাদেশসহ পৃথিবীর স্থলভাগের অনেক নিম্নভূমি সমুদ্রের পানিতে নিমজ্জিত হবে।
(সূত্র: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা)
২১৩.
'Friday for Future' আন্দোলনের প্রবক্তা কে? 
  1. দিলমা রউসেফ
  2. গ্রেটা থুনবার্গ
  3. ওয়াঙ্গেরি মাথাই 
  4. আমোর মোটলি
ব্যাখ্যা
- গ্রেটা থুনবার্গ ২০১৮ সালে এই আন্দোলনের সূত্রপাত করে।

• Fridays for future:

- ফ্রাইডেস ফর ফিউচার আন্দোলন হলো একটি পরিবেশবাদী আন্দোলন।
- জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবীতে স্কুল শিক্ষার্থীদের এটি একটি বৈশ্বিক মুভমেন্ট।
- ২০১৮ সালে সুইডেনের গ্রেটা থুনবার্গ নামের ১৫ বছর বয়সী এক স্কুলছাত্রী এই আন্দোলনের সূত্রপাত করে।
- থুনবার্গ স্কুল বর্জন করে সুইডিশ পার্লামেন্ট ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করে।
- তার এই কর্মসূচি পরবর্তীতে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে।
- ফ্রাইডেস ফর ফিউচার মুভমেন্টের উদ্দেশ্য হলো জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে সরকারগুলোর উপর নৈতিক চাপ সৃষ্টি করা।

উৎস: Fridays For Future ওয়েবসাইট ও দৈনিক প্রথম আলো।
২১৪.
নিচের কোনটি নবায়নযোগ্য জ্বালানি?
  1. ক) পেট্রোলিয়াম
  2. খ) কয়লা
  3. গ) প্রাকৃতিক গ্যাস
  4. ঘ) সৌরতাপ
ব্যাখ্যা
- যেসব শক্তি বা জ্বালানি পুনরায় ব্যবহার করা যায় কিংবা যে সব শক্তি বা জ্বালানির উৎস ব্যবহারে নিঃশেষ হয়ে যায় না তাদের নবায়নযোগ্য জ্বালানি বলে।
নবায়নযোগ্য জ্বালানির মধ্যে রয়েছে:
- জিওথার্মাল বা ভূ-তাপ শক্তি
- সৌরতাপ
- বায়ু
- জলবিদ্যুৎ
- বায়োগ্যাস ইত্যাদি।
অন্যদিকে,
- পেট্রোলিয়াম, কয়লা ও প্রাকৃতিক গ্যাস হলো অনবায়নযোগ্য জ্বালানি।
(তথ্যসূত্রঃ এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা)
২১৫.
কোন শক্তি পরিবেশ বান্ধব এবং গ্রীন শক্তি হিসাবে পরিচিত?
  1. অনবায়নযোগ্য শক্তি
  2. নবায়নযোগ্য শক্তি
  3. পারমাণবিক শক্তি
  4. কয়লা শক্তি
ব্যাখ্যা

নবায়নযোগ্য শক্তি:
- নবায়নযোগ্য শক্তিকে বারবার ব্যবহার করা যায়।
- নবায়নযোগ্য শক্তি পরিবেশ বান্ধব এবং এই শক্তিকে গ্রীন শক্তিও বলা হয়।

▪ পরিবেশ বান্ধব নবায়যোগ্য শক্তি:
- সৌরশক্তি,
- পানি প্রবাহ থেকে প্রাপ্ত শক্তি,
- জোয়ার-ভাটার শক্তি,
- ভূ-তাপীয় শক্তি,
- বায়ু শক্তি,
- বায়োমাস ইত্যাদি।

• অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস
- পেট্রোলিয়াম (Petroleum),
- প্রাকৃতিক গ্যাস (Natural gas),
- কয়লা (Coal),
- পারমাণবিক শক্তি (Nuclear energy)।

উৎস: পরিবেশ বিজ্ঞান, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২১৬.
পৃথিবীর এন্টার্টিক অঞ্চলে ওজোন স্তরের ফাটলের কথা মানুষ জানতে পারে কখন?
  1. ক) ১৯৮২
  2. খ) ১৯৮৫
  3. গ) ১৯৮৭
  4. ঘ) ১৯৯৩
ব্যাখ্যা
The most severe case of ozone depletion was first documented in 1985 in a paper by British Antarctic Survey (BAS) scientists Joseph C. Farman, Brian G. Gardiner, and Jonathan D. Shanklin. Beginning in the late 1970s, a large and rapid decrease in total ozone, often by more than 60 percent relative to the global average, has been observed in the springtime (September to November) over Antarctica. Source: britannica.com
২১৭.
নানকিং চুক্তির ফলে ব্রিটেনের অধীনস্থ হয় -
  1. ক) তাইওয়ান
  2. খ) হংকং
  3. গ) চীন
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
- ১৮৪২ সালের ২৯ আগস্ট চীন এবং ব্রিটেনের মধ্যে প্রথম আফিম যুদ্ধ বন্ধে নানকিং চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এই চুক্তির মাধ্যমে হংকং ব্রিটেনের অধীনস্থ হয়।
- এছাড়া চীন কর্তৃক ব্রিটেনকে বিভিন্ন বাণিজ্যিক সুযোগ-সুবিধা প্রদানে বাধ্য হয়।
- পরবর্তীতে ১৮৯৮ সালে চীন সরকার ৯৯ বছরের জন্যে হংকংকে ব্রিটেনের নিকট লিজ দেয় এবং ১৯৯৭ সালের ১ জুলাই লিজের মেয়াদ শেষে ব্রিটেন পুনরায় চীনের নিকট হংকং কে হস্তান্তর করে।

(তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা)
২১৮.
নিচের কোনটি গ্রীন হাউজ গ্যাস?
  1. ক) হাইড্রোজেন
  2. খ) নাইট্রোজেন
  3. গ) অক্সিজেন
  4. ঘ) সিএফসি
ব্যাখ্যা

,গ্রীন হাউজ ইফেক্টের জন্য দায়ী গ্যাসগুলোকে বলা হয় গ্রীন হাউজ গ্যাস।
কয়েকটি উল্লেখযোগ্য গ্রীন হাউজ গ্যাস হচ্ছে -
- জলীয় বাষ্প,
- কার্বন ডাই অক্সাইড,
- নাইট্রাস অক্সাইড,
- মিথেন,
- ওজোন,
- ক্লোরোফ্লোরো কার্বন ইত্যাদি।

- কার্বন ডাই সালফাইড (CS2) এবং কার্বনিল সাইফাইড (COS) পরোক্ষ গ্রিন হাউজ গ্যাস।

উৎসঃ ভূগোল, নবম-দশম শ্রেণি - বোর্ড বই, ব্রিটানিকা এবং Royal Society of Chemistry।
২১৯.
ইরান ও ছয় জাতির মধ্যে স্বাক্ষরিত পরমাণু সমঝোতা চুক্তি কোনটি?
  1. ক) Joint Comprehensive Plan Of Action
  2. খ) Joint Comprehensive & Progressive Action
  3. গ) Joint Comprehensive Nuclear Deal
  4. ঘ) UN-Iran Nuclear Joint Action Plan
ব্যাখ্যা
ইরানের পরমাণু ইস্যুতে নিরাপত্তা পরিষদের ৫টি দেশ ও জার্মানির সাথে ইরান সরকারের স্বাক্ষরিত চুক্তি Joint Comprehensive Plan Of Action (JCPOA) নামে পরিচিত।
২০১৫ সালের ১৪ জুলাই অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায় এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় যা ২০১৬ সালের ১৬ জানুয়ারী কার্যকর হয়। পরবর্তীতে নিরাপত্তা পরিষদ এটি অনুমোদন করে।
ডোনাল্ড ট্রাম্প ২০১৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রকে চুক্তি থেকে প্রত্যাহার করে নেয়। এই চুক্তির ফলে ২০২০ সালের অক্টোবরে ইরানের উপর থেকে জাতিসংঘের অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা উঠে যায়।
(সূত্রঃ বিবিসি ওয়ার্ল্ড ও আল জাজিরা)
২২০.
Environment - শব্দটি কোন ভাষা থেকে উদ্ভূত?
  1. ক) ল্যাটিন
  2. খ) ফরাসি
  3. গ) ইংলিশ
  4. ঘ) গ্রীক
ব্যাখ্যা
The word Environment is derived from the French word “Environ” which means “surrounding”. Our surrounding includes biotic factors like human beings, Plants, animals, microbes, etc and abiotic factors such as light, air, water, soil, etc.
২২১.
Montreal Protocol চুক্তি গৃহীত হয় -
  1. ১৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৫
  2. ১৩ অক্টোবর, ১৯৮৫
  3. ১৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৭
  4. ১৩ অক্টোবর, ১৯৮৭
ব্যাখ্যা

মন্ট্রিল প্রটোকল:
- Montreal Protocol-এর পূর্ণরূপ: The Montreal Protocol on Substances that Deplete the Ozone Layer.
- মন্ট্রিল প্রোটোকল হল ওজোন স্তর ক্ষয়কারী পদার্থ (ODS) ব্যবহার এবং উৎপাদন বন্ধ করার জন্য একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি। 
- মন্ট্রিল প্রোটকলের মূখ্য আলোচ্য বিষয়: ওজোন স্তরের সুরক্ষা।

⇒ চুক্তি গৃহীত হয়: ১৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৭ সালে।
- কার্যকর হয়: ১ জানুয়ারী, ১৯৮৯ সালে।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: মন্ট্রিল, কানাডা।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী দেশ: ২০০টি।
- চুক্তি অনুমোদনকারী দেশ: ১৯৮টি।

উল্লেখ্য,
- ক্লোরোফ্লোরোকার্বন (সিএফসি), হ্যালন, কার্বন টেট্রাক্লোরাইড, মিথাইল ক্লোরোফর্ম, মিথাইল ব্রোমাইড, মিথেন, নাইট্রাস অক্সাইড, হাইড্রোব্রোমোফ্লোরোকার্বন ইত্যাদি গ্যাসের প্রভাবে দিন দিন ক্ষয়ে যাচ্ছে এই ওজোন স্তর। যার ফলে তৈরি হচ্ছে ওজোন হোল বা গর্ত। প্রায় সকল ওজোনস্তর ক্ষয়কারী দ্রব্য (ওডিএস) ই অধিক ক্ষমতাসম্পন্ন গ্রিন হাউস গ্যাস হিসেবে চিহ্নিত। ওজোনস্তর ক্ষয়কারী দ্রব্য ও এর বিকল্পসমূহ অধিকাংশ ক্ষেত্রে বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধিতে সহায়ক। এ গ্যাসগুলো সাধারণতঃ রেফ্রিজারেশন ও এয়ারকন্ডিশনিং সিস্টেমে, এ্যাজমা চিকিৎসায় উৎপাদিত ইনহেলারে, ফ্যান, প্লাস্টিক ফোম তৈরি ও মাইক্রোইলেকট্রিক সার্কিট পরিস্কার করার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মির ক্ষতিকর প্রভাব থেকে মানবসভ্যতাকে রক্ষার জন্য ওজোনস্তর রক্ষায় কাজ করা একান্ত প্রয়োজন। তাই ওজোনস্তরের ক্ষয়কারী দ্রব্যের ব্যবহার কমাতে বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
- ধরিত্রীকে রক্ষার লক্ষ্যে ওজোনস্তর রক্ষায় জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচির উদ্যোগে ১৯৮৫ সালে 'ভিয়েনা কনভেনশন' গৃহীত হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৮৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর কানাডার মন্ট্রিলে "মন্ট্রিল প্রটোকল" নামে এক যুগান্তকারী চুক্তি গৃহীত হয়।

⇒ ১৬ সেপ্টেম্বর প্রতি বছর ওজোনস্তর রক্ষা দিবস পালিত হয়।

উৎস: i) UNEP ওয়েবসাইট।
ii) Ozone Secretariat।

২২২.
প্রথম পরিবেশ বিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলন হয়-
  1. ক) নাইরোবিতে
  2. খ) জেনেভায়
  3. গ) স্টকহোমে
  4. ঘ) নিউইয়র্কে
ব্যাখ্যা

- ১৯৭২ সালে সুইডেনের স্টকহোমে প্রথম পরিবেশ বিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলন হয়।
- এটির নাম UN Conference on the Human Environment.
- ১৯৭২ সালে এই সম্মেলন থেকে UNEP (United Nations Environment Program) গঠিত হয়।
- এর সদর দপ্তর কেনিয়ার নাইরোবিতে অবস্থিত।
- এই সম্মেলন থেকে ৫ই জুন কে বিশ্ব পরিবেশ দিবস ঘোষণা করা হয়।

উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ লেকচার।

২২৩.
২০০৯ সালে বিশ্বব্যাংক বৈশ্বিক উষ্ণায়নের জন্য কয়টি ঝুঁকিপূর্ণ দিক চিহ্নিত করে?
  1. ক) ৭টি
  2. খ) ৫টি
  3. গ) ৬টি
  4. ঘ) ৯টি
ব্যাখ্যা
- ২০০৯ সালে বিশ্বব্যাংক বৈশ্বিক উষ্ণায়নের জন্য ৫টি ঝুঁকিপূর্ণ দিক চিহ্নিত করেছে যথা- বন্যা, ঝড়, মরুকরণ, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং কৃষিক্ষেত্রে অধিকতর অনিশ্চয়তা।
-  এগুলোর প্রতিটিতে শীর্ষ ঝুঁকিপূর্ণ ১২টি দেশের তালিকা তৈরি হয়েছে। 
- সেই তালিকায় ৫টি ঝুঁকিপূর্ণ ভাগের একটিতে শীর্ষ ঝুঁকিপূর্ণসহ ৩টিতে বাংলাদেশের নাম রয়েছে।
- জলবায়ু পরিবর্তনের এই বিরূপ প্রতিক্রিয়া থেকে দেশকে বাঁচাতে হলে সঠিক পরিকল্পনার মাধ্যমে কার্যকরী অভিযোজন কৌশল প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করা অত্যন্ত জরুরি।
 
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
২২৪.
'সুগাউলি চুক্তি' কোন দুইটি দেশের মধ্যকার স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ক) ব্রিটিশভারত ও আফগানিস্তান
  2. খ) চীন ও ব্রিটিশভারত
  3. গ) ব্রিটিশভারত ও নেপাল
  4. ঘ) চীন ও জাপান
ব্যাখ্যা
১৮১৬ সালে তৎকালীন ব্রিটিশ ভারত এবং নেপালের মধ্যে কালাপানি ভূখন্ড নিয়ে সুগাউলি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ।
- যেখানে কালি নদীকে ভারত সংলগ্ন দক্ষিণ নেপালের অংশ বলে স্বীকার করা হয় ।
- কিন্তু পরবর্তীতে এই ম্যাপটি ব্রিটিশ জরিপকারীদের দ্বারা উপকৃত হলে সেখানে নদীটির সীমানাকে আলাদা করে দেখানো হয় ।
- এই নিয়ে বর্তমানে ভারত ও নেপালের মধ্যে বিবাদ চলমান।

সূত্র: ব্রিটানিকা 
২২৫.
উত্তর আমেরিকার কোন দেশটি প্রথম কিয়োটো প্রটোকল প্রত্যাহার করে?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. কানাডা
  3. মেক্সিকো
  4. বারমুডা
ব্যাখ্যা
- উত্তর আমেরিকার প্রথম দেশটি যা কিয়োটো প্রটোকল প্রত্যাহার করে তা হলো কানাডা। 

কিয়োটো প্রটোকল: 
- কিয়োটো প্রটোকল একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যা বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে গৃহীত হয়।
- এটি ১৯৯৭ সালের ডিসেম্বরে জাপানের কিয়োটো শহরে অনুষ্ঠিত ৩য় জাতিসংঘ জলবায়ু সম্মেলন বা COP-3 এ গৃহীত হয়। 
- প্রথম দেশ হিসেবে কিয়োটো প্রটোকল প্রত্যাহার করে কানাডা। 
- ২০০৫ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি কার্যকর হয়।
- বাংলাদেশ ২০০১ সালের ২২ অক্টোবর কিয়োটো প্রটোকল চুক্তির অন্তর্ভুক্ত হয় এবং
- ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৬ সালে চুক্তিটি অনুমোদন দেয়।

সূত্র: UNFCCC ওয়েবসাইট এবং রয়টার্স।
২২৬.
জাতিসংঘের ওজোন স্তরের সুরক্ষা ও সংরক্ষণ বিষয়ক ভিয়েনা চুক্তি কত সালে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১৯৮৬ সালে
  2. ১৯৮৫ সালে
  3. ১৯৮৪ সালে
  4. ১৯৮৩ সালে
ব্যাখ্যা
ভিয়েনা কনভেনশন:
- Vienna Convention for the Protection of the Ozone Layer (ভিয়েনা কনভেনশন) হলো জাতিসংঘের ওজোন স্তরের সুরক্ষা ও সংরক্ষণ বিষয়ক চুক্তি।
- স্বাক্ষর ও গৃহীত - ১৯৮৫ সালের ২২ মার্চ অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায়।
- কার্যকর - ১৯৮৮ সালের ২২ সেপ্টেম্বর।
- স্বাক্ষরকারী পক্ষ - ২৮টি।
- অনুমোদনকারী পক্ষ - ১৯৮টি।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]
২২৭.
’গ্রিনপিস’ কোন দেশের পরিবেশবাদী সংস্থা? 
  1. ডেনমার্ক
  2. নেদারল্যান্ডস
  3. কানাডা
  4. দক্ষিণ আফ্রিকা
ব্যাখ্যা

• গ্রিনপিস:
- গ্রিনপিস 'নেদারল্যান্ড' ভিত্তিক আন্তর্জাতিক পরিবেশবাদী সংগঠন।
- প্রতিষ্ঠিত হয়:  ১৯৭১ সালে, কানাডায়।
- সদরদপ্তর: নেদারল্যান্ডের আমস্টারডাম।
- পারমাণবিক শক্তির ব্যবহার ও পারমাণবিক বোমার পরীক্ষা বন্ধে ১৯৬৯ সালে Don't make a wave Committee গঠিত হয়।
- সংস্থাটির উদ্দেশ্য সারা বিশ্বে বন্য পরিবেশ ধ্বংস, গ্লোবাল ওয়ার্মিং, অধিক হারে মৎস্য শিকার, বানিজ্যিক ভাবে তিমি শিকার এবং পারমানবিক শক্তির বিরুদ্ধে প্রচারনা চালানো।

তথ্যসূত্র: Greenpeace এর ওয়েবসাইট।

২২৮.
নিচের কোনটি গ্রিন হাইজ গ্যাস?
  1. ক) হাইড্রোজেন সালফাইড
  2. খ) নাইট্রোজেন
  3. গ) নাইট্রাস অক্সাইড
  4. ঘ) অক্সিজেন
ব্যাখ্যা
⇨ হাউস অ্যাফেক্ট কথাটি সর্বপ্রথম সোভানটে আরহেনিয়াস প্রথম ব্যবহার করেন।
⇨ গ্রিন হাউস গ্যাসসমূহ হলো- কার্বন ডাইঅক্সাইড, মিথেন, নাইট্রাস অক্সাইড, ক্লোরোফ্লোরো কার্বন।   

তথ্যসূত্র:- পরিবেশ বিজ্ঞান, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
২২৯.
কোন দেশটি প্রথম নিজস্ব অর্থায়নে জলবায়ু পরিবর্তন তহবিল গঠন করে?
  1. ক) সুইডেন
  2. খ) মালদ্বীপ
  3. গ) নিউজিল্যান্ড
  4. ঘ) বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা
২০০৯ সালে বাংলাদেশ বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে নিজস্ব অর্থায়নে জলবায়ু পরিবর্তন তহবিল গঠন করে।
চলতি অর্থবছর পর্যন্ত এই তহবিলে মোট প্রায় চার হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়।
(সূত্রঃ BCCT ওয়েবসাইট)
২৩০.
আর্থ আওয়ার পালিত হয় প্রতি বছর মার্চ মাসের -
  1. ক) ১ম শনিবার
  2. খ) ২য় শনিবার
  3. গ) ৩য় শনিবার
  4. ঘ) শেষ শনিবার
ব্যাখ্যা
আর্থ আওয়ার:
- পরিবেশ দূষণ রোধে উৎসাহ সৃষ্টির লক্ষ্যে বছরে ১ ঘন্টা বৈদ্যুতিক বাতি বন্ধ করে রাখার কার্যক্রম।
- WWF (World Wide Fund for Nature) এর আয়োজক।
- ২০০৭ সালের ৩১ মার্চ অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে প্রথম আর্থ আওয়ার পালিত হয়।
- রাত ৮.৩০ থেকে ৯.৩০ পর্যন্ত ১ ঘন্টা বৈদ্যুতিক বাতি বন্ধ করে রাখা হয়।
- প্রতি বছর মার্চ মাসের শেষ শনিবার আর্থ আওয়ার পালিত হয়।
- ২০২৩ সালের মার্চ মাসের ২৫ তারিখ আর্থ আওয়ার পালন করা হয়।

উৎস: Earth Hour এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
২৩১.
বিশ্ব ধরিত্রী দিবস কবে?
  1. ক) ২২ এপ্রিল
  2. খ) ২২ মে
  3. গ) ২২ মার্চ
  4. ঘ) ২৭ সেপ্টেম্বর
ব্যাখ্যা
২২ এপ্রিল - বিশ্ব ধরিত্রী দিবস
২২ মার্চ - বিশ্ব পানি দিবস
২২ মে - বিশ্ব জীববৈচিত্র্য দিবস
২৭ সেপ্টেম্বর - বিশ্ব পর্যটন দিবস।
(সূত্রঃ জাতিসংঘ ওয়েবসাইট)
২৩২.
CVF এর পূর্ণরূপ কি?
  1. ক) Climate Vulnerable Focus
  2. খ) Climate Varial Forum
  3. গ) Climate Vulnerability Forum
  4. ঘ) Climate Vulnerable Forum
ব্যাখ্যা
- Climate Vulnerable Forum (CVF) ২০০৯ সালের কোপেনহেগেন জলবায়ু সম্মেলনের মালদ্বীপের উদ্যোগে এটি গঠিত হয়।
- এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৫৮ টি।
- সংস্থাটির বর্তমান সভাপতি দেশ ঘানা।
- এটি হলো জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষেত্রে অধিকতর ঝুঁকিপূর্ণ দেশসমূহের একটি ফোরাম। 

উৎসঃ সংশ্লিষ্ট সংস্থার ওয়েবসাইট।
২৩৩.
ই-৮ পৃথিবীর কোন ধরনের ৮ টি দেশকে নির্দেশ করে ?
  1. সবচেয়ে দরিদ্র ৮ টি দেশ
  2. সবচেয়ে শিল্পোন্নত ৮ টি দেশ
  3. সবচেয়ে উন্নত ৮ টি দেশ
  4. সবচেয়ে পরিবেশ দূষণকারী ৮ টি দেশ
ব্যাখ্যা
- 'ই - ৮' হচ্ছে পৃথিবীর সবচেয়ে পরিবেশ দূষণকারী আটটি দেশ। এক্ষেত্রে চীন, যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের নাম সর্বাগ্রে। 
- অন্যদিকে-
'ডি - ৮' উন্নয়নশীল ৮টি দেশের জোট।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা
২৩৪.
গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় কত বছর মেয়াদি?
  1. ক) ২০ বছর
  2. খ) ২৫ বছর
  3. গ) ৩০ বছর
  4. ঘ) ৩৫ বছর
ব্যাখ্যা
৩০ বছর মেয়াদি গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় গঙ্গা নদীর পানির অবাধ প্রবাহ পাবার লক্ষ্যে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয় ১২ ডিসেম্বর ১৯৯৬ সালে।
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
২৩৫.
Fridays For Future আন্দোলন কত সালে শুরু হয়?
  1. ২০১৫ সালে
  2. ২০১৭ সালে
  3. ২০১৮ সালে
  4. ২০২০ সালে
ব্যাখ্যা
Fridays For Future: 
- Fridays For Future হল একটি যুব-নেতৃত্বাধীন আন্দোলন যা ২০১৮ সালের আগস্টে শুরু হয়েছিল।
- জলবায়ু সংকট মোকাবেলায় পদক্ষেপ না নেওয়ার প্রতিবাদে ১৫ বছর বয়সী গ্রেটা থানবার্গ এবং অন্যান্য তরুণ কর্মীরা তিন সপ্তাহ ধরে প্রতি স্কুল দিবসে সুইডিশ পার্লামেন্টের সামনে বসে প্রতিবাদ করেছিলেন।
- তিনি ইনস্টাগ্রাম এবং টুইটারে তার কর্মকাণ্ড পোস্ট করেছিলেন এবং শীঘ্রই তা ভাইরাল হয়ে যায়।

উৎস: Fridays For Future ওয়েবসাইট।
২৩৬.
"Ecology" - শব্দটি কোন ভাষা থেকে উৎপন্ন?
  1. ক) ল্যাটিন
  2. খ) ফরাসি
  3. গ) গ্রীক
  4. ঘ) জার্মান
ব্যাখ্যা
বাস্তুবিদ্যা (Ecology):
‘বাস্তুবিদ্যা’ শব্দের ইংরেজি প্রতিশব্দ - ‘Ecology’।
- ‘Ecology’ - শব্দটি গ্রীক শব্দ ‘Oikos’ শব্দ থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে যার অর্থ - “house” বা ঘর
- বাস্তুবিদ্যা বা Ecology - জীব বিজ্ঞানের একটি শাখা।

⤇ জীববিজ্ঞানের যে শাখায় কোন অঞ্চলের জৈব ও অজৈব পরিবেশের মধ্যকার পারস্পারিক সম্পর্ক এবং উক্ত সম্পর্কের বিষয়গুলো আলোচনা করা হয় তাকে ‘বাস্তুবিদ্যা’ বা ‘ইকোলজি’ বলা হয়।

⤇ ১৮৬৯ সালে জার্মান প্রাণিবিজ্ঞানী “আর্নেস্ট হেইকেল” (Ernst Haeckel) সর্বপ্রথম “Ecology” শব্দটি ব্যবহার করেন।

উৎস: Oxford Dictionary ও ব্রিটানিকা।
২৩৭.
২৭তম জলবায়ু শীর্ষ সম্মেলন বা কপ-২৭ অনুষ্ঠিত হয় কোথায়?
  1. ক) শারম আল শেখ, মিশর
  2. খ) গ্লাসগো, স্কটল্যান্ড
  3. গ) দুবাই, সংযুক্ত আরব আমিরাত
  4. ঘ) বার্লিন, জার্মানি
ব্যাখ্যা
• ১ থেকে ১২ নভেম্বর ২০২১ সালে ২৬তম জলবায়ু শীর্ষ সম্মেলন বা কপ-২৬ অনুষ্ঠিত হয় স্কটল্যান্ডের গ্লাসগোতে।
• ৬ থেকে ১৮ নভেম্বর ২০২২ সালে ২৭তম জলবায়ু শীর্ষ সম্মেলন বা কপ-২৭ অনুষ্ঠিত হয় শারম আল শেখ, মিশর
• ৩০ নভেম্বর থেকে ১২ ডিসেম্বর ২০২৩ সালে ২৮তম জলবায়ু শীর্ষ সম্মেলন বা কপ-২৮ অনুষ্ঠিত হবে সংযুক্ত আরব আমিরাতে।

তথ্যসূত্র:- UNFCCC ওয়েবসাইট।
২৩৮.
'ওয়ার্ল্ড ওয়াচ' কোন দেশভিত্তিক পরিবেশ সংস্থা?
  1. ক) নেদারল্যান্ড
  2. খ) যুক্তরাষ্ট্র
  3. গ) অস্ট্রেলিয়া
  4. ঘ) কানাডা
ব্যাখ্যা

- ওয়ার্ল্ড ওয়াচ (World Watch) যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ভিত্তিক বিশ্ব পরিবেশ সংস্থা।
- এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৭৪ সালে।
- এর সদরদপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে।
- অপরদিকে, গ্রিনপিস হচ্ছে নেদারল্যান্ডস ভিত্তিক পরিবেশবাদী সংস্থা।

২৩৯.
Nuclear Non-proliferation Treaty (NPT) অনুযায়ী আণবিক অস্ত্র উৎপাদক রাষ্ট্রের সংখ্যা-
  1. ক) ৪
  2. খ) ৬
  3. গ) ৫
  4. ঘ) ৭
ব্যাখ্যা

The Treaty on the Non-Proliferation of Nuclear Weapons (also known as the Nuclear Non-Proliferation Treaty, or NPT) is an international agreement designed to prevent the spread of nuclear weapons, promote cooperation between states on peaceful uses of nuclear energy, and advance nuclear disarmament.

The NPT was opened for signature on July 1, 1968, and the treaty went into force in 1970. 191 countries are now a party to the NPT. South Sudan, India, Pakistan, and Israel have never joined the NPT. North Korea joined the NPT in 1985, but withdrew in 2003.

Nuclear Weapons States and Non-Nuclear Weapons States:
The NPT distinguishes between nuclear-weapons states (NWS) and non-nuclear-weapons states (NNWS).
- Nuclear Weapons States are the five states that possessed nuclear weapons when the treaty was signed in 1968: the United States, the Soviet Union, the United Kingdom, France, and China.
- The Russian Federation replaced the Soviet Union as a NWS after the disintegration of the Soviet Union. Independent former Soviet states have joined the NPT as NNWS. With the exception of the five states recognized as NWS in the treaty, states may only join the NPT as NNWS.

Source: armscontrolcenter.org

২৪০.
গ্রিন বেল্ট মুভমেন্ট (Green Belt Movement) কোন দেশভিত্তিক একটি পরিবেশ বিষয়ক আন্দোলন?
  1. ক) নেদারল্যান্ডস
  2. খ) কেনিয়া
  3. গ) নরওয়ে
  4. ঘ) যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
গ্রিন বেল্ট মুভমেন্ট (Green Belt Movement)
• গ্রিন বেল্ট মুভমেন্ট - কেনিয়ার নাইরোবি ভিত্তিক একটি পরিবেশ বিষয়ক আন্দোলন।
• এর মাধ্যমে গ্রাম্য অঞ্চলে ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি পায়।
• শুরুর সময় - ১৯৭৭ সাল।
• শুরুর স্থান - নাইরোবি, কেনিয়া।
• গ্রিন বেল্ট মুভমেন্ট শুরু করেছিলেন কেনিয়ার নাগরিক প্রফেসর ওয়াঙ্গেরি মাথাই। তিনি ২০০৪ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার ও ২০০৬ সালে ইন্দিরা গান্ধী শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।

তথ্যসূত্র: গ্রিন বেল্ট মুভমেন্ট ওয়েবসাইট।
২৪১.
গ্রিনহাউজ প্রতিক্রিয়ার সম্ভাব্য ফলাফল-
  1. ক) বৃষ্টিপাতের পরিমাণ বৃদ্ধি
  2. খ) উপকূলবর্তী নিম্নভূমি নিমজ্জিত হওয়া
  3. গ) সমুদ্র স্তরের উচ্চতা হ্রাস
  4. ঘ) মেরু অঞ্চলে বরফের সঞ্চিতি বৃদ্ধি
ব্যাখ্যা
গ্রিনহাউজ প্রতিক্রিয়ার ফলে পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাবে। এতে করে মেরু অঞ্চলসহ পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে সঞ্চিত থাকা বরফ গলতে শুরু করবে। যার কারণে সমুদ্রের পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পাবে। ফলশ্রুতিতে বাংলাদেশসহ পৃথিবীর স্থলভাগের অনেক নিম্নভূমি সমুদ্রের পানিতে নিমজ্জিত হবে।
(সূত্র: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা)
২৪২.
CVF-20 এর 2020-2022 মেয়াদের সভাপতি কে?
  1. ক) নরেন্দ্র মোদী
  2. খ) শেখ হাসিনা
  3. গ) জো বাইডেন
  4. ঘ) এঞ্জেলা মার্কেল
ব্যাখ্যা

জলবায়ু পরিবর্তনে ঝুঁকির মুখে থাকা দেশগুলোর জোট ‘ক্লাইমেট ভালনারেবল ফোরাম-সিভিএফ' এবং ‘ভালনারেবল টোয়েন্টি’ বা ভি-২০ গ্রুপ।
২০০৯ সালে গঠিত এই জোটের বর্তমান সদস্য - ৪৮টি।
দ্বিতীয়বারের মত CVF-20 বা V-20 জোটের সভাপতির দায়িত্ব নিয়েছে বাংলাদেশ।
আগামী ২০২০-২০২২ মেয়াদে এ জোটের সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন - প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
এর আগে ২০১১ থেকে ২০১৩ মেয়াদে এ জোটের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছিল বাংলাদেশ।
উৎসঃ CVF website ও পত্রিকা রিপোর্ট।

২৪৩.
ইউরোপিয়ান গ্রিন ডিলের অধীনে ২০৩০ সালের মধ্যে EU কত শতাংশ কার্বন নিঃসরণ হ্রাস করবে?
  1. ৩৫ শতাংশ
  2. ৪০ শতাংশ
  3. ৫৫ শতাংশ
  4. ৭৫ শতাংশ
ব্যাখ্যা
Green New Deal for Europe:
- দ্য গ্রিন নিউ ডিল ফর ইউরোপ (The Green New Deal for Europe) হলো একটি উদ্যোগ যা ইউরোপীয় ইউনিয়নের (EU) পক্ষ থেকে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা এবং সাসটেইনেবল অর্থনৈতিক উন্নয়ন অর্জনের জন্য প্রস্তাবিত হয়েছে।
- এটি বিশেষভাবে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২০১৯ সালের কপ-২৫ (COP-25) সম্মেলনে আলোচিত একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল।
- এর লক্ষ্য ২০৫০ সালের মধ্যে ইউরোপকে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনে শূন্যে নামানো।

উল্লেখ্য,
- এই উদ্যোগের মাধ্যমে ইউরোপ একটি টেকসই, পরিবেশবান্ধব অর্থনীতি প্রতিষ্ঠা করতে চায়, যা জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে।
- এর মাধ্যমে ২০৫০ সালের মধ্যে প্রথম জলবায়ু-নিরপেক্ষ মহাদেশে পরিণত হওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করে।
- ১৯৯০ সালের তুলনায় ২০৩০ সালের মধ্যে অন্তত ৫৫ শতাংশ কার্বন নিঃসরণ হ্রাস করবে।
- ২০৩০ সালের মধ্যে ইউরোপীয় ইউনিয়নে ৩ বিলিয়ন অতিরিক্ত গাছ লাগানো হবে।

উৎস: i) Green European Foundation ওয়েবসাইট।
ii) European Commission.
২৪৪.
কোন পরিবেশকর্মী আজারবাইজানে অনুষ্ঠিত জলবায়ু সম্মেলনের বিরোধিতা করেন?
  1. সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান
  2. অ্যান্তোনিও কস্তা
  3. লেনি ক্রাউট
  4. গ্রেটা থুনবার্গ
ব্যাখ্যা
গ্রেটা থুনবার্গ:
- ২০১৮ সালে সুইডেনের গ্রেটা থুনবার্গ নামের ১৫ বছর বয়সী এক স্কুলছাত্রী Fridays for future আন্দোলনের সূত্রপাত করে।

- সুইডেনের স্টকহোমে বড় হওয়া গ্রেটা থুনবার্গ।
- তার বাবা স্ভান্তে থুনবার্গ একজন অভিনেতা এবং রসায়নে নোবেল পুরস্কার জয়ী বিজ্ঞানী স্ভান্তে আরহেনিয়াসের উত্তরসূরি।
- ২০১৮ সালের মে মাসে গ্রেটার বয়স যখন ১৫, সেসময় গ্রেটা স্থানীয় এক পত্রিকার জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে এক রচনা প্রতিযোগিতায় পুরস্কার পান।
- অগাস্ট, ২০১৮-এ সুইডেনের পার্লামেন্ট ভবনের সামনে বিক্ষোভ করা শুরু করেন তিনি।
- সুইডেন সরকার যেন ২০১৫ সালের প্যারিস সম্মেলনে বিশ্বের শীর্ষ নেতাদের আলোচনায় ঠিক হওয়া সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কার্বন নির্গমন নিয়ন্ত্রণ করার বিষয়ে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়, সেলক্ষ্যে বিক্ষোভ করে গ্রেটা।
- 'স্কুল স্ট্রাইক ফর ক্লাইমেট' লেখা একটি লেখা সম্বলিত ব্যানার নিয়ে তিনি পার্লামেন্টের সামনে দাঁড়ান।
- ২০১৮ সালের ডিসেম্বর মাসের মধ্যে অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য, বেলজিয়াম, যুক্তরাষ্ট্র এবং জাপানের ২০ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী গ্রেটার প্রতি সমর্থন জানিয়ে নিজ নিজ দেশে বিক্ষোভ প্রকাশ করেন।
- ইউরোপের বিভিন্ন দেশে ট্রেনে ভ্রমণ করে বিক্ষোভ কর্মসূচিতে যোগ দেন তিনি।

উল্লেখ্য,
- সম্প্রতি আজারবাইজানে অনুষ্ঠিত হচ্ছে ২৯তম জাতিসংঘ জলবায়ু সম্মেলন (কপ-২৯)।
- আজারবাইজানে জাতিসংঘের বার্ষিক জলবায়ু সম্মেলন আয়োজনের বিরোধিতা করেছেন সুইডিশ পরিবেশকর্মী গ্রেটা থুনবার্গ।
- এ জন্য জর্জিয়ার রাজধানী তিবি‌লিসিতে প্রতিবাদ মিছিলে অংশ নেন তিনি।
- থুনবার্গের অভিযোগ, বিশ্বের অন্যতম জ্বালানি তেল উত্তোলনকারী দেশ আজারবাইজান একটি নিপীড়ক ও দখলদার রাষ্ট্র।
- দেশটি জাতিগত নির্মূল অভিযান চালিয়েছে।
- থুনবার্গের মতে, জলবায়ু সম্মেলন আয়োজনের মধ্য দিয়ে কাম্পিয়ান সাগর তীরের এই দেশটি নিজেদের অপরাধ ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনাকে ধামাচাপা দেওয়ার সুযোগ হিসেবে ব্যবহার করছে

উৎস: Fridays For Future ওয়েবসাইট।
২৪৫.
UNEP (United Nations Environment Programme) এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) বার্লিন, জার্মানি
  2. খ) মাদ্রিদ, স্পেন
  3. গ) নাইরোবি, কেনিয়া
  4. ঘ) কানকুন, মেক্সিকো
ব্যাখ্যা
UNEP (United Nations Environment Programme)
-এর সদরদপ্তর কেনিয়ার নাইরােবিতে অবস্থিত।
-UNEP ১৯৭২ সালের ৫ জুন প্রতিষ্ঠিত হয়।
-সংস্থাটির প্রতিষ্ঠার তারিখ ৫ জুনন প্রতিবছর বিশ্ব পরিবেশ দিবস হিসেবে পালিত হয়।
-UNEP এবং WMO এর যৌথ উদ্যোগে ১৯৮৮ সালে IPCC (Inter-governmental Panel on Climate Change) প্রতিষ্ঠিত হয়।
উৎসঃ UNEP এর ওয়েবসাইট।
২৪৬.
'Climate Vulnerable Forum' কোন দেশের উদ্যোগে গঠিত হয়?
  1. ক) মালয়েশিয়া
  2. খ) জার্মানি
  3. গ) ফিলিপাইন
  4. ঘ) মালদ্বীপ
ব্যাখ্যা
Climate Vulnerable Forum (CVF)- ২০০৯ সালের কোপেনহেগেন জলবায়ু সম্মেলনে মালদ্বীপের উদ্যোগে গঠিত হয়। এর সদস্য সংখ্যা ২০ টি। এটি হলো জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষেত্রে অধিকতর ঝুঁকিপূর্ণ দেশসমূহের একটি ফোরাম। উৎস: CVF এর ওয়েবসাইট।
২৪৭.
পরিবেশ ও বনভূমি সংরক্ষণের জন্য ‘Tropical Forests Forever Fund ’ চালু করেছে কোন দেশ? 
  1. ব্রাজিল
  2. ইন্দোনেশিয়া
  3. ভুটান 
  4. পেরু
ব্যাখ্যা

• Tropical Forests Forever Fund (TFFF): 
- পরিবেশ সংরক্ষণে বৈশ্বিক দৃষ্টিভঙ্গি রূপান্তরের লক্ষ্যে ব্রাজিল Tropical Forests Forever Fund (TFFF) নামক একটি তহবিল চালু করেছে। 
- এই তহবিল উষ্ণমণ্ডলীয় বন সংরক্ষণের COP30 সম্মেলনের সময় পরিকল্পনা করা হয়। 
- উষ্ণমণ্ডলীয় বনসম্পন্ন ৭০টিরও বেশি উন্নয়নশীল দেশ এই তহবিল থেকে আর্থিক সহায়তা প্রাপ্তির যোগ্যতা অর্জন করবে। 

- ব্রাজিল COP28 সম্মেলন (২০২৩, দুবাই) থেকে TFFF গঠনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
 - ওই সম্মেলনে দেশটির রাষ্ট্রপতি লুলা দা সিলভা প্রথমবার প্রকাশ্যে এই প্রকল্পের বিষয়ে বক্তৃতা প্রদান করেন।
- এপর্যন্ত আরও পাঁচটি উষ্ণমণ্ডলীয় বনসম্পন্ন দেশ এই উদ্যোগে অংশ গ্রহণ করেছে, যেগুলি হলো – কলম্বিয়া, ঘানা, কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র, ইন্দোনেশিয়া এবং মালয়েশিয়া।
- তাছাড়া, তহবিল ব্যবস্থাপনার কাঠামো গঠন ও বাস্তবায়নে সহায়তা প্রদান করছে জার্মানি, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ফ্রান্স, নরওয়ে এবং যুক্তরাজ্য এই পাঁচটি সম্ভাব্য বিনিয়োগকারী দেশ।

- ৫.৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি অর্থ সংগ্রহ হয়েছে, ৫৩টি দেশ এতে যুক্ত হয়েছে, এবং মোট তহবিলের ২০ শতাংশেরও বেশি সরাসরি আদিবাসী জনগোষ্ঠী ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্য বরাদ্দ।

তথ্যসূত্র:
 i) COP30 Brasil Amazônia ওয়েবসাইট।  
ii) কালের কণ্ঠ। 
iii) Tropical Forests Forever Fund ওয়েবসাইট।

২৪৮.
UNFCCC এর উদ্যোগে ২৫তম জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন কোথায় অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ক) প্যারিস
  2. খ) গ্লাসগো
  3. গ) মাদ্রিদ
  4. ঘ) মিউনিখ
ব্যাখ্যা
UNFCCC এর উদ্যোগে ২৫তম জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সম্মেলন (CoP-25) ২০১৯ সালের ২-১৩ ডিসেম্বর স্পেনের মাদ্রিদ শহরে অনুষ্ঠিত হয়।
পরবর্তী ২৬তম জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন ২০২১ সালের ১-১২ নভেম্বর যুক্তরাজ্যের গ্লাসগো শহরে অনুষ্ঠিত হবে।
UNFCCC এর উদ্যোগে প্রথম জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৯৫ সালে বার্লিনে।
(সূত্র: UNFCCC ওয়েবসাইট)
২৪৯.
নিচের কোন দেশ বিশ্বের প্রথম কার্বন ট্যাক্স চালু করে?
  1. ডেনমার্ক
  2. আইসল্যান্ড
  3. ফিনল্যান্ড
  4. নরওয়ে
ব্যাখ্যা
প্রথম কার্বন কর:
- ১৯৯০ সালে ফিনল্যান্ড প্রথম দেশ হিসেবে কার্বন কর (Carbon Tax) চালু করে।
- এই কর চালুর মূল উদ্দেশ্য ছিল পরিবেশবান্ধব অনুশীলনকে উৎসাহিত করা এবং কার্বন ডাই অক্সাইড নিঃসরণ কমানো।
- দূষণ রোধে এটি একটি অর্থনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হয়, যেখানে কার্বন নিঃসরণকারী জ্বালানির ওপর নির্দিষ্ট হারে কর আরোপ করা হয়।
- ফিনল্যান্ডের এই পদক্ষেপ বিশ্বজুড়ে অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করে এবং পরবর্তীতে সুইডেন, আয়ারল্যান্ড, যুক্তরাজ্য, নিউজিল্যান্ড প্রভৃতি দেশও কার্বন কর প্রবর্তন করে।
- এই ব্যবস্থার মাধ্যমে জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার নিরুৎসাহিত করা হয় এবং নবায়নযোগ্য শক্তির প্রতি ঝোঁক বাড়ানো হয়। 

সূত্র: প্রথম আলো ও ব্রিটানিকা।
২৫০.
নিচের কোনটি জাতিসংঘের "বাস্তুসংস্থান পুনরুদ্ধার" দশক?
  1. ২০১৪ - ২০২৪
  2. ২০২১ - ২০৩০
  3. ২০১৯ - ২০২৮
  4. ২০২২ - ২০৩২
ব্যাখ্যা
◉ জাতিসংঘ:
- ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ সনদ কার্যকরের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ গঠিত হয়।
- এর আগে ২৬ জুন যুক্তরাষ্ট্রের সানফ্রান্সিসকো শহরে জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষরিত হয়।
- জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ৫১টি।
- বর্তমান সদস্য ১৯৩টি।
- জাতিসংঘ সদরদপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অবস্থিত।

→ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ ২০২১ থেকে ২০৩০ পর্যন্ত জাতিসংঘের বাস্তুতন্ত্র পুনরুদ্ধারের দশক ঘোষণা করেছে, যা পৃথিবীজুড়ে বাস্তুতন্ত্রের সুরক্ষা এবং পুনরুজ্জীবনের জন্য একটি বৈশ্বিক আহ্বান।
→ এই দশকের লক্ষ্য হল বাস্তুতন্ত্রের অবক্ষয় থামানো, সেগুলিকে পুনরুদ্ধার করা এবং এর মাধ্যমে মানুষের জীবিকা উন্নত করা, জলবায়ু পরিবর্তনের মোকাবিলা করা এবং জীববৈচিত্র্যের পতন রোধ করা।

• জাতিসংঘের বিভিন্ন দশক:

- জাতিসংঘ আদিবাসী ভাষা দশক : ২০২২-২০৩২।
- সকলের জন্যে টেকসই জ্বালানি দশক : ২০১৪-২০২৪।
- নেলসন ম্যান্ডেলা শান্তি দশক : ২০১৯-২০২৮।

সূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
২৫১.
কত তারিখে বিশ্ব জলাভূমি দিবস পালন করা হয়?
  1. ২ এপ্রিল
  2. ৩১ মার্চ
  3. ২ ফেব্রুয়ারি
  4. ৪ ফেব্রুয়ারি
ব্যাখ্যা

• '২ ফেব্রুয়ারি' বিশ্ব জলাভূমি দিবস পালন করা হয়।

• বিশ্ব জলাভূমি দিবস:
- প্রতি বছর ২ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব জলাভূমি দিবস পালিত হয়।
- ১৯৯৭ সাল থেকে এ দিবসটি পালন করা হচ্ছে।
- দিনটি উদযাপিত হয় ১৯৭১ সালের ২ ফেব্রুয়ারি ইরানের রামসার শহরে অনুষ্ঠিত একটি ঐতিহাসিক চুক্তি 'রামসার কনভেনশনের' স্মরণে।
- চুক্তিটি কার্যকর হয় ১৯৭৫ সালের ২১ ডিসেম্বর।
- এই চুক্তি জলাভূমি সংরক্ষণ ও টেকসই ব্যবহারের জন্য বিশ্বব্যাপী প্রচেষ্টাকে উৎসাহিত করে।

• উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ১৯৯২ সালের ২১ সেপ্টেম্বর রামসার সনদ কার্যকর করে।
- এ চুক্তির আওতায় বাংলাদেশের দুটি স্থান সুন্দরবন এবং টাঙ্গুয়ার হাওর রামসার সাইট হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।
- বর্তমানে জলাভূমির গুরুত্ব ও তা সংরক্ষণের জন্য এই দিবসটি বাংলাদেশেও বিশেষভাবে উদযাপিত হয়।

তথ্যসূত্র- রামসার কনভেনশন ওয়েবসাইট।

২৫২.
UNEP কোন সাল থেকে 'চ্যাম্পিয়ন অব দ্য আর্থ' পুরস্কার প্রদান করে থেকে?
  1. ২০০৫ সাল
  2. ২০০৮ সাল
  3. ২০১০ সাল
  4. ২০১৩ সাল
ব্যাখ্যা
চ্যাম্পিয়ন অব দ্য আর্থ:
- চ্যাম্পিয়নস অব দ্য আর্থ জাতিসংঘের পরিবেশ-বিষয়ক সর্বোচ্চ বার্ষিক সম্মাননা।
- পরিবেশ বিষয়ে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে এই সম্মাননা দেওয়া হয়ে থাকে।
- জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি ২০০৫ সাল থেকে পরিবেশ সংরক্ষণ বিষয়ে ভূমিকার স্বীকৃতি হিসেবে চ্যাম্পিয়ন অব দ্য আর্থ পুরস্কার প্রদান করে আসছে।
- বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে সরকারি বেসরকারি পর্যায় থেকে এ পুরস্কার দেওয়া হয় ৷

উল্লেখ্য,
- ২০১৫ সালে পলিসি লিডারশীপ ক্যাটাগরিতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চ্যাম্পিয়ন অব দ্য আর্থ পুরস্কার লাভ করেন।

উৎস: UNEP ওয়েবসাইট।
২৫৩.
নিচের কোনটির সাথে "The Kigali Amendment" এর সম্পর্ক রয়েছে?
  1. রামসার কনভেনশন
  2. প্যারিস কনভেনশন
  3. মন্ট্রিল প্রটোকল
  4. কিয়োটো প্রটোকল
ব্যাখ্যা

মন্ট্রিল প্রটোকল:
- মন্ট্রিল প্রটোকল ১৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৭ সালে কানাডার মন্ট্রিলে গৃহীত হয় এবং
- ১ জানুয়ারি ১৯৮৯ সালে এর কার্যক্রম শুরু হয়।
- এই চুক্তির মূল লক্ষ্য ছিল পরিবেশ রক্ষা এবং ওজোন স্তরের ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ সীমিতকরণ।
- ২০১৯ সালে মন্ট্রিল প্রটোকলের "The Kigali Amendment" কার্যকর হয়।
 
সূত্র: UNEP website & Britannica.com

২৫৪.
ক্লাইমেট ভালনারেবল ফোরামের বর্তমান সভাপতি দেশ কোনটি?
  1. ক) মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ
  2. খ) ইন্দোনেশিয়া
  3. গ) বাংলাদেশ
  4. ঘ) নাউরু
ব্যাখ্যা
ক্লাইমেট ভালনারেবল ফোরামের বর্তমান সভাপতি দেশ - বাংলাদেশ। ২০২০-২০২২ মেয়াদে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই জোটের নেতৃত্ব দিচ্ছেন।
ক্লাইমেট ভালনারেবল ফোরাম - হলো জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সর্বাধিক ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোর জোট। ২০০৯ সালে কোপেনহেগেন জলবায়ু সম্মেলনের প্রাক্কালে মালদ্বীপের উদ্যোগে এই জোট গঠিত হয়। এই জোটের বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৪৮টি।
(সূত্র: Climate Vulnerable Forum ওয়েবসাইট)
২৫৫.
IUCN এর ক্ষেত্রে 'Red List' কী?
  1. বিরল খনিজের তালিকা
  2. বিপন্ন ভাষার তালিকা
  3. পরিবেশ দূষণকারী দেশের তালিকা
  4. বিপন্ন প্রাণী ও উদ্ভিদের তালিকা
ব্যাখ্যা

- IUCN Red List হলো একটি বৈজ্ঞানিকভাবে প্রস্তুতকৃত আন্তর্জাতিক তালিকা, যেখানে পৃথিবীর বিভিন্ন প্রাণী ও উদ্ভিদ প্রজাতির বিলুপ্তির ঝুঁকি মূল্যায়ন করে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়।

IUCN:
- IUCN এর পূর্ণরূপ - International Union for the Conservation of Nature.
- বিশ্বব্যাপী প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ করার জন্য ১৯৪৮ সালের ৫ অক্টোবর ফ্রান্সের ফন্টেনব্লিউতে 'IUCN' প্রতিষ্ঠিত হয়।
- IUCN - এর সদর দপ্তর হলো সুইজারল্যান্ডের গ্লান্ড শহরে ।
- এটি নিয়ে বিশ্বের ১৬০ টির অধিক দেশ কাজ করছে।
- রাশিয়ার আশখাবাদে ১৯৭৮ সালে IUCN এর ১৪তম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

সূত্র: IUCN ওয়েবসাইট। [লিংক] 

২৫৬.
বনভূমি সংরক্ষণে উৎসাহ প্রদানের লক্ষ্যে ‘Tropical Forests Forever Facility’ উদ্যোগটি চালু করেছে কোন দেশ? 
  1. ব্রাজিল
  2. ভূটান
  3. ইন্দোনেশিয়া
  4. কলম্বিয়া
ব্যাখ্যা

• Tropical Forests Forever Fund (TFFF): 
- পরিবেশ সংরক্ষণে বৈশ্বিক দৃষ্টিভঙ্গি রূপান্তরের লক্ষ্যে ব্রাজিল Tropical Forests Forever Fund (TFFF) নামক একটি তহবিল চালু করেছে। 
- এই তহবিল উষ্ণমণ্ডলীয় বন সংরক্ষণের COP30 সম্মেলনের সময় পরিকল্পনা করা হয়। 
- উষ্ণমণ্ডলীয় বনসম্পন্ন ৭০টিরও বেশি উন্নয়নশীল দেশ এই তহবিল থেকে আর্থিক সহায়তা প্রাপ্তির যোগ্যতা অর্জন করবে। 

- ব্রাজিল COP28 সম্মেলন (২০২৩, দুবাই) থেকে TFFF গঠনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
- ওই সম্মেলনে দেশটির রাষ্ট্রপতি লুলা দা সিলভা প্রথমবার প্রকাশ্যে এই প্রকল্পের বিষয়ে বক্তৃতা প্রদান করেন।
- এপর্যন্ত আরও পাঁচটি উষ্ণমণ্ডলীয় বনসম্পন্ন দেশ এই উদ্যোগে অংশ গ্রহণ করেছে, যেগুলি হলো – কলম্বিয়া, ঘানা, কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র, ইন্দোনেশিয়া এবং মালয়েশিয়া।
- তাছাড়া, তহবিল ব্যবস্থাপনার কাঠামো গঠন ও বাস্তবায়নে সহায়তা প্রদান করছে জার্মানি, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ফ্রান্স, নরওয়ে এবং যুক্তরাজ্য এই পাঁচটি সম্ভাব্য বিনিয়োগকারী দেশ।

তথ্যসূত্র:
i) COP30 Brasil Amazônia ওয়েবসাইট। (Link) 
ii) কালের কণ্ঠ। (Link2)
iii) Tropical Forests Forever Fund ওয়েবসাইট। (Link3)

২৫৭.
নিচের কোনটি নবায়নযোগ্য জ্বালানি?
  1. ক) এলএনজি
  2. খ) খনিজ তেল
  3. গ) কয়লা
  4. ঘ) জিওথার্মাল
ব্যাখ্যা
- যেসব শক্তি বা জ্বালানি পুনরায় ব্যবহার করা যায় কিংবা যে সব শক্তি বা জ্বালানির উৎস ব্যবহারে নিঃশেষ হয়ে যায় না তাদের নবায়নযোগ্য জ্বালানি বলে।
নবায়নযোগ্য জ্বালানির মধ্যে রয়েছে:
- জিওথার্মাল বা ভূ-তাপ শক্তি
- সৌরতাপ
- বায়ু
- জলবিদ্যুৎ
- বায়োগ্যাস ইত্যাদি।
অন্যদিকে,
- খনিজ তেল, কয়লা ও এলএনজি (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) হলো অনবায়নযোগ্য জ্বালানি।
(সূত্রঃ এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা)
২৫৮.
আন্তর্জাতিক জীববৈচিত্র্য দিবস-
  1. ৫ জুন
  2. ১৫ জুলাই
  3. ২২ মে
  4. ২৫ আগস্ট
ব্যাখ্যা

⇒ জীববৈচিত্র্য সংক্রান্ত বিষয়গুলি সম্পর্কে বোধগম্যতা এবং সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য জাতিসংঘ ২২শে মে তারিখটিকে আন্তর্জাতিক জীববৈচিত্র্য দিবস (IDB) ঘোষণা করেছে।

- ১৯৯৩ সালের শেষের দিকে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের দ্বিতীয় কমিটি যখন প্রথম এই দিবসটি প্রতিষ্ঠা করে, তখন ২৯শে ডিসেম্বর (জৈব বৈচিত্র্য কনভেনশন কার্যকর হওয়ার তারিখ) আন্তর্জাতিক জৈবিক বৈচিত্র্য দিবস হিসেবে মনোনীত হয়।
- ২০০০ সালের ডিসেম্বরে, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ ২২শে মে তারিখটিকে IDB হিসেবে গ্রহণ করে, 
- ১৯৯২ সালের ২২শে মে তারিখে জৈবিক বৈচিত্র্য কনভেনশনের সম্মত পাঠ্য গ্রহণের জন্য সম্মেলনের নাইরোবি চূড়ান্ত আইন দ্বারা কনভেনশনের পাঠ্য গ্রহণের স্মরণে।

উৎস: Convention on Biological Diversity.

২৫৯.
নিচের কোনটি নবায়নযোগ্য জ্বালানি নয়?
  1. ক) খনিজ তেল
  2. খ) সৌরতাপ
  3. গ) জলবিদ্যুৎ
  4. ঘ) জিওথার্মাল
ব্যাখ্যা
- যেসব শক্তি বা জ্বালানি পুনরায় ব্যবহার করা যায় কিংবা যে সব শক্তি বা জ্বালানির উৎস ব্যবহারে নিঃশেষ হয়ে যায় না তাদের নবায়নযোগ্য জ্বালানি বলে।
নবায়নযোগ্য জ্বালানির মধ্যে রয়েছে:
- সৌরতাপ
- বায়ু
- জিওথার্মাল বা ভূ-তাপ শক্তি
- জলবিদ্যুৎ
- বায়োগ্যাস ইত্যাদি।
অন্যদিকে,
- খনিজ তেল, কয়লা ও প্রাকৃতিক গ্যাস হলো অনবায়নযোগ্য জ্বালানি।
(সূত্রঃ এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা)
২৬০.
ওজোন স্তর বিনষ্টকারী দূষিত রাসায়নিক পদার্থের নিঃসরণ কমানাের জন্য কোন প্রটোকল গৃহীত হয়?
  1. ক) কিয়ােটো প্রটোকল
  2. খ) মন্ট্রিল প্রটোকল
  3. গ) কার্টাগােনা প্রােটোকল
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
কিয়ােটো প্রটোকল:
-বৈশ্বিক উষ্ণায়নের জন্যে দায়ী গ্রিনহাউজ গ্যাস নিঃসরণ কমানাের উদ্দেশ্যে ১৯৯৭ সালের ১১ ডিসেম্বর জাপানের কিয়ােটো শহরে কিয়ােটো প্রটোকল গৃহীত হয়।
- এর অংশীদার মােট ১৯২টি দেশ ও সংস্থা।
- ২০০৫ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি এটি কার্যকর হয়।
- ২০১২ সালে এর মেয়াদ শেষ হলে দোহা অ্যামেন্ডমেন্টের মাধ্যমে এটির মেয়াদ ২০২০ সাল পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হলেও তা এখনাে কার্যকর হয়নি।

মন্ট্রিল প্রটোকল:
- ১৯৮৭ সালে কানাডার মন্ট্রিলে ওজোন স্তর বিনষ্টকারী দূষিত রাসায়নিক পদার্থের নিঃসরণ কমানাের জন্য মন্ট্রিল প্রটোকল গৃহীত হয়।

কার্টাগােনা প্রােটোকল:
জাতিসংঘের জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক চুক্তি।
- এটি ২০০০ সালের ২৯ জানুয়ারী গৃহীত হয়।
- ২০০৩ সালে কার্যকর হয়।

উৎসঃ UNFCCC ওয়েবসাইট এবং লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
২৬১.
ট্রপোস্ফ্যায়ার -এর প্রতি ১,০০০ মিঃ উচ্চতায় কত ডিগ্রী সেলসিয়াস তাপমাত্রা হ্রাস পায়?
  1. ক) ২°
  2. খ) ৪°
  3. গ) ৫°
  4. ঘ) ৬°
ব্যাখ্যা
ভূপৃষ্ঠ থেকে উচ্চতা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে বায়ুর ঘনত্ব কমতে থাকে এবং সঙ্গে সঙ্গে কমতে থাকে উষ্ণতা। সাধরণভাবে, প্রতি ১,০০০ মিঃ উচ্চতায় ৬° সেলসিয়াস তাপমাত্রা হ্রাস পায়। সূত্রঃ নবম-দশম শ্রেণীর ভূগোল ও পরিবেশ বোর্ড বই।
২৬২.
মন্ট্রিল প্রোটোকল মূলত কিসের জন্য গৃহীত হয়েছিল?
  1. কার্বন নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণের জন্য
  2. ওজোন স্তর সংরক্ষণের জন্য
  3. মিঠা পানির উৎস রক্ষার জন্য
  4. পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণের জন্য
ব্যাখ্যা
মন্ট্রিল প্রটোকল:
- মন্ট্রিল প্রটোকল ১৯৮৭ সালে কানাডার মন্ট্রিলে গৃহীত হয় এবং
- ১ জানুয়ারি ১৯৮৯ সালে এর কার্যক্রম শুরু হয়।
- এই চুক্তির মূল লক্ষ্য ছিল পরিবেশ রক্ষা এবং ওজোন স্তরের ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ সীমিতকরণ।

এছাড়াও অন্যকিছু প্রটোকল: 
- কিয়েটো প্রটোকল - গ্রিণ হাউস গ্যাস নিঃসরণ হ্রাস ও বৈশ্বিক উষ্ণতা রোধ।
- কার্টাগেনা প্রটোকল - জীববৈচিত্র্য সুরক্ষা বিষয়ক।
- নাগোয়া প্রোটোকল কী উদ্দেশ্য জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও টেকসই ব্যবহার।

সূত্র: UNEP ওয়েবসাইট ও Britannica.com
২৬৩.
টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের সময়সীমা কোনটি?
  1. ২০২০ - ২০৩০ সাল
  2. ২০১৫ - ২০৩৫ সাল
  3. ২০১৬ - ২০৩০ সাল
  4. ২০২৫ - ২০৪১ সাল
ব্যাখ্যা
• টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG):
- SDG - এর পূর্ণরূপ Sustainable Development Goals বা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য।
- SDGs-এর মেয়াদ ২০১৬ থেকে ২০৩০ সাল।
- এতে মোট ১৭টি বৈশ্বিক লক্ষ্য (Goals) এর আওতায় ১৬৯টি টার্গেট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
- বিশ্বের সকল দেশের সকল নাগরিকের জন্য একটি অধিকতর উন্নত ভবিষ্যৎ নিশ্চিতের জন্য জাতিসংঘ টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য প্রণয়ন করে।
- UNDP এর প্রত্যক্ষ সহযোগীতায় এবং জাতিসংঘের অন্যান্য সকল অঙ্গ ও বিশেষ সংস্থার সহযোগীতায় ২০৩০ সালের মধ্যে এই লক্ষ্য ও টার্গেট সমূহ বাস্তবায়নের সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়।
- ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ ও বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য প্রাকৃতিক ও খনিজ সম্পদের টেকসই ব্যবহার নিশ্চিত করা জরুরী।

উৎস: জাতিসংঘ ও UNDP ওয়েবসাইট।
২৬৪.
'আব্রাহাম অ্যাকর্ড' এ স্বাক্ষরকারী দেশগুলো কারা?
  1. ক) ইসরায়েল, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মিশর, বাহরাইন, লিবিয়া
  2. খ) ইসরায়েল, সৌদিআরব, মিসর, জর্ডান
  3. গ) ইসরায়েল, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন
  4. ঘ) ইসরাইল, সুদান, আফগানিস্তান, পাকিস্তান
ব্যাখ্যা
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উদ্যোগে মধ্যপ্রাচ্যে ইসরাইলের সাথে আবর দেশগুলো শান্তি স্থাপনের অংশ হিসেবে আব্রাহাম চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- ২০২০ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর ওয়াশিংটন ডিসির হোয়াইট হাউজে ইসরাইল, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন ও যুক্তরাষ্ট্র আব্রাহাম চুক্তিতে স্বাক্ষর করে।
- আব্রাহাম চুক্তির মাধ্যমে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইন ইসরাইলকে স্বীকৃতি ও দেশটির সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনে সম্মত হয়।

(তথ্যসূত্র: মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর ওয়বসাইট)
২৬৫.
জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে কি?
  1. ক) প্রাকৃতিক পরিবেশ
  2. খ) সামাজিক পরিবেশ
  3. গ) বায়বীয় পরিবেশ
  4. ঘ) সাংস্কৃতিক পরিবেশ
ব্যাখ্যা
প্রাকৃতিক (ভৌগোলিক) পরিবেশ - প্রকৃতিগত অবস্থাই প্রাকৃতিক পরিবেশের অংশ, যেমন ভুমিবন্ধুরতা, উদ্ভিদ, প্রাণী, মৃত্তিকা, নদ-নদী ইত্যাদি।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে প্রাকৃতিক পরিবেশ
২৬৬.
ব্লু ইকোনমি সম্পর্কে প্রথম ধারণা দেন কে?
  1. ক) লেস্টার ব্রাউন
  2. খ) গুন্টার পাউলি
  3. গ) পল রোমার
  4. ঘ) ডেভিড বিসলি
ব্যাখ্যা
ব্লু ইকোনমি বা সমুদ্র অর্থনীতি হলো অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্যে সামুদ্রিক সম্পদের যথাযথ ও টেকসই ব্যবহার।
ব্ল ইকোনমি সম্পর্কে প্রথম ধারণা দেন বেলজিয়ামের অর্থনীতিবিদ গুন্টার পাউলি। তিনি ১৯৯৪ সালে প্রথম ব্লু ইকোনমি প্রত্যয়টি ব্যবহার করেন। ২০১০ সালে তিনি তার দ্য ব্লু ইকোনমি বইয়ে সমুদ্র অর্থনীতি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

পরবর্তীতে, ২০১২ সালের রিও ডি জেনিরিও শহরে অনুষ্ঠিত রিও+২০ সম্মেলনে ব্লু ইকোনমি ধারণাটি বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়।
(তথ্যসূত্র: এসডিজি এবং এলটি-ইকোনমি ওয়েবসাইট)
২৬৭.
বিশ্বে গ্রিনহাউজ গ্যাস নিঃসরণে দ্বিতীয় শীর্ষ দেশ কোনটি?
  1. চীন
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. ভারত
  4. রাশিয়া
ব্যাখ্যা
- বিশ্বে গ্রিনহাউজ গ্যাস নিঃসরণে শীর্ষ দেশ চীন।
UNEP এর Emissions Gap Report-2020 অনুসারে গ্রিনহাউজ গ্যাস নিঃসরণে শীর্ষ দেশসমূহ:
- প্রথম : চীন
- দ্বিতীয় : যুক্তরাষ্ট্র
- তৃতীয় : ইইউ+যুক্তরাজ্য
- চতুর্থ : ভারত
- পঞ্চম : রাশিয়া।
(তথ্যসূত্রঃ UNEP এর Emissions Gap Report-2020)
২৬৮.
নিচের কোন তারিখে 'International Mother Earth Day' পালিত হয়?
  1. ২২ মার্চ
  2. ২২ এপ্রিল
  3. ৪ অক্টোবর
  4. ২৩ অক্টোবর
ব্যাখ্যা
• ধরিত্রী দিবস:
- পরিবেশ রক্ষায় সচেতনতা তৈরিতে প্রতিবছর ২২ এপ্রিল বিশ্ব ধরিত্রী দিবস উৎযাপন করা হয়।
- এটি জাতিসংঘ কর্তৃক নির্ধারিত একটি দিবস।
- ১৯৭০ সালে প্রথম “Earth Day” হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে এটি পালিত হয়।
- পরে ২০০৯ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ ২২ এপ্রিলকে "International Mother Earth Day" হিসেবে ঘোষণা করে।
- বর্তমানে 'আর্থ ডে' নেটওয়ার্ক কর্তৃক বিশ্বব্যাপি এ দিবসটি পালন করা হয়।
- জাতিসংঘের অন্তর্ভুক্ত দেশসমূহকে দিবসটি পালনের জন্য উৎসাহ দেওয়া হয়।

• গুরুত্বপূর্ণ দিবস:
- ২২ এপ্রিল: বিশ্ব ধরিত্রী দিবস,
- ৭ জুন: বিশ্ব খাদ্য নিরাপত্তা দিবস,
- ১১ জুলাই: বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস,
- ৯ আগস্ট: বিশ্ব আদিবাসী দিবস,
- ১৬ অক্টোবর: বিশ্ব খাদ্য দিবস,
- ১০ ডিসেম্বর: মানবাধিকার দিবস।

উৎস: UN ওয়েবসাইট।
২৬৯.
IPCC-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে গ্রীন হাউজ গ্যাসের নি:সরণ ২০১৯ সালের তুলনায় কত শতাংশ হ্রাস করতে হবে?
  1. প্রায় ২০%
  2. প্রায় ৩৫%
  3. প্রায় ৪৩%
  4. প্রায় ৫০%
ব্যাখ্যা

IPCC:
- IPCC-এর পূর্ণরূপ: Intergovernmental Panel on Climate Change.
- এটি হলো জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কিত বিজ্ঞানের মূল্যায়নের জন্য জাতিসংঘের সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠার সময়: ১৯৮৮ সাল।
- বর্তমানে সদস্য: ১৯৫টি।
- সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- চেয়ারম্যান: জিম স্কেয়া।
- শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ: ২০০৭ সালে।

⇒ IPCC জলবায়ু পরিবর্তনের বৈজ্ঞানিক ভিত্তি, এর প্রভাব এবং ভবিষ্যতের ঝুঁকি এবং অভিযোজন ও প্রশমনের বিকল্পগুলির নিয়মিত মূল্যায়ন প্রদান করে।
- এর কাজ হলো মানুষের ক্রিয়াকলাপের কারণে জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কে বৈজ্ঞানিক জ্ঞানকে এগিয়ে নেওয়া।

উল্লেখ্য,
- জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক প্যানেল জানিয়েছে, বৈশ্বিক উষ্ণতা ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে সীমাবদ্ধ রাখতে গ্রীন হাউজ গ্যাসের নি:সরণ ২০২৫ সালের মধ্যে হ্রাস করা শুরু করতে হবে।
- এতে আরও বলা হয়, ২০১৯ সালের সাপেক্ষে এই নি:সরণ ২০৩০ সালের মধ্যে ৪৩ শতাংশ ও ২০৫০ সালের মধ্যে ৮৪ শতাংশে নামিয়ে আনতে হবে।
- এই প্যানেল বিশেষত জ্বালানি খাতে বড় ধরনের রূপান্তরের আহ্বান জানিয়েছে, কারণ সর্বমোট নি:সরণের এক-তৃতীয়াংশ উৎপন্ন হয় এই খাত থেকে।
- তারা তেল ও কয়লা জাতীয় জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার বিপুল পরিমাণ হ্রাস করার এবং সৌর ও বায়ুশক্তি জাতীয় নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি করার আহ্বান জানিয়েছে।

উৎস: IPCC ওয়েবসাইট।

২৭০.
ই-৮ ভুক্ত দেশসমূহ কোন ধরনের নির্গমন জন্য সবচেয়ে দায়ী?
  1. প্লাস্টিক দূষণ
  2. কার্বন ও গ্রিনহাউস গ্যাস 
  3. শব্দ দূষণ
  4. রেডিওধর্মী তেজস্ক্রিয় পদার্থ
ব্যাখ্যা
• ই- ৮:
- পরিবেশ দূষণকারী ৮টি দেশকে একত্রে বলা হয় ই-৮ ।
- ই-৮ ভুক্ত দেশ সমূহ পরিবেশ দূষণকারী দেশগুলোর জন্য বিভিন্ন আইন জারি করে।
- বিশ্বব্যাপী পরিবেশ রক্ষা জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ই-৮ অন্তর্ভুক্ত আটটি দেশের মূল লক্ষ্য। 
- এই দেশগুলো বিশ্বের সবচেয়ে বেশি কার্বন ও গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণের জন্য দায়ী।
-  ই-৮ ভুক্ত দেশসমূহ হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, জাপান, রাশিয়া, চীন, ভারত, ব্রাজিল এবং দক্ষিণ আফ্রিকা।
 
উৎস: Britannica. Brookings.
২৭১.
পরিবেশ দূষণের জন্যে মুখ্যত দায়ী কোনটি?
  1. ক) যানবাহন থেকে নির্গত ধোঁয়া
  2. খ) বনভূমি উজারকরণ
  3. গ) জীবাশ্ম জ্বালানীর ব্যবহার
  4. ঘ) কৃষিক্ষেত্রে কীটনাশকের ব্যবহার
ব্যাখ্যা
পরিবেশ দূষণের জন্যে মুখ্যত দায়ী হলো বনভূমি উজারকরণ।
জনসংখ্যার আধিক্য, শিল্পায়ন ও নগরায়নের প্রভাবে বনভূমি ধ্বংস হচ্ছে। যার কারণে প্রাকৃতিক ভারসাম্য বিনষ্ট হচ্ছে।
জাতিসংঘের মতে বিগত এক দশক ধরে প্রতি মিনিটে প্রায় ৮ হেক্টর করে বনভূমি ধ্বংস হয়েছে। পরিবেশ দূষণের অন্যান্য কারণের মধ্যে রয়েছে:
- যানবাহন ও কল-কারখানার নির্গত ধোঁয়া
জীবাশ্ম জ্বালানীর ব্যবহার
- রাসায়নিক পদার্থের ব্যবহার
- কৃষিক্ষেত্রে কীটনাশকের ব্যবহার প্রভৃতি।
(সূত্র: মাধ্যমিক বিজ্ঞান এবং FAO ওয়েবসাইট)
২৭২.
বৈশ্বিক স্বাস্থ্য নিরাপত্তা ‍সূচকে শীর্ষদেশ কোনটি?
  1. ক) সিঙ্গাপুর
  2. খ) নরওয়ে
  3. গ) কানাডা
  4. ঘ) যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিট, জন হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয় এবং নিউক্লিয়ার থ্রেট ইনিশিয়েটিভ প্রথমবারের মতো যৌথভাবে বৈশ্বিক স্বাস্থ্য নিরাপত্তাসূচক-২০১৯ প্রকাশ করে।
এতে মোট ১৯৫টি দেশকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। সূচকে শীর্ষ দেশগুলো হলো:
প্রথম - যুক্তরাষ্ট্র
দ্বিতীয় - যুক্তরাজ্য
তৃতীয় – নেদারল্যান্ড
চতুর্থ - অস্ট্রেলিয়া
পঞ্চম - কানাডা
সর্বনিম্ন পাঁচটি দেশ হলো:
১৯৫তম – নিরক্ষীয় গিনি
১৯৪তম - সোমালিয়া
১৯৩তম – উত্তর কোরিয়া
১৯২তম – সাওটোমে এন্ড প্রিন্সিপে
১৯১তম – মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ
নরওয়ে – ১৬তম
সিঙ্গাপুর – ২৪তম
বাংলাদেশ – ১১৬তম।
(সূত্র: Global Health Security Index ওয়েবসাইট)
২৭৩.
২০১৫ সালের প্যারিস জলবায়ু চুক্তির বিষয়বস্তু কোনটি?
  1. ২০৪০ সালের মধ্যে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন শূন্যে আনা
  2. জনসংখ্যা বৃদ্ধি হ্রাস করা
  3. বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা
  4. উপরের কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
প্যারিস জলবায়ু চুক্তি-২০১৫:
- প্যারিস জলবায়ু চুক্তি একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- ২০১৫ সালের ৩০ নভেম্বর থেকে ১২ ডিসেম্বর প্যারিসে কপ-২১ সম্মেলনে স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: প্যারিস, ফ্রান্স।
- চুক্তিটি কার্যকর হয় ৪ নভেম্বর ২০১৬।

⇒ চুক্তির গুরুত্বপূর্ণ উপাদান:
- বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কম অর্থাৎ ১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছিল।
- ২০৩০ সালের মধ্যে বায়ুমণ্ডলে গ্রিন হাউজ গ্যাস নির্গমন প্রায় ৪৩ শতাংশ কমানোর ব্যাপারেও সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছিল।
- গাছ, মাটি ও সমুদ্র প্রাকৃতিকভাবে যতটা শোষণ করতে পারে, ২০৫০ সাল থেকে ২১০০ সালের মধ্যে কৃত্রিমভাবে গ্রিনহাউজ গ্যাসের নিঃসরণ সেই পর্যায়ে নামিয়ে আনা।
- প্রতি ৫ বছর অন্তর ক্ষতিকর গ্যাস নিঃসরণ রোধে প্রত্যেকটি দেশের ভূমিকা পর্যালোচনা করা।
- জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে মানিয়ে নিতে এবং নবায়নযোগ্য শক্তি ব্যবহার নিশ্চিত করতে গরিব দেশগুলোকে ধনী দেশগুলোর ‘জলবায়ু তহবিল’ দিয়ে সাহায্য করা।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।
২৭৪.
ওজোনস্তরের ক্ষয় সাধনকারী পদার্থের নির্গমন হ্রাসের লক্ষ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তি- 
  1. অটোয়া চুক্তি
  2. বাসেল কনভেনশন
  3. কার্টাগেনা প্রটোকল
  4. মন্ট্রিল প্রটোকল
ব্যাখ্যা

মন্ট্রিল প্রটোকল:
- মন্ট্রিল প্রটোকল ওজোনস্তর সংরক্ষণ বিষয়ক একটি বৈশ্বিক চুক্তি।

- পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের স্ট্রাটোস্ফিয়ারে অবস্থিত ওজোনস্তরের ক্ষয় সাধনকারী পদার্থের নির্গমন হ্রাস করে ওজোনস্তরকে সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে ১৯৮৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর এই প্রটোকল কানাডার মন্ট্রিয়াল শহরে গৃহীত হয়।
- ১৯৮৯ সালের ১ জানুয়ারি এটি কার্যকর হয়।
- ১৯৮টি দেশ ও অঞ্চল চুক্তিটির অংশীদার। চুক্তি গৃহীত হওয়ার দিন ১৬ সেপ্টেম্বর প্রতিবছর আন্তর্জাতিক ওজনস্তর সংরক্ষণ দিবস হিসেবে পালিত হয়।

অন্যদিকে,
• বাসেল কনভেনশন স্বাক্ষরিত হয় ২২ মার্চ ১৯৮৯ সালে।
- যা  বিপজ্জনক বর্জ্যের আন্তঃরাষ্ট্রীয় চলাচল নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক একটি চুক্তি।

• অটোয়া চুক্তি স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ চুক্তি।
- লক্ষ্য: এই চুক্তির মাধ্যমে সদস্য রাষ্ট্রগুলো অ্যান্টি-পার্সোনেল ল্যান্ডমাইন ব্যবহার, মজুদ, উৎপাদন এবং হস্তান্তর সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

২৭৫.
Global Center on Adaptation এর প্রধান কার্যালয় কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) নয়াদিল্লি
  2. খ) রটারডাম
  3. গ) সিউল
  4. ঘ) লিসবন
ব্যাখ্যা
Global Center on Adaptation (GCA) বা বিশ্ব অভিযোজন কেন্দ্র হলো জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে অভিযোজন বিষয়ক শীর্ষ গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
এটি ২০১৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এটির প্রধান কার্যালয় নেদা‌রল্যান্ডের রটারডাম শহরে অবস্থিত।
GCA জলবায়ু পরিবর্তনের অভিযোজন বিষয়ে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন সেক্টর ও উদ্যোগের মধ্যে সংলাপ আয়োজন ও সমন্বয় করে থাকে।
সম্প্রতি GCA এর দক্ষিণ এশীয় কার্যালয় বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় উদ্বোধন করা হয়।
(সূত্র: GCA ওয়েবসাইট)
২৭৬.
গুড ফ্রাইডে চুক্তির অপর নাম-
  1. ক) শেনজেন চুক্তি
  2. খ) বেলফাস্ট চুক্তি
  3. গ) আলজিয়ার্স চুক্তি
  4. ঘ) উই রিভার চুক্তি
ব্যাখ্যা
গুড ফ্রাইডে এগ্রিমেন্ট (জিএফএ) বা বেলফাস্ট চুক্তি 10 এপ্রিল 1998 এ স্বাক্ষরিত এক চুক্তি যা উত্তর আয়ারল্যান্ড শান্তি প্রক্রিয়ার একটি বড় উন্নয়ন হিসাবে কাজ করেছে। উত্তর আয়ারল্যান্ডের বর্তমান বিভক্ত সরকার ব্যবস্থা চুক্তির ভিত্তিতে তৈরি। এই চুক্তিটি উত্তর আয়ারল্যান্ড এবং আয়ারল্যান্ড প্রজাতন্ত্রের মধ্যে এবং আয়ারল্যান্ড প্রজাতন্ত্র এবং যুক্তরাজ্যের মধ্যে বেশ কয়েকটি বিভক্তি তৈরি করেছে।রেফারেন্সঃ BBC HIstory
২৭৭.
'ইকোলজি' শব্দটি কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত?
  1. পরিবেশ
  2. হিস্টোলজি
  3. ফিজিওলজি
  4. ইভোলিউশন
ব্যাখ্যা
- ইকোলজি একটি ইংরেজি শব্দ, যার গ্রিক শব্দ হলো ‘Oikos’ যার অর্থ ঘর বা বাসস্থান। 
- ইকোলজি প্রথমে জার্মান প্রাণিবিজ্ঞানী আর্নস্ট হেকেল তৈরি করেছিলেন। 
- আর্নেস্ট হেকেল সর্বপ্রথম “ইকোলজি” শব্দটি ব্যবহার করেন ১৮৬৯ সালে। 
- ইকোলজি হলো এমন একটি শাখা যেখানে জীব ও তাদের পরিবেশের আন্তঃসম্পর্কে আলোচনা করা হয়। 
- জীবগুলি একে অপরের সাথে এবং তাদের পরিবেশের সাথে কীভাবে সম্পর্ক রক্ষা করে সে সম্পর্কিত অধ্যয়ন হল ইকোলজি। 

উৎস: ব্রিটানিকা।
২৭৮.
কোন দেশে 'কিয়োটা প্রটোকল' গৃহীত হয়?
  1. জার্মানি
  2. সুইডেন 
  3. আইসল্যান্ড
  4. জাপান
ব্যাখ্যা

‘কিয়োটা প্রটোকল’ গৃহীত হয় জাপানের কিয়োটা শহরে, ১৯৯৭ সালের ১১ ডিসেম্বর।

কিয়েটো প্রোটকল:
- কিয়োটো প্রোটোকল একটি বহুরাষ্ট্রীয় আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- এই চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী রাষ্ট্রগুলিকে গ্রীনহাউজ গ্যাস নির্গমন হ্রাসের জন্য দায়বদ্ধ করে।
- ১৯৯৭ খ্রিষ্টাব্দের ১১ই ডিসেম্বর জাপানের কিয়োটো শহরে এই চুক্তি প্রথম গৃহীত হয়।
- ২০০৫ খ্রিষ্টাব্দের ১৬ই ফেব্রুয়ারি কার্যকরী হয়।

উল্লেখ্য, 
- 'কার্বন ক্রেডিট' এর ধারণা দেয় কিয়োটা প্রটোকল।

সূত্র: United Nations Framework Convention on Climate Change ওয়েবসাইট & Britannica।

২৭৯.
গ্রেটা থানবার্গ কোন দেশের পরিবেশবাদী কিশোরী?
  1. ক) নরওয়ে
  2. খ) ডেনমার্ক
  3. গ) সুইডেন
  4. ঘ) ফিনল্যান্ড
ব্যাখ্যা
মাত্র ১৬ বছরের সুইডিশ কিশােরী গ্রেটা থানবার্গ জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক আন্দোলনে সােচ্চার এক পরিবেশকন্যা। তিনি ২০ আগস্ট ২০১৮ সালে সুইডেনে নিজের মতাে করে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ শুরু করে। সুইডেনের পার্লামেন্ট ভবনের বাইরে তাঁর School Strike for Climate শীর্ষক প্ল্যাকার্ড নিয়ে 'Fridays for Future' আন্দোলনে অনেক স্কুলশিক্ষার্থী অনুপ্রাণিত হয়। এরপর এ আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে অনেক দেশে। নজর কাড়ে বিশ্বের। সে সময় জলবায়ু পরিবর্তনের পরিণতি উপেক্ষা না করতে সরকার প্রধানদের প্রতি আহ্বান জানায় সে। ১৬ মে ২০১৯ টাইম ম্যাগাজিন তাকে আগামী প্রজন্মের নেতা হিসেবে নির্বাচিত করে। জলবায়ু‌ পরিবর্তন নিয়ে জনমত তৈরি করতে পারায় গ্রেটা থুনবার্গ এখন পুরাে বিশ্বের কাছে এক নামে পরিচিত পরিবেশকন্যা।
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার।
২৮০.
Global Center on Adaptation এর দক্ষিণ এশীয় কার্যালয় কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) নয়াদিল্লি
  2. খ) ঢাকা
  3. গ) কাঠমুন্ডু
  4. ঘ) কলম্বো
ব্যাখ্যা
Global Center on Adaptation (GCA) বা বিশ্ব অভিযোজন কেন্দ্রের দক্ষিণ এশীয় কার্যালয় বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত। গত ৮ সেপ্টেম্বর ২০২০ এটি উদ্বোধন করা হয়।
GCA জলবায়ু অভিযোজন বিষয়ে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন সেক্টর ও উদ্যোগের মধ্যে সংলাপ আয়োজন ও সমন্বয় করে থাকে। GCA ২০১৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এর সদরদপ্তর নেদারল্যান্ডের রটারডাম শহরে অবস্থিত।

(সূত্র: GCA এবং বাংলাদেশ প্রতিদিন)
২৮১.
SMOG হচ্ছে-
  1. সিগারেটের ধোঁয়া
  2. কুয়াশা
  3. কালধোঁয়া
  4. দূষিত বাতাস
ব্যাখ্যা
SMOG হচ্ছে এক ধরণের দূষিত বাতাস। 

- ধোঁয়া ও কুয়াশা মিলে SMOG সৃষ্টি হয়।
- ‘SMOG’ শব্দটি SMOKE ও FOG শব্দ দুটো থেকে এসেছে।
- মোটরগাড়ি, কলকারখানার ধোঁয়া, কলকারখানার বর্জ্য, ধূলিকণা ইত্যাদি মিলে SMOG সৃষ্টি হয়।
- SMOG অবস্থায় বেশিক্ষণ বিরাজ করলে ফুসফুসে সমস্যা দেখা দেয়।
- এই ধোঁয়ায় অবস্থিত বিভিন্ন গ্যাস বৃষ্টির পানির সাথে মিশে এসিড বৃষ্টি ঘটায় এবং মাটির অম্লত্ব বৃদ্ধি করে। মাটির অম্লত্ব বৃদ্ধি পেলে তাতে উদ্ভিদ সহজে জন্মে না।
- SMOG শ্বাস-প্রশ্বাসের সাথে ফুসফুসে প্রবেশ করে এবং মানবদেহে ক্যান্সার, হাঁপানি, ব্রঙ্কাইটিস প্রভৃতি মারাত্মক রোগ সৃষ্টি করে।

সূত্র- National Geographic Society [লিঙ্ক]। 
২৮২.
বিশ্বে নবায়নযোগ্য শক্তি উৎপাদনে শীর্ষদেশ কোনটি?
  1. ক) আইসল্যান্ড
  2. খ) রাশিয়া
  3. গ) যুক্তরাষ্ট্র
  4. ঘ) চীন
ব্যাখ্যা
বিশ্বে নবায়নযোগ্য শক্তি উৎপাদনে শীর্ষদেশ চীন। ২০১৯ সালে নবায়নযোগ্য উৎস থেকে চীন ৭৩২ টেরাওয়াট/ঘণ্টা বিদ্যুৎ উৎপাদন করে। দ্বিতীয় যুক্তরাষ্ট্র (৪৯০ টেরাওয়াট/ঘণ্টা)। তৃতীয় জার্মানি (২২৪ টেরাওয়াট/ঘণ্টা)।
(সূত্র: BP Statistical Review of World Energy-2020)
২৮৩.
বিশুদ্ধ পানি ও স্যানিটেশন নিয়ে কাজ করে-
  1. ক) Sierra Club
  2. খ) US Aid
  3. গ) Greenpeace
  4. ঘ) Water Aid
ব্যাখ্যা
বিশুদ্ধ পানি ও স্যানিটেশন নিয়ে কাজ করে Water Aid. এটি ব্রিটেনভিত্তিক একটি সংস্থা। ২১ জুলাই, ১৯৮১ এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
২৮৪.
কিয়োটো প্রটোকল প্রত্যাহারকারী প্রথম দেশ -
  1. কানাডা
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. ইসরাইল
  4. ভারত
ব্যাখ্যা
কিয়ােটো প্রটোকল:
- কিয়োটো প্রটোকল প্রত্যাহারকারী প্রথম দেশ - কানাডা।

- ১৯৯৭ সালের ডিসেম্বরে জাপানের কিয়োটো শহরে অনুষ্ঠেয় ৩য় জাতিসংঘ জলবায়ু সম্মেলন বা Conference of Parties (CoP)-3 এ বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক কিয়োটো প্রটোকল গৃহীত হয়।
- ‘কার্বন ক্রেডিট’ কিয়ােটো প্রটোকলের সাথে সম্পর্কিত।
- ২০০৫ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি এটি কার্যকর হয়।
- বাংলাদেশ কিয়োটো প্রটোকল চুক্তির অন্তর্ভুক্ত হয় ২০০১ সালের ২২ অক্টোবর এবং
- ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৬ সালে অনুমোদন দেয়।

সূত্র: UNFCCC ওয়েবসাইট এবং রয়টার্স
২৮৫.
টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার কত নম্বর লক্ষ্য বিশুদ্ধ পানি ও স্যানিটেশন সম্পর্কিত?
ব্যাখ্যা

• টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG):
- SDG এর পূর্ণরূপ Sustainable Development Goals.
- SDGs-এর মেয়াদ ২০১৬ থেকে ২০৩০ সাল।
- এতে মোট ১৭টি বৈশ্বিক লক্ষ্য (Goals) এর আওতায় ১৬৯টি টার্গেট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

লক্ষ্যমাত্রাসমূহ হলো:
১. দারিদ্র্য নির্মূল,
২. ক্ষুধামুক্তি,
৩. সুস্বাস্থ্য,
৪. মানসম্মত শিক্ষা,
৫. লিঙ্গ সমতা,
৬. বিশুদ্ধ পানি ও স্যানিটেশন,
৭. সাশ্রয়ী ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি,
৮. উপযুক্ত কাজ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি,
৯. শিল্প, উদ্ভাবন ও অবকাঠামো,
১০. বৈষম্য হ্রাস,
১১. টেকসই শহর ও জনগণ,
১২. পরিমিত ভোগ ও উৎপাদন,
১৩. জলবায়ু বিষয়ে পদক্ষেপ,
১৪. সামুদ্রিক বাস্তুসংস্থান,
১৫. স্থলভাগের জীবন,
১৬. শান্তি, ন্যায়বিচার ও শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান,
১৭. অভিষ্টের জন্যে অংশীদারিত্ব।

সূত্র: UNDP ওয়েবসাইট। 

২৮৬.
কোন ধরনের দূষণে বিশ্বে প্রতিবছর সর্বাধিক সংখ্যক মানুষ মারা যায়?
  1. ক) মাটি দূষণ
  2. খ) পানি দূষণ
  3. গ) বায়ু দূষণ
  4. ঘ) শব্দ দূষণ
ব্যাখ্যা
বিশ্বে প্রতিবছর সর্বাধিক সংখ্যক মানুষ মারা যায় বায়ুদূষণের কারণে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে বিশ্বে প্রতিবছর মোট মৃতের সংখ্যার ৮ জনের ১ জন মারা যায় বায়ুদূষণের ফলে। এছাড়া বায়ুদূষণের ফলে মানুষের মাথাপিছু গড় আয়ুষ্কাল ২.৯ বছর হ্রাস পাচ্ছে।
ল্যানসেট সাময়িকী’র তথ্যমতে বায়ুদূষণের পর পানি দূষণ দ্বিতীয় সর্বাধিক মানুষের মৃত্যু কারণ।
(সূত্রঃ বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা ও ল্যানসেট সাময়িকী)
২৮৭.
টেকসই উন্নয়ন অভীষ্টের কত নং লক্ষ্যমাত্রায় জলবায়ু পরিবর্তন ও এর প্রভাব মোকাবেলায় জরুরি ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বলা হয়েছে?
  1. ক) ১০ নং লক্ষ্যমাত্রা
  2. খ) ১৩ নং লক্ষ্যমাত্রা
  3. গ) ১৪ নং লক্ষ্যমাত্রা
  4. ঘ) ১৭ নং লক্ষ্যমাত্রা
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘের উদ্যোগে সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার আদলে ২০১৬-২০৩০ সময়ের মধ্যে বাস্তবায়নের জন্যে ১৭টি টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (SDG) নির্ধারণ করা হয়েছে।
এর মধ্যে SDG এর ১৩ নং লক্ষ্যমাত্রায় জলবায়ু পরিবর্তন ও এর প্রভাব মোকাবেলায় জরুরি ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বলা হয়েছে।
অন্যদিকে,
- ১০ নং লক্ষ্যমাত্রা : বৈষম্য হ্রাস করা
- ১৪ নং লক্ষ্যমাত্রা : সামুদ্রিক সম্পদের সংরক্ষণ ও টেকসই ব্যবহার
- ১৭ নং লক্ষ্যমাত্রা : SDG এর লক্ষ্যসমূহ অর্জনের জন্যে বৈশ্বিক অংশীদারিত্ব সুদৃঢ় করা।
(সূত্রঃ Sustainable Development Goals ওয়েবসাইট)
২৮৮.
IPCC এর সমীক্ষা অনুযায়ী, সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা এক মিটার বাড়লে বাংলাদেশ আবাদি জমি নষ্ট হবে প্রায় -
  1. ২৮-৩০ শতাংশ
  2. ১৪ শতাংশ
  3. ১৫.৮ শতাংশ
  4. ২১.০৭ শতাংশ
ব্যাখ্যা
জলবায়ুর পরিবর্তন আত্মস্থকরণ কৌশল বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধিতে বাংলাদেশের ভূমিকা অতি নগণ্য হলেও জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ দেশের তালিকায় বাংলাদেশ অন্যতম।
Inter Governmental Panel on Climate Change (IPCC) এর সমীক্ষায় দেখা গেছে, সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা এক মিটার বাড়লে বাংলাদেশ আবাদি জমি নষ্ট হবে প্রায় ১৪ শতাংশ, ২৮-৩০ শতাংশ বনভূমি ধ্বংস হতে পারে, জলমগ্ন হতে পারে আরও প্রায় ১৫.৮ শতাংশ জমি। 

উৎস: বিবিএস প্রােগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৮৯.
কোনটি নবায়নযোগ্য শক্তির উদাহরণ?
  1. কয়লা
  2. প্রাকৃতিক গ্যাস
  3. সৌরশক্তি
  4. খনিজ তেল
ব্যাখ্যা
• শক্তিসম্পদ:
- প্রকৃতি প্রদত্ত যে সকল পদার্থ হতে শক্তি পাওয়া যায় তাদের শক্তিসম্পদ বলে।
- শক্তিসম্পদ উন্নয়নকে নিয়ন্ত্রণ করে এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করে।
 
- শক্তিসম্পদ প্রধানত দুই প্রকার।
যথা:
- অনবায়নযোগ্য শক্তিসম্পদ ও
- নবায়নযোগ্য শক্তিসম্পদ।
 
• নবায়নযোগ্য সম্পদ:
- যেসব প্রাকৃতিক সম্পদ পুনরায় ব্যবহারযোগ্য, সেগুলোকে নবায়নযোগ্য সম্পদ বলে।
- নবায়নযোগ্য শক্তি পরিবেশ বান্ধব এবং এই শক্তিকে গ্রীন শক্তিও বলা হয়।
- পরিবেশবান্ধব নবায়নযোগ্য শক্তি হচ্ছে: সৌরশক্তি, পানি প্রবাহ থেকে প্রাপ্ত শক্তি, জোয়ার-ভাটা শক্তি, ভূ-তাপীয় শক্তি, বায়ু শক্তি, বায়োমাস ইত্যাদি।
 
• অনবায়নযোগ্য সম্পদ:
- যেসব প্রাকৃতিক সম্পদ একবার নিঃশেষ হয়ে গেলে আর পাওয়া যায় না, সেগুলোকে বলা হয় অনবায়নযোগ্য সম্পদ।
- যেমন: প্রাকৃতিক গ্যাস, কয়লা, খনিজ তেল এবং বিভাজনজাত (Fission) পারমাণবিক শক্তি।
- খনিজ তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস এবং কয়লাকে জীবাশ্ম জ্বালানিও বলা হয়, কারণ এই সকল জ্বালানির উৎস হলো ফসিল (Fossil) বা জীবাশ্ম।
 
উৎস: পরিবেশ বিজ্ঞান, বিবিএ বাংলা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৯০.
নিচের কোনটি বাংলাদেশের সরকারি মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র?
  1. ISRO
  2. SPARRSO
  3. ISPA
  4. SPCSC
ব্যাখ্যা
SPARRSO = Space Research and Remote Sensing Organization.
- এটি বাংলাদেশের মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন কেন্দ্র এবং একমাত্র ঘূর্ণিঝড় ও দুর্যোগের পূর্বাভাস কেন্দ্র।
- SPARRSO - ১৯৮০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি বাংলাদেশ সরকারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান।
- এটি ঢাকা শহরের আগারগাঁও এ অবস্থিত।

উৎসঃ স্পারসোর ওয়েবসাইট।
২৯১.
পরিবেশবাদী সংগঠন 'Worldwatch Institute' এর প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. ক) লেস্টার রাসেল ব্রাউন
  2. খ) ডরোথি স্টো
  3. গ) জন বারথি
  4. ঘ) জ্যাক ডরসি
ব্যাখ্যা
ওয়ার্ল্ডওয়াচ ইনস্টিটিউট (Worldwatch Institute)
• ওয়ার্ল্ডওয়াচ ইনস্টিটিউট ওয়াশিংটনভিত্তিক একটি পরিবেশবাদী সংগঠন।
• প্রতিষ্ঠাকাল - ১৯৭৪ সাল।
প্রতিষ্ঠাতা - লেস্টার রাসেল ব্রাউন (আমেরিকান পরিবেশ বিশ্লেষক)।
• সদরদপ্তর - ওয়াশিংটন ডি.সি, যুক্তরাষ্ট্র।
 
তথ্যসূত্র:- ওয়ার্ল্ডওয়াচ ইনস্টিটিউ ওয়েবসাইট। 
২৯২.
V-20 বা Vulnerable - 20 এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা কত?
  1. ক) ২০ টি
  2. খ) ৪৯ টি
  3. গ) ৫৮ টি
  4. ঘ) ৫৭ টি
ব্যাখ্যা
V-20 বা Vulnerable - 20
• V-20 বা Vulnerable - 20 হচ্ছে - জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ঝুঁকিপূর্ণ দেশের অর্থমন্ত্রীদের নিয়ে গঠিত একটি ফোরাম।
• প্রতিষ্ঠাকাল - ৮ অক্টোবর, ২০১৫ সাল।
• প্রতিষ্ঠার স্থান - লিমা, পেরুতে অনুষ্ঠিত Climate Vulnerable Forum - এর বৈঠকে।
বর্তমান সদস্য সংখ্যা - বাংলাদেশ সহ মোট ৫৮টি দেশ।
 
তথ্যসূত্র:- V-20 ওয়েবসাইট।
২৯৩.
কিয়েটো প্রটোকল অনুসারে মূল গ্রীন হাউস গ্যাস কয়টি?
  1. ক) ৪
  2. খ) ৫
  3. গ) ৬
  4. ঘ) ৭
ব্যাখ্যা
The targets for the first commitment period of the Kyoto Protocol cover emissions of the six main greenhouse gases, namely: Carbon dioxide (CO2), Methane (CH4), Nitrous oxide (N2O), Hydrofluorocarbons (HFCs), Perfluorocarbons (PFCs), and Sulphur hexafluoride (SF6)।
২৯৪.
বাংলাদেশের কয়টি বায়ুমান পরীক্ষণ স্টেশন চালু আছে?
  1. ক) ১১
  2. খ) ১২
  3. গ) ১৩
  4. ঘ) ১০
ব্যাখ্যা
নিয়মিত বায়ু দূষণ মাত্রা পরিমাপের জন্য ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, সিলেট ও বরিশাল শহরে মোট ১১ টি সার্বক্ষণিক বায়ুমান পরীক্ষণ স্টেশন চালু আছে। এ সকল স্টেশনের মাধ্যমে ঐ শহরগুলোতে বায়ুদূষণের উপাদান সমূহের পরিমাণ সার্বক্ষণিকভাবে পরিমাপ করা হচ্ছে। উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৯।
২৯৫.
'এল নিনো' বলতে কী বোঝায়?
  1. সামুদ্রিক ঝড়
  2. মহাসাগরের তাপীয় জলস্রোত
  3. ভূমিকম্পের ঘটনা
  4. আগ্নেয়গিরির ম্যাগমা প্রবাহ
ব্যাখ্যা

• এল-নিনো:
- এল নিনো (El Nino) একটি স্প্যানিশ শব্দ।
- এর আক্ষরিক অর্থ হলো ছোট ছেলে।
- ‘এল-নিনো’ মূলত উষ্ণ প্রকৃতির জলবায়ুর একটি ধরণ যা মধ্য ও পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চ তাপমাত্রার জন্য দায়ী।
- এর স্থায়িত্ব সাধারণত ৯-১৮ মাস।
- এল-নিনো’র সময়ে অন্যান্য সময়ের চেয়ে কম বৃষ্টি হয় এবং বন্যাও কম হয়।
- এ সময় তাপমাত্রা অতিরিক্ত বেড়ে যায়।
- এল-নিনো সাধারণত প্রতি ২ থেকে ৭ বছর অন্তর ঘটে।

তথ্যসূত্র: i) National Oceanic and Atmospheric Administration.
ii) BBC.

২৯৬.
স্পেনিশ ফ্লু'র প্রাদুর্ভাব ঘটে কবে?
  1. ক) ১৮২০ সালে
  2. খ) ১৯০৫ সালে
  3. গ) ১৯১৮ সালে
  4. ঘ) ১৯৫০ সালে
ব্যাখ্যা
১৯১৮ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রথম স্পেনিশ ফ্লু'র সূত্রপাত ঘটে এবং সেখান থেকে তা সমগ্র বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে।
স্পেনের গণমাধ্যমে এই ফ্লুর খবর ব্যাপকভাবে প্রচারিত হওয়ায় এই ভাইরাসের নামকরণ হয়ে যায় স্পেনিশ ফ্লু।
১৯১৮ সালের জানুয়ারি থেকে ১৯২০ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত স্পেনিশ ফ্লু মহামারি আকারে গোটা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে।
এতে আনুমানিক ৫০ কোটি মানুষ আক্রান্ত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়। যা তৎকালীন বিশ্বের মোট জনসংখ্যার প্রায় এক-তৃতীয়াংশ। মারা যায় আনুমানিক ২ থেকে ৫ কোটি মানুষ।
(সূত্রঃ হিস্টোরি ডটকম)
২৯৭.
বাংলাদেশের মোট আয়তনের কত শতাংশ বনভূমি?
  1. ক) ১৩%
  2. খ) ১৬%
  3. গ) ১৭%
  4. ঘ) ১৫.৫%
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের আয়তনের ১৭% এলাকা জুড়ে বনভূমি অবস্থিত। এসব বনভূমির সবগুলো বন বিভাগ নিয়ন্ত্রণ ও রক্ষনাবেক্ষণ করে না। বন বিভাগ নিয়ন্ত্রিত বনভূমির পরিমাণ প্রায় ১৫ লক্ষ ৭৬ হাজার হেক্টর যা দেশের আয়তনের প্রায় ১০.৭%। বর্তমানে দেশের মোট আয়তনের মোট ১৩.২৮% এলাকা বৃক্ষাচ্ছাদিত। সূত্রঃ পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রনালয়ের ওয়েবসাইট।
২৯৮.
গ্রেটা থুনবার্গ জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় নিম্নের কোন আন্দোলনের সুত্রপাত করেন?
  1. ক) Let’s Save the Planet
  2. খ) Fridays For Future
  3. গ) Strike for Environment
  4. ঘ) Strike for Pollution
ব্যাখ্যা
- ফ্রাইডেস ফর ফিউচার মুভমেন্ট জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে সংশ্লিষ্ট। 
- ২০১৮ সালের আগস্টে সুইডেনের ১৫ বছর বয়সী স্কুলছাত্রী গ্রেটা থুনবার্গ এই আন্দোলনের সূত্রপাত করেন।
- থুনবার্গ স্কুল বর্জন করে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় পদক্ষেপ গ্রহণের দাবীতে সুইডিশ পার্লামেন্ট ভবনের সামনে অবস্থান নেয়। 
- তার এই ভূমিকা পরবর্তীতে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে এবং শুক্রবার স্কুল ধর্মঘট করে শিক্ষার্থীরা রাস্তায় প্রতিবাদে অবস্থান নিতে শুরু করে।
- এই আন্দোলনের উদ্দেশ্য হলো জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে সরকারগুলোর উপর নৈতিক সৃষ্টি করা।

(সূত্রঃ ফ্রাইডেস ফর ফিউচার মুভমেন্ট)
২৯৯.
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, মানুষের শরীরে আর্সেনিকের সহনীয় মাত্রা কত?
  1. ক) ০.০১ মিঃগ্রাঃ/লিটার
  2. খ) ০.০৫ মিঃগ্রাঃ/লিটার
  3. গ) ০.৮৬ মিঃগ্রাঃ/লিটার
  4. ঘ) ১.০০ মিঃগ্রা/লিটার
ব্যাখ্যা
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, পানিতে আর্সেনিকের নিরাপদ মাত্রা ০.০১ মিলিগ্রাম/লিটার এবং মানুষের শরীরে এর সহনীয় মাত্রা ০.০৫মিঃগ্রা/লিটার।
৩০০.
পারদ (Mercury) - এর ক্ষতিকর প্রভাব থেকে মানবজাতি ও পরিবেশকে রক্ষার জন্য আন্তর্জাতিক চুক্তি কোনটি?
  1. ক) Basel Convention
  2. খ) The Minamata Convention
  3. গ) The Bamako convention
  4. ঘ) The Montreal Protocol
ব্যাখ্যা
The Minamata Convention on Mercury is a global treaty to protect human health and the environment from the adverse effects of mercury. It was agreed at the fifth session of the Intergovernmental Negotiating Committee on mercury in Geneva, Switzerland at 7 a.m. on the morning of Saturday, 19 January 2013 and adopted later that year on 10 October 2013 at a Diplomatic Conference (Conference of Plenipotentiaries), held in Kumamoto, Japan. The Minamata Convention entered into force on 16 August 2017, on the 90th day after the date of deposit of the 50th instrument of ratification, acceptance, approval or accession. Source: unep.org