বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

কম্পিউটারের প্রকারভেদ

মোট প্রশ্ন৩৯৭এই পাতা৯৭প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

কম্পিউটারের প্রকারভেদ

PrepBank · পাতা / · ৩০১৩৯৭ / ৩৯৭

৩০১.
মাইক্রোপ্রসেসরের অংশ নয় কোনটি?
  1. Control Unit
  2. ALU
  3. Register
  4. Hard Disk
ব্যাখ্যা
♦ মাইক্রোপ্রসেসর: 
- মাইক্রোপ্রসেসর হলো সিলিকনের তৈরি এক ধরনের VLSI(Very large Scale Integration) চিপ।
- একটি একক ভিএলএসআই সিলিকন চিপের মধ্যে এক মিলিয়নেরও অধিক ডায়োড, ট্রানজিস্টর, রেজিস্টার, ক্যাপাসিটর ইত্যাদি একীভূত থাকে।
- মাইক্রোপ্রসেসরকে মাইক্রোকম্পিউটারের মস্তিষ্ক বা ব্রেইন বলা হয়।

- মাইক্রোপ্রসেসর প্রধানত তিনটি অংশে বিভক্ত। যথা-
১. নিয়ন্ত্রণ অংশ(Control Unit),
২. গাণিতিক যুক্তি অংশ(Arithmetic Logic Unit) এবং
৩. রেজিস্টার সমূহ(Register Set)

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩০২.
তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্য কোনটি?
  1. আইসি এর ব্যবহার
  2. ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্টের ব্যবহার
  3. আউটপুট হিসেবে মনিটরের ব্যবহার
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার:
- তৃতীয় প্রজন্মের ব্যাপ্তিকাল ১৯৬৫ হতে ১৯৭০ সাল পর্যন্ত।
- IBM 360, 370, PDP 8, PDP II ইত্যাদি তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার।
- এ প্রজন্মে কম্পিউটারে একটি গাণিতিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে প্রায় ৫ ন্যানো সেকেন্ড সময় লাগতো।

• তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্যসমূহ হলো:
- IC এর ব্যবহার।
- অর্ধপরিবাহী স্মৃতির উদ্ভব ও বিকাশ (RAM, ROM এর ব্যবহার শুরু)।
- আকৃতি ছোট, কম দাম এবং ক্ষমতা বৃদ্ধি।
- মুদ্রণের জন্য লাইন প্রিন্টারের ব্যবহার।
- আউটপুট হিসেবে মনিটরের ব্যবহার।
- অপারেটিং সিস্টেম ব্যবস্থার উন্নয়ন।
- সহজে স্থানান্তরযোগ্য।
- রিয়েল টাইম অপারেটিং সিস্টেম, মাল্টিপ্রোগ্রামিং পদ্ধতি, টাইম শেয়ারিং, ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্টের ব্যবহার
- যান্ত্রিক গোলযোগ কম বলে রক্ষণাবেক্ষণ খরচ কম ইত্যাদি।
- উচ্চতর ভাষার ব্যাপক ব্যবহার।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্রি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩০৩.
Which of the following is known as PDA?
  1. Palmtop 
  2. Mainframe 
  3. Laptop
  4. Workstation
ব্যাখ্যা

• PDA-এর পূর্ণরূপ হলো Personal Digital Assistant। পামটপ (Palmtop) কম্পিউটারকে মূলত পিডিএ (PDA) বলা হয়। কারণ এটি হাতের তালুতে রেখে ব্যবহার করা যায় এবং এটি একজন ব্যক্তির ব্যক্তিগত সহকারী হিসেবে ক্যালেন্ডার, নোটবুক, এবং ডায়েরির মতো কাজগুলো ডিজিটাল পদ্ধতিতে সম্পন্ন করে। বর্তমানে আধুনিক স্মার্টফোনগুলো পিডিএ-র জায়গা দখল করে নিয়েছে।

• পামটপ কম্পিউটার বা PDA:
- PDA এর পূর্ণরূপ হলো Personal Digital Assistant.
- ১৯৯৩ সালে ইলেকট্রনিক নির্মাতারা পার্সোনাল ডিজিটাল অ্যাসিসটেন্ট তৈরি করেন।
- পিডিএ এর প্রাথমিক সংস্করণ ছিল অ্যাপলের নিউটন।
- এ ধরনের কম্পিউটার ক্ষুদ্রাকৃতির এবং দেখতে অনেকটা ক্যালকুলেটরের ন্যায়, এটি হেল্ড বা পকেট কম্পিউটার নামেও পরিচিত।
- সাধারণত টাচ স্ক্রিন ও ডিজিটাল পেনের সাহায্যে এ জাতীয় কম্পিউটারগুলো নিয়ন্ত্রন করা হয়।
- স্প্রেডশিটের ছোট আকারের কাজ, লেখালেখি, প্রয়োজনীয় টেলিফোন নম্বর, তারিখ, এজেন্ডা তৈরি করে রাখা ইত্যাদি কাজে এ ধরনের কম্পিউটারগুলো ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩০৪.
Which computer has been designed to be as compact as possible?
  1. ক) Mini
  2. খ) Super computer
  3. গ) Micro computer
  4. ঘ) Mainframe
ব্যাখ্যা

A microcomputer is a small, relatively inexpensive computer with a microprocessor as its central processing unit (CPU).
It includes a microprocessor, memory, and input/output (I/O) facilities. Microcomputers became popular in the 1970s and 80s with the advent of increasingly powerful microprocessors.

৩০৫.
'স্মার্টফোন' এক ধরনের -
  1. ক) অ্যানালগ কম্পিউটার
  2. খ) হাইব্রিড কম্পিউটার
  3. গ) মাইক্রোকম্পিউটার
  4. ঘ) মেইনফ্রেম কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
মাইক্রোকম্পিউটার
- ডিজিটাল কম্পিউটারের মধ্যে সবচেয়ে আকারে ছোট এবং সস্তা কম্পিউটার হচ্ছে মাইক্রোকম্পিউটার।
- মাইক্রো এর সাধারণ অর্থ হচ্ছে ক্ষুদ্র।
- ক্ষুদ্রাকৃতির মাইক্রোপ্রসেসর চিপ দিয়ে যে সকল কম্পিউটার গঠিত হয় সেসব কম্পিউটারকে বলা হয় মাইক্রোকম্পিউটার। 

মাইক্রোকম্পিউটারের শ্রেণিবিভাগ:
বিভিন্ন কম্পিউটারের নাম -
১। পামটপ কম্পিউটার (Palmtop Computer) বা পিডিএ (PDA)
২। ল্যাপটপ কম্পিউটার (Laptop Computer)
৩। নােটবুক কম্পিউটার (Notebook Computer)
৪। ডেস্কটপ কম্পিউটার (Desktop Computer); ইত্যাদি।

এছাড়া ট্যাবলেট পিসি (Tablet PC), ফ্যাবলেট (Phablet), স্মার্টফোন (Smartphone) ইত্যাদিও মাইক্রোকম্পিউটারের অন্তর্ভুক্ত।

সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩০৬.
ব্যালিস্টিক মিসাইল নিয়ন্ত্রণে সুপারকম্পিউটার ব্যবহারের ফলে কোন ফ্যাক্টরটি বেশী কাজ করে?
  1. লক্ষ্যবস্তু আঘাতের নির্ভুলতা
  2. রঙ কোডিং
  3. জ্বালানি সাশ্রয়
  4. শব্দ হ্রাস
ব্যাখ্যা
• ব্যালিস্টিক মিসাইল নিয়ন্ত্রণে সুপারকম্পিউটার ব্যবহারের ফলে সবচেয়ে বেশি যেটি কাজ করে তা হলো লক্ষ্যবস্তু আঘাতের নির্ভুলতা। সুপারকম্পিউটার অত্যন্ত দ্রুতগতিতে বিশাল পরিমাণ তথ্য বিশ্লেষণ করতে সক্ষম, যেমন বাতাসের গতি, মাধ্যাকর্ষণ, বায়ু চাপ, তাপমাত্রা এবং লক্ষ্যবস্তুর চলাচলের তথ্য। এসব তথ্য ব্যবহার করে এটি মিসাইলের গতি ও পথ নির্ধারণ করে, যাতে মিসাইল সঠিকভাবে নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে। এছাড়া তাৎক্ষণিক পরিস্থিতির পরিবর্তনে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম হওয়ায় মিসাইলের নির্ভুলতা বহুগুণ বেড়ে যায়। তাই এখানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর হলো লক্ষ্যবস্তু আঘাতের নির্ভুলতা (ক)।

• সুপার কম্পিউটার (Super Computer):
- সুপার কম্পিউটার হচ্ছে সবচেয়ে শক্তিশালী, ব্যয়বহুল ও দ্রুতগতিসম্পন্ন কম্পিউটার।
- সুপার কম্পিউটার একসাথে একাধিক ব্যবহারকারী ব্যবহার করতে পারে।
- এ ধরনের কম্পিউটারে বিপুল পরিমাণ উপাত্ত সংরক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত মেমোরি এবং বিপুল পরিমাণ প্রক্রিয়াকরণ কাজের ক্ষমতা থাকে।
- আবার এ ধরনের কম্পিউটারগুলোতে কয়েকটি প্রসেসর একই সঙ্গে কাজ করে এবং প্রতি সেকেন্ডে কোটি কোটি বৈজ্ঞানিক, গাণিতিক ও প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদন করে।
- সূক্ষ্ম বৈজ্ঞানিক গবেষণা, বিপুল পরিমাণ তথ্য বিশ্লেষণ, নভোযান, ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ন্ত্রণ, মহাকাশ গবেষণা, বিভিন্ন ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র ডিজাইন, সিমুলেশন, পারমাণবিক চুল্লির নিয়ন্ত্রণ, পরিচালনা ইত্যাদি কাজে সুপার কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়।
- ইন্টেল কর্পোরেশনের প্যারাগন, জাপানের নিপ্পন ইলেকট্রনিক কোম্পানির Super SX II, CRAY-I, CRAY - XMP, CYBER 205, ETA-D2P ইত্যাদি সুপার কম্পিউটারের উদাহরণ।
- যুক্তরাষ্ট্র নির্মিত সামিট (Summit) অন্যতম একটি শক্তিশালী সুপার কম্পিউটার। এই কম্পিউটারে ৯,২১৬টি ২২ কোরের IBM মাইক্রোপ্রসেসর আছে।

উৎস:
১) মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)।
২) Johns Hopkins University [লিংক]
৩০৭.
কম্পিউটার নেটওয়ার্ককে প্রধানত ভাগ করা হয়-
  1. ক) ২ ভাগে
  2. খ) ৩ ভাগে
  3. গ) ৪ ভাগে
  4. ঘ) ৫ ভাগে
ব্যাখ্যা
ভৌগোলিক বিস্তৃতির উপর ভিত্তি করে কম্পিউটার নেটওয়ার্ককে প্রধানত চার ভাগে ভাগ করা হয়। যথা- পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (PAN), লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (LAN), মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক (MAN) এবং ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক (WAN)। উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩০৮.
মাইক্রো কম্পিউটারের জনক-
  1. ক) হেনরি এডয়ার্ড রবার্ট
  2. খ) চার্লস ব্যাবেজ
  3. গ) হাওয়ার্ড এইচ. এইকিন
  4. ঘ) ব্লেইসি প্যাসকেল
ব্যাখ্যা
• হেনরি এডয়ার্ড রবাট ১৯৭৫ সালে Atair-880 নামের একটি মাইক্রো কম্পিউটার আবিষ্কার করেন।

• মাইক্রোকম্পিউটারের ইতিহাস (History of Microcomputer): 
• ১৯৭৫ সালে MITS (Micro Instrumentation and Telemetry Systems) কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতা প্রকৌশলী হেনরি এডওয়ার্ড রবার্টস (Henry Edward Roberts) ইন্টেলের মাইক্রোপ্রসেসর ভিত্তিক Altair-880 মাইক্রোকম্পিউটার তৈরি করেন।
•  এতে ইন্টেলের ৮০৮০ মাইক্রোপ্রসেসর ও ২৫৬ কিলোবাইট মেমোরি ব্যবহৃত হয়েছে।
• এটি হলো প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর ভিত্তিক কম্পিউটার বা মাইক্রোকম্পিউটার।
•  সেজন্য হেনরি এডওয়ার্ড রবার্টসকে মাইক্রো কম্পিউটারের জনক বলা হয়।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১ ,এস এসসি ও দাখিল ( ভোকেশনাল )।
৩০৯.
সূক্ষ্ম বৈজ্ঞানিক গবেষণা, ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ন্ত্রণ এবং মহাকাশ গবেষণার কাজে কোন কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়?
  1. মিনি কম্পিউটার
  2. মাইক্রোকম্পিউটার
  3. মেইনফ্রেম কম্পিউটার 
  4. সুপার কম্পিউটার 
ব্যাখ্যা

• আকার, আয়তন, কাজ করার ক্ষমতা, স্মৃতি ও কার্যকারিতার ওপর ভিত্তি করে কম্পিউটারকে বা ডিজিটাল কম্পিউটারকে চারটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়। যথা -
১. সুপার কম্পিউটার 
২. মেইনফ্রেম কম্পিউটার 
৩. মিনি কম্পিউটার
৪. মাইক্রোকম্পিউটার

• সুপার কম্পিউটার:
- সুপার কম্পিউটার হচ্ছে সবচেয়ে শক্তিশালী, ব্যয়বহুল ও দ্রুতগতিসম্পন্ন কম্পিউটার।
- সুপার কম্পিউটার একসাথে একাধিক ব্যবহারকারী ব্যবহার করতে পারে।
- এ ধরনের কম্পিউটারগুলোতে কয়েকটি প্রসেসর একই সঙ্গে কাজ করে এবং প্রতি সেকেন্ডে কোটি কোটি বৈজ্ঞানিক, গাণিতিক ও প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদন করে।
- সূক্ষ্ম বৈজ্ঞানিক গবেষণা, বিপুল পরিমাণ তথ্য বিশ্লেষণ, নভোযান, ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ন্ত্রণ, মহাকাশ গবেষণা, বিভিন্ন ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র ডিজাইন, সিমুলেশন, পারমাণবিক চুল্লির নিয়ন্ত্রণ, পরিচালনা ইত্যাদি কাজে সুপার কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়।
- বাংলাদেশে কম্পিউটার কাউন্সিলে একটি সুপার কম্পিউটার আছে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩১০.
নিম্নের কোনটি সুপার কম্পিউটার?
  1. ক) মিনিক্স
  2. খ) আলবাইসিন
  3. গ) ইউনিভ্যাক
  4. ঘ) এএসসিসি
ব্যাখ্যা
- ২৫ বছরের কাজ ২৪ ঘণ্টায় করে দেবে আলবাইসিন নামের এই নতুন সুপার কম্পিউটার। 
- নতুন এই সুপার কম্পিউটার নির্মাণে ব্যয়িত হয়েছে ১.৩৬ মিলিয়ন ডলারের বেশি অর্থ। 

উৎস: www.tbsnews.net
৩১১.
নিচের কোনটি মাল্টি ইউজার কম্পিউটার?
  1. মিনি কম্পিউটার
  2. ওয়ার্কস্টেশন
  3. পার্সোনাল কম্পিউটার
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
মিনি কম্পিউটার: এটি একটি মাল্টি ইউজার কম্পিউটার সিস্টেম যা শত শত ইউজার সাপোর্ট করতে পারে।

মেইনফ্রেম কম্পিউটার: এটিও মাল্টি ইউজার কম্পিউটার তবে এর সফটওয়্যার টেকনোলজি মিনি কম্পিউটার থেকে ভিন্ন।
 
পার্সোনাল কম্পিউটার (PC): সিঙ্গেল ইউজার কম্পিউটার যার মাইক্রোপ্রসেসরের ক্ষমতা মধ্যমানের।

ওয়ার্কস্টেশন: এটিও সিঙ্গেল ইউজার কম্পিউটার তবে এর মাইক্রোপ্রসেসর পার্সোনাল কম্পিউটারের তুলনায় শক্তিশালী।

সুপার কম্পিউটার: বর্তমান বিশ্বে সবথেকে শক্তিশালী কম্পিউটার যা অনেকগুলো মাইক্রোপ্রসেসরের সাহায্যে তৈরি এবং একসাথে লক্ষ লক্ষ ইন্সট্রাকশন এক্সিকিউট করতে পারে।
৩১২.
কোন কম্পিউটারের "RAM এবং CPU" - এর ক্ষমতা সবচেয়ে বেশি?
  1. সুপার কম্পিউটার
  2. ট্যাবলেট কম্পিউটার
  3. মিনি কম্পিউটার
  4. মাইক্রো কম্পিউটার
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর: ক) সুপার কম্পিউটার।

কম্পিউটারের RAM (মেমোরি) এবং CPU (প্রসেসর) ক্ষমতা তার কাজের ক্ষমতা নির্ধারণ করে। সুপার কম্পিউটার হলো অত্যন্ত শক্তিশালী কম্পিউটার, যা বিশাল ডেটা প্রক্রিয়াকরণ এবং জটিল গণনা করার জন্য ডিজাইন করা। এতে প্রচুর সংখ্যক উচ্চগতির CPU এবং বিপুল পরিমাণ RAM থাকে, যা একসাথে অত্যন্ত দ্রুত ও বড় পরিসরের গণনা করতে সক্ষম। অন্যদিকে, ট্যাবলেট কম্পিউটার, মিনি কম্পিউটার, এবং মাইক্রো কম্পিউটার তুলনামূলকভাবে ছোট মেমোরি এবং কম প্রসেসিং ক্ষমতা রাখে, তাই তারা বিশাল বা জটিল কাজ করতে পারবে না। তাই RAM ও CPU ক্ষমতার দিক থেকে সুপার কম্পিউটার সর্বোচ্চ।

• অতিবৃহৎ কম্পিউটার (Super Computer):
- পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী ও দ্রুতগতি সম্পন্ন কম্পিউটার।
- বিশাল মেমোরি ও প্রক্রিয়াকরণ ক্ষমতা রয়েছে।
- অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ও অনেক যন্ত্রাংশ থাকার কারণে মূল্য অনেক বেশি।
- যে সকল ক্ষেত্রে খুব জটিল ও সুক্ষ গাণিতিক হিসাব প্রয়োজনে ব্যবহৃত হয়।
- বৈজ্ঞানিক গবেষণা, প্রশাসনিক কাজ-কর্ম এবং বৃহৎ প্রতিষ্ঠানে সুপার কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়।
- উদাহরণ: CRAY-1, CYBER 205 ইত্যাদি।

আকার ও ক্ষমতা বিচারে কম্পিউটারকে সাধারণত চার ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-
১। অতিবৃহৎ কম্পিউটার (Super Computer),
২। বৃহৎ কম্পিউটার (Mainframe Computer),
৩। ছোট কম্পিউটার (Mini Computer),
8। ক্ষুদ্র কম্পিউটার (Micro Computer).

• বৃহৎ কম্পিউটার (Mainframe Computer):
- সুপার কম্পিউটারের তুলনায় ছোট, কিন্তু মিনি ও মাইক্রো কম্পিউটারের তুলনায় অনেক বেশি ক্ষমতাসম্পন্ন।
- অনেক ইনপুট-আউটপুট যন্ত্র সংযুক্ত করা যায়।
- বৃহৎ মেমোরি ও প্রক্রিয়াকরণ শক্তি।
- বিশ্ববিদ্যালয়, সরকারী ও বেসরকারী প্রতিষ্ঠান, গবেষণা প্রতিষ্ঠানে এই ধরনের কম্পিউটারের ব্যবহার আছে।
- উদাহরণ: IBM 4341, NCR N8370, IBM Amdah 1580 ইত্যাদি।

• ছোট কম্পিউটার (Mini Computer):
- মেইনফ্রেম কম্পিউটারের তুলনায় আকারে ছোট এবং কম ক্ষমতাসম্পন্ন।
- সীমিত সংখ্যক ব্যবহারকারীর জন্য উপযুক্ত।
- উদাহরণ: NOVA 3. PDP 11, IBM-AS/400 ইত্যাদি।

• ক্ষুদ্র কম্পিউটার (Micro Computer):
- আকার, ক্ষমতা ও মূল্যের দিক দিয়ে সবচেয়ে ছোট।
- একীভূত বর্তনীর মাধ্যমে তৈরি মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহার করা হয়।
- স্মৃতি এবং ইনপুট-আউটপুট সংযোগ করে পিসি (Personal Computer) তৈরি হয়।
- অফিসের কাজ, ব্যক্তিগত ব্যবহার ও চিত্তবিনোদনে এই কম্পিউটারের প্রচলন দিন দিন বেড়ে চলেছে।
- উদাহরণ: IBM 486. IBM Pentium ইত্যাদি।

- ক্ষুদ্র বা মাইক্রো কম্পিউটারের জগতে সর্বাধুনিক সংযোজন হচ্ছে ডেস্কটপ কম্পিউটার, ল্যাপটপ কম্পিউটার, নোটবুক কম্পিউটার।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩১৩.
একই কম্পিউটারে এনালগ এবং ডিজিটাল গণনা ব্যবহৃত হলে, সেই কম্পিউটারকে কী বলা হয়?
  1. হাইব্রিড কম্পিউটার
  2. কোয়ান্টাম কম্পিউটার
  3. মাইক্রোকম্পিউটার
  4. সুপারকম্পিউটার
ব্যাখ্যা

• একই কম্পিউটারে এনালগ এবং ডিজিটাল গণনা উভয়ই ব্যবহার করা হয় তাকে হাইব্রিড কম্পিউটার বলা হয়। হাইব্রিড কম্পিউটার এনালগ কম্পিউটারের দ্রুত এবং ধারাবাহিক ডেটা প্রক্রিয়করণ ক্ষমতা এবং ডিজিটাল কম্পিউটারের সঠিক এবং নির্ভুল গণনা ক্ষমতা একত্রিত করে। এই ধরনের কম্পিউটার সাধারণত বিজ্ঞান, চিকিৎসা এবং শিল্পে ব্যবহৃত হয় যেখানে সেন্সর থেকে আসা ধারাবাহিক তথ্যকে দ্রুত প্রক্রিয়াকরণ এবং ডিজিটাল আকারে বিশ্লেষণ করতে হয়। উদাহরণ হিসেবে হৃদস্পন্দন মনিটর বা জ্যোতির্বিজ্ঞান ও আবহাওয়া পূর্বাভাসে ব্যবহৃত কম্পিউটার উল্লেখ করা যায়।

​হাইব্রিড কম্পিউটার:
- অ্যানালগ ও ডিজিটাল উভয় কম্পিউটারের নীতির সমন্বয়ে যে কম্পিউটার গঠিত তাকে হাইব্রিড কম্পিউটার বলা হয়।
- হাইব্রিড কম্পিউটার অত্যন্ত দামি হওয়ায় কেবলমাত্র বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে এটি ব্যবহৃত হয়।
- মিসাইল, বৈজ্ঞানিক গবেষণা, নভোযান, রাসায়নিক দ্রব্যের গুণাগুণ নির্ণয়, পরমাণুর গঠন-প্রকৃতি নির্ণয়, পরীক্ষাগারে ঔষধের মান নির্ণয় ইত্যাদিতে হাইব্রিড কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়।
- বর্তমানে হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ার, শরীরের তাপমাত্রা, রোগীর রক্তচাপ, হৃৎযন্ত্রের ক্রিয়া ইত্যাদি ক্ষেত্রে এ ধরনের কম্পিউটার ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

​অন্যান্য অপশনসমূহ, 
- ​কোয়ান্টাম কম্পিউটার কিউবিট ব্যবহার করে অতিদ্রুত গণনা করতে পারে, কিন্তু এটি এনালগ+ডিজিটাল মিশ্রণ নয়।
- সুপারকম্পিউটার অত্যন্ত উচ্চ গতির গণনার জন্য ব্যবহৃত হয়, কিন্তু তা পুরোপুরি ডিজিটাল।
- মাইক্রোকম্পিউটার সাধারণ ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য তৈরি (যেমন পিসি, ল্যাপটপ)।

​উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩১৪.
কোন বৈশিষ্ট্যটি সুপারকম্পিউটারকে সাধারণ কম্পিউটার থেকে আলাদা করে?
  1. বিল্ট-ইন কীবোর্ড
  2. বেশি স্টোরেজ স্পেস
  3. উচ্চতর প্রসেসিং গতি
  4. বড় স্ক্রিন সাইজ
ব্যাখ্যা
• সুপারকম্পিউটারকে সাধারণ কম্পিউটার থেকে আলাদা করে যে বৈশিষ্ট্যটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, তা হলো উচ্চতর প্রসেসিং গতি। সুপারকম্পিউটারগুলি বিপুল পরিমাণ তথ্য অত্যন্ত দ্রুত বিশ্লেষণ ও প্রক্রিয়াজাত করতে সক্ষম, যা সাধারণ কম্পিউটারের পক্ষে সম্ভব নয়। এই ধরনের কম্পিউটার একসাথে লাখো কোর ব্যবহার করে জটিল গাণিতিক হিসাব, জলবায়ু মডেলিং, পারমাণবিক গবেষণা বা মহাকাশ গবেষণার মতো কাজ সম্পাদন করে থাকে। যেখানে সাধারণ কম্পিউটার দৈনন্দিন কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়, সেখানে সুপারকম্পিউটার বিশাল ডেটা সেট নিয়ে কাজ করার জন্য ডিজাইন করা। তাই, গ) উচ্চতর প্রসেসিং গতি-ই সুপারকম্পিউটারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও পার্থক্যসূচক বৈশিষ্ট্য।

• সুপার কম্পিউটার:
- সুপার কম্পিউটার হচ্ছে সবচেয়ে শক্তিশালী, ব্যয়বহুল এবং দ্রুতগতিসম্পন্ন কম্পিউটার।
- সুপার কম্পিউটারে একসাথে একাধিক ব্যবহারকারী কাজ করতে পারে।
- এই ধরনের কম্পিউটারে বিপুল পরিমাণ তথ্য সংরক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত মেমরি এবং উচ্চ ক্ষমতার প্রক্রিয়াকরণ সুবিধা থাকে।
- সুপার কম্পিউটারে একাধিক প্রসেসর একযোগভাবে কাজ করে এবং প্রতি সেকেন্ডে কোটি কোটি বৈজ্ঞানিক, গাণিতিক এবং প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদন করে।
- সুপার কম্পিউটারগুলি সূক্ষ্ম বৈজ্ঞানিক গবেষণা, বিশাল তথ্য বিশ্লেষণ, নভোযান এবং ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ন্ত্রণ, মহাকাশ গবেষণা, আগ্নেয়াস্ত্র ডিজাইন, সিমুলেশন, পরমাণু চুল্লির নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা ইত্যাদি ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
- সুপার কম্পিউটারের উদাহরণ হিসেবে রয়েছে ইন্টেল কর্পোরেশনের প্যারাগন, জাপানের নিপ্পন ইলেকট্রনিক কোম্পানির Super SX II, CRAY-I, CRAY-XMP, CYBER 205, ETA-D2P ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩১৫.
নিচের কোনটি মাল্টি ইউজার কম্পিউটার?
  1. ক) মিনি কম্পিউটার
  2. খ) মেইনফ্রেম কম্পিউটার
  3. গ) ওয়ার্কস্টেশন
  4. ঘ) ক ও খ
ব্যাখ্যা
পার্সোনাল কম্পিউটার (PC): সিঙ্গেল ইউজার কম্পিউটার যার মাইক্রোপ্রসেসরের ক্ষমতা মধ্যমানের।
ওয়ার্কস্টেশন: এটিও সিঙ্গেল ইউজার কম্পিউটার তবে এর মাইক্রোপ্রসেসর পার্সোনাল কম্পিউটারের তুলনায় শক্তিশালী।
মিনি কম্পিউটার: এটি একটি মাল্টি ইউজার কম্পিউটার সিস্টেম যা শত শত ইউজার সাপোর্ট করতে পারে।
মেইনফ্রেম কম্পিউটার: এটিও মাল্টি ইউজার কম্পিউটার তবে এর সফটওয়্যার টেকনোলজি মিনি কম্পিউটার থেকে ভিন্ন।
সুপার কম্পিউটার: বর্তমান বিশ্বে সবথেকে শক্তিশালী কম্পিউটার যা অনেকগুলো মাইক্রোপ্রসেসরের সাহায্যে তৈরি এবং একসাথে লক্ষ লক্ষ ইন্সট্রাকশন এক্সিকিউট করতে পারে।
৩১৬.
আকার ও আকৃতি অনুসারে কম্পিউটার কয় প্রকার?
  1. ক) ৩ প্রকার
  2. খ) ৪ প্রকার
  3. গ) ৫ প্রকার
  4. ঘ) ৬ প্রকার
ব্যাখ্যা
• আকার, আয়তন, কাজ করার ক্ষমতা, স্মৃতি ও কার্যকারিতার ওপর ভিত্তি করে কম্পিউটারকে বা ডিজিটাল কম্পিউটারকে চারটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়।
- সুপার কম্পিউটার (Supercomputer).
- মেইনফ্রেম কম্পিউটার (Mainframe Computer).
- মিনি কম্পিউটার (Minicomputer). ও
- মাইক্রোকম্পিউটার (Microcomputer).

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১ ,এস এসসি ও দাখিল ( ভোকেশনাল )।
৩১৭.
Personal Computer মূলত কোন ধরনের কম্পিউটার?
  1. ক) Mini Computer
  2. খ) Micro Computer
  3. গ) Super Computer
  4. ঘ) Mainframe Computer
ব্যাখ্যা
• Micro Computer:
- পূর্বে কম্পিউটার তৈরি করতে অসংখ্য ট্রানজিস্টর, রেজিষ্ট্যান্স, ডায়োড ইত্যাদি ব্যবহার করা হতো।
- কিন্ত ১৯৭১ সালের নভেম্বর মাসে ইনটেল নামক একটি প্রতিষ্ঠান ইনটেল-৪০০৪ (Intel 4004) নামক প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর বা ক্ষুদ্র প্রক্রিয়াকারক (Microprocessor) তৈরি করে।
- এই ক্ষুদ্রাকৃতি মাইক্রোপ্রসেসর দিয়ে তৈরি ক্ষুদ্রাকারের কম্পিউটারকে মাইক্রোকম্পিউটার নামে অভিহিত করা হয়
- ক্ষুদ্র প্রক্রিয়াকারকের সাথে স্মৃতি অংশ এবং ইনপুট-আউটপুট অংশের সংযোগ সাধন করা হয়।
- এই কম্পিউটার সহজেই এক স্থান থেকে অন্য স্থানে স্থানান্তর করা যায় এবং একজন ব্যবহারকারী একাই একটি কম্পিউটার ব্যবহার করতে পারেন।
- এজন্য এই কম্পিউটারকে পার্সোনাল কম্পিউটার (Personal Computer) বা সংক্ষেপে পিসি (PC) বলা হয়।
- IBM 486, IBM Pentium প্রভৃতি মাইক্রোকম্পিউটারের উদাহরণ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩১৮.
নিচের কোনটি ALU-এর কাজের অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. যোগ ও বিয়োগ
  2. গুণ ও ভাগ
  3. ডাটা স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ
  4. লজিক অপারেশন
ব্যাখ্যা

• সিস্টেম ইউনিট (CPU):
- কম্পিউটারের প্রধান অংশ হলো সিস্টেম ইউনিট বা সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট (CPU)।
- মানুষের মত কম্পিউটারেও মস্তিষ্ক বা প্রসেসর বিদ্যমান রয়েছে।
- কম্পিউটারের সব রকমের কার্যাবলি নিয়ন্ত্রণ, প্রক্রিয়াকরণ ও তাদের মধ্যে সমন্বয় সাধন করাই হচ্ছে এ অংশের কাজ। এ কাজগুলোর মধ্যে রয়েছে ইনপুট ও আউটপুট এর যন্ত্রাংশসমূহ নিয়ন্ত্রণ, মেমোরি থেকে ডাটা উত্তোলন ডাটা প্রক্রিয়াকরণ ও মেমোরিতে ডাটা সংরক্ষণ ইত্যাদি।
- প্রক্রিয়াকরণ বা প্রসেসিং ইউনিটের প্রধান অংশ তিনটি। যথা:

অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিট (ALU):
- এ অংশের কাজ হলো গাণিতিক ও যৌক্তিক কাজগুলো করা। গাণিতিক কাজগুলোর মধ্যে রয়েছে যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ ইত্যাদি। আর যৌক্তিক কাজগুলো হতে পারে ছোট-বড় নির্ণয় করা, সমান কী-না যাচাই করা ইত্যাদি।

কন্ট্রোল ইউনিট:
- কম্পিউটারের সব রকমের কার্যাবলি নিয়ন্ত্রণ ও তাদের মধ্যে সমন্বয় সাধন করাই হচ্ছে এ অংশের কাজ। এ কাজগুলোর মধ্যে রয়েছে ইনপুট ও আউটপুট এর যন্ত্রাংশসমূহ নিয়ন্ত্রণ, মেমোরি থেকে ডাটা উত্তোলন ও মেমোরিতে ডাটা সংরক্ষণ ইত্যাদি।

মেমোরি বা স্মৃতি:
- প্রক্রিয়াকরণের পূর্বে প্রদত্ত উপাত্ত প্রক্রিয়াকালীন সময়ে অন্তবর্তীকালীন ফলাফল এবং প্রক্রিয়াকরণের শেষে চূড়ান্ত ফলাফল জমা রাখার জন্য কম্পিউটারের যে অংশগুলো (প্রাইমারি ও সেকেন্ডারি মেমোরি) কাজ করে তাকে মেমোরি ইউনিট বলে।
- ডাটা স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করে।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।

৩১৯.
হাইব্রিড কম্পিউটার বিশেষভাবে ব্যবহৃত হয়:
  1. লেখা সম্পাদনার জন্য
  2. ভিডিও গেম খেলার জন্য
  3. বৈজ্ঞানিক ও চিকিৎসা সংক্রান্ত কাজে
  4. ইন্টারনেটে ব্রাউজ করার জন্য
ব্যাখ্যা

• হাইব্রিড কম্পিউটার হলো এমন এক ধরনের কম্পিউটার যা অ্যানালগ এবং ডিজিটাল কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্য একসাথে ধারণ করে। অ্যানালগ কম্পিউটার দ্রুত এবং ধারাবাহিক তথ্য প্রক্রিয়াকরণে দক্ষ, আর ডিজিটাল কম্পিউটার সঠিক হিসাব ও ডেটা সংরক্ষণে কার্যকর। এই দুটি সুবিধা একত্রিত হয়ে হাইব্রিড কম্পিউটারকে বিশেষ করে বৈজ্ঞানিক গবেষণা, চিকিৎসা সংক্রান্ত নিরীক্ষা ও জটিল গাণিতিক সমস্যার সমাধানে ব্যবহৃত করে। যেমন হাসপাতালে রোগীর শরীরের তাপমাত্রা, রক্তচাপ বা হৃদস্পন্দন নিরীক্ষা করার সময় এটি দ্রুত তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করতে পারে। তাই সঠিক উত্তর হলো: গ) বৈজ্ঞানিক ও চিকিৎসা সংক্রান্ত কাজে।

হাইব্রিড কম্পিউটার:
- অ্যানালগ ও ডিজিটাল উভয় কম্পিউটারের নীতির সমন্বয়ে যে কম্পিউটার গঠিত তাকে হাইব্রিড কম্পিউটার বলা হয়।
- একে সংকর কম্পিউটারও বলা হয়।
- হাইব্রিড কম্পিউটারে সাধারণত উপাত্ত সংগৃহীত হয় অ্যানালগ প্রক্রিয়ায় এবং সংগৃহীত উপাত্ত সংখ্যায় রূপান্তরিত করে ডিজিটাল অংশে প্রেরণ করা হয়।
- ডিজিটাল অংশ প্রাপ্ত উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণের পর ফলাফল প্রদান করে।
- হাইব্রিড কম্পিউটার অত্যন্ত দামি। তাই কেবলমাত্র বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে এটি ব্যবহৃত হয়; যেমন- মিসাইল, সমরাস্ত্র, বৈজ্ঞানিক গবেষণা, নভোযান, রাসায়নিক দ্রব্যের গুণাগুণ নির্ণয়, পরমাণুর গঠন-প্রকৃতি নির্ণয়, পরীক্ষাগারে ঔষধের মান নির্ণয় ইত্যাদিতে ব্যবহৃত হয়।
- এছাড়া হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ার, শরীরের তাপমাত্রা, রোগীর রক্তচাপ, হৃত্যন্ত্রের ক্রিয়া ইত্যাদি ক্ষেত্রে এ ধরনের কম্পিউটার ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩২০.
আধুনিক কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্য নয়?
  1. ক) Automation
  2. খ) Versatility
  3. গ) Unreliability
  4. ঘ) Diligence
ব্যাখ্যা

• আধুনিক কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্যগুলো হলোঃ
- Accuracy,
- Memory,
- Versatility,
- Automation,
- Correctness,
- High Speed,
- Reliability,
- Diligence,
- Logical Decision,
- Endless Life ইত্যাদি।

৩২১.
‘Altair- 8800’ পার্সোনাল কম্পিউটারে ব্যবহৃত মাইক্রোপ্রসেসর হল-
  1. ক) Intel- 4000
  2. খ) Intel- 4004
  3. গ) Intel- 8008
  4. ঘ) Intel- 8080
ব্যাখ্যা
মাইক্রোপ্রসেসর আবিষ্কারের ফলে পার্সোনাল কম্পিউটারের পথ সুগম হয়।
- ১৯৭৫ সালে এডওয়ার্ড রবার্টস Altair-8800 কম্পিউটার উপস্থাপন করেন এবং এর নামকরণ করেন পার্সোনাল কম্পিউটার।
- এটিকে বিশ্বের প্রথম পার্সোনার কম্পিউটার বা মাইক্রো কম্পিউটার ধরা হয়।
- এতে Intel-8080 মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহার করা হয়।
[উৎসঃ ব্রিটানিকা ও বিবিসি]
৩২২.
নিচের কোনটি প্রথম সুপার কম্পিউটার?
  1. ক) CDC 6600
  2. খ) Fugaku
  3. গ) Sierra
  4. ঘ) Cray-1
ব্যাখ্যা
- CDC 6600 হলো প্রথম সুপার কম্পিউটার। 
- এই কম্পিউটারের উদ্ভাবক হলেন Seymour Cray.
 
- In 1964, Seymour Cray designed the CDC 6600 as the fastest computer on Earth; it could successfully execute three million floating-point operations per second (FLOPS). 
- Soon, the term "supercomputer" was coined to describe it.
 
উৎস: ব্রিটানিকা 
৩২৩.
নিচের কোন কম্পিউটারটিকে 'সংকর কম্পিউটার' বলা হয়?
  1. অ্যানালগ কম্পিউটার
  2. ডিজিটাল কম্পিউটার
  3. মেইনফ্রেম কম্পিউটার
  4. হাইব্রিড কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
• অ্যানালগ কম্পিউটার (Analog Computer):
- যে সকল কম্পিউটার বৈদ্যুতিক সংকেতের ওপর নির্ভর করে ইনপুট গ্রহণ করে প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদিত করে, সেসব কম্পিউটারকে অ্যানালগ কম্পিউটার বলা হয়।
- তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের জন্য অ্যানালগ কম্পিউটারে বর্ণ বা অঙ্কের পরিবর্তে ক্রমাগত পরিবর্তনশীল বা অ্যানালগ বৈদ্যুতিক সিগন্যাল ব্যবহার করা হয়।
- তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের পর প্রাপ্ত ফলাফল সাধারণত মিটার, ওসিলোসকোপ ইত্যাদিতে প্রদর্শিত হয়।

অ্যানালগ কম্পিউটারের উদাহরণ:
- মোটরগাড়ির স্পিডোমিটার,
- স্লাইড রুল,
- অপারেশনাল অ্যামপ্লিফায়ার ইত্যাদি।

• ডিজিটাল কম্পিউটার (Digital Computer):
- যে সকল কম্পিউটার বাইনারি পদ্ধতিতে অর্থাৎ ডিজিটাল পদ্ধতিতে ক্রিয়া সম্পন্ন করে, সেসব কম্পিউটারকে ডিজিটাল, কম্পিউটার বলা হয়।
- তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের জন্য ডিজিটাল কম্পিউটার বৈদ্যুতিক সিগন্যালের পরিবর্তে ডিজিট (0/1) ব্যবহার করে।

ডিজিটাল কম্পিউটারের উদাহরণ:
- মাইক্রোকম্পিউটার,
- মিনি কম্পিউটার,
- মেইনফ্রেম কম্পিউটার,
- সুপার কম্পিউটার ইত্যাদি।

• মেইনফ্রেম কম্পিউটার (Mainframe Computer):
- মাইক্রো ও মিনি কম্পিউটার অপেক্ষা মেইনফ্রেম কম্পিউটার আকৃতিতে বড় কিন্তু সুপার কম্পিউটারের চেয়ে ছোট।
- এ ধরনের কম্পিউটারে অনেক বড় বড় এবং জটিল ও সূক্ষ্ম কাজ করার ক্ষমতা রয়েছে।
- রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো, ব্যাংক, বিমা, ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠানে বিপুল তথ্য আদান-প্রদান, সংরক্ষণ এবং জটিল ও সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম উপাত্ত বিশ্লেষণ এবং বৈজ্ঞানিক কর্মতৎপরতা পরিচালনা, নিয়ন্ত্রণ ও বিশ্লেষণ এবং মূল্যায়নের জন্য মেইনফ্রেম কম্পিউটারের প্রয়োজন হয়ে থাকে। 

• হাইব্রিড কম্পিউটার (Hybrid Computer):
- অ্যানালগ ও ডিজিটাল উভয় কম্পিউটারের নীতির সমন্বয়ে যে কম্পিউটার গঠিত তাকে হাইব্রিড কম্পিউটার বলা হয়।
- হাইব্রিড কম্পিউটারকে সংকর কম্পিউটারও বলা হয়। 
- এটি বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়; যেমন: মিসাইল, সমরাস্ত্র, বৈজ্ঞানিক গবেষণা, নভোযান, রাসায়নিক দ্রব্যের গুণাগুণ নির্ণয়, পরমাণুর গঠন-প্রকৃতি নির্ণয়, পরীক্ষাগারে ঔষধের মান নির্ণয় ইত্যাদিতে ব্যবহৃত হয়। 

উৎস:
১) মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২) ব্রিটানিকা।
৩২৪.
এনালগ কম্পিউটার কীভাবে প্রয়োজনীয় ফলাফল প্রদর্শন করে?
  1. ক্রম পরিবর্তনশীল বৈদ্যুতিক সংকেতের মাধ্যমে
  2. ডিজিটাল সংকেতের মাধ্যমে
  3. কোডেড ডেটা ব্যবহার করে
  4. মেমোরি ডিভাইসের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা
• কাজের প্রক্রিয়া অনুযায়ী কম্পিউটারের শ্রেণীবিভাগ:
- কাজ করার প্রক্রিয়া অনুযায়ী কম্পিউটারকে সাধারণত তিনভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১। এনালগ কম্পিউটার (Analog computer),
২। ডিজিটাল কম্পিউটার (Digital Computer),
৩। হাইব্রিড কম্পিউটার (Hybrid Computer)।

- এনালগ কম্পিউটার ক্রম পরিবর্তনশীল বৈদ্যুতিক সংকতের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ফল প্রদর্শিত করে।
- সাধারণত চাপ, তাপ, রোধ, উপাত্তের জন্য সৃষ্ট বৈদ্যুতিক তরঙ্গকে এনালগ কম্পিউটার ইনপুট হিসাবে ব্যবহার করে এবং তথ্য প্রক্রিয়াকরণের ফলাফল সাধারণত প্রদর্শনের কাটা (Indicator) দিয়ে দেখানো হয় অথবা প্লটার (Plotter) যন্ত্রের সাহায্যে কাগজে গ্রাফ আকারেও পাওয়া যেতে পারে।
- মোটর গাড়ির গতিবেগ প্রদর্শনের মিটার এনালগ কম্পিউটারের একটি উদাহরণ।
- বিভিন্ন শিল্প কারখানায় উৎপাদন, মান নিয়ন্ত্রণ, চাপ, তাপ পরিমাপনের জন্য এনালগ কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়।

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩২৫.
অ্যানালগ ও ডিজিটাল কম্পিউটারের সমন্বয়ে গঠিত হয়-
  1. সুপার কম্পিউটার
  2. হাইব্রিড কম্পিউটার
  3. মাইক্রো কম্পিউটার
  4. মিনি কম্পিউটার
ব্যাখ্যা

হাইব্রিড কম্পিউটার:
- অ্যানালগ ও ডিজিটাল উভয় কম্পিউটারের সমন্বয়ে যে কম্পিউটার গঠিত তাকে হাইব্রিড কম্পিউটার বলে।
- হাইব্রিড কম্পিউটারকে সংকর কম্পিউটারও বলা হয়।
- হাইব্রিড কম্পিউটারে সাধারণত উপাত্ত সংগৃহীত হয় অ্যানালগ প্রক্রিয়ায় এবং সংগৃহীত উপাত্ত সংখ্যায় রূপান্তরিত করে ডিজিটাল অংশে প্রেরণ করা হয়।
- ডিজিটাল অংশ প্রাপ্ত উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণের পর ফলাফল প্রদান করে।
- হাইব্রিড কম্পিউটার অত্যন্ত দামি হওয়ায় কেবলমাত্র বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে এটি ব্যবহৃত হয়। যেমন - মিসাইল, সমরাস্ত্র, বৈজ্ঞানিক গবেষণা, নভোযান, রাসায়নিক দ্রব্যের গুণাগুণ নির্ণয়, পরমাণুর গঠন-প্রকৃতি নির্ণয়, পরীক্ষাগারে ঔষধের মান নির্ণয় ইত্যাদিতে ব্যবহৃত হয়।
- এছাড়া হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ার, শরীরের তাপমাত্রা, রোগীর রক্তচাপ, হৃৎযন্ত্রের ক্রিয়া ইত্যাদি ক্ষেত্রে এ ধরনের কম্পিউটার ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্রি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩২৬.
Mainframe কম্পিউটার সাধারণত কোথায় ব্যবহৃত হয়?
  1. ব্যক্তিগত কাজে
  2. ছোট দোকানে
  3. বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানে
  4. গেম খেলার জন্য
ব্যাখ্যা
Mainframe কম্পিউটার সাধারণত বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের কাজে ব্যবহৃত হয়।

• আকার ও ক্ষমতা বিচারে কম্পিউটারকে সাধারণত চার ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-
১। অতিবৃহৎ কম্পিউটার (Super Computer),
২। বৃহৎ কম্পিউটার (Mainframe Computer),
৩। ছোট কম্পিউটার (Mini Computer),
৪। ক্ষুদ্র কম্পিউটার (Micro Computer).

• বৃহৎ কম্পিউটার (Mainframe Computer):
- সুপার কম্পিউটারের তুলনায় ছোট, কিন্তু মিনি ও মাইক্রো কম্পিউটারের তুলনায় অনেক বেশি ক্ষমতাসম্পন্ন।
- অনেক ইনপুট-আউটপুট যন্ত্র সংযুক্ত করা যায়।
- বৃহৎ মেমোরি ও প্রক্রিয়াকরণ শক্তি।
- বিশ্ববিদ্যালয়, সরকারী ও বেসরকারী প্রতিষ্ঠান, গবেষণা প্রতিষ্ঠানে এই ধরনের কম্পিউটারের ব্যবহার আছে।
- উদাহরণ: IBM 4341, NCR N8370, IBM Amdah 1580, ইত্যাদি।

উৎস: কম্পিউটার পরিচিতি ও ব্যবহার, স্কুল অব এগ্রিকালচার এন্ড রুরাল ডেভেলপমেন্ট, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩২৭.
ল্যাপটপের প্রথম কমার্শিয়াল মডেল কোনটি?
  1. Apple MacBook Air
  2. Osborne 1
  3. PowerBook
  4. IBM ThinkPad
ব্যাখ্যা
ল্যাপটপের প্রথম কমার্শিয়াল মডেল হচ্ছে Osborne 1।

• ল্যাপটপ :
- ল্যাপটপ হলো পোর্টেবল কম্পিউটার, যার মধ্যে স্ক্রিন, কীবোর্ড ও টাচপ্যাড থাকে।
- এটি ব্যাটারি চালিত এবং মোবাইল ব্যবহারের জন্য উপযোগী।
- ল্যাপটপের ক্ল্যামশেল ডিজাইন হয়, যেখানে স্ক্রিন উপরে এবং কীবোর্ড নিচে থাকে।
- ডেস্কটপের তুলনায় ল্যাপটপ বেশি পোর্টেবল, কিন্তু কম পারফরম্যান্স দেয়।
- ১৯৮১ সালে Osborne 1 প্রথম কমার্শিয়াল ল্যাপটপ হিসেবে বাজারে আসে।
- Apple ১৯৯১ সালে PowerBook দিয়ে ল্যাপটপ ডিজাইনে নতুন দিগন্ত খুলে।
- ২০০৮ সালে Apple MacBook Air বিশ্বের সবচেয়ে পাতলা ল্যাপটপ হিসেবে পরিচিত হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৩২৮.
মাইক্রো কম্পিউটারে প্রধান মেমোরি হিসেবে কোনটি ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) Floppy Disk
  2. খ) HDD
  3. গ) DRAM
  4. ঘ) উপরের সবগুলো।
ব্যাখ্যা

- মাইক্রো কম্পিউটারে প্রধান মেমোরি হিসেবে কাজ করে DRAM.
- মাইক্রোকম্পিউটার হল এমন এক ধরনের কম্পিউটার যেখানে একটি মাইক্রোপ্রসেসর সিপিইউ হিসেবে কাজ করে।
- মেইনফ্রেম কম্পিউটার এবং মিনি কম্পিউটারের তুলনায় এটি ছোট আকারের হয়ে থাকে।
- DRAM বা Dynamic Random Access Memory একটি নির্দিষ্ট ধরনের RAM, যা প্রতি bit data কে separate capacitor এর মধ্যে store করে।
- এই ধরনের RAM খুব অল্প সময়ের জন্য data ধরে রাখতে পারে এবং প্রতিনিয়ত refresh হতে থাকে।
- একটি DRAM chip সমান আকারের SRAM chip এর তুলনায় অনেক বেশি data করতে সক্ষম।

সুত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি-২, এসএসসি ও ভোকেশনাল।

৩২৯.
'অটোমেটেড টেলার মেশিন' নিচের কোন কাজে ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) ক্রয়-বিক্রয়
  2. খ) টিকেট ক্রয়ে
  3. গ) ব্যাংকিং কার্যক্রমে
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
'অটোমেটেড টেলার মেশিন' ব্যাংকিং কার্যক্রমে কাজে ব্যবহৃত হয়। 

Automated Teller Machine (ATM):  
- এটি একটি আধুনিক তহবিল স্থানান্তর যন্ত্র। 
- এর মাধ্যমে ব্যাংকে অর্থ জমা,উত্তোলন ও স্থানান্তর করা যায়।
- ব্যাংক তার গ্রাহককে সুবিধার্থে প্লাস্টিক কার্ড সরবরাহ করে।
৩৩০.
বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুততম সুপার কম্পিউটার কোনটি?
  1. Fugaku
  2. Frontier
  3. Summit
  4. None of the above
ব্যাখ্যা
• সুপার কম্পিউটার (Super Computer):
- সুপার কম্পিউটার হচ্ছে সবচেয়ে শক্তিশালী, ব্যয়বহুল ও দ্রুতগতিসম্পন্ন কম্পিউটার।
- সুপার কম্পিউটার একসাথে একাধিক ব্যবহারকারী ব্যবহার করতে পারে।
- এ ধরনের কম্পিউটারে বিপুল পরিমাণ উপাত্ত সংরক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত মেমোরি এবং বিপুল পরিমাণ প্রক্রিয়াকরণ কাজের ক্ষমতা থাকে।
- আমেরিকার Frontier কম্পিউটারটি বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুততম সুপার কম্পিউটার
- প্রায় 270 টন ওজনের, Frontier-এ 40,000 এরও বেশি প্রসেসর রয়েছে যা এটিকে একটি সাধারণ ডেস্কটপ কম্পিউটারের চেয়ে প্রায় 1 মিলিয়ন গুণ বেশি শক্তিশালী।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. science.org website.
৩৩১.
নভোযান, পারমাণবিক চুল্লির নিয়ন্ত্রণ, ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ন্ত্রণ এবং মহাকাশ গবেষণার কাজে কোন কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়?
  1. মাইক্রোকম্পিউটার
  2. মিনি কম্পিউটার
  3. মেইনফ্রেম কম্পিউটার 
  4. সুপার কম্পিউটার 
ব্যাখ্যা
• আকার, আয়তন, কাজ করার ক্ষমতা, স্মৃতি ও কার্যকারিতার ওপর ভিত্তি করে কম্পিউটারকে বা ডিজিটাল কম্পিউটারকে চারটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়। যথা -
১. সুপার কম্পিউটার 
২. মেইনফ্রেম কম্পিউটার 
৩. মিনি কম্পিউটার
৪. মাইক্রোকম্পিউটার

• সুপার কম্পিউটার:
- সুপার কম্পিউটার হচ্ছে সবচেয়ে শক্তিশালী, ব্যয়বহুল ও দ্রুতগতিসম্পন্ন কম্পিউটার।
- সুপার কম্পিউটার একসাথে একাধিক ব্যবহারকারী ব্যবহার করতে পারে।
- এ ধরনের কম্পিউটারগুলোতে কয়েকটি প্রসেসর একই সঙ্গে কাজ করে এবং প্রতি সেকেন্ডে কোটি কোটি বৈজ্ঞানিক, গাণিতিক ও প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদন করে।
- সূক্ষ্ম বৈজ্ঞানিক গবেষণা, বিপুল পরিমাণ তথ্য বিশ্লেষণ, নভোযান, ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ন্ত্রণ, মহাকাশ গবেষণা, বিভিন্ন ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র ডিজাইন, সিমুলেশন, পারমাণবিক চুল্লির নিয়ন্ত্রণ, পরিচালনা ইত্যাদি কাজে সুপার কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়।
- বাংলাদেশে কম্পিউটার কাউন্সিলে একটি সুপার কম্পিউটার আছে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৩২.
কোন কম্পিউটারটি সহজে বহনযোগ্য নয়?
  1. ক) Laptop
  2. খ) Notebook
  3. গ) Desktop
  4. ঘ) Tablet PC
ব্যাখ্যা
Desktop কম্পিউটার সহজে বহনযোগ্য নয়। 
Desktop Computer: 
- ডেস্ক বা টেবিলে স্থাপন করে যে মাইক্রোকম্পিউটার ব্যবহার করা যায়, তাকে ডেস্কটপ কম্পিউটার বলে। 
- অফিস-আদালতে এ ধরনের কম্পিউটার ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়।
অপশনের বাকিগুলো সহজে বহন করা যায়। 
৩৩৩.
নিচের কোনটি পার্সোনাল কম্পিউটারের কারিগরি নাম?
  1. মাইক্রোকম্পিউটার
  2. মেইনফ্রেমকম্পিউটার
  3. পিডিপি কম্পিউটার
  4. আরপানেট কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
- মাইক্রোকম্পিউটার হলো পার্সোনাল কম্পিউটার (PC) বা বিজনেস কম্পিউটার (BC)-এর কারিগরি নাম।
- ১৯৭১ সালের নভেম্বরে ইনটেল (Intel) কোম্পানি প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর "ইনটেল-৪০০৪ (Intel 4004)" তৈরি করে।
- মাইক্রোপ্রসেসরের সাহায্যে তৈরি ক্ষুদ্রাকৃতির কম্পিউটারকে মাইক্রোকম্পিউটার বলা হয়।
- এই কম্পিউটার সহজে স্থানান্তরযোগ্য এবং একজন ব্যবহারকারী একাই এটি ব্যবহার করতে পারেন।
- IBM 486 এবং IBM Pentium মাইক্রোকম্পিউটারের উদাহরণ।
- পার্সোনাল কম্পিউটারের জনক হেনরি এডওয়ার্ড রবার্ট, যিনি বাণিজ্যিকভাবে প্রথম পার্সোনাল কম্পিউটার "Altair 8800" আবিষ্কার করেন।

উৎস:
১. কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশন, নবম-দশম শ্রেণি (ভােকেশনাল)।
৩৩৪.
PDA বলতে বোঝায়-
  1. Personal Data Analyzer
  2. Public Digital Access
  3. Portable Device Application
  4. Personal Digital Assistant
ব্যাখ্যা
• পামটপ কম্পিউটার (PDA):
- PDA এর পূর্ণরূপ হলো Personal Digital Assistant.
- ১৯৯৩ সালে ইলেকট্রনিক নির্মাতারা পার্সোনাল ডিজিটাল অ্যাসিসটেন্ট তৈরি করেন।
- পিডিএ এর প্রাথমিক সংস্করণ ছিল অ্যাপলের নিউটন।
- এ ধরনের কম্পিউটার ক্ষুদ্রাকৃতির এবং দেখতে অনেকটা ক্যালকুলেটরের ন্যায়, এটি হেল্ড বা পকেট কম্পিউটার নামেও পরিচিত।
- সাধারণত টাচ স্ক্রিন ও ডিজিটাল পেনের সাহায্যে এ জাতীয় কম্পিউটারগুলো নিয়ন্ত্রন করা হয়।
- স্প্রেডশিটের ছোট আকারের কাজ, লেখালেখি, প্রয়োজনীয় টেলিফোন নম্বর, তারিখ, এজেন্ডা তৈরি করে রাখা ইত্যাদি কাজে এ ধরনের কম্পিউটারগুলো ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৩৫.
নিচের কোনটি সত্য?
  1. ক) কম্পিউটার শব্দের অর্থ হচ্ছে গণনাকারী।
  2. খ) কম্পিউটারের সাহায্যে শুধুমাত্র গণনা নয় এর মাধ্যমে অনেক জটিল সমস্যার সমাধান অতি দ্রুত ও নির্ভূলভাবে করা যায়।
  3. গ) কম্পিউটার হল বিভিন্ন গাণিতিক ও যুক্তিমূলক সমস্যা সমাধানের জন্য তৈরি একটি ইলেক্ট্রনিক যন্ত্র।
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

- কম্পিউটার শব্দের অর্থ হচ্ছে গণনাকারী। সুতরাং অভিধানিক দিক থেকে কম্পিউটারকে আমরা গণনাকারী যন্ত্র হিসাবে অভিহিত করতে পারি।
- কিন্তু কম্পিউটারের সাহায্যে শুধুমাত্র গণনা নয় এর মাধ্যমে অনেক জটিল সমস্যার সমাধান অতি দ্রুত ও নির্ভূলভাবে করা যায়
- এক কথায় কম্পিউটারকে সংজ্ঞায়িত করা অত্যন্ত কঠিন। তারপরও আমরা নিম্নলিখিতভাবে কম্পিউটারকে সংজ্ঞায়িত করতে পারি।
- কম্পিউটার হল বিভিন্ন গাণিতিক ও যুক্তিমূলক সমস্যা সমাধানের জন্য তৈরি একটি ইলেক্ট্রনিক যন্ত্র। কম্পিউটারের সাহায্যে যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ প্রভৃতি গাণিতিক কাজ অতি দ্রুত ও নির্ভূলভাবে করা যায়।
- তাছাড়াও গাণিতিক যুক্তি ও সিদ্ধান্তমূলক কাজ অতি দ্রুত ও নির্ভরতার সাথে কম্পিউটার সম্পন্ন করতে পারে।
তথ্যসূত্র: কম্পিউটার শিক্ষা, পৃষ্ঠা- ২, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৩৬.
সুপার কম্পিউটার ব্যবহার করা হয় কোন ক্ষেত্রে?
  1. ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ন্ত্রণ
  2. মহাকাশ গবেষণা
  3. নভোযান
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• আকার, আয়তন, কাজ করার ক্ষমতা, স্মৃতি ও কার্যকারিতার ওপর ভিত্তি করে কম্পিউটারকে বা ডিজিটাল কম্পিউটারকে চারটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়। যথা -
১. সুপার কম্পিউটার
২. মেইনফ্রেম কম্পিউটার
৩. মিনি কম্পিউটার
৪. মাইক্রোকম্পিউটার

• সুপার কম্পিউটার:
- সুপার কম্পিউটার হচ্ছে সবচেয়ে শক্তিশালী, ব্যয়বহুল ও দ্রুতগতিসম্পন্ন কম্পিউটার।
- সুপার কম্পিউটার একসাথে একাধিক ব্যবহারকারী ব্যবহার করতে পারে।
- এ ধরনের কম্পিউটারগুলোতে কয়েকটি প্রসেসর একই সঙ্গে কাজ করে এবং প্রতি সেকেন্ডে কোটি কোটি বৈজ্ঞানিক, গাণিতিক ও প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদন করে।
- সূক্ষ্ম বৈজ্ঞানিক গবেষণা, বিপুল পরিমাণ তথ্য বিশ্লেষণ, নভোযান, ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ন্ত্রণ, মহাকাশ গবেষণা, বিভিন্ন ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র ডিজাইন, সিমুলেশন, পারমাণবিক চুল্লির নিয়ন্ত্রণ, পরিচালনা ইত্যাদি কাজে সুপার কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়।
- বাংলাদেশে কম্পিউটার কাউন্সিলে একটি সুপার কম্পিউটার আছে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৩৭.
PDA- এর প্রাথমিক ভার্সনের নাম কী ছিল?
  1. গ্যালাক্সি
  2. এসিস্ট্যান্ট 
  3. নিউটন
  4. ইউনিক
ব্যাখ্যা
মাইক্রো কম্পিউটারের শ্রেণিবিভাগ:
মানুষের ব্যবহারিক সুবিধার প্রতি লক্ষ রেখে বিভিন্ন আকৃতির মাইক্রোকম্পিউটার বাজারে এসেছে। যেমন-

১। পামটপ কম্পিউটার (Palmtop Computer) বা পিডিএ (PDA).
২। ল্যাপটপ কম্পিউটার (Laptop Computer).
৩। নোটবুক কম্পিউটার (Notebook Computer).
৪। ডেস্কটপ কম্পিউটার (Desktop Computer); ইত্যাদি।

এছাড়া ট্যাবলেট পিসি (Tablet PC), ফ্যাবলেট (Phablet), স্মার্টফোন (Smartphone) ইত্যাদিও মাইক্রোকম্পিউটারের অন্তর্ভুক্ত।

PDA:
- PDA-এর পূর্ণরূপ Personal Digital Assistant.
- ১৯৯৩ সালে ইলেকট্রনিক নির্মাতারা পার্সোনাল ডিজিটাল অ্যাসিস্টেন্ট তৈরি করেন।
- পিডিএ এর প্রাথমিক ভার্সন ছিল অ্যাপলের নিউটন
- এ ধরনের কম্পিউটার ক্ষুদ্রাকৃতির এবং দেখতে অনেকটা ক্যালকুলেটরের ন্যায়, যা হাতের তালুর মধ্যে রেখে ব্যবহার করা যায়, এমনকি পকেটে রেখে সহজে বহন করা যায় ।
- PDA হেল্ড বা পকেট কম্পিউটার নামেও পরিচিত।

উৎস:
১) মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২) কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি নবম দশম শ্রেণি (ভোকেশনাল); মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)।
৩৩৮.
চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটারের ক্ষেত্রে নিচের কোনটি সঠিক?
  1. বহু মাইক্রোপ্রসেসর এবং ইলেকট্রনিক যন্ত্রাংশবিশিষ্ট একীভূত বর্তনীর ব্যবহার
  2. ইন্টিগ্রেটেড সার্কিটের ব্যবহার শুরু হয়
  3. ম্যাগনেটিক কোর মেমরির ব্যবহার
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

• চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটার:
- ১৯৭১ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত চতুর্থ প্রজন্ম শুরু হয়েছে বলে ধরা হয়। ১৯৭০ সালের প্রথম দিকে IC (Integrated Circuit)-এর দ্রুত উন্নয়নের ফলে LSI (Large Scale Integration) এবং VLSI (Very Large Scale Integration) চিপের আবির্ভাব ঘটে। একটি একক VLSI সিলিকন চিপের মধ্যে এক মিলিয়নেরও অধিক ডায়োড, ট্রানজিস্টর, রেজিস্টার, ক্যাপাসিটর ইত্যাদি একীভূত থাকে। কম্পিউটার তৈরিতে বড় ধরনের বিপ্লব পরিলক্ষিত হয় ১৯৭১ সালে IC এবং VLSI বর্তনীর সাহায্যে নির্মিত মাইক্রোপ্রসেসর আবিষ্কারের মধ্য দিয়ে। মূলত মাইক্রোপ্রসেসর হলো সিলিকনের তৈরি এক ধরনের VLSI চিপ।

- চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটারগুলো মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহার করে তৈরি করা হতো। মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহারের ফলে কম্পিউটারের আকার আরো ছোট হয়ে যায়, দাম কমে যায় এবং বিদ্যুৎ খরচ কমে যায়। ফলে কাজ করার ক্ষমতা, কাজের গতি ও নির্ভরশীলতা বহুগুণে বেড়ে যায়। সাথে সাথে মেমরিও উন্নতি ঘটে ব্যাপক ফলে শুরু হয়ে যায় কম্পিউটারের বহুমুখী ব্যবহার এবং তৈরি হতে শুরু হয় পার্সোনাল কম্পিউটার। Windows, DOS অপারেটিং সিস্টেম দুটির ব্যবহার এ প্রজন্ম থেকেই শুরু হয়েছিল।

- ১৯৮১ সালে IBM কোম্পানি ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে প্রথম মাইক্রোকম্পিউটার তৈরি করা শুরু করে। IBM -3033, IBM -4341, TRS -40, Pentium Series, IBM পিসি ইত্যাদি এ প্রজন্মের কম্পিউটার। 

• চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্যসমূহ:
১। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (Artificial Intelligence) ব্যবহার।
২। বহু মাইক্রোপ্রসেসর এবং ইলেকট্রনিক যন্ত্রাংশবিশিষ্ট একীভূত বর্তনীর ব্যবহার।
৩। বর্তনীগুলোতে অপটিক্যাল ফাইবারের ব্যবহার।
৪। উন্নত মেমরির তথা ম্যাগনেটিক বাবল মেমরির ব্যবহার।
৫। মানুষের কণ্ঠস্বরের মাধ্যমে প্রদত্ত নির্দেশের অনুধাবন।
৬। তথ্য ধারণক্ষমতার ব্যাপক উন্নয়ন।
৭। অত্যন্ত শক্তিশালী ও উচ্চগতিসম্পন্ন মাইক্রোপ্রসেসরের ব্যবহার।
৮। সুপার কম্পিউটারের উন্নয়ন।
৯। প্যাকেজ প্রোগ্রামের প্রচলন।
১০। ইন্টারনেটসহ কম্পিউটার নেটওয়ার্কব্যবস্থা চালু ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (বিবিএ প্রোগ্রাম)- উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৩৯.
সাধারনত পিসি বলতে আমরা কোন ধরনের কম্পিউটারকে বুঝি?
  1. ক) অতিবৃহৎ কম্পিউটার
  2. খ) ছোট কম্পিউটার
  3. গ) ক্ষুদ্র কম্পিউটার
  4. ঘ) বৃহৎ কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
পিসি বলতে ক্ষুদ্র কম্পিউটার(Micro Computer) কে বুঝায়।
৩৪০.
ডিজিটাল কম্পিউটারের প্রক্রিয়াকরণের ভিত্তি কী?
  1. বাইনারী সংখ্যা
  2. অ্যানালগ সংকেত 
  3. ক্রম পরিবর্তনশীল বৈদ্যুতিক সংকেত
  4. বৈদ্যুতিক তরঙ্গ
ব্যাখ্যা

- ডিজিটাল কম্পিউটার সমস্ত ডেটা এবং প্রক্রিয়াগুলিকে বাইনারি কোড ব্যবহার করে প্রতিনিধিত্ব করে, যা কেবল দুটি সংখ্যা, ০ (শূন্য) এবং ১ (এক) এর সমন্বয়

কম্পিউটার: 
- কম্পিউট (Compute) শব্দের অর্থ হচ্ছে গণনা করা এবং কম্পিউটার (Computer) শব্দের অর্থ হচ্ছে গণনাকারী। কম্পিউটার হলো বিভিন্ন গাণিতিক ও যুক্তিমূলক সমস্যা সমাধানের জন্য তৈরি একটি ইলেক্ট্রনিক যন্ত্র। 
- কম্পিউটারের সাথে মানুষের মৌলিক পার্থক্য হল মানুষের মত কম্পিউটারের নিজস্ব কোন বুদ্ধি বা চিন্তা করার ক্ষমতা নেই, মানুষের দেয়া নির্দেশ অনুসারে এই যন্ত্র কাজ করে। 
- কম্পিউটারের প্রধান তিনটি বৈশিষ্ট্য হল- বিপুল পরিমাণ তথ্য স্মৃতিতে সংরক্ষণ করে রাখা, নির্ভুলভাবে কাজ করা এবং অতি দ্রুত গতিতে কাজ সম্পন্ন করা। 

কম্পিউটারের শ্রেণীবিভাগ: 
- কাজ করার প্রক্রিয়া অনুযায়ী কম্পিউটারকে সাধারণত তিনভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- 
১। এনালগ কম্পিউটার (Analog Computer): 
- এনালগ কম্পিউটার ক্রম পরিবর্তনশীল বৈদ্যুতিক সংকতের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ফল প্রদর্শিত করে। 
- সাধারণত চাপ, তাপ, রোধ, উপাত্তের জন্য সৃষ্ট বৈদ্যুতিক তরঙ্গকে এনালগ কম্পিউটার ইনপুট হিসাবে ব্যবহার করে এবং তথ্য প্রক্রিয়াকরণের ফলাফল সাধারণত প্রদর্শনের কাটা (Indicator) দিয়ে দেখানো হয় অথবা প্লটার (Plotter) যন্ত্রের সাহায্যে কাগজে গ্রাফ আকারেও পাওয়া যেতে পারে। 
- মোটর গাড়ির গতিবেগ প্রদর্শনের মিটার এনালগ কম্পিউটারের একটি উদাহরণ। বিভিন্ন শিল্প কারখানায় উৎপাদন, মান নিয়ন্ত্রণ, চাপ, তাপ পরিমাপনের জন্য এনালগ কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়। 

২। ডিজিটাল কম্পিউটার (Digital Computer): 
- এই ধরনের কম্পিউটারে তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের জন্য বর্ণ ও অংক ব্যবহার করা হয় এবং প্রক্রিয়াকরণের ফলাফল লিখিত আকারে প্রস্তুত করা হয়।
- ডিজিটাল কম্পিউটারের মূল ভিত্তি হল বাইনারী সংখ্যা (০ এবং ১)। অর্থাৎ, এই কম্পিউটার যাবতীয় গাণিতিক ও যুক্তিমূলক কাজ বাইনারী ডিজিটের মাধ্যমে প্রক্রিয়াকরণ করে এবং প্রক্রিয়াকৃত ফলাফল বর্ণ ও অংকের মাধ্যমে লিখিত আকারে প্রকাশ করে। 
- এনালগ কম্পিউটারের চেয়ে ডিজিটাল কম্পিউটার প্রদত্ত ফলাফল অনেক বেশি নির্ভুল ও নির্ভরশীল এবং এর কাজের গতিও বেশ দ্রুত। 
- ডিজিটাল কম্পিউটারে লেখালেখি, হিসাব নিকাশ, তথ্য সংরক্ষণ, তথ্য ও উপাত্ত বিশ্লেষণ প্রভৃতি কাজ একইসংগে করা যায়। কাজের ধরন অনুযায়ী ব্যবহারিক কর্মসূচি (Application Programme) ব্যবহার করতে হয়। 

৩। হাইব্রিড কম্পিউটার (Hybrid Computer): 
- এনালগ ও ডিজিটাল কম্পিউটারের সমন্বয়ে তৈরি হয় সংকর বা হাইব্রিড কম্পিউটার। 
- প্রথম দিকের হাইব্রিড কম্পিউটারের এনালগ অংশই থাকতো মুখ্য, ডিজিটাল অংশ সহায়ক ভূমিকা পালন করতো। কিন্তু বর্তমানে হাইব্রিড কম্পিউটার ডিজিটাল প্রধান। সাধারণত বৈজ্ঞানিক সমস্যা সমাধানের জন্য হাইব্রিড কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়ে থাকে। 

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৪১.
কম্পিউটার সিস্টেম তৈরির সময় কম্পিউটারের মেমরিতে যে সকল প্রোগ্রাম স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করে দেয়া হয় তাকে কী বলে?
  1. ফার্মওয়্যার
  2. হিউম্যানওয়্যার
  3. সফটওয়্যার
  4. হার্ডওয়্যার
ব্যাখ্যা
• ফার্মওয়্যার:
- কম্পিউটার সিস্টেম তৈরি করার সময় কম্পিউটারের মেমরিতে যে সকল প্রোগ্রাম স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করে দেয়া হয় তাকে ফার্মওয়্যার বলে।
- এ সকল প্রোগ্রাম কম্পিউটার ব্যবহারকারী পরিবর্তন করতে পারে না।
- ROM BIOS-এর মধ্যে যে ডেটা এবং নির্দেশগুলো থাকে তা হলো ফার্মওয়্যার।

• হার্ডওয়্যার:
- কম্পিউটার তৈরিতে ব্যবহৃত বিভিন্ন ধরনের ডিভাইস বা যন্ত্র এবং যন্ত্রাংশসমূহকে বলা হয় কম্পিউটার হার্ডওয়্যার।
- ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট, মাইক্রোপ্রসেসর, মাদারবোর্ড, ডিস্ক, ডিস্ক ড্রাইভ, কি-বোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার ইত্যাদি কম্পিউটারের হার্ডওয়্যারের উদাহরণ।

• সফটওয়্যার:
- সফটওয়্যার হলো কতকগুলো প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রামের সমষ্টি, যা হার্ডওয়্যারকে কর্মক্ষম করে প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাঙ্ক্ষিত ফলাফল প্রদান করে।
- DOS, Windows, MS Office, Adobe Photoshop, Vedio Player Pagemaker ইত্যাদি সফটওয়্যারের উদাহরণ।

 • হিউম্যানওয়্যার:
- ডেটা সংগ্রহ, প্রোগ্রাম বা ডেটা সংরক্ষণ ও পরীক্ষাকরণ, কম্পিউটার চালনা, প্রোগ্রাম লেখা, সিস্টেমগুলো ডিজাইন ও রেকর্ড লিপিবদ্ধকরণ এবং সংরক্ষণ, সফটওয়্যার ও হার্ডওয়্যারের মধ্যে সমন্বয় সাধন ইত্যাদি কাজগুলোর সাথে যুক্ত সমস্ত মানুষকে একসাথে হিউম্যানওয়্যার বলে।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৪২.
ডিজিটাল কম্পিউটারের মূল ভিত্তি কী?
  1. Decimal Digit
  2. Binary Digit
  3. Octal Digit
  4. Hexadecimal Digit
ব্যাখ্যা
• ডিজিটাল কম্পিউটার:
- এই ধরনের কম্পিউটারে তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের জন্য বর্ণ ও অংক ব্যবহার করা হয় এবং প্রক্রিয়াকরণের ফলাফল লিখিত আকারে প্রস্তুত করা হয়।
- ডিজিটাল কম্পিউটারের মূল ভিত্তি হল বাইনারী সংখ্যা (০ এবং ১)।
- এই কম্পিউটার যাবতীয় গাণিতিক ও যুক্তিমূলক কাজ বাইনারী ডিজিটের মাধ্যমে প্রক্রিয়াকরণ করে এবং প্রক্রিয়াকৃত ফলাফল বর্ণ ও অংকের মাধ্যমে লিখিত আকারে প্রকাশ করে।
- এনালগ কম্পিউটারের চেয়ে ডিজিটাল কম্পিউটার প্রদত্ত ফলাফল অনেক বেশি নির্ভুল ও নির্ভরশীল।
- আমাদের চারপাশে আমরা যে সমস্ত কম্পিউটার দেখি সেগুলো ডিজিটাল কম্পিউটার।
- ডিজিটাল কম্পিউটারে লেখালেখি, হিসাব নিকাশ, তথ্য সংরক্ষণ, তথ্য ও উপাত্ত বিশ্লেষণ প্রভৃতি কাজ একইসংগে করা যায়।
- কাজের ধরন অনুযায়ী ব্যবহারিক কর্মসূচি ব্যবহার করতে হয়।

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৪৩.
বাংলাদেশে প্রথম রেডিক্যাশ চালু করে কোন ব্যাংক?
  1. ক) বাংলাদেশ ব্যাংক
  2. খ) অগ্রণী ব্যাংক
  3. গ) সোনালী ব্যাংক
  4. ঘ) জনতা ব্যাংক
ব্যাখ্যা
নগদ অর্থের বিপরীতে ব্যাংক হতে সরবরাহকৃত এক ধরনের প্লাস্টিক কার্ডকে রেডিক্যাশ বলে। বাংলাদেশে জনতা ব্যাংক লিমিটেড সর্ব প্রথম রেডিক্যাশ কার্ড ব্যবস্থা চালু করে।
৩৪৪.
কোন নীতি কিউবিটকে একসাথে বিভিন্ন অবস্থায় থাকার সুযোগ দেয়?
  1. Interference
  2. Entanglement
  3. Superposition
  4. Decoherence
ব্যাখ্যা

•  কিউবিটকে একসাথে বিভিন্ন অবস্থায় থাকার সুযোগ দেয় Superposition নীতি। এটি কোয়ান্টাম পদার্থবিদ্যার একটি মূল বৈশিষ্ট্য, যা বলে যে একটি কিউবিট একই সময়ে একাধিক অবস্থা ধারণ করতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, একটি কিউবিট ০ বা ১ অবস্থার পরিবর্তে ০ এবং ১-এর সমন্বয় অবস্থায় থাকতে পারে। এই ক্ষমতার কারণে কোয়ান্টাম কম্পিউটার প্রচলিত কম্পিউটারের তুলনায় অনেক বেশি তথ্য প্রক্রিয়াকরণ করতে সক্ষম। Superposition কেবল কিউবিটকে একাধিক সম্ভাব্য ফলাফলের মধ্যে একসাথে থাকতে দেয়, যা পরে পরিমাপের মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট ফলাফলে পরিবর্তিত হয়। এটি কোয়ান্টাম এলগরিদমের শক্তির মূল ভিত্তি।

সঠিক উত্তর: গ) Superposition.

- Interference হল বিভিন্ন স্টেটের মিলিত প্রভাব, Entanglement কিউবিটগুলোর পরস্পরের সাথে সংযুক্ত অবস্থাকে বোঝায়, আর Decoherence কিউবিটের সুপারপজিশন ভেঙে সাধারণ স্টেটে পরিণত হওয়া।

• কোয়ান্টাম কম্পিউটার:

- এটি এমন একটি কম্পিউটার যা কোয়ান্টাম মেকানিক্সের গুণাবলী (যেমন: সুপারপজিশন ও এনট্যাঙ্গলমেন্ট) ব্যবহার করে জটিল গণনা করে।
- প্রচলিত ডিজিটাল কম্পিউটারের চেয়ে অনেক দ্রুত ও শক্তিশালী হতে পারে।
- রিচার্ড ফেইনম্যান প্রথম কোয়ান্টাম কম্পিউটারের ধারণা দেন।
- কোয়ান্টাম কম্পিউটার ব্যবহার করে কিউবিট (Quantum Bit), যা একসাথে 0 এবং 1 হতে পারে – একে বলে Superposition।
- একটি কিউবিট একই সাথে অনেকগুলো সম্ভাব্য অবস্থায় থাকতে পারে। এটি একাধিক গাণিতিক সমস্যার সমাধান একই সাথে করতে সাহায্য করে।
- ডেভিড ডয়চ (১৯৮৫): কোয়ান্টাম লজিক গেটের ধারণা দেন।
- পিটার শোর (১৯৯৪): কোয়ান্টাম অ্যালগরিদম উদ্ভাবন করেন যা বড় সংখ্যা অল্প সময়ে ভেঙে ফেলতে পারে।

• কোয়ান্টাম কম্পিউটারের ৩টি মূল পদ্ধতি:
- NMR (Nuclear Magnetic Resonance): নিউক্লিয়াস স্পিন ব্যবহার করে।
- Ion Trap: আয়নকে ট্র্যাপ করে এবং লেজার দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করা হয়।
- Quantum Dots: অতি ক্ষুদ্র অর্ধপরিবাহী অঞ্চলে ইলেকট্রনের স্পিন ব্যবহৃত হয়।

• কোয়ান্টাম কম্পিউটিং:
- কোয়ান্টাম কম্পিউটিং আধুনিক কম্পিউটার বিজ্ঞান এবং গাণিতিক সমস্যাগুলির সমাধানে একটি বিপ্লবী ধারণা।
- এটি কোয়ান্টাম মেকানিক্স এর ধারণা ব্যবহার করে, যেখানে কোয়ান্টাম বিট (Qubit) একাধিক অবস্থানে থাকতে পারে, এবং তার ফলে এটি নির্দিষ্ট কাজগুলো খুব দ্রুত এবং দক্ষভাবে সম্পাদন করতে সক্ষম হয়।

- কোয়ান্টাম কম্পিউটিংয়ের জন্য যে অ্যালগরিদমগুলি তৈরি হয়েছে, সেগুলি সাধারণত ক্লাসিক্যাল কম্পিউটারের তুলনায় কিছু সমস্যা সমাধানে অনেক দ্রুত কাজ করে।
- এমন কিছু গুরুত্বপূর্ণ কোয়ান্টাম অ্যালগরিদমের মধ্যে একটি হল Shor’s Algorithm, যা বড় সংখ্যার গুণফল বের করা (Integer Factorization) এর জন্য ব্যবহৃত হয়।

Shor's Algorithm:
- Shor's Algorithm কোয়ান্টাম কম্পিউটিংয়ের একটি প্রধান অ্যালগরিদম যা বড় সংখ্যাকে দ্রুত গুণফলে বিভক্ত (factorization) করতে পারে।
- এটা বিন্যাসযোগ্য সংখ্যা গুণফল (large number factorization) বের করার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ, এবং এর মাধ্যমে আধুনিক ক্রিপ্টোগ্রাফি সিস্টেম যেমন RSA সিকিউরিটি ভেঙে ফেলতে পারে।
- Shor’s Algorithm একটি কোয়ান্টাম প্রক্রিয়া ব্যবহার করে গাণিতিক সমস্যাগুলি অনেক দ্রুত সমাধান করতে সক্ষম, যেখানে সাধারণ কম্পিউটারে এসব সমস্যা সমাধান করতে কয়েক হাজার বছর সময় লাগতে পারে।

- Grover's algorithm - কোয়ান্টাম কম্পিউটিং অ্যালগরিদমের আরেকটি উদাহরণ।

উৎস:
1) ব্রিটানিকা।
2) Microsoft [link]

৩৪৫.
কোনটি কম্পিউটারের কার্যক্ষমতার উপর ভিত্তি করে বিভক্ত কম্পিউটারের শ্রেণি নয়?
  1. মেইনফ্রেম
  2. ডিজিটাল
  3. মাইক্রো
  4. সুপার
ব্যাখ্যা
- আকার, আয়তন, আকৃতি এবং ক্ষমতার উপর ভিত্তি করে কম্পিউটারকে ৪ ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা: সুপার কম্পিউটার, মেইনফ্রেম কম্পিউটার, মিনি কম্পিউটার এবং মাইক্রো কম্পিউটার। 

- আবার গঠন এবং ক্রিয়া নীতির উপর ভিত্তি করে কম্পিউটারকে ৩ ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা: এনালগ কম্পিউটার, ডিজিটাল কম্পিউটার এবং হাইব্রিড কম্পিউটার।
৩৪৬.
রোবট সোফিয়ার নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের নাম কী?
  1. ক) আইবিএম রোবোটিক্স ইউনিট
  2. খ) স্যামসাং রোবোটিক্স
  3. গ) হ্যানসন রোবোটিক্স
  4. ঘ) ফুজিৎসু রোবোটিক্স
ব্যাখ্যা
হ্যানসন রোবোটিক্স ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ সালে সোফিয়া নামের রোবট চালু করে।
৩৪৭.
"Differential Analyzer" কোন ধরনের কম্পিউটার?
  1. ডিজিটাল কম্পিউটার
  2. হাইব্রিড কম্পিউটার
  3. অ্যানালগ কম্পিউটার
  4. মিনি কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
• "Differential Analyzer" হলো একটি অ্যানালগ কম্পিউটার। এটি গাণিতিক সমীকরণ সমাধানে ব্যবহৃত যন্ত্র যা মূলত ডিফারেনশিয়াল সমীকরণের সমাধান করতে পারে। এই কম্পিউটার ডিজিটাল সংকেত নয়, বরং ধারাবাহিক পরিবর্তনশীল অ্যানালগ সিগন্যাল ব্যবহার করে কাজ করে। Differential Analyzer মূলত ম্যাকানিক্যাল যন্ত্রাংশ এবং ইলেকট্রনিক অংশের সমন্বয়ে গঠিত, যা সমীকরণের পরিবর্তনশীল মানকে ফিজিক্যালি মডেল করে সমাধান বের করে। এটি ডিজিটাল কম্পিউটার যেভাবে বাইনারি কোড ব্যবহার করে কাজ করে না, বরং ধারাবাহিক মানের উপর নির্ভরশীল। অতএব, Differential Analyzer হলো একটি অ্যানালগ কম্পিউটার।

• অ্যানালগ কম্পিউটার (Analog Computer): 
- যে সকল কম্পিউটার বৈদ্যুতিক সংকেতের ওপর নির্ভর করে ইনপুট গ্রহণ করে প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদিত করে, সেসব কম্পিউটারকে অ্যানালগ কম্পিউটার বলা হয়।
- তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের জন্য অ্যানালগ কম্পিউটারে বর্ণ বা অংকের পরিবর্তে ক্রমাগত পরিবর্তনশীল বা অ্যানালগ বৈদ্যুতিক সিগন্যাল ব্যবহার করা হয়।
- তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের পর প্রাপ্ত ফলাফল সাধারণত মিটার, ওসিলোসকোপ ইত্যাদিতে প্রদর্শিত হয়।
- মোটরগাড়ির স্পিডোমিটার, স্লাইড রুল, অপারেশনাল অ্যামপ্লিফায়ার ইত্যাদি অ্যানালগ কম্পিউটারের উদাহরণ।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৪৮.
কোনটি কম্পিউটারের স্টার্টআপ ডিস্ক হিসেবে কাজ করে?
  1. হার্ডডিস্ক
  2. ফ্লপি ডিস্ক
  3. সিডি
  4. রম
ব্যাখ্যা
কম্পিউটারের যে ডিস্কে সিস্টেম সফট্ওয়্যার থাকে সেই ডিস্ককেই স্টার্টআপ ডিস্ক বলে।
বর্তমানে কম্পিউটারের হার্ডডিস্কে অপারেটিং সিস্টেম বা সিস্টেম সফট্ওয়্যার থাকে। ফলে হার্ডডিস্কই কম্পিউটারের স্টার্টআপ ডিস্ক হিসাবে কাজ করে।
অপারেটিং সিস্টেম বা সিস্টেম সফট্ওয়্যার কম্পিউটারের হার্ডডিস্ক ও এ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামের মাঝখানে অবস্থান করে এবং এ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামের কাজগুলো করার ব্যাপারে সমন্বয়কারীর ভূমিকা পালন করে।
সূত্রঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৩৪৯.
হাইব্রিড কম্পিউটারে উপাত্ত সংগ্রহের ক্ষেত্রে সাধারণত কোন অংশ ব্যবহৃত হয়?
  1. এমবডেড অংশ
  2. যান্ত্রিক অংশ
  3. অ্যানালগ অংশ
  4. ডিজিটাল অংশ
ব্যাখ্যা
• হাইব্রিড কম্পিউটার:
- অ্যানালগ ও ডিজিটাল উভয় কম্পিউটারের নীতির সমন্বয়ে যে কম্পিউটার গঠিত তাকে হাইব্রিড কম্পিউটার বলা হয়।
- একে সংকর কম্পিউটারও বলা হয়।
- হাইব্রিড কম্পিউটারে সাধারণত উপাত্ত সংগৃহীত হয় অ্যানালগ প্রক্রিয়ায় এবং সংগৃহীত উপাত্ত সংখ্যায় রূপান্তরিত করে ডিজিটাল অংশে প্রেরণ করা হয়।
- ডিজিটাল অংশ প্রাপ্ত উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণের পর ফলাফল প্রদান করে।
- মিসাইল, সমরাস্ত্র, বৈজ্ঞানিক গবেষণা, নভােযান, পরমাণুর গঠন-প্রকৃতি নির্ণয়, পরীক্ষাগারে ঔষধের মান নির্ণয় হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ার, শরীরের তাপমাত্রা, রােগীর রক্তচাপ, হৃৎযন্ত্রের ক্রিয়া ইত্যাদিতে হাইব্রিড কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৫০.
রিয়েল-টাইম OS কেন এমবেডেড সিস্টেমে ব্যবহৃত হয়?
  1. নির্দিষ্ট সময়ে কাজ সম্পন্ন করে
  2. শক্তি বেশি লাগে
  3. প্রোগ্রামিং সহজ
  4. সস্তা হওয়ায়
ব্যাখ্যা

• রিয়েল-টাইম অপারেটিং সিস্টেম (RTOS) এমবেডেড সিস্টেমে ব্যবহার করা হয় কারণ এটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নির্ধারিত কাজ সম্পন্ন করতে সক্ষম। এমবেডেড ডিভাইস যেমন রোবট, অটোমোবাইল বা মেডিকেল ডিভাইসে সময়মতো সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। RTOS সময়মিতি বজায় রেখে কাজ করে, ফলে সেন্সর ডেটা প্রক্রিয়াকরণ, ইভেন্ট হ্যান্ডলিং এবং নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম নির্ভুলভাবে সম্পন্ন হয়। এটি শক্তি বেশি খরচ করে বা সস্তা হওয়া বা প্রোগ্রামিং সহজ হওয়ার কারণে নয়, বরং নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে প্রতিক্রিয়া প্রদানের সক্ষমতার কারণে এমবেডেড সিস্টেমে প্রাধান্য পায়। সুতরাং সঠিক এবং নির্ভরযোগ্য কাজের জন্য RTOS অপরিহার্য।

সঠিক উত্তর: ক) নির্দিষ্ট সময়ে কাজ সম্পন্ন করে। 

• এমবেডেড কম্পিউটার:
এমবেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এটি সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং নির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম (ROM) নিয়ে গঠিত। আধুনিক এমবেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রোলারের ব্যবহার করা হয়।

• এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহারের ক্ষেত্রসমূহ:
- গাড়ি,
- সেলফোন ও স্মার্টফোন,
- প্রিন্টার,
- মাইক্রোওয়েভ,
- ওয়াশিং মেশিন,
- এয়ার কন্ডিশন(এসি),
- ঘড়ি,
- থার্মোস্ট্যাট,
- ভিডিও গেমস্,
- ভ্যাকুয়াম ক্লিনিং,
- ATM,
- সিকিউরিটি ক্যামেরা ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৫১.
মাইক্রোসফট কোম্পানির অপারেটিং সিস্টেম সফটওয়্যার এর নাম কি?
  1. ক) ম্যাক
  2. খ) উইন্ডোজ
  3. গ) লিনাক্স
  4. ঘ) অ্যানড্রয়েড
ব্যাখ্যা

মাইক্রোসফট কোম্পানির অপারেটিং সিস্টেম সফটওয়্যার এর নাম উইন্ডোজ।
তথ্য সূত্রঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি, পৃষ্ঠা- ৫।

৩৫২.
ক্ষুদ্রাকৃতির মাইক্রোপ্রসেসর দিয়ে তৈরি কম্পিউটারকে কী বলা হয়? 
  1. মিনি কম্পিউটার 
  2. মেইনফ্রেম কম্পিউটার 
  3. মাইক্রো কম্পিউটার
  4. কোনোটিই নয় 
ব্যাখ্যা

ক্ষুদ্র কম্পিউটার (Micro Computer): 
- পূর্বে কম্পিউটার তৈরি করতে অসংখ্য ট্রানজিস্টর, রেজিষ্ট্যান্স, ডায়োড ইত্যাদি ব্যবহার করা হতো। 
- কিন্ত ১৯৭১ সালের নভেম্বর মাসে ইনটেল নামক একটি প্রতিষ্ঠান ইনটেল-৪০০৪ (Intel 4004) নামক প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর বা ক্ষুদ্র প্রক্রিয়াকারক (Microprocessor) তৈরি করে। 
- এই ক্ষুদ্রাকৃতি মাইক্রোপ্রসেসর দিয়ে তৈরি ক্ষুদ্রাকারের কম্পিউটারকে মাইক্রো কম্পিউটার নামে অভিহিত করা হয়। 
- ক্ষুদ্র প্রক্রিয়াকারকের সাথে স্মৃতি অংশ এবং ইনপুট-আউটপুট অংশের সংযোগ সাধন করা হয়। 
- এই কম্পিউটার সহজেই এক স্থান থেকে অন্য স্থানে স্থানান্তর করা যায় এবং একজন ব্যবহারকারী একাই একটি কম্পিউটার ব্যবহার করতে পারেন। 
- এজন্য এই কম্পিউটারকে পার্সোনাল কম্পিউটার (Personal Computer) বা সংক্ষেপে পিসি (PC) বলা হয়। 
- IBM 486, IBM Pentium প্রভৃতি মাইক্রো কম্পিউটারের উদাহরণ। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৫৩.
বিশ্বের প্রথম এমবেডেড কম্পিউটারের নাম কী?
  1. Intel 4004
  2. The Apollo Guidance Computer
  3. Frontier
  4. Summit
ব্যাখ্যা
• এমবেডেড কম্পিউটার:
- এমবেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি হলো মাইক্রোপ্রসেসর, সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা সম্বলিত মেমরি বা রম এবং ইনপুট/আউটপুট সিস্টেমের সমন্বয়ে গঠিত এক প্রকার কম্পিউটার।
- এম্বেডেড সিস্টেমে সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে।
- আধুনিক এম্বেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রলার এর ব্যবহার হয়।
- এতে মনিটর কিংবা অন্যান্য হার্ডওয়্যার থাকে না।
- এটি কেবলে সুনির্দিষ্ট করে দেওয়া কতিপয় কাজই সেল ফোন, এসি, প্রিন্টার, থার্মোস্ট্যাট, ভিডিও গেমস্, করে।
- বিশ্বের প্রথম এমবেডেড কম্পিউটার হলো The Apollo Guidance Computer.

উৎস:
১. কম্পিউটারহোপ ওয়েবসাইট।
২. [লিঙ্ক]
৩৫৪.
ATM ব্যাংকিং কার্যক্রমের জন্য কোন কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়?
  1. সুপার কম্পিউটার
  2. এমবেডেড কম্পিউটার
  3. মাইক্রো কম্পিউটার
  4. মেইনফ্রেম কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
♦ এমবেডেড কম্পিউটার:
- এম্বেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি হলো মাইক্রোপ্রসেসর, সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা সম্বলিত মেমরি বা রম এবং ইনপুট/আউটপুট সিস্টেমের সমন্বয়ে গঠিত এক প্রকার কম্পিউটার।
- এম্বেডেড সিস্টেমে সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে।
- আধুনিক এম্বেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রোলার এর ব্যবহার হয়।
- এতে মনিটর কিংবা অন্যান্য হার্ডওয়্যার থাকে না।
- সেল ফোন, এসি, প্রিন্টার, থার্মোস্ট্যাট, ভিডিও গেমস, ATM, ওয়াশিং মেশিন প্রভৃতিতে এমবেডেড সিস্টেম ব্যবহৃত হয়।
- LED লাইটে এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহৃত হয় না। 

উৎস:  Computer Hope website.
৩৫৫.
কম্পিউটার প্রোগ্রামিং ভাষাকে কয়টি প্রজন্মে ভাগ করা যায়?
  1. ক) ২টি
  2. খ) ৩টি
  3. গ) ৪টি
  4. ঘ) ৫টি
ব্যাখ্যা

১৯৪৫ সাল থেকে শুরু করে এ যাবত বহু প্রোগ্রামিং ভাষার উদ্ভব হয়েছে। বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী এই সকল ভাষাকে পাঁচটি স্তরে বা প্রজন্মে ভাগ করা যেতে পারে।
যথা -
১। প্রথম প্রজন্মের ভাষা (১৯৪৫) : মেশিন ভাষা
২। দ্বিতীয় প্রজন্মের ভাষা (১৯৫০) : অ্যাসেম্বলি ভাষা
৩। তৃতীয় প্রজন্মের ভাষা (১৯৬০) : উচ্চতর ভাষা
৪। চতুর্থ প্রজন্মের ভাষা (১৯৭০) : অতি উচ্চতর ভাষা
৫। পঞ্চম প্রজন্মের ভাষা (১৯৮০) : স্বাভাবিক বা ন্যাচারাল ভাষা


উৎসঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এইচএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)

৩৫৬.
অপারেটিং সিস্টেম সর্বপ্রথম কোন ধরনের কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয়?
  1. মাইক্রো কম্পিউটার
  2. মিনি কম্পিউটার
  3. মেইনফ্রেম কম্পিউটার
  4. সুপার কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
• অপারেটিং সিস্টেম:
- অপারেটিং সিস্টেম বলতে কোনো কিছুকে পরিচালনার পদ্ধতিকে বোঝানো হয়।
- অপারেটিং সিস্টেম অনেক রকম জটিল সূক্ষ্ম প্রোগ্রামের সমন্বয়ে গঠিত একটি সমন্বিত প্রোগ্রাম।
- এটি ব্যবহারকারীর নির্দেশ অনুযায়ী কম্পিউটারের অভ্যন্তরে হার্ডওয়্যার বা অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামগুলোর মধ্যে কাজের সমন্বয় সাধন করে।
- অপারেটিং সিস্টেমকে সিস্টেম সফটওয়্যারও বলা হয়।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জেনারেল মটর রিসার্চ ল্যাবরেটরি কর্তৃক IBM কর্পোরেশনের জন্য সর্বপ্রথম অপারেটিং সিস্টেম আবিষ্কৃত হয়।
- অপারেটিং সিস্টেম বা সিস্টেম সফটওয়্যার সর্বপ্রথম মেইনফ্রেম কম্পিউটারে ব্যবহার করা হয়।
- ১৯৭১ সাল হতে পিসিতে অপারেটিং সিস্টেমের ব্যবহার শুরু হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৫৭.
EDSAC কম্পিউটারে ডেটা সংরক্ষণের জন্য কি ধরনের মেমোরি ব্যবহার হতো ?
  1. ক) RAM
  2. খ) ROM
  3. গ) Mercury Delay Lines
  4. ঘ) Registers
ব্যাখ্যা

১৯৪৯ সালে ইংল্যান্ডের ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মরিস উইলকিস এর নেতৃত্বধীন একদল বিজ্ঞানী নিউম্যানের ধারণা কে কাজে লাগিয়ে EDSAC তৈরি করেন ।
- এতে ডেটা সংরক্ষণের জন্য প্রথম Mercury Delay Lines মেমোরি ব্যবহৃত হয় ।
- EDSAC প্রথম সংরক্ষিত প্রোগ্রাম বিশিষ্ট ইলেকট্রনিক কম্পিউটার।

উৎস: ব্রিটানিকা

৩৫৮.
IBM Pentium ও TRS80 হলো-
  1. ক) সুপার কম্পিউটার
  2. খ) মেইনফ্রেম কম্পিউটার
  3. গ) মাইক্রোকম্পিউটার
  4. ঘ) মিনি কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
• মাইক্রোকম্পিউটার (Micro Computer):
- মাইক্রো এর সাধারণ অর্থ হচ্ছে ক্ষুদ্র। তাই ক্ষুদ্রাকৃতির মাইক্রোপ্রসেসর চিপ দিয়ে যে সকল কম্পিউটার গঠিত হয় সেসব কম্পিউটারকে বলা হয় মাইক্রোকম্পিউটার।
- এ ধরনের কম্পিউটার সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর, প্রধান মেমোরি, সহায়ক মেমোরি এবং ইনপুট আউটপুট যন্ত্রপাতি নিয়ে গঠিত।
- একজন ব্যবহারকারী একাই একটি মাইক্রোকম্পিউটার ব্যবহার করতে পারেন বলে এ ধরনের কম্পিউটারকে ব্যক্তিগত বা পার্সোনাল কম্পিউটারও বলা হয়। 
- IBM PC, Apple Macintosh, TRS80, HP 85, IBM Pentium, Power PC, ইত্যাদি মাইক্রোকম্পিউটারের উদাহরণ।

• সুপার কম্পিউটার (Super Computer):
- সুপার কম্পিউটার হচ্ছে সবচেয়ে শক্তিশালী, ব্যয়বহুল ও দ্রুতগতিসম্পন্ন কম্পিউটার।
- এ ধরনের কম্পিউটারে বিপুল পরিমাণ উপাত্ত সংরক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত মেমোরি এবং বিপুল পরিমাণ প্রক্রিয়াকরণ কাজের ক্ষমতা থাকে। 
- ইন্টেল কর্পোরেশনের প্যারাগন, জাপানের নিপ্পন ইলেকট্রনিক কোম্পানির Super SX II, CRAY - I, CRAY - XMP, CYBER 205, ETA-D2P ইত্যাদি সুপার কম্পিউটারের উদাহরণ। 

• মেইনফ্রেম কম্পিউটার (Mainframe Computer):
- মাইক্রো ও মিনি কম্পিউটার অপেক্ষা মেইনফ্রেম কম্পিউটার আকৃতিতে বড় কিন্তু সুপার কম্পিউটারের চেয়ে ছোট।
- এ ধরনের কম্পিউটারে এক বা একাধিক কেন্দ্রীয় প্রসেসর থাকে বিধায় অনেক দ্রুতগতিসম্পন্ন, তথ্য সংরক্ষণ ক্ষমতা অনেক বেশি।
- UNIVAC 1100, NCR 8000, IBM 4300 ইত্যাদি মেইনফ্রেম কম্পিউটারের উদাহরণ। 

• মিনি কম্পিউটার (Mini Computer): 
- সাধারণত মেইনফ্রেম কম্পিউটারের চেয়ে ছোট আকারের কিন্তু মাইক্রোকম্পিউটারের চেয়ে কিছুটা বড় আকারের কম্পিউটারকে বলা হয় মিনি কম্পিউটার।
- এ ধরনের কম্পিউটারের গতি, মেমোরি এবং কাজ করার ক্ষমতা মাইক্রোকম্পিউটারের তুলনায় অনেক বেশি।
- PDP-II, IBM S/34, IBMS / 36, NCR S / 9290, NOVA3 ইত্যাদি মিনি কম্পিউটারের উদাহরণ।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৫৯.
নিচের কোনটি এমবেডেড কম্পিউটারে থাকেনা?
  1. মাইক্রোপ্রসেসর
  2. মনিটর
  3. ইনপুট/আউটপুট সিস্টেম
  4. মেমরি
ব্যাখ্যা
♦ এমবেডেড কম্পিউটার:
- এম্বেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি হলো মাইক্রোপ্রসেসর, সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা সম্বলিত মেমরি বা রম এবং ইনপুট/আউটপুট সিস্টেমের সমন্বয়ে গঠিত এক প্রকার কম্পিউটার।
- এম্বেডেড সিস্টেমে সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে।
- আধুনিক এম্বেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রোলার এর ব্যবহার হয়।
- এতে মনিটর কিংবা অন্যান্য হার্ডওয়্যার থাকে না।
- সেল ফোন, এসি, প্রিন্টার, থার্মোস্ট্যাট, ভিডিও গেমস্, ATM, ওয়াশিং মেশিন প্রভৃতিতে এমবেডেড সিস্টেম ব্যবহৃত হয়।
- LED লাইটে এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহৃত হয় না। 

উৎস:  Computer Hope ওয়েবসাইট।
৩৬০.
পরমাণুর গঠন-প্রকৃতি নির্ণয়ে কোন কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়?
  1. অ্যানালগ কম্পিউটার
  2. ডিজিটাল কম্পিউটার
  3. হাইব্রিড কম্পিউটার
  4. ক ও গ উভয়ই
ব্যাখ্যা
• গঠন ও কাজের প্রকৃতি অনুসারে কম্পিউটারকে সাধারণত তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. অ্যানালগ কম্পিউটার: যে সকল কম্পিউটার বৈদ্যুতিক সংকেতের ওপর নির্ভর করে ইনপুট গ্রহণ করে প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদিত করে, সেসব কম্পিউটারকে অ্যানালগ কম্পিউটার বলা হয়।

২. ডিজিটাল কম্পিউটার: যে সকল কম্পিউটার বাইনারি পদ্ধতিতে অর্থাৎ ডিজিটাল পদ্ধতিতে ক্রিয়া সম্পন্ন করে, সেসব কম্পিউটারকে ডিজিটাল কম্পিউটার বলা হয়।

৩. হাইব্রিড কম্পিউটার:
- অ্যানালগ ও ডিজিটাল উভয় কম্পিউটারের নীতির সমন্বয়ে যে কম্পিউটার গঠিত তাকে হাইব্রিড কম্পিউটার বলা হয়।
- হাইব্রিড কম্পিউটার অত্যন্ত দামি হওয়ায় কেবলমাত্র বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে এটি ব্যবহৃত হয়। যেমন- মিসাইল, সমরাস্ত্র, বৈজ্ঞানিক গবেষণা, নভোযান, রাসায়নিক দ্রব্যের গুণাগুণ নির্ণয়, পরমাণুর গঠন-প্রকৃতি নির্ণয়, পরীক্ষাগারে ঔষধের মান নির্ণয় ইত্যাদিতে ব্যবহৃত হয়।
- বর্তমানে হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ার, শরীরের তাপমাত্রা, রোগীর রক্তচাপ, হৃৎযন্ত্রের ক্রিয়া ইত্যাদি ক্ষেত্রে এ ধরনের কম্পিউটার ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৬১.
বৈজ্ঞানিক গবেষণা, আবহাওয়ার পূর্বাভাস বা মহাকাশ অনুসন্ধানের মতো ক্ষেত্রে বিপুল পরিমাণ তথ্য প্রক্রিয়াকরণের জন্য কোন ধরনের কম্পিউটার সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়?
  1. Minicomputer
  2. Mainframe Computer
  3. Supercomputer
  4. Workstation
ব্যাখ্যা

Supercomputer হলো পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী কম্পিউটার, যা প্রতি সেকেন্ডে কোটি কোটি গণনা করতে সক্ষম। এগুলো মূলত জটিল বৈজ্ঞানিক গবেষণা, আবহাওয়ার পূর্বাভাস, পারমাণবিক গবেষণা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও মহাকাশ অনুসন্ধান ইত্যাদিতে ব্যবহৃত হয়।

সুপার কম্পিউটার:
- সুপার কম্পিউটার হচ্ছে সবচেয়ে শক্তিশালী, ব্যয়বহুল ও দ্রুতগতিসম্পন্ন কম্পিউটার।
- সুপার কম্পিউটার একসাথে একাধিক ব্যবহারকারী ব্যবহার করতে পারে।
- এ ধরনের কম্পিউটারে বিপুল পরিমাণ উপাত্ত সংরক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত মেমোরি এবং বিপুল পরিমাণ প্রক্রিয়াকরণ কাজের ক্ষমতা থাকে।
- এ ধরনের কম্পিউটারগুলোতে কয়েকটি প্রসেসর একই সঙ্গে কাজ করে এবং প্রতি সেকেন্ডে কোটি কোটি বৈজ্ঞানিক, গাণিতিক ও প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদন করে।
- সূক্ষ্ম বৈজ্ঞানিক গবেষণা, বিপুল পরিমাণ তথ্য বিশ্লেষণ, নভোযান, ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ন্ত্রণ, মহাকাশ গবেষণা, বিভিন্ন ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র ডিজাইন, সিমুলেশন, পারমাণবিক চুল্লির নিয়ন্ত্রণ, পরিচালনা ইত্যাদি কাজে সুপার কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়।

• সুপার কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্যসমূহ:
১. বিশাল সংখ্যার প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট।
২. RAM টাইপ মেমরি ইউনিটের একটি বিশাল সংগ্রহ।
৩. নোডের মধ্যে উচ্চ গতির আন্তঃসংযোগ।
৪. উচ্চ ইনপুট/আউটপুট সিস্টেমের গতি।
৫. কাস্টম সফ্টওয়্যার ব্যবহার।
৬. কার্যকর তাপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাপনা।
৭. এটি বিপুল পরিমাণ গণনা পরিচালনা করতে সক্ষম যা মানুষের ক্ষমতার বাইরে।

অন্যান্য অপশনসমূহ,
Workstation → উচ্চক্ষমতার কম্পিউটার হলেও ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য, যেমন গ্রাফিক্স ডিজাইন বা ইঞ্জিনিয়ারিং ডিজাইন।
Minicomputer → মাঝারি আকারের ব্যবসা ও শিল্পে ব্যবহৃত হতো (আজ প্রায় বিলুপ্ত)।
Mainframe → একসাথে হাজার হাজার ব্যবহারকারীর ডেটা প্রসেস করার জন্য উপযোগী, তবে এটি সুপারকম্পিউটারের মতো বৈজ্ঞানিক গবেষণায় ব্যবহৃত হয় না।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।

৩৬২.
সর্বপ্রথম মাইক্রোপ্রসেসর আবিষ্কার করে কোন কোম্পানি?
  1. মাইক্রোসফট
  2. ইন্টেল
  3. অ্যাপল
  4. আইবিএম
ব্যাখ্যা
• মাইক্রোপ্রসেসর:
- যুক্তরাষ্ট্রের ইন্টেল কোম্পানি ১৯৭১ সালে সর্বপ্রথম মাইক্রোপ্রসেসর আবিষ্কার করে।
- IC (Integrated Circuit) এবং LSI (Large Scale Integration) বর্তনীর সাহায্যে মাইক্রোপ্রসেসর আবিষ্কারের মাধ্যমে কম্পিউটারের বহুমূখী ব্যবহার এবং পার্সোনাল কম্পিউটার তৈরি শুরু হয়।
- মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহারের ফলে কম্পিউটারের আকার আরো ছোট হয়ে যায়, দাম কমে যায় এবং বিদ্যুৎ খরচ কমে যায় যার ফলে কাজ করার ক্ষমতা, কাজের গতি ও নির্ভরশীলতা বহুগুণে বেড়ে যায়।
- Intel 4004 ছিল বাণিজ্যিকভাবে নির্মিত বিশ্বের প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর।

উৎস:
১. মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২.তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৬৩.
মেইনফ্রেম কম্পিউটারের আকার ও ক্ষমতা সম্পর্কে নিচের কোনটি সঠিক?
  1. এটি সুপার কম্পিউটারের চেয়ে বড়
  2. এটি মাইক্রো কম্পিউটারের চেয়ে ছোট
  3. এটি কোনো নেটওয়ার্কে যুক্ত হতে পারে না
  4. এটি মিনি ও মাইক্রো কম্পিউটারের চেয়ে বড় কিন্তু সুপার কম্পিউটারের চেয়ে ছোট
ব্যাখ্যা

• ডিজিটাল কম্পিউটারকে চারটি ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা- মাইক্রো কম্পিউটার, মিনি কম্পিউটার, সুপার কম্পিউটার, এবং মেইনফ্রেম কম্পিউটার।

• মেইনফ্রেম কম্পিউটার:
- যে কম্পিউটার মিনি ও মাইক্রোকম্পিউটারের চেয়ে বড় এবং সুপার কম্পিউটারের চেয়ে ছোট তাকে মেইনফ্রেম কম্পিউটার বলে।
- এতে অনেকগুলো কম্পিউটার যুক্ত থাকে এবং এক সঙ্গে অনেক মানুষ কাজ করতে পারে।
- একসাথে অনেক বেশি তথ্য ও ট্রানজ্যাকশন রিয়েল-টাইমে প্রসেস করতে পারে।
- বছরের পর বছর নিরবচ্ছিন্নভাবে চলার ক্ষমতা রাখে, যা ক্রিটিকাল অ্যাপ্লিকেশনে ব্যবহৃত হয়।
- ব্যাংকিং ট্রানজ্যাকশন, এয়ারলাইন রিজার্ভেশন, শুমারি, এবং শিল্প প্রতিষ্ঠানের সম্পদ পরিকল্পনায় (ERP) প্রধানত ব্যবহৃত হয়।
- সাধারণত একটি কেন্দ্রীয়, নিরাপদ রুমে থাকে এবং ব্যবহারকারীরা 'ডাম্ব টার্মিনাল' (Dumb Terminal) এর মাধ্যমে সংযুক্ত হয়ে কাজ করে।
- উদাহরণ: IBM-এর zSeries বা z/Architecture মেইনফ্রেম কম্পিউটার ১ উল্লেখযোগ্য, যা মূলত বড় ব্যবসার জন্য তৈরি করা হয়েছে।

উৎস:
১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
২। Sciencedirect [Link]

৩৬৪.
নিচের কোনটি প্রথম ডিজিটাল কম্পিউটার?
  1. ক) NCR--300
  2. খ) IBM-704
  3. গ) IBM-709
  4. ঘ) UNIVAC-1
ব্যাখ্যা

UNIVAC-1 হল প্রথম ডিজিটাল কম্পিউটার। 

ডিজিটাল কম্পিউটার হল এমন কম্পিউটার সিস্টেম যা বাইনারি নম্বর সিস্টেম ব্যবহার করে গণনামূলক কাজ সম্পাদান করে। ডিজিটাল কম্পিউটারের তিনটি প্রধান উপাদান হল ইনপুট, প্রসেসিং এবং আউটপুট।

আকার, আকৃতি, মেমোরি ও কার্যক্ষমতার ওপর ভিত্তিতে ডিজিটাল কম্পিউটারগুলোকে প্রধানত চারটি বিভাগে শ্রেণীবদ্ধ করা যেতে পারে।
যেমন:
১. সুপার কম্পিউটার
২. মেইনফ্রেম কম্পিউটার
৩. মিনি কম্পিউটার
৪. মাইক্রো কম্পিউটার

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)

৩৬৫.
নিচের কোনটি মাইক্রোপ্রসেসরের অংশ নয়?
  1. Registers
  2. ALU
  3. Control Unit
  4. GPU
ব্যাখ্যা
• মাইক্রোপ্রসেসর হলো একটি কেন্দ্রীয় প্রসেসিং ইউনিট যা কম্পিউটারের সকল প্রধান কার্য সম্পাদন করে। মাইক্রোপ্রসেসরের প্রধান অংশগুলো হলো রেজিস্টারস, যা তথ্য সংরক্ষণ করে; ALU (Arithmetic Logic Unit), যা গাণিতিক এবং লজিক্যাল অপারেশন করে; এবং কন্ট্রোল ইউনিট, যা মাইক্রোপ্রসেসরের অন্যান্য অংশকে নিয়ন্ত্রণ করে এবং নির্দেশনা অনুসরণ করে। তবে GPU (Graphics Processing Unit) মাইক্রোপ্রসেসরের অংশ নয়। GPU হলো একটি পৃথক প্রসেসর যা বিশেষভাবে গ্রাফিক্স এবং ভিজ্যুয়াল প্রসেসিংয়ের জন্য ব্যবহৃত হয়। তাই, মাইক্রোপ্রসেসরের অংশ হিসেবে GPU অন্তর্ভুক্ত নয়।

• মাইক্রোপ্রসেসর:
- মাইক্রোপ্রসেসর হলো সিলিকনের তৈরি এক ধরনের VLSI(Very large Scale Integration) চিপ।
- একটি একক ভিএলএসআই সিলিকন চিপের মধ্যে এক মিলিয়নেরও অধিক ডায়োড, ট্রানজিস্টর, রেজিস্টার, ক্যাপাসিটর ইত্যাদি একীভূত থাকে।
- মাইক্রোপ্রসেসরকে মাইক্রোকম্পিউটারের মস্তিষ্ক বা ব্রেইন বলা হয়।

- মাইক্রোপ্রসেসর প্রধানত তিনটি অংশে বিভক্ত। যথা-
১. নিয়ন্ত্রণ অংশ(Control Unit),
২. গাণিতিক যুক্তি অংশ(Arithmetic Logic Unit) এবং
৩. রেজিস্টার সমূহ(Register Set)

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৬৬.
কোনটির জন্য এমবেডেড কম্পিউটার প্রযোজ্য নয়?
  1. স্লাইড রুল
  2. মাইক্রোওয়েভ
  3. স্মার্টফোন
  4. এসি
ব্যাখ্যা

• এমবেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষ ধরনের কম্পিউটার যা কোনো নির্দিষ্ট কাজ বা ডিভাইসের কার্যক্ষমতা নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি সাধারণ কম্পিউটার বা ল্যাপটপের মতো সব কাজ করতে পারে না; বরং নির্দিষ্ট ফাংশনের জন্য ডিজাইন করা। উদাহরণস্বরূপ, মাইক্রোওয়েভ ও স্মার্টফোনে এমবেডেড কম্পিউটার থাকে যা রানটাইম নিয়ন্ত্রণ, সেন্সর পড়া এবং ব্যবহারকারীর নির্দেশ অনুযায়ী কাজ সম্পন্ন করে। স্লাইড রুলের মতো সরল যন্ত্রে কোনো প্রক্রিয়াকরণ বা স্বয়ংক্রিয় নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজন হয় না, তাই এখানে এমবেডেড কম্পিউটার থাকে না। এছাড়া, এসি (এয়ার কন্ডিশনার) সাধারণত এমবেডেড সিস্টেম ব্যবহার করে তাপমাত্রা ও ফ্যান নিয়ন্ত্রণের জন্য।
- তাই এমবেডেড কম্পিউটার প্রযোজ্য নয়- স্লাইড রুলের ক্ষেত্রে।


এমবেডেড কম্পিউটার:
- এম্বেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- এম্বেডেড সিস্টেমে সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে।
- আধুনিক এম্বেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রলার এর ব্যবহার হয়।
- এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহারের ক্ষেত্রসমূহ হলো: গাড়ি, সেলফোন ও স্মার্টফোন, প্রিন্টার, ওভেন, মাইক্রোওয়েভ, ওয়াশিং মেশিন, এয়ার কন্ডিশন(এসি), ঘড়ি, সিকিউরিটি ক্যামেরা ইত্যাদি।

• মোটরগাড়ির স্পিডোমিটার, স্লাইড রুল, অপারেশনাল অ্যামপ্লিফায়ার ইত্যাদি অ্যানালগ কম্পিউটারের উদাহরণ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৬৭.
'আইবিএম-৩০৩৩' কোন প্রজন্মের কম্পিউটার?
  1. ক) প্রথম
  2. খ) দ্বিতীয়
  3. গ) তৃতীয়
  4. ঘ) চতুর্থ
ব্যাখ্যা
আইবিএম-পিসি, আইবিএম-৩০৩৩, এইচপি-৩০০০ ইত্যাদি চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটার।
৩৬৮.
Which is the most powerful and high-speed type of computer?
  1. Mainframe Computer
  2. Mini Computer
  3. Micro Computer
  4. Super Computer
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী ও দ্রুতগতি সম্পন্ন কম্পিউটার হচ্ছে Super Computer.

আকার ও ক্ষমতা বিচারে কম্পিউটারকে সাধারণত চার ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-
১। অতিবৃহৎ কম্পিউটার (Super Computer),
২। বৃহৎ কম্পিউটার (Mainframe Computer),
৩। ছোট কম্পিউটার (Mini Computer),
81 ক্ষুদ্র কম্পিউটার (Micro Computer).

• অতিবৃহৎ কম্পিউটার (Super Computer):
- পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী ও দ্রুতগতি সম্পন্ন কম্পিউটার।
- বিশাল মেমোরি ও প্রক্রিয়াকরণ ক্ষমতা রয়েছে।
- অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ও অনেক যন্ত্রাংশ থাকার কারণে মূল্য অনেক বেশি।
- যে সকল ক্ষেত্রে খুব জটিল ও সুক্ষ গাণিতিক হিসাব প্রয়োজনে ব্যবহৃত হয়।
- বৈজ্ঞানিক গবেষণা, প্রশাসনিক কাজ-কর্ম এবং বৃহৎ প্রতিষ্ঠানে সুপার কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়।
- উদাহরণ: CRAY-1, CYBER 205, ইত্যাদি।

• বৃহৎ কম্পিউটার (Mainframe Computer):
- সুপার কম্পিউটারের তুলনায় ছোট, কিন্তু মিনি ও মাইক্রো কম্পিউটারের তুলনায় অনেক বেশি ক্ষমতাসম্পন্ন।
- অনেক ইনপুট-আউটপুট যন্ত্র সংযুক্ত করা যায়।
- বৃহৎ মেমোরি ও প্রক্রিয়াকরণ শক্তি।
- বিশ্ববিদ্যালয়, সরকারী ও বেসরকারী প্রতিষ্ঠান, গবেষণা প্রতিষ্ঠানে এই ধরনের কম্পিউটারের ব্যবহার আছে।
- উদাহরণ: IBM 4341, NCR N8370, IBM Amdah 1580, ইত্যাদি।

• ছোট কম্পিউটার (Mini Computer):
- মেইনফ্রেম কম্পিউটারের তুলনায় আকারে ছোট এবং কম ক্ষমতাসম্পন্ন।
- সীমিত সংখ্যক ব্যবহারকারীর জন্য উপযুক্ত।
- উদাহরণ: NOVA 3. PDP 11, IBM-AS/400, ইত্যাদি।

• ক্ষুদ্র কম্পিউটার (Micro Computer):
- আকার, ক্ষমতা ও মূল্যের দিক দিয়ে সবচেয়ে ছোট।
- একীভূত বর্তনীর মাধ্যমে তৈরি মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহার করা হয়।
- স্মৃতি এবং ইনপুট-আউটপুট সংযোগ করে পিসি (Personal Computer) তৈরি হয়।
- অফিসের কাজ, ব্যক্তিগত ব্যবহার ও চিত্তবিনোদনে এই কম্পিউটারের প্রচলন দিন দিন বেড়ে চলেছে।
- উদাহরণ: IBM 486, IBM Pentium, ইত্যাদি।

উৎস: বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৬৯.
কোন কম্পিউটারে ফলাফল সাধারণত কাঁটা বা প্লটারের মাধ্যমে প্রদর্শন করা হয়?
  1. ডিজিটাল কম্পিউটার
  2. হাইব্রিড কম্পিউটার
  3. এনালগ কম্পিউটার
  4. মাইক্রো কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
এনালগ কম্পিউটারে ফলাফল সাধারণত কাঁটা বা প্লটারের মাধ্যমে প্রদর্শন করা হয়।

• এনালগ কম্পিউটার (Analog Computer)
- এনালগ কম্পিউটার ক্রম পরিবর্তনশীল বৈদ্যুতিক সংকেত গ্রহণ করে।
- তথ্য প্রক্রিয়াকরণের ফলাফল সাধারণত প্রদশর্নের কাঁটা (Indicator) দিয়ে দেখানো হয় বা প্লটারের (Plotter) সাহায্যে কাগজে অঙ্কন করা হয়।
- বিভিন্ন শিল্প কারখানায় উৎপাদন, প্রক্রিয়াকরণ ও মান নিয়ন্ত্রণে এনালগ কম্পিউটারের ব্যবহার হয়ে থাকে।

• গাণিতিক ভিত্তিতে কম্পিউটারকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১। এনালগ কম্পিউটার (Analog Computer),
২। ডিজিটাল কম্পিউটার (Digital Computer),
৩। হাইব্রিড কম্পিউটার (Hybrid Computer)।

• ডিজিটাল কম্পিউটার (Digital Computer)
- ডিজিটাল কম্পিউটারের মূল ভিত্তি হলো বাইনারী ডিজিট (০ এবং ১)।
- এ কম্পিউটারের যাবতীয় গাণিতিক ও যুক্তিমূলক কাজ বাইনারী ডিজিট এর মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।
- প্রক্রিয়াকরণের ফলাফল লিখিত আকারে দেয়া হয়।
- ইনপুট ও আউটপুট অংশ আমাদের বোধগম্যতার জন্য বর্ণ, অক্ষর ও অংক দিয়ে প্রকাশ করা হয়।
- এ কম্পিউটারের গতি বেশ দ্রুত ও নির্ভরশীলতা বেশি। উপাত্ত সংরক্ষণের জন্য এতে বৃহৎ মেমোরি থাকে। আজকাল আমাদের ব্যবহৃত সকল কম্পিউটারই ডিজিটাল কম্পিউটার।

• হাইব্রিড কম্পিউটার (Hybrid Computer)
- এনালগ ও ডিজিটাল কম্পিউটারের সমন্বয়ে তৈরি হয় সংকর বা হাইব্রিড কম্পিউটার।
- অনেক বৈজ্ঞানিক সমস্যা সমাধানের জন্য হাইব্রিড কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়।

উৎস: কম্পিউটার পরিচিতি ও ব্যবহার, স্কুল অব এগ্রিকালচার এন্ড রুরাল ডেভেলপমেন্ট, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৭০.
নিরাপদ লেনদেন সম্পাদনের জন্য এটিএম-এর এমবেডেড সিস্টেমে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান কোনটি?
  1. এটিএম কার্ড রিডার
  2. ডিসপ্লে স্ক্রিন
  3. প্রিন্টার
  4. এম্বেডেড মাইক্রোকন্ট্রোলার
ব্যাখ্যা
• এমবেডেড মাইক্রোকন্ট্রোলার হল ATM-এর সিস্টেমের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান যা নিরাপদ লেনদেন নিশ্চিত করতে সহায়ক। এটি একটি ছোট কম্পিউটার যা ATM-এর সমস্ত কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে, যেমন নিরাপত্তা প্রোটোকল এবং লেনদেন যাচাই করা। মাইক্রোকন্ট্রোলারটি নিরাপত্তা কোড (পিন), ট্রানজেকশন তথ্য এবং ক্রেডিট ডেবিট ডেটা প্রক্রিয়া করে, যাতে টাকা উত্তোলন, পেমেন্ট এবং অন্যান্য লেনদেনগুলি সুরক্ষিত থাকে।

• অপশন আলোচনা:
- ATM card reader: এটিএম কার্ড রিডার কার্ডের তথ্য পড়ে, তবে এটি নিরাপত্তার জন্য প্রয়োজনীয় কাজ সম্পাদন করে না।
- Display screen: ডিসপ্লে স্ক্রিন ব্যবহারকারীকে লেনদেনের তথ্য দেখানোর জন্য ব্যবহৃত হয়, তবে এটি নিরাপত্তার মূল অংশ নয়।
- Printer: প্রিন্টার মূলত লেনদেনের রসিদ প্রদান করে, কিন্তু এটি সুরক্ষিত লেনদেনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ নয়।

• এমবেডেড কম্পিউটার:
- এম্বেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি হলো মাইক্রোপ্রসেসর, সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা সম্বলিত মেমরি বা রম এবং ইনপুট/আউটপুট সিস্টেমের সমন্বয়ে গঠিত এক প্রকার কম্পিউটার।
- এম্বেডেড সিস্টেমে সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে।
- আধুনিক এম্বেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রোলার এর ব্যবহার হয়।
- এতে মনিটর কিংবা অন্যান্য হার্ডওয়্যার থাকে না।
- সেল ফোন, এসি, প্রিন্টার, থার্মোস্ট্যাট, ভিডিও গেমস, ATM, ওয়াশিং মেশিন প্রভৃতিতে এমবেডেড সিস্টেম ব্যবহৃত হয়।
- LED লাইটে এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহৃত হয় না। 

উৎস:  Computer Hope website.
৩৭১.
কোনটি এমবেডেড কম্পিউটার নয়?
  1. ক) প্রিন্টার
  2. খ) এটিএম
  3. গ) ওয়াশিং মেশিন
  4. ঘ) ল্যাপটপ
ব্যাখ্যা
এমবেডেড কম্পিউটার হলো এমন একটি কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেমের অংশ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে কেবল পূর্বনির্দিষ্ট কর্ম সম্পাদন করে। এতে কেবল মাইক্রোপ্রসেসর, রম এবং ইনপুট/আউটপুট ডিভাইস সংযোজন সিস্টেম থাকে। এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহারের ক্ষেত্রসমূহ হলোঃ গাড়ি, প্রিন্টার, কপিয়ার, মাইক্রোওয়েভ, ওয়াশিং মেশিন, এয়ার কন্ডিশন, ঘড়ি, সিকিউরিটি ক্যামেরা ইত্যাদি।
৩৭২.
পিডিএ এর প্রাথমিক সংস্করণ হলো-
  1. ব্যাকরাব
  2. নিউটন
  3. আরপানেট
  4. অ্যাবাকাস
ব্যাখ্যা
• পামটপ কম্পিউটার বা পিডিএ:
- PDA এর পূর্ণরূপ হলো Personal Digital Assistant.
- ১৯৯৩ সালে ইলেকট্রনিক নির্মাতারা পার্সোনাল ডিজিটাল অ্যাসিসটেন্ট তৈরি করেন।
- পিডিএ এর প্রাথমিক সংস্করণ ছিল অ্যাপলের নিউটন।
- এ ধরনের কম্পিউটার ক্ষুদ্রাকৃতির এবং দেখতে অনেকটা ক্যালকুলেটরের ন্যায়, এটি হেল্ড বা পকেট কম্পিউটার নামেও পরিচিত।
- সাধারণত টাচ স্ক্রিন ও ডিজিটাল পেনের সাহায্যে এ জাতীয় কম্পিউটারগুলো নিয়ন্ত্রন করা হয়।
- স্প্রেডশিটের ছোট আকারের কাজ, লেখালেখি, প্রয়োজনীয় টেলিফোন নম্বর, তারিখ, এজেন্ডা তৈরি করে রাখা ইত্যাদি কাজে এ ধরনের কম্পিউটারগুলো ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৭৩.
কোনটি প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার নয়?
  1. ENIAC-1
  2. EDSAC
  3. UNIVAC-1
  4. IBM 360
ব্যাখ্যা
IBM 360 প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার নয়। এটি তৃতীয় প্রজন্মের একটি কম্পিউটার।

কম্পিউটারের পাঁচটি প্রজন্ম বা জেনারেশন:
• প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৪২ – ১৯৫৯),
• দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৫৯ – ১৯৬৫),
• তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৬৫ – ১৯৭১),
• চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৭১ – বর্তমান),
• পঞ্চম প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৮২-বর্তমান)।

• প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৪২ – ১৯৫৯)
- আকারে বড় ও ভারী।
- উচ্চ শব্দ ও উত্তাপ  সমস্যা।
- সীমিত তথ্য ধারণ ক্ষমতা।
- ধীর গতিসম্পন্ন।
- প্রথমে মেশিন ভাষা, তারপর এসেম্বলি ভাষার ব্যবহার।
যেমন: ABC, ENIAC, UNIVAC.

• দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৫৯ – ১৯৬৫)
-
  ট্রানজিস্টার ব্যবহার ।
- আকার ছোট ও হালকা।
- দ্রুত গতি।
- কম উত্তাপ।
- চুম্বকীয় কোর মেমোরি ব্যবহৃত।
- অ্যাসেম্বলি ভাষার প্রচলন।
যেমন: IBM 1600, CDC 1604, NCR 300 সিরিজ।

• তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৬৫ – ১৯৭১)

- একীভূত বর্তনী (IC - Integrated Circuit) এর ব্যবহার।
- মিনি কম্পিউটার আবির্ভাব ।
- উন্নত নির্ভরযোগ্যতা।
- উচ্চ প্রক্রিয়াকরণ ক্ষমতা।
- উচ্চতর প্রোগ্রামিং ভাষার ব্যবহার।
- ন্যানো সেকেন্ডে কাজ সম্পাদন ।
যেমন: IBM 360, PDP 11.

• চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৭১ – বর্তমান)
- মাইক্রোপ্রসেসর ও বৃহদাকার একীভূত বর্তনী ব্যবহার।
- আরও ছোট ও শক্তিশালী।
- মাইক্রো কম্পিউটারের উদ্ভব।
- সফটওয়্যার ও প্রোগ্রাম প্যাকেজের ব্যবহার।
- CD, Pen Drive ইত্যাদি মাধ্যমে তথ্য সংরক্ষণ।
- মাল্টিপ্রসেসর সিস্টেমের আবির্ভাব।
 উদাহরণ: IBM PS/2, Apple Macintosh.

• পঞ্চম প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৮২-বর্তমান)
 -তথ্য ধারণ ক্ষমতার ব্যাপক উন্নতি। 
- উন্নত মানের operating system.
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI - Artificial Intelligence) এর ব্যবহার।
- নিজস্ব বিচার-বুদ্ধি থাকবে।
- মানুষের কণ্ঠস্বর বুঝতে পারবে।
- পরামর্শক হিসেবে কাজ করবে (ডাক্তার, শিক্ষক ইত্যাদি)।
- বিশাল তথ্য ধারণ ও প্রক্রিয়াকরণ ক্ষমতা।

উৎস: কম্পিউটার পরিচিতি ও ব্যবহার, স্কুল অব এগ্রিকালচার এন্ড রুরাল ডেভেলপমেন্ট।
৩৭৪.
কোন কম্পিউটার সিস্টেম বৃহৎ সিস্টেমের অংশ হিসেবে যুক্ত হয়ে কেবল পূর্বনির্দিষ্ট কর্ম সম্পন্ন করে?
  1. ক) এমবেডেড কম্পিউটার
  2. খ) মাইক্রো কম্পিউটার
  3. গ) মিনি কম্পিউটার
  4. ঘ) মেইনফ্রেম কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
এমবেডেড কম্পিউটার হলো এমন একটি কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেমের অংশ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে কেবল পূর্বনির্দিষ্ট কর্ম সম্পাদন করে।
এতে কেবল মাইক্রোপ্রসেসর, রম এবং ইনপুট/আউটপুট ডিভাইস সংযোজন সিস্টেম থাকে।
৩৭৫.
'IBM S/34' কোন ধরনের কম্পিউটার?
  1. ক) মাইক্রো কম্পিউটার
  2. খ) মিনি কম্পিউটার
  3. গ) সুপার কম্পিউটার
  4. ঘ) মেইনফ্রেম কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
• মিনি কম্পিউটার (Mini Computer):
- সাধারণত মেইনফ্রেম কম্পিউটারের চেয়ে ছোট আকারের কিন্তু মাইক্রোকম্পিউটারের চেয়ে কিছুটা বড় আকারের কম্পিউটারকে বলা হয় মিনি কম্পিউটার।
- এ ধরনের কম্পিউটারের গতি, মেমোরি এবং কাজ করার ক্ষমতা মাইক্রোকম্পিউটারের তুলনায় অনেক বেশি।
- যদিও কিছু মিনি কম্পিউটার একজন ব্যবহারকারীর ব্যবহারের উপযুক্ত কিন্তু বেশির ভাগ মিনি কম্পিউটারেই একই সাথে অনেকগুলো টার্মিনালে কাজ করা যায়।
- শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ক্লিনিক, হাসপাতাল, বড় বড় কারখানা, বহুজাতিক কোম্পানি, প্রযুক্তিগত গবেষণায় ও বিশ্লেষণ কাজে মিনি কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়।
- PDP-II, IBM S / 34, IBM S/36, NCR S/9290, NOVA3 ইত্যাদি মিনি কম্পিউটারের উদাহরণ।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৭৬.
এনালগ কম্পিউটারের ব্যবহারের ক্ষেত্র কোনটি?
  1. রাসায়নিক শিল্প
  2. মুদ্রণ শিল্প
  3. পেট্রোলিয়াম শিল্প
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা

• কম্পিউটারে প্রকারভেদ:
- কাজ করার প্রক্রিয়া অনুযায়ী কম্পিউটারকে সাধারণত তিনভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
• এনালগ কম্পিউটার (Analog computer),
• ডিজিটাল কম্পিউটার (Digital Computer),
• হাইব্রিড কম্পিউটার (Hybrid Computer)।

• এনালগ কম্পিউটার:
- এনালগ কম্পিউটার ক্রম পরিবর্তনশীল বৈদ্যুতিক সংকতের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ফল প্রদর্শিত করে।
- সাধারণত চাপ, তাপ, রোধ, উপাত্তের জন্য সৃষ্ট বৈদ্যুতিক তরঙ্গকে এনালগ কম্পিউটার ইনপুট হিসাবে ব্যবহার করে।
- তথ্য প্রক্রিয়াকরণের ফলাফল সাধারণত প্রদর্শনের কাটা (Indicator) দিয়ে দেখানো হয় অথবা প্লুটার (Plotter) যন্ত্রের সাহায্যে কাগজে গ্রাফ আকারেও পাওয়া যেতে পারে।
- মোটর গাড়ির গতিবেগ প্রদর্শনের মিটার এনালগ কম্পিউটারের একটি উদাহরণ।
- বিভিন্ন শিল্প কারখানায় উৎপাদন, মান নিয়ন্ত্রণ, চাপ, তাপ পরিমাপনের জন্য এনালগ কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়।
- স্লাইড রুল, অপারেশনাল এমপ্লিফায়ার ইত্যাদি এনালগ কম্পিউটারের উদাহরণ।
- এনালগ কম্পিউটার খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্পের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় না। কারণ খাদ্য শিল্পে একাধিক পর্যায়ে ডিজিটাল তথ্য সংশোধন এবং ডেটা জরিপের প্রয়োজন হয়, যা এনালগ কম্পিউটারের মাধ্যমে করা কঠিন।
- এনালগ কম্পিউটার প্রায়শই রাসায়নিক শিল্প, পেট্রোলিয়াম শিল্প, এবং মুদ্রণ শিল্পে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা।

৩৭৭.
দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারে ভ্যাকুয়াম টিউবের পরিবর্তে কী ব্যবহৃত হতো?
  1. মাইক্রোপ্রসেসর
  2. আইসি (IC)
  3. ট্রানজিস্টর
  4. সিলিকন চিপ
ব্যাখ্যা

• দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার:
- ১৯৬০ থেকে ১৯৬৪ সাল পর্যন্ত সময় কালকে কম্পিউটারের দ্বিতীয় প্রজন্ম বলে ধরা হয়।
- দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারগুলোতে ভ্যাকুয়াম টিউবের পরিবর্তে ট্রানজিস্টর ব্যবহার করা হয়েছিল।
- টিউবের তুলনায় ট্রানজিস্টর আকারে ছোট, বিদ্যুৎ খরচ কম, দামে সস্তা এবং দ্রুত গতিসম্পন্ন হওয়ায় দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারগুলো আকৃতিতে ছোট, দ্রুতগতি ও অধিক নির্ভরযোগ্য ছিল।
- দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারগুলো অত্যন্ত দ্রুতগতিতে কাজ করলেও স্থায়িত্ব ছিল অনেক বেশি।
- এ প্রজন্মের কম্পিউটারে সর্বপ্রথম হাইলেভেল ভাষার ব্যবহার শুরু হয়।
- আবার চুম্বকীয় কোর মেমরি এবং উচ্চগতিসম্পন্ন ইনপুট-আউটপুট ব্যবস্থাও এ প্রজন্মের কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয়।
- IBM 1401, CDC 1604, RCA 301, RCA 501, BCR 300, GE 200, Honey well 200, 1600 IBM 1620 ইত্যাদি দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারের উদাহরণ।

দ্বিতীয় প্রজন্মে কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্যসমূহ:
১। ভ্যাকুয়াম টিউবের পরিবর্তে ট্রানজিস্টরের ব্যবহার।
২। ম্যাগনেটিক কোর মেমরির ব্যবহার।
৩। আকৃতির সংকোচন ও অধিক নির্ভরযোগ্যতা।
৪। উচ্চগতিসম্পন্ন ও উন্নতমানের ইনপুট-আউটপুট ব্যবস্থার প্রচলন।
৫। অপেক্ষাকৃত বেশি তথ্য ধারণক্ষমতা।
৬। উচ্চস্তরের ভাষার ব্যবহার (যেমন- COBOL, FORTRAN)।
৭। টেলিফোন লাইন ব্যবহার করে এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে ডেটা আদান-প্রদানের ব্যবস্থা; ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (বিবিএ প্রোগ্রাম)- উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৭৮.
RAM, ROM এর ব্যবহার শুরু হয় কম্পিউটারের কোন প্রজন্ম থেকে?
  1. প্রথম প্রজন্ম
  2. দ্বিতীয় প্রজন্ম
  3. তৃতীয় প্রজন্ম
  4. চতুর্থ প্রজন্ম
ব্যাখ্যা
• তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- IC এর ব্যবহার।
- অর্ধপরিবাহী স্মৃতির উদ্ভব ও বিকাশ (RAM, ROM এর ব্যবহার শুরু)।
- আকৃতি ছোট, কম দাম এবং ক্ষমতা বৃদ্ধি।
- মুদ্রণের জন্য লাইন প্রিন্টারের ব্যবহার।
- আউটপুট হিসেবে মনিটরের ব্যবহার।
- অপারেটিং সিস্টেম ব্যবস্থার উন্নয়ন।
- সহজে স্থানান্তরযোগ্য।
- রিয়েল টাইম অপারেটিং সিস্টেম, মাল্টিপ্রোগ্রামিং পদ্ধতি, টাইম শেয়ারিং, ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্টের ব্যবহার।
- যান্ত্রিক গোলযোগ কম বলে রক্ষণাবেক্ষণ খরচ কম ইত্যাদি।
- উচ্চতর ভাষার ব্যাপক ব্যবহার। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্রি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৭৯.
কম্পিউটারের প্রধান বৈশিষ্ট্য নয় কোনটি?
  1. ক) বিপুল পরিমাণ তথ্য স্মৃতিতে সংরক্ষণ করে রাখা
  2. খ) নির্ভূলভাবে কাজ করা
  3. গ) অতি দ্রুত গতিতে কাজ সম্পন্ন করা
  4. ঘ) কম্পিউটারের নিজস্ব স্মৃতি থাকে না
ব্যাখ্যা

কম্পিউটারের প্রধান তিনটি বৈশিষ্ট্য হল- বিপুল পরিমাণ তথ্য স্মৃতিতে সংরক্ষণ করে

রাখা, নির্ভূলভাবে কাজ করা এবং অতি দ্রুত গতিতে কাজ সম্পন্ন করা।
কম্পিউটারের নিজস্ব স্মৃতি থাকে না - এটি কম্পিউটারের প্রধান বৈশিষ্ট্য নয়।
তথ্য সূত্রঃ কম্পিউটার শিক্ষা, পৃষ্ঠা- ২, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৮০.
Weight of ENIAC was-
  1. 20 tons
  2. 30 tons
  3. 40 tons
  4. 50 tons
ব্যাখ্যা
- ENIAC (ইলেক্ট্রনিক নিউমেরিক্যাল ইন্টিগ্রেটর অ্যান্ড কম্পিউটার) এর ওজন ছিলো প্রায় 30 টন। 
- ENIAC 1940-এর দশকে নির্মিত প্রথম সাধারণ ইলেকট্রনিক কম্পিউটার। 
- এটি আকারে বিশাল ছিল, প্রায় 167 বর্গ মিটার মেঝে জায়গা দখল করে। 
- এর ওজন ছিল প্রায় 30 শর্ট টন যা 27 মেট্রিক টনের বেশি। 

- The weight of ENIAC (Electronic Numerical Integrator And Computer) was 30 tons. 
- ENIAC was the first general purpose electronic computer built in the 1940s. 
- It was enormous in size, occupying around 167 square meters of floor space. 
- Its weight was roughly 30 short tons which is over 27 metric tons. 
- So out of the given options, 30 tons is the closest option stating ENIAC's weight. 
৩৮১.
এমবেডেড কম্পিউটারের ব্যবহার নেই কোনটিতে?
  1. সেল ফোন
  2. এসি
  3. ওয়াশিং মেশিন
  4. এলইডি লাইট
ব্যাখ্যা
• এমবেডেড কম্পিউটার:
- এমবেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি হলো মাইক্রোপ্রসেসর, সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা সম্বলিত মেমরি বা রম এবং ইনপুট/আউটপুট সিস্টেমের সমন্বয়ে গঠিত এক প্রকার কম্পিউটার।
- এমবেডেড সিস্টেমে সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে।
- তবে, আধুনিক এম্বেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রলার এর ব্যবহার হয়।
- এতে মনিটর কিংবা অন্যান্য হার্ডওয়্যার থাকে না।
- এটি কেবলে সুনির্দিষ্ট করে দেওয়া কতিপয় কাজই করে।
- সেল ফোন, এসি, প্রিন্টার, থার্মোস্ট্যাট, ভিডিও গেমস্, ATM, ওয়াশিং মেশিন প্রভৃতিতে এমবেডেড সিস্টেম ব্যবহৃত হয়।
- LED লাইটে এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহৃত হয় না। 

উৎস: Computerhope website.
৩৮২.
'নেটওয়ার্ক সার্ভার' নামকরণটি সাধারণত কোন ধরণের কম্পিউটারের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. ল্যাপটপ কম্পিউটার
  2. মেইনফ্রেম কম্পিউটার
  3. মাইক্রো কম্পিউটার
  4. মিনি কম্পিউটার
ব্যাখ্যা

• ‘নেটওয়ার্ক সার্ভার’ নামকরণটি সাধারণত মেইনফ্রেম কম্পিউটারের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
- মেইনফ্রেম কম্পিউটার হলো বড় আকারের এবং উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন কম্পিউটার, যা অনেক ব্যবহারকারী একসাথে ডেটা ও অ্যাপ্লিকেশন শেয়ার করতে পারে।
- এই ধরণের কম্পিউটার সাধারণত বড় প্রতিষ্ঠানে বা ডেটা সেন্টারে ব্যবহৃত হয়, যেখানে উচ্চ মাত্রার প্রক্রিয়াকরণ ক্ষমতা এবং নির্ভরযোগ্যতা প্রয়োজন হয়।
- নেটওয়ার্ক সার্ভার হিসেবে মেইনফ্রেম কম্পিউটার নেটওয়ার্কে সংযুক্ত অনেক ক্লায়েন্ট ডিভাইসের জন্য তথ্য ও সার্ভিস সরবরাহ করে থাকে।
- অন্যদিকে, মিনি কম্পিউটার, মাইক্রোকম্পিউটার ও সুপারকম্পিউটার বিভিন্ন কাজে ব্যবহৃত হলেও নেটওয়ার্ক সার্ভার হিসেবে মেইনফ্রেম কম্পিউটার সবচেয়ে বেশি প্রযোজ্য।

• মেইনফ্রেম কম্পিউটার (Mainframe Computer):
- মাইক্রো ও মিনি কম্পিউটার অপেক্ষা মেইনফ্রেম কম্পিউটার আকৃতিতে বড় কিন্তু সুপার কম্পিউটারের চেয়ে ছোট।
- মেইনফ্রেম কম্পিউটার হচ্ছে এমন একটি কম্পিউটার যার সঙ্গে অনেক ছোট ছোট কম্পিউটার যুক্ত করে একসঙ্গে অনেক ব্যবহারকারী কাজ করতে পারে।
- এ ধরনের কম্পিউটারে এক বা একাধিক কেন্দ্রীয় প্রসেসর থাকে বিধায় অনেক দ্রুতগতিসম্পন্ন, তথ্য সংরক্ষণ ক্ষমতা অনেক বেশি।
- এ ধরনের কম্পিউটারে অনেক বড় বড় এবং জটিল ও সূক্ষ্ম কাজ করার ক্ষমতা রয়েছে।
- UNIVAC 1100, NCR 8000, IBM 4300 ইত্যাদি মেইনফ্রেম কম্পিউটারের উদাহরণ।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৮৩.
In a hybrid computer system, how are the collected data typically processed?
  1. Collected digitally and processed analogically
  2. Collected analogically and processed digitally
  3. Collected and processed only digitally
  4. Collected and processed only analogically
ব্যাখ্যা

• হাইব্রিড কম্পিউটারে সাধারণত উপাত্ত প্রথমে অ্যানালগ পদ্ধতিতে সংগ্রহ করা হয় এবং পরে তা সংখ্যায় রূপান্তর করে ডিজিটাল অংশে প্রক্রিয়াকরণের জন্য পাঠানো হয়।

• হাইব্রিড কম্পিউটার:
- হাইব্রিড কম্পিউটার হলো এমন একটি কম্পিউটার সিস্টেম যেখানে অ্যানালগ কম্পিউটার ও ডিজিটাল কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্য একত্রে ব্যবহৃত হয়।
- অ্যানালগ কম্পিউটার অবিচ্ছিন্ন ডেটা বা সিগন্যাল প্রসেসিংয়ের জন্য ব্যবহৃত হয় এবং ডিজিটাল কম্পিউটার লজিক্যাল অপারেশন ও ডেটা সংরক্ষণে ব্যবহৃত হয়।
- এই দুই ধরনের সক্ষমতাকে একত্রিত করার কারণে একে সংকর কম্পিউটারও বলা হয়।

• হাইব্রিড কম্পিউটারের কার্যপদ্ধতি:
- সাধারণত উপাত্ত প্রথমে অ্যানালগ পদ্ধতিতে সংগ্রহ করা হয়।
- সংগৃহীত উপাত্ত পরে সংখ্যায় রূপান্তর করা হয়।
- এরপর সেই উপাত্ত ডিজিটাল অংশে পাঠানো হয়।
- ডিজিটাল অংশ উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণ করে চূড়ান্ত ফলাফল প্রদান করে।

• ব্যবহার ক্ষেত্র:
- হাইব্রিড কম্পিউটার অত্যন্ত ব্যয়বহুল হওয়ায় এটি সাধারণ কাজে ব্যবহৃত হয় না।
- বিশেষ বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত কাজে এর ব্যবহার বেশি দেখা যায়।

• উল্লেখযোগ্য ব্যবহার:
- মিসাইল নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা,
- সমরাস্ত্র প্রযুক্তি,
- বৈজ্ঞানিক গবেষণা,
- নভোযান পরিচালনা,
- রাসায়নিক দ্রব্যের গুণাগুণ নির্ণয়,
- পরমাণুর গঠন ও প্রকৃতি নির্ণয়,
- পরীক্ষাগারে ঔষধের মান নির্ণয়।

• চিকিৎসা ক্ষেত্রে ব্যবহার:
- হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট (ICU),
- শরীরের তাপমাত্রা পরিমাপ,
- রোগীর রক্তচাপ পর্যবেক্ষণ,
- হৃদযন্ত্রের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ।

উৎস:
মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম।

৩৮৪.
মাইক্রো কম্পিউটারকে কয়টি ভাগে ভাগ করা যায়?
  1. ক) চার
  2. খ) পাঁচ
  3. গ) ছয়
  4. ঘ) তিন
ব্যাখ্যা
মাইক্রো কম্পিউটার
- মাইক্রো (micro) শব্দটির অর্থ হল ক্ষুদ্র। 
- মূলত মাইক্রো কম্পিউটার বলতে কম্পিউটারের ছোট বা ক্ষুদ্রাকৃতির কম্পিউটারগুলোকেই বোঝায়। 
- এই কম্পিউটারগুলো ক্ষুদ্রাকৃতির মাইক্রো প্রসেসর চিপ দিয়ে তৈরি বলে একে মাইক্রো কম্পিউটার বলা হয়। 
- একটি প্রধান মাইক্রো প্রসেসর, প্রধান মেমোরি, সহায়ক মেমোরি, এবং ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইস নিয়ে একটি মাইক্রো কম্পিউটার গঠিত হয়। 
- মাইক্রো কম্পিউটারগুলো সাধারণত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, অফিস-আদালত, ব্যক্তিগত ব্যবহার, খেলাধুলা ও চিত্তবিনোদনের কাজে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। 
- মাইক্রো কম্পিউটারের কিছু উদাহরণ হল IBM PC, APPLE POWER ইত্যাদি। 

- মাইক্রো কম্পিউটারকে চারটি ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- 
১. ডেক্সটপ কম্পিউটার, 
২. ল্যাপটপ কম্পিউটার, 
৩. পামটপ কম্পিউটার এবং 
৪. নোটবুক কম্পিউটার। 

উৎস
: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
৩৮৫.
নিচের কোনটি কম্পিউটারের আকার অনুসারে শ্রেণিবিভাগের অংশ নয়?
  1. মাইক্রোকম্পিউটার
  2. ডিজিটাল কম্পিউটার
  3. মিনি কম্পিউটার
  4. মেইনফ্রেম কম্পিউটার
ব্যাখ্যা

ডিজিটাল কম্পিউটার হলো কম্পিউটারের ধরন বা কার্যপ্রণালী অনুসারে শ্রেণিবিভাগ, যা বাইনারি সিস্টেম (0 এবং 1) ব্যবহার করে ডেটা প্রসেস করে। এটি আকার বা ক্ষমতা অনুসারে শ্রেণিবিভাগ নয়।


• আকার, আয়তন ও কার্যকারিতা অনুসারে কম্পিউটারের শ্রেণীবিভাগ:
- আকার, আয়তন, কাজ করার ক্ষমতা, স্মৃতি ও কার্যকারিতার ওপর ভিত্তি করে কম্পিউটারকে বা ডিজিটাল কম্পিউটারকে চারটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়। যথা:

• সুপার কম্পিউটার (Super Computer):
- সুপার কম্পিউটার হচ্ছে সবচেয়ে শক্তিশালী, ব্যয়বহুল ও দ্রুতগতিসম্পন্ন কম্পিউটার।
- সুপার কম্পিউটার একসাথে একাধিক ব্যবহারকারী ব্যবহার করতে পারে।
- এ ধরনের কম্পিউটারে বিপুল পরিমাণ উপাত্ত সংরক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত মেমোরি এবং বিপুল পরিমাণ প্রক্রিয়াকরণ কাজের ক্ষমতা থাকে।

• মেইনফ্রেম কম্পিউটার (Mainframe Computer):
- মাইক্রো ও মিনি কম্পিউটার অপেক্ষা মেইনফ্রেম কম্পিউটার আকৃতিতে বড় কিন্তু সুপার কম্পিউটারের চেয়ে ছোট।
- মেইনফ্রেম কম্পিউটার হচ্ছে এমন একটি কম্পিউটার যার সঙ্গে অনেক ছোট ছোট কম্পিউটার যুক্ত করে একসঙ্গে অনেক ব্যবহারকারী কাজ করতে পারে।

• মাইক্রোকম্পিউটার (Micro Computer):
- ডিজিটাল কম্পিউটারের মধ্যে সবচেয়ে আকারে ছোট এবং সস্তা কম্পিউটার হচ্ছে মাইক্রোকম্পিউটার।
- ক্ষুদ্রাকৃতির মাইক্রোপ্রসেসর চিপ দিয়ে যে সকল কম্পিউটার গঠিত হয় সেসব কম্পিউটারকে বলা হয় মাইক্রোকম্পিউটার।

• মিনি কম্পিউটার (Mini Computer):
- সাধারণত মেইনফ্রেম কম্পিউটারের চেয়ে ছোট আকারের কিন্তু মাইক্রোকম্পিউটারের চেয়ে কিছুটা বড় আকারের কম্পিউটারকে বলা হয় মিনি কম্পিউটার।
- এ ধরনের কম্পিউটারের গতি, মেমোরি এবং কাজ করার ক্ষমতা মাইক্রোকম্পিউটারের তুলনায় অনেক বেশি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৮৬.
নিচের দেশগুলোর মধ্যে কোনটি প্রথম পেটাফ্লপ সুপারকম্পিউটার তৈরি করেছে?
  1. China
  2. Japan
  3. India
  4. USA
ব্যাখ্যা
• বিশ্বের প্রথম পেটাফ্লপ সুপারকম্পিউটার তৈরি করেছে USA. ২০০৮ সালে আমেরিকার লস আলামোস ন্যাশনাল ল্যাবরেটরিতে তৈরি করা “Roadrunner” নামক সুপারকম্পিউটারটি প্রথম পেটাফ্লপ সক্ষমতা অর্জন করে। পেটাফ্লপ মানে হলো প্রতি সেকেন্ডে এক কোয়াড্রিলিয়ন (১০১৫) গাণিতিক অপারেশন সম্পাদন করার ক্ষমতা। এটি সুপারকম্পিউটিংয়ের ইতিহাসে একটি বড় মাইলফলক ছিল।
- অন্যদিকে, চীন ও জাপানও সুপারকম্পিউটারের ক্ষেত্রে অনেক উন্নতি করেছে, কিন্তু প্রথম পেটাফ্লপ সুপারকম্পিউটার তৈরি করার গৌরব পেয়েছে USA।
- তাই সঠিক উত্তর হলো: ঘ) USA.


• সুপার কম্পিউটার:
- সুপার কম্পিউটার হচ্ছে সবচেয়ে শক্তিশালী, ব্যয়বহুল ও দ্রুতগতিসম্পন্ন কম্পিউটার।
- সুপার কম্পিউটার একসাথে একাধিক ব্যবহারকারী ব্যবহার করতে পারে।
- এ ধরনের কম্পিউটারে বিপুল পরিমাণ উপাত্ত সংরক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত মেমোরি এবং বিপুল পরিমাণ প্রক্রিয়াকরণ কাজের ক্ষমতা থাকে।
- এ ধরনের কম্পিউটারগুলোতে কয়েকটি প্রসেসর একই সঙ্গে কাজ করে এবং প্রতি সেকেন্ডে কোটি কোটি বৈজ্ঞানিক, গাণিতিক ও প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদন করে।
- সূক্ষ্ম বৈজ্ঞানিক গবেষণা, বিপুল পরিমাণ তথ্য বিশ্লেষণ, নভোযান, ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ন্ত্রণ, মহাকাশ গবেষণা, বিভিন্ন ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র ডিজাইন, সিমুলেশন, পারমাণবিক চুল্লির নিয়ন্ত্রণ, পরিচালনা ইত্যাদি কাজে সুপার কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়।

• সুপার কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্যসমূহ:
১. বিশাল সংখ্যার প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট।
২. RAM টাইপ মেমরি ইউনিটের একটি বিশাল সংগ্রহ।
৩. নোডের মধ্যে উচ্চ গতির আন্তঃসংযোগ।
৪. উচ্চ ইনপুট/আউটপুট সিস্টেমের গতি।
৫. কাস্টম সফ্টওয়্যার ব্যবহার।
৬. কার্যকর তাপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাপনা।
৭. এটি বিপুল পরিমাণ গণনা পরিচালনা করতে সক্ষম যা মানুষের ক্ষমতার বাইরে।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
৩৮৭.
প্রথম পূর্ণাঙ্গ ইলেকট্রনিক কম্পিউটারের নাম কী?
  1. এনিয়াক-১
  2. ইউনিভ্যাক-১
  3. এডস্যাক
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
- প্রথম পূর্ণাঙ্গ ইলেকট্রনিক কম্পিউটার এনিয়াক-১।
- বাণিজ্যিক ভিত্তিতে তৈরি প্রথম ইলেকট্রনিক কম্পিউটার ইউনিভ্যাক-১।
- প্রথম সংরক্ষিত প্রোগ্রাম বিশিষ্ট ইলেকট্রনিক কম্পিউটার- এডস্যাক।

সূত্র:- কম্পিউটার শিক্ষা : এসএসসি প্রোগ্রাম – উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা।
৩৮৮.
মাইক্রোপ্রসেসর ভিত্তিক প্রথম কম্পিউটার-
  1. ক) Altair-4400
  2. খ) Intel-4004
  3. গ) Altair-8800
  4. ঘ) Intel-8080
ব্যাখ্যা

- ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট প্রযুক্তির উত্তরোত্তর উন্নতির সঙ্গে কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশ বা প্রসেসরের সকল উপাদানকে একটি মাত্র সিলিকন চিপের মধ্যে একীভূত করা সম্ভব হয়।
- এই চিপকে মাইক্রোপ্রসেসর বলা হয়।
- যুক্তরাষ্ট্রের ইন্টেল কর্পোরেশন ড. টেড হফের তত্ত্বাবধানে ১৯৭১ সালে প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর তৈরি করে।
- প্রথম উদ্ভাবিত মাইক্রোপ্রসেসরের নাম নাম ইনটেল-৪০০৪।
- মাইক্রোপ্রসেসর ভিত্তিক প্রথম কম্পিউটার Altair-8800।

৩৮৯.
পৃথিবীর প্রথম ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার-
  1. ক) ABC
  2. খ) ENIAC
  3. গ) Mark-1
  4. ঘ) IBM 650
ব্যাখ্যা
যান্ত্রিক ও ইলেকট্রনিক উভয় পদ্ধতির সমন্বয়ে গঠিত কম্পিউটারকে ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার বলা হয়।
- ১৯৩৭ সালে আমেরিকার হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিতের অধ্যাপক ড. হাওয়ার্ড এইচ আইকেন (Dr. Howard Aciken) ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল টেকনিক ব্যবহার করে একটি যন্ত্র তৈরি করার পরিকল্পনা করেন, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করতে পারে।
- ১৯৪৪ সালে হাওয়ার্ড মার্ক-১ (Mark-I) নামের পৃথিবীর প্রথম ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার তৈরি করেন।
- মার্ক-১ ছিল হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও আইবিএম কোম্পানির যৌথ উদ্যোগের একটি ফসল।
[উৎসঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)]
৩৯০.
অ্যানালগ ও ডিজিটাল উভয় কম্পিউটারের নীতির সমন্বয়ে গঠিত হয়-
  1. হাইব্রিড কম্পিউটার
  2. মাইক্রো কম্পিউটার
  3. সুপার কম্পিউটার
  4. পামটপ কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
• হাইব্রিড কম্পিউটার:
- অ্যানালগ ও ডিজিটাল উভয় কম্পিউটারের নীতির সমন্বয়ে যে কম্পিউটার গঠিত তাকে হাইব্রিড কম্পিউটার বলা হয়।
- হাইব্রিড কম্পিউটার অত্যন্ত দামি হওয়ায় কেবলমাত্র বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে এটি ব্যবহৃত হয়। উল্লেখযোগ্য কয়েকটি ক্ষেত্র হলো-
• মিসাইল,
• বৈজ্ঞানিক গবেষণা,
• নভোযান,
• রাসায়নিক দ্রব্যের গুণাগুণ নির্ণয়,
• পরমাণুর গঠন-প্রকৃতি নির্ণয়,
• পরীক্ষাগারে ঔষধের মান নির্ণয় ইত্যাদিতে ।
- বর্তমানে হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ার, শরীরের তাপমাত্রা, রোগীর রক্তচাপ, হৃৎযন্ত্রের ক্রিয়া ইত্যাদি ক্ষেত্রে এ ধরনের কম্পিউটার ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৯১.
ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ন্ত্রণে কোন ধরনের কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়? 
  1. ক) মাইক্রো কম্পিউটার
  2. খ) মিনি কম্পিউটার
  3. গ) সুপার কম্পিউটার
  4. ঘ) হাইব্রিড কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
হাইব্রিড কম্পিউটার ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত হয়। 

হাইব্রিড কম্পিউটার হল এমন কম্পিউটার যা এনালগ এবং ডিজিটাল কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্য প্রদর্শন করে। এর ডিজিটাল উপাদানটি সাধারণত নিয়ন্ত্রণকারী হিসাবে কাজ করে এবং যৌক্তিক ও সংখ্যাসূচক ক্রিয়াকলাপের ফলাফল প্রদান করে। 

হাইব্রিড কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্যসমূহ- 
১. অ্যানালগ ও ডিজিটাল প্রযুক্তির সমন্বয়ে মিশ্র প্রযুক্তিতে তৈরি।
২. ইনপুট অ্যানালগ প্রকৃতির এবং আউটপুট ডিজিটাল পদ্ধতির।
৩. বিশেষ বিশেষ কাজে ব্যবহার করা হয়।
৪. গঠন জটিল প্রকৃতির।
৫. তুলনামূলকভাবে দাম বেশি।

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল) 
৩৯২.
কোন ধরনের গণনার জন্য হাইব্রিড কম্পিউটার সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়?
  1. গ্রাফিক ডিজাইন
  2. শুধু সহজ গাণিতিক হিসাব
  3. শুধু পাঠ্যভিত্তিক গণনা
  4. রিয়েল-টাইম বৈজ্ঞানিক ও প্রকৌশল গণনা
ব্যাখ্যা

• হাইব্রিড কম্পিউটার হল এমন একটি কম্পিউটার যা অ্যানালগ এবং ডিজিটাল উভয় প্রযুক্তির সুবিধা একসাথে ব্যবহার করে। এটি অ্যানালগ কম্পিউটারের দ্রুততা এবং ডিজিটাল কম্পিউটারের সঠিকতা একত্রিত করে। তাই হাইব্রিড কম্পিউটার সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় এমন গণনার ক্ষেত্রে যেখানে দ্রুত রিয়েল-টাইম প্রসেসিং এবং জটিল বৈজ্ঞানিক বা প্রকৌশল সমস্যার সমাধান একসাথে প্রয়োজন। উদাহরণস্বরূপ, আবহাওয়া পূর্বাভাস, সামরিক রাডার সিস্টেম, শিল্প প্রক্রিয়ার নিয়ন্ত্রণ ইত্যাদি ক্ষেত্রে হাইব্রিড কম্পিউটার খুব কার্যকর। এটি শুধু সহজ গাণিতিক হিসাব বা পাঠ্যভিত্তিক গণনার জন্য নয়, বরং উচ্চগতির ও জটিল গণনার জন্য বিশেষভাবে ব্যবহৃত হয়। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো: ঘ) রিয়েল-টাইম বৈজ্ঞানিক ও প্রকৌশল গণনা।
 
• হাইব্রিড কম্পিউটার (Hybrid Computer):
- হাইব্রিড কম্পিউটার এমন একটি সিস্টেম যা অ্যানালগ কম্পিউটার (যেমন সিগন্যাল প্রসেসিং, অবিচ্ছিন্ন ডেটা প্রক্রিয়াকরণ) এবং ডিজিটাল কম্পিউটার (যেমন লজিক্যাল অপারেশন, ডেটা স্টোরেজ)-এর সক্ষমতাকে একত্রিত করে। এটি বিশেষভাবে বৈজ্ঞানিক গবেষণা, ইঞ্জিনিয়ারিং সিমুলেশন এবং রিয়েল-টাইম কন্ট্রোল সিস্টেমে ব্যবহৃত হয়।
- একে সংকর কম্পিউটারও বলা হয়।
- হাইব্রিড কম্পিউটারে সাধারণত উপাত্ত সংগৃহীত হয় অ্যানালগ প্রক্রিয়ায় এবং সংগৃহীত উপাত্ত সংখ্যায় রূপান্তরিত করে ডিজিটাল অংশে প্রেরণ করা হয়।
- ডিজিটাল অংশ প্রাপ্ত উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণের পর ফলাফল প্রদান করে।
- হাইব্রিড কম্পিউটার অত্যন্ত দামি। তাই কেবলমাত্র বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে এটি ব্যবহৃত হয়; যেমন- মিসাইল, সমরাস্ত্র, বৈজ্ঞানিক গবেষণা, নভোযান, রাসায়নিক দ্রব্যের গুণাগুণ নির্ণয়, পরমাণুর গঠন-প্রকৃতি নির্ণয়, পরীক্ষাগারে ঔষধের মান নির্ণয় ইত্যাদিতে ব্যবহৃত হয়।
- এছাড়া হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ার, শরীরের তাপমাত্রা, রোগীর রক্তচাপ, হৃত্যন্ত্রের ক্রিয়া ইত্যাদি ক্ষেত্রে এ ধরনের কম্পিউটার ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

• গাণিতিক ভিত্তিতে কম্পিউটারকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১। এনালগ কম্পিউটার (Analog Computer),
২। ডিজিটাল কম্পিউটার (Digital Computer),
৩। হাইব্রিড কম্পিউটার (Hybrid Computer)।

উৎস: কম্পিউটার পরিচিতি ও ব্যবহার, স্কুল অব এগ্রিকালচার এন্ড রুরাল ডেভেলপমেন্ট, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৯৩.
বাংলাদেশে প্রথম ইন্টারনেট ভিত্তিক নিউজ এজেন্সি-
  1. ক) বিডি-২৪ নিউজ
  2. খ) বিডি এজেন্সি
  3. গ) ক্যাম্পাস নিউজ
  4. ঘ) বিডি নিউজ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রথম ইন্টারনেট ভিত্তিক নিউজ এজেন্সি বিডিনিউজ।
৩৯৪.
মাইক্রো কম্পিউটারের আদর্শ রুম তাপমাত্রা কত?
  1. ৩০ থেকে ৫০ ডিগ্রী ফারেনহাইট
  2. ৬০ থেকে ৯০ ডিগ্রী ফারেনহাইট
  3. ১০০ থেকে ১৫০ ডিগ্রী ফারেনহাইট
  4. ২০ থেকে ৫০ ডিগ্রী ফারেনহাইট
ব্যাখ্যা
• মাইক্রো কম্পিউটার:
- মাইক্রো এর সাধারণ অর্থ ক্ষুদ্র।
- ক্ষুদ্রাকৃতির মাইক্রোপ্রসেসর চিপ দিয়ে যে কম্পিউটার গঠিত হয় তাকে মাইক্রো কম্পিউটার বলে।
- মাইক্রো কম্পিউটারকে পার্সোনাল কম্পিউটার বা সংক্ষেপে PC বলা হয়।
- মানুষের ব্যবহারিক সুবিধার প্রতি লক্ষ রেখে বিভিন্ন রকমের মাইক্রো কম্পিউটার বাজারে এসেছে। যেমন -
১. পামটপ কম্পিউটার,
২. ল্যাপটপ কম্পিউটার,
৩. নোটবুক কম্পিউটার,
৪. ডেস্কটপ কম্পিউটার।
- Tablet PC, Phablet, Smartphone ইত্যাদি ও মাইক্রোকম্পিউটারের অন্তর্ভুক্ত।
- ১৯৮১ সালে IBM কোম্পানি ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে প্রথম মাইক্রোকম্পিউটার তৈরি করে।
- অতিমাত্রায় তাপমাত্রা ওঠানামা করলে মাইক্রোকম্পিউটারের কিছু সিস্টেম নষ্ট হয়ে যায়। তাই কম্পিউটার সূর্যালোক, উত্তপ্ত বা খুব বেশি ঠান্ডা স্থানে রাখা বিপদজনক।
- সক্রিয় একটি মাইক্রোকম্পিউটারের জন্য আদর্শ রুম টেম্পারেচার ৬০ থেকে ৯০ ডিগ্রী ফারেনহাইট, এবং বন্ধ থাকা অবস্থায় ৫০ থেকে ১১০ ডিগ্রী ফারেনহাইট।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৯৫.
সুপার কম্পিউটার ‘সামিট’ তৈরি করে নিচের কোন দেশ?
  1. ক) চীন
  2. খ) যুক্তরাষ্ট্র
  3. গ) জাপান
  4. ঘ) ভারত
ব্যাখ্যা
• সামিট: যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি দপ্তরের ওক রিজ ন্যাশনাল ল্যাবরেটরি  তৈরি  করেছে সামিট।
• চীনের সানওয়ে তাইহুয়ালাইট: ২০১৭ সালে বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুতগতির ও শক্তিশালী গণনাকারী কম্পিউটার যন্ত্র হিসেবে টপ ৫০০ তালিকায় শীর্ষে ছিল।
• পরম সুপার কম্পিউটার তৈরি করেছে ভারত।

উৎস: দৈনিক প্রথম আলো।
৩৯৬.
Measuring পদ্ধতিতে কাজ করে-
  1. ক) ডিজিটাল কম্পিউটার
  2. খ) এনালগ কম্পিউটার
  3. গ) মাইক্রোকম্পিউটার
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
এনালগ কম্পিউটার কাজ করে পরিমাপন (Measuring) পদ্ধতিতে। যেমন- বিদ্যুতের তারের ভােল্টেজের ওঠা-নামা, কোন পাইপের ভেতরের বাতাস বা তরল পদার্থের চাপ কম-বেশি হওয়া, বাতাসের প্রবাহ ও চাপ পরিবর্তিত হওয়া ইত্যাদি পরিমাপনের ভিত্তিতে এনালগ কম্পিউটার কাজ করে।
উৎসঃ কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশন, নবম-দশম শ্রেণি (ভোকেশনাল)
৩৯৭.
নিচের কোনটি মাইক্রোকম্পিউটারের উদাহরণ নয়?
  1. ল্যাপটপ
  2. স্মার্টফোন
  3. নোটবুক
  4. সামিট
ব্যাখ্যা
• মাইক্রোকম্পিউটার:
- মাইক্রো এর সাধারণ অর্থ হচ্ছে ক্ষুদ্র।
- ক্ষুদ্রাকৃতির মাইক্রোপ্রসেসর চিপ দিয়ে যে সকল কম্পিউটার গঠিত হয় সেসব কম্পিউটারকে বলা হয় মাইক্রোকম্পিউটার।
- এ ধরনের কম্পিউটার সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর, প্রধান মেমরি, সহায়ক মেমরি এবং ইনপুট আউটপুট যন্ত্রপাতি নিয়ে গঠিত। - একজন ব্যবহারকারী একাই একটি মাইক্রোকম্পিউটার ব্যবহার করতে পারেন বলে এ ধরনের কম্পিউটারকে ব্যক্তিগত বা পার্সোনাল কম্পিউটারও বলা হয়।

• মানুষের ব্যবহারিক সুবিধার প্রতি লক্ষ রেখে বিভিন্ন আকৃতির মাইক্রোকম্পিউটার বাজারে এসেছে। যেমন-
১. পামটপ কম্পিউটার 
২. ল্যাপটপ কম্পিউটার
৩. নোটবুক কম্পিউটার 
৪. ডেস্কটপ কম্পিউটার 
- এছাড়াও ট্যাবলেট পিসি, ফ্যাবলেট, স্মার্টফোন ইত্যাদিও মাইক্রোকম্পিউটারের অন্তর্ভুক্ত।

• যুক্তরাষ্ট্র নির্মিত সামিট একটি সুপার কম্পিউটার। 

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।