• 'শ্রীকান্ত' উপন্যাস:
- 'শ্রীকান্ত' শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি আত্মজীবনীমূলক উপন্যাস। তিনি এই উপন্যাসটি মোট চার খণ্ডে সমাপ্ত করেন। চারটি খণ্ড একসাথে লেখেন নি। যথাক্রমে ১৯১৭, ১৯১৮, ১৯২৭ এবং ১৯৩৩ সালে চারটি খণ্ড লেখা শেষ করেন।
- প্রথম খণ্ড মাসিক 'ভারতবর্ষে' (১৯১৬-১৭) 'শ্রীকান্তের ভ্রমণ কাহিনি নামে প্রকাশ পায়। লেখকের নাম মুদ্রিত হয় 'শ্রীশ্রীকান্ত শর্মা'। ২য় ও ৩য় খণ্ডও মাসিক 'ভারতবর্ষে' প্রকাশিত হয়। তবে ৪র্থ খণ্ড প্রকাশিত হয় 'বিচিত্র' পত্রিকায়।
- উপন্যাসের উল্লেখযোগ্য চরিত্র: শ্রীকান্ত, ইন্দ্রনাথ, রাজলক্ষ্মী।
অন্যদিকে,
• বৈকুণ্ঠের উইল:
- 'বৈকুণ্ঠের উইল' শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি লোকপ্রিয় উপন্যাস।
- ১৯১৬ সালে এটি প্রকাশিত হয়।
- ১৯৮৫ সালে এটি চলচ্চিত্রায়িত হয়, যাতে অভিনয় করেছিলেন সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়, সন্ধ্যারাণী, সত্য ব্যানার্জি প্রমুখ।
- এ উপন্যাসের প্রধান চরিত্রগুলো হলো- গোকুল ও বিনোদ।
• "চরিত্রহীন" উপন্যাস:
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত 'চরিত্রহীন' উপন্যাসটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯১৭ সালে । প্রথা বহির্ভূত প্রেম ও নারীপুরুষের সম্পর্ক নিয়ে এটি রচিত। উপন্যাসের নামকরণ তাই চরিত্রহীন ৷ গল্পটিতে চারটি
নারী চরিত্র রয়েছে।
- প্রধান দুটি নারী চরিত্রের নাম সাবিত্রী ও কিরণময়ী ৷ ছোট দুটি নারী চরিত্রের নাম সুরবালা ও সরোজিনী ৷ সাবেক দুই চরিত্রহে (চরিত্রহীন) হওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এটি সবচেয়ে আকর্ষণীয় যে
উপন্যাসের চারটি চরিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন।
• 'দেবদাস' উপন্যাস:
'দেবদাস' (১৯১৭) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত উপন্যাস।
“ভারতবর্ষ। পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয় । সামাজিক প্রতিবন্ধকতায় দেবদাস তার বাল্যপ্রণয়ী পার্বতীকে বিয়ে করতে ব্যর্থ হয়। সেই ব্যর্থতায় নিজেকে তিলে তিলে ক্ষয় করার বেদনাময় কাহিনি। এই
উপন্যাস সমস্ত ভারতবর্ষে জনপ্রিয় হয়। দেবদাস ও পার্বতী আধুনিক ভারতীয় জীবনে ব্যর্থ প্রেমিক-প্রেমিকার রূপকে পরিণত করেছে।
উপন্যাসের উল্লেখযোগ্য চরিত্র: দেবদাস, পার্বতী (পারু), চন্দ্রমুখী, চুনিলাল, ধর্মদাস। চলচ্চিত্রে পার্বতী
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।